বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৯৬ / ১৩১ · ৯,৫০১৯,৬০০ / ১৩,০৮৮

৯,৫০১.
বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অভিজ্ঞতা প্রদানকারী যন্ত্র কোনটি?
  1. Oculus Rift
  2. Sensorama
  3. Enigma machine
  4. ARPANET
ব্যাখ্যা

• ১৯৬২ সালে মর্টন হেইলিগ "Sensorama" আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ধারনার সূত্রপাত করেন
- ১৯৮৯ সালে জেরন লেইনার সর্বপ্রথম "virtual reality" শব্দটির প্রচলন করেন।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি বাস্তব নয়, তবে কৃত্রিমভাবে বাস্তব জগৎ অনুভূতি প্রদান করে।

মূল ভিত্তি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

প্রধান উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD): পরিধানযোগ্য ডিসপ্লে যা ত্রিমাত্রিক দৃশ্য উপস্থাপন করে।
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove): ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত এবং ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বডি স্যুইট (Body Suit): স্পর্শ ও গতির অনুভূতি প্রদান করে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, বিনোদন, গেমিং, গবেষণা ও উন্নয়ন, নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৫০২.
কোনটি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) NOVA3
  2. খ) IBM PC
  3. গ) Apple Macintosh
  4. ঘ) Summit
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- বর্তমানে (ফেব্রুয়ারি ২০২০) সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার হলো যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit)
- এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫০৩.
A program that performs a useful task while simultaneously allowing destructive acts is:
  1. ক) Worm
  2. খ) Trojan Horse
  3. গ) Virus
  4. ঘ) Macro Virus
ব্যাখ্যা
Trojan horses are software programs that masquerade or disguise as regular programs, such as games, disk utilities, and even antivirus programs. But if they are run, these programs can do malicious things to your computer.
Source: https://usa.kaspersky.com/
৯,৫০৪.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক কে?
  1. মার্টিন কুপার
  2. স্যামুয়েল টমলিনসন
  3. ভিনটন জি কার্ফ
  4. টিম বার্নাস লি
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক হলেন টিম বার্নাস-লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সর্ভার, হাইপারটেক্সট এবং ব্রাউজারের ধারণা মিলিয়ে ওয়েব তৈরি করেন। এর মাধ্যমে তথ্য শেয়ার করা এবং ইন্টারনেটে নেভিগেশন করা অনেক সহজ হয়ে ওঠে। টিম বার্নাস-লি ওয়েবের জন্য HTTP প্রোটোকল এবং HTML ভাষা উদ্ভাবন করেন, যা ওয়েবপেজ তৈরি ও সংযোগের মূল ভিত্তি। তাঁর এই উদ্ভাবনের ফলে ইন্টারনেট কেবল তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষার, গবেষণার এবং সামাজিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। তাই তাকে ওয়েবের পিতা বলা হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) টিম বার্নাস লি।

• WWW:

- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও www foundation.

৯,৫০৫.
21D কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) ডেসিমেল
  3. গ) হেক্সাডেসিমেল
  4. ঘ) অক্টাল
ব্যাখ্যা

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিঃ
এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১৬। অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে ১৬ টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ এবং অতঃপর A, B, C, D, E এবং F।
বর্ণ এবং সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫। (151)16 , (1B)16 , (ABC. B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯,৫০৬.
কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি প্রধান কাজকে কী বলা হয়?
  1. IPSO Cycle
  2. IOSP Cycle
  3. IOCP Cycle
  4. IPOS Cycle
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার IPOS cycle অনুসারে কাজ করে।
- কম্পিউটার হলো একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা চারটি মৌলিক কাজ করে।
- এই ফাংশনগুলি আইপিওএস চক্র বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ চক্র তৈরি করে। চারটি ফাংশন নিম্নরূপ:
• Input - কম্পিউটারে ডেটা প্রবেশ করার প্রক্রিয়া।
• Processing - ডেটা ইনপুট নির্দেশের একটি ক্রম। এটি ডাটাকে তথ্যে রূপান্তর করে। 
• Output - তথ্য প্রদর্শনের প্রক্রিয়া।
• Storage - পরবর্তী ব্যবহারের জন্য তথ্য সংরক্ষণের প্রক্রিয়া।

উৎস:
১. Fundamentals of Computer Book
২. Computerhope website
৯,৫০৭.
একজন নাগরিক ও ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে কোন ধরনের রিলেশন বিদ্যমান?
  1. One-to-One
  2. One-to-Many
  3. Many-to-Many
  4. Many-to-One
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য একটি টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে, তখন তাকে ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশনশিপ বলে। একজন নাগরিকের বিপরীতে কেবল একটি ভোটার আইডি কার্ড থাকা সম্ভব, তাই এটি One to One রিলেশনের উদাহরণ।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়। যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়।

সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

৯,৫০৮.
পরাগ আগারওয়াল নিম্নের কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা??
  1. ইনস্টাগ্রাম
  2. টুইটার
  3. ফেইসবুক
  4. পিন্টারেস্ট
ব্যাখ্যা
- টুইটার সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট।
- টুইটারে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন (টুইট করতে পারেন)।
- ২০০৬ সালে জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো শহরে অবস্থিত।
- টুইটারের বর্তমান CEO Parag Agrawal (পরাগ আগারওয়াল)

উৎসঃ টুইটারের ওয়েবসাইট।
৯,৫০৯.
IOS অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) অ্যাপল
  2. খ) গুগল
  3. গ) স্যামসাং
  4. ঘ) মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
IOS একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যার নির্মাতা হলো অ্যাপল ইনকর্পোরেশন। এটি ২০০৭ সালের ২৯ জুলাই বাজারে আসে। অ্যাপল কোম্পানির আইফোন এবং আইপড টাচে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি সি, সি++ এবং অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রস্তুতকৃত। এটি একটি ক্লোজ সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
(সূত্রঃ অ্যাপল ইনকর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৯,৫১০.
শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সংক্ষিপ্ত ও সহজে মনে রাখার উপযোগী।
  2. নাম ও জন্ম তারিখের মতো ব্যক্তিগত তথ্যবহুল।
  3. বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ অক্ষরের সংমিশ্রণ।
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- মূলত পাসওয়ার্ড বলতে বোঝায় একটি মৌলিক সুরক্ষা ব্যবস্থা যা বর্ণমালা, সংখ্যাসূচক, বর্ণানুক্রমিক এবং প্রতীকী অক্ষর বা একটি সংমিশ্রণ ব্যবহার করে তৈরি একটি কোড।
- পাসওয়ার্ডকে অ্যাক্সেস কোড, পিন বা গোপন কোডও বলা যেতে পারে। 

পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে- 
- নিজের বা পরিবারের কারাে নাম বা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার না করা।
- সংখ্যা, চিহ্ন ও অক্ষর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছােটো হাতের ও বড় হাতের দুই ধরনের অক্ষর মিশিয়ে নেয়া ভালাে।
- পাসওয়ার্ডটি বড় আকারের করা।
- পাসওয়ার্ড মনে রাখার জন্য নিজের পছন্দমত সংকেত ব্যবহার করা কিন্তু সহজ পাসওয়ার্ড না দেয়া।


কঠিন পাসওয়ার্ড দিন:
আপনার কম্পিউটার, মোবাইলে, ইমেইলে সব সময় hard পাসওয়ার্ড দেওয়ার চেষ্টা করুন। 1-8, আটটা 1 এই সমস্ত পাসওয়ার্ড দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। পাসওয়ার্ড এ সব সময় @, নাম্বার, বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার।

সূত্র: TCNJ College of New Jersey Website.
৯,৫১১.
বর্তমান সময়ের পিসিগুলোতে প্রচলিত BIOS-এর বদলে সাধারণত কী ব্যবহৃত হয়?
  1. CMOS
  2. DOS
  3. UEFI
  4. GPT
ব্যাখ্যা

• বর্তমান সময়ের পিসিগুলোতে প্রচলিত BIOS-এর বদলে সাধারণত UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহৃত হয়। BIOS ছিল পুরনো প্রযুক্তি, যার সীমাবদ্ধতা ছিল ধীরগতির বুটিং, সীমিত স্টোরেজ সাপোর্ট এবং আধুনিক হার্ডওয়্যারের সাথে কম সামঞ্জস্য। UEFI এই সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করেছে। এটি দ্রুত বুটিং সুবিধা দেয়, বড় আকারের হার্ডডিস্ক (২ টেরাবাইটের বেশি) সাপোর্ট করে এবং উন্নত গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস প্রদান করে। এছাড়া UEFI-তে Secure Boot-এর মতো নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা অননুমোদিত সফটওয়্যার চালু হওয়া প্রতিরোধ করে। তাই আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহৃত হয়।
 
BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।

BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৯,৫১২.
কী বোর্ডের কোন বোতাম চাপলে কী-চাপ কোন মানদন্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিটে পরিণত হয়?
  1. ক) ANSI
  2. খ) ASCII
  3. গ) EBCDIC
  4. ঘ) ISO
ব্যাখ্যা
ANSI এর পূর্ণরূপ হল American National Standards Institute. এটি ৮ বিটের একটি নিউমেরিক কোড। কী বোর্ডের কোন বোতাম চাপলে কী-চাপ সাধারনত আনসি কোডের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিটে রূপান্তরিত হয়।
৯,৫১৩.
A physical connection between the microprocessor memory and other parts of the microcomputer is known as
  1. ক) Path
  2. খ) Address bus
  3. গ) Route
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
An address bus is a computer bus architecture. It is used to transfer data between devices. The devices are identified by the hardware address of the physical memory (the physical address). The address is stored in the form of binary numbers to enable the data bus to access memory storage.
৯,৫১৪.
EDSAC- এ কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হত?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব মেমোরি
  2. ড্রাম মেমোরি
  3. ম্যাগনেটিক কোর মেমোরি
  4. মারকুরি ডিলে লাইন মেমোরি
ব্যাখ্যা
• EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) ছিল একটি প্রাথমিক যুগের কম্পিউটার, যা ১৯৪৯ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু করা হয়। এতে মারকুরি ডিলে লাইন মেমোরি ব্যবহার করা হত। এই মেমোরি ছিল এক ধরনের সিরিয়াল অ্যাক্সেস মেমোরি, যেখানে তথ্যকে শব্দ আকারে ধ্বনিতরঙ্গের মাধ্যমে একটি তরল মাধ্যম- মারকুরি দিয়ে সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার করা হত। প্রতিটি ডিলে লাইন তথ্যকে সংরক্ষণ করে রাখত নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত, এবং সময়মতো তা পুনরায় রিফ্রেশ করত। যদিও এই পদ্ধতিটি ধীরগতির ছিল, তবে সে সময়ের জন্য এটি একটি কার্যকর সমাধান ছিল। এটি EDSAC-এর প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হত।

• EDSAC:
- EDSAC -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Electronic Delay Storage Automatic Calculator।
- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক Maurice Wilkes এর নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে EDSAC কম্পিউটারটির নির্মাণ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালে এতে প্রথম প্রোগ্রাম run করে।
- ইনপুট যন্ত্র হিসাবে punched tape ব্যবহৃত হতো।
- এই কম্পিউটারের মেমরি হিসাবে Mercury Delay Line tubes ব্যবহৃত হতো।
- EDSAC একটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,৫১৫.
সর্বপ্রথম কোন কোম্পানি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার তৈরি করে? 
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. মাইক্রোসফট
  4. ওপেন অফিস
ব্যাখ্যা
স্প্রেডশিট: 
- স্প্রেডশিটের আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো বড় মাপের কাগজ, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে কাগজের স্প্রেডশিটের স্থান দখল করেছে সফটওয়্যার নির্ভর স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। 
সত্তর দশকের শেষের দিকে অ্যাপল কোম্পানি সর্বপ্রথম ভিসিক্যালক (VisiCalc) স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করে। 
- পরবর্তীকালে মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel), ওপেন অফিস ক্যাল্ক (Open office Calc) কেস্প্রেড (Kspread) নামের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবিত হয়। 
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির এক্সেল (Excel)। 

স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। 
- এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। 
- ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৫১৬.
ক্রেকার বলা হয় কাদের?
  1. অবৈধ হ্যাকারদের
  2. বৈধ হ্যাকারদের
  3. যারা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায়
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকারদের
ব্যাখ্যা
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Craker) বলা হয়।
- অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়।
- এদের কাছে সাধারণত বেশ কিছু টেকনিক থাকে যা ব্যবহার করে এরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফট্ওয়্যার সিস্টেমের দুর্বলতা খুব সহজে খুঁজে বের করে পাসওয়ার্ড জেনে ফেলে। 
- এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে ।
- গ্রে হ্যাট হ্যাকার নামে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার রয়েছে যারা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায় এবং দূর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্ধাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৫১৭.
দশমিক সংখ্যা ১৬ - এর বাইনারি রূপ কোনটি?
  1. ক) (10001)2
  2. খ) (10000)2
  3. গ) (11100)2
  4. ঘ) (00011)2
ব্যাখ্যা

ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।

যেমন ১৬ এর ক্ষেত্রে,
১৬ / ২ = ৮ ভাগশেষ - ০
৮ / ২ = ৪ ভাগশেষ - ০
৪ / ২ = ২ ভাগশেষ - ০
২ / ২ = ১ ভাগশেষ - ০
১ / ২ = ০ ভাগশেষ - ১

অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ১৬-এর বাইনারি রূপ = (১০০০০)

৯,৫১৮.
স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে কোন কাজটি করা যায়?
  1. অ্যানিমেশন তৈরি
  2. সফটওয়্যার কোডিং
  3. ইমেইল ম্যানেজমেন্ট
  4. যুক্তিমূলক কার্যক্রম সম্পাদন
ব্যাখ্যা

• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
- Spreadsheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা।
- গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্প্রেডশিট বলা হয়।
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে।
- উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজও করা যায়।
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রামসমূহ হলো: মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপারক্যাল্ক ইত্যাদি।
- প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম হলো ভিসিক্যালক, যা ১৯৭৮ সালে বাজারে আসে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫১৯.
বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে আচরণগত বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সিগনেচার
  2. ফেইস
  3. ফিংগার প্রিন্ট
  4. ডি.এন.এ
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত করা হয়।

দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
 
১। ফেইস রিকগনিশন(Face Recognition)
২। আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris & Retina scan)
৩। ফিংগার প্রিন্ট (Finger Print)
৪। হ্যান্ড জিওমেট্রি ( Hand Geometry)
৫। ডি.এন.এ (DNA)

আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১। ভয়েস রিকগনিশন (Voice Recognition)
২। সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature Verification)
৩। টাইপিং কীস্ট্রোক ( Typing Keystroke)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৫২০.
কম্পিউটারের ক্যাশ মেমরি সাধারণত কোন ধরনের মেমরি প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি হয়?
  1. ডায়নামিক মেমরি
  2. ম্যাগনেটিক মেমরি
  3. স্ট্যাটিক মেমরি
  4. অপটিক্যাল মেমরি
ব্যাখ্যা

◉ Cache Memory সাধারণত SRAM (Static Random Access Memory) দিয়ে তৈরি হয়। এটি দ্রুতগতির মেমরি, যেখানে প্রতিটি বিট সংরক্ষণের জন্য flip-flop circuit ব্যবহৃত হয়। এর গতি বেশি হলেও খরচ বেশি হওয়ায় এটি সাধারণত ছোট আকারে ব্যবহৃত হয় (যেমন L1, L2, L3 cache)।

​ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​Dynamic Memory (DRAM): এটি মূলত RAM (Random Access Memory)-এ ব্যবহৃত হয়, যেখানে চার্জ ক্যাপাসিটরে সংরক্ষিত হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর রিফ্রেশ করতে হয়।
Magnetic Memory: যেমন হার্ডডিস্ক বা ম্যাগনেটিক টেপ, যা দীর্ঘমেয়াদি স্টোরেজে ব্যবহৃত হয়।
Optical Memory: যেমন CD, DVD, Blu-ray Disc, যা লেজার প্রযুক্তি দিয়ে ডেটা পড়া/লেখা করে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৯,৫২১.
একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. Modem
  2. Trackball
  3. Lightpen
  4. Joystick
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pen Drive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫২২.
স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালানোর জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্ম কোনটি?
  1. Adobe Photoshop
  2. Arduino
  3. Excel
  4. iMovie
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্ম হলো Arduino। এটি একটি ওপেন সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম যা সহজেই সেন্সর, মোটর, লাইট এবং অন্যান্য ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়। ব্যবহারকারীরা প্রোগ্রামিং করে বিভিন্ন স্বয়ংক্রিয় কার্যক্রম যেমন আলো চালু/বন্ধ করা, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ বা নিরাপত্তা সিস্টেম পরিচালনা করতে পারেন। Arduino-এর সহজ ইন্টারফেস এবং কম খরচের হার এটিকে শিক্ষার্থী ও হোম অটোমেশন উভয়ের জন্য জনপ্রিয় করেছে। অন্যদিকে Adobe Photoshop, Excel, এবং iMovie মূলত গ্রাফিক্স, ডেটা বা ভিডিও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই স্মার্ট হোম অটোমেশনের সঙ্গে এগুলো সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
 
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯,৫২৩.
যদি IPv4 ঠিকানার প্রথম অক্টেটের মান 224 থেকে 239 এর মধ্যে হয়, তবে এটি কোন ক্লাসের IP ঠিকানা?
  1. Class A
  2. Class B
  3. Class C
  4. Class D
ব্যাখ্যা

IPv4-এর প্রথম অক্টেট যদি 224 থেকে 239 এর মধ্যে হয় তবে তা Class D (মাল্টিকাস্ট) ঠিকানা হয়।
- এই ক্লাসটি বিশেষত মাল্টিকাস্টিং (একই সাথে একাধিক ডিভাইসে ডেটা প্রেরণ) ট্র্যাফিকের জন্য সংরক্ষিত।

• আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০- ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৯,৫২৪.
Which of the following is not an output device?
  1. Speaker
  2. Plotter
  3. Printer
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
মাউস একটি ইনপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:

যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
-মাউস,
-কীবোর্ড,
-স্ক্যানার,
-মাইক্রোফোন,
-ডিজিটাল ক্যামেরা,
-জয়স্টিক, ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর,
- প্লটার, ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- পেনড্রাইভ,
- টাচস্ক্রিন,
- মডেম,
- প্রিন্টার স্ক্যানার,
- সিডি বা ডিভিডি, ইত্যাদি।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫২৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ভিডিও ফাইলের একটি ফরম্যাট?
  1. ক) jpg
  2. খ) exe
  3. গ) mpg
  4. ঘ) bmp
ব্যাখ্যা
An MPG file is a common video file that uses a digital video format standardized by the Moving Picture Experts Group (MPEG).
৯,৫২৬.
What is the full form of RAM?
  1. Read Access Memory
  2. Rapid Access Module
  3. Rapid Access Machine
  4. Random Access Memory
ব্যাখ্যা
RAM এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Random Access Memory.

Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র‍্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।

র‍্যামের শ্রেণিবিভাগ
অপারেটিং মোড অনুসারে র‍্যামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM) ও
- ডাইনামিক র‍্যাম (Dynamic RAM)

স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM)
- স্ট্যাটিক র‍্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত যা বাইনারি বিট ০ ও ১ ধারণ করে।
- এ ধারণকৃত ডাটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে মেমোরিতে রক্ষিত ডাটা মুছে যায়।
- স্ট্যাটিক র‍্যাম অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হয় বলে এটা ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

ডাইনামিক র‍্যাম (Dynamic RAM)
- ডাইনামিক র‍্যাম-এ বাইনারি বিট ০ ও ১ বৈদ্যুতিক চার্জ আকারে ক্যাপাসিটরে জমা থাকে।
- ক্যাপাসিটর চার্জ থাকলে ১ অবস্থা, না থাকলে ০ অবস্থা বোঝায়।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থায়ও ক্যাপাসিটরের চার্জ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- তাই কয়েক মিলিসেকেন্ড পর পর র‍্যাম কন্ট্রোলারের সাহায্যে প্রত্যেক মেমোরি কোষে লেখা তথ্য নতুন করে লিখতে হয়।
- ক্যাপাসিটরের পরিভাষায় একে মেমোরি রিফ্রেশিং বলা হয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমোরি হিসেবে সাধারণত ডাইনামিক র‍্যাম ব্যবহার করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯,৫২৭.
Which of the following is a correctly written formula in MS Excel?
  1. Sum (C9: C12)
  2. Sum (C9 + C12)
  3. Sum = (C9 : C12)
  4. = Sum (C9 : C12)
ব্যাখ্যা

• Excel-এর যেকোনো ফর্মূলা অবশ্যই = চিহ্ন দিয়ে শুরু হয়। তাই ঘ অপশনে = আছে বলে সেটাই সঠিক কাঠামো।
- SUM ফাংশনে রেঞ্জ বোঝাতে : (colon) ব্যবহার হয়, যেমন C9:C12 মানে C9 থেকে C12 পর্যন্ত সব সেলের যোগফল।
- তাই সঠিক ফর্মূলাটি লেখা হয়: =SUM(C9:C12)

• মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel):
- মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) একটি শক্তিশালী স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি।
- এটি ডেটা ম্যানেজমেন্ট, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনার জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
- MS Excel অফিস প্যাকেজের অংশ এবং ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত কাজের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- MS Excel- এ 1, 2, 3....... দ্বারা Row চিহ্নিত করা হয়।
- MS Excel- এ A, B, C....... দ্বারা Column চিহ্নিত করা হয়।

ফর্মুলা ও ফাংশন:
- এক্সেলে অনেক বিল্ট-ইন ফাংশন যেমন SUM, AVERAGE, VLOOKUP, IF ইত্যাদি রয়েছে, যা জটিল গণনার কাজকে সহজ করে।
- এক্সেলের সূত্র সবসময় একটি সমান চিহ্ন (=) দিয়ে শুরু হয়।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২। মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট। 

৯,৫২৮.
ENIAC কম্পিউটারে দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে কত সময় লাগতো?
  1. ৩ মিলি সেকেন্ড
  2. ৫ ন্যানো সেকেন্ড
  3. ১০ মিলি সেকেন্ড
  4. ১০ ন্যানো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

• ENIAC এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি ৩০ টন এবং ১৯ হাজার ইলেকট্রনিক টিউব দিয়ে নির্মিত।
- এটি চালানোর জন্য ১৩০ হতে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হতো।
- প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজারটি যোগ এবং ৫ শতটি গুণ করতে পারত।
- দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে তিন মিলি সেকেন্ড সময় লাগত।
- প্রোগ্রামের জন্য এ কম্পিউটারের তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫২৯.
ডাইরেক্ট এক্সেস মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) RAM
  2. খ) ডিস্ক মেমোরি
  3. গ) চৌম্বক ড্রাম মেমোরি
  4. ঘ) চৌম্বক টেপ
ব্যাখ্যা

ডাইরেক্ট মেমরি অ্যাক্সেস (ডিএমএ) প্রসেসরের অংশগ্রহণ ছাড়াই সিস্টেমের মেমরি এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ব্লক স্থানান্তর করে।
যে ইউনিট সরাসরি মেমরি অ্যাক্সেস করার কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে তাকে ডিএমএ কন্ট্রোলার বলা হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল। 

৯,৫৩০.
কোন প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়?
  1. স্মার্ট হোম প্রযুক্তি
  2. অ্যাক্রোবেট রিডার
  3. ম্যানুয়াল প্রযুক্তি
  4. ভার্চুয়াল প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:

- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি আধুনিক বাসস্থান, যেখানে ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে বাড়ির বিভিন্ন সিস্টেম যেমন হিটিং, কুলিং, লাইটিং, এবং সিকিউরিটি সিস্টেম রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) চালু করা হয়, যা বাড়ির বিভিন্ন ডিভাইসকে সমন্বিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।
- স্মার্ট হোমে টেলিভিশন, এসি, লাইট, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি ডিভাইস মোবাইল অ্যাপ বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যা একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম থেকে পরিচালিত হয়।
- উন্নত দেশগুলো যেমন চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি স্থানে বৈশ্বিক বাসস্থান বা গ্লোবাল রেসিডেন্স তৈরির সময় স্মার্ট হোম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
- নিরাপত্তার জন্য স্মার্ট হোমে আইপি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়, যা রিয়েল-টাইম নজরদারি নিশ্চিত করে।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গ্যারেজ, দরজা-জানালা খোলা-বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু বা বন্ধ করা সম্ভব।
- বাইরে থাকাকালীন, কোনো মেহমান আসলে সিকিউরিটি এলার্ম মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠায়, যা বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- স্মার্ট হোমের আরও একটি সুবিধা হলো, কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবটের মাধ্যমে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘর পরিষ্কার এবং ময়লা নিষ্কাশনের কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা যায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
-  অ্যাক্রোবেট রিডার হলো অফিস অটোমেশনে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,৫৩১.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে দূরবর্তী স্থান থেকে রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. বায়োমেডিসিন
  2. টেলিমেডিসিন
  3. ইলেক্ট্রনিক হেলথ রেকর্ড
  4. ভার্চুয়াল হেল্প ডেস্ক
ব্যাখ্যা

দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করে থাকে টেলিমেডিসিন।

• টেলিমেডিসিন:
- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করা।
- মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের উন্নত ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও রোগী পরামর্শ, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসার তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে পারেন।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে চাক্ষুষ দেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট ও পরামর্শপত্র আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।
- বিশেষত গ্রামীণ এলাকা, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল বা যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব রয়েছে, সেখানে এই সেবা অত্যন্ত কার্যকর।
- কোভিড-১৯ মহামারীর সময় টেলিমেডিসিনের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

• এ ধরনের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে:
- Teledoc,
- Maven.
- Clinic.
- iClinic, MDlive,
- Amwell.
- Doctor on Demand ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।

• বায়োমেডিসিন: চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখা, যা জীববিজ্ঞান এবং ঔষধকে একত্রিত করে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার কৌশল তৈরি করে। টেলিমেডিসিনের সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
• ইলেক্ট্রনিক হেলথ রেকর্ড: এটি রোগীর স্বাস্থ্য তথ্য ডিজিটাল ফর্ম্যাটে সংরক্ষণ, চিকিৎসা প্রদান প্রক্রিয়া নয়।
• ভার্চুয়াল হেল্প ডেস্ক: এটি সাধারণত প্রযুক্তিগত বা গ্রাহকসেবা প্রদান করে, চিকিৎসাসেবা নয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৯,৫৩২.
এমবেডেড কম্পিউটার কেন সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা?
  1. অপারেটিং সিস্টেম নেই
  2. আকারে বড় ও ব্যয়বহুল 
  3. নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
  4. ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে না
ব্যাখ্যা

◉ এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer) হলো এমন কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি যন্ত্র বা ডিভাইসের ভেতরে স্থাপন করা থাকে এবং সেই ডিভাইসের নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এগুলো আকারে সাধারণত ছোট এবং কম শক্তিশালী হয়, কিন্তু আসল পার্থক্য হলো— এগুলো সাধারণ কম্পিউটারের মতো বহুমুখী কাজ করে না, বরং কেবল একটি বা কিছু নির্দিষ্ট কাজেই সীমাবদ্ধ থাকে।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

উৎস: 
১। Indian Institute of Embedded Systems. 
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 

৯,৫৩৩.
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ -
  1. ফিল্ড
  2. ডাটা টেবিল
  3. কলাম
  4. তথ্য
ব্যাখ্যা
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হচ্ছে - ক) ফিল্ড।

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৯,৫৩৪.
The gate that alone can be used to construct all basic gates is called -
  1. Digital Gate
  2. Universal Gate 
  3. Logic Gate
  4. Binary Gate
ব্যাখ্যা

The gate that alone can be used to construct all basic gates is called Universal Gate.

সার্বজনীন গেইট (Universal Gate):
- যেসব গেইট ব্যবহার করে AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলোকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- OR, AND এবং NOT - এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সব ধরনের লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- এর কারণ, NAND গেইট দিয়েই OR, AND ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়েও OR, AND ও NOT গেইট তথা যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- তাই NAND এবং NOR গেইট - এই দুইটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৩৫.
কোন সার্কিট মানুষের বোধগম্য ভাষাকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে?
  1. কম্পাইলার
  2. এনকোডার
  3. ডিকোডার
  4. ইন্টারপ্রেটার
ব্যাখ্যা
-  এডার: কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে এডার।
 - এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
 - ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
 - রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৯,৫৩৬.
ই-মেইল এর ক্ষেত্রে কোন প্রোটোকলটির ব্যবহার নেই?
  1. ক) FTP
  2. খ) POP
  3. গ) SMTP
  4. ঘ) IMAP
ব্যাখ্যা
• মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol।
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP ব্যবহার করা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3।

- STMP এর পূর্ণরূপ হল Mail Transfer Protocol।
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।

- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

================
- FTP হচ্ছে File Transfer Protocol.
৯,৫৩৭.
ফেইস রিকোগনিশন ও ফিংগার প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তির নাম হলো-
  1. ক) রোবোটিক্স
  2. খ) বায়োজেনিক
  3. গ) বায়োমেট্রিক
  4. ঘ) ন্যানো প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ 'metron' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।

দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান 
৯,৫৩৮.
কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়?
  1. Oracle
  2. Redis
  3. FoxPro
  4. DataQl
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৩৯.
নিম্নলিখিত কোনটি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. সার্ভার
  2. সুপারকম্পিউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ হলো ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার। এটি একটি যান্ত্রিক বা ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস, যা ভৌত পরিমাণের পরিবর্তনকে অবিরাম সিগন্যালের মাধ্যমে হিসাব করে। অ্যানালগ কম্পিউটার ডিজিটাল কম্পিউটারের মতো সংখ্যা ব্যবহার না করে ধারাবাহিক পরিবর্তনশীল তথ্য নিয়ে কাজ করে। সার্ভার, সুপারকম্পিউটার এবং স্মার্টফোন - ডিজিটাল কম্পিউটার যা ডিজিটাল তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার বিভিন্ন জটিল অঙ্কের সমাধান করতে ব্যবহৃত হত, বিশেষ করে ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের জন্য। এটি বিভিন্ন হার, ভোল্টেজ বা চাপের মাধ্যমে গণনা সম্পন্ন করত, যা আধুনিক ডিজিটাল কম্পিউটারের পূর্বসূরী। তাই ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার অ্যানালগ কম্পিউটারের নিদর্শন।

• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৪০.
ISP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Information Service Provider
  2. Internet Server Provider
  3. Internet Service Provider
  4. Internet Service Protocol
ব্যাখ্যা
 ISP:
- ISP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Service Provider.
- যেসকল কোম্পানি ইন্টারনেটের সাহায্যে বিভিন্ন সার্ভিস প্রদান করে তাদেরকে ISP বলা হয়। 
- আন্তর্জাতিক কিছু প্রতিষ্ঠান: AT & T, Verizon ইত্যাদি।
- বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান: গ্রামীণ সাইবার নেট, ব্রাকবিডি মেইল, কস্ট নেট ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৫৪১.
Which keyboard shortcut is used to maximize a window in Windows 11?
  1. Windows logo key + Tab
  2. Windows logo key + Up arrow
  3. Windows logo key + D
  4. Alt + Tab
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
'Windows logo key + Up arrow' this keyboard shortcut is used to maximize the currently active window in Windows 11. 

• Some common keyboard shortcuts for windows 11:

• Copy: Ctrl + C.
• Cut: Ctrl + X.
• Paste: Ctrl + V.
• Maximize Window: F11 or Windows logo key + Up arrow.
• Open Task View: Windows logo key + Tab.
• Display and hide the desktop: Windows logo key + D.
• Switch between open apps: Alt + Tab.
• Open the Quick Link menu: Windows logo key + X.
• Lock your PC: Windows logo key + L.

Source: Microsoft support. [Link]
৯,৫৪২.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) Audio Card
  2. খ) Plotter
  3. গ) OCR
  4. ঘ) Webcam
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস:
কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।

ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
ডিজিটাল ক্যামেরা, কী-বোর্ড, মাউস, ওয়েবক্যাম, ট্যাকবল, জয়স্টিক, বার কোড রিডার, পয়েন্ট অফ সেল, ওএমআর, স্ক্যানার, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, মাউস, মাইক্রোফোন, ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।

আউটপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইমেজ সেটার, ফিল্ম রেকর্ডার, হেড ফোন  ইত্যাদি।

ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত ডিভাইস:
টাচস্ক্রিন, মডেম, অডিও কার্ড ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৪৩.
World's top internet browsers is -
  1. Edge
  2. Chrome
  3. Safari
  4. Firefox
  5. Samsung Internet
ব্যাখ্যা
Google's Chrome:
- Google Chrome হলো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ইন্টারনেট ব্রাউজার
- যার বৈশ্বিক বাজার শেয়ার ৬৫.৩১%।

অন্যদিকে -
- দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাপলের Safari,
- ৩য় স্থানে রয়েছে Edge,
- ৪র্থ স্থানে রয়েছে Firefox,
- ৫ম স্থানে রয়েছে Samsung Internet।

উৎস: Oberlo ওয়েবসাইট।
৯,৫৪৪.
ASCII মূলত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. টেক্সট উপস্থাপনা 
  2. ইমেজ প্রক্রিয়াকরণ
  3. অডিও কমপ্রেশন
  4. ভিডিও স্ট্রিমিং
ব্যাখ্যা

• ASCII মূলত টেক্সট উপস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড চরিত্র এনকোডিং সিস্টেম, যা কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসগুলিতে অক্ষর, সংখ্যা এবং কিছু বিশেষ চিহ্নকে বাইনারি ফরম্যাটে রূপান্তর করে সংরক্ষণ ও প্রেরণের সুযোগ দেয়। উদাহরণস্বরূপ, ‘A’ অক্ষরটি ASCII অনুযায়ী ৬৫ নম্বরের বাইনারি মানের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এটি প্রধানত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ডেটা স্টোরেজ এবং টেক্সট কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়। যদিও ইমেজ প্রক্রিয়াকরণ, অডিও কমপ্রেশন বা ভিডিও স্ট্রিমিং-এ অন্যান্য এনকোডিং পদ্ধতি প্রযোজ্য, ASCII শুধু টেক্সটকে ডিজিটালভাবে উপস্থাপন ও আদানপ্রদানের জন্য কার্যকর।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) টেক্সট উপস্থাপনা।

• ASCII এর পূর্ণরূপ American Standard Code for Information Interchange.
-  ASCII (উচ্চারণ: অ্যাসকি) হল একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং স্ট্যান্ডার্ড, যা কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে টেক্সট তথ্য বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি নির্দিষ্ট এনকোডিং পদ্ধতি যা টেক্সটকে কম্পিউটারের জন্য বোধগম্য করে তোলে।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- পূর্ণরূপ: ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- আবিষ্কার: ASCII কোডটি ১৯৬৩ সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI) কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।

• বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি ৭ বিটের কোড, যা দ্বারা ১২৮টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং কিছু বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এই কোডটি ASCII-৭ কোড নামে পরিচিত।

• ASCII-৮ কোড:
- ASCII-৭ কোডের সর্ববামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৮ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-৮ কোড মাধ্যমে ২৫৬টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং অন্যান্য বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এভাবে কোডের বিভিন্ন সংস্করণ ও তাদের বৈশিষ্ট্য গুলি স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৪৫.
নিচের কোনটি ৮বিট বিশিষ্ট?
  1. একটি Word
  2. একটি Letter
  3. একটি Sentence
  4. একটি Content
ব্যাখ্যা
একটি বর্ণ বা Letter বা ক্যারেক্টর সর্বদা ৮বিট বিশিষ্ট হয়।
একটি শব্দে কয়েকটি বর্ণ থাকে তাই এক্ষেত্রে ৮ বিটের চেয়ে বেশি বিট এর প্রয়োজন হয়।
৯,৫৪৬.
ওয়েবসাইট কোন দুটি অংশ নিয়ে গঠিত?
  1. Client, Server
  2. User ID, ISP
  3. User ID, Domain
  4. ISP, Host
ব্যাখ্যা
একটি ওয়েবসাইটের দুটি অংশ থাকে- সার্ভার ও ক্লায়েন্ট।
ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর ইনপুট নিয়ে সার্ভারের কাছে ডেটা পাঠায় যাকে বলা হয় রিকোয়েস্ট (request)।
সার্ভার সেই ডেটা অনুসারে ক্লায়েন্টের কাছে জবাব বা রেসপন্স (response) পাঠায়।
যেমন- একটি ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে চাইলে ব্রাউজারে বিভিন্ন তথ্য লিখে ব্যবহারকারী একটি বাটনে ক্লিক করেন, তখন সেই ডেটা সার্ভারের কাছে যায় এবং সার্ভার ডেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি কোনাে সমস্যা না পায় (যেমন- ইতিমধ্যে এই নামে একাউন্ট তৈরি করা আছে), তখন সার্ভার ব্যবহারকারীর একাউন্ট তৈরি করে এবং ক্লায়েন্টের কাছে রেসপন্স পাঠায়।
আবার কোনাে কারণে একাউন্ট তৈরি করা না গেলেও ক্লায়েন্টের কাছে রেসপন্স পাঠায়।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৯,৫৪৭.
UNIVAC-এ কোন ধরনের স্টোরেজ ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. ফ্ল্যাশ মেমরি
  2. ভ্যাকুয়াম টিউব ও মার্কারি ডিলে লাইন
  3. ম্যাগনেটিক কোর
  4. সলিড-স্টেট ড্রাইভ
ব্যাখ্যা

• UNIVAC (Universal Automatic Computer) ছিল প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার, যা ১৯৫০-এর দশকে তৈরি করা হয়। এটি অত্যাধুনিক হলেও সেই সময়ের প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার মধ্যে কাজ করত। UNIVAC-এ প্রধানত ব্যবহার করা হয়েছিল ভ্যাকুয়াম টিউব ও মার্কারি ডিলে লাইন স্টোরেজ। ভ্যাকুয়াম টিউবগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার লজিক সার্কিট কাজ করত এবং মার্কারি ডিলে লাইন ব্যবহার করা হত তথ্য সংরক্ষণের জন্য। এটি ছিল অস্থায়ী (volatile) স্টোরেজ, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলে তথ্য মুছে যেত। ফ্ল্যাশ মেমরি, ম্যাগনেটিক কোর বা সলিড-স্টেট ড্রাইভ তখনকার সময়ে প্রযুক্তিগতভাবে উপলব্ধ ছিল না। তাই UNIVAC-এর মূল স্টোরেজ ব্যবস্থা ছিল ভ্যাকুয়াম টিউব ও মার্কারি ডিলে লাইনের সমন্বয়।

সঠিক উত্তর: খ) ভ্যাকুয়াম টিউব ও মার্কারি ডিলে লাইন। 
 
• UNIVAC:
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- UNIVAC কম্পিউটারে সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
- ১৯৫২ সালে টমাস ওয়াটসন IBM-701 এবং ১৯৫৩ সালে IBM-650 কম্পিউটার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি করেন।

- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- EDSAC হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- মার্ক-১ হলো পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৪৮.
 তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত প্রধান রেডিও প্রযুক্তি কোনটি?
  1. GSM
  2. LTE
  3. WCDMA
  4. Wi-Max
ব্যাখ্যা

WCDMA (Wideband Code Division Multiple Access) হলো তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত প্রধান রেডিও প্রযুক্তি।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম:
- মূলত ডেটা সার্ভিসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলস্বরূপ সূচনা ঘটে মোবাইলের তৃতীয় প্রজন্ম বা 3G এর।
- ২০০১ সালে জাপানের এনটিটি ডোকোমো (NTT DoCoMo), WCDMA প্রযুক্তি ব্যবহার করে 3G নেটওয়ার্ক চালু করে।
- এ দশকে থ্রিজি প্রযুক্তির মোবাইল টেলিফোনি কমিউনিকেশন প্রটোকল High-Speed Downlink Packet Access (HSDPA) চালু হয়।
- WCDMA পদ্ধতি পরবর্তীতে UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) নামে পরিচিত।
- WCDMA প্রযুক্তিতে CDMA-এর একটি উন্নত সংস্করণ ব্যবহৃত হয়, যা আরও বিস্তৃত ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করার মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফারের গতি এবং নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯,৫৪৯.
কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম ধারণা প্রদান করেন?
  1. ক) ফ্রেডেরিক কোহেন
  2. খ) বব থমাস
  3. গ) জন ভন নিউম্যান
  4. ঘ) জন ওয়াকার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে ১৯৪০ এর দশকের শেষদিকে প্রথম ধারণা দেন জন ভন নিউম্যান।দ্য থিউরি অব রিপ্রডিউসিং অটোম্যাটা নামে জন ভন নিউম্যান তার একটি সিরিজ লেকচারে এ সম্পর্কে ধারণা দেন।ফ্রেডেরিক কোহেন VIRUS নামকরণ করেন। বব থমাস ১৯৭১ সালে দ্য ক্রিপার প্রোগ্রাম নামে প্রথম পরিক্ষামূলক ভাইরাস তৈরি করেন।জন ওযাকার ১৯৭৫ সালে দ্য ফার্স্ট ট্রজেন ভাইরাস তৈরি করেন। (সূত্র: ক্যাসপারস্কি অ্যান্টিভাইরাস ওয়েবসাইট)
৯,৫৫০.
সিপিইউ ক্লক স্পিড বাড়ালে সাধারণত:
  1. সিপিইউ আর্কিটেকচার পরিবর্তিত হয়
  2. কোরের সংখ্যা কমে
  3. সিপিইউর তাপমাত্রা কমে
  4. নির্দেশের কার্যকারিতা দ্রুত হয় 
ব্যাখ্যা

• সিপিইউর ক্লক স্পিড বাড়ালে সাধারণত নির্দেশের কার্যকারিতা দ্রুত হয়, অর্থাৎ ঘ) সঠিক। ক্লক স্পিড হলো সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ। ক্লক স্পিড বেশি হলে সিপিইউ অল্প সময়ে বেশি নির্দেশ প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে, ফলে প্রোগ্রাম দ্রুত সম্পন্ন হয়। তবে এতে সিপিইউর আর্কিটেকচার পরিবর্তিত হয় না এবং কোরের সংখ্যাও কমে না। বরং ক্লক স্পিড বাড়লে সাধারণত তাপমাত্রা ও বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তাই উচ্চ ক্লক স্পিড পারফরম্যান্স বাড়ালেও তাপ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

• ক্লক স্পিড:
- একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তার পরিমাণকে কম্পিউটারের ক্লক স্পিড বলা হয়। 

• মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel website. [link]

৯,৫৫১.
CPU এর প্রধান অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) মেমোরি
  2. খ) নিয়ন্ত্রণ ইউনিট
  3. গ) অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) গাণিতিক যুক্তি ইউনিট
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর বা সিপিইউ কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়। CPU (Central Processing Unit) তিনটি ভাগে বিভক্ত। যথাঃ গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং রেজিস্টার স্মৃতি।
৯,৫৫২.
কম্পিউটারে ভার্চুয়াল মেমরি কেন ব্যবহার করা হয়?
  1. সিস্টেমের মেমরি সম্প্রসারণ করা
  2. গ্রাফিক্সের কর্মক্ষমতা উন্নত করা
  3. হার্ড ডিস্কের চাপ কমানো
  4. CPU-র গতি কমানো
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করা হয় মূলত সিস্টেমের মেমরি সম্প্রসারণের জন্য। যখন কোনো প্রোগ্রাম চলাকালীন র‍্যাম (RAM) পূর্ণ হয়ে যায়, তখন ভার্চুয়াল মেমরি হার্ড ডিস্কের একটি অংশকে অতিরিক্ত মেমরির মতো ব্যবহার করে। এতে একসাথে অনেক প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব হয়, যদিও হার্ড ডিস্ক RAM-এর চেয়ে ধীরে কাজ করে। ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করার ফলে ব্যবহারকারী বড় প্রোগ্রাম বা একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালাতে পারে, সিস্টেম ক্র্যাশ হওয়ার ঝুঁকি কমে। এটি CPU বা গ্রাফিক্সের গতি বাড়ায় না, বরং মেমরির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দেয় এবং প্রোগ্রামগুলোকে কার্যকরভাবে চালাতে সাহায্য করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) সিস্টেমের মেমরি সম্প্রসারণ করা।
 
• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- geeksforgeeks.

৯,৫৫৩.
Which cyber attack floods a system with excessive requests to make it unavailable?
  1. Spoofing
  2. Virus attack
  3. Email bombing
  4. DoS attack
ব্যাখ্যা

• ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DoS) অ্যাটাক:
- DoS (Denial of Service) attack হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ, যেখানে একটি সার্ভার বা সিস্টেমে অতিরিক্ত সংখ্যক request পাঠানো হয়।
- এর ফলে সিস্টেমটি বৈধ ব্যবহারকারীদের জন্য সেবা প্রদান করতে অক্ষম হয়ে পড়ে।

• সাইবার অপরাধ (Cyber Crime):
- সাইবার অপরাধ বলতে কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সংঘটিত বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ও ক্ষতিকর কার্যক্রমকে বোঝায়।
- সাইবার অপরাধের ধরন বহুবিধ। সংক্ষিপ্তভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সাইবার অপরাধ নিচে তুলে ধরা হলো—
 
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা বা কাজ চুরি করে নিজের নামে ব্যবহার বা প্রকাশ করা।
 
• স্নিকিং (Sneaking):
- ব্যবহারকারীর অজান্তে বা নজর এড়িয়ে গোপনে কোনো সিস্টেমে প্রবেশ করা।
 
• স্পুফিং (Spoofing):
- ভুয়া বা ভুল তথ্য ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক বা সিস্টেমকে বিভ্রান্ত করা।
 
• ই-মেইল বম্বিং (Email Bombing):
- অতিরিক্ত সংখ্যক ই-মেইল পাঠিয়ে সার্ভার বা সিস্টেমকে অকার্যকর বা ক্র্যাশ করা।
 
• ডেটা ডিডলিং (Data Diddling):
- ডেটা প্রসেসিংয়ের আগে তথ্য পরিবর্তন বা সরিয়ে রাখা এবং পরে পুনরায় বসানো।
 
• সালামি অ্যাটাক (Salami Attack):
- অল্প অল্প করে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করা।
 
• ভাইরাস / ওয়ার্ম আক্রমণ:
- ক্ষতিকর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমের তথ্য নষ্ট করা বা নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
 
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত ই-মেইল বা মেসেজ পাঠানো।
- এই কাজের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে স্প্যামার (Spammer) বলা হয়।
 
• লজিক বম্ব (Logic Bomb):
- নির্দিষ্ট সময় বা ঘটনার ওপর নির্ভর করে সক্রিয় হওয়া ক্ষতিকর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে আক্রমণ করা।
 
• ট্রোজান অ্যাটাক (Trojan Attack):
- বৈধ সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে সিস্টেমে প্রবেশ করে পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
 
• ইন্টারনেট ব্যবহার সময় বা ইউনিট চুরি:
- অনুমতি ছাড়া অন্যের ইন্টারনেট ব্যবহার করা বা ডেটা ইউনিট অপব্যবহার করা।
 
• ওয়েবসাইট হ্যাকিং:
- ওয়েবসাইটে অবৈধভাবে প্রবেশ করে তথ্য পরিবর্তন, বিকৃতি বা ধ্বংস করা।
 
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি–২ (ভোকেশনাল) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৫৫৪.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেল কয়টি স্তর নিয়ে গঠিত?
  1. ১০
  2. ১২
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI (Open Systems Interconnection) মডেল মূলত যোগাযোগ প্রক্রিয়াকে স্তরভিত্তিকভাবে সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি ৭টি স্তর নিয়ে গঠিত, যা একে অপরের উপর নির্ভরশীলভাবে কাজ করে। এই সাতটি স্তর হলো: ফিজিক্যাল, ডাটা লিঙ্ক, নেটওয়ার্ক, ট্রান্সপোর্ট, সেশন, প্রেজেন্টেশন এবং অ্যাপ্লিকেশন স্তর। ফিজিক্যাল স্তর মূলত ডিভাইসের হার্ডওয়্যার সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে, ডাটা লিঙ্ক স্তর ত্রুটি শনাক্তকরণ ও ফ্রেমিং দেখাশোনা করে, নেটওয়ার্ক স্তর ডেটা রাউটিং নিশ্চিত করে, আর ট্রান্সপোর্ট স্তর ডেটা ট্রান্সফারের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। সেশন, প্রেজেন্টেশন ও অ্যাপ্লিকেশন স্তর ব্যবহারকারীর সরাসরি যোগাযোগ ও ডেটা উপস্থাপনা সহজ করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) ৭।

OSI মডেল:
- OSI (Open System Interconnection): OSI মডেল মূলত একটি ওপেন স্ট্যান্ডার্ডস যার উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কিং ডিভাইস সমূহ তৈরি করা হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেলের স্তর ৭ টি।
- উপরের ৩টি লেয়ারকে Upper Layer এবং নিচের ৪টি লেয়ারকে Lower layer বলে।

- OSI মডেলের স্তর গুলো হল:
Layer 7- Application Layer,
Layer 6- Presentation Layer,
Layer 5- Session Layer,
Layer 4- Transport Layer,
Layer 3- Network Layer,
Layer 2- Data Link Layer,
Layer 1- Physical Layer.

উৎস: IBM. [link]

৯,৫৫৫.
সাইবার সিকিউরিটির প্রেক্ষিতে ট্যাম্পারিং কী?
  1. বৈধভাবে নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক পর্যবেক্ষণ করা
  2. অনুমতি ছাড়া ডেটা পরিবর্তন বা ম্যানিপুলেশন করা
  3. আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য ডেটা এনক্রিপশন করা
  4. সংবেদনশীল ডেটার ব্যাকআপ তৈরি করা
ব্যাখ্যা
• ট্যাম্পারিং (Tampering):
- একটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অজান্তে ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL)-এ কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে।
- URL ব্যবহারকারীর কাছে বৈধ বলে মনে হয়।
- হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধ অ্যাক্সেস বা মূল্যবান তথ্য হস্তক্ষেপ করার জন্য ট্যাম্পারিং করে থাকে।
- অবৈধ অনুমোদনের মাধ্যমে, ব্যবহারকারীর দ্বারা প্রবেশ করা কিছু প্যারামিটার নির্দিষ্ট ইউআরএল বা ওয়েব পৃষ্ঠায় পরিবর্তন করা হয়।
- যখন ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে কিছু তথ্য বিনিময় করা হচ্ছে তখন সেটি হ্যাকার দ্বারা চালিত হয়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করেও ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করা হয়।

উৎস: Computer Applications in Bussiness, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৫৬.
নিচের কোনটি সঠিক IP address নয়?
  1. 1.2.3.4
  2. 100.100.100.100
  3. 192.168.2.256
  4. 200.201.202.203
ব্যাখ্যা
• 192.168.2.256 সঠিক IP address নয় কারণ,  IP address এর চারটি সেগমেন্ট প্রত্যেকটি 0 থেকে 255 এর মধ্যে হতে হয় তাহলে সেগমেন্ট এর প্রত্যেকটি মান একটি ভ্যালিড IP address হিসাবে গণ্য হয়। 192.168.2.256 এই আইপি অ্যাড্রেসটির চতুর্থ সেগমেন্টের মান 255 এর চেয়ে বড় বলে এটি সঠিক নয়।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৫৭.
ভোলাটাইল মেমোরি নয় কোনটি?
  1. PROM
  2. D-RAM
  3. SD-RAM
  4. S-RAM
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল মেমোরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে। যেমন- ROM.

• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৫৮.
SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) কোন ধরনের প্রোটোকল?
  1. বাইনারি-ভিত্তিক প্রোটোকল যা কম্পিউটার কোডের মাধ্যমে কাজ করে
  2. টেক্সট-ভিত্তিক প্রোটোকল যা কমান্ড ও ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়
  3. ভিডিও ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল
  4. অডিও স্ট্রিমিং বা সংক্রমণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল
ব্যাখ্যা

টেক্সট-বেসড প্রোটোকল: SMTP সাধারণত plain text ব্যবহার করে কমান্ড এবং ডেটা আদান-প্রদান করে।

SMTP (Simple Mail Transfer Protocol):
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) হলো একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল, যা মূলত ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ইমেইল সার্ভার এবং সার্ভার বা ইমেইল ক্লায়েন্টের মধ্যে ইমেইল ট্রান্সফার করতে সাহায্য করে।

• SMTP এর মূল বৈশিষ্ট্য:
- ইমেইল পাঠানো: ব্যবহারকারী ইমেইল লিখে ‘Send’ করলে SMTP সেই মেইল সার্ভারের কাছে পাঠায়।
- সার্ভার-টু-সার্ভার যোগাযোগ: SMTP ইমেইল সার্ভারগুলোর মধ্যে মেইল রিলে করতে পারে।
- টেক্সট-বেসড প্রোটোকল: এটি সাধারণত plain text ব্যবহার করে কমান্ড এবং ডেটা আদান-প্রদান করে।
- পোর্ট ব্যবহার: ডিফল্টভাবে SMTP পোর্ট 25 ব্যবহার করে; নিরাপদ সংযোগের জন্য SSL/TLS সহ পোর্ট 465 বা 587 ব্যবহার করা হয়।

• SMTP এর কাজের ধারা:
- ব্যবহারকারী ইমেইল লিখে ‘Send’ ক্লিক করে।
- SMTP সার্ভার ইমেইল গ্রহণ করে।
- SMTP সার্ভার ইমেইল প্রাপক সার্ভারের কাছে পাঠায়।
- প্রাপক সার্ভারের মেইল ক্লায়েন্ট ইমেইল গ্রহণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৫৯.
EDSAC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Electronic Digital Storage Automatic Calculator
  2. খ) Electronic Delay Storage Analog Calculator
  3. গ) Electronic Dual Storage Automatic Calculator
  4. ঘ) Electronic Delay Storage Automatic Calculator
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রনিকস কম্পিউটার: 
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি ও প্রেসপার একটি (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এনিয়াক (ENIAC) কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো। প্রোগ্রামিংয়ের জন্য তারের সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হতো এবং শত শত সংযোগ বদলানোর জন্য কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত। এ ধরনের অসুবিধার দূর করার লক্ষ্যে আমেরিকায় এডভ্যাক (EDVAC) তৈরির সময়েই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।
- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতারা UNIVAC (Universal Automatic Computer) কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন। ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল। UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৬০.
MAC Address কী?
  1. ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর।
  2. দুইটি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের ঠিকানা।
  3. একটি ৩২ বিটের IP ক্রমিক নম্বর।
  4. নেটওয়ার্কে যুক্ত কম্পিউটারের লজিক্যাল অ্যাড্রেস।
ব্যাখ্যা
• MAC address: 
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড MAC address প্রদান করে।
- এটি একটি Physical address এবং Hardware address হিসাবে পরিচিত যার নম্বরটি হেক্সাডেসিমেল ফর্ম্যাটে করা হয়। 
- এই কার্ডের বৈশিষ্ট্য হলো এতে ৪৮ বিটের বা ৬৪ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর থাকে যা দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে। 
- MAC address অবশ্যই ১২ ডিজিটের হবে।
- ম্যাক অ্যাড্রেসের প্রথম অর্ধেক বোঝায় ডিভাইসটি কোন মডেল বা ব্র্যান্ডের আর বাকী অর্ধেকটি হচ্ছে ঐ ডিভাইসটি অনন্য বা unique নাম্বার।
- এই কার্ডে প্রদত্ত MAC address এর একটির সাথে অপরটির কোনো মিল থাকে না। 

উৎস: Computerhope website.
৯,৫৬১.
মাদারবোর্ডের স্লট নয় কোনটি?
  1. AGP slot
  2. RAM slot
  3. UPS slot
  4. PCI slot
ব্যাখ্যা
• সরাসরি কোনো বিদ্যুৎ উৎস বা অধিক নিরাপত্তার জন্য UPS (Uninterruptible Power Supply) এর মাধ্যমে - ডেস্কটপ কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হলো একটি কম্পিউটারের প্রধান অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে থাকে এবং এটি কম্পিউটারের সব উপাদানের সংযোগ স্থান।
- একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- প্রসেসর বা CPU, যা কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত, মাদারবোর্ডের মধ্যে স্থাপন করা থাকে।
- মাদারবোর্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করা হয়।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাই এটিকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড বলা হয়।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, এবং MSI-এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড পাওয়া যায়।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৬২.
নিচের কোন মেমোরিটি Non-volatile?
  1. ক) SRAM
  2. খ) DRAM
  3. গ) ROM
  4. ঘ) SD-RAM
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাকে Volitile মেমোরি বলে। যেমন DRAM, SRAM, SD-RAM.
৯,৫৬৩.
নিচের কোনটি ডিডিএল (DDL) কমান্ডের উদাহরণ?
  1. Delete
  2. Drop
  3. Update
  4. Insert
ব্যাখ্যা

• DDL বা Data Definition Language কমান্ডগুলো ডাটাবেস বা টেবিলের কাঠামো (Structure) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Drop কমান্ডটি ডাটাবেস থেকে একটি সম্পূর্ণ টেবিল, ইনডেক্স বা ভিউ মুছে ফেলতে ব্যবহৃত হয়। 

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML): 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৬৪.
(175)10 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান - 
  1. 267
  2. 275
  3. 257
  4. 287
ব্যাখ্যা

◉ (175)10 = (257)8

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৬৫.
কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ নয় -
  1. ক) Mainframe
  2. খ) Maxframe
  3. গ) Super
  4. ঘ) Micro
ব্যাখ্যা
Maxframe কোনো কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ নয়। 

ডিজিটাল কম্পিউটার ৪ প্রকার।
১। সুপার কম্পিউটার।
২। মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
৩। মিনি কম্পিউটার।
৪। মাইক্রোকম্পিউটার। 
অর্থাৎ অপশনের বাকিগুলো ডিজিটাল কম্পিউটার। 
সোর্স: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
৯,৫৬৬.
What does ‘gmail.com’ represent?
  1. Domain name
  2. Password
  3. Username
  4. Inbox
ব্যাখ্যা
Correct Answer is - ক) Domain name.

E-mail:
- ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে:
- যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং
- শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।
- যেমন: ritu453@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার ritu453@ অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং
এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,৫৬৭.
কোনটি ভাঙলে সাধারণত বিপ সিগন্যাল দেয়?
  1. ROM
  2. ​RAM
  3. Hard Drive
  4. Power Supply
ব্যাখ্যা

• সাধারণত কম্পিউটারে যখন হার্ডওয়্যার সমস্যা দেখা দেয়, তখন বিপ সিগন্যালের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করা হয়। এর মধ্যে RAM বা Random Access Memory ভাঙলে সবচেয়ে সাধারণভাবে বিপ দেয়। কারণ RAM হলো কম্পিউটারের কাজের মূল মেমরি, যেখানে প্রোগ্রাম ও ডেটা সাময়িকভাবে রাখা হয়। যদি RAM ঠিকমতো কাজ না করে, সিপিইউ তথ্য ঠিকভাবে পড়তে বা লিখতে পারে না, ফলে সিস্টেম বুট হওয়ার সময় BIOS একটি বা একাধিক বীপ আকারে সমস্যা জানান দেয়। অন্যদিকে ROM, Hard Drive বা Power Supply সমস্যায় সাধারণত কম্পিউটার বিপের মাধ্যমে নয়, বরং অন্যান্য উপায়ে সতর্কতা দেয়। তাই RAM ভাঙলে বিপ সিগন্যাল পাওয়া সবচেয়ে স্বাভাবিক।

• RAM এবং বীপ সাউন্ড:
- RAM (Random Access Memory) নষ্ট হয়ে গেলে বা সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রায়ই একটি বীপ শব্দ (Beep sound) শোনা যায়। 
- এই বীপ শব্দটি কম্পিউটারের BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) দ্বারা POST (পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট) প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে উৎপাদিত হয়, যা কম্পিউটার চালু হলে ঘটে। 
- বীপের সংখ্যা এবং প্যাটার্ন সমস্যার প্রকৃতি সম্পর্কে ডায়াগনস্টিক তথ্য প্রদান করতে পারে। 
- বিভিন্ন মাদারবোর্ড নির্মাতারা বিভিন্ন বীপ কোড ব্যবহার করতে পারে, তবে RAM সমস্যাগুলোর জন্য একটি সাধারণ প্যাটার্ন হল ছোট বীপের একটি সিরিজ। 
- এই বীপগুলি সাধারণত একটি RAM-সম্পর্কিত সমস্যার নির্দেশ করে। 

যেমন: 
ঢিলেঢালা বা ভুলভাবে বসা RAM: 
- কখনও অনুপযুক্ত ইনস্টলেশনের কারণে RAM মডিউলগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তাদের স্লটে র‍্যাম মডিউলগুলো পুনরায় বসানো এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। 

অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ RAM: 
- যদি ইনস্টল করা RAM মডিউলগুলো মাদারবোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় বা যদি এক বা একাধিক RAM স্টিক ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে এটি একটি RAM সমস্যা নির্দেশ করে বিপ কোডের দিকে নিয়ে যেতে পারে। 

ব্যর্থ RAM মডিউল: 
- যখন এক বা একাধিক RAM মডিউল ব্যর্থ হয়, তখন BIOS সমস্যাটি নির্দেশ করতে বীপ কোড তৈরি করতে পারে। কোন মডিউল সমস্যাযুক্ত তা শনাক্ত করতে বীপের প্যাটার্ন সাহায্য করতে পারে। 
- বিপ কোডের সম্মুখীন হলে যা একটি RAM সমস্যার পরামর্শ দেয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯,৫৬৮.
১০২৪ টেরাবাইট = কত?
  1. ১ ইয়োট্রাবাইট
  2. ১ গিগাবাইট
  3. ১ পেটাবাইট
  4. ১ টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
৯,৫৬৯.
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দুইটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে কী বলে?
  1. ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  2. খ) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  3. গ) অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ঘ) হেক্সা-ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দুইটি অঙ্ক বা, চিহ্ন ব্যাবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 

- বাইনারি নাম্বার সিস্টেমের বেস হচ্ছে ২। 
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ দুইটি মৌলিক সংখ্যা আছে। 
- যে পদ্ধতিতে বিভিন্ন সংখ্যা লিখে প্রকাশ করা যায় এবং উক্ত সংখ্যাগুলোর উপর বিভিন্ন অপারেশন প্রয়োগ, যথা- যোগ, বিয়োগ, ভাগ, গুণ, এবং শতকরায়  রুপান্তর করে হিসেব নিকেশ সম্পাদান করা যায়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 

সূত্র- ৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯,৫৭০.
A, B এবং C তিনটি চলকের যৌক্তিক গুণফল কখন 1 হবে?
  1. ক) যখন তিনটি মানই 0
  2. খ) যখন তিনটি মানই 1
  3. গ) যখন কোন একটি মান 1
  4. ঘ) যখন কোন দুটির মান 1
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা গুণের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 . 0 = 0
0 . 1 = 0
1 . 0 = 0
1 . 1 = 1
বুলিয়ান গুণকে লজিক্যাল গুণ বা লজিক্যাল অ্যান্ড অপারেশন (Logical AND Operation) বলা হয়।

• তিন ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের ক্ষেত্রে:



সুতরাং, A, B এবং C তিনটি চলকের যৌক্তিক গুণফল 1 হবে যখন, A, B এবং C তিনটির মানই 1 হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৭১.
CPU এর অংশ নয় কোনটি?
  1. ALU
  2. Control Unit
  3. Motherboard
  4. Memory
ব্যাখ্যা
Motherboard সিপিইউ এর অংশ নয়।

CPU: 

- CPU এর পূর্বরূপ Central Processing Unit. 
- কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয় CPU কে। 
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে। 
- CPU ই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক। 
- CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা- 
  1. ALU (Arithmetic Logic Unit), 
  2. Control Unit, 
  3. Memory/Register. 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৯,৫৭২.
HTTPS এবং HTTP-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. HTTPS দ্রুততর, HTTP বেশি নিরাপদ
  2. HTTP ক্লাউড সেবা ব্যবহার করে, HTTPS ক্লায়েন্ট সার্ভার ব্যবহার করে
  3. HTTP সার্ভারের জন্য, HTTPS ডেটাবেসের জন্য
  4. HTTP এনক্রিপ্টেড নয়, HTTPS এনক্রিপ্টেড
ব্যাখ্যা

◉ HTTP (HyperText Transfer Protocol) হল ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার থেকে ডেটা ট্রান্সমিট করার একটি প্রোটোকল।
HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) হল HTTP-এর একটি উন্নত সংস্করণ, যা SSL/TLS এনক্রিপশন ব্যবহার করে ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯,৫৭৩.
“Barcode Reader” belongs to which type of device?
  1. Input
  2. Output
  3. Input-Output
  4. Memory Device
ব্যাখ্যা

বারকোড রিডার হচ্ছে একটি ইনপুট ডিভাইস

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।

উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ে ব্যবহার করা যায়।

উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৭৪.
SQL Server একটি—
  1. প্রেজেন্টেশন টুল
  2. RDBMS সফটওয়্যার
  3. গ্রাফিক্স সফটওয়্যার
  4. ওয়ার্ড প্রসেসর
ব্যাখ্যা

SQL Server একটি RDBMS সফটওয়্যার।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৭৫.
DNS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ কোনটি?
  1. কম্পিউটারের মধ্যে ডাটা এনক্রিপশন করা
  2. ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করা
  3. ইমেইল প্রেরণ ও গ্রহণ করা
  4. ওয়েব ঠিকানাকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

• DNS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ওয়েব ঠিকানাকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করা, যা সঠিক উত্তর ঘ। DNS (Domain Name System) মূলত ইন্টারনেটের ফোনবুকের মতো কাজ করে। মানুষ সহজে মনে রাখার জন্য www.google.com-এর মতো ডোমেইন নাম ব্যবহার করে, কিন্তু কম্পিউটার ও সার্ভার একে অপরকে শনাক্ত করে সংখ্যাভিত্তিক IP ঠিকানার মাধ্যমে। DNS এই ডোমেইন নামকে সংশ্লিষ্ট IP ঠিকানায় অনুবাদ করে, ফলে ব্যবহারকারীর ব্রাউজার সঠিক সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। DNS ছাড়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত।
 
• DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System.
- এর মূল কাজই হলো মানুষের পড়তে সহজ ডোমেইন নাম যেমন- www.google.com কে কম্পিউটারের বোঝার মতো IP ঠিকানা যেমন 142.250.190.14-এ রূপান্তর করা।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়।
- ডোমেইন নেম এর বিভিন্ন অংশ থাকে এবং ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৭৬.
'আসিমো' রোবটটি কোন কোম্পানির তৈরি?
  1. সনি
  2. হোন্ডা
  3. স্যামসাং
  4. মুরাতা
ব্যাখ্যা
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'
- হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'
- সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও
- স্যামসাং এর রোবট 'রোবোরে'
- সোফিয়া হচ্ছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।
এই রোবটগুলো প্রায় মানুষের মতোই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৫৭৭.
কোনটি IaaS-এর উদাহরণ হিসাবে বিবেচিত হতে পারে?
  1. WordPress
  2. Google Apps
  3. EC2
  4. Salesforce
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - EC2.
 
 IaaS বা Infrastructure as a Service হল ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি মডেল যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি ভৌত হার্ডওয়্যার বা সার্ভার পরিচালনার ঝামেলা ছাড়াই ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কিং ব্যবহার করতে পারে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী শুধুমাত্র রিসোর্সের জন্য অর্থ প্রদান করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্কেল করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, EC2 (Elastic Compute Cloud) একটি IaaS সেবা, যা ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়াল সার্ভার তৈরি, কনফিগার ও পরিচালনা করার সুবিধা দেয়। 

• অপশন আলোচনা:
ক) WordPress: এটি একটি CMS (Content Management System), যা সাধারণত SaaS বা PaaS (Platform as a Service) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে প্ল্যাটফর্ম বা অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও ব্যবহারের সুবিধা থাকে, পরিকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
খ) Google Apps (Google Workspace): এটি সরাসরি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের পরিষেবা (SaaS), যেমন Gmail, Docs ইত্যাদি।
ঘ) Salesforce: এটি একটি CRM (Customer Relationship Management) সমাধান, যা সম্পূর্ণরূপে SaaS (Software as a Service)। 

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯,৫৭৮.
মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে “ATX” শব্দটির অর্থ কী?
  1. CPU ব্র্যান্ড
  2. পাওয়ার সাপ্লাইয়ের ধরন
  3. মাদারবোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টর
  4. BIOS ভার্সন
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে “ATX” শব্দটির অর্থ হলো মাদারবোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টর। এটি একটি মানক আকার ও ডিজাইনের নির্ধারিত নিয়ম যা মাদারবোর্ডের আকার, পাওয়ার সংযোগের স্থান, I/O পোর্টের অবস্থান এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করে। ATX ফর্ম ফ্যাক্টর মাদারবোর্ড এবং কেসের মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করে, যাতে ব্যবহারকারী সহজে বিভিন্ন উপাদান যেমন RAM, CPU, গ্রাফিক্স কার্ড এবং স্টোরেজ ডিভাইস সংযোগ করতে পারে। এটি মূলত Intel দ্বারা উন্নয়ন করা হয়েছে এবং বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত ফর্ম ফ্যাক্টর। তাই ATX কোনো CPU ব্র্যান্ড, পাওয়ার সাপ্লাইয়ের ধরন বা BIOS ভার্সন নির্দেশ করে না।

- উত্তর: গ) মাদারবোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টর। 

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হলো একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা, মেইনবোর্ড বা, "The main circuit board of a computer" হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Lenovo. [link]

৯,৫৭৯.
5G প্রযুক্তিতে MIMO বলতে কী বোঝায়?
  1. Multiple Input Multiple Output
  2. Multi Internet Mobile Option
  3. Mobile Interface Mode Operation
  4. Media Integrated Motion Output
ব্যাখ্যা
পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...): 
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়‍্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম। 
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়। 
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৯,৫৮০.
ব্লকচেইনে ‘ব্লক’ বলতে কী বোঝায়?
  1. ডেটাবেসের একটি প্রকার
  2. একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. মুদ্রার একটি ইউনিট
  4. লেনদেনের তথ্যের একটি সমষ্টি
ব্যাখ্যা

• ব্লকচেইনে ‘ব্লক’ বলতে মূলত লেনদেনের তথ্যের একটি সমষ্টিকে বোঝায়। প্রতিটি ব্লকে বিভিন্ন লেনদেনের রেকর্ড থাকে, যা ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করে সুরক্ষিত থাকে। ব্লকগুলো ক্রমান্বয়ে একটি চেইনের মতো যুক্ত থাকে, যা ব্লকচেইন তৈরি করে। প্রতিটি নতুন ব্লক পূর্ববর্তী ব্লকের সঙ্গে সংযুক্ত হয়, ফলে তথ্য পরিবর্তন বা মিথ্যা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। এই পদ্ধতিতে, ব্লকচেইন স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য থাকে। তাই, এখানে ব্লক কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা, মুদ্রার ইউনিট বা সাধারণ ডেটাবেস নয়, বরং লেনদেনের তথ্যের একটি সুরক্ষিত এবং ক্রমাগত সংরক্ষিত সমষ্টি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) লেনদেনের তথ্যের একটি সমষ্টি।
 
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে। 
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়। 
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল। 
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়। 
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়। 
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

• বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯,৫৮১.
নিচের কোনটি "Graphics-Based Operating System"?
  1. CP/M
  2. PC DOS
  3. MS-DOS
  4. Mac OS
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।

• কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা:
১. Text-Based Operating System:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি।

২. Graphics-Based Operating System:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৮২.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. এনক্যাপসুলেশন
  2. ইন্টারপ্রেটার
  3. পলিমরফিজম
  4. ইনহেরিটেন্স
ব্যাখ্যা

ইন্টারপ্রেটার এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম যা হাই লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।

• একটি ল্যাংগুয়েজ কে পরিপূর্ণ অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হতে হলে কমপক্ষে তিনটি ধারণা বা Concept সার্পোট করতে হবে। এই ধারণাগুলো হচ্ছে-
১. পলিমরফিজম (Polymorphism)
২. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) ও
৩. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)

পলিমরফিজম (Polymorphism):
-পলিমরফিজম অর্থ হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন অবজেক্ট (object) কোনো নির্দিষ্ট একটি মেসেজ (Message) এর উত্তরে তাদের নিজেদের মতো করে সাড়া দেবে।
- পলিমরফিজম বৈশিষ্ট্যের জন্য কোন কোড বা মডিউলের নাম এক হলেও একাধিক রূপ থাকতে পারে।

ইনহেরিটেন্স (Inheritance):
- ইনহেরিটেন্স এমন একটি ক্ষমতা বা Power যার মাধ্যমে কোনো প্রচলিত শ্রেণি বা Class কে পরিবর্তন না করে পরিবর্ধিত বা Extend করে নতুন আরেকটি শ্রেণি বা Class তৈরি করা যায়।
- যখন একেবারে শেষ শ্রেণি বা Class এর কোন Object তৈরি করা হয় তখন তার মধ্যে পূর্ববতী সফল Class এর সাধারণ গুণাবলী বর্তমান থাকে।
- এটি কোডের পুনঃব্যবহারযোগ্যতা নিশ্চিত করে।

এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation):
- এনক্যাপসুলেশন অর্থ হচ্ছে কোন ভেরিয়েবেলের ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন একত্রিত (Unit) অবস্থায় থাকা। 
- এটি অবজেক্টের অভ্যন্তরীণ অবস্থাকে সুরক্ষিত রাখে এবং বাইরের এক্সেস বা পরিবর্তন থেকে রক্ষা করে।

এছাড়াও অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কিত আরো কিছু ধারণা হলো:
- অবজেক্ট, ক্লাস, এবস্ট্রাকশন, মেসেজ ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), ব্রিটানিকা।

৯,৫৮৩.
(1101011)2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে কত হয়?
  1. 88
  2. 98
  3. 102
  4. 107
ব্যাখ্যা
• (1101011)2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে 107 হয়।
(1101011)2 হলো একটি বাইনারি সংখ্যা। বাইনারি সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করতে, আমরা প্রতিটি বিটকে তার স্থানের মান দিয়ে গুণ করি এবং সবগুলো যোগ করি।

1101011 = (1 × 26) (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (64 + 32 + 8 + 2 + 1)
= 107
৯,৫৮৪.
NVMe উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফারের জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Ethernet
  2. PCIe
  3. HDMI
  4. Thunderbolt
ব্যাখ্যা
• NVMe (Non-Volatile Memory Express) উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফারের জন্য PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এটি একটি হাই-স্পিড ইন্টারফেস যা কম ল্যাটেন্সি ও উচ্চ ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করে। NVMe SSD গুলো PCIe লেন ব্যবহার করে সরাসরি কম্পিউটারের প্রসেসরের সঙ্গে যুক্ত থাকে, ফলে SATA ভিত্তিক SSD বা হার্ড ড্রাইভের তুলনায় অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম হয়। PCIe প্রযুক্তির মাধ্যমে NVMe ড্রাইভগুলো বেশি সংখ্যক কমান্ড সমান্তরালভাবে প্রক্রিয়া করতে পারে, যা সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে। এই কারণে, উচ্চ পারফরম্যান্স প্রয়োজন হয় এমন কাজের ক্ষেত্রে NVMe ড্রাইভগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয়।

• NVMe:
- NVMe এর পূর্ণ রূপ Non-Volatile Memory Express.
- এটি SSD- র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: techtarget.com
৯,৫৮৫.
কোন কম্পিউটার বাসকে 'ইন্টারনাল বাস' বলা হয়?
  1. সিস্টেম বাস
  2. কন্ট্রোল বাস
  3. আইএসএ বাস
  4. ইআইএসএ বাস
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম বাসকে 'ইন্টারনাল বাস' বলা হয়।

• কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
• কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:

১. সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
• ডেটা বাস (Data Bus).
• অ্যাড্রেস বাস (Address Bus).
• কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus):
- Expansion Bus যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস যে প্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন প্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৮৬.
IP-V6 এড্রেস কত বিটের?
  1. 4
  2. 32
  3. 64
  4. 128
ব্যাখ্যা
-  আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
 
অপরদিকে,
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন। 
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়। 
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৫৮৭.
In the hexadecimal number system, which symbol represents the decimal value 15?
  1. A
  2. C
  3. E
  4. F
ব্যাখ্যা

• Hexadecimal Number System-এ দশমিক 15 সংখ্যাটি F প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

• Hexadecimal Number System:
- Hexadecimal Number System হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (Base) 16।
- এই পদ্ধতিতে মোট 16টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- প্রতীকগুলো হলো: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- এখানে A, B, C, D, E, F দ্বারা যথাক্রমে দশমিক 10, 11, 12, 13, 14, 15 বোঝানো হয়।

• Hexadecimal সংখ্যা পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য:
- এটি Binary সংখ্যা পদ্ধতির তুলনায় বেশি সংক্ষিপ্তভাবে সংখ্যা প্রকাশ করতে পারে।
- কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, মেমরি অ্যাড্রেসিং, এবং ডিজিটাল সিস্টেমে Hexadecimal বহুল ব্যবহৃত।
- একটি Hexadecimal অঙ্ক 4-bit Binary সংখ্যার সমতুল্য।

• Hexadecimal প্রতীক ও দশমিক মান:
- A → Decimal 10
- B → Decimal 11
- C → Decimal 12
- D → Decimal 13
- E → Decimal 14
- F → Decimal 15

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৮৮.
Which of the following is a Universal Gate?
  1. OR
  2. NAND
  3. XOR
  4. XNOR
ব্যাখ্যা

NAND গেইটকে "Universal Gate" বলা হয় কারণ এটি ব্যবহার করে অন্য যেকোনো লজিক গেইট (যেমন: AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি) তৈরি করা যায়। অর্থাৎ, NAND গেইট দিয়ে যেকোনো লজিক সার্কিট ডিজাইন করা সম্ভব।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৫৮৯.
কোনটি কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন কনসেপ্ট অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে?
  1. IoT
  2. Robotics
  3. Biometrics
  4. VR technology
ব্যাখ্যা

⚪ কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন কনসেপ্ট অনুযায়ী তৈরি করা প্রযুক্তিটি হলো ঘ) VR technology (Virtual Reality)। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার দ্বারা সৃষ্ট একটি কৃত্রিম পরিবেশ, যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তবের মতো অনুভূতি পায়। এতে থ্রিডি গ্রাফিক্স, সেন্সর, হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে ও বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে বাস্তব জগতের অনুকরণ করা হয়। প্রশিক্ষণ, গেমিং, চিকিৎসা, স্থাপত্য নকশা ও শিক্ষাক্ষেত্রে VR ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি ব্যবহারকারীর চোখ ও কানের মাধ্যমে মস্তিষ্ককে এমনভাবে প্রভাবিত করে যে সে নিজেকে একটি সিমুলেটেড বাস্তব জগতে উপস্থিত মনে করে।

⚪ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯,৫৯০.
DBMS-এ ACID-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Access, Consistency, Isolation, Durability
  2. Atomicity, Control, Integrity, Data
  3. Access, Control, Integrity, Data
  4. Atomicity, Consistency, Isolation, Durability
ব্যাখ্যা

• DBMS-এ ACID হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ডেটাবেস ট্রানজেকশনগুলোর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। ACID-এর পূর্ণরূপ হলো Atomicity, Consistency, Isolation, Durability, যা এখানে দেওয়া অপশন ঘ) এর সঙ্গে মিলে।
- Atomicity মানে একটি ট্রানজেকশন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা একেবারেই হবে না।
- Consistency নিশ্চিত করে যে ট্রানজেকশন শেষ হওয়ার পর ডেটাবেস সবসময় বৈধ অবস্থায় থাকবে।
- Isolation নির্দেশ করে যে একাধিক ট্রানজেকশন একসাথে চললেও তারা একে অপরের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারবে না।
- Durability মানে একটি ট্রানজেকশন সফলভাবে সম্পন্ন হলে তার পরিবর্তন স্থায়ী এবং ক্ষয়শীল হবে না।
- ACID নীতি ডেটাবেসের বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
- geeksforgeeks [link]

৯,৫৯১.
কোন আইন দ্বারা সৃজনশীল কাজের মেধাস্বত্ব সংরক্ষিত হয়?
  1. ক) ফৌজদারি আইন
  2. খ) মানবাধিকার আইন
  3. গ) কপিরাইট আইন
  4. ঘ) অপরাধ আইন
ব্যাখ্যা
- কপিরাইট আইন দ্বারা সৃজনশীল কাজের মেধাস্বত্ব সংরক্ষিত হয়। 

• কপিরাইট (Copyright): 
- কপিরাইট শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ গ্রন্থস্বত্ব।
- একজন লেখকের রচিত পুস্তক বা গ্রন্থের বা বইয়ের ওপর তার মুদ্রণ, পুন:মুদ্রণ ও প্রকাশের অধিকারকে কপিরাইট বলে।
- কপিরাইট আইন দ্বারা একজনের বুদ্ধিবৃত্তিক বা মস্তিস্কজাত সৃষ্টিকে নকল বা পাইরেসি বা অন্যায় অনুসরণ হতে অন্য কাউকে বিরত রাখে।
- কপিরাইটের মাধ্যমে সাহিত্য, শিল্পকর্ম ও অন্যান্য শিল্পকলা সৃষ্টিকারীর সৃষ্ট মেধাসম্পদ ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার প্রদান করা হয়। 
- গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা, জাতীয় সাহিত্যকর্ম, চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, ভাস্কর্য, স্থাপত্যকলা, কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়।
- কম্পিউটার সফ্টওয়্যারও কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়।
- কপিরাইট আইনের কারণেই কোন নির্মাতা, শিল্পী, প্রোগ্রামার কিংবা লেখক তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন পেয়ে থাকেন।
- কপিরাইট আইনের কার্যকারিতা সৃজনশীল কর্মীদের নিরুৎসাহিত হওয়া থেকে রক্ষা করে।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
৯,৫৯২.
টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নাম কী?
  1. ক) Leslie Berland
  2. খ) Vijaya Gadde
  3. গ) Parag Agrawal
  4. ঘ) Nick Caldwell
ব্যাখ্যা
পরাগ আগরওয়াল হলেন টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। 

- ইন্দো-মার্কিন পরাগ ২০১১ সালে Twitter-এ কাজ শুরু করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডি করার সময় তিনি মাইক্রোসফট, ইয়াহু-র মতো সংস্থায় রিসার্চ ইন্টার্ন হিসাবে কাজ করেন। 

সূত্র: টুইটার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৫৯৩.
ওরাকল কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা নয়-
  1. ল্যারি এলিসন
  2. এড ওয়াটিস
  3. বব মিনার
  4. স্টিভ ওজনিয়াক
ব্যাখ্যা
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
-  ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ল্যারি এলিসন , বব মিনার ও এবং ওয়াটিস।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার রেডউড সিটিতে অবস্থিত।

- ১৯৭৬ সালে স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক অ্যাপল প্রতিষ্ঠা করেন। 

উৎস: সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ওয়েবসাইট।
৯,৫৯৪.
নিচের কোনটি একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. কীবোর্ড
  2. টাচ স্ক্রিন
  3. স্ক্যানার
  4. জয়স্টিক
ব্যাখ্যা

• টাচ স্ক্রিন (Touch Screen) এমন একটি ডিভাইস যা একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে পারে; এতে ব্যবহারকারী সরাসরি স্ক্রিন স্পর্শ করে নির্দেশ দিতে পারে এবং স্ক্রিনে ফলাফলও দেখতে পারে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
- এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
- উদাহরণ: কি-বোর্ড (Keyboard), ওএমআর (OMR), মাউস (Mouse), ওসিআর (OCR), ট্যাকবল (Trackball), স্ক্যানার (Scanner), জয়স্টিক (Joystick), ডিজিটাইজার (Digitizer), টাচ স্ক্রিন (Touch Screen), লাইটপেন (Lightpen), বার কোড রিডার (Bar Code Reader), গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad), পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale), ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera)।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
- আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারী সেই ফলাফল দেখতে, শুনতে বা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: মনিটর (Monitor), প্রিন্টার (Printer), প্লটার (Plotter), স্পিকার (Speaker), মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector), ইমেজ সেটার (Image Setter), ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder), হেডফোন (Headphone)।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারে এমন কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে পারে।
- এই ডিভাইসগুলোর মাধ্যমে ডেটা কম্পিউটারে দেওয়া এবং কম্পিউটার থেকে গ্রহণ—দুটিই সম্ভব।
- উদাহরণ: হার্ডডিস্ক (Hard Disk), সিডি বা ডিভিডি (CD/DVD), পেনড্রাইভ (Pen Drive), টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)।

• অন্যান্য অপশন:
- কীবোর্ড → একটি সাধারণ ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে টাইপ করে কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশ দেওয়া হয়।
- স্ক্যানার → একটি ইনপুট ডিভাইস, যা কাগজের লেখা বা ছবি ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে।
- জয়স্টিক → একটি ইনপুট ডিভাইস, যা সাধারণত কম্পিউটার গেম বা গ্রাফিক্স নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি–১ (SSC ও দাখিল ভোকেশনাল); মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৯৫.
সাফারি ওয়েব ব্রাউজার কোন কোম্পানি ডিজাইন করেছে?
  1. Apple
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Mozilla
ব্যাখ্যা

• সাফারি একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার যা Apple কোম্পানি ডিজাইন ও উন্নয়ন করেছে। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে এবং মূলত macOS ও iOS ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়। সাফারি দ্রুত, নিরাপদ এবং শক্তিশালী ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য পরিচিত। এতে ব্যাটারি সাশ্রয়, উন্নত প্রাইভেসি প্রটেকশন এবং Apple ডিভাইসের সঙ্গে চমৎকার ইন্টিগ্রেশন সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে এটি iPhone, iPad এবং Mac কম্পিউটারের ডিফল্ট ব্রাউজার। অন্যান্য অপশন যেমন Google Chrome (Google), Microsoft Edge (Microsoft) ও Firefox (Mozilla) থাকলেও, সাফারি হলো শুধুমাত্র Apple-এর নিজস্ব ব্রাউজার। তাই সঠিক উত্তর হলো — Apple.

ওয়েব ব্রাউজার (Web Brwoser): 
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। 
- যে সফটওয়‍্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ওয়েব সার্ভারে রাখা পরস্পরের সংযোগযোগ্য Web page বা WWW পরিদর্শন করাকে Web Brwosing বলে। 
- Web Brwosing করে বিভিন্ন তথ্য ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে নিয়ে আসা যায়। 
- Web Brwosing করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফ্টওয়‍্যার রয়েছে। 
- এই সকল ওয়েব ব্রাউজার সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত ওয়েব সার্ভার কম্পিউটারগুলোতে যে সকল ওয়েব পেইজ (Web page) সংরক্ষিত রয়েছে তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে। 
- ১৯৯০ সালে টিম বার্নাস লি WorldWide Web নামে সর্বপ্রথম ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেন। 
- উল্লেখ্য যে, World Wide Web ই বিশ্বের প্রথম ওয়েব ব্রাউজার হিসেবে পরিচিত। 
- বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো- 
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ, মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox), সাফারি (Safari), ওপেরা (Opera), Chrome, Firefox, Internet Explorer, গুগল ক্রোম (Google chrome) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৫৯৬.
0101.0110 BCD এর দশমিক মান কত?
  1. ক) 6.5
  2. খ) 5.6
  3. গ) 7.5
  4. ঘ) 5.7
ব্যাখ্যা
 BCD করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে 4 বিট এর বাইনারিতে রুপান্তরিত করতে হয়।
তাহলে বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট করে আলাদা করে তারপর দশমিকে রুপান্তরিত করতে হয়।


৯,৫৯৭.
ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানে কোন প্রোটোকল ব্যবহার করে?
  1. IMAP
  2. TCP/IP
  3. HTTP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের কার্যপ্রক্রিয়া:
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানে TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে লোকাল বা স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, অতঃপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- একটি কম্পিউটার সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে সংযোজিত হতে পারে, অথবা আরেকটি কম্পিউটারের রিমোট টার্মিনালের সাথে অথবা নেটওয়ার্কের গেটওয়ের মাধ্যমে, যা কোনো TCP/IP ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি IP অ্যাড্রেস থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে, যা ডোমেইন নেম সিস্টেম ব্যবহার করে।
- বেশির ভাগ ইন্টারনেট অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামই ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেম ব্যবহার করে; ব্যবহারকারী ক্লায়েন্ট প্রোগ্রাম রান করে, যা সার্ভারের কাছ থেকে ডাটা এবং সেবা গ্রহণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৯৮.
CPU কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?
  1. ২টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
• CPU:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- CPU কে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়।
- তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU বা  কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গঠিত। যথা-
১. Arithmatic Logic Unit
২. Control Unit
৩. Register

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৯৯.
কোন লজিক গেটের আউটপুট শুধুমাত্র তখনই 1 হয়, যখন এর সব ইনপুট 0 থাকে?
  1. AND গেট
  2.  EX-OR গেট
  3. NAND গেট
  4.  NOR গেট
ব্যাখ্যা

NOR গেটের নিয়ম অনুসারে, আউটপুট 1 হওয়ার একমাত্র শর্ত হলো এর সমস্ত ইনপুট 0 হতে হবে।

নর গেইট:
- NOR গেট হলো একটি ইউনিভার্সাল গেট যা OR গেট এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত। এটি প্রথমে ইনপুটগুলোর OR অপারেশন করে এবং তারপর ফলাফলটিকে উল্টে দেয়।
- অর (OR) গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- এর আউটপুটকে ​ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
- NOR গেইটের আউটপুট 1 হবে যখন সবগুলো ইনপুট 0 হবে।
- NOR গেইটের আউটপুট 0 হবে যখন যে কোনো ইনপুট 0 হবে এবং দুইটি ইনপুট যখন 1 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৬০০.
ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে কোথায় টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে?
  1. র‍্যামে
  2. রমে
  3. হার্ডডিস্কে
  4. ক্যাশ মেমোরিতে
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে। 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের 'ক্যাশ মেমোরি'তে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে। 
- এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়। 
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।