বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা / ১৩১ · ৩০১৪০০ / ১৩,০৮৮

৩০১.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা বিশ্লেষণ করে রোগের প্রাদুর্ভাব পূর্বানুমান করা যায়?
  1. Blood test
  2. MRI
  3. CT scan
  4. AI & Big Data
ব্যাখ্যা

• রোগের প্রাদুর্ভাব পূর্বানুমান করতে সবচেয়ে কার্যকর প্রযুক্তি হলো AI & Big Data। আধুনিক যুগে বিশাল পরিমাণ স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট তথ্য যেমন রোগীর ইতিহাস, ভ্যাকসিনেশন, পরিবেশগত ফ্যাক্টর এবং সামাজিক আচরণ সংগ্রহ করা হয়। এই ডেটা বিশ্লেষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিভিন্ন প্যাটার্ন চিহ্নিত করতে পারে এবং সম্ভাব্য রোগের প্রাদুর্ভাব নির্ধারণে সহায়তা করে। অন্যদিকে, Blood test, MRI, বা CT scan শুধুমাত্র ব্যক্তিগত রোগ নির্ণয়ে ব্যবহার হয় এবং বৃহৎ জনসংখ্যার উপর ভিত্তি করে প্রাদুর্ভাব পূর্বানুমান করতে সক্ষম নয়। তাই জনস্বাস্থ্য পর্যায়ে রোগ প্রতিরোধ ও পরিকল্পনার জন্য AI ও Big Data সবচেয়ে কার্যকর প্রযুক্তি।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার: 
- বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। 
- EHR (Electronic Health Record) এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন। 
- সিটিস্ক্যান এর অর্থ (Computed Tomography Scan), চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- রোগীর অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার (যেমন: ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম) ব্যবহার করা হয়  ইত্যাদি। 

অর্থাৎ, চিকিৎসাক্ষেত্রে তথ্য সংরক্ষণ, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী পর্যবেক্ষণ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
- IEEE [link]

৩০২.
নিচের কোনটি anti-virus সফটওয়্যার নয়?
  1. Oracle
  2. McAfee
  3. Norton
  4. Kaspersky
ব্যাখ্যা
• Oracle হলো ডেটাবেজ প্রোগ্রাম।

• Anti-virus সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।

• Anti-virus সফটওয়্যার:
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tools Anti-Virus etc.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩০৩.
এদের মধ্যে কে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সাথে জড়িত না?
  1. ক) উইলিয়াম শকলে
  2. খ) ক্লিফোর্ড বেরি
  3. গ) ওয়াল্টার ব্রাটেইন
  4. ঘ) জন বার্ডিন
ব্যাখ্যা
উইলিয়াম শকলে, ওয়াল্টার ব্রাটেইন, জন বার্ডিন ১৯৪৮ সালে আমেরিকার বেল ল্যাবে ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের জন্য তারা নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। ক্লিফোর্ড ব্যারি এবিসি কম্পিউটার আবিষ্কারের সাথে জড়িত।
Source: Britannica
৩০৪.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার নয় কোনটি?
  1. ABC
  2. IBM 1600
  3. ENIAC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার:
- প্রথম প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল ১৯৪২ হতে ১৯৫৯ পর্যন্ত।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে বায়ুশুন্য টিউব ব্যবহৃত হতো।
- ভারী, সীমিত তথ্যধারণ ক্ষমতা, উত্তাপ সমস্যা ইত্যাদি ছিল এই বায়ুশুন্য টিউবগুলোর বৈশিষ্ট্য।
- এরপর ধীরে ধীরে তথ্যধারণ করার ক্ষেত্রে বায়ুশুন্য টিউব এর পরিবর্তে চৌম্বকধর্মী বস্তু আসতে লাগলো।
- উদাহরণস্বরূপ এবিসি (ABC), এনিয়াক (ENIAC), ইউনিভ্যাক (UNIVAC) ইত্যাদি এই পর্যায়ভুক্ত।

- IBM 1600 দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৫.
HTML এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Hyper Text Markup Language
  2. Hyper Transfer Markup Language
  3. High Text Markup Language
  4. Hyperlink Text Markup Language
ব্যাখ্যা

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
• HTML - Hyper Text Markup Language.
• ATM - Automated Teller Machine.
• WAN - Wide Area Network.
• MIMD - Multiple Instruction Multiple Data.
• DBMS - Database Management System.
• CPU - Central Processing Unit.
• RAM - Random Access Memory.
• ROM - Read Only Memory.
• OMR - Optical Mark Recognition.

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।

৩০৬.
নিচের কোনটিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়?
  1. বাস টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. মেশ টপোলজি
ব্যাখ্যা

ট্রি টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজিও বলা হয়।

ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৭.
কোন ই-মেইলে "CC" এর অর্থ কী?
  1. Close Circuit
  2. Carbon Copy
  3. Close Contact 
  4. Close Cope
ব্যাখ্যা

• ইমেইল আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে CC-এর পূর্ণরূপ হলো Carbon Copy (কার্বন কপি)। যখন একই ইমেইল প্রধান প্রাপক (To) ছাড়াও অন্য কাউকে অবগতির জন্য পাঠানো হয়, তখন তাদের ঠিকানা CC ঘরে দেওয়া হয়।

• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
• To:
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

• Cc (Carbon Copy):
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।

• Bcc(Blind carbon copy):
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।

• Attachment:
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৮.
ফ্যাক্স মেশিনের আবিষ্কারক-
  1. স্টিফেনসন
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. আলেকজেন্ডার বেইন
  4. স্যামুয়েল মোর্স
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স মেশিনের আবিষ্কারক হলেন আলেকজেন্ডার বেইন।

• ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

• রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- স্টিফেনসন।
• কম্পিউটারের জনক - চার্লস ব্যাবেজ
• টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক - স্যামুয়েল মোর্স।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩০৯.
যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাকে বলা হয়-
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. অ্যানালগ কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এছাড়া গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১০.
ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি কত সালে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৮৭
  2. খ) ১৯৯৯
  3. গ) ২০০১
  4. ঘ) ২০০৭
ব্যাখ্যা
ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গঠিত হয়। এর পূর্ণরূপ হলো- Worldwide Interoperability for Microwave Access (WiMax). উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩১১.
Which company owns Slack?
  1. Meta
  2. Microsoft
  3. Salesforce
  4. ByteDance
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Salesforce

Slack
- Slack হলো একটি ব্যবসার জন্য মেসেজিং অ্যাপ, যা Salesforce, একটি প্রযুক্তি কোম্পানির মালিকানায় রয়েছে।
- Slack চ্যানেল-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত, যা টিমের মধ্যে যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- Slack-এর প্রিভিউ রিলিজ হয় আগস্ট ২০১৩, এবং এর সরাসরি রিলিজ হয় ফেব্রুয়ারি ২০১৪।
- Salesforce ২০২১ সালে Slack অধিগ্রহণ করে।
- Salesforce জুলাই ২০২১-এ প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলারে Slack Technologies অধিগ্রহণ সম্পন্ন করে।

Salesforce
- Salesforce হলো একটি আমেরিকান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৯৯ সালে Marc Benioff, একজন প্রাক্তন Oracle নির্বাহীর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- Salesforce ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা ম্যানেজমেন্ট সমাধান এবং সফটওয়্যার-অ্যাজ-এ-সার্ভিস (SaaS) সাবস্ক্রিপশন মডেল প্রদান করে Customer Relationship Management (CRM) শিল্পে বিপ্লব ঘটায়।
- Salesforce প্রতিষ্ঠার সময়, ক্লাউড-ভিত্তিক CRM প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হত না, কিন্তু Salesforce নিজেকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে আলাদা করেছিল ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে, যা প্যাকেজড সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার সিস্টেমের বিকল্প হিসেবে কাজ করত।
- ২০০০ সালে, Salesforce তাদের প্রথম ক্লাউড-ভিত্তিক এবং SaaS CRM প্ল্যাটফর্ম চালু করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৩১২.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 
১। প্রথম প্রজন্ম (First Generation-1G: 1979-1990), 
২। দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G: 1991-2000), 
৩। তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008), 
৪। চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation-4G: 2009-2020) এবং 
৫। পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...). 

চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation-4G: 2009-2020): 
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হলো সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার। 
- ফলে LAN, WAN, VoIP, Internet প্রভৃতি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব হচ্ছে। 
- দ্রুত চলনশীল ডিভাইসের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির ডেটা ট্রান্সফার রেট 100 Mbps, ত্রিমাত্রিক এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 Gbps পর্যন্ত হতে পারে। 
- এটি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে। 
- মোবাইল ওয়েব অ্যাকসেস, আই.পি টেলিফোনিং, গেমিং সার্ভিসেস, হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টিভি ইত্যাদি ক্ষেত্রে 4G প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়। 
- এর গতি 3G'র চেয়ে 50 গুণ বেশি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩১৩.
OTP এর মেয়াদ কীভাবে কাজ করে?
  1. OTP ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বৈধ থাকে
  2. OTP কখনও মেয়াদ শেষ হয় না
  3. OTP একটি নির্দিষ্ট সময় পরে অকার্যকর হয়ে যায়
  4. OTP শুধু একবার ব্যবহারের পর পরে পুনরায় ব্যবহার করা যায়
ব্যাখ্যা
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA): 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) হল একটি নিরাপত্তা পদ্ধতি যেখানে ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া, বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে হলে প্রথমে ব্যবহারকারীকে আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হয়, তারপর একটি এককালীন পাসওয়ার্ড (OTP), যা সাধারণত ৬ ডিজিটের হয়, ফোনে বা মেইলে পাঠানো হয়। 
- OTP সঠিকভাবে প্রদান করার পরই অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা সম্ভব হয়, অন্যথায় এটি নিষিদ্ধ থাকে। 
- OTP সীমিত সময়ের জন্য বৈধ থাকে, একবার ব্যবহার করার পর OTP এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং পুনরায় একই OTP ব্যবহার করা যায় না। 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু থাকলে সাইবার অপরাধীদের জন্য কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। 
- সোশ্যাল মিডিয়ার বর্তমান সময়ে ব্যাপক ব্যবহার হওয়া সত্ত্বেও, ব্যবহারকারীকে খুব সতর্ক থাকতে হবে যে কোন ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা যায় এবং কোনগুলো করা উচিত নয়। 
- হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়া আপলোডকৃত কনটেন্টের মাধ্যমে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণা করে অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে, তাই এ বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩১৪.
SSD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Super Storage Device
  2. Solid State Drive
  3. System State Drive
  4. Serial Storage Disk
ব্যাখ্যা

• SSD:

- SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডেটা read ও write করে; ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতিতে কাজ করে।
- SSD-এর ডেটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি; তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। [link]

৩১৫.
কম্পিউটারে ক্লিপবোর্ডের কাজ কি?
  1. টেক্সট ডকুমেন্ট স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. ফাইল সিস্টেমে নতুন ফোল্ডার তৈরি করা
  3. সিস্টেম থেকে ফাইল স্থায়ীভাবে মুছে ফেলা
  4. অস্থায়ীভাবে কপি করা টেক্সট সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
ক্লিপবোর্ড:
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে। 
- ক্লিপবোর্ড র‌্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- তাহলে কম্পিউটারে ক্লিপবোর্ডে প্রধান কাজ হচ্ছে - অস্থায়ীভাবে কপি করা টেক্সট বা ডেটা সংরক্ষণ করা।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেট ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।
- Windows + V কমান্ড দিয়ে ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত ডেটা গুলো দেখা যায়।

figure: Clipboard.

তথ্যসূত্র - Computer Hope Website.
৩১৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের পারঙ্গমতা?
  1. ক) Incredibility
  2. খ) Diligence
  3. গ) Versatility
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
- Incredibility (অসম্ভবকে সম্ভব করা): এয়ারলাইন- রেললাইন বুকিং, ক্রেডিট কার্ড বা স্মার্ট কার্ড ব্যবহার, আবহাওয়া বার্তা, মহাকাশ গবেষণা ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহার ছাড়া সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পাদন করা সম্ভব না।

- Versatility (বহুমুখিতা): মাল্টিটাস্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে কম্পিউটার একই সাথে অনেকগুলো কাজ করতে পারে এবং একই সাথে বহু ব্যবহারকারী ভিন্ন ভিন্ন কাজ করতে পারে।

- Diligence (২৪ ঘন্টা কাজ করা): কম্পিউটারের কোনো ব্রেক দরকার হয় না, একটানা ২৪ ঘন্টা কাজ করতে পারে এমনকি বছরে ৩৬৫ দিনই নিরবিচ্ছিন্নভাবে কম্পিউটার কাজ করতে পারে। কোনো মানুষের পক্ষে এভাবে একটনা কাজ করা সম্ভব না।

উৎস: বাংলাদশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)- শিক্ষক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়েল [bcc.portal.gov.bd]।
৩১৭.
নিচের কোনটি "একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম"?
  1. Computer Programming Language
  2. World Wide Web
  3. Search Engine
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। এ
- সব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোন তথ্য দেখা বা খোঁজাকে ব্রাউজ করা বলা হয়, একে ইন্টারনেট ব্রাউজিংও বলা হয়।
- কোন তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে।
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে।
- সার্চ ইঞ্জিনের ফাইন্ড বক্সে ব্যবহারকারী যা লিখে এন্টার চাপলে সে সম্পর্কিত বিভিন্ন ওয়েবপেজের লিংকের তালিকা প্রদর্শিত হয় ।
বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। যেমন, Yahoo, Google, AltaVista, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৮.
কম্পিউটার ভাইরাসের প্রতিষেধক প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) PC Cillin
  2. খ) Companion
  3. গ) Memory Resident
  4. ঘ) Irina
ব্যাখ্যা

পিসি সিলিন একটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

- কম্পিউটার ভাইরাসের প্রতিষেধক প্রোগ্রামকে এন্টিভাইরাস বলা হয়।
যেমন- Norton Antivirus, IBM Anti virs, PC Cillin Antivirus ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৩১৯.
CDMA এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) কল খরচ কম
  2. খ) রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  3. গ) আলাদা কোড সহ ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ করে
  4. ঘ) রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়
ব্যাখ্যা
• সিডিএমএ (CDMA):
- সিডিএমএ এর পুরো অর্থ হলো Code Division Multiple Access.
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড যা কিনা বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।

• সিডিএমএ এর বৈশিষ্ট্য:
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।
- বেতার তরঙ্গ ব্যান্ডকে কতগুলো কেরিয়ারে বিভক্ত করা হয় যা ১.২৫ মেগাহার্টজ প্রশস্ত।
- আলাদা কোড সহ ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ করে।
- কলের খরচ কম।
- রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২০.
নিচের কোনটি DML কমান্ড?
  1. Create
  2. Alter
  3. Delete
  4. Next
ব্যাখ্যা
• DML (Data Manipulation Language) কমান্ড হলো এমন কমান্ড যা ডাটাবেজের মধ্যে থাকা ডেটা পরিবর্তন, মুছে ফেলা বা যোগ করার কাজ করে। এর মধ্যে প্রধান কমান্ডগুলো হলো Insert, Update এবং Delete। প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে “Delete” হলো DML কমান্ড কারণ এটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে “Create” এবং “Alter” হলো DDL (Data Definition Language) কমান্ড, যা ডাটাবেজের কাঠামো পরিবর্তনের কাজে লাগে। “Next” কোনো SQL কমান্ড নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো “Delete”, যা ডাটাবেজের ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত DML কমান্ড।

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২১.
কাকে GIS এর জনক বলা হয়?
  1. ক) আলবার্ট শাকলিন
  2. খ) ডাস্টিন মস্কোভিটজ
  3. গ) রোজার টমলিনসন
  4. ঘ) এডওয়ার্ড সেভারিন
ব্যাখ্যা
GIS হচ্ছে এমন এক ব্যবস্থা যা ভৌগোলিক বা পারিসরিক তথ্য সমন্বয়, সংরক্ষণ, সম্পাদনা, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্নভাবে তা উপস্থাপন করার কাজ করে থাকে। রোজার টমলিনসন সর্বপ্রথম ১৯৬৮ সালে Geographic Information Systemকথাটি ব্যবহার করেন। এইজন্য রোজার টমলিনসনকে GIS ব্যবস্থার জনক বলা হয়।
৩২২.
এক্সেল C9 C10 C11 ও C12 সেল ৪ টির সংখ্যাগুলোকে যোগ করার ফর্মূলা কী?
  1. ক) SUM (C9 : C12)
  2. খ) =SUM(C9 : C12)
  3. গ) SUM(C9 + C12)
  4. ঘ) SUM=(C9 + C12)
ব্যাখ্যা
• এক্সেল C9 C10 C11 ও C12 সেল ৪ টির সংখ্যাগুলোকে যোগ করার ফর্মূলা হলো =SUM(C9 : C12).
- প্রথমে যোগফল যে সেলে বসানো হবে কার্সর সেই সেলে রাখতে হবে অথবা ফর্মূলা বারে সরাসরি ফর্মূলা সমূহ ব্যবহার করতে হবে।
- উদাহরণ: C9 থেকে C12 সেলে রক্ষিত সংখ্যাগুলোর যোগফল নির্ণয় করতে হলে যোগফল যে সেলে বসানো হবে সেই সেলে =SUM(C9 : C12) ফর্মূলা লিখে অথবা ফর্মূলা বারে সরাসরি ফর্মূলা ব্যবহার করে Enter press করলে যোগফল প্রদর্শিত হবে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৩.
কোন 'ফাংশন কী' এর সাহায্যে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি রিফ্রেশ করা হয়?
  1. F12
  2. F5
  3. F9
  4. F7
ব্যাখ্যা
• কীবোর্ডের ১২টি ফাংশন কী এর কাজসমূহ- 
-F1 : সাহায্যকারী কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসবে।
-F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়।
-F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়।
-F4 : Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। 
-F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি রিফ্রেশ করা হয় F5 চেপে। 
-F6 : এটা দিয়ে মাউস কার্সারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া যায়।
-F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে।
-F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী। 
-F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কী দিয়ে।
-F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কী চেপে।
-F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
-F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কী চেপে।

উৎস: Computerhope.com
৩২৪.
কোনটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম নয়?
  1. ক) Trojan Horse
  2. খ) Malwarebytes
  3. গ) Adware
  4. ঘ) Ransomware
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের কিছু ক্ষতিকর প্রোগ্রাম এর তালিকা নিচে দেওয়া হলোঃ
Malware, Spyware, Ransomware, Worms, Trojan Horse, Adware, Spam, Phising -BB AD 2022

কম্পিউটারের কিছু এন্টি ভাইরাসের তালিকা দেওয়া হলোঃ
Avast, Kaspersky, Avira, Microsoft Windows Defender, Norton 360, Bitdefender Antivirus, Malwarebytes, McAfee Total Protection, ESET NOD32 Antivirus
 
৩২৫.
কোনটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের উদাহরণ?
  1. Wikipedia
  2. YouTube
  3. Google
  4. Alibaba
ব্যাখ্যা
alibaba.com ই-কমার্স ওয়েবসাইটের একটি উদাহরণ।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or Commerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য পরিশোধের অনলাইন প্রক্রিয়াসমূহ সামগ্রিকভাবে ইলেকট্রনিক কমার্সের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৯৫ সালে অ্যামাজন নামের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের যাত্রা শুরুর মাধ্যমে ই-কমার্সের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

• জনপ্রিয় কিছু ওয়েবাসউট হলো,
- www.bikroy.com
- www.daraz.com.
- www.alibaba.com.
- www.ebay.com.

- Google যাচ্ছে একটি সার্চ ইঞ্জিন।
- Wikipedia হযমে একটি মুক্ত বিশ্বকোষ (জ্ঞানভাণ্ডার)।
- YouTube হচ্ছে একটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম। এখানে ভিডিও দেখা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৩২৬.
মেইনফেম্র কম্পিউটারের উদাহরণ কোনটি?
  1. Cray-1
  2. UNIVAC 
  3. PDP 11
  4. IBM PC
ব্যাখ্যা
• UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

• Cray-1 হলো একটি সুপার কম্পিউটার।
• UNIVAC হলো একটি মেইনফেম্র কম্পিউটার।
• PDP 11 হলো একটি মিনিফ্রেম কম্পিউটার।
• IBM PC হলো একটি মাইক্রো কম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটার।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো। 
৩২৭.
ট্রাবলশুটিং হচ্ছে ______ নির্ণয়ের প্রক্রিয়া।
  1. নেটওয়ার্ক সার্ভার
  2. আইপি অ্যাড্রেস
  3. সমস্যার উৎস
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
♦ ট্রাবলশুটিং:
- ট্রাবলশুটিং হচ্ছে সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ের প্রক্রিয়া।
- মূলত ট্রাবলশুটিং হচ্ছে এমন কিছু যা, একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকে করতে হয়। অন্য যেকোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের তুলনায় কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের ট্রাবলশুটিং একটু বেশিই প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত সমস্যার ক্ষেত্রে ট্রাবলশুটিং কথাটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- কয়েকটি ট্রাবলশুটিং সমস্যা হলো:
◊ সিস্টেম সঠিকভাবে চলছে কিন্তু মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছে না।
◊ কয়েক মিনিট পরপর কম্পিউটার শাট ডাউন হয়ে যাওয়া।
◊ উইন্ডোজ রান করার সময় হ্যাং করা।
◊ কম্পিউটার অন করার পর ডিসপ্লে আসার পর কম্পিউটার হ্যাং করা।
◊ Not Enough Memory মেসেজ দেখানো।
◊ মাউস স্টহিকভাবে কাজ না করা।
◊ মনিটরে পাওয়ার না থাকা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
৩২৮.
কোনটি ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার?
  1. WinRAR
  2. Adobe Reader
  3. Notepad
  4. PowerPoint
ব্যাখ্যা

◉ WinRAR হলো একটি ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার, যা ফাইল বা ফোল্ডারকে কমপ্রেস (সংকুচিত) করে এবং আর্কাইভ ফাইল (যেমন .rar বা .zip) তৈরি করে।

ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

WinZip:
- WinZip হল Windows, macOS, iOS এবং Android এর জন্য একটি Compressor Tool.
- WinZip ব্যবহারকারীদের ফাইল কম্প্রেস করে এবং .zip ফরম্যাটে ফাইলটি পরিণত করে।
- WinZip বড় ফাইল কম্প্রেস করে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লাউড, ই-মেইল ইত্যাদিতে পাঠাতে সাহায্য করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) Adobe Reader: এটি একটি PDF ফাইল পড়ার এবং ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার। 
গ) Notepad: এটি একটি সাধারণ টেক্সট এডিটর, যা টেক্সট ফাইল তৈরি এবং সম্পাদনা করতে ব্যবহৃত হয়। 
ঘ) PowerPoint: এটি একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, যা স্লাইড শো তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৩২৯.
প্রথম চালুকৃত ওয়েব ব্রাউজার-
  1. ক) পাইথন
  2. খ) সরকিম
  3. গ) মজিলা ফায়ারফক্স
  4. ঘ) মোজাইক
ব্যাখ্যা
১৯৯৩ সালের জানুয়ারী ন্যাশনাল সেন্টার ফর সুপারকম্পিউটিং অ্যাপ্লিকেশনস মোজাইক ওয়েব ব্রাউজার বাজারে আনে। এটি তৈরি করে মার্ক অ্যান্ডারসন এবং এরিক বিনা। এটি সি ভাষায় ডেভেলপ করা হয়। তবে এটির পূর্বে টিম বার্নাস লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব নামে একটি ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেছিল। পাইথন হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, সরকিম স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম এবং ফায়ারফক্স হলো মজিলা উদ্ভাবিত একটি ওয়েবব্রাউজার যা ২০০৫ সালে অবমুক্ত করা হয়। (সূত্রঃ কম্পিউটার হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
৩৩০.
সিস্টেমে ঢুকে আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি সাধন করে-
  1. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
যে হ্যাকার সিস্টেমে ঢুকে আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি সাধন করে তাকে ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৩১.
ASCII-7 দিয়ে কয়টি অদ্বিতীয় চিহ্ন কম্পিউটারকে বুঝানো যায়?
  1. ক) ৬৪
  2. খ) ১২৮
  3. গ) ২৫৬
  4. ঘ) ৫১২
ব্যাখ্যা
ASCII - American Standard Code For Information Interchange.
- আধুনিক কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত কোড।
- এর প্রকাশক ANSI - American National Standard Institute, 1963 সালে।

ASCII ২ ধরনের হয়:
1) ASCII-7: যার সাহায্যে 27 বা 128 টি অদ্বিতীয় চিহ্ন প্রকাশ করা যায়। 
2) ASCII-8: যার সাহায্যে 28 বা  256 টি অদ্বিতীয় চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
৩৩২.
নিচের কোনটি স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে ইন্টারনেট–সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান?
  1. অ্যামাজন
  2. স্টারলিংক
  3. আলিবাবা
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
স্টারলিংক: 
- স্টারলিংক ইন্টারনেট–সেবা দেয় স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে।
- স্টারলিংকের মূল প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের তথ্য অনুযায়ী, তাদের ইন্টারনেট-সেবা জিওস্টেশনারি (ভূস্থির উপগ্রহ) থেকে আসে, যা ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার ওপর থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
- পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপিত হাজার হাজার স্যাটেলাইটের একটি সমষ্টি হচ্ছে স্টারলিংক, যা পুরো বিশ্বকেই উচ্চগতির ইন্টারনেট–সেবা দিতে পারে।
- ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত হিসাবে, স্টারলিংকের ৬ হাজার ৯৯৪টি স্যাটেলাইট স্থাপিত হয়েছে।
- এসব স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৪২ মাইল (৫৫০ কিলোমিটার) ওপরে কক্ষপথে ঘুরছে।
- স্পেসএক্সের স্টারলিংক প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে এবং ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
- দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- স্টারলিংকের ইন্টারনেটে ডাউনলোড গতি ২৫ থেকে ২২০ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)।
- তবে বেশির ভাগ ব্যবহারকারী ১০০ এমবিপিএসের বেশি গতি পান। স্টারলিংকে আপলোড গতি সাধারণত ৫ থেকে ২০ এমবিপিএসের মধ্যে থাকে।
- স্টারলিংক কিট এ থাকে একটি রিসিভার বা অ্যানটেনা, কিকস্ট্যান্ড, রাউটার, তার ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা বা পাওয়ার সাপ্লাই, যার মূল্য ৩৪৯ থেকে ৫৯৯ ডলার পর্যন্ত (৪৩ থেকে ৭৪ হাজার টাকা)।

উৎস: প্রথম আলো (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
৩৩৩.
নিচের কোনটি ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রাম?
  1. ক) Note Pad
  2. খ) Latex
  3. গ) Microsoft Word
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
Word Processing: 
- ওয়ার্ড শব্দের অর্থ শব্দ আর প্রসেসিং শব্দের অর্থ প্রক্রিয়াকরণ। কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।
- মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।

 আধুনিক ডকুমেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রাম হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো-
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word),
- ওয়ার্ডস্টার (Wordstar),
- ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect),
- ল্যাটেক্স (Latex),
- নোটপ্যাড (Note Pad),
- ম্যাকরাইট (Mac Write),
- ওয়ার্ড প্যাড (Word Pad),
অপেন অফিস রাইটার ইত্যাদি।
তবে বর্তমানে পিসিতে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস পরিবেশে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word) হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত এবং ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৩৪.
'ক্রায়ো' কোন ধরনের শব্দ?
  1. গ্রিক
  2. স্লাভিক
  3. ল্যাটিন
  4. ইংরেজি
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত সেবা নয় কোনটি?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. BaaS
ব্যাখ্যা
• BaaS ক্লাউড কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত সেবা নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৬.
এনালগ কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র নয় কোনটি?
  1. রাসায়নিক শিল্প
  2. পেট্রোলিয়াম শিল্প
  3. মুদ্রণ শিল্প
  4. খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রকারভেদ: 
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
• এনালগ কম্পিউটার (Analog computer), 
• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer), 
• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)। 

এনালগ কম্পিউটার: 
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে। 
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে। 
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লুটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে। 
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ। 
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 
- স্লাইড রুল, অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার ইত্যাদি এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ। 
- এনালগ কম্পিউটার খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। কারণ খাদ্য শিল্পে একাধিক পর্যায়ে ডিজিটাল তথ্য সংশোধন এবং ডেটা জরিপের প্রয়োজন হয়, যা এনালগ কম্পিউটারের মাধ্যমে করা কঠিন। 
- এনালগ কম্পিউটার প্রায়শই রাসায়নিক শিল্প, পেট্রোলিয়াম শিল্প, এবং মুদ্রণ শিল্পে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩৩৭.
একটি OR গেইটের ৪ টি ইনপুট A, B, C,D হলে আউটপুট কত?
  1. ক) AB+CD
  2. খ) ABCD
  3. গ) A+B+C+D
  4. ঘ) A+C+B
ব্যাখ্যা
OR গেইট ইনপুটগুলো যোগ করে।
A,B,C,D ইনপুট যোগ করলে আউটপুট = A+B+C+D
৩৩৮.
পেশাদার নেটওয়ার্কিং, ক্যারিয়ার গঠন এবং চাকরির আবেদনের জন্য মূলত কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়?
  1. YouTube
  2. Pinterest
  3. Instagram
  4. LinkedIn
ব্যাখ্যা

• ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং চাকরি খোঁজার জন্য <LinkedIn হলো প্রধান প্ল্যাটফর্ম।
- এটি এমন একটি প্রফেশনাল সোশ্যাল মিডিয়া যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের সিভি (CV) বা পোর্টফোলিও আপলোড করতে পারেন, নিয়োগকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এবং বিভিন্ন কোম্পানির চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখে সরাসরি আবেদন করতে পারেন।

• LinkedIn: 
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ৷
- ২০০২ সালে রিড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- ২০০৩ সালে LinkedIn অফিশিয়ালি চালু হয়।

• LinkedIn এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা, 
- প্রফেশনাল প্রোফাইল তৈরি করতে পারে; 
- চাকরির সন্ধান করতে পারে এবং চাকরিদাতা পেতে পারে; 
- বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির এক্সপার্টদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; 
- প্রফেশনাল স্কিল শেখার জন্য কোর্স করতে পারে (LinkedIn Learning); 
- বিজনেস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। 

উৎস: LinkedIn Official Website.

৩৩৯.
"8D" এর সমতুল্য ডেসিমেল কত?
  1. 121
  2. 131
  3. 67
  4. 141
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।  
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
 
∴ (8D)16 = (8 × 161) + (13 × 160
= 128 + 13
= (141)10
 
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪০.
ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা নয় কে?
  1. Larry Ellison
  2. Larry Page
  3. Bob Miner
  4. Ed Oates
ব্যাখ্যা
• ওরাকল কর্পোরেশন (Oracle Corporation):
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- Headquarters: Austin, Texas, United States
- Founders: Larry Ellison, Bob Miner, Ed Oates 
- কোম্পানিটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সিস্টেম এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার পণ্যে পারদর্শী-বিশেষভাবে নিজস্ব ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্রান্ডে।
- ১৯৭৭ সালের ১৬ জুন ওরাকল যাত্রা শুরু করে।

• Larry Page এবং Sergey Brin হলেন গুগলের মালিক।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৪১.
রেডিও ওয়েভ কোন ধরনের তরঙ্গ?
  1. শব্দ তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. আলোক তরঙ্গ
  4. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• রেডিও ওয়েভ হলো ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ।

• রেডিও ওয়েভের সংজ্ঞা:
- ১০ কিলোহার্টজ (kHz) থেকে ১ গিগাহার্টজ (GHz) পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রামকে রেডিও ওয়েভ বলা হয়।
- রেডিও ওয়েভ তারবিহীন ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

• রেডিও ওয়েভের বৈশিষ্ট্য:
- রেডিও ওয়েভ সহজে উৎপন্ন করা যায়।
- এটি অনেক দূরত্ব পর্যন্ত চলাচল করতে পারে।
- বিল্ডিং ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা ভেদ করে চলাচল করতে সক্ষম।
- যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেডিও ওয়েভ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- যান্ত্রিক তরঙ্গ: মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না।
- শব্দ তরঙ্গ: এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- আলোক তরঙ্গ: এটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক হলেও রেডিও ওয়েভের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪২.
'Primary Key'-এর প্রধান ভূমিকা কী?
  1. ডুপ্লিকেট ডেটা সঞ্চয় করা
  2. টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করা
  3. ডেটা আপডেট করা
  4. টেবিল তৈরি করা
ব্যাখ্যা
• 'Primary Key'-এর প্রধান ভূমিকা হলো টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করা।
• কী ফিল্ড:

- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৩.
Unicode মূলত কী সরবরাহ করে?
  1. একটি প্রোগ্রামিং ভাষা
  2. ফাইল কম্প্রেস করার একটি পদ্ধতি
  3. সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড
  4. একটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• Unicode মূলত সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড সরবরাহ করে। এটি এমন একটি আন্তর্জাতিক মান, যা পৃথিবীর প্রায় সব ভাষার বর্ণমালা, প্রতীক, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নগুলোকে একটি অভিন্ন কোডে উপস্থাপন করে। Unicode ব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, ডিভাইস এবং সফটওয়্যারে একই অক্ষর একইভাবে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ইংরেজি, বাংলা, আরবি বা চীনা—সব ভাষার জন্য আলাদা আলাদা কোড পয়েন্ট Unicode-এ নির্ধারিত আছে। এর ফলে বহুভাষিক ডকুমেন্ট তৈরি, ওয়েব কনটেন্ট প্রকাশ এবং ডেটা বিনিময় সহজ হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো (গ)।

ইউনিকোড (Unicode):
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন। 
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- ইউনিকোড মূলতঃ ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড। 
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬ বা ২০ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। 
- ইউনিকোড হল একটি আন্তর্জাতিক অক্ষর-এনকোডিং সিস্টেম। এটি আধুনিক এবং প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার লিখিত পাঠ্যের  ইলেকট্রনিক আদান-প্রদান, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রদর্শনে সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ ১৯৯১ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল। এর সর্বশেষ সংস্করণে ১০০,০০০-এরও বেশি অক্ষর রয়েছে। 
- ইউনিকোডের আগে অসংখ্য এনকোডিং সিস্টেম ছিল, যার মধ্যে ASCII অন্যতম। 
- ইউনিকোডের বিশেষত্ব হল এর প্রতিটি অক্ষরের জন্য দেওয়া ইউনিক নম্বর যেকোনো সিস্টেমে একই থাকে, যা ইউনিকোড সমর্থন করে।

উৎস: ১।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৩৪৪.
মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার প্রথম শুরু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম:
- মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার শুরু, কম্পিউটারের আকার হ্রাস, তথ্য ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- প্যাকেজ প্রোগ্রাম এর ব্যবহার।
- প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ইনটেল-৪০০৪
- মাইক্রো কম্পিউটার এর জনক এডওয়ার্ড রবার্ট।
- বহুমুখি ইনপুট আউটপুট যন্ত্রের ব্যবহার।
- VLSI, LSI টেকনোলজির ব্যবহার শুরু।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৫.
ফায়ারওয়াল প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করতে
  2. ফাইলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিলেট করতে
  3. ইন্টারনেটের গতিবেগ বৃদ্ধি করতে
  4. ডেটা প্রসেস করতে
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল প্রধানত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি নেটওয়ার্কে আসা এবং যাওয়া ডেটা ট্রাফিককে পর্যবেক্ষণ করে এবং নির্ধারিত নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত এবং অননুমোদিত সংযোগ পৃথক করে। ফায়ারওয়াল হ্যাকিং, ম্যালওয়্যার আক্রমণ, এবং অন্যান্য সাইবার হুমকি থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষা দেয়। এটি ইন্টারনেট এবং অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে, যাতে কেবল অনুমোদিত ব্যবহারকারীরাই সংযোগ করতে পারে। ফলে, ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ।

- সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করতে।
 
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৬.
A web browser is often called the gateway to—
  1. Databases
  2. Operating systems
  3. Websites
  4. Networks
ব্যাখ্যা

• ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা হয়, কারণ ব্রাউজারের মাধ্যমেই ব্যবহারকারী ইন্টারনেটে থাকা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথ্য দেখতে পারে।

• ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser):
- ওয়েব ব্রাউজার হলো এক ধরনের application software.
- ইন্টারনেট থেকে তথ্য পাওয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে যে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়, সেটিই ওয়েব ব্রাউজার।
 
• ওয়েব ব্রাউজার কেন Gateway বলা হয়:
- ইন্টারনেটে থাকা তথ্য সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে।
- সার্ভারগুলো ব্যবহারকারীকে text, image, sound ইত্যাদি তথ্য সরবরাহ করে।
- এই তথ্যগুলো দেখার ও ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীকে অবশ্যই ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করতে হয়।
- তাই ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশের Gateway বলা হয়।
 
• ওয়েব ব্রাউজারের ভূমিকা:
- ব্যবহারকারী ও ওয়েব সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- সার্ভার থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহারকারীর স্ক্রিনে প্রদর্শন করে।

• বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer), 
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Fire Fox), 
- সাফারি (Safari), 
- অপেরা (Opera), 
- গুগল ক্রম (Google Chrome), 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩৪৭.
নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটার যদি অন্যদের রিসোর্স ব্যবহার করার সুযোগ দেয়, তাকে বলে-
  1. ক) Server
  2. খ) Client
  3. গ) Mainframe
  4. ঘ) Fiber optic
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটার যদি অন্যদের রিসোর্স ব্যবহার করার সুযোগ দেয় তাকে সার্ভার বলে।
৩৪৮.
কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং মিশ্রিত অবকাঠামোর উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়? 
  1. হাইব্রিড ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. পাবলিক ক্লাউড
  4. কমিউনিটি ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing): 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীদের দূরবর্তী বিশাল কম্পিউটার রিসোর্স ভাড়ায় ব্যবহারের সুযোগ দেয়। 
- এর মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও কম্পিউটিং কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। আধুনিক প্রযুক্তি ও ব্যবসা এই ধারণার ওপর নির্ভরশীল। 
- বিনামূল্যে বা অর্থের বিনিময়ে পাওয়া এই সেবায় হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকে, আর ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে এসব সুবিধা গ্রহণ করেন। 
- এটি একটি সমন্বিত প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারী ও সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ের জন্য লাভজনক। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্ধতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা-
১। প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud): 
- একক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় কিংবা থার্ড পার্টির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয় যাতে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, এ ধরনের ক্লাউডকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 
- এ সব পরিচালনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, তবে অনেক বড় প্রতিষ্ঠানের অনেক শাখায় ডেটা সেন্টার না বসিয়ে একটিমাত্র ক্লাউড ডেটা সেন্টার স্থাপন করলে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সাশ্রয়ী হয়। 

২। পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud): 
- জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ক্লাউডকে পাবলিক ক্লাউড বলে। 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত সকলের বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ এবং অন্যান্য রিসোর্স ইত্যাদির সার্ভিসযুক্ত ক্লাউড-ই পাবলিক ক্লাউড। 
- Amazon, Microsoft এবং Google ইত্যাদি তাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। 

৩। হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud): 
- দুই বা ততোধিক ধরনের ক্লাউডের (প্রাইভেট, পাবলিক বা কমিউনিটি) সংমিশ্রণই হলো হাইব্রিড ক্লাউড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্লাউড পৃথক বৈশিষ্ট্যের হলেও এক্ষেত্রে একই সাথে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে। 
- ক্লাউড সার্ভিসের ক্ষমতাবৃদ্ধির জন্য একাধিক ক্লাউডকে একীভূত করা হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩৪৯.
কম্পিউটার তৈরি করার সময় উহার মেমোরিতে যে প্রোগ্রামসমূহ স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে দেওয়া হয় তাকে বলে ____।
  1. ক) RAM
  2. খ) Firmware
  3. গ) ROM
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তৈরি করার সময় উহার মেমোরিতে যে প্রোগ্রামসমূহ স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে দেওয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে। এ সকল প্রোগ্রামের কোন পরিবর্তন করা যায় না। কম্পিউটারের স্থায়ীভাবে রাখা দরকার সেইসব নির্দেশের তালিকা এবং ডাটাগুলোকে কম্পিউটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার তৈরির কম্পিউটারের সেমিকন্ডাক্টর রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা করেন। এই অত্যাবশ্যকীয় ডেটাগুলো এবং কার্যনির্দেশের তালিকাগুলো কম্পিউটার চালু করা মাত্রই কার্যকরী হয়। অবশ্য অনেক কম্পিউটার বিজ্ঞানী ফার্মওয়্যার বলতে শুধু অত্যাবশ্যকীয় ডাটাগুলো এবং কার্যনির্দেশের তালিকাগুলো বোঝাতে চান না। তাঁদের মতে, 'ডাটা ও কার্যনির্দেশাবলী এবং হার্ডওয়্যারের মিলিত নামকে ফার্মওয়্যার বলে। উদাহরণস্বরূপ- ROM BIOS এর মধ্যে যে ডাটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা ফার্মওয়্যার।
৩৫০.
দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর মাধ্যম কোনটি?
  1. ই- লার্নিং
  2. ই- এমটিএস
  3. ই- কমার্স
  4. ই- পুর্জি
ব্যাখ্যা
• ইএমটিএস:
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।
- এটি  দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ই- এমটিএস।
-  এর পূর্ণরূপ: ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়।

→ ই-লার্নিং:
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিকে ই-লার্নিং বলে।

→ ই-পুর্জি:
- চিনিকলসমূহের তথ্য ইলেকট্রনিক উপায়ে আখচাষি বা অন্যদের কাছে সরবরাহের পদ্ধতিকে ই-পুর্জি বলে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫১.
MIPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Multiple Instructions Per Second
  2. Mega Instructions Per Second
  3. Million Instructions Per Second
  4. Multiple Instructions Per System
ব্যাখ্যা

• MIPS বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে প্রসেসর কত মিলিয়ন নির্দেশনা সম্পাদন করে।

• MIPS:

- MIPS (Million Instructions Per Second) হলো কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশনা কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়।
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল, যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি ও সফটওয়্যারের অপটিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি, যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৩৫২.
বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
  3. ব্র্যাক ব্যাংক
  4. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং চালু করে "স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক"।

• টেলি ব্যাংকিং:

- টেলি ব্যাংকিং কথাটির অর্থ হলো টেলিফোন ব্যাংকিং।
- টেলিফোনের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে টেলিফোন ব্যাংকিং বা টেলি ব্যাংকিং বলা হয়।
- এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক সীমিত পরিসরে একাউন্ট ব্যালেন্স ট্রানজেকশন, ইলেকট্রনিক বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
- এটি এমন একটি সেবা যেখানে গ্রাহকরা সশরীরে ব্যাংকে না গিয়ে টেলিফোনের মাধ্যমে কল করে লেনদেন করতে পারতেন।
- টেলিফোন ব্যংকিং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করে ১৯৮০-এর দশকে।
- প্রথম টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে, যুক্তরাজ্যের গিরোব্যাংক-এর হাত ধরে।
- ১৯৮০ এবং ৯০ এর দশকের শুরুতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও, ২০১০ সালের দিকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আবির্ভাব টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার কমিয়ে দেয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু থাকলেও, বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক প্রথম এই সেবা চালু করে ১৯৯৭ সালের পহেলা মার্চ।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট এবং সময় নিউজ রিপোর্ট।।
৩৫৩.
সম্প্রতি ভারত Google কে নিচের কোন প্রোগ্রামের জন্য ছবি তোলা থেকে বিরত করে?
  1. ক) Google Earth
  2. খ) Street View
  3. গ) Road Image
  4. ঘ) Google Map
ব্যাখ্যা
India has rejected Google's plans to put Indian cities, tourists spots, hills and rivers in an application in which one can explore through 360-degree, panoramic and street level imagery. The Home Ministry has conveyed to Google that its plans to cover India through the Google Street View is rejected.
Source: indianexpress.com
৩৫৪.
নিচের কোন নাম্বার সিস্টেমের উদাহরণটি ভুল?
  1. ক) (৪৭৫)
  2. খ) (৩A৮)১৬
  3. গ) (১৬৭১)১০
  4. ঘ) (৪১৩)
ব্যাখ্যা
নাম্বার সিস্টেমের উদাহরণঃ
হেক্সাডেসিমাল - (৩A৮)১৬
দশমিক - (১৬৭১)১০
বাইনারি - (১০১)
অক্টাল - (৪৭৫)
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৫৫.
(10101)2 + (1101)2 = ?
  1. ক) 110010
  2. খ) 101010
  3. গ) 100010
  4. ঘ) 100101
ব্যাখ্যা

  10101
    1101
100010

৩৫৬.
নিম্নের কোনটি বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যার একটি প্রকার?
  1. ডিস্ক ফ্র্যাগমেন্টেশন
  2. ফাইল কমপ্রেশন
  3. ব্রাউন আউট
  4. কোল্ড বুট
ব্যাখ্যা

• ব্রাউন আউট হলো বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে ভোল্টেজ কমে যাওয়ার একটি সমস্যা, যা কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর।

• হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ:
- মাইক্রোকম্পিউটার, ডেস্কটপ, নোটবুক ও ল্যাপটপসহ সকল প্রকার কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা, ট্রাবলশুটিং এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ইনস্টল ও আন-ইনস্টল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলে।
- কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত দুই প্রকার—হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ এবং সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ।

• হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের নিয়ামক:
- তাপমাত্রা।
- কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা।
- বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা।
- ময়লা ও দূষণ।
- নিয়মিত প্রতিরক্ষামূলক রক্ষণাবেক্ষণ।

• বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা:
- কম্পিউটার সিস্টেমকে সরাসরি লাইনে অথবা ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার, ইউপিএস বা আইপিএস-এর মাধ্যমে সংযুক্ত করা যায়।
- খুব বেশি বা খুব কম ভোল্টেজের কারণে কম্পিউটারের ইলেকট্রনিক বর্তনী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
- বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

• বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যা:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়—
- ব্রাউন আউট (Brown Out),
- ব্ল্যাক আউট (Black Out),
- ট্রান্সিয়েন্ট (Transient),
- নয়েজ (Noise)।

• ব্রাউন আউট (Brown Out):
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কারণে সরবরাহ লাইনে ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলে।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে অক্ষমতার কারণে এ সমস্যা ঘটে।
- এ অবস্থায় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।
 
• অন্যান্য অপশন:
- কোল্ড বুট → কম্পিউটার সম্পূর্ণ বন্ধ অবস্থা থেকে পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া।
- ডিস্ক ফ্র্যাগমেন্টেশন → হার্ডডিস্কে ডেটা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সংরক্ষিত হওয়ার অবস্থা।
- ফাইল কমপ্রেশন → ফাইলের আকার কমানোর প্রক্রিয়া।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৭.
বুদ্ধিবৃত্তিক বিজ্ঞানের কোন ক্ষেত্র মানব মস্তিষ্কের উপায় অবলম্বন করে কাজ করে তা নকল করার উদ্যোগ নেয়?
  1. লার্নিং সিস্টেম
  2. ফাজি লজিক
  3. নিউরাল নেটওয়ার্ক
  4. জেনেটিক অ্যালগরিদম
ব্যাখ্যা
- নিউরাল নেটওয়ার্ক, একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা মস্তিষ্কের প্রাকৃতিক নিউরাল নেটওয়ার্ক দ্বারা অনুপ্রাণিতভাবে কাজ করে।
-
ফাজি লজিক হলো এমন একটি যুক্তি ব্যবস্থা যেখানে কোন সমস্যার সমাধান ১ অথবা ০ ছাড়াও আরো বিভিন্ন উপায়ে দেওয়া যায়।
- একটি সিস্টেমের পরিবর্তনগুলোকে নির্দেশ করে একই কাজ পরবর্তী সময়ে আরও ভালোভাবে সম্পাদন করার যোগ্যতা প্রদান করার প্রক্রিয়াটিকে লার্নিং সিস্টেম বলে।
- জেনেটিক অ্যালগরিদম হলো সমস্যা সমাধানের একটি পদ্ধতি।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা। 
- ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থী সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং (সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত), রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি। 

 উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩৫৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ভাইরাস?
  1. এভিরা
  2. অ্যাভাস্ট
  3. ট্রোজান হর্স
  4. নরটন
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার ভাইরাস: 
- ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

• কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: 
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

কম্পিউটার অ্যান্টি-ভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

• কয়েকটি অ্যান্টি-ভাইরাসের নাম হলো: 
- এভিজি,
- এভিরা,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৫৯.
(101011)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. 39
  2. 47
  3. 41
  4. 43
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (101011)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?

সমাধান: 
101011 = (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 8 + 2 + 1
= 43
৩৬০.
পাবলিক ক্লাউড ব্যবহার করলে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি কী হতে পারে?
  1. অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে রিসোর্স ভাগ করা
  2. ইন্টারনেট সংযোগ না থাকা
  3. বেশি প্রাথমিক খরচ
  4. সীমিত স্কেলেবিলিটি
ব্যাখ্যা

• পাবলিক ক্লাউড ব্যবহারের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি হলো অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে রিসোর্স ভাগ করা। পাবলিক ক্লাউডে একাধিক গ্রাহক একই সার্ভার, স্টোরেজ বা নেটওয়ার্কের মতো রিসোর্স ব্যবহার করে, যা ‘মাল্টি-টেন্যান্সি’ নামে পরিচিত। এতে এক ব্যবহারকারীর ভুল বা দুর্বল নিরাপত্তা অন্য ব্যবহারকারীর ডেটা বা অ্যাপ্লিকেশনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও ক্লাউড প্রদানকারীরা শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখে, তবুও হ্যাকিং, ডেটা লিক বা অ্যাক্সেস কন্ট্রোল সমস্যা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। অন্য অপশন গুলো- ইন্টারনেট সংযোগ না থাকা, বেশি প্রাথমিক খরচ বা সীমিত স্কেলেবিলিটি- নিরাপত্তা ঝুঁকির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, বরং ব্যবহার ও খরচ সংক্রান্ত। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হলো রিসোর্স ভাগাভাগি।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউডের অবস্থান বা বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্বতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড:
- যে টাকা দিবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড। যেমন- আমাজনের EC2।
- এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
- Amazon, Microsoft পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত।

২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- কোনো বড় সংস্থার নিজের বিভিন্নরকম সার্ভিস চালানোর জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেল হিসেবে ব্যবহার করে, তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 

৩. হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক অর্থাৎ প্রাইভেট এবং পাবলিক ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩৬১.
ওয়ার্ড প্রসেসর কোনটি?
  1. ক) এমএস এক্সেস
  2. খ) এমএস এক্সেল
  3. গ) ফাইল মেকার
  4. ঘ) এমএস ওয়ার্ড
ব্যাখ্যা
WordPerfect, Wordpad and MS Word are word processing software. These are used to manipulate a text document, such as a resume or a report. We typically enter text by typing, and the software provides tools for copying, deleting and various types of formatting.
৩৬২.
Who introduced the world’s first multicore processor?
  1. ক) Intel
  2. খ) IBM
  3. গ) Microsoft
  4. ঘ) Fujitsu
ব্যাখ্যা
In 2001, IBM introduced the world’s first multicore processor, a VLSI (very-large-scale integration) chip with two 64-bit microprocessors comprising more than 170 million transistors.

This breakthrough design in architecture and semiconductor engineering allowed these two processors to work together at a very high bandwidth with large on-chip memories, and with high-speed busses and input/output channels.

Source: IBM Website
৩৬৩.
ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য কোন প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. HTTP
  2. FTP
  3. SMTP
  4. TCP/IP
ব্যাখ্যা

◉ HTTP (HyperText Transfer Protocol) হল ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্রোটোকল, যা ওয়েব সার্ভার এবং ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করে। নিরাপদ সংযোগের জন্য HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) ব্যবহৃত হয়, যা SSL/TLS এনক্রিপশন সাপোর্ট করে।

HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য নয়।
SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি একটি প্রোটোকল স্যুট যা ইন্টারনেটে ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি, কিন্তু এটি সরাসরি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৩৬৪.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. সিকিউরিটি ক্যামেরা
  2. এসি
  3. এটিএম
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.
৩৬৫.
MICR লেখার জন্য ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) জেল পেন
  2. খ) পেন্সিল কালি
  3. গ) চৌম্বক কালি
  4. ঘ) লেজার রিডেবল কালি
ব্যাখ্যা
- MICR এর সঠিক পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition।
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালির সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সকল তফসিলি ব্যাংক MICR যুক্ত চেক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৬৬.
গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা কোন সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত?
  1. স্পুফিং
  2. স্নিকিং
  3. লজিক বম্ব
  4. ট্রোজান অ্যাটাক
ব্যাখ্যা
স্নিকিং হচ্ছে গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৬৭.
প্রোগাম থেকে কপি করা ডাটা কোথায় থাকে? 
  1. RAM
  2. ROM
  3. Clipboard
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা
- প্রোগাম থেকে কপি করা ডাটা Clipboard এ থাকে। 
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা কম্পিউটার চালু করার সময় হার্ডডিস্ক থেকে অস্থায়ী মেমোরি র‌্যামে জমা হয় এবং কম্পিউটার বন্ধ করলে তা মুছে যায়। 
- অন্যদিকে ক্লিপবোর্ড হলো কোনো নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের একটি সুবিধা যাতে ডেটা সংরক্ষিত থাকে শুধু ঐ সফটওয়্যারে তৎক্ষণাৎ ব্যবহার করার জন্য। 

অন্যদিকে, 
- ক্লিপবোর্ড RAM এর একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোন স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে। 
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি। যথা- cut, copy, paste. 
- সাধারণত প্রোগ্রাম RAM এ লোড হয় কিন্তু প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা ক্লিপবোর্ডে জমা থাকে। 
- কিছু জায়গাতে উত্তর র‍্যাম দেয়া থাকতে পারে। তবে, Clipboard কে স্পেসিফিক উত্তর বলা যায়। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৩৬৮.
গাণিতিক যুক্তি সম্পাদনে কোন গণনাযন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ABACUS
  2. খ) SOROBAN
  3. গ) ক ও খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

চীনে ABACUS নামক এক ধরণের গণনাযন্ত্রের ব্যবহার শুরু করা হয়। এরপর কাছাকাছি একটি যন্ত্রের ব্যবহার শুরু হয়, যার নাম SOROBON.
চীনের ABACUS এর উপরের দিকে ২টি সারি এবং SOROBON এর উপরের দিকে একটি সারি বিদ্যমান।
এইসকল যন্ত্র এখনো চীন, রাশিয়া এবং জাপানে ব্যবহার করা হয়।
গাণিতিক যুক্তি সম্পাদনে এইসকল যন্ত্র ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।

৩৬৯.
কোনটি ওপেন সাের্স অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) ক্যালডেরা
  2. খ) ফেডােরা
  3. গ) রেডহ্যাট লিনাক্স
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
যে অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে ওপেন সাের্স অপারেটিং সিস্টেম বলে।

লিনাক্স (LINUX) একটি ওপেন সাের্স অপারেটিং সিস্টেম।
- এ অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন সংস্করণ হল - রেডহ্যাট লিনাক্স, ডেবিয়ান, ক্যালডেরা, ফেডােরা, উবুন্টু প্রভৃতি।
[উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)]
৩৭০.
ইন্টারনেট আবিষ্কৃত হয় কতসালে?
  1. ক) ১৯৬৮
  2. খ) ১৯৬৯
  3. গ) ১৯৭০
  4. ঘ) ১৯৭১
ব্যাখ্যা

- ইন্টারনেট হল সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত, পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অনেকগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং যেখানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল নামের এক প্রামাণ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্যাটা আদান-প্রদান করা হয়।
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ।
- ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া

৩৭১.
NFC-এর প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো:
  1. ইথারনেট সংযোগ
  2. এইচডি ভিডিও সম্প্রচার
  3. ওয়্যারলেস পেমেন্ট
  4. লং-ডিস্ট্যান্স ওয়াই-ফাই
ব্যাখ্যা

• NFC বা Near Field Communication একটি সংক্ষিপ্ত-দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ডিভাইসগুলোর মধ্যে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার দূরত্বে তথ্য আদান-প্রদানে সক্ষম। এর প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো ওয়্যারলেস পেমেন্ট। NFC প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা তাদের স্মার্টফোন বা NFC-enabled কার্ড দিয়ে দ্রুত এবং নিরাপদে পেমেন্ট করতে পারে। এই পদ্ধতিতে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য সরাসরি প্রেরণ করা হয় না, বরং এনক্রিপ্টেড টোকেন ব্যবহার করে লেনদেন সম্পন্ন হয়। এছাড়াও NFC ট্যাগ স্ক্যান, পরিচয় যাচাই, এবং ছোট ডেটা ট্রান্সফারেও ব্যবহৃত হয়। অন্য অপশন যেমন ইথারনেট সংযোগ, এইচডি ভিডিও সম্প্রচার বা লং-ডিস্ট্যান্স ওয়াই-ফাই NFC-র কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৭২.
চেকে ব্যবহৃত বিশেষ কালি থেকে অক্ষর সনাক্ত করতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার হয়?
  1. Magnetic Image Capture Reader
  2. Magnetic Ink Character Recognition
  3. Machine Input Character Reader
  4. Magnetic Identification Code Reader
ব্যাখ্যা

• চেকে ব্যবহৃত বিশেষ কালি থেকে অক্ষর সনাক্ত করতে Magnetic Ink Character Recognition (MICR) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এই কালি বিশেষ চুম্বকীয় (magnetic) উপাদান দিয়ে তৈরি, যা মেশিন দ্বারা পড়া সম্ভব। চেকে লেখা সংখ্যা ও অক্ষরগুলি MICR রিডার দিয়ে স্ক্যান করা হয়, যা চুম্বকীয় সংকেত হিসেবে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা ডিজিটাল আকারে রূপান্তরিত করে। এই প্রক্রিয়ায় চেকের অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যাংক কোড এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করা যায়। MICR প্রযুক্তি ব্যাঙ্কিং লেনদেনে সময় সাশ্রয় এবং ভুল কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- সঠিক উত্তর: খ) Magnetic Ink Character Recognition.

• MICR:
- MICR-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

৩৭৩.
নিচের কোনটি Spreadsheet Analysis Software?
  1. ক) Symphony
  2. খ) Sorcim
  3. গ) Ms-Excel
  4. ঘ) All of these
ব্যাখ্যা
কয়েকটি Spreadsheet Analysis Software: Visicalc, Super calc, Calc, Lotus-1-2-3, Corel Quatropo, multiplan, Sorcim, Symphony, Numbers, Ms-Excel.
৩৭৪.
কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি ইউনিট কোনটি?
  1. RAM
  2. SSD
  3. ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
  4. হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি ইউনিট হলো RAM (Random Access Memory)। এটি এমন একটি অস্থায়ী মেমোরি যেখানে কম্পিউটার চালু অবস্থায় চলমান প্রোগ্রাম, ডেটা এবং নির্দেশনা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করা হয়। প্রসেসর খুব দ্রুত এই মেমোরি থেকে ডেটা পড়তে ও লিখতে পারে, তাই কম্পিউটারের গতি অনেকটাই RAM-এর উপর নির্ভর করে। কম্পিউটার বন্ধ করলে RAM-এ থাকা সব তথ্য মুছে যায়, এজন্য একে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়। অন্যদিকে SSD, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ এবং হার্ডডিস্ক স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা দীর্ঘ সময় ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে। তাই কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি ইউনিট হিসেবে RAM-কেই ধরা হয়।

• RAM:
- RAM  (Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি।
- এটি একটি  অস্থায়ী মেমোরি (Volatile Memory) – অর্থাৎ, কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে RAM-এর তথ্য মুছে যায়।
- কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন এবং ডেটা RAM-এ লোড হয় যাতে CPU তা দ্রুত প্রসেস করতে পারে।
- CPU সরাসরি RAM থেকে তথ্য পড়ে এবং লেখে — তাই এটি প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বিপরীতে, 
- হার্ডডিস্ক, SSD, ও ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হল সেকেন্ডারি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Storage)। তারা তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে, কিন্তু CPU সেগুলো থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে না।

তথ্যসূত্র: 
-  কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি -১ ; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)।

৩৭৫.
কাউন্টারের ব্যবহার হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
  2. ডিজিটাল ঘড়িতে
  3. ডিজিটাল কম্পিউটারে
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে। 

• কাউন্টারের ব্যবহার:
ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
১। ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে।
২। টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে।
৩। ডিজিটাল ঘড়িতে।
81 ডিজিটাল কম্পিউটারে।
৫। অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে ব্যবহার করা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৬.
সিআরটি মনিটরের টিউবের ভেতরে কোন তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে?
  1. লাল, সবুজ ও হলুদ
  2. লাল, নীল ও কালো
  3. লাল, সবুজ ও আসমানি
  4. সাদা, কালো ও নীল
ব্যাখ্যা
• সিআরটি মনিটর:
- CRT এর পূর্ণরূপ হলো Cathod Ray Tube.
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৭.
Floppy Disk এর ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. ক) ১.৪ মেগাবাইট
  2. খ) ১.৪ মিলিবাইট
  3. গ) ১.৪ মেগাবিট
  4. ঘ) ১.৪ মাইক্রোবাইট
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। এটি ডিস্কেট নামেও পরিচিত। 
- ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ফ্লপি ডিস্ক দুই ধরনের। 
- সাধারণ ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ৭২০ হতে ৮০০ কিলোবাইট পর্যন্ত এবং হাই ডেনসিটি ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ১.২ হতে ১.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৭৮.
ক্যাশ মেমোরির প্রধান ভূমিকা কী?
  1. সিপিইউর প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি করা
  2. ব্যবহারকারীর ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
  4. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পরিচালনা করা
  5. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরির প্রধান ভূমিকা হলো সিপিইউর প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি করা। এটি একটি ছোট, উচ্চ-গতি সম্পন্ন মেমোরি যা প্রসেসরের নিকটে অবস্থান করে এবং প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা ও নির্দেশনাগুলি সংরক্ষণ করে। যখন সিপিইউ কোন কাজ সম্পাদন করতে চায়, তখন এটি প্রথমে ক্যাশে ডেটা খুঁজে দেখে। যদি প্রয়োজনীয় তথ্য ক্যাশে থাকে, তাহলে সিপিইউ তা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে, যা প্রসেসিং সময় অনেক কমিয়ে দেয়। অন্যদিকে, প্রধান মেমোরি (RAM) থেকে ডেটা আনা তুলনামূলকভাবে ধীর। তাই ক্যাশ মেমোরি সিপিইউ ও র‍্যামের মধ্যে একটি দ্রুত মধ্যবর্তী স্তরের কাজ করে এবং সিপিইউর কার্যকারিতা বাড়ায়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক) সিপিইউর প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি করা।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩৭৯.
গ্রে হ্যাট হ্যাকারদের বৈশিষ্ট্য-
  1. আর্থিক ক্ষতি করে
  2. নেটওয়ার্ক এর দুর্বল দিক ঠিক করে
  3. ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে তথ্য চুরি করা
  4. সফটওয়্যার আপডেট করা
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক এর দুর্বল দিক ঠিক করা গ্রে হ্যাট হ্যাকারদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৮০.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার?
  1. MS Access
  2. Numbers
  3. Notepad
  4. Firefox
ব্যাখ্যা
• স্প্রেডশিট (Spreadsheet): 
- একে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিটও বলা হয়ে থাকে। এ সফটওয়্যার গতানুগতিক আর্থিক টুলস; যেমন- হিসাবরক্ষকের কলামনার প্যাড (columnar pad), পেনসিল ও ক্যালকুলেটরের কম্পিউটার ভারসন দিয়ে কাজ করার সুবিধা প্রদান করে।
- একটি বৈদ্যুতিক (electronic) স্প্রেডশিট সজ্জিত থাকে কলাম ও রো (row)-এর গ্রিড দ্বারা।
- স্প্রেডশিটের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যখন একটি ভেল্যু (value) বা ভেল্যুর পরিবর্তন করা হয় তখন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ভেল্যুগুলো আবার নিজ থেকেই হিসাব
করে ফেলে।
- উদাহরণ: Google Sheet, Microsoft Excel, Numbers, LibreOffice Calc ইত্যাদি। 

• Firefox- ইন্টারনেট ব্রাউজার।
• Notepad- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
• MS Access- ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮১.
কোন মাধ্যমটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে রিয়েল টাইমে যোগাযোগের জন্য দীর্ঘকাল ধরে জনপ্রিয়?
  1. E-mail
  2. Telnet
  3. IRC
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• রিয়েল টাইমে যোগাযোগের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো IRC (Internet Relay Chat)। এটি একটি চ্যাট প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটে লাইভ চ্যাট করার সুযোগ দেয়। IRC-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন চ্যানেল বা রুমে যোগ দিয়ে একে অপরের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে লেখা বার্তা বিনিময় করতে পারে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং গোষ্ঠীভিত্তিক আলাপচারিতা। যদিও ই-মেইল, টেলনেট বা FTP বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ, তবে সেগুলি রিয়েল টাইম চ্যাটের জন্য নয়। ই-মেইল ধীরে ধীরে বার্তা পৌঁছে দেয়, টেলনেট মূলত দূরবর্তী কম্পিউটার ব্যবস্থাপনার জন্য এবং FTP ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই দীর্ঘকাল ধরে সরাসরি অনলাইনে কথোপকথনের জন্য IRC সবচেয়ে জনপ্রিয়।
 
• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat-IRC):

- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮২.
ব্যবহারকারীর ভিত্তিতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কোনটি?
  1. upwork.com
  2. freelancer.com
  3. fiverr.com
  4. payoneer.com
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারীর ভিত্তিতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হলো freelancer.com

- ফ্রিল্যান্সার হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তি ছাড়া কাজ করেন।
- একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা।
- ইন্টারনেটের কল্যাণে ফ্রিল্যান্সিং এখন একটি নির্দিষ্ট স্থানের সাথেও সম্পর্কযুক্ত নয়।
- কারো কাছে যদি ইন্টারনেট সংযোগসহ একটি কম্পিউটার থাকে তাহলে সে যেকোন জায়গাতে বসেই ফ্রিল্যান্স ও আউটসোর্সিং এর কাজগুলো করতে পারেন।
- ওয়েবসাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ছবি সম্পাদনা, ডেটা এন্ট্রি, লেখালেখি করা, কোন পণ্যের বাজার খুঁজে দেওয়া, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা, ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিসহ আরো অসংখ্য কাজ এই পদ্ধতিতে করা সম্ভব।
- বিশ্বব্যাপী আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payoneer.com, odesk.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. [freelancer]
৩৮৩.
নিচের কোনটি এমন একটি ভুল বর্ণনা করে, যেখানে প্রোগ্রামটি চলে কিন্তু সামান্য ভ্রমের কারণে সঠিক আউটপুট দেয় না (যেমন, A > B লেখার পরিবর্তে A < B লেখা)?
  1. Segmentation Fault
  2. Type Error
  3. Syntax Error
  4. Logical Error
ব্যাখ্যা
• ডাটা ভুল (Data Error):
- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা। এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

• সিনট্যাক্স ভুল (Syntax Error):
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- যেমন: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।
- এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

• লজিক্যাল ভুল (Logical Error):
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল ।
- সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয় ।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

অপশন আলোচনা:
ক) Segmentation Fault:
- এটি একটি রানটাইম ত্রুটি যা সাধারণত ঘটে যখন প্রোগ্রামটি অবৈধ মেমরি অবস্থানে অ্যাক্সেস করতে চেষ্টা করে, যেমন: অ্যারে আউট অফ বাউন্ড বা পয়েন্টার ভুল ব্যবহার করা।
- এই ধরনের ত্রুটি প্রোগ্রামকে ক্র্যাশ করে দেয় এবং আউটপুট তৈরি হতে পারে না।
- এটি সাধারণত "প্রোগ্রামটি বন্ধ হয়ে যায়"।

খ) Type Error:
- এটি তখন ঘটে যখন আপনি একটি অপারেশন করার চেষ্টা করেন যেটি উপযুক্ত ডেটা টাইপের জন্য সঠিক নয়।
- উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একটি স্ট্রিং এবং একটি ইনটিজার যোগ করার চেষ্টা করেন, তবে এটি একটি টাইপ ত্রুটি তৈরি করবে।
- এই ধরনের ত্রুটি সাধারণত প্রোগ্রামের কম্পাইল বা রানটাইমে ধরা পড়ে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৮৪.
মেটার সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
  1. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্লোরিডা, যুক্তরাষ্ট্র
  4. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

মেটা (Meta): 
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড। 
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে। 
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন। 
- মেটার CEO হচ্ছেন: মার্ক জাকারবার্গ। 
- মেটার প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জানুয়ারি ২০০৪। 
- মেটার বাণিজ্যিক নাম: মেটা। 
- মেটার সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৫.
নিচের কোনটি OSI মডেলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) Session Layer
  2. খ) Series Layer
  3. গ) Network Layer
  4. ঘ) Presentation Layer
ব্যাখ্যা
- OSI এর পূর্ণরূপ Open Systems Interconnection.

OSI Model হলো মোট ৭টি। এগুলো হলো :
- Physical Layer
- Data Link Layer
- Network Layer
- Transport Layer
- Session Layer
- Presentation Layer
- Application Layer
৩৮৬.
ইনফরমেশন চুরি এবং অবৈধ কাজ করা হ্যাকারদের ধরন কী?
  1. পারপল হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
ইনফরমেশন চুরি এবং অবৈধ কাজ করা হ্যাকারদের ধরন হচ্ছে - তারা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।

• হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:

১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা দুই ধরনের বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• গ্রিন হ্যাট হ্যাকার নামে কোনো হ্যাকার গ্রুপের অস্থিত নেই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৮৭.
রেকর্ডকে এককভাবে নির্ধারণ করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Primary Key
  2. Unique Key
  3. Foreign Key
  4. Composite Key
ব্যাখ্যা

• একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ডাটাবেজে Primary Key ব্যবহার করা হয়। এটি প্রতিটি টেবিলের জন্য একটি বিশেষ কলাম বা কলামসমষ্টি, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে চিহ্নিত করে। Primary Key-এর মাধ্যমে কোনো দুইটি রেকর্ডের মধ্যে একই মান থাকতে পারে না এবং এটি কখনো শূন্য (NULL) হতে পারে না। অন্যদিকে, Composite Key হল একাধিক কলামের সমন্বয়ে গঠিত একটি কী যা রেকর্ডকে অনন্য করে, কিন্তু এটি মূলত Primary Key-এর একটি ধরন। Foreign Key হলো অন্য টেবিলের Primary Key-কে নির্দেশ করে যা টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। Unique Key ও Primary Key দুটোই ইউনিক মান নিশ্চিত করে, তবে Unique Key NULL মান রাখতে পারে।
- তাই, রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হলো Primary Key.

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৮.
CPU-কে কী বলা হয়?
  1. কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক
  2. কম্পিউটারের পাওয়ার সোর্স
  3. কম্পিউটারের মস্তিষ্ক
  4. কম্পিউটারের মেমোরি
ব্যাখ্যা

CPU-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক (Brain of the Computer) বলা হয়।

• সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):

- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৯.
বাহিরের আক্রমণ থেকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক রক্ষার্থে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ফায়ারওয়াল
  2. এক্সেস পয়েন্ট
  3. রাউটার
  4. ম্যালওয়ার
ব্যাখ্যা
• বাহিরের আক্রমণ থেকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক রক্ষার্থে ফায়ারওয়াল ব্যবহৃত হয়।

• ফায়ারওয়াল:

- Unauthorized ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall)ব্যবহার করা হয়।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
৩৯০.
নিচের কোনটি বায়োইনফরমেটিক্স পদ্ধতিতে সফটওয়্যার টুলস হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) SQL
  2. খ) CRISP
  3. গ) Corniatech
  4. ঘ) PROBT
ব্যাখ্যা
বায়োইনফরমেটিক্স পদ্ধতিতে সফটওয়্যার টুলস হিসেবে SQL, Java, C+, Python, CUDA, MATHLAB ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৯১.
কোনটি এমবেডেড সিস্টেমের উদাহরণ নয়?
  1. ডিজিটাল ক্যামেরা
  2. ওয়াশিং মেশিন
  3. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. স্মার্ট ফোন
ব্যাখ্যা

◉ ডিজিটাল ক্যামেরা, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্টফোন → এগুলো Embedded System এর উদাহরণ। অন্যদিকে, ডেস্কটপ কম্পিউটার একটি General-Purpose Computer.

​এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly.

উৎস:
১। Indian Institute of Embedded Systems.
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 

৩৯২.
ব্লুটুথ (Bluetooth) এর উদ্ভাবক কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) সনি
  2. খ) এরিকসন
  3. গ) নোকিয়া
  4. ঘ) আইবিএম
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩৯৩.
"Distributed Computing"-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে সমস্যা দ্রুত সমাধান
  2. একটি মেশিনের মেমোরি ব্যবহার কমানো
  3. সিপিইউ ক্লক স্পিড বাড়ানো
  4. সব ক্লাউড সার্ভারকে একটি কম্পিউটারে প্রতিস্থাপন করা
ব্যাখ্যা

• "Distributed Computing" বা বিতরণকৃত কম্পিউটিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো জটিল সমস্যা সমাধান বা বড় ডেটা প্রসেসিং কাজকে একাধিক কম্পিউটারে ভাগ করে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা। এতে কাজগুলো সমান্তরালভাবে চলে, ফলে একটি একক কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা যেমন কম মেমোরি বা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতার সমস্যা এড়ানো যায়। এছাড়া, সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা ও স্কেলেবিলিটিও বৃদ্ধি পায়, কারণ কোনো একটি কম্পিউটার ব্যর্থ হলেও অন্যগুলো কাজ চালিয়ে যেতে পারে। তাই Distributed Computing-এর মূল লক্ষ্য হলো একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে সমস্যা দ্রুত সমাধান করা, যা অপশন গুলোর মধ্যে ক) একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে সমস্যা দ্রুত সমাধান।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল, যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:

১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস):
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্য পেমেন্ট করতে হবে।
- বৈশিষ্ট থেকে বলা যায় গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী, ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের জন্য কোন প্রযুক্তিটি Distributed Computing এর একটি দৃষ্টান্ত হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৩৯৪.
NAND-এর পাশাপাশি কোন গেটটি ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. NOR 
  2. XOR
  3. XNOR
  4. AND
ব্যাখ্যা

• NAND গেটের পাশাপাশি NOR গেটও ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে পরিচিত। ইউনিভার্সাল গেট বলতে এমন একটি গেট বোঝায় যা একটিমাত্র ধরণের ব্যবহার করে যে কোনো লজিক ফাংশন তৈরি করা যায়, যেমন AND, OR, NOT ইত্যাদি। NOR গেটও NAND এর মতোই এই ক্ষমতা রাখে, কারণ এটি ব্যবহার করে আমরা NOT, OR এবং AND ফাংশন সহজেই রূপান্তর করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, NOR-এর আউটপুটকে আবার NOR করলে আমরা NOT ফাংশন তৈরি করতে পারি। তাই, শুধুমাত্র NOR ব্যবহার করেও জটিল ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন করা সম্ভব, যা এটিকে ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে বৈশিষ্ট্যযুক্ত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) NOR.
 
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৯৫.
প্রিন্ট করার শর্টকাট কমান্ড কোনটি?
  1. ctrl + shift
  2. ctrl + p
  3. shift + p
  4. alt + p
ব্যাখ্যা
Ms Word এর জন্য বিভিন্ন কী-বোর্ড কমান্ড: 
• Ctrl + X - কাট করার কমান্ড, 
• Ctrl + C (or Ctrl + Insert)- কপি করার কমান্ড, 
• Ctrl + V (or Shift + Insert)- পেস্ট করার কমান্ড, 
• Ctrl + Z - কাজ মুছে দেয়ার কমান্ড, 
• Alt + Tab - একটি ট্যাব থেকে অপর ট্যাব যাওয়ার কমান্ড, 
• Ctrl + W - ডকুমেন্ট বন্ধ করার কমান্ড, 
• Ctrl + B - টেক্সট বোল্ড করার কমান্ড, 
Ctrl + P - প্রিন্ট করার কমান্ড
• Ctrl + ] - ফন্ট সাইজ ১ পয়েন্ট বাড়ানোর কমান্ড এবং 
• Ctrl + [ - ফন্ট সাইজ ১ পয়েন্ট ছোট করার কমান্ড ইত্যাদি। 

উৎস: Microsoft [লিঙ্ক]।
৩৯৬.
সাধারণত ই-কমার্স কতভাবে সংগঠিত হতে পারে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

পণ্য লেনদেনের প্রকৃতি ও ধরন অনুসারে ই-কমার্সকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা (B2C)
- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (B2B)
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (C2C)
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (C2B)

৩৯৭.
ChatGPT-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Chat Global Pre-trained Transformer
  2. Chat Generative Pre-trained Transformer
  3. Chat General Processing Technology
  4. Chat Guided Predictive Transformer
ব্যাখ্যা
ChatGPT (চ্যাটজিপিটি)
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- ChatGPT হলো একটি AI মডেল যা Natural Language Processing (NLP) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের ভাষা বুঝে নেওয়া এবং সেই অনুযায়ী প্রাকৃতিকভাবে উত্তর প্রদান করা।
- NLP এর মাধ্যমে এটি টেক্সট বিশ্লেষণ, ভাষা অনুবাদ, সারসংক্ষেপ তৈরি, প্রশ্নোত্তর, ও কথোপকথন পরিচালনা করতে পারে।
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
2। ওপেন এআই ওয়েবসাইট।
৩৯৮.
MAC Address কী?
  1. দুইটি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের ঠিকানা
  2. একটি ৪৮ বিটের IP ক্রমিক নম্বর
  3. ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর
  4. নেটওয়ার্কে যুক্ত কম্পিউটারের লজিক্যাল অ্যাড্রেস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড MAC অ্যাড্রেস প্রদান করে। এই কার্ডের বৈশিষ্ট্য হলো এতে ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর থাকে যাকে MAC অ্যাড্রেস বলে। এই কার্ডে প্রদত্ত ম্যাক অ্যাড্রেসের একটির সাথে অপরটির কোনো মিল থাকে না। এই ম্যাক অ্যাড্রেস কম্পিউটারের (ROM) রমে সংরক্ষিত থাকে। এই কার্ড পিসি এবং ডেটা কেবলের মধ্যে সিগন্যাল আদান-প্রদানের কাজটি সমন্বয় করে থাকে।
৩৯৯.
OOP-এর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. Friend Function
  2. Inheritance
  3. Loop
  4. Structure
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- OOP এর পূর্ণরূপ Object Oriented Programming.
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০০.
কোনটি ব্যাকআপ ও রিকভারি টুল নয়?
  1. Microsoft one drive
  2. Windows
  3. Dropbox
  4. Google drive
ব্যাখ্যা

• ব্যাকআপ ও রিকভারি টুল হলো সেই সফটওয়্যার বা সিস্টেম যা ডেটা সংরক্ষণ এবং হারিয়ে গেলে পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয়। তালিকায় দেওয়া অপশনগুলির মধ্যে Windows মূলত একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিচালনা করে। অন্যদিকে Microsoft OneDrive, Dropbox, এবং Google Drive ক্লাউড-ভিত্তিক ব্যাকআপ এবং ফাইল রিকভারি টুল, যেখানে ব্যবহারকারী তার গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সংরক্ষণ করতে পারে এবং প্রয়োজনে পুনরায় ফিরে পেতে পারে। সুতরাং, সরাসরি ব্যাকআপ ও রিকভারি টুল হিসাবে Windows বিবেচিত হয় না। এটি শুধুমাত্র প্ল্যাটফর্ম বা পরিবেশ হিসেবে কাজ করে, যা ব্যাকআপ করার জন্য অন্য টুল ব্যবহার করতে সাহায্য করে।

• Backup and Recovery Tool:
পুনরায় dataগুলো রিকভার করতে অর্থাৎ ইউটিলিটি সফটওয়‍্যার এর টুল ডাটা ব্যাকআপ রাখার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডাটা ব্যাকআপ রাখার বিভিন্ন রকম টুল হল:
Google drive, Dropbox, Microsoft one drive ইত্যাদি।

• বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হলো-
- DOS,
- WINDOWS,
- UNIX,
- LINUX,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।