বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ২০ / ১৩১ · ১,৯০১২,০০০ / ১৩,০৮৮

১,৯০১.

নিচের কোনটি চিত্রের ন্যায় ডেটা ট্রান্সমিট করে?
  1. টেলিফোন
  2. রেডিও
  3. মোবাইল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) এবং 
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)। 

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- চিত্রে, A হতে B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করা যাবে। কিন্তু B হতে A এর দিক ডাটা প্রেরণ সম্ভব নয়।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি।
 
• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- চিত্রে, হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। A এর প্রেরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে B ডাটা প্রেরণ করতে পারবে।
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- চিত্রে, ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, A যখন B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করবে B ও তখন A এর দিকে ডাটা প্রেরণ করতে পারবে। 
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯০২.
LLM-এর কনটেক্সট উইন্ডো (Context Window) কী নির্দেশ করে?
  1. গ্রাফিক্স কার্ডের মেমরি সাইজ
  2. মডেলের মোট প্যারামিটার সংখ্যা
  3. মডেলের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত GPU-এর সংখ্যা
  4. মডেলটি একসঙ্গে কতগুলো টোকেন মনে রাখতে পারে
ব্যাখ্যা

• LLM বা Large Language Model-এর কনটেক্সট উইন্ডো বলতে বোঝায় মডেলটি একটি নির্দিষ্ট সময়ে ইনপুট হিসেবে সর্বোচ্চ কতটুকু ডেটা বা টোকেন একসঙ্গে গ্রহণ এবং মনে রাখতে পারে।
- এটি মূলত মডেলের কার্যকর মেমরি সীমা বা টোকেন ধারণক্ষমতা। যখন কোনো ইনপুট এই সীমা অতিক্রম করে, তখন মডেলটি আলোচনার শুরুর অংশগুলো ভুলে যেতে থাকে।

• LLM-এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- বিশাল জ্ঞানভাণ্ডার: এটি কোটি কোটি বই, আর্টিকেল এবং ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মানুষের মতো জ্ঞান আহরণ করে।
- বহুমুখী ব্যবহার: এটি শুধুমাত্র চ্যাট করার জন্য নয়, বরং অনুবাদ করা, সারাংশ তৈরি করা (Summarization), এবং প্রোগ্রামিং কোড লেখার কাজেও ব্যবহৃত হয়।
- টেক্সট জেনারেশন: এটি একটি শব্দের পর পরবর্তী শব্দটি কী হতে পারে তার গাণিতিক সম্ভাবনা (Probability) হিসাব করে নতুন বাক্য তৈরি করতে পারে।
- নির্ভরযোগ্যতা ও সীমাবদ্ধতা: এটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান হলেও মাঝে মাঝে ভুল বা বানোয়াট তথ্য দিতে পারে, যাকে এআই-এর ভাষায় 'হ্যালুসিনেশন' বলা হয়।

• কনটেক্সট উইন্ডো-র বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি মডেলের শর্ট-টার্ম মেমরির মতো কাজ করে যা দীর্ঘ কথোপকথন মনে রাখতে সাহায্য করে।
- এর পরিমাপ সাধারণত টোকেন (Tokens) সংখ্যায় করা হয় (যেমন: ৮কে, ৩২কে বা ১২৮কে টোকেন)।
- কনটেক্সট উইন্ডো যত বড় হয়, মডেলটি তত বড় বই বা কোড ফাইল একবারে বিশ্লেষণ করতে পারে।
- এটি ট্রান্সফর্মার আর্কিটেকচারের সেলফ-অ্যাটেনশন মেকানিজমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

উৎস: IBM website [link].

১,৯০৩.
ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় কোন সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিট এর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা হয় -
  1. বিট অ্যাসিনক্রোনাস
  2. বিট সিনক্রোনাইজেশন
  3. বিট আইসোক্রোনাস
  4. সিনক্রোনাজিং
ব্যাখ্যা
- সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা হয় বিট সিনক্রোনাইজেশন (Bit-synchronization)।
- বিট সিনক্রোনাইজেশনের মাধ্যমে গ্রাহক কম্পিউটার যথার্থভাবে ডাটাকে পুনরুদ্ধার করতে পারে।

- যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা সমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতি বার ১টি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে ।
- যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকদের ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট করা হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ- দ্বাদশ( প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৯০৪.
যোগাযোগের জন্য ওয়াকিটকি কোন মোড ব্যবহার করে?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- 
১. সিমপ্লেক্স
২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড: 
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড: 
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯০৫.
IPv6 ঠিকানায় একাধিক ধারাবাহিক শূন্যকে কিভাবে সংক্ষেপে লেখা যায়?
  1. ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে
  2. শূন্য হিসেবে রাখা
  3. দুইটি ডট (..) ব্যবহার করে
  4. ড্যাশ (-) ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা

• IPv6 ঠিকানায় একাধিক ধারাবাহিক শূন্যকে সংক্ষেপে লেখার জন্য ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করা হয়। এটি ঠিকানার মধ্যে এক বা একাধিক ধারাবাহিক শূন্য ব্লককে প্রতিস্থাপন করে, ফলে ঠিকানাটি ছোট এবং পাঠযোগ্য হয়। উদাহরণস্বরূপ, 2001:0db8:0000:0000:0000:ff00:0042:8329 ঠিকানাটি সংক্ষেপে লেখা যায় 2001:db8::ff00:42:8329 হিসেবে। এখানে ধারাবাহিক শূন্য ব্লকগুলো :: দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। তবে একাধিক :: এক ঠিকানায় ব্যবহার করা যায় না, কারণ এটি ঠিকানার দৈর্ঘ্য নির্ধারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে।

IP Address: 
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। IPv4 (Internet Protocol Version 4) ও
২। IPv6 (Internet Protocol Version 6)

IPv4: 
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

IPv6: 
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৯০৬.
রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল কে প্রস্তাব করেন?
  1. চার্লস ব্যাবেজ
  2. বিল গেটস
  3. এডগার এফ. কড
  4. অ্যালান টিউরিং
ব্যাখ্যা

● ১৯৭০ সালে এডগার ফ্র্যাঙ্ক কড (Edgar F. Codd) আইবিএম গবেষণাগারে রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল প্রস্তাব করেন। তাঁর গবেষণাপত্র "A Relational Model of Data for Large Shared Data Banks" ডাটাবেজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশনাল ডাটা মডেল অনুযায়ী সমম্বরিতভাবে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বোঝায়।
- ১৯৭০ সালে এডগার এফ কড রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবক্তা বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের উদাহরণ— Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটে রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯০৭.
Apache OpenOffice Calc- কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. ভাইরাস
  2. অ্যাপ্লিকেশন
  3. ইউটিলিটি
  4. ওয়ার্ড প্রসেসিং
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।

- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন:

• Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- MS Word,
- Word Note.

• Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Qrater Pro,
- Google Sheets. [Google Sheets হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা স্প্রেডশিট তৈরি, সম্পাদনা এবং ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি Google-এর ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা G-Suite-এর অংশ।],
- Apache OpenOffice Calc.

• Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯০৮.
Which of the following is the largest manufacturer of Hard Disk Drives?
  1. ক) IBM
  2. খ) Seagate
  3. গ) Microsoft
  4. ঘ) 3M
ব্যাখ্যা
Seagate Technology PLC is an American data storage company. It was incorporated in 1978, as Shugart Technology. Since 2010, the company has been incorporated in Dublin, Ireland, with operational headquarters in Cupertino, California, United States.
Source: www.seagate.com/
১,৯০৯.
ইনপুটের সংখ্যা n হলে আউটপুট 2n হয় কোন সার্কিটের ক্ষেত্রে?
  1. ক) রেজিস্টার
  2. খ) কাউন্টার
  3. গ) এনকোডার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে। 

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। 

• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯১০.
সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. তৃতীয় প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. প্রথম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয় তৃতীয় প্রজন্মে।

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৯১১.
কোনটি তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী?
  1. ক) ওয়াইম্যাক্স
  2. খ) সি-মস
  3. গ) ব্লু-টুথ
  4. ঘ) ব্রডব্যান্ড
ব্যাখ্যা
WiMax is a communication technology for wirelessly delivering high-speed Internet service to large geographical areas.
Source: britannica.com
১,৯১২.
১ পেটাবাইট = কত?
  1. ১০২৪ মেগাবাইট
  2. ১০২৪ গিগাবাইট
  3. ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ১০২৪ ইয়োট্রাবাইট
ব্যাখ্যা
• বিট ও বাইট:
- ১ বাইট=৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
১,৯১৩.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম এর কাজ নয়?
  1. ক) নতুন রেকর্ড সংযোজন করা
  2. খ) ডেটার অনুলিপি (ডুপ্লিকেশন) রোধ করা
  3. গ) রিপোর্ট তৈরি করা
  4. ঘ) সবগুলোই DBMS এর কাজ
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেমের প্রধান কাজঃ
১. নতুন রেকর্ড সংযোজন করা
২. প্রয়োজনে রেকর্ড আপডেট করা
৩. অপ্রোজনীয় রেকর্ড মুছে ফেলা
৪. ডেটা সংরক্ষণ করা
৫. ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
৬. ডেটার অনুলিপি (ডুপ্লিকেশন) রোধ করা
৭. রিপোর্ট তৈরি করা
৮. নির্দিষ্ট ডেটা অনুসন্ধান করা।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, নবম-দশম শ্রেনি।

১,৯১৪.
ফ্যাক্স মেশিন কে আবিষ্কার করেছিলেন?
  1. আলেকজান্ডার বেইন
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ্রাহাম বেল
  4. টমাস এডিসন
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স মেশিন ১৮৪৩ সালে বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পূর্ণরূপ হলো ফ্যাক্সিমিল।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- PSTN (Public Switched Telephone Network) হলো ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
- ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয় কোনো ডকুমেন্টের হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য।
- প্রেরক যেকোনো ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান, তিনি ফ্যাক্স মেশিনের মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ সেই ডকুমেন্টের হুবহু কপি প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৯১৫.
'Dot Matrix printer' হলো -
  1. Impact Printer
  2. Laser Printer
  3. Electrostatic Printer
  4. Thermal Printer
ব্যাখ্যা
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot matrix Printer):
- এটি একটি Impact Printer বা ধাক্কা প্রিন্টার।
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়। তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
- পিনের সংখ্যা যত বেশি হয় হয়, মুদ্রণের মানও তত উন্নত হয়।
- প্রিন্টারে কাগজ ও প্রিন্টার হেডের মাঝে এক ধরনের কালিযুক্ত রিবন থাকে। যখন যে বর্ণ ছাপাতে হয় তখন সেই বর্ণের বিন্দুগুলোর অনুরূপ পিনগুলো প্রিন্ট হেড থেকে বেরিয়ে এসে কালি মাখানো রিবনকে কাগজের ওপর চেপে ধরে। ফলে সেই বর্ণের ডটগুলো, অর্থাৎ সেই বর্ণটি ছাপানো হয়ে যায়।
- একটি পুরো লাইন হয়ে গেলে কাগজ একটু সরে গিয়ে পরের লাইনে চলে আসে আর প্রিন্ট হেডও সেই সাথে বাঁ দিকে শেষ প্রান্তে সরে গিয়ে আবার ছাপাতে শুরু করে। তবে কিছু ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার উভয়মুখী, অর্থাৎ তারা বাম থেকে ডান এবং ডান থেকে বাম উভয় দিকেই ছাপাতে পারে। এতে ছাপানো অপেক্ষাকৃত দ্রুত হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে 50 থেকে 500টি বর্ণ ছাপানো যায় এবং লেখা ছাড়াও ছবি এবং গ্রাফ ছাপানো যায়।

উল্লেখ্য,
• Non-Impact Printer: যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়। এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে। আবার প্রিন্ট করার সময় সাধারণত শব্দ হয় না। তবে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন-
১। লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২। ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩। থার্মাল প্রিন্টার (Thermal Printer),
৪। স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯১৬.
হেক্সাডেসিমেল সিস্টেমে দশমিক ১৫ কোন অক্ষর বা প্রতীকে প্রকাশ করা হয়? 
  1. E
  2. F
  3. D
  4. C
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি একটি ভিত্তি-১৬ (base-16) পদ্ধতি, যেখানে মোট ১৬টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: ০–৯ এবং A, B, C, D, E, F। এখানে ০–৯ পর্যন্ত সংখ্যা একই থাকে, কিন্তু দশমিক ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন, দশমিক ১০ = A, ১১ = B, ১২ = C, ১৩ = D, ১৪ = E এবং ১৫ = F। তাই দশমিক সংখ্যা ১৫ হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে F দ্বারা প্রকাশ করা হয়। সুতরাং দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) F। হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
- হেক্সাডেসিমেল একটি ১৬-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে মোট ১৬টি অংক বা ডিজিট ব্যবহার করা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় ১৬টি প্রতীকের মধ্যে দশমিক পদ্ধতির দশটি প্রতীক এবং বাকী ৬টি বর্ণ প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- ০ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক প্রতীক এবং ৯-এর পরেরগুলো হচ্ছে A, B, C, D, E ও F ।
- এখানে A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক মান হচ্ছে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫। 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

১,৯১৭.
A CD-ROM drive is labeled with 52X. Here 52X is a measurement of-
  1. Time required reading
  2. Revolution per minute
  3. Capacity of the CD
  4. Data transfer rate
ব্যাখ্যা
- একটি CD-ROM ড্রাইভে "52X" লেবেলটি এর Data transfer rate কে নির্দেশ করে।
- 1X এর ক্ষেত্রে ডেটা স্থানান্তর হার 150 KB/s।

সুতরাং, "52X" হিসাবে লেবেলযুক্ত একটি CD-ROM ড্রাইভের ক্ষেত্রে এর অর্থ হল যে ড্রাইভটি একটি সিডি থেকে সর্বাধিক গতিতে ডেটা পড়তে পারে যা মূল 1X স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে 52 গুণ দ্রুত। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,৯১৮.
মাইক্রোসফট এক্সেলে কোন রেঞ্জের মধ্যে কতটি সংখ্যা আসে তা গণনা করার জন্য কোন ফাংশন ব্যবহার করা হয়?
  1. AVG
  2. Min
  3. Count
  4. Max
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট এক্সেলে AVERAGE, MIN, COUNT ফাংশনের ব্যবহারঃ
সাধারণত গড় বের করার জন্য AVERAGE, সবচেয়ে সর্বনিম্ন সংখ্যা বের করার জন্য MIN এবং কোন রেঞ্জের মধ্যে কতটি সংখ্যা আসে তা গণনা করার জন্য COUNT ফাংশন ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৯১৯.
কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয়?
  1. ২য় প্রজন্ম
  2. ৩য় প্রজন্ম
  3. ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ৫ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

⇒ মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা:
- নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
- গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
- রেজিস্টার সমূহ (Register Set).

⇒ ৪র্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ হতে ২০০০ সাল):
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে। একটি একক VLSI সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে। চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। সাথে সাথে মেমরিও উন্নতি ঘটে ব্যাপক ফলে শুরু হয়ে যায় কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার এবং তৈরি হতে শুরু হয় পার্সোনাল কম্পিউটার। Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল। IBM -3033, IBM -4341, TRS -40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: i) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) GeeksforGeeks.
১,৯২০.
কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সব কাজই __________ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।
  1. সিপিইউ-এর
  2. মাদারবোর্ডের
  3. অপারেটিং সিস্টেমের
  4. হার্ডডিস্কের
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন, যা একটি সিস্টেম সফটওয়্যার।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সব কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।
- এটি হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেমের।
- ব্যবহারকারীর পরিবর্তে হার্ডওয়্যার দিয়ে কাজ করানোর দায়িত্বও এটি পালন করে।
- শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেমের উপস্থিতিতেই কম্পিউটারের অন্যান্য সফটওয়্যার কাজ করতে পারে।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, তথ্য সংরক্ষণ, ত্রুটি নির্ণয়, ইনপুট ও আউটপুট কার্যক্রম পরিচালনা, সিস্টেম বণ্টন এবং প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপনাসহ যাবতীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯২১.
নিচের কোনটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ অংশ?
  1. ক) Sound card
  2. খ) Printer
  3. গ) Microphone
  4. ঘ) USB thumb drive
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ- 
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card 

কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ- 
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive 

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
১,৯২২.
কোন ধরনের সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় অ্যাডওয়্যার থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি?
  1. মালিকানাধীন সফটওয়্যার
  2. লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যার
  3. ট্রায়ালওয়্যার
  4. ফ্রিওয়্যার
ব্যাখ্যা
• অ্যাডওয়্যার থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে ফ্রিওয়্যার ইনস্টল করার সময়। কারণ ফ্রিওয়্যার হলো এমন ধরনের সফটওয়্যার যা বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় এবং অনেক সময় এই ধরনের সফটওয়্যারের সাথে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য অ্যাডওয়্যার বা অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম থাকে। ডেভেলপাররা ফ্রি সফটওয়্যার থেকে আয় করার জন্য বিজ্ঞাপন দেখাতে বা অন্যান্য প্রোগ্রাম ইনস্টল করাতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই ঘটে। অন্যদিকে, মালিকানাধীন, লাইসেন্সকৃত বা ট্রায়ালওয়্যারের ক্ষেত্রে সাধারণত অ্যাডওয়্যারের সম্ভাবনা কম থাকে কারণ সেগুলো প্রায়শই বিশ্বাসযোগ্য উৎস থেকে আসে এবং তাদের মধ্যে বিজ্ঞাপন অন্তর্ভুক্ত না থাকার চেষ্টা করা হয়। তাই, ফ্রিওয়্যার ব্যবহার করার সময় সতর্ক থাকা জরুরি।

• Malware:
- মেলওয়্যার অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- Malware এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলো:
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware),
- ওয়ার্ম (Worms) ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
১,৯২৩.
নিচের কোনটি কনজিউমার টু বিজনেস ইকমার্স সাইট?
  1. ক) amazon.com
  2. খ) ebay.com
  3. গ) monster.com 
  4. ঘ) alibaba.com
ব্যাখ্যা
কিছু কিছু ব্যবসা আছে যা সরাসরি ভোক্তা শ্রেণির কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা গ্রহণ করে। এ জাতীয় লেনদেন ভোক্তা থেকে ব্যবসায় ই-কমার্সের আওতাভুক্ত। অর্থাৎ যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসা বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
উদাহরণ : monster.com 
১,৯২৪.
নিচের কোনটি ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Register
  2. ROM
  3. Flags
  4. Output Unit
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার: 
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে। 
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। 
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। 
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি। 
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়। 
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়। 
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯২৫.
ডিফারেন্স ইঞ্জিনের ধারণা প্রদান করেন কে?
  1. জন ম্যাকার্থি
  2. অ্যালান টুরিং
  3. ব্লেইজ প্যাসকেল
  4. চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা

• চার্লস ব্যাবেজ—তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিনের ধারণা প্রদান করেন এবং আধুনিক কম্পিউটার উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপন করেন।

• ডিফারেন্স ইঞ্জিন(Difference Engine):

- ডিফারেন্স ইঞ্জিন হলো একটি যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র, যা গাণিতিক হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য পরিকল্পিত।
- চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ডিফারেন্স ইঞ্জিনের ধারণা প্রদান করেন।
- এটি মূলত গাণিতিক সারণি (Mathematical Tables) প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়।
 
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের আবিষ্কার ও উন্নয়ন:
- ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন নির্মাণের পরিকল্পনা করেন।
- যন্ত্রটি সম্পূর্ণভাবে নির্মিত হয়নি, কারণ—
- প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা,
- আর্থিক সংকট,
- যান্ত্রিক জটিলতা।
- তবে এটি আধুনিক কম্পিউটার উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
 
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের বৈশিষ্ট্য:
- এটি যোগ ও বিয়োগের নীতি (Method of Differences) ব্যবহার করে কাজ করত।
- গাণিতিক সারণিতে মানুষের ভুল কমানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল।
- এটি একটি স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্রের প্রাথমিক ধারণা প্রদান করে।
 
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের গুরুত্ব:
- আধুনিক কম্পিউটার উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- গণনার ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়তার ধারণা প্রতিষ্ঠা করে।
- পরবর্তীতে Analytical Engine উদ্ভাবনের পথ সুগম করে।
 
উৎস: Computer & ICT Cloud, Live Publications এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১,৯২৬.
ই-কমার্স হল _________
  1. ক) অনলাইনে বই পড়া
  2. খ) ওয়েব ব্রাইজ করা
  3. গ) মোবাইলে কথা বলা
  4. ঘ) ইন্টারনেটের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করা
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য অথবা, সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ভিত্তি করে আর্থিক লেনদেন করবার পদ্ধতিকে ই-কমার্স বলে। 

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B)
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C)
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B)
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১,৯২৭.
The output quality of a printer is measured by-
  1. ক) Dots per inch
  2. খ) Dots per line
  3. গ) Dots printed per unit time
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
In printing, DPI (dots per inch) refers to the output resolution of a printer or imagesetter, and PPI (pixels per inch) refers to the input resolution of a photograph or image. DPI refers to the physical dot density of an image when it is reproduced as a real physical entity, for example printed onto paper.
Source: techterms.com
১,৯২৮.
মোবাইল ফোনে কোন নম্বরে ডায়াল করে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা যায়?
  1. ৯৯৯
  2. ১৬২৬৩
  3. ৩৩৩
  4. ২৪৭
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে।
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।
- স্বাস্থ্য বাতায়ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রনালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি সেবা।
- সিনেসিস আইটি লিমিটেড নামে একটি মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য বাতায়ন সেবাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
- এই স্বাস্থ্য বাতায়নের হেল্পলাইন নম্বর 16263 (এক বাষট্টি তেষট্টি)-তে কল করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ পাওয়া যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. স্বাস্থ্য বাতায়ন। [Link]
১,৯২৯.
MS Word এ ডকুমেন্টের File, Edit, View ইত্যাদি শব্দবিশিষ্ট লাইনটিকে বলা হয়?
  1. ক) টাইটেল বার
  2. খ) মেনু বার
  3. গ) স্ক্রল বার
  4. ঘ) টুল বার
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের পর্দায় উইন্ডোর টাউটেল বারের ঠিক নীচে আরেকটি বার দেখা যায়, তাকে বলে মেনু বার। এতে কতগুলি কমান্ড বা নির্দেশ এবং অ্যাকশন বা ক্রিয়ার উল্লেখ থাকে। যেমনঃ File, Edit, View, Go, Favourites, Help। এর প্রত্যেকটিকে কম্পিউটারের পরিভাষায় মেনু আইটেম বলা হয় ।
১,৯৩০.
ভ্যাকুয়াম টিউবের স্থলে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার শুরু হয়, যা কম্পিউটারকে আকারে ছোট এবং অধিক নির্ভরযোগ্য করে তোলে।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ:
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, 1600 IBM 1620 ইত্যাদি।

• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
- ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
- আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
- অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।

এছাড়াও,
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ছিলো সিলিকন চিপ ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা IC বেজড ৷

- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার:
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।

- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার।
- অধিক সমৃদ্ধশালী মাইক্রো প্রসেসরের ব্যবহার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৩১.
মাদারবোর্ডে নিম্নলিখিত কোন উপাদানটি থাকে না?
  1. Socket
  2. RAM Slot
  3. Cartridge
  4. Chipset
ব্যাখ্যা

Cartridge সাধারণত মাদারবোর্ডে থাকে না। এটি প্রিন্টারে ব্যবহৃত হয়।

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot, ইত্যাদি।

CPU Socket → মাদারবোর্ডে থাকে, যেখানে প্রসেসর (CPU) বসানো হয়।
RAM Slot → মাদারবোর্ডে থাকে, যেখানে র‌্যাম মডিউল বসানো হয়।
Chipset → মাদারবোর্ডের মূল কন্ট্রোল সার্কিট, যা CPU, RAM, Storage, Input/Output ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৩২.
নিচের কোন হার্ডওয়্যারটি কম্পিউটারের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে (Heat sink) ব্যবহৃত হয়?
  1. Fan
  2.  Modem
  3. Sound card
  4. Network card
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের প্রসেসর (CPU) বা গ্রাফিক্স কার্ডের (GPU) মতো উপাদানগুলোর অতিরিক্ত তাপ নিয়ন্ত্রণ ও ঠান্ডা রাখতে ধাতব পাত বা হিট সিঙ্ক (Heat Sink) সরাসরি ব্যবহৃত হয়। 
- এটি সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম বা তামা দিয়ে তৈরি, যা উপাদানের তাপ শোষণ করে বাতাস বা ফ্যানের সাহায্যে বাইরে বের করে দেয়। এর সাথে প্রায়শই কুলিং ফ্যান যুক্ত থাকে। 

হিট সিঙ্কের প্রধান কার্যাবলি:
- CPU/GPU থেকে তাপ শোষণ করে।
- শোষণ করা তাপ বায়ুতে ছড়িয়ে দেয়।
- কম্পিউটারের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে স্থায়ী ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। 
- হিট সিঙ্কের দক্ষতা বাড়াতে এর মাঝে থার্মাল পেস্ট (Thermal Paste) ব্যবহার করা হয়।

উৎস: Corsair Website [Link]

১,৯৩৩.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি কী ছিল?
  1. FDMA
  2. CDMA
  3. EDGE
  4. TDMA
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের (1G) মোবাইল ফোন সিস্টেমে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি হিসেবে FDMA (Frequency Division Multiple Access) ব্যবহার করা হতো। FDMA পদ্ধতিতে, প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য নির্দিষ্ট একটি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড আলাদা করে রাখা হয়, যার মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে আলাদা আলাদা ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে। এর ফলে সিগন্যালের মধ্যে পারস্পরিক হস্তক্ষেপ কমে যায় এবং স্পষ্ট কণ্ঠস্বর সরবরাহ সম্ভব হয়। প্রথম প্রজন্মের সিস্টেমগুলো শুধুমাত্র ভয়েস কলের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল এবং ডাটা ট্রান্সমিশনের ক্ষমতা ছিল সীমিত। অন্য পদ্ধতিগুলো যেমন CDMA, EDGE, বা TDMA মূলত পরবর্তী প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। তাই, 1G মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি ছিল FDMA.

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো এফডিএমএ(Frequency Division Multiple Acces - FDMA)।
- সমসাময়িক কালের সাধারণ টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোনসমূহ আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
- সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
- কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এতে মাইক্রোপ্রসেসর এবং সেমি কন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- একই এলাকায় অন্য মোবাইল ট্রান্সমিটারের দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স নেই।
- উদাহরণ: এডভান্সড মোবাইল ফোন সিস্টেম (Advanced Mobile Phone System-AMPS), নর্ডিক মোবাইল টেলিফোন (Nordic Mobile Telephone), টোটাল একসেস কমিউনিকেশন সিস্টেম (Total Access Communication System-TACS) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৯৩৪.
ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কিত নিচের কোন উক্তিটি মিথ্যা?
  1. আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
  2. সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
  3. মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়।
  4. ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের প্রধান বৈশিষ্ট্য তিনটি।
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৯৩৫.
ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান নিচের কোনটি?
  1. প্রেরক
  2. গন্তব্য
  3. মাধ্যম
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশনের ধারণা: 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্যবিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়।
- ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়।

⇒ ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান:
- Action ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদান নয়।
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬টি উপাদান থাকে। যথা-
১। ডাটা বা তথ্য (Information),
২। ডাটার উৎস (Source),
৩। প্রেরক (Sender),
৪। মাধ্যম (Medium),
৫। প্রাপক (Receiver) ও
৬। গন্তব্য (Destination)।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৩৬.
ডাটাবেজে Foreign Key কী নির্দেশ করে?
  1. অন্য টেবিলের Primary Key
  2. একই টেবিলের Index
  3. টেবিলের নাম
  4. একটি Temporary Key
ব্যাখ্যা

- Foreign Key হলো একটি টেবিলের কলাম (বা কলামগুলোর সেট), যা অন্য টেবিলের Primary Key এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- এটি ডাটাবেসে সম্পর্ক (Relationship) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে টেবিলগুলোর মধ্যে তথ্য সঠিকভাবে সংযুক্ত থাকে।
- এটি টেবিলের মধ্যে referential integrity নিশ্চিত করে।
- মানে, Foreign Key-এর মান সবসময় সেই টেবিলের Primary Key-এর সাথে মিলতে হবে।

Foreign Key-এর সুবিধা:
- ডেটা consistency: নিশ্চিত করে যে কোনো অবৈধ মান Foreign Key-তে ঢুকবে না।
- টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন: Master-Detail সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়ক।
- Cascade Operations: Parent টেবিলে update বা delete হলে child টেবিলে প্রভাব পড়তে পারে (CASCADE OPTION ব্যবহার করলে)।

- Index: এটি শুধুমাত্র দ্রুত অনুসন্ধান ও সাজানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, সম্পর্ক নির্দেশ করে না।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।

১,৯৩৭.
Google-এর প্রতিষ্ঠা সাল হলো-
  1. ১৯৯২
  2. ১৯৯৮
  3. ১৯৯৫
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। (জুলাই, ২০২৪ পর্যন্ত)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৯৩৮.
নিচের কোনটি সিপিইউ- এর অংশ নয়?
  1. Control Unit
  2. RAM
  3. Register
  4. ALU
ব্যাখ্যা
• CPU:
- CPU এর পূর্বরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয় CPU কে।
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে।
- CPU ই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক।

• CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
1. ALU (Arithmetic Logic Unit),
2. Control Unit,
3. Memory/Register.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৯৩৯.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর কাজ?
  1. প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান করা
  2. নতুন ডেটা/রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা
  3. অপ্রয়োজনীয় ডেটা/রেকর্ড বাদ দেওয়া
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত সবগুলোই ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর কাজ।

• DBMS এর কাজসমূহ:
- প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেজ তৈরি করা।
- নতুন ডেটা/রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা।
- ডেটার ভুল খুঁজে বের করে সংশোধন করা।
- অপ্রয়োজনীয় ডেটা/রেকর্ড অপসারণ করা।
- সম্পাদনার কাজ সম্পন্ন করা।
- প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান করা।
- প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডেটাবেসকে যেকোনো ফিল্ডের ভিত্তিতে সাজানো।

- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: MySQL, PostgreSQL, Microsoft Access, SQL Server, FileMaker, Oracle, dBASE, Clipper, and FoxPro. ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৯৪০.
Pipileka একটি-
  1. Programming language
  2. Operating system
  3. Database
  4. Search Engine
ব্যাখ্যা
Pipileka একটি Search Engine.
অপশনের সবগুলো সফটওয়্যারের বিভিন্ন ধরন।

উদাহরণ:
• Database:
- MySQL,
- Database,
- Oracle.

• Operating System:
- Android,
- Linux,
- Ubuntu,
- macOS,
- Windows.

• Programming Language:
- C,
- C++,
- C#,
- Java,
- Python.

• Search Engine:
- Google,
- Yahoo,
- Bing,
- Baidu,
- DuckDuckGo,
- Pipileka,
- AOL,
- Ask.com,
- Yandex.

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪১.
নিচের কোনটি মাইক্রোকম্পিউটারের একটি উদাহরণ?
  1. IBM 360
  2. Cyber 205
  3. IBM PC
  4. PARAM 8000
ব্যাখ্যা

• IBM PC মাইক্রোকম্পিউটারের একটি উদাহরণ।

মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি, সহায়ক মেমরি এবং ইনপুট-আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত। - একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
- এ ধরনের কম্পিউটার দামে সস্তা, আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ বিধায় কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কাছে খুবই জনপ্রিয়।
- অফিসের কাজ ও বাণিজ্যিক প্রয়োজন ছাড়াও শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণে, স্বয়ংক্রিয় অফিস ব্যবস্থাপনায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গৃহস্থালির কাজে, খেলাধুলায়, চিত্ত-বিনোদন, এমনকি ব্যক্তিগত কাজেও আজকাল জনপ্রিয়তার সাথে মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে।
- উদাহরণ: IBM PC, Apple Macintosh, TRS-80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৪২.
কোন প্রযুক্তি 'On Demand' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. ক) Big Data Analytics
  2. খ) Client Server System
  3. গ) Internet of things
  4. ঘ) Cloud Computing
ব্যাখ্যা
Cloud Computing প্রযুক্তি 'On Demand' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪৩.
CPU-র কোন অংশটি instruction decode করে?
  1. ALU
  2. Register
  3. Control Unit
  4. Bus
ব্যাখ্যা
•  Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট হচ্ছে CPU-র এমন একটি অংশ, যা কমান্ড  (Instruction) ডিকোড বা বিশ্লেষণ করে এবং তারপর CPU-র অন্যান্য অংশকে বলে দেয়, কী করতে হবে।

কন্ট্রোল ইউনিটের (CU) কাজ:
- Instruction Fetch:-   মেমোরি থেকে ইনস্ট্রাকশন আনে।
- Instruction Decode:-   ইনস্ট্রাকশন বুঝে নেয় (যেমন:  যোগ করার ইনস্ট্রাকশন, না কি গুণ করার)।
- Instruction Execution:-  ALU বা অন্যান্য ইউনিটকে আদেশ দেয় নির্দিষ্ট কাজটি করতে। 

অন্যদিকে, 
 ALU (Arithmetic Logic Unit):
⇒ কেবল গাণিতিক ও যৌক্তিক (logical) কাজ করে — যেমন যোগ, বিয়োগ, তুলনা। Instruction decode করে না।
 Register:
⇒ এটি অস্থায়ী মেমোরির মতো কাজ করে। ডেটা ধরে রাখে, তবে decode করে না।
Bus:
⇒ এটি হলো CPU ও অন্যান্য অংশের মধ্যে ডেটা পরিবহণের পথ। এটি ইনস্ট্রাকশন বুঝতে পারে না।

তথ্যসূত্র: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), নবম-দশম শ্রেণী । 
- Computer Organization and Design by David A. Patterson.
- Fundamentals of Computers by P.K. Sinha.
১,৯৪৪.
'Microsoft Azure' যে ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত-
  1. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  2. সফটওয়্যার সেবা
  3. অবকাঠামোগত সেবা
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• 'Microsoft Azure' এর ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মধ্যে IaaS, PaaS এবং SaaS সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪৫.
ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory) বলতে কী বোঝায়?
  1. র‌্যামের একটি নির্দিষ্ট অংশ
  2. অস্থায়ী ফাইল সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারের অংশ
  3. অপটিক্যাল ডিস্কে সংরক্ষিত মেমরি 
  4. হার্ড ডিস্ককে RAM হিসেবে ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা

◉ ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশ, যা RAM কম থাকলে সাময়িকভাবে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

১,৯৪৬.
Bitcoin relies on which cryptography?
  1. Public key
  2. Private key
  3. Symmetric key
  4. Caesar cipher
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Public key

বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি, যেখানে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়।
- এটি একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা ২০০৯ সালে একজন নামহীন প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল তৈরি করেন।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটিকে অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সি বা বাস্তব মুদ্রায় (যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরো) রূপান্তর করতে পারেন।
- বিটকয়েন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনা সম্ভব।
- বিটকয়েন পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি-র ওপর নির্ভরশীল, যেখানে ব্যবহারকারীদের একটি পাবলিক কী থাকে যা সবাই দেখতে পারে এবং একটি প্রাইভেট কী থাকে যা শুধুমাত্র তাদের নিজের কম্পিউটারে থাকে।
- বিটকয়েন লেনদেনে, গ্রাহকরা তাদের পাবলিক কী প্রেরণ করে প্রেরণকারীর কাছে।
- প্রেরণকারীরা তাদের প্রাইভেট কী দিয়ে লেনদেনে সাইন করে এবং লেনদেনটি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে পাঠানো হয়।
- একই বিটকয়েন একাধিকবার খরচ না করতে, প্রতিটি লেনদেনের সময় ও পরিমাণ একটি লেজার ফাইলে সংরক্ষিত থাকে, যা নেটওয়ার্কের প্রতিটি নোডে থাকে।
- ব্যবহারকারীদের পরিচয় আপেক্ষিকভাবে গোপন থাকে, তবে সবাই দেখতে পারে কোন বিটকয়েন কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা

১,৯৪৭.
কোনটি প্রাইমারি কী-এর উদাহরণ?
  1. মোবাইল নম্বর
  2. ব্লাড গ্রুপ
  3. নাম
  4. ঠিকানা
ব্যাখ্যা

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

১,৯৪৮.
16 base সংখ্যা 2A16 কে Decimal সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করলে কত হবে?
  1. 4010
  2. 4210
  3. 4410
  4. 4510
ব্যাখ্যা

• 16 base সংখ্যা সিস্টেমে 0 থেকে 9 সংখ্যাগুলো এবং A থেকে F অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়।

এখানে:
2A16 = ?10(Decimal)

• প্রক্রিয়া:
- হেক্সা-ডেসিমাল এর ভিত্তি 16 হওয়ায় ডান দিকের (সবচেয়ে ছোট স্থানের) অঙ্ককে 160 এর ঘাত দিয়ে গুণ করা হবে।
- ডান থেকে বাম দিকে প্রতিটি অঙ্কের ঘাত 1 করে বাড়বে। যেমন: 161, 162, 163.
- যদি অঙ্ক সংখ্যা হয় 0 থেকে 9, তাহলে একই Decimal মান হবে।
- যদি অক্ষর হয় A থেকে F, তাহলে মান 10 থেকে 15 হবে।
- পরিশেষ যোগ করলেই ডেসিমাল সংখ্যা পাওয়া যাবে। 
 
সংখ্যা: 2A16
অবস্থান অনুযায়ী মান নির্ণয়:
বামদিকের ‘2’ = 2 × 161 = 32
ডানদিকের ‘A’ = 10 × 160 = 10 × 1 = 10

যোগফল: 32 + 10 = 42

সুতরাং: 2A16 = 4210

১,৯৪৯.
IPTV ব্যবহারের জন্য সাধারণত কী প্রয়োজন হয়?
  1. অ্যান্টেনা সংযোগ
  2. অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ
  3. ভিএইচএফ সংযোগ
  4. ইন্টারনেট সংযোগ
ব্যাখ্যা
IPTV ব্যবহারের জন্য সাধারণত ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন হয়।

• IPTV

- ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন বা আইপিটিভি (Internet Protocol television-IPTV) হলো ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপি প্রচারিত বিভিন্ন টিভি চ্যানেল।
- আইপিটিভির সার্ভিসগুলো সাধারণত অর্থের বিনিময়ে গ্রহণ করতে হয়।
- আইপিটিভি এমন এক সিস্টেম, যা দিয়ে ইন্টারনেটে টেলিভিশন সার্ভিস পাওয়া যায়।
- আইপিটিভির সাহায্যে ওয়াইফাই বা ব্রডব্যান্ড কানেকশনের মাধ্যমে টিভি প্রোগ্রাম সম্প্রচার করার সুবিধা দেয়া হচ্ছে।
- আইপিটিভির সাহায্যে লাইভ টিভি দেখার পাশাপাশি রেকর্ড করে রাখা অন্য প্রোগ্রামও দেখা যাবে, টাইম শিফট করা প্রোগ্রাম দেখা যাবে, যে কোনো প্রোগ্রাম আবার প্রথম থেকে চালু করে দেখা যাবে, ফরোয়ার্ড বা রিওয়াইনড করেও প্রোগ্রাম দেখা যাবে এবং ভিডিও অন ডিমান্ড পদ্ধতিতে ক্যাটালগ থেকে বেছে পছন্দসই ভিডিও দেখা যাবে।
- কিছু আইপিটিভি সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে-Radient IPTV, Desh IPTV, Peotv, YouTube, Yahoo! বা Yahoo!7, ABC iView ইত্যাদি।
- এই প্রযুক্তির টিভি ওয়েব টিভি নামেও পরিচিতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান। 
১,৯৫০.
স্মার্ট হোমে যন্ত্রপাতি ইন্টারনেট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে যে আরডুইনো ব্যবহৃত হয় তা- কোন ধরনের উদাহরণ?
  1. Data mining
  2. Artificial Intelligence
  3. Cloud computing
  4. Internet of Things (IoT)
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোমে যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে আরডুইনো ব্যবহার করা হয় মূলত Internet of Things (IoT) এর উদাহরণ হিসেবে। IoT হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে দৈনন্দিন যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আরডুইনো মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করে লাইট, ফ্যান, দরজা, বা সেন্সর যুক্ত যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা যায়। ব্যবহারকারী মোবাইল বা কম্পিউটারের অ্যাপের মাধ্যমে এসব যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং ডেটা সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তাই স্মার্ট হোমে আরডুইনো ব্যবহারের উদাহরণ স্পষ্টভাবে IoT-র আওতায় পড়ে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Internet of Things (IoT).

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- geeksforgeeks.

১,৯৫১.
'Kernel' কী?
  1. অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম
  2. মাদারবোর্ডের মূল অংশ
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস:
1. Techtarget website.
2. geeksforgeeks website.
১,৯৫২.
Digital Wallet এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Credit card
  2. Google Pay
  3. Cash on delivery
  4. Bank transfer
ব্যাখ্যা

◉ Digital Wallet (ই-ওয়ালেট) হলো একটি সফটওয়্যারভিত্তিক সিস্টেম, যেখানে ব্যবহারকারী তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা মোবাইল পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে সহজে অনলাইন বা অফলাইন লেনদেন করতে পারে। উদাহরণ: Google Pay, Apple Pay, PayPal, bKash, Nagad ইত্যাদি।

ডিজিটাল ওয়ালেট: 
- ডিজিটাল ওয়ালেট (E-wallet) হলো একটি সফটওয়্যার বা অনলাইন সেবা, যা ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ইলেকট্রনিক লেনদেন করার সুযোগ দেয়।
- সাধারণত স্মার্টফোন অ্যাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে ডেস্কটপ সংস্করণও থাকতে পারে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে। 
- কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রচলিত ওয়ালেটের চেয়ে নিরাপদ, কারণ এতে ডেটা এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড/বায়োমেট্রিক সিকিউরিটি থাকে।
- উদাহরণ: PayPal, Google Pay, বিকাশ ইত্যাদি। 

উৎস: কর্পোরেট ফিন্যান্স ইন্সটিটিউশন। 

১,৯৫৩.
MS Word is an example of -
  1. ক) Package Program
  2. খ) System Program
  3. গ) Utility Program
  4. ঘ) Customize Program
ব্যাখ্যা
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার মূলত দুই ধরনের। যথাঃ
১. প্যাকেজ প্রোগ্রাম ও
২. কাস্টমাইজ প্রোগ্রাম।

প্যাকেজ প্রােগ্রাম
: ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানাের জন্য বেশ কিছু প্রােগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রােগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রােগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রােগ্রামকে প্যাকেজ প্রােগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রােগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলাে। যেমন
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার।
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার।
৭। ইউটিলিটিস সফটওয়্যার।
৮। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।

MS Word হলো একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা প্যাকেজ প্রােগ্রামের অন্তর্ভুক্ত। 

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,৯৫৪.
ইমেইল ক্লায়েন্টে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল গ্রহণ করতে কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. SFTP
  2. HTTP
  3. SMTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• POP3 প্রোটোকল ইমেইল ক্লায়েন্টে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল গ্রহণ করতে ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
 
• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.
- POP3 প্রোটোকলের মূল কাজ হলো সার্ভার থেকে ইমেইলগুলো ডিভাইসে ডাউনলোড করে নেওয়া এবং সাধারণত ডাউনলোড করার পর সার্ভার থেকে সেগুলোকে মুছে ফেলা।
- এই প্রোটোকলের একটি বড় সুবিধা হলো, একবার ইমেইল ডাউনলোড হয়ে গেলে অফলাইনেও তা পড়া যায়।

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- SMTP হলো ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর কাজ করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়েব ব্রাউজারে ওয়েব পেজ দেখার জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি ওয়েব সার্ভার থেকে ডেটা (যেমন- HTML, ছবি, ভিডিও) পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়।

• SFTP:
- SFTP (SSH File Transfer Protocol) হলো একটি নিরাপদ ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল।
- এটি SSH (Secure Shell) প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইমেইলের জন্য নয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১,৯৫৫.
কোন প্রযুক্তি Speech Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?
  1. ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি
  2. ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT)
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  4. প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
♦ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৫৬.
ইন্টেল কর্তৃক উদ্ভাবিত AI accelerator এর নাম কী?
  1. ক) Xeon
  2. খ) Core i9
  3. গ) Nervana
  4. ঘ) Itanium
ব্যাখ্যা
- Nervana হল ইন্টেল কর্তৃক উদ্ভাবিত ডিপ লার্নিং অ্যাক্সিলারেটর।
- এটিকে বিশেষভাবে এ আই এর অন্তর্ভুক্ত ডিপ লার্নিংকে  ত্বরান্বিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। 

তথ্যসূত্ৰ :
"Intel's Nervana: Inside the deep learning accelerator" (https://www.zdnet.com/article/intels-nervana-inside-the-deep-learning-accelerator/)
"Intel's Nervana Platform: A deep dive" (https://www.nextplatform.com/2017/08/28/intels-nervana-platform-deep-dive/)
১,৯৫৭.
কোনটি রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেমের একটি উদাহরণ?
  1. VxWorks
  2. macOS
  3. Ubuntu
  4. Windows 11
ব্যাখ্যা

◉ VxWorks একটি জনপ্রিয় রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম যা Wind River Systems দ্বারা তৈরি।

রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System): 
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম: 
- FreeRTOS, 
- QNX, 
- ThreadX, ইত্যাদি। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

১,৯৫৮.
রিবন এবং কমান্ড গ্রুপের নিচে দুই অংশে বিভক্ত বারটিকে কী বলে?
  1. ক) Status Bar
  2. খ) Scroll Bar
  3. গ) Formula Bar
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

রিবন এবং কমান্ড গ্রুপের নিচে দুই অংশে বিভক্ত বারটিকে ফর্মুলা বার বলে।

- সাধারণত, হিসাব-নিকাশ ও ডাটা এনালাইসি কাজের জন্য ব্যবহৃত মাইক্রোসফট এক্সেল প্রোগ্রামের সক্রিয় ঘরের বিষয়বস্তু আনুভূমিকভাবে অর্থাৎ বাম থেকে ডান দিক বরাবর লম্বা যে ঘরে প্রদর্শন করে সে ঘরটিকে ফর্মূলা বার বলা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

১,৯৫৯.
কমপ্রেস করা ফাইল ব্যবহার উপযোগী করতে কোনটি প্রযোজ্য?
  1. ক) জিপ
  2. খ) ডিলিট
  3. গ) এক্সট্র্যাক্ট
  4. ঘ) আর্কাইভ
ব্যাখ্যা
বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়। জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়। এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। কিছু জনপ্রিয় জিপ ফাইল হলোঃ উইনজিপ, এএলজিপ, টার্বোজিপ এক্সপ্রেস ইত্যাদি। (সূত্রঃ মাইক্রোসফট উইনজিপ)
১,৯৬০.
নিচের কোনটি বৈধ IPv4 ঠিকানা নয়?
  1. 172.16.0.5
  2. 192.168.255.256
  3. 255.255.255.255
  4. 10.0.0.1
ব্যাখ্যা

◉ একটি IPv4 ঠিকানা চারটি অক্টেট নিয়ে গঠিত (যেমন: A.B.C.D), এবং প্রতিটি অক্টেটের মান হতে পারে 0 থেকে 255 এর মধ্যে। 
​192.168.255.256 → ভুল, কারণ এখানে শেষ অক্টেটের মান 256, যা 0–255 এর বাইরে।


​আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৬১.
API মানে-
  1. Advanced Processing Information
  2. Application Processing Information
  3. Application Programming Interface
  4. Application Processing Interface
ব্যাখ্যা
- API এর পূর্ণরূপ Application Programming Interface.
- API এমন একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- API একটি প্রোগ্রাম থেকে পরিষেবা পাওয়ার জন্য একজন ডেভেলপারকে সাহায্য করে।
- একটি API ছাড়া একটি প্রোগ্রাম খুব কার্যকরভাবে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের সাথে কাজ করতে পারেনা।
- API-এর উদাহরণ হলো remote procedure calls (RPCs)।
- তাছাড়া API, গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড সহ অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরবরাহ করে, নেটওয়ার্কিং এবিলিটি যুক্ত করে, সিকিউরিটি এবং ডেটা ট্রান্সলেশন পরিচালনা করে এবং মেমরি এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মতো সিস্টেম সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পরিচালনা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৯৬২.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Norton
  2. Informix
  3. AVAST
  4. AVG
ব্যাখ্যা
• চারটি সফটওয়্যার থেকে “Informix” এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Norton, AVAST এবং AVG তিনটি সফটওয়্যারই কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই সফটওয়্যারগুলো রিয়েল-টাইম স্ক্যানিং, স্বয়ংক্রিয় আপডেট এবং ভাইরাস ডিটেকশন সুবিধা প্রদান করে। অপরদিকে, Informix হলো একটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS), যা তথ্য সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং অনুসন্ধানের কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ধরনের ভাইরাস স্ক্যান বা সুরক্ষা প্রদান করে না। তাই Informix এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - 
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
১,৯৬৩.
(37)10 এর সমতুল্য বাইনারি কত?
  1. 1001011
  2. 100101
  3. 110101
  4. 101001
ব্যাখ্যা

∴ (37)10 এর সমতুল্য বাইনারি (100101)2
১,৯৬৪.
তথ্য প্রযুক্তির অন্যতম প্রতিষ্ঠান 'ইয়াহু' (Yahoo) - এর প্রতিষ্ঠাতা কে ?
  1. ডেনিস রিচি ও কেন থম্পসন
  2. ডেবিড ফিলো এবং জেরি ইয়ং
  3. ভিন্ট কার্ফ ও জেফ বেজোস
  4. স্টিভ কেস ও রবার্টস
ব্যাখ্যা
- ইয়াহু একটি বৃহৎ ইন্টারনেটভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান । 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সানিভেল শহরে প্রধান কার্যালয় ।
- ১৯৯৪ সালে ডেবিড ফিলো এবং জেরি ইয়ং ইয়াহু প্রতিষ্ঠা করেন ।
 - ইয়াহু ওয়েবসাইট ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম যেমন সার্চ ইঞ্জিন,  ইয়াহু মেইল,  ইয়াহু ভিডিও ইত্যাদি রয়েছে ।

সূত্র: Yahoo.com
১,৯৬৫.
কম্পিউটারের ব্রেইন কোনটি?
  1. মেমরি
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. ইউন্ডোজ
  4. মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
- ১৯৭১ সালে আমেরিকার ইন্টেল নামক কোম্পানি সর্বপ্রথম ইন্টেল ৪০৪০ নামের মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) তৈরি করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকেই আধুনিক মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৬৬.
এম্বেডেড অপারেটিং সিস্টেম হলো:
  1. সর্বদা লিনাক্স-ভিত্তিক
  2. সাধারণ-উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ
  3. সর্বাধিক ব্যবহারকারী ইন্টারফেসের জন্য ডিজাইন করা
  4. রিয়েল-টাইম টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড অপারেটিং সিস্টেম হলো বিশেষ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম যা নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মধ্যে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি সাধারণত ছোট এবং সীমিত সম্পদের মধ্যে কাজ করে এবং রিয়েল-টাইম টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য উপযুক্ত। এম্বেডেড অপারেটিং সিস্টেমগুলো সাধারণ-উদ্দেশ্য বা বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ নয় এবং সর্বদা লিনাক্স-ভিত্তিকও নয়। এগুলো মূলত নির্দিষ্ট কাজের জন্য হালকা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, এম্বেডেড সিস্টেমগুলো সাধারণত ব্যবহারকারী ইন্টারফেসের জন্য ডিজাইন করা হয় না বরং নির্দিষ্ট রিয়েল-টাইম কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তৈরি।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) রিয়েল-টাইম টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য ডিজাইন করা।


• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.
১,৯৬৭.
গেমিংয়ের সময় কোন উপাদানটি কম্পিউটারের ভিতরে সর্বাধিক তাপ উৎপন্ন করে?
  1. ক) RAM
  2. খ) CPU
  3. গ) GPU
  4. ঘ) Motherboard
ব্যাখ্যা
ভিডিও কার্ড: কম্পিউটার মনিটরের ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনের জন্য ভিডিও কার্ড ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমানে বেশিরভাগ কম্পিউটারে ভিডিও কার্ড ব্যবহার করা হয়না, এর পরিবর্তে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে একটি GPU (গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট) তৈরি করা হয়েছে।

- গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট একটি বিশেষ প্রসেসর যা মূলত গ্রাফিক্স এর কাজকে ত্বরান্বিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট একই সাথে অনেকগুলি ডেটা প্রক্রিয়া করতে পারে, এবং ডেটাগুলিকে মেশিন লার্নিং, ভিডিও এডিটিং এবং গেমিং অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য উপযোগী করে তোলে৷
- GPU গুলি কম্পিউটারের CPU এর সাথে একত্রিত থাকতে পারে অথবা আলাদা হার্ডওয়্যার ইউনিট হিসাবেও থাকতে পারে। 
- গেমিং এ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU) অনেক অপারেশন বা কাজ করে থাকে যে কারণে CPU এর চেয়ে বেশি তাপ উৎপন্ন করে।
- GPU এর আবিষ্কারের পর হাইপার-রিয়ালিস্টিক গ্রাফিক্স এবং বিশাল ও জটিল ইন-গেম ওয়ার্ল্ড সহ ভিডিও গেমগুলি তুলনামূলক আরও নিবিড় হয়ে উঠেছে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেমিংয়ের উত্থানের সাথে সাথে 4K স্ক্রিন এবং উচ্চ রিফ্রেশ রেটগুলির মতো উন্নত ডিসপ্লে প্রযুক্তির সাথে গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। GPU গুলি 2D এবং 3D উভয় ক্ষেত্রেই গ্রাফিক্স রেন্ডার করতে সক্ষম। এজন্য ভাল গ্রাফিক্স পারফরম্যান্সের সাথে, গেমগুলি উচ্চ রেজোলিউশনে এবং দ্রুত ফ্রেম হারে খেলা যায়।

উৎস: SCHOOL OF SCIENCE AND TECHNOLOGY(BANGLADESH OPEN UNIVERSITY),intel.com.
১,৯৬৮.
পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র কোনটি?
  1. মার্ক-১
  2. পিডিপি - ১
  3. আইবিএম - ১৬২০
  4. এডভাক
ব্যাখ্যা
• ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- মার্ক-১ নামে পরিচিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটারটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক-১ কম্পিউটারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
• মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র। 
• কম্পিউটারটির মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
• কম্পিউটারটির দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট ও উচ্চতা ৮ ফুট। 
• এর ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
• এ কম্পিউটারটিতে সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্রাংশ সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল দীর্ঘ তারের প্রয়োজন হয়েছিল। 
•  মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সযত্নে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: কম্পিউটারের ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৬৯.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সফটওয়্যারের মধ্যে কোনটি উল্লেখযোগ্য নয়?
  1. Vizard
  2. VRToolkit
  3. Maya
  4. Adobe Illustrator
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- Adobe Illustrator হলো একটি পেশাদার গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার, যা ভেক্টর গ্রাফিক্স ডিজাইন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৯৭০.
কম্পিউটারের বিশেষ ধরনের মুদ্রণ যন্ত্রটির নাম কী?
  1. ক) মাইক্রোচিপ
  2. খ) ফ্লপিডিস্ক
  3. গ) প্লটার
  4. ঘ) OCR
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের বিশেষ ধরনের মুদ্রণ যন্ত্রটির নাম হচ্ছে প্লটার। 

প্লটার হচ্ছে একটি আউটপুট ডিভাইস। প্লটার এক ধরনের প্রিন্টার বিশেষ। ছবি বা গ্রাফ আউটপুট করার জন্য প্লটার ব্যবহার করা হয়। 

প্লটারের ব্যবহার- 
- প্লটারের সাহায্যে বিভিন্ন প্রকারের আর্কিটেকচারাল প্রিন্ট, নকশা এবং মানচিত্র অনেক বেশি চওড়া কাগজে প্রিন্ট করা যায়।
- এটি স্থাপত্য ও প্রকৌশল সংক্রান্ত কাজে কম্পিউটারে অঙ্কিত নকশা বা ড্রয়িংকে ইমেজ কলমের সাহায্যে নিখুঁতভাবে কাগজে বা ট্রেসিং এ ছাপাতে পারে। - ছাপানোর পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে প্লটার কলম দিয়ে বা বিট ইমেজ তৈরি করে এক বা একাধিক রঙে ড্রয়িং বা নকশাকে কাগজে বা ফিল্মের ওপর স্থায়ীভাবে ছাপায়।
- সাধারণত খুব সুক্ষ্ণ রেখা বিশিষ্ট ড্রয়িং বা সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি ও মানচিত্রের নকশা বা রেখাচিত্রের মুদ্রণ নেয়ার জন্য প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- ওসিআর (OCR)-এর পূর্ণরূপ অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (Optical Character Reader)।
- অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার শুধু দাগই বোঝে না, বিভিন্ন বর্ণের পার্থক্যও বুঝতে পারে।
- ওসিআর কোন বর্ণ পড়ার সময় সেই বর্ণের গঠন অনুযায়ী কতকগুলো বৈদ্যুতিক সংকেত সৃষ্টি করে। 
- চিঠির পিন কোড, ইলেকট্রিক বিল, জীবন বীমার প্রিমিয়াম, নোটিশ ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

সূত্র- ৩৪ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৯৭১.
Wi-MAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. 802.15
  2. 802.18
  3. 802.11
  4. 802.16
ব্যাখ্যা
• Wi-MAX:
 WiMAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN) প্রটোকল যা ফিক্সড এবং মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।

• WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি।
যথা:
১. বেস স্টেশন এবং
২. অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

• Wi-MAX-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN)
২. নেটওয়ার্ক সংস্থাপন ক্যাবলিংয়ের তুলনায় সহজ এবং সুবিধাজনক।
৩. ব্যান্ডউইথ বা ডেটা ট্রান্সফার রেইট ওয়্যারেড নেটওয়ার্ক বা ক্যাবলিংয়ের তুলনায় বেশি।
৪. একইসাথে ওয়্যারেড এবং ওয়ালেস উভয়ই নেটওয়ার্কের সুবিধা প্রদান করে।
৫. কভারেজ এরিয়া সাধারণত ১০ কি.মি. থেকে শুরু করে ৬০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৬. ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন উভয়ই হতে পারে।
৭. অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডের জন্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হয়।
৮. সংস্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৯৭২.
URL- এর তৃতীয় অংশের নাম কী?
  1. ক) প্রোটোকল
  2. খ) পাথ
  3. গ) প্যারামিটার
  4. ঘ) হোস্টনেম
ব্যাখ্যা
• URL- এর তৃতীয় অংশের নাম পাথ বা ডিরেক্টরি নাম।
ইউআরএল (URL): কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা। প্রতিটি URL এ থাকে-
১. ওয়েব প্রোটোকল
২. ওয়েব সার্ভারের নাম
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ
৪. HTML ফাইলের নাম
• ওয়েব প্রোটোকল: http (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
• ওয়েব সার্ভার: সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।
• সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ: সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।
• HTML ফাইল নাম: html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।  
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৯৭৩.
ফাংশন কী F5 ব্যবহার করে কোন কাজটি করা হয়?
  1. সাহায্য বা হেল্প
  2. ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন
  3. অপারেটিং সিস্টেমে safe mood চালু করা
  4. মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা
ব্যাখ্যা
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত।
- F5 হচ্ছে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
- এছাড়াও যেকোনো পেজ রিফ্রেশ, পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো শুরু এবং বন্ধ করার জন্য এই বাটনটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- F1 সাহায্য বা হেল্প কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- F2 হচ্ছে কোন ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F8 হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেমে safe mood চালু করার জন্য ব্যবহৃত কী।

উৎস:- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৯৭৪.
'মেয়ান' কী ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ? 
  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  3. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ "মেয়ান" সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-positional Number System)। এটি প্রাচীন মিশরে ব্যবহৃত হতো, যেখানে বিভিন্ন চিহ্ন বা প্রতীক দিয়ে সংখ্যা প্রকাশ করা হত এবং প্রতিটি চিহ্নের নিজস্ব মান থাকত। 

সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৭৫.
আইপি এড্রেসের অংশগুলোকে ডট দ্বারা ভাগ করা প্রতিটি অংশকে কী বলে?
  1. ক) সেল
  2. খ) অকটেট
  3. গ) সেক্টর
  4. ঘ) হোল
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারে একটি আইডিন্টিটি থাকে, যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
আইপি হল একধরনের প্রটোকল। বিশ্বে যেমন মানুষকে আলাদা করার জন্য নাম আছে, তেমনি প্রতিটি কম্পিউটার কে শনাক্ত করার জন্য থাকে আইপি এড্রেস।
আইপি এড্রেস ৪ টি অংশে ভাগ থাকে, যা ডট দিয়ে ভাগ করা থাকে, প্রতিটি অংশকে বলা হয় অকটেট। 

আইপি এড্রেসকে তিনভাবে প্রকাশ করা যায়।
১. ডটেড ডেসিমল নোটেশন -  যেমন: 192.165.68.5
২. হেক্সাডেসিমল নোটেশন-যেমন: C0.A8.0F.05
৩. বাইনারি নোটেশন - যেমন: 11000000.10101000.00001111.00000101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৯৭৬.
In Excel Alt+H uses for-
  1. Save a workbook
  2. Hide the selected columns
  3. Goes to the Home tab
  4. Opens the Formula tab
ব্যাখ্যা
♦ most frequently used shortcuts in Excel:
• Go to the Home tab: Alt+H
• Close a workbook: Ctrl+W
• Open a workbook: Ctrl+O
• Save a workbook: Ctrl+S
• Save a workbook: Ctrl+S
• Copy selection: Ctrl+C
• Paste selection: Ctrl+V
• Undo recent action: Ctrl+Z
• Remove cell contents: Delete
• Choose a fill color: Alt+H, H
• Cut selection: Ctrl+X
• Go to the Insert tab: Alt+N
• Apply bold formatting: Ctrl+B
• Center align cell contents: Alt+H, A, C
• Go to the Page Layout tab: Alt+P
• Go to the Data tab: Alt+A
• Go to the View tab: Alt+W
• Open the context menu: Shift+F10 or Windows Menu key:
• Add borders: Alt+H, B
• Delete column: Alt+H, D, C
• Go to the Formula tab: Alt+M
• Hide the selected rows: Ctrl+9
• Hide the selected columns: Ctrl+0

Source: Microsoft support [Link]
১,৯৭৭.
অসংগঠিত ডেটা যেমন ডকুমেন্ট, JSON বা ছবি পরিচালনা করার জন্য কোন ধরনের ডাটাবেস তৈরি করা হয়েছে?
  1. Relational database
  2. Hierarchical database
  3. NoSQL database
  4. Network database
ব্যাখ্যা

• NoSQL ডাটাবেস এমন ধরনের ডাটাবেস যা অসংগঠিত বা অর্ধ-সংগঠিত ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি রিলেশনাল ডাটাবেসের তুলনায় বেশি নমনীয়, কারণ এতে টেবিল ও সুনির্দিষ্ট স্কিমার প্রয়োজন হয় না। NoSQL ডাটাবেসে ডকুমেন্ট, JSON, XML, ছবি বা অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া ফাইল সহজেই সংরক্ষণ করা যায়। এই ধরনের ডাটাবেস বড় পরিমাণ ডেটা, উচ্চ-লেভেলের স্কেলেবিলিটি এবং দ্রুত অনুসন্ধানের সুবিধা প্রদান করে। বিশেষ করে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিংয়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই অসংগঠিত ডেটার জন্য NoSQL ডাটাবেস সবচেয়ে উপযুক্ত।

সঠিক উত্তর: গ) NoSQL database.

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data):
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information):
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record):
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field):
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row):
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column):
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table):
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS):
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model):
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

এছাড়াও,

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৭৮.
একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. Hard Disk
  2. Plotter
  3. Digitizer
  4. Multimedia Projector
ব্যাখ্যা
♦ ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

• Plotter এবং Multimedia Projector আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
• Digitizer ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৭৯.
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার বিষয়ক পত্রিকা - 
  1. কম্পিউটার নিউজ
  2. আইটি ভূবন
  3. কম্পিউটার জগৎ
  4. কম্পিউটার বিচিত্রা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কম্পিউটারের ইতিহাস: 
- ১৯৬৪ সালে প্রথম IBM-1620 মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় পরমানু শক্তি কেন্দ্রে। 
- ১৯৯১ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম কম্পিউটার বিষয়ক মাসিক পত্রিকা কম্পিউটার জগৎ প্রকাশিত হয়। 
- ১৯৯৬ সালে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয়। 
- বাংলাদেশ এ একমাত্র সুপার কম্পিউটার আছে কম্পিউটার কাউন্সিল ল্যাবে। যার মডেল IBM RS/6000 SP. 
- বাংলাদেশে ইন্তারনেট ভিত্তিক প্রথম নিউজ এজেন্সি - বিডি নিউজ। 

উৎস: কম্পিউটার জগৎ বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
১,৯৮০.
নিচের কোনটি CPU-এর অংশ?
  1. ক) মনিটর
  2. খ) মাউস
  3. গ) এজিপি কার্ড
  4. ঘ) স্পিকার 
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের সিপিউকে কম্পিউটারের মস্তিস্ক বলা হয়। কারণ, কম্পিউটার সিপিউ তেমনি যাবতীয় কর্মসম্পাদনের মাধ্যমে কম্পিউটারকে কার্যউপযোগী রাখে।
CPU এর পূর্ণনাম: Central processing unit

AGP: AGP-এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerted Graphics Port. উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ। আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ডে এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে। উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে। বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ। কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে। ১৩৩.২ মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় ৫৩৩ মেগাবিট/ সেকেন্ড। মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১,৯৮১.
One petabyte is equal to 1024-
  1. Exabyte
  2. Terabyte
  3. Giga
  4. Zetta
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
১,৯৮২.
Webcam কোন ধরনের Device?
  1. Input
  2. Output
  3. Storage
  4. Network
ব্যাখ্যা

Webcam এক ধরনের Input Device.
ওয়েবক্যাম হলো একটি ইনপুট পেরিফেরাল ডিভাইস। এটি কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহার করা হয়। ওয়েবক্যাম মূলত ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে সেগুলোকে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে পাঠায়।

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
​উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- মাউস (Mouse),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- ওএমআর (OMR),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

​আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
​উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

​ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ে ব্যবহার করা যায়।
​উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।

সোর্স: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল),
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
৩। ব্রিটানিকা। 

১,৯৮৩.
A chatbot or chatterbot is-
  1. ক) Hardware
  2. খ) Firmware
  3. গ) Humanware
  4. ঘ) Software
ব্যাখ্যা
A chatbotবা chatterbot হলো এক ধরণের সফটওয়্যার। 

A chatbot is a computer program that simulates human conversation through voice commands or text chats or both. Chatbot, short for chatterbot, is an artificial intelligence (AI) feature that can be embedded and used through any major messaging application.

Source: www.investopedia.com
১,৯৮৪.
ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার কোনটি?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. সুপার কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। 

• মিনি কম্পিউটার:
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।

• মাইক্রোকম্পিউটার/পার্সোনাল কম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮৫.
নিচের কোনটি স্মার্ট ওয়াচে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম ?
  1. Linux Mint
  2. macOS
  3. Wear OS
  4. DOS
ব্যাখ্যা

Wear OS by Google স্মার্ট ওয়াচে ব্যবহৃত একটি অপারেটিং সিস্টেম।

• স্মার্টফোন:
-স্মার্ট ওয়াচ হলো বিশেষ এক ধরনের ঘড়ি, যা মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের মত নানা স্মার্ট ফিচার সাপোর্ট করে।
- এটি ইন্টারনেট সংযোগ, সেন্সর, অ্যাপ এবং স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এর মতো সুবিধা প্রদান করে।
- Android Wear ছিল গুগল-এর স্মার্ট ওয়াচ অপারেটিং সিস্টেম, যা পরে Wear OS by Google নামে পরিচিত হয়।
- এটি স্মার্ট ওয়াচের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা Android ফোনের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করে।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী নোটিফিকেশন, হেলথ ট্র্যাকিং, ভয়েস কমান্ড (Google Assistant) ইত্যাদি সুবিধা পান।

উৎস: গুগল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিংক]

১,৯৮৬.
Google এর App Engine কোন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে?
  1. অবকাঠামােগত সেবা
  2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  3. সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Paas: Platform as a service) : এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Microsoft -এর Azure এবং Google এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।
১,৯৮৭.
মাল্টিমিডিয়া কয়টি প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়ে গঠিত?
ব্যাখ্যা
মাল্টিমিডিয়া: 
- মাল্টিমিডিয়া হলো মানুষের বিভিন্ন প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়।
- আমরা অন্তত বর্ণ, চিত্র এবং শব্দ (সাউন্ড) এই তিনটি মাধ্যম বা মিডিয়া ব্যবহার করে নিজেদেরকে প্রকাশ করে থাকি। 
-  এই তিনটি মাধ্যম তাদের বিভিন্ন রূপ নিয়ে কখনো আলাদাভাবে, কখনো একসাথে আমাদের সামনে আবির্ভূত হয়।
- এসব মাধ্যমের প্রকাশকে আমরা কাগজের প্রকাশনা, রেডিও, টেলিভিশন, ভিডিও, সিনেমা, ভিডিও গেমস, শিক্ষামূলক সফটওয়‍্যার, ওয়েবপেজ ইত্যাদি নানা নামে চিনে থাকি।
- মাল্টিমিডিয়া সচরাচর ডিজিটাল যন্ত্রের সহায়তায় ধারণ বা পরিচালনা করা যায়। 
- এটি সরাসরি মঞ্চে প্রদর্শিত হতে পারে বা অন্যরূপে সরাসরি সম্প্রচারিতও হতে পারে। 
- মাল্টিমিডিয়া বিষয়বস্তু ধারণ ও পরিচালনা করার ইলেকট্রনিক যন্ত্রকেও মাল্টিমিডিয়া নামে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। 
- কোনো একটি কর্মকাণ্ডে তিনটি মাধ্যমকেই একসাথে ব্যবহার করাকে মাল্টিমিডিয়া বলে। 
- উনিশ শতকের শেষ প্রান্তে ১৮৯৫ সালে সিনেমা বা চলচ্চিত্র উদ্ভব হবার পর তাতে বর্ণ (Text), চিত্র (Graphics), শব্দ (Sound) এবং চলমানতা (Animation) যুক্ত হওয়ায় বিভিন্ন মাধ্যমের পরস্পর সংলগ্ন হবার ব্যাপারটি ঘটতে থাকে যা মাল্টিমিডিয়ার একটি রূপ। 
- আজকের দিনের মাল্টিমিডিয়ার পূর্বপুরুষ বলতে তাই সিনেমাকে স্মরণ করতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৮৮.
নিচের কোনটি স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. iOS
  2. DOS
  3. UNIX
  4. Solaris
ব্যাখ্যা

• iOS → অ্যাপলের স্মার্টফোন (iPhone) এবং ট্যাবলেট (iPad)-এর জন্য তৈরি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম।

• Smartphone:

- স্মার্টফোন হলো একটি উন্নত মোবাইল ফোন, যা মোবাইল ফোনের সাথে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একত্রে ধারণ করে।
- স্মার্টফোনে সাধারণত টাচস্ক্রিন, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা এবং মাল্টিমিডিয়া সাপোর্ট থাকে।
- এটি ভয়েস কল ও এসএমএসের পাশাপাশি ই-মেইল, ভিডিও কল, সামাজিক যোগাযোগ, অনলাইন সেবা ইত্যাদি ব্যবহারে সক্ষম।
 
• Smartphone-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ (Applications) ইনস্টল ও ব্যবহার করা যায়।
- উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা, GPS, Bluetooth, Wi-Fi সুবিধা থাকে।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান ও অনলাইন সেবা গ্রহণ করা যায়।
 
• Smartphone-এ ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম:
- Android,
- iOS,
- (পূর্বে ব্যবহৃত) Windows Phone, BlackBerry OS, ইত্যাদি।
 
• Smartphone-এর ব্যবহারক্ষেত্র:
- যোগাযোগ (ভয়েস কল, ভিডিও কল, মেসেজিং)।
- ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ই-মেইল।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার।
- শিক্ষা, ব্যবসা, ব্যাংকিং ও অনলাইন সেবা।
- বিনোদন (গান, ভিডিও, গেম)।
 
• Smartphone ও সাধারণ মোবাইল ফোনের পার্থক্য:
- সাধারণ মোবাইল ফোনে সীমিত সুবিধা থাকে।
- স্মার্টফোনে পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকে।
- স্মার্টফোনকে একটি হ্যান্ডহেল্ড কম্পিউটার হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।
 
উৎস: Britannica [Link].

১,৯৮৯.
RAM সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যটি ভূল?
  1. ক) কম্পিউটারের কর্ম এলাকা
  2. খ) তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে
  3. গ) র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়
  4. ঘ) র‍্যাম স্থায়ী মেমোরি
ব্যাখ্যা
র‍্যাম (RAM):
কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়।
- র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়। এজন্য কাজ করার সময় কিছুক্ষণ পর পর তথ্য সংরক্ষণ (Save) করতে হয়। সংরক্ষণ করা তথ্য জমা হয় সহায়ক স্মৃতিতে ।

রম (ROM):
রম হচ্ছে কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র।
- কম্পিউটার রম থেকে কেবলমাত্র তথ্য পড়তে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে।
- রমের স্মৃতিতে সংরক্ষিত কোন তথ্য কম্পিউটার মুছে ফেলতে পারে না বা পরিবর্তন করতে পারে না। এজন্য রমকে কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা (এস.এস.সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯০.
বাংলাদেশের আই.এস.পি (ISP) গুলোর মধ্যে নিচের কোনটি সরকারি মালিকানাধীন?
  1. ক) বি.সি.টি.এল
  2. খ) বি.টি.টি.বি
  3. গ) বি.টি.আর.সি
  4. ঘ) স্পারসো
ব্যাখ্যা
দেশে বর্তমানে ৫০-এর অধিক আই.এস.পি রয়েছে।
- আই.এস.পি গুলির মধ্যে কেবলমাত্র বি.টি.টি.বি (Bangladesh Telegraph and Telephone Board - BTTB)-ই সরকারি মালিকানাধীন।
- দেশের অধিকাংশ আই.এস.পি মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক।
- তবে বর্তমানে ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী এবং বগুড়া শহরেও অনলাইন ইন্টারনেট সুবিধা চালু রয়েছে। অনলাইন ইন্টারনেট সুবিধা প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশে শিক্ষা, গবেষণা, ব্যবসা ও বিনোদনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। 

সোর্স: বাংলাপিডিয়া
১,৯৯১.
দশমিক সংখ্যা ১৭ এর বাইনারি রূপ কত?
  1. 10010
  2. 10101
  3. 10000
  4. 10001
ব্যাখ্যা
17 =8 × 2  reminder  1
8 = 4 × 2 reminder 0
4 = 2 × 2 reminder 0
2 = 1 × 2 reminder 0
1 = 0 × 2 reminder 1
(17) 10 = (10001)2
১,৯৯২.
কোনটি Cache Memory এর কাজ?
  1. প্রোসেসিং এর গতি বাড়ানো
  2. স্টোরেজ বাড়ানো
  3. নেটওয়ার্ক এর গতি বাড়ানো
  4. গ্রাফিক্স এর কাজ করা
ব্যাখ্যা
• ক্যাশে মেমরি এবং রেজিস্টারকে সাধারনত ইন্টার্নাল মেমরি বলা হয়।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):

- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরিব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ডেটা অ্যাক্সেসের গতি বাড়ানো ক্যাশ মেমোরির কাজ।

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯৩.
Which of these programming languages is typically executed using an interpreter?
  1. Go (Golang)
  2. Assembly Language
  3. Python
  4. C++
ব্যাখ্যা

Python হলো সেই প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত ইন্টারপ্রেটার ব্যবহার করে এক্সিকিউট করা হয়।

অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস (সোর্স) প্রোগ্রামকে বস্তু (অবজেক্ট) প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-
১. কম্পাইলার (Compiler),
২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter),
৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler)।

১। কম্পাইলার (Compiler):

- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলা হয়।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- কম্পাইলার যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে, তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে একসাথে তা জানিয়ে দেয়।
- সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল। তবে কম্পাইল করার পর প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- ভিন্ন ভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার থাকে।
- যেমন- সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++, Erlang, Haskell, Rust, Go ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

২। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- একটি লাইন নির্বাহ শেষ হলে ইন্টারপ্রেটার একইভাবে সোর্স প্রোগ্রামের পরবর্তী লাইনে গিয়ে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে তা নির্বাহ করে।
- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রাম নির্বাহ (রান) করার সময় প্রোগ্রামের ভুল দেখা ও সংশোধন করার সুযোগ দেয়।
- একটি একটি লাইন করে অনুবাদ করে বিধায় এতে তুলনামূলকভাবে সময় বেশি লাগে।
ইন্টারপ্রেটার ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- PHP, Ruby, Python, and JavaScript.

৩। অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
-এটি সব ডেটা ও নির্দেশ প্রধান মেমোরিতে রাখে এবং প্রোগ্রামের কোথাও কোনো ভুল থাকলে এরর মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেয়।
- উদাহরণ: GAS, GNU assemblers.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। freeCodeCamp website (link).

১,৯৯৪.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান বিগ ব্লু নামে পরিচিত?
  1. Microsoft
  2. IBM
  3. Amazon
  4. Intel
ব্যাখ্যা

আইবিএম (IBM): 
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation. 
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- প্রথমে নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR),পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয়। 
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়। 
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ। 
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150. 
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc. 
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম। 
- হাইপারলেজার হল একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি। 

তথ্যসূত্র - IBM Website

১,৯৯৫.
Oracle Corporation is primarily associated with:
  1. Search engines
  2. Social media
  3. Database management and cloud services
  4. E-commerce
ব্যাখ্যা
• ওরাকল কর্পোরেশন (Oracle Corporation):
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- ১৯৭৭ সালের ওরাকল যাত্রা শুরু করে।
- Headquarters: Austin, Texas, United States.
- Founders: Larry Ellison, Bob Miner, Ed Oates.
- কোম্পানিটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সিস্টেম এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার পণ্যে পারদর্শী-বিশেষভাবে নিজস্ব ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্র্যান্ড।
- Oracle Corporation, Database management and cloud services নিয়ে কাজ করে।

কয়েকটি Search engine এর নাম হল:
- google,
- bing,
- yahoo.

কয়েকটি Social media এর নাম হল:
- facebook,
- instagram,
- whatsapp.

কয়েকটি E-commerce এর নাম হল:
- amazon,
- alibaba,
- daraz.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৯৯৬.
রুটকিট (Rootkit) কী?
  1. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. ম্যালওয়্যার
  3. নেটওয়ার্ক মনিটরিং টুল
  4. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা

◉ রুটকিট হলো এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার (ম্যালওয়্যার) যা অপারেটিং সিস্টেমের গভীরে (কর্নেল লেভেলে) লুকিয়ে থেকে হ্যাকারদেরকে অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রদান করে।

ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।

বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

১,৯৯৭.
ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত সিস্টেমটির নাম হলো-
  1. পাসওয়ার্ড
  2. ফার্মওয়‍্যার
  3. হার্ডওয়‍্যার
  4. সফটওয়‍্যার
ব্যাখ্যা
পাসওয়ার্ড: 
- গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, উপাত্ত ও সফটওয়্যার নিরাপত্তায় এক ধরনের তালা ব্যবহার করা হয়, আর এই সিস্টেমের নামই হলো পাসওয়ার্ড। 
- প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রসার যত বাড়ছে, নিরাপত্তার বিষয়টি ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। 
- আইসিটি বিষয়ক যন্ত্রপাতি যেমন কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট কিংবা মোবাইল ফোনগুলো সফটওয়‍্যার দ্বারা পরিচালিত হয়। 
- সকল তথ্য ও সফটওয়‍্যারগুলো রক্ষা করতে পাসওয়ার্ড এর কোন বিকল্প নাই। 
- পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকলে যে কেউ ইচ্ছে করলেই তথ্য চুরি কিংবা কোন ধরনের ক্ষতি করতে পারে না। তবে পাসওয়ার্ড তৈরির সময় আমাদের অনেক সতর্ক হতে হবে। 

- বেশির ভাগ মানুষ পাসওয়ার্ড হিসেবে সহজে মনে রাখা যায় এমন বর্ণ ব্যবহার করে। 
যেমন- ১২৩৪৫৬ বা ৬৫৪৩২১ বা abcdef ইত্যাদি। ফলে পাসওয়ার্ড সহজে ধরে ফেলা যায়। 
- সার্ভার, কম্পিউটার বা কোন আইসিটি যন্ত্রে রক্ষিত তথ্য ও উপাত্তের নিরাপত্তা বিধানের জন্য পাসওয়ার্ড অবশ্যই মৌলিক বা unique হতে হবে, কারণ পাসওয়ার্ড অনন্য বা unique না হলে অনেক সমস্যা হতে পারে। 
যেমন- 
১। আইসিটি যন্ত্রগুলো ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। 
২। হ্যাকাররা সহজেই তথ্য চুরি করতে পারে। 
৩। যন্ত্রপাতির রক্ষিত তথ্য নষ্ট করার সুযোগ তৈরি হয়। 

- মৌলিক বা unique পাসওয়ার্ড তৈরি একটি সৃজনশীল কাজ। 
- কিছু নিয়ম মেনে পাসওয়ার্ড তৈরি করলেই তথ্য চুরির ভয় থাকে না। 
যেমন- 
• নিজের বা পরিবারের কারো নাম বা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার না করা। 
• সংখ্যা, চিহ্ন ও অক্ষর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছোটো হাতের ও বড় হাতের দুই ধরনের অক্ষর মিশিয়ে নেয়া ভালো। 
• পাসওয়ার্ডটি বড় আকারের করা। 
• পাসওয়ার্ড মনে রাখার জন্য নিজের পছন্দমত সংকেত ব্যবহার করা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯৮.
কম্পিউটার তার সমস্ত উপাদানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে কোনটির মাধ্যমে?
  1. মাদারবোর্ড
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রথম দিকের অপারেটিং সিস্টেমগুলো ছিল বর্ণভিত্তিক, যা নিয়ন্ত্রণ করা হতো বিভিন্ন মুখস্থকৃত কমান্ডের সাহায্যে।
- অ্যাপল কম্পিউটারে প্রথম গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়।
- এরপর মাইক্রোসফট কোম্পানি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারী ও কম্পিউটারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে কম্পিউটার তার সমস্ত উপাদানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৭১ সালে মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি প্রথম অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে CP/M।
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলো-
MS-DOS বা PC-DOS, WINDOWS 95/98/2000/XP/7, OS/2, UNIX, LINUX, MAC OS, Solaries, XENIX, WINDOWS NT ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯৯.
পিএসটু পোর্ট (PS/2) কত পিনবিশিষ্ট হয়?
  1. ২৫
  2. ১৫
  3. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়‍্যার সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে।
- এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট। কম্পিউটারে বিভিন্ন পোর্ট ব্যবহৃত হয়। যেমন-

• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি- বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়‍্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

• পিএসটু পোর্ট (PS/2):
- সাধারণত PS/2 পোর্টে কি-বোর্ড ও মাউস পোর্ট সংযুক্ত করা হয়।
- পোর্ট ৬ পিনবিশিষ্ট হয়।
- পূর্বে মাউস ও কি-বোর্ড PS/2 পোর্টে সংযুক্ত হতো।
- বর্তমানে ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে মাউস ও কি-বোর্ড সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০০০.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে কী বলা হয়? 
  1. ই-হেলথ 
  2. ই-মেডিসিন 
  3. মেডিক্যাল সার্ভিস 
  4. টেলিমেডিসিন 
ব্যাখ্যা

• টেলিমেডিসিন:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।