বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৬১ / ১৩১ · ৬,০০১৬,১০০ / ১৩,০৮৮

৬,০০১.
ন্যানোটেকনোলজি কোন স্কেলে কাজ করে?
  1. পারমাণবিক স্কেল
  2. মিটার স্কেল
  3. আণবিক স্কেল
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা
ন্যানোটেকনোলজি পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে কাজ করে।

ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ "nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানোপ্রযুক্তির জনক বলা হয়।
- ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- অর্থাৎ, ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,০০২.
বাইনারি পদ্বতিতে ১১০০১০১ এর সাথে ১০১০১০১ যোগ কর।
  1. ক) ১০০১১১০
  2. খ) ১০০১১০১০
  3. গ) ১০১১১০১০
  4. ঘ) ১০১০১০১১
ব্যাখ্যা
দশমিক পদ্ধতির মত একই উপায়ে বাইনারি যোগ করা হয়। দুটি বাইনারি অংক যোগের চারটি নিম্নরূপ অবস্থা হয়
0+0=0
0+1=1
১+০=১
১+১ = ০ এবং এর সাথে হাতে ১ থাকবে। (হাতে থাকাকে ক্যারি বলে)
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির যোগ হচেছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ গাণিতিক প্রক্রিয়া। কম্পিউটারসহ প্রায় সব ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রেই যোগের সাহায্যে বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করা হয়। যেমন পর্যায়ক্রমে যোগের মাধ্যমে গুণ করা যায়। আবার ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যার সাথে যোগের মাধ্যমে বিয়োগ করা হয়। আর ভাগ হলো বিয়োগেরই সংক্ষিপ্ত রূপ।
কাজেই শুধুমাত্র যোগের সার্কিট ব্যবহার করে অন্যান্য গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। ফলে সার্কিটের সরলতা বৃদ্ধিতে ইহা খুবই সহায়ক।
 
উদাহরণ:
১১০০১০১ এর সাথে ১০১০১০১ যোগ:
   ১১০০১০১
+ ১০১০১০১
-------------
  ১০১১১০১০
 
৬,০০৩.
নিচের কোনটি দেখতে বুলেটিন বোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. স্কুল-কলেজের নোটিশ বোর্ড
  2. কম্পিউটারের মাদারবোর্ড
  3. মাইক্রোচিপ
  4. কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা
• বুলেটিন বোর্ড:
- ইলেকট্রনিক বুলেটিন বোর্ড ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন প্রদানের জন্য ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা যেখানে কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
- এটির ব্যবহার অনেকটা অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা সুপার মার্কেটে ব্যবহৃত বুলেটিন বোর্ডের মতো যেখানে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য, নোটিশ, ক্রয় বিক্রয়ের বিজ্ঞাপন, ব্যক্তিগত সংবাদ ইত্যাদি ডিজিটাল উপায়ে প্রদর্শিত হয়।
- বুলেটিন বোর্ড পরিচালনায় বিশেষ সফটওয়্যার প্রয়োজন যা অন্যান্য কম্পিউটার থেকে আসা কলের জবাব প্রদান, অন্যান্য কম্পিউটার কর্তৃক প্রদত্ত সংবাদ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং ব্যবহারকারীদের জন্য বুলেটিন বোর্ডের ফাইলপত্র ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
- এছাড়াও বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন বা বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে সংশ্লিষ্ট সেবা সম্পর্কিত তথ্য প্রদর্শ্ন ও প্রচারে বুলেটিন বোর্ডের ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,০০৪.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এ ব্যবহৃত হয়না কোন প্রোগ্রামিং ভাষাটি?
  1. JAVA
  2. Python
  3. Perl
  4. LISP
ব্যাখ্যা
• Perl একটি উচ্চস্তরের ডাইনামিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। তবে এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত হয়না।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা।
- ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থী সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৬,০০৫.
নিচের কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
  1. Operating system
  2. CPU
  3. Keyboard
  4. Hard disk
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ।
- Operating System ও সফটওয়্যার এর অন্তর্ভূক্ত।

হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, হার্ড ডিক্স, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৬.
ই-ব্যাংকিং এর সূচনা হয় কোন দেশে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ডেনমার্ক
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
ই-ব্যাংকিং: 
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বলে।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে। 
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম 'National Cash Dispenser Network' ব্যবহার শুরু করে।  
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Loyd’s Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে। 
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৭.
কোন বৈশিষ্ট্য স্মার্টওয়াচকে সঠিক পথনির্দেশ বা নেভিগেশনে সবচেয়ে কার্যকর করে তোলে?
  1. হার্ট রেট মনিটর
  2. বিল্ট-ইন ম্যাপ এবং জিপিএস ট্র্যাকিং
  3. স্টপওয়াচ
  4. ব্লুটুথ কলিং
ব্যাখ্যা

• স্মার্টওয়াচে নেভিগেশনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হলো বিল্ট-ইন ম্যাপ এবং জিপিএস ট্র্যাকিং।
- জিপিএস সেন্সর স্যাটেলাইট থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে ব্যবহারকারীর সঠিক অবস্থান (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ) নির্ণয় করে এবং স্ক্রিনে থাকা ম্যাপের মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছানোর সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে।

• স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- সময় বলার পাশাপাশি স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন। প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে এবং যা পরিধানকারীর স্মার্টফোনের ক্ষমতা তাঁর ঘড়িতে প্রসারিত করতে সক্ষম।
- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতেও পারে। তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে।
- 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

• স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার:
- বিভিন্ন স্বাস্থ্য তথ্য যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা, রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
- ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা প্রদান করেন।
- স্মার্টফোনের মতোই মেসেজিং এবং কলিং ফিচার।
- ব্যবহারকারী কোন বিপদে পড়লে জরুরি বার্তা প্রদান করতে পারে।
- মানচিত্র, কম্পাস, altimeter এবং জিপিএস ট্র্যাকিং এর সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Britannica [লিংক] 

৬,০০৮.
PayPal কোন দেশ ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
PayPal:
- PayPal যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।
- এটি Online Money Transfer সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এটি ইন্টারনেটে অর্থের স্থানান্তর বা হাতবদল করার ক্ষেত্রে সহায়তা দিয়ে থাকে।
- প্রেসিডেন্ট: Dan Schulman।
- সিইও: Alex Chriss।
- সদরদপ্তর: স্যান জোস, ক্যালিফর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ক্যালিফর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: PayPal ওয়েবসাইট।
৬,০০৯.
MS Excel কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. Spreadsheet Software
  2. Word Processor
  3. Presentation Software
  4. Database Management System
ব্যাখ্যা

• MS Excel একটি Spreadsheet Software। এটি মূলত টেবিল আকারে তথ্য সংরক্ষণ, গণনা, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন ধরণের রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এক্সেলে সারি (Row) এবং কলামের (Column) মাধ্যমে সেল (Cell) গঠিত হয় যেখানে তথ্য প্রবেশ করানো যায়। ব্যবহারকারীরা সহজেই যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগসহ জটিল গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত কাজ করতে পারেন। এছাড়াও চার্ট, গ্রাফ এবং ডেটা ভিজুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে তথ্যকে সহজভাবে উপস্থাপন করা যায়। এক্সেল ডেটা বিশ্লেষণ, বাজেট তৈরি, হিসাবরক্ষণ এবং বিভিন্ন অফিস কার্যক্রমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হিসেবেই পরিচিত।

• মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel):
- মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) একটি শক্তিশালী স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি।
- এটি ডেটা ম্যানেজমেন্ট, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনার জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
- MS Excel অফিস প্যাকেজের অংশ এবং ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত কাজের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়।

• প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- স্প্রেডশিট গঠন:
- MS Excel টেবিল আকারে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহার করা হয়। এটি সারি ও কলাম দ্বারা গঠিত।

- ফর্মুলা ও ফাংশন:
- এক্সেলে অনেক বিল্ট-ইন ফাংশন যেমন SUM, AVERAGE, VLOOKUP, IF ইত্যাদি রয়েছে, যা জটিল গণনার কাজকে সহজ করে।

- ডেটা বিশ্লেষণ:
- MS Excel ডেটা ফিল্টারিং, সাজানো এবং বিশ্লেষণের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

- চার্ট ও গ্রাফ:
- ব্যবহারকারীরা সহজেই চার্ট ও গ্রাফ তৈরি করে ডেটার ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা করতে পারেন।

- ডেটা সুরক্ষা:
- পাসওয়ার্ড দিয়ে ফাইল সুরক্ষিত করার সুবিধা রয়েছে।

- পিভট টেবিল:
- ডেটা বিশ্লেষণের জন্য পিভট টেবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল, যা ডেটাকে সহজে উপস্থাপন করে।

• ব্যবহারক্ষেত্র:
- ব্যবসায়িক পরিকল্পনা: বিক্রয় বিশ্লেষণ, বাজেট তৈরি ইত্যাদির জন্য।
- শিক্ষা: ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ডেটা বিশ্লেষণ ও অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে।
- গবেষণা: ডেটা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণে।
- প্রতিদিনের কাজ: ব্যক্তিগত বাজেট এবং টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন:

1. Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- MS Word,
- Word Note.

2. Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Qrater Pro,
- Google Sheets.

3. Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০১০.
কোনটি কন্ট্রোল ইউনিট সম্পর্কে সত্য?
  1. মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
  2. লজিক্যাল ক্যালকুলেশন করে
  3. প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  4. ALU এর সমতুল্য
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (CU) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা CPU-এর অন্যান্য উপাদানগুলোকে পরিচালনা এবং সমন্বয় করে। এটি মূলত মেমরি, ইনপুট/আউটপুট (I/O) ডিভাইস এবং Arithmetic Logic Unit (ALU)-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুযায়ী ঠিকমতো কাজ করতে পারে। CU নিজে কোনো লজিক্যাল ক্যালকুলেশন বা গণনা করে না; এটি শুধু নির্দেশাবলী পড়ে এবং সেগুলো কার্যকর করার জন্য সিগন্যাল পাঠায়। এটি প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না, বরং প্রোগ্রামকে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করে। ALU-এর সমতুল্য নয়, কারণ ALU গণনা ও লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদন করে, যেখানে CU প্রধানত নির্দেশনামূলক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। 

​কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৬,০১১.
সিপিইউ-এর কোন অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে?
  1. নিয়ন্ত্রণ অংশ
  2. স্মৃতি অংশ
  3. গাণিতিক যুক্তি অংশ
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) হচ্ছে কম্পিউটারের ক্যালকুলেটর স্বরূপ। এই অংশ সকল গাণিতিক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে থাকে।

• সিপিইউ (CPU):

- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর গঠন:
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০১২.
ডিজিটাল কম্পিউটার কয় ধরনের?
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রকারভেদ:
কম্পিউটার প্রধানত ৩ প্রকার। যথা-
১) এনালগ কম্পিউটার,
২) ডিজিটাল কম্পিউটার ও
৩) হাইব্রিড কম্পিউটার।

ডিজিটাল কম্পিউটার ৪ ধরনের। যথা-
১) সুপার কম্পিউটার,
২) মেইনফ্রেম কম্পিউটার,
৩) মিনি কম্পিউটার ও
৪) মাইক্রো কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০১৩.
ডেটাবেজের কুয়েরিকৃত ডেটাকে সামারি আকারে উপস্থাপন করা হয় কোন কুয়েরির মাধ্যমে?
  1. ক) Select
  2. খ) Crosstab
  3. গ) Parameter
  4. ঘ) Action
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজের কুয়েরিকৃত ডেটাকে সামারি আকারে উপস্থাপন করা হয় Crosstab কুয়েরির মাধ্যমে।

কুয়েরি (Query): ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।
- সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query): কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়।
- প্যারামিটার কুয়েরি (Parameter Query): ডায়লগ বক্সের তথ্য পূরণ করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে প্যরামিটার কুয়েরি বলে।
- ক্রসট্যাব কুয়েরি (Cross tab Query): শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য যে কুয়েরি করা হয় তাকে, ক্রসট্যাব কুয়েরি বলে।
- অ্যাকশন কুয়েরি (Action Query): কোনো কুয়েরি যখন ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করে তাকে অ্যাকশন কুয়েরি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Microsoft Support Website.
৬,০১৪.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) GE-200
  2. খ) IBM-650
  3. গ) UNIVAC-1
  4. ঘ) IBM-709
ব্যাখ্যা

GE-200 একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

- অপরদিকে, IBM-650, IBM-709 এবং UNIVAC-1 ছিল প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য-
১.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলিতে ভ্যাকুয়াম টিউব এর পরিবর্তে ট্রানজিস্টর এর ব্যবহার এর ফলে কম্পিউটার গুলি আকারে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে কিছুটা ছোট ছিল
২.পূর্বের কম্পিউটার গুলি থেকে এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলির বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বেশি ছিল
৩.পূর্বের কম্পিউটার গুলির থেকে এই কম্পিউটারের গতি ছিল অনেক বেশি
৪.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলিতে অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ হতো হতো

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৬,০১৫.
ATM এ কোন ধরণের কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. সার্ভার কম্পিউটার
  2. এমবেডেড কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ATM এ এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

• এম্বেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এম্বেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি ক্যাবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,০১৬.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. ডিজিটাল ক্যামেরা
  2. স্ক্যানার
  3. OMR
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ক্যামেরা, স্ক্যানার, OMR, ওয়েবক্যাম প্রভৃতি ইনপুট ডিভাইস।
টাচ স্ক্রিন হচ্ছে ইনপুট - আউট পুট ডিভাইস।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২০ ও ২১।
৬,০১৭.
গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী, ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের জন্য কোন প্রযুক্তিটি Distributed Computing এর একটি দৃষ্টান্ত?
  1. Remote Sensing
  2. Cloud Computing
  3. Remote Invocation
  4. Private Computing
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল, যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:

১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস):
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্য পেমেন্ট করতে হবে।

- বৈশিষ্ট থেকে বলা যায় গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী, ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের জন্য কোন প্রযুক্তিটি Distributed Computing এর একটি দৃষ্টান্ত হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
৬,০১৮.
নিচের কোনটি non-volatile স্টোরেজ প্রযুক্তি?
  1. RAM
  2. NAND flash memory
  3. Cache Memory
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
NAND flash memory is a type of non-volatile storage technology that does not require power to retain data. An important goal of NAND flash development has been to reduce the cost per bit and to increase maximum chip capacity so that flash memory can compete with magnetic storage devices, such as hard disks. NAND flash has found a market in devices to which large files are frequently uploaded and replaced. MP3 players, digital cameras and USB flash drives use NAND technology.

source - TechTarget website
৬,০১৯.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Microsoft Edge
  2. খ) Ubuntu
  3. গ) Avast
  4. ঘ) Google drive
ব্যাখ্যা
System সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের জন্য আবশ্যক। 
যেমন, Microsoft Edge, internet ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত্ত হয়, কিন্তু এটি না থাকলে যে কোন কম্পিউটার  চালাতে অসুবিধা হয় না। 
কিন্তু কোন কম্পিউটারের যদি অপারেটিং সিস্টেম (সিস্টেম সফটওয়্যার ) না থাকে ,তাহলে এটি ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। 
যেহেতু Ubuntu একটি অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সিস্টেম সফটওয়্যার। 
৬,০২০.
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেমকে প্রতারণা করে বেআইনিভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য কোন প্রোগ্রাম ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে?
  1. Phishing
  2. Sneaking
  3. Spoofing
  4. Pamming
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেমকে প্রতারণা করে বেআইনিভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য এমন একটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় যা ভুয়া তথ্য প্রদর্শন করে এবং বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে। এটি মূলত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে তারা সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা প্রদান করে। এই ধরনের আক্রমণকে Spoofing বলা হয়। Spoofing-এ হ্যাকার প্রায়ই একটি ভুয়া আইপি ঠিকানা, ইমেইল, বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ভুক্তভোগীকে বিশ্বাস করায় যে তারা নির্ভরযোগ্য উৎসের সাথে যোগাযোগ করছে। এর ফলে সিকিউরিটি সিস্টেমকে প্রতারিত করা সম্ভব হয় এবং অগোচরে তথ্য চুরি বা সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ ঘটানো যায়।

- সঠিক উত্তর: গ) Spoofing.

স্ফুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

ফিশিং (Phishing): 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
 
স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
 স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে। 
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬,০২১.
যে স্মৃতিতে তথ্য শুধু পাঠ করা যায় কিন্তু নতুন তথ্য সংযোজন করা যায় না তাকে কি বলে?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) CD
  4. ঘ) DVD
ব্যাখ্যা

ROM এ তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়। এতে কোন তথ্য যুক্ত করা যায় না। RAM এ তথ্য মুছে ফেলে নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মাহবুবুর রহমান)

৬,০২২.
মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কোন ধরনের কম্পিউটার তৈরি শুরু হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. পার্সোনাল কম্পিউটার
  4. অ্যানালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• পার্সোনাল কম্পিউটার—মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার ছোট, সাশ্রয়ী ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে।

• মাইক্রোপ্রসেসর ও কম্পিউটারের অগ্রগতি:
- ইলেকট্রনিকসের দ্রুত উন্নতির সাথে সাথে কম্পিউটারের অগ্রগতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- ১৯৭১ সালে IC (Integrated Circuit) এবং LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির ভিত্তিতে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে কম্পিউটার তৈরিতে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটে।
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার শুরু হয় এবং পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) নির্মাণের পথ উন্মুক্ত হয়।
 
• মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের প্রভাব:
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে—
- কম্পিউটারের আকার ছোট হয়,
- দাম কমে যায়,
- বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়।
- এর ফলে কম্পিউটারের—
- কাজ করার ক্ষমতা,
- কাজের গতি,
- নির্ভরযোগ্যতা,
- বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
 
• মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার:
- যুক্তরাষ্ট্রের Intel কোম্পানি সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করে।
- এই আবিষ্কার আধুনিক কম্পিউটার যুগের সূচনা করে এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৬,০২৩.
(12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?
  1. ক) 1100
  2. খ) 0100
  3. গ) 0011
  4. ঘ) 1010
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?

সমাধান:
(12)10 = (1100)2

1100 এর 1 এর পরিপূরক = 0011
৬,০২৪.
OS-এর মূল কম্পোনেন্ট কী নামে পরিচিত?
  1. কার্নেল
  2. চিপ
  3. বায়োস
  4. শেল
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের (OS) মূল কম্পোনেন্টকে কার্নেল (Kernel) নামে পরিচিত। কার্নেল হলো OS-এর অন্তর্নিহিত অংশ, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে কাজ করে এবং সিস্টেমের বিভিন্ন রিসোর্স যেমন CPU, মেমরি, ডিভাইস ইত্যাদিকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে। এটি প্রোগ্রাম এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর কাজ করে, যাতে ব্যবহারকারীর প্রোগ্রাম নিরাপদ ও কার্যকরভাবে চলতে পারে। কার্নেল ছাড়া OS কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে না, কারণ এটি সিস্টেমের মূল ফাংশন যেমন প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমরি ম্যানেজমেন্ট এবং ইনপুট-আউটপুট নিয়ন্ত্রণ সামলায়।
- সুতরাং, OS-এর মূল কম্পোনেন্ট হল কার্নেল।

 
 • কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ শিডিউলিংয়ের দায়িত্ব পালন করা হয়।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ এবং টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট এবং ডিভাইস ম্যানেজমেন্টের কাজ পরিচালনা করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সংযোগ স্থাপন করা হয়।

উৎস:
- sciencedirect [link]

৬,০২৫.
কৃষিপণ্য বেচাকেনায় সরকারি অ্যাপ এর নাম কী?
  1. সদাই
  2. কৃষকের জানালা
  3. কৃষি বাতায়ন
  4. কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
ব্যাখ্যা
কৃষিপণ্যের বেচাকেনায় সরকারি অ্যাপ 'সদাই' চালু হয়।

বাংলাদেশ সরকার দেশব্যাপী কৃষকদের ই-কৃষি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করেছে -
- কৃষকের জানালা
- কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
- কৃষি বাতায়ন
- বন্ধু ফোন
- Online Fertilizer Recommendation Software
- Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ ও লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৬,০২৬.
এবিসি কম্পিউটার আবিষ্কার করেন-
  1. ক) এডা অগাস্টা
  2. খ) এটানসফ
  3. গ) হাওয়ার্ড
  4. ঘ) শেলডন কুপার
ব্যাখ্যা
এটানসফ-বেরি কম্পিউটার কে সংক্ষেপে এবিসি কম্পিউটার বলে৷ এবিসি কম্পিউটার একদম প্রথম দিকের ডিজিটাল কম্পিউটার৷ জন ভিনসেন্ট এটানসফ ১৯৩৯ সালে এটার একটা প্রোটোটাইপ তৈরী করেন।
Source: Britannica
৬,০২৭.
ন্যানো সেকেন্ড হলো এক সেকেন্ডের -
  1. ক) এক লক্ষ ভাগের এক ভাগ
  2. খ) এক কোটি ভাগের এক ভাগ
  3. গ) একশ কোটি ভাগের এক ভাগ
  4. ঘ) এক হাজার কোটি ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
Nanosecond is one billionth of a second. অর্থাৎ এক সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের একভাগ। [source: dictionary.com]
৬,০২৮.
UNIVAC এর পূর্ণ অর্থ কী?
  1. Universal Automatic Computer
  2. Universal Automatic Calculator
  3. Universal Analytical Computer
  4. Universal Analytical Calculator
ব্যাখ্যা
UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেতো।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০২৯.
শিফ্ট রেজিস্টার কোনটি?
  1. শিফ্ট লেফট
  2. শিফট রাইট
  3. কন্ট্রোলড শিফ্ট
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• শিফ্ট রেজিস্টার:
- যে রেজিস্টার বাইনারি ডাটাকে ডানদিক বা বাম দিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে শিফ্ট রেজিস্টার বলে।
- শিফ্ট রেজিস্টারে একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ চেইন আকারে একটির সাথে অপরটি যুক্ত থাকে যাতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফিল্প-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ পায় যা একটি স্টেজ থেকে অপর স্টেজে শিফ্ট সূচনা করে।
- একটি সরলতম শিফ্ট রেজিস্টারের চিত্র নিচে দেওয়া হলো যেখানে শুধুমাত্র D টাইপ ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়েছে এবং একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফ্লিপ-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ দেওয়া হয়। এক একটি পালসে এক একটি বিট সরানো হয়।

• শিফ্ট রেজিস্টার কয়েক ধরনের হয়।
যথা-
(i) শিফ্ট লেফট,
(ii) শিফ্ট রাইট এবং
(iii) কন্ট্রোলড শিফ্ট।

• কন্ট্রোলড শিফ্ট রেজিস্টার আবার দু'ধরনের হতে পারে।
• যথা-
(i) সিরিয়াল লোডিং ও
(ii) প্যারালাল লোডিং।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩০.
Which programming language is known as a 'low-level' language?
  1. Python
  2. Java
  3. Assembly language
  4. Ruby
ব্যাখ্যা
• Assembly Language is the Low-Level Language.

• প্রোগ্রামের ভাষা:
- প্রোগ্রাম রচনার সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য এসকল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামিং ভাষা মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লো-লেভেল ভাষা বা নিম্ন স্তরের ভাষা ও
২. হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা।

• নিম্ন স্তরের ভাষা:
- নিম্ন স্তরের ভাষাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. মেশিন ভাষা ও
২. অ্যাসেম্বলি ভাষা।

• অ্যাসেম্বলি ভাষা:
 -অ্যাসেম্বলি ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষার পরবর্তী প্রোগ্রামের ভাষা।
- মেশিন ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য পঞ্চাশের দশকে অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন শুরু হয়।
- এই ভাষা দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো যা মেশিনের ভাষা থেকে উন্নত, সংক্ষিপ্ত এবং ব্যবহারকারীর জন্য সহজবোধ্য।

• Visual Basic, Java, C++ হচ্ছে High level language.

• উচ্চ স্তরের ভাষা:
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে: BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩১.
ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার
  2. খ) ওএস/২ সার্ভার
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) উইন্ডোজ সেভেন
ব্যাখ্যা
উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহার করে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়। 

- আলাদা করে সার্ভার কম্পিউটার ছাড়াই যখন দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে সরাসরি পরস্পরের সাথে যুক্ত করে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তখন তাকে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক বলে।
যেমনঃ ব্লুটুথে ফাইল আদান প্রদানের সময় গঠিত নেটওয়ার্ক। 

পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সুবিধা- 
১. পি২পি নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং কনফিগারেশন সহজ।
২. এই নেটওয়ার্কে কোনো নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন হয়না।
৩. এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি ইউজার তার কম্পিউটার এডমিনিস্ট্রেট করে থাকেন এবং এতে কোনো ডেডিকেটেড এডমিনিস্ট্রেটর এর প্রয়োজন হয়না।
৪. এতে কোনো সার্ভারের প্রয়োজন নেই কারণ কম্পিউটার গুলো সার্ভার ছাড়াই নিজেদের মধ্যে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে। ফলে শুধুমাত্র যাকে ডাটা পাঠানো হচ্ছে সে ছাড়া অন্য কেউ দেখতে পায়না।
৫. নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবলের প্রয়োজন হয়না। ব্যবহারকারি নিজেই সবকিছু ম্যানেজ করতে পারে।
৬. নেটওয়ার্ক সেট আপ করা অত্যন্ত সহজ।
৭. এই নেটওয়ার্ক স্থাপনে খরচ অত্যন্ত কম।
৮. এই ধরনের নেটওয়ার্কে সার্ভার না থাকায় কোন ডিভাইস ডাউন হয়ে গেলেও নেটওয়ার্ক সচল থাকে। কিন্তু যেসব নেটওয়ার্কে সার্ভার থাকে (যেমনঃ ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক) সেখানে সার্ভার ডাউন হলে পুরো নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাই অচল হয়ে যায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৬,০৩২.
নিচের কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম?
  1. অনুবাদক সফটওয়্যার
  2. ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার
  3. ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপটিমাইজ বা কম্পিউটার এর সাথে সমন্বয় রাখার জন্য যে সফটওয়্যার ডিজাইন করা হয়েছে তাকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা এবং রুটিন কাজের জন্য।
- নিন্মোক্ত ধরনের সফটওয়্যারসমুহ ইউটিলিটি সফটওয়্যার;
১। এন্টিভাইরাস,
২। অনুবাদক সফটওয়্যার,
৩। ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার,
৪। ব্যাক আপ/ ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যা্‌
৫। ক্লিপবোর্ড ম্যানেজ সফটওয়্যার,
৬। ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন,
৭। সর্ট মার্জ প্রোগ্রাম,
৮। লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩৩.
কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তেজনা বৃদ্ধির সময় দুই দেশই পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে।
এ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
  3. মাইক্রোকম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

⚪ সুপার কম্পিউটারগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দ্রুতগতির কম্পিউটার যা জটিল গাণিতিক গণনা, সিমুলেশন, এবং রিয়েল-টাইম ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, টার্গেটিং সিস্টেম এবং ট্র্যাকিংয়ের মতো কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়, কারণ এতে অতি দ্রুত এবং নির্ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা প্রয়োজন।

⚪ সুপার কম্পিউটার কীভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।

১. রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিং:
- ক্ষেপণাস্ত্র যখন উৎক্ষেপণ করা হয়, তখন এটি নিজ অবস্থান, গতি, লক্ষ্যবস্তুর গতি ইত্যাদি অনেক সেন্সরের তথ্য পাঠায়। সুপার কম্পিউটার এই সব তথ্য খুব দ্রুত বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয় - কোথায় গেলে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে।

২. টার্গেটিং এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম:
- লক্ষ্যবস্তু চলমান থাকলে (যেমন যুদ্ধবিমান), সুপার কম্পিউটার তা ট্র্যাক করে ও হিসাব করে কোথায় ক্ষেপণাস্ত্রটি যেতে হবে। এটি করার জন্য জটিল অ্যালগরিদম ও তীব্র গতির গণনার প্রয়োজন হয়।

৩. সিমুলেশন ও পরীক্ষা:- 
সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা আগে থেকেই ভার্চুয়াল সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। এর ফলে যুদ্ধের আগেই বোঝা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি কেমন কাজ করবে।

৪. প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Missile Defense):
- বিপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র এলে সেটি শনাক্ত করা ও ধ্বংস করার জন্যও সুপার কম্পিউটার ব্যবহার হয়। এটি ক্ষণিকের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়—কোন ক্ষেপণাস্ত্র পাঠালে সেটি প্রতিহত করা যাবে।

সংক্ষেপে বলা যায় - ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে দ্রুত, নির্ভুল ও বিশ্লেষণাত্মক সিদ্ধান্ত নিতে সুপার কম্পিউটার অপরিহার্য।

⚪ আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার 
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

⚪ সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস:
১) IEEE [লিংক]
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩৪.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান সুবিধা কোনটি?
  1. অন-ডিমান্ড কম্পিউটিং রিসোর্স সরবরাহ করে
  2. বেশি খরচের হার্ডওয়্যার দরকার
  3. কেবলমাত্র স্থানীয় সার্ভারেই চলে
  4. ইন্টারনেট নির্ভরতা হ্রাস করে
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান সুবিধা হলো এটি অন-ডিমান্ড কম্পিউটিং রিসোর্স সরবরাহ করে। এর মানে ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় কম্পিউটিং ক্ষমতা, স্টোরেজ বা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। এতে ব্যবহারকারীদের বড় ধরনের হার্ডওয়্যার কিনতে হয় না এবং স্থানীয় সার্ভারে নির্ভর থাকার প্রয়োজন কমে। এছাড়া, ক্লাউড ভিত্তিক পরিষেবা যেকোনো জায়গা থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাক্সেসযোগ্য, ফলে ব্যবসা ও ব্যক্তিগত কাজে নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়। খরচ এবং সময় উভয়ই সাশ্রয় হয়, এবং স্কেলিং বা রিসোর্স বাড়ানো সহজ হয়। তাই অন-ডিমান্ড রিসোর্স সরবরাহ করা প্রধান সুবিধা।

উত্তর: ক) অন-ডিমান্ড কম্পিউটিং রিসোর্স সরবরাহ করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং: 

- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে।
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়।
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে। এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং জন সাধারণের হাতের মুঠোয় আসে।
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-

১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
 
২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
 
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৩৫.
ই-মেইল প্রেরণের জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. POP3
  2. TCP/IP
  3. IMAP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল প্রেরণের জন্য সাধারণত SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্টে ই-মেইল পাঠানোর জন্য দায়ী। অন্যদিকে, POP3 (Post Office Protocol 3) এবং IMAP (Internet Message Access Protocol) মূলত ই-মেইল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। POP3 ব্যবহারকারীকে মেইল সার্ভার থেকে মেইল ডাউনলোড করতে সাহায্য করে এবং স্থানীয় কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে, যেখানে IMAP ব্যবহারকারীকে মেইল সার্ভারে রেখে বিভিন্ন ডিভাইস থেকে মেইল অ্যাক্সেস করার সুযোগ দেয়। TCP/IP হলো ইন্টারনেট যোগাযোগের মূল প্রোটোকল, কিন্তু সরাসরি ই-মেইল প্রেরণের জন্য নয়। তাই ই-মেইল প্রেরণের প্রোটোকল হিসেবে সঠিক উত্তর হলো SMTP.

• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে ই-মেইল ক্লায়েন্ট থেকে আউটগোয়িং সার্ভারে এবং পরবর্তীতে সেই সার্ভার থেকে প্রাপকের সার্ভারে ই-মেইল পাঠানো হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- IMAP:
- এটি এমন একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারে থাকা অবস্থাতেই ই-মেইল দেখতে ও পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এটি একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক।

- TCP/IP:
- কোনো একক প্রোটোকল নয়, বরং প্রোটোকলের একটি সেট যা ইন্টারনেটের মূল কাঠামো তৈরি করে। এটি ডেটা আদান-প্রদানকে সহজ করে, তবে এটি সরাসরি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না।

- POP3:
- একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে বার্তা ডাউনলোড করে ডিভাইসে সংরক্ষণ করে। একবার ডাউনলোড হয়ে গেলে এটি সাধারণত সার্ভার থেকে বার্তাটি মুছে ফেলে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৬,০৩৬.
What is the primary protocol used for sending and receiving emails?
  1. ক) FTP
  2. খ) HTTP
  3. গ) SMTP
  4. ঘ) DNS
ব্যাখ্যা
SMTP এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol.
- এই প্রটোকলটি ইমেইল আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়।
- যে সকল মেইল বাহিরে পাঠানো হয় সেগুলোকে বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
৬,০৩৭.
প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তার যাবতীয় তথ্যাবলি ও প্রোগ্রাম যেখানে সংরক্ষণ করে তাকে কী বলে?
  1. ক) Cache Memory
  2. খ) RAM
  3. গ) ROM
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
র‍্যাম (RAM)
RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory. র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন / পঠন (Read/Write Memory) স্মৃতিও বলা হয়। কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

র‍্যামের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory)।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।
৬. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাকসেস সময় সমান।
৭. প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তার যাবতীয় তথ্যাবলি ও প্রোগ্রাম র‍্যাম সংরক্ষণ করে।

র‍্যামের প্রকারভেদ: সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২. ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)

উৎস:
১. বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২. কম্পিউটার হোপ ওয়েবসাইট।
৬,০৩৮.
Which network allows workstations to use their own memory, storage, and processing power for local tasks?
  1. Centralized Network
  2. Distributed Network
  3. Wireless Network
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Distributed Network

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার সেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- এ ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি'র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসসমূহ হলো ফাইল, প্রিন্ট মেসেজ, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

• হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা:
১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।

২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network):
- পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো নিজস্ব সফটওয়‍্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজগুলো করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৬,০৩৯.
n-সংখ্যক চলকের জন্য সত্যক সারণিতে ইনপুটের বিন্যাস কী হবে?
  1. 2n
  2. 3n
  3. 22n
  4. 32n
ব্যাখ্যা


উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬,০৪০.
কম্পিউটার এন্টিভাইরাস নিচের কোনটি?
  1. ক) ফায়ারফক্স
  2. খ) ফুচশিয়া
  3. গ) Windows Defender
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
Virus = Vital Information Resource Under Siege.
কয়েকটি কম্পিউটার এন্টিভাইরা Macafee Antivirus, Norton Antivirus, IBM antivirus, Thunderbyte antivirus, Windows defender Red alert antivirus etc.
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
৬,০৪১.
নিচের কোনটি ইউজার ইন্টারফেসের ধরণ হিসেবে বিবেচিত নয়?
  1. কমান্ডচালিত
  2. ডেটাচালিত
  3. মেনুচালিত
  4. গ্রাফিক্যাল
ব্যাখ্যা
• ইউজার ইন্টারফেস:
- অপারেটিং সিস্টেম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে বিভিন্ন সফটওয়‍্যারের সংযোগ, সমন্বয় সাধন, পরিচালনা ও নির্দেশ গ্রহণে সাহায্যে করে।
- অপারেটিং সিস্টেমে সাধারণত তিন ধরনের ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়। যথা-
১. কমান্ডচালিত,
২. মেনুচালিত ও
৩. গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪২.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ই-জার্নাল
  2. ই-স্টাডি
  3. ই-লার্নিং
  4. ই-কমার্স
ব্যাখ্যা
ই-লার্নিং:
- ই-লার্নিং শব্দটি ইলেকট্রনিক লার্নিং কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তপাঠ, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪৩.
নিচের কোন ডিভাইসটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. প্রজেক্টর
  2. পেনড্রাইভ
  3. স্ক্যানার
  4. ফিল্ম রেকর্ডার
ব্যাখ্যা

পেনড্রাইভ (USB Flash Drive) একটি বিশেষ ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস যা একইসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করতে সক্ষম।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Keyboard, Scanner, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Monitor,Multimedia Projector, Film Recorder, Printer, Plotter, Speaker, Image setter, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Pendrive, Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৪৪.
নিচের কোনটি রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ নয়?
  1. ক) Oracle
  2. খ) HBase
  3. গ) Spanner
  4. ঘ) MySQL
ব্যাখ্যা
[HBase হচ্ছে নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ। Oracle, Spanner, MySQL রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ।]

ক্লাউড ডাটাবেজ:
ক্লাউড ডাটাবেজ হচ্ছে এমন একটি পরিষেবা যা ডাটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়।

ক্লাউড ডাটাবেজের প্রকারভেদ: দুই ধরনের ক্লাউড ডাটাবেজ রয়েছে। যথা -

রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ: রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ হলো এক বা একাধক টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত মডেল, যা ডাটা ও ডাটার মধ্যকার সম্পর্ক প্রকাশ করে। প্রতিটি টেবিলে এক বা একাধিক কলাম ও সারি থাকে।
উদাহরণ: SQL Server, Oracle, MySQL, PostgreSQL, Spanner, and Cloud SQL.

নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ: নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ অসংগঠিত ডাটা সঞ্চয় করে এবং পরিচালনা করে (যেমন- ইমেল এবং মোবাইল বার্তা পাঠ্য, নথি, সমীক্ষা, সমৃদ্ধ মিডিয়া ফাইল এবং সেন্সর ডেটা ইত্যাদি)।
উদাহরণ: MongoDB, Redis, Cassandra, HBase, and Cloud Bigtable.

উৎস: https://cloud.google.com
৬,০৪৫.
Which of the following is not anti virus software?
  1. AVG
  2. AVAST
  3. Norton
  4. McAfee
  5. Informix
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
৬,০৪৬.
এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যার সাধারণত কোথায় রাখা হয়?
  1. CPU register
  2. ROM
  3. SSD
  4. RAM
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যার সাধারণত ROM-এ রাখা হয়। ROM (Read-Only Memory) একটি অস্থায়ী নয় এমন মেমরি যেখানে ফার্মওয়্যার স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। ফার্মওয়্যার হল সেই বিশেষ সফটওয়্যার যা সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে এবং সিস্টেমের বুটিং ও কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে। CPU register শুধুমাত্র অস্থায়ী ডাটা বা কমান্ড ধরে রাখে, SSD সাধারণত বড় ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং RAM (Random Access Memory) অস্থায়ী মেমরি যা পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য হারিয়ে যায়। তাই, স্থায়ী ও নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য ফার্মওয়্যার ROM-এ রাখা হয়।

• ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ।
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC. যেমন, PC- তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।
৬,০৪৭.
HTML এর ক্লোজিং ট্যাগ (Closing Tag) কোনটি?
  1. ক) < >
  2. খ) < / >
  3. গ) <: >
  4. ঘ) <; >
ব্যাখ্যা
HTML এর ওপেনিং ট্যাগ (Opening Tag): < >
HTML এর ক্লোজিং ট্যাগ (Closing Tag): </ >

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,০৪৮.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে MMS সার্ভিস চালু হয়?
  1. 1G
  2. 2G
  3. 3G
  4. 4G
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে মোবাইল ফোনের আবিষ্কারের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্তকে চারটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
১. প্রথম প্রজন্ম (First Generation-1G)
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G) এবং
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (Forth Generation-4G)।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস চালু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মে।

• তৃতীয় প্রজন্ম:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

• চতুর্থ প্রজন্ম:
- ২০১০ সালে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বাস্তবায়ন শুরু হয়।
-সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার শুরু হয়।
- 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ গতি বৃদ্ধি পায়।
- স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড ১ গিগাবিট/সেকেন্ড এবং চলনশীল ডিভাইসের ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড ১০০ মেগাবিট/সেকেন্ডে উন্নীত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪৯.
ডোমেইন নেম এর বিকল্প কোনটি?
  1. ক) IP
  2. খ) google
  3. গ) internet
  4. ঘ) yahoo
ব্যাখ্যা
ডোমেইন নেইম হচ্ছে একটি স্বতন্ত্র টেক্সট অ্যাড্রেস যা কোন ওয়েব সার্ভারের আইপি অ্যাড্রেসকে প্রতিনিধিত্ব করে।
উদাহরণ স্বরূপ ধরা যাক,  www.facebook.com এর পরিবর্তে 157.240.218.35 এই আইপি অ্যাড্রেস এর মাধ্যমেও Facebook এর ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা যায়।
অর্থাৎ www.facebook.com ডোমেইন নেইমটি, আইপি অ্যাড্রেস 157.240.218.35 কে প্রতিনিধিত্ব করছে।
৬,০৫০.
কোন কোডটি Excess-3 কোডের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. Binary
  2. Decimal
  3. BCD
  4. Hexadecimal
ব্যাখ্যা
• Excess-3 কোড একটি  self-complementary বাইনারি কোড, যা মূলত BCD (Binary Coded Decimal) কোডের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এই কোড ব্যবহৃত হয় ডিজিটাল সিস্টেমে দশমিক সংখ্যাকে কোড করতে।

-  Excess-3 কোড = BCD কোড + 3 (প্রতিটি ডিজিটে ৩ যোগ করা হয়)
-  এই কোডে Decimal সংখ্যা যেমন 0 থেকে 9 কে বিশেষভাবে বাইনারি রূপে উপস্থাপন করা হয়।

 উদাহরণ:
- Decimal 2 = BCD → 0010
- Excess-3 → 0010 + 0011 = 0101

অন্যদিকে,
Hexadecimal হলো  একটি ভিন্ন কোডিং পদ্ধতি যা 16টি চিহ্ন (0–9, A–F) ব্যবহার করে। এটি Excess-3 এর সাথে সম্পর্কিত নয় এবং কোনোভাবে তার বেস বা রূপান্তরের উপর নির্ভর করে না।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,  ৯ম ও ১০ম শ্রেণী ।
- M. Morris Mano, "Digital Logic and Computer Design", Chapter: Number Systems.
৬,০৫১.
নিচের কোনটি নেটওয়ার্ককে নিরাপত্তা প্রদান করে?
  1. রাউটার
  2. সুইচ
  3. ফায়ারওয়াল
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ফায়ারওয়াল কম্পিউটারে সুরক্ষা প্রদান করে। 

• ফায়ারওয়াল:
- কম্পিউটার সিস্টেমকে সম্ভাব্য সব আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ফায়ারওয়াল প্রযুক্তি একটি উত্তম ব্যবস্থা।
- ফায়ারওয়ালকে সঠিকভাবে কনফিগার করার মাধ্যমে কম্পিউটারকে হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে বাঁচানো সম্ভব। 
- ফায়ারওয়াল কম্পিউটারকে আক্রমণাত্মক সফ্টওয়্যার থেকে রক্ষা করে। 
 
• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• সুইচ:
- নেটওয়ার্কিং করার জন্য বর্তমানে হারের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে সুইচ ব্যবহৃত হয়।
- কার্যক্রমের দিক থেকে হাব এর সাথে সুইচের তেমন কোনো পার্থক্য নেই তবে সুইচের বুদ্ধিমত্তা রয়েছে।
- সুইচ কোনো সংকেতকে ব্রডকাস্ট করে না, সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য প্রতিটি কম্পিউটারের MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে সিগন্যালটি পাঠায়।
- শুধু তাই নয় দুর্বল হয়ে পড়া সংকেতটিকে অ্যামপ্লিফাই (বর্ধিত) করে গন্তব্য কম্পিউটারের পোর্টে প্রেরণ করে। 
- সুইচে পোর্টের সংখ্যা ৪, 16, 24 থেকে 48 পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে ডেটা ফিল্টারিং (প্রকৃত সিগনাল থেকে নয়েজ সিগনাল বাদ দেয়া) করা সম্ভব তবে ব্যবহারের দিক থেকে একটু জটিল।
- একটি সুইচ দিয়ে একটি LAN তৈরি করা যায়, একাধিক LAN তৈরি সম্ভব নয়। 

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস:
১. Kaspersky Website.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫২.
কোনটি বায়োমেট্রিক্সের দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের পদ্ধতি?
  1. ফিংগার প্রিন্ট
  2. ভয়েস রিকগনিশন
  3. টাইপিং কীস্ট্রোক
  4. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স: 
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি। 
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। 
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। 
যথা- 
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry), 
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan), 
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition) এবং 
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA test) । 

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition), 
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification) এবং 
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification) । 

- একটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যগুলোকে ডিজিটাল কোডে রূপান্তর করে এবং এই কোডকে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোডের সাথে তুলনা করে। 
- যদি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত কোড কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোডের সাথে মিলে যায় তবে তাকে ডিভাইস ব্যবহারের অনুমতি দেয় বা তাকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। 
- আইন শৃঙ্খলা এবং বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে এ প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন বিভাগেও বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫৩.
IaaS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internet as a Service
  2. Infrastructure as a Service
  3. Interface as a Service
  4. Information as a Service
ব্যাখ্যা
IaaS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Infrastructure as a Service.

• IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।

• উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
• PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

• SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,০৫৪.
ডাটাবেজে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ ও উপস্থাপনের জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. রিলেশন শিট
  2. ডেটা চার্ট
  3. ই.আর. ডায়াগ্রাম
  4. ডেটা লগ
ব্যাখ্যা

- ই.আর. (Entity Relationship) ডায়াগ্রাম হলো একটি গ্রাফিক্যাল উপস্থাপন যা দেখায় কিভাবে ডাটাবেজের বিভিন্ন এন্টিটি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত।

ই.আর. ডায়াগ্রামের মূল উপাদানসমূহ
- এন্টিটি (Entity):
- ডাটাবেজে কোনো বাস্তব জগতের বস্তু বা ঘটনা।
- প্রতিটি এন্টিটি সাধারণত একটি টেবিল হিসেবে বাস্তবায়িত হয়।
- উদাহরণ: Student, Teacher, Course, Department

- অ্যাট্রিবিউট (Attribute)
- এন্টিটির বৈশিষ্ট্য বা তথ্য।
- উদাহরণ: Student এন্টিটির জন্য: Student_ID, Name, DOB
- Course এন্টিটির জন্য: Course_ID, Course_Name
- Primary Key: একটি অ্যাট্রিবিউট যা প্রতিটি এন্টিটিকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে, যেমন Student_ID

- রিলেশনশিপ (Relationship)
- দুই বা ততোধিক এন্টিটির মধ্যে সম্পর্ক।
- One-to-One (১:১): একজন শিক্ষক একটি কোর্স পরিচালনা করে।
- One-to-Many (১:অনেক): একটি বিভাগে অনেক শিক্ষক থাকতে পারে।
- Many-to-Many (অনেক:অনেক): একজন শিক্ষার্থী অনেক কোর্সে ভর্তি হতে পারে এবং একটি কোর্সে অনেক শিক্ষার্থী থাকতে পারে।

ই.আর. ডায়াগ্রামের গুরুত্ব
- ডাটাবেজ ডিজাইন: ডাটাবেজের কাঠামো আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে।
- ডাটা অখণ্ডতা (Data Integrity): ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং ডাটা সঠিক রাখে।
- কমিউনিকেশন টুল: ডেভেলপার, ডিজাইনার ও স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে বোঝাপড়া সহজ করে।
- ডাটাবেজ মডেলিং: SQL টেবিল ও সম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।

৬,০৫৫.
সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নকশায় নির্মিত প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার কোনটি?
  1. ABC
  2. ENIAC
  3. EDSAC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা

• প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট কম্পিউটার হিসেবে EDSAC কে গণ্য করা হয়।

• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- EDSAC নির্মিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।

UNIVAC ⇒ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
EDSAC ⇒ প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। [অনেকেই প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।]
Mark-I ⇒ পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
ABC ⇒ প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
ENIAC ⇒ প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৬,০৫৬.
মাইক্রোসফট এক্সেল ওয়ার্কশিটে ডাটা রিপ্লেস করতে কোন শর্টকাট কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. Ctrl R
  2. Shift R
  3. Ctrl H
  4. Ctrl F
ব্যাখ্যা
To replace text or numbers, press Ctrl+H, or go to Home > Editing Find & Select > Replace.
Source: support.microsoft.com
৬,০৫৭.
DOEL ল্যাপটপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বিসিসি
  2. বিটিআরসি
  3. টেশিস
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা
• দোয়েল (DOEL):
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম ল্যাপটপের নাম দোয়েল (DOEL)।
- ২০১১ সালের ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ল্যাপটপের উদ্বোধন করেন। 
- দোয়েল ল্যাপটপের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো ‘টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) লিমিটেড।
- বাংলাদেশের জাতীয় পাখির নামে তৈরি দোয়েলের চারটি মডেলের নাম দেয়া হয়েছে জাতীয় জীবনের চারটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে।
- ল্যাপটপের মাদার বোর্ডসহ শতকরা ৬০ ভাগ যন্ত্রাংশ বাংলাদেশেই তৈরি করা হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
৬,০৫৮.
(253)10 এর সমতুল্য অক্টাল কত?
  1. 373
  2. 375
  3. 357
  4. 351
ব্যাখ্যা

(253)10 র সমতুল্য অক্টাল হলো (375)8
৬,০৫৯.
The main purpose of a Gateway is to:
  1. Translate between different network architectures or protocols.
  2. Connect devices within the same local network.
  3. Forward data based on MAC addresses.
  4. Provide Power over Ethernet (PoE).
ব্যাখ্যা
গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

সুইচ (Switch):
- সুইচ এক ধরনের নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা এর আওতাধীন ডিভাইসগুলোকে একত্রে সংযুক্ত করে।

হাব (Hub):
- সুইচ এর ন্যায় হাব এক ধরনের নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা এর আওতাধীন ডিভাইসগুলোকে একত্রে সংযুক্ত করে।

মডেম (Modem):
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়৷

অপশন আলোচনা:
ক) Translate between different network architectures or protocols - হচ্ছে Gateway- এর main purpose.
খ) Connect devices within the same local network - হচ্ছে Switch- এর main purpose.
গ) Forward data based on MAC addresses - হচ্ছে Switch- এর main purpose.
ঘ) Provide Power over Ethernet (PoE) - হচ্ছে Switch- এর main purpose.

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) IEEE Transactions on Communications.

৬,০৬০.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ধীরগতির কারণ?
  1. নিয়মিত রিস্টার্ট করা
  2. SSD ব্যবহার
  3. অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও ধুলিকণার সংস্পর্শ
  4. উইন্ডোজ ব্যবহার
ব্যাখ্যা
অতিরিক্ত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ধুলিকণা, চৌম্বকক্ষেত্র, তরল ও দাহ্য পদার্থ ইত্যাদি ক্ষতিকারক পরিবেশগত ও কৃত্রিম উপাদানের সংস্পর্শে আসলে কম্পিউটার প্রায়শই ধীরগতিতে কাজ করে বা হ্যাং হয়ে যায়।

• আমাদের যেসব অবহেলা বা অজ্ঞতার কারণে কম্পিউটার প্রায়শই ধীরগতিতে কাজ করে বা হ্যাং হয়ে যায়
সেগুলো নিম্নরূপ:
১. অতিরিক্ত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ধুলিকণা, চৌম্বকক্ষেত্র, তরল ও দাহ্য পদার্থ ইত্যাদি ক্ষতিকারক পরিবেশগত ও কৃত্রিম উপাদানের সংস্পর্শে আসা।
২. বেখেয়ালিভাবে কম্পিউটারের তার ধরে অযথা টানাহেঁচড়া করা এবং তাড়াহুড়ো করে ও বলপূর্বক কীবোর্ড, মাউস, পেনড্রাইভ, সিডি ইত্যাদি ব্যবহার করা।
৩. অপ্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যার, ফাইল, ই-মেইল ইত্যাদি দ্বারা সিস্টেম ওভারলোড করে ফেলা।
৪. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার চালু অবস্থায় একই সাথে অনেকগুলো ট্যাব বা টুল বার।
৫. রিসাইকেল বিনে জমা হওয়া আইটেম, জাঙ্ক ই-মেইল ইত্যাদি পুরোপুরিভাবে।

সোর্স: স্কুল অব এডুকেশন, এম এড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৬১.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের অংশ নয়? 
  1. কন্ট্রোল বাস
  2. অ্যাড্রেস বাস
  3. ডেটা বাস
  4. এক্সপ্যানশন বাস
ব্যাখ্যা

• এক্সপ্যানশন বাস সিস্টেম বাসের অন্তর্ভুক্ত নয়; সিস্টেম বাসের অংশ হলো ডেটা, অ্যাড্রেস ও কন্ট্রোল বাস।

• সিস্টেম বাস (System Bus):

- যে সকল বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট–আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান–প্রদান করে, তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাস বলা হয়।

• ব্যবহারিক দিক থেকে সিস্টেম বাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—
- ডেটা বাস (Data Bus),
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):

- যে সকল বাস প্রধান বাসের সহায়ক বাস হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে এক্সপ্যানশন বাস বলা হয়।
- এক্সপ্যানশন বাস কম্পিউটারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এক্সপ্যানশন ডিভাইস সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
 
• এক্সপ্যানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus),
- ইআইএসএ বাস (EISA Bus),
- ইউএসবি (USB),
- ফায়ারওয়ার বাস (FireWire Bus),
- এজিপি বাস (AGP Bus),
- লোকাল বাস (Local Bus):

• লোকাল বাস সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা—
i. ভেসা বাস (VESA Bus),
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৬২.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ডকুমেন্টে জাস্টিফাই এলাইনমেন্টের জন্য চাপতে হয় -
  1. Ctrl + B
  2. Ctrl + I
  3. Ctrl + U
  4. Ctrl + J
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড একটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম সফটওয়্যার যার সাহায্যে নতুন ডকুমেন্ট তৈরি, পূর্বে তৈরিকৃত ডকুমেন্টে পরিবর্তন করা যায়।
ডকুমেন্টে কোনো শব্দকে বোল্ড করার জন্য সেটিকে মার্ক করে Ctrl + B চাপতে হয়।
ইটালিক করার জন্য Ctrl + I, আন্ডারলাইন করার জন্য Ctrl + U চাপতে হয়।
ডকুমেন্টে জাস্টিফাই এলাইনমেন্টের জন্য Ctrl + J চাপতে হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,০৬৩.
কোনটি ট্রানজিস্টর এর অংশ নয়?
  1. ক) Emitter
  2. খ) Base
  3. গ) Connector
  4. ঘ) Collector
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর:
- সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী একটি ডিভাইস যেটি দুর্বল বৈদ্যুতিক সংকেতকে শক্তিশালী সংকেতে রূপান্তরিত করে।
- ১৯৪৮ সালে প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হয়।
- ট্রানজিস্টর সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী। যেমন- সিলিকন, জার্মেনিয়াম।

প্রতিটি সেমিকন্ডাক্টর ট্রানজিস্ট্ররে ৩ টি অংশ থাকে।
E - Emitter
B - Base
C - Collector

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,০৬৪.
Which software is specifically designed to scan, detect, and remove malicious software from a computer system?
  1. Video editing software
  2. Antivirus software
  3. Web browser
  4. Spreadsheet program
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
৬,০৬৫.
একাধিক ফাইলকে এক জায়গায় সংকুচিত করে রাখাকে কী বলে?
  1. বার্নিং
  2. রিপিং
  3. জিপিং
  4. ডিজিটাইজিং
ব্যাখ্যা
ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
- একাধিক ফাইলকে এক জায়গায় সংকুচিত করে রাখা জিপিং- এর কাজ

ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

বার্নিং:
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory)।
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয় ।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

ডিজিটাইজিং:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে, "ডিজিটাইজিং" বলতে এনালগ তথ্য বা ভৌত বস্তুকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে বোঝায় যা কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত, সংরক্ষণ এবং ম্যানিপুলেট করা যায়।
- এই প্রক্রিয়ার মধ্যে বাস্তব জগৎ থেকে ডেটা ক্যাপচার করা এবং বিচ্ছিন্ন মান ব্যবহার করে এটিকে উপস্থাপন করা বোঝায়, সাধারণত বাইনারি আকারে (0 এবং 1), যা কম্পিউটার বুঝতে এবং কাজ করতে পারে।

রিপিং:
- কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে, "রিপিং" একটি মাধ্যম বা ফরম্যাট থেকে অন্য মাধ্যমে ডেটা আহরণ বা অনুলিপি করার প্রক্রিয়াকে বোঝায় ।
- শব্দটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও সামগ্রীর মতো মাল্টিমিডিয়ার প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
৩) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৬,০৬৬.
A bit can be -
  1. ক) 1 or 0
  2. খ) 1
  3. গ) 0
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
বিট (Bit):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে।
- ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)।
- এক্ষেত্রে (০) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte):
- ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়।
- ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
৬,০৬৭.
নিচের কোনটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির চিহ্ন?
  1. ক) I
  2. খ) M
  3. গ) L
  4. ঘ) F
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি অঙ্ক/চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক/চিহ্নগুলো হলো 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E ও F। প্রশ্নের I, M ও L হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির চিহ্ন নয়।
৬,০৬৮.
পার্সোনাল কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসর এর গতি পরিমাপ করা হয়-
  1. ক) GB এককে
  2. খ) GHz এককে
  3. গ) BIPS এককে
  4. ঘ) TBS এককে
ব্যাখ্যা

সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ। কিন্তু মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
আবার সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে।


সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,০৬৯.
স্কাইপের সার্ভিস কোন সালে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে?
  1. ২০১৭
  2. ২০২০
  3. ২০২৫
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• স্কাইপের সার্ভিস বন্ধ করার সঠিক বছর হলো ২০২৫। যদিও স্কাইপ দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় একটি ভিডিও কলিং এবং মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ছিল, প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন যোগাযোগের মাধ্যম আবির্ভূত হওয়ায় স্কাইপের ব্যবহার কমতে শুরু করে। মাইক্রোসফট ২০২৫ সালে এই সার্ভিস বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। 

২০১১ সালে Microsoft কোম্পানি Skype কে কিনে নেয়। Skype হলো একটি জনপ্রিয় ভিডিও কল ও মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম, যা বিশ্বজুড়ে মানুষদের যোগাযোগকে সহজ করে তোলে। Microsoft এর এই অধিগ্রহণের মাধ্যমে তারা তাদের যোগাযোগ এবং ক্লাউড সার্ভিস আরও উন্নত করতে চেয়েছিল। Skype ব্যবহার করে Microsoft ইউজারদের মধ্যে কল, ভিডিও কনফারেন্স এবং চ্যাটের সুবিধা বাড়িয়েছিল। Google, Apple বা Facebook এর পরিবর্তে Microsoft এই বড় বিনিয়োগ করায় তাদের ব্যবসায়িক ও প্রযুক্তিগত ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে ২০১১ সালে Skype Microsoft-এর মালিকানায় আসে। ৫মে, ২০২৫ থেকে Skype-এর কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
 
• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: ২৪ জুন, ২০২৫ পর্যন্ত)।
- ২০০৫ সালে ইবে (eBay) স্কাইপ অধিগ্রহণ করে। এরপর ২০১১ সালে মাইক্রোসফট ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপ কিনে নেয়, যা তাদের জন্য একটি বড় ধরনের বিনিয়োগ ছিল। সেই সময় স্কাইপকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- বর্তমানে (জুন, ২০২৫) Skype এর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

উৎস: 
১) Microsoft এর ওয়েবসাইট।
২) prothomalo [লিংক]
৬,০৭০.
কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Google Docs
  2. Postgre SQL
  3. SQLite
  4. Oracle
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধার সহজ করে। দেওয়া অপশনগুলির মধ্যে Google Docs ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট টুল নয়। এটি মূলত একটি অনলাইন ডকুমেন্ট এডিটিং এবং শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। অন্যদিকে PostgreSQL, SQLite, এবং Oracle হলো জনপ্রিয় DBMS যা বিভিন্ন ধরণের ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই ডেটা ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে Google Docs এর কোনো ভূমিকা নেই।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৬,০৭১.
Hexadecimal সংখ্যা A5A এর Decimal মান কত?
  1. 2450
  2. 2550
  3. 2650
  4. 2850
ব্যাখ্যা
◉ Hexadecimal সংখ্যা A5A এর Decimal মান হচ্ছে - 2650.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A, B, C, D, E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে, 
A5A = (A × 162) + (5 × 161) + (A × 160)
= (10 × 256) + (5 × 16) + (10 × 1)
= 2560 + 80 + 10
= 2650

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৭২.
VR-এর 3D কনটেন্ট তৈরি করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. PowerPoint
  2. Paint
  3. Blender
  4. Vuforia
ব্যাখ্যা
• VR-এর 3D কনটেন্ট তৈরি করতে গ) Blender ব্যবহৃত হয়। Blender একটি ওপেন-সোর্স থ্রিডি মডেলিং এবং অ্যানিমেশন সফটওয়্যার, যা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কনটেন্ট তৈরি করতে অত্যন্ত কার্যকর। এতে থ্রিডি অবজেক্ট তৈরি, রিগিং, টেক্সচারিং, রেন্ডারিং এবং অ্যানিমেশন করার সুবিধা রয়েছে, যা VR পরিবেশের জন্য বাস্তবসম্মত দৃশ্য তৈরি করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, PowerPoint এবং Paint মূলত 2D কনটেন্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং Vuforia একটি AR (Augmented Reality) প্ল্যাটফর্ম, যা বাস্তব জগতের উপরে ভার্চুয়াল উপাদান যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই VR-এর 3D কনটেন্ট তৈরির জন্য Blender-ই উপযুক্ত।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
৬,০৭৩.
নিচের কোনটি নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. নোবেল নেটওয়ার্ক
  2. ইউনিক্স
  3. উইন্ডোজ এনটি
  4. উইন্ডোজ এক্সপি
ব্যাখ্যা
- উইন্ডোজ এনটি একটি  নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম ।
- মাইক্রোসফট নির্মিত অপারেটিং সিস্টেম [ওএস] উইন্ডোজ পরিবারের সদস্য উইন্ডোজ এনটি। 
- এনটি শব্দটির পূর্ণরূপ 'নিউ টেকনোলজি' [নতুন প্রযুক্তি]। নতুন প্রযুক্তি সমৃদ্ধ উইন্ডোজ এনটি বিশেষভাবে কর্মক্ষেত্র এবং সার্ভার পিসির জন্য নির্মিত হয়।
 - ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসে সর্বপ্রথম এই অপারেটিং সিস্টেম অবমুক্ত করে মাইক্রোসফট। অপারেটিং সিস্টেমটি বিশেষায়িত উইন্ডোজ সংস্করণ।
- স্বাধীন প্রসেসর নির্ভর উইন্ডোজটি একই সঙ্গে একাধিক পিসিতে ব্যবহার করা যেত।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ (মাহবুবুর রহমান) ও মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
৬,০৭৪.
নিচের কোনটি ডিজিটাল কনটেন্ট?
  1. টেক্সট
  2. শব্দ
  3. ভিডিও
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো - ঘ) সবগুলো। 

ডিজিটাল কনটেন্ট: 
- কোনো কনটেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয় তাহলে সেটিই ডিজিটাল কনটেন্ট। 
- তবে সেটি ডিজিটাল বা এনালগ যেকোনো পদ্ধতিতেই সংরক্ষিত হতে পারে। 
- ডিজিটাল কনটেন্ট কম্পিউটারের ফাইল আকারে অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে। 
যেমন- লিখিত তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা ভিডিও ডিজিটাল কনটেন্ট হতে পারে। 
- ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহারের ফলে তথ্য উপস্থাপন ও স্থানান্তর সহজতর হয়। 

ডিজিটাল কনটেন্ট-এর প্রকারভেদ: 
- ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত যেকোনো তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা সবই ডিজিটাল কনটেন্ট। 
- কাজেই নানাভাবে ডিজিটাল কনটেন্টকে শ্রেণিকরণ করা যায় তবে, ডিজিটাল কনটেন্টকে প্রধান চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। টেক্সট বা লিখিত কনটেন্ট: 
- ডিজিটাল মাধ্যমে এখনো লিখিত তথ্যের পরিমাণই বেশি। 
- সব ধরনের লিখিত তথ্য এই ধারার কনটেন্ট। 
- এর মধ্য রয়েছে নিবন্ধ, ব্লগ পোস্ট, পণ্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা, পণ্যের মূল্যায়ন, ই-বুক সংবাদপত্র, শ্বেতপত্র ইত্যাদি। 

২। ছবি: 
- সব ধরনের ছবি, ক্যামেরায় তোলা বা হাতে আঁকা বা কম্পিউটারে সৃষ্ট সকল ধরনের ছবি এই ধারার কনটেন্ট। 
- এর মধ্যে রয়েছে ফটো, হাতে আঁকা ছবি, কার্টুন, ইনফো-গ্রাফিক্স, এনিমেটেড ছবি ইত্যাদি। 

৩। শব্দ বা অডিয়ো: 
- শব্দ বা অডিও আকারের সকল কনটেন্ট এই প্রকারে অন্তর্ভুক্ত। 
- যেকোনো বিষয়ের অডিয়ো ফাইলই অডিয়ো কনটেন্ট-এর পাশাপাশি ইন্টারনেটে প্রচারিত ব্রডকাস্ট অডিও কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। 

৪। ভিডিও ও এনিমেশন: 
- বর্তমানে মোবাইল ফোনেও ভিডিয়ো ব্যবস্থা থাকায় ভিডিয়ো কনটেন্টের পরিমাণ বাড়ছে। 
- ইউটিউব বা এই ধরনের ভিডিয়ো শেয়ারিং সাইটের কারণে ইন্টারনেটে ভিডিয়ো কনটেন্টের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- এছাড়া বর্তমানে ইন্টারনেটে কোনো ঘটনার ভিডিয়ো সরাসরি প্রচারিত হয়ে থাকে, এটিকে বলা হয় ভিডিয়ো স্ট্রিমিং। এমন কনটেন্টও ভিডিয়ো কনটেন্টের আওতাভুক্ত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৭৫.
নিচের কোনটি Spreadsheet Package Program নয়?
  1. Lotus 1-2-3
  2. MS Excel
  3. Quattro Pro
  4. Foxpro
ব্যাখ্যা
Foxpro হচ্ছে Database Package Program.

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
• Database Package Program: 
- dBase, 
- Foxpro, 
- Oracle, 
- Informix, 
- Access.

অন্যদিকে,
Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro হচ্ছে Spreadsheet Package Program।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৭৬.
নিচের কোনটিকে স্প্রেডশীট সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য করা যায়?
  1. Mozilla Firefox
  2. Microsoft Excel
  3. Adobe Photoshop
  4. Microsoft Word
ব্যাখ্যা

• স্প্রেডশীট সফটওয়্যার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীদের ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ, গণনা, বিশ্লেষণ এবং চিত্রায়িত করার সুবিধা দেয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের হিসাব, চার্ট, গ্রাফ তৈরি করা যায় এবং সূত্র ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফলাফল নির্ণয় করা যায়। দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে, Microsoft Excel একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার। এটি সারি ও কলামে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে, ফর্মুলা ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় হিসাব করতে সক্ষম এবং ব্যবহারকারীর জন্য বিশ্লেষণাত্মক চার্ট ও রিপোর্ট তৈরি করতে সাহায্য করে।
- অন্যদিকে, Mozilla Firefox একটি ওয়েব ব্রাউজার, Adobe Photoshop একটি গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার এবং Microsoft Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Microsoft Excel.

 
• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.

২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.

৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৭৭.
NMS stands for -
  1. ক) Number Of Main station
  2. খ) Network Maintenance Software
  3. গ) Network Management Systems
  4. ঘ) Net Motion Stabilizer
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কিং এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ:
NMS - Network Management Systems
RMM - Remote Monitoring and Management
MSP - Managed Service Provider
CAC- call admission control
CAS- channel-associated signaling
CBR- constant bit rate
CBS- committed burst size
CI- connection identifier
CID- channel identifier

উৎস: নেটওয়ার্ক এনসাইক্লোপিডিয়া।
৬,০৭৮.
মডেমের মডুলেটর কী ধরণের কাজ করে থাকে -
  1. ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে
  2. তথ্য সংরক্ষণ করে
  3. অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে
  4. তথ্য মুছে দেয়
ব্যাখ্যা
মডেমের মডুলেটর সাধারণত ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে থাকে।

মডেম:
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC - Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (ADC Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে।
- তথ্য গ্রহণ এবং প্রদানকারী উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত করতে হয়।
- টেলিফোন লাইনের তারটি সংযুক্ত করতে হয় মডেমের সাহায্যে এবং মডেমের তারটি সংযুক্ত করতে হয় কম্পিউটারের সাথে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,০৭৯.
সিক টাইম ও ল্যাটেন্সি টাইমের সমষ্টিকে কী বলে?
  1. এক্সিকিউট টাইম
  2. প্রোসেসিং টাইম
  3. রান টাইম
  4. অ্যাকসেস টাইম
ব্যাখ্যা
সিক টাইম (Seek Time) ও ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।

অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮০.
প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করেছিল কোন প্রতিষ্ঠান এবং কত সালে?
  1. IBM, 1969
  2. Microsoft, 1970
  3. Intel, 1971
  4. Apple, 1973
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্ট্রর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে।
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়।
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়।
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন।
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়।
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮১.
কোনটাকে সামাজিক অন্তর্জাল (Social Network) বলে?
  1. ক) Yahoo
  2. খ) firefox
  3. গ) Google
  4. ঘ) Facebook
ব্যাখ্যা
ফেইসবুক প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত নয় আইজ্যাক অ্যাশিমো। ফেইসবুক (Facebook) বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডুয়ার্ডো স্যাভেরিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্‌স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেসবুক নির্মাণ করেন। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরো পরে এটা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাই স্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
৬,০৮২.
চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন?
  1. ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  2. অ্যানালিটিক ইঞ্জিন
  3. পাস্কেলাইন
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

• চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) কম্পিউটিং ইতিহাসের একজন অগ্রগামী, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি দুটি যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন:
i) ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine): এটি একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর, যা গাণিতিক সারণী তৈরি করতে ব্যবহৃত হতো।
ii) অ্যানালিটিক ইঞ্জিন (Analytical Engine): এটি একটি প্রোগ্রামযোগ্য যন্ত্র, যা আধুনিক কম্পিউটারের ধারণার ভিত্তি তৈরি করে। এটি লজিক্যাল অপারেশন এবং ডেটা প্রসেসিং করতে সক্ষম ছিল।

• চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৮৩.
কোনটি কাস্টমাইজড অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার
  2. এমএস অফিস
  3. এমএস এক্সেল
  4. পেরোল সিস্টেম
ব্যাখ্যা
পেরোল সিস্টেম একটি কাস্টমাইজড অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যা্রের উদাহরণ।

কাস্টমাইজড অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- কাস্টমাইজড অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার এমন  একটি সফটওয়্যার যা নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষভাবে তৈরি করা হয়। এগুলো সাধারণত কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা সফটওয়্যার কোম্পানি তৈরি করে।
- সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- যেমন-
• ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়‍্যার,
• ইলেকট্রনিস কমার্স, 
পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম। 

সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়‍্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়। 
- মূলত কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্যে প্রাত্যহিক সমস্যার সমাধান করে থাকেন।
- সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
এমএস অফিস,
• এমএস এক্সেল,

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
• নেটস্কেপ নেভিগেটর,
• নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
• ইলেকট্রনিক মেইল,
• পেজ মেকার,
• ফটোশপ,
• ইলাস্ট্রেটর, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮৪.
কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. PowerPoint
  2. Firefox
  3. Kaspersky
  4. iTunes
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার জন্য Kaspersky ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা ভাইরাস, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যারসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা দেয়। PowerPoint হলো একটি প্রেজেন্টেশন তৈরির সফটওয়্যার, Firefox একটি ওয়েব ব্রাউজার এবং iTunes মূলত গান, ভিডিও শোনার বা ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলোর কোনোটিই সরাসরি ম্যালওয়্যার প্রতিরোধে কার্যকর নয়। কিন্তু Kaspersky নিয়মিত সিস্টেম স্ক্যান করে এবং সন্দেহজনক ফাইল বা প্রোগ্রাম চিহ্নিত করে কম্পিউটারকে নিরাপদ রাখে। তাই সাইবার নিরাপত্তার জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার অপরিহার্য।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

কম্পিউটার ভাইরাস:
প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬,০৮৫.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) ওসিআর
  3. গ) মাউস
  4. ঘ) কিবোর্ড
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট প্রাপ্ত ইনপুটকে ব্যবহারকারীর দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন করে। প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হলে তার ফল পাওয়া যায়। একে বলে আউটপুট। প্রক্রিয়াকরণের পর যে সকল যন্ত্রের সাহায্যে ফল পাওয়া যায় তাদেরকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস। যেমনঃ মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্রোজেক্টর, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।
৬,০৮৬.
VLSI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Very Long System Integration
  2. Very Large System Integration
  3. Very Large Scale Integration
  4. Very Large Scale Input
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের চতুৰ্থ প্ৰজন্মের বৈশিষ্ট্য:
- মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার শুরু, কম্পিউটারের আকার হ্রাস, তথ্য ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি ৷
- প্যাকেজ প্রোগ্রাম এর ব্যবহার ।
- প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ইনটেল-৪০০৪
- মাইক্রো কম্পিউটার এর জনক এডওয়ার্ড রবার্ট।
- বহুমুখি ইনপুট আউটপুট যন্ত্রের ব্যবহার।
- VLSI (Very Large Scale Integration), LSI টেকনোলজির ব্যবহার শুরু।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮৭.
FinTech এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Financial Technology
  2. Finland Technology
  3. Finite Technology
  4. Finance and Technology
ব্যাখ্যা
Fintech এর পূর্ণরূপ হলো Financial Technology.

Financial technology (Fintech) is used to describe new tech that seeks to improve and automate the delivery and use of financial services.

Source: Oxford Dictionary, www.investopedia.com
৬,০৮৮.
'SIM' stands for -
  1. Subscriber Identity Model
  2. Subscriber Identity Module
  3. Short Identity Module
  4. Short Identity Model
ব্যাখ্যা
SIM:
- 'SIM'- এর পূর্ণরূপ হলো: Subscriber Identity Module.
- SIM একটি সমন্বিত বর্তনী যা নিরাপদে আন্তর্জাতিক মোবাইল গ্রাহকের পরিচয় (আইএমএসআই) সংরক্ষণ করে।
- এটি একটি Portable মেমরি চিপ যা আপনাকে বিশ্বকে কল করতে সক্ষম করে যেখানে গ্রাহকের Network উপলব্ধ।
- সিএমটি সাধারণত GSM জিএসএম নেটওয়ার্কের উপর পরিচালিত MOBILE ফোনগুলিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,০৮৯.
মোবাইল কমিউনিকেশনে 4G-এর ক্ষেত্রে 3G এর তুলনায় অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য কি?
  1. ক) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
  2. খ) দ্রুত গতির ইন্টারনেট
  3. গ) মোবাইল টিভি
  4. ঘ) ভিডিও কলিং
ব্যাখ্যা
মোবাইল কমিউনিকেশনে 4G ও 3G উভয়ই উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দেয়। 4G থেকে ভিডিও কলিং, মোবাইল টিভি ছাড়াও 3G এর চেয়ে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যায়।
৬,০৯০.
লজিক্যাল ভুলের উদাহরণ কোনটি?
  1. PRINT কে PRIMT লেখা
  2. সেমিকোলন না দেওয়া
  3. 82 এর স্থলে 28 লেখা
  4. X = A + B এর স্থানে X = A - B লেখা
ব্যাখ্যা
• Syntax Error:
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- সিনট্যাক্স ভুলের উদাহরণ: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।
- এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের বেলা কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

• Data Error:

- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা, এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

• Logical Error:
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক্যাল ভুল।
- সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয়।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,০৯১.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে স্বতন্ত্রভাবে সনাক্ত করা যায়?
  1. বায়োইনফরমেটিক্স
  2. এনথ্রোপলজি
  3. বায়োমেট্রিক্স
  4. ন্যানো প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যা কোনো ব্যক্তির অনন্য, অপরিবর্তনীয় শারীরিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য (যেমন আঙুলের ছাপ, আইরিশ) পরিমাপ ও বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিকে নিখুঁতভাবে শনাক্ত করে এবং তার পরিচয় নিশ্চিত করে।

বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার:
১. কম্পিউটার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে,
২. অপরাধী ও ব্যক্তি শনাক্তকরণে,
৩. পাসপোর্ট তৈরিতে,
৪. মোবাইল সিম ক্রয়ে গ্রাহককে সহায়তা করে,
৫. পরিচয়পত্র তৈরিতে,
৬. বাংলাদেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়।

অন্যান্য অপশন:
- বায়োইনফরমেটিক্স: এটি মূলত জীববিজ্ঞানের ডেটা (DNA, RNA, প্রোটিন সিকোয়েন্স) সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহৃত একটি বিজ্ঞান। এটি ব্যক্তি শনাক্তকরণ পদ্ধতি নয়।
- ন্যানো প্রযুক্তি: এটি বস্তুর ন্যানোমিটার স্কেলে (খুব ছোট স্কেলে) ব্যবহার এবং ম্যানিপুলেশন সম্পর্কিত প্রযুক্তি। এর সাথে ব্যক্তি শনাক্তকরণের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- এনথ্রোপলজি (নৃবিজ্ঞান): এটি মানব জাতি, তার সংস্কৃতি, সমাজ এবং বিবর্তন নিয়ে গবেষণাকারী বিজ্ঞান। এটি ব্যক্তি শনাক্তকরণ প্রযুক্তি নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।

৬,০৯২.
কম্পিউটারে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলোর কাজ করে থাকে -
  1. ক) Control Unit
  2. খ) CPU
  3. গ) ALU
  4. ঘ) Memory Unit
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা (ALU) বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
আবার কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,০৯৩.
Bluetooth এর স্ট্যান্ডার্ড হলো:
  1. IEEE 802.16
  2. IEEE 802.11
  3. IEEE 802.15
  4. IEEE 802.13
ব্যাখ্যা
Bluetooth এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.15.

Bluetooth
- Bluetooth হলো একটি স্বল্প দূরত্বে (১–১০০ মিটার) তথ্য আদান-প্রদানকারী তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি।
- একে Wireless Personal Area Network (WPAN) বলা হয়।
- এটি ইন্টারনেট ছাড়াই ছবি, গান, ফাইল ইত্যাদি এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পাঠাতে সাহায্য করে।
- ১৯৯৪ সালে টেলিকম কোম্পানি Ericsson এটি উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা হ্যারল্ড ব্লুটুথ এর নামানুসারে ব্লুটুথ এর নামকরণ করা হয়েছে।
- এর ফ্রিকোয়েন্সি ২.৪৫ গিগাহার্টজ।
- এর ব্যান্ডউইথ 1 Mbps.
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট বলে।

• Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.11.
• WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৬,০৯৪.
একটি সার্চ ইঞ্জিন মূলত কী ব্যবহার করে ওয়েব পেজ খুঁজে বের করে?
  1. ব্যবহারকারীর প্রোফাইল
  2. শুধু ছবি
  3. কীওয়ার্ড
  4. ইমেইল তালিকা
ব্যাখ্যা

• একটি সার্চ ইঞ্জিন মূলত কীওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েব পেজ খুঁজে বের করে। ব্যবহারকারী যখন সার্চ বক্সে কোনো শব্দ বা বাক্য লেখে, সেটিই কীওয়ার্ড হিসেবে কাজ করে। সার্চ ইঞ্জিন তার ডেটাবেসে থাকা অসংখ্য ওয়েব পেজের শিরোনাম, কনটেন্ট, লিংক ও মেটাডেটার সঙ্গে সেই কীওয়ার্ড মিলিয়ে দেখে। এরপর প্রাসঙ্গিকতা অনুযায়ী ফলাফল সাজিয়ে ব্যবহারকারীর সামনে উপস্থাপন করে। ব্যবহারকারীর প্রোফাইল, শুধু ছবি বা ইমেইল তালিকা সার্চ করার মূল উপায় নয়। তাই দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) কীওয়ার্ড।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৬,০৯৫.
নিচের কোনটি 1 পেটাবাইটের সমতূল্য?
  1. 1024 টেরাবাইট
  2. 1024 গিগাবাইট
  3. 1024 মেগাবাইট
  4. 1024 কিলোবাইট
ব্যাখ্যা


উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৯৬.
কোনটিতে 'one-to-many communication' মডেল ব্যবহার করা হয়?
  1. মাল্টিকাস্ট
  2. ব্রডকাস্ট
  3. ইউনিকাস্ট
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশন:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডাটা পাঠানো হয় ৷
- প্রাপকের সংখ্যা ও ডাটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় ৷ এগুলো হলো-

১) ইউনিকাস্ট (Unicast):
- এ পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধু একটি প্রাপকই ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডাটা গ্রহণ করতে পারে না, এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়  বা
- Unicast কে point-to-point communication বলা হয়। কারণ, Unicast 'Large Audience'- এর জন্য প্রযোজ্য না।
- Unicast- এ 'one-to-one communication' ব্যবহার করা হয়।

২) ব্রডকাস্ট (Broadcast):
- ব্রডকাস্ট মোডে কোন একটি যন্ত্র (কম্পিউটার, বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীন সকল যন্ত্র গ্রহণ করতে পারে।
- টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারে, এটি Broadcast- এর উদাহরণ।
- Broadcast- এ 'one-to-all communication' মডেল ব্যবহার করা হয়।

৩) মাল্টিকাস্ট (Multicast):
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের একটি নোড থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেওয়ার্কের অধীন সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না।
- শুধু নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে।
- ভিডিও কনফারেসিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।
- Multicast- কে  'balance between unicast and broadcast'- ও বলা যায়।
- Multicast- এ 'one-to-many communication' মডেল ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) IEEE Transactions on Communications.
৬,০৯৭.
নিচের কোনটি ডেটা সার্ভিস?
  1. ক) EDGE
  2. খ) TETRA
  3. গ) P2S
  4. ঘ) DMR
ব্যাখ্যা
WiMAX 2, LTE (Long Term Evolution) ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সেবা। GSM, EDGE, UTMS, HSPA এগুলো ৩য় প্রজন্মের মোবাইল সেবা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
৬,০৯৮.
সিডিএমএ কোন ধরনের পদ্ধতি?
  1. ট্রান্সমিশন মিডিয়া
  2. নেটওয়ার্ক টপোলজি
  3. ডাটা এনকোডিং পদ্ধতি
  4. চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড
ব্যাখ্যা

• সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড।

• সিডিএমএ:
- সিডিএমএ-এর পূর্ণরূপ হলো কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস (Code Division Multiple Access)।
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড, যার মাধ্যমে একই ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে যোগাযোগ করতে পারে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে সিডিএমএ বাস্তবায়িত হয়।

• সিডিএমএর ব্যবহার ও সক্ষমতা:
- সিডিএমএ প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডেটা অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বেশি ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এই প্রযুক্তিতে ২জি এবং ৩জি—উভয় প্রজন্মের মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়।

• সিডিএমএর কার্যপ্রণালি:
- সিডিএমএ পদ্ধতিতে বেতার তরঙ্গ ব্যান্ডকে একাধিক ক্যারিয়ারে বিভক্ত করা হয়।
- প্রতিটি ক্যারিয়ারের প্রস্থ ১.২৫ মেগাহার্টজ।
- প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদা কোড নির্ধারণ করা হয়।
- নির্ধারিত কোড পুরো ক্যারিয়ারের মধ্যে বিস্তৃত থাকে।

• সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড।
- বিভিন্ন রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তিতে ব্যবহারযোগ্য।
- ভয়েস ও ডেটা অ্যাপ্লিকেশনে উচ্চ ব্যান্ডউইথ প্রদান করে।
- ২জি ও ৩জি প্রযুক্তি সমর্থন করে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া: এটি ডাটা পরিবহনের মাধ্যম।
- নেটওয়ার্ক টপোলজি: এটি নেটওয়ার্কের গঠন কাঠামো নির্দেশ করে।
- ডাটা এনকোডিং পদ্ধতি: এটি ডাটাকে সিগন্যাল আকারে রূপান্তরের কৌশল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৯৯.
ডাটা ট্রান্সফার গতি সবচেয়ে বেশি হয় কোথায়?
  1. ন্যারো ব্যান্ড
  2. ব্রড ব্যান্ড
  3. ভয়েস ব্যান্ড
  4. সবগুলোর গতি সমান
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)
ন্যারো ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা ঝঁনঠড়রপব ইধহফ বলে। ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকেব্যবহার করা হয়।
ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের ডাটা গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকেকম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।
ব্রড ব্যান্ড: ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রডব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,১০০.
ROM- এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার
  2. ক্লাউডে চলা সফটওয়্যার
  3. RAM-এ সংরক্ষিত অস্থায়ী ডেটা
  4. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ROM-এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো: ক) হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার। ফার্মওয়্যার হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি কাজ করে এবং এটি সাধারণত ROM (Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে। এটি মূলত কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া এবং হার্ডওয়্যারের প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ফার্মওয়্যার স্থায়ী বা সেমি-স্থায়ী হয় এবং ব্যবহারকারী সাধারণভাবে এটি পরিবর্তন করতে পারে না। এর উদাহরণ হলো BIOS বা UEFI, যা কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যারের কাজ শুরু করে। তাই ফার্মওয়্যারকে হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার হিসেবে ধরা হয়।

• ROM (রম):
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- যেমন: PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]।