ব্যাখ্যা
সমাধান:
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮৭ / ১৩১ · ৮,৬০১–৮,৭০০ / ১৩,০৮৮
• রোবট চলানোর জন্য অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়। অ্যাকচুয়েটর হল সেই যন্ত্রাংশ যা রোবটের কমান্ড অনুযায়ী মেকানিক্যাল বা ফিজিক্যাল মুভমেন্ট তৈরি করে। এটি রোবটের হাত, পা, চাকা বা যেকোনো চলন্ত অংশকে চালায়। ব্যাটারি রোবটকে শক্তি দেয়, প্রসেসর কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ করে, আর সেন্সর তথ্য সংগ্রহ করে। কিন্তু সরাসরি চলাচলের কাজটি অ্যাকচুয়েটরের দায়িত্ব। উদাহরণস্বরূপ, রোবটের চাকা ঘোরানো বা হাত নাড়ানো হলে এটি অ্যাকচুয়েটরের মাধ্যমে সম্ভব হয়। তাই রোবটের চলাচল সম্ভব হয় মূলত অ্যাকচুয়েটরের কারণে।
- উত্তর: ক) অ্যাকচুয়েটর।
• রোবট:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
• বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন-
- শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা।
- বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন।
- খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন।
- মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ।
- ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে।
- গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে।
- শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে; ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Control Unit (CU), CPU-এর এমন একটি অংশ যা নির্দেশনা (instructions) fetch → decode → execute প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয় ঘটায়। এটি নির্দেশাবলী ডিকোড করে এবং CPU-এর অন্যান্য অংশ (ALU, Register, Memory)-কে কীভাবে কাজ করতে হবে তা নির্দেশ করে।
কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)
নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• মাদারবোর্ডে PCI BUS ৩২ বিটে কাজ করে।
• কম্পিউটার বাস:
- বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
- বাস দুই প্রকার। যথা:
১. সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস।
২. এক্সপানশনস বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস – ১) ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
২) পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Firewire Bus) ev IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• মডেমের যে কম্পোনেন্টটি অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করে তা হলো ডি-মডুলেটর (গ)। মডেম মূলত দুটি কাজ করে-ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করা এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে আবার ডিজিটালে ফিরিয়ে আনা। প্রেরণের সময় কম্পিউটার থেকে আসা ডিজিটাল ডেটাকে টেলিফোন লাইনে পাঠানোর উপযোগী অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে মডুলেটর। আর গ্রহণের সময় টেলিফোন লাইন দিয়ে আসা অ্যানালগ সিগন্যালকে কম্পিউটারের বোঝার উপযোগী ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে ডি-মডুলেটর। তাই সঠিক উত্তর হলো ডি-মডুলেটর।
• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
• মডেমের দুটি অংশ। যথা:
১. মডুলেটর (Modulator) ও
২. ডি-মডুলেটর (De-modulator)।
• মডুলেটর:
- মডেম মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
• ডি-মডুলেটর:
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• যে কোনো দুটি গেইটকে ‘ইউনিভার্সাল গেইট’ বলা হয়, তা এমন গেইট যা দিয়ে যে কোনো ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি করা সম্ভব। অর্থাৎ, শুধুমাত্র সেই গেইট ব্যবহার করেই আমরা AND, OR, NOT সহ সব ধরনের কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট ডিজাইন করতে পারি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে NAND এবং NOR গেইটই ইউনিভার্সাল গেইট হিসেবে পরিচিত। উদাহরণস্বরূপ, শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেও NOT, AND ও OR ফাংশন তৈরি করা যায়। একইভাবে, শুধুমাত্র NOR গেইট ব্যবহার করেও সব ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি সম্ভব। তাই, সঠিক উত্তর হলো: ক) NAND ও NOR.
• সার্বজনীন গেইট:
- যেসব গেইট ব্যবহার করে AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলোকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- OR, AND এবং NOT - এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সব ধরনের লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- এর কারণ, NAND গেইট দিয়েই OR, AND ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়েও OR, AND ও NOT গেইট তথা যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- তাই NAND এবং NOR গেইট - এই দুইটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
একটি ফ্লিপ-ফ্লপ ১ বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
ফ্লিপ-ফ্লপ
- ফ্লিপ-ফ্লপ একটি মৌলিক ডিজিটাল ইলেকট্রনিক সার্কিট যা বাইস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর হিসেবেও পরিচিত।
- এটি দুটি স্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে সুইচ করতে পারে এবং একটি বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিটে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি মেমরি এলিমেন্ট হিসেবে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের বিভিন্ন প্রকার রয়েছে, যেমন SR (Set-Reset) ফ্লিপ-ফ্লপ, D (Data or Delay) ফ্লিপ-ফ্লপ, JK ফ্লিপ-ফ্লপ, এবং T (Toggle) ফ্লিপ-ফ্লপ।
- প্রতিটি প্রকারের নিজস্ব অপারেশনাল বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহার আছে।
- উদাহরণস্বরূপ, D ফ্লিপ-ফ্লপ ইনপুট ডেটা সরাসরি আউটপুটে নিয়ে আসে যখন ক্লক পালস প্রয়োগ করা হয়।
- JK ফ্লিপ-ফ্লপের ইনপুটের উপর ভিত্তি করে সেট, রিসেট বা টগল হতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপগুলি কম্পিউটার মেমরি, রেজিস্টার, কাউন্টার এবং অন্যান্য ডিজিটাল লজিক সার্কিটে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• ইমেইল পাঠানোর সময় BCC (Blind Carbon Copy) ফিল্ডটি ব্যবহার করলে প্রাপকদের ঠিকানা (email addresses) অন্য প্রাপকদের থেকে লুকিয়ে রাখা যায়।
• Email:
- Email (Electronic Mail) হলো একটি digital communication system, যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে text message, document, image, file ইত্যাদি পাঠাতে পারে।
- Email সাধারণত store-and-forward পদ্ধতিতে কাজ করে—অর্থাৎ বার্তা প্রথমে mail server-এ সংরক্ষিত হয়, পরে প্রাপকের কাছে পৌঁছায়।
• Email-এর প্রধান উপাদান (Components of an Email):
- একটি standard email সাধারণত নিচের অংশগুলো নিয়ে গঠিত—
- To: প্রধান প্রাপকের ইমেইল ঠিকানা লেখা হয়।
- CC (Carbon Copy): যাদের তথ্যের জন্য ইমেইল পাঠানো হচ্ছে, কিন্তু তারা প্রধান প্রাপক নয়। CC-তে থাকা ঠিকানাগুলো সব প্রাপক দেখতে পারে।
- BCC (Blind Carbon Copy): গোপনীয়তা রক্ষার জন্য বা অনেকজনকে ইমেইল পাঠানোর সময় BCC ব্যবহার করা হয়।
- Subject: ইমেইলের মূল বিষয় সংক্ষেপে লেখা হয়।
- Body: ইমেইলের মূল বার্তা বা লেখা অংশ।
- Attachment: ইমেইলের সাথে যুক্ত ফাইল (PDF, image, document ইত্যাদি)।
• Email Address-এর গঠন (Structure of Email Address):
- একটি Email Address সাধারণত তিনটি অংশে গঠিত—
- username@domain.extension
- উদাহরণ: student123@gmail.com
- Username → ব্যবহারকারীর পরিচয়
- @ (at sign) → username ও domain আলাদা করে
- Domain name → mail server নির্দেশ করে
- Extension → domain type বোঝায় (যেমন: .com, .org)
• Email Protocols (Email ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত প্রোটোকল):
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): Email পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- POP3 (Post Office Protocol version 3): সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করে নেয়।
- IMAP (Internet Message Access Protocol): সার্ভারে ইমেইল সংরক্ষিত রেখেই একাধিক ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করা যায়।
• অন্যান্য অপশন:
- To → প্রধান প্রাপকের ইমেইল ঠিকানা দেখায়।
- CC → অতিরিক্ত প্রাপকের ঠিকানা দেখায় এবং সবাই দেখতে পারে।
- Subject → ইমেইলের বিষয়বস্তু বোঝায়।
উৎস:
1) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
2) Britannica.
3) Computer Hope [Link].
সরকারি কর্মকর্তাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও ফাইল আদান-প্রদানের জন্য চালু হয়েছে মেসেজিং অ্যাপ 'আলাপন'। এটির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কিছুটা ভাইবারের মতো এই অ্যাপের মাধ্যমে সরকারের কোনো কর্মকর্তা যে কোনো জায়গা থেকে চ্যাটিং, ভয়েস ও ভিডিও কল, গ্রুপ কনফারেন্স ছাড়াও নথি আদান-প্রদান করতে পারবেন।
কর্মকর্তারা নিজের জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর ও পে-স্কেলে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিয়ে বিনামূল্যে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে আলাপন অ্যাপের অ্যাডভান্সড সার্চ অপশনে গিয়ে যে কোনো মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতাধীন যে কোনো কর্মকর্তার মোবাইল নম্বরও সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া আলাপন অ্যাপ ব্যবহারে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া অন্য কোনো খরচ হবে না, ফলে এটি অর্থ সাশ্রয়ী হবে বলে জানানো হয়েছে।
সুত্রঃ বিবিসি
◉ UNIVAC-এর প্রধান পরিচয় হলো এটি ইতিহাসের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত ও বিক্রিত কম্পিউটার যা আধুনিক কম্পিউটার শিল্পের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
- ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer.
- EDVAC: Electronic Discrete Variable Automatic Computer.
- ASSC (MARK-1): Automatic Sequence Control Calculator.
- ABC: Atanasoff-Berry Computer.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- টুইটার একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- এটি আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট।
- যেখানে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন।
- ২০০৬ সালে জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারের বর্তমান সিইও জ্যাক ডরসি।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো শহরে অবস্থিত।
উৎসঃ টুইটারের ওয়েবসাইট
• Norton একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ভাইরাস শনাক্ত ও অপসারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি নিজে কোনো ক্ষতিকারক ভাইরাস নয়।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ILOVEYOU,
- WannaCry,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার. আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
• কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
১। এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
২। এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
৩। অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
৪। নরটন (Norton) এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার; ইত্যাদি।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• IBM (International Business Machines Corporation)-কে প্রায়ই “Big Blue” নামে ডাকা হয়। এর কারণ হলো— IBM-এর কর্পোরেট লোগো এবং অফিসিয়াল ড্রেস কোডে নীল রঙের আধিক্য এবং কোম্পানির বিশালতা ও প্রযুক্তিগত প্রভাব।
আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- Ubuntu, Linux Mint, Debian, Puppy ইত্যাদি।
অ্যাপল ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- OS X 10.8, OS X 10.9, OS X 10.10 ইত্যাদি।
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- Windows XP, Windows 7, Windows 10 ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
- প্রিন্টার একটি অফলাইন আউটপুট ডিভাইস।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফল কাগজে ছাপানো হয়ে থাকে প্রিন্টার বলা হয়।
- প্রিন্টারের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপক একক ডিপিআই (ডটস পার ইঞ্চ)।
• যে সকল অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যা বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায় এবং যে কেউ এই সকল কোড তার খুশিমতো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ইত্যাদি করে নিজে ব্যবহার ও অন্যকে ব্যবহারের জন্য বিতরণ করতে পারে তাকে ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়। যেমন:
- Linux,
- Haiku,
- Darwin,
- Oberon,
- NetBSD,
- OpenBSD ইত্যাদি।
• Solaris অপারেটিং সিস্টেমের স্বত্বাধিকারী Sun Microsystem।
• MAC OS একটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি ম্যাকিনটোশ কম্পিউটার পরিচালনাকারী অপারেটিং সিস্টেম। এজন্য সংক্ষেপে একে ম্যাক ওএস বলা হয়। এটি কেবল অ্যাপল কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
• Ctrl + Z হলো কম্পিউটারে সর্বশেষ সম্পাদিত কাজ বাতিল করার বা পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাওয়ার (Undo) শর্টকাট কমান্ড।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
Ctrl + O: Open a document.
Ctrl + N: Create a new document.
Ctrl + S: Save the document.
Ctrl + W: Close the document.
Ctrl + C: Copy the selected content to the Clipboard.
Ctrl + V: Paste the contents of the Clipboard.
Ctrl + B: Apply bold formatting to text.
Ctrl + I: Apply italic formatting to text.
Ctrl + U: Apply underline formatting to text.
Ctrl + E: Center the text.
Ctrl + L: Align the text to the left.
Ctrl + R: Align the text to the right.
Esc: Cancel a command.
Ctrl + Z: Undo the previous action.
Ctrl + Y: Redo the previous action, if possible.
Alt + W: Adjust the zoom magnification.
Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
◉ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) Client-server architecture অনুযায়ী গড়ে উঠেছে।
এই আর্কিটেকচারে, ক্লায়েন্ট (যেমন ওয়েব ব্রাউজার) সার্ভার থেকে তথ্য বা রিসোর্স অনুরোধ করে, এবং সার্ভার সেই অনুরোধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ক্লায়েন্টকে প্রয়োজনীয় ডেটা বা ওয়েব পেজ প্রদান করে। এই মডেল ইন্টারনেট এবং ওয়েবের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web):
- World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। একে ওয়েবও বলে।
- ওয়েব হলো এমন একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- মূলত সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলোর সংগ্রহই হলো ওয়েব।
- ১৯৮৯ সালে যুক্তরাজ্যের Sir Tim Berners Lee ও Sir Sam Walker এবং বেলজিয়ামের Robert Cailiau সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত CERN (The European Center for Nuclear Research)-এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আবিষ্কার করেন।
- তবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে Mosaic নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর।
ওয়েব যেভাবে কাজ করে:
- ওয়েব ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার অনুযায়ী গড়ে উঠেছে।
- এর অর্থ হচ্ছে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার ওয়েব ব্রাউজার এর মাধ্যমে প্রোগ্রামটি বা ওয়েবটি রান করে অনুরোধ (Request) পাঠাবে সার্ভারে।
- সার্ভার, ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের অনুরোধকৃত তথ্যটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের ব্রাউজারের কাছে পাঠিয়ে দেবে এবং ব্রাউজার তা অনুবাদ করে স্ক্রিনে প্রদর্শন করবে।
- আর এভাবেই ওয়েব ব্রাউজার তার কার্যক্রম সম্পাদিত করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমটি ১৯৬৯ সালে বেল ল্যাব্স (Bell Labs)-এ কেন থমসন (Ken Thompson) এবং ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। এটি সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা হয়েছিল এবং আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলির (যেমন Linux, macOS) ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
UNIX:
- UNIX হচ্ছে মাল্টি ইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০ শতকের শেষের দিকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- Unix - একটি Open Source Operating System.
- UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কেন থমসন ও ডেনিস রিচি প্রথম উদ্ভাবন করেন।
- তাঁরা একটি PDP-7 মিনিকম্পিউটারে জন্য UNIX- এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন।
- কেন থমসন ও ডেনিস রিচি পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।
অন্যান্য অপশন আলোচনা:
স্টিভ জবস এবং স্টিভ ওজনিয়াক → এরা অ্যাপল কোম্পানি এবং Apple I/II কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা।
বিল গেটস এবং পল অ্যালেন → এরা মাইক্রোসফট এবং Windows OS-এর প্রতিষ্ঠাতা, ইউনিক্সের বিকল্প হিসেবে DOS/Windows তৈরি করেছিলেন।
লিনাস টরভাল্ডস → লিনাক্স (Linux) কার্নেলের নির্মাতা।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
• প্লেজিয়ারিজম বলতে সাধারণত অন্য কারো লেখা, গবেষণা, বা আইডিয়া চুরি করে তা নিজের নামে প্রকাশ করা বোঝায়। এটি শুধুমাত্র শব্দের অনুলিপি নয়, বরং অন্যের ভাবনা বা তথ্যকে নিজের মূল ধারণা হিসেবে উপস্থাপন করাটাও অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষাক্ষেত্রে, লেখালেখি ও গবেষণায় এটি একটি গুরুতর অসদাচরণের মধ্যে গণ্য হয়। অনৈতিকভাবে কপিরাইট লঙ্ঘন করা, বা অন্যের অবদানকে মানসিকভাবে গ্রহণ না করে ব্যবহার করা, সবকিছুই প্লেজিয়ারিজমের মধ্যে পড়ে। তাই লেখালেখি বা প্রবন্ধে সঠিকভাবে উদ্ধৃতিসহ মূল লেখকের অবদান স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি।
উত্তর: গ) অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া।
• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।
উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• ক্রিপার ভাইরাসকে সাধারণত কম্পিউটার ওয়ার্ম (ঘ) হিসেবে ধরা হয়। এটি ১৯৭১ সালে রবার্ট থমাস দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি নিজেই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম। ক্রিপারের মূল কাজ ছিল নিজেকে কপি করে অন্য কম্পিউটারে পৌঁছে দেওয়া এবং একটি বার্তা প্রদর্শন করা, যা বলছিল “I’m the creeper, catch me if you can!”। এটি ব্যবহারকারীর ফাইল ক্ষতি বা অর্থনৈতিক ক্ষতির জন্য তৈরি হয়নি, বরং এটি কম্পিউটার ভাইরাস ও ওয়ার্মের ধারণা প্রদর্শনের একটি পরীক্ষামূলক প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করেছিল। সুতরাং, ক্রিপারকে কম্পিউটার ওয়ার্মের প্রথম উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- সত্তর দশকেই, ইন্টারনেটের আদি অবস্থা, আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।
- সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্ম হতো সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত।
উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
X (Twitter):
- X এর পূর্বনাম টুইটার।
- অক্টোবর, ২০২২ সালে ইলন মাস্ক টুইটার কিনে নেয়।
- জুলাই, ২০২৩ সালে ইলন মাস্ক Twitter এর নাম পরিবর্তন করেন এবং নতুন নাম দেন X.
- X এ সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা পোস্ট করা যায়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২১ মার্চ ২০০৬ এবং চালু হয় ১৫ জুলাই ২০০৬ সালে।
- সদরদপ্তর: San Francisco, California, United States.
- প্রতিষ্ঠাতা: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass.
- বর্তমান CEO: Linda Yaccarino.
উৎস: ব্রিটানিকা এ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• HTML-এর সংক্ষিপ্ত রূপের পুরো অর্থ “Hyper Text Markup Language”। এটি একটি মানক মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব পেজ তৈরি ও প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়। HTML-এর মাধ্যমে ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে কোন অংশে শিরোনাম, প্যারাগ্রাফ, তালিকা, ছবি বা লিঙ্ক স্থাপন করতে হবে। “Hyper Text” বলতে বোঝায় এমন টেক্সট যা অন্য ওয়েব পেজের সঙ্গে সংযুক্ত (লিঙ্ক) হতে পারে। “Markup” নির্দেশ করে যে এটি মূল কনটেন্টকে চিহ্নিত ও বিন্যাস করার জন্য ট্যাগ ব্যবহার করে। HTML ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং CSS ও JavaScript-এর সঙ্গে মিলিত হয়ে সম্পূর্ণ ইন্টারেক্টিভ ও দৃষ্টিনন্দন ওয়েবসাইট তৈরি করতে সাহায্য করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) Hyper Text Markup Language.
• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Markup Language.
- HTML হলো ওয়েব পেজ তৈরি করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ভাষা।
- টিম বার্নার্স-লি ১৯৯১ সালে HTML উদ্ভাবন করেন।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: W3C অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন।
• কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে প্রথম যে প্রোগ্রামটি Run হয়, সেটি হলো BIOS.
• BIOS:
- BIOS (Basic Input/Output System) হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার প্রোগ্রাম।
- এটি মাদারবোর্ডে থাকা ROM বা ফার্মওয়্যার চিপে সংরক্ষিত থাকে।
• কম্পিউটার চালু হলে BIOS–এর ভূমিকা:
- পাওয়ার অন করার সাথে সাথেই BIOS স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়।
- BIOS প্রথমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে।
- এই প্রাথমিক পরীক্ষা প্রক্রিয়াকে POST (Power On Self Test) বলা হয়।
• BIOS ও অপারেটিং সিস্টেমের সম্পর্ক:
- হার্ডওয়্যার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর BIOS অপারেটিং সিস্টেম লোড করার কাজ শুরু করে।
- অপারেটিং সিস্টেম সম্পূর্ণভাবে লোড না হওয়া পর্যন্ত BIOS সক্রিয় থাকে।
• কেন BIOS প্রথম Run হয়:
- অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার আগেই হার্ডওয়্যার প্রস্তুত করা প্রয়োজন।
- এই কাজটি শুধুমাত্র BIOS–ই করতে পারে।
• অন্যান্য অপশন:
- Operating System BIOS–এর মাধ্যমে লোড হওয়ার পরে চালু হয়।
- Application software অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার পর ব্যবহার করা যায়।
- Device driver অপারেটিং সিস্টেমের অংশ হিসেবে কাজ করে।
উৎস: মাইক্রোসফট এবং ব্রিটানিকা [Link].
সঠিক উত্তর - ক) Volatile
Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো তথ্য মুছে দিয়ে সেই জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যায়, তাকে RAM বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ হলে RAM-এর তথ্য মুছে যায়।
- RAM কে প্রাইমারি স্টোরেজ বলা হয়, কারণ এটি সরাসরি ডেটা এবং কম্পিউটারের নির্দেশ (instruction) সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে ব্যবহৃত হয়।
- RAM এর প্রতিটি লোকেশন আলাদা এবং অন্য যেকোনো লোকেশনের মতো সহজে অ্যাক্সেস করা যায়।
- RAM হলো রিড/রাইট মেমোরি, অর্থাৎ এতে তথ্য লেখা এবং পড়া দুটোই সম্ভব।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• ALU (Arithmetic Logic Unit) হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত গাণিতিক (Arithmetic) এবং যৌক্তিক (Logical) ক্রিয়া সম্পন্ন করে।
• Data storage (তথ্য সংরক্ষণ):
- এটি মেমরি বা রেজিস্টারের কাজ, ALU তথ্য সংরক্ষণ করে না।
- ALU শুধুমাত্র প্রক্রিয়াকরণ করে, সংরক্ষণ নয়।
• ALU এর প্রধান কাজ:
- Addition (যোগ): দুই বা ততোধিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করে।
- Subtraction (বিয়োগ): দুই সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য বের করে।
- Logical operation (যৌক্তিক ক্রিয়া): AND, OR, XOR, NOT ইত্যাদি যৌক্তিক অপারেশন সম্পন্ন করে।
- Comparison (তুলনা): সংখ্যা একের থেকে বড়, ছোট বা সমান কিনা যাচাই করে।
তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• আধুনিক ফেস রিকগনিশনের নির্ভুলতা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে Convolutional Neural Networks (CNNs) প্রযুক্তির কারণে। CNN হলো একটি ধরনের ডীপ লার্নিং মডেল, যা মূলত চিত্র বা ভিজ্যুয়াল ডেটা থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য (features) স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম। এটি মুখের বিভিন্ন অংশ যেমন চোখ, নাক, মুখ, এবং তাদের সম্পর্কিত প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে মুখের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য চিনতে পারে। CNN-এর স্তরগুলো ধীরে ধীরে সহজ থেকে জটিল বৈশিষ্ট্য শিখে এবং বিভিন্ন কোণ, আলো বা অভিব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও সঠিকভাবে মুখ সনাক্ত করতে পারে। ফলে, ফেস রিকগনিশন সিস্টেমের নির্ভুলতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সঠিক উত্তর: গ) Convolutional Neural Networks (CNNs).
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।
Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• কম্পিউটারে ইনপুট সরঞ্জাম হলো এমন যন্ত্র যা ব্যবহারকারী থেকে ডেটা বা তথ্য গ্রহণ করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। যেমন, মাউস ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সর নিয়ন্ত্রণ করি এবং বিভিন্ন কমান্ড প্রদান করি। ওয়েবক্যাম ব্যবহার করে ছবি বা ভিডিও ক্যাপচার করে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে পাঠানো যায়। অন্যদিকে, প্রিন্টার হলো আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটার থেকে তথ্য গ্রহণ করে কাগজে প্রিন্ট আকারে প্রদান করে। তাই প্রিন্টার কোনো ইনপুট সরঞ্জাম নয়। সঠিক উত্তর হবে: ক) প্রিন্টার।
• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- তার মধ্যে কমন ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো-
১. কি-বোর্ড
২. মাউস
৩. ট্যাকবল
৪. জয়স্টিক
৫. বার কোড রিডার
৬. পয়েন্ট অফ সেল
৭. ওএমআর
৮. স্ক্যানার
৯. ডিজিটাইজার
১০. লাইটপেন ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট হার্ডওয়্যার সমূহ হলো:
১. মনিটর
২. প্রিন্টার
৩. প্লটার
৪. স্পিকার
৫. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
৬. ইমেজ সেটার
৭. ফিল্ম রেকর্ডার
৮. হেড ফোন ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad):
গ্রাফিক্স প্যাডকে স্লেটের সাথে তুলনা করা হয়। স্লেটে যেমন পেন্সিল দিয়ে লেখা হয় তেমনি গ্রফিক্স প্যাডে বিশেষ ধরনের পেন্সিল দিয়ে লেখা বা আঁকা যায় এবং কম্পিউটার এই লেখা বা আঁকা বুঝতে পারে।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• Data Bus বা ডেটা বাস হচ্ছে সিস্টেম বাসের অংশ। এটি এক্সপানশন বাসের অন্তর্ভুক্ত নয়।
• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস বলে।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস (যেমন- নেটওয়াক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড, টিভি কার্ড ইত্যাদি) যে স্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন স্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।
• উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA - Industry Standards Architecture),
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus):
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture),
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect),
৪. ইউএসবি (USB - Universal Serial Bus),
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE
৬. এজিপি (AGP - Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।
• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ডেটা বাস (Data Bus),
২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus) ও
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ স্মার্টফোনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত CPU আর্কিটেকচার হলো RISC. বিশেষ করে ARM আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে তৈরি RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসর স্মার্টফোনে ব্যবহার হয়। RISC আর্কিটেকচার কম সংখ্যক, সহজ নির্দেশনা ব্যবহার করে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সক্ষম করে, যা ব্যাটারি খরচ কমাতে সহায়ক। এর ফলে মোবাইল ডিভাইসে উচ্চ পারফরম্যান্স এবং শক্তি সাশ্রয়ী কার্যক্ষমতা পাওয়া যায়। অন্যদিকে X86 বা X64 সাধারণত ডেস্কটপ ও ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়। Qualcomm একটি কোম্পানি যা ARM ভিত্তিক চিপset তৈরি করে, তাই এটি একটি আর্কিটেকচার নয়। তাই মোবাইলে প্রধানত RISC/ARM আর্কিটেকচার ব্যবহৃত হয়।
• RISC (Reduced Instruction Set Computer):
- RISC হলো এমন এক মাইক্রোপ্রসেসর আর্কিটেকচার যা simplicity এবং গতির ওপর জোর দেয়। এর মূল ধারণা হলো, কম এবং সরল ইনস্ট্রাকশন সেট ব্যবহার করে প্রোগ্রামের কার্যসম্পাদনকে দ্রুততর করা।
- RISC প্রসেসরগুলো দ্রুত এবং দক্ষ, কারণ এগুলো কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশনকে ছোট ছোট সহজ ইনস্ট্রাকশনে ভেঙে কার্যকর করে।
- আধুনিক মোবাইল প্রসেসরগুলো (যেমন ARM architecture) মূলত RISC ভিত্তিক।
- RISC আর্কিটেকচার কম শক্তি খরচ করে, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে এবং ব্যাটারি-চালিত ডিভাইসের (যেমন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট) জন্য আদর্শ।
অন্যদিকে,
X86/X64: Intel/AMD এর আর্কিটেকচার, ডেস্কটপ/ল্যাপটপে ব্যবহৃত, বেশি পাওয়ার খরচ করে।
Qualcomm: এটি মূলত কোম্পানির নাম, আর্কিটেকচারের নাম নয় (Qualcomm RISC ভিত্তিক ARM প্রসেসর বানায়)।
উৎস:
1. Arm.com Website. [Link]
2. Encyclopedia Britannica. [Link]
বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বার্তা প্রেরণে প্রথম সফল জগদীশ চন্দ্র বসু। অ্যাডা লাভলেস algotithm programming এর ধারনা দেন। জেমস ক্লার্ক ম্যাক্স অয়েল electo-magnetic force এর ধারনা দেন। গুগ্লিয়েলমো মার্কনি বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৩ ও ৪।
• ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো তাদের বহনযোগ্যতা এবং ব্যবহার সুবিধা। ল্যাপটপ একটি কম্প্যাক্ট, হালকা ও ব্যাটারি-চালিত ডিভাইস, যা সহজে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া যায়। এর মধ্যে মনিটর, কীবোর্ড, মাউস ও সিপিইউ একত্রে থাকে, তাই অতিরিক্ত যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে ডেস্কটপ স্থিরভাবে ব্যবহারের জন্য তৈরি এবং সাধারণত বেশি শক্তিশালী ও কনফিগারযোগ্য, তবে এটি সহজে বহনযোগ্য নয়। ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ উভয়ই ইন্টারনেটে সংযোগ করতে সক্ষম এবং উভয়েই সিপিইউ থাকে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো – ক) ল্যাপটপ সহজে বহনযোগ্য।
ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।
উৎস: ব্রিটানিকা।
◉ Bluetooth একটি স্বল্প দূরত্বের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা 2.4 GHz এ কাজ করে।
ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।