বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১৫ / ১৩১ · ১,৪০১১,৫০০ / ১৩,০৮৮

১,৪০১.
অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ ও নকশা তৈরি করেন কে?
  1. হাওয়ার্ড এইকিন
  2. জন মউসলি
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. ভন লিবনিজ
ব্যাখ্যা
• চার্লস ব্যাবেজ:
- ১৭৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর লন্ডনে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি পেশায় ছিলেন গণিতবিদ।
- ১৮৩৩ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ ও নকশা তৈরি করেন।
- তার এই অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনায় আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা নিহিত থাকায় চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
১,৪০২.
কার তত্ত্বাবধানে 'মার্ক-১' কম্পিউটারটি নির্মিত হয়?
  1. চার্লস ব্যাবেজ
  2. হাওয়ার্ড এইকিন
  3. অ্যালান টিউরিং
  4. ভন নিউম্যান
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বেল ল্যাবরেটরিতে রিলে কম্পিউটার নিয়ে অনেক গবেষণা হয়।
- মার্ক-১ নামে পরিচিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটারটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক-১ কম্পিউটারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
ক) মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
খ) কম্পিউটারটির মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
গ) কম্পিউটারটির দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট ও উচ্চতা ৮ ফুট। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 ঘ) এর ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
এ কম্পিউটারটিতে সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্রাংশ সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল দীর্ঘ তারের প্রয়োজন হয়েছিল। মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সযত্নে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: কম্পিউটারের ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০৩.
কম্পিউটার কোন সংখ্যা পদ্ধতির মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করে?
  1. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  3. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করে

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।

• সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যেমন:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি,
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি,
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি এবং
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০৪.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রসঙ্গে “edge computing” বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. এটি একটি ক্লাউড নিরাপত্তা ফায়ারওয়াল
  2. পুরনো ক্লাউড সার্ভার ব্যবহার করা
  3. ডেটার কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  4. এটি ক্লাউড বিল নির্ধারণের একটি টুল
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রসঙ্গে “এজ কম্পিউটিং (Edge Computing)” বলতে বোঝানো হয় ডেটা সেন্টারের পরিবর্তে ব্যবহারকারীর বা ডিভাইসের কাছাকাছি স্থানে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ। সাধারণত ক্লাউড কম্পিউটিং-এ সব ডেটা দূরবর্তী সার্ভারে পাঠিয়ে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, যা অনেক সময় নেটওয়ার্ক লেটেন্সি বা বিলম্ব সৃষ্টি করে। এজ কম্পিউটিং এই সমস্যা কমায়, কারণ ডেটা উত্সের নিকটে প্রক্রিয়াকরণ হয়, ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিক্স সম্ভব হয়। এটি ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), স্বয়ংচালিত যানবাহন, স্মার্ট সিটি ইত্যাদিতে বিশেষভাবে কার্যকর। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটার কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেকনোলজি (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-

১.রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• এজ কম্পিউটিং (Edge Computing):
- এজ কম্পিউটিং হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্লাউড সার্ভারে নয়, বরং ব্যবহারকারী বা ডেটা উৎসের কাছাকাছি স্থানে সম্পন্ন করা হয়।  
- এটি ডেটা ট্রান্সফারের সময় কমায় এবং দ্রুত রেসপন্স প্রদান করে।  
- সাধারণত সেন্সর, আইওটি (IoT) ডিভাইস বা লোকাল সার্ভারের মাধ্যমে ডেটা প্রক্রিয়া করা হয়।  
- এই প্রযুক্তি ক্লাউডের উপর নির্ভরতা কমিয়ে দক্ষতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে।  
- উদাহরণস্বরূপ, স্বয়ংচালিত গাড়ি, স্মার্ট সিটি বা রিয়েল-টাইম মনিটরিং সিস্টেমে এজ কম্পিউটিং ব্যবহৃত হয়।  
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, প্রতিস্থাপন নয়।  

সুতরাং, এজ কম্পিউটিং বলতে বোঝায় ডেটা উৎস বা ব্যবহারকারীর কাছাকাছি স্থানে গণনা সম্পন্ন করা।  

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IBM [link]

১,৪০৫.
"Avira" হলো একটি-
  1. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা
১,৪০৬.
অপারেটিং সিস্টেম ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের পথ হিসেবে কাজ করা ইন্টারফেসকে কী বলা হয়?
  1. Shell
  2. Scheduler
  3. API
  4. Command Prompt
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে যে ইন্টারফেস কাজ করে তাকে Shell বলা হয়। Shell ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কমান্ড গ্রহণ করে সেগুলোকে অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বোঝার যোগ্য আকারে রূপান্তর করে। এটি একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে কমান্ড লাইন বা গ্রাফিকাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারী Shell-এর মাধ্যমে ফাইল পরিচালনা, প্রোগ্রাম চালানো এবং অন্যান্য সিস্টেম কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। সংক্ষেপে, Shell হলো সেই মধ্যস্থ মাধ্যম যা ব্যবহারকারীর নির্দেশকে OS পর্যন্ত পৌঁছে দেয় এবং OS-এর ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) Shell.
 
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
- Command Prompt:
- Command Prompt হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড গ্রহণ করে। যদিও এটি Shell-এর একটি উদাহরণ, প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "ইন্টারফেস" সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং Shell একটি জেনেরিক শব্দ যা সব অপারেটিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।

- API (Application Programming Interface):
- API হলো এক ধরনের ইন্টারফেস যা সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলি অন্য সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে। এটি প্রোগ্রামারদের জন্য, ব্যবহারকারীর জন্য সরাসরি নয়।

- Scheduler:
- Scheduler হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ, যা প্রসেসগুলির মধ্যে CPU-র সময় ভাগ করে। এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য নয়। এটি কাজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে।

- Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,৪০৭.
ওয়েব পেইজ তৈরি করার ভাষা কোনটি?
  1. ক) মেশিন ল্যাংগুয়েজ
  2. খ) ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ
  3. গ) মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ
  4. ঘ) এসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ
ব্যাখ্যা

মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ এই শব্দ দুইটি বর্তমানে ওয়েব পেইজ তৈরি করার ভাষা HTML এর জন্য ব্যবহার করা হয়। Mark-Up Language এর বাংলা আভিধানিক অর্থ হচ্ছে অতিরিক্ত ভাষা।
আমরা ওয়েব পেইজে যে সকল বিষয় বস্তু দেখে থাকি এর চেয়ে অনেক বেশি বিষয় HTML লেখা হয়। আর এই অতিরিক্ত লেখা বা ভাষা-ই হচ্ছে মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ।

মার্কআপ এ অতিরিক্ত তথ্য টেক্সটের কাঠামো বা উপস্থাপনাকে সংজ্ঞায়িত করে। মার্কআপ গুলো মূল টেক্সটের সাথে মিশে থাকে এবং ইন্টারনেট ব্রাউজার-এ তা প্রদর্শিত হয় না।

১,৪০৮.
স্প্যাইওয়্যার কী কাজ করে?
  1. কম্পিউটার দ্রুত করে
  2. ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি করে
  3. ফাইল সংরক্ষণ করে
  4. সফটওয়্যার ইনস্টল করে
ব্যাখ্যা

- স্প্যাইওয়্যার হলো এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে কম্পিউটার বা মোবাইলে ঢুকে ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ নজরদারি করে এবং ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড, ব্রাউজিং হিস্ট্রি, ব্যাঙ্কিং তথ্য, কি-স্ট্রোক ইত্যাদি) চুরি করে হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠায়। - এর মূল কাজই হলো গুপ্তচরবৃত্তি করা এবং তথ্য চুরি করা।

স্প্যাইওয়ারের কাজ:
- ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং ডেটা চুরি করা: যেমন লগইন তথ্য, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ডিটেইলস।
- কীস্ট্রোক লগিং (Keystroke Logging): ব্যবহারকারী কোন কী চাপছে তা রেকর্ড করে।
- পরিচিতি চুরি (Identity Theft): ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে অনলাইন প্রতারণা বা ব্যাংক লেনদেন করা।
- অ্যাড ইনস্টলেশন ও বিজ্ঞাপন দেখানো: কিছু স্প্যাইওয়্যার ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া অ্যাডওয়্যারও ইনস্টল করে।

স্প্যাইওয়ারের উপসর্গ / লক্ষণ:
- কম্পিউটার হঠাৎ ধীরগতিতে কাজ করা।
- ব্রাউজারে অজানা টুলবার বা অ্যাডস দেখা।
- লগইন তথ্য অননুমোদিতভাবে চুরি হওয়া বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ।
- মাঝে মাঝে অপ্রত্যাশিত রিডাইরেকশন ও পপ-আপ বিজ্ঞাপন।

স্প্যাইওয়ারের প্রতিকার:
- অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার / অ্যান্টি-স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
- সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ইমেইল ক্লিক না করা।
- সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করা।
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও দুই-ধাপ যাচাই ব্যবহার করা।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

১,৪০৯.
''https://www.abcd.com/collection/latest'' এখানে হোস্ট নেইম কোনটি?
  1. https
  2. abcd
  3. /collection/latest
  4. .com
ব্যাখ্যা
''https://www.abcd.com/collection/latest''

- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও টেলিকমিউনিকেশনে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত নিয়ম-নীতিকে প্রোটোকল বলে।
- এখানে https: হল ইন্টারনেট প্রোটোকল। 
- ডোমেইনের আওতাভুক্ত কোন কম্পিউটারকে নির্দেশ করার জন্য যে নাম ব্যবহার করা হয় তা হোস্ট নেইম হিসেবে পরিচিত।
- এখানে abcd হলো হোস্ট।
- হোস্ট কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ফাইলের পাথকে ডিরেক্টরী পাথ বলে।
- এখানে /collection/latest হলো ডিরেক্টরী পাথ যা সরাসরি abcd এর latest পেইজে নিয়ে যাবে।
- ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয় আলফানিউমেরিক ঠিকানাকে ডোমেইন নেইম বলে।
- এখানে .com হলো ডোমেইন নেইম যা দ্বারা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বুঝায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪১০.
সর্বশেষ WiFi প্রযুক্তি কোনটি?
  1. Wi-Fi 6 
  2. Wi-Fi 6E
  3. Wi-Fi 7
  4. Wi-Fi 8
ব্যাখ্যা

• Wi‑Fi 7 হলো বর্তমান সর্বশেষ ফাইনালাইজড WiFi প্রযুক্তি। 

Wi‑Fi স্ট্যান্ডার্ডগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- Wi-Fi 1 (802.11b): ধীর গতি (11 Mbps), 2.4 GHz ব্যান্ডে কাজ করে, মূলত প্রাথমিক ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জন্য।
- Wi-Fi 2 (802.11a): দ্রুত গতি (54 Mbps), 5 GHz ব্যান্ডে কাজ করে, কম interference সহ ছোট indoor coverage।
- Wi-Fi 3 (802.11g): 2.4 GHz ব্যান্ডে 54 Mbps গতি, backward compatible এবং বাড়ি ও অফিসে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।
- Wi‑Fi 4 (802.11n): উচ্চ গতি (উচ্চ Mbps), MIMO (একাধিক অ্যান্টেনা) সমর্থন আর 2.4 + 5 GHz ব্যান্ড ব্যবহার।
- Wi‑Fi 5 (802.11ac): আরও বেশি ব্যান্ডউইথ, 5 GHz ব্যান্ডের ওপর ফোকাস, দ্রুত গতি ও আধুনিক উপযোগিতা।
- Wi‑Fi 6 / 6E (802.11ax): efficiency বৃদ্ধি, জনবহুল স্থানে কাজের জন্য উন্নত, 6 GHz ব্যান্ডের জন্য Wi‑Fi 6E।
- Wi‑Fi 7 (802.11be): গতি ও ব্যান্ডউইথে বড় লাফ, latency কমানো, multi‑link ও উন্নত modulation.
- Wi‑Fi 8 (802.11bn): ভবিষ্যৎ: প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী Ultra‑High Reliability ও অত্যন্ত দ্রুত গতি, কিন্তু এখনও final নয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১,৪১১.
ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার কোনটি?
  1. iOS
  2. WINDOWS 7
  3. UBUNTU
  4. Mac OS
ব্যাখ্যা
• যে সকল অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যা বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায় এবং যে কেউ এই সকল কোড তার খুশিমতো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ইত্যাদি করে নিজে ব্যবহার ও অন্যকে ব্যবহারের জন্য বিতরণ করতে পারে তাকে ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়। যেমনঃ
- Linux,
- Haiku,
- Darwin,
- Oberon,
- NetBSD,
- OpenBSD ইত্যাদি।
UBUNTU হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা Linux এর একটা ভার্সনের নাম। 
১,৪১২.
কম্পিউটার সিপিইউ (CPU) এর কোন অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে?
  1. Control Unit
  2. Register Set
  3. Arithmetic Logic Unit
  4. Processing Unit
ব্যাখ্যা
- ALU এর পূর্ণরূপ Arithmetic Logic Unit.
- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।
- সিপিইউ (CPU) এর Arithmetic Logic Unit অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১৩.
নিম্নের কোনটির Memory Capacity সর্বোচ্চ?
  1. ক) Kilobyte
  2. খ) Megabyte
  3. গ) Terabyte
  4. ঘ) None of them
ব্যাখ্যা

The units of Computer Memory Measurements are:
- 1 Bit = Binary Digit.
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

১,৪১৪.
LASER এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
  2. খ) Light Amplitude by Simultaneous Emission of Radiation
  3. গ) Light Amplification by Simultaneous Emission of Radiation
  4. ঘ) Light Anode by Series Emission of Radioactivity
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation. অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক।
- ১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন।
- কাটা, ড্রিলিং/খনন, ঝালাই, উপগ্রহ ট্র্যাকিং, চিকিৎসা ও জীববিজ্ঞান গবেষণা, কমপ্যাক্ট ডিস্ক ও বার কোড পঠন, সার্জারি ইত্যাদি কর্মকান্ডে লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- লেজারের সবচেয়ে ব্যাপক ব্যবহার তথ্য সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারকরণ কাজে।
- উদাহরণস্বরূপ সিডি (কমপ্যাক্ট ডিস্ক) রাইটার-এর মাধ্যমে সিডি-তে (আলোক সংবেদনশীল রং সম্পন্ন একটি ডিস্ক) ডাটা লিখতে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লেজার ব্যবহার করা হয়।

Source: Britannica, বাংলাপিডিয়া
১,৪১৫.
মোবাইল ফোনে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহার করা হয়?
  1. হাফ ডুপ্লেক্স
  2. সিমপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১৬.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) - তে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পিউটার-সৃষ্ট ত্রিমাত্রিক (3D) পরিবেশ
  2. কম্পিউটার-সৃষ্ট দ্বিমাত্রিক (2D) পরিবেশ
  3. হ্যান্ড জিওমেট্রি
  4. ইঞ্জিনিয়ারিং ডাটা
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) - তে কম্পিউটার-সৃষ্ট ত্রিমাত্রিক (3D) পরিবেশ ব্যবহৃত হয়। 

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি বাস্তব নয়, তবে কৃত্রিমভাবে বাস্তব জগৎ অনুভূতি প্রদান করে।
মূল ভিত্তি: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

প্রধান উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD): ব্যবহারকারীর চোখের সামনে পরিধানযোগ্য ডিসপ্লে যা ত্রিমাত্রিক দৃশ্য উপস্থাপন করে।
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove): হাতের গ্লোভস যা ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত করে এবং ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বডি স্যুইট (Body Suit): পূর্ণাঙ্গ পোশাক যা শরীরের বিভিন্ন অংশে সেন্সরযুক্ত, যা স্পর্শ ও গতির অনুভূতি প্রদান করে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: চিকিৎসা, সামরিক প্রশিক্ষণ, বিমানচালনা ইত্যাদিতে বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়াই প্রশিক্ষণ প্রদান।
- বিনোদন: গেমিং ও সিনেমায় বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা।
- গবেষণা ও উন্নয়ন: নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪১৭.
তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালসকে সাধারণত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device):
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলা হয়।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালসকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১৮.
Which type of e-commerce model involves transactions directly between businesses?
  1. Business to Consumer (B2C)
  2. Consumer to Consumer (C2C)
  3. Business to Business (B2B)
  4. Consumer to Business (C2B)
ব্যাখ্যা

• Business to Business (B2B) হলো এমন ই-কমার্স মডেল যেখানে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অন্য একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন করে।

• ই-কমার্স (E-commerce):
- Electronic commerce বা E-commerce হলো ইন্টারনেট বা ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয় এবং আর্থিক লেনদেন পরিচালনার প্রক্রিয়া।
- এতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এবং ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহক উভয়েই অনলাইনে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে।
- আধুনিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে ই-কমার্স একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ব্যবস্থা।

• ই-কমার্সের প্রধান ধরন:
- ই-কমার্স সাধারণত বিভিন্ন মডেলে বিভক্ত।

• Business to Business (B2B):
- এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার অনলাইন লেনদেনকে B2B বলা হয়।
- উদাহরণ: পাইকারি ব্যবসা বা কোম্পানিগুলোর মধ্যে অনলাইন লেনদেন।

• Business to Consumer (B2C):
- ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরাসরি ভোক্তার কাছে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রি করে।

• Consumer to Consumer (C2C):
- একজন ভোক্তা অন্য ভোক্তার কাছে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে, সাধারণত কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।

• Consumer to Business (C2B):
- এই মডেলে ভোক্তা কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বা সেবা প্রদান করে।

• অন্যান্য অপশন:
- Business to Consumer (B2C) → ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরাসরি গ্রাহকের কাছে অনলাইনে পণ্য বা সেবা বিক্রি করে।
- Consumer to Consumer (C2C) → একজন ভোক্তা অন্য ভোক্তার কাছে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে।
- Consumer to Business (C2B) → ভোক্তা কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বা সেবা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১,৪১৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের অংশ নয়?
  1. ক) ডাটা
  2. খ) মেমোরি
  3. গ) সফটওয়্যার
  4. ঘ) মোবাইল ফোন
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১,৪২০.
Fancy Bear একটি -
  1. দামি পানীয়
  2. নদী
  3. রাশিয়ান হ্যাকার গ্রুপ
  4. স্কটল্যান্ড এর জায়গার নাম
ব্যাখ্যা
Fancy Bear একটি রাশিয়ান হ্যাকার গ্রুপ।
Dmitri Alperovitch, a cyber security expert and co-founder of CrowdStrike, was the first to name the cyber espionage group "Fancy Bear." 
Broken down as follows:
Fancy referring to "Sofacy," weirdly enough, a word in Fancy Bear's malware reminded the analyst who discovered it of Iggy Azalea's song "Fancy."
Bear being the codename for Russian hackers.

Source: www.cnbc.com/
১,৪২১.
কত কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে MAN ভাল কাজ করে?
  1. ১০ কিলোমিটার
  2. ৩০ কিলোমিটার
  3. ৫০ কিলোমিটার
  4. ৭০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• ১০ কিলোমিটারের মধ্যে MAN ভাল কাজ করে।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network (মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক)।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৪২২.
মেমােরির ধারণ ক্ষমতার একক কোনটি?
  1. ক) বিট
  2. খ) বাইট
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) নিবল
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমােরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমােরির ধারণক্ষমতা বলা হয়। মেমােরির ধারণ ক্ষমতার একক হলাে বাইট। আট বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট। বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট। বর্ণ, অঙ্ক ও বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট করার জন্য বাইট ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার মেমােরির ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের এককগুলাে হলাে- কিলােবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট। নিচে এদের মধ্যে সম্পর্ক দেখানাে হলাে।

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
১০ বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট
২০ বা ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট
৩০ বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
৪০ বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)

কম্পিউটারের মেমরির ধারন ক্ষমতার সর্বনিম্ন একক - বাইট। কেননা, একটি অক্ষর মেমরিতে সংরক্ষণের জন্য নূনতম ১ বাইট মেমরি দরকার হয়। তবে, মেমরির ধারণক্ষমতার জনপ্রিয় একক হচ্ছে - মেগাবাইট।
১,৪২৩.
Which of the following is a main characteristic of a compiler?
  1. Speed is relatively slow
  2. Translates line by line
  3. Translates the entire program all at once
  4. Requires less space in main memory
ব্যাখ্যা

 কম্পাইলার:
১। সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করে।
২। এটি বড় আকৃতির প্রোগ্রাম।
৩। প্রোগ্রাম নির্বাহের গতি তুলনামূলক দ্রুত।
৪। কাজ করতে প্রধান মেমোরিতে বেশি জায়গা প্রয়োজন হয়।
৫। ডিবাগিং বা প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে।

ইন্টারপ্রেটার:
১। এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে।
২। এটি ছোট আকৃতির প্রোগ্রাম।
৩। গতি তুলনামূলক কম।
৪। প্রধান মেমোরিতে কম জায়গা প্রয়োজন হয়।
৫। ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪২৪.
3G সিস্টেমে মূলত কোন চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. TDMA
  2. CDMA 
  3. FDMA
  4. OFDMA
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থায় মূলত CDMA (Code Division Multiple Access) এবং এর উন্নত সংস্করণ WCDMA (Wideband CDMA) ব্যবহৃত হয়।
- এটি একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে অনেক গ্রাহককে পৃথক কোডের মাধ্যমে সেবা দিতে সক্ষম।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

অন্যান্য অপশন:
- TDMA: দ্বিতীয় প্রজন্মের বা ২জি নেটওয়ার্কের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- FDMA: প্রথম প্রজন্মের বা ১জি মোবাইল সিস্টেমে অ্যানালগ সিগন্যাল আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হতো।
- OFDMA: চতুর্থ প্রজন্মের বা ৪জি নেটওয়ার্কের মূল প্রযুক্তি যা অত্যন্ত উচ্চ গতির ডেটা নিশ্চিত করে।

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

১,৪২৫.
SaaS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Server as a service
  2. খ) Storage as a service
  3. গ) Software as a service
  4. ঘ) Server as a storage
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: 

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service - laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার (Software/application as a service - SaaS):
-  ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২৬.
Bluetooth-এ কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. Nano Frequency Technology
  2. Radio Frequency Technology
  3. Broadband Frequency Technology
  4. Optical Frequency Technology
ব্যাখ্যা
• Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):

- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২৭.
ফায়ারওয়াল নিচের কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. কম্পিউটার এর গতি বৃদ্ধি করতে
  2. রিড-রাইট অপারেশনের জন্য
  3. কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি হিসেবে
  4. ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল: 
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। 
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়। 
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়। 
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। 
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং ব্রিটানিকা।
১,৪২৮.
(507)8 = (?)16
  1. 123
  2. 215
  3. 147
  4. 153
ব্যাখ্যা
• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল:
- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যায়।
১,৪২৯.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় সার্ভারের মূল ভূমিকা কোনটি?
  1. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা
  2. ডেটা সরবরাহ করা
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার ইনস্টল করা
  4. ডিভাইসের হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা
ব্যাখ্যা

• সার্ভার ক্লায়েন্টের অনুরোধ অনুযায়ী ডেটা, রিসোর্স বা সেবা সরবরাহ করে। যেমন— ওয়েব সার্ভার ওয়েবপেজ দেয়, ডাটাবেজ সার্ভার তথ্য সরবরাহ করে।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৪৩০.
নিচের কোনগুলো মৌলিক গেইট?
  1. ক) AND, NAND, OR
  2. খ) AND, OR, NOR
  3. গ) NOT, OR, AND
  4. ঘ) AND, NOR, OR
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়। কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate)
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate)
[সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)]
১,৪৩১.
AI-এ প্রধানত কোন ল্যাঙ্গুয়েজটি ব্যবহৃত হয়?
  1. COBOL
  2. Fortran
  3. Python
  4. C#
ব্যাখ্যা
- AI-এ প্রধানত পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি ব্যবহৃত হয়।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তি নির্ভর করে যন্ত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো হলো- LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৪৩২.
কত সালে আরপানেটের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়?
  1. ক) ১৯৫৭
  2. খ) ১৯৬২
  3. গ) ১৯৬৫
  4. ঘ) ১৯৬৯
ব্যাখ্যা

১৯৫৭ সালে তৎকালীন সােভিয়েত রাশিয়া স্পুটনিক উক্ষেপন করার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করে। এজন্য তারা প্রতিরক্ষা দপ্তরের অভ্যন্তরে গড়ে তােলে একটি প্রজেক্ট।
এই প্রজেক্টের নাম রাখা হয় আরপা (ARPA = Advanced Research Projects Agency)। ১৯৬২ সালে ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনােলােজির লিক লিডার (J C R Lick Lider) প্রথম তার গ্যালাকটিক নেটওয়ার্ক কনসেপ্ট বর্ণনা করেন। তাতে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে প্রােগ্রাম ও তথ্যের আদান প্রদানের কথা বলা হয়। তার এই ধারণাই অনেকটা আজকে ইন্টারনেটে রূপলাভ করেছে।
১৯৬৫ সালে থমাস মেরিল (Thomas Merill) এবং লরেন্স রবার্ট (Lorence Robert) প্রথম MIT এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্যে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৮ সালে বােল্ট (Bolt), বেরানাক (Beranak), নিউম্যান (Newman) (সংক্ষেপে BBN) আরপা-এর সাথে যুক্ত হয়ে প্যাকেট-সুইচিং নেটওয়ার্কের উদ্ভাবন করেন। তখন থেকে এর নাম হয় আরপানেট (ARPAnet)।
১৯৬৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর আরপানেট নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা চুড়ান্ত হয়। প্রাথমিক অবস্থায় এক্ষেত্রে চারটি সংযােগের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেটের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়।
১৯৭২ সালের মার্চ মাসে রে টোমলিনশন (Ray Tomlinson) কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ই-মেইল প্রেরণের জন্য প্রথম সফটওয়্যার তৈরি করেন।
১৯৭৩ সালে Transmission Control Protocol/Internet protocol (TCP/IP) এর উন্নয়ন শুরু হয়।
১৯৭৬ সালে দুইটি নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের উন্নয়ন ঘটে। এর একটি হল জেরক্সের ড. রবার্ট ও জে মেটকালফে ইথারনেট। এই ইথারনেটই পরে লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক উন্নয়নের পথ খুলে দিয়েছিল। অপর সিস্টেসটি ছিল স্যাটনেট (SATNET)।
১৯৮২ সালের দিকে ইন্টারনেট শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই সময় ইন্টারনেটের সংজ্ঞা নিরুপন করে বলা হয় - “ইন্টারনেট হল টিসিপি/আইপি ব্যবহার করে একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করার পদ্ধতি বিশেষ”।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

১,৪৩৩.
নিম্নলিখিত কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) Windows
  2. খ) Linux
  3. গ) Python
  4. ঘ) Mac OS
ব্যাখ্যা
উইন্ডোজ (Windows):
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 

লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন। 

ম্যাক ওএস (Mac OS):
- Mac OS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System.
- ১৯৮০ সালে অ্যাপল(Apple) কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য Mac OS তৈরি করেন। 

• Python হলো High Level Programming Language. 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৩৪.
Cloud Computing-এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Google Drive
  2. Pendrive
  3. Hard Disk
  4. CD-ROM
ব্যাখ্যা

Cloud Computing-এর উদাহরণ Google Drive.

Cloud Computing:
- Cloud Computing হলো এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন কম্পিউটিং সেবা, যেমন ডেটা সংরক্ষণ (Storage), ডেটা প্রক্রিয়াকরণ (Processing), সফটওয়্যার ব্যবহার (Software as a Service) এবং নেটওয়ার্কিং সুবিধা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
- এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে নিজস্ব শক্তিশালী কম্পিউটার বা সার্ভার ব্যবহার করতে হয় না, বরং ক্লাউড সার্ভারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যায়।
- Cloud Computing-এর উদাহরণ: Google Drive, Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Dropbox.

⇒ Cloud Computing-এর জনপ্রিয়তা:
- ব্যবহারকারী যেকোনো ডিভাইস দিয়ে যেকোনো স্থান থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।
- সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ ও অবকাঠামো নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।
- খরচ কম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা বাড়ানো বা কমানো যায়।

⇒ Cloud Computing-এর মূল তিনটি সেবা মডেল:
- IaaS (Infrastructure as a Service): সার্ভার ও স্টোরেজ প্রদান।
- Paas (Platform as a Service): অ্যাপস ডেভেলপমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্ম প্রদান।
- SaaS (Software as a Service): অ্যাপ/সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করা যায় (যেমন: Gmail)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৪৩৫.
ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরিকে কী বলা হয়?
  1. স্নিফিং
  2. স্প্যামিং
  3. ফিশিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৩৬.
Firewall এমন একটি সিস্টেম -
  1. যা কম্পিউটার থেকে ভাইরাস স্ক্যান করে এবং অপসারণ করে।
  2. যা একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেসকে বাধা দেয়।
  3. যা নিরাপদ অনলাইন অর্থ স্থানান্তর করতে সহযোগিতা করে।
  4. যেখানে একাধিক কম্পিউটার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল হল এমন একটি সিস্টেম যা একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেসকে বাধা দেয়।
- এটি এক ধরনের সাইবারসিকিউরিটি টুল যা নেটওয়ার্কে ট্রাফিক ফিল্টার করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল একটি সুরক্ষিত অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক এবং একটি অনিরাপদ বহিরাগত নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি বাধা তৈরি করে থাকে।
১,৪৩৭.
ডেটাবেজ ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম
  2. মাউস ড্রাইভার
  3. DBMS সফটওয়্যার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়‍্যার হিসেবে কাজ করে।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(Database Management System):
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়‍্যার হিসেবে কাজ করে।
- সাধারণত ডেটাবেজকে বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য DBMS ব্যবহৃত হয়।
- আবার DBMS-এর অন্তর্গত প্রোগ্রামসমূহ ডেটাবেজ তৈরি, ডেটা প্রবেশ করানো, ডাটার আধুনিকীকরণ, ডাটা এডিটিং ইত্যাদি কাজ করার জন্য DBMS ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
- যেমন:
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Accsess), 
- মাইক্রোসফট ভিজুয়াল বেসিক (Microsoft Visual Basic), 
- মাইক্রোসফট ফক্সপ্রো (Microsoft Foxpro), 
- এসকিউএল (SQL), 
- জাভা (Java), 
- প্যারাডক্স (Paradox),
- ডিবেজ (Dbase), 
- পাওয়ার বিল্ডার (Power Builder), 
- ডেলফি (Delphi), 
- ইনফরমিক্স (Informix), 
- ওরাকল (Oracle) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৩৮.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট আকারে কোন ধরনের মডেম মাদারবোর্ডে বসানো থাকে?
  1. ক) Internal Modem
  2. খ) Removable Modem
  3. গ) Onboard Modem
  4. ঘ) External Modem
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট আকারে অনবোর্ড ধরনের মডেম মাদারবোর্ডে বসানো থাকে। 

- মডেম হলো এক ধরনের হার্ডওয়ার নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি কম্পিউটার স্যাটেলাইট বা টেলিফোন লাইনে ডেটা ট্রান্সমিশন এর কাজ করে 
মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সিগনাল কে এনালগ সিগনালে কনভার্ট করে, টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহ করতে সাহায্য করে।
- ডেটা কমিউনিকেশন প্রক্রিয়ায় চার ধরনের মডেম এর ব্যবহার দেখা যায়।
যথা- Internal Modem, External Modem, Onboard Modem, Removable Modem. 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৩৯.
What is the shortcut key to undo the last action in PowerPoint?
  1. Ctrl + T
  2. Ctrl + Q
  3. Ctrl + Y
  4. Ctrl + Z
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট (Microsoft):
- ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তাঁর বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহরের রেডমন্ডে অবস্থিত।
- LinkedIn মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- মাইক্রোসফটের সার্ভিসসমূহ: OneDrive, Skype, LinkedIn, Microsoft Word, Microsoft Excel, Microsoft PowerPoint, Microsoft Access, Microsoft Edge, Outlook, Hotmail প্রভৃতি।

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট কমান্ডগুলো হল:
• Create a new presentation. → Ctrl+N
• Add a new slide. → Ctrl+M
• Apply bold formatting to the selected text. → Ctrl+B
• Open the Font dialog box. → Ctrl+T

• Cut selected text, object, or slide. → Ctrl+X
• Copy selected text, object, or slide. → Ctrl+C
• Paste cut or copied text, object, or slide. → Ctrl+V

• Insert a hyperlink. → Ctrl+K
• Insert a new comment. → Ctrl+Alt+M
• Undo the last action. → Ctrl+Z
• Redo the last action. → Ctrl+Y
• Go to the next slide. → Page down
• Go to the previous slide. → Page up

• Start the slide show. → F5
• End the slide show. → Esc
• Print a presentation. → Ctrl+P
• Save the presentation. → Ctrl+S
• Close PowerPoint. → Ctrl+Q

সূত্র: মাইক্রোসফটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৪০.
নিচের কোনটি এক্সপানশনস বাস?
  1. ক) অ্যাড্রেস বাস
  2. খ) কন্ট্রোল বাস
  3. গ) ডেটা বাস
  4. ঘ) লোকাল বাস
ব্যাখ্যা
বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।

বাস দুই প্রকার।
যথা -
১. সিস্টেম বাস: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস
২. এক্সপানশনস বাস: লোকাল বাস
১,৪৪১.
স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ALGOL
  2. Pascal
  3. Ada
  4. C#
ব্যাখ্যা
• C# হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ে ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং:

- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ে প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে লেখা হয়।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এ টপ-ডাউন-অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে প্রোগ্রামকে কতকগুলো অংশ বা মডিউলে ভাগ করা হয়।
- C, Pascal, QBASIC, ALGOL, PL/I, Ada ইত্যাদি হলো স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের গঠন তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. পর্যায়ক্রমিক গঠন (Sequential Structure),
২. চক্র বা লুপ (Loop) ও
৩. ডিশিসন স্টেটমেন্ট (Desicion Statement)।

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য:
- এটা সহজে অনুধাবনযোগ্য।
- ডিবাগিং করা সহজ।
- সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।
- সহজে রচনা করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪২.
'MS Excel' শীটে মোট কলাম থাকে-
  1. ক) ১২৮টি
  2. খ) ২৫৬টি
  3. গ) ৫১২টি
  4. ঘ) ৩৪৩টি
ব্যাখ্যা

- 'MS Excel' সিটে সর্বোচ্চ ৬৫,৫৩৬ টি সারি থাকতে পারে।
- মোট কলামের সংখ্যা ২৫৬ টি।
- মোট সেলের সংখ্যা ১,৬৭,৭৭,২১৬টি।

১,৪৪৩.
বিকল্পগুলির মধ্যে কোনটি Open Source DBMS?
  1. Oracle
  2. Microsoft Access
  3. MySQL
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• Database Management System:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase,
- MySQL,
- PostgreSQL,
- Maria DB,
- MongoDB,
- Cassandra,
- SQLite,
- Cubrid.

- Oracle, Microsoft Access - Open Source DBMS নয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৪৪.
URL-এ ব্যবহৃত https-এর ‘s’ কী নির্দেশনা দেয়?
  1. Structure
  2. Secure
  3. Service
  4. Standard
ব্যাখ্যা

• URL-এ ব্যবহৃত HTTPS-এর ‘S’ নির্দেশ করে Secure, অর্থাৎ নিরাপদ। এটি HTTP (HyperText Transfer Protocol)-এর একটি নিরাপদ সংস্করণ, যা ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে এনক্রিপ্ট করে সংরক্ষণ করে। HTTPS ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটের সার্ভার এবং ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের মধ্যে পাঠানো তথ্য তৃতীয় পক্ষ দ্বারা সহজে পড়া বা পরিবর্তন করা যায় না। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন আমরা অনলাইনে ব্যাংকিং, শপিং বা ব্যক্তিগত তথ্য পাঠাই। তাই HTTPS থাকলে ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পান এবং তথ্য চুরি বা হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি কমে।

সঠিক উত্তর: খ) Secure.

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হলো Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান 
২. ব্রিটানিকা।

১,৪৪৫.
কম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) এর কোন অংশ গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ সম্পাদন করে?
  1. Control Unit
  2. Arithmetic Logic Unit
  3. Memory Unit
  4. Input/Output Unit
ব্যাখ্যা

◉ Arithmetic Logic Unit (ALU) হলো CPU-এর সেই অংশ, যা গাণিতিক (যেমন: যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) এবং যুক্তিমূলক (যেমন: তুলনা করা, সমান কি না পরীক্ষা) কাজ সম্পাদন করে।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
Control Unit (CU) নির্দেশাবলী পড়ে এবং CPU-এর অন্যান্য অংশকে পরিচালনা করে, তবে নিজে কোনো গাণিতিক কাজ করে না।

Memory Unit ডেটা এবং নির্দেশাবলী সাময়িক বা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।

Input/Output Unit বাহ্যিক ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ পরিচালনা করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৪৬.
রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে কোনটি?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) Wi-fi
  3. গ) Wi-Max
  4. ঘ) Microphone
ব্যাখ্যা
Bluetooth:
- Bluetooth রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে।  
- এটি একটি পারসোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। 
- ১৯৪৫ সালে Ericsson (এরিকসন) এই প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। 
- রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে
- Bluetooth নেটওয়ার্ককে বলা হয় Piconet (পিকোনেট)।
- এছাড়া দুটি Piconet (পিকোনেট) একসাথে Scatternet (স্ক্যাটারনেট) বলা হয়।

উৎস
: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
 
১,৪৪৭.
কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
  1. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  3. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  4. পিয়ার টু সার্ভার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪৮.
How can you underline a word or sentence in MS Word using a keyboard shortcut?
  1. Alt + L
  2. Alt + U
  3. Ctrl + U
  4. Ctrl + Alt + U
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ- 
Shift + F10 Key: শর্টকাট মেনু পাওয়ার জন্য।
F4: এই বাটন ব্যবহার করে অবস্থায় ঘুরে যাওয়া যাবে। 
F5: ওয়ার্ড এ কাজ করার সময়, ডকুমেন্টের আলাদা আলাদা পেজে যাওয়ার জন্য। 
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।

Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL  web address) বা ওয়েবসাইটের এড্রেস যোগ করার জন্য।
 Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।

Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।

Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।
Ctrl + Shift + C : Copy formats এর জন্য।
Ctrl + Shift + D : যেকোনো টেক্সটে Double underline ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Shift + F : লেখনের ফন্ট স্টাইল (Font style) চেঞ্জ  বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + H : কিছু লুকোনো (hidden) Text formatting এপলাই করার জন্য।
Ctrl + Shift + L  : লেখনে list style apply করার জন্য।

Ctrl + Shift + P : টেক্সটের (text) ফন্ট সাইজ (size) বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + S :  একটি নতুন স্টাইল এপলাই করার জন্য। (Apply a style).
Ctrl + Home : ডকুমেন্টের একেবারে আরম্ভে (beginning) যাওয়ার জন্য।
Ctrl + Delete : লেখনের ডানদিকের একটি শব্দ ডিলিট (delete) করার জন্য।
Ctrl + Backspace : লেখনের বাঁদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য।
Ctrl + Alt + S : লেখনে Copyright symbol ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Alt +R : MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য।
 
সূত্র: Microsoft Support.
১,৪৪৯.
মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণের অংশ হিসেবে কাজ করে -
  1. ক) হার্ডডিস্ক
  2. খ) মাইক্রোপ্রসেসর
  3. গ) ROM
  4. ঘ) RAM
ব্যাখ্যা
মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণের অংশ হিসেবে কাজ করে মাইক্রোপ্রসেসর। 

- মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) হল একক ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিলিকন চিপ।
- এটি মাইক্রোকম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ।
- মাইক্রোপ্রসেসর একক চিপ বা আইসি আকারে মাইক্রোকম্পিউটারের ভেতরে সন্নিবিষ্ট থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ সমাধান করা হয়।
- এর প্রকৃতি ও ক্ষমতার উপর নির্ভর করে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যক্ষমতা।

মাইক্রোপ্রসেসরের কাজ- 
১. কম্পিউটারের সকল অংশের নিয়ন্ত্রণ ও সময় নির্ধারণ সংকেত প্রদান করে থাকে।
২. এটি মেমোরি থেকে ডাটা ও নির্দেশ নিয়ে থাকে।
৩. মেমোরি ও ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করে।
৪. এটি নির্দেশ ডিকোড করে থাকে।
৫. এটি গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ করে থাকে।
৬. এটি কম্পিউটারের মেমোরিতে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করে থাকে।

সূত্র: ৭ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৪৫০.
পঞ্চাশের শেষার্ধ থেকে ষাটের দশকের মধ্যে উদ্ভাবিত অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) অ্যাটলাস
  2. খ) ইউনিক্স
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) ম্যাক ওএস
ব্যাখ্যা
পঞ্চাশের শেষার্ধ থেকে ষাটের দশকের মধ্যে উদ্ভাবিত অ্যাটলাস অপারেটিং সিস্টেম উল্লেখযোগ্য। ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে এ অপারেটিং সিস্টেমের ডিজাইন করা হয়। এটলাস অপারেটিং সিস্টেমের বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল এর স্মৃতি ব্যবস্থাপনার বৈশিষ্ট্য। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৫১.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. সিপিইউ
  2. রম
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. সিডি রম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তার পেরিফেরাল ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত যে সকল ডিভাইসকে উপাত্ত তথ্য ও নির্দেশমালা সংরক্ষনের কাজে ব্যবহার করে সে সকল ডিভাইসকে স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ পেরিফেরালস বলে।

হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, টেপ ক্যাসেট—এগুলো মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস।
অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসের মধ্যে আছে সিডি রম ও ডিভিডি ডিস্ক।
মেমরি কার্ড, মেমরি স্টিক, পেন ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি)—এগুলো ফ্ল্যাশ মেমরি ডিভাইসের মধ্যে পড়ে।

[সূত্রঃ বিভিন্ন শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই এবং কালের কন্ঠ পত্রিকা]
১,৪৫২.
নিচের কোনটি দ্বারা সর্বাপেক্ষা দ্রুত ডেটা পরিবহন করা যায়?
  1. ক) টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
  2. খ) কো এক্সিয়াল ক্যাবল
  3. গ) ফাইবার অপটিক ক্যাবল
  4. ঘ) আর জে ৪৫ কানেক্টর
ব্যাখ্যা
- ফাইবার অপটিক ক্যাবল তৈরি করতে খুব সরু কাঁচের তন্তু বা প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। এ তন্তু দিয়ে আলোর গতিতে প্রবাহিত লেজার রশ্মির সাহায্যে ডেটা স্থানান্তর করা হয়। ভিন্ন প্রতিসরাংকের ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থ দিয়ে অপটিক্যাল ফাইবার গঠিত।

 - ফাইবার অপটিক ক্যাবলে তিনটি অংশ থাকে। যথা-

১। কোর (Core): আলোক সিগন্যাল সঞ্চালনের প্রধান কাজটি করে ফাইবারের অভ্যন্তরের গ্লাস বা প্লাস্টিক কোর।

২। ক্ল্যাডিং (Cladding): কোরের বাইরের স্তরটি হচ্ছে কাঁচের তৈরি যা কোর থেকে নির্গত আলোক রশ্মি প্রতিফলিত করে তা পুনরায় কোরে ফেরত দেয়। এই স্তরটি ক্ল্যাডিং নামে পরিচিত।

৩। জ্যাকেট (Jacket): প্রতিটি স্বতন্ত্র ফাইবার আবার প্লাস্টিক দিয়ে মোড়ানো থাকে, যাকে জ্যাকেট বলে। এই জ্যাকেট বাইরের ঘর্ষণ, দ্রাবক ও অন্যান্য ক্ষতিকারক নিয়ামক থেকে ফাইবারের কোর ও ক্ল্যাডিংকে রক্ষা করে।

- ফাইবার অপটিক ক্যাবল দ্বারা সর্বাপেক্ষা দ্রুত ডেটা পরিবহন করা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৪৫৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে নিচের কোনটিতে MICR Technology ব্যবহার করা হচ্ছে?
  1. ক) জাতীয় পরিচয় পত্র
  2. খ) পাসপোর্ট
  3. গ) ব্যাংকের চেকবই
  4. ঘ) সবগুলোতেই ব্যবহৃত হচ্ছে
ব্যাখ্যা
MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition। MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী। মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
১,৪৫৪.
ব্যবহারকারী ও ইন্টারনেটের মধ্যে ব্রিজ হিসেবে কাজ করে কোন ফায়ারওয়াল?
  1. প্রক্সি ফায়ারওয়াল
  2. প্যাকেট-ফিল্টারিং ফায়ারওয়াল
  3. হোস্ট-ভিত্তিক ফায়ারওয়াল
  4. নেটওয়ার্ক ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারী ও ইন্টারনেটের মধ্যে ব্রিজ হিসেবে কাজ করে প্রক্সি ফায়ারওয়াল। এটি একটি মধ্যস্থতাকারীর মতো কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারীর অনুরোধ সরাসরি ইন্টারনেটে না পাঠিয়ে প্রথমে ফায়ারওয়াল গ্রহণ করে এবং পরে ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। ফলে আসল ব্যবহারকারীর পরিচয় ও আইপি ঠিকানা গোপন থাকে, যা নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। প্রক্সি ফায়ারওয়াল কনটেন্ট ফিল্টারিং, ক্যাশিং এবং লগিং সুবিধা প্রদান করে, যা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে সাহায্য করে। এটি মূলত অ্যাপ্লিকেশন লেভেলে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর অনুরোধ যাচাই করে নিরাপদ হলে তবেই তা ইন্টারনেটে পাঠায়।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৫৫.
প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম কী?
  1. EDSAC
  2. ENIAC
  3.  UNIVAC
  4. ABC
ব্যাখ্যা

• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- EDSAC নির্মিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।

UNIVAC: বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
EDSAC: প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। [অনেকেই প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।]
Mark-I: পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
ABC: প্রথম special-purpose ইলেকট্রনিক মেশিন।
ENIAC: প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল )।

১,৪৫৬.
অপারেটিং সিস্টেমে মাল্টিপ্রসেসিংয়ে প্রসেসরগুলো যাতে একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেই ব্যবস্থাকে কী বলে?
  1. সিঙ্ক্রোনাইজেশন
  2. ডেডলক
  3. মাল্টিটাস্কিং 
  4. ইন্টারপ্রিটেশন
ব্যাখ্যা
মাল্টিপ্রসেসিংয়ে প্রসেসরগুলো যাতে একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেই ব্যবস্থাকে সিঙ্ক্রোনাইজেশন বলে।

• মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprocessing Operating System)
- মাল্টিপ্রসেসিং বলতে দুই বা ততোধিক নির্দেশনা সমান্তরালভাবে দুই বা ততোধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর বা সিপিইউ কর্তৃক পরিচালিত হওয়া বুঝায়।
- এসব সিপিইউ একই সময়ে কোনো প্রোগ্রামের আলাদা নির্দেশ পালন করে কিংবা সম্পূর্ণভাবে আলাদা আলাদা প্রোগ্রামও নির্বাহ করতে পারে।
- মাল্টিপ্রসেসিং পদ্ধতিতে কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়।
- এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর ব্যবহৃত হয় বলে এর উপর বেশি নির্ভরশীল হওয়া যায়, কারণ একটি প্রসেসর খারাপ হয়ে গেলেও কাজ একেবারে বন্ধ হয়ে যায় না।
- মহাকাশযান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ও বড় কলকারখানা এসব ক্ষেত্রে মাল্টিপ্রসেসিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- যেহেতু এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর থাকে তাই একাধিক প্রসেসর যাতে একসাথে একই প্রোগ্রাম প্রসেস করতে না পারে সে জন্য একটা ব্যবস্থা থাকে যাকে সিনক্রোনাইজেশন (Synchronization) বলে।
- মাল্টিপ্রসেসিং-এ প্রতিটি প্রোগ্রামের সাথে একটি ফ্ল্যাগ বিট (Flag bit) যুক্ত থাকে।
- কোনো প্রোগ্রামের ফ্ল্যাগ বিট শূন্য (০) হলেই কোনো প্রসেসর সেই প্রোগ্রাম প্রসেস করে এবং ফ্ল্যাগ বিট এক (১) করে রাখে।
- সুতরাং যে প্রোগ্রামের ফ্ল‍্যাগ বিট এক (১) ঐ প্রোগ্রাম কোনো প্রোসেসর প্রসেস করবে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৪৫৭.
একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে কী বলা হয় -
  1. Resolution
  2. Bit
  3. Pixel
  4. Byte
ব্যাখ্যা
• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে(DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• রেজুল্যশন:
- লম্বালম্বিভাবে ও আড়াআড়িভাবে যত সংখ্যক পিক্সেল বিদ্যমান রয়েছে এগুলোকে একত্রে রেজুল্যশন বলে।
- ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
- একটি মনিটরের রেজুল্যশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে। 
- অর্থাৎ মনিটরে অক্ষর বা ইমেজ তত পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হবে।

- পিক্সেল রেজুল্যশনের একক।  
- একটি CRT তে যতগুলো পিক্সেল কলাম ও সারি থাকে, তার গুণিতক মান হলো উক্ত CRT টির রেজুল্যশন । 
- যেমন একটি CRT তে ৬৪০টি কলাম এবং ৪৮০টি পিক্সেল সারি আছে, তাহলে CRT এর রেজুল্যশন হবে ৬৪০ × ৪৮০।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৫৮.
OCR সফটওয়্যার অক্ষর শনাক্ত করার জন্য কী বিশ্লেষণ করে?
  1. শুধু ভিডিও ফ্রেম
  2. নেটওয়ার্ক সিগন্যাল
  3. ছবির পিক্সেল প্যাটার্ন
  4. শব্দের ফ্রিকোয়েন্সি
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) সফটওয়্যার অক্ষর শনাক্ত করার জন্য মূলত ছবির পিক্সেল প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে। এটি একটি ইমেজ বা স্ক্যান করা নথির প্রতিটি পিক্সেল পড়ে এবং সেই অনুযায়ী অক্ষরের রূপ, আকৃতি ও রেখার ধরন শনাক্ত করে। সফটওয়্যারটি প্রতিটি অক্ষরকে একটি ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে যাতে কম্পিউটার সহজে তা পড়তে এবং সংরক্ষণ করতে পারে। OCR কোনোভাবে ভিডিও ফ্রেম, নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বা শব্দের ফ্রিকোয়েন্সি বিশ্লেষণ করে না; এর মূল কাজ হলো পিক্সেল তথ্য থেকে অক্ষরের কাঠামো সনাক্ত করা। এই পদ্ধতির মাধ্যমে হাতের লেখা বা প্রিন্ট করা টেক্সটকে ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তর করা সম্ভব হয়।

সঠিক উত্তর: গ) ছবির পিক্সেল প্যাটার্ন।
 
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৫৯.
PC-Cilin কী?
  1. হ্যাকার গ্রুপ
  2. ভাইরাস
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস:
- এন্টিভাইরাস এক ধরনের প্রোগ্রাম বিশেষ যা কম্পিউটারকে ভাইরাস হতে রক্ষা করে।
- কম্পিউটার প্রোগ্রামসমূহকে ভাইরাসমুক্ত করার জন্য এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করাই এর কাজ।
- অর্থাৎ এন্টিভাইরাস হলো কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত করা বা ভাইরাস থেকে রক্ষা করার জন্য প্রোগ্রামবিশেষ।

• বর্তমানে জনপ্রিয় কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার হচ্ছে-
- Anti-Virus Toolkit,
- Dr.Solomon's Anti-Virus,
- Cure Anti-Virus,
- Norton Anti-Virus,
- PC-Cilin Anti-Virus,
- Mcafee Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- AVG Anti-Virus; ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬০.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) হ্যান্ডঅফ সুবিধা না থাকা
  2. খ) কম ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকুয়েন্সির ব্যাবহার
  3. গ) সিম কার্ড ব্যাবহারের সুবিধা না থাকা
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকা
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা ছিলো না।এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে থেকে চালু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
১,৪৬১.
সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে-
  1. ক) ট্রান্সফরমার
  2. খ) জেনারেটর
  3. গ) স্টোরেজ ব্যাটারি
  4. ঘ) ক্যাপাসিটার
ব্যাখ্যা
Solar panels work hard all day producing electricity from the sun. You can continue benefiting from their energy production after sunset through net metering and solar battery storage.
অর্থাৎ, স্টোরেজ ব্যাটারি সংযুক্ত থাকলে সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব।
১,৪৬২.
হেক্সাডেসিমেলে 4D এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 67
  2. 77
  3. 87
  4. 97
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(4D)16
= (4 × 161) + (13 × 160)
= (4 × 16) + (13 × 1)
= (77)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬৩.
10 (দশমিক) কে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে মান কত হয়?
  1. B
  2. 9
  3. A
  4. 8
ব্যাখ্যা

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি হলো আমাদের প্রচলিত গণনার পদ্ধতি, যেখানে ভিত্তি (Base) ১০। অন্যদিকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো ১৬ এবং এখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা ও A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, এভাবে F মানে ১৫ বোঝায়। এখন দশমিক ১০ সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে দেখা যায় যে ১০ এর মান সরাসরি হেক্সাডেসিমালে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, দশমিক ১০ = হেক্সাডেসিমাল A.

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৪৬৪.
Python কোন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা:
১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০)- machine Language বা, যান্ত্রিক ভাষা।
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০)- assembly language বা, অ্যাসেম্বলি ভাষা।
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০)- high level language বা, উচ্চস্তরের ভাষা।
- এই প্রোগ্রাম ভাষা কম্পিউটার সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের উর্ধ্বে, এই জন্য এসব ভাষাকে উচ্চতর ভাষা বলা হয়।
কিছু উচ্চতর ভাষার উদাহরণ হলো:
- C
- C++
- Basic
- Java
- ALGOL
- Fortran
- Python

৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০)- very high level language বা, অতি উচ্চস্তরের ভাষা। 
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান)- natural language বা, স্বাভাবিক ভাষা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৪৬৫.
কোন প্রযুক্তির সাহায্যে মানুষকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করা যায়?
  1. ক) ন্যানো টেকনোলজি
  2. খ) বায়োমেট্রিক্স
  3. গ) বায়োইনফরমেট্রিক্স
  4. ঘ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স হলো বায়োলজিক্যাল ডেটা পরিমাপ এবং বিশ্লেষণ করার প্রযুক্তি।
- গ্রীক শব্দ “bio” যার অর্থ Life বা প্রাণ ও “metric” যার অর্থ পরিমাপ করা।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্য সনাক্ত করতে বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
১,৪৬৬.
Which of the following is used in e-commerce?
  1. Mobile commerce (M-commerce)
  2. Electronic Fund Transfer (EFT)
  3. Digital transaction systems
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

• E-commerce পরিচালনার জন্য একাধিক ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করা হয়, যেমন M-commerce, EFT ও অন্যান্য ডিজিটাল সিস্টেম।

• E-commerce পরিচালনার প্রধান মাধ্যম:
- আধুনিক ই-কমার্স মূলত World Wide Web (WWW)–এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- ইন্টারনেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে পণ্য ও সেবার লেনদেন সম্পন্ন হয়।

• M-commerce (Mobile Commerce):
- M-commerce হলো মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেট ব্যবহার করে ই-কমার্স কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- স্মার্টফোন অ্যাপ ও মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে।

• Electronic Fund Transfer (EFT):
- EFT হলো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর।
- অনলাইন পেমেন্ট ও ব্যাংকিং লেনদেনে EFT গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা:
- বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে ও অনলাইন ট্রান্স্যাকশন সিস্টেম ই-কমার্সকে সহজ করেছে।
- এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপদ ও দ্রুত লেনদেন সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৬৭.
IOT (Internet of Things) কী?
  1. একটি মোবাইল অ্যাপ
  2. একটি প্রযুক্তি
  3. একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  4. একটি ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
IOT (Internet of Things) একটি প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যন্ত্রগুলিকে সংযুক্ত করে।
 
• IOT (Internet of Things):
- IOT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১,৪৬৮.
স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে ইন্টারনেট-সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. অ্যাপল
  2. মাইক্রোসফট
  3. স্টারলিংক
  4. আলিবাবা
  5. অ্যামাজন
ব্যাখ্যা
স্টারলিংক:
- স্টারলিংক ইন্টারনেট-সেবা দেয় স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে।
-  তাদের ইন্টারনেট-সেবা জিওস্টেশনারি (ভূস্থির উপগ্রহ) থেকে আসে, যা ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার ওপর থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
- পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপিত হাজার হাজার স্যাটেলাইটের একটি সমষ্টি হচ্ছে স্টারলিংক।
- যা পুরো বিশ্বকেই উচ্চগতির ইন্টারনেট-সেবা দিতে পারে।
- ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত হিসাবে, স্টারলিংকের ৬ হাজার ৯৯৪টি স্যাটেলাইট স্থাপিত হয়েছে।
- কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে এবং ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়
- দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- ইন্টারনেটে ডাউনলোড গতি ২৫ থেকে ২২০ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)।
- তবে বেশির ভাগ ব্যবহারকারী ১০০ এমবিপিএসের বেশি গতি পান। স্টারলিংকে আপলোড গতি সাধারণত
- দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- ইন্টারনেটে ডাউনলোড গতি ২৫ থেকে ২২০ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)।

উৎস: প্রথম আলো (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)।
১,৪৬৯.
Which shortcut key is used to open a new document in MS Word?
  1. Ctrl + W
  2. Ctrl + P
  3. Ctrl + N
  4. Ctrl + O
ব্যাখ্যা
• Shortcut key for open a new window - Ctrl + N.

• MS-Word এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট:
• Cut - Ctrl + X
• Left Alignment - Ctrl + Q.
• Right Alignment - Ctrl + R.
• Justify Alignment - Ctrl + J.
• Central Alignment - Ctrl + E.
• Replace - Ctrl + H.
• Save - Ctrl + S.
• Copy - Ctrl + C.
• Paste - Ctrl + V.
• Undo - Ctrl + Z.
• Redo - Ctrl + Y.
• Print - Ctrl + P.
• Find - Ctrl + F.

উৎস: Microsoft Support website.
১,৪৭০.
49 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 01101001
  2. 01001011
  3. 01001001
  4. 01001101
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

4 এর বিসিডি 0100
9 এর বিসিডি 1001
∴ 49 এর বিসিডি 01001001

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭১.
Which of the following is not an object-oriented programming language?
  1. C
  2. C++
  3. Python
  4. Java
ব্যাখ্যা
• C হচ্ছে স্ট্রাকচারড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:

- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়।

যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭২.
কম্পিউটারের স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বৃদ্ধির জন্য কোন টুল ব্যবহার করা হয়?
  1. msconfig
  2. Disk Defragmenter
  3. Norton Disk
  4. Cleaner
ব্যাখ্যা

• msconfig ব্যবহার করে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো যায়, ফলে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম চালু না হয়ে কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায়।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে কম্পিউটার রাখতে হবে।
- অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বাড়াতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।
- তথ্য ব্যাকআপ রাখা: প্রয়োজনীয় ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- সার্চ ইনডেক্স রিফ্রেশ: দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

• অন্যান্য অপশন:
- Disk Defragmenter → হার্ডডিস্কের খণ্ডিত ডেটা পুনর্বিন্যাস করে।
- Norton Disk → ডিস্কের ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধানকারী ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার।
- Cleaner → অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণে ব্যবহৃত টুল।

উৎস: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৭৩.
'১০১১০১' বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন।
  1. ক) ৭৭
  2. খ) ৪৫
  3. গ) ৩৮
  4. ঘ) ৬৫
ব্যাখ্যা
১০১১০১ = (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২)
= ৩২ + ০ + ৮ + ৪ + ০ + ১
= ৪৫
১,৪৭৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের গৌণ মেমরি?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১. প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে Non - Volatile Memory বলে।

২. গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী।
১,৪৭৫.
স্মার্ট হোমে বিভিন্ন ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতির নাম কী?
  1. সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম
  2. কমিউনিকেশন কন্ট্রোল সিস্টেম
  3. হোম অটোমেশন সিস্টেম
  4. ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান
১,৪৭৬.
বাংলাদেশকে প্রথম VOLTE প্রযুক্তি চালু করতে?
  1. ক) রবি
  2. খ) গ্রামীণফোন
  3. গ) বাংলালিংক
  4. ঘ) টেলিটক
ব্যাখ্যা

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সালে রবি প্রথম 4G প্রযুক্তি ভিত্তিক সেবা Voice Over LTE বা VOLTE চালু করে। এর মাধ্যমে কল কানেক্ট হতে আগের চেয়ে কম সময় লাগবে এবং ভয়েস কোয়ালিটি উন্নত হবে। গ্রামীণফোন VOLTE চালু করে ২০ জুন ২০২০ সালে। সুত্রঃ রবি ও গ্রামীণফোনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৪৭৭.
ডিলেটেড ইমেইল সংরক্ষণ করতে নিচের কোন ফোল্ডারটি ব্যবহৃত হয়?
  1. trash
  2. Junk
  3. Draft
  4. Sent
ব্যাখ্যা
- Gmail এর ইনবক্স হতে কোনো মেইল ডিলিট করলে Trash এ খুঁজে পাওয়ার যায়।
- ইনবক্স থেকে মুছে ফেলা যেকোন ইমেইল Trash নামের ফোল্ডারে পাওয়ার যায়।
- তবে সেটা অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য।
- এরপর Automatically সেই মুছে দেয়া মেইলগুলো স্থায়ীভাবে মুছে যায় যা আর ফিরে পাওয়া যায় না।
 
উৎস: Computerhope Website.
১,৪৭৮.
কম্পিউটার সিস্টেম তৈরির সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে কী বলে?
  1. হার্ডওয়্যার
  2. হিউম্যানওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS-এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।
 
• হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।
 
• সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।
 
 • হিউম্যানওয়্যার:
- ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রাম বা ডেটা সংরক্ষণ ও পরীক্ষাকরণ, কম্পিউটার চালনা, প্রোগ্রাম লেখা, সিস্টেমগুলো ডিজাইন ও রেকর্ড লিপিবদ্ধকরণ এবং সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন ইত্যাদি কাজগুলোর সাথে যুক্ত সমস্ত মানুষকে একসাথে হিউম্যানওয়্যার বলে।
 
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭৯.
আধুনিক ই-মেইলের জনক বা উদ্ভাবক কে?
  1. ক) নোরিও ওহগা (জাপান)
  2. খ) থমসন (ইংল্যান্ড)
  3. গ) রে টমলিনসন (যুক্তরাষ্ট্র)
  4. ঘ) জি. মার্কনি (ইতালি)
ব্যাখ্যা
Ray Tomlinson, (Raymond Samuel Tomlinson), American computer engineer (born April 23, 1941, Amsterdam, N.Y.—died March 5, 2016, Lincoln, Mass.), devised (1971) a way to send electronic messages from one computer to another (rather than only between different users of a single machine) and chose the symbol @ to separate the name of the recipient from the destination address because the emblem was used neither in names nor in the programming language used for time-sharing computers. [source: britannica]
১,৪৮০.
IoT অ্যাপগুলিতে লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত কমিউনিকেশন প্রোটোকল কোনটি?
  1. MQTT 
  2. HTTP
  3. SMTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• IoT অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত কমিউনিকেশন প্রোটোকল হলো MQTT। এটি “Message Queuing Telemetry Transport” নামে পরিচিত এবং কম ব্যান্ডউইথ ও কম পাওয়ার খরচে ডিভাইসগুলির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সহজ করে। MQTT হালকা ও দ্রুত, তাই সেন্সর বা স্মার্ট ডিভাইসের মতো রিসোর্স সীমিত ডিভাইসের জন্য আদর্শ। অন্যদিকে, HTTP তুলনামূলকভাবে ভারী এবং স্থায়ী সংযোগের জন্য বেশি উপযুক্ত, SMTP ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য। তাই IoT-এর ক্ষেত্রে রিয়েল-টাইম ও লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য MQTT সবচেয়ে উপযুক্ত।

সঠিক উত্তর: ক) MQTT.

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- aws.amazon [link]
- Britannica.

১,৪৮১.
ইনডেক্সিং বলতে কী বোঝায়? 
  1. ডাটাবেজ ব্যাকআপ তৈরির পদ্ধতি
  2. এলোমেলোভাবে ডাটা সংরক্ষণ করার পদ্ধতি
  3. ডাটাবেজ থেকে ডাটা মুছে ফেলার প্রক্রিয়া
  4. ডাটা ফাইলের রেকর্ডগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
• ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
• ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
• ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
• একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
• ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
• সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
• ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮২.
What is the "Internet of Things (IoT)"?
  1. Social media platform integration
  2. Interconnected devices using internet protocols
  3. Virtual private network configuration
  4. Email server management
ব্যাখ্যা

"ইন্টারনেট অফ থিংস" (IoT) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন: গাড়ি, বাড়ির সরঞ্জাম, স্মার্ট সেন্সর ইত্যাদি) ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং ডেটা আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি করে।

IoT (Internet of Things):
- IoT হলো ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১,৪৮৩.
IEEE 802.16 এর মূল প্রয়োগ কী?
  1. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  2. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  3. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  4. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কিং
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.16 এর মূল প্রয়োগ হলো ঘ) মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কিং (MAN)। এটি সাধারণত "WiMAX" (Worldwide Interoperability for Microwave Access) নামে পরিচিত। IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডটি শহর বা বড় এলাকায় উচ্চ-গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের জন্য তৈরি। এটি তারবিহীন প্রযুক্তি, যা তারের বিকল্প হিসেবে দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে। WiMAX এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে ইন্টারনেট সুবিধা পেতে পারে, যা বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল বা যেখানে ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছানো কঠিন, সেখানে কার্যকর। তাই IEEE 802.16 মূলত শহর ভিত্তিক বৃহৎ এলাকা কাভারেজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Wi-Max:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- একটি WiMAX বেস স্টেশন যা ইনডোর ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। অন্যটি এন্টেনাসহ WiMAX রিসিভার, যা কোনো কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সংযুক্ত থাকে।

• Wi-MAX-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN).
- নেটওয়ার্ক সংস্থাপন ক্যাবলিংয়ের তুলনায় সহজ এবং সুবিধাজনক।
- ব্যান্ডউইথ বা ডেটা ট্রান্সফার রেইট ওয়্যারেড নেটওয়ার্ক বা ক্যাবলিংয়ের তুলনায় বেশি।
- একইসাথে ওয়্যারেড এবং ওয়ালেস উভয়ই নেটওয়ার্কের সুবিধা প্রদান করে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়।
- ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন উভয়ই হতে পারে।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডের জন্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হয়।
- সংস্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
- নেটওয়ার্কের জন্য পর্যাপ্ত ইলেকট্রিক্যাল সাপোর্ট থাকতে হয়।
- বিদ্যুৎ ব্যয় তুলনামূলক বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৪৮৪.
কোন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি বটনেট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Rootkits
  2. Adware
  3. Spyware
  4. Worms
ব্যাখ্যা

• বটনেট তৈরি করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার হলো Worms. Worms নিজে-নিজেই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়াতে সক্ষম, তাই ব্যবহারকারীর মধ্যস্থতা ছাড়াই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে দ্রুত প্রবেশ করতে পারে। একবার সিস্টেমে প্রবেশ করলে Worms নেটওয়ার্কের অন্যান্য দুর্বল কম্পিউটারগুলোকে সংক্রমিত করে এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য কম্পিউটারগুলোর একটি নেটওয়ার্ক বা “বটনেট” তৈরি করতে পারে। Rootkits, Adware, এবং Spyware সাধারণত নির্দিষ্ট তথ্য চুরির জন্য বা বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা বটনেট তৈরির জন্য Worms-এর তুলনায় কার্যকর নয়। তাই, দ্রুত ছড়ানোর ক্ষমতার কারণে Worms বটনেট আক্রমণে সবচেয়ে কার্যকর।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Worms.
 
• বটনেট তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার (Botnet Malware):
- বটনেট হলো একটি নেটওয়ার্ক যা হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণাধীন কম্পিউটার বা ডিভাইস নিয়ে তৈরি হয়।
- হ্যাকার এই কম্পিউটারগুলো ব্যবহার করে স্প্যাম ইমেইল, DDoS আক্রমণ বা অন্যান্য সাইবার অপরাধ করে।
- বটনেট তৈরি করতে যে ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় তা হলো ওয়ার্ম (Worms)।

• Rootkits:
- রুটকিট হলো ম্যালওয়্যারের একটি ধরনের যা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে নিজের অস্তিত্ব লুকায়।
- এটি মূলত সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সাধারণত বটনেট তৈরিতে প্রধানভাবে ব্যবহার করা হয় না।

• Adware:
- অ্যাডওয়্যার হলো সেই ধরনের সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন দেখায়।
- এটি প্রাথমিকভাবে আয়ের জন্য তৈরি হয় এবং বটনেট তৈরিতে খুব কম ব্যবহৃত হয়।

• Spyware:
- স্পাইওয়্যার হলো ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে সংগ্রহ করে।
- এটি ব্যক্তিগত তথ্য চুরির জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বড় আকারের বটনেট তৈরি করার জন্য প্রায়ই ব্যবহৃত হয় না।

• Worms:
- ওয়ার্ম হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ম্যালওয়্যার যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য কম্পিউটারে প্রবেশ করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে পুনরায় প্রতিলিপি করে এবং দ্রুত বড় বটনেট তৈরি করতে পারে।
- বটনেট আক্রমণে ওয়ার্ম সবচেয়ে কার্যকর এবং সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার।

সূত্র: kaspersky. [link]

১,৪৮৫.
নর (NOR) গেইটের দুটি ইনপুট ১ হলে আউটপুট কত হবে?
  1. ক) ০
  2. খ) ১
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ০ অথবা ১
ব্যাখ্যা
নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮৬.
কোন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না?
  1. Natural Language
  2. Assembly Language
  3. Machine Language
  4. High Level Language
ব্যাখ্যা
• মেশিন ভাষা (Machine Language):
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়। 
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা। 
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে। 
- মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না। 
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা হলে কম্পিউটার কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনের ভাষায় পরিণত করে নেয়া হয়। 

• অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language):
- অ্যাসেম্বলি ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষার পরবর্তী প্রোগ্রামের ভাষা।
- মেশিন ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য পঞ্চাশের দশকে অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন শুরু হয়।
- এই ভাষা দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো যা মেশিনের ভাষা থেকে উন্নত, সংক্ষিপ্ত এবং ব্যবহারকারীর জন্য সহজবোধ্য।

• উচ্চ স্তরের ভাষা (High Level Language):
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোনো সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়। এটি ইংরেজি ভাষার মতই। 
- মেশিন ভাষার অসুবিধা দুর করার জন্য উচ্চস্তরের ভাষার উদ্ভব হয়। 
- উচ্চস্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে: BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮৭.
অ্যামাজন ই-কমার্স ছাড়া অন্য কোন সেবা দিয়ে পরিচিত?
  1. ব্যাংকিং
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং
  3. টেলিভিশন সম্প্রচার
  4. অটোমোবাইল উৎপাদন
ব্যাখ্যা
• অ্যামাজন ই-কমার্সের বাইরে প্রধানত ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার জন্য খ্যাত। তাদের ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম “অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস” (AWS) বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানকারী। AWS বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক সংস্থাগুলিকে ডেটা স্টোরেজ, সার্ভার হোস্টিং, মেশিন লার্নিং, এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সেবা দিয়ে থাকে। এর ফলে, অ্যামাজন শুধু একটি ই-কমার্স জায়ান্ট না হয়ে প্রযুক্তি খাতে এক গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তাই অ্যামাজনের সবচেয়ে বড় ও পরিচিত সেবা ই-কমার্সের বাইরে ক্লাউড কম্পিউটিং।
সঠিক উত্তর: খ) ক্লাউড কম্পিউটিং।

• আমাজন:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হলো আমাজন।
- আমাজন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কর্মার্স সাইট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস (Jeff Bezos)। (জুন, ২০২৫)
- আমাজনের বর্তমান সিইও Andy Jassy ।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে না, তবে তারা Fire OS নামে একটি কাস্টমাইজড Android ভার্সন ব্যবহার করে (কিন্তু এটি মূলত Android-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি, সম্পূর্ণ নতুন OS নয়)।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা। 
২। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৪৮৮.
মোবাইল নেটওয়ার্কে মূলত কোন ধরনের টপোলজি ব্যবহৃত হয়?
  1. বাস টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. লাইন টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।

• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. বিবিসি নিউজ। [Link]

১,৪৮৯.
লিনাক্স হলো-
  1. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  2. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  3. ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• লিনাক্স:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- বিভিন্ন অফিস, বাসা-বাড়ি ও কোম্পানিতে লিনাক্স ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৯০.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ?
  1. পাওয়ার পয়েন্ট
  2. এমএস এক্সেল
  3. সি
  4. উইন্ডোজ
ব্যাখ্যা

সি হলো একটি তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা।
এমএস এক্সেল কম্পিউটারের হিসাব নিকাশের প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
এমএস পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বাঁ এনিমেশন তৈরির কাজে লাগে।
উইন্ডোজ ৭, ৮, ১০ এগুলো অপারেটিং সিস্টেম।
১,৪৯১.
একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেয়ার সুবিধা হলো-
  1. অর্থ সাশ্রয়
  2. সময় সাশ্রয়
  3. স্থানের সাশ্রয়
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
অর্থ সাশ্রয়: 
- একই ধরনের বহুল ডিভাইস ক্রয়ের পরিবর্তে সবার মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার ফলে অনেক বেশি অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব। 
- প্রতি ব্যবহারকারীকে আলাদাভাবে ডিভাইস কিনতে হবে না। 

সময় সাশ্রয়: 
- ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেওয়ার ফলে সময়ের অপচয় রোধ করা সম্ভব হয়। 
উদাহরণস্বরূপ, একই সময়ে প্রিন্টার শেয়ার করলে কাজের সময়ের অপচয় রোধ করা যায়। 

স্থানের সাশ্রয়: 
- ডিভাইসগুলো একই স্থানে ভাগাভাগি করে নেওয়ার ফলে কম জায়গায় বেশি কাজ চালানো সম্ভব হয়। 
- প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা ডিভাইস রাখতে হবে না। 

তাই, একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস শেয়ারিং বা ভাগাভাগি করার প্রধান সুবিধা হলো অর্থ, সময় এবং স্থানের সাশ্রয়।
১,৪৯২.
কোন কোম্পানির সাথে Steve Jobs, Steve Wozniak ও Ronald Wayne নামসমুহ জড়িত ?
  1. Microsoft Corporation ও Amazon
  2. Apple ও Microsoft Corporation
  3. Apple ও Amazon
  4. Apple
ব্যাখ্যা
Apple কোম্পানির সাথে Steve Jobs, Steve Wozniak ও Ronald Wayne নামসমুহ জড়িত। 
Apple Inc. is an American multinational technology company that specializes in consumer electronics, software and online services
CEO: Tim Cook (Aug 24, 2011–) Trending
Stock price: AAPL (NASDAQ) $174.83 +3.17 (+1.85%)
Feb 8, 4:00 PM EST - Disclaimer
Founded: April 1, 1976, Los Altos, California, United States
Headquarters: Cupertino, California, United States
Founders: Steve Jobs, Steve Wozniak, Ronald Wayne
Subsidiaries: Beats Electronics, NextVR, Inc., Beddit, Apple Store, MORE
Products: iPhone, Apple Watch, iPad, Apple TV, AirTag, macOS, MORE
১,৪৯৩.
" www.example.gov.bd " - এখানে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন কোনটি?
  1. .bd
  2. .gov
  3. .example
  4. .example.gov.bd
ব্যাখ্যা
- একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য দুইটি জিনিসের ধারণা থাকতে হবে, প্রথমটি হলো ডোমেইন নাম এবং দ্বিতীয়টি ওয়েব হোস্টিং।
- ডোমেইন নাম হলো একটি ওয়েবসাইটের নাম যেমন- youtube.com, google. com, Wikipedia.org ইত্যাদি।
-  ডোমেইন নাম ক্লায়েন্ট কম্পিউটারকে ওয়েবসার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।
- প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) অ্যাড্রেস (যেমন- 180.102.434.8) থাকে।
- কিন্তু এধরনের সংখ্যা বা নিউমেরিক ভ্যালু মনে রাখা মানুষের জন্য কষ্টকর বিধায় এই আইপি অ্যাড্রেসকে নির্দিষ্ট ডোমেইন নাম বা ক্যারেক্টার দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডোমেইন নাম এর দুইটি অংশ থাকে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং টপ লেভেল ডোমেইন, যেমন- youtube.com-এর youtube হচ্ছে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং .com হচ্ছে টপ লেভেল ডোমেইন।
- একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের অংশ যে কয়টি থাকতে পারে সেভাবে লেভেল হবে। যেমন- টপ লেভেল, সেকেন্ড লেভেল, থার্ড লেভেল ইত্যাদি।
- www.example.gov.bd এখানে টপ লেভেল ডোমেইন .bd-এর আওতায় সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন হচ্ছে .gov এবং.gov.bd-এর আওতায় থার্ড লেভেল ডোমেইন হলো example.

উৎস: ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
১,৪৯৪.
মহাকাশে মানুষবাহী রকেট পাঠানো প্রতিষ্ঠান ‘ব্লু অরিজিন’–এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ইলন মাস্ক
  2. জেফ বেজোস
  3. মার্ক জাকারবার্গ
  4. স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা
জেফ বেজোস:
- মার্কিন ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমের স্বত্বাধিকারী ও বিনিয়োগকারী জেফরি প্রেসটন জেফ বেজোস।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই–কমার্স সাইট ও ক্লাউড কম্পিউটিং প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
- জেফ বেজোস বর্তমানে অ্যামাজনের নির্বাহী চেয়ারম্যান।
- তিনি ব্লু অরিজিন, বেজোস এক্সপেডিশনস ও বেজোস একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা।
- এ ছাড়াও জেফ বেজোস সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট–এর স্বত্বাধিকারী ও বেজোস আর্থ ফান্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য,
- বেজোস ২০০০ সালে মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিন প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রতিষ্ঠানটি কক্ষপথে মহাকাশযানে ভ্রমণের সেবাও দিয়ে থাকে।
- ব্লু অরিজিনের নতুন শেপার্ড ভেহিকল ২০১৫ সালে মহাকাশযাত্রা করে এবং পরে সফলভাবে পৃথিবীতে অবতরণ করে।
- জেফ বেজোস ব্লু অরিজিনের এনএস–১৬ নভোযানে ২০২১ সালে মহাকাশ ভ্রমণ করেন।

অন্যদিকে -
- টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।
- Apple Inc. কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস।

উৎস: ৫ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
১,৪৯৫.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট নয়?
  1. OR
  2. NAND
  3. NOR
  4. সবগুলোই সার্বজনীন গেইট
ব্যাখ্যা

OR সার্বজনীন গেইট নয়। এটি একটি মৌলিক গেইট।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড (NAND) গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু নর (NOR) গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব।
- NAND এবং NOR গেইট এই দুটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়, কারণ এদের দিয়ে বাকি সব গেইটের কাজ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৪৯৬.
'10011010' এর ২ এর পরিপূরক কত?
  1. 01100110
  2. 01100111
  3. 01101110
  4. 01100011
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১ এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।

'10011010' এর 1 এর পরিপূরক হবে 01100101
1 এর পরিপূরক এর সাথে 1 যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার 2 এর পরিপূরক পাওয়া যায়।

∴ '10011010' এর ২ এর পরিপূরক হলো = 01100101 + 1 = 01100110
১,৪৯৭.
25 এর বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. ক) 10011
  2. খ) 11001
  3. গ) 11011
  4. ঘ) 10001
ব্যাখ্যা


25 এর সমতুল্য বাইনারি (11001)2
১,৪৯৮.
সর্বপ্রথম কোন হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করা হয়?
  1. Samsung Galaxy
  2. Nokia 1100
  3. Motorola Dyna TAC
  4. Sony
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১,৪৯৯.
সিপিইউ (CPU) কয়টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত? 
  1. দুইটি 
  2. তিনটি 
  3. চারটি 
  4. পাঁচটি 
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ (CPU): 
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit. 
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে। 
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট। 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে। 
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ। 
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল। 
- সিপিইউ নিম্নলিখিত প্রধান তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা- 
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic logic unit), 
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও 
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit) । 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫০০.
অনলাইন শপিং পদ্ধতি আবিষ্কার করেন-
  1. মাইকেল অ্যালড্রিচ
  2. বিল গেটস
  3. স্টিভ জবস
  4. টিম বার্নার্স-লি
ব্যাখ্যা
মাইকেল অ্যালড্রিচ ১৯৭৯ সালে অনলাইন শপিং পদ্ধতি আবিষ্কার করেন ।

অনলাইন শপিং:
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয় করা হলে, তাকে অনলাইন শপিং বলা হয়ে থাকে।
- ইংল্যান্ডের সাসেক্সে মাইকেল অ্যালড্রিচ (Michael Aldrich) ১৯৭৯ সালে অনলাইন শপিং পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- এর মাধ্যমে ক্রেতা ঘরে বসেই যেকোনো পণ্য পছন্দ ও ক্রয় করতে পারে এবং একই সাথে ঘরে বসেই ঐ ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে পারে। 
- তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচালিত হবার কারণে ই-কমার্সকে ব্যবসায় বাণিজ্যের আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে অভিহিত করা হয়। 
- ই-কমার্সকে বিশ্বগ্রামের অন্যতম সুফল হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে-
•বিল গেটস (Bill Gates) - মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা।
•টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee)-  ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর উদ্ভাবক।
•স্টিভ জবস (Steve Jobs)- অ্যাপল  কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।