বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৩১ · ১,২০১১,৩০০ / ১৩,০৮৮

১,২০১.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের "Hypervisor" কোনটির জন্য দায়ী?
  1. ভার্চুয়াল মেশিন ম্যানেজমেন্ট
  2. ক্লাউড নেটওয়ার্ক ট্র্যাকিং
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. কানেকশন লোড ব্যালেন্সিং
ব্যাখ্যা

◉ Hypervisor হল একটি সফটওয়্যার, যা একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন (VM) তৈরি ও পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার ও ভার্চুয়াল মেশিনগুলোর মধ্যে একটি স্তর হিসেবে কাজ করে, যাতে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম একই হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্মে চালানো যায়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Amazon Web Services ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১,২০২.
ইন্টারনেট অব থিংস (IoT)-এ সেন্সরগুলোর মূল ভূমিকা কী?
  1. ডেটা এনক্রিপশন
  2. ডেটা ভিজুয়ালাইজেশন
  3. ডেটা সংগ্রহ
  4. ডেটা সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট অব থিংস (IoT)-এ সেন্সরগুলোর মূল ভূমিকা হলো ডেটা সংগ্রহ করা। সেন্সরগুলো বিভিন্ন ডিভাইসে স্থাপন করা থাকে যা পরিবেশ, যন্ত্রপাতি, বা ব্যবহারকারীর সাথে সম্পর্কিত তথ্য পর্যবেক্ষণ করে। যেমন তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ, গতি বা অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য তারা সনাক্ত করে। এই তথ্যগুলো IoT সিস্টেমে পাঠানো হয় যেখানে তা প্রক্রিয়াজাত এবং বিশ্লেষণ করা যায়। সেন্সর ছাড়া IoT ডিভাইস বাস্তব বিশ্বের পরিবর্তন বা কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন হতে পারে না। তাই ডেটা এনক্রিপশন, ভিজুয়ালাইজেশন বা সংরক্ষণ হলেও, সেন্সরের মূল কাজ সবসময় তথ্য সংগ্রহ।

- সঠিক উত্তর: গ) ডেটা সংগ্রহ।

• ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসকে ইন্টারনেট এবং একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে সক্ষম করে, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) এবং ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (TCP) ব্যবহার করে।
- এই প্রোটোকলগুলো ইথারনেট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং ৫জি-র মতো সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা বিনিময় সহজ করে, শারীরিক ও ডিজিটাল জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

• IoT ডিভাইসের ধরণ:
১. ডিজিটাল-প্রথম (Digital-first): যেমন স্মার্টফোন, যেগুলিতে বিল্ট-ইন কানেক্টিভিটি থাকে এবং যন্ত্র থেকে যন্ত্রে (M2M) যোগাযোগ করে।
২. শারীরিক-প্রথম (Physical-first): প্রচলিত বস্তু যেমন যানবাহন বা মেডিক্যাল ডিভাইস, যেগুলিতে মাইক্রোচিপ বা সেন্সর যুক্ত করে তাদের কার্যকারিতা এবং ট্র্যাকিং সক্ষমতা বাড়ানো হয়।

• IoT-এর ব্যবহার:
- ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য মনিটরিং
- স্মার্ট ট্রাফিক নেটওয়ার্ক
- সংযুক্ত স্টোরেজ ট্যাংক
- COVID-19 মহামারীর সময় সংযুক্ত থার্মোমিটার জ্বর মনিটর করে ভাইরাসের বিস্তার ট্র্যাক করেছে।
- কৃষি, পরিবহন, এবং স্বাস্থ্যসেবায় সম্পদ ব্যবহার ও কার্যকারিতা বাড়ানো।

• ইতিহাস:
- ব্রিটিশ প্রযুক্তিবিদ কেভিন অ্যাশটন ১৯৯৯ সালে "Internet of Things" শব্দটি প্রবর্তন করেন।

• সুরক্ষা ও গোপনীয়তা চ্যালেঞ্জ:
- সংযুক্তি বৃদ্ধি ডেটা লঙ্ঘন এবং অবৈধ প্রবেশের সম্ভাবনা বাড়ায়।
- নিরাপত্তার অভাবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও আর্থিক তথ্যসহ ডেটা হারানো, চুরি হওয়া বা অপব্যবহার হতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,২০৩.
CPU-এর কার্যক্ষমতা কী এককে নির্ধারণ করা হয়?
  1. Gigahertz
  2. Gigabytes
  3. Megapixels
  4. Kilograms
ব্যাখ্যা

• CPU-এর কার্যক্ষমতা সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে নির্ধারণ করা হয়। Gigahertz মূলত প্রসেসরের ঘড়ির গতি বোঝায়, যা প্রতি সেকেন্ডে কত কোটি চক্র সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে। এটি প্রসেসরের গতিশীলতা ও কমান্ড প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতার একটি সূচক। বেশি GHz মানে CPU দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে, ফলে কম্পিউটার দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়। অন্য একক যেমন Gigabytes, Megapixels বা Kilograms CPU-এর কার্যক্ষমতা বোঝায় না; এগুলো যথাক্রমে মেমোরি, চিত্র মান ও ওজনের পরিমাপ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো Gigahertz.
 
 • সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২০৪.
নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
  2. খ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
  3. গ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয় ।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

১,২০৫.
ফ্যাক্স মেশিনের আবিষ্কারক কে?
  1. থমাস এডিসন
  2. আলেকজান্ডার বেইন
  3. নিকোলা টেসলা
  4. মাইকেল ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।

ফ্যাক্স (Fax):
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো Facsimile.
- ফ্যাক্স মেশিনের প্রধান কাজ হচ্ছে ডকুমেন্ট স্ক্যান ও পাঠানো।
- মেশিনটি সেটি স্ক্যান করে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- তারপর সেই সংকেত টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
- গ্রহীতার ফ্যাক্স মেশিন সংকেতটি গ্রহণ করে আবার কাগজে প্রিন্ট করে দেয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২০৬.
কোন পদ্ধতিতে ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে চিহ্নিত করা যায়?
  1. ক) ক্রায়োসার্জারি
  2. খ) রোবটিক্স
  3. গ) বায়োমেট্রিক্স
  4. ঘ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা
• বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে চিহ্নিত করা যায়।

• বায়োমেট্রিক্স:
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২০৭.
ফ্রেড কোহেন কত সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস প্রকাশ্যে আনেন?
  1. ১৯৬৯
  2. ১৯৮৩
  3. ১৯৭১
  4. ১৯৮০
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর কম্পিউটার ভাইরাস এর জন্ম হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির ছাত্র ফ্রেড কোহেন পেনসিলভেনিয়ার লেহিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তাবিষয়ক এক সেমিনারে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস দেখান। 

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো "Vital Information Resources Under Seize." যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে।
- ভাইরাস নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।

উৎস:
১. শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২০৮.
নিচের কোনটি ফ্ল্যাশ মেমোরি ডিভাইস?
  1. ক) সিডি রম
  2. খ) হার্ড ড্রাইভ
  3. গ) ডিভিডি ড্রাইভ
  4. ঘ) সলিড স্টেট ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, টেপ ক্যাসেট - এগুলো ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস।
অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসের মধ্যে আছে সিডি ও ডিভিডি ডিস্ক।
মেমরি কার্ড, পেন ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ (SSD) - এগুলো ফ্ল্যাশ মেমোরি ডিভাইস।
১,২০৯.
PaaS দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Platform as a Services
  2. Program as a Services
  3. Pay as a Services
  4. Private Services
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল বা সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

1. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS) 
2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS)
3. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS)

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
 
১,২১০.
অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেমের উদাহরণ কোনটি?
  1. Magnetic Tape
  2. Floppy disk
  3. Hard disk
  4. CD Disk
ব্যাখ্যা
• অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম (Optical Storage System):
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
- যেমন: CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।

• সিডি-রম (CD-ROM - Compact Disk Read Only Memory):
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 

• Magnetic Tape, Floppy disk এবং Hard disk এগুলো মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১১.
PDA বলতে বোঝায়-
  1. Personal Data Analyzer
  2. Personal Digital Assistant
  3. Portable Device Application
  4. Public Digital Access
ব্যাখ্যা

• পামটপ কম্পিউটার (PDA):
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২১২.
রেজিস্টারে ডেটা স্থানান্তর কত ভাবে হতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
ব্যাখ্যা
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল (Combinational) গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।
- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১। প্যারালাল স্থানান্তর,
২। সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩। মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

- রেজিস্টারের ব্যবহার:
১। রেজিস্টারে প্রোগ্রামার কোন কিছু জমা রাখতে পারে না, একমাত্র CPU-ই গণনার প্রয়োজনে রেজিস্টারে কোন কিছু সঞ্চিত রাখতে পারে।
2।রেজিস্টার প্রধান মেমরির অন্তর্গত না হলেও এর গঠন প্রধান মেমরির অনুরূপ হতে পারে। ক্যাশ মেমরি হিসেবে রেজিস্টার বহুল ব্যবহৃত হয় ।
৩। তাছাড়া ক্যালকুলেটর এবং ঘড়িতেও রেজিস্টারের ব্যবহার দেখা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৩.
ওয়াই-ফাই হলো _______ স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
  1. IEEE 802.02
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.11
  4. IEEE 802.14
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৪.
ই-মেইল পাঠানোর প্রথম ধাপ-
  1. ই-মেইল কম্পোজ করা
  2. সেন্ড করা
  3. আউটবক্সে রাখা
  4. ইন্টারনেট কানেকশন
ব্যাখ্যা
ই-মেইল পাঠানোর প্রথম ধাপ হচ্ছে ই-মেইল কম্পোজ করা।

ই-মেইল পাঠানো নিয়ম:
ই-মেইল পাঠাতে হলে আমাদেরকে মোটামুটি তিনটি ধাপে কাজ করতে হবে। 
১। ই-মেইলটি কম্পোজ করা,
২। ইন্টারনেটে কানেকশন দেয়া,
৩। ই-মেইল সেন্ড করা।

• ই-মেইল কম্পোজ করা:
ই-মেইল সফটওয়্যার ওপেন করতে হবে (যেমন: Outlook Express)
Message → New Message বা To Mail এ ক্লিক করতে হবে।

নিচের ঘরগুলো পূরণ করতে হয়:
- To: প্রাপকের ঠিকানা
- From: প্রেরকের ঠিকানা
- CC, BCC: অতিরিক্ত প্রাপক (প্রয়োজনে)
- Subject: মেইলের বিষয়
- Attach: ফাইল সংযুক্তির জন্য
- Body: মেসেজ লেখার জায়গা
- মেইল সেভ করে Outbox-এ রাখা যায়।
- এভাবে একইসাথে অনেকগুলো ই-মেইল কম্পোজ করে রাখা যায়।

• ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন:
ডায়াল আপ নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হয়।

• ই-মেইল সেন্ড করা:
ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার পর:
File → Send Queued Message অথবা Send and Receive বাটনে ক্লিক করে মেইল পাঠানো হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৫.
Which of the following is an example of a social engineering attack?
  1. Using encryption to protect data
  2. Phishing emails designed to steal login credentials
  3. Implementing access controls based on job roles
  4. Running antivirus scans on a system
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (খ) Phishing emails designed to steal login credentials.
• সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (Social Engineering) হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ পদ্ধতি যেখানে প্রযুক্তিগত কৌশলের পরিবর্তে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতাকে কাজে লাগানো হয়।
আক্রমণকারী এখানে বিশ্বাসযোগ্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যবহারকারীকে এমন কোনো কাজ করতে প্ররোচিত করে যা তাদের গোপন তথ্য ফাঁসে সাহায্য করে। ফিশিং (Phishing) হলো এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ, যেখানে ইমেলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে ধোঁকা দিয়ে ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড বা ব্যাংকিং তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়।

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,২১৬.
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করতে -
  1. দশমিক সংখ্যাকে ২ দ্বারা উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে
  2. দশমিক সংখ্যাকে ২ দ্বারা উপর্যুপরি গুণ করতে হবে
  3. দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দ্বারা উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে
  4. দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দ্বারা উপর্যুপরি গুণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর
দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে ১৬ দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১৬) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (০) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৭.
নিচের কোন নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়?
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
- WAN নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়।

• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।

• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

• PAN:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,২১৮.
নিচের কোনটি সিপিইউ এর অংশ নয়?
  1. ক) গাণিতিক যুক্তি ইউনিট
  2. খ) নিয়ন্ত্রণ ইউনিট
  3. গ) রেজিস্টার স্মৃতি
  4. ঘ) পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ
• গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
• নিয়ন্ত্রণ ইউনিট,
• রেজিস্টার স্মৃতি।

- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- এই সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
১,২১৯.
যে ম্যালওয়্যার ফাইলগুলোকে এনক্রিপ্ট করে এবং ডিক্রিপশন কী-এর জন্য মুক্তিপণ দাবি করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ওয়ার্ম
  4. ট্রোজান
ব্যাখ্যা

◉ র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware) এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল বা সিস্টেমকে এনক্রিপ্ট করে এবং ডিক্রিপশন কী (ফাইল ফিরে পেতে) এর জন্য মুক্তিপণ দাবি করে। এটি সাধারণত ক্রিপ্টোকারেন্সি (যেমন: বিটকয়েন) মাধ্যমে অর্থ দাবি করে।

র‍্যানসমওয়্যার:
- এটি হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ওয়ার্ম (Worm): এটি একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ম্যালওয়্যার, যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়ায়।
ট্রোজান (Trojan): এটি একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা নিজেকে বৈধ প্রোগ্রাম হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করে।
স্পাইওয়্যার (Spyware): এটি ব্যবহারকারীর ডেটা গোপনে সংগ্রহ করে এবং তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]

১,২২০.
কম্পিউটিং-এ ন্যানোটেকনোলজির কী কাজে লাগতে পারে?
  1. তাপ উৎপাদন বৃদ্ধি করা
  2. ইন্টারনেটের গতি কমানো
  3. কম্পিউটার বড় করা
  4. দ্রুত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটিং-এ ন্যানোটেকনোলজি বিশেষভাবে দ্রুত এবং শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ন্যানোমিটার স্তরের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রানজিস্টর এবং অন্যান্য চিপ উপাদানগুলোকে আরও ছোট, ঘন এবং দক্ষভাবে তৈরি করা সম্ভব। এর ফলে কম্পিউটার প্রসেসরের গতি বাড়ে, তাপ উৎপাদন কমে এবং বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। এছাড়াও, ছোট আকারের উপাদান ব্যবহার করে কম্পিউটার বা স্মার্ট ডিভাইসগুলো আরও হালকা ও কম স্থানের মধ্যে রাখা যায়। তাই ন্যানোটেকনোলজি মূলত কম্পিউটিং-এর কার্যক্ষমতা উন্নত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করার কাজে ব্যবহৃত হয়। উত্তর হলো: ঘ) দ্রুত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করা।

• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ "nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানোপ্রযুক্তির জনক বলা হয়।
- ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- অর্থাৎ, ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,২২১.
কম্পিউটারের বুটিং প্রসেসের প্রথম ধাপকে কী বলে?
  1. BIOS
  2. POST
  3. Boot loader
  4. File allocation
ব্যাখ্যা

• POST হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে যে স্বয়ংক্রিয় হার্ডওয়্যার পরীক্ষা সম্পন্ন হয়, তাকে Power On Self Test বলে।
- এটি বুটিং প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ।

• POST-এর কাজ:
- POST মূলত কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদান ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা পরীক্ষা করে, যেমন:
⇒ Processor
⇒ RAM
⇒ Graphics device
⇒ Hard Disk / SSD
⇒ Keyboard
⇒ BIOS settings

• ফলাফল:
- যদি সবকিছু ঠিক থাকে, POST বুট লোডার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হতে শুরু করে।
- যদি কোনো সমস্যা থাকে, BIOS বিপ শব্দ (beep code) বা error message দেখায়, যা সমস্যার ধরন নির্দেশ করে।

• POST এর গুরুত্ব:
- কম্পিউটার শুরুতেই নিশ্চিত হয় যে ডিভাইসগুলো সঠিকভাবে কাজ করছে।
- সমস্যা থাকলে OS লোড হওয়ার আগেই সতর্কবার্তা দেয়।
- এটি ডেটা ক্ষতি এবং সিস্টেম ত্রুটি প্রতিরোধে সহায়তা করে।

তথ্যসূত্র: 
-  মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,২২২.
Brave কী?
  1. ওয়েব ব্রাউজার
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. কম্পিউটার এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
• Brave হলো একটি বিনামূল্যের এবং ওপেন সোর্স ওয়েব ব্রাউজার।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- ইন্টারনেট হতে তথ্য পাওয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় তাকে ব্রাউজার বলে।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা হয়।
- অর্থাৎ সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য যেমন টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি সরবরাহ করতে পারে।
- এসব তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যাকে বলে ওয়েব ব্রাউজার।

• বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer), 
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Fire Fox), 
- সাফারি (Safari), 
- অপেরা (Opera), 
- গুগল ক্রম (Google Chrome), 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,২২৩.
365 এর BCD কোড কত?
  1. ক) 001101100101
  2. খ) 001101101010
  3. গ) 010111010111
  4. ঘ) 110101011101
ব্যাখ্যা
BCD - Binary Coded Decimal.
এই নিয়ম অনুযায়ী ১ থেকে ৯ পর্যন্ত ডেসিমেল সংখ্যাগুলোর প্রতিটিকে 4 বিটের বাইনারি তে রুপান্তরিত করা হয়।
তাহলে,


সুতরাং 365 এর BCD হলো  001101100101
১,২২৪.
কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম নয়?
  1. Oracle
  2. Power Point
  3. Fox Pro
  4. MS-Access
ব্যাখ্যা
- Microsoft Power Point একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 

- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
উদাহরণ: Microsoft Access, Microsoft SQL server, Oracle, Corel paradox, lotus approach, Corel paradox, filemaker pro, Fox pro ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
১,২২৫.
কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করার জন্য কীবোর্ডে কোন Key ব্যবহৃত হয়?
  1. Ctrl + B
  2. Ctrl + C
  3. Ctrl + D
  4. Ctrl + E
ব্যাখ্যা
এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
- Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
- Ctrl + D কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
- Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
- Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

উৎস: Computer Hope.
১,২২৬.
IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার কোনটি?
  1. IBM 360
  2. IBM 1620
  3. IBM 540
  4. IBM 4040
ব্যাখ্যা
♦ তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- একীভূত বর্তনী বা IC  এর ব্যবহার শুরু হয়।
- IC সিলিকন দিয়ে তৈরী।
- IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হলো IBM 360.
- RAM, ROM এর ব্যবহার।
- RAM, ROM ও অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরী।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৭.
নিম্নলিখিত কোনটি AI প্রোগ্রামিং ভাষা নয়?
  1. LISP
  2. PROLOG
  3. Java
  4. HTML
ব্যাখ্যা

HTML একটি একটি হাইপারটেক্সট মার্কআপ ভাষা, যা ওয়েব ব্রাউজারে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
​এটি AI প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।

​কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence / AI)
- কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের মত চিন্তা-ভাবনা কম্পিউটারে কৃত্রিমভাবে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া।
- AI-সম্পন্ন এজেন্ট এমন একটি সিস্টেম যা চারপাশ পর্যবেক্ষণ করে এবং সর্বোচ্চ সফলতার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বৈশিষ্ট্য ও উদ্দেশ্য
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার একই সময়ে বহুবিধ কাজ দ্রুত করতে পারে, কিন্তু মানুষ একই সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তা করতে পারে না।
​- AI কম্পিউটারকে মানবজাতির বুদ্ধিমত্তার মতো আচরণ শেখায়।

​AI-এর মাধ্যমে কম্পিউটার শিখতে পারে-
- মানুষের মত চিন্তা করা,
- অসম্পূর্ণ তথ্য থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো,
- সমস্যা সমাধান করা,
- পরিকল্পনা ও বিচক্ষণতা প্রদর্শন করা,
- খেলাধুলা বা অন্যান্য কার্য সম্পন্ন করা।

​AI-এর ব্যবহার ক্ষেত্র
- রোবটিক্স ও perception,
- প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing),
- এক্সপার্ট সিস্টেম,
- নিউরাল নেটওয়ার্ক,
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি,
- ফাজি লজিক,
- স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ,
- প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।

AI-এর জন্য ব্যবহৃত হয় যেমন -
LISP, CLISP, PROLOG, C/C++, Java

AI-এর কার্যপ্রণালী ভাগ
- Deduction and Problem Solving (সূত্রের প্রতিপাদন ও সমস্যা সমাধান),
- Knowledge Representation (জ্ঞানের উপস্থাপন),
- Planning (পরিকল্পনা),
- Machine Learning (যন্ত্রের শিক্ষা),
- Speech and Pattern Recognition (স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,২২৮.
নিচের কোনটি সবচেয়ে দ্রুতগতির কম্পিউটার?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. নোটবুক কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে দ্রুতগতির কম্পিউটার হল সুপার কম্পিউটার। সুপার কম্পিউটারগুলো বিশেষভাবে গণনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উচ্চ ক্ষমতার জন্য তৈরি করা হয়। এগুলি অত্যন্ত জটিল বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সামরিক সমস্যার সমাধানে ব্যবহার করা হয়, যেমন আবহাওয়ার পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা বা মহাকাশ সম্পর্কিত বিশ্লেষণ। মেইনফ্রেম কম্পিউটার সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অনেক ব্যবহারকারী একসঙ্গে কাজ করতে পারে। মাইক্রো কম্পিউটার এবং নোটবুক কম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ও অফিসের কাজের জন্য উপযুক্ত, কিন্তু এগুলোর গণনা ক্ষমতা সুপার কম্পিউটারের তুলনায় অনেক কম। তাই গতি ও ক্ষমতার দিক থেকে সুপার কম্পিউটারই সেরা।

​• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২২৯.
কোনটি ছদ্মবেশী সফটওয়্যার?
  1. ক) ট্রোজান হর্স
  2. খ) ডাটাবেজ
  3. গ) ডস
  4. ঘ) ফটোশপ
ব্যাখ্যা

২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে আবিষ্কার হওয়া এই ট্রোজান হর্স ভাইরাস কোনো কম্পিউটারে ঢোকার পর তার হার্ডড্রাইভের ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করে তার ডিক্রিপশন কি ভাইরাস প্রোগ্রামারের কাছে পাঠিয়ে দিত। এরপর ওই প্রোগ্রামার এনক্রিপ্ট করা ফাইলের ডিক্রিপশন কি এর বদলে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ‘মুক্তিপণ’ আদায় করতো।
[সূত্রঃ bangla.bdnews24.com]

১,২৩০.
১০২৪ এক্সাবাইটের সমতুল্য-
  1. ১ পেটাবাইট
  2. ১ জেটাবাইট
  3. ১ টেরাবাইট
  4. ১ ইয়োটাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
1 Bit = Binary Digit,
8 Bits = 1 Byte.

1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte),
1024 KB = 1 MB (Mega Byte),
1024 MB = 1 GB (Giga Byte),
1024 GB = 1 TB (Terra Byte),
1024 TB = 1 PB (Petabyte),
1024 PB = 1 EB (Exa Byte),
1024 EB = 1 ZB (Zetta Byte),
1024 ZB = 1 YB (Yotta Byte ),

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
১,২৩১.
এক মাইক্রো সেকেন্ড সমান কত?
  1. ক) ০.০০০০০০০১ সেকেন্ড
  2. খ) ০.০০০০১ সেকেন্ড
  3. গ) ০.০০০০০০১ সেকেন্ড
  4. ঘ) ০.০০০০০১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
মাইক্রো সেকেন্ড সমান এক সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ
১ মাইক্রো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ
= ১/১০০০০০০ সেকেন্ড
= ০.০০০০০১ সেকেন্ড

১ মিলি সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগ
১ মাইক্রো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ
১ ন্যানো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
১ পিকো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের একলক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ।
১,২৩২.
কোন কম্পোনেন্টটি CPU-এর জন্য অল্প সময়ে তথ্য অ্যাক্সেসে সবচেয়ে কার্যকর?
  1. Registers
  2. ROM
  3. Hard Drive
  4. RAM
ব্যাখ্যা

• CPU-এর জন্য তথ্য অ্যাক্সেসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর কম্পোনেন্ট হলো Registers। Registers হল মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা ছোট, অতি-দ্রুত মেমোরি ইউনিট, যা তাত্ক্ষণিকভাবে ডেটা এবং নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করতে পারে। CPU যখন কোনো গণনা বা অপারেশন সম্পন্ন করে, তখন এটি প্রথমেই Registers ব্যবহার করে কারণ এগুলি RAM বা Hard Drive-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। ROM সাধারণত শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং পরিবর্তনযোগ্য নয়, তাই তা CPU-র জন্য তাত্ক্ষণিক ডেটা অ্যাক্সেসে কার্যকর নয়। RAM দ্রুত, কিন্তু Registers-এর চেয়ে ধীরে কাজ করে। তাই, অল্প সময়ে তথ্য অ্যাক্সেসের জন্য Registers সবচেয়ে কার্যকর।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১,২৩৩.
In e-commerce, what does the acronym "UX" stand for?
  1. Universal Exchange
  2. User Experience
  3. User Expansion
  4. Ultimate Expression
ব্যাখ্যা
• In e-commerce, the acronym "UX" stands for User Experience.

UX (User Experience):
- E-commerce এ UX (User Experience) হল একটি অনলাইন স্টোরে নির্বিঘ্ন, আনন্দদায়ক কেনাকাটার অভিজ্ঞতা তৈরি করার অভ্যাস।
- এটিতে একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করা, নেভিগেশন এবং অনুসন্ধান সহ অন্যান্য কার্যাবলি ভালোভাবে করা যাতে গ্রাহকের চাহিদাগুলি পূরণ হয় এবং গ্রাহক আরো ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারে।

ই-কমার্স:
- ই- কমার্স হল ইলেকট্রনিক কমার্স যা এমন একটি মাধ্যম যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/বিক্রয় হয়ে থাকে। অর্থাৎ ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে ই-কমার্স বলে।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-

(i) ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B).
(ii) ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C).
(iii) ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B).
(iv) ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C).

ই-কমার্সের সুবিধাসমূহ:
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়৷
২. ই-কমার্সের সাহায্যে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসাকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে করানো যায়৷
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়৷
৪. ব্যবসায়িক কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক তৈরি করে।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২) merriam-webster
১,২৩৪.
কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতিশক্তি হিসেবে পরিচিত-
  1. PROM
  2. ROM
  3. RAM
  4. EPROM
ব্যাখ্যা
Random Access Memory (RAM): 
যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত RAM বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়। এটাকে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয় কারণ RAM চিপে তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ , এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল
১,২৩৫.
Quick Response কোড কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. লিংক শেয়ার করার জন্য
  2. ডকুমেন্ট আদান-প্রদান করার জন্য
  3. ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য
  4. শুধু মানি ট্রান্সফার করার জন্য
ব্যাখ্যা

◉ QR কোড হলো একটি দ্বি-মাত্রিক বারকোড, যা দ্রুত পড়া যায় এবং ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ করে। এটি টেক্সট, URL, যোগাযোগের তথ্য, পেমেন্ট ডিটেইলস ইত্যাদি সংরক্ষণ করতে পারে। QR কোড স্ক্যান করে ব্যবহারকারীরা সহজেই সংরক্ষিত তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে।

QR Code:
- QR Code এর পূর্ণরূপ Quick Response Code.
- QR কোডকে বারকোড এর একটি সম্প্রসারণ হিসাবে ভাবা যায় যেখানে কালো বিন্দুগুলির উল্লম্ব এবং অনুভূমিক অবস্থান উভয়কে একটি অপটিক্যাল স্ক্যানার দ্বারা পড়া যায়৷
- বারকোড যেখানে অনুভূমিকভাবে তথ্য ধারণ করে, QR কোড অনুভূমিকভাবে ও উল্লম্বভাবে তথ্য ধারণ করতে পারে। ফলে QR কোড বারকোডের তুলনায় শত গুণ বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে।
- এর মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়।
- QR কোডে তথ্য কেবল পড়া যায়।
- এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: ৭,০৮৯টি ক্যারেক্টার।

অন্য অপশনগুলো QR কোডের আংশিক ব্যবহার মাত্র, কিন্তু মূল উদ্দেশ্য হলো যেকোনো ধরনের ডিজিটাল তথ্য কম্প্যাক্ট আকারে সংরক্ষণ করা যা স্মার্টফোন বা অন্যান্য ডিভাইস দিয়ে সহজেই স্ক্যান করে পড়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,২৩৬.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুযায়ী = ?
  1. 0
  2. 1
  3. y
  4. z
১,২৩৭.
বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যারকে কী বলে?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. অ্যাডওয়্যার
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা
Malware (ম্যালওয়্যার):
- Malware (ম্যালওয়্যার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
→ অ্যাডওয়্যার (Adware),
→ স্পাইওয়্যার (Spyware),
→ ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
→ র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware),
→ ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

• বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware).
• র‍্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমণের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

উৎস: 
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,২৩৮.
IBM-PC কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. খ) তৃতীয় প্রজন্ম
  3. গ) চতুর্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) প্ৰথম প্ৰজন্ম
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের পরিবর্তন বা বিকাশকে বিভিন্ন প্রজন্মে বিভক্ত করা হয়েছে।
- গত শতাব্দীর সত্তরের দশকে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে কম্পিউটারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয় এবং তখন থেকেই কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মের যাত্রা শুরু হয়।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারসমূহ: IBM-3033, IBM 4341, IBM-PC, HP-3000, TRS-80

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) 
১,২৩৯.
কোন যন্ত্রাংশটি ইনপুট এবং আউটপুট উভয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Modem
  2. খ) Scanner
  3. গ) Mouse
  4. ঘ) Monitor
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
- ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো: কী-বোর্ড, মাউস, ওয়েবক্যাম, ট্যাকবল, জয়স্টিক, বার কোড রিডার, পয়েন্ট অফ সেল, ওএমআর, স্ক্যানার, ডিজিটাইজার, লাইটপেন ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- আউটপুট ডিভাইসসমূহ হলো: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইমেজ সেটার, ফিল্ম রেকর্ডার, হেড ফোন  ইত্যাদি।

• ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত ডিভাইস:
- টাচস্ক্রিন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪০.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে “ফ্লিপ-ফ্লপ” বলতে কী বোঝায়?
  1. রেজিস্টরের একটি ধরন
  2. ট্রানজিস্টরের একটি ধরন
  3. এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করার যন্ত্র
  4. ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণকারী
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ হলো এমন একটি সার্কিট বা যন্ত্র যা একটি বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এটি মূলত স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে এবং ডিজিটাল সিস্টেমে তথ্যের সময়ভিত্তিক ধরন নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থিতি থাকে, যা ০ বা ১ হিসেবে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। এগুলো প্রায়শই রেজিস্টার এবং কাউন্টার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ফ্লিপ-ফ্লপ সিগন্যাল পরিবর্তনের উপর নির্ভর করে তথ্য রাখে এবং মেমোরি বা লজিক সার্কিটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুতরাং, ফ্লিপ-ফ্লপ হলো এক বিট তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত যন্ত্র।

সঠিক উত্তর: গ) এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করার যন্ত্র।

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।

- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১,২৪১.
একটি IP ঠিকানার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. নেটওয়ার্কে ডিভাইস শনাক্ত করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. যোগাযোগ এনক্রিপ্ট করা
  4. অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• একটি IP ঠিকানার প্রধান উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্কে ডিভাইস শনাক্ত করা। প্রতিটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল বা যেকোনো নেটওয়ার্ক ডিভাইসকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে IP ঠিকানা ব্যবহৃত হয়। এটি ঠিক এমনভাবে কাজ করে যেমন বাড়ির ঠিকানা ডাকের মাধ্যমে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ডিভাইস ইন্টারনেটে বা স্থানীয় নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠায় বা গ্রহণ করে, তখন IP ঠিকানা নিশ্চিত করে যে তথ্যটি সঠিক গন্তব্যে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ডেটা সংরক্ষণ, যোগাযোগ এনক্রিপশন বা অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনার কাজ IP ঠিকানার উদ্দেশ্য নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) নেটওয়ার্কে ডিভাইস শনাক্ত করা।
 
 • আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৪২.
কোন কম্পোনেন্টটি মাদারবোর্ডে সরাসরি ইনস্টল হয় প্রোগ্রাম নির্দেশনা প্রক্রিয়ার জন্য?
  1. RAM
  2. CPU
  3. GPU
  4. Hard Drive
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডে সরাসরি ইনস্টল হওয়া প্রধান কম্পোনেন্ট যা প্রোগ্রাম নির্দেশনা প্রক্রিয়ার জন্য কাজ করে তা হলো CPU (Central Processing Unit)। এটি কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি সমস্ত নির্দেশনা গ্রহণ, ব্যাখ্যা ও কার্যকর করার ক্ষমতা রাখে। যখন কোনো প্রোগ্রাম চালানো হয়, তখন CPU মেমরি থেকে নির্দেশনা নিয়ে তা প্রসেস করে ফলাফল তৈরি করে। অন্যদিকে, RAM হলো অস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণকারী, GPU গ্রাফিক্স প্রক্রিয়ার জন্য বিশেষায়িত, এবং Hard Drive হলো স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য। তাই সরাসরি প্রোগ্রাম প্রক্রিয়াকরণের জন্য মাদারবোর্ডে CPU ইনস্টল করা অপরিহার্য।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
CPU (Central Processing Unit),
RAM (Random Access Memory),
Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

১,২৪৩.
High Voltage সিগন্যাল কোন প্রতীক দ্বারা বুঝানো হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) ০
  3. গ) ২
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

ইংরেজী Binary শব্দের প্রথম দুটি অক্ষর এবং Digit শব্দের শেষ অক্ষরটি নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়েছে। ০ এবং ১ বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটিকে এক একটি Bit বলা হয়। এই Bit দুটি সহজে ইলেকট্রনিক উপায়ে নির্দেশ করা যায়। এ কারণে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে (কম্পিউটার) এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় বৈদ্যুতিক Wave কে বাইনারী পদ্ধতির সাথে সংযুক্ত করা হয়।
শূন্য অর্থ Low ভোল্টেজ এবং ১ হচ্ছে High ভোল্টেজ সিগনালকে কাজে লাগানো হয়। এ ধরনের প্রবাহকে অভিকযুক্ত সংকেত বা Digital Signal বলে। মূলত এই সিগনাল দিয়েই কম্পিউটারের মেশিন ল্যাংগুয়েজের কাজ নিয়ন্ত্রিত হয়।

১,২৪৪.
নিচের কোনটি I/O ডিভাইস?
  1. মডেম
  2. প্রজেক্টর
  3. জয়স্টিক
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
•  I/O ডিভাইস বলতে সেইসব ডিভাইস কে বোঝায় যেগুলো একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।  মডেম (Modem) হলো  এক ধরনের I/O (Input/Output) ডিভাইস, যার পূর্ণরূপ হল Modulator-Demodulator।

• এটি দুটো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে: 

১) Modulation (আউটপুট): কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগনালকে(০,১) অ্যানালগ সিগনালে রূপান্তর করে (  টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে  বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল এর মাধ্যমে পাঠানোর জন্য।)। আবার সিম কার্ড সম্বলিত মডেমে ডিজিটাল সিগন্যাল কে সেলুলার সিগন্যালে রুপান্তর করা হয়।

২) Demodulation (ইনপুট): টেলিফোন লাইন/ফাইবার অপটিক বা সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রাপ্ত অ্যানালগ সিগনালকে আবার ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে যাতে কম্পিউটার সেটি বুঝতে পারে। 
ইনপুট ও অউটপুট উভয় ধরনের কাজ করতে পারে বলে মডেম কে বলা হয় I/O (Input/Output) ডিভাইস।

তথ্যসূত্র: 
-    মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
-   "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
১,২৪৫.
MICR প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. পাসপোর্ট মুদ্রণ
  2. ক্রেডিট কার্ড এনকোডিং
  3. ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
  4. বারকোড স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি প্রধানত ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রক্রিয়াকরণের জন্য। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা চেকের নীচে থাকা সংখ্যা এবং তথ্যকে চৌম্বকীয় কালি দিয়ে মুদ্রণ করে, যাতে মেশিন সহজে তা পড়তে পারে। এই পদ্ধতি দ্রুত এবং সঠিকভাবে চেকের তথ্য শনাক্ত করতে সাহায্য করে, যেমন চেক নম্বর, ব্যাংক কোড এবং শাখার তথ্য। MICR ব্যবহার করলে ত্রুটির সম্ভাবনা কমে এবং লেনদেন প্রক্রিয়ার সময়ও কমে। তাই এটি সাধারণত ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে অপরিহার্য, পাসপোর্ট, ক্রেডিট কার্ড বা বারকোডের জন্য নয়।

সঠিক উত্তর: গ) ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,২৪৬.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে কোন নেটওয়ার্ক চালু করে?
  1. NSFNET
  2. BITNET
  3. MILNET
  4. ARPANET
ব্যাখ্যা

 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে Advanced Research Projects Agency Network (ARPANET) চালু করে, যা ইন্টারনেটের সূচনা হিসেবে বিবেচিত।

• ইন্টারনেট (Internet):
- টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান–প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলা হয়।
ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯০ সাল থেকে, তবে এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
 
• ইন্টারনেটের উদ্ভব ও ইতিহাস:
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর Advanced Research Projects Agency Network (ARPANET) চালু করে।
- ১৯৯০ সালে ইন্টারনেট কার্যক্রম শুরু হলেও,
- ১৯৯৪ সালের আগে এই প্রযুক্তিকে “ইন্টারনেট” নামে ডাকা হতো না।
- ১৯৯৪ সাল থেকে “Internet” শব্দটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
 
• ইন্টারনেটের গুরুত্ব:
- বর্তমান বিশ্বের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থায় ইন্টারনেট সবচেয়ে প্রভাবশালী মাধ্যম।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা একই নেটওয়ার্ক বলয়ে যুক্ত হতে পেরেছে।
- এ কারণে ইন্টারনেটকে অনেক সময় “Network of Networks” বলা হয়।
 
• ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ:
- কম্পিউটার,
- মডেম,
- টেলিফোন লাইন বা অন্য কোনো যোগাযোগ লাইন,
- সফটওয়্যার,
- আইএসপি (ISP – Internet Service Provider)।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৪৭.
কম্পিউটারে ব্যবহৃত সংখ্যা পদ্ধতি কোনটি?
  1. ক) Binary
  2. খ) Decimal
  3. গ) Octal
  4. ঘ) Hexadecimal
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:

১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
১,২৪৮.
Who is the father of information technology?
  1. Charles Babbage
  2. Alan Turing
  3. Claude Shannon
  4. John von Neumann
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
• Claude Shannon কে তথ্য প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

• Claude Shannon:
- ক্লড শ্যানন ছিলেন একজন আমেরিকান গণিতবিদ এবং বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী যিনি ডিজিটাল সার্কিট এবং তথ্য প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
- 1936 সালে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত এবং বৈদ্যুতিক প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর, শ্যানন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) এ গবেষণা সহকারীর পদ লাভ করেন।
- 1937 সালে নিউ ইয়র্ক সিটিতে আমেরিকান টেলিফোন এবং টেলিগ্রাফের বেল ল্যাবরেটরিতে গ্রীষ্মকালীন ইন্টার্নশিপ শ্যাননের পরবর্তী গবেষণার আগ্রহকে অনুপ্রাণিত করেছিল।
- তিনি 1972 সাল পর্যন্ত বেল ল্যাবসের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- শ্যানন 1956 সালে এমআইটি-তে ভিজিটিং প্রফেসর, 1958 সালে অনুষদের স্থায়ী সদস্য এবং 1978 সালে প্রফেসর ইমেরিটাস হন।
- শ্যাননের মাস্টার্স থিসিস, 'A Symbolic Analysis of Relay and Switching Circuits (1940)'  ডিজিটাল সার্কিটের তাত্ত্বিক ভিত্তি স্থাপনের জন্য বুলিয়ান বীজগণিত ব্যবহার করেছিল।
- তিনি যোগাযোগ ব্যবস্থার দক্ষতার একটি পরিমাপ তৈরি করেছিলেন, যাকে বলা হয় এনট্রপি।

উৎস: IEEE & Britannica website.
১,২৪৯.
কোনটি ব্লকচেইনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি প্রথম এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি?
  1. Litecoin
  2. Ripple
  3. Ethereum
  4. Bitcoin
ব্যাখ্যা

• ব্লকচেইনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি প্রথম এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো বিটকয়েন (Bitcoin)। এটি ২০০৯ সালে Satoshi Nakamoto নামের একজন অজানা ব্যক্তি বা গ্রুপের দ্বারা তৈরি করা হয়। বিটকয়েনের মূল লক্ষ্য ছিল একটি কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ডিজিটাল মুদ্রা তৈরি করা, যা সরাসরি ব্যক্তিরা বিনিময় করতে পারবে। এটি ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে লেনদেনের স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং পরিবর্তন অযোগ্যতা নিশ্চিত করে। বিটকয়েনের ব্লকচেইনে প্রতিটি লেনদেন একটি ব্লকে রেকর্ড হয় এবং ক্রিপ্টোগ্রাফি দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হয় না, ফলে লেনদেন দ্রুত এবং নিরাপদ হয়। বিটকয়েনকে ক্রিপ্টোকারেন্সির পিতামহও বলা হয়।

• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে। 
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়। 
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল। 
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়। 
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়। 
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

• বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

১,২৫০.
নিচের কোনটি ওয়াই-ফাই এর দ্রুততর সংস্করণ?
  1. আইইইই ৮০৩.১১জি
  2. আইইইই ৮০২.১১বি
  3. আইইইই ৮০২.১১জি
  4. আইইইই ৮০৩.১১বি
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ফাই হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
এটি প্রযুক্তিগতভাবে আইইইই ৮০২.১১বি নামে পরিচিত।
এর একটি দ্রুততর সংস্করণ হলো আইইইই ৮০২.১১জি  যার গতি ৫৪ এমবিপিএস। 
বর্তমানে এই প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,২৫১.
কোনটির মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বেশিরভাগ সময় যোগাযোগ করা হয়েছিলো?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) টিভি
  3. গ) কম্পিউটার
  4. ঘ) ল্যান্ডফোন
ব্যাখ্যা


সূত্র - অষ্টম শ্রেণি, ICT, বোর্ড বই 
১,২৫২.
নিচের কোনটি হ্যাকার গ্রুপ?
  1. Cozy Bear
  2. Fancy Bear
  3. Morpho
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• infamous hacker groups to look for [1981 to 2024]
1. Chaos Computer Club
2. Legion of Doom
3. Lazarus Group
4. Tailored Access Operations
5. Dragonfly 
6. LulzSec
7. Morpho
8. REvil
9. Lizard Squad
10. Conti
11. LockBit
12. DarkSide
13. Hafnium
14. Lapsus$
15. Cozy Bear
16. Fancy Bear

উৎস:
১. [Norton]
২. বিবিসি
১,২৫৩.
Which one is the modifier key of the keyboard?
  1. Shift
  2. Esc
  3. F4
  4. Backspace
ব্যাখ্যা
Modifire Key:
- কী-বোর্ডের যে সমস্ত কী (Key) এর সাহায্যে অক্ষর বিন্যাস ছাড়া অন্যান্য কাজ করা হয় তাদেরকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifire Key)।
- যেমন কন্ট্রোল, অল্টার, শিফট ইত্যাদি।
- On an IBM compatible computer, modifier keys include Alt, Ctrl, Shift, and the Windows key.
- On the Apple Macintosh computer, the Control, Option, Command, and Shift keys are modifier keys.

উৎস: Computerhope.com
১,২৫৪.
ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম-
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) ক্যাশ
  4. ঘ) রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টর, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামুলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।
  
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
১,২৫৫.
Spread Sheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ কী?
  1. ছড়ানো পাতা
  2. অগ্রগামী হওয়া
  3. গণনা করা
  4. সমাধান করা
ব্যাখ্যা
• স্প্রেড শীট:
- Spread Sheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা।
- Spread অর্থ ছড়ানো এবং Sheet অর্থ পাতা।
- গ্রাফ কাগজের X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপ খোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সংবলিত বড় শীটকে স্প্রেডশীট বলা হয়।
- এক্সেলের সম্পূর্ণ পর্দাটি X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর সেলের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্সেলের সুবিশাল স্প্রেডশীটটিতে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং গাণিতিক পরিগণনা করা যায়।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৬.
কম্পিউটারের অবস্থানগত সংখ্যা পদ্ধতি কয় প্রকার?
  1. ক) ২ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

অবস্থানগত বা পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি চার প্রকার। যথা- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি, দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি, অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি এবং হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি।
তবে, এর মধ্যে ডেসিমেল পদ্ধতি আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করলেও কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসে এই পদ্ধতি সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,২৫৭.
বিশ্বের প্রথম সফল প্রোগ্রামিং ভাষার আবিষ্কারক কে?
  1. অ্যাডা লাভলেস
  2. ডেনিস রিচি
  3. জন বাকাস
  4. চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা
• ফোরট্রান (FORTRAN):
- FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- FORTRAN হলো বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি এটি তৈরি করেন।
- ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে ফোরট্রান Ⅰ, ফোরট্রান II, ফোরট্রান iv, ফোরট্রান ৭৭, এবং ফোরট্রান ৯০।

অন্যদিকে,
- অ্যাডা লাভলেসকে পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে সম্মানিত করা হয়।
- ডেনিস রিচিকে 'C' ভাষার জনক বলা হয়।
- চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,২৫৮.
নিচের কোনটি এম্বেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ওয়াশিং মেশিন 
  2. ল্যাপটপ
  3. প্রিন্টার
  4. রেডিও সেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) ওয়াশিং মেশিন।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
• কিছু উদাহরণ দেওয়া হল:
- আধুনিক গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি: মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, ড্রায়ার, রেফ্রিজারেটর, 
- স্বয়ংক্রিয় গাড়ি: আধুনিক গাড়িগুলিতে ইঞ্জিন কন্ট্রোল, ঘড়ি, রেডিও 
- ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসর (ডিএসপি): তারবিহীন টেলিফোন, ডিজিটাল টেলিফোন
- ডিজিটাল ওয়ালেট: অ্যাপল এবং গুগল কর্তৃক প্রদত্ত ডিজিটাল ওয়ালেটগুলি তাদের সুবিধা

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২৫৯.
'A' এর জন্য EBCDIC কোড কত?
  1. 11110101
  2. 11000001
  3. 10101100
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইবিসিডিক কোড:
- EBCDIC এর পূর্ণরূপ Extended Binary Coded Information Code.
- এটি একটি ৪ বিটের কোড।
- সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।
- যেমন- 5 কে EBCDIC-এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101-এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে।
- কাজেই 5-এর EBCDIC হবে 11110101.
• 'A' এর জন্য EBCDIC 1100 0001.
•  'N' এর জন্য EBCDIC 1010 1100 ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬০.
টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তায় কোনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি?
  1. ক) ফেইস রেকোগনিশন
  2. খ) হ্যান্ড জিওমিট্রি
  3. গ) ভয়েস রিকোগনিশন
  4. ঘ) রেটিনা স্ক্যান
ব্যাখ্যা
টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তায় ভয়েস রিকোগনিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। তবে অসুস্থতা জনিত কারণে, যেমন- ঠান্ডা, সর্দি, কাশি ইত্যাদি হলে কোন ব্যবহারকারীর কন্ঠ পরিবর্তন হলে সে ক্ষেত্রে অনেক সময় সঠিক ফলাফল পাওয়া যায় না। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,২৬১.
CPU তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় তথ্যকে ক্ষণস্থায়ীভাবে কোথায় জমা রাখে?
  1. ক) মনিটরে
  2. খ) হার্ডডিস্কে
  3. গ) র‍্যামে
  4. ঘ) রেজিস্টারে
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট যা অস্থায়ী মেমরি হিসেবে কাজ করে। এর প্রত্যেকটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি করে বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় উপাত্ত অস্থায়ীভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
১,২৬২.
CPU-এর ভেতরে থাকা সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্ষুদ্র মেমোরি কোনটি?
  1. ক্যাশ মেমোরি
  2. রেজিস্টার 
  3. প্রধান মেমোরি
  4. ভার্চুয়াল মেমোরি
ব্যাখ্যা

• রেজিস্টার (Register):
- এটি সিপিইউ-এর ভেতরে থাকা সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্ষুদ্র মেমোরি, যা ALU-কে সরাসরি ডেটা সরবরাহ করে।
- এটি মূলত ফ্লিপ-ফ্লপ (Flip-flops) সার্কিট দিয়ে তৈরি এবং প্রসেসিংয়ের সময় ডেটা বা নির্দেশাবলী খুব অল্প সময়ের জন্য জমা রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়
- সিপিইউ (CPU)-এর গাণিতিক ও যুক্তি অংশের (ALU) সাথে প্রধানত রেজিস্টার (Register) এবং প্রাথমিক মেমরি বা মেইন মেমরি (RAM - Random Access Memory)-এর প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে। ALU-এর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশাবলী সরাসরি এই মেমোরি থেকে গ্রহণ করে এবং প্রসেসিংয়ের পর ফলাফল আবার রেজিস্টার বা র‍্যাম-এ জমা রাখে।
- CPU যখন কোনো গাণিতিক বা যুক্তিমূলক কাজ করে, তখন ওই মুহূর্তের ডেটা এবং নির্দেশাবলী রেজিস্টারে থাকে।
- এটি কম্পিউটারের সব ধরণের মেমোরির (যেমন: RAM বা হার্ড ডিস্ক) চেয়ে দ্রুত কাজ করে।
- পরবর্তী কোন নির্দেশটি কাজ করবে, তার মেমোরি অ্যাড্রেস বা ঠিকানা মনে রাখে। 

উৎস: 
১। Geeksforgeeks [Link]
২। Sciencedirect [Link]

১,২৬৩.
ভিডিও কনফারেন্সিং কী?
  1. অডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা
  2. ভিডিও রেকর্ডিং পদ্ধতি
  3. কেবল লিখিত বার্তা আদান-প্রদান পদ্ধতি
  4. অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে রিয়েল-টাইম যোগাযোগ ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

• অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে রিয়েল-টাইম যোগাযোগ ব্যবস্থা—ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে একই সময়ে দেখা ও কথা বলা সম্ভব হয়।
 
• ভিডিও কনফারেন্সিং(Video Conferencing):
- ভিডিও কনফারেন্সিং হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানকারী ব্যক্তিরা একই সময়ে অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে কথোপকথন করতে পারে।
- এটি একটি আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
 
• ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের কার্যপদ্ধতি:
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে থাকা ব্যক্তিরা—
- একে অপরকে দেখতে পারে,
- কথা বলতে পারে,
- আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারে।
- এতে রিয়েল-টাইম (Real-time) যোগাযোগ সম্ভব হয়।
 
• ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ব্যবহার:
- অফিস মিটিং ও ব্যবসায়িক আলোচনা।
- অনলাইন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ।
- দূরবর্তী চিকিৎসা সেবা (Telemedicine).
- সামাজিক ও পারিবারিক যোগাযোগ।
 
• ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ:
- ইন্টারনেট সংযোগ।
- ক্যামেরা (Webcam বা মোবাইল ক্যামেরা)।
- মাইক্রোফোন ও স্পিকার/হেডফোন।
- উপযোগী সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

১,২৬৪.
LAN ব্যবহার করে সর্বোচ্চ কত দূরত্ব পর্যন্ত ডিভাইসগুলিকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করা যায়?
  1. ১০০ মিটার
  2. ৫০০ মিটার
  3. ১ কিলোমিটার
  4. ৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

◉ LAN (লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে সাধারণত সর্বোচ্চ ১ কিলোমিটার দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়।

LAN:
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,২৬৫.
'অ্যাবাকাস' কি?
  1. ক) এক ধরনের সুমিষ্ট ফল
  2. খ) ল্যাটিন আমিরিকার একটি ক্ষুদ্র দেশ
  3. গ) এক প্রকার গননা যন্ত্র
  4. ঘ) হাস-মুরগীর ভাইরাসজনিত একটি রোগ
ব্যাখ্যা

অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে বলে জানা যায়। দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
-পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়। চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।
-ফ্রেঞ্চ গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল(Blaise Pascal) ১৬৪২ সালে আবিষ্কার করেন Pascal's Calculator বা পাস্কালেন(Pascalene)। এটি পৃথিবীর প্রথম ক্যালকুলেটর।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)

১,২৬৬.
কোন টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন সংযুক্ত থাকে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• বাস টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন সংযুক্ত থাকে। 

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্টার টপোলজি:

- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।-
- কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়।
- এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।

• রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।

• মেশ টপোলজি:
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৭.
একাধিক টেবিলের মাঝে সম্পর্ক স্থাপনে ব্যবহৃত হয়-
  1. প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  3. ফরেন কী
  4. কম্পোজিট ফরেন কী
ব্যাখ্যা
• ফরেন কী ব্যবহার করে একাধিক টেবিলের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী ফিল্ড:

- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. প্রাইমারি কী:
- ডাটা টেবিলের যে ফিল্ডের মানসমূহ দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্যান্য রেকর্ড থেকে সম্পূর্ণরূপে আলাদা করা যায়, তাকে প্রাইমারি কী বলা হয়।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৮.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস এর উদ্বোধন করেন কত সালে?
  1. ২০১০
  2. ২০১৪
  3. ২০১৮
  4. ২০১৯
ব্যাখ্যা
• ইএমটিএস: 
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।  
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করেন।
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award  ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস সেবাটি  ভারতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার mBillionth Award ২০১২ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হয়। 
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস (ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম)।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়। 
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।

 উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৯.
OpenAI প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ২০০৮
  2. ২০১৫
  3. ২০১৯
  4. ২০২৩
ব্যাখ্যা

• OpenAI প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• OpenAI :
- OpenAI একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OpenAI–এর প্রধান লক্ষ্য হলো—মানবকল্যাণে নিরাপদ ও উপকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) তৈরি করা।
- OpenAI শুরুতে একটি নন-প্রফিট (Non-profit) প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে OpenAI একটি হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করে, যেখানে গবেষণা ও বাণিজ্যিক উভয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- OpenAI–এর সদর দপ্তর সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
 
• ChatGPT :
- ChatGPT হলো OpenAI কর্তৃক উন্নত একটি AI–ভিত্তিক ভাষা মডেল (Language Model)।
- ChatGPT মূলত GPT (Generative Pre-trained Transformer) আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি মানুষের মতো স্বাভাবিক ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, লেখা তৈরি, ব্যাখ্যা দেওয়া ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে সক্ষম।
- ChatGPT–এর প্রথম সংস্করণ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে।
- এটি Natural Language Processing (NLP) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে।
- শিক্ষা, গবেষণা, কনটেন্ট তৈরি, প্রোগ্রামিং সহায়তা ও গ্রাহকসেবা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ChatGPT ব্যবহৃত হচ্ছে।
 
• ChatGPT–এর কার্যপদ্ধতির মূল ধারণা :
- ChatGPT বিপুল পরিমাণ টেক্সট ডেটা ব্যবহার করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
- এটি পূর্ববর্তী শব্দের ধারাবাহিকতার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী শব্দ অনুমান করে উত্তর তৈরি করে।
- এটি নিজে চিন্তা করে না, বরং শেখানো ডেটা ও অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া প্রদান করে।
 
 উৎস: OpenAI & Britannica [Link].

১,২৭০.
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধিত করতে পারে -
  1. ক) ট্রান্সফর্মার
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) রেকটিফায়ার
  4. ঘ) অ্যামিটার
ব্যাখ্যা
দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।

ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭১.
Which of the following is considered a high-level, interpreted programming language widely used in AI and Data Science?
  1. Python
  2. C
  3. Assembly Language
  4. Fortran
ব্যাখ্যা

• Python হলো একটি হাই-লেভেল এবং ইন্টারপ্রেটেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এর সিনট্যাক্স বা কোড লেখার নিয়ম ইংরেজি ভাষার মতো সহজ হওয়ায় এটি মানুষের জন্য বুঝতে এবং শিখতে খুব সহজ। বহুমুখী ব্যবহার এবং এর লাইব্রেরিগুলোর (যেমন: NumPy, Pandas) কারণে এটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং বিশেষ করে ডেটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষা।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। অ্যামাজন ওয়েবসাইট। [link]

১,২৭২.
মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম কি? 
  1. Yahoo
  2. Bing
  3. Google
  4. DuckDuckGo
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে, 
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure, 
- মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing, 
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen,
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫, 
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS, 
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত),
- ২০০৫ সালে ইবে (eBay) স্কাইপ অধিগ্রহণ করে। এরপর ২০১১ সালে মাইক্রোসফট ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপ কিনে নেয়, যা তাদের জন্য একটি বড় ধরনের বিনিয়োগ ছিল। সেই সময় স্কাইপকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- বর্তমানে (জুন, ২০২৫) Skype এর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

উৎস:  Microsoft ওয়েবসাইট।

১,২৭৩.
সফটওয়্যার প্রধানত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার প্রধানত দুই ধরনের। যথা-
১. সিস্টেম সফট্ওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- তার মধ্যে Dos, Windows এবং Xenix/Unix বহুলভাবে ব্যবহৃত।
- Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত।
- Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Photo Editing Program: Adobe Photoshop.
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, MS Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Browsing Program: Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome.
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭৪.
কোন বুলিয়ান উপপাদ্য সঠিক?
  1. ক) A + 1 = A
  2. খ) A.1 = A
  3. গ) A + 0 = 1
  4. ঘ) A + A’ = 0
ব্যাখ্যা


সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭৫.
ইমেইল প্রোগ্রামটি ARPANET সিস্টেমে প্রথম কে প্রয়োগ করেছিলেন?
  1. ক) Rymond Samuel Tomlinson
  2. খ) Raymond Murphy
  3. গ) Alexandria Ocasio-Cortez
  4. ঘ) Joseph Carl Robnett Licklider
ব্যাখ্যা
Rymond Samuel Tomlinson ছিলেন একজন আমেরিকান কম্পিউটার প্রোগ্রামার, যিনি 1971 সালে ইন্টারনেটের পূর্বসূরী, অরপানেট (ARPANET) সিস্টেমে প্রথম ই-মেইল প্রোগ্রামটি প্রয়োগ করেছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে ই-মেইলের আবিষ্কারক হিসাবে পরিচিত।
১,২৭৬.
DDoS আক্রমণের পূর্ণরূপ কী?
  1. Distributed Denial of Service
  2. Direct Denial of Service
  3. Data Denial of Service
  4. Digital Denial of Service
ব্যাখ্যা

◉ DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে একসাথে বিপুল পরিমাণ অনুরোধ পাঠানো হয়।

DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,২৭৭.
কন্ট্রোল ইউনিট সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. এটি CPU ক্লক গতি বাড়ায়
  2. এটি স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করে যেমন ROM
  3. এটি যোগ এবং বিয়োগের মতো গণনা সম্পন্ন করে
  4. এটি প্রসেসরের কার্যক্রম নির্দেশ করে
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট প্রসেসরের কার্যক্রম নির্দেশ করে। কন্ট্রোল ইউনিট (CU) প্রসেসরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা CPU-এর অন্যান্য উপাদান যেমন অরিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) এবং রেজিস্টারকে কীভাবে কাজ করতে হবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মেমরি থেকে নির্দেশনা পড়ে, ডিকোড করে এবং ALU বা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসকে নির্দেশ দেয় কোন অপারেশন করতে হবে। কন্ট্রোল ইউনিট নিজে গণনা বা ডেটা সংরক্ষণ করে না; বরং এটি CPU-এর কার্যক্রম সঠিকভাবে সমন্বয় করে, যাতে প্রোগ্রাম ঠিকভাবে কার্যকর হয়। এটি মূলত CPU-এর “নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র” হিসেবে কাজ করে।
 

• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার  সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়। 

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট। 

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)। 
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৭৮.
Half Adder সার্কিট কয়টি লজিক গেইট ব্যবহার করে তৈরি করা হয়?
ব্যাখ্যা

◉ Half Adder সার্কিট হলো একটি মৌলিক ডিজিটাল লজিক সার্কিট, যা দুটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি দুটি মৌলিক গেইট ব্যবহার করে তৈরি করা হয়:
XOR গেইট: যোগফল (Sum) বের করতে ব্যবহৃত হয়।
AND গেইট: ক্যারি (Carry) বের করতে ব্যবহৃত হয়।

হাফ এডার: 
- দুইটি বাইনারি বিট যোগ করার জন্য যে বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাকে অর্ধযোগের বর্তনী বলা হয়।
- দুইটি বিট A ও B যোগ করে এই বর্তনী হতে যোগফল (S) এবং হাতের সংখ্যা বা ক্যারি (C) পাওয়া যায়।
- ক্যারি যোগের ব্যবস্থা থাকে না বলে এই বর্তনীকে অর্ধযোগের বর্তনী বলে।


চিত্র: হাফ এডারের লজিক সার্কিট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,২৭৯.
Starlink is a satellite network developed by which company?
  1. NASA
  2. ISRO
  3. SpaceX 
  4. Blue Origin
ব্যাখ্যা

Starlink is a satellite network developed by SpaceX.

Starlink (স্টারলিংক)
- Starlink হলো SpaceX-এর তৈরি স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক, যা ইন্টারনেট সেবা দেয়।
- ২০২৫ সালে প্রায় ৭,০০০ স্যাটেলাইট কক্ষপথে আছে, যা সক্রিয় স্যাটেলাইটের অর্ধেকের বেশি।
- ২০২৫ সালে গ্রাহক সংখ্যা ৫০ লাখেরও বেশি।
- Starlink-কে বলা হয় megaconstellation বা satellite Internet constellation।
- গ্রাহকরা একটি আয়তাকার পোর্টেবল ডিশ ব্যবহার করে নেটওয়ার্কে যুক্ত হন।
- বিশেষ করে যেখানে প্রচলিত ইন্টারনেট নেই বা দুর্বল, সেখানে সেবা দেয়।
- SpaceX তৈরি করেছে সামরিক সংস্করণ Starshield।
- এটি মার্কিন সরকারের জন্য সামরিক যোগাযোগ স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক তৈরি করছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১,২৮০.
জাপানের হোন্ডা কোম্পানির রোবট কোনটি?
  1. ক) সোফিয়া
  2. খ) মুরাতা বয়
  3. গ) আইবো
  4. ঘ) আসিমো
ব্যাখ্যা
জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয়', হোন্ডা কোম্পানির 'আসিমো' এবং সনি কর্পোরেশনের 'আইবো' ইত্যাদি রোবট প্রায় মানুষের মতোই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে। আর সোফিয়া হচ্ছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,২৮১.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফট এক্সেলের ফাংশন নয়?
  1. SUBTRACT
  2. COUNTA
  3. INDEX
  4. MATCH
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• উত্তর: ক) SUBTRACT
SUBTRACT মাইক্রোসফট এক্সেলের কোনো বিল্ট-ইন ফাংশন নয়। এক্সেলে বিয়োগের জন্য আলাদা কোনো ফাংশন নেই - সরাসরি মাইনাস (-) অপারেটর ব্যবহার করতে হয়।

• অপশন আলোচনা:
COUNTA - খালি নয় এমন সেলের সংখ্যা গণনা করে
INDEX - নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে ভ্যালু রিটার্ন করে
MATCH - একটি ভ্যালুর অবস্থান খুঁজে বের করে

এগুলো সবই এক্সেলের প্রকৃত ফাংশন।

• স্প্রেডশীট সফটওয়্যার:
স্প্রেডশীট (Spreadsheet) সফটওয়্যার হলো একটি প্রোগ্রাম, যা সারি (Row) ও কলাম (Column)-এ বিভক্ত একটি গ্রিড বা টেবিলের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ, গণনা ও উপস্থাপনা করতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি ছোট ঘরকে সেল (Cell) বলা হয় এবং সেলগুলোতে সংখ্যা, লেখা, সূত্র (Formula), ফাংশন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

• জনপ্রিয় স্প্রেডশীট সফটওয়্যারসমূহ এবং  বৈশিষ্ট্য:
Microsoft Excel এর নির্মাতা Microsoft - সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ফিচার-সমৃদ্ধ।
Google Sheets এর নির্মাতা Google - ক্লাউড-ভিত্তিক, রিয়েল-টাইম কল্যাবোরেশন।
LibreOffice Calc এর নির্মাতা LibreOffice Foundation - ওপেন সোর্স, ফ্রি।
Apple Numbers এর নির্মাতা Apple - Mac/iOS ব্যবহারকারীদের জন্য নির্মিত।

সূত্র: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
১,২৮২.
WiMAX প্রযুক্তি সর্বোচ্চ কত কিলোমিটার পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে?
  1. ২০ কি.মি.
  2. ২০০ কি.মি.
  3. ৫০ কি.মি.
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা
WiMAX প্রযুক্তি সর্বোচ্চ  ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে।

WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ - Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- WiMAX হলো একটি তারবিহীন বিস্তৃত এলাকার নেটওয়ার্ক (Wireless Broadband Network) প্রযুক্তি, যা দীর্ঘ দূরত্বে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে।
- এটি তে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- এর গতি অনেক বেশি। দুরত্বের উপর ভিত্তি করে ১০-১০০ মেগাবিট/সেকেন্ড হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান
১,২৮৩.
মনিটর সম্পর্কিত কোন বৈশিষ্ট্যটি হার্টজ এককে মাপা হয়?
  1. ক) Resolution
  2. খ) Speed
  3. গ) Refresh Rate
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা
রিফ্রেশ রেট হলো পিক্সেলের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখার জন্য প্রতি সেকেন্ডে পিক্সেলগুলো কতবার রিচার্জ হয় তার সংখ্যা। Refresh Rate যত বেশি হবে ইমেজ স্ক্রীনে তত বেশি দৃঢ় দেখাবে। Refresh Rate কে হার্টজ এককে প্রকাশ করা হয়।
১,২৮৪.
আইফোন চালানোর জন্য অ্যাপল যে অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে তার নাম কী?
  1. iOS
  2. Windows Mobile
  3. HarmonyOS
  4. Android
ব্যাখ্যা

• আইফোন চালানোর জন্য অ্যাপল কোম্পানি একটি বিশেষ অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে, যার নাম iOS। এটি মূলত আইফোন, আইপ্যাড এবং আইপড টাচের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। iOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অ্যাপ ইন্সটল, ইন্টারফেস নেভিগেশন, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং ডিভাইসের অন্যান্য ফিচার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটি একটি বন্ধ এবং নিরাপদ সিস্টেম হিসেবে পরিচিত, যা অ্যাপল স্টোরের মাধ্যমে অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে। অন্যান্য অপশন যেমন Windows Mobile, HarmonyOS এবং Android বিভিন্ন কোম্পানির ডিভাইসের জন্য তৈরি, তাই সেগুলি আইফোনে ব্যবহৃত হয় না। সুতরাং আইফোনের জন্য সঠিক উত্তর হলো ক) iOS.

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৮৫.
ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্কসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. গেটওয়ে
  4. রিপিটার
ব্যাখ্যা

• ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকল বা আর্কিটেকচার বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে একে অপরের সাথে যুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ডেটা প্যাকেটের প্রোটোকল রূপান্তর করে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠানোর প্রবেশপথ হিসেবে কাজ করে।

• গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এটি ওএসআই (OSI) মডেলের সকল লেয়ারে (১-৭ লেয়ার) কাজ করতে সক্ষম।
- বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার (যেমন: TCP/IP এবং IPX/SPX) এর মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

এছাড়াও,
রাউটার:
-রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
-ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

অন্যান্য অপশন:
- হাব: একই নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে যুক্ত করে এবং কোনো প্রোটোকল বুঝতে পারে না।
- সুইচ: একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ম্যাক (MAC) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে, ভিন্ন প্রোটোকলে কাজ করে না।
- রিপিটার: এটি শুধুমাত্র দুর্বল সিগন্যালকে শক্তিশালী করে, ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা নেই।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।

১,২৮৬.
গুগল নির্মিত AI মডেলটির নাম কী?
  1. Gemini
  2. ChatGPT 5
  3. Claude
  4. Llama 
ব্যাখ্যা

• গুগল নির্মিত AI মডেলটির নাম হলো Gemini . 

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• AI এর বৈশিষ্ট্য:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
- অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।

•  গুগলের নির্মিত AI মডেলটির নাম জেমিনি।
- এটি একটি ভাষাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট, যা মানুষের মতো করে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে এবং বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। 


অন্যদিকে,
• Anthropic নির্মিত AI মডেলটির নাম Claude।
• Meta AI নির্মিত AI মডেলটির নাম Llama ।
• OpenAI নির্মিত AI মডেলটির নাম ChatGPT 5 ।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Meta AI
- Claude AI
- Open AI

১,২৮৭.
মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি কী হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) Register Set
  2. খ) Arithmetic Logic Unit
  3. গ) Control Unit
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।

- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়। 

সূত্র: ৯৫ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,২৮৮.
নিম্নের কোনটি আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি?
  1. ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  2. আইরিস স্ক্যান
  3. ভয়েস রিকগনিশন
  4. ডিএনএ টেস্ট
ব্যাখ্যা

• ভয়েস রিকগনিশন — এটি আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি, যেখানে ব্যক্তির কণ্ঠস্বর বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
 
• বায়োমেট্রিকস:
- ‘Metron’ অর্থ পরিমাপ এবং ‘Bio’ অর্থ জীবন; এ দুটি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিকস হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচয় নির্ধারণ করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুযায়ী এটি ব্যক্তির সনাক্তকরণ ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের কৌশল।
- দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

• শারীরিক বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint),
- হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand geometry),
- আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
- ফেস রিকগনিশন (Face recognition),
- ডিএনএ টেস্ট (DNA test)।

• আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification),
- কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন (Keystroke verification)।

• বায়োমেট্রিক ডিভাইসের কার্যপ্রণালি:
- ডিভাইস ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য ডিজিটাল কোডে রূপান্তর করে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোডের সাথে তুলনা করে।
- মিল পেলে ব্যবহারকারীকে প্রবেশের অনুমতি দেয়, না মিললে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

• ব্যবহারক্ষেত্র:
- অফিস, আদালত, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়।
- গাড়ি, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র, সিম নিবন্ধন, উপস্থিতি নির্ধারণে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• অন্যান্য অপশন:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট → আঙুলের ছাপভিত্তিক শারীরিক শনাক্তকরণ পদ্ধতি।
- আইরিস স্ক্যান → চোখের আইরিসের নকশা বিশ্লেষণভিত্তিক পদ্ধতি।
- ডিএনএ টেস্ট → জিনগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক শনাক্তকরণ পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৮৯.
AI (আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স) - এর সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসাবে বিবেচিত হয় -
  1. মেশিন লার্নিং
  2. রোবটিক্স
  3. স্মার্ট হোম
  4. স্পীচ
ব্যাখ্যা
আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর কয়েকটি ক্ষেত্র হলো:
১. মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)
২. NLP (অনুবাদ/তথ্য সমন্বয়)
৩. স্পিচ (স্পিচ টু টেক্সট/স্পিচ টু স্পিচ)
৪. রোবটিক্স
৫. ভিশন (ইমেজ প্রসেসিং)



উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।
১,২৯০.
২০১১ সালে Skype কে কোন প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করেছিল?
  1. Microsoft
  2. Facebook
  3. Apple
  4. Google
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ক) Microsoft

২০১১ সালে প্রযুক্তি জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে, যখন Microsoft জনপ্রিয় ভিডিও ও ভয়েস কলিং সার্ভিস Skype কে অধিগ্রহণ করে। এই অধিগ্রহণের মূল্য ছিল প্রায় ৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ছিল সে সময়ে Microsoft-এর সবচেয়ে বড় কেনাকাটার একটি। এই চুক্তির মাধ্যমে Microsoft চেয়েছিল তাদের যোগাযোগ এবং ব্যবসায়িক সেবাগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে, বিশেষ করে Windows ও Office প্ল্যাটফর্মে Skype সংযুক্ত করে। এই পদক্ষেপটি তাদের Google ও Apple-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার কৌশলের একটি অংশ ছিল। অধিগ্রহণের পর, Skype ধীরে ধীরে MSN Messenger-এর জায়গা নেয় এবং Microsoft Teams ও Outlook-এর সাথেও সংযুক্ত হয়।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত)।
- ২০০৫ সালে ইবে (eBay) স্কাইপ অধিগ্রহণ করে। এরপর ২০১১ সালে মাইক্রোসফট ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপ কিনে নেয়, যা তাদের জন্য একটি বড় ধরনের বিনিয়োগ ছিল। সেই সময় স্কাইপকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- বর্তমানে (মে, ২০২৫ থেকে) Skype এর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

উৎস: Microsoft এর ওয়েবসাইট।
১,২৯১.
গণিতবিদরা পৃথিবীর প্রথম অংক-ভিত্তিক গণনাযন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কোনটিকে?
  1. এক্সট্রানেট
  2. অ্যাবাকাস
  3. ইউনিভ্যাক
  4. আরপানেট
ব্যাখ্যা
- খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় পাঁচশত অব্দে অ্যাবাকাস (Abacus) নামক গণনা যন্ত্র উদ্ভাবিত হয়।
- গণিতবিদরা এটিকে পৃথিবীর প্রথম অংক-ভিত্তিক গণনাযন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন
- সংখ্যা নির্দিষ্ট করার জন্য এবাকাসের সরু দন্ডে কতগুলো গুটি গাঁথা থাকে। এইসব গুটি সঞ্চালন করে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ করা যায়।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস:
১। কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯২.
ডেবিট কার্ড প্রদান করে-
  1. ক) এনবিআর
  2. খ) স্টক এক্সচেঞ্জ
  3. গ) ব্যাংক
  4. ঘ) দূতাবাস
ব্যাখ্যা

- ডেবিট কার্ড এমন একধরনের কার্ড যার দ্বারা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর মাধ্যমে গ্রাহক তার ব্যাংকে সঞ্চিত অর্থ যেকোনো সময় এটিএম বুথ হতে ওঠাতে পারেন।
- বাংলাদেশের প্রচলিত এটিএম কার্ড গুলো মূলত ডেবিট কার্ড।
- ডেবিট কার্ড প্রদান করে ব্যাংক।

১,২৯৩.
তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারে কোন সমস্যাটি বৃদ্ধি পায়?
  1. কৃষি উৎপাদন
  2. সাইবার অপরাধ
  3. প্রাকৃতিক সম্পদ
  4. যোগাযোগ দক্ষতা
ব্যাখ্যা

• তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পায়।

• তথ্য প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাবের মূল দিক:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণহীন বা অনৈতিক ব্যবহারে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- ইন্টারনেট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার সাইবার অপরাধের প্রধান কারণ।

• সাইবার অপরাধের ধারণা:
- সাইবার অপরাধ হলো কম্পিউটার, ইন্টারনেট বা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ।
- এর মাধ্যমে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

• তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার ও সাইবার অপরাধ:
- ব্যক্তিগত তথ্য চুরি,
- অনলাইন প্রতারণা,
- হ্যাকিং,
- ভুয়া আইডি ব্যবহার,
- অনৈতিক ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া,
- ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল।

• সমাজে এর প্রভাব:
- মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে।
- সামাজিক অস্থিরতা ও অবিশ্বাস সৃষ্টি হয়।
- কিশোর ও তরুণ সমাজ সহজেই সাইবার অপরাধের শিকার হয়।

• সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা:
- তথ্য প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ও সচেতন ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা।
- আইন ও নৈতিকতার প্রতি সচেতন থাকা।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

১,২৯৪.
নিচের কোনটি ই-কমার্সের ধরন হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. M2B
  2. B2C
  3. C2C
  4. B2B
ব্যাখ্যা

• ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স হলো পণ্য ও সেবা অনলাইনে কেনাবেচার প্রক্রিয়া। এর প্রধান ধরনগুলো হলো B2C (Business to Consumer), যেখানে ব্যবসা সরাসরি গ্রাহকের কাছে পণ্য বিক্রি করে; C2C (Consumer to Consumer), যেখানে সাধারণ মানুষ একে অপরের সঙ্গে পণ্য বা সেবা লেনদেন করে; এবং B2B (Business to Business), যেখানে ব্যবসাগুলো একে অপরের সঙ্গে বাণিজ্য করে। কিন্তু M2B (Manufacturer to Business) সাধারণত ই-কমার্সের পরিচিত কোনো ধরন হিসেবে স্বীকৃত নয়। এটি প্রথাগত বা বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে ই-কমার্সের মূল ধরনগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।
- সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে M2B ই-কমার্সের ধরন হিসেবে গণ্য হয় না।


• ই-কমার্স:
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
- ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B) ও
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)।

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।

১,২৯৫.
বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,২৯৬.
বর্তমানে IBM 1620 কম্পিউটারটি কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. পরিসংখ্যান ব্যুরোতে
  2. বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে
  3. হাবিব ব্যাংকে
  4. ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম IBM 1620 মেইনফ্রেইম কম্পিউটারের আগমন ঘটে।
- কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্তান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে।
- যন্ত্রটির মুখ্য কাজ ছিল জটিল গবেষণায় গাণিতিক হিসাব সম্পাদন।
- বর্তমানে কম্পিউটারটি ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত।
- ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
- ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো তার প্রথম মেইনফ্রেইম কম্পিউটার চালু করে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
১,২৯৭.
Which language is used for general-purpose?
  1. C
  2. BASIC
  3. PASCAL
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
যে ভাষা সব ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার হয় তাকে সাধারণ কাজের ভাষা বলে। যেমন- বেসিক, সি, প্যাসকল ইত্যাদি।

• উচ্চতর ভাষা (High Level Language):
- উচ্চতর ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চতর ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে- BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- এরপর কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।

• উচ্চস্তরের ভাষাকে দুভাগে ভাগ করা যায়:
(১) সাধারণ কাজের (General purpose) ভাষা ও
(২) বিশেষ কাজের (Special purpose) ভাষা।

- যে ভাষা সব ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার হয় তাকে সাধারণ কাজের ভাষা বলে। যেমন- বেসিক, সি, প্যাসকল ইত্যাদি।
- যে ভাষা শুধু বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার হয় তাকে বিশেষ কাজের ভাষা বলে। যেমন- কোবল, ফোরট্রান।

• বিশেষ কাজের ভাষাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়:
- বাণিজ্যিক প্রয়োগের ভাষা কোবল।
- বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা ফরট্রান।
- বহুপ্রয়োগের ভাষা বেসিক, ফরট্রান, এ্যাডা ইত্যাদি।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯৮.
গুগলের সার্ভিস কোনটি?
  1. Youtube
  2. Facebook
  3. Twitter
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২৯৯.
যোগাযোগ ব্যবস্থার অবর্ণনীয় পরিবর্তনের একটি মাইল ফলক হচ্ছে-
  1. ক) বাস
  2. খ) ট্রেন
  3. গ) বিশ্বগ্রাম
  4. ঘ) ফোন
ব্যাখ্যা
বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি ধারণা যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজের ন্যায় বসবাস করবে এবং  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ ও সেবা প্রদান করবে। অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বকে বিশ্বগ্রাম বলা হয়।
১,৩০০.
(726)10 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা রূপান্তর করলে হয় -
  1. 2E5
  2. 3E4
  3. 2D6
  4. 2E4
ব্যাখ্যা

◉ (726)10 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা রূপান্তর করলে হয় 2D6. 

দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে 16 দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (০) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→ A, ১১→ B, ১২→ C, ১৩→ D, ১৪→ E ও ১৫→ F সংখ্যা লিখতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।