বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা / ১৩১ · ২০১৩০০ / ১৩,০৮৮

২০১.
GSM কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম?
  1. প্রথম প্রজন্ম (1G)
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম (2G)
  3. তৃতীয় প্রজন্ম (3G)
  4. চতুর্থ প্রজন্ম (4G)
ব্যাখ্যা

• GSM–কে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
 
•  জিএসএম (GSM):
- জিএসএম (GSM)–এর পূর্ণরূপ হলো গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication)।
- এটি মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- জিএসএমকে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
 
• জিএসএম নেটওয়ার্কের রোমিং সুবিধা:
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকায়,
- বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে জিএসএম নেটওয়ার্কের আওতায় থাকলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা সম্ভব।
 
• এসএমএস ও জিএসএমের ভূমিকা:
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (SMS) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- এসএমএস সেবার জনপ্রিয়তার পেছনে জিএসএম প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
 
• জিএসএম–এ ব্যবহৃত প্রযুক্তি ও সেবা:
- জিএসএম প্রযুক্তিতে TDMA (Time Division Multiple Access) ব্যবহৃত হয়।
- জিএসএম–ভিত্তিক মোবাইল ফোন সেবার মধ্যে রয়েছে—
- এসএমএস,
- কল ফরওয়ার্ডিং,
- আউটগোয়িং কল নিয়ন্ত্রণ,
- ইনকামিং কল নিয়ন্ত্রণ,
- কল হোল্ডিং,
- কলার আইডি,
- কল ওয়েটিং,
- মাল্টিপার্টি সার্ভিস, ইত্যাদি।
 
• জিএসএমের বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম অগ্রণী।
- এটি একটি সেলুলার নেটওয়ার্ক, যেখানে নির্দিষ্ট এলাকায় মোবাইল ফোন জিএসএম নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- জিএসএম নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ কভারেজ দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ 2G GSM নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় 900 MHz বা 1800 MHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে।
- জিএসএম হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা সাধারণত ১ ওয়াট বা ২ ওয়াট।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০২.
IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড এর মূল লক্ষ্য কী?
  1. স্যাটেলাইট যোগাযোগ
  2. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  3. ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  4. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ডের মূল লক্ষ্য হল ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং (Wireless Personal Area Networking)। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা ব্যক্তিগত বা ছোট এলাকা, যেমন ব্যক্তির চারপাশের সীমিত পরিসর, এর মধ্যে ডিভাইসগুলোকে ওয়্যারলেসভাবে সংযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই স্ট্যান্ডার্ড বিশেষ করে ব্লুটুথ, জিগবি ইত্যাদির মতো প্রযুক্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। IEEE 802.15 ডিভাইসগুলো কম শক্তি ব্যবহার করে, দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম এবং স্বল্প পরিসরে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করে। এর মাধ্যমে পোর্টেবল ডিভাইস, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত গ্যাজেটগুলোর মধ্যে সহজে তথ্য বিনিময় সম্ভব হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হবে: গ) ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং।


• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

এছাড়াও,
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Wimax এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২০৩.
Digital Device এ DAC ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করা
  2. ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ ফর্মে রূপান্তর করা
  3. ইনপুট ভ্যালু সংরক্ষণ করা
  4. Noise দূর করা
ব্যাখ্যা

• DAC (Digital to Analog Converter) হলো এমন একটি ডিভাইস যা ডিজিটাল তথ্যকে অ্যানালগ সিগন্যাল আকারে রূপান্তর করার কাজ করে।

- যেকোনো ডিজিটাল সংখ্যা বা কোডকে বাস্তব ভোল্টেজ বা কারেন্ট আকারে পরিণত করতে DAC ব্যবহার করা হয়।

DAC এর প্রয়োজনীয়তা:
- কম্পিউটার, মাইক্রোকন্ট্রোলার বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের কাজ ডিজিটাল সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে।
- বাস্তব জগতের ডিভাইস যেমন স্পিকার, মনিটর, অ্যানালগ সেন্সর বা অন্যান্য যন্ত্রাংশ সাধারণত অ্যানালগ সিগন্যাল প্রয়োজন।
- DAC সেই ডিজিটাল তথ্যকে অ্যানালগ সিগন্যাল আকারে রূপান্তর করে, যাতে হার্ডওয়্যার বা মানুষের সংবেদন ক্ষমতার জন্য তা ব্যবহারযোগ্য হয়।

কর্মপ্রক্রিয়ার উদাহরণ:
- অডিও প্রক্রিয়াজাতকরণ: কম্পিউটারের অডিও ফাইল (ডিজিটাল) → DAC → স্পিকার থেকে বাস্তব শব্দ (অ্যানালগ)।
- ভিডিও আউটপুট: ভিডিও কার্ডের ডিজিটাল সিগন্যাল → DAC → মনিটরে অ্যানালগ সিগন্যাল → ছবি দেখা যায়।
- সেন্সর ইন্টারফেস: ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ সিগন্যাল → DAC → অ্যানালগ যন্ত্রাংশকে চালানো।

গুরুত্ব:
- DAC ডিজিটাল এবং অ্যানালগ ডিভাইসের মধ্যে মধ্যস্থ হিসেবে কাজ করে।
- আধুনিক কম্পিউটার, অডিও/ভিডিও সিস্টেম, রোবটিক্স এবং সেন্সর ভিত্তিক যন্ত্রে DAC অপরিহার্য।
- এটি ডিজিটাল বিশ্বকে বাস্তব দুনিয়ার সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।  

২০৪.
LinkedIn- এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. Sunnyvale, California
  2. San Francisco, California
  3. Mountain View, California
  4. Seattle, Washington
ব্যাখ্যা
• LinkedIn:
- LinkedIn সবার কাছেই সুপরিচিত একটি নাম। পেশাদারদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় কমিউনিটি হচ্ছে এই লিংকডইন।
- পেশাজীবীদের কাছে কাজের এক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হলো লিংকডইন।
- বর্তমানে করপোরেট জগতে নিয়োগকর্তারা চাকরিপ্রার্থীর যোগ্যতা যাচাইয়ে লিংকডইনের সহায়তা নেন। 

- এটি ২০০২ সালে রেইড হফম্যান প্রতিষ্ঠা করেন।
- LinkedIn এর সদর দপ্তর সানিভেল, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- Parent organization: Microsoft Corporation.
- CEO: Ryan Roslansky (তথ্য: জুন, ২০২৪ পর্যন্ত)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২০৫.
মেডিকেলের কোন যন্ত্রগুলোতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ECG
  2. খ) CT Scan
  3. গ) MRI
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মেডিকেলের বিভিন্ন যন্ত্রে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ ECG, CT Scan, MRI, ETT, X-Ray, Stethoscope ইত্যাদি।
২০৬.
রোগ নির্ণয়ের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্বলিত কোন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়?
  1. SPSS
  2. Mycin
  3. Database
  4. Auto Cad
ব্যাখ্যা
MYCIN, an early expert system, or artificial intelligence (AI) program, for treating blood infections. In 1972 work began on MYCIN at Stanford University in California. MYCIN would attempt to diagnose patients based on reported symptoms and medical test results. The program could request further information concerning the patient, as well as suggest additional laboratory tests, to arrive at a probable diagnosis, after which it would recommend a course of treatment.

Source: britannica.com
২০৭.
যে ইলেক্ট্রনিক লজিক গেইটের আউটপুট লজিক 0 শুধুমাত্র যখন সকল ইনপুট লজিক 1 তার নাম-
  1. AND গেইট
  2. OR গেইট
  3. NAND গেইট
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• যে ইলেক্ট্রনিক লজিক গেইটের আউটপুট লজিক 0 শুধুমাত্র যখন সকল ইনপুট লজিক 1 তার নাম - NAND গেইট। 

• NAND গেইট:
- AND গেইট + NOT গেইট = NAND গেইট।
- NAND গেইট AND গেইটের বিপরীত।
- NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।
- অর্থাৎ, NAND গেইটে দুটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একটি লজিক গেট-এর আউটপুট 1 হয় যখন এর সব ইনপুট 0 থাকে। এই গেটটি - NAND গেইট।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০৮.
নিচের কোনটি 'ওয়াকিটকির' ডাটা ট্রান্সমিশন মোড?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স
  3. হাফ-ডুপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান:
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬ টি উপাদান থাকে।
- যথা:
১। ডাটা বা তথ্য (Information); 
২। ডাটার উৎস (Source);
৩। প্রেরক (Sender); 
৪। মাধ্যম (Medium);
৫। প্রাপক (Receiver) ও
৬। গন্তব্য (Destination)। 

ডাটা:
- ডাটা কমিউনিকেশনের প্রথম উপাদান হচ্ছে ডাটা বা তথ্য।
- কমিউনিকেশনের জন্য ডাটা হতে পারে শব্দ, অক্ষর, সংখ্যা, ছবি ইত্যাদি।

ডাটা ট্রান্সমিশন মোড

- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো: 
১। সিমপ্লেক্স;
২। হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স।  

সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি।

হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি। 

ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৯.
কোন পদ্ধতিতে কোনো ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে রিলেশন রক্ষা করে?
  1. Many to One
  2. Many to Many
  3. One to One
  4. One to Many
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশনের প্রকারভেদ:
একাধিক ডেটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

One to One রিলেশন:
- যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন। 

One to Many রিলেশন:
- যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব। 

Many to One রিলেশন:
- যদি কোনো একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোনো ডেটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডেটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোনো ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১০.
নিম্নের কোনটি আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি?
  1. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  2. হ্যান্ড জিওম্যাট্রি
  3. ফেইস রিকগনিশন
  4. ডিএনএ
ব্যাখ্যা
- গ্রীক শব্দ "bio" (life) ও "metric" (to measure) থেকে উৎপত্তি হয়েছে বায়োমেট্রিক্স (Biometrics)।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত করা হয়। 

দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা-

দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint),
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry),
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition),
. ডিএনএ (DNA).

আচরণগত বৈশিষ্ট্যর বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification ),
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী। 
২১১.
অ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ নিচের কোন প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য?
  1. চতুর্থ প্রজন্ম 
  2. প্রথম প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম 
ব্যাখ্যা
⇒ অ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ - প্রথম প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বায়ুশূন্য টিউবের ব্যবহার।
২. আকারে অনেক বড়।
৩. সীমিত তথ্য ধারণক্ষমতা।
৪. মেশিন ভাষার (0/1) মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান ৷
৫. ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার জন্য পাঞ্চ কার্ডের ব্যবহার।
৬. সহজে স্থানান্তর যোগ্য ছিল না।
৭. অত্যধিক বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন।
৮. অনুন্নত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১২.
UI/UX এর পূর্ণরূপ কী?
  1. User Integration / User Xperience
  2. Unified Interaction / Universal Experience
  3. User Information / User Execution
  4. User Interface / User Experience
ব্যাখ্যা

◉ UI (User Interface) → ব্যবহারকারী এবং অ্যাপ্লিকেশন/ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগের দৃশ্যমান অংশ।
UX (User Experience) → ব্যবহারকারী যখন সেই অ্যাপ্লিকেশন/ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন তখন সামগ্রিক অভিজ্ঞতা।

UI (User Interface): 
- UI হলো সেই ভিজ্যুয়াল ও ইন্টার‌্যাকটিভ এলিমেন্ট যা ব্যবহারকারীকে সিস্টেম, অ্যাপ, বা ওয়েবসাইটের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। 
- এটি মূলত “দেখতে কেমন” এবং “কীভাবে ব্যবহারকারী ক্লিক বা ট্যাপ করবে” সেই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত।
- ব্যবহারকারী যেন সহজে এবং স্বচ্ছন্দে সিস্টেমটি দেখতে ও ব্যবহার করতে পারে, সেই জন্য দৃষ্টিনন্দন ও লজিক্যাল ডিজাইন তৈরি করা।

UX (User Experience):
- UX হলো ব্যবহারকারীর সামগ্রিক অভিজ্ঞতা যখন তারা কোনো সিস্টেম, অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে। 
- এটি শুধু দেখতে সুন্দর হওয়া নয়, বরং ব্যবহারকারীর সুবিধা, সন্তুষ্টি ও অনুভূতি নিয়েও কাজ করে।
- ব্যবহারকারী যেন দ্রুত, ঝামেলাহীন এবং আনন্দদায়কভাবে কাঙ্ক্ষিত কাজটি সম্পন্ন করতে পারে।

উৎস: GeeksforGeeks ওয়েবসাইট। 

২১৩.
‘Ctrl + Z’ কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Open
  2. Save
  3. Redo
  4. Undo
ব্যাখ্যা

• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ-
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+ B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।

Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

২১৪.
WWW - এর পূর্ণরুপ কোনটি?
  1. ক) World Wide Work
  2. খ) World Way Work
  3. গ) Work Wait Web
  4. ঘ) World Wide Web
ব্যাখ্যা
WWW এর পূর্ণরূপ World Wide Web।
টিম বার্নার্স লি কে এটির প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
এটি ইন্টারনেটের একটি অংশ।
এর সাহায্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের সকল তথ্য উপাত্ত খোঁজা হয়।
www এর প্রথম ডেভেলপমেন্ট সুইজারল্যান্ড এ হয়।
২১৫.
নিচের কোন কাজে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়?
  1. ভাইরাস চেক করতে।
  2. ডিস্ক পার্টিশন করতে।
  3. বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন করতে।
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে।
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি। যেমন: McAfee, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি। 
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools-এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেম সংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- Disk Fragmenter, Scan Disk, Drive Converter, Compression, System Monitor  ইত্যাদি System Tools এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
২১৬.
Watson আইবিএমের কোন ধরনের সিস্টেম?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  3. AI প্ল্যাটফর্ম
  4. ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা
• IBM Watson হলো আইবিএম (IBM) কর্তৃক উন্নত একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI-based) প্ল্যাটফর্ম। 
- এটি প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing), মেশিন লার্নিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়।

• ব্যবহার:
- এটি বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রে (স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং, শিক্ষা, কাস্টমার সার্ভিস ইত্যাদি) বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ সমাধান দিতে ব্যবহৃত হয়।

• আইবিএম (IBM) সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস রানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- এর সদরদপ্তর আরমঙ্ক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- আইবিএম কোম্পানিকে বিশ্বে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।

তথ্যসূত্র:
- IBM Official Website. 
২১৭.
কম্পিউটারের সফটওয়্যার বলতে বুঝানো হয়-
  1. এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
  2. তথ্য দেয়া ও তথ্য নেয়ার অংশ বিশেষ
  3. যেসব অংশ মুদ্রায়িত অবস্থায় থাকে
  4. কম্পিউটার তৈরির নকশা
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার সফটওয়্যার বলতে বোঝানো হয় কম্পিউটারের প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল। 

কম্পিউটার সফটওয়্যার: 
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ, সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। 
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়। 
উদাহরণ: DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Video Player ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৮.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার ম্যানেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. Personal Network Area
  2. Hybride Network
  3. Peer to Peer Network
  4. Client-Server Network
ব্যাখ্যা

• সার্ভার ম্যানেজড নেটওয়ার্ক বলতে Client-Server Network–কে বোঝায়। এই নেটওয়ার্কে একটি শক্তিশালী কম্পিউটারকে সার্ভার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যা পুরো নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা করে। সার্ভার ব্যবহারকারীদের (ক্লায়েন্ট) তথ্য সংরক্ষণ, নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ, ফাইল শেয়ারিং, প্রিন্টার ব্যবহারের অনুমতি এবং বিভিন্ন সেবা প্রদান করে। ক্লায়েন্ট কম্পিউটারগুলো সরাসরি একে অপরের উপর নির্ভর না করে সার্ভারের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করে। ফলে তথ্যের নিরাপত্তা বেশি থাকে, ব্যবস্থাপনা সহজ হয় এবং বড় প্রতিষ্ঠানে এই নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) Client-Server Network.

 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৯.
সিপিইউর কোন অংশকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বিবেচনা করা হয়?
  1. ক) Control Unit
  2. খ) Register
  3. গ) ROM
  4. ঘ) ALU
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।

সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ
• গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
• নিয়ন্ত্রণ ইউনিট,
• রেজিস্টার স্মৃতি।

 এই সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
২২০.
ভয়েস ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 300 - 3400 Hz
  2. 200 - 3600 Hz
  3. 1MHz - 300 GHz
  4. 1MHz - 500 GHz
ব্যাখ্যা
♦ ব্যান্ডউইথ (Bandwidth):
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বা ব্যান্ডউইড্থ বলে।
- ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। একে Band Speed ও বলা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।
- ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা:

১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band),
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)।

- ন্যারো ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 300 - 3400 Hz
- ভয়েস ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 200 - 3600 Hz
- ব্রড ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 1MHz - 300 GHz

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২২১.
নিচের কোনটি পাবলিক ক্লাউড এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) IBM Blue Cloud
  2. খ) Sun Cloud
  3. গ) Google Cloud
  4. ঘ) HP Data Centers
ব্যাখ্যা

HP Data Centers- একটি প্রাইভেট ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।

- প্রাইভেট ক্লাউড- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভেলোপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারনত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এটি ব্যক্তিগত প্রকৃতির কারণে অধিক সুরক্ষিত। এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
- অপরদিকে, IBM Blue Cloud, Sun Cloud, এবং Google Cloud হল পাবলিক ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

২২২.
কম্পিউটার ভাইরাসের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করা
  2. নেটওয়ার্ক সুরক্ষা প্রদান করা
  3. ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা বা ক্ষতি সাধন করা
  4. ডেটা ব্যাকআপ করা
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে।
- এটি কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এই ধরনের প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা বা ক্ষতি সাধন করা।
- ১৯৫০ সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণা উদ্ভাবিত হয়।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকেন।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Seize।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ সিস্টেমকে সংক্রমিত করে অচল করে দিতে পারে।
- ইন্টারনেট, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়াতে পারে।
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে আঘাত হানা CIH ভাইরাসকে মাদার অব অল ভাইরাস বলা হয়। এটি ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারে আক্রমণ চালায়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৩.
নিচের কোনটি সবচেয়ে দ্রুত data transfer করতে পারে?
  1. ক) RAM
  2. খ) Hard Disk
  3. গ) CD ROM
  4. ঘ) Cache Memory
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে দ্রুত গতির মেমোরি হল ক্যাশ মেমোরি। তবে এটির দাম অন্যগুলোর সবচেয়ে বেশি। কাজের গতি বৃদ্ধির জন্যে প্রসেসর ও প্রধান মেমোরির মাঝখানে ক্যাশ মেমোরি স্থাপন করা হয়। প্রধান মেমোরির তুলনায় এর তুলনায় ক্যাশ মেমোরির একসেস টাইম প্রায় এক সপ্তমাংশ।
২২৪.
প্রিন্ট করার শর্টকার্ট কমান্ড কোনটি?
  1. ক) Ctrl + Shift
  2. খ) Ctrl + P
  3. গ) Shift +P
  4. ঘ) Alt +P
ব্যাখ্যা
Ctrl + P চেপে প্রিন্ট করা যায় খুব সহজেই।
২২৫.
বিটকয়েন কী ধরনের মুদ্রা?
  1. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা
  2. ফিয়াট মানি
  3. পণ্যভিত্তিক টাকা
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি
ব্যাখ্যা
• বিটকয়েন হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি, অর্থাৎ এটি একটি ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল মুদ্রা যা কোন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। এটি ব্লকচেইন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা লেনদেনকে নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং বিকেন্দ্রীভূত করে। বিটকয়েন সরাসরি ব্যবহারকারীদের মধ্যে peer-to-peer লেনদেনের মাধ্যমে চলে এবং এর মান বাজারের চাহিদা ও সরবরাহ দ্বারা নির্ধারিত হয়। এটি ফিয়াট মানি বা পণ্যভিত্তিক টাকার মতো কোনো শারীরিক মুদ্রা নয় এবং এটিকে প্রিন্ট করা বা ছাপা যায় না। সংক্ষেপে, বিটকয়েন সরকার বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা একটি স্বাধীন ডিজিটাল অর্থের মাধ্যম।

সঠিক উত্তর: ঘ) ক্রিপ্টোকারেন্সি।

• ক্রিপ্টোকারেন্সি :
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২২৬.
LinkedIn-এর প্যারেন্ট কোম্পানি কোনটি?
  1. IBM
  2. Google
  3. Microsoft Corporation
  4. Meta
ব্যাখ্যা

Linkedin:
- LinkedIn ফেসবুক বা টুইটারের মতই একটা social networking site যা চাকুরীজীবী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষায়িত ভাবে তৈরিকৃত।
- সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটটি পেশাজীবীরা বেশি ব্যবহার করে থাকে। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০২ সালে এবং ২০০৩ সালে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - রেইড হফম্যান (Reid Hoffman)।
- সদর দপ্তর - ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্ট ভিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০০৫ সালে কোম্পানিগুলোকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।
- মূল সংস্থা: Microsoft Corporation.

উৎস: Britanica.

২২৭.
HTTPS -এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Hyper Text Transfer Protocol System
  2. Hyper Text Transfer Protocol Service
  3. Hypertext Transfer Protocol Security
  4. Hypertext Transfer Protocol Secure
ব্যাখ্যা

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২২৮.
যে অপারেটিং সিস্টেমে একটির পর আরেকটি প্রোগ্রাম পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করে তাকে___।
  1. ক) ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম।
  2. খ) ইন্টার-একটিভ মোড।
  3. গ) মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম।
  4. ঘ) মাল্টি প্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেম।
ব্যাখ্যা

যে অপারেটিং সিস্টেমে একটির পর আরেকটি প্রোগ্রাম পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করে তাকে ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম বলে।

- ব্যাচ প্রসেসিং (বা ব্যাচ মােড) অপারেটিং সিস্টেমে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি প্রােগ্রাম অথবা কিছু সময়ব্যাপী সংগৃহীত ডেটা প্রসেস করার পর অন্য আরেকটি প্রোগ্রাম বা ডেটা একসঙ্গে প্রসেস করা হয়।
- কম্পিউটারকে সচল রেখে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে যে সফটওয়্যার প্রয়োজন হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) বলে। - একটি কম্পিউটার অন হওয়ার সাথে সাথেই অপারেটিং সিস্টেমের কাজ শুরু হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

২২৯.
2 কিলোবাইট মেমোরি address করার জন্য কতটি address লাইন দরকার?
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 12
  4. ঘ) 14
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
অ্যাড্রেস বাসে যদি n সংখ্যক লাইন থাকে, তাহলে লাইন দিয়ে ২n টি অ্যাড্রেস থেকে ডেটা পড়া ও লেখা যায়।

১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট = ২১০ বাইট 
২ কিলোবাইট = ২ × ২১০ = ২১১ বাইট

⇒ অর্থাৎ ২ কিলোবাইট মেমোরি address করার জন্য ১১টি address লাইন দরকার।
২৩০.
'IEEE 802' স্ট্যান্ডার্ড কোনটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. LAN
  2. MAN
  3. CAN
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
The IEEE 802 LAN/MAN Standards Committee develops and maintains networking standards and recommended practices for local, metropolitan, and other area networks, using an open and accredited process, and advocates them on a global basis.

• Wi-fi standard= IEEE 802.11,
• Bluetooth Standard= IEEE 802.15
• Wi-Max standard= IEEE 802.16.

Source: ieee802.org
২৩১.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. বুট সেক্টর
  2. কোবরা
  3. সিআইএইচ
  4. এক্স ৯৭এম
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
২৩২.
কোনটির প্রধান কাজ মেমোরি হতে ইন্সট্রাকশন কোড পড়া ও তা ডিকোড করা?
  1. Input Unit
  2. Control Unit
  3. ALU
  4. Memory Unit
ব্যাখ্যা
♦ নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
 -মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমরি হতে কখন প্রধান মেমরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে- এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা। 

ইনপুট অংশ:
ইনপুট ইউনিট ব্যবহারকারী প্রদত্ত উপাত্ত বা বিভিন্ন উৎস থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করে সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের প্রধান স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে।
- এ ধরনের কিছু ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ হলো কি-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওএমআর (OMR), ওসিআর (OCR), জয়স্টিক, পাঞ্চকার্ড, লাইটপেন ইত্যাদি

♦ গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- আবার কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। 

♦ মেমরি বা স্মৃতি অংশ: 
কোনো সমস্যা সমাধান করার জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলি ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয় তা কম্পিউটারের স্মৃতি অংশে জমা হয়। কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান ও সহায়ক স্মৃতি অংশ বিদ্যমান। 

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৩.
নিচের কোনটি Line of Sight যোগাযোগ করে থাকে?
  1. মাইক্রোওয়েব
  2. টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ
  3. রেডিও ওয়েব
  4. স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
• Line of Sight যোগাযোগ করে থাকে টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ।

• মাইক্রোওয়েভ:
- মাইক্রোওয়েভ এক ধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ যা সেকেন্ডে প্রায় 1 গিগা বা তার চেয়ে বেশিবার কম্পন বিশিষ্ট।
- মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে ডাটা স্থানান্তর অর্থাৎ কম্পিউটার প্রদত্ত ডাটা, কথা এবং ছবি ইত্যাদি অনেক দ্রুত স্থানাত্তর করা সম্ভব।
- মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ দু' ধরনের হতে পারে। যথা:
১. টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ ও
২. স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ।

• টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ:
- এ ধরনের প্রযুক্তিতে ভূ-পৃষ্ঠেই ট্রান্সমিটার ও রিসিভার বসানো হয়। 
- এতে মেগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সী সীমার নিচের দিকে ফ্রিকোয়েন্সী ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিটার ও রিসিভার মুখোমুখি বা Line of Sight-LOS যোগাযোগ করে থাকে এবং সিগন্যাল কোন ক্রমেই মধ্যবর্তী কোন বাধা অতিক্রম করতে পারে না।
- অল্প পরিসরে ডেটা পাঠানোর ক্ষেত্রে টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৪.
কোনটি গিগাবাইটের চেয়ে বড়?
  1. বাইট
  2. কিলোবাইট
  3. টেরাবাইট
  4. মেগাবাইট
ব্যাখ্যা

• গিগাবাইটের চেয়ে বড় একক হলো টেরাবাইট। কম্পিউটার ডেটা মাপার জন্য বিভিন্ন একক ব্যবহার করা হয়। সবচেয়ে ছোট হলো বাইট, যা একটি অক্ষর বা সংখ্যা সংরক্ষণ করতে পারে। তার চেয়ে বড় হলো কিলোবাইট, যা সাধারণত ১০২৪ বাইট সমান হয়। মেগাবাইট আরও বড়, যা ১০২৪ কিলোবাইটের সমান। এরপর আসে গিগাবাইট, যা ১০২৪ মেগাবাইটের সমান। সর্বশেষ এবং এগুলোর চেয়ে বড় হলো টেরাবাইট, যা ১০২৪ গিগাবাইটের সমান। সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে গিগাবাইটের চেয়ে বড় একক হলো টেরাবাইট। এটি সাধারণত বড় ফাইল বা ডেটা স্টোরেজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৩৫.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Oracle
  2. Informix
  3. Powerpoint
  4. Ruby
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন‍্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- উদাহারণ: Ms Word, Ms Excel, Oracle, Foxpro, Informix, Adobe Photoshop, Powerpoint ইত্যাদি।

• Ruby হলো একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৬.
Ctrl + L কী -বোর্ড কমান্ড দিয়ে কী করা হয়?
  1. ক) Font সাইজ ছোট করা হয়
  2. খ) Centering করা হয়
  3. গ) Font সাইজ বড় করা হয়
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে টেক্সট এর এলাইনমেন্ট লেফট এবং জাস্টিফাইড করা যায়।
২৩৭.
নিচের কোনটি রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. আইরোবট
  2. ফানুক
  3. হ্যানসন রোবটিক্স
  4. সোফিয়া
ব্যাখ্যা
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান হলো - 
- FANUC (ফানুক)
- Yaskawa (ইয়াসকাওয়া)
- iRobot (আইরোবট) 
- Boston Dynamics (বোস্টন ডাইনামিকস)

• মানব-সদৃশ রোবট বা হিউমেনওয়েড (Humanoid) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো–
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয় (Murata)'
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও (QRIO) এবং আইবো
- হোন্ডা কোম্পানির আসিমো (ASIMO)
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray)
- হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩৮.
প্রথম সফল মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছেড়েছিল কোন কোম্পানি?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) স্যামসাং
  3. গ) এপল
  4. ঘ) ইনটেল
ব্যাখ্যা
- পার্সোনাল কম্পিউটারের অপর নাম মাইক্রোকম্পিউটার।
- ১৯৫৮ সালে অনেক ট্রানজিস্ট্রার, রেজিস্ট্যান্স ও ক্যাপাসিটরের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছিল ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল কোম্পানি অনেক আইসির সমন্বয়ে ইনটেল-৪০০৪ (Intel-4004) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে। এই মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে ধারণ করা সম্ভব হয় এবং কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়।

- মাইক্রো (Micro) শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি কম্পিউটারকে তাই মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলা হয়।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC)- ও বলা হয়।

- প্রথম সফল মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছেড়েছিল ১৯৭৬ সালে এপল নামে একটি আমেরিকান কোম্পানি। এই কম্পিউটারকে বলা হয় এপল গোত্রের ডেস্কটপ বা এপল পিসি।

- এরপর ১৯৮১ সালে আইবিএম নামক আমেরিকান আর একটি কোম্পানি ভিন্ন ধরনের আর একটি মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে। তারা তাদের এই কম্পিউটারের নাম দেন পিসি। 

- এরপর ১৯৮৪ সালে এপল কোম্পনি তাদের তৈরি মেকিনটোশ নামে মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছাড়ে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা (এস.এস.সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৩৯.
নিচের কোনটি ম্যালওয়ার নয়?
  1. Worms
  2. Virus
  3. Cookies
  4. Trojans
ব্যাখ্যা
- Cookies ছাড়া বাকি সবগুলো ম্যালওয়ার।
- Cookies হলো ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষিত হওয়া কিছু ফাইল যা Internet Information File নামে পরিচিত |
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।
- আর্থিক প্রতারণা ও অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলােকেও অ্যাডভান্স লেভেল ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেমনঃ র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)।

[উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)]
২৪০.
ইন্টারনেট সংযোগে কোনটির প্রয়োজন হয়?
  1. ক) আইএসপি
  2. খ) কম্পিউটার
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।
- ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার ১৯৯০ সাল থেকে শুরু হলেও প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে Advanced Research Projects Agency Network (ARPanet) চালু করে।
- ১৯৯০ সালে ইন্টারনেটের কার্যক্রম শুরু হলেও ১৯৯৪ সালের পূর্বে তাকে এই নামে ডাকা হত না।
- ১৯৯৪ সালেই ইন্টারনেট শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

ইন্টারনেট এর ব্যবহার- 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা ।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

সূত্র: ৭৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
২৪১.
ব্লুটুথ কত দূরত্ব পর্যন্ত কাজ করে?
  1. ১০-৩০ মিটার
  2. ১০-৫০ মিটার।
  3. ১০-১০০ মিটার
  4. ১০-৩০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪২.
লাইন ব্রেক করার জন্য কোন ট্যাগ ব্যবহার করা হয়?
  1. < br >
  2. < b >
  3. < u >
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
< b >  - লাইন বোল্ড করার জন্য ব্যবহার করা হয়, 
< br > - লাইন ব্রেকের জন্য ব্যবহার করা হয়,
< u > - লেখাকে আন্ডারলাইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়,
< ul >  - কোন তালিকাকে আন অর্ডার লিস্ট আকারে প্রকাশ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৩.
What is the TCP/IP?
  1. ক) The practice of long-distance networking
  2. খ) A set of guidelines for making the Internet accessible to the publc
  3. গ) A system that separates information into smaller “packets” of data
  4. ঘ) A set of guidelines for data transfer using packet switching
ব্যাখ্যা
Vinton Cerf  and Bob Kahn developed a set of guidelines for data transfer using packet switching in 1980, calling those guidelines TCP/IP, or Transmission Control Protocol and Internet Protocol.
 
Source: Britannica
২৪৪.
নিচের সেক্টরগুলোর মধ্যে প্রধানত কোনটিতে Actuator বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রোবটিক্স
  2. খ) ন্যানোটেকনোলজি
  3. গ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  4. ঘ) বায়োইনফরমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়। রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মোটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অ্যাকচুয়েটর। কিছু জনপ্রিয় রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হলোঃ FANUC, Yaskawa, Boston Dynamics, iRobot.
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৪৫.
Paul Berg নিচের কোন প্রযুক্তির জনক?
  1. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  2. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. ন্যানো প্রযুক্তি 
  4. ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্ট
ব্যাখ্যা

- পল বার্গকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ (recombinant DNA) প্রযুক্তির জনক বলা হয়। ১৯৭২ সালে, তিনি প্রথম কৃত্রিমভাবে বিভিন্ন জীবের ডিএনএ অংশগুলিকে একত্রিত করে একটি হাইব্রিড ডিএনএ অণু তৈরি করতে সফল হন, যা আধুনিক জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভিত্তি স্থাপন করে। 

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং: 
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষে নতুন ডিএনএ (DNA) সংযোজন কৌশল। 
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus এর DNA এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন। এই জন্য Paul Berg কে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জনক বলা হয় ৷ 
- বর্তমানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রচেষ্টা অধিকাংশে কৃষির উপর জোরদার করা হয়েছে। 
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিকূল আবহাওয়ায় পোকা, রোগ, ছত্রাক ইত্যাদি প্রতিরোধী উদ্ভিদ জন্মাতে পারে। 

অন্যদিকে, 
- ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্টের জনক হলেন- Alec Jeffreys । 
- ন্যানো প্রযুক্তির জনক হলেন- Richard Feynman । 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন- John McCarthy । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৬.
নিচের কোনটি ওপেন সোর্স DBMS নয়?
  1. Altibase
  2. SQLite
  3. OCR
  4. Cubrid
ব্যাখ্যা
• OCR ওপেন সোর্স DBMS নয়, এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।

• DBMS:

- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৪৭.
কোন নেটওয়ার্কের বিস্তার সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে?
  1. LAN
  2. WAN
  3. PAN
  4. MAN
ব্যাখ্যা

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) এর বিস্তার সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network - PAN):

- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে PAN বলা হয়।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ একটি ধরনের PAN।

উৎস:
1. এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৪৮.
বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. মাইক্রোসফট
  2. ইনটেল কর্পোরেশন
  3. ওরাকল কর্পোরেশন
  4. অ্যাপল কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
• ইনটেল কর্পোরেশন:
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- Intel - 4004 হলো ইনটেল তৈরিকৃত এবং বানিজ্যিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।
- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৪৯.
ফ্যাক্স যন্ত্রটিকে কী হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
  1. ক) টেলিফোন
  2. খ) কপিয়ার
  3. গ) রেকর্ডার
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স:
- বর্তমানকালে সংবাদ আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ফ্যাক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
- ফ্যাক্স একটি সংক্ষিপ্ত ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দ হল ফ্যাক্সিমিল। 
- এটি এমন একটি যন্ত্র যা দ্বারা লিখিত বক্তব্য একস্থান হতে অন্যস্থানে পৌঁছানো যায়।
- প্রেরিত সংবাদ বা লিখিত বক্তব্য যন্ত্রে স্থাপন করলে তা ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিচ্ছবিতে পরিণত হয় এবং প্রচার যন্ত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে যায়।
- গ্রাহক যন্ত্র এ সংবাদ বা বক্তব্য পূর্ববৎ করে প্রিন্টারের সাহায্যে অবিকলভাবে প্রকাশ করে।
- ফ্যাক্স যন্ত্রের ক্ষেত্রে মাইক্রোওয়েভ ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সংবাদ আদান প্রদান করা হয়।
- এ মেশিনে সংবাদ আদান প্রদানের দ্রুততা কম-বেশি করা সম্ভব।
- প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে এর দক্ষতা ও দ্রুততা বাড়ছে।
- এ যন্ত্রটিকে টেলিফোন, কপিয়ার, রেকর্ডার ইত্যাদি হিসেবেও ব্যবহার করা যায়

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
২৫০.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট?
  1. ক) অর গেইট
  2. খ) নট গেইট
  3. গ) নর গেইট
  4. ঘ) বাফার গেইট
ব্যাখ্যা
সার্বজনীন গেইট
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- ন্যান্ড গেইট এবং নর গেইটকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

ন্যান্ড গেইট
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২৫১.
B2C বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) Business to customer
  2. খ) Business to client
  3. গ) Business to commerce
  4. ঘ) Business to consumer
ব্যাখ্যা

ব্যবসায় হতে ক্রেতা:
ই-কমার্সের ব্যবসায় হতে ক্রেতা বা Business to Consumer or B2C মডেল হচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ের মতো যেখানে ব্যবসায়ীরা সরাসরি ভোক্তার নিকট পণ্য বা তথ্যাদি বিক্রয় করেন।
যে কোনো ব্যক্তি বা ক্রেতা ব্যবসায়ীর বা সরবরাহকারীর ওয়েবসাইট ব্যবহার করে কোনো মধ্যস্থকারবারী ছাড়াই সরাসরি পণ্য বা সেবা ক্রয় করতে পারে।
যেমন: amazon.com

২৫২.
বাইনারি সংখ্যা 10001 এর দশমিক মান কত?
  1. ক) 14
  2. খ) 14
  3. গ) 16
  4. ঘ) 17
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা 10001 এর দশমিক মান 17.
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
- যেমন: 10001 এর ক্ষেত্রে,
(1 Χ 24)+(0 Χ 23)+(0 Χ 22)+(0 Χ 21)+(1 Χ 20)
= 16+0+0+0+1
=17

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৫৩.
নিচের কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রামের উদাহরণ?
  1. ক) Database Management System
  2. খ) Word Processing Software
  3. গ) Disk Defragmenter
  4. ঘ) Operating System
ব্যাখ্যা
Disk Defragmenter ইউটিলিটি প্রোগ্রামের উদাহরণ।

ইউটিলিটি প্রোগ্রাম (Utility Program):
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।
- Disk Defragmenter, ScanDisk, Drive Converter, Compression, System Monitor ইত্যাদি System Tools-এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়। 

ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার (Disk Defragmenter):
- ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার শুধুমাত্র হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ বা তথ্যসমূহ সাজিয়ে রাখে। ফলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ খুঁজে পায়।
- এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৪.
কম্পিউটার সফটওয়্যার কত ধরণের হয়ে থাকে?
  1. ক) ০২
  2. খ) ০৩
  3. গ) ০৪
  4. ঘ) ০৬
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সফটওয়্যার দুই ধরণের। 
১। সিস্টেম সফটওয়্যার
২। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার 

সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের এমন একটি মূল প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে computer hardware এবং ব্যবহারকারী (user) এর মধ্যে একটি ইন্টারফেস (interface) গঠন করা হয়। 
২৫৫.
WiMax মূলত কী ধরনের প্রযুক্তি?
  1. 2G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি 
  2. 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
  3. 3G মোবাইল প্রযুক্তি
  4. 1G মোবাইল প্রযুক্তি 
ব্যাখ্যা

WiMax মূলত 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।

WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- WiMax হলো 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা কভার করে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে।
- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps।
- এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps।
- এর কভারেজ এরিয়া 10 – 50 কিলোমিটার।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি: বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।

২৫৬.
মৌলিক গেইটের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) NAND Gate
  2. খ) NOR Gate
  3. গ) X-NOR Gate
  4. ঘ) AND Gate
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সকল গেইট সব বিন্দুর মূলে কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলে।
যেমন- OR Gate, AND Gate, NOT Gate
যৌগিক গেইট: দুই বা ততোধিক মৌলিক গেইটের সাহায্যে যে গেইট তৈরি করা হয় তাকে যৌগিক গেইট বলে।
যেমন- AND Gate +NOT Gate = NAND Gate, OR Gate + NOT Gate = NOR Gate।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও ভোকেশনাল

২৫৭.
এমএস ওয়ার্ডে 'Ctrl + C' কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. টেক্সট সিলেক্ট করা
  2. টেক্সট কপি করা
  3. শব্দ খোঁজা
  4. টেক্সট বোল্ড করা
ব্যাখ্যা

এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
- Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
- Ctrl + D কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
- Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
- Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

তথ্যসূত্র - Computer Hope.

২৫৮.
সার্বজনীন গেইট কোনটি? 
  1. নট গেইট
  2. অর গেইট
  3. নর গেইট
  4. অ্যান্ড গেইট
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট: 
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়। 
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে তিনটি মৌলিক গেইট রয়েছে। 
যেমন- 
১। অর গেইট (OR Gate), 
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও 
৩। নট গেইট (NOT Gate). 

সার্বজনীন গেইট: 
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। 
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়; কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৫৯.
Undo করার শর্টকাট কী কোনটি?
  1. Ctrl + Z
  2. Shift + Z
  3. Ctrl + X
  4. Shift + X
ব্যাখ্যা

• Undo করার শর্টকাট হলো Ctrl + Z। কম্পিউটারে কোনো কাজ করার সময় ভুল হলে বা পূর্বের ধাপটি বাতিল করতে চাইলে এই শর্টকাট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একটি টেক্সট লিখে ফেলেন বা কোনো ছবি সরান এবং হঠাৎ মনে হয় এটি ঠিক হয়নি, তখন Ctrl + Z চাপলে সেই কাজটি সাথে সাথে বাতিল হয়ে যাবে। এটি সময় বাঁচায় এবং ব্যবহারকারীকে দ্রুত কাজ সংশোধনের সুযোগ দেয়। অন্যদিকে, Shift + Z, Ctrl + X বা Shift + X Undo করার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো— ক) Ctrl + Z।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
Ctrl + O Open a document.
Ctrl + N Create a new document.
Ctrl + S Save the document.
Ctrl + W Close the document.
Ctrl + C Copy the selected content to the Clipboard.

Ctrl + V Paste the contents of the Clipboard.
Ctrl + B Apply bold formatting to text.
Ctrl + I Apply italic formatting to text.
Ctrl + U Apply underline formatting to text.
Ctrl + Left bracket (1) Decrease the font size by 1 point.
Ctrl + Right bracket (1) - Increase the font size by 1 point.

Ctrl + E Center the text.
Ctrl + L Align the text to the left.
Ctrl + R Align the text to the right.
Esc Cancel a command.
Ctrl + Z Undo the previous action.
Ctrl + Y Redo the previous action, if possible.
Alt + W Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

২৬০.
স্প্রেডশিট প্রোগামে অসংখ্য ঘর বিশিষ্ট ছককে কি বলে?
  1. ক) ওয়ার্ক স্প্রেডশিট
  2. খ) স্প্রেডশিট
  3. গ) ওয়ার্কশিট
  4. ঘ) ক্যাল্কুলেশন শিট
ব্যাখ্যা
• স্প্রেডশিট প্রোগামে অসংখ্য ঘর বিশিষ্ট ছককে ওয়ার্কশিট বলে।
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম।
- এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়।
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে।
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (Row) ও কলাম (Column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের উদাহরণ: Microsoft Excel, Google Workspace, Quip, Apple Numbers, Minitab Statistical Software, LibreOffice, WPS Spreadsheets ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২৬১.
সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং মহাকাশ গবেষণার কাজে কোন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. মাইক্রো কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬২.
সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেট চালু হয় কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে?
  1. Oxford
  2. UCLA
  3. Cambridge
  4. Harvard
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটের ইতিহাস:
- সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেট চালু হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেস (UCLA)-এ, ১৯৬৯ সালে।
- এটি ছিল ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network) নামক প্রকল্পের অংশ, যা মার্কিন সরকারের ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স এর অধীনে গবেষণা উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল।
- ARPANET ছিল ইন্টারনেটের পূর্বসূরি এবং এটি প্রথমবারের মতো কম্পিউটারগুলির মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করার ব্যবস্থা তৈরি করেছিল।
- ১৯৬৯ সালে, UCLA-এ প্রথমবারের মতো দুটি কম্পিউটারের মধ্যে ARPANET ব্যবহার করে ডেটা পাঠানো হয়। এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের ধারণা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে গ্লোবাল কম্পিউটার নেটওয়ার্কে পরিণত হয়।
- ARPANET এর মাধ্যমে প্রথম যোগাযোগটি ছিল একটি সিস্টেমে লগ ইন করার প্রচেষ্টা, যেখানে 'L' এবং 'O' অক্ষর সফলভাবে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সিস্টেম ক্র্যাশ হয়ে গিয়েছিল। তবে এটি ইতিহাসে প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সংযোগ হিসেবে গণ্য হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, ইন্টারনেট সোসাইটি।
২৬৩.
Amazon Web Services (AWS) মূলত কী ধরনের পরিষেবা প্রদান করে?
  1. মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন
  2. ডেস্কটপ সফটওয়্যার
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা
  4. ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা

• Amazon Cloud Platform (Amazon Web Services – AWS):
- Amazon Cloud Platform, যা সাধারণভাবে Amazon Web Services (AWS) নামে পরিচিত, হলো অ্যামাজনের একটি ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা।
- এটি ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস, নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য কম্পিউটিং সুবিধা ব্যবহার করার সুযোগ দেয়।

• AWS এর মূল বৈশিষ্ট্য:
সার্ভার অন ডিমান্ড: ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী ভার্চুয়াল সার্ভার (EC2) চালাতে পারে।
স্টোরেজ সলিউশন: S3, EBS, Glacier-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
ডাটাবেস সেবা: RDS, DynamoDB এর মাধ্যমে ক্লাউডে ডাটাবেস পরিচালনা।
নেটওয়ার্কিং ও নিরাপত্তা: Virtual Private Cloud (VPC), IAM, Security Groups।
স্কেলেবল ও ফ্লেক্সিবল: ব্যবসা বা অ্যাপ্লিকেশন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রিসোর্স সহজে বৃদ্ধি বা হ্রাস করা যায়।
পেমেন্ট মডেল: Pay-as-you-go অর্থাৎ শুধু ব্যবহারের জন্যই খরচ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৬৪.
Hexadecimal সংখ্যা B3C এর Decimal মান কত?
  1. 2876
  2. 2984
  3. 3076
  4. 3176
ব্যাখ্যা

• Hexadecimal সংখ্যা B3C এর Decimal মান হচ্ছে - 2876.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A, B, C, D, E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
B3C = (B × 162) + (3 × 161) + (C × 160)
= (11 × 256) + (3 × 16) + (12 × 1)
= 2816 + 48 + 12
= 2876

২৬৫.
ভার্চুয়াল রিয়ালিটি তৈরিতে বা ব্যবহার করতে কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হয় না?
  1. Microsoft Excel
  2. Unreal Engine
  3. Blender
  4. Google Earth VR
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) তৈরিতে বা ব্যবহারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, যেমন Unreal Engine, Blender, এবং Google Earth VR. Unreal Engine একটি শক্তিশালী গেম ইঞ্জিন যা ৩ডি পরিবেশ ও এনিমেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। Blender একটি ওপেন সোর্স ৩ডি মডেলিং ও অ্যানিমেশন সফটওয়্যার, যা VR কন্টেন্ট ডিজাইনের জন্য উপযোগী। Google Earth VR ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা ভৌগলিক স্থানগুলো ভার্চুয়ালি ঘুরে দেখতে পারেন। তবে Microsoft Excel একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, যা ডাটা বিশ্লেষণ এবং হিসাবরক্ষণে ব্যবহৃত হয়, VR তৈরি বা ব্যবহারের জন্য নয়। তাই ভার্চুয়াল রিয়ালিটি তৈরিতে বা ব্যবহার করতে Microsoft Excel ব্যবহার হয় না।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- Adobe Illustrator হলো একটি পেশাদার গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার, যা ভেক্টর গ্রাফিক্স ডিজাইন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৬৬.
কোন গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়?
  1. নট গেইট
  2. বাফার গেইট
  3. ন্যান্ড গেইট
  4. নর গেইট
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা -
১. অর গেইট (OR Gate), 
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate)। 

• অর গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

• অ্যান্ড গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

• নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- ন্যান্ড গেইট এবং নর গেইটকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

• ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

• নর গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

• বাফার গেইট:
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়।
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে।
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত।
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৬৭.
DOS এবং Windows অপারেটিং সিস্টেমের মূল পার্থক্য কী?
  1. ক) উইন্ডোজ আকারে অনেক বড়
  2. খ) উইন্ডোজ দ্রুত কাজ করে
  3. গ) উইন্ডোজ সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) উইন্ডোজ Graphical User Interface ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
Graphical User Interface Operating System (GUI) হলো চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এই অপারেটিং সিস্টেমে মাউস, কি-বোর্ড ব্যবহার করে কমান্ড প্রয়োগ করা হয়। যেমনঃ Windows 95/98/XP/Vista/7/8/10, MacOS ইত্যাদি। Character User Interface Operating System (CUI) হলো বর্ণ বা কমান্ডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এখানে কি-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কি-বোর্ডের বিভিন্ন কি ব্যবহার করে নির্দেশ প্রদান করা হয়। যেমনঃ MS-DOS, PC-DOS and UNIX ইত্যাদি।
Source: Britannica, magora-systems and elprocus
২৬৮.
FOMA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Future-Oriented Mobile Application
  2. Freedom of Multimedia Access
  3. Fast Optical Media Access
  4. Flexible Online Multimedia Access
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়। এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia Access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

• মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Generation Partnership Project )
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৬৯.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে "মাল্টি-টেন্যান্সি" বলতে কী বুঝায়?
  1. শুধুমাত্র স্থানীয়ভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়
  2. একাধিক ক্লাউড সার্ভিস প্রদান করা
  3. একই ফিজিক্যাল সার্ভারে একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন রান করা
  4. একাধিক অপারেটিং সিস্টেম রান করা
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে "মাল্টি-টেন্যান্সি" বলতে বোঝায় একই ফিজিক্যাল সার্ভারে একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন রান করা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আ্যমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মাইক্রোসফট ও গুগল ২০০৮ সালে এবং আলিবাবা ২০০৯ সালে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান 
২. ব্রিটানিকা।
২৭০.
Polymorphic Virus-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. এটি একসাথে একাধিক ফাইলে আক্রমণ করে
  2. এটি নিজের কোড পরিবর্তন করে অ্যান্টিভাইরাস শনাক্তকরণ এড়ায়
  3. এটি কেবল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়ায়
  4. এটি শুধু .exe ফাইল আক্রমণ করে
ব্যাখ্যা

◉ Polymorphic Virus হলো এক ধরনের উন্নত কম্পিউটার ভাইরাস, যা প্রতিবার নিজেকে কপি করার সময় বা নতুন ফাইলে ছড়িয়ে পড়ার সময় নিজের কোড বা এনক্রিপশন পদ্ধতি পরিবর্তন করে। এর ফলে এটি একই ভাইরাস হলেও প্রতিবার ভিন্ন রূপে উপস্থিত হয়, যার কারণে প্রচলিত সিগনেচার-ভিত্তিক অ্যান্টিভাইরাস সহজে শনাক্ত করতে পারে না।

​Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

Key Characteristics of Polymorphic Malware:
– প্রতিবার execute করার সময় malware নিজের signature বা code pattern পরিবর্তন করে।
– Traditional signature-based antivirus software এটিকে সহজে শনাক্ত করতে পারে না।
– নিজেকে encrypt এবং decrypt করে বিভিন্ন রূপ নিতে পারে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। McAfee ওয়েবসাইট। 

২৭১.
IPv4 এড্রেসগুলো কী ফরম্যাটে লেখা হয়?
  1. শুধু বাইনারি
  2. অক্টাল
  3. হেক্সা
  4. ডটেড ডেসিমেল
ব্যাখ্যা

• IPv4 ঠিকানাগুলি সাধারণত ডটেড ডেসিমেল (dotted decimal) ফরম্যাটে লেখা হয়। এটি ৩২-বিটের ঠিকানাকে চারটি অংশে ভাগ করে, যেখানে প্রতিটি অংশ ৮-বিট বা ১ বাইটের সমান। প্রতিটি অংশকে দশমিক সংখ্যা (0 থেকে 255) আকারে প্রকাশ করা হয় এবং অংশগুলির মধ্যে ডট (.) ব্যবহার করে আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, 192.168.1.1 একটি IPv4 ঠিকানা। যদিও কম্পিউটারে এগুলো মূলত বাইনারি আকারে সংরক্ষিত থাকে, ব্যবহারকারীদের জন্য পড়া ও লিখা সহজ করার জন্য ডটেড ডেসিমেল ফরম্যাট ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য ফরম্যাট যেমন অক্টাল বা হেক্সাডেসিমেল খুব কমই ব্যবহার হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ডটেড ডেসিমেল।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation):
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation):
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation):
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭২.
রোগীর রক্তচাপ ও হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য কোন ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. ক) ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. খ) অ্যানালগ কম্পিউটার
  3. গ) হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি।
- তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৭৩.
কোথায় বাণিজ্যিকভাবে প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে?
  1. ক) দক্ষিণ আমেরিকা
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) উত্তর আমেরিকা
  4. ঘ) পূর্ব এশিয়া
ব্যাখ্যা
১৯৮৩ সালে উত্তর আমেরিকায় বাণিজ্যিকভাবে প্রথম প্রজন্ম মোবাইল ফোন চালু করা হয় যার নাম ছিল AMPS. উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭৪.
নিচের কোনটি বিজনেস টু বিজনেস ওয়েবসাইট?
  1. Ebay
  2. Alibaba
  3. Amazon
  4. Walmart
ব্যাখ্যা
বিজনেস-টু বিজনেস (বি 2 বি): এই মডেলে একটি ব্যবসা যখন অন্য ব্যবসায় পণ্য বা পরিষেবা বিক্রয় করে।
আলিবাবা একটি শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল বি 2 বি মার্কেটপ্লেস, যা বিশ্বব্যাপী প্রস্তুতকারক ও বিক্রেতার সাথে তাত্ক্ষণিকভাবে সংযুক্ত করতে সহায়তা করে।
২৭৫.
ক্রায়োসার্জারি কোন ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি?
  1. থার্মাল ভিত্তিক
  2. কোল্ড থেরাপি ভিত্তিক
  3. ফিজিওথেরাপি
  4. ইনফ্রারেড রশ্মি নির্ভর চিকিৎসা
ব্যাখ্যা
ক্রায়োসার্জারি একধরনের কোল্ড থেরাপি ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি।

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭৬.
Claude AI model is developed by —
  1. OpenAI
  2. Google DeepMind
  3. Anthropic
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• Claude AI মডেলটি Anthropic কোম্পানি দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।

• মাল্টিমোেডাল AI মডেল:

-মাল্টিমোডাল মডেল হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। মানুষের মস্তিষ্ক যেমন একই সঙ্গে শোনা, দেখা এবং স্পর্শ করার মাধ্যমে চারপাশের জগতকে বুঝতে পারে, এই মডেলগুলিও ঠিক তেমনই বিভিন্ন ধরনের ডেটা (যাকে "মোডালিটি" বলা হয়) একসাথে প্রক্রিয়া করতে পারে।
মাল্টিমোডাল AI (Multimodal AI) হলো এমন ML মডেল যা একাধিক মোডালিটি (Types of Data) থেকে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং একীভূত (Integrate) করতে পারে।
-মোডালিটি বলতে তথ্যের বিভিন্ন রূপকে বোঝায়, যেমন- টেক্সট (Text), ছবি (Images), অডিও (Audio), ভিডিও (Video), কোড (Code), সেন্সর ডেটা (Sensor Data) I

• বিখ্যাত মাল্টিমোডাল AI মডেলসমূহ:
- Gemini, Claude, GPT- 4, DALL-E 3, Sora, ViT (Vision Transformer), ImageBind, Flamingo ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
- OpenAI কর্তৃক উদ্ভাবিত মডেল: ChatGPT, DALL-E.
- Anthropic কর্তৃক উদ্ভাবিত মডেল: Claude.
- Google (Google DeepMind) কর্তৃক উদ্ভাবিত মডেল: Gemini.
- Microsoft কর্তৃক উদ্ভাবিত মডেল: Microsoft Copilot 
- xAI কর্তৃক উদ্ভাবিত মডেল: Grok.
- Meta কর্তৃক উদ্ভাবিত মডেল: Llama.

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৭৭.
‘গ্লোবাল ভিলেজ’ ধারণাটি প্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. বিল গেটস
  3. টিম বার্নার্স-লি
  4. স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা

• গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি প্রথম প্রবর্তন করেন কানাডিয়ান যোগাযোগ তত্ত্ববিদ মার্শাল ম্যাকলুহান।

• গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village):
- গ্লোবাল ভিলেজ হলো এমন একটি ধারণা যেখানে আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান দ্রুত সংযুক্ত হয়ে একটি ছোট গ্রামের মতো হয়ে যায়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে পৃথিবীর এক প্রান্তের মানুষ অন্য প্রান্তের মানুষের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারে।
- এর ফলে বিশ্বব্যাপী তথ্য আদান-প্রদান সহজ ও দ্রুত হয়েছে।

• গ্লোবাল ভিলেজ ধারণার উদ্ভব:
- গ্লোবাল ভিলেজ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কানাডিয়ান যোগাযোগ তত্ত্ববিদ মার্শাল ম্যাকলুহান।
- তিনি ১৯৬০-এর দশকে গণমাধ্যম ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব বোঝাতে এই ধারণা উপস্থাপন করেন।

• গ্লোবাল ভিলেজ বাস্তবায়নে প্রযুক্তি:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে।
- ইন্টারনেট, মোবাইল যোগাযোগ, স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এই ধারণাকে শক্তিশালী করেছে।

• গ্লোবাল ভিলেজের প্রভাব:
- বিশ্বব্যাপী দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে।
- সংস্কৃতি, জ্ঞান এবং শিক্ষার আদান-প্রদান সহজ হয়েছে।

• অন্যান্য অপশন:
- বিল গেটস → মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটার সফটওয়্যার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- টিম বার্নার্স-লি → World Wide Web (WWW) উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত।
- স্টিভ জবস → অ্যাপল প্রতিষ্ঠাতা এবং আধুনিক স্মার্টফোন ও পার্সোনাল কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Encyclopaedia Britannica (Global Village, Marshall McLuhan).

২৭৮.
প্রেজেন্টেশন ফাইলের এক একটি পৃষ্ঠাকে কী বলা হয়?
  1. ডকুমেন্ট
  2. স্লাইড
  3. প্রেজেন্টেশন
  4. কুয়েরি
ব্যাখ্যা
প্রেজেন্টেশন:
- সাধারণত প্রেজেন্টেশন বলতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কোন বিষয়কে দর্শকদের সামনে প্রদর্শন করাকে বুঝায়।
- প্রযুক্তিগত ভাষায় প্রেজেন্টেশন বলতে পাওয়ারপয়েন্টের ফাইলকে বুঝায়।
- পাওয়ারপয়েন্টের এক একটি অংশ বা খন্ডের নাম স্লাইড।
- একটি প্রেজেন্টেশনে এক বা একাধিক স্লাইড থাকতে পারে। যেমন MS-Word এর ফাইলে থাকে এক বা একাধিক পৃষ্ঠা।
- কোন প্রেজেন্টেশনে কয়টি স্লাইড আছে তা জানা যায় Window এর স্ট্যাটাস বারে লক্ষ্য করলে। যেমন Slide 3 of 10 থাকলে বুঝা যায় চলমান প্রেজেন্টেশনে আছে দশটি স্লাইড এবং চলমান (Active) স্লাইড তিন নাম্বার স্লাইড।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৯.
Storage device that uses laser technology of reading digitized (binary) data is known as -
  1. ক) CD-ROM
  2. খ) Hard disk
  3. গ) SSD
  4. ঘ) Modem
ব্যাখ্যা
- সিডি-রমে ডিজিটাল ডাটা রিড করার জন্য লেজার বিম প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory )। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

CD-ROM, abbreviation of compact disc read-only memory, type of computer memory in the form of a compact disc that is read by optical means.
A CD-ROM drive uses a low-power laser beam to read digitized (binary) data that has been encoded in the form of tiny pits on an optical disk. The drive then feeds the data to a computer for processing.

উৎস : ব্রিটানিকা, মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট; মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮০.
নিচের কোনটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস নয়?
  1. ভিয়েনা
  2. এভিজি
  3. নরটন
  4. অ্যাভাস্ট
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে। 
- যেমন: এভিজি, এভিরা, অ্যাভাস্ট, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে
থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
-সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের
ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮১.
MS Excel একটি -
  1. Antivirus
  2. Programming Language
  3. Web Browser
  4. Application Software
ব্যাখ্যা

Ms Excel, MS Powerpoint, MS Word ইত্যাদি Application Software।
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বলে।

Application Software দুই প্রকার।যথা:

- ব্যবহারকারী নিজের এক বা একাধিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে নিয়ে যে এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম তৈরি করে থাকে তাকে কাস্টমাইজড ব্যবহারকারীর লিখিত প্রোগ্রাম বলে।

- বিভিন্ন ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরী করা যেসব প্রোগ্রাম বাজারে কিনতে পাওয়া যায় তাকে প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে । যেমন MS Office, Internet Explorer, Photoshop etc।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২৮২.
BCD 1000 1000 কোন দশমিক সংখ্যার সমতুল্য?
  1. 81
  2. 88
  3. 86
  4. 83
ব্যাখ্যা

• BCD বা Binary-Coded Decimal হলো একটি সংখ্যা প্রকাশের পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা আলাদা ৪-বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, 0 থেকে 9 পর্যন্ত প্রতিটি সংখ্যা ৪-বিটের বাইনারি আকারে লেখা হয়। এখন প্রশ্নে দেওয়া BCD হলো 1000 1000। BCD 1000 1000 দশমিক সংখ্যা 88 প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) 88

• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
8 এর বিসিডি 1000
∴ BCD 1000 1000 হচ্ছে 88 দশমিক সংখ্যার সমতুল্য। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮৩.
কোন ই-কমার্স সাইটটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক?
  1. Flipkart
  2. Rokomari
  3. Amazon
  4. Alibaba
ব্যাখ্যা

• প্রশ্নে দেওয়া ই-কমার্স সাইটগুলোর মধ্যে Amazon হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। শুরুতে এটি অনলাইন বই বিক্রির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স ও প্রযুক্তি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে Flipkart ভারতের, Rokomari বাংলাদেশের এবং Alibaba চীনের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Amazon.

• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স।
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- Amazon যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।

• সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B),
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C),
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B),
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C) ও
৫. এম-কমার্স (M-commerce).

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট।
- Rokomari - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।
- Alibaba চীনভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২৮৪.
কোন নাম্বার ডায়াল করার মাধ্যমে কোনো মোবাইলের IMEI নাম্বার জানা সম্ভব?
  1. *#06#
  2. *#08#
  3. *#04#
  4. *#05#
ব্যাখ্যা
• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৮৫.
টেলিপ্রিন্টার একটি-
  1. ক) গ্রহণমুখ যন্ত্র
  2. খ) নির্গমনমুখ যন্ত্র
  3. গ) টাইপরাইটার
  4. ঘ) টারমিনাল
ব্যাখ্যা
- টেলিপ্রিন্টার হলো এক ধরণের টাইপ রাইটার। 
- এটি টেক্সট বার্তা পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- টেলিপ্রিন্টারের কীবোর্ড থেকে টেক্সট লিখার পর  বার্তা হিসেবে টেলিফোন ক্যাবল বা রেডিও রিলে সিস্টেমের মাধ্যমে পাঠানো হয়।

উৎস : ব্রিটানিকা
২৮৬.
নিচের কোনটি ডোমেইন নাম নির্দেশ করে?
  1. user.id
  2. gmail.com
  3. @user id
  4. .edu@
ব্যাখ্যা
gmail.com ডোমেইন নাম নির্দেশ করে।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৭.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে পেতে কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  2. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  3. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  4. রিলেশনাল ডাটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৮.
১৯৩৭ সালে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন কে?
  1. অ্যালান টুরিং
  2. জন ভন নিউম্যান
  3. হাওয়ার্ড আইকেন
  4. মুলার
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
Which of the following is an example of secondary memory?
  1. ক) Floppy disk
  2. খ) CD-ROM
  3. গ) Hard disk
  4. ঘ) All of them
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে অধিক পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে বলা সেকেন্ডারি মেমরি।

সেকেন্ডারি মেমরির উদাহরণ হলো :
- ফ্লপি ডিস্ক,
- হার্ডডিস্ক,
- অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম,
- সিডি-রম,
- বাবল মেমরি,
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
২৯০.
পামটপ কম্পিউটার নিচের কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মিনি কম্পিউটার
  2. খ) মিনিফ্রেইম কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রো কম্পিউটার হচ্ছে ছোট আকারের কম্পিউটার।
আমরা হর হামেশা যে কম্পিউটার ব্যবহার করছি, সেগুলোকে মাইক্রো কম্পিউটার বলে।
ডেস্কটপ কম্পিউটার, লেপটপ কম্পিউটার, পামটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার হলো মাইক্রো কম্পিউটার।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২৯১.
নিচের কোনটিতে সিমপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়?
  1. ওয়াকি টকি
  2. ফ্যাক্স
  3. টেলিভিশন
  4. টেলিফোন
ব্যাখ্যা
•  টেলিভিশনে Simplex পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়।
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex)
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full - Duplex).

• সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
যেমন- ওয়াকি টকি, এস.এম.এস, ফ্যাক্স

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেমন: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯২.
কোন কোম্পানি ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং শুরু করে?
  1. গুগল
  2. মাইক্রোসফট
  3. আমাজন ওয়েব সার্ভিস
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা

আমাজন ওয়েব সার্ভিস ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৯৩.
কোবট (Cobot) কী?
  1. কমপ্যাক্ট রোবট
  2. কলাবোরেটিভ রোবট
  3. কন্ট্রোল-বক্স রোবট
  4. ক্লাউড-বেজড রোবট
ব্যাখ্যা

"Cobot" শব্দটি Collaborative Robot এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি এমন একধরনের রোবট যা মানুষের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থায় সহায়তা করে।
- এটি মানুষের সাথে সহযোগিতা করে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে, যেমন উৎপাদন, অ্যাসেম্বলি এবং অন্যান্য শিল্প কার্যক্রম। কোবটগুলি সাধারণত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যযুক্ত হয়, যাতে তারা মানুষের সাথে সরাসরি ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে এবং দুর্ঘটনা এড়াতে পারে।

রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। Northwestern website. [লিংক] 

২৯৪.
Which shortcut key is used to center the selected text?
  1. Ctrl + L
  2. Ctrl + R
  3. Ctrl + E
  4. Ctrl + B
ব্যাখ্যা

• Ctrl + E শর্টকাট কী ব্যবহার করে নির্বাচিত টেক্সট Center alignment করা যায়।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড (Keyboard Shortcuts):
- Ctrl+E → Center the text,
- Ctrl+L → Align the text to the left,
- Ctrl+R → Align the text to the right,
- Ctrl+Z → Undo the previous action,
- Ctrl+Y → Redo the previous action, if possible,
- Alt+W → Adjust the zoom magnification,
- Ctrl+O → Open a document,
- Ctrl+N → Create a new document,
- Ctrl+S → Save the document,
- Ctrl+W → Close the document,
- Ctrl+C → Copy the selected content to the Clipboard,
- Ctrl+V → Paste the contents of the Clipboard,
- Ctrl+B → Apply bold formatting to text,
- Ctrl+I → Apply italic formatting to text,
- Ctrl+U → Apply underline formatting to text,
- Ctrl + Left bracket ([) → Decrease the font size by 1 point,
- Ctrl + Right bracket (]) → Increase the font size by 1 point,
- Esc → Cancel a command.

• অন্যান্য অপশন:
- Ctrl+L → নির্বাচিত টেক্সটকে বাম পাশে সারিবদ্ধ করে।
- Ctrl+R → নির্বাচিত টেক্সটকে ডান পাশে সারিবদ্ধ করে।
- Ctrl+B → নির্বাচিত টেক্সটে Bold formatting প্রয়োগ করে।

উৎস: মাইক্রোসফট।

২৯৫.
নিচের কোনটি অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ESET
  2. Oracle
  3. McAfee
  4. Kaspersky
ব্যাখ্যা

◉ McAfee, Kaspersky, ESET সবগুলোই বিখ্যাত অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার। Oracle একটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) ও ক্লাউড সেবা প্রদানকারী কোম্পানি। 

Anti-virus সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।

কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
• Symantec,
McAfee,
• AVG Anti-Virus,
• AVIRA,
• AVAST Anti-Virus,
• TREND micro,
ESET,
Kaspersky Anti-Virus,
• Microsoft Security Essentials,
• ZoneAlarm Anti-Virus,
• Cobra Anti-Virus,
• Bitdefender,
• Norton Anti-Virus,
• Panda Anti-Virus,
• PC Tools Anti-Virus, etc.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

২৯৬.
নিচের কোনটি 'PDF' এর পূর্ণরূপ?
  1. ক) Portable Document Format
  2. খ) Portable Device Format
  3. গ) Portable Document Formula
  4. ঘ) Program Document Format
ব্যাখ্যা
- পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট (Portable Document Format) যা সংক্ষেপে পিডিএফ (PDF) নামে পরিচিত।
- একটি মুক্ত ফাইল ফরম্যাট যা অ্যাডোবি সিস্‌টেম ১৯৯৩ সালে সৃষ্টি করে।
- এটি দ্বি-মাত্রিক ডকুমেন্ট উপস্থাপনে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:- www.adobe.com
২৯৭.
সুপার কম্পিউটারের প্রসেসিং এর গতি পরিমাপক কোনটি? 
  1. MIPS
  2. FLOPS
  3. GHz
  4. BPS
ব্যাখ্যা

◉ FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
MIPS (মিলিয়ন ইন্সট্রাকশনস পার সেকেন্ড): সাধারণ কম্পিউটার এবং এম্বেডেড সিস্টেমের পারফরম্যান্স পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
GHz (গিগাহার্টজ): প্রসেসরের ক্লক স্পিড বা ঘড়ির গতি পরিমাপ করে। 
BPS (বিটস পার সেকেন্ড): ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড পরিমাপের একক। 

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

২৯৮.
কোন মেমরী থেকে প্রোগ্রাম শুধু পড়া যায়; মুছা বা নতুন করে প্রোগ্রাম ঢুকানো যায় না?
  1. Dynamic RAM
  2. Static RAM
  3. Magnetic Disk
  4. PROM
ব্যাখ্যা
Read Only Memory (ROM) থেকে তথ্য/প্রোগ্রাম মুছা যায় না।
প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে শুধু PROM এক প্রকারের রম।
সুতরাং, সঠিক উত্তর - PROM।

সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
২৯৯.
'ইন্টারনেট' কোন শিল্প বিপ্লবের আবিষ্কার?
  1. ১ম শিল্প বিপ্লব
  2. ২য় শিল্প বিপ্লব
  3. ৩য় শিল্প বিপ্লব
  4. ৪র্থ শিল্প বিপ্লব
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব:
- বর্তমান বিশ্ব টিকে আছে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ওপর।
- বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে শিল্পবিপ্লবের ফলে।
- এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট তিনটি শিল্পবিপ্লব ঘটেছে।

⇒ ১ম শিল্প বিপ্লব:
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।

⇒ ২য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৮৭০ সাল।
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়।
- এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়।
- এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন এর মান বৃদ্ধি পায়।
- বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

⇒ ৩য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট।
- শুরু হয় ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব।
- তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহজ ও দ্রুত বিনিময় শুরু হলে সারা বিশ্বের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
- ম্যানুয়াল জগৎ ছেড়ে যাত্রা শুরু হয় ভার্চুয়াল জগতের।

⇒ ৪র্থ শিল্প বিপ্লব:
- প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বিপ্লবকেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
- যেখানে মানুষের আয়ত্তে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইন্টারনেট অব থিংস বা যন্ত্রের ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণ রূপেই মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

উৎস: Britannica.
৩০০.
2 কিলোবাইট মেমোরি address করার জন্য কতটি address লাইন দরকার?
  1. 10
  2. 11
  3. 12
  4. 14
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, 
- অ্যাড্রেস বাসে যদি n সংখ্যক লাইন থাকে, তাহলে লাইন দিয়ে ২n টি অ্যাড্রেস থেকে ডেটা পড়া ও লেখা যায়। 

১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট = ২১০ বাইট 
∴ ২ কিলোবাইট = ২ × ২১০ = ২১১ বাইট । 

অর্থাৎ, ২ কিলোবাইট মেমোরি address করার জন্য ১১ টি address লাইন দরকার।