বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১৬ / ১৩১ · ১,৫০১১,৬০০ / ১৩,০৮৮

১,৫০১.
MMS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Multiple Message Service
  2. Multimedia Message Service
  3. Mobile Message Service
  4. Media Message Service
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস চালু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০২.
বাংলা কিবোর্ডের লে আউট প্রথম তৈরি করেন কে?
  1. মোস্তাফা জব্বার
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. মেহেদি হাসান খান
  4. জাফর ইকবাল
ব্যাখ্যা
• অভ্র: 
- উচ্চারণভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার হলো অভ্র।
- অভ্র এর আভিধানিক অর্থ ‘আকাশ’।
- ২৬ মার্চ ২০০৩ সালে প্রাথমিক সংস্করণের উদ্ভাবন করেন অভ্র-এর মূল উদ্ভাবক মেহেদি হাসান খান।
- এটি ২০০৭ সালে বাজারে আসে এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- অভ্র ইউনিকোডভিত্তিক সফটওয়্যার।
- বাংলা কী বোর্ডের লে আউট ১৯৬৫ সালে প্রথম মুনীর চৌধুরী তৈরি করেন। 
- পরবর্তী সময়ে আসে বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত বিজয় সফটওয়্যার। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
২. [omicronlab]
১,৫০৩.
হেনরি এডওয়ার্ড রবার্টকে নিচের কোনটির জনক বলা হয়?
  1. আধুনিক কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. টাচস্ক্রিন মোবাইল
  4. পার্সোনাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
- বাণিজ্যিকভাবে তৈরিকৃত প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার Altair 8800 আবিষ্কার করেন হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
- আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ। 
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- ১৮৮০ সালে ড. হারম্যান হলিরিথ, সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

- আধুনিক কম্পিউটারের জনক হলেন চার্লস ব্যাবেজ।
- টাচস্ক্রিন মোবাইলের জনক স্টিভ জবস।
- মিনি কম্পিউটারের জনক কেনেথ এইচ ওলসেন।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. BBC.
১,৫০৪.
ফায়ারওয়াল কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কম্পিউটার শেয়ারিং এর জন্যে
  2. খ) কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধির জন্যে
  3. গ) কম্পিউটারে ফাইল বিন্যস্ত করতে
  4. ঘ) কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অনাদিষ্ট প্রবেশ রোধ করতে
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্ককে অনাদিষ্ট প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। ফায়ারওয়াল হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার (যেমনঃ উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল), রাউটার, কম্পিউটার, প্রক্সি সার্ভার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
(সূত্রঃ কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট)
১,৫০৫.
কোন ধরনের bus ব্যবহৃত হয় না?
  1. ক) address bus
  2. খ) input-reader bus
  3. গ) data bus
  4. ঘ) control bus
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার বাস মূলত ২ প্রকার ।
যথা -১. সিস্টেম বাস ও ২. এক্সপানশন বাস।
আবার তিন ধরনের System Bus হলো - Address Bus , Data Bus ও Control Bus।
Input-reader Bus বলতে কোনো Bus নেই। তাই সঠিক উত্তর (খ) input-reader bus।

১,৫০৬.
GSM পদ্ধতিতে সেল কভারেজ এরিয়া সর্বোচ্চ কত?
  1. ক) ৩৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ১০০ কি.মি.
  4. ঘ) ৪৭ কি.মি.
ব্যাখ্যা
জিএসএম (GSM) এর বৈশিষ্ট্য -

১) সেল কভারেজ এরিয়া সর্বোচ্চ ৩৫ কি.মি.
২) বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি (২ ওয়াট)।
৩) ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক কম (56kbps)।
৪) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।
৫) ব্যবহৃত SIM কার্ড সহজলভ্য এবং যেকোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহারের করা যায়।
১,৫০৭.
সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম তাপমাত্রা হলো-
  1. ক) ২০-৩০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  2. খ) ৬০-৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  3. গ) ৪০-৬০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  4. ঘ) ৫০-৭০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
- একটি কম্পিউটার সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বা নিয়ামকগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে-
(১) তাপমাত্রা (Temperature)
(২) কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা (Turning the Computer On/Off)
(৩) বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা (Plugging in the System)
(৪) ময়লা ও দূষণ (Dust and Pollutants) ইত্যাদি।
তাপমাত্রা (Temperature):
- কম্পিউটার সিস্টেমকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার মধ্যে রাখার চেষ্টা করতে হয়। 
- শীতপ্রধান অঞ্চলে যেখানে অফিসে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে দিনের বেলা উষ্ণ রাখা হয় এবং রাতের বেলা অনেক ঠাণ্ডা হয়ে যায়।
- মাইক্রোকম্পিউটার সে পরিবেশে বেশি সিস্টেম নষ্টের সম্মুখীন হয়।  
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম তাপমাত্রা হল ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।
- মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য অতিমাত্রায় তাপমাত্রার ওঠা নামা অত্যন্ত বিপদজনক। 
- এই কারণে কম্পিউটার কখনও কোন উত্তপ্ত বা অধিক ঠান্ডা স্থানে রাখা উচিত নয় বা সরাসরি সূর্যালোকেও রাখা উচিত নয়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৮.
1 KB =?
  1. 1024 bits
  2. 1024 bytes
  3. 1024 MB
  4. 1024 GB
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
- 1 Bit = Binary Digit
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: Computerhope website.
১,৫০৯.
পয়েন্টিং ডিভাইস হিসেবে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. Monitor
  2. Keyboard
  3. Printer
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
⚪ পয়েন্টিং ডিভাইস এমন ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর ইন্টারফেসের মাধ্যমে কিউরসরের অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন স্ক্রীনে কোন জায়গায় ক্লিক করা বা নির্বাচন করা।

মাউস একটি পয়েন্টিং ডিভাইস, যার মাধ্যমে আপনি স্ক্রীনে কারসর সরাতে এবং বিভিন্ন আইকন বা অপশন নির্বাচন করতে পারেন।

⚪ অপশন আলোচনা:

ক) মনিটর: এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যেখানে কম্পিউটার স্ক্রীন প্রদর্শিত হয়।

খ) কী-বোর্ড: এটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে আপনি টাইপ করতে পারেন, কিন্তু এটি পয়েন্টিং ডিভাইস নয়।

গ) প্রিন্টার: এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কাগজে তথ্য প্রিন্ট করে।

⚪ মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়। মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

⚪ মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫১০.
ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. সিমপ্লেক্স:
- সিমপ্লেক্স মেথড কেবল একদিকে ডাটা প্রেরণ করতে পারে। যেমন রেডিও, টিভি ইত্যাদি।

২. হাফ ডুপ্লেক্স:
-  হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি-টকি, এস.এম.এস, ফ্যাক্স।

৩. ফুল ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৫১১.
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কি বলে?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Hardware
  4. Software
ব্যাখ্যা
ROM: 
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমোরি (Non-Volatile Memory)। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫১২.
নিচের মধ্যে কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করে?
  1. Windows Movie Maker
  2. Antivirus software
  3. Skype
  4. Excel
ব্যাখ্যা
• অ্যান্টিভাইরাস একটি ইউটিলিটি প্রোগ্রামের উদাহরণ।

• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি। যেমন: McAfee, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools-এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেম সংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- Disk Fragmenter, Scan Disk, Drive Converter, Compression, System Monitor ইত্যাদি System Tools এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়।

উদাহরণ:
- CCleaner,
- WinRAR,
- Disk Defragmenter,
- Antivirus Software (e.g., Avast, Norton, McAfee),
- Backup Software (e.g., Acronis True Image, Macrium Reflect),
- File Compression Tools (e.g., 7-Zip, WinZip),
- Disk Management Tools (e.g., EaseUS Partition Master),
- System Monitor Tools (e.g., Task Manager, HWMonitor),
- System Information Tools (e.g., Speccy),
- File Recovery Software (e.g., Recuva, Disk Drill),
- Driver Updater Tools (e.g., Driver Booster),
- Virtual Private Network (VPN) Software (e.g., ExpressVPN, NordVPN),
- Clipboard Manager (e.g., ClipClip),
- Uninstaller Tools (e.g., Revo Uninstaller),
- Password Managers (e.g., LastPass, Dashlane).

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৫১৩.
ডেসিমেল 75 এর অক্টাল সংখ্যা কোনটি? 
  1. 113
  2. 121
  3. 111
  4. 123
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা। 


অর্থাৎ, (75)10 = (113)8

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫১৪.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টার কী?
  1. গাণিতিক অপারেশন করার সার্কিট
  2. ইনপুট পালস গণনা করা সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. ডিকোডার সার্কিট
  4. তথ্য সংরক্ষণের মেমোরি ইউনিট
ব্যাখ্যা

কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, যা ইনপুট পাল্সের সংখ্যা গণনা করতে পারে।
- এটি রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় বিশেষ কাজের জন্য।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n - 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

কাউন্টারের ব্যবহার:
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনা,
- টাইমিং সিগনাল প্রদান,
- ডিজিটাল ঘড়ি,
- ডিজিটাল কম্পিউটার,
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৫১৫.
টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) মার্ক জাকারবার্গ
  2. খ) রেইড হকম্যান
  3. গ) জাওয়াদুল করিম
  4. ঘ) জ্যাক ডর্সি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
টুইটার সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট। ২০০৬ সালের মার্চ মাসে টুইটারের যাত্রা শুরু হলেও জুলাই মাসে জ্যাক ডর্সি আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন। উৎসঃ আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি
১,৫১৬.
সংখ্যা যোগ করার জন্য ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কোন ধরনের কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিকোডার
  2. রেজিস্টার
  3. এনকোডার
  4. অ্যাডার
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যাগুলো যোগ করার জন্য অ্যাডার (Adder) নামের কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি লজিক সার্কিট যা দুই বা ততোধিক বিটের বাইনারি সংখ্যা নিয়ে তাদের যোগফল এবং প্রয়োজনে ক্যারি আউট উৎপন্ন করে। অ্যাডারের প্রধান দুটি ধরন হলো হাফ অ্যাডার (Half Adder) এবং ফুল অ্যাডার (Full Adder)। হাফ অ্যাডার দুটি বিট যোগ করতে পারে এবং একটি সিঙ্গেল ক্যারি আউট তৈরি করে, যেখানে ফুল অ্যাডার অতিরিক্ত ইনপুট ক্যারি সামলাতে সক্ষম। অ্যাডার বিভিন্ন ডিজিটাল সিস্টেমে, যেমন কম্পিউটার প্রসেসর, অরিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) এবং ডিজিটাল ক্যালকুলেটর, গণনা এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদনে অপরিহার্য। অন্য কম্বিনেশনাল সার্কিট যেমন ডিকোডার, এনকোডার বা রেজিস্টার সংখ্যা যোগের কাজ করে না।

• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
- ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৫১৭.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত ‘SMTP’ এর অর্থ কী?
  1. Simple Mail Transfer Protocol
  2. Standard Message Transmission Path
  3. Secure Mail Transport Program
  4. Service Message Transfer Protocol
ব্যাখ্যা

• SMTP:
- STMP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ইমেইল প্রেরণের অন্যান্য প্রোটোকলসমূহ: POP, IMAP এবং SMTP

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৫১৮.
মাদারবোর্ডের কোন উপাদানটি ফার্মওয়্যার সংরক্ষণ করে?
  1. ROM
  2. RAM
  3. CPU
  4. Hard drive
ব্যাখ্যা
• ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে। 
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।

- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC.
- ফার্মওয়্যার সাধারণত ROM - এ সংরক্ষিত থাকে।
- যেমন, PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার৷
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।
১,৫১৯.
হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে কী বলে?
  1. ট্রানসিয়েন্ট
  2. ব্রাউন আউট
  3. ব্লাক আউট
  4. নয়েজ
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-
১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।
 
২. ব্লাকআউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।
 
৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।
 
৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২০.
কোয়ান্টাম কম্পিউটারে কিউবিট হিসেবে সাধারণত কোন কণাকে ব্যবহার করা হয়?
  1. Photon, Electron
  2. Proton, Neutron
  3. Molecule
  4. Atomic Nucleus
ব্যাখ্যা

◉ কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মৌলিক গাঠনিক একক হলো কিউবিট (Qubit)। এই কিউবিট সাধারণত উপপারমাণবিক কণা (subatomic particles) দিয়ে তৈরি করা হয়। যেমন—
- Photon (আলোর কণা): এর polarization (পোলারাইজেশন) দ্বারা তথ্য প্রকাশ করা যায়।
- Electron (ইলেকট্রন): এর spin (স্পিন) বা চার্জের মাধ্যমে কিউবিট বাস্তবায়ন করা হয়।

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
- ক্লাসিকাল কম্পিউটারের বিট (bit) যেখানে শুধুমাত্র ১ অথবা ০ হয়, সেখানে কিউবিট সুপারপজিশন (superposition) এবং এনট্যাঙ্গলমেন্ট (entanglement) এর কারণে একইসাথে একাধিক অবস্থায় থাকতে পারে।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,৫২১.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহকাশে উৎক্ষেপণ করা হয় -
  1. ক) ১১ মে ২০১৮
  2. খ) ১৭ জুন ২০১৮
  3. গ) ১৫ আগস্ট ২০১৮
  4. ঘ) ১৭ মার্চ ২০১৯
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
উৎক্ষেপণ সময়ঃ
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিট
স্থানঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকালঃ ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত
প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা
সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
নির্মাণ সংস্থাঃ বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্যঃ ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা

সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন

১,৫২২.
নিচের কোনটি তৈরিতে ওয়াইম্যাক্স ব্যবহৃত হয়?
  1. WPAN
  2. WMAN
  3. WLAN
  4. All above
ব্যাখ্যা
• ওয়াইম্যাক্স:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা-  বেস স্টেশন ও অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার
- ওয়াইম্যাক্স WMAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্লুটুথ WPAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইফাই WLAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৫২৩.
নিচের কোনটি বাংলা লেখার ফন্ট?
  1. Times New Roman
  2. Arial
  3. SutonnyMJ
  4. Tahoma
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ড প্রসেসরে লেখালেখি করার জন্য বিভিন্ন স্টাইলের অক্ষর আছে, এদেরকে ফন্ট বলে।
- ইংরেজিতে লেখার কিছু ফন্ট -Times New Roman, Arial, Monotype, Corsiva, Optima, Cosmic, Tahoma ইত্যাদি।
- আবার বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ফন্টগুলাের মধ্যে রয়েছে আদর্শলিপি, সুলেখা, সারদা, আনন্দ, সুশ্রী, মেঘনা, চন্দ্রবর্তী, সুতন্নী, যমুনা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৫২৪.
Zigbee মূলত কিসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. স্যাটেলাইট যোগাযোগ
  2. উচ্চ-সংজ্ঞার ভিডিও স্ট্রিমিং
  3. IoT ডিভাইসের জন্য স্বল্প-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগ
  4. উচ্চ-গতির ইন্টারনেট অ্যাক্সেস
ব্যাখ্যা

• Zigbee মূলত IoT ডিভাইসের জন্য স্বল্প-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি শক্তি-দক্ষ, কম ব্যান্ডউইডথের প্রযুক্তি, যা সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইস, লাইটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য ছোট ডেটা ট্রান্সফার ডিভাইসগুলির মধ্যে নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করে। Zigbee উচ্চ-গতির ভিডিও স্ট্রিমিং বা স্যাটেলাইট যোগাযোগের মতো ডেটা-ভারী কাজের জন্য নয়, বরং এটি এমন পরিবেশে কার্যকর যেখানে কম শক্তি ব্যবহার করে ডিভাইসগুলিকে দীর্ঘ সময় ধরে সংযুক্ত রাখা দরকার। ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক এবং হালকা ডেটা আদান-প্রদানের জন্য এটি আদর্শ, যা স্মার্ট হোম, স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং শিল্প অটোমেশন প্রয়োগে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) IoT ডিভাইসের জন্য স্বল্প-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগ।
 
• Zigbee:
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৫২৫.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক
  4. ক্লাউড-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

◉ সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক (Server-Based Network) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক স্থাপনা যেখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার (Central Server) বিভিন্ন ক্লায়েন্ট ডিভাইসকে পরিষেবা প্রদান করে।
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক একটি সার্ভার-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক, কারণ—
১। একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, যা ডাটা সংরক্ষণ, ম্যানেজমেন্ট, এবং সিকিউরিটি নিয়ন্ত্রণ করে।
২। ক্লায়েন্ট ডিভাইসগুলো (যেমন কম্পিউটার, মোবাইল) সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে তথ্য ও সেবা গ্রহণ করে।

নেটওয়ার্ক:
- নেটওয়ার্কে বিদ্যমান ডিভাইসসমূহ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে এবং সেগুলোর সার্ভিস মডেল কেমন হবে, তার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নিম্নরুপে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
২. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network)
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)

পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পৃথক সার্ভার কম্পিউটার ব্যতীত দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে রিসোর্স শেয়ার করার জন্য যে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তা হলো পিয়ার-টু- পিয়ার নেটওয়ার্ক।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network):
- একাধিক ক্লায়েন্ট/ওয়ার্কস্টেশন ও একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- এখানে সার্ভার কম্পিউটারে কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা জমা রাখা হয় এবং এসব ডেটা নেটওয়ার্কে অবস্থিত ক্লায়েন্ট কম্পিউটার কর্তৃক রিসোর্স হিসেবে ব্যবহার (শেয়ার) করা হয়।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network):
- এটি মূলত পিয়ার-টু-পিয়ার ও ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্ষেত্রে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিং-এর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য (যেমন- গ্লোবাল স্টোরেজ মিডিয়া) বিদ্যমান থাকায় কর্পোরেট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে।
- এই নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট সার্ভারের প্রাধান্য বেশি থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১,৫২৬.
নিচের কোনটিকে WAN ডিভাইস বলা যায়?
  1. গেটওয়ে
  2. হাব
  3. রাউটার
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস।
- একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে(LAN,MAN,WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।
- বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন - হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না।

• হাব:
- হাব একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে LAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এর সাহায্যে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে কেন্দ্রিয়ভাবে যুক্ত থাকে।
- একটি হাবে কতোগুলো ডিভাইস যুক্ত করা যাবে তা হাবের পোর্ট সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- LAN তৈরি করার জন্য হাব অধিক ব্যবহৃত হয়।
- স্টার - টপোলজির ক্ষেত্রে হাব হচ্ছে কেন্দ্রীয় ডিভাইস ।

• রাউটার:
- রাউটার একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয় ।
- রাউটার রাউটিং টেবিল ব্যবহার করে উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা স্থানান্তরের জন্য সহজ, নিরাপদ ও কম দূরত্বের পথটি বেছে নেয়।
- রাউটার ডেটা আদান-প্রদানের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাউটিং টেবিল তৈরি করে, যেখানে নেটওয়ার্কের সকল নোডের অ্যাড্রেস এবং পাথ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৫২৭.
কোনটি ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেমের উদাহরণ?
  1. OCR
  2. Siri
  3. MICR
  4. OMR
ব্যাখ্যা
• ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম:
- ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম এমন একটি প্রযুক্তি যা মানুষের কণ্ঠস্বর চিনে নিয়ে তাকে কমান্ড বা তথ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

• ভয়েস রিকগনিশন পদ্ধতিতে একজন ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বরকে ডাটাবেজ সংরক্ষিত করে ঐ ভয়েস ডেটা ফাইলের সাথে ব্যবহারকারীর ভয়েসের তুলনা করা হয়। 
- এই প্রযুক্তি মানুষের কণ্ঠের স্বরলিপি, উচ্চারণ, শব্দচয়ন ও ভাষা বোঝার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing - NLP) ব্যবহার করে।
Siri ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেমের একটি অন্যতম উদাহারণ।

• Siri:
- এটি অ্যাপলের একটি ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট।
- এটি ব্যবহারকারীর ভয়েস কমান্ড অনুযায়ী কাজ করে (যেমন: কল করা, মেসেজ পাঠানো, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া)।

• Siri যেভাবে কাজ করে:
- শব্দ শনাক্তকরণ (Speech Detection): AI এর মাধ্যমে কণ্ঠস্বর থেকে শব্দ শনাক্ত করে।
- ভাষা বিশ্লেষণ (Language Processing): NLP ব্যবহার করে শব্দগুলোর অর্থ বুঝে নেয়, যেমন কণ্ঠস্বর মাধ্যমে কমান্ড দেওয়া হয়েছে নাকি প্রশ্ন করা হয়েছে সেটি বুঝে নেয়।
- বিষয় অনুসন্ধান (Context Understanding): AI পূর্ববর্তী কথোপকথনের প্রসঙ্গ অনুসারী উত্তর দিতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২৮.
ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশন এর ACID প্রপার্টিতে "A" দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Availability
  2. Atomicity
  3. Authorization
  4. Authentication
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID প্রপার্টিতে "A" দ্বারা বুঝায় Atomicity.

• ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

১,৫২৯.
ফার্মওয়্যার সংরক্ষিত থাকে-
  1. ক) র্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) হার্ডডিস্ক
  4. ঘ) ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটারের রমে সংরক্ষিত কতগুলো স্থায়ী নির্দেশাবলি। কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার প্রস্তুতের সময় এর সেমিকন্ডাক্টর রমে কিছু স্থায়ী নির্দেশ সংরক্ষিত করে দেয়, যেগুলোকে ফার্মওয়্যার বলে। এগুলোকে পরিবর্তন করা যায় না। তবে আপডেট করা যায়। ROM - BIOS হলো এক প্রকার ফার্মওয়্যার। (সূত্রঃ মাইক্রোসফট এবং টেকোপিডিয়া)
১,৫৩০.
ব্যবহারের দিক থেকে নিচের কোনটি তুলনামূলক ফ্লেক্সিবল এবং সহজ?
  1. Robot
  2. Cobot
  3. TBot
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
[A collaborative robot, also known as a cobot, is an industrial robot that can safely operate alongside humans in a shared workspace. The cobot is flexible and easy to use compared to robots.]

• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. Techtarget website.
১,৫৩১.
সেকেন্ডারী স্টোরেজ ডিভাইস কোনটি?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) পেন ড্রাইভ
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
RAM, ROM ছাড়া সকল মেমোরি সহায়ক মেমোরি। 
সুতরাং পেন ড্রাইভ সহায়ক মেমোরি।
 
সেকেন্ডারি মেমোরি (Secondary Memory):
ব্যবহারকারীর প্রোগ্রাম ও তথ্য দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করে রাখার জন্য অধিক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন, কম গতিবিশিষ্ট ও কম দামের বিশেষ ধরনের মেমােরিকে সহায়ক মেমােরি বা সেকেন্ডারি মেমােরি বলা হয়।
- হার্ডডিস্ক, ফ্ল্যাশডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক (CD-ROM, WROM, DVD), চৌম্বক ফিতা ও ড্রাম হলো সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ।
 
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল), (২০২১ সংস্করণ)
১,৫৩২.
Which of the following can be used both as storage and I/O?
  1. ক) Mouse
  2. খ) Monitor
  3. গ) Hard disk
  4. ঘ) Keyboard
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একইসাথে স্টোরেজ ও ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 

কিছু ডিভাইস ইনপুট এবং আউটপুট উভয়ই হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন :  হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপিডিস্ক এবং একটি মডেম। 

উৎস : Diploma in Computer Science and Application Program, Open University
১,৫৩৩.
ইএমটিএস পদ্ধতিতে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়?
  1. ৪০ হাজার
  2. ৫০ হাজার
  3. ৬০ হাজার
  4. ৭০ হাজার
ব্যাখ্যা
♦ ইএমটিএস: 
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।  
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস (ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস/সিস্টেম)।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়। 
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।

 উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩৪.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অন্যতম বড় সুবিধা কোনটি?
  1. বাস্তব পরিবেশে হার্ডওয়্যার পরীক্ষার খরচ কমানো
  2. বাস্তবে কঠিন কাজ ভার্চুয়ালি সম্পন্ন করা
  3. দীর্ঘমেয়াদি তথ্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  4. ইন্টারনেট গতি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

• VR ত্রিমাত্রিক কৃত্রিম পরিবেশের মাধ্যমে বাস্তবে ঝুঁকিপূর্ণ বা কঠিন কাজ অনুশীলনের সুযোগ দেয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তব বা কৃত্রিম ছবি তৈরি করা হয়।
- এটি আসল বস্তু নয়; কিন্তু বিজ্ঞানের কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে তৈরি একটি কাল্পনিক বাস্তবতা।
- এটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির সাহায্যে এমন একটি কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করা হয়, যেখানে ব্যবহারকারী কাছে গেলে, দেখলে এবং বুঝলে মনে হয় বাস্তব।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরির মাধ্যমে এমন কঠিন কাজও সম্পন্ন করা সম্ভব, যা বাস্তবে করা খুব কঠিন হতো।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:

- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD),
- ডেটা গ্লাভস,
- বিশেষ বডি স্যুট।
- এই সকল উপাদান ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে শারীরিকভাবে না গিয়েও বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা দেয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ:

- চিকিৎসাক্ষেত্রে,
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়,
- ফ্লাইট সিমুলেশনে,
- খেলাধুলা ও বিনোদনে, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৩৫.
SQL হলো-
  1. ক) একটি আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. খ) অবজেক্ট অরিয়েন্টেড ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. গ) মেশিন লার্নিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ANSI (American National Standard Institute) এর standard definition অনুসারে SQL রিলেশনাল ডাটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।
উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
১,৫৩৬.
কোন ফাংশন কী দিয়ে একটি ওয়েবপেজ বা উইন্ডো রিফ্রেশ করা হয়?
  1. F1
  2. F3
  3. F5
  4. F12
ব্যাখ্যা
• একটি ওয়েবপেজ বা উইন্ডো রিফ্রেশ করার জন্য F5 কী ব্যবহার করা হয়। যখন ব্যবহারকারী ওয়েব ব্রাউজারে F5 কী চাপেন, তখন পৃষ্ঠাটি পুনরায় লোড হয় এবং সার্ভার থেকে নতুন করে কনটেন্ট আনা হয়। এটি সাধারণত তখন দরকার হয় যখন পেজে নতুন আপডেট এসেছে বা কোনো ত্রুটি দেখা দিলে সেটি ঠিক করতে রিফ্রেশ করতে হয়।
- অন্যদিকে, F1 সাধারণত সাহায্যের জন্য, F3 সার্চের জন্য, এবং F12 ডেভেলপার টুলস চালু করতে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে গ) F5, যা ব্যবহার করে সহজেই ওয়েবপেজ রিফ্রেশ করা যায়।


• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৫৩৭.
HDD-এর তুলনায় SSD ব্যবহার করার মূল সুবিধা কী?
  1. দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস
  2. স্টোরেজের ক্ষমতা বেশি
  3. বেশি মুভিং পার্টস
  4. খরচ কম
ব্যাখ্যা

• HDD-এর তুলনায় SSD ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হলো দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস। SSD তে কোনো মেকানিক্যাল মুভিং পার্টস থাকে না, ফলে ডেটা পড়া এবং লেখা অনেক দ্রুত হয়। HDD-তে প্ল্যাটার ঘোরানোর এবং রিড/রাইট হেড সরানোর কারণে ডেটা অ্যাক্সেস ধীর হয়। SSD কম্পিউটার বা ল্যাপটপের বুট টাইম কমায়, অ্যাপ্লিকেশন দ্রুত লোড হয় এবং ফাইল ট্রান্সফার দ্রুত হয়। যদিও SSD সাধারণত HDD-এর তুলনায় দাম বেশি এবং স্টোরেজ ক্ষমতা কিছুটা কম হতে পারে, তবুও দ্রুত কর্মক্ষমতার কারণে এটি আধুনিক সিস্টেমে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই, SSD-এর মূল সুবিধা হলো ডেটা অ্যাক্সেসের উচ্চ গতি।
 
SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম। 
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: IBM [link]

১,৫৩৮.
ই-মেইল ঠিকানায় '@' চিহ্নের পরবর্তী অংশকে কী বলা হয়?
  1. ডোমেইন নেম
  2. প্রোটোকল নেম
  3. সার্ভার নেম
  4. ইউজারনেম
ব্যাখ্যা

- ই-মেইল ঠিকানা দুই অংশে বিভক্ত- ইউজারনেম এবং ডোমেইন নেম, যা '@' চিহ্ন দ্বারা আলাদা হয়।
- '@' এর আগে থাকা অংশটি হলো ইউজারনেম, যা ই-মেইল অ্যাকাউন্টের মালিককে চিহ্নিত করে।
- '@' এর পরে থাকা অংশটি হলো ডোমেইন নেম, যা ই-মেইল সার্ভারের ঠিকানা নির্দেশ করে।

• ইমেইল:
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা - দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৫৩৯.
১১০০১ থেকে ১০০১ কে বাইনারি পদ্ধতিতে বিয়োগ করলে বিয়োগফল কত হবে?
  1. ক) ১০১০১
  2. খ) ১০০১১
  3. গ) ১০০০০
  4. ঘ) ১০০০১
১,৫৪০.
প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক কে?
  1. টিম বার্নাস লি
  2. অ্যাডা লাভলেস
  3. মার্ক জুকারবার্গ
  4. চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা
অ্যাডা লাভলেস:
- গণনার কাজটি কিভাবে আরো কার্যকর করা যায় সেটি নিয়ে ভেবেছিলেন কবি লর্ড বায়রনের কণ্যা অ্যাডা লাভলেস।
- তিনি ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং' এর ধারণা দেন।
- এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে 'প্রোগ্রামিং' ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়।
- অ্যাডার মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা আসলে অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪১.
EVM এর পূর্ণরূপ-
  1. ক) Electrical Voting Management
  2. খ) Electronic Voting Machine
  3. গ) Electronic Voting Manual
  4. ঘ) Electrical Voting Machine
ব্যাখ্যা
EVM - Electronic Voting Machine
১,৫৪২.
যদি n টি চলক হয়, তবে সত্যক সারণিতে এদের দ্বারা ইনপুটের সর্বোচ্চ কয়টি কম্বিনেশন তৈরি করা সম্ভব?
  1. ক) n টি
  2. খ) 2টি 
  3. গ) nটি 
  4. ঘ) 22 টি 
ব্যাখ্যা
সত্যক সারণি:
- বুলিয়ান চলকের মানের সম্ভাব্য সব বিন্যাসের জন্য বুলিয়ান ফাংশনের যে মান হয় তা প্রকাশ করার টেবিলকে Truth Table বা সত্যক সারণি বলে।
- অর্থাৎ যে সারণিতে বুলিয়ান বীজগণিতের সূত্রে ব্যবহৃত চলকের সম্ভাব্য মান, মানের জন্য সূত্রের বামদিক এবং ডানদিকের অংশ সমান প্রমাণ করা যায়, সে সারণিকে সত্যক সারণি বলা হয়।
- যদি সত্যক সারণিতে n সংখ্যক চলক থাকে তবে ইনপুট এর অবস্থা হবে 2n সংখ্যক।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪৩.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার নয়?
  1. MySQL
  2. Microsoft Access
  3. Apache Cassandra
  4. Norton
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমহ:
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- কয়েকটি জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার হলো:
• Microsoft Access,
• মাইএসকিউএল,
• মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,
• কোরেল প্যারাডক্স,
• MongoDB
• PostgreSQL
• Redis
• Apache Cassandra
• Oracle ইত্যাদি।

- Norton একটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
১,৫৪৪.
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার কোনটি?
  1. Altair 8800
  2. Colossus
  3. Ferranti Mark 1
  4. The Apollo Guidance Computer 
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হচ্ছে The Apollo Guidance Computer।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবল সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্ করে থাকে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৫৪৫.
নিচের কোনটি ১ম প্রজন্মের কম্পিউটার নয়?
  1. ক) ENIAC
  2. খ) UNIVAC 1108
  3. গ) EDVAC
  4. ঘ) UNIVAC
ব্যাখ্যা

Some computer of First Generation were:
ENIAC
EDVAC
UNIVAC
IBM-701
IBM-650
Source: niecdelhi.ac.in

১,৫৪৬.
মোবাইল ব্যাংকিং সেবা কার্যক্রম চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইলে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ধারনা শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
- মোবাইল ব্যাংকিং,
- ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম,
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা,
- উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর চালু হয়
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডাটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৫৪৭.
কোন ধরনের নেটওয়ার্ক টপোলজিতে “হাব” কেন্দ্রীয় সংযোগ হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. মেশ টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• “হাব” কেন্দ্রীয় সংযোগ হিসাবে ব্যবহৃত হয় স্টার টপোলজি-তে। স্টার টপোলজিতে প্রতিটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস বা নোড সরাসরি একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা সাধারণত একটি হাব, সুইচ বা রাউটার হতে পারে। এই কেন্দ্রীয় হাব নোডগুলোর মধ্যে ডেটা আদানপ্রদানের জন্য মধ্যস্থতা করে। স্টার টপোলজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কোনো একক নোডে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় না; সমস্যা কেবল সেই নোড বা তার সংযোগে সীমাবদ্ধ থাকে। এছাড়া নতুন নোড সংযুক্ত করা সহজ এবং নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টও তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। এর কারণে হাবকে কেন্দ্রীয় সংযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) স্টার টপোলজি।

​হাব: 
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা। 
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে। 
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়। 

- কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। 
যথা- 
১। সক্রিয় হাব (Active HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে, আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে। 
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে। 

২। নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে। 
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র। এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪৮.
কোন লজিক গেইটে দুইটি ইনপুট একই হলে আউটপুট সত্য হয়?
  1. ক) AND
  2. খ) XNOR
  3. গ) XOR
  4. ঘ) NOR
ব্যাখ্যা


উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪৯.
হার্ড ডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. অপটিক্যাল
  2. ম্যাগনেটিক
  3. সেমিকন্ডাক্টর
  4. লেজার
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক (Hard Disk Drive - HDD)-এ ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক (Magnetic) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৫৫০.
SWIFT code is usually paired with an -
  1. ক) ESBIC
  2. খ) ISBN
  3. গ) IBIC
  4. ঘ) IBAN
ব্যাখ্যা
- An IBAN, or international bank account number, is a standard international numbering system developed to identify an overseas bank account. - The number starts with a two-digit country code, then two numbers, followed by several more alphanumeric characters.
- SWIFT code is usually paired with an IBAN (International Bank Account Number).
- Once the transfer is completed, the bank that receives the money issues a ‘SWIFT message’, a confirmation that funds were received that contains the full information about the transfer.

Source: investopedia.com
১,৫৫১.
ডিজিটাল কন্টেন্ট হতে পারে-
i. এ্যানিমেশন
ii. ইমেজ
iii. অডিও
  1. i ও ii
  2. i ও iii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
♦ ডিজিটাল  কনটেন্ট:
- ডিজিটাল ডাটা আকারে বিদ্যমান যে কোন কনটেন্টকে ডিজিটাল কন্টেন্ট বলা হয়।
- এটা ডিজিটাল মিডিয়া নামেও পরিচিত।
- টেক্সট যেমন ডিজিটাল কন্টেন্ট এর আওতায় পড়ে তেমনি অডিও-ভিডিও ফাইল, গ্রাফিক্স, এমনকি ইমেজও এর আওতায় পড়ে।
- কন্টেন্ট শিল্পে নিয়োজিত অনেক বিশেষজ্ঞ এই সংজ্ঞার সাথে কিছুটা দ্বিমত পোষণ করেন।
- তাঁরা মনে করেন, যেকোন তথ্যই ডিজিটাল কন্টেন্ট যদি সেটা ডিজিটাল আকারে পাবলিশ করার পর ডাউনলোড ও বিতরণযোগ্য হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উনুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫২.
ডাটাবেজের ক্ষুদ্রতম তথ্যের একক কী?
  1. DBMS
  2. Information
  3. Record
  4. Field
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) Field

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
১,৫৫৩.
নিচের কোন ডিভাইসে একই সময়ে ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করা যায়? 
  1. টিভি
  2. ওয়াকিটকি
  3. রেডিও
  4. মোবাইল ফোন
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স: 
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স: 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স: 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৪.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) জন বার্ডিন
  2. খ) উইলিয়াম শকলে
  3. গ) ওয়াল্টার ব্রাটেইন
  4. ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সঙ্গে বেল ল্যাবরেটরির তিনজন উদ্ভাবকের নাম জড়িত উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্ৰাটেইন।

From Bell Laboratory Official Site:
December 16, 1947, Bardeen, Brattain and Shockley managed to make the first working transistor, now known as the point-contact transistor.

যেহেতু, এই বেল ল্যাবেই ট্রানজিস্টরের উদ্ভাবন হয়েছে। তাই, ট্রানজিস্টর সম্পর্কিত তথ্যের ক্ষেত্রে রেফারেন্স হিসেবে এর থেকে যথাযথ রেফারেন্স আর হয় না।

তাই, ট্রানজিস্টর কত সালে আবিস্কার হয়?
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, নিঃসন্দেহে ১৯৪৭ সাল হবে।

এছাড়াও, পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণী, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) বইয়ে ১৯৪৭ এর কথাই বলা আছে।

তবে, অপশনে ১৯৪৭ না থাকলে ১৯৪৮ কে উত্তর হিসেবে নিতে হবে।

বিস্তারিতঃ Live MCQ Premium Section -> তথ্যকলদ্রুম অপশনের পোস্ট-০০৫ দেখুন।

১,৫৫৫.
কী ফিল্ড প্রধানত কত ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) ছয়
ব্যাখ্যা
কী:
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়।
- এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে। যেমন- ক্লাশে ছাত্রদের রোল নম্বরের ভিত্তিতে শনাক্তকরণ, ফলাফল ঘোষণা ও স্কলারশীপ বিতরণ করা হয়, তাই রোল নম্বরকে কী ফিল্ড বলা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা- 
১. প্রাইমারি কী (Primary Key)
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) ও
৩. ফরেন কী (Foreign Key) । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫৫৬.
সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন কে?
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. পল বছিট
  3. টিম বার্নাস লি
  4. রে টমলিনসন
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৭.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + 0 = A
  2. খ) A .1 = A
  3. গ) A . A′ = 0
  4. ঘ) A + A′ = 0
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক উপপাদ্য:



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৮.
বিজয় লে-আউটে বাংলা লেখার সময় “দ” বর্ণটি লিখতে কিবোর্ডে ইংরেজি কোন বর্ণটি চাপতে হয়?
  1. ক) R
  2. খ) K
  3. গ) G
  4. ঘ) L
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
বিজয় কী-বোর্ডে ‘L’ বাটন চাপলে কম্পিউটার স্ক্রিনে ‘দ’ লেখা আসবে এবং ‘Shift+L’ চাপলে কম্পিউটারের স্ক্রিনে বাংলা ‘ধ’ অক্ষরটি উঠবে।
১,৫৫৯.
ন্যানোসেকেন্ড বলতে কোন সময়কে বুঝায়? 
  1. এক মিনিটের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
  2. এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
  3. এক মিনিটের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
  4. এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৬০.
5x + 5x + 5x + 5x + 5x এর মান কোনটি?
  1. 5(2x + 1)
  2. 5(x + 1)
  3. 5(3x + 1)
  4. 3(2x + 1)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5x + 5x + 5x + 5x + 5x এর মান কোনটি?

সমাধান:
5x + 5x + 5x + 5x + 5x 
= 5x(1 + 1 + 1 + 1 + 1)
= 5x × 5
= 5x + 1

১,৫৬১.
নিচের কোন পদ্ধতিটি দিয়ে আপনি IMEI চেক করতে পারবেন?
  1. ক্যামেরা অ্যাপ ওপেন করা
  2. ফোনে কল করা
  3. *#06# ডায়াল করা
  4. মেসেজ পাঠানো
ব্যাখ্যা

• IMEI চেক করার জন্য সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো *#06# ডায়াল করা।
IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি ইউনিক নম্বর, যা ডিভাইস শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ফোনের ডায়ালার ওপেন করে *#06# কোডটি ডায়াল করলে সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনে IMEI নম্বর প্রদর্শিত হয়। এই পদ্ধতিতে ইন্টারনেট, ক্যামেরা বা মেসেজের কোনো প্রয়োজন হয় না এবং এটি সব ধরনের মোবাইল ফোনে কাজ করে। ক্যামেরা অ্যাপ ওপেন করা, সাধারণ কল করা বা মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে সরাসরি IMEI জানা যায় না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) *#06# ডায়াল করা।

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৫৬২.
Which of the following is a graphical operating system?
  1. MS-DOS
  2. CP/M
  3. Windows 7
  4. PC-DOS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Windows 7

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

১,৫৬৩.
নিচের কোনটির উপর কম্পিউটারের ক্ষমতা নির্ভর করে?
  1. ক) সিপিউ
  2. খ) হার্ডডিস্ক
  3. গ) RAM
  4. ঘ) ROM
ব্যাখ্যা

- সিপিউ'কে মানুষের মস্তিস্কের সাথে তুলনা করা হয়।
- আধুনিক কম্পিউটারের সিপিউ মানে হলো প্রসেসর। এর উপর কম্পিউটারের ক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে।

-  Central Processing Unit(কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট), এটি কম্পিউটারে এমন একটি হার্ডওয়্যার উপাদান,যা এপ্লিকেশন,সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম কে রান করতে সহায়তা করে।
- সিপিইউতে হলো এক ধরণের যন্ত্রাংশ যা মাদারবোর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
- CPU এর চিপ অনেক গুলো ছোট ছোট ট্রানজিস্টর দ্বার তৈরী, এই ট্রানজিস্টরের সাহায্যে কম্পিউটারের প্রোগ্রাম রান হয় এবং সিপিইউ হিসাব নিকাশ করে। 

অপরদিকে, হার্ডডিস্ক  ডাটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
RAM ও ROM যথাক্রমে অস্থায়ী ও স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করলেও একটি কম্পিউটারের কাজ করবার ক্ষমতা মূলত সিপিউ তথা প্রসেসরের উপর নির্ভর করে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১,৫৬৪.
QR কোড কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ ও দ্রুত স্ক্যান করতে
  2. শুধুমাত্র টেক্সট এনক্রিপ্ট করতে
  3. ভিডিও কল করতে
  4. ওয়েবসাইট হোস্টিং করতে
ব্যাখ্যা

◉ QR কোড (Quick Response Code) হলো একটি দ্বি-মাত্রিক বারকোড, যা দ্রুত স্ক্যান করে ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।  

QR Code:
- QR Code এর পূর্ণরূপ Quick Response Code.
- QR কোডকে বারকোড এর একটি সম্প্রসারণ হিসাবে ভাবা যায় যেখানে কালো বিন্দুগুলির উল্লম্ব এবং অনুভূমিক অবস্থান উভয়কে একটি অপটিক্যাল স্ক্যানার দ্বারা পড়া যায়৷
- বারকোড যেখানে অনুভূমিকভাবে তথ্য ধারণ করে, QR কোড অনুভূমিকভাবে ও উল্লম্বভাবে তথ্য ধারণ করতে পারে। ফলে QR কোড বারকোডের তুলনায় শত গুণ বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে।
- QR Code এর মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়।
- QR কোডে তথ্য কেবল পড়া যায়।
- এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: ৭,০৮৯টি ক্যারেক্টার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৫৬৫.
কোনটি প্রসেসরের ধরন নয়?
  1. NVIDIA GeForce
  2. Intel Core i7
  3. AMD Ryzen
  4. Apple M1
ব্যাখ্যা

•  প্রসেসর বা সিপিইউ (CPU) হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট, যা সমস্ত কম্পিউটেশনের কাজ সম্পন্ন করে। বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের প্রসেসর তৈরি করে, যেমন Intel Core i7, AMD Ryzen, এবং Apple M1। এগুলো কম্পিউটারের বিভিন্ন ক্ষমতার জন্য ডিজাইন করা। তবে NVIDIA GeForce কোনো প্রসেসর নয়; এটি মূলত গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU), যা ভিডিও, গেম এবং গ্রাফিক্স সংক্রান্ত কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, NVIDIA GeForce প্রসেসরের মধ্যে গণ্য হয় না, কারণ এটি CPU-এর মতো সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ কাজ সম্পাদন করে না।

প্রসেসর: 
- প্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়, কারণ কম্পিউটারের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
- কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি হলো এই সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) বা প্রসেসর। 
- অনেক সময় সিস্টেম ইউনিটকে ভুলবশত CPU বলা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে CPU হলো সেই ছোট্ট চিপ, যা কেন্দ্রীয়ভাবে সমস্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। আকারে ছোট হলেও এর কর্মক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী।
- কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা অনেকাংশে প্রসেসরের গতি ও মানের উপর নির্ভরশীল।
- আধুনিক প্রসেসর একাধিক কোর-এর সমন্বয়ে তৈরি, যা মাল্টিটাস্কিং করতে সক্ষম। অর্থাৎ একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ একই সাথে দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

উৎস:
- শিক্ষায় আইসিটি, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Nvidia [link]

১,৫৬৬.
কোনটির মাধ্যমে ডেটা একই সময় দুইদিকে যেতে পারে?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স
  3. টেলিকাস্ট
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
১,৫৬৭.
অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে কোন ধরনের সিগন্যাল পাঠানো হয়?
  1. বৈদ্যুতিক সিগন্যাল
  2. তড়িৎ সিগন্যাল
  3. আলোক সিগন্যাল
  4. যান্ত্রিক সিগন্যাল
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু এক ধরনের প্লাস্টিক কাচের তন্ত্র।
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলোক সিগন্যাল পাঠানো হয়।
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোক সিগন্যাল অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে প্রথমে আলোক সিগন্যালে পরিণত করা হয়।
- এরপর আলোক সিগন্যালকে অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- অপরপ্রান্তে আলোক সিগন্যালকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে পরিণত করা হয়।
- এভাবেই অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে সিগন্যাল পাঠানো সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৫৬৮.
HDD-এর কোন অংশটি SSD-তে পাওয়া যায় না?
  1. ফ্ল্যাশ চিপ
  2. কন্ট্রোলার
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. মেকানিক্যাল অংশ
ব্যাখ্যা

• HDD এবং SSD এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো তাদের ডাটা সংরক্ষণের পদ্ধতি। HDD বা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে তথ্য সংরক্ষণ করতে ঘূর্ণনশীল ডিস্ক এবং রিড/রাইট হেড ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে SSD বা সলিড-স্টেট ড্রাইভে তথ্য সংরক্ষণ হয় ফ্ল্যাশ চিপে, যা সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক এবং কোনো চলমান মেকানিক্যাল অংশ নেই। তাই HDD-এর যে মেকানিক্যাল অংশগুলো যেমন ডিস্ক প্ল্যাটার, স্পিন্ডেল এবং হেড অ্যাকচুয়েটর, সেগুলো SSD তে পাওয়া যায় না। SSD শুধুমাত্র ফ্ল্যাশ চিপ, কন্ট্রোলার এবং ক্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে।

- উত্তর: ঘ) মেকানিক্যাল অংশ। 

​SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Microsoft [link]

১,৫৬৯.
কোন ডিভাইসের মাধ্যমে অ্যানালগ সংকেত ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত হয়?
  1. স্যুইচ
  2. রিপিটার
  3. মডেম
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
• মডেম (Modem):
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC-Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (ADC-Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে ।
- প্রেরক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট ডেটা ও তথ্য প্রেরণ করে।
- এভাবে টেলিফোন লাইনের উপযোগী করে ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন (Modulation) বলে।
- গ্রাহক কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত মডেম সেই অ্যানালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে তা কম্পিউটারের ব্যবহারোপযোগী করে।
- এভাবে টেলিফোন লাইন থেকে প্রাপ্ত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন (Demodulation) বলে ।
- কাজেই প্রেরক বা প্রাপক হিসাবে ব্যবহৃত যে ডিভাইস বা যন্ত্র ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মডুলেশন ও ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্যে উৎস ও গন্তব্যের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে মডেম বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৫৭০.
"PTT Phone" কী ধরনের যোগাযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
  3. সিমপ্লেক্স মোড
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• “PTT Phone” বা Push-to-Talk ফোন মূলত হাফ-ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে। এই যোগাযোগ পদ্ধতিতে একবারে কেবল একজন ব্যবহারকারীই কথা বলতে পারে এবং অন্যজন শুনতে পায়, অর্থাৎ একদিকে কথা বলা এবং অন্যদিকে শোনা হয়, কিন্তু একই সময়ে উভয় কাজ সম্ভব নয়। যখন ব্যবহারকারী Push-to-Talk বাটন চাপেন, তখন তিনি কথা বলতে পারেন, আর বাটন ছাড়লে শোনা যায়। এটি সিম্পলেক্সের মতো নয়, যেখানে একবারে কেবল একটি দিকেই যোগাযোগ হয়, এবং ফুল-ডুপ্লেক্সের মতো নয়, যেখানে দুই পক্ষ একসঙ্গে কথা বলতে পারে। তাই, PTT ফোনের যোগাযোগ পদ্ধতি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের অন্তর্ভুক্ত।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে। 
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।  
যথা- 

১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। 
যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। 
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়। 
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: 
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২) techtarget [লিংক]
১,৫৭১.
একটি IPv6 ঠিকানায় কতগুলো বিট ব্যবহার করা হয়?
  1. 64 বিট
  2. 96 বিট
  3. 256 বিট
  4. 128 বিট
ব্যাখ্যা

• IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন ৬, যা IPv4-এর তুলনায় অনেক বড় ঠিকানার স্থান সরবরাহ করে। একটি IPv6 ঠিকানা মোট ১২৮ বিট লম্বা হয়, যা ৮টি হেক্সাডেসিমাল ব্লক আকারে লেখা হয়। প্রতিটি ব্লকে ১৬ বিট থাকে, ফলে ৮ × ১৬ = ১২৮ বিট হয়। এই দীর্ঘ ঠিকানার কারণে IPv6 ইন্টারনেটে কোটি কোটি ডিভাইসকে স্বতন্ত্রভাবে ঠিকানা দেওয়ার সুযোগ দেয়। IPv4 কেবল ৩২ বিট ব্যবহার করেছিল, তাই ঠিকানার ঘাটতি থাকত, কিন্তু IPv6 ১২৮ বিট ব্যবহার করে এই সমস্যা দূর করেছে।
- সুতরাং, IPv6 ঠিকানায় ১২৮ বিট ব্যবহার করা হয়। উত্তর: ঘ) 128 বিট।

আইপি এড্রেস:
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৫৭২.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবার ধরন নয়?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. HaaS
ব্যাখ্যা

HaaS ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবার ধরন নয়।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।

• উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।

• উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।

• উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৫৭৩.
নিচের কোন বিষয়টির সাথে কম্পিউটার সম্পৃক্ত?
  1. ক) ফ্যাক্স
  2. খ) ই-মেইল
  3. গ) টেলিফোন
  4. ঘ) টেলিভিশন
ব্যাখ্যা
• ই - মেইল তথা ইলেক্ট্রনিক মেইল হল ডিজিটাল বার্তা যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।
• ই - মেইল সার্ভারগুলো মেইল গ্রহণ করে এবং সংরক্ষণ করে।
•  একটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে @ চিহ্নটি।
• ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৪.
প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরী করেন-
  1. ক) চার্লস ব্যাবেজ 
  2. খ) লাইবনিৎস 
  3. গ) ডালটন 
  4. ঘ) স্টিভ জবস 
ব্যাখ্যা
১৬৪২ সালে ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascalene)।
১৬৭১ সালে গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine)। মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর।
উল্লেখ্য যে, লাইব‌নিৎস ও লিবনিজ একই ব্যাক্তি।
অপশনে, ব্লেইজ প্যাসকেল থাকলে এটিই সঠিক উত্তর বলে বিবেচিত হবে এবং ব্লেইজ প্যাসকেল অপশনে না থাকলে লাইব‌নিৎস/লিবনিজ সঠিক উত্তর বলে বিবেচিত হবে।
১,৫৭৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুফল কোনটি?
  1. ক) সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য
  2. খ) ইন্টারনেট সংযোগ লাগে না
  3. গ) এ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়
  4. ঘ) তথ্যের গোপনীয়তা বজায় থাকে
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিচের ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি : ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড : ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো : এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

১,৫৭৬.
ই-কমার্স সাইট amazon.com কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৯৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট আমাজন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
১,৫৭৭.
কোন কম্পিউটার বাসের অপর নাম IEEE 1394?
  1. ফার্মওয়্যার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. ম্যালওয়্যার
  4. ফায়ারওয়্যার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- ফায়ারওয়্যার হচ্ছে এ যাবৎকালের সর্বাপেক্ষা দ্রুতগতির বাস।
- ফায়ারওয়্যার বাসের আরেকটি নাম হচ্ছে IEEE 1394.

- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৮.
ইউএসবি পোর্ট দ্বারা কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিটের সাথে সংযুক্ত করা যায়-
  1. ক) স্ক্যানার
  2. খ) মাউস
  3. গ) কী-বোর্ড
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইউএসবি পোর্ট (USB Port):
- USB সমর্থিত ডিভাইসসমূহ এ জাতীয় পোর্টে সংযুক্ত করা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিটের সামনে বা পেছনে ২ থেকে ৪টি USB পোর্ট থাকে।
- এ ধরনের পোর্টে বিভিন্ন ধরনের USB পোর্টের ডিভাইস যেমন, মাউস, কী-বোর্ড, স্ক্যানার, পেনড্রাইভ, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৯.
​ROM কোন ধরনের মেমোরি? 
  1. ক্যাশ মেমোরি 
  2. র‌্যান্ডম মেমোরি 
  3. ভোলাইটল মেমোরি 
  4. নন-ভোলাইটল মেমোরি
ব্যাখ্যা

ROM: 
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
​- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমোরি (Non-Volatile Memory), অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮০.
কোন ক্ষেত্রে সাধারণত OCR ব্যবহৃত হয় না?
  1. মুদ্রিত বই ডিজিটাল আকারে রূপান্তর
  2. গাড়ির নম্বরপ্লেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া
  3. ভিডিও স্ট্রিমিং
  4. রসিদ স্ক্যান করা
ব্যাখ্যা

• OCR বা Optical Character Recognition হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মূলত মুদ্রিত বা হাতে লেখা লেখা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত বইকে ডিজিটাল আকারে রূপান্তর, গাড়ির নম্বরপ্লেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া, রসিদ স্ক্যান করা ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে ভিডিও স্ট্রিমিং ক্ষেত্রে OCR-এর ব্যবহার হয় না, কারণ ভিডিও স্ট্রিমিং মূলত ভিজ্যুয়াল ও অডিও কনটেন্ট রিয়েল-টাইমে পরিবেশন করে, যেখানে টেক্সট শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয়তা থাকে না। তাই দেওয়া অপশন গুলির মধ্যে ভিডিও স্ট্রিমিং (গ) হলো সেই ক্ষেত্র যেখানে সাধারণত OCR ব্যবহৃত হয় না। 

ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮১.
মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কোন প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. WAP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

• WAP → Wireless Application Protocol; মোবাইল ফোনে তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP → ফাইল আদান-প্রদানের প্রোটোকল; মোবাইল ইন্টারনেট অ্যাকসেস প্রযুক্তি নয়।
- HTTP → ওয়েব পেজ ট্রান্সফারের প্রোটোকল; মোবাইল নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের প্রযুক্তি নয়।
- SMTP → ই-মেইল প্রেরণের প্রোটোকল; ইন্টারনেট সংযোগ প্রযুক্তি নয়।

• মোবাইল ইন্টারনেট (Mobile Internet):

- GPRS ও EDGE প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যবস্থাকেই মোবাইল ইন্টারনেট বলা হয়।
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য WAP (Wireless Application Protocol) প্রযুক্তিও ব্যবহৃত হয়।
- এ কারণে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য কোনো ধরনের ক্যাবল বা মডেমের প্রয়োজন হয় না।
- WAP প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা সম্ভব।
- এর সাহায্যে ই-মেইল আদান-প্রদান, ই-ব্যাংকিং, ই-কমার্সসহ বিভিন্ন অনলাইন কার্যাবলি সহজে সম্পাদন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮২.
এসএসডি কী ধরণের মেমোরি?
  1. প্রাইমারি মেমরি
  2. ইন্টারনাল মেমরি
  3. সেকেন্ডারি মেমরি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ। 

উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৩.
কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ?
  1. MS-Word
  2. FORTRAN
  3. McAfee
  4. COBOL
ব্যাখ্যা
♦ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি। যেমন: McAfee, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি। 
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools -এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- Disk Fragmenter, Scan Disk, Drive Converter, Compression, System Monitor  ইত্যাদি System Tools এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
১,৫৮৪.
DML এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Data Management Language
  2. Data Manipulation Language
  3. Data Maintenance Language
  4. Database Management Language
ব্যাখ্যা

• DML এর পূর্ণরূপ - Data Manipulation Language.

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮৫.
সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য কোন শর্টকাট কী ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + B
  2. Ctrl + C
  3. Ctrl + D
  4. Ctrl + E
ব্যাখ্যা

এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
- Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
- Ctrl + D: কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E: টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
- Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
- Ctrl + I: সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

তথ্যসূত্র - Computer Hope.

১,৫৮৬.
ফিশিং বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি কম্পিউটার ভাইরাস
  2. কম্পিউটারকে দ্রুত করার উপায়
  3. ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের ধরন
  4. ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে চুরি করার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• ফিশিং হল একটি অনলাইন প্রতারণার পদ্ধতি, যা মূলত ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। হ্যাকাররা ইমেইল, মেসেজ বা নকল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে বিশ্বাসযোগ্য বার্তা পাঠায়। এই বার্তাগুলিতে প্রায়ই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, পাসওয়ার্ড বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য চাইতে পারে। ব্যবহারকারী যদি এসব বার্তায় থাকা লিঙ্কে ক্লিক করে তথ্য প্রদান করে, তবে হ্যাকাররা তা চুরি করতে সক্ষম হয়। ফিশিং সাধারণত ব্যাংকিং, অনলাইন শপিং বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটে এবং এটি কম্পিউটার ভাইরাস বা সফটওয়্যারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং, ফিশিং হলো ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে চুরি করার পদ্ধতি। 

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
ফিশিং (Phishing): ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা ইন্টারনেট কোন নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড এর মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির প্রচেষ্টাকে ফিশিং (phishing) বলে।

স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): র‍্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার। র‍্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

স্নিফিং (Sniffing): ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,৫৮৭.
কোনটি ভাইরাস বা ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সিআইএইচ
  2. স্টোন
  3. ওয়ার্ম
  4. নরটন
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার বা ডিভাইসকে আক্রান্ত করতে পারে। সিআইএইচ এবং স্টোন হলো পরিচিত কম্পিউটার ভাইরাস, যা ফাইল বা সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ওয়ার্মও একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায় এবং সংক্রমণ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, নরটন হলো একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার সনাক্ত ও প্রতিরোধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই এই তালিকার মধ্যে নরটন ভাইরাস বা ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এটি ভাইরাস থেকে রক্ষা করার একটি নিরাপত্তা প্রোগ্রাম।

- উত্তর: ঘ) নরটন।

• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম। 
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়। 
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন। 
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)। 
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়। 
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়। 
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম: 
- ভিবিএস/হেল্পার, 
- ওয়ার্ম, 
- ভিবিএস/আকুই, 
- ট্রোজান হর্স, 
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর, 
- মাইক্রো ভাইরাস, 
- বুট সেক্টর ভাইরাস, 
- জেরুজালেম, 
- স্টোন, 
- ঢাকা ভাইরাস, 
- ভিয়েনা, 
- সিআইএইচ ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮৮.
Which wireless communication technology creates a Personal Area Network (PAN)?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. WiMAX
  4. Satellite Communication
ব্যাখ্যা

• Bluetooth একটি স্বল্প দূরত্বের wireless প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে Personal Area Network (PAN) তৈরি করে।

• ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি:
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন বলতে এমন যোগাযোগ ব্যবস্থা বোঝায় যেখানে ডিভাইসগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের তার বা কেবল ছাড়াই ডাটা আদান-প্রদান করা হয়।
- এই ব্যবস্থায় সাধারণত রেডিও তরঙ্গ বা অন্যান্য ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়।
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, প্রিন্টার ইত্যাদি ডিভাইস একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

• Bluetooth:
- Bluetooth হলো স্বল্প দূরত্বের একটি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড যা বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডাটা বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Bluetooth প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি Personal Area Network (PAN) তৈরি করা যায়।
- এই প্রযুক্তি 2.4 GHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
- সাধারণত 10–100 মিটার দূরত্বের মধ্যে থাকা ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, হেডসেট, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রে Bluetooth ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Wi-Fi → একটি জনপ্রিয় wireless networking প্রযুক্তি যা IEEE 802.11 standard ব্যবহার করে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
- WiMAX → Worldwide Interoperability for Microwave Access; এটি বৃহৎ এলাকা জুড়ে উচ্চগতির broadband internet access প্রদানকারী wireless প্রযুক্তি।
- Satellite Communication → কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের মধ্যে দূরপাল্লার তথ্য বা সংকেত আদান-প্রদানের পদ্ধতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮৯.
ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল (PaaS) এর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. Dell Servers
  2. Microsoft Windows OS
  3. Amazon S3
  4. Google App Engine
ব্যাখ্যা

•একটি PaaS (Platform as a Service) প্রদানকারী এমন একটি ক্লাউড পরিষেবা, যা ডেভেলপারদের অ্যাপ তৈরি, চালানো ও ডিপ্লয় করার জন্য সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। এতে হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ডাটাবেস, রানটাইম এবং ডেভেলপমেন্ট টুলসহ সবকিছু প্রস্তুত থাকে, ফলে ব্যবহারকারীকে অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভাবতে হয় না।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Google App Engine হলো একটি প্রকৃত PaaS পরিষেবা, কারণ এটি কোড আপলোড করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্কেলিং, লোড ব্যালান্সিং এবং রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট করে। অন্যদিকে Dell Servers হার্ডওয়্যার, Microsoft Windows OS একটি অপারেটিং সিস্টেম এবং Amazon S3 স্টোরেজ পরিষেবা। তাই সঠিক উত্তর ঘ) Google App Engine.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।

১,৫৯০.
ওকুলাস রিফট ভিআর হেডসেটটি কোন সংস্থা তৈরি করেছে?
  1. Apple
  2. Microsoft
  3. Google
  4. Meta
ব্যাখ্যা

• ওকুলাস রিফট ভিআর হেডসেটটি মেটা সংস্থা (প্রাক্তন ফেসবুক) তৈরি করেছে। এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির অন্যতম জনপ্রিয় ডিভাইস। ব্যবহারকারীরা হেডসেটটি ব্যবহার করে তিন-মাত্রিক পরিবেশে ভ্রমণ করতে, ভিডিও গেম খেলতে, শিক্ষামূলক এবং পেশাদার অনুশীলনে অংশ নিতে পারেন। মেটা সংস্থা ভিআর প্রযুক্তিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে এবং ওকুলাস রিফট এই প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অন্যান্য সংস্থা যেমন অ্যাপল, মাইক্রোসফট বা গুগল ভিআর ডিভাইস তৈরি করলেও ওকুলাস রিফট বিশেষভাবে মেটার অন্তর্গত। এটি ব্যবহারকারীদের ইমারসিভ অভিজ্ঞতা দেয় এবং ডিজিটাল দুনিয়ায় নতুন ধরণের ইন্টারঅ্যাকশন সম্ভব করে।

উত্তর: ঘ) Meta. 

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১,৫৯১.
নিম্নের কোন ডিভাইস স্টোরেজ এবং I/O উভয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মাউস
  2. খ) মনিটর
  3. গ) হার্ডডিস্ক
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একইসাথে স্টোরেজ ও ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 

কিছু ডিভাইস ইনপুট এবং আউটপুট উভয়ই হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন :  হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপিডিস্ক এবং একটি মডেম। 

উৎস : Diploma in Computer Science and Application Program, Open University
১,৫৯২.
ফ্যাক্স এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনে কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. PSTN
  2. PSTNN
  3. PIST
  4. FAXTN
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪৩ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
১,৫৯৩.
ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়-
  1. Compression tools
  2. Rename statement
  3. Disk Defragmenter
  4. Backup Software
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ নয় "Rename statement"।
- Rename statement ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:

- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- Antivirus Software,
- Disk Cleanup,
- Disk Defragmenter,
- Backup Software,
- System Monitoring Utilities,
- System Cleanup Utilities
- Compression tools ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের কাজ:
- সংরক্ষণ করা,
- কোনো কিছু ডিলিট করা,
- ডিস্ক ফরমেট ও
- অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯৪.
অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য কোন 'ফাংশন কী' ব্যবহার করা হয়?
  1. F5
  2. F6
  3. F7
  4. F8
ব্যাখ্যা
• F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

• ফাংশন কী:

- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- কী-বোর্ডে ১২টি ফাংশন থাকে।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।

• ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা
১,৫৯৫.
নিচের কোন ডিভাইসটি প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. মাইক্রোকন্ট্রোলার
  2. হাই-অ্যান্ড সার্ভার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা

• প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয় মাইক্রোকন্ট্রোলার। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৯৬.
ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন কোন দুই প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা?
  1. Microsoft এবং Intel
  2. Apple এবং Xerox
  3. IBM এবং Dell
  4. Google এবং Adobe
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৫৯৭.
ফ্লপি ডিস্কের অপর নাম কী?
  1. ডিসকেট
  2. পেন ড্রাইভ
  3. সিডি রম
  4. হার্ড ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disk):
- ফ্লপি ডিস্ক একটি সহায়ক মেমোরি যন্ত্র, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- এটি ডিসকেট নামেও পরিচিত।
- অ্যালান শুগার্ট ফ্লপি ডিস্কটি আবিষ্কার করেন।
- ফ্লপি ডিস্ক ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট হওয়ায় এটি সহজে বহনযোগ্য।
- এই ডিস্কের মাধ্যমে সহজে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- এর ধারণ ক্ষমতা ১.৪৪ মেগাবাইট।
- এটি একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- ফ্লপি ডিস্কটি প্লাস্টিকের উপর চৌম্বকের প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯৮.
কম্পিউটার কম্পোজ করার সুবিধা কোনটি?
  1. ক) দ্রুত কম্পোজ করা যায়
  2. খ) অক্ষর ছোট বড় করা যায়
  3. গ) যেকোনো ভাষায় কম্পোজ করা যায়
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের কম্পোজ করার সুবিধাগুলো হচ্ছে, দ্রুত কম্পোজ করা যায়, একই কম্পিউটারে বাংলা, ইংরেজী এবং অন্যান্য ভাষায় কম্পোজ করা যায়।
- অক্ষরের আকার ইচ্ছামত বড় এবং ছোট করা যায়। অক্ষর কখনও ভাঙ্গে না এবং লাইন আকা বাঁকা হয় না। লাইনের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা প্রয়োজনমত কম বেশি করা যায়।
- ইচ্ছানুযায়ী বিভিন্ন প্যারা সেটিং করা যায় এবং লেখাকে ইচ্ছানুযায়ী সাজানো যায়।
- কম্পোজ করা বিষয় কম্পিউটারের স্মৃতিতে রাখা যায় এবং প্রয়োজন হলে আবার ব্যবহার করা যায়।
- প্রকাশনার ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহার করে শুধুমাত্র কম্পোজ নয়, এখন ছবি বা চিত্র সম্পাদনা, কালার সেপারেশন ইত্যাদি কাজ করার সুযোগও কম্পিউটার তৈরী করে দিয়েছে।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৫৯৯.
সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে কী বোঝায়?
  1. অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার কপি বা ব্যবহার করা
  2. সফটওয়্যার আপডেট করা
  3. সফটওয়্যার বিক্রি করা
  4. সফটওয়্যার উন্নয়ন করা
ব্যাখ্যা

• অনুমতি ছাড়া কোনো সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা বা ব্যবহার করাকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলা হয়।

• সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy):
- সফটওয়্যার পাইরেসি হলো সফটওয়্যার নির্মাতার অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার কপি, বিতরণ বা ব্যবহার করার অবৈধ প্রক্রিয়া।
- এটি মেধাস্বত্ব আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়।
- পাইরেসির মাধ্যমে সফটওয়্যার কোম্পানি ও নির্মাতারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
- সফটওয়্যার পাইরেসি সাইবার অপরাধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

• সফটওয়্যার পাইরেসির ধরন:
- অবৈধভাবে সফটওয়্যার কপি করা।
- অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার বিতরণ করা।
- লাইসেন্স ছাড়া সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
- ইন্টারনেট থেকে অবৈধভাবে সফটওয়্যার ডাউনলোড করা।

• সফটওয়্যার পাইরেসির প্রভাব:
- সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- প্রযুক্তি উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি হয়।
- অনেক ক্ষেত্রে অবৈধ সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার প্রবেশ করতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- সফটওয়্যার আপডেট করা → সফটওয়্যারের নতুন সংস্করণ বা উন্নত সংস্করণ স্থাপন করার প্রক্রিয়া।
- সফটওয়্যার বিক্রি করা → বৈধভাবে সফটওয়্যার বাজারজাত করার কার্যক্রম।
- সফটওয়্যার উন্নয়ন করা → নতুন সফটওয়্যার তৈরি বা বিদ্যমান সফটওয়্যার উন্নত করার প্রক্রিয়া।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

১,৬০০.
কোন রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না?
  1. পাইলস
  2. লিভার ক্যান্সার
  3. হার্ট অ্যাটাক
  4. চর্মরোগ
ব্যাখ্যা
• "হার্ট অ্যাটাকের " চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না।

• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।