বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৮৪ / ১৩১ · ৮,৩০১৮,৪০০ / ১৩,০৮৮

৮,৩০১.
হেডফোন ও মনিটর যথাক্রমে-
  1. ইনপুট ডিভাইস, আউটপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস, ইনপুট ডিভাইস
  3. দুইটিই ইনপুট ডিভাইস
  4. দুইটিই আউটপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোকে পেরিফেরাল ডিভাইস বলা হয়।
- এই ডিভাইসগুলো কম্পিউটারের বাইরের অংশে থাকে এবং ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়।যেমন-

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইসসমূহ:
- কী-বোর্ড, মাউস, ট্র্যাকবল, জয়স্টিক, টাচস্ক্রিন, বারকোড রিডার, পয়েন্ট-অফ-সেল (POS), ওএমআর, ওসিআর, স্ক্যানার, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, গ্রাফিক্স প্যাড, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- যে ডিভাইসগুলো কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকৃত ডেটা বা ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে প্রদর্শন করে, সেগুলো আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইসসমূহ:
- মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইমেজ সেটার, ফিল্ম রেকর্ডার, হেডফোন ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- যে ডিভাইসগুলো একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজেই ব্যবহৃত হয়, সেগুলো ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসসমূহ:
- হার্ডডিস্ক, সিডি/ডিভিডি, টাচস্ক্রিন, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩০২.
পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম কোন প্রতিষ্ঠান ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যাবহার শুরু করেন?
  1. ক) NOKIA
  2. খ) MOTOROLA
  3. গ) NTT DoCoMo
  4. ঘ) Radiolinja
ব্যাখ্যা
২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রতিষ্ঠান প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করেন। 

- তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো, সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশন।
বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. ডেটা রূপান্তরের কাজে Packet Switching ও Circuit Switching উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়।
২. উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর। ব্যান্ডউইডথ ২ mbps এর অধিক।
৩. চ্যানেল একসেস TD-SCDMA, TD-CDMA পদ্ধতির।
৪. ব্যাপক আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৫. ভিডিও কলের ব্যবহার শুরু।
৬. নেটওয়ার্কে GPRS ও EDGE পদ্ধতির ব্যবহার।
৭. মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্যবহার।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,৩০৩.
H.323 প্রোটোকল সাধারণত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েব ব্রাউজিং
  2. ফাইল শেয়ারিং
  3. ভিডিও কনফারেন্সিং
  4. ডেটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা
- H.323 Protocol সাধারণত VolP-তে ব্যবহৃত হয়।
- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- VoIP হলো একটি প্রটোকল।
- এটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভয়েস সংকেত ডিজিটাল ডেটাতে রূপান্তরিত হয়ে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।
- VoIP-কে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,৩০৪.
কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি কোনটি?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Cache
  4. Register
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি ROM.

ROM:
- ROM-এর পূর্ণরূপ: Read Only Memory.
- কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি (Permanent Memory বা Non-Volatile Memory) বলতে এমন মেমোরি বোঝায় যেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেলেও ডেটা হারিয়ে যায় না।
- এর সবচেয়ে সাধারণ ও মৌলিক উদাহরণ হলো ROM.
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
 
উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica.

৮,৩০৫.
কোনটি ফায়ারওয়ালের কার্যক্রমের অংশ নয়?
  1. নেটওয়ার্ক ক্যাবল ফিক্স করা
  2. ইনকামিং ও আউটগোয়িং পর্যবেক্ষণ করা
  3. ম্যালওয়্যার ব্লক করা
  4. ট্রাফিক ফিল্টার করা
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল মূলত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেস বন্ধ করতে এবং নিরাপদ ট্রাফিক নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ইনকামিং ও আউটগোয়িং ডেটা পর্যবেক্ষণ করে, ট্রাফিক ফিল্টার করে এবং কখনও কখনও ম্যালওয়্যার শনাক্ত ও ব্লক করতে সক্ষম। তবে ফায়ারওয়ালের কাজের মধ্যে নেটওয়ার্ক ক্যাবল ফিক্স করা অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি হাড়-নির্মাণ বা ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত একটি কাজ। ফায়ারওয়াল সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা বজায় রাখে, কিন্তু তার মূল দায়িত্ব ফিজিক্যাল সংযোগ ঠিক করা নয়।
- সুতরাং, ফায়ারওয়ালের কার্যক্রমের অংশ নয় ক্যাবল নেটওয়ার্ক ক্যাবল ফিক্স করা।

 
 • ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩০৬.
ই-মেইলে ব্যবহৃত ‘cc’ এর অর্থ—
  1. Custom Copy
  2. Carbon Copy
  3. Casual Contact
  4. Common Code
ব্যাখ্যা

◉ ই-মেইলে ব্যবহৃত 'cc' ফিল্ডের পূর্ণরূপ হলো Carbon Copy (কার্বন কপি)। এটি একটি ঐতিহাসিক টার্ম যা ট্র্যাডিশনাল অফিস যোগাযোগ থেকে এসেছে, যেখানে কার্বন পেপার ব্যবহার করে একই চিঠির একাধিক কপি তৈরি করা হতো।

E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩০৭.
ইউটিউব কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. মেটা
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা

• ইউটিউব বর্তমানে গুগল (Google)-এর মালিকানাধীন।

• ইউটিউবের পরিচয়:
- ইউটিউব একটি জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।
- ব্যবহারকারীরা ভিডিও আপলোড, দেখা, শেয়ার ও মন্তব্য করতে পারে।

• প্রতিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠাতা:
- ইউটিউব প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: চ্যাড হার্লি, স্টিভ চেন ও জাওয়েদ করিম।

• মালিকানা:
- গুগল ইউটিউবকে অধিগ্রহণ করে ২০০৬ সালে।
- অধিগ্রহণের পর ইউটিউব গুগলের একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

• সেবার ধরন ও আয়ের উৎস:
- ইউটিউব ফ্রি ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা প্রদান করে।
- প্রধান আয়ের উৎস হলো বিজ্ঞাপন।

• কনটেন্ট ও ব্যবহার:
- শিক্ষামূলক, বিনোদনমূলক, সংবাদ, সংগীত ও লাইভ স্ট্রিমিং কনটেন্ট পাওয়া যায়।
- শিক্ষা, বিনোদন ও তথ্য আদান-প্রদানে বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।

• বৈশিষ্ট্য:
- চ্যানেল তৈরি, সাবস্ক্রিপশন, লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার সুবিধা।
- লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধা রয়েছে।

উৎস:
১) Encyclopaedia Britannica — YouTube [Link].
২) Official YouTube (About).
৩) Google Press Release (YouTube acquisition) [Link].

৮,৩০৮.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়‍্যার কোনটি?
  1. Microsoft Defender
  2. Maya
  3. Adobe Photoshop
  4. Ms Excel
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়‍্যার হচ্ছে Maya।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- Vizard,
- VRToolkit,
- 3d Studio Max,
- Maya ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Microsoft Defende অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
- Adobe Photoshop হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রোগ্রামের নাম।
- Ms Excel হচ্ছে Application Software.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩০৯.
DSL এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Data Subscriber Line
  2. Digital Service Link
  3. Digital Signal Line
  4. Digital Subscriber Line
ব্যাখ্যা
• DSL এর পূর্ণরূপ হলো Digital Subscriber Line. এটি একটি প্রযুক্তি যা ফোন লাইনের মাধ্যমে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। সাধারণ ফোন লাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটা ট্রান্সমিশন সম্ভব করে তোলে, ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। DSL এর মাধ্যমে ফোন লাইন ব্যাবহার করে ভয়েস এবং ডেটা একসাথে ট্রান্সফার করা যায়, ফলে ফোন কল এবং ইন্টারনেট একসাথে ব্যবহার করা সম্ভব হয়। এটি অনেক ক্ষেত্রে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি তুলনামূলকভাবে সহজ ও সস্তা হওয়ার কারণে বাড়ি ও অফিসে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাই DSL হলো Digital Subscriber Line.

• ওয়াইম্যাক্স (WIMAX) এবং DSL:
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX) প্রযুক্তি হলো বর্তমান সময়ের সর্বাধুনিক উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রটোকল সার্ভিস, যা তারবিহীন ব্যবস্থায় ১০ থেকে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে।
- ওয়াইম্যাক্স এর পূর্ণ অর্থ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি প্রচলিত DSL (Digital Subscriber Line) প্রযুক্তি এবং তারযুক্ত ইন্টারনেটের পরিবর্তে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে।
- উঁচু-নিচু-পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropoliton Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮,৩১০.
শিল্পকারখানায় রোবট ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি
  2. শ্রমিক সংখ্যা বৃদ্ধি
  3. কাগজের ব্যবহার বৃদ্ধি
  4. ম্যানুয়াল কাজ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• শিল্পকারখানায় রোবট ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি করা।

• রোবট:
- রোবট হলো একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যা প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করে।
- মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, কষ্টসাধ্য ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজে রোবট ব্যবহার করা হয়।
 
• শিল্পকারখানায় রোবটের ব্যবহার:
- উৎপাদন প্রক্রিয়ায় দ্রুত ও নির্ভুলভাবে কাজ সম্পাদনের জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।
- ভারী বস্তু স্থানান্তর, ওয়েল্ডিং, প্যাকেজিং, সংযোজন ও মান যাচাইয়ের কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- দীর্ঘ সময় একই ধরনের কাজ ক্লান্তি ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারে।
- ফলে উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
 
• চিকিৎসাক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার:
- জটিল অস্ত্রোপচার ও সার্জারিতে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- রোগ নির্ণয়, পুনর্বাসন ও চিকিৎসা সহায়তায় রোবটের ব্যবহার বাড়ছে।
 
• সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার:
- বিস্ফোরক দ্রব্য শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- যুদ্ধক্ষেত্র ও সীমান্ত এলাকায় নজরদারিতে রোবট ব্যবহৃত হয়।
 
• মহাকাশ গবেষণায় রোবটের ব্যবহার:
- গ্রহ অনুসন্ধান, মহাকাশযান পরিচালনা ও গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হয়।
- মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে রোবট গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
 
• শিক্ষা ও বিনোদনে রোবটের ব্যবহার:
- ব্যবহারিক শিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- চলচ্চিত্র ও বিনোদন শিল্পে বিশেষ দৃশ্য নির্মাণে রোবট ব্যবহার করা হয়।
 
• গৃহস্থালি ও উদ্ধার কাজে রোবটের ব্যবহার:
- ঘর পরিষ্কার, নজরদারি ও স্বয়ংক্রিয় গৃহস্থালি কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প ও দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
 
• রোবট ব্যবহারের সামগ্রিক গুরুত্ব:
- কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি পায়।
- সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
- মানুষের জীবনঝুঁকি কমে।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৮,৩১১.
ডেটাবেজে এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে গঠিত হয় -
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) টেবিল
  3. গ) ডাটা
  4. ঘ) কী
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজে এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল গঠিত হয়। 

টেবিল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে গঠিত।
- সাধারণত টেবিলের একটি নির্দিষ্ট নাম থাকে।

ফিল্ড: 
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি। 
- কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় এক একটি ফিল্ড। 
- ফিল্ড হচ্ছে ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট। 
- যেমন: নাম হলো টেক্সট ফিল্ড, বেতন হলো সংখ্যা ফিল্ড ইত্যাদি। 

রেকর্ড: 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত এক একটি রেকর্ড।

ডাটা: 
- ডাটা শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datumn এর বহুবচন।
- Datumn শব্দটির অর্থ হল তথ্যের উপাদান।
- প্রাথমিকভাবে সংগৃহীত অগোছালো তথ্যকে ডাটা বলা হয়। 
- যেমন-কোন একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নাম, পদবি, মুলবেতন ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ডাটা। 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশল মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৩১২.
একটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে, ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য কোন ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. Client
  2. Server
  3. Router
  4. Switch
ব্যাখ্যা

• একটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য প্রধানত সার্ভার (Server) ব্যবহার করা হয়। সার্ভার হলো একটি শক্তিশালী কম্পিউটার বা ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটার বা ক্লায়েন্টদের জন্য ডেটা, ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যান্য সেবা সরবরাহ করে। ক্লায়েন্টরা সরাসরি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে না, তারা শুধু সার্ভারের কাছে অনুরোধ পাঠায় এবং সার্ভার থেকে তথ্য গ্রহণ করে। রাউটার এবং সুইচ মূলত নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য পরিবহন ও সংযোগের কাজ করে, কিন্তু ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য নয়। তাই, ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য সার্ভারই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যবহৃত ডিভাইস।

উত্তর: খ) Server.

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৩১৩.
WAN গঠনের জন্য সাধারণত কী ব্যবহৃত হয়?
  1. টেলিফোন লাইন ও স্যাটেলাইট
  2. Bluetooth
  3. শুধুমাত্র অপটিক্যাল ফাইবার
  4. শুধুমাত্র কপার ক্যাবল
ব্যাখ্যা
WAN গঠনের জন্য সাধারণত টেলিফোন লাইন ও স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
১। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
২। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৩। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
উদাহরণ:
ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩১৪.
আইবিএম - ৪৩৩১ সিস্টেম (মেইনফ্রেম কম্পিউটার) কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

আইবিএম ৪৩৩১ (IBM-4331) কম্পিউটারটি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। ১৯৭৯ সালে আইবিএম প্রথম কম্পিউটারটি জন সম্মুখে উপস্থাপন করে।

- আইবিএম ৪৩৩১ সিস্টেম (মেইনফ্রেম কমপিউটার) - ১৯৮৬ সালে বুয়েটের কম্পিউটার সেন্টার তৃতীয় প্রজন্মের এই কম্পিউটারটি সংগ্রহ করে।
- বিভিন্ন সময়ে এটিতে নানা সংযোজন বিয়োজন ঘটে। এই সিস্টেমের অপারেটিং সিস্টেম ছিল VM/CMS ।
- এই সিস্টেমে একসংগে প্রায় শতাধিক ব্যাক্তির কাজ করার সুযোগ ছিল তবে এর সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩০টি টারমিনাল লাগানো হয়েছিল অর্থাৎ ৩২ জন ব্যবহারকারী এক সঙ্গে এই কম্পিউটারে কাজ করার সুযোগ পেত। 

তথ্যসূত্র: আইবিএম ওয়েবসাইট ও জাতীয় বিজ্ঞান যাদুঘরের ওয়েবসাইট।

৮,৩১৫.
নিচের কোনটি ই-কমার্সের সাইট নয়?
  1. www.ekhanei.com
  2. www.ebay.com
  3. www.olx.com
  4. www.google.com
ব্যাখ্যা
www.ekhanei.com, www.ebay.com, www.olx.com তিনটিই ই - কমার্স সাইট। 
www.google.com এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন।
৮,৩১৬.
নিচের কোনটিকে সার্বজনীন কোড বলা হয়?
  1. ক) ASCII
  2. খ) Unicode
  3. গ) BCD
  4. ঘ) EBCDIC
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড (Unicode):
- Unicode এর পূর্ণনাম হলো Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়। 

• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Code Decimal।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। 
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়। 

• ইবিসিডিক কোড (EBCDIC Code):
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩১৭.
Which key uniquely identifies each record in a database table?
  1. Foreign Key
  2. Composite Key
  3. Primary Key
  4. Attribute
ব্যাখ্যা

• Primary Key এমন একটি Key field যা একটি Table-এর প্রতিটি Record-কে অনন্যভাবে (uniquely) শনাক্ত করে।

• ডাটাবেজে Key (কী):
- সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট Field-এর ভিত্তিতে Table-এর Record শনাক্ত, অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
- এই ধরনের Field-কে Key field বলা হয়।
- Database-এ সাধারণত তিন ধরনের Key ব্যবহৃত হয়: Primary Key, Composite Primary Key, Foreign Key।

• Primary Key:
- যে Field একটি Table-এর প্রতিটি Record-কে অনন্যভাবে শনাক্ত করে তাকে Primary Key বলা হয়।
- Primary Key field-এর প্রতিটি Data অবশ্যই ভিন্ন (unique) হতে হবে।
- একটি Table-এ সাধারণত একটি Primary Key থাকে।
- উদাহরণ: কোনো শ্রেণির শিক্ষার্থীদের Roll Number।
- কারণ প্রতিটি শিক্ষার্থীর Roll Number আলাদা, তাই এটি Primary Key হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- Primary Key ব্যবহার করে একাধিক Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে Relational Database তৈরি করা যায়।

• Composite Primary Key:
- যখন একটি Table-এ কোনো একটি Field দিয়ে Record uniquely শনাক্ত করা সম্ভব হয় না, তখন একাধিক Field একত্রে Primary Key হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের Key-কে Composite Primary Key বলা হয়।
- উদাহরণ: Student Name ও Father Name একত্রে ব্যবহার করে কোনো Record uniquely শনাক্ত করা।

• Foreign Key:
- যখন একটি Table-এর Primary Key অন্য একটি Table-এ ব্যবহার করা হয়, তখন সেটিকে Foreign Key বলা হয়।
- Foreign Key-এর মাধ্যমে দুই বা ততোধিক Table-এর মধ্যে Relationship তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- Foreign Key → অন্য Table-এর Primary Key যা দুই Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- Composite Key → একাধিক Field একত্রে ব্যবহৃত Primary Key।
- Attribute → Entity-এর বৈশিষ্ট্য বা Field, যেমন Name, Address, Age।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩১৮.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং- এর প্রোভাইডার নয়?
  1. Amazon Web Services
  2. Microsoft Azure
  3. iWork Numbers
  4. Google Cloud Platform
ব্যাখ্যা
• iWork Numbers ক্লাউড কম্পিউটিং- এর প্রোভাইডার নয়।
- iWork Numbers হচ্ছে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS),
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)।

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পাবলিক ক্লাউড,
২. প্রাইভেট ক্লাউড,
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

• কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP),
- IBM Cloud,
- Oracle Cloud, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,৩১৯.
তিন স্তরবিশিষ্ট তারের ক্যাবল কোনটি?
  1. কো-এক্সিয়েল ক্যাবল
  2. ফাইবার অপটিক ক্যাবল
  3. টুইস্ট্যাড পেয়ার ক্যাবল
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কো-এক্সিয়েল ক্যাবল (Coaxial Cable):
- সাধারণত ডিশ টিভি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং কমার্শিয়াল ভিডিও কম্পোজিটে ব্যবহৃত হওয়া মূলত তিন স্তর বিশিষ্ট তামা বা কপার নির্মিত ক্যাবলকে কো-এক্সিয়েল ক্যাবল বলা হয়।
- কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের ডেটা সিগন্যালকে EMI থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয় মেটালিক শিল্ড।
• কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের বিভিন্ন অংশের নাম-
১. কন্ডাক্টর: কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের কেন্দ্রস্থ কপার ওয়্যারের কন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে ডেটা প্রবাহিত হয়।
২. প্লাস্টিক ফোমের ইনসুলেশন: কপার ওয়্যার যাতে বেঁকে বা কুঁচকে না যায় সেজন্য প্লাস্টিক ফোমের ইনসুলেশন ব্যবহৃত হয়।
৩. কপার শিল্ড বা মেস: জালির মত ওভেন বা জড়ানো এ অংশটি কপার ওয়্যারকে বাইরের তাপ, চাপ ও EMI থেকে রক্ষা করে যাতে নির্বিঘ্নে ডেটা চলাচল করতে পারে।

- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়। প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপটিক ক্যাবল হচ্ছে ড্রাই-ইলেকট্রিক অন্তরক পদার্থ দিয়ে তৈরি এক ধরনের আঁশ যা আলো নিবন্ধীকরণ ও পরিবহনে সক্ষম।
- এই ধরনের ক্যাবলের মধ্যে দিয়ে ডাটা আদান-প্রদান করা হয় আলোর গতিতে এবং আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩২০.
ডেস্কটপ এক ধরনের ___।
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার: 
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ ক্ষুদ্র। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে কম্পিউটার গঠিত হয় তাকে মাইক্রোকম্পিউটার বলে। 
- মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে PC বলা হয়। 
- মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন রকমের মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন -
১. পামটপ কম্পিউটার
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার 
৩. নোটবুক কম্পিউটার
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার
- Tablet PC, Phablet, Smartphone ইত্যাদি ও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত। 
-  ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে। 
- অতিমাত্রায় তাপমাত্রা ওঠানামা করলে মাইক্রোকম্পিউটারের কিছু সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। তাই কম্পিউটার সূর্যালোক, উত্তপ্ত বা খুব বেশি ঠান্ডা স্থানে রাখা বিপদজনক। 
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম টেম্পারেচার ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট, এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩২১.
কে NAND গেইটে পাঠালে আউটপুট কোনটি আসবে
  1. ক) A + B
  2. খ) AB
  3. গ)
  4. ঘ)
৮,৩২২.
LinkedIn কে কোন প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করে?
  1. Dropbox
  2. Facebook
  3. Tencent
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা
২০১৬ সালে মাইক্রোসফট প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সাইট লিংকড-ইনকে কিনে নেয়।
৮,৩২৩.
মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটি একাধিক ব্যবহারকারীকে সাপোর্ট করে না
  2. এটি একসাথে শুধুমাত্র একটি টাস্ক পরিচালনা করতে পারে
  3. এটি একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালাতে পারে
  4. এটি শুধুমাত্র মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা

মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এমন একটি সিস্টেম যা একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম বা টাস্ক পরিচালনা করতে পারে। এটি CPU টাইম শেয়ারিং এবং মেমরি ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে একাধিক প্রক্রিয়া (Process) সমান্তরালভাবে চালানোর সুযোগ দেয়।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করার পাশাপাশি মিউজিক প্লেয়ার চালানো এবং ফাইল ডাউনলোড করা।

• মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprogramming or Multitasking): 
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
- ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং-এর পর আরেকটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কম গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ যখন ডেটা আদান-প্রদানে ব্যস্ত থাকে তখন অপেক্ষাকৃত উচ্চতর গতিসম্পন্ন সিপিইউ অলস হয়ে বসে থাকে।
- কিন্তু মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে র‍্যাম (RAM)-এ একাধিক প্রোগ্রাম সঞ্চিত থাকে।
- সিপিইউ যখন কোনো একটা প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে তখন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ একই প্রোগ্রাম বা অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের ইনপুট নেওয়া কিংবা আউটপুট দেওয়ার কাজে হাত দেয়।
- আর এই সময়ে সিপিইউ অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের প্রসেসিং শুরু করে। সুতরাং সিপিইউ এমনকি ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ব্যবস্থাও কখনও অলস অবস্থায় থাকে না।
- মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়, যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদি।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)

৮,৩২৪.
In computers, what is the smallest and basic unit of information storage?
  1. ক) Bit
  2. খ) Byte
  3. গ) Newton
  4. ঘ) Mega Byte
ব্যাখ্যা
The smallest unit of data in a computer is called Bit (Binary Digit). A bit has a single binary value, either 0 or 1. In most computer systems, there are eight bits in a byte. The value of a bit is usually stored as either above or below a designated level of electrical charge in a single capacitor within a memory device.
Source: Google Book
৮,৩২৫.
কোন পদ্ধতিতে ডেটা ব্লক আকারে স্থানান্তরিত হয়?
  1. ক) ব্রডব্যান্ড
  2. খ) ভয়েসব্যান্ড
  3. গ) সিনক্রোনাস
  4. ঘ) এসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা
সিনক্রোনাস:
- যে ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে ডেটার ক্যারেক্টার সমূহকে ব্লক (যাকে প্যাকেট ও বলা হয়) আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে প্রথমে ডেটাকে কোন প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করে নেয়া হয়।
- এ সিস্টেমে ব্লক বাই ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সমিট করা হয়। 
- প্রতিটি ব্লকের মাঝের বিরতি সমান হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে দক্ষতা বেশি। 
- এখানে তুলনামূলক সময় কম লাগে।
- এ ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে Start ও Stop বিটের প্রয়োজন হয় না। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৮,৩২৬.
নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
  1. ক) laaS
  2. খ) PaaS
  3. গ) QaaS
  4. ঘ) SaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।
২. Platform-as-a -Service (PaaS): এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।
৩. Software-as-a Service (SaaS): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৩২৭.
ইন-স্টোর টাচলেস পেমেন্টের জন্য গুগল পে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Bluetooth
  2. SMS
  3. QR code
  4. NFC
ব্যাখ্যা

• ইন-স্টোর টাচলেস পেমেন্টের জন্য গুগল পে NFC (Near Field Communication) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর স্মার্টফোন বা ওয়াচ এবং পয়েন্ট-অফ-সেল টার্মিনাল একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকলেই ডেটা বিনিময় করা সম্ভব হয়। অর্থাৎ, ব্যবহারকারী তার ডিভাইসটি টার্মিনালের কাছে রাখলেই পেমেন্ট সম্পন্ন হয়, কোনো কার্ড বা নগদ স্পর্শ করার প্রয়োজন হয় না। NFC খুব ছোট দূরত্বে (সাধারণত ৪–১০ সেন্টিমিটার) কার্যকর হয়, তাই এটি নিরাপদ এবং দ্রুত। QR কোড বা ব্লুটুথের পরিবর্তে NFC-এর ব্যবহার পেমেন্ট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছন্দ ও তাত্ক্ষণিক করে তোলে, যা আধুনিক টাচলেস লেনদেনে গুগল পের জনপ্রিয়তা নিশ্চিত করেছে।

- উত্তর: ঘ) NFC.

• বাংলাদেশে গুগল পে:
- বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে 'গুগল পে' সেবা চালু হয়েছে ২৪ জুন, ২০২৫।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর (জানুয়ারি, ২০২৬) এ সেবার উদ্বোধন করেন।
- গুগল, মাস্টারকার্ড ও ভিসার সহযোগিতায় সিটি ব্যাংক পিএলসি এই ডিজিটাল লেনদেন সেবা চালু করেছে।
- গুগল পে-এর এ সুবিধা আপাতত কেবল সিটি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও ভবিষ্যতে অন্যান্য ব্যাংকও এই সেবায় যুক্ত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। (তথ্য: জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম হল ব্যাকরাব।

উৎস:
-  গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮,৩২৮.
নিচের কোনটির ওপর হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে?
  1. ট্র্যাকের সংখ্যা
  2. ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা
  3. ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে হয়।
- এজন্য আইডিই (IDE-Integrated Device Electronics) ইন্টারফেস এবং প্রয়োজনে দ্রুত গতির স্কাজি (SCSI-Small Computer System Interface) ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে মোট ব্যবহৃত ডিস্কের সংখ্যার ওপর।
- ডিস্কের সংখ্যা যত বেশি হবে, ডেটাও তত বেশি সংরক্ষণ করা যাবে।
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
১. ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা,
২. ট্র্যাকের সংখ্যা,
৩. ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা ও
৪. প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা।

- ডিস্কের ধারণক্ষমতা = পৃষ্ঠের সংখ্যা × ট্র্যাকের সংখ্যা × প্রতি ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা × প্রতি সেক্টরে ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ণয় করা হয় মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট ইত্যাদি এককে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার সংখ্যা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩২৯.
প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন কে?
  1. রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
  2. টিম বার্নাস লি
  3. গুগলিয়েলমো মার্কনী
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
ব্যাখ্যা
- বিশ শতকের ষাট-সত্তর দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেটের আবিষ্কার করা হয়।
-  বলা হয় তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার সমূহের মধ্যে আন্ত:সংযোগ বিকিশিত হতে থাকে। আর বিকাশের ফলে ইন্টারনেট তৈরি হয়।
- ১৯৭১ সালে আরপানেটে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন।
- রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন।  

তথ্যসূত্র : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী।
৮,৩৩০.
SSL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Secure System Layer
  2. Secure Sockets Layer
  3. Standard Sockets Layer
  4. Standard Secure Layer
ব্যাখ্যা
• SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।  

উৎস: Kaspersky website. 
৮,৩৩১.
এমএস ওয়ার্ডে আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য কোন শর্টকাট কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + K
  2. Ctrl + O
  3. Ctrl + N
  4. Ctrl + S
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৮,৩৩২.
এ্যাসেম্বলি ভাষার অপর নাম কী??
  1. মেশিন ভাষা
  2. উচ্চস্তরের ভাষা
  3. কোডেড ভাষা
  4. সাংকেতিক ভাষা
ব্যাখ্যা
এ্যাসেম্বলি ভাষার অপর নাম সাংকেতিক ভাষা।

• কম্পিউটারে যে সব ভাষা ব্যবহার হয় তা তিন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন-
(ক) যান্ত্রিক ভাষা (Machine Language),
(খ) এ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language),
(গ) উচ্চস্তরের ভাষা (High Level Language).

• এ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language):
- এ্যাসেম্বলি ভাষাকে সাংকেতিক (Symbolic) ভাষাও বলা হয়।
- এর প্রচলন শুরু হয় 1950 সাল থেকে।
- যান্ত্রিক ভাষায় প্রোগ্রাম তৈরী, কঠিন কাজকে সহজ করে তোলা, সময়ের অপচয় দূর করা, প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন ও পরিবর্তনের কাজ সহজতর করে গতিশীল করার জন্যই এ্যাসেম্বলি ভাষার উন্নয়ন করা হয়েছে।
- অনুবাদের কাজটি করে এ্যাসেম্বলার (Assembler) নামক একটি সফটওয়্যার।
- এ্যাসেম্বলারের কাজ হচ্ছে এ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত নির্দেশকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করা এবং কার্যকর করা।

• এ্যাসেম্বলি ভাষার সুবিধা :
(১) যান্ত্রিক ভাষার চেয়ে এই ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা সহজ।
(২) এই ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করতে কম সময় লাগে।
(৩) সহজে ভুল সনাক্ত করা এবং সংশোধন ও পরিবর্তন করা যায়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৩৩.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Resource scalability
  2. Manual installation
  3. On-demand
  4. Pay as you go
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

⇒ ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

⇒ ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য: On-demand, Resource scalability, Pay as you go.

অন্যদিকে,
- Manual installation ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৩৩৪.
USSD এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Unstructured Supplementary Service Data
  2. খ) Universal Subscriber Service Database
  3. গ) Unified System for Service Delivery
  4. ঘ) User-Specific Service Description
ব্যাখ্যা
USSD
- USSD এর পূর্ণরূপ Unstructured Supplementary Service Data.
- USSD হচ্ছে এক ধরনের GSM প্রোটোকল, যার মাধ্যমে টেক্সট মেসেজ পাঠানো যায়।
- এটি Wireless Application Protocol (WAP) ব্রাউজিং, মোবাইল মানি সার্ভিস, প্রিপেইড কলব্যাক সার্ভিস, মেন্যু বেজড তথ্য সার্ভিস এবং লোকেশন বেজড কনটেন্ট সার্ভিস প্রভৃতি সেবা প্রদান করে।
৮,৩৩৫.
Denial of Service কী?
  1. এক ধরনের ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার।
  2. দুই কম্পিউটারের মাঝে নতুন নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করা।
  3. বৈধ ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেসে বাধা প্রদান করা।
  4. ই-মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে নকল ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা
• DoS (Denial of Service):
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
• Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।
- ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

• Phishing:
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার।
- এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
৮,৩৩৬.
iBAS++ কোন ধরনের সিস্টেম?
  1. পরিবহন ব্যবস্থাপনা সিস্টেম
  2. মেট্রো পরিচালনা সিস্টেম
  3. আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম
  4. স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• iBAS++ বাংলাদেশে Integrated Budget and Accounting System এর সংক্ষিপ্ত রূপ। iBAS++ একটি আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম যা বাংলাদেশে সরকারি বাজেট প্রণয়ন, ব্যয় অনুমোদন এবং হিসাবরক্ষণ কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়কৃত করে। এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থা তাদের আর্থিক লেনদেন অনলাইনে রেকর্ড করতে পারে, যা স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং সময়োপযোগী হিসাবরক্ষণ নিশ্চিত করে। iBAS++ সরকারের আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে, বাজেটের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমায় এবং সরকারি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে কার্যকর করে। এছাড়া, কর্মচারীদের বেতন, পেনশন ও জিপিএফসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রক্রিয়া এই সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। সুতরাং, iBAS++ বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন।

- উত্তর: গ) আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম। 

• iBAS++:
- iBAS++ হলো সরকারের একটি সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
- এটি বাজেট তৈরি, অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন—সবকিছু এক জায়গায় পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- সরকারি অফিসগুলোর খরচ, বরাদ্দ ও হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে রেকর্ড হয়।
- সিস্টেমটি বাস্তব সময়েই (real-time) আর্থিক তথ্য দেখায়, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, জিপিএফসহ নানা আর্থিক কার্যক্রমও iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- চেক বা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট ছাড়ানোর সুবিধা রয়েছে।
- বরাদ্দ অনুযায়ী খরচ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এতে বাজেট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের আর্থিক রিপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা যায়।
- এটি সরকারের আর্থিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, দ্রুত এবং কাগজবিহীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সামগ্রিকভাবে, iBAS++ পুরো সরকারি অর্থব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করে তুলেছে।

সূত্র: iBAS++ [link]

৮,৩৩৭.
যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন করে, তবে সেটিকে বলা হয়:
  1. ১ জি‌ফ্লপস
  2. ১ টেরাফ্লপস
  3. ১ মেগাফ্লপস
  4. ১ পেটাফ্লপস
ব্যাখ্যা

• যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন করতে পারে, তবে সেটিকে ১ জি‌ফ্লপস (GFLOPS) বলা হয়। “ফ্লপস” মানে Floating Point Operations Per Second, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো দশমিক ভিত্তিক গণনা করা হচ্ছে। এখানে “জি” মানে Giga, যা ১ বিলিয়নের সমান। তাই ১ জি‌ফ্লপস মানে প্রতি সেকেন্ডে ১,০০০,০০,০০০০ (১০) ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন। তুলনামূলকভাবে, মেগাফ্লপস (MFLOPS) প্রতি সেকেন্ডে ১ মিলিয়ন অপারেশন নির্দেশ করে, টেরাফ্লপস (TFLOPS) ট্রিলিয়ন অপারেশন, আর পেটাফ্লপস (PFLOPS) কোয়াড্রিলিয়ন অপারেশন নির্দেশ করে। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো ক) ১ জি‌ফ্লপস।
 
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৮,৩৩৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের মাধ্যমে শিক্ষা পদ্ধতি?
  1. ক) CAD
  2. খ) ICAL
  3. গ) MCAD
  4. ঘ) CAL
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের সহায়তায় ( Computer Assisted Learning-CAL) হচ্ছে মূলত অফ-লাইন ও অনলাইন উভয়ভাবে  ব্যবহারযোগ্য এক বিশেষ প্রকৃতির কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা করা স্বয়ংক্রিয় ও স্বয়ংসম্পূর্ণ  শিখন সামগ্রী হিসেবে কাজ করে।
- CAL এর মাধ্যমে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন এবং শ্রেণি কার্যক্রমে তা ব্যবহারের উপর বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষানীতিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। 
- CAL এর ক্ষেত্রে সিমুলেশন গুরুতবপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- CAL সুনির্দিষ্ট শ্রেণি ও বিষয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকে।
- CAL ভিত্তিক শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সাথে মিথস্ক্রিয়া খুব ভালো হয়।

সূত্র: স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৩৯.
Microsoft Edge একটি
  1. ক) সার্চ ইঞ্জিন
  2. খ) ওয়েব ব্রাউজার
  3. গ) গেমিং কনসোল
  4. ঘ) ভারচুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফটের তৈরিকৃত Microsoft Edge একটি ক্রস প্ল্যাটফর্ম ওয়েব ব্রাউজার যেটি ২০১৫ সালে উইন্ডোজ 10 ও এক্সবক্স ওয়ানে সংযোজিত হয়।
Source: Microsoft Edge
৮,৩৪০.
এনক্রিপশন কী?
  1. ডেটাকে কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া
  2. সফটওয়্যার আপডেট করার পদ্ধতি
  3. ডেটা ফাইলের আকার ছোট করার একটি পদ্ধতি
  4. ডেটা ফাইল শেয়ার করার নিয়ম
ব্যাখ্যা

এনক্রিপশন হচ্ছে ডেটাকে কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।

• এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে।
- কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে।
- প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে।
- এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৩৪১.
ASCII-7 কোডে কতটি অদ্বিতীয় চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ক) ৩২
  2. খ) ৬৪
  3. গ) ১২৮
  4. ঘ) ২৫৬
ব্যাখ্যা
ASCII-7 কোডে 27 বা 128 টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- ASCII শব্দটির পূর্ণ রূপ হচ্ছে American Standard Code for Information Interchange.
- ASCII-7 এর বাম দিকের ৩ বিটকে জোন  এবং ডান দিকের ৪ বিটকে সংখ্যা সূচক বিট হিসেবে ধরা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৮,৩৪২.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার
  3. IC এর ব্যবহার
  4. উচ্চতর ভাষার ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন। 

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো- 
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার। 

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ব্যবহার শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৪৩.
কোনটি প্যাকেজ প্রোগ্রামের উদাহরণ? 
  1. উৎপন্ন দ্রব্যের অনুসূচীর প্রোগ্রাম
  2. তথ্যসহ পরীক্ষার ফলাফল তৈরির প্রোগ্রাম
  3. ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
  4. রেলওয়ে বা বিমানের আসন সংরক্ষণের প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন কাজ যেমন- চিঠিপত্র টাইপ করা, বিল তৈরি করা, একাউন্টিং-এর হিসেব রাখা, গ্রাফিক্স ডিজাইন করা, অডিও-ভিডিও শোনা ইত্যাদি কাজের জন্য আলাদা আলাদা সফটওয়্যার আছে, যার সবগুলোই অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার দুই ভাগে বিভক্ত। 
যথা- 
১। ইউজার বা ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রাম এবং 
২। প্যাকেজ প্রোগ্রাম। 
- কম্পউটার দিয়ে যে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব। 
- কম্পিউটার ব্যবহারকারী তার চাহিদা অনুযায়ী যে কোনো জতিল সমস্যা সমাধানের জন্য নিজের মতো করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম  রচনা করতে পারেন। 
যেমন- তথ্যসহ পরীক্ষার ফলাফল তৈরির প্রোগ্রাম, রেলওয়ে বা বিমানের আসন সংরক্ষণের প্রোগ্রাম, উৎপন্ন দ্রব্যের অনুসূচীর প্রোগ্রাম ইত্যাদি ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রামের উদাহরণ। 

প্যাকেজ প্রোগ্রাম: 
- বাবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বেশ কিছু প্রোগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। 
- এ ধরনের প্রোগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়, এসব প্রোগ্রামকে প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে। 
যেমন- 
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার
২। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার, 
৩। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার, 
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, 
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া, প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, 
৬।ইউটিলিটিস সফটওয়্যার এবং 
৭। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩৪৪.
কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডের আরেকটি সাধারণ নাম কী?
  1. RAM
  2. Hard Drive
  3. CPU
  4. Motherboard
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডকে সাধারণত মাদারবোর্ড (Motherboard) বলা হয়। এটি হলো পুরো কম্পিউটারের মূল কাঠামো যেখানে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যেমন প্রসেসর (CPU), র‌্যাম (RAM), স্টোরেজ ডিভাইস এবং অন্যান্য এক্সপ্যানশন কার্ড সংযুক্ত থাকে। মাদারবোর্ড সমস্ত উপাদানকে একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সার্কিট এবং কনেক্টরের মাধ্যমে শক্তি সরবরাহ এবং ডেটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। কম্পিউটারের কার্যকারিতা মাদারবোর্ডের ধরন ও মানের ওপর নির্ভর করে। তাই মাদারবোর্ডকে কম্পিউটারের ‘হৃৎপিণ্ড’ বা কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড বলা হয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) Motherboard.

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৪৫.
বৃহৎ ও অতি বৃহৎ মানের আইসির ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার হতে বৃহৎ ও অতি বৃহৎ মানের আইসির ব্যবহার শুরু হয়।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে তুলে ধরা হল:
১। ১৯৭১ এ টেড হফ মাইক্রোপ্রসেসরের উদ্ভাবন করেন।
২। তথ্য প্রযুক্তির সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন।
৩। মাইক্রোপ্রসেসরে সম্পূর্ণ একটি সি.পি.ইউ একটি চিপে আটকানো হয়।
৪। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে এ্যাপল কম্পিউটার এবং ১৯৮৩ তে এ্যাপল ম্যাকিনটোশ বাজারে আসে।
৫। ১৯৮১ তে আইবিএম পিসির আর্বিভাব হয়।
৬। সফটওয়্যারের অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন হয়।
৭। বিষ্ময়কর আবিস্কার ইন্টারনেটের সংযোজন শুরু হয়।
৮। কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয় এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর দাম সাধারণের হাতের নাগালে চলে আসে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৮,৩৪৬.
নিচের কোনটিকে সহায়ক মেমরি বলা হয়?
  1. ক) রম
  2. খ) র‌্যাম
  3. গ) ম্যাগনেটিক টেপ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
এ ধরনের মেমরিকে নন-ভোলাটাইল মেমরিও (Non-Volatile Memory) বলা হয়। 
এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
এতে বিপুল পরিমাণ তথ্য বা প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করা যায়।
বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য বা প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমরির উদাহরণ। 


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম
৮,৩৪৭.
NOT গেটের ইনপুট সাধারণত কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) অনির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা
নট গেইট (NOT Gate)
এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়। এ গেইটে ইনপুট সত্য হলে আউটপুট মিথ্যা, আর যদি ইনপুট মিথ্যা হয় তাহলে আউটপুট সত্য হয়।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৮,৩৪৮.
ব্যবহারকারী অপারেটিং সিস্টেমকে কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়ার জন্য যে ইন্টারফেস ব্যবহার করে তাকে কী বলা হয়?
  1. Scheduler
  2. API
  3. Shell
  4. Kernel
ব্যাখ্যা

Shell হলো এমন একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারী শেল-এর মাধ্যমে কমান্ড বা নির্দেশনা দেয়, এবং শেল সেই নির্দেশনা কোর (Kernel)-এ পাঠায়। শেল হতে পারে CLI (Command Line Interface) যেমন Bash, বা GUI (Graphical User Interface) যেমন Windows Explorer.

​অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​Scheduler: CPU-তে কোন প্রসেস কখন চলবে তা নির্ধারণ করে। এটি ব্যবহারকারী ইন্টারফেস নয়।
API: সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম, ব্যবহারকারী-টু-OS যোগাযোগ নয়।
Kernel: এটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে, কিন্তু ব্যবহারকারীরা সরাসরি এর সাথে যোগাযোগ করতে পারে না।

​উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৮,৩৪৯.
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের ভিত্তি কী?
  1. System Knowledge
  2. Programming
  3. Artificial Intelligence
  4. VVLS
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation): 
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মে কম্পিউটার বিবেচনা করা হয়।
- মূলত পঞ্চম প্রজন্ম বলতে প্রকৃত অর্থে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই বোঝায়। এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় কথা বলা ও মানুষের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতাও থাকবে। অর্থাৎ এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্ম VLSI প্রযুক্তিকে অতিক্রম করে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) প্রযুক্তিতে অবস্থান করবে।

- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বহু মাইক্রোপ্রসেসর বিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ ও পরিচালনা।
৪. প্রোগ্রামসামগ্রীর ব্যাপক উন্নতি।
৫. তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৫০.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ সরকারের প্রবর্তিত ই-কৃষি সেবা?
  1. কৃষকের জানালা
  2. কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
  3. কৃষি বাতায়ন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ই-কৃষি সেবা:
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রবর্তিত ই-কৃষি সেবাসমূহ:
- কৃষকের জানালা,
- কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা,
- কৃষি বাতায়ন ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
৮,৩৫১.
আরপানেট টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু করে কত সাল থেকে?
  1. ক) ১৯৬৯ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট সম্প্রসারণের প্রক্রিয়াকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত পরীক্ষামূলক পর্যায় এ সময়ে নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ হয় ধীর গতিতে এবং এ পর্যায়ের শেষে ২০টি দেশে সংযুক্ত কম্পিউটারের সংখ্যা ছিল প্রায় দুইশত। সম্প্রসারণের দ্বিতীয় পর্যায় হলো আশির দশক। আরপানেট টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু করে‌ ১৯৮৩ সালে। ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেট এর প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়। অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়। ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে কম্পিউটার বা মোবাইল এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,৩৫২.
নিচের কোন বুলিয়ান উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. A + 0 = A
  2. A + 1 = 1
  3. A + A = A
  4. A . 1 = 0
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৫৩.
নিচের কোনটি একটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. Digital Camera
  2. Light Pen
  3. Keyboard
  4. Speaker
ব্যাখ্যা
♦ ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Light pen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• Speaker একটি আউটপুট ডিভাইস।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৫৪.
কোন ধরনের সাইবার অপরাধে ক্ষতির উদ্দেশ্যে ডেটা এনক্রিপ্ট করা হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়?
  1. স্প্যামিং
  2. ডেটা ব্রিচ
  3. র‍্যানসমওয়্যার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার, এটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]
৮,৩৫৫.
CISC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Computer Instruction Set Computer
  2. Computer Integrated Sequential Compiler
  3. Complex Instruction Set Computer
  4. Complex Integrated Sequential Compiler
ব্যাখ্যা
• CISC:
- CISC এর পূর্ণরূপ হলো Complex Instruction Set Computer.
- CISC এবং RISC হলো CPU ডিজাইনের দুটি রূপ।
- একটি CISC হলো একটি কম্পিউটার আর্কিটেকচার যেখানে একক নির্দেশাবলী বিভিন্ন নিম্ন-স্তরের ক্রিয়াকলাপ সম্পাদন করতে পারে বা একক নির্দেশের মধ্যে বহু-পদক্ষেপ অপারেশন বা ঠিকানা মোড করতে সক্ষম।
- এটি তাদের RISC মাইক্রোপ্রসেসরের তুলনায় কম নির্দেশাবলী সহ আরও জটিল কাজ সম্পাদন করতে দেয়।
- CISC মাইক্রোপ্রসেসর বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রামিং এর জন্য এই প্রসেসর বেশি উপযোগী তবে উচ্চতর ভাষার জন্য RISC প্রসেসর বেশি উপযোগী।
- Intel Pentium, AMD K6 এই প্রসেসরের উদাহরণ।

উৎস:
1. sciencedirect [Link]
2 Brirannica [Link]
৮,৩৫৬.
এভিরা এক ধরনের -
  1. ক) ভাইরাস সফটওয়্যার
  2. খ) এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  3. গ) অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) এপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
- আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে।

কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
১। এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
২। এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৩। অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৪। নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার; ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, HSC প্রোগ্রাম
৮,৩৫৭.
ওয়ার্ম (Worm) কী ধরনের আচরণ বা বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে?
  1. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়
  2. হার্ডওয়্যার ড্রাইভার বদলায়
  3. ব্যবহারকারীকে ফাঁদে ফেলে তথ্য নেয়
  4. ফাইল সংযুক্ত হয়ে ছড়ায়
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ম (Worm) হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা প্রধানত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়। এটি কোনো ফাইল বা ব্যবহারকারীর সক্রিয়তা ছাড়াই নিজে থেকেই সংক্রমণ ঘটাতে পারে। ওয়ার্ম সাধারণত কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে নিজেকে অনেকে কম্পিউটারে অনুলিপি করে ছড়ায় এবং প্রায়ই সিস্টেমের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এটি ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি বা হার্ডওয়্যার ড্রাইভার পরিবর্তন করার চেষ্টায় থাকে না। অন্য ম্যালওয়্যার যেমন ভাইরাস বা ট্রোজান কিছু ক্ষেত্রে ফাইলের সঙ্গে যুক্ত হয় বা ব্যবহারকারীকে ফাঁদে ফেলে তথ্য চুরি করে, কিন্তু ওয়ার্ম নিজেই সক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ছড়িয়ে পড়ে। তাই ওয়ার্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় সংক্রমণ।

- সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়। 

- ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।

বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
- ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
- ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
- স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
- অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৮,৩৫৮.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Adobe Reader
  2. Trend Micro
  3. Sophos
  4. Avira
ব্যাখ্যা
⚪Adobe Reader একটি পিডিএফ (PDF) ফাইল দেখার সফটওয়্যার, এটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়।

অন্যদিকে, Trend Micro, Sophos, এবং Avira সবই অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

⚪ এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

⚪ উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

⚪ কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

⚪ উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৮,৩৫৯.
কম্পিউটারে বুদ্ধির প্রচলন করতে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়?
  1. ক) আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
  2. খ) আর্টিফিসিয়াল ইনস্ট্রাকশন
  3. গ) ন্যাচারাল ইন্টিলিজেন্স
  4. ঘ) ন্যাচারাল ইনস্ট্রাকশন
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
৮,৩৬০.
কোনটির ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) ক্যাশ মেমোরি
  4. ঘ) ভার্চুয়াল মেমোরি
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টর, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামুলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)

৮,৩৬১.
IEEE 802.15.4 কোন নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড?
  1. ক) ব্লুটুথ
  2. খ) ওয়াইফাই
  3. গ) ওয়াইম্যাক্স
  4. ঘ) জিগবি
ব্যাখ্যা
জিগবি (Zigbee)
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE 802.15.4 ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।

- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
- জিগবি নামটি মৌচাকে মৌমাছি ফিরে যাওয়ার পরে মধু মৌমাছির waggle নাচকে বোঝায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,৩৬২.
SSL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Secure Storage Layer
  2. খ) System Sockets Layer
  3. গ) Secure System Layer
  4. ঘ) Secure Sockets Layer
ব্যাখ্যা
• SSL:
- SSL (Secure Sockets Layer) হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল যা ওয়েব ক্লায়েন্ট এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে সংযোগ সুরক্ষিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের মধ্যে সার্ভার এবং ক্লায়েন্টের এনক্রিপ্ট করা লিঙ্ক স্থাপন করে।
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের পরিচয় প্রমাণ করে। 

উৎস: Kaspersky website.
৮,৩৬৩.
বায়োইনফরমেটিক্স-এর কোন ব্যবহারটি সঠিক?
  1. ফোন তৈরির প্রক্রিয়া
  2. DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ
  3. গেম ডিজাইন
  4. মহাকাশ গবেষণা
ব্যাখ্যা
DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ বায়োইনফরমেটিক্স এর একটি ব্যবহার।
 
• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স-এর ব্যবহার:
- DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ,
- প্রোটিন গঠন ও কার্যাবলি বিশ্লেষণ,
- নতুন ওষুধ উদ্ভাবন,
- জিনোম প্রজেক্টে গবেষণা,
- রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা,
- প্রাণী ও উদ্ভিদের উন্নত প্রজাতি তৈরিতে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,৩৬৪.
HTTP 500 কি ধরনের সতর্কবার্তা?
  1. ক) সার্ভার প্রসেসিং
  2. খ) অভ্যন্তরীণ সার্ভার ত্রুটি
  3. গ) পেইজ পাওয়া যাচ্ছে না
  4. ঘ) সার্ভার ওকে
ব্যাখ্যা

100 Continue
101 Switching Protocols
102 Processing
200 OK
201 Created
202 Accepted
203 Non-authoritative Information
204 No Content
300 Multiple Choices
301 Moved Permanently
302 Found
303 See Other
304 Not Modified
305 Use Proxy
307 Temporary Redirect
308 Permanent Redirect
400 Bad Request
401 Unauthorized
402 Payment Required
403 Forbidden
404 Not Found
405 Method Not Allowed
406 Not Acceptable
407 Proxy Authentication Required
408 Request Timeout
409 Conflict
410 Gone
411 Length Required
412 Precondition Failed
413 Payload Too Large
414 Request-URI Too Long
415 Unsupported Media Type
416 Requested Range Not Satisfiable
417 Expectation Failed
418 I'm a teapot
421 Misdirected Request
422 Unprocessable Entity
423 Locked
500 Internal Server Error
501 Not Implemented
502 Bad Gateway
503 Service Unavailable
504 Gateway Timeout
505 HTTP Version Not Supported
506 Variant Also Negotiates
507 Insufficient Storage
508 Loop Detected
510 Not Extended
511 Network Authentication Required
599 Network Connect Timeout Error

৮,৩৬৫.
নিম্নলিখিত কোন টপোলজি হায়ারার্কিকাল কাঠামো অনুসরণ করে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা

◉ Tree Topology (ট্রি নেটওয়ার্ক) হলো হায়ারার্কিকাল টপোলজি, যেখানে নেটওয়ার্কটি বিভিন্ন স্তরে (Layers) বিভক্ত থাকে। এতে মূল (Root) নোড থাকে, যা অন্যান্য সাব-নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি সাধারণত বড় কর্পোরেট নেটওয়ার্ক ও ডাটা সংযোগে ব্যবহৃত হয়।

ট্রি টপোলজি: 
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) মেশ নেটওয়ার্ক (Mesh Topology) – এটি বহু-সংযোগযুক্ত (Many-to-Many) টপোলজি, যেখানে প্রতিটি ডিভাইস একাধিক ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে।
গ) বাস নেটওয়ার্ক (Bus Topology) – এটি একটি প্রধান কেবল (Backbone) দ্বারা সমস্ত ডিভাইস সংযুক্ত করে, যা হায়ারার্কিকাল নয়।
ঘ) রিং নেটওয়ার্ক (Ring Topology) – এতে প্রত্যেকটি ডিভাইস একটি নির্দিষ্ট রিং বা বৃত্তাকার সংযোগে যুক্ত থাকে এবং ডেটা এক দিক থেকে অন্য দিকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৩৬৬.
সমস্যা সমাধানের জন্য বিশেষ অনুক্রমে সাজানো কম্পিউটার নির্দেশকে বলা হয়-
  1. ক) প্রক্রিয়াকরণ
  2. খ) প্রোগ্রাম
  3. গ) নিয়ন্ত্রণ
  4. ঘ) স্মৃতি
ব্যাখ্যা
- কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ বা কোড লেখা হয়।
এরূপ সারিবদ্ধ সুশৃঙ্খল একগুচ্ছ নির্দেশমালার সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম হলো ধারাবাহিকভাবে সাজানো কতকগুলো নির্দেশের সমষ্টি যা কম্পিউটারের কাজে সহায়তা করে। আর ভাষা হচ্ছে সেইসব নির্দেশাবলী লেখার সংকেত বা কোড।
- অর্থাৎ প্রোগ্রামিং ভাষা হচ্ছে সেই কোড যা দ্বারা কম্পিউটারের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা যায়।

সূত্র:- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৬৭.
ISDN এর কোন চ্যানেল ভয়েস ও ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. B-চ্যানেল
  2. H-চ্যানেল
  3. C-চ্যানেল
  4. A-চ্যানেল
ব্যাখ্যা
• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

- ISDN এর B-চ্যানেল ভয়েস ও ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। D-চ্যানেলগুলি সিগন্যালিং এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য (ডেটার জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ব্রিটাবিকা, CISCO ওয়েবসাইট।
৮,৩৬৮.
ব্যান্ডউইথকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইডথ:

- ব্যান্ডউইথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।

- প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলে।
- ন্যারো ব্যান্ড ( Narrow Band), ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)।
- ন্যারো ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে। ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।
- ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের ডাটা গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয় । তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রড ব্যান্ড: ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৬৯.
'11001 - 1110' বাইনারি বিয়োগফলের ডেসিমেল মান কত?
  1. ক) 1011
  2. খ) 111
  3. গ) 11
  4. ঘ) 1101
ব্যাখ্যা
• বাইনারি বিয়োগফল: 11001 - 1110 = 1011

• 1011 এর ডেসিমেল মান = 11
৮,৩৭০.
নিচের কোনটি CAPTCHA এর ব্যবহার নয়?
  1. ফর্ম সাবমিশন নিরাপদ করা
  2. অনলাইন ভোট ও জরিপ
  3. ফাইল জিপ করা
  4. DDoS আক্রমণ প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

ফাইল জিপ করা CAPTCHA এর ব্যবহার নয়।

CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ হলো Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart
- CAPTCHA হলো ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ।
- CAPTCHA ব্যবহারকারীদের এমন কাজ উপস্থাপন করে যা মানুষের পক্ষে সমাধান করা তুলনামূলকভাবে সহজ, কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটগুলির জন্য কঠিন।
- এই কাজগুলির মধ্যে থাকে বিকৃত পাঠ্য সনাক্ত করা, নির্দিষ্ট চিত্র নির্বাচন, ধাঁধা সমাধান বা সাধারণ গণিত সমস্যার সমাধান।
- CAPTCHA চ্যালেঞ্জ সফলভাবে সম্পন্ন করলে ব্যবহারকারী প্রমাণ করে যে তারা মানুষ এবং স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা নিশ্চিত করা।
- CAPTCHA প্রযুক্তি দৃষ্টি শনাক্তকরণ (visual recognition) নামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখার উন্নয়নকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং সফটওয়্যার, রিমোট সেন্সিং এবং রোবোটিক্সে।

CAPTCHA ব্যবহারের সাধারণ ক্ষেত্রে:
- ব্যবহারকারী নিবন্ধন এবং লগইন (User Registration and Login),
- ফর্ম জমা (Form Submissions),
- DDoS আক্রমণ প্রতিরোধ (Preventing DDoS Attacks),
- অনলাইন ভোট ও জরিপ (Online Polls and Surveys),
- ওয়েব স্ক্র্যাপিং প্রতিরোধ (Web Scraping Prevention)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮,৩৭১.
একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেয়ার সুবিধা হলো ----
  1. ক) অর্থ সাশ্রয়
  2. খ) সময় সাশ্রয়
  3. গ) স্থানের সাশ্রয়
  4. ঘ) উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
একটি প্রতিষ্ঠানে সকল ডিভাইস সবাই সবসময় ব্যবহার করে না। ভাগাভাগি করে ব্যবহার করলে অর্থ,সময় এবং স্থানের সাশ্রয় হয়।
৮,৩৭২.
নিচের কোন সাইটটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রসিদ্ধ?
  1. ক) zoom
  2. খ) ebay
  3. গ) odesk
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় কেনাবেচার সাইট: alibaba.com, ebay.com, daraz.com, pickaboo.com bikroy.com, ekhanei.com, amazon.com, olx.com ইত্যাদি।
৮,৩৭৩.
CAD সফটওয়্যারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. AutoCAD
  2. FreeCAD
  3. OpenSCAD
  4. CloseCAD
ব্যাখ্যা
• CAD:
- CAD এর পূর্ণরূপ  হচ্ছে Computer Aided Design.
- CAD বলতে কম্পিউটারের সাহায্যে বিভিন্ন দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক ডিজাইন তৈরি করা বা বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারকে বোঝায়।
- একজন স্থপতি রেখা বা লাইনের সাহায্যে যন্ত্রপাতি বা প্রয়োজনীয় উপকরণের সাহায্যে বিভিন্ন নক্সার কাজ করতে পারেন ক্যাড এর সাহায্যে। 
- CAD সাধারণত ব্যবহৃত হয় আর্কিটেকচার, আর্টস বা বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্টস এর ক্ষেত্রে। 
- AutoCAD, CorelCAD, IronCAD, OpenSCAD, FreeCAD ইত্যাদি CAD সফটওয়্যারের উদাহরণ। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,৩৭৪.
Firewall কী protection দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়? 
  1. Fire attacks
  2. Unauthorized access
  3. Virus attacks
  4. Data-driven attacks 
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gatekeeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করে একইসাথে অবৈধ ব্যক্তির প্রবেশ রোধ করা যায় এবং ডেটা বা অন্যান্য সিস্টেমের সিকিউরিটি নিশ্চিত করা যায়।
- ফায়ারওয়াল অথোরাইজ অ্যাক্সেসকে যাচাইয়ের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করার অনুমোদন দেয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৭৫.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষা মূলত ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়?
  1. Java
  2. JavaScript 
  3. C
  4. Python
ব্যাখ্যা

• ওয়েব ডেভেলপমেন্টে মূলত ক্লায়েন্ট-সাইড প্রোগ্রামিংয়ের জন্য JavaScript ব্যবহার করা হয়। ক্লায়েন্ট-সাইড মানে হলো ব্রাউজারের মধ্যে সরাসরি কোড চালানো হয়, যা ওয়েবপেজের ইন্টারেকটিভ ফাংশনালিটি তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ, বোতামে ক্লিক করলে কিছু পরিবর্তন ঘটানো, ফর্ম ভ্যালিডেশন, এনিমেশন, বা ডায়নামিক কন্টেন্ট দেখানো- এসকল কাজ JavaScript দিয়ে করা হয়। অন্যদিকে Java, C, এবং Python সাধারণত সার্ভার-সাইড বা সাধারণ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়। JavaScript-এর জনপ্রিয়তা তার সহজতা, ব্রাউজার কম্প্যাটিবিলিটি, এবং বিভিন্ন লাইব্রেরি ও ফ্রেমওয়ার্ক (যেমন React, Angular, Vue) সমর্থনের কারণে অনেক বেশি। তাই ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য সঠিক উত্তর হলো JavaScript.

- সঠিক উত্তর: খ) JavaScript.
 
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা:
- ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলতে বোঝায় সেই প্রক্রিয়াকে যেখানে ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে সরাসরি কোড চলে।  
- এটি সাধারণত ওয়েব পেজের ইন্টারঅ্যাকশন, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং ডাইনামিক কনটেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- ক্লায়েন্ট-সাইডে কোড রান করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা ভাষা JavaScript।  
- Java, C বা Python সাধারণত সার্ভার-সাইড, অ্যাপ্লিকেশন বা ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- ব্রাউজার সরাসরি Java বা C কোড রান করতে পারে না।  

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৮,৩৭৬.
কম্পিউটারে কোনটি নেই?
  1. ক) স্মৃতি
  2. খ) বুদ্ধি বিবেচনা
  3. গ) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা
  4. ঘ) দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার শব্দের অর্থ গণনা বা হিসাবকারী।
• এটি শুধু হিসাবকারী যন্ত্রই নয় মৌলিক অর্থে কম্পিউটার এমন একটি যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াকরণ করে মানুষের জন্য বিশ্লেষণ ও উপস্থাপণ করে।
•  কম্পিউটার ভুল শনাক্ত করতে পারে কিন্তু নিজে নিজে ভুল সংশোধন করতে পারে না।
- কারণ কম্পিউটারের বুদ্ধি বিবেচনা নাই।
এছাড়াও
- বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটার শিক্ষার সূত্রপাত ঘটে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৩৭৭.
সিপিইউ (CPU)-এর কার্যক্ষমতা বা গতি পরিমাপের একক কোনটি?
  1. Gigahertz
  2. Gigabytes
  3. Kilobyte
  4. Watt
ব্যাখ্যা

সিপিইউ এর গতি সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়।
- এটি নির্দেশ করে যে সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতবার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
- এক গিগাহার্টজ মানে হচ্ছে এক বিলিয়ন সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে।
- সিপিইউ-এর গতি যত বেশি হয়, এটি তত দ্রুত কমান্ড সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। এটি কম্পিউটারের কর্মক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

অন্যদিকে,
- Gigabytes মেমোরি বা স্টোরেজ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়,
- কিলোবাইট হলো ডেটা স্টোরেজের একটি একক (1 KB = 1024 বাইট),
- ওয়াট (W) হল শক্তি বা পাওয়ার পরিমাপের একক।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৭৮.
কোনটি ই-মেইল পরিষেবা নয়?
  1. ক) Bing
  2. খ) Outlook
  3. গ) Pegasus
  4. ঘ) Yahoo
ব্যাখ্যা
ই-মেইল
- ইলেকট্রনিক উপায়ে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডিজিটাল মেসেজ বা বার্তা আদান-প্রদান করাকে ই-মেইল বলা হয়। 
- দুটি ধরনের ইমেল পরিষেবা রয়েছে: ইমেইল ক্লায়েন্ট এবং ওয়েবমেইল।
- ইমেইল ক্লায়েন্ট হলো ডেস্কটপের জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন এবং এটি একক বা একাধিক ইমেইল ঠিকানা কনফিগার করে।
- ওয়েবমেইল হলো ইমেইল অ্যাক্সেস করার জন্য একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন।
- এটি ব্রাউজারগুলির মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যেতে পারে। 
- বাজারে বেশ কয়েকটি ইমেইল পরিষেবা প্রদানকারী রয়েছে।
বিনামূল্যে ইমেইল ক্লায়েন্টগুলির মধ্যে রয়েছে -
- Gmail
- Yahoo Mail
- Mozilla Thunderbird
- eM Client
- Claws Mail
- Foxmail
- Opera M2 Mail Client
- Pegasus Mail
- Incredi Mail
- Mulberry
- Dream Mail
- Sylpheed
কিনে ব্যবহার করতে হয় -
- Outlook
- Zimbra
- Inky
- Postbox

অন্যদিকে -
- Bing একটি ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন। এটি মাইক্রোসফট দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক তথ্যপ্রযুক্তি বই (ভোকেশনাল)।
৮,৩৭৯.
নিচের কোনটি হার্ডডিস্ক ও মাদারবোর্ডের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত ইন্টারফেস?
  1. ক) IDE - Integrated Device Electronics
  2. খ) SCSI - Small Computer System Interface
  3. গ) SATA - Serial Advanced Technology Attachment
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য ইন্টারফেস ব্যবহার করতে হয়।
বিভিন্ন ইন্টারফেসের উদাহরণ হলো-
IDE - Integrated Device Electronics,
SCSI - Small Computer System Interface,
SATA - Serial Advanced Technology Attachment,
SAS - Serial Attached SCSI ইত্যাদি।
৮,৩৮০.
"X97M" হলো একটি-
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস
  3. এমবেডেড সিস্টেম
  4. কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
• কয়েকটি উওল্লেখযোগ্য কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
৮,৩৮১.
নিচের কোনটি সাইবারস্টকিং (Cyberstalking)-এর অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হয়? 
  1. ব্লগে গঠনমূলক মন্তব্য করা
  2. বন্ধুর প্রোফাইল ভিজিট করা
  3. সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে লাইক দেওয়া
  4. অনবরত হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো
ব্যাখ্যা

• • সাইবারস্টকিং হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত হয়রানি বা ভীতি প্রদর্শন করা। এটি মূলত কাউকে বারবার হুমকিমূলক বার্তা পাঠিয়ে তার মানসিক প্রশান্তি ও অনলাইন নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার একটি ডিজিটাল অপরাধ।
- সঠিক উত্তর: ঘ) অনবরত হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো।

 • সাইবার ক্রাইম: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks, প্রভৃতি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৩৮২.
ইমেজকে ট্রান্সলেট করতে OCR কোন কোড ব্যবহার করে?
  1. বিসিডি কোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বাইনারি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৮,৩৮৩.
কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং করা হয় কী পরিমাপের জন্য?
  1. সিস্টেমের দাম
  2. সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance)
  3. শুধু বিদ্যুৎ শক্তি খরচের পরিমাণ
  4. স্টোরেজের ধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং মূলত সিস্টেমের কর্মক্ষমতা (Performance) পরিমাপের জন্য করা হয়। বেঞ্চমার্ক হল একটি মানক পরীক্ষা বা সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের প্রসেসর, মেমরি, গ্রাফিক্স, স্টোরেজ এবং অন্যান্য উপাদানের কার্যকারিতা যাচাই করে। এটি ব্যবহারকারীদের এবং নির্মাতাদের সিস্টেমের তুলনামূলক দক্ষতা বোঝার সুযোগ দেয়। বেঞ্চমার্কিংয়ের মাধ্যমে বোঝা যায়, একটি কম্পিউটার নির্দিষ্ট কাজ কত দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে এবং বিভিন্ন সিস্টেমের মধ্যে পার্থক্য শনাক্ত করা যায়। তাই বেঞ্চমার্কিং সরাসরি দাম, বিদ্যুৎ শক্তি খরচ বা স্টোরেজ ক্ষমতা নয়, বরং কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance)।

• কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা:
- কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বলতে বোঝায়, কম্পিউটার কত দ্রুত কাজ করতে পারে। এটিকে বিভিন্নভাবে পরিমাপ করা যায়, যেমন প্রসেসিং স্পিড, মেমোরি স্পিড, হার্ডডিস্কের গতি ইত্যাদি।

• Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।
- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।

• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম: 
- Cinebench, 
- Geekbench, 
- 3DMark, 
- PassMark.

তথ্যসূত্র: 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৮,৩৮৪.
কম্পিউটারে সিস্টেম বাসের প্রধান কাজ কী?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা 
  3. সফটওয়্যার কার্যকর করা এবং নিয়ন্ত্রণ করা
  4. প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে সিস্টেম বাস মূলত একটি যোগাযোগের পথ, যা CPU, মেমরি এবং বিভিন্ন I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা, ঠিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ সংকেত স্থানান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি হার্ডওয়্যারের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়কে সহজ ও দ্রুত করে। সিস্টেম বাসের মাধ্যমে CPU মেমরিতে থাকা ডেটা পড়তে বা লিখতে পারে, এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি ডেটা স্থানান্তরের গতি ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায়, কিন্তু ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ, সফটওয়্যার কার্যকর করা বা প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করা সরাসরি সিস্টেম বাসের কাজ নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো (খ) CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা।

• সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সকল বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট–আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান–প্রদান করে, তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাস বলা হয়।

• ব্যবহারিক দিক থেকে সিস্টেম বাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—
- ডেটা বাস (Data Bus),
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সহায়ক বাস হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে এক্সপ্যানশন বাস বলা হয়।
- এক্সপ্যানশন বাস কম্পিউটারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এক্সপ্যানশন ডিভাইস সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
 
• এক্সপ্যানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus),
- ইআইএসএ বাস (EISA Bus),
- ইউএসবি (USB),
- ফায়ারওয়ার বাস (FireWire Bus),
- এজিপি বাস (AGP Bus),
- লোকাল বাস (Local Bus):

• লোকাল বাস সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা—
i. ভেসা বাস (VESA Bus),
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৮৫.
কোন লজিক গেটকে "ইনক্লুসিভ ডিসজংশন" (Inclusive Disjunction) বলা হয়?
  1. NAND
  2. XOR
  3. AND
  4. OR
ব্যাখ্যা

• ইনক্লুসিভ ডিসজংশন (Inclusive Disjunction) বা OR গেট হলো একটি মৌলিক লজিক গেট যা দুটি বা তার বেশি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটির মান ১ হলে আউটপুট ১ দেয়। অন্যভাবে বলতে গেলে, ইনপুটগুলির মধ্যে এক বা একাধিক “সত্য” হলে আউটপুট সত্য হয়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি ইনপুট A এবং B আছে। যদি A=0 এবং B=0 হয়, আউটপুট হবে 0। কিন্তু যদি A=1 এবং B=0 অথবা A=0 এবং B=1 অথবা A=1 এবং B=1 হয়, আউটপুট সব ক্ষেত্রেই 1 হবে। এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, এটি XOR-এর মতো নয় যেটি কেবল একটিমাত্র ইনপুট সত্য হলে ১ দেয়, তাই ইনক্লুসিভ ডিসজংশন OR গেটকে বোঝায়।

সঠিক উত্তর: ঘ) OR.

লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,৩৮৬.
নিম্নলিখিত কোন উপায়ে সাধারণত র‍্যানসমওয়্যার ছড়ায়?
  1. এনক্রিপ্টেড ভিপিএন সংযোগ
  2. ক্ষতিকর সংযুক্তিসহ ফিশিং ই-মেইল
  3. নিরাপদ ক্লাউড স্টোরেজ
  4. অফিসিয়াল সফটওয়্যার আপডেট
ব্যাখ্যা

• সাধারণত র‍্যানসমওয়্যার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর সংযুক্তিসহ ফিশিং ই-মেইলের (খ) মাধ্যমে ছড়ায়। এই ধরনের ই-মেইলে প্রায়শই কোনো আকর্ষণীয় বা জরুরি বার্তা থাকে, যেমন ব্যাংক সম্পর্কিত নোটিশ বা বিল পেমেন্টের তথ্য। ব্যবহারকারী যদি ই-মেইলের সংযুক্তি খোলে বা লিঙ্কে ক্লিক করে, তখন র‍্যানসমওয়্যার তার কম্পিউটারে ইনস্টল হয়ে ফাইল এনক্রিপ্ট করতে শুরু করে। অন্যদিকে, এনক্রিপ্টেড ভিপিএন সংযোগ বা নিরাপদ ক্লাউড স্টোরেজ সাধারণত র‍্যানসমওয়্যারের জন্য সরাসরি ঝুঁকি সৃষ্টি করে না, আর অফিসিয়াল সফটওয়্যার আপডেট নিরাপত্তা বাড়ায়। তাই সচেতন ব্যবহার এবং সন্দেহজনক ই-মেইল এড়ানো র‍্যানসমওয়্যার থেকে রক্ষা পাওয়ার মূল উপায়।

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software. 
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে- 
- অ্যাডওয়্যার (Adware), 
- স্পাইওয়্যার (Spyware), 
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), 
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার: 
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware. 
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৮,৩৮৭.
কম্পিউটার নিচের কোন ভাষাটি ব্যবহার করে?
  1. ক) প্রসেসিং
  2. খ) বাইনারি
  3. গ) প্রতিনিধিত্বমূলক
  4. ঘ) কিলোবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে বাইনারি (০ এবং ১) ভাষাটি ব্যবহার করা হয়।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় ০ এবং ১ দুইটি সংখ্যা। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 2 । 
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩) অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
৮,৩৮৮.
কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে?
  1. AaaS
  2. PaaS
  3. CaaS
  4. MaaS
ব্যাখ্যা
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
⇒ Infrastructure-as-a Service (IaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2)।

⇒ Platform-as-a-Service (PaaS):
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে।

⇒ Software-as-a-Service (SaaS):
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৩৮৯.
নিম্নের কোনটি হার্ডওয়ার নয়? 
  1. সিপিইউ
  2. মনিটর
  3. মাউস
  4. পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৯০.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি 4G standard প্রস্তুতকরণে সম্পৃক্ত?
  1. ক) ETSI
  2. খ) 3GPP
  3. গ) ISO
  4. ঘ) ITU
ব্যাখ্যা
• 4G standard প্রস্তুতকরণে সম্পৃক্ত ITU.
- ITU এর পূর্ণরূপ International Telecommunication Union।
- ITU বিভিন্ন মোবাইল ফোন প্রজন্ম 4G/5G Standard কে ডিফাইন করে থাকে।
- 4জি হল ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ। 

উৎস: ITU ওয়েবসাইট।
৮,৩৯১.
M2M communication in IoT refers to—
  1. Man-to-Man communication
  2. Machine-to-Machine communication
  3. Mobile-to-Mobile communication
  4. Memory-to-Memory communication
ব্যাখ্যা

• M2M Communication:
- M2M (Machine-to-Machine) communication হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একাধিক মেশিন বা ডিভাইস মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়াই একে অপরের সাথে তথ্য আদান–প্রদান করে।
- এটি IoT (Internet of Things) প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

• IoT (Internet of Things):

- IoT (Internet of Things) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বস্তু—যেমন যন্ত্র, সেন্সর ও ডিভাইস—ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান–প্রদান করে। এই ব্যবস্থাকেই ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) বলা হয়।
 
• দৈনন্দিন জীবনে IoT-এর উপস্থিতি:

- আমাদের চারপাশে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি—যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, রিমোট কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেকট্রিক লক ইত্যাদি—স্বয়ংক্রিয়ভাবে (Automatic) পরিচালনার জন্য কম্পিউটার সিস্টেম ও ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- ঘরের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, যেমন—টিভি, ফ্রিজ, লাইট ইত্যাদি ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
 
• IoT-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি:

- IoT-এর মূল ভিত্তি হলো IP (Internet Protocol) এবং TCP (Transmission Control Protocol)।
- ডিভাইসগুলো তারযুক্ত ও তারবিহীন নেটওয়ার্ক, যেমন—Ethernet, Wi-Fi, Bluetooth, 5G, LTE, RFID, NFC ইত্যাদি ব্যবহার করে যোগাযোগ করে।
- সাধারণত IoT ডিভাইসগুলো Gateway বা Edge Device–এর সাথে যুক্ত থাকে এবং সেখান থেকে ডেটা Cloud–এ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়।
 
• ভৌত ও ডিজিটাল জগতের সংযোগ:

- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে ভৌত জগত (ডিভাইস বা বস্তু) এবং ডিজিটাল জগত একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়।
 
• IoT ডিভাইসের ধরন:

১. Digital-first devices:

- শুরু থেকেই ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি যুক্ত থাকে।
- উদাহরণ: স্মার্টফোন, মিডিয়া প্লেয়ার, মোবাইল পেমেন্ট টার্মিনাল, কৃষি যন্ত্র, জেট ইঞ্জিন।
- এ ধরনের ডিভাইস সাধারণত M2M (Machine-to-Machine) communication ব্যবহার করে।

২. Physical-first devices:

- প্রথমে ভৌতভাবে তৈরি করা হয়, পরে সেন্সর বা মাইক্রোচিপ যুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: গাড়ি, হাসপাতালের মেডিকেল ডিভাইস, চাবির রিং।
 
• IoT-এর ব্যবহার:

- ডেটা ও কন্টেন্ট শেয়ার করা (সোশ্যাল মিডিয়া বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে)।
- দূর থেকে ডিভাইস মনিটর ও কন্ট্রোল করা।
- মোবাইল ও গেমিং ডিভাইসের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকশন করা।
- উদাহরণ: মহামারির সময় স্মার্ট থার্মোমিটার ব্যবহার করে COVID-19 সংক্রমণ ট্র্যাক করা।
 
উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মো. মাহবুবুর রহমান।

৮,৩৯২.
Bluetooth Frequency রেঞ্জ কত? 
  1. 800 MHz
  2. 2.4 GHz
  3. 3.5 GHz
  4. 5.1 GHz
ব্যাখ্যা

• Bluetooth Frequency রেঞ্জ হচ্ছে 2.4 GHz। 

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে
বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা। 

৮,৩৯৩.
সার্কিট সুইচিং এবং প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নেটওয়ার্ক ব্যবহার হয়?
  1. পঞ্চম প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন (4th Generation-4G: 2009-2020):
- ভালো মানের থ্রিজি কভারেজের অভাব থেকেই শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা।
- ইন্টারনেট নির্ভর মোবাইল ফোন সিস্টেমে আল্ট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে।
- দ্রুত চলনশীল ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তর গতি 100 Mbps, ত্রিমাত্রিক এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 Gibps পর্যন্ত হতে পারে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- 4G প্রযুক্তির গতি 3G এর চেয়ে 50 গুণ বেশি।
- মোবাইল ওয়েব অ্যাকসেস, ভিডিও কনফারেন্সিং, আই.পি টেলিফোন, থ্রিডি টিভি, হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, গেমিং সার্ভিসেস ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণ: WiMAX2.

• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
১. এ প্রজন্মে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি।
৩. 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি।
৪. উচ্চগতির ফ্রিকোয়েন্সি এবং ত্রি-মাত্রিক ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা।
৫. বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে পরিবর্তনের সময় নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ।
৬. উন্নতমানের মোবাইল টেলিভিশন দেখার উপযোগী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৮,৩৯৪.
Google এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. বিল গেটস ও পল অ্যালেন
  2. ল্যারি পেজ ও সার্গেই ব্রিন
  3. স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক
  4. মার্ক জাকারবার্গ
ব্যাখ্যা

◉ Google ১৯৯৮ সালে Larry Page এবং Sergey Brin কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তারা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ছাত্র ছিলেন।

গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
বিল গেটস ও পল অ্যালেন — Microsoft-এর প্রতিষ্ঠাতা।
স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক — Apple-এর প্রতিষ্ঠাতা।
মার্ক জাকারবার্গ — Facebook-এর প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮,৩৯৫.
What is the main purpose of MICR technology?
  1. To authenticate signatures.
  2. To process checks and financial documents.
  3. To encode digital images.
  4. To track inventory.
ব্যাখ্যা
• MICR: 
- MICR এর পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition/Reader.

figure: MICR (image source: indiatimes.com)

- MICR চেকের মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়। 
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৩৯৬.
কম্পিউটারের মেমোরী ভাগ করা হয়েছে -
  1. ক) দুই ভাগে
  2. খ) তিন ভাগে
  3. গ) চার ভাগে
  4. ঘ) পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা

• স্মৃতি বা মেমরি (Memory):
- কম্পিউটারের স্মৃতি অতি বিশাল, কোটি কোটি ডেটা ও নির্দেশ তাতে জমা রাখা যায়।
- কম্পিউটারের সঞ্চয় ক্ষমতাকে ব্যবহার করে অতি সহজে একই ধরনের কাজ বিভিন্ন সময় দ্রুতগতিতে করা সম্ভব।
- মেমরি থেকে কোনো ডেটা খুঁজে বের করতে কম্পিউটারের সময় লাগে ১ ন্যানো সেকেন্ড

• কম্পিউটার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:

১. প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):

- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে Non - Volatile Memory বলে।

২. সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরির উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩৯৭.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বাস্তবসম্মত পরিবেশ তৈরিতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. দ্বিমাত্রিক চিত্র
  2. ত্রিমাত্রিক চিত্র
  3. শব্দ তরঙ্গ
  4. টেক্সট ফাইল
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বাস্তবসম্মত পরিবেশ তৈরিতে ত্রিমাত্রিক (3D) চিত্র ব্যবহার করা হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ত্রিমাত্রিক পরিবেশ তৈরি করা হয়।
- এটি বাস্তব নয়; বরং বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সৃষ্ট একটি কৃত্রিম বাস্তবতা।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- কৃত্রিম পরিবেশটি ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব বলে মনে হয়।
- ত্রিমাত্রিক চিত্র ব্যবহারের ফলে বাস্তবে ঝুঁকিপূর্ণ বা কঠিন কাজ ভার্চুয়াল পরিবেশে নিরাপদে সম্পন্ন করা সম্ভব।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD)
- ডেটা গ্লাভস
- বিশেষ বডি স্যুট
- এসব উপাদানের মাধ্যমে ব্যবহারকারী শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ ক্ষেত্র:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়
- ফ্লাইট সিমুলেশনে
- খেলাধুলা ও বিনোদনে

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৯৮.
DOS-এর প্রধান অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা কোনটি?
  1. এটি অনেক দামী সফটওয়্যার
  2. এটি ব্যবহারের জন্য কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়
  3. এটি মাউস ছাড়া কাজ করে না
  4. এটি কোনো হার্ডডিস্কে চলে না
ব্যাখ্যা

DOS এর সাহায্যে কাজ করতে হলে ব্যবহারকারীকে ডসের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়।

DOS :
- DOS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Disk Operating System।
- যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন আইবিএম কম্পিউটারের জন্য ১৯৮১ সালে প্রথম ডস অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন।
- ডস আইবিএম এবং আইবিএম উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- DOS কে PC-DOS বা MS-DOS ও বলা হয়।
- ডস একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ডসের প্রধান অসুবিধা হলো এর কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস বৈশিষ্ট্য, অর্থাৎ এর সাহায্যে কাজ করতে হলে ব্যবহারকারীকে ডসের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়।
- কি-বোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে কমান্ড বা নির্দেশ প্রদান করতে হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৯৯.
নিচের কোন কাজটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার করে থাকে?
  1. কম্পিউটার কনফিগার অপটিমাইজ করা
  2. কম্পিউটার সিস্টেম কার্যকরভাবে পরিচালনা
  3. অপারেটিং সিস্টেমকে রক্ষণাবেক্ষণ করা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম এর কার্যকারিতা পরিচালনা, কম্পিউটার কনফিগার অপটিমাইজ (optimize) এবং বিভিন্ন রকম সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে অপারেটিং সিস্টেমকে সাহায্য করে।
- Utility program সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা (delete) অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।
- উদাহরণ: Antivirus Programs, Disk Defragmenter, File Manage ইত্যাদি।
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৮,৪০০.
কোন ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে 'মার্ক-১' নির্মাণ করা হয়?
  1. Von Neumann ​
  2. Charles Babbage
  3. Howard Aiken
  4. Alan Turing
ব্যাখ্যা

• ‘মার্ক–১’ ছিল বিশ্বের প্রথম দিকের স্বয়ংক্রিয় ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয়। এটি নির্মাণের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাওয়ার্ড আইকেন (Howard Aiken)। তিনি এই প্রকল্পের ধারণা দেন এবং IBM কোম্পানির সহযোগিতায় যন্ত্রটি নির্মিত হয়। মার্ক–১ বিশাল আকৃতির হলেও সে সময়ের জন্য অসাধারণ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ছিল। এর মাধ্যমে জটিল গাণিতিক সমাধান দ্রুত করা সম্ভব হয়েছিল, যা বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সামরিক প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Howard Aiken, যিনি এই ঐতিহাসিক যন্ত্রটির নির্মাণে নেতৃত্ব দেন।

- মার্ক-১ নামে পরিচিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটারটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।

- মার্ক-১ কম্পিউটারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
ক) মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
খ) কম্পিউটারটির মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
গ) কম্পিউটারটির দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট ও উচ্চতা ৮ ফুট। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ঘ) এর ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
এ কম্পিউটারটিতে সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্রাংশ সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল দীর্ঘ তারের প্রয়োজন হয়েছিল। মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সযত্নে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: কম্পিউটারের ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।