বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ২১ / ১৩১ · ২,০০১২,১০০ / ১৩,০৮৮

২,০০১.
Which part of the CPU is used for fast temporary storage of data during processing?
  1. Hard disk
  2. Registers 
  3. ROM
  4. Cache
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Registers 

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ),
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, (ভোকেশনাল)।

২,০০২.
ডেটাবেজ সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. FoxPro
  2. Oracle
  3. WinRAR
  4. Redis
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

• WinRAR একটি ফাইল আর্কাইভিং সফটওয়্যার যা ফাইল সংকোচন এবং নিষ্ক্রিয়করণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০০৩.
IBM 4300 ও UNIVAC 1100 হলো-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) মিনি কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক
ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুত গতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি। 
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, ব্যাংক, বিমা, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিপুল তথ্য আদান-প্রদান, সংরক্ষণ এবং জটিল ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম  উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং বৈজ্ঞানিক কর্মতৎপরতা পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়নের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

উদাহরণ: UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,০০৪.
ASCII কোডের কোন রেঞ্জ ক্যারেক্টারদের জন্য সংরক্ষিত?
  1. 0 - 31
  2. 32 - 55
  3. 48 - 57
  4. 66 - 110
ব্যাখ্যা

ASCII কোডের ০ থেকে ৩১ পর্যন্ত রেঞ্জটি নিয়ন্ত্রণ ক্যারেক্টারদের জন্য সংরক্ষিত।
- এই ক্যারেক্টারগুলো সাধারণভাবে দৃশ্যমান নয় এবং তারা কম্পিউটার বা প্রিন্টার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন কার্সর নিয়ন্ত্রণ, নতুন লাইন, ট্যাব ইত্যাদি।
- অন্যদিকে, ৩২ থেকে ৪৭ পর্যন্ত রেঞ্জটি বিশেষ চিহ্ন বা সিম্বল গুলোকে প্রতিনিধিত্ব করে, যেমন স্পেস, ডট, কমা, সেমিকোলন ইত্যাদি।
- ৪৮ থেকে ৫৭ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট বা সংখ্যা ক্যারেক্টারকে নির্দেশ করে।
- শেষ রেঞ্জ ৬৫ থেকে ৯০ পর্যন্ত বড় হাতের ইংরেজি অক্ষর (A থেকে Z) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই, ০-৩১ রেঞ্জটি মূলত নিয়ন্ত্রণ ক্যারেক্টারদের জন্য সংরক্ষিত।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- পূর্ণরূপ: ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange |
- আবিষ্কার: ASCII কোডটি ১৯৬৩ সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI) কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।

• বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি ৭ বিটের কোড, যা দ্বারা ১২৮টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং কিছু বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এই কোডটি ASCII-৭ কোড নামে পরিচিত।

• ASCII-৮ কোড:
- ASCII-৭ কোডের সর্ববামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৮ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-৮ কোড মাধ্যমে ২৫৬টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং অন্যান্য বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এভাবে কোডের বিভিন্ন সংস্করণ ও তাদের বৈশিষ্ট্য গুলি স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০০৫.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কোম্পানি ডিপসিক (DeepSeek) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. এলন মাস্ক
  2. সান্দ্রা পিচাই
  3. জেফ বেজোস
  4. লিয়াং ওয়েনফেং
ব্যাখ্যা
ডিপসিক (DeepSeek):
- ডিপসিক (DeepSeek) একটি চীনা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কোম্পানি।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব চীনের হাংঝু শহরে অবস্থিত।
- কোম্পানিটি জুলাই ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন লিয়াং ওয়েনফেং, একজন চীনা উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী।
- লিয়াং কোয়ান্টিটেটিভ হেজ ফান্ড হাই-ফ্লায়ারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি A-100 চিপের বড় মজুত সংগ্রহ করেছিলেন, যা ডিপসিক প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়েছে।
- আনুমানিক ৫০,০০০ চিপ সংগ্রহ তাকে এই কোম্পানি গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

ডিপসিকের লক্ষ্য ও অর্জন:
- ডিপসিকের মূল লক্ষ্য হলো কম খরচে কার্যকর AI মডেল তৈরি করা।
- এর R-1 মডেলটি মাত্র ৬ মিলিয়ন ডলার খরচে তৈরি করা হয়েছে, যা অন্যান্য AI মডেলের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।
- এই মডেলটি চ্যাটজিপিটির সমকক্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি ডিপসিক তাদের প্রথম বিনামূল্যের চ্যাটবট অ্যাপ প্রকাশ করে।
- অ্যাপটি মুক্তির কিছুদিনের মধ্যেই অ্যাপল স্টোরে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড করা ফ্রি অ্যাপের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে।

প্রতিক্রিয়া ও স্বীকৃতি:
- সিলিকন ভ্যালির উদ্যোক্তা মার্ক আন্দ্রিসেন ডিপসিককে AI জগতের 'অন্যতম যুগান্তকারী আবিষ্কার' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তথ্যসূত্র:- DeepSeek AI ও বিবিসি বাংলা নিউজ।
২,০০৬.
স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয় কোনটি?
  1. QBASIC
  2. Java
  3. Pascal
  4. C
ব্যাখ্যা
• "Java" অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং:

- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এমন এক ধরনের প্রোগ্রামিং যেখানে প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে লেখা হয়।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এ টপ-ডাউন-অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে প্রোগ্রামকে কতকগুলো অংশ বা মডিউলে ভাগ করা হয়।

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ:
- C,
- Pascal,
- QBASIC,
- ALGOL,
- PL/I,
- Ada ইত্যাদি।

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের গঠন তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. পর্যায়ক্রমিক গঠন (Sequential Structure),
২. চক্র বা লুপ (Loop) ও
৩. ডিশিসন স্টেটমেন্ট (Desicion Statement)।

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য:
- এটা সহজে অনুধাবনযোগ্য।
- ডিবাগিং করা সহজ।
- সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০০৭.
ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেন-
  1. ক) নেপিয়ার
  2. খ) নিউটন
  3. গ) প্যাস্কেল
  4. ঘ) লিবনিজ
ব্যাখ্যা
ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন। প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন লিবনিজ। স্কটল্যান্ড এর গণিতবিদ জন নেপিয়ার লগারিদম উদ্ভাবন করেন।
২,০০৮.
নিচের কোনটি ছবি (image) এক্সটেনশন?
  1. ক) Video.jpg
  2. খ) Video.png
  3. গ) Video.jpeg
  4. ঘ) All of these
ব্যাখ্যা
- Image ফাইলের এক্সটেনশন হচ্ছে - jpg, jpeg, jif, png। 
- কোন ফাইলের নামের শেষে উপরিউক্ত এক্সটেনশন থাকলে সেটি ইমেইজ ফাইল। 
- যেহেতু প্রশ্নের সকল ফাইলের নামের শেষে উপরিউক্ত এক্সটেনশন আছে। সুতরাং সঠিক উত্তর D .
২,০০৯.
ব্লু টুথ এর মাধ্যমে কোন ধরনের Wireless নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতি অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক:
১. Personal Area Network (PAN)
২. Local Area Network (LAN)
৩. Metropolitan Area Network (MAN)
৪. Wide Area Network (WAN)

⇒ PAN:
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে নেটওয়ার্ক (ব্লু-টুথ এর মাধ্যমে) তৈরি করা হয় তা হলো PAN।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২,০১০.
অ্যালগরিদমের চিত্ররূপকে কী বলা হয়?
  1. ফ্লোচার্ট
  2. ছদ্ম-প্রােগ্রাম
  3. বেসিক কমান্ড
  4. সুডােকোড
ব্যাখ্যা
• প্রবাহচিত্র/ফ্লোচার্ট:
- এটি অ্যালগরিদমের চিত্ররূপ।
- এই চিত্রে প্রােগ্রামের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা দেয়া হল।
- ফ্লোচার্ট অনুসরণ করে প্রকৃত প্রােগ্রাম রচনা করা হয়।

• সুডােকোড:
- প্রােগ্রামের ধরন ও কার্যাবলী তুলে ধরার জন্য কিছু সংখ্যক নির্দেশ বা স্টেটমেন্টের সমাহারকেই সুডােকোড বলা হয়।
- Pseudo অর্থ ছদ্ম।
- সুডোকোড অর্থ ছদ্ম-প্রােগ্রাম।

• বেসিক কমান্ড:
- বেসিক প্রােগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, যেমন- PRINT, LET ইত্যাদি।

• বেসিক সংরক্ষিত শব্দ:
- এসব শব্দ বেসিক চলক হিসেবে ব্যবহার করা নিষেধ। যেমন- LIST, PRINT, READ ইত্যাদি।

• অ্যালগরিদম:
- সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারী বর্ণনা।
- এই বর্ণনার ভিত্তিতে ফ্লোচার্ট অঙ্কন করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০১১.
What is an example of a closing tag in HTML?
  1. < /b >
  2. < b >
  3. < ! >
  4. none
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) < /b >
• এইচটিএমএল (HTML) এ কোনো একটি এলিমেন্ট বা নির্দেশনার কাজ শেষ করার জন্য যে ট্যাগ ব্যবহৃত হয়, তাকে ক্লোজিং ট্যাগ বলা হয়। ক্লোজিং ট্যাগের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে একটি ফরওয়ার্ড স্ল্যাশ (/) চিহ্ন থাকে, যা ট্যাগের নামের ঠিক আগে বসে। যেমন, কোনো লেখাকে বোল্ড (Bold) করার কাজ শুরু করতে <b> ব্যবহার করা হয় এবং সেই বোল্ড করার কাজ শেষ করতে সমাপনী ট্যাগ হিসেবে </b> ব্যবহার করা হয়।

HTML Tag:
- HTML মার্কআপ ভাষায় ব্যবহৃত ট্যাগকেই সাধারণত HTML ট্যাগ বলা হয়।
- HTML tags একটি অ্যাঙ্গেল ব্র্যাকেট < > দ্বারা আবৃত একটি কী-ওয়ার্ড।
- যেমন- । HTML tags সাধারণত জোড়ায় জোড়ায় লেখা হয়।
- প্রথম ট্যাগকে Start tag বা opening tag এবং শেষ ট্যাগকে end tag বা closing tag বলে।
- শেষ ট্যাগটি back slash (/) দ্বারা লিখতে হয়।
- ট্যাগের মধ্যেই ডকুমেন্টের সবকিছু অবস্থান করে।
- HTML-এর কোড ইংরেজি বড় হাতের, ছোট হাতের কিংবা উভয় হাতের মিশ্রণে লেখা যায়।
- তাই

২,০১২.
Which of the following is not a feature of electronic banking?
  1. Electronic Funds Transfer
  2. Mobile Payments
  3. Automatic Teller Machines
  4. Only writing and depositing checks
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Only writing and depositing checks।

ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং (Electronic Banking)
ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং হলো কম্পিউটার, মোবাইল বা অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যাংকিং লেনদেন করা, যেখানে মানব সহায়তা প্রয়োজন হয় না।

ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর বৈশিষ্ট্য
- Electronic Funds Transfer (EFT) - ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর
- Mobile Payments - রিটেল ক্রয়ের জন্য মোবাইল মাধ্যমে অর্থ প্রদান
- ATMs (Automatic Teller Machines) - স্বয়ংক্রিয় নগদ উত্তোলন
- Automatic Paycheck Deposits - বেতন সরাসরি অ্যাকাউন্টে জমা
- Automated Bill Payment - বিলের স্বয়ংক্রিয় পেমেন্ট

 ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর  সুবিধাসমূহ
- অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স দেখতে পারে
- অর্থ স্থানান্তর করতে পারে
- Certificates of Deposit (CDs) কিনতে পারে
- ব্রোকারেজ অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত থাকলে স্টক, বন্ড ও অন্যান্য সিকিউরিটি কিনতে বা বিক্রি করতে পারে।
- কাগজি নোট ও কয়েন বহনের প্রয়োজন কমে গেছে।
- প্রতিটি লেনদেনের জন্য মানব সহায়তার প্রয়োজন নেই।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,০১৩.
বাইনারি যোগ করুন: 1 + 1 + 1 = ?
  1. ক) 111
  2. খ) 11
  3. গ) 3
  4. ঘ) 10
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ:

1 + 0 = 1
1 + 1 = 10
1 + 1 + 1 = 11
২,০১৪.
CPU তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় তথ্যকে ক্ষণস্থায়ীভাবে কোথায় জমা রাখে?
  1. ক) মনিটরে
  2. খ) হার্ডডিস্কে
  3. গ) র‍্যামে
  4. ঘ) রেজিস্টারে
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট যা অস্থায়ী মেমরি হিসেবে কাজ করে। এর প্রত্যেকটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি করে বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় উপাত্ত অস্থায়ীভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
২,০১৫.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কোন সেবাগুলো চালু হয়? 
  1. ক্লাউড কম্পিউটিং এবং IoT
  2. প্রি-পেইড, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা
  3. ভয়েস কল এবং ফ্যাক্স
  4. ভিডিও কল এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 

দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G: 1991-2000): 
- অ্যানালগ ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ডিজিটাল ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু হয়, তাই Second Generation-2G-কে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়। 
- এ সময়ের মোবাইল ফোনের টেকনোলজির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো GSM (Global System for Mobile Communication) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) সুবিধা। 
- এসব সুবিধা নিয়ে এবং ভয়েসকে নয়েজমুক্ত করার মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের সূচনা হয়, এজন্য সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইলকে জিএসএম বা সিডিএমএ স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়। 
- সময়ের পরিক্রমায় মোবাইল হ্যান্ডসেটের আকৃতি ও ওজন উল্লেখযোগ্য হারে কমতে থাকে। 
- ক্রমান্বয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রি-পেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। 
- এ সময়ে আন্তর্জাতিক রোমিং সিস্টেম চালু হয়। 
- যখন কোনো মোবাইল ফোন তার সার্ভিস অপারেটরের কভারেজ এরিয়ার বাইরে থেকেও সর্বদা ডেটা সার্ভিস দিতে পারে তখন তাকে রোমিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২,০১৬.
পাবলিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. WAN
  2. PAN
  3. LAN
  4. CAN
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের মালিকানা: 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network) এবং 
২। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network)। 

পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে, অর্থাৎ এর একক মালিকানা থাকে না। 
- এর ব্যবহারকারীকে সাধারণত ফিস্ বা মূল্য পরিশোধ করতে হয় না। 
- WAN বা ইন্টারনেট হলো পাবলিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 

প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে। 
- কেউ ইচ্ছা করলেই এই নেটওয়ার্কে অ্যাকসেস করতে পারে না। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ও তত্ত্বাবধানে। 
- এর সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত এবং এতে ট্রাফিক নেই বললেই চলে। 
- ডেটা আদান-প্রদানে ডিলে (Delay) কম হয়। 
- PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২,০১৭.
WCDMA মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মের সেবা প্রদান করে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 

তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে। 
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার। 
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম। 
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়, এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে। 
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)। 
- মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়- 
1. HSPA (High speed package Access), 
2. WCDMA (Wide band code division multiple access)
3. 3GPP (3rd Gen Partnership Project) এবং 
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) I  
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২,০১৮.
এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি হলে এর ভেদন ক্ষমতা কী হয়? 
  1. অসীম হয়ে যায়
  2. বৃদ্ধি পায়
  3. কমে যায়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা
এক্সরে (X-ray): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী উইলিয়াম রঞ্জন ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে আকস্মিকভাবে এক্সরে আবিষ্কার করেন। 
- পরীক্ষার সময় তিনি দেখেন, ক্ষরণ নলে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হলে এক ধরনের অদৃশ্য রশ্মি নির্গত হয়, যা বেরিয়াম প্ল্যাটিনোসায়ানাইড প্রলেপযুক্ত পাতে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। এই রশ্মির প্রকৃতি অজানা থাকায় তিনি একে "এক্সরে" নামে অভিহিত করেন, যা পরবর্তীতে রঞ্জন রশ্মি নামে পরিচিত হয়। 
- গবেষণার মাধ্যমে তিনি দেখান যে, উচ্চগতিসম্পন্ন ইলেকট্রন ধাতুর প্রতিবন্ধকে আঘাত করলে তার গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের প্রকারভেদ: 
- এক্সরে দুই প্রকার।
যথা- 
১। কোমল এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক কম বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কোমল এক্সরে বলে। 
- কোমল এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক বড়, ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক কম। 

২। কঠিন এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক বেশি বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কঠিন এক্সরে বলে। 
- কঠিন এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক ছোট ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক বেশি। 

এক্সরের ধর্ম: 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
৬ । আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০১৯.
সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবহারের কারণঃ
  1. ক) নৌচলাচলের বিপদ সংকেত
  2. খ) জাহাজ চলাচলের সুবিধা
  3. গ) ইন্টারনেট সংযোগ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাবমেরিন কেবল হলো সাগরের তলদেশের স্থাপিত এক ধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল। এটি টেলিকমিউনিকেশনে এবং ইন্টারনেট সংযোগে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবলে যোগ দেয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
২,০২০.
নিচের কোনটি Malware-এর প্রকার নয়?
  1. Trojan Horse
  2. Worm
  3. Antivirus
  4. Spyware
ব্যাখ্যা

Malware (Malicious Software) হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার, যা কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে অননুমোদিত কাজ করে। Antivirus হলো Malware প্রতিরোধক সফটওয়্যার, Malware নয়।

ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।

বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার: 
ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

২,০২১.
Which protocol is most widely used for data exchange on the Internet?
  1. TCP/IP
  2. FTP
  3. HTTP 
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) TCP/IP

• ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট পৃথিবী বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- এটি অসংখ্য ছোট বা বড় নেটওয়ার্কের সংযোগে তৈরি একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।
- ভিনটন গ্রে সার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- ARPANET দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

• ARPANET:
- ARPANET হল একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো 'Advanced Research Projects Agency Network'.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।


উৎস: 1. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।

২,০২২.
Which SQL command is used to remove a stored function from the database permanently?
  1. CREATE
  2. DROP
  3. REMOVE
  4. DELETE
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) কোনো অবজেক্ট যেমন টেবিল, ইনডেক্স বা ফাংশন সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলার জন্য DROP স্টেটমেন্ট ব্যবহৃত হয়। এটি একটি Data Definition Language (DDL) কমান্ড। ফাংশন মুছতে সাধারণত DROP FUNCTION function_name; সিনট্যাক্স ব্যবহার করা হয়।

• ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে। ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML):
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উল্লেখ্য:
- CREATE: এটি নতুন ডাটাবেজ অবজেক্ট (যেমন টেবিল বা ফাংশন) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, মুছতে নয়।
- REMOVE: এসকিউএল-এ অবজেক্ট ডিলিট করার জন্য 'REMOVE' নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা অফিসিয়াল কমান্ড নেই।
- DELETE: এটি একটি DML কমান্ড যা টেবিলের ভেতরের নির্দিষ্ট রেকর্ড বা ডেটা মোছার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডাটাবেস অবজেক্ট বা স্ট্রাকচার মুছে ফেলে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০২৩.
HTTP 404 কি ধরনের সতর্ক বার্তা?
  1. ক) সার্ভার বন্ধ
  2. খ) সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন হয়ে গেসে
  3. গ) পেইজ পাওয়া যাচ্ছে না
  4. ঘ) সার্ভার পাওয়া যাচ্ছে না
ব্যাখ্যা

100 Continue
101 Switching Protocols
102 Processing
200 OK
201 Created
202 Accepted
203 Non-authoritative Information
204 No Content
300 Multiple Choices
301 Moved Permanently
302 Found
303 See Other
304 Not Modified
305 Use Proxy
307 Temporary Redirect
308 Permanent Redirect
400 Bad Request
401 Unauthorized
402 Payment Required
403 Forbidden
404 Not Found
405 Method Not Allowed
406 Not Acceptable
407 Proxy Authentication Required
408 Request Timeout
409 Conflict
410 Gone
411 Length Required
412 Precondition Failed
413 Payload Too Large
414 Request-URI Too Long
415 Unsupported Media Type
416 Requested Range Not Satisfiable
417 Expectation Failed
418 I'm a teapot
421 Misdirected Request
422 Unprocessable Entity
423 Locked
500 Internal Server Error
501 Not Implemented
502 Bad Gateway
503 Service Unavailable
504 Gateway Timeout
505 HTTP Version Not Supported
506 Variant Also Negotiates
507 Insufficient Storage
508 Loop Detected
510 Not Extended
511 Network Authentication Required
599 Network Connect Timeout Error

২,০২৪.
ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. ন্যানো টেকনোলজি
  3. বায়ো ইনফরমেটিক্স
  4. বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — ক) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং

- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ডিএনএ (DNA) পরিবর্তন, সংশোধন বা নতুন সিকোয়েন্স তৈরি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়ায় জীবের জিন (gene) কেটে, জোড়া লাগিয়ে বা পরিবর্তন করে নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: জিন ক্লোনিং, রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি ইত্যাদি।

অপশন আলোচনা:
- ন্যানো টেকনোলজি: অণু বা পরমাণু স্তরে পদার্থ নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি।
- বায়ো ইনফরমেটিক্স: জীববৈজ্ঞানিক তথ্য (বিশেষত জেনোম ডেটা) বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ব্যবহারের পদ্ধতি।
- বায়োমেট্রিক্স: মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য দিয়ে পরিচয় নির্ধারণের পদ্ধতি (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস রিকগনিশন)।
- তাই ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং:
- কোনো জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গবেষণার মাধ্যমে যখন একটি জিন পরিবর্তন করে সেখানে অন্য জিন লাগানো হয়, তখন তাদেরকে একত্রে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ বা RDNA প্রযুক্তি বলে।
- এ প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে DNA সূত্রের কাঙ্ক্ষিত খণ্ড বা অংশ ক্ষুদ্র এককোষী আবাদি জীব তথা ব্যাকটেরিয়া থেকে মানবদেহে, উদ্ভিদকোষ থেকে প্রাণীদেহে এবং প্রাণীকোষ থেকে উদ্ভিদদেহে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএ-এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- ১৯৭৩ সালে Ecoli ব্যাকটেরিয়ার প্লাসমিডের মধ্যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট জিন প্রবেশ করানোর মাধ্যমে Herbert Boyer এবং Stanley Cohen সর্বপ্রথম ট্রান্সজেনিক জীব তৈরী করেন।
- RDNA সমৃদ্ধ জীবকোষকে বলা হয় Genetically Modified Organism (GMO)।
- উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ঔষধ কোম্পানি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি সফলভাবে প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক সুবিধাদি গ্রহণ করছে।
- উদাহরণস্বরূপ মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিনকে ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবিষ্ট করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করা হচ্ছে।
- তাছাড়া রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিজাত ফসল এবং উদ্ভিদের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,০২৫.
যে বইগুলো অনলাইন পড়া যায় সেগুলো কোন ফরম্যাটে থাকে?
  1. pdf
  2. html
  3. jpg
  4. doc
ব্যাখ্যা
• ই-বুক:
- ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক বা ই-বই হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ।
- যেহেতু, এটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয় সে কারণে এতে শব্দ, অ্যানিমেশন ইত্যাদিও জুড়ে দেওয়া যায়।
- ই-বুক কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা বিশেষ ধরনের রিডার (ই-বুক রিডার) ব্যবহার করে পড়া যায়। প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের (amazon.com) কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- মুদ্রিত বইয়ের হুবহু প্রতিলিপি ই-বুকগুলো মূলত মুদ্রিত বইয়ের মতই হয়ে থাকে। সচরাচর এগুলো পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট) ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়ে থাকে।
- যে ই-বুকগুলো কেবল অনলাইনে তথা ইন্টারনেটে পড়া যায়, এগুলো সচরাচর এইচটিএমএল-এ প্রকাশিত হয়। এগুলোকে বই-এর ওয়েবসাইট বলা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
২,০২৬.
নিচের কোনটিতে এমবেডেড কম্পিউটারের ব্যবহার নেই?
  1. এসি
  2. স্মার্টফোন
  3. স্লাইড রুল
  4. মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো: গাড়ি, সেলফোন ও স্মার্টফোন, প্রিন্টার, ওভেন, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন(এসি), ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

• মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০২৭.
এন্টিভাইরাস কী?
  1. একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস
  2. একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. একটি ভাইরাস তৈরির প্রোগ্রাম
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলো-
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০২৮.
কম্পিউটারকে ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে রক্ষা করতে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. টার্মিনাল
  2. ডিভাইস ড্রাইভার
  3. ফায়ারওয়াল
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল হলো একটি সিকিউরিটি সিস্টেম, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে আসা-যাওয়া করা ডেটা ফিল্টার করে এবং অননুমোদিত প্রবেশ বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়।

ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- সহজভাবে বলা যায়, কোনো কম্পিউটারের সফ্টওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- তবে ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
টার্মিনাল ➝ শুধু ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ডিভাইস ড্রাইভার ➝ হার্ডওয়্যার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট ➝ বিনোদন ও সিমুলেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,০২৯.
PNG এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Portable Network Graphics
  2. Personal Network Gateway
  3. Portable Network Gateway
  4. Pixel Network Gateway
ব্যাখ্যা
• PNG:
- PNG এর পূর্ণরূপ Portable Network Graphics.
- PNG একটি Image ফাইল এক্সটেনশন।
- PNG ফাইল এক্সটেনশানের একটি ফাইল হল একটি পোর্টেবল নেটওয়ার্ক গ্রাফিক্স ফাইল।
- ফরম্যাটটি নিখুঁত কম্প্রেশন ব্যবহার করে এবং সাধারণত GIF ইমেজ ফরম্যাটের প্রতিস্থাপন হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

উৎস: Adobe.com
২,০৩০.
কোন কম্পিউটার বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম ভাইরাস বিষয়ে আলোকপাত করেন?
  1. ক) কিডম্যান
  2. খ) এলিস সুনরো
  3. গ) জন ম্যাকাফি
  4. ঘ) জন ভন নিউম্যান
ব্যাখ্যা

১৯৪৯ সালে জন ভন নিউম্যান প্রথম স্ব-পুনরুৎপাদিত প্রোগ্রাম সম্পর্কে ধারণা দেন। তার এই ধারণা থেকেই ভাইরাস প্রোগ্রামের আবির্ভাব ঘটে। পুনরুৎপাদনশীলতার জন্যে এই ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে প্রথম ভাইরাস হিসেবে সম্বোধন করেন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক বি কোহেন।
(সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : অষ্টম শ্রেণী)

২,০৩১.
'F' বাইনারি সংখ্যায় কত?
  1. 111
  2. 1110
  3. 1011
  4. 1111
ব্যাখ্যা
'F' একটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- দশমিক সংখ্যায় এর মান = 15
- বাইনারি সংখ্যায় এর মান = 1111
- অক্টাল সংখায় এর মান = 17
২,০৩২.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় কয়টি মৌলিক লজিক্যাল অপারেশন রয়েছে?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ২ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অ্যালজেবরার (ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে) তিনটি মৌলিক লজিক্যাল অপারেশন রয়েছে। যথা-
১) OR (+) Operation -> সাধারণ যোগের কাজ করা হয়।
২) AND (.) Operation -> সাধারণ গুনের কাজ করা হয়।
৩) NOT ( A') Operation -> পূরকের কাজ করে (০ থাকলে ১ এবং ১ থাকলে ০ এ পরিণত করে)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,০৩৩.
কোনটি সাইবার ক্রাইম নয়?
  1. Debugging
  2. Trojan Horse
  3. Denial of Service (DoS) Attack
  4. Data diddling
ব্যাখ্যা

• চারটি অপশনের মধ্যে Debugging সাইবার ক্রাইম নয়।
- Debugging হলো সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মধ্যে থাকা ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং তা ঠিক করার প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত নিরাপদ এবং বৈধ একটি কার্যক্রম। অন্যদিকে, Trojan Horse হলো একটি ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই সিস্টেমে প্রবেশ করে ক্ষতি করে। Denial of Service (DoS) Attack হলো সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অকার্যকর করার জন্য করা একটি সাইবার আক্রমণ। আর Data diddling হলো ডেটা চুরি বা পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্ষতি করা। তাই Debugging স্বাভাবিকভাবে সাইবার ক্রাইমের আওতায় পড়ে না।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,০৩৪.
জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ফ্রিকোয়েন্সি হপিং সুবিধা
  2. উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন
  3. বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম
  4. GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে
ব্যাখ্যা

জিএসএম প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলক বেশি, গড়ে প্রায় ২ ওয়াট। যেখানে সিডিএমএ টেকনোলজির ক্ষেত্রে গড়ে মাত্র ২০০ মাইক্রোওয়াট।

• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,০৩৫.
উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম চালু হয় - 
  1. দ্বিতীয় প্রজন্মে
  2. তৃতীয় প্রজন্মে
  3. পঞ্চম প্রজন্মে
  4. চতুর্থ প্রজন্মে
ব্যাখ্যা

উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম চালু করা হয় তৃতীয় প্রজন্মে।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৩৬.
দেশ জুড়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তা -
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতি অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক:
১. Personal Area Network (PAN)
২. Local Area Network (LAN)
৩. Metropolitan Area Network (MAN)
৪. Wide Area Network (WAN)

PAN:
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে নেটওয়ার্ক (ব্লু-টুথ এর মাধ্যমে) তৈরি করা হয় তা হলো PAN।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

LAN:
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে সকল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে দেখা যায়, এগুলো সবই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN। 

MAN:
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

WAN:
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। 
- দেশ জুড়ে বা পৃথিবী জুড়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তা হলো WAN।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২,০৩৭.
ইউটিউব প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত নয় কে?
  1. স্টিভ চেন
  2. চ্যাড হারলি
  3. জাবেদ করিম
  4. রেইড হফম্যান
ব্যাখ্যা
• ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। 
- গুগল ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ইউটিউব কিনে নেয়। 
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google
- CEO: Neal Mohan

- রেইড হফম্যান লিংকডইন এর প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,০৩৮.
টানা একই ধরনের কাজ করে গেলেও কম্পিউটার ক্লান্ত হয় না৷ কম্পিউটারের এই গুণকে আমরা বলি-
  1. ক) একুরেসি
  2. খ) ল্যাটেন্সি
  3. গ) ডিলিজেন্স
  4. ঘ) ভারসেটালিটি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার একটি ডিলিজেন্ট মেশিন কারণ এটি বারবার একই ধরনের কাজ অক্লান্ত ও নিখুঁতভাবে একই গতিতে করে যেতে পারে৷
২,০৩৯.
নিচের কোনটির মাধ্যমে বড় বড় Drawing, Mapping, Drafting ইত্যাদির কাজ করা হয়?
  1. ক) ডিজিটাইজার
  2. খ) প্লটার
  3. গ) ইমেজ স্ক্যানার
  4. ঘ) ওসিআর
ব্যাখ্যা

ডিজিটাইজার (Digitizer) : এটিকে ড্রয়িং বাের্ডও বলা হয়, এর মাধ্যমে বড় বড় Drawing, Mapping, Drafting ইত্যাদির কাজ করা হয়। এখানে একটি আয়তাকার চ্যাপ্টা ব্লক (Block) থাকে যাকে বলে ডিজিটাইজার বাের্ড (Board ), ডিজিটাইজিং টেবিল (Digitizing table) বা গ্রাফিক টেবিল (Graphic table) এর আকার ৯"x ১২" থেকে ৪৮ x ৭২" পর্যন্ত হতে পারে। বাের্ডের ভিতরে উপযুক্ত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা থাকে। একটি স্টাইলাসের (Stylus কলমের মতাে) সাহায্যে বাের্ডে যা কিছু লেখা বা আঁকা যায় তাই মনিটরের পর্দায় ভেসে ওঠে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে স্টাইলাসের অবস্থানের x ও y স্থানাঙ্ক (Co- ordinates) কম্পিউটার মেমােরিতে চলে যায়। কাগজে কোনাে গ্রাফ বা ছবি এঁকে তা ডিজিটাইজার বাের্ডে রেখে সেই গ্রাফ বা ছবির উপর স্টাইলাস বুলিয়ে তাকে VDU এর পদায় দেখানাে যায় এবং তার স্থানাঙ্ক কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়। এভাবে ডিজিটাইজারের সাহায্যে বিভিন্ন গ্রাফ, ম্যাপ, বাড়ি ইত্যাদি প্ল্যান সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))

২,০৪০.
ChatGPT মূলত কোন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. Computer Vision
  2. Machine Translation
  3. Natural Language Processing (NLP)
  4. Data Mining
ব্যাখ্যা

• চ্যাটজিপিটি Natural Language Processing (NLP) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে।

• OpenAI :
- OpenAI একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OpenAI–এর প্রধান লক্ষ্য হলো—মানবকল্যাণে নিরাপদ ও উপকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) তৈরি করা।
- OpenAI শুরুতে একটি নন-প্রফিট (Non-profit) প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে OpenAI একটি হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করে, যেখানে গবেষণা ও বাণিজ্যিক উভয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- OpenAI–এর সদর দপ্তর সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
 
• ChatGPT :
- ChatGPT হলো OpenAI কর্তৃক উন্নত একটি AI–ভিত্তিক ভাষা মডেল (Language Model)।
- ChatGPT মূলত GPT (Generative Pre-trained Transformer) আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি মানুষের মতো স্বাভাবিক ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, লেখা তৈরি, ব্যাখ্যা দেওয়া ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে সক্ষম।
- ChatGPT–এর প্রথম সংস্করণ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে।
- এটি Natural Language Processing (NLP) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে।
- শিক্ষা, গবেষণা, কনটেন্ট তৈরি, প্রোগ্রামিং সহায়তা ও গ্রাহকসেবা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ChatGPT ব্যবহৃত হচ্ছে।
 
• ChatGPT–এর কার্যপদ্ধতির মূল ধারণা :
- ChatGPT বিপুল পরিমাণ টেক্সট ডেটা ব্যবহার করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
- এটি পূর্ববর্তী শব্দের ধারাবাহিকতার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী শব্দ অনুমান করে উত্তর তৈরি করে।
- এটি নিজে চিন্তা করে না, বরং শেখানো ডেটা ও অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া প্রদান করে।
 
 উৎস: OpenAI & Britannica [Link].

২,০৪১.
'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. প্রতিটি C প্রোগ্রামিংয়ে একটি main () ফাংশন থাকে
  2. C ভাষা একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা
  3. Turbo C, C ভাষার একটি সংস্করণ
  4. সিস্টেম প্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে সি ভাষা অধিক হারে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
• 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা:
- সি একটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে এ ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- সিস্টেম প্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে সি ভাষা অধিক হারে ব্যবহৃত হয়।
- C ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে।
- এ ভাষারও অনেক সংস্করণ রয়েছে। যেমন- C, ANSI C, Visual C, Turbo C প্রভৃতি। 

• সি প্রোগ্রামিং ভাষার বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- C ভাষা একটি স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- প্রতিটি C প্রোগ্রামিংয়ে একটি main () ফাংশন (Function) থাকে।
- প্রতিটি প্রোগ্রামিং স্টেটমেন্ট শেষ হয় সেমিকোলন দ্বারা।
- প্রতিটি চলক ব্যবহারের পূর্বেই তাদের ডাটা টাইপ উল্লেখ থাকে।
- Header ফাইলগুলো #include দ্বারা যুক্ত করা হয়।
- সি ভাষায় অনেক লাইব্রেরী ফাংশন, কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট ইত্যাদির সুবিধা আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৪২.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ডাটাবেজ সিস্টেমে কোন একটি অংশ অকেজো হয়ে গেলে সম্পূর্ণ সিস্টেম অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।
  2. ডাটাবেজ এর রেকর্ড সমূহ সাজানো অবস্থায় থাকে না।
  3. সাধারণ ফাইল সিস্টেম এর তুলনায় ডাটাবেজে মেমোরির খরচ বেশি।
  4. ডাটাবেজ সফটওয়্যার এর মূল্য ফাইল সিস্টেম এর চেয়ে কম।
ব্যাখ্যা
সুবিধাঃ
ডাটাবেজের নিম্নলিখিত সুবিধাসমূহ উল্লেখযোগ্য-
(ক) প্রয়োজনীয় সকল তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ করে ডাটাবেজ ফাইল তৈরী করা হয়। তাই এতে তথ্যের পুনরাবৃত্তি অর্থাৎ
একই তথ্য একাধিকবার থাকার সম্ভাবনা কম।
(খ) ডাটাবেজে তথ্য সুরক্ষিত থাকে। তাই তথ্য নির্ভেজাল হয়, অর্থাৎ পরিবর্তিত বা ধ্বংস হয় না। এ বৈশিষ্ট্যটুকু ধরে
রাখতে হলে- রেকর্ডসমূহকে সুপরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ করে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হয়, তথ্যের মান
ঠিক আছে কিনা খেয়াল রাখতে হয়, সর্বোপরি ডাটাবেজের গোপনীয়তা রক্ষা করতে হয়।
(গ) ডাটাবেজে মেমোরী অপচয় কম হয়। যেহেতু একই তথ্য একাধিকবার থাকার সম্ভাবনা কম, সেহেতু
অতিরিক্ত মেমোরী নষ্ট হয় না।
(ঘ) কোয়েরী প্রোগ্রাম দ্বারা তথ্য উদ্ধার করা যায়।এতে ব্যবহারকারীর কোন কোন তথ্য দরকার তা উল্লেখ করলেই
চলে, কিভাবে তথ্যউদ্ধার করতে হবে তা উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না।

অসুবিধাঃ
ডাটাবেজে সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও রয়েছে। ডাটাবেজের উল্লেখযোগ্য অসুবিধাসমূহ হলো-
(ক) সাধারণ ফাইল সিস্টেম-এর তুলনায় ডাটাবেজ সফটওয়ার-এর মূল্য এবং তার ব্যবস্থাপনায় খরচ বেশী।
(খ) ডাটাবেজ সিস্টেমের কোন একটি অংশ অকেজো হয়ে গেলে সম্পূর্ণ সিস্টেমটিই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

সূত্রঃ এসএসসি কম্পিউটার শিক্ষা কোর্স, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,০৪৩.
নিচের কোন প্রোগ্রামটি একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একইসাথে অনুবাদ ও সম্পাদন করে?
  1. Compiler
  2. Simulator
  3. Linker
  4. Interpreter
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:
১. কম্পাইলার
২. ইন্টারপ্রেটার
৩. অ্যাসেম্বলার

• কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে। 
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৪৪.
অ্যাপলের বর্তমান (জুলাই, ২০২৪) সিইও কে?
  1. সুন্দর পিচাই
  2. অরবিন্দ কৃষ্ণ
  3. টিম কুক
  4. স্টিভ ওজনিয়া
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।
- অ্যাপলের বর্তমান (জুলাই, ২০২৪) সিইও হলেন টিম কুক

উৎস: Britannica.
২,০৪৫.
ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. LAN
  2. MAN
  3. PAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network-LAN):
- সাধারণত 1km বা তার কম জায়গার মধ্যে কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) বলে।
- এটি সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাসে, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোন ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত এবং ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে বাবহৃত হয়।
 
• নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথে-
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক এবং
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,০৪৬.
হেক্সাডেসিমেল নম্বর গঠনের সংমিশ্রণ হলো-
  1. ক) বাইনারি ও ডেসিমেল
  2. খ) অক্ষর ও ডেসিমেল
  3. গ) বাইনারি ও অক্টাল
  4. ঘ) অক্টাল ও ডেসিমেল
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাতে 0-9 এবং A, B, C, D, E এবং F অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
২,০৪৭.
print(2 + 3 * 4)
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এ এর আউটপুট কী হবে?
  1. 20
  2. 14
  3. 24
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• Python প্রোগ্রামিং ভাষায় গাণিতিক অপারেশনের ক্ষেত্রে operator precedence বা অপারেটরের অগ্রাধিকার অনুসরণ করা হয়। এখানে print(2 + 3 * 4) কোডে প্রথমে * (গুণ) অপারেটর কাজ করবে, কারণ গুণের অগ্রাধিকার যোগের চেয়ে বেশি। তাই প্রথমে 3 * 4 = 12 হিসাব করা হবে। এরপর সেই ফলাফলের সাথে 2 যোগ করা হবে অর্থাৎ 2 + 12 = 14। সুতরাং প্রোগ্রামের আউটপুট হবে 14। সঠিক উত্তর হলো খ) 14। এভাবে Python সবসময় PEMDAS (Parentheses, Exponent, Multiplication/Division, Addition/Subtraction) নিয়ম অনুসরণ করে।

⚪ পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।

- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,০৪৮.
কোন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম এমবেডেড সিস্টেমে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে?
  1. ওয়েব সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম
  2. রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম
  3. মেইনফ্রেম অপারেটিং সিস্টেম
  4. ম্যাকিনটশ অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড সিস্টেমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS)। কারণ এমবেডেড ডিভাইসগুলোতে কাজের সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হয়। RTOS এই ধরনের সিস্টেমের জন্য আদর্শ, কারণ এটি দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য সময়ে কাজের নির্দেশনা পরিচালনা করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ওয়েব সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম, মেইনফ্রেম অপারেটিং সিস্টেম এবং ম্যাকিনটশ অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত বড়, সাধারণ কম্পিউটার বা সার্ভারের জন্য তৈরি, যা এমবেডেড সিস্টেমের জন্য উপযুক্ত নয়। তাই এমবেডেড সিস্টেমে রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম বেশি ব্যবহৃত হয়।

• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
২,০৪৯.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না? 
  1. High-Level Language
  2. Mid-Level Language
  3. Assembly Language
  4. Machine Language
ব্যাখ্যা
- যে প্রোগ্রাম সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে। 
- অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে। 
- অ্যাসেম্বলার শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে। 
- অন্যদিকে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে। 
- মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামের জন্য কোনো অনুবাদকের প্রয়োজন পড়ে না। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
২,০৫০.
IP-V6 এড্রেস কোন ফরম্যাটে লেখা হয়?
  1. Binary format
  2. Octal format
  3. Decimal format
  4. Hexadecimal format
ব্যাখ্যা
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
Pv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 X ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলাে IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
-  IPv6  এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal format এ লেখা হয়।  

[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি  - মোঃ মজিবুর রহমান]
২,০৫১.
"সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক" - হিসেবে কোন নেটওয়ার্কটি পরিচিত?
  1. Personal Network Area
  2. Hybride Network
  3. Client-Server Network
  4. Peer to Peer Network
ব্যাখ্যা
• Client-Server Network নেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৫২.
নিচের কোনটি একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে? 
  1. Mouse
  2. Microphone
  3. Touch Screen
  4. Printer
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৫৩.
অ্যালগরিদমের চিত্ররূপকে বলা হয় -
  1. বেসিক কমান্ড
  2. সুডােকোড
  3. ফ্লোচার্ট
  4. ছদ্ম-প্রােগ্রাম
ব্যাখ্যা
• প্রবাহচিত্র/ফ্লোচার্ট:
- এটি অ্যালগরিদমের চিত্ররূপ।
- এই চিত্রে প্রােগ্রামের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা দেয়া হল।
- ফ্লোচার্ট অনুসরণ করে প্রকৃত প্রােগ্রাম রচনা করা হয়।

• সুডােকোড:
- প্রােগ্রামের ধরন ও কার্যাবলী তুলে ধরার জন্য কিছু সংখ্যক নির্দেশ বা স্টেটমেন্টের সমাহারকেই সুডােকোড বলা হয়।
- Pseudo অর্থ ছদ্ম।
- সুডোকোড অর্থ ছদ্ম-প্রােগ্রাম।

• বেসিক কমান্ড:
- বেসিক প্রােগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, যেমন- PRINT, LET, GOTo ইত্যাদি।

• বেসিক সংরক্ষিত শব্দ:
- এসব শব্দ বেসিক চলক হিসেবে ব্যবহার করা নিষেধ। যেমন- LIST, PRINT, READ ইত্যাদি।

• অ্যালগরিদম:
- সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারী বর্ণনা। এই বর্ণনার ভিত্তিতে ফ্লোচার্ট অঙ্কন করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৫৪.
যে কম্পিউটার ভাষায় সবকিছু শুধুমাত্র বাইনারি কোডে লেখা হয় তাকে বলে-
  1. ক) Machine language
  2. খ) C
  3. গ) Java
  4. ঘ) Python
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা(Machine Language)। এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে। এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।

সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

২,০৫৫.
কাজের গতি বাড়ানোর জন্য কম্পিউটারে‌ কোন মেমোরি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ভার্চুয়াল মেমোরি
  2. খ) মেইন মেমোরি
  3. গ) চৌম্বক মেমোরি
  4. ঘ) ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা
- কাজের গতি বৃদ্ধির জন্য প্রসেসর এবং প্রধান স্মৃতির মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত বিশেষ ধরনের স্মৃতিকে ক্যাশ মেমোরি বা ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
- কোনো এপ্লিকেশন প্রোগ্রামে কাজ করার জন্য যে তথ্যগুলো বারবার ব্যবহৃত হয় সেই তথ্যগুলোকে ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা হয়।
২,০৫৬.
LAN এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়?
  1. ১ কিলোমিটার
  2. ৩ কিলোমিটার
  3. ৫ কিলোমিটার
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• LAN:
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,০৫৭.
কম্পিউটার মাউসে DPI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Processing Input
  2. Digital Pointer Interface
  3. Dots Per Inch
  4. Direct Pointer Integration
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার মাউসের DPI-এর পূর্ণরূপ হলো Dots Per Inch. এটি মাউসের সংবেদনশীলতা বা সেন্সর দক্ষতার একটি পরিমাপ। সহজভাবে বলতে গেলে, DPI নির্দেশ করে মাউস কত দ্রুত বা কতটা দূরত্বে কার্সর স্ক্রিনে চলবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি মাউসের DPI বেশি হয়, তবে সামান্য শারীরিক আন্দোলনে কার্সর বড় দূরত্বে স্থানান্তরিত হবে, আর কম DPI হলে কার্সরের গতি ধীরে ধীরে হবে। খেলাধুলা বা গ্রাফিক ডিজাইনের কাজের জন্য উচ্চ DPI সুবিধাজনক, কারণ এটি দ্রুত ও নির্ভুল নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে। তাই মাউসের DPI ব্যবহারকারীর সুবিধা ও কার্যক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। সঠিক উত্তর হলো গ) Dots Per Inch.

• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,০৫৮.
HTTP কোন প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. FTP
  2. TCP/IP
  3. SMTP
  4. IMAP/IP
ব্যাখ্যা
HTTP 'TCP/IP' প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৫৯.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) কোন দেশ থেকে সূচনা হয়েছে?
  1. United States
  2. Germany
  3. Switzerland
  4. United Kingdom
ব্যাখ্যা

- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) বা ওয়েবের সূচনা হয়েছে Switzerland থেকে। 

- ১৯৮৯ সালে, সার্ভারের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করার জন্য টিম বার্নার্স-লি নামের একজন বিজ্ঞানী সর্নর্নাল ইন্সটিটিউট অফ ফিজিকাল সায়েন্সেসে (CERN) কাজের সময় ওয়েবের ধারণা প্রস্তাব করেন।
- ১৯৯১ সালে তিনি প্রথম ওয়েবসাইট চালু করেন যা তথ্য শেয়ারিং এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর পথপ্রদর্শক হয়।
- এই আবিষ্কার ইন্টারনেটের গতি ও ব্যাপ্তি বৃদ্ধি করে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও তথ্য প্রবাহে বিপ্লব ঘটায় ।

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৬০.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) Xenix
  2. খ) Ubuntu
  3. গ) Mac OS
  4. ঘ) Safari
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলাে-
- MS-DOS or PC-DOS,
- Windows 95/98/2000/XP/7,
- OS/2,
- Unix,
- Linux,
- Mac OS,
- Sun Solaris,
- Xenix,
- Windows NT,
- Ubuntu ইত্যাদি।
- Safari হলো ওয়েব ব্রাউজার।
[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং ব্রিটানিকা]
২,০৬১.
প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র কোনটি?
  1. অ্যাবাকাস
  2. ক্যালকুলেটর
  3. কম্পিউটার
  4. স্লাইড রুল
ব্যাখ্যা

• অ্যাবাকাস—এটি ইতিহাসে ব্যবহৃত সবচেয়ে প্রাচীন গণনা যন্ত্র, যার মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করা হতো।

• অ্যাবাকাস(Abacus):
- অ্যাবাকাস হলো প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা ফ্রেমে সাজানো গুটি বা বলের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে গণনার কাজ সম্পন্ন করে।
- এটি মূলত যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করার জন্য ব্যবহৃত হতো।
- অ্যাবাকাস শব্দের অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড (Counting Board)।
 
• অ্যাবাকাসের ইতিহাস:
- খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে চীনে প্রথম অ্যাবাকাসের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১২শ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- ১৫শ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
 
• বিভিন্ন দেশে অ্যাবাকাসের নাম:
- চীনে: সুয়ানপান(Suanpan)
- জাপানে: সরোবান(Soroban)
- রাশিয়ায়: স্কেটিয়া(Sketia)
 
• অ্যাবাকাসের গঠন:
- এটি সাধারণত কাঠের তৈরি আয়তাকার ফ্রেম।
- ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তারের ওপর বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল লাগানো থাকে।
- সাধারণভাবে—
- প্রতিটি তারের উপরে ২টি গুটি,
- নিচে ৫টি গুটি থাকে।
- উলম্ব দণ্ডগুলো দ্বারা একক, দশক, শতক ইত্যাদি মান প্রকাশ করা হয়।
 
• অ্যাবাকাসের কার্যপদ্ধতি:
- গুটিগুলো সঞ্চালনের মাধ্যমে সংখ্যা গণনা করা হয়।
- প্রতিটি দণ্ড একটি নির্দিষ্ট স্থানমূল্য (একক, দশক, শতক) নির্দেশ করে।
- গুটির অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন হয়।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

২,০৬২.
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে কী বলে?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম
  3. কম্পাইলার
  4. ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম:
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।

- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।

কম্পাইলার (Compiler):
কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৬৩.
কোন কোম্পানি EBCDIC ডেভেলপ করেছিল?
  1. Microsoft
  2. IBM
  3. Intel
  4. Apple
ব্যাখ্যা
• EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code) হলো একটি অক্ষর কোডিং সিস্টেম যা IBM কোম্পানি তৈরি করেছিল। এটি মূলত মেইনফ্রেম কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হত, যেখানে ক্যারেক্টারগুলিকে বাইনারি ফর্মে রূপান্তর করা হয়। EBCDIC কোডিং সিস্টেমটি ASCII এর বিকল্প হিসেবে তৈরি হয়েছিল, যা IBM এর নিজস্ব কম্পিউটার প্ল্যাটফর্মে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- অন্যদিকে, Microsoft, Intel, এবং Apple এর তৈরি কোডিং সিস্টেম বা ক্যারেক্টার এনকোডিং আলাদা এবং EBCDIC এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই EBCDIC ডেভেলপ করেছিল IBM।
- সঠিক উত্তর: খ) IBM

• ইবিসিডিক কোড:
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড।
- সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।

- যেমন- 5 কে EBCDIC-এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101-এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে। কাজেই 5-এর EBCDIC হবে 111101011
'A' এর জন্য EBCDIC 1100 0001
'N' এর জন্য EBCDIC 1010 1100 ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৬৪.
হার্ড ডিস্ক কোন ধরনের মেমোরি?
  1. Primary Memory
  2. Secondary Memory
  3. Cache Memory
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা
◉ হার্ড ডিস্ক (Hard Disk) হলো সেকেন্ডারি মেমোরি, কারণ এতে ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় এবং এটি বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডাটা হারায় না।

সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক, 
- সিডি, 
- ডিভিডি, 
- পেনড্রাইভ, 
- জিপ ড্রাইভ, 
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
Primary Memory (RAM, ROM): কম্পিউটারের সরাসরি ব্যবহারযোগ্য মেমোরি, যেখানে ডেটা সাময়িকভাবে থাকে।
Cache Memory: দ্রুতগতির ছোট মেমোরি যা CPU ও RAM এর মাঝে কাজ করে।
Virtual Memory: RAM এর ঘাটতি পূরণের জন্য হার্ড ডিস্কের অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM এর মতো ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৬৫.
দ্রুত ফাইল খুঁজতে কোনটি চালু রাখতে হয়?
  1. ক্লিনার সফটওয়্যার
  2. উইন্ডোজ সেটিং
  3. ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার
  4. নতুন RAM বসানো
ব্যাখ্যা
দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হয়।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় কম্পিউটার রাখতে হবে।
অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান
চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত
কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।
- তথ্য ব্যাকআপ রাখা: দরকারি ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৬৬.
নিচের কোনটি একটি ইউটিলিটি প্রোগ্রামের উদাহরণ?
  1. কম্পাইলার
  2. অ্যান্টিভাইরাস
  3. টেক্সট এডিটর
  4. ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা
• অ্যান্টিভাইরাস একটি ইউটিলিটি প্রোগ্রামের উদাহরণ।

ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি। যেমন: McAfee, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools-এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেম সংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- Disk Fragmenter, Scan Disk, Drive Converter, Compression, System Monitor ইত্যাদি System Tools এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
২,০৬৭.
The time required for the fetching and execution of one simple machine instruction is
  1. ক) Delay time
  2. খ) CPU cycle
  3. গ) Real time
  4. ঘ) Seek time
ব্যাখ্যা
The execution of a single instruction occurs by instruction cycle. Instruction Cycle is a 8-stage procedure. To know about instruction cycle refer computer organization and architecture by William Stallins.
২,০৬৮.
Y2K কী?
  1. একটি সফ্টওয়্যার যা কম্পিউটারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে
  2. একটি কম্পিউটার ভাইরাস-এর নাম
  3. একটি কোডিং সমস্যা যা ২০০০ সালের তারিখ পরিবর্তনে সমস্যা তৈরি করে
  4. কম্পিউটার-এর একটি নতুন অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• Y2K বাগ:
- Y2K বাগ ছিল একটি কম্পিউটারাইজড সিস্টেমের কোডিং সমস্যা, যা 2000 সালের শুরুতে সারা বিশ্বে কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্কে বিপর্যয় ঘটানোর আশঙ্কা তৈরি করেছিল।
- 1990-এর দশক পর্যন্ত অনেক কম্পিউটার প্রোগ্রাম মেমরি সংরক্ষণের জন্য চার-সংখ্যার বছরের পরিবর্তে দুই অঙ্ক ব্যবহার করত।
- উদাহরণ: "1998" কে "98" এবং "2000" কে "00" হিসাবে সংরক্ষণ করা। "00" কে 1900 হিসেবে ভুল ব্যাখ্যা করার ঝুঁকি ছিল।
- ভবিষ্যতের বাজেট বা ঋণের অনুমান করতে গিয়ে 1999 সালেই ত্রুটি ঘটার শঙ্কা ছিল।
- কিছু সফ্টওয়্যার 2000 সালকে লিপ ইয়ার হিসেবে বিবেচনা করেনি।
9 সেপ্টেম্বর, 1999 (9/9/99) তারিখেও ব্যর্থতার আশঙ্কা ছিল, কারণ অনেক প্রোগ্রামে 9-এর একটি ধারাবাহিক ব্যবহার করা হতো প্রোগ্রামের সমাপ্তি নির্দেশ করতে।
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা:
- 1999 সালের 31 ডিসেম্বর থেকে 2000 সালের 1 জানুয়ারির মধ্যে পরিবর্তনগুলির জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রস্তুতি ও প্রোগ্রামিং সংশোধন করা হয়েছিল।
- নির্ভুল প্রস্তুতির কারণে Y2K বাগের কারণে বড় কোনো ব্যর্থতা ঘটেনি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,০৬৯.
বেশিরভাগ CPU এর রয়েছে -
  1. ক) Kernel mode and Monolithic mode
  2. খ) Monolithic mode and User mode
  3. গ) Kernel mode and Supervisor mode
  4. ঘ) Kernel mode and User mode
ব্যাখ্যা
Most CPUs have two modes:
Kernel mode, for the operating system, in which all instructions are allowed; and
User mode, for user programs, in which I/O and certain other instructions are not allowed.

Source:  Diploma in Computer Science & Application, Bangladesh Open University
২,০৭০.
কম্পাইলারের প্রেক্ষিতে কোনটি সঠিক বিবৃতি?
  1. এটি একবারে পুরো প্রোগ্রাম অনুবাদ করে
  2. এটি মেশিন প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রামে রূপান্তর করে
  3. এটি প্রতি লাইন প্রোগ্রাম পড়ে এবং অনুবাদ করে
  4. এটি Interpreter-এর চেয়ে অনুবাদ করতে বেশি সময় লাগে
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলারের প্রেক্ষিতে সঠিক বিবৃতিটি হলো ক) এটি একবারে পুরো প্রোগ্রাম অনুবাদ করে। কম্পাইলার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে একসাথে নিয়ে মেশিন কোডে রূপান্তর করে। এটি পুরো প্রোগ্রামটি একবারে বিশ্লেষণ করে সিনট্যাক্স ও সেমান্টিক ত্রুটি চেক করে, এরপর একসাথে একটি এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে। এর ফলে প্রোগ্রাম চালানোর সময় দ্রুত কার্যকর হয়। কম্পাইলার প্রতি লাইনে কোড পড়ে না (যা Interpreter করে) এবং এটি সোর্স কোডকে মেশিন প্রোগ্রামে রূপান্তর করে, সোর্স কোডে নয়। এছাড়াও, সাধারণত Interpreter-এর তুলনায় কম্পাইলার প্রারম্ভিকভাবে বেশি সময় নিলেও একবার অনুবাদের পর কার্যকরী সময় কম হয়।

অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।

- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. কম্পাইলার,
২. ইন্টারপ্রেটার ও
৩. অ্যাসেম্বলার।

কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা।
- রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।

২,০৭১.
Wi-Fi-এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া কত?
  1. ৫০০ মিটার–১ কিমি
  2. ৫–১০ মিটার
  3. ৫০–২০০ মিটার
  4. ১ কিমি
ব্যাখ্যা
Wi-Fi-এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া ৫০–২০০ মিটার পর্যন্ত।

Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ডিজিটাল যন্ত্রপাতি (যেমন: ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি) বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়।
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.11।
- এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত।
- এর ব্যান্ডউইথ: ১০ Mbps – ৫০ Mbps.
- Ad-hoc Mode এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ সম্ভব।
- এটি LAN-এর তুলনায় সস্তা ও সহজলভ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২,০৭২.
স্লাইড রুল কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. অ্যানালগ কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৭৩.
ইন্টারনেটের সাথে কেনাবেচাকে বলা হয়-
  1. ক) E-ticketing
  2. খ) E-mailing
  3. গ) E-registration
  4. ঘ) E-commerce
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স: 
- ই- কমার্স হল ইলেকট্রনিক কমার্স যা এমন একটি মাধ্যম যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/বিক্রয় হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে ই-কমার্স বলে। 
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B) এবং 
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২,০৭৪.
কোন ACID গুণটি নিশ্চিত করে যে লেনদেনের আগে এবং পরে ডাটাবেসের অবস্থা সঠিক থাকবে?
  1. Isolation
  2. Atomicity
  3. Durability
  4. Consistency
ব্যাখ্যা
⚪ ACID গুণাবলী (properties) হল একটি ট্রানজেকশন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় চারটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য যা ডেটাবেসের স্থিতিশীলতা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। প্রশ্নে যে ACID বৈশিষ্ট্যটি ডেটাবেসের বৈধ অবস্থান (valid state) বজায় রাখার জন্য ট্রানজেকশনের পূর্ব এবং পরের অবস্থায় সাহায্য করে, তা হল Consistency।

Consistency বৈশিষ্ট্যটি নিশ্চিত করে যে, ট্রানজেকশনের পূর্বে এবং পরে ডেটাবেস একটি বৈধ অবস্থায় থাকবে। অর্থাৎ, ট্রানজেকশন সম্পন্ন হলে ডেটাবেসের সঠিকতা (correctness) এবং এক্সপেকটেড অবস্থান বজায় থাকবে।

⚪ ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID।
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

উৎস: techtarget.com
২,০৭৫.
GPS এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Great Positioning System
  2. খ) Global Pointing System
  3. গ) Global Positioning System
  4. ঘ) Global Publication System
ব্যাখ্যা
GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System
২,০৭৬.
কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Notepad
  2. Windows Defender
  3. WinRAR
  4. CCleaner
ব্যাখ্যা
• Notepad - ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- Notepad হল একটি সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ও টেক্সট এডিটর, যা শুধুমাত্র সহজলভ্য লেখা সংরক্ষণ ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).

- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).

- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).

- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).

- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৭৭.
একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কোন ডিভাইস কাজ করে?
  1. হাব
  2. রাউটার
  3. ব্রিজ
  4. সুইচ
ব্যাখ্যা

• একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে রাউটার কাজ করে। রাউটার হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে ডেটা প্যাকেটকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নির্দেশনা দেয়। এটি মূলত আইপি ঠিকানার ভিত্তিতে ডেটা ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ করে এবং যে কোন নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে তথ্য প্রেরণ করতে সক্ষম। অন্য ডিভাইস যেমন হাব বা সুইচ সাধারণত একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্রেরণ করে এবং ব্রিজ ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে, কিন্তু বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে কার্যকরভাবে যোগাযোগ নিশ্চিত করতে রাউটার অপরিহার্য। তাই একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের মূল মাধ্যম হলো রাউটার।

- উত্তর: খ) রাউটার। 
 
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।

• কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা-
১. সক্রিয় হাব (Active HUB ):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে
প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে ।

২. নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে ।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।

• ব্রিজ (Bridge):
- এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- তবে এর সাহায্যে ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায় না।

- ব্রিজকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. লোকাল ব্রিজ (Local Bridge):
- এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।

২. রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge):
- ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দু'টি অবস্থানের দু'টি ল্যান সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে।

৩. ওয়‍্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge):
- একাধিক LAN যুক্ত করা অথবা LAN এর দূরবর্তী স্টেশনকে সংযুক্ত করার জন্য ওয়ারলেস ব্রিজ ব্যবহৃত হতে পারে।

এছাড়াও, 
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৭৮.
The ALU of a computer, normally contains a number of high-speed storage clement, is called-
  1. Semiconductor Memory
  2. Hard Disks
  3. Magnetic Disks
  4. Registers
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার: 
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।

কম্পিউটারে ব্যবহৃত রেজিস্টারকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। সাধারণ রেজিস্টার 
২। বিশেষ রেজিস্টার 

সাধারণ রেজিস্টার:
সাধারণত প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় ডেটা এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল সাধারণ রেজিস্টারে জমা থাকে। সাধারণ রেজিস্টারে ডেটা বিনিময়ের গতি প্রধান মেমরির চেয়ে অনেক বেশি। তাই সাধারণ রেজিস্টারের সংখ্যা বেশি থাকলে প্রক্রিয়াকরণের কাজ দ্রুততর হয়। সা

বিশেষ রেজিস্টার:
কিছু কিছু রেজিস্টারকে মাইক্রোপ্রসেসর নিজে ব্যবহার করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে। অর্থাৎ শুধুমাত্র প্রসেসরের নির্দেশিত কাজ ব্যতীত অন্য কোনো কাজ সম্পাদন করতে পারে না। এ জাতীয় রেজিস্টারসমূকে বিশেষ রেজিস্টার বলা হয়। যেমন :
১। অ্যাকিউমুলেটর
২। প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার
৩। স্ট্যাক পয়েন্টার রেজিস্টার
৪। সিগমেন্ট রেজিস্টার
৫। ফ্ল্যাগ রেজিস্টার  ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৭৯.
নিচের কোনটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. FreeBSD
  2. Cent OS
  3. Fedora
  4. Kubuntu
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- সবগুলোই ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। 
- FreeBSD হল বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। 
- Cent OS এবং ফেডোরা উভয়ই ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- ফেডোরা তৈরি করেছে ফেডোরা প্রজেক্ট এবং স্পন্সর করেছে রেড হ্যাট।
- কুবুন্টু একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। 
- কুবুন্টু একটি কমিউনিটি ডেভেলপড এবং সমর্থিত প্রকল্প।

উৎস: FreeBSD, RHEL, Fedora, Kubuntu ওয়েবসাইট।
২,০৮০.
প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা যাবে কোন ফিল্ডটিকে?
  1. Name
  2. Date of birth
  3. Student ID
  4. Father's name
ব্যাখ্যা
কী-ফিল্ড: যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।

কী ৩ ধরনের হয়:
১) প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
যেমন: ID, Phone No. হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না ৷
- একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত। তেমনি Phone No. এর ক্ষেত্রেও একজনের ডাটা আরেকজনের সাথে মিলে না।

২) কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।
যেমন: একই ডাটা টেবিলে যদি ID এবং Phone No. উভয় থাকে তাহলে তারা কম্পোজিট প্রাইমারি কী হবে।

৩) ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২,০৮১.
PDF এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Portable Document File
  2. Port-independent Document File
  3. Portfolio Document File
  4. Portable Document Format
ব্যাখ্যা
• PDF:
- PDF এর পূর্ণরূপ Portable Document Format
- একটি পিডিএফ-ভিউয়ার প্রোগ্রামের সাহায্যে যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে পিডিএফ দেখা যায়।
- পিডিএফ হল Camelot Project এর ফলাফল,  Adobe Inc. দ্বারা শুরু করা একটি উদ্যোগ।
- cofounder: John Warnock
- 15 জুন, 1993 সালে ক্যামেলট প্রোডাকশন টিম আনুষ্ঠানিকভাবে পিডিএফ এবং এর সংশ্লিষ্ট স্যুট অফ প্রোগ্রাম প্রকাশ করে, যা সম্মিলিতভাবে অ্যাডোব অ্যাক্রোব্যাট নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা
২,০৮২.
কম্পিউটার এবং প্রিন্টারের-এর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে data transmission হয়?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Duplex
  3. গ) Half duplex
  4. ঘ) Triplex
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
২,০৮৩.
হার্ডডিস্কের ঘূর্ণন গতি কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Hz
  2. Mbps
  3. RPM 
  4. GB
ব্যাখ্যা

হার্ডডিস্কের ঘূর্ণন গতি সাধারণত RPM (Revolutions Per Minute) এককে পরিমাপ করা হয়। RPM মানে হলো প্রতি মিনিটে কতবার ডিস্কটি ঘুরছে।

হার্ড ডিস্ক (Hard Disk)
- হার্ড ডিস্ক হলো একটি চৌম্বকীয় সংরক্ষণ মাধ্যম, যা কম্পিউটারে বৃহৎ পরিমাণ ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- হার্ড ডিস্ক সমতল, বৃত্তাকার প্লেট নিয়ে গঠিত, যা অ্যালুমিনিয়াম বা কাঁচের তৈরি এবং চৌম্বকীয় পদার্থে আচ্ছাদিত।
- ডেটা ডিস্কগুলির পৃষ্ঠে আবর্তাকার ট্র্যাক আকারে সংরক্ষিত থাকে।
- একটি ম্যাগনেটিক হেড ডিস্কের ঘূর্ণনশীল পৃষ্ঠে ক্ষুদ্র বিন্দুগুলো চৌম্বকীয় করার মাধ্যমে বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) লিখে এবং সেই বিন্দুগুলোর চৌম্বকীয় দিকনির্দেশনা সনাক্ত করে সংখ্যা পড়ে।
- একটি কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভে কয়েকটি হার্ড ডিস্ক, রিড/রাইট হেড, ডিস্ক ঘূর্ণন করার জন্য একটি মোটর এবং সার্কিট থাকে, যা সবই একটি ধাতব কেসে সিল করা থাকে।
- যেখানে হার্ড ডিস্ক অভ্যন্তরীণ ডেটা সংরক্ষণের মানক ছিল, কিছু পার্সোনাল কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ এখন SSD ব্যবহার করে, যা ফ্ল্যাশ মেমরি চিপের উপর নির্ভর করে।
- অতিরিক্ত সংরক্ষণের জন্য চৌম্বকীয় টেপ এবং অপটিক্যাল ডিস্কও ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

২,০৮৪.
অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Spamming
  2. Sniffing
  3. Phishing
  4. Sneaking
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।


• স্নিফিং (Sniffing):

- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):

- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্নিকিং (Sneaking):

- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,০৮৫.
ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম কি?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ম্যালওয়্যার
  3. গ) রিমওয়্যার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ROM (রম)
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- যেমন: PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
২,০৮৬.
দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিস্কৃত বাংলায় প্রথম সফটওয়্যার এর নাম কী?
  1. ক) আইলিপ
  2. খ) আইসাইট
  3. গ) আইডট
  4. ঘ) আইলাইট
ব্যাখ্যা
• বাংলা বিজয় কী-বোর্ডের উদ্ভাবক হলেন- মোস্তফা জব্বার।
• দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিষ্কৃত বাংলা প্রথম সফটওয়্যার হল- আই সাইট।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর
২,০৮৭.
ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয় কোন প্রজন্মের ফোনে?
  1. ক) 2G
  2. খ) 3G
  3. গ) 4G
  4. ঘ) 5G
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০)
১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়। ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
১। দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়।
২। GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
৩। সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৪। পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৫। SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
৬। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,০৮৮.
IEEE 802.11 কোন সাধারণ ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. NFC
  2. Zigbee
  3. Wi-Fi
  4. Bluetooth
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.11 একটি সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি মানদণ্ড যা মূলত Wi-Fi এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) তৈরি ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং ব্যবহারকারীদেরকে তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ও ডেটা সংযোগের সুবিধা দেয়। IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) এই মানটি নির্ধারণ করে, যা বিভিন্ন সংস্করণে (যেমন 802.11a/b/g/n/ac/ax) আপডেট হয়েছে উচ্চ গতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। NFC, Zigbee এবং Bluetooth ওয়্যারলেস প্রযুক্তি হলেও, এদের নিজস্ব আলাদা মান রয়েছে, এবং IEEE 802.11 এর আওতাভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর: গ) Wi-Fi.

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।

- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৮৯.
নিচের কোনটি তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. Machine Language
  2. Assembly Language
  3. Java
  4. Prolog
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষার উদাহরণ হলো Java, যা উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার অন্তর্ভুক্ত।

• প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্ম:
- প্রোগ্রামিং ভাষাকে সাধারণত বিভিন্ন প্রজন্মে ভাগ করা হয়।
- প্রতিটি প্রজন্মের ভাষা পূর্ববর্তী ভাষার তুলনায় বেশি সহজ ও উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত।

• প্রথম প্রজন্মের ভাষা (1GL):
- এটি মেশিন ভাষা।
- এতে শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে নির্দেশ লেখা হয়।
- কম্পিউটার সরাসরি এই ভাষা বুঝতে পারে।
- মানুষের জন্য এটি বোঝা অত্যন্ত কঠিন।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (2GL):
- এটি অ্যাসেম্বলি ভাষা।
- এতে নেমোনিক কোড ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: ADD, SUB, MUL ইত্যাদি।
- অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তরের জন্য অ্যাসেম্বলার ব্যবহৃত হয়।

• তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (3GL):
- এটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- মানুষের জন্য সহজবোধ্য ও ব্যবহারযোগ্য।
- উদাহরণ: Java, C, C++, FORTRAN ইত্যাদি।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তরিত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Machine Language → প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- Assembly Language → দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- Prolog → পঞ্চম প্রজন্মের (5GL) ভাষার উদাহরণ।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

২,০৯০.
ফায়ারওয়ালের মূল কাজ কোনটি? 
  1. ডেটা ব্যাকআপ তৈরি করা
  2. কম্পিউটারের র‍্যাম বৃদ্ধি করা
  3. নেটওয়ার্কে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা
  4. সফটওয়্যার ইনস্টলেশন সহজ করা 
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল (Firewall): 
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে। 
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। 
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৯১.
নিম্নের কোনটি বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তি দ্বারা সাধারণত সম্পাদিত হয় না?
  1. ওষুধের লক্ষ্য নির্ধারণ
  2. সার্কিট বোর্ড নকশা
  3. ডিএনএ সিকোয়েন্সিং
  4. জিনোম ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• বায়োইনফরমেটিক্স হলো জীববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত একটি শাখা, যা জীববৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এই প্রযুক্তি ডিএনএ সিকোয়েন্সিং, জিনোম ব্যাখ্যা এবং ওষুধের লক্ষ্য নির্ধারণের মতো জৈব-তথ্যভিত্তিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এসব প্রক্রিয়ায় কম্পিউটার অ্যালগরিদম, ডেটাবেস এবং জৈব উপাত্ত বিশ্লেষণের সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- তবে "সার্কিট বোর্ড নকশা" একটি ইলেকট্রনিক প্রকৌশল-ভিত্তিক কাজ, যা বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তির অন্তর্গত নয়। তাই এটি বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তি দ্বারা সাধারণত সম্পাদিত হয় না।


• বায়োইনফরমেটিক্স:
- বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স-এর ব্যবহার:
- DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ,
-প্রোটিন গঠন ও কার্যাবলি বিশ্লেষণ,
-নতুন ওষুধ উদ্ভাবন,
-জিনোম প্রজেক্টে গবেষণা,
-রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা,
-প্রাণী ও উদ্ভিদের উন্নত প্রজাতি তৈরিতে।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
-এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কন্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কীবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,০৯২.
কম্পিউটারে বুদ্ধির প্রচলন করতে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
  3. রোবটিক্স
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কিভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।
- তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:

১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১০। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৯৩.
(27.5)16 সংখ্যাটির অক্ট্যাল সংখ্যা কত?
  1. 37.24
  2. 39.31
  3. 47.24
  4. 49.31
ব্যাখ্যা

২,০৯৪.
বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনাকে কী বলা হয়?
  1. অফিস ডিজাইন
  2. অফিস নেটওয়ার্কিং
  3. অফিস অটোমেশন
  4. অফিস ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনাকে অফিস অটোমেশন বলা হয়।

• অফিস অটোমেশন (Office Automation):
- অফিসের সার্বিক কার্যক্রম সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনাই অফিস অটোমেশন।
- অফিস অটোমেশনের ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পায় এবং সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
- আধুনিক অফিসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে অফিস অটোমেশন জনপ্রিয় হয়েছে।

• অফিস অটোমেশনের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- সরকারি ও বেসরকারি অফিস।
- বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
- হাসপাতাল, গবেষণাগার ও শিল্পকারখানা।

• ডিজিটাল ও ক্লাউডভিত্তিক অফিস ব্যবস্থা:
- ইন্টারনেট ও ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে অফিস কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- Google Drive, Office 365, Google Docs ইত্যাদি ব্যবহার করে ফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করা যায়।
- বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে অফিসের কাজ সম্পাদন সম্ভব।

• অফিস অটোমেশনের সীমাবদ্ধতা:
- সরাসরি পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক মেলামেশা কমে যেতে পারে।
- তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে ডাটা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- অফিস নেটওয়ার্কিং: এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ ব্যবস্থা।
- অফিস ডিজাইন: অফিসের কাঠামো ও বিন্যাস সম্পর্কিত বিষয়।
- অফিস ম্যানেজমেন্ট: অফিস পরিচালনার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২,০৯৫.
মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভরশীল বায়োমেট্রিক পদ্ধতি কোনটি?
  1. ফেইস রিকোগনিশন
  2. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  3. টাইপিং কীস্ট্রোক
  4. ভয়েস রিকোগনিশন
ব্যাখ্যা

• মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভরশীল বায়োমেট্রিক পদ্ধতি হলো ফেইস রিকোগনিশন। এটি মানুষের মুখের আকার, চোখ, নাক, ঠোঁট এবং মুখের অন্যান্য ভৌত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে পরিচয় নির্ধারণ করে। ফেইস রিকোগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ফোন আনলক করা, ব্যাংক লেনদেন যাচাই ইত্যাদি কাজ করা সম্ভব। অন্যদিকে সিগনেচার ভেরিফিকেশন, টাইপিং কীস্ট্রোক এবং ভয়েস রিকোগনিশন মূলত মানুষের আচরণ বা ক্রিয়াকলাপের ওপর নির্ভরশীল, যা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নয়। তাই শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কাজ করা একমাত্র পদ্ধতি ফেইস রিকোগনিশন।

- উত্তর: ক) ফেইস রিকোগনিশন।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।

• বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায় বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই ধরনের। যথা-

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ (ফিঙ্গার প্রিন্ট),
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ (হ্যান্ড জিওমিট্রি), 
- আইরিশ এবং রেটিনা শনাক্তকরণ, 
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ (ফেইস রিকোগনিশন), 
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ (সিগনেচার ভেরিফিকেশন),
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (ভয়েস রিকোগনিশন)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,০৯৬.
ফ্লপি ডিস্ক-এর সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. ১.৪৪ মেগাবাইট
  2. ২.৫০ মেগাবাইট
  3. ১ টেরাবাইট
  4. ২.৬৬ মেগাবাইটের বেশি
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক:
- ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে এমন এক ধরনের সহায়ক মেমরি, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়।
- এটি ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট বলে সহজে বহনযোগ্য।
- এ ধরনের ডিস্কের সাহায্যে সহজেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- আকৃতি ও ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি ফ্লপি ডিস্ক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।
- ৮ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মিনি কম্পিউটারে এবং ৫.২৫ ইঞ্চি ও ৩.৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- ৫.২৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৩৬০ কিলোবাইট হতে ১.২ মেগাবাইট এবং ৩.৫ ইঞ্চি মাপের পর ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৭২০ কিলোবাইট থেকে ১.৪৪ মেগাবাইট পর্যন্ত।
- ফ্লপি ডিস্ক চালু অবস্থায় অনবরত ঘুরতে থাকে এবং ঘূর্ণনের গতি সাধারণত মিনিটে ৩০০ থেকে ৪৫০ বার।
- ফ্লপি ডিস্কের  প্রতিটি সেক্টরের ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা সমান।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৯৭.
নিচের কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে Unix অপারেটিং সিস্টেমের বেশীর ভাগ অংশ রচিত?
  1. C
  2. C++
  3. Python
  4. Java
ব্যাখ্যা
ইউনিক্স (UNIX):
- মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- UNIX অপারেটিং সিস্টেমটি ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্সের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বহু ব্যবহারকারী একই সাথে অনেক কী-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করতে পারেন, যা শুধুমাত্র একটি সিপিইউয়ে সংযুক্ত।
- ইউনিক্সের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একটি সিপিইউ মাল্টি প্রসেসর সিস্টেমকে সাপোর্ট দিতে পারে।
- তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• বর্তমানে UNIX এবং UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ LINUX অপারেটিং সিস্টেমে C++, Pyhton ব্যবহৃত হলেও প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
সি (C) ভাষাতেই UNIX এবং LINUX এর বেশীরভাগ অংশ রচিত। 

লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।

কয়েকটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের নাম:
- Python,
- Java,
- JavaScript,
- C++,
- C#,
- Ruby,
- PHP.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৯৮.
Which of the following is not considered auxiliary memory?
  1. CD
  2. Floppy Disk
  3. Magnetic Tape
  4. RAM
ব্যাখ্যা
RAM হচ্ছে প্রাথমিক স্মৃতির উদাহরণ।

• কম্পিউটারের স্মৃতি
কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।

• প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
- প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
- যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
- যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন। 
- প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.

• কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কয়েক ধরনের প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি আছে। সেগুলো নিম্নরূপ-
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না। 
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি। 
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
- সিডি (CD- Compact Disc),
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৯৯.
র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য চুরি
  2. কম্পিউটারের পারফরম্যান্স নষ্ট করা
  3. ফাইল এনক্রিপ্ট করে অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া
  4. ওয়েব ব্রাউজিং বন্ধ করে দেওয়া
ব্যাখ্যা

◉ Ransomware একটি বিশেষ ধরণের ম্যালওয়্যার (Malware), যার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে:
- ব্যবহারকারীর ফাইল, সিস্টেম বা ডেটা এনক্রিপ্ট করে ফেলা,
- এবং তারপর সেগুলোর লক খুলতে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করা।

ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Avast ওয়েবসাইট। [লিংক] 

২,১০০.
Touchscreen is-
  1. an input device
  2. an output device
  3. both input and output device 
  4. none of the above 
ব্যাখ্যা

টাচস্ক্রিন একইসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- এটি ডিসপ্লেতে তথ্য প্রদর্শন করে (আউটপুট) এবং ব্যবহারকারীর স্পর্শের মাধ্যমে নির্দেশ গ্রহণ করে (ইনপুট)।

ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।