বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৮৬ / ১৩১ · ৮,৫০১৮,৬০০ / ১৩,০৮৮

৮,৫০১.
মাদারবোর্ড কী?
  1. কম্পিউটারের মনিটর
  2. প্রসেসর সংযোগের জন্য ব্যবহৃত কেবল
  3. র‍্যামের জন্য আলাদা বোর্ড
  4. কম্পিউটারের ভিতরে থাকা সার্কিট বোর্ড
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে।

• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার

- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

• গঠন ও উপাদান
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
  • CPU (Central Processing Unit),
  • RAM (Random Access Memory),
  • Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।
৮,৫০২.
বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে কোন মেমোরি থেকে তথ্য চলে যায়?
  1. RAM
  2. Secondary Storage
  3. ROM
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে RAM থেকে তথ্য চলে যায়। 
 
র‍্যাম (RAM): 
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। 
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়। 
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে। 
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়। 
 
র‍্যাম (RAM) মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য: 
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি। 
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়। 
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়। 
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে। 
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। 
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫০৩.
সি প্রোগ্রামিং ভাষা সর্বপ্রথম কোন অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়েছিলো?
  1. MS-DOS
  2. Windows
  3. Linux
  4. Unix
ব্যাখ্যা

Unix অপারেটিং সিস্টেমে সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম প্রয়োগ করা হয়।

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
- 'সি' এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে 'বি' নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো 'সি' ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে 'সি' সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে 'সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৫০৪.
"কম্পিউটার ভাইরাস" শব্দটিকে সংজ্ঞায়িত করার এবং ১৯৮০-এর দশকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এটি প্রদর্শনের জন্য কাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়?
  1. Robert Morris
  2. Fred Cohen
  3. John von Neumann
  4. Vinton Cerf
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো 'Vital Information Resources Under Seize'.

- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন: বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস , মিউটেটিং ভাইরাস, স্টোন ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫০৫.
নিচের কোনটি কনজ্যুমার বা হোম রোবট হিসেবে পরিচিত?
  1. QRIO
  2. Shakey
  3. Roomba
  4. KUKA
ব্যাখ্যা

iRobot Corporation দ্বারা তৈরি Roomba কনজ্যুমার বা হোম রোবট হিসেবে পরিচিত।

রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবটিক্স (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ robota (রোবটা) থেকে যার ইংরেজি হলো robot (রোবট)।
- রোবট এর আভিধানিক অর্থ হল শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

• আইরোবট (iRobot):
- ১৯৯০ সালে এমআইটি (Massachusetts Institute of Technology) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত iRobot নামক প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের কনজ্যুমার রোবট বা হোম রোবট তৈরি করে বিশ্বে জনপ্রিয় হয়েছে।
- এই প্রতিষ্ঠালে তৈরি Roomba নামক রোবটটি বাসার মেঝ বা ফ্লোর পরিষ্কারের কাজে অত্যন্ত দক্ষ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৫০৬.
Which Industrial Revolution introduced the internet?
  1. 1st Industrial Revolution
  2. 2nd Industrial Revolution
  3. 3rd Industrial Revolution
  4. 4th Industrial Revolution
  5. A & B
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব:
- বর্তমান বিশ্ব টিকে আছে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ওপর।
- বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে শিল্পবিপ্লবের ফলে।
- এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট তিনটি শিল্পবিপ্লব ঘটেছে।

⇒ ১ম শিল্প বিপ্লব:
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।

⇒ ২য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৮৭০ সাল।
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়।
- এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়।
- এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন এর মান বৃদ্ধি পায়।
- বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

⇒ ৩য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট।
- শুরু হয় ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব।
- তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহজ ও দ্রুত বিনিময় শুরু হলে সারা বিশ্বের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
- ম্যানুয়াল জগৎ ছেড়ে যাত্রা শুরু হয় ভার্চুয়াল জগতের।

⇒ ৪র্থ শিল্প বিপ্লব:
- প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বিপ্লবকেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
- যেখানে মানুষের আয়ত্তে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইন্টারনেট অব থিংস বা যন্ত্রের ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণ রূপেই মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

উৎস: Britannica.
৮,৫০৭.
১ কিলোবাইট = কত বিট?
  1. ক) ১০০০০ বিট
  2. খ) ১০২৪ বিট
  3. গ) ৮১৯২ বিট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
১ বাইট = ৮ বিট
১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
= (১০২৪ × ৮) বিট
= ৮১৯২ বিট

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী। 
৮,৫০৮.
CRAY-1 কী ধরনের কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত?
  1. ক্ষুদ্র কম্পিউটার
  2. বৃহৎ কম্পিউটার
  3. ছোট কম্পিউটার
  4. অতিবৃহৎ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ CRAY-1 হলো বিশ্বের প্রথম সফল সুপারকম্পিউটার (অতিবৃহৎ কম্পিউটার), যা ১৯৭৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং জটিল গাণিতিক গণনার জন্য ব্যবহৃত হতো। সুপারকম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন হয়।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer)
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)

অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- এ যাবৎ কাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে শক্তিশালী ও অত্যন্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে সুপার কম্পিউটার।
উদাহরণ CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- ক্ষমতা ও আকার বিচারে মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কিন্তু মাইক্রো কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন।
উদাহরণ IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম বা বৃহৎ কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট ও কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে মিনি কম্পিউটার।
- এর কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশটি সাধারণ টেবিলের উপর বসানো সম্ভব।
উদাহরণ NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্য বিচারে সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রো বা ছোট কম্পিউটার।
- উদাহরণ IBM 486, IBM Pentium ইত্যাদি।
- ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫০৯.
অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কী বলা হয়?
  1. শেল
  2. কার্নেল
  3. BIOS
  4. ইউটিলিটি
ব্যাখ্যা

অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামসমষ্টি ব্যবহৃত হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• কার্নেল:
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮,৫১০.
কম্পিউটার সিস্টেমে 'মডেম' - কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. ইনপুট
  2. আউটপুট
  3. ইনপুট-আউটপুট
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন- 
• কীবোর্ড, 
• মাউস, 
• স্ক্যানার, 
• OMR, 
• OCR ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন- 
• মনিটর, 
• প্রিন্টার, 
• প্রজেক্টর, 
• স্পিকার, 
• প্লটার ইত্যাদি। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন- 
• হেডফোন, 
• ডিজিটাল ক্যামেরা, 
• মডেম, 
• টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫১১.
মডেম শব্দটি কোন দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত? 
  1. Mode ও Memory
  2. Monitor ও Decoder
  3. Modulator ও Demodulator
  4. Module ও Demand
ব্যাখ্যা

• Modem = Modulator + Demodulator.

• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেমের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান–প্রদান করা সম্ভব হয়।

- মডেম শব্দটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—

- Modulator,
- Demodulator.

অর্থাৎ, মডেমের দুটি প্রধান অংশ রয়েছে—

- মডুলেটর (Modulator),
- ডি-মডুলেটর (Demodulator).
 
• মডুলেটর (Modulator):
- মডুলেটরের কাজ হলো ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করা।
- এই সংকেত রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন (Modulation)।

 
• ডি-মডুলেটর (Demodulator):
- ডি-মডুলেটরের কাজ হলো অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা।
- এই সংকেত রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডি-মডুলেশন (Demodulation)।

 
• মডেমের গতি:
- বাজারে বিভিন্ন গতিসম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। মডেমের গতি সাধারণত kbps (kilobits per second) এককে পরিমাপ করা হয়।

উদাহরণ: 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫১২.
In blockchain technology, each block is connected to the previous block using—
  1. Cryptographic hash
  2. IP address
  3. Database index
  4. URL link
ব্যাখ্যা

• Blockchain প্রযুক্তিতে প্রতিটি নতুন ব্লক পূর্ববর্তী ব্লকের সাথে cryptographic hash দ্বারা সংযুক্ত থাকে, ফলে ডেটা পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।

• Blockchain:
- Blockchain হলো একটি distributed digital ledger technology যেখানে লেনদেনের তথ্য ধারাবাহিকভাবে ব্লকের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রতিটি ব্লকে একাধিক transaction বা লেনদেনের তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- প্রতিটি নতুন ব্লক আগের ব্লকের সাথে cryptographic hash দ্বারা সংযুক্ত থাকে।
- এই সংযুক্ত কাঠামো একটি চেইন বা শৃঙ্খল তৈরি করে, তাই একে blockchain বলা হয়।
- Blockchain সাধারণত decentralized network-এ পরিচালিত হয়, যেখানে কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ থাকে না।
- নেটওয়ার্কের একাধিক কম্পিউটার বা node একই ledger কপি সংরক্ষণ করে।
- Blockchain প্রযুক্তিতে cryptography ব্যবহার করে ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
- এই প্রযুক্তি মূলত cryptocurrency, বিশেষ করে Bitcoin-এর ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• Blockchain-এর বৈশিষ্ট্য:
- Decentralization → কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয়।
- Transparency → নেটওয়ার্কের লেনদেনসমূহ যাচাইযোগ্য এবং উন্মুক্তভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- Immutability → একবার ব্লকে তথ্য সংরক্ষিত হলে তা পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন।
- Security → cryptographic পদ্ধতির মাধ্যমে ডেটা সুরক্ষিত রাখা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Cryptographic hash → একটি গাণিতিক অ্যালগরিদম যা ডেটাকে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের hash মানে রূপান্তর করে এবং blockchain-এ ব্লক সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- IP address → নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইস শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত একটি ইউনিক নম্বর।
- Database index → ডেটাবেজে দ্রুত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত একটি কাঠামো।
- URL link → ইন্টারনেটে কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবপেজের ঠিকানা নির্দেশ করে।

Source: Britannica.

৮,৫১৩.
চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেছিলেন?
  1. অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন
  2. টাইপরাইটার
  3. ক্যালকুলেটর
  4. অ্যাবাকাস 
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও কম্পিউটিং পথিকৃৎ, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি ১৮৩৭ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন ডিজাইন করেছিলেন, যা ছিল একটি যান্ত্রিক জেনারেল-পারপাস কম্পিউটার।
- এটি প্রোগ্রামযোগ্য ছিল এবং আধুনিক কম্পিউটারের মূল নীতিগুলি (ইনপুট/আউটপুট, প্রসেসিং, মেমরি) ধারণ করত।

চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫১৪.
A Quantum Computer mainly works on - 
  1. Byte
  2. Bit
  3. Qubit
  4. Register
ব্যাখ্যা

Quantum Computer মূলত Qubit-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

Quantum Computer
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার তথ্যের মৌলিক একক হিসেবে কিউবিট (Quantum bit) ব্যবহার করে।
- যেখানে সাধারণ বা ক্লাসিক্যাল বিট শুধুমাত্র 0 বা 1 হতে পারে, কিউবিট সুপারপজিশন (superposition) অবস্থায় থাকতে পারে, যার মানে এটি একসাথে 0, 1, বা উভয়ই উপস্থাপন করতে পারে।
- এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে কোয়ান্টাম কম্পিউটার ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় একাধিক তথ্য একই সময়ে প্রসেস করতে সক্ষম, যা কিছু নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে তাদের অত্যন্ত দ্রুত করে তোলে।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার এখনও প্রায়শই পরীক্ষামূলক, তবে ভবিষ্যতে বড় ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, বড় সংখ্যার গাণিতিক বিভাজন এবং নিরাপদ যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৮,৫১৫.
কম্পিউটারের গাণিতিক কার্যক্রম সম্পাদন করে কোনটি?
  1. ক) এ.এল.ইউ
  2. খ) কন্ট্রোল ইউনিট
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) বায়োস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সিপিইউ এর Arithmetic Logic Unit (ALU) গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে।

• সিপিইউ:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)

• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- আবার কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫১৬.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের মূল সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. San Francisco, California
  2. Menlo Park, California
  3. Mountain View, California
  4. Cupertino, California
ব্যাখ্যা

• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের মূল সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের Cupertino শহরে অবস্থিত, যা সঠিক উত্তর ঘ) Cupertino, California। এই শহরেই অ্যাপলের বিখ্যাত প্রধান কার্যালয় “Apple Park” অবস্থিত, যা একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিত। ২০১৭ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় এবং এখানে অ্যাপলের শীর্ষ নির্বাহীসহ হাজার হাজার কর্মী কাজ করেন। যদিও ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যান্য শহর যেমন San Francisco, Menlo Park ও Mountain View প্রযুক্তি শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ, তবে অ্যাপলের কেন্দ্রীয় পরিচালনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মূল কেন্দ্র Cupertino-তেই অবস্থিত।

• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- এর স্লোগান Think Different.
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড সদর দপ্তর কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা

৮,৫১৭.
কম্পিউটারের আইকিউ হচ্ছে-
  1. ক) অসীম
  2. খ) বৃহৎ
  3. গ) সীমিত
  4. ঘ) শূন্য
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের আইকিউ হচ্ছে শূন্য।
- অর্থাৎ কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধিমত্তা নেই।
- কম্পিউটার নিজে বুদ্ধি খাটিয়ে কোন কাজ করতে পারে না।
- মানুষের তৈরি করে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করেই কম্পিউটার সব রকমের কাজ সম্পন্ন করে।

৮,৫১৮.
কোন সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২?
  1. ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  2. খ) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  3. গ) অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
৮,৫১৯.
Amazon কোন দেশভিত্তিক ই-কমার্স সাইট?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
♦ ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
২. ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
৩. ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
৪. আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
৫. মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
৬. ই-কমার্সে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার খরচ অনেক কম। ফলে সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে।
৭. ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
৮. ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

Amazon - যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স।
• Alibaba - চীনভিত্তিক ই-কমার্স।
• Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট।
• Rokomari - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৮,৫২০.
কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্রের নকশা তৈরি করেছিলেন?
  1. Difference Engine
  2. Tabulating Machine
  3. Pascaline
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) কম্পিউটিং ইতিহাসের একজন অগ্রগামী, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি দুটি যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন:
i) ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine): এটি একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর, যা গাণিতিক সারণী তৈরি করতে ব্যবহৃত হতো।
ii) অ্যানালিটিক ইঞ্জিন (Analytical Engine): এটি একটি প্রোগ্রামযোগ্য যন্ত্র, যা আধুনিক কম্পিউটারের ধারণার ভিত্তি তৈরি করে। এটি লজিক্যাল অপারেশন এবং ডেটা প্রসেসিং করতে সক্ষম ছিল।

চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫২১.
এমএস ওয়ার্ডে কোনো text ইটালিক (Italic) করতে হলে নিচের কোন কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ctrl+I
  2. খ) Shift+I
  3. গ) Alt+I
  4. ঘ) Ctrl+B
ব্যাখ্যা
এমএস ওয়ার্ডে কোনো text ইটালিক (Italic) করতে হলে Ctrl+I কমান্ড ব্যবহার করতে হয়।
৮,৫২২.
Abacus কী?
  1. ক) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. খ) ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. গ) প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
  4. ঘ) গণনাযন্ত্র
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস (Abacus):
- গণনার কাজে সহায়তার জন্য প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন প্রকার যান্ত্রিক কৌশল প্রচলিত থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গণনার যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ বলা যায় অ্যাবাকাস থেকেই কম্পিউটারের ইতিহাসের শুভযাত্রা।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের ওপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগানো থাকে।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের। এভাবে প্রত্যেক তারে একটি করে মান থাকত। ফ্রেমের মাঝখান বাম, ডান কিংবা ওপর-নিচ বিভক্ত থাকত। গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫২৩.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) এনালগ পদ্ধতির সিগনাল
  2. খ) কম ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকুয়েন্সির ব্যাবহার
  3. গ) সীমিত পরিসরে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকা
  4. ঘ) মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা ছিলো না। এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে সীমিত পরিসরে চালু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
৮,৫২৪.
একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করতে পারে কোন ডিভাইসটি?
  1. পেনড্রাইভ
  2. স্পিকার
  3. লাইটপেন
  4. জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
• পেনড্রাইভ একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করতে পারে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে, তাকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে রয়েছে কীবোর্ড, মাউস, ট্র্যাকবল, জয়স্টিক, টাচ স্ক্রিন, বারকোড রিডার, পয়েন্ট-অফ-সেল, OMR, OCR, স্ক্যানার, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, গ্রাফিক্স প্যাড, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার প্রক্রিয়াজাত ফলাফল দেখায়, তাকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে রয়েছে মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইমেজ সেটার, ফিল্ম রেকর্ডার, হেডফোন ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে, তাদের ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে রয়েছে হার্ড ডিস্ক, CD/DVD, টাচ স্ক্রিন, পেনড্রাইভ, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫২৫.
'ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)'- এর জনক কে?
  1. Bill Gates
  2. Tim Berners-Lee 
  3. Steve Jobs
  4. Mark Zuckerberg
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর জনক হলেন Tim Berners-Lee. 

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) কে সংক্ষেপে WWW বা ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
- সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা কর যায়।
- টিম বার্নার্স লী WWW- এর জনক নামে পরিচিত।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- এটি হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫২৬.
রিলেশনাল ডাটাবেজে কোন সম্পর্কের মাধ্যমে একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে অনেকগুলো চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত হতে পারে?
  1. Self-referencing
  2. One-to-many
  3. Many-to-many
  4. One-to-one
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে যখন একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, তখন এটি One-to-many (এক থেকে বহু) সম্পর্ক হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্যারেন্ট টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড একাধিক চাইল্ড টেবিলের রেকর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে, কিন্তু চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি “বিভাগ” টেবিলের প্রতিটি বিভাগে অনেক “কর্মচারী” থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কর্মচারী শুধুমাত্র একটি বিভাগে থাকে। এই সম্পর্ক তৈরি করতে সাধারণত চাইল্ড টেবিলে প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যবহার করে ফরেন কী কলাম সংযুক্ত করা হয়। তাই, প্যারেন্ট-চাইল্ড সম্পর্ক বোঝাতে One-to-many সবচেয়ে উপযুক্ত।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫২৭.
প্রোগ্রামের স্থায়ী বিবরণী সংরক্ষণ করাকে কী বলে?
  1. রানিং
  2. ডকুমেন্টেশন
  3. ট্রান্সলেশন
  4. এক্সিকিউশন
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামের স্থায়ী বিবরণী সংরক্ষণ করাকে ডকুমেন্টেশন বলে।

• প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন (Programme Documentation)
- ভুল সংশোধনের পর প্রোগ্রাম সঠিকভাবে কাজ করলে তাকে Run programme বলা হয় এবং এ প্রোগ্রামকে ভবিষ্যতে এবং রক্ষণের জন্য লিপিবদ্ধ করতে হয়।
- এ লিপিবদ্ধ প্রোগ্রামকে ডকুমেন্টেশন বলে।
- আধুনিকীকরণ করার জন্য প্রোগ্রামের সঠিক ডকুমেন্টেশন তৈরি করতে হয় অর্থাৎ প্রোগ্রামের বিবরণী স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ করতে হয়।
- সেক্ষেত্রে প্রোগ্রামকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে না পারলে এর আধুনিকীকরণ কঠিন হয়ে পড়ে।
- পেপার, ম্যাগনেটিক ডিস্ক ইত্যাদির মাধ্যমে প্রোগ্রামকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

• একটি Complete প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন যে সকল বিষয় থাকা দরকার তা হলো-
- প্রোগ্রামের বর্ণনা।
- প্রোগ্রামের ফ্লোচার্ট।
- কোডিং।
- প্রোগ্রাম নির্বাহকালীন সময়ে করণীয় কাজের তালিকা।
- পরীক্ষণ ও ফলাফল।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৮,৫২৮.
কোন উপাদানটি বিভিন্ন নির্দেশাবলী কার্যকর করে এবং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ পরিচালনা করে?
  1. USB Port
  2. Monitor
  3. Power Supply
  4. CPU
ব্যাখ্যা
⚪ CPU বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট হলো কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক"। এটি প্রোগ্রামের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে এবং বিভিন্ন গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করে। ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, যেমন যোগ, বিয়োগ, তুলনা করা ইত্যাদি- সব কিছুই CPU সম্পাদন করে।

⚪ অপশন আলোচনা:
- Power Supply: বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে না।
- Monitor: তথ্য প্রদর্শনের কাজ করে।
- USB Port: বাহ্যিক ডিভাইস সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

⚪ CPU ( Central Processing Unit):
CPU হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা “ব্রেইন”। এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে আসা তথ্য নিয়ে গণনা, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে।

CPU-এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে:
১। CU (Control Unit)- পুরো কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। নির্দেশ দেয় কে কখন কী করবে।
২। ALU (Arithmetic Logic Unit)- গাণিতিক ও যুক্তিগত কাজ করে। যেমন: যোগ, বিয়োগ, তুলনা ইত্যাদি।
৩️। Memory unit - সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে প্রসেসিংয়ের সময়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫২৯.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি কী দিয়ে তৈরি করা হয়?  
  1. Al
  2. Ga
  3. Si
  4. Plastics
ব্যাখ্যা
⚪ কম্পিউটারের মূল মেমোরি (যেমন RAM বা ROM) সাধারণত সিলিকন (Si) দিয়ে তৈরি করা হয়। সিলিকন আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, কারণ এটি একটি সেমিকন্ডাক্টর, যা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

⚪ অপশন আলোচনা:

- Al (অ্যালুমিনিয়াম): এটি এক ধরনের ধাতু, কিন্তু কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে ব্যবহার হয় না।

- Ga (গ্যালিয়াম): এটি কিছু বিশেষ ধরনের সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইসে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয় না।

- Si (সিলিকন): এটি সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে কম্পিউটারের মেমোরি এবং প্রসেসরের মতো অংশ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

- Plastics (প্লাস্টিক): কম্পিউটারের মেমোরির মূল উপাদান হিসেবে প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয় না, তবে এটি বাহ্যিক ক্ষেত্রে যেমন কেস বা কভার তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

⚪ কম্পিউটারের মেমোরি:
- কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি 'সিলিকন' নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে। 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। 
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে। 
- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিত ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
৮,৫৩০.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ে একটি ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে কী বলে?
  1. পলিমরফিজম
  2. ক্লাস
  3. এনক্যাপসুলেশন
  4. ইনহেরিটেন্স
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) পদ্ধতিতে ডাটা ও কার্যক্রমের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, যাকে অবজেক্ট বলা হয়।
- অবজেক্টগুলো পরস্পরের মধ্যে মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের কার্যক্রম বা ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, অর্থাৎ ডাটা ও ফাংশন একত্রে সংযুক্ত থাকে।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর কয়েকটি উদাহরণ:
 - C++,
- Java,
- Simula ইত্যাদি হলো।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

• অবজেক্ট:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর ভাষায় কোনো বস্তু কিংবা ঘটনার প্রোগ্রামিং সংস্করণ হলো অবজেক্ট।

• ক্লাস:
- ক্লাস হলো একই ধরনের অনেকগুলো বস্তু কিংবা ঘটনার Logical Representation এবং অবজেক্ট হলো প্রোগ্রামে তার Physical Representation.
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এ কোনো অবজেক্টকে প্রোগ্রামে উপস্থাপনের পূর্বে ক্লাস তৈরি করতে হয়।

• পলিমরফিজম:
- পলিমরফিজম মানে হলো অনেক ফর্মস।
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এই ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে পলিমরফিক অবজেক্ট তৈরি করে।

• ইনহেরিটেন্স:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে।
- এর ফলে নতুন ক্লাস এ পূর্বের ক্লাস এর গুণাবলি বজায় রেখে নতুন নতুন গুণাবলির সমন্বয় ঘটতে পারে।

• এনক্যাপসুলেশন:
- অবজেক্ট এর Attributes এবং Behaviors কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে বলে এনক্যাপসুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৩১.
হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা কোনটির উপর নির্ভর করে না?
  1. প্ল্যাটারের ঘনত্ব
  2. ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা
  3. প্রসেসরের ক্লক স্পিড
  4. ট্র্যাকের সংখ্যা
ব্যাখ্যা
• প্রসেসরের ক্লক স্পিডের উপর হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে না, বরং এটি CPU এর পারফরমেন্স নির্ধারণ করে। 

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক বা HDD হলো ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি।

• HDD (Hard Disk Drive)-এর ডেটা চৌম্বকীয় ডিস্ক-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়।
- HDD-এর ভিতরে ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটার (Platter) থাকে, যার উপর ডেটা চৌম্বকীয়ভাবে রেকর্ড করা হয়।
- রিড/রাইট হেড এই ডেটা অ্যাক্সেস বা পরিবর্তন করে।

• হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
- ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা।
- ট্র্যাকের সংখ্যা।
- ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা।
- প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা।
- প্ল্যাটারের ঘনত্ব।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৩২.
হার্ড ডিস্ক কোন ধরনের স্টোরেজ মিডিয়াম?
  1. অপটিক্যাল
  2. ইলেকট্রিক
  3. লেজার
  4. ম্যাগনেটিক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) ম্যাগনেটিক
হার্ড ডিস্ক হলো একটি ম্যাগনেটিক স্টোরেজ মিডিয়াম, যা কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম বা কাচের ফ্ল্যাট গোলাকার প্লেট দিয়ে তৈরি, যা ম্যাগনেটিক পদার্থ দিয়ে কোট করা থাকে।

হার্ড ডিস্ক (Hard Disk):
হার্ড ডিস্ক হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এটি অ্যালুমিনিয়াম বা কাঁচের তৈরি সমতল গোলাকার পাতের ওপর ম্যাগনেটিক উপাদান দিয়ে আবৃত থাকে।

বৈশিষ্ট্য:
- হার্ড ডিস্ক মূলত চৌম্বকীয় উপাদানের প্রলেপযুক্ত কিছু চাকতি যা একটি কেন্দ্রীয় অক্ষের চারিদিকে ঘোরে। এই চাকতিগুলোর উপর ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি ছোট ইলেক্ট্রোম্যাগনেট, যাকে ম্যাগনেটিক হেড বলা হয়, তা স্পিনিং ডিস্কের উপর ক্ষুদ্র স্থানগুলোকে বিভিন্ন দিকে ম্যাগনেটাইজ করে বাইনারি ডিজিট (১ অথবা ০) লিখে এবং স্থানগুলোর ম্যাগনেটাইজেশন দিক সনাক্ত করে ডিজিট পড়ে।
- হার্ড ড্রাইভের মধ্যে বেশ কয়েকটি হার্ড ডিস্ক, রিড/রাইট হেড, ডিস্ক ঘোরানোর জন্য একটি ড্রাইভ মোটর এবং কিছু ইলেকট্রনিক সার্কিট থাকে, যা ধুলো থেকে রক্ষার জন্য একটি ধাতব আবরণে আবদ্ধ থাকে।
- বর্তমানে কিছু কম্পিউটার এবং ল্যাপটপে সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার করা হয়, যা তথ্য সংরক্ষণের জন্য ফ্ল্যাশ মেমরি চিপের উপর নির্ভর করে, হার্ড ডিস্কের পরিবর্তে।
- হার্ড ড্রাইভগুলোতে সাধারণত একাধিক ডিস্ক থাকে, যেগুলোর প্রত্যেকটি পৃষ্ঠের জন্য একটি করে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রিড/রাইট হেড থাকে। এই পুরো কাঠামোকে "comb" বলা হয়।
- ড্রাইভের একটি মাইক্রোপ্রসেসর হেডের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডিস্ক থেকে ডেটা স্থানান্তরের জন্য RAM ব্যবহার করে। ড্রাইভগুলো বায়ুরোধীভাবে তৈরি করা হয়, ফলে হেডগুলো ডিস্কের খুব কাছে একটি পাতলা ফিল্মের উপর ভাসতে পারে।
- ডিস্কের উপর ডেটা খুব কাছাকাছি বৃত্তাকার ট্র্যাকে সংরক্ষণ করা হয়, যার জন্য রিড/রাইট হেডগুলোর খুব সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৮,৫৩৩.
হেক্সাডেসিমাল F এর মান বাইনারিতে-
  1. ক) ১০১০
  2. খ) ১১১১
  3. গ) ১১১০
  4. ঘ) ১১০১
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৮,৫৩৪.
কন্ট্রোল ইউনিট সম্পর্কিত কোন বিবরণটি সঠিক?
  1. প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  2. মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
  3. ALU এর সমতুল্য
  4. লজিক্যাল ক্যালকুলেশন করে
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (CU) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা CPU-এর অন্যান্য উপাদানগুলোকে পরিচালনা এবং সমন্বয় করে। এটি মূলত মেমরি, ইনপুট/আউটপুট (I/O) ডিভাইস এবং Arithmetic Logic Unit (ALU)-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুযায়ী ঠিকমতো কাজ করতে পারে। 

​কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৮,৫৩৫.
একটি ব্লুটুথ পিকোনেটে সর্বোচ্চ কতটি স্লেভ ডিভাইস সক্রিয় থাকতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে একটি মাস্টার ডিভাইসের অধীনে সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভ বা অধীনস্থ ডিভাইস একই সময়ে সক্রিয়ভাবে (Active Mode) যুক্ত থাকতে পারে।
- মাস্টারসহ একটি পিকোনেটে মোট সক্রিয় ডিভাইসের সংখ্যা হয় ৮টি।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):

- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- বর্তমানে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, স্মার্ট ফোন ইত্যাদি ডিভাইসে ব্লুটুথ বিল্ট ইন আকারে থাকে।
- তাছাড়া ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টারের সাহায্যে যেকোন কম্পিউটারে ব্লুটুথ সক্রিয় করা যায়। 
- ১৯৪৫ এরিকসন (Ericsson) এই প্রযুক্তির আবিষ্কার করেন এবং দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লু-টুথের নামানুসারে নামকরণ করেন।
- এটি IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৩৬.
একটি ২ GHz CPU-এর এক ক্লক সাইকেলের সময়কাল আনুমানিক:
  1. ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড
  2. ২ ন্যানোসেকেন্ড
  3. ৫০০ ন্যানোসেকেন্ড
  4. ২ মিলিসেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• একটি ২ GHz CPU-এর অর্থ হলো এটি প্রতি সেকেন্ডে ২ বিলিয়ন (২ × ১০) ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। তাই এক ক্লক সাইকেলের সময়কাল হবে ১ সেকেন্ড ÷ ২ × ১০= ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড। অর্থাৎ, প্রতি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড সময় লাগে। GHz মানে হলো গিগাহার্টজ, যা একক সময়ের মধ্যে কতটি সাইকেল সম্পন্ন হয় তা বোঝায়। তাই ঘড়ির স্পিড যত বেশি, প্রতি সাইকেলের সময়কাল তত কম। এক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হচ্ছে: ক) ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড। এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে বোঝা যায় ক্লক স্পিড ও সময়ের সম্পর্ক বিপরীতমুখী।

• কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৩৭.
নিচের Job Scheduling Policy সমূহের মধ্যে কোনটি Starvation থেকে মুক্ত?
  1. Shortest Job First
  2. Priority Scheduling
  3. Round-robin
  4. Youngest Job First
ব্যাখ্যা
A starvation-free job-scheduling policy guarantees that no job waits indefinitely for service. 
Here, Round Robin – this gives all processes equal access to the processor.
The other techniques each select some “types” of processes to others (e.g. short processes, high priority processes etc). 
প্রশ্নটি University of Liverpool এর একটি লেকচারের অনুশীলনী অংশের একটি প্রশ্নের সাথে অপশনসহ পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে দেখে মনে হচ্ছে সেখান থেকেই নেয়া হয়েছে।
Round Robin পদ্ধতিতে প্রত্যেক প্রসেসের রেসপন্স টাইমের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া থাকে। তাই, কোন প্রসেসকে CPU টাইম পেতে অবান্তর অপেক্ষা করতে হয় না।
৮,৫৩৮.
8086 কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১৬
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৬৪
ব্যাখ্যা
• 8086 ১৬ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর।

বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে।
যেমন:
৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৪ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৪০০৪, ৪০৪০।
৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৮ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৮০০৮, ৮০৮০।
১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ১৬ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬,.৮০১৮৮, ৮০২৮৬, ৬৮০০০।
৩২ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর। যেমন- ৮০৩৮৬, ৮০৩৭৬, ৮০৪৮৬।
৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৬৪ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- Intel core i3, core i5, core i7, xenon, Intel ITANIUM।

- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে। এটি ছিল Intel 4000 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- কালের বিবর্তনে বর্তমানে ইন্টেল কোর আই নাইন Intel Core i9th-10th (2nd GEN) বাজারে পাওয়ার যাচ্ছে।
- বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টেল কর্পোরেশন, মটোরোলা ,আইবিএম, এএমডি, সাইরিক্স , এনভিডিয়া, কোয়ালকম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৩৯.
"ACID principle"- এ 'C' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Confirmation
  2. Continuity
  3. Consistency
  4. Consultancy
ব্যাখ্যা
ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID।
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

উৎস: techtarget.com
৮,৫৪০.
NFC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে - 
  1. Near Field Communication
  2. Next Frame Connection
  3. Network File Control
  4. Near Fast Communication
ব্যাখ্যা

• NFC এর পূর্ণরূপ হলো Near Field Communication. এটি একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা সাধারণত ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম দূরত্বে কাজ করে। 

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৫৪১.
In which network are internet facilities available?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) WAN
  4. ঘ) WPAN
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN): বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে সংযােগ স্থাপন করে।
টেলিফোনের সাথে সংযুক্ত মডেমের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডায়াল করতে হয়। এভাবে ভিন্ন প্রকৃতির নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়। গেটওয়ে ডাটা বা তথ্য চলাচলের জন্য প্রয়ােজনীয় পরিবর্তনের কাজ করে দেয়।
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে।

যেমনঃ ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।
৮,৫৪২.
নিচের কোনটি বায়োইনফরমেটিক্সের আওতাভুক্ত নয়?
  1. ব্যক্তি শনাক্তকরণ
  2. জিন বিশ্লেষণ
  3. প্রোটিন গঠন বিশ্লেষণ
  4. ওষুধ আবিষ্কার
ব্যাখ্যা

• ব্যক্তি শনাক্তকরণ বায়োইনফরমেটিক্সের আওতাভুক্ত নয়, এটি  বায়োমেট্রিক্সের আওতায় পড়ে।

• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স-এর ব্যবহার:
- DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ,
- প্রোটিন গঠন ও কার্যাবলি বিশ্লেষণ,
- নতুন ওষুধ উদ্ভাবন,
- জিনোম প্রজেক্টে গবেষণা,
- রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা,
- প্রাণী ও উদ্ভিদের উন্নত প্রজাতি তৈরিতে।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কন্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কীবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৫৪৩.
বিভিন্ন প্রোটোকল সম্বলিত নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম ডিভাইসটির নাম কী?
  1. গেটওয়ে
  2. হাব
  3. সুইচ
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্কে বিভিন্ন প্রোটোকল সম্বলিত সিস্টেম বা সাবনেটের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করতে এবং সংযোগ স্থাপন করতে যে ডিভাইস ব্যবহৃত হয় তাকে গেটওয়ে (Gateway) বলা হয়। গেটওয়ে একটি বিশেষ ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ক প্রোটোকল এবং আর্কিটেকচারের মধ্যে ডেটা অনুবাদ এবং রূপান্তর করতে সক্ষম। এটি কেবল একটি সাধারণ ডিভাইসের মতো প্যাকেট ফরওয়ার্ড করে না, বরং প্রোটোকল এবং ডেটা ফরম্যাটকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে, যাতে দুই ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে কমিউনিকেশন সম্ভব হয়। অন্যদিকে, হাব, সুইচ এবং রাউটার মূলত একই প্রোটোকল ব্যবহারকারী ডিভাইসের মধ্যে বা সাবনেটের মধ্যে ডেটা সরবরাহ করে, কিন্তু ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক সংযোগ করতে পারে না। তাই বিভিন্ন প্রোটোকল সম্বলিত নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য গেটওয়ে অপরিহার্য।

উত্তর: ক) গেটওয়ে।

সুইচ:

- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৪৪.
স্ল্যাক (Slack) এক ধরনের -
  1. ক) ওয়েব ব্রাউজার
  2. খ) কম্পিউটার ভাইরাস
  3. গ) পেশাগত যোগাযোগ মাধ্যম
  4. ঘ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
• স্ল্যাক (Slack) এক ধরনের পেশাগত যোগাযোগ মাধ্যম।
• ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজদের কর্মী এবং অফিস যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে স্ল্যাক (Slack) ব্যবহার করে।
• বর্তমান কর্পোরেট এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে স্ল্যাক (Slack) জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম।

• চাকরি ও কর্মী খোঁজার জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে লিংকডইন।

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো:
- ফেইসবুক,
- টুইটার,
- ইনস্টাগ্রাম,
- স্ন্যাপচ্যাট।

সূত্র: https://slack.com/ এবং পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,৫৪৫.
6 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন কত? 
  1. 52 টি
  2. 62 টি
  3. 64 টি
  4. 88 টি
ব্যাখ্যা

• ৬ লাইন ইনপুটযুক্ত একটি ডিকোডার সাধারণত 2n আউটপুট লাইন তৈরি করে, যেখানে n হল ইনপুট লাইনের সংখ্যা। এখানে n = 6, তাই আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 26 = 64। ডিকোডারের মূল কাজ হল নির্দিষ্ট ইনপুট কম্বিনেশন অনুযায়ী একক আউটপুট সক্রিয় করা, বাকিগুলো বন্ধ রাখা। তাই ৬ লাইন ইনপুটযুক্ত ডিকোডার ৬৪টি ভিন্ন আউটপুট লাইন তৈরি করতে সক্ষম। সুতরাং প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 64 টি।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 6 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 26
= 64 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৪৬.
টাইম-শেয়ার্ড সিস্টেমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শিডিউলিং অ্যালগরিদম কোনটি?
  1. Round Robin (RR)
  2. First-Come, First-Served (FCFS)
  3. Shortest Job Next (SJN)
  4. Priority Scheduling
ব্যাখ্যা

• টাইম-শেয়ার্ড সিস্টেমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শিডিউলিং অ্যালগরিদম হলো Round Robin (RR)। এই অ্যালগরিদমে প্রতিটি প্রক্রিয়াকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা time quantum দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলে, যদি কোনো প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয় তবে সেটিকে কিউ-এর শেষে পাঠানো হয় এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া প্রসেসর পায়। ফলে সব প্রক্রিয়া সমান সুযোগ পায় এবং সিস্টেমের প্রতিক্রিয়াশীলতা (responsiveness) বজায় থাকে। এটি বিশেষভাবে ইন্টারেক্টিভ সিস্টেমে কার্যকর, কারণ ব্যবহারকারীরা দ্রুত প্রতিক্রিয়া পান। অন্যদিকে, FCFS, SJN বা Priority Scheduling টাইম-শেয়ার্ড সিস্টেমে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে না, তাই RR-ই সবচেয়ে জনপ্রিয়।

Time-shared OS:
- টাইম শেয়ারিং হলো একটি অপারেটিং সিস্টেমের নাম যার দ্বারা একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত কয়েকটি কম্পিউটার ব্যবহারকারী একই সাথে কাজ করতে পারে।
Round Robin scheduling policy:
- Round Robin scheduling policy হলো অনেকগুলো সংযোগের সমন্বয়ে গঠিত, যা তথ্য বিতরণ করে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইস।
- যেমন: একটি কোম্পানির মাল্টিপল সার্ভার আছে। যখন কোনো ১ম ইউজার সার্ভার থেকে তথ্য পেতে চেষ্টা করে তখন তাকে রেফার করা হয় সার্ভার ১ এ।
- আবার ২য় ইউজার তথ্য সংগ্রহ করে সার্ভার ২ থেকে।

উৎস: geeksforgeeks [লিংক]

৮,৫৪৭.
কোন অনুবাদক প্রোগ্রাম পুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করে?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. কম্পাইলার
  3. এডিটর
  4. অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটি একবারে পরীক্ষা করে মেশিন কোডে অনুবাদ করে।
→ ইন্টারপ্রেটার লাইন বাই লাইন বা স্টেটমেন্ট বাই স্টেটমেন্ট অনুবাদ করে।
→ অ্যাসেম্বলার শুধু অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে।
→ এডিটর কোড লেখার ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়। 

• অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- বর্তমানে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে সব ভাষা সরাসরি মেশিন ভাষা নয়।
- যে প্রোগ্রামিং ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হয়, কম্পিউটার তা সরাসরি বুঝতে পারে না।

- এজন্য প্রোগ্রামকে কার্যনির্বাহের আগে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করা প্রয়োজন।
-যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উচ্চ স্তরের বা অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program) বলা হয়।
 
• অ্যাসেম্বলার (Assembler):

- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার জন্য যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়, তাকে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- এটি অ্যাসেম্বলি ভাষা ও মেশিন ভাষার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার অনুবাদক:

- উচ্চ স্তরের ভাষাকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করার জন্য দুই ধরনের অনুবাদক ব্যবহৃত হয়।
- যথা— কম্পাইলার (Compiler) এবং ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার জন্য নির্দিষ্ট কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার প্রয়োজন হয়।
 
• কম্পাইলার (Compiler):

- কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটি একসাথে পরীক্ষা করে এবং মেশিন কোডে অনুবাদ করে।
- প্রোগ্রামে কোনো Syntax Error থাকলে, তা প্রোগ্রাম চালানোর আগেই শনাক্ত করে।
- একবার কম্পাইল সফল হলে, প্রোগ্রামটি পরবর্তীতে বারবার চালানো যায়।
তাই বড় ও জটিল প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কম্পাইলার ব্যবহার তুলনামূলকভাবে কার্যকর।
 
• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):

- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রামকে লাইন বাই লাইন বা স্টেটমেন্ট বাই স্টেটমেন্ট অনুবাদ করে।
- প্রতিটি লাইনের অনুবাদের পর সাথে সাথে সেই লাইনটি কার্যনির্বাহ করা হয়।
- প্রোগ্রামে কোনো ত্রুটি থাকলে, ত্রুটিযুক্ত লাইনে পৌঁছালে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়।
- ইন্টারপ্রেটারের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম একবারে অনুবাদ না হওয়ায় গতি তুলনামূলকভাবে কম হয়, তবে ত্রুটি নির্ণয় সহজ হয়।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৮,৫৪৮.
গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. প্লেইন টেক্সট
  2. এনক্রিপশন এলগরিদম
  3. সাইফার টেক্সট
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৪৯.
কোনটি Spreadsheet Package Program?
  1. MS Excel
  2. MS Word
  3. dBase
  4. FoxPro
ব্যাখ্যা
MS Excel হচ্ছে Spreadsheet Package Program.

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

অন্যদিকে,
- dBase, Foxpro হচ্ছে Database Package Program.
- MS Word হচ্ছে Word Processing Package Program.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৫০.
Spread Sheet প্রোগ্রাম দিয়ে কি কাজ করা হয়?
  1. ক) হিসাব নিকাশ
  2. খ) ডিজাইন
  3. গ) ওয়ার্ড প্রসেসিং
  4. ঘ) তথ্য ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
হিসাব নিকাশের জন্য যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তাকে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার বলে। ভিসিকেল পৃথিবীর প্রথম স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৮,৫৫১.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Ms-Excel
  2. খ) Word Star
  3. গ) Windows
  4. ঘ) Foxpro
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন
প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। কম্পিউটারের
আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তন্মধ্যে
DOS, Windows, Xenix/Unix বহুলবাবে ব্যবহৃত। Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও
সিস্টেম সফট্ওয়্যারের অন্তর্গত।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত
বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা
সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়।যেমনঃ
1| Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
2| Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3| Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৫৫২.
ACID-এর কোন বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে একটি লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা মোটেও হবে না?
  1.  Atomicity 
  2. Consistency
  3. Isolation
  4. Durability
ব্যাখ্যা

• ACID হলো ডাটাবেস লেনদেনের চারটি মূল বৈশিষ্ট্যের সংক্ষিপ্ত রূপ। এর মধ্যে Atomicity বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে একটি লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা মোটেও হবে না। অর্থাৎ, যদি লেনদেনের কোন ধাপ ব্যর্থ হয়, তাহলে সম্পূর্ণ লেনদেনটি পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে এবং আংশিক পরিবর্তন ডাটাবেসে থাকে না। এটি ডাটার অখণ্ডতা এবং নির্ভরযোগ্যতা রক্ষা করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি ব্যাংক ট্রান্সফার লেনদেনে টাকা উত্তোলন হয় কিন্তু জমা হয় না, তাহলে Atomicity নিশ্চিত করে যে লেনদেনটি পুরোপুরি বাতিল হবে এবং কোনো অর্ধেক পরিবর্তন ডাটাবেসে প্রয়োগ হবে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Atomicity।

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট। [

৮,৫৫৩.
নিচের কোনটি Octal number নয়? 
  1. 19
  2. 77
  3. 15
  4. 101
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- এ পদ্ধতিতে মোট ৮টি অংক বা ডিজিট ব্যবহৃত হয়।
- অংক বা ডিজিটগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 8। যেমন- 101, 367, 452 কিন্তু 19 অক্টাল সংখ্যা নয় কারণ 9 অঙ্কটি অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৮,৫৫৪.
Which of the following devices typically uses embedded systems?
  1. Server
  2. ATM
  3. Supercomputer
  4. Laptop
ব্যাখ্যা
ATM এ এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
ATM এর full form হচ্ছে- Automated teller machine.

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি ক্যাবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,৫৫৫.
ইলাস্ট্রেটর একটি -
  1. গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রোগ্রাম
  2. এডিটিং সফট্ওয়‍্যার
  3. অডিও সফট্ওয়্যার
  4. শুধুমাত্র লেখালেখি করার সফ্টওয়্যার
ব্যাখ্যা
ইলাস্ট্রেটর:
- ইলাস্ট্রেটর একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন ও চিত্র অংকন করার সফট্ওয়্যার যা Windows এবং Macintosh উভয় অপারেটিং সিস্টেমেই কাজ করার উপযোগী।
- এডোবি ইলাস্ট্রেটর একটি একক প্রোগ্রাম তবে ডিজাইনকে আরো বেশি সুন্দর করার জন্য এটি এডোবি ক্রিয়েটিভ সুইট এর অন্তর্ভুক্ত।
- ইলাস্ট্রেটর এর মাধ্যমে প্রিন্ট ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন এবং মোবাইল এর সফট্ওয়‍্যারও ডিজাইন করা হয়ে থাকে।
- গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা সকল ধরণের ডিজাইন ভেক্টর এবং জটিল ধরণের নকশার কাজে ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করে থাকেন।
- বর্তমানে সকল ধরণের প্রিন্টিং ডিজাইন, ডিজাইন পরিবর্তন ও পরিবর্ধন, মাল্টিমিডিয়া গ্রাফিক্সসহ সকল ধরণের ডিজাইনের ক্ষেত্রে ইলাস্ট্রেটর সর্বাধিক জনপ্রিয় সফট্ওয়্যার।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৫৬.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কোন টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

নেটওয়ার্কিং-এ ট্রি টপোলজি হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি নামে পরিচিত।
- এই টপোলজিতে ডিভাইসগুলো একটি গাছের শাখার মতো স্তরভিত্তিকভাবে সংযুক্ত থাকে, যেখানে একটি মূল (root) নোড থেকে বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য নোডগুলো বিস্তৃত হয়।
- এটি মূলত একটি স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ, যেখানে একাধিক স্টার টপোলজি একটি কেন্দ্রীয় ব্যাকবোনের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- হায়ারার্কিক্যাল গঠন হওয়ায় এটি বড় নেটওয়ার্কে ব্যবস্থাপনা ও স্কেলযোগ্যতার জন্য উপযোগী। এই কারণে ট্রি টপোলজিকেই হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

•ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৫৭.
এইচটিএমএল কি?
  1. ক) ওয়েব ব্রাউজার
  2. খ) ডেটা উপস্থাপনের ভাষা
  3. গ) প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. ঘ) ডাটাবেজ ভাষা
ব্যাখ্যা
• এইচটিএমএল (HTML) এর পূর্ণরূপ: Hyper Text Mark-up Language
- World Wide Web (WWW) ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন HTML।
- ওয়েব পেইজে টেক্সট, অডিও, ভিডিও, গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশনকে সুন্দরভাবে সাজাতে বা ফরমেট করতে এই ভাষা ব্যবহার করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৫৫৮.
বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য কোন ক্লাউড সিস্টেম ব্যবহার করে?
  1. Public Cloud
  2. Private Cloud
  3. Hybrid Cloud
  4. Community Cloud
ব্যাখ্যা
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud): 
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভলোপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়। 

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
যেমন: আমাজনের EC2.

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো, কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৫৫৯.
কোনটি সাধারণত Organizations এর gTLD হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) .net
  2. খ) .org
  3. গ) .com
  4. ঘ) .edu
ব্যাখ্যা
Generic top-level domains (gTLDs) are one of the categories of top-level domains (TLDs)। Organization এর জন্য সাধারণত .org ডোমেইন ব্যবহৃত হয়।
৮,৫৬০.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না?
  1. ক) মেশিন ভাষায় (Machine Language)
  2. খ) অ্যাসেম্বলি ভাষায় (Assembly Language)
  3. গ) মধ্যমস্তরের ভাষায় (Mid- Level Language)
  4. ঘ) উচ্চস্তরের ভাষায় (High Level Language)
ব্যাখ্যা
যে প্রোগ্রাম সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে। অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে। অ্যাসেম্বলার শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে। অন্যদিকে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
৮,৫৬১.
নিচের কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
  1. CPU
  2. Monitor
  3. Mac OS
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker, Mac OS  ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৬২.
যদি একটি CPU-এর ৪টি কোরের বদলে ৮টি কোর থাকে, তবে তা তাত্ত্বিকভাবে কী করতে পারে?
  1. ঘড়ির গতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ানো
  2. স্টোরেজ ক্ষমতা দ্বিগুণ করা
  3. একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালানো 
  4. সফটওয়্যার বাগ কমানো
ব্যাখ্যা

•  একটি CPU-এর কোর সংখ্যা বাড়ালে তা সরাসরি ঘড়ির গতি বা স্টোরেজ ক্ষমতা বাড়ায় না। কোর হলো CPU-এর স্বাধীন প্রসেসিং ইউনিট, যা একসাথে আলাদা কাজ (threads) সম্পন্ন করতে পারে। তাই ৪টির পরিবর্তে ৮টি কোর থাকলে তাত্ত্বিকভাবে CPU একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালাতে সক্ষম হবে। এটি মাল্টি-টাস্কিং এবং সমান্তরাল প্রক্রিয়াকরণকে উন্নত করে, যার ফলে বড় বড় প্রোগ্রাম বা একাধিক অ্যাপ্লিকেশন একই সময়ে দ্রুত কাজ করতে পারে। তবে কোর বাড়ানো সফটওয়্যার বাগ কমায় না; বাগ মূলত প্রোগ্রামিং বা লজিক ত্রুটির কারণে হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালানো।

প্রসেসর: 
- প্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়, কারণ কম্পিউটারের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
- কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি হলো এই সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) বা প্রসেসর। 
- অনেক সময় সিস্টেম ইউনিটকে ভুলবশত CPU বলা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে CPU হলো সেই ছোট্ট চিপ, যা কেন্দ্রীয়ভাবে সমস্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। আকারে ছোট হলেও এর কর্মক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী।
- কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা অনেকাংশে প্রসেসরের গতি ও মানের উপর নির্ভরশীল।
- আধুনিক প্রসেসর একাধিক কোর-এর সমন্বয়ে তৈরি, যা মাল্টিটাস্কিং করতে সক্ষম। অর্থাৎ একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ একই সাথে দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৬৩.
প্রোগ্রামার ও কম্পিউটারের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করার দায়িত্ব পালন করে-
  1. Service Programme
  2. Processing programme
  3. Control Programme
  4. Utility programme
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের সংগঠন:
- অপারেটিং সিস্টেমের নিজস্ব একটি কর্মপদ্ধতি আছে।
- কর্মপদ্ধতির উপর ভিত্তি করে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।
১. নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (Control Programme) ও
২. সেবামূলক প্রোগ্রাম (Service Programme)।

• নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম:
- অপারেটিং সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম ইনপুট ও আউটপুট প্রক্রিয়ায় তথ্য ও উপাত্ত আদান প্রদানের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও নিশ্চিত করে।
- প্রোগ্রামার ও কম্পিউটারের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করার দায়িত্বও এই নিয়ন্ত্রণ অংশের।
- অনেক সময় বড় ফাইল বা প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করতে অসুবিধা দেখা দেয়।
- এরকম অসুবিধা দূর করার জন্য নিয়ন্ত্রণ অংশ বড় প্রোগ্রামগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নির্বাহ করার দায়িত্ব পালন করে।
- নিয়ন্ত্রণ অংশ আরও অনেক ধরনের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করে।
- নিয়ন্ত্রণ অংশের কয়েকটি সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম হচ্ছে- সুপাভাইজার প্রোগ্রাম, নির্দিষ্ট কাজ নিয়ন্ত্রনের প্রোগ্রাম, ইনপুট ও আউটপুট নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রম ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৬৪.
রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (RDBMS) কুয়েরি করার জন্য কোন ভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. HTML
  2. C++
  3. Java
  4. SQL
ব্যাখ্যা

• SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language। এটি একটি ডিক্লারেটিভ ভাষা যা রিলেশনাল ডাটাবেস (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডেটাবেসে টেবিল তৈরি করা, ডেটা ইনসার্ট করা এবং কুয়েরির মাধ্যমে নির্দিষ্ট তথ্য বের করে আনা হয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):

- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়‍্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

• SQL:
- ১৯৭৪ সালে।BM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
- Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।
- SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে।
যেমন-
১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language DQL),
২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Defination Language DDL),
৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language -DML),
৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language DCL) I

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৫৬৫.
অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ কোনটি?
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মাইক্রোকম্পিউটার
  4. স্পিডোমিটার
ব্যাখ্যা

• মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

অন্যদিকে,
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৮,৫৬৬.
ভিডিও কনফারেন্সিং করা হয়-
  1. ক) অডিও স্থানান্তর প্রক্রিয়ায়
  2. খ) ভিডিও স্থানান্তর প্রক্রিয়ায়
  3. গ) অডিও ও ভিডিও স্থানান্তর প্রক্রিয়ায়
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,৫৬৭.
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে কোনটি AI প্লাটফর্মের উদাহরণ?
  1. ফটোশপ
  2. গিটহাব কোপাইলট
  3. এক্সেল সলভার
  4.  জুম
ব্যাখ্যা

• সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে AI কোপাইলট হলো এমন একটি টুল যা প্রোগ্রামারদের কোড লিখতে, সম্পাদনা করতে এবং ডিবাগ করতে সহায়তা করে। এটি সাধারণত কোডের প্রস্তাবনা দেয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফাংশন তৈরি করে এবং কোডিং প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও সঠিক করে তোলে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে গিটহাব কোপাইলট হলো AI কোপাইলটের প্রকৃত উদাহরণ। গিটহাব কোপাইলট মেশিন লার্নিং মডেল ব্যবহার করে প্রোগ্রামারের কোডের প্রেক্ষাপট বুঝে কোডের পরবর্তী লাইন বা ফাংশন সাজেস্ট করে। অন্যদিকে ফটোশপ মূলত গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার, এক্সেল সলভার সংখ্যা ও ফর্মুলা সমাধানে ব্যবহৃত হয় এবং জুম হলো ভিডিও কনফারেন্সিং টুল, তাই এরা AI কোপাইলটের উদাহরণ নয়। তাই সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে সহায়ক AI প্লাটফর্মের সঠিক উদাহরণ হলো গিটহাব কোপাইলট।
 
GitHub:
- GitHub হলো একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের তাদের প্রোগ্রামিং কোড অনলাইনে শেয়ার, এডিট এবং সংরক্ষণ করার সুযোগ দেয়।
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য।
- GitHub-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্সন কন্ট্রোল, সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট, এবং রিভিশন কন্ট্রোল।
- মাইক্রোসফট জুন ২০১৮-এ GitHub $7.5 বিলিয়ন স্টক অপশন দিয়ে কিনে। কোম্পানিটির  নতুন ফাংশন যোগ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ডেভেলপারদের প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে উৎসাহিত করে GitHub-কে আরও জনপ্রিয় করেছে।
- GitHub সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রধান ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যক্তিগত ও কোম্পানির উভয় ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যেমন Microsoft, Netflix, এবং Google।
- Fortune 100 কোম্পানির প্রায় ৯০% এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮,৫৬৮.
ইমেইজ এক্সটেনশন ফাইলের ধরন নয় কোনটি?
  1. JPEG
  2. TCE
  3. BMP
  4. PNG
ব্যাখ্যা
• ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে কোনো একটি ফাইলের filename এর সাথে যুক্ত হওয়া suffix এর দ্বারা কম্পিউটার ফাইল কোন ধরণের তা বুঝা যায়।
• বিভিন্ন ধরণের ইমেইজ এক্সটেনশন:
- GIF: Graphics Interchange Format.
- JPG: Joint Photographic Group.
- PNG: Portable Network Graphics.
- BMP: Bitmap Image File.
- JPEG: Joint Photographic Experts Group.

• TCE ফাইল এক্সটেনশনটি ASCII টেক্সট ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
৮,৫৬৯.
অ্যানালগ কম্পিউটার সাধারণত কী পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
  2. গ্রাফিক্স ডিজাইন
  3. চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ
  4. টেক্সট ফাইল ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৭০.
Bluetooth প্রযুক্তিতে কোন ধরনের যোগাযোগ ব্যবহৃত হয়?
  1. ইনফ্রারেড
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. রেডিও ওয়েভ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। 
- ১৯৮৯ সালে 'Bluetooth' প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলো স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলো পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৫৭১.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না?
  1. ক) Assembly Language
  2. খ) Machine Language
  3. গ) Mid- Level Language
  4. ঘ) High Level Language
ব্যাখ্যা
যে প্রোগ্রাম সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।
- অ্যাসেম্বলার শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
- অন্যদিকে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
- মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামের জন্য কোনো অনুবাদকের প্রয়োজন পড়ে না।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
৮,৫৭২.
কোনো ই-মেইল BCC-এর অর্থ কি?
  1. Blind Carbon Copy
  2. Blank Carbon Copy
  3. Bold Carbon Copy
  4. Bright Carbon Copy
ব্যাখ্যা
ই-মেইল কম্পোজ উইন্ডোর বিভিন্ন অংশ:
• To:
- এখানে যার কাছে ই-মেইল পাঠানো হবে তার ই-মেইল ঠিকানা লিখতে হয়।
- তবে একই মেইল একাধিক ঠিকানা পাঠাতে হলে প্রতিটি ঠিকানা কমা (,) দিয়ে আলাদা করে লিখতে হবে।

• From:
- এখানে প্রেরকের ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসবে।
- তবে কনফিগারেশনের সময় যে ঠিকানাটি দেওয়া হবে সেটিই আসবে।

• CC:
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- তাহলে গ্রাহক তার মেইলটি গ্রহণ করার পর এখানে প্রদর্শিত ঠিকানাসমূহ দেখে জানতে পারবে একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।

• BCC:
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy.
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- CC এর মতো প্রাপকের নিকট এখানে ঠিকানাসমূহ প্রদর্শিত হবে না ফলে প্রাপক জানতে পারবে না একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।

• Subject:
- Subject হলো ই-মেইলের বিষয়।
- গ্রাহক যাতে সহজেই বুঝতে পারে সেজন্য ই-মেইলের সাথে সম্পর্কিত কোনো বিষয় এখানে লেখা হয়।

• Attach:
- সাধারণভাবে ই-মেইল করে নরমাল টেক্সট পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের এটাচ কমান্ড ব্যবহার করে অন্য কোনো প্রোগ্রামে করা ফাইলকে ই-মেইলের সাথে অ্যাটাচ করে পাঠানো যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৭৩.
____ is used to control all the parts of a manufacturing process.
  1. ক) ATM
  2. খ) CAM
  3. গ) CAD
  4. ঘ) MICL
ব্যাখ্যা
 Computer Aided Manufacturing (CAM) is the use of software and computer-controlled machinery to automate a manufacturing process.
৮,৫৭৪.
ভিডিও ফাইল এক্সটেনশন ফরম্যাট কোনটি?
  1. .jpg
  2. .bmp
  3. .mpg
  4. .exe
ব্যাখ্যা
- .jpg, .jpeg, .bmp এগুলো image file।
- .exe হল windows platform এর executable file format।
- .mpg, .mpeg হচ্ছে ভিডিও ফাইল ফরমেটের এক্সটেনশন।
৮,৫৭৫.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন?
  1. ইয়াহু
  2. স্কাইপ
  3. বিং
  4. গুগল
ব্যাখ্যা
- Bing হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশন নির্মিত সার্চ ইঞ্জিন।
- এটি ২০০৯ সালে বাজারে আসে৷
- বর্তমানে কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।
- ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তাঁর বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহরের রেডমন্ডে অবস্থিত।

উৎস: বিং ও মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৮,৫৭৬.
প্রোগ্রামিং এর জন্য শত শত তার বদলাতে কয়েকদিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত –--- এ সমস্যা দূর করার জন্য ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা কোন কম্পিউটার তৈরির উদ্যোগ নেয়?
  1. EDSAC
  2. ABC
  3. ENIAC
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ABC (Atanasoff Berry Computer):
- যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানোসফ (Dr. John Vincent Atanasoff) এবং তাঁর ছাত্র ক্লিফ (Cliff Berry) ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasoff Berry Computer)।
- এটিই ছিল প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটির গাণিতিক/যুক্তিমূলক কাজের জন্য ৪৫টি ভ্যাকুয়াম টিউব এবং তথ্য সংরক্ষণের জন্য মেমোরি হিসেবে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।

• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator): 

- ১৯৪৬ সালে ড. জন মডসাল এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একটি (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এনিয়াক (ENIAC) কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

• EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator):
- প্রোগ্রামিংয়ের জন্য তারের সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হতো এবং শত শত সংযোগ বদলানোর জন্য কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত।
- এ ধরনের অসুবিধার দূর করার লক্ষ্যে আমেরিকায় এডভ্যাক (EDVAC) তৈরির সময়েই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।

- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 

• UNIVAC (Universal Automatic Computer):
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতারা UNIVAC (Universal Automatic Computer) কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন। ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল। UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৭৭.
কোনটি পারসোনাল কম্পিউটার নয়?
  1. ক) ল্যাপটপ
  2. খ) সারফেস ট্যাব
  3. গ) ডেস্কটপ
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৮,৫৭৮.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
  1. ক) একই হয়
  2. খ) বেশি হয়
  3. গ) কম হয়
  4. ঘ) খুব কম হয়
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথমেই আমরা বৈদ্যুতিক পাখার কার্যপ্রণালী সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিবো।

প্রথমেই দেখা যাক বৈদ্যুতিক পাখা কীভাবে ঘোরে:

একটি পাখায় একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং কয়েকটি ধাতব ব্লেড (সাধারণত ৩টি), সংযুক্ত থাকে। যখন আমরা একটি পাখার সুইচ অন করি, তখন ভোল্টেজের পার্থক্যের জন্য মোটরটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ যায় এবং তার ফলাফল হিসাবেই পাখাটি ঘুরতে থাকে। নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর মোটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মোটরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয়।

সুতরাং, একটি পাখার ভোল্টেজর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে তার নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটরের ওপর নির্ভরশীল। আর একটি পাখার ভোল্টেজের পরিমাণ তার ঘূর্ণন গতির সমানুপাতী, অর্থাৎ ভোল্টেজ যত বাড়বে, পাখার গতিও ততটাই বাড়বে।

এখন, বিভিন্ন রেগুলেটর ও তাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক:

এই মুহূর্তে, বাজারে মোটামুটি দুই ধরনের রেগুলেটর পাওয়া যায়—

১) ইলেক্ট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য রোধ বসানো থাকে। যখন পাখার ভোল্টেজ কমানো হয় তখন রোধটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার কারণে পাখার গতিও কমে যায়। কিন্তু এর ফলে পাখার ভোল্টেজ তথা গতি কমিয়ে যে বিদ্যুৎ বাঁঁচানো হয়, সেই বিদ্যুৎ এই রোধ-মধ্যস্থ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত, এই রেগুলেটরের মাধ্যমে পাখার গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বিশেষ কমে না বললেই চলে।ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
২) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর (Electronic Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য মূলতঃ ট্রায়াক থাকে যার গেটে ট্রিগার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যানের ভোল্টেজের সাইন ওয়েভকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভোল্টেজের আরএমএস ভ্যালুকে পরিবর্তণ করে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এইগুলি কখনই গরম হয়ে ওঠে না, ফলে পাখা যখন কম গতিতে চলে তখন যথেষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক রেগুলেটরগুলি ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরগুলির থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুতসাশ্রয়ী।

তাই সবশেষে বলা যেতে পারে, বৈদ্যুতিক পাখা কম গতিতে চালালে বিদ্যুৎ খরচ তখনই কম হবে যখন ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহৃত হবে।
৮,৫৭৯.
কোন Device টি Broadcast traffic আটকাতে পারে?
  1. ক) Hub
  2. খ) Router
  3. গ) Switch
  4. ঘ) RJ45
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
যে ডিভাইস উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে ডেটা প্যাকেট পৌছে দেয় তাকে রাউটার বলে। কোন Device এর Broadcast traffic আটকাতে সাহায্য করে রাউটার।
৮,৫৮০.
নিচের কোন Octal সংখ্যাটি Decimal সংখ্যা ৫৫-এর সমতুল্য?
  1. ৫৫
  2. ৭৭
  3. ৬৭
  4. ৮৭
ব্যাখ্যা
দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। অত:পর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit - MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit -LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্ট্যাল মান নির্ণয় করা যায়।

Division by 8   Quotient(ভাগফল)   Remainder (ভাগশেষ)  

(55)/8                 6                                    7                        

(6)/8                   0                                    6    

 (55)10 = (67)8
৮,৫৮১.
একটি শহরে ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদানের জন্য কোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়?
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করা ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সাধারণত MAN (Metropolitan Area Network) ব্যবহৃত হয়। MAN হলো একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা নগর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে এবং একাধিক ভবন বা প্রতিষ্ঠানকে সংযুক্ত করতে সক্ষম। এটি LAN এর চেয়ে বড় এবং WAN এর চেয়ে ছোট, এবং শহরের মধ্যে দ্রুত ও নিরাপদ ডেটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। ব্যাংকিং সিস্টেমে লেনদেন, হিসাব সংরক্ষণ, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজের জন্য MAN ব্যবহার করলে শাখাগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় সহজ ও নির্ভরযোগ্য হয়। ফলে, শহরের সীমার মধ্যে অবস্থান করা সব শাখা সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(MAN):
- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropoliton Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৮২.
প্রধান সার্কিট বোর্ড যেখানে সকল কম্পোনেন্ট সংযুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. মাদারবোর্ড
  3. প্রসেসর
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) মাদারবোর্ড। 

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভিতরে থাকা প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে সিস্টেমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযোজনের সুযোগ থাকে।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়শই কম্পিউটারের “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সব উপাদানকে একত্রিত করে সংযোগ প্রদান করে।
- ভালো ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে: Gigabyte, Intel, Foxconn, Asus ইত্যাদি।

অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের কেসের ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল। 
২। ব্রিটানিকা। 

৮,৫৮৩.
সাধারণত কোন অর্ধপরিবাহীটি IC তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. সোডিয়াম
  2. সিলভার
  3. সিলিকন
  4. কার্বন
ব্যাখ্যা
IC(Integrated Circuit) :
- আই.সি. এর পূর্ণ নাম ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- আই.সি. কে সিলিকন চিপ বা চিপ বলা হয়।
- এটি এক ধরনের মাইক্রো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যাতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি কম্পোনেন্ট সিলিকন চিপের উপর নির্মাণ করে জোড়া লাগানো হয়।
- এটি দেখতে চ্যাপটা, ছোট, কালো বা ধুসর রঙের হয়।
- আই.সি. ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়।
- আই.সি. ব্যাবহারের ফলে সার্কিট অনেক ছোট এবং অধিক কর্মক্ষমতা সম্পন্ন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,৫৮৪.
NFC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Near Field Communication
  2. Near Fast Communication
  3. Network File Control
  4. Near Frequency Connection
ব্যাখ্যা

• NFC এর পূর্ণরূপ হলো Near Field Communication।
- এটি একটি অত্যন্ত স্বল্প দূরত্বের (সাধারণত ৪ সেমি বা তার কম) তারহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা দুটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৫৮৫.
WAN এর উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ইন্টারনেট
  2. খ) ওয়েবসাইট
  3. গ) রেডিও
  4. ঘ) টেলিভিশন
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়ান (Wide Area Network-WAN):
- বিভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে তাকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়ান (WAN) বলে।
- যখন একটি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা স্থাপন করা হয় তখন উক্ত নেটওয়ার্ককেও WAN বলে।
- সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন শহরের অবস্থিত LAN বা MAN বা অন্য কোন কম্পিউটার ডিভাইসকেও এই নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কিং সিস্টেমে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, স্যাটেলাইট বা মাইক্রোওয়েভের মত পাবলিক কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- WAN মূলতঃ তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়। যথা- রাউটার, WAN কানেকশন ও সিকিউরিটি পলিসি।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদগণ ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে একসূত্রে গ্রথিত করেছেন।
- এ ক্ষেত্রে ফাইবার ক্যাবল ও টেলিফোন লাইন বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। উন্নত বিশ্বের টেলিফোন সংস্থা এমন জোট বেঁধেছে যাতে ভিন্ন ভিন্ন রাষ্ট্রের সীমান্তের বাঁধা দূর করে সমগ্র পৃথিবীকে WAN এর সাহায্যে একটি মাত্র টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
- ইন্টারনেট WAN এর একটি উদাহরণ

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
৮,৫৮৬.
নিচের কোনটি এপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) গুগল ক্রোম
  2. খ) মাইক্রোসফট অ্যাকসেস
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) মাইক্রোসফট এক্সেল
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন
প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। কম্পিউটারের
আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তন্মধ্যে
DOS, Windows, Xenix/Unix বহুলবাবে ব্যবহৃত। Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও
সিস্টেম সফট্ওয়্যারের অন্তর্গত।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত
বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা
সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়।যেমনঃ
1| Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
2| Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3| Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৫৮৭.
ARPANET কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল?
  1. DARPA
  2. ISO
  3. IEEE
  4. NASA
ব্যাখ্যা

• ARPANET হলো একটি নেটওয়ার্ক যা তৈরি করা হয় DARPA এর উদ্যোগে। DARPA (Defense Advanced Research Projects Agency) হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি গবেষণা সংস্থা। 

• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৮৮.
GSM প্রথম নামকরণ করা হয় কোনটি?
  1. ক) Global System for Mobile Communications
  2. খ) Global System for Mobile Technology
  3. গ) Group Special Multimedia
  4. ঘ) Group Speciale Mobile
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Special Mobile (GSM). এর পরে নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৮,৫৮৯.
MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. টেলিফোন লাইন
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. মডেম
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
 মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,৫৯০.
মাইক্রোসফট অ্যাকসেস এর লং টেক্সট ডেটা টাইপে কত ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়?
  1. ক) ২৫৫
  2. খ) ৪০০০
  3. গ) ৬৪০০০
  4. ঘ) ৬৫৫৩৬
ব্যাখ্যা
ডেটা টাইপ
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রচুর ডেটা নিয়ে কাজ করতে হয়। এই ডেটার টাইপ বা প্রকৃতি আবার বিভিন্ন প্রকার হতে পারে ।
- যথা: শর্ট টেক্টট, লং টেক্সটি, নাম্বার বা নিউমেরিক, ইয়েস/নো বা যুক্তিমুলক, তারিখ/সময়, কারেন্সী, হাইপারলিঙ্ক এবং এটাচমেন্ট ইত্যাদি।

মাইক্রোসফট অ্যাকসেস ডেটাবেজে নিম্নলিখিত ডেটা টাইপগুলো রয়েছে। যথা-

শর্ট টেক্সট (Short Text):
- ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এই টেক্সট ফিল্ডের রেঞ্জ ১ থেকে ২৫৫ ক্যারেক্টারের মধ্যে। এর অধিক টেক্সট ফিল্ডের জন্য লং টেক্সট ডেটা টাইপ ব্যবহার করতে হবে। আলফানিউমেরিক ডেটা যেমন- নাম, টাইটেল ইত্যাদি ।

লং টেক্সট (Long Text):
প্রায় ১ গিগা বাইট পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু একটি দীর্ঘ টেক্সট প্রদর্শন করার জন্য এটি প্রথম ৬৪,০০০ ক্যারেক্টারে সীমাবদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ, জ্ঞাত দৈর্ঘ্যের কোন পোস্টাল কোড সংরক্ষণ করতে হলে, ফিল্ড সাইজের দৈর্ঘ্য সুনির্দিষ্ট করা থাকতে হবে।

---------------------------
Text fields in desktop databases (.accdb)
Long Text

In .accdb files, the Long Text field works the same as the Memo field of old. That is, it can store up to about a gigabyte of text, even though controls on forms and reports can only display the first 64,000 characters. You can set Long Text fields to display Rich Text, which includes formatting like bold and underline.

Short Text
In .accdb files, the Short Text field works the same as the Text field in earlier versions. It stores up to 255 characters.

Text fields in Access web apps
Long Text
In Access web apps, the Long Text field can store up to 2^30-1 bytes, and is equivalent to the SQL Server data type of nvarchar(max). If you want, you can set a character limit to prevent your users from using the full capacity of the field. You can’t store Rich Text in Access web apps.

Short Text
In Access web apps the Short Text field is set to store 255 characters by default, but you can adjust the Character Limit property all the way up to 4000 characters. Its SQL Server equivalent is nvarchar, with length from 1 to 4000.

Source:
১. miocrosoft.com
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৮,৫৯১.
4G নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ডেটা ট্রান্সফারের হার কত?
  1. ক) 10 Mbps
  2. খ) 20 Mbps
  3. গ) 50 Mbps
  4. ঘ) 100 Mbps
ব্যাখ্যা

4G নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ডেটা ট্রান্সফারের হার 100 Mbps. 

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. IP (Internet Protocol) নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ Gbps।
৩. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু।
৪. Bluetooth, WLAN, GPS (Global Positioning System), WCDMA, GPRS (General Packet Radio Service) প্রভৃতি। 

সূত্র- ১৪২ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৮,৫৯২.
ATM-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Automatic Teller Machine
  2. Automatic Transfer Machine
  3. Automated Transfer Machine
  4. Automated Teller Machine
ব্যাখ্যা

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
• HTML - Hyper Text Markup Language.
• ATM - Automated Teller Machine.
• WAN - Wide Area Network.
• MIMD - Multiple Instruction Multiple Data.
• DBMS - Database Management System.
• CPU - Central Processing Unit.
• RAM - Random Access Memory.
• ROM - Read Only Memory.
• OMR - Optical Mark Recognition.

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।

৮,৫৯৩.
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ FORTRAN এর আবিষ্কারক কে?
  1. ক) John Backjar
  2. খ) Jack Kilby
  3. গ) Dr. GrassHopper
  4. ঘ) Alan Turing 
ব্যাখ্যা

John Backjar আবিষ্কার করেন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ FORTRAN (Formula Translation).
FORTRAN হচ্ছে FORmula TRANslator এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি কম্পিউটারের জন্য লিখিত সর্বপ্রথম উচ্চস্তরের ভাষা।
Jack Kilby আবিষ্কার করেন Integrated Circuits.
Dr. Grass Hopper আবিষ্কার করেন বিজনেস এপ্লিকেশন ল্যাংগুয়েজ COBOL.
Alan Turing দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানদের কোড ভাঙ্গার সময় একটি ইলেকট্রিক কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৮,৫৯৪.
Unimodal biometric system কোন ধরনের ডেটা ব্যবহার করে?
  1. একাধিক শারীরিক বৈশিষ্ট্য 
  2. শুধুমাত্র একটি বৈশিষ্ট্য 
  3. কোনো বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে না
  4. ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন 
ব্যাখ্যা

Unimodal biometric system শুধুমাত্র একটি বৈশিষ্ট্য ভিত্তিক ডেটা ব্যবহার করে।

• ​বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
​বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।

• বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ধরণ
• Unimodal system: 
​- একটি ইউনিমোডাল বায়োমেট্রিক সিস্টেম একটি একক বায়োমেট্রিক মার্কার থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা ক্যাপচার এবং বিশ্লেষণ করে। 
- ​উদাহরণস্বরূপ, একটি রেটিনা স্ক্যান। 
- এই সিস্টেমগুলি কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে বা কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Multimodal system: 
​- একাধিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন)।
​​
​উৎস: ব্রিটানিকা।

৮,৫৯৫.
IoT কী ধরনের প্রযুক্তি?
  1. ম্যানুয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম
  2. বস্তু/যন্ত্রের ইন্টারনেট ভিত্তিক সংযুক্তি
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং নির্ভর প্রযুক্তি
  4. ডেটা সেন্টার ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
IoT হচ্ছে বস্তু/যন্ত্রের ইন্টারনেট ভিত্তিক সংযুক্ত ব্যবস্থা।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
৮,৫৯৬.
৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাটে প্রকাশযোগ্য পূর্ণসংখ্যার পরিসর কত?
  1. -২৫৫ থেকে +২৫৫
  2. -১২৭ থেকে +১২৮
  3. -১২৮ থেকে +১২৭
  4. -২৫৬ থেকে +২৫৫
ব্যাখ্যা

• ৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাট ব্যবহার করে পূর্ণসংখ্যা প্রকাশের সময় একটি বিট চিহ্নের জন্য (sign bit) ব্যবহৃত হয়। বাকি ৭ বিট সংখ্যা প্রকাশের জন্য থাকে। ২’s কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমে সর্বনিম্ন সংখ্যা হলো -2n-1 এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা হলো 2n-1-1, যেখানে n হলো বিটের সংখ্যা। ৮-বিটের ক্ষেত্রে n = 8। তাই সর্বনিম্ন সংখ্যা -27 = -128 এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা 27-1 = 127। অর্থাৎ, ৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাটে প্রকাশযোগ্য পূর্ণসংখ্যার পরিসর -128 থেকে +127। অতএব সঠিক উত্তর হলো গ) -১২৮ থেকে +১২৭

• ২-এর পরিপুরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

সূত্র - sciencedirect. [link]

৮,৫৯৭.
কোন ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে?
  1. Python
  2. PHP
  3. C
  4. COBOL
ব্যাখ্যা
'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা:
- সি একটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি অন্যান্য উচ্চ স্তর ল্যাংগুয়েজগুলোর মধ্যে অনেক সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় ভাষা।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে এ ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- ভাষাটির নাম 'C' রাখা হয়েছে কারণ, B নামের অপর একটি ভাষা আগেই তৈরি হয়েছে।
- C যাতে তার গুণাগুণ না হারায় সেজন্য ১৯৮৩ সালে কম্পাইলার এবং সফ্টওয়্যার প্রস্তুতকারকদের একটি গ্রুপ আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI)-কে C এর জন্য একটি নীতি নির্ধারণের আবেদন জানান।
- ১৯৮৯ সালের শেষের দিকে নির্ধারিত কমিটি C এর জন্য ANSI নীতি নির্ধারণ করে।
- সিস্টেম প্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে এ ভাষা অধিক হারে ব্যবহৃত হয়।
- উপাত্ত সঞ্চালনের বর্ণনার জন্য এ ভাষার সুবিধা অনেক বেশি বলে ভাষাটি অন্যান্য ভাষার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়।
- C ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে।
- এ ভাষারও অনেক সংস্করণ রয়েছে। যেমন- C, ANSI C, Visual C, Turbo C প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৯৮.
কোনটি সিস্টেম বাসের ধরন নয়?
  1. Control bus
  2. Address bus
  3. Data bus
  4. Power bus
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম বাস মূলত একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে তথ্য, ঠিকানা ও নিয়ন্ত্রণ সংকেত পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি তিন ধরনের হয়ে থাকে: ডেটা বাস, যা তথ্য স্থানান্তর করে; ঠিকানা বাস, যা মেমোরি বা ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের ঠিকানা নির্দেশ করে; এবং কন্ট্রোল বাস, যা ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে। অন্যদিকে, “পাওয়ার বাস” কোনো মানক সিস্টেম বাসের অংশ নয়। এটি কেবল বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়, তথ্য বা নিয়ন্ত্রণ সংকেত বহন করে না। তাই সিস্টেম বাসের ধরন হিসেবে পাওয়ার বাস গণ্য করা হয় না।

উত্তর: ঘ) Power bus.

কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।

কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস।

সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ডেটা বাস (Data Bus)
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus)

কম্পিউটার প্রযুক্তি বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশন বাস ব্যবহৃত হয়। যথা:
১. আইএসএ বাস (ISA- Industry Standards Architecture),
২. ইআইএস এ বাস (EISA- Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus),
৪. ইউএসবি বাস (USB Bus),
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus),
৬. এজিপি (AGP- Accelerated Graphics Port), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৯৯.
CPU এর ভিতরে থাকা প্রতিটি প্রসেসিং ইউনিটকে বলা হয় -
  1. ক) Clock speed
  2. খ) Cache
  3. গ) Core
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
- CPU-এর মধ্যে থাকা প্রতিটি প্রসেসিং ইউনিটকে বলা হয় কোর।
- প্রতিটি কোর তার নিজস্ব নির্দেশাবলী বাস্তবায়ন, ডিকোডিং এবং কার্যকর করতে সক্ষম।
- একটি সিপিইউতে যত বেশি কোর থাকবে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এটি তত বেশি নির্দেশাবলী প্রক্রিয়া করতে পারে।
- অনেক আধুনিক সিপিইউ দ্বৈত (দুই) বা কোয়াড (চার) কোর প্রসেসর থাকে।
- এই ধরণের প্রসেসর  একক কোর ভিত্তিক সিপিইউ এর তুলনায় ব্যাপকভাবে উচ্চতর প্রক্রিয়াকরণ শক্তি সরবরাহ করে থাকে।

উৎস: বিবিসি 
৮,৬০০.
নিচের কোনটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়?
  1. Uber
  2. Snapchat
  3. Adobe Acrobat Reader
  4. Linux
ব্যাখ্যা
• Linux - হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম।

• মোবাইল অ্যাপ (মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন):
- Uber, Snapchat, এবং Adobe Acrobat Reader এই তিনটি অ্যাপ্লিকেশন মোবাইল ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এগুলি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে পরিচিত।

- Uber: রাইড শেয়ারিং অ্যাপ।
- Snapchat: একটি সামাজিক মিডিয়া অ্যাপ যা ছবি এবং ভিডিও শেয়ারিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Adobe Acrobat Reader: একটি পিডিএফ রিডার অ্যাপ, যা পিডিএফ ফাইল খুলতে ব্যবহৃত হয়।

- তবে, Linux একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা মূলত কম্পিউটার, সার্ভার এবং কিছু মোবাইল ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি নিজে কোন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়।

উৎস: www.techjockey.com, www.techtarget.com.