বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৯৯ / ১৩১ · ৯,৮০১৯,৯০০ / ১৩,০৮৮

৯,৮০১.
স্মার্ট ওয়াচ কোন ধরনের কম্পিউটিং সিস্টেম?
  1. সার্ভার কম্পিউটার
  2. এমবেডেড সিস্টেম
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম
ব্যাখ্যা

এমবেডেড সিস্টেম হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা কম্পিউটিং সিস্টেম, যা একটি বৃহত্তর সিস্টেমের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে।
- স্মার্ট ওয়াচ একটি এমবেডেড সিস্টেম, কারণ এটি নির্দিষ্ট কাজ যেমন হেলথ মনিটরিং, নোটিফিকেশন প্রদর্শন এবং যোগাযোগের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি সাধারণত একটি ছোট প্রসেসর, মেমরি এবং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

• স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- সময় বলার পাশাপাশি স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন। প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে এবং যা পরিধানকারীর স্মার্টফোনের ক্ষমতা তাঁর ঘড়িতে প্রসারিত করতে সক্ষম।
- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতেও পারে। তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে।
- 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও টেক টার্গেট ওয়েবসাইট। 

৯,৮০২.
(5A)16 এর বাইনারি মান -
  1. ক) 1011010
  2. খ) 1011011
  3. গ) 1010101
  4. ঘ) 1011110
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (5A)16 এর বাইনারি মান -

সমাধান:
5 = 101
A = 1010

∴ (5A)16 = (1011010)2
৯,৮০৩.
ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করাকে কী বলে?
  1. ফিশিং
  2. ডিবাগিং
  3. স্নিকিং
  4. প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।


• ফ্রেকিং (Phreaking):

- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্নিকিং (Sneaking):

- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৮০৪.
In the Bitcoin network, the process of validating transactions and adding new blocks to the blockchain is called—
  1. Mining
  2. Staking
  3. Hashing
  4. Indexing
ব্যাখ্যা

• Mining হলো Bitcoin নেটওয়ার্কে নতুন ব্লক যাচাই করে ব্লকচেইনে যুক্ত করার প্রক্রিয়া, যেখানে কম্পিউটারের গণনাশক্তি ব্যবহার করা হয়।

• Bitcoin:
- Bitcoin হলো একটি decentralized digital currency বা cryptocurrency, যা কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়।
- এটি peer-to-peer নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সাথে লেনদেন করতে পারে।
- Bitcoin লেনদেনগুলো blockchain নামক একটি distributed ledger-এ সংরক্ষিত থাকে।
- Bitcoin প্রথম প্রস্তাব করা হয় 2008 সালে Satoshi Nakamoto নামের একটি ছদ্মনামের মাধ্যমে প্রকাশিত whitepaper-এ।
- Bitcoin নেটওয়ার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় 2009 সালে।

• Blockchain:
- Blockchain হলো একটি distributed database বা digital ledger যেখানে লেনদেনের তথ্য ব্লকের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রতিটি ব্লক আগের ব্লকের সাথে cryptographic hash দ্বারা সংযুক্ত থাকে।
- এই সংযুক্ত কাঠামো একটি চেইনের মতো হওয়ায় একে blockchain বলা হয়।

• Mining:
- Mining হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে শক্তিশালী কম্পিউটার ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা হয়।
- এর মাধ্যমে Bitcoin লেনদেন যাচাই করা হয় এবং নতুন ব্লক blockchain-এ যুক্ত করা হয়।
- Mining সম্পন্ন হলে miner নতুন Bitcoin পুরস্কার হিসেবে পেতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- Staking → কিছু cryptocurrency নেটওয়ার্কে কয়েন লক করে ব্লক যাচাই করার একটি পদ্ধতি।
- Hashing → ডেটাকে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের একটি hash মানে রূপান্তর করার ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রক্রিয়া।
- Indexing → ডেটাবেজে দ্রুত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি।

Source: Bitcoin Whitepaper & Britannica.

৯,৮০৫.
Del বোতাম চাপ দিলে কী হয়?
  1. ক) কার্সরের পরের শব্দ মুছে যায়
  2. খ) কার্সরের পরের লাইন মুছে যায়
  3. গ) কার্সরের পরের অক্ষর মুছে যায়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Del হচ্ছে Delete এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোনো তথ্য মুছে ফেলা যায় এর সাহায্যে। ওয়ার্ড ফাইলে কাজ করার সময় del চাপ দিলে কার্সরের পরের অক্ষরটি মুছে যায়।
৯,৮০৬.
নিচের কোনটি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নয়?
  1. SCSI
  2. PATA
  3. SATA
  4. QATA
ব্যাখ্যা
QATA হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নয়।

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯,৮০৭.
MICR টেকনোলজি কোথায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্যাংকের চেক বইয়ে
  2. জন্ম নিবন্ধন ফর্ম
  3. জাতীয় পরিচয় পত্র
  4. পাসপোর্ট
ব্যাখ্যা
• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৮০৮.
What is a key benefit of blockchain technology in banking?
  1. Increased data tampering
  2. Increased transparency and traceability
  3. Makes transaction history opaque
  4. Decreases auditability of transactions
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Increased transparency and traceability.

Blockchain:
Blockchain হলো একটি ডাটাবেজ প্রযুক্তি, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক জুড়ে বিতরণকৃত লেজার ব্যবহার করে। এতে রেকর্ডগুলো ব্লকে সংরক্ষণ করা হয় এবং ব্লকগুলো ক্রমশঃ একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, ফলে একটি ধারাবাহিক চেইন বা ব্লকচেইন তৈরি হয়।

Blockchain-এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার:
- Blockchain-এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে মধ্যস্থতাকারী ছাড়া লেনদেন সম্পন্ন করার ক্ষমতা এবং সমস্ত রেকর্ডকৃত ডেটার অপরিবর্তনীয়তা।
- এই প্রযুক্তি লেনদেনের সঠিকতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, যার কারণে এটিকে “ট্রাস্টলেস নেটওয়ার্ক” বলা হয়।
- বিভিন্ন শিল্পে Blockchain প্রযুক্তি উদ্ভাবন, যেমন: সরবরাহ শৃঙ্খলার দক্ষতা বৃদ্ধি, পণ্যের ট্রেসযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ এবং আর্থিক সেবার উন্নয়নে ব্যবহার করা হচ্ছে।

ব্যাংকিংয়ে ব্লকচেইন প্রযুক্তির সুবিধা:
- বর্ধিত স্বচ্ছতা ও ট্রেসযোগ্যতা: বিতরণকৃত লেজারের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা একই ডেটাবেস দেখতে পারে; ফলে লেনদেন সহজে ট্রেস করা যায়।
- ডেটা টেম্পার প্রতিরোধ: ব্লকচেইন ডেটা পরিবর্তন বা মুছে ফেলা কঠিন করে, যা সুরক্ষা বৃদ্ধি করে।
- কেন্দ্রীভূত মধ্যস্থতাকারীর অপ্রয়োজনীয়তা: পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেনে মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন পড়ে না; ফলশ্রুতিতে ফি ও প্রক্রিয়াকরণের সময় কমে।
- অপরিবর্তনীয় যাচাই: একবার ব্লকে রেকর্ড হওয়া তথ্য সহজে পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না।
- উন্নত নিরাপত্তা: ব্লক পরিবর্তনের জন্য নেটওয়ার্কের সমস্ত কপি একসাথে বদলাতে হয়, যা প্রায় অসম্ভব; ফলে ইতিহাস নিরাপদ থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৯,৮০৯.
"META"-র অধীনস্ত নয় কোনটি?
  1. Instagram
  2. Threads
  3. Messenger
  4. LinkedIn
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর হবে:
ঘ) LinkedIn
- LinkedIn হলো Microsoft-এর অধীনস্থ একটি পেশাগত নেটওয়ার্কিং সাইট।
- অন্যদিকে, Instagram, Threads, এবং Messenger সবগুলোই META (পূর্বে Facebook) এর অধীনস্ত।

- Instagram: META-এর অধীন।

- Threads: META-এর অধীন।

- Messenger: META-এর অধীন।

- তাহলে, LinkedIn হলো একমাত্র যা META-এর অধীন নয়।

• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮১০.
নিচের কোনটি টেলিমেডিসিন সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা?
  1. শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা
  2. কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুবাদ করা
  3. অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয় করা
  4. দূরবর্তী রোগীর চিকিৎসা সহজলভ্য করা
ব্যাখ্যা

টেলিমেডিসিন প্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো দূরবর্তী এলাকার রোগীদের জন্য সহজে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ পাওয়া সম্ভব হওয়া।

টেলিমেডিসিন (Telemedicine):
- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরবর্তী স্থানে থাকা রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করার পদ্ধতি।
- এর মাধ্যমে রোগী ও চিকিৎসক একই স্থানে উপস্থিত না থেকেও চিকিৎসা পরামর্শ ও সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়।
- ইন্টারনেট, ভিডিও যোগাযোগ এবং ডিজিটাল মেডিকেল ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে এই সেবা পরিচালিত হয়।

টেলিমেডিসিনের বৈশিষ্ট্য:
- দূরবর্তী এলাকার রোগীরা সহজে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পেতে পারে।
- চিকিৎসা সেবা দ্রুত ও সহজলভ্য হয়।
- সময় ও যাতায়াত ব্যয়ের সাশ্রয় হয়।
- জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়।

টেলিমেডিসিনের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- দূরবর্তী এলাকায় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান।
- রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ।
- স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও ফলোআপ সেবা।
- হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান।

অন্যান্য অপশন:
- দূরবর্তী রোগীর চিকিৎসা সহজলভ্য করা → টেলিমেডিসিন প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ও ব্যবহার ক্ষেত্র।
- কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুবাদ করা → অনুবাদক প্রোগ্রাম (Compiler, Interpreter, Assembler) এর কাজ।
- অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয় করা → অফিস অটোমেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা → ইন্টারনেটভিত্তিক শিক্ষা পদ্ধতিকে ই-লার্নিং বলা হয়।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Encyclopaedia Britannica।
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৯,৮১১.
ই-মেইল ঠিকানায় কোন অংশটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম নির্দেশ করে? 
  1. ব্যবহারকারীর নাম
  2. @ চিহ্নের আগের অংশ
  3. @ চিহ্নের পরের অংশ
  4. ডট (.) চিহ্নের পরের অংশ
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail): 
- ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল আজকাল বহুল ব্যবহৃত একটি যোগাযোগ মাধ্যম। 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের সংযোগ স্থাপন করে যে কোনো ডকুমেন্ট, চিঠি-পত্র, চিত্র বা গ্রাফিক্স এবং যে কোনো তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
- টেলিফোন লাইন ও মোডেম ব্যবহার করে এ সংযোগ স্থাপন করা যায়। 
- প্রেরণকৃত তথ্য প্রাপক গ্রহণ না করা পর্যন্ত নেটওয়ার্কের একটি স্টোরেজে (সার্ভার) জমা থাকে। 
- বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে ফ্রি ই-মেইল পরিষেবা প্রদান করে। 
- ব্যবহারকারীরা এসব সাইটে বিনামূল্যে ই-মেইল একাউন্ট খুলতে পারেন। 
- একাউন্ট তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সাইন আপ বা ক্রিয়েট একাউন্ট অপশনে গিয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পূরণ করতে হয়। 
- একাউন্ট তৈরি হলে সেটির মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদান করা যায়। 
- ই-মেইল ঠিকানায় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন থাকে, যেমন @gmail.com, @yahoo.com ইত্যাদি। 
- প্রতিটি একাউন্টের জন্য পৃথক পাসওয়ার্ড নির্ধারিত থাকে। 
- ওয়েবসাইটের ডোমেইন এক্সটেনশন থেকে তার ধরন চেনা যায়, যেমন .com (কমার্শিয়াল), .org (সংস্থা), .net (নেটওয়ার্ক), এবং .edu (শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮১২.
Open Source Software এর বৈশিষ্ট্য কী?
  1. বিনামূল্যে ব্যবহার ও পরিবর্তন সম্ভব
  2. শুধু কেনার পর ব্যবহার সম্ভব
  3. শুধু দেখা যায়, পরিবর্তন করা যায় না
  4. শুধু কোম্পানি ব্যবহার করতে পারে
ব্যাখ্যা

Open Source Software (OSS) হলো এমন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড উন্মুক্ত থাকে, ফলে যে কেউ এটি বিনামূল্যে ব্যবহার, পরিবর্তন, এবং পুনঃবিতরণ করতে পারে।

Open Source Software: 
- ওপেন সোর্স সফটওয়্যার (OSS) হলো এমন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে, ফলে যে কেউ এটি দেখতে, পরিবর্তন করতে ও উন্নত করতে পারে। 
- এটি ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে বা খুব কম খরচে ব্যবহারের সুযোগ দেয় এবং কাস্টমাইজ ও পুনর্বিতরণের স্বাধীনতা প্রদান করে। 
- OSS সাধারণত বিকেন্দ্রীভূত ও সহযোগিতামূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়, যেখানে বিশ্বব্যাপী ডেভেলপাররা একসাথে কাজ করে। 
- এই সফটওয়্যার খরচ-সাশ্রয়ী হওয়ার পাশাপাশি উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে।

উদাহরণ: 
- Linux,
- Haiku,
- LibreOffice, 
- WordPress ইত্যাদি। 

উৎস: Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। 

৯,৮১৩.
আউটপুট ডিভাইস ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা নিচের কোনটি করতে পারে?
  1. Input data
  2. Scan data
  3. Process Data
  4. Print data
ব্যাখ্যা
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।

- আর যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- আউটপুট ডিভাইসের সাহায্যে Print data/VIew data দুটিই করতে পারে। 

- আবার এমনও কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।

ইনপুট ডিভাইস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্রোজেক্টর, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।
ইনপুট-অউটপুট ডিভাইস: সিডি/ডিভিডি-রম ড্রাইভ, ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক ড্রাইভ, নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টার, ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার, মডেম, টাচ স্ক্রিন, হ্যান্ডসেট প্রভৃতি।
৯,৮১৪.
ইউনিকোড কত বাইটের কোড?
  1. ক) ৪
  2. খ) ২
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
- ইউনিকোড ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন ও জেরক্স কর্পোরেশনের একদল প্রকৌশলীর যৌথ প্রচেষ্টায় উদ্ভাবিত হয়।
- ইউনিকোড ২ বাইট বা ১৬ বিটের যা দ্বারা ২১৬ বা ৬৫,৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- অর্থাৎ বিশ্বের ছোট বড় প্রায় সকল ভাষা ইউকোডের মাধ্যমে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করা যায়।
- ইউনিকোড বর্তমানে ইউনিকোড কনসোর্টিয়ামের অধীনে পরিচালিত।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৯,৮১৫.
111000 এর 2's complement কোনটি?
  1. 000111
  2. 001000
  3. 111001
  4. 001001
ব্যাখ্যা
বাইনারি পদ্ধতিতে প্রকাশিত সংখ্যার 0 ও 1 ডিজিট দুটিকে যথাক্রমে 1 ও 0 দ্বার বদল করা হলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে 1's complement বলে।
1's complement এর সাথে 1 যোগ করলে 2's complement হয়।

তাই 111000 এর 1's complement হবে 000111.
এর সাথে 1 যোগ করলে হবে 001000.
সুতরাং 111000 এর 2's complement = 001000 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৮১৬.
কাগজের উপর কালি স্প্রে করে থাকে কোন ধরনের প্রিন্টার?
  1. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ইংকজেট প্রিন্টার
  4. থার্মাল প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• ইংকজেট প্রিন্টার কাগজের ওপর কালি স্প্রে করে।

• প্রিন্টার (Printer):

- প্রিন্টার হলো কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারে প্রক্রিয়াকৃত তথ্যকে লিখিত আকারে উপস্থাপন করে।
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার ইত্যাদি।

• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার:
- এই প্রিন্টার প্রিন্টিং হেডের পিনের মাধ্যমে অক্ষর তৈরি করে, যেখানে একাধিক পিন ব্যবহার করে কালি ফোঁটা আকারে অক্ষর ফুটিয়ে তোলে।
- সাধারণত ৯, ২৪, বা ৪৮ পিন বিশিষ্ট প্রিন্টিং হেড থাকে, যা পিনের সংখ্যা অনুযায়ী প্রিন্টের গুণগত মান নির্ধারণ করে।

• লেজার প্রিন্টার:
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানে লেজার প্রিন্টার সবচেয়ে উন্নত।
- এটি দ্রুত এবং উচ্চ মানের প্রিন্টিং করতে সক্ষম।
- লেজার প্রিন্টার "লেজার" (Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির মাধ্যমে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।
- এর প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট, এবং টোনার কার্টিজ।

• ইংকজেট প্রিন্টার:
- ইংকজেট প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে প্রিন্ট তৈরি করে।
- এর প্রধান অংশগুলো হলো প্রিন্টিং হেড, কার্টিজ, হেড সরানোর মেকানিজম এবং কাগজ গ্রহণ করার কৌশল।

• থার্মাল প্রিন্টার:
- থার্মাল প্রিন্টারে কালি বা রিবন ব্যবহার করা হয় না; এর পরিবর্তে রাসায়নিক প্রলেপ দেওয়া বিশেষ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়।
- এতে প্রিন্ট হেডে বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু থাকে, যা তাপের মাধ্যমে কাগজে প্রিন্ট তৈরি করে।
- ছাপার কাগজে রাসায়নিক প্রলেপ থাকায় তাপের প্রভাবে প্রিন্ট তৈরি হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮১৭.
কম্পিউটারের RAM হচ্ছে-
  1. Read Access Memory.
  2. Random Access Memory.
  3. Read Arithmetic Memory.
  4. Random Arithmetic Memory.
ব্যাখ্যা
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Random Access Memory
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। 
- RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি। 
- সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে। 
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯,৮১৮.
What is the full form of the word 'Modem'?
  1. Module Decoder
  2. Modulator Demodulator
  3. Modern Device
  4. Module Demodulator
ব্যাখ্যা
The full form of the word 'Modem' is Modulator Demodulator.

• মডেম:

- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এই কাজের জন্য এতে একটি DAC (Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ADC (Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে।
- তথ্য গ্রহণ এবং প্রদানকারী উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত করতে হয়।
- টেলিফোন লাইনের তারটি সংযুক্ত করতে হয় মডেমের সাহায্যে এবং মডেমের তারটি সংযুক্ত করতে হয় কম্পিউটারের সাথে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৮১৯.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. Informix
  2. dBase
  3. Access
  4. Quattro Pro
ব্যাখ্যা
Quattro Pro একটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮২০.
অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কম্পোনেন্ট কী নামে পরিচিত?
  1. শেল
  2. বায়োস
  3. চিপ
  4. কার্নেল
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কম্পোনেন্টকে কার্নেল (Kernel) নামে পরিচিত। কার্নেল হলো সিস্টেমের মূল অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটি মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, ফাইল সিস্টেম এবং ডিভাইস ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। ব্যবহারকারী সরাসরি কার্নেলের সঙ্গে যোগাযোগ না করলেও, এটি অন্যান্য কম্পোনেন্ট যেমন শেলকে সমর্থন দেয়, যা ব্যবহারকারীকে কমান্ড দেয়ার সুযোগ করে। অন্য অপশনগুলো-শেল হলো ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস, BIOS হলো বুটিং প্রোগ্রাম এবং চিপ হলো হার্ডওয়্যারের অংশ। তাই অপারেটিং সিস্টেমের মূল ও প্রধান অংশ হলো কার্নেল।
 
 • কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ শিডিউলিংয়ের দায়িত্ব পালন করা হয়।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ এবং টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট এবং ডিভাইস ম্যানেজমেন্টের কাজ পরিচালনা করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সংযোগ স্থাপন করা হয়।

উৎস:
- sciencedirect.

৯,৮২১.
সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে কী বলে?
  1. ব্রাউন আউট
  2. ব্লাক আউট
  3. ট্রানসিয়েন্ট
  4. নয়েজ
ব্যাখ্যা
- ব্লাক আউট (Black Out): হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে। সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে। ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

- ব্রাউন আউট (Brown Out): পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়। সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

- ট্রানসিয়েন্ট (Transient): বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়। অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

- নয়েজ (Noise): সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়। এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,৮২২.
৬টি কম্পিউটার দ্বারা মেশ টপোলজি গঠন করতে তারের সংখ্যা কত হবে?
  1. ১০টি
  2. ১৫টি
  3. ২০টি
  4. ২৫টি
ব্যাখ্যা
• মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কমপিউটারকে প্রতিটি কমপিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.
- ৬টি কম্পিউটারের ক্ষেত্রে, n = 6
n(n-1)/2
= 6(6-1)/2
= (6×5)/2
= 30/2
= 15 টি 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৮২৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. Sybase
  2. Informix
  3. McAfee
  4. MySQL
ব্যাখ্যা

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - 
- AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

উল্লেখ্য:
- Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

৯,৮২৪.
A program written in Machine Language is called –
  1.  Source Program
  2. Code Program
  3. Application Program
  4. Object Program 
ব্যাখ্যা

A program written in Machine Language is called object program.

মেশিন ভাষা (Machine Language)
- ভাষার সর্বনিম্ন স্তর হল মেশিনভাষা যা কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা।
- মেশিনভাষায় 0 ও 1 এই দুই বাইনারি অঙ্ক অথবা হেক্স পদ্ধতি ব্যবহার করে সব কিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষাই বুঝতে পারে; অন্য ভাষায় প্রোগ্রাম করলে কম্পিউটার আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনভাষায় পরিণত করে নেয়।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সব প্রোগ্রাম একমাত্র মেশিনভাষাতেই করতে হতো।
- মেশিনভাষায় প্রোগ্রাম তৈরি অত্যন্ত জটিল এবং পরিশ্রম ও সময় সাপেক্ষ, তাই বর্তমানে সব প্রোগ্রামই হাই লেভেল ভাষাতে করা হয়।
- প্রত্যেক কোম্পানীর কম্পিউটারের মেশিনভাষা আলাদা, তাই এক কোম্পানীর কম্পিউটারের জন্য মেশিনভাষায় করা প্রোগ্রাম অন্য কোম্পানীর কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না।

মেশিনভাষায় নির্দেশের ধরন
1. গাণিতিক (Arithmetic) – অর্থাৎ যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ।
2. নিয়ন্ত্রণ (Control) – অর্থাৎ লোড (Load), স্টোর (Store) ও জাম্প (Jump)।
3. ইনপুট-আউটপুট – অর্থাৎ পড় (Read) ও লেখ (Write)।
4. প্রত্যক্ষ ব্যবহার (Direct use) – অর্থাৎ আরম্ভ কর (Start), থাম (Halt) ও শেষ কর (End)।

- মেশিনভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে বলা হয় অবজেক্ট প্রোগ্রাম (Object program)।
- অন্য যে কোন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে বলা হয় উৎস প্রোগ্রাম (Source program)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

৯,৮২৫.
কী-বোর্ড শর্টকাট Ctrl + X এর কাজ কী?
  1. নির্বাচিত টেক্সট পেস্ট করা
  2. নির্বাচিত টেক্সট কপি করা
  3. নির্বাচিত টেক্সট কাট করা
  4. শেষ কাজ বাতিল করা
ব্যাখ্যা
• কী-বোর্ড শর্টকাট Ctrl + X এর কাজ হলো নির্বাচিত টেক্সট বা আইটেম কাট করা। যখন আমরা কোনো ডকুমেন্ট বা ফাইল থেকে কিছু অংশ নির্বাচন করে Ctrl + X চাপি, তখন সেটি কেটে নেওয়া হয় এবং কম্পিউটারের ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষণ করা হয়। অর্থাৎ, নির্বাচিত অংশটি আসলে মুছে যায় কিন্তু সেটি কিছুক্ষণের জন্য ক্লিপবোর্ডে থাকে যাতে আমরা পরে সেটি অন্য কোথাও পেস্ট করতে পারি। এটি কপি করার থেকে আলাদা, কারণ কপি করার সময় মূল অংশ থেকে কোনো পরিবর্তন হয় না, কিন্তু কাট করার সময় নির্বাচিত অংশটি মূল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো - গ) নির্বাচিত টেক্সট কাট করা।

• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।

Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।

Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮২৬.
রিচার্ড ফাইনম্যানকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জনক
  2. ন্যানো প্রযুক্তির জনক
  3. কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক
  4. রোবোটিক্সের জনক
ব্যাখ্যা

◉ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ছিলেন একজন বিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিদ।
- তিনি ১৯৫৯ সালে "There's Plenty of Room at the Bottom" শিরোনামে একটি বক্তৃতা দেন, যেখানে তিনি অণু ও পরমাণুর স্কেলে পদার্থ নিয়ন্ত্রণের ধারণা দেন।
- তার এই ধারণাই পরবর্তীতে ন্যানো প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করে, এজন্য তাকে "ন্যানো প্রযুক্তির জনক" বলা হয়।

ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, ওয়ার্নার হেইজেনবার্গ, এরউইন শ্রডিংগার প্রমুখ।
গ) অ্যালান টুরিং (Alan Turing)-কে সাধারণত কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
ঘ) জোসেফ এঙ্গেলবার্গ (Joseph Engelberger)-কে আধুনিক রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

৯,৮২৭.
Which combination of keys is used to lock a Windows PC?
  1. Windows + L
  2. Ctrl + L
  3. Alt + L
  4. Ctrl + Shift + L
ব্যাখ্যা
• উইন্ডোজ শর্টকাট কী: 
- কীবোর্ডে এক সাথে উইন্ডোজ ও এল (Windows +L) চেপে কম্পিউটার লক করা হয়।

আরো কিছু উইন্ডোজ শর্টকাট কী - 


উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
৯,৮২৮.
কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. নরটন
  2. ওয়ার্ম
  3. স্টোন
  4. সিআইএইচ
ব্যাখ্যা

• 'নরটন (Norton)' কম্পিউটার ভাইরাস নয়, এটি একটি কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস।

• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম। 
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়। 
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন। 
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)। 
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়। 
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়। 
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম: 
- ভিবিএস/হেল্পার, 
- ওয়ার্ম, 
- ভিবিএস/আকুই, 
- ট্রোজান হর্স, 
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর, 
- মাইক্রো ভাইরাস, 
- বুট সেক্টর ভাইরাস, 
- জেরুজালেম, 
- স্টোন, 
- ঢাকা ভাইরাস, 
- ভিয়েনা, 
- সিআইএইচ ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮২৯.
X= PQR কোন গেইট নির্দেশ করে?
  1. ক) AND
  2. খ) OR
  3. গ) NOT
  4. ঘ) NAND
ব্যাখ্যা
গুণ আকারে থাকা মানে AND গেইট। 
৯,৮৩০.
ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতিতে মূল ডেটাকে কী বলা হয়?
  1. এনক্রিপ্টেড ডেটা
  2. প্লেইন টেক্সট
  3. কোড টেক্সট
  4. সাইফারটেক্সট
ব্যাখ্যা
এনক্রিপশন পদ্ধতিতে মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট বলা হয়।

• ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)
- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- যেসব অনুমোদিত ব্যক্তির কাছে এই ডেটা পড়ার কী রয়েছে, কেবল তারাই এটি পড়তে পারবেন।
- এটি হলো কোনো তথ্যে অবাঞ্ছিত প্রবেশ থেকে রক্ষা পাবার জন্য এনকোডিং-এর প্রক্রিয়া।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিন্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plane leti) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Ciphor text)। এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
৯,৮৩১.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. ক) ফেসবুক
  2. খ) টুইটার
  3. গ) আমাজন
  4. ঘ) লিংকড ইন
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হলো আমাজন যা ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• প্রতিষ্ঠাতা - জেফ বেজোস।
• সদরদপ্তর - সিয়াটল, ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে, 
• ফেসবুক, লিংকড ইন, টুইটার হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

উৎস: amazon.com ও ব্রিটানিকা.কম।
৯,৮৩২.
পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয় কোনটি?
  1. SPSS
  2. Mercury
  3. Prolog
  4. OPS5
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো অ্যালগরিদম ব্যবহার না করে সহজভাবে সমস্যা সমাধান করার ল্যাঙ্গুয়েজ।
- এ ভাষাকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেন পূর্বের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মতো জটিল কোড লিখতে পারে এমন প্রোগ্রামার ছাড়াই কম্পিউটার দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায়।
- ফলে প্রোগ্রামারদেরকে কিভাবে একটি রুটিন অথবা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করতে হবে, তা চিন্তা না করে কী সমস্যা সমাধান করতে হবে, কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা নিয়ে ভাবলেই চলে ।
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- Prolog, OPS5 ও Mercury হলো পঞ্চম প্রজন্মের ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।

• SPSS হলো Statistical software, অপশনের বাকিগুলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,৮৩৩.
কোন সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটারে মেমোরি অ্যাড্রেসিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. বাইনারি
  2. অক্টাল
  3. ডেসিমাল
  4. হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের মেমোরি অ্যাড্রেসিং এর জন্য হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বেস-16 সংখ্যা পদ্ধতি, যা বাইনারি এর চেয়ে বেশি কমপ্যাক্ট এবং মানুষের পড়ার জন্য সহজ।
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি মেমোরি অ্যাড্রেস, রেজিস্টার মান, এবং অন্যান্য লো-লেভেল ডেটা রিপ্রেজেন্টেশনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,A,B,C,D,E,F) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬। - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,A,B,C,D,E,F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভূল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

উদাহরণ:
একটি 32-বিট মেমোরি অ্যাড্রেস বাইনারিতে 11010101101011101101101010101101 হিসেবে লেখা যায়, কিন্তু হেক্সাডেসিমালে এটি D5AED6AD হিসেবে লেখা হয়, যা পড়া এবং বুঝতে অনেক সহজ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। লেনোভো ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৯,৮৩৪.
ফেইসবুকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া
  2. ম্যাসেচুসেটস
  3. ওয়াশিংটন
  4. সাউথ ক্যারোলিনা
ব্যাখ্যা
headquarters of facebook: Menlo Park, California, United States.
Source: facebook.com
৯,৮৩৫.
BTCL এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Bangladesh Telecoms and Connectivity Limited
  2. খ) Bangladesh Telecommunications Corporation Limited
  3. গ) Bangladesh Telecommunications Company Limited
  4. ঘ) Bangladesh Technology and Communications Limited
ব্যাখ্যা
BTCL
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম BTCL.
- BTCL এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Telecommunications Company Limited.
- The Bangladesh Telegraph and Telephone Board Ordinance, 1979 এর বিধান অনুসারে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) গঠিত হয়। 
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিটিটিবিকে বিলুপ্ত করে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীনে যথাক্রমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এবং এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)  গঠন করা হয়। 
- BTCL এর OTT (Over The Top) কলিং সেবা 'আলাপ'।
 
উৎস: টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 
৯,৮৩৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত সেবা নয় কোনটি?
  1. Infrastructure-as-a-Service
  2. Information-as-a-Service
  3. Platform-as-a-Service
  4. Software-as-a-Service
ব্যাখ্যা
• Information-as-a-Service ক্লাউড কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত সেবা নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৩৭.
রিড বা রাইটের জন্য মেমোরি কত দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়, সেটি বোঝাতে কোন পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Data throughput
  2. Seek time
  3. Page fault time
  4. Access time
ব্যাখ্যা
• রিড বা রাইটের জন্য মেমোরি কত দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়, সেটি বোঝাতে Access time শব্দটি ব্যবহৃত হয়। মেমোরি অ্যাক্সেস টাইম হলো সেই সময়ের পরিমাণ যা একটি কম্পিউটার মেমোরির নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে ডেটা পড়া বা লেখার জন্য লাগে। এটি মেমোরির দ্রুততা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ কারণ কম অ্যাক্সেস টাইম মানে দ্রুত ডেটা পাওয়া যায় এবং প্রক্রিয়াকরণ দ্রুত হয়। অন্য বিকল্পগুলো যেমন Data throughput হলো ডেটা প্রেরণের হার, Seek time হলো হার্ড ডিস্কের মাথা কোন অবস্থানে পৌঁছানোর সময়, আর Page fault time হলো ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবস্থায় পেজ মিসের সময়। তাই দ্রুত মেমোরি অ্যাক্সেস বুঝাতে Access time সবচেয়ে উপযুক্ত।

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৩৮.
কম্পিউটারে কাজের গতি কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) মিনিট
  2. খ) ন্যানো সেকেন্ড
  3. গ) সেকেন্ড
  4. ঘ) ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার
- কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিকযন্ত্র।
- এটি যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ও নির্ভুলভাবে করতে পারে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব কোন চিন্তা-চেতনা, শক্তি বা বুদ্ধি নেই।
- মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুযায়ী এই যন্ত্র কাজ করে।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকেই কম্পিউটারের সাথে ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিট (যেমন-মনিটর), উচ্চগতির লাইন প্রিন্টারসহ অন্যান্য পেরিফেরাস ডিভাইসের ব্যবহার শুরু হয়।
- তবে এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।
৯,৮৩৯.
'Be connected' শ্লোগানটি কার?
  1. Facebook
  2. LinkedIn
  3. Twitter
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
ফেসবুক প্রতিষ্ঠা হয় ২০০৪ সালে।
ফেসবুকের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে।
ফেসবুকের স্লোগান 'be connected'।
ফেসবুক ব্যবহারের সর্বনিম্ন বয়স ১৩ বছর।
৯,৮৪০.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার সাধারণ উপপাদ্য অনুযায়ী নিচের কোনটি ভুল?
  1. A + B.C = (A + B)(A + C)
  2. A + A = A
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- নিম্নে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সাধারণ উপপাদ্যগুলো দেয়া হলো

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৪১.
মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয় কোনটি?
  1. Control Unit
  2. ALU
  3. Register
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা
♦ মাইক্রোপ্রসেসর: 
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৪২.
(A1D.FC)₁₆=?₈ 
  1. 5335.770
  2. 5035.770
  3. 5035.870
  4. 5135.770
ব্যাখ্যা
(A1D.FC)₁₆=(5035.770)₈ 

• হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 3 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্টাল মান বসালে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্টাল মান পাওয়া যায়।




সুতরাং, (A1D.FC)₁₆=(5035.770)₈ 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৪৩.
১০-এর হেক্সাডেসিমাল মান কত?
  1. B
  2. 9
  3. A
  4. 8
ব্যাখ্যা

• ১০-এর হেক্সাডেসিমাল মান হলো A। হেক্সাডেসিমাল বা ষোড়শভাজক সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গুলো ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত থাকে। এখানে A, B, C, D, E, F দ্বারা ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, ১০ ডেসিমালে হলে হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতিতে এটি A হবে।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) A.

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৮৪৪.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফট পরিষেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. আউটলুক.কম
  2. ওয়ান ড্রাইভ
  3. বিং
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।

• মাইক্রোসফটের পরিষেবা:
- বিং, ওয়ান ড্রাইভ, আউটলুক.কম ইত্যাদি


উৎস: Microsoft
৯,৮৪৫.
প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অ্যাকসেস সময় কম
  2. ডাটা স্থানান্তরের গতি বেশি
  3. ধারণক্ষমতা বেশি
  4. সিপিইউ এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত
ব্যাখ্যা
• ধারণক্ষমতা বেশি থাকা প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য নয়। 

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়।
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। 
যেমন- র‍্যাম।

• প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
-  এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
-  অ্যাকসেস সময় কম।
-  ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
-  ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
-  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৪৬.
একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে ডাটাবেজে কোনটি গঠিত হয়?
  1. রেকর্ড
  2. তথ্য
  3. টেবিল
  4. ফিল্ড
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণের জন্য একাধিক উপাদান ব্যবহৃত হয়। যখন একাধিক ফিল্ড একত্রিত হয়ে একটি একক একক তথ্যের বিস্তারিত রূপ ধারণ করে, তখন তাকে রেকর্ড বলা হয়। অর্থাৎ, একটি রেকর্ড হলো ডাটাবেজের সেই ইউনিট যেখানে বিভিন্ন ফিল্ডের মান একসাথে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার এবং ইমেইল প্রতিটি একটি ফিল্ড, এবং সবগুলো ফিল্ড মিলিত হয়ে ঐ ব্যক্তির রেকর্ড তৈরি করে। সুতরাং, একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে যে গঠন তৈরি হয়, তা হলো রেকর্ড। এটি ডাটাবেজের মৌলিক একক এবং ডাটাবেজের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

- সঠিক উত্তর: ক) রেকর্ড। 

উপাত্ত:
- সুনির্দিষ্ট আউটপুট বা ফলাফল পাওয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত কাঁচামালসমূহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে।

ফিল্ড:
- ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে স্টোর করার জন্য ব্যবহার করে।

রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে রেকর্ড গঠিত।

টেবিল:
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল গঠিত।

অর্থাৎ,
- একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে রেকর্ড গঠিত।
- একাধিক রেকর্ডের সমন্বয়ে টেবিল গঠিত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৪৭.
ট্রোজান হর্স কী? 
  1. হ্যাকার গ্রুপ
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. কম্পিউটার এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম। 
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়। 
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন। 
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)। 
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়। 
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়। 
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 
- কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম নিম্নে দেওয়া হলো - 
• ভিবিএস/হেল্পার, 
• ওয়ার্ম, 
• ভিবিএস/আকুই, 
ট্রোজান হর্স
• এক্স ৯৭এম/হপার.আর, 
• মাইক্রো ভাইরাস, 
• বুট সেক্টর ভাইরাস, 
• জেরুজালেম, 
• স্টোন, 
• ঢাকা ভাইরাস, 
• ভিয়েনা, 
• সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৪৮.
ওয়েবসাইটকে আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় কোনটি?
  1. ক) HTML
  2. খ) HTTP
  3. গ) FAQ
  4. ঘ) CSS
ব্যাখ্যা
- ব্রাউজারে যেই ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় HTML CSS I
- HTML এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hyper Text Markup Language।
- এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়।
- এর কাজ হচ্ছে কোনো তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযোগী করা।
- এখানে যেসব ট্যাগ (tag) ব্যবহার করা হয়, ব্রাউজার সেগুলো বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী ওয়েবসাইটে ডেটা প্রদর্শন করে।
- শুধু এইচটিএমএল ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা গেলেও, ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় CSS
- যার পুর্ণরূপ হচ্ছে- Cascading Style Sheet। 
- আধুনিক সব ওয়েবসাইটেই HTML এর সঙ্গে CSS ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৯,৮৪৯.
ই-মেইলের মাধ্যমে কাউকে নকল ওয়েবসাইটে নিয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে নেয়াকে কী বলে?
  1. Sneaking
  2. Spoofing
  3. Phishing
  4. Vishing
ব্যাখ্যা
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোনো ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৮৫০.
১০১০১ বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
  1. ১৯
  2. ২৩
  3. ২২
  4. ২১
ব্যাখ্যা
দশমিক মান: 
• বাইনারি সংখ্যা 10101 এর দশমিক মান 21.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
10101 
= (1 ×24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 16+0+4+0+1
=21


= ১ + ৪ + ১৬ 
= ২১
(প্রদত্ত ছকে যে সংখ্যাগুলোর নিচে শূন্য আছে সে সংখ্যাগুলো বাদে বাকি সংখ্যাগুলো যোগ করলে দশমিক মান পাওয়া যাবে)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
৯,৮৫১.
কোন রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না?
  1. প্রোস্টেট ক্যান্সার
  2. উচ্চ রক্তচাপ
  3. ছানি
  4. চর্মরোগ
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

- উচ্চ রক্তচাপ রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৫২.
১ এক্সাবাইট = ?
  1. ক) ১০২৪ জেটাবাইট
  2. খ) ১০২৪ ইট্রাবাইট
  3. গ) ১০২৪ পেটাবাইট
  4. ঘ) ১০২৪ টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৯,৮৫৩.
মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. ক) টাচ স্ক্রিন
  2. খ) কি-প্যাড
  3. গ) ক্যামেরা
  4. ঘ) সব কয়টি
ব্যাখ্যা

Input Devices:

  • Graphics Tablets
  • Video Capture Hardware
  • Trackballs
  • Barcode reader
  • Digital camera
  • MIDI keyboard
  • Gamepad
  • Joystick
  • Keyboard/keypad
  • Cameras
  • Microphone
  • Mouse (pointing device)
  • Scanner
  • Webcam
  • Touchpad/Touch screen
  • Microphone
  • Electronic Whiteboard
  • OMR
  • OCR
  • Pen Input
  • Punch card reader
  • MICR (Magnetic Ink character reader)
  • Magnetic Tape Drive

(রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)

৯,৮৫৪.
সাধারণ একটি যোগ করতে কম্পিউটারের সময় লাগে -
  1. ক) ৫০ মিলিসেকেন্ড
  2. খ) ৫০ ন্যানোসেকেন্ড
  3. গ) ৫০ পিকোসেকেন্ড
  4. ঘ) ৫০ মাইক্রোসেকেন্ড
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি গণনাও করতে পারে।
- কম্পিউটারের এ দ্রুতগতি সম্পন্ন গণনার কাজকে মিলিসেকেন্ড, মাইক্রোসেকেন্ড, ন্যানোসেকেন্ড, পিকোসেকেন্ড ইত্যাদি সময়ের একক হিসেবে ভাগ করা হয়।
- উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে যে, সাধারণ একটি যোগ করতে কম্পিউটারের সময় লাগে ৫০ ন্যানোসেকেন্ড তাহলে কম্পিউটার একসেকেন্ডে এরকম দু'কোটি যোগ করতে পারবে।
- একজন মানুষের ১০০ বৎসরের কাজ একটি সাধারণ কম্পিউটার ১ ঘন্টায় করতে সক্ষম।


উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৮৫৫.
বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস বা জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট-
  1. ক) Belancer
  2. খ) Upwork
  3. গ) Fiverr
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনাে প্রতিষ্ঠানের কাজ খণ্ডকালীন বা চুক্তিভিত্তিক পদ্ধতি যে কেউ স্বাধীনভাবে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করতে পারেন। এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কাজকে ফ্রিল্যান্সিং (স্ব-উদ্যোগের কাজ) বলা হয়। বিশ্বব্যাপী কয়েকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস বা জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট যেমন Upwork, Freelancer, Belancer. Fiverr ইত্যাদিতে ডেটা অ্যানালাইসিস, কপি রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এফিলিয়েট মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), গুগল অ্যাডসেন্স, ভার্চুয়াল অ্যাসিসটেন্স, রিসার্চ এন্ড সার্ভে, আর্টিক্যাল-ব্লগ রাইটিং ইত্যাদি নানাধরনের বৈচিত্রময় কাজ করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৯,৮৫৬.
Which of the following statements about flip-flops is true?
  1. They are used primarily in analog circuits.
  2. They have no memory capabilities.
  3. They are not used in digital systems.
  4. They can only store a single bit of information.
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ (Flip-Flop):
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের কার্যাবলী - মেমরি ডিভাইস, কাউন্টার এবং রেজিস্টার, ডেটা ট্রান্সফার হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিটা ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট।
- অসংখ্য ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে তৈরি হয় ইলেক্ট্রনিক মেমোরি ডিভাইস।

• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
১. মেমোরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৮৫৭.
Windows অপারেটিং সিস্টেমে, 'Ctrl + Alt + Delete' কী এর কাজ করে?
  1. কম্পিউটার বন্ধ করা
  2. টাস্ক ম্যানেজার খোলা
  3. ফাইল মুছে ফেলা
  4. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা
ব্যাখ্যা
•'Ctrl + Alt + Delete' টাস্ক ম্যানেজার খোলা অথবা কোনো অ্যাপ্লিকেশন terminate করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• Windows অপারেটিং সিস্টেমে, 'Ctrl + Alt + Delete' দ্বারা যে কাজ গুলো করা যায়:



- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
- মাইক্রোসফট এখন পর্যন্ত Windows 7, Windows Vista, Windows XP, Windows 8, Windows 10, Windows 11 প্রভৃতি অপারেটিং সিস্টেম বাজারে এনেছে।
- Windows 11 হচ্ছে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ।
- উইন্ডোজ একটি স্বতন্ত্র অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখার প্রয়োজন হয় না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Techtarget website.
৯,৮৫৮.
VAR সিস্টেম কী ধরনের খেলায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ফুটবল
  2. ব্যাডমিন্টন
  3. সাঁতার
  4. দাবা
ব্যাখ্যা
• VAR:
- VAR বা Video Assistant Referee হলো একটি প্রযুক্তিনির্ভর ভিডিও রিভিউ পদ্ধতি, যা ফুটবল খেলায় ব্যবহৃত হয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো যাচাই ও নিশ্চিত করার জন্য।

• VAR প্রযুক্তির মূল ব্যবহার:
- গোল হয়েছে কি না তা যাচাই করা।
- পেনাল্টি সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ।
- সরাসরি লাল কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত যাচাই।
- ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেওয়ার সংশোধন।
- এটি ভিডিও রিপ্লে বিশ্লেষণ করে মাঠে রেফারিকে সহায়তা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে।

তথ্যসূত্র:
- FIFA Official Website - 'VAR'
৯,৮৫৯.
সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট 'X'-এর বর্তমান মালিক কে?
  1. স্টিভ জবস
  2. লিন্ডা ইয়াকারিনো
  3. জযাক ডরসি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• X/Twitter:
- Twitter এর বর্তমান নাম X
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (Jun 5, 2023 – present)
- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- সদর দপ্তর: San Francisco, California, United States
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৮৬০.
AB হেক্সাডেসিমেল-এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কোনটি?
  1. 163
  2. 167
  3. 171
  4. 173
ব্যাখ্যা
AB এর সমতুল্য ডেসিমেল হলো 171
A এর সমতুল্য ডেসিমেল হলো 10 এবং B এর 11
= ( 10 × 161) + ( 11 × 160)
= 160 + 11
= 171
৯,৮৬১.
চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. অ্যাকসেস টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম
  3. সিক টাইম
  4. রিড টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
৯,৮৬২.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. আইসি এর ব্যবহার
  2. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার
  3. আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগতো।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৬৩.
বাংলাদেশে প্রথম 'স্কুল অব রোবটিক্স' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম 'স্কুল অব রোবটিক্স' কুমিল্লার কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে অবস্থিত। 

কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ, কুমিল্লা এর নবনির্মিত ছয়তলা ভবন ও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত 'রূপকল্প-২০৪১' বাস্তবায়নে এবং 'চতুর্থ শিল্প বিপ্লব(4th IR)'কে সামনে রেখে কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্র রাজবাড়ী কম্পাউন্ডে প্রতিষ্ঠিত 'স্কুল অব রোবটিক্স ' এর শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া স্যার, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা ও সভাপতি(কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ, এবং 'স্কুল অব রোবটিক্স') জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান মহোদয়।

সূত্র: Comilla Collectorate School and College Website।
৯,৮৬৪.
Which of the following is known as PDA?
  1. Palmtop 
  2. Mainframe 
  3. Laptop
  4. Workstation
ব্যাখ্যা

• PDA-এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant। পামটপ (Palmtop) কম্পিউটারকে মূলত পিডিএ (PDA) বলা হয়। কারণ এটি হাতের তালুতে রেখে ব্যবহার করা যায় এবং এটি একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ক্যালেন্ডার, নোটবুক, এবং ডায়েরির মতো কাজগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করে। বর্তমানে আধুনিক স্মার্টফোনগুলো পিডিএ-র জায়গা দখল করে নিয়েছে।

• পামটপ কম্পিউটার বা PDA:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৬৫.
(111101)2 এর দশমিক মান কত?
  1. ক) 27
  2. খ) 47
  3. গ) 31
  4. ঘ) 61
ব্যাখ্যা

(111101)2
= (1 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 16 + 8 + 4 + 0 + 1
= 61

৯,৮৬৬.
Which of the following is a volatile memory?
  1. Cache
  2. ROM
  3. SSD
  4. USB Flash Drives
ব্যাখ্যা

Cache memory হলো একটি volatile memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে ডেটা ধরে রাখতে পারে না।

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- Cache মেমরিকে (সাধারণত L1, L2, L3) SRAM (Static RAM) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।
- SRAM হলো এক ধরনের উদ্বায়ী (Volatile) মেমরি, যার অর্থ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে এতে সংরক্ষিত সমস্ত ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে মুছে যায়।

অন্যান্য অপশন:
- ROM (Read-Only Memory): Non-Volatile মেমোরি। বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা মুছে যায় না
- SSD (Solid State Drive): Non-Volatile মেমোরি। এটি ডেটা সংরক্ষণের জন্য ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যবহার করে।
- USB Flash Drives: Non-Volatile মেমোরি ডিভাইস যা পোর্টেবল ডেটা স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৯,৮৬৭.
কোন পদ্ধতিতে কোনো ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে রিলেশন রক্ষা করে?
  1. Many to Many
  2. Many to One
  3. One to Many
  4. One to One
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশনের প্রকারভেদ:
একাধিক ডেটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

♦ One to One রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন। 

♦ One to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব। 

♦  Many to One রিলেশন:
যদি কোনো একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

♦  Many to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডেটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোনো ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৬৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কয়টি?
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথাঃ Resource Flexibility, On Demand, Pay as you go।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৯,৮৬৯.
Which computer has been designed to be as compact as possible?
  1. ক) Mini
  2. খ) Super computer
  3. গ) Micro computer
  4. ঘ) Mainframe
ব্যাখ্যা

A microcomputer is a small, relatively inexpensive computer with a microprocessor as its central processing unit (CPU).
It includes a microprocessor, memory, and input/output (I/O) facilities. Microcomputers became popular in the 1970s and 80s with the advent of increasingly powerful microprocessors.

৯,৮৭০.
হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে কী বলে?
  1. ক্র্যাকিং
  2. হ্যাকিং
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং:
- হ্যাকিং হচ্ছে অনাধিকার প্রবেশ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড; যা অন্যের কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতিসাধন করে।
- অর্থাৎ অবৈধভাবে বা বিনা অনুমতিতে কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো বা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পন্থায় সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলে।
- যারা হ্যাকিং এর কাজ করে তাদেরকে হ্যাকার (Hacker) বলে।
- হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে হ্যাকিং বলে।
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে।
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Cracker) বলে।
- হ্যাকাররা মূলত বিশেষ ধরনের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে নেটওয়ার্কযুক্ত বিভিন্ন কম্পিউটারে আক্রমণ করে।
- বিশেষ ধরনের এ সফ্টওয়্যারকে বলে স্পাইওয়্যার।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৭১.
বাংলাদেশের প্রায় সকল ডাকঘরে কোন সেবাটি পাওয়া যায়?
  1. ই-পর্চা
  2. ই-টিকেট 
  3. ই-পূর্জি
  4. ই-এমটিএস
ব্যাখ্যা
ই-পূর্জি: 
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি। 
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এখন এসএমএসের মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে। 
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র। 
- এসএমএসের মাধ্যমে আখচাষিরা তাৎক্ষণিকভাবে পূর্জির তথ্য পাচ্ছে বলে এখন তাদের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান হয়েছে। 
- পাশাপাশি সময়মতো আখের সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় চিনিকলের উৎপাদনও বেড়েছে। 

ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস): 
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায়। 
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়। 
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে ই-এমটিএস সেবা পাওয়া যায়। 

ই-পর্চা: 
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা। 
- পূর্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীগণ বড়ো বড়ো রেকর্ড বই থেকে তথ্যসমূহ পূর্ব নির্ধারিত ছকে পূরণ করে আবেদনকারীকে সরবরাহ করতেন। 
- এজন্য আবেদনকারীকে যেমন সরাসরি উপস্থিত হতে হতো তেমনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরাও গতানুগতিক পদ্ধতিতে পর্চা তৈরি করতেন। 
- বর্তমানে এটি ই-সেবার আওতায় আসাতে আবেদনকারী দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকেই নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে পর্চা সংগ্রহ করতে পারেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮৭২.
উঁচু মানের গ্রাফিক্যাল প্রতিরূপ তৈরি করে -
  1. Dot Matrix Printer
  2. Plotter
  3. Inkjet Printer
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্লটার (Ploter):
প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।
প্লটার সাধারণত ২ প্রকার।
যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flat bed) প্লটার ও
 ২. ড্রাম (Drum) প্লটার 

- প্লটার নিঃসন্দেহে সবচেয়ে ভালো গ্রাফিক্যাল আউটপুট দেয়।
- তবে একই প্রশ্নে যদি প্লটার অপশনে না থাকে তবে, উত্তর হিসাবে "লেজার প্রিন্টার" নেওয়া যাবে।
- প্রিন্টারগুলোর মধ্যে লেজার প্রিন্টার সবচেয়ে ভালো গ্রাফিক্যাল আউটপুট দেয়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৭৩.
নিচের কোন সংস্থাটি জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করেছে?
  1. Oracle
  2. Microsoft
  3. Intel
  4. Google
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ক) Oracle.

• জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রামগুলোর এক্সটেনশন হিসেবে সাধারণত .java ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত ওবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের সুবিধা দেয়।
- জাভা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ (platform-independent) হওয়ায় “Write Once, Run Anywhere” নীতি অনুসরণ করে, অর্থাৎ একবার কোড লেখা হলে তা যেকোনো কম্পিউটারে চালানো যায়।
- এটি ইন্টারনেট ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, মোবাইল অ্যাপ, এবং বড় সফটওয়্যার সিস্টেম তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- জাভার স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা, এবং বড় কমিউনিটি সমর্থনের কারণে এটি আজও সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে একটি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• Microsoft:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.

• Intel:
- এটি পৃথিবীর প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯,৮৭৪.
অবজেক্ট-এর attributes এবং behaviours কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে কী বলে?
  1. অবজেক্ট
  2. ইনহেরিটেন্স
  3. এনক্যাপসুলেশন
  4. পলিমরফিজম
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইন্সট্রাকশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, একে অবজেক্ট বলে।
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো C++, Simula, Java ইত্যাদি।
- ৬টি প্রথামিক ধারণা দ্ধারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়।যথা-

১.অবজেক্ট
২. ক্লাস (একই ধরনের অনেকগুলো বস্তু কিংবা ঘটনার logical representation)
৩.মেসেজ
৪.পলিমরফিজম (পলিফরমিক অবজেক্ট তৈরি করে ভিন্ন ভিন্ন গঠন পাওয়া যায়)
৫.ইনহেরিটেন্স (একটি ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস তৈরি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে)
৬.এনক্যাপসুলেশন (অবজেক্ট এর attributes এবং behaviours কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করে)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৭৫.
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে কী বলা হয়?
  1. ফিল্ড
  2. ডেটা
  3. রেকর্ড
  4. ডেটা টেবিল
ব্যাখ্যা
• ফিল্ড:
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- একটি ফিল্ডে একই ধরণের ডেটা থাকে।
- ফিল্ডে ভেলিডেশন অপশন সেট করে ডেটা এন্ট্রি রোধ করা যায়।

অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচন:
- ডেটা টেবিলের বভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা ইনপুট করি তাই ডেটা।
- সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।
- সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,৮৭৬.
মেটাভার্স (Metaverse) অ্যাক্সেস করতে কোন প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি অপরিহার্য?
  1. থ্রিডি প্রিন্টিং
  2. ব্লকচেইন মাইনিং
  3. ক্লাউড প্রিন্টিং
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা

• মেটাভার্সে প্রবেশ করতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) প্রযুক্তি সবচেয়ে অপরিহার্য। মেটাভার্স মূলত একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ, ত্রিমাত্রিক ডিজিটাল পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের অ্যাভাতার ব্যবহার করে অন্যান্য ব্যবহারকারীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। এই পরিবেশে বাস্তবসম্মত অনুভূতি পেতে VR হেডসেট এবং গ্লাভসের মতো যন্ত্রের সাহায্য লাগে, যা আমাদের দৃষ্টি, শ্রবণ ও স্পর্শের মাধ্যমে ভার্চুয়াল জগতে উপস্থিতির অভিজ্ঞতা দেয়। অন্য প্রযুক্তি যেমন থ্রিডি প্রিন্টিং, ব্লকচেইন মাইনিং বা ক্লাউড প্রিন্টিং মেটাভার্সকে সাপোর্ট করতে পারে, তবে সরাসরি প্রবেশ এবং ইন্টারঅ্যাকশন করার জন্য VR সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই মেটাভার্স অ্যাক্সেসের মূল চাবিকাঠি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।

• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি: 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ। 
অর্থাৎ, প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে। 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়। 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভবপর হয়। 
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display-HMD), হাতে একটা ডাটা গ্লোভ (Data Glove) বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) পরতে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে। 

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৭৭.
Programme Debugging - এর উদ্দেশ্য কী?
  1. নতুন প্রোগ্রাম তৈরি
  2. কোড কপি করা
  3. প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি ঠিক করা
  4. প্রোগ্রাম রান করা
ব্যাখ্যা
Programme Debugging - এর উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি ঠিক করা।

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং (Programme Debugging)
- Bug অর্থ পোকা।
- Debugging অর্থ পোকা দূর করা।
- কম্পিউটারের প্রোগ্রামে যে ভুল-ত্রুটি থাকে তা দূর করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে মার্ক-১ কম্পিউটারে একটি মথ পোকা ঢুকে যাওয়ায় তা অচল হয়ে পড়ে। তখন থেকে Debugging শব্দটির উৎপত্তি।
- প্রোগ্রাম ডিবাগিংয়ের জন্য প্রথমে প্রোগ্রামে কী ধরনের ভুল হয়েছে তা নির্ণয় করে সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় সংশোধন করলেই চলে।
- Syntax Error হলে তা নির্ণয় করা এবং সংশোধন করা সহজ।
- Logical Error শনাক্ত করা কঠিন।
- এক্ষেত্রে কিছু নমুনা ডাটা নিয়ে যার ফলাফল জানা আছে, প্রোগ্রাম পরীক্ষা করতে হবে এবং ফলাফল ভিন্ন হলে প্রোগ্রামকে কয়েকটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের ফলাফল দেখে কোথায় ভুল আছে তা নির্ণয় করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯,৮৭৮.
কোন ফাইল সেভ করার জন্য কোন ফাংশন কি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) F10
  2. খ) F12
  3. গ) F5
  4. ঘ) F1
ব্যাখ্যা
F1-F12 পর্যন্ত মোট ১২টি ফাংশন কী রয়েছে. 
ফাইল সেভ করতে F12 ব্যবহৃত হয়।
৯,৮৭৯.
অধিকাংশ ব্রাউজারে F5 কী চাপার ফলে কী ঘটে?
  1. চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়
  2. পেইজটি বুকমার্ক হয়
  3. ডেভেলপার টুলস খুলে
  4. ব্রাউজার বন্ধ হয়
ব্যাখ্যা

• অধিকাংশ ব্রাউজারে F5 কী চাপলে চলমান ওয়েবপেজটি রিফ্রেশ বা রিলোড হয়। অর্থাৎ, ব্রাউজার আবার সেই ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্ভার থেকে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করে এবং পেজটি নতুন করে প্রদর্শন করে। অনেক সময় ওয়েবসাইটে নতুন কনটেন্ট যোগ হলে বা কোনো ত্রুটি দেখা দিলে ব্যবহারকারীরা F5 চাপ দিয়ে পেজ আপডেট করে সর্বশেষ তথ্য দেখতে পান। এটি বুকমার্ক করা, ডেভেলপার টুলস খোলা বা ব্রাউজার বন্ধ করার কাজ করে না। তাই প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- ক) চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়।

কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
-কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৮০.
'এক্স'-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. Bastrap
  2. Mountain View
  3. San Francisco
  4. San Bruno
ব্যাখ্যা
⚪-X এরসদর দপ্তর: Bastrop, Texas, United States.
[X (formerly Twitter) has moved its headquarters from San Francisco to Bastrop, Texas, a location about 30 miles east of Austin.]

⚪ X/Twitter:
- Twitter এর বর্তমান নাম X.
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (তথ্য: ২১ এপ্রিল, ২০২৫ পর্যন্ত))

- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।

- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস:
১. অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৯,৮৮১.
Which of the following is not a web browser?
  1. Wikipedia
  2. Google Chrome
  3. Mozilla Firefox
  4. Opera
ব্যাখ্যা

উইকিপিডিয়া একটি ওয়েব ব্রাউজার নয়; এটি একটি অনলাইন বিশ্বকোষ বা ওয়েবসাইট, যা ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে অ্যাক্সেস করা হয়।

ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser)
- ইন্টারনেটকে তথ্যের বিশাল সাগর বলা হয়, কারণ এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত কম্পিউটারগুলোতে থাকা তথ্য ব্যবহার করার সুযোগ দেয়।
- যে সফটওয়্যারটি ওয়েব পেজ বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) প্রদর্শন করে, তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলা হয়।
- বিভিন্ন দেশের সার্ভারে থাকা সংযোগযোগ্য ওয়েব পেজ পরিদর্শনকে ওয়েব ব্রাউজিং (Web Browsing) বলা হয়।
- ওয়েব ব্রাউজিং-এর মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য সহজে পাওয়া যায়।
- ওয়েব ব্রাউজার ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত সার্ভার কম্পিউটার থেকে ওয়েব পেজ প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে।

জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox)
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর (Netscape Communicator)
- সাফারি (Safari)
- ওপেরা (Opera)
- গুগল ক্রোম (Google Chrome)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৯,৮৮২.
নিচের কোনটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস নয়?
  1. কোবরা
  2. এভিজি
  3. মেলিসা
  4. পিসিসিলিন
ব্যাখ্যা
• মেলিসা হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

• এন্টিভাইরাস:
- এন্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বোঝায় যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।
- এন্টিভাইরাস হলো সেই সফটওয়্যার যা ম্যালওয়‍্যারের সাথে সম্পৃক্ত সফটওয়‍্যারকে কম্পিউটারে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের এবং সাথে সাথে মূল্যবান ডাটার দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে।
- একজন সতর্ক কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরও এন্টিভাইরাস প্রোগাম ব্যবহারের প্রয়োজন আছে।
- ব্রাউজারের দুর্বলতা, প্লাগইনস, বিভিন্ন প্রকার লেনদেনে এবং অপারেটিং সিস্টেম প্রভৃতির জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা প্রয়োজন।
- আবার ব্যবহারকারী যদি অনলাইনে লেনদেন করেন তাহলে তার পিসিতে এন্টিভাইরাস থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, এখন অনেক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লেনদেনের সিকিউরিটি দিয়ে থাকে।

• কয়েকটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম নিচে দেয়া হলো:
- কাসপারস্কি,
- ম্যাকফি,
- নরটন,
- পিসিসিলিন,
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- ই-সেট,
- ই-স্ক্যান,
- কোবরা ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৯,৮৮৩.
হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ ফাইল নামের এক্সটেনশন কোনটি?
  1. ক) .txt
  2. খ) .js
  3. গ) .html
  4. ঘ) .doc
ব্যাখ্যা
HTML ফাইল নামের এক্সটেনশন হল .html

- HTML এর পূর্ণরুপ হল হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজকে (Hyper text markup language) সংক্ষিপ্ত নামে HTML বলা হয়। 
- HTML হল একটি কম্পিউটার ভাষা যা একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 
- ব্রাউজারের তথ্য প্রদর্শন বা, ওয়েব পেইজের তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ HTML ব্যবহার করে থাকেন। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৮৮৪.
What is the binary equivalent of hexadecimal 'B'?
  1. 1111
  2. 1010
  3. 1011
  4. 1100
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) 1011

হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতিতে 'B' হলো একটি সংখ্যা, যার দশমিক মান হচ্ছে 11.
এখন 11 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 1011

- শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

• বাকি অপশনগুলো-
- হেক্সাডেসিমেলে F এর সমুতল্য বাইনারি মান 1111(ক)।
- হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান 1010 (খ)।
- হেক্সাডেসিমেলে C এর সমুতল্য বাইনারি মান 1100 (ঘ)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৮৮৫.
Pixel এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Pixture elementary
  2. খ) Pixture Element
  3. গ) Picture Elementary
  4. ঘ) Picture Element
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল। এই শব্দটি ইংরেজি Picture Element এর সংক্ষিপ্ত রূপ। পিক্সেল হচ্ছে ডাটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (যেমন- মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা যার বর্ণ এবং উজ্জলতা স্বাতন্ত্র্যভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৯,৮৮৬.
তৃতীয় এবং চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসরে সিলিকন নিচের কোনটিকে প্রতিস্থাপন করেছিল?
  1. রুবিডিয়াম
  2. জার্মেনিয়াম
  3. ক্যালিফোর্নিয়াম
  4. কপার
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্ৰজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে।

• চতুর্থ প্রজন্ম কম্পিউটার: 

- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়।
- কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। 
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM 3033, IBM 4341, TRS 40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

সিলিকন দ্বারা জার্মেনিয়ামের প্রতিস্থাপন:
- সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে সিলিকন দ্বারা জার্মেনিয়ামের প্রতিস্থাপন শুরু হয়েছিল 1960 এর দশকে।
- এই প্রতিস্থাপনটি সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে এবং কম্পিউটিং প্রযুক্তির অগ্রগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- পৃথিবীর ভূত্বকের মধ্যে সিলিকনের প্রাচুর্যতা, সিলিকনের উন্নত তাপীয় বৈশিষ্ট্য এবং এর উচ্চতর অপারেটিং ক্ষমতা সহ বিভিন্ন কারণে গবেষকরা জার্মেনিয়ামকে সিলিকন দ্বারা প্রতিস্থাপন করেছিল।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) IEEE.
৯,৮৮৭.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Resource Scalability
  2. On Demand
  3. Resource Demand
  4. Pay as you go
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

•  ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৮৮৮.
(1101)2 + (1011)2 = ?
  1. (10010)2
  2. (10100)2
  3. (11000)2
  4. (11001)2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (1101)2 + (1011)2 = ?

ক) (10010)2
খ) (10100)2
গ) (11000)2
ঘ) (11001)2

সমাধান:
বাইনারি যোগের নিয়ম অনুযায়ী, দুটি সংখ্যা যোগ করার সময় ডানদিক থেকে শুরু করতে হয়।

যোগফল নির্ণয়ের ধাপগুলো নিচে দেখানো হলো:
      1 1 0 1
+   1 0 1 1
  1 1 0 0 0
ধাপ ১: সর্বডানের কলাম যোগ করি: 1 + 1 = 10। এখানে 0 লিখি এবং 1 হাতে রাখি।
ধাপ ২: দ্বিতীয় কলাম যোগ করি: হাতে থাকা 1 + 0 + 1 = 10। এখানে 0 লিখি এবং 1 হাতে রাখি।
ধাপ ৩: তৃতীয় কলাম যোগ করি: হাতে থাকা 1 + 1 + 0 = 10। এখানে 0 লিখি এবং 1 হাতে রাখি।
ধাপ ৪: চতুর্থ কলাম যোগ করি: হাতে থাকা 1 + 1 + 1 = 11। এখানে 1 লিখি এবং 1 হাতে রাখি।
ধাপ ৫: সবশেষে, হাতে থাকা 1 বাম দিকে লিখি।

অতএব, (1101)2 + (1011)2 = (11000)2

বিকল্প পদ্ধতি:
(1101)2 = 13 (দশমিক)
(1011)2 = 11 (দশমিক)
∴ 13 + 11 = 24 (দশমিক)

এখন 24 এর বাইনারি মান নির্ণয় করতে হবে, যা হলো (11000)2

৯,৮৮৯.
কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে কোনটি ব্যবহার করা উচিত?
  1. অতিরিক্ত ROM সংযোজন
  2. অতিরিক্ত HDD সংযোজন
  3. অতিরিক্ত RAM সংযোজন
  4. অতিরিক্ত CD-ROM সংযোজন
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM সংযোজন করা উচিত।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান
চালাতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৯০.
রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. ল্যাটেন্সি টাইম
  2. সিক টাইম
  3. অ্যাকসেস টাইম
  4. লিখন অপারেশন
ব্যাখ্যা
• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৯১.
তারের মাধ্যমে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ডাটা ট্রান্সমিশন মিডিয়া কোনটি? 
  1. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
  2. ইনফ্রারেড
  3. রেডিও ওয়েভ
  4. মাইক্রো ওয়েভ
ব্যাখ্যা

ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম: 
- কম্পিউটার এবং অন্যান্য আইসিটি ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটা আদান প্রদানের ক্ষেত্রে সিগন্যাল ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ, সিগন্যাল ডাটাকে উপস্থাপন করে থাকে। 
- এই সিগন্যালকে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পাঠানোর জন্য ট্রান্সমিশন মিডিয়া দরকার হয়। 
- প্রেরক এবং দূরবর্তী প্রাপকের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উভয় প্রান্তের মধ্যে সংযোগ, এই সংযোগ ব্যবস্থাকে বলা হয় মাধ্যম। 
- যে মাধ্যমে কোন একটি নেটওয়ার্কের সকল ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন মিডিয়া বা মাধ্যম বলে। 
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া দুই ধরনের। 
যথা- 
ক। তার মাধ্যম (Guided/Wired Media): 
- ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল তার মাধ্যম। 
- ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি এই মাধ্যম ডাটাকে গাইড করে প্রেরক যন্ত্র থেকে গ্রাহক যন্ত্রে নিয়ে যায় বলে এ মাধ্যমকে গাইডেড মাধ্যম বলা হয়। 
- তার মাধ্যম মিডিয়াকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়- 
১। টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
২। কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও 
৩। অপটিকাল ফাইবার । 

খ। তারবিহীন মাধ্যম (Unguided/Wireless Media): 
- ওয়‍্যারলেস কথাটির অর্থ তার বিহীন বা তারহীন। 
- তার বিহীন যোগাযোগ বা ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশন হলো এমন ধরণের যোগাযোগ যেখানে কোন তার বা ক্যাবলের প্রয়োজন হয় না। 
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনে সাধারণত রেডিও ওয়েভব্যবহার করা হয়। 
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের মিডিয়াকে কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়- 
১। রেডিও ওয়েভ (Radio wave), 
২। মাইক্রো ওয়েভ (Micro wave) ও 
৩। ইনফ্রারেড (Infrared) । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৯২.
সাধারণ একটি IMEI নম্বরে কয়টি ডিজিট থাকে?
  1. 15
  2. 12
  3. 14
  4. 16
ব্যাখ্যা
• সাধারণ একটি IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বর ১৫ সংখ্যার হয়। এটি প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিচয় নম্বর হিসেবে কাজ করে। মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটররা এই নম্বর ব্যবহার করে ফোন সনাক্ত করতে পারে এবং হারানো বা চুরি হওয়া মোবাইল ব্লক করার জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। IMEI নম্বর মূলত চারটি অংশে বিভক্ত থাকে—TAC (Type Allocation Code), FAC (Final Assembly Code), SNR (Serial Number) এবং SP (Spare বা Check Digit)। এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ফোন কোথায় তৈরি হয়েছে এবং তার আসলত্ব যাচাই করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) 15.

• IMEI:
- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- IMEI নম্বরটি ফোনের সেটিংস এ অথবা ফোনের ব্যাটারি এর নিচে (কিছু ডিভাইসে) মুদ্রিত থাকে।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।
- IMEI নম্বরটি ফোনের নিরাপত্তা এবং মালিকানার প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,৮৯৩.
ক্যাশ মেমোরি সাধারণত:
  1. শুধুমাত্র সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত
  2. র‍্যামের সমান গতি
  3. র‍্যামের চেয়ে ধীর
  4. র‍্যামের চেয়ে দ্রুত
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি হলো এক ধরনের উচ্চগতির মেমোরি যা সাধারণত প্রসেসরের ভেতরে বা খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। এটি মূলত ব্যবহৃত হয় বারবার প্রয়োজনীয় ডেটা বা নির্দেশ দ্রুত প্রসেসরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে, কারণ এর অ্যাক্সেস টাইম কম এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে। যদিও র‍্যামের ক্ষমতা বেশি, কিন্তু এর গতি তুলনামূলকভাবে ধীর। তাই প্রসেসরের পারফরম্যান্স বাড়াতে ক্যাশ মেমোরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: ঘ) র‍্যামের চেয়ে দ্রুত।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৯,৮৯৪.
'স্মার্টফোন' এক ধরনের -
  1. ক) অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. খ) হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. গ) মাইক্রোকম্পিউটার
  4. ঘ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রোকম্পিউটার
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার। 

মাইক্রোকম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
বিভিন্ন কম্পিউটারের নাম -
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA)
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer)
৩। নােটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer)
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer); ইত্যাদি।

এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৯৫.
Binary Digit শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ কোনটি? 
  1. ক) Byte
  2. খ) Bit
  3. গ) Bite
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

Binary Digit শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপকে বিট (Bit) বলে।
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দুইটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হল সরলতম গণনা পদ্ধতি।
এই পদ্ধতিতে ডিজিটগুলো হল ০ এবং ১।
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৯,৮৯৬.
মাইক্রোপ্রসেসর হলো _________ তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
  1. সিলিকনের
  2. গ্রাফাইটের
  3. কার্বনের
  4. সিলেনিয়ামের
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্ম:
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM -3033, IBM -4341, TRS 40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৯৭.
রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি হতে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) দ্বিতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক হতে রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য :
১. রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
২. GSM (Global System for Mobile Communication) ও CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির ব্যবহার।
৩. সীমিত আকারে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৪. GSM পদ্ধতিতে ডেটা ও ভয়েস প্রেরণ করা সম্ভব হয়। 
৫. মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল স্থানান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 
৬. এ প্রজন্ম থেকেই প্রিপেইড সিস্টেম চালু হয়।
৭. SMS, MMS এবং ভয়েস মেইল ব্যবহারের সুবিধা।
৮. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন।
৯. সমসাময়িক অন্যান্য সকল ফোনের চেয়ে আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৮৯৮.
অপারেটিং সিস্টেমে কার্নেলের ভূমিকা কী?
  1. একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম এক্সিকিউট করা
  2. মেমোরি ফ্র্যাগমেন্টেশন কমানো
  3. হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা
  4. প্রোগ্রামগুলিকে বড় মেমোরি স্পেস প্রদান করা
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেলের প্রধান কাজ হল হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা।

কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: আইবিএম ও টেকটার্গেট ওয়েবসাইট। 

৯,৮৯৯.
TCP/IP হল একটি-
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) টোপােলজি
  3. গ) প্রটোকল
  4. ঘ) সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
- ARPANET দিয়ে ইন্টারনেট কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি / আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়৷
- ১৯৮৩ সালে অরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- বর্তমানেও এটিই ইন্টারনেট প্রটোকল নামে পরিচিত।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৯,৯০০.
Which technology is generally used for WAN?
  1. Hub
  2. Bluetooth
  3. Satellite
  4. USB connection
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Satellite

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।