• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সাধারণত তিনটি প্রধান সার্ভিস মডেল রয়েছে: IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service), এবং SaaS (Software as a Service)। IaaS ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়ালাইজড হার্ডওয়্যার এবং নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান করে, PaaS সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং ডিপ্লয়মেন্টের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, আর SaaS ব্যবহারকারীদের সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। তবে DaaS (Desktop as a Service) মূলত ক্লাউড-ভিত্তিক ডেস্কটপ প্রদান করে, যা মূল তিনটি সার্ভিস মডেলের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে DaaS ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান সার্ভিস মডেল হিসেবে গণ্য হয় না।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service):
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.
২. PaaS (Platform as a Service):
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.
৩. SaaS (Software as a Service):
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।