বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৫০ / ১৩১ · ৪,৯০১৫,০০০ / ১৩,০৮৮

৪,৯০১.
একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে কী বলা হয়?
  1. স্ট্রাকচার
  2. ফাংশন
  3. পয়েন্টার
  4. অ্যারে
ব্যাখ্যা
♦ অ্যারে (Array):
- একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

• অ্যারে ব্যবহারের সুবিধা:
- একই ধরনের ডেটাগুলোকে একটি চলক দিয়ে প্রকাশ করা যায়।
- অ্যারে প্রোগ্রামকে সহজ, সুন্দর ও ছোট করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহ দ্রুত হয়।
- অ্যারের উপাদানগুলো দ্রুত একসেস করা যায়।
- প্রোগ্রামের জটিলতা কমায়।

• অ্যারে ব্যবহারের অসুবিধা:
- প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অ্যারের সাইজ পরিবর্তন করা যায় না।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ অনেক বেশি ঘোষণা করা হলে মেমোরির অপচয় হতে পারে। 
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ কম ঘোষণা করা হলে অ্যারেতে ডেটার পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হয় না।
- বিভিন্ন টাইপের ডেটা অ্যারেতে রাখা যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,৯০২.
রিফ্রেশ রেট কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) হার্টজ
  2. খ) পিক্সেল
  3. গ) বিট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- রিফ্রেশ রেট হলো পিক্সেলের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখার জন্য প্রতি সেকেন্ডে পিক্সেলগুলো কতবার রিচার্জ হয় তার সংখ্যা।
- Refresh Rate যত বেশি হবে ইমেজ স্ক্রীনে তত বেশি দৃঢ় দেখাবে।
- Refresh Rate কে হার্টজ এককে প্রকাশ করা হয়।
৪,৯০৩.
(31)10 = (?)2
  1. ক) 11111
  2. খ) 10101
  3. গ) 1110
  4. ঘ) 101111
ব্যাখ্যা

ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।

যেমন ৩১ এর ক্ষেত্রে,
৩১ / ২ = ১৫ ভাগশেষ - ১
১৫ / ২ = ৭ ভাগশেষ - ১
৭ / ২ = ৩ ভাগশেষ - ১
৩ / ২ = ১ ভাগশেষ - ১
১ / ২ = ০ ভাগশেষ - ১

অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ৩১-এর বাইনারি রূপ = (১১১১১)

৪,৯০৪.
মেটা কোন দেশের প্রযুক্তি সংগঠন?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. যুক্তরাজ্য
  3. আমেরিকা
  4. তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
• মেটা:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- বর্তমান (নভেম্বর, ২০২৪) CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জানুয়ারি ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯০৫.
প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্টোরড প্রোগ্রাম কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) UNIVAC
  2. খ) EDSAC
  3. গ) IBM-PC
  4. ঘ) Apple Macintosh
ব্যাখ্যা
- EDSAC এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন Maurice Wilkes.
- ইহা প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
 
Maurice Wilkes, in full Sir Maurice Vincent Wilkes, (born June 26, 1913, Dudley, Worcestershire, England—died November 29, 2010, Cambridge, Cambridgeshire), British computer science pioneer who helped build the Electronic Delay Storage Automatic Calculator (EDSAC), the first full-size stored-program computer, and invented microprogramming.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
৪,৯০৬.
ক্লাউড সার্ভার নিচের কোনটিতে সবচেয়ে ভালো বর্ণনা করা সম্ভব?
  1. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার
  2. একটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার
  3. ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
  4. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট থেকে বলা যায় সঠিক উত্তর হবে- 'ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া'।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,৯০৭.
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে কত দ্বারা ভাগ দিতে হয়?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ৮
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে 16 দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (0) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ 10 থেকে 15 হয় তবে যথাক্রমে 10 → A, 11 → B, 12 → C, 13→D, 14 → E ও 15 → F সংখ্যা লিখতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯০৮.
একটি রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলে নিচের কোনটি দ্বারা Relation প্রকাশ করা হয়? 
  1. Tuples
  2. Attributes
  3. Tables
  4. Rows
ব্যাখ্যা
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায় ।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায় ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯০৯.
ডেটাবেজ ডিজাইনের ক্ষেত্রে তারিখ/সময় ডেটা টাইপের আকার কত?
  1. ৮ বিট
  2. ৪ বিট
  3. ৮ বাইট
  4. ১৬ বাইট
ব্যাখ্যা
- Short Text/Text ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত। সাধারণত বর্ণভিত্তিক ডেটার ক্ষেত্রে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়। এ ফিল্ডে বর্ণের সাথে সাথে সংখ্যাও লেখা যায়।
- Long Text/Memo ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৬৪০০০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত, কিন্তু ১ গিগা বাইট পর্যন্ত লেখা যায়।  এটি একটি Conditional Data টাইপ। এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।
- তারিখ/সময় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- মুদ্রা জাতীয় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- লজিকাল/বুলিয়ান ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ১ বিট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,৯১০.
নোটবুক কম্পিউটার এক ধরনের -
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. সুপার কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• নোটবুক কম্পিউটার এক ধরনের মাইক্রো কম্পিউটার।

• মাইক্রো কম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হলো মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রোর সাধারণ অর্থ হলো ক্ষুদ্র। তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সব কম্পিউটার তৈরি হয়, সেগুলোকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট-আউটপুট হার্ডওয়্যার নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
-দামে সস্তা, আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হওয়ায় কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। 
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

• মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
- ১. পামটপ কম্পিউটার,
- ২. ল্যাপটপ কম্পিউটার,
- ৩. নোটবুক কম্পিউটার,
- ৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৪,৯১১.
ফুলস্ক্রিন দেখতে কোন ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. F9
  2. F10
  3. F11
  4. F12
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৪,৯১২.
Microsoft কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৫
  2. ১৯৯৫
  3. ১৯৮৫
  4. ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
Microsoft ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• Microsoft Corporation:

- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে।
- সদর দপ্তর: রেডমন্ড, ওয়াশিংটন, USA।
- ১৯৮০ ও ’৯০-এর দশকে MS-DOS এবং Windows অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে বাজারে আধিপত্য তৈরি করে।

- বর্তমানে মাইক্রোসফটের পণ্য ও সেবা বিস্তৃত:

• ব্যক্তিগত কম্পিউটিং,
• বিনোদন,
• এন্টারপ্রাইজ ক্লাউড কম্পিউটিং,
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।

• মাইক্রোসফটের তিনটি প্রধান ব্যবসায়িক খাত:
- Productivity and Business Processes,
- Intelligent Cloud,
- More Personal Computing.
প্রতিটি খাতের অধীনে রয়েছে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৯১৩.
আরপানেটের কার্যক্রম শুরু হয়-
  1. ক) ১৯৬৭ সালে
  2. খ) ১৯৬৯ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৯১৪.
কুকিজের এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. Internet Identity File বলা হয়
  2. ব্যবহারকারী সম্পর্কে তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কুকিজ (Cookies): 
- Internet Information File Cookies হলো এক ধরনের টেক্সট ফাইল যেগুলো কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরীতে সংরক্ষণ করা হয় যখন কোনো ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে।
-  Cookies এর কাজ হলো ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা।
- এটি একটি ওয়েবসাইটকে তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে ব্যবহারকারী সম্পর্কে নিজস্ব তথ্য সংরক্ষণ করতে দেয় যাতে যখনই আবার সেই সাইটে যাওয়া হয় তখন ব্যবহারকারীকে সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং এর ফলে ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত হয়। 
- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ওয়েবসাইট ভিজিট সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য সংরক্ষণ করে।

উৎস: Microsoft website.
৪,৯১৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি? 
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. ইউএসবি ড্রাইভ
  3. এসএসডি
  4. র‌্যাম 
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মেমোরি বা স্মৃতি ইউনিট:
- কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলী ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয়, তা কম্পিউটারের স্মৃতি ইউনিটে জমা হয়।
- কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান এবং সহায়ক স্মৃতি ইউনিট বিদ্যমান।
- প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরিতে প্রোগ্রাম, নির্দেশনা এবং ফলাফল নির্বাহের সময় অস্থায়ী ফলাফল সংরক্ষিত থাকে।
- সহায়ক মেমোরি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- র‍্যাম হলো প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি।
- এসএসডি, ফ্লপি ডিস্ক, ইউএসবি ড্রাইভ হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
৪,৯১৬.
নিচের কোন প্রযুক্তি 'Pay as You Go' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. Internet of Things (IoT)
  2. Client-Server Systems
  3. Big Data Analytics
  4. Cloud Computing
ব্যাখ্যা
• Cloud Computing প্রযুক্তি 'Pay as You Go' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯১৭.
সার্চ ইঞ্জিন গুগলের যাত্রা শুরু হয় কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে?
  1. স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  2. এমাইটি
  3. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  4. হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google)
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায়, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমেটরি থেকে ব্যাকরাব নামে গুগল প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৪,৯১৮.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ কী?
  1. একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট
  2. একটি কম্বিনেশনাল সার্কিট
  3. একটি পাওয়ার সাপ্লাই ডিভাইস
  4. একটি লজিক গেট
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ হলো একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট, তাই সঠিক উত্তর হলো ক)। ফ্লিপ-ফ্লপ এমন একটি মৌলিক মেমোরি উপাদান যা এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি শুধু বর্তমান ইনপুটের উপর নির্ভর করে না, বরং আগের অবস্থার (previous state) উপরও নির্ভরশীল। সাধারণত ক্লক সিগনালের সাহায্যে ফ্লিপ-ফ্লপ কাজ করে এবং ডেটা সংরক্ষণ, কাউন্টার, রেজিস্টার ও মেমোরি ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। কম্বিনেশনাল সার্কিটের মতো এটি তাৎক্ষণিক আউটপুট দেয় না এবং এটি পাওয়ার সাপ্লাই বা সাধারণ লজিক গেটও নয়।
 
ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, 
- বাকি তিনটি অপশন ফ্লিপ-ফ্লপের বৈশিষ্ট্য নয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৪,৯১৯.
NIC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Network Interface Controller
  2. Network Integrated Card
  3. Network Interface Card
  4. Network Internet Connector
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড:
- NIC এর পূর্ণরূপ হলো Network Interface Card.
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড/ ল্যানকার্ড/নেটওয়ার্ক এডাপ্টার হলো একটি প্লাগ-ইন কার্ড, যা কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করে।
- নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসে ডেটা পাঠাতে বা গ্রহণ করতে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হয়।
- LAN কার্ড অন্য নাম Network Interface Card (NIC)।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক,
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৯২০.
কম্পিউটারের Volatile Memory কে বলা হয়-
  1. ROM
  2. CACHE
  3. RAM
  4. RESITER
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
- প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
- গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)

প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
RAM(Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- RAM কে Main Storage এবং Read Write Memory ও বলা হয়।
- ROM কে Non Volatile Memory বলে।
গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pem Drive.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী।
২। ব্রিটানিকা
৪,৯২১.
শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ হচ্ছে - 
  1. স্বাক্ষর শনাক্তকরণ 
  2. টাইপিং গতি যাচাইকরণ
  3. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  4. হাতের রেখা শনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা

• শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ হচ্ছে - হাতের রেখা শনাক্তকরণ। 

• বায়োমেট্রিক্স:
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য একরকম হয়না।
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা:

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
-  আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- আইরিশ শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test)।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ, 
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ, 
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪,৯২২.
Sina Weibo উদ্ভাবন করে--?
  1. জ্যাক ডর্সি
  2. সিনা কর্পোরেশন
  3. লুডিকর্প
  4. ডেভিড কার্প
ব্যাখ্যা

• Sina Weibo উদ্ভাবন করেছে সিনা কর্পোরেশন (চীনের একটি প্রধান ইন্টারনেট কোম্পানি)।
- Sina Weibo (সিনা উইবো) হলো চীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যা অনেকটা টুইটারের (X) মতো কাজ করে। 
- এটি মূলত মাইক্রোব্লগিং সাইট হিসেবে পরিচিত।

• Sina Weibo-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- মাইক্রোব্লগিং: এটি ব্যবহারকারীদের ছোট ছোট পোস্ট বা বার্তা শেয়ার করার সুযোগ দেয়।
- ব্যবহারকারী: এটি মূলত চীনের অভ্যন্তরীণ বাজারের জন্য তৈরি এবং সেখানে ফেসবুক বা টুইটার নিষিদ্ধ থাকায় এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
- মাল্টিমিডিয়া সাপোর্ট: এটি টেক্সট বার্তার পাশাপাশি ছবি, ভিডিও এবং ইমোজি শেয়ার করা সমর্থন করে।
- ভেরিফিকেশন সিস্টেম: এটি সেলিব্রেটি বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ ভেরিফিকেশন সুবিধা প্রদান করে।
- সেন্সরশিপ: চীনা সরকারের নীতি অনুযায়ী এই প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট বা তথ্যের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বা সেন্সরশিপ বজায় রাখা হয়।

অন্যান্য অপশন:
- জ্যাক ডর্সি: Twitter-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- লুডিকর্প: লুডিকর্প: এই কানাডিয়ান কোম্পানিটি ছবি শেয়ারিং সাইট ফ্লিকার (Flickr) তৈরি করেছিল।
- ডেভিড কার্প: জনপ্রিয় ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম টাম্বলার (Tumblr) এর প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Forbes[link]

৪,৯২৩.
কোনটি ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  2. স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
  3. ওয়্যার্ড কীবোর্ড
  4. ল্যান্ডলাইন টেলিফোন
ব্যাখ্যা

স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট হচ্ছে ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ডিভাইসের উদাহরণ।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং দূর থেকে মোবাইল অ্যাপ দিয়ে চালানো যায়।

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্ট সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি)।
- ওয়‍্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার, স্মার্ট ওয়াচ)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৯২৪.
ই-লার্নিং কী?
  1. বই কেনাবেচার সাইট
  2. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষা
  3. ভার্চুয়াল ক্লাসে পাঠ্যবই পড়ানো
  4. স্কুলের মধ্যে ব্যবহৃত টুল
ব্যাখ্যা
• ই-লার্নিং:
- ই-লার্নিং শব্দটি ইলেকট্রনিক লার্নিং কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তপাঠ, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, প্রভৃতি।

[ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণের প্রক্রিয়া, যা বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সম্পন্ন হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলি সীমাবদ্ধ বা ভুল কারণ:
'বই কেনাবেচার সাইট' শুধুমাত্র একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম; 'ভার্চুয়াল ক্লাসে পাঠ্যবই পড়ানো' ই-লার্নিং এর একটি অংশ মাত্র এবং 'স্কুলের মধ্যে ব্যবহৃত টুল' খুবই সীমিত ধারণা।

• ই-লার্নিং এ অন্তর্ভুক্ত থাকে: ভিডিও লেকচার, ইন্টারেক্টিভ কোর্স মেটেরিয়াল, অনলাইন কুইজ ও পরীক্ষা, ডিজিটাল লার্নিং রিসোর্স, অনলাইন ডিসকাশন ফোরাম ইত্যাদি]

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯২৫.
মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলিকন ভ্যালি
  2. খ) রেডমন্ড
  3. গ) মেনলো পার্ক
  4. ঘ) সান্টা ক্লারা
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট কর্পোরেশন একটি বহুজাতিক আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি। এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রেডমন্ড, ওয়াশিংটনে অবস্থিত। বর্তমানে কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। ৪ এপ্রিল, ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তার বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন। মাইক্রোসফট এর বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
৪,৯২৬.
নিচের কোন ডিভাইসের সাথে মাউস সরাসরি সংযুক্ত থাকে?
  1. প্রসেসর
  2. মাদারবোর্ড
  3. মনিটর
  4. হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড (Motherboard): 
→ মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
→ সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
→ এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
→ কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
→ মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
→ কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড। 
→ বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়। 

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯২৭.
ফ্যাক্স মূলত কোন ধরনের তথ্য প্রেরণে ব্যবহৃত হয়?
  1. টেক্সট 
  2. ছবি
  3. ভিডিও
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স মূলত টেক্সট বা ছবি এই ধরনের তথ্য প্রেরণে ব্যবহৃত হয়।

• ফ্যাক্স (fax):
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile.
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং তারপর এটি অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে।

উৎস:
১. এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৪,৯২৮.
জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ভ্যান রোসাম
  2. জেমস গসলিং
  3. মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. অগাস্টা অ্যাডা
ব্যাখ্যা
• জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• Java programming language:
- Java programming language হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৯২৯.
বর্তমান ইন্টারনেটের পূর্বসূরী ছিল-
  1. ক) ইনট্রানেট
  2. খ) এক্সট্রানেট
  3. গ) ব্রাকনেট
  4. ঘ) আরপানেট
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আর্পানেট।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৯৩০.
১১০০১১ এর ২-এর পরিপূরক কোনটি?
  1. ০০১১০০
  2. ০০১১০১
  3. ১০১১০০
  4. ১০১১০১
ব্যাখ্যা
• বাইনারি পদ্ধতিতে প্রকাশিত সংখ্যার ০ ও ১ ডিজিট দুটিকে যথাক্রমে ১ ও ০ দ্বারা পরিবর্তন করা হলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
• ১-এর পরিপূরকের সাথে ১ যোগ করলে ২-এর পরিপূরক পাওয়া যায়।

৪,৯৩১.
নিচের কোনটি এন্টি ভাইরাস?
  1. ক) Norton
  2. খ) Eset
  3. গ) Windows defender
  4. ঘ) All of these
ব্যাখ্যা
- VIRUS এর পূর্ণরূপ Vital Information Resources Under Seize.
- ফ্রেডরিক কোহেন প্রথম ভাইরাস নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
 
- এন্টিভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগাম যা কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত করে কম্পিউটারকে সচল রাখতে গুরুতবপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। 
- উল্লেখিত সবগুলোই এন্টি ভাইরাস।

৪,৯৩২.
Each computer connected to the internet is identified by a unique-
  1. URL
  2. IP address
  3. Port number
  4. MAC address
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারকে একটি স্বতন্ত্র IP address দিয়ে শনাক্ত করা হয়।

• IP Address:
- IP address (Internet Protocol address) হলো ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের জন্য নির্ধারিত একটি ইউনিক সংখ্যাসূচক পরিচয়।
- এই ঠিকানার মাধ্যমে ইন্টারনেটে ডাটা সঠিক কম্পিউটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

• ইন্টারনেট ও ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেলে IP Address-এর ভূমিকা:
- ক্লায়েন্ট যখন সার্ভারের কাছে কোনো ডাটা বা সেবা অনুরোধ করে, তখন IP address ব্যবহার করেই সেই অনুরোধ পাঠানো হয়।
সার্ভারও IP address ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ক্লায়েন্টের কাছে ডাটা পাঠায়।
- তাই ইন্টারনেটে তথ্য আদান–প্রদানের জন্য IP address অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• DNS-এর সাথে সম্পর্ক:
- সংখ্যাসূচক IP address মানুষের জন্য মনে রাখা কঠিন।
- এজন্য Domain Name System (DNS) ব্যবহার করে IP address–কে ডোমেইন নামের সাথে যুক্ত করা হয়।
- ব্যবহারকারী সাধারণত নাম দিয়ে ওয়েবসাইট ব্যবহার করে, কিন্তু ভেতরে কাজ করে IP address।

• অন্যান্য অপশন:
- MAC address হলো নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের হার্ডওয়্যার–ভিত্তিক ইউনিক পরিচয়।
- Port number নির্দিষ্ট সার্ভিস বা অ্যাপ্লিকেশন শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- URL হলো কোনো ওয়েব রিসোর্সের পূর্ণ ঠিকানা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৩৩.
কোন ডিভাইসটি একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ছোট সেগমেন্টে ভাগ করতে পারে?
  1. ক) হাব
  2. খ) ব্রিজ
  3. গ) সুইচ
  4. ঘ) রাউটার
ব্যাখ্যা
ব্রিজ:

- ব্রিজ একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট সেগমেন্টে বিভক্ত করে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- এটি একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক তৈরি করে।
- এটি অনেকটা সুইচ বা হাব এর মতো। এক্ষেত্রে পার্থক্য হলো, হাব বা সুইচ একই নেটওয়ার্কের বিভিন্ন নোডকে সংযুক্ত করে অন্যদিকে ব্রিজ একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৪,৯৩৪.
বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ শব্দটিকে সবার সামনে প্রথম কে তুলে ধরেন?
  1. টিম বার্নার্স লি
  2. মার্শাল ম্যাকলুহান
  3. ই এফ কড
  4. বিল গেটস
ব্যাখ্যা
বিশ্বগ্রাম (Global Village):
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে এক দেশে বসে অন্য দেশে প্রতিবেশির মতো তথ্য বিনিময় করতে পারার প্রক্রিয়াটিই মূলত বিশ্বগ্রামের ধারণা।
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন।
- মারশেল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম ১৯৬২ সালে তার রচিত ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic' গ্রন্থে বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে 'Understanding Media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
- তাঁর মতে, "ইলেক্‌ট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হল বিশ্বগ্রাম। যার মাধ্যমে খুব সহজেই পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের মানুষের সাথে মুহূর্তের মধ্যে যোগাযোগ করা সম্ভব।" এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে ইন্টারনেটকে বুঝানো হয়েছে। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জাতিগোষ্ঠীকে একটি ছাতার নিচে নিয়ে আসা হলো গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম।

⇒ বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ
• হার্ডওয়‍্যার (Hardware),
• সফটওয়‍্যার (Software),
• কানেকটিভিটি (Connectivity),
• উপাত্ত ও তথ্য (Data and Information),
• সক্ষমতা (Capacity)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৩৫.
"ই-লার্নিং" ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম নয় কোনটি?
  1. শিক্ষক ডট কম
  2. জাগো অনলাইন স্কুল
  3. ইস্কুল ডট কম
  4. মুক্তপাঠ
ব্যাখ্যা
• ই-লার্নিং:
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- ই-লার্নিং এর পূর্ণরূপ ইলেকট্রনিক লার্নিং।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।

• এ ধরনের প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- মুক্তপাঠ,
- শিক্ষক ডট কম এবং
- জাগো অনলাইন স্কুল উল্লেখযোগ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৩৬.
জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে কোন কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন?
  1. EDSAC
  2. ENIAC
  3. ABC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC এর পূর্ণরূপ Electronic Numerical Integrator And Calculator.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

- EDSAC কম্পিউটার হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং তার ছাত্র ক্লিফ ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)।
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৩৭.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Resource Flexibility
  2. On-Demand
  3. Pay as you go
  4. Limited scalability
ব্যাখ্যা
• "Limited scalability" - ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য নয়।

Cloud Computing:
- এমন একটি ইন্টারনেট সেবা যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কম্পিউটিং এর চাহিদাকে পূরণ করে।
- এটি একটি ব্যবসায়িক মডেল, যার দ্বারা ব্যবহারকারী এবং সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ই ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়।
- ‘Cloud’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত। এখানে Cloud অর্থ হচ্ছে মেঘ। 

নিচের সেবাগুলো Cloud Computing ব্যবহারকারীরা ভোগ করে থাকে:
Resource Flexibility: 
- যত চাহিদা তত সার্ভিস দিতে সক্ষম।
- ছোট কিংবা বড় যেকোন ক্রেতার সব রকম চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে। 
- ক্রেতা তার সুবিধামত সেবা কমাতে বা বাড়াতে পারে।

On Demand: 
- যখন চাহিদা তখন সার্ভিস দিতে সক্ষম।
- ক্রেতা যখন সেবা চাইবে সার্ভিসদাতা তখনই সেবা দিতে পারবে।

Pay as you go: 
- এটি একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবল তার জন্যে পেমেন্ট করবে। 

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৯৩৮.
EC2 ইনস্ট্যান্স কী?
  1. AWS-এ ভার্চুয়াল সার্ভার
  2. ক্লাউডে ডেটাবেস
  3. স্টোরেজ বাকেট
  4. নেটওয়ার্কিং উপাদান
ব্যাখ্যা

• EC2 ইনস্ট্যান্স হলো AWS-এ একটি ভার্চুয়াল সার্ভার যা ব্যবহারকারীদের ক্লাউডে কম্পিউটিং রিসোর্স চালানোর সুযোগ দেয়। এটি ফিজিক্যাল সার্ভারের মতো কাজ করে, তবে সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল এবং অন-ডিমান্ড ভিত্তিতে ব্যবহারযোগ্য। ব্যবহারকারীরা EC2 ইনস্ট্যান্সে তাদের অ্যাপ্লিকেশন, ওয়েব সার্ভার, ডেটা প্রসেসিং টুলস বা যেকোনো সফটওয়্যার চালাতে পারেন, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিসোর্স যেমন CPU, RAM, এবং স্টোরেজ স্কেল করতে পারেন। EC2 ইনস্ট্যান্স ব্যবহারের মাধ্যমে ইনফ্রাস্ট্রাকচার মেইনটেইন করার ঝামেলা কমে যায় এবং এটি সাশ্রয়ী ও অত্যন্ত নমনীয় সমাধান হিসেবে পরিচিত। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) AWS-এ ভার্চুয়াল সার্ভার।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।
- geeksforgeeks [link]

৪,৯৩৯.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার জনক কে এবং তিনি এটি কোন সালে তৈরি করেছিলেন?
  1. ভ্যান রোসাম, ১৯৮৯
  2. ডেনিস রিচি, ১৯৭৩
  3. জেমস গসলিং, ১৯৯১
  4. স্টিভ জবস, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৪,৯৪০.
ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের লিংককে কী বলা হয়? 
  1. হ্যাশট্যাগ
  2. সাবলিংক
  3. ইউআরএল
  4. হাইপারলিংক
ব্যাখ্যা
ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ (WWW): 
- ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW - World Wide Web)। 
- এটিকে সংক্ষেপে ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়। 
- ওয়েব বলতে একটি বৃহৎ সিস্টেমকে বুঝানো হয় যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। 
- এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোনো ফরমেটের ডেটা। 
- এ সকল তথ্য ব্যবহার করতে হলে ইউজারকে একটি ক্লায়েন্ট বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যা ব্রাউজার (Browser) নামে পরিচিত। 
- ওয়েবে তথ্য মূলত সংরক্ষিত হয়ে থাকে পেইজ (Page) বা পৃষ্ঠার আকারে। 
- প্রতিটি পেইজে শুধু তথ্যই থাকে না, বরং এখান থেকে অন্য পেইজে যাবার জন্য থাকে বিশেষ ধরনের লিংক (Link) প্রদান করা হয়। ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের এই লিংককে বলা হয় হাইপারলিংক (Hyperlink)। 
- ওয়েবে হাইপারলিংক ব্যবহার করে খুব সহজেই এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় চলাচল করতে পারা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,৯৪১.
DVD এর চেয়ে বেশী Data store করা যায় কোনটিতে?
  1. CD Rom
  2. Red Ray Disk
  3. Blue Ray Disk
  4. Floppy
ব্যাখ্যা
ডিভিডি (DVD):
- ১৯৯৬ সালের দিকে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অপটিক্যাল ডিস্কের উন্নতমানের সংস্করণ ডিভিডির (DVD- Digital Versatile Disk) উদ্ভব হয়। DVD-এর গঠন ও আকার সিডির মতোই। তবে অধিক পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য DVD-তে ট্র্যাকসমূহ আরো ঘন করে সন্নিবেশিত থাকে। সাধারণত DVD-এর ধারণক্ষমতা ৪ গিগাবাইট থেকে ১৭ গিগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।


ব্লু-রে ডিভিডি (Blu-Ray DVD):
ব্লু-রে ডিভিডি দেখতে সাধারণ ডিভিডি-এর মতাে কিন্তু এর ধারণক্ষমতা অনেক। ১০০ গিগাবাইটের ব্লু-রে ডিভিডিতে অডিও, ভিডিও বা অধিক ডেটা সংরক্ষণ করা হয়। এটিও সাধারণ সিডি বা ডিভিডির মতাে ১২ মি.মি. প্লাস্টিক ডিস্কের সাহায্যে তৈরি করা হয়। এর প্রতি লেয়ারের ধারণক্ষমতা ২৫ গিগাবাইট।

• ফ্লপি ডিস্ক: 
ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে একটি সহায়ক স্মৃতি। এটি হার্ডডিস্কের চেয়ে ছোট। ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। এটি ডিসকেট নামেও পরিচিতি। গানের রেকর্ডের মতো দেখতে এই স্মৃতি প্লাস্টিকের উপর চৌম্বক পদার্থের প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হয়। এর ধারন ক্ষমতা খুবই কম।
সাধারণ ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ৭২০ হতে ৮০০ কিলোবাইট পর্যন্ত এবং হাই ডেনসিটি ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ১.২ হতে ১.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।

সিডি রম:
বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম। সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা ৬৫০ মেগাবাইট থেকে ৭৫০ মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

উপরের আলোচনা হতে বুঝা যায়, Blu - Ray Disk , DVD এর চেয়ে অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন।
৪,৯৪২.
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূল কারণ কী?
  1. বড় আকার
  2. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  3. ট্রানজিস্টর
  4. ভ্যাকুয়াম টিউব
ব্যাখ্যা

- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) হলো একধরনের মাইক্রোচিপ যেখানে একাধিক ইলেকট্রনিক উপাদান (যেমন ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর) একসাথে সিলিকন প্লেটে স্থাপন করা হয়।
- এই প্রযুক্তির কারণে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়েছে।
- গতি বৃদ্ধি পেয়েছে ও বিদ্যুৎ খরচ কমেছে,
- নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে।
- ফলে, আধুনিক কম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুত, শক্তিশালী এবং কমপ্যাক্ট আকারে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
- এই কারণেই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট কে আধুনিক কম্পিউটার অগ্রগতির প্রধান কারণ বলা হয়।

- ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়েছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে (১৯৫৬–১৯৬৩)।
- এটি ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় উন্নত হলেও, আধুনিক দ্রুত কম্পিউটারের ভিত্তি নয়।
- ট্রানজিস্টর যুগের পরই IC যুগ শুরু হয়, যা অনেক বেশি উন্নত।

- ভ্যাকুয়াম টিউব প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে (১৯৪২–১৯৫৫) ব্যবহৃত হত।
- এগুলো ছিল বড়, ভারী, অতিরিক্ত গরম হতো এবং প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করত।

উৎস: Britannica. [লিংক]

৪,৯৪৩.
35 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 1101010
  2. 010101
  3. 1101011
  4. 00110101
ব্যাখ্যা
 BCD:
 - BCD কোডের পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal।
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

35 এর বিসিডি কোড:
3 = 0011
5 = 0101

∴ 35 এর বিসিডি কোড = 00110101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৯৪৪.
কোন ধরনের কোয়েরি ল্যাংগুয়েজ সারা দুনিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে?
  1. ক) QUEL
  2. খ) QBE
  3. গ) SQL
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

SQL কোয়েরি ল্যাংগুয়েজ হল- Structured Query Language।

এছাড়া
QUEL-QUEery Language
QBE- Query By Example

SQL এর সম্পূর্ন অর্থ হলো Structured Query Language। এটি একটি programming language যার মাধ্যমে আমরা database এর সাথে যোগাযোগ করতে পারি মানে database এ ডাটা আদান-প্রদান করতে পারি। ।
SQL এর মাধ্যমে যে কাজসমূহ করা যায়-
১। database থেকে যে কোন ডাটা নিয়ে আসতে পারবো।
২। database এ নতুন কোন ডাটা আমরা সংরক্ষন করতে পারবো।
৩। আগের কোন ডাটা আমরা update করতে পারবো।
৪। আগের কোন ডাটা আমরা delete করতে পারবো।
৫। নতুন কোন databases তৈরী করতে পারবো।
৬। databases এর মধ্যে নতুন কোন table তৈরী করতে পারবো।
৭। databases এর জন্য নতুন কোন User তৈরী করতে পারবো।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৪,৯৪৫.
যে ডিভাইসটি সিপিইউ থেকে ডেটা গ্রহণ করে তাকে কী বলে?
  1. ক) ইনপুট
  2. খ) আউটপুট
  3. গ) ইনপুট-আউটপুট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
যে সব যন্ত্রের মাধ্যমে কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শিত হয় তাদেরকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস। সুতরাং আউটপুট ডিভাইস সিপিইউ থেকে ডেটা গ্রহণ করে সেটা প্রদর্শন করে।
৪,৯৪৬.
‘ম্যাক ওএস (Mac OS)’ অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করে-
  1. ক) মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি
  2. খ) অ্যাপল কোম্পানি
  3. গ) মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
  4. ঘ) বেল ল্যাবরেটরি
ব্যাখ্যা
ম্যাক ওএস (Mac OS) -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System.
- ১৯৮০ সালে অ্যাপল(Apple) কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য Mac OS তৈরি করে।
- এটি চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম।
[উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৪,৯৪৭.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. Word Note
  2. dBase
  3. Lotus 1-2-3
  4. Foxpro
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro ইত্যাদি।
• Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program):
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
• এমএস অফিস,
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
• নেটস্কেপ নেভিগেটর,
• নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
• ইলেকট্রনিক মেইল,
• পেজ মেকার,
• ফটোশপ,
• ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program):
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলোঃ
• ব্যাংকিং সফটওয়্যার,
• ইলেকট্রনিস কমার্স,
• পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৪৮.
নিচের কোনটি বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  2. খ) ডিএনএ
  3. গ) ফিঙ্গার ভেরিফিকেশন
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির প্রকারভেদঃ ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেইস রিকগনিশন, রেটিনা স্ক্যান, ডিএনএ, ভয়েস রেকগনিশন, ফিঙ্গার ভেরিফিকেশন।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৯৪৯.
কোর, ক্ল্যাডিং ও জ্যাকেট দিয়ে নিম্মের কোনটি তৈরী করা হয়?
  1. ক) কো-এক্সিয়েল
  2. খ) অপটিক্যাল ফাইবার
  3. গ) টুইস্টেড পেয়ার
  4. ঘ) রাউটার
ব্যাখ্যা

ক্যাবল বা তার মাধ্যমের একটি আদর্শ এবং শক্তিশালী উদাহরণ হলো অপটিক্যাল ফাইবার কেবল বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল। অপটিক্যাল ফাইবার কেবল হলো অত্যন্ত সরু এক ধরনের কাচের তন্তু।
গঠন: ৩ টি স্তর থাকে। যথা:
১. কোর (Core)
২. ক্ল্যাডিং (Cladding)
৩. জ্যাকেট (Jacket)

৪,৯৫০.
ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে বলা হয় -
  1. ক) ইনডেক্সিং
  2. খ) লুপিং
  3. গ) কুয়েরি
  4. ঘ) সর্টিং
ব্যাখ্যা
সর্টিং: 
- ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে সর্টিং বলা হয়। 
- ডেটাকে দুইভাবে সাজানো বা সর্টিং করা যায়।
- যেমন: ছোট থেকে বড় (Ascending Order) ও বড় থেকে ছোট ( Descending Order). 

ইনডেক্সিং:
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ড সমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- কোন ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানো হয়। 

কুয়েরি: 
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ, পুনরূদ্ধার, ডেটা মডিফাই, ডিলিট ইত্যাদি অপারেশনকে বুঝায়।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- তিনটি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ সর্বাধিক প্রচলিত - QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৯৫১.
FM বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) Frequency Modulation
  2. খ) Frequency Modulator
  3. গ) Frequency Modem
  4. ঘ) Frequently Modulation
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বহুল জনপ্রিয় হলো এফএম রেডিও।
- এফএম শব্দের অর্থ ফ্রিকোয়েন্সি মডুলেশন (Frequency modulation).
- ১৯৪৬ সালে মনো এফএম ব্যন্ডের আবিষ্কার হয়। এর ১৪ বছর পর ১৯৬০ সালে তা উন্নতি হয়ে স্টেরিও এফএম ব্যান্ডে রূপ নেয়।
- সারা বিশ্বের সকল ফ্রিকোয়েন্সি ৮৭.৫ থেকে ১০৮.০ মেগাহার্জ রেঞ্জের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
      ⇒ কিন্তু ব্যতিক্রম হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ৮৭.৯ থেকে ১০৭.৯ মেগাহার্জ,
      ⇒ জাপানের জন্য ৭৬.০ থেকে ৯০.০ মেগাহার্জ বরাদ্দ রয়েছে।

• বাংলাদেশে বেশ কিছু এফএম রেডিও চ্যানেল রয়েছে যা রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশে এবং চট্টগ্রামের কিছু এলাকা এই নেটওয়ার্কের আওতাধীন।
এদেশের রেডিও চ্যানেলগুলো হচ্ছে - ভয়েস অব আমেরিকা (৯৭.৬ মেগাহার্জ), রেডিও টুডে (৮৯.৬ মেগাহার্জ), রেডিও ফূর্তি (৮৮.০ মেগাহার্জ), বিবিসি (১০০.০ মেগাহার্জ), রেডিও আমার (৮৮.৪ মেগাহার্জ), ট্রাফিক কার্যক্রম (১০৩.২ মেগাহার্জ), বাংলাদেশ বেতার (১০৬.৫ মেগাহার্জ) ইত্যাদি।

 • রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে সাধারণত তিন ধরনের ব্রডকাস্টিং করা হয় । যথা-
১। পাবলিক রেডিও ব্রডকাস্টিং - বাংলাদেশ বেতার
২। বাণিজ্যিক রেডিও ব্রডকাস্টিং - রেডিও টুডে, রেডিও ফূর্তি, রেডিও আমার ইত্যাদি।
৩। কমিউনিটি রেডিও ব্রডকাস্টিং - সীতাকুন্ডের Young Power in Action (YPSA), ঝিনাইদহের সৃজনী, সাতক্ষীরার নলতা কমিউনিটি হাসপাতাল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৪,৯৫২.
নিচের কোনটি প্রক্রিয়াকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. গাণিতিক যুক্তি অংশ
  2. নিয়ন্ত্রণ অংশ
  3. মেমোরি অংশ
  4. শক্তি প্রবাহ অংশ
ব্যাখ্যা
প্রক্রিয়াকরণ অংশ:
- কম্পিউটারের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল প্রক্রিয়াকরণ অংশ।
- ইহা কম্পিউটারের মস্তিস্কস্বরূপ।
- নিয়ন্ত্রণ, গাণিতিক যুক্তি অংশ এবং মেমোরি কম্পিউটারের এ তিনটি অংশকে প্রক্রিয়াকরণ অংশ বলে।

গাণিতিক যুক্তি অংশ:
এ অংশে গাণিতিক সমস্যার সমাধান করে। প্রয়োজন হলে গণনার ফলাফল ALU তেই জমা থাকে অথবা প্রধান মেমোরিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

নিয়ন্ত্রণ অংশ:
নিয়ন্ত্রণ অংশ কম্পিউটারের সকল কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রদত্ত এবং RAM ও ROM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ অংশ কম্পিউটারের অন্যান্য অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও ডাটা সংরক্ষণ করে।

মেমোরি অংশ:
মেমোরি বা স্মৃতি হচ্ছে কম্পিউটারের একটি অংশ, যেখানে তথ্য জমা থাকে। কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান মেমোরি ও সহায়ক মেমোরি অংশ বিদ্যমান। তথ্যকে স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করতে হলে সহায়ক মেমোরির প্রয়োজন হয়।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৫৩.
সুপারকম্পিউটার প্রধানত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. অফিসের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি 
  2. গেম খেলা
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন
ব্যাখ্যা

• সুপারকম্পিউটার হলো অত্যন্ত শক্তিশালী কম্পিউটার, যা জটিল ও বিশাল ডেটা দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম। এগুলো সাধারণ কাজ যেমন অফিসের উৎপাদনশীলতা, গেম খেলা বা ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কারণ এই ধরনের কাজ সাধারণ কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন দিয়েই সহজে সম্পন্ন করা যায়। সুপারকম্পিউটারের মূল ব্যবহার হলো আবহাওয়া পূর্বাভাস, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশন, যেমন জলবায়ু পরিবর্তনের মডেল তৈরি, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস, মহাকাশ গবেষণা কিংবা জটিল চিকিৎসা সংক্রান্ত বিশ্লেষণ। এতে বিপুল পরিমাণ তথ্য সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়, যা বৈজ্ঞানিক উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৫৪.
নিচের কোনটি NTFS এর পূর্ণরূপ?
  1. New Technology File System
  2. Network Transfer File System
  3. New Transfer File System
  4. Network Technology File System
ব্যাখ্যা
NTFS: 
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- DOS কোনোভাবেই NTFS পার্টিশনকে সমর্থন করে না।
- NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৫৫.
OMR শিটের ডেটা পড়তে কোন ডিভাইস প্রয়োজন?
  1. প্রজেক্টর
  2. স্ক্যানার
  3. প্রিন্টার
  4. ফটোকপি মেশিন
ব্যাখ্যা

• OMR (Optical Mark Recognition) শিটের ডেটা পড়ার জন্য প্রধান ডিভাইস হলো স্ক্যানার। OMR শিটে শিক্ষার্থীরা উত্তর প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে চিহ্ন বা মার্ক করে। এই চিহ্নগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করতে এবং কম্পিউটারে রূপান্তর করতে স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। প্রজেক্টর কেবল ছবি বা তথ্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টার শিট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় এবং ফটোকপি মেশিন কাগজের নকল করার জন্য। কিন্তু OMR শিটের মার্কগুলোকে পড়ে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করার কাজ স্ক্যানারই করতে সক্ষম, যা পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়াকরণে সহায়ক। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) স্ক্যানার।
 
ওএমআর (OMR):
- অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical Mark Recognition) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস। 
- OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
- এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম দ্বারা স্ক্যান করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
- বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর-এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্কানিং করে।
- নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হরে থাকে।
- এ ডিভাইস অতি অল্পসময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করতে পারে।
- মার্ক করা কাগজ স্পষ্ট না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪,৯৫৬.
কোনটি ম্যাগনেটিক মেমরির উদাহরণ?
  1. DVD
  2. Flash disk
  3. ROM
  4. Floppy Disk
ব্যাখ্যা
উপাদান ভিত্তিক বিভিন্ন স্টোরেজ মিডিয়া:
অর্ধপরিবাহী মেমরি: ROM, RAM, Flash disk, Pendrive.
ম্যাগনেটিক মেমরি: Hard Disk, Floppy Disk, Magnetic Tape, Megnatic Stripes, Tape Drive.
অপটিক্যাল মেমরি: CD, DVD, Blue-ray Disk, Versatile Digital Disk, WORM.

উৎস: ব্রিটানিকা, geeksforgeeks.
৪,৯৫৭.
ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত কীভাবে ছড়ায়?
  1. হার্ডওয়্যার থেকে নিজে থেকেই
  2. সফটওয়্যার আপডেট করে
  3. কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংস্পর্শে
  4. ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহারকারী অজান্তে একটি সংযুক্তি খুললে ভাইরাসটি কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং সিস্টেমে ক্ষতি করতে বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হার্ডওয়্যার থেকে ছড়ায় না, সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে ইনস্টল হয় না এবং সরাসরি কম্পিউটারের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না। সাধারণত ট্রোজান ভাইরাস একটি নির্দিষ্ট ফাইল বা প্রোগ্রামের আকারে আসে, যা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, তাই ব্যবহারকারী সহজেই এটিকে খুলে ফেলে। নিরাপদ ইমেইল ব্যবহার এবং অজানা সংযুক্তি না খোলাই প্রধান প্রতিরোধ ব্যবস্থা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৫৮.
লজিক ফাংশন সরলীকরণের ক্ষেত্রে কোনটির কাজ আগে করতে হয়?
  1. পূরক অপারেশন
  2. অর অপারেশন
  3. অ্যান্ড অপারেশন
  4. ন্যান্ড অপারেশন
ব্যাখ্যা
• লজিক ফাংশন সরলীকরণের নিয়ম:
- বুলিয়ান রাশিমালাকে সরলীকরণের ফলে লজিক গেটের সংখ্যা কমে বলে সময় ও খরচ দুটোই কমে যায়।
- মূলত বুলিয়ান রাশিমালাকে সরল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের বুলিয়ান উপপাদ্যসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- তবে সরলীকরণের ক্ষেত্রে কতকগুলো নিয়ম মেনে সরল করতে হয়। যেমন-
• লজিক ফাংশন বাম হতে ডান দিকে সরল করতে হয়।
• প্রথম বন্ধনীর কাজ আগে করতে হয়।
• পূরক অপারেশনের কাজ শুরুতে করতে হয়।
• এরপর সকল অ্যান্ড (.) অপারেশনের কাজ করতে হয়।
• এরপর সকল অর (+) অপারেশনের কাজ করতে হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৫৯.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ভিত্তিমূল কোন তত্ত্ব?
  1. কানেকটিভিটি তত্ত্ব
  2. সিমুলেশন তত্ত্ব
  3. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ তত্ত্ব
  4. সংবেদনশীল অভিযোজন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (Virtual Reality) ভিত্তিমূল সিমুলেশন তত্ত্ব (Simulation Theory)। এই তত্ত্ব অনুসারে, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো একটি কৃত্রিম বা নকল পরিবেশ যা কম্পিউটার বা সফটওয়্যারের মাধ্যমে বাস্তবের অনুরূপ অভিজ্ঞতা তৈরি করে। অর্থাৎ ব্যবহারকারী তার ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে বাস্তব মনে হলেও এটি আসলে একটি ডিজিটাল বা সিমুলেটেড জগত। সিমুলেশন তত্ত্ব ব্যাখ্যা করে কিভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে কল্পিত পরিবেশে মানুষকে সম্পূর্ণরূপে নিযুক্ত করা যায়, যেখানে দৃষ্টি, শব্দ, স্পর্শ এবং অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতার অনুভূতি পাওয়া যায়। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন ও গবেষণায় এই তত্ত্বের ব্যবহার নিশ্চিত করে। তাই এটি VR-এর মূল তত্ত্ব।

- উত্তর: খ) সিমুলেশন তত্ত্ব।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৬০.
বাইনারি যোগ বিয়োগের নিয়ম অনুসারে কোনটি ভুল?
  1. ক) 1 + 1 = 0
  2. খ) 0 + 1 = 1
  3. গ) 0 - 1 = 1
  4. ঘ) সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা

বাইনারি যোগ
0 + 0 = 0
0 +1  = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে ১, যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়।

বাইনারি বিয়োগ
0 - 0 = 0
1 - 0 = 1
1 - 1 = 0
0 - 1 = 1 এবং হাতে থাকে ১


সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৯৬১.
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. Android 16
  2. Android 15
  3. Marshmallow
  4. Oreo
ব্যাখ্যা
• অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ হলো Android 15।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৩. অ্যান্ড্রয়েড ওয়েবসাইট।
৪,৯৬২.
সি প্রোগ্রামিং-এ, 0xC কী নির্দেশ করে?
  1. Decimal 12
  2. Decimal 14
  3. Decimal 10
  4. Decimal 13
ব্যাখ্যা

• সি প্রোগ্রামিং-এ 0xC একটি হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা নির্দেশ করে। এখানে 0x প্রিফিক্স বোঝায় যে সংখ্যাটি বেস-১৬ পদ্ধতিতে লেখা। হেক্সাডেসিমালে ০-৯ পর্যন্ত সংখ্যা এবং A-F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহৃত হয়, যেখানে A=10, B=11, C=12, D=13, E=14 এবং F=15। সুতরাং 0xC মানে হলো হেক্সাডেসিমালের C, যার দশমিক মান 12। তাই সি প্রোগ্রামিং-এ 0xC আসলে দশমিক ১২ নির্দেশ করে। এই কারণে সঠিক উত্তর হলো ক) Decimal 12
 
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- sciencedirect. [link]

৪,৯৬৩.
নিচের কোনটি output device নয়?
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker
ব্যাখ্যা
• microphone একটি ইনপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope website.
৪,৯৬৪.
ডাটাবেজ টেবিলের "প্রাইমারি কী" কী কাজ করে?
  1. টেবিলের সকল তথ্য নিরাপদ রাখতে এনক্রিপশন ব্যবহার করে
  2. টেবিলের সকল ডাটা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলে
  3. টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে
  4. টেবিলের সাইজ ছোট করার জন্য অতিরিক্ত তথ্য কমিয়ে ফেলে
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজ টেবিলে প্রাইমারি কী (Primary Key) হলো একটি বিশেষ কলাম বা কলামের সেট, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে (Uniquely) সনাক্ত করে।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়। যথা-

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

৪,৯৬৫.
(507)8 = (?)16
  1. 247
  2. 147
  3. 742
  4. 472
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 147

​​অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর 

- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের ​জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে। 
​- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যায়।


​(507)8 = (147)16
​​
​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৬৬.
২০০৬ সালে AWS প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে পথপ্রদর্শক হওয়া কোম্পানি কোনটি?
  1. IBM
  2. Google
  3. Amazon
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 

- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),  
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS), এবং 
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)। 

- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. পাবলিক ক্লাউড, 
২. প্রাইভেট ক্লাউড এবং 
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪,৯৬৭.
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণের মজুদ আছে -
  1. ক) ইতালি
  2. খ) পর্তুগাল
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
• স্বর্ণের মজুদ:
- বৈশ্বিক স্বর্ণ মজুদে শীর্ষ দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র।
- বৈশ্বিক স্বর্ণ মজুদে দ্বিতীয় দেশ হলো  জার্মানিতে
- ইউরোপীয় দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণের মজুদ আছে জার্মানিতে। 
- আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম নির্ধারিত হয় আউন্স এককে।
- ১ আউন্স = ৩১.১০৩ গ্রাম।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৯৬৮.
নিচের কোনটিতে ডেডিকেটেড সার্ভার নেই?
  1. ক) পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. খ) ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  3. গ) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার ও ক্লায়েন্ট। এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভূমিকা পালন করে। ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৬৯.
কোন সত্যতা সারণি একটি ২-ইনপুট NOR গেটকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করে?
  1. 0 0 → 0, 0 1 → 1, 1 0 → 1, 1 1 → 0
  2. 0 0 → 1, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 0
  3. 0 0 → 1, 0 1 → 1, 1 0 → 1, 1 1 → 0
  4. 0 0 → 0, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 1
ব্যাখ্যা

• ২-ইনপুট NOR গেট হল একটি লজিক গেট যা আউটপুট প্রদান করে তখনই যখন উভয় ইনপুটই শূন্য (0) থাকে। অন্যভাবে বলা যায়, NOR গেট হলো OR গেটের নেগেশন। OR গেটের আউটপুট ১ হয় যদি অন্তত একটি ইনপুট ১ হয়, তাই NOR গেটের আউটপুট ঠিক উল্টো হয়। অর্থাৎ, ইনপুট (0,0) হলে আউটপুট ১ হবে, এবং (0,1), (1,0), (1,1) হলে আউটপুট হবে ০.
- দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে কেবল “খ)” সারণিটি এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মিলে যায়: 0 0 → 1, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 0। সুতরাং, সঠিক সত্যতা সারণি হলো খ)।


• NOR গেইট:
- NOR গেইট ব্যবহার করে তিনটি মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) সহ যেকোনো জটিল ডিজিটাল সার্কিট তৈরি করা সম্ভব, তাই একে সার্বজনীন (Universal) গেইট বলা হয়।

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৯৭০.
Peer-to-Peer Network এর বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. ক) ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক
  2. খ) বিশেষ কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন নেই
  3. গ) সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব নয়
  4. ঘ) ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
Peer-to-Peer Network:
প্রত্যেক ইউজার তাদের রিসোর্স অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে এবং প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার ও ওয়ার্কস্টেশনে ভূমিকা পালন করে।

বৈশিষ্ট্য: 
- ইউজাররা তাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। 
- ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক।
- ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয় না।
- বিশেষ কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন নেই।
- পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব নয়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৪,৯৭১.
নিচের কোনটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)-এর একটি প্রধান উপাদান?
  1. কোয়ান্টাম সেন্সর
  2. সিআরটি মনিটর
  3. হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD)
  4. অপটিক্যাল ফ্লো ম্যাপার
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)-এর একটি প্রধান উপাদান হলো হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD)।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তব বা ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরি করা হয়।
- এটি আসলে বাস্তব নয়, কিন্তু বিজ্ঞানের কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে তৈরি একটি কৃত্রিম বাস্তবতা।
- এটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির সাহায্যে এমন একটি কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্যি এবং বাস্তব বলে মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরির মাধ্যমে এমন কঠিন কাজও সম্পন্ন করা সম্ভব, যা বাস্তবে করা খুব কঠিন হতো।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD),
- ডেটা গ্লাভস,
- বিশেষ বডি স্যুট।

- এই সরঞ্জামগুলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা দেয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে,
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়,
- ফ্লাইট সিমুলেশনে,
- খেলাধূলা ও বিনোদন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৭২.
Which company owns LinkedIn?
  1. Meta Platforms
  2. Google
  3. Apple
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• LinkedIn বর্তমানে Microsoft-এর মালিকানাধীন, কারণ Microsoft ২০১৬ সালে LinkedIn-কে অধিগ্রহণ করে পেশাগত নেটওয়ার্কিং সেবাকে নিজের প্রোডাক্ট ইকোসিস্টেমে যুক্ত করে।

• LinkedIn:
- LinkedIn হলো একটি professional social networking platform, যা মূলত ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট, চাকরি অনুসন্ধান, পেশাগত যোগাযোগ (professional networking) এবং কোম্পানি–কর্মী সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• LinkedIn-এর প্রতিষ্ঠা:
- LinkedIn প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
- Reid Hoffman,
- Allen Blue, Konstantin Guericke, Eric Ly, Jean-Luc Vaillant.
 
• মালিকানা ও অধিগ্রহণ:
- LinkedIn বর্তমানে Microsoft-এর মালিকানাধীন।
- Microsoft ২০১৬ সালে LinkedIn অধিগ্রহণ করে।
 
• CEO (Chief Executive Officer):
- LinkedIn-এর বর্তমান CEO হলেন।
- Ryan Roslansky.
- LinkedIn Microsoft-এর অধীনে একটি স্বাধীন প্রোডাক্ট হিসেবে পরিচালিত হয়। 

উৎস: মাইক্রোসফট এবং ব্রিটানিকা।

৪,৯৭৩.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্রোভাইডার নয়?
  1. Google Cloud Platform
  2. Microsoft Azure
  3. Amazon Web Services (AWS)
  4. Linux Kernel
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পিউটিং সার্ভিস যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস এবং সফটওয়্যার প্রদান করার একটি প্রযুক্তি। এর জন্য বিশেষ ধরনের কোম্পানি বা প্রোভাইডার রয়েছে যারা এই সার্ভিসগুলো অফার করে। Google Cloud Platform, Microsoft Azure এবং Amazon Web Services (AWS) এই তিনটি প্রতিষ্ঠানই পরিচিত ক্লাউড প্রোভাইডার, যারা ব্যবহারকারীদের ক্লাউডে ডেটা সংরক্ষণ, অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিং এবং বিশ্লেষণাত্মক কার্যক্রম সম্পাদনের সুযোগ দেয়।
- অন্যদিকে, Linux Kernel একটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের সঙ্গে সফটওয়্যারকে সংযোগ স্থাপন করে, কিন্তু এটি কোনো ক্লাউড সার্ভিস প্রদান করে না।
- তাই, ক্লাউড কম্পিউটিং প্রোভাইডার নয় Linux Kernel.

 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস:
1) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।
2) geeksforgeeks [link]

৪,৯৭৪.
বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রথম চালু করে-
  1. ক) National Bank
  2. খ) Grindlays Bank
  3. গ) Standard Chartered Bank
  4. ঘ) American Express Bank
ব্যাখ্যা
টেলি ব্যাংকিং কথাটির অর্থ হলো টেলিফোন ব্যাংকিং। অর্থাৎ টেলিফোনের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে টেলিফোন ব্যাংকিং বা টেলি ব্যাংকিং বলা হয়। এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক সীমিত পরিসরে একাউন্ট ব্যালেন্স ট্রানজেকশন, ইলেকট্রনিক বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু থাকলেও বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক প্রথম এই সেবা চালু করে।
৪,৯৭৫.
(110010)২ এর সমতূল্য অক্টাল মান কত?
  1. ক) 62
  2. খ) 50
  3. গ) 72
  4. ঘ) 20
ব্যাখ্যা
Convert every 3 binary digits (start from bit 0) to 1 octal digit, with this table:

Binary    Octal
000    0
001    1
010    2
011    3
100    4
101    5
110    6
111    7


Convert every 3 binary digits (from bit0) to octal digit (see conversion table below):
110010
= 110 010
= 6 2
= 62
৪,৯৭৬.
ন্যানো প্রযুক্তির জনক কে?
  1. মারশলে ম্যাকলুহান
  2. রিচার্ড ফাইনম্যান
  3. ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার
  4. রে টমলিনসন
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৯৭৭.
কোন অপারেটিং সিস্টেমে টাইম স্লাইস (Time Slice) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?
  1. ক্লায়েন্ট সার্ভার
  2. রিয়েল টাইম
  3. টাইম শেয়ারিং
  4. মাল্টি প্রেগ্রামিং
ব্যাখ্যা
- টাইম স্লাইসিং (Time Slicing) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় টাইম শেয়ারিং (Time Sharing) অপারেটিং সিস্টেমে। 

টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম: 
- টাইম শেয়ারিং পদ্ধতিতে অনেক ব্যবহারকারী এক সঙ্গে নিজ নিজ টারমিনালের সাহায্যে মূল কম্পিউটারে কাজ করে। 
- মূল কম্পিউটারের প্রসেসর পর্যায়ক্রমিক ভাবে একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রত্যেক ব্যবহারকারীর কাজ সম্পাদন করে, অর্থাৎ এ জাতীয় অপারেটিং সিস্টেম প্রসেসিং সময়কে বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর মধ্যে বণ্টন করে। 
- টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেমগুলি একাধিক ব্যবহারকারীকে একই সিস্টেম রিসোর্স ভাগ করে নিতে দেয়। 
- প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে খুব ছোট ছোট সময় অন্তর (Time Slice) প্রদান করা হয়, যার মধ্যে তাদের প্রোগ্রামগুলি রান করতে পারে, এই প্রক্রিয়াটিকে টাইম স্লাইসিং বলা হয়। 
উদাহরণ: অনলাইন ফাইল শেয়ার করার অপারেটিং সিস্টেম। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
৪,৯৭৮.
"OCR" এর সঠিক ব্যবহার কোনটি?
  1. উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যবহার করা
  2. মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট দেয়া
  3. ডিজিটাল চেক তৈরিতে ব্যবহার করা
  4. পণ্যের বাজার বিশ্লেষণ করা
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৭৯.
কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের (Control Unit) কাজ নয় কোনটি?
  1. মাইক্রোপ্রসেসরের জন্য নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা
  2. মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা
  3. কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করা
  4. ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা মেমোরি ইউনিটের কাজ।

• কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৪,৯৮০.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়? 
  1. Python
  2. Java
  3. PROLOG
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত Java, MATLAB, Python, SHRDLU, PROLOG LISP, CLISP, R ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়। 
- কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ডেভেলপারগণ তাঁদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসেবে মেশিন লার্নিং-এর কথা বলা যায়। 
- মেশিন লার্নিং-কে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। সুপারভাইজড লার্নিং, 
২। আনসুপারভাইজড লার্নিং এবং 
৩। রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪,৯৮১.
NASA এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ক) ফ্লোরিডা
  2. খ) হিউস্টন
  3. গ) কেপ কেনেডি
  4. ঘ) ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাস (NASA) এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- NASA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই।
- NASA- এর পূর্ণরূপ National Aeronautics and Space Administration.

উৎস: NASA Website.
৪,৯৮২.
BIOS কম্পিউটারের কার্যপ্রণালীতে কী ভূমিকা রাখে?
  1. ভাইরাস স্ক্যানিং
  2. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  3. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
ব্যাখ্যা

• BIOS (Basic Input/Output System) কম্পিউটারের বেসিক ফার্মওয়্যার যা মূলত কম্পিউটার চালু হলে প্রথমেই কাজ করে। এটি হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং নিশ্চিত করে যে সব ডিভাইস সঠিকভাবে কাজ করছে। এছাড়াও, BIOS অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক সেটিং ও নির্দেশনা প্রদান করে, যার মাধ্যমে কম্পিউটার বুট হতে পারে। ভাইরাস স্ক্যানিং, ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট বা হার্ডওয়্যার মেইনটেন্যান্সের সরাসরি কাজ BIOS-এর মধ্যে নেই, যদিও কিছু উন্নত BIOS নিরাপত্তা ফিচার দিতে পারে। মূলত, BIOS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেমকে লোড করা। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।

• BIOS:
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৯৮৩.
Record means -
  1. Aggregation of file
  2. Aggregation of field
  3. Aggregation of program
  4. Aggregation of table
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ: 
- এক বা একাধিক পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টিকে ডাটাবেজ বলে।
- ডাটা শব্দটির অর্থ ‘উপাত্ত’ এবং বেজ শব্দটির অর্থ ‘সমাবেশ’।
- ডাটা, ফিল্ড, রেকর্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি হলো ডাটাবেজের উপাদান। 
- কোনো ডাটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে।  
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একেকটি রেকর্ড। 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হলো - 
মাইক্রোসফট এক্সেস, ফক্সপ্রো, ডিবেজ, ফক্সবেইজ, ওরাকল, প্যারাডক্স, ফোর্থ ডাইমেনশন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৯৮৪.
যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. ১ PFLOPS
  2. ১ GFLOPS
  3. ১ TFLOPS
  4. ১ MFLOPS
ব্যাখ্যা

• যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে, তখন তাকে ১ জি‌ফ্লপস (GFLOPS) ক্ষমতার বলা হয়। “ফ্লপস” শব্দটি এসেছে “Floating Point Operations Per Second” থেকে, যা একটি প্রসেসরের গণনার গতিশীলতা বা পারফরম্যান্স পরিমাপ করে। এখানে “জি” মানে “গিগা”, যা এক বিলিয়নের সমান। তাই, ১ জি‌ফ্লপস মানে প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট গণনা করা। GFLOPS (Giga Floating-Point Operations Per Second)। অন্য অপশনগুলো যেমন মেগাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন), টেরাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক ট্রিলিয়ন), এবং পেটাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক কোয়াড্রিলিয়ন) ভিন্ন স্কেলে আসে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) ১ GFLOPS.
 
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৪,৯৮৫.
বুলিয়ান আলজেবরার কোন উপপাদ্যটি সঠিক?
  1. A + A = 1
  2. A + A' = 1
  3. A + 1 = A
  4. A . 0 = A
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান উপপাদ্য:
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৯৮৬.
Mark IV কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) ১ম প্রজন্ম
  2. খ) ২য় প্রজন্ম
  3. গ) ৩য় প্রজন্ম
  4. ঘ) ৪র্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৮৭.
দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় কোন কোডের মাধ্যমে?
  1. ক) EBCDIC
  2. খ) ASCII
  3. গ) BCD
  4. ঘ) Unicode
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দৈনন্দিন হিসাব নিকাশে আমরা সবসময় দশমিক সংখ্যা ব্যবহার করলেও কম্পিউটার বা ইলেক্ট্রনিক সার্কিট দিয়ে ডিজিটাল প্রক্রিয়া করার জন্য এগুলোকে বাইনারিতে রূপান্তর করে নিতে হয়। 
- কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় রূপান্তরের পরে এর দশমিক রূপটি অক্ষুণ্ণ থাকেনা।
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Coded Decimal. 

• অ্যাসকি কোড:
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।

• ইবিসিডিক কোড:
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। 

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৮৮.
জুম-এর ফ্রি ভার্সন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে সর্বোচ্চ কতজন যুক্ত হতে পারে?
  1. ৪০ জন
  2. ৬০ জন
  3. ১০০ জন
  4. ১৪০ জন
ব্যাখ্যা
• জুম (Zoom):
- ভিডিও কমিউনিকেশন সফটওয়্যার 'জুম' (Zoom) ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: এরিক ইউয়ান (চীনা বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রযুক্তি উদ্যোক্তা)
- সদরদপ্তর: ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ১০০ জন ভিডিও কানফারেন্সিং-এ জয়েন করতে পারে
- পেমেন্ট ছাড়া সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট ভিডিও কানফারেন্সিং চালু রাখা যায়।

উৎস: britannica
৪,৯৮৯.
সার্চ ইঞ্জিনের কোন অংশটি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে?
  1. সার্ভার মনিটর
  2. ওয়েব ক্রলার
  3. ফায়ারওয়াল
  4. ব্রাউজার
ব্যাখ্যা

• সার্চ ইঞ্জিনের যে অংশটি বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, সেটি হলো ওয়েব ক্রলার। ওয়েব ক্রলারকে অনেক সময় স্পাইডার বা বটও বলা হয়। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেটের এক পেজ থেকে আরেক পেজে ঘুরে বেড়ায় এবং ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, লিংকসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। সংগ্রহ করা এই তথ্য সার্চ ইঞ্জিনের ডাটাবেজে সংরক্ষিত হয়, যাতে ব্যবহারকারী কোনো কিছু সার্চ করলে দ্রুত ও সঠিক ফলাফল দেখানো যায়। অন্যদিকে সার্ভার মনিটর, ফায়ারওয়াল বা ব্রাউজার তথ্য সংগ্রহের কাজ করে না।
 
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- researchgate. [link]

৪,৯৯০.
নিচের কোনটি বাংলাদেশী কম্পিউটার এন্টিভাইরাস?
  1. AVG
  2. Panda
  3. Cobra
  4. McAfee
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।
• বাংলাদেশী কম্পিউটার এন্টিভাইরাস হলো কোবরা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৯১.
ওয়াইম্যাক্সের স্ট্যান্ডার্ড ব্র্যান্ড নাম কী? 
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.3
  4. IEEE 802.20
ব্যাখ্যা
ওয়াইম্যাক্স (WiMAX): 
- ওয়াইম্যাক্স এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপেরিবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস (WiMAX-Worldwide Interoperability for Microwave Access). 
- ওয়াইম্যাক্স এর স্ট্যান্ডার্ড ব্র্যান্ড নাম হলো IEEE802.16  । 
- ওয়াইম্যাক্স নামটি দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম যা গঠিত হয়েছিল ২০০১ সালের জুনে। 
- ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সেবা, তারবিহীন ব্যবস্থা বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ পাওয়া যায়। 

ওয়াইম্যাক্স এর সুবিধা: 
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াইফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা দেয়া যায়। 
- ক্যাবল ও ডিএসএল এর পরিবর্তে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়। 
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেরও সেবা পাওয়া যায় এমনকি যেখানে ফোনের সংযোগ পৌঁছেনি সেখানেও। 
- তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবাগুলো প্রদান করা যায়। 
- নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৯২.
(0.105)10 = (?)8
  1. 0.065
  2. 0.056
  3. 0.061
  4. 0.055
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) 0.065

দশমিক ভগ্নাংশকে অক্টালে রূপান্তর:
ধাপ-১: ভগ্নাংশকে অক্টাল ভিত্তি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশ এবং ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
ধাপ-২: গুণফলের ভগ্নাংশকে পুনরায় ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে এবং পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে। এই প্রক্রিয়া যতক্ষণ না ভগ্নাংশ ০ হয় ততক্ষণ চালাতে হবে। যদি কমপক্ষে ৫-৬ বার গুণ করার পরও ভগ্নাংশ ০ না হয়, তবে এই অবস্থায় কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ধাপ-৩: সংরক্ষিত পূর্ণ অংশগুলোকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (MSD থেকে LSD) সাজালে কাঙ্ক্ষিত অক্টাল সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।

 

সুতরাং (0.105)10 = (0.065)8

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,৯৯৩.
SATA এর পূর্ণরূপ হচ্ছে:
  1. Serial Advanced Technology Attachment
  2. System ATA Transfer
  3. Serial Access Technology Architecture
  4. Standard ATA Transmission
ব্যাখ্যা

• SATA এর পূর্ণরূপ হলো Serial Advanced Technology Attachment। এটি একটি স্টোরেজ ইন্টারফেস যা মূলত হার্ড ড্রাইভ (HDD), সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) এবং অপটিক্যাল ড্রাইভের সঙ্গে কম্পিউটার সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। SATA পূর্ববর্তী PATA (Parallel ATA) প্রযুক্তির তুলনায় অনেক দ্রুত এবং আরও কার্যকর। এটি ডাটা স্থানান্তরের জন্য সিরিয়াল কেবল ব্যবহার করে, যা সরু এবং নমনীয়, ফলে কম্পিউটার ভেতরের এয়ারফ্লো উন্নত হয়। SATA ড্রাইভের জন্য বিভিন্ন সংস্করণ আছে, যেমন SATA I, SATA II এবং SATA III, যা পর্যায়ক্রমে ডাটা ট্রান্সফারের গতি বাড়িয়েছে। এটি আধুনিক কম্পিউটারে স্টোরেজ সংযোগের একটি মান হয়ে গেছে।

সঠিক উত্তর: ক) Serial Advanced Technology Attachment.

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:
- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং 
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ। 

• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)। 
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।

৪,৯৯৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. CryptoLocker
  2. Morpho
  3. ILOVEYOU
  4. Storm
ব্যাখ্যা
• Morpho হলো একটি হ্যাকার গ্রুপ। অন্যদিকে ILOVEYOU, CryptoLocker এবং Storm হলো কম্পিউটার ভাইরাসের নাম।

• কম্পিউটার ভাইরাস:

- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের
ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

• কয়েকটি উওল্লেখযোগ্য কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
৪,৯৯৫.
পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ (PDA) এর পূর্নরূপ কী?
  1. Personal Digital Assistant
  2. Programmable Data Analyzer
  3. Pushdown Automaton
  4. Portable Data Analyzer
ব্যাখ্যা

◉ পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ (PDA) হলো একটি ছোট এবং বহনযোগ্য ডিভাইস, যা মূলত ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং কম্পিউটিং কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
পিডিএ-এর পূর্ণরূপ হলো পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (Personal Digital Assistant)।

পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৯৬.
কোনটিকে ইন্টারনেট বলা হয়?
  1. LAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। তথ্য আদান- প্রদানের জন্যে এই ধরনের নেটওয়ার্ক বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৯৭.
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম 'ফেসবুক'-এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন-
  1. ক) বিল গেটস
  2. খ) টিম বানার্স লি
  3. গ) মার্ক জুকারবার্গ
  4. ঘ) এন্ডি গ্রোড
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম 'ফেসবুক'-এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন মার্ক জুকারবার্গ। 

- মার্ক জুকারবার্গ এর সম্পূর্ণ নাম হলো “Mark Elliot Zuckerberg” যার জন্ম হয়েছিল ১৪ই মে, ১৯৮৪ সালে।
- Facebook বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
- ২০০৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বর্ষে থাকাকালীন জাকারবার্গ “ফেসম্যাশ” নামে একটি প্রোগ্রাম লিখেছিলেন।  
- ৪ই ফেব্রুয়ারি ২০০৪ এ ফেসবুক যাত্রা শুরু করে।  
- ফেসবুকের সদরদপ্তর- মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

সূত্র: Facebook Website [লিঙ্ক]
৪,৯৯৮.
Which of the following is not computer hardware?
  1. Mouse
  2. Motherboard
  3. Avro Keyboard
  4. SSD
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device): সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
→ কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে নির্দেশাবলী গ্রহণ করে, সে সকল হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। যেমন:
- কী-বোর্ড,
- ওএমআর,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- জয়স্টিক,
- ডিজিটাইজার,
- লাইটপেন,
- বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেরাল নামে পরিচিত।
→ অর্থাৎ, কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্লটার,
- স্পিকার,
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
→ কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- এস এস ডি,
- পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

→ মাদারবোর্ড হচ্ছে হার্ডওয়্যার। সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড। 
→ সকল ইনপুট, আউটপুট, ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরালসমূহ মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে।

সফটওয়্যার:
→ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।

→ সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে লিখিত সুশৃঙ্খল কতগুলো নির্দেশের সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম রাখে, তাকে সফটওয়্যার বলে।

→ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার: Dos, Windows, MS Office, MS paint, Adobe Photoshop, Video Player, PageMaker.
→ Avro Keyboard- ও সফটওয়্যার।

→ অন্যদিকে, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৯৯৯.
কম্পিউটার প্রজনগুলোর মধ্যে www. HTML. DVD. ipad ইত্যাদি কোন প্রজন্মের জনপ্রিয় আবিষ্কার?
  1. ক) 4th
  2. খ) 5th
  3. গ) 6th
  4. ঘ) 3rd
ব্যাখ্যা
www. HTML. DVD. ipad ইত্যাদি প্রযুক্তিগুলো চতুর্থ প্রজন্মের আবিষ্কার। 

- WWW এর পূর্ণরূপ হলো – World Wide Web.
- টিম বার্নার্স-লি যাকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক বলা হয়। যাকে ওয়েবের উদ্ভাবকও বলা হয়। 
- ইচটিএমএল (HTML) হচ্ছে একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ।
- ওয়েবপেইজ তৈরীর জন্য HTML ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহৃত হয়।
- টিম বার্নার্স লি (Tim Berners Lee) ১৯৮০ সালের দিকে HTML ভাষার প্রাথমিক রূপ প্রদান করেন।
- ডিভিডি (DVD) হচ্ছে ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (Digital Video Disc) বা ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (Digital Versatile Disc)। ইহা এটি এক ধরনের অপটিকাল ডিস্ক-ভিত্তিক তথ্য রাখার ফরম্যাট।
- আইপ্যাড হলো অ্যাপল এর তৈরী টাচস্ক্রিন ট্যাবলেট কম্পিউটার।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।  
৫,০০০.
ডেটা কমিউনিকেশনের কোন পদ্ধতিতে প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানো হয়?
  1. আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. সিরিয়াল ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

• ডেটা ট্রান্সমিশনের যে পদ্ধতিতে প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে ডেটা ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার (একবারে একটি বর্ণ) আদান-প্রদান করা হয়, তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) বলে।
- এতে প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট এবং শেষে একটি বা দুটি স্টপ বিট ব্যবহার করা হয়, ফলে প্রেরক যেকোনো সময় ডেটা পাঠাতে পারে এবং গ্রাহক তা গ্রহণ করতে পারে।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: 
- এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব।
- এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়।
- প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।

উল্লেখ্য,
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: যে ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে ক্যারেক্টারগুলো সংরক্ষণ করে কমপক্ষে ৮০ থেকে ১৩২ টি ক্যারেক্টারের ব্লক/ প্যাকেট করে এবং প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট সমান বিরতিতে স্থানান্তর করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন: এটিও সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের মতো অনেকগুলো ক্যারেক্টার একত্রিত করে একটি ব্লক/প্যাকেট তৈরি করে ট্রান্সমিশন করে কিন্তু প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট বিরতিহীনভাবে স্থানান্তরিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।