বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ২৫ / ৫১ · ২,৪০১২,৫০০ / ৫,০২৮

২,৪০১.
LinkedIn এর বর্তমান সিইও কে? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. Elon Musk
  2. Ryan Roslansky
  3. Mark Zuckerberg
  4. Bill Gates
ব্যাখ্যা
Ryan Roslansky হচ্ছে LinkedIn এর বর্তমান সিইও (Jun 1, 2020 - present)।

• LinkedIn:

- LinkedIn সবার কাছেই সুপরিচিত একটি নাম। পেশাদারদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় কমিউনিটি হচ্ছে এই লিংকডইন।
- পেশাজীবীদের কাছে কাজের এক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হলো লিংকডইন।
- বর্তমানে করপোরেট জগতে নিয়োগকর্তারা চাকরিপ্রার্থীর যোগ্যতা যাচাইয়ে লিংকডইনের সহায়তা নেন।
- এটি ২০০২ সালে রেইড হফম্যান প্রতিষ্ঠা করেন।
- LinkedIn এর সদর দপ্তর সানিভেল, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- Parent organization: Microsoft Corporation

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন বিল গেটস।
- ফেসবুকের বর্তমান নাম ‘মেটা' এর প্রতিষ্ঠাতা।
- সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং টুইটারের বর্তমান নাম "X" এর সিইও ইলন মাস্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৪০২.
নিচের কোনটি জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
  2. খ) কলের খরচ বেশি।
  3. গ) হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।
  4. ঘ) রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা
জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য
১. ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
২. কলের খরচ বেশি।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়। ।
৪. জিএসএম হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু কম।

সিডিএমএ এর বৈশিষ্ট্য
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪০৩.
নিম্নলিখিত কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সার্ভিস মডেল নয়?
  1. DaaS (Database as a Service)
  2. PaaS (Platform as a Service)
  3. SaaS (Software as a Service)
  4. IaaS (Infrastructure as a Service)
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - ঘ) IaaS (Infrastructure as a Service).
 
ক্লাউড কম্পিউটিং সাধারণত বিভিন্ন সার্ভিস মডেলের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service), এবং SaaS (Software as a Service)। IaaS ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান করে। PaaS ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও চালানোর জন্য প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, যেখানে হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারের ম্যানেজমেন্ট প্রয়োজন হয় না। SaaS হলো সম্পূর্ণ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন অনলাইনে ব্যবহার করার সুবিধা। তবে DaaS (Database as a Service) মূল তিনটি সার্ভিস মডেলের অংশ নয়; এটি একটি বিশেষায়িত ডাটাবেস-ভিত্তিক সেবা, যা ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মূল ধারার মধ্যে গণ্য করা হয় না। তাই, সঠিক উত্তর হলো ক) DaaS.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।

২,৪০৪.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারনার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে-
  1. ক) এনিগমা মেশিন
  2. খ) টুরিং টেস্ট
  3. গ) এআই সিমুলেশন টেস্ট
  4. ঘ) সিমুলেটর মেশিন
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ এলান টুরিং। ১৯৫০ সালে তার আবিষ্কৃত 'টুরিং টেস্ট' কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারনার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান এবং Britannica
২,৪০৫.
নিচের কোন ধরনের নেটওয়ার্কের পরিসর বা কভারেজ এরিয়া সবচেয়ে বেশি? 
  1. MAN 
  2. PAN 
  3. LAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা

সবচেয়ে বিস্তৃত কভারেজের নেটওয়ার্ক হলো WAN.

• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ব্যাংকের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্ক।

• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব নেটওয়ার্ক।

• PAN:
PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- PAN এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ (যেমন: ব্লুটুথ, ইনফ্রারেড)।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,৪০৬.
নিচের কোনটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?
  1. ক) Bing
  2. খ) Baidu
  3. গ) Google Chrome
  4. ঘ) Yahoo
ব্যাখ্যা
Google Chrome সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
- Google Chrome হচ্ছে একটি ওয়েব ব্রাউজার। 
- অপরদিকে Bing, Baidu, Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন।

ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে বিষয়বস্তু উপস্থাপন করার জন্য একটি সফ্টওয়্যার প্রোগ্রাম যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো: Google Chrome, Mozilla Firefox, Opera ইত্যাদি।

সার্চ ইঞ্জিন:
- সার্চ ইঞ্জিন মূলত একটি ওয়েব অনুসন্ধান ইঞ্জিন বা সফট্‌ওয়্যার প্রোগ্রাম যা তথ্য জমা করে এবং প্রয়োজনের সময় সেই তথ্য ব্যবহারকারীর প্রশ্ন অনুসারে প্রদান করে একটি তালিকা প্রদান ডাটাবেজে অনুসন্ধান করে।
- জনপ্রিয় কিছু সার্চ ইঞ্জিন হলো: Google, Bing, Yahoo, Baidu ইত্যাদি।

উৎস: Computerhope website.
২,৪০৭.
Which protocol is primarily used by an email client to download messages from a remote mail server?
  1. HTTP
  2. SMTP
  3. POP3
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল ক্লায়েন্ট (যেমন: Outlook, Gmail) দ্বারা দূরবর্তী সার্ভার থেকে মেসেজ ডাউনলোড করার জন্য প্রধানত POP3 প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়।

ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- ইনবক্সে থাকা ইমেইল ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ডাউনলোড করে।
মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো Hyper Text Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• FTP:
- FTP এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol.
- ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

২,৪০৮.
M-Commerce নিচের কোন টেকনোলজী ব্যবহার করে?
  1. SMTP
  2. UDP
  3. POP
  4. WAP
ব্যাখ্যা
- এম-কমার্স Wireless Application Protocol (WAP) টেকনোলজী ব্যবহার করে।
- UDP দ্বারা বোঝায় User Datagram Protocol.
- SMTP এবং POP প্রটোকল দুইটি ই-মেইলে ব্যবহৃত হয়।

• এম-কমার্স (M-commerce):
- এম কমার্স বা মোবাইল কমার্স (Mobile-Commerce) হলো এমন একটি ব্যবসায়িক সিস্টেম যা তারবিহীন বা ওয়ারলেস (Wireless) পরিবেশে সংঘটিত হয়।
- আধুনিকায়নের যুগে মোবাইল, ট্যাবলেট ইত্যাদি ডিভাইসের মাধ্যমে তারবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় সিস্টেমকেই এম-কমার্স বলে অভিহিত করা হয়।
- মোবাইল কমার্সের ফলে বিভিন্ন মোবাইল ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন প্রকার প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী যেমন- ক্রেডিট সেবা, বিভিন্ন টিকেট, মেডিকেল রেকর্ড ইত্যাদি এবং অর্থ সংরক্ষিত করে রাখার জন্য ওয়ালেট (Wallet) ব্যবহার করছে যা ইলেকট্রনিক ফরমেটে সংরক্ষিত হয়।
- ফলে এম কমার্সের ব্যবহারকারীরা বাটন ক্লিকের সাহায্যে মুহুর্তের মধ্যে বিভিন্ন ইনফরমেশন আপডেট করতে পারে এবং পরস্পরের সাথে শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ যথাসময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য বা সেবা আদান- প্রদানের সুবিধা বাড়ছে।
- এম কমার্স প্রধানত ব্যাংকিং, টিকেট ক্রয়, আবহাওয়া ও ভ্রমণ তথ্য প্রাপ্তি, বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য শেয়ার করা, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উৎস:
১. ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Tachtarget [Link]
২,৪০৯.
WWW এর প্রথম ডেভেলপমেন্ট হয় কোন দেশে?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• WWW: 
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web. 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।  
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
-  WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
২,৪১০.
ChatGPT-এ টেক্সট প্রম্পট বোঝার জন্য কোন এনকোডার ব্যবহার করা হয়?
  1. Transformer-based Encoder
  2. CLIP Text Encoder
  3. VAE Encoder
  4. CNN Encoder
ব্যাখ্যা

• ChatGPT মূলত ট্রান্সফরমার (Transformer) আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল।
- এটি মানুষের দেওয়া প্রম্পট বা টেক্সট বিশ্লেষণ করার জন্য ট্রান্সফরমার এনকোডিং মেকানিজম এবং সেলফ-অ্যাটেনশন (Self-attention) ব্যবহার করে, যা প্রতিটি শব্দের মধ্যকার প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে।

• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- বর্তমানে GPT- 5 ভার্সন চলছে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

• Transformer-based Encoder এর বৈশিষ্ট্য:
- এটি শব্দের ক্রম বা অবস্থান বোঝার জন্য পজিশনাল এনকোডিং ব্যবহার করে।
- সেলফ-অ্যাটেনশন এর মাধ্যমে এটি বাক্যের অনেক দূরের শব্দের সাথেও সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
- এটি মূলত টেক্সট-টু-টেক্সট রূপান্তরের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী আর্কিটেকচার।

অন্যান্য অপশন:
- CLIP Text Encoder: ইমেজ এবং টেক্সটের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয় যা সাধারণত Stable diffusion বা DALL-E মডেলে দেখা যায়।
- VAE Encoder: ডেটাকে সংকুচিত করে ল্যাটেন্ট রিপ্রেজেন্টেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় যা মূলত ইমেজ বা অডিও প্রসেসিংয়ের সাথে যুক্ত।
- CNN Encoder: গ্রাফিক্স বা ছবির বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যা টেক্সট প্রসেসিংয়ের জন্য আদর্শ নয়।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। IBM website [link]

২,৪১১.
নিচের কোনটি ওয়েব সার্ভার?
  1. ক) Gmail ও Apache
  2. খ) Apache ও IIS
  3. গ) Chromium ও Apache
  4. ঘ) IIS ও Mozilla
ব্যাখ্যা
- Apache ও IIS উভয়ই হচ্ছে ওয়েব সার্ভার। 
- Apache হচ্ছে একটি ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার। 
- IIS হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্তৃক উদ্ভাবিত ওয়েব সার্ভার। 
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 
২,৪১২.
Arduino কী?
  1. একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন
  2. একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল
  3. একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বোর্ড
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

Arduino হলো একটি ওপেন-সোর্স মাইক্রোকন্ট্রোলার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড, যা ইলেকট্রনিক প্রকল্প তৈরি ও প্রোগ্রামিং শেখার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Arduino: 
- ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম যা সহজে ব্যবহারযোগ্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি বিভিন্ন সেন্সর, মোটর এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে অটোমেশন, রোবোটিক্স, এবং IoT প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ইনপুট পড়তে সক্ষম, যেমন: সেন্সরে আলো পড়া, বোতামে আঙুলের চাপ, টুইটার মেসেজ গ্রহণ ইত্যাদি। 
- প্রোগ্রামিংয়ের জন্য Arduino IDE সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- বহুমুখী প্রয়োগ— রোবোটিক্স, IoT (Internet of Things), অটোমেশন, শিক্ষা, প্রোটোটাইপ ডেভেলপমেন্ট, এবং গবেষণা।

উৎস: Arduino ওয়েবসাইট। 

২,৪১৩.
ক্লায়েন্ট-টু-ক্লায়েন্ট সংযোগের জন্য কোন মোডে ওয়াই-ফাই ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করা যায়?
  1. পাস-থ্রু মোড
  2. সিস্টেম মোড
  3. রিপিটার মোড
  4. এড-হক মোড
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই প্রযুক্তিতে এড-হক (Ad-hoc) মোড হলো এমন একটি বিকেন্দ্রীভূত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যেখানে কোনো কেন্দ্রীয় রাউটার বা এক্সেস পয়েন্ট ছাড়াই ডিভাইসগুলো সরাসরি একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। একে পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) নেটওয়ার্কও বলা হয়।
- অন্যদিকে, পাস-থ্রু বা রিপিটার মোড মূলত বিদ্যমান সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা বা পরিধি বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi): 
- বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলোকে তারবিহীন উপায়ে সংযুক্ত করার একটি কৌশল হলো ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)। 
অর্থাৎ, ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা তারবিহীন উচ্চ গতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহের জন্য বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে। 
- অনেকেই ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) কে "wireless fidelity' এর সংক্ষিপ্তরূপ মনে করে থাকেন যা আসলে ভুল। 
- এটি 'ওয়াই-ফাই অ্যালায়েন্স (Wi-Fi Alliance)' এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম। 

• ওয়াই-ফাই এর বৈশিষ্ট্য: 
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ সীমিত পরিসর থেকে নিয়ে বিস্তৃত পরিসরেও পাওয়া সম্ভব। 
- ওয়াই-ফাই আওতার মধ্যে সকল ডিভাইসগুলোতে তারবিহীন উপায়ে কিংবা তারের মাধ্যমে ইন্টারনেট অ্যাকসেস ও ইন্টারনেটওয়ার্কিং সরবরাহ করে। 
- আইফোন, অ্যানড্রয়েড, বাদা এবং সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোনগুলো ওয়্যারলেস সংযোগ তৈরি করতে পারে। 
- ক্লায়েন্ট-টু-ক্লায়েন্ট সংযোগগুলোর জন্য রাউটার ছাড়াও এড-হক মোডে ওয়াই-ফাই ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪১৪.
আইবিএম কোন এন্টারপ্রাইজ-গ্রেড ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্য পরিচিত?
  1. Corda
  2. Hyperledger Fabric
  3. Stellar
  4. EOS
ব্যাখ্যা
• আইবিএম এন্টারপ্রাইজ-গ্রেড ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত Hyperledger Fabric এর জন্য। Hyperledger Fabric একটি ওপেন সোর্স ব্লকচেইন ফ্রেমওয়ার্ক যা বিশেষভাবে ব্যবসায়িক ও এন্টারপ্রাইজ ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি একটি মডুলার এবং স্কেলেবল আর্কিটেকচার প্রদান করে, যা বিভিন্ন শিল্পখাতে নিরাপদ এবং বিশ্বস্ত লেনদেন পরিচালনা করতে সক্ষম। Hyperledger Fabric স্মার্ট কন্ট্রাক্ট বা চেইনকোড সমর্থন করে এবং অনুমোদিত ব্লকচেইন হিসেবে কাজ করে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী লেনদেন করতে পারে। আইবিএম এর মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মটি উন্নত করে বড় বড় সংস্থা তাদের ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ও নিরাপদ করতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) Hyperledger Fabric.

• আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- প্রথমে নাম ছিল Computing - Tabulating - Recording Company (CTR), পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয় ৷
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ। (জুন, ২০২৫)
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc.

উৎস: IBM Website.
২,৪১৫.
কোনটি মেটার অধীনস্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম?
  1. ইন্সট্রাগ্রাম
  2. লিঙ্কডইন
  3. টুইটার
  4. জুম
ব্যাখ্যা
• মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড:
- ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড এর বর্তমান নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
 - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক , ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি মেটার অধীনস্ত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৪১৬.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্রয়োগ মডেল নয়?
  1. পাবলিক ক্লাঊড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. সিকিউরিটি ক্লাউড
  4. হাইব্রিড ক্লাউড
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া। 
- ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্টান্ডার্ডস এন্ড টেকনোলজির (NIST) সংজ্ঞা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার ক্লাউড কম্পিউটিংকে নিম্নরুপে সংজ্ঞায়িত করেছে:
"ক্লাউড কম্পিউটিং হল সর্বব্যাপী, সুবিধাজনক, চাহিদা অনুযায়ী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য, সহজে পরিবর্তনীয় অংশীদারি (shared) কম্পিউটার রিসোর্সের (যেমন নেটওয়ার্ক, সার্ভার, স্টোরেজ, এপ্লিকেশন ও ডিজিটাল পরিষেবা) সামস্টিক মডেল যা পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম প্রচেষ্টায় দ্রুততম সময়ে প্রস্তুত ও ব্যবহার করা সম্ভব।"

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য:
- NIST এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা: 
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি: ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:  এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে। 

ক্লাউড কম্পিউটিং প্রয়োগ মডেল (Deployment Models): 
১. পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud) – এই ক্লাউড অবকাঠামো সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত। এটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি প্রতিষ্ঠান অথবা এই তিন ধরণের সংস্থার যৌথ মালীকানায় পরিচালিত হতে পারে। এটি ক্লাউড পরিষেবা প্রদানকারীর নিজস্ব স্থাপনায় থাকে।

২. প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud) – এই ক্লাউড অবকাঠামো একটি সংস্থার বিভিন্ন গ্রাহকদের (উদাঃ ব্যবসায়িক - ইউনিটসমূহ) একচেটিয়া ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। এটি উক্ত সংস্থা বা তৃতীয় পক্ষ অথবা দুইয়ের যৌথ মালীকানায় পরিচালিত হতে পারে এবং একই স্থাপনায় অথবা দূরবর্তী স্থানে থাকতে পারে।

৩. কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud) – এই ক্লাউড অবকাঠামোটি সংস্থার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট (উদাঃ লক্ষ্য, সুরক্ষার বাধ্যবাধকতা, নীতিমালা, এবং এর পরিপালন বিবেচনায়) একটি নির্দিষ্ট ভোক্তাগোষ্ঠীকে স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহারের জন্য প্রদান করা হয়। এটি গোষ্ঠীভুক্ত এক বা একাধিক সংস্থা, তৃতীয় পক্ষ বা এর যৌথ মালীকানায় পরিচালিত হতে পারে এবং একই স্থাপনায় অথবা দূরবর্তী স্থানে থাকতে পারে।

৪. হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud) – তথ্য ও এপ্লিকেশন বিভিন্ন প্লাটফর্মে সঠিকভাবে পরিচালনার নিমিত্তে মানদণ্ড বা বানিজ্যিক প্রযুক্তি দ্বারা যুক্ত দুই বা ততোধিক স্বতন্ত্র ক্লাউড অবকাঠামোর (পাব্লিক, প্রাইভেট অথবা কমিউনিটি) সমন্বয়ে এই ক্লাউড অবকাঠামো গঠিত (যেমন, ভিন্ন ক্লাউডের মধ্যে কার্যভারের ভারসাম্য রক্ষার্থে ব্যবহৃত ক্লাউড বাস্টিং (Bursting))।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়‍্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ক্লাউড কম্পিউটিং নীতিমালা, ২০২০ - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। [লিংক] 

২,৪১৭.
Which of the following is a generative AI model developed by Google?
  1. Gemini
  2. Copilot
  3. DALL-E
  4. LLaMA
ব্যাখ্যা

Gemini হলো Google দ্বারা তৈরি একটি জেনারেটিভ এআই মডেল (Generative AI Model)। এটি একটি মাল্টিমোডাল মডেল যা টেক্সট, ছবি, অডিও, ভিডিও এবং কোড বুঝতে এবং তৈরি করতে সক্ষম।
 
• Gemini:
- এটি একটি শক্তিশালী এবং নমনীয় এআই মডেল, যা শুধুমাত্র টেক্সট নয়, বরং ছবি, অডিও, ভিডিও এবং কোডও বুঝতে ও প্রক্রিয়া করতে সক্ষম।
- জেমিনি মডেলের তিনটি সংস্করণ রয়েছে: জেমিনি আল্ট্রা (Gemini Ultra), যা সবচেয়ে শক্তিশালী; জেমিনি প্রো (Gemini Pro), যা বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়; এবং জেমিনি ন্যানো (Gemini Nano), যা মোবাইলের মতো ডিভাইসের জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে।

গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub) I
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। [তথ্য: আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত]
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. গুগল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৪১৮.
ডোমেইন নেমকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. TCP
  2. Browser
  3. DNS server
  4. IP Translator
ব্যাখ্যা

DNS সার্ভার: 
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪১৯.
বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স(BSA) এর কাজ কী?
  1. ক) পাইরেসি নজরদারী
  2. খ) সফটওয়ার কোম্পানিকে ভাতা প্রদান
  3. গ) মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাপী বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ ও পাইরেসি নজরদারির জন্য বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স(BSA) নামে একটি সংস্থা তৈরী করেছে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
২,৪২০.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ কত?
  1. ক) 15Mbps
  2. খ) 20Mbps
  3. গ) 17Mbps
  4. ঘ) 10Mbps
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯ - বর্তমান সময় পর্যন্ত):
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিকনেটওর্য়াকের ব্যবহার।
ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে। এটি 2G ও 3G এর চেয়ে অধিক উন্নত প্রযুক্তি। চতুর্থ প্রজন্মের (৪এ) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMax, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
1.ডাটা ট্রান্সফার রেট হবে সর্বোচ্চ প্রায় ২০Mbps।
2.উচ্চ গতির ফ্রিকোয়েন্সি।
3.ত্রি-মাত্রিক ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা।
4.USB পোর্টের মাধ্যমে সরাসরি কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
5. ইন্টারনেট মডেম ও সিম কার্ড ব্যবহার করে সরাসরি কম্পিউটারে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ তৈরি হয়।
6. ওয়ারলেস ইন্টারনেট সুবিধা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

২,৪২১.
কোনটি শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি?
  1. ভয়েস রিকোগনিশন
  2. টাইপিং কীস্ট্রোক
  3. ফেইস রিকোগনিশন
  4. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
ব্যাখ্যা

ফেইস রিকোগনিশন হচ্ছে শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ।

বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।

• বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায় বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই ধরনের। যথা-

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ (ফিঙ্গার প্রিন্ট),
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ (হ্যান্ড জিওমিট্রি), 
- আইরিশ এবং রেটিনা শনাক্তকরণ, 
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ (ফেইস রিকোগনিশন), 
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ (সিগনেচার ভেরিফিকেশন),
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (ভয়েস রিকোগনিশন)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,৪২২.
স্প্যামিং কী?
  1. অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।
  2. পরোক্ষভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
  3. বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
  4. অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
ব্যাখ্যা
স্প্যামিং হচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৪২৩.
NVIDIA কোন দেশভিত্তিক টেক কোম্পানি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য 
  3. চীন 
  4. রাশিয়া 
ব্যাখ্যা

• NVIDIA একটি দেশভিত্তিক প্রযুক্তি কোম্পানি যা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে। এটি মূলত গ্রাফিক্স প্রসেসর ইউনিট (GPU) এবং চিপসেট তৈরি করে যা গেমিং, এআই, ডেটা সেন্টার এবং পেশাদার ভিজ্যুয়ালাইজেশনে ব্যবহৃত হয়। ১৯৯৩ সালে জেন-হুয়াং এবং তার সহকর্মীরা প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেন, এবং তখন থেকে এটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। NVIDIA-এর সদর দফতর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং GPU আর্কিটেকচারের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত, বিশেষ করে GeForce, Quadro এবং Tesla সিরিজের জন্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক) যুক্তরাষ্ট্র।

• এনভিডিয়া (NVIDIA):

- বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার তথা ৪ লাখ কোটি ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া।
- মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির চাহিদা বাড়তে থাকায় এই কোম্পানির শেয়ারদরও বেশ বেড়েছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই কোম্পানিটি ২০২৩ সালের জুনে প্রথমবার ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছায়।
- তারপর থেকে তাদের শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে।

উল্লেখ্য,
- NVIDIA ১৯৯৩ সালে জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang), ক্রিস মালাকোভস্কি (Chris Malachowsky), এবং কার্টিস প্রিয়েম (Curtis Priem) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার গ্রাফিক্স, গেমিং, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
- NVIDIA-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পণ্য হলো GPU (Graphics Processing Unit), যা মূলত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র-
- NVIDIA website.

২,৪২৪.
ওয়াই-ম্যাক্সে কোন ধরনের মোড ব্যবহার করা হয়? 
  1. মাল্টিকাস্ট
  2. ফুল ডুপ্লেক্স
  3. সিমপ্লেক্স
  4. হাফ ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ম্যাক্স (Wi-Max): 
- ওয়াই-ম্যাক্স এর আওতা বা কাভারেজ বিশাল জায়গা জুড়ে থাকে, প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে। 
- ইন্টারনেটে প্রবেশ করতে লাইসেন্সকৃত অথবা লাইসেন্সবিহীন স্পেকট্রাম ব্যবহার করে। 
- ওয়াই-ম্যাক্সের খরচ অপেক্ষাকৃত বেশি। 
- ওয়াই-ম্যাক্সের গতি অনেক বেশি। দূরত্বের উপর নির্ভর করে ১০-১০০ মেগাবিট/সেকেন্ড হতে পারে। 
- ওয়াই-ম্যাক্সে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়। 
- ওয়াই-ম্যাক্সের কোয়ালিটি অফ সার্ভিস নিশ্চিত করা হয়। 
- ওয়াই-ম্যাক্স আইইইই-৮০২.১৬ (IEEE 802.16) স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিতি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২,৪২৫.
'মেটা' এর অধীন নয় কোনটি?
  1. ক) Instagram
  2. খ) Workplace
  3. গ) WhatsApp
  4. ঘ) LinkedIn
ব্যাখ্যা
• ফেসবুক ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।
- ফেসবুক কোম্পানির নতুন নাম মেটা (Meta)
- মেটা নামকরণ হয় ২০২১ সালের ২৮ অক্টোবর।
- মেটা এর অধীন সার্ভিসগুলো হলো - Facebook, Messenger, Instagram, WhatsApp, Workplace.

• LinkedIn ফেসবুক বা টুইটারের মতই একটা social networking site যা চাকুরীজীবী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষায়িত ভাবে তৈরিকৃত।
- এটি ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে রেইড হফম্যান এবং পে-প্যালের অনেক মেম্বার মিলে তৈরি করেন।
- ২০১৬ সালে মাইক্রোসফট প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সাইট লিংকড-ইনকে কিনে নেয়।

উৎস - মেটা ও লিংকড-ইন ওয়েবসাইট  
২,৪২৬.
কোনটি ই-কমার্স সাইট নয়?
  1. Bing.com
  2. Olx.com
  3. Amazon.com
  4. সবগুলোই 
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক কমার্স (ই-কমার্স): 
- ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স হলো এমন একটি বাণিজ্যিক পদ্ধতি যেখানে ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয় করা হয়।
- আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- ই-কমার্সের সুবিধার কারণে ক্রেতারা ঘরে বসেই কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারি গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- বাজারজাতকারী এবং ক্রেতা উভয়ই ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়।
- ই-কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং এবং এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্যের আদান-প্রদান করে।
- তথ্য ট্রান্সমিশনের কাজটি সবার ব্যবহার উপযোগী উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন দ্রব্যের বিক্রয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
- Amazon.com, Olx.com ই-কমার্স সাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম, যেখানে অনলাইনে কেনাবেচা করা যায়।

অন্যদিকে, 
- Bing.com হলো জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
২,৪২৭.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. On-demand self service
  2. Own hardware ownership
  3. Rapid Elasticity
  4. Pay-as-you-go
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো— সেবা গ্রহণের জন্য অন-ডিম্যান্ড সেলফ সার্ভিস (On-demand self service), চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত রিসোর্স কমানো বা বাড়ানোর জন্য র‍্যাপিড ইলাস্টিসিটি (Rapid Elasticity) এবং শুধুমাত্র ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বিল পরিশোধের জন্য পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-as-you-go) পদ্ধতি যা খরচ সাশ্রয় করে।
- তাই Own hardware ownership ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন।
- Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)। ব্রিটানিকা।

২,৪২৮.
Cc এবং Bcc এর মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. Cc-তে গ্রাহকের তালিকা লুকানো থাকে, Bcc-তে থাকে না
  2. Cc-তে প্রাপকের তালিকা দৃশ্যমান, Bcc-তে লুকানো থাকে
  3. Cc শুধুমাত্র এক গ্রাহকের জন্য, Bcc একাধিকের জন্য
  4. কোনো পার্থক্য নেই
ব্যাখ্যা
• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪২৯.
ইন্টারনেট রিলে চ্যাট (IRC) কী?
  1. ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল
  2. একটি রিয়েল টাইম যোগাযোগের পদ্ধতি
  3. একটি ইমেইল পরিষেবা
  4. একটি অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সিং টুল
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট রিলে চ্যাট (IRC) হলো একটি রিয়েল টাইম যোগাযোগের পদ্ধতি।

• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat-IRC):
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩০.
কোনটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ত্রিমাত্রিক সিমুলেশন
  2. খ) দ্বিমাত্রিক সিমুলেশন
  3. গ) হ্যান্ড জিওমেট্রি
  4. ঘ) বায়োলজিক্যাল ডেটা
ব্যাখ্যা
• ত্রিমাত্রিক সিমুলেশন ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত হয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যাররে মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হবে।  
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৪৩১.
কোনটি ভাইরাস নয়?
  1. ক) ক্রিপ্টোলকার
  2. খ) লোটাস-১
  3. গ) স্টর্মওয়ার্ম
  4. ঘ) আই লাভ ইউ
ব্যাখ্যা
লোটাস-১ হলো একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম। অন্যদিকে ক্রিপ্টোলকার, স্টর্মওয়ার্ম এবং আই লাভ ইউ হলো তিনটি ভাইরাস। এর মধ্যে আই লাভ ইউ ভাইরাস ২০০০ সালের দিকে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেমে বিপর্যয় নামিয়ে আনে। ক্রিপ্টোলকার ২০১৩ সালের দিকে আক্রমণ চালায়। অন্যান্য ভাইরাসের মধ্যে সিআইএইচ, ট্রজেন হর্স ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। (সূত্রঃ নরটন এবং আইবিএম ওয়েবসাইট )
২,৪৩২.
আণবিক পর্যায়ে ধাতব পদার্থকে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি কোনটি?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. বায়োইনফরমেটিক্স
  4. ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ 'nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- তবে ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- Merriam Webster অনলাইন ডিকশনারী অনুসারে ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া আছে। যথা-
ক. ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up):
- এ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ছোট জিনিস দিয়ে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।
- ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তু তৈরি করা যায়।

খ. বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top down):
- টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে কেটে ছোট করে, তাকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত Etching প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত। আমাদের বর্তমান ইলেকট্রনিক্স হলো টপ ডাউন প্রযুক্তি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৪৩৩.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Spamming
  2. Avast
  3. Vishing
  4. Sneaking
ব্যাখ্যা
• 'Avast' সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- Avast এক ধরনের অ্যান্টিভাইরাস।

• সাইবার অপরাধ:

- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং
- স্প্যামিং
- সাইবার থেফ্ট
- সাইবার বুলি
- স্ফুফিং
- ফিশিং
- ভিশিং
- স্নিকিং
- প্লেজিয়ারিজম
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

• অপশন আলোচনা:
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৪৩৪.
ইমেইলে 'CC' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Carbon Copy
  2. Certified Copy
  3. Clear Copy
  4. Copy Confirmation
ব্যাখ্যা
• ইমেইলে ‘CC’ মানে হলো Carbon Copy. এটি একটি ফিচার যা মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য কেউ মেইলটি দেখতে পায়। মূল প্রাপক এবং CC-তে থাকা সবাই মেইলটি পায়, কিন্তু CC রিসিপিয়েন্টরা জানে যে তারা শুধু কপি পেয়েছে, মূল প্রাপক নয়। এটি সাধারণত তখন ব্যবহার করা হয় যখন মেইলটির তথ্য অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করতে হয়, কিন্তু তাদের থেকে সরাসরি উত্তর বা পদক্ষেপ আশা করা হয় না। ‘CC’ ব্যবহার করে সহজে অনেককে একই মেইল পাঠানো যায়।
- তাই ‘CC’ এর সঠিক উত্তর হলো: ক) Carbon Copy.

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• CC:
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- তাহলে গ্রাহক তার মেইলটি গ্রহণ করার পর এখানে প্রদর্শিত ঠিকানাসমূহ দেখে জানতে পারবে একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।

• BCC:
- BCC (Blind Carbon Copy) হলো ইমেইল প্রেরণের একটি ফিচার, যেখানে প্রাপকগণ (recipients) অন্য BCC-তে থাকা ব্যক্তিদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পায় না।
- এটি গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে যখন একই ইমেইল একাধিক ব্যক্তিকে পাঠানো হয়, কিন্তু তাদের মধ্যে যোগাযোগ

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৪৩৫.
সেলুলার নেটওয়ার্কে 'রোমিং' কী?
  1. একাধিক সেল টাওয়ার ব্যবহার করা
  2. স্থানীয় নেটওয়ার্ক ছাড়া অন্য নেটওয়ার্কে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা
  3. বিভিন্ন ডিভাইসে একই সিম কার্ড ব্যবহার করা
  4. ইন্টারনেটের পরিবর্তে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা

◉ রোমিং (Roaming) হচ্ছে স্থানীয় নেটওয়ার্ক ছাড়া অন্য নেটওয়ার্কে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা। 

রোমিং (Roaming): 
রোমিং (Roaming) হলো এমন একটি ফিচার যেখানে একটি মোবাইল ফোন তার মূল নেটওয়ার্কের (Home Network) বাইরে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে।
- এটি কল, এসএমএস ও মোবাইল ডাটা ব্যবহারের সুবিধা দেয়। 
- সাধারণত অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হয়। 
- বিশেষত আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় রোমিং প্রয়োজন হয়। 

রোমিং সাধারণত দুটি ধরণের হয়:
ডোমেস্টিক রোমিং (Domestic Roaming) – একই দেশে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা।
ইন্টারন্যাশনাল রোমিং (International Roaming) – বিদেশে গিয়ে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা।

সোর্স: GSMA (Global System for Mobile Communications) - International Roaming Guide [লিংক]

২,৪৩৬.
বর্তমানে Google কোন কোম্পানির অধীনস্থ?
  1. Meta Platforms
  2. Microsoft Corporation
  3. Alphabet Inc.
  4. Amazon Web Services
ব্যাখ্যা
বর্তমানে গুগল Alphabet Inc. নামক একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনস্থ।

• Google:
- Google একটি আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি, যা ১৯৯৮ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৫ সাল থেকে গুগল Alphabet Inc. নামক একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনস্থ।
- গুগল বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৭০% এর বেশি অনলাইন সার্চ রিকোয়েস্ট পরিচালনা করে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে।
- গুগলের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- গুগল শুরুতে শুধুমাত্র অনলাইন সার্চ ফার্ম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল।
- বর্তমানে গুগল ৫০টিরও বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা ও পণ্য সরবরাহ করে, যেমন:
• ইমেইল,
• অনলাইন ডকুমেন্ট তৈরি,
• মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটের জন্য সফটওয়্যার।
- ২০১২ সালে Motorola Mobility অধিগ্রহণের মাধ্যমে গুগল মোবাইল ফোনের মতো হার্ডওয়্যার বিক্রেতা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৪৩৭.
ডিফল্ট হিসেবে HTTP কোন পোর্ট নাম্বার ব্যবহার করে?
  1. 443
  2. 21
  3. 20
  4. 80
ব্যাখ্যা

• ডিফল্ট হিসেবে HTTP (HyperText Transfer Protocol) ওয়েব ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন আমরা কোনও ওয়েবসাইটে ভিজিট করি, তখন ব্রাউজার সার্ভারের সঙ্গে HTTP প্রোটোকলের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে। এই সংযোগ নির্দিষ্ট একটি পোর্টের মাধ্যমে হয়, যা মূলত সার্ভারকে নির্দেশ দেয় কোন প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা হবে। HTTP প্রোটোকলের জন্য ডিফল্ট পোর্ট নাম্বার হলো ৮০। অর্থাৎ, যদি কোনো পোর্ট স্পেসিফাই করা না হয়, সার্ভার স্বয়ংক্রিয়ভাবে পোর্ট ৮০ ব্যবহার করে। অন্য পোর্ট যেমন ২১ (FTP), ২০ (FTP data), বা ৪৪৩ (HTTPS) HTTP-এর জন্য নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৮০।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

২,৪৩৮.
WWW বলতে বোঝায়-
  1. একটি ওয়েব ভিত্তিক সেবা
  2. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  3. একটি সার্চ ইঞ্জিন
  4. একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
WWW একটি ওয়েব ভিত্তিক সেবা

WWW :
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web এটিকে সাধারণত ওয়েব বলে
- WWW এর উদ্ভাবক টিম বার্নারস-লি ১৯৯১ সালে সবার জন্য WWW ওয়েব সেবা চালু করেন।
- এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারাবিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ ও তথ্য পাওয়া যায়।
- তথ্যগুলো পেতে ব্যবহারকারিদের বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়,যাকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার।

• বর্তমানে ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো: 
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, 
- মজিলা ফায়ারফক্স, 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর। 

অন্যদিকে, 
Google, Bing, Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন।
অপারেটিং সিস্টেম হলো Windows, Linux, macOS ইত্যাদি।
প্রোটোকল বলতে বোঝায় TCP/IP, HTTP, FTP ইত্যাদি।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩৯.
কোন প্রযুক্তি ‘Pay as you go’ স্টাইলের সার্ভিস প্রদান করে?
  1. Cloud Computing
  2. Software Development
  3. Client Server System
  4. Web Hosting Services
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ক) Cloud Computing.

Cloud Computing বা ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভিস প্রদান করে, যেখানে তারা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে এবং ব্যবহারের ভিত্তিতে অর্থ প্রদান করে। এই ‘Pay as you go’ মডেল অর্থাৎ ব্যবহার অনুযায়ী পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহারকারীদের অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে সাহায্য করে। ক্লাউড কম্পিউটিং-এ স্টোরেজ, সার্ভার, ডাটাবেস, সফটওয়্যার এবং নেটওয়ার্কিং সুবিধা অনলাইনেই প্রদান করা হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের হার্ডওয়্যার ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই প্রয়োজনীয় রিসোর্স পেতে পারে এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী সহজে স্কেল করতে পারে। অন্যান্য বিকল্প যেমন Software Development, Client Server System বা Web Hosting Services সব ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যবহার ভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থা সাধারণ নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এ নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৪০.
যে নেটওয়ার্ক টপোলজিতে মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টার্মিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় -
  1. রিং টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

বাস টপোলজি
যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন। মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২,৪৪১.
দীর্ঘ রেঞ্জে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী ডিভাইসের জন্য কোন IoT প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি কার্যকর?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. LoRaWAN
  4. Ethernet
ব্যাখ্যা

• দীর্ঘ রেঞ্জে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী ডিভাইসের জন্য LoRaWAN সবচেয়ে কার্যকর IoT প্রযুক্তি। LoRaWAN কম শক্তি খরচ করে অনেক বড় দূরত্বে ডেটা প্রেরণ করতে সক্ষম, যা Wi-Fi বা Bluetooth-এর তুলনায় অনেক বেশি। Wi-Fi এবং Ethernet সাধারণত উচ্চ শক্তি ব্যবহার করে এবং বড় দূরত্বে প্রায় কার্যকর নয়, আর Bluetooth মূলত সংক্ষিপ্ত দূরত্বের জন্য তৈরি। LoRaWAN-এর মাধ্যমে সেন্সর বা IoT ডিভাইসগুলো বছরখানেক পর্যন্ত ব্যাটারি দিয়ে কাজ করতে পারে, এবং শহর, গ্রাম বা শিল্প এলাকায়ও ডেটা স্থিতিশীলভাবে পাঠাতে পারে। তাই, দীর্ঘ রেঞ্জ এবং লো-পাওয়ার দুটো শর্তের ক্ষেত্রে LoRaWAN সেরা সমাধান।
 
• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- IBM.
- sciencedirect.

২,৪৪২.
কোন ধরনের সাইবার অপরাধে হ্যাকার ব্যবহারকারীর তথ্য ব্লক করে এবং মুক্তিপণ চাইতে পারে?
  1. Ransomware
  2. Data diddling
  3. Debugging
  4. Phishing
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ক) Ransomware হলো সেই ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে হ্যাকার ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা পুরো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেয় এবং তা পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ দাবি করে।
সাধারণত ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করা হয়, ফলে ব্যবহারকারী নিজের ডেটা আর ব্যবহার করতে পারে না। হ্যাকার নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা (প্রায়ই ক্রিপ্টোকারেন্সিতে) পরিশোধ করলে ডেটা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। Data diddling ডেটা পরিবর্তনের সঙ্গে, Debugging ত্রুটি সংশোধনের সঙ্গে এবং Phishing প্রতারণামূলকভাবে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়‍্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়‍্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

উল্লেখ্য,
- Phishing: এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
- Debugging: এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।
- Data diddling: এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।

২,৪৪৩.
What happens to data over an insecure network when using a VPN?
  1. Data gets deleted
  2. Data is encrypted
  3. Data gets copied
  4. Data is backed up
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Data is encrypted

VPN (Virtual Private Network)
- VPN হলো একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যা পাবলিক টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক (যেমন ইন্টারনেট) ব্যবহার করে গঠিত হয়।
- সাধারণত একটি VPN-এ এক বা একাধিক কর্পোরেট ইন্ট্রানেট বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) যুক্ত থাকে।
- দূরবর্তী ব্যবহারকারীরা পাসওয়ার্ড অথেনটিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে VPN-এ অ্যাক্সেস করতে পারে।
- ডেটা যখন অনিরাপদ নেটওয়ার্ক (যেমন ইন্টারনেট) দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন এটি এনক্রিপ্ট করা হয়।
- এনক্রিপশন নিশ্চিত করে যে সাইবার অপরাধীরা কর্পোরেট বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারবে না।
- VPN-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো leased dedicated telecommunication lines ব্যবহার না করেও wide area network (WAN) পরিচালনা করতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৪৪৪.
What type of cloud storage allows to store and retrieve any amount of data, at any time, from anywhere on the Internet?
  1. ক) Object Storage
  2. খ) Block Storage
  3. গ) File Storage
  4. ঘ) Backup Storage
ব্যাখ্যা
- Object storage is a data storage architecture that is designed to store and retrieve large amounts of unstructured data, such as photos, videos, and documents.
- It is highly scalable and can store and retrieve any amount of data, at any time, from anywhere on the Internet.

Reference: microsoft.com
২,৪৪৫.
সকল নেটওয়ার্কের জননী কোনটি?
  1. ক) ই- মেইল
  2. খ) ইন্টারনেট
  3. গ) মোবাইল
  4. ঘ) টেলিফোন
ব্যাখ্যা
সব ধরনের নেটওয়ার্কের সমষ্টির ফলে গড়ে উঠে ইন্টারনেট, তাই একে সকল নেটওয়ার্কের জননী বলা হয়।
২,৪৪৬.
ব্রুট ফোর্স আক্রমণ বলতে কী বোঝায়?
  1. পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা
  2. মানুষকে ফাঁদে ফেলার আক্রমণ (সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং)
  3. সফটওয়্যারের বাগ ব্যবহার করে আক্রমণ
  4. ফিশিং ইমেল পাঠিয়ে আক্রমণ করা
ব্যাখ্যা

• ব্রুট ফোর্স আক্রমণ হলো একটি ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার পাসওয়ার্ড বা সিকিউরিটি কী ভাঙার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের কম্বিনেশন পরীক্ষা করে। এটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে করা হয়, যা ধাপে ধাপে সমস্ত সম্ভাব্য অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন মিলিয়ে সঠিক পাসওয়ার্ড বের করার চেষ্টা করে। যদিও এটি সময়সাপেক্ষ, তবে শক্তিশালী বা দুর্বল পাসওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে সফল হতে পারে। ব্রুট ফোর্স আক্রমণ সরাসরি কম্পিউটার বা অ্যাকাউন্টে লক্ষ্য করে এবং এটি সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সফটওয়্যার বাগ বা ফিশিং-এর মতো অন্যান্য পদ্ধতির সাথে আলাদা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা।

সাইবার অপরাধ: 
- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে।
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয় আবার কথনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়।
- সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে। তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা সকলের জন্য অতীব জরুরি। 
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

- নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো- 
১। হ্যাকিং (Hacking): 
- সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তা ব্যবহার করা অথবা তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে হ্যাকিং বলে। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (hcaker) বলে। হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ দুইই হতে পারে। 
- কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের সিকিউরিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হ্যাকার নিয়োগ করেন, এই নিয়োগ প্রাপ্ত হ্যাকারদের কাজকে বৈধ হ্যাকিং বলে। এরা সিস্টেম সিকিউরিটি চেক করে; তবে সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না। যেমন-UNIX সিস্টেম চেক করার জন্য অনেক বৈধ হ্যাকার রয়েছে, এদেরকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বলা হয়। 
- আবার অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (craker) বলে। অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়। ফলে সহজেই ক্ষতি সাধন করতে পারে। এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে। 
- হ্যাকিং অপরাধের প্রবণতা দিনদিন বেড়েই চলেছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়। 
- হ্যাকাররা অন্যের ই-মেইল দেখতে পারে, ওয়েব সার্ভারে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারে অথবা নেটওয়ার্কে ফাইল চুরি করতে পারে। 

২। ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসেও অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ঐ গুলো নিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে তারা সফলও হয় এবং সফল হলে তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে। ঐ চুরি করা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে থাকে। এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ। এই ধরনের সাইবার হামলা ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) নামে পরিচিত। পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কি-গুলোর বিভিন্ন সংমিশ্রণ নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে চেষ্টা করে। এটি ট্রায়াল এবং এরর (trial and error) এর উপর নির্ভর করে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে সঠিকভাবে প্রতিটি বিকল্প খুঁজে সফল না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যায়। 
অর্থাৎ, এই ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাইবার আক্রমণে অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড চুরি করা হয়। 

৩। ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে, এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত। 
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস-এ এন্ড টু এন্ড ডেটা এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ছবি, ভিডিয়ো, ভয়েস কল রেকর্ড, ডকুমেন্ট ইত্যাদি) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়। 
- এনক্রিপশন (Encryption) হলো মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না। এর ফলে অনুমোদনহীনদের কাছে মেসেজ, ডেটা বা তথ্য দুর্বোধ্য হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্কের পাবলিক পথ দ্বারা যে সকল গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরিত হয় তাদেরকে সাধারণত বিশেষ কোডের মাধ্যমে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, অর্থাৎ ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা বা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। 

৪। ডি ডস আক্রমণ (DDoS-Distributed Denial of Service): 
-  ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস আক্রমণ হলো একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে আক্রমণ করা। 
- DDoS আক্রমণে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবাকে প্রচুর পরিমাণে ট্র্যাফিকের সাথে প্লাবিত করতে ব্যবহৃত হয়, যার ফলে এটি ধীরগতির হয়ে যায় বা ক্রাশ (crash) হয়ে যায়। 
- এর উদ্দেশ্য হলো সিস্টেমটিকে মোহাবিষ্ট করা যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা এটি অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে না পারে। 

৫। সাইবার বুলিং (Cyber bullying): 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোনো কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার বুলিং বা সাইবার সন্ত্রাস বলা হয়। 
- কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, হুমকি প্রদান করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, অনুমতি ব্যতীত কারো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রকাশ করা বা গুজব ছড়ানো, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ ছড়ানো এসব কিছুই সাইবার সন্ত্রাসের অন্তর্ভুক্ত। 
- সাইবার সন্ত্রাসের জন্য মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাবলেট ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওয়েবসাইট, ম্যাসেজ, ই-মেইল ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৪৭.
ইন্টারনেটের এসএমএস বলা হয় কোনটিকে?
  1. এক্স
  2. মেটা
  3. আরপানেট
  4. গুগল টক
ব্যাখ্যা
• টুইটার (এক্স):
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম এক্স। 
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- বর্তমান মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস:
১. টুইটারের ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
২,৪৪৮.
কত তারিখে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার চেরনোবিল নামক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়?
  1. April 1st
  2. April 26th
  3. December 31st
  4. January 1st
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৪৯.
নিচের কোনটি ক্লাউড সার্ভিস এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) AWS
  2. খ) Azure
  3. গ) Google cloud
  4. ঘ) AirDrop
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: ইন্টারনেট ভিত্তিক এক ধরনের পরিসেবা যেখানে বিভিন্ন ধরনের রিসোর্স শেয়ার, সার্ভার, স্টোরেজ প্রভৃতি সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।
যেমন:
-AWS
- Microsoft Azure
- Google Cloud
- IBM Cloud- Blue Cloud
- Oracle Cloud
- Alibaba Cloud
- RedHat
- Heroku
- Digital Ocean
- Cloudflare
- Linode
- Cloudways
- Rackspace

উৎস: উচ্চ-মাধ্যমিক ICT বই।
২,৪৫০.
HTTP এবং HTTPS এর মূল পার্থক্য কী?
  1. Speed
  2. Compatibility
  3. Encryption
  4. File Size
ব্যাখ্যা
◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) হচ্ছে HTTP-এর সিকিউর ভার্সন, যেখানে ডেটা SSL/TLS encryption ব্যবহার করে এনক্রিপ্ট করা হয়। ফলে ব্যবহারকারীর তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং ডেটা ইত্যাদি) সুরক্ষিত থাকে।

HTTP (HyperText Transfer Protocol):
- এটি একটি সাধারণ প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়। তবে এতে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা (encryption) নেই।

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৪৫১.
Which of the following devices typically includes built-in firewall functionality?
  1. Hub
  2. Modem
  3. Router
  4. Repeater
ব্যাখ্যা

• রাউটার (Router) নেটওয়ার্কের ভিতরে ও বাইরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রায় সব রাউটারেই বিল্ট-ইন ফায়ারওয়াল (NAT, SPI Firewall, Packet Filtering) থাকে।

• রাউটার (Router):
রাউটার এমন একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততোধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযোগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে।
এর মাধ্যমে একই ধরনের ছোট আকারের ভিন্ন ভিন্ন গঠনের একাধিক LAN সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যায়।
WAN এর সাথে একটি LAN যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়।
রাউটার NAT (Network Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৫২.
মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজির নাম কী?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা
• মোবাইল নেটওয়ার্কে সাধারণত স্টার টপোলজি ব্যবহার করা হয়। এই টপোলজিতে, সমস্ত মোবাইল ডিভাইস বা নোড এক কেন্দ্রীয় হাব বা বেস স্টেশনের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি ডিভাইস সরাসরি বেস স্টেশনের সাথে যোগাযোগ করে, যার ফলে ডাটা ট্রান্সমিশন সহজ এবং দ্রুত হয়। যদি কোনো একটি ডিভাইসের সমস্যা হয়, তা নেটওয়ার্কের অন্য অংশকে প্রভাবিত করে না। স্টার টপোলজির মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবস্থাপনা, ত্রুটি নির্ণয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ অনেক সহজ হয়। এই কারণেই স্টার টপোলজি মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

সুতরাং, মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজির নাম হল — ঘ) স্টার টপোলজি।

• মোবাইল ফোন:

- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৪৫৩.
Evan Williams নিচের কোনটির সহ প্রতিষ্ঠাতা?
  1. ক) লিংকড ইন
  2. খ) ইনস্টাগ্রাম
  3. গ) স্নাপচ্যাট
  4. ঘ) টুইটার
ব্যাখ্যা
Evan Williams, byname Ev, (born March 31, 1972, near Clarks, Nebraska, U.S.), American computer programmer who, with Jack Dorsey and Biz Stone, founded Twitter, an online microblogging service.
Source: Britannica
২,৪৫৪.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বীকৃত কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন হলো-
  1. ক) ডট কম (.com)
  2. খ) ডট বিডি (.bd)
  3. গ) ডট বাংলা (.bangla)
  4. ঘ) ডট গভ (.gov)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বীকৃত কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন হলো- ডট বাংলা (.bangla)। প্রথমটি ডট বিডি (.bd)।
২,৪৫৫.
কোন ধরনের হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে?
  1. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৪৫৬.
ইন্টারনেটে "স্প্যাম" শব্দটি সাধারণত কোন ধরনের বার্তাকে বোঝায়?
  1. সরকারী ঘোষণা বহনকারী বার্তা
  2. প্রয়োজনীয় তথ্যবহুল বার্তা
  3. অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রেরিত অবাঞ্ছিত বার্তা
  4. কেবলমাত্র ক্ষতিকারক ভাইরাসযুক্ত ইমেইল
ব্যাখ্যা

• স্প্যাম: 
- স্প্যাম হলো অনাকাঙ্ক্ষিত ইলেকট্রনিক বার্তা।
- সাধারণত ই-মেইলের মাধ্যমে স্প্যাম বেশি ছড়ানো হয়। 
- তবে ব্লগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, নিউজগ্রুপ ও মোবাইল ফোনেও স্প্যাম বার্তা পাঠানো হয়।
- বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন বা প্রচারের উদ্দেশ্যে নিজেরা বা কয়েকটি সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্প্যাম ছড়ানো হয়। 
- যদিও স্প্যামকে অনেকেই অপছন্দ করে তবুও এটি একটি জনপ্রিয় বিপণন কৌশল।
- কারণ স্প্যাম পাঠানোর খরচ খুবই কম এবং এর জন্য দায়বদ্ধতা খুব কম থাকে।
- বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে ইন্টারনেটে প্রচলিত ই-মেইলের প্রায় ৫০% স্প্যাম।

তথ্যসূত্র: Britannica. 

২,৪৫৭.
ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিল?
  1. রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর
  2. বিল গেটস এবং পল অ্যালেন
  3. স্টিভ জবস এবং স্টিভ ওজনিয়াক
  4. ল্যারি পেজ এবং সার্গেই ব্রিন
ব্যাখ্যা
• ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর। তারা ১৯৬৮ সালে ইন্টেল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন, যা বিশ্বজুড়ে মাইক্রোপ্রসেসর এবং অন্যান্য সেমিকন্ডাক্টর চিপ তৈরিতে নেতৃত্ব দেয়। রবার্ট নয়েস ও গর্ডন মুর আধুনিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাধারা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার কারণে ইন্টেল দ্রুত একটি সফল কোম্পানিতে পরিণত হয়। ইন্টেল বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানি হিসেবে পরিচিত। সুতরাং, ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর।
- সঠিক উত্তর: ক) রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর।

• ইন্টেল কর্পোরেশন:
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- Intel - 4004 হলো ইনটেল তৈরিকৃত এবং বানিজ্যিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।
- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

উৎস: Intel এর ওয়েবসাইট।
২,৪৫৮.
গুগলের ক্লাউড সেবা চালু হয় কত সাল থেকে?
  1. ক) ২০০৬ সাল
  2. খ) ২০০৮ সাল
  3. গ) ২০১০ সাল
  4. ঘ) ২০১১ সাল
ব্যাখ্যা
ক্লাউড সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান :

- অ্যামাজন এর AWS (৩ মার্চ, ২০০৬)।
- গুগুল এর Google Cloud Platform (৭ এপ্রিল, ২০০৮)।
- মাইক্রোসফট এর Azure (১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)।
- অ্যাপল এর iCloud (১২ অক্টোবর, ২০১১)।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।
২,৪৫৯.
WWW-এ কোন প্রটোকলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. DHCP
ব্যাখ্যা
WWW-এ HTTP প্রটোকলটি ব্যবহৃত হয়।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার নিয়ে গঠিত।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬০.
'LTE' মোবাইল কমিনিউনিকেশন সিস্টেমের কোন প্রজন্মের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
LTE (Long Term Evolution)
- LTE (Long Term Evolution) হলো সেলুলার স্ট্যান্ডার্ড ভিত্তিক একটি 4G মোবাইল সিস্টেম যা ৩২৬ মেগাবিট/সেকেন্ড পিক বিট রেট (Peak bit rate) প্রদান করে।
- এটি WiMax বা Flash-OFDM ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ভিত্তিকও হতে পারে যা মোবাইল ব্যবহারকারীদের ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেসে ২৩৩ মেগাবিট/সেকেন্ড গতিতে প্রবেশে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৪৬১.
Which company developed the robot “ASIMO”?
  1. Samsung
  2. Murata Company
  3. Sony Corporation
  4. Honda Company
ব্যাখ্যা

• “ASIMO” রোবটটি Honda Company দ্বারা নির্মিত।

• আসিমো (ASIMO) রোবট:
- ASIMO হলো মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম একটি উন্নত humanoid robot.
- এটি হাঁটা, দৌড়ানো, সিঁড়ি ভাঙা, হাত নড়াচড়া করা এবং মানুষের সাথে interaction করতে পারে।

• আসিমো রোবটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান:
- ASIMO রোবটটি তৈরি করেছে Honda Company.
- Honda মূলত একটি জাপানি automobile ও technology–ভিত্তিক কোম্পানি।
- Robotics research–এর অংশ হিসেবে Honda এই রোবটটি উন্নয়ন করে।

• রোবটিক্স (Robotics):
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে যন্ত্র মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম, তাকে রোবট (Robot) বলা হয়।
- যে প্রযুক্তি শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, নিয়ন্ত্রণ ও কার্যপ্রণালি নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স (Robotics) বলা হয়।

• রোবটিক্স প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- রোবটিক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের সঠিক পরিচালনা, চলাচলের ক্ষমতা এবং শারীরিক মুভমেন্ট বিকশিত হয়েছে।
- রোবটিক্স প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারা ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে।

• রোবটের সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা:
- রোবট অত্যন্ত দ্রুতগামী, ক্লান্তিহীন ও নিখুঁত কর্মক্ষম যন্ত্র।
- রোবটের সাহায্যে মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করা সম্ভব।
- তবে রোবট তৈরি করা একটি ব্যয়বহুল ও শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া।

• অন্যান্য অপশন:
- Sony Corporation “AIBO” নামের robot তৈরি করেছে।
- Murata Company “Murata Boy” নামের robot তৈরি করেছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৬২.
কোন কার্ডের বিপরীতে ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া যায়?
  1. ডেবিট কার্ড
  2. এটিএম কার্ড
  3. স্মার্ট কার্ড
  4. ক্রেডিট কার্ড
ব্যাখ্যা
- ক্রেডিট কার্ড এমন এক ধরনের কার্ড যার দ্বারা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ধারে পণ্য কেনাবেচা থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। 
- সাধারণত ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহককে এ ধরনের কার্ড সরবরাহ করে।
- এই ঋণ গ্রহণের জন্য ব্যাংককে বাৎসরিক একটি নির্দিষ্ট হারে চার্জ প্রদান করতে হয়। 
- বিশ্বে বর্তমানে ভিসা, মাস্টার কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস প্রভৃতি ক্রেডিট কার্ড প্রচলিত আছে।
২,৪৬৩.
কোন ধরনের নেটওয়ার্ক ছোট এরিয়াতে ব্যবহৃত হয়?
  1. MAN
  2. WAN
  3. CAN
  4. LAN
ব্যাখ্যা
LAN ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে তিনভাগে ভাগ করা যায়।

১। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
২। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৩। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
উদাহরণ:
একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
উদাহরণ:
ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
উদাহরণ:
ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬৪.
'BARD AI'-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাট বটটি উদ্ভাবন করে-
  1. Open AI
  2. Microsoft
  3. SpaceX
  4. Google
ব্যাখ্যা
• 'BARD AI'-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাট বটটি উদ্ভাবন করে গুগল।

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহেণর ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন ।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১০। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬৫.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগের সাইট?
  1. ক) টুইটার
  2. খ) গুগল
  3. গ) সুপারবাগ
  4. ঘ) ফ্লিকার
ব্যাখ্যা
টুইটার সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট। যেখানে ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন। ২০০৬ সালে জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন। এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে অবস্থিত।
২,৪৬৬.
তৃতীয় প্রজন্মের সিস্টেম না কোনটি?
  1. ক) EDGE
  2. খ) LTE
  3. গ) HSPA
  4. ঘ) UMTS
ব্যাখ্যা
LTE বা Long Term Evolution হলো সেলুলার স্ট্যান্ডার্ড ভিত্তিক একটি 4G মোবাইল সিস্টেম।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২,৪৬৭.
নিচের কোনটি ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা সহজ নয়?
  1. Web browser
  2. Menu bar
  3. Task bar
  4. Notification area
ব্যাখ্যা
Web browser:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে যা ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা খুব সহজ হয় না।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।

⇒ কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser ইত্যাদি।

উৎস: Britannica.
২,৪৬৮.
কোন প্রটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) TCP/IP
  2. খ) Novel Netware
  3. গ) Net BEUI
  4. ঘ) Linux
ব্যাখ্যা

Transmission Control Protocol (TCP)
- ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় TCP/IP
- ARPANETএ TCP/IP প্রথম চালু হয় ১৯৮৩ সালে।

২,৪৬৯.
স্টার টপোলজিতে কেন্দ্রীয় ডিভাইস কোনটি?
  1. ক) মডেম
  2. খ) হাব
  3. গ) সুইচ
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

স্টার টপোলজি
এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।
কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ । এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়। এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

২,৪৭০.
সোর্স প্রোগ্রামকে অনুবাদ করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. কম্পাইলার (Compiler)
  2. এসেম্বলার (Assembler)
  3. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

সোর্স প্রোগ্রামকে অনুবাদ করার জন্য তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম আছে। যথা-
১) কম্পাইলার (Compiler)
২) এসেম্বলার (Assembler)
৩) ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)

২,৪৭১.
গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের থেকে কীভাবে আলাদা?
  1. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা সিস্টেম পরীক্ষার জন্য অর্থ পায়
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কাজ করে
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা সমস্যার বিষয়ে ভুক্তভোগীদের জানান
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা কখনও আইন ভঙ্গ করে না
ব্যাখ্যা
• গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের থেকে মূলত উদ্দেশ্য ও নৈতিকতার দিক থেকে আলাদা। গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা সাধারণত নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করে, কিন্তু ক্ষতি করার পরিবর্তে সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করে। তারা অনেক সময় আইন ভঙ্গ করেও থাকেন, যেমন অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে প্রবেশ করা, তবে তাদের উদ্দেশ্য হয় ক্ষতি নয়, বরং নিরাপত্তা উন্নত করা। অন্যদিকে, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ক্ষতি বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করে। সুতরাং, গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা সমস্যা জানায় এবং অনেক সময় সিস্টেম পরীক্ষার জন্য অর্থ পায় না। তাই উত্তর হবে (গ)।

• হ্যাকিং: 
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। 
যথা: 
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: 
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে। 

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: 
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে। 
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে। 
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে। 

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: 
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে। 
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৪৭২.
বর্তমানে জনপ্রিয় হটস্পট প্রযুক্তি-
  1. ব্লুটুথ,
  2. ওয়াই-ফাই
  3. ওয়াইম্যাক্স
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দুই ধরনের ওয়্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস পয়েন্ট দেখা যায়। যথা- মোবাইল নেটওয়ার্ক ও হটস্পট।
- হটস্পট হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক যা মোবাইল ও কম্পিউটার ডিভাইস, যেমন- স্মার্টফোন, নেটবুক, নোটবুক বা ল্যাপটপ, পিডিএ ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে।

- বর্তমানের জনপ্রিয় তিনটি হটস্পট প্রযুক্তি হলো-
১. ব্লুটুথ,
২. ওয়াই-ফাই ও
৩. ওয়াইম্যাক্স।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৪৭৩.
ওএসআই (OSI) মডেলের কোন লেয়ার ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে 'End-to-End' কানেকশন নিশ্চিত করে?
  1. Network Layer
  2. Transport Layer
  3. Data Link Layer
  4. Session Layer
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের প্রধান কাজ হলো সোর্স কম্পিউটার থেকে ডেস্টিনেশন কম্পিউটারে ডেটার নির্ভরযোগ্য এবং ত্রুটিমুক্ত আদান-প্রদান নিশ্চিত করা।
- এটি বড় ডেটাকে ছোট ছোট সেগমেন্টে ভাগ করে এবং রিসিভার প্রান্তে আবার সেগুলো জোড়া দেয়। TCP (Transmission Control Protocol) এবং UDP (User Datagram Protocol) এই লেয়ারেই কাজ করে যা 'End-to-End' কানেক্টিভিটি বজায় রাখে।

• OSI মডেল (Open Systems Interconnection Model) একটি তাত্ত্বিক মডেল যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াকে ৭টি স্তরে ভাগ করেছে। এই মডেলটি নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়াকে সহজভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
এই ৭টি লেয়ার হলো:
- Physical Layer (ফিজিক্যাল লেয়ার),
- Data Link Layer (ডেটা লিংক লেয়ার),
- Network Layer (নেটওয়ার্ক লেয়ার),
-Transport Layer (ট্রান্সপোর্ট লেয়ার),
- Session Layer (সেশন লেয়ার),
- Presentation Layer (প্রেজেন্টেশন লেয়ার),
- Application Layer (অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার)।

এই স্তরগুলো একসাথে কাজ করে যাতে বিভিন্ন কম্পিউটার বা ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগ করতে পারে।
OSI মডেলের লেয়ার গুলোর কাজ সমূহ:
Physical Layer - ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer - MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer - IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer - End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP) I
Session Layer - সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer - ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer - ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

২,৪৭৪.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে মোবাইল ব্যাংকিং ও ই-কমার্স সেবা চালু করা হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ব্যাংকিং এবং ই-কমার্স সেবা চালু করা হয় তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল ফোনে। তৃতীয় প্রজন্মের প্রযুক্তি উচ্চগতির ডেটা সংযোগের সুযোগ দেয়, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও কল এবং অনলাইন লেনদেনের মতো সেবাকে সম্ভব করে। 3G প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের মোবাইল ডিভাইস থেকে নিরাপদভাবে ব্যাংকিং, পেমেন্ট এবং অনলাইন শপিং করার সুযোগ দেয়, ফলে এটি ডিজিটাল সেবার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

- উত্তর: খ) তৃতীয় প্রজন্ম।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৪৭৫.
১ টেরা বাইট = কত বাইট?
  1. ক) ২২০ বাইট
  2. খ) ২৩০ বাইট
  3. গ) ২৪০ বাইট
  4. ঘ) ২৫০ বাইট
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট  বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট

এখন,
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট 

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৪৭৬.
ওয়্যারলেস যোগাযোগে MIMO শব্দটির পূর্ণরূপ কী?
  1. Mixed Internet Multi Operation
  2. Multiple Input Multiple Output
  3. Maximum Input Minimum Output
  4. Mobile Integrated Modem Output
ব্যাখ্যা

MIMO (Multiple Input Multiple Output) হলো একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যেখানে একাধিক অ্যান্টেনা দিয়ে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়। এটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় Wi-Fi (802.11n, 802.11ac) এবং 4G/5G মোবাইল নেটওয়ার্কে।

পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...): 
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়‍্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম। 
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়। 
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

২,৪৭৭.
EDGE কোন মোবাইল প্রযুক্তির আপগ্রেডেড রূপ?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
ব্যাখ্যা

• EDGE (Enhanced Data rates for GSM Evolution) হলো GSM প্রযুক্তির আপগ্রেডেড রূপ। এটি ২জি (2G) নেটওয়ার্কের তুলনায় দ্রুত ডাটা ট্রান্সফার সক্ষমতা দেয়। মূলত এটি সেলুলার নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেল পাঠানো এবং মিডিয়ার ছোট ফাইল ডাউনলোডের জন্য ব্যবহৃত হয়। EDGE প্রযুক্তি GPRS-এর চেয়ে তিনগুণ বেশি ডাটা স্পিড দিতে পারে এবং এটি “২.৫জি” (2.5G) হিসেবে পরিচিত। এটি মূলত GSM নেটওয়ার্কের উপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই GSM ব্যবহারকারীরা সহজেই EDGE-এর সুবিধা নিতে পারে। LTE, CDMA বা Wi-Fi এর সাথে EDGE সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

- সঠিক উত্তর: ক) GSM.

• EDGE:
- জিপিআরএস এর চাইতে উন্নত মোবাইল ফোন প্রযুক্তি হলো ইডিজিই।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM Evolution।

• ইডিজিই এর বৈশিষ্ট্য (Features of EDGE):
১. এটি স্ট্যান্ডার্ড GPRS এর চাইতে চারগুণ বেশি ট্রাফিক বহন করতে পারে।
২. থ্রিডি নেটওয়ার্কের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন এর চাহিদাগুলো EDGE পূরণ করেছে।
৩. ৯টি মডুলেশন ও কোডিং স্কিম ব্যবহার করে।
৪. বড় আকারের চিপ ভেন্ডরদের দ্বারা GSM এবং WCDMA/HSPA উভয়টির জন্যই বর্তমানে EDGE সমর্থন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৭৮.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে কোনটি মূলত সেবা প্রদানকারী হিসেবে কাজ করে?
  1. সার্ভার
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. ক্লায়েন্ট
ব্যাখ্যা

◉ ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে সার্ভার হলো সেই কম্পিউটার বা প্রোগ্রাম যা সেবা, ডেটা বা রিসোর্স সরবরাহ করে।

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- LAN এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।
- সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়, এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ক কেন্দ্রীক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৪৭৯.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক
  2. ডেটা ইন্টারসেপশন
  3. ডেটা সিক্যুউরিটি
  4. ডি ডস অ্যাটাক
ব্যাখ্যা
- ডেটা সিক্যুউরিটি বা ডেটা নিরাপত্তা হল ডিজিটাল তথ্যকে দুর্নীতি, চুরি বা অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য তার সমগ্র জীবনচক্র জুড়ে সুরক্ষিত করার প্রক্রিয়া। এটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

সাইবার অপরাধ:

- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে।
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যাবহৃত হয় আবার কখনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়।
-সাইবার অপরাধীরা আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে আমাদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে।
-তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা আমাদের সকলের জন্য অতীব জরুরি।
-ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়।
-নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো: 
i) হ্যাকিং (Hacking)
ii) ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack)
iii) ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception)
iv) ডি ডস অ্যাটাক (DDos Attack)
v) কম্পিউটার ম্যালওয়্যার (Computer Malware) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৪৮০.
প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মে।

দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):

- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২,৪৮১.
কোনটি সাইবার ক্রাইম নয়?
  1. হ্যাকিং
  2. স্নিকিং
  3. সাইবার থেফ্ট
  4. ডিবাগিং
ব্যাখ্যা
• ডিবাগিং সাইবার ক্রাইম নয়।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলিং,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৪৮২.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ইউএসবি বাস
  2. ডেটা বাস
  3. কন্ট্রোল বাস
  4. অ্যাড্রেস বাস
ব্যাখ্যা

• ডেটা বাস, কন্ট্রোল বাস এবং অ্যাড্রেস বাস- এই তিনটি মিলে সিস্টেম বাস গঠিত হয়। অন্যদিকে ইউএসবি (USB) হলো একটি এক্সপ্যানশন বাস বা পেরিফেরাল বাস, যা কম্পিউটারের বাইরের যন্ত্রাংশ (যেমন: মাউস, কিবোর্ড) যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়

• কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।

• কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস।

• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ডেটা বাস (Data Bus),
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus)।

• কম্পিউটার প্রযুক্তি বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশন বাস ব্যবহৃত হয়। যথা:
১. আইএসএ বাস (ISA- Industry Standards Architecture),
২. ইআইএস এ বাস (EISA- Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus),
৪. ইউএসবি বাস (USB Bus),
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus),
৬. এজিপি (AGP- Accelerated Graphics Port), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৮৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস এর উদাহরণ?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. মিউটেটিং
  3. স্টোন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: সবগুলোই — ট্রোজান হর্স, মিউটেটিং ও স্টোন—সবই কম্পিউটার ভাইরাসের স্বীকৃত ধরন।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট (Execute) বা নির্বাহ হয়।
- এটি কম্পিউটারের তথ্য ও উপাত্তে আক্রমণ করে এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সাধন করে।
- ভাইরাস কম্পিউটারের ডাটা ফাইল নষ্ট করতে পারে।
- অনেক ক্ষেত্রে ভাইরাস কম্পিউটারকে বুট হতে বাধা দেয়।
- ভাইরাসের কারণে হার্ডডিস্ক ক্ষতিগ্রস্ত বা অচল হয়ে যেতে পারে।
 
• VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ:
- VIRUS শব্দটির অর্থ হলো—
- Vital Information Resources Under Seize.
- এর অর্থ হলো—গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেওয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
 
• কম্পিউটার ভাইরাসের ইতিহাস:
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন (Fred Cohen) “কম্পিউটার ভাইরাস” শব্দটির নামকরণ করেন।
- তিনি প্রথম ভাইরাসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম একটি প্রোগ্রাম হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।
 
• কম্পিউটার ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটারের তথ্য ও উপাত্তে আক্রমণ করে।
- নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে।
- এক পর্যায়ে পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে অচল করে দিতে পারে।
 
• কম্পিউটার ভাইরাসের ধরন:
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন—
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- ট্রোজান হর্স ভাইরাস,
- ফাইল সংক্রামক ভাইরাস,
- ম্যাক্রো ভাইরাস,
- ওভাররাইটিং ভাইরাস,
- মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস,
- মিউটেটিং ভাইরাস,
- স্টোন ভাইরাস, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৮৪.
DDoS Attack হলো একটি-
  1. একটি হ্যাকার গ্রুপ
  2. সাইবার অপরাধ
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. সাইবার সিকিউরিটি
ব্যাখ্যা
DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৪৮৫.
সমান্তরাল লাইন তৈরিতে কোন ট্যাগটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) < b >
  2. খ) < hr > 
  3. গ) < br >
  4. ঘ) < i >
ব্যাখ্যা
টেক্সট ফরম্যাটিং (Text formatting):
- ওয়েব ব্রাউজারে উপাত্ত ও তথ্যকে সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দনভাবে উপস্থাপনার জন্য টেক্সটকে বিভিন্নভাবে ফরমেটিং করার প্রয়োজন হয়।
- টেক্সটকে ছোট, বড়, আন্ডারলাইন করা বা হাইলাইট ইত্যাদি করার জন্য HTML এ বিভিন্ন ট্যাগ ব্যবহার করা যায়।
- HTML টেক্সট ফরম্যাটিং ট্যাগের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি-
ট্যাগ ⇒ কাজ
• <b>..,</b> ⇒ টেক্সটকে বোল্ড (bold) করার জন্য। উদাহরণ- <b>This is text is bold</b> 
• <i>...</i> ⇒ টেক্সটকে italic করার জন্য। উদাহরণ- <i> This text is italid</i> 
• <br> ⇒ এক লাইন ফাঁকা করার জন্য। উদাহরণ- <br> 
<hr>সমান্তরাল লাইন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ- <hr> 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২,৪৮৬.
বাংলাদেশ চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি চালু করে-
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা

- সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ৪জি চালু করেছে।
- এই দিনে প্রথমবারের মত ৪জি সেবা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু করেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো।
উৎসঃ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

২,৪৮৭.
Bluetooth কত ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. ক) 2.35GHz
  2. খ) 2.45GHz
  3. গ) 2.65GHz
  4. ঘ) 2.66GHz
ব্যাখ্যা
- Bluetooth 2.45GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- Wifi 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- WiMax 2-66GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

- Bluetooth এর স্টান্ডার্ড  IEEE 802.15
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- WIMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৪৮৮.
Which protocol provides an email facility among different hosts?
  1. FTP
  2. SNMP
  3. SMTP
  4. TELNET
  5. None of these
ব্যাখ্যা

• SMTP (Simple Mail Transfer Protocol):
- SMTP (সিম্পল মেইল ট্রান্সফার প্রোটোকল) হলো একটি TCP/IP প্রোটোকল, যা ই-মেইল পাঠানো ও গ্রহণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- গ্রহণকারী প্রান্তে বার্তা সংরক্ষণ (queue) করার সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় এটি সাধারণত আরও দুটি প্রোটোকল- POP3 অথবা IMAP এর সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। 
- এই প্রোটোকলগুলো ব্যবহারকারীকে সার্ভারের মেইলবক্সে বার্তা সংরক্ষণ করতে এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর সেগুলো সার্ভার থেকে ডাউনলোড করতে সহায়তা করে।
- SMTP সাধারণত ইন্টারনেটের পোর্ট ২৫-এ কাজ করার জন্য বাস্তবায়িত হয়।
- বর্তমানে অনেক মেইল সার্ভার Extended Simple Mail Transfer Protocol (ESMTP) সমর্থন করে, যা ই-মেইলের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া ফাইল পাঠানোর সুবিধা প্রদান করে।

• SMTP-এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
ই-মেইল পাঠানো: এটি শুধুমাত্র ই-মেইল পাঠানোর (sending) কাজ করে, গ্রহণ করার জন্য POP3 বা IMAP ব্যবহৃত হয়।
সার্ভার টু সার্ভার স্থানান্তর: এক মেইল সার্ভার থেকে অন্য মেইল সার্ভারে বার্তা রিলে বা প্রেরণ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
নির্ভরযোগ্যতা: এটি TCP (Transmission Control Protocol) ব্যবহার করে, যা ডেটা বা বার্তা হারিয়ে গেলে পুনরায় পাঠাতে সহায়তা করে।
পোস্ট অফিস মডেল: SMTP সার্ভারগুলো একটি ডিজিটাল পোস্ট অফিসের মতো কাজ করে, যা বার্তাগুলো প্রাপকের ঠিকানায় পৌঁছানো নিশ্চিত করে।
নিরাপত্তা: আধুনিক SMTP ব্যবস্থা সাধারণত TLS বা SSL প্রোটোকল ব্যবহার করে মেইল আদান-প্রদান সুরক্ষিত (SMTPS) করে। 

উৎস: Cloudflare [Link]

২,৪৮৯.
Ctrl + B এর কাজ কী?
  1. সব টেক্সট সিলেক্ট করা
  2. টেক্সট কপি করা
  3. টেক্সট বোল্ড করা
  4. টেক্সট খুঁজে বের করা
  5. টেক্সট আন্ডারলাইন করা
ব্যাখ্যা

এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
- Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
- Ctrl + D কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
- Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
- Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

তথ্যসূত্র - Computer Hope.

২,৪৯০.
'ইউনিমেট' রোবটের নির্মাতা কে?
  1. চার্লস ডেভল
  2. জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার
  3. আইজাক আসিমভ
  4. কেনেথ এইচ ওলসেন
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৪৯১.
ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের লিংককে বলা হয় -
  1. Rel Link
  2. Hyperlink
  3. JavaScript Link
  4. Nofollow Link
ব্যাখ্যা
ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ (WWW): 
- ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW - World Wide Web)। 
- এটিকে সংক্ষেপে ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়। 
- ওয়েব বলতে একটি বৃহৎ সিস্টেমকে বুঝানো হয় যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। 
- এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোনো ফরমেটের ডেটা। 

- এ সকল তথ্য ব্যবহার করতে হলে ইউজারকে একটি ক্লায়েন্ট বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যা ব্রাউজার (Browser) নামে পরিচিত। 
- ওয়েবে তথ্য মূলত সংরক্ষিত হয়ে থাকে পেইজ (Page) বা পৃষ্ঠার আকারে। 
- প্রতিটি পেইজে শুধু তথ্যই থাকে না, বরং এখান থেকে অন্য পেইজে যাবার জন্য থাকে বিশেষ ধরনের লিংক (Link) প্রদান করা হয়। 
- ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের এই লিংককে বলা হয় হাইপারলিংক (Hyperlink)। 
- ওয়েবে হাইপারলিংক ব্যবহার করে খুব সহজেই এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় চলাচল করতে পারা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
২,৪৯২.
কোন সাইবার আক্রমণে ভুয়া ওয়াইফাই হটস্পট তৈরি করা হয়?
  1. Evil Twin Attack
  2. Phishing
  3. DDoS Attack
  4. SQL Injection
ব্যাখ্যা

◉ Evil Twin Attack হলো এক ধরনের Wi-Fi based cyber attack, যেখানে আক্রমণকারী একটি ভুয়া (fake) Wi-Fi হটস্পট তৈরি করে, যা আসল নেটওয়ার্কের মতো দেখতে। ব্যবহারকারীরা ভুলে সেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হলে আক্রমণকারী তাদের পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত ডেটা চুরি করতে পারে।
এর উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীরা যেন আসল নেটওয়ার্কের পরিবর্তে ভুল করে সেই ভুয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়।
- যখন কেউ সেই ভুয়া Wi-Fi-তে সংযুক্ত হয়, তখন তার ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কিত সব ডেটা (যেমন পাসওয়ার্ড, মেসেজ, ব্যাংকিং তথ্য ইত্যাদি) আক্রমণকারীর নিয়ন্ত্রণে থাকা সার্ভারের মাধ্যমে যায়। ফলে আক্রমণকারী সহজেই এসব ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে।
- এ ধরনের আক্রমণ তৈরি করতে আক্রমণকারী শুধু একটি স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট-সক্ষম ডিভাইস এবং কিছু সাধারণ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- Evil Twin Attack সাধারণত পাবলিক Wi-Fi নেটওয়ার্কে বেশি ঘটে, কারণ এসব নেটওয়ার্কে সুরক্ষা (Security) ব্যবস্থা দুর্বল থাকে এবং ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সহজেই ঝুঁকির মুখে পড়ে।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Phishing → ভুয়া ইমেইল/ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া।
DDoS Attack (Distributed Denial of Service) → সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অতিরিক্ত ট্রাফিক পাঠিয়ে অচল করে দেওয়া।
SQL Injection → ডেটাবেসে ক্ষতিকারক SQL কোড ঢুকিয়ে তথ্য চুরি বা পরিবর্তন করা।

সূত্র:
১। ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Kaspersky ওয়েবসাইট। 

২,৪৯৩.
‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’-এর উদ্ভাবক কে?
  1. মার্ক জাকারবার্গ
  2. স্টিভ জবস
  3. জেমস মনরো
  4. টিম বার্নার্স লি
ব্যাখ্যা

• ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’ বা ওয়েবের উদ্ভাবক হলেন টিম বার্নার্স-লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সিভিল সার্ভিস ইন্টারন্যাশনাল এ কাজ করার সময় এই ধারণা দেন, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেটে তথ্য ভাগ করার একটি বিপ্লব সৃষ্টি করে। ওয়েবের মাধ্যমে টেক্সট, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্য সহজে অ্যাক্সেস করা যায় এবং ব্যবহারকারীরা একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারেন। টিম বার্নার্স-লি একটি প্রোটোকল এবং ভাষা (HTTP ও HTML) তৈরি করেন, যা ওয়েবের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তার উদ্ভাবনের ফলে বিশ্বব্যাপী তথ্যের আদান-প্রদান দ্রুত এবং সহজতর হয়েছে, এবং এটি শিক্ষার, ব্যবসার ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) টিম বার্নার্স লি।


• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) কে সংক্ষেপে WWW বা ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
- সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা কর যায়।
- টিম বার্নাস লি WWW- এর জনক নামে পরিচিত।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- এটি হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৯৪.
ইউজার নেম, পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির ঘটনাকে বলে-
  1. ক) স্প্যামিং
  2. খ) ফিশিং
  3. গ) প্লেজিয়ারিজম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নির্ভরযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির ঘটনাকে বলে ফিশিং।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
২,৪৯৫.
এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে তৈরি হয়-
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) ফাইল
  3. গ) টেবিল
  4. ঘ) বাইট
ব্যাখ্যা
ডেটা হায়ারার্কি বিট, বাইট, ফিল্ড, রেকর্ড এবং ফাইল নিয়ে গঠিত যা ডেটাবেসের উপাদান। কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় একটি ফিল্ড। পরস্পর সম্পর্ক যুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। আর এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।
২,৪৯৬.
In the email address, what does 'gmail.com' represent?
  1. Username
  2. Domain name
  3. Password
  4. User identification
  5. Security code
ব্যাখ্যা
'gmail.com' represents the domain name in the email address.

• E-mail:
- ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

• একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে:
- যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং
- শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।
যেমন: moni13@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার moni13@ অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৪৯৭.
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে "কৃষি বাতায়ন" কী ধরনের সেবা?
  1. মোবাইল অ্যাপ ভিত্তিক কৃষি পরামর্শ
  2. অনলাইন বীজ ক্রয়
  3. ফসল বিক্রয় প্ল্যাটফর্ম
  4. কৃষি যন্ত্রপাতি ভাড়া
ব্যাখ্যা
• কৃষি বাতায়ন হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যা কৃষকদেরকে বিনামূল্যে কৃষি সংক্রান্ত তথ্য ও পরামর্শ প্রদান করে।
"কৃষি বাতায়ন" মূলত একটি মোবাইল অ্যাপ ভিত্তিক কৃষি পরামর্শ সেবা।

• কৃষি বাতায়নের সেবাসমুহ:
- মোবাইল অ্যাপ/ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে কৃষি পরামর্শ (ফসলের রোগ, সার ব্যবস্থাপনা, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ইত্যাদি)।
- কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও ভিডিও টিউটোরিয়াল।
- আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য ও সতর্কতা।
- কৃষি বিষয়ক ভিডিও ও সচেতনতামূলক বার্তা। 

তথ্যসূত্র:
- কৃষি বাতায়ন - কৃষি তথ্য সার্ভিস, বাংলাদেশ। 
২,৪৯৮.
নিচের কোনটি আউটসোর্সিং এর ওয়েবসাইট?
  1. ক) Upwork
  2. খ) Freelancer
  3. গ) Fiverr
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বব্যাপি কর্মসংস্থানের বাজার হয়েছে উন্মুক্ত। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই যে কোন দেশের লোকজন বিশ্বের যে কোন দেশের কাজকর্ম করতে পারছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং। ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।

 এ সকল কাজ ইন্টারনেটে অনেক সাইটে পাওয়া যায়। মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো আপওয়ার্ক (www.upwork.com), ফ্রিল্যান্সার এর (www.freelancer.com), ইল্যান্স (www.elance.com) ইত্যাদি। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৪৯৯.
একটি পিকোনেটে সর্বোচ্চ কতটি স্লেভ ডিভাইস যুক্ত হতে পারে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০০.
নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
  1. ক) SaaS
  2. খ) WaaS
  3. গ) laaS
  4. ঘ) PaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।
২. Platform-as-a -Service (PaaS): এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।
৩. Software-as-a Service (SaaS): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

এখানে WaaS, Cloud Computing সেবার কোনো ধরণ নয়।