বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১৭ / ৫১ · ১,৬০১১,৭০০ / ৫,০২৮

১,৬০১.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. স্টিভ জবস
  2. স্টিভ ওজনিয়াক
  3. রোনাল্ড ওয়েন
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

উৎস: Britannica.
১,৬০২.
নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
  1. CaaS
  2. laaS
  3. PaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।

২. Platform-as-a -Service (PaaS): এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।

৩. Software-as-a Service (SaaS): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।


এখানে CaaS, Cloud Computing সেবার কোনো ধরণ নয়।
১,৬০৩.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান তিনটি সার্ভিস মডেলের অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. CaaS
  4. PaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৪.
এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ কোন ধরণের ই-কমার্সের অন্তর্গত?
  1. B2C
  2. B2B
  3. C2B
  4. C2C
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ: alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ: amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ: monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৫.
নিচের কোনটি একটি AI মডেলের উদাহরণ?
  1. রাউটার
  2. ব্রাউজার
  3. স্প্রেডশীট
  4. ডিসিশন ট্রি
ব্যাখ্যা

• AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল হলো এমন একটি প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম যা ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা রাখে। ডিসিশন ট্রি হল একটি জনপ্রিয় AI মডেল, যা ডেটা থেকে শিখে বিভিন্ন সিদ্ধান্তমূলক পাথ তৈরি করে। এটি শাখা-প্রশাখা আকারে ডেটাকে বিভাজন করে এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করে। অন্যদিকে, রাউটার, ব্রাউজার বা স্প্রেডশীট মূলত সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার টুল, যা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ বা নেটওয়ার্কিংয়ের কাজ করে, কিন্তু নিজে সিদ্ধান্ত নেয় না। তাই ডিসিশন ট্রি একটি AI মডেলের উদাহরণ।

• Artificial intelligence (AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।

Source: Britannica.

১,৬০৬.
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)-এর একটি বড় চ্যালেঞ্জ কী?
  1. নিম্ন-গতির প্রক্রিয়াকরণ
  2. হার্ড ডিস্ক স্টোরেজ
  3. নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা 
  4. উচ্চ-গতির প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)-এর একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা (গ)। IoT ব্যবস্থায় অসংখ্য ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান করে। এসব ডিভাইস ব্যক্তিগত, আর্থিক ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে, যা সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। হ্যাকাররা যদি এই ডিভাইসগুলোতে অনুপ্রবেশ করতে পারে, তবে তথ্য চুরি, সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ বা বড় ক্ষতি ঘটতে পারে। তাই শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোপনীয়তা রক্ষা IoT-এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
 ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।

১,৬০৭.
'ওয়ান ড্রাইভ' কোন কোম্পানির ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস?
  1. অ্যাপল
  2. মাইক্রোসফট
  3. আমাজন
  4. গুগল
ব্যাখ্যা
- 'ওয়ান ড্রাইভ' মাইক্রোসফটের একটি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a Service (IaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়। যেমন- অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2)।

২. Platform-as-a- Service (PaaS):
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা। যেমন- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে।

৩. Software-as-a Service (SaaS):
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে। যেমন: গুগল ডকস।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২. মাইক্রোসফটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৬০৮.
Which company was the first to use cloud computing commercially?
  1. Alibaba
  2. Amazon
  3. Microsoft
  4. Google
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আ্যমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS)
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS)
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)

- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড
২. প্রাইভেট ক্লাউড
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড 

• মাইক্রোসফট ও গুগল ২০০৮ সালে এবং আলিবাবা ২০০৯ সালে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।
১,৬০৯.
Internet Information Services (IIS) কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত ওয়েব সার্ভার?
  1. ক) গুগল
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) আমাজন
  4. ঘ) আলফাবেট
ব্যাখ্যা
Internet Information Services (IIS) হলো মাইক্রোসফট কর্তৃক উদ্ভাবিত ওয়েব সার্ভার। 
Internet Information Services (IIS) for Windows® Server is a flexible, secure and manageable Web server for hosting anything on the Web.
From media streaming to web applications, IIS's scalable and open architecture is ready to handle the most demanding tasks.

Source: IIS.net
১,৬১০.
ব্লুটুথের মাধ্যমে কোন ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়? 
  1. PAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. MAN
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ (Bluetooth): 
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়। 
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে। 
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে। 
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়। 
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়। 
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৬১১.
কোন সাইবার আক্রমণে অতিরিক্ত ট্রাফিক পাঠিয়ে সার্ভার অচল করে দেওয়া হয়?
  1. Evil Twin Attack
  2. Phishing
  3. DDoS Attack
  4. Ransomware
ব্যাখ্যা

• DDoS Attack- এই আক্রমণে অসংখ্য ডিভাইস থেকে একসাথে এত বেশি রিকোয়েস্ট পাঠানো হয় যে সার্ভারটি সেই চাপ সামলাতে না পেরে ডাউন হয়ে যায়। এর মূল লক্ষ্য হলো নির্দিষ্ট কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন পরিষেবাকে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যবহারের অযোগ্য করে তোলা।

• DDoS Attack:

- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
- Evil Twin Attack: একটি ভুয়া ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে তথ্য চুরির কৌশল।
- Phishing: এটি ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি।
- Ransomware: এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল লক করে মুক্তিপণ দাবি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

১,৬১২.
Ethernet কোন স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. ক) IEEE 802.3
  2. খ) IEEE 801.3
  3. গ) IEEE 803.2
  4. ঘ) IEEE 801.2
ব্যাখ্যা
Ethernet is a family of computer networking technologies commonly used in local area networks (LAN), metropolitan area networks (MAN) and wide area networks (WAN). It was commercially introduced in 1980 and first standardized in 1983 as IEEE 802.3
১,৬১৩.
যে ডেটা সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকের কাছে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে বলে-
  1. অ্যাসিনক্রোনাস
  2. সিনক্রোনাস
  3. আইসোক্রোনাস
  4. ইউনিকাস্ট
ব্যাখ্যা

• যে পদ্ধতিতে প্রেরক কম্পিউটার হতে ডেটা গ্রাহক কম্পিউটারে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার (Character by Character) ট্রান্সমিট হয়, তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলা হয়। এই পদ্ধতিতে ডেটা স্থানান্তরের জন্য কোনো প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের উদাহরণ।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রথমে স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটাকে সংরক্ষণ করা হয় এবং ডেটার ক্যারেক্টারসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে সমান বিরতিতে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে। যেমন- কম্পিউটারব থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তর।

• আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় একই অর্থাৎ কোনো প্রকার দেরি ছাড়া একক সময়ে সমস্ত ডেটা ব্লক বা প্যাকেট ট্রান্সফার করা হয়, তাকে আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন মেথড বলে। যেমন- অডিও বা ভিডিও কল এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

• ইউনিকাস্ট (Unicast): 
- এটি কোনো ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি (Method) নয়, বরং এটি একটি ট্রান্সমিশন মোড (Mode)।
- ইউনিকাস্ট মানে হলো একজন প্রেরক থেকে একজন নির্দিষ্ট প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠানো। এটি ডেটা পাঠানোর একক (ক্যারেক্টার বা ব্লক) নির্ধারণ করে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৬১৪.
নিচের কোনটি WAN-এর উদাহরণ?
  1. একটি বাড়ির ওয়াইফাই সংযোগ
  2. একটি ছোট অফিসের নেটওয়ার্ক
  3. একটি ব্যাংকের সেন্ট্রাল ডেটাবেস সিস্টেম
  4. একটি স্কুলের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• একটি ব্যাংকের সেন্ট্রাল ডেটাবেস সিস্টেম হলো WAN-এর উদাহরণ।

• WAN:

- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক)।
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- WAN-এর বিস্তৃতি সমগ্র দেশ বা পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা:
১. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
২. বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল প্রেরণ করা যায়।
৩. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৪. অনলাইন শপিং করা যায়।
৫. ক্লাউট কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. কম খরচে বিশ্বের যে কোনো স্থানে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়।
৭. কম খরচে ও অল্পসময়ে বিশ্বের একস্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৬১৫.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট ব্রাউজার নয়?
  1. Mozilla Firefox
  2. Opera
  3. Bing
  4. Internet Explorer
ব্যাখ্যা
• Bing একটি সার্চ ইঞ্জিন। 

 • WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web. 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।  
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
-  WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোয়ার, মজিলা ফায়ারফক্স, নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং WWW Foundation.
১,৬১৬.
Openoffice কারা সর্বপ্রথম ডেভেলপ করে -
  1. ক) Sun Microsystems
  2. খ) Microsoft
  3. গ) Oracle
  4. ঘ) Apache Software Foundation
ব্যাখ্যা
Sun Microsystems first developed open office released in 2001.Then Oracle Corporation acquired Sun Microsystem. After acquiring Sun Microsystems in January 2010, Oracle Corporation continued developing OpenOffice.org and StarOffice, which it renamed Oracle Open Office.
১,৬১৭.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠার সাথে যুক্ত ছিলেন কে?
  1. Elon Musk
  2. Andy Jassy
  3. Ronald Wayne
  4. All above
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যেটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের কুপারটিনোতে অবস্থিত।
- ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল অ্যাপেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- Founders: Steve Jobs, Steve Wozniak, Ronald Wayne.
- Headquarters: Cupertino, California, United States.
- CEO: Tim Cook.

উৎস: ব্রিটানিকা
১,৬১৮.
ক্লায়েন্ট-টু-ক্লায়েন্ট সংযোগের জন্য কোন মোডে ওয়াই-ফাই ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করা যায়?
  1. রাউটার মোড
  2. সিস্টেম মোড
  3. নেটওয়ার্ক মোড
  4. এড-হক মোড
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi): 
- বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলোকে তারবিহীন উপায়ে সংযুক্ত করার একটি কৌশল হলো ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)। 
অর্থাৎ, ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা তারবিহীন উচ্চ গতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহের জন্য বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে। 
- অনেকেই ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) কে "wireless fidelity' এর সংক্ষিপ্তরূপ মনে করে থাকেন যা আসলে ভুল। 
- এটি 'ওয়াই-ফাই অ্যালায়েন্স (Wi-Fi Alliance)' এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম। 

ওয়াই-ফাই এর বৈশিষ্ট্য: 
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ সীমিত পরিসর থেকে নিয়ে বিস্তৃত পরিসরেও পাওয়া সম্ভব। 
- ওয়াই-ফাই আওতার মধ্যে সকল ডিভাইসগুলোতে তারবিহীন উপায়ে কিংবা তারের মাধ্যমে ইন্টারনেট অ্যাকসেস ও ইন্টারনেটওয়ার্কিং সরবরাহ করে। 
- আইফোন, অ্যানড্রয়েড, বাদা এবং সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোনগুলো ওয়্যারলেস সংযোগ তৈরি করতে পারে। 
- ক্লায়েন্ট-টু-ক্লায়েন্ট সংযোগগুলোর জন্য রাউটার ছাড়াও এড-হক মোডে ওয়াই-ফাই ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১৯.
পার্সোনাল কম্পিউটারের কারিগরি নাম কি?
  1. ক) পিসি
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) মিনি কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রোকম্পিউটার
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১,৬২০.
What is a main benefit of using serverless computing?
  1. ক) Lower costs
  2. খ) Greater Control
  3. গ) More Scalability
  4. ঘ) Improved Security
ব্যাখ্যা
- With serverless computing, the cloud provider is responsible for managing the infrastructure and scaling of resources required to run the code.
- This allows users to pay only for the resources and time consumed by their code, rather than for provisioned capacity.
- This can result in significant cost savings.

Source: https://aws.amazon.com/serverless/
১,৬২১.
কোনটি মেটার অধীনস্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম?
  1. জুম
  2. লিংকডইন
  3. হোয়াটস্ অ্যাপ
  4. টেলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
• মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড:
- ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড এর বর্তমান নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
 - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক , ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি মেটার অধীনস্ত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬২২.
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে লগইন এবং পাসওয়ার্ড দেয়া কী নামে পরিচিত?
  1. ক) Authorization
  2. খ) Configuration
  3. গ) Filtering
  4. ঘ) Authentication
ব্যাখ্যা
লগইন নাম ও পাসওয়ার্ড যাচাইকরণকে Authentication বলা হয়। 

- Authentication is the process of identifying an individual process or entity that is attempting to log in to a secure domain. 
- Every person when he logs into an account, page or any website he needs to give a login name and password.

Source: ibm.com
১,৬২৩.
ইন্টারনেটের সাথে সম্পৃক্ত প্রটোকল নয় কোনটি?
  1. ক) SMTP
  2. খ) Javascript
  3. গ) POP3
  4. ঘ) IMAP
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট কমিউনিকেশন্সে ডেটা ট্রান্সমিট পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতিই প্রটোকল।
- অর্থাৎ কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সুপরিকল্পিত রীতিনীতিই হলো প্রটোকল।
- উল্লিখিত অপশন সমূহের মধ্যে Javascript হলো প্রোগ্রামিং ভাষা।
- বাকি সবগুলো ইন্টারনেটে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের প্রটোকল।
১,৬২৪.
Android package file এর এক্সটেনশন কী?
  1. ক) .psd
  2. খ) .apps
  3. গ) .apk
  4. ঘ) .xyz
ব্যাখ্যা
APK: Android Application Package
File Extension: .apk
Definition: An APK file is the file format used to install the applications on Android operating system.
১,৬২৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস নয়?
  1. এভিজি
  2. ওভাররাইট
  3. এভিরা
  4. নরটন
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলোঃ
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।

অন্যদিকে,
- ওভাররাইট একটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২৬.
রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেমে সাধারণত কত ধরনের ব্রডকাস্টিং করা হয়? 
  1. ৩ ধরনের 
  2. ২ ধরনের 
  3. ৫ ধরনের 
  4. ৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
রেডিও ব্রডকাস্টিং: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলো রেডিও। 
- মূলতঃ রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম দ্বারা শব্দকে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে তথ্য বা শব্দ একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। 
- রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেমে প্রধানত এএম ব্রডকাস্ট, এফএম ব্রডকাস্ট ও মাইক্রোওয়েভ ব্রডকাস্ট নামক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে বহুল জনপ্রিয় হলো এফএম রেডিও। 
- এফএম শব্দের অর্থ ফ্রিকোয়েন্সি মডুলেশন। 
- ১৯৪৬ সালে মনো এফএম ব্যান্ডের আবিষ্কার হয়। 
- রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে সাধারণত তিন ধরনের ব্রডকাস্টিং করা হয়। 
যথা- 
১। পাবলিক রেডিও ব্রডকাস্টিং: বাংলাদেশ বেতার। 
২। বাণিজ্যিক রেডিও ব্রডকাস্টিং: রেডিও টুডে, রেডিও আমার, রেডিও ফূর্তি ইত্যাদি। 
৩। কমিউনিটি রেডিও ব্রডকাস্টিং: সীতাকুন্ডুর Young Power in Action (YPSA), ঝিনাইদহের সৃজনী, সাতক্ষীরার নলতা কমিউনিটি হাসপাতাল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৬২৭.
স্মার্ট হোমে সেন্সর ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. প্রয়োজন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈদ্যুতিক যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. মানবশ্রম সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা
  3. ডেটা স্থানান্তর সম্পূর্ণ বন্ধ করা
  4. শুধুমাত্র বিনোদনমূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: প্রয়োজন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈদ্যুতিক যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- স্মার্ট হোমে সেন্সর ব্যবহারের মাধ্যমে উপস্থিতি অনুযায়ী লাইট, ফ্যান, এসি ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু বা বন্ধ করা যায়।

• বসবাসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে বসবাসের পরিবেশ আরও নিরাপদ ও আধুনিক হয়েছে।
- ঘরের বাইরের অংশ CCTV (Closed Circuit Camera) দ্বারা নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করা যায়।
- সন্দেহজনক ব্যক্তি বা ঘটনার গতিবিধি মনিটর করা সম্ভব।
- প্রয়োজন হলে ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করা যায়।
- পরবর্তীতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে রেকর্ডকৃত তথ্য থেকে অপরাধী শনাক্ত বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়।

• সেন্সর ও বায়োমেট্রিক ডিভাইসের ব্যবহার:
- বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রে সেন্সর ব্যবহারের ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা প্রদান করা সম্ভব।
- যেমন—ঘরে কেউ উপস্থিত থাকলে লাইট, ফ্যান, এসি ইত্যাদি চালু থাকে।
- ঘরে কেউ না থাকলে এসব যন্ত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
- দরজায় বিভিন্ন ধরনের সেন্সর ও বায়োমেট্রিক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- মানবশ্রম সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা → ICT মানবশ্রম কমায়, তবে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করে না।
- ডেটা স্থানান্তর সম্পূর্ণ বন্ধ করা → ICT ডেটা স্থানান্তর সহজ করে, বন্ধ করে না।
- শুধুমাত্র বিনোদনমূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি → ICT নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গোবিন্দ চন্দ্র রায় এবং সামসুজ্জামান।

১,৬২৮.
ইউটিউবের বর্তমান CEO কে? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. Jawed Karim
  2. Steve Chen
  3. Neal Mohan
  4. Chad Hurley
ব্যাখ্যা
• ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
- গুগল ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ইউটিউব কিনে নেয়।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Alphabet Inc. (Google's parent company)।
- CEO: Neal Mohan [জানুয়ারি, ২০২৫]।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৬২৯.
সনি কর্পোরেশনের তৈরি রোবট কোনটি?
  1. মুরাতা বয়
  2. আসিমো
  3. কিউরিও
  4. সোফিয়া
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
• হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
• সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও'।
• সোফিয়া হচ্ছে হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৬৩০.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাউকে হুমকি দেয়াকে কী বলে?
  1. Cyberstalking
  2. Spamming
  3. Piracy
  4. Phishing
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাউকে হুমকি দেয়াকে Cyberstalking বলে।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং
- স্প্যামিং
- সাইবার থেফ্ট
- সাইবার বুলি
- স্ফুফিং
- ফিশিং
- ভিশিং
- স্নিকিং
- প্লেজিয়ারিজম
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৩১.
IRC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internet Relay Chart
  2. Integrated Remote Connection
  3. Internet Relay Chat
  4. Interconnected Real-time Chat
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট:
- IRC এর পূর্ণরূপ Internet Relay Chat.

- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC কে প্রায়ই ইন্টারনেটের 'CB রেডিও' হিসেবে অ্যাখায়িত করা হয়, কারণ এটা কয়েকজন বা অনেককে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৩২.
NVIDIA-এর DLSS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ কী?
  1. Deep Learning Super Sampling
  2. Deep Level Simulation Software
  3. Dynamic Lighting and Shadow System
  4. Direct Linear Shader Scaling
ব্যাখ্যা

• NVIDIA-এর DLSS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ হলো Deep Learning Super Sampling. এটি একটি উন্নত গ্রাফিক্স রেন্ডারিং প্রযুক্তি, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে গেম বা ভিজ্যুয়াল কনটেন্টের রেজোলিউশন উন্নত করে। মূলত, DLSS কম রেজোলিউশনে রেন্ডার করা ইমেজকে AI মডেলের মাধ্যমে উচ্চ রেজোলিউশনে রূপান্তরিত করে, ফলে গ্রাফিক্সের গুণগত মান বাড়ে এবং ফ্রেমরেটও উন্নত হয়। এই প্রযুক্তি বিশেষভাবে হাই-এন্ড গেমিং এবং রিয়েল-টাইম 3D রেন্ডারিংয়ে ব্যবহৃত হয়, যেখানে কম হার্ডওয়্যার রিসোর্সে চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা যায়। তাই DLSS গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স এবং ভিজ্যুয়াল কোয়ালিটির মধ্যে সঠিক ভারসাম্য তৈরি করে।

- সঠিক উত্তর: ক) Deep Learning Super Sampling.

এনভিডিয়া (NVIDIA):
- বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার তথা ৪ লাখ কোটি ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া।
- মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির চাহিদা বাড়তে থাকায় এই কোম্পানির শেয়ারদরও বেশ বেড়েছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই কোম্পানিটি ২০২৩ সালের জুনে প্রথমবার ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছায়।
- তারপর থেকে তাদের শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে।

উল্লেখ্য,
- NVIDIA ১৯৯৩ সালে জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang), ক্রিস মালাকোভস্কি (Chris Malachowsky), এবং কার্টিস প্রিয়েম (Curtis Priem) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার গ্রাফিক্স, গেমিং, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
- NVIDIA-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পণ্য হলো GPU (Graphics Processing Unit), যা মূলত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র-
- NVIDIA. [link]
- DLSS. [link]

১,৬৩৩.
চলমান অবস্থায় তারবিহীন যে ফোন ব্যবহার করা যায় তাকে কী বলে?
  1. ক) ল্যান্ডফোন
  2. খ) গ্রামোফোন
  3. গ) সেক্সোফোন
  4. ঘ) মোবাইলফোন
ব্যাখ্যা
ইংরেজী শব্দ থেকে মোবাইল ফোন শব্দটি এসেছে। শব্দটির বাংলা অর্থ সরানো, নাড়ানো, চলমান।
চলমান অবস্থায় তারবিহীন যে সকল ফোন ব্যবহার করা হয় তাকে মোবাইল ফোন বলে।

মোবাইল ফোন হলো এক ধরণের ইলেকট্রনিক ডিভাইস যার সাহায্যে সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উভয়মুখী বা দ্বিমুখী টেলিযোগাযোগ করা যায়।
মোবাইল ফোনকে অনেক সময় সেলুলার ফোন, সেলফোন বা হ্যান্ড ফোনও বলা হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture.
১,৬৩৪.
The ________ is a brief description of what the email is about.
  1. ক) forward
  2. খ) recipient
  3. গ) attachment
  4. ঘ) subject
ব্যাখ্যা
- The subject is a brief description of what the email is about.
- The subject of your email is perhaps the most important few words in the entire email. 
- It is the first impression, it is your tagline, it is the reason the recipient will, or will not open it.
 
১,৬৩৫.
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সমিশন করেনা কোনটি?
  1. টেলিফোন
  2. এসএমএস
  3. ওয়াকিটকি
  4. ফ্যাক্স
ব্যাখ্যা
♦ ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
১,৬৩৬.
কোন দেশ Motorola DynaTAC মোবাইল ফোনের প্রাথমিক ব্যবহার শুরু করে?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

• Motorola DynaTAC মোবাইল ফোনের প্রাথমিক ব্যবহার শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৮০ এর দশকে সালে Motorola কোম্পানি প্রথম বাণিজ্যিক মোবাইল ফোন DynaTAC 8000X বাজারে আনে। এটি তখনকার যুগের জন্য এক বিপ্লবী প্রযুক্তি ছিল, যা মানুষের যোগাযোগের ধরন পুরোপুরি বদলে দেয়। ফোনটির ওজন অনেক বেশি ছিল, প্রায় এক কেজি, এবং ব্যাটারির আয়ুষ্কালও সীমিত ছিল। তবু, এটি প্রথমবারের মতো মানুষকে তার পকেটে ফোন বহন করে যেকোনো জায়গা থেকে কল করার সুযোগ দেয়। DynaTAC-এর উদ্ভাবন যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক দিক থেকে মোবাইল যোগাযোগের ক্ষেত্রকে নতুন দিশা দেখায়, যা পরবর্তীতে গোটা বিশ্বের মোবাইল ফোন শিল্পে বিপ্লব সৃষ্টি করে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) যুক্তরাষ্ট্র।

• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা:
- প্রথম প্রজন্ম,
- দ্বিতীয় প্রজন্ম,
- তৃতীয় প্রজন্ম,
- চতুর্থ প্রজন্ম এবং
- পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,৬৩৭.
GSM (Global System for Mobile Communication) প্রযুক্তিতে ডেটা ও ভয়েস সিগন্যাল আলাদা করার জন্য কোন ধরনের মাল্টিপল অ্যাক্সেস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. FDMA (Frequency Division Multiple Access)
  2. TDMA (Time Division Multiple Access)
  3. CDMA (Code Division Multiple Access)
  4. FDMA এবং TDMA উভয়ই
ব্যাখ্যা

◉ GSM প্রযুক্তিতে FDMA এবং TDMA উভয়ই ব্যবহার করা হয়।
FDMA: GSM-এ পুরো ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডকে ছোট ছোট ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলে ভাগ করা হয়।
TDMA: প্রতিটি ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলকে আবার আলাদা আলাদা টাইম স্লটে ভাগ করা হয়, যাতে একই ফ্রিকোয়েন্সি বহু ব্যবহারকারী ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে পারে।

​জিএসএম (GSM-Global System for Mobile communication):
- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৩৮.
যে আক্রমণে নির্দিষ্ট কোনো ইভেন্ট সংঘটিত হলে প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষতিকর কার্য সম্পাদন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. লজিক বম্ব
  2. ট্রোজান এ্যাটাক
  3. ডাটা ডিডলিং
  4. সালামি এ্যাটাক
ব্যাখ্যা

• লজিক বম্ব হলো ইভেন্ট নির্ভর ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, যা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে আক্রমণ চালায়।

• সাইবার অপরাধ (Different cyber crimes):
- কোন অপরাধমূলক কাজ যেখানে কম্পিউটারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিংবা অপরাধের জন্য কম্পিউটারকে টার্গেট করা হয় অথবা কম্পিউটারের দ্বারা অপরাধ করার পরবর্তীতে তার সাপেক্ষে অন্য কোনো অপরাধ করা হয়, এ সকল অপরাধই সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত।

• বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- ই-মেইল বম্বিং।
- বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
- Data diddling: কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।
- Salami Attack: অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।
- Denial of Service (DoS) Attack: অতিরিক্ত অনুরোধ পাঠিয়ে সিস্টেম অকার্যকর করা।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব: ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক: পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

• অন্যান্য অপশন:
- ট্রোজান এ্যাটাক → পরোক্ষভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের কৌশল।
- ডাটা ডিডলিং → প্রসেসিংয়ের আগে ও পরে ডেটা পরিবর্তন সংক্রান্ত অপরাধ।
- সালামি এ্যাটাক → ক্ষুদ্র পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে স্থানান্তর করে আর্থিক ক্ষতি সাধন।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১,৬৩৯.
WWW-তে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. WTP
  2. UDP
  3. HTTP
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
WWW-তে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য HTTP প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪০.
মাইক্রোসফট সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক্লাউড ফ্লাটফর্ম- Azure
  2. সার্চ ইঞ্জিন- Bing
  3. প্রতিষ্ঠাতা- স্টিভ ওজনিয়াক
  4. বর্তমান CEO- সত্য নাদেলা
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।

উৎস: Microsoft
১,৬৪১.
অবৈধ কাজ এবং ইনফরমেশন চুরি করে কোন ধরনের হ্যাকার?
  1. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
• অবৈধ কাজ এবং ইনফরমেশন চুরি করে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা।

• হ্যাকিং:

- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:

১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা দুই ধরনের বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• গ্রিন হ্যাট হ্যাকার নামে কোনো হ্যাকার গ্রুপের অস্থিত নেই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৬৪২.
'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর ধারা কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ১৭ টি
  3. ২১টি
  4. ৬০টি
ব্যাখ্যা
• 'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩':
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ 'সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩' পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

• অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে।

ধারাগুলো হলো:
ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

উৎস: বাসস (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)
১,৬৪৩.
LAN এর টপোলজি কোন মেথডে হয়ে থাকে?
  1. ক) স্টার
  2. খ) হাইব্রিড
  3. গ) রিং
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ল্যান এর টপোলজি সাধারণত স্টার, রিং কিংবা ব্রডকাস্ট চ্যানেল মেথডে হয়ে থাকে। এর ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে কো এক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বাঃ অপটিকাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১,৬৪৪.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে রিসোর্স ব্যবহারকারী ডিভাইস বা ব্যবহারকারীদের কী বলা হয়?
  1. গেটওয়ে
  2. ক্লায়েন্ট
  3. সার্ভার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে যে ডিভাইস বা ব্যবহারকারী রিসোর্স ব্যবহার করে, যেমন ডাটা, ফাইল বা সার্ভিস, তাকে ক্লায়েন্ট বলা হয়। ক্লায়েন্ট সাধারণত সার্ভারের কাছ থেকে রিসোর্স বা সেবা গ্রহণ করে এবং নিজে রিসোর্স সরবরাহ করে না। উদাহরণস্বরূপ, আপনার কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ডিভাইস যা ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করে, সেটি ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে সার্ভার হলো সেই ডিভাইস যা রিসোর্স বা সেবা প্রদান করে। ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান হয়। সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত রিসোর্স ব্যবহারকারী ডিভাইস বা ব্যবহারকারী হলো খ) ক্লায়েন্ট।

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং:
- ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান বা কম্পোনেন্ট component থাকে:
১। ক্লায়েন্ট,
২। সার্ভার এবং
৩। নেটওয়ার্ক।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৪৫.
কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন টাইপ কোনটি?
  1. .edu
  2. .com
  3. .gov
  4. .org
ব্যাখ্যা
- ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম। যেমন- www.google.c এই সাইটটির আইপি এড্রেস হল- 216.58.212.164।
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS - Domain Naming System)।
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে ডট(.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।
- Mnhs. com, এখানে mnhs কে ডোমেইন নেইম এবং .com কে ডোমেইন টাইপ বলা হয়।

- সাধারণত ডোমেইন টাইপ দ্বারা প্রতিষ্ঠানের টাইপ জানা যায়। যেমন-
•   .com – কমার্সিয়াল প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়।
•   .gov – সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়।
•   .org – অর্গানাইজেশনকে বুঝানো হয়।
•   .edu – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪৬.
কোন পরিস্থিতিতে গেটওয়ে ব্যবহার করা প্রয়োজন হয়?
  1. একই রুমে দুইটি কম্পিউটারকে ক্যাবল দিয়ে সংযুক্ত করা
  2. ইউএসবি ড্রাইভে ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করা
  4. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করা
ব্যাখ্যা

• গেটওয়ে ব্যবহার করার প্রয়োজন তখন হয় যখন একটি লোকাল নেটওয়ার্ক (LAN) বা কম্পিউটার অন্য নেটওয়ার্কের সাথে যোগাযোগ করতে চায়, যেমন ইন্টারনেট। উদাহরণস্বরূপ, একটি বাড়ি বা অফিসের কম্পিউটার যেসব ডিভাইস একই লোকাল নেটওয়ার্কে আছে তারা একে অপরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে, তাই গেটওয়ের দরকার হয় না। কিন্তু যদি সেই কম্পিউটারগুলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে চায়, তবে তাদের লোকাল নেটওয়ার্ককে বাইরের নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। এ জন্য রাউটার বা গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়।
- সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে "লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করা" হলো সেই পরিস্থিতি যেখানে গেটওয়ে প্রয়োজন।

গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

এছাড়াও,
রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

Repeater:
- শুধু সিগন্যাল শক্তিশালী করে, কোনো প্রোটোকল বুঝে না। 

Hub:
- Multiport repeater, সব ডিভাইসে ডাটা পাঠায়। 

Bridge:
- একই প্রোটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট যুক্ত করে, ভিন্ন প্রোটোকল কনভার্ট করতে পারে না। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৪৭.
লিঙ্কডইন এর প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ক) জেফ উইনার
  2. খ) ল্যারি পেইজ
  3. গ) রেইড হফম্যান
  4. ঘ) পল অ্যালেন
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা: লিঙ্কডইন সবার আগে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট।
এটি ২০০২ সালে রেইড হফম্যান প্রতিষ্ঠা করেন।
এটি মূলত কর্পোরেট বা পেশাজীবীদের যোগাযোগের একটি মাধ্যম।
পিন্টারেস্ট, টুইটার, ফেইসবুক ও ইন্সটাগ্রাম প্রতিষ্ঠিত হয় যথাক্রমে ২০১০, ২০০৬, ২০০৪ এবং ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

(সূত্র: লিঙ্কডইন, পিন্টারেস্ট, টুইটার, ফেইসবুক ও ইন্সটাগ্রাম ওয়েবসাইট)
১,৬৪৮.
WiMAX কোন ধরনের প্রযুক্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. তারবিহীন ব্রডব্যান্ড যোগাযোগ ব্যবস্থা
  2. মোবাইল সেলুলার নেটওয়ার্ক
  3. স্যাটেলাইটভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা
  4. অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) হলো একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড টেকনোলজি, যা IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং Wi-Fi-এর তুলনায় বেশি কভারেজ ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করতে সক্ষম।

WiMAX:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৪৯.
একটি অফিসে ৫০টি কম্পিউটার আছে এবং সেগুলো একটি সুইচের মাধ্যমে সংযুক্ত। এটি কোন ধরনের নেটওয়ার্ক?
  1. WAN
  2. MAN
  3. LAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা

◉ LAN (Local Area Network) একটি সীমিত এলাকা (অফিস, স্কুল, ভবন) জুড়ে নেটওয়ার্ক। সাধারণত সুইচ, রাউটার এবং কেবল ব্যবহার করে তৈরি হয়। প্রশ্নে বলা হয়েছে, ৫০টি কম্পিউটার একটি সুইচের মাধ্যমে সংযুক্ত → এটি একটি LAN-এর উদাহরণ।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণনাম হচ্ছে Local Area Network। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।
- LAN ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও কাজ করতে পারে। তবে ইন্টারনেটের সংযোগ থাকলে ভাল হয়।

অন্যদিকে,
WAN → অনেক বড় ভৌগোলিক এলাকা (দেশ বা মহাদেশ জুড়ে) নেটওয়ার্ক। উদাহরণ: ইন্টারনেট।

MAN → একটি শহর বা বড় ক্যাম্পাস জুড়ে নেটওয়ার্ক।

PAN → ব্যক্তিগত ডিভাইসের নেটওয়ার্ক, যেমন Bluetooth, hotspot.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Cisco ওয়েবসাইট।

১,৬৫০.
জিগবি (Zigbee) নেটওয়ার্কের IEEE স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. 802.11.4
  2. 802.15.4
  3. 807.11.4
  4. 802.16.4
ব্যাখ্যা
• জিগবি (Zigbee):
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE 802.15.4 ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
- জিগবি নামটি মৌচাকে মৌমাছি ফিরে যাওয়ার পরে মধু মৌমাছির waggle নাচকে বোঝায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৫১.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ নয়?
  1. Data diddling
  2. Trojan Horse
  3. Debugging
  4. Denial of Service Attack
ব্যাখ্যা

- Debugging সাইবার অপরাধ নয়। এটি প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করে থাকে ।

• সাইবার অপরাধ :
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্মিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল ৷
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৫২.
সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স—সব ধরনের ডাটা ট্রান্সমিশন মোডে কোন প্রাপকভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়?
  1. মাল্টিপ্লেক্স
  2. মাল্টিকাস্ট
  3. ব্রডকাস্ট
  4. ইউনিকাস্ট
ব্যাখ্যা

• সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স—সব ট্রান্সমিশন মোডেই ইউনিকাস্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়।

• প্রাপকভিত্তিক ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের ধারণা:
- প্রাপকের সংখ্যা ও ডাটা গ্রহণের অধিকার অনুযায়ী ডাটা ট্রান্সমিশন মোড নির্ধারিত হয়।
- এই ভিত্তিতে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড তিন প্রকার—ইউনিকাস্ট, ব্রডকাস্ট ও মাল্টিকাস্ট।

• ইউনিকাস্ট (Unicast):
- ইউনিকাস্ট পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপক ডাটা গ্রহণ করে।
- এটি এক-থেকে-এক (One-to-One) যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- ইউনিকাস্ট সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স—সব ধরনের ট্রান্সমিশন মোডেই ব্যবহার করা যায়।

• ব্রডকাস্ট (Broadcast):
- ব্রডকাস্টে একটি প্রেরক থেকে নেটওয়ার্কের সকল প্রাপক ডাটা গ্রহণ করে।
- এটি এক-থেকে-সকল (One-to-All) যোগাযোগ ব্যবস্থা।

• মাল্টিকাস্ট (Multicast):
- মাল্টিকাস্টে একটি প্রেরক থেকে নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের প্রাপক ডাটা গ্রহণ করে।
- এটি এক-থেকে-নির্বাচিত (One-to-Group) যোগাযোগ ব্যবস্থা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৫৩.
রিয়েল টাইম অডিও এবং ভিডিও ডাটা আদান-প্রদানে কোনটি বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. গ) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission)
- অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন।
- এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
- যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়ােজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়।
- সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
- বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।
১,৬৫৪.
ইনস্টাগ্রাম স্টোরি কতক্ষণ পরে মুছে যায়?
  1. ২৪ ঘণ্টা
  2. ১২ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
• ইনস্টাগ্রাম স্টোরি হলো একটি ফিচার যা ব্যবহারকারীদের ছবি, ভিডিও বা টেক্সট শেয়ার করতে দেয় যা স্থায়ীভাবে প্রোফাইলে সংরক্ষিত হয় না। সাধারণভাবে, একটি স্টোরি পোস্ট করার পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায় ২৪ ঘণ্টা পরে। অর্থাৎ, আপনি যদি কোনো ছবি বা ভিডিও স্টোরি হিসেবে আপলোড করেন, তা আপনার ফলোয়াররা শুধুমাত্র পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেখতে পারবে। ২৪ ঘণ্টা অতিক্রম করার পর স্টোরিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টাগ্রাম থেকে মুছে যায়, যদিও ব্যবহারকারী চাইলে তা আর্কাইভে সংরক্ষণ করতে পারে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২৪ ঘণ্টা।

• ইনস্টাগ্রাম (Instagram):
- ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
- ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন- কেভিন সাইস্ট্রম, মাইক ক্রিঞ্জার।
- এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়।
- অ্যালেক্সা র‍্যাঙ্কিং- এ ইন্সটাগ্রাম বিশ্বের ২৬তম বৃহৎ ওয়েবসাইট। (জানুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত)।
- ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
- বর্তমানে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ 'Meta' এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
- Instagram এর বর্তমান CEO অ্যাডাম মোসেরি। [জানুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত]

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬৫৫.
রিং টপোলজিতে, একটি নোড কতগুলো অন্যান্য নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
• রিং টপোলজিতে, প্রতিটি নোড ঠিক দুইটি অন্যান্য নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। অর্থাৎ, প্রতিটি নোড তার পাশের দুইটি নোডের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, একটি তার বাম পাশে এবং অন্যটি তার ডান পাশে। এই সংযোগের ফলে নোডগুলো একটি বন্ধ চক্র বা রিং তৈরি করে, যেখানে প্রথম নোড শেষ নোডের সাথে যুক্ত থাকে এবং শেষ নোড আবার প্রথম নোডের সাথে যুক্ত থাকে। তাই রিং টপোলজির মূল বৈশিষ্ট্য হলো, প্রতিটি নোডের সংযোগের সংখ্যা ঠিক দুইটি। এই কাঠামো নেটওয়ার্কে তথ্য প্রবাহকে সহজ ও সুশৃঙ্খল রাখে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে - খ) দুইটি।

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে;
- এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমূখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫৬.
ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কোন কাজ করা যায় না?
  1. টাকা ট্রান্সফার
  2. ব্যালেন্স চেক
  3. বিল পেমেন্ট
  4. নগদ টাকা তোলা
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট ব্যাংকিং (Online Banking বা Net Banking) হলো একটি ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা, যার মাধ্যমে গ্রাহক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন।
তবে, নগদ টাকা (cash) উত্তোলন করা সম্ভব নয়, কারণ এটি একটি ডিজিটাল পরিষেবা এবং কোনো শারীরিক নগদ অর্থ বিতরণ করতে পারে না। নগদ টাকা তোলার জন্য ATM বা ব্যাংকের শাখা থেকে লেনদেন করতে হয়।

ই-ব্যাংকিং:
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং বলে।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে।
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম 'National Cash Dispenser Network' ব্যবহার শুরু করে।
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Loyd’s Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে।
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সমগ্র ব্যাকিং ব্যবস্থার সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দিয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ গ্রাহকদের দ্রুততর ও উন্নতর সেবা প্রদান করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করছে।

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৫৭.
কোন ইনপুট ডিভাইসটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ভাষা প্রক্রিয়াকরণের সহায়তায় কাজ করে?
  1. কীবোর্ড
  2. অ্যামাজন ইকো
  3. টাচস্ক্রিন
  4. মাউস
ব্যাখ্যা
ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম:
- ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম হল একটি বিশেষধরনের ইনপুট প্রযুক্তি যা মানব কণ্ঠস্বরকে শনাক্ত, বিশ্লেষণ এবং অনুবাদ করে লিখিত টেক্সট বা কমান্ডে রূপান্তর করে।
- এই প্রযুক্তি মানুষের কণ্ঠের স্বরলিপি, উচ্চারণ, শব্দচয়ন ও ভাষা বোঝার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing - NLP) ব্যবহার করে।
অ্যামাজন ইকো(Amazon Echo) (Alexa)  হলো এমন একটি ইনপুট ডিভাইস যেটি ভয়েস ইনপুট নিয়ে ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম এর মাধ্যমে নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরন করে। 

এটি যেভাবে কাজ করে:
শব্দ সনাক্তকরণ (Speech Detection): AI মডেলগুলো কণ্ঠস্বর থেকে শব্দ শনাক্ত করে।

ভাষা বিশ্লেষণ (Language Processing): NLP ব্যবহার করে শব্দগুলোর অর্থ বুঝে নেয়, যেমন কন্ঠের মাধ্যমে কমান্ড দেওয়া হয়েছে নাকি প্রশ্ন করা হয়েছে সেটি বোঝানো হয়। 

বিষয় অনুসন্ধান (Context Understanding): AI পূর্ববর্তী কথোপকথনের প্রসঙ্গ অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে। 

মেশিন লার্নিং (Machine Learning): বারবার ব্যবহার ও ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিস্টেমটি আরও স্মার্ট হয়ে ওঠে।

ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম যুক্ত কয়েকটি প্রযুক্তি হলো- 
Siri (Apple) – ভয়েস দিয়ে প্রশ্ন করলে তা বোঝে এবং উত্তর দেয়।
Alexa (Amazon Echo ) – ভয়েস কমান্ডে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে।
Google Assistant – ভয়েস ব্যবহার করে ফোন কল, মেসেজ প্রেরণ, বা সার্চ করে।

অন্যদিকে,
 কিবোর্ড, টাচস্ক্রিন ও মাউস হলো সাধারণ ইনপুট ডিভাইস। 

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,একাদশ-দ্বাদশ ও আলীম শ্রেনী।
- IBM - what is voice recognition.
- Microsoft - Ai and Speech recognition.
১,৬৫৮.
Zoom এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. লিন্ডা ইয়াকারিনো
  2. পল অ্যালেন
  3. এরিক ইউয়ান
  4. পল বছিট
ব্যাখ্যা
• জুম (Zoom):
- ভিডিও কমিউনিকেশন সফটওয়্যার 'জুম' (Zoom) ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: এরিক ইউয়ান (চীনা বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রযুক্তি উদ্যোক্তা)
- সদরদপ্তর: ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ১০০ জন ভিডিও কানফারেন্সিং-এ জয়েন করতে পারে।
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট ভিডিও কানফারেন্সিং চালু রাখা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬৫৯.
নিচের কোনটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?
  1. ফেসবুক
  2. টুইটার
  3. লিংকড ইন
  4. উইকিপিডিয়া
ব্যাখ্যা
• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম:
- সামাজিক যোগাযোগ বলতে ভার্চুয়াল যোগাযোগ ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রত্যেক মানুষের মধ্যে মিথষ্ক্রিয়াকে বুঝায়।
যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন, গুগল প্লাস ইত্যাদি।

ফেসবুক:
- ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা হলেন মার্ক জুকারবার্গ।
- ২০০৪ সালে মার্ক জুকারবার্গ সামাজিক মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমানে মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুকের চেয়ারম্যান ও সিইও।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ম্যানলো পার্কে ফেসবুকের সদর দপ্তর অবস্থিত।

টুইটার:
- টুইটার একটি অতি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট।
- টুইটার প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালের ২১ মার্চ।
- টুইটারের সদরদপ্তর- সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রতে অবস্থিত।

লিংকড ইন:
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- সদর দপ্তর: Sunnyvale, California, United States.
- Parent organization: Microsoft Corporation.
- Founders: Reid Hoffman, Jean-Luc Vaillant, Eric Ly, Konstantin Guericke, Allen Blue.

অন্যদিকে,
- উইকিপিডিয়া হলো ইন্টারনেটভিত্তিক 'মুক্ত বিশ্বকোষ' ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৬০.
ওয়াই-ফাই(Wi-Fi) এর কভারেজ এরিয়া কত মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত?
  1. ক) ১০ থেকে ৫০ মিটার
  2. খ) ৫০ থেকে ১০০ মিটার
  3. গ) ৫০ থেকে ২০০ মিটার
  4. ঘ) ১০০ থেকে ৩০০ মিটার
ব্যাখ্যা

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলেও Wi-Fi কে Wireless Fidelity শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে মনে করা হয়।
(Wi-Fi শব্দটি স্বত্বাধিকারী Wi-Fi Alliance নামীয় একটি সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক) প্রযুক্তিটি বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যেটা উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবহারসহ কম্পিউটারের লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে ডেটা আদান- প্রদান করে থাকে।
এটি সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে এবং এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)

১,৬৬১.
ভাইরাস সফটওয়ার এর নামকরণ করেন কে?
  1. ক) ফ্রেডরিখ ভন
  2. খ) রবার্ট হুক
  3. গ) মার্টিন কুপার
  4. ঘ) ফ্রেড কোহেন
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস
কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।

ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল “Vital Information Resources Under Seize.” যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।

ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে ।

১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন
ভাইরাস নামক সফ্টওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( এইচ এস সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬২.
ইন্টারনেট ওয়েবপেজ ব্রাউজ করতে ব্যবহৃত প্রটোকল হলো-
  1. ক) FTP
  2. খ) IP
  3. গ) HTTP
  4. ঘ) ISP
ব্যাখ্যা
HTTP:
- Hyper Text Transfer Protocol এর সংক্ষিপ্ত নাম হলো HTTP.
- এটি সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারে যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।

FTP:
- FTP এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol.
- এটি একটি টিসিপি/আইপি প্রোটোকল যা দূটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 

IP:
- ইন্টারনেট যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস বলা হয়। 
- এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol Address.

ISP:
- ISP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Service Provider.
- যেসকল কোম্পানি ইন্টারনেটের সাহায্যে বিভিন্ন সার্ভিস প্রদান করে তাদেরকে ISP বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬৬৩.
MAC address-এ ব্যবহৃত MAC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Memory Access Control
  2. খ) Medium Access Control
  3. গ) Media Access Control
  4. ঘ) Multiple Access Control
ব্যাখ্যা
• MAC address-এর পূর্ণরূপ Media Access Control Address.

MAC address: 
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড MAC address প্রদান করে।
- এটি একটি Physical address এবং Hardware address হিসাবে পরিচিত যার নম্বরটি হেক্সাডেসিমেল ফর্ম্যাটে করা হয়। 
- এই কার্ডের বৈশিষ্ট্য হলো এতে ৪৮ বিটের বা ৬৪ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর থাকে যা দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে। 
- MAC address অবশ্যই ১২ ডিজিটের হবে।
- ম্যাক অ্যাড্রেসের প্রথম অর্ধেক বোঝায় ডিভাইসটি কোন মডেল বা ব্র্যান্ডের আর বাকী অর্ধেকটি হচ্ছে ঐ ডিভাইসটি অনন্য বা unique নাম্বার।
- এই কার্ডে প্রদত্ত MAC address এর একটির সাথে অপরটির কোনো মিল থাকে না। 

উল্লেখ্য, এটি Apple Macintosh সম্পর্কিত কিছু নয়।

উৎস: Computerhope website.
১,৬৬৪.
ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করা যায় কোনটির মাধ্যমে?
  1. ক) MAN
  2. খ) WAN
  3. গ) LAN
  4. ঘ) PAN
ব্যাখ্যা

Local Area Network প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওয়াইফাই ব্যাবহার করা যায়।

- একটি নির্দিষ্ট জায়গা কেন্দ্র করে LAN তৈরি করা হয় বলেই একে স্থানীয় বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- এ নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, কো-এক্সিয়াল ক্যাবল, অপটিকাল ফাইবার ক্যাবল, রেডিও ওয়েভ ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

১,৬৬৫.
ওয়েব ব্রাউজার নয় কোনটি?
  1. Safari
  2. Opera
  3. Google Chrome
  4. Baidu
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়। 
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser. 

• সার্চ ইঞ্জিন: 
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম। 
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে। 
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে। 
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie. 
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন। 
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন। 
- Baidu চীনের একটি সার্চ ইঞ্জিন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৬৬৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. Fixed Cost Structure
  2. On-demand
  3. Resource scalability
  4. Pay as you go
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে On-demand, Resource scalability, এবং Pay as you go। এর মানে হলো ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পদ (যেমনঃ সার্ভার, স্টোরেজ) ব্যবহার করতে পারে, সহজেই কম-বেশি করতে পারে এবং শুধুমাত্র ব্যবহৃত পরিমাণ অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ করে। তবে Fixed Cost Structure ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য নয়। কারণ, ক্লাউড সেবা সাধারণত পরিবর্তনশীল খরচে প্রদান করা হয়, যা ব্যবহারভিত্তিক (usage-based) পেমেন্ট মডেল অনুসরণ করে। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য খরচ কমাতে সহায়ক হয়, কারণ তাদের অব্যবহৃত সম্পদের জন্য অর্থ ব্যয় করতে হয় না। তাই "Fixed Cost Structure" ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বিপরীত।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৬৭.
কোন হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহিত করে?
  1. White hat hacker
  2. Black hat hacker
  3. Grey hat hacker
  4. Red hat hacker
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়। 
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:
 
• গ্রে হ্যাট হ্যাকার (Grey hat hacker):
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ (Legal) ও অবৈধ (Illegal) দুই ধরনের কাজ করতে পারে। 
- একজন Grey hat hacker যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে। 
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
 
• ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার (Black hat hacker):
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
 
• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার (White hat hacker):
- একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহিত করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬৬৮.
নিচের কোনটি বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার?
  1. BioPerl
  2. BioJava
  3. EMBOSS
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বায়োইনফরমেটিক্স
• বায়োইনফরমেটিক্স একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় ক্ষেত্র যা জীববিজ্ঞান সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত ডেটার সংরক্ষণ, আহরণ, সাজানো এবং বিশ্লেষণ ইত্যাদি কাজের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির আবিষ্কার এবং উন্নয়ন করে।
• তথ্য প্রেরণ, আহরণ এবং জৈব সিস্টেম প্রক্রিয়াকরণের গুরুত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৮ সালে “Paulien Hogeweg" নামের একজন  গবেষক তথ্য প্রক্রিয়াকরণে জীবন সম্পর্কিত সিস্টেম গবেষণায় বায়োইনফরমেটিক্স শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ইহা প্রাণপদার্থ বিদ্যা (Biophysics) এবং প্রাণরসায়ন (Biochemistry) এর সাথে সমান্তরাল ক্ষেত্র হিসাবে স্থাপিত হয়।
• বায়োইনফরমেটিক্স এর গোড়ার দিকের “Elvin A. Kabat" নামের একজন গবেষক ১৯৮০ থেকে ১৯৯১ এর মধ্যে তার অ্যান্টিবডি সম্পর্কিত ধারাবাহিক প্রকাশনায় জৈব অনুক্রম বিশ্লেষণের প্রবর্তন করেন।
 • “ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন” এর পরিচালক “David Lipman” এই ক্ষেত্রের আরেকজন গুরুত্বপূর্ণ অগ্রদূত “Margaret Oakley Dayhaff" কে তার অবদানের জন্য বায়োইনফরমেটিক্স এর পিতা-মাতা হিসাবে অভিহিত করেছিলেন।
 • জৈবিক তথ্য যেমন নিউক্লিওটাইড ক্রম এবং অ্যামিনো এসিড ক্রম সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ডেটাবেজ তৈরি এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য “ genomic revolution” এর শুরুর দিকে বায়োইনফরমেটিক্স শব্দটিকে পুনরায় ব্যবহার করা হয়। 
• ওপেনসোর্স বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার হিসাবে Bioconductor, BioPerl, Biopython, BioJava, BioRuby, Biclipse, EMBOSS, Taverna Workbench, UGENE ইত্যাদি এবং বিভিন্ন প্রকার ওয়েবভিত্তিক সফটওয়্যার ব্যবহার হয়।
• ওপেনসোর্স এর রক্ষণাবেক্ষণ এবং এর আরও সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান ওপেন বায়োইনফরমেটিক্স ফাউন্ডেশন ২০০০ সাল থেকে বায়োইনফরমেটিক্স ওপেন সোর্স কনফারেন্স (BOSC) এর পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬৬৯.
'Picasa' কী?
  1. একটি ভিডিও যোগাযোগ পরিষেবা
  2. একটি ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং আপ্লিকেশন
  3. ছবি সংগঠিত এবং সম্পাদনা করার সফটওয়্যার
  4. একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং পরিষেবা
ব্যাখ্যা
• গুগল:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম/ প্রতিষ্ঠাকালীন নাম হলো ব্যাকরাব।
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android package file এর এক্সটেনশন .apk
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- 'Picasa' হলো গুগলের ছবি সংগঠিত এবং সম্পাদনা করার সফটওয়্যার।
- গুগলের 'গুগল টক' হলো একটি ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং আপ্লিকেশন।
- 'গুগল মিট' হলো একটি ভিডিও যোগাযোগ পরিষেবা।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
১,৬৭০.
সর্বপ্রথম কোন দেশ Motorola Dyna TACS নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. চীন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্র Motorola Dyna TACS নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।

• মোবাইল ফোন:

- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
যথা:
- প্রথম প্রজন্ম,
- দ্বিতীয় প্রজন্ম,
- তৃতীয় প্রজন্ম,
- চতুর্থ প্রজন্ম এবং
- পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৬৭১.
WiMAX এর প্রধান প্রয়োগ ক্ষেত্র কোনটি?
  1. দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড
  2. ছোট দূরত্বের যোগাযোগ
  3. তারযুক্ত নেটওয়ার্ক সংযোগ
  4. স্যাটেলাইট যোগাযোগ 
ব্যাখ্যা

• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) মূলত দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উচ্চ-গতি ইন্টারনেট এবং ডেটা সংযোগ সরবরাহ করতে সক্ষম, বিশেষ করে শহর এবং গ্রামীণ এলাকায় যেখানে তারযুক্ত নেটওয়ার্ক স্থাপন করা কঠিন। WiMAX প্রযুক্তি অনেক দূরত্বে স্থিতিশীল ওয়্যারলেস সংযোগ দিতে পারে এবং একাধিক ব্যবহারকারীর মধ্যে ব্যান্ডউইথ ভাগ করতে সক্ষম। এটি ছোট দূরত্বের যোগাযোগ বা স্যাটেলাইট ভিত্তিক সংযোগের চেয়ে বেশি কার্যকর। তাই, WiMAX এর প্রধান প্রয়োগ ক্ষেত্র হলো দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড।

সঠিক উত্তর: ক) দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড।

• ওয়াইম্যাক্স এবং ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- কভারেজ এরিয়া সাধারণত 10 থেকে 60 কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত নেটওয়ার্কের জন্য কোনো প্রকার ক্যাবল বা তারের প্রয়োজন হয় না।
- নেটওয়ার্কে সহজে নতুন ব্যবহারকারী যুক্ত করে নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়ানো যায়।
- ডেটা ট্রান্সফারের রেট সাধারণত 80 Mbps থেকে 1 Gbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত 2 GHz-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। তবে Non Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 11 GHz এবং Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 66 GHz।
- সিগন্যাল নয়েজ (SNR-signal to noise ratio) সর্বোচ্চ 7 dB (decibel)।
- বাধামুক্ত সিগন্যাল ট্রান্সফারের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনক্রিপশন সুবিধা আছে।
- ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন হতে পারে।
- ওয়াইম্যাক্স কানেকশন ওরিয়েন্টেড MAC প্রোটোকল ব্যবহার করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৭২.
In which format is an IPv6 address written?
  1. Decimal
  2. Binary
  3. Octal
  4. Hexadecimal
ব্যাখ্যা
IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাটে লিখা হয়।

• আইপি এড্রেস:
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- 'IP' এর পূর্ণরূপ হলো 'Internet Protocol'.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাটে লিখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৭৩.
স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সাধারণত একজন ব্যবহারকারীর কী ধরনের হার্ডওয়্যার দরকার হয়?
  1. শুধু স্মার্টফোন
  2. অপটিক্যাল কেবল বক্স
  3. ডিএসএল মডেম
  4. স্যাটেলাইট ডিশ এবং মডেম/রাউটার
ব্যাখ্যা
• স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সাধারণত একজন ব্যবহারকারীর স্যাটেলাইট ডিশ এবং মডেম/রাউটার হার্ডওয়্যার দরকার হয়। স্টারলিঙ্ক একটি স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা, যেখানে ডেটা পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি ব্যবহারকারীর ডিভাইসে প্রেরণ করা হয়। তাই ব্যবহারকারীর বাড়িতে একটি বিশেষ স্যাটেলাইট ডিশ লাগাতে হয়, যা সিগন্যাল গ্রহণ ও প্রেরণ করে। পাশাপাশি, ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি মডেম বা রাউটার দরকার, যা ইন্টারনেট সংযোগকে Wi-Fi বা তারযুক্ত সংযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইসে ছড়িয়ে দেয়। অন্য কোনো কেবল বা ডিএসএল মডেমের প্রয়োজন হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো (ঘ)।

• স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।
১,৬৭৪.
নিচের কোনটি তারবিহীন মাধ্যমের প্রকারভেদ?
  1. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
  4. অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোওয়েভ হলো তারবিহীন (Wireless) ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যমের একটি প্রকার।

• ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যমের ধারণা:
- ডাটা আদান-প্রদানের জন্য সিগন্যালকে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পরিবহন করতে হয়।
- এই সিগন্যাল পরিবহনের জন্য যে মাধ্যম ব্যবহৃত হয় তাকে ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম বলা হয়।

• ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যমের প্রকারভেদ:
- ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম প্রধানত দুই প্রকার।
- তার মাধ্যম (Guided / Wired Media)
- তারবিহীন মাধ্যম (Unguided / Wireless Media)

• তার মাধ্যম (Guided / Wired Media):
- ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি তার মাধ্যম ডাটাকে গাইড করে প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়।
- এ কারণে একে গাইডেড মিডিয়া বলা হয়।
- তার মাধ্যমের প্রকারভেদ হলো—
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
- অপটিক্যাল ফাইবার

• তারবিহীন মাধ্যম (Unguided / Wireless Media):
- তারবিহীন মাধ্যমে কোনো তার বা ক্যাবলের প্রয়োজন হয় না।
- সাধারণত রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়।
- তারবিহীন মাধ্যমকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়—
- রেডিও ওয়েভ
- মাইক্রোওয়েভ
- ইনফ্রারেড

• মাইক্রোওয়েভ (Microwave):
- মাইক্রোওয়েভ হলো তারবিহীন ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
- এটি তার ছাড়াই দূরবর্তী স্থানে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৭৫.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার?
  1. ক) Google
  2. খ) Opera
  3. গ) Bing
  4. ঘ) MSN
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ওয়েব সার্ভারে রাখা পরস্পরে সংযোগযোগ্য Web page বা WWW পরিদর্শন করাকে Web Browsing বলে ।
- Web Browsing করে বিভিন্ন তথ্য ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে নিয়ে আসা যায় ।
-Web Browsing করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে।
- এই সকল ওয়েব ব্রাউজার সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত ওয়েব সার্ভার কম্পিউটারগুলোতে যে সকল ওয়েব পেইজ (Web page) সংরক্ষিত রয়েছে তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে। 
- নিচে জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজারের নাম দেওয়া হলো। যথা-
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
• মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox)
•নেটস্কেপ কমিউনিকেটর (Netscape Communicator)
• সাফারি (Safari)
ওপেরা (Opera)
• গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
১,৬৭৬.
'Copyright' শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ কি?
  1. ক) অনুলিপি
  2. খ) গ্রন্থস্বত্ব
  3. গ) আইন
  4. ঘ) প্রতিলিপি
ব্যাখ্যা
- কপিরাইট (Copyright) শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে গ্রন্থস্বত্ব।

• কপিরাইট (Copyright): 
- একজন লেখকের রচিত পুস্তক বা গ্রন্থের বা বইয়ের উপর তার মুদ্রণ, পুন:মুদ্রণ ও প্রকাশের অধিকারকে কপিরাইট বলে।
- কপিরাইট আইন দ্বারা সৃজনশীল কাজের মেধাস্বত্ব সংরক্ষিত হয়।
- কপিরাইট শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ গ্রন্থস্বত্ব।
- কপিরাইটের মাধ্যমে সাহিত্য, শিল্পকর্ম ও অন্যান্য শিল্পকলা সৃষ্টিকারীর সৃষ্ট মেধাসম্পদ ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার প্রদান করা হয়। 
- কপিরাইট আইন দ্বারা একজনের বুদ্ধিবৃত্তিক বা মস্তিস্কজাত সৃষ্টিকে নকল বা পাইরেসি বা অন্যায় অনুসরণ হতে অন্য কাউকে বিরত রাখে।
- গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা, জাতীয় সাহিত্যকর্ম, চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, ভাস্কর্য, স্থাপত্যকলা, কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬৭৭.
ভিডিও কলের সুবিধা শুরু হয় মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম থেকে ভিডিও কলের ব্যবহার শুরু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
১,৬৭৮.
Cloud Computing কী?
  1. Online game
  2. Internet Based Service
  3. Online Banking
  4. None
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল, যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস)
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস)
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ)
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্যি প্রস্রন্ট করতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৬৭৯.
ট্রোজান অ্যাটাকের চিহ্ন এবং বৈশিষ্ট্য কীভাবে চিনবেন?
  1. গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করা
  2. অবৈধ আর্থিক বিনিময় বা ক্ষতি সাধন করা
  3. ভাইরাস দ্বারা ডাটা মুছে ফেলা
  4. সিস্টেম ক্র্যাশ করা
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান অ্যাটাকের চিহ্ন ও বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করতে কিছু সাধারণ লক্ষণ লক্ষ্য করা যায়। প্রথমত, ট্রোজান গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে, ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ফাইল অ্যাক্সেস, সফটওয়্যার ইনস্টল বা তথ্য চুরি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, এটি অবৈধ আর্থিক বিনিময় বা আর্থিক ক্ষতি সাধন করতে পারে, যেমন ব্যাংক তথ্য চুরি বা অননুমোদিত লেনদেন। তৃতীয়ত, ট্রোজান ভাইরাস ডাটা মুছে ফেলতে বা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল হারানোর ঝুঁকি থাকে। চতুর্থত, সিস্টেম ধীর হয়ে যাওয়া, হঠাৎ ক্র্যাশ বা অস্বাভাবিক আচরণ ট্রোজান আক্রমণের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৮০.
স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কে পথিকৃত?
  1. ক) CDMA
  2. খ) EDGE
  3. গ) GPRS
  4. ঘ) GSM
ব্যাখ্যা

জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড। একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে। স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃত।
GSM,TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার ।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

১,৬৮১.
কোন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগের মেশ নেটওয়ার্ক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Zigbee
  2. LTE
  3. Ethernet
  4. USB
ব্যাখ্যা

•স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় এবং যোগাযোগের জন্য সাধারণত Zigbee ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি কম শক্তি খরচকারী, স্বল্প ব্যান্ডউইথের এবং ছোট দূরত্বের জন্য উপযুক্ত প্রযুক্তি। Zigbee ডিভাইসগুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে একটি মেশ নেটওয়ার্ক তৈরি করে, যেখানে প্রতিটি ডিভাইস নেটওয়ার্কের অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য পাঠাতে পারে। ফলে একটি ডিভাইস সরাসরি রাউটারের সঙ্গে সংযুক্ত না থাকলেও, নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য পৌঁছানো সম্ভব হয়। অন্যদিকে LTE, Ethernet বা USB এই ধরনের মেশ নেটওয়ার্কের জন্য সাধারণত ব্যবহার হয় না, কারণ এগুলো বা শক্তি বেশি খরচ করে, বা তারযুক্ত সংযোগের ওপর নির্ভরশীল। Zigbee এর মেশ নেটওয়ার্ক সুবিধা স্মার্ট হোমে ডিভাইসগুলোকে আরও স্থিতিশীল এবং দক্ষভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) Zigbee.

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) IEEE.

১,৬৮২.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Opera
  2. Google Scholar
  3. Baidu
  4. Bing
ব্যাখ্যা

• Opera হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, Google Scholar, Baidu, এবং Bing হলো সার্চ ইঞ্জিন। Google Scholar মূলত বৈজ্ঞানিক এবং একাডেমিক রিসার্চ পত্র, থিসিস ও প্রবন্ধ খুঁজে বের করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Baidu চীনের একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, যেখানে ওয়েবসাইট, ছবি, ভিডিও এবং খবর খোঁজা যায়। Bing হলো মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন, যা সাধারণ ওয়েব সার্চের পাশাপাশি ছবি, মানচিত্র এবং নিউজ সার্চের সুবিধা দেয়। তাই Opera সরাসরি সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি কেবল ব্রাউজিং সফটওয়্যার।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৬৮৩.
ই-কমার্স প্রধানত কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) পাঁচ 
  4. ঘ) ছয়
ব্যাখ্যা

পণ্য লেনদেনের প্রকৃতি ও ধরন অনুসারে ই-কমার্স এর চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।

এগুলো হলো –
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer – B2C)
- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business – B2B)
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer – C2C)
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business – C2B)

ই-কমার্স এর কয়েকটি সুবিধা হল-
- সহজে পণ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
- ব্যবসা পরিচালনায় খরচ কমায়।
- সহজে ক্রেতার কাছে পৌঁছা যায়।
- পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন করে।
- সহজে ব্যবসা শুরু করা যায় এবং ব্যবস্থাপনা করা যায়।
- ঘরে বসেই ক্রেতারা প্রোডাক্টের নির্বাচন করতে পারে ইত্যাদি।

উদাহরণ- amazon, alibaba, daraz ইত্যাদি।

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১,৬৮৪.
নিম্নলিখিত কোনটি ইভসড্রপিং আক্রমণের উদাহরণ?
  1. ডাটা এনক্রিপশন
  2. অননুমোদিতভাবে নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক শোনা
  3. পাসওয়ার্ড রিসেট করা
  4. ফায়ারওয়াল ইনস্টল করা
ব্যাখ্যা
• ইভসড্রপিং আক্রমণের উদাহরণ হলো- অননুমোদিতভাবে নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক শোনা।

• ইভসড্রপিং (Eavesdropping):
- এই আক্রমণে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই, তার অজ্ঞাতে সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের কথোপকথন শুনে এবং সেই তথ্যটি প্রতিযোগী সংস্থা বা শত্রু সংস্থার কাছে পৌঁছে দেয়।
- এটি একটি প্যাসিভ আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী গোপনীয়তা বজায় রেখে পর্যবেক্ষণ করে এবং কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য ডিভাইস থেকে তথ্য চুরি করে।
- পরবর্তীতে, এই তথ্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সবকিছু জানিয়ে সক্রিয় আক্রমণও চালানো হতে পারে।
- কার্নিভো এবং নারুসের মতো বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।
- পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলি এই ধরনের আক্রমণের জন্য সহজ টার্গেট, কারণ যে কেউ সেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে এবং পাসওয়ার্ড অর্জন করতে পারে।
- ইভসড্রপিং ওয়্যারলেস সেন্সর নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট অফ থিংসের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি।

উৎস: Computer Applications in Bussiness, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৫.
ই-মেইল সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. @ এর আগের অংশ - ডোমেইন নেইম
  2. জনক - ক্লাউডি শ্যানন
  3. @ এর পরের অংশ - ইউজার নেইম
  4. প্রথম ই-মেইল পাঠানো হয় - ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৬.
ইলন মাস্কের প্রথম প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. পেপাল
  2. জিপটু
  3. স্পেসএক্স
  4. এক্স.কম
ব্যাখ্যা
ইলন মাস্ক:
- ইলন মাস্ক একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা।
- তাঁর জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেটোরিয়াতে।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা আর অর্থনীতিতে পড়ালেখা করেন।
- তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
- টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ইলন মাস্ক ২০১৫ সালে অলাভজনক সংস্থা ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৬ সালে তিনি নিউরালিংক এবং বোরিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠান করেন।
- বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষ অবস্থান আছেন ইলন মাস্ক।

জিপটু (Zip2):
- উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি প্রথম জিপটু (Zip2) নামে একটি সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৯৫ সালে এর পথচলা শুরু হলেও ১৯৯৯ সালে তিনি কমপ্যাক কোম্পানির কাছে জিপ-টু বিক্রি করেন।

এক্স.কম (X.com):
- হ্যারিস ফ্রিকার, এড হো এবং ক্রিস্টোফার পেইনের সঙ্গে ইলন মাস্ক এক্স.কম প্রতিষ্ঠা করেন। 

পেপাল (PayPal):
- এক্স.কম কনফিনিটি ইনকরপোটেড এক হয়ে পেপালের জন্ম হয়।
- পেপাল অনলাইন পেমেন্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি।

স্পেসএক্স (SpaceX):
- ইলস মাস্ক ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন স্পেসএক্স।
- এর প্রথম দুটি রকেট হলো ফ্যালকন 1 এবং ফ্যালকন 9।

টেসলা মোটরস (Tesla):
- তিনি ২০০৪ সালে কোম্পানিটি চালু করেন।

টুইটার (Twitter):
- মাস্ক ২০০৯ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে যোগদান করেন।
- ২০২২ সালে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কেনার উদ্যোগ নেন ইলন মাস্ক।

উৎস: Britannica.
১,৬৮৭.
IPv6 অ্যাড্রেস সাধারণত কোন ধরনের ফরম্যাটে লেখা হয়?
  1. বাইনারি
  2. ডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা

• IPv6 অ্যাড্রেস সাধারণত হেক্সাডেসিমেল (hexadecimal) ফরম্যাটে লেখা হয়। এটি ১২৮-বিটের একটি ঠিকানা যা ১৬-বিট করে মোট আটটি ব্লকে ভাগ করা হয়। প্রতিটি ব্লককে চারটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয়, যা ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত হতে পারে। ব্লকগুলোর মধ্যে কলোন “:” চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি IPv6 ঠিকানা হতে পারে 2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334। হেক্সাডেসিমেল ফরম্যাট ব্যবহার করার মূল সুবিধা হলো, এটি বড় বাইনারি ঠিকানাকে ছোট এবং পড়তে সহজ আকারে উপস্থাপন করে। তাই IPv6-এর জন্য সঠিক উত্তর হলো ঘ) হেক্সাডেসিমেল।

আইপি:
-  আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন। 
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়। 
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৮৮.
WWW স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করে দেয় -
  1. ক) World Wide Web Standard
  2. খ) Worldwide corporation
  3. গ) World Wide Web Consortium
  4. ঘ) World Wide Consortium
ব্যাখ্যা
The World Wide Web Consortium is the main international standards organization for the World Wide Web.
It was founded by Tim Berners Lee.

Source: w3.org
১,৬৮৯.
URL এর কোন অংশটি ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট HTML ফাইল প্রদর্শন করতে নির্দেশ করে?
  1. ওয়েব প্রোটোকল
  2. ওয়েব সার্ভারের নাম
  3. ডিরেক্টরি বা ফোল্ডারের নাম
  4. HTML ফাইলের নাম
ব্যাখ্যা
[একটি সাধারণ URL এর গঠন: http://www.example.com/folder/page.html
এখানে, http:// হলো ওয়েব প্রোটোকল, www.example.com হলো ওয়েব সার্ভারের নাম, folder হলো ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম, page.html হলো HTML ফাইলের নাম।
URL এর শেষ অংশে থাকা HTML ফাইলের নামটি (page.html) ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে দেয় কোন ফাইলটি প্রদর্শন করতে হবে। অন্যান্য অংশগুলি শুধু ফাইলের অবস্থান নির্দেশ করে।]

• ইউআরএল (URL):

- কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।

• প্রতিটি URL এ থাকে:
১. ওয়েব প্রোটোকল,
২. ওয়েব সার্ভারের নাম,
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ,
৪. HTML ফাইলের নাম।

১. ওয়েব প্রোটোকল:
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
২. ওয়েব সার্ভার:
- সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ:
- সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।
৪. HTML ফাইল নাম:
- html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬৯০.
"Draft" ফোল্ডারে থাকা ই-মেইলগুলি কী নির্দেশ করে?
  1. প্রাপ্ত ই-মেইল
  2. প্রেরিত ই-মেইল
  3. অসম্পূর্ণ ই-মেইল
  4. ডিলিট করা ই-মেইল
ব্যাখ্যা
"Draft" ফোল্ডারে থাকা ই-মেইলগুলি সাধারণত অসম্পূর্ণ বা প্রেরণের জন্য প্রস্তুত নয় এমন ই-মেইল নির্দেশ করে।

• E-mail:

- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯১.
Apache ও IIS উভয়ই হচ্ছে -
  1. Web Browser
  2. Web Server
  3. Protocol
  4. File Server
ব্যাখ্যা
- Apache ও IIS উভয়ই হচ্ছে ওয়েব সার্ভার। 
- Apache হচ্ছে একটি ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার। 
- IIS হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্তৃক উদ্ভাবিত ওয়েব সার্ভার। 
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 
 
১,৬৯২.
রোবট যে নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি হয়, তার উপর ভিত্তি করে কোনটি নির্ধারিত হয়?
  1. সফটওয়্যার লাইসেন্স
  2. বিদ্যুৎ সরবরাহ
  3. যান্ত্রিক গঠন
  4. নেটওয়ার্ক সংযোগ 
ব্যাখ্যা

• রোবট যে নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি হয়, সেই কাজের ধরন অনুযায়ী তার যান্ত্রিক গঠন নির্ধারিত হয়।

• রোবটের গঠন (Structure of Robot):
- রোবটের গঠন সাধারণত তিনটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
 
• ১. যান্ত্রিক গঠন (Mechanical Structure):
- একটি রোবট যে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য তৈরি হয়, সেই কাজের ধরন অনুযায়ী তার যান্ত্রিক গঠন নির্ধারিত হয়।
- এতে রোবটের আকৃতি, চলাচলের ধরন ও অংশগুলোর বিন্যাস অন্তর্ভুক্ত থাকে।
 
• ২. নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Control System):
- রোবটের বিভিন্ন অংশকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।
- এটি রোবটকে কীভাবে, কখন এবং কোন কাজ করতে হবে তা নির্দেশনা দেয়।
 
• ৩. প্রোগ্রামিং ব্যবস্থা (Programming System):
- রোবটকে নির্দিষ্ট কাজ করানোর জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ব্যবহার করা হয়।
- প্রোগ্রামের মাধ্যমে রোবটের কাজের ধাপ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও প্রতিক্রিয়া নির্ধারিত হয়।
 
• রোবটের ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ:
- শিল্পক্ষেত্র: ভারী, ঝুঁকিপূর্ণ ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- চিকিৎসাক্ষেত্র: সার্জারি, ডায়াগনস্টিক ও রোগী সেবায় রোবটের ব্যবহার বাড়ছে।
- শিক্ষাক্ষেত্র: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল শিক্ষায় রোবট ব্যবহার করা হয়।
- গবেষণা ও মহাকাশ অনুসন্ধান: ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: উদ্ধার কার্যক্রমে রোবট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

১,৬৯৩.
মেটার অধীনস্ত নয় কোনটি?
  1. Instagram
  2. Threads
  3. Viber
  4. WhatsApp
ব্যাখ্যা
• Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি। 

- Viber জাপানিজ মাল্টিন্যাশ্নাল কোম্পানি Rakuten এর অধীনস্ত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬৯৪.
Android OS এর উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Apple Inc
  2. Google LLC
  3. International Business Machines
  4. Microsoft Corporation
ব্যাখ্যা

◉ Android একটি ওপেন-সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, যা প্রধানত স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট-এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত Android Inc. নামক একটি কোম্পানি ২০০৩ সালে তৈরি করে, যা ২০০৫ সালে Google অধিগ্রহণ করে নেয়। তারপর থেকেই Google LLC Android OS-এর মূল উন্নয়নকারী ও রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান।

গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android package file এর এক্সটেনশন .apk, 
- গুগলের পূর্ব নাম/ প্রতিষ্ঠাকালীন নাম হলো ব্যাকরাব।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।

১,৬৯৫.
WWW এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Wide World Web
  2. World Wide Web
  3. Wireless Web World
  4. Web World Wide
ব্যাখ্যা

• WWW অর্থ World Wide Web.

• World Wide Web:
- এটি হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য ব্রাউজ বা অ্যাক্সেস করার একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা। এটি মূলত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজের সমন্বয়ে গঠিত, যা একে অপরের সঙ্গে হাইপারলিংকের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
- ব্রাউজার যেমন: Google Chrome, Firefox, Safari ইত্যাদি ব্যবহার করে WWW-তে থাকা ওয়েবসাইট, ফাইল, ছবি বা ভিডিও দেখা যায়।

• WWW এর বৈশিষ্ট্য:
- ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- ওয়েব সার্ভারে রাখা তথ্য সহজে যে কোনো স্থান থেকে অ্যাক্সেস করা যায়।
- URL, HTTP, এবং HTML এর সমন্বয়ে তথ্য প্রদর্শন করে।

• WWW গুরুত্ব:
- তথ্য বিনিময় সহজ করেছে।
- অনলাইন শিক্ষা, ই-কমার্স, সোশ্যাল মিডিয়া, গবেষণা, বিনোদনসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়।
- বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও ডেটা শেয়ারিংকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৯৬.
LAN এর IEEE স্পেসিফিকেশন কোনটি?
  1. IEEE 802.16
  2. IEEE 802.14
  3. IEEE 802
  4. IEEE 802.12
ব্যাখ্যা

• LAN (Local Area Network) এর জন্য IEEE এর স্বীকৃত স্পেসিফিকেশন হলো IEEE 802। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড সিরিজ যা স্থানীয় নেটওয়ার্ক এবং মেট্রোপলিটন এলাকা নেটওয়ার্কের জন্য নেটওয়ার্ক প্রোটোকল এবং হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করে। বিশেষ করে LAN-এর ক্ষেত্রে, IEEE 802 সিরিজের মধ্যে Ethernet (IEEE 802.3) এবং Wireless LAN বা Wi-Fi (IEEE 802.11) অন্তর্ভুক্ত। এই স্ট্যান্ডার্ডগুলি ডেটা ট্রান্সমিশন, ফ্রেমিং, মিডিয়া অ্যাক্সেস কন্ট্রোল এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত প্রোটোকল নির্ধারণ করে, যাতে বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ডিভাইস একে অপরের সাথে সহজে সংযুক্ত হতে পারে।
- তাই LAN-এর জন্য IEEE স্পেসিফিকেশন হলো গ) IEEE 802.

 
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN-Local Area Network):
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 
-LAN এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ 1 কিলোমিটার করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করতে হয়।
- LAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো একক ব্যাক্তি বা কিছুসংখ্যক লোকের একটি গ্রুপের হতে পারে।
- ল্যানের IEEE স্ট্যন্ডার্ড: IEEE 802

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. IEEE.

১,৬৯৭.
নিচের কোনটি অনলাইন অনুবাদের জন্য বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. AWS Translator
  2. Google Translator
  3. Gmail Translator
  4. Facebook Translator
ব্যাখ্যা
Google's free service instantly translates words, phrases, and web pages between English and over 100 other languages.
Google Translate -

সাইটঃ translate.google.com
১,৬৯৮.
ড্রোন যাত্রাস্থান থেকে সর্বোচ্চ কত কিলোমিটার দূর পর্যন্ত উড়তে সক্ষম?
  1. প্রায় ৫০ কিলোমিটার
  2. প্রায় ১০০ কিলোমিটার
  3. প্রায় ২০০ কিলোমিটার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ড্রোন:
- প্রােগ্রাম নিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন ছােট আকাশযান বা বিমানকে ড্রোন বলে।
- ড্রোন যাত্রাস্থান থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত উড়তে সক্ষম।
- সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চললেও Communication Satellite দ্বারাও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- ড্রোন সেন্সর, অ্যাকচুয়েটর, প্রপেলার, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক স্পীড কন্ট্রোলার, সার্ভো মটর, পেলোড অ্যাকচুয়েটর, স্পিকার, রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে তৈরি এবং কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

আবার, বিভিন্ন সোর্স মতে ২০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বও যেতে পারে। [লিঙ্ক] 

উৎস:
১. এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৯৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল?
  1. আইবিএম
  2. মাইক্রোসফট
  3. গুগল ইনকর্পোরেটেড
  4. ওরাকল কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
• আইবিএম:
- IBM ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৭০০.
কাগজবিহীন প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) ব্যাংক
  2. খ) ই-অফিস
  3. গ) কাস্টমার কেয়ার
  4. ঘ) কল সেন্টার
ব্যাখ্যা
কাগজ ব্যবহার না করে অফিসের কাজকর্ম করার এই বিষয়টি আমাদের দেশে মাত্র শুরু হলেও ধারণাটি কিন্তু নতুন নয়।
১৯৭৫ সালে বিজনেস উইক নামের একটা ম্যাগাজিনে প্রথমবার এটি সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ ছাপা হয়েছিল কিন্তু তখন সেটি ছিল অনেকটা কল্পবিজ্ঞানের মতো, কারণ এটি বাস্তবে রূপ দিতে হলে অফিসের সবার কাছে একটা কম্পিউটার থাকতে হবে- যেটি তখন কেউ চিন্তাও করতে পারত না।
এখন সেটি বাস্তবসম্মত হয়েছে। এখন অনেক অফিস পুরোপুরি কাগজবিহীন অফিসে পাল্টে গেছে। অফিসে কাগছে কিছু লিখতে হয় না- কম্পিউটারে লিখে একজন আরেকজনের কাছে পাঠিয়ে দেয়। কম্পিউটারগুলো নেটওয়ার্ক দিয়ে একটির সাথে আরেকটি যুক্ত হয়ে আছে কাজেই চোখের পলকে সব কাজকর্ম হয়ে যায়।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি