ব্যাখ্যা
• দ্বি-স্তরীয় প্রমাণীকরণ বা 2FA অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে, যা শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতার ঝুঁকি কমায়। ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করতে, লগইন প্রক্রিয়ায় একটি অতিরিক্ত ধাপ যেমন SMS, ইমেল বা অ্যানথেন্টিকেটর অ্যাপের কোড প্রয়োজন হয়। এটি হ্যাকারদের জন্য অ্যাক্সেস পাওয়া কঠিন করে তোলে, যদিও তারা পাসওয়ার্ড জেনে যায়। 2FA কেবল ব্যাঙ্কিং অ্যাপের জন্য নয়, বরং ইমেল, সোশ্যাল মিডিয়া, ক্লাউড সার্ভিস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের জন্যও কার্যকর। তাই এটি আধুনিক ডিজিটাল নিরাপত্তার একটি অপরিহার্য উপাদান।
সঠিক উত্তর: খ) এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে।
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA):
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন-এর অর্থ হচ্ছে যখন ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করা হয় তখন একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড যা ৬ ডিজিটের হয়ে থাকে) ফোনে বা মেইলে আসে।
অর্থাৎ, টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) ব্যবহার করা হয়।
- যখন সেই ওটিপি সঠিকভাবে দেওয়া হয় তখনই কেবল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়, অন্যথায় নয়।
- OTP সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হয়, একবার ব্যবহার করার পরে OTP এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে একই OTP আর ব্যবহার করা যায় না।
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন চালু থাকলে সাইবার অপরাধীর পক্ষে কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা বেশ কঠিন হয়ে যায়।
- বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিভিন্ন প্রয়োজনে এবং বিনোদনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাবহার করা হয়। তবে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যে, কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা যায় এবং কোনগুলো করা যায় না।
- হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডকৃত বিভিন্ন কনটেন্ট এর সূত্র ধরে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে কোনো প্রতারণার মাধ্যমে অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে তাই এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।