বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১৮ / ১৩১ · ১,৭০১১,৮০০ / ১৩,০৮৮

১,৭০১.
দৈনন্দিন কাজের ফাইলসমুহ নিরাপত্তার সাথে কোথায় সংরক্ষণ করা যায়?
  1. Google drive
  2. Google docs
  3. Office 365
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আজকের বিশ্বায়ন ব্যবস্থায় তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির কল্যাণে গতানুগতিক অফিস-ব্যবস্থা একটি বড় পরিবর্তনের পথে রয়েছে।
অনেকেই নিজ দেশে কিংবা অন্য দেশে থেকে বাসায় বসে কাজ করেন, অনেককেই নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা বজায় রাখতে হয় না।
উত্তর আমেরিকার সাথে আমাদের প্রায় বারাে ঘণ্টা |
সময়ের পার্থক্য থাকার কারণে দুই মহাদেশে দুইটি অফিস রেখে, কয়েক শিফটে সেটি দিন-রাত্রি মিলে চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করতে পারে।
গুগল’ সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবহিত আছি, ড্রপবক্স | (www.dropbox.com), গুগল ড্রাইভ, Office 365, Google docs ইত্যাদি গুগলের সার্ভিসে আমরা |
আমাদের যাবতীয় ফাইল তৈরিসহ নিরাপত্তার সাথে সংরক্ষণ করতে পারি এবং বিশ্বের যে কোনাে প্রান্ত থেকে সেখানে কাজ করতে পারি।
অফিসের সবধরনের মিটিংয়ের ক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেন্সিং করে | প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা দিতে পারি।
১,৭০২.
What is the sum of binary numbers 100101 and 110101?
  1. 1001011
  2. 1011010
  3.  1101110
  4. 1110100
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 1011010

বাইনারি যোগ:
- বাইনারি সংখ্যার যোগ প্রক্রিয়া দশমিক সংখ্যার যোগের মতোই, তবে এটি বিট ভিত্তিক।
- যখন দুটি বাইনারি বিট যোগ করা হয়, তখন ফলাফলের সাথে হাতের (Carry) বিট প্রয়োজন অনুযায়ী বামের দিকে স্থানান্তরিত হয়।

চারটি সম্ভব অবস্থা:
- 0 + 0 = 0
- 0 + 1 = 1
- 1 + 0 = 1
- 1 + 1 = 0 (হাতে 1 হয়, যা বাম দিকের পরবর্তী বিটের সাথে যোগ করতে হয়)


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭০৩.
কোন ক্লাউড সেবায় নেটওয়ার্ক, CPU ও স্টোরেজ ভাড়া দেওয়া হয়?
  1. Infrastructure-as-a-Service
  2. Platform-as-a-Service
  3. Software-as-a-Service
  4. Storage-as-a-Service
ব্যাখ্যা

• Infrastructure-as-a-Service: মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন CPU, নেটওয়ার্ক ও স্টোরেজ ভাড়া দেওয়া হয়।
- Platform-as-a-Service: অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।
- Software-as-a-Service: প্রস্তুত সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করার সুবিধা দেয়।
- Storage-as-a-Service: মূলত ডেটা সংরক্ষণের সুবিধা প্রদান করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং(Cloud Computing):
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন—হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্ক ডিভাইস ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করার প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজস্ব কম্পিউটার বা সার্ভার ছাড়াই ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- ২০০৬ সালে বিশ্বখ্যাত Amazon Web Services(AWS) বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা চালু করে।
 
• সেবার ধরন অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের শ্রেণিবিভাগ:

• Infrastructure-as-a-Service(IaaS):
- এই সেবায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি ও ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ: Amazon Elastic Compute Cloud(EC2).

• Platform-as-a-Service(PaaS):
- এই সেবায় ব্যবহারকারীকে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন না দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য একটি প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।
- ব্যবহারকারী সেই প্ল্যাটফর্মের উপর অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ, টেস্ট ও ডিপ্লয় করতে পারে।
- উদাহরণ: Google App Engine.

• Software-as-a-Service(SaaS):
- এই সেবায় ব্যবহারকারীরা ক্লাউডে চলমান প্রস্তুত সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করতে পারে।
- সফটওয়্যার ইনস্টল বা রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
- উদাহরণ: Google Workspace.
 
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) Microsoft-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৭০৪.
Which protocol is mainly used for communication over the Internet?
  1. TCP/IP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটে যোগাযোগের জন্য প্রধানত TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• Internet:
- Internet হলো বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত (interconnected) কম্পিউটারগুলোর একটি নেটওয়ার্ক।
- এর মাধ্যমে তথ্য, ডেটা ও বিভিন্ন সেবা আদান-প্রদান করা হয়।
- ইন্টারনেট কাজ করে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা protocol অনুসারে।

• TCP/IP (Transmission Control Protocol / Internet Protocol):
- ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের মূল ভিত্তি (core protocol).
- TCP ডেটাকে ছোট ছোট packet-এ ভাগ করে সঠিকভাবে গন্তব্যে পৌঁছানো নিশ্চিত করে।
- IP প্রতিটি packet-এর address ও routing নির্ধারণ করে।
- ইন্টারনেটে সব ধরনের যোগাযোগ (web browsing, email, file transfer ইত্যাদি) TCP/IP-এর উপর নির্ভর করে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- FTP → ফাইল আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- HTTP → ওয়েব পেজ দেখানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- SMTP → Email পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
1) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
2) Britannica.
3) Computer Hope [Link].

১,৭০৫.
বাইনারি সংখ্যা ১১০০১ এর দশমিক রূপ কী?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৬
ব্যাখ্যা

◉ বাইনারি সংখ্যা ১১০০১ এর দশমিক রূপ হচ্ছে - ২৫

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
(11001)2 =  1 × 24 + 1 × 23 + 0 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 16 + 8 + 0 + 0 + 1
= 25

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৭০৬.
আধুনিক 'ফেস রিকগনিশন' সিস্টেমের উচ্চতর নির্ভুলতার পেছনে কোন প্রযুক্তিটি কাজ করে?
  1. Recurrent Neural Network
  2. Generative Adversarial Network
  3. Convolutional Neural Network
  4. Blockchain Technology
ব্যাখ্যা

• Convolutional Neural Network (CNN)। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি বিশেষায়িত শাখা যা মূলত ডিজিটাল ইমেজ বা ছবি বিশ্লেষণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সিএনএন ছবির পিক্সেলগুলো থেকে মানুষের চেহারার সূক্ষ্ম জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য এবং প্যাটার্নগুলো ধাপে ধাপে শনাক্ত করতে পারে, যা ফেস রিকগনিশনকে অত্যন্ত নিখুঁত করে তোলে।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

AI মডেলগুলোর বৈশিষ্ট্য:
- CNN ((Convolutional Neural Network): এটি গ্রিড ডেটা বা ছবির পিক্সেল বিশ্লেষণে পারদর্শী এবং চেহারার সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে।
- RNN (Recurrent Neural Network): এটি টেক্সট অনুবাদ (Google Translate) বা কথা থেকে লেখা (Speech-to-Text) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- GAN (Generative Adversarial Network): এটি নতুন কৃত্রিম ছবি বা ডেটা তৈরি (যেমন ডিপফেক) করতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল কাজ চেহারা শনাক্তকরণ নয়।
- ANN (Artificial Neural Network): এটি মানুষের মস্তিষ্কের সাধারণ কাজের অনুকরণে ডেটা ক্লাসিফিকেশন বা প্রিডিকশন করে।

Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।

১,৭০৭.
Data are entered into a computer through :
  1. ক) Software
  2. খ) Output device
  3. গ) Input Device
  4. ঘ) Memory
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের যে সকল ডিভাইস ব্যবহার করে কম্পিউটারকে দিক-নির্দেশনা দেয়া সম্ভব, সেসকল ডিভাইসকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

ইনপুট ইউনিট ব্যবহারকারী প্রদত্ত উপাত্ত বা বিভিন্ন উৎস থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করে সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের প্রধান স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে। অর্থাৎ ইনপুট অংশের কাজ হলো ব্যবহারকারী বা বিভিন্ন উৎস থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রেরণ করা।
বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ইনপুট ইউনিট কম্পিউটারকে ডেটা বা নির্দেশ প্রদানের কাজটি সম্পাদন করে। এ ধরনের কিছু ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ হলো কি-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওএমআর (OMR), ওসিআর (OCR), জয়স্টিক, পাঞ্চকার্ড, লাইটপেন ইত্যাদি ।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,৭০৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) গ্রাফিক্স ট্যাবলেট
  2. খ) প্রজেক্টর
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) ফ্লপিডিস্ক
ব্যাখ্যা
গ্রাফিক্স ট্যাবলেট কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 

- অপরদিকে, স্পিকার এবং প্রজেক্টর কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
- ফ্লপিডিস্ক কম্পিউটারের স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
- একটি ইনপুট একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা কম্পিউটার সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত থাকে যা কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ করে এবং এটি সংকেত নিয়ন্ত্রণ করে। 

আরও কিছু কম্পিউটার ইনপুট ডিভাইসসমূহের নাম- 
Keyboard
Microphone
Modem
OMR
Mouse
Scanner
Graphics Tablet
OCR
Light Pen
Trackball
Touch screen
Trackpad

সূত্র: ৫৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
১,৭০৯.
IBM নিচের কোনটি নামে পরিচিত?
  1. Big Tech
  2. Blue Chip
  3. Big Blue
  4. Crack Tech
ব্যাখ্যা

• IBM-কে দীর্ঘদিন ধরে তার কর্পোরেট পরিচিতি ও নীল রঙের প্রতীকের কারণে Big Blue বলা হয়।

আইবিএম (IBM):

- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines
- Corporation. ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

উৎস: আইবিএম ওয়েবসাইট।

১,৭১০.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) McAfee Antivirus
  2. খ) Microsoft Defender
  3. গ) CIH Antivirus
  4. ঘ) সবগুলোই এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাসের প্রতিষেধক প্রােগ্রামকে এন্টিভাইরাস বলা হয়। কয়েকটি বহুল প্রচলিত এন্টিভাইরাস হলাে McAfee Antivirus, Microsoft Defender, Avira Antivirus, Kaspersky Antivirus, Norton Antivirus, AVG Antivirus, Avast Antivirus ইত্যাদি। অন্যদিকে, ‘CIH’ কম্পিউটার ভাইরাসের নাম।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,৭১১.
What is the basic symbol of a number system called?
  1. Letter
  2. Code
  3. Symbol
  4. Digit
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতির মৌলিক চিহ্ন 'ডিজিট' নামে পরিচিত।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১২.
এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয় কোথায়?
  1. সেল ফোন
  2. প্রিন্টার
  3. এসি
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর থাকে না।
- এটি শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কাজই করে।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: computerhope.com
১,৭১৩.
কোনও ই-মেইলে CC এর অর্থ কী?
  1. Carbon copy
  2. Contact Centre
  3. Close circuit
  4. Close contact
ব্যাখ্যা
ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

- Bcc এর মাধ্যমে মেইল একাধিক ব্যাক্তির নিকট পাঠালে সবাই মেইল পাবে, কিন্তু কেউ কারও মেইল এড্রেস দেখতে পাবে না।
- Cc এর মাধ্যমে পাঠালে সবাই মেইল এড্রেস দেখতে পাবে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
১,৭১৪.
"ACID principle"- এ 'C' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Communication
  2. Creation
  3. Concurrency
  4. Consistency
ব্যাখ্যা
• ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

 ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID। 
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

সূত্র: techtarget.com
১,৭১৫.
কম্পিউটারের ভৌত সংগঠনই হলো-
  1. প্রসেসর
  2. সফটওয়্যার
  3. হার্ডওয়্যার
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
• হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

• সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker, Mac OS ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৬.
বিল গেটস এর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হল ?
  1. ক) Windows 95
  2. খ) Tic-Tac-Toe
  3. গ) MS DOS
  4. ঘ) BASIC
ব্যাখ্যা
- লেক সাইড স্কুলে পড়ার সময়ই বিল গেটস প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেন।
- টিক-ট্যাক-টো (Tic-tac-toe) নামক এই প্রোগ্রামটি কম্পিউটারের বিপরীতে গেম খেলার জন্য তৈরি প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রথম প্রোগ্রাম।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে তার প্রথম এই সফটওয়্যার প্রোগ্রামটি আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: Britannica.com
১,৭১৭.
আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতার ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer): এই ধরনের কম্পিউটার আকার ও আকৃতিতে বেশ বড় এবং একই সংগে অসংখ্য কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এই কম্পিউটারকে সুপার কম্পিউটার বলে।

২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer): সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কম্পিউটারকে বৃহৎ কম্পিউটার বা মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে।

৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer): মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় ছোট এবং কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।

৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৮.
মাদারবোর্ডের কোন স্লটটি সাধারণত গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. PCI slot
  2. SATA port
  3. RAM slot
  4. AGP slot
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে AGP স্লট ব্যবহার করা হয়।

• মাদারবোর্ড:

- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থান হিসেবে কাজ করে এবং "সিস্টেম বোর্ড" বা "মেইনবোর্ড" নামেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ একক (CPU), যা কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত, মাদারবোর্ডের মধ্যেই স্থাপিত থাকে।
- কম্পিউটারের যেকোনো হার্ডওয়্যার সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের সমস্ত উপাদানের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড বাজারে পাওয়া যায়।

• মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইসমূহ:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- হার্ড ডিস্কড্রাইভ,
- ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ,
- পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
১. AGP slot,
২. RAM slot,
৩. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৯.
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে
  2. প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট
  3. ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন
  4. কম্পিউটারে শ্রেণিবিন্যাস বা হায়ারার্কি থাকে
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো খ) প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

পিয়ার টু পিয়ার (P2P) নেটওয়ার্কে কোন বিশেষ সার্ভার বা কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এখানে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড একই সাথে সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ, প্রতিটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। P2P নেটওয়ার্কে নির্দিষ্ট কোনো ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন হয় না, এবং প্রতিটি কম্পিউটার সমানাধিকারভিত্তিকভাবে রিসোর্স ভাগাভাগি করে। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি ফাইল শেয়ারিং, অনলাইন স্ট্রিমিং বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো কাজে কার্যকর। Hierarchy বা centralized control এখানে প্রযোজ্য নয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭২০.
"গ্রিন ফোন" শব্দটি কোন মোবাইল ফোন প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
ব্যাখ্যা
• "গ্রিন ফোন" শব্দটি সাধারণত CDMA মোবাইল ফোন প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত। CDMA বা Code Division Multiple Access হলো একটি মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি যা ডাটা ও ভয়েস ট্রান্সমিশনের জন্য কোড ব্যবহার করে সিগন্যাল পাঠায়। এটি বিভিন্ন ব্যবহারকারীদের একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে আলাদা কোড ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করতে সাহায্য করে, ফলে স্পেকট্রাম ব্যবহার দক্ষ হয়। CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- অন্যদিকে, GSM, LTE ও Wi-Fi ভিন্ন প্রযুক্তি, যা গ্রিন ফোনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই "গ্রিন ফোন" শব্দটি CDMA প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।


• CDMA:

- কোয়ালকম (Qualcom) আবিষ্কৃত সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি এডভান্সড ডিজিটাল ওয়্যারল্যাস প্রযুক্তি।
- CDMA এর পূর্ণরূপ Code Division Multiple Access.
- ১৯৯৫ সালে এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
১,৭২১.
Firewall কী Protecation দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Fire attacks
  2. Unauthorized access
  3. Virus attacks
  4. Data-driven attacks
ব্যাখ্যা
- অনাদিষ্ট বা অবাঞ্ছিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৭২২.
ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. স্নিকিং
  2. স্প্যামিং
  3. স্নিফিং
  4. ফিশিং
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৭২৩.
What is the primary mechanism used by the "I am not a robot" checkbox to distinguish between humans and bots?
  1. Biometric authentication
  2. Behavioral analysis
  3. Turing test
  4. Machine learning algorithms
ব্যাখ্যা
• Turing test:
- টিউরিং টেস্ট এক ধরনের সিকিউরিটি টেস্ট।
- এটি একটি নিরাপত্তামূলক পরীক্ষা। 
- ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং রোবট চেনার জন্য এক ধরনের পরীক্ষার প্রস্তাব করেন।
- একে একধরনের টুরিং টেস্টও বলা যায়। 



- কিছু কিছু ওয়েবসাইটে প্রথমবার প্রবেশ করলে বা রেজিস্ট্রেশনের সময় ‘ক্যাপচা’ (Captcha) নামে উপরের ছবির মত "I am not a robot" নামক একটা চেকবক্স আসে।
- ইংরেজি ছোট ও বড় হাতের অক্ষর, গাণিতিক অঙ্কসহ নানারকম ছবি এলোমেলো করা থাকে। এই ছবিগুলো চিনে চিনে মিলাতে হয় আসলে ছবিগুলোর বিষয়বস্তুটা কী।  
- এর দ্বারা "মানুষ বলে পরিচয় করে দেওয়া কোনো ব্যবহারকারী আসলেই মানুষ, নাকি কম্পিউটার (বট) বা রোবট" তা বোঝা যায়।

সূত্র:
১) Image Source: The Guardian.
১) BBC Science Focus
১,৭২৪.
নিচের কোনটি একটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম?
  1. এমএস ওয়ার্ড
  2. গুগল ক্রোম
  3. অ্যাডোবি ফটোশপ
  4. মাইএসকিউএল
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭২৫.
নিম্নের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ(Query Language) নয়?
  1. QUEL
  2. QBE
  3. SQL
  4. HTML
ব্যাখ্যা

HTML একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।

• কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ:
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে। 
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
-  বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে ৩ (তিনটি) কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যথা-
১। QUEL - QUEery Language
২। QBE - Query By Example
৩। SQL - Structured Query Language
- উপরের তিনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে SQL সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
- ANSI (American National Standard Institution) এর Standard ডেফিনেশন অনুসারে SQL রিলেশনাল ডেটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
• HTML(Hyper Text Markup Language): 
- এটি একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- এটি ডাটা খোঁজে না বরং উপস্থাপন করে।
-  HTML ফাইলের এক্সটেনশন হলো .html বা.htm

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)

১,৭২৬.
জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা কোন সংস্থার পরিচালনায় উদ্ভাবিত হয়?
  1. Netflix
  2. SAP
  3. Amazon
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• জাভা প্রোগ্রামিং ভাষাটি সান মাইক্রোসিস্টেমস সংস্থার পরিচালনায় উদ্ভাবিত হয়েছিল। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে জেমস গোসলিং ও তার দল সান মাইক্রোসিস্টেমস-এ কাজ করতে শুরু করে একটি নতুন প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করতে, যা সহজ, নিরাপদ এবং প্ল্যাটফর্ম নিরপেক্ষ হবে। এই ভাষার নাম রাখা হয় জাভা। জাভার অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো “Write Once, Run Anywhere” অর্থাৎ একবার কোড লিখলেই যেকোনো প্ল্যাটফর্মে চলবে। পরবর্তীতে সান মাইক্রোসিস্টেমসকে ওরাকল কর্পোরেশন ২০১০ সালে কিনে নেয়। তাই জাভা মূলত সান মাইক্রোসিস্টেমসের উদ্যোগে তৈরি হলেও বর্তমানে ওরাকল এর অধীনে রয়েছে। অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ) Oracle.

• জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রামগুলোর এক্সটেনশন হিসেবে সাধারণত .java ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৭২৭.
দশমিক সংখ্যা ২৭ এর বাইনারি মান কত?
  1. ক) ১১১০০
  2. খ) ১১০১১
  3. গ) ১১০০১
  4. ঘ) ১১১০১
ব্যাখ্যা

2 | 27
2 | 13 - 1
2 | 6 - 1
2 | 3 - 0
2 | 1 - 1

2 | 0 - 1 ⇑

∴ (27)10 = (11011)2

১,৭২৮.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে প্রধানত কোন ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. সার্কিট সুইচিং
  2. MPLS নেটওয়ার্ক
  3. IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
  4. ব্লুটুথ ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে প্রধানত IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।

• চতুর্থ প্রজন্ম:
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- সার্কিট সুইচিং বা, প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ফোর-জি প্রযুক্তি হচ্ছে মূলত আইপি-ভিত্তিক এক ধরনের নেটওয়ার্ক যা হাই মোবিলিটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট গতিসম্পন্ন এবং লো মোবিলিটির যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১ গিগাবাইট গতিসম্পন্ন হবে।
- ৫ থেকে ২০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ, কোনোও কোনোও ক্ষেত্রে ৪০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা সম্পন্ন।
- ফোর-জির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া সম্ভব।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৭২৯.
MS Office এর কোন সফটওয়্যার টি ডাটাবেজ নিয়ে কাজ করে?
  1. ক) MS Word
  2. খ) MS Powerpoint
  3. গ) MS Access
  4. ঘ) MS Excel
ব্যাখ্যা
Microsoft Access is a database management system (DBMS) from Microsoft that combines the relational Microsoft Jet Database Engine with a graphical user interface and software-development tools.
১,৭৩০.
বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে -
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. গেটওয়ে
ব্যাখ্যা

◉ গেটওয়ে (Gateway) হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- এটি প্রোটোকল কনভার্টার হিসেবেও কাজ করে, যেখানে দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক যেমন LAN ও WAN, IP ও IPX, অথবা IPv4 ও IPv6 এর মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান সম্ভব হয়।

গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) রাউটার (Router) – এটি ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করে, কিন্তু সাধারণত একই প্রোটোকলের মধ্যে কাজ করে।
খ) হাব (Hub) – এটি নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটা ট্রান্সমিট করে।
গ) সুইচ (Switch) – এটি একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ডাটা প্যাকেট ফরওয়ার্ড করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৩১.
পাসওয়ার্ডের পর প্রায় সময় Captcha লিখতে হয় কেন?
  1. ক) আনন্দের জন্য
  2. খ) নিরাপত্তার জন্য
  3. গ) লেখালেখির জন্য
  4. ঘ) খেলাধুলার জন্য
ব্যাখ্যা

CAPTCHA কয়েকটি ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত, যার সম্পূর্ণ মানে দাঁড়ায় – Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart। অর্থাৎ, সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষ এবং কম্পিউটার এর মধ্যে পার্থক্য যাচাইকরণের প্রক্রিয়া হল ক্যাপচা।

১,৭৩২.
কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটিগুলোকে সংশোধন করার প্রক্রিয়াকে কি বলে?
  1. ক) Bug
  2. খ) Debug
  3. গ) Interprate
  4. ঘ) Assamble
ব্যাখ্যা
Bug and Debug:
Bug:
কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি কে বাগ বলে।
Debug: কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে ডিবাগ বলে।
১,৭৩৩.
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা কোন প্রজন্মের মোবাইলে যুক্ত হয়?
  1. ক) 2G
  2. খ) 3G
  3. গ) 4G
  4. ঘ) 5G
ব্যাখ্যা
- ৩জি এবং ৪জি উভয়ই এক বিশেষ মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা তার বিহীন কথা বলা, মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার, ভিডিও কল করা, মোবাইল টিভি ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে।
- তবে ৪জি তে যে বিশেষ সুবিধা অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে তা হলো মোবাইল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির তথ্য প্রযুক্তি বই।
১,৭৩৪.
FLOPS নিম্নের মধ্যে কোনটি পরিমাপ করে?
  1. CPU-গুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের হার
  2. একটি সিস্টেমের মেমোরি ক্ষমতা
  3. একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে যত গণনা করতে পারে
  4. একটি সুপারকম্পিউটারের বিদ্যুৎ খরচ
ব্যাখ্যা
⚪ FLOPS কী?

FLOPS হলো Floating Point Operations Per Second এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি একটি পরিমাপের একক, যা বোঝায় একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।

⚪ Floating Point Operations কী?

ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন মানে হলো – দশমিক সংখ্যার উপর ভিত্তি করে করা হিসাব যেমন:

3.14 × 2.71

5.0 ÷ 1.25

- এই ধরণের হিসাবগুলো উচ্চ গণনাশক্তির প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), এবং 3D গ্রাফিক্সে।

⚪ FLOPS কী পরিমাপ করে?

- FLOPS মূলত একটি কম্পিউটার বা প্রসেসরের গণনাগতির দক্ষতা পরিমাপ করে। বিশেষত, এটি বলে দেয় - “একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।”

⚪ FLOPS কী পরিমাপ করে না? (অপশন আলোচনা):

- মেমোরি ক্যাপাসিটি – এটি RAM বা স্টোরেজ স্পেস বোঝায়, FLOPS নয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট – CPU বা অন্য যন্ত্রাংশের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান কেমন তা পরিমাপ করে Bandwidth বা Bus Speed।
- বিদ্যুৎ খরচ – এটি Power Consumption দিয়ে পরিমাপ হয়, FLOPS দিয়ে নয়।

উৎস: techtarget [লিংক]
১,৭৩৫.
Which generation of mobile networks is GSM considered to be a part of?
  1. 1G
  2. 2G
  3. 3G
  4. 4G
ব্যাখ্যা
GSM:
• GSM হচ্ছে একটি সেলুলার টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম যা 900 MHz এবং 1800 MHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
• GSM এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে - Global System for Mobile Communications. 
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলগুলোতে GSM প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে
• ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
• ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
- GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- সিগন্যাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়৷
- SMS (Short Message Service ) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়।

উদাহরণ:
- GSM-900,
- GSM-1800 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উদাহরণ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩৬.
কম্পিউটারের সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষাকে কী বলা হয়? 
  1. প্রাকৃতিক ভাষা
  2. উচ্চস্তরের ভাষা
  3. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  4. মেশিন ভাষা
ব্যাখ্যা
মেশিন ভাষা (Machine Language): 
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা। 
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্মস্তরের ভাষা বলা হয়। 
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্মস্তরের ভাষা। 
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়। 
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে। 
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা হলে কম্পিউটার কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনের ভাষায় পরিণত করে নেয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩৭.
নিচের কোনটি সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্কিং সাইট নয়?
  1. Facebook
  2. Notebook
  3. Linkedin
  4. Twitter
ব্যাখ্যা
Notebook ছাড়া বাকি সবগুলো সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্কিং সাইট। 
Notebook হলো এক ধরণের ল্যাপটপ। 
১,৭৩৮.
SEA-ME-WE 4-এর ল্যান্ডিং স্টেশন কোথায়?
  1. জাফলং, সিলেট
  2. কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
  3. কর্ণফুলী, চট্টগ্রাম
  4. ঝিলংজা, কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
SEA-ME-WE:
- বিএসসিপিএলসি দেশের সাবমেরিন ক্যাবল ব্যান্ডউইডথ-এর মূল সেবা প্রদানকারী এবং পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান।
- সি-মি-উই মানে হলো ‘সাউথ ইস্ট এশিয়া (SEA)-মিডল ইস্ট (ME)-ওয়েস্ট ইউরোপ (WE)।
- বাংলাদেশে এখন দুইটি সাবমেরিন ক্যাবল রয়েছে।
- এগুলো হলো: SEA-ME-WE 4 (SMW4) এবং SEA-ME-WE 5 (SMW5)।
- SEA-ME-WE 4 বা বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল কক্সবাজারের ঝিলংজাতে অবস্থিত।
- ‘সি-মি-উই ৪’-এর সক্ষমতা ৮০০ জিবিপিএস।
- SEA-ME-WE 5 বা বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় অবস্থিত।
- ‘সি-মি-উই ৫’ সাবমেরিন কেবলের সক্ষমতা ১৬০০ জিবিপিএস। 
- ‘সি-মি-উই ৫’-এর সঙ্গে ১৬টি দেশ ১৮টি ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে যুক্ত। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাবমেরিন কেবল ‘এসএমডব্লিউ-৪’ এ যুক্ত হয় ২০০৬ সালে।
- এর মাধ্যমে ২৫০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ পাওয়া যাচ্ছে।
- পটুয়াখালীতে সি-মি-উই-ফাইভ স্থাপিত হয়েছে ২০১৭ সালে। 

এছাড়াও,
- SEA-ME-WE 6 (SMW5) শীঘ্রই বাংলাদেশকে সংযুক্ত করতে যাচ্ছে। 
- এটি কক্সবাজারে অবস্থিত।
- সিমিইউ-৬ সংযোগ চালু হলে ১৩২০০ জিবিপিএস ব‌্যান্ডউইডথ যুক্ত হবে।
- এটি ২০২৫ সালে চালু হওয়ার কথা। 

উৎস: i) বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি ওয়েবসাইট।
         ii) এপ্রিল ২৭, ২০২৪, বণিক বার্তা।
১,৭৩৯.
AI-based applications for visually impaired users mainly use—
  1. Image recognition
  2. Data mining
  3. Cloud storage
  4. Encryption
ব্যাখ্যা

• দৃষ্টিহীন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি AI-based অ্যাপ্লিকেশনগুলো মূলত Image Recognition প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে ছবি বা পরিবেশ শনাক্ত করে তথ্য দেওয়া যায়।

• Artificial Intelligence (AI) ও Assistive Technology:
- Artificial Intelligence (AI) এমন একটি প্রযুক্তি, যা কম্পিউটারকে মানুষের মতো চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে।
- AI-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগক্ষেত্র হলো Assistive Technology, যা প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সহায়তা করে।
 
• AI-based Assistive Application-এর ব্যবহার:
- AI ব্যবহার করে ছবি বা পরিবেশ বর্ণনা করা যায়।
- এতে দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা চারপাশের অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পায়।
- এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে তোলে।

• উদাহরণ:
- Seeing AI (Microsoft) → ছবি, টেক্সট, মুখ, বস্তু, দৃশ্য, কারেন্সি, বারকোড শনাক্ত করে ভয়েসে বলে দেয়।
- Be My Eyes → AI দিয়ে রিয়েল-টাইম ইমেজ রেকগনিশন (Virtual Volunteer + AI)।
- Google Lookout → অ্যান্ড্রয়েডে ছবি/ভিডিও অ্যানালাইজ করে বর্ণনা দেয়।
- Envision AI → টেক্সট রিডিং, অবজেক্ট রেকগনিশন, দৃশ্য বর্ণনা।
- Aira → AI + হিউম্যান সাপোর্ট, কিন্তু AI অংশে image recognition ব্যবহার করে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Data mining → এটি বড় ডেটা থেকে তথ্য বিশ্লেষণের পদ্ধতি।
- Cloud storage → এটি ডেটা সংরক্ষণের প্রযুক্তি।
- Encryption → এটি ডেটা নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং প্রথম আলো।

১,৭৪০.
পেমেন্ট গেটওয়ে-তে SSL কী হিসেবে ভূমিকা রাখে?
  1. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
  2. পণ্য প্রদর্শন
  3. পেমেন্ট প্রসেসিং
  4. ডেটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

• পেমেন্ট গেটওয়ে-তে SSL-এর মূল ভূমিকা ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করা। যখন একজন ব্যবহারকারী অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাঙ্ক তথ্য প্রদান করে, তখন সেই সংবেদনশীল তথ্য ইন্টারনেটে পাঠানো হয়। SSL (Secure Sockets Layer) প্রযুক্তি এই তথ্যকে এনক্রিপ্ট করে অর্থাৎ তা এমনভাবে রূপান্তরিত করে যে কোনো তৃতীয় পক্ষ সহজে তা পড়তে বা চুরি করতে পারে না। এটি ব্যবহারকারীর এবং পেমেন্ট গেটওয়ের মধ্যে নিরাপদ সংযোগ গড়ে তোলে, অনলাইনে লেনদেনকে সুরক্ষিত করে। তাই পেমেন্ট গেটওয়ে-তে SSL সরাসরি ডেটা এনক্রিপশন-এর কাজে ব্যবহৃত হয়, অর্ডার ম্যানেজমেন্ট, পণ্য প্রদর্শন বা পেমেন্ট প্রসেসিং-এর সাথে নয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) ডেটা এনক্রিপশন।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

১,৭৪১.
বাংলাদেশের প্রথম উন্মুক্ত কৃষি মার্কেট অনলাইন প্লাটফর্ম কোনটি?
  1. আমাদের কৃষক
  2. ফুড ফর নেশন
  3. কৃষি কথা
  4. কৃষকের জানালা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার:
- কৃষি কথা: কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত মাসিক ম্যাগাজিন।
- কৃষি কল সেন্টার কোড: ১৬১২৩
- ফুড ফর নেশন: বাংলাদেশের প্রথম উন্মুক্ত কৃষি মার্কেট অনলাইন প্লাটফর্ম
- কৃষক বন্ধু ফোন সেবা: ৩৩৩১ নম্বরে কল করে নিকটস্থ কৃষি অফিস থেকে সকল ধরনের কৃষি সেবা পাওয়া যায়।
- কৃষকের জানালা অ্যাপস: ফসলের সকল সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান দেয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাইট, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাইট।
১,৭৪২.
কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে টরেন্ট ওয়েবসাইট থেকে রিসোর্স শেয়ার করা যায়?
  1. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  2. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  3. ক + খ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)। 

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

যে কোনো টরেন্ট ওয়েবসাইটে আমরা যখন প্রবেশ করি তখন যে ওয়েব পেইজগুলো প্রদর্শন করে তা আসে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কিন্তু টরেন্ট থেকে রিসোর্স শেয়ার বা ম্যাগনেটিক ফাইলের মাধ্যমে কিছু ডাউনলোড করা হয় পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) IEEE [লিংক]
১,৭৪৩.
ইমেইলে “BCC” ক্ষেত্রের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো
  2. ফাইল সংযুক্ত করা
  3. ইমেইলকে জরুরি হিসেবে চিহ্নিত করা
  4. ইমেইল পড়ার রসিদ চাওয়া
ব্যাখ্যা

• ইমেইলে “BCC” (Blind Carbon Copy) ক্ষেত্র ব্যবহার করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো রাখা। যখন আমরা কাউকে BCC-তে যুক্ত করি, তখন সেই প্রাপকের ঠিকানা অন্যান্য প্রাপকদের জন্য দৃশ্যমান থাকে না। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন একাধিক প্রাপকের কাছে একই ইমেইল পাঠাতে হয় কিন্তু তাদের ইমেইল ঠিকানা একে অপরের সাথে ভাগ করতে চাই না। এছাড়া, BCC ব্যবহার করলে প্রাপকদের গোপনীয়তা বজায় থাকে এবং অনিচ্ছাকৃত ‘Reply All’ সমস্যা কমে। এটি বিশেষভাবে ব্যবসায়িক বা পাবলিক ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর এবং প্রয়োজনীয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো।

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৭৪৪.
Logic Gate Diagram থেকে আউটপুট F = AB + A’C হলে এটি কোন ধরনের গেটের সমন্বয়? 
  1. AND + OR + NOT
  2. OR + NAND
  3. XOR + AND
  4. NOR + NOT
ব্যাখ্যা

প্রদত্ত সমীকরণ F = AB + A’C হলো একটি মিশ্র লজিক ফাংশন।

• এখানে তিনটি মৌলিক গেট ব্যবহার করা হয়েছে:
- NOT gate: A’ তৈরি করতে ব্যবহৃত।
- AND gate: দুটি গুণফল AB এবং (A’C) তৈরি করতে ব্যবহৃত।
- OR gate: AB এবং A’C এর আউটপুট যোগ করতে ব্যবহৃত।

• ধাপগুলো:
- A কে NOT gate এ পাঠিয়ে A’ তৈরি করা।
- AB তৈরি করতে AND gate ব্যবহার করা।
- A’C তৈরি করতে আরেকটি AND gate ব্যবহার করা।
- শেষে OR gate দিয়ে AB + A’C আউটপুট F পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৭৪৫.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD)
  2. অপটিক্যাল ফ্লো ম্যাপার
  3. সিআরটি মনিটর
  4. কোয়ান্টাম সেন্সর
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD)। এটি ব্যবহারকারীর মাথায় পরিধান করা হয় এবং সরাসরি চোখের সামনে ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট প্রদর্শন করে, যা একটি সম্পূর্ণ ইমার্সিভ বা ডুবন্ত অভিজ্ঞতা তৈরি করে। HMD-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল পরিবেশ দেখতে পান এবং তার সঙ্গে ইন্টার‍্যাক্ট করতে পারেন। এর মধ্যে সাধারণত দুইটি ছোট স্ক্রিন বা লেন্স থাকে, যা চোখের জন্য পৃথক ছবি দেখায়, ফলে তিন-মাত্রিক গভীরতার অনুভূতি জন্মায়। এছাড়াও HMD-তে হেড ট্র্যাকিং প্রযুক্তি থাকে, যা মাথার গতি অনুযায়ী দৃশ্য পরিবর্তন করে। অন্য যন্ত্রপাতি যেমন অপটিক্যাল ফ্লো ম্যাপার, CRT মনিটর বা কোয়ান্টাম সেন্সর সরাসরি VR-এর ইমার্সিভ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে পারে না, তাই HMD হল মূল উপাদান।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তব বা ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরি করা হয়।
- এটি আসলে বাস্তব নয়, কিন্তু বিজ্ঞানের কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে তৈরি একটি কৃত্রিম বাস্তবতা।
- এটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির সাহায্যে এমন একটি কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্যি এবং বাস্তব বলে মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরির মাধ্যমে এমন কঠিন কাজও সম্পন্ন করা সম্ভব, যা বাস্তবে করা খুব কঠিন হতো।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD),
- ডেটা গ্লাভস,
- বিশেষ বডি স্যুট।

- এই সরঞ্জামগুলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা দেয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে,
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়,
- ফ্লাইট সিমুলেশনে,
- খেলাধূলা ও বিনোদন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৪৬.
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট কী ধরনের সফটওয়্যার?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  3. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
  4. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হলো একটি প্রেজেন্টেশন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট(MS PowerPoint):
- মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হলো একটি প্রেজেন্টেশন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- এটি Microsoft Office প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম।
- পাওয়ার পয়েন্ট একটি গ্রাফিক্যাল প্রেজেন্টেশন টুল, যার মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে করা যায়।
- প্রেজেন্টেশনের প্রতিটি পৃষ্ঠাকে স্লাইড(Slide) বলা হয়।
- প্রেজেন্টেশন প্রদর্শনের সময় এক স্লাইড থেকে অন্য স্লাইডে স্থানান্তর করা যায়।
- লেখার পাশাপাশি ছবি, চার্ট, টেবিল, অডিও ও ভিডিও যুক্ত করা যায়।
 
• পাওয়ার পয়েন্টের ব্যবহার:
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ উপস্থাপন।
- অফিস মিটিং ও সেমিনার।
- ব্যবসায়িক রিপোর্ট ও পরিকল্পনা উপস্থাপন।
- গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
 
• পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহারের সুবিধা:
- বড় পর্দায় সহজে প্রেজেন্টেশন দেখানো যায়।
- তথ্যকে গ্রাফিক্যাল ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা যায়।
- চার্ট ও ডায়াগ্রামের মাধ্যমে তথ্য সহজে বোঝানো যায়।
- Excel ও MS Word–এর তথ্য সরাসরি যুক্ত করা যায়।
- স্লাইডে অ্যানিমেশন ও ট্রানজিশন ব্যবহার করা যায়।
- প্রেজেন্টেশনে অডিও ও ভিডিও সংযোজন করা যায়।
- টাইমিং নির্ধারণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্লাইড প্রদর্শন করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১,৭৪৭.
বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদনের জন্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে কোনটি?
  1. সিপিইউ
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. মাদারবোর্ড
  4. এএলইউ
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- তেমনি কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায় বলা যায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- ANSI-এর মতে, 'যে সফটওয়‍্যার কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং শিডিউলিং, ডিবাগিং, ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ, অ্যাকাউন্টিং, কম্পাইলেশন, তথ্যাবলি সংরক্ষণ, কার্যক্রম, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং আনুষঙ্গিক কাজসমূহ করে থাকে তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে।' 
- অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এমন এক ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব সময় নির্বাহ হয় এবং অন্যান্য প্রোগ্রামের নির্বাহের পরিবেশ তৈরি করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৪৮.
RFID বলতে বােঝায়-
  1. Random Frequency Identification
  2. Random Frequency Information
  3. Radio Frequency Information
  4. Radio Frequency Identification
ব্যাখ্যা
• RFID:
- RFID এর পূর্ণরূপ Radio-Frequency Identification.
- বারকোড যদি এক অর্থে এক-মাত্রিক ডেটা হয় এবং QR কোড যদি দ্বি-মাত্রিক হয়, তাহলে RFID ট্যাগগুলিকে ত্রিমাত্রিক কোড হিসাবে ভাবা যেতে পারে।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি বেতার সিস্টেমকে বোঝায় যা দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত: ট্যাগ এবং রিডার।
- RFID ট্যাগগুলি তাদের মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- RFID এ তথ্য পড়া ও লেখা যায় (ট্যাগ এর মাঝে তথ্য পরিবর্তন করা যায়)।
- এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: হাজার হাজার ক্যারেক্টার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৭৪৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. ভিডিও গেমস
  2. সেল ফোন
  3. থার্মোস্ট্যাট
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কাজই করে।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: computerhope website.
১,৭৫০.
ই-লার্নিং কার্যক্রমের উদাহরণ কোনটি?
  1. মুক্তপাঠ
  2. জাগো অনলাইন স্কুল
  3. শিক্ষক ডট কম
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
♦ ই-লার্নিং:
- ই-লার্নিং শব্দটি ইলেকট্রনিক লার্নিং কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তপাঠ, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৫১.
কম্পাইলারের মাধ্যমে তৈরি এক্সিকিউশন ফাইলের বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. অত্যন্ত ধীরগতিতে চলে 
  2. দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়
  3. শুধুমাত্র উৎস কোড সংরক্ষণ করে
  4. ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া চলতে পারে না 
ব্যাখ্যা

অনুবাদক প্রোগ্রাম: 
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে। 
- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। 
যথা: ১. কম্পাইলার, ২. ইন্টারপ্রেটার ও ৩. অ্যাসেম্বলার। 

কম্পাইলার: 
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে। ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না। 
- কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। 
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে। 

কম্পাইলারের প্রধান কাজ: 
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা। 
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা। 
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। 
- রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে। 
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।

১,৭৫২.
কোন ধরনের টপোলজিতে প্রতিটি পৃথক সেগমেন্টের জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ থাকে?
  1. বাস টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি
২. বাস টপোলজি
৩. রিং টপোলজি
৪. ট্রি টপোলজি

• ট্রি টপোলজি:
- এই টপোলজিতে নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করা হয়, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হিসেবে কাজ করে।
- এটি বর্তমানে অন্যতম সর্বাধিক ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক টপোলজি।
- ট্রি টপোলজি বাস ও স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্য একত্রিত করে গঠিত।
- মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে একটি হায়ারার্কিক্যাল গঠনে অন্যান্য কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, যার ফলে একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি ও বলা হয়।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- নতুন শাখা-প্রশাখা যোগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা সম্ভব।
- ত্রুটি সনাক্তকরণ ও সংশোধন করা সহজ।
- নেটওয়ার্কের কোনো নির্দিষ্ট নোড বা শাখা নষ্ট হলেও সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্টের জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ থাকে, যা কার্যকারিতা বাড়ায়
- উন্নত ডেটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- বড় নেটওয়ার্ক বা অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য উপযোগী।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:

- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৭৫৩.
______ is the high speed memory used in the computer.
  1. ক) RAM
  2. খ) Hard Disk
  3. গ) Cache
  4. ঘ) BIOS
ব্যাখ্যা
Cache memory, also called CPU memory, is high-speed static random access memory (SRAM) that a computer microprocessor can access more quickly than it can access regular random access memory (RAM).
Source: Fundamentals of Computer
১,৭৫৪.
কোবট (Cobot) কী?
  1. কমপ্যাক্ট রোবট
  2. করপোরেট রোবট
  3. কলাবোরেটিভ রোবট
  4. কমপিউটার কন্ট্রোলড রোবট
ব্যাখ্যা

◉ "Cobot" শব্দটি Collaborative Robot এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি এমন একধরনের রোবট যা মানুষের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থায় সহায়তা করে।
- এটি মানুষের সাথে সহযোগিতা করে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে, যেমন উৎপাদন, অ্যাসেম্বলি এবং অন্যান্য শিল্প কার্যক্রম। কোবটগুলি সাধারণত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যযুক্ত হয়, যাতে তারা মানুষের সাথে সরাসরি ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে এবং দুর্ঘটনা এড়াতে পারে।

রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। Northwestern website. [লিংক] 

১,৭৫৫.
Global Village ধারণার জনক কে?
  1. এডওয়ার্ড স্নোডেন
  2. টিম বার্নার্স-লি
  3. মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. স্যাম অল্টম্যান
ব্যাখ্যা
Global Village ধারণার জনক হচ্ছেন মার্শাল ম্যাকলুহান।

• Global village:
- মার্শাল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) ইংরেজি সাহিত্যে কানাডীয় অধ্যাপক ও দার্শনিক ছিলেন। তাকে 'বিশ্বগ্রাম ধারণার জনক বা প্রবর্তক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
- তাকে কানাডীয় অধ্যাপক ও দার্শনিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
- তার বিখ্যাত বই "The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic Man" (প্রকাশিত ১৯৬২) এই বইতেই প্রথম 'Global Village' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে 'Understanding media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি মানুষকে এমনভাবে সংযুক্ত করছে, যেন পুরো পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। এই পরিবর্তন সমাজের চিন্তাভাবনা, আচরণ, ও সংস্কৃতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
- এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে ইন্টারনেটসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বুঝানো হয়েছে।

• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ:
- হার্ডওয়্যার,
- সফটওয়‍্যার,
- ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি,
- ডেটা,
- মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৫৬.
____ is the process of dividing the disk into tracks and sectors.
  1. ক) Tracking
  2. খ) Formatting
  3. গ) Crashing
  4. ঘ) Allotting
ব্যাখ্যা
Disk formatting is the configuring process of a data storage media such as a hard disk drive, floppy disk or flash drive for initial usage.
১,৭৫৭.
নিচের কোনটি সিস্টেম টুলসের অন্তর্ভুক্ত ইউটিলিটি প্রোগ্রাম?
  1. Photoshop
  2. Disk Defragmenter
  3. Google Chrome
  4. Microsoft Excel
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপ্টিমাইজ বা কম্পিউটারের সাথে সমন্বয় বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা সফটওয়্যারকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলা হয়।

• নিম্নলিখিত ধরনের সফটওয়্যারগুলো ইউটিলিটি সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত:
- এন্টিভাইরাস,
- অনুবাদক সফটওয়্যার,
- ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার,
- ব্যাকআপ/ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যার,
- ক্লিপবোর্ড ম্যানেজার সফটওয়্যার,
- ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন,
- সর্ট ও মার্জ প্রোগ্রাম,
- লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

- সাধারণত, কম্পিউটারের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং এর কার্যক্ষমতা বজায় রাখার জন্য ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের সফটওয়্যার কম্পিউটারের গতি ও দক্ষতা বাড়ায় এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনায় সহায়তা করে।
- ইউটিলিটি সফটওয়্যারের প্রধান কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফাইল তৈরি ও সংরক্ষণ করা, ডেটা মুছে ফেলা, ডিস্ক ফরম্যাট করা, অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সিস্টেম টুলস হিসেবে সংযোজিত হয়েছে।
- সিস্টেম সংক্রান্ত ত্রুটি শনাক্তকরণ ও সংশোধন, ভাইরাস স্ক্যানিং, ডিস্ক পার্টিশনিং ইত্যাদি কাজে এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
- উল্লেখযোগ্য কিছু ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো: McAfee, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৭৫৮.
(13)10 = (?)16
  1. D
  2. 13
  3. E
  4. C
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F.
এখানে,
A = 10
B = 11
C = 12
D = 13
E = 14
F = 15
সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
১,৭৫৯.
100111 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কত?
  1. 29
  2. 34
  3. 39
  4. 41
ব্যাখ্যা
• 100111 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার 39.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100111
= 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
= 39

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৭৬০.
কোনটি IPv4 এর তুলনায় IPv6 সম্পর্কে সঠিক?
  1. IPv6 ব্যবহার করে 32 বিট, IPv4 ব্যবহার করে 128 বিট
  2. IPv6 ব্যবহার করে 128 বিট, IPv4 ব্যবহার করে 32 বিট
  3.  IPv6 কম সংখ্যক ডিভাইস সমর্থন করে IPv4-এর তুলনায় 
  4. IPv6 কেবলমাত্র প্রাইভেট নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: খ) IPv6 ব্যবহার করে 128 বিট, IPv4 ব্যবহার করে 32 বিট।

IPv4 এবং IPv6 হল ইন্টারনেট প্রোটোকলের দুটি সংস্করণ। IPv4 32-বিট ঠিকানা ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক ঠিকানা তৈরি করা যায়। এটি বর্তমানে ইন্টারনেটের প্রাথমিক ঠিকানা পদ্ধতি হলেও, ডিভাইসের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় IPv4 ঠিকানার অভাব দেখা দিয়েছে। IPv6 এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে 128-বিট ঠিকানা ব্যবহার করে, যা প্রায় অসীম সংখ্যক ইউনিক ঠিকানা প্রদান করে এবং ভবিষ্যতে ডিভাইসের দ্রুত বৃদ্ধি মেটাতে সক্ষম। এছাড়া IPv6 উন্নত সিকিউরিটি এবং নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন সুবিধাও প্রদান করে। IPv6 শুধুমাত্র প্রাইভেট নেটওয়ার্কের জন্য নয়, এটি ইন্টারনেটের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
- IPv6 আইপি অ্যাড্রেস ১২৮-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত। 

- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।

১,৭৬১.
কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্ন স্তরের ভাষা কোনটি?
  1. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা
  2. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  3. উচ্চস্তরের ভাষা
  4. মেশিন ভাষা
ব্যাখ্যা

• মেশিন ভাষাই কম্পিউটারের সর্বনিম্ন স্তরের ভাষা।

• মেশিন ভাষা:

- মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্ন স্তরের ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকেই মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এই ভাষা বাইনারি সংখ্যা (১) এবং শূন্য (০) অথবা হেক্সাডেসিমাল সিগন্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু প্রকাশ করে।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলির জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া–প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিন ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।
 
• মেশিন ভাষার সুবিধা:

১. এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব।
২. সর্বোচ্চ পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
৩. এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না।
৪. মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষার তুলনায় দ্রুত কাজ করে।

 
• মেশিন ভাষার অসুবিধা:

১. এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ।
২. এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
৩. মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামারের প্রয়োজন।
৪. প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধন করা কষ্টসাধ্য।

 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৬২.
কম্পিউটারের আউটপুটে ত্রুটি দেখা দিলে তাকে কী বলা হয়?
  1. GOGI
  2. DECOMPRESSION
  3. GIGO
  4. NOVA
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে যদি ভুল বা অযৌক্তিক ডেটা ইনপুট দেওয়া হয়, তাহলে কম্পিউটার সেই অনুযায়ী ভুল আউটপুট দেয়।
- এটাই হলো GIGO, অর্থাৎ "Garbage In, Garbage Out"।
- উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,
  যদি ক্যালকুলেটরে ভুল সংখ্যা দেওয়া হয়, সঠিক গাণিতিক নিয়মেও ফলাফল ভুল হবে।

•  তাই, কম্পিউটারের আউটপুট সবসময় নির্ভর করে ইনপুটের উপর।
 - GIGO বলতে বোঝানো হয় — ভুল ডেটা দিলে, ভুল ফলাফলই পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.

১,৭৬৩.
নিচের কোনটি ফ্ল্যাশ মেমরি ডিভাইস?
  1. ক) টেপ ক্যাসেট
  2. খ) এসএসডি
  3. গ) ডিভিডি ডিস্ক
  4. ঘ) ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তার পেরিফেরাল ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত যে সকল ডিভাইসকে উপাত্ত তথ্য ও নির্দেশমালা সংরক্ষনের কাজে ব্যবহার করে সে সকল ডিভাইসকে স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ পেরিফেরালস বলে।

- হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, টেপ ক্যাসেট - মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস।
- সিডি রম ও ডিভিডি ডিস্ক - অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস।
- মেমরি কার্ড, মেমরি স্টিক, পেন ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) - ফ্ল্যাশ মেমরি ডিভাইস। 

সূত্র: মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১,৭৬৪.
সাধারণত স্টার টপোলজিতে LAN-এর সেন্ট্রাল কন্ট্রোলার কে কী বলা হয়?
  1. ক) Modem
  2. খ) Router
  3. গ) Hub
  4. ঘ) Node
ব্যাখ্যা
• সাধারণত স্টার টপোলজিতে LAN-এর সেন্ট্রাল কন্ট্রোলার Hub বলা হয়।

স্টার টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।
- কেন্দ্ৰিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়।
- এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৬৫.
গুগল এর সদরদপ্তর অবস্থিত-
  1. Silicon Valley, California
  2. Santa Clara, California
  3. Armonk, New York
  4. Mountain View, California
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- CEO: Sundar Pichai (Oct 2, 2015 - present)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস: google
১,৭৬৬.
কোনটি ‘Cryo’ শব্দের অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ক) খুবই গরম
  2. খ) চিকিৎসা
  3. গ) অসুস্থতা
  4. ঘ) বরফের মতো ঠান্ডা
ব্যাখ্যা
গ্রীক শব্দ ক্রাউস (kruos) থেকে ক্রায়ো (Cryo) শব্দটি এসেছে যার অর্থ বরফের মতো ঠাণ্ডা এবং ‘সার্জারি’ অর্থ শৈল্য চিকিৎসা। অর্থাৎ ক্রায়োসার্জারি হলো এক ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি যাতে অত্যধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে শরীরের অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করা হয়। 
১,৭৬৭.
কত মেগাবিটে ১ গিগাবিট হয়?
  1. ১০০০ মেগাবিট
  2. ১০১২ মেগাবিট
  3. ১০২৪ মেগাবিট
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বিট ও বাইট:
- ১ বাইট=৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
১,৭৬৮.
দুটি টার্মিনেটর থাকে কোন টপোলজিতে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা
• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে দুটি টার্মিনেটর থাকে।
- এখানে কোনো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৬৯.
কত সালে ARPANET এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭০
  2. খ) ১৯৮৯
  3. গ) ১৯৮১
  4. ঘ) ১৯৯০
ব্যাখ্যা
১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যাবহারের সুযোগ হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১,৭৭০.
পেরিফেরাল ডিভাইস কোনটি?
  1. ক) Linux
  2. খ) Multimedia Projector
  3. গ) Mac OS
  4. ঘ) Microsoft windows
ব্যাখ্যা
পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device):
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরাল
২. আউটপুট পেরিফেরাল এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। 
- যেমন: কী-বোর্ড , ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার , লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার , স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৭১.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করার প্রধান ক্ষেত্র কোনটি?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. ওয়েব ব্রাউজিং
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণত এমন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশে ব্যবহৃত হয় যা নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা। এগুলো সাধারণ কম্পিউটারের মতো সার্বিক প্রোগ্রাম চালাতে পারে না, বরং নির্দিষ্ট কাজের জন্য বিশেষভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। উদাহরণ হিসেবে, মাইক্রোওয়েভে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় ভেতরের তাপমাত্রা, সময় এবং শক্তি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, যাতে খাবার সঠিকভাবে গরম হয়। অন্যদিকে, ওয়ার্ড প্রসেসিং, ভিডিও এডিটিং বা ওয়েব ব্রাউজিং এর মতো জটিল সফটওয়্যার চালানোর জন্য সাধারণ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রয়োজন। সুতরাং এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের প্রধান ক্ষেত্র হলো মাইক্রোওয়েভ।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- গাড়ি,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৭২.
.org ডোমেইন কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
  2. অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান
  3. সরকারি প্রতিষ্ঠান
  4. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান। 

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৭৩.
বাংলাদেশের প্রথম সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট কোনটি?
  1. দোয়েল
  2. বেশতো
  3. পিপীলিকা
  4. টেশিস
ব্যাখ্যা
• বেশতো:
- বেশতো হলো বাংলাদেশের প্রথম সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট।
- এটি এক ধরণের মাইক্রোব্লগিং।
- এটি ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাশরুর।
- বেশতো সাইটটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

- দোয়েল হলো বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার যা বাংলাদেশ শিল্প সংস্থা (টেশিস) নির্মাণ করে।
- পিপীলিকা হলো বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৭৭৪.
2FA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Twice-Factor Access
  2. Two-Form Authentication
  3. Two-Factor Authorization
  4. Two-Factor Authentication
ব্যাখ্যা

• 2FA এর পূর্ণরূপ হলো Two-Factor Authentication (উত্তর: ঘ)।
- এটি একটি নিরাপত্তা প্রক্রিয়া যা ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করার জন্য দুটি আলাদা ফ্যাক্টর ব্যবহার করে। সাধারণত প্রথম ফ্যাক্টর হলো ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড বা পিন, যা তারা জানে। দ্বিতীয় ফ্যাক্টর হতে পারে একটি মোবাইল ফোনে পাঠানো ওটিপি (One-Time Password), বায়োমেট্রিক তথ্য যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস রিকগনিশন, বা একটি হার্ডওয়্যার টোকেন। 2FA ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করা, কারণ শুধুমাত্র পাসওয়ার্ড জানলেই কেউ অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে এবং তথ্য চুরির ঝুঁকি কমায়।

• টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA):
- টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেখানে দুইটি ভিন্ন ধরণের ভেরিফিকেশন ফ্যাক্টর ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড চুরির বিরুদ্ধে একটি বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে।
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
দ্বিতীয় স্তর:
- OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো, 
- Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি, 
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি, 
- USB Security Key.

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ- 
- পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে, 
- ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে, 
- ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে, 
- Unauthorized Access প্রতিরোধ করে। 

উৎস: 
- Microsoft. [link]

১,৭৭৫.
ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে কী বলে?
  1. ক) কুয়েরি
  2. খ) রিপোর্ট
  3. গ) সর্টিং
  4. ঘ) ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
রিপোর্ট
- রিপোর্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিবেদন।
- ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে।
- সাধারণত কোন তথ্য সরবরাহ বা বিতরণ করার জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি কলাম ও সারি অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়।
- ডাটাবেজে রিপোর্টের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ডেটা টেবিলের ভিত্তিতে নয়, কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়েও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

সূত্র- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,৭৭৬.
'M-Commerce' কী?
  1. ক) Microcredit Commerce
  2. খ) Mobile Commerce
  3. গ) Mail Commerce
  4. ঘ) Micro Commerce
ব্যাখ্যা
এম-কমার্স (M-Commerce)
- 'M-Commerce' শব্দটিতে দ্বারা 'M' বুঝায় Mobile.
- মোবাইল ফোন বা সেলফোনের মাধ্যমে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ই-বিজনেস করাকে মোবাইল কমার্স বা এম-কমার্স বলা হয়।
১,৭৭৭.
নিচের কোনটি ভাইরাস নির্মূল করার জন্য ব্যবহৃত হয়? 
  1. অ্যাভাস্ট
  2. ট্রোজান হর্স
  3. স্টোন ভাইরাস
  4. ওভার রাইটিং ভাইরাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।
যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।  

কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১,৭৭৮.
হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে কোনটি পালন করে?
  1. সিপিইউ
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. এএলইউ
  4. হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব:
- অন্যান্য সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের ন্যায় অপারেটিং সিস্টেমও এক ধরনের সফটওয়‍্যার।
- কম্পিউটার সিস্টেম জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- কম্পিউটারে সব ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত এটি কোনো কাজ করে না।
- কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বণ্টন, তত্ত্বাবধান, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগ্রাম পরিচালনা- সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৭৯.
MS Windows -এর একটি page select করতে হলে control চেপে কী চাপতে হবে?
  1. A
  2. B
  3. C
  4. D
ব্যাখ্যা
• MS-Word এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট: 
- Select all document content -  Ctrl+A
- Bold or Unbold - Ctrl + B
- Delete the selected item - Ctrl + D
- Replace - Ctrl + H
- Save - Ctrl + S
- Copy - Ctrl + C
- Paste - Ctrl + V
- Undo - Ctrl + Z
- Redo - Ctrl + Y
- Print - Ctrl + P
- Find - Ctrl + F
- Cut - Ctrl + X 

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট। 
১,৭৮০.
এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ কর যায় কোনটির সাহায্য?
  1. হিউম্যানওয়ার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. ফার্মওয়্যার
  4. এন্টি ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার আর সফটওয়্যার এর মিলিত প্রয়াস।
- ফায়ারওয়ালের সবচেয়ে বহুল ব্যবহার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে। তথ্য নিরাপত্তা রক্ষাও এর কাজের অংশ।
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
১,৭৮১.
কম্পিউটারে সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত সংখ্যা দুইটি কোনগুলো?
  1. ক) 0 এবং 9
  2. খ) 0 এবং 2
  3. গ) 0 এবং 1
  4. ঘ) 0 এবং 8
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় ০ এবং ১ দুইটি সংখ্যা।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 2 । 
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
১,৭৮২.
এক বা একাধিক ফিল্ডের সাহায্যে রেকর্ডগুলোকে Ascending কিংবা Descending ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া কী নামে পরিচিত?
  1. Indexing
  2. Cryptography
  3. Query
  4. Sorting
ব্যাখ্যা

• এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডগুলোকে ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়াকে Sorting বলা হয়। এটি ডেটাবেস এবং প্রোগ্রামিং উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। Sorting সাধারণত দুই ধরনের হতে পারে: Ascending (ছোট থেকে বড়) এবং Descending (বড় থেকে ছোট) ক্রম। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছাত্রের নাম, রোল নম্বর বা গ্রেড অনুযায়ী তালিকা সাজানো যায়। Sorting ডেটা দ্রুত খুঁজে বের করা, বিশ্লেষণ করা এবং রিপোর্ট তৈরি করা সহজ করে তোলে। অন্য অপশন গুলো- Indexing, Cryptography, Query- তাত্ত্বিকভাবে ভিন্ন কাজ করে। তাই এক বা একাধিক ফিল্ডের সাহায্যে রেকর্ড সাজানোর সঠিক নাম Sorting.

- উত্তর: ঘ) Sorting.

• অপশন আলোচনা:
- কুয়েরি (Query):
- কুয়েরি হলো ডেটাবেস থেকে নির্দিষ্ট তথ্য খোঁজার বা বের করার একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য ফিল্টার বা সার্চ করতে ব্যবহৃত হয়, তবে কুয়েরির মাধ্যমে সর্ট করা গেলেও, নিজে থেকে এটি "Sorting" নয়।

- ক্রিপটোগ্রাফি (Cryptography):
- ক্রিপটোগ্রাফি হলো তথ্য গোপন বা নিরাপদ রাখার বিজ্ঞান। এটি ডেটা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। Sorting-এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

- সর্টিং (Sorting):
- এটাই সঠিক উত্তর। এটি রেকর্ড বা তথ্যকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া বোঝায়।

- ইনডেক্সিং (Indexing):
- ইনডেক্সিং হলো ডেটাবেসে তথ্য খোঁজার গতি বাড়ানোর একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য সাজায় না, বরং তথ্য খোঁজা দ্রুত করে। Sorting-এর মতো এটি রেকর্ডের অর্ডার পরিবর্তন করে না।
- ডাটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।

সুতরাং, রেকর্ডকে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং (Sorting) বলে। তাই সঠিক উত্তর হলো: সর্টিং। 

• সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না।
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- অর্থাৎ, এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৭৮৩.
মৌলিক গেটের সমন্বয়ে কয়টি যৌগিক গেইট তৈরী করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৪
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
4 টি।
NAND, NOR, XOR, XNOR 
১,৭৮৪.
নিম্নলিখিত কোন যোগাযোগ মাধ্যম একসাথে দুই দিকের তথ্য আদানপ্রদান করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  2. সিমপ্লেক্স মোড
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (গ) একসাথে দুই দিকের তথ্য আদানপ্রদান করতে পারে। ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে যোগাযোগ ব্যবস্থায় দুই পক্ষ একসাথে একই সময় তথ্য পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে পারে। এর ফলে যোগাযোগ দ্রুত এবং স্বতঃস্ফূর্ত হয়। অন্যদিকে, হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে তথ্য একসময় শুধুমাত্র একদিকে থেকে অন্যদিকে যায়, অর্থাৎ দুই দিকের আদানপ্রদান একসাথে সম্ভব নয়। সিমপ্লেক্স মোডে তথ্য একদিকেই যায়, অর্থাৎ একপক্ষ তথ্য পাঠায় আর অন্যপক্ষ শুধু গ্রহণ করে। তাই, একসাথে দুই দিকের তথ্য আদানপ্রদান সম্ভব হয় শুধুমাত্র ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে। 
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।  
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। 
যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। 
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়। 
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১,৭৮৫.
What does URL stand for?
  1. Universal Resource Locator
  2. Uniform Resource Locator
  3. Unified Resource Locator
  4. Unique Resource Locator
ব্যাখ্যা
URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।
- নির্দিষ্ট URL-এ প্রবেশ করে আমরা ঐ Website এর বিভিন্ন Resource গুলো  Locate করতে পারি।

https://web.livemcq.com/#intro প্রদত্ত URL টির -

- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- web.livemcq.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- '/' বা Slash এর পর #intro হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)
- Domain Name সচরাচর 'www' দিয়েই শুরু হয়। যেমন: https://www.12ka4.com/intro

তাহলে,
URL এর তিনটি অংশ থাকে। যথা -

i) প্রোটোকলের নাম,
ii) হোস্ট নেইম এবং
iii) ফাইল নেইম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৭৮৬.
WWW এর আবিষ্কারক কে?
  1. বিল গেটস
  2. টিম বার্নার্স-লি
  3. মার্ক জুকারবার্গ
  4. ল্যারি পেইজ
ব্যাখ্যা

◉ WWW (World Wide Web) এর আবিষ্কারক হলেন Sir Tim Berners-Lee.

WWW:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) কে সংক্ষেপে WWW বা ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
- WWW বলতে আমরা বুঝি, এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা কর যায়।
- টিম বার্নাস লী WWW- এর জনক নামে পরিচিত। 
- তিনি ১৯৮৯ সালে CERN (European Organization for Nuclear Research)-এ কাজ করার সময় প্রথমবারের মতো ওয়েবের ধারণা উপস্থাপন করেন। এরপর তিনি HTML (HyperText Markup Language), HTTP (HyperText Transfer Protocol) এবং URL (Uniform Resource Locator) তৈরি করেন, যা বর্তমানে ইন্টারনেটের ভিত্তি।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) বিল গেটস - তিনি Microsoft Corporation-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
গ) মার্ক জুকারবার্গ - তিনি Facebook-এর প্রতিষ্ঠাতা (বর্তমানে Meta)।
ঘ) ল্যারি পেইজ - তিনি Google-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: 
১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, বি এড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। CERN Official Website. 

১,৭৮৭.
DNS সার্ভার কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্কের স্পিড দেখা
  2. ইন্টারনেট ট্রাফিক লুকানো
  3. ইন্টারনেটে ফাইল রাখা
  4. ডোমেইন নাম আইপিতে রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

• DNS (Domain Name System) সার্ভারের মূল কাজ হলো ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা। 

DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 

১,৭৮৮.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায়, ১-এর পূরক মান কত?
  1. -১
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অ্যালজেবরায়, ১-এর পূরক মান ০।

বুলিয়ান অ্যালজেবরায়, দুইটি মান থাকে — ০ এবং ১।
কোনো মানের "পূরক" মানে হলো উল্টো মান।
পূরককে সাধারণত ¯ চিহ্ন (বার) বা ' (প্রাইম) চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ:
১-এর পূরক = ০
০-এর পূরক = ১

যদি A একটি মান হয়, তাহলে:
যদি A = ১ হয় → তাহলে A' = ০
যদি A = ০ হয় → তাহলে A' = ১

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৮৯.
ন্যানো টেকনোলজি কী?
  1. পরমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অত্যন্ত বড় ডিভাইস তৈরি করার বিজ্ঞান
  2. পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার বিজ্ঞান
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি
  4. মহাকাশ প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ লাওরিয়েট রিচার্ড ফাইনম্যান (laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৭৯০.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম
  2. সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম
  3. সিস্টেম অপ্টিমাইজিং প্রােগ্রাম
  4. সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি
রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটার সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া। কয়েকটি প্রোগ্রামকে সাধারণকরণের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, central processor, communications links peripheral devices-এর সুষ্ঠ ব্যবস্থা সিস্টেম সফটওয়্যার নিশ্চিত করে।
- Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ। 
Operating system, Compiler, Utilities - এই তিনটিই সিস্টেম সফটওয়্যার।
 
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।

সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম নিম্মলিখিত ইউনিটগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
২) ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট (Database Management) সিস্টেম ও
৩) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট (Network Management) প্রােগ্রাম।

সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রােগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রােগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে। সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম নিম্নলিখিত প্রােগ্রামগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
২) সিস্টেম পারফরমেন্স (Performance) মনিটর প্রােগ্রাম ও
৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম।

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
   - অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস

উৎস: নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)।
১,৭৯১.
ইন্টারনেট বলা হয় কোনটিকে?
  1. LAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য আদান- প্রদানের জন্যে এই ধরনের নেটওয়ার্ক বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৯২.
যখন কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম চিত্র বা ভিজ্যুয়াল প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করে, তখন এটি কী বলা হয়?
  1. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারফেস
  2. গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস
  3. ব্লক ইউজার ইন্টারফেস
  4. কমান্ড-লাইন ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
• যখন কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম চিত্র বা ভিজ্যুয়াল প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সঙ্গে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করে, তখন একে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) বলা হয়। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য কম্পিউটারের সঙ্গে কাজ করাকে সহজ ও বোধগম্য করে তোলে। GUI-তে মাউস বা টাচ ব্যবহার করে আইকন, বোতাম, মেনু ও উইন্ডো ইত্যাদি ব্যবহার করে কমান্ড দেওয়া যায়, যা ব্যবহারকারীদের কমান্ড টাইপ না করেই বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
- GUI প্রযুক্তির মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা ও গতি বাড়ে এবং এটি ব্যবহারকারী বান্ধব পরিবেশ তৈরি করে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।


• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।

৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৯৩.
(175)10 ডেসিমাল সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কত? 
  1. 321
  2. 257
  3. 247
  4. 367
ব্যাখ্যা

◉ (175)10 = (257)8

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।

175 ÷ 8 = 21 ভাগশেষ 7
21 ÷ 8 = 2 ভাগশেষ 5
2 ÷ 8 = 0 ভাগশেষ 2

এখন ভাগশেষগুলো উল্টোদিক থেকে লিখলে পাওয়া যায় → 257

১,৭৯৪.
সুপার কম্পিউটারের গতি নির্ণয়ে ব্যবহৃত FLOPS শব্দটির সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Floating Point Operations Per Second
  2. Fixed Point Operations Per Second
  3. Fast Logical Operations Per Second
  4. Floating Line Operations Per Second
ব্যাখ্যা

• FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

১,৭৯৫.
ডেসিমেল সংখ্যা .46 এর সমতুল্য বাইনারি মান কোনটি?
  1. 0.101010......
  2. 0.01110......
  3. 0.00010......
  4. 0.110011......
ব্যাখ্যা
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে দশমিক হতে বাইনারিতে রূপান্তর:
দশমিক ভগ্নাংশকে ২ দ্বারা গুণ করতে হয় এবং গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষিত রেখে ভগ্নাংশকে পুনরায় ২ দ্বারা গুণ করতে হয়, এরপর পূর্ণ অঙ্ক হিসেবে প্রাপ্ত অঙ্কগুলো প্রাপ্তির ক্রমানুসারে পাশাপাশি লিখে দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৭৯৬.
In the PEAS framework for AI agents what does the 'A' stand for?
  1. Algorithm
  2. Architecture
  3. Actuator
  4. Action
ব্যাখ্যা

PEAS:
- PEAS হলো একটি ফ্রেমওয়ার্ক বা কাঠামো যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি 'ইন্টেলিজেন্ট এজেন্ট'-এর গঠন নির্দিষ্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি পরিবেশের সাথে এজেন্টের মিথস্ক্রিয়াকে চারটি মূল উপাদানে বিভক্ত করে:
 
পারফরম্যান্স মেজার (Performance Measure): এজেন্টের কাজের সাফল্য নির্ধারণকারী মানদণ্ড।
এনভায়রনমেন্ট বা পরিবেশ (Environment): যে পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা প্রেক্ষাপটে এজেন্টটি কাজ করে।
অ্যাকচুয়েটরস (Actuators): সেই সব যান্ত্রিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে এজেন্ট পরিবেশের ওপর কাজ বা প্রতিক্রিয়া করে।
সেন্সর (Sensors): যে মাধ্যম বা যন্ত্রগুলোর সাহায্যে এজেন্ট তার চারপাশের পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ বা অনুভব করে।
 
এই উপাদানগুলো সংজ্ঞায়িত করার মাধ্যমে, PEAS বুদ্ধিমান সিস্টেম ডিজাইন এবং মূল্যায়নের জন্য একটি পরিষ্কার রূপরেখা প্রদান করে, যা সিস্টেমটিকে তার নির্ধারিত কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম করে তোলে।

উৎস: geeksforgeeks

১,৭৯৭.
নিচের কোনটি ‘Phishing Attack’-এর সঠিক উদাহরণ?
  1. ভুয়া ই-মেইল বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা
  2. ভুয়া পরিচয়ে অন্যের কম্পিউটারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া
  3. নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের সময় তথ্য হাতিয়ে নেওয়া
  4. ব্যবহারকারীকে আসল ওয়েবসাইটের পরিবর্তে ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো
ব্যাখ্যা
◉ ফিশিং (Phishing) হলো একটি সাইবার প্রতারণার কৌশল, যেখানে প্রতারকরা (Hackers) বিভিন্ন মাধ্যমে ভুয়া ইমেইল, মেসেজ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে।

ফিশিং (Phishing): 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি যেমন- নাম, পাসওয়ার্ড, ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে বলা হয় ফিশিং।
- সাধারণত ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ফিশিং করা হয়ে থাকে। এ পদ্ধতিতে ফিশার হ্যাকাররা ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত ব্যবহারকারীর কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের জন্য চায়।
- যদি কেউ এ ফাঁদে পা দেয় তাহলে ফিশার হ্যাকাররা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে বিভিন্ন ধরনের বিপদে ফেলে দেয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) স্পুফিং (Spoofing): স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে।

গ) স্নিফিং (Sniffing): প্লিফিং হলো কমিউনিকেশন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে ক্যাপচার বা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পদ্ধতি।

ঘ) ফার্মিং (Pharming): ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।

সূত্র: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৭৯৮.
IPv4-এর তুলনায় IPv6 ঠিকানায় কতটি বিট ব্যবহার করা হয়?
  1. IPv6, IPv4-এর চেয়ে কম বিট ব্যবহার করে
  2. IPv6 এবং IPv4 একই সংখ্যক বিট ব্যবহার করে
  3. IPv6, IPv4-এর চেয়ে ২ গুণ বেশি বিট ব্যবহার করে
  4. IPv6, IPv4-এর চেয়ে ৪ গুণ বেশি বিট ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
• IPv4 এবং IPv6 হল ইন্টারনেট প্রোটোকলের দুটি সংস্করণ, যা ডিভাইসের জন্য ইউনিক অ্যাড্রেস নির্ধারণ করে। IPv4 ঠিকানায় ৩২ বিট ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক ঠিকানা তৈরি সম্ভব। অন্যদিকে, IPv6 ঠিকানায় ১২৮ বিট ব্যবহৃত হয়, যা অনেক বেশি সংখ্যক ইউনিক ঠিকানা তৈরি করতে সক্ষম। এটি IPv4-এর চেয়ে ৪ গুণ বেশি বিট ব্যবহার করে। IPv6-এর এই দীর্ঘ ঠিকানা স্পেস ভবিষ্যতের ইন্টারনেট ডিভাইস বৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত। অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ঘ) IPv6, IPv4-এর চেয়ে ৪ গুণ বেশি বিট ব্যবহার করে।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.

• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
1. IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

2. IPv6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৭৯৯.
কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে গ্রাফিক্সের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করা হয়?
  1. টেক্সট-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  2. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  3. নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম
  4. এমবেডেড অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণসমূহ: Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
- বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
- মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
- নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
- নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
- এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
- মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০০.
Which of the following is not a part of microprocessor?
  1. ক) Arithmetic Logic Unit
  2. খ) Register Set
  3. গ) Memory Unit
  4. ঘ) Control Unit
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)


উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।