বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৪০ / ১৩১ · ৩,৯০১৪,০০০ / ১৩,০৮৮

৩,৯০১.
ডিজিটাল কম্পিউটারের প্রকারভেদ নয় কোনটি?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. ম্যাক্সফ্রেইম কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটারে প্রকারভেদ:
•  কম্পিউটার প্রধানত ৩ প্রকার। যথা- 
১) এনালগ কম্পিউটার,
২) ডিজিটাল কম্পিউটার ও
৩) হাইব্রিড কম্পিউটার।

• ডিজিটাল কম্পিউটার ৪ ধরনের। যথা- 
১) সুপার কম্পিউটার,
২) মেইনফ্রেম কম্পিউটার,
৩) মিনি কম্পিউটার ও
৪) মাইক্রো কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯০২.
নিচের কোনটি একটি সাধারণ স্নিফিং টুল?
  1. Photoshop
  2. Wireshark
  3. Microsoft Word
  4. Google Chrome
ব্যাখ্যা
• Wireshark একটি জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী নেটওয়ার্ক প্যাকেট অ্যানালাইজার বা স্নিফিং টুল। এটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যাওয়া ডেটা প্যাকেট ক্যাপচার করে এবং বিশ্লেষণ করতে ব্যবহৃত হয়। Wireshark নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি পরীক্ষা, সমস্যা সমাধান এবং নেটওয়ার্ক অ্যানালাইসিসের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• স্নিফিং (Sniffing):
- স্নিফিং হলো কমিউনিকেশন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে ক্যাপচার বা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পদ্ধতি।
- যে ডিভাইস বা সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে এ ধরনের কাজ করা হয় তাকে প্যাকেট স্নিফার (Packet Sniffer) বলে।
- স্নিফিং তারযুক্ত বা তারবিহীন যেকোনো ধরনের কমিউনিকেশনে হতে পারে।
- ডেটাকে এনক্রিপশনের মাধ্যমেই এ ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- Microsoft Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
- Google Chrome একটি ওয়েব ব্রাউজার।
- Photoshop একটি ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার।

উৎস:
১. ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computer Applications in Bussiness, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. Wireshark ওয়েবসাইট।
৩,৯০৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের আকার অনুসারে শ্রেণিবিভাগের অংশ নয়?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ ডিজিটাল কম্পিউটার হলো কম্পিউটারের ধরন বা কার্যপ্রণালী অনুসারে শ্রেণিবিভাগ, যা বাইনারি সিস্টেম (0 এবং 1) ব্যবহার করে ডেটা প্রসেস করে। এটি আকার বা ক্ষমতা অনুসারে শ্রেণিবিভাগ নয়।

আকার, আয়তন ও কার্যকারিতা অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer):
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯০৪.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ? 
  1. র‍্যাম
  2. সিডি
  3. হার্ডডিস্ক
  4. পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
স্টোরেজ ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়। 
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ও 
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। 

প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস: 
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। 
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। 
যেমন- র‍্যাম। 

প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য: 
১। এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে। 
২। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে। 
৩। অ্যাকসেস সময় কম। 
8। ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। 
৫। ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি। 
৬। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি। 

সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি বা সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ হলো হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, পেনড্রাইভ, সিডি, ডিভিডি, ব্লু রে ডিভিডি, মেমোরি কার্ড, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯০৫.
SSD কী?
  1. Solid State Drive
  2. System Storage Device
  3. Standard Storage Drive
  4. System Software Directory
ব্যাখ্যা

◉ SSD-এর পূর্ণরূপ Solid State Drive, যা একটি non-volatile স্টোরেজ ডিভাইস। এটি flash memory ব্যবহার করে ডাটা সংরক্ষণ করে এবং হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯০৬.
সকল ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যাকে কি বলা হয়?
  1. ক) ক্যারেকটার
  2. খ) ইন্টিজার
  3. গ) রিয়েল
  4. ঘ) ডাবল
ব্যাখ্যা
• সকল ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যাকে ইন্টিজার বলা হয়।

ইন্টিজার (Integer Type) টাইপ:
- প্রোগ্রামে পূর্ণসংখ্যা (যেমন- 23, 1456, 2345 ইত্যাদি) নিয়ে কাজ করার জন্য Integer ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টিজার টাইপের ভেরিয়েবল ঘোষোণার জন্য int কীওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- int x;

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৯০৭.
বিশ্বের কোন প্রতিষ্ঠানকে বিগ-ব্লু বলা হয়?
  1. HP
  2. DELL
  3. Microsoft
  4. IBM
ব্যাখ্যা

• আইবিএম কে বিগ ব্লু বলা হয়।

• আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines.
- ১৯১১ সালে আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান (অক্টোবর, ২০২৫) নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

উৎস: IBM এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

৩,৯০৮.
বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটারটি বর্তমানে কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র
  4. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন-করণ।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ষাটের দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো 1969 সালের দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
৩,৯০৯.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) TDMA
  2. খ) EDGE
  3. গ) HSPA
  4. ঘ) LTE
ব্যাখ্যা
LTE (Long Term Evolution) হল চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির উদাহরণ। 

- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এতে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার করা হয়। যার ফলে এই প্রজন্মের মোবাইল ফোন সমূহে আলট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়।

বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. Internet Protocol নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু হয়। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯১০.
সাইবার সিকিউরিটিতে অজান্তে ও অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে প্রবেশ করাকে কী বলা হয়?
  1. স্নিকিং
  2. স্পুফিং
  3. স্প্যামিং
  4. প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা

• সাইবার সিকিউরিটিতে অজান্তে ও অনুমতি ছাড়া কারো সিস্টেমে প্রবেশ করাকে “স্নিকিং” বলা হয়। এটি একটি অবৈধ কর্মকাণ্ড যেখানে হ্যাকার বা অননুমোদিত ব্যক্তি কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা সার্ভারে প্রবেশ করে তথ্য চুরি, ক্ষতি বা নজরদারি করতে পারে। স্নিকিং সাধারণত ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া ঘটে, তাই এটি একটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। স্পুফিং হলো পরিচয় ভাঁওতা করা, স্প্যামিং হলো অবাঞ্ছিত বার্তা প্রেরণ, আর প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের কাজ চুরি করা।
- তাই অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো ক) স্নিকিং।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।

- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং - বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
- Salami Attack - অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।

- Denial of Service Attack - বেশি পরিমাণেরিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক - পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৯১১.
ইনডেক্সিং-এর মূল উদ্দেশ্য কী? 
  1. ডাটাবেজ ফাইলকে সংরক্ষণ করা 
  2. ডাটাবেজের রেকর্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি করা 
  3. ডাটাবেজের রেকর্ড মুছে ফেলা 
  4. ডাটাবেজের রেকর্ড দ্রুত খুঁজে পাওয়া
ব্যাখ্যা

- ইনডেক্সিং-এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ডাটাবেজের রেকর্ড দ্রুত খুঁজে পাওয়া। 

ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে- 
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়। 
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। 
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়। 
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
8। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
১। ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
২। সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
৩। ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯১২.
NTFS এর পূর্ণরূপ -
  1. Nano-Tech File System.
  2. New Technology File System.
  3. New High Technology File Allocation System.
  4. Network Transfer File System.
ব্যাখ্যা
NTFS: 
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- DOS কোনোভাবেই NTFS পার্টিশনকে সমর্থন করে না।
- NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৩.
ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট -
  1. ক) কাউন্টার
  2. খ) অ্যাডার
  3. গ) এনকোডার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
কাউন্টার
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- এটি ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্ট নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে বা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে। কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ ০ থেকে ২n - 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস বা মোড নাম্বার বলে। কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস ২n.
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯১৪.
‘Marshmallow’ অপারেটিং সিস্টেমটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছে?
  1. Google
  2. Apple
  3. IBM
  4. BlackBerry
ব্যাখ্যা
• ‘Marshmallow’ হলো Android অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ, যা গুগল (Google) তৈরি করেছে। এটি Android 6.0 নামেও পরিচিত এবং ২০১৫ সালে বাজারে আসে। এই সংস্করণে ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন ফিচার যেমন পারমিশন ম্যানেজমেন্ট, Google Now on Tap, এবং উন্নত ব্যাটারি লাইফ সুবিধা যোগ করা হয়েছে। Marshmallow অপারেটিং সিস্টেমটি স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের ডিভাইস আরও নিরাপদ ও সুবিধাজনকভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করে। তাই এই অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরির জন্য সঠিক উত্তর হলো Google।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- ‘Marshmallow' অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে গুগল।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০২১ সালের মে মাসে এই অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড হলো সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যানড্রয়েড 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রকল্প হিসেবে ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে শুরু করে।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত হয়।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. 'Android' মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ক্রয় করে।

উৎস:
১. গুগলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৩,৯১৫.
ডাটা শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক) রেকর্ড
  2. খ) উপাত্ত
  3. গ) ফিল্ড
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ এর ব্যবহার:

- অতি দ্রুত ডাটা উপস্থাপন করা যায়।
- অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়।
- সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়।
- ডাটাবেজের তথ্যসমূহকে প্রয়োজনে অ্যাসেন্ডিং (Ascending) ও ডিসেন্ডিং (Descending) অর্ডারে সাজানো যায়।
- অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস ঘটানো যায়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মের জন্য এবং পরবর্তীতে ফলাফল বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ ও অন্যান্য আরো অনেক কাজে ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৬.
Access time in a computer memory is the time required to
  1. ক) Locate the stored data
  2. খ) Retrieve the stored data
  3. গ) Both locate and retrieve the data
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা
No explanation added
৩,৯১৭.
ল্যান তৈরী করার জন্য নিচের কোন যন্ত্রাংশটি প্রয়োজন?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
  3. গ) রম
  4. ঘ) গ্রাফিক্স কার্ড
ব্যাখ্যা
সাধারণত কম্পিউটারকে কোনো নেটওয়ার্ক মিডিয়ার সাথে সংযোগ দেয়ার জন্য একটি বিশেষ ইন্টারফেসের দরকার পড়ে। নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা ল্যান কার্ড এই ইন্টারফেসের কাজ করে। এই নেটওয়ার্ক এডাপ্টার যেকোন মিডিয়ার জন্য কম্পিউটারকে কানেক্ট করার সুযোগ দিতে পারে।
৩,৯১৮.
(1101)2 এর দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ১১
  2. ১২
  3. ১৩
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে। 
যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
(1101)2 এর দশমিক সংখ্যা হলো- 
= 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 1 × 2
= 8 + 4 + 0 + 1 
= 13 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৯.
অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে কী বলে?
  1. বাফার
  2. জ্যাকেট
  3. ক্ল্যাডিং
  4. কোর
ব্যাখ্যা
ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-

• কোর:
- ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।

• ক্ল্যাডিং:
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।

• জ্যাকেট:
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯২০.
ডাইরেক্ট এক্সেস মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ডিস্ক মেমোরি
  2. খ) চৌম্বক টেপ মেমোরি
  3. গ) চৌম্বক ড্রাম মেমোরি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ডিস্ক মেমোরি হচ্ছে ডাইরেক্ট এক্সসেস মেমোরির উদাহরণ। 

- যে ধরনের মেমোরিতে তথ্যকে পঠন/লিখনের জন্য সিকুয়েন্স, একসেস বা, সংযোগ উভয়েই ব্যবহৃত হয়, তাকে ডাইরেক্ট এক্সেস মেমোরি বলে।
যেমন- ডিস্ক মেমোরি।

- চৌম্বক টেপ মেমোরি হল সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরি। 

- চৌম্বক ড্রাম মেমোরি হল সাইক্লিক এক্সেস মেমোরি।  

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৩,৯২১.
পরপর সংলগ্ন কতকগুলো ______ এর সমষ্টিকে কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে।
  1. ক) টেরাবাইট
  2. খ) মেগাবাইট
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) বাইট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word)
- পর পর সংলগ্ন কতকগুলো বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। 
- সাধারণত ১৬ বা ৩২ বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক-
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
(খ) ১০২৪ = ১ কিলোবাইট (KB) (গ) ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯২২.
নিচের কোন মোডে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপ ডেটা গ্রহণ করতে পারে?
  1. ইউনিকাস্ট
  2. ব্রডকাস্ট
  3. মাল্টিকাস্ট
  4. সিমপ্লেক্স
ব্যাখ্যা

মাল্টিকাস্ট মোডে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপ ডেটা গ্রহণ করতে পারে।

• মাল্টিকাস্ট (Multicast)
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না। 
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে। 
- যেমন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

- ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠানো হয়। 
- প্রাপকের সংখ্যা ও ডেটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। ইউনিকাস্ট (Unicast)
২। ব্রডকাস্ট (Broadcast) এবং
৩। মাল্টিকাস্ট (Multicast) |

• ইউনিকাস্ট (Unicast)
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে। 
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না। 
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।

• ব্রডকাস্ট (Broadcast)
- ব্রডকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোড-ই গ্রহণ করে। 
- যেমন টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারেন।
- এক্ষেত্রে একটি প্রেরক থেকে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারেন।

 • সিমপ্লেক্স (Simplex) 
- সিমপ্লেক্স (Simplex) হচ্ছে কেবলমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা প্রথাকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- উদাহরণ-রেডিও, টিভি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৯২৩.
কম্পিউটারের প্রোগ্রামে X = A + B এর স্থলে X = A - B লেখা হলে তা কোন ধরণের ভুল?
  1. ক) Syntax Error
  2. খ) Logical Error
  3. গ) Execution Error
  4. ঘ) Debugging Error
ব্যাখ্যা
সিনট্যাক্স ভুল (Syntax Error)
সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল। যেমন: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি। এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের বেলা কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

লজিক ভুল (Logical Error)
প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল । সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয় । সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল। কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল (Run time & Execution time Error)
কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরমেট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরোর ছাপায়। যে সব গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পাদন করা যায় না (অন্তত বাস্তব রাশির ক্ষেত্রে) তা করতে গেলেও সিনট্যাক্স ভুল হয়। যেমন শূন্য দিয়ে ভাগ করা কিংবা ঋণ সংখ্যার বর্গমূল বা লগারিদম বের করা। এসব ক্ষেত্রেও ভুলের বার্তা ছাপা হয় ।

ডিবাগিং (Debugging)
প্রোগ্রামের ভুলত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে বলে ডিবাগিং, এর আক্ষরিক অর্থ পোকা বাছা। ১৯৪৫ সালে মার্ক-১ কম্পিউটারটির ভিতরে একটি মথপোকা ঢোকায় কম্পিউটারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ থেকেই ডিবাগিং কথাটির উৎপত্তি। ডিবাগিং এর জন্য প্রথমে প্রোগ্রামের আগাগোড়া ভাল করে পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্রয়োজন হলে কোন প্রোগ্রামিং বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হয়। প্রোগ্রামের ছোটখাট ভুল এতেই দূর হয়ে যায়। এরপরও যেসব ভুল থেকে যায় সেগুলো দূর করতে হলে প্রথমে সিনট্যাক্স ভুল দূর করে তারপর লজিক ভুল দূর করা হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৯২৪.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগের সাইট নয়?
  1. লিংকড-ইন
  2. ফেসবুক
  3. ইউটিউব
  4. টুইটার
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগের সাইট :
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিক যোগাযোগকে দ্রুত, আকর্ষণীয়, এবং কার্যকরী করে তুলেছে।
- ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে বেশকিছু সামাজিক যোগাযোগের সম্পূর্ণ সাইট।
- নিজের ভালো-লাগা মন্দলাগা, অনুষ্ঠানাদি, চাকরিতে প্রমোশন, সন্তানাদির বিয়ে ইত্যাদি নানা বিষয়ের তথ্য, ছবি কিংবা ভিডিও বিনিময় করা যায় এগুলোর যে কোনো একটি থেকে।
- বর্তমানে প্রায় শতাধিক এরকম ওয়েবসাইট রয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে ফেসবুক (www.facebook.com), লিংকড-ইন (Linked in.com) গুগল প্লাস (plus.google.com), টুইটার (www.twitter.com) অন্যতম। 
- ইউটিউব হচ্ছে ভিডিও শেয়ারিং সাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
৩,৯২৫.
এনক্রিপ্ট করার পর যে মেসেজ মানুষের পাঠযোগ্য রূপে থাকে না তাকে কী বলে?
  1. ক) Key
  2. খ) Algotext
  3. গ) Plaintext
  4. ঘ) Ciphertext
ব্যাখ্যা
এনক্রিপশন (Encryption)
- এনক্রিপশন হলো মেসেজ, ডাটা বা তথ্য কে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না । 

• এনক্রিপশনের চারটি মূল অংশ রয়েছে। যথা -
- Plaintext, Ciphertext, Encryption Algorithm এবং Key.

- Plaintext: Plaintext হলো এনক্রিপ্ট করার পূর্বের মেসেজ যা মানুষের পাঠযোগ্য রূপে থাকে।
- Ciphertext: Ciphertext হলো এনক্রিপ্ট করার পরের মেসেজ যা মানুষের পাঠযোগ্য রূপে থাকে না।
- Encryption Algorithm: Encryption Algorithm হলো গাণিতিক ফর্মূলা যা Plaintext থেকে Ciphertext করার জন্য বা Ciphertext থেকে Plaintext প্রিন্ট করার জন্য প্রয়োজন।
- Key: Key হলো গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার জন্য প্রয়োজন।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯২৬.
নিচের কোনটি একটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. Safari
  2. Foxpro
  3. Quattro Pro
  4. Access
ব্যাখ্যা
• Quattro Pro হলো একটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Photo Editing Program: Adobe Photoshop.
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro.
- Browsing Program: Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome.
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯২৭.
ফেসবুকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. সিয়াটল
  2. ক্যালিফোর্নিয়া
  3. ওয়াশিংটন
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

ফেসবুক/ Meta:
- ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেসবুকই বৃহত্তম।
- ফেসবুকের নতুন নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস, সংক্ষেপে মেটা (Meta)।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে।
-  Mark Zuckerberg ও তার চারজন বন্ধু Eduardo Saverin, Andrew McCollum, Dustin Moskovitz, Chris Hughes মিলে পরীক্ষামূলকভাবে এটি তৈরি করেন।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে অবস্থিত।
- বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ২০০ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশেরও অসংখ্য ব্যবহারকারী রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Meta website.

৩,৯২৮.
Which of the following is used to store and manage user data?
  1. WordStar
  2. Quattro Pro
  3. Lotus 1-2-3
  4. FoxPro
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) FoxPro 

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software)
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারে নির্দিষ্ট ব্যবহারিক কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি প্রোগ্রাম।
- এটি ব্যবহারকারীকে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, সমস্যা সমাধান, টেক্সট, সংখ্যা বা ছবি নিয়ে কাজ করার সুবিধা দেয়।
- কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: অফিস সফটওয়্যার, একাউন্টিং সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও ও অডিও) ইত্যাদি।

Database Package Program :
- dBase,
- FoxPro,
- Oracle,
- Informix,
- Access.
 
অন্যদিকে, 
- WordStar হচ্ছে Word Processing Package Program.
- Lotus 1-2-3, Quattro Pro. হচ্ছে  Spreadsheet Package Program.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯২৯.
'Cozy Bear' কোন দেশের হ্যাকার গ্রুপ?
  1. রাশিয়া
  2. আপেরিকা
  3. জাপান
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
- Cozy Bear এবং Fancy Bear একটি রুশ হ্যাকার গ্রুপ।
- Cozy Bear এর বিরুদ্ধে করোনাকালীন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং যুক্তরাজ্যের ভ্যাক্সিন গবেষণা তথ্যাদি চুরির অভিযোগ রয়েছে।
- Fancy Bear হচ্ছে Cozy Bear এর সহযোগী গ্রুপ।
- Fancy Bear বা APT28 কে GRU, Russia's military intelligence agency অংশ হিসেবে মনে করা হয়।
- মার্কিন নির্বাচনী প্রচারণার সময় ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির (ডিএনসি) ওপর সাইবার হামলার সঙ্গে এই গ্রুপের যোগসূত্র রয়েছে।
- Parent organization: either FSB or SVR

উৎস:
১. বিবিসি রিপোর্ট।
৩. The Washington post news report.
২. standard.co.uk
৩,৯৩০.
কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. McAfee
  2. Symantec
  3. Cinderella
  4. Kaspersky
ব্যাখ্যা

• কতিপয় ভাইরাসঃ
- AIDS,
- Bye Bye,
- Bad boy,
- Cinderella,
- CIH,
- I love you,
- স্টোন,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
• কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
- অভিজি,
- এভিরা,
- এভাস্ট,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus,
- PC Tools Antivirus ইত্যাদি।

৩,৯৩১.
Which cybercrime uses false information to confuse a network?
  1. Spamming
  2. Spoofing
  3. Sneaking
  4. Trojan Attack
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Spoofing

সাইবার অপরাধ
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ থাকে। সংক্ষিপ্ত তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
- প্লেজিয়ারিজম: অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে ব্যবহার বা প্রকাশ করা। 
- স্নিকিং: গোপনে ব্যবহারকারীর নজর এড়িয়ে সিস্টেমে প্রবেশ করা। 
- স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা। 
- ই-মেইল বম্বিং: প্রচুর ই-মেইল পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা। 
- ডেটা ডিডলিং: প্রসেসিং এর আগে ডেটা সরিয়ে রাখা এবং পরে পুনরায় বসানো। 
- সালামি অ্যাটাক: অবৈধ আর্থিক লেনদেন বা ক্ষতি করা। 
- ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DoS) অ্যাটাক: বেশি রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা। 
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ। 
- স্প্যামিং: অনাকাঙ্ক্ষিত ই-মেইল বা মেসেজ পাঠানো; এই কাজের জন্য কেউ স্প্যামার নামে পরিচিত। 
- লজিক বম্ব: ইভেন্ট-নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে আক্রমণ। 
- ট্রোজান অ্যাটাক: পরোক্ষভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। 
- ইন্টারনেট ব্যবহার সময় বা ইউনিট চুরি করা। 
- ওয়েবসাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা। 

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল। 
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৩,৯৩২.
Wi-Fi নেটওয়ার্কে SSID এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Standard Security ID
  2. System Signal ID
  3. Secure Service Identifier
  4. Service Set Identifier
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi নেটওয়ার্কে SSID-এর পূর্ণরূপ হলো Service Set Identifier। এটি একটি ইউনিক নাম যা একটি নির্দিষ্ট Wi-Fi নেটওয়ার্ককে অন্য নেটওয়ার্ক থেকে আলাদা করে চিনতে সাহায্য করে। যখন কোনো ডিভাইস Wi-Fi সংযোগের জন্য স্ক্যান করে, তখন এটি চারপাশের সমস্ত নেটওয়ার্কের SSID তালিকায় প্রদর্শিত হয়। SSID সাধারণত একটি স্ট্রিং বা নাম আকারে থাকে, যা ব্যবহারকারী কাস্টমাইজ করতে পারে। এটি একটি নেটওয়ার্কের “পরিচয়” হিসেবে কাজ করে এবং একই এলাকায় একাধিক Wi-Fi থাকলেও আলাদা SSID থাকায় ব্যবহারকারী সহজেই সঠিক নেটওয়ার্কে সংযোগ করতে পারে। তাই, SSID হলো Wi-Fi নেটওয়ার্কের অপরিহার্য পরিচিতি।

সঠিক উত্তর: ঘ) Service Set Identifier.

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

• এছাড়াও,
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16.
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. Avira Website. [link]

৩,৯৩৩.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রামের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
  2. খ) ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
  3. গ) ফর্ম ডিজাইন করা যায়।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ প্রোগ্রামের বৈশিষ্ট্য:

- সহজে বিভিন্ন ধরনের ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের ডাটা টেবিলে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
- ডাটা এন্টি করার ফর্ম ডিজাইন করা যায়। 
- শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্য ও প্রদেয় হিসাব, ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট, বার্ষিক রিপোর্ট, উৎপাদন ও বিক্রয় ইত্যাদি যাবতীয় কাজের প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বিপুল পরিমান ডাটা থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে দ্রুত খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে নির্দিষ্ট রেকর্ড অনুসন্ধান করা যায়।
- দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য রিলেশন তৈরি করা যায়।
- দ্রুত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য ইনডেক্স ব্যবহার করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক ও লজিক্যাল কাজ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় ডাটা সংগ্রহ করে বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৩৪.
​​​(১১১০১১) এর সমকক্ষ দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ৭৭
  2. ৪৩
  3. ৩০
  4. ৫৯
ব্যাখ্যা

​​​(১১১০১১) এর সমকক্ষ দশমিক সংখ্যা ৫৯।

​​পূর্ণ বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর
​১। বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে বাইনারি সংখ্যার বেজ 2 দ্বারা গুণ করতে হবে।
​২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে 20 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 21 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 22 ....... দ্বারা গুণ করতে হবে।
​৩। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে দশমিকের সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।

​(১১১০১১) = ১x২ + ১x২ + ১x২ + ০x২ + ১x২ + ১x২
​ = ৩২ + ১৬ + ৮ + ০ + ২ + ১
​ = ৫৯

​​​(১১১০১১) = (৫৯)১০

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৩৫.
নিচের কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. ফিল্ম রেকর্ডার
  2. ওসিআর
  3. লাইটপ্যান
  4. সিডি
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope website.
৩,৯৩৬.
What is the name of the computer which was first used for programming and playing of music?
  1. ক) ELLIAC
  2. খ) ENIAC
  3. গ) UNIVAC
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
But, ENIAC, an acronym for Electronic Numerical Integrator And Computer is considered to be the first operational electronic digital computer in the United States.
৩,৯৩৭.
প্যারালাল পোর্টকে আর কী নামে চেনা যায়?
  1. HDMI port
  2. Ethernet port
  3. USB port
  4. Printer port
ব্যাখ্যা

• প্যারালাল পোর্টকে সাধারণত প্রিন্টার পোর্ট (Printer Port) হিসেবেও চেনে। এটি মূলত কম্পিউটার এবং প্রিন্টারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পোর্টটি একসাথে একাধিক বিট পাঠাতে সক্ষম, তাই একে “প্যারালাল” বলা হয়। পূর্বে প্রিন্টার সংযোগের জন্য এটি সবচেয়ে প্রচলিত পোর্ট ছিল। USB পোর্ট, HDMI পোর্ট বা Ethernet পোর্টের সাথে এটি ভিন্ন, কারণ USB ও HDMI সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়, আর Ethernet মূলত নেটওয়ার্ক সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, প্যারালাল পোর্টকে সবচেয়ে সঠিকভাবে Printer Port হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
 
• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৩৮.
ক্যাশ মেমরি কোন ধরণের মেমরি হিসেবে পরিচিত?
  1. Static Memory
  2. Optical Memory
  3. Magnetic Memory
  4. Dynamic Memory
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে SRAM-এ।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩,৯৩৯.
গুরুত্বপূর্ণ ডেটা ভাইরাস দ্বারা নষ্ট হয়ে গেলে পুনরুদ্ধার করার জন্য কী করা উচিত?
  1. ফরম্যাট করে ফেলা
  2. ব্যাকআপ রাখা
  3. অন্য সফটওয়্যারে কপি করা
  4. ডেটা মুছে ফেলা
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সর্বদা ব্যাকআপ রাখা উচিত যেন ভাইরাস এ্যাটাকের ফলে ঐ ডেটা চিরকালের মতো হারিয়ে না যায়।

• সাইবার অপরাধ নিবারণে করণীয়:

- নিজের একান্ত গোপন তথ্য অপরের নিকট উপস্থাপনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- অনলাইনে সর্বদা নিজের বা পরিচিতজনের কোনো ফটোগ্রাফি অচেনা কিংবা কোনো চ্যাটের বন্ধুর নিকট পাঠানো উচিত নয়। কেননা ঐ ধরনের ফটোগ্রাফি কোনো খারাপ কাজে ব্যবহার হতে পারে।
- ভাইরাস এ্যাটাক প্রতিরোধ করতে সর্বদা নতুন এবং আপগ্রেড অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করতে হবে।
- গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সর্বদা ব্যাকআপ রাখা উচিত যেন ভাইরাস এ্যাটাকের ফলে ঐ ডেটা চিরকালের মতো হারিয়ে না যায়।
- আর্থিকভাবে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে কখনোই কোনো অনিরাপদ ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের নম্বর প্রদান করা উচিত নয়।
- শিশুরা যেন ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় কোনো অযাচিত সাইটে এক্সেস না করে সেজন্য তার ব্রাউজিং এর দিকে সর্বদা নজর রাখা উচিত।
- ব্রাউজিং এর সময় অবশ্যই কোনো সিকিউরিটি প্রোগ্রাম করা উচিত যেগুলো ঝুঁকিসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ক্ষতিকর ঝুঁকিগুলো ফেরত পাঠাবে।
- ওয়েব সাইটের অধিকারীগণের সর্বদা এর ট্র্যাফিক এবং এতে কোনো অনিয়মিত কিছু ঘটেছে কিনা তা পরীক্ষা করা।
- ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৩,৯৪০.
কোন ধরনের কোডকে EBCDIC কোড বলা হয়?
  1. ৭-বিট ASCII কোড
  2. ১৬-বিট ইউনিকোড কোড
  3. ১৬-বিট ASCII কোড
  4. ৮-বিট BCD কোড
ব্যাখ্যা

EBCDIC কোড হলো এক ধরনের ৮-বিট BCD কোড।

ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড:
- ৮ - বিট বিসিডি কোড, Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১,
- A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০,
- বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে ফোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এটি মূলত BCD (Binary Coded Decimal) পদ্ধতির একটি বর্ধিত রূপ।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- ৭-বিট ASCII কোড: ASCII (American Standard Code for Information Interchange) একটি ৭-বিট কোড এবং এটি EBCDIC থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি সাধারণত IBM মেইনফ্রেমের বাইরে ব্যবহৃত হয়।
- ১৬-বিট ইউনিকোড কোড: ইউনিকোড একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড যা বিশ্বের প্রায় সব ভাষার অক্ষরকে সমর্থন করে। এটি ১৬-বিট বা ৩২-বিট হতে পারে, যা EBCDIC-এর ধারণার সাথে মেলে না।
- ১৬-বিট ASCII কোড: সাধারণত ASCII কোড ৭-বিট বা ৮-বিট হয়। ১৬-বিট ASCII কোড প্রচলিত নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৯৪১.
Which shortcut key is used to cut selected text?
  1. Ctrl + C
  2. Ctrl + X
  3. Ctrl + V
  4. Ctrl + Z
ব্যাখ্যা

• Ctrl + X শর্টকাট কী ব্যবহার করে MS Word–এ সিলেক্ট করা টেক্সট Cut করা হয়।
 
• এমএস ওয়ার্ডে কীবোর্ড শর্টকাট কী:
- কীবোর্ড শর্টকাট কী ব্যবহার করে দ্রুত ও সহজে এমএস ওয়ার্ডে কাজ করা যায়।
- শর্টকাট কী সময় সাশ্রয় করে এবং কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
 
• সাধারণত ব্যবহৃত শর্টকাট কী:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট একসাথে সিলেক্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + B: সিলেক্ট করা টেক্সট Bold করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট Copy করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + V: কপি করা টেক্সট Paste করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + X: সিলেক্ট করা টেক্সট Cut করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + Z: কোনো ভুল হলে আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয় (Undo)।
 
• টেক্সট ফরম্যাটিং–সংক্রান্ত শর্টকাট কী:
- Ctrl + I: সিলেক্ট করা টেক্সট Italic করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + U: টেক্সটে Underline দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
• অ্যালাইনমেন্ট–সংক্রান্ত শর্টকাট কী:
- Ctrl + L: টেক্সটকে Left alignment–এ আনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E: টেক্সটকে Center alignment–এ আনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
• ডকুমেন্ট ও ফাইল ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত শর্টকাট কী:
- Ctrl + N: নতুন একটি Word document খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + O: আগে থেকে সংরক্ষিত Word file খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + S: তৈরি করা Word document Save করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
• অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট কী:
- Ctrl + F: ডকুমেন্টের ভেতরে কোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার (Find) জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + K: সিলেক্ট করা টেক্সটে Hyperlink (ওয়েব অ্যাড্রেস) যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস: Microsoft Official Website.

৩,৯৪২.
What is the process of starting a computer called?
  1. Logging
  2. Booting 
  3. Scanning
  4. Loading
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Booting 

কম্পিউটার বুটিং:
- কম্পিউটার চালুর প্রক্রিয়াকে বুট বা বুটিং বলে।
- কম্পিউটার চালু হলে CPU বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা।
- এই যাচাই প্রক্রিয়াকে POST (Power On Self Test) বলে।
- যন্ত্রাংশগুলো সঠিকভাবে যুক্ত থাকলে CPU কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে র‍্যামে তুলে নেয়।
- এরপর কম্পিউটার ব্যবহারকারীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয়।
- এটি একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পর কম্পিউটার ব্যবহার করা যায়।
- বুটিং থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করার সব কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া বুটিং সম্ভব নয়।
- প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটারে কোন অপারেটিং সিস্টেম ছিল না।
- এটি একবারে একটি প্রোগ্রাম চালাত, যার সমস্ত কাজের কমান্ড এবং প্রয়োজনীয় রিসোর্সগুলো মানব অপারেটরের দ্বারা সরবরাহ করতে হতো।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ব্রিটানিকা।

৩,৯৪৩.
ক্লাউড কম্পিউটিং- এর ক্ষেত্রে GCP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Google Cloud Provision
  2. Google Computing Platform
  3. Google Cloud Protocol
  4. Google Cloud Platform
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্ভিস মডেল:

- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS),
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service PaaS),
৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS).

১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP).

২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Heroku,
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Service.

৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Salesforce,
- Microsoft 365,
- Google Workspace.

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়য়েবসাইট।
৩,৯৪৪.
Which guided transmission medium uses light signals for data transmission?
  1. Twisted pair cable
  2. Coaxial cable
  3. Fiber optic cable
  4. Telephone line
ব্যাখ্যা

• Fiber optic cable আলো (light signal) ব্যবহার করে ডাটা ট্রান্সমিশন করে, তাই এটি উচ্চগতির যোগাযোগের জন্য সবচেয়ে কার্যকর guided transmission medium।

• তার মাধ্যম (Guided/Wired Media):
- ডাটা কমিউনিকেশনে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য যে মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তাকে transmission media বা যোগাযোগ মাধ্যম বলা হয়।
- যখন ডাটা নির্দিষ্ট কোনো তার বা কেবলের মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে প্রেরণ করা হয় তখন তাকে তার মাধ্যম বা guided media বলা হয়।
- Guided media-তে ডাটা নির্দিষ্ট ভৌত পথ অনুসরণ করে প্রেরিত হয়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে সাধারণত তিন ধরনের তার মাধ্যম ব্যবহৃত হয়: Twisted pair cable, Coaxial cable, Fiber optic cable।

• Fiber optic cable:
- Fiber optic cable হলো এমন একটি কেবল যেখানে ডাটা আলোর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।
- এটি কাঁচ বা প্লাস্টিকের সূক্ষ্ম তন্তু দ্বারা তৈরি হয়।
- ডাটা প্রেরণের ক্ষেত্রে লেজার বা আলো ব্যবহার করা হয়।
- Fiber optic cable তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত: Core, Cladding, Jacket।
- Core অংশ দিয়ে আলোর সিগন্যাল প্রবাহিত হয়।
- Cladding আলোর সিগন্যালকে প্রতিফলিত করে পুনরায় Core-এর মধ্যে ফিরিয়ে দেয়।
- Jacket বাইরের সুরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে এবং আর্দ্রতা, ঘর্ষণ ও অন্যান্য ক্ষতি থেকে কেবলকে রক্ষা করে।

• অন্যান্য অপশন:
- Twisted pair cable → দুটি তামার তার পরস্পর পাকানো অবস্থায় থাকে এবং LAN নেটওয়ার্কে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত তার মাধ্যম।
- Coaxial cable → একটি কেন্দ্রীয় কন্ডাক্টর, ইনসুলেটর ও বাহ্যিক কন্ডাক্টর দ্বারা গঠিত কেবল যা তুলনামূলক বেশি ডাটা ট্রান্সমিশন সক্ষম।
- Telephone line → টেলিফোন যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত তারভিত্তিক লাইন যা সাধারণত ভয়েস যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৪৫.
নিচের কোনটি প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়?
  1. Laser
  2. Dot Matrix
  3. Ink-Jet
  4. Duel core
ব্যাখ্যা
- Duel core প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়।

• প্রিন্টার:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৪৬.
কোন ডিভাইসটি ডাটা ইনপুট এবং একই ডিভাইসে সরাসরি ফলাফল দেখার সুবিধা দেয়?
  1. মাউস
  2. স্পিকার
  3. স্ক্যানার
  4. টাচস্ক্রিন
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর ডাটা ইনপুট এবং একই ডিভাইসে সরাসরি ফলাফল দেখার সুবিধা প্রদান করে। এটি একটি ইন্টারেক্টিভ পর্দা যেখানে ব্যবহারকারী আঙুল বা স্টাইলাস দিয়ে স্পর্শ করে কমান্ড দিতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গেই তার প্রতিক্রিয়া বা ফলাফল দেখতে পারে। অন্য ডিভাইস যেমন মাউস শুধুমাত্র ইনপুট দেয়, কিন্তু ফলাফল মনিটরে দেখা হয়। স্পিকার শব্দ আউটপুট করে, ইনপুট নয়। স্ক্যানার কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে, কিন্তু সরাসরি ফলাফল দেখায় না। তাই, টাচস্ক্রিন একক ডিভাইস হিসেবে ইনপুট ও আউটপুট উভয়ই সরবরাহ করে।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, নবম দশম শ্রেণি।
৩,৯৪৭.
Which one is a layer 3 (Network Layer) Protocol?
  1. UDP
  2. DNS
  3. IP
  4. TCP
ব্যাখ্যা

IP ৩ লেয়ার বিশিষ্ট ইন্টারনেট প্রটোকল ।

- ইন্টারনেট প্রটোকল ঠিকানা ( আইপি ঠিকানা) হল একটি সংখ্যাগত লেবেল যা কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রতিটি কৌশল বা যন্ত্রের জন্য নির্ধারিত যেখানে নেটওয়ার্কের নোড গুলো যোগাযোগের জন্য ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে ।
- প্রতিটি হোস্টকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করা হয়। প্রতিটি হোস্টের আবার একটি করে ফিজিক্যাল এড্রেস থাকে যাকে ম্যাক এড্রেস বলা হয়। 
- এটি ডিভাইস তৈরিকারক কোম্পানি ঠিক করে দেয়। তাছাড়াও প্রতিটি হোস্টের আবার -একটি করে লজিক্যাল অ্যাড্রেস প্রয়োজন হয়। এই লজিক্যাল অ্যাড্রেসকে বলা হয় ইন্টারনেট প্রটোকল আইপি অ্যাড্রেস।
- IPv6 এক্স ভিডিও ১২৮ ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মুজিবুরবু রহমান)

৩,৯৪৮.
What is the purpose of data encryption?
  1. To make data transfer faster
  2. To ensure data privacy
  3. To store data in memory
  4. To expand computer RAM
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) To ensure data privacy

ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)

- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
​- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিপ্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plain text) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Cipher text)। এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে।

​Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৩,৯৪৯.
রোবটিক্সের জনক হিসেবে পরিচিত কে?
  1. জোসেফ এঙ্গেলবার্গার
  2. নিকোলা টেসলা
  3. নরবার্ট উইনার
  4. অ্যালান টুরিং
ব্যাখ্যা

• রোবটিক্সের জনক হিসেবে জোসেফ এঙ্গেলবার্গারকে ধরা হয়। তিনি একজন প্রখ্যাত মার্কিন ইঞ্জিনিয়ার ও উদ্ভাবক, যিনি আধুনিক শিল্প রোবটের প্রবর্তক। ১৯৫০-এর দশকে তিনি প্রথম শিল্প রোবট “ইউনিম্যাট” উদ্ভাবন করেন, যা প্রধানত কারখানায় উৎপাদন কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। তার কাজ রোবটিক্সকে শিল্প ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। এঙ্গেলবার্গারের উদ্ভাবন এবং গবেষণা রোবট প্রযুক্তির উন্নয়নে মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। তিনি রোবটিক্সকে এক আধুনিক বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং আজও তার নামকে রোবটিক্সের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) জোসেফ এঙ্গেলবার্গার।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবটিক্স (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ robota (রোবটা) থেকে যার ইংরেজি হলো robot (রোবট)।
- রোবট এর আভিধানিক অর্থ হল শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৯৫০.
What is the binary equivalent of decimal number 95?
  1. 1001101
  2. 1011111
  3. 1111011
  4. 1101111
ব্যাখ্যা
(95)10 = (1011111)2

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:

১। দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যার বেজ ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSB-Most Significant Bit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSB-Least Significant Bit) পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে লিখলে সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি মান পাওয়া যাবে।


সুতরাং, (95)10 = (1011111)2

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫১.
নিচের কোনটি ডাটাবেজের উপাদান নয়? 
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. প্রসেসর
  4. ডাটা টেবিল
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ: 
- ডাটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ সমাবেশ। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হলো ডাটাবেজ। 
- একটি ডাটাবেজের এক বা একাধিক টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট মডিউল ইত্যাদি ফাইল থাকতে পারে। 
- ডাটাবেজকে তথ্যভাণ্ডার বলা হয়, চারপাশে অজস্র তথ্য ও উপাত্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- তবে এ সমস্ত তথ্যের সমাবেশকে ডাটাবেজ বলা যাবে না, কারণ ডাটাবেজ হল সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক আছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি। 

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান: 
- ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। 
যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি। 
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। 
- একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে। 
- প্রত্যেকটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। 
- শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত। 
- আর পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। 
- প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫২.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কোন কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করে সংখ্যা যোগ করা যায়?
  1. অ্যাডার
  2. এনকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. ডিকোডার
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যা যোগ করার জন্য ব্যবহৃত কম্বিনেশনাল সার্কিটটি হলো অ্যাডার (Adder)। 

অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
- ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৯৫৩.
চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল পড়ার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. OCR
  2. OMR
  3. Printer
  4. Bar Code Reader
ব্যাখ্যা
• চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

• OCR (Optical Character Recognition):

- OCR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা টেক্সট, চিহ্ন, এবং আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টারকে পড়তে এবং ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে, তারপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

• OCR এর ব্যবহার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত।
যথা:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড চিনতে,
- ক্যাশ রেজিস্টারের তথ্য,
- ইলেকট্রিক বিলের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫৪.
নিম্নোক্ত কোন ফাইল এক্সটেনশনটি ইমেইল ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. .msg
  2. .pst
  3. .ost
  4. .txt
ব্যাখ্যা
• ইমেইল ফাইল সংরক্ষণের জন্য সাধারণত .msg, .pst, এবং .ost ফাইল এক্সটেনশনগুলি ব্যবহার করা হয়। .msg ফাইল এক্সটেনশনটি একটি পৃথক ইমেইল মেসেজ সংরক্ষণ করে, যা মাইক্রোসফট আউটলুকে ব্যবহৃত হয়। .pst (Personal Storage Table) এবং .ost (Offline Storage Table) ফাইল দুটি মাইক্রোসফট আউটলুকে ইমেইল, ক্যালেন্ডার, কন্টাক্টস ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, .txt ফাইল এক্সটেনশন সাধারণত সাধারণ টেক্সট ডকুমেন্ট সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ইমেইল ফাইল হিসেবে নয়। তাই, .txt ফাইল এক্সটেনশনটি ইমেইল ফাইল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।


• ই-মেইল: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 ও IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

• ইমেইল ফাইল এক্সটেনশনমূহ:
.email - Outlook Express e-mail message file.
.eml - E-mail message file from multiple e-mail clients, including Gmail.
.emlx - Apple Mail e-mail file.
.msg - Microsoft Outlook e-mail message file.
.oft - Microsoft Outlook e-mail template file.
.ost - Microsoft Outlook offline e-mail storage file.
.pst - Microsoft Outlook e-mail storage file.
.vcf - E-mail contact file.

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫৫.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Ctrl + home কী বোর্ড কমান্ড দিলে কার্সর (cursor) কোথায় যাবে?
  1. বর্তমান পৃষ্ঠার শুরুতে
  2. পূর্ববর্তী পৃষ্ঠার শুরুতে
  3. পূর্ববর্তী লাইনে
  4. ডকুমেন্টের শুরুতে
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারে কোন ডকুমেন্টের প্রথমে বা শুরুতে কার্সর নিয়ে যাওয়ার জন্যে Ctrl Home চাপতে হয়। 
- ডকুমেন্টের শেষে কার্সর নিয়ে যাওয়ার জন্যে Ctrl End চাপতে হয়। 
- আর লাইনের শুরুতে এবং শেষে কার্সর নিয়ে যাওয়ার জন্যে যথাক্রমে Home এবং End চাপতে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
৩,৯৫৬.
বুলিয়ান আলজেবরার কোন উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + 1 = 1
  2. খ) A + A' = 1
  3. গ) A + A = A
  4. ঘ) A + 0 = 0
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান উপপাদ্য:
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৯৫৭.
ফিশিং আক্রমণের ফলে কোন ক্ষতি হতে পারে?
  1. কম্পিউটার ধীর হয়ে যাওয়া
  2. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়া
  3. ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য চুরি হয়ে যাওয়া
  4. ইমেল পাঠানো বন্ধ হয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা
• ফিশিং:
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং তারপর ব্যবহারকারীর অ্যাকসেস কোড, পিন নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক একাউন্ট নম্বরের মতাে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• প্রতিনিয়ত সংঘটিত হওয়া আরও কিছু সাইবার অপরাধ:
• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯৫৮.
নিম্নের কোনটি Super Computer এর উদাহরণ?
  1. IBM 486
  2. NOVA 3
  3. IBM 4341
  4. CRAY-1
ব্যাখ্যা
CRAY-1 হচ্ছে একটি Super Computer। 

• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫৯.
এম এস এক্সিস একটি -
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং প্যাকেজ
  2. স্প্রেডশিট প্যাকেজ
  3. ডাটাবেজ প্যাকেজ
  4. গ্রাফিক্স প্যাকেজ
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট এক্সিস হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের একটি জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম। ১৯৯৩ সলের গোড়ার দিকে মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন এই সফটওয়্যারটি বাজারজাত করে।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
৩,৯৬০.
আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার কয়টি পদ্ধতি আছে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত।
- এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: C0.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ:11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৬১.
পপ আপ মেসেজ-এর মাধ্যমে সিস্টেমে অকেজো সফটওয়‍্যার ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়াকে কী বলে?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. স্পাইওয়‍্যার
  3. স্কেয়ারওয়‍্যার
  4. র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা
• স্কেয়ারওয়‍্যার (Scareware):
- স্কেয়ারওয়‍্যার হলো এক ধরনের হুমকি যেখানে পপ আপ মেসেজ-এর মাধ্যমে সিস্টেমে অকেজো সফটওয়‍্যার ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
- স্কেয়ারওয়্যারের মূল লক্ষ্য ব্যবহারকারী বা ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করা এবং অপ্রাসঙ্গিক সফটওয়্যার ডাউনলোড করার জন্য তাদের উস্কে দেওয়া।
- এখানে পপ-আপ ডায়ালগটিকে একটি সিস্টেম ডায়ালগ মতোই দেখায়, কিন্তু তারা সেই হিসাবে এক নয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware).
- স্পাইওয়‍্যার হলো একটি সফটওয়‍্যার যা গোপন এজেন্টের মতো কাজ করে। গুপ্তচরবৃত্তির মূল লক্ষ্য হল ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ব্যবহারকারীর অজান্তে তথ্য সংগ্রহ করা।
- র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের হুমকি, যার ফলে আক্রমণকারীরা সিস্টেমে ব্যবহারকারীদের ঢুকতে বাধা দেয় এবং তারপরে এই সীমাবদ্ধতা অপসারণের জন্য কিছু পরিমাণ অর্থ দাবি করে। 

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৬২.
META-র অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. Instagram
  2. WhatsApp
  3. Facebook
  4. LinkedIn
ব্যাখ্যা
• LinkedIn মাইক্রোসফটের অধীনস্ত।

• Meta/Facebook:

- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ। (তথ্য: ৫ মার্চ, ২০২৫ পর্যন্ত)।

- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। 
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৬৩.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. অক্টাল
  2. বাইনারি
  3. ডেসিমেল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাইনারি: বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

অক্টাল: বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

ডেসিমেল: বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

হেক্সাডেসিমেল: বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
৩,৯৬৪.
HTTPS প্রোটোকল কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য
  2. ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে তথ্য স্থানান্তর সুরক্ষিত রাখার জন্য
  3. ওয়েবসাইট দ্রুত লোড করার জন্য
  4. ব্রাউজার আপডেট করার জন্য
ব্যাখ্যা

HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন-লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।

HTTPS:
 - https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hyper Text Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন-লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।
- ই-কমার্সে যখন গ্রাহক অনলাইনে টাকা পরিশোধ করেন বা ব্যক্তিগত তথ্য (পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর ইত্যাদি) দেন, তখন সেই ডেটাকে সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য ব্যবহৃত হয় HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure). 
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

৩,৯৬৫.
কোন ট্যাগ দিয়ে HTML-এ একটি সংখ্যাযুক্ত লিস্ট কিভাবে তৈরি করবেন?
  1. <ol>
  2. <dl>
  3. <list>
  4. <ul>
ব্যাখ্যা

• HTML:
- 'HTML' এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।

- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।


• HTML-এ একটি সংখ্যাযুক্ত লিস্ট তৈরি করতে আমরা <ol> ট্যাগ ব্যবহার করি।

নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

HTML লিস্টের প্রকার:

(1)সংখ্যাযুক্ত লিস্ট (Ordered List):

এটি একটি তালিকা যেখানে প্রতিটি আইটেম একটি নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো থাকে, সাধারণত সংখ্যা বা অক্ষরের মাধ্যমে।

ট্যাগ: <ol>

উদাহরণ:

<ol>
<li>প্রথম আইটেম</li>
<li>দ্বিতীয় আইটেম</li>
<li>তৃতীয় আইটেম</li>
</ol>
এখানে <li> (list item) ট্যাগ ব্যবহার করে তালিকার আইটেমগুলি প্রদর্শন করা হয়।

(2) অনির্দিষ্ট লিস্ট (Unordered List):

এটি একটি তালিকা যেখানে আইটেমগুলির মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ক্রম নেই, প্রতিটি আইটেম একটি বুলেট পয়েন্ট দ্বারা চিহ্নিত হয়।

ট্যাগ: <ul>

(3) ডেস্ক্রিপশন লিস্ট (Description List):

এটি সাধারণত টার্ম এবং তার বর্ণনা বা সংজ্ঞা প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ট্যাগ: <dl>

প্রশ্নের উত্তর:
কোন ট্যাগ দিয়ে HTML-এ একটি সংখ্যাযুক্ত লিস্ট তৈরি করবেন?

সঠিক উত্তর: ক) <ol>

সূত্র: w3schools.com

৩,৯৬৬.
সার্ভার থেকে তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে কী অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়?
  1. ক) ওয়েবসাইট
  2. খ) ক্লাইন্ট অপটিমাইজার
  3. গ) ডাটাবেজ
  4. ঘ) ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা
WWW⇒ (World Wide Web) 
ওয়েব এমন একটি সিস্টেম, যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সংরক্ষিত থাকে।
সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য (টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে পারে।

এসব তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে

বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো:
ইন্টারনেট এক্সপ্লোয়ার
মজিলা ফায়ারফক্স
নেটস্কেপ নেভিগেটর, ইত্যাদি।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয়েছে ১৯৮৯ সালে।

ওয়েবসাইট: সার্ভারে রাখা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ওয়েবপেজ গুলোকে ওয়েবসাইট বলে। ওয়েবসাইট ব্যবহার করতেও ওয়েব ব্রাউজার প্রয়োজন।

ডাটাবেজ: কোন কম্পিউটার সিস্টেমে সঞ্চিত উপাত্ত বা রেকর্ডসমূহের একটি কাঠামোবদ্ধ সংগ্রহকে ডাটাবেজ বলে।

উৎস: BBA (মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা)
৩,৯৬৭.
কোন সংস্থা জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করেছে?
  1. Intel
  2. Google
  3. Oracle
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করা হয়েছিল Sun Microsystems সংস্থার দ্বারা, যা পরে Oracle Corporation দ্বারা অধিগ্রহণ করা হয়। এটি মূলত ওবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের সুবিধা দেয়। জাভা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ (platform-independent) হওয়ায় “Write Once, Run Anywhere” নীতি অনুসরণ করে, অর্থাৎ একবার কোড লেখা হলে তা যেকোনো কম্পিউটারে চালানো যায়। এটি ইন্টারনেট ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, মোবাইল অ্যাপ, এবং বড় সফটওয়্যার সিস্টেম তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। জাভার স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা, এবং বড় কমিউনিটি সমর্থনের কারণে এটি আজও সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে একটি। 
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) Oracle.

• জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রামগুলোর এক্সটেনশন হিসেবে সাধারণত .java ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• Microsoft:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.

• Intel:
- এটি পৃথিবীর প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩,৯৬৮.
WWW এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) World Wide Weber
  2. খ) World Wide Wave
  3. গ) World Wide Web
  4. ঘ) World Web Wide
ব্যাখ্যা
WWW এর পূর্ণরূপ World Wide Web। টিম বার্নার্স লি কে এটির প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
এটি ইন্টারনেটের একটি অংশ।
এর সাহায্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের সকল তথ্য উপাত্ত খোঁজা হয়।
www এর প্রথম ডেভেলপমেন্ট সুইজারল্যান্ড এ হয়।
৩,৯৬৯.
RAID 1 কী ধরনের স্টোরেজ সিস্টেম নির্দেশ করে? 
  1. Striping
  2. Mirroring
  3. Parity
  4. Backup
ব্যাখ্যা

• RAID 1 হলো একটি স্টোরেজ সিস্টেম কনফিগারেশন যা মিররিং (Mirroring) পদ্ধতি ব্যবহার করে।

- মিররিং অর্থ হলো একই ডাটা একাধিক ড্রাইভে সংরক্ষণ করা।
- এতে প্রধান উদ্দেশ্য হলো ডাটার নিরাপত্তা এবং হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ক্ষেত্রে রিকভারি সহজ করা।

• কাজের পদ্ধতি:
- যখন একটি ফাইল সিস্টেমে লেখা হয়, তখন RAID 1 সেটআপে প্রতিটি ডাটা একসাথে দুটি বা ততোধিক ড্রাইভে লিখিত হয়। প্রতিটি ড্রাইভে ডাটার একই কপি থাকে।
- কোনো একটি ড্রাইভ ব্যর্থ হলে, সিস্টেম অন্য ড্রাইভ থেকে ডাটা পড়তে পারে, ফলে ডাটা লস হয় না।

• উপকারিতা:
- ডাটা নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়।
- হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ক্ষেত্রে দ্রুত রিকভারি সম্ভব।
- সিস্টেম ডাউনটাইম কমে।

• সীমাবদ্ধতা:
- স্টোরেজের কার্যকর ক্ষমতা মাত্র ৫০% হয় (যদি দুইটি ড্রাইভ ব্যবহার হয়, একটি ড্রাইভ ব্যাকআপ হিসেবে থাকে)।
- খরচ বেশি, কারণ প্রতিটি ডাটার জন্য অতিরিক্ত ড্রাইভ প্রয়োজন।

• RAID 1 এবং অন্যান্য RAID টাইপের পার্থক্য:
- RAID 0 (Striping): ডাটাকে ভাগ করে একাধিক ড্রাইভে লেখা হয়, কোনো ব্যাকআপ নেই।
- RAID 5/6 (Parity): ডাটা এবং parity তথ্য ভাগ করে লিখিত হয়, ব্যর্থতা সহ্য করতে পারে কিন্তু মিররিং নয়।

তথ্যসূত্র:
- Oracle এর অফিশিয়াল ওয়েব সাইট।
- Geeksforgeeks ওয়েব সাইট।

৩,৯৭০.
ডকুমেন্টের জন্য কোন OCR ফরম্যাটটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. GIF
  2. MP3
  3. JPEG
  4. PDF
ব্যাখ্যা

• ডকুমেন্টের জন্য OCR (Optical Character Recognition) ফরম্যাট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় PDF। কারণ PDF ফরম্যাটে লেখা, ছবি ও লেআউট একসাথে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যায়। OCR করা হলে স্ক্যান করা ডকুমেন্টের ছবি থেকে লেখা শনাক্ত করে সেটিকে সার্চযোগ্য ও এডিটযোগ্য করা সম্ভব হয়, যা PDF ফাইলে খুব কার্যকরভাবে কাজ করে। অফিসিয়াল নথি, বই, রিপোর্ট ও একাডেমিক ডকুমেন্ট সংরক্ষণে PDF সবচেয়ে জনপ্রিয়। অন্যদিকে GIF ও JPEG মূলত ছবি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং MP3 অডিও ফরম্যাট, যা OCR-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) PDF.


• অপশন আলোচনা: 
​ক) GIF – সাধারণত ছবি বা অ্যানিমেশন ফাইলের জন্য ব্যবহৃত।
খ) MP3 – অডিও ফাইল ফরম্যাট।
গ) JPEG – ছবির ফরম্যাট।
ঘ) PDF – সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত OCR ফরম্যাট, কারণ এটি স্ক্যান করা ডকুমেন্ট এবং টেক্সট উভয়কে সাপোর্ট করে।

​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধু ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৭১.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে প্রিপেইড সিস্টেমের প্রবর্তন হয়?
  1. 1G
  2. 2G
  3. 3G
  4. 5G
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের দ্বিতীয় প্রজন্মে প্রিপেইড সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩,৯৭২.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. Sybase
  2. Informix
  3. Norton
  4. MySQL
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস:
 
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলোঃ
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
 
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৭৩.
নিচের কোনটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর উদাহরণ নয়?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. Microsoft Access
  4. HBase 
ব্যাখ্যা

• HBase হলো একটি NoSQL ডাটাবেস।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।

৩,৯৭৪.
টেক্সট বেজড কনটেন্ট থাকেনা কোনটিতে?
  1. Instagram
  2. Facebook
  3. X
  4. Linkedin
ব্যাখ্যা
• ইন্সটাগ্রামে টেক্সট বেজড কন্টেন্ট থাকেনা।

- ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
- ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন- কেভিন সাইস্ট্রম, মাইক ক্রিঞ্জার। 
- এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়। 
- আলেক্সা র‍্যাঙ্কিং এ ইন্সটাগ্রাম বিশ্বের ২৬তম বৃহৎ ওয়েবসাইট। (জানুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত)। 
- ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
- বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ মেটার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
 
উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৯৭৫.
যেসব দেশের ভাষা প্রকাশে ৮ বিটের অধিক কোড দরকার হয়, সেগুলোর জন্য কোন কোড ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যাসকি কোড
  2. ইউনিকোড
  3. ইবিসিডিক কোড
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• যেসব দেশের ভাষা প্রকাশে ৮ বিটের অধিক কোড দরকার হয়, সেগুলোর জন্য ইউনিকোড (Unicode) ব্যবহার করা হয়। অ্যাসকি (ASCII) এবং ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড ৭ বা ৮ বিটের সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ, যা কেবল ইংরেজি বর্ণমালা ও কিছু নির্দিষ্ট চিহ্ন প্রকাশ করতে সক্ষম। কিন্তু চীনা, জাপানি, বাংলা, হিন্দি, আরবি ইত্যাদি ভাষার অক্ষর ও চিহ্নগুলো প্রকাশের জন্য হাজার হাজার ভিন্ন কোড দরকার হয়। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড, যা ১৬, ২৪ বা ৩২ বিট পর্যন্ত সমর্থন করে এবং প্রায় সব ভাষার অক্ষর, সংকেত ও প্রতীক সমর্থন করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ইউনিকোড।

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড ১৬ বিট বিশিষ্ট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,536 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- ফলে যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে 8 বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয়, সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৭৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন?
  1. ক) পিপীলিকা
  2. খ) চরকি
  3. গ) খোঁজো
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
নিজের ভাষায় তথ্য খোঁজার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আছে নিজেদের সার্চ ইঞ্জিন। বাংলায় তথ্য ও বাংলাদেশি বিষয় খোঁজার সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশি দুটি সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে ইন্টারনেটে। ‘বাংলাদেশকে খোঁজো’ স্লোগান নিয়ে এপ্রিলে চালু হয়েছে বাংলাদেশি সার্চ ইঞ্জিন চরকি (www.chorki.com) । এর আগে ২০১৩ সালে চালু হয় পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের আরেকটি সার্চ ইঞ্জিন। অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলেও আছে বাংলা ভাষায় তথ্য খোঁজার সুবিধা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো
৩,৯৭৭.
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে কোড ব্যবস্থাপনা এবং একাধিক ডেভেলপারের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম কোনটি?
  1. গিটহাব
  2. ওরাকল ডাটাবেজ
  3. লিনাক্স ওএস
  4. ওয়ার্ডপ্রেস
ব্যাখ্যা

• গিটহাব (GitHub) হলো একটি ক্লাউড-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম যা কোড সংরক্ষণ ও ভার্সন নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত 'Git' প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একাধিক ডেভেলপারকে একই প্রজেক্টে কাজ করার সুবিধা প্রদান করে। এর ফলে কোডের পরিবর্তনগুলো সহজেই ট্র্যাক করা এবং অন্যদের সাথে শেয়ার করা সম্ভব হয়। 
- সঠিক উত্তর: ক) গিটহাব।

• GitHub:
- GitHub হলো একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের তাদের প্রোগ্রামিং কোড অনলাইনে শেয়ার, এডিট এবং সংরক্ষণ করার সুযোগ দেয়।
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য।
- GitHub-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্সন কন্ট্রোল, সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট, এবং রিভিশন কন্ট্রোল।
- মাইক্রোসফট জুন ২০১৮-এ GitHub $7.5 বিলিয়ন স্টক অপশন দিয়ে কিনে। কোম্পানিটির  নতুন ফাংশন যোগ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ডেভেলপারদের প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে উৎসাহিত করে GitHub-কে আরও জনপ্রিয় করেছে।
- GitHub সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রধান ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যক্তিগত ও কোম্পানির উভয় ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যেমন Microsoft, Netflix, এবং Google।
- Fortune 100 কোম্পানির প্রায় ৯০% এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৯৭৮.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন ধরণের 'কী' নির্দেশ করা হয়েছে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. কম্পোজিট কী
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. প্রাইমারি কী (Primary Key)
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key)
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে। 

৩. ফরেন কী (Foreign Key)
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন  কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৭৯.
সফটওয়‍্যারে ভুল সংশোধনের প্রক্রিয়াকে কি বলে?
  1. Refactoring
  2. Compiling
  3. Debugging
  4. Encrypting
ব্যাখ্যা
• ডিবাগিং: 
- প্রোগ্রামের ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে বলে ডিবাগিং।
- 1945 সালে মার্ক 1 কম্পিউটারটির ভিতরে একটি মথপোকা ঢোকায় কম্পিউটারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ থেকেই ডিবাগিং কথাটির উৎপত্তি।
- সব ভুলত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোন প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।
- ডিবাগিং এর জন্য প্রথমে প্রোগ্রামের আগাগোড়া ভাল করে পরীক্ষা করে দেখা হয়।

- প্রয়োজন হলে কোনো প্রোগ্রামিং বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হয়।
- প্রোগ্রামের ছোটখাট ভুল এতেই দূর হয়ে যায়।
- এরপরও যেসব ভুল থেকে যায় সেগুলো দূর করতে হলে প্রথমে সিনট্যাক্স ভুল দূর করে তারপর লজিক ভুল দূর করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯৮০.
V-SAT এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Very Static Aligned Terminal
  2. Very Standard Automobile Terminal
  3. Very Swift Automatic Terminal
  4. Very Small Aperture Terminal
ব্যাখ্যা
♦ ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’ 
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।

• Very Small Aperture Terminal (V-SAT): 
- খুব ছোট আকারের সংযোগযন্ত্র যা দ্বিমুখী ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে ।
- এর থালা আকৃতির অ্যান্টেনার ব্যাস ৩ মিটারের কম হয়।
- এটি বেশি ব্যবহার হয় বিক্রয়কেন্দ্রে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত আদান-প্রদানের জন্য।
- দুর্গম ও গ্রাম এলাকায় ইন্টারনেট সেবা দিতে সক্ষম।
- তথ্য গ্রহণ, টেলিভিশনে সম্প্রচার ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগে ভূমিকা রাখে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. বাংলাপিডিয়া।
৩,৯৮১.
'Safari' এক ধরনের -
  1. ক) প্রোটোকল
  2. খ) ওয়েব ব্রাউজার
  3. গ) ওয়েব সার্ভার
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• Safari একটি ওয়েব ব্রাউজার।

- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।   
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- সাফারি হল অ্যাপলের মালিকানাধীন ওয়েব ব্রাউজার। 

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- 
- Google Chrome 
- Mozilla Firefox
- Safari 
- Opera 
- Microsoft Edge 
- Maxthon 
- Brave
- UC Browser 
 
সূত্র: Apple Website
৩,৯৮২.
'অ্যাকিউমুলেটর' এক ধরনের -
  1. ক) বায়োস
  2. খ) বাস
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) ইনপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়। 

কম্পিউটারে ব্যবহৃত রেজিস্টারকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। সাধারণ রেজিস্টার 
২। বিশেষ রেজিস্টার 

সাধারণ রেজিস্টার
সাধারণত প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় ডেটা এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল সাধারণ রেজিস্টারে জমা থাকে। সাধারণ রেজিস্টারে ডেটা বিনিময়ের গতি প্রধান মেমরির চেয়ে অনেক বেশি। তাই সাধারণ রেজিস্টারের সংখ্যা বেশি থাকলে প্রক্রিয়াকরণের কাজ দ্রুততর হয়। সা

বিশেষ রেজিস্টার
কিছু কিছু রেজিস্টারকে মাইক্রোপ্রসেসর নিজে ব্যবহার করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে। অর্থাৎ শুধুমাত্র প্রসেসরের নির্দেশিত কাজ ব্যতীত অন্য কোনো কাজ সম্পাদন করতে পারে না। এ জাতীয় রেজিস্টারসমূকে বিশেষ রেজিস্টার বলা হয়। যেমন :
১। অ্যাকিউমুলেটর
২। প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার
৩। স্ট্যাক পয়েন্টার রেজিস্টার
৪। সিগমেন্ট রেজিস্টার
৫। ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
৬। ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার
৭। ইনডেক্স রেজিস্টার
৮। মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
৯। মেমরি ডেটা রেজিস্টার ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৯৮৩.
কোনটি এপলের পরিসেবা?
  1. ক) Youtube
  2. খ) Hangouts
  3. গ) Opendoc
  4. ঘ) Picasa
ব্যাখ্যা
Opendoc is a multi-platform software componentry framework standard created by Apple for compound documents, intended as an alternative to Microsoft's Object Linking and Embedding. Rest of them from Google.
৩,৯৮৪.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. Oracle
  2. Foxpro
  3. Ubuntu
  4. Ms Excel
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার -
সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুটআউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রােগ্রাম চালনার জন্য
কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার -
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রােগ্রাম তৈরি করা হয়।
তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রােগ্রাম ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
উদাহারণঃ Ms Word, Ms Excel, Oracle, Foxpro, Informix, Adobe Photoshop ইত্যাদি।


সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৮৫.
সাধারণত SATA কেবল কোন ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগের জন্য ব্যবহার করা হয়?
  1. সিপিইউ এবং র‍্যাম
  2. মাদারবোর্ড এবং জিপিইউ
  3. হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডে
  4. পাওয়ার সাপ্লাই থেকে মাদারবোর্ডে
ব্যাখ্যা
• সাধারণত SATA (Serial ATA) কেবল ব্যবহার করা হয় হার্ড ড্রাইভ এবং এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার করার জন্য। SATA কেবল একটি দ্রুত এবং দক্ষ ইন্টারফেস প্রদান করে, যা স্টোরেজ ডিভাইসগুলোর তথ্য মাদারবোর্ডে পাঠাতে সাহায্য করে, ফলে কম্পিউটারের ডেটা রিড এবং রাইট স্পিড বৃদ্ধি পায়। এটি সিপিইউ, র‍্যাম বা পাওয়ার সাপ্লাইয়ের সঙ্গে সংযোগের কাজে ব্যবহৃত হয় না। SATA কেবল মূলত স্টোরেজ ডিভাইসের জন্য বিশেষায়িত, যা কম্পিউটারের পারফরম্যান্স উন্নত করে এবং সিস্টেমের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। তাই সঠিক উত্তর হলো: হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডে।

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:
- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং 
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ। 

• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)। 
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
৩,৯৮৬.
IPv6 কীভাবে IPv4 এর তুলনায় ব্রডকাস্ট ট্রাফিক পরিচালনা করে?
  1.  IPv4-এর মতো একই ব্রডকাস্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে
  2. ব্রডকাস্ট সমর্থন করে না, মাল্টিকাস্ট ব্যবহার করে
  3. ব্রডকাস্টের জন্য ইউনিকাস্ট ব্যবহার করে
  4. BroadIPv6 নামে নতুন প্রোটোকল ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা

• IPv6, IPv4-এর মতো ব্রডকাস্ট ট্রাফিক সমর্থন করে না; বরং এটি মাল্টিকাস্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে একই কাজ আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করে। IPv4-এ ব্রডকাস্ট ব্যবহারের ফলে নেটওয়ার্কের সব ডিভাইসে অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিক পৌঁছে যায়, যা ব্যান্ডউইথ নষ্ট করে। এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য IPv6 ব্রডকাস্ট সম্পূর্ণভাবে বাদ দিয়েছে। এর পরিবর্তে মাল্টিকাস্ট ব্যবহার করা হয়, যেখানে নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের ডিভাইসই কেবল বার্তাটি গ্রহণ করে। ফলে নেটওয়ার্ক আরও দক্ষ, দ্রুত এবং স্কেলযোগ্য হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ব্রডকাস্ট সমর্থন করে না, মাল্টিকাস্ট ব্যবহার করে।

• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৮৭.
ATM ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) এমবেডেড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ বিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্‌, ATM প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
৩,৯৮৮.
The first microprocessor built by the Intel Corpn. was called
  1. ক) 8008
  2. খ) 8080
  3. গ) 4004
  4. ঘ) 8800
ব্যাখ্যা
The Intel 4004 is a 4-bit central processing unit (CPU) released by Intel Corporation in 1971. It was the first commercially available microprocessor by Intel, and the first in a long line of Intel CPUs.
Source: www.intel.com/content/
৩,৯৮৯.
নিচের কোনটি CPU এর অংশ নয়?
  1. HDMI
  2. Register
  3. ALU
  4. Control Unit
ব্যাখ্যা
CPU:
- CPU এর পূর্বরূপ Central Processing Unit. 
- কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয় CPU কে। 
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে। 
- CPU ই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক। 
 CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা:-
  1. ALU (Arithmetic Logic Unit), 
  2. Control Unit, 
  3. Memory/Register. 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩,৯৯০.
What layout is used to organize a PowerPoint presentation?
  1. Page
  2. Tab
  3. Slide
  4. Chart
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Slide

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট
- মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট হলো একটি ভার্চুয়াল প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, যা রবার্ট গ্যাসকিনস এবং ডেনিস অস্টিন ফোরথট ইনক.-এর জন্য তৈরি করেছিলেন।
- ১৯৮৭ সালের জুলাই মাসে, মাইক্রোসফট কর্পোরেশন ১৪ মিলিয়ন ডলারে পাওয়ারপয়েন্টের স্বত্ব কিনে নেয়।
- পাওয়ারপয়েন্ট মূলত ব্যবসায়িক পরিবেশে দলীয় উপস্থাপনা সহজতর করার জন্য দৃশ্যমান প্রদর্শনী তৈরির উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়।
- উপস্থাপনাগুলো সাজানো হয় একাধিক স্লাইড দিয়ে, যেখানে ছবি, লেখা বা অন্যান্য অবজেক্ট থাকতে পারে।
- ভার্সন ১.০ ব্যবহারকারীদের টেক্সট ও গ্রাফিক্স পেজ তৈরি করার সুযোগ দেয়, যা সাদা-কালো হ্যান্ডআউট, নোট এবং ওভারহেড ট্রান্সপারেন্সি আকারে ব্যবহৃত হত।
- ১৯৯২ সালে প্রকাশিত ভার্সন ৩.০-তে প্রথমবার চালু হয় আজকের মানসম্মত ভার্চুয়াল স্লাইডশো।
- প্রথমে পাওয়ারপয়েন্ট কেবল ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি হলেও, পরবর্তীতে এটি বিদ্যালয়, কমিউনিটি সংগঠনসহ নানা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৩,৯৯১.
চিকিৎসাক্ষেত্রে কম্পিউটার ও প্রযুক্তি ব্যবহারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) Diagnostics
  2. খ) EHR
  3. গ) Telemedicine
  4. ঘ) VR
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাক্ষেত্রে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের কিছু উদাহরণ নিম্নরুপ:

রোগ নির্ণয় (Diagnostics): সঠিক চিকিৎসার পূর্ব শর্ত হল যথাযথভাবে রোগীর রোগ নির্ণয়। রোগীর রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন মেশিন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত। প্রতিনিয়ত গবেষণা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের এই সকল যন্ত্রপাতির উন্নয়ন সাধন করা হয়েছে। ফলে এই সকল যন্ত্রপাতি নির্ভুলভাবে সুক্ষ্ণ ফলাফল দিতে সক্ষম।

ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড (Electronic Health Records-EHR): ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড বা EHR হল কোন রোগী বা জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়মমাফিক সংগ্রহের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্যের সমাবেশ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন রোগীর বিভিন্ন সময়ে প্রাপ্ত তার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যাবলী ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা যায়। ডেটাবেজে সংরক্ষিত রোগীর তথ্যাবলী বিশ্লেষণ করে রোগীর রোগ নির্ণয় সহজতর হয়। আধুনিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধারণত তাদের রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে। যেমন অ্যাপোলো হসপিটাল ও স্কয়ার হসপিটাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের একটি আইডি কার্ড রেজিস্ট্রেশন করে থাকে। রোগীদের আইডি নম্বরের বিপরীতে তার সকল তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ করে। ইন্টারনেটে মাধ্যমে রোগী যে কোন জায়গা থেকে তার তথ্যাদির সত্যতা ও বৈধতা যাচাইপূর্বক আপডেট ও ব্যবহার করতে পারেন।

টেলিমেডিসিন (Telemedicine): তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন ভৌগলিক ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, বিশেষায়িত নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সমন্বয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।

--------------------------------
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ। অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৯৯২.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. ক) Norton
  2. খ) Microsoft Defender
  3. গ) McAfee
  4. ঘ) Redis
ব্যাখ্যা
Redis হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।
- Norton, Microsoft Defender, McAfee হচ্ছে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। 
- উদাহরণ: MySQL, Oracle, PostgreSQL, Microsoft SQL Server, MongoDB, Redis ইত্যাদি।

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে অ্যান্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রাম গুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- উদাহরণ: Norton, Microsoft Defender, McAfee ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৯৩.
কোন হার্ডওয়্যার ডিভাইসটি দ্বারা ব্যবহারকারী স্ক্রিনে গ্রাফিক্সে ক্লিক, নির্দেশ প্রদান এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে?
  1. RAM
  2. CPU
  3. Hard Drive
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারী স্ক্রিনে গ্রাফিক্সে ক্লিক, নির্দেশ প্রদান এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে মাউস (Mouse) দ্বারা। মাউস একটি ইনপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ সহজ করে। এটি সাধারণত স্ক্রিনে কার্সরের গতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেসে (GUI) বিভিন্ন আইকন, বাটন, মেনু ইত্যাদিতে ক্লিক করে বিভিন্ন কমান্ড প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারী ডান বা বাম বোতাম চেপে, ডাবল ক্লিক বা ড্র্যাগ করে নানা রকম নির্দেশ পাঠাতে পারে। RAM, CPU এবং Hard Drive মূলত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত হলেও, মাউস সরাসরি ব্যবহারকারীর ইনপুট প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) Mouse.

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- হার্ডওয়‍্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে।

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ:
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- মাইক্রোপ্রসেসর,
- মাদারবোর্ড,
- ডিস্ক,
- ডিস্ক ড্রাইভ,
- মনিটর,
- প্রিন্টার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে থাকে ৫টি অংশ। যথা:
১. ইনপুট হার্ডওয়্যার (Input Hardware),
২. প্রসেসিং হার্ডওয়্যার (Processing Hardware),
৩. স্টোরেজ হার্ডওয়‍্যার (Storage Hardware),
৪. আউটপুট হার্ডওয়্যার (Output Hardware),
৫. কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার (Communication Hardware) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৯৪.
'WWW' এর জনক হিসেবে পরিচিত ব্যক্তি কে?
  1. লেরি পেইজ
  2. টিম বার্নাস লি
  3. মার্টিন কুপার
  4. ভন নিউম্যান
ব্যাখ্যা
• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- WWW (World Wide Web) হলো পৃথিবীর প্রথম ব্রাউজার।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
৩,৯৯৫.
ISDN কী ধরনের তথ্য একসাথে ট্রান্সমিট করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ভিডিও
  2. শুধুমাত্র ডেটা
  3. ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
  4. শুধুমাত্র ভয়েস
ব্যাখ্যা

• ISDN (Integrated Services Digital Network) হল একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যা একই সময়ে একাধিক ধরনের তথ্য স্থানান্তর করতে সক্ষম। এটি মূলত ভয়েস, ভিডিও এবং ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ISDN একটি লাইন ব্যবহার করে কেবল ভয়েস নয়, বরং ডেটা এবং ভিডিও সিগন্যালও একসাথে প্রেরণ করতে পারে, ফলে আলাদা লাইন ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না। উদাহরণস্বরূপ, একই সময়ে কেউ ফোনে কথা বলার পাশাপাশি ইন্টারনেটে ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে। তাই ISDN শুধুমাত্র ভয়েস বা শুধুমাত্র ডেটার জন্য সীমাবদ্ধ নয়; এটি ভয়েস এবং ডেটা একসাথে প্রেরণের সুবিধা দেয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) ভয়েস এবং ডেটা একসাথে।

 
 • ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৯৬.
অপটিক্যাল ফাইবার কোন ধরনের সিগন্যাল ট্রান্সমিট করে?
  1. সাউন্ড
  2. ইলেকট্রিক
  3. লাইট
  4. ম্যাগনেটিক
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবারের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হলো যে, এটি ইলেকট্রিক সিগন্যালের পরিবর্তে আলোক বা লাইট সিগন্যাল ট্রান্সমিট করে৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৯৯৭.
কোন প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক স্যাটেলাইটের ইন্টারনেট সেবা পরিচালনা করে?
  1. SpaceX
  2. NASA
  3. Blue Origin
  4. Space
ব্যাখ্যা

• স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে প্রতিষ্ঠান হলো SpaceX. SpaceX একটি আমেরিকান মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি, যা এলন মাস্ক প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই কোম্পানি বিশ্বব্যাপী দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে স্টারলিংক প্রকল্প শুরু করে। স্টারলিংক একটি উপগ্রহ নেটওয়ার্ক যা হাজার হাজার ছোট স্যাটেলাইটকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করে, যাদের মাধ্যমে বিশ্বের দূরবর্তী এবং কম পরিষেবা প্রাপ্ত এলাকায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া হয়। এই স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা গ্রাহকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, বিশেষ করে যেখানে প্রচলিত ব্রডব্যান্ড সহজলভ্য নয়। তাই স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবার মূল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হল SpaceX.

• স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা:
- প্রথম উপগ্রহটি ২০১৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
- ২০২০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল।
- এবং এরপর থেকে এটি ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে আসছে।
- স্টারলিংক একটি উপগ্রহ-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা যা স্পেসএক্স দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্টারলিংক সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ১৫০ মেগাবিট পর্যন্ত ডাউনলোড গতি।

উৎস: Britannica.

৩,৯৯৮.
যোগাযোগ প্রক্রিয়ায় প্রাপক যন্ত্র হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. মডেম
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের উপাদান: 
- কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একস্থান হতে অন্যস্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে ডেটা বা তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব। 
- এই যোগাযোগ প্রক্রিয়ার পাঁচটি মৌলিক উপাদান হলো- 
১। উৎস (Source), 
২। প্রেরক (Transmitter / Sender), 
৩। কমিউনিকেশন চ্যানেল বা মাধ্যম (Medium), 
৪। গ্রাহক বা প্রাপক (Receiver) ও 
৫। গন্তব্য (Destination)। 

গ্রাহক বা প্রাপক (Receiver): 
- কমিউনিকেশনের মাধ্যমে ডেটা যার কাছে পাঠানো হয় তাকে গ্রাহক বা প্রাপক বলে। 
যেমন-মডেম প্রাপক যন্ত্র হিসেবে কাজ করে। 
- গ্রাহক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩,৯৯৯.
Firewall ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. হার্ডডিস্ক রক্ষণাবেক্ষণ
  2. ভাইরাস তৈরিতে সহায়তা
  3. অবাঞ্ছিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ
  4. ডেটা কমপ্রেশন
ব্যাখ্যা

◉ ফায়ারওয়াল একটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেম যা অননুমোদিত অ্যাক্সেস এবং সাইবার হুমকি থেকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে রক্ষা করে।

ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০০০.
.int ডোমেইনটি সাধারণত কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান
  2. নেটওয়ার্ক সার্ভিস
  3. মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য
  4. আন্তর্জাতিক সংস্থা
ব্যাখ্যা
- বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জেনেরিক ডোমেইন: .com
- নেটওয়ার্ক সার্ভিস এর জন্য জেনেরিক ডোমেইন: .net
- মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য ব্যাবহৃত জেনেরিক ডোমেইন: .mil
- আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্য ব্যাবহৃত জেনেরিক ডোমেইন: .int

উৎস: Internet Assigned Numbers Authority.