বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৩৯ / ১৩১ · ৩,৮০১৩,৯০০ / ১৩,০৮৮

৩,৮০১.
The time for which a piece of equipment operates is called
  1. ক) Seek time
  2. খ) Effective time
  3. গ) Access time
  4. ঘ) Real time
ব্যাখ্যা

Access time is related to the time taken to access a piece of information from the memory, let it the RAM or anything else.
Seek time is related to the Storage Disks. It is the time taken by the head to get to the required position from the current position in order to read the data.
I don't know the exact meaning of the Real Time, but according to what I read, real time is relative to the user than any system. If a user requests for any service, in what time does it get serviced is Real Time.
So, Effective Time make more sense here. Given an equipment that you are working on, how long will it work for is its effective usage time.

৩,৮০২.
ই-পর্চা সেবা বলতে কী বোঝায়?
  1. জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা
  2. জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অনলাইন ব্যবস্থা
  3. ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের পদ্ধতি
  4. ভূমি জরিপ পরিচালনার ডিজিটাল পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• ই-পর্চা সেবা বলতে জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা।

• ই-পর্চা সেবা:

- ই-পর্চা সেবা হলো জমি বা ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত ও সহজে অনলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করার একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা।
- পূর্বে জমির রেকর্ড সংগ্রহ করতে সরাসরি ভূমি বা জমি রেজিস্ট্রি অফিসে যেতে হতো, যা ছিল সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ণ।
- এই জটিলতা ও ভোগান্তি কমানোর জন্য বর্তমানে চালু করা হয়েছে ই-পর্চা সেবা।
- ই-পর্চা সেবার মাধ্যমে দেশের সকল জমির রেকর্ড অনলাইনে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
- এর ফলে নাগরিকরা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই জমির রেকর্ডের কপি বা পর্চা সংগ্রহ করতে পারছেন।
- বর্তমানে ই-পর্চা সেবার আওতায় আবেদনকারীরা জেলা ও উপজেলা ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার অথবা ই-সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।
- নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ই-পর্চা সংগ্রহ করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮০৩.
4G মোবাইল 3G মোবাইল অপেক্ষা কতগুণ বেশি গতি সম্পন্ন?
  1. ক) ২ গুণ
  2. খ) ৪ গুণ
  3. গ) ৩২ গুণ
  4. ঘ) ৫০ গুণ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান ):

১। 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় 50 গুণ বেশী। এর প্রকৃত ব্যান্ড উইথ 10 Mbps আশা করা হচ্ছে।

২। টেলিভিশনের অপেক্ষাকৃত উন্নতমানের ছবি এবং ভিডিও লিংক প্রদান করে।
৩। আইপি নির্ভর ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক সিস্টেম কাজ করবে।

উৎস:  Live MCQ Lecture. 
৩,৮০৪.
ফায়ারওয়াল ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো:
  1. নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করা
  2. ডাউনলোডের সময় কমানো
  3. হার্ডড্রাইভে ডেটা সুরক্ষিত রাখা
  4. ব্যাটারি খরচ পর্যবেক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করা। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে আসা ও যাওয়া ডেটা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সম্ভাব্য ক্ষতিকারক ট্রাফিক বা হ্যাকারদের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করে। ফায়ারওয়াল বিভিন্ন নিয়ম বা পলিসি ব্যবহার করে নির্ধারণ করে কোন তথ্য অনুমোদিত এবং কোনটি ব্লক করা হবে। এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটার, সার্ভার বা বৃহৎ নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফায়ারওয়াল ব্যবহারের ফলে ডেটা চুরি, ম্যালওয়্যার আক্রমণ এবং অন্যান্য সাইবার হুমকি থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়, ফলে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার সম্ভব হয়।

ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। অর্থাৎ ফায়ারওয়াল আগত এবং বহির্গত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮০৫.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) GPRS
  2. খ) WAP
  3. গ) EDGE
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
GPRS, EDEG, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায় ।
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়।
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়।
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়৷

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩,৮০৬.
'10111 + 11111' বাইনারি যোগফলের হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. ক) 52
  2. খ) 5C
  3. গ) 6E
  4. ঘ) 36
ব্যাখ্যা
⇒ বাইনারি যোগ: 10111 + 11111 = 110110
⇒ 110110 এর হেক্সাডেসিমেল মান: 36

বাইনারি যোগের ক্ষেত্রে,
⇒ 0 + 0 = 0
⇒ 1 + 0 = 1
⇒ 1 + 1 = 10  [বসবে 0 আর হাতে থাকবে 1]
⇒ 1 + 1 + 1 = 11 [বসবে 1 আর হাতে থাকবে 1]
৩,৮০৭.
ফ্যাক্স কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৮৪২ সাল
  2. ১৮৫৬ সাল
  3. ১৮৭৮ সাল
  4. ১৮৮৪ সাল
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩,৮০৮.
কে infrared তরঙ্গ আবিষ্কার করেন?
  1. ক) উইলিয়াম হার্শেল
  2. খ) ওয়াল্টার ব্রাটেইন
  3. গ) উইলিয়াম শকলে
  4. ঘ) কেউই নয়
ব্যাখ্যা
১৮০০ শতাব্দীতে infrared তরঙ্গ আবিষ্কার করেন উইলিয়াম হার্শেল।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
৩,৮০৯.
‘CYBER 170’ কোন ধরনের কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) মিনি কম্পিউটারে
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) মাইক্রো কম্পিউটার
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটারে
ব্যাখ্যা
মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
সুপার কম্পিউটারের চেয়ে তুলনামূলক কম শক্তিশালী কম্পিউটার হলাে মেইনফ্রেম কম্পিউটার। অফিস-আদালত, বড় বড় শিল্প ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ ও জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: IBM 4300, UNIVAC 1100, CYBER 170 ইত্যাদি।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৮১০.
সর্বপ্রথম মাউস ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) এপসম কম্পিউটারে
  2. খ) ইউনিভ্যাক কম্পিউটারে
  3. গ) অ্যাপল কম্পিউটারে
  4. ঘ) ম্যাকিন্টোস কম্পিউটারে
ব্যাখ্যা
মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস। মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ১৯৬৪ সালে ডগলাস এঞ্জেলবার্টের নকশা অবলম্বন করে বিল ইংলিশ মাউস নির্মাণ করেন।
১৯৮৪ সালে ম্যাকিন্টোস কম্পিউটারে সর্বপ্রথম মাউস ব্যবহৃত হয়।
৩,৮১১.
কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যাটিকে ছোট ছোট ধাপে বিভক্ত করে যুক্তিসম্মতভাবে পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করাকে কী বলে?
  1. ক) অ্যালগরিদম
  2. খ) প্রোগ্রাম ডিজাইন
  3. গ) ফ্লোচার্ট
  4. ঘ) সুডো কোড
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রাম ডিজাইন
- সমস্যা সমাধান করার জন্য বর্তমান সিস্টেমের প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নতুন সিস্টেমের মূল রূপ রেখা নির্ণয় করাকেই ডিজাইন বা পরিকল্পনা বলা হয়।
- ডিজাইন ধাপের মূল বিষয় হচ্ছে কীভাবে সমস্যাটি সমাধান করে কার্যকরী প্রক্রিয়া তৈরি করা যায়।
- সমস্যা বিশ্লেষণের পর প্রোগ্রাম ডিজাইনের কাজ শুরু করা হয়।
- প্রোগ্রাম ডিজাইনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো আউটপুট ডিজাইন।

প্রোগ্রাম ডিজাইনের ব্যবহৃত প্রধান টুলসসমূহ হলো:
১। অ্যালগরিদম
২। ফ্লোচার্ট ও
৩। সুডো কোড

অ্যালগরিদম
- কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যাটিকে ছোট ছোট ধাপে বিভক্ত করে যুক্তিসম্মতভাবে পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করাকে অ্যালগরিদম বলে।
- অর্থাৎ অ্যালগরিদম হচ্ছে প্রোগ্রাম রচনা ও নির্বাহের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে লিপিবদ্ধ করা।
- কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানে প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে অ্যালগরিদমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্লোচার্ট বা প্রবাহ চিত্র
- প্রোগ্রাম বা কোনো উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পদ্ধতিকে সহজে চিত্রের সাহায্যে তুলে ধরার জন্য সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণনাভিত্তিক এবং পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাকে ফ্লোচার্ট বা প্রবাহ চিত্র বলা হয়।
- ফ্লোচার্ট হচ্ছে অ্যালগরিদমের চিত্ররূপ।
- অর্থাৎ অ্যালগরিদমের ধাপসমূহ চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করাকে ফ্লোচার্ট বলে। 

সুডো কোড
- সুডো অর্থ হলো অবাস্তব, অর্থাৎ যা সত্য নয়।
- প্রোগ্রাম রচনার ধারাবাহিক বিন্যাসকে কথায় লেখাই হলো সুডো কোড।
- এটি অনেক প্রোগ্রাম লেখার মতোই।
- সুডো কোডকে অনেকে অ্যালগরিদমের বিকল্প বলে থাকেন।
- ইংরেজিতে সাধারণত এটি রচনা করা হয়।
৩,৮১২.
কোন পদ্ধতির মাধ্যমে প্রথম দুটি দূরবর্তী কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়?
  1. IMP
  2. INTRANEET
  3. HTP
  4. APRANET
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের ইতিহাস:
- প্রথমদিকে ইন্টারনেটের নাম ছিল আরপানেট (ARPANET)।
- ১৯৬৮ সালের আরপানেট ছিল এর প্রাথমিক পর্যায়।
- এ প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধিত হয় আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।
- ১৯৬৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রথম যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হয়।
- লস এঞ্জেলসের UCLA ল্যাবরেটরিতে স্থাপিত উক্ত নেটওয়ার্কটির নাম ছিল ইন্টারফেস ম্যাসেজ প্রসেসর (Interface Message Processor- IMP)।
- IMP পদ্ধতির মাধ্যমেই প্রথম দুটি দূরবর্তী কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়।
- এ পরীক্ষাটি চালানো হয় লস এঞ্জেলস থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কের স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনিসটিটিউট (Stanford Research Institute)-এর মধ্যবর্তী দুটি কম্পিউটারের মধ্যে।
- চূড়ান্তভাবে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে।
- প্রথম যে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় সে কম্পিউটারগুলো লস এঞ্জেলস, মেনলো পার্ক, সান্তা বারবারা (U.C. Santa Barbara) এবং Utah (The University of Utah)- তে অবস্থিত ছিল।

উৎস: তথ্য ব্যবস্থাপনা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮১৩.
(২৭)১০ সংখ্যাটির বাইনারি রূপ নিচের কোনটি?
  1. ১১০০১
  2. ১১১০১
  3. ১০১১১
  4. ১১০১১
ব্যাখ্যা

ভাগ ভাগফল ভাগশেষ
২৭/২ ১৩ ১
১৩/২ ৬ ১
৬/২ ৩ ০
৩/২ ১ ১
১/২ ০ ১
∴(২৭)১০ = (১১০১১)

৩,৮১৪.
আইপি এড্রেস কী?
  1. একটি ডিভাইসের ফিজিক্যাল লোকেশন নির্দেশক ঠিকানা
  2. ওয়েবসাইটের ডোমেইন নেইম
  3. একটি সফটওয়্যারের লাইসেন্স কোড
  4. ইন্টারনেটে কোনো ডিভাইসের স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর
ব্যাখ্যা

আইপি এড্রেস হচ্ছে ইন্টারনেটে কোনো ডিভাইসের স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর।

• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮১৫.
লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. Windows
  2. ANDROID 
  3. Mac OS
  4. DOS
ব্যাখ্যা
Android একটি লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

Android
- Android হল সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম। 
- Android 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি Android Inc. এর একটি প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল, ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করার জন্য। 
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম হয়ে ওঠে। 
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. Android Inc. কিনে নেয়।
- Google-এ, Android টিম তাদের প্রকল্পটিকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের জন্য একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম Linux-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৮১৬.
কম্পিউটারের কোন কাজটি আগে কার্যকর হবে তা নির্ধারণ করে-
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. মেমরি
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের কোন কাজটি আগে কার্যকর হবে তা নির্ধারণ করে অপারেটিং সিস্টেম।

• অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধা:
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারকে সচল ও ব্যবহারপোযোগী করে তোলে।
- প্রসেসর পরিচালনা ম্যানেজমেন্ট করে।
- মেমরি পরিচালনা করে, অর্থাৎ প্রধান মেমরিতে ডেটা, প্রোগ্রাম নিয়ে আসে এবং কার্যকরী করে।
- ইনপুট/আউটপুট যন্ত্রগুলো পরিচালনা করে, অর্থাৎ প্রিন্টার, ফ্লপি ডিস্ক, হার্ডডিস্ক, মাউস, কি-বোর্ড, মনিটর প্রভৃতির নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন করে।
- ফাইল পরিচালনা করে, অর্থাৎ মেমরিতে রক্ষিত বিভিন্ন ফাইল এক ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইসে পাঠাতে এবং পরিবর্তন করতে সাহায্য করে।
- অপারেটিং সিস্টেম নির্ধারণ করে কম্পিউটারের কোন কাজটি আগে কার্যকর হবে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮১৭.
Facebook acquired which popular messaging platform in 2014?
  1. WhatsApp
  2. Snapchat
  3. Telegram
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
• Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো।
- Instagram, Threads, WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।
- WhatApp ২০০৯ সালে প্রথম রিলিজ করা হয়।
- ফ্রেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৪ সালে ফেসবুক কোম্পানি ১৯ বিলিয়ন ডলার দিয়ে WhatsApp কিনে নেয়
- ফেসবুক ২০১২ সালে Instagram কিনে নেয়।

Snapchat:
- Snapchat এর Parent Company হচ্ছে Snap Inc.
- Snapchat এর CEO হচ্ছেন Evan Spiegel.

Telegram:
- Telegram এর Parent Company হচ্ছে Telegram Group Inc.
- Telegram এর CEO হচ্ছেন Pavel Durov.

উৎস:
১) ব্রিটানিকা।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,৮১৮.
Which of the following is not a computer virus?
  1. WannaCry
  2. Boot Sector
  3. Avast
  4. Trojan Horse
ব্যাখ্যা

Avast হলো বিশ্বব্যাপী পরিচিত একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে কম্পিউটারকে সুরক্ষা দেয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Zeus, ILOVEYOU, Slammer, CryptoLocker, WannaCry, Trojan horse, Code Red ইত্যাদি।

• অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮১৯.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম নয়?
  1. Microsoft Access
  2. Oracle
  3. Fox pro
  4. Power Point
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
উদাহরণ: Microsoft Access, Microsoft SQL server, Oracle, Corel paradox, lotus approach, Corel paradox, filemaker pro, Fox pro ইত্যাদি।

• Power Point হলো একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
৩,৮২০.
যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে -
  1. ক) অর গেইট
  2. খ) অ্যান্ড গেইট
  3. গ) নট গেইট
  4. ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
নট গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে। 

- অ্যান্ড গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- অর গেইট  যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট থাকে, তাকে নট গেইট বলে। 
- নট গেইটের ইনপুট শুন্য হলে আউটপুট ১ হবে, আবার ইনপুট শুন্য হলে আউটপুট হবে ১। 
- যখন কোন সংখ্যা বা রাশিকে একটি নির্দিষ্ট নিয়মের মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়, তখন সেই নিয়মকে লজিক বলা হয়।
- লজিক্যাল নীতির উপর ভিত্তি করে যে সব সার্কিট ডিজাইন করা হয় যার এক বা একাধিক ইনপুট থাকে এবং একটি মাত্র আউটপুট থাকে তাকে লজিক গেইট বলা হয়। 

সূত্র: ১২৬ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮২১.
ডেটাবেজ স্ট্রাকচারকে পরিবর্তন করতে কোন কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. Alter
  2. Select
  3. Rename
  4. Update
ব্যাখ্যা
- DDL-এর পূর্ণরূপ Data Definition Language ।
- প্রয়োজনীয় তথ্যের সাহায্যে ডেটাবেজ তৈরি, সংশোধন, বাতিল ইত্যাদি ডেটাবেজ ব্যবস্থামূলক কাজে ব্যবহৃত ভাষাকে DDL বা ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- DDL এর কয়েকটি কমান্ড-

• CREATE- নতুন ডেটাবেজ তৈরি করা।
• ALTER- ডেটাবেজ স্ট্রাকচারকে পরিবর্তন করা।
• DROP- ডেটাবেজ ডিলিট করা।
• TRUNCATE- টেবিল থেকে সব রেকর্ডসমূহ মুছে দেয়া।
• RENAME- ডেটাবেজ নাম পরিবর্তন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৮২২.
ই-কমার্সে পণ্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. COD
  2. COC
  3. DOP
  4. POD
ব্যাখ্যা
- ই-কমার্সে পন্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ করার পদ্ধতিকে COD (Cash on Delivery) বলে।

• ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
২. ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
৩. ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
৪. আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
৫. মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
৬. ই-কমার্সে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার খরচ অনেক কম। ফলে সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে।
৭. ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
৮. ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,৮২৩.
ডাটাবেজে কোনো রেকর্ড সংযোজন বা সংশোধন করলে কী হয়?
  1. ইনডেক্স করা ফাইল আপডেট হয়
  2. সর্ট করা ফাইল আপডেট হয়
  3. নতুন করে ইনডেক্স করতে হয়
  4. রেকর্ডগুলোর অ্যাড্রেস সাজানো হয়
ব্যাখ্যা
ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে-
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়।
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর।
- সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৮২৪.
কোন রঙ গুলোর সমন্বয়ে রঙিন মনিটরে বিভিন্ন রঙের ছবি তৈরি হয়?
  1. ক) সাদা, নীল ও লাল
  2. খ) আসমানী, হলুদ ও লাল
  3. গ) লাল, হলুদ ও সাদা
  4. ঘ) লাল, সবুজ ও আসমানী
ব্যাখ্যা
রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ- লাল, সবুজ ও আসমানী প্রদর্শনের জন্য তিন ধরনের ইলেকট্রন গান থাকে। এই ইলেকট্রন গান গুলোর জন্য রঙিন মনিটরে বিভিন্ন রঙের ছবি তৈরি হয়।
৩,৮২৫.
Wi-Fi কোন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে?
  1. 0.5 GHz - 2 GHz
  2. 2.4 GHz - 5 GHz
  3. 10 GHz - 20 GHz
  4. 100 MHz - 200 MHz
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) 2.4 GHz - 5 GHz

Wi-Fi
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারলেস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩,৮২৬.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফটের পণ্য?
  1. ক) VMware Solutions
  2. খ) Pixel Phone
  3. গ) Nest Hub Max
  4. ঘ) Power BI Pro
ব্যাখ্যা
Microsoft Power BI Pro পণ্য ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন এবং বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা যায়।

- অপরদিকে, পিক্সেল ফোন, নেসট হাব ম্যাক্স গুলো হচ্ছে গুগলের নির্মিত পণ্য। এবং VMware Solutions, IBM এর পণ্য। 

সূত্র: Microsoft Official Website.
৩,৮২৭.
ই-কমার্সে 'ERP' বলতে কী বোঝায়?
  1. Enterprise Review Process
  2. Electronic Review Process
  3. Electronic Resource Planning
  4. Enterprise Resource Planning
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্স:
- ই-কমার্স একটি আধুনিক ব্যবসায় পদ্ধতি।
- E-Commerce-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Electronic Commerce।
- বর্তমানে ব্যবসায়িক জগতে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
- বর্তমান যুগের ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়-বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকেই ই-কমার্স বলে।
- অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করাকে ই-কমার্স বলা হয়। 

• ERP:
- ERP-এর পূর্ণরূপ হলো Enterprise resource planning.
- এটি হলো এক ধরনের ডাটাবেজ সফটওয়্যার (Logically) যা একটা বড় কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ প্রসেস এবং অপারেশনকে শুধুমাত্র একটা সফটওয়ারে চালিত করে।
- এটি একটি সমন্বিত সফটওয়ারের রূপ।
- যা একটি কোম্পানি মোটামুটি সব চাহিদা পূরণ করে।
- বড় ধরনের কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সমগ্র বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবস্থাপনাকে সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠানের ফিন্যান্স/এ্যাকাউন্টিং ম্যানুফ্যাকচারিং সেলস এবং সার্ভিস কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট প্রভৃতি বিষয়বলি।
- একটি সমন্বিত সফটওয়্যার এপ্লিকেশনের দ্বারা ERP সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ কার্যক্রমগুলো সম্পন্ন করে থাকে৷ ERP সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার এবং নেটওয়ার্ক কনফিগারেশনে রান করতে পারে।
- এটি সাধারণত তথ্যের ভান্ডার হিসেবে একটি ডেটাবেজকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং SAP website.
৩,৮২৮.
RDBMS-এ কোনো ডেটা টেবিলের প্রতিটি এন্ট্রি স্বতন্ত্র করতে কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. ফরেন কী
ব্যাখ্যা

• RDBMS-এ কোনো ডেটা টেবিলের প্রতিটি এন্ট্রি বা রেকর্ড স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করতে প্রাইমারি কী (Primary Key) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বিশেষ কলাম বা কলামগুলোর সমষ্টি যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অনন্য মান নিশ্চিত করে। প্রাইমারি কী কখনো খালি (NULL) হতে পারে না এবং এটি টেবিলের প্রতিটি এন্ট্রিকে স্বতন্ত্রভাবে শনাক্ত করার জন্য অপরিহার্য। অন্যদিকে কম্পোজিট কী হলো একাধিক কলাম মিলিয়ে তৈরি করা যায় এমন চাবি, এবং ফরেন কী অন্য টেবিলের প্রাইমারি কীকে রেফার করে। তাই সরাসরি প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয় প্রাইমারি কী।

- উত্তর: গ) প্রাইমারি কী।

• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮২৯.
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট মূলত কোন ধরনের প্রোগ্রাম?
  1. স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  2. ডেটাবেজ প্রোগ্রাম
  3. প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম
  4. ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট মূলত একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম।

মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট(MS-Power Point):
- মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হলো একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম।
- এটি একটি গ্রাফিক্স প্যাকেজ প্রোগ্রাম।
- উইন্ডোজভিত্তিক এই প্রোগ্রাম উৎপত্তি সময় থেকে কতিপয় version (সংস্করণ) অতিক্রম করে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে Powerpoint 2019. - Powerpoint-এর সাহায্যে পণ্যের বিজ্ঞাপন, মিটিংয়ের আলোচ্য বিষয়, উৎপাদন প্রতিবেদন, ডেটা উপস্থাপনা, গ্রাফচার্ট উপস্থাপন ইত্যাদি কাজ করা যায়।
- মূলত Powerpoint-এর আগমনে টেলিভিশনের বিজ্ঞাপন উপস্থাপনায় অভূতপূর্ব চমক সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৩০.
টেলিফোন কোন মোডে ডাটা ট্রান্সমিশন করে?
  1. সিমপ্লেক্স মোড
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
টেলিফোন ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে।

ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 

- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- 
১. সিমপ্লেক্স,
২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড: 
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড: 
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৩১.
যে কোন বেসের নম্বর সিস্টেমে সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি কী?
  1. 0
  2. 1
  3. বেস অনুযায়ী ভিন্ন হয়
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ যেকোনো বেস (Base) সংখ্যা পদ্ধতিতে শূন্যতম (সবচেয়ে ছোট) সংখ্যাটি হলো 0.
কারণ, সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) যাই হোক না কেন (যেমন: বাইনারি- Base 2, দশমিক- Base 10, হেক্সাডেসিমেল- Base 16 ইত্যাদি), সব ক্ষেত্রেই সংখ্যা গণনা শুরু হয় 0 থেকে।

সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যেমন:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) এবং
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 10.
- (101)10, (98.73)10 ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2.
- (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- (101)8, (731)8 ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ।

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- (151)16, (1B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৩২.
বাংলাদেশে সর্ব প্রথম স্থাপিত কম্পিউটারটি কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ব্যক্তিগত কাজে
  2. খ) চিকিৎসা ক্ষেত্রে
  3. গ) বৈজ্ঞানিক গবেষনায়
  4. ঘ) শিল্পক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

The first computer in Bangladesh (erstwhile East Pakistan) was installed at the atomic energy centre, Dhaka of Pakistan Atomic Energy Commission in 1964. It was an IBM Mainframe Computer of 1620 series. The main use of the machine was resolving complicated mathematical calculations in different research works.

Source: en.banglapedia.org

৩,৮৩৩.
স্মার্ট হোমে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. Home Automation System
  2. Digital Assistance System
  3. Communication Control System
  4. Security Control System
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর হবে:

ক) Home Automation System

স্মার্ট হোমে বিভিন্ন ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য Home Automation System ব্যবহার করা হয়। এই সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরের আলো, তাপমাত্রা, সুরক্ষা ব্যবস্থা, গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা রিমোটের মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে।

⚪ স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:

- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৮৩৪.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল নয় কোনটি?
  1. IaaS
  2. EaaS
  3. PaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল:

- অবকাঠামোগত পরিষেবা ( Infrastructure as a service- IaaS)
এখানে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড সেবাদানকারী তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজসহ মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

- প্লাটফর্মভিত্তিক পরিষেবা ( Platform as a service - Paas)
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার , ডেটাবেজ থাকে।
 অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্লাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

- সফটওয়্যার পরিষেবা ( Software as a service - SaaS)
প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: ১. HSC Programme, Bangladesh Open University.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৮৩৫.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অন-ডিমান্ড সেবা
  2. একক গ্রাহকের জন্য ডেডিকেটেড রিসোর্স
  3. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
  4. পে-অ্যাজ-ইউ-গো
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং মাল্টি-টেন্যান্ট মডেলে কাজ করে, যেখানে রিসোর্স একাধিক গ্রাহকের মধ্যে ভাগাভাগি করে ব্যবহৃত হয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেকনোলজি (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-

১.রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

এছাড়াও ব্রড নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস (Broad network access), রিসোর্স পুলিং (Resource pooling)- এগুলোও ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য।

এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। NIST Website. [লিংক]

 

৩,৮৩৬.
Advanced medical treatment through internet is called-
  1. E-treatment
  2. e-services
  3. Telemedicine
  4. Electromedicine
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলা হয়। 
- তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থান থেকে কিংবা রোগী কে চাক্ষুষ না দেখেও চিকিৎসা সেবা প্রদানের পদ্ধতি কে টেলিমেডিসিন বলে।
- এ পদ্ধতিতে চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সার্জারিতেও অংশ নিয়ে থাকে।
- ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের ফলে দূরবর্তী স্থানেও টেলিডিসিন সেবার মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
৩,৮৩৭.
GSM মোবাইল প্রজন্মের কোন প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৪র্থ প্রজন্ম
  2. ৩য় প্রজন্ম
  3. ২য় প্রজন্ম
  4. ১ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
GSM ২য় প্রজন্ম মোবাইল প্রজন্মের প্রযুক্তি।

• সেলুলার বা মোবাইল ফোন প্রযুক্তি:
- মোবাইল ফোন বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।
- ১৯৪০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয়।
- তার বিহীন দুটি ডিভােেইসর মধ্যে ডাটা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে মোবাইল যোগাযোগ বলে।
-বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
১। জিএসএম (GSM) ও
২। সিডিএমএ (CDMA)

• জিএসএম:
- Global System for Mobile Communication (GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএমএস পথিকৃত।
- GSM, TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কল কন্ট্রোল, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কল ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৩৮.
কম্পিউটার সংগঠনের কোন অংশটি মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিট এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. ইনপুট অংশ
  2. মাদারবোর্ড
  3. কন্ট্রোল ইউনিট
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
• মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট। 

• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার  সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়। 

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট। 

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়। 

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)। 
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে। 
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৩৯.
সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স মোডে কোন কম্পিউটার ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. Printer
  2. Monitor
  3. Mouse
  4. NIC
ব্যাখ্যা

• সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স (Full Duplex) মোডে যে কম্পিউটার ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয় তা হলো ঘ) NIC (Network Interface Card)। ফুল ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ (send) ও গ্রহণ (receive) করা যায়। নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার সময় একটি কম্পিউটার একসাথে তথ্য পাঠায় এবং গ্রহণ করে, আর এই কাজটি সম্পন্ন করে NIC। Printer, Monitor বা Mouse একমুখী বা হাফ ডুপ্লেক্স যোগাযোগে কাজ করে; তারা একই সময়ে ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করতে পারে না। তাই ফুল ডুপ্লেক্স যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ডিভাইস হলো NIC.
 
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৪০.
কোনটি সহায়ক স্মৃতির উদাহরণ?
  1. চার্জ কাপল স্মৃতি
  2. চুম্বকীয় কোর স্মৃতি
  3. চৌম্বক ড্রাম
  4. অর্ধপরিবাহী স্মৃতি
ব্যাখ্যা
চৌম্বক ড্রাম একটি সহায়ক স্মৃতির উদাহরণ।

• কম্পিউটারের স্মৃতি
কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।

• প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
- প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
- যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
- যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন।
- প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.

• কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কয়েক ধরনের প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি আছে। সেগুলো নিম্নরূপ-
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
            i. RAM,
            ii. ROM.
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
- সিডি (CD- Compact Disc),
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪১.
রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে _________ বলে।
  1. Computer Bus
  2. Adware
  3. Firewall
  4. Firmware
ব্যাখ্যা
⚪ Firmware হলো সেই ধরনের প্রোগ্রাম যা ROM (Read Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি কাজ করে এবং ডিভাইস চালু হলে প্রথমে কাজ শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, BIOS একটি Firmware।

⚪ অপশন আলোচনা:

- Computer Bus: এটি একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে।

- Adware: এটি একটি ধরনের সফটওয়্যার যা বিজ্ঞাপন দেখায় এবং সাধারণত বিরক্তিকর হয়।

- Firewall: এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা অননুমোদিত অ্যাকসেস থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখে।

⚪ ROM (রম):
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- যেমন: PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]।
৩,৮৪২.
কম্পিউটারের আইকিউ (IQ) কত?
  1. ১০০
  2. ৫০
  3. ১২০+
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হলো মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা (IQ-Intelligence Quotient) করার ক্ষমতা নেই।
- মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো, বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৩.
ইউনিকোড সিস্টেমের UTF-8 এ প্রতিটি বর্ণের জন্য কয় বাইট পর্যন্ত স্থান সংরক্ষণ করা আছে?
  1. ক) 8 বাইট
  2. খ) 4 বাইট
  3. গ) 16 বাইট
  4. ঘ) 32 বাইট
ব্যাখ্যা
- ইউনিকোডের বাইটগুলো প্রক্রিয়া করার জন্য কয়েক ধরণের পদ্ধতি রয়েছে:
- তার মাঝে UTF-8 এবং UTF-16 (UTF: Unicode Transformation Format) হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি। 
- UTF-8 এ প্রতি বর্ণের জন্য এক থেকে চার বাইট পর্যন্ত স্থান সংরক্ষণ করা আছে।
- UTF-16 এ প্রতি বর্ণের জন্য কমপক্ষে ২ বাইট স্থান সংরক্ষণ করা আছে ।
 
উৎস: আইবিএম ওয়েবসাইট 
৩,৮৪৪.
প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার কোনটি?
  1. Mark-I
  2. ABC
  3. IBM-650
  4. EDSAC
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারের নাম 'মার্ক-১'।

• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩,৮৪৫.
ই-কমার্স কী?
  1. ক) নতুন বাজারজাতকরণ পদ্ধতি
  2. খ) পরিবহন ব্যবস্থা
  3. গ) প্রেষণাদানের নতুন পদ্ধতি
  4. ঘ) বাণিজ্যিক ব্যাংকিং
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
-  ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- বাজারজাতকারী এবং ক্রেতা ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছে।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।
- এ ডাটা ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তথ্যের আদানপ্রদান করছে।
- ট্রান্সমিশনের কাজটি সম্পাদিত হয় সবার ব্যবহার উপযোগী উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই, কম্পিউটার ইত্যাদি দ্রব্য যা দৃশ্যমান তা বিক্রয়ের বিষয়টি সবার নজর কেড়েছে।

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
৩,৮৪৬.
রেজিস্টার কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে
  2. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে
  3. ডিজিটাল ঘড়িতে
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• Register:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।

• গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং
২. শিফট রেজিস্টার।

• রেজিস্টার-এর ব্যবহার:
- ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।
- অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
- ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৭.
Bing ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনটি কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. ক) Google
  2. খ) Microsoft
  3. গ) Yahoo
  4. ঘ) Baidu
ব্যাখ্যা

Bing বর্তমানে জনপ্রিয় ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন, যা Microsoft এর মালিকানাধীন।

বিং, সার্চ ইঞ্জিন ২০০৯ সালে আমেরিকান সফ্টওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন দ্বারা চালু হয়।
অপরদিকে, Google এর ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনটির নাম হল- Google Chrome।
Yahoo সার্চ ইঞ্জিনটির মালিকানাধীন কোম্পানি Yahoo.
Baidu হল একটি চায়নাভিত্তিক ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট

৩,৮৪৮.
একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম সচল রাখার ক্ষমতাকে বলে ___
  1. মাল্টি টাস্কিং
  2. ইউনিকোড
  3. DBMS
  4. ফরমেট
ব্যাখ্যা
মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম: 
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে। - ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং-এর পর আরেকটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে। 
- এক্ষেত্রে দেখা যায়, কম গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ যখন ডেটা আদান-প্রদানে ব্যস্ত থাকে তখন অপেক্ষাকৃত উচ্চতর গতিসম্পন্ন সিপিইউ অলস হয়ে বসে থাকে। 
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
৩,৮৪৯.
বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগের জন্য যে জ্যামিতিক সন্নিবেশ করা হয় তাকে বলে-
  1. ক) মরফোলজি
  2. খ) টেকনোলজি
  3. গ) নিউরোলজি
  4. ঘ) টপোলজি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৩,৮৫০.
একটি ডাটাবেজের রেকর্ডের সবচেয়ে ছোট অংশকে কী বলা হয়?
  1. রেকর্ড
  2. টেবিল
  3. ফাইল
  4. ফিল্ড
ব্যাখ্যা
ফিল্ড: 
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড।
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৫১.
IPv4 এর নিচের কোনটি Google DNS Server IP Address?
  1. 8.8.7.6
  2. 8.7.8.6
  3. 8.8.8.6
  4. 8.8.8.8
ব্যাখ্যা
DNS সার্ভার: 
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে। 
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে। 
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার। 
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত। 


উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
৩,৮৫২.
রিপিটার এর কাজ কী?
  1. অনুবাদ করা
  2. দুর্বল সিগন্যালকে শক্তিশালী করে অধিক দূরত্বে প্রেরণ করা
  3. নেটওয়ার্কে ট্রাফিক বৃদ্ধি করা
  4. নেটওয়ার্কে রাউটিং করা
ব্যাখ্যা

রিপিটার এর কাজ দুর্বল সিগন্যালকে শক্তিশালী করে অধিক দূরত্বে প্রেরণ করা।

• রিপিটার (Repeater):
- রিপিটার এক ধরনের কানেকটিভিটি ডিভাইস, যা দুর্বল সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফাই বা শক্তিশালী করে গন্তব্যে প্রেরণ করে।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ক্যাবলের মাধমে যুক্ত কম্পিউটারটি যদি দূরে হয়, তাহলে এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ডেটা সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যায়। এ দুর্বল সিগন্যাল বা সংকেতকে সবল করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
- নেটওয়ার্ক সংযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
- ১৮৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার আগেই একটি রিপিটার ব্যবহার করে সেই সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফাই করে দিলে সেটি আরো ১৮৫ মিটার অতিক্রম করতে পারে।

• রিপিটার-এর সুবিধা:
১. নেটওয়ার্ক সংযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
২. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক বৃদ্ধি না করে ডেটা অ্যামপ্লিফাই বা শক্তিশালী করে সামনের দিকে প্রেরণ করা যায়।

• রিপিটার-এর অসুবিধা:
১. ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা রয়েছে।
২. সীমিতসংখ্যক কম্পিউটার যুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩,৮৫৩.
Which of the following services became possible with 3G?
  1. Digital Voice transmission
  2. SMS and MMS
  3. Mobile Banking
  4. None of them
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) Mobile Banking.

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

অন্যান্য অপশন:
ক) Digital Voice transmission
- 2G প্রযুক্তিতে ডিজিটাল ভয়েস ট্রান্সমিশন চালু হয়েছিল।

খ) SMS and MMS
- SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Messaging Service) চালু হয় 2G-তে।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩,৮৫৪.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. Amazon - যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কমার্স
  2. Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট
  3. Aarong - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট
  4. Alibaba - যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কমার্স
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার খরচ অনেক কম। ফলে সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

• Amazon - যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স।
• Alibaba - চীনভিত্তিক ই-কমার্স।
• Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট।
• Aarong - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. অ্যামাজন ওয়েবসাইট।
৩,৮৫৫.
পারসনাল কম্পিউটার যুক্ত করে নিচের কোনটি তৈরি করা যায়?
  1. Super Computer
  2. Network
  3. Server
  4. Enterprise
ব্যাখ্যা
- দুই বা ততোধিক পারসোনাল কম্পিউটার একসাথে যুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়। 
- এতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীর ফাইল, প্রিন্টার ও অন্যান্য তথ্যাদি নিজেদের মধ্যে শেয়ার করা যায়। 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়। 
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার। 
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা। 
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে। 
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,৮৫৬.
ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাণিজ্য করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ক) ই-বিজনেস
  2. খ) ই-ট্রেড
  3. গ) ই-কমার্স
  4. ঘ) আউটসোর্সিং
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাণিজ্য করার প্রক্রিয়াকে ই-কমার্স বলা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি -নবম-দশম শ্রেণী
৩,৮৫৭.
গুগল কোন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে?
  1. DeepSeek
  2. Alexa
  3. Siri
  4. Gemini
ব্যাখ্যা

• গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম Gemini. এটি একটি আধুনিক AI প্ল্যাটফর্ম যা বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম, যেমন ভাষা বোঝা, তথ্য বিশ্লেষণ, ছবি চিনতে পারা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া। 
 
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৫৮.
যখন আপনি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী রেকর্ড খুঁজতে বলেন, তখন এটিকে বলা হয়:
  1. আপডেট
  2. সর্টিং
  3. সেভিং
  4. কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• যখন আপনি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী রেকর্ড খুঁজতে বলেন, তখন এটিকে কুয়েরি (ঘ) বলা হয়। কুয়েরি হল একটি নির্দিষ্ট অনুরোধ যা ডেটাবেজে পাঠানো হয়, যাতে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়। এটি সাধারণত SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি জানতে চান কোন ছাত্রদের নম্বর ৮০-এর বেশি, তাহলে আপনি সেই শর্ত অনুযায়ী একটি কুয়েরি চালাবেন। কুয়েরির মাধ্যমে ডেটাবেজে থাকা লক্ষ লক্ষ রেকর্ড থেকে খুব সহজেই প্রাসঙ্গিক ডেটা বের করা যায়। এটি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং তথ্য বিশ্লেষণের জন্য অপরিহার্য।

• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৮৫৯.
বেশিরভাগ আধুনিক ওয়েব ব্রাউজারে F7 কী- এর কাজ কী?
  1. বানান যাচাই সক্রিয় করা
  2. ক্যারেট ব্রাউজিং চালু করা
  3. বুকমার্ক করা
  4. পৃষ্ঠা পুনরায় লোড করা
ব্যাখ্যা
• আধুনিক ওয়েব ব্রাউজারের বেশিরভাগে F7 কী ক্যারেট ব্রাউজিং চালু বা বন্ধ করার কাজে ব্যবহৃত হয়, অর্থাৎ সঠিক উত্তর (খ) ক্যারেট ব্রাউজিং চালু করা।
- ক্যারেট ব্রাউজিং একটি ফিচার যা ওয়েবপেজে টেক্সট নেভিগেশনের জন্য ব্যবহার করা হয়, ঠিক যেমনটি আমরা কোনো ওয়ার্ড প্রসেসরে কীবোর্ডের অ্যারো কী ব্যবহার করে করি। এটি চালু করলে মাউসের বদলে কীবোর্ড দিয়েই টেক্সট সিলেক্ট, কপি অথবা হাইলাইট করা যায়। ক্যারেট ব্রাউজিং সক্রিয় করলে স্ক্রিনে একটি মুভেবল কার্সর দেখা যায় যা দিয়ে ব্যবহারকারী পৃষ্ঠার বিভিন্ন অংশে সরাসরি নেভিগেট করতে পারেন। এটি বিশেষভাবে উপকারী যারা মাউস ব্যবহারে অসুবিধায় পড়েন।


• ফাংশন কী: 
- কী বোর্ডের উপরের দিকে বাম পার্শ্বে F1 থেকে F12 পর্যন্ত যে কী গুলো আছে এদেরকে ফাংশন কী বলে।
- কোন নির্দিষ্ট কাজ করা যায় বলে একে ফাংশন কী বলে।
- যেমন কোনো প্রোগ্রামের জন্য help, অথবা কোনো প্রোগ্রাম run করানো ইত্যাদি কাজে এই কী এর ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 সাধারণত বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়। তবে আধুনিক ওয়েব ব্রাউজারের বেশিরভাগে F7 কী ক্যারেট ব্রাউজিং চালু বা বন্ধ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৩,৮৬০.
ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ব্যবহৃত Programming Language হলো -
  1. ক) HTML
  2. খ) PHP
  3. গ) CSS
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ৩টির মধ্যে PHP হচ্ছে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। অন্যদিকে, HTML হচ্ছে Markup Language এবং CSS হচ্ছে Cascading Style Sheets.
৩,৮৬১.
নিচের কোন প্রোগ্রামিং ভাষার জনক গুইডো ভ্যান রোসাম?
  1. PHP
  2. JavaScript
  3. Swift
  4. Python
ব্যাখ্যা
• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী গুইডো ভ্যান রোসাম (Guido van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।

- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
৩,৮৬২.
ই-মেইল সার্ভার থেকে মেইল ডাউনলোড করার জন্য কী ধরনের প্রটোকল প্রয়োগ করা হয়?
  1. POP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা
• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

- POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP প্রটোকল ব্যবহার করা হয়
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

- SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

- IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস: মাইক্রোসফট।
৩,৮৬৩.
Which one is not an operating system?
  1. Ubuntu
  2. Linux Mint
  3. Kubernetes
  4. Solaris
ব্যাখ্যা

Kubernetes, কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। এটি হলো একটি ওপেন সোর্স কন্টেইনার অর্কেস্ট্রেশন প্ল্যাটফর্ম (Container Orchestration Platform)। 
- এর প্রধান কাজ হলো অ্যাপ্লিকেশন deployment, স্কেলিং এবং কন্টেইনারাইজড অ্যাপ্লিকেশনগুলোর ব্যবস্থাপনা (যেমন ডকার কন্টেইনার) স্বয়ংক্রিয় করা।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন:
- Ubuntu: একটি জনপ্রিয় Linux ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- Linux Mint: Ubuntu ভিত্তিক একটি Linux অপারেটিং সিস্টেম।
- Solaris: UNIX ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
 
 
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৩,৮৬৪.
ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদান করার পদ্ধতিকে কি বলে?
  1. ই-কমার্স
  2. ই-মেইল
  3. ই-লার্নিং
  4. ই-সার্ভিস
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস:
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক সার্ভিস।
- ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোন সেবা প্রদান করাকেই ই-সার্ভিস বা ই-সেবা বলা হয়।
- কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা, ই-টিকেটিং এই সেবার অর্ন্তভুক্ত।
- সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেন বাড়ার কারণে ই-কমার্স এর গতি ও আকার বড় হচ্ছে।
- ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৬৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. CIH
  2. Vienna
  3. Symantec
  4. Folder
ব্যাখ্যা
- VIRUS শব্দের পূর্ণ হলাে Vital Information Resources Under Siege যার অর্থ দাঁড়ায় - গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেওয়া বা ক্ষতি সাধন করা।
- ১৯৮০ সালে এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক University of New Haven'-এর অধ্যাপক ফ্রেন্ড কোহেন (Fred Cohen)।
- ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি ক্ষমতা রয়েছে।
- ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করলে সাধারণত সংখ্যা বৃদ্ধি হতে থাকে ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং এক পর্যায়ে গোটা কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- যেমন- বুট ভাইরাস ডিস্কের বুট সেক্টরকে আক্রমণ করে।
- অতি পরিচিত কিছু ভাইরাস হলাে Stone, Vienna, CIH, AIDS, Shortcut, Folder, Trojan Horse ইত্যাদি।

কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
- অভিজি,
- এভিরা,
- এভাস্ট,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus ইত্যাদি।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি
৩,৮৬৬.
বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট নির্মাণে সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
  1. রাশিয়া
  2. ফ্রান্স
  3. ভারত
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২:
- দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’।
- এর ধরন নির্ধারণের জন্য ফ্রান্সের প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপার্সকে (পিডব্লিউসি) নিয়োগ দিয়েছে বিএসসিএল। 
- এটি একটি আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট।
- এই স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া, নজরদারি বা নিরাপত্তাসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হবে।
- ২০২৩ সালে মহাকাশে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২। 

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালের ১২ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।

উৎস: ৬ মার্চ, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৩,৮৬৭.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Bing
  2. Google
  3. Yahoo
  4. Safari
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত Bing, Google ও Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন এবং Safari হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- safari হলো অ্যাপলের মালিকানাধীন একটি ওয়েব ব্রাউজার।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট
৩,৮৬৮.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
  2. খ) অন-ডিমান্ড
  3. গ) পে-অ্যাজ-ইউ-গো
  4. ঘ) ইউজ-অ্যাজ-ইউ-ডিস্ট্রিবিউটেড
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে—

১। রিসোর্স স্কেলেবিলিটি (Resource Scalability)
২। অন-ডিমান্ড (On demand)
৩। পে-অ্যাজ-ইউ-গো ( Pay as you Go)

রিসোর্স স্কেলেবিলিটি: ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

অন-ডিমান্ড: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা নিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

পে-অ্যাজ-ইউ-গো: এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান) এবং এইচ এস সি প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৮৬৯.
নিচের কোনটি 64-bit বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ক) 8080
  2. খ) 8088
  3. গ) 80186
  4. ঘ) Intel Core i3
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- বিটের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরসমূহ:  
• 4 বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:  4004, 4040.
• 8 বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: 8008, 8080.
• 16 বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: 8086, 8088, 80186.
• 64 বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৭০.
শিক্ষাক্ষেত্রে ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের উপকারিতা কোনটি?
  1. ক) আপ-টু-ডেট
  2. খ) বিনোদন
  3. গ) কম খরচ
  4. ঘ) বহুমুখীতা
ব্যাখ্যা

শিক্ষাক্ষেত্রে ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের উপকারিতা বহুমুখী। 

শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক উভয়ই উপকৃত হে শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের কারণে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায় তা নিম্নে হলো : 
■ শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহার শিক্ষার্থীদেরকে স্বাধীনভাবে এবং স্ব-উদ্যোগে হয়ে শিখনে সহায়তা করে থাকে।
এগুলো শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

■ শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করে থাকে । শিক্ষকদেরকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর স্ব স্ব চাহিদা অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে এই ল্যা ট্যাবস ।
■ শিক্ষার্থীদের শিখনফল অর্জন অনেকটা সহজ করে।

■ ল্যাপটপ এবং ট্যাবস শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শিক্ষার্থীদের শিখনকে উৎসাহিত করে থাকে। ল্যাপটপ এবং ট্যাবস স্কুল এবং বাড়ির মধ্যকার সংযোগের বৃদ্ধি ঘটায় ।

■ ল্যাপটপ এবং ট্যাবসের পোর্টএবিলিটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তঃসহযোগিতা বাড়ায়।

উৎস : স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৮৭১.
DML-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Material Language
  2. Data Multiple Language
  3. Data Multilayer Language
  4. Data Manipulation Language
ব্যাখ্যা
♦ ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:  
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট এবং মডিফাই করার জন্য DML ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৭২.
Any type of storage that is used for holding information between steps in its processing is
  1. ক) CPU
  2. খ) Primary storage
  3. গ) Intermediate storage
  4. ঘ) Internal storage
ব্যাখ্যা
Secondary storage (also known as external memory or auxiliary storage), differs from primary storage in that it is not directly accessible by the CPU. The computer usually uses its input/output channels to access secondary storage and transfers the desired data using intermediate area in primary storage.
Source: techopedia.com
৩,৮৭৩.
হাসপাতালের আইসিইউ (ICU)-তে রোগীর রক্তচাপ বা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া মাপার জন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

গঠন ও কাজের প্রকৃতির অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer) ও
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)

অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এছাড়া গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল, কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মনিটরে প্রদর্শিত হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের গতি ও কার্যকারিতা অ্যানালগ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি ও ভালো।
- আবার ডিজিটাল কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা অ্যানালগ কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
- বর্তমান বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল পদ্ধতির কম্পিউটার।
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।
- আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডিজিটাল কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- গবেষণামূলক কাজ থেকে শুরু করে অফিস-আদালত, ব্যাংক, বিমা, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠান, লেখালেখি, বিনোদন- এমনকি ব্যক্তিগত কাজেও ডিজিটাল কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি।
- তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৭৪.
কোন ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে?
  1. Python
  2. C
  3. Java
  4. PHP
ব্যাখ্যা
'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা:
- সি একটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি অন্যান্য উচ্চ স্তর ল্যাংগুয়েজগুলোর মধ্যে অনেক সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় ভাষা।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে এ ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- ভাষাটির নাম 'C' রাখা হয়েছে কারণ, B নামের অপর একটি ভাষা আগেই তৈরি হয়েছে।
- C যাতে তার গুণাগুণ না হারায় সেজন্য ১৯৮৩ সালে কম্পাইলার এবং সফ্টওয়্যার প্রস্তুতকারকদের একটি গ্রুপ আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI)-কে C এর জন্য একটি নীতি নির্ধারণের আবেদন জানান।
- ১৯৮৯ সালের শেষের দিকে নির্ধারিত কমিটি C এর জন্য ANSI নীতি নির্ধারণ করে।
- সিস্টেম প্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে এ ভাষা অধিক হারে ব্যবহৃত হয়।
- উপাত্ত সঞ্চালনের বর্ণনার জন্য এ ভাষার সুবিধা অনেক বেশি বলে ভাষাটি অন্যান্য ভাষার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়।
- C ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে।
- এ ভাষারও অনেক সংস্করণ রয়েছে। যেমন- C, ANSI C, Visual C, Turbo C প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৭৫.
অ্যাকচুয়েটর হলো রোবটের-
  1. অনুভূতি প্রকাশের ব্যবস্থা
  2. পাওয়ার সিস্টেম
  3. হাত পা নাড়ানোর ব্যবস্থা
  4. ব্রেইন
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের হাত পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গ নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো  অ্যাকচুয়েটর। একে রোবটের হাত বা পেশী বলেও অভিহিত করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২.  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৮৭৬.
কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয় কোনটিকে?
  1. Register
  2. Arithmatic Logic Unit
  3. CPU
  4. Control Unit
ব্যাখ্যা

• CPU:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- CPU কে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়।
- তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU বা  কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গঠিত। যথা-
১. Arithmatic Logic Unit
২. Control Unit
৩. Register

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৭৭.
নিচের কোন ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ তথ্য খোজা ও তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়?
  1. Query Language
  2. Data Manipulation Language
  3. Data Definition Language
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ মানে হচ্ছে তথ্যভান্ডার। কম্পিউটার আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত ফাইলের স্তুপে জমা থাকতো তথ্য, এখন তথ্য সংরক্ষণ করা হয় ডেটাবেজে।
কয়েকটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজঃ
- Data Definition Language - এটি এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যেটি ডেটার প্রকার ও উহাদের মাঝে সম্পর্ক নির্ণয় করে।
- Data Manipulation Language - ইহা এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যার সাহায্যে ডেটা হালনাগাদ হয়।
- Query Language - ইহা এমন এক ধরণের ল্যাংগুয়েজ যেটি তথ্য খোঁজা, তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়।
QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৭৮.
কোন গেইটগুলো সার্বজনীন গেইট হিসেবে পরিচিতি?
  1. OR এবং NOT
  2. XOR এবং NOT
  3. AND এবং OR
  4. NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা

• সার্বজনীন গেইট বলতে সেই লজিক গেইটগুলোকে বোঝানো হয় যেগুলো ব্যবহার করে অন্য সব মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) তৈরি করা যায়। NAND এবং NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়, কারণ শুধু NAND অথবা শুধু NOR দিয়েই সমস্ত লজিক সার্কিট বাস্তবায়ন সম্ভব। যেমন, NAND গেইট দিয়ে NOT, AND এবং OR গেইট তৈরি করা যায় আবার NOR গেইট দিয়েও একইভাবে তৈরি করা যায়। এই কারণে NAND ও NOR গেইট ডিজিটাল ইলেকট্রনিকসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) NAND এবং NOR.

• সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ NAND গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু NOR গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব।
- এ জন্য NAND এবং NOR গেইট দুটিকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৭৯.
EDGE এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Embalanced Data Rates for Global Evolution
  2. খ) Enhanced Data Rates for Global Evolution
  3. গ) Early Data Rates for Global Evolution
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
EDGE- Enhanced Data Rates for Global Evolution.
৩,৮৮০.
যে বইগুলো অনলাইন পড়া যায় সেগুলো কোন ফরম্যাটে থাকে?
  1. ক) pdf
  2. খ) html
  3. গ) jpg
  4. ঘ) doc
ব্যাখ্যা
ই-বুক:
- ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক বা ই-বই হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ।
- যেহেতু, এটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয় সে কারণে এতে শব্দ, অ্যানিমেশন ইত্যাদিও জুড়ে দেওয়া যায়।
- ই-বুক কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা বিশেষ ধরনের রিডার (ই-বুক রিডার) ব্যবহার করে পড়া যায়। প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের (amazon.com) কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- মুদ্রিত বইয়ের হুবহু প্রতিলিপি ই-বুকগুলো মূলত মুদ্রিত বইয়ের মতই হয়ে থাকে। সচরাচর এগুলো পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট) ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়ে থাকে।
- যে ই-বুকগুলো কেবল অনলাইনে তথা ইন্টারনেটে পড়া যায়, এগুলো সচরাচর এইচটিএমএল-এ প্রকাশিত হয়। এগুলোকে বই-এর ওয়েবসাইট বলা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
৩,৮৮১.
Latex কী ধরনের সফটওয়্যার?
  1. Graphics Design Program
  2. Database Management System
  3. Spread Sheet Analysis
  4. Word Processing
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার (Word Processing Software):
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।
- মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।

• ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো:
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft Word),
- ওয়ার্ডস্টার (Wordstar),
- ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect),
- ল্যাটেক্স (Latex),
- নোড প্যাড (Note Pad),
- ম্যাকরাইট (MacWrite),
- ওয়ার্ড প্যাড (Word Pad) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৮২.
সার্বজনীন গেইট বলা হয় না কোন গেইটকে?
  1. NAND
  2. NOR
  3. AND
  4. সবগুলোই সার্বজনীন গেইট
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধু NAND গেইট বা শুধু NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate)
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৮৮৩.
নিম্নের কোনটি ওয়েব হোস্টিং সুবিধা প্রদান করে?
  1. ক) Glassdoor
  2. খ) Grammarly
  3. গ) GoDaddy
  4. ঘ) Digital Ocean
ব্যাখ্যা
GoDaddy  একটি জনপ্রিয় ওয়েব হোস্টিং প্রভাইডার কোম্পানি। 

হোস্টিং হল এক ধরনের ওয়েব সার্ভার। যেখানে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা ব্লগের সমস্ত ডাটা স্টোর করা হয়।

সুযোগ সুবিধার উপর নির্ভর করে হোস্টিংকে চারভাগে ভাগ করা হয়।
সেগুলো হলো–
শেয়ার্ড হোস্টিং সার্ভার (Shared Hosting Server)
ভিপিএস হোস্টিং সার্ভার (VPS Hosting Server)
ডেডিকেটেড হোস্টিং সার্ভার (Dedicated Hosting Server)
ওয়ার্ডপ্রেস ম্যানেজড হোস্টিং সার্ভার (WordPress Managed Hosting Server)

সূত্র: GoDaddy Website [লিঙ্ক]
৩,৮৮৪.
Microsoft released its first official version of PowerPoint in -
  1. ক) 1987
  2. খ) 1990
  3. গ) 1995
  4. ঘ) 1997
ব্যাখ্যা
- Microsoft released its first official version of PowerPoint in 1990.
- By 1993, PowerPoint was making $100 million in sales annually.
- The early versions of PowerPoint only produced transparencies, handouts, and speaker notes until the rise of laptops made transparencies obsolete.
- 1997 became the year that changed the course of PowerPoint history forever.
- PowerPoint 97 was released with major improvements and updates, most notably, custom animation. 

Source: www.hult.edu
৩,৮৮৫.
ARPANET কোন প্রধান ইন্টারনেট প্রোটোকলের বিকাশে অবদান রেখেছে?
  1. FTP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. TCP/IP 
ব্যাখ্যা

• ARPANET ছিল ১৯৬০ এবং ৭০ এর দশকে তৈরি একটি প্রাথমিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যা মূলত মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। এটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির বিকাশে মাইলফলক হিসাবে কাজ করেছে। ARPANET-এর গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিভিন্ন কম্পিউটারকে একসাথে সংযুক্ত করার ধারণা প্রদর্শন করে। এই প্রাথমিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা প্যাকেটের মাধ্যমে প্রেরণ ও গ্রহণের নিয়মগুলো নির্ধারণ করা হয়। এই অভিজ্ঞতা থেকেই TCP/IP প্রোটোকল তৈরি হয়, যা হেটেরোজিনিয়াস নেটওয়ার্কগুলিকে একসাথে কাজ করতে সক্ষম করে এবং আজকের ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপন করে।

সঠিক উত্তর: ঘ) TCP/IP.

• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৮৬.
What is the primary benefit of using IaaS?
  1. Simplified application development
  2. Access to ready-made software applications
  3. Scalability and flexibility of infrastructure resources
  4. Platform-independent deployment
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS)
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service PaaS)
৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS)

১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়

উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP).

২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Heroku,
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Service.

৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS):
 - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Salesforce,
- Microsoft 365,
- Google Workspace.

অপশন আলোচনা:
ক) Simplified application development - PaaS (Platform as a Service) এর বৈশিষ্ট্য।
খ) Access to ready-made software applications - SaaS (Software as a Service) এর বৈশিষ্ট্য।
গ) Scalability and flexibility of infrastructure resources - IaaS (Infrastructure as a Service) এর বৈশিষ্ট্য।
ঘ) Platform-independent deployment - SaaS (Software as a Service) এর বৈশিষ্ট্য।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২)সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,৮৮৭.
কোন প্রযুক্তি একটি PAN-এ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1.  Satellite 
  2. Bluetooth
  3. Fiber optic cable
  4.  WAN routers 
ব্যাখ্যা

• PAN বা Personal Area Network হলো স্বল্প দূরত্বে ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের নেটওয়ার্ক। সাধারণত মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, কীবোর্ড, মাউস, হেডফোন ইত্যাদি একে অপরের সাথে যুক্ত হয়। এ ধরনের নেটওয়ার্কে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো Bluetooth। কারণ এটি স্বল্প শক্তি খরচে স্বল্প দূরত্বে (সাধারণত ১০ মিটার পর্যন্ত) ডিভাইসগুলোকে তারবিহীনভাবে সংযুক্ত করে। স্যাটেলাইট বা ফাইবার অপটিক কেবল মূলত দীর্ঘ দূরত্বে ব্যবহৃত হয় এবং WAN রাউটার বৃহৎ নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী। তাই PAN-এ সবচেয়ে প্রচলিত ও কার্যকর প্রযুক্তি হলো ব্লুটুথ।
 
Personal Area Network (PAN):
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus ও Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৮৮.
Which type of waves does Wi-Fi technology primarily use to transfer data?
  1. Laser waves
  2. Radio waves
  3. Microwave
  4. Ultrasonic waves
ব্যাখ্যা

ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি মূলত রেডিও ওয়েভ তরঙ্গ ব্যবহার করে ডেটা স্থানান্তর করে।

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
- ওয়াই-ফাই হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- এটি ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং গেমিং কনসোলের মতো ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- যে স্থানে ওয়াই-ফাই এর অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেগুলোকে "হটস্পট" বলা হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউ.এস. ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন রেডিও স্পেকট্রামের কিছু ব্যান্ড (৯০০ MHz, ২.৪ GHz, ৫.৮ GHz) লাইসেন্সবিহীন ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়।
- ১৯৯৭ সালে IEEE ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ওয়্যারলেস ইথারনেট কম্প্যাটিবিলিটি অ্যালায়েন্স (WECA) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং Wi-Fi নামে পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৮৮৯.
Fax প্রযুক্তি মূলত কোন মাধ্যম ব্যবহার করে কাজ করে?
  1. Optical Fiber
  2. Telephone Line
  3. Bluetooth
  4. Wi-Fi
ব্যাখ্যা

Fax (Facsimile) প্রযুক্তি হলো একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একটি প্রিন্টেড ডকুমেন্টকে স্ক্যান করে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তর করা হয় এবং সেই সিগন্যাল সাধারণত Telephone Line এর মাধ্যমে অন্য প্রান্তে পাঠানো হয়।

ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- ১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং তারপর এটি অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে।
- ফ্যাক্স মেশিনগুলো ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে অফিসগুলোতে অনেক প্রচলন ছিল,ইমেল এবং WWW এর মতো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তিগুলোর ফলে তা ধীরে ধীরে অপ্রচলিত হয়ে গেছে।
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩,৮৯০.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. বাইনারি
  2. হেক্সাডেসিমেল
  3. ডেসিমেল
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাইনারি: 
- বাইনারি সংখ্যার বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

অক্টাল: 
- অক্টাল সংখ্যার বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

ডেসিমেল: 
- ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যার বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

হেক্সাডেসিমেল: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ, 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩,৮৯১.
ChatGPT এক ধরনের-
  1. ক) Browser
  2. খ) Operating System
  3. গ) Chatbot
  4. ঘ) Interpreter
ব্যাখ্যা
চ্যাটবট:
চ্যাটবট হলো এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা আর্টিফিশিয়্যাল ইনটেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে গঠন করা হয়।

•এটি এমন এক ধরনের চ্যাট ইন্টারফেস যেখানে আগে থেকেই প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে বিভিন্ন তথ্য যুক্ত করা হয়। যেগুলোর মাধ্যমে সে পরবর্তীতে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।

উদাহরণ: 
ফেসবুক পেজে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা, পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য বার্তা পাঠানো হয়ে থাকে। নিয়মিত জিজ্ঞাসা করা হয়, এমন প্রশ্নগুলোর জন্য আগে থেকেই উত্তর নির্ধারণ করে রাখা যেতে পারে এবং প্রশ্ন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্ধারিত উত্তর পাঠিয়ে দেওয়া যায়। ফেসবুক মেসেঞ্জার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই চ্যাট করার কাজটি সম্ভব হয় রোবটের মাধ্যমে। এটি মেসেঞ্জার বট বা চ্যাট বট নামে পরিচিত।

চ্যাটজিপিটি (ChatGPT):
চ্যাটজিপিটি একধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত চ্যাট বট, যা মানুষের সঙ্গে খুব স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ করতে পারে। এটি দিয়ে সাধারণ নিবন্ধ থেকে শুরু করে গল্প-কবিতার মতো সৃজনশীল রচনাও লেখা যায়। 
- ওপেন এআই নামের একটি প্রতিষ্ঠান এটি তৈরি করেছে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৩,৮৯২.
ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদান নয় কোনটি?
  1. ক) Source
  2. খ) Medium
  3. গ) Action
  4. ঘ) Receiver
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান

ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬ টি উপাদান থাকে। যথা:
১। ডাটা বা তথ্য (information)
২। ডাটার উৎস (source)
৩। প্রেরক (sender)
৪। মাধ্যম (medium)
৫। প্রাপক (receiver) ও
৬। গন্তব্য (destination)

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৮৯৩.
একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে কী বলে?
  1. MAN
  2. LAN
  3. WAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
- ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network-PAN), 
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান (Local Area Network-LAN), 
৩। মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ম্যান (Metropolitan Area Network-MAN) এবং 
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়‍্যান (Wide Area Network-WAN)। 

মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক: 
- MAN এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropoliton Area Network । 
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে। 
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়। 
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৯৪.
নিম্নের কোনটি Secondary Memory এর উদাহরণ?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. Hard Disk
  4. Register
ব্যাখ্যা
Hard Disk হলো Secondary Memory এর উদাহরণ।

কম্পিউটার মেমরি:
কম্পিউটারের মেমোরি হলো এমন একটি অংশ যেখানে ডেটা, প্রোগ্রাম ও নির্দেশনা সাময়িক বা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। মেমোরির মাধ্যমে কম্পিউটার কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে।

কম্পিউটার মেমরির প্রকারভেদ:
 ১. প্রাথমিক মেমরি (Primary Memory)
এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি, যা সরাসরি CPU-এর সঙ্গে যুক্ত থাকে। এটি দ্রুত কাজ করে এবং ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে।

প্রাথমিক মেমোরির উদাহরণ:
- RAM (Random Access Memory),
- ROM (Read Only Memory),
- Cache Memory,
- Register.

২. গৌণ মেমরি মেমোরি (Secondary Memory)
- এতে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
-কম্পিউটার বন্ধ করলেও এই মেমোরির তথ্য মুছে যায় না।

গৌণ মেমোরির উদাহরণ:
- Hard Disk (HDD/SSD),
- CD/DVD,
- Memory Card.
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৯৫.
কোন প্রযুক্তিকে 'গ্রীন ফোন' বলা হয়?
  1. জিএসএম
  2. ডিএসএমএ
  3. সিডিএমএ
  4. এমএমএস
ব্যাখ্যা
বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- জিএসএম প্রযুক্তি ও সিডিএমএ প্রযুক্তি।
সিডিএমএস সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হয় তাই ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষন ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তাই একে গ্রীন ফোনও বলা হয়। বাংলাদেশ সিটিসেল সিডিএমএ প্রযুক্তি ব্যবহার করতো।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৮৯৬.
ইমেইল প্রোটোকল 'IMAP' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internal Message Access Protocol
  2. Internet Message Access Protocol
  3. Internet Message Advanced Protocol
  4. Internet Multiple Access Protocol
ব্যাখ্যা

• Internet Message Access Protocol (IMAP) হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা ইমেইল সার্ভার থেকে ইমেইল বার্তাগুলো গ্রহণ এবং পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।

• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP: 
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

 • IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস: মাইক্রোসফট ও ব্রিটানিকা।

৩,৮৯৭.
"কী ফিল্ড" কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. রেকর্ড ডাটা যাচাই করার জন্য
  2. পাসওয়ার্ড এনক্রিপশন করার জন্য
  3. রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে
  4. ডাটা টাইপ পরিবর্তনের জন্য
ব্যাখ্যা

• "কী ফিল্ড" রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে ব্যবহৃত হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৯৮.
নিম্নলিখিত কোনটি IIoT-এর কার্যকর উদাহরণ?
  1. কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়
  2. বাড়ির স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
  3. স্মার্টফোন যা আপনার পদক্ষেপ ট্র্যাক করে
  4. একটি ফিটনেস অ্যাপ যা ক্যালোরি বার্ন দেখায়
ব্যাখ্যা

• “কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়” (ক) হলো IIoT-এর কার্যকর উদাহরণ। IIoT বা Industrial Internet of Things মূলত শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্রে সংযুক্ত সেন্সর, যন্ত্র ও ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণকে বোঝায়। এই সেন্সরগুলি যন্ত্রপাতির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে, সমস্যা বা ব্যর্থতার আগাম সতর্কবার্তা দেয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়ায়। অন্যদিকে, বাড়ির স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্টফোন বা ফিটনেস অ্যাপ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এবং শিল্প উৎপাদনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং, ক) অপশনটি IIoT-এর প্রকৃত উদাহরণ।

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

• IIoT-এর কার্যকর উদাহরণ (Industrial Internet of Things):
- IIoT হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিস্টেমে সংযুক্ত সেন্সর, যন্ত্রপাতি ও ডিভাইস ব্যবহার করে ডেটা সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করার প্রক্রিয়া।  
- এর মাধ্যমে উৎপাদন প্রক্রিয়া উন্নত করা, যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেওয়া, এবং অপারেশনাল কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা যায়।  
- এটি মূলত শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন- ফ্যাক্টরি, উৎপাদন ইউনিট, বা বড় যন্ত্রপাতি পরিচালনার জন্য।  
- উদাহরণস্বরূপ, একটি কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়, এটি IIoT-এর সঠিক উদাহরণ।  
- অন্যদিকে, বাড়ির স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্টফোনের স্টেপ কাউন্টার, বা ফিটনেস অ্যাপ সাধারণ IoT বা পার্সোনাল ডিভাইসের উদাহরণ, IIoT নয়।  

উৎস: ব্রিটানিকা

৩,৮৯৯.
একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে কী বলে?
  1. Function
  2. Structure
  3. Pointer
  4. Array
ব্যাখ্যা
• একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে Array বলা হয়। একটি অ্যারে হলো একটি ধারাবাহিক ডাটা স্ট্রাকচার যেখানে একই ধরনের ডাটা উপাদানগুলি নির্দিষ্ট ক্রমে সংরক্ষিত থাকে। যেমন, যদি আমরা integer টাইপের ডাটার গুচ্ছ রাখতে চাই, তাহলে সেটি একটি integer অ্যারে হবে। অ্যারের প্রতিটি উপাদানের একটি নির্দিষ্ট অবস্থান বা index থাকে, যা দিয়ে সেই উপাদানগুলোকে সহজে এক্সেস করা যায়। অন্যদিকে, Function হলো কোডের একটি ব্লক যা কোনো কাজ সম্পন্ন করে, Structure হলো বিভিন্ন ডাটা টাইপের একটি গুচ্ছ, আর Pointer হলো একটি ভেরিয়েবল যা অন্য ভেরিয়াবলের মেমোরি ঠিকানা ধারণ করে। তাই একই ধরনের ডাটার গুচ্ছ বোঝাতে সঠিক উত্তর হলো - Array.

• অ্যারে:
- একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

• অ্যারে ব্যবহারের সুবিধা:
- একই ধরনের ডেটাগুলোকে একটি চলক দিয়ে প্রকাশ করা যায়।
- অ্যারে প্রোগ্রামকে সহজ, সুন্দর ও ছোট করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহ দ্রুত হয়।
- অ্যারের উপাদানগুলো দ্রুত একসেস করা যায়।
- প্রোগ্রামের জটিলতা কমায়।

• অ্যারে ব্যবহারের অসুবিধা:
- প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অ্যারের সাইজ পরিবর্তন করা যায় না।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ অনেক বেশি ঘোষণা করা হলে মেমোরির অপচয় হতে পারে।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ কম ঘোষণা করা হলে অ্যারেতে ডেটার পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হয় না।
- বিভিন্ন টাইপের ডেটা অ্যারেতে রাখা যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৯০০.
Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন কোনটি?
  1. Motorola
  2. HTC Dream
  3. Nokia
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦ গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম/ প্রতিষ্ঠাকালীন নাম হলো ব্যাকরাব।
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android package file এর এক্সটেনশন .apk
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।