বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১১ / ৫১ · ১,০০১১,১০০ / ৫,০২৮

১,০০১.
Client-Server Network ব্যবহার করার জন্য নিচের কোনটি প্রয়োজন?
  1. অফলাইন সফটওয়্যার
  2. পেইন্ট প্রোগ্রাম
  3. নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম
  4. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
ব্যাখ্যা
Client-Server Network ব্যবহার করার জন্য নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন।

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক:
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন
সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম
সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/ ২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,০০২.
বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে কী বলা হয়?
  1. ক্রায়োসার্জারি
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. অটোমেশন
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display HMD),
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove),
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit),
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা,
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন,
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর,
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,০০৩.
Which mode is used in fax communication?
  1. Full duplex
  2. Half duplex
  3. Simplex
  4. Multiplex
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Half duplex

• ফ্যাক্স (fax):
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile.
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।

উৎস:
১. এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,০০৪.
Bluetooth কার্যকর হওয়ার জন্য কোন স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. IEEE 802.15
  2. IEEE 802.14
  3. IEEE 802.13
  4. IEEE 802.11
ব্যাখ্যা
• Bluetooth একটি স্বল্প দূরত্বের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা প্রধানত মোবাইল, ল্যাপটপ, হেডফোনসহ বিভিন্ন ডিভাইসকে তারবিহীনভাবে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি কার্যকর হওয়ার জন্য IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে। এই স্ট্যান্ডার্ড মূলত Wireless Personal Area Network (WPAN) এর জন্য নির্ধারিত, যেখানে কম শক্তি ব্যবহার করে অল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করা হয়। IEEE 802.15 ব্লুটুথ ছাড়াও ZigBee-এর মতো প্রযুক্তি সমর্থন করে। অন্যদিকে, IEEE 802.11 ব্যবহৃত হয় Wi-Fi এর জন্য, IEEE 802.14 ব্যবহৃত হত কেবল মডেম প্রযুক্তির জন্য, আর IEEE 802.13 কোনো কার্যকর মান হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) IEEE 802.15

• PAN: personal area network .- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী বিভিন্ন ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে PAN বলে। এর পরিসীমা সাধারণত ১০ মিটার , ক্ষেত্রবিশেষে ২০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। আইইইই ৮০২.১৫ দ্বারা PAN নির্ধারিত হয়ে থাকে। যেমন- ব্লটুথ , প্রিন্টার ইত্যাদি।

• LAN: Local area network -সাধারণত 1Km বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোন ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে LAN বলে ।এটি আইইইই ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত।

• MAN: Metropoliton Area network -  যখন একটি শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কিছু কম্পিউটার বা তাদের দ্বারা গঠিত LAN কে নিয়ে নেটওয়ার্ক কে MAN বলে ।  এর বিস্তৃতি ১০ কিলোমিটার ধরা হয়। 

• WAN: Wide Area Network - বিভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN  একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে তাই  Wide Area Network । যেমন - একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা স্থাপন করা।

তথ্যসূত্র : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী।
১,০০৫.
NPSB stands for -
  1. ক) Nationwide Payment Switch Bangladesh
  2. খ) National Payment Switch Bangladesh
  3. গ) National Payment System Bangladesh
  4. ঘ) Nationwide Payment System Bangladesh
ব্যাখ্যা
National Payment Switch Bangladesh (NPSB) is a domestic ATM sharing network governed by the Bangladesh Bank.
Through this network, NPSB member bank's customers are to perform ATM transactions at other NPSB member banks' ATM terminals using their Debit/Credit/ATM cards.

Source: hsbc.com.bd
১,০০৬.
নিচের কোনটি নেটওয়ার্ক লেয়ার ডিভাইস?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. মডেম
ব্যাখ্যা

◉ নেটওয়ার্ক লেয়ার হলো OSI (Open Systems Interconnection) মডেলের তৃতীয় স্তর, যা ডাটা প্যাকেট রাউটিং এবং IP অ্যাড্রেসিং পরিচালনা করে।

OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- হাব এবং সুইচ ডেটা লিংক লেয়ার ডিভাইস (OSI মডেলের লেয়ার 2), যা MAC অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডেটা ফরওয়ার্ড করে।
- মডেম ফিজিক্যাল লেয়ার ডিভাইস (OSI মডেলের লেয়ার 1), যা ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটালে রূপান্তর করে।

Source: Cisco Learning Network. [লিংক] 

১,০০৭.
‘অভ্র’ কী-বোর্ডের মূল উদ্ভাবক কে?
  1. জোয়াদ করিম
  2. মাক্সুদুল আলম
  3. মেহদী হাসান খান
  4. মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
‘অভ্র’ কি-বোর্ড:
মূল উদ্ভাবক: ডা. মেহদী হাসান খান।
সহ প্রতিষ্ঠাতা: রিফাত নবী,তানবিন ইসলাম সিয়াম, শাবাব মুস্তফা।
উন্নয়নকারী: ওমিক্রনল্যাব।
প্রাথমিক সংস্করণ: ২৬ মার্চ ২০০৩।
স্থায়ী মুক্তি: ৫.৬. ০ / ২৭ আগস্ট ২০১৯।
লে–আউট: প্রভাত, মুনির অপটিমা, অভ্র ইজি (ওমিক্রন ল্যাব প্রকাশিত সহজ একটি লে–আউট), বর্ণনা, জাতীয় (বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল প্রকাশিত বাংলা লে–আউট)।
প্ল্যাটফর্ম: উইন্ডোজ (অভ্র), লিনাক্স (ibus-avro), ম্যাক ওএস (iAvro), অ্যান্ড্রয়েড (রিদমিক), আইওএস (রিদমিক)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে একুশে পদক লাভ করেন অভ্র'র মেহদী হাসান খান ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।

তথ্যসূত্র- বিবিসি। [Link]
১,০০৮.
Amazon CloudFront মূলত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. সিকিউরিটি কী বা পাসওয়ার্ড ম্যানেজ করার জন্য
  2. ইমেইল মার্কেটিং পরিচালনা করার জন্য 
  3. কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) হিসেবে
  4. সফটওয়্যার প্রোগ্রামিং করা
ব্যাখ্যা

◉ Amazon CloudFront হলো AWS-এর Content Delivery Network (CDN) সেবা, যা ওয়েবসাইট, ভিডিও, অ্যাপ ইত্যাদির কনটেন্ট ব্যবহারকারীর কাছে দ্রুত পৌঁছে দেয়। এটি বিশ্বব্যাপী অবস্থিত edge location ব্যবহার করে, যাতে ব্যবহারকারীরা নিকটবর্তী সার্ভার থেকে কনটেন্ট পান → ফলে লেটেন্সি কমে যায় এবং স্পিড বাড়ে।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।

Amazon Web Services (AWS):
- অ্যামাজনের ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS.
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকেই।
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

AWS মূলত তিনটি key cloud service model-এ কাজ করে:
- IaaS (Infrastructure as a Service) → Example: EC2, S3.
- PaaS (Platform as a Service) → Example: AWS Elastic Beanstalk.
- SaaS (Software as a Service) → Example: AWS WorkSpaces.

উৎস: Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট।

১,০০৯.
ব্যান্ডউইডথ কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) এক
  2. খ) দুই
  3. গ) তিন
  4. ঘ) চার
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইডথকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। ন্যারোব্যান্ড,ভয়েসব্যান্ড এবং ব্রডব্যান্ড।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
১,০১০.
HTML কোড H<sup>2</sup>O এর ফলাফল কি?
  1. ক) H2O
  2. খ) H2O
  3. গ) H2O
  4. ঘ) HO
ব্যাখ্যা

<sup> Superscript - এই ট্যাগের ভেতরে থাকলে টেক্সট উপরে চলে যাবে।
<sub> Subscript - এই ট্যাগের ভেতরে থাকলে টেক্সট নিচে চলে যাবে।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)

১,০১১.
নিচের কোনটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস?
  1. ক) odesk.com
  2. খ) elance.com
  3. গ) upwork.com
  4. ঘ) fiverr.com
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালে ওডেস্ক ও ইল্যান্স ডট কম-এই দুটি সাইটের সমন্বয়ে অনলাইনে কাজ খোঁজার সবচেয়ে বৃহত্তম মার্কেট প্লেস ‘Upwork.com’ যাত্রা করে।
১,০১২.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ "লোড ব্যালান্সিং"-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যবহারকারীর প্রবেশাধিকার কমানো
  2. কাজের চাপ সমানভাবে বিতরণ করা 
  3. নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক এনক্রিপ্ট করা
  4. ব্যাকআপ ডেটা সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এ "লোড ব্যালান্সিং"-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কাজের চাপ সমানভাবে বিতরণ করা (উত্তর: খ)। এটি একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সার্ভার, নেটওয়ার্ক, বা অন্যান্য রিসোর্সে আসা অনুরোধসমূহকে এমনভাবে পরিচালনা করা হয় যাতে কোনো একটি নির্দিষ্ট সার্ভার বা রিসোর্স অতিরিক্ত চাপের সম্মুখীন না হয়। এর ফলে সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ডাউনটাইম বা স্লো-ডাউন এড়ানো যায়। লোড ব্যালান্সিং ব্যবহারকারীদের জন্য আরও নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করে এবং একাধিক সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে স্কেলেবিলিটি বাড়ায়। এটি ক্লাউড পরিবেশে উচ্চ প্রাপ্যতা ও দক্ষতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,০১৩.
জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম X (Twitter) -এ কাউকে ট্যাগ করার জন্য কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
  1. &
  2. $
  3. @
  4. #
ব্যাখ্যা

• “স্লাইড রুল” একটি অ্যানালগ যন্ত্র যা গণনা এবং সংখ্যা সম্পর্কিত হিসাব করার জন্য ব্যবহৃত হতো। এটি মূলত Analog Computer এর উদাহরণ, কারণ এটি ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবহার না করে নিরবচ্ছিন্ন মান বা ধারাবাহিক রূপের সংখ্যাকে কাজে লাগিয়ে গাণিতিক ক্রিয়াকলাপ সম্পন্ন করত। স্লাইড রুলের সাহায্যে গুণ, ভাগ, ঘনমূল, লগারিদম প্রভৃতি জটিল গণনা করা সম্ভব হতো। এটি বৈদ্যুতিক বা মেকানিক্যাল কোন যন্ত্র না হলেও গণনায় সরাসরি ধারাবাহিক ভৌত পরিমাপের উপর নির্ভরশীল। সুতরাং, এটি ডিজিটাল কম্পিউটার নয়, বরং Analog Computer-এর শ্রেণিতে পড়ে।

- সঠিক উত্তর: গ) @.

• X (Twitter):
- Twitter এর বর্তমান নাম X
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (জানুয়ারি, ২০২৫)
- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- সদর দপ্তর: San Francisco, California, United States
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস:
১. অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।

১,০১৪.
নিচের কোন কৌশলটি কৃষি ফলনের পূর্বাভাসের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. WAN
  2. Deep learning
  3. Phishing
  4. Secure shell
ব্যাখ্যা
- মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং) কৌশলটি কৃষি ফলনের পূর্বাভাসের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

অন্যদিকে,
- ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলাকে ফিশিং বলে।
- WAN একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যার পূর্ণরূপ Wide area network.
- Secure shell একটি নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
 
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।
১,০১৫.
কোনটি ম্যালওয়ার নয়?
  1. BIOS
  2. ট্রোজান হর্স
  3. স্পাইওয়্যার
  4. র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা
Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

ফার্মওয়্যার (Farmware):
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমোরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল) এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৬.
Wi-Fi-এর পুরো রূপ কী?
  1. Wide Facility
  2. Wireless Facility
  3. Wireless Fidelity
  4. Wide Fidelity
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi-এর পুরো রূপ হিসেবে সাধারণভাবে Wireless Fidelity-কেই গ্রহণ করা হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Wireless Fidelity। Wi-Fi এমন একটি প্রযুক্তি যা তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে। এর মাধ্যমে রাউটার ও বিভিন্ন ডিভাইস যেমন মোবাইল, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান হয়। যদিও প্রযুক্তিগতভাবে Wi-Fi কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নয় এবং এটি একটি ব্র্যান্ড নাম, তবুও শিক্ষা ও সাধারণ জ্ঞানের ক্ষেত্রে Wireless Fidelity নামটিই প্রচলিত ও স্বীকৃত। এই প্রযুক্তি আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করেছে।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,০১৭.
ডিজিটাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে “স্প্যাম” বলতে কী বোঝায়?
  1. অপ্রয়োজনীয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা
  2. নিরাপদ নোটিফিকেশন
  3. ব্যক্তিগত বার্তা
  4. বন্ধুদের পাঠানো সহায়ক ইমেইল
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে “স্প্যাম” বলতে অপ্রয়োজনীয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তাকে বোঝায়, যা ব্যবহারকারীর সম্মতি ছাড়াই বারবার পাঠানো হয়। সাধারণত ইমেইল, এসএমএস, সোশ্যাল মিডিয়া বা মেসেজিং অ্যাপে এই ধরনের বার্তা দেখা যায়। স্প্যাম বার্তার উদ্দেশ্য হতে পারে বিজ্ঞাপন প্রচার, প্রতারণা, ভুয়া তথ্য ছড়ানো বা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা। এসব বার্তা ব্যবহারকারীর সময় নষ্ট করে এবং কখনো কখনো নিরাপত্তার ঝুঁকিও সৃষ্টি করে।
- তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে ক) অপ্রয়োজনীয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তাই স্প্যামের সঠিক সংজ্ঞা।

 
ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

১,০১৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রধান চ্যালেঞ্জ কী?
  1. উচ্চ গতি
  2. ডেটা নিরাপত্তা
  3. কম খরচ
  4. সহজ অ্যাক্সেস
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান চ্যালেঞ্জ হল ডেটা নিরাপত্তা।
- যেহেতু ক্লাউড পরিষেবাগুলি ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, তাই ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য হ্যাকারদের জন্য ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারে। ডেটা ব্রিচ, সাইবার আক্রমণ, অননুমোদিত অ্যাক্সেস, এবং তথ্য গোপনীয়তা সংক্রান্ত উদ্বেগ ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অন্যতম প্রধান সমস্যা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। CSA (Cloud Security Alliance).

১,০১৯.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর জনক কে?
  1. অ্যালান টুরিং 
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. জ্যাক কেলবি
  4. হাওয়ার্ড আইকিন
ব্যাখ্যা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - Al):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হলো বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।

⇒ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক John McCarthy।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।
- কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত।
- আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

⇒ AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১,০২০.
কোন নেটওয়ার্কটি পাবলিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. CAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের মালিকানা: 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে, অর্থাৎ এর একক মালিকানা থাকে না। 
- এর ব্যবহারকারীকে সাধারণত ফিস্ বা মূল্য পরিশোধ করতে হয় না। 
- WAN বা ইন্টারনেট হলো পাবলিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 

২। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে। 
- কেউ ইচ্ছা করলেই এই নেটওয়ার্কে অ্যাকসেস করতে পারে না। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ও তত্ত্বাবধানে। 
- এর সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত এবং এতে ট্রাফিক নেই বললেই চলে। 
- ডেটা আদান-প্রদানে ডিলে (Delay) কম হয়। 
- PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১,০২১.
ChatGPT primarily generates responses using which underlying mechanism in natural language processing?
  1. Next-word prediction
  2. Image recognition
  3. Rule-based programming
  4. Symbolic reasoning
ব্যাখ্যা

• Next-word prediction হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ChatGPT ইনপুট টেক্সটের ভিত্তিতে পরবর্তী সবচেয়ে সম্ভাব্য শব্দ অনুমান করে বাক্য তৈরি করে।

• ChatGPT-এর কাজ করার প্রক্রিয়া:
- ChatGPT একটি Large Language Model (LLM), যা মানুষের ভাষা বুঝতে ও তৈরি করতে সক্ষম।
- এটি মূলত বিশাল পরিমাণ টেক্সট ডেটা ব্যবহার করে প্রশিক্ষিত হয়।
- মডেলটি ভাষার বিভিন্ন pattern, শব্দের ব্যবহার, বাক্যের গঠন ইত্যাদি শিখে নেয়।
- ব্যবহারকারী যখন কোনো প্রশ্ন বা ইনপুট দেয়, তখন মডেলটি সেই ইনপুটের ভিত্তিতে পরবর্তী সম্ভাব্য শব্দ অনুমান করে উত্তর তৈরি করে।
- এই প্রক্রিয়াকে probabilistic language modeling বলা হয়, যেখানে প্রতিটি শব্দের সম্ভাব্যতা গণনা করা হয়।
- ChatGPT মূলত Transformer architecture ভিত্তিক নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।
- Transformer মডেল context বোঝার জন্য attention mechanism ব্যবহার করে।
- এর ফলে মডেলটি একটি বাক্যের আগের শব্দগুলো বিশ্লেষণ করে পরবর্তী শব্দের সম্ভাবনা নির্ধারণ করতে পারে।
- ChatGPT-কে উন্নত করতে Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) ব্যবহার করা হয়, যেখানে মানুষের প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে মডেলের উত্তর দেওয়ার দক্ষতা উন্নত করা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Image recognition → ছবির ভেতরের বস্তু বা প্যাটার্ন শনাক্ত করার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি।
- Rule-based programming → পূর্বনির্ধারিত নিয়ম বা if-then লজিক অনুসারে কাজ করা প্রোগ্রামিং পদ্ধতি।
- Symbolic reasoning → প্রতীক বা লজিক্যাল নিয়ম ব্যবহার করে সমস্যা সমাধানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পদ্ধতি।

Source: OpenAI & Britannica.

১,০২২.
রোবটের মধ্যে অবস্থিত প্রোগ্রামকৃত মস্তিষ্ককে কী বলা হয়?
  1. ক) সেন্সিং ব্রেইন
  2. খ) ম্যানিপুলেটিভ ব্রেইন
  3. গ) রিপ্রোগ্রামেবল ব্রেইন
  4. ঘ) অ্যাকচুয়েটিং ব্রেইন
ব্যাখ্যা
রিপ্রোগ্রামেবল ব্রেইন: রোবট এর মধ্যে অবস্থিত প্রোগ্রাম কৃত মস্তিষ্ক যা কম্পিউটারের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
যদি কোন কারনে রোবটের আচরণ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে এর ভেতরে থাকা কম্পিউটার টিভি প্রোগ্রাম করা হলেই চলে।
 
সেন্সিং: মানুষের মত অনুভুতি তৈরিতে সেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় । সেন্সরের মাধ্যমে রোবট এর মধ্যে মানুষের মত অনুভূতি তৈরি করা যায় ।

অ্যাকচুয়েটর: অ্যাকচুয়েটর হল রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাড়াচাড়া করার জন্য কতকগুলো বৈদ্যুতিক মোটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা।

ম্যানিপুলেশন: রোবটের আশেপাশের বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন বা বস্তুটিকে পরিবর্তন করার পদ্ধতিকে বলা হয় ম্যানিপুলেশন।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)
১,০২৩.
অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে গোপন প্রবেশকে সাইবার নিরাপত্তায় কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. স্প্যামিং
  2. স্পুফিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা

• অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে গোপনে প্রবেশ করার ঘটনাকে সাইবার নিরাপত্তায় স্নিকিং (Sneaking) বলা হয়। স্নিকিং বলতে বোঝায়, কোনো ব্যক্তি বৈধ অনুমতি বা অধিকার ছাড়াই কৌশলে অন্যের কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা তথ্যব্যবস্থায় প্রবেশ করা। এ ধরনের কাজে সাধারণত নিরাপত্তা দুর্বলতা, পাসওয়ার্ড চুরি বা গোপন কৌশল ব্যবহার করা হয়। স্নিকিংয়ের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি, পরিবর্তন বা নষ্ট করা সম্ভব, যা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে। তাই সাইবার নিরাপত্তায় স্নিকিং একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং - বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

- Salami Attack - অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।
- Denial of Service Attack - বেশি পরিমাণেরিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক - পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,০২৪.
ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড এর বর্তমান নাম কী?
  1. এক্স
  2. থ্রেডস
  3. মেটা
  4. স্পেস এক্স
ব্যাখ্যা
• Facebook/Meta:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- মেটার বর্তমান (জুন, ২০২৪) CEO: মার্ক জাকারবার্গ [Jul 2004 – present]।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জানুয়ারি ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৫.
Email is used through which network?
  1. MAN
  2. FAN
  3. WAN
  4. LAN
ব্যাখ্যা

ই-মেইল বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা একটি WAN (Wide Area Network)-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- টেলিফোনের সাথে সংযুক্ত মডেমের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডায়াল করতে হয়।
- এভাবে ভিন্ন প্রকৃতির নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়।
- গেটওয়ে ডাটা বা তথ্য চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ করে দেয়।
- ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে। যেমনঃ ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

উল্লেখ্য-
-  MAN (Metropolitan Area Network): MAN একটি নির্দিষ্ট শহরের মধ্যে বিস্তৃত থাকে এবং এটি সাধারণত একটি শহরের একাধিক LAN-কে সংযুক্ত করে। যদিও ই-মেইল MAN-এর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে, তবে এটি শুধুমাত্র MAN-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
- LAN (Local Area Network): LAN একটি ছোট ভৌগোলিক এলাকায় (যেমন একটি বাড়ি, অফিস বা স্কুল) কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করে। যদিও একটি LAN-এর অভ্যন্তরে ই-মেইল ব্যবহার করা যায়, তবে ই-মেইলের মূল উদ্দেশ্য হলো এই ধরনের ছোট নেটওয়ার্কের বাইরেও যোগাযোগ স্থাপন করা।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০২৬.
মেটার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. Seattle, USA
  2. New York, USA
  3. Menlo Park, USA
  4. San Francisco, USA
ব্যাখ্যা
• মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড:
- ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড এর বর্তমান নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক , ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি মেটার অধীনস্ত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০২৭.
ফটোশপ হল একটি-
  1. উইন্ডো সফ্টওয়্যার
  2. ফটো এডিটিং সফ্টওয়্যার
  3. লেখালেখির সফ্টওয়্যার
  4. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফ্টওয়্যার
ব্যাখ্যা
ফটোশপ:

- ফটোশপ হচ্ছে একটি ফটো এডিটিং সফ্টওয়্যার যার দ্বারা যে কোন ধরনের আলোকচিত্র ডিজিটালরূপে পরিবর্তন করা যায়।
- এডোবি ফটোশপ একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন প্যাকেজ প্রোগ্রাম।
- এই প্যাকেজ প্রোগ্রামটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Adobe Systems কর্তৃক বাজারজাত করা হয়। ১৯৮৮ সালে।
- থমাস এবং জন নোল এটি প্রথম তৈরি করেন।
- বিভিন্ন প্রোগ্রামার, ডিজাইনাররা তাদের প্রজেক্ট বা ছবির কাজগুলো ফটোশপের মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকেন।
- প্রফেশনাল ব্যক্তিরা ফটোশপ ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, কারণ ফটোশপের মাধ্যমে পত্রিকা, বিজ্ঞাপন তৈরি, বইয়ের প্রচ্ছদ তৈরি, লিফলেট, পোষ্টার তৈরিসহ যাবতীয় ডিজাইনের কাজ করা যায়।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৮.
IPv6 এর সাহায্যে সর্বোচ্চ কত সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়?
  1. ক) 28
  2. খ) 216
  3. গ) 232
  4. ঘ) 2128
ব্যাখ্যা
(1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 X ৪ বা 32 বিটের যা 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলাে IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
১,০২৯.
প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার চালু হয় কোনটিতে?
  1. ক) ২য় প্রজন্মের ফোনে
  2. খ) ৩য় প্রজন্মের ফোনে
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্মের ফোনে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মােবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হলাে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
ফলে LAN, WAN, VoIP, Internet প্রভৃতি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব হচ্ছে।
১,০৩০.
কোন নেটওয়ার্কে হোস্ট কম্পিউটার থাকে?
  1. ক) বাস নেটওয়ার্ক
  2. খ) স্টার নেটওয়ার্ক
  3. গ) রিং নেটওয়ার্ক
  4. ঘ) ট্রি নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
স্টার নেটওয়ার্কে একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট কম্পিউটারের সঙ্গে অন্যান্য কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে। এ সংগঠনের নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটার গুলো পরস্পরের মধ্যে সরাসরি সংকেত আদান-প্রদান করতে পারে না। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট কম্পিউটারের মাধ্যমে এক কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সঙ্গে ডেটা বা সংকেত আদান-প্রদান করে থাকে।
১,০৩১.
কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত নিচের কোনটির ওপর নির্ভরশীল?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সফটওয়্যার
  3. সিপিইউ
  4. গ্রাফিক্স কার্ড
ব্যাখ্যা
সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ
• গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
• নিয়ন্ত্রণ ইউনিট,
• রেজিস্টার স্মৃতি।
- এই সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।

তথ্যসূত্র - কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩২.
গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা কোন সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত?
  1. স্পুফিং
  2. স্নিফিং
  3. লজিক বম্ব
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা

স্নিফিং হচ্ছে গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা ।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিফিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা। )
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন। )
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,০৩৩.
স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহারে কী সুবিধা পাওয়া যায়?
  1. মেসেজিং এবং কলিং ফিচার
  2. রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা পর্যবেক্ষণ
  3. কম্পাসের মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তকরন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহারের ফলে ব্যবহারকারীরা অনেক সুবিধা পেতে পারেন। এটি শুধু সময় দেখানোর জন্য নয়, বরং মেসেজিং ও কলিং ফিচারের মাধ্যমে দ্রুত যোগাযোগ বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া, অনেক স্মার্ট ওয়াচ রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে পারে, যা স্বাস্থ্য মনিটরিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া, কম্পাস এবং GPS প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার অবস্থান সহজেই শনাক্ত করতে পারেন। এই সব ফিচার একত্রে ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন জীবনকে অনেক সহজ, সুস্থ ও নিরাপদ করে তোলে। তাই বলা যায়, স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার উপরের সব সুবিধা একসাথে প্রদান করে।

• স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- সময় বলার পাশাপাশি স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন। প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে এবং যা পরিধানকারীর স্মার্টফোনের ক্ষমতা তাঁর ঘড়িতে প্রসারিত করতে সক্ষম।
- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতেও পারে। তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে।
- 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

• স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার:
- বিভিন্ন স্বাস্থ্য তথ্য যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা, রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
- ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা প্রদান করেন।
- স্মার্টফোনের মতোই মেসেজিং এবং কলিং ফিচার।
- ব্যবহারকারী কোন বিপদে পড়লে জরুরি বার্তা প্রদান করতে পারে।
- মানচিত্র, কম্পাস, altimeter এবং জিপিএস ট্র্যাকিং এর সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: IEEE.

১,০৩৪.
Telepresence is mainly used in—
  1. Cryosurgery
  2. Artificial intelligence
  3. Biometrics
  4. Virtual reality
ব্যাখ্যা

- টেলি প্রেজেন্স এর প্রয়োগ ক্ষেত্র হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি

- টেলি প্রেজেন্স:
টেলিপ্ৰেজেন্স (Telepresence) হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির একটি বিশেষ প্রয়োগ ক্ষেত্র
১.  এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি বাস্তবে কোনো স্থানে উপস্থিত না থেকেও সেখানে উপস্থিত থাকার অনুভূতি পান এবং সেখান থেকে কাজ পরিচালনা করতে পারেন
২. টেলিপ্ৰেজেন্সের প্রধান ব্যবহারের ক্ষেত্রগুলো হলো:
টেলিসার্জারি: ডাক্তার সরাসরি উপস্থিত না থেকে দূর থেকে রোবোটিক হাতের মাধ্যমে রোগীর অপারেশন সম্পন্ন করতে পারেন
৩. বিপজ্জনক কাজ: কলকারখানার বিপজ্জনক পরিবেশে বা যেখানে মানুষের যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ, সেখানে টেলিপ্ৰেজেন্স রোবটের মাধ্যমে কাজ করা হয়।
 ৪. ব্যবসায়িক যোগাযোগ: বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা কর্মীরা ভিডিও কনফারেন্সিং ও সিমুলেশনের মাধ্যমে এমনভাবে সভায় যোগ দেন যেন তারা একই রুমে বসে আছেন।
৫. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: শিক্ষার্থীরা দূরবর্তী কোনো গবেষণাগার বা ঐতিহাসিক স্থানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত হয়ে শিক্ষা গ্রহণ করতে ব্যবহার করতে পারে।

অন্যদিকে,
- বায়োমেট্রিক্স (Biometrics) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ব্যক্তি শনাক্তকরণ করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি (Cryosurgery) হলো এমন একটি আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি যেখানে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা বা বরফ-শীতল ঠান্ডা প্রয়োগ করে শরীরের অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয়।  এটি ক্যানসার ও চর্মরোগের চিকিৎসায় একটি অত্যন্ত কার্যকর।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এটি হলো মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তাশক্তিকে কম্পিউটারের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে রূপদান করা, যাতে মেশিন মানুষের মতো সিদ্ধান্ত নিতে বা সমস্যার সমাধান করতে পারে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality বা VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি একটি কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক (3D) পরিবেশ, যেখানে ব্যবহারকারী নিজেকে বাস্তবের মতো নিমজ্জিত অবস্থায় অনুভব করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী।

১,০৩৫.
H.323 Protocol সাধারণত কি কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Data Security
  2. File Download
  3. IP telephony
  4. File transfer
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

- H.323 Protocol সাধারণত VolP (Voice Over Internet Protocol) এ ব্যবহৃত হয়।
- VoIP (Voice Over Internet Protocol), যাকে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, সাউন্ডকে একটি ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে কাজ করে, যা তারপর একটি ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটে পাঠানো হয়।
-ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।

উৎস :
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
১,০৩৬.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম WWWW নামে পরিচিত?
  1. ক) 5G
  2. খ) 3G
  3. গ) 4G
  4. ঘ) 2G
ব্যাখ্যা
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple input multiple output) অন্যতম। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি; একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি। 
১,০৩৭.
একটি URL-এ ‘https://’ অংশটি কী নির্দেশ করে?
  1. সার্ভারে একটি নির্দিষ্ট ফাইলের পথ
  2. ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নাম
  3. সার্চ ফলাফল দেখানোর করার জন্য এটি ব্যবহৃত
  4. একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
ব্যাখ্যা

• একটি URL-এ ‘https://’ অংশটি আসলে একটি প্রোটোকলকে নির্দেশ করে, যা মূলত ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এখানে “https” মানে হলো HyperText Transfer Protocol Secure। এটি সাধারণ http এর উন্নত সংস্করণ, যেখানে SSL/TLS এনক্রিপশন ব্যবহৃত হয়, যাতে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করার সময় তৃতীয় পক্ষ সহজে তা পড়তে বা পরিবর্তন করতে না পারে। ফলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর বা অন্য সংবেদনশীল ডেটা নিরাপদ থাকে। তাই সঠিক উত্তর হলো- ঘ) একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম),
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

১,০৩৮.
শিল্পোৎপাদন ব্যবহারে উপযোগী সর্বপ্রথম রোবটটির নাম কী?
  1. ক) Roomba
  2. খ) Azuma hikari
  3. গ) Sophia
  4. ঘ) Unimate
ব্যাখ্যা
১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ, ও উদ্যোক্তা Joseph Frederick Engelberger এবং একই দেশের উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবক George Charles Devol মিলে সর্বপ্রথম Unimate নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।

- Roomba হল একটি জনপ্রিয় হোম রোবট, যা ঘরের মেঝে পরিষ্কারের কাজে অত্যন্ত দক্ষ। 
- আজুমা হিকারি 'Tiny Holographic Wife' নামে পরিচিত। 
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছেন হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনসন রোবটিক্স।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১,০৩৯.
ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয় নিচের কোনটি?
  1. ক) Google
  2. খ) Facebook
  3. গ) DuckDuckGo
  4. ঘ) Baidu
ব্যাখ্যা

ফেইসবুক বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এটি ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারী মার্ক জুকারবার্গ এবং তার কয়েকজন বন্ধু মিলে চালু করেন। এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে অবস্থিত।
সূত্রঃ ফেইসবুক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণী।

১,০৪০.
ডিজিটাল ওয়ালেট কী?
  1. ইন্টারনেট সংযোগের ধরন
  2. ই-কমার্স সিস্টেম 
  3. মোবাইলে টাকা সংরক্ষণের ব্যবস্থা
  4. ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ন্ত্রক সংস্থা
ব্যাখ্যা

◉ ডিজিটাল ওয়ালেট (Digital Wallet) হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা, যেখানে টাকা, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড তথ্য এবং পেমেন্ট ডেটা নিরাপদে রাখা হয়।

ডিজিটাল ওয়ালেট: 
- ডিজিটাল ওয়ালেট (E-wallet) হলো একটি সফটওয়্যার বা অনলাইন সেবা, যা ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ইলেকট্রনিক লেনদেন করার সুযোগ দেয়।
- সাধারণত স্মার্টফোন অ্যাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে ডেস্কটপ সংস্করণও থাকতে পারে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে। 
- কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রচলিত ওয়ালেটের চেয়ে নিরাপদ, কারণ এতে ডেটা এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড/বায়োমেট্রিক সিকিউরিটি থাকে।
- উদাহরণ: PayPal, Google Pay, বিকাশ ইত্যাদি। 

উৎস: কর্পোরেট ফিন্যান্স ইন্সটিটিউশন। 

১,০৪১.
'আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স' কোন প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation): 
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মে কম্পিউটার বিবেচনা করা হয়।
- মূলত পঞ্চম প্রজন্ম বলতে প্রকৃত অর্থে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই বোঝায়। এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় কথা বলা ও মানুষের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতাও থাকবে। অর্থাৎ এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্ম VLSI প্রযুক্তিকে অতিক্রম করে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) প্রযুক্তিতে অবস্থান করবে।

- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বহু মাইক্রোপ্রসেসর বিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ ও পরিচালনা।
৪. প্রোগ্রামসামগ্রীর ব্যাপক উন্নতি।
৫. তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।ইত্যাদি।

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মে এবং পঞ্চম প্রজন্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও ভিত্তি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪২.
কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে? 
  1. OaaS
  2. PaaS
  3. KaaS
  4. CaaS
ব্যাখ্যা
- PaaS মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে। 

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2). 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে। 
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure. 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 
- উদাহরণ: Google Docs. 

এখানে,
- CaaS, KaaS, OaaS গুলো Cloud Computing এর সেবার কোনো ধরণ নয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৩.
কোন নেটওয়ার্ককে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকে?
  1. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  3. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক
  4. ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকে, কারণ এই নেটওয়ার্কে একটি নির্দিষ্ট সার্ভার থাকে যা রিসোর্স বা তথ্য সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান এবং নেটওয়ার্কের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- এই নেটওয়ার্কে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, যা ডাটা স্টোরেজ, নিরাপত্তা এবং অ্যাপ্লিকেশন চালনার জন্য দায়ী।
- ক্লায়েন্ট কম্পিউটারগুলো সার্ভার থেকে রিসোর্স (যেমন ফাইল, ডাটা) গ্রহণ করে।
- রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়, কিন্তু সার্ভার ব্যর্থ হলে নেটওয়ার্ক বন্ধ হতে পারে।
- উদাহরণ: Gmail, Google Drive, কিংবা Amazon Web Services-এর মতো ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা যেখানে কেন্দ্রীয় সার্ভার রিসোর্স নিয়ন্ত্রণ করে।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- এই নেটওয়ার্ক বিকেন্দ্রীভূত, অর্থাৎ কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার নেই।
- প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে।
- রিসোর্স শেয়ারে সব কম্পিউটার সমান ভূমিকা পালন করে।
- উদাহরণ: BitTorrent ফাইল শেয়ারিং সিস্টেম।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- এটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- কিছু ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, আবার কিছু ক্ষেত্রে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক-এর মতো বিকেন্দ্রীভূত শেয়ারিং হয়।
- উদাহরণ: পুরোনো Skype সিস্টেম, যেখানে কিছু কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছিল।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

 

১,০৪৪.
কোন সাইটটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে বর্তমানে চালু নেই?
  1. ক) গুগল প্লাস
  2. খ) ফেসবুক
  3. গ) মাইস্পেস
  4. ঘ) টুইটার
ব্যাখ্যা
২০১১ সালে চালু হয় গুগল প্লাস। ২রা এপ্রিল,২০১৯ সালে গুগল প্লাস তার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়৷
১,০৪৫.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) তৈরি এবং পরিচালনার জন্য যথাক্রমে কোন প্রোটোকল ও ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. HTML এবং HTTP
  2. HTTP এবং HTML
  3. TCP/IP এবং C++
  4. SMTP এবং HTTP
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) তৈরি এবং পরিচালনার জন্য যথাক্রমে HTTP এবং HTML প্রোটোকল ও ভাষা ব্যবহৃত হয়।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web, WWW) 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হল ইন্টারনেট এর মাধ্যমে টেক্সট, গ্রাফিক্স ও অডিও দেখার একটি মাধ্যম। 
- এটি একটি তথ্য পুনরুদ্ধার পরিষেবা যা ব্যবহারকারীদের হাইপারটেক্সট বা হাইপারমিডিয়া লিংকের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ডেটা যেমন ছবি, শব্দ, অ্যানিমেশন এবং মুভি ইত্যাদি তে অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে। 
- প্রতিটি তথ্য পুনরুদ্ধার করার জন্য একটি ওয়েবপেজ (Webpage) প্রয়োজন হয়। 
- ১৯৮৯ সালে টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) এবং তার সহকর্মীরা CERN এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন। 
- তারা হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল (HyperText Transfer Protocol, HTTP) নামে একটি প্রোটোকল তৈরি করেন, যা সার্ভার এবং ক্লায়েন্টদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করে। 
- হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ (HyperText Markup Language, HTML) ব্যবহার করে একটি ওয়েবপেজের বিষয়বস্তু লেখা হয় এবং এর একটি অনলাইন ঠিকানা থাকে, যাকে ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটর (Uniform Resource Locator, URL) বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০৪৬.
Web pages are primarily created using-
  1. HTML
  2. C language
  3. Python
  4. Assembly language
ব্যাখ্যা

• ওয়েব পেজ মূলত HTML দিয়ে তৈরি করা হয়।

• ওয়েব পেজ (Web Page):
- ওয়েব পেজ হলো এমন একটি ফাইল, যা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ব্রাউজারের মাধ্যমে এই ওয়েব পেজ দেখতে পারে।
• HTML-এর ভূমিকা:
- HTML (Hyper Text Markup Language) হলো ওয়েব পেজ তৈরির প্রধান ও মৌলিক ভাষা।
- HTML ব্যবহার করে ওয়েব পেজের কাঠামো (structure) তৈরি করা হয়।
- ওয়েব পেজে লেখা, ছবি, লিংক, টেবিল ইত্যাদি কীভাবে প্রদর্শিত হবে, তা HTML নির্ধারণ করে।

• আধুনিক ওয়েব ডিজাইনে অন্যান্য ভাষা:
- বর্তমানে HTML–এর পাশাপাশি XML, DHTML, STML ইত্যাদিও ওয়েব পেজ তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এসব প্রযুক্তি ওয়েব পেজকে আরও ডায়নামিক ও ব্যবহারবান্ধব করে তোলে।

• ওয়েব পেজ ও ওয়েবসাইটের সম্পর্ক:
- একাধিক ওয়েব পেজ একত্রে যুক্ত হয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে।
- প্রতিটি ওয়েব পেজ ও ওয়েবসাইটের একটি করে ইউনিক URL (Web Address) থাকে।

• অন্যান্য অপশন:
 -C language একটি শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা, যা অপারেটিং সিস্টেম ও সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- Python একটি উচ্চস্তরের (High-level) প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), মেশিন লার্নিং ও অটোমেশন কাজে ব্যবহৃত হয়।
- Assembly language একটি নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৪৭.
একজন সাইবার অপরাধী নিজেকে আইটি সাপোর্ট হিসেবে পরিচয় দিয়ে একজন কর্মচারীর কাছ থেকে লগইন ক্রেডেনশিয়াল নিয়ে নেয়। এটি কোন আক্রমণের ধরন?
  1. ডিডস
  2. কী-লগিং
  3. ফিশিং
  4. সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা

• উক্ত ঘটনাটি সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণ। এখানে সাইবার অপরাধী নিজেকে আইটি সাপোর্ট কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে কর্মচারীর বিশ্বাস অর্জন করে এবং সেই বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে লগইন ক্রেডেনশিয়াল সংগ্রহ করে। এই ধরনের আক্রমণে প্রযুক্তিগত দুর্বলতার চেয়ে মানুষের মনস্তত্ত্বকে টার্গেট করা হয়। কর্মচারী মনে করে সে বৈধ সহায়তা পাচ্ছে, তাই নিজের সংবেদনশীল তথ্য স্বেচ্ছায় দিয়ে দেয়। এটি ডিডস বা কী-লগিং নয়, কারণ এখানে কোনো সিস্টেমে ট্রাফিক আক্রমণ বা কিবোর্ড ইনপুট রেকর্ড করা হচ্ছে না। যদিও ফিশিংয়ের সাথে মিল আছে, তবে সরাসরি মানবিক প্রতারণার কারণে এটি সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। সঠিক উত্তর: ঘ) সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
 
• সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (Social Engineering):
- সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ যেখানে অপরাধী মানুষের বিশ্বাস, ভয় বা অসতর্কতাকে কাজে লাগায়।
- এই আক্রমণে সরাসরি প্রযুক্তিগত দুর্বলতা নয়, বরং মানবিক দুর্বলতাকে টার্গেট করা হয়।
- অপরাধী নিজেকে আইটি সাপোর্ট, ব্যাংক কর্মকর্তা বা বিশ্বস্ত কোনো ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেয়।
- এর মাধ্যমে সে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে লগইন আইডি, পাসওয়ার্ড বা সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে।
- এখানে ব্যবহারকারী নিজেই অজান্তে তার তথ্য অপরাধীর হাতে তুলে দেয়।
- প্রশ্নে উল্লেখিত ঘটনায় অপরাধী নিজেকে আইটি সাপোর্ট পরিচয় দিয়ে ক্রেডেনশিয়াল নিয়েছে, যা সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্পষ্ট উদাহরণ।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং হলো সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি উপধরন।
- সাধারণত ভুয়া ইমেইল, এসএমএস বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তথ্য চুরি করা হয়।
- তবে প্রশ্নে সরাসরি ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে আইটি সাপোর্ট পরিচয় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা সাধারণ ফিশিংয়ের চেয়ে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

• কী-লগিং (Key Logging):
- কী-লগিং হলো একটি প্রযুক্তিগত আক্রমণ যেখানে সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে কিবোর্ডে টাইপ করা তথ্য রেকর্ড করা হয়।
- এখানে ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি প্রতারণা করে তথ্য নেওয়া হয় না।
- তাই প্রশ্নের ঘটনার সাথে এটি সম্পর্কিত নয়।

• ডিডস (DDoS):
- ডিডস আক্রমণে একসাথে অনেক ডিভাইস থেকে সার্ভারে অতিরিক্ত অনুরোধ পাঠানো হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো সিস্টেম অচল করে দেওয়া।
- এটি কোনোভাবেই লগইন তথ্য চুরির সাথে সম্পর্কিত নয়।

সুতরাং, একজন সাইবার অপরাধী নিজেকে আইটি সাপোর্ট পরিচয় দিয়ে কর্মচারীর কাছ থেকে লগইন ক্রেডেনশিয়াল নেওয়ার আক্রমণের ধরন হলো  
সঠিক উত্তর: ঘ) সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- IBM. [link]

১,০৪৮.
কোনো সিগন্যালকে নির্দিষ্ট পোর্টে প্রেরণ করে কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস?
  1. সুইচ
  2. ব্রিজ
  3. রিপিটার
  4. হাব
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক ডিভাইস:
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য কম্পিউটারগুলো যুক্ত করতে যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে নেটওয়ার্ক ডিভাইস বলা হয়।
- এসব যন্ত্রপাতি মূলত নেটওয়ার্কে ডেটার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং সংকেত ও ডেটাকে তার সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
- এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে:
• মডেম
• হাব
• রাউটার
• গেটওয়ে
• সুইচ
• নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড।

• সুইচ:
- নেটওয়ার্কিং করার জন্য বর্তমানে হারের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে সুইচ ব্যবহৃত হয়।
- কার্যক্রমের দিক থেকে হাব এর সাথে সুইচের তেমন কোনো পার্থক্য নেই তবে সুইচেন্ন ৰুদ্ধিমত্তা রয়েছে।
- সুইচ কোনো সংকেতকে ব্রডকাস্ট করে না, সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য প্রতিটি কম্পিউটারের MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে সিগন্যালটি পাঠায়।
- শুধু তাই নয় দুর্বল হয়ে পড়া সংকেতটিকে অ্যামপ্লিফাই (বর্ধিত) করে গন্তব্য কম্পিউটারের পোর্টে প্রেরণ করে। 
- সুইচে পোর্টের সংখ্যা ৪, 16, 24 থেকে 48 পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে ডেটা ফিল্টারিং (প্রকৃত সিগনাল থেকে নয়েজ সিগনাল বাদ দেয়া) করা সম্ভব তবে ব্যবহারের দিক থেকে একটু জটিল।
- একটি সুইচ দিয়ে একটি LAN তৈরি করা যায়, একাধিক LAN তৈরি সম্ভব নয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৯.
Wi-Fi এর সিগন্যাল কোন ফ্রিকোয়েন্সিতে প্রেরিত হয়?
  1. 100 MHz - 200 MHz
  2. 10 GHz - 20 GHz
  3. 2.4 GHz - 5 GHz
  4. 0.5 GHz - 2 GHz
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: 2.4 GHz - 5 GHz

Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারলেস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,০৫০.
MICR কিসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডাটা সংরক্ষণ করতে
  2. চেক প্রক্রিয়াকরণের জন্য
  3. ছবি স্ক্যান করার জন্য
  4. বারকোড পড়ার জন্য
ব্যাখ্যা

MICR চেক যাচাই, প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• MICR:
- MICR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition/ Reader.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

১,০৫১.
সর্বপ্রথম ক্লাউড সার্ভিস সেবা প্রদান করে কোন সংস্থা?
  1. ক) অ্যামাজন
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) অ্যাপল
  4. ঘ) গুগুল
ব্যাখ্যা
ক্লাউড সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান: 

- অ্যামাজন এর AWS (৩ মার্চ, ২০০৬)।
- গুগুল এর Google Cloud Platform (৭ এপ্রিল, ২০০৮)।
- মাইক্রোসফট এর Azure (১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)।
- অ্যাপল এর iCloud (১২ অক্টোবর, ২০১১)।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।
১,০৫২.
সার্চ ইঞ্জিনের কোন সফটওয়্যারটি ওয়েবে ভেসে বেড়ায় ও নতুন নতুন ওয়েব পেইজের সন্ধান করে?
  1. ক) স্পাইডার সফটওয়্যার
  2. খ) কুয়েরি সফটওয়্যার
  3. গ) ইনডেক্স সফটওয়্যার
  4. ঘ) ডাটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
সার্চ ইঞ্জিন:
- সার্চ ইঞ্জিন একটি সফটওয়্যার টুল যা ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ইনফরমেশন খুঁজে বের করে। যেমন- Google, সার্চ Yahoo, Bing, MSN, পিপীলিকা ইত্যাদি। 
- মূলত ৩ টি প্রধান সফটওয়্যারের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনসমূহ তাদের কর্মকান্ড সম্পন্ন করে থাকে। 
- সফটওয়্যারগুলো হলো-
১। ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software)
২। ইনডেক্স সফটওয়্যার (Index Software)
৩। কুয়েরি সফটওয়্যার (Query Software)
ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software):
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যার এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে এবং সাজিয়ে (Indexing) রাখে।
- গুগলের ক্রোলার (Crawler) সফটওয়্যারটি “Google Bot” নামে পরিচিত।
- Google Bot নির্বিচ্ছিন্ন ভাবে ইন্টারনেটে বিচরণ করে বেড়ায় এবং যখনই নতুন কোন ওয়বেসাইট বা নতুন তথ্যের সন্ধান পায়, এটি গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে।
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যারকে অনেকে “সার্চ বট” বা “ইন্টারনেট বট”ও বলে থাকে।
- স্পাইডার সফটওয়্যার ওয়েবে ভেসে বেড়ায় এবং নতুন নতুন ওয়েব পেইজের সন্ধান করে এবং তা তার নির্দিষ্ট ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,০৫৩.
ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে সাধারণত কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়? 
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

- HTTP (HyperText Transfer Protocol) হল ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্রোটোকল, যা ওয়েব সার্ভার এবং ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- নিরাপদ সংযোগের জন্য HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) ব্যবহৃত হয়, যা SSL/TLS এনক্রিপশন সাপোর্ট করে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

» অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য নয়।

- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি একটি প্রোটোকল স্যুট যা ইন্টারনেটে ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি, কিন্তু এটি সরাসরি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

তথ্যসূত্র: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১,০৫৪.
ফ্যাক্স মেশিন কীভাবে তার কাজ সম্পন্ন করে?
  1. স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে
  2. সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে
  3. ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে
  4. টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• ফ্যাক্স মেশিন সাধারণত টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে (ঘ) কাজ সম্পন্ন করে। এটি একটি কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল সিগন্যাল বা ইলেকট্রনিক সংকেতে রূপান্তরিত করে। ব্যবহারকারী যখন ফ্যাক্স পাঠান, মেশিনটি কাগজের পৃষ্ঠার তথ্যকে স্ক্যান করে ছোট ছোট লাইন বা পয়েন্টে ভাগ করে। এরপর এই ডিজিটাল তথ্যকে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে প্রাপক ফ্যাক্স মেশিনে পাঠানো হয়। প্রাপকের মেশিন এটি গ্রহণ করে পুনরায় কাগজে মুদ্রণ করে মূল নথির অনুরূপ একটি কপি তৈরি করে। সুতরাং ফ্যাক্স মেশিনের কাজ মূলত টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ এবং গ্রহণের প্রক্রিয়ার উপর নির্ভরশীল। এটি সরাসরি স্যাটেলাইট, সেলুলার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল নয়।
 
ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,০৫৫.
WWW এর সূচনা হয় কোন দেশ থেকে?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. ইংল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
১,০৫৬.
B2C প্রথম ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যবসা শুরু করে কোন সালে?
  1. ১৯৯১
  2. ১৯৯২
  3. ১৯৯৩
  4. ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer - B2C): 
- 1992 সালে যখন ইন্টারনেট মাত্র জনপ্রিয়তা লাভ করতে শুরু করেছিল, চার্লস এম স্ট্যাক বুক স্ট্যাকস আনলিমিটেড নামে একটি অনলাইন বইয়ের দোকান তৈরি করার ধারণা পেয়েছিলেন। এভাবেই B2C ইকমার্সের জন্ম হয়েছিল। 
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত। 
- ইন্টারনেটে ব্যবসা-সংক্রান্ত কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিজনেস টু কনজিউমার (B2C) সংক্রান্ত ব্যবসা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। 
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা ই-কমার্স সিস্টেমে কোনো ভোক্তা সরাসরি কোনো ব্যবসায়ী বা উৎপাদনকারী থেকে পণ্য ক্রয় করে থাকে। 
- অর্থাৎ ভোক্তাগণ ই-কমার্স সিস্টেমে কোনো পণ্য ক্রয় করলে তা এ জাতীয় লেনদেনের আওতায় পড়ে। 
যেমন: amazon.com.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
১,০৫৭.
ই-মেইল কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়
  1. ম্যান
  2. ল্যান
  3. ওয়ান
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- টেলিফোনের সাথে সংযুক্ত মডেমের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডায়াল করতে হয়।
- এভাবে ভিন্ন প্রকৃতির নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়।
- গেটওয়ে ডাটা বা তথ্য চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ করে দেয়।
- ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে। যেমন: ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৮.
ব্লুটুথের ট্রান্সমিশন ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 3.8 গিগাহার্টজ 
  2. 5.2 গিগাহার্টজ 
  3. 2.4 গিগাহার্টজ 
  4. 4.8 গিগাহার্টজ 
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ একটি সংক্ষিপ্ত-দূরত্বের ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি যা ডিভাইসগুলির মধ্যে ডেটা এবং অডিও পাঠাতে ব্যবহৃত হয়। ব্লুটুথ সাধারণত ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে। এটি একটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত ISM (Industrial, Scientific, and Medical) ব্যান্ড, যা ওয়াইফাই, মাইক্রোওয়েভ এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সহজেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২.৪ GHz ফ্রিকোয়েন্সি উচ্চ গতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন, কম শক্তি ব্যবহার এবং কম ব্যয় নিশ্চিত করে। সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: গ) 2.4 গিগাহার্টজ ।

• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৫৯.
ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. এদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই
  2. WWW হলো নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট হলো তার ওপর চলা একটি সেবা
  3. ইন্টারনেট হলো নেটওয়ার্ক, WWW হলো তার ওপর চলা একটি সেবা
  4. WWW হলো একটি ব্রাউজার, ইন্টারনেট হলো একটি সার্চ ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট (Internet) হলো বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত নেটওয়ার্ক অব নেটওয়ার্কস, যেখানে বিভিন্ন কম্পিউটার, সার্ভার, রাউটার ও ডিভাইস তথ্য আদান-প্রদান করে।
আর, WWW (World Wide Web) হলো ইন্টারনেটের ওপর চলা একটি সেবা, যা ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েবসাইট, হাইপারলিঙ্ক, ডকুমেন্ট এবং মাল্টিমিডিয়া অ্যাক্সেসের সুযোগ দেয়।
​Internet = Infrastructure (নেটওয়ার্ক অবকাঠামো), 
WWW = Service (ওয়েবসাইট অ্যাক্সেসের সেবা)। 

ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

​​WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি (Tim Berners-Lee) ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে (Tim Berners-Lee) WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: 
​১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
​২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬০.
‘রোবটিক্স’ শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?
  1. চার্লস ডেভল
  2. আইজাক আসিমভ
  3. হেনরি হোন্ডা
  4. এলান টুরিং
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'। 
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক আসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ। 
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল। 
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট। 
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ। 
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,০৬১.
The IEEE standard that defines Wireless LAN (Wi-Fi) technology is:
  1. 802.11
  2. 802.3
  3. 802.16
  4. 802.15.4
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi-এর জন্য মূল IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11

• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়‍্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ককম্পিউটার/ডিজিটাল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলোকে তারবিহীন উপায়ে ইন্টারনেটে সংযুক্ত করার একটি প্রযুক্তি হলো ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) I
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- এটি একটি ওয়্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ওয়াই-ফাই অ্যানাবল্ড ডিভাইস যেমন- ল্যাপটপ, ভিডিও গেম কনসোল, স্মার্টফোন কিংবা ডিজিটাল অডিও প্লেয়ার প্রভৃতি একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস পয়েন্টের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হতে পারে।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কভুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়। হটস্পট হলো এক নেটওয়ার্ক।
- এর ডেটা কমিউনিকেশন গতি খুবই কম এবং সিকিউরিটি ব্যবস্থাও দুর্বল।

উল্লেখ্য,
- 802.3: এই স্ট্যান্ডার্ডটি ইথারনেট নেটওয়ার্কগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়।
-  802.16: এই স্ট্যান্ডার্ডটি ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN) বা WiMAX প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- 802.15.4: এটি ZigBee, Thread ইত্যাদি লো-পাওয়ার ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কের (WPAN) স্ট্যান্ডার্ড।
- 802.15.1: এই স্ট্যান্ডার্ডটি Bluetooth প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১,০৬২.
বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বড় সেমিকন্ডাক্টর চিপ উৎপাদনকারী কোম্পানি কোনটি?
  1. Google Corporation
  2. Apple Corporation
  3. Oracle Corporation
  4. Intel Corporation
ব্যাখ্যা

• বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বড় সেমিকন্ডাক্টর চিপ উৎপাদনকারী কোম্পানি হলো Intel Corporation। ইন্টেল ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মূলত কম্পিউটার প্রসেসর, মেমোরি চিপ, এবং অন্যান্য সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস তৈরি করে। এটি প্রধানত ব্যক্তিগত কম্পিউটার এবং সার্ভারের জন্য উচ্চ ক্ষমতার প্রসেসর সরবরাহ করে এবং প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত। অন্যদিকে, Google, Apple এবং Oracle মূলত সফটওয়্যার, স্মার্টফোন বা ক্লাউড সার্ভিসে বেশি কার্যক্রম চালায়, তাই তারা সেমিকন্ডাক্টর চিপ উৎপাদনের ক্ষেত্রে Intel-এর মতো বিশাল সক্ষমতা রাখে না। Intel এর বাজার অংশীদারি এবং গবেষণা-উন্নয়ন কার্যক্রম এটিকে বিশ্বস্ত শীর্ষস্থানীয় চিপ প্রস্তুতকারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

• ইনটেল কর্পোরেশন (Intel Corporation):
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।
- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০৬৩.
Which payment method is commonly used in E-commerce?
  1. Cash memo
  2. Paper cheque
  3. Electronic payment
  4. Manual voucher
ব্যাখ্যা

• E-commerce-এ সাধারণত Electronic Payment পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যেখানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিরাপদ ও দ্রুত অর্থ লেনদেন সম্পন্ন করা যায়।
 
• Electronic Payment:
- Electronic Payment হলো এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধ করা হয়।
- এতে ব্যাংক কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ইত্যাদি ব্যবহৃত হতে পারে।
- এটি E-commerce-এর একটি অপরিহার্য উপাদান।
 
• Electronic Payment ব্যবহারের সুবিধা:
- দ্রুত ও সহজ লেনদেন।
- ২৪/৭ পেমেন্ট করা সম্ভব।
- সময় ও খরচ সাশ্রয়।
- দূরবর্তী স্থান থেকেও লেনদেনের সুযোগ।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Cash memo → দোকানে নগদ লেনদেনের পর ক্রেতাকে টাকা দেওয়ার প্রমাণপত্র হিসেবে দেওয়া হয়।
- Paper cheque → এটি প্রচলিত ম্যানুয়াল পদ্ধতি।
- Manual voucher → এটি অফলাইন লেনদেনের সাথে সম্পর্কিত।
 
উৎস: e-CAB এবং ব্রিটানিকা।

১,০৬৪.
ব্লুটুথের ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 4.8 গিগাহার্টস
  2. 2.4 গিগাহার্টস
  3. 5.2 গিগাহার্টস
  4. 3.8 গিগাহার্টস
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৫.
কোন নেটওয়ার্কে ইমেইল সুবিধা পাওয়া যায়?
  1. ক) LAN
  2. খ) WAN
  3. গ) PAN
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক: বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে সংযােগ স্থাপন করে।
টেলিফোনের সাথে সংযুক্ত মডেমের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডায়াল করতে হয়। এভাবে ভিন্ন প্রকৃতির নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়। গেটওয়ে ডাটা বা তথ্য চলাচলের জন্য প্রয়ােজনীয় পরিবর্তনের কাজ করে দেয়।
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে।
যেমনঃ ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।
১,০৬৬.
নিচের কোনটি ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ড নয়?
  1. ক) HSPA ( (High speed package Access)
  2. খ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
  3. গ) WCDMA (Wide band division multiple access)
  4. ঘ) UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)
ব্যাখ্যা

তৃতীয় প্রজন্মের মােবাইলফোনে ৪টি স্ট্যান্ডার্ড চালু আছে। যথাঃ
1. HSPA ( (High speed package Access)
2. WCDMA (Wide band division multiple access)
3, 3GPP (3rd Gen Partnership Project)
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)
৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১,০৬৭.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. স্ক্যানার
  2. হেডফোন
  3. মাইক্রোফোন
  4. জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের স্ক্যানার হলো ইনপুট ডিভাইস।
- যে সকল ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে তথ্য সরবরাহ করা হয় বা কমান্ড দেয়া হয় তাদেরকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- বহুল ব্যবহৃত কিছু ইনপুট ডিভাইস হলো- কী-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওয়েবক্যাম ইত্যাদি।

ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

তথ্যসূত্র - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১,০৬৮.
'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা' কোন শিল্প বিপ্লবের আবিষ্কার?
  1. ২য় শিল্প বিপ্লব
  2. ৩য় শিল্প বিপ্লব
  3. ৪র্থ শিল্প বিপ্লব
  4. ৫ম শিল্প বিপ্লব
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব:
- বর্তমান বিশ্ব টিকে আছে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ওপর।
- বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে শিল্পবিপ্লবের ফলে।
- এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট তিনটি শিল্পবিপ্লব ঘটেছে।

⇒ ১ম শিল্প বিপ্লব:
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।

⇒ ২য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৮৭০ সাল।
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়।
- এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়।
- এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন এর মান বৃদ্ধি পায়।
- বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

⇒ ৩য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট।
- শুরু হয় ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব।
- তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহজ ও দ্রুত বিনিময় শুরু হলে সারা বিশ্বের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
- ম্যানুয়াল জগৎ ছেড়ে যাত্রা শুরু হয় ভার্চুয়াল জগতের।

⇒ ৪র্থ শিল্প বিপ্লব:
- প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বিপ্লবকেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
- যেখানে মানুষের আয়ত্তে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইন্টারনেট অব থিংস বা যন্ত্রের ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণ রূপেই মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

উৎস: Britannica.
১,০৬৯.
Chronous শব্দের অর্থ কী?
  1. সময়
  2. শ্রমিক
  3. সমান
  4. গতি
ব্যাখ্যা
♦ আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- গ্রিক শব্দ Iso অর্থ 'সমান' আর Chronous অর্থ 'সময়'। সুতরাং Isochronous হলো 'সমান সময়'।
- যে পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় একই অর্থাৎ কোনো প্রকার দেরি ছাড়া একক সময়ে সমস্ত ডেটা ব্লক বা প্যাকেট ট্রান্সফার করা হয়, তাকে আইসোক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড বলে।
-  এটি হলো সিনক্রোনাস ও অ্যাসিনক্রোনাস এ দুই পদ্ধতির সমন্বিত একটি ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড।

• আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন-এর সুবিধা:
১. ট্রান্সমিশন স্পিড তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।
২. প্রতি ক্যারেক্টারের মাঝে বিরতির প্রয়োজন হয় না।
৩. প্রতি ক্যারেক্টারের শুরুতে স্টার্ট বিট এবং শেষে স্টপ বিট- এর প্রয়োজন হয় না।

• আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন-এর অসুবিধা:
১. তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল।
২. ডেটা ব্লক যথাযথভাবে প্রাপক পেয়েছে কিনা তা চেক করা যায় না এবং ভুল সংশোধন করার ব্যবস্থা নেই।
৩. প্রেরক স্টেশনে স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১,০৭০.
গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টারের নাম কী?
  1. Google Tower
  2. Alphabet HQ
  3. Googleplex
  4. Silicon Valley Office
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,০৭১.
কোন প্রটোকলটি ভিন্ন ভিন্ন হোস্টের মধ্যে ই-মেইল সুবিধা প্রদান করে?
  1. SMTP
  2. FTP
  3. TELNET
  4. PDP
ব্যাখ্যা
• SMTP প্রটোকলটি ভিন্ন ভিন্ন হোস্টের মধ্যে ই-মেইল সুবিধা প্রদান করে।

• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭২.
সেবার বিস্তৃতি অনুসারে কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর শ্রেণিবিভাগ নয়?
  1. পাবলিক ক্লাউড 
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. হাইব্রিড ক্লাউড
  4. সিকিউরড ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS).

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

•  ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,০৭৩.
HSPA টেকনোলজি বাস্তবায়ন হয় কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
HSPA (High Speed Packet Access) টেকনোলজি বাস্তবায়ন হয় তৃতীয় প্রজন্মে । এবং W-CDMA টেকনোলজির মাধ্যমে তৃতীয় প্রজন্মের সূচনা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
১,০৭৪.
কোন ধরনের শেয়ারিং এর মাধ্যমে একই নেটওয়ার্কে থাকা কম্পিউটারগুলো নিজেদের মধ্যে ফাইল শেয়ার করতে পারে?
  1. ক) ইনফরমেশন রিসোর্স শেয়ার
  2. খ) নেটওয়ার্ক রিসোর্স শেয়ার
  3. গ) সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ার
  4. ঘ) হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার: একটি কম্পিউটারের কোনো হার্ডওয়্যার উপাদান একই নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত অন্য কম্পিউটার সমূহে ব্যবহৃত হতে পারে, এটিই হলো হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার। যেমন কোনো নেটওয়ার্কের অধিনস্থ কতগুলো কম্পিউটারে একটি মাত্র প্রিন্টার ব্যবহার করেই প্রিন্ট করার কাজটি করা যায়।

সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ার: প্রত্যেক কম্পিউটারের জন্য আলাদা আলাদাভাবে সফটওয়্যার না কিনে, একটি কপি কিনেই তা নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত সকল কম্পিউটারে শেয়ার করা যায়।

ইনফরমেশন রিসোর্স শেয়ার: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক স্থাপনের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে ঐ নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত অন্য কম্পিউটারের কোনো ফাইল বা ইনফরমেশন অ্যাকসেস করা যায়। অর্থাৎ একটি স্থানে তথ্য সঞ্চয় করে ঐ স্থান থেকে তথ্য শেয়ার করা যায়। যেমন ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে মূল সার্ভারে রক্ষিত ডেটাবেজ থেকে ফাইল ঐ নেটওয়ার্কের অধিনস্থ বিভিন্ন কম্পিউটারে শেয়ার করা যায়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
১,০৭৫.
Which of the following is a spreadsheet software?
  1. FoxPro
  2. Quattro Pro
  3. Informix
  4. dBase
ব্যাখ্যা
Quattro Pro is a spreadsheet software.

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭৬.
সর্বপ্রথম বিটকয়েন সম্পর্কে কে ধারণা প্রদান করেন?
  1. ক) Satoshi Nakamoto
  2. খ) Wei Dai
  3. গ) Vitalik Buterin Gavin
  4. ঘ) Brock Pierce
ব্যাখ্যা
১৯৯৮ সালে সর্বপ্রথম Wei Dai, বিটকয়েন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন। 
পরবর্তীকালে, Satoshi Nakamoto, ২০০৯ সালে আবিষ্কার করেন। 

ইলেকট্রনিক মুদ্রা ,যা ধরা বা ছুয়া যায় না, যেমন বিকাশের টাকা। বিট কয়েনকে বলা হয় ’ভর্চুয়াল গুল্ড”।
দেশের প্রচলিত ভার্চুয়াল মুদ্রার সাথে এর প্রার্থক্য হল এর কোন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক নেই।

সূত্র: বিটকয়েন ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
১,০৭৭.
নিচের কোনটি ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা সহজ নয়?
  1. Task bar
  2. Notification area
  3. Menu bar
  4. Web browser
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে যা ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা খুব সহজ হয় না। 
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়। 
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser ইত্যাদি। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,০৭৮.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'টুইটার/এক্স' এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ম্যানলো পার্ক
  2. ভার্জিনিয়া
  3. সানফ্রান্সিসকো
  4. মাউন্ট ভিউ
ব্যাখ্যা
♦ টুইটার/এক্স: 
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম 'X'
- টুইটারের বর্তমান সিইও Linda Yaccarino. তিনি ২০২৩ সালের ৫ জুন সিইও'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস:
১. টুইটারের ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
১,০৭৯.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত রোবটগুলো কীভাবে তাদের আশেপাশের পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. শুধুমাত্র সোলার পাওয়ারের মাধ্যমে
  2. ডেসিমেল কোডের মাধ্যমে
  3. মাইক্রো কন্ট্রোলের মাধ্যমে
  4. সেন্সর এবং অ্যালগরিদমের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর হবে:
ঘ) সেন্সর এবং অ্যালগরিদমের মাধ্যমে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত রোবটগুলো সেন্সর ব্যবহার করে আশেপাশের পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেই তথ্য বিশ্লেষণ করতে অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। এই দুইয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে রোবট পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন করে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়।
- সেন্সর: আলো, শব্দ, তাপমাত্রা, দূরত্ব, গতি ইত্যাদি শনাক্ত করে।
- অ্যালগরিদম: এই তথ্য বিশ্লেষণ করে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে, তা নির্ধারণ করে।
- তাই, রোবটের বুদ্ধিমত্তা ও পারিপার্শ্বিক প্রতিক্রিয়া উভয়ের মূল চালিকা শক্তি হলো — সেন্সর ও অ্যালগরিদম।

⚪ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।

- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি।
১,০৮০.
Which of the following best represents a feature of cloud computing?
  1. Fixed resource allocation
  2. On-demand self-service
  3. Physical hardware ownership
  4. Single-user access
  5. Manual backup processes
ব্যাখ্যা

On-demand self-service হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি মূল বৈশিষ্ট্য, যা ব্যবহারকারীদের ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স (যেমন স্টোরেজ, কম্পিউটিং পাওয়ার) অ্যাক্সেস করতে দেয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং একটি প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট এবং কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহার করে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করার সক্ষমতা প্রদান করে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি (NIST) অনুসারে, ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি মডেল, যেখানে ক্রেতারা তাদের তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশনগুলো কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করতে পারে, এবং এতে তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকতে হবে-

১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস):
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্যি প্রস্রন্ট করতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,০৮১.
Who is one of the founders of WhatsApp?
  1. Sundar Pichai
  2. Jan Koum
  3. Mark Zuckerberg
  4. Bill Gates
ব্যাখ্যা

• WhatsApp-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হলেন Jan Koum, যিনি ২০০৯ সালে Brian Acton-এর সঙ্গে এই জনপ্রিয় instant messaging অ্যাপটি প্রতিষ্ঠা করেন।

• WhatsApp:
- WhatsApp হলো একটি ICT-based instant messaging application.
- এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে text message, voice call, video call, image ও file sharing করা যায়।
- এটি মোবাইল ও ইন্টারনেট প্রযুক্তির সমন্বয়ে কাজ করে।
 
• WhatsApp-এর প্রতিষ্ঠা (Foundation):
- WhatsApp প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা হলেন—
- Jan Koum
- Brian Acton
- প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল সহজ, দ্রুত ও বিজ্ঞাপনমুক্ত ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা।
 
• WhatsApp-এর মালিকানা ও কোম্পানি কাঠামো:
- WhatsApp বর্তমানে Meta Platforms Inc.-এর মালিকানাধীন।
- Meta (পূর্বের Facebook Inc.) ২০১৪ সালে WhatsApp অধিগ্রহণ করে।
- WhatsApp আলাদা কোম্পানি না হয়ে Meta-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোডাক্ট হিসেবে পরিচালিত হয়।
 
• WhatsApp ও ICT-এর প্রয়োগ:
- WhatsApp হলো OTT (Over-The-Top) communication service-এর উদাহরণ।
- এটি Internet, mobile technology ও cloud-based system ব্যবহার করে।
 
• নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য:
- WhatsApp-এ end-to-end encryption ব্যবহার করা হয়।
- এর ফলে বার্তা শুধুমাত্র প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- এটি secure digital communication নিশ্চিত করে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Mark Zuckerberg → Meta Platforms Inc.-এর CEO.
- Bill Gates → Microsoft-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- Sundar Pichai → Google-এর CEO.
 
উৎস: মেটা এবং ব্রিটানিকা।

১,০৮২.
ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. সিমপ্লেক্স মোডে কেবল একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়।
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
  3. সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: মাউস।
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: টেলিফোন।
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়।
- প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
- যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
১,০৮৩.
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মােবাইল ফোনে আবেদন করার সুবিধা - কোনটির উদাহরণ?
  1. ক) ই-সার্ভিস
  2. খ) এম-লার্নিং
  3. গ) ই-গভর্ন্যান্স
  4. ঘ) ই-লার্নিং
ব্যাখ্যা
শিক্ষা ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্সের একটি উদাহরণ হলাে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মােবাইল ফোনে আবেদন করার সুবিধা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, পূর্বে যশাের জেলায় একজন শিক্ষার্থী সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক হলে তাকে অনেকগুলাে কাজ সম্পন্ন করতে হতাে।
এজন্য নিজে অথবা প্রতিনিধিকে সিলেট গিয়ে একবার ভর্তির আবেদনপত্র সংগ্রহ এবং পরে আবার আবেদনপত্র জমা দিতে হতাে। বর্তমানে মােবাইল ফোনেই এই আবেদন করা যায়। ফলে, ভর্তিচ্ছুদের ভর্তির আবেদন ফরম জোগাড় ও জমা দেওয়ায় জন্য শহর থেকে শহরে ঘুরতে হয় না।
উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৮৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উদাহরণ নয়?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) KAN
  4. ঘ) MAN
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN)
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান (Local Area Network - LAN)
৩। মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ম্যান  (Metropolitan Area Network - MAN)
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়্যান (Wide Area Network - WAN)

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা
প্যান বলে। 
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্যান USB Bus এবং Firewire Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে ।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। 

মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে। WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,০৮৫.
Which Wi-Fi mode allows devices to connect directly without using a router?
  1. Infrastructure Mode
  2. Bridge Mode
  3. Ad-hoc Mode
  4. Client Mode
ব্যাখ্যা
Wi-Fi এর মাধ্যমে Ad-hoc মোড এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ করা যায়।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ডিজিটাল যন্ত্রপাতি (যেমন: ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি) বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়।
- Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.11।
- এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত।
- এর ব্যান্ডউইথ: ১০ Mbps – ৫০ Mbps.
- Ad-hoc Mode এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ সম্ভব।
- এটি LAN-এর তুলনায় সস্তা ও সহজলভ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১,০৮৬.
নিচের কোনটি একটি এম্বেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত প্রচলিত ইনপুট ডিভাইস?
  1. Motor
  2. Button
  3. Speaker
  4. LED
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেমে ইনপুট ডিভাইস হলো সেইসব যন্ত্রাংশ যেগুলোর মাধ্যমে বাহ্যিক তথ্য বা সংকেত সিস্টেমে প্রবেশ করে।

- Button (বোতাম): এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। বোতামে চাপ দিলে একটি সিগন্যাল তৈরি হয় যা প্রসেসরের কাছে যায়, এবং সে অনুযায়ী কাজ হয়।

- LED, Speaker, Motor: এগুলো আউটপুট ডিভাইস। অর্থাৎ, সিস্টেম থেকে বাহিরে তথ্য বা ক্রিয়া প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৭.
GitHub (গিটহাব) কী?
  1. ক) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  2. খ) উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা
  3. গ) মার্কআপ ভাষা এবং সিএসএস এর সমন্বিত প্রোগ্রাম
  4. ঘ) ডেভেলপারদের সফটওয়্যার তৈরি, সংরক্ষণ ও সরবরাহ করার প্লাটফর্ম।
ব্যাখ্যা
GitHub (গিটহাব)
- গিটহাব হচ্ছে ইন্টারনেট হোস্টিং সেবা।
- এটি একটি ওপেন সোর্স ভার্শন কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এটি ডেভেলপারদের কোড, সফটওয়্যার প্রভৃতি তৈরি, সংরক্ষণ ও  নিরাপদে সরবরাহ করার আদর্শ প্লাটফর্ম।
- এটি ওয়েব-ভিত্তিক গিট রিপজিটরি হোস্টিং সেবা।
- দ্রুত গতির ডাটা ইনটিগ্রিটি এবং ডিস্ট্রিবিউটেড সাপোর্টসহ ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোলই হচ্ছে গিট (git)।
- এটি যা গিট এর ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোল এবং সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট (এসসিএম) এর কার্যকারিতা এবং ফিচার উপস্থাপন করে।
- এটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

উৎস: https://github.com
১,০৮৮.
ওয়াকিটকিতে কোন পদ্ধতিতে Data Transmission হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ ডুপ্লেক্স
  3. ফুল ডুপ্লেক্স
  4. ট্রিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) I

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সুযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
যেমন- ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
যেমন- টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৯.
নিচের কোনটি কোনো সংস্থার ওয়েব ঠিকানা হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. HTML
  2. www
  3. URL
  4. http
ব্যাখ্যা

• URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,০৯০.
The first 4 characters in the SWIFT code refer to -
  1. ক) Country Code
  2. খ) Bank Code
  3. গ) Branch Code
  4. ঘ) Location Code
ব্যাখ্যা
SWIFT codes can be from 8 to 11 characters in length.
It's structured as follows:
- The first four characters identify the particular institution or bank to which the transfer will be made
- The next two characters specify the country
- The following two identify the location - usually the city
- The final three characters are usually numerical and indicate a particular branch or office
- When the final three characters are not included, the transfer goes to the head office or branch.

Source: sumup.co.uk
১,০৯১.
ব্রুট ফোর্স আক্রমণের জন্য কোন ধরনের সিস্টেম সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ?
  1. এনক্রিপশন ব্যবহৃত সিস্টেম
  2. যাদের কোনো অথেনটিকেশন নেই
  3. দীর্ঘ ও জটিল পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম
  4. দুর্বল বা ছোট পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• ব্রুট ফোর্স আক্রমণের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সিস্টেম হলো দুর্বল বা ছোট পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম (ঘ)। কারণ ব্রুট ফোর্স আক্রমণে আক্রমণকারী সম্ভাব্য সব পাসওয়ার্ড একে একে চেষ্টা করে সঠিকটি বের করার চেষ্টা করে। যদি পাসওয়ার্ড ছোট, সহজ বা সাধারণ শব্দভিত্তিক হয়, তাহলে অল্প সময়েই তা ভেঙে ফেলা সম্ভব। বিপরীতে, দীর্ঘ ও জটিল পাসওয়ার্ড ভাঙতে অনেক বেশি সময় ও রিসোর্স লাগে। এনক্রিপশন ব্যবহৃত সিস্টেম তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং যাদের কোনো অথেনটিকেশন নেই, সেখানে ব্রুট ফোর্সের প্রয়োজনই পড়ে না। তাই দুর্বল পাসওয়ার্ডই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করে।

সাইবার অপরাধ: 
- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে। 
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয় আবার কথনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়। 
- সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে। তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা সকলের জন্য অতীব জরুরি। 
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

- নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো- 
১। হ্যাকিং (Hacking): 
- সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তা ব্যবহার করা অথবা তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে হ্যাকিং বলে। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (hcaker) বলে। হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ দুইই হতে পারে। 
- কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের সিকিউরিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হ্যাকার নিয়োগ করেন, এই নিয়োগ প্রাপ্ত হ্যাকারদের কাজকে বৈধ হ্যাকিং বলে। এরা সিস্টেম সিকিউরিটি চেক করে; তবে সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না। যেমন-UNIX সিস্টেম চেক করার জন্য অনেক বৈধ হ্যাকার রয়েছে, এদেরকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বলা হয়। 
- আবার অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (craker) বলে। অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়। ফলে সহজেই ক্ষতি সাধন করতে পারে। এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে। 
- হ্যাকিং অপরাধের প্রবণতা দিনদিন বেড়েই চলেছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়। 
- হ্যাকাররা অন্যের ই-মেইল দেখতে পারে, ওয়েব সার্ভারে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারে অথবা নেটওয়ার্কে ফাইল চুরি করতে পারে। 

২। ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসেও অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ঐ গুলো নিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে তারা সফলও হয় এবং সফল হলে তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে। ঐ চুরি করা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে থাকে। এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ। এই ধরনের সাইবার হামলা ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) নামে পরিচিত। পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কি-গুলোর বিভিন্ন সংমিশ্রণ নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে চেষ্টা করে। এটি ট্রায়াল এবং এরর (trial and error) এর উপর নির্ভর করে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে সঠিকভাবে প্রতিটি বিকল্প খুঁজে সফল না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যায়। 
অর্থাৎ, এই ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাইবার আক্রমণে অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড চুরি করা হয়। 

৩। ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে, এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত। 
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস-এ এন্ড টু এন্ড ডেটা এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ছবি, ভিডিয়ো, ভয়েস কল রেকর্ড, ডকুমেন্ট ইত্যাদি) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়। 
- এনক্রিপশন (Encryption) হলো মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না। এর ফলে অনুমোদনহীনদের কাছে মেসেজ, ডেটা বা তথ্য দুর্বোধ্য হয়ে থাকে। 
- নেটওয়ার্কের পাবলিক পথ দ্বারা যে সকল গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরিত হয় তাদেরকে সাধারণত বিশেষ কোডের মাধ্যমে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, অর্থাৎ ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা বা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। 

৪। ডি ডস আক্রমণ (DDoS-Distributed Denial of Service): 
-  ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস আক্রমণ হলো একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে আক্রমণ করা। 
- DDoS আক্রমণে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবাকে প্রচুর পরিমাণে ট্র্যাফিকের সাথে প্লাবিত করতে ব্যবহৃত হয়, যার ফলে এটি ধীরগতির হয়ে যায় বা ক্রাশ (crash) হয়ে যায়। 
- এর উদ্দেশ্য হলো সিস্টেমটিকে মোহাবিষ্ট করা যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা এটি অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে না পারে। 

৫। সাইবার বুলিং (Cyber bullying): 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোনো কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার বুলিং বা সাইবার সন্ত্রাস বলা হয়। 
- কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, হুমকি প্রদান করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, অনুমতি ব্যতীত কারো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রকাশ করা বা গুজব ছড়ানো, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ ছড়ানো এসব কিছুই সাইবার সন্ত্রাসের অন্তর্ভুক্ত। 
- সাইবার সন্ত্রাসের জন্য মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাবলেট ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওয়েবসাইট, ম্যাসেজ, ই-মেইল ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০৯২.
কোনটি সঠিক URL?
  1. ক) www.abcd.com\home
  2. খ) www.abcd-com/home
  3. গ) www.abcd.com/home
  4. ঘ) www.abcd-com\home
ব্যাখ্যা
URL
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,০৯৩.
LinkedIn এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন
  3. ম্যানিলা
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
• LinkedIn: 
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ৯৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।
- সদর দপ্তর: Sunnyvale, California, United States
- Parent organization: Microsoft Corporation
- CEO: Ryan Roslansky
- Founders: Reid Hoffman, Jean-Luc Vaillant, Eric Ly, Konstantin Guericke, Allen Blue

উৎস: linkedin
১,০৯৪.
বার্তা আদান-প্রদানের জনপ্রিয় সেবা 'হোয়াটসঅ্যাপ' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০৭
  2. ২০১০
  3. ২০০৯
  4. ২০১২
ব্যাখ্যা
- হোয়াটসঅ্যাপ এর প্রতিষ্ঠাতা জ্যান কওম (Jan Koum) ও ব্রায়ান অ্যাকশন (Brian Acton)
- হোয়াটসঅ্যাপ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে। 
- ২০১৪ সালে মোবাইল ফোন থেকে তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদানের জনপ্রিয় সেবা (মেসেঞ্জার) হোয়াটসঅ্যাপ অধিগ্রহণ করে ফেসবুক।
- বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এ সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুক ১৯০ কোটি ডলারে হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেয়। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
১,০৯৫.
Which company developed the Windows operating system?
  1. IBM
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Apple
ব্যাখ্যা

Microsoft developed the Windows operating system.

উইন্ডোজ 
- পার্সোনাল কম্পিউটার এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের মধ্যে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম প্রথম পছন্দ।
- ১৯৮৫ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রথম Windows 1.0 চিত্রভিত্তিক ইন্টারফেস হিসেবে বাজারে প্রকাশ করে।
- পরে ১৯৯৫ সালে Windows 95 সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আনা হয়।
- দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং এর বিভিন্ন নতুন ভার্সন বাজারে আসে, যেমন Windows 2007, 2010, 2013।
- মাইক্রোসফট প্রতিটি নতুন ভার্সনে নতুন ফিচার সংযুক্ত করে, যেমন:
  ১. ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা
  ২. ইউএসবি এবং ডিভিডি সাপোর্ট
  ৩. FAT32 ও NTFS ফাইল সিস্টেম ব্যবহার
  ৪. ইন্টারঅ্যাকটিভ ও অনলাইন গেম খেলার সুবিধা

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,০৯৬.
অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল বা মেসেজ পাঠানোর প্রক্রিয়া কী নামে পরিচিত? 
  1. Sneaking
  2. Phishing
  3. Spamming
  4. Sniffing
ব্যাখ্যা

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,০৯৭.
কোন টপোলজিতে কম্পিউটার ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা

• যে টপোলজিতে একটি কম্পিউটার ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্কই বন্ধ হয়ে যায় তা হলো রিং টপোলজি। রিং টপোলজিতে প্রতিটি ডিভাইস ঠিক পরবর্তী ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং ডেটা একটি নির্দিষ্ট দিক বরাবর পাঠানো হয়। অর্থাৎ, ডেটা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ধাপে ধাপে পৌঁছায়। যদি কোনো কম্পিউটার বা সংযোগে সমস্যা হয়, তাহলে পুরো রিং ব্যাহত হয়ে যায় এবং ডেটা পরিবহন থেমে যায়। অন্যদিকে, স্টার বা বাস টপোলজিতে একক ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে না। তাই রিং টপোলজিতে নেটওয়ার্কের নির্ভরশীলতা সবচেয়ে বেশি।

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে;
- এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমূখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৯৮.
A device that connects to a network without the use of cables is said to be 
  1. ক) distributed
  2. খ) centralized
  3. গ) wifi
  4. ঘ) wireless
ব্যাখ্যা
- Wireless communications, System using radio-frequency, infrared, microwave, or other types of electromagnetic or acoustic waves in place of wires, cables, or fibre optics to transmit signals or data.
- Wireless devices include cell phones, two-way radios, remote garage-door openers, television remote controls, and GPS receivers (see Global Positioning System).
- Wireless modems, microwave transmitters, and satellites make it possible to access the Internet from anywhere in the world.
Source: britannica
১,০৯৯.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন সংযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার হয় না?
  1. ADSL
  2. GPRS
  3. EDGE
  4. WAP
ব্যাখ্যা

◉ ADSL (Asymmetric Digital Subscriber Line) একটি তারযুক্ত ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, যা টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। এটি মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয় না।

মোবাইল ইন্টারনেট:
- GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
- এখন মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হয়। কারণ সকল ধরনের হ্যান্ডসেট ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হয় না।
- এ ক্ষেত্রে খানিকটা উচু মানের হ্যান্ডসেট ও স্মার্টফোন ব্যাবহার করে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- বর্তমানে বাজারে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়।

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা
- সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়।
- যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
- দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,১০০.
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের কতটি পোস্ট অফিসে ইএমটিএস সার্ভিস চালু রয়েছে?
  1. ২৫৫৩ টি
  2. ২৭১৪ টি
  3. ২৮১১ টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইএমটিএস: 
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।  
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করেন।
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award  ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস সেবাটি  ভারতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার mBillionth Award ২০১২ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হয়। 
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস (ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম)।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়। 
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।
 
 উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।