বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৬৪ / ১৩১ · ৬,৩০১৬,৪০০ / ১৩,০৮৮

৬,৩০১.
সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৫
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা—
১। ডেটা বাস (Data Bus)
২। অ্যাড্রেস বাস ( Address Bus )
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩০২.
CT scan দ্বারা কী বুঝায়?
  1. ক) Computed Thermography Scan
  2. খ) Computed Tomography Scan
  3. গ) Computed Transmit Scan
  4. ঘ) Computerized Transformed Scan
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার:
• বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। 

• EHR (Electronic Health Record) এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন।

• সিটি স্ক্যান এর অর্থ (Computed Tomography Scan), চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়।
- সিটি স্ক্যান হল একটি ইমেজিং পরীক্ষা যা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের রোগ এবং আঘাত সনাক্ত করতে সহায়তা করে।
- এটি হাড় এবং নরম টিস্যুগুলির বিশদ চিত্র তৈরি করতে এক্স-রে এবং কম্পিউটার ব্যবহার করে।
- সিটি স্ক্যান ব্যথাহীন।

• রোগীর অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার (যেমন: ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম) ব্যবহার করা হয়  ইত্যাদি।


সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, Cleveland clinic.
৬,৩০৩.
ইন্টারনেট রিলে চ্যাট (IRC) কী?
  1. ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল
  2. একটি রিয়েল টাইম যোগাযোগের পদ্ধতি
  3. একটি ইমেইল পরিষেবা
  4. একটি অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সিং টুল
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট রিলে চ্যাট (IRC) হলো একটি রিয়েল টাইম যোগাযোগের পদ্ধতি।

• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat-IRC):
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩০৪.
নিচের কোন ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়?
  1. Router
  2. Switch
  3. Modem
  4. HUB
ব্যাখ্যা
• Modem ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়।

• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিৎয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুতপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
- মডেমের দুটি অংশ। যথা:
১. মডুলেটর ও
২. ডি-মডুলেটর।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর আ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩০৫.
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম নিচের কোনটি? 
  1. Norton
  2. Safari
  3. Informix
  4. Opera
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা-
- মাইক্রোসফ্‌ট অ্যাক্সেস,
- ওরাকল,
- মাইএসকিউএল,
- এসকিউএল সার্ভার,
- ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
- Norton - এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম।
- Safari ও Opera - ব্রাউজিং প্রোগ্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩০৬.
সাধারণভাবে কোন ক্যাশ লেভেলটি আকারে সবচেয়ে ছোট ও গতিতে সবচেয়ে দ্রুত?
  1. L1 Cache
  2. L2 Cache
  3. L3 Cache
  4. Main Memory
ব্যাখ্যা

• সাধারণভাবে L1 ক্যাশ আকারে সবচেয়ে ছোট এবং গতিতে সবচেয়ে দ্রুত। এটি প্রসেসরের ভেতরে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং প্রসেসরের যেকোনো রেজিস্টারের সাথে খুব দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানে সক্ষম। L1 ক্যাশ সাধারণত কয়েক দশক কিলোবাইট (KB) সীমার মধ্যে থাকে, তাই এটি সীমিত কিন্তু অত্যন্ত দ্রুত। L2 এবং L3 ক্যাশ তুলনায় বড় হলেও ধীরগতির হয়, আর মেইন মেমরি (RAM) অনেক বড় হলেও তার এক্সেস টাইম অনেক বেশি। তাই CPU দ্রুততর প্রসেসিংয়ের জন্য L1 ক্যাশকে প্রথম স্তরের (Level 1) ডেটা স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করে, যা প্রোগ্রামের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। L1 ক্যাশের দ্রুততা এবং সরাসরি অ্যাক্সেস ক্ষমতার কারণে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
 
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬,৩০৭.
CPU-এর প্রধান কাজ নয় কোনটি?
  1. গাণিতিক যুক্তি সমাধান
  2. যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া
  3. স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা
  4. নির্দেশনা কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
• স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা CPU-এর প্রধান কাজ নয়। 

• সিপিইউ:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বলে।

• সিপিইউ এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরো কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। 
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর সংগঠন:
সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
- গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit)। 
- নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)। 
- স্মৃতি অংশ (Memory Unit)। 

• CPU-এর প্রধান কাজ:
→ গাণিতিক যুক্তি সমাধান:
- ALU (Arithmetic Logic Unit) দ্বারা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশন (AND, OR, NOT) সম্পাদন করে।
→ যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া:
- ALU ও Control Unit যৌক্তিক অপারেশনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয় (যেমন: IF...THEN শর্ত)।
→ নির্দেশনা কার্যকর করা:
- Control Unit প্রোগ্রামের প্রতিটি নির্দেশনা পড়ে এবং ALU, রেজিস্টার ইত্যাদিকে পরিচালনা করে।
→ ডেটা স্থানান্তর:
- রেজিস্টার, RAM, এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে।

• ডেটা সংরক্ষণের জন্য RAM, ROM, হার্ড ডিস্ক, বা SSD ব্যবহৃত হয়।
- CPU শুধু অস্থায়ী ডেটা রেজিস্টারে রাখে (যেমন: Cache), যা পাওয়ার অফ করলে মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।
৬,৩০৮.
কোনটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ত্রিমাত্রিক সিমুলেশন
  2. খ) দ্বিমাত্রিক সিমুলেশন
  3. গ) হ্যান্ড জিওমেট্রি
  4. ঘ) বায়োলজিক্যাল ডেটা
ব্যাখ্যা
• ত্রিমাত্রিক সিমুলেশন ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত হয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যাররে মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হবে।  
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৩০৯.
Ethernet uses-
  1. ক) Bus topology
  2. খ) Ring topology
  3. গ) Star topology
  4. ঘ) Tree topology
ব্যাখ্যা
Bus topology : A bus topology is a topology for a Local Area Network (LAN) in which all the nodes are connected to a single cable. The cable to which the nodes connect is called a ''backbone''. If the backbone is broken, the entire segment fails. Bus topologies are relatively easy to install and don't require much cabling compared to the alternatives.
The bus topology is e.g. used by Ethernet networks.
Source: Networking Fundamentals
৬,৩১০.
আধুনিক স্মার্টফোনে চার্জিং ও ডেটা আদান-প্রদানের জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. USB
  2. VGA
  3. HDMI
  4. LAN Port
ব্যাখ্যা

- USB-এর পূর্ণরূপ হলো Universal Serial Bus (ইউনিভার্সাল সিরিয়াল বাস)।
- এটি একটি আধুনিক প্রযুক্তি যা কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের (যেমন: মাউস, কীবোর্ড, প্রিন্টার, স্ক্যানার, পেনড্রাইভ, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি) মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়
- এটি প্লাগ-এন্ড-প্লে প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে সংযুক্ত করা যায় এবং বর্তমানে স্মার্টফোন চার্জিংয়েও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়
- USB সমর্থিত ডিভাইসসমূহ এ জাতীয় পোর্টে সংযুক্ত করা হয়। সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিটের সামনে বা পেছনে ২ থেকে ৪টি USB পোর্ট থাকে। 
- USB ধরন: USB 2.0, USB 3.0, এবং আধুনিক USB Type-C ।
- আগের প্রযুক্তির তুলনায় ডেটা ট্রান্সফার দ্রুততর এবং এটি সার্বজনীন অর্থাৎ, একটিমাত্র পোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের ডিভাইস ব্যবহার করা সম্ভব।

উৎস:
১। Lenovo [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩১১.
কোনটি ভাইরাস নয়?
  1. ক) ক্রিপ্টোলকার
  2. খ) লোটাস-১
  3. গ) স্টর্মওয়ার্ম
  4. ঘ) আই লাভ ইউ
ব্যাখ্যা
লোটাস-১ হলো একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম। অন্যদিকে ক্রিপ্টোলকার, স্টর্মওয়ার্ম এবং আই লাভ ইউ হলো তিনটি ভাইরাস। এর মধ্যে আই লাভ ইউ ভাইরাস ২০০০ সালের দিকে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেমে বিপর্যয় নামিয়ে আনে। ক্রিপ্টোলকার ২০১৩ সালের দিকে আক্রমণ চালায়। অন্যান্য ভাইরাসের মধ্যে সিআইএইচ, ট্রজেন হর্স ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। (সূত্রঃ নরটন এবং আইবিএম ওয়েবসাইট )
৬,৩১২.
আণবিক পর্যায়ে ধাতব পদার্থকে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি কোনটি?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. বায়োইনফরমেটিক্স
  4. ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ 'nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- তবে ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- Merriam Webster অনলাইন ডিকশনারী অনুসারে ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া আছে। যথা-
ক. ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up):
- এ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ছোট জিনিস দিয়ে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।
- ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তু তৈরি করা যায়।

খ. বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top down):
- টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে কেটে ছোট করে, তাকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত Etching প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত। আমাদের বর্তমান ইলেকট্রনিক্স হলো টপ ডাউন প্রযুক্তি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৩১৩.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Spamming
  2. Avast
  3. Vishing
  4. Sneaking
ব্যাখ্যা
• 'Avast' সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- Avast এক ধরনের অ্যান্টিভাইরাস।

• সাইবার অপরাধ:

- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং
- স্প্যামিং
- সাইবার থেফ্ট
- সাইবার বুলি
- স্ফুফিং
- ফিশিং
- ভিশিং
- স্নিকিং
- প্লেজিয়ারিজম
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

• অপশন আলোচনা:
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৩১৪.
১০২৪ পেটাবাইট = ?
  1. 1024 টেরাবাইট
  2. 1 টেরাবাইট
  3. 1 এক্সাবাইট
  4. 1024 ইয়োট্রাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
- 1 Bit = Binary Digit
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩১৫.
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. এটি শুধু গেমিং এর জন্য ডিজাইন করা
  2. এটি শুধু মাইক্রোসফট দ্বারা ব্যবহার করা যায়
  3. এটি শুধু Apple কম্পিউটারে চলে
  4. বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

◉ লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি ওপেন সোর্স (Open Source) সফটওয়্যার। 

লিনাক্স:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম.
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩১৬.
ইমেইলে 'CC' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Carbon Copy
  2. Certified Copy
  3. Clear Copy
  4. Copy Confirmation
ব্যাখ্যা
• ইমেইলে ‘CC’ মানে হলো Carbon Copy. এটি একটি ফিচার যা মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য কেউ মেইলটি দেখতে পায়। মূল প্রাপক এবং CC-তে থাকা সবাই মেইলটি পায়, কিন্তু CC রিসিপিয়েন্টরা জানে যে তারা শুধু কপি পেয়েছে, মূল প্রাপক নয়। এটি সাধারণত তখন ব্যবহার করা হয় যখন মেইলটির তথ্য অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করতে হয়, কিন্তু তাদের থেকে সরাসরি উত্তর বা পদক্ষেপ আশা করা হয় না। ‘CC’ ব্যবহার করে সহজে অনেককে একই মেইল পাঠানো যায়।
- তাই ‘CC’ এর সঠিক উত্তর হলো: ক) Carbon Copy.

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• CC:
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- তাহলে গ্রাহক তার মেইলটি গ্রহণ করার পর এখানে প্রদর্শিত ঠিকানাসমূহ দেখে জানতে পারবে একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।

• BCC:
- BCC (Blind Carbon Copy) হলো ইমেইল প্রেরণের একটি ফিচার, যেখানে প্রাপকগণ (recipients) অন্য BCC-তে থাকা ব্যক্তিদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পায় না।
- এটি গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে যখন একই ইমেইল একাধিক ব্যক্তিকে পাঠানো হয়, কিন্তু তাদের মধ্যে যোগাযোগ

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৩১৭.
হাফ-অ্যাডারের সম আউটপুটের লজিক সার্কিট কোন গেটের উপর নির্ভর করে?
  1. NAND
  2. AND
  3. XOR
  4. OR
ব্যাখ্যা

• হাফ-অ্যাডার হলো একটি মৌলিক ডিজিটাল সার্কিট যা দুটি একবিট ইনপুটকে যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। হাফ-অ্যাডারের দুটি আউটপুট থাকে—Sum এবং Carry। এখানে Sum আউটপুটটি নির্ধারিত হয় ইনপুট দুটির XOR (Exclusive OR) অপারেশনের মাধ্যমে, কারণ XOR গেট তখনই ‘1’ আউটপুট দেয় যখন ইনপুটের মধ্যে ঠিক একটি ‘1’ থাকে। অন্যদিকে, Carry আউটপুটের জন্য AND গেট ব্যবহৃত হয়, কারণ Carry তখনই ‘1’ হয় যখন উভয় ইনপুটই ‘1’ হয়। তাই হাফ-অ্যাডারের মূলত Sum আউটপুটের লজিক সার্কিট নির্ভর করে XOR গেটের উপর, যা ইনপুটের পার্থক্য সঠিকভাবে প্রকাশ করে।

উত্তর: গ) XOR.

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬,৩১৮.
কম্পিউটারের জাস্টিফাইড কমান্ড দিলে এলাইনমেন্ট কোন দিকে যাবে?
  1. বাম দিকে
  2. ডান দিকে
  3. মাঝ বরাবর
  4. সবদিকে সমান
ব্যাখ্যা
ডকুমেন্টের এলাইনমেন্ট: 
- কোন ডকুমেন্টের প্যারাগ্রাফ মার্জিনের কোন দিকে মিশে থাকবে তা এলাইনমেন্টের দ্বারা নির্ধারণ করা হয়। 
- সাধারণত প্যারাগ্রাফের এলাইনমেন্ট বামদিকে থাকে। 
- প্যারাগ্রাফের এলাইনমেন্ট চার ধরনের হতে পারে। 
- বামদিক থেকে, ডানদিক থেকে, মাবা বরাবর অথবা সবদিকে সমান (জাস্টিফাইভ) প্যারাগ্রাক এলাইন করা যায়। 
- কোন প্যারাগ্রাফের এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করতে হলে প্রথমে তা নির্বাচন করতে হয়, তারপর এলাইনমেন্ট করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
৬,৩১৯.
উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা COBOL কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. Business data processing applications
  2. Application Programming Interface
  3. Mathematical data processing applications
  4. Scientific data processing applications
ব্যাখ্যা
- COBOL এর পূর্ণরূপ Common Business Oriented Language. 
- COBOL হলো একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। 
- ১৯৬০ সালে Dr. Grass Hopper আবিস্কার করেন COBOL. 
- ইহা একটি বিজনেস এপ্লিকেশন ল্যাঙ্গুয়েজ। 
৬,৩২০.
Xenix কোন কোম্পানির জন্য তৈরি করা হয়?
  1. IBM
  2. Microsoft
  3. Intel
  4. Google
ব্যাখ্যা

- Xenix হলো মাইক্রোসফটের তৈরি একটি UNIX-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি মূলত মাইক্রোপ্রসেসর-ভিত্তিক কম্পিউটারগুলোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
- এটি তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে।
- Xenix ছিল মাল্টি-ইউজার এবং মাল্টি-টাস্কিং সিস্টেম, যা UNIX-এর মতোই কাজ করত।

- প্রাথমিকভাবে Intel 8086, PDP-11, Zilog Z8000 ইত্যাদি 16-bit কম্পিউটারের জন্য অভিযোজিত।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন হার্ডওয়্যারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে Santa Cruz Operation (SCO) Xenix-এর উন্নয়ন চালায়।

- Xenix ছিল প্রথম UNIX-ভিত্তিক OS যা পিসি এবং ছোট কম্পিউটার বাজারে ব্যবহার করা হয়।
- এটি UNIX-এর ধারণাকে ছোট ও কম ব্যয়বহুল সিস্টেমে আনতে সাহায্য করেছিল।
- SCO Xenix পরবর্তীতে SCO UNIX হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: Microsoft. [লিংক]

৬,৩২১.
'ল্যাপটপ' হলো এক ধরনের-
  1. পর্বতারোহণ সামগ্রী
  2. ছোট কুকুর
  3. বাদ্যযন্ত্র
  4. ছোট কম্পিটার
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ হলো এক ধরনের ছোট কম্পিউটার।

• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড (টেশিস)।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. dw.com
৬,৩২২.
সেলুলার নেটওয়ার্কে 'রোমিং' কী?
  1. একাধিক সেল টাওয়ার ব্যবহার করা
  2. স্থানীয় নেটওয়ার্ক ছাড়া অন্য নেটওয়ার্কে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা
  3. বিভিন্ন ডিভাইসে একই সিম কার্ড ব্যবহার করা
  4. ইন্টারনেটের পরিবর্তে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা

◉ রোমিং (Roaming) হচ্ছে স্থানীয় নেটওয়ার্ক ছাড়া অন্য নেটওয়ার্কে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা। 

রোমিং (Roaming): 
রোমিং (Roaming) হলো এমন একটি ফিচার যেখানে একটি মোবাইল ফোন তার মূল নেটওয়ার্কের (Home Network) বাইরে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে।
- এটি কল, এসএমএস ও মোবাইল ডাটা ব্যবহারের সুবিধা দেয়। 
- সাধারণত অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হয়। 
- বিশেষত আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় রোমিং প্রয়োজন হয়। 

রোমিং সাধারণত দুটি ধরণের হয়:
ডোমেস্টিক রোমিং (Domestic Roaming) – একই দেশে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা।
ইন্টারন্যাশনাল রোমিং (International Roaming) – বিদেশে গিয়ে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা।

সোর্স: GSMA (Global System for Mobile Communications) - International Roaming Guide [লিংক]

৬,৩২৩.
বর্তমানে Google কোন কোম্পানির অধীনস্থ?
  1. Meta Platforms
  2. Microsoft Corporation
  3. Alphabet Inc.
  4. Amazon Web Services
ব্যাখ্যা
বর্তমানে গুগল Alphabet Inc. নামক একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনস্থ।

• Google:
- Google একটি আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি, যা ১৯৯৮ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৫ সাল থেকে গুগল Alphabet Inc. নামক একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনস্থ।
- গুগল বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৭০% এর বেশি অনলাইন সার্চ রিকোয়েস্ট পরিচালনা করে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে।
- গুগলের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- গুগল শুরুতে শুধুমাত্র অনলাইন সার্চ ফার্ম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল।
- বর্তমানে গুগল ৫০টিরও বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা ও পণ্য সরবরাহ করে, যেমন:
• ইমেইল,
• অনলাইন ডকুমেন্ট তৈরি,
• মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটের জন্য সফটওয়্যার।
- ২০১২ সালে Motorola Mobility অধিগ্রহণের মাধ্যমে গুগল মোবাইল ফোনের মতো হার্ডওয়্যার বিক্রেতা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৩২৪.
নিচের কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Oracle
  2. খ) Excel
  3. গ) MySQL
  4. ঘ) Access
ব্যাখ্যা
MS Excel একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৬,৩২৫.
ডিফল্ট হিসেবে HTTP কোন পোর্ট নাম্বার ব্যবহার করে?
  1. 443
  2. 21
  3. 20
  4. 80
ব্যাখ্যা

• ডিফল্ট হিসেবে HTTP (HyperText Transfer Protocol) ওয়েব ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন আমরা কোনও ওয়েবসাইটে ভিজিট করি, তখন ব্রাউজার সার্ভারের সঙ্গে HTTP প্রোটোকলের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে। এই সংযোগ নির্দিষ্ট একটি পোর্টের মাধ্যমে হয়, যা মূলত সার্ভারকে নির্দেশ দেয় কোন প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা হবে। HTTP প্রোটোকলের জন্য ডিফল্ট পোর্ট নাম্বার হলো ৮০। অর্থাৎ, যদি কোনো পোর্ট স্পেসিফাই করা না হয়, সার্ভার স্বয়ংক্রিয়ভাবে পোর্ট ৮০ ব্যবহার করে। অন্য পোর্ট যেমন ২১ (FTP), ২০ (FTP data), বা ৪৪৩ (HTTPS) HTTP-এর জন্য নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৮০।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৬,৩২৬.
WWW বলতে বোঝায়-
  1. একটি ওয়েব ভিত্তিক সেবা
  2. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  3. একটি সার্চ ইঞ্জিন
  4. একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
WWW একটি ওয়েব ভিত্তিক সেবা

WWW :
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web এটিকে সাধারণত ওয়েব বলে
- WWW এর উদ্ভাবক টিম বার্নারস-লি ১৯৯১ সালে সবার জন্য WWW ওয়েব সেবা চালু করেন।
- এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারাবিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ ও তথ্য পাওয়া যায়।
- তথ্যগুলো পেতে ব্যবহারকারিদের বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়,যাকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার।

• বর্তমানে ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো: 
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, 
- মজিলা ফায়ারফক্স, 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর। 

অন্যদিকে, 
Google, Bing, Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন।
অপারেটিং সিস্টেম হলো Windows, Linux, macOS ইত্যাদি।
প্রোটোকল বলতে বোঝায় TCP/IP, HTTP, FTP ইত্যাদি।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩২৭.
Which device is used as both an input and output device?
  1. Modem
  2. Printer
  3. OMR
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
→ যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩২৮.
সর্বপ্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে কোন কোম্পানি?
  1. মাইক্রোসফট
  2. ইন্টেল
  3. এপসন
  4. ইয়াহু
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং Live MCQ লেকচার শীট।
৬,৩২৯.
কোন কম্পিউটার অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় ঘটিয়ে তৈরি করা হয়েছে?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্ৰদান করে।
- এটি বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন: মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।

• মাইক্রোকম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৩০.
1F এর সমতুল্য বাইনারি কত? 
  1. 00011110
  2. 00011111
  3. 00101101
  4. 00101111
ব্যাখ্যা
- 1F হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে বাইনারিতে প্রকাশ করার জন্য প্রতি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে সমতুল্য ৪ বিট বাইনারিতে প্রকাশ করতে হবে। 
- 1 এর সমতুল্য বাইনারি = 0001 
- F এর সমতুল্য বাইনারি = 1111 
1F এর সমতুল্য বাইনারি = 00011111.
৬,৩৩১.
কোন প্রযুক্তি ‘Pay as you go’ স্টাইলের সার্ভিস প্রদান করে?
  1. Cloud Computing
  2. Software Development
  3. Client Server System
  4. Web Hosting Services
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ক) Cloud Computing.

Cloud Computing বা ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভিস প্রদান করে, যেখানে তারা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে এবং ব্যবহারের ভিত্তিতে অর্থ প্রদান করে। এই ‘Pay as you go’ মডেল অর্থাৎ ব্যবহার অনুযায়ী পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহারকারীদের অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে সাহায্য করে। ক্লাউড কম্পিউটিং-এ স্টোরেজ, সার্ভার, ডাটাবেস, সফটওয়্যার এবং নেটওয়ার্কিং সুবিধা অনলাইনেই প্রদান করা হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের হার্ডওয়্যার ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই প্রয়োজনীয় রিসোর্স পেতে পারে এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী সহজে স্কেল করতে পারে। অন্যান্য বিকল্প যেমন Software Development, Client Server System বা Web Hosting Services সব ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যবহার ভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থা সাধারণ নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এ নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৩২.
যদি সিপিইউকে খুব দ্রুত অল্প পরিমাণ তথ্য অ্যাক্সেস করতে হয়, তাহলে কোন কম্পোনেন্টটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. RAM
  2. Hard Drive
  3. Registers
  4. ROM
ব্যাখ্যা
• যদি সিপিইউকে খুব দ্রুত অল্প পরিমাণ তথ্য অ্যাক্সেস করতে হয়, তাহলে রেজিস্টার (গ) Registers সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টার হলো সিপিইউর ভেতরে থাকা অতি দ্রুতগতি সম্পন্ন মেমোরি ইউনিট যা খুব ছোট পরিমাণ তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম। এটি RAM বা অন্য মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে। যখন সিপিইউ কোনো ডেটা বা নির্দেশনা (instruction) প্রক্রিয়া করে, তখন সেই তথ্য সাময়িকভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত হয়। রেজিস্টারের এই উচ্চগতি এবং সিপিইউর সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন থাকার কারণে এটি অল্প পরিমাণ তথ্য দ্রুত অ্যাক্সেস করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপাদান। RAM, ROM এবং হার্ড ড্রাইভ তুলনামূলকভাবে ধীর এবং সিপিইউ থেকে দূরে অবস্থান করে।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬,৩৩৩.
১০২৪ টেরাবাইটের সমতুল্য-
  1. ১ গিগাবাইট
  2. ১ টেরাবাইট
  3. ১ পেটাবাইট
  4. ১ এক্সাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
1 Bit = Binary Digit,
8 Bits = 1 Byte.

1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte),
1024 KB = 1 MB (Mega Byte),
1024 MB = 1 GB (Giga Byte),
1024 GB = 1 TB (Terra Byte),
1024 TB = 1 PB (Petabyte),
1024 PB = 1 EB (Exa Byte).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৩৪.
যে নেটওয়ার্ক টপোলজিতে মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টার্মিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় -
  1. রিং টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

বাস টপোলজি
যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন। মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,৩৩৫.
দীর্ঘ রেঞ্জে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী ডিভাইসের জন্য কোন IoT প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি কার্যকর?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. LoRaWAN
  4. Ethernet
ব্যাখ্যা

• দীর্ঘ রেঞ্জে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী ডিভাইসের জন্য LoRaWAN সবচেয়ে কার্যকর IoT প্রযুক্তি। LoRaWAN কম শক্তি খরচ করে অনেক বড় দূরত্বে ডেটা প্রেরণ করতে সক্ষম, যা Wi-Fi বা Bluetooth-এর তুলনায় অনেক বেশি। Wi-Fi এবং Ethernet সাধারণত উচ্চ শক্তি ব্যবহার করে এবং বড় দূরত্বে প্রায় কার্যকর নয়, আর Bluetooth মূলত সংক্ষিপ্ত দূরত্বের জন্য তৈরি। LoRaWAN-এর মাধ্যমে সেন্সর বা IoT ডিভাইসগুলো বছরখানেক পর্যন্ত ব্যাটারি দিয়ে কাজ করতে পারে, এবং শহর, গ্রাম বা শিল্প এলাকায়ও ডেটা স্থিতিশীলভাবে পাঠাতে পারে। তাই, দীর্ঘ রেঞ্জ এবং লো-পাওয়ার দুটো শর্তের ক্ষেত্রে LoRaWAN সেরা সমাধান।
 
• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- IBM.
- sciencedirect.

৬,৩৩৬.
কোন ধরনের সাইবার অপরাধে হ্যাকার ব্যবহারকারীর তথ্য ব্লক করে এবং মুক্তিপণ চাইতে পারে?
  1. Ransomware
  2. Data diddling
  3. Debugging
  4. Phishing
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ক) Ransomware হলো সেই ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে হ্যাকার ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা পুরো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেয় এবং তা পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ দাবি করে।
সাধারণত ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করা হয়, ফলে ব্যবহারকারী নিজের ডেটা আর ব্যবহার করতে পারে না। হ্যাকার নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা (প্রায়ই ক্রিপ্টোকারেন্সিতে) পরিশোধ করলে ডেটা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। Data diddling ডেটা পরিবর্তনের সঙ্গে, Debugging ত্রুটি সংশোধনের সঙ্গে এবং Phishing প্রতারণামূলকভাবে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়‍্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়‍্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

উল্লেখ্য,
- Phishing: এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
- Debugging: এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।
- Data diddling: এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।

৬,৩৩৭.
ROM BIOS-এ সংরক্ষিত ডেটা এবং নির্দেশাবলী কী নামে পরিচিত?
  1. সফটওয়্যার
  2. হার্ডওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. হিউম্যানওয়্যার
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মেমরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বা কোডের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
- উদাহরণস্বরূপ, ROM BIOS বা UEFI-তে সংরক্ষিত ডেটা এবং নির্দেশাবলী হলো ফার্মওয়্যার।

হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটার সিস্টেমের ভৌত অংশ, যা দেখা যায়, স্পর্শ করা যায় এবং যন্ত্রাংশগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার কাজ করে।
- এর মধ্যে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, হার্ড ডিস্ক, SSD, RAM, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি।

সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার হলো প্রোগ্রাম বা নির্দেশাবলীর সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে নির্দেশনা দিয়ে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করে।
- এটি দুই ধরনের হতে পারে: সিস্টেম সফটওয়্যার (যেমন: অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস ড্রাইভার) এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (যেমন: MS Office, Adobe Photoshop, ভিডিও প্লেয়ার)।

হিউম্যানওয়্যার:
- হিউম্যানওয়্যার হলো কম্পিউটার সিস্টেমের সাথে জড়িত মানুষ, যারা ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রামিং, সিস্টেম ডিজাইন, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন, এবং কম্পিউটার পরিচালনার মতো কাজ করে।
- এর মধ্যে রয়েছে প্রোগ্রামার, সিস্টেম অ্যানালিস্ট, নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান, এবং সাধারণ ব্যবহারকারী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৩৮.
(12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?
  1. 1010
  2. 0100
  3. 0011
  4. 1100
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?

সমাধান: 
(12)10 = (1100)2

1100 এর 1 এর পরিপূরক = 0011  ।

৬,৩৩৯.
Trojan Horse কীভাবে অন্য ভাইরাস থেকে আলাদা?
  1. এটি কেবল RAM এ থাকে
  2. এটি Boot Sector আক্রমণ করে
  3. এটি সবসময় কোড পরিবর্তন করে
  4. এটি নিজেকে বৈধ সফটওয়্যারের মতো ছদ্মবেশে রাখে
ব্যাখ্যা

◉ Trojan Horse (ট্রোজান হর্স) হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার, যা নিজেকে বৈধ বা উপকারী সফটওয়্যারের মতো ছদ্মবেশে উপস্থাপন করে। ব্যবহারকারী যখন এটিকে বিশ্বাস করে ইনস্টল বা রান করে, তখন এটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং ক্ষতিকর কাজ শুরু করে (যেমন—ডেটা চুরি, ব্যাকডোর তৈরি, সিস্টেম ক্র্যাশ ইত্যাদি)।

​Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

​উল্লেখ্য, 
​ভাইরাস (Virus): এটি এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা নিজেকে অন্য ফাইল বা প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত করে কপি হয় এবং এক ফাইল থেকে অন্য ফাইলে ছড়ায়।

​ওয়ার্ম (Worm): ভাইরাসের মতো ফাইলের প্রয়োজন হয় না। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সিস্টেমকে ধীর বা অকেজো করে দিতে পারে।

​স্পাইওয়্যার (Spyware): এটি ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে এবং ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড, ব্রাউজিং হিস্ট্রি বা ব্যাংক তথ্য) সংগ্রহ করে আক্রমণকারীর কাছে পাঠায়।

​উৎস: 
​১। কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৪০.
What happens to data over an insecure network when using a VPN?
  1. Data gets deleted
  2. Data is encrypted
  3. Data gets copied
  4. Data is backed up
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Data is encrypted

VPN (Virtual Private Network)
- VPN হলো একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যা পাবলিক টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক (যেমন ইন্টারনেট) ব্যবহার করে গঠিত হয়।
- সাধারণত একটি VPN-এ এক বা একাধিক কর্পোরেট ইন্ট্রানেট বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) যুক্ত থাকে।
- দূরবর্তী ব্যবহারকারীরা পাসওয়ার্ড অথেনটিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে VPN-এ অ্যাক্সেস করতে পারে।
- ডেটা যখন অনিরাপদ নেটওয়ার্ক (যেমন ইন্টারনেট) দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন এটি এনক্রিপ্ট করা হয়।
- এনক্রিপশন নিশ্চিত করে যে সাইবার অপরাধীরা কর্পোরেট বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারবে না।
- VPN-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো leased dedicated telecommunication lines ব্যবহার না করেও wide area network (WAN) পরিচালনা করতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৩৪১.
What type of cloud storage allows to store and retrieve any amount of data, at any time, from anywhere on the Internet?
  1. ক) Object Storage
  2. খ) Block Storage
  3. গ) File Storage
  4. ঘ) Backup Storage
ব্যাখ্যা
- Object storage is a data storage architecture that is designed to store and retrieve large amounts of unstructured data, such as photos, videos, and documents.
- It is highly scalable and can store and retrieve any amount of data, at any time, from anywhere on the Internet.

Reference: microsoft.com
৬,৩৪২.
সকল নেটওয়ার্কের জননী কোনটি?
  1. ক) ই- মেইল
  2. খ) ইন্টারনেট
  3. গ) মোবাইল
  4. ঘ) টেলিফোন
ব্যাখ্যা
সব ধরনের নেটওয়ার্কের সমষ্টির ফলে গড়ে উঠে ইন্টারনেট, তাই একে সকল নেটওয়ার্কের জননী বলা হয়।
৬,৩৪৩.
ব্রুট ফোর্স আক্রমণ বলতে কী বোঝায়?
  1. পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা
  2. মানুষকে ফাঁদে ফেলার আক্রমণ (সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং)
  3. সফটওয়্যারের বাগ ব্যবহার করে আক্রমণ
  4. ফিশিং ইমেল পাঠিয়ে আক্রমণ করা
ব্যাখ্যা

• ব্রুট ফোর্স আক্রমণ হলো একটি ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার পাসওয়ার্ড বা সিকিউরিটি কী ভাঙার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের কম্বিনেশন পরীক্ষা করে। এটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে করা হয়, যা ধাপে ধাপে সমস্ত সম্ভাব্য অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন মিলিয়ে সঠিক পাসওয়ার্ড বের করার চেষ্টা করে। যদিও এটি সময়সাপেক্ষ, তবে শক্তিশালী বা দুর্বল পাসওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে সফল হতে পারে। ব্রুট ফোর্স আক্রমণ সরাসরি কম্পিউটার বা অ্যাকাউন্টে লক্ষ্য করে এবং এটি সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সফটওয়্যার বাগ বা ফিশিং-এর মতো অন্যান্য পদ্ধতির সাথে আলাদা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা।

সাইবার অপরাধ: 
- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে।
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয় আবার কথনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়।
- সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে। তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা সকলের জন্য অতীব জরুরি। 
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

- নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো- 
১। হ্যাকিং (Hacking): 
- সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তা ব্যবহার করা অথবা তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে হ্যাকিং বলে। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (hcaker) বলে। হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ দুইই হতে পারে। 
- কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের সিকিউরিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হ্যাকার নিয়োগ করেন, এই নিয়োগ প্রাপ্ত হ্যাকারদের কাজকে বৈধ হ্যাকিং বলে। এরা সিস্টেম সিকিউরিটি চেক করে; তবে সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না। যেমন-UNIX সিস্টেম চেক করার জন্য অনেক বৈধ হ্যাকার রয়েছে, এদেরকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বলা হয়। 
- আবার অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (craker) বলে। অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়। ফলে সহজেই ক্ষতি সাধন করতে পারে। এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে। 
- হ্যাকিং অপরাধের প্রবণতা দিনদিন বেড়েই চলেছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়। 
- হ্যাকাররা অন্যের ই-মেইল দেখতে পারে, ওয়েব সার্ভারে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারে অথবা নেটওয়ার্কে ফাইল চুরি করতে পারে। 

২। ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসেও অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ঐ গুলো নিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে তারা সফলও হয় এবং সফল হলে তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে। ঐ চুরি করা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে থাকে। এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ। এই ধরনের সাইবার হামলা ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) নামে পরিচিত। পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কি-গুলোর বিভিন্ন সংমিশ্রণ নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে চেষ্টা করে। এটি ট্রায়াল এবং এরর (trial and error) এর উপর নির্ভর করে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে সঠিকভাবে প্রতিটি বিকল্প খুঁজে সফল না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যায়। 
অর্থাৎ, এই ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাইবার আক্রমণে অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড চুরি করা হয়। 

৩। ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে, এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত। 
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস-এ এন্ড টু এন্ড ডেটা এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ছবি, ভিডিয়ো, ভয়েস কল রেকর্ড, ডকুমেন্ট ইত্যাদি) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়। 
- এনক্রিপশন (Encryption) হলো মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না। এর ফলে অনুমোদনহীনদের কাছে মেসেজ, ডেটা বা তথ্য দুর্বোধ্য হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্কের পাবলিক পথ দ্বারা যে সকল গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরিত হয় তাদেরকে সাধারণত বিশেষ কোডের মাধ্যমে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, অর্থাৎ ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা বা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। 

৪। ডি ডস আক্রমণ (DDoS-Distributed Denial of Service): 
-  ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস আক্রমণ হলো একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে আক্রমণ করা। 
- DDoS আক্রমণে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবাকে প্রচুর পরিমাণে ট্র্যাফিকের সাথে প্লাবিত করতে ব্যবহৃত হয়, যার ফলে এটি ধীরগতির হয়ে যায় বা ক্রাশ (crash) হয়ে যায়। 
- এর উদ্দেশ্য হলো সিস্টেমটিকে মোহাবিষ্ট করা যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা এটি অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে না পারে। 

৫। সাইবার বুলিং (Cyber bullying): 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোনো কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার বুলিং বা সাইবার সন্ত্রাস বলা হয়। 
- কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, হুমকি প্রদান করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, অনুমতি ব্যতীত কারো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রকাশ করা বা গুজব ছড়ানো, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ ছড়ানো এসব কিছুই সাইবার সন্ত্রাসের অন্তর্ভুক্ত। 
- সাইবার সন্ত্রাসের জন্য মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাবলেট ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওয়েবসাইট, ম্যাসেজ, ই-মেইল ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩৪৪.
মূল তথ্যকে গোপন করার পদ্ধতিকে কি বলা হয়?
  1. ক) Data Syncronization
  2. খ) Data Modulation
  3. গ) Data Hidden
  4. ঘ) Data Encryption
ব্যাখ্যা
Data Encryption: ডাটাবেজে ব্যবহৃত ডাটা কে গোপন করার পদ্ধতিকে ডাটা এনক্রিপশন বলা হয়।
Data Modulation: মডেম এর মাধ্যমে ডিজিটাল সিগনালকে এনালগ সিগনালে রুপান্তরিত করার পদ্ধতিকেই ডাটা মডুলেশন বলা হয়।
Data Syncronization: ব্যবহৃত ডাটা কে সুনির্দিষ্ট প্যাটার্নে সাজানোর প্রক্রিয়াকে ডাটা সিনক্রোনাইজেশন বলে।
৬,৩৪৫.
নিচের কোনটি একই সাথে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার?
  1. ক) সার্ভার
  2. খ) ক্যামেরা
  3. গ) রাউটার
  4. ঘ) কম্পিউটার কী-বাের্ড
ব্যাখ্যা
১. সাের্স : ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, কম্পিউটার কী-বাের্ড ইত্যাদি
২. ট্রান্সমিটার : মডেম, রাউটার, টিভি স্টেশন, রেডিও স্টেশন, টেলিফোন ও মােবাইল ফোন কোম্পানির এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৩. মিডিয়াম : টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি
৪. রিসিভার : মডেম, রাউটার, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৫, ডেসটিনেশন : কম্পিউটার, সার্ভার, টেলিফোন বা মােবাইল ফোন ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৬,৩৪৬.
ডাটা ট্রান্সফার গতি সবচেয়ে বেশি-
  1. ন্যারো ব্যান্ডের
  2. ভয়েস ব্যান্ডের
  3. ব্রডব্যান্ডের
  4. সবগুলোর গতি সমান
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)
ন্যারো ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা ঝঁনঠড়রপব ইধহফ বলে। ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকেব্যবহার করা হয়।
ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের ডাটা গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকেকম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।
ব্রড ব্যান্ড: ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রডব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৩৪৭.
কোনটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) Harmony OS
  2. খ) SUN SOLARIS
  3. গ) UNIX
  4. ঘ) Linux
ব্যাখ্যা
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- iOS,
- Symbian,
- harmony OS,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS.

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- Ubuntu, Mint, Debian, Red Hat, Cent OS, Fedora, Kali, Linux, Arch Linux,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৩৪৮.
ইন্টারনেটের এসএমএস বলা হয় কোনটিকে?
  1. এক্স
  2. মেটা
  3. আরপানেট
  4. গুগল টক
ব্যাখ্যা
• টুইটার (এক্স):
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম এক্স। 
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- বর্তমান মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস:
১. টুইটারের ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৬,৩৪৯.
কত তারিখে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার চেরনোবিল নামক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়?
  1. April 1st
  2. April 26th
  3. December 31st
  4. January 1st
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৫০.
নিচের কোনটি ক্লাউড সার্ভিস এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) AWS
  2. খ) Azure
  3. গ) Google cloud
  4. ঘ) AirDrop
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: ইন্টারনেট ভিত্তিক এক ধরনের পরিসেবা যেখানে বিভিন্ন ধরনের রিসোর্স শেয়ার, সার্ভার, স্টোরেজ প্রভৃতি সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।
যেমন:
-AWS
- Microsoft Azure
- Google Cloud
- IBM Cloud- Blue Cloud
- Oracle Cloud
- Alibaba Cloud
- RedHat
- Heroku
- Digital Ocean
- Cloudflare
- Linode
- Cloudways
- Rackspace

উৎস: উচ্চ-মাধ্যমিক ICT বই।
৬,৩৫১.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ট্রানজিস্টর ব্যবহার
  2. প্রতিটি স্টেটমেন্ট একে একে প্রক্রিয়াকরণ
  3. বায়ুশূন্য ভালব ব্যবহার
  4. বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার
ব্যাখ্যা

- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বৃহদাকার একীভূত বর্তনী বা Very Large Scale Integration (VLSI) সার্কিট ব্যবহার, যা মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে সহায়তা করেছিল। 

চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation 1971-): 
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হল ১৯৭১ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত। এই সময়ে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতাও অধিক বৃদ্ধি পায়। 
- ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইনটেল কোম্পানি এমএসসি-৪ (MSC-4) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে, এই মাইক্রোপ্রসেসরে মোট ২২০০ টি ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহার করা হয়েছিল। 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে (Chip) ধারণ করা সম্ভব হয়। বর্তমানে প্রায় ১ বর্গ ইঞ্চির একটিমাত্র চিপে ৩০ লাখ পর্যন্ত ট্রনজিস্ট্রর সন্নিবেশিত করে মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। 
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার, অধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা, উন্নত কার্যকারিতা ও নির্ভলশীলতা। 
- এই সময়ই প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রচলন শুরু হয় এবং মাইক্রোকম্পিউটারের আবির্ভাব ও বিকাশ ঘটে। 
- উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য কম্প্যাক্ট ডিস্ক (Compact Disc) বা সিডি (CD) তৈরি হয়। 
যেমন- IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৫২.
একাধিক চাইল্ডকে একটি প্যারেন্টের সাথে যুক্ত করার জন্য কোন ধরনের সম্পর্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. One-to-one
  2. One-to-many
  3. Self-referencing
  4. Many-to-many
ব্যাখ্যা

• একাধিক চাইল্ডকে একটি প্যারেন্টের সাথে যুক্ত করার জন্য One-to-many (এক-থেকে-অনেক) সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি প্যারেন্ট এককভাবে থাকে, কিন্তু তার সাথে অনেকগুলো চাইল্ড সম্পর্কিত থাকতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলে একটি শিক্ষক থাকতে পারে, কিন্তু তার অধীনে অনেক শিক্ষার্থী থাকতে পারে। ডাটাবেসে এই সম্পর্ক সাধারণত প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী এবং চাইল্ড টেবিলের ফরেন কী ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠিত হয়। One-to-one সম্পর্ক একে এক সম্পর্ক তৈরি করে, Many-to-many সম্পর্ক দুই দিকেই একাধিক যুক্তি দেয়, আর Self-referencing সম্পর্ক নিজেই নিজেকে রেফার করে।
- তাই একাধিক চাইল্ডের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো One-to-many.

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। 

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৫৩.
HTTP এবং HTTPS এর মূল পার্থক্য কী?
  1. Speed
  2. Compatibility
  3. Encryption
  4. File Size
ব্যাখ্যা
◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) হচ্ছে HTTP-এর সিকিউর ভার্সন, যেখানে ডেটা SSL/TLS encryption ব্যবহার করে এনক্রিপ্ট করা হয়। ফলে ব্যবহারকারীর তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং ডেটা ইত্যাদি) সুরক্ষিত থাকে।

HTTP (HyperText Transfer Protocol):
- এটি একটি সাধারণ প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়। তবে এতে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা (encryption) নেই।

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,৩৫৪.
অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কী বলে?
  1. কার্নেল
  2. ইউজার ইন্টারফেস
  3. ফাইল ম্যানেজার
  4. ফাইল সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।

• অপারেটিং সিস্টেম:
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামসমষ্টি ব্যবহৃত হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• কার্নেল:
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৫৫.
Which of the following devices typically includes built-in firewall functionality?
  1. Hub
  2. Modem
  3. Router
  4. Repeater
ব্যাখ্যা

• রাউটার (Router) নেটওয়ার্কের ভিতরে ও বাইরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রায় সব রাউটারেই বিল্ট-ইন ফায়ারওয়াল (NAT, SPI Firewall, Packet Filtering) থাকে।

• রাউটার (Router):
রাউটার এমন একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততোধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযোগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে।
এর মাধ্যমে একই ধরনের ছোট আকারের ভিন্ন ভিন্ন গঠনের একাধিক LAN সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যায়।
WAN এর সাথে একটি LAN যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়।
রাউটার NAT (Network Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৫৬.
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
৬,৩৫৭.
Which of the following is a modifier key?
  1. F2
  2. Home
  3. Backspace
  4. Ctrl
ব্যাখ্যা

• Ctrl (Control) হলো একটি মডিফায়ার কী কারণ এটি অন্য কোনো কী-এর সাথে সমন্বিত হয়ে বিশেষ কমান্ড বা শর্টকাট (যেমন: Ctrl+C) হিসেবে কাজ করে। মডিফায়ার কী মূলত কোনো কী-এর সাধারণ আউটপুটকে পরিবর্তন বা মডিফাই করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Shift এবং Alt-ও মডিফায়ার কী-এর অন্তর্ভুক্ত।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। নেভিগেশন কী এর মধ্যে রয়েছে: Arrow keys, Home key, End key, Page Up, Page Down, Insert, Delete ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Ctrl (Control), Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• আলফানিউমেরিক কী:
- (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা।

৬,৩৫৮.
নিচের কোনটি মডিফায়ার কী?
  1. Home
  2. Insert
  3. Alt
  4. F1
ব্যাখ্যা
• কী-বোর্ড:
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrow Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
৬,৩৫৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর নয়?
  1. Spyware
  2. Firmware
  3. Ransomware
  4. Malware
ব্যাখ্যা
Firmware (ফার্মওয়্যার):
- Firmware (ফার্মওয়্যার) হলো কম্পিউটারের রমে সংরক্ষিত কতগুলো স্থায়ী নির্দেশাবলি ।
- কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার প্রস্তুতের সময় এর সেমিকন্ডাক্টর রমে কিছু স্থায়ী নির্দেশ সংরক্ষিত করে দেয়, যেগুলোকে ফার্মওয়্যার বলে।
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM BIOS হলো এক প্রকার ফার্মওয়্যার।
- BIOS- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Basic input/output system."
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।

কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রামসমূহ নিম্নরূপ:
- Trojan Horse,
- Malware,
- Spyware,
- Worms,
- Ransomware,
- Adware,
- Spam.

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৬,৩৬০.
উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. PASCAL
  2. COBOL
  3. Python
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়। 
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language), 
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language), 
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language), 
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language) এবং 
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)  । 

তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা: 
- যে প্রোগ্রামিং ভাষার প্রতীক এবং শব্দসমূহ সাধারণত গাণিতিক ও ইংরেজি ভাষার মতো এবং যা মযনুষের জন্য সহজে বোধগম্য, সেই প্রোগ্রামিং ভাষাকে উচ্চস্তরের (3G) প্রোগ্রামিং ভাষা বলে। 
- কয়েকটি জনপ্রিয় উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা হলো- C, C++, Python, FORTRAN, ALGOL, COBOL, BASIC, PASCAL, Visual Basic, PHP, Java, Javascript ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,৩৬১.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. Optical Character Recognition
  2. Scanner
  3. Optical Mark Reader
  4. Magnetic Ink Character Recognition
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• স্ক্যানার (Scanner):
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।

• এমআইসিআর (MICR):
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৬২.
কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. HTML
  2. Python
  3. SQL
  4. BASIS
ব্যাখ্যা
• Python অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:

- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৬৩.
কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি কোনটি?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) Hard disc
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি RAM.
 
র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল সৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৬৪.
মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজির নাম কী?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা
• মোবাইল নেটওয়ার্কে সাধারণত স্টার টপোলজি ব্যবহার করা হয়। এই টপোলজিতে, সমস্ত মোবাইল ডিভাইস বা নোড এক কেন্দ্রীয় হাব বা বেস স্টেশনের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি ডিভাইস সরাসরি বেস স্টেশনের সাথে যোগাযোগ করে, যার ফলে ডাটা ট্রান্সমিশন সহজ এবং দ্রুত হয়। যদি কোনো একটি ডিভাইসের সমস্যা হয়, তা নেটওয়ার্কের অন্য অংশকে প্রভাবিত করে না। স্টার টপোলজির মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবস্থাপনা, ত্রুটি নির্ণয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ অনেক সহজ হয়। এই কারণেই স্টার টপোলজি মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

সুতরাং, মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজির নাম হল — ঘ) স্টার টপোলজি।

• মোবাইল ফোন:

- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,৩৬৫.
Evan Williams নিচের কোনটির সহ প্রতিষ্ঠাতা?
  1. ক) লিংকড ইন
  2. খ) ইনস্টাগ্রাম
  3. গ) স্নাপচ্যাট
  4. ঘ) টুইটার
ব্যাখ্যা
Evan Williams, byname Ev, (born March 31, 1972, near Clarks, Nebraska, U.S.), American computer programmer who, with Jack Dorsey and Biz Stone, founded Twitter, an online microblogging service.
Source: Britannica
৬,৩৬৬.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বীকৃত কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন হলো-
  1. ক) ডট কম (.com)
  2. খ) ডট বিডি (.bd)
  3. গ) ডট বাংলা (.bangla)
  4. ঘ) ডট গভ (.gov)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বীকৃত কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন হলো- ডট বাংলা (.bangla)। প্রথমটি ডট বিডি (.bd)।
৬,৩৬৭.
প্রোগ্রামের ব্যাকরণগত ভুল বলতে কী বোঝায়?
  1. সিনট্যাক্স ভুল
  2. লজিক ভুল
  3. রান টাইম ভুল
  4. এক্সিকিউশন টাইম ভুল
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামের ভুল:
- প্রোগ্রামের ভুলকে বলে বাগ (Bug)।
- প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা-
১। সিনট্যাক্স ভুল,
২। লজিক ভুল ও
৩। রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল।

- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল।
- কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরমেট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরোর ছাপায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,৩৬৮.
কোন ধরনের হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে?
  1. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,৩৬৯.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  2. ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
  4. ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
- বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট।
- মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।

বাইট (Byte) :
- ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট।
- বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।

মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ:
- ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
- ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (1 KB)
- ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (1 MB)
- ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (1 GB)
- ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (1 TB)
- ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (1 PB)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৩৭০.
পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয় কোন অংশ?
  1. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার
  2. সার্জ সাপ্রেসর
  3. প্রধান বিদ্যুৎ উৎস
  4. ব্যাটারি চার্জার
ব্যাখ্যা

• সার্জ সাপ্রেসর পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষা দেয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ (Power Backup):
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু থাকে, সেই উদ্দেশ্যে পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- এতে সাধারণত একটি ব্যাটারি ব্যাংক থাকে।
- মেইন পাওয়ার থাকাকালে ব্যাটারি চার্জ হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে সংরক্ষিত শক্তি ব্যবহার করে যন্ত্রপাতি চালু রাখা হয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রধান অংশগুলো:
- Utility → প্রধান বিদ্যুৎ উৎস।
- EMI/RFI Filter → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমায়।
- Surge Suppressor → হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়।
- Transfer Switch → মেইন পাওয়ার ও ব্যাকআপ পাওয়ারের মধ্যে পরিবর্তন ঘটায়।
- AVR (Automatic Voltage Regulator) → ভোল্টেজ স্থিতিশীল রাখে।
- Battery Charger → ব্যাটারি চার্জ করে রাখে।
- Inverter → ডিসি বিদ্যুৎকে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- IPS (Instant Power Supply)।
- UPS (Uninterrupted Power Supply)।
- EPS (Emergency Power Supply)।
- QPS (Quick Power Supply)।

• অন্যান্য অপশন:
- ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রধান বিদ্যুৎ উৎস → এটি বিদ্যুতের মূল সরবরাহ উৎস।
- ব্যাটারি চার্জার → ব্যাটারি চার্জ করে শক্তি সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৬,৩৭১.
10110 + 11111 বাইনারি সংখ্যার যোগফল কত?
  1. ক) 11001
  2. খ) 11011
  3. গ) 110111
  4. ঘ) 110101
ব্যাখ্যা
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 0
1 + 1 = 10

বাইনারি দুইটি ১ যোগ করলে যোগফল শূন্য, হাতে থাকবে ১
বাইনারি তিনটি ১ যোগ করলে যোগফল ১, হাতে থাকবে ১ 

10110 + 11111
= 110101
৬,৩৭২.
কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Hard Disk
  4. ঘ) Compact Disk
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের প্রধান মেমরি ২ প্রকার; যথা - RAM ও ROM।
RAM - কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত। র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‌্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
ROM - রম হচ্ছে কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র। কম্পিউটার রম থেকে কেবলমাত্র তথ্য পড়তে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে। রমের স্মৃতিতে সংরক্ষিত কোন তথ্য কম্পিউটার মুছে ফেলতে পারে না বা পরিবর্তন করতে পারে না। এজন্য রমকে কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি বলা হয়। কম্পিউটারের রম যত বেশি হবে কম্পিউটার তত কঠিন কার্যপ্রক্রিয়া অতি দ্রুত সম্পাদন করতে পারবে।
উল্লেখ্য, হার্ড ডিস্ক ও সিডি - কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার শিক্ষা বই (উন্মুক্ত)।

৬,৩৭৩.
অক্টাল সংখ্যা ব্যবস্থায় কোন অঙ্ক ব্যবহার করা যায়?
  1. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7 
  2. 0, 1, 3, 5, 7, 9, 11
  3. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 9
  4. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা ব্যবস্থা হল একটি সংখ্যা পদ্ধতি যা ভিত্তি ৮ ব্যবহার করে। অর্থাৎ, এই ব্যবস্থায় ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। অন্য কোনো সংখ্যা যেমন ৮ বা ৯ এখানে থাকতে পারে না। প্রতিটি অঙ্কের মান ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, এবং ৭ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাইনারি সংখ্যাকে সহজে অক্টালে রূপান্তর করা যায়। এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে বড় বাইনারি সংখ্যাকে ছোট এবং সহজ রূপে লেখা যায়। তাই অক্টাল সংখ্যায় শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা যায়।

সঠিক উত্তর: ক) 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

৬,৩৭৪.
32-বিট অপারেটিং সিস্টেম প্রবেশ করতে পারে-
  1. ক) 232 memory addresses
  2. খ) 264 memory addresses
  3. গ) 286 memory addresses
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

একটি 32-বিট অপারেটিং সিস্টেম 232 বা 4,294,967,296টি মেমরি অ্যাড্রেসে অ্যাক্সেস করতে পারে।
অর্থাৎ, 4গিগাবাইট র‍্যাম বা Physical Memory আদর্শভাবে 4 গিগাবাইটেরও বেশি র‍্যাম অ্যাক্সেস করতে পারে।

একটি 64-বিট অপারেটিং সিস্টেম 264 বা 18,446,744,073,709,551,616 (18 ট্রিলিয়ন) মেমরি অ্যাড্রেসে অ্যাক্সেস করতে পারে।

৬,৩৭৫.
MS Office এর কোন সফটওয়্যার ডেটাবেজ নিয়ে কাজ করে?
  1. MS Groove
  2. MS Access
  3. MS Infopath
  4. MS Powerpoint
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সেস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায় ।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৩৭৬.
ইন্টারনেটে "স্প্যাম" শব্দটি সাধারণত কোন ধরনের বার্তাকে বোঝায়?
  1. সরকারী ঘোষণা বহনকারী বার্তা
  2. প্রয়োজনীয় তথ্যবহুল বার্তা
  3. অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রেরিত অবাঞ্ছিত বার্তা
  4. কেবলমাত্র ক্ষতিকারক ভাইরাসযুক্ত ইমেইল
ব্যাখ্যা

• স্প্যাম: 
- স্প্যাম হলো অনাকাঙ্ক্ষিত ইলেকট্রনিক বার্তা।
- সাধারণত ই-মেইলের মাধ্যমে স্প্যাম বেশি ছড়ানো হয়। 
- তবে ব্লগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, নিউজগ্রুপ ও মোবাইল ফোনেও স্প্যাম বার্তা পাঠানো হয়।
- বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন বা প্রচারের উদ্দেশ্যে নিজেরা বা কয়েকটি সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্প্যাম ছড়ানো হয়। 
- যদিও স্প্যামকে অনেকেই অপছন্দ করে তবুও এটি একটি জনপ্রিয় বিপণন কৌশল।
- কারণ স্প্যাম পাঠানোর খরচ খুবই কম এবং এর জন্য দায়বদ্ধতা খুব কম থাকে।
- বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে ইন্টারনেটে প্রচলিত ই-মেইলের প্রায় ৫০% স্প্যাম।

তথ্যসূত্র: Britannica. 

৬,৩৭৭.
সিরিয়াল পোর্টে কয়টি পিন থাকে?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৯
  3. গ) ১৫
  4. ঘ) ২৫
ব্যাখ্যা
পোর্ট (Port)
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port)
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৩৭৮.
ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিল?
  1. রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর
  2. বিল গেটস এবং পল অ্যালেন
  3. স্টিভ জবস এবং স্টিভ ওজনিয়াক
  4. ল্যারি পেজ এবং সার্গেই ব্রিন
ব্যাখ্যা
• ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর। তারা ১৯৬৮ সালে ইন্টেল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন, যা বিশ্বজুড়ে মাইক্রোপ্রসেসর এবং অন্যান্য সেমিকন্ডাক্টর চিপ তৈরিতে নেতৃত্ব দেয়। রবার্ট নয়েস ও গর্ডন মুর আধুনিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাধারা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার কারণে ইন্টেল দ্রুত একটি সফল কোম্পানিতে পরিণত হয়। ইন্টেল বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানি হিসেবে পরিচিত। সুতরাং, ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর।
- সঠিক উত্তর: ক) রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর।

• ইন্টেল কর্পোরেশন:
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- Intel - 4004 হলো ইনটেল তৈরিকৃত এবং বানিজ্যিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।
- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

উৎস: Intel এর ওয়েবসাইট।
৬,৩৭৯.
কোনটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. ক) ওয়ার্ড প্রসেসিং
  2. খ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
  3. গ) অনুবাদক প্রোগ্রাম
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
•  কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার প্রধানত দুইপ্রকার।
   i) সিস্টেম সফটওয়্যার ও
   ii) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• অ্যাপ্লিকেশন বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার আবার দু প্রকার। যথা:
    i) প্যাকেজ প্রোগ্রাম ও
    ii) কাস্টোমাইজড সফটওয়্যার।

• প্যাকেজ প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীদের কাজের ধরন ও চাহিদার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।
ডেটাবেজ, ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশীট, গ্রাফিক্স ইত্যাদি প্যাকেজ প্রোগ্রামের উদাহরণ।

• অন্যদিকে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম, অনুবাদক প্রোগ্রাম ও অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা : এসএসসি প্রোগ্রাম – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৩৮০.
POST means
  1. Proper Operating Service Terminal
  2. Post Office Sale Terminal
  3. Point of Sale Terminal
  4. None of the Above
ব্যাখ্যা
'POST' এর পূর্ণরূপ- Power-On Self Test.
- Power-On Self Test হল একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া,  যখন কম্পিউটারটি প্রথম চালু বা রিবুট করা হয় তখন কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়।
- এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করা এবং যাচাই করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৬,৩৮১.
গুগলের ক্লাউড সেবা চালু হয় কত সাল থেকে?
  1. ক) ২০০৬ সাল
  2. খ) ২০০৮ সাল
  3. গ) ২০১০ সাল
  4. ঘ) ২০১১ সাল
ব্যাখ্যা
ক্লাউড সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান :

- অ্যামাজন এর AWS (৩ মার্চ, ২০০৬)।
- গুগুল এর Google Cloud Platform (৭ এপ্রিল, ২০০৮)।
- মাইক্রোসফট এর Azure (১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)।
- অ্যাপল এর iCloud (১২ অক্টোবর, ২০১১)।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।
৬,৩৮২.
বিশ্বের প্রথম গণনাকারী যন্ত্র কোনটি?
  1. ক) নেপিয়ারের অস্থি
  2. খ) এবাকাস
  3. গ) ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  4. ঘ) এনিয়াক
ব্যাখ্যা
ধারণা করা হয় ব্যাবিলনে ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বে এবাকাস নামক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করা হয়৷ এবাকাসকেই প্রথম গণনাযন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়৷ অপশনগুলোর মধ্যে বাকিগুলো কম্পিউটারের ইতিহাসের সাম্প্রতিকতম আবিষ্কার৷
৬,৩৮৩.
PC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Private Computer
  2. খ) Prime Computer
  3. গ) Personal Computer
  4. ঘ) Professional Computer
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৬,৩৮৪.
WWW-এ কোন প্রটোকলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. DHCP
ব্যাখ্যা
WWW-এ HTTP প্রটোকলটি ব্যবহৃত হয়।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার নিয়ে গঠিত।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৮৫.
EBCDIC কোডটি কত বিটের বিসিডি কোডের সম্প্রসারিত সংস্করণ?
  1. 4-বিট
  2. 6-বিট
  3. 7-বিট
  4. 8-বিট
ব্যাখ্যা
• EBCDIC কোডটি আট বিটের বিসিডি কোডের সম্প্রসারিত সংস্করণ।

• ইবিসিডিক কোড:
- ৮-বিট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১, A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০ এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৬,৩৮৬.
'LTE' মোবাইল কমিনিউনিকেশন সিস্টেমের কোন প্রজন্মের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
LTE (Long Term Evolution)
- LTE (Long Term Evolution) হলো সেলুলার স্ট্যান্ডার্ড ভিত্তিক একটি 4G মোবাইল সিস্টেম যা ৩২৬ মেগাবিট/সেকেন্ড পিক বিট রেট (Peak bit rate) প্রদান করে।
- এটি WiMax বা Flash-OFDM ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ভিত্তিকও হতে পারে যা মোবাইল ব্যবহারকারীদের ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেসে ২৩৩ মেগাবিট/সেকেন্ড গতিতে প্রবেশে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৬,৩৮৭.
Which company developed the robot “ASIMO”?
  1. Samsung
  2. Murata Company
  3. Sony Corporation
  4. Honda Company
ব্যাখ্যা

• “ASIMO” রোবটটি Honda Company দ্বারা নির্মিত।

• আসিমো (ASIMO) রোবট:
- ASIMO হলো মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম একটি উন্নত humanoid robot.
- এটি হাঁটা, দৌড়ানো, সিঁড়ি ভাঙা, হাত নড়াচড়া করা এবং মানুষের সাথে interaction করতে পারে।

• আসিমো রোবটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান:
- ASIMO রোবটটি তৈরি করেছে Honda Company.
- Honda মূলত একটি জাপানি automobile ও technology–ভিত্তিক কোম্পানি।
- Robotics research–এর অংশ হিসেবে Honda এই রোবটটি উন্নয়ন করে।

• রোবটিক্স (Robotics):
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে যন্ত্র মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম, তাকে রোবট (Robot) বলা হয়।
- যে প্রযুক্তি শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, নিয়ন্ত্রণ ও কার্যপ্রণালি নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স (Robotics) বলা হয়।

• রোবটিক্স প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- রোবটিক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের সঠিক পরিচালনা, চলাচলের ক্ষমতা এবং শারীরিক মুভমেন্ট বিকশিত হয়েছে।
- রোবটিক্স প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারা ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে।

• রোবটের সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা:
- রোবট অত্যন্ত দ্রুতগামী, ক্লান্তিহীন ও নিখুঁত কর্মক্ষম যন্ত্র।
- রোবটের সাহায্যে মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করা সম্ভব।
- তবে রোবট তৈরি করা একটি ব্যয়বহুল ও শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া।

• অন্যান্য অপশন:
- Sony Corporation “AIBO” নামের robot তৈরি করেছে।
- Murata Company “Murata Boy” নামের robot তৈরি করেছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৮৮.
(A1D.FC)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান-
  1. 1557.385
  2. 5035.770
  3. 5345.71
  4. 5103.70
ব্যাখ্যা
(A1D.FC)16=(5035.770)

হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতলা 4 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটি ৩বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্টাল মান বসালে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্টাল মান পাওয়া যায়।




সুতরাং, (A1D.FC)16=(5035.770)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৮৯.
(10110110)2 = (?)16
  1. B6
  2. A7
  3. C5
  4. D2
ব্যাখ্যা
(10110110)2 = (?)16
৬,৩৯০.
ট্রানজিস্টরের ব্যবহার কম্পিউটারের কোন জেনারেশনের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ১ম 
  2. ২য় 
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

◉ ট্রানজিস্টর ভিত্তিক কম্পিউটার কম্পিউটার জেনারেশনের ইতিহাসে দ্বিতীয় প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত। এই যুগের মূল বৈশিষ্ট্য ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার। 

দ্বিতীয় প্রজন্ম: 
- ১৯৫২ থেকে ১৯৬৪ এ সময়কালকে দ্বিতীয় প্রজন্মের সময়কাল ধরা হয়।
- ১৯৪৭ সালে জন বারডিন, উইলিয়াম শকলে এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর (Transistor) আবিষ্কার করেন।
- ভ্যাকুয়াম টিউবের চেয়ে ট্রানজিস্টর আকারে অনেকগুণ ছোট।
- ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় প্রজন্মের (Second generation) কম্পিউটার।
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়াতে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে আকারে ছোট হয়ে আসে।

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য-
১) এটি আকারে ছোট।
২) ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
৩) এতে বিদ্যুৎ খরচ কম হয় এবং সময়ও কম লাগে ৷
৪) প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটরের তুলনায় এটি দামে সস্তা।
৫) এটি প্রথম প্রজন্মেব কম্পিউটবের তলনাষ দ্রুত গতি সম্পন্ন।
৬) তাপ সমস্যার অবসান, গতি ও নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।
৭) অভ্যন্তরীণ স্মৃতি হিসাবে চুম্বকীয় কোরের ব্যবহার।
৮) FORTRAN, CÖBOL ভাষার প্রচলন শুরু। উদাহারণ: IBM-1400 1401, IBM-1600, 1620, RCA 501, NCR-300, GE-200 ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, কম্পিউটার ও এর বির্বতন, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৬,৩৯১.
মেমোরি ভাগ করা হয়েছে ___
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• মেমোরির শ্রেণীবিভাগ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory),
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) এবং 
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)। 

প্রধান মেমোরি:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে। এ ধরনের মেমোরিতে তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রধান মেমোরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমোরিও বলা হয়। এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে। 
- প্রধান মেমরির অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ড বা তার কম সময় হয়ে থাকে। র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমোরির উদাহরণ। 

সহায়ক মেমোরি:
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য বা প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ। 

ইন্টারনাল মেমরি
বিভিন্ন ধরণের কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯২.
কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম রাখতে
  2. অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে
  3. পর্দায় আউটপুট প্রদর্শন করতে
  4. হার্ডওয়্যার ডিভাইস যুক্ত করতে
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার মূলত অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টার হলো সিপিইউ’র ভেতরে অবস্থিত অতিদ্রুত গতির মেমোরি লোকেশন, যা প্রসেসরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও ডেটা মুহূর্তের মধ্যে প্রক্রিয়া করার সুযোগ দেয়। যখন কোনো প্রোগ্রাম চালানো হয়, তখন মূল মেমোরি (RAM) থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা রেজিস্টারে আনা হয় এবং এখান থেকেই সিপিইউ তা প্রক্রিয়াকরণ করে। রেজিস্টার সাধারণত খুব ছোট আকারের হলেও এর কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত। স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম সংরক্ষণ, আউটপুট প্রদর্শন বা হার্ডওয়্যার যুক্ত করার জন্য এটি নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৯৩.
সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকা কম্পিউটারকে কি বলে?
  1. ক) প্লে স্টেশন
  2. খ) ওয়ার্ক স্টেশন
  3. গ) সার্ভার স্টেশন
  4. ঘ) আলট্রা স্টেশন
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ক স্টেশন:

- মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে অধিক দ্রুত কম্পিউটার হলো ওয়ার্ক স্টেশন।
- সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকেই ওয়ার্ক স্টেশন বলে।
- ভিডিও সম্পাদনা, এনিমেশন, সিমুলেশন প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সান Ultra-60 হলো জনপ্রিয় একটি ওয়ার্ক স্টেশন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯৪.
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ নিচের কোনটির প্রতিষ্ঠাতা?
  1. উইকিপিডিয়া
  2. ফ্যান্সিবিয়ার
  3. উইকিলিকস
  4. লকবিট
ব্যাখ্যা
WikiLeaks:
- জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার এবং হ্যাকার।
- উইকিলিকস হলো একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থা যা বিভিন্ন গোপন নথিপত্র ফাঁসের জন্যে আলোচিত।
- কিশোর বয়সে, তিনি কম্পিউটারের সাথে একটি অদ্ভুত দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন, এবং হ্যাকিং ডাকনাম "মেন্ডাক্স" ব্যবহার করে তিনি NASA এবং পেন্টাগন সহ বেশ কয়েকটি সুরক্ষিত সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করেছিলেন।
- ১৯৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ তাকে ৩১ টি সাইবার অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করে
- ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০৭ সালে এটি অফিসিয়ালি চালু হয়।
- ২০১২ সালের জুনে অ্যাসাঞ্জ লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।
- সম্প্রতি তিনি কারামুক্ত হয়েছেন।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা [লিঙ্ক]
২. সিএনএ পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,৩৯৫.
বিটম্যাপ প্রযুক্তির বাংলা লেখার সফটওয়্যার নিচের কোনটি?
  1. শহীদবর্ণ
  2. লিপিকার
  3. শহীদলিপি
  4. শহীদফন্ট
ব্যাখ্যা
- তথ্যপ্রযুক্তির উন্মেষকালে লন্ডনে বসে সাইফুদ্দাহার শহীদ নিজে প্রোগ্রামিং করে কম্পিউটারে বাংলা লেখার সফটওয়্যার ‘শহীদলিপি’ তৈরি করেন।
-১৯৮৫ সালে তিনি এটি বাজারজাত করেন। এটি ছিল অ্যাপল ম্যাকিন্টশ কম্পিউটারে বাংলা লেখার সফটওয়্যার। প্রথমে শহীদলিপির ফন্ট ছিল বিটম্যাপ প্রযুক্তির, যা দিয়ে প্রকাশনার কাজ করা যেত না।
- পরবর্তী সময়ে শহীদলিপির জন্য ‘লেজার’ প্রযুক্তির ফন্ট তৈরি করেন সাইফুদ্দাহার শহীদ। গত ৯ জানুয়ারি, তিনি পরলোকগমন করেন।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,৩৯৬.
Which term is not used to describe the memory component of a computer?
  1. ক) ROM
  2. খ) PROM
  3. গ) RAM
  4. ঘ) SAM
ব্যাখ্যা

Sequential access memory (SAM) : is data storage devices that read stored data in a sequence. This is in contrast to RAM where data can be accessed in any order. SAM devices are usually a form of magnetic storage.
So it is not a memory component of a PC, it is a secondary storage devices.

৬,৩৯৭.
কোন কার্ডের বিপরীতে ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া যায়?
  1. ডেবিট কার্ড
  2. এটিএম কার্ড
  3. স্মার্ট কার্ড
  4. ক্রেডিট কার্ড
ব্যাখ্যা
- ক্রেডিট কার্ড এমন এক ধরনের কার্ড যার দ্বারা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ধারে পণ্য কেনাবেচা থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। 
- সাধারণত ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহককে এ ধরনের কার্ড সরবরাহ করে।
- এই ঋণ গ্রহণের জন্য ব্যাংককে বাৎসরিক একটি নির্দিষ্ট হারে চার্জ প্রদান করতে হয়। 
- বিশ্বে বর্তমানে ভিসা, মাস্টার কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস প্রভৃতি ক্রেডিট কার্ড প্রচলিত আছে।
৬,৩৯৮.
ইনপুট ডিভাইস হিসেবে মাইক্রোফোন কী কাজ করে?
  1. ফাইল সংরক্ষণ করে
  2. ডকুমেন্ট প্রিন্ট করে
  3. টেক্সট দেখায়
  4. শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোফোন একটি ইনপুট ডিভাইস, যা শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এটি ব্যবহারকারীর কণ্ঠ বা আশেপাশের শব্দ গ্রহণ করে এবং সেগুলোকে ইলেকট্রনিক সিগনালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এই প্রক্রিয়ায় অ্যানালগ শব্দ তরঙ্গগুলোকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করা হয়, যা কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষিত হতে পারে। মাইক্রোফোন সাধারণত ভয়েস রেকর্ডিং, অনলাইন মিটিং, গেম খেলার সময় যোগাযোগ এবং ভয়েস কমান্ড গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯৯.
কোন ধরনের নেটওয়ার্ক ছোট এরিয়াতে ব্যবহৃত হয়?
  1. MAN
  2. WAN
  3. CAN
  4. LAN
ব্যাখ্যা
LAN ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে তিনভাগে ভাগ করা যায়।

১। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
২। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৩। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
উদাহরণ:
একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
উদাহরণ:
ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
উদাহরণ:
ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪০০.
What is the shortcut-key for manual line break?
  1. Alt + Enter
  2. Space + Enter
  3. Dlt+ Enter
  4. Shift + Enter
ব্যাখ্যা
Shift + Enter is the shortcut-key for manual line break.

MS Powerpoint Shortcut Keys:
• Create a new presentation - Ctrl+N
• Add a new slide - Ctrl+M
• Apply bold formatting to the selected text - Ctrl+B
• Open the Font dialog box - Ctrl+T
• Cut selected text, object, or slide - Ctrl+X
• Copy selected text, object, or slide - Ctrl+C
• Paste cut or copied text, object, or slide - Ctrl+V
• Insert a hyperlink - Ctrl+K
• Insert a new comment - Ctrl+Alt+M
• Undo the last action - Ctrl+Z
• Redo the last action - Ctrl+Y
• Shortcut key to start a presentation from the beginning?- F5
• End the slide show - Esc
• Print a presentation - Ctrl+P
• Save the presentation - Ctrl+S
• Close PowerPoint - Ctrl+Q
• Open a presentation- Ctrl+O
• Close a presentation - Ctrl+D

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।