বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ২৯ / ১৩১ · ২,৮০১২,৯০০ / ১৩,০৮৮

২,৮০১.
প্রথম চিত্রভিত্তিক ইন্টারফেস হিসেবে কোন অপারেটিং সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গরুপে বাজারে আসে?
  1. ক) Windows 98
  2. খ) Windows 95
  3. গ) Windows XP
  4. ঘ) Windows NT
ব্যাখ্যা

১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফট Windows 95 পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বাজারে ছাড়ে।

- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়ার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে ইন্টারফেস (interface) হিসেবে কাজ করে।
- Operating System পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে পরিচালনা করে অর্থাৎ operate করে।
- অপারেটিং সিস্টেম কি কম্পিউটারের আত্মা বলা হয় ইংরেজিতে soul of the computer system বলা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

২,৮০২.
যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে বলা হয়-
  1. SDD
  2. HDD
  3. SCSSI
  4. SATAA
ব্যাখ্যা
• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
- অন্যান্য ডিস্কের তুলনায় হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুতগতিতে কার্যাবলি সম্পাদন করে।
- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - ২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২,৮০৩.
MAC কোনটির সংক্ষিপ্তরূপ?
  1. ক) Massively Accelerated Computer
  2. খ) Mainframe Aesthetic Computer
  3. গ) Microsoft’s Anti-Computer
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

Mac OS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System, ১৯৮০ সালে অ্যাপল কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য Mac OS তৈরি করেন।
যেকোনো ব্যবহারকারী এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন। কারণ এটি চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম। এ ধরণের অপারেটিং সিস্টেমে সহজে একাধিক প্রোগ্রাম একই সাথে রান করা যায়। আবার পরিচালনা পদ্ধতি খুব সহজ এবং গ্রাফিক্স ও রঙের ব্যবহার অত্যন্ত চমৎকার।

২,৮০৪.
গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টারের নাম কী?
  1. Google Tower
  2. Alphabet HQ
  3. Googleplex
  4. Silicon Valley Office
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৮০৫.
কোন প্রটোকলটি ভিন্ন ভিন্ন হোস্টের মধ্যে ই-মেইল সুবিধা প্রদান করে?
  1. SMTP
  2. FTP
  3. TELNET
  4. PDP
ব্যাখ্যা
• SMTP প্রটোকলটি ভিন্ন ভিন্ন হোস্টের মধ্যে ই-মেইল সুবিধা প্রদান করে।

• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮০৬.
প্রোগ্রামিং ভাষার উপর নির্ভর করে, ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটরগুলিকে কয়টি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ভাষার উপর নির্ভর করে, ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটরগুলিকে তিনটি প্রধান বিভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা-
১. কম্পাইলার:
- যে প্রোগ্রামগুলি কোনো হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা হয় তাদের একসাথে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরিত করার জন্য কম্পাইলার ব্যবহার করা হয়।
- সিস্টেম প্রোগ্রাম হিসাবে, কম্পাইলার সোর্স কোর্ডে (ব্যবহারকারী-লিখিত প্রোগ্রাম) লেখা প্রোগ্রামকে অবজেক্ট কোডে (বাইনারি ফর্ম) অনুবাদ করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরিত না করে সোর্স কোর্ডটির একটি করে লাইন বিশ্লেষণ করে এবং কার্যকর করে।
- ইন্টারপ্রেটারের সুবিধা হলো এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে কোনো প্রোগ্রাম সম্পাদন করতে পারে।
- কম্পাইলার কোনো প্রোগ্রামকে সম্পাদন করার আগে পুরো সোর্স কোডটিকে পড়ে নেয় ফলে ইন্টারপ্রেটারের তুলনায় প্রোগ্রাম সম্পাদন করতে এর সময় বেশি লাগে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- সমস্ত ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের তুলনায় অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ অনেকটাই মেশিন কোডের নিকটবর্তী।
- অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত মেশিন কোডের প্রতীকী উপস্থাপনা।
- অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামটি মেশিন কোডে অনুবাদ করার জন্য একটি পৃথক প্রোগ্রাম আবশ্যক যাকে অ্যাসেম্বলার বলে। 

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮০৭.
UNIX অপারেটিং সিস্টেম কোন ধরনের?
  1. GUI ভিত্তিক
  2. Command Line ভিত্তিক
  3. Object Oriented
  4. Network Based
ব্যাখ্যা

• UNIX হলো একটি শক্তিশালী Command Line Interface (CLI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

- এটি মূলত টার্মিনাল বা শেল (Shell) ব্যবহার করে কমান্ড ইনপুটের মাধ্যমে কাজ করে।

• মূল বৈশিষ্ট্য:
- Command Line Operation: গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের পরিবর্তে ব্যবহারকারী কমান্ড টাইপ করে কাজ করে।
- Multiuser এবং Multitasking: একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালানো যায়।
- Portable: বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে সহজে ইনস্টল করা যায়।
- File System: ফাইল ও ডিরেক্টরির নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত শক্তিশালী।
- Network Support: TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে নেটওয়ার্কিং সহজ।

- UNIX নেটওয়ার্কিং সাপোর্ট করে, কিন্তু এটি network operating system নয়।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- Geeksforgeeks. [লিংক] 

২,৮০৮.
(২৩)১০ কে বাইনারীতে রূপান্তর করলে নিচের কোনটি হবে?
  1. ক) (১০১১১)
  2. খ) (১০০১১)
  3. গ) (১১০১১)
  4. ঘ) (১১১০০)
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২,৮০৯.
সেবার বিস্তৃতি অনুসারে কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর শ্রেণিবিভাগ নয়?
  1. পাবলিক ক্লাউড 
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. হাইব্রিড ক্লাউড
  4. সিকিউরড ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS).

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

•  ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮১০.
HSPA টেকনোলজি বাস্তবায়ন হয় কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
HSPA (High Speed Packet Access) টেকনোলজি বাস্তবায়ন হয় তৃতীয় প্রজন্মে । এবং W-CDMA টেকনোলজির মাধ্যমে তৃতীয় প্রজন্মের সূচনা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
২,৮১১.
চার্লস ব্যাবেজের 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন'-এর জন্য প্রথম প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম কে লিখেছিলেন?
  1. জন নেপিয়ার
  2. লেডি অ্যাডা লাভলেস
  3. জন ভন নিউম্যান
  4. ব্লেইজ প্যাসকেল
ব্যাখ্যা

• জন নেপিয়ার:
- জন নেপিয়ার (১৫৫০-১৬১৭) ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং জ্যোতির্বিদ, যিনি মূলত লগারিদম (Logarithms) আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- নেপিয়ারের হাড় (Napier's Bones) এটি একটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত গণনা যন্ত্র বা ক্যালকুলেটর, যা গুণ ও ভাগ করার কাজে ব্যবহৃত হতো।

• ব্লেইজ প্যাসকেল:
- ব্লেইজ প্যাসকেল (১৬২৩-১৬৬২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং দার্শনিক।
-  তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন, যা প্যাসকেলাইন (Pascaline) নামে পরিচিত

• লেডি অ্যাডা লাভলেস:
- লেডি অ্যাডা লাভলেস (১৮১৫-১৮৫২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও লেখিকা, যাকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- তিনি চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম লেখেন
- সর্বপ্রথম বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন। 

• জন ভন নিউম্যান:
- জন ভন নিউম্যান (১৯০৩-১৯৫৭) ছিলেন হাঙ্গেরীয়-বংশোদ্ভূত এক অসাধারণ মার্কিন গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং পলিম্যাথ, যাঁকে আধুনিক কম্পিউটিং এবং গেম থিওরির অন্যতম জনক বলা হয়। 
- তিনি 'ভন নিউম্যান আর্কিটেকচার' প্রবর্তন করেন, যা আজও বিশ্বের প্রায় সকল কম্পিউটারের মৌলিক কাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটা এবং প্রোগ্রামকে একই মেমরিতে সংরক্ষণের ধারণা (Stored-program concept) প্রবর্তন করে।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Britannica [Link]

২,৮১২.
নিচের কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার?
  1. উইন্ডোজ
  2. ম্যাক ওএস
  3. ওরাকল
  4. এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপটিমাইজ বা কম্পিউটার এর সাথে সমন্বয় রাখার জন্য যে সফটওয়্যার ডিজাইন করা হয়েছে তাকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলে।
- নিন্মোক্ত ধরনের সফটওয়্যারসমুহ ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
◊ এন্টিভাইরাস,
◊  অনুবাদক সফটওয়্যার, 
◊  ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার,
◊  ব্যাক আপ/ ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যার,
◊  ক্লিপবোর্ড ম্যানেজ সফটওয়্যার,
◊  ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন,
◊  সর্ট মার্জ প্রোগ্রাম,
◊  লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools -এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮১৩.
কোন কী প্রাইমারি হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. নাম
  2. ব্লাড গ্রুপ
  3. ঠিকানা
  4. মোবাইল নম্বর
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি কী বা প্রাথমিক চাবি হলো একটি ডাটাবেস টেবিলের একটি বিশেষ কলাম যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে। এটি এমন একটি তথ্য যা একরকম কোনো রেকর্ডে পুনরাবৃত্তি হতে পারে না এবং কোনো রেকর্ডকে ভিন্ন রেকর্ড থেকে আলাদা করতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, নাম বা ঠিকানা একাধিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই হতে পারে, তাই এগুলো প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার উপযুক্ত নয়। ব্লাড গ্রুপও সাধারণত একাধিক মানুষের মধ্যে একই হতে পারে। মোবাইল নম্বর প্রায়ই ব্যক্তির জন্য অনন্য হয় এবং প্রতিটি রেকর্ডের সাথে একভাবে সম্পর্কিত থাকে, তাই এটি প্রাইমারি কী হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই মোবাইল নম্বর হলো প্রাইমারি কী।

• কী-ফিল্ড:

- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

২,৮১৪.
BIOS-এর পরিবর্তে বর্তমানে যে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে তা হলো -
  1. RAM
  2. USB
  3. UEFI
  4. CMOS
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে BIOS-এর পরিবর্তে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে তা হলো UEFI (Unified Extensible Firmware Interface)। UEFI হল একটি আধুনিক ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস যা BIOS-এর সীমাবদ্ধতা দূর করেছে। এটি দ্রুত বুটিং, বড় স্টোরেজ ডিভাইস সমর্থন এবং উন্নত নিরাপত্তা প্রদান করে। UEFI গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস সমর্থন করে এবং মাউস ব্যবহার করা সম্ভব, যেখানে BIOS সাধারণত কেবল কীবোর্ডে কাজ করতো। এছাড়া, UEFI সিস্টেমে Secure Boot ফিচারের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার বা অবাঞ্ছিত সফটওয়্যারকে বুটিং-এর সময় থেকে প্রতিরোধ করা যায়। তাই আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহৃত হচ্ছে।

​BIOS:
- BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার চালু হলে CPU এটি ব্যবহার করে।
- স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর BIOS, OS এবং peripheral devices-এর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে OS বা অন্য application program-কে ডিভাইসের বিস্তারিত তথ্য (যেমন hardware address) জানতে হয় না।

UEFI:
- একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে BIOS-এর জায়গায় UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
- UEFI বড় স্টোরেজ ড্রাইভ সমর্থন করতে পারে এবং BIOS-এর তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে।
​​
​উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৮১৫.
Notebook LM-এ ‘LM’ বলতে কি বোঝানো হয়েছে?
  1. Language Model
  2. Logic Manager
  3. Linear Mapping
  4. Learning Module
ব্যাখ্যা

• Notebook-এ "LM" বলতে সাধারণত Language Model বোঝায়। 

Artificial intelligence (AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
- এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।
 
Source: Britannica.

২,৮১৬.
কোন ধরনের শেয়ারিং এর মাধ্যমে একই নেটওয়ার্কে থাকা কম্পিউটারগুলো নিজেদের মধ্যে ফাইল শেয়ার করতে পারে?
  1. ক) ইনফরমেশন রিসোর্স শেয়ার
  2. খ) নেটওয়ার্ক রিসোর্স শেয়ার
  3. গ) সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ার
  4. ঘ) হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার: একটি কম্পিউটারের কোনো হার্ডওয়্যার উপাদান একই নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত অন্য কম্পিউটার সমূহে ব্যবহৃত হতে পারে, এটিই হলো হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার। যেমন কোনো নেটওয়ার্কের অধিনস্থ কতগুলো কম্পিউটারে একটি মাত্র প্রিন্টার ব্যবহার করেই প্রিন্ট করার কাজটি করা যায়।

সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ার: প্রত্যেক কম্পিউটারের জন্য আলাদা আলাদাভাবে সফটওয়্যার না কিনে, একটি কপি কিনেই তা নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত সকল কম্পিউটারে শেয়ার করা যায়।

ইনফরমেশন রিসোর্স শেয়ার: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক স্থাপনের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে ঐ নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত অন্য কম্পিউটারের কোনো ফাইল বা ইনফরমেশন অ্যাকসেস করা যায়। অর্থাৎ একটি স্থানে তথ্য সঞ্চয় করে ঐ স্থান থেকে তথ্য শেয়ার করা যায়। যেমন ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে মূল সার্ভারে রক্ষিত ডেটাবেজ থেকে ফাইল ঐ নেটওয়ার্কের অধিনস্থ বিভিন্ন কম্পিউটারে শেয়ার করা যায়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
২,৮১৭.
Which of the following is a spreadsheet software?
  1. FoxPro
  2. Quattro Pro
  3. Informix
  4. dBase
ব্যাখ্যা
Quattro Pro is a spreadsheet software.

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮১৮.
BIOS-এর প্রধান কাজ কোনটি?
  1. ফাইল প্রিন্ট করা
  2. কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করা
  3. সফটওয়্যার ইনস্টল করা
  4. ইন্টারনেট সংযোগ করা
ব্যাখ্যা
BIOS-এর প্রধান কাজ হচ্ছে কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করা।

BIOS:

- BIOS এর পূর্ণ রূপ Basic Input Output System।
- কম্পিউটারের একটি মৌলিক সফটওয়্যার যা কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় প্রথমে কার্যকর হয়। 
- এটি একধরনের চিপ, যেখানে কিছু বিশেষ নির্দেশ বা প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলো পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রস্তুত করে।
-কম্পিউটার চালুর সময় RAM, কীবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভ, ডিসপ্লে ইত্যাদি হার্ডওয়্যারগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করা একে POST (Power On Self Test) বলে। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২,৮১৯.
সর্বপ্রথম বিটকয়েন সম্পর্কে কে ধারণা প্রদান করেন?
  1. ক) Satoshi Nakamoto
  2. খ) Wei Dai
  3. গ) Vitalik Buterin Gavin
  4. ঘ) Brock Pierce
ব্যাখ্যা
১৯৯৮ সালে সর্বপ্রথম Wei Dai, বিটকয়েন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন। 
পরবর্তীকালে, Satoshi Nakamoto, ২০০৯ সালে আবিষ্কার করেন। 

ইলেকট্রনিক মুদ্রা ,যা ধরা বা ছুয়া যায় না, যেমন বিকাশের টাকা। বিট কয়েনকে বলা হয় ’ভর্চুয়াল গুল্ড”।
দেশের প্রচলিত ভার্চুয়াল মুদ্রার সাথে এর প্রার্থক্য হল এর কোন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক নেই।

সূত্র: বিটকয়েন ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
২,৮২০.
নিচের কোনটি ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা সহজ নয়?
  1. Task bar
  2. Notification area
  3. Menu bar
  4. Web browser
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে যা ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা খুব সহজ হয় না। 
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়। 
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser ইত্যাদি। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২,৮২১.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'টুইটার/এক্স' এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ম্যানলো পার্ক
  2. ভার্জিনিয়া
  3. সানফ্রান্সিসকো
  4. মাউন্ট ভিউ
ব্যাখ্যা
♦ টুইটার/এক্স: 
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম 'X'
- টুইটারের বর্তমান সিইও Linda Yaccarino. তিনি ২০২৩ সালের ৫ জুন সিইও'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস:
১. টুইটারের ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
২,৮২২.
দশমিক (Decimal) সংখ্যার বাইনারি রূপান্তরই হলো -
  1. আলফানিউমেরিক কোড
  2. ইউনিকোড
  3. বিসিডি কোড
  4. নিউমেরিক কোড
ব্যাখ্যা
বিসিডি (BCD)) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড দশমিক (Binary Coded Decimal)। দশমিক (Decimal) সংখ্যার বাইনারি রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড। এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যার ০ থেকে ৯ পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়। ৪ বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ ১৬ ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই ১৬টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব। এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।
২,৮২৩.
কোন রিলেশনটির জন্য জাংশন টেবিলের প্রয়োজন হয়?
  1. Many to Many
  2. One to One
  3. One to Many
  4. Many to One
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ রিলেশন:
- ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার প্রয়োজনে ডাটা ফাইলসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে নিতে হয়।
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
• One to One রিলেশন,
• One to Many রিলেশন,
• Many to One রিলেশন,
• Many to Many রিলেশন।

• Many to Many:
- রিলেশন যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিল One to Many রিলেশনের মতো কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮২৪.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত রোবটগুলো কীভাবে তাদের আশেপাশের পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. শুধুমাত্র সোলার পাওয়ারের মাধ্যমে
  2. ডেসিমেল কোডের মাধ্যমে
  3. মাইক্রো কন্ট্রোলের মাধ্যমে
  4. সেন্সর এবং অ্যালগরিদমের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর হবে:
ঘ) সেন্সর এবং অ্যালগরিদমের মাধ্যমে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত রোবটগুলো সেন্সর ব্যবহার করে আশেপাশের পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেই তথ্য বিশ্লেষণ করতে অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। এই দুইয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে রোবট পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন করে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়।
- সেন্সর: আলো, শব্দ, তাপমাত্রা, দূরত্ব, গতি ইত্যাদি শনাক্ত করে।
- অ্যালগরিদম: এই তথ্য বিশ্লেষণ করে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে, তা নির্ধারণ করে।
- তাই, রোবটের বুদ্ধিমত্তা ও পারিপার্শ্বিক প্রতিক্রিয়া উভয়ের মূল চালিকা শক্তি হলো — সেন্সর ও অ্যালগরিদম।

⚪ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।

- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি।
২,৮২৫.
কোন মেনুতে প্রিন্ট কমান্ড থাকে?
  1. ক) File
  2. খ) Edit
  3. গ) View
  4. ঘ) Insert
ব্যাখ্যা
Menu বারের File মেনুতে প্রিন্ট এর অপশন থাকে। এছাড়া Ctrl+P চেপেও প্রিন্ট কমান্ড দেয়া যায়।
২,৮২৬.
আণবিক পর্যায়ে পদার্থকে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করার বিদ্যাকে কী বলা হয়?
  1. বায়োইনফরমেট্রিক্স
  2. ন্যানো টেকনোলজি
  3. বায়োমেট্রিক্স
  4. রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন। 

• বায়োইনফরমেটিক্স:
 - বায়োইনফরমেটিক্স জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিষয়।
 - মূলত এই বিষয়টির জন্ম হয়েছে জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়া করে সেগুলো ব্যাখ্যা করার জন্য। 

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।

• রোবটিক্স:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮২৭.
বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে কোনটি ঘটে?
  1. Brown out
  2. Black Out
  3. Transient
  4. Noise
ব্যাখ্যা
• ব্রাউন আউট (Brown out ): 
- অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে সরবরাহ লাইনে ভোল্টেজের পরিমাণ কমে যায়, এই ঘটনাকে ব্রাউন আউট বলা হয়
- কম্পিউটারের ক্ষতি রোধে এসময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিৎ।
- ব্রাউন আউট পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত দুই কারণেই হতে পারে। 

• ঝড়, তুফান, বজ্রপাত ইত্যাদি কারণে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট(Black Out) বলে। 
• বিদ্যুত সরবরাহ লাইন থেকে সৃষ্ট ভোল্টেজ বা বিদ্যুতের বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট(Transient) বলে। 
• পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান, স্পীকারের উচ্চমাত্রার শব্দ বা প্রিন্টারের শব্দকে নয়েজ(Noise) বলে। 

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮২৮.
ডাটা টেবিলে ইমেজ সংযোজনের জন্য কোন ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়?
  1. OLE Object
  2. Memo
  3. Hyperlink
  4. Look up wizard
ব্যাখ্যা
• ডাটা টাইপ:
- ডাটাবেজ ডিজাইন করার সময় ডাটাবেজের ফিল্ডের টাইপ অর্থাৎ ফিল্ডে এন্ট্রিকৃত ডাটার টাইপ বা প্রকৃতি নির্ধারণ করতে হয়।
- ডাটাবেজ ব্যবহারের উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত ফিল্ডের নাম, ডাটা টাইপ, ডাটার ফরমেট ও ফিল্ডের দৈর্ঘ্য।
- ফিল্ডের টাইপ বা ডাটার টাইপ বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।

• বিভিন্ন প্রকার ফিল্ড টাইপ বা ডাটা টাইপ নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
• OLE Object:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Object Linking and Embedding"।
- ফিল্ডের অধীনে টেক্সট, ছবি, গ্রাফ বা সাউণ্ড হিসেবে অন্য কোন প্রোগ্রাম যেমন- এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ফটোসপ ইত্যাদি থেকে অবজেক্ট দিতে হলে OLE Object হিসেবে দিতে হয়।

• Memo:
- Memo "Conditional Data" টাইপ।
- অর্থাৎ এ জাতীয় ফিল্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করে লেখা যায়। সাধারণত মন্তব্য ফিল্ডে এ ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।

• Hyperlink:
- কোন ফিল্ডের অধীনে টেক্সট ও নম্বরের কম্বিনেশন ও অন্যান্য কোন প্রোগ্রামের তথ্যকে লিঙ্ক করে দিতে চাইলে এই ধরনের ফিল্ড টাইপ সিলেক্ট করতে হয়।

• Look up wizard:
- সরাসরি ডাটা এন্ট্রি না করে কোন লিস্ট থেকে পছন্দকৃত ডাটা ইনপুট করার জন্য এ জাতীয় ফিল্ড ব্যবহার করা হয়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮২৯.
ন্যানোসেকেন্ড বলতে কোন সময়কে বুঝায়?
  1. এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ
  2. এক মিনিটের একশত কোটি ভাগের একভাগ
  3. এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের একভাগ
  4. এক মিনিটের দশ কোটি ভাগের একভাগ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩০.
Which of the following best represents a feature of cloud computing?
  1. Fixed resource allocation
  2. On-demand self-service
  3. Physical hardware ownership
  4. Single-user access
  5. Manual backup processes
ব্যাখ্যা

On-demand self-service হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি মূল বৈশিষ্ট্য, যা ব্যবহারকারীদের ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স (যেমন স্টোরেজ, কম্পিউটিং পাওয়ার) অ্যাক্সেস করতে দেয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং একটি প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট এবং কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহার করে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করার সক্ষমতা প্রদান করে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি (NIST) অনুসারে, ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি মডেল, যেখানে ক্রেতারা তাদের তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশনগুলো কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করতে পারে, এবং এতে তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকতে হবে-

১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস):
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্যি প্রস্রন্ট করতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,৮৩১.
মাইক্রো কম্পিউটার অন্য কী নামে পরিচিত? 
  1. মেইনফ্রেম
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. পার্সোনাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ মাইক্রো কম্পিউটার হলো একক ব্যবহারকারীর জন্য তৈরি ছোট আকারের কম্পিউটার, যা সাধারণত পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) নামে পরিচিত।

মাইক্রো কম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার ।

মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA),
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer),
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer) এবং
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer) ইত্যাদি।
- এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৩২.
কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে কী বলে?
  1. বাগ
  2. ডিবাগ
  3. চেঞ্জ
  4. GIGO
ব্যাখ্যা
Bug and Debug:
Bug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি কে বাগ বলে।

Debug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে ডিবাগ বলে।

কম্পিউটারের ভুলের প্রক্রিয়াটিকে Garbage In Garbage Out (GIGO) বলা হয়।
কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২,৮৩৩.
দুটি সিপিইউ-এর আর্কিটেকচার একই, কিন্তু CPU A এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B এর গতি ২.৫ GHz. সাধারণ পরিস্থিতিতে কোনটি দ্রুত?
  1. CPU A
  2. CPU B
  3. উভয়ই সমানভাবে দ্রুত
  4. RAM এর ওপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• CPU-এর গতি বা ক্লক স্পিড (GHz-এ মাপা হয়) নির্দেশ করে CPU কত দ্রুত নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। প্রশ্নে বলা হয়েছে দুটি CPU-এর আর্কিটেকচার একই, তাই নির্দেশনা প্রতি চক্রের সংখ্যা (Instructions Per Cycle, IPC) সমান। CPU A-এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B-এর গতি ২.৫ GHz। যেহেতু CPU A প্রতি সেকেন্ডে বেশি চক্র সম্পন্ন করতে পারে, তাই একই আর্কিটেকচারের ভিত্তিতে CPU A সাধারণ পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজ করবে। যদিও RAM-এর গতি কিছু ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে, সাধারণ প্রসেসিং পারফরম্যান্স নির্ভর মূলত CPU-এর ক্লক স্পিডের উপর। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) CPU A.

• ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel Website.

২,৮৩৪.
Oracle সফটওয়্যার প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. ডাটাবেজে ডেটা ম্যানেজ করার জন্য 
  2. ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য
  3. সঙ্গীত প্লে করার জন্য
  4. ছবি এডিট করার জন্য
ব্যাখ্যা
• Oracle সফটওয়্যার প্রধানত ডাটাবেজে ডেটা ম্যানেজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) যা বড় পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান এবং পরিচালনার কাজ সহজ করে তোলে। Oracle সফটওয়্যার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, সরকারী সংস্থা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ডেটা নিরাপদ ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটার স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং দ্রুত অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে। অন্যদিকে, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, সঙ্গীত প্লে করা বা ছবি এডিট করার জন্য Oracle সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় না। তাই Oracle এর মূল কাজ হলো ডাটাবেজ পরিচালনা।

• ডাটাবেস:
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ডাটা (Data),
২. রেকর্ড (Record),
৩. ফিল্ড (Field) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- ওরাকল,
- ফক্সপ্রো,
- ডিবেজ,
- ফক্সবেইজ,
- প্যারাডক্স,
- ফোর্থ ডাইমেনশন,
- MySQL, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩৫.
হাতের লেখা বর্ণকে পড়তে পারে কোনটি?
  1. ক) ওসিআর
  2. খ) ওএমআর
  3. গ) এমআইসিআর
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ওসিআর (OCR) এর পূর্ণ নাম অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (Optical Character Reader)। 
ওসিআর হাতের লেখা, টাইপ করা লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে।
হাতের লেখা অস্পষ্ট হলে ওসিআর তাও পড়তে পারে। ওসিআর-এর মাধ্যমে লেখা পাঠ করাতে হলে তা বিশেষ ধরনের টাইপফেস বা ফন্ট ব্যবহার করে মুদ্রণ করতে হয়। পূর্ব থেকে বিভিন্ন বর্ণের বৈদ্যুতিক সংকেত ওসিআর–এ রাখা হয়। ফন্টের গঠন অনুযায়ী ওসিআর বৈদ্যুতিক সংকেত সৃষ্টি করে ঐ ধরনের ফন্টসমূহ পড়তে পারে।
 ব্যাংক, ইনসুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওসিআর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২ , ভোকেশনাল
২,৮৩৬.
Who is one of the founders of WhatsApp?
  1. Sundar Pichai
  2. Jan Koum
  3. Mark Zuckerberg
  4. Bill Gates
ব্যাখ্যা

• WhatsApp-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হলেন Jan Koum, যিনি ২০০৯ সালে Brian Acton-এর সঙ্গে এই জনপ্রিয় instant messaging অ্যাপটি প্রতিষ্ঠা করেন।

• WhatsApp:
- WhatsApp হলো একটি ICT-based instant messaging application.
- এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে text message, voice call, video call, image ও file sharing করা যায়।
- এটি মোবাইল ও ইন্টারনেট প্রযুক্তির সমন্বয়ে কাজ করে।
 
• WhatsApp-এর প্রতিষ্ঠা (Foundation):
- WhatsApp প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা হলেন—
- Jan Koum
- Brian Acton
- প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল সহজ, দ্রুত ও বিজ্ঞাপনমুক্ত ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা।
 
• WhatsApp-এর মালিকানা ও কোম্পানি কাঠামো:
- WhatsApp বর্তমানে Meta Platforms Inc.-এর মালিকানাধীন।
- Meta (পূর্বের Facebook Inc.) ২০১৪ সালে WhatsApp অধিগ্রহণ করে।
- WhatsApp আলাদা কোম্পানি না হয়ে Meta-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোডাক্ট হিসেবে পরিচালিত হয়।
 
• WhatsApp ও ICT-এর প্রয়োগ:
- WhatsApp হলো OTT (Over-The-Top) communication service-এর উদাহরণ।
- এটি Internet, mobile technology ও cloud-based system ব্যবহার করে।
 
• নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য:
- WhatsApp-এ end-to-end encryption ব্যবহার করা হয়।
- এর ফলে বার্তা শুধুমাত্র প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- এটি secure digital communication নিশ্চিত করে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Mark Zuckerberg → Meta Platforms Inc.-এর CEO.
- Bill Gates → Microsoft-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- Sundar Pichai → Google-এর CEO.
 
উৎস: মেটা এবং ব্রিটানিকা।

২,৮৩৭.
ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. সিমপ্লেক্স মোডে কেবল একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়।
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
  3. সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: মাউস।
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: টেলিফোন।
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়।
- প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
- যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
২,৮৩৮.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. Spreadsheets
  2. Language Translators
  3. Word Processor
  4. Database Management System
ব্যাখ্যা
- সফটওয়‍্যারকে দুটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে, সিস্টেম সফটওয়‍্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যারটি ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার সিস্টেম চালাতে সহায়তা করে এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারটি ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী কম্পিউটারের ক্ষমতাগুলিকে সরাসরি কোনও কাজের জন্য নিযুক্ত করে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার আমাদের একটি পরিবেশ তৈরি করে দেয় যেখানে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারকে চালানো যেতে পারে।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩৯.
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মােবাইল ফোনে আবেদন করার সুবিধা - কোনটির উদাহরণ?
  1. ক) ই-সার্ভিস
  2. খ) এম-লার্নিং
  3. গ) ই-গভর্ন্যান্স
  4. ঘ) ই-লার্নিং
ব্যাখ্যা
শিক্ষা ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্সের একটি উদাহরণ হলাে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মােবাইল ফোনে আবেদন করার সুবিধা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, পূর্বে যশাের জেলায় একজন শিক্ষার্থী সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক হলে তাকে অনেকগুলাে কাজ সম্পন্ন করতে হতাে।
এজন্য নিজে অথবা প্রতিনিধিকে সিলেট গিয়ে একবার ভর্তির আবেদনপত্র সংগ্রহ এবং পরে আবার আবেদনপত্র জমা দিতে হতাে। বর্তমানে মােবাইল ফোনেই এই আবেদন করা যায়। ফলে, ভর্তিচ্ছুদের ভর্তির আবেদন ফরম জোগাড় ও জমা দেওয়ায় জন্য শহর থেকে শহরে ঘুরতে হয় না।
উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৪০.
নিচের কোনটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উদাহরণ নয়?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) KAN
  4. ঘ) MAN
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN)
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান (Local Area Network - LAN)
৩। মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ম্যান  (Metropolitan Area Network - MAN)
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়্যান (Wide Area Network - WAN)

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা
প্যান বলে। 
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্যান USB Bus এবং Firewire Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে ।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। 

মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে। WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,৮৪১.
কোনটি বর্ণ সনাক্ত করতে কাজে লাগে?
  1. ক) OMR
  2. খ) OCR
  3. গ) Plotter
  4. ঘ) Image Setter
ব্যাখ্যা
OCR, মুদ্রিত যে কোন লেখা বর্ণ শনাক্তের মাধ্যমে সম্পাদনার জন্য উপযুক্ত লেখায় পরিবর্তিত করতে পারে।
২,৮৪২.
Which Wi-Fi mode allows devices to connect directly without using a router?
  1. Infrastructure Mode
  2. Bridge Mode
  3. Ad-hoc Mode
  4. Client Mode
ব্যাখ্যা
Wi-Fi এর মাধ্যমে Ad-hoc মোড এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ করা যায়।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ডিজিটাল যন্ত্রপাতি (যেমন: ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি) বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়।
- Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.11।
- এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত।
- এর ব্যান্ডউইথ: ১০ Mbps – ৫০ Mbps.
- Ad-hoc Mode এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ সম্ভব।
- এটি LAN-এর তুলনায় সস্তা ও সহজলভ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২,৮৪৩.
নিচের কোনটি একটি এম্বেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত প্রচলিত ইনপুট ডিভাইস?
  1. Motor
  2. Button
  3. Speaker
  4. LED
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেমে ইনপুট ডিভাইস হলো সেইসব যন্ত্রাংশ যেগুলোর মাধ্যমে বাহ্যিক তথ্য বা সংকেত সিস্টেমে প্রবেশ করে।

- Button (বোতাম): এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। বোতামে চাপ দিলে একটি সিগন্যাল তৈরি হয় যা প্রসেসরের কাছে যায়, এবং সে অনুযায়ী কাজ হয়।

- LED, Speaker, Motor: এগুলো আউটপুট ডিভাইস। অর্থাৎ, সিস্টেম থেকে বাহিরে তথ্য বা ক্রিয়া প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৪৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ওয়ার্ম
  2. ভিয়েনা
  3. এভিরা
  4. স্টোন
ব্যাখ্যা
এভিরা একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।
 
অন্যদিকে,
ওয়ার্ম, ভিয়েনা, স্টোন, হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৪৫.
তথ্য সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে ROM কে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

ROM এর পূর্ণরূপ বা সম্পূর্ণ নাম হল “রিড অনলি মেমোরি“।
ইংরেজিতে, “Read Only Memory“. মানে, কম্পিউটারের এই ধরনের মেমোরিতে থাকা information ও data কেবল read করা যেতে পারে। তাছাড়া, নতুন করে কোন ডাটা বা ইনফরমেশন এই মেমোরিতে স্টোর বা জমা করতে পারবেনা।
তথ্য সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে ROM কে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথাঃ MROM, PROM, EPROM, EEPROM, EAPROM

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

২,৮৪৬.
'১১০০০' এর ২ এর পরিপূরক কত?
  1. ১১০০০
  2. ০১০০০
  3. ০১০০১
  4. ০০১১০
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১ এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।

⇒ '১১০০০' এর ১ এর পরিপূরক হবে ০০১১১
⇒ ১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায় ।
⇒ '১১০০০' এর ২ এর পরিপূরক হলো = ০০১১১ + ১ = ০১০০০
২,৮৪৭.
প্রচলিত সংখ্যা 105 এর সমতুল্য বাইনারি মান কোনটি?
  1. ক) 1101001
  2. খ) 1111100
  3. গ) 1011111
  4. ঘ) 0011111
ব্যাখ্যা
প্রচলিত দশমিক সংখ্যাকে বাইনারিতে নিতে হলে ২ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- প্রথমে ভাগফল এবং একটি হাইফেন দিয়ে ভাগশষ লিখতে হয়। এভাবে প্রাপ্ত ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- ভাগফলের স্থানে ০ আসলে ভাগ করা বন্ধ করে ভাগশেশসমূহ নিচ থেকে উপরের দিকে লিখলেই বাইনারিতে রুপান্তরিত হয়।
২,৮৪৮.
মেমোরি এক্সেস টাইম এর হিসেবে কোন মেমোরি সবচেয়ে কম সময় নেয়?
  1. রেজিস্টার
  2. মেইন মেমোরি (RAM)
  3. Magnetic Memory
  4. ম্যাগনেটিক টেপ ইউনিট
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস  সবচেয়ে কম।

- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।

- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।

- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)

২,৮৪৯.
অপারেটিং মোড অনুসারে র‍্যামকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের প্রধান মেমোরির প্রকারভেদ:
- তথ্য সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের নিমিত্তে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিকে দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. RAM (Random Access Memory) ও
২. ROM (Read Only Memory)।

• র‍্যাম (RAM):
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে রিড (পঠন) এবং রাইট (লিখন) দুইটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে র‍্যাম বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
- কম্পিউটারে যতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ চালিত থাকে ততক্ষণ র‍্যাম-এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে র‍্যাম তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- তাই তাকে অস্থায়ী (Volatile) মেমোরি হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণত তথ্যসমূহ পঠন ও পরিবর্তনে র‍্যাম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- অপারেটিং মোড অনুসারে র‍্যামকে দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ডাইনামিক র‍্যাম (Dynamic RAM) ও
২. স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশববিদ্যালয়।
২,৮৫০.
GitHub (গিটহাব) কী?
  1. ক) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  2. খ) উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা
  3. গ) মার্কআপ ভাষা এবং সিএসএস এর সমন্বিত প্রোগ্রাম
  4. ঘ) ডেভেলপারদের সফটওয়্যার তৈরি, সংরক্ষণ ও সরবরাহ করার প্লাটফর্ম।
ব্যাখ্যা
GitHub (গিটহাব)
- গিটহাব হচ্ছে ইন্টারনেট হোস্টিং সেবা।
- এটি একটি ওপেন সোর্স ভার্শন কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এটি ডেভেলপারদের কোড, সফটওয়্যার প্রভৃতি তৈরি, সংরক্ষণ ও  নিরাপদে সরবরাহ করার আদর্শ প্লাটফর্ম।
- এটি ওয়েব-ভিত্তিক গিট রিপজিটরি হোস্টিং সেবা।
- দ্রুত গতির ডাটা ইনটিগ্রিটি এবং ডিস্ট্রিবিউটেড সাপোর্টসহ ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোলই হচ্ছে গিট (git)।
- এটি যা গিট এর ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোল এবং সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট (এসসিএম) এর কার্যকারিতা এবং ফিচার উপস্থাপন করে।
- এটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

উৎস: https://github.com
২,৮৫১.
একটি যোগ করতে যদি কম্পিউটারের ৫০ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগে তবে সেকেন্ডে এটি কতটি যোগ করতে পারবে?
  1. ক) ২ কোটি
  2. খ) ২ লাখ
  3. গ) ২ মিলিয়ন
  4. ঘ) ২০ কোটি
ব্যাখ্যা
১ সেকেন্ড = ১০ ন্যানো সেকেন্ড।
অতএব, সেকেন্ডে যোগ করতে পারবে = ১০/৫০ = ২০০০০০০০ বা ২ কোটি।
২,৮৫২.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার?
  1. ক) ৮১২
  2. খ) ৩২৯
  3. গ) ১০১০
  4. ঘ) ৭১৯
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে -৮ এবং এর ব্যবহৃত অঙ্ক হচ্ছে ০-৭।
২,৮৫৩.
১ মেগাবাইট সমান কত বাইট?
  1. ক) ২১০ বাইট
  2. খ) ২৩০ বাইট
  3. গ) ২২০ বাইট
  4. ঘ) ২২৪ বাইট
ব্যাখ্যা
১ নিবল = ৪ বিট।
১ বাইট = ৮ বিট।
১ কিলোবাইট = ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
১ মেগাবাইট = ২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।
২,৮৫৪.
ওয়াকিটকিতে কোন পদ্ধতিতে Data Transmission হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ ডুপ্লেক্স
  3. ফুল ডুপ্লেক্স
  4. ট্রিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) I

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সুযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
যেমন- ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
যেমন- টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৫৫.
(৮৫০)১০ কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর কর।
  1. (৩৫১)১৬
  2. (৩৪২)১৬
  3. (৩৫২)১৬
  4. (৩২৫)১৬
ব্যাখ্যা
  ভাজক    ভাজ্য  ভাগশেষ   
১৬ ৮৫০    
১৬ ৫৩  ২ সর্বনিম্ন গুরুত্বের অঙ্ক (LSB)
১৬  ↑
১৬ সর্বোচ্চ গুরুত্বের অঙ্ক (MSB)
 
সুতরাং, (৮৫০)১০  = (৩৫২)১৬
২,৮৫৬.
নিচের কোনটি কোনো সংস্থার ওয়েব ঠিকানা হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. HTML
  2. www
  3. URL
  4. http
ব্যাখ্যা

• URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,৮৫৭.
Which of the following is not malware?
  1. Trojan
  2. Rootkit
  3. Firewall
  4. Spyware 
ব্যাখ্যা

Firewall is not malware. 
ফায়ারওয়াল (Firewall) হলো এক ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা একটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত বা ক্ষতিকারক ডেটা প্রবাহ থেকে রক্ষা করে। 

• ম্যালওয়্যার 
- ম্যালওয়্যার হলো এক ধরনের সফটওয়্যার প্রোগ্রাম, যা সাইবার আক্রমণে ব্যবহার করা হয়।
- এটি সাধারণত ভুক্তভোগীর ডিভাইসে ইনস্টল হয়, যখন তারা কোনো ঝুঁকিপূর্ণ লিঙ্ক বা ইমেইলের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

• ম্যালওয়্যারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:

- ভাইরাস, 
- ওয়ার্ম, 
- ট্রোজান, 
- রুটকিট, 
- স্পাইওয়্যার, এবং 
- অ্যাডওয়্যার।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

২,৮৫৮.
The first 4 characters in the SWIFT code refer to -
  1. ক) Country Code
  2. খ) Bank Code
  3. গ) Branch Code
  4. ঘ) Location Code
ব্যাখ্যা
SWIFT codes can be from 8 to 11 characters in length.
It's structured as follows:
- The first four characters identify the particular institution or bank to which the transfer will be made
- The next two characters specify the country
- The following two identify the location - usually the city
- The final three characters are usually numerical and indicate a particular branch or office
- When the final three characters are not included, the transfer goes to the head office or branch.

Source: sumup.co.uk
২,৮৫৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. এভিরা
  3. সিআইএইচ
  4. ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা
• এভিরা হলো একটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬০.
ব্রুট ফোর্স আক্রমণের জন্য কোন ধরনের সিস্টেম সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ?
  1. এনক্রিপশন ব্যবহৃত সিস্টেম
  2. যাদের কোনো অথেনটিকেশন নেই
  3. দীর্ঘ ও জটিল পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম
  4. দুর্বল বা ছোট পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• ব্রুট ফোর্স আক্রমণের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সিস্টেম হলো দুর্বল বা ছোট পাসওয়ার্ডযুক্ত সিস্টেম (ঘ)। কারণ ব্রুট ফোর্স আক্রমণে আক্রমণকারী সম্ভাব্য সব পাসওয়ার্ড একে একে চেষ্টা করে সঠিকটি বের করার চেষ্টা করে। যদি পাসওয়ার্ড ছোট, সহজ বা সাধারণ শব্দভিত্তিক হয়, তাহলে অল্প সময়েই তা ভেঙে ফেলা সম্ভব। বিপরীতে, দীর্ঘ ও জটিল পাসওয়ার্ড ভাঙতে অনেক বেশি সময় ও রিসোর্স লাগে। এনক্রিপশন ব্যবহৃত সিস্টেম তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং যাদের কোনো অথেনটিকেশন নেই, সেখানে ব্রুট ফোর্সের প্রয়োজনই পড়ে না। তাই দুর্বল পাসওয়ার্ডই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করে।

সাইবার অপরাধ: 
- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে। 
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয় আবার কথনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়। 
- সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে। তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা সকলের জন্য অতীব জরুরি। 
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

- নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো- 
১। হ্যাকিং (Hacking): 
- সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তা ব্যবহার করা অথবা তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে হ্যাকিং বলে। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (hcaker) বলে। হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ দুইই হতে পারে। 
- কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের সিকিউরিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হ্যাকার নিয়োগ করেন, এই নিয়োগ প্রাপ্ত হ্যাকারদের কাজকে বৈধ হ্যাকিং বলে। এরা সিস্টেম সিকিউরিটি চেক করে; তবে সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না। যেমন-UNIX সিস্টেম চেক করার জন্য অনেক বৈধ হ্যাকার রয়েছে, এদেরকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বলা হয়। 
- আবার অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (craker) বলে। অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়। ফলে সহজেই ক্ষতি সাধন করতে পারে। এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে। 
- হ্যাকিং অপরাধের প্রবণতা দিনদিন বেড়েই চলেছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়। 
- হ্যাকাররা অন্যের ই-মেইল দেখতে পারে, ওয়েব সার্ভারে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারে অথবা নেটওয়ার্কে ফাইল চুরি করতে পারে। 

২। ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসেও অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ঐ গুলো নিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে তারা সফলও হয় এবং সফল হলে তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে। ঐ চুরি করা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে থাকে। এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ। এই ধরনের সাইবার হামলা ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) নামে পরিচিত। পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কি-গুলোর বিভিন্ন সংমিশ্রণ নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে চেষ্টা করে। এটি ট্রায়াল এবং এরর (trial and error) এর উপর নির্ভর করে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে সঠিকভাবে প্রতিটি বিকল্প খুঁজে সফল না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যায়। 
অর্থাৎ, এই ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাইবার আক্রমণে অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড চুরি করা হয়। 

৩। ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে, এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত। 
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস-এ এন্ড টু এন্ড ডেটা এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ছবি, ভিডিয়ো, ভয়েস কল রেকর্ড, ডকুমেন্ট ইত্যাদি) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়। 
- এনক্রিপশন (Encryption) হলো মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না। এর ফলে অনুমোদনহীনদের কাছে মেসেজ, ডেটা বা তথ্য দুর্বোধ্য হয়ে থাকে। 
- নেটওয়ার্কের পাবলিক পথ দ্বারা যে সকল গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরিত হয় তাদেরকে সাধারণত বিশেষ কোডের মাধ্যমে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, অর্থাৎ ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা বা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। 

৪। ডি ডস আক্রমণ (DDoS-Distributed Denial of Service): 
-  ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস আক্রমণ হলো একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে আক্রমণ করা। 
- DDoS আক্রমণে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবাকে প্রচুর পরিমাণে ট্র্যাফিকের সাথে প্লাবিত করতে ব্যবহৃত হয়, যার ফলে এটি ধীরগতির হয়ে যায় বা ক্রাশ (crash) হয়ে যায়। 
- এর উদ্দেশ্য হলো সিস্টেমটিকে মোহাবিষ্ট করা যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা এটি অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে না পারে। 

৫। সাইবার বুলিং (Cyber bullying): 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোনো কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার বুলিং বা সাইবার সন্ত্রাস বলা হয়। 
- কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, হুমকি প্রদান করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, অনুমতি ব্যতীত কারো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রকাশ করা বা গুজব ছড়ানো, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ ছড়ানো এসব কিছুই সাইবার সন্ত্রাসের অন্তর্ভুক্ত। 
- সাইবার সন্ত্রাসের জন্য মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাবলেট ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওয়েবসাইট, ম্যাসেজ, ই-মেইল ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৮৬১.
কোনটি সঠিক URL?
  1. ক) www.abcd.com\home
  2. খ) www.abcd-com/home
  3. গ) www.abcd.com/home
  4. ঘ) www.abcd-com\home
ব্যাখ্যা
URL
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৮৬২.
What is the full form of OCR?
  1. Optical Character Recognition
  2. Optical Code Reader
  3. Optical Character Recorder
  4. Optical Circuit Reader
ব্যাখ্যা
OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition.

OCR:
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
২,৮৬৩.
0 এর বুলিয়ান পূরক কত?
  1. ক) 0
  2. খ) 1
  3. গ) 10
  4. ঘ) 11
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান পূরক
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় দুটি সম্ভাব্য মান ০ এবং ১ কে একটি অপরটির পূরক বলা হয়।
- পূরককে ‘¯’ অথবা ‘ ’ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ ১ এর পূরক ০ এবং ০ এর পূরক ১।
- উক্ত কথাটিকে গণিতের ভাষায় লেখা হয়, A এর পূরক হলো A′
- অর্থাৎ যদি A এর মান ০ হয় তবে A′ = ১ এবং যদি A এর মান ১ হয় তবে A′ = ০

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,৮৬৪.
LinkedIn এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন
  3. ম্যানিলা
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
• LinkedIn: 
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ৯৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।
- সদর দপ্তর: Sunnyvale, California, United States
- Parent organization: Microsoft Corporation
- CEO: Ryan Roslansky
- Founders: Reid Hoffman, Jean-Luc Vaillant, Eric Ly, Konstantin Guericke, Allen Blue

উৎস: linkedin
২,৮৬৫.
A region of computer memory where frequently accessed data can be stored for rapid access is called-
  1. ক) Plug-in
  2. খ) Token
  3. গ) Cache
  4. ঘ) Cookie
ব্যাখ্যা
ইন্টারনাল মেমোরি বলতে রেজিস্টার এবং ক্যাশ মেমোরিকে বোঝায়। 

রেজিস্টার (Register) :
-মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
-রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে। এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
-মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি। 

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory) :
-এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরি ব্যবস্থা।
-মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
-কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
-এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়।
-এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
-এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে। 

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৮৬৬.
বার্তা আদান-প্রদানের জনপ্রিয় সেবা 'হোয়াটসঅ্যাপ' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০৭
  2. ২০১০
  3. ২০০৯
  4. ২০১২
ব্যাখ্যা
- হোয়াটসঅ্যাপ এর প্রতিষ্ঠাতা জ্যান কওম (Jan Koum) ও ব্রায়ান অ্যাকশন (Brian Acton)
- হোয়াটসঅ্যাপ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে। 
- ২০১৪ সালে মোবাইল ফোন থেকে তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদানের জনপ্রিয় সেবা (মেসেঞ্জার) হোয়াটসঅ্যাপ অধিগ্রহণ করে ফেসবুক।
- বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এ সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুক ১৯০ কোটি ডলারে হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেয়। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
২,৮৬৭.
'MS Excel' সিটে সর্বোচ্চ কতটি সারি থাকতে পারে?
  1. ৬৫,৫৩৬ টি
  2. ২৫৬ টি
  3. ৬৫,৪৩৬ টি
  4. ৫১২ টি
ব্যাখ্যা
'MS Excel' সিটে সর্বোচ্চ ৬৫,৫৩৬ টি সারি থাকতে পারে।
মোট কলামের সংখ্যা ২৫৬ টি।
আর মোট সেলের সংখ্যা ১,৬৭,৭৭,২১৬টি।
২,৮৬৮.
IoT-এ অ্যাকচুয়েটর ব্যবহারের উদ্দেশ্য:
  1. ডেটা সংরক্ষণ করা
  2. ডেটা বিশ্লেষণ করা
  3. সেন্সর ডেটা সংগ্রহ করা
  4. ডেটা অনুযায়ী কাজ করা 
ব্যাখ্যা

• IoT-এ অ্যাকচুয়েটরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো “ডেটা অনুযায়ী কাজ করা” (ঘ)। অ্যাকচুয়েটর হলো একটি ডিভাইস যা সেন্সর দ্বারা সংগ্রহকৃত তথ্য অনুযায়ী শারীরিক বা যান্ত্রিক ক্রিয়াকলাপ সম্পন্ন করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট হোমে তাপমাত্রা সেন্সর যদি ঘরের তাপমাত্রা বেশি নির্দেশ করে, তাহলে অ্যাকচুয়েটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এয়ার কন্ডিশনার চালু করতে পারে। এখানে অ্যাকচুয়েটর ডেটা সংরক্ষণ বা বিশ্লেষণ করে না, বরং সেন্সরের তথ্য অনুযায়ী সরাসরি কাজ সম্পন্ন করে, যা IoT সিস্টেমকে “সক্রিয়” এবং “স্বয়ংক্রিয়” করে তোলে। তাই এর মূল উদ্দেশ্য হলো সেন্সর ডেটা অনুযায়ী কার্যকরী প্রতিক্রিয়া প্রদান।
 
• ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসকে ইন্টারনেট এবং একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে সক্ষম করে, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) এবং ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (TCP) ব্যবহার করে।
- এই প্রোটোকলগুলো ইথারনেট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং ৫জি-র মতো সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা বিনিময় সহজ করে, শারীরিক ও ডিজিটাল জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

• IoT ডিভাইসের ধরণ:
১. ডিজিটাল-প্রথম (Digital-first): যেমন স্মার্টফোন, যেগুলিতে বিল্ট-ইন কানেক্টিভিটি থাকে এবং যন্ত্র থেকে যন্ত্রে (M2M) যোগাযোগ করে।
২. শারীরিক-প্রথম (Physical-first): প্রচলিত বস্তু যেমন যানবাহন বা মেডিক্যাল ডিভাইস, যেগুলিতে মাইক্রোচিপ বা সেন্সর যুক্ত করে তাদের কার্যকারিতা এবং ট্র্যাকিং সক্ষমতা বাড়ানো হয়।

• IoT-এর ব্যবহার:
- ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য মনিটরিং
- স্মার্ট ট্রাফিক নেটওয়ার্ক
- সংযুক্ত স্টোরেজ ট্যাংক
- COVID-19 মহামারীর সময় সংযুক্ত থার্মোমিটার জ্বর মনিটর করে ভাইরাসের বিস্তার ট্র্যাক করেছে।
- কৃষি, পরিবহন, এবং স্বাস্থ্যসেবায় সম্পদ ব্যবহার ও কার্যকারিতা বাড়ানো।

• ইতিহাস:
- ব্রিটিশ প্রযুক্তিবিদ কেভিন অ্যাশটন ১৯৯৯ সালে "Internet of Things" শব্দটি প্রবর্তন করেন।

• সুরক্ষা ও গোপনীয়তা চ্যালেঞ্জ:
- সংযুক্তি বৃদ্ধি ডেটা লঙ্ঘন এবং অবৈধ প্রবেশের সম্ভাবনা বাড়ায়।
- নিরাপত্তার অভাবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও আর্থিক তথ্যসহ ডেটা হারানো, চুরি হওয়া বা অপব্যবহার হতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২,৮৬৯.
কম্পিউটারে ফাইল সিজ করে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. Trojan Horse
  2. Spyware
  3. Adware
  4. Ransomware
ব্যাখ্যা
- আর্থিক প্রতারণা ও অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেল মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেমনঃ র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)।

- র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।

- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম(worms) প্রভৃতি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
২,৮৭০.
নিচের কোনটি একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ক) Photoshop
  2. খ) Flash
  3. গ) Norton
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
McAfee, AGV, Norton Antivirus, AVIRA, Kaspersky Antivirus, Symantec, ESET NOD32, PANDA, AVAST, Cobra Antivirus, PC Tools Antivirus ইত্যাদি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৭১.
সিডি-রমে ডিজিটাল ডাটা রিড করার জন্য নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. অপটিক্যাল ফাইবার
  2. ম্যাগনেটিক বিট
  3. ইলেকট্রিক গান
  4. লেজার বিম
ব্যাখ্যা
- সিডি-রমে ডিজিটাল ডাটা রিড করার জন্য লেজার বিম প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory )। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
৩. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭২.
ভেসা বাস _____ সিপিইউ গতিতে তথ্য বহন করতে পারে।
  1. ১৬ বিট
  2. ৩২ বিট
  3. ৬৪ বিট
  4. ১২৮ বিট
ব্যাখ্যা
• ভেসা বাস (VESA Bus):
- VESA এর পূর্ণরূপ Video Electronic Standard Association.
- VESA বাস 32 বিট সিপিইউ গতিতে তথ্য বহন করতে পারে।
- এটি গ্রাফিক্সের কাজের জন্য বিশেষ প্রয়োজন।
- মনিটরের পর্দায় তাৎক্ষণিকভাবে এবং উন্নতমানের গ্রাফিক্স আউটপুট প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের সিপিইউ, স্মৃতি এবং ভিডিও টার্মিনালের মধ্যে দ্রুতগতিতে তথ্য বিনিময়ের প্রয়োজন হয়।
- ভেসা বাস সিপিইউ-এর নিয়ন্ত্রণে সিপিইউ-এর সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে কাজ করে।
- IDE (Integrated Drive Electronic), SCSI (Small Computer System Interface), LAN (Local Area Network) ইত্যাদির ক্ষেত্রে VESA Bus ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৮৭৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Chrome
  2. Bitdefender
  3. Kaspersky
  4. AVG
ব্যাখ্যা
• Chrome এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Chrome হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা Google দ্বারা তৈরি। এটি ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে সাহায্য করে। তবে এটি কোনো ভাইরাস শনাক্ত বা দূর করতে পারে না। অন্যদিকে, Bitdefender, Kaspersky এবং AVG — এই তিনটি হলো জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যেগুলো কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। তাই, তালিকাভুক্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Chrome এন্টিভাইরাস নয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭৪.
হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে কোনটি বিবেচিত হয়?
  1. ইসিজি মেশিন
  2. পার্সোনাল কম্পিউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• ECG মেশিন হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ, কারণ এটি হার্টের ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যাল (অ্যানালগ ডেটা) সংগ্রহ করে এবং তা ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে বিশ্লেষণ করে।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৭৫.
Which company developed the Windows operating system?
  1. IBM
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Apple
ব্যাখ্যা

Microsoft developed the Windows operating system.

উইন্ডোজ 
- পার্সোনাল কম্পিউটার এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের মধ্যে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম প্রথম পছন্দ।
- ১৯৮৫ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রথম Windows 1.0 চিত্রভিত্তিক ইন্টারফেস হিসেবে বাজারে প্রকাশ করে।
- পরে ১৯৯৫ সালে Windows 95 সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আনা হয়।
- দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং এর বিভিন্ন নতুন ভার্সন বাজারে আসে, যেমন Windows 2007, 2010, 2013।
- মাইক্রোসফট প্রতিটি নতুন ভার্সনে নতুন ফিচার সংযুক্ত করে, যেমন:
  ১. ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা
  ২. ইউএসবি এবং ডিভিডি সাপোর্ট
  ৩. FAT32 ও NTFS ফাইল সিস্টেম ব্যবহার
  ৪. ইন্টারঅ্যাকটিভ ও অনলাইন গেম খেলার সুবিধা

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৮৭৬.
সিপিইউ কোন অ্যাড্রেস জেনারেট করে?
  1. লজিক্যাল অ্যাড্রেস
  2. ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- CPU Logical অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট Physical অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭৭.
অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল বা মেসেজ পাঠানোর প্রক্রিয়া কী নামে পরিচিত? 
  1. Sneaking
  2. Phishing
  3. Spamming
  4. Sniffing
ব্যাখ্যা

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮৭৮.
কোন টপোলজিতে কম্পিউটার ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা

• যে টপোলজিতে একটি কম্পিউটার ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্কই বন্ধ হয়ে যায় তা হলো রিং টপোলজি। রিং টপোলজিতে প্রতিটি ডিভাইস ঠিক পরবর্তী ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং ডেটা একটি নির্দিষ্ট দিক বরাবর পাঠানো হয়। অর্থাৎ, ডেটা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ধাপে ধাপে পৌঁছায়। যদি কোনো কম্পিউটার বা সংযোগে সমস্যা হয়, তাহলে পুরো রিং ব্যাহত হয়ে যায় এবং ডেটা পরিবহন থেমে যায়। অন্যদিকে, স্টার বা বাস টপোলজিতে একক ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে না। তাই রিং টপোলজিতে নেটওয়ার্কের নির্ভরশীলতা সবচেয়ে বেশি।

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে;
- এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমূখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৭৯.
বাইনারি সংখ্যা (1011011)2 এর দশমিক মান কত?
  1. 68
  2. 84
  3. 91
  4. 99
ব্যাখ্যা

বাইনারি সংখ্যা (1011011)2 এর দশমিক মান হলো 91.

• বাইনারি থেকে দশমিকে রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য, প্রত্যেক বাইনারি অংককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 2 এর ঘাত (power) দিয়ে গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময়, বাইনারি সংখ্যার সবচেয়ে ডানদিকের অংকটির স্থানীয় মান 20 থেকে শুরু করে বাম দিকে ক্রমান্বয়ে ঘাত বাড়াতে হয়।
- এরপর, প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
1011011
= (1 × 26) + (0 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (1 × 64) + (0 × 32) + (1 × 16) + (1 × 8) + (0 × 4) + (1 × 2) + (1 × 1)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 0 + 2 + 1
= 91

সুতরাং, বাইনারি সংখ্যা 1011011 এর দশমিক মান হলো 91.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮৮০.
১৯৮৩ সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস প্রকাশ্যে আনেন কে?
  1. রবার্ট মোরিস
  2. ফ্রেড কোহেন
  3. স্টিভ জবস
  4. জন ফন ন্যুম্যান
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির ছাত্র ফ্রেড কোহেন পেনসিলভেনিয়ার লেহিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তাবিষয়ক এক সেমিনারে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস দেখান।
- ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর কম্পিউটার ভাইরাস এর জন্ম হয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো "Vital Information Resources Under Seize." যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে।

উৎস:
১. শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮১.
A device that connects to a network without the use of cables is said to be 
  1. ক) distributed
  2. খ) centralized
  3. গ) wifi
  4. ঘ) wireless
ব্যাখ্যা
- Wireless communications, System using radio-frequency, infrared, microwave, or other types of electromagnetic or acoustic waves in place of wires, cables, or fibre optics to transmit signals or data.
- Wireless devices include cell phones, two-way radios, remote garage-door openers, television remote controls, and GPS receivers (see Global Positioning System).
- Wireless modems, microwave transmitters, and satellites make it possible to access the Internet from anywhere in the world.
Source: britannica
২,৮৮২.
নিচের কোনটি চলমান গ্রাফিক্স?
  1. সিনেমা
  2. শব্দ বা অডিও
  3. এনিমেশন
  4. রেডিও
ব্যাখ্যা
অ্যানিমেশন
অ্যানিমেশন হল একটি ভিজ্যুয়াল কৌশল যা স্থির চিত্র, ফ্রেম বা বস্তুর দ্রুত ক্রম দ্বারা গতি বা পরিবর্তনের বিভ্রম তৈরি করে। এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, ভিডিও গেমস, ওয়েব ডিজাইন, বিজ্ঞাপন এবং আরও অনেক কিছু সহ বিভিন্ন ধরনের মিডিয়াতে ব্যবহৃত হয়। অ্যানিমেশন শিল্পী এবং নির্মাতাদের একটি গতিশীল এবং আকর্ষক উপায়ে গল্প, ধারণা এবং তথ্য জানাতে দেয়। এখানে অ্যানিমেশনের কিছু মূল দিক রয়েছে:

ফ্রেম:
অ্যানিমেশন সাধারণত ফ্রেমগুলির একটি সিরিজ সাজিয়ে তৈরি করা হয়, যা পৃথক ছবি বা অঙ্কন। গতির বিভ্রম তৈরি করতে এই ফ্রেমগুলিকে দ্রুত ধারাবাহিকভাবে দেখানো হয়।

ঐতিহ্যগত অ্যানিমেশন:
ঐতিহ্যগত অ্যানিমেশন, যা হাতে আঁকা বা 2D অ্যানিমেশন নামেও পরিচিত, প্রতিটি ফ্রেম হাতে তৈরি করা জড়িত। ক্লাসিক উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে ওয়াল্ট ডিজনির প্রাথমিক অ্যানিমেশন যেমন "স্নো হোয়াইট" এবং "সিন্ডারেলা।"

কম্পিউটার অ্যানিমেশন:
কম্পিউটারের আবির্ভাবের সাথে, ডিজিটাল অ্যানিমেশন আদর্শ হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে Adobe Animate-এর মতো সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তৈরি 2D অ্যানিমেশন এবং Autodesk বা ব্লেন্ডারের মতো সফ্টওয়্যার দিয়ে তৈরি 3D অ্যানিমেশন।

3D অ্যানিমেশন:
3D অ্যানিমেশন একটি 3D স্পেসে চলমান ত্রিমাত্রিক বস্তুর বিভ্রম তৈরি করে। এটি সাধারণত অ্যানিমেটেড সিনেমা, ভিডিও গেম এবং লাইভ-অ্যাকশন ফিল্মে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৮৮৩.
কোনটি ফার্মওয়্যার হিসেবে ধরা যায়?
  1. মাদারবোর্ডের BIOS
  2. পিসির অপারেটিং সিস্টেম
  3. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  4. অ্যাডোবি ফটোশপ
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যারের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং হার্ডওয়্যারের মৌলিক কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। এর মূল উদাহরণ হলো মাদারবোর্ডের BIOS, যা কম্পিউটার চালু হলে হার্ডওয়্যার শনাক্ত এবং ইনিশিয়ালাইজ করে, এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রাথমিক পরিবেশ তৈরি করে। অন্যদিকে, পিসির অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অ্যাডোবি ফটোশপ সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য হয়, যা হার্ডওয়্যারের উপরে চলে এবং ব্যবহারকারীর জন্য নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে। তাই, শুধুমাত্র মাদারবোর্ডের BIOS-কে ফার্মওয়্যার হিসেবে ধরা যায়।

উত্তর: ক) মাদারবোর্ডের BIOS.

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

২,৮৮৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Symantec
  2. খ) McAfee
  3. গ) Adobe
  4. ঘ) AGV
ব্যাখ্যা
McAfee, AGV, Norton Antivirus, AVIRA, Kaspersky Antivirus, Symantec, ESET NOD32, PANDA, AVAST, Cobra Antivirus, PC Tools Antivirus ইত্যাদি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৮৫.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন সংযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার হয় না?
  1. ADSL
  2. GPRS
  3. EDGE
  4. WAP
ব্যাখ্যা

◉ ADSL (Asymmetric Digital Subscriber Line) একটি তারযুক্ত ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, যা টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। এটি মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয় না।

মোবাইল ইন্টারনেট:
- GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
- এখন মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হয়। কারণ সকল ধরনের হ্যান্ডসেট ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হয় না।
- এ ক্ষেত্রে খানিকটা উচু মানের হ্যান্ডসেট ও স্মার্টফোন ব্যাবহার করে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- বর্তমানে বাজারে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়।

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা
- সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়।
- যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
- দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৮৮৬.
Amazon Kindle Oasis কি?
  1. ক) একধরণের ট্যাবলেট পিসি
  2. খ) মোবাইল ফোন
  3. গ) ই-বুক রিডার
  4. ঘ) অনলাইন প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
Amazon Kindle is a series of e-readers designed and marketed by Amazon.
একটা পার্সোনাল নোটঃ
Live MCQ টিমের সদস্যদের পছন্দের এবং সম্ভবত আমাদের কেনা সেরা ডিভাইস Amazon Kindle Paperwhite। আসল বইয়ের জন্য ভালবাসা থাকবেই।
তবে, একটা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বাস্তব বইয়ের কতোটা কাছাকাছি যেতে পারে এটা হাতে নিয়ে না দেখলে বুঝা সম্ভব না। আর হাজারটা সুবিধাতো আছেই। আপনাদের সুবিধামতো সময়ে সম্ভব হলে একটা কিনবেন। আশা করি আপনার বই পড়াকে আরও সহজ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে এটা।
প্রফেশনাল স্কোপের বাইরে কিছুটা বলাতে আশা করি কিছু মনে করবেন না। ধন্যবাদ।
২,৮৮৭.
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের কতটি পোস্ট অফিসে ইএমটিএস সার্ভিস চালু রয়েছে?
  1. ২৫৫৩ টি
  2. ২৭১৪ টি
  3. ২৮১১ টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইএমটিএস: 
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।  
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করেন।
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award  ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস সেবাটি  ভারতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার mBillionth Award ২০১২ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হয়। 
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস (ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম)।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়। 
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।
 
 উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৮.
কম্পাইলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ কোনটি?
  1. প্রোগ্রামে ত্রুটি শনাক্ত করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া
  4. প্রিন্টিং নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার সোর্স প্রোগ্রাম বিশ্লেষণ করে সিনট্যাক্স ও অন্যান্য ত্রুটি শনাক্ত করে।

• কম্পাইলার(Compiler):
- কম্পাইলার হলো একটি অনুবাদক প্রোগ্রাম, যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে।
- কম্পাইলার অনুবাদের মাধ্যমে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম(Object Program) তৈরি করে।
- অনুবাদ শেষে এটি একটি এক্সিকিউশন ফাইল(.exe) তৈরি করে।
- এই এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম।
 
• কম্পাইলারের বৈশিষ্ট্য:
- কম্পাইলার ব্যবহারের ফলে প্রোগ্রাম দ্রুত নির্বাহ করা যায়।
- প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে অনুবাদ করার প্রয়োজন হয় না।
- ভিন্ন ভিন্ন উচ্চস্তরের ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।
- একটি নির্দিষ্ট কম্পাইলার শুধু একটি উচ্চস্তরের ভাষার প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে।
- উদাহরণস্বরূপ, COBOL কম্পাইলার দিয়ে BASIC প্রোগ্রাম কম্পাইল করা যায় না।
 
• কম্পাইলারের অতিরিক্ত ভূমিকা:
- সোর্স প্রোগ্রামের গুণাগুণ ও গঠন বিশ্লেষণ করতে পারে।
- প্রোগ্রামে থাকা ত্রুটি শনাক্ত ও প্রদর্শন করতে সক্ষম।
 
• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- সোর্স প্রোগ্রাম অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- প্রোগ্রামের সাথে প্রয়োজনীয় রুটিন(Routine) সংযুক্ত করা।
- প্রোগ্রামে বিদ্যমান ভুল বা ত্রুটি শনাক্ত করা।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সংশোধনের তথ্য প্রদান করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৮৯.
A network that can only be used by the employees of a company is known as -
  1. ক) Extronet
  2. খ) Internet
  3. গ) Intranet
  4. ঘ) Externet
ব্যাখ্যা
ইন্ট্রানেট এবং এক্সট্রানেট:
ধরা যাক একটি বৃহৎ কোম্পানি যার অফিস দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় সদরে এবং দেশের বাইরেও আরও কয়েকটি দেশব্যাপি বিস্তৃত। এই কোম্পানির প্রতিটি অফিসেই ল্যান রয়েছে এবং দেশে ও দেশের বাইরে এই ল্যানগুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে ওয়ান (WAN) বলা যায়।
তবে পার্থক্য হচ্ছে, এই ওয়ানের একটি অংশ বা রিসাের্স (যেমন : আর্থিক হিসাব, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক কৌশল ইত্যাদি) অত্যন্ত সুরক্ষিত অবস্থায় থাকে। পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে শুধু কোম্পানির নিজস্ব লােকজন এসব রিসাের্স ব্যবহার করতে পারে।
কোম্পানির সুৱক্ষিত রিসোর্স সংবলিত এই নেটওয়ার্ক অংশটিকে বলা হয় ইন্ট্রানেট (Intranet)।
ইন্টারনেটের মতােই সম্প্রতি ইন্ট্রানেটও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ইট্রানেট হচ্ছে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা ইন্টারনেট প্রটোকল প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য, কর্মক্ষম সিস্টেম অথবা কম্পিউটিং সেবা শেয়ার করে।

কোন কোম্পানির ওয়ানের একটি নির্দিষ্ট অংশ বা এর রিসাের্স সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকতে পারে। এসব উন্মুক্ত রিসাের্সের মধ্যে থাকতে পারে কোম্পানির প্রােফাইল, প্রজেক্ট এবং প্রোগ্রাম, শেয়ার স্ট্যাটাস, বাৎসরিক প্রতিবেদন ইত্যাদি। কোম্পানির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ ইউজাররা এসব তথ্য দেখতে পারে বা ডাউনলােড করে সংরক্ষণ করতে পাত্রে। ওয়ানের এ ধরনের উক্ত অংশকে বলা হয় এক্সট্রানেট (Extranet)।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২,৮৯০.
কোনটিতে রোবটের ব্যবহার করা হয়?
  1. জটিল সার্জারি চিকিৎসায়
  2. ব্যক্তির স্বাক্ষর শনাক্তকরণে
  3. নতুন জাতের বীজ উৎপাদনে
  4. টেনিস বলের আকৃতি তৈরিতে
ব্যাখ্যা
- জটিল সার্জারি চিকিৎসায় রোবট ব্যবহৃত হয়। 
- নতুন জাতের বীজ উৎপাদনে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহৃত হয়। 
- টেনিস বলের আকৃতি তৈরিতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
- ব্যক্তির স্বাক্ষর শনাক্তকরণে বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 


উৎস :  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বোর্ড বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮৯১.
ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে কী বলে?
  1. ইউজার নেইম
  2. ডোমেইন নেইম
  3. হোস্ট নেইম
  4. প্রোটোকল নেইম
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।  

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯২.
Firmware কী ধরনের প্রোগ্রাম?
  1. RAM ভিত্তিক প্রোগ্রাম
  2. ROM ভিত্তিক প্রোগ্রাম
  3. Hard drive ভিত্তিক প্রোগ্রাম
  4. mRAM ভিত্তিক প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
ROM - Read only memory.
রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
২,৮৯৩.
ক্রিপ্টোলকার ম্যালওয়্যারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. কম্পিউটারকে ধীর করে দেওয়া
  2. পাসওয়ার্ড চুরি করা
  3. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা
  4. ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়া
ব্যাখ্যা

ক্রিপ্টোলকার (Cryptolocker) হলো এক ধরনের রানসমওয়্যার (Ransomware) ম্যালওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ফাইলগুলিকে এনক্রিপ্ট করে এবং সেই ফাইলগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- এটি সাধারণত ক্রিপ্টোগ্রাফিক পদ্ধতি ব্যবহার করে ফাইলগুলিকে লক করে এবং ব্যবহারকারীকে অর্থ প্রদানের জন্য চাপ দেয়।

• ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Avast ওয়েবসাইট। [লিংক] 

২,৮৯৪.
এক ন্যানোমিটার সমান = কত?
  1. ১ মিটারের ১ মিলিয়ন ভাগের ১ ভাগ
  2. ১ মিটারের ১ লাখ ভাগের ১ ভাগ
  3. ১ মিটারের ১ হাজার ভাগের ১ ভাগ
  4. ১ মিটারের  ১ বিলিয়ন ভাগের ১ ভাগ
ব্যাখ্যা
• ন্যানোমিটার একটি দৈর্ঘ্যের একক যা মিটার স্কেলের অত্যন্ত ক্ষুদ্র একক। ১ ন্যানোমিটার (nm) সমান ১ মিটারের  ১ বিলিয়ন ভাগের ১ ভাগ। এটি সাধারণত অণু, পরমাণু, ও কোষীয় কাঠামোর মাপ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি ডিএনএ অণুর প্রস্থ প্রায় ২ ন্যানোমিটার, আর একটি মানব চুলের প্রস্থ প্রায় ৮০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ ন্যানোমিটার। তাই, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ১ মিটারের  ১ বিলিয়ন ভাগের ১ ভাগ। এত ক্ষুদ্র মাত্রা বোঝাতে ন্যানোমিটার গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ন্যানোটেকনোলজি ও আধুনিক জীববিজ্ঞানে।

• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- এক ন্যানোমিটার হচ্ছে এক মিটারের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ।
- অর্থাৎ ১ ন্যানোমিটার (1nm) = 10-9 মিটার (m)।
1 nm = 1/1,000,000,000 m

• ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার:
- রাসায়নিক শিল্প: সানস্ক্রিন এ ব্যবহৃত টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে, বিভিন্ন জিনিসের প্রলেপ তৈরির কাজে, পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে।
- খাদ্যশিল্প : খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেজিং এর সিলভার তৈরির কাজে, খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ন্যানোম্যাটেরিয়াল তৈরিতে।
- জ্বালানী তৈরিতে: হাইড্রোজেন আয়ন এর জন্য ফুয়েল সেল তৈরিতে।
- ব্যাটারী শিল্পে: সৌর কোষ তৈরিতে প্রচলিত সৌর কোষের চাইতে আরও অধিক সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যানোটেক সৌর কোষ তৈরিতে ।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে: ঔষধ তৈরির আণবিক গঠনে যাতে রোগাক্রান্ত সেলে সরাসরি ঔষধ প্রয়োগ করা যায়।

এছাড়াও খেলাধুলা ও ক্রিয়া সরঞ্জাম তৈরিতে, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরিতে, ভিডিও গেমস কনসোল এবং পার্সোনাল কম্পিউটারের মেমরি, গতি, দক্ষতা ইত্যাদি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন হার্ডওয়্যার তৈরিতে।

উৎস: (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯৫.
নট গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট কত?
  1. - ১
  2. ১১
ব্যাখ্যা
তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলাে হলাে :
১. অর গেইট (OR Gato): যৌক্তিক যোগের জন্য।
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) : যৌক্তিক গুণের জন্য।
৩. নট গেইট NOT Gate) : যৌক্তিক পূরকের জন্য।

নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯৬.
ভিডিও কার্যত এক ধরনের-
  1. ক) বর্ণ
  2. খ) টেক্সট
  3. গ) অডিও
  4. ঘ) গ্রাফিক্স
ব্যাখ্যা
মাল্টিমিডিয়ার প্রয়োগ:
• বর্ণ বা টেক্সট-
- সারা বিশ্বে টেক্সটের যাবতীয় কাজ এখন কম্পিউটারে হয়ে থাকে।
- টাইপরাইটার ও ফটোটাইপ সেটার দিয়ে যেসব কাজ করা হত, বর্তমানে অফিস আদালত থেকে পেশাদারি মুদ্রণ পর্যন্ত সবখানেই এখন কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে।

• চিত্র বা গ্রাফিক্স-
- গ্রাফিক্স ডিজাইন, ড্রয়িং বা কমার্শিয়াল কাজে গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়।
- বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড, স্থাপত্য সকল ক্ষেত্রেই গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হচ্ছে।

• ভিডিও বা টিভি-
- ভিডিও কার্যত ভিডিও এক ধরনের গ্রাফিক্স। একে চলমান গ্রাফিক্সও বলা যায়।
- টিভি, হোম ভিডিও, মাল্টিমিডিয়া সফ্টওয়্যার, ওয়েব ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই ভিডিওর ব্যবহার ব্যাপক বেড়েছে।

• এনিমেশন-
- এনিমেশন এখন এক ধরনের গ্রাফিক্স।
- এটি চলমান বা স্থির হতে পারে আবার দ্বিমাত্রিক, ত্রিমাত্রিক হতে পারে।
- এনিমেশন কখনই কেবল একক মিডিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর সাথে অডিও, ভিডিও, টেক্সট, গ্রাফিক্স ইত্যাদির সম্পর্ক রয়েছে।

• শব্দ বা অডিও-
- শব্দ বা অডিও রেকর্ড, সম্পাদনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে এখন কম্পিউটারের উপর নির্ভর করে।
- সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ এনালগ পদ্ধতি এখন কার্যত সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে।
- যে কেউ ইচ্ছে করলেই একটি ভালো কম্পিউটার দিয়ে উন্নতমানের সাউন্ড রেকর্ডিং করতে পারে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯৭.
নিচের কোনটি প্রধান মেমোরি?
  1. ক) প্রসেসর
  2. খ) রম
  3. গ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. ঘ) চৌম্বক ডিস্ক
ব্যাখ্যা
RAM একটি প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি, কারণ ইহা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
এছাড়াও ROM প্রধান মেমোরি হিসেবে কাজ করে। মাদারবোর্ডে মাইক্রোপ্রসেসরের পাশাপাশি এ মেমোরি অবস্থান করে।

যে সকল মেমোরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, সেগুলোকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়। এ ধরণের মেমোরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়। ইউজারকারীরা তাদের ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে উপাত্ত বা, প্রোগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমোরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, ইত্যাদি সহায়ক মেমোরির উদাহরণ।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২,৮৯৮.
'YouTube'-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. Mountain View
  2. San Bruno
  3. Menlo Park
  4. San Francisco
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর হবে:
খ) San Bruno

- YouTube-এর সদরদপ্তর অবস্থিত San Bruno, California, USA।
- ২০০৬ সালে গুগল YouTube কিনে নেওয়ার পর থেকেই এর প্রধান কার্যালয় San Bruno-তে স্থানান্তরিত হয়।

⚪অন্যান্য অপশন ব্যাখ্যা:
Mountain View: গুগলের প্রধান সদরদপ্তর (Googleplex) এখানেই অবস্থিত।

Menlo Park: ফেসবুক (Meta)-এর প্রধান কার্যালয়।

San Francisco: অনেক টেক স্টার্টআপের হাব, তবে YouTube-এর নয়।

⚪ ইউটিউব:
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- এটি ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৮৯৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস নয়?
  1. ক) নরটন
  2. খ) হপার.আর
  3. গ) কোবরা
  4. ঘ) এভিজি
ব্যাখ্যা
কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
- AVG,
- AVIRA,
- AVAST,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus,
- PC Tools Antivirus ইত্যাদি।

অন্যদিকে, এক্স ৯৭এম/হপার.আর হলো একটি ভাইরাস।
২,৯০০.
বিভিন্ন অফিস আদালতে কোন ধরনের কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) সুপার কম্পিউটার।
  2. খ) হাইব্রিড কম্পিউটার।
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
  4. ঘ) মিনি কম্পিউটার।
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন অফিস আদালতে, বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানে, ব্যাংক-বীমা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

- মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe computer) হচ্ছে এমন একটি বড় কম্পিউটার যার সাথে টার্মিনাল যুক্ত করে একসাথে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে। - বৃহদাকার মেইনফ্রেম কম্পিউটারের সঙ্গে সহস্রাধিক ডাম্ব টার্মিনাল (Dumb Terminal) ব্যবহার করা হয়।
- এ কম্পিউটারে একাধিক প্রক্রিয়াকরণ অংশ থাকে।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারগুলোর শব্দদৈর্ঘ্য ৩২ থেকে ১৩২ বিট পর্যন্ত।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকে।
- ব্যাংক, বীমা, অর্থ লেনদেন প্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিক কর্মতৎপরতার পরিচালনা নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়নের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

যেমন- IBM-4300, Cyber- 170 ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।