বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৫২ / ১৩১ · ৫,১০১৫,২০০ / ১৩,০৮৮

৫,১০১.
কোন অপারেটিং সিস্টেমটি লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি?
  1. Windows
  2. macOS
  3. Ubuntu
  4. iOS
ব্যাখ্যা

Ubuntu হলো একটি ওপেন-সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা Linux কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি Debian ভিত্তিক একটি জনপ্রিয় Linux ডিস্ট্রিবিউশন, যা ডেস্কটপ, সার্ভার এবং ক্লাউড পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।

লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম.
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস (Linus Torvalds) লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১০২.
কোনটির ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সবচেয়ে কম?
  1. ক) Optical Disk
  2. খ) Register
  3. গ) Cache Memory
  4. ঘ) Magnetic Disk
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম:
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
- যেমন: CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।

সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory):
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 

 

- চিত্রের পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
- মাঝামাঝিতে অবস্থান করা অপরাপর স্মৃতির ধারণক্ষমতা, গতি ও দাম সম্পর্কে সমানুপাতিক মন্তব্য করা যায়।
- অর্থাৎ পিরামিডের উপর থেকে নিচের দিকের ক্রম অনুসারে খরচ কম হয়, ধারণক্ষমতা বাড়ে এবং অ্যাকসেস টাইম বৃদ্ধি পায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১০৩.
ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. বায়োইনফরমেটিক্স
  2. বায়ো মেট্রিক্স
  3. ন্যানোটেকনোলজি
  4. রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
 বায়োমেট্রিক্স: 
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। 
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার: 
১. কম্পিউটার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে, 
২. অপরাধী ও ব্যক্তি শনাক্তকরণে, 
৩. পাসপোর্ট তৈরিতে, 
৪. মোবাইল সিম ক্রয়ে গ্রাহককে সহায়তা করে, 
৫. পরিচয়পত্র তৈরিতে, 
৬. বাংলাদেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,১০৪.
'হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)' কোন প্রযুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) Machine learning
  2. খ) Biometrics
  3. গ) Virtual Reality
  4. ঘ) Data mining
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ 'metron' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।

দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। 

যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,১০৫.
(5012)10 সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর কোনটি? 
  1. (139C)16
  2. (1384)16
  3. (A394)16
  4. (1394)16
ব্যাখ্যা

• (5012)10 সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর হলো (1394)16 

- দশমিক (Decimal) সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করতে হলে সংখ্যাটিকে ১৬ দিয়ে পর্যায়ক্রমিক ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে ওপরের দিকে (MSB to LSB) সাজাতে হয়।

৫,১০৬.
(212) কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন - 
  1. ক) (183)10
  2. খ) (143)10
  3. গ) (138)10
  4. ঘ) (153)10
ব্যাখ্যা
(212) = 2 × 82 + 1 × 8× 2 × 8°
            = 2 × 64 + 1 × 8 + 2 × 1
            = 128 + 8 + 2
            = 138

(212)8   = (138)10

৫,১০৭.
Which of the following is a microblogging platform? 
  1. X
  2. Facebook 
  3. Youtube 
  4. LinkedIn
ব্যাখ্যা

Twitter/X is a microblogging platform.

Twitter/X:
- এটি একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এবং মাইক্রোব্লগিং সেবা।
- এটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্ল্যাটফর্মে ২৮০ অক্ষরের বেশি নয় – এমন ছোট বার্তা বা টুইট পাঠানো হয়।
- ২১শ শতকের শুরুর দিকে রাজনীতি ও সংস্কৃতি গঠনে Twitter/X-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল।
- Twitter-এর উত্তরসূরি X Corp.
- X Corp. এর মালিকানা রয়েছে X Holdings Corp.-এর কাছে।
- X Holdings Corp.-এর মালিক হলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী আমেরিকান উদ্যোক্তা Elon Musk.
- এটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদানে সহায়ক একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,১০৮.
ক্লাউডফ্লেয়ার মূলত কোন সেবার জন্য পরিচিত?
  1. ভিডিও স্ট্রিমিং
  2. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  3. কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক এবং DDoS সুরক্ষা
  4. ওয়েব হোস্টিং
ব্যাখ্যা

• ক্লাউডফ্লেয়ার মূলত কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) এবং DDoS সুরক্ষার জন্য পরিচিত। এটি একটি ইন্টারনেট নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো কোম্পানি যা ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর দ্রুততা, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ক্লাউডফ্লেয়ারের CDN ব্যবহারকারীর নিকটবর্তী সার্ভার থেকে কনটেন্ট সরবরাহ করে লোড সময় কমায়, আর DDoS আক্রমণ প্রতিরোধ করে ওয়েবসাইটকে অফলাইনে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি SSL, ফায়ারওয়াল এবং অন্যান্য সাইবার নিরাপত্তা ফিচার প্রদান করে। তাই মূলত ক্লাউডফ্লেয়ার ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স উন্নত করা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, শুধুমাত্র ভিডিও স্ট্রিমিং বা সার্চ ইঞ্জিনের জন্য নয়।

- সঠিক উত্তর: গ) কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক এবং DDoS সুরক্ষা।

- সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী (অক্টোবর - নভেম্বর, ২০২৫) এ, AWS outage এবং Cloudflare outage জনিত সমস্যা দেখা যায়। 
- AWS outage → যে অ্যাপ বা ওয়েবসাইট AWS (Amazon Web Services)-এ হোস্ট করা, সেগুলো সাময়িকভাবে কাজ না করে।
- Cloudflare outage → Cloudflare-এর মাধ্যমে যেসব সাইট চলে, অনেকগুলো একসাথে সমস্যা করে।

• Cloudflare এবং কনটেন্ট ডেলিভারি ও ওয়েব সিকিউরিটি (Content Delivery & Web Security):
- Cloudflare মূলত একটি CDN (Content Delivery Network) ও ওয়েব সিকিউরিটি পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট দ্রুত ডেলিভারি করে, সার্ভারের লোড কমায় এবং DDoS, বট এটাক ও অন্যান্য নিরাপত্তা হুমকি থেকে সুরক্ষা দেয়।
- Cloudflare বিভিন্ন সার্ভিস দেয় যেমন CDN, DNS সার্ভিস, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ফায়ারওয়াল (WAF), SSL/TLS সাপোর্ট, এবং পারফরম্যান্স অপটিমাইজেশন।
- ফলে Cloudflare ওয়েব পারফরম্যান্স ও নিরাপত্তার জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত।

উৎস:
- Cloudflare website.

৫,১০৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ ?
  1. সহায়ক মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
  2. কম্পিউটার পারফর্মেন্স এর গতি বৃদ্ধিতে।
  3. ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
  4. প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। 
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,১১০.
Phishing আক্রমণের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ?
  1. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার
  2. সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করা
  3. ফায়ারওয়াল চালু রাখা
  4. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করা 
ব্যাখ্যা

◉ Phishing Attack হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে ভুয়া ই-মেইল, মেসেজ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডিটেইলস) হাতিয়ে নেওয়া হয়। তাই এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ হলো → সন্দেহজনক লিংক, ই-মেইল বা অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক না করা।

ফিশিং (Phishing):
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি যেমন- নাম, পাসওয়ার্ড, ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে বলা হয় ফিশিং।
- সাধারণত ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ফিশিং করা হয়ে থাকে। এ পদ্ধতিতে ফিশার হ্যাকাররা ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত ব্যবহারকারীর কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের জন্য চায়।
- যদি কেউ এ ফাঁদে পা দেয় তাহলে ফিশার হ্যাকাররা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে বিভিন্ন ধরনের বিপদে ফেলে দেয়।

সূত্র: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১১১.
Distributed Denial of Service (DDoS) আক্রমণ কী?
  1. ডাটাবেজ থেকে তথ্য চুরি করা
  2. সিস্টেমের সার্ভিস স্থগিত করা
  3. কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড হ্যাক করা
  4. ফিশিং ইমেইল পাঠানো
ব্যাখ্যা

◉ DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন, যেখানে একাধিক কম্পিউটার বা বটনেটের মাধ্যমে একটি সার্ভার, নেটওয়ার্ক, বা ওয়েবসাইটকে অত্যাধিক ট্রাফিকের মাধ্যমে অকার্যকর করা হয়।

DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,১১২.
ডাটাবেসে ইনডেক্সিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. স্টোরেজ স্পেস কমানো
  2. কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা
  3. ডেটা নকল হওয়া প্রতিরোধ করা
  4. ডেটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেসে ইনডেক্সিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কুয়েরি রিটার্ভালকে দ্রুত করা। যখন কোনো টেবিল বড় হয় এবং এতে লাখ লাখ রেকর্ড থাকে, তখন নির্দিষ্ট ডেটা খুঁজে পাওয়া সময়সাপেক্ষ হতে পারে। ইনডেক্স একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার, যা ডাটার অবস্থানকে সূচক হিসেবে সংরক্ষণ করে, ফলে সার্চ অপারেশন অনেক দ্রুত হয়। এটি ঠিক কিতাবের সূচকের মতো কাজ করে, যেখানে পুরো বই পড়ার বদলে সরাসরি প্রয়োজনীয় পাতায় যাওয়া যায়। ইনডেক্সিং স্টোরেজ স্পেস কমায় না, ডেটা নকল প্রতিরোধ করে না এবং ডেটার অখণ্ডতা সরাসরি নিশ্চিত করে না; বরং এটি প্রধানত ডেটা রিটার্ভালের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেসে ইনডেক্সিং (Indexing):
- ডাটাবেসে ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো - "কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা"।  
- ইনডেক্স একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার যা সার্চ করার সময় দ্রুত ফলাফল প্রদান করে।  
- এটি ডেটাকে একটি সংগঠিত উপায়ে সংরক্ষণ করে, ফলে নির্দিষ্ট ডেটা খুব কম সময়ে খুঁজে পাওয়া যায়।  
- স্টোরেজ স্পেস কিছুটা বাড়লেও, ডেটা অনুসন্ধানের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।  
- ডেটা নকল হওয়া প্রতিরোধ করা বা ডেটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করা ইনডেক্সের উদ্দেশ্য নয়।  
- সাধারণত B-Tree, Hashing ইত্যাদি টেকনিক ব্যবহার করে ইনডেক্স তৈরি করা হয়।  

সূত্র:
১) কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) geeksforgeeks [link]

৫,১১৩.
আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশে কোনটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছে?
  1. আইসি
  2. পাঞ্চ কার্ড
  3. এনআইসি কার্ড
  4. ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি):
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি ও রবার্ট নইসি আইসি (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন, যা ইলেকট্রনিক্সে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন।
- আইসিতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ও অন্যান্য উপকরণ একত্রে একটি সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা হয়।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, এবং কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আইসি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল, যেমন IBM 360, 370, PDP 8, PDP II।
- আইসি ব্যবহার কম্পিউটার মেমরিব্যবস্থার উন্নতিতে সাহায্য করে এবং হিসাব নিকাশের সময় কমিয়ে আনে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১১৪.
Wi-Fi প্রযুক্তিতে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ইনফ্রারেড রশ্মি
  2. রেডিও তরঙ্গ
  3. আলোক তরঙ্গ
  4. তারযুক্ত সংকেত
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi তারবিহীন যোগাযোগের জন্য রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিশন করে।

• ওয়াই-ফাই(Wi-Fi):
- ওয়াই-ফাই(Wi-Fi)–এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- এটি একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির মাধ্যমে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, প্রিন্টার ইত্যাদি ডিভাইস ইন্টারনেট বা লোকাল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে।
- ওয়াই-ফাইয়ের মান নির্ধারণ করেছে IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড।
 
• ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবহারক্ষেত্র:
- বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস ও পাবলিক স্থানে তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ।
- স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও অন্যান্য ডিভাইসে নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান।
- হটস্পটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার।
 
• ওয়াই-ফাইয়ের সুবিধাসমূহ:
- তার ছাড়াই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা।
- স্থাপন ও ব্যবহার সহজ।
- একাধিক ডিভাইস একসাথে সংযুক্ত করা যায়।
- কম খরচে নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান করে।
- চলমান অবস্থায়ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ।
 
• ওয়াই-ফাইয়ের সীমাবদ্ধতা:
- তারযুক্ত নেটওয়ার্কের তুলনায় গতি কম হতে পারে।
- কভারেজ এলাকা সীমিত।
- নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকতে পারে।
- দেয়াল বা প্রতিবন্ধকের কারণে সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

৫,১১৫.
5G মোবাইল নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তর গতি -
  1. ক) ১ গিগাবিট/সেকেন্ড
  2. খ) ১০ গিগাবিট/সেকেন্ড
  3. গ) ১৫ গিগাবিট/সেকেন্ড
  4. ঘ) ২০ গিগাবিট/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
5G মোবাইল নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তর গতি ২০ গিগাবিট/সেকেন্ড । 

- 4G মোবাইল নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তর গতি ১ গিগাবিট/সেকেন্ড। 
- মোবাইল ফোনের পঞ্চম জেনারেশন ইন্টারনেটকে সংক্ষেপে বলা হয় ফাইভ জি; যেখানে অনেক দ্রুত গতিতে ইন্টারনেট তথ্য ডাউন লোড এবং আপলোড করা যাবে। 

- 5G এর বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. 5G নেটওয়ার্ক থেকে পাওয়া গতি 4G এর চেয়ে বহুগুণ বেশি।
২. এই নেটওয়ার্কে লেটেন্সি টাইম খুব কম হবে যা রিয়েল টাইম এক্সপেরিয়েন্সকে আরও ভালো করে তোলে।
৩. 5G থেকে 20 Gbps পর্যন্ত সর্বোচ্চ গতি অর্জন করা যেতে পারে। কিন্তু ডিভাইস অনুযায়ী গতির তারতম্য হতে পারে।
৪. 5G ব্যবহার করে উচ্চ মানের ভিডিও সহজেই স্ট্রিম করা যায়।
৫. 5G ব্যবহার করে মোবাইল ফোন দিয়ে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৬. 5G শক্তি সঞ্চয় করতেও সাহায্য করে। কারণ, এতে নেটওয়ার্কের শক্তির ব্যবহার 90% পর্যন্ত কমে যায়।
৭. 4G এর তুলনায়, 5G এর মাধ্যমে প্রতি ইউনিট এলাকায় 100 গুণ বেশি ডিভাইস সংযুক্ত করা যেতে পারে।
৮. 5G 4G এর থেকে বেশি নিরাপদ।
৯. 5G-তে ব্যাটারি খরচ কম।
১০. এটি 100% কভারেজ প্রদান করে।  

সূত্র- CISCO Website [লিঙ্ক]
৫,১১৬.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 054
  2. 765
  3. 849
  4. 127
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ, অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে 8 বা 9 এর মতো সংখ্যা ব্যবহার করা যায় না। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে ক) 054, খ) 765, ঘ) 127 - এই তিনটিতে শুধুমাত্র 0-7 এর মধ্যকার অঙ্ক রয়েছে, তাই এগুলো অক্টাল সংখ্যা হতে পারে। কিন্তু গ) 849 সংখ্যাটিতে ‘8’ এবং ‘9’ রয়েছে, যেগুলো অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে বৈধ নয়। তাই গ) 849 কখনই অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) 849.

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৫,১১৭.
করোনা মহামারির সময়ে কোনটি ভিডিও কনফারেন্স এবং ক্লাসের জন্য বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. ক) Youtube
  2. খ) Zoom
  3. গ) Google
  4. ঘ) Lively
ব্যাখ্যা
করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে Zoom and Google Meet সহ অন্যান্য ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যারগুলোর ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, ই-লার্নিং পেয়েছে এক নতুন মাত্রা।
৫,১১৮.
হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. সিপিইউ
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম: 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন যা মূলত একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। 
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সব কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়। 
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। 
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেমের। 
- ব্যবহারকারীর পরিবর্তে হার্ডওয়্যার দিয়ে কাজ করানোর দায়িত্বও অপারেটিং সিস্টেম পালন করে। 
- শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেমের উপস্থিতিতেই কম্পিউটারের অন্যান্য সফটওয়্যার কাজ করতে পারে। 
- কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, তথ্য সংরক্ষণ, ত্রুটি নির্ণয়, ইনপুট ও আউটপুট কার্যক্রম পরিচালনা, সিস্টেম বণ্টন এবং প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপনাসহ যাবতীয় কার্যাবলি অপারেটিং সিস্টেম সম্পন্ন করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১১৯.
কোন প্রজন্মের ভাষাকে মেশিন ভাষা বলা হয়?
  1. ১ম প্রজন্ম
  2. ২য় প্রজন্ম
  3. ৩য় প্রজন্ম
  4. ৪র্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- C++,
- Algol,
- Fortran,
- Java,
- Oracle ইত্যাদি।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language),
২. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language),
৩. তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language),
৪. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language),
৫. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫,১২০.
ওয়েবসাইট পেজ কয় ধরণের হয়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
হোম পেজ, মূলধারা পেজ ও উপধারার পেজগুলো বিভিন্ন ভাবে সাজানো থাকতে পারে। ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী উহার বিভিন্ন পেজগুলোকে নিম্নোক্ত চার ভাবে সাজানো যায়। যথা-
১. ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল (Hierarchical)
২.ওয়েব লিংকড বা নেটওয়ার্ক (Network)
৩. সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার (Linear )
৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Combination)

ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল (Hierarchical):
• হায়ারার্কিক্যাল ওয়েব সাইট কাঠামোতে ব্যবহারকারী হোম পেজে ল্যান্ড করে।
• হোম পেজে সাব মেনু ও অন্যান্য পেজের লিংক থাকে। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করা যায় যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের ভিজিটররা সহজেই বুঝতে পারে কোন অংশে তার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো রয়েছে। 

ওয়েব লিংকড বা নেটওয়ার্ক (Network):
এখানে সবগুলো পেজেরই একে অপরের সাথে লিংক থাকে অর্থাৎ একটি মেইন পেজের সাথে যেভাবে অন্যান্য পেজের যেমন লিংক থাকে ঠিক তেমনি অন্যান্য পেজের সাথেও মেইন পেজের লিংক থাকে। 

সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার (Linear):যখন কোন একটি ওয়েবসাইটের পেজগুলো নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে ভিজিট করার প্রয়োজন হয় তখন সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়। কোন পেজের পর কোন পেজ আসবে তা ওয়েবটেকনোলজি ডিজাইন করার সময় ঠিক করা হয়ে থাকে। এই ধরণের পেজগুলোতে সাধারণত Next, Previous, Last, First ইত্যাদি লিংক ব্যবহার করা হয়।

হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Combination):  যখন একাধিক স্ট্রাকচার ব্যবহার করে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা হয় তখন তাকে Combination স্ট্রাকচার বলে। শুধুমাত্র হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচার ব্যবহার করলে ওয়েবসাইট খুব সুন্দর হয় না এবং শুধুমাত্র নেটওয়ার্ক স্ট্রাকচার ব্যবহার করলে অতিরিক্ত ডিস্কস্পেস প্রয়োজন হয়। তাই একাধিক স্ট্রাকচার ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি ভিজিটরদের জন্য ভিজিট করাও সহজ হয়।

 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,১২১.
IPv4-এর প্রথম কোয়াড্রেন্টের মান যদি ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে হয়, তাহলে এটি কোন ক্লাসের IP হবে?
  1. Class A
  2. Class B
  3. Class C
  4. Class D
ব্যাখ্যা
যদি IPv4-এর প্রথম কোয়াড্রেন্টের মান ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে হয়, তাহলে এটি Class C IP অ্যাড্রেস হবে। IPv4 অ্যাড্রেস চারটি কোয়াড্রেন্ট বা অংশে বিভক্ত থাকে, প্রতিটি ০ থেকে ২৫৫ পর্যন্ত মান ধারণ করতে পারে। IP অ্যাড্রেসগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয় - A, B, C, D এবং E। এর মধ্যে Class C সাধারণত ছোট ও মাঝারি আকারের নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়। Class C IP অ্যাড্রেসের প্রথম কোয়াড্রেন্ট বা অষ্টক (octet) ১৯২ থেকে শুরু হয়ে ২২৩ পর্যন্ত থাকে, যেমন ১৯২.১৬৮.০.১। এই ক্লাসে নেটওয়ার্ক আইডি তিনটি অংশ পর্যন্ত থাকে এবং শেষ অংশটি হোস্ট আইডি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) Class C.

• আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)

- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।
৫,১২২.
নিচের কোন সফটওয়্যারটি গ্রাফিক ডিজাইনে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Adobe Illustrator
  2. Canva
  3. Adobe Photoshop
  4. Dbase
ব্যাখ্যা
গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রোগ্রাম:
- গ্রাফিক্স হলো দৃশ্যমান ইমেজ বা ছবি, যা বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে দৃশ্যমান করে তোলা হয়। 
- গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে যেকোনো তথ্য বা ছবি শৈল্পিক উপায়ে উপস্থাপন করা হয়।
- বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটারের মাধ্যম গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করা হয়।
- উদাহরণ: Canva, Adobe Photoshop, Adobe Illustrator ইত্যাদি।
- গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে ফটো এডিটিং, পোস্টার তৈরি, বিভিন্ন ধরনের ছবি তৈরি করা, ছবি পরিবর্তন করা, পরিবর্ধন করা, ছবি সংযোজন করা ইত্যাদি যাবতীয় কাজ করা যায়। 

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। 
- উদাহরণ: Microsoft Access, Microsoft Visual Basic, SQL, dbase, Informix, Oracle ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১২৩.
Many to Many রিলেশন তৈরি করতে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
  1. এক্সটেনশন ফাইল
  2. পাসওয়ার্ড ফাইল
  3. জাংশন টেবিল
  4. ইমেজ ফরম্যাট
ব্যাখ্যা
Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয় যাকে জাংশন টেবিল বলা হয়।

• ডাটাবেজ রিলেশন:

বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

• Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১২৪.
CYBER-205 ও Super SX II কোন ধরণের কম্পিউটার?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. বিশেষ কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. পার্সোনাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER-205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা,  এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১২৫.
Which shortcut undoes the previous action?
  1. Ctrl + Y
  2. Ctrl + Z
  3. Ctrl + W
  4. Ctrl + O
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + Z

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৫,১২৬.
An input device that is able to interpret pencil marks on paper media is known as-
  1. ক) Magnetic disk
  2. খ) Optical Mark Reader
  3. গ) Card Puncher
  4. ঘ) Magnetic tape
ব্যাখ্যা
Optical mark recognition is the process of capturing human-marked data from document forms such as surveys and tests. They are used to read questionnaires, multiple choice examination paper in the form of lines or shaded areas.
Source: techopedia.com
৫,১২৭.
কোনটি অনলাইন ভিডিও মিটিং প্লাটফর্ম নয়?
  1. গুগল মিট
  2. হোয়াটস অ্যাপ
  3. ওয়েবএক্স
  4. জুম
ব্যাখ্যা
[ওয়েবএক্স, জুম, গুগল মিট ডেডিকেটেড ভিডিও মিটিং প্লাটফর্ম। Whatsapp মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেডের অন্তর্ভুক্ত সেবা যা মেসেজিং এবং ভিডিও কলিং সুবিধা প্রদান করে তবে ডেডিকেটেড ভিডিও মিটিং প্লাটফর্ম নয়।]

- ভিডিও কমিউনিকেশন সফটওয়্যার 'জুম' (Zoom) ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: এরিক ইউয়ান (চীনা বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রযুক্তি উদ্যোক্তা)
- সদরদপ্তর: ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ১০০ জন ভিডিও কানফারেন্সিং-এ জয়েন করতে পারে।
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট ভিডিও কানফারেন্সিং চালু রাখা যায়।
- Google Meet গুগলের একটি পরিষেবা যা ভিডিও যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েব সাইট।
৫,১২৮.
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে কি বলা হয়?
  1. ক) হোস্ট
  2. খ) ওয়ার্কস্টেশন
  3. গ) ক্লায়েন্ট
  4. ঘ) ইন্টারপ্রিটার
ব্যাখ্যা
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে বলা হয় - ওয়ার্কস্টেশন। ওয়ার্কষ্টেশন হল একটি বিশেষ কম্পিউটার যা নকশা করা হয়েছে কারিগরি অথবা বৈজ্ঞানিক ব্যবহারিক কাজে প্রয়োগের জন্য। সাধারনভাবে এগুলো লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক দিয়ে সংযুক্ত থাকে।
৫,১২৯.
বাইনারিতে 11001110 এবং 11001100 এর যোগফল কত?
  1. 110011010
  2. 001100101
  3. 110001010
  4. 101011010
৫,১৩০.
ফায়ারওয়ালের প্রাথমিক কাজ কী?
  1. ক) সমস্ত আগত ট্রাফিক নেটওয়ার্কে ঢুকতে না দেওয়া।
  2. খ) সমস্ত আগত ট্রাফিক নেটওয়ার্কে ঢুকার অনুমতি দেওয়া।
  3. গ) আগত এবং বহির্গত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ করা।
  4. ঘ) সমস্ত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করা।
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল 
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।

- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। অর্থাৎ ফায়ারওয়াল আগত এবং বহির্গত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৩১.
নিচের কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় পেরিফেরাল হিসেবেই ব্যবহৃত হয়?
  1. ট্যাকবল
  2. লাইটপেন
  3. ইমেজ সেটার
  4. পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল হচ্ছে:
হার্ডডিস্ক
সিডি বা ডিভিডি
পেনড্রাইভ
টাচ স্ক্রিন

ইনপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে। কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট পেরিফেরাল ব্যবহৃত হয়। 
- উল্লেখযোগ্য ইনপুট পেরিফেরালসমূহ হলো:
কি-বোর্ড (Keyboard)
ওএমআর (OMR)
মাউস (Mouse)
ওসিআর (OCR)
ট্যাকবল (Trackball)
স্ক্যানার (Scanner)
জয়স্টিক (Joystick)
ডিজিটাইজার (Digitizer)
টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
লাইটপেন (Lightpen)
গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera)
পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)

আউটপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেরাল নামে পরিচিত। অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট পেরিফেরালমূহ নিম্নরূপ-
মনিটর (Monitor)
প্রিন্টার (Printer)
প্লটার (Ploter)
স্পিকার (Speaker)
মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
ইমেজ সেটার (Image Setter)
ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
হেডফোন (Headphone)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৩২.
কম্পিউটার সফটওয়্যার সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) কম্পিউটারের প্রােগ্রাম বা প্রােগ্রামের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে
  2. খ) এটা কম্পিউটারের লজিক্যাল কম্পােনেন্ট
  3. গ) এটা কম্পিউটারের ফিজিক্যাল কম্পােনেন্ট
  4. ঘ) সফওয়্যার মুছা যায় বা Delete করা যায়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার সফটওয়্যার

১। কম্পিউটারের প্রােগ্রাম বা প্রােগ্রামের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে।
২। এটা কম্পিউটারের লজিক্যাল কম্পােনেন্ট।
৩। সফটওয়্যার তৈরির সময় হার্ডওয়্যার সম্পর্কে ধারণা না থাকলেও চলে।
৪। সফওয়্যার মুছা যায় বা Delete করা যায়।
৫। উদাহরণ: উইন্ডােজ, এমএস ওয়ার্ড, এমএস এক্সেল, ফটোশপ ইত্যাদি।

(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))

৫,১৩৩.
বাণিজ্যিক প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত ভাষা হলো—
  1. BASIC
  2. COBOL
  3. ADA
  4. FORTRAN
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত ভাষা হলো COBOL.

উচ্চতর ভাষা (High Level Language):

- উচ্চতর ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চতর ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে- BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- এরপর কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে। 

উচ্চস্তরের ভাষাকে দুভাগে ভাগ করা যায়:
(১) সাধারণ কাজের (General purpose) ভাষা ও
(২) বিশেষ কাজের (Special purpose) ভাষা।

- যে ভাষা সব ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার হয় তাকে সাধারণ কাজের ভাষা বলে। যেমন- বেসিক, সি, প্যাসকল ইত্যাদি।
- যে ভাষা শুধু বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার হয় তাকে বিশেষ কাজের ভাষা বলে। যেমন- কোবল, ফোরট্রান।

• বিশেষ কাজের ভাষাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়:
- বাণিজ্যিক প্রয়োগের ভাষা কোবল।
- বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা ফরট্রান।
- বহুপ্রয়োগের ভাষা বেসিক, ফরট্রান, এ্যাডা ইত্যাদি।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৩৪.
ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে কী বলা হয়?
  1. ডিবাগিং
  2. সর্টিং
  3. ফাইন্ডিং
  4. সার্চিং
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে সর্টিং বলা হয়। 

• ডেটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়। ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৩৫.
কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. ক) Adobe Premiere Pro
  2. খ) Adobe Photoshop
  3. গ) Adobe Illustrator
  4. ঘ) Adobe InDesign
ব্যাখ্যা
Adobe Premiere Pro ভিডিও এডিটিং এর জন্য এবং বাকিগুলো Graphics তৈরি, এডিট ও পাবলিশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৫,১৩৬.
TIN বোঝায়-
  1. ক) ট্রান্সফার অব ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক
  2. খ) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক
  3. গ) ট্যাক্স ইনডেক্স নাম্বার
  4. ঘ) ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার
ব্যাখ্যা

A Tax Identification Number (TIN) is a unique combination of letters or numbers assigned by a jurisdiction to an individual and is used to identify the individual for the purpose of administering tax laws of such jurisdiction.

৫,১৩৭.
প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. রম
  3. র‍্যাম
  4. ক্লিপবোর্ড
ব্যাখ্যা
ক্লিপবোর্ড কমান্ড:
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে। 
- ক্লিপবোর্ড র‌্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেট ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।

তথ্যসূত্র - Computer Hope Website
৫,১৩৮.
নেটওয়ার্ক কার্ড ব্যবহারের জন্য নিচের কোন স্লটটি উপযুক্ত?
  1. ক) ISA
  2. খ) PCI
  3. গ) AGP
  4. ঘ) PCI Express
ব্যাখ্যা

নেটওয়ার্ক কার্ড ব্যবহারের জন্য PCI স্লটটি উপযুক্ত। 

পিসিআই কার্ডসমূহ সংযোজনের জন্য ব্যবহার করা হয় যেগুলো আইএসএ কার্ডগুলো থেকে বহুগুণ দ্রুতগতির এবং ৩২ বিটে চলে। এই ধরনের স্লটে Sound Card, Network Card, Modem সংযোজন করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫,১৩৯.
100101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) 46
  2. খ) 54
  3. গ) 37
  4. ঘ) 27
ব্যাখ্যা
• 100101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার 37.

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100101
= 1×25 + 0×24 + 0×23 + 1×22 + 0×21 + 1×20 
= 32+0+0+4+0+1
= 37

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,১৪০.
IoT সিস্টেমে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে কোনটি বিবেচিত হয়?
  1. সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি
  2. হার্ডওয়্যারের রঙ
  3. নেটওয়ার্কের স্পিড
  4. অ্যাপ ডিজাইন
ব্যাখ্যা

• IoT (ইন্টারনেট অফ থিংস) সিস্টেমে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে সাধারণত সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি (ক) বিবেচিত হয়। কারণ এই সিস্টেমগুলোতে সংযুক্ত ডিভাইসগুলি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য এবং সংবেদনশীল ডেটা সংগ্রহ করে, যা সাইবার হামলা বা তথ্য চুরির শিকার হতে পারে। নিরাপত্তাহীনতা হলে হ্যাকিং, ডেটা লিক বা অবাঞ্ছিত প্রবেশাধিকার সহজ হয়। এছাড়াও, IoT ডিভাইসের সংখ্যা এবং ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকলের কারণে সিস্টেমের নিরাপত্তা বজায় রাখা কঠিন হয়। তাই IoT সিস্টেম ডিজাইন করার সময় শক্তিশালী এনক্রিপশন, অথেনটিকেশন এবং প্রাইভেসি নীতি প্রয়োগ করা অপরিহার্য। হার্ডওয়্যারের রঙ, নেটওয়ার্ক স্পিড বা অ্যাপ ডিজাইন তুলনামূলকভাবে প্রধান চ্যালেঞ্জ নয়।
 
 ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।

৫,১৪১.
কোনটি ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদাহরণ?
  1. XQuery
  2. OQL
  3. LINQ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
XQuery
XQuery is a database language that allows you to extract and manipulate data in XML formats, which is a way to share data on the internet. You can use XQuery to access and retrieve any data source in an XML format. With XQuery, you can generate reports on data within an XML database, search text documents on the web for data and extract data for use online.

OQL
OQL, which stands for Object Query Language, is the standard language for object-oriented databases, which represent data as variables, functions or data structures. These databases are popular with companies that want to store large amounts of complex data. Much like SQL does in relational databases, OQL gives you the option to perform queries and retrieve data in object databases.

LINQ
LINQ, or Language Integrated Query, is a language that extracts and processes data from XML documents, relational databases and other third-party sources. With LINQ, you can access data through various sources without having to use a separate database language for each one. This ensures consistency among queries for objects, relational databases and XML, allowing you to filter, order and group operations.

source - indeed website
৫,১৪২.
সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার ইউনিট নয় কোনটি?
  1. নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
  2. সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম
  3. ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট সিস্টেম
  4. অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।

সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার:
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম নিম্মলিখিত ইউনিটগুলাে নিয়ে গঠিত।
যথা-
১) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
২) ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট (Database Management) সিস্টেম ও
৩) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট (Network Management) প্রােগ্রাম।

সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার:
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রােগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রােগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে।
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম নিম্নলিখিত প্রােগ্রামগুলাে নিয়ে গঠিত।
যথা-
১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
২) সিস্টেম পারফরমেন্স (Performance) মনিটর প্রােগ্রাম ও
৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম।

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার:
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস

উৎস: নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)।
৫,১৪৩.
নিচের কোনটি বাংলা লেখার সফটওয়্যার?
  1. ক) বিজয়
  2. খ) সুলেখা
  3. গ) সুতনী
  4. ঘ) রুপসা
ব্যাখ্যা
- বিজয় হচ্ছে বাংলা লেখার সফটওয়্যার।
- বিজয় বাংলা লেখার সফটওয়্যার ব্যবহারে মাইক্রোসফ্ট অফিস ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং আরও অনেকগুলি সহ বিভিন্ন ধরণের অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার করা যায়।
- Mustafa Jabbar এর তৈরি ২০০৯ সালে রিলিজ হওয়া Bijoy Bayanno একটি unicode ভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার।

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি [লিংক]
৫,১৪৪.
কোন নেটওয়ার্ক টপােলজিতে হাব (hub) ব্যবহার করা হয়?
  1. বাস টপােলজি
  2. রিং টপােলজি
  3. স্টার টপােলজি
  4. ট্রি টপােলজি
ব্যাখ্যা
• স্টার নেটওয়ার্ক টপােলজিতে হাব ব্যবহার করা হয়।

• স্টার টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।-
- কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়।
- এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।

• রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।

• ট্রি টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
- এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৪৫.
5y + 5y + 5y + 5y + 5y এর মান কত?
  1. 5y + 1
  2. 52y + 3
  3. 5y
  4. 125
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5y + 5y + 5y + 5y + 5y এর মান কত?

সমাধান:
5y + 5y + 5y + 5y + 5y
= 5y(1 + 1 + 1 + 1 + 1)
= 5y . 51
= 5y + 1

৫,১৪৬.
SaaS-এ সফটওয়্যার কোথায় হোস্ট করা হয়?
  1. সিডি-রোমে
  2. ইউএসবি ড্রাইভে
  3. ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে
  4. ক্লাউড/সার্ভারে
ব্যাখ্যা

• SaaS (Software as a Service) হলো একটি মডেল যেখানে সফটওয়্যার ব্যবহারকারীরা সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে, সফটওয়্যারটি তাদের কম্পিউটার বা কোনো ফিজিক্যাল ডিভাইসে ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই। SaaS-এ সফটওয়্যার সাধারণত ক্লাউড বা সার্ভারে হোস্ট করা হয়, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো সময় এবং যেকোনো জায়গা থেকে অ্যাক্সেস করা যায়। এটি ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা সফটওয়্যার আপডেট, রক্ষণাবেক্ষণ বা ব্যাকআপ নিয়ে চিন্তিত হতে হয় না। সিডি-রোম, ইউএসবি ড্রাইভ বা ব্যক্তিগত কম্পিউটারে সফটওয়্যার হোস্ট করার প্রয়োজন নেই, সব কিছুই ক্লাউডে সংরক্ষিত থাকে এবং সার্ভার থেকে সরাসরি ডেলিভারি করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ক্লাউড/সার্ভারে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,১৪৭.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সাধারণত কী কাজ করে?
  1. কম্পিউটারের মূল নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করা
  2. কম্পিউটার সংক্রান্ত ত্রুটি বের করা
  3. মাইক্রোপ্রসেসর ডিজাইন করা
  4. ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়‍্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, FoxPro, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৪৮.
নিচের কোনটি উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. COBOL
  2. ORACLE
  3. HTML
  4. SQL
ব্যাখ্যা
COBOL একটি উচ্চতর ভাষা।

• উচ্চতর ভাষা (High Level Language):
- উচ্চতর ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চতর ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে- BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- এরপর কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।

• উচ্চস্তরের ভাষাকে দুভাগে ভাগ করা যায়:
(১) সাধারণ কাজের (General purpose) ভাষা ও
(২) বিশেষ কাজের (Special purpose) ভাষা।

- যে ভাষা সব ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার হয় তাকে সাধারণ কাজের ভাষা বলে। যেমন- বেসিক, সি, প্যাসকল ইত্যাদি।
- যে ভাষা শুধু বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার হয় তাকে বিশেষ কাজের ভাষা বলে। যেমন- কোবল, ফোরট্রান।

• বিশেষ কাজের ভাষাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়:
- বাণিজ্যিক প্রয়োগের ভাষা কোবল।
- বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা ফরট্রান।
- বহুপ্রয়োগের ভাষা বেসিক, ফরট্রান, এ্যাডা ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
খ) ORACLE - ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সফটওয়্যার এবং ভাষা।
গ) HTML - ওয়েব পেজ তৈরির জন্য মার্কআপ ভাষা,
ঘ) SQL - ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ ভাষা।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৪৯.
CTR -এর নাম পরিবর্তন করে IBM রাখা হয় কত সালে?
  1. ১৯২৩
  2. ১৯২৪
  3. ১৯২২
  4. ১৯২৫
ব্যাখ্যা
আইবিএম (IBM): 
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation. 
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- প্রথমে নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR),পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয়। 
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়। 
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ। 
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150. 
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc. 
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম। 
- হাইপারলেজার হল একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি। 

উৎস: IBM Website. 
৫,১৫০.
কোন প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় তথ্য অফিসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চালু হয়েছে?
  1. ক) a2i
  2. খ) a3i
  3. গ) i2a
  4. ঘ) i3a
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সেবা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য একসেস টু ইনফরমেশন (a2i) প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় তথ্য অফিসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চালু হয়েছে
- এতে করে তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনিক ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সরকারি সবধরনের পরিষেবার তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
- প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, সাব-পোস্ট অফিসে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু করে সরকারি সবধরনের ডিজিটাল সার্ভিস সেবা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৫,১৫১.
Big Data ব্যবস্থাপনায় কোন প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে এগিয়ে? 
  1. Microsoft
  2. Google
  3. Intel
  4. IBM
ব্যাখ্যা

• Google এর প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বিশাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা, এবং ক্লাউড-ভিত্তিক বিশ্লেষণ টুলের কারণে তারা Big Data ব্যবস্থাপনায় অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ে অনেক এগিয়ে।

• Big Data ব্যবস্থাপনা:

- Big Data ব্যবস্থাপনা হলো বিশাল পরিমাণের ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং প্রক্রিয়াকরণের প্রক্রিয়া।
- এই ধরনের ডেটা প্রায়শই প্রচলিত ডেটাবেস সিস্টেম দিয়ে সহজে প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব নয়।
- Big Data থেকে ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কাস্টমার আচরণ বোঝা, নতুন পণ্য পরিকল্পনা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি (insights) পাওয়া যায়।

• Google এর অবদান ও নেতৃত্ব:
- প্রযুক্তি উদ্ভাবন: Google File System (GFS) ও MapReduce প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা বড় ডেটা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা তৈরি করেছে।
- BigQuery: Google এর ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা বিশ্লেষণ টুল BigQuery ব্যবহার করে বিশাল ডেটা সেটের উপর বাস্তবসময় বিশ্লেষণ সম্ভব।
- ডেটা সেন্টার স্কেল: Google এর ডেটা সেন্টার বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে আছে, যা তাদের বিশাল পরিমাণ ডেটা দ্রুত ও নিরাপদভাবে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের সুবিধা দেয়।
- AI এবং Machine Learning: Google এর TensorFlow এবং অন্যান্য AI টুলের মাধ্যমে ডেটা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্দৃষ্টি ও পূর্বাভাস তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অবস্থান:
- Microsoft: Azure ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে Big Data সমাধান দেয়। কিন্তু Google এর তুলনায় প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং বিশ্লেষণ স্কেল সীমিত।
- Intel: এটি চিপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। তারা মূলত চিপ উৎপাদন নিয়ে গবেষণা করে। গুগলের তুলনের তাদের কাজ ভিন্ন।
- IBM: Watson এবং অন্যান্য বিশ্লেষণাত্মক টুল রয়েছে, কিন্তু Google-এর তুলনায় বৃহৎ ডেটা প্রক্রিয়াকরণে প্রভাব সীমিত।

উৎস:
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৫,১৫২.
কোন এক্সেল ফিচার ব্যবহার করে বড় ডেটা দ্রুত সারসংক্ষেপ করা যায়?
  1. Conditional Formatting
  2. AutoFill
  3. Pivot Table
  4. Chart Wizard
ব্যাখ্যা

• বড় ডেটা দ্রুত সারসংক্ষেপ করার জন্য এক্সেলে সবচেয়ে কার্যকর ফিচার হলো Pivot Table। Pivot Table ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন কালের, বিভাগের বা মানের ভিত্তিতে ডেটাকে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করতে পারি। এটি আমাদের সংখ্যা, যোগফল, গড়, কাউন্ট ইত্যাদি সহজভাবে বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে। এছাড়া Pivot Table ব্যবহার করে একাধিক স্তরে ডেটা সাজানো, ফিল্টার করা এবং গ্রুপ করা যায়, যা বড় ডেটাসেটের মধ্যে প্যাটার্ন বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত চিহ্নিত করতে সহায়ক। অন্য ফিচার যেমন Conditional Formatting, AutoFill বা Chart Wizard মূলত ভিজ্যুয়ালাইজেশন বা ডেটা পূরণের কাজে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডেটার সারসংক্ষেপ বা বিশ্লেষণে Pivot Table সবচেয়ে কার্যকর।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-

• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৫৩.
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তা-
  1. Many to Many
  2. Many to One
  3. One to Many
  4. One to One
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশনের প্রকারভেদ:
একাধিক ডেটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

♦ One to One রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন। 

♦ One to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব। 

♦  Many to One রিলেশন:
যদি কোনো একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

♦  Many to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডেটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোনো ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৫৪.
কোন কম্পিউটার মেমোরি Volatile?
  1. SSD
  2. HDD
  3. RAM
  4. ROM
ব্যাখ্যা
• RAM হচ্ছে Volatile Memory.
- বিদ্যুৎ চলে গেলে যে মেমরি এর তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমোরি বলে।

• র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• র‍্যাম (RAM) মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায়না তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
যেমন- ROM, SSD, HHD ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৫৫.
কোনো ডাটাবেজের রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশকে কী বলে? 
  1. ফাইল
  2. ফিল্ড
  3. রেকর্ড
  4. টেবিল
ব্যাখ্যা
ফিল্ড: 
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৫৬.
কম্পিউটারের কাজের গতি কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) ঘণ্টা
  2. খ) সেকেন্ড
  3. গ) ন্যানোসেকেন্ড
  4. ঘ) মিনিট
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- কম্পিউটারের এই দ্রুতগতিসম্পন্ন হিসাবের কাজকে মিলিসেকেন্ড, মাইক্রোসেকেন্ড, ন্যানোসেকেন্ড এবং পিকোসেকেন্ড ইত্যাদি সময়ের একক হিসেবে ভাগ করা যায়।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম
৫,১৫৭.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Joomla
  2. Kaspersky
  3. McAfee
  4. Avira
ব্যাখ্যা
• Joomla হচ্ছে Content Management System (CMS).

• অ্যান্টিভাইরাস (Anti Virus) সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। 
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে। 

• কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- Symantec, 
- McAfee, 
- AVG Anti-Virus, 
- Avira, 
- AVAST Anti-Virus, 
- TREND micro, 
- ESET NOD32, 
- Kaspersky Anti-Virus, 
- Microsoft Security Essential, 
- ZoneAlarm Anti-Virus, 
- Cobra Anti-Virus, 
- Bitdefender, 
- Norton Anti-Virus, 
- Panda Anti-Virus, 
- PC Tools Anti-Virus etc. 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৫,১৫৮.
নিম্নের কোন হার্ডডিস্ক ড্রাইভের ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বাধিক?
  1. PATA
  2. IDE
  3. SCSI
  4. SATA
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলাে হলাে :
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
২. সাটা (SATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ

IDE/PATA ড্রাইভগুলো 133 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
SCSI ড্রাইভগুলো সাধারণত 640 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল ২০২১ সংস্করণ)
৫,১৫৯.
কম্পিউটার বুট করতে হলে কোনটির প্রয়োজন অপরিহার্য?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বুট করা মানে হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার পর ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার লোড করে কাজের জন্য প্রস্তুত হওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)।

- কম্পিউটার চালু হলে BIOS বা UEFI প্রথমে কাজ শুরু করে এবং তারপরে অপারেটিং সিস্টেম খুঁজে নিয়ে RAM-এ লোড করে। অপারেটিং সিস্টেম না থাকলে কম্পিউটার চালু হলেও ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় আসবে না — মানে, আপনি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবেন না।

- হার্ডডিস্ক: সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্কে থাকে, তবে এটা অপরিহার্য নয় কারণ অপারেটিং সিস্টেম পেনড্রাইভ বা নেটওয়ার্ক থেকেও লোড করা যেতে পারে।
- ক্যাশ মেমরি: এটি বুটিংয়ের জন্য আবশ্যক নয়, এটি পারফরম্যান্স বাড়ায়।
- অপারেটিং সিস্টেম: এটাই অপরিহার্য, কারণ এটা ছাড়া কম্পিউটার কার্যকরভাবে চলতে পারে না।

• অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব:
- অপারেটিং সিস্টেম হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধনকারী সফটওয়্যার।
- এটি অন্যান্য সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মতোই একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার বুট করতে পারে না, তাই এটি কম্পিউটার পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।
- কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- কম্পিউটার চালু করা (বুটিং) থেকে বন্ধ করা পর্যন্ত প্রতিটি কার্যক্রম অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- এটি কম্পিউটারের ব্যবহার সহজ ও দক্ষ করে তোলে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা ও হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- হার্ডওয়্যার থাকা সত্ত্বেও অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যকর হয় না।
- এটি ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, তথ্য সংরক্ষণ, ত্রুটি নির্ণয়, ইনপুট ও আউটপুট ব্যবস্থাপনা, এবং প্রোগ্রাম পরিচালনার মাধ্যমে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৬০.
সংখ্যা পদ্ধতি মোট কত প্রকার?
  1. ক) ২ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যেমন:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) এবং 
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 10.
- (101)10, (98.73)10 ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ। 

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2.
- (110)2, (1101)ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- (101)8, (731)8 ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F। 
- (151)16, (1B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৬১.
BIOS হলো-
  1. ক) হার্ডওয়ার
  2. খ) সফটওয়ার
  3. গ) ফার্মওয়ার
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা

ফার্মওয়ার হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়ার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো BIOS ( Basic Input Output System)।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫,১৬২.
বর্তমানে সবচেয়ে প্রচলিত কীবোর্ড কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) জেমস গসলিং
  2. খ) স্টিভ জব
  3. গ) মারটিন কুপার
  4. ঘ) ক্রিস্টোফার ল্যাথাম সলস
ব্যাখ্যা
Christopher Latham Sholes was an American inventor who invented the QWERTY keyboard.
Christopher Latham Sholes has been called the "Father of the Typewriter." Although he did not invent it, he did develop the first practical commercial machine. Sholes also developed the Qwerty keyboard that is still in use today.
Source: Taken from Wiki and Verified from MIT and Britannica.
৫,১৬৩.
ইউনিকোড ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. শুধু ইংরেজি ভাষা প্রদর্শন করার জন্য
  2. সংখ্যার জন্য কোড তৈরি করা
  3. মেমোরিতে স্পেস কমানোর জন্য 
  4. বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর ও চিহ্ন উপস্থাপন করা
ব্যাখ্যা

ইউনিকোড (Unicode) হলো একটি আন্তর্জাতিক মান, যা বিশ্বের সকল ভাষার অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীককে একটি অভিন্ন কোডে উপস্থাপন করে।

ইউনিকোড উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,১৬৪.
What does the "Ctrl + Z" keyboard shortcut typically do?
  1. Copy the selected text
  2. Redo the last undone action
  3. Save the current file
  4. Undo the last action
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ-
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+ B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য (center alignment)।

Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।

Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৫,১৬৫.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. মেমরি কার্ড
  2. ডিভিডি ডিস্ক
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তার পেরিফেরাল ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত যে সকল ডিভাইসকে উপাত্ত তথ্য ও নির্দেশমালা সংরক্ষনের কাজে ব্যবহার করে সে সকল ডিভাইসকে স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ পেরিফেরালস বলে।

- হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, টেপ ক্যাসেট—এগুলো মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস।
- অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসের মধ্যে আছে সিডি রম ও ডিভিডি ডিস্ক
- মেমরি কার্ড, মেমরি স্টিক, পেন ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি)—এগুলো ফ্ল্যাশ মেমরি ডিভাইসের মধ্যে পড়ে।

[সূত্র: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই এবং কালের কন্ঠ পত্রিকা]
৫,১৬৬.
ইউএসবি বাসের মাধ্যমে ডাটা কীভাবে স্থানান্তরিত হয়?
  1. সিরিয়াল ট্রান্সমিশনে
  2. প্যারালাল ট্রান্সমিশনে
  3. ওয়্যারলেস সিগন্যালের মাধ্যমে
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স কমিউনিকেশন
ব্যাখ্যা

USB বাসের মাধ্যমে ডেটা সিরিয়াল পদ্ধতিতে চলাচল করে।

• USB বাস:
- USB-এর পূর্ণ অর্থ হলো Universal Serial Bus.
- ১৯৯৮ সাল থেকে ইন্টেল মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারগুলোতে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এই বাস দিয়ে সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা চলাচল করে।
- USB বাস অন্যান্য বাসের তুলনায় কম গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু এটি প্রচলিত সিরিয়াল বাসের তুলনায় অনেকটা উন্নত।

• এ ধরনের বাসের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:
১। বাসের মধ্য দিয়ে একই গতিতে ডেটা চলাচল করে। ফলে যেসব ডিভাইসের মধ্যে একই গতিতে ডেটা চলাচলের প্রয়োজন হয় সেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হয়।
২। এ ধরনের বাসে একসাথে অনেকগুলো যন্ত্রের সংযোগ প্রদান করা যায়।
৩। USB বাস পেরিফেরাল যন্ত্রগুলো হতে সিপিইউতে দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৬৭.
110011001 এর 1's Complement-
  1. 110011001
  2. 001100110
  3. 001100000
  4. 110011111
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
1 এর পরিপূরক মানে 0 এর স্থলে 1 এবং 1 এর স্থলে 0 হবে।
'110011001' এর ১ এর পরিপূরক হবে 001100110
৫,১৬৮.
ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়-
  1. F5
  2. F3
  3. F7
  4. F11
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়। 

♦কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,১৬৯.
Google drive কী?
  1. ক) রাস্তার ম্যাপ
  2. খ) ক্লাউড সেবা
  3. গ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  4. ঘ) গাড়ি চালানোর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা
Google Drive is a cloud storage service, and like any cloud storage service its main purpose is to expand your ability to store files beyond the limits of your hard drive.
৫,১৭০.
ফায়ারওয়াল ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য কি?
  1. ভাইরাস ধ্বংস করা
  2. ডাটা এনক্রিপ্ট করা
  3. পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করা
  4. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

◉ ফায়ারওয়াল একটি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্কে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে। এটি অননুমোদিত অ্যাক্সেস ব্লক করে এবং নির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিয়ম অনুযায়ী ডেটা প্রবাহ পরিচালনা করে।

ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৭১.
বৈধ হ্যাকাররা সাধারণত কী নামে পরিচিত?
  1. রেড হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- বৈধ হ্যাকার সাধারণত হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার নামে পরিচিত।
- তারা কম্পিউটারে কোন অসাধু কোন উদ্দেশ্যে কম্পিউটারে প্রবেশ করে না।
- কম্পিউটারের নিরাপত্তার দুর্বলতা খুঁজে বের করে তা সংশোধন করে।
- বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার নিয়োগ দিয়ে থাকে, তাদের কম্পিউটার ডাটার নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য।
- তারা কোম্পানির নেটওইয়ার্কে ম্যালওয়ার ছড়িয়ে দিয়ে দুর্বলতা খুঁজে বের করার চেষ্টা করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. Kaspersky Antivirus [লিঙ্ক]
৫,১৭২.
ই-মেইল প্রেরণের জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. IMAP
  2. SMTP
  3. POP3
  4. FTP
ব্যাখ্যা

SMTP হলো ই-মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্রোটোকল।

• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে ই-মেইল ক্লায়েন্ট থেকে আউটগোয়িং সার্ভারে এবং পরবর্তীতে সেই সার্ভার থেকে প্রাপকের সার্ভারে ই-মেইল পাঠানো হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- IMAP: এটি এমন একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারে থাকা অবস্থাতেই ই-মেইল দেখতে ও পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এটি একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক।
- FTP: এটি ইন্টারনেটে ফাইল আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- POP3: একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে বার্তা ডাউনলোড করে ডিভাইসে সংরক্ষণ করে। একবার ডাউনলোড হয়ে গেলে এটি সাধারণত সার্ভার থেকে বার্তাটি মুছে ফেলে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৫,১৭৩.
একটি ফাইল কোনো Drive এ save করার জন্য-
  1. ক) Save
  2. খ) Save as
  3. গ) Close
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• একটি ফাইল কোন Drive এ save করার জন্য Save as নির্বাচন করতে হয়।
- ডকুমেন্টে লিখিত অনুচ্ছেদটি সংরক্ষণের জন্য Ctrl + S কী, কিংবা File মেনু থেকে Save as সাবমেনু নির্বাচন করতে হয়।
- প্রাপ্ত Save as ডায়ালগ বক্সের Save in বক্সে My Documents ফোল্ডার নির্বাচন পূর্বক File name টেক্সট বক্সে ফাইলের নাম লিখে Save বাটনে ক্লিক করতে হবে।
- ফলে ডকুমেন্টটি C ড্রাইভের অধীনে My Documents ফোল্ডারে সংরক্ষিত হবে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৭৪.
নিচের কোনটি META-র অন্তর্গত নয়?
  1. Snapchat
  2. Facebook
  3. Messenger
  4. Oculus VR
ব্যাখ্যা

• META হল সেই কোম্পানি যা পূর্বে ফেসবুক কর্পোরেশন নামে পরিচিত ছিল। এটি সামাজিক যোগাযোগ, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, এবং মেসেজিং সেবা পরিচালনা করে। Facebook, Messenger, এবং Oculus VR- এই তিনটি পরিষেবা META-এর মালিকানাধীন। Facebook হলো প্রধান সামাজিক প্ল্যাটফর্ম, Messenger হলো তার মেসেজিং অ্যাপ, আর Oculus VR হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট এবং সফটওয়্যার ব্র্যান্ড। অন্যদিকে, Snapchat হলো একটি স্বতন্ত্র সামাজিক মিডিয়া অ্যাপ, যা Snap Inc. কোম্পানির অন্তর্গত এবং META-এর অংশ নয়। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ক) Snapchat, কারণ এটি META-এর অন্তর্গত নয়।
 
• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। 
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৭৫.
কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কোনটি?
  1. এভিজি
  2. অ্যাভাস্ট
  3. কোবরা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস: 
- এন্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বোঝায়। 
- এটি কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে। 
- এন্টিভাইরাস হলো সেই সফটওয়্যার যা ম্যালওয়‍্যারের সাথে সম্পৃক্ত সফটওয়‍্যারকে কম্পিউটারে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে। 
- ব্রাউজারের দুর্বলতা, প্লাগইনস, বিভিন্ন প্রকার লেনদেনে এবং অপারেটিং সিস্টেম প্রভৃতির জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা প্রয়োজন। 
- আবার ব্যবহারকারী যদি অনলাইনে লেনদেন করেন তাহলে তার পিসিতে এন্টিভাইরাস থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, এখন অনেক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লেনদেনের সিকিউরিটি দিয়ে থাকে। 
- কয়েকটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নিচে দেয়া হলো- 
• কাসপারস্কি, 
• ম্যাকফি, 
• নরটন, 
• পিসিসিলিন, 
এভিজি
অ্যাভাস্ট
• ই-সেট, 
• ই-স্ক্যান, 
কোবরা ইত্যাদি। 

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৫,১৭৬.
SR ফ্লিপ-ফ্লপ-এ SR বলতে কী বোঝায়?
  1. Set and Reset
  2. Set and Run
  3. Shift and Reset
  4. Switch and Reset
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

SR ফ্লিপ-ফ্লপ:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ সবচেয়ে সরলতম ফ্লিপ-ফ্লপ হলো SR ল্যাচ বা SET-RESET বা SR ফ্লিপ-ফ্লপ।
- দুটি ন্যান্ড (NAND) গেইট অথবা নর গেইট (NOR) এমনভাবে যুক্ত থাকে যে একটির ইনপুট অন্যটির আউটপুটের সাথে সংযুক্ত অর্থাৎ ক্রস কাপলড (Cross Coupled) ভাবে সংযুক্ত থাকে।
- ন্যান্ড (NAND) বা নর (NOR) গেইট ব্যবহার করে SR ল্যাচ তৈরি করা যেতে পারে।
- SR ল্যাচে আউটপুট অবস্থাকে 1 বা HIGH করাকে সেট এবং ০ বা LOW করাকে রিসেট বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৭৭.
কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্ট্রর আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটারে বায়ুশূন্য ভালবের পরিবর্তে ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহৃত হয়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়, দাম কমে যায়, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণও অনেক কমে যায়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারেই প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন ফোরট্রান (FORTRAN), কোবল (COBOL) ইত্যাদির উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়।
- IBM-1400, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, NCR 300, GE 200 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৭৮.
7-Zip মূলত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ফাইল কম্প্রেশন
  2. ফটো এডিটিং
  3. ওয়েব ব্রাউজিং
  4. ভিডিও স্ট্রিমিং
ব্যাখ্যা
• 7-Zip মূলত ফাইল কম্প্রেশন বা ফাইল সংকোচনের কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীদের বড় আকারের ফাইল ছোট আকারে রূপান্তর করার সুবিধা দেয়, যাতে সংরক্ষণ এবং স্থানান্তর সহজ হয়। 7-Zip বিভিন্ন ফাইল ফরম্যাট যেমন ZIP, RAR, TAR এবং নিজস্ব 7z ফরম্যাটে ফাইল কম্প্রেস করতে পারে। এছাড়া এটি পাসওয়ার্ড প্রটেকশন ও এনক্রিপশন সাপোর্ট করে, যা ব্যবহারকারীদের ডেটা সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। ফটো এডিটিং, ওয়েব ব্রাউজিং বা ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) ফাইল কম্প্রেশন।


• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

• কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৫,১৭৯.
কোন দশমিক সংখ্যা BCD 1000 0100 দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে?
  1. 84
  2. 88
  3. 86
  4. 82
ব্যাখ্যা

• "84" দশমিক সংখ্যা BCD 1000 0100 দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হল একটি ৪-বিট বাইনারি সিস্টেম যা প্রতিটি দশমিক সংখ্যাকে আলাদা করে প্রকাশ করে। প্রতিটি ৪-বিটের গ্রুপ একটি দশমিক অঙ্ক নির্দেশ করে।
- BCD কোডের সুবিধা হলো এটি সরাসরি মানুষের পড়ার জন্য সহজ এবং ডিজিটাল সিস্টেমে অঙ্কগুলোর প্রতিফলন সহজ করে।
- BCD কোড 1000 0100 "84" দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৮০.
কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে কোনটি তৈরি করা হয়?
  1. রাউটার
  2. ম্যালওয়ার
  3. ফায়ারওয়াল
  4. এক্সেস পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল: 
- Unauthorized ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall)ব্যবহার করা হয়। 
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৫,১৮১.
কোন এককের মাধ্যমে CPU-এর ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয়?
  1. বাইট
  2. হার্টজ
  3. বিট
  4. ভোল্ট
ব্যাখ্যা
• CPU-এর ক্লক স্পিড পরিমাপের একক হলো হার্টজ। 

• ক্লক স্পিড:
- একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তার পরিমাণকে কম্পিউটারের ক্লক স্পিড বলা হয়। 

• মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel website. 
৫,১৮২.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. অপটিক্যাল রিডার
  2. প্রিন্টার
  3. মনিটর
  4. CRT
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল রিডার (Optical Reader):
এই ধরনের যন্ত্র কোন পাঠ্য বিষয়কে আলোর সাহায্যে পড়ে থাকে।
বিশেষ ধরনের লিখিত চিঠিপত্র, ডকুমেন্টের উপর অপটিক্যাল রিডার ধরলে কম্পিউটার সেটা পড়ে মনিটরে ফলাফল প্রদর্শন করে।

বিভিন্ন ধরনের অপটিক্যাল রিডার হচ্ছেঃ
(1) Optical Mark Reader (OMR),
(2) Optical Character Recognition (OCR),
(3) Bar Code Reader/Recognition (BCR).

অপটিক্যাল রিডার হলো কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

---------------------------------------
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম


• CRT হলো Cathode Ray Tube এর acronym। এর বাংলা ক্যাথোড রশ্মি নল। কম্পিউটার বা টিভির মনিটর হিসেবে পূর্বে এর বহুল প্রচলন ছিল। বর্তমানে CRT মনিটরের স্থান দখল করেছে LCD ও LED মনিটর।


সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
৫,১৮৩.
ওরাকলের কর্পোরেশনের সাথে সম্পর্কিত নয় কে?
  1. ল্যারি এলিসন
  2. ল্যারি পেইজ
  3. এড ওয়াটিস
  4. বব মিনার
ব্যাখ্যা
• ওরাকলের কর্পোরেশনের সাথে সম্পর্কিত নয় ল্যারি পেইজ।
- 'গুগল ইনকর্পোরেটেড' এর প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ।

• ওরাকল কর্পোরেশন (Oracle Corporation):

- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- Headquarters: Austin, Texas, United States
- CEO: Safra Catz
- ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ল্যারি এলিসন, বব মিনার ও এড ওয়াটিস।
- কোম্পানিটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সিস্টেম এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার পণ্যে পারদর্শী-বিশেষভাবে নিজস্ব ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্রান্ডে।
- ১৯৭৭ সালের ১৬ জুন ওরাকল যাত্রা শুরু করে।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. Oracle Corporation Website.
৫,১৮৪.
1100101 সংখ্যাটিকে ২এর পরিপূরক করলে নিচের কোন সংখ্যাটি আসবে?
  1. ক) 0011011
  2. খ) 1101001
  3. গ) 0011010
  4. ঘ) 0011001
ব্যাখ্যা
২ এর পরিপূরক করতে হলে একটি বাইনারি সংখ্যাকে প্রথমে ১এর পরিপূরক করতে হবে তারপর এই ১এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করতে হবে।

1100101
0011010 - ১এর পরিপূরক
+         1
0011011
৫,১৮৫.
75E কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ক) ডেসিমাল
  2. খ) অকটাল
  3. গ) হেক্সাডেসিমাল
  4. ঘ) বাইনারি
ব্যাখ্যা

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলোঃ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- তাই 75E সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল।

৫,১৮৬.
নিচের কোনটি কোনটি সহায়ক মেমোরি?
  1. ক) RAM
  2. খ) PROM
  3. গ) Floppy Disk
  4. ঘ) ROM
ব্যাখ্যা
সাহায্যকারী বা সেকেন্ডারি মেমোরি:
প্রোগ্রাম এবং ডেটা স্থায়ীভাবে ধারণ করতে এই স্মৃতি ব্যবহৃত হয়।
এটা অপেক্ষাকৃত বড় স্মৃতি অংশ ।
RAM বা মূল স্মৃতিতে কোনো তথ্য স্থায়ী ভাবে থাকে না।
কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM এর সমস্ত তথ্য মুছে যায়। শুধুমাত্র ROM এ তথ্য স্থায়ী ভাবে থাকে।
সেজন্য মূল স্মৃতি বা RAM কে সাহায্য করার জন্য কতকগুলো স্মৃতি স্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে যাতে প্রয়োজন অনুসারে RAM সেসব স্মৃতি থেকে তথ্য নিতে পারে। আর এই সব স্মৃতিকে সাহায্যকারী স্মৃতি বলে।
যেমন: হার্ডডিস্ক, ফ্লপিডিস্ক, চুম্বকীয় টেপ CD, DVD ইত্যাদি সাহায্যকারী স্মৃতি হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল),
৫,১৮৭.
CPU তে রেজিস্টারের কাজ কী?
  1. ডাটা দীর্ঘসময় সংরক্ষণ করা
  2. কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণ করা
  3. অপারেশনের ফল সাময়িকভাবে জমা রাখা
  4. ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা
CPU তে রেজিস্টার অপারেশনের ফল সাময়িকভাবে জমা রাখে।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৫,১৮৮.
কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে কী বলে?
  1. অ্যাডার
  2. এনকোডার
  3. ডিকোডার
  4. অ্যান্ড গেইট
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে অ্যাডার।
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

• ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে দুই ধরনের অ্যাডার আছে। যথা:
১. হাফ-অ্যাডার ও
২. ফুল-অ্যাডার।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডকে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাটে রূপান্তরিত করে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,১৮৯.
কোন কোম্পানি সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করে?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. আইবিএম
  4. ইন্টেল
ব্যাখ্যা
• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,১৯০.
বাংলাদেশে প্রথম Very Small Aperture Terminal (VSAT) স্থাপন করা হয় কখন?
  1. ক) ১৯৯৩
  2. খ) ১৯৯৫
  3. গ) ১৯৯৬
  4. ঘ) ১৯৯০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহারঃ
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয় (ডায়াল-আপের সাহায্যে)।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৫,১৯১.
Embedded System এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কী?
  1. High Processing Power
  2. Real-time Response
  3. Large Storage
  4. User Interface
ব্যাখ্যা
◉ Embedded System হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কম্পিউটার সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ দক্ষতার সাথে সম্পাদন করে। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো Real-time Response – অর্থাৎ ইনপুট বা ঘটনার সাথে সাথে দ্রুত সঠিক আউটপুট দেওয়া। যেমন: গাড়ির ব্রেক কন্ট্রোল সিস্টেম, পেসমেকার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর Real-time Response বা রিয়েল-টাইম প্রতিক্রিয়া, যেখানে এটি দ্রুত ইনপুট গ্রহণ করে এবং সময়মতো সঠিক আউটপুট প্রদান করে।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

উৎস: 
১। Indian Institute of Embedded Systems. 
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 
৫,১৯২.
স্ট্যাকে ডেটা রাখাকে কী বলা হয়?
  1. ক) Pull
  2. খ) Pop
  3. গ) Push
  4. ঘ) Array
ব্যাখ্যা
স্ট্যাকের দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা- Push এবং Pop.
স্ট্যাকে ডেটা রাখাকে বলা হয় Push এবং স্ট্যাক হতে ডেটা তুলে নেয়াকে বলা হয় Pop.
৫,১৯৩.
ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. FTP
  2. IMAP
  3. HTTP
  4. TCP
ব্যাখ্যা
ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য HTTP প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৯৪.
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলে সাধারণত কয় জোড়া তাঁর ব্যবহৃত হয়?
  1. ১ জোড়া
  2. ৩ জোড়া
  3. ৪ জোড়া
  4. ২ জোড়া
ব্যাখ্যা
• টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল:
- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়।
- প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপর তারগুলো হয় ভিন্ন রংয়ের। তার সমূহ সংযোজনের সময় 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 নম্বরের ভিত্তিতে সংযোগ দিতে হয়।
- জোড়ার তার দুটির এক একটির পুরুত্ব হয় 0.4 মিঃ মিঃ থেকে 0.9 মিঃ মিঃ।
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুই প্রকার। যথা:
১। ইউটিপি (UTP-Unshielded Twisted pair):
- ইউটিপি ক্যাবল মূলত একাধিক জোড়া টুইস্টেড পেয়ার সমষ্টি যা প্লাস্টিক আবরনে মোড়ানো থাকে।
- তারের মধ্য দিয়ে যখন সিগন্যাল অতিক্রম করতে থাকে তখন এর শক্তি বা মান ক্রমান্বয়ে লোপ পেতে থাকে।
২। এসটিপি (STP-Shield Twisted pair):
- এসটিপি ক্যাবলের বাইরে জ্যাকেট বা ফেসিং থাকে এবং তারের মধ্যে একটি শিল্ড (Shield) বা শক্ত আবরণ থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,১৯৫.
নিচের কোনটি গুগলের (Google) সার্ভিস নয়?
  1. Android
  2. YouTube
  3. AdSense
  4. Siri
ব্যাখ্যা

• Android (অপারেটিং সিস্টেম), YouTube (ভিডিও শেয়ারিং সাইট) এবং AdSense (বিজ্ঞাপন প্রোগ্রাম) এই তিনটিই গুগলের অত্যন্ত সুপরিচিত ও মালিকানাধীন সার্ভিস।
- অন্যদিকে, Siri হলো অ্যাপল (Apple Inc.)-এর তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ব্যক্তিগত ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, যা মূলত আইফোন, আইপ্যাড এবং ম্যাক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
- গুগলের নিজস্ব ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের নাম হলো Google Assistant।

• Google: 
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। 
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স। 
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫,১৯৬.
নিচের কোনটি ডেটাবেইজ সফটওয়্যার?
  1. MS outlook
  2. Corel DRAW
  3. ORACLE
  4. MS word
ব্যাখ্যা
DBMS
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,১৯৭.
ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করতে কোন ফাংশন কী ব্যবহার হয়?
  1. F9
  2. F10
  3. F11
  4. F12
ব্যাখ্যা
F11 ফাংশন কী ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।

- কী-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।
- এর মধ্যে কী-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৫,১৯৮.
Which keyboard command can be used to reboot a computer in Windows?
  1. Ctrl + Alt + Shift
  2. Ctrl + Shift + Del
  3. Ctrl + Alt + Tab
  4. Ctrl + Alt + Del
ব্যাখ্যা
• Ctrl + Alt + Del: কম্পিউটার সিস্টেম রিবুট করতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

- Ctrl + Alt + Tab: কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- Ctrl + Shift + Del: ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করতে ব্যবহার করা হয়। 
- Ctrl + Alt + Shift এর মাধ্যমে অনেকগুলো কমান্ড দেয়া হয়। যেমন:
C - Copy relative path,
N - Go to symbol,
H - Pop up Hector,
V - paste simple,
L - Format file,
I - Run inspection by name.

উৎস: Microsoft website.
৫,১৯৯.
Blockchain Technology-এর মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত 
  2. বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বচ্ছতা
  3. তথ্য সহজেই পরিবর্তন করা সম্ভব 
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

Blockchain হলো একটি বিকেন্দ্রীভূত (Decentralized) লেজার সিস্টেম, যেখানে কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ (Bank বা Govt.) সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে না। একবার তথ্য ব্লকে যুক্ত হলে সেটি পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব। 

ব্লকচেইন:
- এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়।
- প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি সাধারণ Block এ ৩টি অংশ থাকে। যথা-
১. A hash pointer to the previous block,
২. Timestamp এবং
৩. List of transactions.
- একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই A hash pointer to the previous block থাকে।
- ব্লকচেইনের প্রথম ব্লকটিকে জেনেসিস ব্লক বলা হয় এবং এটি 2009 সালে তৈরি করা হয়েছিল।

Blockchain-এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

Decentralization – নিয়ন্ত্রণ ছড়িয়ে থাকে নেটওয়ার্কের অংশগ্রহণকারীদের মাঝে।
Transparency – সবাই লেনদেন যাচাই করতে পারে।
Security – Cryptographic hashing ব্যবহৃত হয়।
Immutability – একবার যুক্ত হলে ব্লক পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: Unlocking Digital Cryptocurrencies 1st Edition by Andreas M. Antonopoulos. [Chapter 7. The Blockchain]

৫,২০০.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. FreeBSD
  2. Notepad++
  3. Debian
  4. CentOS
ব্যাখ্যা
• উত্তর: খ) Notepad++
অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। FreeBSD, Debian এবং CentOS - এই তিনটি হলো ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ইউনিক্স-ভিত্তিক বা লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, যা সার্ভার ও ডেস্কটপে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু Notepad++ একটি টেক্সট এডিটর, যা শুধুমাত্র উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। এটি কোড লেখার জন্য একটি ইউজার-লেভেল সফটওয়্যার। তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: Notepad++ কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।