PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
PrepBank · পাতা ৯৪ / ১৩১ · ৯,৩০১–৯,৪০০ / ১৩,০৮৮
ব্যাখ্যা
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।
২. হাফ-ডুপ্লেক্স:
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না। যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স:
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
ব্যাখ্যা
• FTP এর পূর্ণরূপ File Transfer Protocol, যা মূলত ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP (File Transfer Protocol) হলো একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা কম্পিউটার বা সার্ভারের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ইন্টারনেট বা ল্যান নেটওয়ার্কে ফাইল আপলোড ও ডাউনলোড করার একটি স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি।
• FTP এর কাজ:
- ব্যবহারকারী FTP ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার (যেমন FileZilla, WinSCP) ব্যবহার করে সার্ভারে সংযোগ স্থাপন করে।
- সার্ভারের ফোল্ডার ব্রাউজ করে ফাইল আপলোড বা ডাউনলোড করা যায়।
- FTP সাধারণত Port 21 ব্যবহার করে।
• বৈশিষ্ট্য:
- User authentication: ব্যবহারকারীর ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড চেক করে।
- Active এবং Passive mode: নেটওয়ার্ক সংযোগের ধরন অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়।
- বৃহৎ ফাইল স্থানান্তর: বড় ফাইল সহজে সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ট্রান্সফার করা যায়।
• নিরাপত্তা:
- সাধারণ FTP unencrypted, তাই নিরাপত্তার জন্য FTPS বা SFTP ব্যবহার করা হয়।
- FTPS = FTP over SSL/TLS.
- SFTP = SSH File Transfer Protocol.
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।
ব্যাখ্যা
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro ইত্যাদি।
• Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• Close a workbook - Ctrl+W
• Open a workbook - Ctrl+O
• Go to the Home tab - Alt+H
• Save a workbook - Ctrl+S
• Copy selection - Ctrl+C
• Paste selection - Ctrl+V
• Undo recent action - Ctrl+Z
• Remove cell contents - Delete
• Choose a fill color - Alt+H, H
• Cut selection - Ctrl+X
• Go to the Insert tab - Alt+N
• Apply bold formatting - Ctrl+B
• Center align cell contents - Alt+H, A, C
• Go to the Page Layout tab - Alt+P
• Go to the Data tab - Alt+A
• Go to the View tab - Alt+W
• Open the context menu - Shift+F10 or Windows Menu key
• Add borders - Alt+H, B
• Delete column - Alt+H, D, C
• Go to the Formula tab - Alt+M
• Hide the selected rows - Ctrl+9
• Hide the selected columns - Ctrl+0
উৎস: Microsoft Support. [Link]
ব্যাখ্যা
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• Hard Disk হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা CPU-এর বাইরের অংশ।
• CPU (Central Processing Unit):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেনস্টর্ম হিসেবে কাজ করে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর উপর নির্ভরশীল।
• সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit),
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit),
৩। রেজিস্টার বা মেমোরি ইউনিট।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।
• কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা-
১. সক্রিয় হাব (Active HUB ):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে
প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে ।
২. নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে ।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
⚪ অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।
উৎস: lenovo [লিংক]
ব্যাখ্যা
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
উইন্ডোজ:
- এটি ১৯৮৫ সালে প্রথম তৈরি হয়।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং পল এলেন।
- এটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI)।
-মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং পল এলেন।
- উইন্ডোজের বিভিন্ন সংস্করণ, যেমন Windows 95, Windows XP, Windows 7, Windows 10, ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
ব্যাখ্যা
- In computing, booting is the process of starting a computer.
- The booting process refers to starting a computer by pushing the power button or opening a laptop lid.
• বুটিং:
- একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়।
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি।
ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব পেরিফেরালস বা যন্ত্রপাতিসমূহ ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ডেটা প্রদান ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য কাজের নির্দেশ প্রদান করা হয়, তাদেরকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
- কয়েকটি ইনপুট ডিভাইস হলো- কীবোর্ড (Keyboard), মাউস (Mouse), মাইক্রোফোন (Micropkone), স্ক্যানার (Scanner), মডেম (Modem), গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics Tablet), ওএমআর (OMR), ওসিআর (OCR), লাইটপেন (Light Pen), টাচস্ক্রিন (Touch Screen), ট্র্যাকবল (Trackball) এবং ট্র্যাকপ্যাড (Trackpad) ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- প্রিন্টার, স্পিকার, প্রজেক্টর হলো আউটপুট ডিভাইস যা দিয়ে সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত তথ্য কম্পিউটার ব্যবহারির কাছে প্রদর্শন করা যায়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DDoS) আক্রমণ এবং সাধারণ DoS আক্রমণের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো আক্রমণের উৎস। সাধারণ DoS আক্রমণে একক সিস্টেম বা সার্ভার থেকে লক্ষ্যবস্তু সার্ভার বা নেটওয়ার্কে অতিরিক্ত অনুরোধ পাঠিয়ে সেটি ধীরে ধীরে অপ্রাপ্য বা ধীর গতির করা হয়। অন্যদিকে DDoS আক্রমণে একাধিক উৎস, সাধারণত সংক্রমিত কম্পিউটার বা “বটনেট” ব্যবহার করে একই সময়ে লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালানো হয়। এই কারণে DDoS আক্রমণ অনেক বেশি শক্তিশালী এবং প্রতিরোধ করা কঠিন। সুতরাং, একাধিক উৎস থেকে একই সময়ে আক্রমণ করা হয় (গ) এই বৈশিষ্ট্য DDoS-কে সাধারণ DoS থেকে আলাদা করে। অন্যান্য অপশন যেমন ক, খ বা ঘ DDoS-র মূল বৈশিষ্ট্যকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করে না।
সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
-
প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।
উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ইন্টারন্যাশনাল রোমিং সেবার মাধ্যমে একজন মোবাইল ব্যবহারকারী তার নিজ ভূখণ্ডের বাইরে থেকেও তার মোবাইল থেকে কল করতে ও রিসিভ করতে পারেন। শুধু তাই-ই নয়, এসময় তার মোবাইলে আসা এসএমএসও সরাসরি পৌঁছে যাবে তার ভিজিটিং নেটওয়ার্কে এবং একইভাবে তিনিও চাইলে এসএমএস করতে পারবেন যে কাউকে।
সুত্রঃ টেলিটক এর ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত কোন আর্টিকেল বা গবেষণা সম্পূর্ণ অনুলিপি করা কিংবা ওয়েব হতে প্রাপ্ত কোন ধারণা প্রকৃত সূত্র উল্লেখ না করে ব্যবহার করাকে বলা হয় প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism).
অর্থাৎ অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
অন্য অপশনগুলো –
হ্যাকিং:
- কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করার উপায়কে বুঝায়।
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (Haker) বলে।
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে।
- বৈধ হ্যাকারকে বলা হয় - হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও অবৈধভাবে হ্যাকার করাকে বলা হয় - ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।
স্প্যামিং:
- অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে বুঝায়।
- এই কাজ যারা করে তাদের স্প্যামার বলা হয়।
সফটওয়্যার পাইরেসি:
- পেশাগত দক্ষতা ও মেধার সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটিয়ে প্রোগ্রামারগণ সফটওয়্যার পাইরেসি করে এবং স্বত্বাধিকারী হন।
- Business Software Alliance(BSA) এর তথ্যমতে ব্যবহৃত সকল সফটওয়্যারের প্রায় ৩৬ ভাগ পাইরেটেড সফটওয়্যার।
সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।
• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
• হাব একধরনের নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা এর আওতাধীন ডিভাইসগুলোকে একত্রে সংযুক্ত করে।
• মডেম-এর মাধ্যমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান করে।
• সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়। হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
ব্যাখ্যা
• ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে 3G মোবাইল ফোন প্রযুক্তি চালু হয়।
• তৃতীয় প্রজন্ম (3G): (২০০১–২০০৮).
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন অ-বাণিজ্যিকভাবে চালু করে।
- এটি মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত।
• ২G ও ৩G–এর প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য:
- দ্বিতীয় প্রজন্মে (2G) ডাটা ট্রান্সমিশনের জন্য সার্কিট সুইচিং ব্যবহৃত হতো।
- তৃতীয় প্রজন্মে (3G) সার্কিট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহৃত হয়।
• 3G প্রযুক্তির সংজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্ত প্রযুক্তি:
- 3G (Third Generation) হলো এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি, যা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা ITU (International Telecommunication Union)–এর মান অনুযায়ী নির্ধারিত।
- 3G প্রযুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—
- GSM,
- EDGE,
- UMTS,
- CDMA 2000, ইত্যাদি।
• 3G প্রযুক্তিতে প্রদত্ত সেবাসমূহ:
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিম্নলিখিত সেবাগুলো প্রদান করা সম্ভব—
- DECT,
- WiMAX,
- Voice Call,
- Video Call, ইত্যাদি।
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চগতিসম্পন্ন ডাটা পারাপার সুবিধা প্রদান করে।
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) প্রযুক্তি চালু হয়, যা উচ্চগতির ডাটা ট্রান্সফারে সহায়ক।
- ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2 Mbps।
- ডাটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং—উভয় পদ্ধতি ব্যবহৃত হতে পারে।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা সম্ভব।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ এর গতি সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়। এটি নির্দেশ করে যে সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতবার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- তাই, মেটা কোম্পানির আওতাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয় Snapchat. এটি মেটার প্ল্যাটফর্মগুলোর বাইরে অবস্থান করে এবং আলাদা প্রতিষ্ঠানের অধীনে পরিচালিত হয়।
• মেটা প্ল্যাটফর্মস, ইনকর্পোরেটেড:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, থ্রেডস ইত্যাদি।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ;
- প্রতিষ্ঠাকাল: ফেব্রুয়ারি, ২০০৪;
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা;
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
সিপিইউ তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ
৩. স্মৃতি অংশ
নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমরি হতে কখন প্রধান মেমরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি
করা।
- যেমন: গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে কন্ট্রোল সিগন্যালের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
সিকোয়েন্সিয়াল মেমোরিতে তথ্য বা উপাত্ত পঠন এবং লিখনের পর সংযোগ সৃষ্টি করতে হয়।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার প্রোগ্রামের সাহায্যে রোবট নিয়ন্ত্রিত হয়। একটি সাধারণ রোবটে নিচের উপাদান বা অংশগুলো থাকে। যথা-
প্রোগ্রামকৃত মস্তিস্ক বা প্রসেসর: রোবটের মধ্যে এক বা একাধিক প্রসেসর থাকে যাতে রোবটকে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে। এটি রোবটের মূল অংশ যা রোবটের চলাচল ও কর্মকান্ডসহ সকল কিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
পাওয়ার সিস্টেম: সাধারণত লেড এসিড ব্যাটারী দিয়ে রোবটের পাওয়ার দেওয়া হয়। এই ব্যাটারী রিচার্জেবল অর্থাৎ এতে পুনরায় চার্জ করা যায়। তাই কাজ করার পূর্বে রোবটকে চার্জ দেওয়া হবে।
ইলেকট্রিক সার্কিট: রোবটের হাইড্রোলিক ও নিউমেট্রিক সিস্টেমেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়।
অ্যাকচুয়েটর (Actuator): রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষ ভাবে তৈরি কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সম্বন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অ্যাকচুয়েটর। একে রোবটের হাত ও পায়ের পেশী বলেও অভিহিত করা যায়।
অনুভূতি (Sensing): অনুভূতি মানুষের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। সেন্সরের মাধ্যমে রোবটেও মানুষের মত অনুভূতি তৈরি করা হয়। কাজেই অনুভূতি রোবটের একটি বিশেষ উপাদান। রোবটের হাত বা পা কোন একটি জায়গায় স্পর্শ করলে সেই জায়গা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে। মানুষের চোখের ন্যায় রোবটের ক্যামেরা দিয়ে সামনের বা পিছনের দৃশ্য নেওয়া হয়। কাজের প্রয়োজনে রোবটকে ৩৬০° কোণে ঘুরানো যেতে পারে।
ম্যানিপিউলেশন বা পরিবর্তন করা: রোবটের আশেপাশের বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন বা বস্তুটি পরিবর্তন করার পদ্ধতিকে বলা হয় ম্যনিপিউলেশন। সাধারণত রোবটের হাত-পা এই পরিবর্তনের যাবতীয় কাজ করে থাকে। রোবটের হাতে কতগুলো আঙ্গুল থাকবে যা নড়াচড়া করে কোন বস্তু ধরতে পারবে। পায়ের সাহায্যে সামনে-পিছনে বা ডানে-বামে চলাচল করতে পারবে।
মুভেবল বডি: রোবটে ঢাকা, যান্ত্রিক পা এবং স্থানান্তর করা যায় এমন যন্ত্রপাতি যুক্ত থাকে।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High-Level Language and
5. Natural Language.
• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) সিমুলেশন ডিজাইন এবং ম্যানেজ করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো Blender। Blender মূলত একটি ওপেন-সোর্স ৩ডি গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, যা মডেলিং, অ্যানিমেশন, রেন্ডারিং এবং ইন্টারেক্টিভ সিমুলেশন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। VR সিমুলেশন তৈরিতে ৩ডি অবজেক্ট তৈরি, পরিবেশ ডিজাইন এবং অ্যানিমেশন সংযুক্ত করার কাজগুলো Blender দিয়ে করা যায়। অন্যদিকে, Audacity হলো অডিও এডিটিং সফটওয়্যার, VLC Media Player হলো ভিডিও প্লেয়ার, এবং MATLAB মূলত গণিত ও ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পিউটেশন-এর জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই VR সিমুলেশন ডিজাইন এবং ম্যানেজমেন্টে Blender সবচেয়ে উপযুক্ত।
- সঠিক উত্তর: ক) Blender.
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality-VR) হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সফটওয়্যারগুলো হলো:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• IaaS (Infrastructure as a Service) হলো ওরাকল ক্লাউড সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত।
• Oracle Corporation:
- ল্যারি এলিসন Oracle Corporation প্রতিষ্ঠা করেন।
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান।
- সফটওয়্যার নির্মাণে মাইক্রোসফট ও আইবিএম এর পরেই এর অবস্থান।
- ১৯৭৭ সালে Larry Ellison, Bob Miner এবং Ed Oates যৌথভাবে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
• ওরাকলের ক্লাউড সার্ভিসসমূহ হচ্ছে:
- IaaS (Infrastructure as a Service)
- PaaS (Platform as a Service)
- SaaS (Software as a Service)
- DaaS (Data as a Service)
উল্লেখ্য,
- Azure হলো মাইক্রোসফট কর্তৃক পরিচালিত একটি পৃথক ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম।
- AWS Lambda হলো Amazon Web Services (AWS) এর একটি সার্ভারলেস কম্পিউটিং পরিষেবা।
- Google Cloud Platform (GCP) হলো Google-এর প্রদত্ত ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা।
উৎস:
১। ওরাকল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [link]
২। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।
- নির্দিষ্ট URL-এ প্রবেশ করে আমরা ঐ Website এর বিভিন্ন Resource গুলো Locate করতে পারি।
https://web.livemcq.com/#introপ্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- web.livemcq.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- '/' বা Slash এর পর #intro হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)
- Domain Name সচরাচর 'www' দিয়েই শুরু হয়। যেমন: https://www.12ka4.com/intro
তাহলে,
URL এর তিনটি অংশ থাকে। যথা -
i) প্রোটোকলের নাম,
ii) হোস্ট নেইম এবং
iii) ফাইল নেইম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে শিশুদের মতো আচরণ করতে সক্ষম এআই শিশু তৈরি করেছেন চীনের বেইজিং ইনস্টিটিউট অব জেনারেল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (বিআইজিএআই) বিজ্ঞানীরা।
- শিশুটির নাম টং টং।
- বিজ্ঞানীদের দাবি, এটিই বিশ্বের প্রথম এআই শিশু।
- এআই শিশুটির মাধ্যমে প্রযুক্তি বিশ্বে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
- ফলে শিশুটির অবয়ব শুধু পর্দাতেই দেখা যাবে। তাই চাইলেও শিশুটিকে স্পর্শ করা যাবে না।
- ভার্চ্যুয়াল জগতের শিশুটির যে বুদ্ধিমত্তা রয়েছে, তা সাধারণত তিন থেকে চার বছর বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে থাকে।
সূত্র- প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
PCI local bus হলো একটি পিসি এক্সপেনশন বাসের সাধারণ মান, এটি Video Electronics Standards Association (VESA) লোকাল বাস এবং Industry Standard Architecture (ISA) বাস প্রতিস্থাপন করেছে। পিসিআই বেশিরভাগ ইউএসবি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
Source: techopedia.com
ব্যাখ্যা
• সেলুলার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় একটি বিস্তৃত এলাকাকে ছোট ছোট অনেকগুলো 'সেলে' ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি সেলের বেতার তরঙ্গ আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট শক্তিশালী এন্টেনা বা বেস স্টেশন (Base Station) স্থাপন করা হয়।
• সেলুলার টপোলজি:
- সেলুলার টপোলজি হলো একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একটি বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয়, যেগুলোকে "সেল" বা কোষ বলা হয়।
- প্রতিটি সেলে একটি বেস স্টেশন থাকে যা সেই এলাকার মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
- এই সিস্টেমে, একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক সেলে পুনরায় ব্যবহার করা যায়, যা নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- যখন কোনো মোবাইল ডিভাইস একটি সেল থেকে অন্য সেলে যায়, তখন কলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলের বেস স্টেশনে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলা হয়।
• সেলুলার সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য:
- ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট সেলে ভাগ করা হয়।
- একটি সেলের মধ্যে থাকা মোবাইল বা পোর্টেবল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে বেস স্টেশন।
- ফ্রিকোয়েন্সি পুনর্ব্যবহার করার মাধ্যমে স্পেকট্রাল দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়।
- কল চলাকালীন একটি সেল থেকে অন্য সেলে গেলে কল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলে।
- চাহিদা বাড়লে সেলগুলোকে ছোট করে বিভক্ত করা হয়।
- এই বৈশিষ্ট্যগুলো সেলুলার সিস্টেমকে অন্যান্য ওয়্যারলেস টেলিফোন সিস্টেম থেকে আলাদা করে এবং এটি বৃহৎ মেট্রোপলিটন এলাকায় অসংখ্য গ্রাহককে পরিষেবা দিতে সক্ষম।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
◉ বাস টপোলজি (Bus Topology) হল একটি নেটওয়ার্ক কাঠামো যেখানে একটি একক কেন্দ্রীয় কেবল (Backbone Cable) থাকে। সমস্ত ডিভাইস (কম্পিউটার, প্রিন্টার ইত্যাদি) এই মূল কেবলের সাথে সংযুক্ত থাকে।
নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।
বাস টপোলজি (Bus Topology):
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
স্টার - কেন্দ্রীয় হাব/সুইচের সাথে যুক্ত,
রিং - ডিভাইসগুলি বৃত্তাকারে সংযুক্ত,
মেশ - প্রতিটি ডিভাইস একে অপরের সাথে যুক্ত।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে তথ্যের প্রয়োজনীয়তা, সহায়ক মেমরি হতে প্রধান মেমরিতে তথ্য নেয়া, ইনপুট হতে উপাত্ত নেয়া, ফলাফল প্রদর্শন এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজে রেকর্ড সনাক্তকরণ ও বিভিন্ন টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কী ফিল্ড (Key Field) ব্যবহার করা হয়। কী ফিল্ড হলো একটি বিশেষ ধরনের ফিল্ড যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে, যাতে একই টেবিলে কোনো রেকর্ড পুনরাবৃত্তি না হয়। এছাড়া, কী ফিল্ড ব্যবহার করে এক টেবিলকে অন্য টেবিলের সাথে যুক্ত করা যায়, যা রিলেশনাল ডাটাবেজের মূল ভিত্তি। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ছাত্রদের টেবিল এবং তাদের রেজিস্ট্রেশন তথ্যের টেবিল থাকে, তাহলে ছাত্রদের ইউনিক আইডি ফিল্ডকে কী হিসেবে ব্যবহার করে দুইটি টেবিলের রেকর্ড সংযোগ করা যায়। তাই রেকর্ড সনাক্তকরণ এবং টেবিলের মধ্যে সম্পর্কের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) কী ফিল্ড।
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key)।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ISDN (Integrated Services Digital Network) হলো একটি ডিজিটাল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা একসঙ্গে ভয়েস, ডেটা, এবং ভিডিও ট্রান্সমিশনকে সমর্থন করে। এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে উচ্চগতির এবং নির্ভরযোগ্য সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। ISDN কেবলমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্কে কাজ করে না, বরং স্থির ল্যান্ডলাইন নেটওয়ার্কেও ব্যবহৃত হয়। এটি শুধুমাত্র ইন্টারনেট অ্যাক্সেসের জন্য সীমাবদ্ধ নয় এবং অ্যানালগ সম্প্রচার নয়, বরং সম্পূর্ণ ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবহার করে। ISDN-এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো একসঙ্গে ভয়েস ও ডেটা ট্রান্সমিশন করা, যার ফলে ব্যবহারকারীরা একই লাইনে ফোন কল করার সময় ইন্টারনেট বা ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) একসঙ্গে ভয়েস ও ডেটা।
• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System),
২. আইএসডিএন (ISDN),
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband),
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi),
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)।
ডায়াল আপ সিস্টেম
• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এটি ডেটা বহনের জন্য B (Bearer) চ্যানেল এবং সিগন্যালিংয়ের জন্য D (Delta) চ্যানেল ব্যবহার করে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- হাইপারলেজার হল একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি।
• আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- প্রথমে নাম ছিল Computing - Tabulating - Recording Company (CTR), পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয় ৷
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc.
উৎস: IBM Website.
ব্যাখ্যা
যথা-
- সিনট্যাক্স ভুল (Syntax error) -- প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- লজিক ভুল (Logical error) -- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল।
- রান টাইম ও এক্সিকিউশন ভুল (Run time and Execution error) -- কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরম্যাট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরর দেখায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- বাইনারি যোগ দশমিক সংখ্যার যোগের মত বাইনারি সংখ্যায় বিটগুলো যোগের পর হাতে যে সংখ্যা থাকে, তা বামের বিটের সাথে যোগ হয়।
- দুটি বাইনারি অংক বা বিটের যোগের সময় চারটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। যেমন:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1), যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়।
আবার 1 + 1 + 1 = 1 বসে এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- LAN এর পূর্ণনাম হচ্ছে Local Area Network।
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- আমরা বর্তমানে যে ডস ব্যবহার করি তার উদ্ভব সত্তর দশকের একবারে শেষের দিকে।
- সেই সময়ে টিম প্যাটার্সন কিউ ডস (Q DOS) নমে একটি অপারেটিং সিস্টেম নির্মাণ করেন।
- Q DOS-ই আধুনিক এম এস ডসের ভিত্তি।
- সিপি/এম (CP/M) নামে আর একটি অপারেটিং সিস্টেম কিউ এস ডসের ভিত্তি।
- আইবিএম কোম্পানি ১৯৮০ সালে একটি চুক্তির মাধ্যমে ঠিক করেন তাদের মাইক্রোকম্পিউটারগুলোর অপারেটিং সিস্টেম হবে ডস।
- আইবিএম এই অপারেটিং সিস্টেম তৈরির দায়িত্ব দেয় মাইক্রোসফট কর্পোরেশনকে।
- মাইক্রোসফট তখন সিপি/এম অপারেটিং সিস্টেমকে ভিত্তি করে এমএস ডসের উন্নয়নের কাজ করে।
- ১৯৮১ সালে ডসের প্রথম ভার্সন বাজারে আসে।
- এমএস ডস খুব কম স্মৃতি সম্পন্ন কম্পিউটারে চলানোর উপযোগি করে তৈরি করা হয়।
- বর্তমানে এমএস ডস সর্বাধিক ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম।
- ১৯৮১ সাল হতে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এমএস ডসের বারটি ভার্সন বরে হয়েছে।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- সাধারণত ১০ মিটার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো ব্যক্তির বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি নেটওয়ার্ককে PAN বলা হয়।
- উদাহরণ: ওয়ারলেস ইউএসবি, ব্লুটুথ, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ওয়েব ক্যামেরা ইত্যাদি।
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়।
• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ, বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর বিস্তৃতি প্রায় ৫০ কি.মি.।
• ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- CAN এর পূর্ণরূপ হলো (Campus / Corporate Area Network)।
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করে তৈরি করা হয়।
- CAN এর বিস্তৃতি প্রায় ১ কি.মি.-৫ কি.মি. পর্যন্ত।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- তিনি ১৯৫৯ সালে শিল্পের প্রথম পণ্য, ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট PDP-8 তৈরি করে মিনিকম্পিউটার বিপ্লবের পথপ্রদর্শক করেছিলেন।
- PDP-8 একটি সম্পূর্ণ ট্রানজিস্টরাইজড, 12-বিট, কম্পিউটার ছিল।
- তিনি ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও ছিলেন।
- কেনেথ ওলসেন হলেন মিনি কম্পিউটারের জনক।
• মিনি কম্পিউটার:
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয়।
- মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটারে একই ধরনের কাজ করা যায়।
- মিনি কম্পিউটার আকারে ছোট এবং কাজের ক্ষমতাও কম।
উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এস এসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
আপনার যদি কম্পিউটার ব্যবহার করতে হয় তবে আপনাকে এটিতে একটি অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে হবে।
অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে আপনার একটি বুটেবল মিডিয়া প্রয়োজন।
এই বুটেবল মিডিয়াটি ডিভিডি বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হতে পারে যার মধ্যে অপারেটিং সিস্টেমের সেটআপ ফাইল যেমন লিনাক্স, উইন্ডোজ, ম্যাক ইত্যাদি থাকবে।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
◉ SSL (Secure Sockets Layer) প্রযুক্তি মূলত ওয়েবসাইটে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- HTTP (HyperText Transfer Protocol) হলো unencrypted, তাই এটি man-in-the-middle attacks বা data interception-এর জন্য vulnerable।
- HTTPS হল HTTP-এর secured version, যেখানে SSL/TLS encryption ব্যবহৃত হয় data security নিশ্চিত করার জন্য।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
Source: Rudiments of Computer Science
ব্যাখ্যা
• কম্পাইলার সাধারণত ইন্টারপ্রেটারের তুলনায় দ্রুত কার্যকর হয়। কারণ কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একবারে মেশিন কোডে অনুবাদ করে, ফলে প্রোগ্রাম চালানোর সময় সরাসরি কম্পিউটার প্রসেসর সেই কোডটি কার্যকর করে। অন্যদিকে ইন্টারপ্রেটার কোডকে প্রতি লাইনে পড়ে এবং অনুশীলনের সময়ই অনুবাদ করে, যা সময়সাপেক্ষ। তাই বড় এবং জটিল প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কম্পাইলার বেশি দ্রুততার সুবিধা দেয়। যদিও IDE বা অন্যান্য টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য দেখা যেতে পারে, সাধারণভাবে, কার্যকরতার দিক থেকে কম্পাইলার ইন্টারপ্রেটারের চেয়ে এগিয়ে।
- সুতরাং দ্রুত কার্যকর হওয়ার দিক থেকে উত্তর হবে কম্পাইলার।
• অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- বর্তমানে হাজার খানেক প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত, যদিও সব ভাষা সমানভাবে জনপ্রিয় নয়।
- কম্পিউটারের প্রসেসর কেবল বাইনারি ভাষা অর্থাৎ 0 ও 1-এর সংকেত বুঝে।
- তাই বিভিন্ন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রূপান্তর করতে হয়।
- এই কাজটি করার জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যাকে বলে অনুবাদক প্রোগ্রাম।
• নিচে তিন ধরনের অনুবাদকের বর্ণনা দেওয়া হলো:
১। অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম।
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে।
- এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।
২। কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে ভাষার গঠনগত নিয়ম (Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
- যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়। সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল।
- তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।
৩। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে।
- অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ।
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quarter Pro ইত্যাদি।
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
- এমএস অফিস,
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- নেটস্কেপ নেভিগেটর,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল,
- পেজ মেকার,
- ফটোশপ,
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
• উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো:
- ব্যাংকিং সফটওয়্যার,
- ইলেকট্রনিস কমার্স,
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
Google এর সদরদপ্তর অবস্থিত- মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
গুগল প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ৪০ হাজার অনুসন্ধানের জবাব বের করে- প্রতিদিন যার মানে সাড়ে তিন বিলিয়ন অনুসন্ধান (ফোর্বসের হিসাব)।
গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম নাম দিয়েছিলেন ব্যাকরাব।
অফিসের বাইরে বার্তা যোগাযোগের মাধ্যমে প্রথম গুগল ডুডল চালু হয় ১৯৯৮ সালের ৩০ অগাস্ট।
সূত্র: Google ওয়েবসাইট, বিবিসি ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে 'Bluetooth' প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলো স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলো পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
- এটি IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষের দরুন আজকের যুগে ঘরের কোণে বসে নিজস্ব ছোট্ট কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একটি বিশালাকার কম্পিউটারকে ভাড়ার মাধ্যমে যথেচ্ছা ব্যবহার করা যায় এবং যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেই কম্পিউটারে সংরক্ষণও করা যায়, এই বিশালাকার কম্পিউটারের ধারণাটিই ক্লাউড কম্পিউটিং।
- আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিগত সবকিছুই চলছে এই ক্লাউড কম্পিউটিং ধারণার উপর ভিত্তি করে, 'ক্লাউড' শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত।
- ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে যে কোনো ব্যবহারকারী পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিশাল তথ্যভান্ডার দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবহার এবং সংরক্ষণ করতে পারেন।
- বিনামূল্যের এবং অর্থের বিনিময়ে উভয় প্রকার সার্ভিস ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্তর্গত। এক্ষেত্রে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে থাকে, ক্রেতা বা ব্যবহারকারী নিজস্ব কম্পিউটার ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভিসদাতা সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে প্রয়োজনীয় কম্পিউটিংয়ের কাজ সমাধা করে থাকে।
- ক্লাউড কম্পিউটিংকে সমন্বিত টেকনোলজি হিসেবে গণ্য করা হয়, যার দ্বারা ব্যবহারকারী এবং সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ই ব্যাবসায়িকভাবে লাভবান হয়ে থাকেন।
- ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্ধতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- একক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় কিংবা থার্ড পার্টির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয় যাতে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, এ ধরনের ক্লাউডকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এ সব পরিচালনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, তবে অনেক বড় প্রতিষ্ঠানের অনেক শাখায় ডেটা সেন্টার না বসিয়ে একটিমাত্র ক্লাউড ডেটা সেন্টার স্থাপন করলে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সাশ্রয়ী হয়।
২। পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ক্লাউডকে পাবলিক ক্লাউড বলে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত সকলের বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ এবং অন্যান্য রিসোর্স ইত্যাদির সার্ভিসযুক্ত ক্লাউড-ই পাবলিক ক্লাউড।
- Amazon, Microsoft এবং Google ইত্যাদি তাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
৩। হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- দুই বা ততোধিক ধরনের ক্লাউডের (প্রাইভেট, পাবলিক বা কমিউনিটি) সংমিশ্রণই হলো হাইব্রিড ক্লাউড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্লাউড পৃথক বৈশিষ্ট্যের হলেও এক্ষেত্রে একই সাথে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে।
- ক্লাউড সার্ভিসের ক্ষমতাবৃদ্ধির জন্য একাধিক ক্লাউডকে একীভূত করা হয়ে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।
• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).
• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।
• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।
• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- মেলিসা,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ (CIH) ইত্যাদি।
কয়েকটি এন্টিভাইরাসের নাম:
- Norton,
- McAfee,
- Bitdefender,
- Kaspersky,
- AVG,
- Avast,
- Windows Defender (Microsoft Defender),
- Panda,
- Avira,
- Comodo,
- BullGuard.
সূত্র:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।
• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।
• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।
• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে ফাইলের ফরম্যাট নির্দেশকারী একটি সুচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে।
- আরও কিছু ফাইল এক্সটেনশন এর উদাহরণসমূহ-
Picture files-
.bmp
.gif
.jpg
.png
Music and sound files-
.mp3
.wav
Operating system files
.dll
.exe
Text and word processing documents-
.doc
.docx
.rtf
.txt
Spreadsheet files-
.xls
.xlsx
.xlr
.csv
Web Page files-
.htm
.html
সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক Maurice Wilkes এর নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে EDSAC কম্পিউটারটির নির্মাণ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালে এতে প্রথম প্রোগ্রাম run করে।
- ইনপুট যন্ত্র হিসাবে punched tape ব্যবহৃত হতো।
- এই কম্পিউটারের মেমরি হিসাবে Mercury Delay Line tubes ব্যবহৃত হতো।
- EDSAC একটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) MAN.
• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(MAN):
- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ইন্টারপ্রেটার লাইন ধরে অনুবাদ করে এবং কোনো লাইনে ভুল পেলেই সঙ্গে সঙ্গে অনুবাদ বন্ধ করে দেয়।
• ইন্টারপ্রেটার(Interpreter):
- প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে।
- আকারে ছোট ধরনের প্রোগ্রাম।
- প্রোগ্রাম নির্বাহের গতি তুলনামূলক ধীর।
- কাজ করার জন্য প্রধান মেমরিতে কম জায়গা প্রয়োজন।
- ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধনের ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।
- প্রতিটি লাইনের ভুল দেখিয়ে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ করে দেয়।
• অন্যান্য অপশন:
- কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করে এবং সব ভুল শেষে দেখায়।
- লিঙ্কার আলাদা অবজেক্ট প্রোগ্রাম যুক্ত করে, অনুবাদ করে না।
- লোডার প্রোগ্রাম মেমরিতে লোড করে, ত্রুটি শনাক্তের কাজ করে না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- অনেকে রেমন্ড টমলিনসনকে (Ray Tomlinson) ইমেইলের জনক মনে করে।
- তিনি ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম আরপানেট ব্যবহার করে পরীক্ষামূলক ইমেইল প্রেরণ করেন।
- এই মেইলে তিনি সর্বপ্রথিম ''@'' চিহ্ন ব্যবহার করেন।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2.
- যেমন: (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
- এই পদ্ধতির 0 এবং 1 এই অংক দু'টিকে সংক্ষেপে বিট (Binary থেকে Bi এবং Digit থেকে t নিয়ে Bit) বলা হয়।
- 0 এবং 1 কে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে কোন সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা সম্ভব।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
১) CISC Processor: Complex Instruction Set Computing. তুলনামূলক কঠিন ইনস্ট্রাকশন ব্যবহার করা হয়। এসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম করার জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Intel Pentium, AMD ইত্যাদি।
২) RISC Processor: Reduced Instruction Set Computing. সরল ও ছোট প্রোগ্রাম এর জন্য ব্যবহৃত হয়। উচ্চতর ভাষায় প্রোগ্রামিং এর জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Motorola Power PC- 601, DEC Alpha- 21064 ইত্যাদি।
৩) Special Purpose Processor: বিশেষ কোনো কাজের উদ্ধেশ্যে বা মূল কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত প্রসেসরগুলোকেই Special Purpose Processor.
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→A, ১১→B, ১২→C, ১৩→D, ১৪→E ও ১৫→F সংখ্যা লিখতে হবে।
ব্যাখ্যা
- ১ অক্টোবর ২০০১ জাপানের এনটিটি ডোকোমো টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান সর্বপ্রথম থ্রিজি বা তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি চালু করে।
- থ্রিজির সুবাদে ভিডিও কলিং বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 3G সেবা চালু করে টেলিটক।
- টেলিটক বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে।
- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।
উৎস: বিবিসি নিউজ রিপোর্ট এবং Sciencedirect website.
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট আবার অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসে অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ওইগুলো দিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে।
- সফল হলে, তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকে।
- এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ।
- প্রযুক্তির ভাষায় একে ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) বলা হয়।
- ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক থেকে পরিত্রানের জন্য কঠিন পাসওয়ার্ড, যেমন পাসওয়ার্ডে Upper case, lower case, number, symbol ইত্যাদির সংমিশ্রণ প্রয়োগ করা উচিত।
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। যেমন:
• ডাটা ইন্টারসেপশন (Data Interception):
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে।
- এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত।
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস এ এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ফটো, ভিডিও, ভয়েস কল বা মেসেজ, ডকুমেন্ট, স্ট্যাটাসের আপডেট) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়।
• ডি ডস অ্যাটাক (DDos Attack):
- ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস হলো একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে অ্যাটাক করা।
• হ্যাকিং (Hacking):
- সাইবার অপরাধীরা অসৎ উদ্দেশ্যে একটি ওয়েবসাইট, কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক ফাংশনের সম্পূর্ণ বা অংশিক নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- সাইবার জগতের এই অপরাধ হলো হ্যাকিং যা ভালো-মন্দ উভয় ধরনেরই হতে পারে।
• কম্পিউটার ম্যালওয়্যার (Computer Malware):
- ম্যালওয়্যার একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন এক ধরনের সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম যা আমাদের কম্পিউটার, মোবাইল বা অন্য কোনো ডিভাইসে আমাদের অনুমতি ছাড়া তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে।
- সেই কার্যক্রম হতে পারে গোপন তথ্য চুরি করা, আমাদের উপর নজরদারি করা, আমাদের ডিভাইসের কার্যক্ষমতা হ্রাস করা বা আমাদের ডিভাইসে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সব ডেটার ক্ষতিসাধন করা।
উৎস:
১. ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
২. IBM Website.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• আইবিএম (IBM):
- IBM হচ্ছে একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- IBM ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথমে নাম ছিল Computing - Tabulating - Recording Company (CTR), পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয় ৷
- IBM কোম্পানিকে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার হলো- IBM 5150.
- IBM কোম্পানির বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হলো- ATM, Hard Disk, Floppy disc.
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম।
- হাইপারলেজার হলো একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি।
উৎস: IBM Website.
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা, অর্থগতভাবে শব্দ দুটি যদিও স্ববিরােধী কিন্তু তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এটি এমন এক ধরনের পরিবেশ তৈরি করে যেটি বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের মতাে চেতনা সৃষ্টি করে এবং মস্তিষ্কে একটি বাস্তব অনুভূতি জাগায়।
আমরা জানি, স্পর্শ, শােনা কিংবা দেখা থেকে মানুষের মস্তিষ্কে একটি অনুভূতির সৃষ্টি হয় যেটাকে আমরা বাস্তবতা বলে থাকি। কতকগুলাে যন্ত্রের সাহায্যে যদি আমরা এই অনুভূতিগুলাে সৃষ্টি করতে পারি তাহলে অবস্থাটি মানুষের কাছে পুরােপুরি বাস্তব মনে হতে পারে। এটি নানাভাবে করা সম্ভব।
অনেক সময় বিশেষ ধরনের চশমা বা হেলমেট পরা হয়, যেখানে দুই চোখে দুটি ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি সৃষ্টি করা হয়। অনেক সময় একটি স্ক্রিনে ভিন্ন ভিন্ন প্রজেক্টর দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে সেই অনুভূতি সৃষ্টি করা হয়।
এই প্রক্রিয়াগুলাে সম্পাদন করার জন্য মূলত কম্পিউটারের সাহায্য নিয়ে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কোনাে একটি পরিবেশ বা ঘটনার বাস্তবভিত্তিক ত্রি-মাত্রিক চিত্রায়ণ করা হয়। তাই বলা যায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলাে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন এক ধরনের কৃত্রিম পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
বিজনেস-টু বিজনেস (বি 2 বি): এই মডেলের একটি ব্যবসা অন্য ব্যবসায় পণ্য বা পরিষেবা বিক্রয় করে।
আলিবাবা একটি শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল বি 2 বি মার্কেটপ্লেস, যা বিশ্বব্যাপী প্রস্তুতকারক ও বিক্রেতার সাথে তাত্ক্ষণিকভাবে সংযুক্ত করতে সহায়তা করে।
Alibaba.com is a leading global B2B marketplace, helping to instantly connect business buyers with manufacturers and wholesalers around the world.
Source: Alibaba.com
ব্যাখ্যা
255.255.255.0
→ এটি একটি বৈধ সাবনেট মাস্ক। তাই ঠিক IP।
127.0.0.1
→ এটি একটি লুপব্যাক অ্যাড্রেস, যা কম্পিউটারে নিজেকেই নির্দেশ করে। বৈধ IP।
192.168.1.256
→ এটি একটি ভুল IP ঠিকানা, কারণ প্রতিটি সেগমেন্ট (অক্টেট) সর্বোচ্চ হতে পারে 255। এখানে শেষ অংশে আছে 256, যা অনুমোদিত সীমার বাইরে। তাই ভুল IP ঠিকানা এটি।
0.0.0.0
→ এটি একটি বিশেষ IP ঠিকানা যা ডিফল্ট গেটওয়ে অথবা কোনও নির্দিষ্ট IP না থাকলে ব্যবহৃত হয়। এটি বৈধ, যদিও সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয় না।
সঠিক উত্তর: C. 192.168.1.256
কারণ এটি একটি ভুল IP ঠিকানা — IP ঠিকানার কোন অংশই 255 এর বেশি হতে পারে না।
⚪ আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5
২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05
৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।
• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি: যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্যবলী মুছে নতুন করে লেখা যায়, তাকে পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি বলে। যেমন: RAM, Magnetic Disk ইত্যাদি।
অপরিবর্তনীয় মেমোরি: যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্যবলী মুছে যায় না, তাকে অপরিবর্তনীয় মেমোরি বলে। যেমন: পাঞ্চ কার্ড, ROM ইত্যাদি।
উদ্বায়ী মেমোরি: বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে যে মেমোরি মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়, তাকে উদ্ধায়ী মেমোরি বলে। যেমন: RAM।
অনুদ্বায়ী মেমোরি: বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে যে মেমোরি মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অনুদ্বায়ী মেমোরি বলে। যেমন: ROM, Disk ইত্যাদি।
ধ্বংসাত্মক মেমোরি: যে মেমোরি পাঠ করবার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়, তাকে ধ্বংসাত্মক মেমোরি বলে। যেমন: চৌম্বক কোর।
অধ্বংসাত্মক মেমোরি: যে মেমোরি পাঠ করবার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অধ্বংসাত্মক মেমোরি বলে।
যেমন: চৌম্বক, রম, ডিস্ক ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
• অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality)
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে চারপাশের জগতেই ভার্চুয়ালি কোন বস্তু যোগ করা হয়ে থাকে।
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality) মূলত বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের কোনকিছুর সাথে আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়বিক অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে দুটি ভিন্ন ঘটনাকে মিলিয়ে দেবার একটি উপায়।
- উদাহরণস্বরূপ, বিদেশের কোন নতুন শহরে গিয়ে সে শহরের কোন কিছুই যদি ভাষার কারণে পড়তে পারা না যায়, তখন অগমেন্টেড রিয়েলিটির স্মার্টফোনটি ওপেন করে বিভিন্ন বিল্ডিং বা হেডলাইনগুলোর দিকে তাক করলেই তা ত্রিমাত্রিকভাবে জানিয়ে দেবে কোন দোকান কীসের এবং রাস্তাটি কোনদিকে গেছে।
- ইদানীং স্মার্টফোনে ভিডিও কলিং-এর সময় আমাদের ফেস-এ যে বিভিন্ন ধরনের মাস্ক বা ইফেক্ট যুক্ত হয়, সেটিও অগমেন্টেড রিয়েলিটির একটি ক্ষুদ্র উদাহরণ।
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি কাজ করে মূলত ক্যামেরার মাধ্যমে।
- বিশেষ ধরনের ক্যামেরার সেন্সরের মাধ্যমে চারপাশের বস্তুগুলোর দূরত্ব ত্রিমাত্রিকভাবে নির্ণয় করা হয়। তারপর সে দূরত্ব প্রসেস করে সেখানে ত্রিমাত্রিক অগমেন্টেড এলিমেন্ট যুক্ত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• চ্যাটজিপিটি মূলত Narrow AI বা সংকীর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদাহরণ। Narrow AI এমন ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা নির্দিষ্ট একটি কাজ বা সীমিত ক্ষেত্রে দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারে, যেমন ভাষা বোঝা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, বা চিত্র সনাক্তকরণ। এটি মানুষের সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মতো সব ধরনের সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম নয়, বরং নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। চ্যাটজিপিটি ভাষা প্রক্রিয়াকরণে পারদর্শী এবং মানুষের সঙ্গে প্রাকৃতিকভাবে যোগাযোগ করতে পারে, কিন্তু এটি স্বতন্ত্র চিন্তাশীল বা জেনারেল নলেজ তৈরি করতে পারে না। তাই এটি General AI বা Superintelligent AI নয়, এবং এটি রোবটিক্সের সরাসরি উদাহরণও নয়।
• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।
• এটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।
- যে কোনো গাণিতিক সমস্যা সহজেই সমাধান করতে পারে।
- যে কোনো টপিকের উপর কন্টেন্ট তৈরি করতে পারে।
- অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি আপনার জন্য গানও লিখে দিতে পারে।
অপশন আলোচনা:
- Narrow AI: চ্যাটজিপিটি হলো Narrow AI-এর উদাহরণ কারণ এটি শুধু নির্দিষ্ট কাজ (ভাষা বোঝা ও তৈরি করা) করতে সক্ষম।
- General AI: General AI এমন যন্ত্র যা মানুষের মতো সমস্ত বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করতে পারে, চ্যাটজিপিটি তা করতে পারে না।
- Superintelligent AI: Superintelligent AI হলো মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে অনেক ছাড়িয়ে যাওয়া কল্পিত AI; চ্যাটজিপিটি তা নয়।
- Robotics: চ্যাটজিপিটি কোনো ফিজিক্যাল রোবট নয়, এটি সফটওয়্যার ভিত্তিক AI.
উৎস:
- Britannica.
- IBM. [link]
ব্যাখ্যা
• সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে যে সেবা গ্রহণ করে তাকে ওয়ার্ক স্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
ব্যাখ্যা
• একটি রেসিডেন্ট ভাইরাস হলো এমন ধরনের ম্যালওয়্যার যা একবার সিস্টেমে প্রবেশ করলে মেমোরিতে থাকে এবং পরে নিজেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ফাইল বা প্রোগ্রামে সংক্রমিত করতে পারে। সাধারণত, এই ধরনের ভাইরাস সক্রিয় হতে প্রয়োজন ব্যবহারকারীর কোনো নির্দিষ্ট কাজ, যা ভাইরাসের কোড চালু করে। প্রোগ্রাম ওপেন করা বা এক্সিকিউট করা (ক) হলো সেই কাজ যা ভাইরাসকে সক্রিয় করে। যখন ব্যবহারকারী সংক্রমিত প্রোগ্রামটি চালায়, তখন ভাইরাস মেমোরিতে লোড হয় এবং অন্যান্য ফাইল বা প্রোগ্রামে নিজেকে সংক্রমিত করতে পারে। মনিটর বন্ধ করা, ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা বা ডেস্কটপের ওয়ালপেপার পরিবর্তন করা ভাইরাস সংক্রমণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং ভাইরাসের কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রোগ্রাম চালানো মূল কারণ।
রেসিডেন্ট ভাইরাসের কাজের প্রক্রিয়া (Working Mechanism):
- যখন ব্যবহারকারী কোনো সংক্রমিত ফাইল চালায়, তখন ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে মেমোরিতে নিজের কোড কপি করে রাখে।
- এরপর ব্যবহারকারী যখন অন্য কোনো ফাইল খুলে, ভাইরাসটি সেই ফাইলগুলোর কোডে নিজের কপি সংযোজন করে।
- এভাবে এটি সিস্টেম ফাইল, এক্সিকিউটেবল ফাইল (.exe, .com), এমনকি বুট সেক্টরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
- কিছু রেসিডেন্ট ভাইরাস অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামকেও প্রতারিত করে, কারণ তারা মেমোরিতে লুকিয়ে থেকে নিজেদের অস্তিত্ব গোপন রাখে।
রেসিডেন্ট ভাইরাসের প্রকারভেদ (Types of Resident Virus):
- Fast Resident Virus:
- খুব দ্রুত ছড়ায়।
- প্রতিটি ফাইল খোলার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমিত করে।
- উদাহরণ: CMOS-RAM Virus.
- Slow Resident Virus:
- ধীরে ধীরে সংক্রমিত করে যাতে ব্যবহারকারী বুঝতে না পারে।
- সাধারণত তখনই ছড়ায় যখন কোনো নির্দিষ্ট কাজ হয় (যেমন: কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম খোলা)।
রেসিডেন্ট ভাইরাসের প্রভাব (Effects on System):
- কম্পিউটার ধীরগতি হয়ে যায় কারণ মেমোরির অংশ ভাইরাস দখল করে।
- ফাইল নষ্ট বা করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে।
- ডেটা হারানো বা বিকৃত হওয়া ঘটতে পারে।
- কখনও অ্যান্টিভাইরাস বা সিকিউরিটি প্রোগ্রাম নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
- সিস্টেম ক্র্যাশ বা বুট ফেইলিউর হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়।
- ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
⚪ ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।⚪ রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
⚪ Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।
⚪ One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।
⚪ One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
⚪ Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Elon Musk একজন বিখ্যাত উদ্যোক্তা এবং প্রকৌশলী।
তিনি বর্তমানে Tesla Inc. এর প্রধান নির্বাহী।
তিনি SpaceX এবং The Boring Company এর প্রতিষ্ঠাতা। এবং, Tesla, পে-প্যাল, X.com (now PayPal), Neuralink, OpenAI, and Zip2 এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
আজ (৮ জানুয়ারি ২০২১) বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে Elon Musk, Bloomberg Billionaires Index এর শীর্ষে অবস্থান করছেন।
অপশনের অন্যদের মধ্যে,
বিল গেটস - মাইক্রসফটের প্রতিষ্ঠাতা।
জেফ বেজোস - আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়াও তিনি মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি Blue Origin এরও প্রতিষ্ঠাতা।
নিকোলাই টেসলা - একজন বিখ্যাত উদ্ভাবক। আধুনিক Alternating Current (AC) Electricity Supply এর কাঠামো উন্নয়নে তার অবদান সবচেয়ে বেশি।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।
• ইন্টারনেটের ব্যবহার:
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (1209A)16
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট 16 টি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 16.
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 16 টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
........... 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 2A 2B 2C 2D 2E 2F..........
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
সর্বনিম্ন স্তর - Physical Layer.
OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।
Source: Cisco Learning Network. [Link]
ব্যাখ্যা
- পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের সার্চ ইঞ্জিনটি চালু হয় ২০১৩ সালে।
- বাংলাদেশের আরেকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হচ্ছে 'চরকি'।
- পিপীলিকা সার্চ ইঞ্জিনটি সবার জন্যই উন্মুক্ত।
- বর্তমানে বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনটির নাম হচ্ছে গুগল।
- সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন এক ধরনের টুল যার সাহায্যে ইন্টারনেটে থাকা অনেক ধরনের তথ্য থেকে সহজেই যেকোনো তথ্য খুঁজে বের করা যায়।
- সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে আমরা বিভিন্ন তথ্য জানতে পারি।
সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা।
ব্যাখ্যা
- DDL এর কয়েকটি কমান্ড-
ব্যাখ্যা
RFID এর পূর্ণরূপ Radio-Frequency Identification.
বারকোড যদি এক অর্থে এক-মাত্রিক ডেটা হয় এবং QR কোড যদি দ্বি-মাত্রিক হয়, তাহলে RFID ট্যাগগুলিকে ত্রিমাত্রিক কোড হিসাবে ভাবা যেতে পারে।
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি বেতার সিস্টেমকে বোঝায় যা দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত: ট্যাগ এবং রিডার।
RFID ট্যাগগুলি তাদের মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে।
RFID এ তথ্য পড়া ও লেখা যায় (ট্যাগ এর মাঝে তথ্য পরিবর্তন করা যায়)।
এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: হাজার হাজার ক্যারেক্টার।
ব্যাখ্যা
- এটি বিজনেস অরিয়েন্টেড বা পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ওয়েব সাইট।
- সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটি পেশাজীবিরা নিজেদের দক্ষতা এবং যোগ্যতা দেখানোর জন্য ব্যবহার করে।
- এটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এবং ২০০৩ সালে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - Reid Hoffman, Eric Ly.
- সদর দপ্তর - Sunnyvale, California.
- সিইও - Ryan Roslansky.
- ২০০৫ সালে কোম্পানিগুলোকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• Python হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।
SQL:
- ইহা এমন এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যেটি তথ্য খোঁজা, তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়।
QBE:
- ইহাও SQL এর মতোই এমন এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যেটি তথ্য খোঁজা, তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়।
Cypher:
- Cypher হল গ্রাফ ডাটাবেসের জন্য ব্যবহৃত একটি কোয়েরি ভাষা, বিশেষ করে Neo4j-এর জন্য। এটি গ্রাফ ডাটা কোয়েরি এবং ম্যানিপুলেট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Python:
- Python হচ্ছে একটি বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি ডেটাবেজ ল্যাংগুয়েজ নয়।
উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম - দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- এর ক্লাউড প্লাটফর্ম Azure.
- Bing হলো মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম।
- Bill Gates এবং Paul Allen মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- এর প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- এর বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।
উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটের গতি বা স্পিড তার ব্যান্ডউইথের উপর নির্ভরশীল।
- প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ ডেটা এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় তাকে অর্থাৎ ডেটা স্থানান্তরের হারকে ব্যান্ডউইথ বলে।
- ব্যান্ডউইথ সাধারণত bit per second (bps) -এ হিসাব করা হয়।
- তবে ইদানীং নেটওয়ার্কে অনেক বেশি ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায় বলে বিপিএস (bps) - এর পরিবর্তে কেবিপিএস (kbps: প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার বিট) বা এমবিপিএস (Mbps: প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বিট) এমনকি জিবিপিএস (Gbps: প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন বিট) অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়।
- আট বিটকে এক বাইট বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - D Flip-Flop.
ফ্লিপ ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0, 1) আছে এবং এটি দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। ধরা যাক, এটি প্রথম অবস্থায় আছে, তাহলে - এটি প্রথম অবস্থাতেই থাকবে যতক্ষণ না এতে বাইরে থেকে একটি তড়িৎপ্রবাহ (যাকে ট্রিগার (Trigger) বলা হয়) দেওয়া হচ্ছে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়।
ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
- বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।
৬.৯.২ ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ:
ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকারের হয়ে থাকে। যথা:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
- D ফ্লিপ-ফ্লপ,
- JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
- T ফ্লিপ-ফ্লপ,
- মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- UNIX হচ্ছে মাল্টি ইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০ শতকের শেষের দিকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- Unix - একটি Open Source Operating System.
- UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কেন থমসন ও ডেনিস রিচি প্রথম উদ্ভাবন করেন।
- তাঁরা একটি PDP-7 মিনিকম্পিউটারে জন্য UNIX- এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন।
- কেন থমসন ও ডেনিস রিচি পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সিস্টেমের ক্যাশ মেমোরি SRAM (Static Random Access Memory) ব্যবহার করে কাজ করে, অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো গ) SRAM। ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে। এই উচ্চগতির জন্য SRAM ব্যবহার করা হয়, কারণ এতে রিফ্রেশ করার প্রয়োজন নেই এবং DRAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। যদিও SRAM ব্যয়বহুল ও ধারণক্ষমতা কম, তবুও প্রসেসরের কর্মদক্ষতা বাড়াতে এটি সবচেয়ে উপযোগী। PROM, DRAM বা SDRAM ক্যাশ মেমোরির মতো দ্রুত ও স্থিতিশীল পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম নয়।
ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে SRAM-এ।
• স্ট্যাটিক র্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- অ্যাসেম্বলি বা উচ্চতর ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রাম এবং মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রাম বলা হয়।
- সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করার জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- মেশিনের ভাষায় প্রোগ্রাম অনুবাদ করার জন্য 0 এবং 1 এই দু'টি বাইনারি ডিজিট ব্যবহার করা হয়। সোর্স প্রোগ্রামকে অনুবাদ করার জন্য তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম আছে। যেমন:
১. কম্পাইলার (Compiler),
২. অ্যাসেম্বলার (Assembler) ও
৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)
১. কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
২. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।