ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- ফায়ারওয়ালের সবচেয়ে বহুল ব্যবহার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে।
- তথ্য নিরাপত্তা রক্ষাও এর কাজের অংশ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৫ / ৫১ · ১,৪০১–১,৫০০ / ৫,০২৮
• IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Internet Relay Chat. এটি একটি প্রটোকল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বার্তা আদান-প্রদান করতে দেয়। IRC মূলত চ্যাট রুম বা চ্যানেলের মাধ্যমে বহু ব্যবহারকারীকে একই সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেয়। এটি ১৯৮০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল এবং তখন থেকেই এটি অনলাইন কমিউনিটি, গ্রুপ আলোচনা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা IRC সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চ্যাটে অংশ নিতে পারে এবং প্রাইভেট মেসেজও পাঠাতে পারে। এটি সরল অথচ কার্যকর একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) Internet Relay Chat.
• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট:
- IRC এর পূর্ণরূপ Internet Relay Chat.
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC কে প্রায়ই ইন্টারনেটের 'CB রেডিও' হিসেবে অ্যাখায়িত করা হয়, কারণ এটা কয়েকজন বা অনেককে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• স্টারলিংক হলো এলন মাস্কের স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা, যা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে বেশ ভিন্ন। প্রচলিত ইন্টারনেট সাধারণত ফাইবার অপটিক বা ব্রডব্যান্ড লাইনের ওপর নির্ভর করে এবং শহর বা শহরের কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত কাজ করে, কিন্তু দূরবর্তী গ্রামাঞ্চল বা দুর্গম এলাকায় অনেক সময় সেবা পাওয়া যায় না। স্টারলিংক এর সুবিধা হলো এটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে কভার করতে পারে, তাই এমন অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান সম্ভব। এটি ফাইবার ক্যাবল বা স্থলভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুত ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়। অর্থাৎ, স্টারলিংক দূরবর্তী এলাকা পর্যন্ত ইন্টারনেট পৌঁছাতে সক্ষম।
সঠিক উত্তর: খ) দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে।
স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।
উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।
• হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে তথ্য আদানপ্রদান দুই দিকেই হয়, কিন্তু এক সময়ে কেবল একটি দিকেই ডেটা প্রেরণ সম্ভব। অর্থাৎ, একই মুহূর্তে দুইটি ডিভাইস একসাথে ডেটা প্রেরণ করতে পারে না। সুতরাং, যদি ডিভাইস A তথ্য প্রেরণ করছে, ডিভাইস B কে অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না A-এর প্রেরণ সম্পন্ন হয়। এই কারণে, B-এর তথ্য প্রেরণ তখনই শুরু করা যায় যখন চ্যানেল খালি হয়। হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে এক সময়ে এক পক্ষই প্রেরণকারী এবং অন্য পক্ষ গ্রাহক থাকে, যা সম্পূর্ণ ডুপ্লেক্সের থেকে আলাদা। তাই সঠিক উত্তর হবে: গ) A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন-
১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না।
যেমন- ওয়াকিটকি।
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান সময় পর্যন্ত:
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)
• বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হলো 'একুশ ই-বুক'। এটি মূলত ইন্টারনেটে বাংলা বই পড়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য একটি অগ্রগামী পদক্ষেপ ছিল।
- এটি ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
• বাংলাদেশের ই-বুক ও ডিজিটাল শিক্ষার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- একুশ ই-বুক: এটি মূলত আমাদের ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির (একুশে ফেব্রুয়ারি) স্মৃতি রক্ষার্থে নামকরণ করা হয়েছে।
- জাতীয় ই-বুক প্ল্যাটফর্ম: বর্তমানে সরকারিভাবে www.ebook.gov.bd নামে একটি বিশাল ই-বুক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সকল পাঠ্যবই পাওয়া যায়।
- মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট: আধুনিক ই-বুকগুলোতে শুধু টেক্সট নয়, বরং অডিও, ভিডিও এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যানিমেশন যুক্ত থাকে।
- সহজলভ্যতা: ই-বুকগুলো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপে যেকোনো স্থান থেকে পড়া সম্ভব।
- পরিবেশবান্ধব: ডিজিটাল ফরম্যাটে হওয়ায় এতে কাগজের প্রয়োজন হয় না, ফলে এটি পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক।
উৎস: প্রথম আলো [link]
-কম্পিউটার ব্যাকআপ বলতে বোঝায় আপনার সিস্টেমের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ডেটাগুলির কপি যা অন্য কোনো জায়গায় সংরক্ষণ করা হয়, এবং ডিলিট বা করাপ্টেড হয়ে গেলে প্রয়োজনমতো আবার সেগুলিকে ফিরে পাওয়া যায়। আমাদের সমস্ত ডেটা যেখানে স্টোর থাকে তা হল কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি
• এক বা একাধিক শহরের মধ্যে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে MAN (Metropolitan Area Network) বলা হয়। MAN সাধারণত একটি শহর বা কাছাকাছি অবস্থিত একাধিক শহর জুড়ে ডাটা যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করে। এটি LAN-এর চেয়ে বড় পরিসরের এবং WAN-এর তুলনায় ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, সিটি কর্পোরেশন, বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান MAN ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকাকে সংযুক্ত করে।
- অন্যদিকে LAN ছোট এলাকার জন্য, PAN ব্যক্তিগত ডিভাইসের জন্য এবং WAN দেশ বা মহাদেশজুড়ে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) MAN.
মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).
• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।
• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।
উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
স্মার্টফোনে সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD স্ক্রিন ব্যবহৃত হয়।
• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে একটি ডিসপ্লে স্ক্রিন (সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD), বিল্ট-ইন ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রোগ্রাম (যেমন একটি ইলেকট্রনিক ক্যালেন্ডার এবং ঠিকানা বই) এবং একটি অপারেটিং সিস্টেম (OS) থাকে।
- স্মার্টফোনকে মোবাইল ফোনের মধ্যে একত্রিত একটি হ্যান্ডহেল্ড কম্পিউটার হিসেবেও ধরা যেতে পারে।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন- লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।
- ই-কমার্সে যখন গ্রাহক অনলাইনে টাকা পরিশোধ করেন বা ব্যক্তিগত তথ্য (পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর ইত্যাদি) দেন, তখন সেই ডেটাকে সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য ব্যবহৃত হয় HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure).
• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
DHCP: IP address assignment এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
SMTP: ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
FTP: এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়।
তথ্যসূত্র:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। Bigcommerce Essentials ওয়েবসাইট।
• অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL (Secure Sockets Layer) ব্যবহার করার প্রধান কারণ হলো ডেটা এনক্রিপশন। যখন ব্যবহারকারী তাদের ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক তথ্য দিয়ে লেনদেন করে, তখন এই সংবেদনশীল তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভারে পাঠানো হয়। যদি তথ্য এনক্রিপ্ট করা না থাকে, তবে হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষ সহজেই তা চুরি করতে পারে। SSL ব্যবহার করে ডেটা নিরাপদভাবে এনক্রিপ্ট করা হয়, অর্থাৎ তথ্য কোড আকারে রূপান্তরিত হয় যা শুধুমাত্র প্রাপকের সার্ভারই পড়তে পারে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য সুরক্ষিত থাকে, অনলাইন লেনদেন নিরাপদ হয় এবং ওয়েবসাইটের প্রতি ব্যবহারকারীর আস্থা বাড়ে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটা এনক্রিপশন।
SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।
ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।
উৎস: Kaspersky website.
ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
যে স্থানে Wi-Fi অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেই স্থানকে হটস্পট বলা হয়।
• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- ওয়াই-ফাই হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- এটি ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং গেমিং কনসোলের মতো ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- যে স্থানে ওয়াই-ফাই এর অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেগুলোকে "হটস্পট" বলা হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউ.এস. ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন রেডিও স্পেকট্রামের কিছু ব্যান্ড (৯০০ MHz, ২.৪ GHz, ৫.৮ GHz) লাইসেন্সবিহীন ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়।
- ১৯৯৭ সালে IEEE ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ওয়্যারলেস ইথারনেট কম্প্যাটিবিলিটি অ্যালায়েন্স (WECA) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং Wi-Fi নামে পরিচিতি লাভ করে।
• ফ্রিকোয়েন্সি ও চ্যানেল:
- IEEE স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডগুলোকে চ্যানেলে ভাগ করা হয়।
- চ্যানেলগুলো ফ্রিকোয়েন্সিতে ওভারল্যাপ করে।
- সাধারণত Wi-Fi সিগন্যাল ১০০ মিটারের কম দূরত্বে ইন্ডোর পরিবেশে প্রেরণ করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
◉ ই-কমার্স (E-commerce) হলো অনলাইন মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া। এখানে পেমেন্ট করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক্রেডিট কার্ড (Credit Card), ডেবিট কার্ড (Debit Card), মোবাইল ব্যাংকিং (Bkash, Nagad, PayPal, etc.), এবং অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার ই-কমার্স পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম।
অন্যদিকে, পোস্টাল অর্ডার এবং চেক ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলো দ্রুত ও নিরাপদ নয়।
ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর একটি উদাহরণ।
•MAN
- MAN এর পূর্ণরূপ Metropolitan Area Network.
- MAN হল এমন একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিস্তৃত থাকে এবং বিভিন্ন LAN নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- এটি সাধারণত ৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- তারবিহীন প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বলে।
- এই নেটওয়ার্ক হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
• MAN-এর ব্যবহার:
- একটি শহরের ব্যাংক শাখাগুলোর মধ্যে সংযোগ।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল্ডিংয়ে ইন্টারনেট সংযোগ।
- শহরের পুলিশ স্টেশনগুলোকে সংযুক্ত করা।
- টেলিকম কোম্পানির শহরজুড়ে পরিষেবা।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
• স্মার্ট হোম ডিভাইস অটোমেশন বলতে বোঝায় ঘরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন লাইট, ফ্যান, এসি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়া। এই কাজের জন্য সাধারণত যে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহৃত হয়, তা হলো Arduino. এটি একটি ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম, যা সেন্সর, রিলে, এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করে।
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- নেটওয়ার্কের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামোকে টপোলজি বলা হয়।
• নেটওয়ার্কের লিঙ্কগুলোর ভৌগোলিক কাঠামোকে টপোলজি (Topology) বলা হয়। এটি নেটওয়ার্কের বিভিন্ন ডিভাইস এবং লিঙ্কগুলোর সম্পর্ক ও বিন্যাস কিভাবে হয়েছে তা চিত্রায়িত করে। টপোলজি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত: ফিজিক্যাল টপোলজি এবং লজিক্যাল টপোলজি। ফিজিক্যাল টপোলজি দেখায় ডিভাইসগুলো বাস্তবে কিভাবে সংযুক্ত, আর লজিক্যাল টপোলজি দেখায় ডেটা কিভাবে নেটওয়ার্কে প্রবাহিত হয়। সাধারণ টপোলজির ধরনগুলো হলো: বাস টপোলজি, স্টার টপোলজি, রিং টপোলজি, মেশ টপোলজি ইত্যাদি। সঠিক টপোলজি নির্বাচন নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা, স্থায়িত্ব এবং ব্যয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সঠিক উত্তর: খ) টপোলজি।
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus Topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology),
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Hybrid Cloud হলো একটি কম্পিউটিং পরিবেশ, যেখানে Public Cloud এবং Private Cloud উভয় একসাথে ব্যবহার করা হয় এবং পরস্পরের সাথে ইন্টিগ্রেটেড থাকে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
◉ গ্রামীণ এলাকায় সাধারণত ফাইবার অপটিক ক্যাবল পৌঁছানো ব্যয়বহুল এবং অবকাঠামোগতভাবে কঠিন। স্যাটেলাইট ইন্টারনেট (যেমন Starlink) সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে ইন্টারনেট সরবরাহ করে, তাই যেখানে তার বা টাওয়ার পৌঁছানো সম্ভব নয়, সেখানেও এটি কাজ করে। এজন্য গ্রামীণ এবং দুর্গম অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- স্পেস এক্স এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০০টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।
- পৃথিবীর ৬০টি দেশে তাদের কভারেজ রয়েছে।
- স্টারলিংক ছোট উপগ্রহের একটি অ্যারের (সারি) মাধ্যমে সীমাহীন উচ্চ-গতির ডেটা সরবরাহ করে। গতি প্রতি সেকেন্ডে ১৫০ মেগাবিট (১৫০ এমবিপিএস)। স্পেসএক্স এই হার দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করেছে।
- উকলা (ookla) স্পিডটেস্ট অনুসারে, স্টারলিংক লিথুয়ানিয়ায় ২০২২ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ১৬০ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি রেকর্ড করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ৯১ এমবিপিএস, কানাডায় ৯৭ এমবিপিএস এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১২৪ এমবিপিএস পাওয়া গেছে। মেক্সিকোতে স্টারলিঙ্কের গতি রেকর্ড করা হয়েছে গড়ে ১০৫ দশমিক ৯১ এমবিপিএস।
উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।
সঠিক উত্তর - ঘ) Main computer
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এই ধরনের নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।
- ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসিগুলোকে প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসের মধ্যে থাকে ফাইল শেয়ারিং, প্রিন্ট সার্ভিস, মেসেজিং, ডেটাবেস ও অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ
১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network)
- একটি প্রধান কম্পিউটার ও কিছু টার্মিনালের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রধান কম্পিউটারকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকে।
২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network)
- পরস্পর সংযুক্ত ওয়ার্কস্টেশন, শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস ও প্রয়োজনীয় ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সমন্বয়ে তৈরি।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলো নিজের মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজ সম্পন্ন করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• ইন্টারনেটের অধিকাংশ সেবা ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেলের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত।
• ইন্টারনেট ও ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেল:
- ইন্টারনেটের অধিকাংশ সেবা ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেলের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ক্লায়েন্ট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে তাদের কার্য সম্পাদন করে।
- সকল ডাটা, ই-মেইল বার্তা, ডাটাবেজ ও ওয়েবসাইট সাধারণত সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে।
- ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের কম্পিউটার (ক্লায়েন্ট) থেকে সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান–প্রদান করে।
• ইন্টারনেটের প্রধান সেবা ও ক্ষমতাসমূহ:
- ই-মেইল (E-mail),
- ইউজনেট (Usenet),
- নিউজগ্রুপ (Newsgroup),
- লিস্টসার্ভ (Listserv),
- চ্যাটিং (Chatting),
- টেলনেট (Telnet),
- FTP (File Transfer Protocol),
- গোফার (Gopher),
- আর্চি (Archie),
- ভেরোনিকা (Veronica),
- WAIS,
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)।
- তথ্য অনুসন্ধান ও যোগাযোগের জন্য এসব সেবা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
• ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে:
- ইন্টারনেটে কমান্ড ও ডাটা আদান–প্রদানের জন্য TCP/IP (Transmission Control Protocol / Internet Protocol) ব্যবহার করা হয়।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয় এবং পরে ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ স্থাপন করে।
- কম্পিউটার সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে অথবা রিমোট টার্মিনাল বা নেটওয়ার্ক গেটওয়ে–এর মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারে।
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি স্বতন্ত্র IP ঠিকানা থাকে এবং সাধারণত Domain Name System (DNS) ব্যবহার করে নামের মাধ্যমে পরিচিত হয়।
- অধিকাংশ ইন্টারনেট প্রোগ্রাম ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেল অনুসরণ করে, যেখানে ক্লায়েন্ট প্রোগ্রাম সার্ভারের কাছ থেকে ডাটা গ্রহণ বা প্রেরণ করে।
• Other Options:
ক) পিয়ার-টু-পিয়ার মডেল
→ এটি কিছু নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হলেও ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি নয়।
গ) স্ট্যান্ডঅ্যালোন কম্পিউটিং
→ এতে নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা বা সার্ভার নির্ভরতা থাকে না।
ঘ) মেইনফ্রেম প্রযুক্তি
→ এটি পুরনো কেন্দ্রীয় কম্পিউটিং পদ্ধতি; আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি নয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission) : অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন। এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়। সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
• IBM-এর ফ্ল্যাগশিপ ক্লাউড প্ল্যাটফর্মকে IBM Cloud বলা হয়। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক, প্রাইভেট এবং হাইব্রিড ক্লাউড পরিষেবা প্রদান করে, যা ব্যবসায়িক ও প্রযুক্তিগত চাহিদা মেটাতে সক্ষম। IBM Cloud ডেভেলপারদের জন্য অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিং, ডেটা স্টোরেজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অ্যানালিটিকস সুবিধা প্রদান করে। এটি বিভিন্ন ক্লাউড মডিউল যেমন IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service) সমর্থন করে, যা সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে তাদের ডিজিটাল রূপান্তর সহজ করতে সাহায্য করে। IBM Cloud উচ্চ নিরাপত্তা, স্কেলেবিলিটি এবং বিশ্বস্ততা নিশ্চিত করে, ফলে এটি বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত উভয় ক্ষেত্রে জনপ্রিয়।
উত্তর: গ) IBM Cloud.
উল্লেখ্য,
[- Flagship শব্দের অর্থ হলো - কোনো প্রতিষ্ঠান, ব্র্যান্ড বা সংস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেরা, বা প্রতিনিধিত্বকারী পণ্য, পরিষেবা বা শাখা।
- Flagship এর মূল ধারণা:
- প্রথমে নৌবাহিনীতে ব্যবহার হতো - যে জাহাজে কমান্ডার থাকতেন, সেটাই ছিল flagship ship.
- পরে শব্দটি ব্যবসা, প্রযুক্তি, এবং পণ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- কোনো ব্র্যান্ডের সবচেয়ে বড় বা বিশেষ শোরুমকে বলা হয় তার flagship store.
- Samsung-এর flagship ফোন: Galaxy S সিরিজ।
- Apple-এর flagship ফোন: iPhone Pro সিরিজ।
- আবার, ফ্ল্যাগশিপ সার্ভিস বলতে - একটি কোম্পানির সবচেয়ে উচ্চমানের বা প্রধান সার্ভিস।]
• IBM:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines.
- ১৯১১ সালে আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান (নভেম্বর, ২০২৫) নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোয়ান্টাম কম্পিউটিং সহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তি সেবা প্রদান করে।
উৎস: IBM এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
• ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো Advanced Research Projects Agency Network, যা সঠিক উত্তর ক)। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীন Advanced Research Projects Agency (ARPA) কর্তৃক ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে উন্নয়ন করা হয়। ARPANET-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ করা। এটি প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা নেটওয়ার্ক যোগাযোগকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলে। ARPANET-ই আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এখান থেকেই TCP/IP প্রোটোকলের ধারণা ও ব্যবহার শুরু হয়।
• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) মূল ভিত্তি, কারণ শক্তিশালী কম্পিউটারের মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি এবং সিমুলেশনের মাধ্যমে সেটিকে বাস্তব মনে করানো হয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।
• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।ো
স্টারলিংক কোন ধরনের সেবা প্রদান করে- স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা।
• স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা:
- প্রথম উপগ্রহটি ২০১৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
- ২০২০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল।
- এবং এরপর থেকে এটি ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে আসছে।
- স্টারলিংক একটি উপগ্রহ-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা যা স্পেসএক্স দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্টারলিংক সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ১৫০ মেগাবিট পর্যন্ত ডাউনলোড গতি।
উৎস: Britannica.
◉ ডিপ লার্নিং (Deep Learning) কৃষি উৎপাদনের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রযুক্তি। এটি আবহাওয়া, মাটির গুণাগুণ, ফসলের ইতিহাস এবং অন্যান্য ডেটা বিশ্লেষণ করে সঠিক পূর্বাভাস দিতে পারে। অন্য অপশনগুলি, যেমন ক্লাউড কম্পিউটিং, ব্লকচেইন এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, কৃষি পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।
ডিপ লার্নিং:
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।
• OpenAI-এর জনপ্রিয় LLM হলো GPT। GPT এর পুরো নাম হলো Generative Pre-trained Transformer, যা একটি অত্যাধুনিক ভাষা মডেল। এটি বড় পরিমাণে টেক্সট ডেটা থেকে শিখে মানুষের মতো লেখা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সংলাপ চালানো এবং জটিল ভাষাগত কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। অন্য অপশনগুলো ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন, YOLO হলো অবজেক্ট ডিটেকশন মডেল, BERT হলো প্রাক-প্রশিক্ষিত ভাষা মডেল কিন্তু OpenAI নয়, এবং ResNet হলো ইমেজ প্রসেসিংয়ের জন্য কনভলিউশনাল নিউরাল নেটওয়ার্ক। তাই, OpenAI-এর তৈরি এবং জনপ্রিয় LLM হল স্পষ্টভাবে GPT.
• LLM মডেল প্রশিক্ষণে GPU ব্র্যান্ড:
- LLM মডেল ট্রেনিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA.
- NVIDIA এর CUDA এবং Tensor Core প্রযুক্তি deep learning কাজের জন্য অত্যন্ত অপ্টিমাইজড।
- এই প্রযুক্তি মডেল ট্রেনিংয়ের সময় দ্রুত ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে।
- AMD ও Intel GPU কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য হলেও NVIDIA এর ecosystem এবং সফটওয়্যার সাপোর্ট সবচেয়ে বড়।
- Apple এর GPU মূলত মোবাইল বা ডেস্কটপ গ্রাফিক্সের জন্য, বড় LLM ট্রেনিংয়ে ব্যবহার সীমিত।
- তাই LLM মডেল প্রশিক্ষণে NVIDIA GPU এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সঠিক উত্তর: ক) NVIDIA.
সূত্র:
- OpenAI website.
- IBM. [link]
১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা নামক একটি জিএসএম অপারেটর সর্বপ্রথম ব্যবসায়িক ভাবে এবং জিএসএম স্টেন্ডার্ডে ২ জি তারবিহীন নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা নামক একটি জিএসএম অপারেটর সর্বপ্রথম ব্যবসায়িক ভাবে এবং জিএসএম স্টেন্ডার্ডে ২ জি তারবিহীন নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - Al):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হলো বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
⇒ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক John McCarthy।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।
- কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত।
- আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
⇒ AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
• ই-পর্চা সেবা বলতে জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা।
• ই-পর্চা সেবা:
- ই-পর্চা সেবা হলো জমি বা ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত ও সহজে অনলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করার একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা।
- পূর্বে জমির রেকর্ড সংগ্রহ করতে সরাসরি ভূমি বা জমি রেজিস্ট্রি অফিসে যেতে হতো, যা ছিল সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ণ।
- এই জটিলতা ও ভোগান্তি কমানোর জন্য বর্তমানে চালু করা হয়েছে ই-পর্চা সেবা।
- ই-পর্চা সেবার মাধ্যমে দেশের সকল জমির রেকর্ড অনলাইনে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
- এর ফলে নাগরিকরা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই জমির রেকর্ডের কপি বা পর্চা সংগ্রহ করতে পারছেন।
- বর্তমানে ই-পর্চা সেবার আওতায় আবেদনকারীরা জেলা ও উপজেলা ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার অথবা ই-সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।
- নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ই-পর্চা সংগ্রহ করা সম্ভব।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• আইপি এড্রেস হচ্ছে ইন্টারনেটে কোনো ডিভাইসের স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর।
• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর: খ) 2.4 GHz - 5 GHz
Wi-Fi
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারলেস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• ক্লাউড কম্পিউটিং মাল্টি-টেন্যান্ট মডেলে কাজ করে, যেখানে রিসোর্স একাধিক গ্রাহকের মধ্যে ভাগাভাগি করে ব্যবহৃত হয়।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেকনোলজি (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১.রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
এছাড়াও ব্রড নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস (Broad network access), রিসোর্স পুলিং (Resource pooling)- এগুলোও ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য।
এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। NIST Website. [লিংক]