বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৩২ / ১৩১ · ৩,১০১৩,২০০ / ১৩,০৮৮

৩,১০১.
মেটার অধীনস্ত কোম্পানি কোনটি? 
  1. টিকটক
  2. গুগল ড্রাইভ
  3. টুইটার
  4. ইনস্টাগ্রাম
ব্যাখ্যা
মেটা (Meta): 
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড। 
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে। 
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন। 
- মেটার CEO হচ্ছেন: মার্ক জাকারবার্গ। 
- মেটার প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। 
- মেটার বাণিজ্যিক নাম: মেটা। 
- মেটার সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১০২.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) A+1 = 0
  2. খ) A.0 = 1
  3. গ) A.1 = 0
  4. ঘ) A+A′ = 1
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,১০৩.
80186 মাইক্রোপ্রসেসর সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটি একটি ৮-বিট প্রসেসর।
  2. এটি একটি ১৬-বিট প্রসেসর।
  3. এটি একটি ৩২-বিট প্রসেসর।
  4. এটি একটি ৬৪-বিট প্রসেসর।
ব্যাখ্যা
• 80186 মাইক্রোপ্রসেসর:
- 80186 মাইক্রোপ্রসেসর হল একটি 16-বিট মাইক্রোপ্রসেসর যা ইন্টেল কোম্পানি দ্বারা ডিজাইন এবং নির্মিত হয়।
- এটি ইন্টেলের 8086 মাইক্রোপ্রসেসরের উন্নত সংস্করণ হিসেবে পরিচিত, তবে কিছু অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য যেমন অন্তর্নির্মিত পেরিফেরাল (যেমন টাইমার, ডিরেক্ট ম্যামরি অ্যাক্সেস - DMA) এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- প্রসেসর আর্কিটেকচার: 80186 16-বিট আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এর ফলে এটি 16-বিট ইনস্ট্রাকশন এবং ডেটা প্রসেস করতে সক্ষম।
- 80186 মাইক্রোপ্রসেসরটি একটি শক্তিশালী এবং দক্ষ প্রসেসর ছিল, তবে এটি কম্পিউটার এবং ডেটা প্রসেসিংয়ের মূলধারায় বেশিরভাগ ব্যবহৃত হয়নি।
- তবে, এটি শিল্প এবং এমবেডেড সিস্টেমে বিশেষভাবে ব্যবহারিত হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৪০০৪, ৪০৪০।
• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০০৮, ৮০৮০।
• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬।
• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১০৪.
কোন মেমোরিতে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়?
  1. ক) Cach Memory
  2. খ) RAM
  3. গ) CD
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মেমোরি তৈরির মূল্য, ধারণক্ষমতা এবং অ্যাক্সেস টাইম বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমোরি রেজিস্টার থেকে শুরু করে অপটিক্যাল ডিস্ক পর্যন্ত স্মৃতিগুলোকে বিভিন্ন ক্রমে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে।


- চিত্রে, পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি। আবার পিড়ামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম। 
- CD, RAM এর চেয়ে Cach Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১০৫.
(A25.B3)16 = (?)2
  1. 101000100101.10110011
  2. 100010011001.10011001
  3. 010111011010.01001100
  4. 101000010001.01001100
ব্যাখ্যা
এখানে,
A (10) = 1010
2 = 0010
5 = 0101
B (11) = 1011
3 = 0011

∴ (A25.B3)16 = 1010 0010 0101.1011 0011 
= (101000100101.10110011)2
৩,১০৬.
মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারে কী ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়?
  1. হার্ডওয়্যার আপগ্রেডের প্রয়োজন কমানো
  2. দ্রুত বুটিং
  3. একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালানো
  4. সিস্টেম ক্র্যাশ প্রতিরোধ করা
ব্যাখ্যা

• মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করলে এক সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ চালানো সম্ভব হয়। এটি ব্যবহারকারীকে একই কম্পিউটার বা ডিভাইসে একসাথে বিভিন্ন সফটওয়্যার পরিচালনা করার সুযোগ দেয়, যেমন একটি সময়ে ওয়েব ব্রাউজার, মিউজিক প্লেয়ার এবং ডকুমেন্ট এডিটর চালানো। এর ফলে সময়ের অপচয় কমে যায় এবং কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম প্রসেসর ও মেমোরি সম্পদগুলো কার্যকরভাবে ভাগ করে নেয়, ফলে একাধিক প্রোগ্রাম একই সাথে সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে। তাই এর মূল সুবিধা হলো একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালানো, যা ব্যবহারকারীর কাজের সুবিধা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।

- সঠিক উত্তর: গ) একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালানো।

মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprogramming or Multitasking):
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
- ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং-এর পর আরেকটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কম গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ যখন ডেটা আদান-প্রদানে ব্যস্ত থাকে তখন অপেক্ষাকৃত উচ্চতর গতিসম্পন্ন সিপিইউ অলস হয়ে বসে থাকে।
- কিন্তু মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে র‍্যাম (RAM)-এ একাধিক প্রোগ্রাম সঞ্চিত থাকে।
- সিপিইউ যখন কোনো একটা প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে তখন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ একই প্রোগ্রাম বা অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের ইনপুট নেওয়া কিংবা আউটপুট দেওয়ার কাজে হাত দেয়।
- আর এই সময়ে সিপিইউ অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের প্রসেসিং শুরু করে। সুতরাং সিপিইউ এমনকি ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ব্যবস্থাও কখনও অলস অবস্থায় থাকে না।
- মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়, যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদি।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।

৩,১০৭.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত OSI মডেল কতটি স্তরে বিভক্ত?
ব্যাখ্যা
◉ OSI মডেলটি ISO (International Organization for Standardization) কর্তৃক প্রস্তাবিত একটি নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন মডেল, যা ৭টি স্তর (Layer) নিয়ে গঠিত।

OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডাটা সিগন্যাল ও মিডিয়া ট্রান্সমিশন নিয়ন্ত্রণ করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

Source: Cisco Learning Network. [Link] 
৩,১০৮.
খাদ্যজাত দ্রব্যের মান সঠিক রাখার জন্য প্যাকেটের ভেতর প্রলেপ করার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
  2. ন্যানো টেকনোলজি
  3. VR টেকনোলজি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ন্যানোপ্রযুক্তি হলো অণবিকমাত্রার একটি কার্যক্ষম সিস্টেমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা বর্তমান কাজ এবং এর আরও উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত। খাদ্যজাত দ্রব্যের মান সঠিক রাখার জন্য প্যাকেটের ভেতর প্রলেপ করার প্রযুক্তি হলো ন্যানো টেকনোলজি।

• ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার:

- রাসায়নিক শিল্প: সানস্ক্রিনে ব্যবহৃত টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে, বিভিন্ন জিনিসের প্রলেপ তৈরির কাজে, পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে এবং পরিস্রাবণ পদ্ধতিতেও এই টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।

- খাদ্যশিল্প: খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেজিং এর সিলভার তৈরির কাজে, খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ন্যানোম্যাটেরিয়াল তৈরিতে।

- চিকিৎসা ক্ষেত্রে: ঔষধ তৈরির আণবিক গঠনে যাতে রোগাক্রান্ত সেলে সরাসরি ঔষধ প্রয়োগ করা যায়।

- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে: ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ খরচ, ওজন এবং আকৃতি কমিয়ে কার্যক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে।

- জ্বালানী তৈরিতে: হাইড্রোজেন আয়ন এর জন্য ফুয়েল সেল তৈরিতে।

- নবায়নযোগ্য শক্তি শিল্পে: প্রচলিত সৌর কোষের চাইতে আরও অধিক সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যানোটেক সৌর কোষ তৈরিতে এবং বিভিন্ন প্রকার ব্যাটারী তৈরিতে।

- খেলাধুলা ও ক্রিয়া সরঞ্জাম তৈরিতে: খেলাধূলার সামগ্রী যেমন টেনিস বলের স্থায়ীত্ব বৃদ্ধির জন্য, বাতাসে গলফ বলের পজিশন ঠিক রাখার জন্য।

- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরিতে: ভিডিও গেমস কনসোল এবং পার্সোনাল কম্পিউটারের মেমরি, গতি, দক্ষতা ইত্যাদি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন হার্ডওয়্যার তৈরিতে।

- রেফ্রিজারেটর: ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহারের ফলে রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্য দীর্ঘ দিন ধরে টাটকা রাখা যায়। 

- ভারি শিল্পে: বিমান, শোধনাগার ও মোটর গাড়ি প্রস্তুত করতে ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১০৯.
120 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 11110000
  2. 000100100000
  3. 000100110001
  4. 000100101000
ব্যাখ্যা
⚪ বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।

- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

120 এর প্রত্যেকটি digit হলো:

1

2

0

এখন প্রতিটি digit কে 4-bit binary তে রূপান্তর করি:

1 → 0001

2 → 0010

0 → 0000

এখন একসাথে বসালে:
0001 0010 0000

অথবা, একটানা লিখলে: 000100100000

এটাই হলো BCD রূপ।

∴ সঠিক উত্তর: 000100100000

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১০.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর কোন মডেলটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্রোগ্রামারদেরকে প্লাটফর্ম সরবরাহ করে?
  1. laaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. DaaS
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে বিভিন্ন মডেল রয়েছে, যেগুলো আলাদা ধরণের সেবা প্রদান করে। এখানে প্রশ্ন করা হয়েছে, কোন মডেলটি প্রোগ্রামারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। এর মধ্যে PaaS (Platform as a Service) সেই মডেল যা ডেভেলপারদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। PaaS ব্যবহার করে প্রোগ্রামাররা সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক বা হোস্টিং নিয়ে চিন্তা না করে সরাসরি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, পরীক্ষা ও ডিপ্লয় করতে পারে। এটি কোডিং, ডাটাবেস, API, ডেভেলপমেন্ট টুলস এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম ফিচার সরবরাহ করে, যা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। অন্যদিকে IaaS কেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার দেয়, SaaS সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যার দেয়, এবং DaaS ডেস্কটপ ভার্চুয়ালাইজেশন সেবা। সুতরাং প্রোগ্রামারদের জন্য যথাযথ মডেল হলো PaaS.
 
• অপশন আলোচনা:
- IaaS (Infrastructure as a Service) – সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কের ইনফ্রাস্ট্রাকচার সরবরাহ করে, অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার সরাসরি প্ল্যাটফর্ম নয়।
- SaaS (Software as a Service) – সম্পূর্ণ তৈরি সফটওয়্যার ব্যবহার করার সুবিধা দেয়, প্রোগ্রামার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে না।
- PaaS (Platform as a Service) – প্রোগ্রামারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডেপ্লয় ও পরিচালনার জন্য প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। 
- DaaS (Desktop as a Service) – ভার্চুয়াল ডেস্কটপ পরিবেশ সরবরাহ করে, অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের জন্য নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) PaaS.
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।

৩,১১১.
নিচের কোনটি ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর?
  1. ৮০৩৮৬
  2. ৮০৮৬
  3. ৮০৮০
  4. ৮০৪৮৬
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

১৯৭৮ সালে তৈরিকৃত ইন্টেল ৮০৮৬ মাইক্রোপ্রসেসর টি ১৬ বিটের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
৩,১১২.
ডসের গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস কোনটি?
  1. ক) ম্যাক ওএস
  2. খ) ইউনিক্স
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) উইন্ডোজ
ব্যাখ্যা
ইউজার ইন্টারফেস:

- উইন্ডোজ মূলত ডসের একটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- ডসের অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক কিন্তু উইন্ডোজের অপারেটিং সিস্টেম চিত্রভিত্তিক।
- ডসের এ্যাপ্লিকেশন চালানোর সময় কমান্ড দিতে হয় কী- বোর্ডে সাহায্যে বিভিন্ন অক্ষরের মাধ্যমে। কিন্তু উইন্ডোজের এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম চালানোর সময় কমান্ড দিতে হয় বিভিন্ন আইকোন ও মেনুর বিভিন্ন কমান্ডের মাধ্যমে।
- এ পর্যন্ত উইন্ডোজের অনেকগুলো ভার্সন বের হয়েছে। তারমধ্যে উইন্ডোজ ৩.১, উইন্ডোজ ৯৫, উইন্ডোজ ৯৮, উইন্ডোজ ২০০০, উইন্ডোজ এন টি ও উইন্ডোজ এক্সপি উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১৩.
কম্পিউটার ভাইরাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ওভার রাইটিং ভাইরাস
  2. খ) ম্যাক্রো ভাইরাস
  3. গ) বুট সেক্টর ভাইরাস
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
•কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
•ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল “Vital Information Resources Under Siege.” যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা। ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বাকম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে ।
•১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।  ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য

আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলো:
১. এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
২. এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৩. অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৪. নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ইত্যাদি।
৩,১১৪.
নিচের কোনটি ফাইবার অপটিক ক্যাবলের অংশ নয়?
  1. কোর
  2. বাফার
  3. ক্ল্যাডিং
  4. জ্যাকেট
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-

১. কোর
- ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।
২. ক্ল্যাডিং
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।
৩. জ্যাকেট
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১১৫.
নিচের কোনটিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. মেশিন লার্নিং
  2. রোবটিক্স
  3. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন। 
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে। 
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়। 
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি। 
৩,১১৬.
Open Source Operating System এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. Debian
  2. Linux
  3. NetBSD
  4. Windows
ব্যাখ্যা
Windows Open Source Operating System এর উদাহরণ নয়। 
Open Source Operating System

যে সকল অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যা বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায় এবং যে কেউ এই সকল কোড তার খুশিমত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ইত্যাদি করে নিজে ব্যবহার করে ও অন্যকে ব্যবহারের জন্য বিতরণ করতে পারে, তাকে ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম (Open Source Operating System) বলে।

উদাহরণ:
- Linux (Ubuntu, Debian, Redhat, Fedora, SUSE etc.),
- Open Solaries,
- FreeBSD,
- NetBSD,
-OpenBSD,
- eactOS,
- Haiku,
- GNU,
- HURD,
- eCos,
- Darwin,
- Oberon,
- Plan 9, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১৭.
মডেম টেলিফোন লাইনের সাথ সংযুক্ত হয় কিসের মাধ্যমে?
  1. এডাপ্টার
  2. সিপিইউ
  3. ফ্লপি ডিস্ক
  4. পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
- মডেম টেলিফোন লাইনের সাথে সংযুক্ত হয় একটি এডাপ্টারের মাধ্যমে। 
- এডাপ্টারটি একধরনের হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা মডেমকে টেলিফোন লাইনে সংযোগ করতে সাহায্য করে। 

মডেম: 
- মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়। 
-মডেম হলো একধরনের হার্ডওয়্যার নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি কম্পিউটার স্যাটেলাইট বা টেলিফোন লাইনে ডেটা ট্রান্সমিশন এর কাজ করে। 
- মডেমের সাহায্যে ডিজিটাল ডাটাকে অ্যানালগ ও অ্যানালগ ডাটাকে ডিজিটাল ডাটায় পরিবর্তন করা যায়। 
- মডেম একটি ইনপুট আউটপুট ডিভাইস। 
- কম্পিউটারের সাথে এটি যুক্ত হলে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,১১৮.
নিচের কোন ওয়েবসাইটটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত?
  1. pickaboo.com
  2. twitter.com
  3. onedrive.com
  4. pinterest.com
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় ইকমার্স সাইট:
alibaba.com,
daraz.com,
pickaboo.com,
flipkart.com,
amazon.com
bikroy.com,
ekhanei.com,
amazon.com,
olx.com ইত্যাদি।
৩,১১৯.
অ্যানালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হত কোন প্রজন্মের মোবাইলে?
  1. ক) ১ম প্রজন্ম
  2. খ) ২য় প্রজন্ম
  3. গ) ৩য় প্রজন্ম
  4. ঘ) ৪র্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্ম মোবাইল (১৯৫০-১৯৮৯):
- প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ১৯৭৩ সালে অ্যানালগ সিস্টেম ও পোর্টেবল ডিভাইসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সালে এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।
- ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকোতে সেলুলার টেলিফোনের কিছু কিছু ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮১ সালে NMT (Nordic Mobile Telephone) কর্তৃক ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধাসহ ১ম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের দ্বিতীয় যাত্রা শুরু করে।

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
১. অ্যানালগ পদ্ধতিতে রেডিও সিগন্যালের ব্যবহার ছিল।
২. সেলুলার নেটওয়ার্কের প্রবর্তন।
৩. বেজ স্টেশন ও মোবাইল ফোন দুটি ভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হতো।
৪. অর্ধপরিবাহী মেমোরি এবং মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার হতো।
৫. চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি হলো FDMA |
৬. আকার তুলনামূলকভাবে বড় এবং ওজন বেশি ছিল।
৭. কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৩,১২০.
স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রয়েডের প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ক) ল্যারি পেইজ
  2. খ) এন্ডি রুবিন
  3. গ) সার্গেই ব্রেইন
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ে যৌথভাবে
ব্যাখ্যা
The $350 Million Man. Mr. Rubin joined Google in 2005 when it acquired his start-up, Android, for $50 million. Over the next few years, he helped build Android — the software now used in 80 percent of the world's smartphones — into a huge success.
source: nytimes.com
৩,১২১.
'হার্ডডিস্ক' মাপার একক হল-
  1. ক) মেগাবাইট
  2. খ) গিগাবাইট
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) টেরাবাইট
ব্যাখ্যা

হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক মেমোরি।
ধাতব পাতের উভয়পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থের প্রলেপ থাকে।
এজন্য এ ডিস্ককে চুম্বকীয় ডিস্কও বলা হয়।
হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা হয় সাধারণত গিগাবাইট, টেরাবাইট ইত্যাদি এককে। তবে, 'গিগাবাইট' এককটি হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা মাপার বহুল প্রচলিত একক।

৩,১২২.
নিচের কোনটি হাই লেভেলের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. FORTRAN
  2. C++
  3. JAVA
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
উচ্চ স্তরের ভাষা: 
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- এটি ইংরেজি ভাষার মতোই। 
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে-
• BASIC, 
• COBOL, 
FORTRAN, 
• PASCAL, 
C++, 
JAVA,
• PROLOG ইত্যাদি। 
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়। ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১২৩.
স্টার টপোলজি কোন ধরনের নেটওয়ার্কের টপোলজি?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) WAN
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত একাধিক কম্পিউটার যখন আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তখন সম্পূর্ণ সিস্টেমকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- দুটি কম্পিউটারকে যখন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিয়ে আসা হয় তখন আমরা প্রধান যে সুবিধা পায় তা হলো দুটি কম্পিউটার পরস্পরের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। রিসোর্স বলতে এখানে তথ্য এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসকে বুঝায়।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যেকরা হয়ে থাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়। 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি। তাই টপোলজিকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network-LAN)-এর সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যথা: 
১। স্টার টপোলজি
২। বাস টপোলজি
৩। রিং টপোলজি ও 
৪। ট্রি টপোলজি ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,১২৪.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. OMR
  2. MICR
  3. OCR
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহার করা হয়।

ওসিআর (OCR):

- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১২৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে System Restore ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত? 
  1. চলমান প্রোগ্রাম বন্ধ করার জন্য
  2. হার্ড ডিস্কের গতি বাড়ানোর জন্য
  3. গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ব্যাকআপ নেওয়ার জন্য
  4. ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংস সমস্যার কারণে সিস্টেম অস্থিতিশীল হলে
ব্যাখ্যা

• System Restore সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা বা ম্যালওয়্যারের প্রভাবে সিস্টেম অস্থিতিশীল হলে ব্যবহৃত হয়; এটি ব্যাকআপ বা ডিস্ক অপটিমাইজেশনের কাজ করে না।

• সিস্টেম রিস্টোর:

- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্ত হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।
 
উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট।

৩,১২৬.
কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়?
  1. বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার কাজে
  2. একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার কাজে
  3. এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- অন্যদিকে, গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৩,১২৭.
SWIFT-এর উদ্দেশ্য সংক্ষেপে কী বলা যায়?
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন পরিচালনা করা
  2. একটি স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে কাজ করা
  3. ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা
  4. ব্যাংকগুলিকে ঋণ প্রদান করা
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা।

SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক যা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণের সুবিধা প্রদান করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশে আর্থিক লেনদেনের সময় দ্রুততা, নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। SWIFT নিজে কোনো অর্থ স্থানান্তর করে না বা ব্যাংকিং সেবা সরাসরি প্রদান করে না; বরং এটি একটি মানসম্মত বার্তাব্যবস্থা যা ব্যাংকগুলোর মধ্যে তহবিল স্থানান্তর, চেক ক্লিয়ারিং, ক্রেডিট নোটিফিকেশন ইত্যাদি লেনদেনকে সুষ্ঠুভাবে সংযোগ করে। এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক যোগাযোগে একটি অপরিহার্য মাধ্যম।

SWIFT Code: 
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক। 
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে। 
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়। 
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে। 
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৩,১২৮.
কম্পিউটার সফটওয়‍্যারের মধ্যে কোন ভুলের কারণে সেটি সঠিকভাবে কাজ করে না?
  1. Bug
  2. Virus
  3. Malware
  4. Worm
ব্যাখ্যা
- প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ বলে।
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।
- ভাইরাস হলো কম্পিউটারের একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- Malware এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়‍্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
• অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
• স্পাইওয়্যার (Spyware),
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
• র‍্যানসমওয়‍্যার (Ransomware)
• Rootkits
• ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]
২. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,১২৯.
এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা আদান–প্রদানের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ডাটা স্টোরেজ
  2. ডাটা প্রসেসিং
  3. ডাটা কমিউনিকেশন
  4. ডাটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

 এক স্থান (উৎস) থেকে অন্য স্থানে (গন্তব্য) নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা আদান–প্রদানের প্রক্রিয়াকে ডাটা কমিউনিকেশন বলা হয়।

• তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology – IT):

- আধুনিক যুগকে তথ্য প্রযুক্তির যুগ বলা হয়।
- সাধারণভাবে তথ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও প্রয়োগ করার প্রযুক্তিকে তথ্য প্রযুক্তি বলা হয়।
- তথ্য প্রযুক্তিকে সংক্ষেপে ইনফরমেশন টেকনোলজি (IT) বলা হয়।
- টেলিযোগাযোগ, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, অডিও–ভিডিও সম্প্রচার, ডাটাবেস ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, নেটওয়ার্ক, মুদ্রণ প্রযুক্তি, - বিনোদন প্রযুক্তি, শিক্ষণ–প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং তথ্যভান্ডার—সবই তথ্য প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
- এক কথায়, কম্পিউটার ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও প্রয়োগের সমন্বিত ব্যবস্থাই তথ্য প্রযুক্তি।
 
• যোগাযোগ প্রযুক্তি (Communication Technology):

- কম্পিউটার বা অন্যান্য যন্ত্রের মাধ্যমে ডাটাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে ডাটা কমিউনিকেশন বলা হয়।
- যোগাযোগ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উৎস থেকে গন্তব্যে নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা বা উপাত্ত আদান–প্রদান করা যায়।
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি (Communication Technology) বলা হয়।
 
• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (Information and Communication Technology – ICT):

- তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
- এই দুই প্রযুক্তির সমন্বিত রূপকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্যকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে আদান–প্রদানের প্রযুক্তিই ICT।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার মানুষের কার্যক্রমকে দ্রুত, সহজ ও অধিক কার্যকর করে তুলেছে।

• অন্যান্য অপশন:
A) ডাটা স্টোরেজ:
→ এটি ডাটা সংরক্ষণের প্রক্রিয়া, আদান–প্রদান নয়।

B) ডাটা প্রসেসিং:
→ এটি ডাটা বিশ্লেষণ বা প্রক্রিয়াকরণের কাজ, স্থানান্তর নয়।

D) ডাটা এনক্রিপশন:
→ এটি ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পদ্ধতি, কমিউনিকেশন প্রক্রিয়া নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৩০.
স্টারলিংক মূলত কোন সেবা দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে?
  1. স্পেস পর্যটন
  2. বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ
  3. আবহাওয়া পূর্বাভাস
  4. জিপিএস নেভিগেশন
ব্যাখ্যা

• স্টারলিংক মূলত বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি স্পেসএক্স কোম্পানির একটি প্রকল্প, যার লক্ষ্য বিশ্বের প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ এলাকা পর্যন্ত উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া। স্টারলিংকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এমন এমন এলাকায়ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে যেখানে আগে কোনো কেবল বা স্থায়ী নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ছিল না। এটি স্যাটেলাইটের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কাজ করে, যা দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করে। স্পেস পর্যটন, আবহাওয়া পূর্বাভাস বা জিপিএস নেভিগেশনের পরিবর্তে, স্টারলিংকের মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।

- সঠিক উত্তর: খ) বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ। 

• স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক ইন্টারনেট এর প্রতিষ্টাতা ইলন মাস্ক।
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।

উৎস: Britannica. [লিংক]

৩,১৩১.
জিএসএম প্রযুক্তি GPRS-এর 'G' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Global
  2. General
  3. Generation
  4. Generalized
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. জিএসএম (GSM-Global System for Mobile Communication) প্রযুক্তি ও
২. সিডিএমএ (CDMA-Code Division Multiple Access) প্রযুক্তি।
- জিএসএম প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service) ও EDGE সুবিধা প্রদান করে।

- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. IP (Internet Protocol) নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ Gbps।
৩. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু।
৪. Bluetooth, WLAN, GPS (Global Positioning System), WCDMA, GPRS (General Packet Radio Service) প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১৩২.
গুগল প্রতিষ্ঠার আগে এর পুরাতন নাম কী ছিল?
  1. গুগলপ্লেক্স
  2. ব্যাকরাব
  3. ডুডল
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• গুগল প্রতিষ্ঠার আগে এর পুরাতন নাম ছিল “ব্যাকরাব”। ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন, যারা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিলেন, ১৯৯৬ সালে একটি প্রজেক্ট হিসেবে একটি সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করেন। তখন এটি “ব্যাকরাব” নামে পরিচিত ছিল। নামটি এসেছে “ব্যাকরাবিং” থেকে, যা মূলত ওয়েব পেজের লিঙ্ক বিশ্লেষণ করার একটি পদ্ধতি নির্দেশ করে। পরে ১৯৯৮ সালে এই প্রজেক্টটি অফিসিয়ালি প্রতিষ্ঠিত হলে নাম পরিবর্তন করে “গুগল” রাখা হয়, যা গণনার জন্য ১-এর পরে ১০০ শূন্যের পরিমাণ বোঝায়। তাই গুগল প্রতিষ্ঠার আগে এর নাম ছিল ব্যাকরাব, যা কোম্পানির উদ্ভাবনী যাত্রার প্রারম্ভ নির্দেশ করে।

- সঠিক উত্তর: খ) ব্যাকরাব।
 
গুগল (Google): 
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। 
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স। 
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩,১৩৩.
কোনো প্রতিষ্ঠান যখন তার প্রতিষ্ঠানের বাহিরেও সীমিত গ্রাহকের মধ্যে তথ্য শেয়ার করে তখন তাকে কী বলে?
  1. ইন্টারনেট
  2. এক্সট্রানেট
  3. ইন্ট্রানেট
  4. ভিপিএন
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট, ইন্ট্রানেট ও এক্সট্রানেট তিনটি ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক, যা ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও প্রবেশাধিকার অনুযায়ী পৃথক। নিচে তাদের সংজ্ঞা ও পার্থক্য দেওয়া হলো:

১. ইন্টারনেট (Internet):
ইন্টারনেট একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক যা সারা পৃথিবীর বিভিন্ন কম্পিউটার, সার্ভার, ও ডিভাইসগুলিকে সংযুক্ত করে। এটি একটি পাবলিক নেটওয়ার্ক, যা বিশ্বব্যাপী তথ্যের আদান-প্রদান, ইমেইল, সামাজিক মিডিয়া, ওয়েবসাইট, অনলাইন শপিং, ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে।
বিশেষত্ব:
- এটি একটি বিশ্বব্যাপী, ওপেন (পাবলিক) নেটওয়ার্ক।
- সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ই-মেইল, ভিডিও স্ট্রিমিং, গেমিং, ইত্যাদি সেবা পাওয়া যায়।

২. ইন্ট্রানেট (Intranet):
ইন্ট্রানেট একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্ক, যা শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের (যেমন, অফিস, কলেজ, কোম্পানি) অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি ইন্টারনেটের মতো দেখতে হলেও, ইন্ট্রানেটের মাধ্যমে শুধুমাত্র অনুমোদিত সদস্যরা (যেমন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা) প্রবেশ করতে পারে।
বিশেষত্ব:
- এটি একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্ক।
- শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট, ফাইল শেয়ারিং, অভ্যন্তরীণ সিস্টেম ও রিসোর্স থাকে।

৩. এক্সট্রানেট (Extranet):
এক্সট্রানেট একটি নেটওয়ার্ক যা ইন্ট্রানেটের সম্প্রসারণ। এটি একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্ক হলেও, এর মাধ্যমে কিছু নির্বাচিত বাইরের প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি (যেমন, পার্টনার, সাপ্লায়ার) ইন্ট্রানেটের কিছু অংশে প্রবেশ করতে পারে।
বিশেষত্ব:
- এটি একটি সুরক্ষিত, সীমিত পাবলিক নেটওয়ার্ক।
- এক্সট্রানেটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান তাদের পার্টনার বা ক্লায়েন্টদের সঙ্গে নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
- এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাইরের বিশ্বকে সংযুক্ত করে, কিন্তু প্রবেশাধিকার সীমিত থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা, গিটহাব।
৩,১৩৪.
WiMAX এর কাভারেজ এরিয়া কত?
  1. প্রায় ৫০ কিলোমিটার
  2. প্রায় ৮০ কিলোমিটার
  3. প্রায় ১০০ কিলোমিটার
  4. প্রায় ২০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার।

• WiMAX:

- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,১৩৫.
'DeepSeek' কোন দেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কোম্পানি?
  1. ফ্রান্স
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

• DeepSeek:
- ডিপসিক (DeepSeek) চীনা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি।
- হাংজোভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি ২০২৩ সালে লিয়াং ওয়েনফেং দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- লিয়াং ওয়েনফেং ডিপসিকের সহ প্রতিষ্ঠাতা, যিনি নিজের প্রতিষ্ঠিত একটি হেজ ফান্ডের অর্থ ব্যবহার করে ডিপসিক তৈরি করেন।
- ডিপসিকের লক্ষ্য হলো কম খরচে কার্যকর এআই মডেল তৈরি করা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি ডিপসিক তাদের প্রথম বিনামূল্যের চ্যাটবট অ্যাপ প্রকাশ করে।
- এটি মুক্তি পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই অ্যাপল স্টোরের সবচেয়ে বেশিবার ডাউনলোড করা ফ্রি অ্যাপের তালিকায় সবার উপরে উঠে এসেছে।
- সিলিকন ভ্যালির উদ্যোক্তা মার্ক আন্দ্রিসেন ডিপসিককে এআই দুনিয়ার 'অন্যতম যুগান্তকারী আবিষ্কার' হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।  

৩,১৩৬.
উদ্যানতাত্তিক ফসল চাষের নতুন প্রযুক্তি -
  1. ক) হাইড্রোপনিক
  2. খ) এরোপনিক্স
  3. গ) বাইপনিক্স
  4. ঘ) মনো হাইড্রোপনিক
ব্যাখ্যা


[ সূত্র - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েব সাইট ]
৩,১৩৭.
কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে -
  1. ROM
  2. Hard disk
  3. RAM
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার স্মৃতি:
- কম্পিউটার স্মৃতি ২ প্রকার। যথা-

১. প্রধান স্মৃতি (Primary Memory) :
- RAM ও ROM নিয়ে এই মেমরি গঠিত।

• কম্পিউটারের প্রধান মেমরি হিসাবে ব্যবহৃত হয় -
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).

২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory):
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা কম।
- তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতি ব্যবহৃত হয়।

• কয়েকটি সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে -
- ফ্লপি ডিস্ক,
- হার্ড ডিস্ক,
- কম্প্যাক্ট ডিস্ক,
- চৌম্বক ফিতা,
- চৌম্বক ড্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৩৮.
ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) মেমোরি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়
  2. খ) ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়
  3. গ) কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়
  4. ঘ) উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়। 
- মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট।
- অসংখ্য ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে গঠিত হয় ইলেক্ট্রনিক মেমোরি ডিভাইস।
• ফ্লিপ-ফ্লপ এর ব্যবহার-
১. মেমোরি উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,১৩৯.
ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিচের কোন বিষয়ে লক্ষ্য রাখা উচিত?
  1. ক) নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা
  2. খ) সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করা
  3. গ) ব্যবহার শেষে একাউন্ট লগ-আউট করা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে লক্ষ্য রাখা উচিত:
সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করা:
যে কোন ধরনের একাউন্ট হ্যাক হওয়ার অন্যতম কারণ হলো সহজ পাসওয়ার্ডের ব্যবহার। অনেক ব্যবহারকারীরই পাসওয়ার্ড হিসাবে নিজের নাম, কী বোর্ডের সহজ বিন্যাস (যেমন-abcdef বা ১২৩৪৫৬৭৮) অথবা নিজের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে। ফলে সহজেই একাউন্ট হ্যাক হয়ে যেতে পারে। কারণ ই-মেইলের ক্ষেত্রে ই-মেইল একাউন্ট-ই ব্যবহারকারীর নাম, যা প্রায় সবাই জানে। এজন্য পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন (যেমন-!, @, # ইত্যাদি) ব্যবহার করা উচিত।

নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা: কিছুদিন পর পর নির্ধারিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নতুন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।

দ্বিমূখী ভেরিফিকেশন: যেসব ক্ষেত্রে দ্বিমূখী ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করা। যেমন- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জিমেইল একাউন্টটির নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা যায়। এ জন্য জিমেইলের টু-ওয়ে ভেরিফিকেশন অপশনটি ব্যবহার করতে হবে। কেউ এই একাউন্টে অনধিকার প্রবেশ করতে চাইলে তাকে মোবাইল কোডটি পেতে হবে এবং ব্যবহার করতে হবে। যেহেতু কোডটি একবার মাত্র ব্যবহার করা যাবে সুতরাং কেউ আগের কোডটি জানতে পারলেও একাউন্টটি থাকবে নিরাপদ। একইভাবে ইয়াহু! মেইলেও অনুরুপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

সাইবার ক্যাফে বা পাবলিক কম্পিউটারের ব্যবহার: সাইবার ক্যাফে বা অনেকেই ব্যবহার করে এমন কোনো কম্পিউটার থেকে ই-মেইলসহ অন্যান্য সাইট ব্যবহার করলে, ব্যবহার শেষে অবশ্যই একাউন্ট থেকে লগ-আউট করে বের হওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে কম্পিউটারটি রিস্টার্ট করে দেয়া যেতে পারে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪০.
কিউ ডস (Q DOS) অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা-
  1. জন ভন নিউম্যান
  2. বেল ল্যাব
  3. টিম প্যাটার্সন
  4. ডেনিস রিচি
ব্যাখ্যা
• এমএস ডস (MS DOS):
- আমরা বর্তমানে যে ডস ব্যবহার করি তার উদ্ভব সত্তর দশকের একবারে শেষের দিকে।
- সেই সময়ে টিম প্যাটার্সন কিউ ডস (Q DOS) নমে একটি অপারেটিং সিস্টেম নির্মাণ করেন।
- Q DOS-ই আধুনিক এম এস ডসের ভিত্তি।
- সিপি/এম (CP/M) নামে আর একটি অপারেটিং সিস্টেম কিউ এস ডসের ভিত্তি।
- আইবিএম কোম্পানি ১৯৮০ সালে একটি চুক্তির মাধ্যমে ঠিক করেন তাদের মাইক্রোকম্পিউটারগুলোর অপারেটিং সিস্টেম হবে ডস।
- আইবিএম এই অপারেটিং সিস্টেম তৈরির দায়িত্ব দেয় মাইক্রোসফট কর্পোরেশনকে।
- মাইক্রোসফট তখন সিপি/এম অপারেটিং সিস্টেমকে ভিত্তি করে এমএস ডসের উন্নয়নের কাজ করে।
- ১৯৮১ সালে ডসের প্রথম ভার্সন বাজারে আসে।
- এমএস ডস খুব কম স্মৃতি সম্পন্ন কম্পিউটারে চলানোর উপযোগি করে তৈরি করা হয়।
- বর্তমানে এমএস ডস সর্বাধিক ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম।
- ১৯৮১ সাল হতে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এমএস ডসের বারটি ভার্সন বরে হয়েছে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪১.
ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন করা হয় কেন?
  1. ক) ডিস্ক ক্লিনআপ করতে
  2. খ) ভাইরাস দূর করতে
  3. গ) খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
  4. ঘ) হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
ব্যাখ্যা
ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ বা তথ্যসমূহ সাজিয়ে রাখে। ফলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ খুঁজে পায়।
- এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।
[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৩,১৪২.
কোনটি ফায়ারওয়ালের ধরন নয়?
  1. NAT firewall
  2. Stateful inspection firewall
  3. BIOS firewall
  4. Proxy firewall
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ রোধ করে। এটি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন: NAT firewall, যা প্রাইভেট ও পাবলিক IP-র মধ্যে অনুবাদ করে; Stateful inspection firewall, যা প্রতিটি কানেকশন ট্র্যাক করে; এবং Proxy firewall, যা অনুরোধকে অন্য সার্ভারের মাধ্যমে পরিচালনা করে।
- তবে BIOS firewall আসলে কোনো প্রচলিত ফায়ারওয়াল নয়। BIOS হলো কম্পিউটারের বুটিং সিস্টেমের একটি অংশ, এটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির জন্য তৈরি নয়। তাই BIOS firewall ফায়ারওয়ালের একটি ধরন নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) BIOS firewall.

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪৩.
GSM প্রযুক্তির কোন নতুন উদ্ভাবনের ফলে মোবাইল নেটওয়ার্কে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো সম্ভব হয়েছে?
  1. IVR
  2. SMS
  3. IRC
  4. USSD
ব্যাখ্যা

• GSM প্রযুক্তিতে মোবাইল নেটওয়ার্কে ক্ষুদে বার্তা পাঠানোর সুবিধা এসেছে SMS (Short Message Service) উদ্ভাবনের মাধ্যমে। 

• জিএসএম (Global System for Mobile Communication - GSM):
- জিএসএম হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ড-এ।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে, বিশ্বের যে কোনো স্থান থেকে জিএসএম নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা অবস্থায় একজন ব্যবহারকারী তার মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে সক্ষম।
- জিএসএম সিস্টেমে TDMA (Time Division Multiple Access) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন মোবাইল ফোন সার্ভিস যেমন: এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কল নিয়ন্ত্রণ, ইনকামিং কল নিয়ন্ত্রণ, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি প্রদান করা হয়।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- জিএসএম স্বল্প মূল্যের এসএমএস (Short Message Service) সেবা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পথিকৃত।
- মোবাইল হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা সাধারণত ১ ওয়াট বা ২ ওয়াট।
- এটি সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঞ্চলে মোবাইল ফোনগুলোকে জিএসএম নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- জিএসএম নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ কার্যকরী দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৪৪.
(১২৭) এর বাইনারী কত?
  1. ক) ১১১০০১১
  2. খ) ১১১১০০১
  3. গ) ১১১১০০০
  4. ঘ) ১০১০১১১
ব্যাখ্যা

(১২৭) 
১ ২ ২৭
০০১ ০১০ ১১১
= ১০১০১১১

৩,১৪৫.
অ্যাপলের সদরদপ্তর অবস্থিত-
  1. ক) ম্যানলো পার্ক
  2. খ) কুপারটিনো
  3. গ) সানফ্রান্সিসকো
  4. ঘ) মাউন্ট ভিউ
ব্যাখ্যা

- অ্যাপলের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের কুপারটিনোতে।
- ফেসবুকের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ম্যানলো পার্কে।
- লিঙ্কডইনের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মাউন্ট ভিউতে অবস্থিত।
- টুইটারের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।

৩,১৪৬.
ফেসবুক এর প্রতিষ্ঠাতার নাম কী?
  1. ক) জ্যাক ডর্সি
  2. খ) মার্ক জুকারবার্গ
  3. গ) ইলন মাস্ক
  4. ঘ) স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম 'ফেসবুক'-এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন মার্ক জুকারবার্গ। 

- মার্ক জুকারবার্গ এর সম্পূর্ণ নাম হলো “Mark Elliot Zuckerberg” যার জন্ম হয়েছিল ১৪ই মে, ১৯৮৪ সালে।
- Facebook বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
- ২০০৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বর্ষে থাকাকালীন জাকারবার্গ “ফেসম্যাশ” নামে একটি প্রোগ্রাম লিখেছিলেন।  
- ৪ই ফেব্রুয়ারি ২০০৪ এ ফেসবুক যাত্রা শুরু করে।  
- ফেসবুকের সদরদপ্তর- মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

সূত্র: Facebook Website
৩,১৪৭.
কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি অফিস বা স্কুলের অভ্যন্তরীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয়?
  1. WAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. LAN
ব্যাখ্যা
Local Area Network - LAN এর মাধ্যমে একটি অফিস বা স্কুলের অভ্যন্তরীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১৪৮.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা?
  1. নিজস্ব হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয়।
  2. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায় না।
  3. ক্লাউডে তথ্যের গোপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে।
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা:
- সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
- যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
- নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয় না।
- তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়োজন হয় না।
- যে কোন ছোট বড় হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
- অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়ে থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা:
- ক্লাউড ব্যবহারের মূল সমস্যা হলো ডেটা, তথ্য অথবা প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
- ক্লাউডে তথ্যের গোপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে এবং তথ্য পাল্টে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১৪৯.
সেকেন্ডারি মেমোরি কোনটি?
  1. ক) হার্ডডিস্ক
  2. খ) সিডি
  3. গ) ম্যাগনেটিক টেপ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫০.
নিচের কোনটি একটি NoSQL ডাটাবেজ?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. MongoDB
  4. SQL Server
ব্যাখ্যা

◉ MongoDB একটি জনপ্রিয় NoSQL ডাটাবেজ, যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক ডাটা মডেল ব্যবহার করে।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
MySQL, Oracle, এবং SQL Server হলো রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS), যা SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে ডেটা ম্যানিপুলেশন করে।

উৎস: ওরাকল ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৩,১৫১.
Cyberstalking কী?
  1. গুগল টক-এর একটি সেবা
  2. সাইবার সিকিউরিটি
  3. ডেটাবেজ সিস্টেম
  4. সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে ''কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০''।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
 
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• হ্যাকিং
• স্প্যামিং
• সাইবার থেফ্ট
• সাইবার বুলি
• স্ফুফিং
• ফিশিং
• ভিশিং
• স্নিকিং
• প্লেজিয়ারিজম
• Cyberstalking
• DDoS Attacks প্রভৃতি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১৫২.
'হার্ডডিস্ক ড্রাইভ' এক ধরনের -
  1. ক) রেজিস্টার স্মৃতি
  2. খ) ক্যাশ স্মৃতি
  3. গ) প্রধান স্মৃতি
  4. ঘ) সহায়ক স্মৃতি
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়। 
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্র্যাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।
- ডিস্কের অপর পৃষ্ঠায় ডেটা রিড/রাইট করা সম্ভব। 

===================
- হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, কম্পাক্ট ডিস্ক, চৌম্বক ফিতা, চৌম্বক ড্রাম ইত্যাদি সহায়ক স্মৃতির উদাহরণ।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩,১৫৩.
নিচের কোনটি ই-কমার্স সাইট?
  1. www.daraz.com
  2. www.bikroy.com
  3. www.ebay.com
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
অপশনের সবগুলো ই-কমার্স এর সাইট।

• ই-কমার্স (E-Commerce):

- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

• ই-কমার্স এর ধরণঃ
পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। -
১। Business to Consumer (B2C),
-  Apple to you.
২। Business to Business (B2B),
- BATA to Super Shop.
৩। Consumer to Business (C2B),
- Farmer to Swapno.
8। Consumer to Consumer (C2C),
- Farmer to you.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১৫৪.
নিচের কোনটি তার সাথে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে?
  1. ক) হাব
  2. খ) সুইচ
  3. গ) হাব ও সুইচ উভয়
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
হাব:
নেটওয়ার্কে থাকা অনেকগুলো আইসিটি যন্ত্রকে একসাথে যুক্ত করতে হাব ব্যবহৃত হয়। হাব নির্দিষ্ট ঠিকানা অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে পারেনা। প্রেরিত ডাটা হাবের সাথে যুক্ত সকল যন্ত্রে একসাথে চলে যায়।

সুইচ:
এটিও হাবের মত একটি যন্ত্র। এটি তার সাথে যুক্ত প্রতিটি যন্ত্রকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে। এটি প্রেরিত ডাটা নির্দিষ্ট যন্ত্রকে পাঠায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (৮ম শ্রেণি)
৩,১৫৫.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে, A + Ā = ?
  1. A
  2. 1
  3. 0
  4. Ā
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক উপপাদ্য (OR logic) অনুযায়ী, কোনো চলক এবং তার বিপরীত (Complement) চলকের যোগফল সর্বদা 1 হয়।
যদি A = 0 হয়, তবে Ā = 1।
অতএব, 0 + 1 = 1

যদি A = 1 হয়, তবে Ā = 0।
অতএব, 1 + 0 = 1

সুতরাং, উভয় ক্ষেত্রেই A + Ā = 1। 

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্য সমূহ:


উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৫৬.
ফেইসবুক প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত নয়-
  1. ক) এডুয়ার্ডো স্যাভেরিন
  2. খ) ডাস্টিন মস্কোভিত্‌স
  3. গ) ক্রিস হিউজেসের
  4. ঘ) আইজ্যাক অ্যাশিমো
ব্যাখ্যা
ফেইসবুক প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত নয় আইজ্যাক অ্যাশিমো। ফেইসবুক (Facebook) বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডুয়ার্ডো স্যাভেরিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্‌স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেসবুক নির্মাণ করেন। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরো পরে এটা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাই স্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সারা বিশ্বে বর্তমানে এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করছেন ২৫০ মিলিয়ন সক্রিয় ব্যবহারকারী।
৩,১৫৭.
যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে তাদের কী বলা হয়?
  1. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
  2. ডিভাইস ড্রাইভার
  3. অপারেটিং সফটওয়্যার
  4. সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ডিভাইস ড্রাইভার:
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫৮.
Notepad ফাইল সমূহের ফাইল ফরম্যাট কোনটি?
  1. .txt
  2. .bmp
  3. .ppt
  4. .xls
ব্যাখ্যা
- .txt নোটপ্যাড-এর ফাইল ফরম্যাট।
- .bmp ফরম্যাট হল একটি আনকমপ্রেসড রাস্টার ফাইল যা উইন্ডোজে উচ্চ-মানের ছবি প্রদর্শন করতে এবং মুদ্রণযোগ্য ফটো সংরক্ষণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- .ppt হলো মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট-এর ডিফল্ট ফাইল ফরম্যাট।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফাইল ফরম্যাট


উৎস: মাইক্রোসফট।
৩,১৫৯.
নিচের কোনটি ব্লুটুথের IEEE standard হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.3
  3. IEEE 802.1
  4. IEEE 802.15
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11.
• WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩,১৬০.
If a computer beeps repeatedly during the boot process but nothing appears on the screen, what is the likely source of the problem, as indicated by the POST process?
  1. A hard drive failure
  2. A problem with the network card
  3. A major hardware failure 
  4. An issue with the user's startup application configuration 
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার বুট প্রক্রিয়ার সময় বারবার বিপ (Repeated Beeps) দেওয়ার অর্থ হলো POST (Power-On Self-Test) প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ব্যর্থতা (major hardware failure) ঘটেছে।
-
কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় POST (Power-On Self-Test) হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে।
- যদি স্ক্রিনে কিছু না দেখিয়ে বারবার বিপ কোড (beep codes) শোনা যায়, তবে এটি সাধারণত মাদারবোর্ড, RAM, বা ভিডিও কার্ডের মতো বড় হার্ডওয়্যার সমস্যা নির্দেশ করে।
- প্রতিটি beep pattern BIOS অনুযায়ী নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার ত্রুটি বোঝায়।
- একটানা বা বারবার বিপ প্রায়শই নির্দেশ করে যে, সিস্টেমের মেমরি (RAM) বা ভিডিও সাবসিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করছে না বা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

অন্যান্য অপশন:
- A hard drive failure (ক): হার্ড ড্রাইভের ব্যর্থতা সাধারণত POST সফল হওয়ার পরে অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার সময় সমস্যা তৈরি করে এবং বিপ কোড তৈরি করে না।
- A problem with the network card (খ): নেটওয়ার্ক কার্ডের ত্রুটি একটি গৌণ হার্ডওয়্যার সমস্যা, যা সাধারণত বুট প্রক্রিয়া চলাকালীন বিপ কোড তৈরি করে না।
- An issue with the user's startup application configuration (ঘ): স্টার্টআপ অ্যাপ্লিকেশনের কনফিগারেশনের সমস্যা অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার পরে ঘটে এবং POST বিপ কোড দ্বারা এটি নির্দেশিত হয় না।

উৎস: ব্রিটানিকা, Computerhope Website.

৩,১৬১.
কোনটি প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়?
  1. ক) হাব
  2. খ) রাউটার
  3. গ) সুইচ
  4. ঘ) গেটওয়ে
ব্যাখ্যা
সুইচ এবং হাবের কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
৩,১৬২.
DBMS-এর “Concurrency Control” কী কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. একাধিক ব্যবহারকারীর সমসাময়িক অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণে
  2. টেবিল মুছে ফেলার জন্য
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য
  4. ডেটা ব্যাকআপের জন্য
ব্যাখ্যা

- Concurrency Control হলো DBMS-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যা নিশ্চিত করে যে একাধিক ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রাম একসাথে ডাটাবেসে কাজ করলেও ডেটা সঠিক এবং consistent থাকে।
- উদাহরণ: দুই ব্যবহারকারী একই সময়ে একই ছাত্রের তথ্য আপডেট করতে চাচ্ছে। Concurrency Control ছাড়া একে অপরের পরিবর্তন overwrite হতে পারে।

মূল উদ্দেশ্য:
- ডেটার Integrity বজায় রাখা: একাধিক ব্যবহারকারী যখন একই ডেটা পড়ে বা পরিবর্তন করে, তখন ডেটা consistency এবং সঠিকতা বজায় থাকে।
- Deadlock এবং Race Condition প্রতিরোধ: এটি নিশ্চিত করে যে ডাটাবেসে দুই বা ততোধিক ট্রানজেকশন একই রিসোর্সের জন্য একসাথে আটকে না যায়।

Concurrency Control-এর ধরন:
- Pessimistic Concurrency Control: যখন একজন ব্যবহারকারী ডেটা পরিবর্তন করছে, অন্যরা তা পরিবর্তন করতে পারে না।
Lock mechanism ব্যবহার করে।
- Optimistic Concurrency Control: প্রথমে সব ব্যবহারকারী ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে। Commit করার সময় যদি কোনো conflict হয়, DBMS সেই conflict handle করে।
- উদাহরণ:
- Banking System: একজন ব্যবহারকারী একই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা transfer করছে এবং অন্যজন একই সময়ে balance check করছে।
- Concurrency Control নিশ্চিত করে যে, একই সময়ে একাধিক ট্রানজাকশন চললেও ডেটাবেসে কোনো আপডেট হারিয়ে যাবে না, সব আপডেট সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে এবং ডেটা করাপশন বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হবে না।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

৩,১৬৩.
নিচের কোনটি GSM এর বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে
  2. খ) কলের খরচ কম
  3. গ) রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য
১. ব্যান্ড উইডথকে টাইমস্লটে ভাগ করে।
২. কলের খরচ বেশী
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়। ।
৪. জিএসএম হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু কম।

সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৬৪.
LAN এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Large Area Network
  2. খ) Local Army Network
  3. গ) Land Array Network
  4. ঘ) Local Area Network
ব্যাখ্যা
LAN- Local Area Network
৩,১৬৫.
নিচের কোনটি RAM-এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি
  2. র‍্যামের তথ্যকে পরিবর্তন সংশোধন করা যায়
  3. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাকসেস সময় ভিন্ন
  4. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়
ব্যাখ্যা
RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন (Read/Write Memory) স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory) ।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।
৬. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাকসেস সময় সমান।

- সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২। ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬৬.
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার কিসের ভিত্তিতে গড়ে উঠছে?
  1. ক) আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স
  2. খ) সিস্টেম ইন্টিলিজেন্স
  3. গ) UVLSI
  4. ঘ) প্রোগ্রামিং ইন্টিলিজেন্স
ব্যাখ্যা
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স সম্পন্ন। এর নিজস্ব চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা করার ক্ষমতা থাকবে। নতুন পরিস্থিতিতে কি করতে হবে এরা নিজেরাই তা ঠিক করে নিতে পারবে৷
৩,১৬৭.
'Truth Social' সামাজিক নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. বারাক ওবামা
  2. জেকভ
  3. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  4. ইলন মাস্ক
ব্যাখ্যা
Truth Social:
- ট্রুথ সোশ্যাল হলো ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপ দ্বারা তৈরি একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
- এটি একটি মার্কিন গণমাধ্যম ও প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি ২০২১ সালের অক্টোবরে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ অনেকটা টুইটারের অনুকরণে তৈরি। 

উৎস: Truth Social ওয়েবসাইট।
৩,১৬৮.
What cyber attack involves falsifying communication or identity to deceive a trusted target?
  1. Encryption
  2. Phishing
  3. Latency
  4. Spoofing
ব্যাখ্যা

• যে সাইবার আক্রমণে টার্গেটকে প্রতারিত করার জন্য পরিচয়কে মিথ্যা বা ছদ্মবেশিত করা হয়, তাকে স্পুফিং (Spoofing) বলে।

• সাইবার ক্রাইম:

ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।

• বিভিন্ন ধরনের সাইবার ক্রাইম:
•  স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• ফিশিং (Phishing):
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

•  স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,১৬৯.
RAM কী?
  1. ক) Random Access Memory
  2. খ) Read Only Memory
  3. গ) Reliable Memory
  4. ঘ) Random Adaptive Memory
ব্যাখ্যা

RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Random Access Memory.
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
- RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি।
- সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে।
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩,১৭০.
Which of the following translates source code into machine code line by line?
  1. Compiler
  2. Interpreter
  3. Assembler
  4. Debugger
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:

১. কম্পাইলার (Compiler):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- যেমন: সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে। 

২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে। 
- যেমন: জাভা, পাইথন।

৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- যেমন: GAS, GNU Assembler.

অন্যদিকে,
Debugger: কম্পিউটারে প্রোগ্রাম লেখার সময় কোনো ভুল হলে তাকে bug বলে। এই ভুল গুলো সংশোধন করাকে debug বলে আর যে tool- এর দ্বারা debug করা হয়, তাকে Debugger বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,১৭১.
"কার্নেল"- অপারেটিং সিস্টেমে কী ধরনের কাজ সম্পাদন করে?
  1. একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম এক্সিকিউট করা
  2. মেমোরি ফ্র্যাগমেন্টেশন কমানো
  3. প্রোগ্রামগুলিকে বড় মেমোরি স্পেস প্রদান করা
  4. হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা
ব্যাখ্যা

• “কার্নেল” হলো অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। এটি সরাসরি মেমোরি, প্রসেসর, ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার রিসোর্স নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে প্রোগ্রামগুলো সঠিকভাবে কার্যকর হতে পারে। কার্নেল প্রসেস শিডিউলিং, মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ড্রাইভার পরিচালনা এবং সিস্টেম কল পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ও অ্যাপ্লিকেশনদের জন্য একটি নিরাপদ এবং স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করে। সংক্ষেপে, কার্নেল সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে, যাতে ব্যবহারকারী সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ না করেও সিস্টেমের সম্পূর্ণ সুবিধা নিতে পারে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা।
 
কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: আইবিএম ও টেকটার্গেট ওয়েবসাইট। 

৩,১৭২.
Use of icons and windows are characteristic of a___ interface.
  1. ক) graphical-user
  2. খ) windows- oriented
  3. গ) menu-driven
  4. ঘ) none of these
ব্যাখ্যা
- A GUI (graphical user interface) is a system of interactive visual components for computer software.
A GUI displays objects that convey information, and represent actions that can be taken by the user.
The objects change color, size, or visibility when the user interacts with them.

- GUI objects include icons, cursors, buttons. These graphical elements are sometimes enhanced with sounds or visual effects like transparency and drop shadows.

- A GUI is considered to be more user-friendly than a text-based common line interface, such as MS-DOS, or the shell of Unix-like operating systems.

Source: Computerhope
৩,১৭৩.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট ব্রাউজার না-
  1. ক) Drupal
  2. খ) Chrome
  3. গ) Netscape navigator
  4. ঘ) Opera
  5. ঙ) Maxthon
ব্যাখ্যা

বর্তমানে ইন্টারনেটে অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে। এই ওয়েবসাইটগুলাে নিজের কম্পিউটার থেকে দেখা বা ব্রাউজ করার জন্য আমরা সাধারণত বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করি। এই সফটওয়্যারগুলােকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার।
জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলোঃ Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome, Maxthon ইত্যাদি৷

Drupal হচ্ছে web content management প্লাটফর্ম। 

৩,১৭৪.
PC-DOS কোন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) ডুয়েল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম
  3. গ) মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। যেমন- Windows NT Server, Windows 2003 / 2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি। 

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক, লো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়। Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেনু ব্যবহার করে। প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়। তবে বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ করতে হয় না। Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৫.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার কোনটি?
  1. পিপীলিকা
  2. দুরন্ত
  3. তর্জনী
  4. দোয়েল
ব্যাখ্যা
• তর্জনী:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্মরণে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ব্রাউজারটির উদ্বোধন করা হয়।
- মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’ চালু করেছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।
- ‘বাংলাদেশ সরকারের জন্য নিরাপদ ই-মেইল ও ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় তর্জনী ব্রাউজারটি তৈরি করা হয়েছে।
- ব্রাউজারটির বৈশিষ্ট্য হলো এতে বাংলা ভাষা রয়েছে এবং এর বাংলা অপটিমাইজেশন অন্যান্য ব্রাউজারের তুলনায় শক্তিশালী।
- ব্রাউজারটিতে ইংরেজি ভাষাও নির্বাচন করা যায়। 
- সহজে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ব্রাউজারটিতে রয়েছে তর্জনী সার্চ বার, ডার্ক মোড, ট্যাব, বিজ্ঞাপন বন্ধ, বুকমার্ক, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা, ইনকগনিটোসহ বিভিন্ন সুবিধা।
- অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর এবং গুগল প্লে স্টোর থেকে বিনা মূল্যে নামিয়ে ব্যবহার করা যাবে ব্রাউজারটি। ভবিষ্যতে ব্রাউজারটির ডেস্কটপ সংস্করণও চালু করা হবে।

উৎস: 
১. [Link]
২. প্রথম আলো
৩,১৭৬.
র‍্যাম কোথায় যুক্ত থাকে?
  1. মাদারবোর্ড
  2. এক্সপানশন বোর্ড
  3. ফ্লপি ডিস্ক
  4. এক্সটার্নাল ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
র‌্যাম: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত।
র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‌্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‌্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে য়ায়। তাই র‌্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,১৭৭.
কম্পাইলারের কাজ নয়-
  1. ক) উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা
  2. খ) প্রোগ্রামের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা
  3. গ) প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো
  4. ঘ) প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা
ব্যাখ্যা
কম্পাইলার (Compiler): কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার  COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে
সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।
কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
১. উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
২. প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।
৪.  প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৮.
Which of the following is not a focus area for Microsoft?
  1. Personal computing
  2. Entertainment
  3. Automobile manufacturing
  4. Enterprise cloud computing
ব্যাখ্যা
Automobile manufacturing is not a focus area for Microsoft.

• Microsoft Corporation:
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে।
- সদর দপ্তর: রেডমন্ড, ওয়াশিংটন, USA।
- ১৯৮০ ও ’৯০-এর দশকে MS-DOS এবং Windows অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে বাজারে আধিপত্য তৈরি করে।

- বর্তমানে মাইক্রোসফটের পণ্য ও সেবা বিস্তৃত:
• ব্যক্তিগত কম্পিউটিং,
• বিনোদন,
• এন্টারপ্রাইজ ক্লাউড কম্পিউটিং,
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।

• মাইক্রোসফটের তিনটি প্রধান ব্যবসায়িক খাত:
- Productivity and Business Processes,
- Intelligent Cloud,
- More Personal Computing.
প্রতিটি খাতের অধীনে রয়েছে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১৭৯.
দুইটি ব্লুটুথ ডিভাইস যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে, তার নাম কী?
  1. লিঙ্কিং
  2. ডিবাগিং
  3. প্যায়ারিং
  4. ব্রডকাস্টিং
ব্যাখ্যা

• দুটি ব্লুটুথ ডিভাইস যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে, তার নাম হলো প্যায়ারিং (Pairing)।
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি পাসকি (Passkey) বা পিন (PIN) আদান-প্রদানের মাধ্যমে ডিভাইস দুটির মধ্যে বিশ্বস্ততা ও নিরাপত্তার স্তর তৈরি করা হয়, যাতে তারা তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৮০.
কোনো নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা দক্ষ প্রোগ্রামার দিয়ে বিশেষভাবে তৈরি করা সফটওয়্যারকে কী বলা হয়?
  1. প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  2. কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- যে সকল সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
- MS WORD, MS EXCEL, ORACLE ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম। 
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম।
 
• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়‍্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়‍্যার পাওয়া যায় তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়।
- যেমন- এমএসওয়ার্ড প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেল প্রোগ্রামের সাহায্যে হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করা যায় ইত্যাদি।
- মূলত কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্যে প্রাত্যহিক সমস্যার সমাধান করে থাকেন।
- এমএস অফিস, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, নেটস্কেপ নেভিগেটর, নেটস্কেপ কমিউনিকেটর, ইলেকট্রনিক মেইল, পেজ মেকার, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি হচ্ছে উল্লেখযোগ্য সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

• অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম। সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।
- যেমন: ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়‍্যার, ইলেকট্রনিস কমার্স, পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৮১.
কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. File Compression Tool
  2. Antivirus Program
  3. Word Processor
  4. Disk Cleanup
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার মূলত কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা এবং ব্যবস্থাপনার জন্য ডিজাইন করা হয়। এগুলো সিস্টেম অপারেটিং এবং মেইনটেন্যান্সে সাহায্য করে। File Compression Tool, Antivirus Program, এবং Disk Cleanup সবই ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত কারণ এগুলো ফাইল সংরক্ষণ, ভাইরাস থেকে সুরক্ষা এবং ডিস্কের অব্যবহৃত ফাইল পরিষ্কার করার কাজ করে। তবে Word Processor ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি মূলত ডকুমেন্ট তৈরি এবং সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা প্রোডাক্টিভিটি সফটওয়্যারের অংশ।
- তাই, Word Processor ইউটিলিটি সফটওয়্যার নয়, বরং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।


• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).

- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).

- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৮২.
কোনটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফ্টওয়্যার?
  1. ক) মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড
  2. খ) মাইক্রোসফ্ট এক্সেল
  3. গ) স্প্রেডসীট সফ্টওয়্যার
  4. ঘ) ডেটাবেজ সফ্টওয়্যার
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন প্রয়োজনে আমরা লেখালেখি করে থাকি। যেমন-কেউ বই লেখেন, কেউ গল্প উপন্যাস লেখেন কিংবা কেউ দিনপঞ্জি লেখেন।
- লেখালেখির পাশাপাশি আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ধরনের হিসাব-নিকাশ করে থাকি।
- লেখালেখি ও হিসাবের এ কাজগুলো করা এক সময় অনেক কষ্টসাধ্য ও সময় সাপেক্ষ ছিল।
- কিন্তু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রম বিকাশের ফলে এ কাজগুলো করা এখন অনেক সহজসাধ্য হয়ে গেছে।
- এসব সফ্টওয়্যারকে বলা হয় অফিস সফ্টওয়্যার।
- আমাদের ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কিংবা স্মার্টফোনে সহজেই এ ধরনের সফ্টওয়্যারগুলো ইন্সটল ও ব্যবহার করা যায়।
- বর্তমানে এই কাজে যে সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা হয় তাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলে।
- যেমন- এমএস অফিস (MS Office) এর মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড (Micrsoft Word),  নোডপ্যাড, ওপেন অফিস ইত্যাদি।
- কম্পিউটার ব্যবস্থায় অথবা  আইসিটি ডিভাইসসমূহে সাধারণত ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের সফ্টওয়্যারকে বলা হয় ওয়ার্ড প্রসেসিং বা ওয়ার্ড প্রসেসর।
- মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড, ওয়ার্ড পারফেক্ট, ওয়ার্ডস্টার ইত্যাদি হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং বা ওয়ার্ড প্রসেসর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
৩,১৮৩.
ARPANET কী?
  1. একটি ওয়েবসাইট
  2. একটি সার্চ ইঞ্জিন
  3. একটি কম্পিউটার
  4. একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ARPANET হল - একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো 'Advanced Research Projects Agency Network'
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১৮৪.
কম্পিউটার চালু হলে বুটিং এর সময় যে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় তার নাম কী?
  1. POST
  2. BIOS
  3. BOOT
  4. LOAD
ব্যাখ্যা
- 'POST' এর পূর্ণরূপ- Power-On Self Test.
- Power-On Self Test হলো একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া,  যখন কম্পিউটারটি প্রথম চালু বা রিবুট করা হয় তখন কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়।
- অর্থাৎ একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- কম্পিউটার চালুর প্রক্রিয়াকে বুট বা বুটিং বলে। 
 
• হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে সফটওয়‍্যারটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- LOAD বলতে একটি সিস্টেম বা ডিভাইস যে কোনো সময়ে যে পরিমাণ কাজ পরিচালনা করছে তা বোঝায়।
 
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩,১৮৫.
নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধোঁকা দিয়ে অনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য কোন প্রোগ্রাম মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. Spoofing
  2. Pamming
  3. Sneaking
  4. Phishing
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধোঁকা দিয়ে অনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য যে প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে, তাকে Spoofing বলা হয়। Spoofing-এ আক্রমণকারী নিজেকে বৈধ ব্যবহারকারী বা সিস্টেম হিসেবে পরিচয় দেয়, যেমন ভুয়া IP ঠিকানা, ইমেইল ঠিকানা বা MAC ঠিকানা ব্যবহার করে। এর ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রকৃত উৎসকে চিনতে পারে না এবং আক্রমণকারী সহজেই ডেটা চুরি, সিস্টেমে প্রবেশ বা যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এই ধরনের আক্রমণ নেটওয়ার্কের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে এবং বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ ঘটাতে সহায়তা করে। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো Spoofing (ক)।

স্ফুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

ফিশিং (Phishing): 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
 
স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
 স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে। 
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,১৮৬.
বিভিন্ন জটিল রোগের কারণ আবিষ্কারে কোন প্রযুক্তি কাজ করছে?
  1. ক) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. খ) ন্যানোটেকনোলজি
  3. গ) বায়োইনফরমেটিক্স
  4. ঘ) বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
বায়োইনফরমেটিক্স:
 - বায়োইনফরমেটিক্স জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিষয়।
 - মূলত এই বিষয়টির জন্ম হয়েছে জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়া করে সেগুলো ব্যাখ্যা করার জন্য। 
 - অর্থাৎ জীববিজ্ঞানে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হলো বায়োইনফরমেটিক্স।
 - জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন সেটাকে বলা হয় বায়োইনফরমেটিক্স।
- জিন ফাইন্ডিং গবেষণায় বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,১৮৭.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ধারণা কোন তাত্ত্বিক সূত্র থেকে উদ্ভূত হয়েছে?
  1. সিমুলেশন তত্ত্ব
  2. শিক্ষণ তত্ত্ব
  3. কানেকটিভিটি তত্ত্ব
  4. অভিবাসন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) ধারণা মূলত সিমুলেশন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত হয়েছে। সিমুলেশন তত্ত্ব অনুযায়ী, আমাদের বাস্তবতা এমন কোনো কম্পিউটার বা প্রোগ্রাম দ্বারা তৈরি বা অনুকৃত হতে পারে যা বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল রেখে পরিবেশ ও ঘটনার অনুকরণ করে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এই তত্ত্বকে বাস্তবায়িত করে, যেখানে ব্যবহারকারী একটি কৃত্রিম, কিন্তু বাস্তবসম্মত পরিবেশে প্রবেশ করতে পারে এবং তাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। শিক্ষণ, কানেকটিভিটি বা অভিবাসন তত্ত্ব VR-এর মূল ধারণা প্রকাশে প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে না, বরং সিমুলেশন তত্ত্বই প্রযুক্তির নকশা ও প্রয়োগের মূল তাত্ত্বিক উৎস।

- উত্তর: ক) সিমুলেশন তত্ত্ব।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৮৮.
কোনটি কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) ওয়েবক্যাম
  2. খ) জয়স্টিক
  3. গ) লাইটপেন
  4. ঘ) প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন ইত্যাদি।

• কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস:
- স্ক্যানার,
- পাঞ্চকার্ড,
- বারকোড রিডার,
- ওয়েবক্যাম,
- মাউস,
- ওএমআর,
- ওসিআর,
- স্ক্যানার,
- জয়স্টিক,
- ট্র্যাকবল,
- লাইটপেন,
- ডিজিটাইজার ইত্যাদি।

৩,১৮৯.
ন্যানোসেকেন্ড বলতে কোন সময়কে বুঝায়?
  1. এক সেকেন্ডের দুইশত কোটি ভাগের এক ভাগ
  2. এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
  3. এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
  4. এক মিনিটের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯০.
কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Yandex
  2. Microsoft Edge
  3. Yahoo
  4. DuckDuckGo
ব্যাখ্যা
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

• বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে:
- Google,
- Bing,
- Yahoo,
- Yandex,
- DuckDuckGo,
- Baidu ইত্যাদি।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- safari হলো অ্যাপলের মালিকানাধীন একটি ওয়েব ব্রাউজার।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,১৯১.
যে ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে তাকে কী বলে?
  1. Worm
  2. Spyware
  3. Adware
  4. Navigator
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ওয়ার্ম:
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাস, যা চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত, এর রচয়িতা হলেন চেন ইং-হাও (Chen Ing-hau), যিনি তাইওয়ানের টাটুং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।
এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে তার নামের আদ্যাক্ষর "CIH" থেকে।
- CIH ভাইরাস বা চেরনোবিল ভাইরাস ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।
এই ভাইরাসকে "Chernobyl" বা "Spacefiller" নামেও ডাকা হয়।
- সত্তর দশকে, ইন্টারনেটের প্রাথমিক রূপ ARPANET-এ "Creeper" নামক প্রথম ভাইরাস চিহ্নিত হয়েছিল।
- Creeper ভাইরাসের মোকাবেলায় "Reaper" নামে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছিল, যা ভাইরাসটি মুছে ফেলতে সক্ষম ছিল। তবে তখন ভাইরাসটি সাধারণত শুধুমাত্র তার উৎপত্তিস্থলে সীমাবদ্ধ থাকত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯২.
'X' কোনটির পরিবর্তিত নাম?
  1. Facebook
  2. Instagram
  3. Twitter
  4. LinkedIn
ব্যাখ্যা
টুইটার
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম 'X'
- টুইটারের বর্তমান সিইও Linda Yaccarino. তিনি ২০২৩ সালের ৫ জুন সিইও'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

সূত্র: টুইটারের ওয়েবসাইট।
৩,১৯৩.
OCR এর উল্লেখযোগ্য ব্যবহার কোনটি?
  1. চিঠির পিনকোড
  2. ক্যাশ রেজিস্টার
  3. ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯৪.
বর্তমানে কোন প্রযুক্তিতে হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD) ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্মার্ট হোম টেকনলজি
  2. খ) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. গ) টেলিকনফারেন্স
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তিতে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় ব্যবহারকারীকে হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD) ব্যবহার করতে হয়। বর্তমানে, চিকিৎসাক্ষেত্রে , খেলাধূলা ও বিনোদন ক্ষেত্রে, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, ফ্লাইট সিমুলেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
৩,১৯৫.
মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লেখার জন্য কোন পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইংরেজি শব্দ ও বাক্য
  2. গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস
  3. গাণিতিক সূত্র
  4. বাইনারি সংখ্যা বা হেক্সাডেসিম্যাল
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) বাইনারি সংখ্যা বা হেক্সাডেসিম্যাল।

• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।

• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
- এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৯৬.
বাংলাদেশে কবে প্রথম অফলাইন ই-মেইল চালু হয়?
  1. ১৯৯৩
  2. ১৯৯৫
  3. ১৯৯৯
  4. ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট: 
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়। 
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়। 
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। 
অর্থাৎ, ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯৫ সালেত, তবে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,১৯৭.
কোন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটিং সেবা ও স্টোরেজ ভাড়া নেওয়া যায়?
  1. ক) রেন্ট কম্পিউটিং
  2. খ) শেয়ারিং কম্পিউটিং
  3. গ) ক্লাউড কম্পিউটিং
  4. ঘ) রেইন কম্পিউটিং
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি বিশেষ পরিষেবা বা একটা ব্যবসায়িক মডেল, যেখানে বিভিন্ন ধরনের রিসোর্স শেয়ার, কম্পিউটিং সেবা, সার্ভার, স্টোরেজ, সফটওয়্যার প্রভৃতি সেবা সহজে ক্রেতার সুবিধা মতো, চাহিবামাত্র ও চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহার করার সুযোগ প্রদান করা বা ভাড়া দেওয়া হয়

ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া
যেমন- কোন প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েব সাইট রয়েছে এবং এই ওয়েব সাইটে একটি ব্লগ চলবে। ব্লগের অধিকাংশ ব্লগার এবং ভিজিটর বাংলাদেশের। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত এই ব্লগে ব্যবহারকারী বেশি থাকে। এর মধ্যে রাত ৮টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুব বেশি থাকে, ফলে ঐ সময় সার্ভারে খুব চাপ পড়ে, এই লোড কমানোর জন্য ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু অন্য সময়ে লোড কম থাকার ফলে ১টি সার্ভারেই কাজ হয়। তাহলে ঐ প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটটি চালানোর জন্য ২৪ ঘন্টাই ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র যে সময়ে লোড বেশি থাকে সে সময়ের জন্যই অতিরিক্ত সার্ভারগুলি ভাড়া নিতে পারলেই অনেক খরচ বেঁচে যায়। এতে করে সার্ভার ভাড়া দেয়া কোম্পানিও ফ্রি সময়ে তাদের সার্ভারগুলি অন্য প্রতিষ্ঠানের নিকট ভাড়া দিতে পারছে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান) এবং এইচ এস সি প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,১৯৮.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কি ধরনের ইমেজ তৈরি হয়?
  1. এক-মাত্রিক
  2. দ্বি-মাত্রিক
  3. ত্রি-মাত্রিক
  4. বহুমাত্রিক
ব্যাখ্যা

 • ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরি হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে কম্পিউটারে তৈরিকৃত এমন একটি কৃত্রিম ত্রি-মাত্রিক পরিবেশ যেখানে ব্যাবহারকারী আসে পাশের পরিবেশকে বাস্তবের মতই অবলোকন করে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে মূলত যে ধরনের ইমেজ তৈরি হয়: 

- ত্রি-মাত্রিক মডেল: জটিল সফটওয়্যার ব্যবহার করে তৈরি করা হয়, যা একটি পূর্ণাঙ্গ পরিবেশ তৈরি করে।
- 360 Degree View: বিশেষ ক্যামেরা বা একাধিক ছবি যুক্ত করে তৈরি করা হয়, যা ব্যবহারকারীকে চারপাশের সবকিছু দেখতে দেয়, যেমন- প্যানোরামা।

• কম্পিউটার জেনারেটেড সিন (CGI):
- পুরোপুরি কম্পিউটার দিয়ে তৈরি কাল্পনিক জগৎ, যা বাস্তব বা অবাস্তব হতে পারে।

 উৎস: Britannica 

৩,১৯৯.
১০০১ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) ১১
  2. খ) ৮
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
(1001)₂ = (1 × 2³) + (0 × 2²) + (0 × 2¹) + (1 × 2⁰) = (9)₁₀
৩,২০০.
কী-বোর্ডের Ctrl, Alt, Esc ইত্যাদি বোতামকে কী বলে?
  1. ক) ফাংশন কী
  2. খ) নিউমেরিক কী
  3. গ) নেভিগেশন কী
  4. ঘ) কন্ট্রোল কী
ব্যাখ্যা

The keys on your keyboard can be divided into several groups based on function:

Typing (alphanumeric) keys. These keys include the same letter, number, punctuation, and symbol keys found on a traditional typewriter.

Control keys. These keys are used alone or in combination with other keys to perform certain actions. The most frequently used control keys are Ctrl, Alt, the Windows logo key , and Esc.

Function keys. The function keys are used to perform specific tasks. They are labeled as F1, F2, F3, and so on, up to F12. The functionality of these keys differs from program to program.

Navigation keys. These keys are used for moving around in documents or webpages and editing text. They include the arrow keys, Home, End, Page Up, Page Down, Delete, and Insert.

Numeric keypad. The numeric keypad is handy for entering numbers quickly. The keys are grouped together in a block like a conventional calculator or adding machine.

Source: support.microsoft.com