বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১৭ / ১৩১ · ১,৬০১১,৭০০ / ১৩,০৮৮

১,৬০১.
অ্যানালগ কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস কোনটি?
  1. কীবোর্ড
  2. পটেনশিওমিটার
  3. মাউস
  4. হার্ড ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস হলো পটেনশিওমিটার (খ)। অ্যানালগ কম্পিউটার মূলত অবিচ্ছিন্ন (continuous) তথ্য নিয়ে কাজ করে, যেমন ভোল্টেজ, তাপমাত্রা বা গতি। এই ধরনের ইনপুট সরবরাহ করতে পটেনশিওমিটার খুবই কার্যকর, কারণ এটি ঘূর্ণনের মাধ্যমে ভোল্টেজ পরিবর্তন করে, যা অ্যানালগ সিগনাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কীবোর্ড, মাউস বা হার্ড ড্রাইভ ডিজিটাল কম্পিউটারে বেশি ব্যবহৃত হয় এবং তারা বিযুক্ত (discrete) তথ্য দেয়, যা অ্যানালগ কম্পিউটারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই ইনপুট ডিভাইস হিসেবে অ্যানালগ কম্পিউটারে পটেনশিওমিটারই সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এছাড়া গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০২.
নিচের কোনটি FDMA এবং TDMA এর সম্মিলিত চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি?
  1. GSM
  2. UPTS
  3. GPS
  4. HSPA
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (GSM-Global System for Mobile communication):
- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক ও এয়ারটেল জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- FDMA এর সর্বমোট চ্যানেল সংখ্যা হচ্ছে ১২৪ এবং প্রতিটি চ্যানেল হচ্ছে ২০০ KHz।
- ৯৩৫-৯৬০ MHz আপলিংক (Uplink) এবং ৯৩৫-৯৬০ MHz ডাউনলিংক (Downlink) উভয়ের জন্যই ২৫ MHz বরাদ্দ থাকে।
- দ্বৈত পৃথকীকরণ (Duplex separation) হচ্ছে ৪৫ MHz।
- যদি ২০০ KHz চ্যানেলের মধ্যে TDMA ব্যবহৃত হয় তবে একটি ফ্রেমে (Frame) পরিণত হতে ৮ টাইম স্লট (Time Slot) দরকার।
- ফ্রেম সময়কাল হচ্ছে ৪.৬১৫ মিলিসেকেন্ড।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬০৩.
Which type of operation can be performed on RAM?
  1. Read only
  2. Write only
  3. Both read and write
  4. Neither read nor write
ব্যাখ্যা

• RAM–এ Read এবং Write—উভয় ধরনের কাজ করা যায়।

• RAM:
- RAM (Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র।
- ব্যবহারকারী যখন কোনো সফটওয়্যার চালায়, সেই প্রোগ্রামটি RAM–এ লোড হয়।

• RAM–এর Read ও Write ক্ষমতা:
- RAM–এ ডেটা পড়া (Read) এবং লেখা (Write)—দুটিই করা সম্ভব।
- CPU সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং সেই ডেটার উপর প্রসেসিং করে।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন নতুন ডেটা RAM–এ লেখা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন হয়।

• কার্যক্ষমতায় RAM–এর ভূমিকা:
- RAM যত বেশি হবে, একসাথে তত বেশি প্রোগ্রাম দ্রুত চালানো সম্ভব হয়।
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের কারণে RAM হার্ড ডিস্কের তুলনায় প্রায় ১০–১০০ গুণ দ্রুত।

• অন্যান্য অপশন:
- Read only মেমোরিতে শুধু ডেটা পড়া যায়, লেখা যায় না, যেমন ROM।
- Write only ধরনের মেমোরি বাস্তবে সাধারণ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় না।
- Neither read nor write কোনো কার্যকর মেমোরির বৈশিষ্ট্য নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬০৪.
Apache এক ধরনের-
  1. Web Browser
  2. Web Server
  3. Protocol
  4. DBMS
ব্যাখ্যা
Apache এক ধরনের Web Server.
• Apache HTTP সার্ভার প্রজেক্ট হল UNIX এবং Windows সহ আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলির জন্য একটি ওপেন-সোর্স HTTP সার্ভার, যা ডেভলোপ ও মেইনটেইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল একটি নিরাপদ ও দক্ষ সার্ভার প্রদান করা।
- Apache HTTP সার্ভার ১৯৯৫ সালে চালু হয়েছিল এবং এটি এপ্রিল ১৯৯৬ সাল থেকে ইন্টারনেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব সার্ভার।

উৎস: Apache Website.
১,৬০৫.
প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার কোনটি?
  1. ইলেকট্রোস্ট্র্যাটিক প্রিন্টার
  2. থার্মাল প্রিন্টার
  3. ইংকজেট প্রিন্টার
  4. লেজার প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন:
১. লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২. ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩. থার্মাল প্রিন্টার (Thirmal Printer),
৪. স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।

• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- যদিও নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে সবচেয়ে দামি প্রিন্টার। কিন্তু এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুততিতে ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৬.
কোনটি কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতিশক্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) BIOS
  4. ঘ) Hard Disc
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
• এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
• কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
• বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
• এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৬০৭.
WiMAX is based on which IEEE standard?
  1. 802.15
  2. 802.11
  3. 802.16
  4. 802.20
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 802.16

WiMAX
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- এটি একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০–৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান করে।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ - ১০০০ Mbps।
- এর ব্যান্ডউইথ ৩০ - ৭৫ Mbps।
- এর কভারেজ এরিয়া ১০ - ৫০ কিলোমিটার।
- WiMAX-এর প্রধান অংশ দুটি, যথা – বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

অন্যান্য IEEE স্ট্যান্ডার্ড
- 802.15 - ব্লুটুথ এবং Personal Area Network (PAN) প্রযুক্তির জন্য।
- 802.11 - Wi Fi এর জন্য ব্যবহৃত।
- 802.20 - Mobile Broadband Wireless Access (MBWA) এর জন্য।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, 
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 

১,৬০৮.
একটি এমবেডেড সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. উচ্চ প্রসেসিং ক্ষমতা
  2. রিয়েল-টাইম প্রতিক্রিয়া
  3. বৃহৎ স্টোরেজ ক্ষমতা
  4. ইউজার ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা

◉ Embedded System হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কম্পিউটার সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ দক্ষতার সাথে সম্পাদন করে। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো Real-time Response (তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া) – অর্থাৎ ইনপুট বা ঘটনার সাথে সাথে দ্রুত সঠিক আউটপুট দেওয়া। যেমন: গাড়ির ব্রেক কন্ট্রোল সিস্টেম, পেসমেকার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর Real-time Response বা রিয়েল-টাইম প্রতিক্রিয়া, যেখানে এটি দ্রুত ইনপুট গ্রহণ করে এবং সময়মতো সঠিক আউটপুট প্রদান করে।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

অন্যান্য অপশনসমূহ,
উচ্চ প্রসেসিং ক্ষমতা (High Processing Power): সব এমবেডেড সিস্টেমে প্রয়োজন হয় না, অনেক ছোট ডিভাইস খুব কম প্রসেসিং পাওয়ারেই চলে।
বৃহৎ স্টোরেজ (Large Storage): সাধারণত এদের বিশাল স্টোরেজ দরকার হয় না।
ব্যবহারকারী ইন্টারফেস (User Interface): সব এমবেডেড সিস্টেমে UI থাকে না, যেমন: মাইক্রোওভেন কন্ট্রোলার বা সেন্সর ডিভাইস।

উৎস: 
১। Indian Institute of Embedded Systems. 
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 

১,৬০৯.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়?
  1. GPRS
  2. EDGE
  3. WAP
  4. All above
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ইন্টারনেট:
- GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব।

• মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
- সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- কভারেজের আওতাভুক্ত যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়।
- যেকোনো স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
- দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।
- বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়।
- থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়।
- স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১০.
The time taken by the computer to retrieve any data from memory is -
  1. ক) 1 terasecond
  2. খ) 1 picosecond
  3. গ) 1 nanosecond
  4. ঘ) 1 microsecond
ব্যাখ্যা
স্মৃতি বা মেমরি (Memory)
- কম্পিউটারের স্মৃতি অতি বিশাল, কোটি কোটি ডেটা ও নির্দেশ তাতে জমা রাখা যায়। 

- কম্পিউটারের সঞ্চয় ক্ষমতাকে ব্যবহার করে অতি সহজে একই ধরনের কাজ বিভিন্ন সময় দ্রুতগতিতে করা সম্ভব। 
- এর মেমরি অনেক ডেটা অনেক দিন পর্যন্ত অপরিবর্তনীয়ভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে পারে। 
- প্রয়োজনের সময় যে কোন ডেটা বা নির্দেশ কম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ও নির্ভুলভাবে স্মরণ করতে পারে। 
- মেমরি থেকে কোন ডেটা খুঁজে বের করতে কম্পিউটারের সময় লাগে ১ ন্যানো সেকেন্ড ।

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, বিএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৬১১.
কোনটির সাহায্যে hierarchy ম্যানু ব্যবহার করে তথ্য বের করা যায়?
  1. ক) টেলনেট
  2. খ) এফ টি পি
  3. গ) গোফার
  4. ঘ) অরচি
ব্যাখ্যা
গোফার - Hierarchy(হায়ারারাকি) ম্যানু ব্যবহার করে তথ্য বের করা ।
টেলনেট - এক কম্পিউটারের সাথে লগ অন (Log on) করে আরেক কম্পিউটারের কাজ করা। 
এফ টি পি - এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো
অরচি - ডাউনলোডের জন্য বর্তমান ডকুমেন্ট, সফটওয়্যার এবং ডাটা ফাইলের ডাটাবেস খুঁজে বের করা।

 
- মিনিসোটা ইউনিভার্সিটির Paud Lindner এবং Mark P. Me. Cahill গোফার তৈরি করেন । 
- গোফার সমস্ত ডাটাকে ম্যানু, ডকুমেন্ট, ইনডেক্স অথবা টেলিনেট সংযোগ হিসেবে বিবেচনা করে।
- টেলিনেটের মাধ্যমে এক গোফার সাইট অন্য সাইটে প্রবেশ করতে পারে এবং সত্যিকার ইন্টারনেট ওয়ার্কিং এ্যাপ্লিকেশন (internet working application) হিসেবে একক (single) ইন্টারফেস-এর মাধ্যমে একাধিক সাইট হতে ব্যবহারকারীর কাছে ডাটা সরবরাহের ক্ষেত্রে গোফারের সামর্থ্য রয়েছে।
 
উৎস : ব্যবসায়ে চালিকা শক্তি, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
 
 
১,৬১২.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) MSExcel
  2. খ) Apple Calc
  3. গ) Google Sheets
  4. ঘ) All of them are Spreadsheet software
ব্যাখ্যা
Apple's Spreadsheet Software is called 'Apple Numbers'. On the other hand, OpenOffice Calc is the Spreadsheet software from Oracle Corporation.
১,৬১৩.
DPI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Digit Per Inch
  2. Dots Per Inch
  3. Data Per Inch Unit
  4. Dots per printed unit
ব্যাখ্যা
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফল কাগজে ছাপানো যায় তাকে প্রিন্টার বলা হয়। অন্যান্য আউটপুট ডিভাইসের তুলনায় প্রিন্টার একটি ধীরগতি আউটপুট ব্যবস্থা।
- প্রিন্টারের আউটপুটের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপক একক ডিপিআই (DPI)।
- DPI এর পূর্ণরূপ হলো- Dots Per Inch.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬১৪.
কোন সংস্থা বিশ্বের সমস্ত আইপি অ্যাড্রেস এবং ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ICANN
  2. Google
  3. WWW
  4. IBM
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের সমস্ত আইপি অ্যাড্রেস এবং ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব একটি নির্দিষ্ট সংস্থার। এটি হল ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)। ICANN একটি আন্তর্জাতিক অ-লাভজনক সংস্থা, যা ইন্টারনেটের ডোমেইন নাম সিস্টেম (DNS) এবং আইপি অ্যাড্রেস বরাদ্দ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নিশ্চিত করে যে প্রতিটি ডোমেইন নাম ইউনিক হয় এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সঠিক ওয়েবসাইটে যেতে পারে। Google, WWW বা IBM এই ধরনের নিয়ন্ত্রণ করে না। Google মূলত সার্চ ইঞ্জিন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, WWW (World Wide Web) একটি ওয়েব প্রযুক্তি, আর IBM একটি প্রযুক্তি কোম্পানি। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ICANN.
 
• ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬১৫.
নিম্নের কোনটি ক্লাউড সার্ভিস মডেলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়?
  1. Infrastructure as a Service (IaaS)
  2. Platform as a Service (PaaS)
  3. Software as a Service (SaaS)
  4. Website as a Service (WaaS)
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড সার্ভিস মডেল মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত: IaaS, PaaS, এবং SaaS. Infrastructure as a Service (IaaS) ব্যবহারকারীর জন্য ভার্চুয়ালাইজড হার্ডওয়্যার সরবরাহ করে, যেমন সার্ভার ও স্টোরেজ। Platform as a Service (PaaS) ডেভেলপারদের জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। Software as a Service (SaaS) ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন ব্রাউজারের মাধ্যমে ব্যবহার করার সুবিধা দেয়। তবে, Website as a Service (WaaS) কোনো স্বীকৃত ক্লাউড সার্ভিস মডেল নয়; এটি মূলত একটি বিপণনধর্মী টার্ম যা ওয়েবসাইট হোস্টিং বা ডিজাইন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত।
- তাই ক্লাউড সার্ভিস মডেলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় ঘ) WaaS.

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬১৬.
এমএস ওয়ার্ড কি ধরনের সফটওয়্যার?
  1. Application Software
  2. System Software
  3. Database Software
  4. OS
ব্যাখ্যা
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন‍্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। 
উদাহারণ: Ms Word, Ms Excel, Oracle, Foxpro, Informix, Adobe Photoshop ইত্যাদি। 

সিস্টেম সফটওয়্যার: 
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি
রাখে। 
- আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে। 
উদাহরণ: Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১৭.
"www.example.gov.bd" - এখানে থার্ড লেভেল ডোমেইন কোনটি?
  1. .example
  2. .gov
  3. .bd
  4. www
ব্যাখ্যা
• ডোমেইন নেইম:
- আইপি অ্যাড্রেস সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য ইংরেজি অক্ষরের কোনো নাম ব্যবহার করা হয়। ক্যারেক্টার ফর্মের দেয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলা হয়।
- যেমন: আইপি অ্যাড্রেস 173.248.140.183 এর পরিবর্তে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট নেম www.rafkhata.com ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয়।
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS-Domain Naming System).
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।
- প্রতিটি ডোমেইনের ৪টি অংশ থাকে। যথা-
১. ওয়েব প্রোটোকল,
২. ওয়েব সার্ভারের নাম,
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি নাম এবং
৪. html ফাইল নাম।

- একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের অংশ যে কয়টি থাকতে পারে সেভাবে লেভেল হবে। যেমন- টপ লেভেল, সেকেন্ড লেভেল, থার্ড লেভেল ইত্যাদি।
- www.example.gov.bd এখানে টপ লেভেল ডোমেইন .bd-এর আওতায় সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন হচ্ছে .gov এবং.gov.bd-এর আওতায় থার্ড লেভেল ডোমেইন হলো example.

উৎস:
১. ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১৮.
ভিবিএস/হেল্পার কী?
  1. একটি কম্পিউটার ভাইরাস
  2. একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  3. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  4. একটি প্রোগ্রামিং ভাষা
ব্যাখ্যা

◉ ভিবিএস/হেল্পার (VBS/Helper) হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস, যা ভিজ্যুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট (VBS) ফাইল ব্যবহার করে তৈরি হয়। এটি সাধারণত ক্ষতিকর কোড হিসেবে কাজ করে এবং সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।

ভিবিএস/হেল্পার: 
- এই ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে।
- এই ভাইরাসের মধ্যে আছে অটোক্লোজ নামে একটি ম্যাক্রো। ইনফেক্টেড ডকুমেন্টে অটোম্যাক্রো ব্যবহার করে ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে ইউজারা ম্যাক্রো কোড ভিউ বা এডিট করতে পারে না।

Computer Virus: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।

কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৬১৯.
মাইক্রোপ্রসেসর কোন উপাদান দ্বারা তৈরি করা হয়?
  1. ক) কার্বন
  2. খ) ইউরেনিয়াম
  3. গ) সিলিকন
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর হল সিলিকনের তৈরি একধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Large Scale Integration) চিপ। 

- এটি মাইক্রোকম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ।
- মাইক্রোপ্রসেসর একক চিপ বা আইসি আকারে মাইক্রোকম্পিউটারের ভেতরে সন্নিবিষ্ট থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ সমাধান করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রকৃতি ও ক্ষমতার উপর নির্ভর করে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যক্ষমতা। 
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা, ব্রেইন বলা হয়। 

মাইক্রোপ্রসেসরের কাজসমূহ- 
- কম্পিউটারের সকল অংশের নিয়ন্ত্রণ ও সময় নির্ধারণ সংকেত প্রদান করে থাকে।
- এটি মেমোরি থেকে ডাটা ও নির্দেশ নিয়ে থাকে।
- মেমোরি ও ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- এটি নির্দেশ ডিকোড করে থাকে।
- এটি গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ করে থাকে।

সূত্র- ৯১ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২০.
সোর্স কোডকে অনুবাদ করার পর যে প্রোগ্রাম হয় তাকে কী বলে?
  1. মেশিন কোড
  2. অবজেক্ট কোড
  3. প্রসেসড কোড
  4. মেইন কোড
ব্যাখ্যা
• আনুবাদক প্রোগ্রাম:
- অনুবাদক প্রোগ্রামের কাজ হলো উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা।

তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১) কম্পাইলার: সম্পূর্ন প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।
২) ইন্টারপ্রেটার: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায় ৷ ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুর হয়।
৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।

• উৎস প্রোগ্রাম (Source Code):
- হিউম্যান লেঙ্গুয়েজে রচিত প্রোগ্রামকে সাধারনত উৎস প্রোগ্রাম বলা হয় ৷
- কম্পিউটার এইসব উৎস প্রোগ্রাম বুঝে না ৷

• বস্তু প্রোগ্রাম (Object Code):
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদক প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটার এর গ্রহন উপযোগী প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়।এই প্রোগ্রামকেই বস্তু প্রোগ্রাম বলা হয় ৷
- বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তরিত না করলে কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেয়া যায় না ৷
- কম্পিউটার শুধুই বস্তু প্রোগ্রাম বুঝে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬২১.
হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে বাস্তবসম ত্রিমাত্রিক পরিবেশ উপস্থাপনকে কী বলা হয়?
  1. কম্পিউটার গ্রাফিক্স
  2. সিমুলেশন
  3. ডাটা নেটওয়ার্ক
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি — হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে বাস্তবসম ত্রিমাত্রিক পরিবেশের কৃত্রিম রূপায়ণই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা, পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, তবে ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তবের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে জটিল বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজও নিরাপদভাবে সম্পাদন করা সম্ভব।

• ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের উপকরণ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display-HMD)।
- ডাটা গ্লোভ (Data Glove)।
- বডি স্যুট (Body Suit)।
- এসব যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রবেশ করে এবং বাস্তবসম অভিজ্ঞতা লাভ করে।
- এ প্রক্রিয়ায় কোনো শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদের সম্ভাবনা থাকে না।

• প্রাত্যহিক জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগক্ষেত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে।

• চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রয়োগ:
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রশিক্ষণ ও ঝুঁকি হ্রাসে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।
- উন্নত বিশ্বে ডাক্তারদের আধুনিক প্রশিক্ষণে এটি কার্যকর।
- শিক্ষানবীশ সার্জনরা মেডিক্যাল ট্রেনিং টুল হিসেবে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে।
- ভার্চুয়াল অপারেটিং কক্ষে অপারেশন পরিচালনার মতো বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়।
- কৌশলগত দক্ষতা, অপারেশন পদ্ধতি, রোগ-সম্পর্কিত তাত্ত্বিক বিষয় অনুশীলন সম্ভব।
- চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন করা যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- কম্পিউটার গ্রাফিক্স → কম্পিউটারের মাধ্যমে চিত্র বা ভিজ্যুয়াল উপস্থাপন প্রযুক্তি।
- সিমুলেশন → বাস্তব প্রক্রিয়া বা পরিবেশের অনুকরণভিত্তিক মডেল।
- ডাটা নেটওয়ার্ক → কম্পিউটারসমূহের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬২২.
LinkedIn-এর কর্পোরেট মালিকানা কোন সংস্থার?
  1. IBM
  2. Google
  3. Microsoft Corporation
  4. Meta
ব্যাখ্যা

• LinkedIn হলো একটি পেশাদার নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম, যা মূলত কর্মজীবী মানুষদের সংযোগ এবং পেশাগত সুযোগ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এটি শুরু হয়েছিল স্বাধীনভাবে, তবে বর্তমানে এটি Microsoft Corporation-এর মালিকানাধীন। Microsoft 2016 সালে LinkedIn ক্রয় করে, এবং তখন থেকে এটি Microsoft-এর অংশ হিসেবে কাজ করছে। LinkedIn ব্যবহারকারীরা চাকরির সন্ধান, পেশাগত যোগাযোগ, দক্ষতা প্রদর্শন এবং ব্যবসায়িক সুযোগ অনুসন্ধানের জন্য এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। Microsoft-এর মালিকানায় LinkedIn-এর প্রযুক্তি ও সার্ভিস উন্নত হয়েছে এবং এটি Microsoft-এর বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও ক্লাউড সেবা যেমন Office 365 ও Azure-এর সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে আরও কার্যকরী হয়েছে।

- সঠিক উত্তর: গ) Microsoft Corporation.
 
Linkedin:
- LinkedIn ফেসবুক বা টুইটারের মতই একটা social networking site যা চাকুরীজীবী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষায়িত ভাবে তৈরিকৃত।
- সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটটি পেশাজীবীরা বেশি ব্যবহার করে থাকে। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০২ সালে এবং ২০০৩ সালে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - রেইড হফম্যান (Reid Hoffman)।
- সদর দপ্তর - ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্ট ভিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০০৫ সালে কোম্পানিগুলোকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।
- মূল সংস্থা: Microsoft Corporation.

উৎস: Britanica.

১,৬২৩.
ব্রাউজিং সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Safari
  2. Brave
  3. Oracle
  4. Maxthon
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 

কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো - 
- Google Chrome, 
- Mozilla Firefox, 
- Safari, 
- Opera, 
- Microsoft Edge, 
- Maxthon, 
- Brave, 
- UC Browser. 

উল্লেখ্য, Orcale হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬২৪.
গুগল অ্যাডসেন্স কী ধরণের সেবা দিয়ে থাকে?
  1. ক) সোশাল নেটওয়ার্কিং
  2. খ) বিজ্ঞাপন সেবা
  3. গ) ক্লাউড সেবা
  4. ঘ) সফটওয়্যার নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense)
- গুগল অ্যাডসেন্স হচ্ছে ওয়েব পাবলিশারগণের জন্য একটি দ্রুত ও সহজ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে তারা যেকোনো সাইজের বিজ্ঞাপন তাদের কনটেন্ট পেইজসমূহে প্রদর্শন করতে পারেন এবং এর বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
- প্রতিটি ক্লিক বা নির্দিষ্টসংখ্যক ইউজার কর্তৃক ঐ অ্যাডগুলো নির্দিষ্টসংখ্যক বার প্রদর্শিত হওয়ার বিনিময়ে গুগল উক্ত ওয়েব পাবলিশারকে অর্থ প্রদান করে; যার পরিমাণ কয়েক সেন্ট হতে কয়েক ডলার পর্যন্ত হতে পারে ।
- ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনে বর্তমানে সবচেয়ে বেশ জনপ্রিয় এবং কার্যকর প্রক্রিয়া হলো 'গুগল অ্যাডসেন্স'।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মাহবুবুর রহমান
১,৬২৫.
কোন সফটওয়্যারটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Brave
  2. Safari 
  3. Mozilla Firefox
  4. Microsoft Access
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো Microsoft Access। এটি একটি জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ডেটা সংরক্ষণ, সংগঠিত করা, অনুসন্ধান এবং বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। Microsoft Access গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস এবং সহজ টুলসের মাধ্যমে টেবিল, কোয়েরি, ফর্ম ও রিপোর্ট তৈরি করতে সাহায্য করে, ফলে ব্যবহারকারীরা প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়াই ডাটাবেজ পরিচালনা করতে পারে। অন্যদিকে Brave, Safari এবং Mozilla Firefox ব্রাউজার, যা শুধুমাত্র ওয়েব ব্রাউজিংয়ের কাজ করে এবং ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টে ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো Microsoft Access.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Safari, Brave এবং Mozilla Firefox হলো ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬২৬.
XOR গেইটে আউটপুট 1 হবে, যখন ইনপুট-
  1. A = 1, B = 0
  2. A = 0, B = 0
  3. A = 1, B = 1
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রেই
ব্যাখ্যা
• এক্স অর গেইট:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২৭.
কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করার জন্য কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Bridge
  2. Router
  3. Hub
  4. NIC
ব্যাখ্যা
• Network Interface Card(NIC):
- NIC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Network Interface Card।
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয়।
- এ কার্ডকে ল্যান কার্ড বা নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টারও বলে।
- ল্যান কার্ড মাদারবোর্ডের বিভিন্ন আকৃতির স্লটের মধ্যে বসানো থাকে।
- অধিকাংশ NIC কম্পিউটারের সাথে বিল্ট-ইন থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬২৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. Norton
  2. Thunder Byte
  3. Macafee
  4. Perrin.exe
ব্যাখ্যা
Virus = Vital Information Resource Under Siege.
কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসঃ
- Trojan Horse,
- Perrin.exe,
- BUDDY LST.ZIP,
- Boot Sector virus,
- Macro virus,
- Overwriting virus etc.

কয়েকটি এন্টি ভাইরাস:
- Macafee Antivirus,
- Norton Antivirus,
- IBM antivirus,
- Thunder Byte antivirus,
- Red alert antivirus etc.

সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
১,৬২৯.
চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে _________ বলে।
  1. অ্যাকসেস টাইম
  2. সিক টাইম
  3. ল্যাটেন্সি টাইম
  4. অপারেশনাল টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১,৬৩০.
ক্রায়োজনিক নয় কোনটি?
  1. তরল নাইট্রোজেন
  2. তরল সোডিয়াম ক্লোরাইড
  3. তরল আর্গন গ্যাস
  4. ইথাইল ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
- ক্রায়োসার্জারি হলো এক ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি যাতে অত্যধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে শরীরের অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে রোগাক্রান্ত অংশ হিমায়িত করার জন্য কিছু রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ক্রায়োজনিক এজেন্ট বলে।
- কিছু ক্রায়োজনিক এজেন্ট নিচে উল্লেখ করা হলো:
• তরল নাইট্রোজেন
• তরল আর্গন গ্যাস
• তরল নাইট্রাস অক্সাইড
• ইথাইল ক্লোরাইড
• ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন
• তরল কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস
• ডাই মিথাইল ইথাইল প্রোপ্রেন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৩১.
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলতে বোঝানো হয়-
  1. ক) স্মৃতি অংশ
  2. খ) কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ
  3. গ) কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট যান্ত্রিক সরঞ্জাম
  4. ঘ) শক্ত ধাতব অংশ
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেকানিক্যাল ডিভাইসকে হার্ডওয়্যার বলা হয়।
হার্ডওয়্যারের নিজস্ব শারীরিক গঠন বা কাঠামো রয়েছে এবং যা দেখা যায় ও স্পর্শ করলে এর অবস্থান স্পষ্টত অনুভব করা যায়।
কম্পিউটারের শারীরিক কাঠামো গঠিত হয় বিভিন্ন ধরণের হার্ডওয়্যার দিয়ে।
হার্ডওয়্যার সমূহকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ইনপুট ডিভাইস, আউটপুট ডিভাইস ও প্রেসেসিং ডিভাইস।

১,৬৩২.
WWW stands for
  1. ক) World Whole Web
  2. খ) World Wide Web
  3. গ) Web World Wide
  4. ঘ) Wide World Web
ব্যাখ্যা
WWW এর পূর্ণরুপ হচ্ছে- World Wide Web বা W3 নামেও পরিচিত
এটি হচ্ছে পাবলিক ওয়েবসাইট যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের স্থানীয় কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসে অ্যাক্সেস করতে পারে।
এই সাইটটিতে হাইপারলিঙ্কগুলির মাধ্যমে আন্তঃসংযুক্ত যা ব্যবহারকারীরা তথ্যের জন্য ক্লিক করে৷

তথ্যসূত্র: Source: Britannica
১,৬৩৩.
কোনটি হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ইসিজি মেশিন
  2. পার্সোনাল কম্পিউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ECG মেশিন হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ, কারণ এটি হার্টের ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যাল (অ্যানালগ ডেটা) সংগ্রহ করে এবং তা ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে বিশ্লেষণ করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩৪.
নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ৮ বিট = ১ অক্ষর
  2. ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
  3. ১০২৪ টেরাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
  4. ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট =১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১,৬৩৫.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. NOR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
  2. XOR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
  3. NOT Gate - সার্বজনীন লজিক গেইট
  4. OR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৩৬.
অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয় -
  1. ক) Memory Management
  2. খ) Process Management
  3. গ) Network Management
  4. ঘ) Device Management
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম সাধারনত ৫ ধরনের কাজ করে:
- Memory Management: প্রাইমারি মেমোরিকে নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজে কতটুকু মেমোরি লাগবে, কোন ডাটা মেমোরির কোন জায়গায় আছে তা ম্যানেজ করে। 

- Process Management: কতগুলো কাজ করা হচ্ছে তা নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজটি করা হচ্ছে, তার জন্য কোন কোন অংশকে কাজে লাগাতে হবে তা নির্ণয় করে। 

- Device Management: কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোর কাজকে সমন্ময় করা । কোন আউটপুট কোন ডিভাইসে যাবে তা নির্ধারণ করা।

- File Management: কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করার জন্য কোন ফাইলগুলো ব্যবহার করতে হবে তা নির্ধারণ করা।

- Security: কম্পিউটারে সংরক্ষিত ডাটাগুলোকে সিকিউরিটি দেয়া অপারেটিং সিস্টেমের কাজ। যাতে কোনো ডাটা হাড়িয়ে না যায় বা ভাইরাস এর আক্রমনে ডাটার প্রকৃতি পরিবর্তন না হয় এবং ডাটা যাতে ইউজারের অনুমতির বাহিরে অন্যত্র স্থানান্তরিত না হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১,৬৩৭.
কেন্দ্রীয় ডিভাইস বা সার্ভার ব্যবহার করা হয় কোন টপলোজিতে?
  1. ক) ট্রি টপােলজি
  2. খ) রিং টপােলজি
  3. গ) বাস টপােলজি
  4. ঘ) মেশ টপােলজি
ব্যাখ্যা
ট্রি টপােলজি (Tree Topology):
ট্রি টপােলজিতে কম্পিউটার বা নােডগুলাে পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার ন্যায় বিন্যস্ত ও যুক্ত থাকে। মূলত স্টার টপােলজি সম্প্রসারিত করে ট্রি টপােলজিতে রূপান্তর করা হয়। এতে একাধিক স্তরের কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় হােস্ট কম্পিউটার বা সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকে। এই হােস্ট কম্পিউটারের সাথে বিন্যাস বা হায়ারার্কি (Hierarchy) অনুসারে বিভিন্ন স্তরের ডিভাইস নেটওয়ার্ক হাব বা সুইচের মাধ্যমে যুক্ত থাকে। এজন্য এটিকে হায়ারার্কিক্যাল টপােলজিও বলা হয়।
রিং, বাস, মেশ টপােলজিতে কেন্দ্রীয় কোন ডিভাইস(হোস্ট কম্পিউটার) বা সার্ভারের প্রয়োজন হয় না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
১,৬৩৮.
লাইন বোল্ড করার জন্য কোন ট্যাগ ব্যবহার করা হয়?
  1. < u >
  2. < ul >
  3. < br >
  4. < b >
ব্যাখ্যা
< b >  - লাইন বোল্ড করার জন্য ব্যবহার করা হয় ,
< br > - লাইন ব্রেকের জন্য ব্যবহার করা হয়,
< u > - লেখাকে আন্ডারলাইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়,
< ul >  - কোন তালিকাকে আন অর্ডার লিস্ট আকারে প্রকাশ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৬৩৯.
পৃথিবীর প্রথম ভি-স্যাট তৈরি করেন-
  1. ক) শ্লুমবার্গার
  2. খ) চ্যাড হারলি
  3. গ) স্টিভ চ্যান
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
১৯৮৫ সালে শ্লুমবার্গার তৈল গবেষণা কেন্দ্র এবং হিউস অ্যারোস্পেস একসাথে পৃথিবীর প্রথম ভি-স্যাট তৈরি করেন। বর্তমানে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট সেবায় ভি-স্যাট ব্যবহৃত হচ্ছে।
১,৬৪০.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর ভাষায় কোন বস্তু কিংবা ঘটনার প্রোগ্রামিং সংস্করণকে কি বলে?
  1. ক) Class
  2. খ) Object
  3. গ) Attribute
  4. ঘ) Method
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর ভাষায় কোন বস্তু কিংবা ঘটনার প্রোগ্রামিং সংস্করণ হলো অব্জেক্ট (Object)
- যেমন: একটি ব্যাংক একাউন্টকে একাউন্ট নাম্বার, একাউন্ট টাইপ এবং ব্যালেন্স দ্বারা নির্দিষ্ট করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যাংক হলো একটা অবজেক্ট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪১.
ECRN-এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৯
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৮৯
  4. ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- World Wide Web World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। একে ওয়েবও বলে।
- ওয়েব এমন একটি বৃহৎ সিস্টেম, যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য (টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে পারে। 
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোয়ার, মজিলা ফায়ারফক্স, নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয়েছে ১৯৮৯ সালে ECRN (The European Center for Nuclear Research)-এ।
- ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে MOSAIC নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বহুল প্রচলন শুরু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪২.
নিচের কোনটি সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নয়?
  1. Facebook
  2. Instagram
  3. Twitter
  4. Google
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত অপশন সমূহের মধ্যে Facebook, Instagram ও Twitter (বর্তমানে 'X') সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং Google একটি সার্চ ইঞ্জিন।

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমান CEO: Sundar Pichai (Oct 2, 2015 - present)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

• ইনস্টাগ্রাম:
- ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
- ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন কেভিন সাইস্ট্রম ও মাইক ক্রিঞ্জার।
- এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়।
- ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
- বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ মেটার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

• ফেসবুক:
- বর্তমান CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো- ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি।

• X (Twitter):
- X এর পূর্বনাম টুইটার।
- অক্টোবর, ২০২২ সালে ইলন মাস্ক টুইটার কিনে নেয়।
- জুলাই, ২০২৩ সালে ইলন মাস্ক Twitter এর নাম পরিবর্তন করেন এবং নতুন নাম দেন X.
- X এ সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা পোস্ট করা যায়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২১ মার্চ ২০০৬ এবং চালু হয় ১৫ জুলাই ২০০৬ সালে।
- সদরদপ্তর: San Francisco, California, United States.
- প্রতিষ্ঠাতা: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass.
- বর্তমান CEO: Linda Yaccarino.

উৎস: ব্রিটানিকা এ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৬৪৩.
স্ক্যানার এক ধরনের
  1. ইনপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস
  3. স্মৃতি
  4. মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা

• স্ক্যানার এক ধরনের- ইনপুট ডিভাইস (Input Device)।

পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি। 

২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি। 

৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৪৪.
বেজের উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) তিন ভাগে
  2. খ) চার ভাগে
  3. গ) পাঁচ ভাগে
  4. ঘ) ছয় ভাগে
ব্যাখ্যা
বেজের উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে  ভাগ করা যায়। 

- যে পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করা হয় বা প্রকাশ করা হয়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) বলে।
- এ সকল সংখ্যাকে বিভিন্ন গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় গণনার কাজ করা হয়।

- সংখ্যা পদ্ধতিকে সাধারণত চারভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন–
১. ডেসিমাল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
৪. হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি

সূত্র: ৮৪ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

১,৬৪৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে ফায়ারওয়াল ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি হিসেবে
  2. রিড-রাইট অপারেশনের জন্য
  3. কম্পিউটার এর গতি বৃদ্ধি করতে
  4. সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬৪৬.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে প্রথমবারের মতো মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান শুরু হয়?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. প্রথম প্রজন্ম
  4. তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
১. দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয় ।
২. GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
৩. সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৪. পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৫. SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
৬. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪৭.
কোন ধরনের ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে ডাটাকে প্যাকেট আকারে ট্রান্সমিট করা হয়ে থাকে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স ট্রান্সমিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন -
১। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডাটা প্যাকেট বা ব্লক আকারে ট্রান্সমিট করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
এ পদ্ধতিতে প্রথমে ডাটাকে একটি প্রাইমারী স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করে অনেকগুলো ব্লক বা গ্রুপ করে পাঠানো হয়। প্রেরক হতে গ্রাহকে অনেকগুলো বর্ণ দ্বারা গঠিত ব্লক আকারে ডাটা পাঠানো হয়। সাধারণত একটি ব্লকে ৮০ হতে ১৩২ টি বর্ণ থাকে। দু'টি ব্লকের মাঝখানে সময় বিরতি সমান হয়ে থাকে এবং প্রতিটি ব্লক ডাটার শুরুতে একটি হেডার (Header) ইনফরমেশন এবং শেষে একটি টেইলার (Tailer) ইনফরমেশন পাঠানো হয়।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

১,৬৪৮.
এক লাইন করে অনুবাদ করে -
  1. কম্পাইলার
  2. অ্যাসেম্বলার
  3. ইন্টারপ্রেটার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

ইন্টারপ্রেটার এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে।

• ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার এবং কম্পাইলার উভয়ই উচ্চ-স্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে। তবে, কম্পাইলার প্রথমে পুরো সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং তারপর ফলাফল দেয়। কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। এটি একটি লাইন করে প্রোগ্রাম চালায় এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল দেয়।
- ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করতে এবং সংশোধন করতে কম সময় লাগে।
- তবে, ইন্টারপ্রেটারের অসুবিধা হলো এটি অনুবাদের ক্ষেত্রে ধীরগতির হয়।
- প্রতিবার প্রোগ্রাম চালানোর সময় প্রতিটি স্টেটমেন্ট নতুন করে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়।
- এটি সাধারণত প্রোগ্রামটিকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- উদাহরণ: পাইথন, জাভাস্ক্রিপ্ট।

সূত্র:
১। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১,৬৪৯.
মাউসের আবিষ্কার করেন -
  1. Howard H. Aiken
  2. Douglas Engelbart
  3. John Vincent Atanasoff
  4. Bill English
ব্যাখ্যা

- ১৯৬০ এর দশকে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (SRI International) বিজ্ঞানী ডগলাস এঙ্গেলবার্ট সর্বপ্রথম মাউস এর নকশা (ডিজাইন) করেন।
- তার নকশা অবলম্বন করে ১৯৬৪ সালে SRI International এর প্রধান প্রকৌশলী বিল ইংলিশ প্রথম প্রটোটাইপ মাউস নির্মাণ করেন।
- ১৯৬৭ সালে মাউসের প্যাটেন্টের জন্য আবেদন করা হয় এবং ১৯৭০ সালে ডগলাস এঙ্গেলবার্টের নামে প্যাটেন্ট ইস্যু করা হয়।
- ১৯৮৪ সালে বাণিজ্যিকভাবে কম্পিউটারে মাউস ব্যবহার শুরু হয়।

উৎসঃ SRI International ওয়েবসাইট।
[লিঙ্ক]

১,৬৫০.
নিচের কোনটি বিশ্বের প্রথম ওয়েব ব্রাউজার?
  1. Aliweb
  2. Nexus
  3. Mosaic
  4. Archie
ব্যাখ্যা
টিম বার্নাস লি - সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে ওয়েব ব্রাউজার উদ্ভাবন করেন।
- তাঁর উদ্ভাবিত প্রথম ব্রাউজারের নাম - WorldWideWeb. এটি ১৯৯৪ সালে এই নামে চালু থাকে।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে WorldWideWeb এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় - Nexus.
------------
- Archie হলো প্রথম সার্চ ইঞ্জিন।
- Mosaic একটি ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬৫১.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. CP/M
  2. Symbian
  3. kindle
  4. Windows NT Server
ব্যাখ্যা
• kindle- হচ্ছে একটি ই-বুক রিডার।

• অপারেটিং সিস্টেম:
:- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫২.
ওয়াই-ফাই এর স্ট্যান্ডার্ড হল:
  1. IEEE 802.14
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.11
  4. IEEE 802.02
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।

- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫৩.
কোন ধরণের ওয়েবসাইটে থিম ও কন্টেন্ট নির্দিষ্ট থাকে?
  1. ডাইনামিক ওয়েবসাইট
  2. স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
গঠন বৈচিত্রের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট
২. ডাইনামিক ওয়েবসাইট

♦ স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট:
- যে সকল ওয়েব পেইজ পূর্ব থেকে তৈরীকৃত কিছু তথ্য প্রদর্শন করে থাকে এবং কোড পরিবর্তন না করে কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় না সে সকল ওয়েবসাইটকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে।
- সাধারণত HTML এবং CSS ব্যবহার করে এসব ওয়েবসাইটের পেইজ তৈরী করা হয়।

♦ ডাইনামিক ওয়েবসাইট:
- যে সকল ওয়েব পেইজে সবসময় আপডেটেড তথ্য প্রদর্শন করা হয় এবং কোড পরিবর্তন না করেই কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় সে সকল ওয়েবসাইটকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে। যেমন - ক্রিকেট খেলার লাইভ স্কোর দেখানোর জন্য যে ওয়েবসাইট আছে সেটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট।
- সাধারণত পিএইচপি (PHP), এএসপি (ASP), জেএসপি(JSP) ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে ডাইনামিক ওয়েব পেইজ তৈরী করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সৃজনশীল), HSC প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫৪.
LinkedIn এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত
  1. California
  2. San Francisco
  3. Washington
  4. New York
ব্যাখ্যা
• LinkedIn: 
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ৯৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।
- সদর দপ্তর: Sunnyvale, California, United States

উৎস: linkedin.com
১,৬৫৫.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত? 
  1. অক্টাল 
  2. বাইনারি 
  3. ডেসিমেল 
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

• বাইনারি: 
- বাইনারি সংখ্যার বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

• অক্টাল: 
- অক্টাল সংখ্যার বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

• ডেসিমেল: 
- ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যার বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

• হেক্সাডেসিমেল: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ, 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

১,৬৫৬.
ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. Search Engine Optimization
  2. Website Search Engine Connector
  3. Website to Search Engine Converter
  4. Website Optimization
ব্যাখ্যা
SEO:
- SEO এর পূর্ণরূপ হলো Search Engine Optimization.
- হোস্টিংকৃত ওয়েবসাইটটি আরো বেশি প্রচারমুখী করার জন্য ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সংযুক্ত করতে হয়।
- একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে SEO বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬৫৭.
যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের অধীনে কাজ করে (রিপোর্ট করে), তাহলে কর্মী এবং ম্যানেজারের মধ্যে সম্পর্ক কোন ধরনের?
  1. One-to-One
  2. Many-to-One
  3. Many-to-Many
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Many-to-One
• যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, এটি একটি Many-to-One সম্পর্ককে নির্দেশ করে। অর্থাৎ অনেক কর্মী (Many) একজন ম্যানেজার (One)-এর অধীনে কাজ করে। এখানে প্রতিটি কর্মীর জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যানেজার থাকে, কিন্তু একজন ম্যানেজারের অধীনে একাধিক কর্মী থাকতে পারে। এটি তথ্যব্যবস্থাপনা বা ডাটাবেস ডিজাইনে সাধারণভাবে ব্যবহৃত সম্পর্কের উদাহরণ। One-to-One সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন কর্মী এবং একজন ম্যানেজারের মধ্যে কেবল একক সম্পর্ক থাকে। One-to-Many হলে একজন কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে থাকতে পারে, আর Many-to-Many হলে একাধিক কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে কাজ করতে পারে। তাই, এখানে সঠিক উত্তর: খ) Many-to-One.

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৫৮.
কম্পিউটারের কাজের ভুল ফলাফল দেওয়াকে কী বলা হয়?
  1. NOVA
  2. GIGO
  3. GOGI
  4. DECOMPRESSION
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে যদি ভুল বা অযৌক্তিক ডেটা ইনপুট দেওয়া হয়, তাহলে কম্পিউটার সেই অনুযায়ী ভুল আউটপুট দেয়।
- এটাই হলো GIGO, অর্থাৎ "Garbage In, Garbage Out"।
- উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,
  যদি ক্যালকুলেটরে ভুল সংখ্যা দেওয়া হয়, সঠিক গাণিতিক নিয়মেও ফলাফল ভুল হবে।

•  তাই, কম্পিউটারের আউটপুট সবসময় নির্ভর করে ইনপুটের উপর।
 - GIGO বলতে বোঝানো হয় — ভুল ডেটা দিলে, ভুল ফলাফলই পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.
১,৬৫৯.
সিমপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সমিশন করেনা কোনটি?
  1. রেডিও
  2. মাউস
  3. পেজার
  4. মোবাইল ফোন
ব্যাখ্যা
♦ ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- 
১. সিমপ্লেক্স
২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড: 
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড: 
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬০.
নিচের কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টিগ্রেটর
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ইন্টারপ্রেটার
ব্যাখ্যা
- ইন্টিগ্রেটর অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয় তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:

১. কম্পাইলার:
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- যেমন: সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- যেমন: জাভা, পাইথন।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- যেমন: GAS, GNU Assembler.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৬৬১.
অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে-
  1. অফসেট মুদ্রণ পদ্ধতিতে
  2. পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে
  3. ডিজিট্যাল ইমেজিং পদ্ধতিতে
  4. স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
ফটোকপি মেশিন কাজ করে বিপরীত আকর্ষণ নীতিতে। যা তৈরি হয় স্ট্যাটিক ইলেক্ট্রিসিটি অর্থাৎ স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে। 
১,৬৬২.
পিকচার ইলিমেন্টের সংক্ষিপ্ত রূপ-
  1. পিকমেন্ট
  2. আইকন
  3. পিক্সেল
  4. কার্সর
ব্যাখ্যা
• পিকচার ইলিমেন্টের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো পিক্সেল (Pixel)।

• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে(DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• রেজুল্যশন:
- লম্বালম্বিভাবে ও আড়াআড়িভাবে যত সংখ্যক পিক্সেল বিদ্যমান রয়েছে এগুলোকে একত্রে রেজুল্যশন বলে।
- ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
- একটি মনিটরের রেজুল্যশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে।
- অর্থাৎ মনিটরে অক্ষর বা ইমেজ তত পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হবে।

- পিক্সেল রেজুল্যশনের একক।
- একটি CRT তে যতগুলো পিক্সেল কলাম ও সারি থাকে, তার গুণিতক মান হলো উক্ত CRT টির রেজুল্যশন ।
- যেমন একটি CRT তে ৬৪০টি কলাম এবং ৪৮০টি পিক্সেল সারি আছে, তাহলে CRT এর রেজুল্যশন হবে ৬৪০ × ৪৮০।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৩.
মোবাইল ওয়াইম্যাক্সের IEEE স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. IEEE 802.11d
  2. IEEE 802.14c
  3. IEEE 802.15m
  4. IEEE 802.16e
ব্যাখ্যা
• ওয়াইম্যাক্স সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. ফিক্সড ওয়াইম্যাক্স:
- ফিক্সড ওয়াইম্যাক্স IEEE 802.16d স্ট্যান্ডার্ডের এবং এর ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 10 GHz থেকে 66 GHz।
- এ ধরনের সংযোগের জন্য গ্রাহক প্রান্তে একটি রিসিভার টাওয়ার বা অ্যান্টেনা বসানো থাকে এবং ওয়াইম্যাক্সের ব্যান্ডইউডথ মোবাইল ওয়াইম্যাক্সের তুলনায় বেশি থাকার পরও মোবালিটি না থাকার কারণে এটি জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেনি।

২. মোবাইল ওয়াইম্যাক্স:
- মোবাইল ওয়াইম্যাক্স IEEE 802.16e স্ট্যান্ডার্ডের এবং এর ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 11 GHz।
- এ ধরনের সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রাহক প্রান্তে মূলত এজ মডেম ব্যবহৃত এবং ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ট্রান্সমিশনের কারণে সিগন্যাল যেকোনো জায়গায়, চলাচল করতে পারে।
- তবে এ ধরনের সংযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে ওয়াইমাক্সের বেজ স্টেশনের কাছাকাছি অবস্থান করতে হয়।
- অন্যথায় রেডিও সিগন্যাল লস বা ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- মোবাইল ওয়াইম্যাক্স সার্ভিসের ক্ষেত্রে সার্ভিস প্রোভাইডারদেরকে অধিকসংখ্যক বেজ স্টেশন স্থাপন করতে হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৪.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। 
  1. ক) মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৯৮ 
  2. খ) উইন্ডোজ ভিসতা
  3. গ) মিন্ট 
  4. ঘ) মাইক্রোসফট অফিস 
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট অফিস হল মাইক্রোসফটের একটি এপ্লিকেশন সফটওয়ার। 
১,৬৬৫.
স্ট্যান্ডার্ড কীবোর্ড এ কয়টি কী রয়েছে?
  1. ক) ৮৪
  2. খ) ১০০
  3. গ) ১০২
  4. ঘ) ১১৪
ব্যাখ্যা

কীবোর্ড হল কম্পিউটারের সবচেয়ে প্রধান ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার বা অন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে পাঠ্য ইনপুট করতে সাহায্য করে।

কীবোর্ড প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে- Standard keyboard (84 keys), Enhanced Keyboard (101/102/104 Keys).

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।

১,৬৬৬.
কোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে ই-মেইল পাঠানো যায়?
  1. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  2. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  4. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
ই-মেইল: 
- ই-মেইল হলো কম্পিউটর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা। 
- 'লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক' ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যে কোন স্থানে ই-মেইল পাঠানো যায়। 
- বিভিন্ন ই-মেইল প্রোগ্রাম ব্যবহার করে মেইল পাঠানো যায়। 
- ই-মেইল প্রোগ্রামে ঢুকে বার্তা টাইপ করে প্রাপকের ঠিকানা নির্দিষ্ট করে পাঠানো (Send) নির্দেশ দিলে ই-মেইল তথ্য সরাসরি প্রাপকের কম্পিউটারে না গিয়ে তার টার্মিনাল বা ওয়ার্কস্টেশন বা সার্ভারে গিয়ে জমা হয়। 
- প্রাপক তার নামে কোন মেইল এসেছে কিনা তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলে টার্মিনাল থেকে প্রাপকের কম্পিউটারে মেইলটি চলে আসে। 
- একটি মেইল একই সঙ্গে অনেকের নিকট পাঠানো যায়। 
- অন্য প্রোগ্রামে করা (যেমন- এমএস-ওয়ার্ড) ফাইলকে ই-মেইলের সাথে যুক্ত করে পাঠানো যায়। একে ফাইল এটাচমেন্ট (Attachment) বলা হয়। 
- এটাচমেন্ট করে ভিডিও এবং অডিও ফাইলও পাঠানো যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৭.
DDoS আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার নষ্ট করা
  2. সার্ভার বা নেটওয়ার্ক অবরুদ্ধ করা
  3. ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা
  4. ডেটা এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়া
ব্যাখ্যা

• DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক পাঠিয়ে তা অকার্যকর করে দেয়।

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমণ করা যায়।

উল্লেখ্য:
- ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা: তথ্য চুরি বা সংগ্রহের কাজ মূলত স্পাইওয়্যার (Spyware) বা ফিশিং (Phishing)-এর মাধ্যমে করা হয়, DDoS-এর মাধ্যমে নয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়া (Ransomware): এটি র‍্যানসমওয়্যার নামক ম্যালওয়্যারের কাজ, DDoS কোনো ফাইল লক বা মুক্তিপণ দাবি করে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৬৮.
ওয়েব ব্রাউজিং এর জন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. Microsoft Word
  2. Adobe Photoshop
  3. Google Chrome
  4. Numbers
ব্যাখ্যা

◉ ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার, যা HTTP/HTTPS প্রোটোকলের মাধ্যমে ওয়েবপেজ লোড ও প্রদর্শন করে।
Google Chrome হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার, যা দ্রুত ও নিরাপদ ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

Browser:
- ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন, যেটি ব্যবহার করা হয় ইন্টারনেটে সক্রিয় ওয়েবসাইট গুলোর ওয়েব সার্ভার এর সাথে সংযোগ স্থাপন করা যায়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী যেকোনো ওয়েবপেইজ, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে অথবা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে অবস্থিত কোনো ওয়েবসাইটের যেকোনো লেখা, ছবি এবং অন্যান্য তথ্যের অনুসন্ধান করতে পারে, দেখতে পারে।

কিছু উল্লেখযোগ্য ব্রাউজার হল:
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Microsoft Edge,
- Apple Safari,
- Opera,
- Tor Browser,
- UC Browser,
- Waterfox,
- DuckDuckGo Browser (Known for its privacy features, it automatically blocks hidden third-party trackers.)

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
Microsoft Word: এটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Adobe Photoshop: এটি একটি গ্রাফিক ডিজাইন ও ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার।
Excel: এটি স্প্রেডশিট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, যা ডাটা অ্যানালাইসিস ও হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৬৬৯.
কোনটি উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম নয়?  
  1. ক) Ubuntu
  2. খ) Mint 
  3. গ) Sun Solaris 
  4. ঘ) Windows Vista 
ব্যাখ্যা
Windows Vista উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম না। 
১,৬৭০.
সামাজিক যোগাযোগের সাইট 'ফেসবুক' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. Mark Zuckerberg
  2. Bill Gates
  3. Andy Grove
  4. Tim Barnes Lee
ব্যাখ্যা
- ফেসবুক একটি অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান।
- ফেসবুক ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ফেসবুকের সদর দপ্তর মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত।
-  ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা হলেন মার্ক জাকারবার্গ

উৎস: ফেসবুক অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৬৭১.
কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণের ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়?
  1. Simplex
  2. Half-Duplex
  3. Full-Duplex
  4. Triplex
ব্যাখ্যা
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণ সম্ভব না।
- উদাহরণ: ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একইসাথে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- উদাহরণ: টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭২.
ব্রাউজিং সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Joomla
  2. Maxthon
  3. Microsoft Edge
  4. Firefox
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 

কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো - 
- Google Chrome, 
- Mozilla Firefox, 
- Safari, 
- Opera, 
- Microsoft Edge, 
- Maxthon, 
- Brave, 
- UC Browser. 

উল্লেখ্য, Joomla হচ্ছে Content Management System (CMS)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬৭৩.
ব্যাপক মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা শুরু হয় কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) ১ম প্রজন্ম
  2. খ) ৩য় প্রজন্ম
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) ৫ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
3G মোবাইল প্রযুক্তি থেকে ব্যাপক মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা শুরু হয়।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. ডেটা রূপান্তরের কাজে Packet Switching 3 Circuit Switching উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়।
২. উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর। ব্যান্ডউইডথ ২ mbps এর অধিক।
৩. চ্যানেল একসেস TD-SCDMA, TD-CDMA পদ্ধতির।
৪. ব্যাপক আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৫. ভিডিও কলের ব্যবহার শুরু।
৬. নেটওয়ার্কে GPRS ও EDGE পদ্ধতির ব্যবহার।
৭. মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্যবহার।
৮. মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্রাউজিং, টিভি দেখা, গান শোনা প্রভৃতি করা যায় ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১,৬৭৪.
যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) হায়ারারকিক্যাল
  2. খ) নেটওয়ার্ক
  3. গ) লিনিয়ার
  4. ঘ) হাইব্রিড
ব্যাখ্যা
• ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এর কাঠামোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. হায়ারারকিক্যাল বা ট্রি (Hierarchical or Tree structure)
২. নেটওয়ার্ক বা ওয়েব লিংকড (Network or Web Linked structure)
৩. লিনিয়ার বা সিকুয়েন্স (Linear or Sequence structure)
৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Hybrid or Combination structure)

১. হায়ারারকিক্যাল বা ট্রি (Hierarchical or Tree structure):
- যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল কাঠামো বলা হয়।

২. নেটওয়ার্ক বা ওয়েব লিংকড (Network or Web Linked structure):
- যে ওয়েবসাইটের কাঠামোতে সবগুলো পেইজ থেকে একটি অপরটির সাথে লিংক থাকে তাকে নেটওয়ার্ক কাঠামো বলা হয়।

৩. লিনিয়ার বা সিকুয়েন্স (Linear or Sequence structure):
- কোন ওয়েবসাইটের পেইজগুলো ক্রমানুসারে করার স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে লিনিয়ার স্ট্রাকচার বলা হয়।

৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Hybrid or Combination structure):
- একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটকে হাইব্রিড বা কম্বিনেশন স্ট্রাকচার বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬৭৫.
ড্রোন কি?
  1. যাত্রীবাহী দ্রুতগামী বিমান
  2. চালকবিহীন বিমান
  3. যাত্রীবাহী বিমান
  4. চালকসহ বিমান
ব্যাখ্যা
ড্রোন: 
- প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন ছোট আকাশযান বা বিমানকে ড্রোন বলে। 
- ড্রোন যাত্রাস্থান থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। 
- সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চললেও Communication Satellite দ্বারাও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- ড্রোন সেন্সর, অ্যাকচুয়েটর, প্রপেলার, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক স্পীড কন্ট্রোলার, সার্ভো মটর, পেলোড অ্যাকচুয়েটর, স্পিকার, রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে তৈরি এবং কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।
১,৬৭৬.
Which E-commerce model involves selling goods or services directly to consumers over the Internet?
  1. B2B
  2. B2C
  3. C2B
  4. P2P
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স:
- ই- কমার্স হল ইলেকট্রনিক কমার্স যা এমন একটি মাধ্যম যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/বিক্রয় হয়ে থাকে। অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে, ই-কমার্স বলে।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
(i) ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
(ii) ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
(iii) ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B),
(iv) ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C).

ই-কমার্সের সুবিধাসমূহ:
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়৷
২. ই-কমার্সের সাহায্যে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসাকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে করানো যায়৷
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়৷
৪. ব্যবসায়িক কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক তৈরি করে।

- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B) - alibaba.com
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C) - amazon.com, Shopify.
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B) - monster.com
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C) - ebay.com

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭৭.
TikTok-এর মালিকানা কোন কোম্পানির?
  1. Tencent
  2. Meta
  3. NetEase
  4. ByteDance
ব্যাখ্যা

TikTok-এর মালিকানা হচ্ছে ByteDance কোম্পানির। 

TikTok
- TikTok একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা ১৫ সেকেন্ড থেকে ৩ মিনিটের ছোট ভিডিও তৈরি, সম্পাদনা এবং শেয়ার করতে পারে।
- এতে গান, সাউন্ড, ফিল্টার, স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করা যায়, এবং ব্যবহারকারীরা নিজেদের ডিভাইস থেকে ভিডিও আপলোড করতে পারে।
- TikTok একটি ByteDance নামক চীনা কোম্পানি মালিকানাধীন।
- ByteDance আন্তর্জাতিকভাবে সেন্সরশিপ এবং চীনা সরকারের অনুকূলে কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছে।
- ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চীনা সরকারের দ্বারা অ্যাক্সেস করা যেতে পারে বলে সতর্কতা রয়েছে।
- Project Texas: TikTok যুক্তরাষ্ট্রে নিজের অপারেশন আলাদা (silo) করার চেষ্টা করছে এবং in-house committee দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হবে।
- Oracle TikTok-এর কোড ও সফটওয়্যার transparency centers এ পর্যবেক্ষণ করতে পারবে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,৬৭৮.
How does Cloud computing differ from traditional computing?
  1. ক) Cloud computing is networking device
  2. খ) Cloud computing is more expensive
  3. গ) Cloud computing is less flexible
  4. ঘ) Cloud computing is based on a delivery of computing services over the Internet
ব্যাখ্যা
-  Cloud computing refers to the delivery of computing services—including servers, storage, databases, networking, software, analytics, and intelligence—over the Internet (“the cloud”) to offer faster innovation, flexible resources, and economies of scale.
- Traditional computing typically refers to the traditional model of deploying and maintaining computer hardware and software on-premises.

Reference: https://aws.amazon.com/what-is-cloud-computing/
১,৬৭৯.
কোন ক্লাউড মডেলে সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিং ভাড়া দেওয়া হয়?
  1. NaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. IaaS
ব্যাখ্যা

• IaaS (Infrastructure as a Service)→ IaaS মডেলে সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিংসহ ভার্চুয়াল অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- NaaS (Network as a Service) → NaaS কেবল নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত পরিষেবা প্রদান করে, সম্পূর্ণ অবকাঠামো নয়।
- PaaS (Platform as a Service)→ PaaS মডেলে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়, অবকাঠামো নয়।
- SaaS (Software as a Service)→ SaaS মডেলে ব্যবহারকারী সরাসরি সফটওয়্যার ব্যবহার করে, অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং ও এর সুবিধা:

- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটা ও কম্পিউটিং সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- এতে ডেটা সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ব্যবহার এবং কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়।
- ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বিভিন্ন পরিষেবাকে সাধারণত চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা হয়।
 
• ১. ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাজ আ সার্ভিস (IaaS – Infrastructure as a Service):

- এই মডেলে ভার্চুয়াল অবকাঠামো, যেমন— সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিং, ভাড়া দেওয়া হয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- উদাহরণ: Amazon EC2 (Elastic Compute Cloud), যেখানে বিভিন্ন ভার্চুয়াল মেশিন (VM) সরবরাহ করা হয়।
 
• ২. প্ল্যাটফর্ম অ্যাজ আ সার্ভিস (PaaS – Platform as a Service):

- এই মডেলে অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং পরিবেশ ও ডেভেলপমেন্ট টুল একসাথে সরবরাহ করা হয়।
- এতে ব্যবহারকারী সহজেই অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও ডিপ্লয় করতে পারে।
- নতুন অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।
- উদাহরণ: Microsoft Azure, Google App Engine.
 
• ৩. সফটওয়্যার অ্যাজ আ সার্ভিস (SaaS – Software as a Service):

- এই মডেলে ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- ব্যবহারকারীকে সফটওয়্যার ইনস্টল বা রক্ষণাবেক্ষণের ঝামেলা পোহাতে হয় না।
- উদাহরণ: Google Apps, Dropbox, HubSpot।
 
• ৪. নেটওয়ার্ক অ্যাজ আ সার্ভিস (NaaS – Network as a Service):

- এই মডেলে নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত পরিষেবা, যেমন— নেটওয়ার্ক স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ করা হয়।
- ব্যবহারকারী ক্লাউডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক পরিষেবা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: Aryaka, Pertino, Smart WAN, VPN (Secure Virtual Private Network) পরিষেবা।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অতিরিক্ত সুবিধাসমূহ:

- স্কেলযোগ্যতা: প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই সেবা বাড়ানো বা কমানো যায়।
- খরচ-সাশ্রয়ী: প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করায় অতিরিক্ত খরচ কম হয়।
- সহজ ব্যবহার: ব্যবহারকারী সহজে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্যবসায়িক সুবিধা: নতুন ব্যবসা বা স্টার্টআপ সহজেই প্রযুক্তিগত সুবিধা নিতে পারে।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

১,৬৮০.
বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে কোন মেমোরি থেকে তথ্য চলে যায়?
  1. ROM
  2. Secondary storage
  3. RAM
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন: RAM 
• RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
• তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
• বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮১.
চিন্তা করার ক্ষমতা নিচের কোন প্রযুক্তির?
  1. বায়োইনফরমেটিক্স
  2. রোবটিক্স
  3. ইনফরমেটিক্স
  4. বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স: 
- চিন্তাশক্তি, বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত, একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়। 
- কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়। 
- পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মতো ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে। 
- এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি। 
১,৬৮২.
বিসিডি কোডে বিট কয়টি?
  1. ২টি
  2. ১৬টি
  3. ৪টি
  4. ৩২ টি
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড: 
- BCD এর পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal.
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২৪ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- তাই ১৬ টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার বিসিডি কোড সম্ভব।
- ৮৪২১ বিসিডি কোড যা Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামেও পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৮৩.
হেক্সাডেসিমেলে 5C এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 71
  2. 77
  3. 87
  4. 92
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(5C)16
= 12 × 160 + 5 × 161
= 12 × 1 + 5 × 16
= 12 + 80
= 92
সুতরাং, (5C)16 = (92)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৪.
Face Recognition- এর জন্য কোন অ্যালগরিদমটি প্রায়ই ব্যবহার হয়?
  1. K-Means
  2. SVM
  3. DBSCAN
  4. CNN
ব্যাখ্যা
⚪ Face Recognition (মুখ চেনার) জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যালগরিদম হলো CNN (Convolutional Neural Networks)। এটি একটি ধরনের Deep Learning অ্যালগরিদম, যা চিত্রের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য (features) বের করে, যেমন মুখের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ (eyes, nose, mouth ইত্যাদি) এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করে।

⚪ অপশন আলোচনা:

ক) K-Means: এটি একটি ক্লাস্টারিং অ্যালগরিদম, যা সাধারণত চিত্র বা ডেটার গ্রুপিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি মুখ চেনার ক্ষেত্রে খুব কার্যকরী নয়।

খ) SVM (Support Vector Machines): এটি একটি ক্লাসিফিকেশন অ্যালগরিদম, তবে SVM সাধারণত মুখ চেনার জন্য ব্যবহৃত হয় না, যদিও কিছু নির্দিষ্ট কেসে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গ) DBSCAN: এটি একটি অন্য ধরনের ক্লাস্টারিং অ্যালগরিদম, যা অস্বাভাবিক বা আউটলায়ার ডেটা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়। মুখ চেনার জন্য এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।

তাহলে, Face Recognition এর জন্য CNN (Convolutional Neural Networks) সবচেয়ে উপযুক্ত অ্যালগরিদম।

উৎস: 
১) geeksforgeeks [লিংক]
২) sciencedirect.com [লিংক]
১,৬৮৫.
1MB এর সমতুল্য কত বাইট?
  1. 106
  2. 109
  3. 1010
  4. 108
ব্যাখ্যা
1 মেগাবাইট (MB) = 2 × 20 বাইট যা 10 × 6 এর সমতুল্য।
১,৬৮৬.
বিটকয়েন কি?
  1. ক) লবনের দানা
  2. খ) ইলেকট্রনিক মুদ্রা
  3. গ) ভার্চুয়ল গেইম
  4. ঘ) এক ধরণের সফটওয়ার
ব্যাখ্যা
• অনলাইনে ডলার-পাউন্ড-ইউরোর পাশাপাশি কেনাকাটা করা যায় বিটকয়েনে।
- তবে অন্যান্য মুদ্রাব্যবস্থায় যেমন সে দেশের সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক জড়িত থাকে, বিটকয়েনের ক্ষেত্রে তা নয়।
- ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো ছদ্মনামের কেউ কিংবা একদল সফটওয়্যার ডেভেলপার নতুন ধরনের ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা বা ইলেকট্রনিক মুদ্রার প্রচলন করে।
- এ ধরনের মুদ্রা ক্রিপ্টোকারেন্সি নামে পরিচিতি পায়।
- নাকামোতোর উদ্ভাবিত সে ক্রিপ্টোকারেন্সির নাম দেওয়া হয় বিটকয়েন।

সূত্র: প্রথম আলো। 
১,৬৮৭.
ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার প্রক্রিয়ায় কোন প্রোটোকল কাজ করে?
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার সময় মূলত HTTP (HyperText Transfer Protocol) প্রোটোকল কাজ করে। যখন আপনি ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইটের URL লিখেন, তখন ব্রাউজারটি HTTP ব্যবহার করে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। এই প্রোটোকলটি ক্লায়েন্ট (আপনার ব্রাউজার) এবং সার্ভার (ওয়েবসাইটের সার্ভার) এর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ব্রাউজার HTTP অনুরোধ পাঠায় এবং সার্ভার HTTP রেসপন্সে ওয়েবপেজের HTML, CSS, JavaScript ইত্যাদি ফাইল পাঠায়। অন্য প্রোটোকল যেমন TCP/IP নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য, SMTP ইমেইলের জন্য, আর FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং ওয়েবপেজ দেখার ক্ষেত্রে সঠিক প্রোটোকল হলো HTTP.

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য নয়।
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি একটি প্রোটোকল স্যুট যা ইন্টারনেটে ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি, কিন্তু এটি সরাসরি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১,৬৮৮.
কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের অগ্রগতিতে উইলো কোয়ান্টাম চিপের ভূমিকা নিয়ে কোন সংস্থা কাজ করছে?
  1. Tesla
  2. Meta
  3. NASA
  4. Google
ব্যাখ্যা
• উইলো চিপ:
-গুগলের কোয়ান্টাম এআই টিম সম্প্রতি তাদের সর্বাধুনিক কোয়ান্টাম চিপ 'উইলো' উন্মোচন করেছে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রদর্শন করেছে।
- গুগল দীর্ঘদিন ধরে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং নিয়ে কাজ করছে।
- তাদের কোয়ান্টাম এআই ল্যাব কোয়ান্টাম চিপ ডিজাইন এবং উদ্ভাবনের জন্য সুপরিচিত।
- "উইলো কোয়ান্টাম চিপ" তাদের একটি নতুন উদ্ভাবন যা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

উইলো চিপের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ত্রুটি সংশোধনে অগ্রগতি: উইলো চিপটি ত্রুটি সংশোধনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায়।
- অসাধারণ গণনা ক্ষমতা: উইলো মাত্র পাঁচ মিনিটেরও কম সময়ে এমন একটি গণনা সম্পন্ন করেছে, যা বর্তমানের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারের জন্য করতে ১০ সেপটিলিয়ন বছর সময় লাগবে। এটি প্রায় ১০২৫ বছরের (10,000,000,000,000,000,000,000,000 years) সমান যা মহাবিশ্বের বয়সের চেয়েও বেশি।
- স্কেলযোগ্যতা: উইলো চিপটি বৃহৎ পরিসরের কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল এবং কার্যকরী কোয়ান্টাম কম্পিউটার নির্মাণে সহায়তা করবে।

-উইলো চিপের এই সাফল্য কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে এবং বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।

উইলো কোয়ান্টাম চিপ সম্পর্কে আরও জানতে, আপনি নিচের লিংকে গিয়ে ভিডিওটি দেখতে পারেন:
Google Quantum AI

সূত্র:
১) BBC [লিংক]
২) blog.google [লিংক]
১,৬৮৯.
Who invented QWERTY keyboard?
  1. Steve Jobs
  2. Christoher Latham Sholes
  3. Brain Sams
  4. Anderson Palimar
ব্যাখ্যা
- ক্রিস্টোফার ল্যাথাম শোলস ছিলেন একজন আমেরিকান উদ্ভাবক যিনি QWERTY কীবোর্ড আবিষ্কার করেছিলেন। 
- ক্রিস্টোফার ল্যাথাম শোলসকে "টাইপরাইটারের জনক" বলা হয়৷ যদিও তিনি এটি আবিষ্কার করেননি, তবে তিনি প্রথম ব্যবহারিক বাণিজ্যিক মেশিন তৈরি করেছিলেন। 
- শোলস কোয়ার্টি কীবোর্ডও তৈরি করেছে যা আজও ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- এটি সবচেয়ে সাধারণ কীবোর্ড বিন্যাস। 

উৎস: MIT and Britannica.
১,৬৯০.
নিচের কোনটি ১২৮-বিটের এড্রেস?
  1. IPv4
  2. IPv6
  3. MAC Address
  4. Subnet Mask
ব্যাখ্যা

• IPv6 হলো ১২৮-বিটের এড্রেস।

• IP Address:
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

• আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. IPv4 (Internet Protocol Version 4),
২. IPv6 (Internet Protocol Version 6)।

• IPv4:
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

• IPv6:
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান,
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৯১.
"ম্যালওয়্যার" কী?
  1. নেটওয়ার্ক প্রোটোকল
  2. ক্রিপ্টোগ্রাফি টেকনিক
  3. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
  4. ক্ষতিকর সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার
এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।

বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার: 
ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

১,৬৯২.
Which translator works line-by-line during program execution?
  1. Compiler
  2. Assembler
  3. Interpreter
  4. Linker
ব্যাখ্যা
ইন্টারপ্রেটার অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।

অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program)
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস (সোর্স) প্রোগ্রামকে বস্তু (অবজেক্ট) প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে।যথা-
১. কম্পাইলার (Compiler),
২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter),
৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler)।

১। কম্পাইলার (Compiler)
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলা হয়।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- কম্পাইলার যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে, তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে একসাথে তা জানিয়ে দেয়।
- সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল। তবে কম্পাইল করার পর প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- ভিন্ন ভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার থাকে।
- যেমন- সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

২। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- একটি লাইন নির্বাহ শেষ হলে ইন্টারপ্রেটার একইভাবে সোর্স প্রোগ্রামের পরবর্তী লাইনে গিয়ে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে তা নির্বাহ করে।
- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রাম নির্বাহ (রান) করার সময় প্রোগ্রামের ভুল দেখা ও সংশোধন করার সুযোগ দেয়। একটি একটি লাইন করে অনুবাদ করে বিধায় এতে তুলনামূলকভাবে সময় বেশি লাগে।
- ইন্টারপ্রেটার ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- যেমন-জাভা, পাইথন।

৩। অ্যাসেম্বলার (Assembler)
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- এটি সব ডেটা ও নির্দেশ প্রধান মেমোরিতে রাখে এবং প্রোগ্রামের কোথাও কোনো ভুল থাকলে এরর মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেয়।
- উদাহরণ: GAS, GNU assemblers.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১,৬৯৩.
উচ্চ রেজুল্যশন এবং দ্রুত গতির জন্য নিচের কোন ধরনের প্রিন্টার বেশি উপযোগী?
  1. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ক্যারেক্টার প্রিন্টার
  4. লাইন প্রিন্টার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) লেজার প্রিন্টার

• প্রিন্টার:
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার, অক্ষর প্রিন্টার, ডট ম্যাট্রিক্স।

• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৯৪.
নিচের কোনটিতে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) WAN
  2. খ) Satellite Communication
  3. গ) MAN
  4. ঘ) TV রিমোট কন্ট্রোলে
ব্যাখ্যা
• TV রিমোট কন্ট্রোলে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।
• ইনফ্রারেড: এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা 300GHz থেকে 400THz হয়ে থাকে।
- খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইন্ফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
- টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯৫.
Bluetooth এর কাভারেজ এড়িয়া কত?
  1. ১০ থেকে ১০০ মিটার
  2. ১ থেকে ৩০ মিটার
  3. ৩০ থেকে ৫০০ মিটার
  4. ৩০ থেকে ১০০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১,৬৯৬.
নৈব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) OMR
  2. খ) OICR
  3. গ) OCR
  4. ঘ) MIRC
ব্যাখ্যা
OMR হল Optical Mark Reader. এটি পেন্সিল বা কালির দাগ বোঝাতে পারে। নৈব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনমত জরিপ, আদমশুমারীর কাজে ব্যবহৃত হয়।
১,৬৯৭.
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন কোম্পানি দ্বারা বাজারজাত করা হয়?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. মাইক্রোসফট
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা
• Android মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি বাজারজাত করে -গুগল।

- অ্যান্ড্রয়েড হলো সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যানড্রয়েড 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রকল্প হিসেবে ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে শুরু করে।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত হয়।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. 'Android' মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ক্রয় করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬৯৮.
কতটি ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে একটি n-bit রেজিস্টার বানানো যায়?
  1. n2 সংখ্যক
  2. 2n সংখ্যক
  3. n সংখ্যক
  4. 1 টি 
ব্যাখ্যা

• একটি n-bit রেজিস্টার তৈরি করতে nটি বিট সংরক্ষণ করার ক্ষমতা থাকা দরকার। প্রতিটি বিটকে স্টোর করতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। তাই n-bit রেজিস্টারের জন্য nটি ফ্লিপ-ফ্লপ প্রয়োজন। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট ধরে রাখে, তাই রেজিস্টারের আকারের সাথে ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা সরাসরি সমানুপাতিক।

- উত্তর: গ) n সংখ্যক।

​রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।
- সরল ও সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ ফ্লপ সার্কিট দ্বারা গঠিত এবং ক্লক পালস্ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং শিফট রেজিস্টার।

​রেজিস্টার-এর ব্যবহার (Application of Register):
১. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।
৪. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৯৯.
হার্ড কপি আউটপুট পেতে নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. প্রজেক্টর
  3. প্লটার
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) প্লটার
 
• আউটপুট ডিভাইস:
- আউটপুট ডিভাইস হল একটি প্যারিফেরাল (peripheral) ডিভাইস যা কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান বা অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য রূপে উপস্থাপন করে।

• দৃশ্যমান আউটপূট ডিভাইস গুলো হলো-
- Monitor (CRT, LCD, LED).
- Projector.

• অডিও আউটপুট ডিভাইস গুলো হলো-
- Speaker. 
- Headphone / Earphone.

• হার্ড কপি আউটপুট ডিভাইস-
- Printer.
- Plotter (প্লটার).
• অর্থাৎ হেডফোন একটি অডিও আউটপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটার বা অন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে আসা অডিও সিগন্যাল শুনতে পারেন।

অন্যদিকে,
⇒ হেডফোন থেকে কোনো তথ্য কম্পিউটারে পাঠানো হয় না, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস নয়।
⇒ হেডফোন কোনো তথ্য সংরক্ষণ করে না, ফলে এটি মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস নয়।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- Britannica

১,৭০০.
কোন ধরণের নেটওয়ার্ক সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিচিত?
  1. Personal Network Area
  2. Hybride Network
  3. Client-Server Network
  4. Peer to Peer Network
ব্যাখ্যা
⚪ Client-Server Network একটি সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিচিত, যেখানে সার্ভার তথ্য ও পরিষেবা সরবরাহ করে এবং ক্লায়েন্টরা সেই পরিষেবা ব্যবহার করে। এই ধরনের নেটওয়ার্কে সার্ভার সাধারণত শক্তিশালী এবং বিভিন্ন ক্লায়েন্টের অনুরোধের প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।

⚪ ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক কে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

⚪ নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়। 

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।