বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৯৩ / ১৩১ · ৯,২০১৯,৩০০ / ১৩,০৮৮

৯,২০১.
মার্ক-১ কম্পিউটারটির দৈর্ঘ্য কত ছিল?
  1. ৫১ ফুট
  2. ৩ ফুট
  3. ৩১ ফুট
  4. ৫ ফুট
ব্যাখ্যা
• মার্ক-১ কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- এটি পৃথিবীর প্রথম অটোমেটিক স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্র।
-  এর সাহায্যে যােগ, বিয়ােগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশান ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
- এর দৈর্ঘ্য ৫১ ফুট, লম্বা, ৮ ফুট এবং ওজন প্রায় ৫ টন।
- মার্ক-১ এ ব্যবহৃত হয়েছিল ৭,৬৫,০০০টি বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং শতাধিক মাইল লম্বা তার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২০২.
বাংলাদেশের ই-কমার্স ‘দারাজ’ বর্তমানে কোন কোম্পানীর মালিকানাধীন?
  1. ক) আলিবাবা
  2. খ) অ্যামাজন
  3. গ) Ebay
  4. ঘ) ফ্লিকার
ব্যাখ্যা
দারাজ হল চীনা মালিকানাধীন অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটি দক্ষিণ এশিয়ায় কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এটি ২০১২ সালে জার্মান কোম্পানি রকেট ইন্টারনেটের মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালের মে মাসে চীনা কোম্পানি আলিবাবা গ্রুপ দারাজ কিনে নেয়।
৯,২০৩.
কোন কম্পোনেন্ট CPU-এর জন্য দ্রুততম তথ্য পড়ার সক্ষমতা প্রদান করে?
  1. RAM
  2. Registers
  3. Hard Drive
  4. ROM
ব্যাখ্যা

• CPU-এর জন্য দ্রুততম তথ্য পড়ার সক্ষমতা প্রদান করে Registers। Registers হল ছোট, খুব দ্রুতগতির স্টোরেজ ইউনিট যা সরাসরি CPU-এর ভেতরে থাকে। যখন CPU কোনো গণনা বা প্রসেসিং করে, তখন এটি প্রথমে Registers থেকে তথ্য পড়ে, কারণ এগুলি RAM বা Hard Drive-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। RAM একটি অপেক্ষাকৃত বড়, কিন্তু ধীরগতি স্টোরেজ যা CPU-এর সাথে মধ্যবর্তী স্তরে কাজ করে। Hard Drive বা SSD অনেক বড় কিন্তু অনেক ধীর এবং প্রাথমিকভাবে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM সাধারণত স্থায়ী তথ্য রাখে এবং এটি শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই দ্রুততম অ্যাক্সেসের জন্য Registers অপরিহার্য।

- উত্তর: খ) Registers.

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৯,২০৪.
সুপারকম্পিউটারের গতি পরিমাপে FLOPS ব্যবহার করা হয়। এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Floating Line Operations Per Second
  2. Fast Logical Operations Per Second
  3. Floating Point Operations Per Second
  4. Fixed Point Operations Per Second
ব্যাখ্যা

• সুপারকম্পিউটারের গতি বা কর্মক্ষমতা পরিমাপের জন্য সাধারণত FLOPS এককটি ব্যবহার করা হয়। FLOPS দ্বারা বোঝায় একটি কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো গাণিতিক হিসাব করতে পারে, বিশেষ করে দশমিক বা ভগ্নাংশযুক্ত সংখ্যার ক্ষেত্রে। কারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি জটিল কাজে floating point গণনার প্রয়োজন হয়। তাই সুপারকম্পিউটারের প্রকৃত ক্ষমতা বোঝাতে এই পরিমাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। FLOPS-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Floating Point Operations Per Second.

• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৯,২০৫.
কোনটি Cloud Computing - এর প্রোভাইডার নয়?
  1. Oracle Cloud
  2. Microsoft Azure
  3. Google Cloud Platform
  4. WPS Cloud Office
ব্যাখ্যা
• WPS Cloud Office ক্লাউড কম্পিউটিং- এর প্রোভাইডার নয়।
- তবে WPS Office হচ্ছে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS),
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)।

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পাবলিক ক্লাউড,
২. প্রাইভেট ক্লাউড,
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

• কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP),
- IBM Cloud,
- Oracle Cloud, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,২০৬.
MongoDB কোন শ্রেণীর ডাটাবেজের অন্তর্ভুক্ত?
  1. Time-series ভিত্তিক ডাটাবেজ
  2. Graph ভিত্তিক ডাটাবেজ
  3. Relational বা টেবিল-ভিত্তিক ডাটাবেজ
  4. NoSQL ভিত্তিক ডকুমেন্ট ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

• MongoDB হলো একটি NoSQL Document-Oriented Database.

ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

৯,২০৭.
রাউটার OSI মডেলের কত তম স্তরে কাজ করে?
  1. প্রথম
  2. চতুর্থ
  3. সপ্তম
  4. তৃতীয়
ব্যাখ্যা
[রাউটার OSI মডেলের তৃতীয় স্তর Network layer এ কাজ করে। রাউটার এমন একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযােগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ছােট আকারের ভিন্ন ভিন্ন গঠনের একাধিক LAN সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তােলা যায়।]

• OSI (Open System Interconnection): OSI মডেল মূলত একটি ওপেন স্ট্যান্ডার্ডস যার উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কিং ডিভাইস সমূহ তৈরি করা হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেলের স্তর ৭ টি।
- উপরের ৩টি লেয়ারকে Upper Layer এবং নিচের ৪টি লেয়ারকে Lower layer বলে।
- OSI মডেলের স্তর গুলো হল:
• Layer 7- Application Layer.
• Layer 6- Presentation Layer.
• Layer 5- Session Layer.
• Layer 4- Transport Layer.
• Layer 3- Network Layer.
• Layer 2- Data Link Layer.
• Layer 1- Physical Layer.

উৎস: আমাজন ওয়েবসাইট।
৯,২০৮.
কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. তথ্য পুনরুদ্ধার করা
  2. স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ
  3. CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি
  4. ব্যাকআপ নেওয়া
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি। ক্যাশ মেমোরি হল একটি উচ্চগতির অস্থায়ী মেমোরি যা প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
- সঠিক উত্তর: CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৯,২০৯.
প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে বাইরের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Malware
  2. Firewall
  3. Access Point
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে বাইরের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্কে আসা এবং যাওয়া ডেটার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখে। ফায়ারওয়াল অনুমোদিত ডেটাকে প্রবেশ করতে দেয় এবং সন্দেহজনক বা ক্ষতিকর ডেটাকে ব্লক করে। এটি হ্যাকার, ভাইরাস বা অন্যান্য অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখে। অন্য অপশন যেমন ম্যালওয়্যার বা অ্যাক্সেস পয়েন্ট এই ধরনের সুরক্ষা সরাসরি প্রদান করে না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Firewall.


• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহৃত হয় নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে অননুমোদিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে রক্ষা করতে এবং সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা একটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নেটওয়ার্ক (ইন্ট্রানেট) এবং ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ফায়ারওয়াল সাধারণত কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে তৈরি করা হয়।
- একটি ফায়ারওয়ালের সাথে সাধারণত রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) যুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল একটি প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে, যা প্রবেশ পথকে নিরাপদ রাখে এবং ডেটার ফিল্টারিং করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং প্রতিরোধে সহায়ক হলেও সবসময় সফলভাবে প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।

৯,২১০.
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কোনটি?
  1. মেয়ান
  2. ট্যালি
  3. বাইনারি
  4. হায়ারোগ্লিফিক্স
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি (Number System): 
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি। 
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System):
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System):
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২১১.
"B" এর ASCII ভ্যালু কত?
  1. 66
  2. 67
  3. 65
  4. 97
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২১২.
Samsung কোন দেশভিত্তিক কোম্পানি?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) হংকং
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
The Samsung Group is a South Korean multinational conglomerate headquartered in Samsung Town, Seoul.
৯,২১৩.
ডেটাবেজ সিস্টেমে কলামের হেডিংকে বলা হয় -
  1. ক) সারি
  2. খ) রেকর্ড
  3. গ) ফিল্ড
  4. ঘ) টেবিল
ব্যাখ্যা
- ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো কতগুলো কলাম এবং সারির সমন্বয়।
- প্রতিটি কলামের উপরে একটি হেডিং বা শিরোনাম থাকে যাকে ফিল্ড বলা হয়।
- কয়েকটি ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড বা সারি।
- আর একাধিক রেকর্ডের সমন্বয়ে গঠিত একটি টেবিল।
- এক বা একাধিক টেবিলের সমন্বয়কে বলা হয় ডেটাবেজ।

(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,২১৪.
ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. WPA2
  2. SSID
  3. Piconet
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট বলে।
- দুটি পাশাপাশি পিকোনেট একটি সাধারণ স্লেভ নোডের মাধ্যমে যুক্ত হলে এ দুটিকে পিকোনেটকে একসাথে স্কারনেট বলে।

• SSID হচ্ছে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক নেইম।
• WPA2 হচ্ছে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি পাসওয়ার্ড নির্দেশ করে।
• IMAP প্রটোকলটি ই-মেইলে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,২১৫.
(469)10 = (?)8
  1. 825
  2. 425
  3. 925
  4. 725
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) (469)10 = (725)8

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যার বেজ ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD-Most Significant Digit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSD-Least Significant Digit) পর্যন্ত অক্টাল মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (469)10 = (725)8

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২১৬.
প্ল্যাজিয়ারিজম এড়াতে আপনার কী করা উচিত?
  1. রেফারেন্স ব্যবহার না করা
  2. শুধু কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন করা
  3. একাধিক ওয়েবসাইট থেকে কপি করা
  4. সব উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা
ব্যাখ্যা

• প্ল্যাজিয়ারিজম এড়াতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ব্যবহৃত সব তথ্যের উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা। কোনো বই, প্রবন্ধ, ওয়েবসাইট বা গবেষণা থেকে ধারণা, তথ্য বা উদ্ধৃতি নিলে অবশ্যই তার রেফারেন্স দিতে হয়। শুধু কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন করা বা একাধিক ওয়েবসাইট থেকে কপি করলেও প্ল্যাজিয়ারিজম এড়ানো যায় না। আবার রেফারেন্স ব্যবহার না করাও সম্পূর্ণ ভুল। সঠিকভাবে উৎস উল্লেখ করলে মূল লেখকের প্রতি সম্মান দেখানো হয় এবং নিজের লেখার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে। তাই প্ল্যাজিয়ারিজম এড়ানোর সঠিক উপায় হলো সব উৎস যথাযথভাবে উল্লেখ করা।
 
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

৯,২১৭.
'Undo' ফাইলকে পুনরায় 'Redo' কীভাবে করা হয়?
  1. ক) Ctrl+C
  2. খ) Ctrl+V
  3. গ) Ctrl+x
  4. ঘ) Ctrl+y
ব্যাখ্যা
কোন ফাইল কপি করতে Ctrl+C, পেস্ট করতে Ctrl+V, কোন ফাইল কর্তনে Ctrl+X, কোনো ফাইল Undo করতে Ctrl+Z, Undo ফাইলকে পুনরায় করতে বা Redo করতে Ctrl+Y ব্যবহৃত হয়।
৯,২১৮.
একটি URL এর কয়টি অংশ থাকে?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
♦ URL: 
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator .
- একটি ওয়েবসাইট বা পেইজের পুর্ণাঙ্গ অ্যাড্রেসকে URL বলে। যেমন: http://www.xyz.com. 

একটি URL এর তিনটি অংশ থাকে। যথা- 
১. প্রোটোকল নেইম,
২. হোস্টনেইম এবং
৩. ফাইল নেইম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,২১৯.
প্রথম কম্পিউটার প্রােগ্রাম রচনা করেন-
  1. ক) রেমন্ড টমলিনসন
  2. খ) রবার্ট নয়েস
  3. গ) অ্যাডা অগস্টা বায়রন
  4. ঘ) ডেনিস রিচি
ব্যাখ্যা
লর্ড বায়রনের মেয়ে ‘লেডি অ্যাডা অগস্টা বায়রন’ প্রথম কম্পিউটার প্রােগ্রাম রচনা করেন।
- চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানাের জন্য তিনি ‘প্রােগ্রামিং’ - এর ধারনা সামনে নিয়ে আসেন।
- এ কারণে তাকে পৃথিবীর প্রথম প্রােগ্রামার এবং প্রােগ্রামের জনক বলা হয়।
[উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)]
৯,২২০.
টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে সভা করাকে কি বলা হয়?
  1. টেলিকমিউনিকেশন
  2. টেলকনফারেন্স
  3. টেলিকনফারেন্সিং
  4. ভিডিও চ্যাটিং
ব্যাখ্যা
• টেলিকনফারেন্সিং:
- টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং।
- টেলিকনফারেন্সিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন সভা, সেমিনার বা দলবদ্ধভাবে যোগাযোগ করা যায়।
- বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো ব্যক্তিই টেলিফোন মাধ্যম ব্যবহার করে টেলিকনফারেন্সিং করতে পারে।
- এই ব্যবস্থায় সভায় অংশগ্রহণকারীরা কী বোর্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কম্পিউটারে তাদের বক্তব্য বা জবাব পাঠায়।
- বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন-পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স, রিড অনলি কনফারেন্স ইত্যাদি।
- পাবলিক কনফারেন্স সবার জন্য উম্মুক্ত।
- ক্লোজড কনফারেন্স সবার জন্য উন্মুক্ত নয়, পাসওয়ার্ড প্রটেকটেড। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে এই কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করা যায়।
- টেলিকনফারেন্সিং সফটওয়্যার ব্যবস্থার মাধ্যমে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- অডিও-ভিজ্যুয়াল পদ্ধতিতে সভা করাকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,২২১.
এম এস ওয়ার্ডে কোন টেক্সট কে আনডু করতে হলে কি বোর্ডের নিচের কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ctrl + y
  2. খ) ctrl + z
  3. গ) alt + y
  4. ঘ) shift + z
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

কোন ফাইল কপি করতে Ctrl + C,
পেস্ট করতে Ctrl + V,
কোন ফাইল কর্তনে Ctrl + X,
কোনো ফাইল Undo করতে Ctrl + Z,
Undo-কৃত ফাইলকে Redo করতে Ctrl + Y ব্যবহৃত হয়,
কোনো কিছু খুজে বের করতে Ctrl + F।

৯,২২২.
কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মের সময়কাল -
  1. ক) ১৯৮৫ - ২০১৮
  2. খ) ১৯৭৯ - ২০১৯
  3. গ) ১৯৬৯ - বর্তমান
  4. ঘ) ১৯৭১ - বর্তমান
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation 1971-)
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হল ১৯৭১ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত।
এই সময়ে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতাও অধিক বৃদ্ধি পায়।

১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইনটেল কোম্পানি এমএসসি-৪ (MSC-4) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে। এই মাইক্রোপ্রসেসরে মোট ২২০০ টি ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহার করা হয়েছিল। মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে (Chip) ধারণ করা সম্ভব হয়। বর্তমানে প্রায় ১ বর্গ ইঞ্চির একটিমাত্র চিপে ৩০ লাখ পর্যন্ত ট্রনজিস্ট্রর সন্নিবেশিত করে মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল:
- বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার,
- অধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা,
- উন্নত কার্যকারিতা ও নির্ভলশীলতা।
- এই সময়ই প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রচলন শুরু হয়।
- এই সময় মাইক্রোকম্পিউটারের আবির্ভাব ও বিকাশ ঘটে।
- উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য কম্প্যাক্ট ডিস্ক (Compact Disc) বা সিডি (CD) তৈরি হয়।
- IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২২৩.
The IEEE standard of WiMAX technology is-
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.16
  4. IEEE 802.3
ব্যাখ্যা

• WiMAX প্রযুক্তির IEEE মান হলো IEEE 802.16.

• WiMAX:
- WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) হলো একটি wireless broadband প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকাজুড়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়।

• WiMAX–এর IEEE Standard:
- WiMAX প্রযুক্তির জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মান হলো IEEE 802.16.
- IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) বিভিন্ন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির জন্য এই ধরনের মান নির্ধারণ করে।
- IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করার ফলে WiMAX ডিভাইসগুলো পরস্পরের সাথে compatibility বজায় রেখে কাজ করতে পারে।

• WiMAX Forum-এর ভূমিকা:
- “WiMAX” নামটি প্রদান করে WiMAX Forum, যা ২০০১ সালের জুন মাসে গঠিত হয়।
- এই ফোরাম WiMAX প্রযুক্তির উন্নয়ন, মান নির্ধারণ ও বিশ্বব্যাপী প্রসারে কাজ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- IEEE 802.11 হলো Wi-Fi প্রযুক্তির স্ট্যান্ডার্ড।
- IEEE 802.15 মূলত Bluetooth ও PAN (Personal Area Network)–এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- IEEE 802.3 হলো Ethernet বা wired LAN–এর স্ট্যান্ডার্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২২৪.
কোনটি P2P নেটওয়ার্কের প্রায়শই ব্যবহৃত উদাহরণ?
  1. BitTorrent ফাইল শেয়ারিং
  2. Netflix-এর স্ট্রিমিং
  3. কর্পোরেট সার্ভার
  4. ওয়েব হোস্টিং
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ক) BitTorrent ফাইল শেয়ারিং। 

P2P (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্ক হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপন করে ফাইল বা ডেটা শেয়ার করে। এতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বাধ্যতামূলক নয়, বরং প্রতিটি ব্যবহারকারী নেটওয়ার্কে সমানভাবে অংশগ্রহণ করে। BitTorrent ফাইল শেয়ারিং হলো এর একটি সুপরিচিত উদাহরণ। এখানে ব্যবহারকারীরা ফাইলের অংশ ভাগ করে নেন এবং একে অপরকে আপলোড ও ডাউনলোডের মাধ্যমে সহায়তা করেন। অন্যদিকে, Netflix-এর স্ট্রিমিং, কর্পোরেট সার্ভার এবং ওয়েব হোস্টিং কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহার করে কাজ করে, যা P2P নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যের সাথে মেলে না। P2P-এ তথ্য বিনিময় দ্রুত, নিরাপদ এবং বিকেন্দ্রীভূতভাবে ঘটে।
 
 • নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- researchgate [link]

৯,২২৫.
দশমিক সংখ্যা 10 এর হেক্সাডেসিমেল মান নিচের কোনটি?
  1. ক) A
  2. খ) 8
  3. গ) D
  4. ঘ) F
ব্যাখ্যা
 
৯,২২৬.
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. কোনো অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন হয় না
  2. ইন্টারনেট ব্রাউজিং হিস্ট্রি
  3. ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র
  4. ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড
ব্যাখ্যা
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA): 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন-এর অর্থ হচ্ছে যখন ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করা হয় তখন একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড যা ৬ ডিজিটের হয়ে থাকে) ফোনে বা মেইলে আসে। 
অর্থাৎ, টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) ব্যবহার করা হয়। 
- যখন সেই ওটিপি সঠিকভাবে দেওয়া হয় তখনই কেবল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়, অন্যথায় নয়। 
- OTP সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হয়, একবার ব্যবহার করার পরে OTP এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে একই OTP আর ব্যবহার করা যায় না। 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন চালু থাকলে সাইবার অপরাধীর পক্ষে কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। 
- বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিভিন্ন প্রয়োজনে এবং বিনোদনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাবহার করা হয়। তবে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যে, কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা যায় এবং কোনগুলো করা যায় না। 
- হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডকৃত বিভিন্ন কনটেন্ট এর সূত্র ধরে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে কোনো প্রতারণার মাধ্যমে অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে তাই এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,২২৭.
নিচের কোনটি একটি স্প্রেডশিট (Spreadsheet) প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. MS-Word
  2. Oracle
  3. Lotus 1-2-3
  4. Foxpro
ব্যাখ্যা

Lotus 1-2-3  একটি স্প্রেডশিট (Spreadsheet) প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
যেমন-
• Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
• Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
• Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২২৮.
What type of platform is X?
  1. A search engine
  2. Cloud computing platform
  3. Microblogging service
  4. E-commerce site
ব্যাখ্যা
X একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এবং মাইক্রোব্লগিং সেবা।

X:
- X এর পূর্ব নাম Twitter.
- এটি একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এবং মাইক্রোব্লগিং সেবা।
- এটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্ল্যাটফর্মে ২৮০ অক্ষরের বেশি নয় — এমন ছোট বার্তা বা টুইট পাঠানো হয়।
- ২১শ শতকের শুরুর দিকে রাজনীতি ও সংস্কৃতি গঠনে Twitter/X-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল।
- Twitter-এর উত্তরসূরি X Corp.
- X Corp. এর মালিকানা রয়েছে X Holdings Corp.-এর কাছে।
- X Holdings Corp.-এর মালিক হলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী আমেরিকান উদ্যোক্তা Elon Musk.
- এটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদানে সহায়ক একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,২২৯.
ডেটাবেজের ওয়ার্কশিটে কোন কমান্ড ব্যবহার করে ছবি যুক্ত করা যায়?
  1. ক) Table
  2. খ) Illustration
  3. গ) Chart
  4. ঘ) Link
ব্যাখ্যা

Illustration কমান্ড গ্রুপ দ্বারা ওয়ার্কশিটে Picture, Clipart, Shapes, ও SmartArt সংযুক্ত করা যাবে।

Chart কমান্ড গ্রুপ দ্বারা বিভিন্ন ধরনের চার্ট এনে চার্ট ফরম্যাটিং করা যায়।
Insert রিবনে Links গ্রুপ থেকে যে কোন ধরনের Hyperlink তৈরি করা যায়।
Table কমান্ড গ্রুপে Table, Pivot Table, Pivot Chart কমান্ডগুলো থাকে। এ কমান্ডগুলো দিয়ে Pivot Table, Pivot Chart তৈরি করে তথ্য উপস্থাপন করা যায়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৯,২৩০.
রেডিও ও টিভি সম্প্রচারে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহৃত হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা

• রেডিও ও টিভি সম্প্রচারে সিমপ্লেক্স (Simplex) ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহৃত হয়।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের ধারণা:
- ডাটা প্রবাহের দিক বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোড তিন প্রকার—সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স।

• সিমপ্লেক্স (Simplex):
- সিমপ্লেক্স হলো একমুখী ডাটা প্রেরণের মোড।
- এ পদ্ধতিতে ডাটা শুধু প্রেরক থেকে গ্রাহকের দিকে যায়।
- গ্রাহক প্রেরকের দিকে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- তাই রেডিও ও টিভি সম্প্রচারে সিমপ্লেক্স মোড ব্যবহৃত হয়।

• হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- উভয় দিকেই ডাটা প্রেরণ সম্ভব।
- তবে একই সময়ে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- উভয় প্রান্ত একসাথে কথা বলতে ও শুনতে পারে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল ফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২৩১.
পার্সোনাল কম্পিউটার এর মেইন সার্কিট বোর্ড নিচের কোনটি?
  1. Motherboard
  2. ROM Brard
  3. RAM Board
  4. System Unit
ব্যাখ্যা
- একটি পিসির প্রধান সার্কিট বোর্ডকে "মাদারবোর্ড" বলা হয়। 
- মাদারবোর্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা একটি কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদান এবং পেরিফেরালগুলিকে সংযুক্ত এবং আন্তঃসংযোগ করার জন্য কেন্দ্রীয় হাব হিসাবে কাজ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৯,২৩২.
কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. AFA
  2. ADA
  3. AEA
  4. APA
ব্যাখ্যা
ADA হচ্ছে কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা।

প্রোগ্রামিং ভাষা:
- অগাস্টা অ্যাডা বায়রন বিখ্যাত কবি লর্ড বায়রনের কন্যা ।
- ডাক নাম ছিল 'কাউন্টেস অফ লাভলেস' বা 'অ্যাডা লাভলেস'।
- তিনি চার্লস ব্যাবেজ এর আবিষ্কৃত কম্পিউটারের বা ডিফারেন্স মেশিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম লেখেন।
- ADA হচ্ছে কম্পিউটার এর প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা।
- লেডি অ্যাডা আগাস্টার নাম অনুসারে নামকরণ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৩৩.
Transmission Control Protocol (TCP) OSI রেফারেন্স মডেলের কোন্ লেয়ারের প্রোটোকল?
  1. অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার 
  2. নেটওয়ার্ক লেয়ার
  3. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার 
  4. ডেটালিঙ্ক লেয়ার
ব্যাখ্যা

• Transmission Control Protocol (TCP) হলো OSI রেফারেন্স মডেলের Transport Layer বা ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের প্রোটোকল। এটি ডেটা ট্রান্সফারকে নির্ভরযোগ্য ও সিকোয়েন্স অনুযায়ী সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। TCP ডেটা প্যাকেটগুলোকে ছোট ছোট সেগমেন্টে ভাগ করে প্রেরণ করে এবং গন্তব্যে সেগুলি সঠিক ক্রমে পুনরায় একত্রিত করে। এটি সংযোগভিত্তিক (connection-oriented) প্রোটোকল, অর্থাৎ প্রেরক এবং গ্রহণকারী মধ্যে প্রথমে সংযোগ স্থাপন করে তারপর ডেটা আদানপ্রদান শুরু হয়। এছাড়া TCP ডেটা হারের নিয়ন্ত্রণ (flow control) এবং ত্রুটি শনাক্তকরণের (error detection) সুবিধাও প্রদান করে, ফলে ডেটার ক্ষতি বা ভুল স্থানান্তর কমে। সুতরাং TCP সরাসরি ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে কাজ করে।

- সঠিক উত্তর: গ) ট্রান্সপোর্ট লেয়ার। 

OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

Source: AWS. [link]

৯,২৩৪.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা B5D এর সমতূল্য ডেসিমেল মান কত?
  1. 2634
  2. 2784
  3. 2909
  4. 3012
ব্যাখ্যা
(B5D)₁₆
= (11 × 16²) + (5 × 16¹) + (13 × 16⁰)
= 2816 + 80 + 13
= (2909)₁₀
৯,২৩৫.
ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কিত প্রথম ধারণা দেন কে?
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. রিচার্ড ফাইনম্যান
  3. আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. নিলস বোর
ব্যাখ্যা

 • ১৯৫৯ সালে “There’s Plenty of Room at the Bottom” বক্তৃতায় রিচার্ড ফাইনম্যান ন্যানো টেকনোলজির প্রাথমিক ধারণা দেন।
- নিউটন শাস্ত্রীয় বলবিদ্যার জন্য পরিচিত।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা ও কোয়ান্টাম তত্ত্বে অবদান রাখেন।
- নিলস বোর পরমাণু গঠন তত্ত্বে অবদান রাখেন।

• ন্যানো টেকনোলজি:

- ন্যানো টেকনোলজি হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার মাত্রার (অতিক্ষুদ্র) বস্তু নিয়ন্ত্রণ ও তৈরি করা হয়।
- এটি ইলেকট্রনিক্স, মেডিসিন, উপকরণ বিজ্ঞান ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- নোবেলজয়ী পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার “There's Plenty of Room at the Bottom” আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- সেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যেক ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংযোজনের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman)-কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৯,২৩৬.
EDGE-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Entry Data rates for Global Evolution
  2. খ) Enhanced Data rates for Global Evolution
  3. গ) Early Data rates for Global Evolution
  4. ঘ) Entire Data rates for Global Evolution
ব্যাখ্যা
• EDGE-এর পূর্ণরূপ- Enhanced Data rates for Global Evolution.

EDGE:
- EDGE হচ্ছে মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্মের ডাটা ট্রান্সফার টেকনোলজি।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM (Global System for Mobile) Evolution.
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
১. উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা ট্রান্সফার।
২. GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
৩. সর্বাধিক ডাটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
৪. ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2 Mbps.
৫.প্যাকেট স্যুইচিং এবং সাকিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডাটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৩৭.
কম্পিউটারের ক্ষেত্রে তথ্য পরিবহনের জন্য পরিবাহী পথের প্রশস্ত মাপা হয় কোন এককে?
  1. ক) Bits
  2. খ) Byts
  3. গ) Pixel
  4. ঘ) Dots
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ক্ষেত্রে তথ্য পরিবহনের জন্য পরিবাহী পথের প্রশস্ত মাপা হয় বিটস(Bits) এককে। ৮ বিটকে এক বাইট বলা হয়।
[সূত্রঃ উইবোপিডিয়া]
৯,২৩৮.
নিচের কোনটি System software?
  1. ক) MS Excel
  2. খ) MS Word
  3. গ) Oracle
  4. ঘ) Windows Vista
  5. ঙ) Notepad
ব্যাখ্যা

সফট্ওয়্যার প্রধানত দুই ধরনের।
এর একটি হল - অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার (System Software) এবং অপরটি হল - ব্যবহারিক কর্মসূচি বা এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম (Application Programme)।
অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
তার মধ্যে Dos, MacOS, Windows, Windows Vista এবং Xenix/Unix বহুলভাবে ব্যবহৃত।
Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফট্ওয়্যারের অর্ন্তগত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার শিক্ষা বই (উন্মুক্ত)

৯,২৩৯.
কোনটি গণনা পদ্ধতি নয়?
  1. ক) ডেসিমেল
  2. খ) হেক্সাডেসিমেল
  3. গ) বিসিডি
  4. ঘ) অক্টাল
ব্যাখ্যা
ডেসিমাল, হেক্সাডেসিমেল ও অক্টাল হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
অন্যদিকে, বিসিডি (BCD) হলো একটি কোড, এটি কোন সংখ্যা পদ্ধতি নয়। 
৯,২৪০.
Which type of device is a scanner that can scan physical documents into digital form?
  1. Output device
  2. Input device
  3. Input-Output device
  4. Storage device
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Input device

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে আমরা কম্পিউটারে নির্দেশ দিই বা তথ্য প্রদান করি, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
- এই ডিভাইসগুলো কম্পিউটারের জন্য ডেটা গ্রহণের কাজ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard), 
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২৪১.
ARPANET-এ কোন ভাইরাস প্রথম চিহ্নিত হয়?
  1. বুট সেক্টর ভাইরা
  2. মাইক্রো ভাইরাস
  3. ভিবিএস/আকুই ভাইরাস
  4. ক্রিপার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- সত্তর দশকেই, ইন্টারনেটের আদি অবস্থা, আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।
- সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্ম হতো সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৯,২৪২.
'ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার' কি ধরণের সফটওয়্যার?
  1. ক) ব্যবহারকারী লিখিত প্রােগ্রাম
  2. খ) প্যাকেজ প্রােগ্রাম
  3. গ) এপ্লিকেশন ডেভেলপার প্রােগ্রাম
  4. ঘ) অনুবাদক প্রােগ্রাম
ব্যাখ্যা
প্যাকেজ প্রােগ্রাম: ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানাের জন্য বেশ কিছু প্রােগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রােগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রােগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রােগ্রামকে প্যাকেজ প্রােগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রােগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলাে। যেমন:
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার।
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার।
৭। ইউটিলিটিস সফটওয়্যার।
৮। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৯,২৪৩.
What does FTP mean?
  1. File Transfer Policy
  2. File Transfer Protocol
  3. File Transmission Policy
  4. File Treatment Policy
ব্যাখ্যা
• FTP:
- FTP এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol.
- এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 
- ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে FTP এর সাহায্যে এক ধরনের কম্পিউটার অন্য আরেক ধরনের কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,২৪৪.
Cloud computing model that provides infrastructure is called -
  1. SaaS
  2. PaaS
  3. IaaS
  4. HaaS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) IaaS

IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ: Amazon EC2, Google Cloud Storage, Rackspace

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং:
SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ: Google Docs, Microsoft 365, Lotus, Yahoo!mail, Zoho

PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ: Google App Engine, Microsoft Azure App Services, Heroku, Salesforce Platform

HaaS (Hardware as a Service)
- এটি একটি হার্ডওয়্যার সেবা। 
- ব্যবহারকারীদের কম্পিউটার প্রসেসিং এবং ডেটা সংরক্ষণ সুবিধা দেওয়া হয়। ব্যবহারকারী তাদের নিজের অ্যাপ্লিকেশন চালাতে এবং ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।

৯,২৪৫.
কম্পিউটারের Memory ও ALU'র মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে-
  1. কন্ট্রোল ইউনিট
  2. একোমোলেটর
  3. কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ
  4. ক্লিপবোর্ড
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট)।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং রেজিস্টার স্মৃতি। 
- মেমোরি ও এএলইউ এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট। 
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সকল অংশ নিয়ন্ত্রিত হয়।
৯,২৪৬.
অ্যাপল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. স্টিভ জবস
  2. স্টিভ জজনায়িক
  3. মার্ক জুকারবার্গ
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
অ্যাপল কম্পিউটার (Apple Computer Inc.):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল কম্পিউটার।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক ও রোনাল্ড ওয়েন।
- প্রতিষ্ঠার সময়: ১ এপ্রিল, ১৯৭৬।
- সদর দপ্তর: কুপারটিনো, সিলিকন ভ্যালি, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল স্টিভ ওজনিয়াকের অ্যাপল–১ পারসোনাল কম্পিউটার তৈরি ও বিপণন করার জন্য।
- ১৯৭৭ সালে স্টিভ ওজনিয়াক ও স্টিভ জবস মিলে অ্যাপল কম্পিউটার কোম্পানিকে ইনকরপোরেটেড করেন।

উল্লেখ্য,
- অ্যাপল ইলেকট্রনিকস পণ্য, কম্পিউটার সফটওয়্যার ও বিভিন্ন অনলাইন সেবার নকশা, উন্নয়ন ও বিক্রয় করে। অ্যাপলের তৈরি যন্ত্রগুলোর মধ্য আছে আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাক কম্পিউটার, অ্যাপল ওয়াচ, ভিশন প্রো ও অ্যাপল টিভি। এ ছাড়া আইওএস, আইপ্যাডওএস ও ম্যাকওএস অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আইটিউনস, আইক্লাউড, অ্যাপল মিউজিক ও অ্যাপল টিভি প্লাস সেবাও দেয় অ্যাপল।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
৯,২৪৭.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
  1. সানফ্রান্সিস্কো, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ম্যানলোপার্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্লোরিডা, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড: 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে। 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল। 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন। 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের স্লোগান Think Different. 
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড সদর দপ্তর কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র। 
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৯,২৪৮.
GUI কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রোগ্রামিং আরও দ্রুত করা
  2. কমান্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালানো
  3. ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া
  4. কোড ঠিকভাবে কম্পাইল করা
ব্যাখ্যা

• GUI বা Graphical User Interface হলো একটি ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস যা কম্পিউটার বা সফটওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করে। এটি ব্যবহারকারীদের কমান্ড লাইন টাইপ না করে সরাসরি চিত্র, আইকন এবং মেনুর মাধ্যমে সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দেয়। ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই সফটওয়্যার চালানো, সেটিংস পরিবর্তন করা এবং বিভিন্ন ফাংশন ব্যবহার করতে পারে। তাই GUI মূলত ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা কমান্ড বা কোডের জটিলতা কমায় এবং ব্যবহারকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করে।

সঠিক উত্তর: গ) ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া।

• GUI:
- GUI এর পূর্ণরূপ হলো Graphical User Interface.
- GUI হলো অপারেটিং সিস্টেমের কমান্ড প্রদানের একটি ধরন বা পদ্ধতি যেখানে কমান্ড প্রদানের জন্যে চিত্র ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটারের সাথে পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ইন্টারফেস বলে।
- GUI-এর ক্ষেত্রে, ইন্টারফেস বলতে ব্যবহারকারী ও সিস্টেমের মধ্যকার সংযোগকেই বোঝানো হয়।
- MacOS ও Windows হলো চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২৪৯.
নিচের কোনটি অন্যগুলো থেকে আলাদা?
  1. ক) গুগল
  2. খ) বাইদু
  3. গ) পিপীলিকা
  4. ঘ) অ্যামাজন
ব্যাখ্যা
গুগল, বাইদু, পিপীলিকা তিনটি সার্চ ইঞ্জিন কিন্তু অ্যামাজন ই-কমার্স সাইট।
৯,২৫০.
LAN কী?
  1. ক) Local Action Network
  2. খ) Local Apple Network
  3. গ) Local Action News
  4. ঘ) Local Area Network
ব্যাখ্যা

LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায়।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসে LAN নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা-
১. সীমিত দূরত্বের মধ্যে এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ।
২. শ্রেণী সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
৩. ছোট এলাকার মধ্যে এই নেটওয়ার্ক সহজেই তৈরি করা যায়।
৪. বিভিন্ন অফিসের কাজে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ল্যান সবচেয়ে ভালো।
৫. নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ।
৬. খরচ কম হয়।
৭. ব্যবহার করা সহজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,২৫১.
(110)10 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রুপান্তর করলে নিম্নের কোনটি পাওয়া যাবে?
  1. ক) 5C
  2. খ) 5D
  3. গ) 6E
  4. ঘ) 100
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে hexadecimal এ নিতে হলে ১৬ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- প্রথমে ভাগফল  এবং একটি হাইফেন দিয়ে ভাগশষ লিখতে হয়।
- এভাবে প্রাপ্ত ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- ভাগফলের স্থানে ০ আসলে ভাগ করা বন্ধ করে ভাগশেষসমূহ নিচ থেকে উপরের দিকে লিখলেই hexadecimal এ রূপান্তরিত হয়।
∴ (110)10 = (6E)16
৯,২৫২.
ROM কি ধরনের স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. অস্থায়ী স্টোরেজ
  2. স্থায়ী স্টোরেজ
  3. সিস্টেম স্টোরেজ
  4. স্ন্যাপ শট স্টোরেজ
ব্যাখ্যা
• ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস।
- যেমন কম্পিউটার এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৫৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস?
  1. ক) Trojan Horse
  2. খ) Perrin
  3. গ) Irina
  4. ঘ) Norman
ব্যাখ্যা

Norman একটি এন্টিভাইরাস,
অপরপক্ষে, Trojan Horse, Perrin, Irina হল কম্পিউটার ভাইরাসের নাম, যা কম্পিউটারের ক্ষতিসাধন করে থাকে।

Virus = Vital Information Resource Under Siege.
কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসঃ
- Trojan Horse,
- Perrin.exe,
- BUDDY LST.ZIP,
- Boot Sector virus,
- Macro virus,
- Overwriting virus etc.

কয়েকটি এন্টি ভাইরাস:
- Macafee Antivirus,
- Norton Antivirus,
- IBM antivirus,
- Thunder Byte antivirus,
- Red alert antivirus 
- Norman etc.

সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।

৯,২৫৪.
বিভিন্ন ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ওএমআর
  2. বার কোড রিডার
  3. ওসিআর
  4. ডিজিটাইজার
ব্যাখ্যা
• বার কোড রিডার:
- বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
- সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা পোডাক্টের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে।
- বার কোড সাধারণত যেকোনো ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- এ ধরনের বার কোডসমূহ পড়ার জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা বার কোড রিডার নামে পরিচিত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৫৫.
মাদারবোর্ডকে বলা হয় -
  1. ক) সিপিইউ
  2. খ) পিসি
  3. গ) মেইনবোর্ড
  4. ঘ) মেইন প্রসেসর
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ড হল কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরষ্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে। মাদরবোর্ডকে কখনও কখনও মেইনবোর্ড বা সিস্টেম বোর্ড -ও বলা হয়। তবে ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে এটিকে লজিকবোর্ড বলা হয়। কম্পিউটিং এর ভাষায় এই ডিভাইসগুলোকে বলা হয় পেরিফেরালস।
[সূত্রঃ ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা]
৯,২৫৬.
পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক ফিল্ড এর সমন্বয়ে কী গঠিত?
  1. রেকর্ড
  2. ফাইল
  3. টেবিল
  4. ইনফরমেশন
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজে সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।

ডেটাবেজ (Database):
ডেটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘাঁটি বা সমাবেশ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডেটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হচ্ছে ডেটাবেজ।
- ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদান হলো ডেটা, ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল ইত্যাদি।

ডেটা:
ডেটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি, তাই ডেটা।

ফিল্ড:
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

রেকর্ড:
সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।
- অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

ডেটা টেবিল:
সমজাতীয় সকল ডেটাকে একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,২৫৭.
Bluetooth নেটওয়ার্ককে কি বলা হয়?
  1. Scatternet
  2. Bluenet
  3. Piconet
  4. Cybernet
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয় -এর আওতায় সর্বোচ্চ ৪ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে, এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৯,২৫৮.
কোনটি Spreadsheet software-
  1. Lotus
  2. Latex
  3. MS word
  4. Mac write
ব্যাখ্যা
Lotus হচ্ছে একটি Spreadsheet software.
- Spreadsheet software একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার:
যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
১। Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note, Mac write, ইত্যাদি।
২। Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro,ইত্যাদি।
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access, ইত্যাদি।
৪। Internet browser: Google chrome, Firefox, Opera mini, ইত্যাদি।

• Latex, MS word, Mac write হচ্ছে Word Processing software.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।
৯,২৫৯.
মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  2. টেক্সাস, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⚪ মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫ সালের ৪ এপ্রিল।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: এপ্রিল, ২০২৫ পর্যন্ত)

- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- MS DOS এর পূর্ণরূপ Microsoft Disk Operating System.
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম হচ্ছে MS DOS.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,২৬০.
Cloud Computing কী?
  1. অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিং ব্যবস্থা।
  2. ইন্টারনেট ছাড়া তথ্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি।
  3. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ ও সেবা প্রদানের প্রযুক্তি।
  4. শুধু ব্যক্তিগত কম্পিউটারে সফটওয়্যার ব্যবহারের পদ্ধতি ।
ব্যাখ্যা

• Cloud Computing আধুনিক ডিজিটাল বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি যা ডেটা সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ব্যবহার ও নেটওয়ার্ক সেবা সহজ এবং কম খরচে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদান করতে সক্ষম।

• Cloud Computing:
- এটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন কম্পিউটিং সেবা, যেমন ডেটা সংরক্ষণ (Storage), ডেটা প্রক্রিয়াকরণ (Processing), সফটওয়্যার ব্যবহার (Software as a Service) এবং নেটওয়ার্কিং সুবিধা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
- এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে নিজস্ব শক্তিশালী কম্পিউটার বা সার্ভার ব্যবহার করতে হয় না। বরং ক্লাউড সার্ভারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যায়।

• Cloud Computing জনপ্রিয়তা:
- ব্যবহারকারী যেকোনো ডিভাইস দিয়ে যেকোনো স্থান থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।
- সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ ও অবকাঠামো নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।
- খরচ কম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা বাড়ানো বা কমানো যায়।

• Cloud Computing এর মূল তিনটি সেবা মডেল:
- IaaS (Infrastructure as a Service): সার্ভার ও স্টোরেজ প্রদান।
- PaaS (Platform as a Service): অ্যাপস ডেভেলপমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্ম প্রদান।
- SaaS (Software as a Service): অ্যাপ/সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করা যায় (যেমন: Gmail)।

• উদাহরণ:
- Google Drive.
- Amazon Web Services (AWS).
- Microsoft Azure.
- Dropbox.

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,২৬১.
In email communication, "BCC" stands for:
  1. Blind Copy Center
  2. Basic Carbon Copy
  3. Bulk Communication Copy
  4. Blind Carbon Copy
ব্যাখ্যা

• ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে 'BCC' এর পূর্ণরূপ 'Blind Carbon Copy'. 
- এটি এমন একটি অপশন যা প্রাপকদের পরিচয় গোপন রাখতে সাহায্য করে। যখন কোনো ইমেইল অ্যাড্রেস এই ঘরে রাখা হয়, তখন অন্য কোনো প্রাপক (To বা CC তে থাকা ব্যক্তিরা) জানতে পারেন না যে মেইলটি আর কাকে পাঠানো হয়েছে।

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।

- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।

- abc@def.com এ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।

৯,২৬২.
কম্পিউটারের প্রধান মেমোরির উদাহরণ -
  1. ক) ROM
  2. খ) Hard Disc
  3. গ) Pendrive
  4. ঘ) DVD
ব্যাখ্যা
RAM & ROM  হচ্ছে কম্পিউটারের প্রধান মেমোরির উদাহরণ। 

- কম্পিউটারের কর্ম এরিয়া হিসেবে প্রধান মেমরি পরিচিত।
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমরির সরাসরি সংযোগ থাকে।
- এ ধরনের মেমরিতে তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রধান মেমরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমরিও বলা হয়।
- এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে।
- মূলত প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে প্রধান মেমরি সংগ্রহ করে রাখে।
- প্রধান মেমরিতে সর্বদা প্রয়োজন হয় এমন তথ্য ও নির্দেশ জমা থাকে।
- সাধারণত প্রধান মেমরি ধারণক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজের গতি বৃদ্ধি পায়।
- র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমরি উদাহরণ।

এ ধরনের মেমরি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. কম্পিউটার চালু করার পর অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ সহায়ক মেমরি হতে প্রধান মেমরিতে সংরক্ষিত হয়ে কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে।
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে ।
৩. এটি চলমান প্রোগ্রাম, ডেটা, হিসাব-নিকাশের ফলাফল ইত্যাদি সংরক্ষণ করে।
8. কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে প্রধান মেমরিতে সংরক্ষিত তথ্যসমূহ সাধারণত মুছে যায় ।
৫. এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে।
৬. এটি এক ধরনের পঠন ও লিখন স্মৃতি।
৭. প্রধান মেমরি অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মেমরি সেল নিয়ে গঠিত।

সূত্র: ১২২ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৬৩.
নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কী বলা হয়?
  1. ক) ফিশন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) নিউট্রন
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলা হয়।

পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে শক্তি উৎপন্নের প্রক্রিয়া: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। যথা:
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন।
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন। 

১. নিউক্লিয়ার ফিশন:
যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন:
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৬৪.
কোনটি পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি নয়?
  1. QPS
  2. IPS
  3. EPS 
  4. XPS
ব্যাখ্যা

XPS পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি নয়। 

পাওয়ার ব্যাকআপ (Power Backup):
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু থাকে, সেই উদ্দেশ্যে পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- এতে সাধারণত একটি ব্যাটারি ব্যাংক থাকে, যা মেইন পাওয়ার থাকাকালে চার্জ হয় এবং পাওয়ার চলে গেলে সেই সংরক্ষিত শক্তি ব্যবহার করে যন্ত্র চালু রাখে।

পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রধান অংশগুলো:
- Utility: প্রধান বিদ্যুৎ উৎস। 
- EMI/RFI Filter: ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমায়। 
- Surge Suppressor: হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়। 
- Transfer Switch: মেইন ও ব্যাকআপ পাওয়ারের মধ্যে পরিবর্তন ঘটায়। 
- AVR (Automatic Voltage Regulator): ভোল্টেজ স্থিতিশীল রাখে। 
- Battery Charger: ব্যাটারি চার্জ করে রাখে। 
- Inverter: ডিসি থেকে এসি তে রূপান্তর করে।

প্রকারভেদ অনুযায়ী নাম:
- IPS (Instant Power Supply),
- UPS (Uninterrupted Power Supply),
- EPS (Emergency Power Supply),
- QPS (Quick Power Supply)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৯,২৬৫.
টেলিযোগাযোগ সুবিধা ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে কী বলে?
  1. ক) ই-হেলথ কেয়ার
  2. খ) টেলিমেডিসিন
  3. গ) ই-কেয়ার
  4. ঘ) টেলিকনফারেন্স
ব্যাখ্যা
টেলিযোগাযোগ সুবিধা ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন  বলে। 

টেলিমেডিসিনের কয়েকটি সুবিধাসমূহ- 
১. ডাক্তারের চেম্বার বা হাসপাতালে না গিয়ে ঘরে বসেই সেবা পাওয়া যায়।
২. দ্রুত চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
৩. তুলনামূলক খরচ কম। 
৪. ডাক্তাররা অন্য অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারে।
৫. বিদেশে না গিয়েও বিদেশী ডাক্তারদের কাছ থেকে চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণ করা যায়
৬. সহজে রোগ বিশ্লেষণ করা যায়। 
৭. রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ করা যায় ইত্যাদি।

আমাদের বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকে টেলিমেডিসিন সেবা চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর [লিঙ্ক]
৯,২৬৬.
ডাটাবেজ কী?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. সফটওয়্যার
  3. হার্ডওয়্যার
  4. ফায়ারওয়াল প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজ ব্যবহার করে আমাদের দরকারি তথ্যকে প্রয়ােজন অনুযায়ী খুব সহজে সাজানাে যায়।
ডাটাবেজ হল একটি সফটওয়্যার যা দ্বারা আমরা আমাদের প্রয়ােজন অনুযায়ী তথ্যকে সাজিয়ে কাজ সম্পন্ন করতে পারি। ডাটাবেজে তথ্যসমূহ সাজানাে অবস্থায় থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯,২৬৭.
কোন স্প্রেডশীট সফটওয়্যারটি সাধারণত ব্যবহারকারীরা বেশি ব্যবহার করেন?
  1. Notepad
  2. CorelDRAW
  3. Microsoft Excel
  4. Microsoft Word
ব্যাখ্যা

• ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রচলিত স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম হলো Microsoft Excel. 

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-

• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২৬৮.
ডাটাবেজ সাজানোর প্রক্রিয়া হলো-
  1. ক) সর্টিং
  2. খ) ইন্ডেক্সিং
  3. গ) কুয়েরি
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ইন্ডেক্সিং এবং সর্টিং হলো ডাটাবেজ সাজানোর প্রক্রিয়া। সর্টিং করা যায় দুইভাবে। যথাঃ উর্ধ্বক্রম ও অধঃক্রম।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
৯,২৬৯.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগের সাইট?
  1. ক) ফেসবুক
  2. খ) গুগল প্লাস
  3. গ) মাইস্পেস
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগের সাইট : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিক যোগাযোগকে দ্রুত, আকর্ষণীয়, এবং কার্যকরী করে তুলেছে। শুধু এ নয়, এর বাইরেও নানানভাবে আমাদের সামাজিক ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে উঠে এসেছে।   এখন ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে বেশকিছু সামাজিক যোগাযোগের সম্পূর্ণ সাইট। নিজের ভালো-লাগা মন্দলাগা, অনুষ্ঠানাদি, চাকরিতে প্রমোশন, সন্তানাদির বিয়ে ইত্যাদি নানা বিষয়ের তথ্য, ছবি কিংবা ভিডিও বিনিময় করা যায় এগুলোর যে কোনো একটি থেকে। বর্তমানে প্রায় শতাধিক এরকম ওয়েবসাইট রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ফেসবুক (www.facebook.com), লিংকড-ইন (Linked in.com) গুগল প্লাস (plus.google.com), টুইটার (www.twitter.com), জোপা (www.zooppa.com), মাইস্পেস (www.myspace.com) এগুলো খুবই জনপ্রিয় ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী
৯,২৭০.
ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে কী বলে?
  1. পাবলিক ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. হাইব্রিড ক্লাউড
  4. কমিউনিটি ক্লাউড
ব্যাখ্যা
• ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলা হয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

১. হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলা হয়।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

২. পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

৩. প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভেলপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

৪. কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,২৭১.
শর্তসাপেক্ষে বা কোন বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ডেটা অনুসন্ধান করাকে কী বলে?
  1. কুয়েরি
  2. সর্টিং
  3. ইনডেক্সিং
  4. মডিউল
ব্যাখ্যা
কুয়েরি হলো ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান ও উপস্থাপন৷
ডেটাবেজের অন্তর্গত টেবিলের বিপুল সংখ্যক ডেটার মধ্য থেকে কোন শর্ত বা বৈশিষ্ট্যের আলোকে নির্দিষ্ট কোন ডেটা বা রেকর্ড আলাদা করে প্রদর্শন করা বা ছাপানোকে কুয়েরি বলা হয়৷
QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৯,২৭২.
Among the first high-level languages, ALGOL was used for which purpose?
  1. Math solving
  2. Business accounting
  3. Video game programming
  4. Web browser development
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Math solving

প্রোগ্রামিং ভাষা (Programming Language)
- প্রোগ্রামিং ভাষা হলো এমন একটি মাধ্যম, যার মাধ্যমে কোনো সমস্যা তার উপাদানগুলোতে বিভক্ত করা হয়।
- এরপর এই উপাদানগুলো কম্পিউটারকে কার্যকর করার জন্য একটি ক্রমবদ্ধ নির্দেশ তালিকায় রাখা হয়।
- সফটওয়্যার ডেভেলপাররা প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে কোড লিখে, যা কম্পিউটারকে নির্দেশ অনুসরণ করতে এবং কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম করে।
- প্রথম উচ্চ-স্তরের ভাষার মধ্যে দুটি ছিল FORTRAN এবং ALGOL, যা প্রোগ্রামারদের বীজগণিতীয় প্রকাশনা লিখতে এবং বৈজ্ঞানিক কম্পিউটিং সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করত।
- FORTRAN-এর একটি সরল সংস্করণ, BASIC, তৈরি হয় Dartmouth College-এ।
- COBOL তৈরি হয় ব্যবসায়িক প্রোগ্রামিং অ্যাপ্লিকেশন সমর্থনের জন্য।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৯,২৭৩.
কোনটি সঠিক?
  1. অ্যাকসেস টাইম = সিক টাইম + ল্যাটেন্সি টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম = অ্যাকসেস টাইম + সিক টাইম
  3. অ্যাকসেস টাইম = সিক টাইম
  4. সিক টাইম = অ্যাকসেস টাইম + ল্যাটেন্সি টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম = সিক টাইম +  ল্যাটেন্সি টাইম 

♦ অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

♦ পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

♦ লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

♦ সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

• সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৯,২৭৪.
SQL কোন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা:
- কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়।
- উচ্চতর ভাষার তুলনায় চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা বা 4GL খুবই সহজ যদিও 4GL এর জন্য প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার।
- 4GL এর সাহায্যে সহজেই অ্যপ্লিকেশন তৈরি করা যায় বলে একে Rapid Application Development (RAD) টুলও বলা হয়।
- পুঙ্খানুপুঙ্খ বা বিস্তারিতভাবে প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা দিতে হয় না বলে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে ননপ্রসিডিউলার ল্যাংগুয়েজও বলা হয়।
- অধিকাংশ চতুর্থ প্রজন্মের ভাষায় কথোপকথন রীতিতে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ব্যবহারকারীর যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকে।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট কুয়েরি (Query) এবং রিপোর্ট জেনারেটর ও ডেটা সঞ্চালনের জন্য ব্যবহৃত ভাষাসমূহ (যেমন: SQL) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- SQL, NOMAD, RPG III, FOCUS, Intellect BPM ইত্যাদি কয়েকটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা।

• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্ৰয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৭৫.
মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য কোন অপারেটিং সিস্টেমটি খুবই উপযোগী?
  1. ক) ম্যাকিনটোশ
  2. খ) ইউনিক্স
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সর্বাপেক্ষা পুরাতন অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ইউনিক্স পরিচিত। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কিন টমসন এবং ডেনিস রিচি প্রথম ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম রচনা করেন। মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য এটি খুবই উপযোগী। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,২৭৬.
Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ নিচের কোন মডেলটি ব্যবহার করে?
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়। 
যেমন- অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2)। 

২. Platform-as-a -Service (PaaS): 
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা। 
যেমন- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে। 

৩. Software-as-a Service (SaaS): 
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন। 
যেমন: গুগল ডকস। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
৯,২৭৭.
IMEI কত ডিজিটের হয়ে থাকে?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ১৬
  4. ১৮
ব্যাখ্যা
• IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য নম্বর যা প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য আলাদা ভাবে বরাদ্দ করা হয়। এটি সাধারণত ১৫ ডিজিটের একটি নম্বর হয়, যা ফোনের পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। এই ১৫ ডিজিটের নম্বরের মধ্যে প্রথম অংশ থাকে ট্যাকটাইল টাইপ এবং দেশভিত্তিক কোড, এরপর থাকে ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর এবং শেষের ডিজিটটি হলো চেক ডিজিট যা নম্বরের সঠিকতা যাচাই করে। IMEI নম্বর মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কে শনাক্তকরণ এবং চুরি হলে ফোন ব্লক করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, IMEI নম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। সুতরাং, IMEI নম্বর সাধারণত ১৫ ডিজিটের হয়ে থাকে।
- সঠিক উত্তর: ক) ১৫।

IMEI (International Mobile Equipment Identity):

- একটি ১৫ অঙ্কের অনন্য নম্বর, যা মোবাইল ফোনের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং এটি ফোনের পরিচয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
- প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি আলাদা IMEI নম্বর থাকে, যা ফোনের হার্ডওয়্যারকে শনাক্ত করে।
- এটি ফোনের সার্বিক নিরাপত্তা এবং ট্র্যাকিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশিষ্ট্য।
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,২৭৮.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. 1 kilobyte = 1000 bytes
  2. 1 megabyte = 1024 bytes
  3. 1 kilobyte = 1024 bytes
  4. 1 megabyte = 1000 bytes
ব্যাখ্যা
• 1 byte (B) = 8 bits
• 1 kilobyte (KB) = 1024 bytes
• 1 megabyte (MB) = 1024 kilobytes
• 1 gigabyte (GB) = 1024 megabytes
• 1 terabyte (TB) = 1024 gigabytes
• 1 petabyte (PB) = 1024 terabytes
• 1 exabyte (EB) = 1024 petabytes
• 1 zettabyte (ZB) = 1024 exabytes
• 1 yottabyte (YB) = 1024 zettabytes


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯,২৭৯.
5G ব্যবহার করলে কোনটি ব্যবসায়িকভাবে সরাসরি লাভজনক?
  1. স্বয়ংক্রিয় গাড়ি
  2. আইওটি ডিভাইসের প্রয়োজন হ্রাস
  3. হাতে পরিচালিত কারখানা
  4. দীর্ঘস্থায়ী স্মার্টফোন ব্যাটারি
ব্যাখ্যা

• সরাসরি ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে 5G প্রযুক্তির সবচেয়ে লাভজনক ব্যবহার হলো স্বয়ংক্রিয় গাড়ি (ক)। কারণ 5G-এর উচ্চ গতি, কম লেটেন্সি এবং বড় ডিভাইস কানেকশন ক্ষমতা রিয়েল-টাইম ডেটা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে, যা স্বয়ংক্রিয় গাড়ির নিরাপদ ও নির্ভুল চলাচলের জন্য অপরিহার্য। এটি যানবাহন উৎপাদন, ফ্লিট ম্যানেজমেন্ট, এবং রাইড-শেয়ারিং সেবায় ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি করে, ফলে সরাসরি আয় বাড়ায়। অন্য বিকল্পগুলো, যেমন আইওটি ডিভাইসের প্রয়োজন হ্রাস বা দীর্ঘস্থায়ী স্মার্টফোন ব্যাটারি, 5G-এর সরাসরি ব্যবসায়িক লাভে তেমন প্রভাব ফেলে না। হাতে পরিচালিত কারখানার ক্ষেত্রে 5G শুধুমাত্র সহায়ক, তবে তা অবিলম্বে লাভজনক নয়।
 
5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।

5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।

সোর্স:
১। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 
২। International Telecommunication Union (IMT 2020 (5G) in Asia-Pacific – Key Insights).

৯,২৮০.
ক্লাউড স্ট্যাকের কোন স্তরটি 'Development and Deployment' এনভায়রনমেন্ট হিসেবে পরিচিত?
  1. DaaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. IaaS
ব্যাখ্যা

• PaaS বা Platform as a Service হলো ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের এমন একটি স্তর যা ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার টুলস (যেমন: অপারেটিং সিস্টেম, ডেটাবেস, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এক্সিকিউশন এনভায়রনমেন্ট) প্রদান করে।
- এটি ব্যবহারের ফলে ডেভেলপারদের নিজস্ব অবকাঠামো বা সার্ভার সেটআপ করার দুশ্চিন্তা করতে হয় না।

• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়।
- অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়‍্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯,২৮১.
ROM-এ স্থায়ীভাবে যে সফটওয়্যার রাখা থাকে তাকে কী বলে?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. ফার্মওয়্যার
  3. ভাইরাস
  4. ফ্লিপ-ফ্লপ
ব্যাখ্যা

ফার্মওয়্যার হলো সেই সফটওয়্যার যা ROM-এ থাকে এবং হার্ডওয়্যার চালাতে সাহায্য করে।

ROM এবং Firmware:
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory. 
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না। 
- ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম Firmware. 
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তা কে ফার্মওয়্যার বলে। 
- এ জাতীয় প্রোগ্রাম কেবলমাত্র কম্পিউটারের পর্দায় দেখা যায়। 
- কম্পিউটার ব্যবহারকারী কর্তৃক এ জাতীয় প্রোগ্রামকে কোন পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ থাকে না। 
যেমন: কম্পিউটার রান করালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের মনিটরে বেশ কিছু তথ্য দেখা যায়। এগুলো ফার্মওয়্যারের আউটপুট।
 
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১সংস্করণ)।

৯,২৮২.
WWW কোন দেশের বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে প্রথম উদ্ভাবিত হয়?
  1. ডেনমার্ক
  2. যুক্তরাজ্য
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হল এমন একটি প্রযুক্তি যা ইন্টারনেটের উপর তথ্য ভাগাভাগি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত সুইজারল্যান্ডে বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) উদ্ভাবন করেছিলেন। ১৯৯০ সালের দিকে তিনি সার্নে (CERN) কাজ করার সময় এই সিস্টেমটি তৈরি করেন। WWW ব্যবহার করে ওয়েব পেজ তৈরি করা, তথ্য অনুসন্ধান করা এবং বিশ্বব্যাপী তথ্য বিনিময় করা সহজ হয়ে যায়। তার উদ্ভাবনের ফলে ইন্টারনেট কেবল ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষামূলক, বাণিজ্যিক ও বিনোদনমূলক অনেক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তাই WWW প্রযুক্তি সুইজারল্যান্ডের বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে প্রথম উদ্ভাবিত হয়। 

• WWW: 
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web. 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লি'কে WWW এর জনক বলা হয়।  
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
-  WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।
 
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.

৯,২৮৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. SQL
  2. Blu Ray
  3. CIH
  4. SPSS
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
-সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল (Chernobyl) ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাসের নাম হলো: - ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

• SQL হলো ডেটাবেজ মেনেজমেন্ট প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। 
• Blueray হচ্ছে অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম।
• SPSS হলো Statistical software.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৮৪.
সেনাবাহিনীর দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) MP44
  2. খ) CDMS
  3. গ) LMG
  4. ঘ) GSM
৯,২৮৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার পেরিফেরাল?
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) মাদারবোর্ড
  3. গ) প্রসেসর
  4. ঘ) মনিটর
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার পেরিফেরাল বলতে ঐ সকল হার্ডওয়্যারকে বোঝায় যেগুলো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থেকে কম্পিউটারের কার্যপরিধি ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
কম্পিউটার পেরিফেরালকে তিনভাগে ভাগ করা হয়-
১. কম্পিউটার স্টোরেজ
২. ইনপুট যন্ত্রপাতি
৩. আউটপুট যন্ত্রপাতি

৯,২৮৬.
কোন প্রযুক্তি একটি PAN-এ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. WAN routers 
  2. Fiber optic cable
  3. Satellite 
  4. Bluetooth
ব্যাখ্যা

• PAN বা Personal Area Network হলো স্বল্প দূরত্বে ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের নেটওয়ার্ক। সাধারণত মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, কীবোর্ড, মাউস, হেডফোন ইত্যাদি একে অপরের সাথে যুক্ত হয়। এ ধরনের নেটওয়ার্কে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো Bluetooth.

Personal Area Network (PAN):
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus ও Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২৮৭.
যে বর্তনীতে দুটি ইনপুট যোগ করলে ১টি সাম ও ১টি ক্যারি থাকে তাকে বলে-
  1. ক) হাফ অ্যাডার
  2. খ) ফুল অ্যাডার
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
হাফ অ্যাডার:
- দুইটি বাইনারি বিট যোগ করার জন্য যে বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাকে হাফ অ্যাডার বলা হয়।
- দুইটি বিট A ও B যোগ করে এই বর্তনী হতে যোগফল (S) এবং হাতের সংখ্যা বা ক্যারি (C) পাওয়া যায়।
- ক্যারি যোগের ব্যবস্থা থাকে না বলে এই বর্তনীকে অর্ধযোগের বর্তনী বলে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৮৮.
WiMAX এর ফ্রিকুয়েন্সি-
  1. 1.0 - 100 GHz
  2. 1.0 - 50 GHz
  3. 2.0 - 66 GHz
  4. 2.4 - 5 GHz
ব্যাখ্যা
• WiMax এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz.

• WiMAX:

- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,২৮৯.
কোন গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে?
  1. ক) অর গেইট
  2. খ) অ্যান্ড গেইট
  3. গ) নট গেইট
  4. ঘ) নর গেইট
ব্যাখ্যা
অর গেইট
- এই গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

অ্যান্ড গেইট
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

নট গেইট
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।

নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৯,২৯০.
কোন সেবাটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. SaaS
  2. CaaS
  3. PaaS
  4. laaS
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে। 
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,২৯১.
Which field is used to include extra recipients when sending an email?
  1. CC
  2. Attach
  3. Body
  4. Subject
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) CC.

ই-মেইল পাঠানো নিয়ম:
ই-মেইল পাঠাতে হলে আমাদেরকে মোটামুটি তিনটি ধাপে কাজ করতে হবে।
১। ই-মেইলটি কম্পোজ করা,
২। ইন্টারনেটে কানেকশন দেয়া,
৩। ই-মেইল সেন্ড করা।

• ই-মেইল কম্পোজ করা:
ই-মেইল সফটওয়্যার ওপেন করতে হবে (যেমন: Outlook Express)
Message → New Message বা To Mail এ ক্লিক করতে হবে।

নিচের ঘরগুলো পূরণ করতে হয়:
- To: প্রাপকের ঠিকানা
- From: প্রেরকের ঠিকানা
- CC, BCC: অতিরিক্ত প্রাপক (প্রয়োজনে)
- Subject: মেইলের বিষয়
- Attach: ফাইল সংযুক্তির জন্য
- Body: মেসেজ লেখার জায়গা
- মেইল সেভ করে Outbox-এ রাখা যায়।
- এভাবে একইসাথে অনেকগুলো ই-মেইল কম্পোজ করে রাখা যায়।

• ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন:
ডায়াল আপ নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হয়।

• ই-মেইল সেন্ড করা:
ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার পর:
File → Send Queued Message অথবা Send and Receive বাটনে ক্লিক করে মেইল পাঠানো হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৯২.
ফার্মওয়্যার কি?
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) এমবেডেড সিস্টেমের প্রোগ্রাম
  3. গ) এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম
  4. ঘ) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়।
- এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ।
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC.
- যেমন, PC- তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।
৯,২৯৩.
মডেম এর মধ্যে থাকে-
  1. ক) একটি ডিমডুলেটর
  2. খ) একটি মডুলেটর
  3. গ) একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর
  4. ঘ) একটি এনকোডার
ব্যাখ্যা
- মডেল শব্দটি মূলত Modulator এবং Demodulator শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডেম, টেলিফোন লাইন এবং কম্পিউটারের মাঝখানে অবস্থান করে।
৯,২৯৪.
ইউনিকোডে মোট কতগুলো ভিন্ন অক্ষরকে কোডের অন্তর্ভুক্ত করা যায়?
  1. 22
  2. 24
  3. 28
  4. 216
ব্যাখ্যা

ইউনিকোডে প্রতিটি ভাষার জন্য চারটি বাইট পর্যন্ত 216 বা ৬৫৫৩৬ স্থান সংরক্ষণ করা আছে।

৯,২৯৫.
গুগলের কোন সার্ভিসটি বর্তমানে চালু নেই?
  1. গুগল প্লাস
  2. গুগল ক্রোম
  3. গুগল ড্রাইভ
  4. গুগল এডসেন্স
ব্যাখ্যা
২রা এপ্রিল,২০১৯ সালে গুগল প্লাস তার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়৷
source:Google
৯,২৯৬.
মার্শাল ম্যাকলুহান কোন গ্রন্থে প্রথম ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ ধারণা উপস্থাপন করেন?
  1. Understanding Media
  2. The Medium is the Message
  3. Digital Civilization
  4. The Gutenberg Galaxy
ব্যাখ্যা

• ১৯৬২ সালে প্রকাশিত ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic Man’ গ্রন্থে ম্যাকলুহান প্রথম গ্লোবাল ভিলেজ ধারণা দেন।

• মার্শাল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan):

- কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মার্শাল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ বা ‘বৈশ্বিক গ্রাম’ ধারণাটি ব্যবহার করেন।
- তিনি ১৯১১ সালের ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮০ সালের ৩১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৬২ সালে প্রকাশিত তাঁর গ্রন্থ ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic Man’–এ প্রথম গ্লোবাল ভিলেজের ধারণা উপস্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত ‘Understanding Media’ গ্রন্থে তিনি এই ধারণাটি আরও বিস্তৃতভাবে ব্যাখ্যা করেন।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরো বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হলো গ্লোবাল ভিলেজ, যার ফলে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষের সঙ্গে মুহূর্তের মধ্যেই যোগাযোগ করতে পারবে।
- এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে মূলত ইন্টারনেট ও আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বোঝানো হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২৯৭.
প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিল?
  1. Intel
  2. AMD 
  3. IBM
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল (Intel) নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২৯৮.
নিচের কোনটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তৈরির উপাদান?
  1. ইফেক্টর
  2. জিওমেট্রি
  3. রিয়েলিটি সিমুলেটর
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তৈরির উপাদানসমূহ:
• ইফেক্টর:
- ইফেক্টর হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের ইন্টারফেস ডিভাইস।
- এটি ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির পরিবেশের সাথে সংযুক্ত করে।
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে বা HMD, ডেটা গ্লোভ (Data Glove), পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) ইত্যাদি এর উদাহরণ।

• রিয়েলিটি সিমুলেটর:
- এটি এক ধরনের হার্ডওয়্যার, যা ইফেক্টরকে সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ করে। যেমন: বিভিন্ন ধরনের সেন্সর, ট্রান্সসিউডার, উচ্চ মানের অডিও ও ভিডিও ব্যবস্থা, রিয়েলিটি ইঞ্জিন ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন:
- ভার্চুয়াল পরিবেশ ও প্রাসঙ্গিকতা তৈরিতে বিভিন্ন সিমুলেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- অটোডেস্কের তৈরি ডিভিশন (Division), যা সাধারণত ইন্টেল প্রসেসর সংবলিত পিসিতে ব্যবহৃত হয়।

• জিওমেট্রি:
- জিওমেট্রি হলো ভার্চুয়াল পরিবেশের বিভিন্ন বস্তুর বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত তথ্যাবলি। যেমন- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত ত্রিমাত্রিক মডেলসমূহকে অটোডেস্ক, থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স বা মায়া প্রভৃতি সফটওয়্যার ব্যবহার করে তৈরির পর এই ফাইলগুলোকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে রেন্ডারিং ও অথোরিং-এর জন্য এক্সপোর্ট করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,২৯৯.
ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকে কী বলা হয়? 
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. মিনিকম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩০০.
নিচের কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা?
  1. ক) Prolog
  2. খ) Mercury
  3. গ) Assembly
  4. ঘ) SQL
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা:

১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০)- machine Language বা যান্ত্রিক ভাষা।
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০)- assembly language বা অ্যাসেম্বলি ভাষা। 
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০)- high level language বা উচ্চস্তরের ভাষা। C++, BASIC, PASCAL, FORTRAN, Java, C, Ruby, Perl.
৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০)- very high level language বা অতি উচ্চস্তরের ভাষা। SQL
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান)- natural language বা স্বাভাবিক ভাষা। Prolog, OPSS, Mercury

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।