বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৩৪ / ১৩১ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ১৩,০৮৮

৩,৩০১.
কি-বোর্ডে কয়টি ফাংশন কী রয়েছে?
  1. ১০৫
  2. ১০৬
  3. ১২
  4. ১১
ব্যাখ্যা
কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।

-কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।
ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

F1 – F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:

- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে  দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইঙ্গরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৩,৩০২.
নিচের কোন কম্পিউটার এন্টিভাইরাসটি বাংলাদেশী?
  1. কোবরা
  2. পান্ডা
  3. এভিরা
  4. এভিজি
ব্যাখ্যা
- Cobra Antivirus টি বাংলাদেশী।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 

- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস, কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
৩,৩০৩.
বাইনারি সংখ্যা 1011011 এর সমতুল্য ডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. 90
  2. 91
  3. 80
  4. 81
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা 1011011 এর সমতুল্য ডেসিমেল সংখ্যা 91.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(1011011)2
= (1 × 2⁶) + (0 × 2⁵) + (1 × 2⁴) + (1 × 2³) + (0 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 0 + 2 + 1
= (91)₁₀
৩,৩০৪.
এইচটিএমএল (HTML) মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা
  2. ওয়েব পেজের স্টাইল তৈরি করা 
  3. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং করা 
  4. ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• HTML-এর মূল ব্যবহার ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা। এটি একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয় কোন উপাদান কীভাবে প্রদর্শন করতে হবে। HTML দিয়ে আমরা প্যারাগ্রাফ, হেডিং, তালিকা, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি উপাদান তৈরি করতে পারি। এটি ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং শুধুমাত্র কনটেন্টের কাঠামো নির্ধারণ করে; স্টাইলিং বা ফাংশনালিটি যোগ করতে CSS এবং JavaScript ব্যবহার করা হয়। তাই HTML-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজে তথ্য এবং উপাদানগুলোর সঠিক কাঠামো গঠন করা, যা ব্যবহারকারীরা সহজে দেখতে এবং পড়তে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা।

• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

উৎস: w3.org

৩,৩০৫.
What is the software used in embedded systems generally called?
  1. Shareware
  2. Cloud-native application
  3. Firmware
  4. Application Software
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত সফটওয়্যারকে ফার্মওয়্যার (Firmware) বলা হয়। 
- ফার্মওয়্যার হলো এক ধরনের বিশেষায়িত সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ডিভাইসের ROM (Read-Only Memory) বা Flash Memory-তে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং ডিভাইসের মৌলিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণস্বরূপ, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, রাউটার, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিভাইসে ফার্মওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Auburn University Samuel Ginn College of Engineering [link]

৩,৩০৬.
VPN এর পূর্ণরূপ-
  1. Virtual Personal Network
  2. Virtual Public Network
  3. Voice Protocol Network
  4. Virtual Private Network
ব্যাখ্যা
VPN:
- VPN-এর পূর্ণরূপ Virtual Private Network.
- পাবলিক নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে যেহেতু পৃথিবীর সবাই সংযুক্ত তাই এখানে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে।
- যেহেতু ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরাসরি তথ্য আদান প্রদানের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে, তাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার নিরাপদ পদ্ধতি হলো VPN.
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী এবং প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার জন্য ইন্টারনেটে একটি কাল্পনিক সুড়ঙ্গ তৈরি হয়।
- VPN সংযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসটির আসল আইপি (Internet Protocol) ঠিকানা গোপন করে এবং ইন্টারনেট ট্রাফিক এবং ডাটা একটি ব্যক্তিগত এবং সুরক্ষিতভাবে এনক্রিপ্ট করা টানেলের মাধ্যমে সর্বজনীন নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে রাউটিং করে।
- VPN অতি দ্রুত সময়ে জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হচ্ছে এ নেটওয়ার্ক আপনার ব্যক্তিগত পরিচয়, অবস্থান বা ডাটা না দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার একটি উপায় তৈরি করে।
- VPN টানেলের ভেতরে যখন ডাটা এনক্রিপ্ট করা হয় তখন আইএসপি, অনুসন্ধান ইঞ্জিন, বিপণনকারী, হ্যাকার এবং অন্যরা ওয়েবে আপনার ক্রিয়াকলাপ দেখতে বা ট্র্যাক করতে পারে না।

তথ্যসূত্র - টেলিকমিনিকেশন এবং নেটওয়ার্ক, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩০৭.
কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর হয় কোন ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস
  2. সিনক্রোনাস
  3. আইসোক্রোনাস
  4. ক্রিপ্টোক্রোনাস
ব্যাখ্যা
• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের উদাহরণ।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রথমে স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটাকে সংরক্ষণ করা হয় এবং ডেটার ক্যারেক্টারসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে সমান বিরতিতে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- যেমন কম্পিউটারব থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তর।

• আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় একই অর্থাৎ কোনো প্রকার দেড়ি ছাড়া একক সময়ে সমস্ত ডেটা ব্লক বা প্যাকেট ট্রান্সফার করা হয়, তাকে আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন মেথড বলে।
- যেমন অডিও বা ভিডিও কল এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩,৩০৮.
মাইক্রোকম্পিউটারের গতি নির্ধারণ করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. র‍্যাম
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. ক্লক স্পিড
ব্যাখ্যা

• CPU-এর ক্লক স্পিডই কম্পিউটারের কাজ করার গতি নির্ধারণ করে।

• সিপিইউ / মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:


- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি নির্ধারণ করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse বা Tick) সম্পন্ন হয় তার উপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজ (Hz) এককে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার ক্ষমতাকে ১ মেগাহার্টজ (MHz) হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন— কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ নির্দেশনা আদান–প্রদান করতে পারবে।
এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ (kHz), মেগাহার্টজ (MHz) বা গিগাহার্টজ (GHz)-এর তা বোঝায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩০৯.
GSM-এ মূলত কয় ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়। 
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৩১০.
নিচের কোনটি ফার্মওয়্যার?
  1. ক) Application Software
  2. খ) Utility Software
  3. গ) Operating System
  4. ঘ) ROM BIOS
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে। 
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC.
- যেমন, PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ৷
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।
৩,৩১১.
ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবস্থাপনার তথ্যের মৌলিক একক হলো:
  1. Block
  2. Segment
  3. Frame
  4. Page
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবস্থাপনার তথ্যের মৌলিক একক হলো Page। ভার্চুয়াল মেমরি একটি প্রক্রিয়াকে তার প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিক্যাল মেমরিতে লোড করতে সাহায্য করে, যাতে পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমরিতে না থাকলেও এটি চলতে পারে। প্রক্রিয়ার ভেতরের মেমরিকে ছোট ছোট সমান আকারের অংশে ভাগ করা হয়, যাকে Page বলা হয়। আর ফিজিক্যাল মেমরিতেও সমান আকারের অংশ থাকে, যাকে Frame বলা হয়। ভার্চুয়াল মেমরির পেজগুলো ফিজিক্যাল ফ্রেমে লোড হয় প্রয়োজন অনুযায়ী। Page ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রামের স্থানীয়তা বজায় রাখে এবং মেমরির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, ফলে বড় প্রোগ্রামও সীমিত মেমরিতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে।

- এই কারণে, ভার্চুয়াল মেমরির মৌলিক একক হলো Page.

• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- geeksforgeeks [link]

৩,৩১২.
কোনটি ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডার নয়?
  1. kindle
  2. Outlook
  3. Zimbra
  4. Sylpheed
ব্যাখ্যা
• kindle একটি ই-বুক রিডার।

• ই-মেইল:
- ইলেকট্রনিক উপায়ে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডিজিটাল মেসেজ বা বার্তা আদান-প্রদান করাকে ই-মেইল বলা হয়। 
- দুটি ধরনের ইমেল পরিষেবা রয়েছে: ইমেইল ক্লায়েন্ট এবং ওয়েবমেইল।
- ইমেইল ক্লায়েন্ট হলো ডেস্কটপের জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন এবং এটি একক বা একাধিক ইমেইল ঠিকানা কনফিগার করে।
- ওয়েবমেইল হলো ইমেইল অ্যাক্সেস করার জন্য একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন।
- এটি ব্রাউজারগুলির মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যেতে পারে। 
- বাজারে বেশ কয়েকটি ইমেইল পরিষেবা প্রদানকারী রয়েছে।
 
• বিনামূল্যে ইমেইল ক্লায়েন্টগুলির মধ্যে রয়েছে:
- Gmail
- Yahoo Mail
- Mozilla Thunderbird
- eM Client
- Claws Mail
- Foxmail
- Opera M2 Mail Client
- Pegasus Mail
- Incredi Mail
- Mulberry
- Dream Mail
- Sylpheed
 
• কিনে ব্যবহার করতে হয়:
- Outlook
- Zimbra
- Inky
- Postbox
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, ভোকেশনাল।
৩,৩১৩.
CSS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Computer Style Sheets
  2. Creative Style Sheets
  3. Cascading Style Sheets
  4. Colorful Style Sheets
ব্যাখ্যা
• CSS:
- CSS এর পূর্ণরূপ হলো Cascading Style Sheets.
- CSS, HTML এর ডকুমেন্টের স্টাইল বর্ণনা করে।
- কীভাবে HTML উপাদানগুলি স্ক্রিন, বা অন্য মিডিয়ায় প্রদর্শিত হবে তা CSS দ্বারা নির্ধারণ করা যায়।

• CSS এর মূল কাজ নিম্নলিখিত:
- ওয়েব পেজটিকে আকর্ষিত করা বা ডিজাইন বা Layout তৈরি করাই হল CSS এর কাজ।
- একটি সুন্দর ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হলে CSS-এর প্রয়োজন।
- CSS এর সাহায্যে HTML পেজ এর টেক্সট গুলিকে নতুন নতুন রং দেয়া যায়।
- এছাড়াও, CSS এর সাহায্যে কোনো টেক্সট এর ব্যাকগ্রাউন্ড কালার চেঞ্জ করা বা পুরো ওয়েবপেজ এর কালার চেঞ্জ করা যায়।
- টেক্সট সাইজ বড় ছোট করা ও আকার বদলানো যায় CSS এর দ্বারা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
৩,৩১৪.
UNIX অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে-
  1. ক) মাল্টি টাস্কিং
  2. খ) টাইম শেয়ারিং
  3. গ) মাল্টি ইউজার
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ইউনিক্স (UNIX):
- মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্সের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বহু ব্যবহারকারী একই সাথে অনেক কী-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করতে পারেন, যা শুধুমাত্র একটি সিপিইউয়ে সংযুক্ত।
- ইউনিক্সের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একটি সিপিইউ মাল্টি প্রসেসর সিস্টেমকে সাপোর্ট দিতে পারে।
- তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৫.
রোবট সোফিয়া নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. iRobot
  2. Boston Dynamics
  3. Yaskawa
  4. Hanson Robotics
ব্যাখ্যা
• রোবট সোফিয়া নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান "Hanson Robotics"।

• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, পরিচালনা ও প্রয়োগের বিষয় আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যন্ত্র, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম।
- 'রোবটিক্স' শব্দটি এসেছে 'রোবট' থেকে, যা প্রথম ব্যবহার করা হয় চেক লেখক কারেল কাপেকের ১৯২০ সালে প্রকাশিত নাটকে।
- রোবট শব্দটি স্লাভিক শব্দ "Robota" থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী, 'রোবটিক্স' শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৯৪১ সালে আইজাক অসিমভের সায়েন্স ফিকশন "লায়ার"-এ।

• রোবট সোফিয়া:

- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে সিঙ্গাপুরের তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া। এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৩১৬.
কম্পিউটারের ভাইরাসকে কী বলে?
  1. র‍্যাম
  2. ইউন্ডোজ
  3. বাগ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৭.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ নয়?
  1. স্পুফিং
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. লজিক বম্ব
  4. ফাজি লজিক
ব্যাখ্যা
ফাজি লজিক সাইবার অপরাধ নয়। 

ফাজি লজিক (Fuzzy Logic):

- ফাজি লজিক হলো এক ধরনের লজিক, যা সাধারণ সত্য ও মিথ্যা মানগুলোর চেয়েও বেশি কিছু শনাক্ত করতে পারে।
- ফাজি লজিক দিয়ে প্রশ্ন বা সমস্যাকে সত্য ও মিথ্যার মানে উপস্থাপন করা যায়। 
- ফাজি লজিক এমন একটি যুক্তি ব্যবস্থা যেখানে কোন সমস্যার সমাধান 1 অথবা 0 ছাড়াও আরো বিভিন্ন উপায়ে দেয়া যায়।
- বাইনারি ব্যবস্থায় একটি সমস্যার সমাধান 'হ্যাঁ' অথবা 'না'- এই দু'টি উপায়ে দেয়া যায়। 
- কিন্তু ফাজি লজিক-এ একটি সমস্যার সমাধান দুইয়ের অধিক উপায়ে দেওয়া যায়।

অন্যদিকে, 
বাকি অপশন গুলো সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।

- স্পুফিং - ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- প্লেজিয়ারিজম - অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৩১৮.
Embedded Computer এ কোনটি নাও থাকতে পারে?
  1. ক) মাইক্রোপ্রসেসর
  2. খ) মনিটর
  3. গ) মেমরি
  4. ঘ) ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার। এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না। এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই করে।
সূত্রঃ কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট
৩,৩১৯.
The process of converting analog signals into digital signals in modem is called—
  1. Modulation
  2. Demodulation
  3. Amplification
  4. Filtering
ব্যাখ্যা

• অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে মডেমের ক্ষেত্রে বলা হয় ডি-মডুলেশন।

• মডেম:

- Modem হলো একটি electronic device, যা computer networking–এ তথ্য আদান–প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- Modem শব্দটি এসেছে Modulator এবং Demodulator—এই দুটি শব্দ থেকে।

• মডুলেটর:
- Modulator–এর কাজ হলো computer–এর digital signal–কে analog signal–এ রূপান্তর করা।
- Digital signal থেকে analog signal–এ রূপান্তরের এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Modulation.

• ডি-মডুলেটর:
- Demodulator–এর কাজ হলো প্রাপ্ত analog signal–কে পুনরায় digital signal–এ রূপান্তর করা।
- Analog signal থেকে digital signal–এ রূপান্তরের এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Demodulation.

• মডেমের গতি:
- বাজারে বিভিন্ন গতিসম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। মডেমের গতি সাধারণত kbps (kilobits per second) এককে পরিমাপ করা হয়।
উদাহরণ: 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps.

• অন্যান্য অপশন:
• Amplification:
- সংকেতের শক্তি বাড়ায়, রূপ পরিবর্তন করে না।
• Filtering:
- সিগন্যাল থেকে নয়েজ/অনাকাঙ্ক্ষিত ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩২০.
নরম্যান জোসেফ ও বারনার্ড সিলভার যৌথভাবে আবিষ্কার করে -
  1. ক) ও এম আর
  2. খ) বারকোড
  3. গ) ও সি আর
  4. ঘ) কীবোর্ড
ব্যাখ্যা
বারকোড হল তথ্য সংগ্রহের একটি ভিজুয়াল পদ্ধতি যা মেশিনযোগে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এটি সাধারণত এর ধারণকারী জিনিস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে ।
- নরম্যান জোসেফ ও বারনার্ড সিলভার বারকোড আবিষ্কার করেন।
-  এটি ১৯৫১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট করা হয়।
- বারকোড রিডার এক ধরনের আলো নির্গমন করে যা বস্তুর পৃষ্ঠের বিশেষ সংকেত পড়তে পারে ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৩,৩২১.
কোনটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. Ms-Word
  2. Quarter Pro
  3. Informix
  4. Word Star
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quarter Pro ইত্যাদি।
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
- এমএস অফিস,
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- নেটস্কেপ নেভিগেটর,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল,
- পেজ মেকার,
- ফটোশপ,
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
• উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো:
- ব্যাংকিং সফটওয়্যার,
- ইলেকট্রনিস কমার্স,
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২২.
নিচের কোনটি বাংলা টাইপিং ও কম্পোজ করার সফটওয়্যার?
  1. Ananda
  2. Bijoy
  3. Rakhi
  4. Akhi
ব্যাখ্যা
- বিজয় হচ্ছে বাংলা লেখার সফটওয়্যার।
- ১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর কম্পিউটারে বাংলা লেখালেখির জন্য প্রথমবারের মতো বিজয় ব্যবহার করা হয়। কারিগরি দিক থেকে বিজয় ছিল একটি ইন্টারফেস।
- লেখালেখির অন্য সফটওয়্যারকে ব্যবহার করে বাংলা লেখার কাজটি করে দেয় এ প্রোগ্রাম।
- বিজয় বাংলা লেখার সফটওয়্যার ব্যবহারে মাইক্রোসফ্ট অফিস ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং আরও অনেকগুলি সহ বিভিন্ন ধরণের অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার করা যায়।
- Mustafa Jabbar এর তৈরি ২০০৯ সালে রিলিজ হওয়া Bijoy Bayanno একটি unicode ভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার।

উৎস: প্রথম আলো [লিঙ্ক]।
৩,৩২৩.
ব্লগ শব্দের প্রবর্তক কে?
  1. জাস্টিন হল
  2. পিটার মারহোলজ
  3. জর্ন বার্জার
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
ব্যাখ্যা
• ব্লগ:
- ব্লগ (Blog) একটি ইংরেজি শব্দ।
- blog এর আভিধানিক অর্থ হলো ভার্চুয়াল ডায়েরি অথবা ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত দিনলিপি।
- Blog শব্দটির আবির্ভাব Weblog থেকে।
- ১৯৯৭ সালে জর্ন বার্জার নামে একজন মার্কিন নাগরিক সর্বপ্রথম Weblog শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ১৯৯৯ এর এপ্রিল বা মার্চের মাঝামাঝি সময়ে পিটার মারহোলজ তার নিজস্ব ব্লগ পিটার্ম ডট কমে কৌতুক করে ‘weblog’ শব্দটিকে ভাগ করে 'We' - ‘blog’ বলে সম্বোধন করেন। তারপর থেকে ‘blog’ শব্দটির ব্যবহার প্রসার ঘটতে থাকে। তাই পিটার মারহোলজকে ব্লগ শব্দের প্রবর্তক বলা হয়।
- যারা ব্লগে লেখে তারাই ব্লগার।
- জাস্টিন হল কে প্রথম ব্লগারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- তিনি ১৯৯৪ সালে link.net নামে সর্বপ্রথম ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট চালু করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৩২৪.
কোন প্রোগ্রাম লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায় ?
  1. অ্যাসেম্বলার
  2. কম্পাইলার
  3. ইন্টারপ্রেটর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বোঝে।
- সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার। 
যথা- 
১। কম্পাইলার, 
২। ইন্টারপ্রেটার এবং 
৩। অ্যাসেম্বলার। 

১) কম্পাইলার: সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।

২) ইন্টারপ্রেটর: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুরু হয়।

৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৩২৫.
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য কি করতে হবে?
  1. ক) এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে
  2. খ) অপারেটিং সিস্টেম হালনাগাদ করতে হবে
  3. গ) রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হবে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- উপরের সবগুলো অপশন সঠিক উত্তর।

১। কেউ যদি তার কম্পিউটারে মাইক্রোসফট কোম্পানি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে তবে তা
সব সময় হালনাগাদ করতে হবে। ইন্টারনেট যুক্ত থাকলে সাধারণত এর আপডেটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে থাকে।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম একই ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে।

২। কম্পিউটারকে সচল ও গতিশীল রাখার জন্য মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
যদি কেউ রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ ব্যবহার না করে তবে কম্পিউটার যন্ত্রটি ঠিকভাবে কাজ করবে না এবং অনেক সময়
বিরক্তির কারণ হতে পারে।

৩। কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়। অনেক দিন এ ফাইলগুলো না মুছে দিলে
হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়। সেজন্য
আমাদের উচিত, সফ্টওয়্যারের সাহায্য নিয়ে এই অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করা বা মুছে দেয়া। এতে হার্ডডিস্কের
বেশ খানিকটা জায়গা খালি হবে আবার কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যাবে।

৪। ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে। ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট
ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে। এতেও কম্পিউটারের কাজের গতি
হ্রাস পায়। প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পরপর ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করতে হয়। এ কাজটি করতে
সফ্টওয়্যার সাহায্য করতে পারে।

৫। এন্টিভাইরাস, এন্টিপাইওয়্যার ছাড়া আইসিটি ডিভাইস ব্যবহার করা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ
রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি যার মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ তাদের যন্ত্রে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে
পারে। এদের মধ্যে অনেক এন্টিভাইরাস, এন্টি পাইওয়্যার ইন্টারনেট হতে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে সফ্টওয়্যারের গুরুত্ব, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৩২৬.
DBMS এর প্রধান কাজ হলো-
  1. ডেটাবেজ তৈরি
  2. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  3. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS):
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা/তথ্য/রেকর্ড একসেস, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ও আধুনিকীকরণের কাজ করা হয়।
- তথ্য ব্যবস্থাপনাকে সুন্দর ও কার্যোপযোগী করে তুলতে পারে DBMS।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
- DBMS-এর প্রধান তিনটি কাজ হচ্ছে-
১. ডেটাবেজ তৈরি,
২. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
৩. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৩২৭.
নিম্নের কোনটি RDBMS-এর উদাহরণ?
  1. Windows 10
  2. MS Excel
  3. Oracle
  4. MS PowerPoint
ব্যাখ্যা
Oracle একটি RDBMS.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• অন্য অপশনগুলো:
- Windows 10 হচ্ছে একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- MS Excel হচ্ছে একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার।
- MS PowerPoint হচ্ছে একটিপ্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২৮.
What is the full form of NPSB?
  1. National Payment Settlement Bangladesh
  2. National Payment System Bangladesh
  3. National Processing System of Bangladesh
  4. National Payment Switch Bangladesh
ব্যাখ্যা

• NPSB (National Payment Switch Bangladesh) হলো Bangladesh Bank পরিচালিত একটি কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্ক, যা দেশের সব ব্যাংকের ATM, POS এবং interbank electronic transaction সংযুক্ত করে।

• NPSB:
- NPSB এর পূর্ণরূপ হলো National Payment Switch Bangladesh (NPSB).
- NPSB বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, Bangladesh Bank পরিচালিত একটি কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্ক।
- এটি দেশের সব ব্যাংকের ATM, POS এবং interbank electronic transaction সংযুক্ত করে।
- NPSB অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর মধ্যে অ্যাকাউন্ট এবং কার্ড ভিত্তিক লেনদেনের জন্য আন্তঃকার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে।
- কার্ড ও অনলাইন ভিত্তিক লেনদেনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ২৭ ডিসেম্বর, ২০১২ তে এই সিস্টেমটি চালু করে।
- NPSB পদ্ধতির আওতায় বর্তমানে আন্তঃব্যাংক অটোমেটেড টেলার মেশিন (ATM), পয়েন্ট অফ সেলস (POS), ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফান্ড ট্রান্সফার (IBFT) লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৩,৩২৯.
মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কে নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. হাব
  2. গেটওয়ে
  3. সুইচ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৩৩০.
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার কী ব্যবহার করে কাগজে ছাপায়?
  1. লেজার বিম
  2. কালির জেট
  3. ছোট পিন
  4. হিটিং এলিমেন্ট
ব্যাখ্যা
• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার:
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।
- আয়তকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে।
- এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে রিবন কার্টিজ ব্যবহৃত হয়।
- এর গতি পরিমাপক একক CPS (Character per second).

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]
৩,৩৩১.
রিলেশনাল ডাটাবেজ কী?
  1. অনেকগুলো ইনডেক্স ফাইলের সমষ্টি
  2. ডেটা প্রিন্ট করার সফটওয়্যার
  3. শুধুমাত্র একটি ফাইলের সমষ্টি
  4. একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ হচ্ছে একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৩২.
ভার্চুয়াল মেমরি কী?
  1. ফিজিক্যাল মেমরির যে অংশ CPU ব্যবহার করে
  2. ROM এর একটি বিশেষ ধরন
  3. সেকেন্ডারি মেমরির যে অংশ প্রাইমারি মেমরি হিসেবে ব্যবহার করা হয়
  4. গ্রাফিক্স কার্ডের মেমরি
ব্যাখ্যা

◉ ভার্চুয়াল মেমরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি মেমরি ম্যানেজমেন্ট টেকনিক, যা সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন: হার্ড ডিস্ক বা SSD) এর একটি অংশকে প্রাইমারি মেমরি (RAM) এর সম্প্রসারণ হিসেবে ব্যবহার করে।
এটি প্রোগ্রামগুলিকে মনে করতে দেয় যে তাদের কাছে পর্যাপ্ত RAM আছে, এমনকি যখন ফিজিক্যাল RAM এর পরিমাণ সীমিত থাকে। ভার্চুয়াল মেমরি পেজিং (Paging) বা সোয়াপিং (Swapping) পদ্ধতির মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়।

ভার্চুয়াল মেমরি: 
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

৩,৩৩৩.
ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের মিডিয়া নয় কোনটি?
  1. টেলিভিশন
  2. স্বরযন্ত্র
  3. স্যাটেলাইট
  4. ফাইবার অপটিকস
ব্যাখ্যা

কমিউনিকেশন সিস্টেম: 
বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে কমিউনিকেশন সিস্টেম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
- বর্তমান কমিউনিকেশন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে একাধারে যেমন ব্যয় হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে তেমনি কার্য সম্পাদনের গতিও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। 
- গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত উন্নত কমিউনিকেশন সিস্টেম সহজ করেছে দূরবর্তী অবস্থানের সাথে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্যের আদান-প্রদান। 
- দুইটি পক্ষের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তাকে কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। 
- কমিউনিকেশন সিস্টেমে তথ্য আদান প্রদানের জন্য নিচের কাজ গুলো করতে হয়- 
১. তথ্য আদান প্রদান ব্যবস্থাপনা করা। 
২. তথ্যের উৎস, গন্তব্য নির্ধারণ করা। 
৩. ডাটার নিরাপত্তা প্রদান। 
৪. হারানো তথ্য পুনরুদ্ধার। 
৫. সম্পূর্ন সিস্টেমের বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ব্যবস্থাপনা করা। 

বিভিন্ন ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেম: 
- পৃথিবীতে অনেক ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেম রয়েছে। 
যেমন- 
বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম: শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। যেমন- মস্তিষ্ক, স্বরযন্ত্র, কান, হাত ইত্যাদি অঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ করা হয়। 
গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেম: গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেমে সকল ধরনের যোগাযোগ ছবি ও চিহ্নের মাধ্যমে ভিজুয়ালী প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়। 
টেলিকমিউনিকেশন: দূরবর্তী স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা। দূরবর্তী যোগাযোগের জন্য টেলিফোন ব্যবহার করার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে টেলিকমিউনিকেশন বলে। যেমন- মোবাইল ফোনে দুই জনের মধ্যে কথোপকথোন। 
ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন: বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় বা যে যোগাযোগ গড়ে উঠে তাকে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন বলে। ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের জন্য অনেক মিডিয়া ব্যবহার করা হয়। যেমন- রেডিও, টেলিভিশন, ফাইবার অপটিকস, ফ্যাক্স, স্যাটেলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৩৪.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে সার্ভারের প্রধান ভূমিকা কী?
  1. ক্লায়েন্ট থেকে তথ্য চাওয়া
  2. ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা
  3. কেবল ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করা
  4. ক্লায়েন্ট ছাড়া ইন্টারনেটে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা 
ব্যাখ্যা

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে সার্ভারের প্রধান ভূমিকা হলো ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা। সার্ভার একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা সফটওয়্যার যা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ক্লায়েন্টদের বিভিন্ন রিসোর্স যেমন ডাটা, ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন বা সার্ভিস সরবরাহ করে। যখন ক্লায়েন্ট কোনো তথ্য বা পরিষেবা চায়, সার্ভার সেই অনুরোধ গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে। এছাড়াও সার্ভার রিসোর্সগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ, ব্যাকআপ এবং নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করে। এটি ক্লায়েন্টদের মধ্যে সমন্বয় স্থাপন ও নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সার্ভারের মূল কাজ শুধুমাত্র ফায়ারওয়াল বা ইন্টারনেট সংযোগ নয়, বরং ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স ব্যবস্থাপনাই প্রধান কাজ।

- সঠিক উত্তর: খ) ক্লায়েন্টদের জন্য রিসোর্স সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা, সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

এছাড়াও,
- পার্সোনাল কম্পিউটার → পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) সাধারণত একক ব্যবহারকারীর জন্য ডিজাইন করা হয় এবং এটি সার্ভার হিসেবে কার্যকরী নয়।
- সুপার কম্পিউটার → সুপার কম্পিউটার সাধারণত জটিল গণনা, বিজ্ঞান গবেষণা, এবং সিমুলেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি সাধারণ সার্ভার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৩৩৫.
অক্টাল সংখ্যা (২৪) এর বাইনারি রূপ হচ্ছে:
  1. (১০১ ১১০)
  2. (১০১ ১০০)
  3. (১১১ ১১১)
  4. (০১০ ১০০)
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা (২৪) এর বাইনারি রূপ হচ্ছে: (০১০ ১০০)

অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
১ = ০০১
২ = ০১০
৩ = ১০১
৪ = ১০০


∴ (২৪) = (০১০ ১০০)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৩৬.
নিচের কোনটি একটি আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. OMR
  2. Film Recorder
  3. Speaker
  4. Plotter
ব্যাখ্যা
♦ আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

•  OMR একটি ইনপুট ডিভাইস।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৩৭.
নিচের কোন প্রোডাক্টটি মাইক্রোসফট উদ্ভাবন করেনি?
  1. উইন্ডোজ ওএস
  2. মাইক্রোসফট অফিস
  3. গুগল ক্রোম
  4. এক্সবক্স
ব্যাখ্যা

​• চারটি প্রোডাক্টের মধ্যে গ) গুগল ক্রোম মাইক্রোসফট তৈরি করেনি। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট অফিস, এবং এক্সবক্স সবই মাইক্রোসফটের তৈরি। উইন্ডোজ হলো তাদের জনপ্রিয় কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম, যা ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়। মাইক্রোসফট অফিস হলো অফিস প্রোডাক্টিভিটি সফটওয়্যারের একটি সেট, যেমন ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ইত্যাদি। এক্সবক্স হলো তাদের গেমিং কনসোল। অন্যদিকে, গুগল ক্রোম হলো গুগলের তৈরি একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি মাইক্রোসফটের প্রোডাক্ট নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) গুগল ক্রোম।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড প্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: ২১ আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)

উৎস: মাইক্রোসফট এবং তাদের নিজস্ব অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

৩,৩৩৮.
Robotics শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে কোন ভাষার শব্দ থেকে?
  1. গ্রিক
  2. স্লাভিক
  3. ইংরেজি
  4. ফারসি
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স (Robotics)
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে যন্ত্র বা মেশিন মানুষের মত কিছু কাজ করতে পারে তাকে রোবট বলা হয়।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- এছাড়াও এই শাখায় রোবট নিয়ন্ত্রণে কম্পিউটার সিস্টেম, রোবটের সেনসরি ফিডব্যাক এবং ইনফরমেশন প্রসেসিং সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- ‘রোবটিক্স' (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ ‘robota' (রোবটা) থেকে যার ইংরেজি হলো robot (রোবট) এবং আভিধানিক অর্থ হল শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
- চেক (Czech) লেখক ক্যারেল ক্যাপেক (Karel Capek) ১৯২১ সালে Rossumovi Univerzální Roboti (ইংরেজিতে Rossum's Universal Robots) নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম ‘robota' শব্দের পরিচয় করেন।
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার (Joseph Frederick Engelberger) এবং ঐ একই দেশের উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল ( George Charles Devol) মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- পরবর্তীতে এঙ্গেলবার্গার ইউনিমেশন (Unimation) নামে বিশ্বের প্রথম রোবট কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই প্রযুক্তি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- এই জন্য যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।
- তবে জর্জ চার্লস ডেভলকেও রোবটিক্সের জনক হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৩৩৯.
গুগল কোন ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করেছে?
  1. Siri
  2. Gemini
  3. Alexa
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

•  গুগল একটি অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করেছে যার নাম Gemini. এটি একটি উন্নত ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (Language Model) যা মানুষের মতো পাঠ্য বোঝা, লিখা, বিশ্লেষণ এবং সমস্যা সমাধানে সক্ষম। Gemini শুধুমাত্র তথ্য অনুসন্ধান নয়, বরং জটিল প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সংলাপ চালানো এবং বিভিন্ন কাজে সহায়তা করতে পারে।
- অন্যদিকে, Alexa হলো আমাজনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভয়েস সহকারী, এবং Siri হলো অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারী। সুতরাং, গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা Gemini ছাড়া অন্য কোনো অপশন সঠিক নয়। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো (ক) Gemini.

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।

৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।

৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৪০.
একটি 4-বিট সিনক্রোনাস আপ কাউন্টার তৈরি করতে সর্বনিম্ন কয়টি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার?
  1. 1
  2. 2
  3. 4
  4. 16
ব্যাখ্যা

◉ একটি 4-বিট সিনক্রোনাস আপ কাউন্টার তৈরি করতে সর্বনিম্ন 4টি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার।
একটি n-বিট বাইনারি কাউন্টার তৈরি করতে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার, কারণ প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট সংরক্ষণ করে এবং কাউন্টের মান পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৪১.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সমবায় সার্কিটের সংযোজন কী দ্বারা করা যেতে পারে?
  1. অ্যাডার
  2. রেজিস্টার
  3. ডিকোডার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে অ্যাডার।

• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- অতএব, যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা সম্ভব।
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে অ্যাডারের দুই ধরনের প্রকারভেদ রয়েছে:

১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে, যোগফল এবং হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে, তাকে হাফ-অ্যাডার বলা হয়।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে, যোগফল এবং হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে, তাকে ফুল-অ্যাডার বলা হয়।
- এভাবে, অ্যাডারগুলি গাণিতিক কাজের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা সিস্টেমের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৩৪২.
প্রথম ই-মেইল পদ্ধতি চালু করেন কে?
  1. বিল গেটস
  2. স্টিভ জবস
  3. স্যামুয়েল টমলিনসন
  4. মার্ক জুকারবার্গ
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ও ই-মেইল: 
- বিশ শতকের ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল (Internet Protocol) ব্যবহার করে আরপানেট (Arpanet) আবিষ্কৃত হয়।
- তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বিকশিত হতে শুরু করে।
- আর এ বিকাশের ফলে তৈরি হয় ইন্টারনেট।
- ১৯৭১ সালে আরপানেটে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন আমেরিকার প্রোগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন (Ramond Samuel Tomlinson)।
- তিনিই প্রথম ই-মেইল পদ্ধতি চালু করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৩,৩৪৩.
'ক্যালেন্ডারিং' কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. Infrastructure-as-a-Service
  2. Platform-as-a-Service
  3. Software-as-a-Service
  4. Data-as-a-Service
ব্যাখ্যা
• 'ক্যালেন্ডারিং' Software-as-a-Service ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স। যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, Slack (Collaboration and Messaging), অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫), Google Docs ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. https://www.azure.microsoft.com
৪. https://www.ibm.com
৩,৩৪৪.
BLOB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Binary Logical Object
  2. Binary Logical Object Bit
  3. Binary Large Object
  4. Binary Large Object Bit
ব্যাখ্যা
• BLOB:
- BLOB একটি ডেটা টাইপ।
- BLOB এর পূর্ণরূপ হলো Binary Large Object.
- যেকোনো ধরনের ডেটাকে এই ডেটা টাইপের মধ্যে রাখা যায়।
- ছবি যেহেতু বাইনারিতে রূপান্তরিত হয়েই কম্পিউটারে রক্ষিত হয়, তাই ছবির ক্ষেত্রে BLOB ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৩৪৫.
ARPANET এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Automated Research Program and Network
  2. Application Resource Planning and Networking
  3. Active Research and Protocol Analysis Network
  4. Advanced Research Projects Agency Network
ব্যাখ্যা

• ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো Advanced Research Projects Agency Network.

• ARPANET:
- ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয় ARPANET দিয়ে।
- ১৯৬০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি প্রকল্প শুরু করে, যার নাম ছিল ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network)।
- এটি ছিল প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান করার সুযোগ দিয়েছিল।
- ARPANET এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে যোগাযোগ করত, যা পরবর্তীতে আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি গড়ে তোলে।
- এটি মূলত গবেষণা এবং সামরিক যোগাযোগের জন্য তৈরি হলেও, ধীরে ধীরে এর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষাবিদ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে।
- তাই বলা যায়, ইন্টারনেটের জন্ম ও বিকাশের পথ শুরু হয় ARPANET থেকেই।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৩৪৬.
নিম্নে উল্লিখিত বিভিন্ন ধরনের মেমোরির মধ্যে কোনটি সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস সম্ভব?
  1. Main Memory (RAM)
  2. Register
  3. Cache Memory
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা
• Register মেমোরি হলো সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেসযোগ্য মেমোরি। এটি প্রসেসরের মধ্যে অবস্থিত ছোট এবং খুব দ্রুত মেমোরি যা তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। Register গুলোর মাধ্যমে প্রসেসর সরাসরি ডাটা এবং ইনস্ট্রাকশন অ্যাক্সেস করে কাজ করে, যার ফলে প্রসেসিং দ্রুত হয়। Cache Memory অপেক্ষাকৃত ধীর গতির। Main Memory বা RAM অনেক বড় কিন্তু Register এর চেয়ে ধীর এবং Virtual Memory সবচেয়ে ধীর কারণ এটি হার্ড ডিস্কের একটি অংশ হিসেবে কাজ করে। তাই দ্রুততায় Register মেমোরির তুলনা হয় না, কারণ এটি CPU এর সবচেয়ে কাছের মেমোরি।

• রেজিস্টার (Register):

- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৪৭.
মেশ টপোলজিতে যদি n সংখ্যক নোড থাকে, তাহলে প্রতিটি নোডে কত সংখ্যক সংযোগের প্রয়োজন হবে?
  1. n - 2
  2. (n - 1)/2
  3. n - 1
  4. n(n - 1)/2
ব্যাখ্যা
মেশ টপোলজির ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ প্রত্যেকটি নোড (কম্পিউটার বা ডিভাইস) একে অপরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে।

উল্লেখ্য যে, মেশ টপোলজিতে যদি n সংখ্যক নোড (কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইস) থাকে তাহলে প্রতিটি নোডে (n-1) টি সংযোগের প্রয়োজন হয় এবং এই নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n - 1)/2 টি।
যে সকল নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফারে দ্রুত গতি কাম্য ও ডেটা যোগাযোগের নির্ভরশীলতাই মুখ্য এবং নেটওয়ার্ক স্থাপনের ব্যয় বা খরচ যেখানে গৌণ সেসব ক্ষেত্রে মেশ টপোলজি ব্যবহার করা হয়।
যেমন ব্যাংক কিংবা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে মেশ ব্যবহৃত হতে পারে।
 
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৩৪৮.
MARK-1 কম্পিউটারটি যৌথভাবে কোন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি আবিষ্কার করেন?
  1. IBM ও Blaise Pascal
  2. IBM ও Howard Aiken
  3. Apple ও Howard Aiken
  4. Microsoft ও John Napier
ব্যাখ্যা

• মার্ক-১ (Mark-I):
- ১৯৪৪ সালে ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন। মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।

মার্ক-১ (Mark-1)-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. মার্ক-১ দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট এবং প্রন্থ ছিল ৮ ফুট।
২. ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
৩. সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্র সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল লম্বা তার ব্যবহার করা হয়েছিল।
৪. গিয়ার ও চাকার পরিবর্তে চৌম্বক রিলে ব্যবহৃত হয়।
৫. মার্ক-১-এর সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
৬. মার্ক-১ দ্বারা দু'টি সংখ্যার যোগ ও গুণ করতে যথাক্রমে ০.৩ ও ৪.৫ সেকেন্ড সময় প্রয়োজন হতো।
মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল। প্রদর্শনের জন্য এটি বর্তমানে হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৪৯.
http://www.mnhs.com/webpages/about.html 
URL-টির ডোমেইন টাইপ কোনটি?
  1. mnhs
  2. webpages
  3. .com
  4. about.html
ব্যাখ্যা
• ডোমেইন নেইম:
- ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম। যেমন- www.google.com এই সাইটটির আইপি এড্রেস হল- 216.58.212.164।
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS-Domain Naming System)।
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫০.
সাফারি (Safari) হচ্ছে একটি-
  1. ক) অপারেটিং সফটওয়্যার
  2. খ) গ্রাফিক্স সফটওয়্যার
  3. গ) ব্রাউজিং সফটওয়্যার
  4. ঘ) এডিটিং সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ইন্টারনেটে অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে। এই ওয়েবসাইটগুলাে নিজের কম্পিউটার থেকে দেখা বা ব্রাউজ করার জন্য আমরা সাধারণত বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করি। এই সফটওয়্যারগুলােকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি বিভিন্ন ওয়েব ব্রাউজার রয়েছে। যেমন- মজিলা ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম, সাফারি, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মাইক্রোসফট এজ, অপেরা ইত্যাদি।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৩,৩৫১.
একটি শহরের বিভিন্ন LAN নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. LAN
  2. MAN
  3. WLAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা

• MAN — এটি একটি শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যা একাধিক LAN-কে সংযুক্ত করে।

• MAN (Metropolitan Area Network):
- MAN-এর পূর্ণরূপ Metropolitan Area Network.
- এটি সাধারণত প্রায় ১০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- একটি শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিভিন্ন LAN নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে MAN গঠিত হয়।
- নেটওয়ার্ক পরিচালনায় হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।

• WLAN:
- তারবিহীন প্রযুক্তির সাহায্যে LAN তৈরি করা হলে তাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলা হয়।

• MAN-এর ব্যবহার:
- একটি শহরের ব্যাংক শাখাগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল্ডিংয়ে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান।
- শহরের পুলিশ স্টেশনসমূহকে সংযুক্ত করা।
- টেলিকম কোম্পানির শহরজুড়ে পরিষেবা প্রদান।

• অন্যান্য অপশন:
- LAN → সীমিত এলাকা, যেমন একটি অফিস বা ভবনের মধ্যে ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক।
- WLAN → তারবিহীন LAN।
- PAN → ব্যক্তিগত ডিভাইসসমূহের স্বল্প পরিসরের নেটওয়ার্ক।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৩,৩৫২.
The term PC means-
  1. Private Computer
  2. Prime Computer
  3. Personal Computer
  4. Professional Computer
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫৩.
IBM প্রতিষ্ঠিত হয় কতসালে?
  1. ক) ১৯১০
  2. খ) ১৯১১
  3. গ) ১৯১২
  4. ঘ) ১৯১৩
ব্যাখ্যা

IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
IBM এর সদরদপ্তর-আরমংক, নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
IBM হল একটি আমেরিকাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।
IBM এর নির্বাহী পরিচালকের নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM5150.

সূত্র: IBM Website.

৩,৩৫৪.
কম্পিউটারের ডাটা প্রসেসিং স্পিডের সাথে কোন ফ্যাক্টর সম্পর্কিত নয়?
  1. প্রসেসর স্পিড
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. RAM
  4. মনিটর সাইজ
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের ডাটা প্রসেসিং স্পিড নির্ভর করে মূলত- 
প্রসেসর স্পিড (ক): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
ক্যাশ মেমরি (খ): প্রসেসরের কাছে থাকা এই মেমরি দ্রুত তথ্য আহরণে সহায়তা করে।
RAM (গ): তথ্য অস্থায়ীভাবে ধারণ করে ও দ্রুত অ্যাকসেসে সাহায্য করে।
কোর সংখ্যা: বেশি কোর মানে একসাথে বেশি কাজ (মাল্টিটাস্কিং)।

সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।

সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। এইচপি ওয়েবসাইট। [লিংক]

৩,৩৫৫.
ক্যাবলের চারপাশে "Ferrite beads" রাখা হয় কোন প্রভাব প্রতিরোধ করার জন্য?
  1. Inductance
  2. Capacitance
  3. Resistance
  4. Noise
ব্যাখ্যা
• ফেরাইট বিডস (Ferrite Beads) ক্যাবল বা তারের চারপাশে ব্যবহৃত হয় "Noise" (শব্দ বা সিগনাল গোলমাল) প্রতিরোধ করার জন্য। 

১. "Noise" বা সিগন্যাল গোলমাল:
- কেবল বা তারের মধ্যে "Noise" মানে হচ্ছে অপ্রত্যাশিত বা অনাকাঙ্ক্ষিত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যাল যা সাধারণত অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ থেকে ছড়িয়ে পড়ে।
- এই সিগন্যাল সাধারণত কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলির কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে, এবং ডিভাইসের মধ্যে তথ্য ট্রান্সমিশন বা প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে।



২. Ferrite Beads কী করে Noise প্রতিরোধ করে?
- ফেরাইট বিডস হল একটি ছোট এবং শক্ত কঠিন পদার্থ যা সাধারণত ফেরাইট নামক উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়।
- এই উপকরণটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ বা হাই-ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল শোষণ করতে সক্ষম, যা কেবল বা তারের মাধ্যমে যেতে চায়।
- যখন ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে নির্গত Noise কেবল বা তারের মাধ্যমে চলে, ফেরাইট বিডস এই সিগনালগুলিকে শোষণ করে এবং সেগুলোকে নিরপেক্ষ (নির্বিঘ্ন) করে তোলে।
- এর ফলে, Noise কেবল বা তারের মধ্যে প্রবাহিত হতে পারে না এবং ডিভাইসের কার্যকারিতা অপরিবর্তিত থাকে।

তাহলে, সঠিক উত্তর হবে: ঘ) Noise
- অর্থাৎ, ফেরাইট বিডস মূলত কেবল বা তারে প্রবাহিত Noise বা বৈদ্যুতিন গোলমাল শোষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এইভাবে, ফেরাইট বিডস কেবল বা তারের মাধ্যমে সিগনাল পরিষ্কার এবং নিখুঁত রাখে।

সূত্র: researchgate [লিংক]
৩,৩৫৬.
কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  2. ফাইল কম্প্রেশন টুল
  3. অ্যান্টিভাইরাস
  4. ব্যাকআপ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

• উক্ত অপশন গুলোর মধ্যে, ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে গণ্য হয় না। ইউটিলিটি প্রোগ্রামগুলি মূলত কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা, নিরাপত্তা ও ডেটা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়। যেমন, ফাইল কম্প্রেশন টুল ফাইলের আকার ছোট করতে সাহায্য করে, অ্যান্টিভাইরাস ভাইরাস সনাক্ত ও দূর করতে কাজ করে, এবং ব্যাকআপ সফটওয়্যার গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সংরক্ষণে সহায়তা করে। অন্যদিকে, DBMS হলো একটি পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, সংগঠন এবং পুনরুদ্ধারে ব্যবহৃত হয় এবং এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করে। তাই DBMSকে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয় না।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).

- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).

- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৫৭.
Which of the following is different?
  1. Twitter
  2. Wikipedia
  3. Facebook
  4. Linkedin
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম:
- ফেসবুক, লিংকড ইন, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, হোয়াটসএপ হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

অন্যদিকে,
- উইকিপিডিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়।

উইকিপিডিয়া:
- উইকিপিডিয়া হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি জ্ঞানকোষ.
- এটি গড়ে উঠেছে পৃথিবীর লাখ লাখ মানুষের স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে।
- উইকি-প্রযুক্তিনির্ভর ওয়েবপেজকে পড়ার পাশাপাশি সম্পাদনাও করা যায়, আর তা করার জন্য ওয়েব ব্রাউজার ছাড়া আর কোনো সফটওয়ার লাগে না।
- ইন্টারনেট ভিত্তিক বলেইপৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসেই উইকিপিডিয়া পড়া বা এতে তথ্য যোগ করার কাজ করা যায়।

⇒ মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা জিমি ওয়েল্‌স ২০০১ সালে উইকিপিডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রথম দিকে উইকিপিডিয়াতে কেবল ইংরেজি ভাষাই ব্যবহৃত হতো।
- কিন্তু বর্তমানে পৃথিবীর ২৮৩টিরও অধিক ভাষায় উইকিপিডিয়ার সংস্করণ রয়েছে।
- তার ইচ্ছা ছিল একটি বড়সড় অনলাইন বিশ্বকোষ তৈরি করা।
- তবে অন্যান্য বিশ্বকোষ ধারণার চেয়ে এটি আলাদা ছিল অন্য কারণে।
- এটি কোনো বেতনভোগী বিশেষজ্ঞ, সম্পাদক বা লেখক দিয়ে এই বিশ্বকোষ লেখানো হবে না, বরং এই বিশ্বকোষের লেখক হবেন তারা, যারা তা হতে চান।
- উইকি নামের একটি সফটওয়্যার; যা দিয়ে ওয়েবসাইটে সম্পাদনা, মোছা কিংবা পরিবর্ধন করা যায় সেটি ব্যবহার করে ওয়েলেস আর তার স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা গড়ে তুলেছেন এক বিশাল জ্ঞানভান্ডার যার সঙ্গে তুলনা চলে কেবল আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরির।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 
৩,৩৫৮.
২ নিবল = কত বিট?
  1. ২ বিট
  2. ১২ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৮ বিট
ব্যাখ্যা

• নিবল (Nibble) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানে একটি তথ্যের একক যা ৪টি বিট নিয়ে গঠিত। এক বিট হলো দুটি মানের মধ্যে একটি মান ধারণ করতে সক্ষম (০ বা ১), তাই ৪টি বিট একত্রিত হলে মোট ১৬টি ভিন্ন মান প্রকাশ করা যায়। যেহেতু একটি নিবল = ৪ বিট, তাই ২ নিবল = ৪ × ২ = ৮ বিট।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৮ বিট, যা দুইটি নিবলকে বিটে রূপান্তরিত করার সঠিক মান।


• বিট ও বাইট:

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ নিবল = ৪ বিট। 
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩,৩৫৯.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ভাষা নয়?
  1. Python
  2. Java
  3. Ruby
  4. Excel
ব্যাখ্যা

• সঠিক  উত্তর হলো Excel। Python, Java এবং Ruby হলো জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা যেগুলো দিয়ে সফটওয়্যার, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং বিভিন্ন সিস্টেম ডেভেলপ করা যায়। এদের নিজস্ব সিনট্যাক্স, নিয়ম এবং লজিক আছে যা প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে নির্দেশ দেয়। অপরদিকে, Excel মূলত একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও গণনার কাজে ব্যবহৃত হয়। যদিও Excel-এ কিছু ফর্মুলা ও ফাংশন ব্যবহার করা যায়, সেটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। তাই সঠিক উত্তর হবে ঘ) Excel.

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৩,৩৬০.
HTML প্রধানত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটাবেস ডিজাইন
  2. ওয়েব পেজ স্ট্রাকচার তৈরি
  3. গেম তৈরি
  4. সার্ভার ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

• HTML প্রধানত ওয়েব পেজের স্ট্রাকচার তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব পেজে টেক্সট, ছবি, লিংক, তালিকা, টেবিল এবং অন্যান্য উপাদানগুলো সঠিকভাবে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়। HTML-এর মাধ্যমে ব্রাউজার জানে কোন অংশ শিরোনাম, অনুচ্ছেদ, ছবি বা বাটন হিসেবে দেখাতে হবে। এটি ডেটাবেস ডিজাইন, গেম তৈরি বা সার্ভার ম্যানেজমেন্টের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, তবে ওয়েব ডেভেলপমেন্টে অন্যান্য প্রযুক্তির সাথে মিলিয়ে HTML প্রয়োজনীয় ভিত্তি প্রদান করে। তাই HTML-এর মূল কাজ হলো ওয়েব পেজের স্ট্রাকচার তৈরি করা এবং কনটেন্ট সঠিকভাবে উপস্থাপন করা। সঠিক উত্তর হলো: খ) ওয়েব পেজ স্ট্রাকচার তৈরি।
 
• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

উৎস: w3.org

৩,৩৬১.
কোনটি সবার শেষে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) লিঙ্কডইন
  2. খ) ফেসবুক
  3. গ) ইন্সট্রাগ্রাম
  4. ঘ) টুইটার
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
লিঙ্কডইন সবার আগে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট। এটি ২০০২ সালে রেইড হফম্যান প্রতিষ্ঠা করেন। এটি মূলত কর্পোরেট বা পেশাজীবীদের যোগাযোগের একটি মাধ্যম। পিন্টারেস্ট, টুইটার, ফেইসবুক ও ইন্সটাগ্রাম প্রতিষ্ঠিত হয় যথাক্রমে ২০১০, ২০০৬, ২০০৪ এবং ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। (সূত্র: লিঙ্কডইন, পিন্টারেস্ট, টুইটার, ফেইসবুক ও ইন্সটাগ্রাম ওয়েবসাইট)
৩,৩৬২.
ভাগের জন্য কোন অপারেশন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ADD
  2. খ) SUB
  3. গ) DIV
  4. ঘ) JMU
ব্যাখ্যা
অপারেশন কোড:
অপারেশন কোডে নির্দেশ নেমোনিক থাকে। এই নেমোনিকগুলো বিভিন্ন কম্পিউটারে বিভিন্ন হতে পারে, তবে
সাধারণত নিচের মত হয়।

LDA(লোড) : প্রধান মেমরির কোন নির্দিষ্ট অবস্থানের (অপারেন্ডে দেওয়া) সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরে রাখে (Load Accumulator) !
STA(স্টোর) : STore Accumulator (মেশিনভাষার অনুরূপ)।
CLR(ক্লিয়ার) : CLeaR accumulator
ADD(যোগ) : ADD, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যার সঙ্গে যোগ করে যোগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ ।
SUB(বিয়োগ) : SUBtract, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা থেকে বিয়োগ করে বিয়োগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
MUL(গুণ): MULtiple
DIV (ভাগ) : DIVide, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা দিয়ে অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যাকে ভাগ করে ভাগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
JMU(নিশর্ত জাম্প) : পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে (লেবেলে) যাও ।
JAZ(জাম্প) : অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ০ হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে
যাও নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হও।
JAL(জাম্প) : অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ঋণাত্মক হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে যাও নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হও।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩,৩৬৩.
নিচের কোনটি মৌলিক (Basic) লজিক গেইট?
  1. NAND
  2. XOR
  3. XNOR 
  4. AND
ব্যাখ্যা

সার্বজনীন গেইট: 
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। 
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়। 

মৌলিক লজিক গেইট: 
- OR Gate, 
- AND Gate এবং 
- NOT Gate. 

সার্বজনীন লজিক গেইট: 
- NAND Gate এবং 
- NOR Gate. 

বিশেষ লজিক গেইট: 
- XOR Gate এবং 
- XNOR Gate. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৩৬৪.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
  2. মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
  3. উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত সবগুলোই তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:

- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির (সেমি কন্ডাক্টর মেমোরি) উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬৫.
এক্সপানশন বাসের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. লোকাল বাস
  2. ইআইএসএ বাস
  3. এজিপি
  4. অ্যাড্রেস বাস
ব্যাখ্যা

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস বলে।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস (যেমন- নেটওয়াক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড, টিভি কার্ড ইত্যাদি) যে স্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন স্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।

• উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA - Industry Standards Architecture),
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus):
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture),
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect),
৪. ইউএসবি (USB - Universal Serial Bus),
৫. ফায়ারওয়‍্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE
৬. এজিপি (AGP - Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ডেটা বাস (Data Bus),
২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৬৬.
কম্পিউটারের কোন অংশ তথ্য সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে?
  1. ক) ডিস্ক ড্রাইভ
  2. খ) কী -বোর্ড
  3. গ) মনিটর
  4. ঘ) প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
ডিস্ক ড্রাইভ হলো কম্পিউটারের একধরনের স্মৃতি সংরক্ষণ হার্ডওয়্যার। কি বোর্ড ইনপুট ডিভাইস, মনিটর এবং প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস।
৩,৩৬৭.
অ্যালগরিদমের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. তথ্য কার্যকরভাবে সংরক্ষণ করা
  2. একটি নির্দিষ্ট সমস্যা ধাপে ধাপে সমাধান করা
  3. গ্রাফিক্যাল বিষয়বস্তু প্রদর্শন করা
  4. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• অ্যালগরিদমের মূল উদ্দেশ্য হলো একটি নির্দিষ্ট সমস্যা ধাপে ধাপে সমাধান করা। এটি একটি সুসংগঠিত ধারা যেখানে সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ধাপগুলি ক্রমবদ্ধভাবে নির্ধারণ করা হয়। অ্যালগরিদম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং তথ্য প্রযুক্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি কার্যকরী ও সঠিক সমাধান নিশ্চিত করে। তথ্য সংরক্ষণ, গ্রাফিক্যাল বিষয়বস্তু প্রদর্শন বা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পরিচালনা অ্যালগরিদমের সীমিত অংশ হতে পারে, কিন্তু মূল লক্ষ্য সবসময় সমস্যার সমাধান প্রক্রিয়াকে সহজ, নির্ভুল এবং কার্যকর করা। তাই ধাপে ধাপে সমাধান করাই অ্যালগরিদমের কেন্দ্রীয় উদ্দেশ্য।

• অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Algorithm):
- অ্যালগরিদম হলো একটি স্পষ্ট ধাপে ধাপে নির্দেশনার সেট, যা কোনো সমস্যার সমাধান প্রদান করে।  
- এলোমেলো প্রক্রিয়ার ধারা নয়; অ্যালগরিদম সর্বদা নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে কাজ করে।  
- ভিত্তিহীন অনুমান নয়; অ্যালগরিদমের প্রতিটি ধাপ নির্ভর করে পূর্বের ধাপের ফলাফলের উপর।  
- অস্পষ্ট যৌক্তিক ধারা নয়; অ্যালগরিদমে প্রতিটি ধাপ সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট।  

- সঠিক উত্তর: খ) নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান।  

সূত্র:
- ব্রিটানিকা। [link]

৩,৩৬৮.
প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) IP
  2. খ) SMTP
  3. গ) POP3
  4. ঘ) HTTP
ব্যাখ্যা

আইপি এড্রেস ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।

৩,৩৬৯.
মাধ্যম হিসেবে সাবমেরিন ক্যাবল প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়-
  1. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
  2. সাউন্ড ওয়েব
  3. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল
  4. রেডিও ওয়েব
ব্যাখ্যা
• অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল:
- সাবমেরিন ক্যাবল প্রযুক্তিতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল আলোক পরিবাহী।
- অপটিক ক্যাবল হচ্ছে ড্রাই-ইলেকট্রিক (Dry Electronic) অন্তরক পদার্থ দিয়ে তৈরি এক ধরনের আঁশ যা আলো নিবন্ধীকরণ ও পরিবহনে সক্ষম।
- এই ধরনের ক্যাবলের মধ্যে দিয়ে ডাটা আদান-প্রদান করা হয় আলোর গতিতে এবং আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে যে সকল অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে তার ডাটা ট্রান্সমিশন হার 100 mbps থেকে 2 Gega bps.
- আজকাল বিপুল পরিমাণ উপাত্ত পরিবহনে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে আন্ত:মহাদেশীয় অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপিত হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭০.
কম্পিউটারের আইকিউ (IQ) কত?
  1. ক) 0
  2. খ) 120+
  3. গ) 120
  4. ঘ) 200
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হলো মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা (IQ-Intelligence Quotient) করার ক্ষমতা নেই
- মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো, বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭১.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + A = A
  2. খ) A . A = A
  3. গ) A + 1 = 0
  4. ঘ) A + A' = 1
ব্যাখ্যা


উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৩৭২.
ডাটা এনক্রিপশনের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডাটা মুছে ফেলা
  2. ডাটা দ্রুত প্রেরণ করা
  3. ডাটা সংরক্ষণ করা
  4. ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
 - ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)।

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা:
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭৩.
নিচের কোনটি বাংলা লেখার সফটওয়্যার?
  1. অভ্র
  2. বিজয়
  3. সুতনী
  4. (ক) ও (খ) উভয়ই
ব্যাখ্যা
- বিজয় ও অভ্র হচ্ছে বাংলা টাইপ ও কম্পোজ সফটওয়্যার। 

বিজয়: 
- বাংলা সফটওয়্যার বাংলাদেশে কম্পিউটার ব্যবহারের সূচনা হয় আশির দশকের গোঁড়ার দিকে।
- এই প্রযুক্তিতে বাংলা ব্যবহারের চেষ্টা শুরু হয় তার কয়েক বছর পর।
- কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্যে দুটি উপাদান দরকার- তার একটি হলো বাংলা ফন্ট, আর অপরটি হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার। 

অভ্র: 
- উচ্চারণভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার হলো অভ্র।
- এটি ২০০৭ সালে বাজারে আসে এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- অভ্র ইউনিকোডভিত্তিক সফটওয়্যার।
- বাংলা কী বোর্ডের লে আউট ১৯৬৫ সালে প্রথম মুনীর চৌধূরী তৈরি করেন। 
- পরবর্তী সময়ে আসে বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত বিজয় সফটওয়্যার। 

অন্যদিকে, 
- বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ফন্টগুলাের মধ্যে রয়েছে আদর্শলিপি, সুলেখা, সারদা, আনন্দ, সুশ্রী, মেঘনা, চন্দ্রবর্তী, সুতনী, যমুনা ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৩,৩৭৪.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) সিপিইউ
  3. গ) হার্ড ডিস্ক
  4. ঘ) সিডি ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
সিডি ড্রাইভ অপটিক্যাল ডিভাইসের উদাহরণ।

অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম (Optical Storage System):
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
- যেমন: CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।

সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory):
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড়, ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭৫.
যে সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. মিডলওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) হলো এমন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা বা কাজ পূরণের জন্য ডিজাইন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, MS Word (ডকুমেন্ট তৈরি), Photoshop (ইমেজ এডিটিং), এবং Google Chrome (ওয়েব ব্রাউজিং) হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software): এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার পরিচালনা করে। উদাহরণ: অপারেটিং সিস্টেম (Windows, Linux)।
ইউটিলিটি সফটওয়্যার (Utility Software): এটি কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ এবং অপ্টিমাইজেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: Antivirus, Disk Cleanup।
মিডলওয়্যার (Middleware): এটি বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। উদাহরণ: Database Middleware, Web Servers.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৭৬.
জিএসএম এর সার্ভিস কোনটি?
  1. এসএমএম
  2. কল ফরওয়ার্ডিং
  3. কল হেডিং
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়। GSM,TDMA
ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং,
আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি
সার্ভিস ইত্যাদি।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৩৭৭.
Blu-Ray ডিস্কে ব্যবহৃত কপিরাইট সুরক্ষা ব্যবস্থার নাম কী?
  1. ক) CSS
  2. খ) AACS
  3. গ) DRM
  4. ঘ) BD+
ব্যাখ্যা
- AACS এর পূর্ণরূপ Advanced Access Content System .
- অ্যাডভান্সড অ্যাকসেস কনটেন্ট সিস্টেম ব্লু-রে ডিস্কে ব্যবহৃত কপিরাইট সুরক্ষা ব্যবস্থা যা ডিস্কে সঞ্চিত অননুমোদিত অনুলিপি এবং বিতরণ রোধ করে।
-  এটি Blu-ray ছাড়াও HD-DVD এর হাই ডেফিনিশন ভিডিও কন্টেন্টের সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।

উৎস : Centre for Applied Cryptographic Research (CACR) at the University of Waterloo Website 
৩,৩৭৮.
প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে কোন কোম্পানি?
  1. মাইক্রোসফট
  2. ইনটেল
  3. কমপ্যাক
  4. এপসন
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল  ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: dw.com এবং Live MCQ লেকচার শীট।
৩,৩৭৯.
নিচের কোনটি একটি জনপ্রিয় AI-ভিত্তিক NLP সফটওয়্যার? 
  1. Microsoft Excel 
  2. ChatGPT
  3. VLC Media Player
  4. Adobe Photoshop 
ব্যাখ্যা

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence): 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) হলো কম্পিউটার বা যন্ত্রকে মানুষের মতো চিন্তা, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা দেওয়ার প্রযুক্তি। 
- AI-এর গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলো হলো মেশিন লার্নিং (ML), রোবোটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), ও স্পিচ প্রসেসিং।
- মেশিন লার্নিং এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কম্পিউটার নিজেই শেখার ক্ষমতা অর্জন করে।
- রোবোটিক্স AI-ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র তৈরির বিজ্ঞান।
- ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP) কম্পিউটারকে মানুষের ভাষা বুঝতে ও ব্যবহার করতে শেখায়।
- কম্পিউটার ভিশন ক্যামেরার মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণ করে, যেমন মানুষের চোখ কাজ করে।
- স্পিচ প্রসেসিং কম্পিউটারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাষা শোনা ও বলা শেখায়।
- AI উন্নত করতে নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের মস্তিষ্কের অনুকরণে ডিজাইন করা কৃত্রিম নিউরন (পারসেপট্রন) ব্যবহার করে।
- নিউরাল নেটওয়ার্কের তিনটি স্তর থাকে: ইনপুট স্তর, লুক্কায়িত স্তর (Hidden Layer), ও আউটপুট স্তর।
- ডিপ লার্নিং মেশিন লার্নিং-এর উন্নত রূপ, যা জটিল সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- AI-ভিত্তিক জনপ্রিয় NLP সফটওয়্যার: ChatGPT, Microsoft Copilot, Google Bard.
- AI উন্নয়নে ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রামিং ভাষা: Python, Java, C/C++, MATLAB, LISP, PROLOG, R ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৩,৩৮০.
Windows অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কিত নিম্নের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. এটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম
  2. এটি Open source অপারেটিং সিস্টেম
  3. ক এবং খ উভয়ই সত্য
  4. কোনোটিই সত্য নয়
ব্যাখ্যা
◉ Windows হলো একটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এবং Windows একটি closed source অপারেটিং সিস্টেম।

• Windows:
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়।
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না।
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮।
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. geeksforgeeks.
৩,৩৮১.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হতো?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ভ্যাকুয়াম টিউব
  3. মাইক্রোচিপ
  4. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
ব্যাখ্যা

- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল ছিল ১৯৪০ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো ইলেকট্রনিক সিগন্যালের পরিবর্ধন ও সুইচিং এর জন্য।
- ভ্যাকুয়াম টিউবগুলো বড় আকারের, বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন করত।
- ফলে কম্পিউটারগুলো অনেক বড় এবং ভারী হতো।
- মেমোরি ও স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হতো ম্যাগনেটিক ড্রাম।

- ইনপুট ও আউটপুট মাধ্যম হিসেবে পাঞ্চ কার্ড এবং পাঞ্চ টেপ ব্যবহৃত হতো।
- প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহৃত হতো শুধুমাত্র মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ (0 ও 1)।

• প্রথম প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য কম্পিউটারসমূহ:
- ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) - ১৯৪৬.
- EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) - ১৯৪৯.
- UNIVAC-I (Universal Automatic Computer) - ১৯৫১.
- EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) - ১৯৪৯.

উৎস: Britannica. [লিংক]

৩,৩৮২.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. এভিরা
  2. পান্ডা

  3. ভিয়েনা
  4. অ্যাভাস্ট
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

​কম্পিউটার ভাইরাস:

- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

​অন্যদিকে, এভিরা, পান্ডা, অ্যাভাস্ট হচ্ছে এন্টিভাইরাস।

সোর্স: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৮৩.
এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে ভুল তথ্য নিচের কোনটি?
  1. ক) টাচস্ক্রিণ স্মার্টফোনে ব্যবহার যোগ্য
  2. খ) লিনাক্স কার্নেল বেজড
  3. গ) ওপেন সোর্স প্লাটফর্ম
  4. ঘ) শুধু গুগল এন্ড্রয়েড ফোন তৈরী করে
ব্যাখ্যা
লিনাক্স কার্নেলের উপর নির্ভর করে টাচস্ক্রিণ স্মার্টফোনের জন্য এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম নির্মাণ করেছে গুগল। এন্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম। গুগল সহ আরো অনেক কোম্পানি এন্ড্রয়েড ভিত্তিক ফোন বাজারজাত করে।
Source: Google
৩,৩৮৪.
উইন্ডোজ OS ইনস্টল করার সময় কোন ড্রাইভকে প্রধান হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এ ড্রাইভে OS টি দ্রুত কাজ করে?
  1. F Drive
  2. E Drive
  3. C Drive
  4. D Drive
ব্যাখ্যা
• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার সময় সাধারণত C Drive-কে প্রধান (Primary) ড্রাইভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ উইন্ডোজ ডিফল্টভাবে C Drive-এ ইনস্টল হয় এবং এই ড্রাইভে সিস্টেম ফাইল, প্রোগ্রাম ফাইল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সংরক্ষণ করা হয়। C Drive-এ OS ইনস্টল করার ফলে সেটি দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে কাজ করে কারণ এটি হার্ডড্রাইভের প্রথম পার্টিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং অপারেটিং সিস্টেমের জন্য সর্বোত্তম পারফরম্যান্স দেয়। অন্য ড্রাইভ যেমন F, E, বা D সাধারণত ডেটা সংরক্ষণ বা অন্যান্য ফাইল রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সেগুলোতে OS ইনস্টল করা হয় না।
- তাই উইন্ডোজের জন্য C Drive প্রধান ড্রাইভ।

 
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।

- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৮৫.
বাংলাদেশে প্রচলিত টেলিভিশনের আদর্শমান কোনটি?
  1. ক) NTSC
  2. খ) PAL
  3. গ) HDTV
  4. ঘ) SECAM
ব্যাখ্যা
টেলিভিশন একটি জনপ্রিয় মাধ্যম যা তথ্য সম্প্রচারের কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে সংকেত পাঠানো হয় এবং ঐ সম্প্রচার কেন্দ্রের আওতাধীন সকলে টেলিভিশনের মাধ্যমে সম্প্রচারিত তথ্য, ছবি, মুভি বা লাইভ প্রোগ্রাম দেখতে পারে। বিশ্বের সর্বত্র টেলিভিশন ও ভিডিও রয়েছে কিন্তু সকল টিভি ও ভিডিওর আদর্শ (Standard) এক নয়। বর্তমান বিশ্বে টিভি ও ভিডিওর নিম্নলিখিত আদর্শগুলো (Standards) দেখা যায়। যথা-
NTSC-National Television System Committee
PAL- Phase Alternation by Line
SECAM-Système Électronique Couleur Avec Mémoire
HDTV- High Definition Television
 টিভি সম্প্রচারের সূচনা থেকেই আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ ও এশিয়ার বেশির ভাগ দেশেই PAL গৃহীত হয় । আমাদের দেশেও এ মানটি প্রচলিত হয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩,৩৮৬.
নিচের কোন ওয়েবসাইটটি ফ্রিল্যান্সিং এর সাইট নয়?
  1. ebay.com
  2. payoneer.com
  3. upwork.com
  4. odesk.com
ব্যাখ্যা
- ফ্রিল্যান্সার (Freelancer) হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তি ছাড়া কাজ করেন।
- একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা।
- ইন্টারনেটের কল্যাণে ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) এখন একটি নির্দিষ্ট স্থানের সাথেও সম্পর্কযুক্ত নয়।
- কারো কাছে যদি ইন্টারনেট সংযোগসহ একটি কম্পিউটার থাকে তাহলে সে যেকোন জায়গাতে বসেই ফ্রিল্যান্স ও আউটসোর্সিং এর কাজগুলো করতে পারেন।
- ওয়েবসাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ছবি সম্পাদনা, ডেটা এন্ট্রি, লেখালেখি করা, কোন পণ্যের বাজার খুঁজে দেওয়া, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা, ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিসহ আরো অসংখ্য কাজ এই পদ্ধতিতে করা সম্ভব।
- বিশ্বব্যাপী আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payoneer.com, odesk.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

• ebay.com একটি কেনা-বেচার সাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৩৮৭.
আইপি এড্রেসের অংশগুলোকে ডট দ্বারা ভাগ করা প্রতিটি অংশকে কী বলে?
  1. ক) সেল
  2. খ) অক্টেট
  3. গ) সেক্টর
  4. ঘ) নোটেশন
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারে একটি আইডিন্টিটি থাকে, যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
আইপি হল একধরনের প্রটোকল। বিশ্বে যেমন মানুষকে আলাদা করার জন্য নাম আছে, তেমনি প্রতিটি কম্পিউটার কে শনাক্ত করার জন্য থাকে আইপি এড্রেস।
আইপি এড্রেস ৪ টি অংশে ভাগ থাকে, যা ডট দিয়ে ভাগ করা থাকে, প্রতিটি অংশকে বলা হয় অকটেট। 

আইপি এড্রেসকে তিনভাবে প্রকাশ করা যায়।
১. ডটেড ডেসিমল নোটেশন -  যেমন: 192.165.68.5
২. হেক্সাডেসিমল নোটেশন-যেমন: C0.A8.0F.05
৩. বাইনারি নোটেশন - যেমন: 11000000.10101000.00001111.00000101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৩৮৮.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Cache Memory
  2. ROM
  3. RAM
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি।
- যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়।
- এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে ক্যাশ মেমরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। অভ্যন্তরীণ ক্যাশ বা লেভেল-১ ক্যাশ (LI / Internal Cache) ও
২। বহিঃস্থ ক্যাশ বা লেভেল-২ ক্যাশ (L2 / External Cache)।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অভ্যন্তরে যে ক্যাশ স্মৃতি কাজ করে সেটিকে অভ্যন্তরীণ ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
- যে স্মৃতি কম্পিউটারের প্রধান বোর্ড বা মাদারবোর্ডের ওপর অবস্থান করে তাকে বহিঃস্থ ক্যাশ স্মৃতি বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় তাকে ক্যাশ হিট বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় না তাকে ক্যাশ মিস বলে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৮৯.
অনলাইনে গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হলে তাকে কি বলে?
  1. ই-পেপার
  2. পেটেন্ট
  3. ই-কন্টেন্ট
  4. ই-জার্নাল
ব্যাখ্যা
• ই-জার্নাল:
- ই-জার্নাল হলো গবেষণা নথি বা প্রবন্ধের একটি ডিজিটাল সংস্করণ, যা ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়।
- এর সুবিধাগুলো হলো, এটি যেকোনো সময় যে কোনো স্থান থেকে অ্যাক্সেস করা যায়, ডাউনলোড বা ই-মেইল করা যায় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট অংশ বা পুরো জার্নালটি ইন্টারনেটে সার্চ করে বের করা যায় কিংবা পাঠ করা যায়।

• পেটেন্ট:
- পেটেন্ট হচ্ছে একচেটিয়া অধিকার, কোনো কিছু উদ্ভাবনের জন্য এটা অনুমোদন করা হয়।
- উদ্ভাবনটি হতে পারে একটি পণ্য বা একটি প্রক্রিয়া, যা কোনো কিছু সম্পাদনের নতুন পদ্ধতি প্রদান করে বা কোনো সমস্যার নতুন কারিগরি সমাধান প্রস্তাব করে।
- একটি পেটেন্ট তার মালিককে তার উদ্ভাবনের সুরক্ষা প্রদান করে।
- সীমিত সময়ের জন্য এই সুরক্ষা সাধারণত ২০ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৩৯০.
মাইক্রোসফটের বর্তমান (সেপ্টেম্বর, ২০২৪) সিইও কে?
  1. সত্য নাদেলা
  2. সুন্দর পিচাই
  3. জেফ বেজোস
  4. টিম কুক
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)

উৎস: Microsoft official website.
৩,৩৯১.
WWW stands for
  1. ক) World Women's Welfare
  2. খ) World Wide Web
  3. গ) Who What When
  4. ঘ) World Wide Wonders
ব্যাখ্যা
WWW:

- মূলত হাইপারটেক্সটভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- WWW এর পূর্ণরূপ World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব।
- এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- সব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোন তথ্য দেখা বা খোঁজাকে ব্রাউজ করা বলা হয়, একে ইন্টারনেট ব্রাউজিংও বলা হয়।
- কোন তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে।
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে।
- এন্টার কী সার্চ ইঞ্জিনের ফাইন্ড বক্সে ব্যবহারকারী যা লিখে এন্টার চাপলে সে সম্পর্কিত বিভিন্ন ওয়েবপেজের লিংকের তালিকা প্রদর্শিত হয় ।
- বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। যেমন, Yahoo, Google, Alta Vista, ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯২.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ক) সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়। 
  2. খ) নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয় না।
  3. গ) অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
  4. ঘ) ডেটা বা এপ্লিকেশনের উপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ থাকে।
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারে মূল সমস্যা হল- ডেটা, তথ্য, অথবা প্রোগ্রাম বা, এপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। একবার তথ্য কাউকে পাঠিয়ে দিলে তা কোথায় কীভাবে সংরক্ষণ হচ্ছে, ব্যবহারকারীর জানার উপায় থাকে না।
 
ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের সুবিধাসমূহ- 
১. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে হার্ডওয়ারের কোনও বড় ধরনের বাড়তি ব্যয় নেই। এটি চালিত হিসাবে অর্থ প্রদান করতে হবে। 
২. ইন্টারনেটে সংযোগ থাকার মাধ্যমে যে কোনও জায়গা থেকে আপনার অ্যাপ্লিকেশন বা ডাটা ব্যবহার করা যায়। 
৩. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে এর নেটওয়ার্ক ব্যাকআপের কারণে হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ফলে ডেটা ক্ষতি হয় না।
৪. ক্রমবর্ধমান বা ওঠানামা করা ব্যান্ডউইথের চাহিদা সহ ব্যবসায়ের জন্য ক্লাউড-ভিত্তিক সমাধানগুলি আদর্শ।
৫. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি বড় সুবিধা হলো একসাথে অনেক লোকেদের তথ্য ভাগ বা ব্যবহার করার সুয়োগ দিয়ে সহযোগিতা করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের অসুবিধা- 
১. ব্যবহারকারীদের ডেটা সুরক্ষিত থাকে না।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৩৯৩.
নিচের কোনটি ১৬ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ক) ৮০৮০
  2. খ) ৮০৮৬
  3. গ) ৮০৩৮৬
  4. ঘ) ৪০৪০
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

১৯৭৮ সালে তৈরিকৃত ইন্টেল ৮০৮৬ মাইক্রোপ্রসেসর টি ১৬ বিটের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি
৩,৩৯৪.
এমন একটি ফায়ারওয়াল নীতি যা সমস্ত ট্রাফিককে অনুমোদন করে, শুধু যে ট্রাফিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা বাদ দিয়ে, তাকে বলা হয়:
  1. Explicit allow rule
  2. Implicit deny rule
  3. Deny-all rule
  4. Permit-all rule
ব্যাখ্যা

• এমন একটি ফায়ারওয়াল নীতি যেখানে ডিফল্টভাবে সব ধরনের নেটওয়ার্ক ট্রাফিক অনুমোদিত থাকে এবং কেবল নির্দিষ্টভাবে যেসব ট্রাফিককে নিষিদ্ধ (deny) করা হয়েছে, সেগুলোই ব্লক করা হয়- তাকে Permit-all rule বলা হয়। এই নীতিতে ফায়ারওয়াল প্রথমে ধরে নেয় যে সব ট্রাফিক নিরাপদ, যতক্ষণ না কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা দেওয়া থাকে। ফলে আলাদা করে প্রতিটি অনুমোদনের নিয়ম লিখতে হয় না, বরং শুধু ঝুঁকিপূর্ণ বা অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিকের জন্য deny rule প্রয়োগ করা হয়। এই পদ্ধতি ব্যবহারে নেটওয়ার্ক সহজে প্রবেশযোগ্য হলেও নিরাপত্তার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। সঠিক উত্তর হলো ঘ) Permit-all rule.
 
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

• অপশন আলোচনা:
- Explicit allow rule:
-  নির্দিষ্ট ট্রাফিককে অনুমোদন দেওয়া হয়।
- এটি পুরো নেটওয়ার্ককে অনুমোদন দেয় না, বরং কেবল নির্দিষ্ট ট্রাফিকের জন্য।

- Implicit deny rule:

- যা স্পষ্টভাবে অনুমোদিত নয়, তা অটোমেটিকভাবে ব্লক করা হয়।
- এটি সাধারণত "ডিফল্ট deny" নীতি, যা ট্রাফিকের অনুমোদন সীমিত করে।

- Deny-all rule:

- সমস্ত ট্রাফিককে ব্লক করে।
- এটি পূর্বনির্ধারিত ব্লক পলিসি।

- Permit-all rule:

- সমস্ত ট্রাফিককে অনুমোদন দেয়, শুধুমাত্র যে ট্রাফিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা বাদ দিয়ে।
- এটি পুরোপুরি মিলে যায় আপনার প্রশ্নের বর্ণনার সাথে।
-  সঠিক উত্তর: Permit-all rule.

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- Microsoft. [link]

৩,৩৯৫.
অনিচ্ছাকৃত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা ইমেইল বা মেসেজে প্রেরণ করার প্রক্রিয়াটিকে কী নামে পরিচিত?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. ভাইরাস
  3. ফিশিং
  4. স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

• ইমেইল বা মেসেজের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা পাঠানোর বিষয়টিকে স্প্যামিং বলা হয়। এটি সাধারণত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বা প্রতারণামূলকভাবে প্রচুর পরিমাণে একই ধরণের বার্তা পাঠানোর একটি পদ্ধতি। 

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ: 
• ফ্রেকিং (Phreaking): 
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে। 

• হ্যাকিং (Hacking): 
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। 
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে। 

• ফিশিং (Phishing): 
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা। 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

• স্নিফিং (Sniffing): 
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩,৩৯৬.
ডিজাইনাররা কোন সফটওয়্যার প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখুঁত 2D ও 3D পণ্য মডেল তৈরি করতে পারেন?
  1. ERP
  2. CRM
  3. VPN
  4. CAD
ব্যাখ্যা

• ডিজাইনাররা CAD (Computer-Aided Design) সফটওয়্যার প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখুঁত 2D ও 3D পণ্য মডেল তৈরি করতে পারেন। CAD সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডিজাইনাররা অত্যন্ত নির্ভুলতা ও দক্ষতার সঙ্গে যন্ত্রাংশ, স্থাপত্য, পোশাক এবং অন্যান্য পণ্যের নকশা তৈরি করতে সক্ষম হন। এটি তাদেরকে সহজে সম্পাদনা, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন কোণ থেকে ডিজাইন পর্যালোচনার সুবিধা দেয়। CAD ব্যবহার করে মডেল তৈরি করলে উৎপাদনের পূর্বেই ত্রুটি নির্ধারণ করা যায় এবং সময় ও খরচ উভয়ই সাশ্রয় হয়। তাই নিখুঁত ডিজাইন তৈরির জন্য CAD প্রযুক্তি ডিজাইনারদের কাছে একটি অপরিহার্য সফটওয়্যার।

• কর্মসংস্থান: 
- বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 
- কর্মসংস্থানের জন্য কম্পিউটার অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। 
- পণ্য ডিজাইন থেকে শুরু করে ঝুঁকিপূর্ণ কার্যাদি সম্পাদনের জন্য কল-কারখানায় দক্ষতা ও সফলতার সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- আজকের পৃথিবীতে শিল্পোৎপাদনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 

- বর্তমানকালে CAD (Computer Aided Design) ব্যবহার করে অল্প সময়ে পণ্যের চমৎকার সব ডিজাইন তৈরি করা যায়। 
- আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং বাজার ঠিক রাখা ও বাজার বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থাপনা উৎপাদন ক্ষেত্রে Total Quality Management (TQM) প্রয়োগ করছে। 
- TQM প্রয়োগের বড় সহায়ক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 
- যন্ত্রপাতির সঠিক কার্যক্রম ও প্রয়োগেই কেবল মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম। 
- কারখানায় কিছু কাজ থাকে যেগুলো খুবই সূক্ষ্ম, আবার কিছু কাজ আছে যেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ ও শ্রমসাধ্য। 
যেমন- কম্পিউটার কিংবা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ তৈরি, খনিতে উত্তোলনের কাজ অথবা ভারী শিল্পের বড় বড় স্থানান্তর করার কাজ রোবটের মাধ্যমে করানো হয়। তাছাড়া প্রতিকূল পরিবেশ যেখানে মানুষের পক্ষে কাজ করা দুষ্কর সেখানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত রোবট দিয়ে কাজ করাতে দেখা যায়। 
- এছাড়াও শ্রমিক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের হিসাব, বার্ষিক রিপোর্ট ও বার্ষিক বাজেট তৈরির কাজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে করা সম্ভব হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৯৭.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Film Recorder
  2. Graphics Pad
  3. Image Setter
  4. Plotter
ব্যাখ্যা

◉ Graphics Pad (Digitizer/Graphics Tablet): এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী হাতে আঁকা ছবি, ডিজাইন বা লেখাকে সরাসরি কম্পিউটারে ইনপুট দিতে পারে। ডিজাইনার ও ইলাস্ট্রেটররা এটি বেশি ব্যবহার করে।

​পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone, ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৯৮.
নিম্নলিখিত ডিভাইসগুলোর মধ্যে কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করে? 
  1. মাইক্রোফোন
  2. কিবোর্ড
  3. স্পিকার
  4. মডেম
ব্যাখ্যা

• নির্দিষ্ট ডিভাইসগুলোর মধ্যে মডেম (ঘ) হলো এমন একটি ডিভাইস যা ইনপুট এবং আউটপুট উভয় কাজ করতে সক্ষম। মাইক্রোফোন কেবল ইনপুট ডিভাইস, কারণ এটি শব্দকে সিগন্যাল বা ডেটায় রূপান্তরিত করে কম্পিউটারে পাঠায়। কিবোর্ডও কেবল ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর কমান্ড বা তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। স্পিকার কেবল আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের সিগন্যালকে শব্দে রূপান্তরিত করে আমাদের শোনায়। অন্যদিকে মডেম ডেটাকে ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ এবং অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর করে, ফলে এটি কম্পিউটার থেকে ডেটা পাঠাতে (ইনপুট) এবং গ্রহণ করতে (আউটপুট) ব্যবহৃত হয়। তাই মডেমই একমাত্র ডিভাইস যা উভয় কাজ করতে পারে।

• মডেম:
- মডেম হলো একটি কমিউনিকেশন ডিভাইস যা তথ্যকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে টেলিফোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌঁছে দেয়।

• মডেম একটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ধরনের ডিভাইস।
- মডেম শব্দটি এসেছে Modulator-Demodulator থেকে।
- এটি এমন একটি যন্ত্র যা কম্পিউটারের ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করে (Modulation)।
- এ কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে। 
- আবার অ্যানালগকে ডিজিটালে রূপান্তর করে (Demodulation)।
- এ কাজের জন্য এতে একটি ADC নামক চিপ থাকে। 
- ফলে এটি তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ-উভয় কাজই করতে পারে।
- তথ্য প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী উভয় কম্পিউটারে মডেম সংযুক্ত থাকতে হয়।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৩৯৯.
টিসিপি/আইপি কী?
  1. ইমেইল ব্যবস্থাপনার একটি প্রোটোকল
  2. ইন্টারনেটের মূল যোগাযোগ প্রটোকল
  3. একটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  4. একটি ফাইল ট্রান্সফার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল/ইন্টারনেট প্রটোকল (টিসিপি/আইপি):
- ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল/ইন্টারনেট প্রটোকল (টিসিপি/আইপি) হলো ইন্টারনেটের মূল যোগাযোগ প্রটোকল।
- টিসিপি প্রেরক এবং গ্রাহক কম্পিউটার এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং নিশ্চিত করে যে, সমস্ত প্যাকেটগুলি একই ক্রম অনুযায়ী তাদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে।
- আইপি প্রত্যেকটি প্যাকেট-এর ইন্টারনেটের অ্যাড্রেসিং স্কিম সরবরাহ করে এবং প্যাকেটগুলির প্রকৃত বিতরণের কাজটি সুনিশ্চিত করে।
- ইন্টারনেটের প্রতিটি হোস্টের জন্য আইপি সফটওয়‍্যার এবং টিসিপি সফটওয়‍্যার উভয়ই প্রয়োজন।
- আইপি সফটওয়‍্যারটি ইন্টারনেট যোগাযোগ করে এবং একটি হোস্টকে অন্য কোনও হোস্টের কাছে ডেটা পাঠাতে সাহায্য করে।
- যখন হোস্টগুলি ইন্টারনেট এর পরিচালনা ক্ষমতার চেয়ে বেশি ডেটা পাঠায় তখন, আইপি সফটওয়‍্যারগুলিতে আগত অতিরিক্ত ডেটা বাতিল করে দেয়। এই সমস্যাটির সমাধান করে টিপিসি সফটওয়‍্যার।
- যে ডেটাগুলি আইপি সফটওয়‍্যারটি থেকে স্বীকৃতি পেতে ব্যর্থ হয় অর্থাৎ বাতিল হয়, টিসিপি তাকে পুনরায় প্রেরণ করে।
- টিসিপি রিসিভারের পথে যানজট সনাক্ত করে এবং ডেটা প্রেরণের হার হ্রাস করে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবস্থা বসে যায় না।
- টিসিপি অ্যালগরিদম পুনঃপ্রেরণ এবং যানজট পরিচালনা করতে দক্ষ। তারা প্রেরক এবং গ্রহণকারীর মধ্যে দীর্ঘ বা সংক্ষিপ্ত পথের (Path) সাথে খাপ খাইয়ে নেয় এবং বিলম্বের পরিবর্তনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে।
- টিসিপি এবং আইপি সফটওয়‍্যারগুলি নির্ভরযোগ্য এবং কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য একসাথে কাজ করে।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪০০.
২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে IaaS পরিষেবা শুরু করার কৃতিত্ব কোন প্রতিষ্ঠানের?
  1. Amazon
  2. IBM
  3. Cisco
  4. Google
ব্যাখ্যা

• ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে IaaS (Infrastructure as a Service) পরিষেবা শুরু করার কৃতিত্ব Amazon সংস্থার। তারা তাদের Amazon Web Services (AWS) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো গ্রাহকদের ইন্টারনেট ভিত্তিক কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কিং সেবা প্রদান করে। এই উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার কেনার ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয়া হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্কেল করা যায়। AWS-এর সাফল্যের কারণে IaaS ধারণা দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় এবং পরবর্তী বছরগুলোতে অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেমন IBM, Google ও Microsoft এই খাতে প্রবেশ করে। Amazon এর এই পদক্ষেপই ক্লাউড কম্পিউটিং বিশ্বে বিপ্লব ঘটায়।

- উত্তর: ক) Amazon.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability: ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go: ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
 
ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস: 
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।