বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৩০ / ৫১ · ২,৯০১৩,০০০ / ৫,০২৮

২,৯০১.
ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ২০০৪ সালের ৪ জানুয়ারি
  2. ২০০৬ সালের ১৪ জানুয়ারি
  3. ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
  4. ২০০৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

• Quick Revision:
- Facebook: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম,
- Founder: Mark Zuckerberg,
- Established: February 4, 2004,
- Website: www.facebook.com,
- Uses: যোগাযোগ, শেয়ারিং, বিজ্ঞাপন, অনলাইন ব্যবসা।

• ফেসবুক (Facebook):
- ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট, যেখানে ব্যবহারকারীরা বন্ধু তৈরি করতে পারে এবং বার্তা, সংবাদ, ছবি, অডিও ও ভিডিও আদান-প্রদান, আপলোড ও ডাউনলোড করতে পারে।
- ফেসবুকের ওয়েব ঠিকানা হলো: www.facebook.com ।
- ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। এটি মার্ক জুকারবার্গ ও তার কয়েকজন বন্ধু পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি করেন।
- পরবর্তীতে ফেসবুক সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
- বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ফেসবুকের ব্যবহার রয়েছে।
- ব্যবহারকারীরা ফেসবুকের মাধ্যমে বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ, বার্তা পাঠানো, ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ এবং ছবি, ভিডিও ও বিভিন্ন কনটেন্ট শেয়ার করতে পারে।
- ফেসবুকে ব্যক্তি ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব পেজ তৈরি করতে পারে।
- প্রতিষ্ঠানগুলো ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার, পণ্য বিপণন এবং অনলাইন ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০০ কোটির বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯০২.
কলার আইডি স্পুফিং হলো:
  1. স্প্যাম কল ব্লক করার একটি উপায়
  2. কলের মান বাড়ানোর কৌশল
  3. কল রেকর্ড করার পদ্ধতি
  4. ভুল নম্বর দেখিয়ে কলারের পরিচয় গোপন করা
ব্যাখ্যা

• কলার আইডি স্পুফিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কল করার সময় কলারের আসল পরিচয় গোপন রেখে ভিন্ন বা ভুল নম্বর দেখানো হয়। অর্থাৎ, প্রাপক ব্যক্তি কলারকে চিনতে পারবে না, কারণ ফোনে যে নম্বরটি প্রদর্শিত হচ্ছে তা আসল নম্বর নয়। এটি সাধারণত প্রতারণা বা অবৈধ কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়, যেমন কেউ নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে কল করে অর্থ বা তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। কলার আইডি স্পুফিং স্প্যাম কল ব্লক করা বা কলের মান বাড়ানোর কোনো উপায় নয়, এবং এটি কল রেকর্ড করার পদ্ধতিও নয়।
- মূলত এটি কলারের পরিচয় গোপন করার একটি কৌশল।

 
• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম: অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং: গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৯০৩.
রোবটের সেন্সরের মূল ভূমিকা কী?
  1. মোটর নিয়ন্ত্রণ করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  4. পরিবেশের পরিবর্তন সনাক্ত করা
ব্যাখ্যা
• রোবটের সেন্সরের মূল ভূমিকা হলো পরিবেশের পরিবর্তন সনাক্ত করা (ঘ)। সেন্সর রোবটের চোখ, কান, নাক বা স্পর্শের মতো কাজ করে যা রোবটকে তার আশেপাশের তথ্য সংগ্রহ করতে সাহায্য করে। এটি তাপমাত্রা, আলো, অবস্থা, দূরত্ব, চাপ ইত্যাদি নানা ধরনের তথ্য নিতে পারে। সেন্সর থেকে প্রাপ্ত তথ্য রোবটের প্রসেসর বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিটে পাঠানো হয়, যা সেই তথ্যের ভিত্তিতে রোবটের কাজ বা চলাচল নির্ধারণ করে। মোটর নিয়ন্ত্রণ, ডেটা সংরক্ষণ বা বিদ্যুৎ সরবরাহ রোবটের অন্য উপাদানের কাজ, কিন্তু পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার মূল দায়িত্ব সেন্সরের। তাই রোবটের সেন্সর পরিবেশের পরিবর্তন সনাক্ত করার জন্যই ব্যবহৃত হয়।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক আসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৯০৪.
বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান-
  1. সিসকো সিস্টেমস
  2. ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন করপোরেশন
  3. ইন্টিগ্রেটেড ইলেক্ট্রনিক্স কর্পোরেশন
  4. জেনেরাল ইলেকট্রনিকস
ব্যাখ্যা
- ইন্টেল কর্পোরেশন একটি আমেরিকান বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি এবং আয়ের উপর নির্ভর করে এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান।
- ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জুলাই ১৮, ১৯৬৮ সালে ইন্টিগ্রেটেড ইলেক্ট্রনিক্স কর্পোরেশন হিসেবে।
-  তবে, মোট ইউনিট বিক্রির দিক থেকে স্যামসাং এবং ইন্টেলের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে।
- ইন্টেল এর সদর দপ্তর সান্তা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া।

উৎস: ইন্টেলের ওয়েবসাইট।
২,৯০৫.
Which provides cloud-based virtual machines (VMs)?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. None of these
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল ম্যাশিন:
- ভার্চুয়াল ম্যাশিনকে সংক্ষেপে 'VM'-ও বলা হয়।
- VM ল্যাপটপ, স্মার্ট ফোন, সার্ভার বা অন্য যেকোন ফিজিক্যাল কম্পিউটারের চেয়ে আলাদা নয়।
- ভার্চুয়াল ম্যাশিনে বিভিন্ন ফাইল সংরক্ষণ করার জন্য একটি CPU, মেমরি, ডিস্ক রয়েছে এবং প্রয়োজনে ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ করতে পারে।
- কোন প্রতিষ্ঠান ভার্চুয়ালাইজড হার্ডওয়্যার যেমন CPU, মেমোরি, স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কিং উপাদান সহ ইন্টারনেটে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং সেবা সরবরাহ করে।
- ব্যবহারকারীরা এই VM গুলির মধ্যে তাদের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলি স্থাপন, পরিচালনা এবং চালাতে পারে।
- ভার্চুয়াল ম্যাশিনগুলো ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন ছাড়াই ফিজিক্যাল মেশিনের মতো কাজ করতে পারে।
- তাই, Cloud-based Virtual Machines (VMs) হচ্ছে অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS).

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্ভিস মডেল:

সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS)
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service PaaS)
৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS)

১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP).

২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Heroku,
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Service.

৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS):
 - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Salesforce,
- Microsoft 365,
- Google Workspace.

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২)সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩) IBM & Virtual Machine
২,৯০৬.
কোথায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা হয়?
  1. ক) সেন্টমার্টিনে
  2. খ) বরিশালে
  3. গ) পটুয়াখালীতে
  4. ঘ) কক্সবাজারে
ব্যাখ্যা

- সাবমেরিন কেবল হলো সাগরের তলদেশের স্থাপিত এক ধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল।
- এটি টেলিকমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবলে যোগ দেয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা হয় কক্সবাজারে।
- দ্বিতীয়টি স্থাপন করা হয় পটুয়াখালীতে।
- SE-ME-WE ১৩ টি দেশের ১৯ ল্যান্ডিং স্টেশন এর সাথে যুক্ত থাকবে।
- বাংলাদেশের স্টেশন হবে কালাপাড়া, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
- এর দৈর্ঘ্য ২০ হাজার কিলোমিটার।

২,৯০৭.
HTTPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Hypertext Transfer Protocol Safe
  2. Hypertext Transfer Protocol Secure
  3. Hypertext Transport Protocol Secure
  4. Hyper Transfer Protocol Secured
ব্যাখ্যা

HTTPS: 
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে। 
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়। 
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে। 
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে। 
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,৯০৮.
নিচের কোনটি প্রধানত নেটওয়ার্কে নিরাপত্তা প্রদান করে?
  1. ক) রাউটার
  2. খ) ফায়ারওয়াল
  3. গ) অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) সুইচ
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- ফায়ারওয়ালের সবচেয়ে বহুল ব্যবহার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে।
- তথ্য নিরাপত্তা রক্ষাও এর কাজের অংশ

রাউটার:
রাউটার একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের অন্তর্গত উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে ডেটা প্যাকেট পৌছে দেয়। রাউটারকে পোস্টম্যানের সাথে তুলনা করা যেতে পারে।

অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

সুইচ (Switch):
- নেটওয়ার্কিং করার জন্য বর্তমানে হারের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে সুইচ ব্যবহৃত হয়।
- কার্যক্রমের দিক থেকে হাব এর সাথে সুইচের তেমন কোনো পার্থক্য নেই তবে সুইচেন্ন ৰুদ্ধিমত্তা রয়েছে।
- সুইচ কোনো সংকেতকে ব্রডকাস্ট করে না, সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য প্রতিটি কম্পিউটারের MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে সিগন্যালটি পাঠায়।
- শুধু তাই নয় দুর্বল হয়ে পড়া সংকেতটিকে অ্যামপ্লিফাই (বর্ধিত) করে গন্তব্য কম্পিউটারের পোর্টে প্রেরণ করে। 
- সুইচে পোর্টের সংখ্যা ৪, 16, 24 থেকে 48 পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে ডেটা ফিল্টারিং (প্রকৃত সিগনাল থেকে নয়েজ সিগনাল বাদ দেয়া) করা সম্ভব তবে ব্যবহারের দিক থেকে একটু জটিল।
- একটি সুইচ দিয়ে একটি LAN তৈরি করা যায়, একাধিক LAN তৈরি সম্ভব নয়। 
২,৯০৯.
নিচের কোনটি ইমেইল ফিচার নয়?
  1. ক) Cc
  2. খ) Bcc
  3. গ) Download file
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ইমেইল ফিচারগুলো হল Cc, Bcc, Attach file, Download file.

২,৯১০.
If there are n number of nodes in the mesh topology, how many connections are required in each node?
  1. ক) n - 2
  2. খ) (n - 1)/2
  3. গ) n(n - 1)/2
  4. ঘ) n - 1
ব্যাখ্যা
মেশ টপোলজির ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ প্রত্যেকটি নোড (কম্পিউটার বা ডিভাইস) একে অপরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে।

উল্লেখ্য যে, মেশ টপোলজিতে যদি n সংখ্যক নোড (কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইস) থাকে তাহলে প্রতিটি নোডে (n-1) টি সংযোগের প্রয়োজন হয় এবং এই নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n - 1)/2 টি।
যে সকল নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফারে দ্রুত গতি কাম্য ও ডেটা যোগাযোগের নির্ভরশীলতাই মুখ্য এবং নেটওয়ার্ক স্থাপনের ব্যয় বা খরচ যেখানে গৌণ সেসব ক্ষেত্রে মেশ টপোলজি ব্যবহার করা হয়।
যেমন ব্যাংক কিংবা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে মেশ ব্যবহৃত হতে পারে। 

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৯১১.
"এক্স" - প্রধানত কী হিসেবে পরিচিত?
  1. একটি সার্চ ইঞ্জিন
  2. একটি ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা
  3. একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  4. একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস
ব্যাখ্যা
• "এক্স" প্রধানত একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। এটি আগে "টুইটার" নামে পরিচিত ছিল, যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট বার্তা বা "টুইট" আকারে তাদের মতামত, খবর, বা বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করত। ইলন মাস্ক কর্তৃক অধিগ্রহণের পর এর নাম পরিবর্তন করে "এক্স" রাখা হয়, এবং এটি একটি "অল-ইন-ওয়ান অ্যাপ"-এ রূপান্তরের উদ্যোগ চলছে। যদিও এটি ভবিষ্যতে অন্যান্য সেবা যেমন পেমেন্ট, ভিডিও স্ট্রিমিং বা মার্কেটপ্লেসে রূপ নিতে পারে, তবুও বর্তমান সময়ে এটি মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবেই ব্যবহৃত হয়, যেখানে বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীরা একে অপরের সঙ্গে মতবিনিময় ও তথ্য আদান-প্রদান করে। তাই সঠিক উত্তর: গ) একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

•  X/Twitter:
- Twitter এর বর্তমান নাম X.
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (তথ্য: জুন, ২০২৫ পর্যন্ত))
-X এরসদর দপ্তর: Bastrop, Texas, United States.
[X (formerly Twitter) has moved its headquarters from San Francisco to Bastrop, Texas, a location about 30 miles east of Austin.]
- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।

- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস:
১. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
২,৯১২.
টিম বার্নার্স-লি কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার করেছিলেন?
  1. Harvard University
  2. CERN
  3. Apple Inc.
  4. Bell Labs
ব্যাখ্যা
• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।

- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।

এছাড়া,
- The European Center for Nuclear Research এর বর্তমান নাম CERN (European Organization for Nuclear Research)।

উৎস: 
১) মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) www foundation.
২,৯১৩.
আইপি নির্ভর ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কোন মোবাইল প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
আইপি নির্ভর ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক চতুর্থ মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য। 

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য- 
১। ৪জি এর গতি ৩জি এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুন বেশি। ৪জি এর প্রকৃত ব্যান্ড উইথ ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ করা হয়েছিল।
২। আল্ট্রা ব্রড-ব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার। দ্রুত চলনশীল ডিভাইসের ডেটা স্থানান্তর গতি ১০ মেগাবিট/সেকেন্ড এবং স্থির ডিভাইসের ডেটা স্থানান্তর গতি ১০ গিগাবিট/ সেকেন্ড।
৩। ত্রিমাত্রিক ব্যবহারিক প্রয়োগের ফলে কোনো অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত না হয়েও নিজের উপস্থিতি আছে বলে অনুভূত হবে।
৪। সহায়ক প্রযুক্তির মধ্যে মিথষ্ক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। যেমন: ফোনের স্মার্ট কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রয়কৃত পণ্যের বিল প্রদান করতে সক্ষম হয়।
৫। টেলিভিশনে অপেক্ষাকৃত উন্নতমানের ছবি এবং ভিডিও লিংক প্রদান করে।
৬। আইপি নির্ভর ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সিস্টেম কাজ করে।

উদাহরণ: WiMax2, LTE (Long Term Evolution)-Advance ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৯১৪.
LinkedIn প্ল্যাটফর্মটির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. রিড হফম্যান
  2. বিল গেটস
  3. জেফ বেজোস
  4. মার্ক জুকারবার্গ
ব্যাখ্যা

• LinkedIn একটি পেশাদার নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম যা মূলত পেশাজীবীদের যোগাযোগ ও চাকরির সুযোগ সৃষ্টির জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি রিড হফম্যান এবং তার সহপ্রতিষ্ঠিত দল দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। LinkedIn ব্যবহারকারীদের প্রফেশনাল প্রোফাইল তৈরি, সংযোগ বৃদ্ধি, চাকরির বিজ্ঞাপন অনুসন্ধান এবং শিল্প সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং নেটওয়ার্কিংকে ডিজিটাল মাধ্যমে সহজতর করেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে LinkedIn বিভিন্ন ফিচার যোগ করেছে, যেমন অনলাইন লার্নিং, কোম্পানি পেজ এবং জব পোস্টিং, যা পেশাজীবীদের জন্য প্ল্যাটফর্মটিকে আরও কার্যকর করে তুলেছে। সুতরাং LinkedIn-এর প্রতিষ্ঠাতা হলো রিড হফম্যান।

- সঠিক উত্তর: ক) রিড হফম্যান।

• LinkedIn:
- এটি বিজনেস অরিয়েন্টেড বা পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ওয়েব সাইট।
- সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটি পেশাজীবিরা নিজেদের দক্ষতা এবং যোগ্যতা দেখানোর জন্য ব্যবহার করে।
- রিড হফম্যান (Reid Hoffman) লিংডইনের প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত, যিনি তার সহ-প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেন ব্লু, কনস্টান্টিন গুয়েরিকে, এরিক লি, এবং জিন-লুক ভ্যালিয়ান্টের সাথে এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন।
- এটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এবং ২০০৩ সালে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - Reid Hoffman, Eric Ly.
- সদর দপ্তর - Sunnyvale, California.
- সিইও - Ryan Roslansky.
- ২০০৫ সালে কোম্পানিগুলোকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ:
মার্ক জুকারবার্গ: ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা,
বিল গেটস: মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা,
জেফ বেজোস: অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: LinkedIn অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৯১৫.
How is Dropbox typically categorized based on its end-user application?
  1. Platform as a Service (PaaS)
  2. Software as a Service (SaaS)
  3. Infrastructure as a Service (IaaS)
  4. Serverless Computing
ব্যাখ্যা

Dropbox-কে সাধারণত Software as a Service (SaaS) হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।

ড্রপবক্স (dropbox.com):
- ড্রপবক্স একটি ফাইল হোস্টিং সার্ভিস, যা ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন নামক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- এমআইটি-এর ড্রিউ হিউস্টন (Drew Houston) ও আরাশ ফেরদৌসী (Arash Ferdowsi) ২০০৭ সালে ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- সার্ভিসটি ক্লাউড স্টোরেজ, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন ও ক্লায়েন্ট সফটওয়‍্যার সার্ভিস দিয়ে থাকে।
- ড্রপবক্স তাদের ব্যবহারকারীদের নিজস্ব কম্পিউটারে একটি নির্দিষ্ট ড্রপবক্স সিনক্রোনাইজড ফোল্ডার তৈরি করতে দেয়, যা ব্যবহারকারী পরবর্তীকালে যে কোনো কম্পিউটার থেকে হুবহু অ্যাকসেস করতে পারে।
- ড্রপবক্স মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড, ম্যাক ওএস এক্স, লিনাক্স, গুগল অ্যান্ড্রয়েড, অ্যাপল আইওএস, ব্ল‍্যাকবেরি ওএস এবং ওয়েব ব্রাউজারগুলোর জন্য ক্লায়েন্ট সফটওয়‍্যার সরবরাহ করে থাকে।

Software as a Service (SaaS) মডেল:
- SaaS মডেলের অধীনে, ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সরাসরি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন (যেমন: ফাইল স্টোরেজ, শেয়ারিং, সিঙ্ক্রোনাইজেশন) ব্যবহার করতে দেওয়া হয়।
- যেহেতু Dropbox একটি তৈরি অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারী এটি সরাসরি ব্যবহার করে, তাই এটি SaaS মডেলের সর্বোত্তম উদাহরণ।
- এখানে Dropbox কোম্পানিই অ্যাপ্লিকেশন, ডাটা, রানটাইম, অপারেটিং সিস্টেম এবং সার্ভারসহ সম্পূর্ণ অবকাঠামো পরিচালনা করে।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। IBM website (link).

২,৯১৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন কে?
  1. স্টিভ জবস
  2. জন ম্যাকার্থি
  3. ইলন মাস্ক
  4. টিম কুক
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকার্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে।
যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৯১৭.
ইমেইলের সাথে সম্পৃক্ত প্রোটকল নয় কোনটি?
  1. POP3
  2. IPV
  3. IMAP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা
ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৯১৮.
মালিকানার উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্ক কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
মালিকানার উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্ক ২ প্রকার- ১) পাবলিক নেটওয়ার্ক ২) প্রাইভেট নেটওয়ার্ক।
২,৯১৯.
ই-মেইল অ্যাড্রেসের কোন অংশটি ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয় প্রকাশ করে?
  1. User ID
  2. Domain Name
  3. Mail server
  4. Folder name
ব্যাখ্যা
ই-মেইল অ্যাড্রেসের Domain Name অংশটি ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয় প্রকাশ করে।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯২০.
ইন্টারনেটে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য মূল প্রোটোকল স্যুট কোনটি?
  1. HTTP
  2. TCP/IP
  3. SMTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য মূল প্রোটোকল স্যুট হলো TCP/IP.

• TCP/IP:
- TCP/IP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol/Internet Protocol.
- TCP/IP হলো এমন এক সেট প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- TCP ডাটা ট্রান্সমিশন সঠিকভাবে এবং সিকোয়েন্স অনুযায়ী পাঠানোর নিশ্চয়তা দেয়।
- IP (Internet Protocol) প্রতিটি ডাটা প্যাকেটকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠায়।
- TCP/IP ইন্টারনেটের backbone, যা ডাটা ট্রান্সফার এবং কমিউনিকেশন পরিচালনা করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol) হলো ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল।
- FTP (File Transfer Protocol) সার্ভার ও ক্লায়েন্টের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) হলো ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯২১.
কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে কী বলে?
  1. One to One Relation
  2. Many to One Relation
  3. Many to Many Relation
  4. One to Many Relation
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৯২২.
সর্বপ্রথম প্রিপেড পদ্ধতি চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়। সর্বপ্রথম প্রিপেড পদ্ধতি চালু হয় এই প্রজন্মে। এই প্রজন্মে এমএমএস এবং এসএমএস সেবা কার্যক্রম চালু হয়। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৯২৩.
নিচের কোনটি GSM এর বৈশিষ্ট্য?
  1. আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে
  2. কলের খরচ কম
  3. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
১. ব্যান্ড উইডথকে টাইমস্লটে ভাগ করে।
২. কলের খরচ বেশী
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।
৪. জিএসএম হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু কম।

সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য:
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯২৪.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে Long Term Evolution স্ট্যান্ডার্ড অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা:
- প্রথম প্রজন্ম,
- দ্বিতীয় প্রজন্ম,
- তৃতীয় প্রজন্ম,
- চতুর্থ প্রজন্ম এবং
- পঞ্চম প্রজন্ম।

• চতুর্থ প্রজন্ম:
- ২০১০ সালে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড ১ গিগাবিট/সেকেন্ড এবং চলনশীল ডিভাইসের ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড ১০০ মেগাবিট/সেকেন্ডে উন্নীত হয়।
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMAX, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯২৫.
নিচের কোনটি ওয়েব সার্ভার?
  1. ক) Apache HTTP Server
  2. খ) Nginx
  3. গ) IIS
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ওয়েব সার্ভার (Web Server):
- ওয়েব সার্ভার হলো এমন একটি কম্পিউটার যেখানে ওয়েব পেজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- এ সার্ভারগুলো বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকতে পারে।
- সার্ভার কম্পিউটারে রয়েছে এমন কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্কিং সক্ষমতা যার সাহায্যে ইন্টারনেট এবং ইন্ট্রানেট ব্যবহারকারীকে তাদের চাহিদানুসারে ওয়েব সার্ভিস প্রদান করতে পারে।
- ওয়েব সার্ভারে কোনো ওয়েবপেজের জন্য request (যাকে http request বলে) আসলে ওয়েব সার্ভার অ্যাপাচি (Apache) বা আই.আই.এস (IIS) নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় web page-টিকে ব্যবহারকারীর computer এ পাঠিয়ে দেয়।
- উদাহরণ: Apache HTTP Server, Microsoft's Internet Information Services (IIS), Nginx, lighttpd ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯২৬.
আইবিএম-এর আরেকটি পরিচিত নাম কী?
  1. Cloud Master
  2. Tech Titan
  3. Big Blue
  4. Red Giant
ব্যাখ্যা
⚪ IBM-কে সাধারণভাবে "Big Blue" নামে ডাকা হয়। এই নামটি এসেছে কোম্পানিটির লোগোর নীল রঙ এবং কর্পোরেট পরিচয়ের কারণে। এটি একটি জনপ্রিয় উপনাম যা IBM-এর দীর্ঘদিনের ইতিহাস ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রভাবকে বোঝায়।

⚪ আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines.
- ১৯১১ সালে আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ। (এপ্রিল, ২০২৫)
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

উৎস: IBM এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৯২৭.
কয় ধরনের হ্যাকার রয়েছে?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৬
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা অথবা কোনো কম্পিউটারকে তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেওয়াই হ্যাকিং।

হ্যাকার হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি নিরাপত্তা/অনিরাপত্তার সাথে জড়িত এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বল দিক খুঁজে বের করায় বিশেষভাবে দক্ষ অথবা অন্য কম্পিউটার ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে সক্ষম বা এর সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের অধিকারী।

তিন ধরনের হ্যাকার রয়েছে। যথা-
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৯২৮.
ইন্টারনেটের সকল ডাটা কোথায় সংরক্ষিত থাকে? 
  1. সার্ভারে
  2. ইউজার ইন্টারফেসে
  3. ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত কম্পিউটারে
  4. ক্লায়েন্ট সফটওয়্যারে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট: 
- ক্লায়েন্ট/সার্ভার প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে ইন্টারনেট গড়ে উঠেছে। 
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ক্লায়েন্ট এ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তাদের কার্য সম্পাদন করে। 
- সকল ডাটা, ই-মেইল ম্যাসেজ, ডাটাবেজ এবং ওয়েবসাইট এসবই সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী তার নিজ কম্পিউটার থেকে সার্ভারের সাথে সংযোগ ঘটিয়ে তথ্যের আদান-প্রদান করে। 
- ইন্টারনেটের যে প্রধান ক্ষমতাগুলো নিয়ে প্রায়শই আলোচনার ঝড় ওঠে সেগুলো হলো: ই-মেইল, ইউজনেট, নিউজগ্রুপ, লিস্টসার্ভ, চ্যাটিং, টেনেট, FTP (File Transfer Protocol), গোফার, অরচি (Archie), ভেরনিকা (veronica), WAIS এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)। 
- তথ্য অনুসন্ধানের জন্য এগুলোই সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে। 

ইন্টারনেট যেভাবে কাজ করে: 
১. ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের জন্য TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol) প্রটোকল ব্যবহার করে। 
২. একটি কম্পিউটার প্রথমে স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, অত:পর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সংক্ষম হয়। 
৩. একটি কম্পিউটার সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে সংযোজিত হতে পারে, অথবা আরেকটি কম্পিউটারের রিমোট টার্মিনালের সাথে অথবা নেটওয়ার্কের গেটওয়ের মাধ্যমে সংযোজিত হতে পারে। 
৪. ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি বিশেষায়িত সংখ্যাত্মক IP ঠিকানা থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে যা ডোমেইন নেম (Domain Name) সিস্টেম ব্যবহার করে। 
৫. বেশিরভাগ ইন্টারনেট প্রোগ্রামই ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেল ব্যবহার করে; ব্যবহারকারী ক্লায়েন্ট প্রোগ্রাম সচল করে সার্ভারের কাছ থেকে ডাটা আদান-প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯২৯.
ডিনায়াল অব সার্ভিস আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য কোনটি?
  1. মুক্তিপণের জন্য ডেটা এনক্রিপশন করা
  2. প্রশাসনিক অধিকার দখল করা
  3. ব্যবহারকারীদের সিস্টেমে প্রবেশে বাধা দেওয়া
  4. সংবেদনশীল ডেটা হাতিয়ে নেওয়া
ব্যাখ্যা

• ডিনায়াল অব সার্ভিস (Denial of Service বা DoS) আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য হলো বৈধ ব্যবহারকারীদের কোনো সিস্টেম, সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া। এই আক্রমণে আক্রমণকারী অতিরিক্ত ট্রাফিক বা অনুরোধ পাঠিয়ে সিস্টেমকে অকার্যকর বা অত্যন্ত ধীর করে দেয়, ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় সেবা পায় না। এখানে ডেটা এনক্রিপশন, প্রশাসনিক অধিকার দখল বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি মূল উদ্দেশ্য নয়। বরং সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করাই মূল লক্ষ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ব্যবহারকারীদের সিস্টেমে প্রবেশে বাধা দেওয়া।
 
• সাইবার অপরাধ (Different cyber crimes):
কোন অপরাধমূলক কাজ যেখানে কম্পিউটারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিংবা অপরাধের জন্য কম্পিউটারকে টার্গেট করা হয় অথবা কম্পিউটারের দ্বারা অপরাধ করার পরবর্তীতে তার সাপেক্ষে অন্য কোনো অপরাধ করা হয়, এ সকল অপরাধই সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত।

বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
৩. ই-মেইল বম্বিং।
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ কর।
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।

৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা)।
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

২,৯৩০.
"UMTS" স্ট্যান্ডার্ড কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়।
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে।
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে।
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে।

• তৃতীয় প্রজন্ম:
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়, এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

• মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Gen Partnership Project) এবং
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২,৯৩১.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাথে সম্পৃক্ত রোবটগুলো তাদের পরিবেশের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করে?
  1. সেন্সর এবং অ্যালগরিদমের মাধ্যমে
  2. প্রোগ্রামিং কোডের মাধ্যমে
  3. ম্যানুয়াল কন্ট্রোলের মাধ্যমে
  4. শুধুমাত্র ব্যাটারি পাওয়ারের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাথে সম্পৃক্ত রোবটগুলো সেন্সর এবং অ্যালগরিদমের মাধ্যমে তাদের পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করে।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি।
২,৯৩২.
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. SUN SOLARIS
  2. Symbian
  3. Ubuntu
  4. Linux
ব্যাখ্যা
• "Symbian" একটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।

• মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:

- মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি OS যা শুধুমাত্র একটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়, যেমন একটি স্মার্টফোন, ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহকারী (PDA), ট্যাবলেট বা অন্যান্য এম্বেডেড মোবাইল OS।
- উদাহরণসমূহ:
- iOS,
- Symbian,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS ইত্যাদি।

• কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- উদাহরণসমূহ:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS
- Ubuntu ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
২,৯৩৩.
What was Google's original name before it was officially changed to "Google" in 1997?
  1. Backrub
  2. Search Master
  3. WebCrawler
  4. InfoSeek
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- CEO: Sundar Pichai (Oct 2, 2015 - present)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম ।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- Google এর পূর্ব নাম এবং নাম পরিবর্তনের পূর্বে অরজিনাল নাম ছিল Backrub.
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।

গুগলের সার্ভিসসমূহ:
-Google Nest,
- Drive,
- Google Maps,
- Google Workspace,
- Chrome,
- Gmail,
- Android,
- Google Assistant,
- YouTube,
- Google Keep,
- Google Meet,
- Google Photos,
- Chromebook,
- AdSense প্রভৃতি।

উৎস:
১) blog.google
২) Google and Our Story: Backrub
২,৯৩৪.
Linkedin-এর মূল সংস্থা কোনটি?
  1. Meta
  2. Google
  3. Microsoft Corporation
  4. IBM
ব্যাখ্যা
Linkedin:
- LinkedIn ফেসবুক বা টুইটারের মতই একটা social networking site যা চাকুরীজীবী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষায়িত ভাবে তৈরিকৃত।
- সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটটি পেশাজীবীরা বেশি ব্যবহার করে থাকে। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০২ সালে এবং ২০০৩ সালে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - রেইড হফম্যান (Reid Hoffman)।
- সদর দপ্তর - ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্ট ভিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০০৫ সালে কোম্পানিগুলোকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।
- মূল সংস্থা: Microsoft Corporation.

উৎস: Britanica.
২,৯৩৫.
ইমেইল ঠিকানায় ডোমেইন নামের সর্বশেষ অংশটিকে কী বলা হয়?
  1. ক) ISP
  2. খ) TLD
  3. গ) HTD
  4. ঘ) WWW
ব্যাখ্যা
কোন ডোমেইনের সর্বশেষ অংশটিকে টপ লেভেল ডোমেইন বা TLD বলে।
২,৯৩৬.
জিগবি (Zigbee) কোন নেটওয়ার্কের উদাহরণ?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) WAN
ব্যাখ্যা
জিগবি (Zigbee)
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।

- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
- জিগবি নামটি মৌচাকে মৌমাছি ফিরে যাওয়ার পরে মধু মৌমাছির waggle নাচকে বোঝায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৯৩৭.
সমন্বিত বর্তনী উদ্ভাবন করেন-
  1. ক) ড. টেড হফ
  2. খ) মরিস উইলকিস
  3. গ) জ্যাক কেলবি
  4. ঘ) ওয়াল্টার ব্রাটেইন
ব্যাখ্যা
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা সমন্বিত বর্তনী। ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী Transistor, Resistor এবং Capacitor সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা Integrated Circuit বা IC নামে পরিচিতি লাভ করে। আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
২,৯৩৮.
ইন্টারনেট কী ধরনের নেটওয়ার্ক?
  1. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN)
  2. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)
  3. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN)
  4. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট একটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN), কারণ এটি সারা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- WAN (Wide Area Network) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা বৃহৎ ভৌগোলিক পরিসরে ছড়িয়ে থাকে এবং বিভিন্ন দেশ ও মহাদেশে সংযোগ প্রদান করে। ইন্টারনেট একটি বিশ্বব্যাপী WAN, যা বিভিন্ন ISP (Internet Service Provider) এবং নেটওয়ার্ক প্রোটোকল (TCP/IP) ব্যবহার করে পরিচালিত হয়।

ইন্টারনেট:
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ (Vinton Gray Cerf)
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়।
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 

২,৯৩৯.
PNG কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) Video
  2. খ) Audio
  3. গ) Image
  4. ঘ) Flash
ব্যাখ্যা
PNG একটি Image ফাইল এক্সটেনশন। 

PNG ফাইল এক্সটেনশানের একটি ফাইল হল একটি পোর্টেবল নেটওয়ার্ক গ্রাফিক্স ফাইল। ফরম্যাটটি নিখুঁত কম্প্রেশন ব্যবহার করে এবং সাধারণত GIF ইমেজ ফরম্যাটের প্রতিস্থাপন হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

সূত্র: Adobe.com [লিঙ্ক]
২,৯৪০.
ICT ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রাপ্তি বা হ্যাকিংকে কী বলা হয়?
  1. ফার্মিং
  2. ফিশিং
  3. স্প্যামিং
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ICT ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রাপ্তি বা হ্যাকিংকে ফিশিং (Phishing) বলা হয়। ফিশিং হল একটি সাইবার অপরাধের ধরন, যেখানে অপরাধীরা ইমেইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা নকল ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর ব্যাংক একাউন্ট, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য চুরি করে। তারা প্রায়শই বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান বা পরিচিত ব্যক্তির ছদ্মবেশ গ্রহণ করে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করে তথ্য সরবরাহ করতে প্ররোচিত করে। এটি একটি নকল বার্তা বা লিঙ্কের মাধ্যমে ঘটে, যা ব্যবহারকারীকে ঠিকঠাক যাচাই না করে ক্লিক করার সময় তাদের তথ্য ফাঁস করে দেয়। তাই নিরাপত্তার জন্য কখনো অচেনা লিঙ্ক বা অননুমোদিত বার্তা থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।

- সঠিক উত্তর: খ) ফিশিং। 

• ফিশিং:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি যেমন- নাম, পাসওয়ার্ড, ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে বলা হয় ফিশিং।
- সাধারণত ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ফিশিং করা হয়ে থাকে।
- এ পদ্ধতিতে ফিশার হ্যাকাররা ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত ব্যবহারকারীর কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের জন্য চায়।
- যদি কেউ এ ফাঁদে পা দেয় তাহলে ফিশার হ্যাকাররা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে বিভিন্ন ধরনের বিপদে ফেলে দেয়।
- এ পদ্ধতিটা কিছুটা টোপ দিয়ে মাছ ধরার মত।

- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।
- স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে। 
- মোবাইল, টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনের সাহায্যে কলের মাধ্যমে ফিশিং করাকে বলা হয় ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং। 
- যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখার জন্য অথবা ওয়েব সার্ভার অপ্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা পূর্ণ করার জন্য শত শত বা হাজার হাজার মেইল একই ঠিকানায় পাঠায় তখন তাকে স্প্যামিং বলে।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৪১.
ডিমডুলেশন হয় নিচের কোনটিতে?
  1. ক) সার্ভার
  2. খ) মাউস
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) সুইচ
ব্যাখ্যা
মডেম:
- মডেম হচ্ছে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা মডুলেশন ও ডিমডুলেশনের মাধ্যমে এক কম্পিউটারের তথ্যকে অন্য কম্পিউটারে টেলিফোন লাইনের সাহায্যে পৌঁছে দেয়।
- মডেম শব্দটি Modulator ও Demodulator এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- Modulator শব্দের ‘Mo’ এবং Demodulator শব্দের ‘Dem’ নিয়ে ‘Modem’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- Modulator এর কাজ হচ্ছে ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করা.
- Demodulator এর কাজ হচ্ছে অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করা।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
২,৯৪২.
নিচের তালিকায় কোনটি একটি জনপ্রিয় SaaS পণ্যের উদাহরণ?
  1. Google Drive
  2. Microsoft Word
  3. Linux
  4. Apache HTTP Server
ব্যাখ্যা
⚪ SaaS একটি ক্লাউড-বেসড সেবা, যেখানে সফটওয়্যারটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায় এবং ব্যবহারকারীকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড বা ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না।

⚪ অপশন আলোচনা:

A) Microsoft Word – এটি একটি ডেস্কটপ সফটওয়্যার, যেটি সাধারণত আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়। এটি SaaS নয়।

B) Google Drive – এটি একটি ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা, যেখানে আপনি ফাইল সংরক্ষণ এবং শেয়ার করতে পারেন। এটি একটি উদাহরণ SaaS পণ্যের।

C) Linux – এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা সাধারণত ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হয়। এটি SaaS নয়।

D) Apache HTTP Server – এটি একটি ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার, যা সাধারণত সিস্টেমে ইনস্টল করা হয় এবং একটি সার্ভার পরিচালনা করতে ব্যবহার হয়। এটি SaaS নয়।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. Platform-as-a-Service - PaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. Software-as-a-Service - SaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

⚪ যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৪৩.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট টেলিফোনি প্রটোকল?
  1. ক) TCP
  2. খ) V.32
  3. গ) SIP
  4. ঘ) I.323
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট টেলিফোনি প্রটোকলকে ভয়েস ওভার আইপিও বলা হয়। 
- এটি একটি রিয়েল-টাইম ইন্টারেক্টিভ অডিও/ভিডিও অ্যাপ্লিকেশন।
- ২ ধরণের ইন্টারনেট টেলিফোনি প্রটোকল রয়েছে। যথা:
    - H.323
    - Session Initiation Protocol (SIP)
২,৯৪৪.
V-SAT এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Very Smal Aparture Terminal
  2. খ) Very Smalls Aparture Terminal
  3. গ) Very Small Aperture Terminal
  4. ঘ) Very Small Aparture Terminal
ব্যাখ্যা
V-SAT এর পূর্ণরূপ হলো- Very Small Aperture Terminal। ভূপৃষ্ঠ হতে স্যাটেলাইটে যোগাযোগ করার জন্য V-SAT ব্যবহার করা হয়। V-SAT সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিক্রয় কেন্দ্রে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত আদান-প্রদানের জন্য।
২,৯৪৫.
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উদ্ভাবিত নতুন ডিজিটাল আর্থিক সেবা 'বিনিময়' কোন ধরণের প্লাটফর্ম?
  1. ক) NPSB
  2. খ) BEFTN
  3. গ) IDTP
  4. ঘ) RGTS
ব্যাখ্যা
বিনিময়
- ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এর মধ্যে আন্তঃলেনদেন সেবার নাম ‘বিনিময়’।
- তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে বিনিময়।
- এ সেবার মাধ্যমে বিকাশ থেকে রকেটে অথবা উপায় থেকে এমক্যাশে বা বিকাশে কিংবা ব্যাংকে তাৎক্ষণিক লেনদেন করা যাবে একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে।
- ভারতের ইউপিআই (Unified Payments Interface - UPI) এর আদলে তৈরি হয়েছে দেশের Interoperable Digital Transaction Platform (IDTP), যা বিনিময় নামে পরিচিত হবে।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৩ নভেম্বর ২০২২ এ।

সূত্র:
১. বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
২. জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র
২,৯৪৬.
ইতিহাসে প্রথম ই-মেইল কে পাঠিয়ে ছিলেন?
  1. Tim Berners-Lee
  2. Steve Jobs
  3. Ray Tomlinson
  4. Vinton Cerf
ব্যাখ্যা
• ইতিহাসে প্রথম ইমেইল পাঠিয়ে ছিলেন - Ray Tomlinson.

• ই-মেইল (E-mail):
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)। 
- ই-মেইল বলতে বুঝায় কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে একজন বা অনেক জনের সাথে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করা। 
- ১৯৭১ সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয় এবং মাত্র ২৫ বছরের ভেতরে পোস্ট অফিস ব্যবহার করে পাঠানো চিঠি থেকে ই-মেইলের সংখ্যা বেশি হয়ে গিয়েছিল। 
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রথমেই যিনি পাঠাবেন এবং যিনি পাবেন দুজনেরই ই-মেইলের ঠিকানার দরকার হয়। 
- ই-মেইল ঠিকানাটি @ বর্ণটি দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। 
- যদি abc@def.com একটি ই-মেইল ঠিকানা হয়ে থাকে তাহলে @ এর পরের অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন নেইম, যেটি দিয়ে বুঝানো হয় ব্যবহারকারী কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। 
- প্রথম অংশটুকু হচ্ছে ব্যবহারকারীর কোনো ধরনের পরিচয়। 

- বর্তমানে ই-মেইল বিনিময় করার অনেক জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ইন্টারনেটের দেওয়া ই-মেইল সার্ভিস। 
যেমন- Gmail, Yahoo, Hotmail ইত্যাদি ই-মেইলের সেবা শুধু যে বিনামূল্যে দেওয়া হয় তা নয়, ব্যবহারকারীর ই-মেইল সংরক্ষণ করার দায়িত্বও গ্রহণ করে থাকে। 
- একটি ই-মেইল একাধিক গ্রাহকের কাছে পাঠানো যায়, প্রয়োজনে ই-মেইলকে অন্য একজনকে ‘কার্বন কপি’ (CC) হিসেবে পাঠানো যায়। 
- ই-মেইলের শুরুতে বিষয় হিসেবে ই-মেইলের বক্তব্যটি একটি শিরোনাম লিখা যায়। 
- শুধু তা-ই নয় ই-মেইলের বিষয়বস্তু লেখার পাশাপাশি তার সাথে অন্য কোনো ডকুমেন্ট, ছবি সংযুক্ত করে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৪৭.
প্রযুক্তিপণ্য প্রতিষ্ঠান অ্যাপল প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত কারা?
  1. ক) স্টিভ ওজনিয়াক
  2. খ) রোনাল্ড ওয়েন
  3. গ) স্টিভ জবস
  4. ঘ) উপরের সকলেই
ব্যাখ্যা
স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক, রোনাল্ড ওয়েন মিলে ১৯৭৬ সালের ১লা এপ্রিল প্রযুক্তিপণ্য প্রতিষ্ঠান এপল প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই
২,৯৪৮.
নিচের কোনটি গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক প্রোগ্রাম?
  1. আলফা-সি
  2. আলফাগো
  3. আলফারোবো
  4. আলফাবট
ব্যাখ্যা
গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক প্রোগ্রাম হল আলফাগো।
২০১৭ সালে প্রাচীন বোর্ড গেইম ‘গো’ খেলায় চীনা একজন গ্র্যান্ড মাস্টারকে হারায় মার্কিন সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আলফাগো।
গুগলের আলফাগো নামের এই প্রকল্পে চীনের উঝেন শহরে প্রথম পরিকল্পিত তিনটি গেইম অনুষ্ঠিত হয়। চীনা কর্মকর্তা এবং গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট-এর প্রধান নির্বাহী এরিক স্মিড-এর সামনেই খেলাগুলো পরিচালনা করা হয়।

এর আগে অনেকে ধারণা করেছিলেন বিশ্বের শীর্ষ খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে এই জয় আনতে এখনও কয়েক দশক দেরী হবে। এবার গুগল এআইয়ের এমন জয় জটিল কাজগুলোতে মানুষের পরিবর্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগানোরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
উৎস: প্রথম আলো
২,৯৪৯.
What is the network called that is created via Bluetooth?
  1. LAN
  2. WAN
  3. Piconet
  4. Internet
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Piconet

ব্লুটুথ

- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের (১০ মিটার বা ৩৩ ফিটের কাছাকাছি) ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
​- টেলিকম ভেন্ডর কোম্পানি এরিকসন ১৯৯৪ সালে এটি উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা হ্যারোল্ড ব্লুটুথ (Harald Bluetooth)-এর নামানুসারে ব্লুটুথ নামকরণ হয়েছে।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ট্র্যাডিশনাল ডেস্কটপ কম্পিউটার, যেগুলোতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি বিল্ট-ইন থাকে না, সেগুলোর ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার সংযুক্ত করে ঐ ডেস্কটপ কম্পিউটারে ব্লুটুথ সংযোগের সুবিধা উপভোগ করা যায়।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদনের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট বলে।
- দুটি পাশাপাশি পিকোনেট একটি সাধারণ স্লেভ নোডের মাধ্যমে যুক্ত হলে এ দু'টি পিকোনেটকে একসাথে স্কাটারনেট বলে।
- মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং ভিডিও গেম কনসোলগুলোকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করতে এবং তথ্য বিনিময় করতে ব্লুটুথ একটি জনপ্রিয় উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

২,৯৫০.
পাইরেসি নজরদারী করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) BSA
  2. খ) ICA
  3. গ) BCA
  4. ঘ) কোনটিই না
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাপী বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ ও পাইরেসি নজরদারির জন্য বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স(BSA) নামে একটি সংস্থা তৈরী করেছে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই
২,৯৫১.
কোন ওয়েবসাইটের নামের শুরুতে ''www'' এর অর্থ কি?
  1. ক) worldwide wireless windows
  2. খ) world wide web
  3. গ) world wide wan
  4. ঘ) worldwide write-free woofer
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
www - world wide web
২,৯৫২.
সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ব্যবহারকারীর আইডি ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষার জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. এনক্রিপশন
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং
  3. ডিফ্র্যাগমেন্টেশন
  4. অ্যান্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা

• সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ব্যবহারকারীর আইডি ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষার জন্য এনক্রিপশন (Encryption) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- এটি পাসওয়ার্ড ও সংবেদনশীল তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে, যাতে তৃতীয় পক্ষ বা হ্যাকাররা সহজে তা পড়তে না পারে।

• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)

ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৯৫৩.
নিচের কোনটির যােগাযােগের দূরত্ব সবচেয়ে কম?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. Wi-Max
  4. Cellular network
ব্যাখ্যা
• যােগাযােগের দূরত্ব সবচেয়ে কম - ব্লুটুথের।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

- Wi-Fi এর কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- Wi-MAX এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৯৫৪.
'https://www.google.com/home' প্রদত্ত URL এ ডিরেক্টরি পাথ কোনটি?
  1. ক) https
  2. খ) google
  3. গ) .com
  4. ঘ) home
ব্যাখ্যা
• 'https://www.google.com/home' প্রদত্ত URL এ https হচ্ছে ওয়েব প্রোটোকল, www.google.com হচ্ছে ডোমেইন নেম, home হচ্ছে ডিরেক্টরি পাথ।

• ইউআরএল (URL):
কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা। প্রতিটি URL এ থাকে-
১. ওয়েব প্রোটোকল
২. ওয়েব সার্ভারের নাম
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ
৪. HTML ফাইলের নাম

• ওয়েব প্রোটোকল: http (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

• ওয়েব সার্ভার: সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।

• সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ: সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।

• HTML ফাইল নাম: html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।  
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html.
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৯৫৫.
কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে কম্পিউটার ও স্মার্টফোন একই সাথে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায়?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. WAN
  4. LAN
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi ব্যবহার করে কম্পিউটার ও স্মার্টফোন একই সাথে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায়।

♦ ওয়াই-ফাই (Wi-Fi): 
- Wi-Fi-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity।
- Wi-Fi-এর অপর নাম হচ্ছে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস। 
- Wi-Fi হলো তারবিহীন এক ধরনের প্রযুক্তি, যা রেডিও ওয়েব ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। 
- Wi-Fi প্রযুক্তিই বিশ্ব পর্যায়ে মানুষকে জোগাচ্ছে ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস সার্ভিস।
- Wi-Fi-এ ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সির রেডিও ওয়েব ব্যবহার করা হয়। 
- Wi-Fi-এর স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11b (Institute of Electrical and Electronics Engineers)।
- IEEE 802.11 হচ্ছে একটি ওয়্যারলেস বা তারবিহীন LAN  স্ট্যান্ডার্ড।
- একটি Wi-Fi নেটওয়ার্কে দশটি বা তার অধিক কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারে। 
- ডাচ কম্পিউটার বিজ্ঞানী ভিক্টর ভিক হেরেসকে Wi-Fi-এর জনক বলা হয়। 
- Wi-Fi-এর অন্য স্ট্যান্ডার্ডসমূহ হলো 802.11a, 802.11g, 802.11n ।
- বর্তমানে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে 802.11n স্ট্যান্ডার্ডটি। আর IEEE 802.11a স্ট্যান্ডার্ডটি অধিক ব্যয়বহুল হওয়ায় বর্তমানে এর Public access নেই।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৫৬.
আরপানেট কত সালে বন্ধ করা হয়?
  1. ক) ১৯৬৯
  2. খ) ১৯৯০
  3. গ) ১৯৮৯
  4. ঘ) ১৯৯১
ব্যাখ্যা
ARPANET ১৯৮৯ সালে কার্যক্রম বন্ধ করে এবং ১৯৯০ সালে অফিশিয়াল ভাবে বন্ধ করা হয় । Source: britannica
২,৯৫৭.
নিচের কোনটি ব্রডকাস্ট মােডের উদাহরণ নয়?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) টেলিভিশন
  3. গ) ভিডিও কনফারেন্সিং
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা

ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের আওতাধীন সব গ্রাহকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে। ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে। রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মােডের উদাহরণ।

মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
মাল্টিকাস্ট মােড অনেকটা ব্রডকাস্ট মােডের মতাে হলেও এই মােডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমােদিত সদস্যরা গ্রহণ করতে পারে। মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

২,৯৫৮.
স্টার টপোলজিতে, সমস্ত ডিভাইস সংযুক্ত থাকে:
  1. একটি কেন্দ্রীয় হাব/সুইচের মাধ্যমে
  2. পরস্পরের সাথে সরাসরি
  3. রিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে
  4. বাস ক্যাবল দিয়ে
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজি একটি নেটওয়ার্ক স্থাপনার ধরণ যেখানে সমস্ত ডিভাইস বা নোড একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। এখানে প্রতিটি ডিভাইস সরাসরি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, অন্য ডিভাইসের সঙ্গে সরাসরি কোনো লিংক থাকে না। তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ডেটা প্রথমে হাব বা সুইচের কাছে যায়, তারপর গন্তব্য ডিভাইসে পৌঁছায়। স্টার টপোলজির প্রধান সুবিধা হলো এটি সহজে পরিচালনা ও সমস্যা নির্ণয়যোগ্য, কারণ কোনো একক ডিভাইসের সমস্যা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে না। তবে, হাব বা সুইচে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়। এই টপোলজি আধুনিক ল্যান নেটওয়ার্কে সবচেয়ে প্রচলিত।

উত্তর: ক) একটি কেন্দ্রীয় হাব/সুইচের মাধ্যমে। 

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।
 
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৫৯.
নিচের কোনটি সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্নিকিং
  2. অন্যের লেখা নিজের নামে পাবলিশড করা
  3. নকল পাসপোর্ট তৈরি করা
  4. স্পুফিং
ব্যাখ্যা
• নকল পাসপোর্ট তৈরি করা মূলত অফলাইনে ঘটে যা সাইবার ক্রাইমের আওতায় পড়ে না।
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো: হ্যাকিং, স্প্যামিং, সাইবার বুলিং, স্পুফিং, ফিশিং, সাইবার থেপ্ট, প্লেজিয়ারিজম, স্নিকিং ইত্যাদি।

• নিম্নে প্রচলিত কিছু সাইবার ক্রাইম বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ভিত্তিক ক্রাইমের নাম দেওয়া হলো:
- হ্যাকিং এর মাধ্যমে অন্যের তথ্য হস্তগত করা।
- অবৈধভাবে কোন সিস্টেমের সকল রিসোর্স ব্যবহার বা ধ্বংসের জন্য বাইরে থেকে সিস্টেমে প্রবেশ করা।
- কোন সিস্টেমকে এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে ঐ সিস্টেম তার নির্ধারিত সার্ভিস প্রদান না করে।
- আপত্তিকর ই-মেইল বার্তা প্রেরণ।
- কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি ও বিতরণ করা, ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৯৬০.
HD ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ
  1. ক) 0.5-1.0 Mbps
  2. খ) 0.7 Mbps
  3. গ) 4 Mbps
  4. ঘ) 1.5 Mbps
ব্যাখ্যা

ওযেব ব্রাউজিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ 0.5-1.0 Mbps
স্ট্রিমিং ভিডিওর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ 0.7 Mbps
স্ট্রিমিং মুভির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ 1.5 Mbps
HD ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ 4 Mbps
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

২,৯৬১.
নিচের কোনটি একটি ওয়েব ব্রাউজার? 
  1. Wordpress
  2. Safari
  3. Gopher
  4. Skype
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- সাফারি  হল অ্যাপলের মালিকানাধীন ওয়েব ব্রাউজার। 

কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম: 
• Mozilla Firefox, 
• Opera, 
• Chrome, 
Safari, 
• Microsoft Edge, 
• Maxthon, 
• Brave এবং 
• UC Browser ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- Wordpress হলো একটি web content management system.
- Skype হচ্ছে একটি Video Calling সফটওয়্যার। 
- Gopher হল এক ধরণের প্রটোকল। 
 
উৎস: Apple Website এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
২,৯৬২.
ব্লুটুথ অপারেশন নিচের কোনটি ব্যবহার করে?
  1. ম্যাগনেটিক টেকনোলোজি
  2. অপটিক্যাল টেকনোলোজি
  3. লেজার টেকনোলোজি
  4. রেডিও টেকনোলোজি
ব্যাখ্যা
♦ ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৯৬৩.
নিচের কোনটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের একটি প্রধান ক্ষেত্র নয়?
  1. রোবোটিক্স
  2. কম্পিউটার ভিশন
  3. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
  4. ডাটা এন্ট্রি
ব্যাখ্যা

 ডাটা এন্ট্রি একটি সাধারণ তথ্য ইনপুটের কাজ, এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের প্রধান কোনো ক্ষেত্র নয়।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- মানুষের চিন্তাশক্তি, বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতাকে যন্ত্রের মধ্যে প্রয়োগ করে,
- যন্ত্রকে মানুষের মতো চিন্তা করা, সিদ্ধান্ত নেওয়া ও বিশ্লেষণ করার সক্ষমতা দেওয়ার প্রযুক্তিকেই।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
 
• উদ্ভব ও গুরুত্ব:
- একসময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভবিষ্যতের একটি কল্পনাভিত্তিক বিষয় ছিল।
- প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির ফলে বর্তমানে AI মানব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে।
- পৃথিবীতে বিপুল পরিমাণ ডেটা তৈরি হচ্ছে এবং সেই ডেটা বিশ্লেষণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য শক্তিশালী কম্পিউটার ও উন্নত অ্যালগরিদম ব্যবহৃত হচ্ছে।
 
• AI ব্যবহারের মূল ধারণা:
- সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনেক সময় জটিল ডেটা বিশ্লেষণে সক্ষম নয়।
- AI এমন অ্যালগরিদম ব্যবহার করে,
- যা ডেটা থেকে শিখতে পারে,
- সিদ্ধান্ত নিতে পারে,
- পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
- এই সক্ষমতাগুলো মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণীর আচরণের অনুকরণে তৈরি।
 
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের প্রধান ক্ষেত্রসমূহ:
- মেশিন লার্নিং (Machine Learning),
- ডিপ লার্নিং (Deep Learning),
- ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP),
- স্পিচ প্রসেসিং (Speech Processing),
- কম্পিউটার ভিশন (Computer Vision),
- রোবোটিক্স (Robotics)।
 
• মেশিন লার্নিং (Machine Learning):
- কম্পিউটারকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়,
- যাতে সে নিজে নিজেই ডেটা থেকে নিয়ম শিখতে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
 
• রোবোটিক্স (Robotics):
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে রোবট বা যন্ত্রকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করার সক্ষমতা দেওয়া হয়।
 
• ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP):
- মানুষের স্বাভাবিক ভাষা (যেমন— বাংলা, ইংরেজি, আরবি) কম্পিউটারের মাধ্যমে বোঝা ও বিশ্লেষণের প্রযুক্তি।
এর মাধ্যমে মানুষ ও কম্পিউটারের মধ্যে ভাষাভিত্তিক যোগাযোগ সম্ভব হয়।
 
• কম্পিউটার ভিশন (Computer Vision):
- ক্যামেরার মাধ্যমে প্রাপ্ত ছবি বা ভিডিও থেকে তথ্য বিশ্লেষণ করে,
- মানুষের চোখের মতো দেখে বোঝার ক্ষমতা কম্পিউটারকে প্রদান করা।
 
• স্পিচ প্রসেসিং (Speech Processing):
- কম্পিউটারকে কথা বলা ও শোনা শেখানোর প্রযুক্তি। 

• Other Options:
ক) রোবোটিক্স
→ রোবোটিক্সে AI ব্যবহার করে যন্ত্রকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করানো হয়।

খ) কম্পিউটার ভিশন
→ এটি AI-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র, যেখানে ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করা হয়।

গ) ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
→ এটি AI-এর একটি প্রধান শাখা, যা মানুষের ভাষা বোঝার সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২,৯৬৪.
অনুমতি ব্যতীত কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করাকে কী বলে?
  1. সফটওয়্যার পাইরেসি
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. ডিবাগিং
  4. হ্যাকিং
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking): 
- হ্যাকিং হচ্ছে অনধিকার প্রবেশ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড, যা অন্যের কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতিসাধন করে।
অর্থাৎ অবৈধভাবে বা বিনা অনুমতিতে কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো বা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পন্থায় সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলে
- যারা হ্যাকিং এর কাজ করে তাদেরকে হ্যাকার (Hacker) বলে। হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকান্ডকে হ্যাকিং বলে।
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে। অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Cracker) বলে।

• সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy):
- সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা, আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বোঝায়।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):

- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 

• ডিবাগিং: 
- প্রোগ্রামের ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে বলে ডিবাগিং।
- 1945 সালে মার্ক 1 কম্পিউটারটির ভিতরে একটি মথপোকা ঢোকায় কম্পিউটারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ থেকেই ডিবাগিং কথাটির উৎপত্তি।
- সব ভুলত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোন প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৯৬৫.
কম্পিউটার সার্ভারের ক্লায়েন্টকে কী বলা হয়?
  1. টার্মিনাল
  2. ডেস্কটপ
  3. ওয়ার্কস্টেশন
  4. হোস্ট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সার্ভারের ক্লায়েন্টকে ওয়ার্কস্টেশন বলা হয়।

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং:
- ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান বা কম্পোনেন্ট থাকে। যথা-
১. ক্লায়েন্ট,
২. সার্ভার এবং
৩. নেটওয়ার্ক।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৬৬.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. Norton
  2. Sybase
  3. Informix
  4. MySQL
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - 
- AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
২,৯৬৭.
VESA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Video Electronic Standard Association
  2. Video Electric Standard Architecture
  3. Video Electronic Standard Architecture
  4. Video Electronic Sound Architecture
ব্যাখ্যা
• ভেসা বাস (VESA Bus):
- VESA এর পূর্ণরূপ Video Electronic Standard Association.
- VESA বাস 32 বিট সিপিইউ গতিতে তথ্য বহন করতে পারে।
- এটি গ্রাফিক্সের কাজের জন্য বিশেষ প্রয়োজন।
- মনিটরের পর্দায় তাৎক্ষণিকভাবে এবং উন্নতমানের গ্রাফিক্স আউটপুট প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের সিপিইউ, স্মৃতি এবং ভিডিও টার্মিনালের মধ্যে দ্রুতগতিতে তথ্য বিনিময়ের প্রয়োজন হয়।
- ভেসা বাস সিপিইউ-এর নিয়ন্ত্রণে সিপিইউ-এর সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে কাজ করে।
- IDE (Integrated Drive Electronic), SCSI (Small Computer System Interface), LAN (Local Area Network) ইত্যাদির ক্ষেত্রে VESA Bus ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৯৬৮.
Apache এক ধরনের-
  1. Web Server
  2. Web Browser
  3. DBMS
  4. Protocol
ব্যাখ্যা
• Apache এক ধরনের Web Server.
• Apache HTTP সার্ভার প্রজেক্ট হল UNIX এবং Windows সহ আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলির জন্য একটি ওপেন-সোর্স HTTP সার্ভার, যা ডেভলোপ ও মেইনটেইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল একটি নিরাপদ ও দক্ষ সার্ভার প্রদান করা।
- Apache HTTP সার্ভার ১৯৯৫ সালে চালু হয়েছিল এবং এটি এপ্রিল ১৯৯৬ সাল থেকে ইন্টারনেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব সার্ভার।

উৎস: Apache Website.
২,৯৬৯.
নিচের কোনটি সোশাল নেটওয়ার্কিং এর সাইট নয়?
  1. ক) Twitter
  2. খ) DuckDuckgo
  3. গ) Facebook
  4. ঘ) linked in
ব্যাখ্যা
কিছু বিখ্যাত সোশাল নেটওয়ার্কিং এর সাইট: 
1. Facebook
2. Whatsapp
3. Twitter
4. Linkedin
5. Instagram

কিছু সার্চ ইঞ্জিন: 
1. Google
2. DuckDuckgo
3. Bing
4. Yahoo
5. Baidu

উৎস: Live MCQ লেকচার ও ব্রিটানিকা।
২,৯৭০.
'YouTube'-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. সানফ্রান্সিসকোতে
  2. ম্যানলো পার্কে
  3. মাউন্টেন ভিউতে
  4. সান ব্রুনোতে
ব্যাখ্যা
• ইউটিউব:
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- এটি ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।

• অন্যদিকে, সানফ্রান্সিসকোতে এক্স (টুইটার) এর সদর দপ্তর, ম্যানলো পার্কে ফেসবুকের সদর দপ্তর এবং মাউন্টেন ভিউতে গুগলের সদর দপ্তর অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৯৭১.
অপটিক্যাল ফাইবার (Optical fibre) হচ্ছে-
  1. খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
  2. খুব সূক্ষ্ম সুপরিবাহী তামার তার তন্তু নল
  3. খুব সরু এসবেস্টোস ফাইবার নল
  4. সূক্ষ্ম প্লাস্টিক ঘটিত নল
ব্যাখ্যা
• অপটিক্যাল ফাইবার:
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো খুব সরু এবং নমনীয় কাঁচ তন্তুর আলোক নল।
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে।
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত।
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে সেটি হচ্ছে একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত।
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ।
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,৯৭২.
ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক উপাদান কয়টি?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
  5. ঙ) পাচঁটি
ব্যাখ্যা
এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে ডেটা আদান-প্রদান করার প্রক্রিয়াকে ডেটা কমিউনিকেশন বলে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
২,৯৭৩.
একটি ইমেইল ঠিকানা কি নিয়ে গঠিত?
  1. ক) Client, Server
  2. খ) Domain, Host
  3. গ) User Id, Server
  4. ঘ) User Id, Domain
ব্যাখ্যা
একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
২,৯৭৪.
ফ্যাক্স শব্দটি ইংরেজি __ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ।
  1. ফ্যাক্সিমো
  2. ফ্যাকটো
  3. ফক্সিকো
  4. ফ্যাকসিমিলি
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স শব্দটি ইংরেজি ফ্যাকসিমিলি শব্দের সংক্ষপ্তি রূপ।
১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন। ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানী ফেডরিক বস্ন্যাকওয়েল এবং ১৯০৭ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আর্থার কর্ন -এর উন্নত রূপ দান করেন।
২,৯৭৫.
কম্পিউটার ইথিকস টার্মটির সাথে সর্বপ্রথম পরিচয় করিয়ে দেন কে?
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. ওয়াল্টার ম্যানার
  3. টেড হফ
  4. জন ম্যাকার্থি
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ইথিকস:
- কম্পিউটার ইথিকস বা কম্পিউটার নীতিশাস্ত্র হলো ব্যবহারিক দর্শনশাস্ত্রের একটি শাখা যা পেশা বা সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কম্পিউটিং প্রফেশনালদের বা ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগকে কিভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।
- বোলিং গ্রিন স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. ওয়াল্টার ম্যানার সর্বপ্রথম কম্পিউটার ইথিকস টার্মটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।
- ১৯৯২ সালে 'কম্পিউটার ইথিকস ইন্সটিটিউট' কম্পিউটার ইথিকস এর বিষয়ে দশটি নির্দেশনা তৈরি করেছিল।
- নির্দেশনাগুলো র‍্যামন সি. বারকুইন তাঁর গবেষণাপত্রে উপস্থাপন করেছিলেন। এই নির্দেশনা হলো-
১. অন্যের ক্ষতি করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার না করা
২. অন্য কোন ব্যক্তির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কাজের উপর হস্তক্ষেপ না করা
৩. অন্য ব্যক্তির ফাইলসমূহ হতে গোপনে তথ্য সংগ্রহ না করা।
৪. চুরির উদ্দেশ্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার না করা।
৫. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রমাণ বহনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ব্যবহার না করা।
৬. নিজের নয় এরূপ অন্যের যে কোন ধরনের সফ্টওয়্যার কপি না করা।
৭. অনুমতি ব্যতিরেকে অন্যের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির রিসোর্স ব্যবহার না করা।
৮. অন্যের বুদ্ধিবৃত্তি সংক্রান্ত ফলাফলকে আত্মসাৎ না করা।
৯. এমন কোন প্রোগ্রাম বা সফ্টওয়্যার তৈরি না করা যাতে সমাজের ক্ষতি হয়।
১০. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ওই সব উপায়ে ব্যবহার করা উচিত নয় যা বিচার বিবেচনা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৯৭৬.
ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়-
  1. ক) কম্পিউটার দিয়ে
  2. খ) সার্ভিস প্রদানকারীর মাধ্যমে
  3. গ) আরপানেট দিয়ে
  4. ঘ) মোবাইল দিয়ে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আর্পানেট। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৯৭৭.
ডোমেইন রেজিস্ট্রার (Domain Registrar) কী কাজ করে?
  1. ইন্টারনেট ব্রাউজারের জন্য DNS পরিচালনা
  2. ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন
  3. সার্ভার হোস্টিং পরিষেবা প্রদান
  4. হ্যাকিং থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
ডোমেইন রেজিস্ট্রার (Domain Registrar):
- ডোমেইন রেজিস্ট্রার হলো একটি প্রতিষ্ঠান যা ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন পরিষেবা প্রদান করে।
- এটি অনুমোদিত সংস্থা ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers) বা সংশ্লিষ্ট দেশের ডোমেইন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

কাজ:
- গ্রাহকদের জন্য ডোমেইন নেম নিবন্ধন এবং ব্যবস্থাপনা।
- ডোমেইন নেমের মালিকানা এবং DNS সেটআপ কার্যকর করা।
- ডোমেইন নেম নবায়ন, স্থানান্তর, এবং প্রাইভেসি সুরক্ষা সেবা দেওয়া।

উদাহরণ:
GoDaddy
Namecheap
Google Domains
Bluehost
HostGator

উৎস: ICANN  ওয়েবসাইট।
২,৯৭৮.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ কয়টি উপাদান থাকে?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাঁচটি
  4. ছয়টি
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান থাকে।

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং:

- ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান বা কম্পোনেন্ট থাকে। যথা-
১. ক্লায়েন্ট,
২. সার্ভার এবং
৩. নেটওয়ার্ক।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৭৯.
125.101.15.124 আইপি এড্রেসটি কোন ধরনের?
  1. ক) Class A
  2. খ) Class B
  3. গ) Class C
  4. ঘ) Class D
ব্যাখ্যা

Class A = 1.0.0.1 to 126.255.255.254
Class B =  128.1.0.1 to 191.255.255.254
Class C =  192.0.1.1 to 223.255.254.254
Class D = 224.0.0.0 to 239.255.255.255

২,৯৮০.
ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদান নয় কোনটি?
  1. Source
  2. Medium
  3. Action
  4. Destination
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশনের ধারণা:
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্যবিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়।
- ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়।

ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান:
- Action ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদান নয়।
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬ টি উপাদান থাকে। যথা-
১। ডাটা বা তথ্য (Information),
২। ডাটার উৎস (Source),
৩। প্রেরক (Sender),
৪। মাধ্যম (Medium),
৫। প্রাপক (Receiver) ও
৬। গন্তব্য (Destination)।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৮১.
কোন বৈশিষ্ট্য স্মার্টওয়াচকে নেভিগেশনে কার্যকর করে তোলে?
  1. দিনে একবার অবস্থান দেখায়
  2. শুধুমাত্র কাগজের মানচিত্র সমর্থন করে
  3. কম্পাস সূচক
  4. বিল্ট-ইন ম্যাপ এবং জিপিএস ট্র্যাকিং
ব্যাখ্যা
• স্মার্টওয়াচকে নেভিগেশনে কার্যকর করে তোলে ঘ) বিল্ট-ইন ম্যাপ এবং জিপিএস ট্র্যাকিং বৈশিষ্ট্যটি। এই ফিচারটি স্মার্টওয়াচকে বাস্তব সময়ে ব্যবহারকারীর অবস্থান নির্ধারণ ও গন্তব্য নির্দিষ্ট করতে সাহায্য করে। বিল্ট-ইন ম্যাপের মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানোর সময় রাস্তাঘাট, ট্রেইল বা শহরের মানচিত্র সরাসরি ঘড়ির স্ক্রিনে দেখা যায়। জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবহারকারীর গতিবিধি অনুসরণ করে এবং দিকনির্দেশনা দেয়, যা হাঁটা, দৌড়ানো বা বাইক চালানোর সময় অত্যন্ত সহায়ক। অন্যান্য অপশন যেমন দিনে একবার অবস্থান দেখানো বা শুধুমাত্র কাগজের মানচিত্র সমর্থন, আধুনিক নেভিগেশনের জন্য অপ্রতুল। তাই কার্যকর নেভিগেশনের জন্য ঘ অপশনটি সর্বাধিক উপযোগী।

• স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- সময় বলার পাশাপাশি স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন। প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে এবং যা পরিধানকারীর স্মার্টফোনের ক্ষমতা তাঁর ঘড়িতে প্রসারিত করতে সক্ষম।
- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতেও পারে। তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে।
- 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

• স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার:
- বিভিন্ন স্বাস্থ্য তথ্য যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা, রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
- ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা প্রদান করেন।
- স্মার্টফোনের মতোই মেসেজিং এবং কলিং ফিচার।
- ব্যবহারকারী কোন বিপদে পড়লে জরুরি বার্তা প্রদান করতে পারে।
- মানচিত্র, কম্পাস, altimeter এবং জিপিএস ট্র্যাকিং এর সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Britannica [লিংক]
২,৯৮২.
ওয়েবসাইট কোন দুটি অংশ নিয়ে গঠিত?
  1. ক) Client, Server
  2. খ) User ID, Domain
  3. গ) User ID, ISP
  4. ঘ) ISP, Host
ব্যাখ্যা
ওয়েবসাইটের দুটি অংশ থাকে- সার্ভার ও ক্লায়েন্ট। ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর ইনপুট নিয়ে সার্ভারের কাছে ডেটা পাঠায় যাকে বলা হয় রিকোয়েস্ট (request)। সার্ভার সেই ডেটা অনুসারে ক্লায়েন্টের কাছে জবাব বা রেসপন্স (response) পাঠায়।
যেমন- একটি ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে চাইলে ব্রাউজারে বিভিন্ন তথ্য লিখে ব্যবহারকারী একটি বাটনে ক্লিক করেন, তখন সেই ডেটা সার্ভারের কাছে যায় এবং সার্ভার ডেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি কোনাে সমস্যা না পায় (যেমন- ইতিমধ্যে এই নামে একাউন্ট তৈরি করা আছে), তখন সার্ভার ব্যবহারকারীর একাউন্ট তৈরি করে এবং ক্লায়েন্টের কাছে রেসপন্স পাঠায়।
আবার কোনাে কারণে একাউন্ট তৈরি করা না গেলেও ক্লায়েন্টের কাছে রেসপন্স পাঠায়।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
২,৯৮৩.
HTTPS ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা স্তর কোন প্রোটোকল দ্বারা নিশ্চিত হয়?
  1. SSL
  2. FTP
  3. SSH
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

• HTTPS ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় SSL (Secure Sockets Layer) প্রোটোকলের মাধ্যমে। SSL একটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানকে এনক্রিপ্ট করে, ফলে ডেটা তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পড়া বা পরিবর্তন করা কঠিন হয়। এটি ডেটার গোপনীয়তা, অখণ্ডতা এবং প্রেরক-প্রাপক যাচাই নিশ্চিত করে। HTTPS মূলত HTTP প্রোটোকলের নিরাপদ সংস্করণ, যা SSL বা তার উন্নত সংস্করণ TLS (Transport Layer Security) ব্যবহার করে।
- অন্যদিকে, FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য, SSH রিমোট কমান্ডের জন্য, এবং SMTP ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই HTTPS-এর নিরাপত্তা সরাসরি SSL-এর উপর নির্ভরশীল।

উত্তর: ক) SSL.

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,৯৮৪.
নিচের কোন কোম্পানি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে না?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. গুগল
  4. অ্যামাজন
ব্যাখ্যা

◉ অ্যামাজন (Amazon) অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে না। 

আমাজন:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হলো আমাজন।
- আমাজন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কর্মার্স সাইট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস (Jeff Bezos)।
- আমাজনের বর্তমান সিইও Andy Jassy ।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে না, তবে তারা Fire OS নামে একটি কাস্টমাইজড Android ভার্সন ব্যবহার করে (কিন্তু এটি মূলত Android-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি, সম্পূর্ণ নতুন OS নয়)।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) মাইক্রোসফট - Windows OS.
খ) অ্যাপল - macOS, iOS.
গ) গুগল - Android OS, Chrome OS.

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা। 
২। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

২,৯৮৫.
একই প্রটোকলবিশিষ্ট দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) সুইচ
  2. খ) ব্রিজ
  3. গ) গেটওয়ে
  4. ঘ) রাউটার
ব্যাখ্যা
রাউটার (Router) :
রাউটার এমন একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযােগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ছােট আকারের ভিন্ন ভিন্ন গঠনের একাধিক LAN সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তােলা যায়। WAN -এর সাথে একটি LAN যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়। রাউটার NAT(Network Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
২,৯৮৬.
"ফিশিং" বলতে নিচের কোনটি বোঝানো হয়?
  1. নিরাপদ উৎস থেকে সফটওয়্যার আপডেট করা
  2. নিরাপত্তা ঝুঁকি খুঁজে নেটওয়ার্ক স্ক্যান করা
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করে অননুমোদিত প্রবেশ বন্ধ করা
  4. সংবেদনশীল তথ্য আদায়ের জন্য নকল ইমেইল পাঠানো
ব্যাখ্যা
• Phishing হলো এমন একটি কৌশল যেখানে অপরাধীরা নকল বা মিথ্যা ইমেইল পাঠিয়ে ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর) চুরি করার চেষ্টা করে।

তাহলে,  অপশনগুলো থেকে সঠিক উত্তর হলো:
- সংবেদনশীল তথ্য আদায়ের জন্য নকল ইমেইল পাঠানো

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৯৮৭.
কোন প্রোটোকল ইমেইল প্রেরণে ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. FTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• SMTP হলো একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইস থেকে ইমেইল সার্ভারে এবং সার্ভার থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর নিয়ম নির্ধারণ করে।
- এটি নির্ধারণ করে কিভাবে ইমেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানো হবে।

• কাজের ধরন:
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) শুধুমাত্র ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, গ্রহণ বা ডাউনলোডের জন্য নয়।
- ইমেইল ক্লায়েন্ট (যেমন: Outlook, Gmail) থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানো এবং সার্ভারের মাধ্যমে অন্য সার্ভারে রিলে করার কাজ SMTP করে।

• অন্যান্য প্রোটোকলের কাজ:
- HTTP (HyperText Transfer Protocol): ওয়েবসাইট ব্রাউজিং এবং ওয়েব পেজ ডেটা আদানপ্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল আপলোড এবং ডাউনলোডের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- POP3 (Post Office Protocol version 3): ইমেইল গ্রহণ বা ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রেরণের জন্য নয়।
- IMAP (Internet Message Access Protocol): সার্ভারে থাকা ইমেইল অ্যাক্সেস বা পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৯৮৮.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবার অন্তর্গত? 
  1. Google Docs
  2. EC2
  3. Azure
  4. Dropbox
ব্যাখ্যা

◉ Azure (Microsoft Azure) মূলত Platform as a Service (PaaS) এবং Infrastructure as a Service (IaaS) উভয় সেবা প্রদান করে, তবে এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা হিসেবেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:

১. IaaS (Infrastructure as a Service): 
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Amazon EC2, Google Cloud Storage, Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service): 
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ: Google App Engine, Microsoft Azure App Services, Heroku, Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service): 
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ: Google Docs, Microsoft 365, Lotus, Yahoo! mail, Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

২,৯৮৯.
IBM-এর পূর্ববর্তী নাম কী ছিল?
  1. Tabulating Machine Company
  2. Business Machine Corporation
  3. International Computing Company
  4. Computing-Tabulating-Recording Company
ব্যাখ্যা

• IBM-এর পূর্ববর্তী নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR)।

• IBM-এর পরিচয়:
- IBM একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
- এটি হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ক্লাউড কম্পিউটিং ও আইটি সেবা প্রদান করে।

• IBM-এর প্রতিষ্ঠা ও প্রাথমিক নাম:
- IBM প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালে কোম্পানিটির নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR)।
- এই নামটি বিভিন্ন ব্যবসায়িক যন্ত্র ও তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রমকে প্রতিনিধিত্ব করত।

• নাম পরিবর্তন:
- ১৯২৪ সালে কোম্পানিটির নাম পরিবর্তন করে International Business Machines (IBM) রাখা হয়।
- নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও প্রযুক্তিগত বিস্তৃতি প্রতিফলিত হয়।

• IBM-এর কার্যক্রম:
- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উন্নয়ন
- আইটি কনসালটিং ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তি

উৎস:
১) Encyclopaedia Britannica — IBM [Link].
২) IBM Official [Link].

২,৯৯০.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়?
  1. ক) সাফারি
  2. খ) টুইটার
  3. গ) ইনস্টাগ্রাম
  4. ঘ) স্ন্যাপচ্যাট
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলোঃ
- ফেইসবুক,
- টুইটার,
- ইনস্টাগ্রাম,
- স্ন্যাপচ্যাট

Web browser:
- Internet Explorer,
- Google Chrome,
- Opera,
- Mozilla Firefox,
- Safari
২,৯৯১.
কোন প্রক্রিয়ায় প্রেরক তাৎক্ষণিকভাবে ডাটা ট্রান্সফার করতে পারে?
  1. ক) সিনক্রোনাস
  2. খ) অ্যাসিনক্রোনাস
  3. গ) আইসোক্রোনাস
  4. ঘ) মাল্টিকাস্ট
ব্যাখ্যা

সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন -
১। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়। এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব। এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়। প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

২,৯৯২.
প্রথম ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম কী?
  1. ASIMO
  2. Roomba
  3. Unimate
  4. Aibo
ব্যাখ্যা

• ১৯৬১ সালে জেনারেল মোটর্সে ব্যবহৃত Unimate ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

• Unimate রোবট:
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- এটি ১৯৬১ সালে জেনারেল মোটরসের নিউ জার্সির কারখানায় প্রথম ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি গাড়ি উৎপাদনে গরম ধাতু ঢালাই ও সমাবেশের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- Unimation Inc. নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয় রোবটটি উৎপাদনের জন্য।

অন্যান্য অপশন:
- ASIMO → হোন্ডার হিউম্যানয়েড রোবট (২০০০ সাল)।
- Roomba → আইরোবটের ভ্যাকুয়াম ক্লিনার রোবট (২০০২ সাল)।
- Aibo → সনির রোবট কুকুর (১৯৯৯ সাল)।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২,৯৯৩.
NFC প্রযুক্তির মূল ব্যবহার কী?
  1. রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে দূরবর্তী কমিউনিকেশন
  2. স্বল্প দূরত্বে ডিভাইস সংযোগ ও তথ্য বিনিময়
  3. দ্রুত ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সুবিধা
  4. FM/AM রেডিও সিগন্যাল ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

◉ NFC (Near Field Communication) হল একটি স্বল্প-পরিসরের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যার সাহায্যে খুব কাছাকাছি (প্রায় ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম) দুটি ডিভাইস সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

NFC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহৃত হয়:
- মোবাইল পেমেন্ট: যেমন Google Pay, Apple Pay.
- ট্যাগ রিডিং: NFC ট্যাগ থেকে তথ্য পড়া, যেমন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে টিকেটিং।
- ফাইল ট্রান্সফার: ছোট ফাইল বা ডাটা শেয়ার করা।
- স্মার্ট ডিভাইস কন্ট্রোল: স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৯৯৪.
নিচের কোনটি Word Processing সফটওয়্যার?
  1. Ms Excel
  2. Oracle
  3. Lotus 1-2-3
  4. Ms Word
ব্যাখ্যা
Ms Word হলো একটি Word Processing সফটওয়্যার, যা লেখালিখি, ডকুমেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।

Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯৫.
মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. লিনাস টরভাল্ডস
  2. স্টিভ জবস
  3. মার্ক জাকারবার্গ
  4. বিল গেটস
ব্যাখ্যা

◉ বিল গেটস (Bill Gates) এবং পল অ্যালেন (Paul Allen) ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। মাইক্রোসফ্ট বিশ্বব্যাপী সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং ক্লাউড সেবা প্রদানকারী একটি শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানি।

মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫ সালের ৪ এপ্রিল।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
স্টিভ জবস: তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
মার্ক জাকারবার্গ: তিনি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা।
লিনাস টরভাল্ডস: তিনি লিনাক্স কার্নেলের রচয়িতা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৯৯৬.

- চিত্রটিতে কোন টপোলজির কথা বলা হয়েছে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

- চিত্রটিতে ট্রি টপোলজির কথা বলা হয়েছে।

• টপোলজি:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology) এবং
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।

- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।

• স্টার টপোলজি:

- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে। এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

• বাস টপোলজি:

- বাস টপোলজি বা বাস সংগঠনে সমস্ত কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রাদি নোডের মাধ্যমে একটি বাস বা সাধারণ পরিবহণ মাধ্যমের সাথে যুক্ত থাকে।
- ডাটা বাসের মাধ্যমে যে কোন কম্পিউটার অন্য যে কোন কম্পিউটারে সংকেত বা ডাটা পাঠাতে পারে।
- ডাটা চলাচলের পথ অভিন্ন।
- তাই প্রেরিত ডাটা প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রতিটি কম্পিউটার তা পরীক্ষা করে দেখে।
- তবে যে কম্পিউটারের উদ্দেশ্যে ডাটা প্রেরণ করা হয় শুধুমাত্র সেই কম্পিউটারই ডাটা গ্রহণ করে।
- প্রতিটি কম্পিউটার আলাদাভাবে নোডের মাধ্যমে বাসের সাথে যুক্ত থাকে বলে নেটওয়ার্কে তথ্য বা ডাটা পরিবহনে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না।
- নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে তাকে সহজেই নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়।

• ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মূল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯৭.
নিচের কোন প্রযুক্তি Face Recognition সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়?
  1. Applied Al
  2. Applied I0T
  3. Virtual Reality
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• Face Recognition System-এ Artificial Intelligence প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯৮.
শক্তিশালী ঝড়-তুফান ও বজ্রসহ আবহাওয়ার কারণে সাধারণত কোন বিষয়টি দেখা যায়?
  1. ট্রানসিয়েন্ট
  2. নয়েজ
  3. ব্ল্যাক আউট
  4. ব্রাউন আউট
ব্যাখ্যা

• শক্তিশালী ঝড়-তুফান এবং বজ্রসহ আবহাওয়ার সময় সাধারণত ব্ল্যাক আউট দেখা যায়। ঝড় এবং বজ্রপাত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের লাইনে প্রভাব ফেলে, যার ফলে বিদ্যুৎ সংযোগে হঠাৎ সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর ফলে বৈদ্যুতিক গ্রিডে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটে এবং বিদ্যুৎ সম্পূর্ণভাবে চলে যায়। এই পরিস্থিতিকে ব্ল্যাক আউট বলা হয়। অন্যদিকে, ট্রানসিয়েন্ট হলো ছোট সময়ের বৈদ্যুতিক অস্থায়ী উত্তেজনা, নয়েজ হলো সিগন্যালে অপ্রয়োজনীয় গোলমাল, আর ব্রাউন আউট হলো ভোল্টেজের হ্রাস যা আলো বা যন্ত্রপাতি আংশিকভাবে কাজ করতে বাধা দেয়। তাই ঝড়-তুফানের সময় সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা হলো ব্ল্যাক আউট।

• বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যা:
- বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ একটি সাধারণ ব্যাপার।
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-

১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে।
- এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

২. ব্ল্যাক আউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে।
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
- তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।
- অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশ্বেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৯৯.
IP Adress থেকে MAC Adress জানার Protocol কোনটি?
  1. ক) RIP
  2. খ) BGP
  3. গ) ARP
  4. ঘ) TCP
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
IP Adress থেকে MAC Adress জানার Protocol হলো Adress Resolution Protocol বা ARP .
৩,০০০.
কোন নেটওয়ার্কের কম্পিউটারগুলো সমান্তরালভাবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. পিয়ার টু পিয়ার
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• পিয়ার টু পিয়ার (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সময়েই সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। এখানে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না এবং প্রত্যেক কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান-প্রদান করে। এর ফলে প্রত্যেক ব্যবহারকারী তার নিজের রিসোর্স যেমন ফাইল, প্রিন্টার বা ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারে এবং একই সাথে অন্যদের রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে। এটি ছোট বা মাঝারি সাইজের নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী এবং সহজে সেটআপ করা যায়। তাই, পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার উভয় ভূমিকা পালন করে, অর্থাৎ সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: পিয়ার টু পিয়ার।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।