বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১২৯ / ১৩১ · ১২,৮০১১২,৯০০ / ১৩,০৮৮

১২,৮০১.
ডাটাবেজে রেকর্ডের সবচেয়ে ছোট উপাদানটি কী নামে পরিচিত?
  1. ফিল্ড
  2. ফাইল
  3. টেবিল
  4. রেকর্ড
ব্যাখ্যা

•  ডাটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ ও সংগঠনের বিভিন্ন স্তর থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট উপাদান হলো ফিল্ড। একটি ফিল্ড হলো একটি নির্দিষ্ট ধরনের তথ্য ধারণকারী একক ঘর, যেমন নাম, বয়স বা ঠিকানা। একাধিক ফিল্ড একত্রিত হয়ে একটি রেকর্ড তৈরি করে, যা একটি সম্পূর্ণ তথ্যের ইউনিট হিসেবে কাজ করে। রেকর্ডগুলো একত্রিত হয়ে টেবিল তৈরি করে, যা একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সব তথ্য ধারণ করে। আবার অনেকগুলো টেবিল মিলিত হয়ে পুরো ফাইল বা ডাটাবেজ তৈরি করে। তাই ডাটাবেজের সবচেয়ে ছোট উপাদান হিসেবে যেটিকে ধরা হয়, সেটি হলো ফিল্ড।

- সঠিক উত্তর: ক) ফিল্ড।

ফিল্ড: 
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড।
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮০২.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত ‘আইবিএম-১৬২০’ কম্পিউটারটি ছিল-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ঘ) এনালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত হয় ‘আইবিএম-১৬২০’ মডেলের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-এটি ছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিক কর্ম তৎপরতা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
[উৎসঃ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।]
১২,৮০৩.
১১১১ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৫
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
(১১১১)১  = ১ × ২৩  + ১ × ২২  + ১ × ২১ + ১ × ২° 

              = ৮ + ৪ + ২ + ১  [ যেহেতু, ১০° = ১] 

               = ১৫
১২,৮০৪.
NOR গেইট আউটপুটে '1' হবে যখন:
  1. সবগুলো ইনপুট 0 হবে
  2. সবগুলো ইনপুট 1 হবে
  3. যে কোনো ইনপুট 0 হবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নর গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 
- NOR গেইটের আউটপুট 1 হবে যখন সবগুলো ইনপুট 0 হবে। 
- NOR গেইটের আউটপুট 0 হবে যখন যে কোনো ইনপুট 0 হবে এবং দুইটি ইনপুট যখন 1 হবে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮০৫.
আপনি যদি উইন্ডোজ পার্টিশনের ডিস্ক স্পেস ব্যবহারের পরিমাণ সীমিত করতে চান, তাহলে কোন ফাইল সিস্টেমে পার্টিশনটি ফরম্যাট করতে হবে?
  1. APFS
  2. ISO 9660
  3. FAT32
  4. NTFS
ব্যাখ্যা
• আপনি যদি উইন্ডোজ পার্টিশনের ডিস্ক স্পেস ব্যবহারের পরিমাণ সীমিত করতে চান, তাহলে পার্টিশনটি NTFS ফাইল সিস্টেমে ফরম্যাট করতে হবে। NTFS (New Technology File System) হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত একটি আধুনিক ফাইল সিস্টেম, যা কোটা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর জন্য ডিস্ক স্পেস সীমিত করার সুবিধা প্রদান করে। এই ফাইল সিস্টেমে ফাইল এনক্রিপশন, ফাইল পারমিশন, এবং বড় ফাইল সমর্থন করার মতো উন্নত বৈশিষ্ট্য রয়েছে। FAT32 এবং ISO 9660 ফাইল সিস্টেমে এসব সুবিধা নেই, এবং APFS মূলত ম্যাক সিস্টেমের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ডিস্ক স্পেস ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে NTFS-ই উপযুক্ত।

• NTFS:
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮০৬.
X.com এর প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ক) রবার্ট মিশেন
  2. খ) বিল গেটস
  3. গ) এলন মাস্ক
  4. ঘ) Paypal inc.
ব্যাখ্যা
X.com এর প্রতিষ্ঠাতা এলন মাস্ক। X.com পরবর্তীতে PayPal এ রূপান্তরিত হয়।
১২,৮০৭.
The chunks of a memory are known as -
  1. ক) Sector
  2. খ) Offset
  3. গ) Page
  4. ঘ) Frame
ব্যাখ্যা
It is the smallest unit of data for memory management in a virtual memory operating system. Similarly, a page frame is the smallest fixed-length contiguous block of physical memory into which memory pages are mapped by the operating system.
১২,৮০৮.
সিস্টেম রিসোর্স পরিচালনার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেমের কোন উপাদানের?
  1. Compiler
  2. Shell
  3. Kernel
  4. Network Manager
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সিস্টেম রিসোর্স পরিচালনার দায়িত্ব প্রধানত Kernel এর উপর থাকে। Kernel হলো অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতা করে। এটি প্রসেসর, মেমোরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস, এবং অন্যান্য রিসোর্সগুলোকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে। Kernel নিশ্চিত করে যে প্রতিটি প্রোগ্রাম বা প্রোসেস যথাযথ রিসোর্স পায় এবং সংঘর্ষ বা ডেটা ক্ষতি ছাড়া কাজ করতে পারে।
- অন্যদিকে, Compiler কোড অনুবাদ করে, Shell ব্যবহারকারীর কমান্ড গ্রহণ করে, এবং Network Manager নেটওয়ার্ক সংযোগ পরিচালনা করে, কিন্তু রিসোর্স ব্যবস্থাপনা Kernel এর কাজ। তাই সিস্টেম রিসোর্স পরিচালনার দায়িত্ব Kernel এরই।


• কার্নেল কী?
কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ। এটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে। অর্থাৎ, ইউজার বা প্রোগ্রাম যখন কোনো কাজ করতে চায় (যেমন: ফাইল পড়া, মেমোরি বরাদ্দ, ইনপুট/আউটপুট, প্রসেস চালানো), তখন সেটা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে না গিয়ে প্রথমে কার্নেলের কাছে যায়। তারপর কার্নেল সেই কাজটি করে দেয়।

• কেন কার্নেল সবসময় মেমোরিতে থাকে?
কার্নেলকে সবসময় মেমোরিতে রাখা হয় যেন এটি যেকোনো সময় কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাঝে যোগাযোগ করতে পারে। যদি কার্নেল মেমোরিতে না থাকে, তাহলে অপারেটিং সিস্টেম কার্যকর হতো না।

উৎস: kernel [লিংক]
১২,৮০৯.
মেমোরি এবং ALU (Arithmetic Logic Unit)-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কোনটি?
  1. র‍্যাম
  2. কী-বোর্ড
  3. মাউস
  4. কন্ট্রোল ইউনিট
ব্যাখ্যা

◉ কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit) হলো সিপিইউ'র একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মেমোরি এবং ALU (Arithmetic Logic Unit)-এর মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করে। এটি মূলত কম্পিউটারের সমস্ত অপারেশনকে সমন্বিত করে এবং নির্দেশনা নির্বাহের পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করে।

নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে তথ্যের প্রয়োজনীয়তা, সহায়ক মেমরি হতে প্রধান মেমরিতে তথ্য নেয়া, ইনপুট হতে উপাত্ত নেয়া, ফলাফল প্রদর্শন এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮১০.
হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতিতে কোন অক্ষরটি অনুপস্থিত?
  1. B
  2. D
  3. F
  4. H
ব্যাখ্যা

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,৮১১.
Which of the following is a character-based or text-based operating system?
  1. Android
  2. Windows XP
  3. Windows 7
  4. MS-DOS
ব্যাখ্যা

• MS-DOS বা Microsoft Disk Operating System হলো একটি টেক্সট-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। একে CUI (Character User Interface) বা CLI (Command Line Interface) বলা হয়, কারণ এখানে আইকন বা গ্রাফিক্সের বদলে লিখে কমান্ড দিতে হয়। এটি ১৯৮০-এর দশকে পিসিগুলোতে বহুল ব্যবহৃত হতো যেখানে ব্যবহারকারীকে হার্ডওয়্যার এবং ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের জন্য সরাসরি নির্দেশাবলী টাইপ করতে হতো। আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো এতে কোনো দৃশ্যমান বা গ্রাফিক্যাল উইন্ডো না থাকায় এর গতি ছিল অত্যন্ত দ্রুত এবং মেমরি ব্যবহারের হার ছিল খুবই সীমিত।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম
২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম

• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, Android ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

১২,৮১২.
বিট কয়েনের আবিষ্কারক কে?
  1. মার্ক জুকারবার্গ
  2. ইয়োশি কিরিমাতো
  3. ইয়োশাই কিরিমাতো
  4. সাতোশি নাকামাতো
ব্যাখ্যা

• ক্রিপ্টোকারেন্সি:
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২,৮১৩.
কোনটি কার্নেল দ্বারা সরাসরি পরিচালিত হয় না?
  1. সিপিইউ শিডিউলিং
  2. ইউজার ডকুমেন্ট বানানো
  3. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট
  4. ফাইল সিস্টেমের কাজ
ব্যাখ্যা

• কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতা করে। এটি CPU শিডিউলিং, মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, এবং ফাইল সিস্টেমের কাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সরাসরি পরিচালনা করে। অন্যদিকে, ইউজার ডকুমেন্ট তৈরি করা সম্পূর্ণ ব্যবহারকারীর পর্যায়ের কাজ, যা অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেল দ্বারা সরাসরি নিয়ন্ত্রিত হয় না। কার্নেল শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর অনুরোধ অনুযায়ী ফাইল সিস্টেম বা মেমোরি অ্যাক্সেসের সুবিধা দেয়, কিন্তু ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু বা লেখা প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে না। তাই, এই চারটি অপশন থেকে ইউজার ডকুমেন্ট বানানো কার্নেল দ্বারা সরাসরি পরিচালিত হয় না।

• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের প্রকারভেদ:
১. মনোলিথিক কার্নেল,
২. মাইক্রোকার্নেল,
৩. হাইব্রিডকার্নেল,
৪. এক্সোকার্নেল,
৫. ন্যানোকার্নেল।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। geeksforgeeks [link]

১২,৮১৪.
অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে গঠিত হয়-
  1. হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. পামটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হলো-
• মিসাইল,
• বৈজ্ঞানিক গবেষণা,
• নভোযান,
• রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়,
• পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়,
• পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮১৫.
৮০৮৬ কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ৪ বিট
  2. ৮ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৬৪ বিট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৪০০৪, ৪০৪০।
• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০০৮, ৮০৮০।
• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬।
• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮১৬.
ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Oracle
  2. MS Excel
  3. Photoshop
  4. MS Word
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা:
- Oracle
- এটি একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
- যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বড় আকারের প্রতিষ্ঠানগুলো এটি ব্যবহার করে ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য।
- কয়েকটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটয়্যার: Oracle, MySQL, Microsoft Access.

• MS Excel:
- এটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার,
- যেটি সাধারণত ছোট পরিসরে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়,
- কিন্তু এটি ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার জন্য উপযুক্ত নয়।

• Photoshop:

- এটি একটি ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, যা গ্রাফিক ডিজাইনের কাজে ব্যবহৃত হয়।

• MS Word:
- এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা মূলত ডকুমেন্ট লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,৮১৭.
What technology was used in 2G mobile systems?
  1. Analog
  2. Satellite
  3. Digital
  4. Microwave
ব্যাখ্যা
Digital technology was used in 2G mobile systems. 

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১২,৮১৮.
নিচের কোনটি প্রটোকল কনভার্টার হিসেবে পরিচিত?
  1. সক্রিয় হাব
  2. নিষ্ক্রিয় হাব
  3. গেটওয়ে
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা

গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত করে। 
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ভিন্নধর্মী প্রটোকলবিশিষ্ট নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপনের জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একই ধরনের বা ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকলবিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের সুযােগ করে দেয় অর্থাৎ এটি মূলত একটি নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি ডিভাইস।
- গেটওয়ে PAT(Protocol Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে বলে একে 'প্রটোকল কনভার্টার' বলে। 

উল্লেখ্য, রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।  

১২,৮১৯.
ভিডিও কনফারেন্সিং এ কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. UDP
  2. SIP
  3. TFTP
  4. TCP
ব্যাখ্যা
The major protocols that have been used or are being used for video conferencing are the H. 323 protocol and the Session Initiation Protocol (SIP). The session parameters and control of incoming and outgoing signals is done at this layer.
Source: engineersgarage.com
১২,৮২০.
সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত HTTP নিচের কোনটি?
  1. ক) POST and GET
  2. খ) PRE and REPLY
  3. গ) PUT and POST
  4. ঘ) DELETE and GET
ব্যাখ্যা
HTTP তে অনেক গুলো মেথড আছে যেমনঃ GET, POST, PUT, DELETE, CONNECT, TRACE, PATCH এগুলোর মধ্য GET এবং POST মেথড সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
১২,৮২১.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. 9 - নিউমারিক কী
  2. Delete - মডিফায়ার কী
  3. F12 - ফাংশন কী
  4. insert - নেভিগেশন কী
ব্যাখ্যা
• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
১২,৮২২.
প্রথম ডিজিটাল বা ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) Mark-1
  2. খ) ENIAC-1
  3. গ) EDSAC
  4. ঘ) UNIVAC
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালে আইবিএম কোম্পানির সাথে যৌথ প্রচেষ্টায় হাওয়ার্ড এইকিন বৈদ্যুতিক রিলের উপর ভিত্তি করে প্রথম ডিজিটাল বা ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার মার্ক-১ বা Automatic Sequence Control Calculator উদ্ভাবন করেন। এটি ১৯৪৪ সালে আইবিএম কোম্পানি মার্ক-১ নামে এটি বাজারজাত শুরু করে।
ENIAC-1 প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার। EDSAC হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং UNIVAC হলো বাণিজ্যিকভাবে তৈরি প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার।
(সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা : এসএসসি প্রোগ্রাম – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা)
১২,৮২৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. AVG
  2. Norton
  3. CodeRed
  4. McAfee
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

• CodeRed হলো একটি সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক লার্নিং প্ল্যাটফর্ম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮২৪.
What are the basic components of a database?
  1. Table, Graph, Image
  2. Font, Color, Page
  3. Record, Field, Sound
  4. Data, Record, Field
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো: Data, Record, Field, Data Table.

• ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।

• ডাটাবেজ এর ব্যবহার:
- অতি দ্রুত ডাটা উপস্থাপন করা যায়।
- অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়।
- সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়।
- অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস ঘটানো যায়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মের জন্য এবং পরবর্তীতে ফলাফল বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ ও অন্যান্য আরো অনেক কাজে ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ডাটা (Data),
২. রেকর্ড (Record),
৩. ফিল্ড (Field),
৪. ডাটা টেবিল (Data Table).

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮২৫.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. Scanner
  2. Mouse
  3. Monitor
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা
পেরিফেরাল ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে। 
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. ইনপুট ডিভাইস: 
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি। 

২. আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি। 

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮২৬.
বায়োইনফরমেটিক্সের গবেষণার ক্ষেত্র নয় -
  1. ডিএনএ ম্যাপিং
  2. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  3. জিনোম সমাগম
  4. প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

• বায়োইনফরমেটিক্স হল জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণ, জিনোমিক্স, প্রোটিন স্ট্রাকচার ও ফাংশন, এবং জীববৈজ্ঞানিক ডেটার মডেলিং ও বিশ্লেষণে কম্পিউটার ও অ্যালগরিদম ব্যবহার করার বিজ্ঞান। এর মধ্যে ডিএনএ ম্যাপিং, জিনোম সমাগম এবং প্রোটিন-প্রোটিন মিথষ্ক্রিয়ার অধ্যয়ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার ক্ষেত্র। বায়োইনফরমেটিক্সের মূল লক্ষ্য হলো জটিল জীববৈজ্ঞানিক তথ্যকে বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যদ্বাণীমূলক মডেল তৈরি করা। তবে, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সরাসরি বায়োইনফরমেটিক্সের গবেষণার অংশ নয়। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মূলত ওয়েবসাইট ও অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার প্রযুক্তি, যা জীববৈজ্ঞানিক ডেটার বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু নিজেই বায়োইনফরমেটিক্সের গবেষণার ক্ষেত্র নয়।

সঠিক উত্তর: খ) ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। 

বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics):
- বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা হয়।

বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যাটার্ন রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি,

বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,৮২৭.
প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক কে?
  1. Guido van Rossum
  2. James Gosling
  3. Ada Lovelace
  4. Dennis Ritchie
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক ছিলেন Ada Lovelace. তিনি বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত। ১৯শ শতকে চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম তৈরি করেন। Ada Lovelace এর কাজ আধুনিক প্রোগ্রামিং ও কম্পিউটার বিজ্ঞান ভিত্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
- অন্যদের মধ্যে Guido van Rossum পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার নির্মাতা, James Gosling জাভা ভাষার জনক, আর Dennis Ritchie C ভাষার নির্মাতা। তবে প্রোগ্রামিং ধারণার সূচনা ও প্রবর্তক হিসেবে Ada Lovelace কে সবচেয়ে বেশি সম্মান দেওয়া হয়।
- সঠিক উত্তর: গ) Ada Lovelace.

• অ্যাডা লাভলেস:
- গণনার কাজ কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় সেটি নিয়ে ভেবেছিলেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace) (১৮১৫-১৮৫২)।
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন।
- এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়।
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন।
- সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন।
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২,৮২৮.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান পাবলিক ক্লাউড সেবা প্রদান করে না?
  1. Tesla Inc.
  2. Amazon Web Services
  3. Microsoft Azure
  4. Google Cloud Platform
ব্যাখ্যা

Tesla Inc. পাবলিক ক্লাউড সেবা প্রদান করে না।
- Tesla মূলত ইলেকট্রিক গাড়ি ও শক্তি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud)
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড; যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত।
- যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন- আমাজনের EC2। এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো- যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
- আর অসুবিধাটা হলো- একই জায়গায় একাধিক ক্লায়েন্টের আনাগোনার ফলে নিরাপত্তার সমস্যা হতে পারে।
- Microsoft, Google প্রভৃতি পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১২,৮২৯.
(703)8 = (?)2
  1. 111001011
  2. 111100011
  3. 111010011
  4. 111000011
ব্যাখ্যা
• 1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 7 এর সমতুল্য বাইনারি= 111
অক্টাল 0 এর সমতুল্য বাইনারি = 000
অক্টাল 3 এর সমতুল্য বাইনারি = 011
∴ (703)8 = (111000011)2
১২,৮৩০.
UNIVAC I-এর কোন বৈশিষ্ট্য এটিকে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে?
  1. প্রথম কম্পিউটার যা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করেছিল
  2. প্রথম কম্পিউটার যা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ব্যবহার করেছিল
  3. প্রথম কম্পিউটার যা সৌর শক্তিতে চলে
  4. প্রথম কম্পিউটার যা বহনযোগ্য ছিল
ব্যাখ্যা

​• UNIVAC I (Universal Automatic Computer I) ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি প্রথম কম্পিউটার যা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করেছিল। এটি ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয় এবং বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ হওয়া প্রথম বড় কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত। ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করে UNIVAC I তাত্ক্ষণিক গণনা করতে সক্ষম হয়, যা আগের যান্ত্রিক কম্পিউটারগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ছিল। এর মাধ্যমে বড় আকারের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব হয় এবং সরকারি ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের পথ প্রশস্ত হয়। এটি কম্পিউটার যুগের সূচনা হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে।

সঠিক উত্তর: ক) প্রথম কম্পিউটার যা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করেছিল।

​• UNIVAC:
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম ছিল UNIVAC (Universal Automatic Computer)। এটি ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইলেকট্রনিক কম্পিউটার, যা ১৯৫১ সালে তৈরি হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
- ভ্যাকুয়াম টিউব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।
- ১৯৫২ সালে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল সঠিকভাবে পূর্বাভাস দিয়ে UNIVAC I জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

উৎস:
১।মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১২,৮৩১.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন?
  1. Xbox
  2. Instagram
  3. Snapchat
  4. Nextstop
ব্যাখ্যা
Xbox হলো যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন একটি ভিডিও গেমিং ব্র‍্যান্ড।
এ ব্র‍্যান্ডে ভিডিও গেম কনসোল, এপ্লিকেশন (গেম), স্ট্রিমিং সেবা দিয়ে থাকে।
১২,৮৩২.
CSS-এর পূর্ণ আকার কী?
  1. Computed Style Sheets
  2. Compound Style Sheets
  3. Cascading Style Sheets
  4. Collaborative Style Sheets
ব্যাখ্যা

• CSS-এর পূর্ণ আকার হলো Cascading Style Sheets. CSS হলো ওয়েব পেজের লেআউট, রঙ, ফন্ট, মার্জিন, প্যাডিং এবং অন্যান্য ভিজ্যুয়াল উপাদান নিয়ন্ত্রণ করার একটি ভাষা। এটি HTML-এর সঙ্গে ব্যবহার করা হয় যাতে পেজের কনটেন্টের প্রদর্শন আরও সুন্দর ও প্রফেশনাল দেখাতে সাহায্য করে। “Cascading” শব্দটি নির্দেশ করে যে, একাধিক CSS নিয়ম যদি একই উপাদানের উপর প্রযোজ্য হয়, তাহলে কোন নিয়মটি শেষ হবে তা নির্ধারণ করার একটি নির্দিষ্ট ক্রম আছে। CSS ব্যবহার করে ডিজাইনাররা ওয়েব পেজকে রেসপন্সিভ, আকর্ষণীয় এবং ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক করতে পারে। তাই CSS ওয়েব ডিজাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

- সঠিক উত্তর: গ) Cascading Style Sheets.

CSS:
- CSS এর পূর্ণরূপ হলো Cascading Style Sheets.
- CSS, HTML এর ডকুমেন্টের স্টাইল বর্ণনা করে।
- কীভাবে HTML উপাদানগুলি স্ক্রিন, বা অন্য মিডিয়ায় প্রদর্শিত হবে তা CSS দ্বারা নির্ধারণ করা যায়।

HTML:
- HTMLএর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hypertext Markup Language.
- HTML ওয়েবসাইট এবং ওয়েবপেজ তৈরি করার জন্য ব্যবহার হয়।
- এর মাধ্যমে আমরা টেক্সট, ইমেজ, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি কনটেন্ট সুন্দরভাবে বিন্যাস করতে পারি।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১২,৮৩৩.
Flip-flop কত বিটের মেমোরি?
  1. ক) ১
  2. খ) ৩
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
Flip-flop- 1 বিটের মেমোরি .
০ অথবা ১ যে কোন একটি বিট ধারণ করতে পারে। 
১২,৮৩৪.
How many bits are there in IPv4?
  1. 16
  2. 32
  3. 64
  4. 128
ব্যাখ্যা

IPv4 সাধারণত 32 বিটের হয়।

আইপি এড্রেস: 
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি। 
- 'IP' এর পূর্ণরূপ হলো 'Internet Protocol'. - (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I 
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। 
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। 
- যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়। 
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,৮৩৫.
ফার্মওয়্যার বলতে কী বুঝায়?
  1. কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা
  2. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  3. উচ্চগতির প্রসেসর
  4. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা কোনো হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মেমোরিতে (সাধারণত ROM-এ) স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- এটি হার্ডওয়্যারকে সচল করতে এবং অন্যান্য সফটওয়্যারের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস তৈরির সময়ই এটি মেমোরিতে সেট করে দেওয়া হয়।
- সুতরাং, ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা। 

• ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরির সময় তাকে পরিচালনা করার জন্য স্থায়ীভাবে রাখা দরকার এমন সব নির্দেশ কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্থায়ীভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে দেয় যাকে ফার্মওয়‍্যার বলে।
- এটি একটি স্থায়ী সফটওয়্যার।
- ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রামসমূহ ব্যবহার করা যায় তবে মুছে ফেলা যায় না বা কোন রকম পরিবর্তন করা যায় না।
- কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সংযাগ দেয়ার পর ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রাম সর্বাগ্রে সক্রিয় হয়ে অন্যান্য সফটওয়্যারকে কার্যপোযোগী করার জন্য প্রধান মেমোরিতে লোড করে।
যেমন: ROM, BIOS একটি ফার্মওয়‍্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৩৬.
কোনটি ইন্টারনেট সংযোগ পদ্ধতির অন্তর্গত নয়?
  1. Ethernet
  2. Dial-Up System
  3. ISDN
  4. Broadband
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট সংযোগের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে Dial-Up, ISDN, এবং Broadband সরাসরি ইন্টারনেট সংযোগের পদ্ধতি।
- অন্যদিকে, ইথারনেট (Ethernet) একটি লোকাল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি (LAN), যা ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

Dial-Up System: 
- এ ধরনের পদ্ধতিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটার মডেমের মাধ্যমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আইএসপি (ISP) বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

ISDN: 
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।

Broadband: 
- এ ধরনের সার্ভিস সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার প্রদান করে থাকে। ব্রডব্যান্ড সিস্টেমে ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদানের হার অনেক বেশি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২,৮৩৭.
নিচের কোনটি ইনপুট পেরিফেরাল?
  1. প্রিন্টার
  2. মনিটর
  3. কীবোর্ড
  4. স্পিকার 
ব্যাখ্যা

• কিবোর্ড ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা ইনপুট নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ইনপুট পেরিফেরাল (Input Peripheral):

- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে।
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদান নিয়ন্ত্রিত হার্ডওয়্যারসমূহকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট পেরিফেরাল ব্যবহৃত হয়।
-তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইনপুট পেরিফেরালসমূহ হলো—

১। কীবোর্ড (Keyboard),
২। মাউস (Mouse),
৩। ট্র্যাকবল (Trackball),
৪। জয়স্টিক (Joystick),
৫। টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
৬। বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
৭। পয়েন্ট-অফ-সেল (Point-of-Sale),
৮। ওএমআর (OMR),
৯। ওসিআর (OCR),
১০। স্ক্যানার (Scanner),
১১। ডিজিটাইজার (Digitizer),
১২। লাইটপেন (Lightpen),
১৩। গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
১৪। ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএড প্রোগ্রাম)।

১২,৮৩৮.
মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়েছে কোন মেমোরিতে?
  1. ROM
  2. PROM
  3. EAPROM
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাইপােলার মেমােরি: সেমিকন্ডাক্টর পদার্থের তৈরি ট্রানজিস্টর হলাে বাইপােলার ডিভাইস। ট্রানজিস্টর বা ট্রাইজিস্টর লজিক বা টিটিএল ব্যবহার করে এ ধরনের মেমােরি তৈরি করা হয় । নিশ্চল র‍্যাম, ROM এবং PROM বাইপােলার মেমােরি ।

ইউনিপােলার মেমােরি:
ইউনিপােলার মেমােরিকে মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর বা MOSFET দিয়ে তৈরি করা হয়।
গতিশীল র‍্যাম, ইপ্রম (EPROM), ইএপ্রম (EAPROM) হলাে ইউনিপােলার রমের উদাহরণ।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১২,৮৩৯.
র‍্যাম কোথায় থাকে?
  1. ক) এক্সপানসন বোর্ড
  2. খ) মাদারবোর্ড
  3. গ) হার্ডডিস্ক
  4. ঘ) সিপিউ
ব্যাখ্যা

RAM (Random Access Memory) যা সিপিইউ - এর মাদারবোর্ডে স্থাপিত থাকে।
সিপিইউ - তে মাদারবোর্ড সহ আরো অনেক সরঞ্জাম স্থাপিত থাকে।
এখানে, মাদারবোর্ডে সুনির্দিষ্টভাবে মাদারবোর্ডে থাকে। তবে, অপশনে মাদারবোর্ড না থাকলে সেক্ষেত্রে উত্তর - সিপিইউ হতো।

১২,৮৪০.
কোনটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম?
  1. ক) Avast
  2. খ) Avg
  3. গ) Notepad
  4. ঘ) Spyware
ব্যাখ্যা
কম্পিটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রামসমূহ নিম্নরূপ : 
- Malware
- Spyware
- Ransomware
- Worms
- Trojan Horse
- Adware
- Spam
১২,৮৪১.
ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথ কে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথ ৩ কয়ভাগে ভাগ করা হয়
১. ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
২. ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩. ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)

ন্যারো ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত 45 থেকে 300 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে । এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে। ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।

ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের ডাটা গতি 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয় তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।

ব্রড ব্যান্ড: ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,৮৪২.
জীব সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে বুঝার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার টুলস উন্নয়ন করাকে কি বলে?
  1. ক) বায়োমেট্রিক্স
  2. খ) জেনেটিক্স
  3. গ) বায়োইনফরমেটিক্স
  4. ঘ) বায়োলজিস্টিক্স
ব্যাখ্যা
জীব সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে বুঝার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার টুলস উন্নয়ন করাকে বায়োইনফরমেটিক্স বলে। [সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান]
১২,৮৪৩.
ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কোন ধরনের কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়? 
  1. ক) মাইক্রো কম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) সুপার কম্পিউটার
  4. ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। 

হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন কম্পিউটার যা এনালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। এর ডিজিটাল উপাদানটি সাধারণত নিয়ন্ত্রণকারী হিসাবে কাজ করে এবং যৌক্তিক ও সংখ্যাসূচক ক্রিয়াকলাপের ফলাফল প্রদান করে। 

হাইব্রিড কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. অ্যানালগ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে মিশ্র প্রযুক্তিতে তৈরি।
২. ইনপুট অ্যানালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল পদ্ধতির।
৩. বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার করা হয়।
৪. গঠন জটিল প্রকৃতির।
৫. তুলনামূলকভাবে দাম বেশি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) 
১২,৮৪৪.
নিম্নের কোনটি ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. মাউস
  3. পেনড্রাইভ
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

• পেনড্রাইভ — এটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস, কারণ এতে ডেটা সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার উভয় কাজ করা যায়।

• কাজের ধরনের ভিত্তিতে হার্ডওয়্যারের শ্রেণিবিভাগ:
- কাজের ধরন অনুযায়ী হার্ডওয়্যার প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত: ইনপুট ডিভাইস, প্রসেসিং ডিভাইস (CPU), আউটপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রের মাধ্যমে কম্পিউটারকে তথ্য বা নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- কম্পিউটার এদের মাধ্যমে ডেটা গ্রহণ করে।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, মাইক্রোফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, জয়স্টিক।

• প্রসেসিং ডিভাইস (CPU):
- CPU (Central Processing Unit) হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক।
- ইনপুট ডেটা গ্রহণ করে গণনা, বিশ্লেষণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফলাফল প্রস্তুত করে।
- CPU-এর তিনটি অংশ:
- CU (Control Unit) → কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- ALU (Arithmetic Logic Unit) → গাণিতিক ও যুক্তিগত কাজ সম্পাদন করে।
- Memory Unit → প্রসেসিং চলাকালে সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে।

• আউটপুট ডিভাইস:
- প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল প্রদর্শন বা সরবরাহ করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্রজেক্টর।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেনড্রাইভ, মডেম, প্রিন্টার-স্ক্যানার, সিডি বা ডিভিডি।

• অন্যান্য অপশন:
- মনিটর → আউটপুট ডিভাইস, দৃশ্যমান ফলাফল প্রদর্শন করে।
- মাউস → ইনপুট ডিভাইস, নির্দেশ প্রদান করে।
- স্পিকার → আউটপুট ডিভাইস, শব্দ আকারে ফলাফল প্রদান করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৪৫.
কার্নেল কোন দুটি উপাদানের মধ্যে যোগযোগ স্থাপন করে?
  1. হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার
  2. সিপিইউ এবং মেমরি
  3. প্রোগ্রাম এবং ফাইল
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস:
1. Techtarget website.
2. geeksforgeeks website.
১২,৮৪৬.
What kind of satellite is Bangabandhu-2?
  1. ক) Communication satellite
  2. খ) Earth observation satellite
  3. গ) Weather satellite
  4. ঘ) Navigation satellite
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া সরকারের সহযোগিতায় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
- আর্থ অবজারভেটরি ক্যাটাগরির স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হবে।
- এতে অপটিক্যাল ভিএইচআর-সার (Synthetic Aperture Radar-SAR) ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমি ও সমুদ্র এলাকার ছবি তোলা যাবে।
- 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ প্রস্তুত ও উৎক্ষেপণ করবে - Glavkosmos, রাশিয়া।
- এটি রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত মহাকাশ সংস্থা Roscosmos এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি (BSCL)।
- ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ এ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: বিডি নিউজ ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২।
১২,৮৪৭.
'SWIFT' নেটওয়ার্কের প্রধান কাজ বা উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. ব্যাংকগুলিকে ঋণ প্রদান করা
  2. ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা
  3. একটি স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে কাজ করা
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• SWIFT-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা। এটি কোনো ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা স্টক এক্সচেঞ্জ নয় এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যা ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে অর্থমূলক বার্তা আদানপ্রদান করার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে যেমন ব্যাংক ট্রান্সফার, লোন বা অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের তথ্য নিরাপদে আদানপ্রদান করা সম্ভব হয়। তাই এটি বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সেক্টরে লেনদেনের নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা।

SWIFT Code: 
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক। 
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে। 
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়। 
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে। 
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১২,৮৪৮.
DNS Server এর উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. ক) Hostname-কে MAC Addres-এ অনুবাদ করা।
  2. খ) SMTP কে TCP/IP Address-এ অনুবাদ করা।
  3. গ) Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  4. ঘ) Email-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
ব্যাখ্যা
DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System। 
ডোমেন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয়/ইউনিক আলফানিউমেরিক (ক্যারাক্টর বা নাম্বার সম্বলিত) ঠিকানা। 

Hostname হল একটি Host কম্পিউটারের জন্য বরাদ্দকৃত ডোমেন নেম। এর দ্বারা একটি কম্পিউটারকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। 
DNS Server মূলত Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে দেয়। 
একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
ইহা Hostname এর পরিবর্তে IP Address-এ রূপান্তর করে দেয়। 
তখনই কেবল ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে।
১২,৮৪৯.
ওয়াইম্যাক্স কোন ধরনের নেটওয়ার্ক?
  1. ক) PAN
  2. খ) WLAN
  3. গ) WMAN
  4. ঘ) WAN
ব্যাখ্যা

• ওয়াইম্যাক্স (Wi-Max):
- ওয়াইম্যাক্স এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access এবং এর IEEE নাম হলো 802.16.
- ওয়াইম্যাক্স নামটি দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম যা গঠিত হয়েছিল ২০০১ সালের জুনে।
- ওয়াইম্যাক্স WMAN (Wireless Metropolitan Area Network) নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।
- ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সেবা, তারবিহীন ব্যবস্থা বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ থাকে।

ওয়াইম্যাক্সের সুবিধা:
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াইফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা দেয়া যায়।
- ক্যাবল ও ডিএসএল এর পরিবর্তে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেরও সেবা পাওয়া যায় এমনকি যেখানে ফোনের সংযোগ পৌঁছেনি সেখানেও।
- তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবাগুলো প্রদান করা যায়।
- নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৫০.
অক্টাল সংখ্যা 1372-এর সমমান হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. 3AF
  2. 3CA
  3. 2FA
  4. 2CA
ব্যাখ্যা
- অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে অক্টাল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেলে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়।
- (1372)8 কে বাইনারি রূপান্তর: অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংককে ৩ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

∴ (1372)8 = (001011111010)2
- (001011111010)2 কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর: কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৪ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।

∴ (001011111010)2 = (2FA)16
১২,৮৫১.
সর্বপ্রথম নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৭
  2. ১৯৫৫
  3. ১৯৬৯
  4. ১৯৭১
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে বুঝায় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ। ১৯৬৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ সর্বপ্রথম নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা চালু করে। সেই থেকেই কম্পিউটার নেটওয়ার্কের জয়যাত্রা শুরু।
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ, তথ্যের আদান প্রদান, ই- কমার্স, ই-মেইল, ই-লাইব্রেরি,
টেলিকনফারেন্স, বুলেটিন বোর্ড ইত্যাদির প্রচলন ও প্রসার ক্রমেই বেড়েই চলেছে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

১২,৮৫২.
111000 এর ২-এর পরিপূরক কোনটি?
  1. 011000
  2. 001000
  3. 000111
  4. 110001
ব্যাখ্যা
• বাইনারি পদ্ধতিতে প্রকাশিত সংখ্যার 0 ও 1 ডিজিট দুটিকে যথাক্রমে 1 ও 0 দ্বারা পরিবর্তন করা হলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
• ১-এর পরিপূরকের সাথে 1 যোগ করলে ২-এর পরিপূরক পাওয়া যায়।
১২,৮৫৩.
Facebook কোন কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত?
  1. Meta Platforms
  2. IBM
  3. Apple
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা
Facebook Meta Platforms কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত।

• Facebook:
- Facebook একটি মার্কিন অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নেটওয়ার্ক পরিষেবা।
- এটি Meta Platforms কোম্পানির একটি অংশ।
- ২০০৪ সালে Facebook প্রতিষ্ঠিত হয়।
- Facebook-এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের Menlo Park, California-তে অবস্থিত।

- প্রতিষ্ঠাতারা হলেন:
• Mark Zuckerberg,
• Eduardo Saverin,
• Dustin Moskovitz,
• Chris Hughes.

- Facebook বিশ্বে সবচেয়ে বড় সামাজিক নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে।
- ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, Facebook-এর প্রায় তিন বিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছে।
- প্রতিদিন প্রায় আড়াই বিলিয়ন ব্যবহারকারী Facebook ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,৮৫৪.
নিচের কোন প্রযুক্তি 'Pay as You Go' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. Client-Server Systems
  2. Cloud Computing
  3. Internet of Things (IoT)
  4. Big Data Analytics
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি,
২) অন-ডিমান্ড,
৩) পে-অ্যাজ-ইউ-গো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
১২,৮৫৫.
ACID properties-এ A দ্বারা কোন ধারণাটি প্রকাশ পায়?
  1. Authentication
  2. Accuracy
  3. Availability
  4. Atomicity
ব্যাখ্যা

• ACID properties-এ A দ্বারা যে ধারণাটি প্রকাশ পায় তা হলো Atomicity (ঘ)। Atomicity মানে হল যে একটি ডাটাবেস ট্রানজ্যাকশন পুরোপুরি সম্পন্ন হবে বা একেবারেই সম্পন্ন হবে না। অর্থাৎ, যদি ট্রানজ্যাকশনের কোন অংশ ব্যর্থ হয়, তবে পুরো ট্রানজ্যাকশনটি বাতিল হয়ে যাবে এবং ডাটাবেস তার পূর্বের অবস্থা ফিরিয়ে নেবে। এটি ডাটার অখণ্ডতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ব্যাংক ট্রানজ্যাকশনে একজনের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয় কিন্তু অন্য অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া ব্যর্থ হয়, তবে ট্রানজ্যাকশনটি পুরোপুরি বাতিল হবে এবং কোনো টাকা ক্ষতি হবে না। তাই, A = Atomicity.

ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

১২,৮৫৬.
কোন প্রযুক্তি সাধারণত হাতে লেখা সনাক্তকরণের জন্য OCR-এর সাথে ব্যবহৃত হয়?
  1. CAPTCHA
  2. QR Codes
  3. ICR
  4. RFID
ব্যাখ্যা
• হাতে লেখা সনাক্তকরণের জন্য সাধারণত OCR-এর সাথে ব্যবহার করা হয় ICR প্রযুক্তি। ICR এর পুরো নাম Intelligent Character Recognition, যা OCR-এর একটি উন্নত সংস্করণ। OCR সাধারণত মুদ্রিত বা প্রিন্ট করা অক্ষর চিনতে সক্ষম হলেও, হাতে লেখা অক্ষর সঠিকভাবে চিনতে ICR প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ICR স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন ধরনের হাতে লেখা অক্ষর, সংখ্যা এবং চিহ্নকে শনাক্ত করে এবং ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। এটি ব্যাংকিং, ডাক ব্যবস্থা, এবং অন্যান্য ক্ষেত্র যেখানে হাতে লেখা তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণ প্রয়োজন, সেখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাকী অপশন যেমন CAPTCHA, QR Codes, এবং RFID সাধারণত সনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হলেও, হাতে লেখা সনাক্তকরণের জন্য নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো - গ) ICR.

• Optical Character Recognition:
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- এটি মূলত ইনপুট ডিভাইস।
- এটি শুধু ছাপার লেখার না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিট্ম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যাকে বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
১২,৮৫৭.
নিচের কোনটি OCR এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য?
  1. এটি শুধুমাত্র গোল দাগ পড়তে পারে
  2. এটি চুম্বকীয় কালি শনাক্ত করে
  3. এটি শুধুমাত্র ছবি এডিট করতে পারে
  4. এটি মুদ্রিত লেখার পাশাপাশি হাতের লেখাও পড়তে পারে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) এটি মুদ্রিত লেখার পাশাপাশি হাতের লেখাও পড়তে পারে।

• OCR (Optical Character Reader):
- OCR হলো Optical Character Reader এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস।
- OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে সক্ষম।
- এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, শুধু মুদ্রিত লেখা নয়, হাতের লেখাও পড়তে পারে
- OCR-এর কার্যপ্রণালী OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- প্রথমে OCR যন্ত্রটি ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। এরপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সট-এ রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড শনাক্তকরণ,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল প্রক্রিয়াকরণ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৫৮.
নিচের DBMS গুলোর মধ্যে কোনটি প্রোপ্রাইটারি?
  1. Firebird
  2. CouchDB
  3. Redis
  4. IBM Db2
ব্যাখ্যা
• অপশনের DBMS গুলোর মধ্যে IBM Db2 একটি প্রোপ্রাইটারি (স্বত্বাধিকারী) - (ওপেন সোর্স নয়) ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এটি IBM কোম্পানি দ্বারা উন্নত ও ব্যবস্থাপিত হয় এবং সাধারণত লাইসেন্স ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
- অন্যদিকে, Firebird, CouchDB এবং Redis হলো ওপেন সোর্স ডাটাবেস, অর্থাৎ এগুলোকে বিনামূল্যে ব্যবহার, পরিবর্তন ও বিতরণ করা যায়। প্রোপ্রাইটারি DBMS গুলো সাধারণত উন্নত সাপোর্ট, নিরাপত্তা ও ফিচার দিয়ে থাকে, যা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে উপযোগী। তাই, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রোপ্রাইটারি DBMS ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) IBM Db2

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase,
- MySQL,
- PostgreSQL,
- Maria DB,
- MongoDB,
- Cassandra,
- SQLite,
- Cubrid.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২,৮৫৯.
রমের জগতে সবচেয়ে জনপ্রিয় রম কোনটি?
  1. EEPROM
  2. EPROM
  3. PROM
  4. EAPROM
ব্যাখ্যা
• ইপিরম (EPROM):
- EPROM হলো রমের জগতে সবচেয়ে জনপ্রিয় রম।
- EPROM এর পূর্ণরূপ হলো Erasable Programmable Read Only Memory.
- PROM-এ একবার সংরক্ষণ করা তথ্য আর পরিবর্তন করা যায় না।
- এ ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য EPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমে প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজেই ডেটা সংরক্ষণ করতে পারেন এবং সংরক্ষিত ডেটা মুছে পুনঃ প্রোগ্রাম করা সম্ভব।
- EPROM-এর সংরক্ষিত তথ্য মুছে ফেলার জন্য একে আল্ট্রাভায়োলেটের অতিবেগুনি রশ্মিতে কিছুক্ষণ রাখতে হয় তাহলে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায়।
- সাধারণত ফেট (FET-Field Effect Transistor) ব্যবহার করে এ ধরনের রম তৈরি করা হয়। এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৬০.
QR কোডে ব্যবহৃত হয় –
  1. তড়িৎ চৌম্বকত্ব
  2. রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  4. অপটিক্যাল রিডিং
ব্যাখ্যা

◉ QR কোডে তথ্য পড়া হয় আলো ব্যবহার করে, অর্থাৎ Optical Reading প্রযুক্তির মাধ্যমে।

QR কোড: 
– QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি। 
– এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়। 
– কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে। 

QR কোডের ব্যবহার: 
– মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
– এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। 

QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য: 
– QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
– বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
– সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
– Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
– অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।

উৎস:
1. Kaspersky ওয়েবসাইট। 
2. Britannica ওয়েবসাইট। 

১২,৮৬১.
Bandwidth কি?
  1. Bit per second
  2. Cycle per second
  3. Bit per minute
  4. Range of Frequencies
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইথ:
• এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে। 
• এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় Bandwidth বলা হয়।
• এই ব্যান্ডউইডথ্ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। 
• একে Band Speed ও বলা হয় ৷ 

• অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।

♣ এই ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
• যথা- 
১। ন্যারো ব্যান্ড; 
২। ভয়েস ব্যান্ড; 
৩। ব্রড ব্যান্ড।

উৎস:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১২,৮৬২.
'ইউনিকোড' এর আবিষ্কারক কে?
  1. মার্ক ডেভিস
  2. রবার্ট উইলিয়াম বিমার
  3. ফ্রাংক গ্রে
  4. রাজা ৭ম চার্লস
ব্যাখ্যা
- রবার্ট উইলিয়াম বিমার ১৯৬৫ সালে ASCII-7 আবিষ্কার করেন।
- ASCII Code বিভিন্ন ধরণের বর্ণ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
- ফ্রাংক গ্রে ১৯৪৭ সালে 'গ্রে কোড' আবিষ্কার করেন।
- মার্ক ডেভিস এবং জো বেকার 'ইউনিকোড' এর আবিষ্কারক।
- 'ইউনিকোড' আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৭ সালে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২,৮৬৩.
CPU এর সাথে মনিটর যুক্ত করতে কোন বাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) PCI bus
  2. খ) STE bus
  3. গ) SCSI bus
  4. ঘ) Address bus
ব্যাখ্যা
Peripheral Component Interconnect Bus (PCI bus) সিপিইউ এবং এক্সপানশন বোর্ড যেমন মডেম কার্ড, নেটওয়ার্ক কার্ড এবং সাউন্ড কার্ডকে সংযুক্ত করে। এই এক্সপানশন বোর্ডগুলো সাধারণত মাদারবোর্ডের এক্সপানশন স্লটে প্লাগ করা হয়।
PCI local bus হলো একটি পিসি এক্সপেনশন বাসের সাধারণ মান, এটি Video Electronics Standards Association (VESA) লোকাল বাস এবং Industry Standard Architecture (ISA) বাস প্রতিস্থাপন করেছে। পিসিআই বেশিরভাগ ইউএসবি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
Source: techopedia.com
১২,৮৬৪.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. Unix
  2. Solaris
  3. VMware
  4. Windows 10
ব্যাখ্যা
• "VMware" অপারেটিং সিস্টেম নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:

- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৬৫.
(4D)16 = (?)10
  1. 62
  2. 65
  3. 70
  4. 77
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল 4D এর সমতুল্য দশমিক মান 77 হবে।

• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে। 
যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে। 

এখানে, 
(4D)16
= 13 × 160 + 4 × 161
= 13 × 1 + 4 × 16
= 13 + 64
= 77
সুতরাং, (4D)16 = (77)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৬৬.
কোন ধরনের গণনার জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. গ্রাফিক ডিজাইন
  2. শুধু সহজ গাণিতিক হিসাব
  3. শুধু পাঠ্যভিত্তিক গণনা
  4. রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় প্রযুক্তির সুবিধা একসাথে ব্যবহার করে। এটি অ্যানালগ কম্পিউটারের দ্রুততা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সঠিকতা একত্রিত করে। তাই হাইব্রিড কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় এমন গণনার ক্ষেত্রে যেখানে দ্রুত রিয়েল-টাইম প্রসেসিং এবং জটিল বৈজ্ঞানিক বা প্রকৌশল সমস্যার সমাধান একসাথে প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, আবহাওয়া পূর্বাভাস, সামরিক রাডার সিস্টেম, শিল্প প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার খুব কার্যকর। এটি শুধু সহজ গাণিতিক হিসাব বা পাঠ্যভিত্তিক গণনার জন্য নয়, বরং উচ্চগতির ও জটিল গণনার জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা।
 
• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- হাইব্রিড কম্পিউটার এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে। এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৬৭.
ইমেইল সার্ভার সম্পর্কিত প্রোটোকল কোনটি?
  1. ক) TCP/IP
  2. খ) FTP
  3. গ) IMAP
  4. ঘ) STMP
ব্যাখ্যা
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol ।
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP ব্যবহার করা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3 ।

- STMP এর পূর্ণরূপ হল Mail Transfer Protocol ।
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।

- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol - IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।
১২,৮৬৮.
কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য কোন কমান্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Ctrl + Shift + Tab
  2. খ) Ctrl + Tab
  3. গ) Shift + Alt + Tab
  4. ঘ) Ctrl + Alt + Tab
ব্যাখ্যা
- Ctrl + Alt + Del: কম্পিউটার সিস্টেম রিবুট করতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl + Alt + Tab: কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- Ctrl + Alt + Shift এর মাধ্যমে অনেকগুলো কমান্ড দেয়া হয়। যেমন:
C - Copy relative path,
N - Go to symbol,
H - Pop up Hector,
V - paste simple,
L - Format file,
I - Run inspection by name.
- Ctrl + Shift + Del: ব্রাউজার এর হিস্টোরি পেইজ দখার জন্য এই কমান্ড দেয়া হয় ৷

উৎস: Microsoft.
১২,৮৬৯.
কর্মক্ষেত্রে আইসিটির কয় ধরণের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরণের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
ব্যাখ্যা
- কর্মক্ষেত্রে আইসিটির দুই ধরণের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়
- প্রথমটি হচ্ছে কর্মক্ষেত্রগুলোতে আইসিটির ব্যবহারের ফলে কর্মদক্ষতার বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণ।
- অন্যটি হচ্ছে আইসিটির প্রভাবে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রের সৃষ্টি।
- কর্মক্ষেত্রে আইসিটি ব্যবহারের ফলে কর্মীদের দক্ষতা, জবাবদিহি এবং স্বচ্ছতা বেড়েছে।
- অন্যদিকে এর ফলে সেবার মানও উন্নত হয়েছে।
- বর্তমান সময়ে আইসিটির ব্যবহারের উপর পারদর্শিতা চাকুরি নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ব্যাংক, বিমা থেকে শুরু করে বহুজাতিক কোম্পানি, সরকারি দপ্তরে কাজ করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল করা, নানান ধরণের বিশ্লেষণী সফটওয়্যার ব্যবহার ইত্যাদিতে দক্ষ হতে হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বব্যাপি কর্মসংস্থানের বাজার হয়েছে উন্মুক্ত।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফটওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৭০.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) প্রযুক্তি মূলত কোন ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?
  1. বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
  2. সিমুলেটেড বাস্তব অভিজ্ঞতা তৈরি
  3. ন্যানো টেকনোলজি প্রয়োগ
  4. রিমোট সেন্সিং পদ্ধতির প্রয়োগ
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হল সিমুলেটেড বা কৃত্রিম বাস্তব অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করা।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- ব্যবহারকারী একটি হেডসেট এবং সেন্সরের সাহায্যে সেই পরিবেশে প্রবেশ করতে এবং তার সাথে মিথস্ক্রিয়া (interact) করতে পারেন।
- VR-এর প্রধান লক্ষ্য হলো এমন একটি কৃত্রিম, কিন্তু বাস্তব-সদৃশ অভিজ্ঞতা তৈরি করা যা ব্যবহারকারীকে মনে করিয়ে দেয় যে তারা সত্যিই সেই পরিবেশে আছে। এই পদ্ধতিকে সিমুলেশন (Simulation) বলা হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- গেমিং, শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ (যেমন - পাইলট বা সার্জনদের জন্য) এবং স্থাপত্যের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

অন্যদিকে,
• বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া: এটি ব্যক্তি শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি, VR-এর মূল কার্যনীতি নয়।
• ন্যানো টেকনোলজি প্রয়োগ: ন্যানো প্রযুক্তি অতি ক্ষুদ্র পার্টিকেল নিয়ে কাজ করে, সিমুলেশন তত্ত্বের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
• রিমোট সেন্সিং পদ্ধতি: দূর থেকে বস্তুর ডেটা সংগ্রহ করার একটি পদ্ধতি, যা মূলত ভূগোল বা আবহাওয়ার মতো ক্ষেত্রগুলিতে ব্যবহৃত হয়। এটি VR-এর মূল কৌশল নয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১২,৮৭১.
(537.275)8 in hexadecimal is -
  1. 15F.5E8
  2. 157.F28
  3. 1AF.5C8
  4. 14F.5E2
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) 15F.5E8

অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর:
অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করতে হলে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়:

ধাপ-১: অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অংকের জন্য সমতুল্য ৩-বিটের বাইনারি সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিটি অক্টাল অংককে ৩-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করুন।
ধাপ-২: প্রাপ্ত সমস্ত বাইনারি বিটগুলোকে ৪-বিটের গ্রুপে ভাগ করতে হবে (প্রয়োজনে শূন্য (0) যুক্ত করতে হবে যাতে পূর্ণ ৪-বিট হয়)।
ধাপ-৩: প্রত্যেক ৪-বিট বাইনারি গ্রুপকে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা দিয়ে প্রতিস্থাপন করুন।

(537.275)8  = (101011111.010111101)2


সুতরাং, (537.275)8  = (15F.5E8)16

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৭২.
'টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন' কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  1. দুইটি ডিভাইস একসাথে কাজ করতে পারে
  2. ইন্টারনেট স্পিড দ্বিগুণ হয়
  3. অতিরিক্ত সিকিউরিটি লেয়ার প্রদান করে
  4. ব্যাটারি লাইফ বাড়ায়
ব্যাখ্যা

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেখানে দুইটি ভিন্ন ধরণের ভেরিফিকেশন ফ্যাক্টর ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড চুরির বিরুদ্ধে একটি বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
দ্বিতীয় স্তর:
- OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো, 
- Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি, 
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি, 
- USB Security Key.

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ- 
- পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে, 
- ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে, 
- ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে, 
- Unauthorized Access প্রতিরোধ করে। 

উৎস: 
১। ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট। [লিংক] 
২। Microsoft Security Documentation on 2FA.

১২,৮৭৩.
কোন ফাংশন কী এর মাধ্যমে পেজ রিফ্রেশ করা যায়?
  1. F4
  2. F1
  3. F3
  4. F5
ব্যাখ্যা

​• ফাংশন কী:
​- কীবোর্ড এর একেবারে উপরের অর্থাৎ F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট 12 টি কী-কে একত্রে ফাংশন কী বলা হয়।
​• কম্পিউটার কীবোর্ড এর ফাংশন-কী সমূহের ব্যবহার:-
​F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
​F4 এর সাহায্যে last action performed repeat করা যায়। Alt + F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
F5 এর সাহায্যে পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
F6 এর সাহায্যে মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২,৮৭৪.
সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স কোন এককে প্রকাশ করা হয়? 
  1. Kilograms
  2. Megapixels
  3. Gigahertz
  4. Gigabytes
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ এর পারফরম্যান্স সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৭৫.
ইন্টারনেট সংযোগ দিতে নিম্নের কোন পদ্ধতিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে?
  1. ক) ডায়াল-আপ সিস্টেম
  2. খ) আইএসডিএন
  3. গ) ব্রডব্যান্ড
  4. ঘ) ওয়াই-ফাই
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট কথার অর্থ হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক। অর্থাৎ ইন্টারনেট হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্ক। বিশ্বের বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে তাকে ইন্টারনেট বলে। 
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে। ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারের সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।

- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো- 
১। ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২। আইএসডিএন (ISDN)
৩। ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪। ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫। ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System):
- ডায়াল আপ সিস্টেম পদ্ধতিতে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে
- কম্পিউটার টেলিফোন লাইন ও মডেমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আইএসপি (ISP) বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। 
- তবে ডায়াল আপ সিস্টেমটি তুলনামূলক সহজ কিন্তু ইন্টারনেটের স্পিড তুলনামূলক অনেক কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৭৬.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন?
  1. Torch
  2. Maxthon
  3. Chacha
  4. Safari
ব্যাখ্যা
কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনঃ
http://www.google.com
http://www.bing.com
http://www.yahoo.com
http://www.ask.com
http://www.aol.com
http://www.blekko.com
http://www.chacha.com
http://www.wolframalpha.com
http://www.duckduckgo.com
http://www.pipilika.com
http://www.waybackmachine.com

কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজারের নামঃ
Opera
Safari
Mozilla Firefox
Google Chrome
Torch
Maxthon
Internet Explorer 
SeaMonkey
Avant Browser
Deepnet Explorer

সূত্র - নবম দশম শ্রেণি, ICT - 2 (ভোকেশনাল)
১২,৮৭৭.
কোনটি ই-মেইলের ফাইল এক্সটেনশন নয়?
  1. .vcf
  2. .pst
  3. .svg
  4. .oft
ব্যাখ্যা
• ই-মেইলের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু ফাইল এক্সটেনশন রয়েছে, যেমন .pst (Outlook Personal Storage Table), .vcf (ভিজিটিং কার্ড ফাইল), এবং .oft (Outlook Template)। এই ফাইলগুলো ই-মেইল পরিচালনা, সংরক্ষণ বা টেমপ্লেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- তবে .svg একটি ইমেজ ফাইল ফরম্যাট (Scalable Vector Graphics), যা সাধারণত গ্রাফিক্স বা ওয়েব ডিজাইনের কাজে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইলের নিজস্ব কোনো ফাইল ফরম্যাট নয়। তাই .svg ই-মেইলের ফাইল এক্সটেনশন নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) .svg

• ই-মেইল: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 ও IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

• ইমেইল ফাইল এক্সটেনশনমূহ:
.email - Outlook Express e-mail message file.
.eml - E-mail message file from multiple e-mail clients, including Gmail.
.emlx - Apple Mail e-mail file.
.msg - Microsoft Outlook e-mail message file.
.oft - Microsoft Outlook e-mail template file.
.ost - Microsoft Outlook offline e-mail storage file.
.pst - Microsoft Outlook e-mail storage file.
.vcf - E-mail contact file.

উৎস:
১.  মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computer Hope Website
১২,৮৭৮.
কম্পিউটার প্রসেসরের প্রসেস করার ক্ষমতা কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. মাদার বোর্ড
  2. বায়োস
  3. ক্যাশ মেমোরী
  4. রম
ব্যাখ্যা
- প্রসেসরকে বলা হয় কম্পিউটারের মস্তিষ্ক । অর্থাৎ কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিয়াকলাপ এই প্রসেসরকেই করতে হয়। মস্তিষ্ক ছাড়া যেমন কোন মানুষ হয় না, প্রসেসর ছাড়াও তেমনি কোন কম্পিউটার হয় না।
- কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি এই সিপিইউ বা প্রসেসর । আমরা অনেক সময় সিস্টেম ইউনিটকে সিপিইউ নামে ডাকি। আসলে সিপিইউ হলো প্রসেসর, যে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রসেস করে থাকে। বাহ্যিকভাবে দেখতে এটি ক্ষুদ্র হলেও এর কার্যক্ষমতা কল্পনাতীত।
- কম্পিউটারের সামগ্রিক ক্রিয়াকলাপ প্রসেসরের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আমরা কম্পিউটারের মাধ্যমে যে কাজটাই করি না কেন, তার সবচেয়ে জটিল এবং প্রধান কাজটাই করে প্রসেসর। 
 
• কম্পিউটারটির কার্যক্ষমতা কিন্তু প্রসেসরের কার্যক্ষমতার উপরই বেশিরভাগ নির্ভর করে । কাজেই প্রসেসরটা হওয়া চাই ভালো ব্র্যান্ডের এবং হাই স্পীডের । 
 
• প্রসেসর কেনার সময় এর ক্যাশ মেমোরী কত দেখে নেয়া ভালো ।
কারণ ক্যাশ মেমোরী যত বেশী হবে প্রসেসরের প্রসেস করার ক্ষমতা এবং গতি ততো বেশী হবে ।
 

উৎস : শিক্ষায় আইসিটি, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৭৯.
উদ্বায়ী মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ROM
  2. খ) TAPE
  3. গ) RAM
  4. ঘ) DISK
ব্যাখ্যা

RAM একটি উদ্বায়ী মেমোরি, কারণ বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়।
ভৌত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মেমোরিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- পরিবর্তনযোগ্য, অপরিবর্তনযোগ্য, উদ্বায়ী, অনুদ্বায়ী, ধ্বংসাত্মক এবং অধ্বংসাত্মক।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১২,৮৮০.
যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিজে নিজেই অন্য কম্পিউটারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কপি হয় তাকে ____ বলে।
  1. ক) Program Virus
  2. খ) Worms
  3. গ) Trojan Horse
  4. ঘ) Boot Virus
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ওয়ার্ম (Worm): কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,৮৮১.
নিম্নলিখিত কোন কোম্পানিটি মেটা কর্তৃক মালিকানাধীন নয়?
  1. WhatsApp
  2. Oculus
  3. YouTube
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
• WhatsApp, Oculus, এবং Instagram সবই মেটার মালিকানাধীন।

YouTube গুগল (Google)-এর মালিকানাধীন, তাই এটি মেটার মালিকানাধীন নয়।

• অপশন আলোচনা:
- WhatsApp:
WhatsApp একটি মেসেজিং অ্যাপ যা ২০১৪ সালে মেটা (তখন Facebook) কিনেছিল। তাই, WhatsApp মেটার মালিকানাধীন।

- Oculus:
Oculus একটি ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) প্রযুক্তি কোম্পানি, যা মেটা (তখন Facebook) ২০১৪ সালে কিনেছিল। এটি মেটার মালিকানাধীন।

- YouTube:
YouTube একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম, যা গুগল (Google) মালিকানাধীন। মেটার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। তাই, YouTube মেটার মালিকানাধীন নয়।

- Instagram:
Instagram একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যা মেটা (তখন Facebook) ২০১২ সালে কিনেছিল। তাই, Instagram মেটার মালিকানাধীন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,৮৮২.
C Programming Language দ্বারা কোন অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করা হয়?
  1. ক) Unix
  2. খ) Linux
  3. গ) Mac
  4. ঘ) Android
ব্যাখ্যা
• C Programming Language দ্বারা Unix অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করা হয়।
• ইউনিক্স (Unix): মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও নমনীয় পরিচালনা পদ্ধতির অপারেটিং সিস্টেম, যা নোটবুক কম্পিউটার থেকে শুরু করে সুপার কম্পিউটার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৮৩.
What is the basic unit of information in quantum computing?
  1. Bit
  2. Byte
  3. Qubit
  4. Register
ব্যাখ্যা

• Quantum Computing-এ তথ্যের মৌলিক একক হলো Qubit (Quantum bit), যা classical bit-এর মতো শুধু 0 বা 1 নয়—একসাথে একাধিক অবস্থায় থাকতে পারে।

• Quantum Computing:
- Quantum Computing হলো এমন একটি কম্পিউটিং পদ্ধতি, যেখানে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে quantum mechanics-এর নীতি ব্যবহার করা হয়।
- এখানে classical computer-এর bit-এর পরিবর্তে qubit ব্যবহৃত হয়।

• Qubit (Quantum Bit):
- Qubit হলো quantum computing-এর মৌলিক তথ্য একক।
- Classical bit যেখানে শুধু 0 অথবা 1 হতে পারে, সেখানে qubit 0 এবং 1—দুই অবস্থাতেই একসাথে থাকতে পারে।
- এই বৈশিষ্ট্যকে superposition বলা হয়।
 
• Qubit কেন গুরুত্বপূর্ণ:
- Qubit একাধিক অবস্থায় থাকতে পারায় quantum computer একই সময়ে বহু গণনা করতে পারে।
- এর ফলে নির্দিষ্ট কিছু জটিল সমস্যা classical computer-এর তুলনায় দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Bit → Classical computing-এর তথ্য একক।
- Byte → 8টি bit নিয়ে গঠিত ডেটা একক।
- Register → একাধিক bit বা qubit ধারণের কাঠামো, মৌলিক একক নয়।
 
উৎস: IBM & Britannica.

১২,৮৮৪.
নিচের কোন উপাদানটি ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত হয় না?
  1. ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন
  2. তরল নাইট্রোজেন
  3. তরল হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড
  4. আর্গন
ব্যাখ্যা
তরল হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড উপাদানটি ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত হয় না।

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,৮৮৫.
ব্যান্ডউইড্থ সাধারণত হিসাব করা হয় -
  1. ক) Hz
  2. খ) bit/s
  3. গ) m/s
  4. ঘ) Cycle/s
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইড্থ : ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড (Bandwidth: Data Transmission Speed)
এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় Bandwidth বলা হয়।
এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়।
একে Band Speed ও বলা হয়। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।
এই ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
যথা
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band)
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি
১২,৮৮৬.
ASCII টেবিলে "B" এর মান কত?
  1. 97
  2. 65
  3. 66
  4. 67
ব্যাখ্যা

• ASCII (American Standard Code for Information Interchange) হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড কোডিং সিস্টেম যা কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসে অক্ষর, সংখ্যা এবং প্রতীককে বাইনারি ফরম্যাটে উপস্থাপন করে। প্রতিটি অক্ষরের একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা মান থাকে।
যেমন, বড় হাতের "B" অক্ষরের ASCII মান হলো 66। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 66। ASCII কোড ব্যবহার করে কম্পিউটার অক্ষরগুলিকে সনাক্ত করে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সহজ হয়। বড় হাতের অক্ষরগুলো সাধারণত 65 থেকে 90 পর্যন্ত মানের মধ্যে থাকে।

 
 • অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৮৭.
কোন ওয়েবসাইটটি সাধারণত অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. Best Buy
  2. X
  3. Rakuten
  4. Shopify
ব্যাখ্যা
• সাধারণত অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার জন্য ব্যবহৃত হয় না এমন ওয়েবসাইটটি হলো খ) X. X, যা পূর্বে টুইটার নামে পরিচিত ছিল, একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয়। এটি ব্যবহারকারীদের সংক্ষিপ্ত বার্তা শেয়ার করতে ও যোগাযোগ স্থাপন করতে সহায়তা করে, তবে এটি সরাসরি কোনো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নয়। অন্যদিকে, Best Buy, Rakuten এবং Shopify- এই তিনটি ওয়েবসাইটই পণ্য কেনাবেচার জন্য ব্যবহৃত হয়। Best Buy ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রয় করে, Rakuten একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস এবং Shopify ব্যবসায়ীদের নিজস্ব অনলাইন দোকান তৈরি করার সুযোগ দেয়। তাই, অনলাইন কেনাবেচার প্রেক্ষাপটে X এই তালিকায় ব্যতিক্রম।

• ই-কমার্স:
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
- ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- বাজারজাতকারী এবং ক্রেতা ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছে।

- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।
- এ ডাটা ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তথ্যের আদানপ্রদান করছে।
- ট্রান্সমিশনের কাজটি সম্পাদিত হয় সবার ব্যবহার উপযোগী উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই, কম্পিউটার ইত্যাদি দ্রব্য যা দৃশ্যমান তা বিক্রয়ের বিষয়টি সবার নজর কেড়েছে।
- Amazon.com, ekanei.com, Olx.com এই ওয়েবসাইটগুলো ই-কমার্স সাইট।
- এই ওয়েবসাইটগুলোর সাহায্যে অনলাইনে কেনাবেচা করা হয়।
- অন্যদিকে, Bing.com হলো জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
১২,৮৮৮.
এমএস ওয়ার্ড Save Option কোন মেন্যুতে পাওয়া যায়?
  1. File
  2. Insert
  3. Format
  4. Design
ব্যাখ্যা
- এমএস ওয়ার্ড Save Option পাওয়া যায় File মেন্যুতে। 
- একটি ফাইল কোন Drive এ save করার জন্য Save as নির্বাচন করতে হয়। 
- ডকুমেন্টে লিখিত অনুচ্ছেদটি সংরক্ষণের জন্য Ctrl + S কী, কিংবা File মেনু থেকে Save as সাবমেনু নির্বাচন করতে হয়। 
- প্রাপ্ত Save as ডায়ালগ বক্সের Save in বক্সে My Documents ফোল্ডার নির্বাচন পূর্বক File name টেক্সট বক্সে ফাইলের নাম লিখে Save বাটনে ক্লিক করতে হবে। 
- ফলে ডকুমেন্টটি C ড্রাইভের অধীনে My Documents ফোল্ডারে সংরক্ষিত হবে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৮৯.
IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে তৈরি নিচের কোন প্রযুক্তি?
  1. WiMAX
  2. Wi-Fi
  3. Bluetooth
  4. Ethernet
ব্যাখ্যা
- Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15
- WiMAXএর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16
- Ethernet এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.3

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 
১২,৮৯০.
কম্পিউটার ভাইরাস এর উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) বুট সেক্টর ভাইরাস
  2. খ) ম্যাক্রো ভাইরাস
  3. গ) ওভার রাইটিং ভাইরাস
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল "Vital Information Resources Under Seize".
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।

কম্পিউটার ভাইরাস এর ধরন:
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন:
১. বুট সেক্টর ভাইরাস
২. ট্রোজান হর্স ভাইরাস
৫. ওভার রাইটিং ভাইরাস
৬. মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস
৭. ফাইল সংক্রামক ভাইরাস
৮. মিউটেটিং ভাইরাস
৯. ম্যাক্রো ভাইরাস
১০. স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৯১.
১ গিগাবিট = ?
  1. ১০২৪ কিলোবিট
  2. ১০০০ কিলোবিট
  3. ১০০০ মেগাবিট
  4. ১০২৪ মেগাবিট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) ১০০০ মেগাবিট 

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,৮৯২.
ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. সিজার কোড
  2. প্লেইন কোড
  3. টেলি কোড
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড হলো সিজার কোড।

• ডাটা এনক্রিপশন:

- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৯৩.
'Oracle Corporation' -এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. Bill Gates
  2. Andrew S Grove
  3. Tim Cook
  4. Lawrence J. Ellison
ব্যাখ্যা
Oracle Corporation:
- ওরাকল কর্পোরেশন হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- ওরাকল কর্পোরেশন ক্যালিফোর্নিয়ার রেডউড শোরসে অবস্থিত।
- কোম্পানিটি ডেটাবেজ উন্নয়ন এবং মধ্যম-স্তর সফটওয়্যারের সিস্টেম, এন্টারপ্রাইজ সম্পদ পরিকল্পনা সফটওয়্যার (ইআরপি), ক্রেতা সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার (সিআরএম) এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা (এসসিএম) সফটওয়্যারের জন্য সরঞ্জাম তৈরিও করে।
- ল্যারি এলিসন ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা, তিনি ওরাকলের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

উৎস: Britannica.
১২,৮৯৪.
ওয়েব পেইজ চালু করার সময় ডেটার মান পরিবর্তন করা যায় -
  1. স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটে
  2. ডাইনামিক ওয়েবসাইটে
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ওয়েব সাইটকে মূলত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
(১) স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট
(২) ডাইনামিক ওয়েবসাইট

- যে সকল ওয়েব সাইটের ডেটার মান ওয়েব টেকনোলজি লোডিং বা ওয়েব পেইজ চালু করার সময় পরিবর্তন করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট বলে।
- যে সকল ওয়েব সাইটের ডেটার মান ওয়েব টেকনোলজি লোডিং বা ওয়েব পেইজ চালু করার সময় পরিবর্তন করা যায় তাকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -২৯৭।
১২,৮৯৫.
যদি কয়েকটি ডেস্কটপ কম্পিউটার দিয়ে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তবে প্রধান কম্পিউটারটিকে বলে-
  1. ক) ওয়ার্কস্টেশন
  2. খ) সার্ভার
  3. গ) ডােমেইন
  4. ঘ) খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
সাধারণত দুই ধরনের পার্সোনাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। একটির নাম ডেস্কটপ (Desktop) এবং অন্যটির পাের্টেবল (Portable)। ডেস্কটপ টেবিলে রাখা হয় এবং স্থানান্তর যােগ্য নয়। যদি কয়েকটি ডেস্কটপ কম্পিউটার দিয়ে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তবে প্রধান কম্পিউটারটিকে সার্ভার বা ডােমেইন বলে এবং অন্যগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বলে।
উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
১২,৮৯৬.
ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে বলে -
  1. Sorting
  2. Connecting
  3. Networking
  4. Compiling
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে Sorting বলা হয়। যখন ডাটাবেজে অনেক তথ্য থাকে, তখন সেগুলোকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। Sorting-এর মাধ্যমে ডাটাকে বড় থেকে ছোট বা ছোট থেকে বড়, অক্ষর অনুযায়ী বা তারিখ অনুযায়ী সহজভাবে বিন্যস্ত করা যায়। এটি তথ্য খুঁজে বের করা, রিপোর্ট তৈরি করা এবং বিশ্লেষণ করার ক্ষেত্রে সময় এবং শ্রম কমায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছাত্রদের তালিকা যদি নাম অনুসারে সাজানো হয়, তাহলে নির্দিষ্ট একজন ছাত্রকে দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। Sorting ছাড়া ডাটাবেজ অগোছালো থাকে এবং কার্যকরভাবে ব্যবহার করা কঠিন হয়ে যায়। তাই ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতি Sorting.

• ডাটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৯৭.
কোনটি সহায়ক বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি নয়?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সিডি
  3. র‍্যাম
  4. ডিভিডি
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম(RAM) ও রম (ROM) সহায়ক বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি নয়, বরং এগুলো প্রধান মেমোরি। 

• মেমোরি:
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরে যে অংশে তথ্যসমূহ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে জমা থাকে তাকে কম্পিউটারের মেমোরি বলা হয়। 

• মেমোরির শ্রেণিবিভাগ:
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
-  প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory,
-  সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory),
-   ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)।

• সহায়ক মেমোরি:
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।

• উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

• সহায়ক মেমোরির বৈশিষ্ট্য:
- কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না, ফলে ধীরগতির হয়। 
- এ ধরনের মেমরিকে নন-ভোলাটাইল মেমোরিও (Non-Volatile Memory) বলা হয়।
- যেকোনো তথ্য বা প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- ধারণক্ষমতা অত্যধিক।
- সহজে পরিবহন করা যায়।
- পুরাতন তথ্য মুছা যায় এবং নতুন তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে সংরক্ষিত তথ্যসমূহ সাধারণত মুছে যায় না।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৯৮.
X (Twitter) কোন ব্যক্তির মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম?
  1. জেফ বেজোস
  2. ইলন মাস্ক
  3. বিল গেটস
  4. ল্যারি পেজ
ব্যাখ্যা

• ২০২২ সালে Twitter (বর্তমান X) অধিগ্রহণ করেন ইলন মাস্ক (Elon Musk).

• X (পূর্বে Twitter)-এর পরিচয়:
- X একটি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
- আগে এটি Twitter নামে পরিচিত ছিল।

• প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস:
- Twitter প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: জ্যাক ডরসি, নোয়া গ্লাস, বিজ স্টোন ও ইভান উইলিয়ামস।

• মালিকানা পরিবর্তন:
- ২০২২ সালে ইলন মাস্ক Twitter অধিগ্রহণ করেন।
- অধিগ্রহণের পর ২০২৩ সালে Twitter-এর নাম পরিবর্তন করে X রাখা হয়।

• সেবার ধরন ও ব্যবহার:
- X একটি ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া ও মাইক্রোব্লগিং সেবা প্রদান করে।
- দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও মতামত প্রকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• আয়ের প্রধান উৎস:
- X-এর আয়ের প্রধান উৎস হলো বিজ্ঞাপন ও সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- জেফ বেজোস: Amazon-এর প্রতিষ্ঠাতা।
- বিল গেটস: Microsoft-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা
- ল্যারি পেজ: Google-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস:
১) Encyclopaedia Britannica — Twitter [Link].
২) Official X (About) [Link].

১২,৮৯৯.
নিচের কোনটি Modifier Key নয়?
  1. Shift
  2. Alt
  3. Ctrl
  4. Enter
ব্যাখ্যা
• কীবোর্ড:
- কীবোর্ড হলো একটি ইনপুট ডিভাইস, যা অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন ইনপুট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

• মডিফায়ার কী:

- Modifier key হলো এমন একটি কীবোর্ড কী যা একা কোনো কাজ সম্পাদন করে না, বরং অন্য কী-এর সাথে মিলিয়ে চাপলে সেই কী-এর কাজকে পরিবর্তন বা মডিফাই করে।

• মডিফায়ার key এর উদাহারন:
- Shift → Upper Case অক্ষর টাইপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- Alt (Alternate) → শর্টকাট কমান্ডে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl (Control) → কীবোর্ড শর্টকাটের জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন Ctrl+C, Ctrl+V)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সরকে পরিচালনা করা যায়। যেমন - Arrow keys, Home key, Delete, Insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংরক্ষণ বা ইনপুট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়।

• নিউম্যারিক কী:
- (0-9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি সম্বলিত কী সমূহকে নিউম্যারিক কী বলা হয়।
- QWERTY কীবোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে। 

অন্যদিকে,
Enter মডিফায়ার কী নয়। এটি কার্সর নিচে নামানো বা কমান্ড ইনপুট করতে ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- Microsoft Support Website.
১২,৯০০.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার "SUM" বা যোগ নির্ণয়ে কোন গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. NOT gate
  2. NOR gate
  3. AND gate
  4. OR gate
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় "SUM" বা যোগ নির্ণয়ের জন্য OR gate ব্যবহার করা হয়। কারণ OR gate এমনভাবে কাজ করে যে, ইনপুটের যেকোনো একটিতে যদি "১" থাকে তবে আউটপুট হবে "১"। এটি মূলত যোগ বা সমীকরণের ধারণার সঙ্গে মিলে যায়। যেমন, A+BA + BA+B বোঝাতে OR gate ব্যবহৃত হয়, যেখানে A অথবা B কিংবা উভয়ই সত্য হলে আউটপুট সত্য হয়। অন্যদিকে AND, NOT বা NOR গেইট যোগ নির্ণয়ের জন্য নয়, বরং ভিন্ন ভিন্ন যৌক্তিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই বুলিয়ান অ্যালজেবরায় "SUM" অপারেশনের জন্য সঠিক গেইট হলো OR gate।
 
লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।