বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১৫ / ৫১ · ১,৪০১১,৫০০ / ৫,০২৮

১,৪০১.
What is the main purpose of a computer firewall?
  1. ক) Security
  2. খ) Monitoring
  3. গ) Authentication
  4. ঘ) Data communication
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- ফায়ারওয়ালের সবচেয়ে বহুল ব্যবহার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে।
- তথ্য নিরাপত্তা রক্ষাও এর কাজের অংশ।
১,৪০২.
নিম্নের কোনটি একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস?
  1. 203.0.113.0
  2. 8.8.8.8
  3. 192.0.2.256
  4. 127.0.0.1
ব্যাখ্যা
• IPv4 অ্যাড্রেস চারটি সংখ্যার গ্রুপ নিয়ে গঠিত, প্রতিটি গ্রুপের মান হতে পারে 0 থেকে 255-এর মধ্যে। প্রতিটি গ্রুপকে অক্টেট বলা হয় এবং এগুলো ডট (.) দিয়ে আলাদা করা হয়। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে “192.0.2.256” একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস, কারণ এখানে শেষ অক্টেটটি 256, যা গ্রহণযোগ্য সীমা 0-255 এর বাইরে। অন্য তিনটি অ্যাড্রেস (203.0.113.0, 8.8.8.8, 127.0.0.1) বৈধ ও প্রচলিত IPv4 অ্যাড্রেস।
- তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) 192.0.2.256 — এটি একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস, কারণ এতে সংখ্যাগত সীমা লঙ্ঘিত হয়েছে।


• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০৩.
শরীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি?
  1. আইরিশ শনাক্তকরণ
  2. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  3. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
  4. কিবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক (Biometric): 
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায় বায়োমেট্রিকের প্রকারভেদ দুইরকম। 
যথা- 
ক) শরীরবৃত্তীয় (Physiological) বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১। আইরিশ শনাক্তকরণ (Irish scanning): 
- এ পদ্ধতিতে চোখের মণির চারপাশে বেষ্টিত রঙিন বলয় বা আইরিশ বিশ্লেষণ করে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। শনাক্তকরণের জন্য সময়ও তুলনামূলকভাবে কম লাগে এবং সূক্ষ্মতাও গ্রহণযোগ্য মাত্রায় হয়ে থাকে। তবে কন্টাক্ট লেন্স পরা থাকলে এ পদ্ধতি সবসময় কার্যকরী নাও হতে পারে। 

২। আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ (Finger print): 
- এ পৃথিবীতে প্রকৃতিগতভাবে প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ ভিন্ন অর্থাৎ একজনের সাথে অন্য আরেকজনের আঙুলের ছাপের মিল নেই। একজনের টিপসই কখনোই অন্যজনের সাথে খাপ খাবে না। 
- ফিংগার প্রিন্ট রিডারে কারো আঙুলের ছাপ দেয়ার পর ছাপটির ছবি কম্পিউটার ডেটাবেজে সংরক্ষিত হয়ে যায়। 
- ফিংগার প্রিন্ট মেশিনটি আঙুলের রেখার বিন্যাস, ত্বকের টিস্যু এবং ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালনের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে আঙুলের ছাপচিত্র তৈরি করে ও আঙুলের দৈর্ঘ্য বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

৩। মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ (Face recognition): 
- এই পদ্ধতিতে পুরো মুখমন্ডলের ছবি তুলে শনাক্ত করা হয়। আগে থেকে রক্ষিত স্যাম্পল মানের সাথে যার মুখমণ্ডলের আকৃতি তুলনা করা হবে তার ছবি ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণ করে সেটি তুলনা করা হয়। 

৪। ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test): 
- ডিএনএ (DNA: Deoxyribo Nucleic Acid) টেস্টের মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তিকে অত্যন্ত নিখুঁত ও প্রশ্নাতীতভাবে শনাক্ত করা যায়। 
- মানব শরীরের যে কোনো উপাদান যেমন- রক্ত, চুল, আঙুলের নখ, মুখের লালা হতে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীকালে নমুনা নিয়ে পূর্ববর্তী ডেটার সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা যায়। 

(খ) আচরণগত (Behavioral) বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১। হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ (Signature verification): 
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ও দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তিকে শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের আকার, ধরন, লেখার গতি, সময়, লেখার মাধ্যমের (যেমন- কলম, পেনসিল ইত্যাদি) চাপকে যাচাই করে শনাক্তকরণ করা হয়। 

২। কিবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ (Typing keystroke verification): 
- কিবোর্ড কিংবা এ জাতীয় কোনো ইনপুট ডিভাইসে তার গোপনীয় কোড কত দ্রুত টাইপ করে দিতে পারে তার সময় পূর্বের সময়ের সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। 

৩। কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (Voice recognition): 
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীর কন্ঠস্বরকে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে ধারণপূর্বক কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর সাহায্যে ইলেকট্রিক সিগন্যালে রূপান্তর করে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীকালে ভয়েস রেকর্ডারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কন্ঠস্বর রেকর্ড করা হয় এবং পূর্বের ধারণকৃত কণ্ঠস্বরের সাথে তুলনা করে শনাক্তের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ পদ্ধতিতে ব্যক্তির সর্দি, কাশি হলে শনাক্তকরণে বিঘ্নের সৃষ্টি হয়। 
- এছাড়াও মৃতদেহ শনাক্তকরণ, অপরাধী শনাক্তকরণ, পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণ, জাতীয় পরিচয়পত্র, বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভোটার নিবন্ধন, এটিএম ও অনলাইন ব্যাংকিং, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও উপস্থিতি নির্ণয়, কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন লগইন, ই-কমার্স ও স্মার্ট কার্ড ইত্যাদিতে বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির ব্যবহার হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১,৪০৪.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Alta Vista
  2. Safari
  3. Mozilla Firefox
  4. Google Chrome
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়।
- ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেখা বা খুঁজাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং বলা হয়।
- ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট, ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু স্পেশাল চিহ্ন ও ক্যারেক্টার ব্যবহার করলে স্বল্প সময়ে সর্বোৎকৃষ্ট সদ্ধান পাওয়া যায়।
- ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন করে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ের ওয়েবপেজের তালিকা পাওয়া যায়।
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে। বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে।
যেমন:
• Yahoo,
• Google,
• Alta Vista,
• Mamma,
• Hotbot,
• Bing,
• Go ইত্যাদি।
- পিপীলিকা (Pipilica) বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন।

ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
-জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো-
• Google Chrome,
• Mozilla Firefox,
• Safari,
• Opera,
• Microsoft Edge,
• Maxthon,
• Brave,
• UC Browser.

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বি এড এবং ব্রিটানিকা।
১,৪০৫.
Which of the following is a valid function in Microsoft Excel?
  1. ক) MAXIMUM
  2. খ) MINUTE
  3. গ) SUBSTRACT
  4. ঘ) HIGHEST
ব্যাখ্যা
MINUTE is a function of Microsoft Excel.
Example Formula : =MINUTE(A2) 

Source: support.microsoft.com
১,৪০৬.
Bluetooth এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ কয়টি ডিভাইসকে সংযুক্ত করা যায়?
  1. ১৫টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা
Bluetooth - Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)
১,৪০৭.
IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Interconnected Real-time Chat
  2. Integrated Remote Connection
  3. Internet Relay Chart
  4. Internet Relay Chat
ব্যাখ্যা

• IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Internet Relay Chat. এটি একটি প্রটোকল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বার্তা আদান-প্রদান করতে দেয়। IRC মূলত চ্যাট রুম বা চ্যানেলের মাধ্যমে বহু ব্যবহারকারীকে একই সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেয়। এটি ১৯৮০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল এবং তখন থেকেই এটি অনলাইন কমিউনিটি, গ্রুপ আলোচনা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা IRC সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চ্যাটে অংশ নিতে পারে এবং প্রাইভেট মেসেজও পাঠাতে পারে। এটি সরল অথচ কার্যকর একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) Internet Relay Chat.


• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট:
- IRC এর পূর্ণরূপ Internet Relay Chat.
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC কে প্রায়ই ইন্টারনেটের 'CB রেডিও' হিসেবে অ্যাখায়িত করা হয়, কারণ এটা কয়েকজন বা অনেককে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪০৮.
স্টারলিংকের সুবিধা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে কীভাবে আলাদা?
  1. শুধুমাত্র শহরে কাজ করে
  2. দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে
  3. ধীরগতির
  4. ফাইবার অপটিক ক্যাবল প্রয়োজন
ব্যাখ্যা

• স্টারলিংক হলো এলন মাস্কের স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা, যা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে বেশ ভিন্ন। প্রচলিত ইন্টারনেট সাধারণত ফাইবার অপটিক বা ব্রডব্যান্ড লাইনের ওপর নির্ভর করে এবং শহর বা শহরের কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত কাজ করে, কিন্তু দূরবর্তী গ্রামাঞ্চল বা দুর্গম এলাকায় অনেক সময় সেবা পাওয়া যায় না। স্টারলিংক এর সুবিধা হলো এটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে কভার করতে পারে, তাই এমন অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান সম্ভব। এটি ফাইবার ক্যাবল বা স্থলভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুত ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়। অর্থাৎ, স্টারলিংক দূরবর্তী এলাকা পর্যন্ত ইন্টারনেট পৌঁছাতে সক্ষম।

সঠিক উত্তর: খ) দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে।

স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।

১,৪০৯.
http প্রথম ব্যবহৃত হয় কখন?
  1. ১৯৬৯
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৮০
  4. ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http):
- ইন্টারনেটের বিকাশকালে ১৯৮৯ সালে টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee ) হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
- সেই থেকে ‘টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee ) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত।
- নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট বিস্তৃত হয়।
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং বিকশিত হয় বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• টিম বার্নার্স-লি বা স্যার টিমোথি জন "টিম" জন বার্নার্স-লি(ইংরেজি:Tim Berners-Lee) (জন্ম জুন ৮,১৯৫৫), এবং TimBL নামেও যিনি পরিচিত, যিনি পেশায় একজন ব্রিটিশ পদার্থবিদ, কম্পিউটার বিজ্ঞানী, MIT অধ্যাপক, এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের পরিচালক। তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
১,৪১০.
কেবলমাত্র ই-মেইল প্রেরণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার কোনটি?
  1. নেটস্কেপ
  2. ইউডোরা প্রো
  3. ফায়ারফক্স
  4. উইন্ডোজ এনটি
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য হার্ডওয়‍্যার সামগ্রীর পাশাপাশি সফটওয়‍্যারের গুরুত্ব অপরিসীম।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়‍্যার ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য সিস্টেম সফটওয়‍্যার হিসেবে Microsoft Windows NT, XP ইত্যাদি।
- কেবলমাত্র ই-মেইল প্রেরণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হচ্ছে gmail, আউটলুক এক্সপ্রেস, ইউডোরা প্রো ইত্যাদি।
- Web pages ব্রাউজ করার সফটওয়‍্যার হচ্ছে Internet Explorer, Netscape, Google Chrome, Firefox ইত্যাদি। এছাড়া FTP, Ghoper, Telnet ইত্যাদি সফটওয়‍্যারও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১১.
Amazon's cloud computing platform is known as:
  1. IBM Cloud
  2. Google Cloud Platform
  3. Azure
  4. AWS
ব্যাখ্যা
Cloud Computing:
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কম্পিউটার সিস্টেমের স্টোরেজে ডেটা সংরক্ষণ করা এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে গ্রাহক বা অন্যান্য ব্যবহারকারীদের সিস্টেম এবং স্টোরেজে অ্যাক্সেস প্রদান করা।

IBM Cloud দুই ধরনের সেবা প্রদান করে:
- Platform as a Service (Paas) এবং
- Infrastructure as a Service (IaaS).

আইবিএম ক্লাউড (Iaas) ও (PaaS) প্ল্যাটফর্মকে একত্র করে ব্যবহারকারীকে সমন্বিত অভিজ্ঞতা প্রদান করে থাকে।

Infrastructure as a Service (IaaS) :
-Iaas এর অধীনে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়।

Platform as a Service (Paas):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

অপশন আলোচনা:
- AWS (Amazon Web Services) হচ্ছে Amazon- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম
- IBM Cloud হচ্ছে IBM- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।
- Google Cloud Platform হচ্ছে Google- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।
- Azure হচ্ছে Microsoft- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।

উৎস :
১) আইবিএম ওয়েবসাইট।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৪১২.
যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধযানে ড্রাইভারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) কন্ট্রোলার
  2. খ) রোবট
  3. গ) জাহাজ
  4. ঘ) রকেট
ব্যাখ্যা
যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধযানে ড্রাইভারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয় রোবট।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪১৩.
জনপ্ৰিয় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট YouTube এর প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ক) স্টিভ চেন
  2. খ) জাবেদ করিম
  3. গ) চ্যাড হারলি
  4. ঘ) উপরের সকলে
ব্যাখ্যা
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- এটি ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা। 
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। 
- গুগল ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ইউটিউব কিনে নেয়। 
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।

সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও ইউটিউব অফিসিয়াল সাইট।
১,৪১৪.
META'র অন্যতম বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) Community Build Up
  2. খ) E-Business
  3. গ) Virtual Reality
  4. ঘ) All of the Above
ব্যাখ্যা
Meta'র অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে - Virtual Reality. 

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের প্রাতিষ্ঠানিক বা কোম্পানির নতুন নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস, সংক্ষেপে মেটা। অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাপ বা সাইটটি আগের, তথা ফেসবুক নামেই থাকছে; কিন্তু ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি এখন থেকে সামগ্রিকভাবে পরিচালনা করবে মেটা, যা আগে ছিল ফেসবুকের অধীনে।

সূত্র: ফেসবুক ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
১,৪১৫.
একটি হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে, যদি ডিভাইস A তথ্য প্রেরণ করছে, ডিভাইস B-এর কী হবে?
  1. একসাথে ডেটা পাঠাতে পারবে
  2. B এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে
  3. A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে
  4. B স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে চলে যাবে
ব্যাখ্যা

• হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে তথ্য আদানপ্রদান দুই দিকেই হয়, কিন্তু এক সময়ে কেবল একটি দিকেই ডেটা প্রেরণ সম্ভব। অর্থাৎ, একই মুহূর্তে দুইটি ডিভাইস একসাথে ডেটা প্রেরণ করতে পারে না। সুতরাং, যদি ডিভাইস A তথ্য প্রেরণ করছে, ডিভাইস B কে অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না A-এর প্রেরণ সম্পন্ন হয়। এই কারণে, B-এর তথ্য প্রেরণ তখনই শুরু করা যায় যখন চ্যানেল খালি হয়। হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে এক সময়ে এক পক্ষই প্রেরণকারী এবং অন্য পক্ষ গ্রাহক থাকে, যা সম্পূর্ণ ডুপ্লেক্সের থেকে আলাদা। তাই সঠিক উত্তর হবে: গ) A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
 
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 

যেমন- 
১. সিমপ্লেক্স (Simplex): 
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। 
যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি। 

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। 
যেমন- ওয়াকিটকি। 

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১,৪১৬.
গুগল জিমেইল সেবা চালু করে -
  1. ক) ২০০৪ সালে
  2. খ) ২০০৬ সালে
  3. গ) ২০০৫ সালে
  4. ঘ) ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
গুগল জিমেইল সেবা চালু করে - ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল।
Source: google.com
১,৪১৭.
নিচের কোন প্রযুক্তি 'অন-ডিমান্ড ও পে-অ্যাজ-ইউ-গো' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. ক) Internet of Things (IoT)
  2. খ) Cloud Computing
  3. গ) Client-Server Systems
  4. ঘ) Big Data Analytics
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
২) অন-ডিমান্ড
৩) পে-অ্যাজ-ইউ-গো

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
১,৪১৮.
নিচের কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের বৈশিষ্ঠ্য?
  1. GSM - পদ্ধতিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ
  2. উন্নত GPRS
  3. VOIP
  4. পেজিং সিস্টেম ব্যবহার
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান সময় পর্যন্ত:
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

১,৪১৯.
বাংলাদেশে প্রথম ই-বুক কোনটি?
  1. একুশ ই-বুক
  2. বায়ান্ন ই-বুক
  3. একাত্তর ই-বুক
  4. চব্বিশ ই-বুক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হলো 'একুশ ই-বুক'। এটি মূলত ইন্টারনেটে বাংলা বই পড়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য একটি অগ্রগামী পদক্ষেপ ছিল। 
- এটি ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। 

• বাংলাদেশের ই-বুক ও ডিজিটাল শিক্ষার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- একুশ ই-বুক: এটি মূলত আমাদের ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির (একুশে ফেব্রুয়ারি) স্মৃতি রক্ষার্থে নামকরণ করা হয়েছে।
- জাতীয় ই-বুক প্ল্যাটফর্ম: বর্তমানে সরকারিভাবে www.ebook.gov.bd নামে একটি বিশাল ই-বুক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সকল পাঠ্যবই পাওয়া যায়।
- মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট: আধুনিক ই-বুকগুলোতে শুধু টেক্সট নয়, বরং অডিও, ভিডিও এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যানিমেশন যুক্ত থাকে।
- সহজলভ্যতা: ই-বুকগুলো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপে যেকোনো স্থান থেকে পড়া সম্ভব।
- পরিবেশবান্ধব: ডিজিটাল ফরম্যাটে হওয়ায় এতে কাগজের প্রয়োজন হয় না, ফলে এটি পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক।

উৎস: প্রথম আলো [link]

১,৪২০.
হার্ডডিস্ক এর ডাটা সংরক্ষণের জন্য উত্তম পন্থা হলো-
  1. ক) এন্টিভাইরাস ব্যবহার
  2. খ) নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা
  3. গ) নিয়মিত উইন্ডোজ আপডেট দেয়া
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

-কম্পিউটার ব্যাকআপ বলতে বোঝায় আপনার সিস্টেমের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ডেটাগুলির কপি যা অন্য কোনো জায়গায় সংরক্ষণ করা হয়, এবং ডিলিট বা করাপ্টেড হয়ে গেলে প্রয়োজনমতো আবার সেগুলিকে ফিরে পাওয়া যায়। আমাদের সমস্ত ডেটা যেখানে স্টোর থাকে তা হল কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি

১,৪২১.
ট্যাম্পারিং আক্রমণ কীভাবে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করে?
  1. ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করে
  2. ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন করে
  3. ইমেইল পাসওয়ার্ড চুরি করে
  4. কম্পিউটারের ফাইল চুরি করে
ব্যাখ্যা
• Tampering:
- এটি একটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অজান্তে ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL)-এ কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে।
- পরিবর্তিত ইউআরএলটি ব্যবহারকারীর কাছে বৈধ বলে মনে হয়।
- হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ বা মূল্যবান তথ্য চুরি করার জন্য ট্যাম্পারিং করে থাকে।
- ট্যাম্পারিং এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করেও ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করা হয়।
- অবৈধভাবে অনুমোদন লাভ করে, আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর প্রবেশ করা কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে নির্দিষ্ট ইউআরএল বা ওয়েব পৃষ্ঠায়।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২২.
Which protocol is widely used for data exchange on the Internet?
  1. TCP/IP
  2. FTP
  3. HTTP/IP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.

• ARPANET:
- ARPANET হল একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো 'Advanced Research Projects Agency Network'.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৪২৩.
WWW এর সূচনা হয় কোথায়?
  1. The European Center for National Research
  2. The Europe Center for Nuclear Research
  3. The European Center for Nuclear Research
  4. The European Commission for Nuclear Research
ব্যাখ্যা
WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
১,৪২৪.
এক বা একাধিক শহরের মধ্যে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্কের নাম কী?
  1. MAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা

• এক বা একাধিক শহরের মধ্যে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে MAN (Metropolitan Area Network) বলা হয়। MAN সাধারণত একটি শহর বা কাছাকাছি অবস্থিত একাধিক শহর জুড়ে ডাটা যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করে। এটি LAN-এর চেয়ে বড় পরিসরের এবং WAN-এর তুলনায় ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, সিটি কর্পোরেশন, বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান MAN ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকাকে সংযুক্ত করে।
- অন্যদিকে LAN ছোট এলাকার জন্য, PAN ব্যক্তিগত ডিভাইসের জন্য এবং WAN দেশ বা মহাদেশজুড়ে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) MAN.

 
মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৪২৫.
নিচের কোনটি ইমেইল সেবা প্রদান করে না?
  1. SyIpheed
  2. Portbox
  3. Mulberry
  4. Maxthon
ব্যাখ্যা
• "Maxthon"এক ধরনের ওয়েব ব্রাউজার।

• ইমেইল:

- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইল ক্লায়েন্টগুলো:
- জিমেইল (Gmail)
- ইয়াহু মেইল (Yahoo Mail)
- মোজিলা থান্ডারবার্ড (Mozilla Thunderbird)
- ক্লজ মেইল (Claws Mail)
- ফক্সমেইল (Foxmail)
- পেগাসাস মেইল (Pegasus Mail)
- ইনক্রেডিমেইল (Incredimail)
- মালবেরি (Mulberry)
- ড্রিম মেইল (Dream Mail)
- সিলফিড (SyIpheed)
- আউটলুক (Outlook)
- জিমব্রা (Zimbra)
- পোস্টবক্স (Portbox) ইত্যাদি।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত:
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৪২৬.
sms সেবা চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০) এর বৈশিষ্ট 

১। এই প্রজন্মে ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগনাল ব্যবহৃত হয়।

২ । উন্নত মানের অডিও এর জন্য ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহৃত হয়।

৩ । ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক বেশী।

৪ । ডেটার প্রতারনা রোধে সহায়তা করে।

৫ । সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয়।

৬। এমএমএস(MMS) ও এসএমএস(SMS) সেবা কার্যক্রম চালু হয়
১,৪২৭.
স্মার্টফোনে সাধারণত কোন ধরণের স্ক্রিন ব্যবহৃত হয়?
  1. CRT
  2. OCD
  3. LCD
  4. OLD
ব্যাখ্যা

স্মার্টফোনে সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD স্ক্রিন ব্যবহৃত হয়।

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে একটি ডিসপ্লে স্ক্রিন (সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD), বিল্ট-ইন ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রোগ্রাম (যেমন একটি ইলেকট্রনিক ক্যালেন্ডার এবং ঠিকানা বই) এবং একটি অপারেটিং সিস্টেম (OS) থাকে।
- স্মার্টফোনকে মোবাইল ফোনের মধ্যে একত্রিত একটি হ্যান্ডহেল্ড কম্পিউটার হিসেবেও ধরা যেতে পারে।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৪২৮.
Cable TV Network কিসের উদাহরণ -
  1. ক) LAN
  2. খ) WAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Metropolitan Area Network (MAN) এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে Cable TV Network.

Metropolitan Area Network (MAN): 

- একটি শহর বা ছোট অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এলাকাকে বুঝায়।
- এটির নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি  LAN এর চেয়ে বড় কিন্তু WAN এর চেয়ে ছোট।
- যেমন: ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক, ফ্যাক্টরি, ওয়্যারহাউজ, বিক্রয় কেন্দ্র ইত্যাদিতে MAN ব্যবহৃত হয়। 

Wide Area Network (WAN): 

- বড় এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই WAN নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN এর উদাহরণ হলো – Internet. 

Local Area Network (LAN): 

- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায় ।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- যেমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (বোর্ড বই)।
১,৪২৯.
কাজের প্রয়োজনে রোবটকে কত ডিগ্রি কোণ পর্যন্ত ঘুরানো যায়?
  1. ক) ৯০
  2. খ) ১৮০
  3. গ) ২৭০
  4. ঘ) ৩৬০
ব্যাখ্যা
রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরণের ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল যন্ত্র যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা কোন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করতে পারে। এটি তৈরী হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নীতিতে যা Computer program দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। রোবট মানুষ কিংবা বিভিন্ন বুদ্ধিমান প্রাণীর মতো কাজ করতে পারে। এটি মানুষ ও মেশিন উভয় কর্তৃক পরিচালিত কিংবা দূর নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। রোবটের আকৃতি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। যে রোবট দেখতে মানুষের মত তাকে বলা হয় হিউমেনওয়েড।
১,৪৩০.
ই-কমার্সে নিরাপদ অনলাইন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রধানত কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. DHCP
  2. SMTP
  3. HTTPS
  4. FTP
ব্যাখ্যা

◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন- লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।

- ই-কমার্সে যখন গ্রাহক অনলাইনে টাকা পরিশোধ করেন বা ব্যক্তিগত তথ্য (পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর ইত্যাদি) দেন, তখন সেই ডেটাকে সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য ব্যবহৃত হয় HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure).

• HTTPS:

- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।


অন্যান্য অপশনসমূহ: 
DHCP: IP address assignment এর জন্য ব্যবহৃত হয়। 
SMTP: ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। 
FTP:  এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 


তথ্যসূত্র:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। Bigcommerce Essentials ওয়েবসাইট। 

১,৪৩১.
অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL ব্যবহার করার কারণ কী?
  1. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
  2. পণ্য প্রদর্শন
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. পেমেন্ট প্রসেসিং
ব্যাখ্যা

• অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL (Secure Sockets Layer) ব্যবহার করার প্রধান কারণ হলো ডেটা এনক্রিপশন। যখন ব্যবহারকারী তাদের ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক তথ্য দিয়ে লেনদেন করে, তখন এই সংবেদনশীল তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভারে পাঠানো হয়। যদি তথ্য এনক্রিপ্ট করা না থাকে, তবে হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষ সহজেই তা চুরি করতে পারে। SSL ব্যবহার করে ডেটা নিরাপদভাবে এনক্রিপ্ট করা হয়, অর্থাৎ তথ্য কোড আকারে রূপান্তরিত হয় যা শুধুমাত্র প্রাপকের সার্ভারই পড়তে পারে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য সুরক্ষিত থাকে, অনলাইন লেনদেন নিরাপদ হয় এবং ওয়েবসাইটের প্রতি ব্যবহারকারীর আস্থা বাড়ে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটা এনক্রিপশন।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

১,৪৩২.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জিআইএস প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৫
  3. গ) ১৯৯৭
  4. ঘ) ২০০১
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।

• GIS:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic information systems.
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ‚-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
- সুতরাং বলা যায় যে, কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফর্টওয়্যারের মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শন করাই জিআইএস।

• ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮০ সালের পর থেকে জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে জিআইএস উন্নত প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গরূপ লাভ করে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।
- ২০০০ সালের পর থেকে আমাদের দেশে জিআইএস প্রযুক্তি প্রসার লাভ করতে থাকে এবং বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জিআইএসের ওপর শিক্ষাদান করা হচ্ছে। অর্থাৎ জিআইএসকে বহুমুখী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৩৩.
WiMax কত দূরত্ব পর্যন্ত কাভারেজ দিতে পারে?
  1. ক) ১০০ মিটার
  2. খ) ৫০০ মিটার
  3. গ) ১ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৫০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
WiMAX এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১,৪৩৪.
'AWS' ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) গুগল
  3. গ) অ্যাপল
  4. ঘ) অ্যামাজন
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।

- অ্যামাজনের ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS.
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই। 
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

- Azure মাইক্রোসফটের ক্লাউড সেবা দানকারী প্লাটফর্ম।
 
উৎস: aws.amazon.com
১,৪৩৫.
ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি কখন থেকে চালু হয়?
  1. ক) ২০০১ সালের জুন মাস।
  2. খ) ২০০১ সালের ডিসেম্ভর মাস।
  3. গ) ২০০০ সালের ডিসেম্ভর মাস।
  4. ঘ) ২০০০ সালের জুন মাস।
ব্যাখ্যা
ওয়াই ম্যাক্স হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো: Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৩৬.
ব্লুটুথ (Bluetooth) কার নামানুসারে নামকরণ করা হয়?
  1. ক) ডেনমার্কের রাজা
  2. খ) জাপানের সম্রাট
  3. গ) ব্রিটেনের রাণী
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ডের রাজা
ব্যাখ্যা

ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

১,৪৩৭.
স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে কোন ডিভাইসটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিজিটাল লক
  2. আইপি ক্যামেরা
  3. স্মার্ট লাইট
  4. স্মার্ট রিমোট
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান
১,৪৩৮.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. মাউস
  2. জয়স্টিক
  3. স্ক্যানার
  4. হেডফোন
ব্যাখ্যা
• হেডফোন একটি আউটপুট ডিভাইস।

ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

তথ্যসূত্র - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১,৪৩৯.
যে স্থানে Wi-Fi অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেই স্থানকে কী বলা হয়?
  1. নোড
  2. হটস্পট
  3. রাউটার
  4. সার্ভার
ব্যাখ্যা

যে স্থানে Wi-Fi অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেই স্থানকে হটস্পট বলা হয়।

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- ওয়াই-ফাই হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- এটি ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং গেমিং কনসোলের মতো ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- যে স্থানে ওয়াই-ফাই এর অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেগুলোকে "হটস্পট" বলা হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউ.এস. ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন রেডিও স্পেকট্রামের কিছু ব্যান্ড (৯০০ MHz, ২.৪ GHz, ৫.৮ GHz) লাইসেন্সবিহীন ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়।
- ১৯৯৭ সালে IEEE ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ওয়্যারলেস ইথারনেট কম্প্যাটিবিলিটি অ্যালায়েন্স (WECA) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং Wi-Fi নামে পরিচিতি লাভ করে।

• ফ্রিকোয়েন্সি ও চ্যানেল:
- IEEE স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডগুলোকে চ্যানেলে ভাগ করা হয়।
- চ্যানেলগুলো ফ্রিকোয়েন্সিতে ওভারল্যাপ করে।
- সাধারণত Wi-Fi সিগন্যাল ১০০ মিটারের কম দূরত্বে ইন্ডোর পরিবেশে প্রেরণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৪৪০.
ই-কমার্সে পেমেন্ট করার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্রেডিট কার্ড
  2. পোস্টাল অর্ডার
  3. চেক
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

◉ ই-কমার্স (E-commerce) হলো অনলাইন মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া। এখানে পেমেন্ট করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক্রেডিট কার্ড (Credit Card), ডেবিট কার্ড (Debit Card), মোবাইল ব্যাংকিং (Bkash, Nagad, PayPal, etc.), এবং অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার ই-কমার্স পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম।
অন্যদিকে, পোস্টাল অর্ডার এবং চেক ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলো দ্রুত ও নিরাপদ নয়।

ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৪৪১.
What is the main characteristic of a blockchain?
  1. ক) Centralized
  2. খ) Decentralized
  3. গ) Private
  4. ঘ) Public
ব্যাখ্যা
- The main characteristic of a blockchain is that it is decentralized.
- This means that there is no central authority or intermediary controlling the network. Instead, transactions are recorded and verified by a network of users, making it a secure and transparent system for recording and verifying transactions.

Reference: www.investopedia.com/terms/b/blockchain.asp
১,৪৪২.
TCP/IP হল একটি -
  1. টোপােলজি
  2. টপোলজি
  3. সফটওয়্যার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
- ARPANET দিয়ে ইন্টারনেট কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি / আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়৷
- ১৯৮৩ সালে অরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- বর্তমানেও এটিই ইন্টারনেট প্রটোকল নামে পরিচিত।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১,৪৪৩.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের বর্তমান (মে ২০২৪) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. Steve Jobs
  2. Tim Cook
  3. Steve Wozniak
  4. Ronald Wayne
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যেটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভেলপ ও বিক্রি করে।
- সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের কুপারটিনোতে অবস্থিত।
- ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল অ্যাপেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের বর্তমান (মে ২০২৪) সিইও Tim Cook
- Headquarters: Cupertino, California, United States
- Founders: Steve Jobs, Steve Wozniak, Ronald Wayne

উৎস: ব্রিটানিকা
১,৪৪৪.
Which protocol is used to receive an E-mail?
  1. SMTP
  2. POP3
  3. IMAP
  4. Both B and C
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়। 
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে। 

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।  

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।  

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪৫.
নিচের কোনটি MAN এর উদাহরণ?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. স্যাটেলাইট
  3. ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা

ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর একটি উদাহরণ।

•MAN
- MAN এর পূর্ণরূপ Metropolitan Area Network.
- MAN হল এমন একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিস্তৃত থাকে এবং বিভিন্ন LAN নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- এটি সাধারণত ৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- তারবিহীন প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বলে।
- এই নেটওয়ার্ক হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।

• MAN-এর ব্যবহার:
- একটি শহরের ব্যাংক শাখাগুলোর মধ্যে সংযোগ।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল্ডিংয়ে ইন্টারনেট সংযোগ।
- শহরের পুলিশ স্টেশনগুলোকে সংযুক্ত করা।
- টেলিকম কোম্পানির শহরজুড়ে পরিষেবা।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

১,৪৪৬.
স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয় করতে কোন প্ল্যাটফর্মটি বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Arduino
  2. Adobe Photoshop
  3. Excel
  4. iMovie
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোম ডিভাইস অটোমেশন বলতে বোঝায় ঘরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন লাইট, ফ্যান, এসি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়া। এই কাজের জন্য সাধারণত যে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহৃত হয়, তা হলো Arduino. এটি একটি ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম, যা সেন্সর, রিলে, এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করে। 

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,৪৪৭.
নেটওয়ার্কের লিঙ্কগুলোর ভৌগোলিক কাঠামো কী নামে পরিচিত?
  1. সুইচ
  2. টপোলজি
  3. রাউটার
  4. রিপিটার
ব্যাখ্যা

- নেটওয়ার্কের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামোকে টপোলজি বলা হয়।
নেটওয়ার্কের লিঙ্কগুলোর ভৌগোলিক কাঠামোকে টপোলজি (Topology) বলা হয়। এটি নেটওয়ার্কের বিভিন্ন ডিভাইস এবং লিঙ্কগুলোর সম্পর্ক ও বিন্যাস কিভাবে হয়েছে তা চিত্রায়িত করে। টপোলজি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত: ফিজিক্যাল টপোলজি এবং লজিক্যাল টপোলজি। ফিজিক্যাল টপোলজি দেখায় ডিভাইসগুলো বাস্তবে কিভাবে সংযুক্ত, আর লজিক্যাল টপোলজি দেখায় ডেটা কিভাবে নেটওয়ার্কে প্রবাহিত হয়। সাধারণ টপোলজির ধরনগুলো হলো: বাস টপোলজি, স্টার টপোলজি, রিং টপোলজি, মেশ টপোলজি ইত্যাদি। সঠিক টপোলজি নির্বাচন নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা, স্থায়িত্ব এবং ব্যয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

- সঠিক উত্তর: খ) টপোলজি।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus Topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology),
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।

উৎস:  এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৪৮.
DNS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Domain Name System
  2. খ) Domestic Network System
  3. গ) Domestic Network Synchronizer
  4. ঘ) Domain Network Software
ব্যাখ্যা
DNS stands for Domain Name System.
A DNS is an internet service that translates a domain name into a corresponding IP address.
The domain name used here is alphabetic and can be easily remembered.
For example, www.example.com is a domain name of a site.
Source: Britannica.com
১,৪৪৯.
Hybrid Cloud বলতে কী বোঝায়?
  1. একাধিক Public Cloud একসাথে
  2. Public এবং Private Cloud এর সমন্বয়
  3. একাধিক Private Cloud এর সমন্বয়
  4. Cloud এবং On-Premise এর মিশ্রণ
ব্যাখ্যা

◉ Hybrid Cloud হলো একটি কম্পিউটিং পরিবেশ, যেখানে Public Cloud এবং Private Cloud উভয় একসাথে ব্যবহার করা হয় এবং পরস্পরের সাথে ইন্টিগ্রেটেড থাকে।

​ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

​হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

​পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

​প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

​কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৪৫০.
সত্য নাদেলা কোন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা?
  1. ক) IBM
  2. খ) TESLA
  3. গ) Microsoft
  4. ঘ) Nokia
ব্যাখ্যা
Satya Narayana Nadella is an Indian American business executive. He is the chief executive officer of Microsoft.
source:Microsoft
১,৪৫১.
জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ফ্রিকোয়েন্সি হপিং সুবিধা
  2. উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন
  3. GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৫২.
n সংখ্যক নোডের জন্য মোট তারের সংখ্যা n(n-1)/2 হয় কোন নেটওয়ার্কে?
  1. ক) বাস টপোলজি
  2. খ) মেশ টপোলজি
  3. গ) রিং টপোলজি
  4. ঘ) ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা
মেশ টপোলজি (Mesh Topology): যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়।
- ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৪৫৩.
ইন্টারনেটে চিঠি পাঠানোর জন্য নিম্নের কোন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়?
  1. জি-মেইল
  2. ইয়াহু মেসেঞ্জার
  3. ইউটিউব
  4. এক্সেল
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail): 
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)। 
অর্থাৎ, ইন্টারনেটে চিঠি পাঠানোর জন্য জি-মেইল প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। 
- ই-মেইল বলতে বুঝায় কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে একজন বা অনেক জনের সাথে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করা। 
- ১৯৭১ সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয় এবং মাত্র ২৫ বছরের ভেতরে পোস্ট অফিস ব্যবহার করে পাঠানো চিঠি থেকে ই-মেইলের সংখ্যা বেশি হয়ে গিয়েছে। 
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রথমেই যিনি পাঠাবেন এবং যিনি পাবেন দুজনেরই ই-মেইলের ঠিকানার দরকার হয়।  
- ই-মেইল ঠিকানাটি @ বর্ণটি দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। 
- যদি abc@def.com একটি ই-মেইল ঠিকানা হয়ে থাকে তাহলে @ এর পরের অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন নেইম, যেটি দিয়ে বুঝানো হয় ব্যবহারকারী কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। 
- প্রথম অংশটুকু হচ্ছে ব্যবহারকারীর কোনো ধরনের পরিচয়। 

- বর্তমানে ই-মেইল বিনিময় করার অনেক জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ইন্টারনেটের দেওয়া ই-মেইল সার্ভিস। 
যেমন- Gmail, Yahoo, Hotmail ইত্যাদি ই-মেইলের সেবা শুধু যে বিনামূল্যে দেওয়া হয় তা নয়, ব্যবহারকারীর ই-মেইল সংরক্ষণ করার দায়িত্বও গ্রহণ করে থাকে। 
- একটি ই-মেইল একাধিক গ্রাহকের কাছে পাঠানো যায়, প্রয়োজনে ই-মেইলকে অন্য একজনকে ‘কার্বন কপি’ (CC) হিসেবে পাঠানো যায়। 
- ই-মেইলের শুরুতে বিষয় হিসেবে ই-মেইলের বক্তব্যটি একটি শিরোনাম লিখা যায়। 
- শুধু তা-ই নয় ই-মেইলের বিষয়বস্তু লেখার পাশাপাশি তার সাথে অন্য কোনো ডকুমেন্ট, ছবি সংযুক্ত করে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৪৫৪.
পৃথিবীর বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কোনটি?
  1. ক) Ethernet
  2. খ) Internet
  3. গ) WiMAX
  4. ঘ) Wi-Fi
ব্যাখ্যা
ইথারনেট হল তারযুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির একটি পরিবার যা সাধারণত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN), মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) এবং ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কে (WAN) ব্যবহৃত হয়।

ইন্টারনেট হচ্ছে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত পৃথিবীর বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। অন্যভাবে বলা যায় - বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেকগুলো নেটওয়ার্কের সমন্বিত ব্যবস্থার নামই ইন্টারনেট।

ওয়াই ম্যাক্স হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।

Wi-Fi একটি তারবিহীন প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেটে সংযোগ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৫৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে-
  1. BSTI
  2. NIST
  3. BPSC
  4. BTST
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে NIST.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৪৫৬.
গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান কোনটি?
  1. ফাইবার অপটিক ক্যাবল
  2. স্যাটেলাইট ইন্টারনেট
  3. 3G/4G মোবাইল ডেটা
  4. ডায়াল-আপ কানেকশন
ব্যাখ্যা

◉ গ্রামীণ এলাকায় সাধারণত ফাইবার অপটিক ক্যাবল পৌঁছানো ব্যয়বহুল এবং অবকাঠামোগতভাবে কঠিন। স্যাটেলাইট ইন্টারনেট (যেমন Starlink) সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে ইন্টারনেট সরবরাহ করে, তাই যেখানে তার বা টাওয়ার পৌঁছানো সম্ভব নয়, সেখানেও এটি কাজ করে। এজন্য গ্রামীণ এবং দুর্গম অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- স্পেস এক্স এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০০টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।
- পৃথিবীর ৬০টি দেশে তাদের কভারেজ রয়েছে।
- স্টারলিংক ছোট উপগ্রহের একটি অ্যারের (সারি) মাধ্যমে সীমাহীন উচ্চ-গতির ডেটা সরবরাহ করে। গতি প্রতি সেকেন্ডে ১৫০ মেগাবিট (১৫০ এমবিপিএস)। স্পেসএক্স এই হার দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করেছে।
- উকলা (ookla) স্পিডটেস্ট অনুসারে, স্টারলিংক লিথুয়ানিয়ায় ২০২২ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ১৬০ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি রেকর্ড করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ৯১ এমবিপিএস, কানাডায় ৯৭ এমবিপিএস এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১২৪ এমবিপিএস পাওয়া গেছে। মেক্সিকোতে স্টারলিঙ্কের গতি রেকর্ড করা হয়েছে গড়ে ১০৫ দশমিক ৯১ এমবিপিএস।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।

১,৪৫৭.
In a centralized network, who handles all processing and control?
  1. Each terminal
  2. Workstation
  3. Distributed server
  4. Main computer
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Main computer

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এই ধরনের নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।
- ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসিগুলোকে প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসের মধ্যে থাকে ফাইল শেয়ারিং, প্রিন্ট সার্ভিস, মেসেজিং, ডেটাবেস ও অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ

১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network)
- একটি প্রধান কম্পিউটার ও কিছু টার্মিনালের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রধান কম্পিউটারকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকে।

২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network)
- পরস্পর সংযুক্ত ওয়ার্কস্টেশন, শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস ও প্রয়োজনীয় ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সমন্বয়ে তৈরি।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলো নিজের মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 

১,৪৫৮.
ইন্টারনেটের অধিকাংশ সেবা কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত?
  1. পিয়ার-টু-পিয়ার মডেল
  2. ক্লায়েন্ট–সার্ভার প্রযুক্তি
  3. স্ট্যান্ডঅ্যালোন কম্পিউটিং
  4. মেইনফ্রেম প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের অধিকাংশ সেবা ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেলের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত।

• ইন্টারনেট ও ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেল:
- ইন্টারনেটের অধিকাংশ সেবা ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেলের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ক্লায়েন্ট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে তাদের কার্য সম্পাদন করে।
- সকল ডাটা, ই-মেইল বার্তা, ডাটাবেজ ও ওয়েবসাইট সাধারণত সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে।
- ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের কম্পিউটার (ক্লায়েন্ট) থেকে সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান–প্রদান করে।
 
• ইন্টারনেটের প্রধান সেবা ও ক্ষমতাসমূহ:
- ই-মেইল (E-mail),
- ইউজনেট (Usenet),
- নিউজগ্রুপ (Newsgroup),
- লিস্টসার্ভ (Listserv),
- চ্যাটিং (Chatting),
- টেলনেট (Telnet),
- FTP (File Transfer Protocol),
- গোফার (Gopher),
- আর্চি (Archie),
- ভেরোনিকা (Veronica),
- WAIS,
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)।
- তথ্য অনুসন্ধান ও যোগাযোগের জন্য এসব সেবা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
 
• ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে:
- ইন্টারনেটে কমান্ড ও ডাটা আদান–প্রদানের জন্য TCP/IP (Transmission Control Protocol / Internet Protocol) ব্যবহার করা হয়।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয় এবং পরে ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ স্থাপন করে।
- কম্পিউটার সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে অথবা রিমোট টার্মিনাল বা নেটওয়ার্ক গেটওয়ে–এর মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারে।
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি স্বতন্ত্র IP ঠিকানা থাকে এবং সাধারণত Domain Name System (DNS) ব্যবহার করে নামের মাধ্যমে পরিচিত হয়।
- অধিকাংশ ইন্টারনেট প্রোগ্রাম ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেল অনুসরণ করে, যেখানে ক্লায়েন্ট প্রোগ্রাম সার্ভারের কাছ থেকে ডাটা গ্রহণ বা প্রেরণ করে।

• Other Options:
ক) পিয়ার-টু-পিয়ার মডেল
→ এটি কিছু নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হলেও ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি নয়।

গ) স্ট্যান্ডঅ্যালোন কম্পিউটিং
→ এতে নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা বা সার্ভার নির্ভরতা থাকে না।

ঘ) মেইনফ্রেম প্রযুক্তি
→ এটি পুরনো কেন্দ্রীয় কম্পিউটিং পদ্ধতি; আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৫৯.
মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন এ কোন পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে?
  1. ক) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission)
  2. খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
  3. গ) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission)
  4. ঘ) কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা

আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission) : অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন। এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়। সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১,৪৬০.
ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে যেসকল অপরাধ সংঘটিত হয় তাদেরকে কী বলে?
  1. নেটওয়ার্কিং ক্রাইম
  2. ওয়েব ক্রাইম
  3. ইন্টারনেট ক্রাইম
  4. সাইবার ক্রাইম
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম (Cyber Crime):
- কম্পিউটার এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির বিকাশের সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আর ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের ক্রাইম সংগঠিত হচ্ছে। এসব ক্রাইমকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম।
অর্থাৎ, কোনো সিস্টেমে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে ফাইল, প্রোগ্রাম, হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার বিনষ্ট করার জন্য কিছু কম্পিউটার ব্যবহারকারী বা কম্পিউটার প্রোগ্রামার ইলেকট্রনিক উপায়ে বা টেলনেট ব্যবহার করে যে আক্রমণ চালায় তাকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৪৬১.
Wi-fi এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Wireless Fidelity
  2. খ) Worldwide Fare
  3. গ) Worldwide Fidelity
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
'Wi-Fi' এর পূর্ণরূপ-- Wireless Fidelity। ওয়াই-ফাই হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে আইইইই ৮০২.১১বি নামে পরিচিত। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৬২.
IBM-এর ফ্ল্যাগশিপ ক্লাউড প্ল্যাটফর্মকে কী বলা হয়?
  1. QuantumSphere
  2. Watson CloudOS
  3. IBM Cloud
  4. IBM Blue Cloud
ব্যাখ্যা

• IBM-এর ফ্ল্যাগশিপ ক্লাউড প্ল্যাটফর্মকে IBM Cloud বলা হয়। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক, প্রাইভেট এবং হাইব্রিড ক্লাউড পরিষেবা প্রদান করে, যা ব্যবসায়িক ও প্রযুক্তিগত চাহিদা মেটাতে সক্ষম। IBM Cloud ডেভেলপারদের জন্য অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিং, ডেটা স্টোরেজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অ্যানালিটিকস সুবিধা প্রদান করে। এটি বিভিন্ন ক্লাউড মডিউল যেমন IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service) সমর্থন করে, যা সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে তাদের ডিজিটাল রূপান্তর সহজ করতে সাহায্য করে। IBM Cloud উচ্চ নিরাপত্তা, স্কেলেবিলিটি এবং বিশ্বস্ততা নিশ্চিত করে, ফলে এটি বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত উভয় ক্ষেত্রে জনপ্রিয়।

উত্তর: গ) IBM Cloud.

উল্লেখ্য, 

[- Flagship শব্দের অর্থ হলো - কোনো প্রতিষ্ঠান, ব্র্যান্ড বা সংস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেরা, বা প্রতিনিধিত্বকারী পণ্য, পরিষেবা বা শাখা।
- Flagship এর মূল ধারণা:
- প্রথমে নৌবাহিনীতে ব্যবহার হতো - যে জাহাজে কমান্ডার থাকতেন, সেটাই ছিল flagship ship.
- পরে শব্দটি ব্যবসা, প্রযুক্তি, এবং পণ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- কোনো ব্র্যান্ডের সবচেয়ে বড় বা বিশেষ শোরুমকে বলা হয় তার flagship store.
- Samsung-এর flagship ফোন: Galaxy S সিরিজ। 
- Apple-এর flagship ফোন: iPhone Pro সিরিজ। 
- আবার, ফ্ল্যাগশিপ সার্ভিস বলতে - একটি কোম্পানির সবচেয়ে উচ্চমানের বা প্রধান সার্ভিস।]

• IBM:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines.
- ১৯১১ সালে আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান (নভেম্বর, ২০২৫) নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোয়ান্টাম কম্পিউটিং সহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তি সেবা প্রদান করে।

উৎস: IBM এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৪৬৩.
ARPANET এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. Advanced Research Projects Agency Network
  2. Advanced Remote Processing Architecture Network
  3. Automated Research Protocol And Network
  4. Advanced Regional Programming Access Network
ব্যাখ্যা

• ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো Advanced Research Projects Agency Network, যা সঠিক উত্তর ক)। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীন Advanced Research Projects Agency (ARPA) কর্তৃক ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে উন্নয়ন করা হয়। ARPANET-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ করা। এটি প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা নেটওয়ার্ক যোগাযোগকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলে। ARPANET-ই আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এখান থেকেই TCP/IP প্রোটোকলের ধারণা ও ব্যবহার শুরু হয়।
 
• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৬৪.
কোন পদ্ধতির মাধ্যমে প্রথম দুটি দূরবর্তী কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়?
  1. APRANET
  2. HTP
  3. IMP
  4. INTRANEET
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের ইতিহাস:
- প্রথমদিকে ইন্টারনেটের নাম ছিল আরপানেট (ARPANET)।
- ১৯৬৮ সালের আরপানেট ছিল এর প্রাথমিক পর্যায়।
- এ প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধিত হয় আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।
- ১৯৬৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রথম যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হয়।
- লস এঞ্জেলসের UCLA ল্যাবরেটরিতে স্থাপিত উক্ত নেটওয়ার্কটির নাম ছিল ইন্টারফেস ম্যাসেজ প্রসেসর (Interface Message Processor- IMP)।
- IMP পদ্ধতির মাধ্যমেই প্রথম দুটি দূরবর্তী কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়।
- এ পরীক্ষাটি চালানো হয় লস এঞ্জেলস থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কের স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনিসটিটিউট (Stanford Research Institute)-এর মধ্যবর্তী দুটি কম্পিউটারের মধ্যে।
- চূড়ান্তভাবে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে।
- প্রথম যে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় সে কম্পিউটারগুলো লস এঞ্জেলস, মেনলো পার্ক, সান্তা বারবারা (U.C. Santa Barbara) এবং Utah (The University of Utah)- তে অবস্থিত ছিল।

উৎস: তথ্য ব্যবস্থাপনা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬৫.
LAN-এর পূর্ণরূপ-
  1. Large Area Network
  2. Local Area Network
  3. Long Access Network
  4. Long Area Network
ব্যাখ্যা
LAN-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.

LAN:
- LAN হল এমন একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে ১ কিমি বা তার কম দূরত্বের মধ্যে কয়েকটি কম্পিউটার ও পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন: প্রিন্টার, স্ক্যানার) সংযুক্ত থাকে।
- অফিস, স্কুল, ল্যাবরেটরি, বা বাড়ির মতো ছোট জায়গায় LAN ব্যবহার হয়।
- সাধারণত ১০ Mbps থেকে ১০০০ Mbps (১ Gbps) পর্যন্ত ডেটা ট্রান্সফার স্পিড হয়ে থাকে।
- LAN স্থাপন করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ ও তুলনামূলকভাবে কম খরচে হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
১,৪৬৬.
হাফ-ডুপ্লেক্স ডাটা ট্রান্সমিশন মোড এর উদাহরণ কোনটি?
  1. রেডিও
  2. টিভি
  3. ওয়াকিটকি
  4. টেলিফোন
  5. মোবাইল
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন- চিত্রে কেবলমাত্র A হতে B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করা যাবে।
- কিন্তু B হতে A এর দিক ডাটা প্রেরণ সম্ভব নয়।
- উদাহরণ- রেডিও, টিভি।

হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না।
- A এর প্রেরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে B ডাটা প্রেরণ করতে পারবে।
- অনুরূপভাবে B এর প্রেরণ প্রক্রিয়া চলাকালীন A শুরু ডাটা গ্রহণ করতে পারবে।
- উদাহরণ-ওয়াকিটকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- চিত্রে ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, A যখন B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করবে B ও তখন A এর দিকে ডাটা প্রেরণ কতে পারবে।
- উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৪৬৭.
কোনো ব্যক্তি কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ করলে তার কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. অনধিক ১ বছর
  2. অনধিক ২ বছর
  3. অনধিক ৫ বছর
  4. অনধিক ১০ বছর
ব্যাখ্যা

উৎস: [bdlaws]
১,৪৬৮.
বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে কোন দেশ 'কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০' তৈরি করে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফিনল্যান্ড
  4. সুইজাল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে ''কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০''।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• হ্যাকিং
• স্প্যামিং
• সাইবার থেফ্ট
• সাইবার বুলি
• স্ফুফিং
• ফিশিং
• ভিশিং
• স্নিকিং
• প্লেজিয়ারিজম

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৬৯.
Dropbox কী?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. ই-মেইল সেবাদাতা
  3. কম্পিউটার এন্টিভাইরাস
  4. ক্লাউড সেবাদাতা
ব্যাখ্যা
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৭০.
TCP দিয়ে কোনটি বোঝানো হয়?
  1. প্রোগ্রাম
  2. প্রোগ্রামিং
  3. প্রোটোকল
  4. ফ্লোচার্ট
ব্যাখ্যা
TCP:
- TCP এর পূর্ণরূপ: Transmission Control Protocol.
- ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়া বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকলের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে টিসিপি।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সঙ্গে নিরাপদে সংযোগ স্থাপন অনেকটা টিসিপির ওপর নির্ভর করে।
- ই-মেইলের মতো ইন্টারনেটের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনেও টিসিপি ব্যবহার করা হয়।
- টিসিপির প্রধান কাজ তিনটি:
১. 'বাইট স্ট্রিম' সরবরাহ করা।
২. সংযোগবিষয়ক।
৩. আস্থা স্থাপন।
- কয়েকটি ছোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি ফাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- এ কারণেই প্রেরণ করার সময় ফাইলগুলো অন্য লিঙ্কে প্রবেশ করা থেকে এবং হারিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকে।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭১.
Wifi Standard - IEEE 802.11 এ ব্যবহৃত এর IEEE এর অর্থ কী?
  1. ক) Institute of Electrical and Electronics Engineers
  2. খ) International Electrical and Electronics Engineers
  3. গ) Impact of Electrical and Electronics Engineers
  4. ঘ) Instructions for Electrical and Electronics Engineers
ব্যাখ্যা
IEEE, pronounced "Eye-triple-E," stands for the Institute of Electrical and Electronics Engineers. The organization is chartered under this name and it is the full legal name.

কিছু গুরুত্বপূর্ণ IEEE Standard
IEEE 802.8 = Fiber-optic connection
IEEE 802.11 = Wireless Networking - WiFi
IEEE 802.15 = Bluetooth Standard
IEEE 802.15.2 = Bluetooth and Wi-Fi coexistence mechanism
IEEE 802.16 = Wireless Networking - WiMAX

Source: IEEE এর ওয়েবসাইট
১,৪৭২.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কোন ভিত্তির উপর তৈরি?
  1. ডেটা প্রসেসিং ও অটোমেশন
  2. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
  3. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও ক্লাউড স্টোরেজ
  4. অ্যানিমেশন ও মেকানিক্স
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) মূল ভিত্তি, কারণ শক্তিশালী কম্পিউটারের মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি এবং সিমুলেশনের মাধ্যমে সেটিকে বাস্তব মনে করানো হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।ো

১,৪৭৩.
গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে কী বলা হয়?
  1. Spamming
  2. Hacking
  3. Sneaking
  4. Spoofing
ব্যাখ্যা
• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং (Sneaking) বলে।


• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্প্যামিং (Spamming):

- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্পুফড সাইট হলো প্রকৃত সাইটের প্রায় কাছাকাছি একটি মিরর ইমেজ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৪৭৪.
স্টারলিংক কোন ধরনের সেবা প্রদান করে-
  1. স্যাটেলাইট ভিত্তিক আবহাওয়া পরিষেবা
  2. স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা
  3. সাবমেরিন ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা
  4. মহাজাগতিক ভিত্তিক পরিষেবা
ব্যাখ্যা

স্টারলিংক কোন ধরনের সেবা প্রদান করে- স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা। 

• স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা:
- প্রথম উপগ্রহটি ২০১৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
- ২০২০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল।
- এবং এরপর থেকে এটি ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে আসছে।
- স্টারলিংক একটি উপগ্রহ-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা যা স্পেসএক্স দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্টারলিংক সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ১৫০ মেগাবিট পর্যন্ত ডাউনলোড গতি। 

উৎস: Britannica.

১,৪৭৫.
Bitcoin উদ্ভাবনের জন্য কে পরিচিত?
  1. Elon Musk
  2. Charles Hoskinson
  3. Vitalik Buterin
  4. Satoshi Nakamoto
ব্যাখ্যা
• বিটকয়েন:
- বিটকয়েন হল সাংকেতিক মুদ্রা বা ডিজিটাল কারেন্সি।
- ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকলের মাধ্যমে লেনদেন হয়।
- এই লেনদেনের জন্য কোন নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় না।
- সাতোশি নাকামোতো নামের এক অজ্ঞাত ব্যক্তি বা দল ২০০৮ সালে এটি তৈরি করেন।

- ২০০৯ সালে বিটকয়েনের প্রচলন হয়।
- এটি বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল কারেন্সি।
- বিটকয়েনে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লেনদেন ওয়ালেট টু ওয়ালেটে সম্পন্ন হয়।
- এই লেনদেনের সকল তথ্য ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে।
- লাতিন আমেরিকার দেশ এল সালভাদর প্রথম দেশ হিসাবে বিটকয়েনকে বৈধ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং বিটকয়েন সিটি নির্মাণের পরিকল্পনা করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৪৭৬.
কৃষি ফলনের পূর্বাভাসের জন্য কোন কৌশলটি কার্যকর হতে পারে?
  1. ব্লকচেইন
  2. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং
  4. ডিপ লার্নিং
ব্যাখ্যা

◉ ডিপ লার্নিং (Deep Learning) কৃষি উৎপাদনের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রযুক্তি। এটি আবহাওয়া, মাটির গুণাগুণ, ফসলের ইতিহাস এবং অন্যান্য ডেটা বিশ্লেষণ করে সঠিক পূর্বাভাস দিতে পারে। অন্য অপশনগুলি, যেমন ক্লাউড কম্পিউটিং, ব্লকচেইন এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, কৃষি পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।

ডিপ লার্নিং: 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।

১,৪৭৭.
কোনটি OpenAI-এর জনপ্রিয় LLM?
  1. YOLO
  2. BERT
  3. GPT
  4. ResNet
ব্যাখ্যা

• OpenAI-এর জনপ্রিয় LLM হলো GPT। GPT এর পুরো নাম হলো Generative Pre-trained Transformer, যা একটি অত্যাধুনিক ভাষা মডেল। এটি বড় পরিমাণে টেক্সট ডেটা থেকে শিখে মানুষের মতো লেখা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সংলাপ চালানো এবং জটিল ভাষাগত কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। অন্য অপশনগুলো ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন, YOLO হলো অবজেক্ট ডিটেকশন মডেল, BERT হলো প্রাক-প্রশিক্ষিত ভাষা মডেল কিন্তু OpenAI নয়, এবং ResNet হলো ইমেজ প্রসেসিংয়ের জন্য কনভলিউশনাল নিউরাল নেটওয়ার্ক। তাই, OpenAI-এর তৈরি এবং জনপ্রিয় LLM হল স্পষ্টভাবে GPT.

• LLM মডেল প্রশিক্ষণে GPU ব্র্যান্ড:
- LLM মডেল ট্রেনিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA.
- NVIDIA এর CUDA এবং Tensor Core প্রযুক্তি deep learning কাজের জন্য অত্যন্ত অপ্টিমাইজড।  
- এই প্রযুক্তি মডেল ট্রেনিংয়ের সময় দ্রুত ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে।  
- AMD ও Intel GPU কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য হলেও NVIDIA এর ecosystem এবং সফটওয়্যার সাপোর্ট সবচেয়ে বড়।  
- Apple এর GPU মূলত মোবাইল বা ডেস্কটপ গ্রাফিক্সের জন্য, বড় LLM ট্রেনিংয়ে ব্যবহার সীমিত।  
- তাই LLM মডেল প্রশিক্ষণে NVIDIA GPU এর ব্যবহার সর্বাধিক।  
- সঠিক উত্তর: ক) NVIDIA.

সূত্র: 
-  OpenAI website.
- IBM. [link]

১,৪৭৮.
".com" ডোমেইন সাধারণত কোন প্রতিষ্ঠান নির্দেশ করে?
  1. সরকারি প্রতিষ্ঠান
  2. অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান
  3. ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
  4. সামরিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
".com" ডোমেইন সাধারণত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নির্দেশ করে।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭৯.
সর্বপ্রথম কোন দেশে 2G নেটওয়ার্ক চালু হয়?
  1. ক) সুইজারল্যান্ডে
  2. খ) ফিনল্যান্ডে
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্রে
  4. ঘ) জার্মানিতে
ব্যাখ্যা

১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা নামক একটি জিএসএম অপারেটর সর্বপ্রথম ব্যবসায়িক ভাবে এবং জিএসএম স্টেন্ডার্ডে ২ জি তারবিহীন নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা নামক একটি জিএসএম অপারেটর সর্বপ্রথম ব্যবসায়িক ভাবে এবং জিএসএম স্টেন্ডার্ডে ২ জি তারবিহীন নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান

১,৪৮০.
Cellular Data Network এর ক্ষেত্রে GPRS বলতে কী বুঝায়?
  1. Global Positioning Radio Service
  2. General Positioning Radio Service
  3. Global Packet Radio Service
  4. General Packet Radio Service
ব্যাখ্যা
-  GPRS বলতে বোঝায় General Packet Radio Service 

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
১,৪৮১.
ডেটাবেজের ভিত্তি -
  1. টেবিল
  2. রেকর্ড
  3. এনটিটি
  4. ফিল্ড
ব্যাখ্যা
ফিল্ড:
- ফিল্ড হচ্ছে ডাটাবেজের ভিত্তি।
- অন্যভাবে বলা যায় যে, ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।

• রেকর্ড:
পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।

• টেবিল:
এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

সুতরাং বলা যায়, প্রথমে ফিল্ড তারপর রেকর্ড এবং তারপর টেবিল।

• এনটিটি (Entity):
কোন ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৮২.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. Phreaking
  2. Worms
  3. Avast
  4. Plagiarism
ব্যাখ্যা
- Avast এক ধরনের অ্যান্টিভাইরাস।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং (Hacking),
- ফ্রেকিং (Phreaking),
- হ্যাকিং (Hacking),
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং (Vishing),
- স্প্যামিং (Spamming),
- স্পুফিং (Spoofing),
- স্নিফিং (Sniffing)
- স্নিকিং (Sneaking),
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (Worms),
- রুটকিটস (Rootkits),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware),
- ব্যাকডোর (Backdoor) প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৮৩.
'Hotmail' বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. ক) Windows Live Hotmail
  2. খ) MSN Hotmail
  3. গ) Gmail
  4. ঘ) Outlook.com
ব্যাখ্যা
- Outlook.com is the official name of Microsoft's email service, which was formerly known as Hotmail and Windows Live Hotmail.
- Hotmail was initially bought by Microsoft back in 1997.
- One of many small parts of Microsoft’s communication subdivision, both Outlook and Hotmail are essentially one and the same thing.
১,৪৮৪.
আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর জনক কে?
  1. জর্জ উইলহেল্ম
  2. জন ম্যাকার্থি
  3. ইলন মাস্ক 
  4. অল্টম্যান
ব্যাখ্যা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - Al):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হলো বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।

⇒ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক John McCarthy।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।
- কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত।
- আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

⇒ AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১,৪৮৫.
ই-পর্চা সেবা বলতে কী বোঝায়?
  1. জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা
  2. জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অনলাইন ব্যবস্থা
  3. ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের পদ্ধতি
  4. ভূমি জরিপ পরিচালনার ডিজিটাল পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• ই-পর্চা সেবা বলতে জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা।

• ই-পর্চা সেবা:

- ই-পর্চা সেবা হলো জমি বা ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত ও সহজে অনলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করার একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা।
- পূর্বে জমির রেকর্ড সংগ্রহ করতে সরাসরি ভূমি বা জমি রেজিস্ট্রি অফিসে যেতে হতো, যা ছিল সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ণ।
- এই জটিলতা ও ভোগান্তি কমানোর জন্য বর্তমানে চালু করা হয়েছে ই-পর্চা সেবা।
- ই-পর্চা সেবার মাধ্যমে দেশের সকল জমির রেকর্ড অনলাইনে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
- এর ফলে নাগরিকরা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই জমির রেকর্ডের কপি বা পর্চা সংগ্রহ করতে পারছেন।
- বর্তমানে ই-পর্চা সেবার আওতায় আবেদনকারীরা জেলা ও উপজেলা ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার অথবা ই-সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।
- নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ই-পর্চা সংগ্রহ করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৮৬.
4G মোবাইল 3G মোবাইল অপেক্ষা কতগুণ বেশি গতি সম্পন্ন?
  1. ক) ২ গুণ
  2. খ) ৪ গুণ
  3. গ) ৩২ গুণ
  4. ঘ) ৫০ গুণ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান ):

১। 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় 50 গুণ বেশী। এর প্রকৃত ব্যান্ড উইথ 10 Mbps আশা করা হচ্ছে।

২। টেলিভিশনের অপেক্ষাকৃত উন্নতমানের ছবি এবং ভিডিও লিংক প্রদান করে।
৩। আইপি নির্ভর ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক সিস্টেম কাজ করবে।

উৎস:  Live MCQ Lecture. 
১,৪৮৭.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) GPRS
  2. খ) WAP
  3. গ) EDGE
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
GPRS, EDEG, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায় ।
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়।
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়।
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়৷

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,৪৮৮.
ফ্যাক্স কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৮৪২ সাল
  2. ১৮৫৬ সাল
  3. ১৮৭৮ সাল
  4. ১৮৮৪ সাল
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৪৮৯.
কে infrared তরঙ্গ আবিষ্কার করেন?
  1. ক) উইলিয়াম হার্শেল
  2. খ) ওয়াল্টার ব্রাটেইন
  3. গ) উইলিয়াম শকলে
  4. ঘ) কেউই নয়
ব্যাখ্যা
১৮০০ শতাব্দীতে infrared তরঙ্গ আবিষ্কার করেন উইলিয়াম হার্শেল।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
১,৪৯০.
আইপি এড্রেস কী?
  1. একটি ডিভাইসের ফিজিক্যাল লোকেশন নির্দেশক ঠিকানা
  2. ওয়েবসাইটের ডোমেইন নেইম
  3. একটি সফটওয়্যারের লাইসেন্স কোড
  4. ইন্টারনেটে কোনো ডিভাইসের স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর
ব্যাখ্যা

আইপি এড্রেস হচ্ছে ইন্টারনেটে কোনো ডিভাইসের স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর।

• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৯১.
Facebook acquired which popular messaging platform in 2014?
  1. WhatsApp
  2. Snapchat
  3. Telegram
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
• Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো।
- Instagram, Threads, WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।
- WhatApp ২০০৯ সালে প্রথম রিলিজ করা হয়।
- ফ্রেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৪ সালে ফেসবুক কোম্পানি ১৯ বিলিয়ন ডলার দিয়ে WhatsApp কিনে নেয়
- ফেসবুক ২০১২ সালে Instagram কিনে নেয়।

Snapchat:
- Snapchat এর Parent Company হচ্ছে Snap Inc.
- Snapchat এর CEO হচ্ছেন Evan Spiegel.

Telegram:
- Telegram এর Parent Company হচ্ছে Telegram Group Inc.
- Telegram এর CEO হচ্ছেন Pavel Durov.

উৎস:
১) ব্রিটানিকা।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৪৯২.
ই-কমার্সে পণ্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. COD
  2. COC
  3. DOP
  4. POD
ব্যাখ্যা
- ই-কমার্সে পন্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ করার পদ্ধতিকে COD (Cash on Delivery) বলে।

• ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
২. ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
৩. ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
৪. আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
৫. মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
৬. ই-কমার্সে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার খরচ অনেক কম। ফলে সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে।
৭. ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
৮. ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৪৯৩.
Wi-Fi কোন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে?
  1. 0.5 GHz - 2 GHz
  2. 2.4 GHz - 5 GHz
  3. 10 GHz - 20 GHz
  4. 100 MHz - 200 MHz
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) 2.4 GHz - 5 GHz

Wi-Fi
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারলেস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,৪৯৪.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফটের পণ্য?
  1. ক) VMware Solutions
  2. খ) Pixel Phone
  3. গ) Nest Hub Max
  4. ঘ) Power BI Pro
ব্যাখ্যা
Microsoft Power BI Pro পণ্য ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন এবং বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা যায়।

- অপরদিকে, পিক্সেল ফোন, নেসট হাব ম্যাক্স গুলো হচ্ছে গুগলের নির্মিত পণ্য। এবং VMware Solutions, IBM এর পণ্য। 

সূত্র: Microsoft Official Website.
১,৪৯৫.
টেলিফোন কোন মোডে ডাটা ট্রান্সমিশন করে?
  1. সিমপ্লেক্স মোড
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
টেলিফোন ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে।

ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 

- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- 
১. সিমপ্লেক্স,
২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড: 
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড: 
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৯৬.
স্মার্ট হোমে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. Home Automation System
  2. Digital Assistance System
  3. Communication Control System
  4. Security Control System
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর হবে:

ক) Home Automation System

স্মার্ট হোমে বিভিন্ন ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য Home Automation System ব্যবহার করা হয়। এই সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরের আলো, তাপমাত্রা, সুরক্ষা ব্যবস্থা, গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা রিমোটের মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে।

⚪ স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:

- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৪৯৭.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল নয় কোনটি?
  1. IaaS
  2. EaaS
  3. PaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল:

- অবকাঠামোগত পরিষেবা ( Infrastructure as a service- IaaS)
এখানে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড সেবাদানকারী তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজসহ মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

- প্লাটফর্মভিত্তিক পরিষেবা ( Platform as a service - Paas)
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার , ডেটাবেজ থাকে।
 অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্লাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

- সফটওয়্যার পরিষেবা ( Software as a service - SaaS)
প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: ১. HSC Programme, Bangladesh Open University.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৯৮.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অন-ডিমান্ড সেবা
  2. একক গ্রাহকের জন্য ডেডিকেটেড রিসোর্স
  3. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
  4. পে-অ্যাজ-ইউ-গো
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং মাল্টি-টেন্যান্ট মডেলে কাজ করে, যেখানে রিসোর্স একাধিক গ্রাহকের মধ্যে ভাগাভাগি করে ব্যবহৃত হয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেকনোলজি (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-

১.রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

এছাড়াও ব্রড নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস (Broad network access), রিসোর্স পুলিং (Resource pooling)- এগুলোও ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য।

এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। NIST Website. [লিংক]

 

১,৪৯৯.
Advanced medical treatment through internet is called-
  1. E-treatment
  2. e-services
  3. Telemedicine
  4. Electromedicine
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলা হয়। 
- তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থান থেকে কিংবা রোগী কে চাক্ষুষ না দেখেও চিকিৎসা সেবা প্রদানের পদ্ধতি কে টেলিমেডিসিন বলে।
- এ পদ্ধতিতে চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সার্জারিতেও অংশ নিয়ে থাকে।
- ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের ফলে দূরবর্তী স্থানেও টেলিডিসিন সেবার মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
১,৫০০.
GSM মোবাইল প্রজন্মের কোন প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৪র্থ প্রজন্ম
  2. ৩য় প্রজন্ম
  3. ২য় প্রজন্ম
  4. ১ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
GSM ২য় প্রজন্ম মোবাইল প্রজন্মের প্রযুক্তি।

• সেলুলার বা মোবাইল ফোন প্রযুক্তি:
- মোবাইল ফোন বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।
- ১৯৪০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয়।
- তার বিহীন দুটি ডিভােেইসর মধ্যে ডাটা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে মোবাইল যোগাযোগ বলে।
-বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
১। জিএসএম (GSM) ও
২। সিডিএমএ (CDMA)

• জিএসএম:
- Global System for Mobile Communication (GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএমএস পথিকৃত।
- GSM, TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কল কন্ট্রোল, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কল ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।