বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১২০ / ১৩১ · ১১,৯০১১২,০০০ / ১৩,০৮৮

১১,৯০১.
ট্রানজিস্ট্রর আবিষ্কার হয়-
  1. ক) ১৯৪৪ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সঙ্গে বেল ল্যাবরেটরির তিনজন উদ্ভাবকের নাম জড়িত উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্ৰাটেইন।

From Bell Laboratory Official Site:
December 16, 1947, Bardeen, Brattain and Shockley managed to make the first working transistor, now known as the point-contact transistor.

যেহেতু, এই বেল ল্যাবেই ট্রানজিস্টরের উদ্ভাবন হয়েছে। তাই, ট্রানজিস্টর সম্পর্কিত তথ্যের ক্ষেত্রে রেফারেন্স হিসেবে এর থেকে যথাযথ রেফারেন্স আর হয় না।

তাই, ট্রানজিস্টর কত সালে আবিস্কার হয়?
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, নিঃসন্দেহে ১৯৪৭ সাল হবে।

এছাড়াও, পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণী, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) বইয়ে ১৯৪৭ এর কথাই বলা আছে।

তবে, অপশনে ১৯৪৭ না থাকলে ১৯৪৮ কে উত্তর হিসেবে নিতে হবে।

বিস্তারিতঃ Live MCQ Premium Section -> তথ্যকলদ্রুম অপশনের পোস্ট-০০৫ দেখুন।

১১,৯০২.
চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে কী বলা হয়?
  1. Latency time
  2. Seek Time
  3. Write Operation
  4. Access Time
ব্যাখ্যা
• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯০৩.
'Lollipop' কোন অপারেটিং সিস্টেমের একটি ভার্সন?
  1. Windows
  2. Linux
  3. Android
  4. IOS
ব্যাখ্যা
• 'Lollipop' হলো Android অপারেটিং সিস্টেমের একটি ভার্সন।

- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়‍্যার।
- Android বর্তমানে গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android package file এর এক্সটেনশন .apk
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- Android অপারেটিং সিস্টেমটি প্রথম বাজারে আসে ২০০৮ সালে।

উৎস: Android website.
১১,৯০৪.
1101.1101 এবং 1001.0011 এর যোগফল কত?
  1. 11011.1111
  2. 1111.1111
  3. 10111.0000
  4. 1101.1110
১১,৯০৫.
এক্স-এর বর্তমান চেয়ারম্যান কে (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)?
  1. Linda Yaccarino
  2. Elon Musk
  3. Sundar Pichai
  4. Tim Cook
ব্যাখ্যা
• এক্স-এর বর্তমান চেয়ারম্যান ইলন মাস্ক।

• টুইটার (এক্স):
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- বর্তমান মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস: টুইটারের ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা
১১,৯০৬.
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার কোনটি?
  1. The Apollo Guidance Computer
  2. UNIVAC
  3. IBM 1620
  4. Summit
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট।
২. [Link]
১১,৯০৭.
Which part of the operating system stays in memory at all times?
  1. Process Scheduler
  2. File System
  3. Shell
  4. Kernel
ব্যাখ্যা
⚪ কোনো কম্পিউটার চালু হলে অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ সর্বদা মেমোরিতে লোড হয়ে থাকে, যেটিকে বলা হয় Kernel (কার্নেল)।

⚪ কার্নেল কী?
কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ। এটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে। অর্থাৎ, ইউজার বা প্রোগ্রাম যখন কোনো কাজ করতে চায় (যেমন: ফাইল পড়া, মেমোরি বরাদ্দ, ইনপুট/আউটপুট, প্রসেস চালানো), তখন সেটা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে না গিয়ে প্রথমে কার্নেলের কাছে যায়। তারপর কার্নেল সেই কাজটি করে দেয়।

⚪ কেন কার্নেল সবসময় মেমোরিতে থাকে?
কার্নেলকে সবসময় মেমোরিতে রাখা হয় যেন এটি যেকোনো সময় কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাঝে যোগাযোগ করতে পারে। যদি কার্নেল মেমোরিতে না থাকে, তাহলে অপারেটিং সিস্টেম কার্যকর হতো না।

⚪ অপশন আলোচনা:

A) Shell – শেল ইউজারের কমান্ড নেয়, তবে এটি সবসময় মেমোরিতে থাকে না।

C) File System – এটি ডিস্কে সংরক্ষিত থাকে এবং প্রয়োজনে লোড হয়।

D) Process Scheduler – এটি কার্নেলের একটি অংশ হলেও নিজে আলাদা কোনো স্বাধীন সিস্টেম নয়।

- Kernel সবসময় RAM-এ থাকে কারণ এটি পুরো সিস্টেম চালানোর জন্য দায়ী।
- তাই উত্তর: B) Kernel.

উৎস: Techtarget website.
১১,৯০৮.
মাইক্রোসফট IIS হচ্ছে একটি-
  1. ইমেইল সার্ভার
  2. ওয়েব সার্ভার
  3. ডাটাবেইস সার্ভার
  4. ফাইল সার্ভার
ব্যাখ্যা
• IIS হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্তৃক উদ্ভাবিত ওয়েব সার্ভার।

• ওয়েব সার্ভার (Web Server):
- ওয়েব সার্ভার হলো এমন একটি কম্পিউটার যেখানে ওয়েব পেজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- এ সার্ভারগুলো বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকতে পারে।
- সার্ভার কম্পিউটারে রয়েছে এমন কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্কিং সক্ষমতা যার সাহায্যে ইন্টারনেট এবং ইন্ট্রানেট ব্যবহারকারীকে তাদের চাহিদানুসারে ওয়েব সার্ভিস প্রদান করতে পারে।
- ওয়েব সার্ভারে কোনো ওয়েবপেজের জন্য request (যাকে http request বলে) আসলে ওয়েব সার্ভার অ্যাপাচি (Apache) বা আই.আই.এস (IIS) নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় web page-টিকে ব্যবহারকারীর computer এ পাঠিয়ে দেয়।
- উদাহরণ: Apache HTTP Server, Microsoft's Internet Information Services (IIS), Nginx, lighttpd ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯০৯.
ওয়াইম্যাক্সের কভারেজ এরিয়া কত কিলোমিটার?
  1. ২০০ - ৬০০ কিলোমিটার
  2. ১০০ - ৫০০ কিলোমিটার
  3. ১০ - ৬০ কিলোমিটার
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ওয়াইম্যাক্স:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়‍্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ১০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্কের জন্য কোনো প্রকার ক্যাবল বা তারের প্রয়োজন হয় না।
- ডেটা ট্রান্সফারের রেট সাধারণত 80 Mbps থেকে 1 Gbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত 2 GHz-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- তবে Non Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 11 GHz.
- এবং Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 66 GHz;
- সিগন্যাল নয়েজ (SNR-signal to noise ratio) সর্বোচ্চ 7 dB (decibel);
- ওয়াইম্যাক্স কানেকশন ওরিয়েন্টেড MAC প্রোটোকল ব্যবহার করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯১০.
RAM এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Red Available Memory
  2. Random Available Memory
  3. Random Access Memory
  4. Reading Access Memory
ব্যাখ্যা
RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন (Read/Write Memory) স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory) ।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।
৬. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাকসেস সময় সমান।

- সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২। ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯১১.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা করবার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ক) E-commerce
  2. খ) E-banking
  3. গ) E-selling
  4. ঘ) E-buying
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা করবার পদ্ধতিকে ই-কমার্স বলা হয়।

ই-কমার্স এর সুবিধাবলী -
১. দ্রুত পণ্য ক্রয় বিক্রয় পদ্ধতি, সহজ পণ্য পাওয়া যায় এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন করে।
২. বিভিন্ন সময়ে লাভজনক অফার পাওয়া যায়, যার ফলে বিভিন্ন জিনিস অনেক কম দামে কিনতে পারবেন ক্রেতারা।
৩. সহজে ব্যবসা শুরু করা যায় এবং সহজেই ব্যবস্থাপনা করা বা এগিয়ে নেওয়া যায়।
৪. কম খরচে উন্নত মানের সেবা পাওয়া যায় এবং ক্রেতা সরাসরি না দিয়ে প্রোডাক্ট নির্বাচন করতে পারে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

১১,৯১২.
Virtual Memory কোন সমস্যার সমাধান করে?
  1. RAM এর সীমিত আকার
  2. CPU এর ধীর গতি
  3. Hard Disk এর কম স্পেস
  4. Network এর Speed
ব্যাখ্যা

◉ Virtual Memory হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ড ডিস্কের কিছু অংশকে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন Virtual Memory সেই সীমাবদ্ধতাকে অস্থায়ীভাবে কাটিয়ে ওঠে।
- এতে অপারেটিং সিস্টেম (যেমন Windows, Linux) paging / swapping ব্যবহার করে কম ব্যবহৃত ডেটাকে হার্ড ডিস্কে সরিয়ে রাখে এবং প্রয়োজন হলে আবার RAM-এ নিয়ে আসে।

​ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

১১,৯১৩.
নিচের কোন প্রবাহটি সঠিক?
  1. ক) ফিল্ড → টেবিল → রেকর্ড
  2. খ) রেকর্ড → টেবিল → ফিল্ড
  3. গ) টেবিল → ফিল্ড → রেকর্ড
  4. ঘ) ফিল্ড → রেকর্ড → টেবিল
ব্যাখ্যা
ফিল্ড: ফিল্ড হচ্ছে ডাটাবেজের ভিত্তি। অন্যভাবে বলা যায় যে, ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।

রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।

টেবিল: এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

সুতরাং বলা যায়, প্রথমে ফিল্ড তারপর রেকর্ড এবং তারপর টেবিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৯১৪.
ক্রায়োসার্জারিতে কোন উপাদান ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত?
  1. হিলিয়াম
  2. অ্যাসিটোন
  3. ইথানল
  4. তরল নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারিতে সবচেয়ে বেশি পরিচিত উপাদান হলো তরল নাইট্রোজেন। এটি খুব দ্রুত এবং অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় জ্বালানী বা টিস্যুকে জমিয়ে দেয়। তরল নাইট্রোজেনের তাপমাত্রা প্রায় -১৯৬°C, যা জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র টিস্যু ধ্বংসের জন্য আদর্শ। ক্রায়োসার্জারিতে এটি সাধারণত ত্বকের অস্বাভাবিক কোষ, ছোট টিউমার বা ওয়ার্ট ধ্বংস করতে ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য বিকল্প যেমন হিলিয়াম, অ্যাসিটোন বা ইথানলও ঠাণ্ডা করতে সক্ষম হলেও, তারা এতটা সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ নয়। তরল নাইট্রোজেনের উচ্চ শীতল শক্তি এবং দ্রুত কাজ করার ক্ষমতার কারণে এটি ক্রায়োসার্জারিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি বিভিন্ন রোগ যেমন ক্যান্সার, ছানি, হাড়ের সমস্যাসমূহ, যকৃতের সমস্যা এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

• ব্যবহৃত উপাদানসমূহ:
- তরল নাইট্রোজেন, তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড, তরল নাইট্রাস অক্সাইড, তরল আর্গন, ইথাইল ক্লোরাইড, ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,৯১৫.
মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়-
  1. ক) ২য় প্রজন্মে
  2. খ) ৩য় প্রজন্মে
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্মে
  4. ঘ) ৫ম প্রজন্মে
ব্যাখ্যা
২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রথম পরীক্ষামূলক ভাবে প্রথম তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করে। তৃতীয় প্রজন্ম মোবাইল ফোনের ধারনা শুরু হয় ১৯৯২ সালে। এই প্রজন্মে ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডাটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়। এই প্রজন্মে মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা, উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর চালু হয়। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৯১৬.
কম্পিউটারের পরিভাষায় তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
  1. ক) bit
  2. খ) byte
  3. গ) pixel
  4. ঘ) data
ব্যাখ্যা
ডাটা:
Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum -এর বহুবচন । Datum অর্থ হচ্ছে তথ্যের উপাদান । তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতর অংশসমূহ হচ্ছে ডাটা বা উপাত্ত।
- ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি তাই ডাটা। 

বিট:
(Bit) এর পূর্ণরুপ হল "বাইনারী ডিজিট (Binary Digit) "।  এটি ডেটার ক্ষুদ্রতম এককের নাম।
- আধুনিক কম্পিউটার ০ এবং ১ দিয়ে তৈরি একটি বাইনারি সিস্টেম ব্যবহার করে তার যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করে।কম্পিউটারের পরিভাষায় bit (Binary Digit) হল তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক। এটি কেবল দুটি মান গ্রহণ করতে পারে: 0 বা 1।

বাইট:
৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। কম্পিউটারের মেমােরিকে বাইট দ্বারা পরিমাপ করা হয়।

পিক্সেল: 
কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হলো পিক্সেল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯১৭.
Qualcomm বিখ্যাত কোনটির জন্য?
  1. ক) মোবাইল চিপ নির্মাণ
  2. খ) নেটওয়ার্কিং কোম্পানি
  3. গ) চতুর্থ প্রজন্মের কানেকশন সিস্টেম
  4. ঘ) পঞ্চম প্রজন্মের অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
Qualcomm বিখ্যাত স্মার্টফোনের সিপিইউ চিপ নির্মাণের জন্য।
source:Qualcomm
১১,৯১৮.
কোনটি HTML ক্লোজিং ট্যাগ?
  1. ক) < table>
  2. খ) <table>/
  3. গ) ;<\table>
  4. ঘ) </table>
ব্যাখ্যা
 <table> ওপেনিং ট্যাগ আর </table> HTML ক্লোজিং ট্যাগ।
১১,৯১৯.
কম্পিউটারের সঙ্গে লাগানো প্রিন্টার কী হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) অ্যাডাপ্টার
  2. খ) হাব
  3. গ) রিসোর্স
  4. ঘ) সার্ভার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের সঙ্গে লাগানো প্রিন্টার রিসোর্স হিসেবে কাজ করে। 
A resource is any hardware or software that's accessible by a computer, network, or another object connected to a computer. 
For example, a printer connected to a network is an example of a shared resource. 
Another example of a resource may be a network server farm or cluster that allows users to have access to multiple computers to perform complicated tasks.
 
উৎস: Computerhope.com
১১,৯২০.
কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করাকে কী বলে?
  1. স্প্যামিং
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. হ্যাকিং
  4. ভিশিং
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং: 
- কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করার উপায়কে বুঝায়। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (Haker) বলে। 
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে। 
- বৈধ হ্যাকারকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও অবৈধভাবে হ্যাকার করাকে বলা হয় - ব্লাক হ্যাট হ্যাকার।

• স্প্যামিং: 
- অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে বুঝায়। 
- এই কাজ যারা করে তাদের স্প্যামার বলা হয়।

• প্লেজিয়ারিজম: 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে বোঝায়।

• ভিশিং:
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১,৯২১.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড কোন ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম অনেক ফর্মে অবজেক্ট তৈরি করে?
  1. ক) ইনহেরিটেন্স
  2. খ) পলিমারফিজম
  3. গ) এনক্যাপসুলেশন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড পলিমারফিজম ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম অনেক ফর্মে অবজেক্ট তৈরি করে।
পলিমারফিজম: পলিমারফিজম মানে হলো অনেক ফর্মস।
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এই ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে পলিমরফিক অবজেক্ট তৈরি করে।
- পলিমরফিক অবজেক্ট হলো এমন ধরনের অবজেক্ট যার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গঠন পাওয়া সম্ভব।
• এনক্যাপসুলেশন: অবজেক্ট এর  Attributes এবং Behaviors কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে বলে এনক্যাপসুলেশন।
• ইনহেরিটেন্স: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে।
- এর ফলে নতুন ক্লাস এ পূর্বের ক্লাস এর গুণাবলি বজায় রেখে নতুন নতুন গুণাবলির সমন্বয় ঘটতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯২২.
কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) এটি নির্ভূলভাবে কাজ করতে পারে
  2. খ) এটি অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করতে পারে
  3. গ) নিজস্ব বুদ্ধি বা চিন্তা ক্ষমতা আছে
  4. ঘ) বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা(আইকিউ- Intelligence Quotient) করার ক্ষমতা নেই
- মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল-
• বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা,
• নির্ভূলভাবে কাজ করা এবং
• অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯২৩.
১৭৮৬ সালে কে 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন?
  1. জন নেপিয়ার
  2. উইলিয়াম অডরেট
  3. মুলার
  4. ব্লেইজ প্যাসকেল
ব্যাখ্যা
• ডিফারেন্স ইঞ্জিন:
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- এর প্রায় দুই যুগ পর ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।
- ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন যার ফলে অনেক জটিল গাণিতিক হিসাব সহজ হয়।
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯২৪.
VIRUS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vital Information Reserves Under Seize
  2. Various Information Resources Under Seize
  3. Vital Information Resources Under Seize
  4. Various Information Resources Under System
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটার ভাইরাস:
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Seize.
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।

- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো- 
• ভিবিএস/হেল্পার, 
• ওয়ার্ম,
•  ভিবিএস/আকুই, 
• ট্রোজান হর্স, 
• এক্স ৯৭এম/হপার.আর, 
• মাইক্রো ভাইরাস, 
• বুট সেক্টর ভাইরাস, 
• জেরুজালেম, 
• স্টোন, 
• ঢাকা ভাইরাস, 
• ভিয়েনা, 
• সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯২৫.
মাইক্রোকম্পিউটারের গতি কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. ক) র‌্যামের ক্লক স্পিড
  2. খ) প্রসেসরের ক্লক স্পিড
  3. গ) ক্যাশ মেমোরির ক্লক স্পিড
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোকম্পিউটার তার সিস্টেম ক্লকের মাধ্যমে মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
- সিস্টেম ক্লকের কাজের গতি বেশি হলে কম্পিউটারের কাজের গতিও বৃদ্ধি পায়।
- অন্যদিকে সিস্টেম ক্লকের গতি কম হলে কম্পিউটারের কাজের গতিও কম হয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে। প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্ৰদান করতে পারবে। এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।


উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,৯২৬.
ডাটাবেজ প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয়  কোনটি?
  1. Quattro Pro
  2. Informix
  3. Access
  4.  Oracle
ব্যাখ্যা
Quattro Pro হচ্ছে স্প্রেডশীট প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

• Database Package Program: 
- dBase, 
- Foxpro, 
- Oracle, 
- Informix, 
- Access.

অন্যদিকে, Quattro Pro হচ্ছে স্প্রেডশীট প্যাকেজ প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯২৭.
https এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Hypertext Text Protocol Secure
  2. Hypertext Transfer Protocol Source
  3. Hypertext Transfer Protocol Secure
  4. Hyperterm Transfer Protocol Secure
ব্যাখ্যা
 HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,৯২৮.
প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধনের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Debugging
  2. Testing
  3. Compiling
  4. Coding
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধনের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং(Debugging) বলা হয়।

• প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন(Program Implementation):
- পরিকল্পনা অনুযায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের সকল কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন ধাপ শুরু হয়।
- এই ধাপে প্রোগ্রাম কোডিং করার পর প্রোগ্রাম রান করা হয়।
- প্রোগ্রাম রান করার মাধ্যমে ভুল বা ত্রুটি আছে কি না তা যাচাই করা হয়।
- এই পর্যায়ে মূলত প্রোগ্রাম টেস্টিং ও ডিবাগিং করা হয়।
 
• প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ:
- প্রোগ্রাম টেস্টিং(Program Testing)
- প্রোগ্রাম ডিবাগিং(Program Debugging)
 
• বাগ ও ডিবাগিং:
- প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটিকে বাগ(Bug) বলা হয়।
- প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধনের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং(Debugging) বলা হয়।
 
• লজিক্যাল ভুল(Logical Error):
- যুক্তিগত বা লজিক্যাল ভুল সংশোধন করা তুলনামূলকভাবে কঠিন।
- কারণ লজিক্যাল ভুল হলে কম্পিউটার সাধারণত কোনো ত্রুটি বার্তা প্রদর্শন করে না।
- লজিক্যাল ভুল নির্ণয়ের জন্য প্রথমে কিছু নির্দিষ্ট ইনপুট ডেটা নিয়ে হাতে-কলমে ফলাফল বের করা হয়।
- এরপর একই ডেটা প্রোগ্রামে ইনপুট দিয়ে আউটপুট মিলিয়ে দেখা হয়।
- এ পদ্ধতিকে প্রোগ্রাম টেস্টিং বলা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Coding: প্রোগ্রামের নির্দেশনা লেখার প্রক্রিয়া।
- Testing: প্রোগ্রামে ভুল আছে কি না তা যাচাই করার প্রক্রিয়া।
- Compiling: সোর্স প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করার প্রক্রিয়া।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১১,৯২৯.
দুই বা ততোধিক ইনপুট এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় কোন গেইটে?
  1. ক) অ্যান্ড
  2. খ) অর
  3. গ) নট
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
অ্যান্ড গেইট:
এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
সবগুলো ইনপুট ১ হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট ১ হবে; অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।
নিচে দুই ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের বর্তনী এবং সত্যক সারণি দেখানো হলো:


১১,৯৩০.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা?
  1. গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা
  2. নির্ভুলভাবে কাজ করার ক্ষমতা
  3. অতি দ্রুত কাজ করার ক্ষমতা
  4. বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী। 
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। 
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়। 
- তাছাড়াও গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তমূলক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভরতার সাথে কম্পিউটার সম্পন্ন করতে পারে। 
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই, মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে। 
- কম্পিউটার বিভিন্ন তথ্যকে স্মৃতিতে ধারণ করে রাখে এবং প্রয়োজনে নির্দেশ অনুযায়ী ধারণকৃত তথ্য নির্ভলভাবে এবং তড়িৎ গতিতে উপস্থাপন করতে পারে। 
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৩১.
Workgroup Application নামক সার্ভিসটি কোন সার্ভারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. File Server
  2. Print Server
  3. Application Server
  4. Message Server
ব্যাখ্যা
Workgroup Application নামক সার্ভিসটি Message Server এর অন্তর্ভুক্ত।
File Server এ ধরনের সার্ভার ফাইল ট্রান্সফার করার সুজগ দেয়।
Print Server এই সার্ভার একটি বা একাধিক প্রিন্টারকে নিয়ন্ত্রণ করে।
১১,৯৩২.
ইন্টারনেটে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. FTP
  2. HTTPS
  3. TCP
  4. POP3
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য HTTPS প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. Techtarget Website.
১১,৯৩৩.
কম্পাইলারের প্রধান কাজ কী?
  1. সোর্স কোড সম্পাদনা করা
  2. প্রোগ্রাম ডিবাগ করা
  3. লাইন বাই লাইন কোড চালানো
  4. সোর্স কোডকে মেশিন কোডে অনুবাদ করা 
ব্যাখ্যা
• কম্পাইলারের প্রধান কাজ হলো সোর্স কোডকে মেশিন কোডে অনুবাদ করা। প্রোগ্রামাররা যে উচ্চস্তরের ভাষায় (যেমন C, C++, Java) কোড লেখেন, কম্পাইলার সেই কোডকে কম্পিউটারের বোধগম্য নিচু স্তরের ভাষা বা মেশিন কোডে রূপান্তর করে। এটি একটি পূর্ণ প্রক্রিয়া যেখানে পুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করা হয়, তারপর তা এক্সিকিউটযোগ্য ফাইলে রূপ নেয়। কম্পাইলার সোর্স কোড বিশ্লেষণ করে ত্রুটি শনাক্ত করতেও সাহায্য করে, তবে এটি ডিবাগার নয়। এটি লাইন বাই লাইন কোড চালায় না—সে কাজ ইন্টারপ্রেটারের। তাই, সঠিক উত্তর হলো: ঘ) সোর্স কোডকে মেশিন কোডে অনুবাদ করা।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:
১. কম্পাইলার
২. ইন্টারপ্রেটার
৩. অ্যাসেম্বলার

• কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৩৪.
নিচের কোনটি ২০০৬ সালে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা শুরু করে?
  1. মাইক্রোসফট
  2. গুগল
  3. আলিবাবা
  4. আমাজন
ব্যাখ্যা
♦ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS).

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ও
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

•  ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand ও
- Pay as you go.

• মাইক্রোসফট ও গুগল ২০০৮ সালে এবং আলিবাবা ২০০৯ সালে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৯৩৫.
‘Onedrive’ কী?
  1. ক) ডিজিটাল মিউজিক সার্ভিস
  2. খ) ক্লাউড সেবাদাতা
  3. গ) গাড়ি চালানোর AI
  4. ঘ) ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম
ব্যাখ্যা
Onedrive মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা। ওয়ান ড্রাইভে ৫ জিবি পর্যন্ত ফ্রি স্টোরেজ ব্যবস্থা আছে।
Source: Microsoft.
১১,৯৩৬.
কোনটি মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার?
  1. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  2. মাইক্রোসফট এক্সেল
  3. মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট
  4. মাইক্রোসফট এক্সেস
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো —  গ) মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট। 
- মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো এমন সফটওয়্যার যা টেক্সট, ছবি, অডিও, ভিডিও এবং অ্যানিমেশন একসাথে ব্যবহার করে তথ্য উপস্থাপন করতে পারে।

- মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট মূলত প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, যেখানে ব্যবহারকারী ছবি, ভিডিও, অডিও, অ্যানিমেশন যুক্ত করে মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপন তৈরি করতে পারেন।

অন্যদিকে, 
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড: ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, মূলত টেক্সটের জন্য।
- মাইক্রোসফট এক্সেল: স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, ডেটা বিশ্লেষণ ও হিসাবের জন্য।
- মাইক্রোসফট এক্সেস: ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
- তাই মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট (গ)।

• মাল্টিমিডিয়া:
- মাল্টিমিডিয়া হচ্ছে একটি যোগাযোগ এর মাধ্যম। যেখানে বিভিন্ন প্রকার বিষয় বস্তু গুলো যেমন- টেক্সট, অডিও, ইমেজ, অ্যানিমেশন কিংবা ভিডিও ইত্যাদি গুলোকে একত্রিত করে বা একসাথে করে একক ইন্টারেক্টিভ প্রেজেন্টেশন তৈরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৩৭.
DRAM-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Data Random Access Memory
  2. খ) Double Random Access Memory
  3. গ) Dynamic Random Access Memory
  4. ঘ) Decimal Random Access Memory
ব্যাখ্যা
ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর (MOSFET - Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor) ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।
- DRAM দুই ধরনের হয়। যথা:
১. SDRAM (Synchronous DRAM) ও
২. ASDRAM (Asynchronous DRAM).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৩৮.
(49)10 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল নম্বর কত?
  1. 33
  2. 31
  3. 29
  4. 35
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (49)10 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল নম্বর কত?

সমাধান: 


49 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল নম্বর (31)16
১১,৯৩৯.
ডেটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ সহজ হয়েছে কিসের ব্যবহারের মাধ্যমে?
  1. ক) মডেম
  2. খ) কম্পিউটার
  3. গ) ইন্টারনেট
  4. ঘ) হাব
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারেরর মাধ্যমে ডেটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।
১১,৯৪০.
কোন মোডে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপ ডেটা গ্রহণ করতে পারে?
  1. ইউনিকাস্ট
  2. ব্রডকাস্ট
  3. মাল্টিকাস্ট
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মাল্টিকাস্ট

• মাল্টিকাস্ট (Multicast)
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না। 
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে। 
- যেমন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠানো হয়। প্রাপকের সংখ্যা ও ডেটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। ইউনিকাস্ট (Unicast)
২। ব্রডকাস্ট (Broadcast) এবং
৩। মাল্টিকাস্ট (Multicast) |

• ইউনিকাস্ট (Unicast)
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে। 
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না। 
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।

• ব্রডকাস্ট (Broadcast)
- ব্রডকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোড-ই গ্রহণ করে। 
- যেমন টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারেন। 
- এক্ষেত্রে একটি প্রেরক থেকে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,৯৪১.
ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার এর গতি পরিমাপক একক কি?
  1. DPI (Dots per inch)
  2. CPS (Character per second)
  3. PPI (Pixel per inch)
  4. IPM
ব্যাখ্যা

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।

আয়তকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে। এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।

এর গতি পরিমাপক একক CPS - Character per second.

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা থেকে-

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot matrix Printer)

এটি একটি সংস্পর্শ বা ধাক্কা প্রিন্টার। এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়। তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে। পিনের সংখ্যা যত বেশি হয় হয়, মুদ্রণের মানও তত উন্নত হয়।

প্রিন্টারে কাগজ ও প্রিন্টার হেডের মাঝে এক ধরনের কালিযুক্ত রিবন থাকে। যখন যে বর্ণ ছাপাতে হয় তখন সেই বর্ণের বিন্দুগুলোর অনুরূপ পিনগুলো প্রিন্ট হেড থেকে বেরিয়ে এসে কালি মাখানো রিবনকে কাগজের ওপর চেপে ধরে। ফলে সেই বর্ণের ডটগুলো, অর্থাৎ সেই বর্ণটি ছাপানো হয়ে যায়। একটি পুরো লাইন হয়ে গেলে কাগজ একটু সরে গিয়ে পরের লাইনে চলে আসে আর প্রিন্ট হেডও সেই সাথে বাঁ দিকে শেষ প্রান্তে সরে গিয়ে আবার ছাপাতে শুরু করে। তবে কিছু ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার উভয়মুখী, অর্থাৎ তারা বাম থেকে ডান এবং ডান থেকে বাম উভয় দিকেই ছাপাতে পারে। এতে ছাপানো অপেক্ষাকৃত দ্রুত হয়। 

বিভিন্ন ধরনের ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার পাওয়া যায়। যেমন ৭ × ৫, ৯ × ৭ ইত্যাদি। একটি ৭ × ৫ ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে ৭টি সারি ও ৫টি স্তম্ভে মোট ৩৫টি পিন আটকানো থাকে। একটি বর্ণ প্রিন্ট করতে ৭টি ডট দিয়ে মোট ৫ বার ধাক্কা লাগে। এটাই হলো ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের মুলনীতি।

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৫০০টি বর্ণ ছাপানো যায় এবং লেখা ছাড়াও ছবি এবং গ্রাফ ছাপানো যায়।

১১,৯৪২.
Which shortcut applies italic formatting to selected text in MS Word?
  1. Ctrl + C
  2. Ctrl + D
  3. Ctrl + E
  4. Ctrl + F
  5. Ctrl + I
ব্যাখ্যা

এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
- Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
- Ctrl + D: কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E: টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
- Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
- Ctrl + I: সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

১১,৯৪৩.
Which is the shortcut key for bold text?
  1. Ctrl+B
  2. Ctrl+D
  3. Ctrl+E
  4. Ctrl+F
  5. Ctrl+I
ব্যাখ্যা
এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
- Ctrl+A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
- Ctrl+B: টেক্সট বোল্ড করার জন্য।
- Ctrl+C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
- Ctrl+D: কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl+E: টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
- Ctrl+F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
- Ctrl+I: সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১১,৯৪৪.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. প্রিন্টার
  2. কীবোর্ড
  3. স্পিকার
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা

পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি। 

২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি। 

৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৪৫.
নিচের কোন কাজটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রামের মাধ্যমে সম্ভব নয়?
  1. উপাত্ত সম্পাদনা
  2. ভার্চুয়াল বাস্তবতা তৈরি করা
  3. স্বয়ংক্রিয় হিসাব করা 
  4. প্রতিবেদন তৈরি করা
ব্যাখ্যা

- স্প্রেডশীট প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভার্চুয়াল বাস্তবতা তৈরি করা সম্ভব নয়; এটি ডেটা সম্পাদনা, স্বয়ংক্রিয় হিসাব এবং প্রতিবেদন তৈরির মতো কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন- অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

১১,৯৪৬.
ফিশিং নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. অন্যের লেখা চুরি করা
  2. ভাইরাসযুক্ত ই-মেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের ডেটা চুরি
  3. ভাইরাসযুক্ত ই-মেইলের মাধ্যমে মেমোরি দখল করা
  4. ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা
ব্যাখ্যা
• ফিশিং: 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
 
• স্প্যামিং:
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
 
• স্পুপিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুপিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 
 
• প্লেজিয়ারিজম: 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়াকে প্লেজিয়ারিজম বলে। 
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৯৪৭.
কন্ট্রোল ইউনিটের কাজ নয়:
  1. নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা
  2. তথ্যের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা
  3. নির্দেশাবলী ডিকোড করা
  4. অ্যারিথমেটিক কাজ করা
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit) হলো সিপিইউ-এর (CPU) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার কাজ হলো নির্দেশনা ডিকোড করা, প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা এবং তথ্যের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করা। এটি মেমরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস এবং সিপিইউ-এর অন্যান্য অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। তবে কন্ট্রোল ইউনিট সরাসরি কোনো গণিত বা লজিক্যাল কাজ সম্পন্ন করে না। এসব কাজ করার দায়িত্ব অ্যারিথমেটিক অ্যান্ড লজিক ইউনিটের (ALU) ওপর। অর্থাৎ, কন্ট্রোল ইউনিট অ্যারিথমেটিক কাজ করে না, বরং ALU-কে সেই কাজের নির্দেশনা দেয়। তাই "অ্যারিথমেটিক কাজ করা" কন্ট্রোল ইউনিটের কাজ নয়।
 
• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার  সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়। 

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট। 

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)। 
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৪৮.
নিচের কোনটি হাই লেভেলের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. FORTRAN
  2. BASIC
  3. PROLOG
  4. UBUNTU
ব্যাখ্যা
• উচ্চ স্তরের ভাষা:
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- এটি ইংরেজি ভাষার মতোই।
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে-
• BASIC,
• COBOL,
• FORTRAN,
• PASCAL,
• C++,
• JAVA,
• PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়। ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।

• UBUNTU হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা Linux এর একটা ভার্সনের নাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৪৯.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Adobe Photoshop
  2. খ) MAC OS
  3. গ) Google Chrome
  4. ঘ) MS Word
ব্যাখ্যা
MAC OS হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। 
- সিস্টেম সফটওয়্যার এর মাধ্যমে একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন  হার্ডওয়্যার পার্ট গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- এটি কম্পিউটারের সাধারণ কার্যকারিতা প্রদান করে। 
- Operating system হলো সব থেকে জরুরি system software, যেটাকে প্রথমেই কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়।  
- এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কোন কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- Application সফটওয়্যার হলো বিশেষ ধরণের কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে কম্পিউটারের জন্য আবশ্যক নয়। 

১১,৯৫০.
কোনটি ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার নয়
  1. ক) এম এস ওয়ার্ড
  2. খ) উইন্ডোজ
  3. গ) এম এস এক্সেল
  4. ঘ) অটোক্যাড
ব্যাখ্যা

এম এস ওয়ার্ড - ওয়ার্ড প্রসেসসিং সফটওয়্যার
উইন্ডোজ - অপারেটিং সিস্টেম
এম এস এক্সেল - স্প্রেডশিট
অটোক্যাড - নকশা ও ডিজাইন তৈরির সফটওয়্যার

১১,৯৫১.
কম্পিউটারের ডিজিটাল পদ্ধতির অভ্যন্তরে সাধারণত যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে বলে-
  1. অক্টাল
  2. ডেসিমেল
  3. বাইনারী
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে ডিজিটাল পদ্ধতির অভ্যন্তরে সাধারণত যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারী বলা হয়। 

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৫২.
তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে প্রবেশের জন্য ইমেইলকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. জাতীয় পরিচয়পত্র
  2. জন্মনিবন্ধন
  3. পাসপোর্ট
  4. ড্রাইভিং লাইসেন্স
ব্যাখ্যা

• তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে প্রবেশের জন্য ইমেইলকে পাসপোর্টের সাথে তুলনা করা হয়।

• ইমেইলের গুরুত্ব:
- আধুনিক তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম হলো ইমেইল।
- প্রায় সব ধরনের ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের জন্য একটি ইমেইল অ্যাকাউন্ট অপরিহার্য।
- এ কারণেই ইমেইলকে তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে প্রবেশের পাসপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• শিক্ষাক্ষেত্রে ইমেইলের প্রয়োজনীয়তা:
- জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
- সরকার শিক্ষাক্রমে আইসিটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করেছে।
- শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়নে ইমেইলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

• ইমেইলের শিক্ষামূলক ব্যবহার:
- শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক যোগাযোগ সহজ হয়।
- দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানে ইমেইল কার্যকর মাধ্যম।
- বড় আকারের ডকুমেন্ট সংযুক্ত করে একাডেমিক ও পেশাগত কাজে ব্যবহার করা যায়।
- পেশাগত নেটওয়ার্ক, ব্লগ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে ইমেইল অপরিহার্য।

• ডিজিটাল সেবা ও সংরক্ষণ:
- ভিডিও প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট আপলোডে ইমেইল প্রয়োজন।
- স্মার্টফোনের কন্টাক্ট ও ডাটা নিরাপদভাবে সংরক্ষণে ইমেইল ব্যবহৃত হয়।
- ক্লাউড স্টোরেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে ইমেইল আবশ্যক।

উৎস:  শিক্ষায়  আইসিটি , বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৫৩.
কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার কখন ক্ষতিকর?
  1. ক) সাময়িক
  2. খ) বাড়াবাড়ি ব্যবহার
  3. গ) দৈনিক
  4. ঘ) ব্যবহার না করলে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বা ইন্টারনেট যখন বাড়াবাড়ি মাত্রায় ব্যবহার হয় তখন তা আমাদের সময় নষ্ট করে, শরীরের উপরেও এর বিরূপ প্রভাব পড়ে।
১১,৯৫৪.
টিম বার্নাস লি নিচের কোনটির জনক?
  1. WWW
  2. Smartphone
  3. Microcomputer
  4. E-mail
ব্যাখ্যা
• WWW: 
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web. 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।  
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
-  WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
১১,৯৫৫.
Instagram is currently owned by—
  1. Meta Platforms Inc.
  2. Google LLC
  3. Microsoft Corporation
  4. Twitter Inc.
ব্যাখ্যা

• Instagram বর্তমানে Meta Platforms Inc.-এর মালিকানাধীন, যা একটি বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি এবং Facebook নামেও আগে পরিচিত ছিল।

• Instagram-এর মালিকানা (Ownership of Instagram):
- Instagram একটি স্বাধীন কোম্পানি নয়; এটি Meta Platforms Inc.-এর একটি প্রোডাক্ট।
- Meta Platforms Inc. পূর্বে Facebook Inc. নামে পরিচিত ছিল।
- Meta-এর অধীনে Instagram ছাড়াও Facebook ও WhatsApp পরিচালিত হয়।
 
• Meta Platforms Inc.:
- Meta একটি আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি social media ও online communication service প্রদান করে।
- Instagram Meta-এর social networking ecosystem-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
 
• Instagram ও ICT-এর সম্পর্ক:
- Instagram হলো ICT-based social media service.
- এটি Internet, mobile technology ও cloud-based system ব্যবহার করে পরিচালিত হয়।

উৎস: মেটা এবং ব্রিটানিকা।

১১,৯৫৬.
LinkedIn - এর প্রতিষ্ঠাতা-
  1. Steve Wozniak
  2. Eric Schmidt
  3. Paul Allen
  4. Reid Hoffman
ব্যাখ্যা
LinkedIn ২০০৩ সালে Reid Hoffmanসহ পাঁচজন প্রতিষ্ঠাতা দ্বারা চালু হয়।

• LinkedIn
- এটি বিজনেস অরিয়েন্টেড বা পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ওয়েব সাইট।
- সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটি পেশাজীবিরা নিজেদের দক্ষতা এবং যোগ্যতা দেখানোর জন্য ব্যবহার করে।
- এটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এবং ২০০৩ সালে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - Reid Hoffman, Eric Ly.
- সদর দপ্তর - Sunnyvale, California.
- সিইও - Ryan Roslansky.
- ২০০৫ সালে কোম্পানিগুলোকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।

• বাকি অপশনগুলো:
ক) Steve Wozniak - Apple Inc.-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
খ) Eric Schmidt- was the CEO of Google. 
গ) Paul Allen - Microsoft-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,৯৫৭.
(20)10 = (?)16
  1. ক) 10F
  2. খ) 14
  3. গ) 20
  4. ঘ) 25
ব্যাখ্যা

16 | 20
16 | 1 - 4
     | 0 - 1

∴ (20)10 = (14)16

১১,৯৫৮.
৫টি আউটপুট লাইন বিশিষ্ট একটি এনকোডারে ইনপুট লাইন কয়টি?
  1. ৮ টি
  2. ১৬ টি
  3. ৩২ টি
  4. ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
এনকোডার:
- এনকোডার হলো এক ধরনের সমবায় সার্কিট যা কোন ডেটা, সিগন্যাল বা সংকেতকে ডিজিটাল সিস্টেমে বোধগম্য কাঙ্ক্ষিত কোন কোডে পরিবর্তন করে।
- এনকোডারে কোন মুহুর্তে একটি মাত্র ইনপুট ১ ও বাকি সব ইনপুট ০ থাকে।
- একই সময়ে সকল ইনপুট ০ হয় না।
- সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট পাওয়া যায়।
- এখানে, ইনপুট 32 = 25 টি তাহলে, আউটপুট 5 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৯৫৯.
Which type of cloud is a combination of both Public and Private Clouds?
  1. Public Cloud
  2. Hybrid Cloud
  3. Combine Cloud
  4. Distributed Cloud
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Hybrid Cloud.

• ক্লাউডের প্রকারভেদ
- ক্লাউডের ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্ধতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- নিচে এগুলোর বর্ণনা দেয়া হলো:

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud)
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড; যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত।
- যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন- আমাজনের EC2। এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো- যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
- আর অসুবিধাটা হলো- একই জায়গায় একাধিক ক্লায়েন্টের আনাগোনার ফলে নিরাপত্তার সমস্যা হতে পারে।
- Microsoft, Google প্রভৃতি পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।

• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud)
- প্রাইভেট ক্লাউডকে ক্লাউড বলা চলে কিনা এ নিয়ে মতভেদ আছে।
- এ রকম ক্লাউড হলো কোনো বড় সংস্থার নিজের নানা সার্ভিস চালাবার জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেলে ব্যবহার করা।
- সমস্যা হলো, এতে করে কিন্তু খরচ অনেক হচ্ছে, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হচ্ছে, ম্যানেজ করার জন্য লোক রাখা হচ্ছে।
- তবে বড় সংস্থার ক্ষেত্রে সুবিধাও আছে, কোনো বড় কোম্পানিতে ১০টি ডিপার্টমেন্ট থাকলে ১০টি ডেটা সেন্টার না বসিয়ে ১টিকেই ক্লাউড মডেলে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যাচ্ছে।

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud)
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি, কারণ স্থানীয় স্থাপনা-তো বানাতেই হচ্ছে এখানে।
- তবে স্থানীয়ভাবে কাজ করিয়ে নেয়ার সুবিধাগুলো থাকছে, তার সাথে অতিরিক্ত চাহিদা মেটানোরও একটা ব্যবস্থা এখানে থাকছে পাবলিক ক্লাউডে পাঠানোর মাধ্যমে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১১,৯৬০.
OCR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Optical Code Reader
  2. Optical Character Reader
  3. Optical Card Reader
  4. Online Code Reader
ব্যাখ্যা

• ওসিআর (OCR):
- পূর্ণরূপ Optical Character Reader.
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৬১.
নিচের কোনটি ৫ম প্রজন্মের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ড?
  1. ক) HSPA ( (High speed package Access)
  2. খ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
  3. গ) WCDMA (Wide band division multiple access)
  4. ঘ) UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মের মােবাইলফোনে ৪টি স্ট্যান্ডার্ড চালু আছে। যথাঃ
1. HSPA ( (High speed package Access)
2. WCDMA (Wide band division multiple access)
3, 3GPP (3rd Gen Partnership Project)
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)
৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
১১,৯৬২.
বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম কি?
  1. BTTB
  2. BTCC
  3. BTCL
  4. BTRC
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম BTCL
- BTCL এর পূর্ণরূপ হলো- Bangladesh Telecommunications Company Limited. 
- The Bangladesh Telegraph and Telephone Board Ordinance, 1979 এর বিধান অনুসারে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) গঠিত হয়। 
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিটিটিবিকে বিলুপ্ত করে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীনে যথাক্রমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) গঠন করা হয়। 
 
উৎস: টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
১১,৯৬৩.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয়?
  1. ফাইল ডিলিট করা
  2. ফাইল কপি করা
  3. ফাইল এনক্রিপশন করা
  4. ফাইল তৈরি করা
ব্যাখ্যা
ফাইল এনক্রিপশন করা অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
অপারেটিং সিস্টেম হলো ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে সমগ্র কার্যপ্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামসমষ্টি।

• অপারেটিং সিস্টেমের কাজ-
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৬৪.
ISDN-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Integrated System of Digital Networks
  2. Internet Services Distributed Network
  3. Integrated Services Digital Network
  4. Internal Services Data Network
ব্যাখ্যা
• ISDN-এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Services Digital Network। এটি একটি টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি যা একই সময়ে ভয়েস, ভিডিও এবং ডাটা পরিবহনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ISDN একটি ডিজিটাল নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস একত্রিত করে একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্মে প্রদান করে। এটি পুরানো এনালগ সিস্টেমের তুলনায় দ্রুত এবং উচ্চমানের ডাটা ট্রান্সমিশন সক্ষম। ISDN এর মাধ্যমে একাধিক চ্যানেলে একসাথে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়, যা যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য করে তোলে। তাই, ISDN আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৬৫.
নিচের কোন মেমোরির ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) রেজিস্টার
  2. খ) ক্যাশ মেমোরি
  3. গ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. ঘ) র‍্যাম
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টর, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামুলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।


উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
১১,৯৬৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) ক্যামেরা
  2. খ) কার্ড রিডার
  3. গ) কীবোর্ড
  4. ঘ) হেডফোন
ব্যাখ্যা

ইনপুট ডিভাইস: যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস: যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা

১১,৯৬৭.
ISDN-এ H-চ্যানেলের উদ্দেশ্য কী?
  1. উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য
  2. সংকেত প্রেরণের জন্য
  3. শুধুমাত্র ভিডিও স্ট্রিমিং-এর জন্য
  4. শুধুমাত্র ভয়েস যোগাযোগের জন্য
ব্যাখ্যা
• ISDN-এ H-চ্যানেলের মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হওয়া। সাধারণত ISDN-এ B-চ্যানেল ভয়েস বা ডেটা বহন করে এবং D-চ্যানেল সিগন্যালিং ও কন্ট্রোলের কাজ করে। কিন্তু যখন অনেক বেশি ব্যান্ডউইথ বা দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানের প্রয়োজন হয়, তখন H-চ্যানেল ব্যবহার করা হয়। H-চ্যানেল বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায় যেমন H0 (384 kbps), H11 (1.536 Mbps) এবং H12 (1.920 Mbps)। এগুলো মূলত ভিডিও কনফারেন্সিং, মাল্টিমিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন বা বড় ডেটা ফাইল স্থানান্তরের মতো কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো— ক) উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৬৮.
কোনটি HTML এর Latest Version?
  1. HTML 3
  2. HTML 4
  3. HTML 5
  4. HTML 6
ব্যাখ্যা
• HTML:
- Hyper Text Markup Language.
- এটি মূলত ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েবপেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরম্যাট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- HTML দ্বারা তৈরি ফাইলসমূহের এক্সটেনশন .html হয়ে থাকে।
- জেনেভার সার্ন (CERN) এ কাজ করার সময় টিম বার্নাস-লী (Tim Berners-Lee) সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে HTML আবিষ্কার করেন।
- HTML এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে HTML 5.
- এটি সত্যিকার অর্থে কোন প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
- তবে প্রোগ্রামারগণ ওয়েব পেইজে টেক্সট, অডিও, ভিডিও, গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশনকে সুন্দরভাবে সাজাতে বা ফরমেট করতে এই ভাষা ব্যবহার করেন।
- HTML ফাইল সাধারণভাবে ওয়েব পেইজ (Web Page) নামে পরিচিত।
- কার্যকরভাবে, HTML হলো প্লাটফর্ম স্বনির্ভর সমন্বয়।
- আর এই সমন্বয়ের মাধ্যমে World Wide Web ডকুমেন্টের বিভিন্ন ধরনের উপাদান ও উপকরণ ফরমেট করা বা সাজানো যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৯৬৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. ক) Code Red
  2. খ) Norton
  3. গ) Avira
  4. ঘ) AVG
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি। 

• অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭০.
কোনটি IMEI-এর প্রধান ব্যবহার?
  1. ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি করা
  2. ক্যামেরার গুণমান বাড়ানো
  3. ব্যাটারির আয়ু বৃদ্ধি করা
  4. হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা
ব্যাখ্যা

​• IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য একটি ইউনিক শনাক্তকরণ নম্বর। এর প্রধান ব্যবহার হলো হারানো বা চুরি হওয়া ফোন সনাক্ত ও ট্র্যাক করা। যখন ফোনটি নেটওয়ার্কে সংযোগ করে, তখন এই নম্বর ব্যবহার করে অপারেটর ফোনের অবস্থান চিহ্নিত করতে পারে এবং প্রয়োজনে নেটওয়ার্কে ফোনটি ব্লক করা যায়। এটি ব্যবহারকারীকে নিরাপত্তা দেয় এবং চুরি প্রতিরোধে সাহায্য করে। IMEI-এর কাজ ইন্টারনেটের গতি, ক্যামেরার গুণমান বা ব্যাটারির আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তাই IMEI-এর মূল উদ্দেশ্য হলো হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা।

সঠিক উত্তর: ঘ) হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা। 

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,৯৭১.
বিজ্ঞাপনগুলিকে ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলিতে মারাত্মক ভাইরাস হানা দেবার পথ করে দেয় কোনটি?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. স্পাইওয়্যার
  3. অ্যাডওয়‍্যার
  4. র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা
• অ্যাডওয়‍্যার (Adware):
- অ্যাডওয়‍্যার এমন এক ধরনের সফটওয়‍্যার যা কোনো অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে সংযুক্ত থেকে তাতে আসা বিজ্ঞাপনগুলিকে দেখতে সাহায্য করে।
- প্রোগ্রামটি চলাকালীন এটি একটি বিজ্ঞাপন দেখায়।
- অ্যাডওয়‍্যার অনেকটা ম্যালওয়্যার-এর মতোই বিজ্ঞাপনগুলিকে ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলিতে মারাত্মক ভাইরাস হানা দেবার পথ করে দেয়।
- যেখানে ব্যবহারকারীরা কাজ করছেন সেখানে পপ আপ উইন্ডোজ ক্রমাগত স্ক্রিনে প্রদর্শিত হয়।
- সাধারণত, বিনামূল্যে পাওয়া সফটওয়্যার প্রোগ্রাম এবং ইউটিলিটিগুলি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করার সময় এই ধরনের বিপদজনক অ্যাডওয়‍্যার সিস্টেমে প্রবেশ করে।

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Rootkits,
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

উৎস: Computer Applications in Bussiness, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭২.
র‍্যাম কয় প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

র‌্যাম দুই ধরনের।
- DRAM (Dynamic RAM) ও
- SRAM (Static RAM)।
প্রথম দিকে পিসিতে DRAM ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে উভয় প্রকার RAM-ই ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,৯৭৩.
ChatGPT is primarily based on which type of artificial intelligence model?
  1. Expert System
  2. Decision Tree Model
  3. Genetic Algorithm
  4. Large Language Model (LLM)
ব্যাখ্যা

• Large Language Model (LLM) হলো এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল যা বিপুল পরিমাণ টেক্সট ডেটা বিশ্লেষণ করে মানুষের ভাষা বুঝতে ও নতুন টেক্সট তৈরি করতে পারে।

• ChatGPT:
- ChatGPT হলো একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট, যা মানুষের ভাষা বুঝে স্বাভাবিকভাবে উত্তর তৈরি করতে পারে।
- এটি OpenAI দ্বারা তৈরি একটি উন্নত Large Language Model (LLM) ভিত্তিক সিস্টেম।
- ChatGPT মূলত GPT (Generative Pre-trained Transformer) মডেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এই মডেল বিপুল পরিমাণ টেক্সট ডেটা ব্যবহার করে প্রশিক্ষিত হয় এবং ভাষার প্যাটার্ন, শব্দের ব্যবহার ও বাক্য গঠন শিখে নেয়।
- ব্যবহারকারীর ইনপুট বিশ্লেষণ করে ChatGPT সম্ভাব্য পরবর্তী শব্দ বা বাক্য তৈরি করে উত্তর প্রদান করে।

• GPT (Generative Pre-trained Transformer):
- GPT হলো Transformer architecture ভিত্তিক একটি ভাষা মডেল।
- এটি Natural Language Processing (NLP) প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের ভাষা বিশ্লেষণ ও তৈরি করতে পারে।
- GPT মডেলকে প্রথমে বৃহৎ ডেটাসেটে pre-training করা হয় এবং পরে নির্দিষ্ট কাজে ব্যবহারের জন্য fine-tuning করা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Expert System → পূর্বনির্ধারিত নিয়ম ও জ্ঞানভান্ডারের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা।
- Decision Tree Model → ডেটা বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত একটি মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম।
- Genetic Algorithm → প্রাকৃতিক বিবর্তনের ধারণা অনুসরণ করে সমস্যা সমাধানের একটি অপ্টিমাইজেশন অ্যালগরিদম।

Source: OpenAI & Britannica.

১১,৯৭৪.
নিম্নের কোনটি মাইক্রোসফটের ব্যবসার খাত নয়?
  1. Productivity and Business Processes
  2. Intelligent Cloud
  3. More Personal Computing
  4. Mobile Hardware
ব্যাখ্যা

Mobile Hardware মাইক্রোসফটের ব্যবসার খাত নয়।

• Microsoft Corporation:
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে।
- সদর দপ্তর: রেডমন্ড, ওয়াশিংটন, USA।
- ১৯৮০ ও ’৯০-এর দশকে MS-DOS এবং Windows অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে বাজারে আধিপত্য তৈরি করে।

• বর্তমানে মাইক্রোসফটের পণ্য ও সেবা:
- ব্যক্তিগত কম্পিউটিং,
- বিনোদন,
- এন্টারপ্রাইজ ক্লাউড কম্পিউটিং,
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।

• মাইক্রোসফটের তিনটি প্রধান ব্যবসায়িক খাত:
- Productivity and Business Processes,
- Intelligent Cloud,
- More Personal Computing.
প্রতিটি খাতের অধীনে রয়েছে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,৯৭৫.
কোনটি নিজে থেকে অনুকরণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার?
  1. Browser
  2. Worm
  3. Firewall
  4. Antivirus
ব্যাখ্যা

• Worm হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা নিজে থেকে অনুকরণ করতে এবং সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। এটি কোনো হোস্ট প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত না থেকেও স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারে। Worm সাধারণত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত বিস্তার লাভ করে এবং কম্পিউটারের ফাইল বা সিস্টেমকে ক্ষতি করতে পারে। Browser বা Antivirus নিজে থেকে ম্যালওয়্যার নয়; Browser হলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সফটওয়্যার, আর Antivirus হলো সিস্টেমকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার প্রোগ্রাম। Firewall হলো সিস্টেমের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। তাই নিজে থেকে অনুকরণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার হলো Worm.

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৭৬.
কোন কোম্পানি ১৯৭২ সালে প্রথম ফিল্মলেস ইলেকট্রনিক ক্যামেরা উদ্ভাবন করে?
  1. Eastman Kodak Company
  2. Sony Corporation
  3. Texas Instruments Incorporated
  4. Apple Incorporated
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল ক্যামেরা:
- সনাতনী ফিল্ম এর পরিবর্তে মেমরী চিপের মধ্যে ছবি ধারণ করে রাখার ব্যবস্থা।
- ডিজিটাল ক্যামেরার মান হিসাব করা হয় মেগা পিক্সেল দিয়ে।
- টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টস ইনকর্পোরেটেড (Texas Instruments Incorporated) 1972 সালে প্রথম ফিল্মলেস ইলেকট্রনিক ক্যামেরা প্রকাশ্যে আনে।
- 1981 সালে সনি কর্পোরেশন একটি বাণিজ্যিক ইলেকট্রনিক মডেল বের করে, যা একটি ভিডিও ক্যামেরা থেকে ধারণ করা তথ্য সংরক্ষণ করতে একটি "মিনি" কম্পিউটার ডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার করে।
- ইস্টম্যান কোডাক কোম্পানি (Eastman Kodak Company) 1991 সালে পেশাদার ডিজিটাল ক্যামেরা বিক্রি শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,৯৭৭.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Film Recorder
  2. Graphics pad
  3. Speaker
  4. Image setter
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭৮.
কোন প্রোগ্রাম ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় করে কম্পিউটারকে সক্রিয় রাখে?
  1. ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. খ) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. গ) প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  4. ঘ) কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারকে সক্রিয় রেখে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম পরিচালনা করে থাকে।
১১,৯৭৯.
ব্লুটুথ ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. IEEE 802.3
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.11
  4. IEEE 802.16
ব্যাখ্যা

Bluetooth কাজ করে IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ডের উপর ভিত্তি করে।
- এটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- ব্লুটুথে রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ব্লুটুথের কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উল্লেখ্য-
- IEEE 802.3: এটি ইথারনেট (Ethernet) প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড, যা সাধারণত তারযুক্ত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) এর জন্য ব্যবহার করা হয়।
- IEEE 802.11: এটি ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড।
- EEE 802.16: এটি ওয়াইম্যাক্স (WiMAX) প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড, যা ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস প্রদান করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১১,৯৮০.
নিচের কোনটি নন-ভোলাটাইল মেমরি?
  1. র‍্যাম
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. বাবল মেমরি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
-  Bubble Memory হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- Cache Memory এবং RAM হলো ভোলাটাইল মেমোরি। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১১,৯৮১.
When you start your computer then which component works first?
  1. BIOS
  2. Processor
  3. Hard disk
  4. RAM
ব্যাখ্যা
BIOS: 
- Basic Input/Output System. 
- BIOS হচ্ছে একটি program, যা Processor এর মধ্যে থাকে। 

• কম্পিউটার চালু করা হলে সর্বপ্রথম যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS. 
- কিন্তু, প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন component আগে কাজ শুরু করে। সেক্ষেত্রে Processor আগে কাজ শুরু করে। 
- কেননা BIOS যেহেতু Processor এর একটি অংশ, তাই BIOS চালু হতে হলে অবশ্যই Processor চালু হতে হবে। 
- কম্পিউটার চালু করা হলে Processor (CPU) আগে BIOS কে নির্দেশ দেয় সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা চেক করার জন্য। [Link]
১১,৯৮২.
TensorFlow কোন কোম্পানির ওপেন সোর্স মেশিন লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক?
  1. Meta
  2. Microsoft
  3. Google
  4. Apple
ব্যাখ্যা

◉ TensorFlow হলো Google-এর তৈরি একটি ওপেন সোর্স মেশিন লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক যা মূলত মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং মডেল তৈরি, প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োগে ব্যবহৃত হয়। 
- TensorFlow তৈরি করে Google Brain Team। ২০১৫ সালে Google এটি open-source হিসেবে প্রকাশ করে। 

• ডিপ লার্নিং: 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

উৎস:
১। Google Brain.
২। উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।

১১,৯৮৩.
এক মেগাবাইটে কত বাইট?
  1. 210
  2. 220
  3. 230
  4. 215
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) : বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট। মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।

বাইট (Byte) :
 ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট। বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।

মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপঃ

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (1 KB)
২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (1 MB)
৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (1 GB)
৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (1 TB)
৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (1 PB)

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,৯৮৪.
ফরমেডেট রিপোর্টে কী থাকে?
  1. Report Header
  2. Details
  3. Report Footer
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- Report Header, Details, Report Footer সবগুলোই ফরমেডেট রিপোর্টে থাকে।


উৎস: Microsoft Support [Link]
১১,৯৮৫.
What was the name of the first industrial robot?
  1. Asimo
  2. Unimate
  3. Sophia
  4. Curio
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Unimate।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• অন্যান্য:
- হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
- সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও'।
- 'সোফিয়া' হচ্ছে হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১১,৯৮৬.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে নিচের কোন মাধ্যমটি সর্বাপেক্ষা দ্রুত তথ্য পরিবহনে সক্ষম?
  1. ক) টুইস্টেড পেয়ার কেবল
  2. খ) কো-এক্সিয়াল কেবল
  3. গ) ফাইবার অপটিক কেবল
  4. ঘ) বাই-এক্সিয়াল কেবল
ব্যাখ্যা

- কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের ডাটা ট্রান্সফার রেট ২০০ Mbps.
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের ক্যাটাগরি-৬ ১ গিগাবাইট রেঞ্জে ডাটা ট্রান্সমিট করতে পারে।
- ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সর্বোচ্চ গতি ১০ গিগাবাইট পার সেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারে।

১১,৯৮৭.
নিচের কোনটি ‍Application package?
  1. LOTUS
  2. UBUNTU
  3. LINUS
  4. DOS
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: 
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।


সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে। 
- DOS, Windows Xp, Linux, Unix, Mac OS, Solaries ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।


অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৮৮.
আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সকল সুবিধাসমৃদ্ধ বাসস্থানকে কী বলা হয়?
  1. নেটওয়ার্কেড হাউস
  2. ইন্টেলিজেন্ট হাউস
  3. স্মার্ট হোম
  4. মডার্ন হোম
ব্যাখ্যা
• আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সকল সুবিধাসমৃদ্ধ বাসস্থানকে "স্মার্ট হোম" বলা হয়।

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোল বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং, কুলিং, লাইটিং, এবং সিকিউরিটি সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- এই পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত ডিভাইস যেমন টেলিভিশন, এসি, লাইট, ফ্যান, এবং সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি আধুনিক মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বর্তমানে চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া প্রভৃতি শিল্পোন্নত দেশে বৈশ্বিক বাসস্থান (গ্লোবাল রেসিডেন্স) তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তায় আইপি ক্যামেরা ব্যবহৃত হচ্ছে।

• স্মার্টহোমের সুবিধা:
- ঘরে বসেই অফিসের কাজ, কনফারেন্স, ডেটা আদান-প্রদান কাজ করা যায় বিধায় সময় ও অর্থ খরচ কম হয় ।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।
- ঘরে বসেই টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তারের সাথে সাক্ষাৎ করে স্বাস্থ্য পরামর্শ নেয়া যায় ।
- ট্র্যাকিং ও সেন্সিং প্রযুক্তির সাহায্যে ঘরের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যেমন- চাবি, মানিব্যাগ ইত্যাদি সহজে খুঁজে বের করা যায়। টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, ফ্যান, লাইট ইত্যাদিকে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বিছানায় শুয়েই পরিচালনা করা যায়।
- ঘরের কোথাও বিদ্যুৎ লাইন, গ্যাস লাইনের সমস্যা হলে কিংবা আগুন লাগলে ডিটেক্টর এলার্মের মাধ্যমে তা জানিয়ে দেয় এবং মূল লাইনের সুইচ বন্ধ করে বিপদ থেকে রক্ষা করে ।
- স্মার্ট হোম ক্যামেরা ও মোশন সেন্সর (Motion Sensor) দিয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুম বা প্রাইভেট সিকিউরিটি কোম্পানির সাথে যুক্ত থাকে বলে চোর, ডাকাত বা সন্ত্রাসী আক্রমণ করতে আসলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুলিশকে বা সিকিউরিটি কোম্পানিকে অবহিত করে।

• স্মার্টহোমের অসুবিধা:
- হোম অটোমেশনে ব্যাপক আর্থিক বিনিয়োগ প্রয়োজন।
- এটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দক্ষ জনবলের প্রয়োজন হয়।
- এটি ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করে।
- রিমোট কিংবা ভয়েস নিয়ন্ত্রিত ডিভাইস ব্যবহারে নানা বিড়ম্বনার সৃষ্টি হতে পারে।
- বাসায় কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তি থাকলে স্মার্ট হোম তার জন্য সহায়ক হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,৯৮৯.
একটি ডাটাবেজ টেবিলের সারিগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. কুয়েরি
  4. মডিউল
ব্যাখ্যা
ডাটা: 
- ডাটা শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datumn এর বহুবচন, Datumn শব্দটির অর্থ হল তথ্যের উপাদান। 
- প্রক্রিয়াকরণ করে তথ্যে পরিণত করার জন্য কম্পিউটারে ডাটা ইনপুট নেয়া হয়, তাই প্রাথমিকভাবে সংগৃহীত অগোছালো তথ্যকে ডাটা বলা হয়। 
যেমন- কোন একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নাম, পদবি, মুলবেতন ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ডাটা। 

ডাটাবেজ: 
- ডাটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ সমাবেশ। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হলো ডাটাবেজ। 
- একটি ডাটাবেজের এক বা একাধিক টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট মডিউল ইত্যাদি ফাইল থাকতে পারে। 
- ডাটাবেজকে তথ্যভাণ্ডার বলা হয়, চারপাশে অজস্র তথ্য ও উপাত্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- তবে এ সমস্ত তথ্যের সমাবেশকে ডাটাবেজ বলা যাবে না, কারণ ডাটাবেজ হল সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক আছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি। 

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
- ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। 
যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি। 
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। 
- একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে। 
- প্রত্যেটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। 
- শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত। 
- আর পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। 
- প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড। 

ডাটাবেজ ব্যবহারের সুবিধা: 
- ডাটাবেজ ব্যবহারের সুবিধা অনেক। 
যেমন: 
১। অতি দ্রুত ডাটা উপস্থাপন করা যায়। 
২। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়। 
৩। সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়। 
৪। অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস করা যায়। 
৫। বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৯০.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস? 
  1. হার্ডডিস্ক
  2. জয়স্টিক
  3. পেনড্রাইভ
  4. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা

পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ, টাচস্ক্রিন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৯১.
কিবোর্ডের F6 ফাংশন কী সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Help মেনু ওপেন করা
  2. ব্রাউজার বা ফোল্ডার ফুলস্ক্রিন করা
  3. ফাইল রিনেম করা
  4. ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বার সিলেক্ট করা
ব্যাখ্যা

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।

১১,৯৯২.
ডোমেইন নেইম কী?
  1. আইএসপি
  2. ওয়েব সাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম
  3. ওয়েব ফাইল নাম
  4. সার্ভারের নাম
ব্যাখ্যা
• ডোমেইন নেইম:
- ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয় আলফানিউমেরিক (ক্যারেক্টর এবং নাম্বার সম্বলিত) ঠিকানা।
- যেমন: shikkha.org একটি ডোমেইন নেইম। এই ডোমেইন নেইম ব্যবহার করে 172.168.10.1 আইপি নাম্বার কম্পিউটারকে খুঁজে বের করা যায়।
- বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে ICANN নামক প্রতিষ্ঠান।
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। যথা- রুট লেভেল (root level), সেকেন্ড লেভেল (second level) ইত্যাদি।
- ডোমেইন নেইমের রুট লেভেল অংশ থেকে ডোমেইনের ধরন বুঝা যায়। যেমন- .com থাকলে কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠান, .edu থাকলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, .net থাকলে নেটওয়ার্ক, .org থাকলে প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।
- ডোমেইন নেইমের দ্বিতীয় অংশে ঐ ডোমেইনের পরিচিতিমূলক নিজস্ব নাম থাকে। যেমন-শিক্ষা (shikkha), মাইক্রোসফট্ (microsoft), ওরাকল (oracle), ইন্টেল (intel) ইত্যাদি।
- পিরিয়ড(.) দিয়ে ডোমেইন নেইমের বিভিন্ন অংশ পৃথক করে রাখা হয়।
- নিচে ডোমেইন নেইমের বিভিন্ন অংশ দেখানো হলো- http://www.shikkha.org

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৯৯৩.
কোন ধরনের প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. লেজার প্রিন্টার
  2. ইংকজেট প্রিন্টার
  3. থার্মাল প্রিন্টার
  4. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।

• লেজার প্রিন্টার:

- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM।
-  এ ধরনের প্রিন্টারের গতি সাধারণত 10,000 lpm (Line per Minute) ।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার ধীর গতি সম্পূর্ণ।
- ইংকজেট প্রিন্টারের ছাপানোর গতি ধীর গতি সম্পূর্ণ হয়ে থাকে।
- থার্মাল প্রিন্টারের ছাপানোর গতি সাধারণত 5,000 lpm হয়ে থাকে।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৯৪.
ওরাকল কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ক) স্টিভ ওজনিয়াক
  2. খ) পল অ্যালেন
  3. গ) ল্যারি এলিসন
  4. ঘ) ডেভিড কার্প
ব্যাখ্যা

- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার রেডউড সিটিতে অবস্থিত।
- ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ল্যারি এলিসন, বব মিনার ও এড ওয়াটিস।
- এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৬ সালে স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক অ্যাপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তার বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ওয়েবসাইট।

১১,৯৯৫.
নিচের কোনটির তথ্য ধারণ ক্ষমতা সর্বাধিক?
  1. Barcode
  2. RFID
  3. QR Code
  4. একই
ব্যাখ্যা
বারকোড:
বারকোড হল এক ধরনের মেশিন-পাঠযোগ্য টেক্সট, যার প্রতিটি সংখ্যা শূন্য থেকে নয় পর্যন্ত  কালো ও সাদা লাইনের প্যাটার্ন নির্দেশ করে।
উদাহরণস্বরূপ, এক সংখ্যাটি একটি মোটা সাদা স্ট্রাইপ, একটি মোটা  কালো স্ট্রাইপ, একটি পাতলা সাদা স্ট্রাইপ এবং একটি পাতলা কালো স্ট্রাইপ দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করে।
একটি লেজার সিরিজ লাইন স্ক্যান করার সময় কালো রেখাগুলি যখন বেশি আলো শোষণ করে, তখন বুঝতে পারে কোন সংখ্যাটি প্রতিনিধিত্ব করছে।
বারকোড এর মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে লেজার স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়। 
বার কোডে তথ্য কেবল পড়া যায়। 
এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: ২০টি ক্যারেক্টার 

QR Code:
QR Code এর পূর্ণরূপ Quick Response Code
QR কোডকে  বারকোড এর  একটি সম্প্রসারণ হিসাবে ভাবা যায় যেখানে কালো বিন্দুগুলির উল্লম্ব এবং অনুভূমিক অবস্থান উভয়কে একটি অপটিক্যাল স্ক্যানার দ্বারা পড়া যায়৷
বারকোড যেখানে অনুভূমিকভাবে তথ্য ধারণ করে, QR কোড অনুভূমিকভাবে ও  উল্লম্বভাবে তথ্য ধারণ করতে পারে। ফলে QR কোড বারকোডের তুলনায়  শত  গুণ বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে।
QR Code এর মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়। 
QR কোডে তথ্য কেবল পড়া যায়। 
এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: ৭,০৮৯টি ক্যারেক্টার 

RFID:
RFID এর পূর্ণরূপ Radio-Frequency Identification.
বারকোড যদি  এক অর্থে এক-মাত্রিক ডেটা হয় এবং QR কোড যদি দ্বি-মাত্রিক হয়, তাহলে RFID ট্যাগগুলিকে ত্রিমাত্রিক কোড হিসাবে ভাবা যেতে পারে। 
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি বেতার সিস্টেমকে বোঝায় যা দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত: ট্যাগ এবং রিডার।
RFID ট্যাগগুলি তাদের মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে।
RFID এ তথ্য পড়া ও লেখা যায় (ট্যাগ এর মাঝে তথ্য পরিবর্তন করা যায়)।
এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: হাজার হাজার ক্যারেক্টার
১১,৯৯৬.
ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয় কোনটি?
  1. ক) http
  2. খ) Url
  3. গ) smtp
  4. ঘ) html
ব্যাখ্যা

HTTP (Hypertext Transfer Protocol) হলো একটি প্রোটোকল। এটি তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগ নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১১,৯৯৭.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে ডেটা কোথায় মূলত সংরক্ষিত হয়?
  1. Platters
  2. Read/Write Head
  3. Cache Buffer
  4. BIOS
ব্যাখ্যা
• Hard Disk Drive (HDD) হলো একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা কম্পিউটারে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। এতে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর সব ফাইল সংরক্ষিত থাকে।
হার্ডডিস্কে ডেটা মেগনেটিক পদ্ধতিতে রাইট ও রিড করা হয়।

• একটি হার্ডডিস্কের অভ্যন্তরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে,
যেমন: 
-  Platters (প্লাটার): মেটাল বা গ্লাসের চাকতি যেগুলোর ওপর ডেটা মেগনেটিক পদ্ধতিতে লেখা ও পড়া হয়।
-  Read/Write Head: প্রতিটি প্লাটারের জন্য একটি হেড থাকে, যা ডেটা রিড ও রাইট করে।
-  Spindle: প্লাটারগুলোকে ধরে রাখে এবং উচ্চ গতিতে ঘোরায়।
-  Actuator Arm: হেডগুলোকে সঠিক অবস্থানে চালিত করে।
-  Controller Board: হার্ডডিস্কের সার্কিট বোর্ড, যা ডেটা পরিচালনা করে।
-  Platters: Platter হলো একটি গোলাকার ডিস্ক, যা হার্ডডিস্কের প্রধান অংশ। এই প্লাটারে ডেটা সংরক্ষন করা হয়। প্রতিটি প্লাটার দুটি পৃষ্ঠে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

Platters-এর বৈশিষ্ট্য:
-  প্রতিটি প্লাটারকে ট্র্যাক, সেক্টর, ও সারফেস-এ ভাগ করা হয়।
- একাধিক প্লাটার হার্ডডিস্কে ব্যবহৃত হয় স্টোরেজ ক্ষমতা বাড়াতে।
- প্লাটার গ্লাস বা অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি এবং উপরে মেগনেটিক লেয়ারে আবৃত থাকে।

অন্যদিকে,
Read/Write Head: এটি প্ল্যাটারের উপর ঘুরে ঘুরে ডেটা পড়ে ও লেখে, কিন্তু নিজে ডেটা সংরক্ষণ করে না।

Cache Buffer: এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যেটি দ্রুত ডেটা অ্যাকসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে এটি মূল সংরক্ষণ স্থান নয়।

BIOS: BIOS মূলত মাদারবোর্ডে থাকা একটি ফার্মওয়্যার, এটি হার্ড ডিস্কের অংশ নয় এবং ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না।

তথ্যসূত্র:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ৯ম-১০ম শ্রেণি
-  School of computer science, Carleton University.
-  “Computer Architecture: A Quantitative Approach” by Hennessy & Patterson.
১১,৯৯৮.
(1100)2 থেকে (101)2 বিয়োগ করুন -
  1. ক) 1010
  2. খ) 0111
  3. গ) 1001
  4. ঘ) 0101
ব্যাখ্যা
1100 - 101 = 0111
১১,৯৯৯.
ইন্টারনেট সংযোগ দিতে নিচের কোন পদ্ধতিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে?
  1. ওয়াই-ম্যাক্স
  2. ডায়াল-আপ সিস্টেম
  3. ব্রডব্যান্ড
  4. আইএসডিএন
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্ক।
- বিশ্বের বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে তাকে ইন্টারনেট বলে। 
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারের সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো- 
১। ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২। আইএসডিএন (ISDN)
৩। ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪। ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫। ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System):
- ডায়াল আপ সিস্টেম পদ্ধতিতে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটার টেলিফোন লাইন ও মডেমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আইএসপি (ISP) বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। 
- ডায়াল আপ সিস্টেমটি তুলনামূলক সহজ কিন্তু ইন্টারনেটের স্পিড তুলনামূলক অনেক কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০০০.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে একক অঙ্কের সর্বোচ্চ মান কত?
  1. D
  2. 10
  3. E
  4. F
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি একটি ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত দশটি সংখ্যার সঙ্গে অতিরিক্ত ছয়টি অক্ষর A, B, C, D, E, এবং F ব্যবহার করা হয়। এখানে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪ এবং F মানে ১৫ বোঝায়। অর্থাৎ, একক অঙ্কের মধ্যে সর্বোচ্চ মান হচ্ছে F, যা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৫ এর সমান। তাই প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হবে ‘ঘ) F’, কারণ এটি হেক্সাডেসিমেল একক অঙ্কের সর্বোচ্চ মানকে উপস্থাপন করে।

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে।
- এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.
- (151)16, (1B)16, (ABC.B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।