ব্যাখ্যা
Source: Microsoft
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৬ / ১৩১ · ৩,৫০১–৩,৬০০ / ১৩,০৮৮
• একটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সাধারণত SQL ভাষা ব্যবহার করা হয়। SQL-এর পূর্ণরূপ Structured Query Language, যা ডেটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান, হালনাগাদ ও মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়। RDBMS যেমন MySQL, Oracle, PostgreSQL ইত্যাদি ডেটাবেসে টেবিল আকারে তথ্য থাকে এবং সেই তথ্য পরিচালনার জন্য SQL সবচেয়ে উপযোগী। অন্যদিকে CSS ও HTML ওয়েবপেজের নকশা ও কাঠামোর জন্য ব্যবহৃত হয়, আর XML মূলত ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) SQL.
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
- আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• Google App Engine হলো Platform-as-a-Service (PaaS)-এর উদাহরণ, যেখানে ইউজাররা প্রস্তুত প্ল্যাটফর্মের উপর নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও চালাতে পারে।
• Platform-as-a-Service (PaaS):
- PaaS হলো ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের এমন একটি মডেল, যেখানে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে একটি সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম ভাড়া দেওয়া হয়।
- এই প্ল্যাটফর্মের উপর ইউজাররা নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ, টেস্ট ও ডিপ্লয় করতে পারে।
• PaaS মডেলের বৈশিষ্ট্য:
- ইউজারকে সার্ভার বা অবকাঠামো (Infrastructure) নিজে ম্যানেজ করতে হয় না।
- অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ (runtime, tools) আগে থেকেই দেওয়া থাকে।
- ডেভেলপমেন্ট কাজ দ্রুত ও সহজ হয়।
• Google App Engine কেন PaaS:
- Google App Engine ইউজারদের জন্য একটি প্রস্তুত development platform সরবরাহ করে।
- ইউজাররা এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও চালাতে পারে।
- তাই এটি Platform-as-a-Service (PaaS) শ্রেণিভুক্ত।
• অন্যান্য অপশন:
- IaaS → এখানে মূলত ভার্চুয়াল মেশিন ও স্টোরেজ ভাড়া দেওয়া হয়।
- SaaS → এখানে রেডিমেইড সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করা হয়।
- FaaS → এটি ফাংশনভিত্তিক সার্ভিস, App Engine-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- মেশিন লার্নিং (ML) অ্যালগরিদমে পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- পাইথন হল একটি উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।
- পাইথনের ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং বিগ ডেটার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- ১৯৮০ সালে Guido van Rossum, এই উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা আবিষ্কার করেন।
উৎস : স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, পাইথন ওয়েবসাইট
• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি যা দীর্ঘ দূরত্বে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। WiMAX মূলত IEEE-এর 802.16 স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কাজ করে। এই স্ট্যান্ডার্ডটি ডিজাইন করা হয়েছে উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সমিশন এবং ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জন্য, যা শহর বা গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে। 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের মাধ্যমে WiMAX ব্যবহারকারীরা হ্যান্ডফ্রি, মোবাইল এবং ফিক্সড সংযোগে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পেতে পারে। অন্য IEEE স্ট্যান্ডার্ড যেমন 802.11 ওয়াই-ফাই এর জন্য, 802.15 ব্লুটুথের জন্য এবং 802.8 তেমন কোনো প্রাসঙ্গিক ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তির জন্য নয়।
- সুতরাং WiMAX-এর জন্য সঠিক স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16
• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16
অন্যদিকে,
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
রম (ROM) এর বৈশিষ্ট্যঃ
১। সাধারণত রমে একবারই স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়ােজনে যে কোনাে সময় সংরক্ষিত ডাটা পঠন সম্ভব।
২। রম উদ্বায়ী মেমােরি নয়; অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও রমে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না।
৩। সহজে পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না এমন ডাটা ও প্রােগ্রাম রমে সংরক্ষণ করা হয়।
৪। রমে সাধারণত তৈরির সময় প্রােগ্রাম করা হয়ে থাকে যা ফার্মওয়্যার নামে পরিচিত।
৫। রমের আকারের উপর কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা নির্ভরশীল নয় এবং অতিরিক্ত রম চিপ করা যায় না।
(অপশনে 'খ' নং বাদে বাকিগুলো RAM এর বৈশিষ্ট্য)
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
• QWERTY লেআউট হলো একটি কীবোর্ড বিন্যাস যা মূলত টাইপরাইটারের জন্য নকশা করা হয়েছিল এবং এটি ১৯শ শতকে তৈরি হয়। বর্তমানে এটি সারা বিশ্বে কম্পিউটার ও মোবাইল কীবোর্ডে বহুল ব্যবহৃত। তবে এর অক্ষর বিন্যাস বর্ণানুক্রমে সাজানো নয়; বরং এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে টাইপ করার সময় যান্ত্রিক টাইপরাইটারের চাবি আটকে না যায়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে "এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো" কথাটি সত্য নয়। অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো ঘ) এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো।
• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।
• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।
• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।
• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- ফাংশন কী (F1 থেকে F12)-এর প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিশেষ ধরনের বা পূর্বনির্ধারিত নির্দেশ দেওয়া। যেমন, F1 কী সাধারণত যেকোনো প্রোগ্রামের 'Help' মেনু চালু করে, F5 কী ব্রাউজার রিফ্রেশ করতে ব্যবহৃত হয় এবং Alt+F4 উইন্ডো বন্ধ করে। এদের কাজ প্রোগ্রামভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।
উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
মােবাইল টেলিফোনে যােগাযােগ করার কাজটি সম্পন্ন করার জন্য পুরাে এলাকাকে অনেকগুলাে সেলে (cell) ভাগ করে নেয়)।
এজন্য মােবাইল টেলিফোনকে অনেক সময় সেলফোনও বলা হয়। প্রয়ােজনের ওপর নির্ভর করে এই সেলগুলাের ব্যাসার্ধ 1 থেকে 20 কিলােমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
প্রত্যেকটা সেলে একটি করে বেস স্টেশন (BTS: Base Transceiver station) থাকে।
বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ -
0 + 0 = 0
1 + 0 = 1
0 + 1 = 1
1 + 1 = 1 (1 carry)
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)
সঠিক উত্তর : খ) ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. কম্পাইলার,
২. ইন্টারপ্রেটার ও
৩. অ্যাসেম্বলার।
• কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।
• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
- ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।
- তবে ইন্টারপ্রেটারের অসুবিধা হচ্ছে অনুবাদের ক্ষেত্রে এটি ধীর গতি সম্পন্ন এবং প্রতিবার প্রোগ্রাম নির্বাহের ক্ষেত্রে প্রতিটি স্টেটমেন্ট নতুন করে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়।
• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।
- এ ভাষার প্রত্যেকটি নির্দেশকে অ্যাসেম্বলার মেশিন ভাষার একটি নির্দেশে পরিণত করে। ভুল সংশোধনের পর এ ভাষা পুনরায় প্রথম নির্দেশ থেকে অনুবাদের কাজ শুরু করে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।
• IoT (Internet of Things) ডিভাইসগুলোতে তথ্য বিনিময় এবং যোগাযোগের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত প্রোটোকল হলো MQTT. MQTT একটি হালকা ওজনের, পাবলিশ/সাবস্ক্রাইব ভিত্তিক প্রোটোকল যা বিশেষভাবে ব্যান্ডউইথ সীমিত এবং রিসোর্স কম্পিউটার ডিভাইসের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি ডিভাইসগুলোর মধ্যে রিয়েল-টাইম ডেটা শেয়ার করা সহজ করে এবং নেটওয়ার্কে কম লোড ফেলে। HTTP সাধারণত ওয়েব সার্ভিসের জন্য ব্যবহৃত হয়, FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য, এবং SMTP ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। IoT পরিবেশে দ্রুত, হালকা ও নির্ভরযোগ্য যোগাযোগের জন্য MQTT অনেক বেশি উপযোগী এবং এটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন, স্মার্ট হোম, এবং সেন্সর ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- সঠিক উত্তর: ক) MQTT.
• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IoT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
• FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো একটি একক যা সাধারণত কম্পিউটারের গাণিতিক কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভাসমান বিন্দু সংখ্যার গণনার ক্ষেত্রে। এটি মূলত CPU এবং GPU-এর ক্ষমতা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, কারণ এই দুটি ডিভাইস প্রধানত সংখ্যা প্রক্রিয়াকরণ ও জটিল হিসাব করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এবং গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ে FLOPS খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, হার্ডড্রাইভ, গ্রাফিক্স ডিসপ্লে বা নেটওয়ার্ক রাউটার তাদের কাজের ধরন অনুযায়ী FLOPS দিয়ে মাপা হয় না। সুতরাং, FLOPS মূলত CPU এবং GPU-এর কার্যক্ষমতা নির্দেশ করে।
- সঠিক উত্তর: ক) সিপিইউ ও জিপিইউ।
• FLOPS কী?:
- FLOPS হলো Floating Point Operations Per Second এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি একটি পরিমাপের একক, যা বোঝায় একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।
• Floating Point Operations কী?:
ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন মানে হলো – দশমিক সংখ্যার উপর ভিত্তি করে করা হিসাব যেমন:
3.14 × 2.71
5.0 ÷ 1.25
- এই ধরণের হিসাবগুলো উচ্চ গণনাশক্তির প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), এবং 3D গ্রাফিক্সে।
• FLOPS কী পরিমাপ করে?:
- FLOPS মূলত একটি কম্পিউটার বা প্রসেসরের গণনাগতির দক্ষতা পরিমাপ করে। বিশেষত, এটি বলে দেয় - “একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।”
উৎস: Lenovo. [link]
ব্যবহারজনিত কারণে হার্ডডিস্কের ফাইলগুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পরে, একে হার্ডডিস্কের অসজ্জিত অবস্থা বা ডিফ্রাগ বলে।
এ অবস্থায় কোন তথ্য পড়তে অপেক্ষাকৃত বেশি সময়ের প্রয়োজন পড়ে। এ ক্ষেত্রে ডিস্কের সর্বোচ্চ কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
2 | 49
2 | 24 - 1
2 | 12 - 0
2 | 6 - 0
2 | 3 - 0
2 | 1 - 1
| 0 - 1 ⇑
∴ (49)10 = (110001)2
গ্রিক শব্দ 'metron' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)
খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা কোড যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের ফাইল, সফটওয়্যার, বা অপারেটিং সিস্টেমে প্রবেশ করে।
- ভাইরাস শব্দের পূর্ণরূপ: Vital Information Resources Under Siege.
উদ্দেশ্য:
- তথ্য চুরি করা: ব্যাংক তথ্য, পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত ডেটা।
- ফাইল ধ্বংস করা বা পরিবর্তন করা: গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট বা সফটওয়্যার ক্ষতি করা।
- সিস্টেম অকার্যকর করা: কম্পিউটার ধীর বা ক্র্যাশ করা।
- নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়া: ভাইরাসটি অন্যান্য কম্পিউটারেও সংক্রমণ ঘটায়।
ভাইরাসের প্রকারভেদ:
- ফাইল ইনফেক্টর ভাইরাস (File Infector Virus): এক্সিকিউটেবল ফাইলে সংক্রমণ ঘটায়।
- ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজে নেটওয়ার্কে ছড়ায়, মূল ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): ক্ষতিকর কার্যক্রম লুকিয়ে রাখে, ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে।
- ম্যালওয়্যার (Malware): ভাইরাস, ওয়ার্ম ও ট্রোজান সহ অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রামের সমষ্টি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
চার্লস ব্যবেজ একজন ইংরেজ গণিতবিদ ১৮০ সালে প্রথম এনালগ কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।
- ব্যাবেজ ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ, মৌলিক ও উদ্ভাবনী চিন্তাবিদ। তবে কম্পিউটারের জনক হিসাবে তিনি সমধিক পরিচিত।
- ১৮২০ এর দশকে ব্যাবেজ তার ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন’ নিয়ে কাজ করা শুরু করেন।
- এটি ছিল এমন একটি যন্ত্র, যা গাণিতিক গণনা করতে পারে।
- শুরুতে ইঞ্জিনটির ছয় চাকার একটি মডেল নির্মাণ করা হয় এবং প্রদর্শনীর জন্য জনসম্মুখে রাখা হয়। এরপর তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন-২ এর জন্য একটি বড় ও উন্নত মেশিন তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- পাশাপাশি জটিল বিশ্লেষণাত্মক ইঞ্জিন নামে আরও একটি উদ্ভাবন কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। যার কাজ ছিল পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করে যে কোনো গাণিতিক গণনা সম্পাদন করা।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• গ্রে হ্যাট হ্যাকার সাধারণত নৈতিক এবং অনৈতিক হ্যাকিংয়ের মধ্যে একটি সীমান্তে কাজ করে। তারা পেনেট্রেশন টেস্টিং এবং ভলনারেবিলিটি স্ক্যানিং-এ দক্ষ, কারণ এগুলো মূলত সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও, সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করে সিস্টেমে প্রবেশের চেষ্টা করা হতে পারে। তবে, অর্থ চুরির উদ্দেশ্যে ফিশিং তাদের প্রায়শই কম ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি সম্পূর্ণভাবে বেআইনি এবং গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই গ্রে হ্যাট হ্যাকারদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম ব্যবহৃত দক্ষতা হলো অর্থ চুরির উদ্দেশ্যে ফিশিং, যা তাদের নৈতিক সীমার বাইরে যায়।
হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) kaspersky [লিংক]
• Azure নামের PaaS ভিত্তিক ক্লাউড সেবাটি উদ্ভাবন করেছে Microsoft, যা সঠিক উত্তর ঘ) Microsoft। Microsoft Azure একটি শক্তিশালী ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যা Platform as a Service (PaaS), Infrastructure as a Service (IaaS) এবং Software as a Service (SaaS) সুবিধা প্রদান করে। Azure-এর মাধ্যমে ডেভেলপাররা সহজে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডিপ্লয় ও ম্যানেজ করতে পারেন, নিজস্ব সার্ভার স্থাপনের ঝামেলা ছাড়াই। এটি বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা, ডেটাবেস, AI, মেশিন লার্নিং এবং সিকিউরিটি সাপোর্ট করে। বিশ্বব্যাপী বহু প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় Microsoft Azure ব্যবহার করছে।
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
◉ SATA পোর্ট একটি কানেক্টর যা হার্ড ড্রাইভ, SSD বা অপটিক্যাল ড্রাইভের সাথে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি স্লট নয়, বরং একটি পোর্ট।
মাদারবোর্ড (Motherboard):
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।
মাদারবোর্ডের স্লট:
- AGP slot,
- RAM slot,
- PCI slot ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• উইন্ডোজের “টাস্ক ম্যানেজার” একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল যা ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে চলমান প্রোগ্রাম, প্রসেস এবং সিস্টেমের কর্মক্ষমতা মনিটর করতে সাহায্য করে। এটি ব্যবহার করে আপনি কোন প্রোগ্রাম হ্যাং বা ধীরগতির হলে সেটি বন্ধ করতে পারেন, নতুন প্রসেস শুরু করতে পারেন, এবং সিপিইউ, র্যাম ও নেটওয়ার্ক ব্যবহারের তথ্য দেখতে পারেন। এছাড়াও, এটি স্টার্টআপে কোন অ্যাপ্লিকেশন চালু হবে তা নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধা দেয়। সরলভাবে বলতে গেলে, টাস্ক ম্যানেজার মূলত প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, ডকুমেন্ট এডিট করা, গান বা ভিডিও চালানো বা উইন্ডোজ আপডেট করার কাজ এর মাধ্যমে হয় না।
- সঠিক উত্তর: ক) প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করা।
Windows:
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়।
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না।
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮।
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ব্যবহারকারীর আইডি ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষার জন্য এনক্রিপশন (Encryption) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড ও সংবেদনশীল তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে, যাতে তৃতীয় পক্ষ বা হ্যাকাররা সহজে তা পড়তে না পারে।
ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - ঘ) MS-DOS
• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।
• অপারেটিং সিস্টেম
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।
উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
• ফাইল সিস্টেম:
- ফাইল সিস্টেম হলো কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
• কিছু ফাইল সিস্টেমগুলো হলো:
• FAT16 (File Allocation Table 16) -
- এটি MS DOS ওপর ভিত্তি করে FAT16-এর ফাইল সিস্টেম উন্নয়ন করা হয়েছিল।
-সর্বোচ্চ 2 GB পর্যন্ত এর স্টোরেজ ক্ষমতা।
• FAT32 (File Allocation Table 32) -
-এটি বর্তমানের সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্টিশন সেক্টর।
- Windows 9, Windows 98, Windows ME, এবং Windows XP-তে ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় 2TB বা 2048GB পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।
• HPFS (High Performance File System)
- মূলত OS/2 অপারেটিং সিস্টেম-এর জন্য তৈরি।
- Windows NT এর প্রাথমিক ভার্সনগুলোতেও ব্যবহৃত হতো
- প্রায় ৮GB পর্যন্ত বেশি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে.
• NTFS (New Technology File System)
- Windows NT, 2000, XP এবং পরবর্তী Windows ভার্সনে ব্যবহৃত হয়।
- উন্নত নিরাপত্তা, ফাইল কন্ট্রোল, এবং বড় ফাইল ব্যবস্থাপনার জন্য উপযোগী।
- প্রায় ৮GB পর্যন্ত বেশি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Quick Revision:
- WiMAX Full form: Worldwide Interoperability for Microwave Access,
- IEEE: 802.16,
- Nature: Wireless broadband,
- Coverage: Wide area,
- Use: Internet + Telecommunication.
• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)–এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির IEEE মান (Standard) হলো IEEE 802.16।
- “WiMAX” নামটি প্রদান করে WiMAX Forum, যা ২০০১ সালের জুন মাসে গঠিত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা তারবিহীন (Wireless) পদ্ধতিতে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে প্রদান করা যায়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকায় সহজেই ইন্টারনেট অ্যাকসেস সুবিধা পায়।
• ওয়াইম্যাক্সের সুবিধাসমূহ:
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়।
- ক্যাবল ও DSL-এর বিকল্প হিসেবে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা সম্ভব।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়, এমনকি যেখানে টেলিফোন সংযোগ পৌঁছায়নি সেখানেও।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবা একসাথে প্রদান করা যায়।
- এটি নিরাপদ (Secure) ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - গ) Black Hat Hacker
• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• অপারেটিং সিস্টেমের মূল ফাংশন হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করা। এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উপাদানের মধ্যে মধ্যস্থতা করে এবং ব্যবহারকারীর জন্য একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে। অপারেটিং সিস্টেম প্রক্রিয়া পরিচালনা, মেমরি ব্যবস্থাপনা, ফাইল সিস্টেম পরিচালনা এবং ডিভাইস ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। এছাড়াও, এটি বিভিন্ন প্রোগ্রাম একসাথে চলার সময় সংস্থানগুলি সুষ্ঠুভাবে বরাদ্দ করে এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী হার্ডওয়্যার সম্পদ ব্যবহার করে। অন্য অপশনগুলো যেমন ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন, অ্যাপ্লিকেশন ডিবাগ বা প্রোগ্রাম কম্পাইল করা, অপারেটিং সিস্টেমের মূল কাজের মধ্যে পড়ে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করা।
• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ ASIMO (Advanced Step in Innovative Mobility) হলো একটি হিউম্যানয়েড রোবট, যা জাপানি কোম্পানি Honda দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত রোবটগুলির মধ্যে একটি এবং মানুষের মতো হাঁটা, দৌড়ানো, সিঁড়ি আরোহণ এবং বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম।
রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।
এছাড়াও,
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও এবং আইবো।
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray)।
- হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• কোনো লেখকের লেখা নিয়ে নিজের নাম দিয়ে প্রকাশ করা হলে তাকে প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এটি একটি অনৈতিক কর্মকাণ্ড, যেখানে কেউ অন্যের কাজ বা লেখাকে নিজের সৃষ্টি হিসেবে উপস্থাপন করে। প্লেজিয়ারিজম শুধুমাত্র লেখা নয়, ছবি, গান, বা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজেও হতে পারে। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে, গবেষণায় এবং পেশাগত জীবনে গুরুতর সমস্যার সৃষ্টি করে। এমন কাজের কারণে লেখকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয় এবং কপিরাইট আইনেও শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, অন্যের লেখা ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই উৎস উল্লেখ করতে হয়, আর নিজের কাজের ক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা অপরিহার্য।
- সঠিক উত্তর: ঘ) প্লেজিয়ারিজম।
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
• HTML বা HyperText Markup Language মূলত ওয়েব পেজের কাঠামো তৈরি করার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি মার্কআপ ভাষা, যা ওয়েবসাইটের টেক্সট, ছবি, ভিডিও, লিঙ্ক ইত্যাদিকে সঠিকভাবে সাজিয়ে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ব্রাউজার HTML কোডকে পড়ে ওয়েবপেজকে ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, শিরোনাম, অনুচ্ছেদ, তালিকা, টেবিল বা ফর্ম তৈরিতে HTML অপরিহার্য। যদিও HTML একা কোনো প্রোগ্রামিং লজিক সম্পাদন করে না, তবে এটি ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মূল ভিত্তি। তাই সফটওয়্যার তৈরি, ডেটাবেস ডিজাইন বা অপারেটিং সিস্টেম উন্নয়নের জন্য নয়, বরং ওয়েবপেজের গঠন নির্ধারণে HTML ব্যবহৃত হয়।
HTML:
- HTML এর পূর্নরুপ Hyper Text Markup Language যা মূলত ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েবপেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরম্যাট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- HTML দ্বারা তৈরি ফাইলসমূহের এক্সটেনশন .html অথবা .htm হয় যা সাধারণত ওয়েবপেইজ নামে পরিচিত।
- জেনেভার সার্ন (CERN) এ কাজ করার সময় টিম বার্নাস লি (Tim Berners-Lee) সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে HTML আবিষ্কার করেন। HTML এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে HTML 5।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Wide Area Network"।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- WAN-এর বিস্তৃতি সমগ্র দেশ বা পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা:
১. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
২. বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল প্রেরণ করা যায়।
৩. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৪. অনলাইন শপিং করা যায়।
৫. ক্লাউট কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. কম খরচে বিশ্বের যে কোনো স্থানে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়।
৭. কম খরচে ও অল্পসময়ে বিশ্বের একস্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।
ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার বা ওয়েবসাইট যা ব্যবহারকারীর অনুসন্ধানের ভিত্তিতে ইন্টারনেট থেকে তথ্য খুঁজে দেয়। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে Ecosia, Google এবং AOL হলো সার্চ ইঞ্জিন। Ecosia একটি পরিবেশবান্ধব সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর সার্চের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ করে, Google হলো বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন যা অগণিত ওয়েবসাইটের তথ্য সংগ্রহ ও প্রদর্শন করে, এবং AOL-ও মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে, Safari হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে ভ্রমণ করতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু সরাসরি তথ্য খোঁজার জন্য সার্চ ইঞ্জিন নয়। তাই এখানে সার্চ ইঞ্জিন নয় Safari.
সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।
ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- safari হলো অ্যাপলের মালিকানাধীন একটি ওয়েব ব্রাউজার।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.
উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• সঠিক উত্তর হলো: গ) ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)।
ইন্টারনেট অফ থিংস বা IoT হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং তাদের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করে। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন, কম্পিউটার, সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইসসহ নানা যন্ত্র পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেটা শেয়ার করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট হোমে তাপমাত্রা সেন্সর, লাইট কন্ট্রোলার এবং স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। IoT প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও স্বয়ংক্রিয়, সুবিধাজনক এবং কার্যকর করে তোলে।
• IoT (Internet of Things):
- IoT হলো ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
• NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
The foundation of IoT is based on IP and TCP protocols.
IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- IoT-এর ভিত্তি হলো IP (Internet Protocol) এবং TCP (Transmission Control Protocol)।
- ডিভাইসগুলো তারযুক্ত ও তারবিহীন নেটওয়ার্ক (Ethernet, Wi-Fi, Bluetooth, 5G, LTE, RFID, NFC) ব্যবহার করে যোগাযোগ করে।
- সাধারণত IoT ডিভাইসগুলো গেটওয়ে বা এজ ডিভাইসের সাথে যুক্ত হয়, সেখান থেকে ডেটা ক্লাউডে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়।
- IoT-এর মাধ্যমে ভৌত জগত (ডিভাইস/বস্তু) এবং ডিজিটাল জগত একে অপরের সাথে যুক্ত হয়।
IoT ডিভাইসের ধরন
1. Digital-first devices - শুরু থেকেই কানেক্টিভিটি যুক্ত থাকে (যেমন: স্মার্টফোন, মিডিয়া প্লেয়ার, মোবাইল পেমেন্ট টার্মিনাল, কৃষি যন্ত্র, জেট ইঞ্জিন)। এগুলো M2M (machine-to-machine) communication ব্যবহার করে।
2. Physical-first devices - তৈরি হওয়ার পর সেন্সর বা মাইক্রোচিপ যুক্ত করা হয় (যেমন: গাড়ি, হাসপাতালের মেডিকেল ডিভাইস, চাবির রিং)।
IoT-এর ব্যবহার
- ডেটা ও কন্টেন্ট শেয়ার করা (সোশ্যাল মিডিয়া/অনলাইন প্ল্যাটফর্মে)।
- দূর থেকে মনিটর ও কন্ট্রোল করা।
- মোবাইল ডিভাইস ও গেমিং ডিভাইসের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকশন করা।
- উদাহরণ: মহামারির সময় স্মার্ট থার্মোমিটার ব্যবহার করে COVID-19-এর সংক্রমণ ট্র্যাক করা।
উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর - খ) ট্রিগার (Trigger)
• ফ্লিপ ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0, 1) আছে এবং এটি দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। ধরা যাক, এটি প্রথম অবস্থায় আছে, তাহলে - এটি প্রথম অবস্থাতেই থাকবে যতক্ষণ না এতে বাইরে থেকে একটি তড়িৎপ্রবাহ (যাকে ট্রিগার (Trigger) বলা হয়) দেওয়া হচ্ছে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়।
• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
- বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।
• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ:
ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকারের হয়ে থাকে। যথা:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
- D ফ্লিপ-ফ্লপ,
- JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
- T ফ্লিপ-ফ্লপ,
- মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- QR কোডে ব্যবহৃত হয়- অপটিক্যাল রিডিং।
• QR কোড:
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি।
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়।
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে।
» QR কোডের ব্যবহার:
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়।
» QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য:
- QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
- বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
- সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
- Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
- অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।
তথ্যসূত্র:
1. Kaspersky.
2. Britannica.
সঠিক উত্তর: ঘ) টাচ স্ক্রিন
ট্যাবলেট কম্পিউটার
- ট্যাবলেট কম্পিউটার হল ল্যাপটপ ও স্মার্টফোনের আকারের মধ্যে একটি ডিভাইস।
- প্রাথমিক সময়ে এতে কীবোর্ড বা স্টাইলাস ব্যবহার করা হতো, কিন্তু আধুনিক ট্যাবলেটে টাচ স্ক্রিন ব্যবহার হয়।
- ১৯৬৮ সালে অ্যালান কেই Dynabook-এর ধারণা করেছিলেন, কিন্তু তা তৈরি করা হয়নি। প্রথম প্রকৃত ট্যাবলেট কম্পিউটার ছিল Cambridge Z88 এবং Linus Write-Top (1987)।
- ২০১০ সালে অ্যাপল iPad চালু করে টাচ-স্ক্রিন ডিভাইসকে জনপ্রিয় করে তোলে, এরপর Samsung Galaxy Tab-এর মতো অন্যান্য ট্যাবলেট আসে।
- ট্যাবলেট ব্যবহারকারীদের টেক্সট হাইলাইট ও এডিট, নোট লেখা, শব্দ অনুসন্ধান, ব্যাকলাইট সামঞ্জস্য এবং অন্তর্নির্মিত অভিধান ব্যবহারে সাহায্য করে।
- এছাড়া ইন্টারেক্টিভ ডায়াগ্রাম ও ভিডিও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মনোযোগ এবং সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে।
সোর্স: ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর - খ) মাল্টিমোডাল সিস্টেম
• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।
• বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ধরণ-
• Unimodal system:
- একটি ইউনিমোডাল বায়োমেট্রিক সিস্টেম একটি একক বায়োমেট্রিক মার্কার থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা ক্যাপচার এবং বিশ্লেষণ করে।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি রেটিনা স্ক্যান।
- এই সিস্টেমগুলি কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে বা কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে।
• Multimodal system:
- একাধিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন)।
উৎস: ব্রিটানিকা।