PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
ন্যাটো এবং অন্যান্য নিরাপত্তা জোট ও বাহিনী
ন্যাটো এবং অন্যান্য নিরাপত্তা জোট ও বাহিনী
PrepBank · পাতা ৩ / ৫ · ২০১–৩০০ / ৪৬৩
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
⇒ অনুচ্ছেদ/Article - ৫: Collective Security বা সম্মিলিত প্রতিরক্ষা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে।
- অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (আগস্ট, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (আগস্ট, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (আগস্ট, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (আগস্ট, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটোর ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।
- কসোভো, ভূমধ্যসাগর এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের মতো অঞ্চলে ন্যাটো মিশন পরিচালনা করে।
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
[সূত্র: SIS ওয়েবসাইট, বাংলা ট্রিবিউন পত্রিকা এবং এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা]
ব্যাখ্যা
NATO:
- পূর্ণরূপ-The North Atlantic Treaty Organization.
-প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশগুলো হলো: Belgium, Canada, Denmark, France, Iceland, Italy, Luxembourg, the Netherlands, Norway, Portugal, the United Kingdom and the United States.
- বর্তমান সদস্য ৩২ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ -সুইডেন।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৩ সালে।
- এর বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- সংস্থাটির বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৬টি দেশ। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- এর সর্বশেষ সদস্য পালাউ।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [জুন - ২০২৫]
উল্লেখ্য,
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[জুন - ২০২৫]
NATO চুক্তিপত্রে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ (Article) রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হলো ⎯ আর্টিকেল - ৫ ও ১০।
অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা
- ন্যাটো চুক্তির ৫ নং অনুচ্ছেদ বা Article - 5 কে এই চুক্তির heart বলা হয়।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - যদি জোটভুক্ত কোন সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়, তাহলে এই জোটের সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এগিয়ে আসবে।
অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্ত হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
Source: NATO website.
ব্যাখ্যা
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (আগস্ট , ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সর্বশেষ ৩২তম সদস্য পদ লাভ করে।
উৎস: NATO .
ব্যাখ্যা
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- International Criminal Police Review INTERPOL কর্তৃক প্রকাশিত জার্নাল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি। [২৫ জুন ২০২৪ পর্যন্ত]
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ।
উৎস: Interpol ওয়েবসাইট ও Office of Justice USA [link]।
ব্যাখ্যা
- ফেয়ারফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা।
- সংস্থাটি অর্থনৈতিক বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা হিসাবে কাজ করে।
• যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা:
- সিআইএ, এফবিআই, এনজিএ, এনএসএ, আইএনআর ইত্যাদি।
উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট & ব্রিটানিকা.কম।
ব্যাখ্যা
- কোয়াডভুক্ত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- ভারত
- অস্ট্রেলিয়া এবং
- জাপান।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান রোধের লক্ষ্যে ২০০৭ সালে এই জোট গঠিত হয়।
- এটিকে ‘এশিয়ান ন্যাটো’ জোট নামেও অভিহিত করা হচ্ছে।
(সূত্র: আল জাজিরা এবং দৈনিক ইত্তেফাক রিপোর্ট)
ব্যাখ্যা
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- মহাপরিচালক- Jens Stoltenberg.
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- নর্থ আটলান্টিক চুক্তির ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে স্থিতিস্থাপকতার মূলনীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: "এই চুক্তির লক্ষ্যগুলো আরও কার্যকরভাবে অর্জনের জন্য, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো স্বতন্ত্রভাবে এবং সম্মিলিতভাবে, ক্রমাগত ও কার্যকর আত্মনির্ভরতা এবং পারস্পরিক সাহায্যের মাধ্যমে, নিজেদের এবং সম্মিলিত সামর্থ্যকে সশস্ত্র আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার জন্য বজায় রাখবে এবং উন্নত করবে।"
সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".
উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।
- এর মধ্যে ৩০টি দেশ ইউরোপের অন্তর্ভুক্ত এবং ২টি দেশ উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ন্যটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- হাঙ্গেরি, রোমানিয়া ও বুলগেরিয়াসহ ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি।
- উত্তর মেসিডোনিয়া ন্যটোর সর্বশেষ সদস্য।
- ইউক্রেন ন্যাটোভুক্ত নয়।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।
(তথ্যসূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো সম্মেলন- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে - তুরস্কের আঙ্কারায়।
- ন্যাটো সম্মেলন- ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে - তিরান, আলবেনিয়া।
ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫:
- নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।
- দুই দিনব্যাপী (২৪ ও ২৫ জুন) শীর্ষ সম্মেলনে ৩২টি সদস্য দেশের নেতা ও সহযোগী রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
- এবারের সম্মেলনে মূল আলোচ্য বিষয় ন্যাটোর প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় সংক্রান্ত।
- উক্ত সম্মেলনে ন্যাটোভুক্ত ৩২টি দেশ তাদের জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াতে সম্মত হয়েছে।
• ন্যাটো (NATO):
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর: লন্ডন।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২ টি। [জানুয়ারি, ২০২৬]
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: সুইডেন।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।[জানুয়ারি, ২০২৬]
উৎস: NATO ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
• NATO:
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী,
- কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সুনামির পর যৌথ সহযোগিতার ভিত্তিতে কোয়াডের উৎপত্তি।
- সদস্য রাষ্ট্র: অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র।
- কোয়াড সদস্যরা যৌথভাবে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার জন্য কাজ করে।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- উন্মুক্ত, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধশালী ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিশ্চিত করা।
- স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, অবকাঠামো উন্নয়ন, উদীয়মান প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে কার্যক্রম পরিচালনা।
- মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মহাকাশ গবেষণা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ভুয়া তথ্য মোকাবিলা ও সন্ত্রাসবাদ দমন ইত্যাদি ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
- আসিয়ান (ASEAN) ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের উন্নয়ন কৌশলের সাথে সংহতি বজায় রাখা।
সহযোগিতা ও কৌশল:
- আসিয়ান (ASEAN) কেন্দ্রিক আঞ্চলিক কাঠামোকে সমর্থন করা।
- ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশন (IORA) এর সাথে যৌথভাবে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের ফোরাম (PIF) এবং ব্লু প্যাসিফিক কৌশলের (2050 Strategy for the Blue Pacific Continent) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করা।
উৎস: Australia Government Department of Foreign Affairs and Trade.
ব্যাখ্যা
- AUKUS হলো অস্ট্রেলিয়া (AU), যুক্তরাজ্য (UK) এবং যুক্তরাষ্ট্রের (US) মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- অকাস হলো ২০৩০-এর শেষে বা ২০৪০-এর গোড়ার দিকে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার নতুন উচ্চপ্রযুক্তির সাবমেরিন তৈরি ও মোতায়েনের পরিকল্পনা।
- এই উন্নত প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তি অনুসারে ব্রিটিশ ও অ্যামেরিকার সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে।
- অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
সূত্র: U.S. Department of Defense (.gov).
ব্যাখ্যা
• NATO:
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
Quad:
- এর পূর্ণরূপ Quadrilateral Security Dialogue.
- যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২৪ মে ২০২২ কোয়াডের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।
সূত্র: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
⇒ ইউরোপের বাইরে NATO'র প্রথম সামরিক অভিযান আফগানিস্তানে ছিল।
- ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর Operation Eagle Assist-এর মাধ্যমে আফগানিস্তানে NATO-এর প্রথম অ-ইউরোপীয় অভিযান শুরু হয়, যা পরে ISAF (ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স ফোর্স) মিশনে রূপান্তরিত হয়।
- আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
এছাড়াও,
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধে সহায়তা কার্যক্রম চালায় ন্যাটো।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization।
- NATO প্রধানত একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩১টি।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- জোটের প্রতিষ্ঠার পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০২৪ সালে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে।
- ৯ জুলাই -১১ জুলাই,২০২৪ সালে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
Source: britannica.com
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- Interpol এর পূর্ণরূপ হলো International Criminal Police Organisations.
- এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এটির সদরদপ্তর ছিলো অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিও শহরে সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়।
- ইন্টারপোলের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল জার্গেন স্টক (Jürgen Stock)। ২০১৯ সালে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে ৫ বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে।
তথ্যসূত্র- ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- এর পূর্ণরূপ Quadrilateral Security Dialogue.
- যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।
সূত্র: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• NATO এর পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- বর্তমান সদস্য ৩২টি। (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- বর্তমান মহাপরিচালক- মার্ক রুট।
- ন্যাটো জোটের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।[লিংক]
ব্যাখ্যা
ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার জন্য আগে থেকেই দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জাপানের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
ব্যাখ্যা
⇒ ANZUS এর সদস্য দেশ নয় যুক্তরাজ্য।
ANZUS:
- এটি শীতল যুদ্ধের সময় কমিউনিজমের হুমকির বিরুদ্ধে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গঠিত হয়।
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- ANZUS এর সদস্য দেশ: ৩টি। যথা:
• অস্ট্রেলিয়া,
• নিউজিল্যান্ড,
• যুক্তরাষ্ট্র।
⇒ উদ্দেশ্য:
- যেকোনো একটি দেশের উপর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সশস্ত্র আক্রমণ হলে অন্যদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে বলে মনে করা হবে, এবং সকলে মিলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসারে সেই বিপদ মোকাবিলা করবে।
তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
⇒২৮ জুন ২০২২ তিন দিনব্যাপী ৩২তম NATO'র শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় স্পেনের মাদ্রিদে।
উৎস- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
ব্যাখ্যা
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশ জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- ২০২৪ সালে, ৩২টি সদস্য দেশের মধ্যে ২৩টি এই ২ শতাংশ লক্ষ্য পূরণ করেছে বা অতিক্রম করেছে বলে প্রত্যাশিত।
- ২০২৫ সালের মধ্যে ৩২ সদস্যই তা পূরণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
⇒ ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন ৭৬তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর নতুন প্রধান (মহাসচিব) হয়েছেন সাবেক ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক মার্ক রুট।
- ইউক্রেন যুদ্ধের সংকটময় মুহূর্তে ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর এই সংস্থার দায়িত্ব নিয়েছেন।
- ব্রাসেলসে অবস্থিত ন্যাটো কার্যালয়ে নরওয়ের জেনস স্টলটেনবার্গের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন রুট।
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য সুইডেন।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (এপ্রিল, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (এপ্রিল, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (এপ্রিল, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (এপ্রিল, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ‘ওয়াশিংটন চুক্তি’ নামেও পরিচিত।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো।
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
- চুক্তির পঞ্চম ধারায় বলা আছে জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• এই জোটের উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
• সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্টের বিলুপ্ত ঘটে।
উৎস:- ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- এতে ন্যাটোর জোটভুক্ত দেশগুলোর সরকার প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন।
- ১৯৫৭ সালের ১৬-১৯ ডিসেম্বর প্রথম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়।
(তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য সুইডেন।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল জেনস স্টলটেনবার্গ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল স্টলটেনবার্গের পদে থাকার মেয়াদ ২০২৪ এর অক্টোবরে শেষ হবে।
উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর পরবর্তী সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন নেদারল্যান্ডস প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে।
- ২০২৪ এর অক্টোবর থেকে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।
- রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্লাউস ইওহানিস।
- ভিক্টর অরবান হলেন- হাঙ্গেরির দক্ষিণপন্থী জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী।
উৎস: ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং ডয়চে ভেলে।
ব্যাখ্যা
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".
⇒ ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• INTERPOL
- পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization।
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৫টি দেশ।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ INTERPOL -এর সদস্যপদ লাভ করে।
অন্যদিকে:
• NATO:
- পূর্ণরুপ-The North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩১ টি।
• Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।
• ANZUS:
-চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- এটি একটি সামরিক জোট।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। (19.11.2023).
ব্যাখ্যা
- হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত সিরিয়ান সিভিল ডিফেন্স বা সিরিয়ার সেনাবাহিনী।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।
উল্লেখ্য,
- হোয়াইট হেলমেট একটি মানবিক, নিরস্ত্র ও নিরপেক্ষ সংগঠন।
- "যে একটি জীবন বাঁচাল, সে যেন গোটা মানবজাতিকে বাঁচাল"- কোরআনের এই আয়াতকে মটো বা উদ্দেশ্য হিসেবে নিয়ে কাজ করছে সংগঠনটি।
- যখন সিরিয়ার কোথাও বোমা হামলা হচ্ছে সবার আগে সেখানে ছুটে যাচ্ছে 'হোয়াইট হেলমেট'।
- তারা সিরিয়ার ধ্বংসস্তুপ থেকে জীবনবাজি রেখে মানুষকে উদ্ধার করছে বিশেষ করে শিশুদের।
উৎস: i) White Helmets ওয়েবসাইট।
ii) Bdnews24.com
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট।
- ন্যাটো (North Atlantic Treaty Organization) উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ভিত্তিতে গঠিত হয়।
- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলির মধ্যে সামরিক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- ন্যাটো চুক্তির "পঞ্চম অনুচ্ছেদ" অনুযায়ী, যদি কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ করা হয়, তবে তা সমগ্র সংগঠনের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সমস্ত সদস্য একে অপরকে রক্ষা করতে বাধ্য হবে।
- বর্তমানে, ন্যাটো -তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন- ২০২৪ সালে) । [এপ্রিল, ২০২৫]
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- ANZUS এর সদস্য সংখ্যা ৩টি দেশ। (মে, ২০২৫)
- এই জোটের সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।
তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
⇒ অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- পূর্ণরূপ হচ্ছে International Criminal Police Organization,
- এটি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল "International Criminal Police Commission".
- ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত, এবং এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে ইন্টারপোলের সদস্য সংখ্যা ১৯৬টি, এর মধ্যে সর্বশেষ ১৯৬তম সদস্য হিসেবে পালাউ যোগদান করেছে। [জানুয়ারি - ২০২৫]
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হল সদস্য দেশগুলোর পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করা এবং তাদের অপরাধমূলক কার্যকলাপ রোধ করা। এটি সদস্য দেশগুলোর পুলিশ বাহিনীকে অনুসন্ধানে সহায়তা, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ প্রদান এবং বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট প্রদান করে।
সূত্র: ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষর: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ১ অক্টোবর, ২০২৪ সালে।
- ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ১২টি।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ৩২টি।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ ২টি। যথা:
• তুরস্ক ও
• আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ন্যাটোর (NATO) প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ডেনমার্ক।
- আলবেনিয়া ২০০৯ সালে সদস্য পদ লাভ করে।
- পোল্যান্ড ১৯৯ সালে সদস্য পদ লাভ করে।
- স্পেন ১৯৮২ সালে সদস্য পদ লাভ করে।
• NATO:
- এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organizations.
- এটি সামরিক জোট ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ছিলো ১২টি।
- যুক্তরাষ্ট্র; কানাডা; বেলজিয়াম; যুক্তরাজ্য; ফ্রান্স; ইতালি; নেদারল্যান্ডস; নরওয়ে; পর্তুগাল; লুক্সেমবার্গ; ডেনমার্ক; আইসল্যান্ড।
• গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী:
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি।
- ন্যাটো সদরদপ্তর ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- NATO বর্তমান মহাসচিব হলেন মার্ক রুটে (Mark Rutte),
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
• NATO সম্মেলন:
- ২০২৬ সালে ৩৪তম ন্যাটো সম্মেলন (NATO Summit 2026) অনুষ্ঠিত হবে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায়।
- ২০২৫ সালে ৩৩তম ন্যাটো সম্মেলন হয় নেদারল্যান্ডে।
উৎস: NATO ওয়েবাসাইট।
ব্যাখ্যা
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ৬টি দেশ ন্যাটোর সদস্য।
- রাশিয়ার সাথে সীমান্তবর্তী ন্যাটো সদস্য দেশগুলো হলো: নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং পোল্যান্ড।
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ১৪টি দেশ হলো:
- আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন।
ন্যাটো:
- এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- ন্যাটো একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ন্যাটো শুরুতে ১২টি দেশ নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৩২টি দেশে পৌঁছেছে।[এপ্রিল - ২০২৫]
উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর মধ্যে দুটি মুসলিম দেশ তুরস্ক এবং আলবেনিয়া রয়েছে।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য দেশ হলো সুইডেন, এটি ২০২৪ সালে সদস্যপদ লাভ করেছে।
- ন্যাটোর বর্তমান প্রধান হলেন মার্ক রুট্টে।[মার্চ - ২০২৫]
সূত্র: ন্যাটোর ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
⇒ ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ন্যাটো চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পাঁচ মাসের মধ্যে চুক্তিটি ১২টি দেশ কর্তৃক অনুমোদিত হয় এবং তারা তাদের সদস্যপদ নিশ্চিত করে।
তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
NATO:
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো।
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- সদস্য দেশ: ৩২টি।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- NATO একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক ও সামরিক উপায়ে সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
• রাজনৈতিক:
NATO গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রচার করে এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত সমস্যাগুলি সমাধান করতে, আস্থা তৈরি করতে এবং দীর্ঘমেয়াদে সংঘাত প্রতিরোধ করতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পরামর্শ ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করে।
• সামরিক:
NATO শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ মেটানোর প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে, এটি সংকট ব্যবস্থাপনার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। এ ধরনের অভিযান NATO-র প্রতিষ্ঠাতা চুক্তির Article 5 বা জাতিসংঘের অনুমোদনের অধীনে পরিচালিত হয়, যা এককভাবে বা অন্যান্য দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় করা হয়।
উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠা লাভ: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সাল।
- বর্তমান সদস্য: ৩টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
• অস্ট্রেলিয়া,
• নিউজিল্যান্ড ও
• যুক্তরাষ্ট্র।
তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা।
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
অপারেশন সিঁদুর:
- ‘অপারেশন সিঁদুর’ ছিল ভারতের পরিচালিত একটি সামরিক অভিযান।
- এটি শুরু হয় ২০২৫ সালের ৭ মে।
- এর পেছনের কারণ ছিল ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলা, যেখানে ২৫ জন ভারতীয় ও একজন নেপালি নাগরিক নিহত হন।
- ভারত এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে এবং পাল্টা জবাব হিসেবে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
- পাকিস্তানও পাল্টা জবাবে “বুনইয়ান-উন-মারসুস” নামে অভিযান চালায়।
- এই উত্তেজনার পর ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
উৎস: প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
NATO:
- পূর্ণরূপ-The North Atlantic Treaty Organization.
-প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশগুলো হলো: Belgium, Canada, Denmark, France, Iceland, Italy, Luxembourg, the Netherlands, Norway, Portugal, the United Kingdom and the United States.
- বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ -সুইডেন।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উলফার নেতা।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত।
তথ্যসূত্র:- South Asia Terrorism Portal.
ব্যাখ্যা
• অটোয়া কনভেনশন/ স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি :
- ইংরেজী নাম: "Ottawa Convention" or "Mine Ban Treaty"
- উদ্দেশ্য: স্থলমাইন ব্যবহার, মজুত, উৎপাদন ও হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা এবং বিদ্যমান মাইন ধ্বংস করা।
- স্বাক্ষর উন্মুক্ত হয়: ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ ( অটোয়া, কানাডা)
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮
- অটোয়া কনভেনশনের ল্যান্ডমাইন বিরোধী চুক্তি থেকে সরে আসছে ইউক্রেন।
-এই নিয়ে একটি ডিক্রিতে সই করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। (৩০ জুন, ২০২৫)
-প্রেসেডেন্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি নথিতে একথা বলা হয়েছে।
- মনে করা হচ্ছে, ইউক্রেনের সংসদে এই বিষয় সিদ্ধান্ত নিয়ে এবং জাতিসংঘকে এই বিষয়ে অবহিত করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র স্থলমাইন বিরোধী চুক্তি স্বাক্ষর করেনি।
তথ্যসূত্র: Arms Control Association ; United Nations Treaty Collection ও ডয়েচে ভেলে(DW)। Link
ব্যাখ্যা
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৭ সালে সাউ তুই তুই এটা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই গোষ্ঠীটি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যে তাদের কার্যক্রম চালায়।
তথ্যসূত্র:- নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
⇒ ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।
অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।
অন্যদিকে,
- সুইজারল্যান্ড NATO-র সদস্য নয়।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের জুলাইতে ন্যাটোর ৭৫তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি দেশ।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।
উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নির্বাচিত প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট - বারাক ওবামা।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (জুলাই, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (জুলাই, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
- ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়।
এই চুক্তির অংশীদার দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
NATO প্রতিষ্ঠার চুক্তি:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিকে ‘ওয়াশিংটন চুক্তি’ নামেও ডাকা হয়।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে।
- অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য,
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ইসরাইল ন্যাটোর সদস্য নয়।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য উত্তর মেসিডোনিয়া (২৭ মার্চ ২০২০)।
- ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- NATO (North Atlantic Treaty Organisation) একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে এই জোট গঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।
(সূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।
উল্লেখ্য,
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- কানাডা কোয়াড-এর সদস্য নয়।
• কোয়াড:
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- QUAD হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা ফোরাম’।
- গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি (যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান)।
⇒ কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য: ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কৌশলগত, সামরিক এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।
তথ্যসূত্র: Department of the Prime Minister and Cabinet.
ব্যাখ্যা
• NATO:
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো।
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- সদস্য দেশ: ৩২টি।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
» ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।
তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (জুলাই, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (জুলাই, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI এর পূর্ণরূপ- Federal Bureau of Investigation।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ- ২৬ জুলাই, ১৯০৮, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি মার্কিন আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- সদর দপ্তর- ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা: চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট।
- মূল সংস্থা: United States Department of Justice।
- ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
উৎস: FBI ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়।
এই জোটের অংশীদার দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ব্যতীত ওয়ারশ প্যাক্টের অন্য সদস্যদেশগুলোর প্রতিটি দেশই (আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, পূর্ব জার্মানি (জার্মানি), চেকোশ্লোভাকিয়া (চেক প্রজাতন্ত্র ও শ্লোভাকিয়া) বর্তমানে ন্যাটো জোটের সদস্য।
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত তিনটি দেশ (লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়া) বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য।
(তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা)
ব্যাখ্যা
- Quadrilateral Security Dialogue যা সংক্ষেপে কোয়াড।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২০২৫ সালে কোয়াডের পররাষ্ট্র পর্যায়ের সামিট ভারতে অনুষ্ঠিত হয়।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।
উৎস: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ইন্টারপোল এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- ইন্টারপোল হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা অপরাধ তদন্ত ও অপরাধী ধরতে বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।
- ইন্টারপোল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয় বরং এটি অপরাধ তদন্তে সহায়ক একটি মাধ্যম, যা বৈশ্বিক পুলিশ বাহিনীগুলোকে সংযুক্ত করে।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩ সালে, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৯৬টি।
- মূল লক্ষ্য: আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রমকারী অপরাধ (যেমন মানব পাচার, সাইবার ক্রাইম, মাদক চোরাচালান, ওয়ার্ল্ড ক্রাইম) প্রতিরোধ এবং দমন।
- রেড নোটিশ: ইন্টারপোলের গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
উৎস: ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
অনেকে জোট নিরপেক্ষতাকে ‘নিরপেক্ষতা’ ও ‘নিরপেক্ষতা নীতিবাদের’ (Neutralism) সমার্থক ধারণারূপে ব্যাখ্যা
করেন।
অধ্যাপক বার্টনের মতে, জোট নিরপেক্ষতা হল এমন এক নীতি যার মাধ্যমে কোন রাষ্ট্র সমাজতান্ত্রিক বা ধনতান্ত্রিক কোন জোটেই যোগদান করে না। অর্থাৎ তৎকালীন সোভিয়েত বা মার্কিন কোন জোটে যোগদান না করে উভয় জোটের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে নিরপেক্ষ এবং স্বাধীনভাবে
কোন আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাই হচ্ছে জোট নিরপেক্ষতা।
জোট নিরপেক্ষতা বলতে কঠোর নিরপেক্ষতা বুঝায় না বরং গতিশীল নিরপেক্ষতা (Dynamic neutrality) বুঝায়।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উদ্ভুত বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোর নিজস্ব মতামত
থাকে এবং কোন সামরিক জোটে যোগ না দিয়ে নিজেদের উদ্যোগে ঐসব বিরোধ মীমাংসা চেষ্টা করে।
উৎস: বিএ ও বিএসএস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement.
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৫টি।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ন্যাম-এর সদস্য পদ লাভ করে।
⇒ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) প্রতিষ্ঠাতা-
- যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপতি মার্শাল টিটো, ঘানার রাষ্ট্রপতি কোয়ামে নক্রমা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, মিশরের রাষ্ট্রপতি জামাল আবদেল নাসের এবং ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি ড. সুকর্ণ।
- একে বলা হতো পঞ্চ-উদ্যোগ।
উল্লেখ্য,
- প্রথম সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে তৎকালীন যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে।
উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন।
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু (তুর্কিয়ে)।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর, ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।
উৎস: OSCE ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন ট্রুমান ডকট্রিন, মার্শাল প্ল্যান আর ন্যাটো সামরিক জোট গঠন করে পশ্চিম ইউরোপে সমাজতন্ত্রের বিরোধী একটা জোট গড়ে তুলেছিল, তখন সোভিয়েত ইউনিয়নই ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে ‘ওয়ারশ’ সামরিক জোট গড়ে তোলে।
- এটি গঠিত হয়েছিল ১৯৫৫ সালের ১৪ মে।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলো ছিল আলবেনিয়া (প্রত্যাহার ১৯৬৮), বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরী, পোল্যান্ড, রুমানিয়া ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানো ও আর্থিক সহযোগিতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একই সাথে কমিকন বা Council for Mutual Economic Assistance-COMECON গঠন করে।
- গরবাচেভ ওয়ারশ সামরিক জোট ভেঙ্গে দেন ১৯৯১ সালের ১ জুলাই।
সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
ব্যাখ্যা
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি। [এপ্রিল - ২০২৫]
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [এপ্রিল - ২০২৫]
সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• OECD:
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১ সালে OECD (Organisation for Economic Co-operation and Development) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OEEC" হিসাবে প্রতিষ্ঠিত ১ এপ্রিল ১৬, ১৯৪৮।
- এ সংস্থার উদ্দেশ্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
- এটি একটি অর্থনৈতিক জোট।
- এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- OECD এর ২০ টি প্রতিষ্ঠাতা দেশ
- OECD এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩৮ টি।
- সর্বশেষ সদস্য - কোস্টারিকা (২৫ মে, ২০২১)।
উৎস- OECD ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- CENTO-এর পূর্ণরূপ: Central Treaty Organization.
- CENTO একটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা চুক্তি, এটা বাগদাদ চুক্তি (Baghdad Pact) নামেও পরিচিত।
- এই চুক্তি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং কমিউনিস্ট প্রভাব থেকে মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়াকে সুরক্ষা প্রদান করা।
- CENTO-এর সদস্য দেশগুলো ছিল: ইরান, ইরাক, তুরস্ক, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য।
- CENTO ছিল ন্যাটোর মতো একটি সামরিক জোট, তবে এর কেন্দ্রীয় কার্যক্রম মূলত মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ছিল।
- সদরদপ্তর ছিল: আঙ্কারা, তুরস্ক।
- CENTO আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৯ সালে ভেঙে দেওয়া হয়।
সূত্র: Britannica ও U.S. Department of State (.gov).
ব্যাখ্যা
ASEAN:
- ASEAN এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট। এটি সামরিক জোট নয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
ন্যাটো:
- এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- ন্যাটো একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৩২টি দেশে পৌঁছেছে।[মার্চ - ২০২৫]
ANZUS:
- এটি হলো একটি সামরিক চুক্তি বা জোট।
- তিনটি দেশের সমন্বয়ে এই জোট গঠিত।
- দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।
CENTO:
- মধ্যপ্রাচ্যের তেল সম্পদের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন এবং ওই অঞ্চলে সােভিয়েত রাশিয়ার প্রভাব প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৫ সালে আমেরিকার নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট গড়ে তােলে।
সূত্র: স্ব স্ব সংস্থার ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।
ব্যাখ্যা
• NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
• উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
• NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল - সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সম্মিলিত ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা।
• NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২ টি। NATO র বর্তমান সদস্য ৩০ টি।
• NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি (তুরস্ক ও আলবেনিয়া)।
• NATO র বর্তমান সদরদপ্তর ব্রাসেলস (নোট: প্রাথমিকভাবে এর সদরদপ্তর লন্ডনে অবস্থিত ছিল, ১৯৫২ সালে প্যারিসে স্থানান্তরিত হয় এবং ১৯৬৭ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে স্থানান্তরিত হয়)।
তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
আয়রন ডোম:
- আয়রন ডোম হলো বিশ্বের একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- এ ব্যবস্থা বিশেষভাবে স্বল্পপাল্লার (শর্ট রেঞ্জ) হুমকির বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।
- স্বল্পপাল্লার রকেট, মর্টার, আর্টিলারি শেল ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আয়রন ডোম মোতায়েন আছে।
- ২০১১ সালে ইসরায়েল প্রথম আয়রন ডোম মোতায়েন করে।
- ইসরায়েলের এই আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পরিসীমা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
- এই ব্যবস্থায় তিনটি কেন্দ্রীয় উপাদান আছে, যা নিয়ে একটি আয়রন ডোম ইউনিট গঠিত।
- আয়রন ডোম ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় উপাদান তিনটি হলো—রাডার ব্যবস্থা (ডিটেকশন-ট্র্যাকিং রাডার), কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট-উইপনস কন্ট্রোল) ও মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থা।
- প্রতিটি মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থায় ২০টি তামির ক্ষেপণাস্ত্র থাকে।
উৎস: প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট একটি সামরিক জোট ছিল।
- পূর্ণ নাম: Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ মে, ১৯৫৫
- স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড
- উদ্দেশ্য: ন্যাটো (NATO)-এর বিরুদ্ধে একটি সামরিক জোট গঠন করে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।
সদস্য দেশসমূহ:
সোভিয়েত ইউনিয়ন, পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, চেকোস্লোভাকিয়া, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া ও আলবেনিয়া।
গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম:
- সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিরোধ।
- ১৯৫৬ সালে হাঙ্গেরি বিপ্লব এবং ১৯৬৮ সালে প্রাগ বসন্ত দমন।
উৎস: i) NATO Archives
ii) Britannica
ব্যাখ্যা
IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency বা আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৮০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- IAEA-এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি এবং IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- Interpol-এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।
উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
⇒ ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত ৭৬তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
উল্লেখ্য,
- এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।