বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ২২ / ৫১ · ২,১০১২,২০০ / ৫,০২৮

২,১০১.
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক কোন ধরনের মাল্টিপ্লেক্সিং পদ্ধতি ব্যবহার করে?
  1. FDM
  2. TCP
  3. WDM
  4. OFDM
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই প্রযুক্তিতে সিগন্যালের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ইন্টারফেয়ারেন্স কমানোর জন্য Orthogonal Frequency Division Multiplexing (OFDM) ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি উন্নত ডিজিটাল মড্যুলেশন কৌশল যা একটি উচ্চ গতির সিগন্যালকে অনেকগুলো সাব-ক্যারিয়ারে ভাগ করে প্রেরণ করে।

• ওয়াই-ফাই:
- Wi-Fi-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity
- Wi-Fi-এর অপর নাম হচ্ছে ওয়‍্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস।
- Wi-Fi হলো তারবিহীন এক ধরনের প্রযুক্তি, যা রেডিও ওয়েব ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- Wi-Fi প্রযুক্তিই বিশ্ব পর্যায়ে মানুষকে জোগাচ্ছে ব্রডব্যান্ড ওয়‍্যারলেস সার্ভিস।
- Wi-Fi-এ ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সির রেডিও ওয়েব ব্যবহার করা হয়।
- Wi-Fi-এর স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11b (Institute of Electrical and Electronics Engineers)।
- IEEE 802.11 হচ্ছে একটি ওয়‍্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড।
- একটি Wi-Fi নেটওয়ার্কে দশটি বা তার অধিক কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারে।
- ডাচ কম্পিউটার বিজ্ঞানী ভিক্টর ভিক হেরেসকে Wi-Fi-এর জনক বলা হয়।
- Wi-Fi-এর অন্য স্ট্যান্ডার্ডসমূহ হলো 802.11a, 802.11g, 802.11n ।
- বর্তমানে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে 802.11n স্ট্যান্ডার্ডটি।
- IEEE 802.11a স্ট্যান্ডার্ডটি অধিক ব্যয়বহুল হওয়ায় বর্তমানে এর Public access নেই।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.

২,১০২.
Which of the following is not a layer of OSI model?
  1. ক) Physical Layer
  2. খ) Execution Layer
  3. গ) Network Layer
  4. ঘ) Transport Layer
ব্যাখ্যা
OSI model: মোট ৭টি।
- Physical Layer
- Data Link Layer
- Network Layer
- Transport Layer
- Session Layer
- Presentation Layer
- Application Layer
২,১০৩.
ক্রায়োসার্জারিতে কোন ধরনের তাপমাত্রা ব্যবহত হয়?
  1. গরম তাপমাত্রা
  2. ঠান্ডা ও গরম তাপমাত্রার মিশ্রণ
  3. অত্যন্ত গরম তাপমাত্রা
  4. অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- ক্রয়োসার্জারিকে একটি কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা বিবেচনা করা হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে।

• ক্রায়োসার্জারির সুবিধাসমূহ:
- ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জারি থেকে কম ক্ষতিকর।
- সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, ক্রয়োসার্জারিতে তা হয় না।
- ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ কম।
- অন্য পদ্ধতির তুলনায় হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ পদ্ধতি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১০৪.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ "Scalability" দ্বারা কী বোঝানো হয়?
  1. ডেটা লুকানো
  2. ডেটার নিরাপত্তা বাড়ানো 
  3. ব্যবহারকারীর সংখ্যা সীমিত করা
  4. চাহিদা অনুযায়ী রিসোর্স পরিবর্তন 
ব্যাখ্যা

Scalability হলো ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং রিসোর্স (যেমন: স্টোরেজ, প্রসেসিং পাওয়ার, নেটওয়ার্ক) বাড়াতে বা কমাতে পারে।
উদাহরণ: একটি ওয়েবসাইটে হঠাৎ বেশি ভিজিটর এলে ক্লাউড সার্ভার স্বয়ংক্রিয়ভাবে CPU, RAM, বা Storage বাড়িয়ে দেয়। আবার ভিজিটর কমে গেলে রিসোর্সও কমে যায়। এটি খরচ কমায় এবং পারফরম্যান্স ঠিক রাখে।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। CSA (Cloud Security Alliance).

২,১০৫.
IEEE 802.11 এর কোন সংস্করণে প্রথম MIMO প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. 802.11a
  2. 802.11g
  3. 802.11n
  4. 802.11b
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.11 এর মধ্যে প্রথমবার MIMO (Multiple Input Multiple Output) প্রযুক্তি 802.11n সংস্করণে ব্যবহৃত হয়। MIMO প্রযুক্তি ওয়াইফাই সিগন্যালের গুণগত মান এবং ডাটা ট্রান্সমিশনের গতি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি একাধিক অ্যান্টেনা ব্যবহার করে একই সময়ে বিভিন্ন ডাটা স্ট্রিম পাঠাতে পারে, যা ইন্টারফিয়ারেন্স কমিয়ে এবং সিগন্যালের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। 802.11a, 802.11b, এবং 802.11g সংস্করণগুলোতে MIMO প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়নি; তারা মূলত একক অ্যান্টেনা ব্যবহার করত। 802.11n প্রযুক্তির মাধ্যমে ওয়াইফাইয়ের গতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আসে এবং এটি উচ্চতর ব্যান্ডউইথ ও দূরত্বে কার্যকর যোগাযোগ নিশ্চিত করে। তাই, MIMO প্রথম 802.11n-এ ব্যবহৃত হয়েছে।

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

• এছাড়াও,
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16.
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. Intel [লিংক]
২,১০৬.
কোন সংগঠনের নেটওয়ার্ক বৃত্তাকার?
  1. মেশ টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। 
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। 

রিং টপোলজি (Ring Topoplogy): 
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। 
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। 
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে। 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো ডাটা বা সংকেত বৃত্তাকার পথে (একমুখী প্রবাহ) কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডাটা গ্রহণ করে। 
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান। প্রত্যেকটি কম্পিউটার স্বাধীন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১০৭.
গেটওয়ে কী কাজ করে?
  1. একটি কম্পিউটারকে সার্ভারে রূপান্তর করে
  2. একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করে
  3. একটি নেটওয়ার্ককে অন্য নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে
  4. বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) একটি নেটওয়ার্ককে অন্য নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।

• গেটওয়ে (Gateway)
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- একটি প্রোটোকল এর সাথে অন্য একটি প্রোটোকল যুক্ত করতে হলে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১০৮.
ব্লুটুথ কোন ধরনের নেটওয়ার্কে কাজ করে?
  1. LAN (Local Area Network)
  2. MAN (Metropolitan Area Network)
  3. PAN (Personal Area Network)
  4. WAN (Wide Area Network)
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক PAN (Personal Area Network)।

• ব্লুটুথ:
- ব্লুটুথ একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক PAN (Personal Area Network)।
- এটি সীমিত এলাকার মধ্যে ব্যক্তিগত ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ব্লুটুথ 2.45 GHz ISM ব্যান্ডে কাজ করে।
- ব্লুটুথের কার্যকরী দূরত্ব সাধারণত ৩–১০ মিটার।
- দূরত্ব বৃদ্ধির জন্য পাওয়ার এবং ডিভাইস ক্ষমতা অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ থাকে।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেট (Piconet) বলা হয়।
- একাধিক পিকোনেট একত্রিত হলে একটি স্ক্যাটারনেট (Scatternet) গঠিত হয়।
- এটি পিকোনেটগুলোর মধ্যে ডিভাইস শেয়ারিং ও ডেটা আদান-প্রদানের সুযোগ দেয়।

• অন্য অপশন আলোচনা:
• LAN (Local Area Network): 
- LAN হলো স্থানীয় বা সীমিত এলাকা, যেমন স্কুল, অফিস বা ভবনের মধ্যে কম্পিউটার সংযোগের নেটওয়ার্ক।
- LAN সাধারণত ১০০ মিটার থেকে ১ কিলোমিটার পর্যন্ত কাজ করে।

• MAN (Metropolitan Area Network):
- MAN হলো একটি শহর বা মহানগরের মধ্যে কম্পিউটার সংযোগের নেটওয়ার্ক।
- MAN-এর বিস্তৃতি কয়েক কিলোমিটার হতে পারে।

• WAN (Wide Area Network):
- WAN হলো বৃহৎ এলাকা জুড়ে সংযোগ যেমন দেশ বা মহাদেশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

২,১০৯.
ফ্যাক্সের মাধ্যমে কীভাবে তথ্য পাঠানো হয়?
  1. কেবল অপারেটরের মাধ্যমে
  2. চুম্বকীয় তরঙ্গের মাধ্যমে
  3. রেডিও তরঙ্গে
  4. ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্সে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তথ্য পাঠানো হয়।

• ফ্যাক্স (Fax):
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile.
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।

উৎস:
১. এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
২,১১০.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট সার্ভিস?
  1. World Wide Web
  2. Telnet
  3. E-Commerce
  4. ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
Internet Services:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার একটি বড় নিয়ামক হলো ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেট আসলে বিশ্বের কম্পিউটারসমূহের মধ্যস্থিত একটি নেটওয়ার্ক মাত্র।
- ইন্টারনেটের বদৌলতে আজকে সমগ্র বিশ্বের সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারী একই বলয়ে আবদ্ধ হতে পারছেন। ফলে তথ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার আশাতীত উন্নয়ন ঘটছে।
- ইন্টারনেটের বিভিন্ন সার্ভিস বা সেবার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানের তথ্য গ্রহণ ও প্রদান করতে পারছি।

⇒ ইন্টারনেটের প্রধান প্রধান সার্ভিস হলো -
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web),
- টেলনেট (Telnet),
- সার্চ ইঞ্জিন (Search Engines),
- ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল (File Transfer Protocol - FTP),
- ইলেকট্রনিকস মেইল (Electronic Mail : E-mail),
- ই-কমার্স (E-Commerce),
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat) ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১১.
সাইবার নিরাপত্তা আইনে অজামিনযোগ্য ধারাগুলোর মধ্যে কোনটি হ্যাকিং সম্পর্কিত?
  1. ধারা-১৫
  2. ধারা-১৯
  3. ধারা-২৭
  4. ধারা-৩২
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩:
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ 'সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩' পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

• অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে।
ধারাগুলো হলো:
ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

উৎস:
১. আইন মন্ত্রণালয়য়ের ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২. বাসস (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)
২,১১২.
2FA কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  1. এটি সম্পূর্ণভাবে পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে আসে
  2. এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে
  3. এটি লগইন সময় ধীর করে
  4. এটি কেবল ব্যাঙ্কিং অ্যাপের জন্য কার্যকর
ব্যাখ্যা

• দ্বি-স্তরীয় প্রমাণীকরণ বা 2FA অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে, যা শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতার ঝুঁকি কমায়। ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করতে, লগইন প্রক্রিয়ায় একটি অতিরিক্ত ধাপ যেমন SMS, ইমেল বা অ্যানথেন্টিকেটর অ্যাপের কোড প্রয়োজন হয়। এটি হ্যাকারদের জন্য অ্যাক্সেস পাওয়া কঠিন করে তোলে, যদিও তারা পাসওয়ার্ড জেনে যায়। 2FA কেবল ব্যাঙ্কিং অ্যাপের জন্য নয়, বরং ইমেল, সোশ্যাল মিডিয়া, ক্লাউড সার্ভিস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের জন্যও কার্যকর। তাই এটি আধুনিক ডিজিটাল নিরাপত্তার একটি অপরিহার্য উপাদান।

সঠিক উত্তর: খ) এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে।

টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA): 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন-এর অর্থ হচ্ছে যখন ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করা হয় তখন একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড যা ৬ ডিজিটের হয়ে থাকে) ফোনে বা মেইলে আসে। 
অর্থাৎ, টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) ব্যবহার করা হয়। 
- যখন সেই ওটিপি সঠিকভাবে দেওয়া হয় তখনই কেবল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়, অন্যথায় নয়। 
- OTP সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হয়, একবার ব্যবহার করার পরে OTP এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে একই OTP আর ব্যবহার করা যায় না। 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন চালু থাকলে সাইবার অপরাধীর পক্ষে কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। 
- বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিভিন্ন প্রয়োজনে এবং বিনোদনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাবহার করা হয়। তবে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যে, কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা যায় এবং কোনগুলো করা যায় না। 
- হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডকৃত বিভিন্ন কনটেন্ট এর সূত্র ধরে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে কোনো প্রতারণার মাধ্যমে অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে তাই এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১১৩.
নেটওয়ার্কের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামোকে কী বলা হয়?
  1. টপোলজি
  2. রিপিটার
  3. রাউটার
  4. সুইচ
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামোকে টপোলজি বলা হয়।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus Topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology),
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।

উৎস:  এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১৪.
কোন এক্সটেনশনটি উইন্ডোজ প্লাটফর্মের ফাইলের জন্য ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) .jpg
  2. খ) .exe
  3. গ) .mpg
  4. ঘ) .bmp
ব্যাখ্যা

- .jpg, .jpeg, .bmp এগুলো image file।
- .exe হল windows platform এর executable file format।
- .mpg, .mpeg হচ্ছে ভিডিও ফাইল ফরমেটের এক্সটেনশন।

২,১১৫.
কোন সাল থেকে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয়? 
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail): 
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)। 
- ই-মেইল বলতে কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করাকে বোঝায়। 
- ১৯৭১ সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয়। 
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রথমেই যিনি পাঠাবেন এবং যিনি পাবেন দুজনেরই ই-মেইলের ঠিকানার দরকার হয়। 
- ই-মেইল ঠিকানাটি @ বর্ণটি দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। 
- যদি abc@def.com একটি ই-মেইল ঠিকানা হয়ে থাকে তাহলে @ এর পরের অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন নেইম, যা দিয়ে বুঝানো হয় ব্যবহারকারী কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। প্রথম অংশটুকু হচ্ছে ব্যবহারকারীর এক ধরনের পরিচয়। 
- বর্তমানে ই-মেইল বিনিময় করার অনেক জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ইন্টারনেটের দেওয়া ই-মেইল সার্ভিস। 
যেমন- Gmail, Yahoo, Hotmail ইত্যাদি ই-মেইলের সেবা শুধু যে বিনামূল্যে দেওয়া হয় তা নয়, ব্যবহারকারীর ই-মেইল সংরক্ষণ করার দায়িত্বও গ্রহণ করে থাকে। 
- একটি ই-মেইল একাধিক গ্রাহকের কাছে পাঠানো যায়, প্রয়োজনে ই-মেইলকে অন্য একজনকে ‘কার্বন কপি’ (CC) হিসেবে পাঠানো যায়। 
- ই-মেইলের শুরুতে বিষয় হিসেবে ই-মেইলের বক্তব্যটির একটি শিরোনাম লিখা যায়, শুধু তা-ই নয় ই-মেইলের বিষয়বস্তু লেখার পাশাপাশি তার সাথে অন্য কোনো ডকুমেন্ট, ছবি সংযুক্ত করে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১১৬.
কোনো ই-মেইল ঠিকানায় নিচের কোন চিহ্নটি অবশ্যই থাকে? 
  1. &
  2. #
  3. @
  4. $
ব্যাখ্যা
ই-মেইল: 
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ই-মেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

• ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত- 
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy এবং 
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,১১৭.
"jony.doe@example.com" এই ইমেইল ঠিকানার ইউজার আইডি কোনটি?
  1. jony.doe 
  2. example.com
  3. @example.com
  4. .com
ব্যাখ্যা
• "jony.doe@example.com" এই ইমেইল ঠিকানায় ইউজার আইডি হলো "jony.doe"। ইমেইল ঠিকানাটি দুই অংশে বিভক্ত থাকে, যেখানে @ চিহ্নের আগে অংশটি ইউজার আইডি এবং @ চিহ্নের পরে অংশটি ডোমেইন নাম। এখানে "jony.doe" হচ্ছে ব্যক্তির বা ইউজারের নাম বা আইডি, যেটি ব্যবহার করে ইমেইল পাঠানো হয়। "example.com" হলো সার্ভারের নাম বা ডোমেইন, যেখান থেকে ইমেইল পাঠানো বা গ্রহণ করা হয়। তাই, প্রশ্নে দেয়া অপশন থেকে সঠিক উত্তর হলো (ক) jony.doe। অন্যান্য অপশনগুলো ডোমেইন বা ডোমেইনের অংশ, যা ইউজার আইডি নয়।

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,১১৮.
মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. ক) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission)
  2. খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
  3. গ) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission)
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission): সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনকে বলা যায় বিরতিহীন ডেটা ট্রান্সমিশন। এই পদ্ধতিতে বিরতিহীনভাবে প্রেরক যন্ত্র থেকে গ্রাহক যন্ত্রে ডেটা পাঠানাে হয়। যেহেতু প্রেরিত ডেটা ব্যবহার করে গ্রাহক যন্ত্র তার ক্লককে সমন্বিত করে তাই প্রেরণ করার জন্য কোনাে ডেটা না থাকলেও আইডল সিকোয়েন্স (idle sequence) হিসেবে পূর্ব নির্ধারিত ডেটা পাঠানাে হয়।
সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে প্রেরক-স্টেশনে প্রথমেই ডেটাকে প্রাইমারি স্টোরেজে (কম্পিউটারে ব্যবহৃত RAM, Cache, or CPU memory ইত্যাদি) সংরক্ষণ করে ডেটার ক্যারেক্টারগুলােকে ব্লক বা ফ্রেম আকারে ভাগ করে নেয়। প্রতিবার একটি করে ব্লক বা ফ্রেম ক্লকের সাথে সমন্বয় করে সমান বিরতি দিয়ে প্রেরণ করা হয়।
প্রতিটি ব্লক-ডেটার শুরুতে 1 বা 2 বাইটের একটি হেডার ইনফরমেশন এবং ব্লকডেটার শেষে একই পরিমাপের একটি ট্রেইলার ইনফরমেশন সিগন্যাল পাঠানাে হয় এবং বিশাল নেটওয়ার্কে গন্তব্য খুঁজে বের করার জন্য এর মাঝে সাধারণত প্রেরক ও গ্রাহককে চিহ্নিতকরণের সংখ্যা বা অ্যাড্রেস দেয়া থাকে।
গ্রাহক যন্ত্র এই হেডার সিগন্যাল ব্যবহার করে প্রেরকের ক্লক-স্পীডের সাথে সিনক্রোনাইজ বা সমন্বিত করে। ট্রেইলার ব্লকের শেষ নির্দেশ করে এবং কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে ব্লকের ভেতরকার ভুল নির্ণয় এবং সংশােধনে সহায়তা করে।
প্রযুক্তিগতভাবে এ পদ্ধতি অপেক্ষাকৃত জটিল এবং ব্যয়বহুল হলেও বেশি ব্যান্ডউইথের ডেটা দূরবর্তী স্থানে পাঠানাের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই বড় ধরনের নেটওয়ার্কসহ মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক, টিভি নেটওয়ার্ক ইত্যাদি ক্ষেত্রে এটি অপরিহার্য।

২,১১৯.
কোন ক্লাউড মডেলটি পাবলিক ও প্রাইভেট উভয় ক্লাউডকে একত্রিত করে?
  1. হাইব্রিড ক্লাউড
  2. কোয়ান্টাম ক্লাউড
  3. ভার্চুয়াল ক্লাউড
  4. ক্লাসিকাল ক্লাউড
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ক) হাইব্রিড ক্লাউড।

- হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং আর্কিটেকচার যা পাবলিক এবং প্রাইভেট ক্লাউড উভয়কে সংযুক্ত করে। এটি সংস্থাগুলোকে তাদের সংবেদনশীল ডেটা প্রাইভেট ক্লাউডে রাখার সুবিধা দেয়, যেখানে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ বেশি থাকে, এবং একই সঙ্গে কম গুরুত্বপূর্ণ বা স্কেলযোগ্য ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন পাবলিক ক্লাউডে হোস্ট করতে দেয়, যা খরচ ও প্রসেসিং ক্ষমতা উন্নত করে। হাইব্রিড ক্লাউডের মূল সুবিধা হলো এটি সংস্থার প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড সম্পদ সহজে বাড়ানো বা কমানোর সুবিধা দেয়, এবং ব্যবসায়িক নমনীয়তা, নিরাপত্তা ও ব্যয় দক্ষতা নিশ্চিত করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১২০.
কোন টপোলজিটি মূলত 'স্টার' টপোলজির একটি সম্প্রসারিত রূপ (Extension) হিসেবে কাজ করে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. মেশ টপোলজি
ব্যাখ্যা

• ট্রি টপোলজিতে হাব বা সুইচের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো স্টার বিন্যাসে যুক্ত থাকে এবং এই হাবগুলো আবার নিজেদের মধ্যে একটি হায়ারার্কিক্যাল বা শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট কাঠামো তৈরি করে। এই কারণেই একে স্টার টপোলজির বর্ধিত সংস্করণ বলা হয়।

• ট্রি টপোলজি:

- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১২১.
ওয়াকিটকিতে কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশন করা হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. ট্রিপ্লেক্স
  3. হাফ ডুপ্লেক্স
  4. ফুল ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ওয়াকিটকিতে হাফ ডুপ্লেক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশন করা হয়। হাফ ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একসাথে দুইজন কথা বলতে পারে না; একজন কথা বললে অন্যজনকে শুনতে হয় এবং পালাক্রমে কথা বলতে হয়। এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে অডিও ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়। ওয়াকিটকির ব্যবহারকারীরা “push-to-talk” (PTT) বোতাম চাপলে তাদের ভয়েস ট্রান্সমিট হয়, এবং বোতাম ছাড়লে তারা অন্য পক্ষের ভয়েস রিসিভ করতে পারে। এই কারণে, হাফ ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় ডেটা একই সময়ে দু'দিক থেকে যাওয়া বা আসা সম্ভব নয়। সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হওয়ায় এটি বিভিন্ন নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়।


• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) I

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সুযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
যেমন- ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
যেমন- টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২২.
কম্পিউটারে ব্যবহারকারীর প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. ফার্মওয়্যার
  3. ফায়ারওয়াল
  4. বায়োস
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২৩.
ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং মাধ্যম Instagram এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. Bobby Murphy
  2. Kevin Systrom
  3. Evan Spiegel
  4. Reggie Brown
ব্যাখ্যা
Instagram এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন Kevin Systrom.
- ২০১০ সালে ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর মালিকানা মার্ক জুকারবার্গের প্রতিষ্ঠিত META (পূর্বনাম - Facebook Inc) - এর।

- Snapchat এর সহ প্রতিষ্ঠাতা হলেন Evan Spiegel, Bobby Murphy, Reggie Brown.
- Flickr = Flickr is an image hosting service and video hosting service. It was created by Ludicorp in 2004.
- Pinterest = Pinterest, Inc. is an American social media web and mobile application company. It operates a software system designed to enable saving and discovery of information on the World Wide Web using images and, on a smaller scale, GIFs and videos.

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট সমূহ।
২,১২৪.
সেমিকন্ডাক্টর চিপের সর্ববৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ-
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
• বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টর চিপের সর্ববৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ হলো তাইওয়ান।
- তাইওয়ানের TSMC (Taiwan Semiconductor Manufacturing Company) বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেমিকন্ডাক্টর ফাউন্ড্রি, যা বিশ্বের প্রায় 60% উন্নত চিপ উৎপাদন করে।
- Apple, AMD, NVIDIA সহ বড় টেক কোম্পানিগুলোর জন্য চিপ তৈরি করে থাকে TSMC.
- 3nm থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাইজের চিপ উৎপাদনে সক্ষম TSMC।

অন্যদিকে,
- দ. কোরিয়া, Samsung এর মাধ্যমে একটি বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান Intel প্রধানত নিজেদের চিপ উৎপাদন করে।
- জার্মানি ও ফিনল্যান্ড তুলনামূলকভাবে ছোট স্কেলে উৎপাদন করে।

উৎস:
১. TSMC-এর বার্ষিক রিপোর্ট।
২. Semiconductor Industry Association-এর রিপোর্ট।
৩. INDEPENDENT নিউজ রিপোর্ট।
২,১২৫.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজি সমস্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য একটি কেন্দ্রীয় হাব ব্যবহার করে?
  1. Bus Topology
  2. Star Topology
  3. Mesh Topology
  4. Ring Topology
ব্যাখ্যা
• Star Topology হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক টপোলজি যেখানে সমস্ত ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি ডিভাইস সরাসরি এই কেন্দ্রীয় হাবের সাথে সংযোগ স্থাপন করে, যার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান হয়। এতে একটি ডিভাইসের সমস্যা থাকলেও পুরো নেটওয়ার্ক প্রভাবিত হয় না, কারণ অন্য ডিভাইসগুলো স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে।
- অন্যদিকে, Bus, Mesh, ও Ring টপোলজিতে আলাদা ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

- তাই, কেন্দ্রীয় হাব ব্যবহার করে সংযোগের জন্য সঠিক উত্তর হলো খ) Star Topology.

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২৬.
নিম্নলিখিত কোনটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম নয়?
  1. Mydoom
  2. Norton
  3. Panda
  4. Avast
ব্যাখ্যা

Mydoom একটি ক্ষতিকর কম্পিউটার ভাইরাস, এটি কোনো এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। 
- MyDoom হলো একটি কুখ্যাত কম্পিউটার ওয়ার্ম যা ২০০৪ সালে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছিল।
- এটি ম্যালওয়্যার যা ই-মেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং আক্রান্ত কম্পিউটারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করে দেয়।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কয়েকটি উওল্লেখযোগ্য কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- Mydoom,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

২,১২৭.
ক্রিপ্টোকারেন্সিতে “মাইনিং” বলতে কী বোঝায়?
  1. বন্ধুকে ক্রিপ্টো পাঠানো
  2. কম দামে ক্রিপ্টো কেনা
  3. লেনদেন যাচাই করা এবং নতুন কয়েন আয় করা
  4. কয়েন নিরাপদে সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• ক্রিপ্টোকারেন্সিতে “মাইনিং” বলতে বোঝায় ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে লেনদেন যাচাই করার প্রক্রিয়া এবং সেই কাজের বিনিময়ে নতুন কয়েন অর্জন। যখন কেউ ক্রিপ্টো লেনদেন করে, সেই লেনদেন ব্লকে যোগ করা হয়। মাইনাররা জটিল গণিত সমস্যার সমাধান করে এই ব্লকগুলো যাচাই করে নিশ্চিত করে যে লেনদেন বৈধ। সফলভাবে ব্লক যাচাই করলে মাইনাররা নতুন কয়েন এবং লেনদেন ফি হিসেবে পুরস্কৃত হন। এটি শুধুমাত্র নতুন কয়েন তৈরি করেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং পুরো নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং ডেটা পরিবর্তন বা জালিয়াতি রোধ করে। তাই, মাইনিং হলো ক্রিপ্টো সিস্টেমের মূল চালিকা শক্তি।

সঠিক উত্তর: গ) লেনদেন যাচাই করা এবং নতুন কয়েন আয় করা।

• ক্রিপ্টোকারেন্সি:
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,১২৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. Resource Ownership
  2. On Demand
  3. Resource Scalability
  4. Pay as you go
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১২৯.
What protocol ensures secure web browsing with encryption?
  1. HTTPS
  2. POP3
  3. DNS
  4. TELNET
ব্যাখ্যা

• HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) হল একটি secure communication protocol, যা data encryption এবং authentication এর মাধ্যমে computer networks, বিশেষ করে ইন্টারনেটে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- HTTP (HyperText Transfer Protocol) হলো unencrypted, তাই এটি man-in-the-middle attacks বা data interception-এর জন্য vulnerable।
- HTTPS হল HTTP-এর secured version, যেখানে SSL/TLS encryption ব্যবহৃত হয় data security নিশ্চিত করার জন্য।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- POP3 (Post Office Protocol version 3): এটি প্রধানত ইমেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি ওয়েব ব্রাউজিং বা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে না।
- DNS (Domain Name System): এটি ডোমেইন নামকে IP অ্যাড্রেসে রূপান্তরিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- TELNET: এটি দূরবর্তী কম্পিউটার সংযোগের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল, যা সাধারণত কোনো এনক্রিপশন ছাড়াই প্লেইন টেক্সট আকারে ডেটা পাঠায় এবং তাই এটি অনিরাপদ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,১৩০.
ওয়াকিটকি (Walkie-Talkie) কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উদাহরণ?
  1. সিম্প্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা

• ওয়াকিটকিতে একই সময়ে কথা বলা ও শোনা যায় না।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস (Sender) থেকে গন্তব্যে (Receiver) ডাটা পাঠানো হয়।
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা প্রেরণের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিক বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর যে পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়, তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
এগুলো হলো—

- সিমপ্লেক্স (Simplex),
- হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex),
- ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).
 
১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- সিমপ্লেক্স হলো একমুখী ডাটা প্রেরণের মোড।
- এই পদ্ধতিতে গ্রাহক যন্ত্র কখনোই প্রেরক যন্ত্রে ডাটা পাঠাতে পারে না।

অর্থাৎ—

- ডাটা প্রবাহ শুধু একদিকে হয়।
- A থেকে B-তে ডাটা পাঠানো যায়, কিন্তু B থেকে A-তে পাঠানো যায় না।

উদাহরণ:

- রেডিও,
- টেলিভিশন।
 
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোনো প্রান্ত ডাটা গ্রহণ বা প্রেরণ করতে পারে, কিন্তু একই সময়ে গ্রহণ ও প্রেরণ করতে পারে না।

অর্থাৎ—

- ডাটা প্রবাহ দুইদিকে সম্ভব,
কিন্তু একসাথে নয়।
যেমন—
- A যখন B-কে ডাটা পাঠায়, তখন B শুধু গ্রহণ করতে পারে।
- আবার B যখন A-কে ডাটা পাঠায়, তখন A শুধু গ্রহণ করে।

উদাহরণ:

- ওয়াকিটকি (Walkie-Talkie).
 
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।

অর্থাৎ—

- ডাটা প্রবাহ দুইদিকে, এবং একই সাথে হয়।
যেমন—
A যখন B-কে ডাটা পাঠায়, তখন B একই সময়ে A-কে ডাটা পাঠাতে পারে।

উদাহরণ :

- টেলিফোন,
- মোবাইল ফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৩১.
গুণের জন্য কোন অপারেশন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. DIV
  2. SUB
  3. MUL
  4. CLR
ব্যাখ্যা
অপারেশন কোড:
অপারেশন কোডে নির্দেশ নেমোনিক থাকে। এই নেমোনিকগুলো বিভিন্ন কম্পিউটারে বিভিন্ন হতে পারে, তবে
সাধারণত নিচের মত হয় ।
- LDA(লোড):
প্রধান মেমরির কোন নির্দিষ্ট অবস্থানের (অপারেন্ডে দেওয়া) সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরে রাখে (Load Accumulator) !
- STA(স্টোর): STore Accumulator (মেশিনভাষার অনুরূপ)।
- CLR(ক্লিয়ার): CLeaR accumulator
- ADD(যোগ):
ADD, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যার সঙ্গে যোগ করে যোগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখে ।
- SUB(বিয়োগ):
SUBtract, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা থেকে বিয়োগ করে বিয়োগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখে।
- MUL(গুণ):
MULtiple প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা গুণ করে গুণফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখে।

- DIV (ভাগ): DIVide, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা দিয়ে অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যাকে ভাগ করে ভাগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখে।
- JMU(নিশর্ত জাম্প): পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে (লেবেলে) যাওয়া ।
- JAZ(জাম্প): অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ০ হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে যাওয়া নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হওয়া।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদ্বশ- দ্বাদশ শ্রেণী। 
২,১৩২.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট ব্রাউজার নয়?
  1. Internet Explorer
  2. Microsoft Edge
  3. Bing
  4. Maxthon
ব্যাখ্যা
Bing হচ্ছে একটি সার্চ ইঞ্জিন। অন্যগুলো ওয়েব ব্রাউজার।

বর্তমানে ইন্টারনেটে অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে। এই ওয়েবসাইটগুলাে নিজের কম্পিউটার থেকে দেখা বা ব্রাউজ করার জন্য আমরা সাধারণত বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করি। এই সফটওয়্যারগুলােকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার।
জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলোঃ Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome, Maxthon ইত্যাদি৷
২,১৩৩.
নিচের কোনটি সোশ্যাল মিডিয়ার নেটওয়ার্কিং সাইট নয়?
  1. Facebook
  2. Linkedin
  3. Bing
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
• কিছু বিখ্যাত সোশাল নেটওয়ার্কিং এর সাইট:
1. Facebook
2. Whatsapp
3. Twitter/X
4. Linkedin
5. Instagram
6. Telegram

• কিছু সার্চ ইঞ্জিন:
1. Google
2. DuckDuckgo
3. Bing
4. Yahoo
5. Baidu

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১৩৪.
ইন্টেল কর্পোরেশনের বর্তমান সিইও কে? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. সুন্দর পিচাই
  2. এনরিক লরেস
  3. প্যাট্রিক গেলসিঞ্জার
  4. অরবিন্দ কৃষ্ণা
ব্যাখ্যা
• ইন্টেল কর্পোরেশন:
- ইন্টেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের অন্যতম সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।
- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের বর্তমান সিইও প্যাট্রিক গেলসিঞ্জার।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,১৩৫.
AMOLED Monitor এর "AMOLED" এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Active Multi-Organic Light Emitting Diode
  2. খ) Active Micro-Organic Light Emitting Diode
  3. গ) Active Matrix Organic Light Emitting Diode
  4. ঘ) Active Matrix Organic Light Emitting Device
ব্যাখ্যা
AMOLED Monitor
AMOLED- Active Matrix Organic Light Emitting Diode. মােবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং এ জাতীয় ডিসপ্লে এর জন্য একটি নতুন ডিসপ্লে প্রযুক্তি।
বর্তমানে এটি প্রথম শ্রেণির এন্ডোয়েড স্মার্ট ফোন যেমন- LG Flex, Nexus এবং Samsung Galaxy s সিরিজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এর পারফরমেন্স LCD এর চেয়ে অনেক গুণ বেশি। এর ইমেজ মান খুবই ভালাে। এ
টি অনেক পাতলা ও হালকা। এ প্রযুক্তিতে আগের LCD এর চেয়ে ৩০-৫০% কম পাওয়ার লাগে। এর রেসপন্স টাইম এলসিডি এর চেয়ে হাজার গুণ বেশি।
AMOLED ডিসপ্লেতে মাত্র দুইটি লেয়ার থাকে।
একটি হলাে OLED (organic light-emitting diode) লেয়ার যার মাধ্যমে লাইট নির্গত হয়। অপর লেয়ারটি হলাে TFT (thin-film transistor) সার্কিট দিয়ে তৈরি ব্যাকপ্লেন যা OLED এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে।

রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
২,১৩৬.
ইন্টারনেটের প্রকৃত যাত্রা কখন শুরু হয়? 
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনে ARPANET নামে একটি প্রজেক্ট চালু হয়, যা ছিল প্রথম ডিজিটাল নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পিউটারগুলো একে অপরের সাথে তথ্য বিনিময় করতে সক্ষম হয়। ARPANET ছিল ইন্টারনেটের ভিত্তি এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন উন্নতির মাধ্যমে এটি আজকের বিস্তৃত বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটে রূপান্তরিত হয়। তাই, ১৯৬৯ সালেই ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু বলে ধরা হয়, যেখানে প্রথমবারের মতো কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ধারণা বাস্তবায়িত হয়।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ১৯৬৯ সালে।

ইন্টারনেট: 

- টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে। 
- ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার ১৯৯০ সাল থেকে শুরু হলেও প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে Advanced Research Projects Agency Network (ARPanet) চালু করে। 
- ১৯৯০ সালে ইন্টারনেটের কার্যক্রম শুরু হলেও ১৯৯৪ সালের পূর্বে তাকে এই নামে ডাকা হত না। 
- ১৯৯৪ সালেই ইন্টারনেট শব্দটি ব্যবহৃত হয়। 
- বর্তমান বিশ্বের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়ায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মাধ্যমটির নাম ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেটের সুবাদে সমগ্র বিশ্বের সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ একই বলয়ে আবদ্ধ হতে পেরেছেন, তাই ইন্টারনেটকে অনেকেই নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলে। 
- ইন্টারনেটের সংযোগ নিতে হলে অনেক জিনিসের দরকার হয়। 
যথা- কম্পিউটার, মডেম, টেলিফোন বা অন্য কোন লাইন, সফটওয়্যার, আইএসপি ইত্যাদি। 

ইন্টারনেট এর ব্যবহার: 
- নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রধান ব্যবহার হলো ইন্টারনেট। 
- মূলত নিম্নলিখিত কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়- 
• দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা। 
• তথ্য সংরক্ষণ করা। 
• ই-কমার্স ব্যবহার করা। 
• তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা। 
• ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা। 
• ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়। 
• মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৩৭.
Which component is used in robotics to create movement in robots?
  1. Actuator
  2. Sensor
  3. Controller
  4. Processor
ব্যাখ্যা

• রোবটের মুভমেন্ট বা নড়াচড়া সৃষ্টি করার জন্য Robotics-এ Actuator ব্যবহার করা হয়, যেমন রোবটের হাত বা চাকা চালাতে Actuator কাজ করে।

• রোবটিক্স (Robotics):
- Robotics হলো প্রযুক্তির সেই শাখা, যেখানে রোবটের নকশা (design), গঠন (construction), পরিচালন প্রক্রিয়া (operation), কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র (application) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
 
• রোবটের মুভমেন্টে Actuator-এর ভূমিকা:
- Robotics-এ Actuator এমন একটি উপাদান, যা শক্তিকে গতিতে (motion) রূপান্তর করে।
- রোবটের হাত নড়ানো, চাকা ঘোরানো বা কোনো অংশ চালু–বন্ধ করার কাজে Actuator ব্যবহৃত হয়।
- তাই রোবটের কার্যকর চলাচলের জন্য Actuator অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
• রোবটিক্সে ব্যবহারের প্রেক্ষাপট:
- শিল্পকারখানায় দ্রুত ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ সম্পাদনে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- এসব কাজে রোবটের সঠিক মুভমেন্ট নিশ্চিত করতে Actuator অপরিহার্য।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Sensor → পরিবেশ বা অবস্থা শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- Controller → রোবটের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা দেয়।
- Processor → ডেটা প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৩৮.
HTTPS-এ ‘S’ দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Server
  2. Source
  3. Secure
  4. System
ব্যাখ্যা

• Secure বোঝায়, কারণ HTTPS-এ ‘S’ দ্বারা Secured বা সুরক্ষিত যোগাযোগ নির্দেশ করে।

• HTTPS:

- HTTPS-এর পূর্ণরূপ হলো Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল, যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত HTTPS-এর ‘S’ দ্বারা Secured, অর্থাৎ সুরক্ষিত বোঝায়।
- HTTPS প্রোটোকল ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- HTTPS, HTTP-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি সাধারণত লেখা হয় না এবং www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Server → ওয়েবসাইট হোস্টিং বা তথ্য সংরক্ষণের কম্পিউটার ব্যবস্থা।
- Source → তথ্যের উৎস বোঝাতে ব্যবহৃত শব্দ।
- System → নির্দিষ্ট নিয়মে পরিচালিত সমন্বিত কাঠামো বা ব্যবস্থা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,১৩৯.
জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার নিচের কোনটির জনক?
  1. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
  2. রোবটিক্স
  3. ন্যানোটেকনোলোজি
  4. মোবাইল ফোন
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক আসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,১৪০.
স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলি মেশ নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য সাধারণত কোন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. USB
  2. Ethernet
  3. Zigbee
  4. LTE
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলি মেশ নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য সাধারণত Zigbee ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ব্যবহার করে। Zigbee একটি কম পাওয়ার, স্বল্প-দূরত্বের রেডিও যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা অনেকগুলো ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে একটি মেশ নেটওয়ার্ক গঠন করতে সক্ষম করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি ডিভাইস নিজে একটি রাউটার বা রিপিটার হিসেবে কাজ করতে পারে, ফলে সিগন্যাল দুর্বল হলেও অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে। Zigbee-র এই বৈশিষ্ট্য স্মার্ট লাইট, থার্মোস্ট্যাট, সেন্সর ইত্যাদি ডিভাইসের মধ্যে নিরবিচারে যোগাযোগ নিশ্চিত করে।
- অন্যদিকে, USB ও Ethernet তারযুক্ত প্রযুক্তি এবং LTE মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়, মেশ নেটওয়ার্কের জন্য নয়।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) Zigbee.


• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) Zigbee [লিংক]
২,১৪১.
এআই প্রধানত কোন ক্ষেত্রে বেশি প্রয়োগ করা হচ্ছে?
  1. নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিতে
  2. মানুষের বিকল্প হিসাবে বিপদজ্জনক কাজে
  3. প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে
  4. জটিল ও রিপিটিটিভ কাজে
ব্যাখ্যা

• এআই বর্তমানে প্রধানত জটিল ও বারবার করা লাগে এমন (রিপিটিটিভ) কাজে বেশি প্রয়োগ করা হচ্ছে, কারণ এসব কাজে মানুষের ভুলের সম্ভাবনা কমাতে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এআই অত্যন্ত কার্যকর। বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ, স্বয়ংক্রিয় ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, গ্রাহকসেবা চ্যাটবট, উৎপাদন লাইনে রোবট- এসব ক্ষেত্রে এআই দ্রুত, নির্ভুল ও অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে পারে। যদিও বিপদজ্জনক কাজ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরিতেও এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে, কিন্তু পরিসংখ্যানগতভাবে সবচেয়ে বেশি প্রয়োগ হচ্ছে সেই সব কাজে যেগুলো পুনরাবৃত্তিমূলক, সময়সাপেক্ষ এবং মানুষের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে একই মান বজায় রাখা কঠিন।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• AI এর বৈশিষ্ট্য:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
- অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৪২.
ভাইরাসযুক্ত ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে গ্রাহকের ডেটা চুরি করাকে কি বলে?
  1. Phishing
  2. Spamming
  3. Sneaking
  4. Spoofing
ব্যাখ্যা
ফিশিং (Phishing): 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 

স্ফুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৪৩.
নিচের কোনটি হাইব্রিড ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) এমাজন ওয়েব সার্ভিস
  2. খ) কমিউনিটি ক্লাউড
  3. গ) গুগল ক্লাউড
  4. ঘ) মাইক্রোসফট এজিউর
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ক্লাউড হচ্ছে  হাইব্রিড ক্লাউডের উদাহরণ। 

কমিউনিটি ক্লাউড মিশ্র ক্লাউড যা বিশেষ কোন কমিউনিটি জনগণের জন্য তৈরি করা হয়।

নির্দিষ্ট কোন কমিউনিটি বা ক্লাসের মানুষের জন্য যে ক্লাউড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় তাকে কমিউনিটি ক্লাউড বলে। পাবলিক ক্লাউডের মতো এখানেও একধিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকে। কিন্তু পাবলিক ক্লাউডের সাথে কমিউনিটি ক্লাউডের সামান্য পার্থক্য আছে আর সেটা হলো পাবলিক ক্লাউড যেকোনো শ্রেণীর ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারে কিন্তু কমিউনিটি ক্লাউড শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শ্রেণীর ব্যক্তিদের জন্যই উন্মুক্ত থাকে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

২,১৪৪.
কার লকিং সিস্টেমে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ইনফ্রারেড
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. রেডিও ওয়েভ
  4. লেজার
ব্যাখ্যা
- কার লকিং সিস্টেমে ইনফ্রারেড প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

- ইনফ্রারেড হলো এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা 300 GHz থেকে 400THz হয়ে থাকে। 
- খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে। 
- টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,১৪৫.
Social Networking Site-এ যোগাযোগে কোন media ব্যবহৃত হয়? 
  1. Image/video
  2. Audio
  3. Text
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• Social Networking Site - এ যোগাযোগে image, audio, video, text সবগুলোই ব্যবহৃত হয়।

• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম:
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো এমন এক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে তথ্য, মতামত, ছবি, ভিডিও, এবং বিভিন্ন ধরণের কনটেন্ট শেয়ার করতে পারেন।
- এই মাধ্যমগুলো মানুষকে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে যুক্ত হতে এবং মতবিনিময় করতে সাহায্য করে।
- উদাহরণস্বরূপ, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, এবং লিঙ্কডইন সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম।
- এগুলো শুধুমাত্র ব্যক্তিগত যোগাযোগের জন্য নয়, ব্যবসায়িক ও পেশাগত যোগাযোগের ক্ষেত্রেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলা, নতুন ধারণা শেয়ার করা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করে।

• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে প্রধানত ব্যবহৃত মাধ্যমগুলো হলো:
- টেক্সট: মেসেজ, পোস্ট বা কমেন্ট আকারে লেখা যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম।
- ছবি (Images): ছবি আপলোড এবং শেয়ার করে ভিজ্যুয়াল কমিউনিকেশন করা হয়।
- ভিডিও (Videos): ভিডিও শেয়ার বা লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন।
- অডিও (Audio): পডকাস্ট, ভয়েস মেসেজ বা অডিও ক্লিপ শেয়ার করা যায়।
- লিংক (Links): বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করে তথ্য বা সংবাদ ছড়িয়ে দেয়া হয়।
- ইমোজি এবং জিআইএফ (Emojis & GIFs): অনুভূতি ও প্রতিক্রিয়া প্রকাশের জন্য ইমোজি ও জিআইএফ ব্যবহার করা হয়।
২,১৪৬.
ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান সাধারণত কোন ডোমেইন নেইম ব্যবহার করে?
  1. .biz
  2. .org
  3. .com
  4. .net
ব্যাখ্যা
• ডোমেইন নেইম:
- আইপি অ্যাড্রেস সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য ইংরেজি অক্ষরের কোনো নাম ব্যবহার করা হয়। ক্যারেক্টার ফর্মের দেয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলা হয়।
- যেমন: আইপি অ্যাড্রেস 173.248.140.183 এর পরিবর্তে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট নেম www.rafkhata.com ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয়।
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS-Domain Naming System).
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।
- বর্তমানে প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় ডোমেন নামের বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪৭.
'সিমপ্লেক্স মোড'-এর উদাহরণ কোনটি?
  1. রেডিও
  2. ওয়াকি-টকি
  3. মোবাইল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সংযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি-টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেকোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
২,১৪৮.
টুইটারের বর্তমান সিইও কে?
  1. Mark Zuckerberg
  2. Elon Musk
  3. Ajay Banga
  4. Linda Yaccarino
ব্যাখ্যা
টুইটার
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম 'X'
- টুইটারের বর্তমান সিইও Linda Yaccarino. তিনি ২০২৩ সালের ৫ জুন সিইও'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস: টুইটারের ওয়েবসাইট।
২,১৪৯.
কম্পিউটারে সাইবার অ্যাটাক করে ব্যবহারকারীর কাছে অর্থ দাবি করাকে কী বলে?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়্যার
  3. ড্যানিয়েল অব সার্ভিস
  4. ম্যান ইন দ্যা মিডেল
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার:
- ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার।
- এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
 
র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
 
DoS (Denial of Service):
- ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।
- ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২,১৫০.
Which of the following is not a search engine?
  1. DuckDuckGo
  2. Mozilla Firefox
  3. Yahoo
  4. Bing
  5. Google
ব্যাখ্যা
• Mozilla Firefox সার্চ ইঞ্জিন নয় এটি ওয়েব ব্রাউজার।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১৫১.
Wi-Fi এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Wireless Fidelity
  2. Wide Fidelity
  3. Wireless Facility
  4. Wide Facility
ব্যাখ্যা

Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wireless Fidelity।

• Wi-Fi
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,১৫২.
কোন ধরনের ম্যালওয়্যার একটি কম্পিউটার সিস্টেম লক করে ব্যবহারকারীকে তার ডিভাইস ব্যবহার করতে বাধা দেয় এবং মুক্তিপণ দাবি করে?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়্যার
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা

র‍্যানসমওয়‍্যার হল এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার বা ফাইল লক করে দেয় বা এনক্রিপ্ট করে এবং তারপরে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, যেন ব্যবহারকারী পুনরায় তার ডিভাইস বা ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।

• ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার(Ransomware),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- কিছু র‍্যানসমওয়্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

২,১৫৩.
Which cybercrime involves sending unwanted and unsolicited emails or messages?
  1. Sniffing
  2. Spamming
  3. Phishing
  4. Spoofing
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) Spamming.

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম - অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং - গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং - ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৫৪.
নিচের কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়?
  1. WAP
  2. EDGE
  3. GPRS
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
◊ GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

• মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায় ।
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়।
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়।
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়৷

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২,১৫৫.
NFC প্রযুক্তি কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. বেতার সংকেতের মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে যোগাযোগ
  2. নিকটবর্তী ডিভাইসের সাথে ডাটা আদান-প্রদান
  3. উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান
  4. রেডিও সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা
ব্যাখ্যা

◉ NFC (Near Field Communication) হলো একটি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা খুব কম দূরত্বে (সাধারণত 4 সেন্টিমিটারের মধ্যে) দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।

NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

NFC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহৃত হয়:
- মোবাইল পেমেন্ট: যেমন Google Pay, Apple Pay.
- ট্যাগ রিডিং: NFC ট্যাগ থেকে তথ্য পড়া, যেমন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে টিকেটিং।
- ফাইল ট্রান্সফার: ছোট ফাইল বা ডাটা শেয়ার করা।
- স্মার্ট ডিভাইস কন্ট্রোল: স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১৫৬.
Globalization ও Internationalization প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হওয়ার প্রধান কারণ কী?
  1. শিল্প বিপ্লব
  2. খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য
  3. সামরিক শক্তি
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে যোগাযোগ, তথ্য আদান–প্রদান, বাণিজ্য ও সহযোগিতা দ্রুত ও সহজ হয়েছে—যার ফলে Globalization ও Internationalization প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছে।

• গ্লোবালাইজেশন ও ইন্টারন্যাশনালাইজেশনের ধারণা:
- একুশ শতকে এসে বিশ্বায়ন (Globalization) ও আন্তর্জাতিকীকরণ (Internationalization) ধারণার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে।
- এই দুই প্রক্রিয়ার ফলে একটি দেশের কার্যক্রম নিজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হয়েছে।

• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্বায়ন ও আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করেছে।
- আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে ভৌগোলিক সীমানা এখন আর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় বাধা নয়।
- ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হয়েছে।

• বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ফলে সারা বিশ্বের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েছে।
- মানুষ বিশ্বের যেকোনো স্থানের খবর মুহূর্তের মধ্যেই জানতে পারে এবং তাৎক্ষণিকভাবে মতামত বা প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- শিল্প বিপ্লব: এটি যন্ত্রনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য: এটি অর্থনীতির একটি উপাদান।
- সামরিক শক্তি: এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৫৭.
আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯২১ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
• ১৯১১ সালে আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।

• আইবিএম:

- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান (জুন, ২০২৪) নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

উৎস: IBM এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২,১৫৮.
MAC অ্যাড্রেস কত বিট হয়?
  1. 32 বিট
  2. 48 বিট
  3. 64 বিট
  4. 128 বিট
ব্যাখ্যা

◉ MAC অ্যাড্রেস (Media Access Control Address) হলো একটি 48-বিট ইউনিক আইডেন্টিফায়ার, যা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কন্ট্রোলার (NIC) বা নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টারের জন্য নির্ধারিত হয়। এটি সাধারণত হেক্সাডেসিমেল ফরম্যাটে (যেমন 00:1A:2B:3C:4D:5E) লেখা হয় এবং নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইসকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়।

MAC Address: 
- কোন কম্পিউটারে ম্যাক এড্রেস হচ্ছে সেই কম্পিউটারটিতে ব্যবহার্য নেটওয়ার্ক ডিভাইসের জন্য একটি অনন্য পরিচিতি।
- কোন ডিভাইসের ম্যাক এড্রেস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করে থাকে ।
- একেকটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এর জন্য একেকটি ম্যাক এড্রেস থাকে ।
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত করার জন্য NIC বা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয়।
- এ কার্ডকে ল্যান কার্ড বা নেটওয়্যার্ক অ্যাডাপ্টার বলে।
- ল্যান কার্ডে ৪৮ বিট বা ৬ বাইটের একটি অদ্বিতীয় কোড থাকে একে ম্যাক অ্যাড্রেস বলে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১৫৯.
ভার্চুয়াল রিয়ালিটি প্রযুক্তিতে বড় সমস্যা কী?
  1. কীবোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যতা
  2. ইন্টারনেটের ধীর গতি
  3. রঙের ঘাটতি
  4. চলার সময় মাথা ঘোরা বা বমি বমি ভাব 
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো চলার সময় মাথা ঘোরা বা বমি বমি ভাব হওয়া। যখন ব্যবহারকারী VR হেডসেট পরিধান করে ভার্চুয়াল পরিবেশে চলাফেরা করে, তখন চোখ এবং শরীরের সিগন্যালের মধ্যে মিল না থাকায় ভার্চুয়াল মুভমেন্টের কারণে মাথা ঘোরা বা মাথা ভারি লাগার মতো অনুভূতি তৈরি হয়। এই কারণে অনেক সময় ব্যবহারকারীরা অস্বস্তি বোধ করেন এবং দীর্ঘ সময় VR ব্যবহার করতে পারেন না। অন্যান্য সমস্যাগুলো যেমন কীবোর্ডের সামঞ্জস্যতা, ইন্টারনেট গতি বা রঙের ঘাটতি তুলনায় কম গুরুতর এবং সহজেই সমাধানযোগ্য। তাই VR প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো এই শারীরিক অসুবিধা।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:

- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৬০.
গ্রাহক যন্ত্র থেকে প্রেরক যন্ত্রে ডাটা পাঠাতে পারে না কোন ধরনের ডাটা ট্রান্সমিশন মোডে?
  1. সিমপ্লেক্স (Simplex)
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)
  4. ইউনিকাস্ট (Unicast)
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)
সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
২,১৬১.
ওয়েবপেইজ তৈরি করার পর তা কোনো একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েব সার্ভারে রাখার প্রক্রিয়াটিকে বলা হয়-
  1. ক) ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন
  2. খ) ওয়েব পেইজ ডিজাইন
  3. গ) ওয়েব সার্ভারে পেইজ হোস্টিং
  4. ঘ) সার্চ ইঞ্জিনের সাথে ওয়েবসাইট সংযুক্তকরণ
ব্যাখ্যা
• ওয়েবসাইট পাবলিশিং:
- ওয়েব পেইজ তৈরি করার পর তা কোনো একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েব সার্ভারে হোস্ট করা প্রয়োজন। এই হোস্টিং প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ওয়েবসাইট পাবলিশিং। 
- ওয়েবসাইট পাবলিশিংয়ের ধাপসমূহ:

১. ওয়েব পেইজ ডিজাইন:
ওয়েবসাইট পাবলিশিং এ ওয়েব পেইজ ডিজাইন প্রথম ধাপ। অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে ওয়েব পেইজ ডিজাইন করে দিয়ে থাকে।

২. ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন:
ওয়েবসাইটের একটি নাম যা সহজে মনে রাখা যায় এবং অর্থবোধক তা নির্বাচন করে সেই নামের ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন করা।

৩. ওয়েব সার্ভারে পেইজ হোস্টিং: 
ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ও ওয়েব পেইজ ডিজাইন সম্পন্ন করার পর ওয়েব সাইট/ পেইজগুলো নির্ভরযোগ্য কোনো সার্ভারে হোস্ট করা। 

৪. সার্চ ইঞ্জিনের সাথে ওয়েবসাইট সংযুক্ত:
ওয়েব পেইজ/সাইটটি আরো বেশী প্রচারমূখী করার জন্য সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সংযুক্ত করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৬২.
www এর জনক কে?
  1. বিল গেটস
  2. মার্ক জাকারবার্গ
  3. টিম বার্নস লি
  4. ডেনিস রিচি
ব্যাখ্যা
WWW: 
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web. 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন। 
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়। 
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৬৩.
কোনটি হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়ালের অসুবিধা?
  1. কনফিগার করা সহজ 
  2. উচ্চ প্রাথমিক খরচ
  3. একাধিক ডিভাইসকে রক্ষা করতে অক্ষম
  4. সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের চেয়ে ধীর
ব্যাখ্যা

• হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ডিভাইস হলেও এর কিছু অসুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো উচ্চ প্রাথমিক খরচ, যা ছোট বা মধ্যম আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জ হতে পারে। এছাড়া, এটি কনফিগার করা তুলনামূলকভাবে কঠিন, কারণ যথাযথ নেটওয়ার্ক নীতি ও নিয়মাবলী নির্ধারণ করতে বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া, হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল সাধারণত একাধিক ডিভাইস বা দূরবর্তী নেটওয়ার্কের জন্য সমন্বিত সুরক্ষা প্রদান করতে সীমিত সক্ষমতা রাখে। যদিও সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের তুলনায় এটি দ্রুত, তবে এর মূল অসুবিধা হলো খরচ এবং স্থাপনার জটিলতা, যা ছোট প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায়ই বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
 
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- Unauthorized ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall)ব্যবহার করা হয়।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩.geeksforgeeks [link]

২,১৬৪.
সোফিয়া হচ্ছে -
  1. ক) দৈত্যাকৃতির রোবট
  2. খ) এলিয়েন আকৃতির রোবট
  3. গ) বাংলাদেশে তৈরিকৃত রোবট
  4. ঘ) মানবাকৃতির সামাজিক যোগাযোগ সক্ষম রোবট
ব্যাখ্যা
- রোবটটি তৈরি করেন ডেবিড হ্যানসন ও তার কোম্পানি হ্যানসন রোবটিক্স।
- হ্যানসন রোবটিক্স একটি হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ।
- সোফিয়া হচ্ছে মানবাকৃতির সমাজিক যোগাযোগ সক্ষম রোবট যেটি তৈরি করে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স।
- রোবটটি এমনভাবে নকশা করা হয় যাতে সে মানুষের ব্যবহারের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে ও শিখতে পারে এবং মানুষের সাথে কাজ করতে পারে।
-২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরব তাকে নাগরিকত্ব প্রদান করে। সোফিয়া হচ্ছে প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করেছে।
২,১৬৫.
মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্মের সময়কাল কত?
  1. ক) ১৯৭৯-১৯৯০
  2. খ) ১৯৯১-২০০০
  3. গ) ২০০১-২০০৮
  4. ঘ) ১৯৯০-২০০০
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্মের সময়কাল হলো ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
২,১৬৬.
কোনটি গুগলের পরিসেবা না?
  1. ক) Opendoc
  2. খ) Picasa
  3. গ) Youtube
  4. ঘ) Hangouts
ব্যাখ্যা
Opendoc is a multi-platform software componentry framework standard created by Apple for compound documents, intended as an alternative to Microsoft's Object Linking and Embedding. Rest of them from Google.
২,১৬৭.
ব্রডকাস্ট পদ্ধতির উদাহরণ নয় -
  1. ক) রেডিও
  2. খ) টেলিভিশন
  3. গ) খবরের কাগজ
  4. ঘ) টেলিফোন
ব্যাখ্যা



সূত্র - অষ্টম শ্রেণি, ICT, বোর্ড বই
২,১৬৮.
মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. লিনাস টরভাল্ডস
  2. মার্ক জাকারবার্গ
  3. বিল গেটস
  4. স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা

বিল গেটস (Bill Gates) এবং পল অ্যালেন (Paul Allen) ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। মাইক্রোসফ্ট বিশ্বব্যাপী সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং ক্লাউড সেবা প্রদানকারী একটি শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানি।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫ সালের ৪ এপ্রিল।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
স্টিভ জবস: তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
মার্ক জাকারবার্গ: তিনি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা।
লিনাস টরভাল্ডস: তিনি লিনাক্স কার্নেলের রচয়িতা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,১৬৯.
Fax এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Fascimile
  2. Fast Alternative Zone
  3. Fasimail
  4. Facsimile
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স (Fax): 
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন। 
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)। 
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়। 
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭০.
What is the foundation of Virtual Reality (VR) technology?
  1. Optimizing search algorithms
  2. Encrypting network communications
  3. Application of remote sensing methods
  4. Generating simulated realities
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হল সিমুলেটেড বা কৃত্রিম বাস্তব অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করা।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- ব্যবহারকারী একটি হেডসেট এবং সেন্সরের সাহায্যে সেই পরিবেশে প্রবেশ করতে এবং তার সাথে মিথস্ক্রিয়া (interact) করতে পারেন।
- VR-এর প্রধান লক্ষ্য হলো এমন একটি কৃত্রিম, কিন্তু বাস্তব-সদৃশ অভিজ্ঞতা তৈরি করা যা ব্যবহারকারীকে মনে করিয়ে দেয় যে তারা সত্যিই সেই পরিবেশে আছে। এই পদ্ধতিকে সিমুলেশন (Simulation) বলা হয়।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- গেমিং, শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ (যেমন - পাইলট বা সার্জনদের জন্য) এবং স্থাপত্যের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২,১৭১.
In a Distributed Network, each workstation -
  1. Has no memory or storage
  2. Depends completely on the main server for processing
  3. Has its own memory, storage, and processing capability
  4. Cannot perform any local tasks
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) Has its own memory, storage, and processing capability.

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার সেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- এ ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি'র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসসমূহ হলো ফাইল, প্রিন্ট মেসেজ, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

• হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা।
১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।

২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network):
- পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো নিজস্ব সফটওয়‍্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজগুলো করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২,১৭২.
ইনস্টাগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. কেভিন সাইস্ট্রম
  2. পল এলেন
  3. অ্যাডাম মোসেরি
  4. ইভান উইলিয়ামস
ব্যাখ্যা
• Instagram:
- ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
- ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন- কেভিন সাইস্ট্রম, মাইক ক্রিঞ্জার। 
- এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়। 
- অ্যালেক্সা র‍্যাঙ্কিং- এ ইন্সটাগ্রাম বিশ্বের ২৬তম বৃহৎ ওয়েবসাইট। (জানুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত)। 
- ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
- বর্তমানে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ “Meta” এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
- Instagram এর বর্তমান CEO অ্যাডাম মোসেরি (৭ এপ্রিল, ২০২৪ পর্যন্ত)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১৭৩.
Which company acquired GitHub in 2018?
  1. Apple 
  2. Microsoft
  3. Amazon
  4. Google
ব্যাখ্যা

গিটহাব (GitHub) হলো বিশ্বের বৃহত্তম সোর্স কোড হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম, যা মাইক্রোসফ্ট (Microsoft) কোম্পানি দ্বারা অধিগ্রহণ করা হয়েছিল।

GitHub (গিটহাব):
- গিটহাব হচ্ছে ইন্টারনেট হোস্টিং সেবা।
- এটি একটি ওপেন সোর্স ভার্শন কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এটি ডেভেলপারদের কোড, সফটওয়্যার প্রভৃতি তৈরি, সংরক্ষণ ও নিরাপদে সরবরাহ করার আদর্শ প্লাটফর্ম।
- এটি ওয়েব-ভিত্তিক গিট রিপজিটরি হোস্টিং সেবা।
- দ্রুত গতির ডাটা ইনটিগ্রিটি এবং ডিস্ট্রিবিউটেড সাপোর্টসহ ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোলই হচ্ছে গিট (git)।
- এটি যা গিট এর ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোল এবং সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট (এসসিএম) এর কার্যকারিতা এবং ফিচার উপস্থাপন করে।
- এটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (মে, ২০২৪ এর তথ্য অনুযায়ী)
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,১৭৪.
Chorki.com কি?
  1. ক) সামাজিক যোগাযোগ সাইট
  2. খ) ওয়েব ব্রাউজার
  3. গ) সার্চ ইঞ্জিন
  4. ঘ) ই-কমার্স সাইট
ব্যাখ্যা
ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হল ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম। অনুসন্ধান ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে। ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে। গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
২,১৭৫.
ডেটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন করার নিয়ম কোনটি?  
  1. ক্রিপ্টোগ্রাফি 
  2. স্টেগানোগ্রাফি
  3. ইনফরমেট্রিক্স
  4. ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা

• ক্রিপ্টোগ্রাফি: 
- ডেটা বা তথ্যের এনক্রিপশন (encryption) এবং ডিক্রিপশন (decryption) হলো তথ্যকে নিরাপদ রাখার পদ্ধতি।
- এনক্রিপশন: মূল তথ্যকে একটি কোড বা সিক্রেট ফরম্যাটে রূপান্তর করা, যাতে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি এটি পড়তে না পারে।
- ডিক্রিপশন: এনক্রিপ্ট করা তথ্যকে পুনরায় মূল বা পাঠযোগ্য ফরম্যাটে রূপান্তর করা।
- এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে Cryptography বলা হয়। Cryptography মূলত তথ্য নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- স্টেগানোগ্রাফি (Steganography): তথ্যকে অন্য কোনো মিডিয়ার মধ্যে লুকানো, যেমন ছবি, অডিও বা ভিডিও।
- ইনফরমেট্রিক্স (Informetrics): তথ্যের পরিমাণ, প্রবাহ ও ব্যবহারের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ।
- ইনডেক্সিং (Indexing): ডাটাবেস বা তথ্য থেকে দ্রুত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ইনডেক্স তৈরি করা।

তথ্যসূত্র: Kurose, James F., and Keith W. Ross: Computer Networking.

২,১৭৬.
ই-পুর্জি কোন সংক্রান্ত সেবা?
  1. জমিজমা রেকর্ড
  2. অর্থ লেনদেন
  3. কেনাকাটা
  4. ইক্ষু সরবরাহ
ব্যাখ্যা
• ই-পুর্জি:
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি।
- এটি আখ চাষিদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবা।
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এসএমএসের মাধ্যমে ই-পুর্জি তথ্য পাচ্ছে।
- পুর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
২,১৭৭.
নিম্নের কোনটি দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি?
  1. ভয়েস রিকগনিশন
  2. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  3. ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  4. কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন
ব্যাখ্যা

• ফিঙ্গারপ্রিন্ট মানুষের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- গ্রিক শব্দ “Bio” অর্থ জীবন এবং “Metron” অর্থ পরিমাপ—এই দুইটি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠনগত ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত বা চিহ্নিত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোনো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রকারভেদ:
 - দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি প্রধানত দুই প্রকার—

• ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint),
- হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand Geometry),
- আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান (Iris and Retina Scan),
- ফেস রিকগনিশন (Face Recognition),
- ডিএনএ টেস্ট (DNA Test).

• খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ভয়েস রিকগনিশন (Voice Recognition),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature Verification),
- টাইপিং কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন (Keystroke Verification).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৭৮.
কোন দেশে সর্বপ্রথম ইন্টারনেট চালু হয়?
  1. ক) জাপান
  2. খ) দক্ষিণ কোরিয়া
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
Advanced Research Project Agency Network (ARPANET) দিয়ে ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২,১৭৯.
ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকার কোন সুনির্দিষ্ট বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছে?
  1. ক) দুর্নীতি নির্মুল
  2. খ) দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার
  3. গ) অনলাইন সেবা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকার চারটি সুনির্দিষ্ট বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছে। সেগুলো হচ্ছে -
- মানবসম্পদ উন্নয়ন,
- জনগণের সম্পৃক্ততা,
- সিভিল সার্ভিস এবং
- দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি
২,১৮০.
কোন ধরনের ই-বুক স্ক্রিন সাইজ অনুযায়ী টেক্সট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করে?
  1. Fixed Format E-book
  2. Reflowable E-book
  3. PDF E-book
  4. Scanned E-book
ব্যাখ্যা

 Reflowable E-book ডিভাইসের স্ক্রিন সাইজ অনুযায়ী টেক্সট ও কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করে।

• বিভিন্ন প্রকার ই-বুক (Types of E-book):
- বাজারে সাধারণত দুই ধরনের ই-বুক প্রচলিত রয়েছে। যথা—
১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-book),
২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-book)।
 
• ১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-book):
- Amazon-এর Kindle প্রথম রিফ্লোয়েবল ই-বুককে সহজলভ্য ও বাণিজ্যিকভাবে জনপ্রিয় করে তোলে।
- এই ধরনের ই-বুকে সাধারণত লেখার পরিমাণ বেশি এবং ছবির ব্যবহার কম হয়।
- ডিভাইসের স্ক্রিন সাইজ অনুযায়ী টেক্সট ও ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বিত হয়।
- ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী— অক্ষরের আকার, লাইন স্পেস, মার্জিন, পরিবর্তন করতে পারে।
- পরিবর্তনের পর কনটেন্ট নতুন স্ক্রিন সাইজ অনুযায়ী নিজে থেকেই মানিয়ে নেয়—এটাই এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য।
 
• রিফ্লোয়েবল ই-বুকের ফরম্যাট:
- রিফ্লোয়েবল ই-বুক সাধারণত দুই ধরনের ফরম্যাটে পাওয়া যায়। যথা— মবি (mobi), ইপাব (epub).
- mobi ফরম্যাট Kindle ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
- epub ফরম্যাট Apple, Android ও অন্যান্য ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
 
• ২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-book):
- এই ধরনের ই-বুকের সমস্ত কনটেন্ট অপরিবর্তনশীল ও স্থায়ী থাকে।
- প্রকাশক যখন মুদ্রিত বইটিকে হুবহু একই নকশা ও বিন্যাসে ডিজিটাল রূপে প্রকাশ করতে চান, তখন ফিক্সড ফরম্যাট ব্যবহার করা হয়।
- স্ক্রিন সাইজ অনুযায়ী এই ই-বুক স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বিত হয় না।
- এতে—
- অক্ষর পরিবর্তন করা যায় না,
- অক্ষরের আকার পরিবর্তন করা যায় না।
 
• ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক ব্যবহারের ডিভাইস:
- এই ফরম্যাটের ই-বুক Kindle ডিভাইসে পড়া যায় না।
- Barnes & Noble’s Nook (B&N Nook) এবং Apple iPad–এ এই ফরম্যাটের ই-বুক সহজে ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৮১.
নিচের কোনটি ন্যানোটেকনোলজির ব্যবহার নয়?
  1. বর্জ্যকে দূষণমুক্ত করে নদীর পানি রক্ষা
  2. সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌরকোষ তৈরিতে
  3. শিল্পের বিষাক্ত ধোঁয়া ন্যানো পার্টিকেল দিয়ে দূষণমুক্ত গ্যাসে রূপান্তর
  4. প্লাস্টিকের বোতল রিসাইক্লিং করা
ব্যাখ্যা

প্লাস্টিকের বোতল রিসাইক্লিং করা একটি সাধারণ প্রক্রিয়া, এটি ন্যানোটেকনোলজির ব্যবহার নয়।

• ন্যানোটেকনোলজি:
- 10-9 মিটারকে ন্যানোমিটার বলে।
- ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- এ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য আকারে সূক্ষ্ম ও ছোট হলেও অত্যন্ত মজবুত, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, টেকসই ও হালকা হয়।

• ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার:
১. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারে ব্যবহার:
- প্রসেসরের উচ্চ গতি, দীর্ঘস্থায়িত্ব, কম শক্তি খরচ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যে ব্যবহার্য। একই সঙ্গে ডিসপ্লে ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির উন্নয়নে সহায়তা করে।
২. চিকিৎসা ক্ষেত্রে:
- ন্যানো-রোবট ব্যবহার করে অপারেশন করা, যেমন- এনজিওপ্লাস্টি সরাসরি রোগাক্রান্ত সেলে চিকিৎসা প্রদান করা, যেমন- ন্যানো ক্রায়োসার্জারি, ডায়াগনোসিস করা, যেমন-এন্ডোসকপি, এনজিওগ্রাম, কলোনোস্কোপি ইত্যাদি।
৩. খাদ্যশিল্পে:
- খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেটিং, খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে, খাদ্যের গুণাগুণ রক্ষার্থে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের দ্রব্যাদি তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. জ্বালানি ক্ষেত্রে:
- জ্বালানি উৎসের বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফুয়েল তৈরির কাজে, যেমন-হাইড্রোজেন আয়ন থেকে ফুয়েল, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌরকোষ তৈরির কাজে।
৫. খেলাধুলার সামগ্রী তৈরিতে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী যেমন- ক্রিকেট, টেনিস বলের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য, ফুটবল বা গলফ বলের বাতাসের ভারসাম্য রক্ষার্থে।
৭. বায়ু ও পানি দূষণ রোধে:
- শিল্প কারখানার ক্ষতিকর রাসায়নিক বর্জ্যকে ন্যানো পার্টিকেল ব্যবহার করে অক্ষতিকর বস্তুতে রূপান্তর করে পানিতে নিষ্কাশিত করা; যেমন- ট্যানারি শিল্পের বর্জ্যকে এই প্রযুক্তির সাহায্যে দূষণমুক্ত করে নদীর পানির দূষণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
- গাড়ি ও শিল্পকারখানার নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া ন্যানো পার্টিকেলের সহায়তায় দূষণমুক্ত গ্যাসে পরিণত করে বায়ু দুষণ রোধ করা যায়।
৮. প্রসাধন শিল্পে:
- প্রসাধনীতে জিংক অক্সাইড-এর ন্যানো পার্টিকেল যুক্ত হওয়ায় ত্বকের ক্যান্সাররোধ সম্ভব হয়েছে।
- সেই সাথে সানস্ক্রিন ও ময়েশ্চারাইজার তৈরির কাজে ব্যবহার্য রাসায়নিক পদার্থ তৈরির ক্ষেত্রে।
- এন্টি-এজিং ক্রিম তৈরিতেও ন্যানো-টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।

২,১৮২.
নিচের কোন ক্যাবলটি 10BASE-5 নামে পরিচিত?
  1. ক) থিকনেট কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
  2. খ) থিননেট কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
  3. গ) টেলিফোন ক্যাবল
  4. ঘ) টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
ব্যাখ্যা
তার মাধ্যম (Wired Media):
- এ পদ্ধতিতে তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে খাত তার ব্যবহৃত হয়।
- নির্দিষ্ট কোনো পথে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠনোর জন্য মাধ্যম হিসেবে কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের তার বা ক্যাবল ব্যবহার করে ডেটা কমিউনিকেশনের ব্যবস্থা করা হয়।
- এটি ক্যাবল গাইডেড মিডিয়া।
- যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যবহারের ভিন্নতার উপর তার বা ক্যাবলের ভিন্নতা রয়েছে। 
কো-এক্সিয়াল ক্যাবল (Co-andal Cable):
- কো-এক্সিয়েল ক্যাবল ভাষা বা কপার নির্মিত মূলত তিনটি স্তর বিশিষ্ট তারের ক্যাবল, কেন্দ্রস্থলে একটি শক্ত তামার ভারের কন্ডাক্টর, সেটিকে বৃত্তাকারে ঘিরে প্লাস্টিকের অপরিবাহী স্তর এবং এই স্তরকে ঘিরে ভাষার তারের একটি জাল বা শিক্ষ (Braided Shield)। 
- কো-এক্সিয়েল ক্যাবলে ডেটা ট্রান্সফার রেট টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের তুলনায় অনেক বেশি হয়ে থাকে।
- কো-এক্সিয়েন ক্যাবলের ডেটা ট্রান্সমিশন নস্ অপেক্ষাকৃত কম এবং সহজে ৰাস্তবায়নযোগ্য।
- ডিজিটাল এবং এনালগ উভয় ধরনের ডেটা এই ক্যাবলের মাধ্যমে প্রেরণ করা যায়।
- ক্যাবল টি.ভি. নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে ব্যাপকভাবে ব্যাবহৃত হয়।
- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দুধরনের হয়- থিননেট (Thinnet) এবং থিকনেট (Thicknet)।
থিননেট (Thinnet):
- থিননেট হালকা ও নমনীয় তার।
- এই তার 10BASE-2 নামেও পরিচিত।
- এ ক্যাবলটি দ্বারা রিপিটার (দূর্বল সংকেতকে শক্তিশালী সংকেতে বিবর্ধিত (Amplity) করা) ছাড়া সর্বোচ্চ 185 মিটার দুরত্বে প্রতি সেকেন্ডে 10 মেগাবাইট ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।
থিকনেট (Thicknet)
- থিকনেট ভারী ও নন-ফ্লেক্সিবল ক্যাবল।
- এই তার 10BASE-5 নামেও পরিচিত
- এ ক্যাবলটি দ্বারা সর্বোচ্চ 500 মিটার দূরত্বে প্রতি সেকেন্ডে 10 মেগাবাইট ডেটা সহজেই আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি। 
২,১৮৩.
Which one of the following is not an example of internet browser?
  1. Explorer
  2. Opera
  3. Android
  4. Firefox
  5. None of these
ব্যাখ্যা
- The web browser is an application.
- We use it to connect various pages on the internet for information. 
- It can be used on an FTP server to upload or download data. 
- Mozilla Firefox, Google Chrome, Microsoft Internet Explorer, Apple Safari, and Opera browser are several commonly used web browsers.

অন্যদিকে, 
- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার।
- Android হলো একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: www.study.com & www.mozilla.org, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Android ওয়েবসাইট।
২,১৮৪.
ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান করার ক্ষমতা দেয় কোন প্রযুক্তি?
  1. ব্লকচেইন
  2. মেশিন লার্নিং
  3. ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
  4. সাইবার সিকিউরিটি
ব্যাখ্যা

• IoT (Internet of Things):
- ইন্টারনেট অফ থিংস বা IoT হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং তাদের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করে। 
- এর মাধ্যমে স্মার্টফোন, কম্পিউটার, সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইসসহ নানা যন্ত্র পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেটা শেয়ার করে। 
- IoT হলো মূলত ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।

- উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট হোমে তাপমাত্রা সেন্সর, লাইট কন্ট্রোলার এবং স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।

২,১৮৫.
Email service এর সাথে কোনটি সম্পর্কিত?
  1. ক) Telnet
  2. খ) SMTP
  3. গ) SSH
  4. ঘ) DHCP
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
SMTP এর পূর্ণরূপ হলো- Simple Mail Transfer Protocol। যেসব মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কে বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়। আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়। উৎস: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি
২,১৮৬.
Phishing কী?
  1. অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
  2. বিশ্বাসযোগ্য পরিচয় ভান করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির প্রচেষ্টা
  3. অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানো
  4. অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন
ব্যাখ্যা
Phishing হচ্ছে বিশ্বাসযোগ্য পরিচয় ভান করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির প্রচেষ্টা।

• ফিশিং (Phishing)
- ইলেকট্রোনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা ইন্টারনেটে কোন নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির প্রচেষ্টাকে ফিশিং (Phishing) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।

• Salami Attack
- অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।

• স্প্যামিং (Spamming)
- অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৮৭.
বর্তমান সময়ে পণ্য ডিজাইন তৈরি করার জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. CAD
  2. TQM
  3. ERP
  4. BIM
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান: 
- বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 
- কর্মসংস্থানের জন্য কম্পিউটার অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। 
- পণ্য ডিজাইন থেকে শুরু করে ঝুঁকিপূর্ণ কার্যাদি সম্পাদনের জন্য কল-কারখানায় দক্ষতা ও সফলতার সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- আজকের পৃথিবীতে শিল্পোৎপাদনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 

- বর্তমানকালে CAD (Computer Aided Design) ব্যবহার করে অল্প সময়ে পণ্যের চমৎকার সব ডিজাইন তৈরি করা যায়। 
- আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং বাজার ঠিক রাখা ও বাজার বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থাপনা উৎপাদন ক্ষেত্রে Total Quality Management (TQM) প্রয়োগ করছে। 
- TQM প্রয়োগের বড় সহায়ক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 
- যন্ত্রপাতির সঠিক কার্যক্রম ও প্রয়োগেই কেবল মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম। 
- কারখানায় কিছু কাজ থাকে যেগুলো খুবই সূক্ষ্ম, আবার কিছু কাজ আছে যেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ ও শ্রমসাধ্য। 
যেমন- কম্পিউটার কিংবা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ তৈরি, খনিতে উত্তোলনের কাজ অথবা ভারী শিল্পের বড় বড় স্থানান্তর করার কাজ রোবটের মাধ্যমে করানো হয়। তাছাড়া প্রতিকূল পরিবেশ যেখানে মানুষের পক্ষে কাজ করা দুষ্কর সেখানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত রোবট দিয়ে কাজ করাতে দেখা যায়। 
- এছাড়াও শ্রমিক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের হিসাব, বার্ষিক রিপোর্ট ও বার্ষিক বাজেট তৈরির কাজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে করা সম্ভব হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮৮.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে ভয়েসকে নয়েজমুক্ত করা হয়?
  1. ২য় প্রজন্মে
  2. ৩য় প্রজন্মে
  3. ৪র্থ প্রজন্মে
  4. ৫ম প্রজন্মে
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য:
- ভয়েসকে নয়েজ মুক্ত করা।
- ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- উন্নতমানের অডিও এর জন্য ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো FDMA, TDMA, CDMA,
- মোবাইল কমিউনিকেশনে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন।
- সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয়।
- সীমিতমাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল রূপান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- এমএমএস এবং এসএমএস সেবা কার্যক্রম চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৮৯.
কোন প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়?
  1. ক) স্মার্ট হোম প্রযুক্তি
  2. খ) ভার্চুয়াল প্রযুক্তি
  3. গ) ম্যানুয়াল প্রযুক্তি
  4. ঘ) অ্যাডভান্সড প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বাধুনিক প্রয়োগ হলো স্মার্ট হোম প্রযুক্তি।
এই প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৯০.
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট টুইটারের সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) সানফ্রান্সিসকো
  3. গ) ম্যাডিসন
  4. ঘ) ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা
- টুইটার সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট।
- টুইটারে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন (টুইট করতে পারেন)।
- ২০০৬ সালে জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারের বর্তমান সিইও এলন মাস্ক।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো শহরে অবস্থিত।

উৎসঃ টুইটারের ওয়েবসাইট।
২,১৯১.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Broad network access
  2. On-demand self service
  3. Physical ownership of servers
  4. Limited customization
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity, 
- measured service.

- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে 'Physical ownership of servers' বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৯২.
ভার্চুয়াল মেশিন, নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল স্টোরেজ রিসোর্সসমূহ ভাড়া দেওয়া কোন ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. laaS
  2. PaaS
  3. BaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা:
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,১৯৩.
Which of the following technologies follows the 'Pay as You Go' service model?
  1. ক) Internet of Things (IoT)
  2. খ) Cloud Computing
  3. গ) Client-Server Systems
  4. ঘ) Big Data Analytics
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
২) অন-ডিমান্ড
৩) পে-অ্যাজ-ইউ-গো

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
২,১৯৪.
অপটিক্যাল ফাইবারে কোন সিগনাল ব্যবহার করে ডাটা ট্রান্সমিশন করা হয়?
  1. ক) ইলেকট্রিক সিগনাল
  2. খ) ম্যাগনেটিক সিগনাল
  3. গ) আলোক সিগনাল
  4. ঘ) ইলেক্ট্রনিক সিগনাল
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবারের ভিতরে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এর মাধ্যমে ডাটা স্থানান্তরিত হয়।
অপটিক্যাল ফাইবার (Optical Fibre) খুবই সূক্ষ্ম, স্বচ্ছ কাচতন্তু যার মধ্য দিয়ে আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে কোনো একটি প্রতিবিম্ব অথবা তথ্য এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে প্রেরিত হতে পারে। সহজভাবে বলা যায়, অপটিক্যাল ফাইবার হলো আলোর এক ধরনের পরিবাহক। অপটিক্যাল ফাইবারে স্বচ্ছ পদার্থের একটি পাতলা মজ্জা (core) অপেক্ষাকৃত নিচু প্রতিসরাঙ্কের পদার্থ দ্বারা আবৃত থাকে যা আচ্ছাদন হিসেবে পরিচিত। আলোক তরঙ্গসমূহ ফাইবারের পাতলা মজ্জা বরাবর মজ্জা-আচ্ছাদনে কতকগুলি সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ ধারাবাহিক প্রতিফলন হিসেবে পরিচালিত ও পরিবাহিত হয়।
২,১৯৫.
ফলাফলের সুক্ষতা নির্ধারণে এ যাবৎ উদ্ভাবিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো-
  1. ক) চোখের আইরিশ
  2. খ) ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  3. গ) ভয়েস রেকগনিশন
  4. ঘ) কোনটিই না
ব্যাখ্যা
ফলাফলের সুক্ষতা নির্ধারণে চোখের চোখের আইরিশ এ যাবৎ উদ্ভাবিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো। আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান পদ্ধতি এক নয়। আইরিশ সনাক্তকরণ সবচেয়ে সুবিধাজনক।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৯৬.
'গুগল (Google)' শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল (googol)' থেকে, যা একটি-
  1. ভবনের নাম
  2. বিশেষ সংখ্যার নাম
  3. ডিফারেন্স ইঞ্জিনের প্রজেক্ট
  4. ক্যালকুলেটরের নাম
ব্যাখ্যা

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

[‘গুগল’ (Google) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে ‘গুগোল’ (Googol) শব্দ থেকে, যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। গুগোল হচ্ছে একের পর একশোটি শূন্য (10100) বসানোর মাধ্যমে গঠিত একটি সংখ্যা। এই শব্দটি ১৯৩৮ সালে প্রথম ব্যবহার করা হয় এবং এটি মূলত বিশাল পরিমাণের তথ্য বা সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। গুগল কোম্পানি তাদের সার্চ ইঞ্জিনের জন্য এই নামটি বেছে নেয়, যা ইন্টারনেটে বিশাল পরিমাণ তথ্য খুঁজে বের করার ক্ষমতাকে প্রতিফলিত করে।]

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,১৯৭.
IMEI নম্বর দ্বারা—
  1. মোবাইলের ব্যাকআপ নেওয়া হয়
  2. মোবাইলের সনাক্তকরণ
  3. মোবাইলের সফটওয়্যার আপডেট হয়
  4. মোবাইলের ক্যামেরা চিহ্নিত হয়
ব্যাখ্যা

• IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বর হল একটি অনন্য ১৫-অঙ্কের কোড যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য নির্ধারিত হয়। IMEI নম্বর মোবাইল ফোন/ট্যাবলেটের হার্ডওয়্যার আইডেন্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে।

IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।
- IMEI হলো একটি ইউনিক (বিশেষ) পরিচয় নম্বর, যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসকে দেওয়া হয়।
- এটি একটি মোবাইল ডিভাইসের "ফিঙ্গারপ্রিন্ট" হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে ডিভাইসটি মোবাইল নেটওয়ার্কে চিহ্নিত করা যায়।
- IMEI সাধারণত ১৫টি ডিজিটের হয়ে থাকে।
- এটি নেটওয়ার্ক অপারেটরদের ডিভাইস ট্র্যাক করতে সহায়তা করে (যেমন: চুরি হওয়া ফোন ব্লক করা)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,১৯৮.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি ওপেন-সোর্স এআই (AI) মডেল "Llama" তৈরি করেছে?
  1. Anthropic
  2. OpenAI
  3. Google
  4. Meta
ব্যাখ্যা

• মেটা (Meta) তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার অংশ হিসেবে 'Llama' (Large Language Model Meta AI) তৈরি করেছে। এটি একটি ওপেন-সোর্স লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ,যা বর্তমানে AI জগতে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী।

• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• LLama (Large Language Model Meta AI):
- LLama হলো একটি বড় ভাষা মডেল যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত ভাষার বোঝাপড়া, টেক্সট জেনারেশন এবং ভাষা সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- LLama মডেলটি Meta কোম্পানি দ্বারা ডেভেলপ করা হয়েছে।
- Meta তাদের এই মডেলে "Responsible AI" ফ্রেমওয়ার্ক যুক্ত করেছে যা ক্ষতিকর উত্তর প্রদান প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- LLama বিভিন্ন NLP (Natural Language Processing) কাজের জন্য গবেষণা এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Google: গুগল তাদের নিজস্ব এআই মডেল 'Gemini' (সাবেক Bard) এবং 'PaLM' তৈরি করেছে।
- OpenAI: এটি 'ChatGPT' এবং 'GPT-4' এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এটি একটি ক্লোজড-সোর্স মডেল (অর্থাৎ এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত নয়)।
- Anthropic: এটি 'Claude' নামক এআই মডেল তৈরি করেছে।

উৎস: 
- LLama [link]

২,১৯৯.
IoT (Internet of Things) প্রযুক্তির মূল সুবিধা কী?
  1. যন্ত্রপাতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগাযোগ ও কাজ করে
  2. সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করা
  3. ক্লাউড স্টোরেজ ক্ষমতা বৃদ্ধি
  4. ডেটা প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• IoT বা Internet of Things প্রযুক্তির মূল সুবিধা হলো যন্ত্রপাতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগাযোগ ও কাজ করতে পারে। বিভিন্ন সেন্সর, নেটওয়ার্ক এবং সফটওয়্যার ব্যবহার করে IoT ডিভাইসগুলো একে অপরের সঙ্গে তথ্য আদান–প্রদান করে এবং মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়াই কার্য সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। যেমন স্মার্ট হোমে লাইট, ফ্যান বা এয়ার কন্ডিশনার স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু–বন্ধ হয়, আবার শিল্পক্ষেত্রে মেশিন একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে উৎপাদন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, সময় ও খরচ কমে এবং ব্যবহারকারীর জীবন আরও সহজ হয়।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু বা ডিভাইস ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যমে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই কাজ সম্পাদন করা। এর ফলে, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং সিস্টেম আরও স্মার্ট এবং দক্ষ হয়ে ওঠে।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অথবা একটি স্মার্ট লাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে ও নিভে যেতে পারে।
- IoT ডিভাইসগুলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যা ব্যবহারকারীকে যেকোনো স্থান থেকে তাদের যন্ত্রপাতি পরিচালনা করার সুবিধা দেয়।
- এই প্রযুক্তিতে সেন্সরের মাধ্যমে ডেটা সংগ্রহ করে AI বা মেশিন লার্নিং দিয়ে বিশ্লেষণ করা যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

২,২০০.
Electronic trespassing or criminal hacking is known as-
  1. ক) Cracking
  2. খ) Jacking
  3. গ) Spoofing
  4. ঘ) Smarming
ব্যাখ্যা
- সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা অথবা কোন কম্পিউটারকে মোহাচ্ছন্ন করে তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেওয়াকে হ্যাকিং বলে।
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার বলে।
- হ্যাকিং বৈধ এবং অবৈধ হতে পারে।
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে বলা হয় ক্রেকার।