বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৪১ / ৫১ · ৪,০০১৪,১০০ / ৫,০২৮

৪,০০১.
লিখিত তথ্যের বাইরে ছবি, অডিও ও ভিডিও জাতীয় তথ্যকে বলে -
  1. ক) Link
  2. খ) Hyperlink
  3. গ) Hypermedia
  4. ঘ) Hypertext
ব্যাখ্যা
ওয়েব ডিজাইন
- এক কম্পিউটারকে অন্য কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধ হয় এবং ধাপে ধাপে ইন্টারনেট ব্যবস্থা তৈরি হয়।
- সেইসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট বা ফাইল এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তরের চাহিদা তৈরি হয়।
- এই চাহিদা থেকেই টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www world wide web) বা সংক্ষেপে ওয়েব তৈরি করেন।
- তিনি তখন সুইজারল্যান্ডের CERN নামক একটি গবেষণাগারে কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৮৯ সালে তিনি এমন একটি ওয়েবের ধারণা প্রস্তাব করেন যার মাধ্যমে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)' ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বিভিন্ন ডকুমেন্ট পাঠানো যাবে।
- তিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে পাঠানো লিখিত তথ্যের নাম দেন হাইপারটেক্সট (Hypertext)।
- এই হাইপারটেক্সটগুলো খুঁজে পাওয়া যাবে বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ঠিকানায় যার নাম হবে হাইপারলিঙ্ক (Hyperlink)।
- লিখিত তথ্যের বাইরে ছবি, অডিও ও ভিডিও জাতীয় তথ্যকে বলা হবে হাইপারমিডিয়া (Hypermedia)
- টিম চিন্তা করেন, এমন একটি উপায় করতে হবে যেন লিঙ্কগুলো মাউস দিয়ে ক্লিক করেই ব্যবহারকারীরা সেই হাইপারলিঙ্ক থেকে হাইপারটেক্সট পেতে পারেন।
- 1990 সালে তিনি তার সহকর্মীদের সহায়তায় তার ধারণাটিকে আরো সুগঠিত রূপ দিয়ে পুনরায় প্রস্তাব করেন।
- ওয়েবের এই তথ্যগুলো অন্য কম্পিউটারে দেখার জন্য তিনি একটি সফটওয়্যারও তৈরি করেন যা হচ্ছে একটি ওয়েব ব্রাউজার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪,০০২.
কোনটি সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক?
  1. LAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
Wide Area Network - WAN সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। 

• Wide Area Network - WAN
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

অন্যান্য অপশন:
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN):
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network - PAN):
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN):
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০০৩.
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) এর মাধ্যমে সৃষ্টি করা যায়-
  1. ক) সিটি এরিয়া নেটওয়ার্ক
  2. খ) লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. গ) মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
  4. ঘ) মোবাইল ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
Wireless Fidelity এর সংক্ষিপ্তরূপ Wi-Fi। এটি তারহীন স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN - Wireless Local Area Network) তৈরি করতে সক্ষম।
৪,০০৪.
ইন্টারনেট হল ____ ব্যবহার করে একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করার পদ্ধতি বিশেষ।
  1. ক) আইপি
  2. খ) টিসিপি
  3. গ) এসএমটিপি
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের দিকে ইন্টারনেট শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই সময় ইন্টারনেটের সংজ্ঞা নিরুপন করে বলা হয় - “ইন্টারনেট হল টিসিপি/আইপি ব্যবহার করে একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করার পদ্ধতি বিশেষ”।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,০০৫.
ওয়াইফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তির IEEE স্ট্যান্ডার্ড মান কত?
  1. 802.16
  2. 802.11
  3. 802.15
  4. 802.30
ব্যাখ্যা

• ওয়াইফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তির IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড মান।

• Wi Fi:

- WI-FI কে Wireless Fidelity শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে মনে করা হয়।
- Wi-Fi শব্দটি স্বত্বাধিকারী Wi-Fi Alliance নামীয় একটি সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি কম্পিউটারের লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের জন্য কোনো লাইসেন্স বা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। এবং যেকোনো মানের Wi-Fi ডিভাইস পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় কাজ করতে পারে।
- এটি সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এবং এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি।

৪,০০৬.
নিচের কোনটি ক্লাউড সার্ভিস নয়?
  1. ক) AWS
  2. খ) Microsoft Azure
  3. গ) Google Cloud
  4. ঘ) AliExpress
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় কিছু ক্লাউড সার্ভিস:
- Amazon Web Services (AWS)
- Microsoft Azure
- Google Cloud (GCP - former Google Cloud Platform)
- IBM Cloud-Blue cloud (former SoftLayer)
- Oracle Cloud
- Alibaba Cloud
- RedHat
- Heroku
_________________________
- AliExpress একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।
৪,০০৭.
কোন টুলস্‌ ব্যবহার করে হ্যাকাররা ইমেইল পোর্টে প্রবেশ করতে পারে?
  1. ক) Turnitin
  2. খ) Excel
  3. গ) Telnet
  4. ঘ) Azure
ব্যাখ্যা
টেলনেট (Telnet)
- টেলনেট টুলস্‌ ব্যবহার করে দূরবর্তী বা রিমোট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত হয়ে ডেটা পড়া যায়।
- হ্যাকাররা টেলনেটের মাধ্যমে কম্পিউটারের ইমেইল পোর্টে প্রবেশ করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে যায়।

- Microsoft Excel এক ধরনের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
- Turnitin সফটওয়্যার প্লেজিয়ারিজম সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- Microsoft Azure এক ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০০৮.
CDMA কোন পদ্ধতিতে ডাটা আদান প্রদান করে?
  1. Block Spectrum
  2. Wide Spectrum
  3. Spread Spectrum
  4. Broad Spectrum
ব্যাখ্যা
• সিডিএমএ এর বৈশিষ্ট্য:
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।
- বেতার তরঙ্গ ব্যান্ডকে কতগুলো কেরিয়ারে বিভক্ত করা হয় যা ১.২৫ মেগাহার্টজ প্রশস্ত।
- প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদা কোড দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
৪,০০৯.
অত্যাধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে রোগাক্রান্ত টিস্যুকে ধ্বংস করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. হোমোসার্জারি
  2. ক্রোমোসার্জারি
  3. বায়োসার্জারি
  4. ক্রায়োসার্জারি
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১০.
ইন্টারনেটের সাথে সম্পৃক্ত প্রটোকল নয় কোনটি?
  1. ক) SMTP
  2. খ) C++
  3. গ) POP3
  4. ঘ) IMAP
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট কমিউনিকেশন্সে ডেটা ট্রান্সমিট পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতিই প্রটোকল।
অর্থাৎ কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সুপরিকল্পিত রীতিনীতিই হলো প্রটোকল।
উল্লিখিত অপশন সমূহের মধ্যে C++ হলো উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
বাকি সবগুলো ইন্টারনেটে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের প্রটোকল।
৪,০১১.
'Google Workspace' প্রধানত কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. BaaS
ব্যাখ্যা
• 'Google Workspace' Software-as-a Service (SaaS) ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a Service (IaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2)।

২. Platform-as-a- Service (PaaS):
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন।

৩. Software-as-a Service (SaaS):
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ: Google Workspace.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মাইক্রোসফটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,০১২.
Google drive কী?
  1. ক) ম্যাপ
  2. খ) ক্লাউড সেবাদাতা
  3. গ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  4. ঘ) গাড়ি চালানোর AI
ব্যাখ্যা
Google Drive is a cloud storage service, and like any cloud storage service its main purpose is to expand your ability to store files beyond the limits of your hard drive.
৪,০১৩.
IANA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Association Numbers Authority
  2. Internet Association Numbers Authority
  3. Internet Assigned Names Authority
  4. Internet Assigned Numbers Authority
ব্যাখ্যা
- সারা বিশ্বে IP Adress প্রদান করে IANA.
- IANA-এর পূর্ণরূপ হলো Internet Assigned Numbers Authority
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- IP এর পূর্ণরূপ হলো 'Internet Protocol'.
- IP Adress এর ভার্সন দুইটি। যথা: IPv4 এবং IPv6.
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যাওয়ায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাটে লিখা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
৪,০১৪.
'স্নিকিং' এক ধরনের -
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. সাইবার অপরাধ
  4. ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে ''কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০''।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• হ্যাকিং
• স্প্যামিং
• সাইবার থেফ্ট
• সাইবার বুলি
• স্ফুফিং
• ফিশিং
• ভিশিং
স্নিকিং
• প্লেজিয়ারিজম

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০১৫.
Which of the following is a characteristic of asynchronous transmission?
  1. The transmission speed is very high
  2. Start and stop bits are not required
  3. Start and stop bits are required
  4. Data is transmitted in the form of packets or blocks
ব্যাখ্যা

অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
১। যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
২। প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
৩। এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
৪। ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
৫। ট্রান্সমিশনের গতি কম।
৬। এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
১। যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডাটা প্যাকেট বা ব্লক আকারে ট্রান্সমিট করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
২। প্রেরক স্টেশনে একটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয়।
৩। এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয়ে থাকে।
৪। ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক বেশি।
৫। ট্রান্সমিশনের গতি অনেক বেশি।
৬। স্টার্ট বিট এবং স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০১৬.
নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে প্রোটোকল পরিবর্তনের জন্য WAN-এ সাধারণত কোন ডিভাইস ব্যবহৃত হয়?
  1. রাউটার
  2. সুইচ
  3. ব্রিজ
  4. গেটওয়ে
ব্যাখ্যা
• WAN-এ নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে প্রোটোকল পরিবর্তনের জন্য সাধারণত গেটওয়ে (Gateway) ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। গেটওয়ে হলো এমন একটি ডিভাইস যা বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে এবং তাদের মধ্যে প্রোটোকল, ডাটা ফরম্যাট ও সিস্টেমের পার্থক্য সামঞ্জস্য করে। WAN-এ বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের জন্য প্রোটোকল ও ডাটা বিনিময়ের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে। গেটওয়ে সেই ভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে পরিবর্তন করে যাতে নেটওয়ার্কগুলো একে অপরের সাথে সফলভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। অন্যদিকে, রাউটার, সুইচ ও ব্রিজ সাধারণত একই প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক সংযোগের কাজ করে, তবে গেটওয়ে প্রোটোকল রূপান্তরের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই WAN-এ প্রোটোকল পরিবর্তনের জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
১। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
২। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৩। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
উদাহরণ:
ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১৭.
অডিও ও ভিডিও স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় করা হয়-
  1. ক) টেলি কনফারেন্সিং
  2. খ) অডিও কনফারেন্সিং
  3. গ) ভিডিও কনফারেন্সিং
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং। বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন- পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স এবং অনলি কনফারেন্স। টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০১৮.
নিম্নের কোনটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহারের উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ফাইল বা তথ্য বিনিময়
  2. হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ারিং
  3. বার্তা আদান-প্রদান
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: উপরের সবগুলো — কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্যের মধ্যে ফাইল/তথ্য বিনিময়, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ারিং এবং বার্তা আদান-প্রদান সবই অন্তর্ভুক্ত।

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ধারণা:
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হলো দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ ব্যবস্থা।
- কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে একাধিক কম্পিউটার একসাথে যুক্ত থাকলে তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে।
- বর্তমান বিশ্বে যোগাযোগ ব্যবস্থায় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা।
- বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজেদের কাজের সুবিধার্থে নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করে।
- একাধিক কম্পিউটার পরস্পর যুক্ত থাকায় একটি বিকল হলেও অন্যগুলো দিয়ে কাজ চালানো যায়।

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ব্যবহার/উদ্দেশ্য:
- ফাইল বা তথ্য বিনিময় (File or Information Sharing)।
- হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ারিং (Hardware Resource Sharing)।
- সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ারিং (Software Resource Sharing)।
- তথ্য সংরক্ষণ (Information Preservation)।
- তথ্য সুরক্ষা (Information Protection)।
- বার্তা বা মেসেজ আদান-প্রদান (Exchanging Message)।

• অন্যান্য অপশন:
- ফাইল বা তথ্য বিনিময় → নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তর।
- হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ারিং → প্রিন্টার, স্টোরেজ ইত্যাদি যৌথভাবে ব্যবহার।
- বার্তা আদান-প্রদান → ই-মেইল, মেসেজিং ইত্যাদির মাধ্যমে যোগাযোগ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গোবিন্দ চন্দ্র রায় এবং সামসুজ্জামান।

৪,০১৯.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Google Sheets
  2. Azure
  3. Adobe Photoshop
  4. Dropbox
ব্যাখ্যা
• Adobe Photoshop এক ধরণের গ্রাফিক ডিজাইন প্রোগ্রাম।

• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
- ২০০৬ সালে ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড এর মাধ্যমে সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্ধাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩. IBM Website.
৪,০২০.
নিম্নলিখিত কোনটি IaaS-এর একটি মূল বৈশিষ্ট্য?
  1. পূর্বে ইনস্টল করা সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন
  2. শুধুমাত্র স্টোরেজ সেবা
  3. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স
  4. ইমেইল হোস্টিং সেবা
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: গ) ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স।

IaaS (Infrastructure as a Service) হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেল যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন- সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক এবং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে। এটি ব্যবহারকারীদের শারীরিক হার্ডওয়্যার কেনা বা পরিচালনার প্রয়োজন দূর করে, ফলে খরচ কমে এবং নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়। উদাহরণস্বরূপ, Amazon Web Services (AWS) বা Microsoft Azure এমন প্ল্যাটফর্ম যারা IaaS সেবা প্রদান করে। এই মডেলে সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন আগে থেকে ইনস্টল করা থাকে না, বরং ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী সবকিছু কনফিগার করে। ফলে এটি সবচেয়ে নমনীয় ক্লাউড পরিষেবা মডেল হিসেবে বিবেচিত।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০২১.
WiMAX is primarily used for -
  1. Wired internet
  2. Wireless broadband internet
  3. Cable TV transmission
  4. Satellite communication
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Wireless broadband internet

WiMAX
- পূর্ণরূপ: Worldwide Interoperability for Microwave Access
- এটি একটি আধুনিক বেতার (wireless) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL বা তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- WiMAX ব্যবহার করে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়।
- ডেটা প্রেরণের জন্য এটি ফুল ডুপ্লেক্স (Full Duplex) মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।

প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা স্থানান্তরের গতি: ৮০ - ১০০০ Mbps,
- ব্যান্ডউইথ: ৩০ - ৭৫ Mbps,
- কভারেজ এরিয়া: ১০ - ৫০ কিলোমিটার। 

WiMAX-এর প্রধান উপাদান:
1. বেস স্টেশন (Base Station)
2. অ্যান্টেনা সংযুক্ত WiMAX রিসিভার (Antenna with WiMAX Receiver)

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 

৪,০২২.
বর্তমানে IBM এর CEO কে??
  1. ক) সুন্দর পিচাই
  2. খ) সত্য নাদেলা
  3. গ) এলন মাস্ক
  4. ঘ) অরবিন্দ কৃষ্ণা
ব্যাখ্যা

গুগলের বর্তমান সিইও সুন্দর পিচাই।
মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
Space X এবং Tesla এর সিইও এলন মাস্ক।
IBM এর বর্তমান সিইও অরবিন্দ কৃষ্ণা।

৪,০২৩.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি কী ছিল?
  1. CDMA
  2. TDMA
  3. FDMA
  4. EDGE
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো এফডিএমএ(Frequency Division Multiple Acces - FDMA)।
- সমসাময়িক কালের সাধারণ টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোনসমূহ আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
- সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
- কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এতে মাইক্রোপ্রসেসর এবং সেমি কন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- একই এলাকায় অন্য মোবাইল ট্রান্সমিটারের দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স নেই।
- উদাহরণ: এডভান্সড মোবাইল ফোন সিস্টেম (Advanced Mobile Phone System-AMPS), নর্ডিক মোবাইল টেলিফোন (Nordic Mobile Telephone), টোটাল একসেস কমিউনিকেশন সিস্টেম (Total Access Communication System-TACS) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০২৪.
EDGE কোন মোবাইল প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণ?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
ব্যাখ্যা

• EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) হলো GSM (Global System for Mobile Communications) প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। এটি মূলত 2.5G বা 2G-এর পরবর্তী ধাপে উন্নয়নের প্রতিনিধিত্ব করে। GSM প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে EDGE দ্রুতগতির ডেটা সেবা প্রদান করে, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল এবং মাল্টিমিডিয়া পরিষেবার জন্য সহায়ক। 

• EDGE:
- জিপিআরএস এর চাইতে উন্নত মোবাইল ফোন প্রযুক্তি হলো ইডিজিই।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM Evolution।

• ইডিজিই এর বৈশিষ্ট্য (Features of EDGE):
১. এটি স্ট্যান্ডার্ড GPRS এর চাইতে চারগুণ বেশি ট্রাফিক বহন করতে পারে।
২. থ্রিডি নেটওয়ার্কের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন এর চাহিদাগুলো EDGE পূরণ করেছে।
৩. ৯টি মডুলেশন ও কোডিং স্কিম ব্যবহার করে।
৪. বড় আকারের চিপ ভেন্ডরদের দ্বারা GSM এবং WCDMA/HSPA উভয়টির জন্যই বর্তমানে EDGE সমর্থন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০২৫.
এক্স-এর সদর দপ্তর অবস্থিত-
  1. সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া
  2. ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া
  3. মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া
  4. ভার্জিনিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
• টুইটার (এক্স):
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- বর্তমান মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস: টুইটারের ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা
৪,০২৬.
Blockchain ensures data security mainly through the use of—
  1. Passwords only
  2. Cryptography
  3. Firewalls
  4. Antivirus software
ব্যাখ্যা

• ব্লকচেইনে ডাটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় মূলত Cryptography ব্যবহারের মাধ্যমে।

Cryptography:
- Cryptography হলো ডাটা এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার একটি নিরাপদ পদ্ধতি।
- এর মাধ্যমে ডাটা এমনভাবে রূপান্তর করা হয়, যাতে অননুমোদিত কেউ সহজে তা পড়তে বা পরিবর্তন করতে না পারে।

• ব্লকচেইনে Cryptography-এর ভূমিকা:
- প্রতিটি ব্লক আগের ব্লকের সাথে cryptographic hash–এর মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
- কোনো ব্লকের ডাটা পরিবর্তন করলে তার hash পরিবর্তিত হয়, ফলে পুরো চেইনের সাথে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি হয়।
- এজন্য ব্লকচেইনে সংরক্ষিত ডাটা পরিবর্তন বা জাল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

• নিরাপত্তা ও অপরিবর্তনীয়তার সম্পর্ক:
- Cryptography ব্লকচেইনের Security এবং Immutability—এই দুইটি মূল বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে।
- নেটওয়ার্কের একাধিক নোড একই ডাটা যাচাই করায় নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Passwords সাধারণত একক সিস্টেমে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
- Firewalls নেটওয়ার্কে অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করে।
- Antivirus software ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত ও অপসারণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: World Economic Forum, IBM & Encyclopaedia Britannica [Link].

৪,০২৭.
একটি ই-মেইল সিস্টেমে কত ধরনের প্রাপক থাকে?
  1. ১ ধরনের
  2. ২ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
ই-মেইলে তিনটি প্রাপক ক্ষেত্র রয়েছে। যথা- To, CC এবং BCC.

• To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

• CC (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তাহলে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে। 

• BCC (Blind Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।  

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, computerhope.
৪,০২৮.
কোন আক্রমণের ফলে একটি ওয়েব সার্ভার গ্রাহকের বৈধ অনুরোধ পূরণ করতে ব্যর্থ হয়?
  1. Denial of Service
  2. Man-in-the-Middle
  3. Phishing
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• যে সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহকের বৈধ অনুরােধসমূহ কোন একটি web server সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয় সেটি Denial of Service নামে পরিচিত।

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

• Phishing:
- ফিশিং হলো এক ধরনের হ্যাকিং পদ্ধতি যেখানে একজন হ্যাকার একটি লোভনীয় অফার বা ইমেইলের মাধ্যেম একটি আসল ওয়েবসাইটের নকল করে বিভিন্ন তথ্য চুরি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,০২৯.
বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন কোনটি?
  1. ক) World Wide Web
  2. খ) Yahoo
  3. গ) Archie
  4. ঘ) Nexus
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন হলো Archie.
Archie ১৯৯০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর চালু করা হয়। 
কানাডা McGill University এর তিনজন তরুণ Alan Emtage, Bill Heelan and Peter Deutsch এই সার্চ ইন্জিন তৈরি করে। 
এই প্রথম সার্চ ইঞ্জিনের সাথে আমাদের পরিচিত ইন্টারেক্টিভ ইন্টারফেস ভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিনের কোন সম্পর্ক ছিল না। 
 
অপরদিকে,
টিম বার্নাস লি - সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে ওয়েব ব্রাউজার উদ্ভাবন করেন।
- তাঁর উদ্ভাবিত প্রথম ব্রাউজারের নাম - WorldWideWeb. এটি ১৯৯৪ সালে এই নামে চালু থাকে।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে WorldWideWeb এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় - Nexus.

Source: captechu.edu, Britannica, News report
৪,০৩০.
ব্লুটুথ একসাথে কতটি ডিভাইসকে সংযোগ করতে পারে?
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক-প্যান (PAN), 2.45 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে এবং এর ব্যাপ্তি ৩ থেকে ১০ মিটার হয়ে থাকে।
হাফ-ডুপ্লেক্স মােডে এর ডেটা ট্রান্সমিশন রেট প্রায় 1Mbps বা তারচেয়ে বেশি। এটি স্থাপন করা সহজ এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে। কনফিগারেশন করা যায়।
ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয় -এর আওতায় সর্বোচ্চ ৪ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে, এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস। হিসেবে কাজ করে। কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যাটারনেট গঠিত হতে পারে।
৪,০৩১.
কোনো প্রোগ্রামে করা ফাইলকে ই-মেইলে পাঠানোর কাজটি ই-মেইলের কোন অংশে সংঘটিত হয়?
  1. CC
  2. BCC
  3. Subject
  4. Attach
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল কম্পোজ উইন্ডোর বিভিন্ন অংশ:
To:
- এখানে যার কাছে ই-মেইল পাঠানো হবে তার ই-মেইল ঠিকানা লিখতে হয়।
- তবে একই মেইল একাধিক ঠিকানা পাঠাতে হলে প্রতিটি ঠিকানা কমা (,) দিয়ে আলাদা করে লিখতে হবে।

From:
- এখানে প্রেরকের ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসবে।
- তবে কনফিগারেশনের সময় যে ঠিকানাটি দেওয়া হবে সেটিই আসবে।

CC:
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- তাহলে গ্রাহক তার মেইলটি গ্রহণ করার পর এখানে প্রদর্শিত ঠিকানাসমূহ দেখে জানতে পারবে একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।
 
BCC:
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- CC এর মতো প্রাপকের নিকট এখানে ঠিকানাসমূহ প্রদর্শিত হবে না ফলে প্রাপক জানতে পারবে না একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।

Subject:
- Subject হলো ই-মেইলের বিষয়।
- গ্রাহক যাতে সহজেই বুঝতে পারে সেজন্য ই-মেইলের সাথে সম্পর্কিত কোনো বিষয় এখানে লেখা হয়।

Attach:
- সাধারণভাবে ই-মেইল করে নরমাল টেক্সট পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের এটাচ কমান্ড ব্যবহার করে অন্য কোনো প্রোগ্রামে করা ফাইলকে ই-মেইলের সাথে অ্যাটাচ করে পাঠানো যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৩২.
F-Commerce কী?
  1. ক) Female Commerce
  2. খ) Future Commerce
  3. গ) Facebook Commerce
  4. ঘ) Functional Commerce
ব্যাখ্যা
F-Commerce (Facebook Commerce)
- Facebook Commerce এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে F-Commerce।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক প্রোফাইল বা পেইজের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি এবং ব্যবসায়িক লেনদেন সম্পন্ন করার নাম হচ্ছে এফ-কমার্স।
- এটি ব্যক্তিগত পর্যায়ে বা গ্রুপেও সম্পাদন করা যায়।
- এফ-কমার্সের অধিকাংশই নারী উদ্যোক্তা।
৪,০৩৩.
মডেম-এর মধ্যে যা থাকে তা হলো-
  1. একটি মডুলেটর
  2. একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর
  3. একটি কোডেক
  4. একটি এনকোডার
ব্যাখ্যা
• মডেম:
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC - Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (ADC - Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে।
- তথ্য গ্রহণ এবং প্রদানকারী উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত করতে হয়।
- টেলিফোন লাইনের তারটি সংযুক্ত করতে হয় মডেমের সাহায্যে এবং মডেমের তারটি সংযুক্ত করতে হয় কম্পিউটারের সাথে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪,০৩৪.
স্মার্টফোনে NFC ব্যবহার করে কী করা যায়?
  1. দীর্ঘ-দূরত্ব ডেটা ট্রান্সফার
  2. কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট
  3. স্যাটেলাইট কল
  4. লং-রেঞ্জ ওয়াই-ফাই
ব্যাখ্যা

NFC (Near Field Communication) হলো একটি শর্ট-রেঞ্জ ওয়্যারলেস প্রযুক্তি (সাধারণত 4 সেমি-এর কম দূরত্বে কাজ করে)। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন বা ডিভাইসের মধ্যে খুব কাছাকাছি অবস্থায় কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট (Google Pay, Apple Pay ইত্যাদি) করা যায়। 

NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,০৩৫.
কোনো ইমেইল পাঠাতে হলে কোনটি অবশ্যই লিখতে হয়?
  1. প্রাপকের ইমেইল ঠিকানা
  2. তারিখ
  3. সময়
  4. বিষয়
ব্যাখ্যা
কোনো ই-মেইল পাঠাতে হলে অবশ্যই প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা লিখতে হয়।
যদি ঠিকানা না লিখা হয় তাহলে ই-মেইল যাবে না।
৪,০৩৬.
কোন ইমেইল ক্লায়েন্টটি বিনামূল্যে সেবা প্রদান করে থাকে?
  1. জিম্ব্রা (Zimbra)
  2. ইঙ্কি (Inky)
  3. পোস্টবক্স (Postbox)
  4. সিলফিড (Sylpheed)
ব্যাখ্যা


উৎস: মাধ্যমিক তথ্যপ্রযুক্তি বই (ভোকেশনাল)।
৪,০৩৭.
গঠন বৈচিত্র্য এর উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) তিন
  2. খ) দুই
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ 
ব্যাখ্যা

গঠন বৈচিত্র্য এর উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
Static Website এবং Dynamic Website.

Static Website:
যে সকল ওয়েবসাইটের ডেটার মান ওয়েবপেইজ লােডিং বা চালু করার পর পরিবর্তন করা যায় না, তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে।
বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
- কনটেন্ট নির্দিষ্ট থাকে।
- ওয়েবসাইট আপডেট করবার সুযোগ থাকে না। 
- খুব দ্রুত লােড হয়।
- কোনাে রকম ডেটাবেজের সাথে সংযােগ থাকে না।

Dynamic Website: 
যে সকল ওয়েবসাইটের ডেটার মান ওয়েবপেইজ লােডিং বা চালু করার পর পরিবর্তন করা যায় তাকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে। 
বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
- তথ্য আপডেট করা যায়। 
- ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়েবপেজ থাকে।
- কনটেন্ট পরিবর্তন হতে পারে।
- ডেটাবেজ ব্যবহৃত হয় ফলে কুয়েরি করে তথ্য বের করার সুযােগ থাকে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৪,০৩৮.
ই-লার্নিং বলতে কী বোঝায়?
  1. ইলেকট্রনিক লার্নিং
  2. ই-মেইল লার্নিং
  3. ইঞ্জিন লার্নিং
  4. ই-বুক লার্নিং
ব্যাখ্যা
• ই-লার্নিং:
- ই-লার্নিং বলতে বোঝায় Electronic Learning. 
- ই-লার্নিং (E-Learning) হলো একটি ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারনেট, কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, মাল্টিমিডিয়া, এবং বিভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইন বা অফলাইনে পাঠদান করা হয়। 

• ই-লার্নিং-এর বৈশিষ্ট্য:
- ডিজিটাল মাধ্যমে শিখন ও পঠন (ভিডিও, অ্যানিমেশন, স্লাইড, পিডিএফ)। 
- যেকোনো সময়ে ও যেকোনো স্থান থেকে শিক্ষা গ্রহণের সুবিধা। 
- পরস্পরনির্ভর কন্টেন্ট ও মূল্যায়ন পদ্ধতি। 
- অনলাইন কোর্স, ওয়েবিনার, ভার্চুয়াল ক্লাস ইত্যাদি। 
- ই-লার্নিংয়ে টেক্সট, ছবি, অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন, এবং গেম ব্যবহার করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতাকে আকর্ষণীয় এবং কার্যকর করে তোলে।
- শিক্ষার্থীরা অনলাইন গ্রুপ, চ্যাটরুম ব্যবহার করে একে অপরের সঙ্গে শিখন অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৩৯.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং- এর প্রোভাইডার নয়?
  1. MS Excel
  2. Azure
  3. GCP
  4. AWS
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আ্যমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS), 
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS), 
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)। 

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড, 
২. প্রাইভেট ক্লাউড, 
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড। 

কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার হচ্ছে:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP),
- IBM Cloud,
- Oracle Cloud, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- MS Excel হচ্ছে স্প্রেডশীট সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৪০.
Which network connects personal devices within a very short range around an individual?
  1. Local Area Network
  2. Wide Area Network
  3. Metropolitan Area Network
  4. Personal Area Network
ব্যাখ্যা

• Personal Area Network (PAN) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা একজন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে স্বল্প দূরত্বে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ (ভৌগোলিক বিস্তৃতির ভিত্তিতে):
- ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এর মধ্যে প্রধান চারটি হলো: Personal Area Network (PAN), Local Area Network (LAN), Metropolitan Area Network (MAN), Wide Area Network (WAN)।

• Personal Area Network (PAN):
- PAN এর পূর্ণরূপ Personal Area Network।
- এটি কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
- PAN-এ যুক্ত ডিভাইসগুলো সাধারণত একজন ব্যক্তির ব্যবহৃত ডিভাইস হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- PAN USB Bus, FireWire Bus ইত্যাদির মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারে।
- PAN-এ ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: Laptop, PDA, Mobile phone, Printer ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন:
- Local Area Network (LAN) → সীমিত ভৌগোলিক এলাকায় (যেমন অফিস, স্কুল, একই ভবন) কেবল বা নেটওয়ার্ক ডিভাইসের মাধ্যমে সংযুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- Metropolitan Area Network (MAN) → একটি শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে গঠিত নেটওয়ার্ক।
- Wide Area Network (WAN) → বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকায় (দেশ বা বিশ্বব্যাপী) বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যেখানে একাধিক LAN ও MAN সংযুক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৪১.
কোন প্রোটোকল HTTPS-এর জন্য এনক্রিপশন প্রদান করে?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. FTP
  4. SSL/TLS 
ব্যাখ্যা

• HTTPS-এ এনক্রিপশন প্রদান করে SSL/TLS প্রোটোকল। SSL (Secure Sockets Layer) এবং TLS (Transport Layer Security) হলো নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকল। যখন কোনো ব্রাউজার HTTPS-এর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটে সংযোগ স্থাপন করে, তখন SSL/TLS ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে তৃতীয় পক্ষ তথ্য পড়তে বা পরিবর্তন করতে না পারে। এটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য, ইমেইল, ইত্যাদি নিরাপদ রাখে। অন্য প্রোটোকল যেমন SMTP, HTTP বা FTP নিজে থেকে ডেটা এনক্রিপশন প্রদান করে না, তাই HTTPS-এর নিরাপত্তার জন্য SSL/TLS অপরিহার্য।

- উত্তর: ঘ) SSL/TLS.

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪,০৪২.
বাংলাদেশে প্রথম এটিএম কার্ড চালু করে-
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  2. আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রথম এটিএম কার্ড চালু করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ১৯৯৯৩ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু হয় ডাচ বাংলা ব্যাংক লিঃ ২০১০ সালে।
৪,০৪৩.
TensorFlow মূলত কী কাজে লাগে?
  1. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  2. মোবাইল অ্যাপ বানানো
  3. মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং
  4. ডাটাবেস পরিচালনা
ব্যাখ্যা

• TensorFlow হলো একটি ওপেন সোর্স লাইব্রেরি যা মূলত মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং মডেল তৈরি, প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োগে ব্যবহৃত হয়। এটি গুগল দ্বারা তৈরি এবং বিশেষভাবে নিউরাল নেটওয়ার্ক ভিত্তিক কমপ্লেক্স অ্যালগরিদমের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। TensorFlow ব্যবহার করে ছবি, টেক্সট বা ভয়েস ডেটা বিশ্লেষণ করা যায়, ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় এবং অটোমেশন সিস্টেম তৈরি করা যায়। এর সাহায্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রজেক্ট যেমন চিত্র সনাক্তকরণ, ভাষা অনুবাদ, স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং ইত্যাদি তৈরি করা সম্ভব। এটি CPU, GPU ও TPU-তে সমর্থন পায়, যা প্রশিক্ষণ ও হিসাব দ্রুততর করে। তাই TensorFlow মূলত মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উত্তর: গ) মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং।


• ডিপ লার্নিং: 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।

৪,০৪৪.
Encryption এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা সুরক্ষা
  2. ফাইল সাইজ কমানো
  3. স্পিড বৃদ্ধি
  4. মেমরি সাশ্রয়
ব্যাখ্যা

Encryption (এনক্রিপশন) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ডেটাকে বিশেষ অ্যালগরিদম ব্যবহার করে অপঠিত (unreadable) রূপে রূপান্তরিত করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যবহারকারী ছাড়া আর কেউ আসল ডেটা পড়তে না পারে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটার নিরাপত্তা (Data Security) নিশ্চিত করা। 

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)

ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৪৫.
ই-মেইল ঠিকানায় কোন চিহ্ন অপরিহার্য?
  1. $
  2. &
  3. #
  4. @
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল ঠিকানায় যে চিহ্নটি অপরিহার্য তা হলো “@”। এটি ব্যবহারকারীর নাম এবং ই-মেইল সার্ভারের ডোমেইন অংশকে আলাদা করে। উদাহরণস্বরূপ, user@example.com ই-মেইলে user হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং example.com হলো সার্ভারের ডোমেইন। অন্য চিহ্ন যেমন $, &, বা # ই-মেইল ঠিকানায় সাধারণভাবে ব্যবহার করা যায় না এবং এগুলো কোনো প্রয়োজনীয় বিভাজক নয়। @ ছাড়া ই-মেইল ঠিকানা কার্যকর হয় না, কারণ এটি ঠিকানাটিকে দুটি অংশে ভাগ করে সার্ভারকে জানায় কোন অ্যাকাউন্টে মেইলটি পাঠাতে হবে। তাই ই-মেইলে @ চিহ্নটি অপরিহার্য।
 
ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।

- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,০৪৬.
নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized network):
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার বা হোস্ট (Host) কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়। টার্মিনালের মাধ্যমে ব্যবহারকারী হোস্ট কম্পিউটারে সংযুক্ত হয়ে সার্ভিস গ্রহণ করে থাকে। টার্মিনাল দু'ধরনের হয়। যথা-
•ডাম্ব টার্মিনাল (Dumb Terminal) ও
•ইন্টিলিজেন্ট টার্মিনাল (Intelligent Terminal) ।
ডাম্ব টার্মিনালের কোন মেমরি ও স্টোরেজ এবং প্রসেসিং ক্ষমতা নেই। পক্ষান্তরে ইন্টিলিজেন্ট টার্মিনালের সীমিত মেমরি ও স্টোরেজ এবং প্রসেসিং ক্ষমতা থাকে।

ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed network):
ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ার্ড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে গঠিত। ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো লোকাল কাজ করতে পারে। লোকাল কাজ বলতে ঐ ওয়ার্কস্টেশনের নিজস্ব সফটওয়্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে কোন কাজ করা বুঝায় যে ওয়ার্কস্টেশনের মধ্যে এগুলো অবস্থান করে। 

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid network): সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক ও ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের সংমিশ্রণে হাইব্রিড নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বর্তমানে এই হাইব্রিড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। এই নেটওয়ার্কে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিংয়ের পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় এটি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৪,০৪৭.
ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Spoofing
  2. Sneaking
  3. Plagiarism
  4. Sniffing
ব্যাখ্যা
• সাইবার অপরাধ:
• ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
১. ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

২. হ্যাকিং (Hacking):

- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে।
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

৩. ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

৪. ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

৫. স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

৬. র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware):
- র‍্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার। র‍্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

৭. স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

৮. স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

৯. স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

১০. প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,০৪৮.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক কে?
  1. John McCarthy
  2. Geoffrey Hinton
  3. Marvin Minsky
  4. উপরের কেউ না
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - Al):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হলো বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।

⇒ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক John McCarthy।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।
- কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত।
- আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

⇒ AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৪,০৪৯.
কোন কোম্পানি প্রথমবারের মতো চাঁদে ৪জি সেলুলার নেটওয়ার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে?
  1. নোকিয়া
  2. স্যামসাং
  3. স্পেসএক্স
  4. চায়না মোবাইল লিমিটেড
ব্যাখ্যা

চাঁদে ৪জি সেলুলার নেটওয়ার্ক:
- মহাকাশ যোগাযোগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছে নোকিয়া।
- প্রথমবারের মতো চাঁদে ৪জি সেলুলার নেটওয়ার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে টেলিযোগাযোগ কোম্পানি নোকিয়া।
- নাসার সহযোগিতায় নকিয়া ‘নেটওয়ার্ক ইন আ বক্স’ নামের বিশেষ প্রযুক্তি নিয়ে আসছে।
- ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে ইনটুইটিভ মেশিনসের একটি মিশনের মাধ্যমে এটি চাঁদে পাঠানো হবে।
- এটি মূলত ল্যান্ডার ও যানবাহনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সহায়ক হবে।
- তবে, এ নেটওয়ার্ক আপাতত কয়েক দিনের জন্য কার্যকর থাকবে।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]

৪,০৫০.
ভুল তথ্য প্রদান করে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অবৈধ সুবিধা অর্জনকে কী বলা হয়?
  1. স্নিকিং
  2. স্ফুফিং
  3. স্প্যামিং
  4. ফিশিং
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।

• স্ফুফিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• ফিশিং:
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• স্প্যামিং:
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

• স্নিকিং:
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৫১.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কোনটি?
  1. ক) ফেসবুক
  2. খ) ইউটিউব
  3. গ) মেসেঞ্জার
  4. ঘ) উপরের সব কয়টি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৪,০৫২.
ক্যান্সার চিকিৎসায় অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ও কার্যকর হচ্ছে -
  1. ক) Cryosurgery
  2. খ) Extirpative surgery
  3. গ) Transplantation surgery
  4. ঘ) Reconstructive surgery
ব্যাখ্যা
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- ক্রয়োসার্জারিকে একটি কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা বিবেচনা করা হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে।

ক্রায়োসার্জারির সুবিধাসমূহ- 
- ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জারি থেকে কম ক্ষতিকর।
- সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, ক্রয়োসার্জারিতে তা হয় না ।
- ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ কম ।
- অন্য পদ্ধতির তুলনায় হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়। ক্রায়োসার্জারির অসুবিধাসমূহ
- দীর্ঘমেয়াদী ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।
- মাইক্রোকপিক ক্যান্সার বিস্তার রোধে ব্যর্থ।
- কার্যকর কৌশলের বিষয়ে প্রশ্নবিদ্ধ।

সূত্র: ২২ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৫৩.
যে ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে তাকে কী বলা হয়?
  1. ওয়ার্ম
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ট্রোজান হর্স
  4. অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ম ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে।

• কম্পিউটার ওয়ার্ম:
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

উল্লেখ্য,
- এডওয়্যার: বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস।
- ট্রোজান হর্স : এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

 উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৫৪.
স্টার টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একে অপরের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত থাকে?
  1. এলোমেলোভাবে সংযুক্ত
  2. একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে
  3. বৃত্তাকারভাবে সংযুক্ত
  4. পরপর লাইন দিয়ে সংযুক্ত
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে (খ)। এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি সাধারণত হাব, সুইচ বা সার্ভার হয়ে থাকে। প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা আলাদা কেবলের মাধ্যমে সরাসরি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে যুক্ত হয়, কিন্তু একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে না। কোনো কম্পিউটার থেকে ডাটা পাঠাতে হলে প্রথমে তা কেন্দ্রীয় ডিভাইসে যায়, তারপর সেখান থেকে নির্দিষ্ট কম্পিউটারে পৌঁছে। এই টপোলজির সুবিধা হলো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয় না। তবে কেন্দ্রীয় ডিভাইস নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়।

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,০৫৫.
কোন প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেটের আইপি অ্যাড্রেস নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) ITU
  2. খ) ISP
  3. গ) IANA
  4. ঘ) ICANN
ব্যাখ্যা
আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- IP Address এর পূর্ণরূ প হচ্ছে Internet Protocol Address.
- বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet).
- IANA (Internet Assigned Numbers Authority) কর্তৃক আইপি অ্যাড্রেস নিয়ন্ত্রিত হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,০৫৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সেবা নয় কোনটি?
  1. Amazon Web Services (AWS)
  2. Microsoft Azure
  3. Google Cloud
  4. VMware Workstation
ব্যাখ্যা
⚪ Google Cloud, Microsoft Azure, এবং Amazon Web Services (AWS) — এই তিনটি হলো বড় বড় ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম। এগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়াল সার্ভার, ডেটা স্টোরেজ, নেটওয়ার্কিং ইত্যাদি সেবা দিয়ে থাকে।
- VMware Workstation হলো একটি ডেস্কটপ ভার্চুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার। এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা নয়।

⚪ ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-

১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,০৫৭.
গুগল হওয়ার পূর্বে গুগলের প্রাথমিক নাম কী ছিল?
  1. Backrub
  2. Googol
  3. Alphabet
  4. NetSearch
ব্যাখ্যা

• গুগল প্রতিষ্ঠার আগে গুগলের প্রাথমিক নাম ছিল Backrub. ১৯৯৬ সালে ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন এই সার্চ ইঞ্জিনের ওপর কাজ শুরু করেন, যার নাম তারা প্রথমে Backrub রাখেন। নামটি ছিল কারণ তাদের সার্চ ইঞ্জিন ওয়েব পেজের ব্যাকলিঙ্ক বিশ্লেষণ করে পেজের গুরুত্ব নির্ধারণ করত। পরে, নামটি পরিবর্তন করে Google রাখা হয়, যা গাণিতিক শব্দ “Googol” থেকে নেওয়া, যার মানে ১-এর পরে ১০০টি শূন্য। Google নামটি ব্যবহার করা হলো কারণ এটি তথ্যের বিশাল পরিমাণের সন্ধান এবং প্রদর্শনে উপযুক্ত এবং সহজবোধ্য ছিল। তাই, গুগল হওয়ার পূর্বে গুগলের প্রাথমিক নাম ছিল Backrub.

• Google: 
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। 
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স। 
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪,০৫৮.
শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ঠ্যের ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণ পদ্ধতি কোনটি?
  1. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  2. ফেস রিকগনিশন
  3. ভয়েস রিকগনিশন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিঃ
১. ফিংগার প্রিন্ট 
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি 
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান
৪. ফেইস রিকোগনিশন
৫. ডিএনএ টেস্ট

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিঃ
১. ভয়েস রিকগনিশন 
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন 
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক 

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

 
৪,০৫৯.
ফোল্ডেবল স্মার্টফোনে ব্যবহৃত বিশেষ স্ক্রিন টেকনোলজি কোনটি?
  1. OLED
  2. AMOLED
  3. পলিমার ডিসপ্লে
  4. লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে
ব্যাখ্যা

ফোল্ডেবল স্মার্টফোনে সাধারণত পলিমার-ভিত্তিক নমনীয় ডিসপ্লে ব্যবহৃত হয়, যা ভাঁজ করা ও খোলা যায় কিন্তু স্ক্রিনের কার্যকারিতা নষ্ট হয় না।

স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উল্লেখ্য, OLED ও AMOLED: যদিও তারা ফোল্ডেবল ডিসপ্লেতে ব্যবহৃত হয়, তবে পলিমার ভিত্তিক না হলে ভাঁজযোগ্যতা সম্ভব নয়।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা।
২। Android Authority ওয়েবসাইট। 

৪,০৬০.
নিম্নলিখিত কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্যতম সুবিধা?
  1. অত্যধিক খরচের বাধ্যবাধকতা
  2. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধতা
  3. প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভিসের পরিমাণ বৃদ্ধি ও হ্রাস
  4. ব্যবহারকারীর ডেটা নিরাপত্তায় সীমিত নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্যতম বড় সুবিধা হলো Scalability (স্কেলযোগ্যতা), অর্থাৎ ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভিস বা রিসোর্স বাড়াতে বা কমাতে পারে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়।

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন
- সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন।
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ।

৪। নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service):
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে।

এছাড়াও ক্লাউড সার্ভিসের ব্যবহারকারীরা নিচের সুবিধাগুলো ভোগ করে থাকে:
- যত চাহিদা তত সার্ভিস (Resource Flexibility/Scalability),
- যখন চাহিদা তখন সার্ভিস (On Demand),
- যখন ব্যবহার তখন মূল্য শোধ (Pay as you go) এবং
- উদ্যোক্তাদের সুযোগ (Opportunity for Entrepreneurs) ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৪,০৬১.
GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে কী বলা হয়?
  1. ক) CDMA
  2. খ) UMTS
  3. গ) 3G
  4. ঘ) HSPA
ব্যাখ্যা
GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS (Universal Mobile Telecommunication Syste) বলা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৪,০৬২.
গেটওয়ের মূল কাজ কী?
  1. একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
  2. ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
  3. ডেটা সংরক্ষণ
  4. অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট
ব্যাখ্যা
গেটওয়ের মূল কাজ হলো ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে (LAN, MAN, WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।
- বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না।

• গেটওয়ের সুবিধা:
- রাউটারের চেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন এবং ডেটার কলিশন বা সংঘর্ষ কম।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধা:
- অন্যান্য ডিভাইসের চেয়ে ব্যয়বহুল।
- কনফিগারেশন করা তুলনামূলক জটিল।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৬৩.
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরিতে কোন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহৃত হয়?
  1. PHP
  2. JSP
  3. CSS
  4. ASP
ব্যাখ্যা
• গঠন বৈচিত্র্যের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট:
যে সকল ওয়েবপেজ পূর্ব থেকে তৈরিকৃত তথ্যপ্রদর্শন করে এবং কোড পরিবর্তন না করে তথ্য যুক্ত, ডিলিট করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলা হয়।
- HTML, CSS ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরি হয়।

ডায়নামিক ওয়েবসাইট: 
- যে সকল ওয়েবপেজ আপডেটকৃত তথ্য প্রদর্শন করে এবং কোড পরিবর্তন না করে তথ্য যুক্ত, ডিলিট করা যায়  তাকে ডায়নামিক  ওয়েবসাইট বলা হয়।
- ডাটাবেজ সার্ভার ব্যবহার করা হয়। 
- PHP, ASP, JSP  ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে ডায়নামিক  ওয়েবসাইট তৈরি হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৬৪.
ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট YouTube প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ২০০২
  2. ২০০৪
  3. ২০০৫
  4. ২০০৭
ব্যাখ্যা
YouTube is a Web site for sharing videos.
It was registered on February 14, 2005
, by Steve Chen, Chad Hurley, and Jawed Karim, three former employees of the American e-commerce company PayPal.
They had the idea that ordinary people would enjoy sharing their “home videos.” The company is headquartered in San Bruno, California.

Source: Britannica
৪,০৬৫.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ফিশিং
  2. স্প্যামিং
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• Adware সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware)।

• সাইবার ক্রাইম:

- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৬৬.
Y-2K কি?
  1. ক) একটি কম্পিউটার ভাইরাস-এর নাম
  2. খ) ২০০০ সাল শুরুর মুহুর্তে সারা বিশ্বে কম্পিউটার বিপর্যয় এর কারণ
  3. গ) নতুন সহস্রাব্দের কম্পিউটার
  4. ঘ) কম্পিউটার-এর একটি নতুন অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
Y2K bug, also called Year 2000 bug or Millennium Bug, a problem in the coding of computerized systems that was projected to create havoc in computers and computer networks around the world at the beginning of the year 2000 (in metric measurements K stands for thousand). [source: britannica.com]
৪,০৬৭.
কো-এক্সিয়াল ক্যাবল এবং অপটিক্যাল ফাইবারে ডেটা স্থানান্তরের জন্য সাধারণত কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. শিফট ব্যান্ড
  2. ভয়েস ব্যান্ড
  3. ব্রড ব্যান্ড
  4. ন্যারো ব্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ব্যান্ডউইডথ:
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit Per Second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলে।
- ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ন্যারো ব্যান্ড, ভয়েস ব্যান্ড ও ব্রড ব্যান্ড।
- ধীর গতি ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ভয়েস ব্যান্ড ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডেটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়।
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৬৮.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে?
  1. ক) Prodigy
  2. খ) CompuServ
  3. গ) American Online (AOL)
  4. ঘ) BUET
ব্যাখ্যা
BUET, AIUB তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।  

- মালিকানা অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
প্রাইভেট নেটওয়ার্ক- এ ধরনের নেটওয়ার্ক কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন থাকে।
- অন্য কেউ এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারে না। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক এ ট্রাফিক নাই বললেই চলে।
যেমন- AIUB, BUET ইত্যাদি। 

- পাবলিক নেটওয়ার্ক- পাবলিক নেটওয়ার্ক কোন প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়।
- কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন থাকে না এই ধরনের নেটওয়ার্ক।
যেমন- যে কোন মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক, Prodigy, American Online (AOL) ইত্যাদি। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৬৯.
সত্য নাদেলা কোন কোম্পানির সিইও?
  1. ক) আইবিএম
  2. খ) স্ন্যাপচ্যাট
  3. গ) মাইক্রোসোফট
  4. ঘ) গুগল
ব্যাখ্যা
Satya Narayana Nadella is an Indian American business executive. He is the chief executive officer of Microsoft.
source:Microsoft
৪,০৭০.
জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট X (Twitter) কোন ধরনের সেবা প্রদান করে?
  1. ছবি শেয়ারিং
  2. মাইক্রোব্লগিং
  3. ভিডিও কলিং
  4. চাকরি খোঁজার প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা

X (পূর্বের Twitter) হলো একটি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা সংক্ষিপ্ত টেক্সট পোস্ট (Tweet), ছবি, ভিডিও, ও লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন।

X (Twitter):
- Twitter এর বর্তমান নাম X
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (Jun 5, 2023 – present)
- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- সদর দপ্তর: San Francisco, California, United States
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) ছবি শেয়ারিং - Instagram ও Pinterest মূলত ছবি শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।
গ) ভিডিও কলিং - Zoom, Google Meet, এবং WhatsApp ভিডিও কলিং সেবা প্রদান করে।
ঘ) চাকরি খোঁজার প্ল্যাটফর্ম → LinkedIn চাকরি খোঁজার জন্য জনপ্রিয়।

উৎস:
১. অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।

৪,০৭১.
OpenAI মূলত কী জন্য পরিচিত?
  1. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন
  2. অনলাইন শিক্ষা
  3. ক্লাউড স্টোরেজ সেবা
  4. সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা

• OpenAI মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য পরিচিত। এটি একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা যান্ত্রিক শিক্ষণ, ভাষা মডেল, এবং স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের উন্নয়নে কাজ করে। OpenAI-এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো ChatGPT, যা মানুষের মতো ভাষায় কথা বলার এবং জটিল তথ্য বোঝার সক্ষমতা রাখে। প্রতিষ্ঠানটি কেবল মডেল তৈরি করে না, বরং এদের ব্যবহার নিরাপদ ও নৈতিকভাবে করার দিকে গুরুত্ব দেয়। অনলাইন শিক্ষা, ক্লাউড স্টোরেজ বা সামাজিক মিডিয়া সেবা সরাসরি OpenAI-এর প্রধান কাজ নয়। তাই প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ক) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কিছু স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ। 
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ। 
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা। 
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা। 
- নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন। 
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা। 
-  অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা। 
- মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো। 
- পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা। 
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা। 
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা। 
- নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৭২.
প্রাইভেট ক্লাউডের উদাহরণ কোনটি?
  1. Amazon Web Services (AWS)
  2. Google Cloud
  3. Microsoft Azure
  4. কোম্পানির নিজস্ব সার্ভার
ব্যাখ্যা

◉ প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud) একটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেল যেখানে ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য সংরক্ষিত থাকে। এটি সাধারণত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে হোস্ট করা হয় এবং শুধুমাত্র সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য। এটি নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ, এবং কাস্টমাইজেশনের জন্য আদর্শ।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

অন্যদিকে, 
Amazon Web Services (AWS), Google Cloud, এবং Microsoft Azure হলো পাবলিক ক্লাউড সেবা প্রদানকারী। এগুলি বহু ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত এবং শেয়ার্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচারে কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,০৭৩.
ইন্টারনেট কোনটি একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ?
  1. ক) ম্যান
  2. খ) ল্যান
  3. গ) প্যান
  4. ঘ) ওয়ান
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে ইন্টারনেট। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৭৪.
নিম্নলিখিত কোন সেবা কৃষকদের ইক্ষু সরবরাহ ব্যবস্থাকে সহজ ও উন্নত করেছে? 
  1. ই-পর্চা
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-বুক
  4. ই-স্বাস্থ্যসেবা
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশে অনেক নাগরিক সেবা খুব সহজে পাওয়া যায়। 
- এই গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
১। ই-পর্চা: 
- জমি-জমার বিভিন্ন রেকর্ড সংগ্রহের জন্য পূর্বে অনেক হয়রানি হতো, বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় ই-সেবা কেন্দ্র থেকে তা সহজে সংগ্রহ করা যায়। 
- এজন্য অনলাইনে আবেদন করে আবেদনকারী জমি-জমা সংক্রান্ত বিভিন্ন দলিল এর সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারে, এর ফলে জনগণ খুব সহজে সেবা পাচ্ছেন। 
- অন্যদিকে সেবা প্রদানের সময় তথ্যাদি ডিজিটালকৃত হয়ে যাচ্ছে ফলে ভবিষ্যতে তথ্য প্রাপ্তির পথ সহজ হচ্ছে। 

২। ই-বুক: 
- সকল পাঠ্যপুস্তক অনলাইনে সহজে প্রাপ্তির জন্য সরকারিভাবে একটি ই-বুক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে (www.ebook.gov.bd)। 
- এতে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক পুস্তক রয়েছে। 

৩। ই-পুর্জি: 
চিনিকলের পুর্জি (ইক্ষু সরবরাহের অনুমতিপত্র) স্বয়ংক্রিয়করণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে মোবাইল ফোনে কৃষকরা তাদের পুর্জি পাচ্ছে। 
- ফলে এ সংক্রান্ত হয়রানির অবসান হওয়ার পাশাপাশি কৃষকও তাদের ইক্ষু সরবরাহ উন্নত করতে পেরেছেন। 

৪। ই-স্বাস্থ্যসেবা: 
- জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের অনেক স্থানে টেলিমিডিসিন সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। 
- এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালসমূহের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মোবাইল ফোনে বা এসএমএসে অভিযোগ পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর ফলে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। 

৫। টাকা স্থানান্তর: 
- পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম ইত্যাদির মাধ্যমে বর্তমানে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ প্রেরণ সহজ ও দ্রুত হয়েছে। 
- এছাড়া ইন্টারনেট ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহজে টাকা স্থানান্তরিত করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৪,০৭৫.
বিটকয়েন লেনদেনের জন্য কোন ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করা হয়?
  1. Symmetric Key
  2. Public-Key
  3. Hashing Algorithm
  4. Steganography
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Public-Key।

বিটকয়েন (Bitcoin) 
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি। 
- এটি একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা ২০০৯ সালে একজন নামহীন কম্পিউটার প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল তৈরি করেন। 
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন। 
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব। 
- বিটকয়েন পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি-র ওপর নির্ভরশীল, যেখানে ব্যবহারকারীদের একটি পাবলিক কী থাকে যা সবাই দেখতে পারে এবং একটি প্রাইভেট কী থাকে যা কেবল তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে থাকে। 
- বিটকয়েন লেনদেনে, বিটকয়েন গ্রহণকারীরা তাদের পাবলিক কী প্রেরণ করে প্রেরণকারীদের কাছে। 
- প্রেরণকারীরা তাদের প্রাইভেট কী দিয়ে লেনদেনে সাইন করে এবং তারপর লেনদেনটি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে প্রেরণ করা হয়। 
- যাতে একই বিটকয়েন একাধিকবার খরচ না করা যায়, প্রতিটি লেনদেনের সময় ও পরিমাণ একটি লেজার ফাইলে সংরক্ষিত থাকে যা নেটওয়ার্কের প্রতিটি নোডে থাকে। 
- ব্যবহারকারীদের পরিচয় আপেক্ষিকভাবে গোপন থাকে, তবে সবাই দেখতে পারে যে কোন বিটকয়েন কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,০৭৬.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) মেশিন লার্নিং
  2. খ) এন এল পি
  3. গ) রোবটিক্স
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা


উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৪,০৭৭.
কোনটি ভিডিও ফরমেট?
  1. ক) .mp3
  2. খ) .png
  3. গ) .wav
  4. ঘ) .avi
ব্যাখ্যা
 

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৪,০৭৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ ‘মাল্টি-টেন্যান্সি’ বলতে কী বোঝায়?
  1. একই সার্ভার অনেক ব্যবহারকারী বা টেন্যান্টকে সেবা দেয়
  2. এক ব্যক্তির জন্য একাধিক ক্লাউড সেবা
  3. ডেটা সেন্টারে টেন্যান্টরা অফিস স্পেস ভাড়া নেয়
  4. টেন্যান্টরা তাদের কম্পিউটারে একাধিক VM চালায়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এ ‘মাল্টি-টেন্যান্সি’ বলতে বোঝানো হয় একটি সিঙ্গেল সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্মে একাধিক ব্যবহারকারী বা "টেন্যান্ট" কে আলাদা আলাদাভাবে সেবা দেওয়া। এটি মূলত একটি ক্লাউড অবকাঠামো, যেমন একটি সার্ভার, অনেক ব্যবহারকারীর জন্য একযোগে কাজ করে, কিন্তু প্রতিটি টেন্যান্টের ডেটা ও কনফিগারেশন অন্যদের থেকে আলাদা থাকে। এই পদ্ধতিতে রিসোর্স শেয়ার করার মাধ্যমে খরচ কমে, স্কেল করা সহজ হয় এবং পরিচালনাও আরও কার্যকর হয়। প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো: ক) এক সার্ভার অনেক ব্যবহারকারী বা টেন্যান্টকে সেবা দেয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। 
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 
অর্থাৎ, SaaS ক্লাউড সার্ভিস মডেলটি ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুযোগ দেয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৭৯.
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রধানত -
  1. ক) ৩ প্রকার
  2. খ) ২ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান ( Personal Area Network-PAN)
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান (Local Area Network-LAN)
৩। মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ম্যান ( Metropolitan Area Network-MAN)
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়্যান ( Wide Area Network-WAN)

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮০.
প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত স্থানে কোনটি যথার্থ হবে?
  1. SMTP Protocol
  2. IMAP Protocol
  3. POP3 Protocol
  4. Both B & C
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল:
- E-mail-এর পুরো নাম হলো Electronic Mail।
- ইলেকট্রনিক উপায়ে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডিজিটাল মেসেজ বা বার্তা আদান-প্রদান করাকে ই-মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল প্রেরণের জন্য সাধারণত একটি কম্পিউটার, মডেম, টেলিফোন লাইন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং কিছু সফটওয়‍্যার প্রয়োজন হয়।
- রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।

- ই-মেইল করার পর বা প্রেরণের পর প্রাপক যোগাযোগে উপস্থিত না থাকলে মেইলটি প্রাপকের চৌম্বক ডিস্কে জমা থাকে।
- প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর একটি ই-মেইল ঠিকানা বা অ্যাড্রেস থাকে।
- একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশটি হলো user identity আর দ্বিতীয় অংশটি হলো domain name.
- যেমন- dulal03@gmail.com. এখানে dulal03 হলো user identity আর gmail.com হলো domain name.
- ই-মেইল সুবিধা-প্রাপ্তির জন্য অথবা ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্য যে সমস্ত সফটওয়‍্যার ব্যবহৃত হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- Microsoft explorer, Netscape, Eudoro, Mozilla Firefox, Google Chrome, Outlook Express ইত্যাদি।
- ফ্রি ই-মেইল অ্যাড্রেস তৈরি করার জন্য "gmail.com, yahoo.com, hotmail.com" প্রভৃতি ডোমেইন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮১.
মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত SIM- এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?
  1. ক) Subscriber Identity Module
  2. খ) Subscriber Identity Method
  3. গ) Subscriber Identification Mechanism
  4. ঘ) Subscriber Identification Management
ব্যাখ্যা
- 'SIM'- এর পূর্ণরূপ হলো Subscriber Identity Module
- গ্রাহকদেরকে জিএসএম মোবাইল ফোনের সার্ভিস প্রোভাইডার একটি সিম কার্ড সরবরাহ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪,০৮২.
নিচের কোনটি আউটসোর্সিং এর জনপ্রিয় ওয়েবসাইাট নয়?
  1. www.odesk.com
  2. www.freelancer.com
  3. www.elance.com
  4. www.frerider.com
ব্যাখ্যা
→ www.frerider.com. এ নামে কোনো আউটসোর্সিং ওয়েবসাইট নেই। 

• আউটসোর্সিং:

- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বব্যাপি কর্মসংস্থানের বাজার হয়েছে উন্মুক্ত।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই যে কোন দেশের লোকজন বিশ্বের যে কোন দেশের কাজকর্ম করতে পারছে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা,
- সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।

• এর মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েবসাইাট হলো:
- ওডেস্ক (www.odesk.com),
- ফ্রিল্যান্সার (www.freelancer.com),
- ইল্যান্স (www.elance.com) ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, 
- যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ পদ্ধতি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮৩.
নিচের কোনটি ডেটা কমিউনিকেশন গাইডেড মিডিয়া মাধ্যম?
  1. ক) বেতার তরঙ্গ
  2. খ) ফাইবার অপটিক
  3. গ) মাইক্রোওয়েভ
  4. ঘ) ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম (Media)
- প্রেরণ প্রাপ্ত এবং দূরবর্তী গ্রহণ প্রান্তের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উভয় প্রান্তের মধ্যে সংযোগ স্থাপন।
- এই সংযোগকে সাধারণত চ্যানেল (Channel) বলা হয়।
- ডেটা বিনিময় করার জন্য চ্যানেলের সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা থাকে যাকে ব্যান্ডউইডথ্ বা বিট রেট বা ডেটা পার সেকেন্ড বলা হয়।
- এই চ্যানেল বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রকার মাধ্যম (Medium) ব্যবহার করা হয়।
- ডেটা চলাচলের এই মাধ্যমগুলোকেই কমিউনিকেশন মাধ্যম বলা হয় । একে ট্রান্সমিশন মিডিয়াও বলা হয়।
- ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম দুই ধরনের দেখা যায় । যথা-
১। গাইডেড (Guided) মিডিয়া বা তার মাধ্যম (Wired): সাধারণ টেলিফোন ক্যাবল বা তার, ফাইবার অপটিক লাইন ক্যাবল ইত্যাদি মাধ্যম।
২। আনগাইডেড (Unguided) মিডিয়া বা তারবিহীন বা বেতার মাধ্যম: বেতার তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, ভূ-উপগ্রহ ব্যবস্থা, ইনফ্রারেড ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪,০৮৪.
ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে কী বলে?
  1. সিমপ্লেক্স মোড
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড
  4. ডুপ্লেক্স মােড
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- 
১. সিমপ্লেক্স
২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড: 
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড: 
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮৫.
CAPTCHA ব্যবহার করা হয় কোন উদ্দেশ্যে?
  1. ব্যাকআপ ডেটা তৈরি করা
  2. হ্যাকিং প্রতিরোধে ভাইরাস স্ক্যান করা
  3. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো
  4. মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

• CAPTCHA ব্যবহার করা হয় মূলত মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করার জন্য। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা ওয়েবসাইটে স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা বট থেকে সুরক্ষা দেয়। উদাহরণস্বরূপ, কোন ফর্মে অটোমেটেড স্প্যাম বা অননুমোদিত একাউন্ট তৈরি রোধ করতে CAPTCHA ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত একটি ছবি, টেক্সট বা চ্যালেঞ্জ আকারে থাকে, যা মানুষ সহজে পূরণ করতে পারে, কিন্তু বট বা স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ঠিকমতো করতে পারে না। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং অননুমোদিত কার্যক্রম প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। তাই CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা।

- সঠিক উত্তর: ঘ) মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা।

• CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart।
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা ব্যবহারকারীদের এমন কাজগুলি উপস্থাপন করে যা মানুষের পক্ষে সমাধান করা তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটগুলির জন্য কঠিন।
- এই কাজগুলির মধ্যে প্রায়ই বিকৃত পাঠ্য সনাক্ত করা, নির্দিষ্ট চিত্র নির্বাচন করা, ধাঁধা সমাধান করা বা সাধারণ গণিত সমস্যাগুলি সম্পূর্ণ করা জড়িত।
- ক্যাপচা চ্যালেঞ্জ সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে, একজন ব্যবহারকারী প্রদর্শন করে যে তারা সম্ভবত মানুষ এবং একটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যাতে বটগুলিকে অপব্যবহার বা শোষণ করা থেকে বিরত রাখা যায়।
- CAPTCHA প্রযুক্তির বিকাশ দৃষ্টি শনাক্তকরণ (visual recognition) নামক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখায় গবেষণাকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং সফটওয়্যার, রিমোট সেন্সিং, এবং রোবোটিক্স-এ।

• ক্যাপচাগুলির জন্য কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,০৮৬.
Internet of Things (IoT) বলতে কী বোঝায়?
  1. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভৌত ডিভাইসগুলোর পারস্পরিক সংযোগ
  2. শুধু কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান
  3. কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং ব্যবস্থা
  4. ডেটা সংরক্ষণের একটি প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• Internet of Things (IoT) হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন ভৌত ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।

• Internet of Things (IoT):
- Internet of Things (IoT) এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে বিভিন্ন physical device ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে ডেটা সংগ্রহ ও বিনিময় করে।
- IoT ডিভাইসগুলোতে সাধারণত sensor, software এবং network connectivity থাকে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিভাইসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

• IoT Devices:
- IoT device হলো এমন ডিভাইস যা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হয়ে ডেটা সংগ্রহ এবং আদান-প্রদান করতে পারে।
- উদাহরণ: Smartwatch, Smart Thermostat, Smart Home Devices, Connected Cars।

• Sensors in IoT:
- Sensor হলো এমন একটি ডিভাইস যা পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- IoT ডিভাইস সাধারণত temperature, motion, light, humidity ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহের জন্য sensor ব্যবহার করে।

• Smart Home:
- Smart home হলো IoT প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি এমন একটি বাসস্থান যেখানে বিভিন্ন ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- উদাহরণ: Smart Lighting, Smart Security System, Smart Thermostat।

• Machine-to-Machine Communication (M2M):
- Machine-to-Machine (M2M) যোগাযোগ হলো এমন প্রযুক্তি যেখানে ডিভাইসগুলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- IoT প্রযুক্তিতে M2M গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• IoT এর ব্যবহার ক্ষেত্র:
- Smart Home, Smart City, Healthcare Monitoring, Industrial Automation, Connected Vehicles ইত্যাদি ক্ষেত্রে IoT প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- শুধু কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান → এটি সাধারণ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যোগাযোগকে নির্দেশ করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং ব্যবস্থা → এটি CPU বা প্রসেসিং সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত।
- ডেটা সংরক্ষণের প্রযুক্তি → এটি স্টোরেজ প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
- Encyclopaedia Britannica – Internet of Things;
- IBM IoT Guide;
- Cisco IoT Overview.

৪,০৮৭.
নিচের কোন কোডটি বাংলাদেশের টপ লেভেল ডোমেইন নির্দেশ করে?
  1. ক) .bd
  2. খ) .com
  3. গ) .bon
  4. ঘ) .bn
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৪,০৮৮.
ভৌগলিক বিস্তৃত অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ______ প্রকার হয়ে থাকে। 
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) পাঁচ
  4. ঘ) ছয়
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক বিস্তৃত অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক চার ধরনের হয়ে থাকে। 
যথা- 
Personal Area Network
Wide Area Network
Metropoliton Area Network
Local Area Network

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৮৯.
What is cryosurgery?
  1. Surgical removal of tumors.
  2. Laser surgery.
  3. Treatment using extreme cold.
  4. Radiation therapy.
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।


figure: Cryosurgery (liquid nitrogen or argon gas to destroy cancer cells) [image source: National Cancer Institute]

- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃৎ, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৯০.
মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কী বলে?
  1. রোবটিক্স
  2. বায়োইনফরমেটিক্স
  3. বায়োমেট্রিক্স
  4. আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কীভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কীভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।
- তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:

১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১০। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৯১.
ডেভেলপারগণ কোন প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা প্ল্যাটফর্ম ভাড়ায় চালাতে পারে কোন ক্লাউড সার্ভিসের অধীনে?
  1. PaaS
  2. IaaS
  3. SaaS
  4. Uaas
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Saas: Software as a service) : ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,০৯২.
কোনটি ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. IBM
  2. Salesforce
  3. Intel
  4. Oracle
ব্যাখ্যা

◉ Cloud Service Provider (CSP) হলো এমন প্রতিষ্ঠান, যা Cloud Computing Services যেমন IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service), এবং SaaS (Software as a Service) প্রদান করে।
- Intel ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়। 

ইনটেল কর্পোরেশন (Intel Corporation):
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক। যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু শুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) IBM → ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান
IBM Cloud প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে IaaS, PaaS, এবং AI-Powered Cloud Solutions প্রদান করে।

খ) Salesforce → ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান
Salesforce Cloud, Marketing Cloud, Service Cloud, AI-Powered CRM ইত্যাদি ক্লাউড-ভিত্তিক পরিষেবা দেয়।

ঘ) Oracle → ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান
Oracle Cloud এর মাধ্যমে IaaS, PaaS, SaaS, এবং Database Cloud Services প্রদান করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৪,০৯৩.
ইন্টারনেটের জনক হচ্ছেন - 
  1. রে টমলিনসন
  2. স্যামুয়েল হার্স্ট
  3. মার্টিন কুপার
  4. ভিনটন জি কার্ফ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের জনক হিসেবে পরিচিত ভিনটন জি কার্ফ (Vinton G. Cerf)। তিনি ও রবার্ট খান মিলে ইন্টারনেট প্রটোকল সুইট (TCP/IP) তৈরি করেন, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলিকে সংযুক্ত করার জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা বিভিন্ন ধরণের নেটওয়ার্ককে একে অপরের সঙ্গে সংযোগ করতে সাহায্য করে। ভিনটন কার্ফের কাজের মাধ্যমে তথ্য দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে প্রেরণ করা সম্ভব হয়। তাই তাকে “ইন্টারনেটের জনক” বলা হয়।
- অন্যদের মতো রে টমলিনসন ইমেইল প্রবর্তন করেছেন, মার্টিন কুপার মোবাইল ফোন আবিষ্কার করেছেন, এবং স্যামুয়েল হার্স্ট কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, কিন্তু ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছেন কার্ফ।


• বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার:
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়। 
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে। 
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। 
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ। 
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,০৯৪.
বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান হিসেবে C2C প্ল্যাটফর্ম হিসেবে খ্যাত-
  1. ক) bikroy.com
  2. খ) daraz.com
  3. গ) evaly.com
  4. ঘ) olx.com
ব্যাখ্যা
In Bangladesh bikroy.com, clickbd.com are examples of C2C platforms.
Source: thefinancialexpress.com.bd
৪,০৯৫.
মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও কে (সেপ্টেম্বর ২০২৪)?
  1. ইলন মাস্ক
  2. স্টিভ জবস
  3. সত্য নাদেলা
  4. টিম কুক
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের রেডমন্ড, ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান (সেপ্টেম্বর ২০২৪) চেয়ারম্যান এবং সিইও হলেন Satya Nadella.
- মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৭৫ সালে।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।

উৎস: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৪,০৯৬.
গুগলের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. মাউন্টেন ভিউ
  2. সিলিকন ভ্যালি
  3. রেডউড সিটি
  4. রেডমন্ড
ব্যাখ্যা
আমেরিকাভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল ১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ল্যারি পেইজ ও সার্গেই ব্রিন প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সদরদপ্তর - যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্টেন ভিউ , ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- বর্তমানে বিশ্বের ৭০% এর বেশি সার্চ রিকোয়েস্ট গুগলের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- অ্যাপল এর সদরদপ্তর - সিলিকন ভ্যালি , ক্যালিফোর্নিয়া , যুক্তরাষ্ট্র।
- ওরাকল এর সদরদপ্তর - রেডউড সিটি , ক্যালিফোর্নিয়া , যুক্তরাষ্ট্র।
- মাইক্রোসফট এর সদরদপ্তর - রেডমন্ড , ওয়াসিংটন , যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: গুগল ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৪,০৯৭.
''https://www.abcd.com/collection/latest'' এখানে 'https:' কি নির্দেশ করে?
  1. ডোমেইন নেইম
  2. ডিরেক্টরী পাথ
  3. হোস্ট
  4. ইন্টারনেট প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
''https://www.abcd.com/collection/latest''
 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও টেলিকমিউনিকেশনে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত নিয়ম-নীতিকে প্রোটোকল বলে।
- এখানে https: হল ইন্টারনেট প্রোটোকল। 
- ডোমেইনের আওতাভুক্ত কোন কম্পিউটারকে নির্দেশ করার জন্য যে নাম ব্যবহার করা হয় তা হোস্ট নেইম হিসেবে পরিচিত।
- এখানে abcd হলো হোস্ট।
- হোস্ট কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ফাইলের পাথকে ডিরেক্টরী পাথ বলে।
- এখানে /collection/latest হলো ডিরেক্টরী পাথ যা সরাসরি abcd এর latest পেইজে নিয়ে যাবে।
- ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয় আলফানিউমেরিক ঠিকানাকে ডোমেইন নেইম বলে।
- এখানে .com হলো ডোমেইন নেইম যা দ্বারা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বুঝায়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৯৮.
HTML-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) High Teller Maximum Language
  2. খ) HyperText Markup Language
  3. গ) HyperTest Multi Language
  4. ঘ) High Time Made up Language
ব্যাখ্যা
• HTML এর পূর্ণরূপ: HyperText Markup Language.
- World Wide Web (WWW) ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন HTML.
- ওয়েব পেইজে টেক্সট, অডিও, ভিডিও, গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশনকে সুন্দরভাবে সাজাতে বা ফরমেট করতে এই ভাষা ব্যবহার করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,০৯৯.
মূল কেবল ছিড়ে গেলে কোন টোপোলজির ব্যর্থতার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি?
  1. রিং টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা
• মূল কেবল ছিড়ে গেলে বাস টপোলজির ব্যর্থতার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। বাস টপোলজিতে একটি একক প্রধান তার বা কেবল ব্যবহার করে সকল ডিভাইস সংযুক্ত থাকে। এই মূল কেবলটি যদি কোনো কারণে ছিড়ে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে পুরো নেটওয়ার্কের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। কারণ, সমস্ত ডেটা এই একটিমাত্র কেবলের মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়। ফলে, অন্য টপোলজির তুলনায় বাস টপোলজি সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল এবং একক কেবল ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে অচল করে দিতে পারে। তাই, নির্ভরযোগ্যতার দিক থেকে বাস টপোলজি তুলনামূলকভাবে দুর্বল।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।

• বাস টপোলজি (Bus Topology):
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১০০.
ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম নয় কোনটি?
  1. Apple iCloud
  2. USB Flash Drive
  3. Backblaze
  4. Google Photos
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম নয় USB Flash Drive. এটি একটি স্টোরেজ ডিভাইস যা কম্পিউটারের সাথে USB পোর্টে সংযুক্ত করে ডেটা সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করা হয়। অন্যদিকে, Apple iCloud, Backblaze এবং Google Photos হলো ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম, যেগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ ও অ্যাক্সেস করার সুবিধা দেয়। ক্লাউড স্টোরেজে ডেটা অনলাইন সার্ভারে থাকে এবং যেকোনো জায়গা থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে তা অ্যাক্সেস করা যায়। কিন্তু USB Flash Drive ব্যবহার করতে হলে ডিভাইসটি সঙ্গে রাখতে হয়। তাই, এটি ক্লাউড প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। সঠিক উত্তর: খ) USB Flash Drive।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।