বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৮৫ / ১৩১ · ৮,৪০১৮,৫০০ / ১৩,০৮৮

৮,৪০১.
Google মূলত কোন ধরনের কোম্পানি হিসেবে পরিচিত?
  1. সোশ্যাল মিডিয়া
  2. হার্ডওয়্যার বিক্রেতা
  3. অনলাইন সার্চ ইঞ্জিন
  4. ইলেকট্রনিক্স উৎপাদক
ব্যাখ্যা

গুগল মূলত অনলাইন সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।

• Google:
- Google একটি আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি, যা ১৯৯৮ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৫ সাল থেকে গুগল Alphabet Inc. নামক একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনস্থ।
- গুগল বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৭০% এর বেশি অনলাইন সার্চ রিকোয়েস্ট পরিচালনা করে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে।
- গুগলের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- গুগল শুরুতে শুধুমাত্র অনলাইন সার্চ ফার্ম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল।
- বর্তমানে গুগল ৫০টিরও বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা ও পণ্য সরবরাহ করে, যেমন:
• ইমেইল,
• অনলাইন ডকুমেন্ট তৈরি,
• মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটের জন্য সফটওয়্যার।
- ২০১২ সালে Motorola Mobility অধিগ্রহণের মাধ্যমে গুগল মোবাইল ফোনের মতো হার্ডওয়্যার বিক্রেতা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮,৪০২.
Full screen মোড অন বা অফ করার জন্য কোন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. F9
  2. F10
  3. F12
  4. F11
ব্যাখ্যা

• Full screen মোড অন বা অফ করার জন্য সাধারণত F11 কী ব্যবহার করা হয়। যখন কোনো ব্রাউজার বা সফটওয়্যার খুলে থাকেন, তখন F11 চাপলে স্ক্রিনটি পুরোপুরি পূর্ণ হয়ে যায়, মানে টাস্কবার, মেনু বা অন্যান্য ইন্টারফেস লুকিয়ে যায়। আবার একই F11 চাপলে পূর্ণ স্ক্রিন মোড বন্ধ হয়ে সাধারণ ভিউ ফিরে আসে। অন্য কোনো ফাংশন কী যেমন F9, F10 বা F12 সাধারণত এই কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় না; যেমন F12 ব্রাউজারে ডেভেলপার টুলস খুলতে ব্যবহার হয়। তাই ফ্লেক্সিবলি পূর্ণ স্ক্রিন মোডে কাজ করতে হলে F11 সবচেয়ে প্রচলিত এবং সুবিধাজনক। এটি ব্যবহার করলে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে সহজ হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।

৮,৪০৩.
নিচের কোনটি একাধিক LAN-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. গেটওয়ে
  2. ব্রীজ
  3. মডেম
  4. অ্যাডার
ব্যাখ্যা
- একাধিক LAN-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে ব্রীজ।
- LAN এর IEEE ষ্ট্যান্ডার্ড হলো ৮০২.১১
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network 
- একাধিক ব্যক্তির কাজের সমন্বয় সাধন ও গতি বৃদ্ধির জন্য একই ভবনের এক তলা থেকে অন্য তলায়, পাশাপাশি ভবনে কিংবা একই এলাকার এক স্থান থেকে অন্য স্থানের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।

- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধাবলী:
১. এই নেটওয়ার্ক ছোট এলাকার মধ্যে সহজেই তৈরী করা যায়। যেমন একটি স্কুল ভবনের মধ্যে বা স্কুলের প্রাইমারি ভবন ও হাই স্কুল ভবনের মধ্যে।
২. বিভিন্ন অফিসের কাজে নেটওয়ার্ক তৈরীর জন্য ল্যান অপেক্ষাকৃত ভালো সমাধান।
৩. নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ, খুব বেশি ব্যয়বহুলও নয়। 
৪. রিপিটার, নেটওয়ার্ক হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড ইত্যাদি ব্যবহার করে ল্যানের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়।
৫. এই নেটওয়ার্কে অনেক ডিভাইস একসেস দেয়া যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. Penn State College of Information Sciences and Technology.
৮,৪০৪.
Which was the first digital computer made with an IC chip?
  1. IBM-306
  2. IBM-360
  3. IBM-036
  4. IBM-603
  5. IBM-630
ব্যাখ্যা
⇒ ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হল IBM 360.

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:

- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলিতে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহার করা শুরু হয়।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহারের কারণে কম্পিউটারের আকার ও বিদ্যুৎ খরচ কম হয় এবং এর কার্যক্ষমতা ও গতি অনেক বৃদ্ধি পায়।
- IC সিলিকন দিয়ে তৈরী।
- RAM, ROM এর ব্যবহার।
- RAM, ROM ও অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরী।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪০৫.
নিচের কোন ডিভাইসে ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব?
  1. সুইচ
  2. রাউটার
  3. হাব
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• সুইচ (Switch):
- সুইচ হলো বহু পোর্টবিশিষ্ট একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যার সাহায্যে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে কেন্দ্রীয়ভাবে যুক্ত থাকে।
- সুইচ প্রেরক থেকে প্রাপ্ত ডেটা সুনির্দিষ্ট পোর্টে পাঠিয়ে থাকে। 
- এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কের মধ্যে সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ সংযুক্ত থাকে।

• সুইচের সুবিধা:
- ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বাঁধার সম্ভাবনা কমায়। 
- ডেটা ফিল্টারিং করা সম্ভব।
- ভার্চুয়াল LAN ব্যবহার করে ব্রডকাস্ট নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

[দ্রষ্টব্য: প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের বইয়ে সুইচে ডেটা ফিল্টারিং করা সম্ভব নয় আছে, যা প্রকৃতপক্ষে ভুল।]

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• রাউটারের সুবিধা:
১। ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা কমায়।
২। ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব হয়।
৩। বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন-ইথারনেট, টোকেন, রিং ইত্যাদিকে সংযুক্ত করতে পারে।

হাব:
- হাব একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে LAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এর সাহায্যে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে কেন্দ্রিয়ভাবে যুক্ত থাকে।
- একটি হাবে কতোগুলো ডিভাইস যুক্ত করা যাবে তা হাবের পোর্ট সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- LAN তৈরি করার জন্য হাব অধিক ব্যবহৃত হয়।
- স্টার - টপোলজির ক্ষেত্রে হাব হচ্ছে কেন্দ্রীয় ডিভাইস ।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪০৬.
ফ্রি ও ওপেন সোর্স ডাটাবেজ কোনটি?
  1. PostgreSQL
  2. SQLite
  3. MySQL
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
PostgreSQL, SQLite, MySQL, MS Access, Oracle এগুলো রিলেশনাল ডাটাবেজ। 
এদের মধ্যে PostgreSQL, SQLite ও MySQL ফ্রি ও ওপেন সোর্স ডাটাবেজ। 


সূত্র - ICT, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, বোর্ড বই
৮,৪০৭.
মানুষ এবং কম্পিউটারের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যের ভিত্তিতে, কম্পিউটারের কোন বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখ করা হয়?
  1. কম্পিউটার প্রাকৃতিক চিন্তা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে
  2. মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা আছে, কিন্তু কম্পিউটারের নেই
  3. কম্পিউটার নিজস্ব মতামত তৈরি করতে সক্ষম
  4. কম্পিউটার মানবিক অনুভূতি অনুভব করে
ব্যাখ্যা
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী।
- সুতরাং অভিধানিক দিক থেকে কম্পিউটারকে গণনাকারী যন্ত্র হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে। কম্পিউটার বিভিন্ন তথ্যকে স্মৃতিতে ধারণ করে রাখে এবং প্রয়োজনে নির্দেশ অনুযায়ী ধারণকৃত তথ্য নির্ভলভাবে এবং তড়িৎ গতিতে উপস্থাপন করতে পারে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪০৮.
(175)10 কে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তর করলে নিম্নের কোনটি পাওয়া যাবে?
  1. ক) 730
  2. খ) 120
  3. গ) 257
  4. ঘ) 175
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে প্রদত্ত সংখ্যাটি দশমিক সংখ্যা।
- দশমিক সংখ্যাকে অক্টালে নিতে হলে ৮ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- প্রথমে ভাগফল এবং একটি হাইফেন দিয়ে ভাগশষ লিখতে হয়।
- এভাবে প্রাপ্ত ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করতে হয়। ভাগফলের স্থানে ০ আসলে ভাগ করা বন্ধ করে ভাগশেষসমূহ নিচ থেকে উপরের দিকে লিখলেই অক্টালে রূপান্তরিত হয়।
৮,৪০৯.
বিশ্বের সকল ওয়েব পেইজগুলো কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. HTML
  2. URL
  3. Cloud Storage
  4. WWW
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। এটিকে সাধারণত "ওয়েব" বলা হয়।
- ওয়েব হলো একটি বিশাল সিস্টেম, যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- মূলত সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলোর সংগ্রহই ওয়েব।
- সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তথ্য (যেমন টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে সক্ষম।
- তথ্যগুলো পেতে ব্যবহারকারীদের বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়, যাকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয়েছে ১৯৮৯ সালে ECRN (The European Center for Nuclear Research) তে।
- ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে MOSAIC নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর থেকে ওয়েবের ব্যাপক প্রচলন শুরু হয়।

• বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- মজিলা ফায়ারফক্স, এবং
- নেটস্কেপ নেভিগেটর।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪১০.
ইন্টারপ্রেটেড প্রোগ্রামে ভুল হলে কী হয়?
  1. ইন্টারপ্রেটর ভুলের স্থানে থেমে যায় এবং রিপোর্ট করে
  2. পুরো প্রোগ্রাম বন্ধ হয়ে যায়
  3. ভুল উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যায়
  4. ভুল ঠিক করতে প্রোগ্রাম কম্পাইল করা হয়
ব্যাখ্যা
• ইন্টারপ্রেটেড প্রোগ্রামে যদি কোনো ভুল ঘটে, তাহলে ইন্টারপ্রেটর সেই ভুলের স্থানে থেমে যায় এবং ব্যবহারকারীকে ভুলের তথ্য রিপোর্ট করে। অর্থাৎ, ইন্টারপ্রেটর একবারে পুরো প্রোগ্রাম রান করে না, বরং এক লাইন বা কমান্ড করে কোড পড়ে এবং নির্বাহ করে। কোনো ভুল ধরা পড়লে, তা ঠিক করা ছাড়া প্রোগ্রাম এগোয় না। ফলে, ইন্টারপ্রেটর ভুল উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যায় না এবং পুরো প্রোগ্রাম বন্ধ হয়ে যায় না, বরং শুধুমাত্র ভুলের স্থানে থেমে যায়। কম্পাইলারের মতো পুরো প্রোগ্রাম কম্পাইল করা হয় না, কারণ ইন্টারপ্রেটর সরাসরি কোড লাইন বাই লাইন চালায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ইন্টারপ্রেটর ভুলের স্থানে থেমে যায় এবং রিপোর্ট করে।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪১১.
Wimax কি?
  1. ক) অনাকাঙ্ক্ষিত ই-মেইল
  2. খ) উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম
  3. গ) তারবিহীন ইন্টারনেট প্রযুক্তি
  4. ঘ) এক ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
Wimax:

- তারবিহীন ইন্টারনেট প্রযুক্তি হচ্ছে Wimax.
- এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- WiMAX এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এর স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৪১২.
NVIDIA মূলত কোন ধরনের হার্ডওয়্যার উৎপাদনের জন্য পরিচিত?
  1. হার্ড ড্রাইভ
  2. জিপিইউ
  3. সিপিইউ
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা

• NVIDIA মূলত জিপিইউ (GPU) উৎপাদনের জন্য পরিচিত। জিপিইউ বা গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট হলো একটি বিশেষ ধরনের প্রোসেসর, যা প্রধানত গ্রাফিক্স এবং ছবি প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়। এটি গেমিং, ভিজ্যুয়াল এফেক্টস, মাল্টিমিডিয়া, এবং বিশেষভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও মেশিন লার্নিংয়ের কাজেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। NVIDIA তার GeForce, Quadro, এবং Tesla সিরিজের জিপিইউর জন্য বিশ্বব্যাপী খ্যাত। অন্য হার্ডওয়্যার যেমন সিপিইউ, হার্ড ড্রাইভ বা মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে NVIDIA সরাসরি পরিচিত নয়। তাই NVIDIA-এর মূল পরিচয় হলো উন্নত গ্রাফিক্স এবং হাই-পারফরম্যান্স জিপিইউ ডিজাইন এবং উৎপাদন।

এনভিডিয়া (NVIDIA):
- বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার তথা ৪ লাখ কোটি ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া।
- স্থানীয় সময় ৯ জুলাই এই মাইলফলক অর্জন করে  এআই চিপ নির্মাতা কোম্পানিটি।
- মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির চাহিদা বাড়তে থাকায় এই কোম্পানির শেয়ারদরও বেশ বেড়েছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই কোম্পানিটি ২০২৩ সালের জুনে প্রথমবার ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছায়।
- তারপর থেকে তাদের শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে।

উল্লেখ্য,
- NVIDIA ১৯৯৩ সালে জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang), ক্রিস মালাকোভস্কি (Chris Malachowsky), এবং কার্টিস প্রিয়েম (Curtis Priem) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার গ্রাফিক্স, গেমিং, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
- NVIDIA-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পণ্য হলো GPU (Graphics Processing Unit), যা মূলত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র- নিউজ রিপোর্ট। [link]

৮,৪১৩.
Smart Home Technology কীভাবে কাজ করে? 
  1. কেবল সময়সূচি অনুযায়ী ডিভাইস চালায় 
  2. শুধুমাত্র মোবাইল অ্যাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় 
  3. নির্দেশ ও সেন্সর অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ
  4. শুধুমাত্র ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই কাজ করে 
ব্যাখ্যা

• Smart Home Technology মূলত সেন্সর, ইন্টারনেট সংযোগ, কন্ট্রোল সিস্টেম এবং স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের সমন্বয়ে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর জীবনকে সহজ, নিরাপদ এবং আরও শক্তি-সাশ্রয়ী করে তোলে।

• Smart Home Technology কী?
- Smart Home Technology হলো এমন প্রযুক্তি যা ঘরের বিভিন্ন ডিভাইস ও সিস্টেমকে সংযুক্ত করে এবং ব্যবহারকারীর সুবিধা ও নিরাপত্তার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে লাইট, থার্মোস্ট্যাট, সিকিউরিটি ক্যামেরা, দরজা, গ্যাস সনাক্তকরণ সিস্টেম, অডিও-ভিডিও ডিভাইস এবং অন্যান্য যন্ত্রকে দূর থেকে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• কাজ করার পদ্ধতি:
- সেন্সর ব্যবহার: ঘরের তাপমাত্রা, আলো, গতি, ধোঁয়া, পানি বা গ্যাসের লেভেল সনাক্ত করতে সেন্সর ব্যবহার করা হয়।
- কন্ট্রোল সিস্টেম: সেন্সর থেকে আসা ডেটা বা ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী হাব বা কেন্দ্রীয় কন্ট্রোলার ডিভাইসকে নির্দেশ দেয়।
- ক্লাউড ও ইন্টারনেট সংযোগ: অনেক Smart Home ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউডে সংযুক্ত থাকে, যা দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণ ও তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে।
- স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ: উদাহরণস্বরূপ, যদি সেন্সর সনাক্ত করে যে ঘরে কেউ নেই, তাহলে লাইট বন্ধ হয়ে যায় এবং থার্মোস্ট্যাট শক্তি সংরক্ষণ মোডে চলে যায়।

• ব্যবহারকারীর সুবিধা:
- শক্তি এবং খরচ সাশ্রয়।
- বাড়ির নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
- সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্য, যেমন: স্বয়ংক্রিয় লাইট, টেম্পারেচার নিয়ন্ত্রণ, দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক/আনলক করা।
- দূর থেকে মোবাইল অ্যাপ বা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪১৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. এভিজি
  2. অ্যাভাস্ট
  3. এজাক্স
  4. এভিরা
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• Ajax অর্থ হলো Asynchronous JavaScript and XML. তবে এটি কোন Prgraming Lanuage না বরং কোন একটি ওয়েবসাইটের কিছু content কে কোন প্রকার Page Load ছাড়াই web server এ আদান প্রদান করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, britannica.
৮,৪১৫.
কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়?
  1. বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
  2. দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
  3. এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৮,৪১৬.
কার কৃতিত্বে কম্পিউটারে প্রথম বাংলা লেখা সম্ভব হয়?
  1. ক) মোস্তফা জব্বার
  2. খ) মেহেদী হাসান খান
  3. গ) মোঃ মাহবুব মোর্শেদ
  4. ঘ) মাইনুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রথম বাংলা লেখা সম্ভব হয় ১৯৮৭ সালে এবং এ সাফল্যের কৃতিত্ব মাইনুল ইসলাম নামক একজন প্রকৌশলির।
তিনি নিজের উদ্ভাবিত বাংলা ফন্ট ‘মাইনুলিপি’ ব্যবহার করে অ্যাপল-ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে বাংলা লেখার ব্যবস্থা করেন।
এ ক্ষেত্রে বাংলার জন্য আলাদা কোনো কি-বোর্ড (keyboard) ব্যবহার না করে ইংরেজি কি-বোর্ড দিয়েই কাজ চালানো হয়েছিল।
ইংরেজি ও বাংলার আলাদা ধরনের বর্ণক্রম এবং বাংলার যুক্তাক্ষরজনিত সমস্যা সমাধান করা হয়েছিল ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের চার স্তর কি-বোর্ড (4 layer keyboard) ব্যবহারের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে।
মাইনুলিপির পর পরই ‘শহীদলিপি’ ও ‘জববারলিপি’ নামে আরও দুটো বাংলা ফন্ট উদ্ভাবিত হয় এবং একই পদ্ধতিতে ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে ব্যবহূত হয়।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বহুল প্রচলিত 'অভ্র' কীবোর্ড লে-আউটের উদ্ভাবক মেহেদী হাসান খান।

সোর্স: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো ও বিডি নিউজ আর্কাইভ।
৮,৪১৭.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. এভিরা
  2. ভিবিএস
  3. বুট সেক্টর
  4. স্টোন
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, britannica.
৮,৪১৮.
“সংরক্ষিত প্রোগ্রাম” (Stored program) ধারনাটি কে প্রদান করেন?
  1. ক) জর্জ আর স্টিবিজ
  2. খ) হাওয়ার্ড এইচ আইকেন
  3. গ) চার্লস ব্যবেজ
  4. ঘ) জন ভন নিউম্যান
ব্যাখ্যা

সংরক্ষিত প্রোগ্রাম ধারণা হচ্ছে কম্পিউটার মেমোরিতে সঞ্চিত নির্দেশনাবলী যা ক্রমান্বয়ে বা অবিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম।
জন ভন নিউমান, ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে এই ধারণাটি প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে, কোনও প্রোগ্রামকে বৈদ্যুতিক ভাবে একটি মেমরি ডিভাইসে বাইনারি-সংখ্যার ফরম্যাটে সংরক্ষণ করা উচিত যাতে গণনার ফলাফল কম্পিউটারের নির্দেশনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
সুত্রঃ ব্রিটানিকা।

৮,৪১৯.
পাইথন ভাষায় 10 কে কোন ডেটা টাইপ হিসেবে ধরা হয়?
  1. int
  2. str
  3. float
  4. bool
ব্যাখ্যা

• পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষায় 10 একটি পূর্ণসংখ্যা বা Integer হিসেবে ধরা হয়, যা int ডেটা টাইপের অন্তর্ভুক্ত। int টাইপের ভেরিয়েবলগুলি দশমিক পূর্ণসংখ্যা হিসেবে কাজ করে এবং এগুলোর উপর যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি অঙ্কগত অপারেশন করা যায়। অন্যদিকে, যদি 10 কে উদ্ধৃতির মধ্যে লেখা হয় যেমন "10", তা তখন স্ট্রিং (str) হিসেবে গণ্য হবে, যা মূলত অক্ষর বা টেক্সট হিসেবে বিবেচিত হয়। 10.0 হলে তা ফ্লোট (float) এবং True বা False হলে তা বুলিয়ান (bool) হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই সাধারণত কোডে লেখা 10 সরাসরি int টাইপের।

- সঠিক উত্তর: ক) int

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

কারণ:
• int মানে ইন্টিজার বা পূর্ণসংখ্যা। 5 একটি পূর্ণসংখ্যা, যা দশমিকবিহীন এবং এতে কোনো ভগ্নাংশ নেই। Python সংখ্যাগুলোকে ডেটা টাইপ অনুযায়ী শ্রেণীবদ্ধ করে।

এছাড়াও,
- str (স্ট্রিং): এটি টেক্সট বা অক্ষরযুক্ত মানের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: '5' বা "Hello".
- float: এটি দশমিক সংখ্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: 5.0.
- bool: এটি বুলিয়ান মানের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন True বা False.
- তাই, 5 একটি পূর্ণসংখ্যা এবং এর ডেটা টাইপ int।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।

৮,৪২০.
ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না
  2. তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
  3. নিজস্ব হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হয়
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা-
- যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়।
- অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
- নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হয় না।
- যে কোন ধরনের হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
- তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়োজন হয় না।
- সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা-
- ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে।
- তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৮,৪২১.
A printer in which the characters are embossed on a band is
  1. ক) Dot-matrix
  2. খ) Laser
  3. গ) Golf-ball
  4. ঘ) Chain
ব্যাখ্যা
Chain printer : is a line printer which is like a continuous chain, used to print a computer output.
৮,৪২২.
১ পেটাবাইট = কত টেরাবাইট?
  1. ক) 29
  2. খ) 210
  3. গ) 211
  4. ঘ) 212
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ২১০ বা ১০২৪ টেরাবাইট
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৮,৪২৩.
IPv4-এর প্রথম অক্টেট ১২৮-১৯১ হলে, এটি কোন আইপি ক্লাস?
  1. Class A
  2. Class B
  3. Class C
  4. Class D
ব্যাখ্যা

•  IPv4 ঠিকানাগুলি সাধারণত পাঁচটি প্রধান ক্লাসে ভাগ করা হয়: Class A, B, C, D এবং E। এগুলি মূলত প্রথম অক্টেটের মানের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। Class A-এর প্রথম অক্টেট ১ থেকে ১২৭ এর মধ্যে থাকে, Class B-এর প্রথম অক্টেট ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে থাকে, Class C-এর প্রথম অক্টেট ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে থাকে, এবং Class D মূলত multicast এর জন্য ২২৪ থেকে ২৩৯ পর্যন্ত থাকে। যেহেতু প্রদত্ত ঠিকানার প্রথম অক্টেট ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে রয়েছে, এটি Class B আইপি ঠিকানা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। Class B ঠিকানা সাধারণত মাঝারি আকারের নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- উত্তর: খ) Class B

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।

- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।

৮,৪২৪.
1011 এর পরবর্তী বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. ক) 1010
  2. খ) 1100
  3. গ) 1101
  4. ঘ) 1110
ব্যাখ্যা
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২, দ্বারা গুণ করতে হবে। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 1011 এর দশমিক সংখ্যা হলো 11.
1011
= 1 × 2+ 0 × 2+ 1 × 21 + 1 × 20 
= 8 + 0 + 2 + 1 
= 11 

1100 এর দশমিক সংখ্যা হলো 12.
1100
= 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 0 × 2
= 8 + 4 + 0 + 0 
= 12 

সুতরাং 1011 এর পরবর্তী বাইনারি সংখ্যা 1100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪২৫.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 586 এর সমতূল্য ডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. 1212
  2. 1313
  3. 1414
  4. 1515
ব্যাখ্যা
(586)₁₆ = (5 × 16²) + (8 × 16¹) + (6 × 16⁰)
= 1280 + 128 + 6
= (1414)₁₀
৮,৪২৬.
নিচের কোনটি ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. ক) MAN
  2. খ) LAN
  3. গ) PAN
  4. ঘ) WAN
ব্যাখ্যা
ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে - PAN. 

PAN: 
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network. 
- ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- PAN এর ব্যাপ্তি বা পরিসীমা ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ।
- যেমন: ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ওয়েব ক্যামেরা, সাউন্ড সিস্টেম, পিডিএ, মোবাইল স্ক্যানার ও প্রিন্টার ইত্যাদি।  

অন্যন্য অপশনগুলো–
 LAN: 
- LAN  এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায় ।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
-  স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসে LAN নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
 MAN: 
-  MAN  এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একটি শহর বা ছোট অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এলাকাকে বুঝায়।
- এটির নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি  LAN এর চেয়ে বড় কিন্তু WAN এর চেয়ে ছোট।
- যেমন: ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক, ফ্যাক্টরি, ওয়্যারহাউজ, বিক্রয়কেন্দ্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
 WAN: 
- WAN  এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network.
- বড় এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই  WAN নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN এর উদাহরণ হলো – Internet. 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (বোর্ড বই)।
৮,৪২৭.
নিচের কোনটি রাইড শেয়ারিং মাধ্যম?
  1. ক) আমাজন
  2. খ) টুইটার
  3. গ) ফেইসবুক
  4. ঘ) উবার
ব্যাখ্যা
আমাজন: বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট।
টুইটার ও ফেইসবুক: জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
উবার: রাইড শেয়ারিং মাধ্যম
৮,৪২৮.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা কোনটি?
  1. SaaS
  2. IaaS
  3. PaaS
  4. Raas
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা হচ্ছে IaaS.

IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।

• উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

অন্যান্য অপশন
• SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

• PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

Raas ক্লাউড কম্পিউটিং এর কোনো সেবা নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,৪২৯.
প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষার নাম কী?
  1. High Level Language
  2. Assembly Language
  3. Natural Language
  4. Machine Language
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা হলো Machine Language. এটি সরাসরি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে এবং বাইনারি কোড (0 ও 1) আকারে থাকে। কম্পিউটার শুধুমাত্র এই ভাষা বুঝতে পারে। High Level Language হলো উচ্চ স্তরের ভাষা যা মানুষের পঠনযোগ্য, কিন্তু এটি প্রথম প্রজন্মের ভাষা নয়। Assembly Language হলো দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা, যা মেশিন ভাষার সঙ্গে কিছুটা মিল রেখে লিখা হয়। Natural Language হলো মানুষের স্বাভাবিক ভাষা, যা প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। তাই, প্রথম প্রজন্মের ভাষা হিসেবে সঠিক উত্তর হলো ঘ) Machine Language.

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)।
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)।
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)।
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)।
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮,৪৩০.
(1110111)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. 115
  2. 119
  3. 124
  4. 127
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1110111)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?

সমাধান:
(1110111)2 = (1 × 26) +  (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 64 + 32 + 16 + 0 + 4 + 2 + 1
= 119
৮,৪৩১.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগামিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অবজেক্ট
  2. পলিমরফিজম
  3. ইনহেরিটেন্স
  4. কোনোটিই না
ব্যাখ্যা

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডেটা এবং ইনস্ট্রাকশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট। মেসেজ আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।

• মূলত ছয়টি প্রাথমিক ধারণার মাধ্যমে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object)
২. ক্লাস (Class)
৩. মেসেজ (Message)
৪. পলিমরফিজম (Polymorphism)
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance)
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৩২.
Where was the World Wide Web (WWW) first developed?
  1. At MIT in the USA
  2. At CERN in Switzerland
  3. At Microsoft Corporation
  4. At Apple Inc.
ব্যাখ্যা

• World Wide Web (WWW) প্রথম তৈরি ও সূচনা করা হয় সুইজারল্যান্ডের CERN (European Center for Nuclear Research)-এ, যেখানে গবেষণার তথ্য সহজে শেয়ার করার প্রয়োজন থেকেই এর উদ্ভব হয়।

• World Wide Web (WWW):
- World Wide Web (WWW) হলো একটি hypertext-based distributed information system।
- এটি বহু সার্ভারের সাথে সংযুক্ত একটি বৃহৎ তথ্যভিত্তিক সিস্টেম।
- WWW ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা টেক্সট, ছবি ও অন্যান্য তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অ্যাক্সেস করতে পারে।
 
• WWW-এর উদ্ভব ও স্থান:
- WWW তৈরি করেন Tim Berners-Lee।
- এটি প্রথম তৈরি ও সূচনা হয় CERN (European Center for Nuclear Research)-এ।
- CERN অবস্থিত সুইজারল্যান্ডে।
- WWW প্রথম তৈরি হয় ১৯৮৯ সালে।
 
• WWW-এর প্রসার:
- শুরুতে এটি গবেষণামূলক কাজে সীমাবদ্ধ ছিল।
- পরবর্তীতে ১৯৯৩ সাল থেকে WWW ব্যাপকভাবে প্রচলিত হতে শুরু করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.

৮,৪৩৩.
The main two components of CPU are-
  1. ক) Control Unit & ALU
  2. খ) ALL & BUS
  3. গ) Control Unit & Register
  4. ঘ) Registers & Main Memory
ব্যাখ্যা
- CPU এর পূর্ণরুপ Central Processing Unit
- কম্পিউটার ব্রেইন বা মস্তিস্ক বলতে CPU কে বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলকে বুঝায়।
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে।
- এটিই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। 

দুইটি প্রধান অংশ নিয়ে মূলত CPU গঠিত। যথা :
- ALU (Arithmetic Logic Unit),
- Control Unit 
 
There are 2 parts of the CPU: The ALU and Control Unit.
The Arithmetic Logic Unit (ALU) performs arithmetic operations (such as addition and subtraction) and logical operations (such as comparing two values).
The Control Unit deciphers and carries out instructions.

উৎস: ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
৮,৪৩৪.
ASCII কোডের বিটের সংখ্যা কত?
  1. 2
  2. 4
  3. 7
  4. 8
ব্যাখ্যা
ASCII (American Standard Code for Information Interchange) is the most common character encoding format for text data in computers and on the internet. Characters in ASCII encoding include upper- and lowercase letters A through Z, numerals 0 through 9 and basic punctuation symbols.
ASCII, stands for American Standard Code for Information Interchange. It's a 7-bit character code where every single bit represents a unique character.

Source - ICT, class XI-XII, NCTB
৮,৪৩৫.
ফাংশন কী এর কাজ -
  1. ক) তথ্য সংযোজন করা
  2. খ) তথ্য মুছে ফেলা
  3. গ) বিশেষ ধরনের নির্দেশ প্রদান করা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
৮,৪৩৬.
যদি স্টার টপোলজির কেন্দ্রীয় হাব কাজ না করে, তাহলে কী ঘটে?
  1. কেবল একটি নোড কাজ করা বন্ধ করে
  2. সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়
  3. নেটওয়ার্কের গতি বৃদ্ধি পায়
  4. কিছুই হয় না
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজিতে সব নোড একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই হাব হল নেটওয়ার্কের মূল নিয়ন্ত্রক, যা ডেটা এক নোড থেকে অন্য নোডে প্রেরণ করে। যদি এই কেন্দ্রীয় হাব কাজ করা বন্ধ করে, তাহলে সমস্ত নোড একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে না। অর্থাৎ, নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তাই, শুধু একটি নোডের সমস্যা নয়, সমগ্র নেটওয়ার্কের কার্যক্রম প্রভাবিত হয়। হাবের ব্যর্থতার কারণে ডেটা আদানপ্রদানে বাধা আসে, নোডগুলো অকার্যকর হয়ে যায় এবং নেটওয়ার্ক ব্যবহারে অসুবিধা হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়।

 
• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধু ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।
 
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৩৭.
নিচের কোনটি এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. অ্যাভাস্ট
  2. চেরনোবিল
  3. পিংপং
  4. জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা পুনরুৎপাদনে সক্ষম এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হতে পারে। 
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটার সিস্টেমের নানা ধরনের ক্ষতি করে থাকে। 
যেমন- কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়া, হ্যাং হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন রিবুট (Reboot) হওয়া ইত্যাদি। 
- তবে বেশিরভাগ ভাইরাস ব্যবহারকারীর অজান্তে তার সিস্টেমের ক্ষতি করে থাকে। 
- আবার কিছু কিছু ভাইরাস সিস্টেমের ক্ষতি করে না, কেবল ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। 
যেমন- সিআইএইচ (CIH) নামে একটি সাড়াজাগানো ভাইরাস প্রতিবছর ২৬ এপ্রিল সক্রিয় হয়ে কম্পিউটার হার্ডডিস্ককে ফরম্যাট করে ফেলতো যা বর্তমানে নিষ্ক্রিয় রয়েছে। 
- সত্তর দশকে ইন্টারনেটের আদি অবস্থায় আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়, সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। 
- ১৯৮২ সালে এলক ক্লোনার (ELK CLONER) ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। 
- তবে ভাইরাসের বিধ্বংসী আচরণ প্রথম প্রকাশিত হয় ব্রেইন ভাইরাসের মাধ্যমে, ১৯৮৬ সালে। পাকিস্তানি দুই ভাই লাহোরে এই ভাইরাস সফটওয়‍্যারটি তৈরি করেন। 
- বিশ্বের ক্ষতিকারক ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ব্রেইন, ভিয়েনা, জেরুজালেম, পিংপং, মাইকেল এঞ্জেলো, ডার্ক এভেঞ্জার, সিআইএইচ (চেরনোবিল), অ্যানাকুর্নিকোভা, কোড রেড ওয়ার্ম, নিমডা, ডাপরোসি ওয়ার্ম ইত্যাদি। 
- কাজের ধরনের ভিত্তিতে ভাইরাসকে দুইভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- নিবাসী ভাইরাস (resident virus) এবং অনিবাসী ভাইরাস (non-resident virus)। 

কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ভাইরাস ভিন্ন অন্যান্য ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী। 
- সকল ভাইরাস প্রোগ্রামের কিছু সুনির্দিষ্ট ধরন বা প্যাটার্ন রয়েছে, এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার এই সকল প্যাটার্নের একটি তালিকা সংরক্ষণ করে। সাধারণত গবেষণা করে এই তালিকা তৈরি করা হয়। 
- যখন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারকে কাজ করতে দেওয়া হয়, তখন সেটি কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন ফাইলে বিশেষ নকশা খুঁজে বের করে এবং তা তার নিজস্ব তালিকার সঙ্গে তুলনা করে। যদি এটি মিলে যায় তাহলে এটিকে ভাইরাস হিসাবে শনাক্ত করে। যেহেতু বেশিরভাগ ভাইরাস কেবল কার্যকরী ফাইলকে সংক্রমিত করে, কাজেই সেগুলোকে পরীক্ষা করেই অনেকখানি আগানো যায়। 
- তবে এ পদ্ধতির একট বড় ত্রুটি হলো তালিকাটি নিয়মিত হালনাগাদ না হলে ভাইরাস শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেজন্য অনেক এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারের সকল প্রোগ্রামের আচরণ পরীক্ষা করে ভাইরাস শনাক্ত করার চেষ্টা করে। এতে সমস্যা হলো যে সফটওয়্যার সম্পর্কে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারটি আগে থেকে জানে না, সেটিকে ভাইরাস হিসাবে চিহ্নিত করে, যা ক্ষতিকর। এ কারণে বিশ্বের জনপ্রিয় এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো প্রথম পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। 
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৮,৪৩৮.
কোনো সফ্টওয়্যার তার অক্ষমতার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে সেক্ষেত্রে তাকে কী বলা হয়?
  1. ওয়ার্ম
  2. বাগ
  3. ট্রোজান হর্স
  4. অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার (malware): 
- ম্যালওয়্যার হলো ইংরেজি Malicious Software এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মোবাইল, কম্পিউটার, সার্ভার, ওয়েবসাইট অথবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ক্ষতি করার জন্য ডিজাইন ও উন্নয়ন করা হয়েছে এমন সফ্টওয়‍্যারকে ম্যালওয়্যার বলে।
- এই সফটওয়্যার মোবাইল, কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহারকারী স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- যদি কোনো সফ্টওয়্যার তার অক্ষমতার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে সেক্ষেত্রে তাকে ম্যালওয়্যার বলা চলে না; একে সফটওয়্যার বাগ (bug) বলা হয়।
- ম্যালওয়্যার এমন এক জাতীয় ক্ষতিকর সফ্টওয়্যার যা কম্পিউটার, মোবাইল বা অন্য কোনো ডিজিটাল সিস্টেমের স্বাভাবিক কাজকে ব্যাহত করতে, গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে, কোনো সংরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বা অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহার করা হয়।

• ম্যালওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যথা-
- কম্পিউটার ভাইরাস (computer viruses),
- ওয়ার্ম (worms),
- ট্রোজান হর্স (trojan horses),
- স্পাইওয়‍্যার (spyware),
- র‍্যানসামওয়‍্যার (ransomware),
- অ্যাডওয়্যার (adware),
- রুটকিটস্ (rootkits) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮,৪৩৯.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) মাইক্রোওয়েভ
  2. খ) অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার
  3. গ) স্লাইড রুল
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলোঃ গাড়ি, সেলফোন ও স্মার্টফোন, প্রিন্টার, ওভেন, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন(এসি), ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

সূত্র: কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
৮,৪৪০.
GPRS হলো একটি -
  1. Wired Communication Service
  2. Computer Programme
  3. Cell Phone Device
  4. Wireless Communication
ব্যাখ্যা
- মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত GPRS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ General Packet Radio Service।
- এটি তারবিহীন মোবাইল টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত এক ধরনের ব্যবস্থা।
- ইন্টারনেটের জন্য প্রথমে GPRS এবং পরে EDGE প্রযুক্তি চালু হয়।
৮,৪৪১.
RFID সাধারণত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারনেট গতি পরিমাপ করে
  2. মোবাইল সংযোগ স্থাপন করতে
  3. বস্তু বা প্রাণী শনাক্ত করে
  4. তথ্য সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা
RFID সাধারণত বস্তু বা প্রাণী শনাক্ত করণ কাজে ব্যবহৃত হয়।

• RFID
- RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification.
- এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটা ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- এতে খুব ছোট একটি চিপ, একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে।
- প্রাণীদেহের RFID ট্যাগগুলো সাধারণ RFID ট্যাগ থেকে একটু ভিন্ন হয়ে থাকে।
- এগুলো ক্যাপসুল আকৃতির হয়। সাধারণত পোষা প্রাণী যেমন, গরু-ছাগল ইত্যাদির পরিচয় নির্দিষ্ট করার জন্য RFID ট্যাগ তাদের দেহে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

• এর কিছু ব্যবহার নিম্নরূপ:
- কোনো প্রাণীট্র্যাক (track) করা বা প্রাণীটির অবস্থান নির্ণয় করা।
- সুক্ষ আকৃতির ট্যাগকে গাছে কিংবা কাঠের জিনিসে লাগানো, যা পরে আইডেন্টিফিকেশনের সুবিধা দেয়।
- ক্রেডিট কার্ড শেপের ট্যাগ ব্যবহার করে অফিস-বাসায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
- দোকানে পণ্যের মধ্যে RFID ট্যাগ লাগিয়ে চুরি প্রতিরোধ করা (ট্যাগ দোকানের বাইরে গেলেই অ্যালার্ম বেজে উঠবে)।
- শিপিং কন্টেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পরিবহণের সময় RFID ট্যাগ ব্যবহার করে পরিচয় নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৮,৪৪২.
WiMAX এর ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 2.0 - 66 GHz
  2. 2.44 - 5 GHz
  3. 1.0 - 10 GHz
  4. 1.0 - 100 GHz
ব্যাখ্যা
• WiMAX: 
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো  Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়। 
- WiMax  এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে। 
- WiMax  এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax  এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮,৪৪৩.
SMS কোন পদ্ধতিতে ডেটা কমিউনিকেশন করে?
  1. ফুল-ডুপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. সিমপ্লেক্স
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার, জয়স্টিক ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স:
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না। যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স:
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৪৪৪.
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে -
  1. ক) Tuple
  2. খ) Field
  3. গ) Record
  4. ঘ) Attribute
ব্যাখ্যা
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিন্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।সাধারণভাবে পুরো একটি রো বা সারিকে রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
[উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)]
৮,৪৪৫.
(১১০১০১) = ( ? )১০
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ৪১
  4. ৫৩
ব্যাখ্যা

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৪৪৬.
নিচের কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. dBase
  2. Oracle
  3. Informix
  4. Safari
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত dBase, Oracle ও Informix হলো ডেটাবেজ প্যাকেজ প্রোগ্রাম এবং Safari হলো ওয়েব ব্রাউজার।

• সফটওয়্যার প্রধানত দুই ধরনের। যথা-
১. সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- সিস্টেম সফটওয়্যার একটি কম্পিউটার সিস্টেমে হার্ডওয়্যার পরিচালনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।,
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এর মধ্যে Dos, Windows এবং Xenix/Unix বহুলভাবে ব্যবহৃত।
- Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত।

২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Photo Editing Program: Adobe Photoshop
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Browsing  Program:  Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
৮,৪৪৭.
(233)10 এর অক্টাল মান কত?
  1. ক) (153)8
  2. খ) (315)8
  3. গ) (321)8
  4. ঘ) (351)8
ব্যাখ্যা
8 | 233
8 | 29 - 1
8 | 3 - 5
   | 0 - 3

∴ (233)10 = (351)8
৮,৪৪৮.
ASCII কোড অনুযায়ী কম্পিউটারে ‘C’ অক্ষরকে উপস্থাপন করতে কোন সংখ্যা ব্যবহৃত হয়?
  1. 67
  2. 68
  3. 66
  4. 65
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের মধ্যে অক্ষরগুলোকে সংখ্যা হিসেবে সংরক্ষণ করার জন্য ASCII (American Standard Code for Information Interchange) ব্যবহার করা হয়। ASCII কোড একটি মানক পদ্ধতি যা প্রতিটি অক্ষর ও নিয়ন্ত্রণ চিহ্নকে একটি নির্দিষ্ট পূর্ণসংখ্যার সঙ্গে যুক্ত করে। উদাহরণস্বরূপ, বড় হাতের অক্ষর ‘A’ থেকে ‘Z’ পর্যন্ত ৬৫ থেকে ৯০ পর্যন্ত সংখ্যা ব্যবহার করে উপস্থাপন করা হয়। তাই ‘C’ অক্ষরটি ASCII অনুযায়ী উপস্থাপন করতে ৬৭ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ কম্পিউটার যখন ‘C’ অক্ষরটি দেখতে বা প্রক্রিয়াকরণ করতে চায়, তখন এটি আসলে ৬৭ সংখ্যা হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) 67
 
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৪৯.
ফার্মওয়্যার আপডেট করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. Debugging
  2. Compiling
  3. Formatting
  4. Flashing
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো একটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী প্রোগ্রাম। ফার্মওয়্যার আপডেট বলতে বোঝায় ডিভাইসের এই প্রোগ্রামকে নতুন বা সংশোধিত সংস্করণে আপগ্রেড করা, যাতে ডিভাইস আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, বাগ ঠিক করা যায় বা নতুন ফিচার যোগ করা যায়। ফার্মওয়্যার আপডেট করার প্রক্রিয়াকে সাধারণত “Flashing” বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পুরনো ফার্মওয়্যার মুছে ফেলা হয় এবং নতুন ফার্মওয়্যার মেমরিতে লেখা হয়। তাই ডিবাগিং, কম্পাইলিং বা ফরম্যাটিং নয়, বরং ফার্মওয়্যার আপডেটের সঠিক নাম হলো Flashing। এটি ডিভাইসের স্থায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৪৫০.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. Client-Server Network
  2. Peer to Peer Network
  3. Hybride Network
  4. Personal Network Area
ব্যাখ্যা
• Client-Server Networkনেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৫১.
কম্পিউটারের বাহ্যিক (External) হার্ডওয়্যারের উদাহরণ কোনটি?
  1. RAM
  2. Power supply
  3. Video card
  4. Joystick
ব্যাখ্যা

• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়‍্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card 

• কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ: 
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive 

উৎস:
১। Computer Hope Website [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৫২.
কোয়ান্টাম কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট কী নামে পরিচিত?
  1. ফ্লপ
  2. বিট
  3. কিউবিট
  4. লজিক গেট
ব্যাখ্যা

কোয়ান্টাম কম্পিউটার: 
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। 
- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে। 
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে। 
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন। 
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে, একে বলে Superposition
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে। 
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন। 
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে। 

• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি: 
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে। 
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং economist [লিঙ্ক]।

৮,৪৫৩.
API এর মূল কাজ কী?
  1. অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন করা এবং সফটওয়্যারের ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস তৈরি করা।
  2. বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে ডাটা আদান-প্রদানে সাহায্য করা।
  3. কোড কম্পাইল করা এবং প্রোগ্রামকে নির্বাহযোগ্য (Executable) ফাইলে রূপান্তর করা।
  4. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো এবং নেটওয়ার্ক কর্মক্ষমতা উন্নত করা।
ব্যাখ্যা

◉ API (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) এর মূল কাজ হল বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করা।

API (Application Programming Interface) হলো একটি সফটওয়্যার ইন্টারফেস, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, সার্ভিস বা সিস্টেমের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান ও যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।
- এটি মূলত একটি মাধ্যম, যা software applications, web services, এবং databases-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- API এর পূর্ণরূপ Application Programming Interface.
- API এমন একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- API একটি প্রোগ্রাম থেকে পরিষেবা পাওয়ার জন্য একজন ডেভেলপারকে সাহায্য করে।
- একটি API ছাড়া একটি প্রোগ্রাম খুব কার্যকরভাবে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের সাথে কাজ করতে পারেনা।
- API-এর উদাহরণ হলো remote procedure calls (RPCs)।
- তাছাড়া API, গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড সহ অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরবরাহ করে, নেটওয়ার্কিং এবিলিটি যুক্ত করে, সিকিউরিটি এবং ডেটা ট্রান্সলেশন পরিচালনা করে এবং মেমরি এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মতো সিস্টেম সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পরিচালনা করে।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Amazon Web Services Website.

৮,৪৫৪.
The step by step instruction that solve a problem are called-
  1. ক) An algorithm
  2. খ) A list
  3. গ) A plan
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা
A finite series of well-defined, computer-implementable instructions to solve a specific set of computable problems are called An algorithm.
৮,৪৫৫.
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ভিত্তি কোনটি?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. ট্রানজিস্টর
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার(Fifth Generation Computer):
- সাধারণভাবে ২০০১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ব্যবহৃত কম্পিউটারকে পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হয়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষা বুঝতে ও অনুকরণ করতে সক্ষম।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) এই প্রজন্মের মূল ভিত্তি।
 
• পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তিগত ভিত্তি:
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার VLSI ও ULSI (Ultra Large Scale Integration) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে নির্মিত।
- একটি সিলিকন চিপে কয়েক কোটি থেকে কয়েকশ কোটি ট্রানজিস্টর সংযোজন করা সম্ভব হয়।
 
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক ব্যবহার।
- মানুষের ভাষা ও আচরণ অনুকরণ করার ক্ষমতা।
- ভয়েস কমান্ড ও স্বাভাবিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ(NLP) সুবিধা।
- প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাপক উন্নয়ন।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের গতি ও ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ব্যাপক সমন্বয়।
- অনলাইন ও বুদ্ধিমান ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবহার।
- বিপুল ক্ষমতাসম্পন্ন সুপার কম্পিউটার উন্নয়ন।
 
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের ব্যবহার:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম।
- রোবোটিক্স ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
- ভাষা শনাক্তকরণ ও অনুবাদ।
- বিশেষজ্ঞ সিস্টেম(Expert System)।
- আধুনিক গবেষণা ও ডেটা বিশ্লেষণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)। 

৮,৪৫৬.
একটি হাসপাতালের ডাটাবেজে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি অনন্য চিকিৎসা রেকর্ড নম্বর নির্ধারিত থাকে। এটি নিচের কোনটির উদাহরণ?
  1. Many-to-Many
  2. One-to-Many
  3. Many-to-One
  4. One-to-One
ব্যাখ্যা

• একটি হাসপাতালের ডাটাবেজে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি অনন্য চিকিৎসা রেকর্ড নম্বর (Medical Record Number) নির্ধারিত থাকে। অর্থাৎ, প্রতিটি রোগীর সঙ্গে একটিমাত্র রেকর্ড নম্বর যুক্ত থাকে এবং প্রতিটি রেকর্ড নম্বর শুধুমাত্র এক রোগীর জন্য প্রযোজ্য। এটি হলো “One-to-One” সম্পর্কের উদাহরণ, কারণ এক রোগীর জন্য এক রেকর্ড এবং এক রেকর্ড শুধুমাত্র এক রোগীর সাথে সম্পর্কিত। এখানে কোন রোগীর একাধিক রেকর্ড নেই এবং কোন রেকর্ডও একাধিক রোগীর সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয় না। তাই ডাটাবেজে রোগী এবং চিকিৎসা রেকর্ড নম্বরের সম্পর্ক এক-থেকে-এক (One-to-One) ধরণের।

- সঠিক উত্তর: ঘ) One-to-One.

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৫৭.
'অভ্র ফোনেটিক' উদ্ভাবনে কোন ল্যাবের সদস্যরা কাজ করেছেন?
  1. ওমিক্রন ল্যাব
  2. বেল ল্যাবরেটরি
  3. মাইক্রোসাইন্স ল্যাব
  4. কী-বোর্ড ল্যাব
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে বাংলা কী-বোর্ড:
- বাংলা কি-বোর্ডর ধারণাটা প্রথম প্রয়োগ করেন শহিদ মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে, তার 'মুনীর' কী-বোর্ডর মাধ্যমে। এটি ছিল টাইপ রাইটারের জন্য তৈরি করা একটি QWERTY কী-বোর্ড লেআউট। 

- ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের ড. সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে কম্পিউটারে বাংলা ব্যবহারের ওপর গবেষণা শুরু হয়। এরপর চলমান গবেষণাগুলোর মধ্যে সাইফ উদ দোহা শহীদ সর্বপ্রথম বাংলা সফটওয়্যার আবিষ্কার করতে সক্ষম হোন। প্রথমে মুনীর লেআউট ও পরে QWERTY লেআউট ব্যবহার করে ২৫ জানুয়ারি সহকর্মীদের সহায়তায় বানিয়ে ফেলেন দুই বছরের পরিশ্রমের ফসল বাংলা লেখার সর্বপ্রথম সফটওয়্যার 'শহিদলিপি'। 

- ১৯৮৬ সালে মাইনুল ইসলাম তৈরি করেন 'মাইনুললিপি' নামক একটি বাংলা ফন্ট এর সুবিধা ছিল কোন ড্রাইভার কিংবা সফটওয়্যারের সাহায্য ছাড়াই এ ফন্ট দিয়ে ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে খুব সহজেই বাংলা লেখা যেত। এরপর যুক্তাক্ষর সমস্যা সমাধানের জন্য মাইনুল ইসলাম চার স্তরবিশিষ্ট কী-বোর্ড ব্যবহার করেন।

- সাংবাদিকতায় জড়িত মোস্তাফা জব্বার কোন এক বিদেশির পরামর্শে একটি ইংরেজি ফন্টের অনুকরণে তৈরি করে ফেলেন বাংলা ফন্ট তন্বী সুনন্দা।
• ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার দেবেন্দ্র যোশী তাকে বানিয়ে দেন বাংলা লেখার জন্য একটি সফটওয়‍্যার।
 • ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বরে মোস্তাফা জব্বার ও গোলাম ফারুক আহমদ উন্মোচন করেন দেড় বছরের ফসল বাংলা লেখার সফটওয়্যার 'বিজয়'। বাংলা সফটওয়্যার প্রবেশ করে উন্নত যুগে।
• ১৯৯৩ সালে সেইফ ওয়ার্কশ 'বর্ণ'-এর উইন্ডোজ সংস্করণ 'বর্ণনা' তৈরি করে যার মূল আকর্ষণ ছিল, পাশাপাশি এটি বাংলা বানানের ভুল ধরিয়ে দিতে পারত।
• একই সালে বাংলাদেশ সরকার বাজারে আনে বাংলা লেখার সফটওয়্যার 'জাতীয়'। তবে 'জাতীয়' খুব বেশি জনপ্রিয় হয়নি। 
•  মোস্তাফা জব্বার পরবর্তীতে নিয়ে আসেন 'বিজয়'-এর উইন্ডোজ সংস্করণ।


- ২০০৬ সাল, নবজাগরণ যুগের শুরু। এ সালে ঘটে বাংলা কম্পিউটিং শিল্পে এক নতুন বিপ্লব। মেহেদী হাসান, রিফাত-উন-নবী আর ওমিক্রন ল্যাবের সদস্যরা পরিশ্রম করে তৈরি করেন বাংলা লেখার নতুন পদ্ধতি-অভ্র ফোনেটিক। এর মাধ্যমে ইংরেজি কী-বোর্ড ব্যবহার করেই খুব সহজেই বাংলা লেখা যায়। যেমন-কেউ ইংরেজিতে ami banglay gan gai লিখলে সেটা হয়ে যাবে-আমি বাংলায় গান গাই। 
মেহেদী হাসানের এ যুগান্তকারী আবিষ্কার বাংলার জগতে নিয়ে এলো নতুন এক বিপ্লব। দিনের পর দিন মেহেদী হাসান তার এ সফটওয়্যারে নতুন নতুন সুবিধা যুক্ত করেন।
♦ কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্রাউজারে বাংলা লেখাগুলো খুব ছোট দেখা যেত, যার কারণ উইন্ডোজের বৃন্দা (Vrinda) ফন্ট। ওমিক্রন ল্যাবের তানবীর ইসলাম সিয়াম সেজন্য বানান সিয়ামরূপালী (Siyamrupali) নামক ফন্ট, যা এ সমস্যার সমাধান করে।
♦ SutonnyMJ ফন্টের বিকল্প হিসাবে বানানো হয় কালপুরুষ (Kalpurush)। 
• মেহেদী হাসান তার এ মূল্যবান আবিষ্কারকে সবার কথা ভেবে বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। তার মতে, ভাষা হওয়া উচিত সবার কাছে উন্মুক্ত।

উৎস: www.jugantor.com.
৮,৪৫৮.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফট উদ্ভাবিত ডিজিটাল ব্যক্তিগত সহকারী?
  1. Alexa
  2. Cortana
  3. Siri
  4. Echo
ব্যাখ্যা
Windows 10, released in 2015, featured Cortana, a digital personal assistant capable of responding to voice commands (as did the iPhone’s Siri), and a new Web browser, Microsoft Edge, which replaced Internet Explorer.

Source: Britannica
৮,৪৫৯.
ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ব্রাউজারে সঞ্চিত কুকিজ (Cookies) মূলত কোথায় জমা হয়?
  1. RAM
  2. Cache
  3. Register
  4. Flash
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৪৬০.
বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৩ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৯৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোবাইল ফোন প্রথম চালু হয় ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে। হাচিসন বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (এইচবিটিএল) ঢাকা শহরে AMPS মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোন সেবা শুরু করে।
৮,৪৬১.
'Salami Attack' কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আর্থিক ক্ষতি সাধন করা
  2. সিস্টেমে ভাইরাস আক্রমণ করা
  3. ই-মেইল বম্বিং করা
  4. ট্রোজান এ্যাটাক করা
ব্যাখ্যা
Salami Attack হচ্ছে অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,৪৬২.
ফরেন কী'র কাজ কী?
  1. ডাটাবেজে নতুন রেকর্ড সংযোজন করা
  2. দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা
  3. একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা
  4. ইনডেক্স তৈরি করা
ব্যাখ্যা
ফরেন কী'র কাজ হচ্ছে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা।

• ফরেন কী (Foreign Key)
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৬৩.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ইনপুট ইউনিট, কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট এবং আউটপুট ইউনিট।
- কম্পিউটারের মেকানিক্যাল ডিভাইসকে বলা হয় হার্ডওয়্যার।
- কম্পিউটারের সাংগঠনিক কাঠামোর যে সকল যন্ত্রপাতি আমরা দেখতে পারি, স্পর্শ করতে পারি, যার বস্তুগত আয়তন আছে, তার সমষ্টিকেই হার্ডওয়্যার বলে।
- হার্ডওয়্যার ছাড়া সফটওয়্যার অচল, এর কোন মূল্য নেই।
৮,৪৬৪.
প্রথম কত সালে ল্যাপটপ কম্পিউটারের প্রচলন শুরু হয়?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুৎ এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,৪৬৫.
যদি একাধিক ফিল্ড একত্রে প্রাইমারি কী গঠন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. অল্টারনেট কী
  2. ফরেন কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হলে তাকে "কম্পোজিট প্রাইমারি কী" বলে।
 
• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৬৬.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) ২৩৫
  2. খ) ১২০০
  3. গ) ১০১০
  4. ঘ) ২৮০
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা এর জন্য ০ থেকে ৭ পর্যন্ত ডিজিট ব্যবহার করা হয় তাই ২৮০ অক্টাল সংখ্যা নয়।
৮,৪৬৭.
নিচের কোন ডিভাইসটি প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করা হয়?
  1. স্ক্যানার
  2. মাউস
  3. মডেম
  4. কি-বোর্ড
ব্যাখ্যা
• সিরিয়াল পোর্ট:
- সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়য়ার এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট:
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসাথে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়। সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপট্যিকাল ডিভাইস ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৪৬৮.
প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত -
  1. ক) কয়েক কিলোমিটার
  2. খ) কয়েক সেন্টিমিটার
  3. গ) কয়েক মাইল
  4. ঘ) কয়েক মিটার
ব্যাখ্যা
পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network।
কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
তবে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ডিভাইসগুলো ব্যক্তিগত নাও হতে পারে।
প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
প্যান USB Bus এবং Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।


উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৪৬৯.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে কে পরিচিত?
  1. James Gosling
  2. Guido Van Rossum
  3. Dennis Ritchie
  4. Brendan Eich
ব্যাখ্যা

• পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে Guido van Rossum পরিচিত।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- James Gosling: Java প্রোগ্রামিং ভাষার প্রধান উদ্ভাবক।
- Brendan Eich: JavaScript প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
 

৮,৪৭০.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সাথে সম্পৃক্ত ব্যাক্তি নয় কে?
  1. জে. বার্ডিন
  2. উইলিয়াম অডরেট
  3. ডব্লিউ ব্রাটেন
  4. ডব্লিউ সক্লে
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
-  ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে  ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।  
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৭১.
স্যাটেলাইট সমৃদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কততম?
  1. ৫৬তম
  2. ৫৭তম
  3. ৫৮তম
  4. ৫৯তম
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১: 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১। 
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৪৭২.
ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত 'BCC' এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Bold Carbon Copy
  2. Basic Carbon Copy
  3. Black Carbon Copy
  4. Blind Carbon Copy
ব্যাখ্যা

ইমেইল: 
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 
- ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত- 
• CC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Carbon Copy ও 
BCC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Blind Carbon Copy

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৪৭৩.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে F7 কী সাধারণত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ফন্ট সাইজ বড় করা
  2. নতুন ডকুমেন্ট খোলা
  3. স্পেলিং ও গ্রামার চেক করা
  4. প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা
ব্যাখ্যা

•মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করার সময় বানান বা ব্যাকরণগত ভুল সংশোধন করার জন্য F7 ফাংশন কি (Function Key) ব্যবহার করা হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।

৮,৪৭৪.
অটোমেটেড টেলার মেশিন-
  1. ক) টিকেট কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়
  2. খ) স্বল্প খরচে ছবি তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়
  3. গ) ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়
  4. ঘ) আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানার জন্য ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
এটিএম (ATM) এর পূর্ণরূপ অটোমেটেড টেলার মেশিন (Automated Teller Machine)। বর্তমানে এটি একটি আধুনিক তহবিল স্থানান্তর যন্ত্র। এর মাধ্যমে দিনের যেকোনো সময় অর্থ জমা, উত্তোলন ও স্থানান্তর করা যায়। ব্যাংক তার গ্রাহককে একটি করে প্লাস্টিক কার্ড সরবরাহ করে। কার্ডের মাধ্যমে গোপন নম্বর ব্যবহার করে যেকোন দিন যেকোন সময় ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন, জমা বা স্থানান্তর করা যায়।
৮,৪৭৫.
NVMe মূলত কোন ধরনের স্টোরেজের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে?
  1. ম্যাগনেটিক টেপ
  2. অপটিক্যাল ডিস্ক
  3. ফ্ল্যাশ মেমরি / এসএসডি
  4. এইচডিডি
ব্যাখ্যা

• NVMe (Non-Volatile Memory Express) একটি উচ্চগতির স্টোরেজ ইন্টারফেস যা বিশেষভাবে ফ্ল্যাশ মেমরি বা SSD-এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি সাধারণ হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের (HDD) তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম। NVMe প্রযুক্তি PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) বাসের উপর কাজ করে, যা কম ল্যাটেন্সি এবং উচ্চ ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করে। এটি বিশেষ করে বড় ডেটা প্রসেসিং, গেমিং এবং সার্ভার ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। ম্যাগনেটিক টেপ বা অপটিক্যাল ডিস্কের জন্য এটি ব্যবহার হয় না, কারণ এই মাধ্যমগুলির গতি কম এবং NVMe-এর সুবিধা পূর্ণভাবে কাজে লাগানো যায় না। সুতরাং, NVMe মূলত ফ্ল্যাশ মেমরি বা SSD-এর জন্য উপযোগী।

• NVMe: 
- NVMe এর পূর্ণ রূপ "Non-Volatile Memory Express".
- এটি SSD-র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

• NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ:
- ল্যাপটপ,
- ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং
- ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উৎস: techtarget.com

৮,৪৭৬.
বিশ্বের সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিনটির নাম কী?
  1. ক) Yahoo
  2. খ) Bing
  3. গ) Google
  4. ঘ) Baidu
ব্যাখ্যা
গুগল বিশ্বের সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন। 

- একটি সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন একটি ওয়েব অনসন্ধান ইঞ্জিন বা সফট্‌ওয়্যার প্রোগ্রাম যা ইন্টারনেটের সীমাহীন ডাটাবেস থেকে ব্যবহারকারীর প্রশ্ন (একটি কীওয়ার্ড বলা হয়) অনুসন্ধান করে এবং অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ফলাফল পৃষ্ঠায় সার্চকারীদের দেখায়।
- সের্গেই ব্রিন এবং ল্যারি পেজ ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগল একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি। 

সূত্র: গুগল অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,৪৭৭.
কোন যন্ত্র আবিষ্কারের জন্য চার্লস ব্যবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়?
  1. ক) এনালাইজিং ইঞ্জিন
  2. খ) এসেম্বলি লাইনার
  3. গ) ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  4. ঘ) এনিগমা ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
চার্লস ব্যাবেজ:

- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গণিতবিদ অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ ১৮২২ সালে ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন। এজন্য তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮৩৩ সালে এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামক একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং নকশা করেন।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৭৮.
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সদর দপ্তর-
  1. ক) ভার্জিনিয়া
  2. খ) ওয়াশিংটন
  3. গ) নিউইয়র্ক
  4. ঘ) ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা

ফেইসবুক বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এটি ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারী মার্ক জুকারবার্গ এবং তার কয়েকজন বন্ধু মিলে চালু করেন। এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে অবস্থিত।
সূত্রঃ ফেইসবুক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণী।

৮,৪৭৯.
From where we can change the name of a User Account?
  1. ক) Control Panel
  2. খ) Computer Name
  3. গ) Code Panel
  4. ঘ) Settings
ব্যাখ্যা
Control Panel এর  Under the ''User Accounts'' section গিয়ে click the 'Change account type option' হতে নাম পরিবর্তন করা যায়।
৮,৪৮০.
কোনটি ম্যালওয়্যার নয়?
  1. ক) Adware
  2. খ) Spyware
  3. গ) Ransomware
  4. ঘ) Firmware
ব্যাখ্যা
• Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

• ফার্মওয়্যার (Farmware):
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমোরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল) এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৮১.
কী ফিল্ড প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
কী
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- যেমন: ক্লাশে ছাত্রদের রোল নম্বরের ভিত্তিতে শনাক্তকরণ, ফলাফল ঘোষণা ও স্কলারশীপ বিতরণ করা হয়, তাই রোল নম্বরকে কী ফিল্ড বলা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্রাইমারি কী 
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী ও
৩. ফরেন কী

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৮২.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি 'বিগ ব্লু (Big Blue)' নামে পরিচিত?
  1. Apple
  2. IBM
  3. Google
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• আইবিএম (IBM) কে বিশ্বজুড়ে 'বিগ ব্লু' নামে ডাকা হয়। ১৯৮০-র দশকে আইবিএম-এর আধিপত্যের সময়ে তাদের বিশাল নীল রঙের মেইনফ্রেম কম্পিউটার এবং কর্মীদের পরিহিত নীল রঙের স্যুটের কারণে এই নামের উৎপত্তি হয়েছিল।

• আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ International Business Machines.
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথমে নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR),পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ (জানুয়ারি, ২০২৬)।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc.
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম।
- হাইপারলেজার হল একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি।

তথ্যসূত্র - IBM Website

৮,৪৮৩.
প্রধানত কোন কাজে একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার তৈরি করা হয়েছে?
  1. ক্যালকুলেটরের মতো সাধারণ গণনার জন্য
  2. উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিং
  3. গেমিং ও বিনোদন
  4. ব্যক্তিগত ডেস্কটপ ব্যবহারের জন্য
ব্যাখ্যা

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার মূলত উচ্চ ক্ষমতার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিংয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এগুলো সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠানের ব্যাঙ্ক, বিমা কোম্পানি বা সরকারি সংস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোটি কোটি লেনদেনের হিসাব, ডেটা সংরক্ষণ এবং জটিল বিশ্লেষণ প্রয়োজন। মেইনফ্রেমের লক্ষ্য হলো নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং একসাথে অসংখ্য ব্যবহারকারীর কাজ সমর্থন করা। এটি ক্যালকুলেটরের মতো ছোট গণনা বা গেমিং-এর জন্য নয়, বরং উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ ও বড় ডেটা সেট পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ব্যক্তিগত ডেস্কটপের চেয়ে এর ক্ষমতা অনেক বেশি এবং ব্যয়ও যথেষ্ট বেশি।

- সঠিক উত্তর: খ) উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিং।
 
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অপশন আলোচনা:
- সুপারকম্পিউটার: বৈজ্ঞানিক গণনার জন্য, নেটওয়ার্ক সার্ভিংয়ের জন্য নয়। 
- মাইক্রোকম্পিউটার: পার্সোনাল কম্পিউটিং বা ছোট সার্ভারের জন্য। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৮৪.
What does RTOS stand for in embedded systems?
  1. Remote Terminal Operating System
  2. Real-Time Operating System
  3. Run-Time Optimization System
  4. Resource Task Operating Software
ব্যাখ্যা

• RTOS এর পূর্ণরূপ হলো Real-Time Operating System।
- RTOS হলো এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যা অত্যন্ত দ্রুত এবং সুনির্দিষ্ট সময়সীমার (Time-bound) মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। সাধারণ অপারেটিং সিস্টেম (যেমন- Windows) যেখানে ইউজার ইন্টারফেস এবং মাল্টিটাস্কিংকে গুরুত্ব দেয়, সেখানে RTOS ডেডলাইন এবং কাজের নিশ্চয়তাকে (Determinism) অগ্রাধিকার দেয়। এটি এমবেডেড ডিভাইসের মেমোরি এবং প্রসেসরকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যেন যেকোনো ইনপুটের বিপরীতে তাৎক্ষণিক আউটপুট পাওয়া যায়।

• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Real-Time Operating System): 
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

• কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম: 
- FreeRTOS, 
- VxWorks,
- QNX, 
- ThreadX,
- RTLinux ইত্যাদি।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)। 
২। আইবিএম ওয়েবসাইট। [link]

৮,৪৮৫.
প্রিন্টারের রেজোলিউশনের মান নির্ণয় করতে কোন একক ব্যবহৃত হয়?
  1. Bit
  2. Hertz
  3. Byte
  4. DPI
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) DPI

 • প্রিন্টারের রেজোলিউশন বলতে বোঝায় একটি প্রিন্টার কতটা সূক্ষ্মভাবে ছবি বা লেখা মুদ্রণ করতে পারে। এটি মূলত প্রতিটি ইঞ্চিতে কতটি বিন্দু (dots) প্রিন্ট করা যায় তা দ্বারা নির্ধারিত হয়। এই মান পরিমাপ করার জন্য ডিপিআই (DPI – Dots Per Inch) একক ব্যবহার করা হয়। ডিপিআই যত বেশি, প্রিন্টের মান তত উন্নত এবং ছবি বা টেক্সট তত বেশি স্পষ্ট হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৩০০ ডিপিআই মানে প্রতি ইঞ্চিতে ৩০০টি ছোট ছোট বিন্দু প্রিন্ট হবে। অন্য একক যেমন বিট, হার্জ বা বাইট কম্পিউটারের তথ্য বা গতি মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টারের রেজোলিউশনের জন্য নয়। তাই প্রিন্টারের রেজোলিউশন নির্ধারণের একক হলো ডিপিআই।

• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়।
- প্রিন্টারের রেজোলিউশন বলতে বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে- অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৮৬.
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত কয় ধরনের হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
সকল ধরনের কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা ও ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ইনস্টল এবং আন-ইনস্টল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়।

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে।
১) হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ
২) সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৮৭.
অবাঞ্ছিত ই-মেইল বা বার্তা পাঠানোকে কী বলা হয়?
  1. স্পুফিং
  2. স্প্যামিং
  3. ফিশিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা

অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে

স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙিক্ষত মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- স্প্যামাররা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং ইমেইল আইডি জেনারেট করে স্প্যাম মেইল পাঠায়।

উল্লেখ্য,
স্পুফিং(Spoofing): 
- স্পুফিং হলো মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা এবং সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করা।

ফিশিং(Phishing): 
- কারো ছদ্মবেশ ধারণ করে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ চুরি করার প্রচেষ্টাকে ফিশিং বলে।

স্নিকিং:
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী  মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮,৪৮৮.
"ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মান কত? 
  1. 2748
  2. 3124
  3. 4096
  4. 5270
ব্যাখ্যা

◉ হেক্সাডেসিমেল "ABC" = দশমিক 2748

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

A = 10
B = 11
C = 12

∴ (ABC)16 = (10 × 162) + (11 × 161) + (12 × 160
= (10 × 256) + (11 × 16) + (12 × 1)
= 2560 + 176 + 12
= 2748

৮,৪৮৯.
মোবাইল প্রযুক্তি সংক্রান্ত NEIR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Electronics Inspection Record
  2. National Equipment Identity Register
  3. Network Equipment Information Repository
  4. New Equipment Identification Report
ব্যাখ্যা

• মোবাইল প্রযুক্তিতে NEIR-এর পূর্ণরূপ হলো National Equipment Identity Register। এটি একটি জাতীয় ডাটাবেস যা মোবাইল ডিভাইসের অনন্য পরিচয় সংরক্ষণ করে, যেমন IMEI নম্বর। NEIR-এর মূল উদ্দেশ্য হলো চুরি বা হারানো মোবাইল ডিভাইস সনাক্ত করা এবং সেগুলোর নেটওয়ার্ক ব্যবহার সীমিত করা। যখন কোনো মোবাইল ডিভাইস নেটওয়ার্কে সক্রিয় হয়, তখন NEIR এর মাধ্যমে ডিভাইসটির আইডেন্টিটি যাচাই করা হয়। এটি মোবাইল নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে এবং অবৈধ ব্যবহারেরোধ করে। এছাড়া, NEIR বিভিন্ন দেশের মধ্যে তথ্য বিনিময় করতেও সাহায্য করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে চুরির ঘটনা কমাতে কার্যকর। তাই NEIR মোবাইল ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

- উত্তর: খ) National Equipment Identity Register.

• NEIR (National Equipment Identity Register):
- NEIR হলো একটি আন্তর্জাতিক মোবাইল ডিভাইস পরিচয় নিবন্ধন ব্যবস্থা, যেখানে চুরি, হারানো বা ব্লক করা মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর সংরক্ষিত থাকে।  
- এটি মূলত মোবাইল নেটওয়ার্কে অবৈধ, ক্লোন বা ব্ল্যাকলিস্টেড ডিভাইস প্রবেশ ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়।  
- কোনো মোবাইল ডিভাইস চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে তার IMEI এই রেজিস্ট্রিতে ব্লক করা যায়।  
- একবার ব্লক করা হলে সেই ফোন বিশ্বের যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যায় না।  
- বিভিন্ন দেশের টেলিকম রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ NEIR ব্যবহার করে মোবাইল নিরাপত্তা ও প্রতারণা প্রতিরোধ করে।  
- এটি মোবাইল ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও চুরি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• NEIR কেন গুরুত্বপূর্ণ:
- চুরি হওয়া মোবাইল পুনরায় বিক্রি বা সক্রিয় করা বন্ধ করে।  
- নেটওয়ার্কে ক্লোন বা জাল IMEI যুক্ত ডিভাইস শনাক্ত করা যায়।  
- ব্যবহারকারীর ডেটা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখে।  
- মোবাইল চুরি-সংক্রান্ত অপরাধ কমাতে সহায়তা করে।

সূত্র - prothom-alo. [link]

৮,৪৯০.
নিচের কোনটিতে এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) এটিএম
  2. খ) মাইক্রোওয়েভ
  3. গ) ভিডিও গেম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
এম্বেডেড কম্পিউটার হল একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ডিজিটাল ইন্টারফেস সম্বলিত ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ (যেমন- ঘড়ি, মাইক্রোওয়েভ, ভিসিআর, কার প্রভৃতি) তে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়। সেল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেম, ব্যাংকিং কার্যক্রমে ব্যবহৃত এটিএম ইত্যাদিতে এমবেডেড সিস্টেমের ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে।
৮,৪৯১.
কম্পিউটারের আর্কিটেকচার এর সাথে কার নাম জড়িত?
  1. জন ভন নিউম্যান
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. অগাস্টা অ্যাডা
  4. টিম বার্নার্স-লি
ব্যাখ্যা

◉ জন ভন নিউম্যান আধুনিক কম্পিউটার আর্কিটেকচারের জনক হিসেবে পরিচিত। তিনি ১৯৪৫ সালে ভন নিউম্যান আর্কিটেকচার প্রস্তাব করেন। 

জন ভন নিউম্যান: 
- জন ভন নিউম্যান, আসল নাম জ্যানোস নিউম্যান, (জন্ম 28 ডিসেম্বর, 1903, বুদাপেস্ট, হাঙ্গেরি—মৃত্যু 8 ফেব্রুয়ারি, 1957, ওয়াশিংটন, ডিসি, ইউ.এস.), হাঙ্গেরিয়ান-বংশোদ্ভূত আমেরিকান গণিতবিদ।
- ফলিত গণিতের জন্য ভন নিউম্যানের উপহার কোয়ান্টাম তত্ত্ব, স্বয়ংক্রিয় তত্ত্ব, অর্থনীতি এবং প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করে এমন দিকগুলিতে তার কাজ নিয়েছিল।
- ভন নিউম্যান গেম তত্ত্বের পথপ্রদর্শক এবং অ্যালান টুরিং এবং ক্লড শ্যাননের সাথে সঞ্চিত-প্রোগ্রাম ডিজিটাল কম্পিউটারের ধারণাগত উদ্ভাবকদের একজন ছিলেন।
- ভন নিউম্যান মেশিন, আধুনিক, বা ক্লাসিক্যাল, কম্পিউটারের মৌলিক নকশা করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ENIAC-এর নির্মাণে জড়িত তিনজন প্রধান বিজ্ঞানী-আর্থার বার্কস, হারম্যান গোল্ডস্টাইন এবং জন ভন নিউম্যান-"ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটিং ইন্সট্রুমেন্টের লজিক্যাল ডিজাইনের প্রাথমিক আলোচনা" (1946)-এ ধারণাটি সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করেছিলেন।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
চার্লস ব্যাবেজ: অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের ডিজাইনার (মেকানিক্যাল কম্পিউটার)।
অগাস্টা অ্যাডা: প্রথম প্রোগ্রামার হিসাবে পরিচিত।
টিম বার্নার্স-লি: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর উদ্ভাবক।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৮,৪৯২.
কম্পিউটারের বিকাশের কোন পর্যায়ে প্রথমবার ট্রানজিস্টর প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার বিকাশের দ্বিতীয় প্রজন্মে (Second Generation) প্রথম ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 

• দ্বিতীয় প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটারে বায়ুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
ট্রানজিস্টরে কোনো চলমান অংশ নেই এবং এর কাজ সুইচের মতো।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়, দাম কমে যায়, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণও অনেক কমে যায়।
- এই সময়ে কম্পিউটারের তাপ সমস্যার সমাধান হয়।
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট অংশ এই সময়ে কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারেই প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন ফোরট্রান (FORTRAN), কোবল (COBOL) ইত্যাদির উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৯৩.
কোন হ্যাকাররা পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি ও বেআইনি হ্যাকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে?
  1. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) গ্রে হ্যাট হ্যাকার।

গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা এমন ধরনের হ্যাকার যারা পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি বা বেআইনি হ্যাকিং কার্যক্রম করতে পারে। তারা সাধারণত সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে দুর্বলতা খুঁজে বের করে, কিন্তু তা সব সময় অনুমতি নিয়ে করে না। কখনও তারা নিরাপত্তা পরীক্ষার জন্য আইনি কাজেও নিযুক্ত থাকে, আবার কখনও বেআইনিভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে। অর্থাৎ, তারা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের মতো শুধুই আইনি কাজ করে না এবং ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের মতো সম্পূর্ণ বেআইনি কাজও করে না, বরং উভয় দিকের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে। এজন্য তাদের কর্মকাণ্ড কখনও আইনগত এবং কখনও অনৈতিক- উভয় ধরনের হতে পারে।
 
হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:

১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৮,৪৯৪.
Oracle Corporation is primarily associated with:
  1. Search engines
  2. Social media
  3. Database management and cloud services
  4. E-commerce
ব্যাখ্যা
• ওরাকল কর্পোরেশন (Oracle Corporation):
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- ১৯৭৭ সালে ওরাকল যাত্রা শুরু করে।
- Headquarters: Austin, Texas, United States.
- Founders: Larry Ellison, Bob Miner, Ed Oates.
- কোম্পানিটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সিস্টেম এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার পণ্যে পারদর্শী-বিশেষভাবে নিজস্ব ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্র্যান্ড।
- Oracle Corporation, Database management and cloud services নিয়ে কাজ করে।

কয়েকটি Search engine এর নাম হল:
- google,
- bing,
- yahoo.

কয়েকটি Social media এর নাম হল:
- facebook,
- instagram,
- whatsapp.

কয়েকটি E-commerce এর নাম হল:
- amazon,
- alibaba,
- daraz.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,৪৯৫.
Which of the following is a type of computer virus?
  1. Norton
  2. Avast
  3. Melissa
  4. Avira
ব্যাখ্যা

• Vienna হলো একটি ঐতিহাসিক কম্পিউটার ভাইরাস যা DOS .COM এবং .EXE ফাইলগুলোকে সংক্রমিত করতো। 

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- Melissa (মেলিসা),
- WannaCry, ILOVEYOU, Conficker, 
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৮,৪৯৬.
দেশের প্রথম কম্পিউটার উৎপাদন কারখানা কোথায় স্থাপন করা হয়েছে?
  1. সাভার
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- আমদানি কমিয়ে দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে গাজীপুরের চন্দ্রায় হাইটেক ও মাইক্রোটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পার্কে চালু হয়েছে দেশের প্রথম কম্পিউটার উৎপাদন কারখানা।
- ইতোমধ্যে এই কারখানায় তৈরি ল্যাপটপ মেইড ইন বাংলাদেশ ট্যাগ যুক্ত হয়ে আফ্রিকায় রপ্তানিও শুরু হয়ে গেছে।
- সম্প্রতি ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোতে দেশে তৈরি রোবট ও স্টার্টআপগুলো তাদের উদ্ভাবন প্রদর্শন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৪৯৭.
১৫ সংখ্যার একটি IMEI নম্বরে, TAC-এর পরপর কোন অংশটি থাকে?
  1. লুন চেক ডিজিট
  2. রিপোর্টিং বডি আইডেন্টিফায়ার
  3. সিরিয়াল নাম্বার
  4. নেটওয়ার্ক কোড
ব্যাখ্যা

• ১৫ সংখ্যার একটি IMEI নম্বর মূলত মোবাইল ডিভাইসের অনন্য পরিচয়। এটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত: প্রথম ৮টি সংখ্যা হলো TAC (Type Allocation Code) যা ডিভাইসের মডেল ও ব্র্যান্ড নির্দেশ করে। TAC-এর পরের অংশটি হলো সিরিয়াল নাম্বার, যা প্রতিটি একই মডেলের ডিভাইসকে আলাদা করে। সাধারণভাবে, সিরিয়াল নাম্বার TAC-এর পর অবস্থিত ৬টি সংখ্যা এবং এটি প্রতিটি ইউনিটের জন্য অনন্য। IMEI নম্বরের শেষ সংখ্যা হলো লুন চেক ডিজিট, যা পুরো নম্বরের সঠিকতা যাচাই করে। তাই, TAC-এর পরের অংশ হলো সিরিয়াল নাম্বার।

উত্তর: গ) সিরিয়াল নাম্বার।


• IMEI:
- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের সেটিংস এ অথবা ফোনের ব্যাটারি এর নিচে (কিছু ডিভাইসে) মুদ্রিত থাকে।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের নিরাপত্তা এবং মালিকানার প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮,৪৯৮.
কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. ক) গুগল
  2. খ) ইয়াহু
  3. গ) পিপিলিকা
  4. ঘ) লিংকইন
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখা যোগ করা হয়নি।
৮,৪৯৯.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের কারণ কী?
  1. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
  2. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  3. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  4. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর, চিহ্ন এবং প্রতীক সমর্থন করে। এটি ব্যবহার করলে অ্যাপ্লিকেশনে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি কিংবা যেকোনো ভাষার লেখা ঠিকমতো দেখা যায়। ইউনিকোড ব্যবহার না করলে ভাষাগত অক্ষরগুলোর অবস্থান, চিহ্ন এবং ফন্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা খারাপ করে। তাই মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপাররা ইউনিকোডকে অগ্রাধিকার দেন, যাতে টেক্সট সব প্ল্যাটফর্মে এবং ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৫০০.
ENIAC কম্পিউটারটির উদ্ভাবক ছিলেন -
  1. Larry Page and Sergey Brin
  2. Steve Jobs and Steve Wozniak
  3. John Mauchly and J. Presper Eckert
  4. Bill Gates and Paul Allen
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি (John Mauchly) এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট (J. Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।