বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৪১ / ১৩১ · ৪,০০১৪,১০০ / ১৩,০৮৮

৪,০০১.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. পলিমারফিজম
  2. ইনহেরিটেন্স
  3. এনক্যাপসুলেশন
  4. অ্যাসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০০২.
একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?
  1. 2 ন্যানো সেকেন্ড
  2. 1 ন্যানো সেকেন্ড
  3. 0.5 ন্যানো সেকেন্ড
  4. 1.50 ন্যানো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?

সমাধান:
109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1 সেকেন্ড
∴ 1 ট নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1/109 সেকেন্ড
= 10-9 সেকেন্ড
= 1 ন্যানো সেকেন্ড।
৪,০০৩.
নিম্নলিখিত কোনটি ক্লাউড স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. Slack
  2. iCloud
  3. Box
  4. Amazon S3
ব্যাখ্যা

• অপশন গুলোর মধ্যে Slack ক্লাউড স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। iCloud, Box, এবং Amazon S3- তিনটি মূলত ফাইল এবং ডেটা সংরক্ষণের জন্য ডিজাইন করা ক্লাউড স্টোরেজ সেবা। iCloud অ্যাপল ব্যবহারকারীদের জন্য ফাইল, ছবি, এবং ব্যাকআপ সংরক্ষণ করতে দেয়। Box একটি ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম যা ফাইল শেয়ারিং এবং সহযোগিতার সুবিধা প্রদান করে। Amazon S3 অ্যামাজনের স্কেলেবল অবজেক্ট স্টোরেজ, যা ডেটা হোস্টিং, ব্যাকআপ, এবং বড় ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে Slack মূলত একটি যোগাযোগ ও টিম কল্যাবোরেশন টুল, যেখানে বার্তা, চ্যাট, এবং সংক্ষিপ্ত ফাইল শেয়ার করা যায়, কিন্তু এটি স্টোরেজ সেবা হিসেবে প্রাথমিকভাবে ব্যবহার হয় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা, 
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও 
- সফটওয়্যার সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং 
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৪,০০৪.
What is the main function of OCR technology?
  1. Recognizing printed text
  2. Compressing multimedia files
  3. Enhancing computer graphics
  4. Managing database records
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) Recognizing printed text।

OCR:
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
৪,০০৫.
During which decade did the Internet become visible to the general public?
  1. ক) The 1970s
  2. খ) The 1980s
  3. গ) The 1990s
  4. ঘ) The 2000s
ব্যাখ্যা
The Internet emerged in the United States in the 1970s but did not become visible to the general public until the early 1990s.
 
Source: Britannica
৪,০০৬.
ই-মেইলের সাথে অন্য প্রোগ্রামে তৈরি ফাইল যুক্ত করে পাঠানোর প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Upload
  2. Download
  3. Attachment
  4. Backup 
ব্যাখ্যা

 ই-মেইলের সাথে অন্য প্রোগ্রামে তৈরি ফাইল যুক্ত করে পাঠানোর প্রক্রিয়াকে Attachment বলা হয়।

• ই-মেইল (E-mail):
- ই-মেইল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান–প্রদানের ব্যবস্থা।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) ব্যবহার করে সীমিত এলাকার মধ্যে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল পাঠানো যায়।
 
• ই-মেইল প্রেরণ ও গ্রহণের প্রক্রিয়া:
- বিভিন্ন ই-মেইল প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ই-মেইল পাঠানো হয়।
- ই-মেইল প্রোগ্রামে বার্তা টাইপ করে প্রাপকের ঠিকানা নির্ধারণ করে Send নির্দেশ দিলে,
- মেইলটি সরাসরি প্রাপকের কম্পিউটারে না গিয়ে,
- তার টার্মিনাল, ওয়ার্কস্টেশন অথবা সার্ভারে সংরক্ষিত হয়।
- প্রাপক মেইল চেক করার নির্দেশ দিলে, সার্ভার থেকে মেইলটি প্রাপকের কম্পিউটারে পৌঁছে যায়।
 
• ই-মেইলের বৈশিষ্ট্য:
- একটি ই-মেইল একই সঙ্গে একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো যায়।
- অন্য কোনো প্রোগ্রামে তৈরি ফাইল, যেমন— MS Word ফাইল, ই-মেইলের সাথে যুক্ত করে পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের সাথে ফাইল যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে ফাইল অ্যাটাচমেন্ট (Attachment) বলা হয়।
- অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও ও ভিডিও ফাইল পাঠানো সম্ভব।

• Other Options:
ক) Upload
→ এটি সার্ভারে ফাইল তোলার প্রক্রিয়া।

খ) Download
→ এটি সার্ভার থেকে ফাইল গ্রহণ করার প্রক্রিয়া।

ঘ) Backup
→ এটি ডাটার নিরাপত্তার জন্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০০৭.
কোন প্রোগ্রামটি লাইন-বাই-লাইন কোড রূপান্তর করে তাত্ক্ষণিক আউটপুট দেয়?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. ডিবাগার
  3. কম্পাইলার
  4. অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা

• যে প্রোগ্রামটি লাইন-বাই-লাইন কোড রূপান্তর করে এবং তাৎক্ষণিক আউটপুট প্রদান করে তাকে ইন্টারপ্রেটার বলা হয়। ইন্টারপ্রেটার সোর্স কোডকে একবারে সম্পূর্ণভাবে কম্পাইল না করে, প্রতিটি লাইন পড়ে বুঝে সরাসরি কার্যকর করে। এর ফলে প্রোগ্রাম চলাকালীন ত্রুটি দ্রুত ধরা যায় এবং ফলাফল অবিলম্বে দেখা যায়। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপযোগী, কারণ কোড লেখা এবং পরীক্ষা করা সহজ হয়। অন্যদিকে, কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রামকে একবারে যন্ত্রভাষায় রূপান্তর করে, ফলে আউটপুট পেতে অপেক্ষা করতে হয়। ডিবাগার এবং অ্যাসেম্বলার এই ধরনের কাজ করে না, তাই সরাসরি আউটপুট দেয় না। তাই লাইভ বা তাত্ক্ষণিক ফলাফলের জন্য ইন্টারপ্রেটার ব্যবহৃত হয়।
 
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-

১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০০৮.
কোন গেইটের ক্ষেত্রে ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1 হবে?
  1. NAND
  2. NOT
  3. OR
  4. AND
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।

• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০০৯.
AGP পোর্ট কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্ক সংযোগ
  2. অডিও আউটপুট
  3. উচ্চমানের চিত্র প্রদর্শন
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
• AGP (Accelerated Graphics Port) পোর্ট ব্যবহৃত হয় উচ্চমানের চিত্র প্রদর্শন (গ) এর জন্য। এটি একটি বিশেষ ধরনের পোর্ট যা মাদারবোর্ডে যুক্ত থাকে এবং গ্রাফিক্স কার্ড সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। AGP পোর্ট মূলত এমন সব কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দ্রুত গতির গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ প্রয়োজন, যেমন ৩ডি গেম, গ্রাফিক ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং। এই পোর্ট PCI পোর্টের তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে, ফলে ছবির গুণমান উন্নত হয় এবং গ্রাফিক্স বেশি স্বচ্ছ ও মসৃণভাবে প্রদর্শিত হয়। যদিও বর্তমানে PCI Express (PCIe) এর জনপ্রিয়তার কারণে AGP পোর্টের ব্যবহার অনেক কমে গেছে, তবুও এটি গ্রাফিক্স ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

• AGP:
- AGP এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerted Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
- উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ।
- কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১০.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে কী বলে?
  1. এনক্যাপসুলেশন
  2. ইনহেরিটেন্স
  3. অ্যাবস্ট্রাকশন
  4. পলিমারফিজম
ব্যাখ্যা
• ইনহেরিটেন্স:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে।
- এর ফলে নতুন ক্লাস এ পূর্বের ক্লাস এর গুণাবলি বজায় রেখে নতুন নতুন গুণাবলির সমন্বয় ঘটতে পারে।
- এখানে যে ক্লাসকে inherit করা হয় তাকে বলে base class এবং যে ক্লাস অন্য ক্লাসকে inherit করে তাকে বলে derived class ।

• পলিমারফিজম:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এই ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে পলিমরফিক অবজেক্ট তৈরি করে।
- পলিমরফিক অবজেক্ট হলো এমন ধরনের অবজেক্ট যার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গঠন পাওয়া সম্ভব।

• এনক্যাপসুলেশন:
- অবজেক্ট এর attributes এবং behaviours কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে বলে এনক্যাপসুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১১.
কত সালে জর্জ বুল গণিত ও যুক্তির মধ্যে সুস্পষ্ট সম্পর্ক বের করেন?
  1. ক) ১৯৪৫
  2. খ) ১৮৩৩
  3. গ) ১৯৪৪
  4. ঘ) ১৮৫৪
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ হয় নি। 
৪,০১২.
মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. চতুর্থ প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. প্রথম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম, চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং,
- ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম,
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা,
- উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর চালু হয়,
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডাটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০১৩.
মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয় কোনটিকে?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. মনিটর
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১৪.
The fastest type of memory from the following list is-
  1. ক) tape
  2. খ) semiconductor memory
  3. গ) disk
  4. ঘ) bubble memory
ব্যাখ্যা
Semiconductor memory is a digital electronic data storage device, often used as computer memory, implemented with semiconductor electronic devices on an integrated circuit (IC).
Source: britannica.com
৪,০১৫.
ডাটা প্রসেসর পূর্বে কোথায় অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়?
  1. ক) কন্ট্রোল ইউনিটে
  2. খ) কিবোর্ডে
  3. গ) মনিটরে
  4. ঘ) রেজিস্টারে
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ। এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব। গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে। কোনাে একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৪,০১৬.
HDMI-এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. High-Definition Multipurpose Interface
  2. High-Definition Multimedia Interface
  3.  High-Digital Media Interface
  4. Hyper-Definition Multimedia Instrument
ব্যাখ্যা

- HDMI-এর পূর্ণরূপ হলো High-Definition Multimedia Interface
- এটি একটি ডিজিটাল ইন্টারফেস যা টেলিভিশন, কম্পিউটার, প্রজেক্টর এবং গেমিং কনসোলসহ বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে উচ্চ-মানের অডিও এবং ভিডিও সংকেত স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- মূল বিষয়সমূহ:
কাজ: একটি মাত্র কেবলের মাধ্যমে অডিও এবং ভিডিও (অডিও-ভিডিও) সংকেত প্রেরণ করা।
উন্নয়ন: এটি হিটাচি, প্যানাসনিক, সনি, তোশিবা সহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি দ্বারা তৈরি।
ব্যবহার: LED(TV), ল্যাপটপ, মনিটর, গেম কনসোল, এবং Blu-ray প্লেয়ারে ব্যবহৃত হয়।
সুবিধা: এটি এনালগ সংকেতের তুলনায় অনেক বেশি পরিষ্কার এবং উন্নতমানের ডিজিটাল সংকেত প্রদান করে। 

উৎস: 
১। Cambridge Dictionary [Link]
২। TCL website [Link]

৪,০১৭.
ফেসবুকের রাশিয়ান সংস্করণ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. VK
  2. Viber
  3. Meta
  4. X
ব্যাখ্যা
• টেলিগ্রাম:
- টেলিগ্রাম হলো রাশিয়ান উদ্যোক্তা পাভেল এবং নিকোলাই দুরভের মালিকানাধীন ক্লাউড-ভিত্তিক মেসেজিং অ্যাপ।
- টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীরা টেক্সট আদান-প্রদান, ভয়েস কল, ফাইল শেয়ার ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে সর্বোচ্চ 200,000 সদস্যদের মধ্যে, তাছাড়াও বিভিন্ন পাবলিক ব্রডকাস্ট চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে ভিবিন্ন সেবা গ্রহন করতে পারে।
- সদরদপ্তর: Dubai, United Arab Emirates.
- 2006 সালে Pavel Durov, VKontakte বা VK নামে একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠা করেন, একে প্রায়ই Facebook এর রাশিয়ান সংস্করণ হিসাবে বর্ণনা করা হয়।
- 2010-এর দিকে VK-এর ব্যবহারকারীর 100 মিলিয়নেরও বেশি হয়ে যায়।
- 2011 সালে তৎকালীন রাশিয়ার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাভেল দুরভকে দেয়া প্রস্তাব (Censor সম্পর্কিত) নাকোচ করে দেয়ায় রাজনৈতিক চাপে পরে তাকে এটি বিক্রি করে দিতে হয়।
- 2013 সালে তিনি তৈরি করেন টেলিগ্রাম।
- টেলিগ্রাম হলো জনপ্রিয় মেসেজিং পরিষেবা হোয়াটসঅ্যাপের একটি প্রতিযোগী, যেটি( হোয়াটসঅ্যাপ) তার মূল কোম্পানি ফেসবুকের সাথে ব্যবহারকারীর ডেটা শেয়ার করার জন্য বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,০১৮.
4G এর গতি 3G এর চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. ক) ২০ গুণ
  2. খ) ৩০ গুণ
  3. গ) ৫০ গুণ
  4. ঘ) ৬০ গুণ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের অন্যতম বৈশিষ্ট  হচ্ছে 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ গতি বেশি। 

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট হচ্ছে –
- Internet Protocol ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ বেশি গতি।
- আলট্রা ব্রড-ব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার।
- পণ্যের বিল প্রদান করতে সক্ষম।
- Long Term Evolution(LTE) ভিত্তিক 4G মোবাইল সিস্টেম।
উদাহরণ: WiMax2, LTE(long Term Evolution) - Advance ইত্যাদি। 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০১৯.
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন টাইপ কোনটি?
  1. .gov
  2. .org
  3. .edu
  4. .com
ব্যাখ্যা
সংখ্যার সমন্বয়ে গঠিত আইপি এড্রেস মানুষের পক্ষে মনে রাখা খুবই কষ্টকর। তাই আইপি এড্রেস সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য সহজ কোন নাম ব্যবহার করা হয়। ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম। যেমন- www.google.com এই সাইটটির আইপি এড্রেস হল- 216.58.212.164। যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS - Domain Naming System ) । ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত ।
Mnhs. com, এখানে mnhs কে ডোমেইন নেইম এবং .com কে ডোমেইন টাইপ বলা হয়। সাধারণত ডোমেইন টাইপ দ্বারা প্রতিষ্ঠানের টাইপ জানা যায়। যেমন-
.com – কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয় 
.gov – সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয় 
.org – অর্গানাইজেশনকে বুঝানো হয় 
.edu – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০২০.
OSI মডেলের কোন লেয়ারে রাউটার কাজ করে?
  1. Physical Layer
  2. Data Link Layer
  3. Transport Layer
  4. Network Layer
ব্যাখ্যা

◉ Router হলো একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে এবং IP Address ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠায়। OSI মডেলের 3rd Layer (Network Layer)-এ Router কাজ করে।

OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

Source: Cisco Learning Network. 

৪,০২১.
Who is known as the father of the C programming language?
  1. Dennis Ritchie
  2. Bjarne Stroustrup
  3. James Gosling
  4. Guido van Rossum
ব্যাখ্যা

• Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে UNIX অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করার জন্য প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- ১৯৭০ সালে PDP-11 কম্পিউটারে প্রথম C প্রোগ্রামিং ভাষা প্রয়োগ করা হয়েছিলো।
- ১৯৭২ সালে এই ভাষার প্রথম রিলিজ হয়।
- C ভাষা একটি স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- প্রতিটি C প্রোগ্রামিংয়ে একটি main() ফাংশন থাকে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।
- ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) এবং কেন থম্পসন (Ken Thompson) একত্রে ইউনিক্স (Unix) অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছিলেন।

অন্যান্য অপশন:
- Bjarne Stroustrup: সি++ (C++) ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করেন, যা মূলত সি-এর একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড সংস্করণ।
- James Gosling: জাভা (Java) প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের জনক।
- Guido van Rossum: পাইথন (Python) প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরি করেন, যা বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

৪,০২২.
কম্পিউটার মেমরির ক্ষেত্রে “access time” বলতে কী বোঝায়?
  1. CPU একটি নির্দেশ সম্পন্ন করতে কার্যকর সময়
  2. মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়
  3. হার্ডড্রাইভ চালু হতে সময়
  4. প্রোগ্রাম ইন্সটল করার সময়
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার মেমরির ক্ষেত্রে “access time” বলতে সেই সময়কে বোঝায় যা মেমরি থেকে কোনো তথ্য রিড (read) বা রাইট (write) করতে লাগে। যখন CPU কোনো ডেটা বা ইনস্ট্রাকশন প্রসেস করতে চায়, তখন এটি মেমরিতে পৌঁছে সংশ্লিষ্ট তথ্যটি পড়ে বা লিখে। এই পুরো প্রক্রিয়ার সময়কে access time বলা হয়। এটি মেমরির কর্মক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক, কারণ কম access time মানে তথ্য দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে, যা সিস্টেমের সামগ্রিক গতি বৃদ্ধি করে। সাধারণভাবে RAM-এর access time হার্ডড্রাইভের তুলনায় অনেক কম।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়।


• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।

এছাড়াও,
• সিক টাইম (Seek Time): 
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time): 
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

• লিখন অপারেশন (Write Operation): 
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০২৩.
OpenAI-এর বর্তমান CEO?
  1. Elon Musk
  2. Greg Brockman
  3. Sam Altman
  4. Emmett Shear
ব্যাখ্যা
• OpenAI-এর বর্তমান CEO Sam Altman.

• OpenAI:

- OpenAI হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি AI গবেষণা এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান।
- চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান OpenAI.
- OpenAI-এর লক্ষ্য হলো কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষের উপকার করা।
- এআই সিস্টেম যা সাধারণত মানুষের চেয়ে বেশি স্মার্ট, যা সমস্ত মানবতার উপকার করে তা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।
- OpenAI-এর প্রতিষ্ঠাতা স্যাম অল্টম্যান।
- ২০১৫ সালে অল্টম্যান, গ্রেগ ব্রকম্যান এবং বর্তমান বোর্ড সদস্য ইলিয়া সুটস্কেভার, টেসলার সিইও ইলন মাস্ক সহ অন্যান্য অংশীদারদের সাথে, একটি AI গবেষণা ল্যাব হিসাবে OpenAI চালু করেন।
- ১৮ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য চ্যাটজিপিটির মূল প্রতিষ্ঠান ওপেন এআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল স্যাম অল্টম্যানকে।
- তাকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

উৎস: OpenAI Website.
৪,০২৪.
কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ন্যারো ব্যান্ড
  2. ভয়েস ব্যান্ড
  3. ব্রড ব্যান্ড
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
♦ ব্যান্ডউইথ (Bandwidth):
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বা ব্যান্ডউইড্থ বলে।
- ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। একে Band Speed ও বলা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।
- ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা:

১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band):
- ন্যারো ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 300 - 3400 Hz
- ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।

২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band):
- ভয়েস ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 200 - 3600 Hz
- এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।

৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band):
- ব্রড ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 1MHz - 300 GHz
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়।
- স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,০২৫.
নিচের কোনটি পয়েন্টিং ডিভাইস (Pointing Device) নয়?
  1. ক) Mouse
  2. খ) OMR
  3. গ) Touch Screen
  4. ঘ) Light Pen
ব্যাখ্যা

যে সব ডিভাইস পয়েন্টারকে মনিটরের যেকোন জায়গায় move করানো যায় তাদেরকে পয়েন্টিং ডিভাইস বলে। যেমনঃ মাউস, টাচ স্ক্রিন, লাইট পেন।
OMR এর পূর্ণরূপ হলো Optical Mark Reader. এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা আলোর প্রতিফলনের সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের তথ্য বুঝতে পারে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্র মূল্যায়নে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণী

৪,০২৬.
নিচের কোনটি মেটা (Meta) কোম্পানির মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়?
  1. Messenger
  2. WhatsApp
  3. Threads
  4. Twitter (X)
ব্যাখ্যা

• Twitter (বর্তমান নাম X) মেটা কোম্পানির মালিকানাধীন নয়; এটি ইলন মাস্কের মালিকানাধীন একটি স্বতন্ত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- অন্যদিকে, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ এবং থ্রেডস- সবই মার্ক জাকারবার্গের মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড-এর অধীনে পরিচালিত হয়।

• মেটা প্ল্যাটফর্মস, ইনকর্পোরেটেড:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, থ্রেডস ইত্যাদি।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ;
- প্রতিষ্ঠাকাল: ফেব্রুয়ারি, ২০০৪;
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা;
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,০২৭.
'Gemini' নামক এআই মডেলটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছে?
  1. Space X
  2. Google
  3. Apple
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• Gemini:
- Gemini নামক এআই মডেলটি তৈরি করেছে Google.
- এটি Google-এর গবেষণা প্রতিষ্ঠান DeepMind দ্বারা উন্নীত একটি শক্তিশালী জেনারেটিভ এআই মডেল, যা মূলত ভাষা, চিত্র, কোড এবং অন্যান্য তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। 
- ২০২৩ সালে Google প্রথম এই মডেলটি প্রকাশ করে Bard-এর উত্তরসূরি হিসেবে।
- এটি OpenAI-এর GPT এবং Anthropic-এর Claude-এর মতো প্রতিযোগী মডেল হিসেবে কাজ করছে। 
- Gemini মডেল উন্নত সংলাপ, বিশ্লেষণ, এবং মাল্টিমোডাল তথ্য প্রক্রিয়ায় দক্ষ। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও Gemini অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪,০২৮.
A powerful data manipulation and definition language is -
  1. Python
  2. HTML
  3. SQL
  4. Java
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) SQL

SQL (Structured Query Language)
- SQL-এর পুরো অর্থ Structured Query Language।
- এটি একটি শক্তিশালী ডাটা ম্যানিপুলেশন (DML) ও ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (DDL)।
- রিলেশনাল ডাটাবেসে অ্যাক্সেস এবং পরিচালনার জন্য SQL ব্যবহৃত হয়।
- SQL মূলত মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- SQL এক বা একাধিক ডাটাবেস, টেবিল, কলাম, ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্ট ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করতে SQL উইন্ডো ওপেন করতে হয়।
- SQL তৈরি হয় ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machines) Research Center-এ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৪,০২৯.
ফাইল ট্রান্সফারের জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) HTTP
  2. খ) HTML
  3. গ) FTP
  4. ঘ) SMTP
ব্যাখ্যা
FTP- File Transfer Protocol নেটওয়ার্কে ফাইল আদান প্রদানের একটি জনপ্রিয় ও বহুল প্রচলিত পদ্ধতি।
৪,০৩০.
ডেটা ট্রান্সমিশনের হারকে বলে-
  1. ব্যান্ড
  2. ব্যান্ডউইথ
  3. ভয়েসরেট
  4. ভয়েসব্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ব্যান্ডউইথ (Bandwidth):
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানাান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত bit per second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bit per second (bps) বা ব্যান্ডউইডথ বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৪,০৩১.
কম্পিউটারের ক্ষতিকারক প্রোগ্রামের নামকরণ VIRUS করেন কে?
  1. ক) মার্ক হেনরি
  2. খ) মিশেল নিয়ন
  3. গ) ফ্রেড কোহেন
  4. ঘ) হেনরি রবার্টস
ব্যাখ্যা
VIRUS বা Vital Information Resources Under Siege ভাইরাস হল এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য-উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা রয়েছে। ১৯৮০ সালে নিউ হ্যাভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন সর্বপ্রথম এরূপ সফটওয়্যারের নামকরণ VIRUS করেন। স্টোন, ভিয়েনা, সিআইএইচ, ফোল্ডার প্রভৃতি কম্পিউটার ভাইরাসের উদাহরণ।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণী
৪,০৩২.
ISDN প্রযুক্তির মাধ্যমে একই সঙ্গে কোন কোন ধরনের সিগন্যাল বা তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব?
  1. শুধুমাত্র ডেটা
  2. শুধুমাত্র ভয়েস
  3. শুধুমাত্র ভিডিও
  4. ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
ব্যাখ্যা

• ISDN (Integrated Services Digital Network) হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা যা সাধারণ টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভয়েস এবং ডেটা একসাথে উচ্চগতিতে প্রেরণ করতে পারে।
- এটি একই সংযোগ ব্যবহার করে কথা বলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা দেয়।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৩৩.
লেজার প্রিন্টার কোন ধরনের মুদ্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করে?
  1. তরল কালি স্প্রে
  2. তাপীয় মুদ্রণ
  3. আলোক-স্থির চিত্রায়ন
  4. বিন্দু বিন্যাস
ব্যাখ্যা

◉ লেজার প্রিন্টার মূলত Electrophotographic (Photostatic) বা আলোক-স্থির চিত্রায়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে।
- এই প্রক্রিয়ায় লেজার বিমের মাধ্যমে একটি photosensitive drum-এ চিত্র আঁকা হয়, এরপর টোনার (powder ink) এর মাধ্যমে সেটি কাগজে স্থানান্তর করা হয় এবং তাপ ও চাপের সাহায্যে সেটিকে স্থায়ী করে তোলা হয়।

লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- এ প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।

৪,০৩৪.
যে কোন একটি ইনপুট ১ হলেই আউটপুট ১ হয়, কোন লজিক গেইটে?
  1. ক) AND
  2. খ) OR
  3. গ) X-OR
  4. ঘ) NAND
ব্যাখ্যা
OR Gate এর সত্যক সারণি থেকে পাই,

সবগুলো ইনপুট ০ হলে আউটপুট ০ হয়।
যেকোন একটি ইনপুট ১ হলেই আউটপুট ১ হয়।
৪,০৩৫.
কোনটি এন্টিভাইরাস নয়?
  1. ক) McAfee
  2. খ) AVG
  3. গ) Avast
  4. ঘ) ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা

Antivirus software গুলো হল Avira, Bitdefender, Avast, Norton ইত্যাদি।
ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্ককে অনাদিষ্ট প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। ফায়ারওয়াল হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার (যেমনঃ উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল), রাউটার, কম্পিউটার, প্রক্সি সার্ভার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট

৪,০৩৬.
ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে কী বলে?
  1. ক) কুয়েরি
  2. খ) রিপোর্ট
  3. গ) সর্টিং
  4. ঘ) ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
রিপোর্ট
- রিপোর্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিবেদন।
- ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে।
- সাধারণত কোন তথ্য সরবরাহ বা বিতরণ করার জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি কলাম ও সারি অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়।
- ডাটাবেজে রিপোর্টের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ডেটা টেবিলের ভিত্তিতে নয়, কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়েও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,০৩৭.
কোনটিকে রোবটের হাত পায়ের পেশী বলে অভিহিত করা হয়?
  1. অ্যাকচুয়েটর
  2. পাওয়ার সিস্টেম
  3. ম্যানিপুলেশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
একটি সাধারণ রোবটে নিচের উপাদানগুলো বা অংশ থাকে। যথা:

পাওয়ার সিস্টেম:
সাধারণত লেড এসিড ব্যাটারী দিয়ে রোবটের পাওয়ার দেয়া হয়। এই ব্যাটারী রিচার্জেবল বা পুনরায় রিচার্জ করা যায়।

অ্যাকচুয়েটর:
রোবটের হাত পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গ নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো  অ্যাকচুয়েটর।
একে রোবটের হাত বা পেশী বলেও অভিহিত করা হয়।

অনুভূতি(sensing):
সেন্সরের মাধ্যমে রোবটের অনুভূতি তৈরি করা হয়। 

ম্যানিপুলেশন বা পরিবর্তন করা:
রোবটের আশেপাশে বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন বা বস্তুটি পরিবর্তন করাকে বলা হয় ম্যানিপুলেশন। সাধারণত রোবটের হাত-পা এই পরিবর্তনের যাবতীয় কাজ করে থাকে। 

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদ্বশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,০৩৮.
নিম্নোক্ত গেইটে ইনপুট 1 হলে আউটপুট কত হবে?
  1. 1
  2. 0
  3. 1010
  4. 10
ব্যাখ্যা
• নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।


- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৩৯.
অ্যাপল ডিভাইসের প্রধান ক্লাউড স্টোরেজ প্রোভাইডার কোনটি?
  1. Google Drive
  2. Amazon S3
  3. Dropbox
  4. iCloud
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ডিভাইসের প্রধান ক্লাউড স্টোরেজ প্রোভাইডার হলো iCloud. iCloud একটি ক্লাউড ভিত্তিক সার্ভিস যা অ্যাপল কর্তৃক চালিত এবং ব্যবহৃত হয়, যা ব্যবহারকারীদের তাদের ফাইল, ছবি, ভিডিও, ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য ডেটা সংরক্ষণ ও সিঙ্ক্রোনাইজ করার সুবিধা দেয়। এটি বিশেষভাবে iPhone, iPad, Mac এবং অন্যান্য অ্যাপল ডিভাইসের সঙ্গে সমন্বিত, যাতে ব্যবহারকারীরা যেকোনো ডিভাইস থেকে সহজেই তাদের ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে। অন্যদিকে Google Drive, Amazon S3 এবং Dropbox অন্যান্য কোম্পানির ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস হলেও অ্যাপলের নিজস্ব ডিভাইসগুলোর জন্য iCloud সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাথমিক ক্লাউড স্টোরেজ প্রোভাইডার হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ‘ঘ) iCloud’.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড স্টোরেজের কিছু সুবিধা:
i) Remote Access – যে কোনো জায়গা থেকে ফাইল অ্যাক্সেস করা যায়।
ii) Automatic Backup – ডাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভ থাকে।
iii) Collaboration – একাধিক ব্যবহারকারী একই ফাইলে কাজ করতে পারে।
iv) Security & Encryption – ক্লাউডে সংরক্ষিত ডাটা সুরক্ষিত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪,০৪০.
(1111011)2 এর অক্টাল প্রকাশ হলো -
  1. ক) (153)8
  2. খ) (125)8
  3. গ) (176)8
  4. ঘ) (173)8
ব্যাখ্যা
001 111 011
  1    7     3

(1111011)2 = (173)8
৪,০৪১.
নিচের কোনটি GSM এর বৈশিষ্ট্য?
  1. আলাদা কোড সহ ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ করে
  2. কল খরচ কম
  3. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⚪ জিএসএম (GSM):
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস)-এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃৎ।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম-এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- এর সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।

⚪ জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
১. সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
২. সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
৩. অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
৪. ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
৫. কলের খরচ বেশী। 
৬. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।

⚪ সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য: 
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৪২.
WWWW এর fullform-
  1. World Wide Wireless Web
  2. Wide Wireless Web World
  3. World Wide Web Wireless
  4. World Wide Web Window
ব্যাখ্যা
WWWW এর fullform হচ্ছে World Wide Wireless Web.

পঞ্চম প্রজন্ম (5th Generation - 5G: 2020- )
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম হচ্ছে মোবাইল প্রযুক্তির সর্বাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। - এটি সাধারণত ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত।

5G-এর বৈশিষ্ট্য:
- 4G-এর তুলনায় বহু গুণ দ্রুতগতির ডেটা ট্রান্সফার।
- 4K ভিডিও (4000×2000 পিক্সেল) পর্যন্ত সহজে স্ট্রিমিং বা উপভোগ করা সম্ভব।
- দ্রুত ওয়েবসাইট, অ্যাপ ও ভিডিও বার্তা লোড করা যায়।
- 5G-এর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 100 Mbps, যা 4G থেকে প্রায় ৪ গুণ বেশি।

5G প্রযুক্তির স্ট্যান্ডার্ড:
- 5G NR (New Radio Technology),
- RAT (Radio Access Technology),
- MIMO (Multiple Input Multiple Output).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৪,০৪৩.
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. হার্ডওয়্যার
  2. সক্ষমতা
  3. ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা
  4. কানেকটিভিটি
ব্যাখ্যা
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়- ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা। 

বিশ্বগ্রাম: 

- বর্তমানে Global শব্দটির সাথে Village শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে Global Village নামক একটি নতুন ধারণা প্রচলিত হয়েছে যার অর্থ হলো বৈশ্বিক গ্রাম বা বিশ্বায়ন। 
- বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া বিশেষ করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর ব্যাপক ব্যবহার ও প্রভাবে আজ বিশ্বের যে কোন দেশের মানুষ অন্য দেশের মানুষের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারাই হচ্ছে মূলত বিশ্বগ্রামের ধারণা। 
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন। 
- তাঁর মতে, ' ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হলো বিশ্বগ্রাম'। 

বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ: 
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ হলো- 
১। হার্ডওয়্যার (Hardware): 
- বিশ্বগ্রামে যে কোন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত হার্ডওয়্যার সামগ্রীর। 
- হার্ডওয়্যারের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার এবং এর সাথে যুক্ত পেরিফেরাল যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন, স্যাটেলাইট, অডিও-ভিডিও রেকর্ডার, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি। 

২। সফটওয়্যার (Software): 
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য হার্ডওয়‍্যারের পাশাপাশি প্রয়োজন সফটওয়্যার। 
- সফটওয়‍্যারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন সিস্টেম সফটওয়‍্যার, এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার, ব্রাউজিং সফটওয়্যার, কমিউনিকেটিং সফটওয়্যার, প্রোগ্রামিং ভাষা ইত্যাদি। 

৩। কানেকটিভিটি (Connectivity): 
- বিশ্বগ্রামের প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে তথ্য ও উপাত্ত আদান-প্রদান করতে পারে এবং পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে সেজন্য প্রয়োজন নেটওয়‍্যার্ক বা কানেকটিভিটি। 
- বিশ্বের তথ্য ভান্ডারের সাথে সার্বক্ষণিকভাবে বা প্রয়োজনে যুক্ত থেকে তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কানেকটিভিটি মূল ভূমিকা পালন করে। 

৪। উপাত্ত ও তথ্য (Data and Information): 
- উপাত্তকে প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমেই ব্যবহারযোগ্য তথ্যে পরিণত করা হয়। 
- বিশ্বগ্রামে উপাত্ত ও তথ্যকে মানুষের প্রয়োজনে একে অপরের সাথে বিনামূল্যে বা অর্থের বিনিময়ে শেয়ার করতে হয়। 

৫। সক্ষমতা (Capacity): 
- বিশ্বগ্রামের উপাদানগুলোর মধ্যে মানুষের সক্ষমতা অন্যতম। 
- যেহেতু বিশ্বগ্রাম মূলত তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর তাই এ বিষয়ে মানুষের সচেতনতা, স্বাক্ষরতা ও সক্ষমতা ইত্যাদির উপর এর প্রয়োগ অনেকাংশে নির্ভর করছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৪৪.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. মেডিক্যাল সার্ভিস
  2. টেলিমেডিসিন
  3. ই-হেলথ
  4. ই-মেডিসিন
ব্যাখ্যা
• টেলিমেডিসিন:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে।
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,০৪৫.
Hexadecimal পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক কতটি?
  1. ক) ৬ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১৬ টি
  4. ঘ) ৯ টি
ব্যাখ্যা
Hexadecimal পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রতীক সংখ্যা ১৬ টি। সেগুলো হলো - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F.
এর মধ্যে অঙ্ক ১০টি এবং অক্ষর ৬টি।
৪,০৪৬.
কম্পিউটার নির্মাণের সময় যেসব প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে মেমরিতে সংরক্ষণ করা হয় এবং যেগুলো ডিভাইস চালুর সময় নিজে থেকে কাজ শুরু করে, সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. হার্ডওয়্যার
  2. হিউম্যানওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ ফার্মওয়্যার হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার, যা ROM বা ফ্ল্যাশ মেমরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে চালু ও নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। উদাহরণ: BIOS, মাইক্রোকন্ট্রোলার কোড ইত্যাদি।

ফার্মওয়্যার: 
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,০৪৭.
দশমিক সংখ্যা 15.8125 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 24.56
  2. 19.43
  3. 21.56
  4. 17.64
৪,০৪৮.
ফায়ারওয়ালের প্রধান কাজ কী?
  1. অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করা
  2. ব্যাকআপ তৈরি করা
  3. কম্পিউটারে ভাইরাস খুঁজে বের করা
  4. সিস্টেম স্পিড বাড়ানো
ব্যাখ্যা

ফায়ারওয়াল (Firewall) হলো একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ডিভাইস বা সফটওয়্যার, যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক মনিটর করে এবং পূর্বনির্ধারিত নিরাপত্তা নিয়ম অনুযায়ী অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে। 

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৪৯.
Shift, Control, Alt কীগুলোকে বলা হয়-
  1. ফাংশন কী
  2. নেভিগেশন কী
  3. মডিফায়ার কী
  4. নিউমারিক কী
ব্যাখ্যা
• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
-  QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
৪,০৫০.
কোন কমান্ডটি সচল উইন্ডো ক্লোজ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ctrl + F4
  2. খ) Ctrl + D
  3. গ) Ctrl + X
  4. ঘ) Ctrl + Z
ব্যাখ্যা

সচল উইন্ডো ক্লোজ করতে ব্যবহৃত হয়-
1. Click the X at the top-right corner of a window to close it.
2. Press Alt+F4 to close a window.
3. Press Ctrl+F4 to close an active document
4. Click Ctrl+W to close a web browser tab
(রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)

৪,০৫১.
নিচের কোনটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. ক) Tally
  2. খ) Binary
  3. গ) Mayan
  4. ঘ) Hieroglyphics
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতি (Number System): 
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি। 
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System) ও
২. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System)। 

পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System):
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। 

নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non- positional Number System):
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৫২.
Bluetooth নিচের কোনটির উদাহরণ?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতি অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক:
১. Personal Area Network (PAN)
২. Local Area Network (LAN)
৩. Metropolitan Area Network (MAN)
৪. Wide Area Network (WAN)

PAN:
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে নেটওয়ার্ক (ব্লু-টুথ এর মাধ্যমে) তৈরি করা হয় তা হলো PAN।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

অন্যদিকে -
LAN:
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে সকল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে দেখা যায়, এগুলো সবই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN। 

MAN:
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

WAN:
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। 
- দেশ জুড়ে বা পৃথিবী জুড়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তা হলো WAN।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৪,০৫৩.
Ctrl + Z কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. নতুন উইন্ডো খোলা
  2. ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. শেষ কাজটি পুনরায় করা
  4. শেষ কাজটি বাতিল করা
ব্যাখ্যা

• Ctrl + Z একটি কম্পিউটার শর্টকাট যা মূলত “Undo” বা শেষ করা কাজটি বাতিল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহার করলে ব্যবহারকারী যে কাজটি সর্বশেষ সম্পন্ন করেছেন, যেমন লেখা মুছে ফেলা, ফাইল এডিট করা বা কোন অপশন পরিবর্তন করা, তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি কোনো ডকুমেন্টে ভুলে কিছু লেখা মুছে ফেলেন, Ctrl + Z চাপলে সেই লেখা পুনরায় আসবে। এটি কাজের নিরাপত্তা এবং সময় সাশ্রয়ে অত্যন্ত সহায়ক। এই শর্টকাটটি নতুন উইন্ডো খোলা, ফাইল সংরক্ষণ বা শেষ কাজ পুনরায় করার জন্য নয়; এটি বিশেষভাবে শেষ কাজটি বাতিল করার জন্যই ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) শেষ কাজটি বাতিল করা।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
Ctrl + O Open a document.
Ctrl + N Create a new document.
Ctrl + S Save the document.
Ctrl + W Close the document.
Ctrl + C Copy the selected content to the Clipboard.

Ctrl + V Paste the contents of the Clipboard.
Ctrl + B Apply bold formatting to text.
Ctrl + I Apply italic formatting to text.
Ctrl + U Apply underline formatting to text.
Ctrl + Left bracket (1) Decrease the font size by 1 point.
Ctrl + Right bracket (1) - Increase the font size by 1 point.

Ctrl + E Center the text.
Ctrl + L Align the text to the left.
Ctrl + R Align the text to the right.
Esc - Cancel a command.
Ctrl + Z Undo the previous action.
Ctrl + Y Redo the previous action, if possible.
Alt + W Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৪,০৫৪.
bps এর পূর্ণরূপ কী?
  1. bit per second
  2. byte per second
  3. binary per second
  4. bit per systems
ব্যাখ্যা
• ব্যান্ডউইথ (Bandwidth):
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত bit per second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bit per second (bps) বা ব্যান্ডউইডথ বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৫৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ “ইলাস্টিসিটি” বলতে কি বোঝায়?
  1. বড় পরিমাণে ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা
  2. স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা
  3. ইন্টারনেট সংযোগের গতি
  4. নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার বরাদ্দ
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং-এ “ইলাস্টিসিটি” বলতে বোঝায় যে সিস্টেম বা পরিষেবা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং রিসোর্স (যেমন CPU, মেমোরি, স্টোরেজ) বাড়াতে বা কমাতে পারে। এটি মূলত লোডের ওঠা-নামার সঙ্গে খাপ খাইয়ে দ্রুত স্কেলিং করার ক্ষমতা নির্দেশ করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ওয়েবসাইটে হঠাৎ প্রচুর ট্রাফিক আসে, ইলাস্টিসিটি রিসোর্স বাড়িয়ে সাইটের পারফরম্যান্স বজায় রাখে, আর ট্রাফিক কমলে অপ্রয়োজনীয় রিসোর্স কমিয়ে খরচও কমায়। তাই ইলাস্টিসিটি ক্লাউডের অন্যতম মূল সুবিধা, যা ব্যবহারকারীকে কার্যকর, নমনীয় ও খরচ-সাশ্রয়ী সমাধান দেয়।

- সঠিক উত্তর: খ) স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা।

ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে। এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং জন সাধারণের হাতের মুঠোয় আসে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে- 

১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি: 
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
 
২. অন-ডিমান্ড: 
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
 
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো: 
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৫৬.
'Kernel' অপারেটিং সিস্টেমের কোন অংশ?
  1. ইউজার ইন্টারফেস
  2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. কোর
  4. ড্রাইভার
ব্যাখ্যা

◉ Kernel হলো অপারেটিং সিস্টেমের কোর (Core) বা মূল অংশ।

কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: আইবিএম ও টেকটার্গেট ওয়েবসাইট। 

৪,০৫৭.
কম্পিউটারের GUI শব্দটির পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Graphical User Interface
  2. Graphical Unified Instrument
  3. Graphical Unified Interface 
  4. Graphical User Instrument
ব্যাখ্যা

 *** কম্পিউটারের GUI শব্দটির পূর্ণরূপ হচ্ছে Graphical User Interface

• Graphical User Interface (GUI):

- Graphical User Interface (GUI) ইউজারদের আইকন এবং বাটনের মতো গ্রাফিক্যাল উপাদানের মাধ্যমে ডিজিটাল ডিভাইসের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে সহায়তা করে।
- জটিল টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড প্রতিস্থাপন করে, কাজগুলিকে সহজ করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের ম্যাকিন্টশ এবং মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বাস্তবায়নের জন্য এটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

• GUI এর উপাদান, বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা:

ফাংশন: ব্যবহারকারীর ক্রিয়াকলাপ এবং তথ্যের জন্য ইন্টারেক্টিভ গ্রাফিক্স প্রদর্শন করে।

অ্যাক্সেসযোগ্যতা: অপারেটিং সিস্টেম (যেমন, উইন্ডোজ, ম্যাকওএস) এবং অ্যাপগুলোতে গুণগত মান বজায় রাখে।

লক্ষ্য: কম্পিউটিংকে সহজ, দক্ষ এবং দৃশ্যত আকর্ষণীয় করে তোলে।

উৎস: ১) Britannica
২) Virtual learning academy

৪,০৫৮.
অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) Modulation
  2. খ) Demodulation
  3. গ) Transformation
  4. ঘ) Translation
ব্যাখ্যা
ইংরেজি Modem শব্দটি Modulator ও Demodulator শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি মূলতঃ এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সাহায্য করে। ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে বলে মডুলেশন এবং অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে বলে ডিমডুলেশন।
৪,০৫৯.
টেক ইন্ডাস্ট্রিতে বিগ ব্লু খ্যাত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. International Business Mechanism
  2. Internet Business Machine
  3. International Betalock Machine
  4. International Business Machines
ব্যাখ্যা
আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines.
- ১৯১১ সালে আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান (জুন, ২০২৪) নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

উৎস: IBM এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,০৬০.
SQL এর কোন কমান্ড ডাটাবেজ থেকে ডাটা পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. INSERT
  2. UPDATE
  3. SELECT
  4. DELETE
ব্যাখ্যা

SELECT কমান্ড ব্যবহার করে ডাটাবেজ থেকে ডাটা পুনরুদ্ধার (Retrieve) করা হয়।

SQL-এ SELECT কমান্ড:
- ডাটাবেজের নির্দিষ্ট বা সমস্ত তথ্য পুনরুদ্ধার করা যায়। 
- WHERE ক্লজ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডাটা ফিল্টার করা যায়। 
- ORDER BY ব্যবহার করে ডাটা সাজানো যায়। 
- JOIN ব্যবহার করে একাধিক টেবিল থেকে তথ্য আনা যায়। 

উদাহরণ: SELECT * FROM employees;
উপরের SQL কমান্ডটি employees টেবিল থেকে সব ডাটা পুনরুদ্ধার করবে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) INSERT কমান্ড নতুন ডাটা ডাটাবেজে যোগ (Insert) করতে ব্যবহৃত হয়।
খ) UPDATE কমান্ড বিদ্যমান ডাটাকে পরিবর্তন করতে (Modify) ব্যবহৃত হয়।
ঘ) DELETE কমান্ড ডাটাবেজ থেকে ডাটা মুছতে (Delete) ব্যবহৃত হয়।

উৎস: 
১। Learn Microsoft website. 
২। W3Schools. 

৪,০৬১.
Neuralink এর প্রতিষ্ঠাতা-
  1. জেফ বেজোস
  2. বিল জিউস
  3. এলন মাস্ক
  4. বিল গেটস
ব্যাখ্যা

Neuralink Corporation is a neurotechnology company developing implantable brain–machine interfaces (BMIs) and founded by Elon Musk and others.

The company's headquarters is in San Francisco.

The company was launched in 2016.

Verified from: Wall Street Journal and LA Times.

৪,০৬২.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Resource Scalability
  2. Pay as you go
  3. On Demand
  4. Automatic updates
ব্যাখ্যা
• Automatic updates ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স। যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য
থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি (Resource Scalability/Flexibility):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড (On Demand):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay as you go):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,০৬৩.
বাংলা অক্ষর কোন কোডের আওতাভুক্ত?
  1. BCD
  2. ASCII
  3. EBCDIC
  4. UNICODE
ব্যাখ্যা
• বাংলা অক্ষর মূলত UNICODE কোডিং সিস্টেমের আওতাভুক্ত। UNICODE হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সব ভাষার অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ইত্যাদিকে ডিজিটাল ফরম্যাটে উপস্থাপন করতে সক্ষম। BCD, ASCII, এবং EBCDIC কোডগুলি সাধারণত ইংরেজি বা অন্যান্য সীমিত অক্ষরের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বাংলা অক্ষরকে সম্পূর্ণরূপে সমর্থন করে না। UNICODE এর মাধ্যমে বাংলা ভাষার সকল অক্ষর, ব্যঞ্জনবর্ণ, স্বরবর্ণসহ বিশেষ চিহ্ন ডিজিটাল ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শন এবং ব্যবহার করা সম্ভব হয়। তাই বাংলা ভাষার ডিজিটাল প্রক্রিয়াকরণের জন্য UNICODE কোডিং সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• ইউনিকোড (Unicode):
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- Unicode Consortium নামে একটি সংগঠন ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যার সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
- 1991 সালে 24টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ 1.0.0 প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- 2020 সালে ইউনিকোডের 13 সংস্করণে 154টি ভাষা স্থান পেয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৪,০৬৪.
নিচের বিকল্পগুলোর মধ্যে কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির আওতায় পড়ে না?
  1. আঙ্গুলের ছাপ যাচাইকরণ
  2. কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ
  3. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
  4. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
ব্যাখ্যা
⚪ আঙ্গুলের ছাপ যাচাইকরণ একটি শারীরিক (physiological) বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি, যেখানে মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে পরিচয় নির্ধারণ করা হয়।

⚪ বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 

- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা- 
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
• আইরিশ শনাক্তকরণ,
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ, 
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,০৬৫.
কম্পিউটারের কার্সরের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করতে কোন ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. কীবোর্ড
  2. মনিটর
  3. মাউস
  4. প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের কার্সরের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করতে মাউস ব্যবহার করা হয়।

মাউস
- মাউস হল একটি হাতে-নিয়ন্ত্রিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল ডিভাইস। 
- এটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। 
- মার্কিন উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট ১৯৬৩-৬৪ সালে মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউসকে একটি সমতল পৃষ্ঠের উপর সরানো হলে, কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সরের (cursor) নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

মাউসের ব্যবহার: 
- মাউসের বোতাম ব্যবহার করে টেক্সট নির্বাচন, প্রোগ্রাম চালু বা স্ক্রিনে কোনো আইটেম সরানো যায়। 
- দ্রুত বোতাম চেপে ("ক্লিক") অথবা বোতাম চেপে ধরে ডিভাইসটিকে সরানোর মাধ্যমে ("ক্লিক এবং ড্র্যাগ") কাজ করা যায়। 

প্রকারভেদ: 
- মেকানিক্যাল মাউস: একটি বলের ঘূর্ণন থেকে কার্সরের মুভমেন্টে পরিবর্তন করে। 
- অপটিক্যাল মাউস: আলো-নির্গত ডায়োড (light-emitting diode) বা লেজার থেকে নির্গত রশ্মি ব্যবহার করে কাজ করে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,০৬৬.
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডে (NIC) ব্যবহৃত ঠিকানাটি কী নামে পরিচিত?
  1. IP address
  2. MAC address
  3. DNS address
  4. HTTP address
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড:
- NIC এর পূর্ণরূপ হলো Network Interface Card।
- এটি একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা ক্লায়েন্ট, সার্ভার এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশগুলিকে একটি পোর্টের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- বেশিরভাগ নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসগুলি ছোটো সার্কিট বোর্ড হিসাবে আসে যা কম্পিউটার মাদারবোর্ডের স্লটগুলির মধ্যে একটিতে ঢোকানো যেতে পারে। বিকল্পভাবে, আধুনিক কম্পিউটারগুলি কখনও কখনও তাদের প্রধান সার্কিট বোর্ডের (মাদারবোর্ড) অংশ হিসাবে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করে।
- প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস একটি স্বতন্ত্র (Individual) ঠিকানা দ্বারা চিহ্নিত করা হয় যা ম্যাক ঠিকানা (MAC address) নামে পরিচিত।
- ম্যাকের ঠিকানাটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে তথ্য প্রেরণে সহায়তা করে।
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডগুলি হলো কোনো নেটওয়ার্কের গতি এবং কার্যকারিতা নির্ধারণের প্রধান উপাদান।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৬৭.
A computer that is built into a larger device to manage its operations is called a -
  1. Personal computer
  2. Embedded computer
  3. Supercomputer
  4. Mainframe computer
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Embedded computer

এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer):
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
​- সাধারণত এতে একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে। 
- ​আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহৃত হয়। 

​• ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- এয়ার কন্ডিশন (এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনার,
- ATM,
​- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৬৮.
যদি আপনি 'c' অক্ষরটি ASCII কোডে রূপান্তর করেন, তবে কোন সংখ্যা পাবেন?
  1. 100
  2. 101
  3. 98
  4. 99
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৬৯.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরি হয় কি দিয়ে? 
  1. ক) সিলিকন 
  2. খ) প্লাস্টিক 
  3. গ) এলুমিনিয়াম 
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের অর্ধপরিবাহী দিয়ে মেমোরি তৈরি হলেও প্রধানত সিলিকন ব্যবহার করা হয়। 
৪,০৭০.
অপটিকেল ফাইবারে নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. Magnetic beads
  2. Laser beam
  3. Electronic guns
  4. Optical beam
ব্যাখ্যা
লেজার প্রযুক্তি (Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation/LASER):
- আলোর সরু রশ্মি উৎপাদনের জন্য এমন একটি যন্ত্র, যার মাধ্যমে উৎপন্ন রশ্মি ছড়িয়ে যা পড়ে বহুদূর অতিক্রমে সক্ষম এবং কেন্দ্রীভূত হয়ে অপরিমেয় শক্তি উৎপন্ন করতে সমর্থ।
- বেতার তরঙ্গ অপেক্ষা একটি লেজার বীম অনেক বেশি তথ্য বহন করতে পারে বলে এই প্রযুক্তি যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ­ব সাধন করতে পারে। 
- অপটিক্যাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি পাতলা সিলিকা অপটিক্যাল ফাইবারের ভিতর একটি মড্যুলেটেড লেজার বীমকে দীর্ঘ দূরত্বের মধ্যে তথ্য (ভয়েস, ফ্যাক্স, ভিডিও বা কম্পিউটার তথ্য/ডাটা) প্রেরণ করতে ব্যবহার করা হয়।
- প্রতি অপটিক্যাল ফাইবারে তথ্য প্রেরণ হার প্রতি সেকেন্ডে কয়েক হাজার মেগাবাইট।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,০৭১.
RAM কী?
  1. Extra memory
  2. Secret information store
  3. Hard disk device
  4. Fast memory used for data
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক/প্রধান মেমরি (Main Memory):
RAM (Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়। RAM কে Volatile Memory বলে। ROM কে নন- Volatile Memory বলে।

গৌণ/সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive.

- "RAM" শব্দটির পূর্ণরূপ "Random Access Memory"
- RAM হল এক ধরনের কম্পিউটার মেমরি যা ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- যা CPU (কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট) দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। 
- এটি উদ্বায়ী মেমরি, যার অর্থ কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে এটি তার ডেটা হারায় এবং এটি অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়  যা সক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের প্রোগ্রাম এবং প্রক্রিয়া দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- র‍্যাম, বা র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি হল এক ধরনের কম্পিউটার মেমরি যা ব্যবহৃত ডেটা এবং মেশিন কোড সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি দ্রুত মেমরি হিসাবে বিবেচিত হয় কারণ এটি কম্পিউটারের প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস এবং পুনরুদ্ধার করতে দেয়।


উৎস: নবম-দশম শ্রেণির ICT বই ও ব্রিটানিকা।
৪,০৭২.
নিচের কোন গেইটের দুটি ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ পাওয়া যাবে?
  1. ক) অর গেইট
  2. খ) অ্যান্ড গেইট
  3. গ) নর গেইট
  4. ঘ) নট গেইট
ব্যাখ্যা
নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

নর গেইটের সত্যক সারণি


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪,০৭৩.
DDoS আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা চুরি করা
  2. সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ করা
  3. সার্ভার বা নেটওয়ার্ক অবরুদ্ধ করা
  4. ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা
ব্যাখ্যা

◉ DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক পাঠিয়ে তা অকার্যকর করে দেয়।

DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,০৭৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস নয়?
  1. এভিজি
  2. অ্যাভাস্ট
  3. নরটন
  4. ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা
• 'ট্রোজান হর্স' একটি কম্পিউটারে ভাইরাস।

এন্টিভাইরাস:

- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলোঃ
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৭৫.
ই-কমার্সের অন্তর্ভূক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) বিপণন
  2. খ) কুরিয়ার
  3. গ) লেনদেন
  4. ঘ) ই-মেইল
ব্যাখ্যা
কুরিয়ার সার্ভিস ই-কমার্সের অন্তর্ভূক্ত নয়।
ই-কমার্সে ই-মেইল, বিপণন ও লেনদেন সব কিছুই সম্পন্ন হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৭৬.
বর্তমানে পেনড্রাইভ যার জায়গা দখল করে নিয়েছে?
  1. ক) হার্ড ডিস্ক
  2. খ) প্রিন্টার
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
একটি ফ্লপি ডিস্ক কম্পিউটার সিস্টেমের জন্য একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম। ফ্লপি ডিস্কটি একটি বর্গাকার প্লাস্টিকের ক্যারিয়ারে সিল করা একটি পাতলা, নমনীয় চৌম্বকীয় ডিস্কের সমন্বয়ে গঠিত। ফ্লপি ডিস্ক থেকে ডেটা পড়তে এবং লেখার জন্য, একটি কম্পিউটার সিস্টেমে অবশ্যই একটি ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ (এফডিডি) থাকতে হবে। একটি ফ্লপি ডিস্ককে কেবল ফ্লপি হিসাবেও উল্লেখ করা হয়। ব্যক্তিগত কম্পিউটিংয়ের প্রথম দিন থেকেই, ফ্লপি ডিস্কগুলি সফ্টওয়্যার বিতরণ, ফাইল স্থানান্তর এবং ডেটার ব্যাক-আপ কপি তৈরি করতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
৪,০৭৭.
ই-বুক কী?
  1. ইন্টারনেট বুক
  2. মুদ্রিত বইয়ের গ্রাফিক্যাল সংস্করণ
  3. প্রচলিত মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক সংস্করণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ই-বুক:
- ই-বুক হচ্ছে প্রচলিত মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক সংস্করণ যা কম্পিউটার অথবা ই-বুক রিডার দিয়ে পড়া যায়।
- প্রচলিত বইয়ের মতই ই-বুক টেক্সট ও ছবির সমন্বয়ে তৈরি হয় যা আসলে মূল বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ।
- বর্তমানে অনেক ই-বুক প্রকাশিত হচ্ছে যার কোন মুদ্রিত সংস্করণ বাজারে নেই। মোটামুটি যে কোন অত্যাধুনিক কম্পিউটার ডিভাইসের মাধ্যমে ই-বুক পড়া যায়।
- স্বল্প-মূল্য ও যে কোন জায়গা থেকে এমনকি ব্যবহারকারী তার স্মার্টফোন থেকে যেকোন সময় ক্রয় করতে পারার সুবিধাকে ই-বুক ব্যবহারের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হয়।
- দুই ধরণের ই-বুক বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। যথা-
১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book)।
২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-Book)।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৭৮.
What is the primary purpose of the F1 key?
  1. Rename a file
  2. Open Help menu
  3. Refresh the browser
  4. Close the current window
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Open Help menu

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।

৪,০৭৯.
অ্যালান টুরিং কে কিসের জনক বলা হয়?
  1. ক) টেলিমেডিসিন
  2. খ) বায়োমেট্রিক্স
  3. গ) তাত্ত্বিক কম্পিউটার প্রকৌশল
  4. ঘ) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কম্পিউটার দ্বারা অনুকৃত করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে।

এলান টুরিংয়ের ১৯৫০ সালের একটি গবেষণাপত্রের আলোকে করে কোন যন্ত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষা করার জন্য  তিনি 'টুরিং পরীক্ষা' নামের একটি প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেন। টুরিং পরীক্ষা হলো এক ধরনের ইমিটেশন গেম। এই পরীক্ষাটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি তৈরি করে।

অ্যালান টুরিং কে তাত্ত্বিক কম্পিউটার প্রকৌশল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৮০.
নিচের কোনটি ই-মেইল ডোমেইন নামের অংশ নয়?
  1. .zip
  2. .org
  3. .net
  4. .mil
ব্যাখ্যা

• .zip হলো কম্প্রেসড ফাইলের এক্সটেনশন, এটি কখনো ই-মেইল বা ওয়েব ডোমেইন নামের অংশ হয় না।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
- উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়। যেমন: bdonline.com.bd।
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান,
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৮১.
কোন কাজে রোবটিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় না?
  1. নিরাপত্তার কাজে
  2. পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণে
  3. পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে
  4. মেইল ডেলিভারির কাজে
ব্যাখ্যা
[চিকিৎসা ক্ষেত্রে জটিল অপারেশনে সার্জনদের নানা ধরণের কাজে রোবট সহায়তা করে তবে পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণে রোবট ব্যবহৃত হয়না।]

• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• রোবটিক্সের ব্যবহার:
- ম্যানুফ্যাকচারিং-এ
- বিপজ্জনক কাজে
- ভারী শিল্প কারখানায়
- মেইল ডেলিভারির কাজে
- নিরাপত্তার কাজে
- পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে
- সামরিক ক্ষেত্রে
- ঘরোয়া কাজে
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে, ইত্যাদি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,০৮২.
(১১১১) বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য ডেসিমাল সংখ্যা হবে -
  1. ক) (১৮)১০
  2. খ) (১৪)১০
  3. গ) (১২)১০
  4. ঘ) (১৫)১০
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরঃ
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২ ,------- দ্বারা গুণ করতে হবে।
প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

যেমনঃ (১১১১)
= (১ × ২৩) + (১ × ২২) + (১ × ২১) + (১ × ২০)
= (১৫)১০
৪,০৮৩.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. স্টিভ জবস
  2. স্টিভ ওজনিয়াক
  3. রোনাল্ড ওয়েন
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

উৎস: Britannica.
৪,০৮৪.
চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. অ্যাকসেস টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম
  3. রিড টাইম
  4. সিক টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৪,০৮৫.
কম্পিটারের কোন মেমরী কখনো স্মৃতিভ্রংশ হয় না?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) CD-ROM
  4. ঘ) Processor
ব্যাখ্যা


সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,০৮৬.
নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
  1. CaaS
  2. laaS
  3. PaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।

২. Platform-as-a -Service (PaaS): এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।

৩. Software-as-a Service (SaaS): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।


এখানে CaaS, Cloud Computing সেবার কোনো ধরণ নয়।
৪,০৮৭.
বিশ্বগ্রাম (Global Village)- প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান নয় কোনটি?
  1. ক) কানেকটিভিটি
  2. খ) মানুষের সক্ষমতা
  3. গ) রাজনৈতিক প্রভাব
  4. ঘ) ডাটা
ব্যাখ্যা
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধান উপাদান গুলো হচ্ছে - হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, কানেকটিভিটি, ডাটা, মানুষের সক্ষমতা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪,০৮৮.
নিচের কোনটি আউটপুট যন্ত্র নয়?
  1. মনিটর
  2. প্লটার
  3. হেডফোন
  4. লাইট পেন
ব্যাখ্যা

একটি লাইট পেন হল একটি কম্পিউটার ইনপুট যন্ত্র যা দেখতে লম্বা সরু লাঠির মতন।
ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ গুলোর মধ্যে রয়েছে
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- ক্যামেরা,
- জয়স্টিক এবং
- মাইক্রোফোন ইত্যাদি। 

কম্পিউটারের আরো কয়েকটি আউটপুট ডিভাইস:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- প্রজেক্টর,
- হেডফোন ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৪,০৮৯.
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. কানেকটিভিটি
  2. ডেটা
  3. মানুষের সক্ষমতা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• বিশ্বগ্রাম:
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রামের ধারণা বাস্তবায়ন ও এর প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে।
• নিচে বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদানসমূহ উল্লেখ করা হলো। যথা-
- কানেকটিভিটি,
- হার্ডওয়্যার,
- সফটওয়্যার,
- ডেটা,
- মানুষের সক্ষমতা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৯০.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান তিনটি সার্ভিস মডেলের অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. CaaS
  4. PaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৯১.
এমবেডেড সিস্টেমের উদাহরণ-
  1. ক) রাউটার
  2. খ) ডিজিটাল ক্যামেরা
  3. গ) ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে। আজকের প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম এর প্রভাব রয়েছে। যেমনঃ
ভিসিআর, সেল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার, প্রিন্টার, ভিডিও গেম, এটিএম, ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, গান শুনবার এম.পি.থ্রি. প্লেয়ার, গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম, টেলিফোন, রোবটিক্স, ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম, ফটোকপি মেশিন, ডিজিটাল ঘড়ি, মোটর গাড়ি ইত্যাদি।
৪,০৯২.
বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় পরিবর্তন করতে সাধারণত কয়টি বাইনারি ডিজিট একসাথে নেওয়া হয়?
  1. ৩টি
  2. ৮টি
  3. ১৬টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় সাধারণত ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে নেওয়া হয়। কারণ একটি অক্টাল সংখ্যা ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মান নিতে পারে, যা বাইনারিতে ৩টি বিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি ০০০ মানে অক্টাল ০, ১১১ মানে অক্টাল ৭। তাই বড় কোনো বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সেটি তিনটি করে বিট ভাগ করে অক্টাল মান বের করা হয়। এটি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোনো মান হারানোর ঝুঁকি কমায়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো (ক) ৩টি।

• একটি অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে প্রতি অঙ্কের জন্য ৩টি বাইনারি বিট লাগে।
উদাহরণস্বরূপ:
অক্টাল 7 = বাইনারি 111
অক্টাল 5 = বাইনারি 101

সুতরাং, বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় প্রতি ৩টি বাইনারি বিট = ১টি অক্টাল ডিজিট। এজন্য ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়।

বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮। 
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৯৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটার প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়?
  1. ক) Laser
  2. খ) Dot Matrix
  3. গ) Duel Core
  4. ঘ) Ink jet
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টারঃ চেইন প্রিন্টার, ড্রাম প্রিন্টার,ডেইজি হুইল প্রিন্টার, ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইঙ্কজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থিরবিদ্যুৎ প্রিন্টার।
৪,০৯৪.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে E-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে
  1. ক) ১০
  2. খ) ১৩
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ১৪
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি: এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১৬। অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে ১৬ টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ এবং অতঃপর A, B, C, D, E, F।

বর্ণ এবং সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 এবং ১৫।
৪,০৯৫.
কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস কোনটি?
  1. স্পিকার
  2. স্ক্যানার
  3. মাউস
  4. জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস: 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। 
উদাহরণ: কী-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস: 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। 
উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
উদাহরণ: পেনড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৯৬.
এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ কোন ধরণের ই-কমার্সের অন্তর্গত?
  1. B2C
  2. B2B
  3. C2B
  4. C2C
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ: alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ: amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ: monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৯৭.
কোনটি হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. পার্সোনাল কম্পিউটার
  2. ইসিজি মেশিন
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ ECG মেশিন হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ, কারণ এটি হার্টের ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যাল (অ্যানালগ ডেটা) সংগ্রহ করে এবং তা ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে বিশ্লেষণ করে।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৯৮.
Antivirus সফটওয়্যার কোনটি ব্যবহার করে ভাইরাস শনাক্ত করতে?
  1. Signature-based detection
  2. Behavior-based detection
  3. Heuristic analysis
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

- Antivirus সফটওয়্যার ভাইরাস শনাক্ত করার জন্য Signature-based, Behavior-based, এবং Heuristic analysis- এই তিনটি পদ্ধতিই ব্যবহার করে।

- Signature-based detection:
-এই পদ্ধতিতে পরিচিত ভাইরাসগুলোর একটি signature database রাখা হয়।
- সফটওয়্যার প্রতিটি ফাইল বা প্রোগ্রামের কোড এই ডাটাবেসের সাথে তুলনা করে দেখে কোনো পরিচিত ভাইরাসের কোডের সাথে মেলে কিনা।
- এটি সবচেয়ে প্রচলিত ও দ্রুততম পদ্ধতি, তবে নতুন (unknown) ভাইরাস শনাক্ত করতে পারে না।

Behavior-based detection:
- এখানে প্রোগ্রামের আচরণ বা কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- যেমন— ফাইল ডিলিট করা, সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করা বা অন্য ফাইল সংক্রমিত করার চেষ্টা ইত্যাদি।
- কোনো সন্দেহজনক আচরণ দেখা গেলে সফটওয়্যার সতর্ক করে বা ব্লক করে।

Heuristic analysis:
- এটি একটি অ্যালগরিদমিক ও বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি, যা প্রোগ্রামের কোডের ধরন ও গঠন বিশ্লেষণ করে নতুন বা পরিবর্তিত ভাইরাস শনাক্ত করে।
- এটি unknown বা modified ভাইরাস সনাক্ত করতে সক্ষম।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

৪,০৯৯.
নিচের কোনটি একটি AI মডেলের উদাহরণ?
  1. রাউটার
  2. ব্রাউজার
  3. স্প্রেডশীট
  4. ডিসিশন ট্রি
ব্যাখ্যা

• AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল হলো এমন একটি প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম যা ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা রাখে। ডিসিশন ট্রি হল একটি জনপ্রিয় AI মডেল, যা ডেটা থেকে শিখে বিভিন্ন সিদ্ধান্তমূলক পাথ তৈরি করে। এটি শাখা-প্রশাখা আকারে ডেটাকে বিভাজন করে এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করে। অন্যদিকে, রাউটার, ব্রাউজার বা স্প্রেডশীট মূলত সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার টুল, যা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ বা নেটওয়ার্কিংয়ের কাজ করে, কিন্তু নিজে সিদ্ধান্ত নেয় না। তাই ডিসিশন ট্রি একটি AI মডেলের উদাহরণ।

• Artificial intelligence (AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।

Source: Britannica.

৪,১০০.
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)-এর একটি বড় চ্যালেঞ্জ কী?
  1. নিম্ন-গতির প্রক্রিয়াকরণ
  2. হার্ড ডিস্ক স্টোরেজ
  3. নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা 
  4. উচ্চ-গতির প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)-এর একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা (গ)। IoT ব্যবস্থায় অসংখ্য ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান করে। এসব ডিভাইস ব্যক্তিগত, আর্থিক ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে, যা সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। হ্যাকাররা যদি এই ডিভাইসগুলোতে অনুপ্রবেশ করতে পারে, তবে তথ্য চুরি, সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ বা বড় ক্ষতি ঘটতে পারে। তাই শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোপনীয়তা রক্ষা IoT-এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
 ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।