বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ২২ / ১৩১ · ২,১০১২,২০০ / ১৩,০৮৮

২,১০১.
অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL এর ভূমিকা কী?
  1. ডেটা এনক্রিপশন
  2. পেমেন্ট প্রসেসিং
  3. পণ্য প্রদর্শন
  4. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

SSL (Secure Sockets Layer) অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে মূলত ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (যেমন কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডেটা) নিরাপদে ব্রাউজার থেকে সার্ভারে পৌঁছায়।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

২,১০২.
আইজ্যাক অ্যাসিমভ রোবোটিক্সের কতটি নিয়মের কথা উল্লেখ করেন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স নিয়ম বা আইন (Law):
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার কর্তৃক রচিত "Robotics in Practice-Management and Applications of Industrial Robots" নামক বইয়ে মুখবন্ধ লিখেন মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাই এবং এঙ্গেলবার্গারের সাথী আইজ্যাক অ্যাসিমভ (Isaac Asimov)।

- আইজ্যাক অ্যাসিমভ রোবট, সাইন্স-ফিকশন ও বিজ্ঞান বিষয়ক জনপ্রিয় আমেরিকান লেখক এবং বায়োকেমিস্ট্রির অধ্যাপক।

- তিনি ঐ বইয়ের মুখবন্ধে রোবটিক্সের তিনটি নিয়ম, বিধি-বিধান বাআইনের (Law) কথা তুলে ধরেন। সেগুলো হলো:
নিয়ম - ১ ⇒ রোবট কখনোই কোন মানুষের ক্ষতি করবে না অথবা উদাসীন্য বা অপ্রবৃত্তির মাধ্যমে কাউকে ক্ষতির সুযোগ দিবে না।
নিয়ম - ২ ⇒ প্রথম নিয়মের সাথে সাংঘর্ষিক না হয়ে রোবট সব সময় মানুষের নির্দেশ মেনে চলবে।
নিয়ম - ৩ ⇒ রোবট অবশ্যই তার নিজের অস্থিত্ত্ব টিকিয়ে রাখবে যতক্ষণ না প্রথম ও দ্বিতীয় নিয়মের সাথে সাংঘর্ষিক হয়।

- মানব কল্যাণে রোবট তৈরি করা হয়; মানুষের ক্ষতির জন্য নয়। তাই রোবট তৈরির ক্ষেত্রে এই নিয়ম বা আইনগুলোমেনে চলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১০৩.
নিচের কোনটি সফটওয়্যার দ্বারা ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে?
  1. Bar Code Reader
  2. Optical Character Reader
  3. Optical Mark Recognition
  4. Magnetic Ink Character Recognition
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১০৪.
কাউন্টার সার্কিট সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. কম্বিনেশনাল সার্কিট
  2. সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. এনালগ সার্কিট
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ কাউন্টার একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, কারণ এটি বর্তমান স্টেট এবং ক্লক সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে আউটপুট নির্ধারণ করে।

কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১০৫.
The basic input/output system (BIOS) is storage in-
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) The CPU
  4. ঘ) The hard drive
ব্যাখ্যা
BIOS software is stored on a non-volatile ROM chip on the motherboard. In modern computer systems, the BIOS contents are stored on a flash memory chip so that the contents can be rewritten without removing the chip from the motherboard.
Source: Fundamental of Computer
২,১০৬.
কোন গেইটকে NOR গেইট ব্যবহার করে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে?
  1. OR Gate
  2. AND Gate
  3. NOT Gate
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে, তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।

• কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে তিনটি মৌলিক গেইট রয়েছে, যথা:
- অর গেইট (OR Gate),
- অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
- নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইটের সাহায্যে মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT)সহ যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- NAND গেইট,
- NOR গেইট।

- এই দুটি গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয় কারণ শুধুমাত্র NAND গেইট অথবা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১০৭.
ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করাকে কী বলে? 
  1. স্প্যামিং
  2. ফিশিং
  3. হ্যাকিং
  4. সফটওয়্যার পাইরেসি
ব্যাখ্যা

হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং তারপর ব্যবহারকারীর অ্যাকসেস কোড, পিন নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক একাউন্ট নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

স্প্যামিং (Spaming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। যখন কোনো ব্যবহারকারী কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করেন বা কোনো গ্রুপের মেসেজ বোর্ডে প্রবেশ করেন তখন স্প্যামাররা সেখান থেকে ই-মেইল অ্যাড্রেস সংগ্রহ করে ব্যবহারকারীর ই-মেইলে বিভিন্ন প্রতারণামূলক মেসেজ পাঠায়।

• সফটওয়্যার পাইরেসি (Software piracy):
- সফটওয়্যার একটি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রযুক্তি পণ্য, যা প্রোগ্রামারগণ পেশাগত দক্ষতা, মেধা আর মননের সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটিয়ে তৈরি করে থাকেন এবং এগুলোর তাঁরাই স্বত্বাধিকারী হন।
- লাইসেন্সবিহীনভাবে বা স্বত্বাধিকারীর অনুমোদন ব্যতিরেকে এ ধরনের সফটওয়্যার কপি করা, নিজের নামে কিংবা কোনো প্রকার পরিবর্তন-পরিবর্ধন করে ব্যবহারের সুযোগ নেয়া পাইরেসির আওতায় পড়ে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১০৮.
মানবাকৃতির রোবটগুলোকে কী বলে?
  1. ক) ইনটেলিজেন্ট রোবট
  2. খ) হোমোরোবো
  3. গ) রোম্বা
  4. ঘ) হিউমেনওয়েড
ব্যাখ্যা
• যে রোবট দেখতে মানুষের মত তাকে বলা হয় হিউমেনওয়েড

মানব-সদৃশ রোবট বা হিউমেনওয়েড (Humanoid) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো–
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির “মুরাতা বয় (Murata)”.
- সনি কর্পোরেশনের “কিউরিও (QRIO)” এবং "আইবো"
- হোন্ডা কোম্পানির “ আসিমো (ASIMO)”
- স্যামসাংয়ের “ রোবোরে (Roboray)”.
- হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের “ সোফিয়া”।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১০৯.
কোন ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller বলা হয়?
  1. ক) CIH
  2. খ) Folder
  3. গ) Trojan Horse
  4. ঘ) Vienna
ব্যাখ্যা
CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)। এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২,১১০.
ইন্টারনেটের প্রতিটি কম্পিউটারের একটি বিশেষায়িত ঠিকানা থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. MAC ঠিকানা
  2. ডোমেইন নেম
  3. IP ঠিকানা
  4. URL
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন। তাই কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের জন্য TCP/IP প্রটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি বিশেষায়িত সংখ্যাত্মক IP ঠিকানা থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে যা ডোমেইন নেম (Domain Name) সিস্টেম ব্যবহার করে।

উৎস :
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।.
২.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১১.
রক্তচাপ ও শরীরের তাপ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) এনালগ সিস্টেম
  2. খ) ডিজিটাল সিস্টেম
  3. গ) হাইব্রিড সিস্টেম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড সিস্টেম বা হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এনালগ সিস্টেম এবং ডিজিটাল সিস্টেমের সমন্বিত রূপ। এতে ইনপুট অ্যানালগ পদ্ধতিতে দেওয়া হয় এবং আউটপুট ডিজিটাল পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। রক্তচাপ নির্ণয়, শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার হয়ে থাকে। এসব ক্ষেত্রে ইনপুট ম্যানুয়ালি দেওয়া হলেও ফলাফল ডিজিটাল সংকেতে আসে।
২,১১২.
সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ ও সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্টানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স বলে। 
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট ও ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসায়, ভোক্তা ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।  
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B), 
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C), 
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B), 
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C)। 

- বাংলাদেশের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ই-কমার্স সাইট:
www.bikroy.com, www.cellbazar.com, www.boimela.com, www.rokomary.com, www.akhoni.com, www.ajkerdeal.com, www.gifthaat.com ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১৩.
When was the world's first laptop computer introduced in the market and by whom?
  1. ক) Hewlett-Packard, 1980
  2. খ) Epson, 1981
  3. গ) Laplink Travelling Software Inc, 1982.
  4. ঘ) Tandy Model-200, 1985
ব্যাখ্যা
The Epson HX-20 (also known as the HC-20) was the first laptop computer. It was invented in July 1980 by Yukio Yokozawa, who worked for Suwa Seikosha, a branch of Japanese company Seiko (now Seiko Epson), receiving a patent for the invention. It was announced in 1981 as the HC-20 in Japan, and was introduced by Epson in North America as the HX-20 in 1981, at the COMDEX computer show in Las Vegas, where it drew significant attention for its portability.
Source: epson.com
২,১১৪.
নিচের কোনটি ওপেনসোর্স কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার কোম্পানি?
  1. ক) অরড্যুইনো
  2. খ) অ্যালফাবেট
  3. গ) আসুস
  4. ঘ) আইবিএম
ব্যাখ্যা

অরড্যুইনো, একটি মুক্ত সোর্স কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার কোম্পানি, প্রজেক্ট এবং ব্যবহারকারী সম্প্রদায়; যা বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারেক্টিভ ডিভাইস নির্মাণের জন্য ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ নকশা এবং নির্মাণ করে থাকে যা ভৌত বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
প্রকল্পটি ইতালিতে প্রাথমিকভাবে স্মার্ট প্রজেক্ট কর্তৃক মাইক্রোকন্ট্রোলার বোর্ডের পরিবারের উপর ভিত্তি করে নকশাকৃত এবং নির্মিত।

২,১১৫.
রাসায়নিক শিল্পে ন্যানো প্রযুক্তির প্রয়োগক্ষেত্র নিচের কোনটি?
  1. টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে
  2. প্রলেপ তৈরির কাজে
  3. পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ বর্ণিত সবগুলো

• ন্যানোটেকনোলজি:
- ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্ষম প্রকৌশল শাস্ত্র ।
- যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- ন্যানোমিটার হচ্ছে দের্ঘ্য পরিমাপের একটি একক।
- এক ন্যানোমিটার হচ্ছে এক মিটারের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
- অর্থাৎ ১ ন্যানোমিটার (1nm) = 10 -9 মিটার (m)।
- ন্যানো প্রযুক্তির প্রয়োগক্ষেত্র:-

• রাসায়নিক শিল্প:
- সানস্ক্রিন এ ব্যবহৃত টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে,
- বিভিন্ন জিনিসের প্রলেপ তৈরির কাজে,
- পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে।

এছাড়াও,
- খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেজিং এর সিলভার তৈরির কাজে,
- খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ন্যানোম্যাটেরিয়াল তৈরিতে।
- ঔষধ তৈরির আণবিক গঠনে যাতে রোগাক্রান্ত সেলে সরাসরি ঔষধ প্রয়োগ করা যায়।
- ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ খরচ,
- ওজন এবং আকৃতি কমিয়ে কার্যক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে
- হাইড্রোজেন আয়ন এর জন্য ফুয়েল সেল তৈরিতে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,১১৬.
কোন অনুবাদক প্রোগ্রাম কম্পিউটার প্রোগ্রামের সকল ভুল একসাথে প্রদর্শন করে?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টারপ্রেটার
  3. ইনভার্টার
  4. অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা
• কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে, ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।

• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১৭.
সর্বপ্রথম মোবাইল ফোন চালু হয় কোথায়?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. যুক্তরাজ্যে
  3. স্কটল্যান্ডে
  4. ডেনমার্কে
ব্যাখ্যা
• সেলুলার বা মোবাইল ফোন প্রযুক্তি:
- মোবাইল ফোন বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয়।
- তার বিহীন দুটি ডিভাইেেসর মধ্যে ডাটা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে মোবাইল যোগাযোগ বলে।
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. জিএসএম (GSM) ও
২. সিডিএমএ (CDMA)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১৮.
ব্লুটুথের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সর্বোচ্চ দূরত্ব কত?
  1. ১০ মিটার
  2. ৫০০ মিটার
  3. ১০০০ মিটার
  4. ৫০০০০ মিটার
ব্যাখ্যা

ব্লুটুথের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সর্বোচ্চ দূরত্ব ১০ মিটার।

• ব্লুটুথ
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের (১০ মিটার বা ৩৩ ফিটের কাছাকাছি) ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- টেলিকম ভেন্ডর কোম্পানি এরিকসন ১৯৯৪ সালে এটি উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা হ্যারোল্ড ব্লুটুথ (Harald Bluetooth)-এর নামানুসারে ব্লুটুথ নামকরণ হয়েছে।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ট্র্যাডিশনাল ডেস্কটপ কম্পিউটার, যেগুলোতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি বিল্ট-ইন থাকে না, সেগুলোর ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার সংযুক্ত করে ঐ ডেস্কটপ কম্পিউটারে ব্লুটুথ সংযোগের সুবিধা উপভোগ করা যায়।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদনের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট বলে।
- দুটি পাশাপাশি পিকোনেট একটি সাধারণ স্লেভ নোডের মাধ্যমে যুক্ত হলে এ দু'টি পিকোনেটকে একসাথে স্কাটারনেট বলে।
- মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং ভিডিও গেম কনসোলগুলোকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করতে এবং তথ্য বিনিময় করতে ব্লুটুথ একটি জনপ্রিয় উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

২,১১৯.
ই-মেইলে ঠিকানার প্রথম অংশটিকে সাধারণত কী বলা হয়?
  1. File name
  2. Website name
  3. User name
  4. Domain name
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) User name.

• E-mail:
- ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

• একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে:
- যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং
- শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।
- যেমন: faria123@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার faria123 অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,১২০.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার?
  1. ক) গুগুল
  2. খ) ইয়াহু
  3. গ) মজিলা
  4. ঘ) বিং
ব্যাখ্যা
যে সফটওয়্যার এর সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত ওয়েবপেইজগুলো ব্রাউজ করা বা দেখা যায় তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
২,১২১.
Instagram এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. কেভিন সাইস্ট্রম
  2. অ্যাডাম মোসেরি
  3. মাইক ক্রিঞ্জার
  4. সুন্দর পিচাই
ব্যাখ্যা
• ইনস্টাগ্রাম (Instagram):
- ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
- ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন- কেভিন সাইস্ট্রম, মাইক ক্রিঞ্জার।
- এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়।
- অ্যালেক্সা র‍্যাঙ্কিং- এ ইন্সটাগ্রাম বিশ্বের ২৬তম বৃহৎ ওয়েবসাইট। (জানুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত)।
- ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
- বর্তমানে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ 'Meta' এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
- Instagram এর বর্তমান CEO অ্যাডাম মোসেরি। [জানুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত]

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১২২.
ই-মেইল কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়?
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ ই-মেইল WAN নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN):

- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- টেলিফোনের সাথে সংযুক্ত মডেমের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডায়াল করতে হয়।
- এভাবে ভিন্ন প্রকৃতির নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়।
- গেটওয়ে ডাটা বা তথ্য চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ করে দেয়।
- ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে।
- যেমনঃ ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২৩.
নিচের কোনটি সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশের আই.এস.পি (ISP)?
  1. BTRC
  2. BTLC
  3. BTTB
  4. BSCL
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে ৫০-এর অধিক আই.এস.পি রয়েছে।
- আই.এস.পি গুলির মধ্যে কেবলমাত্র বি.টি.টি.বি (Bangladesh Telegraph and Telephone Board - BTTB)-ই সরকারি মালিকানাধীন।
- দেশের অধিকাংশ আই.এস.পি মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক।
- তবে বর্তমানে ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী এবং বগুড়া শহরেও অনলাইন ইন্টারনেট সুবিধা চালু রয়েছে। অনলাইন ইন্টারনেট সুবিধা প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশে শিক্ষা, গবেষণা, ব্যবসা ও বিনোদনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। 

সোর্স: বাংলাপিডিয়া
২,১২৪.
প্রোগ্রাম ডিজাইনে ব্যবহৃত প্রধান টুলস কোনটি?
  1. অ্যালগরিদম
  2. সুডো কোড
  3. ফ্লোচার্ট
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রাম ডিজাইনে বিবেচ্য বিষয়সমূহ হলো-
১. ইনপুট ডিজাইন
২. আউটপুট ডিজাইন ও
৩. ইনপুট ও আউটপুটের মধ্যে সম্পর্ক ডিজাইন

প্রোগ্রাম ডিজাইনের ব্যবহৃত প্রধান টুলসসমূহ হলো-
১। অ্যালগরিদম
২। ফ্লোচার্ট ও
৩। সুডো কোড

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২৫.
মাইক্রোপ্রসেসরের কোন ইউনিট নির্দেশাবলী ডিকোড করে?
  1. Arithmetic Logic Unit
  2. Control Unit
  3. Memory Unit
  4. Register
ব্যাখ্যা

◉ মাইক্রোপ্রসেসরের কন্ট্রোল ইউনিট নির্দেশাবলী (Instructions) ডিকোড করে এবং সেগুলো কার্যকর করার জন্য প্রসেসরের অন্যান্য অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে।

মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে— সহায়ক মেমরি হতে কখন প্রধান মেমরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্টাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা। যেমন- গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে কন্ট্রোল সিগন্যালের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা ।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদান করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি। আবার রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এসব কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

রেজিস্টারসমূহ (Register Set):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে। এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্টাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি। 
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১২৬.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 1234
  2. 7667
  3. 3181
  4. 6276
ব্যাখ্যা

3181 অক্টাল সংখ্যা নয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেস হলো 8।
- এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত মোট আটটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়।
- অর্থাৎ, কোনো সংখ্যায় যদি 8 বা 9 অঙ্ক দুটি থাকে, তাহলে সেটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।
- 3181 সংখ্যাটিতে 8 অঙ্কটি রয়েছে, যা অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির নিয়মের পরিপন্থী। তাই এটি একটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের (.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২।
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি- ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

২,১২৭.
বড় বড় শিল্প, ব্যাংক-বীমা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মাইক্রোকম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) ল্যাপটপ
  4. ঘ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান ও জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- এটি সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এখানে অনেকগুলো কম্পিউটার বা ডাম্ব টার্মিনাল যুক্ত করে একসাথে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে। 
- সুপার কম্পিউটারের চেয়ে তুলনামূলক কম শক্তিশালী মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা, শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে এই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: IBM 1620, IBM 4300, UNIVAC 1100, CYBER 170. 

সোর্স: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
২,১২৮.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. ১ম
  2. ৩য়
  3. ২য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
 মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।

দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চালু হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,১২৯.
মোবাইল কমিউনিকেশনে 4G-এর ক্ষেত্রে 3G এর তুলনায় অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য কি?
  1. ভয়েস টেলিফোনি
  2. ভিডিও কল
  3. মোবাইল টিভি
  4. ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
ব্যাখ্যা
- 4G হল ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ফোরজি নেটওয়ার্কে যেসব সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে সংশোধিত মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোনি, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি, হাই-ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্স, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উল্লেখযোগ্য।
- যুক্তরাষ্ট্রে স্প্রিন্ট নেক্সটেল ২০০৮ সালে মোবাইল ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক স্থাপন করে এবং মেট্রোপিসিএস ২০১০ সালে প্রথম এলটিই সেবা চালু করে।
- বাংলাদেশে ২০১৮ সালে মোবাইল ফোনে ৪জি (এলটিই) সেবা প্রদান শুরু হয়।
- ৩জি এবং ৪জি উভয়ই এক বিশেষ মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা তার বিহীন কথা বলা, মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার, ভিডিও কল করা, মোবাইল টিভি ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে। 
- তবে ৪জি তে যে বিশেষ সুবিধা অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে তা হলো মোবাইল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৩০.
জিএসএম (GSM) মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থায় নিচের কোন মাল্টিপল অ্যাক্সেস প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. TDMA
  2. SDMA
  3. CDMA
  4. OFDMA
ব্যাখ্যা

• জিএসএম (Global System for Mobile Communications) প্রযুক্তিতে মূলত TDMA (Time Division Multiple Access) ব্যবহার করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে একটি নির্দিষ্ট রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিকে সময়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে (Time Slots) ভাগ করা হয়, ফলে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে একাধিক গ্রাহক পর্যায়ক্রমে কথা বলতে পারেন।

• জিএসএম:
- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ডে।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- GSM, TDMA ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হলো- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৩১.
র‍্যাম (RAM) কী ধরণের স্মৃতি?
  1. ক) চুম্বকীয় কোর
  2. খ) অর্ধপরিবাহী
  3. গ) চার্জ কাপল
  4. ঘ) পাতলা পর্দা
ব্যাখ্যা
-  বর্তমানে মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- চুম্বকীয় কোরের তুলনায় অর্ধপরিবাহী স্মৃতি অনেক ছোট ও সস্তা।
- অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি বলেই একে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি বলে।
- বহুল ব্যবহৃত দুই ধরনের অর্ধপরিবাহী স্মৃতির একটি হল অস্থায়ী স্মৃতি বা র‍্যাম (RAM - Random Access Memory) এবং অপরটি হল স্থায়ী স্মৃতি বা রম (ROM - Read Only Memory)।

উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,১৩২.
কোন ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানো হয়?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানোর পদ্ধতিকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলা হয়। এই পদ্ধতিতে ডাটা ছোট ছোট ইউনিটে বা ক্যারেক্টার ভিত্তিতে পাঠানো হয়, যেখানে প্রতিটি ক্যারেক্টারের আগে ও পরে স্টার্ট এবং স্টপ বিট যুক্ত থাকে। এর মাধ্যমে গ্রাহক সহজেই প্রতিটি ক্যারেক্টার আলাদা করে শনাক্ত করতে পারে। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সাধারণত কম গতির যোগাযোগে ব্যবহৃত হয় এবং সময়ের ক্ষেত্রে স্বাধীন, অর্থাৎ প্রেরক ও গ্রাহকের ক্লক সিঙ্ক্রোনাইজড থাকে না। অন্যদিকে, সিনক্রোনাস ও আইসোক্রোনাস পদ্ধতিতে ডাটা ব্লক বা ধারাবাহিক তথ্য পাঠানো হয়, যেখানে একাধিক ক্যারেক্টার একসঙ্গে ট্রান্সমিট হয়। সুতরাং, একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানোর জন্য সঠিক উত্তর হলো অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: 
- এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব।
- এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়।
- প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।

উল্লেখ্য,
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: যে ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে ক্যারেক্টারগুলো সংরক্ষণ করে কমপক্ষে ৮০ থেকে ১৩২ টি ক্যারেক্টারের ব্লক/ প্যাকেট করে এবং প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট সমান বিরতিতে স্থানান্তর করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন: এটিও সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের মতো অনেকগুলো ক্যারেক্টার একত্রিত করে একটি ব্লক/প্যাকেট তৈরি করে ট্রান্সমিশন করে কিন্তু প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট বিরতিহীনভাবে স্থানান্তরিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
২,১৩৩.
সুপার কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. মহাকাশ গবেষণা
  3. পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৩৪.
ট্রি টপোলজিতে উপরে অবস্থিত ডিভাইসটি কী নামে পরিচিত?
  1. রুট নোড
  2. লিফ নোড
  3. ব্রাঞ্চ নোড
  4. এন্ড নোড
ব্যাখ্যা
• ট্রি টপোলজিতে উপরের বা শীর্ষে অবস্থিত ডিভাইসটিকে রুট নোড বলা হয়। রুট নোড হল সেই প্রাথমিক বা মূল নোড যেখান থেকে সম্পূর্ণ ট্রি-র সংযোগ শুরু হয়। এটি থেকেই অন্য সকল নোড বা শাখা তৈরি হয় এবং পুরো নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণের সূচনা করে। রুট নোডের নিচে বিভিন্ন ব্রাঞ্চ নোড, লিফ নোড এবং এন্ড নোড থাকে। ব্রাঞ্চ নোড মাঝখানের নোড, যা রুট থেকে লিফ নোডের দিকে সংযোগ রক্ষা করে। লিফ নোড বা এন্ড নোড সাধারণত ট্রি-র শেষ প্রান্তের নোড, যা আর অন্য কোনো নোডের সাথে সংযুক্ত নয়। সুতরাং, প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: ক) রুট নোড।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।

- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি,
২. বাস টপোলজি,
৩. রিং টপোলজি,
৪. ট্রি টপোলজি।

• ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
- ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।
- নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
- বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
- ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:
- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) lenovo [লিংক]
২,১৩৫.
ফ্যাক্সের পুরো নাম কী?
  1. Facility Transmission
  2. Facsimile
  3. Fast Service
  4. Faximile
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
২,১৩৬.
একটি অপারেটিং সিস্টেম একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন symbols, icon অথবা visual metaphor এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা পালন করে। নিচের কোনটি এ শ্রেণির কাজকে নির্দেশ করে?
  1. Command-Line Interface
  2. Graphical User Interface
  3. Block User Interface
  4. Tap User Interface
ব্যাখ্যা
◉ গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন symbols, icon অথবা visual metaphor এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা পালন করে।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৩৭.
(5535)8 = ('?')16
  1. C5E
  2. A6D
  3. B5D
  4. D2A
ব্যাখ্যা
• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে অক্টাল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেলে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়।

• (5535)8 কে বাইনারি রূপান্তর: অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংককে ৩ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

এখানে,
অক্টাল 5 = বাইনারি 101
অক্টাল 3 = বাইনারি 11 

• (101101011101)2 হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর: কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৪ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।

এখানে,
বাইনারি 1011 = হেক্সাডেসিমেল B
বাইনারি 0101 = হেক্সাডেসিমেলে 5
বাইনারি 1101 = হেক্সাডেসিমেলে D

∴ (5535)8 = (B5D)16
২,১৩৮.
প্রযুক্তি কোম্পানি আইবিএম এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. কেভিন ক্রিঞ্জার
  2. টমাস জন ওয়াটসন
  3. চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট
  4. বিল গেটস
ব্যাখ্যা
• আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,১৩৯.
CDMA-তে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য যে একক কোড নির্ধারিত হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. PN sequence
  2. SIM code
  3. Channel index
  4. TDMA slot
ব্যাখ্যা
• CDMA (Code Division Multiple Access) একটি বহুল ব্যবহৃত মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যেখানে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু সবাইকে আলাদা রাখতে, প্রতিটি ব্যবহারকারীকে একটি "বিশেষ ইউনিক কোড" দেওয়া হয়।
এই ইউনিক কোডটিকে বলা হয় PN Sequence বা Pseudorandom Noise Sequence।
এই কোড ব্যবহার করে প্রতিটি ব্যবহারকারীর তথ্যকে এনক্রিপ্ট বা স্ক্র্যাম্বল করা হয়, যাতে তা অন্যদের থেকে আলাদা থাকে এবং নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর তথ্য আলাদা করে চিনতে পারা যায়।

• অপশন আলোচনা:
- SIM code: এটা GSM-এর জন্য প্রযোজ্য, CDMA-তে SIM কার্ড প্রয়োজন হয় না (পুরোনো সিস্টেমে)।
- Channel index: এটি ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেল নির্দেশ করে, ইউনিক কোড নয়।
- TDMA slot: TDMA প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, CDMA-তে নয়।

• বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GMS এবং CDMA

• GSM:
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System.

• CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ হলো Code Division Multiple Access. এটি একটি ডিজিটাল সেলুলার প্রযুক্তি, যা একাধিক ব্যবহারকারীকে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে আলাদা কোড ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করতে দেয়। প্রতিটি ব্যবহারকারীকে একটি অনন্য কোড দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে তাদের তথ্য অন্যদের তথ্য থেকে আলাদা রাখা যায়।
- সারাংশে, CDMA একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে একই চ্যানেল ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু আলাদা কোডের মাধ্যমে তাদের ডেটা আলাদা থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৪০.
ওয়ান টু এন (1 to N) মোড হিসেবে পরিচিত কোন ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি?
  1. ক) ইউনিকাস্ট
  2. খ) ব্রডকাস্ট
  3. গ) মাল্টিকাস্ট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ওয়ান টু এন (1 to N) মোড হিসেবে পরিচিত মাল্টিকাস্ট (Multicast) ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি।
• ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রাপক থেকে প্রেরকের নিকট ডেটা বিতরণ করা হয়। একে ডেটা ডেলিভারি মোড বলা হয়, যা প্রাপকের সংখ্যা ও ডেটা গ্রহণের অধিকারের উপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। যথা-
১. ইউনিকাস্ট (Unicast),
২. ব্রডকাস্ট (Broadcast) এবং
৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast)।
১. ইউনিকাস্ট (Unicast): যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে একজন প্রেরক থেকে একজন প্রাপকের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান হয়ে থাকে, তাকে ইউনিকাস্ট ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- এটি ওয়ান টু ওয়ান (One to One) মোড হিসেবে পরিচিত।
২. ব্রডকাস্ট (Broadcast): যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কভুক্ত কোনো প্রেরক কম্পিউটার হতে ডেটা ট্রান্সমিট হলে ওই নেটওয়ার্কভুক্ত সকল নোডই তা গ্রহণ করতে পারে, তাকে ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন বলে। 
- এটি ওয়ান টু অল (One to All) মোড হিসেবে পরিচিত।
৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast): যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কের কোনো একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট গ্রুপের সদস্য গ্রহণ করতে পারে, তাকে মাল্টিকাস্ট বলা হয়।
- এটি ওয়ান টু এন (1 to N) মোড হিসেবে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,১৪১.
টেলিকনফারেন্সিং কী?
  1. একাধিক ব্যক্তির মধ্যে দূরবর্তী যোগাযোগের পদ্ধতি
  2. ডেটা সংরক্ষণ পদ্ধতি
  3. ভিডিও গেম খেলার পদ্ধতি
  4. কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর একটি ধরন
ব্যাখ্যা
• টেলিকনফারেন্সিং হলো একাধিক ব্যক্তির মধ্যে দূরবর্তী যোগাযোগের পদ্ধতি।

• টেলিকনফারেন্সিং:
- টেলিকনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সভা, সেমিনার, বা দলগত যোগাযোগ করা সম্ভব।
- এটি টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে দূরবর্তী অবস্থান থেকে সভা পরিচালনার একটি প্রক্রিয়া।
- বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যে কেউ টেলিফোনের মাধ্যমে টেলিকনফারেন্সিংয়ে অংশ নিতে পারে।
- এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারীরা কী-বোর্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কম্পিউটারে তাদের বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাঠিয়ে থাকেন।
- টেলিকনফারেন্সিংয়ের বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে, যেমন পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স, রিড-অনলি কনফারেন্স ইত্যাদি।
- পাবলিক কনফারেন্স সবার জন্য উন্মুক্ত, যেখানে যে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারে।
- ক্লোজড কনফারেন্স সবার জন্য উন্মুক্ত নয় এবং পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে এই ধরনের কনফারেন্সে অংশ নেওয়া যায়।
- টেলিকনফারেন্সিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- ভিডিও ও অডিও ব্যবহার করে পরিচালিত সভাকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৪২.
ওয়ার্কশীটে ছবি সংযুক্ত করতে কোন ধরনের কমান্ড গ্রুপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Table Command Group
  2. খ) Illustration Command Group
  3. গ) Filter Command Group
  4. ঘ) Link Command Group
ব্যাখ্যা
ওয়ার্কশীটে Illustration Command Group ব্যবহার করে ছবি সংযুক্ত করা যায়। 
Table Command Group ব্যবহার করে Pivot Table & Pivot Chart তৈরি করে তথ্য উপস্থাপন করা যায়। 

Filter Command Group- এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের Data Sorting Ges Advanced Filtermn বিভিন্ন ধরনের Filtering করা যায়। 

Insert রিবনে Links গ্রুপ থেকে যে কোন ধরনের Hyperlink তৈরি করা যায়। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২,১৪৩.
ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ক বিভ্রান্ত করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. স্পুফিং
  2. স্নিকিং
  3. স্প্যামিং
  4. ট্রোজান
ব্যাখ্যা

• ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ক বিভ্রান্ত করার পদ্ধতিকে স্পুফিং বলা হয়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১৪৪.
হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহার করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) ক্ষেপণাস্ত্র
  2. খ) নভোযান
  3. গ) আবহাওয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার
- এটা মূলত Digital ও Analog কম্পিউটারের কাজের প্রক্রিয়ার সাথে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়।
- এতে ডেটা গ্রহণ করে এনালগ প্রক্রিয়ার এবং প্রসেসের জন্য সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- হাসপাতাল, ক্ষেপণাস্ত্র, নভোযান, আবহাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

সূত্র:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল
২,১৪৫.
কোন ফন্টটি MICR-এ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Times New Roman
  2. Arial
  3. OCR-A
  4. E-13B
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ফন্ট হলো E-13B। এই ফন্টটি বিশেষভাবে ব্যাংকিং চেক এবং অন্যান্য আর্থিক নথিতে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। E-13B ফন্টের অক্ষরগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে তা চৌম্বকীয় কালি দিয়ে প্রিন্ট করলে ম্যাশিন সহজে পড়তে পারে। অন্য ফন্ট যেমন Times New Roman, Arial বা OCR-A সাধারণ লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সেগুলো চেক বা ব্যাংকিং ডকুমেন্টের ম্যাশিন-পঠনযোগ্যতার জন্য যথেষ্ট নির্ভুল নয়। E-13B ফন্টের সংখ্যা ও প্রতীকগুলো আন্তর্জাতিক মান অনুসারে নির্ধারিত, যা ব্যাংকিং সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণকে সহজ ও দ্রুত করে। সুতরাং, MICR-এ প্রধান ফন্ট হিসেবে E-13B ব্যবহার করা হয়।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- IBM [link]

২,১৪৬.
Mainframe Computer-এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. IBM 4341
  2. NCR N8370
  3. IBM-AS/400
  4. IBM Amdah 1580
ব্যাখ্যা
IBM-AS/400 হচ্ছে একটি Mini Computer।

• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪৭.
হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ হিসেবে কোনটি উল্লেখযোগ্য?
  1. চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি
  2. অ্যাবাকাস
  3. পার্সোনাল কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল রিস্টওয়াচ
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরনের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। এটি অ্যানালগ ইনপুট থেকে তথ্য গ্রহণ করে তা ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তরিত করে প্রক্রিয়াজাত করে এবং ফলাফল আবার অ্যানালগ আউটপুট হিসেবে প্রদান করতে পারে। এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত এমন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে দ্রুত ও সঠিক হিসাবের পাশাপাশি রিয়েল টাইম সেন্সর ডেটা প্রয়োজন। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য হলো চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি (ECG)। ইসিজি রোগীর হার্টের অ্যানালগ সিগনাল নেয় এবং তা ডিজিটাল ফর্মে বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেখায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি।

​• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার তৈরি হয়, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- এটি এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে।
- এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহারসমূহ:
১। মিসাইল, সমরাস্ত্র ক্ষেত্রে।
২। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান তৈরিতে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪। হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৪৮.
একটি "Edge Computing" ডিভাইসের উদাহরণ কী?
  1. ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
  2. মেইনফ্রেম সার্ভার
  3. স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
  4. অফিসের প্রচলিত ডেস্কটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট।

একটি Edge Computing ডিভাইস হল এমন ডিভাইস যা ডেটা সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিকভাবে প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম, যাতে বড় সার্ভারে সব ডেটা পাঠানোর প্রয়োজন না থাকে। স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট যেমন Nest বা Honeywell, ব্যবহারকারীর বাড়ির তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং ব্যবহার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়- উদাহরণস্বরূপ, ঘরের তাপমাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করা। এটি ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর আগে স্থানেই প্রক্রিয়াকরণ করে, যা দ্রুততা বাড়ায়, ব্যান্ডউইথ কমায় এবং ব্যক্তিগত ডেটার নিরাপত্তা উন্নত করে। অন্যান্য অপশন যেমন ইউএসবি ড্রাইভ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ বা স্টোরেজের জন্য, কিন্তু এডজ কম্পিউটিংয়ের মতো স্থানীয় সিদ্ধান্ত নেয় না। মেইনফ্রেম সার্ভার সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীভূত, তাই এটি Edge Computing নয়।

• Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা। এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। এর ফলে:
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।
- Cloud storage খরচ কমলেও, এটা প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়, বরং একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

সূত্র: IBM. [link]

২,১৪৯.
NAND গেইট কোন দুটি গেইটের সমন্বিত রূপ?
  1. AND Gate, NOT Gate
  2. OR Gate, NOT Gate
  3. NOR Gate, OR Gate
  4. OR Gate, AND Gate
ব্যাখ্যা
• ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে নিচে ২ ইনপুট বিশিষ্ট ন্যান্ড গেইটের সত্যক সারণি ও চিত্র দেখানো হলো-



                   চিত্র: ন্যান্ড গেইট

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,১৫০.
Microsoft Office is an example of a
  1. ক) Closed source software
  2. খ) Open source software
  3. গ) Horizontal market software
  4. ঘ) Vertical market software
ব্যাখ্যা
1. Open Source Software :
Open source software refers to the computer software which source is open means the general public can access and use. In short it is referred as OSS. The source code of open source software is public. It uses the code freely available on the Internet.

Some examples of open source software are: Firefox, OpenOffice, Gimp, Alfresco, Android, Zimbra, Thunderbird, MySQL, Mailman, Moodle, TeX, Samba, Perl, PHP, KDE etc.


2. Closed Source Software :
Closed source software refers to the computer software which source code is closes means public is not given access to the source code. In short it is referred as CSS. Closed source software is software for which the source code is not freely available. It is developed and provided to the user as a fully compiled, executable set of files. The developer often provides support to users after purchase and ensures that the software works as expected.

Some examples of closed source software are Skype, Google earth, Java, Adobe Flash, Virtual Box, Adobe Reader, Microsoft office, Microsoft Windows, WinRAR, mac OS, Adobe Flash Player etc.
২,১৫১.
অনুবাদক প্রোগ্রামকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ৪ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৫ ধরণের
  4. ২ ধরণের
ব্যাখ্যা

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফট্ওয়্যারের প্রয়োজন হয় তাকে বলে অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষা বুঝতে পারে বলে অন্য ভাষায় লেখা উৎস প্রোগ্রামকে মেশিনভাষায় অনুবাদ না করে নিলে কম্পিউটার তা কার্যকরী করতে পারে
না।

- অনুবাদক প্রোগ্রাম ৩ ধরণের। যথা-
১. কম্পাইলার: হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।
২. ইন্টারপ্রেটার: হাই লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।
৩. অ্যাসেম্বলার: অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১৫২.
10101011 এর 1's complement কোনটি?
  1. ক) 01100111
  2. খ) 01010100
  3. গ) 00000000
  4. ঘ) 11111111
ব্যাখ্যা
• 10101011 এর 1's complement 01010100.

১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
- বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়।
- অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
10101011 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 01010100 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,১৫৩.
OMR ব্যবহৃত হয়-
i) ছবিকে টেক্সটে সনাক্ত করতে 
ii) নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে 
iii) পণ্যের বাজার জরিপ করতে
  1. ii
  2. i ও ii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
• OMR: 
- OMR এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগান্বিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।

• OCR:
- OCR এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ছবিকে টেক্সটে সনাক্ত করা।  
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৫৪.
কোন টপোলজিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার এর দুই পাশের দুটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে?
  1. ক) স্টার টপোলজি
  2. খ) ট্রি টপোলজি
  3. গ) রিং টপোলজি
  4. ঘ) বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজি
এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। প্রতিটি কম্পিউটার
দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের
সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে। এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো ডাটা বা সংকেত
বৃত্তাকার পথে (একমুখী প্রবাহ) কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডাটা গ্রহণ করে।
রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান। প্রত্যেকটি কম্পিউটার স্বাধীন।

সূত্রঃ তথ্য-ও-যোগাযোগ-প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,১৫৫.
নিচের কোন ডিভাইসটির মাধ্যমে গ্রাফ, ম্যাপ বা বাড়ির ডিজাইন সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়?
  1. ক) Touch Screen
  2. খ) Scanners
  3. গ) Digitizer
  4. ঘ) Digital Camera
ব্যাখ্যা
ডিজিটাইজার একটি ইনপুট ডিভাইস যা দিয়ে গ্রাফিক্স, ড্রয়িং, ম্যাপিং এর কাজ করা যায়। বাংলাদেশ ভূমি জরিপ অধিদপ্তর ডিজিটাইজার ব্যবহার করে মৌজাম্যাপগুলো সংরক্ষণ করে থাকে।

ডিজিটাইজার (Digitizer) : এটিকে ড্রয়িং বাের্ডও বলা হয়, এর মাধ্যমে বড় বড় Drawing, Mapping, Drafting ইত্যাদির কাজ করা হয়। এখানে একটি আয়তাকার চ্যাপ্টা ব্লক (Block) থাকে যাকে বলে ডিজিটাইজার বাের্ড (Board ), ডিজিটাইজিং টেবিল (Digitizing table) বা গ্রাফিক টেবিল (Graphic table) এর আকার ৯"x ১২" থেকে ৪৮ x ৭২" পর্যন্ত হতে পারে। বাের্ডের ভিতরে উপযুক্ত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা থাকে। একটি স্টাইলাসের (Stylus কলমের মতাে) সাহায্যে বাের্ডে যা কিছু লেখা বা আঁকা যায় তাই মনিটরের পর্দায় ভেসে ওঠে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে স্টাইলাসের অবস্থানের x ও y স্থানাঙ্ক (Co- ordinates) কম্পিউটার মেমােরিতে চলে যায়। কাগজে কোনাে গ্রাফ বা ছবি এঁকে তা ডিজিটাইজার বাের্ডে রেখে সেই গ্রাফ বা ছবির উপর স্টাইলাস বুলিয়ে তাকে VDU এর পদায় দেখানাে যায় এবং তার স্থানাঙ্ক কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়। এভাবে ডিজিটাইজারের সাহায্যে বিভিন্ন গ্রাফ, ম্যাপ, বাড়ি ইত্যাদি প্ল্যান সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)

২,১৫৬.
হেক্সাডেসিমেলকে বলা হয়:
  1. Base-2
  2. Base-8
  3. Base-10
  4. Base-16 
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল হলো সংখ্যা প্রকাশের একটি পদ্ধতি যা Base-16 হিসেবে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে মোট ১৬টি ভিন্ন সংখ্যা বা অক্ষর ব্যবহার করা হয়। সাধারণ সংখ্যাগুলি ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এবং দশমিকের পরবর্তী অঙ্কগুলির জন্য অক্ষর A, B, C, D, E, F ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 1A5 এর মান দশমিক পদ্ধতিতে ৪২১। কম্পিউটার বিজ্ঞানে হেক্সাডেসিমেল ব্যবহার করা হয় কারণ এটি বাইনারি (Base-2) সংখ্যার সঙ্গে সহজভাবে সম্পর্কিত। প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্ক ঠিক ৪টি বাইনারি অঙ্কের সমান, যা কম্পিউটারের মেমরি এবং প্রোগ্রামিংয়ের জন্য সুবিধাজনক। তাই, হেক্সাডেসিমেল হলো Base-16, যা সংখ্যা সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি কার্যকর পদ্ধতি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Base-16
 
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৫৭.
Windows অপারেটিং সিস্টেম প্রথম কত সালে তৈরি হয়?
  1. ক) ১৯৭৭
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৮৮
  4. ঘ) ১৯৮৫
ব্যাখ্যা

উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস। এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে। এর মূল কারণ হলো মাউসের মাধ্যমে বিভিন্ন চিত্র বা আইকনে ক্লিক করে যাবতীয় কার্যাদি সম্পাদন করা।
১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। এরপর ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।

২,১৫৮.
কোনটি ই-কমার্সের ওয়েবসাইট নয়?
  1. www.daraz.com
  2. www.amazon.com
  3. www.chakri.com
  4. www.alibaba.com
ব্যাখ্যা
ব্যবসা-বাণিজ্য: 
- আধুনিক ডেটা প্রসেসিং এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিশেষত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা বিপণন, বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বলে। 
- ই-কমার্স ওয়েব সাইটে পণ্যের গুণগত মান, বর্ণনা, ছবি ও মূল্য সম্পর্কিত তথ্য উল্লেখ থাকে। 
- ই-কমার্সের পরিচিত কতকগুলো ওয়েব সাইট হলো - www.bikroy.com, www.daraz.com, www.alibaba.com, www.amazon.com ইত্যাদি। 
- বিশ্বমানের ব্যবস্থায় উৎপাদিত পণ্য হবে আন্তর্জাতিক মানের। ফলে সম্প্রসারিত হবে বৈশ্বিক ব্যবসা- বাণিজ্যের। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনে ব্যবহৃত হয় ইএফটি (EFT: Electronic fund transfer) যেটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক লেনদেন যা সংঘটিত হয় কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কের সাহায্যে। 
- একই ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার অ্যাকাউন্টের মধ্যে অথবা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মধ্যে, কিংবা বৈদেশিক ব্যাংকের মধ্যেও এ ধরনের লেনদেন করা যায়। 
- এছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রায় প্রতিটি ব্যাংকের আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। 
- অনলাইন ব্যাংকিং নামে পরিচিত এই পদ্ধতিটিকে বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম পরিসেবা হিসেবে গণ্য করা যায়। 
- এ ধরনের পদ্ধতিতে লেনদেনকে ইন্টারনেট ব্যাংকিংও বলা হয়। 
- এই ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় গ্রাহকগণকে লেনদেন সম্পন্নের জন্য সশরীরে কোনো ব্যাংক শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হয় না; বাড়িতে বা কর্মস্থলে কিংবা ভ্রমণরত অবস্থাতেও এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। 
- এজন্য শুধু কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড প্রয়োজন হয়। 

অন্যদিকে, 
- www.chakri.com হচ্ছে জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২,১৫৯.
বায়োমেট্রিক প্রযুক্তিতে নিচের কোনটি মানুষের আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উদাহরণ?
  1. মুখমণ্ডল
  2. আইরিস
  3. স্বাক্ষর
  4. আঙুলের ছাপ
ব্যাখ্যা

• বায়োমেট্রিক প্রযুক্তিতে স্বাক্ষর মানুষের আচরণগত বৈশিষ্ট্যের একটি উদাহরণ, যা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে মানুষের শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিকে শনাক্ত বা যাচাই করা হয়।
- প্রতিটি মানুষের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হওয়ায় এই পদ্ধতি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অত্যন্ত কার্যকর।
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে এই বৈশিষ্ট্যগুলো সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

• বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকারভেদ:
- শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য → মানুষের শরীরের গঠনগত বৈশিষ্ট্য।
- আচরণগত বৈশিষ্ট্য → মানুষের আচরণ বা কাজের ধরণভিত্তিক বৈশিষ্ট্য।

• শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক উদাহরণ:
- আঙুলের ছাপ (Fingerprint)।
- আইরিস শনাক্তকরণ (Iris Recognition)।
- মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ (Face Recognition)।
- হাতের তালুর গঠন (Palm Recognition)।

• আচরণগত বায়োমেট্রিক উদাহরণ:
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ (Signature Recognition)।
- কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ (Voice Recognition)।
- টাইপিং ধরণ বিশ্লেষণ (Keystroke Dynamics)।

• অন্যান্য অপশন:
- আঙুলের ছাপ → মানুষের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের একটি উদাহরণ।
- আইরিস → চোখের গঠনের উপর ভিত্তি করে শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্য।
- মুখমণ্ডল → মুখের গঠন বিশ্লেষণের মাধ্যমে শনাক্তকরণ পদ্ধতি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

২,১৬০.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ?
  1. Linux
  2. CP/M
  3. Windows 98
  4. Palm OS
ব্যাখ্যা

• Linux: Multi User Operating System.
- Windows 98: Single User Operating System.
- CP/M: Single User Operating System.
- Palm OS: Single User Operating System.

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম(Single User Operating System):
- যে অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে মাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে, তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95,
- Windows 98,
- Symbian OS,
- Palm OS.

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম(Multi User Operating System):
- যে অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তাকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত সার্ভার ও বড় কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Windows Server 2003,
- Windows Server 2008,
- UNIX,
- Linux,
- Android.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

২,১৬১.
“বিগ ব্লু” নামে পরিচিত শব্দটি কোনটির সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আইবিএমের প্রথম অফিসের অবস্থান
  2. আইবিএমের প্রতিষ্ঠাতা
  3. আইবিএমের লোগোর রঙ
  4. আইবিএমের কম্পিউটার মডেল
ব্যাখ্যা

• “বিগ ব্লু” শব্দটি মূলত বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইবিএম (IBM)–এর সঙ্গে সম্পর্কিত। এই নামটি জনপ্রিয় হয়েছে মূলত আইবিএমের কর্পোরেট রঙ নীল হওয়ায় এবং তাদের লোগোতে নীল রঙ ব্যবহারের কারণে। অনেক সময় এটি আইবিএমের বিশাল আকার, প্রযুক্তি জগতে তাদের আধিপত্য এবং নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক হিসেবেও ধরা হয়। ষাটের দশক থেকে আইবিএমকে ‘বিগ ব্লু’ নামে অভিহিত করা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে তাদের একটি পরিচিত ডাকনাম হয়ে ওঠে। তাই প্রশ্নে দেওয়া চারটি অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো – গ) আইবিএমের লোগোর রঙ।

• আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,১৬২.
কোনটি মোবাইল আপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) Harmony OS
  2. খ) MacOS
  3. গ) Windows
  4. ঘ) UNIX
ব্যাখ্যা
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- iOS,
- Symbian,
- Harmony OS,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS.

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- Ubuntu, Mint, Debian, Red Hat, Cent OS, Fedora, Kali, Linux, Arch Linux,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS.

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১৬৩.
বাইনারি সংখ্যা 10112 এবং 11012 যোগ করলে ফলাফল কত হবে?
  1. 110002
  2. 101012
  3. 111002
  4. 100112
ব্যাখ্যা

• বাইনারি যোগ (Binary Addition) হলো ২-এর ঘাত ব্যবস্থায় সংখ্যা যোগ করার পদ্ধতি। এখানে ১ + ১ হলে বাইনারি ক্যারি তৈরি হয়।

ডানদিকের বিট থেকে (LSB):
1 + 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
দ্বিতীয় বিট যোগ:
1 + 0 + ক্যারি 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
তৃতীয় বিট যোগ:
0 + 1 + ক্যারি 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
চতুর্থ বিট যোগ (MSB):
1 + 1 + ক্যারি 1 = 112 → 1, নতুন ক্যারি 1।

ফলাফলের সাথে শেষ ক্যারি যুক্ত করে পাই,
110002

২,১৬৪.
The code for a Web page is written using _____
  1. ক) A fifth generation language
  2. খ) Win Zip
  3. গ) Peripherals
  4. ঘ) Hypertext Markup Language
ব্যাখ্যা
Hypertext Markup Language (HTML) is the standard markup language for creating web pages and web applications. With Cascading Style Sheets (CSS) and JavaScript.
Source: techopedia.com/definition
২,১৬৫.
দশমিক ১০ এর হেক্সাডেসিমাল মান কত?
  1. 8
  2. 9
  3. A
  4. B
ব্যাখ্যা

দশমিক ১০ এর হেক্সাডেসিমাল মান হচ্ছে A।

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১৬৬.
কোন নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে?
  1. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  3. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network),
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) এবং 
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৬৭.
নিচের কোনটি একটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. পাঞ্চকার্ড
  2. প্লটার
  3. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্ট
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ইউনিট:
- ইনপুট ইউনিট ব্যবহারকারী প্রদত্ত উপাত্ত বা বিভিন্ন উৎস থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করে সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের প্রধান স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে।
- অর্থাৎ ইনপুট অংশের কাজ হলো ব্যবহারকারী বা বিভিন্ন উৎস থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রেরণ করা।
- বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ইনপুট ইউনিট কম্পিউটারকে ডেটা বা নির্দেশ প্রদানের কাজটি সম্পাদন করে।
- ইনপুট ডিভাইসের কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো কি-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওএমআর (OMR), ওসিআর (OCR), জয়স্টিক, পাঞ্চকার্ড, লাইটপেন ইত্যাদি।
 
• আউটপুট ইউনিট:
- আউটপুট ইউনিট কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে।
- আউটপুট ডিভাইসের কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
২,১৬৮.
The memory which is ultraviolet light erasable and electrically programmable is
  1. ক) ROM
  2. খ) PROM
  3. গ) RAM
  4. ঘ) EPROM
ব্যাখ্যা
An EPROM or erasable programmable read-only memory, is a type of memory chip that retains its data when its power supply is switched off. Computer memory that can retrieve stored data after a power supply has been turned off and back on is called non-volatile. It is an array of floating-gate transistors individually programmed by an electronic device that supplies higher voltages than those normally used in digital circuits. Once programmed, an EPROM can be erased by exposing it to strong ultraviolet light source (such as from a mercury-vapor light).
Source: merriam-webster.com
২,১৬৯.
স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত "হোম অটোমেশন সিস্টেম" কী?
  1. বাড়ির বিভিন্ন ডিভাইস স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা
  2. বাড়ির জন্য নতুন আসবাবপত্র তৈরির প্রক্রিয়া
  3. শুধু বাড়ির লাইটিং সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি
  4. শুধু ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান
২,১৭০.
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার-এর কাজ কোনটি? 
  1. তথ্য সংরক্ষণ
  2. ইমেজ বিশ্লেষণ
  3. রোগী পর্যবেক্ষণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার: 
- বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। 
- EHR (Electronic Health Record) এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন। 
- সিটিস্ক্যান এর অর্থ (Computed Tomography Scan), চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- রোগীর অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার (যেমন: ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম) ব্যবহার করা হয়  ইত্যাদি। 
অর্থাৎ, চিকিৎসাক্ষেত্রে তথ্য সংরক্ষণ, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী পর্যবেক্ষণ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২,১৭১.
ক্লাউড কম্পিউটিং কী?
  1. ওয়েবসাইট তৈরি করার প্রক্রিয়া
  2. ডাটা স্টোরেজ ডিভাইস ব্যবহার করা
  3. কম্পিউটারে অথ্য সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া
  4. কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সার্ভিস বা সেবা প্রদান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সার্ভিস বা সেবা প্রদান।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১৭২.
Which of the following is also known as SOROBAN
  1. ক) ENIAC
  2. খ) Abacus
  3. গ) EDSAC
  4. ঘ) UNIVAC
ব্যাখ্যা
The Soroban, or Japanese abacus. It consists of a wooden frame, which holds columns of beads.For hundreds of years, this tool was used by bankers and merchants as the original calculator.
২,১৭৩.
(13A)16 এর সমতুল্য অক্টাল ভ্যালু কত হবে?
  1. 520
  2. 444
  3. 372
  4. 472
ব্যাখ্যা
• (13A)16 এর সমতুল্য অক্টাল ভ্যালু 472 হবে।

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৪ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৩ বিট করে এক একটি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্ট্যাল মান পাওয়া যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭৪.
বর্তমানে ব্যবহার করা IP এড্রেসের সংস্করণ সংখ্যা কতটি?
  1. দুই
  2. এক
  3. চার
  4. তিন
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে দুই ধরনের IP এড্রেস সংস্করণ ব্যবহৃত হয়, যা হলো IPv4 এবং IPv6. IPv4 (Internet Protocol version 4) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সংস্করণ, যা ৩২-বিট এড্রেস ব্যবহার করে এবং প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক এড্রেস তৈরি করতে সক্ষম। তবে, ইন্টারনেট ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে IPv4 এড্রেসের অভাব দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য IPv6 তৈরি করা হয়েছে, যা ১২৮-বিট এড্রেস ব্যবহার করে এবং প্রচুর সংখ্যক ইউনিক এড্রেস প্রদান করতে পারে। IPv6 ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে এবং এটি ভবিষ্যতে ইন্টারনেটের প্রধান এড্রেসিং প্রটোকল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। তাই, বর্তমানে দুটি IP এড্রেস সংস্করণ ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সঠিক উত্তর: খ) দুই।

IP Address: 
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। IPv4 (Internet Protocol Version 4) ও
২। IPv6 (Internet Protocol Version 6)

IPv4: 
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

IPv6: 
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৭৫.
একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করেনা কোনটি?
  1. টাচ স্ক্রিন
  2. মডেম
  3. ডিজিটাইজার
  4. পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাইজার একটি ইনপুট ডিভাইস।

♦ ইনপুট ডিভাইস:

- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

♦ আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

♦ ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭৬.
নিচের কোনটি একটি Many-to-Many (M:N) সম্পর্ককে সঠিকভাবে বর্ণনা করে?
  1. টেবিল A-এর প্রতিটি রেকর্ড ঠিক একটি টেবিল B-এর রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
  2. টেবিল A-এর একটি রেকর্ড টেবিল B-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে না
  3. টেবিল A-এর একটি রেকর্ড শুধুমাত্র টেবিল B-এর একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে
  4. টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

• Many-to-Many (M:N) সম্পর্ক এমন একটি সম্পর্ক যেখানে একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড একই সময়ে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, “ছাত্র” এবং “কোর্স” টেবিলের ক্ষেত্রে, একটি ছাত্র একাধিক কোর্সে ভর্তি হতে পারে, এবং একটি কোর্সেও অনেক ছাত্র থাকতে পারে। তাই, Many-to-Many সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো রেকর্ড কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সীমাবদ্ধ থাকে না। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে, (ঘ) সঠিক। এখানে বলা হয়েছে যে টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যা Many-to-Many সম্পর্কের মূল সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়। অন্যগুলো শুধুমাত্র One-to-One বা One-to-Many সম্পর্ক নির্দেশ করে।

ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৭৭.
নিচের কোনটি কন্ট্রোল কী?
  1. Home
  2. Alt
  3. Insert
  4. F12
ব্যাখ্যা
♦ নেভিগেশন কী:
- নেভিগেশন কী ১০টি। যথা- Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। 

কন্ট্রোল কী:
- কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশ প্রদানের জন্য কন্ট্রোল কীসমূহ ব্যবহৃত হয়। যেমন- Ctrl, Alt, the Windows logo key ইত্যাদি।

• নিউম্যারিক কী:
- কীবোর্ডের ডান অংশে ক্যালকুলেটরের মতো ০-৯ এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নতি কীগুলোকে নিউমারিক কী বলে। 

• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- কী-বোর্ডে ১২টি ফাংশন থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
২,১৭৮.
RAM-কে কেন ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়?
  1. এটি স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে
  2. বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে যায়
  3. এটি শুধু পড়া যায়
  4. এটি ধীরগতির
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ না থাকলে RAM-এর সব তথ্য হারিয়ে যায়।

• RAM:

- RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory।
- RAM কে কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র বলা হয়।
- RAM যত বেশি হবে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা তত বাড়বে; অর্থাৎ, তত বেশি প্রোগ্রাম একসাথে দ্রুত কাজ করতে পারবে।
- RAM কে লেখাপড়া উভয়ই করা যায়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM থেকে সমস্ত তথ্য মুছে যায়; তাই RAM কে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়।
- RAM দুই ধরনের— DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)।
- প্রথম দিকে পিসিতে শুধু DRAM ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে উভয় ধরনের RAM-ই পিসিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্যবহারকারী যখন কোনো সফটওয়্যার চালায় (যেমন: Chrome, Word), সেটি RAM-এ লোড হয়।
- CPU সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং প্রসেস করে।
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের জন্য RAM অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (হার্ড ডিস্কের চেয়ে প্রায় ১০–১০০ গুণ দ্রুত)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৭৯.
"Boston Dynamics" কী?
  1. গুগলের পূর্বনাম
  2. রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান
  3. একটি ভবনের নাম
  4. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
• Boston Dynamics:
- এটি একটি প্রখ্যাত রোবটিক্স কোম্পানি যা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত।
- এই প্রতিষ্ঠানটি 1992 সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রথমে এটি MIT -র একটি গবেষণা ল্যাবরেটরি হিসেবে কাজ করতো।
- Boston Dynamics বিশেষ করে অগ্রগামী রোবট প্রযুক্তির জন্য পরিচিত, যা স্বয়ংক্রিয়তা, ম্যানিপুলেশন, এবং চলাচলের ক্ষেত্রে অসাধারণ সক্ষমতা প্রদর্শন করে।

রোবটগুলোর বৈশিষ্ট্য
Boston Dynamics-এর কিছু উল্লেখযোগ্য রোবটের মধ্যে রয়েছে:
• Spot:
- Spot একটি চতুর্ভুজ রোবট, যা বিভিন্ন ভূ-প্রকৃতিতে চলাচল করতে সক্ষম।
- এটি ছবি তোলা, ভিডিও করা, এবং সেন্সর ব্যবহার করে পরিবেশের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
- Spot বিভিন্ন শিল্প এবং নির্মাণ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• Atlas:
- Atlas হলো একটি মানব আকৃতির রোবট, যা চলাফেরা, লাফানো এবং অন্যান্য জটিল শারীরিক কার্যকলাপ করতে পারে।
- এটি গবেষণা এবং উন্নয়নের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং এর চলাচল ক্ষমতা অত্যন্ত উন্নত।

• Stretch:
- Stretch একটি লজিস্টিকস রোবট যা প্যালেট এবং পণ্য স্থানান্তরের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি বিশেষ করে গুদামে কাজ করার জন্য ব্যবহার করা হয় এবং স্বায়ত্তশাসিতভাবে পণ্য ম্যানিপুলেট করতে পারে।

• উদ্ভাবনী প্রকল্প:
- Boston Dynamics-এর রোবটগুলো তাদের দুর্দান্ত গতিশীলতা এবং ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসা অর্জন করেছে।
- তারা রোবটের সাহায্যে বিপদের সম্মুখীন পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং মানুষের কাজকে সহজ করার জন্য বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করছে।
- Boston Dynamics-এর উদ্ভাবনগুলি ভবিষ্যতের রোবট প্রযুক্তির দিগন্ত উন্মোচন করতে সাহায্য করবে, যেখানে রোবটগুলি মানুষের সাথে সহযোগিতায় কাজ করবে।

• সামগ্রিক প্রভাব:
- Boston Dynamics এর উদ্ভাবনী প্রযুক্তি শুধুমাত্র রোবটিক্সের ক্ষেত্রে নয়, বরং শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা এবং অটোমেশন সেক্টরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করে এবং তাদের প্রযুক্তি উন্নতির জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান হলো -
- FANUC (ফানুক),
- Yaskawa (ইয়াসকাওয়া),
- iRobot (আইরোবট),
- Boston Dynamics (বোস্টন ডাইনামিকস) ইত্যাদি।

• মানব-সদৃশ রোবট বা হিউমেনওয়েড (Humanoid) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো–
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয় (Murata),
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও (QRIO) এবং আইব,
- হোন্ডা কোম্পানির আসিমো (ASIMO),
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray),
- হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২) MIT/boston-dynamics [লিংক]
২,১৮০.
কোনটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ? 
  1. C
  2. C++
  3. SQL
  4. Cobol
ব্যাখ্যা
SQL: 
- SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language. 
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার। 
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে। 
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্ৰয়োগ করা যায়। 
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে। 
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়। 

অন্যদিকে, 
- C, Cobol এবং C++ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮১.
নিচের কোন মাইক্রোপ্রসেসরটি 16-bit বিশিষ্ট?
  1. Intel - 4004
  2. Intel - 8080
  3. Intel - 80186
  4. Intel Core i3
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর (Microprocessor or Processor):
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:  ৪০০৪, ৪০৪০।
• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০০৮, ৮০৮০।
১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৮৬, ৮০৮৮,৮০১৮৬।
• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮২.
ফ্লিপ-ফ্লপের কতটি স্থায়ী অবস্থা থাকে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ ফ্লপ: 
- ফ্লিপ-ফ্লপ লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0,1) আছে এবং ফ্লিপ-ফ্লপ দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। 

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার: 
১। বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। 
২। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। 
৩। ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়। 

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ: 
- ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার। 
যথা- 
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ, 
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ, 
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ, 
৪. T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮৩.
কোন ধরনের টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে তারা মিলিত হয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারগুলো যদি এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে তারা মিলিত হয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করে, তাহলে তা রিং টপোলজি বলা হয়। রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোডের সাথে ঠিক দুইটি কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ বৃত্ত গঠন হয়। তথ্য একটি নির্দিষ্ট দিক দিয়ে এক নোড থেকে অন্য নোডে প্রবাহিত হয়, যতক্ষণ না তা গন্তব্যে পৌঁছায়। এই টপোলজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ডেটার সংঘর্ষ কম হওয়া এবং সহজে ট্রাবলশুটিং করা যায়। তবে কোনো একটি নোড বা সংযোগে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক প্রভাবিত হতে পারে। তাই রিং টপোলজি বিশেষ করে ছোট এবং মাঝারি মাপের নেটওয়ার্কে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারগুলো বা নোডগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান-প্রদানের গতি এবং নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিভিন্নভাবে সংযুক্ত থাকে।

• নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হলো:
১. বাস টপোলজি
২. রিং টপোলজি
৩. স্টার টপোলজি 
৪. ট্রি টপোলজি 
৫. মেশ টপোলজি
৬. হাইব্রিড টপোলজি

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮৪.
১ টেরাবাইট সমান কত বাইট?
  1. ক) ২৫০ বাইট
  2. খ) ২৬০ বাইট
  3. গ) ২৪০ বাইট
  4. ঘ) ২৩০ বাইট
ব্যাখ্যা

- ১ নিবল সমান ৪ বিট।
- ১ বাইট সমান ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট সমান ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট সমান ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট সমান ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট সমান ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট সমান ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।

২,১৮৫.
নিচের কোনটি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ডিজিটাল ঘড়ি
  2. ক্যালকুলেটর
  3. ল্যাপটপ
  4. অপারেশনাল অ্যাম্প্লিফায়ার
ব্যাখ্যা

• অ্যানালগ কম্পিউটার(Analog Computer):
-যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের উপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করে, সেগুলোকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ বা অঙ্কের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ডায়াল বা ওসিলোস্কোপে প্রদর্শিত হয়।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটারের ব্যবহার:
- সাধারণত চাপ, তাপমাত্রা, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির ওঠানামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ ও মহাকাশযানের গতিবেগ, বায়ু ও তরলের চাপ পরিমাপে অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপ করার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যাম্প্লিফায়ার।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা:
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা ও নির্ভুলতা তুলনামূলকভাবে কম।
- জটিল ও নির্ভুল গণনার ক্ষেত্রে এটি কম কার্যকর।

মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৮৬.
Bluetooth সাধারনত কোন ধরনের নেটওয়ার্ক তৈরী করে?
  1. ক) PAN
  2. খ) MAN
  3. গ) WAN
  4. ঘ) LAN
ব্যাখ্যা
Bluetooth is a wireless technology standard used for exchanging data between fixed and mobile devices over short distances using short-wavelength UHF radio waves in the industrial, scientific and medical radio bands, from 2.402 GHz to 2.480 GHz, and building personal area networks (PANs).
২,১৮৭.
আইওএস (iOS) মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. ক) আইবিএম
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) গুগল
  4. ঘ) অ্যাপল
ব্যাখ্যা
অ্যাপল আইওএস:
- অ্যাপল আইওএস হলো একটি মাল্টিপ্ল্যাটফর্ম অপারেটিং সিস্টেম যা অ্যাপল 2007 সালে তৈরি করেছিল।
- এটি অ্যাপল পণ্য আইফোন, আইপড এবং আইপ্যাড দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- সফটওয়্যারটি Mac OS X এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা অ্যাপল 2001 সাল থেকে তার Macintosh কম্পিউটারগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছিলো।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১৮৮.
উইন্ডোজ OS ইনস্টল করার সময় কোন ড্রাইভকে প্রধান হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এ ড্রাইভে OS টি দ্রুত কাজ করে?
  1. C Drive
  2. E Drive
  3. F Drive
  4. D Drive
ব্যাখ্যা

• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার সময় সাধারণত C Drive-কে প্রধান (Primary) ড্রাইভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- কারণ উইন্ডোজ ডিফল্টভাবে C Drive-এ ইনস্টল হয় এবং এই ড্রাইভে সিস্টেম ফাইল, প্রোগ্রাম ফাইল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সংরক্ষণ করা হয়।
- C Drive-এ OS ইনস্টল করার ফলে সেটি দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে কাজ করে কারণ এটি হার্ডড্রাইভের প্রথম পার্টিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং অপারেটিং সিস্টেমের জন্য সর্বোত্তম পারফরম্যান্স দেয়।
- অন্য ড্রাইভ যেমন F, E, বা D সাধারণত ডেটা সংরক্ষণ বা অন্যান্য ফাইল রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সেগুলোতে OS ইনস্টল করা হয় না।
- তাই উইন্ডোজের জন্য C Drive প্রধান ড্রাইভ।
 
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ● কম্পিউটার iv) কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম

২,১৮৯.
আরপানেট (ARPANET) সিস্টেম ব্যবহার করে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন-
  1. টিম বার্নার্স-লি
  2. রে টমলিনসন
  3. রেইড হফম্যান
  4. ফ্রেডরিক কোহেন
ব্যাখ্যা

ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেটের (ARPANET) জন্ম হয়। তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্ত:সংযােগ বিকশিত হতে শুরু করে। এর ফলেই পরবর্তীতে তৈরি হয় ইন্টারনেট।
১৯৭১ সালে আমেরিকান প্রােগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন আরপানেট (ARPANET) সিস্টেম ব্যবহার করে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। এজন্য তিনি @ চিহ্ন ব্যবহার করেন যা এখন পর্যন্ত ই-মেইল অ্যাড্রেসে ব্যবহার হয়ে আসছে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বই।

২,১৯০.
ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানের জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Adove Reader
  2. খ) MS Office
  3. গ) Google Chrome
  4. ঘ) Spotify
ব্যাখ্যা
ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানের জন্য গুগল ক্রোম  ব্যবহৃত হয়। 

- ওয়েব ব্রাউজার হলো ওয়েব থেকে তথ্য খুঁজে বের করা, উপস্থাপন করা এবং সংরক্ষণ করার একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- WWW এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- World Wide Web. 
- গুগল ক্রোম হচ্ছে গুগল প্রতিষ্ঠানের তৈরি একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। 

সূত্র: Google Chrome Website [লিঙ্ক]
২,১৯১.
নিচের কোনটি 11001.1102 এর দশমিক রূপ?
  1. 20.2510
  2. 15.4510
  3. 24.5710
  4. 25.7510
ব্যাখ্যা

11001.1102
= 1×24 + 1×23 + 0×22 + 0×21 + 1×20 + 1×2-1 + 1×2-2 + 0×2-3
= 16 + 8 + 0 + 0 + 1 + 0.5 + 0.25 + 0
= 25.7510

২,১৯২.
কাকে প্রোগ্রামিং এর ধারণা প্রবর্তক হিসেবে গণনা করা হয়?
  1. চার্লস ব্যাবেজ
  2. অ্যাডা লাভলেস
  3. স্টিভ জজনিয়াক
  4. টিমোথি জন বার্নাস লি
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সাধারণত Ada Lovelace-কে গণ্য করা হয়। তিনি ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে Charles Babbage-এর Analytical Engine-এর জন্য প্রথম অ্যালগরিদম তৈরি করেন, যা আজকের প্রোগ্রামিং-এর মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। Ada Lovelace এই যন্ত্রটি কিভাবে কাজ করবে তা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছিলেন এবং প্রথমবারের মতো একটি যান্ত্রিক কম্পিউটারের মাধ্যমে গণনা সম্পাদনের ধারণা দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে,

- চার্লস ব্যাবেজ: চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও কম্পিউটিং পথিকৃৎ, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি ১৮৩৭ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন ডিজাইন করেছিলেন, যা ছিল একটি যান্ত্রিক জেনারেল-পারপাস কম্পিউটার। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- স্টিভ জজনিয়াক: অ্যাপল কম্পিউটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- টিমোথি জন বার্নাস লি: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আবিষ্কারক।

• Ada Lovelace:
- Ada Lovelace সাধারণত প্রোগ্রামিং ধারণার প্রথম প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি আধুনিক কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর ভিত্তি তৈরি করেছিলেন।
- Ada Lovelace ছিল প্রথম ব্যক্তি যিনি চার্লস ব্যাবেজের 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন' (Analytical Engine) এর জন্য একটি আলগোরিদম ডিজাইন করেছিলেন, যা পরবর্তীকালে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর সূচনা হিসাবে গণ্য হয়।
- তাঁর ডিজাইন করা এই অ্যালগরিদমকে প্রথম প্রোগ্রাম হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি আধুনিক গণনা এবং কম্পিউটিং এর ধারণাগুলি তৈরি করতে সহায়ক হয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে প্রোগ্রামিং ভাষার উত্থানকে প্রভাবিত করেছে।
- প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)-কে গণ্য করা হয়।
- তিনি বিখ্যাত গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজের প্রস্তাবিত অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম লিখেছিলেন, যা তাকে বিশ্বের প্রথম প্রোগ্রামার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ১৮৪০-এর দশকে তিনি এমন একটি অ্যালগরিদম তৈরি করেছিলেন যা মেশিন দ্বারা সম্পাদন করা যেতে পারে, যা আধুনিক প্রোগ্রামিংয়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অ্যাডা লাভলেস ছিলেন চার্লস ব্যাবেজের অন্যতম একজন সহযোগী।
- অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য প্রোগ্রামিং এর ধারণা দেন।
- অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক বলা হয়।
- ১৮৪২ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। অ্যাডা লাভলেস সে সময় ব্যাবেজের সহায়তায় পুরো বক্তব্যে ইঞ্জিনের কাজের ধারাণাটি বর্ণনা করেন।
- অ্যাডা লাভলেসের মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৯৩.
নিচের কোনটি অনলাইন অনুবাদের জন্য বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Facebook
  2. খ) AWS Translator
  3. গ) Google Translator
  4. ঘ) Gmail
ব্যাখ্যা

Google Translate -
সাইটঃ translate.google.com
Google's free service instantly translates words, phrases, and web pages between English and over 100 other languages.

২,১৯৪.
এমবেডেড সিস্টেমে কোন মেমরি স্টোরেজ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ROM
  2. DRAM
  3. EEPROM
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা
• Low Cost এর কারনে পিসি এবং এমবেডেড সিস্টেমে DRAM ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

♦ ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর (MOSFET - Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor) ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।
- সাধারণ SRAM-এর তুলনায় এ ধরনের মেমরির স্মৃতি কোষ আকারে ছোট এবং দামেও সস্তা।
- DRAM-এর আরো সুবিধা হলো প্রতি আইসিতে বিটের সংখ্যা বেশি, বিট প্রতি খরচও কম এবং বিদ্যুৎ শক্তি কম লাগে।
- এসব কারণে DRAM- এর ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে।
- মেইনফ্রেম, মিনিফ্রেম এবং মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমরি হিসেবে সাধারণত DRAM ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- DRAM-এর ক্যাপাসিটরের চার্জ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে হয়ে যায় বলে প্রায় 72ns পর পর প্রত্যেক স্মৃতি কোষে লেখা তথ্য নতুন করে লিখতে হয়।একে Refreshing বলে।
- DRAM দুই ধরনের হয়। যথা-
(১) SDRAM (Synchronous DRAM) ও
(2) ASDRAM (Asynchronous DRAM)।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [Link]
২,১৯৫.
WiFi 6 নামে পরিচিত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. ক) IEEE 802.11B
  2. খ) IEEE 802.11G
  3. গ) IEEE 802.11ax
  4. ঘ) IEEE 802.11ac
ব্যাখ্যা
- WiFi এর প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড ছিলো IEEE 802.11B.
- এরপরের দ্রুততর সংস্করণের নাম ছিলো IEEE 802.11G এবং
- সর্বশেষ WiFi 6 নামে পরিচিত স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11ax

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান এবং tp-link.com
২,১৯৬.
কেন ChatGPT কে “জেনারেটিভ” AI বলা হয়?
  1. এটি নতুন লেখা বা কনটেন্ট তৈরি করে
  2. এটি শুধু ডেটা সংরক্ষণ করে
  3. এটি শুধুমাত্র বিদ্যমান তথ্য সাজায়
  4. এটি বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপন্ন করে
ব্যাখ্যা
• ChatGPT কে “জেনারেটিভ” AI বলা হয় কারণ এটি কেবল তথ্য সংরক্ষণ বা সাজায় না, বরং নতুন লেখা, উত্তর, ব্যাখ্যা এবং কনটেন্ট তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ ব্যবহারকারীর প্রশ্ন বা নির্দেশনার উপর ভিত্তি করে এটি সম্পূর্ণ নতুন বাক্য, গল্প, কবিতা বা বিশ্লেষণ জেনারেট করতে সক্ষম। এটি বিদ্যমান ডেটার উপর ভিত্তি করে শেখে, কিন্তু ফলাফল সম্পূর্ণ নতুন এবং আগের ডেটার সঠিক নকল নয়। তাই ChatGPT কে “জেনারেটিভ” বলা হয়, কারণ এর মূল ক্ষমতা হল নতুন এবং মৌলিক কনটেন্ট তৈরি করা, যা কেবল তথ্য সাজানো বা সংরক্ষণ করার চেয়ে অনেক বেশি সৃজনশীল। সঠিক উত্তর: ক) এটি নতুন লেখা বা কনটেন্ট তৈরি করে।

• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- বর্তমানে GPT- 5 ভার্সন চলছে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

• চ্যাটজিপিটির বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।

উৎস: www.openai.com.
২,১৯৭.
In an n-bit binary counter, the maximum number of states that can be represented is—
  1. n!
  2. n2
  3. 2n
  4. 2n
ব্যাখ্যা

• n-bit বাইনারি কাউন্টার 0 থেকে 2n − 1 পর্যন্ত গণনা করতে পারে, তাই এর মোট স্টেট সংখ্যা 2n

• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যার মধ্যে প্রদত্ত ইনপুট পালসের সংখ্যা গণনা করা যায়।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস (কাউন্ট পালস) ক্লক পালস বা অন্য কোনো পালস হতে পারে।
- কাউন্ট পালস নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে অথবা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স (Sequence) বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে, তবে সবচেয়ে সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n-বিট বাইনারি কাউন্টার n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট দ্বারা গঠিত।
- এটি 0 থেকে 2n − 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে।

• মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার:
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গণনা করতে পারে তাকে তার মডিউলাস বা মোড নাম্বার বলা হয়।
- কোনো কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস হয় 2n
- ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করলে মোড নাম্বার বা মডিউলাসও বৃদ্ধি পায়।

• কাউন্টারের ব্যবহার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়।
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে।
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে।
- ডিজিটাল ঘড়িতে।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে।
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তরের কাজে ব্যবহার করা হয়।

• কাউন্টারের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে বিভিন্ন ধরনের কাউন্টার ব্যবহৃত হয়।

• সিঙ্ক্রোনাস কাউন্টার (Synchronous counter):
- এ ধরনের কাউন্টারে একটি মাত্র ক্লক পালস দিয়ে সব ফ্লিপ-ফ্লপের অবস্থা পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণ: রিং কাউন্টার, মড-১০ কাউন্টার।

• অ্যাসিঙ্ক্রোনাস কাউন্টার (Asynchronous counter):
- এ ধরনের কাউন্টারে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট অন্য ফ্লিপ-ফ্লপের ক্লক পালস হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ: রিপল কাউন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৯৮.
জিআইএস ব্যবস্থার জনক কে?
  1. ক) রেইড হফম্যান
  2. খ) রোজার টমলিনসন
  3. গ) মাইক ক্রিয়েজার
  4. ঘ) ডোম হফম্যান
ব্যাখ্যা
রোজার টমলিনসন সর্বপ্রথম ১৯৬৮ সালে জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম কথাটি ব্যবহার করেন। এজন্য তাকে জিআইএস ব্যবস্থার জনক বলা হয়।
২,১৯৯.
কোনটি ফেসবুকের ই-মেইল হতে পারে?
  1. ক) info@facebook.com
  2. খ) info@faceboo.com
  3. গ) info@faccebook.com
  4. ঘ) info@facebook.cam
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটের মাধ্যমে মেসেজসমূহ তৈরি, প্রেরণ ও গ্রহণ করার একটি বিশেষ ধরনের সুবিধা হলো ওয়েব মেইল। Gmail, yahoo, Outlook ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডার (ফ্রি) হলেও কোন কোন প্রতিষ্ঠান নিজেদের জন্য পেইড মেইল সার্ভিস ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে ইমেইল এড্রেসের শেষে সংশ্লিষ্ট অফিসের নাম থাকবে। 

ফেসবুকের ইমেইল মানে অবশ্যই username@facebook.com এই রকম হবে।
২,২০০.
প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুলকে কী বলা হয়?
  1. ক) এরর
  2. খ) ডিবাগিং
  3. গ) বাগ
  4. ঘ) মিসটেইক
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামে সংঘটিত যাবতীয় ভুল-ত্রুটিকে বাগ বলা হয়।

প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল-ত্রুটিগুলো সংশোধন করার প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং বলা হয়।

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।