বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১১৮ / ১৩১ · ১১,৭০১১১,৮০০ / ১৩,০৮৮

১১,৭০১.
কোনটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Google
  2. Instagram
  3. Twitter
  4. Facebook
ব্যাখ্যা

• সোশ্যাল মিডিয়া হলো এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা তথ্য শেয়ার, ছবি বা ভিডিও পোস্ট, বন্ধু বা অনুসারীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং মতামত বিনিময় করতে পারে। এর মধ্যে Instagram, Twitter এবং Facebook মূলত সোশ্যাল মিডিয়া হিসেবে পরিচিত, কারণ এদের মূল কাজই ব্যবহারকারীদের সংযোগ এবং কনটেন্ট শেয়ার করা। অন্যদিকে Google একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং প্রযুক্তি কোম্পানি যা মূলত তথ্য অনুসন্ধান, ইমেইল, ক্লাউড স্টোরেজ এবং বিজ্ঞাপন সেবা প্রদান করে। যদিও Google-এর কিছু সেবা যেমন YouTube বা Google Meet সামাজিক যোগাযোগের সুযোগ দেয়, তবুও Google নিজেই একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Google.

গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমান CEO: Sundar Pichai. (তথ্য: আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

ইনস্টাগ্রাম:
- ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
- ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন কেভিন সাইস্ট্রম ও মাইক ক্রিঞ্জার।
- ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
- বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ মেটার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

ফেসবুক:
- বর্তমান CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো- ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি।

X (Twitter):
- X এর পূর্বনাম টুইটার।
- অক্টোবর, ২০২২ সালে ইলন মাস্ক টুইটার কিনে নেয়।
- জুলাই, ২০২৩ সালে ইলন মাস্ক Twitter এর নাম পরিবর্তন করেন এবং নতুন নাম দেন X.
- X এ সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা পোস্ট করা যায়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২১ মার্চ ২০০৬ এবং চালু হয় ১৫ জুলাই ২০০৬ সালে।
- সদরদপ্তর: San Francisco, California, United States.
- প্রতিষ্ঠাতা: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass.
- বর্তমান CEO: Linda Yaccarino. (তথ্য: আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)

উৎস: ব্রিটানিকা এ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১১,৭০২.
ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর অন্তর্ভুক্ত-
  1. ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন
  2. লিংকার প্রোগ্রাম
  3. অনুবাদক সফটওয়্যার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
♦ ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম এর কার্যকারিতা পরিচালনা, কম্পিউটার কনফিগার অপটিমাইজ এবং বিভিন্ন রকম সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে অপারেটিং সিস্টেমকে সাহায্য করে।
- যেমন এন্টিভাইরাস কম্পিউটারকে ক্ষতিকার প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা করে তাই যেকোনো এন্টিভাইরাস হলো ইউটিলিটি সফটওয়্যার।

• কাজ:
-ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু ডিলিট করা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি।

• ব্যবহার:
- সিস্টেম সংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

• যে ধরনের সফটওয়্যারসমূহ ইউটিলিটি সফটওয়্যার তা হলো:
- এন্টিভাইরাস, অনুবাদক সফটওয়্যার, ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার, ব্যাক আপ/ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যার, ক্লিপবোর্ড ম্যানেজ সফটওয়্যার, ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন, সর্ট মার্জ প্রোগ্রাম, লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭০৩.
কোনটি ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  2. স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
  3. ওয়্যার্ড প্রিন্টার
  4. সাধারণ ক্যালকুলেটর
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ডিভাইস হলো এমন যন্ত্র যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে, ডেস্কটপ কম্পিউটার, ওয়্যার্ড প্রিন্টার এবং সাধারণ ক্যালকুলেটর সাধারণত শুধুমাত্র স্থানীয়ভাবে কাজ করে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় তথ্য বিনিময় বা নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা রাখে না। অন্যদিকে, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ব্যবহারকারীর পছন্দ অনুযায়ী শিডিউল তৈরি করা এবং মোবাইল অ্যাপ বা অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইসের মাধ্যমে রিমোট কন্ট্রোলের সুবিধা দেয়। তাই স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট IoT ডিভাইসের সঠিক উদাহরণ।

ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১১,৭০৪.
0xA কোন দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে?
  1. 9
  2. 10
  3. 11
  4. 12 
ব্যাখ্যা

• “0xA” হলো হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা, যা ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে লেখা হয়। এখানে 0x একটি উপসর্গ বা প্রেফিক্স, যা নির্দেশ করে যে সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমেল বা ১৬-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিতে আছে। হেক্সাডেসিমালে সংখ্যা 0–9 এবং অক্ষর A–F ব্যবহার করা হয়, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪, এবং F মানে ১৫। তাই 0xA-তে “A” অংশটি ১০ নির্দেশ করছে। যখন এটি দশমিক (Decimal) সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়, তখন 0xA মানে সরাসরি ১০। সুতরাং, 0xA এর দশমিক মান হলো ১০। উত্তর হবে খ) 10
 
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- sciencedirect. 

১১,৭০৫.
১০১১১০ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ৪৬
  2. ১৬
  3. ২৪
  4. ৫৪
ব্যাখ্যা
• ১০১১১০ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার ৪৬.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

101110
= 1 × 25 + 0 × 24 + 1 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 0 × 20
= 32 + 0 + 8 + 4 + 2
= 46
১১,৭০৬.
মাউস কয় ধরণের হয়ে থাকে?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
ব্যাখ্যা
• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

• মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।
১১,৭০৭.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: অবৈধ কাজ করে।
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: সিকিউরিটি বৃদ্ধি করতে হ্যাক করে।
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: অবৈধ ও বৈধ উভয় কাজই করে।
  4. উল্লিখিত সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- এই ধরনের হ্যাকার কোন অবৈধ কাজ করে না।
- এরা সিকিউরিটি বৃদ্ধি করতে হ্যাক করে।

• ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- ই ধরনের হ্যাকাররা অবৈধ কাজ করে এবং ইনফরমেশন চুরি করে সাইবার অপরাধ করে থাকে।

• গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এই ধরনের হ্যাকাররা অবৈধ ও বৈধ উভয় কাজই করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
১১,৭০৮.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭১
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৬
  4. ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- স্লোগান: Think Different.
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা ও geeksforgeeks.
১১,৭০৯.
আইপি অ্যাড্রেস IPv4 এর সাইজ কত?
  1. 4 Bit
  2. 32 Byte
  3. 16 Byte
  4. 4 Byte
ব্যাখ্যা
(1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 X ৪ বা 32 বিট বা 4 বাইট যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
 
An IPv4 address is 32 bits. 
An IP Address is shown as 4 decimal numbers representing 4 bytes: d.d.d.d where d = decimal number (0 - 255).
 
উৎস: আইবিএম ওয়েবসাইট। 
১১,৭১০.
NAND গেইট কী ধরনের গেইটের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. AND + NOT
  2. OR + NOT
  3. XOR + AND
  4. NOR + OR
ব্যাখ্যা
◉ ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ। অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট। অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

যৌগিক গেইট:
- এ গেইটগুলো এক বা একাধিক মৌলিক পেইটের সমন্বয়ে তৈরি হয়।
এগুলো হলো:

১. ন্যান্ড গেইট (NAND Gate):
- AND গেইটের ও NOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি।

২. নর পেইট (NOR Gate):
- OR পেইটের ও NOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি।

৩. এক্স-অর (X-OR Gate):
- অর, অ্যান্ড কিংবা নট গেইট দিয়ে এ গেইট তৈরি করা যায়।

৪. এক্স-নর গেইট (X-NOR Gate):
- এক্স-অর গেইটের সাথে NOT পেইট মিলিয়ে তৈরি হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশববিদ্যালয়।
১১,৭১১.
(10010)2 + (11101)2 = ?
  1. ক) 101110
  2. খ) 101111
  3. গ) 11111
  4. ঘ) 11011
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ (Binary Addition):

বাইনারি যোগ দশমিক সংখ্যার যোগের মত। বাইনারি সংখ্যায় বিটগুলো যোগের পর হাতে যে সংখ্যা থাকে, তা বামের বিটের সাথে যোগ হয়।
দুটি বাইনারি অংক বা বিটের যোগের সময় চারটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। যেমন :
০ + ০ = ০
০ + ১ = ১
১ + ০ = ১
১ + ১ = ০ এবং
হাতে থাকে ১, যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়।

(10010)2 + (11101)2 = (101111)2

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭১২.
নিচের কোনটি ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Register
  2. ROM
  3. Flags
  4. Output Unit
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭১৩.
বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটারের নাম কী?
  1. MARK-I
  2. ENIAC
  3. EDSAC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা

UNIVAC:
- UNIVAC (Universal Automatic Computer) হলো বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল সাধারণ-উদ্দেশ্যমূলক ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার, যা ১৯৫১ সালে জন মাউচলি এবং প্রেসপার একার্ট তৈরি করেন।
- এটি মূলত ভ্যাকুয়াম টিউব প্রযুক্তি, ম্যাগনেটিক টেপ ডেটা স্টোরেজ এবং মার্কারি ডিলে-লাইন মেমরি ব্যবহার করত। 
- ১৯৫১ সালে মার্কিন আদমশুমারি ব্যুরোতে প্রথম এটি ব্যবহার করা হয়।

অপশন আলোচনা:
ENIAC:
- এর পূর্ণরূপ: Electronic Numerical Integrator and Computer।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জন মাউচলি এবং জে. প্রেসপার একার্ট এটি তৈরি করেন।
- এটি ছিল প্রথম সাধারণ-উদ্দেশ্য সম্পন্ন এবং প্রোগ্রামযোগ্য ডিজিটাল কম্পিউটার।

MARK-I: এটি ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল (Electro-mechanical) কম্পিউটার।

EDSAC: এটি প্রথম প্রোগ্রাম সংরক্ষিত (Stored-program) কম্পিউটারগুলোর একটি।


উৎস:
১। US-CB [Link] 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭১৪.
3A সংখ্যাটির বাইনারি কত?
  1. ক) 111010
  2. খ) 101010
  3. গ) 111011
  4. ঘ) 101111
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১১,৭১৫.
পূর্ণ দশমিক সংখ্যা 4851-এর সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা কোনটি?
  1. 12B4
  2. 13C7
  3. 12F3
  4. 11F8
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ A, ১১ → B, ১২ C, ১৩→D, ১৪ ও ১৫ F সংখ্যা লিখতে হবে।
১১,৭১৬.
হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে (HDD) তথ্য সংরক্ষণের জন্য কোন মাধ্যমটি ব্যবহৃত হয়?
  1. বৈদ্যুতিক ডিস্ক
  2. অপটিক্যাল ডিস্ক
  3. চৌম্বকীয় ডিস্ক
  4. ফ্ল্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা

HDD (Hard Disk Drive)-এর ডেটা চৌম্বকীয় ডিস্ক-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়।
- HDD-এর ভিতরে ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটার (Platter) থাকে, যার উপর ডেটা চৌম্বকীয়ভাবে রেকর্ড করা হয়।
- ডেটা রিড/রাইট হেডের মাধ্যমে চৌম্বকীয়ভাবে লেখা ও পড়া হয়।
- এর দ্বারা হার্ড ডিস্কের মধ্যে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা অক্ষত থাকে।

• হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
- ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা।
- ট্র্যাকের সংখ্যা।
- ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা।
- প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা।

অন্যদিকে,
- বৈদ্যুতিক ডিস্ক: এটি SSD (Solid State Drive) তে ব্যবহৃত হয়, HDD-তে ব্যবহৃত হয় না।
- অপটিক্যাল ডিস্ক: এটি CD, DVD বা Blu-ray-এ ব্যবহৃত হয়।
- ফ্ল্যাশ মেমোরি: একটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি প্রযুক্তি, যা SSD, USB ড্রাইভে ব্যবহৃত হয়, HDD-তে না।

তথ্যসূত্র:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১১,৭১৭.
'গুগল ইনকর্পোরেটেড' এর প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ল্যারি এলিসন
  2. স্টিভ জবস
  3. ল্যারি পেইজ
  4. সার্গেই রোমানভ
ব্যাখ্যা
- গুগল ইনকর্পোরেটেড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার কোম্পানি।
- এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেইন ভিউতে অবস্থিত। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন।

- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।
- ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন।
- অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস। 

উৎস: সংশ্লিষ্ট ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইট।
১১,৭১৮.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Word Star
  2. Ms-Excel
  3. Unix
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro ইত্যাদি।
• Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

- Unix হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭১৯.
কম্পিউটারের প্রসেসিং স্পিড মূলত নির্ভর করে -
  1. মেমোরির সাইজের উপর
  2. মনিটরের রেজোলিউশনের উপর
  3. প্রসেসরের স্পিডের উপর
  4. হার্ড ডিস্কের সাইজের উপর
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের প্রসেসিং স্পিড (Processing Speed) মূলত প্রসেসরের ক্লক স্পিড, কোর সংখ্যা এবং ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।

প্রসেসরের স্পিড (Clock Speed - GHz): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করতে পারে।
কোর সংখ্যা (Cores): একাধিক কোর থাকলে প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে (যেমন: Dual-core, Quad-core, Octa-core)।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): দ্রুত ডাটা অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।

সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। এইচপি ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১১,৭২০.
RAM ও ROM নিয়ে গঠিত কম্পিউটারের-
  1. প্রাইমারি মেমরি
  2. সহায়ক মেমরি
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার স্মৃতি:
- কম্পিউটার স্মৃতি ২ প্রকার। যথা-
১. প্রধান স্মৃতি (Primary Memory) :
- RAM ও ROM নিয়ে এই মেমরি গঠিত।
কম্পিউটারের প্রধান মেমরি হিসাবে ব্যবহৃত হয় -
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory)
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory)
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory)
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory)
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory)

২. সহায়ক স্মৃতি (Auxilary Memory):
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা কম।
- তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতি ব্যবহৃত হয়।
- কয়েকটি সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে -
- ফ্লপি ডিস্ক
- হার্ড ডিস্ক
- কম্প্যাক্ট ডিস্ক
- চৌম্বক ফিতা
- চৌম্বক ড্রাম

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭২১.
নিচের কোনটি ইন্টারনেটের প্রাথমিক ধাপ?
  1. ARPANET
  2. APRANET
  3. INTRANET
  4. EXTRANET
ব্যাখ্যা
Internet:
   
- ইন্টারনেট হচ্ছে অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক।
- সারা বিশ্বকে ‘গ্লোবাল ভিলেজ’-এর ধারণায় ধাবিত করছে ইন্টারনেট। 
- 'ARPANET' হল ইন্টারনেটের প্রাথমিক ধাপ।
- 'ARPANET' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে  'Advanced Research Projects Agency Network'.
- 'ARPANET' এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর Advanced Research Projects Agency Network (ARPANET) নামে চালু করে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।
১১,৭২২.
প্রথম ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার কোনটি?
  1. MARK-1
  2. EDVAC
  3. ENIAC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা
MARK-1 হচ্ছে প্রথম ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার।

• MARK-1:
- মার্ক-১ একটি ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার যেটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্‌টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
- এটি দ্বারা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, এমনকি ত্রিকোণমিতিক হিসাবও করা যেত।

• ENIAC:
- ১৯৪৬ সালে আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন মশলি ও প্রেসলার একাট যৌথভাবে বৃহদাকার ইলেকট্রনিক কম্পিউটার তৈরি করেন।
- তাঁরা কম্পিউলিরটির নাম দেন 'এনিয়াক' (ENIAC)।
- এনিয়াক হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

• EDVAC:
- EDVAC তৈরি হয়েছিল ১৯৪৬ সালে।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল।

• UNIVAC:
-জন মশলি ও প্রেসপার একাটি ১৯৪৬ সালে একটি কোম্পানি গঠন করে ১৯৫১ সালে প্রথম ইউনিভ্যাক-(UNIVAC-1) কম্পিউটার তৈরি করেন।
- এই ইউনিভ্যাকই ছিল প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার।
-১৯০২ সালে IBM কোম্পানি IBM-650, 701 কম্পিউটার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ও বাজারজাত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউদির শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
১১,৭২৩.
Microprocessor এর কোন অংশ ডাটা প্রসেসিং এর জন্য ব্যবহার হয়?
  1. ক) ALU
  2. খ) Control Unit
  3. গ) Register Array
  4. ঘ) Accumulator
ব্যাখ্যা
একটি গাণিতিক-লজিক ইউনিট (এএলইউ) একটি কম্পিউটার প্রসেসরের (সিপিইউ) অংশ যা কম্পিউটার নির্দেশের শব্দের মধ্যে অপারেন্টগুলিতে গাণিতিক এবং লজিক অপারেশনগুলি পরিচালনা করে। কিছু প্রসেসরে, এএলইউ দুটি ইউনিটে বিভক্ত হয়, একটি গাণিতিক ইউনিট এবং একটি লজিক ইউনিট। (রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)
১১,৭২৪.
কোন ডিভাইসটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. মাউস
  2. স্ক্যানার
  3. প্রজেক্টর
  4. কীবোর্ড
ব্যাখ্যা

পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি। 

২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি। 

৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭২৫.
Which company created Threads?
  1. Twitter
  2. Meta 
  3. Google
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Meta।

Threads
- থ্রেডস হলো মেটার (Meta) তৈরি একটি টেক্সট-ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
- এটি ইনস্টাগ্রামের ব্যবহারকারীভিত্তি কাজে লাগিয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে। 
- ইনস্টাগ্রামের তথ্য ব্যবহার করে থ্রেডস ব্যবহারকারীদের জন্য অনুসরণের মতো অ্যাকাউন্ট সাজেস্ট করে, ফলে ব্যবহারকারীরা সহজে নতুন নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে। 
- থ্রেডসের বৈশিষ্ট্য (২০২৩ সংস্করণ) প্রতিটি পোস্টের ৫০০ ক্যারেক্টার লিমিট। 
- টেক্সটের পাশাপাশি ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার সুবিধা। 
- ইনস্টাগ্রামের সাথে একীভূত সাইন-আপ সিস্টেমে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি না করেও ব্যবহার শুরু করা যায়। ইনস্টাগ্রাম থেকে ফলোয়ার ও ভেরিফিকেশন স্ট্যাটাস সরাসরি নিয়ে আসা যায়। 
- থ্রেডস ও ইনস্টাগ্রামের মধ্যে কনটেন্ট সহজে শেয়ার করা যায়। 
- প্রথম দিকে বিজ্ঞাপনমুক্ত অভিজ্ঞতা ব্যবহারকারীদের কাছে খুব আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,৭২৬.
কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি সাধারণত AI এর জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. LISP
  2. Perl
  3. Python
  4. PROLOG
ব্যাখ্যা
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা। 
- ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থী সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি। 

• পার্ল (Perl):
- এটি একটি উচ্চস্তরের ডাইনামিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। তবে এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত হয়না।
- ১৯৮৭ সালে ল্যারি ওয়াল এটি উদ্ভাবন করেন।

 উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১১,৭২৭.
কোনটি ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থায় Domain name কে IP Address এ পরিণত করে?
  1. HTTP
  2. SMTP
  3. DNS
  4. FTP
ব্যাখ্যা
• DNS Server ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থায় Domain name কে IP Address এ পরিণত করে।

• ডোমেইন নেম:
- সংখ্যার সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস মানুষের পক্ষে মনে রাখা খুবই কষ্টকর। তাই আইপি অ্যাড্রেস সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য সহজ কোনো নাম ব্যবহার করা হয়। ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম।
- যেমন: www.google.com এই সাইটটির আইপি অ্যাড্রেস হল 216.58.212.164.

• DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়।
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭২৮.
সর্বাপেক্ষা পুরাতন অপারেটিং সিস্টেম-
  1. ম্যাকিনটোশ
  2. ইউনিক্স
  3. উইন্ডোজ
  4. লিনাক্স
ব্যাখ্যা

- ইউনিক্স সর্বাপেক্ষা পুরাতন অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কিন টমসন এবং ডেনিস রিচি প্রথম ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম রচনা করেন।
- মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য এটি খুবই উপযোগী।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৭২৯.
মোবাইল ফোন যে পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন করে-
  1. ফুল-ডুপ্লেক্স
  2. সিমপ্লেক্স
  3. হাফ-ডুপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

• ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেকোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডেটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৭৩০.
বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. Java
  2. FORTRAN
  3. Python
  4. Ada
ব্যাখ্যা
• FORTRAN হলো বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা।

• ফোরট্রান (FORTRAN):
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
- FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি এটি তৈরি করেন।
- ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে ফোরট্রান I, ফোরট্রান II, ফোরট্রান iv, ফোরট্রান ৭৭, এবং ফোরট্রান ৯০।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• জাভা (Java):

- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

উৎস:
১.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
১১,৭৩১.
হ্যাকারদের দ্বারা বিনামূল্যে কল করার জন্য ব্যবহৃত প্রাচীনতম ফোন হ্যাকিং কৌশল হিসাবে পরিচিত কোন পদ্ধতিটি?
  1. ফ্রিকিং
  2. স্প্যামিং
  3. স্পুফিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• ফ্রিকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলা হয়। 
- একসময় যখন কম্পিউটার সিস্টেম প্রচলিত ছিলনা, তখন হ্যাকাররা টেলিফোনে নানা ধরনের হ্যাকিং পরিচালনা করত।
- সাধারণভাবে ফোন হ্যাকারদের ফ্রেকার (Phreaker) নামে অভিহিত করা হয়।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্পুফড সাইট হলো প্রকৃত সাইটের প্রায় কাছাকাছি একটি মিরর ইমেজ। 

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৭৩২.
নিচের কোনটি স্টোরেজ ডিভাইস নয়?
  1. হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
  2. মাইক্রোফিল্ম রিডার
  3. ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ
  4. কমপ্যাক্ট ডিস্ক ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তার পেরিফেরাল ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত যে সকল ডিভাইসকে উপাত্ত তথ্য ও নির্দেশমালা সংরক্ষনের কাজে ব্যবহার করে সে সকল ডিভাইসকে স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ পেরিফেরালস বলে।
স্টোরেজ ডিভাইসের তালিকাঃ
০১. ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ।
০২. হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।
০৩. কমপ্যাক্ট ডিস্ক ড্রাইভ।
০৪. ম্যাগনেটিক টেপ ড্রাইভ
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
১১,৭৩৩.
পিয়ার-টু-পিয়ার (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্কিংয়ের সাথে সাধারণত কোন অ্যাপ্লিকেশনটি সম্পর্কিত?
  1. ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন
  2. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. ওয়েব হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম
  4. ইমেইল সার্ভার
ব্যাখ্যা

• পিয়ার-টু-পিয়ার (Peer-to-Peer বা P2P) নেটওয়ার্কিং হল এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে নেটওয়ার্কে থাকা প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড সরাসরি একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং একে অপরকে সরাসরি ডেটা শেয়ার করতে পারে। এতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার প্রয়োজন হয় না। এই ধরনের নেটওয়ার্ক সাধারণত ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশনগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণস্বরূপ, বিটটরেন্ট (BitTorrent) এবং লিমেলাইট (LimeWire) এর মতো সফটওয়্যার ব্যবহারকারীদের মধ্যে বড় ফাইল, যেমন ভিডিও, অডিও বা সফটওয়্যার, সরাসরি বিনিময় করতে দেয়। অন্যদিকে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ওয়েব হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম বা ইমেইল সার্ভার সাধারণত ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে কাজ করে, যেখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার তথ্য বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- সুতরাং, P2P নেটওয়ার্কের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত অ্যাপ্লিকেশন হল ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন।

- সঠিক উত্তর: ক) ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন। 

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭৩৪.
WAN-এর সুবিধা কোনটি?
  1. কম খরচে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়
  3. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা সংগ্রহ করা যায়
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক)।
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- WAN-এর বিস্তৃতি সমগ্র দেশ বা পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা:
১. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
২. বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল প্রেরণ করা যায়।
৩. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৪. অনলাইন শপিং করা যায়।
৫. ক্লাউড কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. কম খরচে বিশ্বের যে কোনো স্থানে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়।
৭. কম খরচে ও অল্পসময়ে বিশ্বের একস্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,৭৩৫.
বাংলাদেশে ''তথ্য অধিকার আইন'' চালু হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৮
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১১
ব্যাখ্যা
তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগনের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তথ্য অধিকার(Right to Information) আইন প্রণীত ও বাস্তবায়িত হচ্ছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা ও তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নাগরিকগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।

জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ২০০৯ সালে বাংলাদেশে ''তথ্য অধিকার আইন ২০০৯'' নামে একটি আইন চালু হয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( নবম - দশম শ্রেণি )
১১,৭৩৬.
অন্যের লেখা চুরির সাথে সম্পর্কিত কোনটি?
  1. ভিশিং
  2. স্পুফিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. স্প্যামিং
ব্যাখ্যা
• প্লেজিয়ারিজম:
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হলো প্লেজিয়ারিজম।
- স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে।
- মোবাইল, টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনের সাহায্যে কলের মাধ্যমে ফিশিং করাকে বলা হয় ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং।
- যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখার জন্য অথবা ওয়েব সার্ভার অপ্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা পূর্ণ করার জন্য শত শত বা হাজার হাজার মেইল একই ঠিকানায় পাঠায় তখন তাকে স্প্যামিং বলে।
- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৩৭.
GMS-১৯০০ কোন মোবাইল প্রজন্মের উদাহরণ?
  1. ক) প্রথম 
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
GMS-১৯০০ দ্বিতীয় মোবাইল প্রজন্মের উদাহরণ। 

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য-
১। ভয়েসকে নয়েজ মুক্ত করা।
২। ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
৩। উন্নতমানের অডিও এর জন্য ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহৃত হয়।
৪। সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো FDMA, TDMA, CDMA,
৫। মোবাইল কমিউনিকেশনে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন।
৬। সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয়।
৭। সীমিতমাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১১,৭৩৮.
ডাটাবেজে অপ্রয়োজনীয় ডাটা কমানোর জন্য কোন বৈশিষ্ট্য ব্যবহার হয়? 
  1. Redundancy
  2. Normalization
  3. Encryption
  4. Backup
ব্যাখ্যা

- Normalization হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ডাটাবেজে অপ্রয়োজনীয় বা পুনরাবৃত্ত ডাটা দূর করা হয়।
- এতে ডাটা টেবিলগুলো এমনভাবে ভাগ করা হয় যাতে প্রতিটি তথ্য একবারই সংরক্ষিত থাকে এবং সম্পর্ক বজায় থাকে।

Normalization-এর প্রধান উদ্দেশ্য:
- একই তথ্য একাধিক জায়গায় না রাখা (redundancy কমানো)।
- ডাটার সঠিকতা (integrity) ও সংগতি (consistency) বজায় রাখা।
- ডাটাবেজ আপডেট বা পরিবর্তনের সময় ভুল বা বিভ্রান্তি রোধ করা।

Normalization এর স্তর (Normal Forms):
- 1NF (First Normal Form): প্রতিটি সেলে কেবল একক মান থাকবে।
- 2NF (Second Normal Form): সমস্ত নন-কী অ্যাট্রিবিউট সম্পূর্ণভাবে প্রাইমারি কী-এর উপর নির্ভর করবে।
- 3NF (Third Normal Form): নন-কী অ্যাট্রিবিউটের মধ্যে কোনো ট্রান্সিটিভ নির্ভরতা থাকবে না।

- Encryption হলো তথ্যকে কোড বা সংকেতে রূপান্তর করা যাতে অননুমোদিত ব্যক্তি তা পড়তে না পারে।
- Backup হলো ডাটার একটি কপি রাখা যাতে মূল তথ্য হারিয়ে গেলে পুনরুদ্ধার করা যায়।

উৎস: Database System Concepts: Silberschatz, Korth & Sudarshan. 

১১,৭৩৯.
সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারী বর্ণনা হচ্ছে -
  1. ক) সুডােকোড
  2. খ) এ্যালগরিদম
  3. গ) প্রবাহচিত্র
  4. ঘ) বেসিক কমান্ড
ব্যাখ্যা

সুডােকোড:
প্রােগ্রামের ধরন ও কার্যাবলী তুলে ধরার জন্য কিছু সংখ্যক নির্দেশ বা স্টেটমেন্টের সমাহারকেই সুডােকোড বলা হয়। Pseudo অর্থ ছদ্ম। সুডোকোড অর্থ ছদ্ম-প্রােগ্রাম।

বেসিক কমান্ড:
বেসিক প্রােগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, যেমন- PRINT, LET, GOTo ইত্যাদি।

বেসিক সংরক্ষিত শব্দ:
এসব শব্দ বেসিক চলক হিসাবে ব্যবহার করা নিষেধ। যেমন- LIST, PRINT, READ ইত্যাদি।

এ্যালগরিদম:
সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারী বর্ণনা। এই বর্ণনার ভিত্তিতে ফ্লোচার্ট অঙ্কন করা হয়।

প্রবাহচিত্র:
এটি এ্যালগরিদমের চিত্ররূপ। এই চিত্রে প্রােগ্রামের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা দেয়া হল। ফ্লোচার্ট অনুসরন করে প্রকৃত প্রােগ্রাম রচনা করা হয়।


সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭৪০.
নিচের কোন ডিভাইসে ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রিপিটার
  4. উল্লিখিত সকল ডিভাইসে
ব্যাখ্যা
• সুইচ (Switch):
- সুইচ হলো বহু পোর্টবিশিষ্ট একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যার সাহায্যে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে কেন্দ্রীয়ভাবে যুক্ত থাকে।
- সুইচ প্রেরক থেকে প্রাপ্ত ডেটা সুনির্দিষ্ট পোর্টে পাঠিয়ে থাকে।
- এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কের মধ্যে সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ সংযুক্ত থাকে।

• সুইচের সুবিধা:
- ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বাঁধার সম্ভাবনা কমায়।
- ডেটা ফিল্টারিং করা সম্ভব।
- ভার্চুয়াল LAN ব্যবহার করে ব্রডকাস্ট নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

 [প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের বইয়ে সুইচে ডেটা ফিল্টারিং করা সম্ভব নয় আছে, যা প্রকৃতপক্ষে ভুল।]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৭৪১.
C++ কে সঠিকভাবে উপস্থাপন করে এমন অপশন কোনটি?
  1. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা
  2. মার্কআপ ভাষা
  3. ফাংশনাল প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. প্রোসিডিউরাল প্রোগ্রামিং ভাষা
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ক) অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।

C++ একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) ভাষা, যা C ভাষার উপর ভিত্তি করে তৈরি। এই ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে "অবজেক্ট", যার মাধ্যমে ডেটা ও ফাংশন একত্রে সংগঠিত করা যায়। C++-এ ইনক্যাপসুলেশন, ইনহেরিটেন্স, পলিমরফিজম ইত্যাদি OOP ধারণাগুলো ব্যবহার করে সফটওয়্যারকে আরও মডুলার, রিইউজেবল এবং পরিচালনাযোগ্য করা যায়। যদিও এটি প্রোসিডিউরাল প্রোগ্রামিংও সমর্থন করে, তবে এর শক্তিশালী OOP ফিচারের জন্য একে মূলত অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা হিসেবে ধরা হয়। তাই অপশনগুলোর মধ্যে ‘অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা’ হল সঠিক উত্তর।

• সি++:
- সি++ এক ধরনের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৮০ সালে বিয়ার্নে স্ট্রোট্রুপ (Biarne Stroustrup) যুক্তরাষ্ট্রের এটিএন্ডটি বেল ল্যাবরোটরিতে (AT&T Bell Laboratary) এটি ডেভেলপ করেন।
- মূলত সিমলা ৬৭ এবং সি প্রোগ্রামিং ভাষার সুবিধাজনক বৈশিষ্ট্যগুলোর সমন্বয় সাধন করে সি++ তৈরি হয়।
- সি++ একটি মধ্যম শ্রেণীর প্রোগ্রামিং ভাষা যাতে উচ্চ স্তর এবং নিম্ন স্তর ভাষাগুলোর সুবিধা সংযুক্ত আছে।
- এটি সর্বকালের অন্যতম জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা এবং সফ্টওয়্যার শিল্পে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। যেমন-সিস্টেম সফ্টওয়‍্যার, এপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার, ডিভাইস ড্রাইভার, এম্বেডেড সফ্টওয়্যার, উচ্চ মানের সার্ভার ও ক্লায়েন্ট এপ্লিকেশন, বিনোদন সফ্টওয়্যার ইত্যাদি।
- সি++ পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষাকে প্রভাবিত করেছে যার মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য হচ্ছে জাভা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৪২.
বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস বা মহাকাশ অনুসন্ধানের মতো ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য কোন ধরনের কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Minicomputer
  2. Mainframe Computer
  3. Supercomputer
  4. Workstation
ব্যাখ্যা

Supercomputer হলো পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার, যা প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি গণনা করতে সক্ষম। এগুলো মূলত জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মহাকাশ অনুসন্ধান ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

• সুপার কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশাল সংখ্যার প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
২. RAM টাইপ মেমরি ইউনিটের একটি বিশাল সংগ্রহ।
৩. নোডের মধ্যে উচ্চ গতির আন্তঃসংযোগ।
৪. উচ্চ ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের গতি।
৫. কাস্টম সফ্টওয়্যার ব্যবহার।
৬. কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা।
৭. এটি বিপুল পরিমাণ গণনা পরিচালনা করতে সক্ষম যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Workstation → উচ্চক্ষমতার কম্পিউটার হলেও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য, যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন।
Minicomputer → মাঝারি আকারের ব্যবসা ও শিল্পে ব্যবহৃত হতো (আজ প্রায় বিলুপ্ত)।
Mainframe → একসাথে হাজার হাজার ব্যবহারকারীর ডেটা প্রসেস করার জন্য উপযোগী, তবে এটি সুপারকম্পিউটারের মতো বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১১,৭৪৩.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধান উপকরণ কোনটি?
  1. ইন্টারনেট
  2. টেলিভিশন
  3. কম্পিউটার
  4. স্মার্টফোন
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT – Information and Communication Technology) হলো এমন প্রযুক্তি, যা তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং আদান-প্রদানের কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- কম্পিউটার হলো ICT-এর মূল ভিত্তি বা প্রধান উপকরণ, কারণ- 
• তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ (Processing), 
• ডেটা সংরক্ষণ (Storage), 
• ইন্টারনেট ব্যবহার ও কমিউনিকেশন এবং 
• সফটওয়্যার পরিচালনা ও অ্যাপ্লিকেশন চালানো ইত্যাদি কাজ করা যায়। 

অন্যদিকে, 
- ইন্টারনেট কম্পিউটারের মাধ্যমেই ব্যবহৃত হয়। 
- টেলিভিশনে দ্বিমুখী যোগাযোগ নেই। 
- স্মার্টফোন নিজেই কম্পিউটারের ক্ষুদ্র সংস্করণ। 
১১,৭৪৪.
SFTP এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Secure File Transfer Protocol 
  2. Simple File Transfer Protocol
  3. Standard File Transport Protocol
  4. System File Transfer Process
ব্যাখ্যা

• SFTP এর পূর্ণরূপ হলো Secure File Transfer Protocol. এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা ইন্টারনেট বা অন্য কোনো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিরাপদভাবে ফাইল স্থানান্তরের সুযোগ দেয়। SFTP ব্যবহার করে ফাইল আপলোড, ডাউনলোড এবং রিমোট সার্ভারে ফাইল ম্যানেজমেন্ট করা যায়, এবং সব ডেটা এনক্রিপ্টেড থাকে, যার ফলে তথ্য চুরি বা হ্যাকিং থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। এটি মূলত SSH (Secure Shell) প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং পাসওয়ার্ডসহ সমস্ত তথ্য এনক্রিপ্ট করে পাঠায়। SFTP সাধারণ FTP এর তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ, তাই এটি ব্যাংকিং, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

- সঠিক উত্তর: ক) Secure File Transfer Protocol.

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
 
• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.
- POP3 প্রোটোকলের মূল কাজ হলো সার্ভার থেকে ইমেইলগুলো ডিভাইসে ডাউনলোড করে নেওয়া এবং সাধারণত ডাউনলোড করার পর সার্ভার থেকে সেগুলোকে মুছে ফেলা।
- এই প্রোটোকলের একটি বড় সুবিধা হলো, একবার ইমেইল ডাউনলোড হয়ে গেলে অফলাইনেও তা পড়া যায়।

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- SMTP হলো ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর কাজ করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়েব ব্রাউজারে ওয়েব পেজ দেখার জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি ওয়েব সার্ভার থেকে ডেটা (যেমন- HTML, ছবি, ভিডিও) পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়।

• SFTP:
- SFTP (SSH File Transfer Protocol) হলো একটি নিরাপদ ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল।
- এটি SSH (Secure Shell) প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইমেইলের জন্য নয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১১,৭৪৫.
(1101)2  কে ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন - 
  1. ক) (11)10
  2. খ) (12)10
  3. গ) (16)10
  4. ঘ) (13)10
ব্যাখ্যা
(1101)2 - কে ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর- 

সমাধান :
= (1×1 এর স্থানীয় মান) + (1×1 এর স্থানীয় মান) + (0×0 এর স্থানীয় মান) + (1×1 এর স্থানীয় মান)
= 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 2 + 1 × 2°
= 1× 8 + 1 × 4+0×2 + 1×1
=8+4+0+1
= 13

(1101) = (13)10

সূত্র: ৯৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।    
১১,৭৪৬.
নিচের কোনটি ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মের উদাহরণ নয়?
  1. Coursera
  2. edX
  3. Khan Academy
  4. Alibaba
ব্যাখ্যা

• Alibaba — আন্তর্জাতিক অনলাইন বাণিজ্য প্ল্যাটফর্ম।

• ই-লার্নিং (E-learning):
- ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক লার্নিং (Electronic Learning)–এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেট ও কম্পিউটার ব্যবহার করে শেখার পদ্ধতি–কেই ই-লার্নিং বলা হয়।
 
• ই-লার্নিংয়ের মূল বৈশিষ্ট্য:
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস করা বা নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞানার্জন করা যায়।
- যেকোনো জায়গা ও সুবিধাজনক সময়ে শেখার সুযোগ থাকে।
- ধারাবাঁধা সময়সূচির বাধ্যবাধকতা কম থাকায় স্ব-গতিতে শেখা সম্ভব।
 
• প্রযুক্তি ও ই-লার্নিং:
- ইন্টারনেট ও কম্পিউটার প্রযুক্তির উন্নতির ফলে শিক্ষা ব্যবস্থা আরও সহজ ও বিস্তৃত হয়েছে।
- জ্ঞানার্জন এখন আর শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
 
• বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ই-লার্নিংয়ের গুরুত্ব:
- শিক্ষার্থী সংখ্যার তুলনায় দক্ষ শিক্ষকের স্বল্পতা রয়েছে।
- শিক্ষা উপকরণ ও ল্যাবরেটরি সুবিধা সীমিত।
- অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক এলাকায় মানসম্মত শিক্ষা পৌঁছানো কঠিন।
- এসব সমস্যা সমাধানে ই-লার্নিং কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
 
• ই-লার্নিংয়ের ব্যবহারিক সুবিধা:
- একজন দক্ষ শিক্ষকের পাঠদান ভিডিও আকারে বহু শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো যায়।
- একই শিক্ষাসামগ্রী বারবার ব্যবহার করা সম্ভব।
- অর্থনৈতিক বা পারিপার্শ্বিক কারণে যারা নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে না, তারা ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।
 
• অনলাইন কোর্স ও বিশ্বব্যাপী প্রবণতা:
- বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন কোর্স উন্মুক্ত করেছে।
- শিক্ষার্থীরা অনলাইনে কোর্স করে অ্যাসাইনমেন্ট ও পরীক্ষা দিয়ে কোর্স সম্পন্ন করতে পারে।
 
• ই-লার্নিং এর উদাহরণ:
- Coursera,
- EdX,
- Khan Academy,
- Alison,
- মুক্তপাঠ,
- শিক্ষক ডট কম,
- জাগো অনলাইন স্কুল,
- টেন মিনিট স্কুল।
 
উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭৪৭.
Which function key is used to open the Help menu in most software applications?
  1. F1
  2. F3
  3. F7
  4. F10
ব্যাখ্যা

• অধিকাংশ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনে Help মেনু দ্রুত চালু করার জন্য কিবোর্ডের F1 Function Key ব্যবহৃত হয়।

• ফাংশন কী (Function Key):
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত কিবোর্ডের উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট ১২টি Function Key থাকে।
- প্রতিটি ফাংশন কী নির্দিষ্ট শর্টকাট কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

• F1–F12 ফাংশন কী-এর ব্যবহার:
- F1 → সাধারণত Help মেনু চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F2 → নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F3 → দ্রুত Search বা খোঁজার অপশন চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F4 → Alt + F4 চাপলে বর্তমান সক্রিয় উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 → ব্রাউজার বা ডেস্কটপ Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 → ব্রাউজারের Address Bar সিলেক্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- F7 → Microsoft Word-এ Spelling ও Grammar Check চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 → Windows চালুর সময় Safe Mode চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 → QuarkXPress-এর Measurement Toolbar চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 → Menu Bar চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F11 → Full Screen Mode চালু বা বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়।
- F12 → ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি টাইপিং পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- F3 → দ্রুত Search বা খোঁজার অপশন চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F7 → Microsoft Word-এ Spelling ও Grammar Check চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F10 → অধিকাংশ সফটওয়্যারে Menu Bar সক্রিয় করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মাইক্রোসফট এবং ব্রিটানিকা।

১১,৭৪৮.
নিচের কোনটি বাংলা লেখার ফন্ট?
  1. ক) Corsiva
  2. খ) Sutonny
  3. গ) Tahoma
  4. ঘ) Cosmic
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ড প্রসেসরে লেখালেখি করার জন্য বিভিন্ন স্টাইলের অক্ষর আছে, এদেরকে ফন্ট বলে।
- ইংরেজিতে লেখার কিছু ফন্ট -Times New Roman, Arial, Monotype, Corsiva, Optima, Cosmic, Tahoma ইত্যাদি।
- আবার বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ফন্টগুলাের মধ্যে রয়েছে আদর্শলিপি, সুলেখা, সারদা, আনন্দ, সুশ্রী, মেঘনা, চন্দ্রবর্তী, সুতন্নী, যমুনা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,৭৪৯.
In which unit is bandwidth commonly measured?
  1. Byte
  2. Hertz (Hz)
  3. Bit per second (bps)
  4. Meter per second
ব্যাখ্যা

• Bandwidth সাধারণত Bit per Second (bps) এককে পরিমাপ করা হয়, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কত বিট ডেটা ট্রান্সমিট হচ্ছে তা দিয়ে ব্যান্ডউইথ নির্ধারণ করা হয়।

• ব্যান্ডউইথ (Bandwidth):
- এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ব্যান্ডউইথ বলা হয়।
- একে Data Transmission Speed বা Band Speed নামেও উল্লেখ করা হয়।
 
• ব্যান্ডউইথের একক (Unit of Bandwidth):
- ব্যান্ডউইথ সাধারণত Bit per Second (bps) এককে হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ bit ট্রান্সমিট করা হয়, সেটিই bps দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
 
• ডেটা ট্রান্সফার গতিভিত্তিক কমিউনিকেশন ব্যান্ড:
- ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন ব্যান্ডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
- Narrowband → ফ্রিকুয়েন্সি 300–3400 Hz.
- Voice band → ফ্রিকুয়েন্সি 200–3600 Hz.
- Broadband → ফ্রিকুয়েন্সি 1 MHz–300 GHz.
 
• অন্যান্য অপশন:
- Byte → ডেটা সংরক্ষণের একক, ব্যান্ডউইথের একক নয়।
- Hertz (Hz) → ফ্রিকুয়েন্সির একক, ব্যান্ডউইথ পরিমাপে ব্যবহৃত নয়।
- Meter per second → গতির ভৌত একক, ডেটা ট্রান্সমিশনের একক নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,৭৫০.
IPv6 ঠিকানার দৈর্ঘ্য কত বিট?
  1. ৩২ বিট
  2. ৬৪ বিট
  3. ১২৮ বিট
  4. ২৫৬ বিট
ব্যাখ্যা

• IPv6 একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল সংস্করণ যা IPv4 এর সীমাবদ্ধতা দূর করতে তৈরি করা হয়েছে। IPv4 ঠিকানার মাত্রা ৩২ বিট, যা ভবিষ্যতে ঠিকানার ঘাটতির সমস্যা তৈরি করেছিল। IPv6 ঠিকানার মাপ ১২৮ বিট, যা প্রচুর সংখ্যক অনন্য ঠিকানা প্রদান করতে সক্ষম। এই বড় ঠিকানা স্পেস ইন্টারনেটে আরও বেশি ডিভাইস সংযোগের সুবিধা দেয় এবং আইওটি (IoT) ডিভাইসের বিস্তৃত ব্যবহারের জন্যও উপযুক্ত। এছাড়া, IPv6 নিরাপত্তা এবং ডেটা ট্রান্সমিশনে উন্নত ফিচার সমর্থন করে। তাই IPv6 ১২৮ বিটের ঠিকানা ব্যবহার করে ইন্টারনেটকে আরও স্থিতিশীল ও নিরাপদ করে তোলে।

- সঠিক উত্তর: ক) ১২৮ বিট।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.

• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
1. IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

2. IPv6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,৭৫১.
কোন প্রযুক্তি ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করে?
  1. PDMA
  2. FDMA
  3. TDMA
  4. HDMA
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ট্রান্সমিটার থেকে সিগনালসমূহকে পৃথক করার জন্য FDMA ( Frequency Division Multiple Access) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছিলো৷
TDMA, PDMA এ এক সেল থেকে অন্য সেলে সিগনাল আলাদা করা যায় না, কারণ অবস্থান পরিবর্তনের সাথে উভয়েরই ফলাফল পরিবর্তিত হয়৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১১,৭৫২.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ? 
  1. মনিটর
  2. প্রজেক্টর
  3. জয়স্টিক
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস: 
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো - 
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder ইত্যাদি। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৫৩.
নিচের কোনটি দ্বারা অ্যাসেম্বলারের আউটপুট নির্দেশ করে?
  1. Program file
  2. Task File
  3. Data File
  4. Object file
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস (Source) প্রোগ্রামকে বস্তু (Object) প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফট্ওয়্যারের প্রয়োজন তাকে বলে অনুবাদক।
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষা বুঝতে পারে বলে অন্য ভাষায় লেখা উৎস প্রোগ্রামকে মেশিনভাষায় অনুবাদ না করে নিলে কম্পিউটার তা কার্যকরী করতে পারে না।
- অনুবাদক সফট্ওয়্যার তিন ধরনের। যথা
১। কম্পাইলার,
২। ইন্টারপ্রেটার ও
৩। অ্যাসেম্বলার।

• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিন ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।
- এ ভাষার প্রত্যেকটি নির্দেশকে অ্যাসেম্বলার মেশিন ভাষার একটি নির্দেশে পরিণত করে।
- ভুল সংশোধনের পর এ ভাষা পুনরায় প্রথম নির্দেশ থেকে অনুবাদের কাজ শুরু করে।
- অবজেক্ট ফাইলে অবজেক্ট কোড থাকে, যা একটি অ্যাসেম্বলারের আউটপুট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. University of California.
১১,৭৫৪.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. অপারেটিং সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করতে
  2. অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে
  3. ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণে
  4. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার তৈরি করতে
ব্যাখ্যা
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়‍্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৫৫.
দুটি ব্লুটুথ ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সংযোগ করার পদ্ধতিটিকে কী বলা হয়?
  1. ডিবাগিং
  2. লিঙ্কিং
  3. প্যায়ারিং
  4. বন্ডিং
ব্যাখ্যা

• দুটি ব্লুটুথ ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সংযোগ করার প্রক্রিয়াকে প্যায়ারিং (Pairing) বলা হয়। যখন দুটি ডিভাইস প্রথমবার একে অপরকে চিনে নেয়, তখন তারা এক ধরনের নিরাপদ চ্যানেল তৈরি করে ডেটা আদানপ্রদান করতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি পাসকোড বা পিন ব্যবহার করা হয়, যা নিশ্চিত করে যে সংযোগটি অনুমোদিত এবং নিরাপদ। একবার প্যায়ারিং সম্পন্ন হলে, ডিভাইসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভবিষ্যতে সংযুক্ত হতে পারে, ফলে বারবার অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। প্যায়ারিং ব্লুটুথ ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য, ফাইল বা অডিও ট্রান্সমিশনের জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) প্যায়ারিং।
 
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭৫৬.
কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে কয়টি অংশ থাকে?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে প্রধানত ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. ইনপুট হার্ডওয়্যার (Input Hardware)
২. প্রসেসিং হার্ডওয়্যার (Processing Hardware)
৩. স্টোরেজ হার্ডওয়্যার (Storage Hardware)
৪. আউটপুট হার্ডওয়‍্যার (Output Hardware)
৫. কমিউনিকেশন হার্ডওয়‍্যার (Communication Hardware).
১১,৭৫৭.
(১১১০০) কে (১০০) দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল কত হবে?
  1. ক) (১০১)
  2. খ) (১১০)
  3. গ) (১১১)
  4. ঘ) (১০০)
১১,৭৫৮.
ভিডিও কলের সুবিধা শুরু হয় মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম থেকে ভিডিও কলের ব্যাবহার শুরু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
১১,৭৫৯.
'টাইপিং কীস্ট্রোক' কোন ধরনের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি?
  1. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি
  2. প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের পদ্ধতি
  3. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রিক শব্দ 'metric' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা-
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint),
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry),
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition),
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)।

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification),
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,৭৬০.
এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. Plain text
  2. Cipher text
  3. Cryptography
  4. Decrypted text
ব্যাখ্যা

এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে সাইফার টেক্সট বলা হয়।

​• ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)

- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- যেসব অনুমোদিত ব্যক্তির কাছে এই ডেটা পড়ার কী রয়েছে, কেবল তারাই এটি পড়তে পারবেন।
- এটি হলো কোনো তথ্যে অবাঞ্ছিত প্রবেশ থেকে রক্ষা পাবার জন্য এনকোডিং-এর প্রক্রিয়া।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিন্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plain text) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Cipher text)। 
​- এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

১১,৭৬১.
একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করলে তাকে কী বলে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. সেকেন্ডারি কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ফরেন কী
ব্যাখ্যা
 কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়।
যথা-
. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৭৬২.
কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে কি বলে?
  1. ফ্লিপ ফ্লপ
  2. কাউন্টার নাম্বার
  3. মোড নাম্বার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।
- কাউন্টারের ব্যবহার
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
১। ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
২। টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
৩। ডিজিটাল ঘড়িতে
8। ডিজিটাল কম্পিউটারে
৫। অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৬৩.
ROM কোন ধরনের স্মৃতি?
  1. ক) স্থায়ী
  2. খ) অস্থায়ী
  3. গ) র‍্যানডম
  4. ঘ) সহায়ক
ব্যাখ্যা

রম (ROM):

রম হচ্ছে কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র। কম্পিউটার রম থেকে কেবলমাত্র তথ্য পড়তে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে।
রমের স্মৃতিতে সংরক্ষিত কোন তথ্য কম্পিউটার মুছে ফেলতে পারে না বা পরিবর্তন করতে পারে না।
এজন্য রমকে কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
কম্পিউটারের রম যত বেশি হবে কম্পিউটার তত কঠিন কার্যপ্রক্রিয়া অতি দ্রুত সম্পাদন করতে পারবে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,৭৬৪.
কোনো নেটওয়ার্কে সুইচের তুলনায় হাব ব্যবহার করার প্রধান অসুবিধা কোনটি?
  1. হাব অপেক্ষাকৃত ধীর গতিতে ডেটা স্থানান্তর করে।
  2. হাব একাধিক ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারে না।
  3. হাব তুলনামূলক ব্যয়বহুল
  4. হাব অধিকতর নিরাপত্তা প্রদান করে।
ব্যাখ্যা
হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়। ফলে সময় বেশী লাগে। 

সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই।
- তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়। ফলে সুইচ দ্বারা সিগন্যাল প্রেরণে সময় কম লাগে। 
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১১,৭৬৫.
সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. মাইক্রোসফট
  2. ইন্টেল
  3. অ্যাপল
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কোম্পানি ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করে।
- IC (Integrated Circuit) এবং LSI (Large Scale Integration) বর্তনীর সাহায্যে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে কম্পিউটারের বহুমূখী ব্যবহার এবং পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরি শুরু হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- Intel 4004 ছিল বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৬৬.
ডেস্কটপ হলো -
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. মিনি কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রো কম্পিউটার: 
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ ক্ষুদ্র। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে কম্পিউটার গঠিত হয় তাকে মাইক্রো কম্পিউটার বলে। 
- মাইক্রো কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে PC বলা হয়। 
- মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন রকমের মাইক্রো কম্পিউটার বাজারে এসেছে।
যেমন -
১. পামটপ কম্পিউটার, 
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার, 
৩. নোটবুক কম্পিউটার, 
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার। 
- Tablet PC, Phablet, Smartphone ইত্যাদি ও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত। 
-  ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে। 
- অতিমাত্রায় তাপমাত্রা ওঠানামা করলে মাইক্রোকম্পিউটারের কিছু সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। তাই কম্পিউটার সূর্যালোক, উত্তপ্ত বা খুব বেশি ঠান্ডা স্থানে রাখা বিপদজনক। 
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম টেম্পারেচার ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট, এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৬৭.
কোন ডেটা ট্রান্সমিশনকে স্টার্ট/স্টপ ট্রান্সমিশন বলা হয়?
  1. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission):
যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকের কাছে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে এসিনক্রোনা ট্রান্সমিশন বলে।

এই ডেটা ট্রান্সমিশনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো
১। প্রেরক যে কোন সময় ডেটা ট্রান্সমিট করতে পারবে এবং গ্রাহকও তা গ্রহণ করবে। 
২.  একটি ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হবার পর আরেকটি ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট করার মাঝখানের বিরতি সবসময় সমান না হয়ে ভিন্ন ভিন্নও হতে পারে।
৩। প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট এবং শেষে একটি অথবা দু'টি স্টপ বিট ট্রান্সমিট করা হয়।

এ ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশনকে স্টার্ট/স্টপ ট্রান্সমিশনও বলা হয়।
সাধারণত যখন কোন CPU এর সাথে এক বা একাধিক টার্মিনাল (কী-বোর্ড অথবা কী-বোর্ড ও মনিটর) সংযুক্ত করা হয় তখন Terminal থেকে CPU পর্যন্ত এ ধরনের অর্থাৎ এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি
১১,৭৬৮.
বাইনারিতে 111000101 থেকে 101011101 বিয়োগ করলে কত হবে?
  1. ক) 001101000
  2. খ) 101100010
  3. গ) 000101110
  4. ঘ) 001101010
১১,৭৬৯.
MICR প্রিন্টিং-এ কোন ধরনের ইঙ্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. পানি ভিত্তিক ইঙ্ক
  2. ইউভি ইঙ্ক
  3. তেলভিত্তিক ইঙ্ক
  4. চৌম্বকীয় ইঙ্ক
ব্যাখ্যা
• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রিন্টিং-এ বিশেষ ধরনের চৌম্বকীয় ইঙ্ক ব্যবহৃত হয়। এই ইঙ্কে লৌহজাত চৌম্বকীয় পদার্থ মেশানো থাকে, যা সাধারণ স্ক্যানার নয় বরং চৌম্বকীয় রিডারের মাধ্যমে পড়া যায়। ব্যাংক চেক, ড্রাফট ইত্যাদির ক্ষেত্রে MICR প্রিন্টিং ব্যবহৃত হয় যাতে প্রতারণা রোধ করা যায় এবং দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব হয়। সাধারণ পানি ভিত্তিক, ইউভি বা তেলভিত্তিক ইঙ্ক দিয়ে এমন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) চৌম্বকীয় ইঙ্ক, যা আর্থিক নথিপত্রের জন্য নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা প্রদান করে।

• MICR:
- MICR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition/ Reader.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
১১,৭৭০.
কোন টপোলজিতে কয়েকটি টপোলজির সংমিশ্রণ হয়?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. হাইব্রিড টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। 
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। 
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে। 
- নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হচ্ছে- 
১। বাস টপোলজি (Bus Topology): 
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। 
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। 
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)। 
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। 
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। 
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। 

২। হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): 
- এ ধরনের টপোলজিতে কয়েক প্রকার টপোলজির সংমিশ্রণ দেখা যায় তাই একে হাইব্রিড টপোলজি বলে। 
- সব ধরনের সংগঠনে কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। এ জন্য হাইব্রিড টপোলজি কয়েক ধরনের টপোলজির সমন্বয়ে তৈরি হয়। 

৩। স্টার টপোলজি (Star Topology): 
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে। কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ। 
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ। 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়। এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়। 

৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topolopy): 
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে। বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে। 
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে। আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে। মূল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৭১.
কমপিউটারের কী বোর্ড F5  কী কাজে ব্যবহত হয়?
  1. প্রোগ্রাম বন্ধ করা
  2. পেইজ রিফ্রেশ
  3. ভুল বের করা
  4. ফুলস্ক্রিন দেখা
ব্যাখ্যা
→ কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১১,৭৭২.
প্রথম উদ্ভাবিত মাইক্রোপ্রসেসরের নাম হলো-
  1. Intel 4004
  2. Intel 4040
  3. Intel 8008
  4. Intel 8080
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৭৩.
আইপির কোন সংস্করণে ১২৮‑বিট ঠিকানা থাকে?
  1. IPv1 
  2. IPv4
  3. IPv5
  4. IPv6
ব্যাখ্যা

• আইপি (Internet Protocol) হলো ইন্টারনেটে ডিভাইসগুলোর ঠিকানা নির্ধারণের একটি প্রোটোকল। বিভিন্ন সংস্করণে ঠিকানার দৈর্ঘ্য ভিন্ন। IPv4 সবচেয়ে প্রচলিত সংস্করণ হলেও এতে ৩২-বিট ঠিকানা ব্যবহৃত হয়, যা সীমিত ঠিকানা সরবরাহ করে। IPv5 মূলত একটি এক্সপেরিমেন্টাল প্রোটোকল হিসেবে তৈরি হয়েছিল, এটি কোন সাধারণ ব্যবহার্য ঠিকানা দেয়নি। IPv6 হলো সর্বশেষ ও উন্নত সংস্করণ, যা ১২৮-বিট ঠিকানা ব্যবহার করে। ১২৮-বিট ঠিকানা ব্যবহারের ফলে অত্যন্ত বড় ঠিকানা পরিসর পাওয়া যায়, যার মাধ্যমে ইন্টারনেটে সম্ভাব্য ডিভাইসের সংখ্যা অসীমের কাছাকাছি বৃদ্ধি পায়।
- তাই, ১২৮-বিট ঠিকানা রয়েছে IPv6-তে।

সঠিক উত্তর: ঘ) IPv6

• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা, 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭৭৪.
ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার জনপ্রিয় নতুন একটি মডেল হচ্ছে-
  1. ক) BaaS
  2. খ) CaaS
  3. গ) SECaaS
  4. ঘ) MEaas
ব্যাখ্যা
সার্ভিস মডেল অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের শ্রেণিবিভাগ:
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে (তিন) ভাগে ভাগ করা যায়-

- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS)
- প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS)
- সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS)

• এছাড়া আরও একটি ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা ইদানিং বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে, সেটি হলো সিকিউরিটি সেবা (Security as a service- SECaaS)।

• সিকিউরিটি সেবা (Security as a service- SECaaS): এটি একটি ব্যবসায়িক মডেল যা কোন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তুলনামূলক কম অর্থের বিনিময়ে কর্পোরেট অবকাঠামো হিসাবে কোন বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের নিরাপদ তথ্য সেবা প্রদান করে। এই ধরনের সেবার মধ্যে এন্টিভাইরাস, এন্টি-ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার, অনধিকার প্রবেশকারী ঠেকানো ইত্যাদি অন্তর্ভূক্ত থাকে। এই সেবায় মাধ্যমে নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারী নিরাপদ আন্তঃক্লাউড নেটওয়ার্ক যোগাযোগ সবিধা গ্রহণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১১,৭৭৫.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে A + AB + BC + 1 = কত?
  1. ক) A
  2. খ) 0
  3. গ) C
  4. ঘ) 1
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে: 
A + 1 = 1
A . 1 = A

অর্থাৎ, যেকোন সিগনালের সাথে 1 যোগ করলে আউটপুট সবসময় 1 হয় এবং যেকোন সিগনালের
সাথে 1 গুণ করলে ঐ সংখ্যাটি পাওয়া যায়।

∴ A + AB + BC + 1 = 1
১১,৭৭৬.
বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে কোন মেমোরি থেকে তথ্য চলে যায়?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) SSD
  4. ঘ) Flash memory
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• র‍্যাম (RAM) এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৭৭.
একটি কোম্পানির ওয়েব অ্যাপে হঠাৎ ট্রাফিক বৃদ্ধি ঘটে। কোন ক্লাউড ফিচার নিশ্চিত করে যে অ্যাপ ক্র্যাশ হবে না?
  1. Elasticity 
  2. Multi-tenancy
  3. Cloud bursting
  4. Virtualization
ব্যাখ্যা

• একটি কোম্পানির ওয়েব অ্যাপে হঠাৎ ট্রাফিক বেড়ে গেলে যে ক্লাউড ফিচারটি নিশ্চিত করে অ্যাপ ক্র্যাশ হবে না, তা হলো Elasticity. Elasticity বলতে ক্লাউড সিস্টেমের সেই ক্ষমতাকে বোঝায়, যেখানে চাহিদা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স (যেমন সার্ভার, CPU, RAM) বাড়ানো বা কমানো যায়। ট্রাফিক হঠাৎ বেড়ে গেলে ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম অতিরিক্ত রিসোর্স যুক্ত করে লোড সামলাতে পারে, ফলে অ্যাপের পারফরম্যান্স ঠিক থাকে এবং ব্যবহারকারীরা নির্বিঘ্নে সেবা পায়। অন্যদিকে Multi-tenancy, Cloud bursting বা Virtualization এই পরিস্থিতিতে সরাসরি অ্যাপ ক্র্যাশ প্রতিরোধের মূল ভূমিকা পালন করে না।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১১,৭৭৮.
কী- বোর্ডে Esc কী কাজ করে?
  1. কমান্ড বাতিল করা
  2. Undo করা
  3. Redo করা
  4. Document save করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) কমান্ড বাতিল করা।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Esc : Cancel a command.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

১১,৭৭৯.
Firewall এর কাজ হলো—
  1. কম্পিউটারে ক্ষতিকর সফটওয়্যার (ম্যালওয়্যার) তৈরি করা
  2. প্রসেসরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা
  3. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ও গ্রাফিক্স তৈরি করা
  4. অননুমোদিত ট্রাফিক নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া
ব্যাখ্যা

◉ Firewall হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Hardware/Software) যা নেটওয়ার্কে আসা-যাওয়া করা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি মূলত একটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেম যা অননুমোদিত অ্যাক্সেস এবং সাইবার হুমকি থেকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে রক্ষা

ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭৮০.
Which type of software is used for creating and editing text documents?
  1. ক) Spreadsheet software
  2. খ) Database software
  3. গ) Word processing software
  4. ঘ) Graphic design software
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের সাহার্যে লেখালেখি, সম্পাদনা ও অন্যান্য কাজ করে প্রয়োজনানুযায়ী সুসজ্জিত করে কাগজে ছাপানোর প্রক্রিয়াকে ওয়ার্ড প্রসেসিং বলে। যে সব সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মাধ্যমে এ ক্রিয়াকরণের কাজ করা হয় তাদের ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রাম বলা হয়।

বাজারে বিভিন্ন ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম প্রচলিত আছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলোঃ
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
- ওয়ার্ড স্টার
- ওয়ার্ড পারফেক্ট
- ওয়ার্ড প্যাড
- নোটপ্যাড
- ডিসপ্লে রাইটার ইত্যাদি।

[সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২ (ভোকেশনাল)]
১১,৭৮১.
মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. বায়োইনফরমেটিক্স
  3. ক্রায়োসার্জারি
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) বায়োমেট্রিক্স 

• ​বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
​- বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি

• বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ধরণ-
• Unimodal system: 
​- একটি ইউনিমোডাল বায়োমেট্রিক সিস্টেম একটি একক বায়োমেট্রিক মার্কার থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা ক্যাপচার এবং বিশ্লেষণ করে। 
- ​উদাহরণস্বরূপ, একটি রেটিনা স্ক্যান। 
- এই সিস্টেমগুলি কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে বা কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Multimodal system: 
​- একাধিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন)।
​​
​উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,৭৮২.
Which of the following is a Spreadsheet package?
  1. WordStar
  2. Oracle
  3. FoxPro
  4. Quattro Pro
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Quattro Pro

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word, WordNote.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,৭৮৩.
ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার কি ধরণের সফটওয়্যার?
  1. ব্যবহারকারী লিখিত প্রােগ্রাম
  2. প্যাকেজ প্রােগ্রাম
  3. এপ্লিকেশন ডেভেলপার প্রােগ্রাম
  4. অনুবাদক প্রােগ্রাম
ব্যাখ্যা

প্যাকেজ প্রােগ্রাম: ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানাের জন্য বেশ কিছু প্রােগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রােগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রােগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রােগ্রামকে প্যাকেজ প্রােগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রােগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলাে। যেমন
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার।
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার।
৭। ইউটিলিটিস সফটওয়্যার।
৮। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১১,৭৮৪.
চিকিৎসা ক্ষেত্রে যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তার নাম-
  1. ক) SPSS
  2. খ) Database
  3. গ) Mycin
  4. ঘ) Auto Cad
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানে কম্পিউটার ব্যাপক ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- বিভিন্ন রোগের লক্ষণ এবং রোগ ভেদে রক্ত, মল, মূত্র ইত্যাদি উপাদানের সম্বন্ধে তথ্য কম্পিউটারে সঞ্চিত থাকে।
- যখন একজন রোগীর লক্ষণ, রক্ত, মল, মূত্র ইত্যাদি পরীক্ষার ফলাফল কম্পিউটারে দেয়া হয় তখন কম্পিউটার সঞ্চিত তথ্যের সাথে ইনপুট করা তথ্যের তুলনা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করে।
- এমনকি বর্তমানে রোগ নির্ণয় করে সঠিক ঔষধও নির্বাচন করে দিতে পারে কম্পিউটার।
- এই রোগ নির্ণয় এবং প্রেসক্রিপশন করার জন্য মাইসিন (Mycin) নামক একটি সফটওয়্যার আছে।
- এই সফটওয়্যারের সাহায্যে কম্পিউটার এসব কাজ করে থাকে।
- রোগ নির্ণয়ের মূল বিষয়, রক্ত, মল, মূত্র ইত্যাদির বিশ্লেষণও কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।


উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,৭৮৫.
রাউটার নিচের কোন কাজটি করে?
  1. বিভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করে।
  2. একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করে।
  3. একই সাথে মডুলেশন ও ডিমডুলেশন করে থাকে।
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
রাউটার একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে। কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
মডুলেটর ও ডি-মডুলেটর নিয়ে মডেম গঠিত। মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন। ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১১,৭৮৬.
মেইনফ্রেম কম্পিউটারের আকার ও ক্ষমতা সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটি সুপার কম্পিউটারের চেয়ে বড়
  2. এটি মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে ছোট
  3. এটি কোনো নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারে না
  4. এটি মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার, এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- যে কম্পিউটার মিনি ও মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে বড় এবং সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তাকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে।
- এতে অনেকগুলো কম্পিউটার যুক্ত থাকে এবং এক সঙ্গে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে।
- একসাথে অনেক বেশি তথ্য ও ট্রানজ্যাকশন রিয়েল-টাইমে প্রসেস করতে পারে।
- বছরের পর বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে চলার ক্ষমতা রাখে, যা ক্রিটিকাল অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাংকিং ট্রানজ্যাকশন, এয়ারলাইন রিজার্ভেশন, শুমারি, এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের সম্পদ পরিকল্পনায় (ERP) প্রধানত ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত একটি কেন্দ্রীয়, নিরাপদ রুমে থাকে এবং ব্যবহারকারীরা 'ডাম্ব টার্মিনাল' (Dumb Terminal) এর মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে কাজ করে।
- উদাহরণ: IBM-এর zSeries বা z/Architecture মেইনফ্রেম কম্পিউটার ১ উল্লেখযোগ্য, যা মূলত বড় ব্যবসার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Sciencedirect [Link]

১১,৭৮৭.
Bing ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনটি কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. গুগল
  2. আইবিএম
  3. মাইক্রোসফট
  4. ইয়াহু
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,৭৮৮.
DDL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Description Language
  2. Data Distribution Language
  3. Data Development Language
  4. Data Definition Language
ব্যাখ্যা
• DDL এর পূর্ণরূপ হলো Data Definition Language.

• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য সংরক্ষণ ও তথ্য অ্যাক্সেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য যোগ (ইনসার্ট), মুছে ফেলা (ডিলিট), আপডেট এবং পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য DML ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৮৯.
যে রেকর্ডটি একটি ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য বা তথ্য বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়, তাকে কী বলে?
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি
  3. ফিল্ড
  4. ভ্যালু
ব্যাখ্যা
এনটিটি (Entity):
- কোনো ডেটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডেটার এনটিটি। যেমন: একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়।



এট্রিবিউট (Attribute):
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোনো এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে।
- অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে। 

ভ্যালু (Value):
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু। 

ফিল্ড:
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৯০.
ভোলাটাইল মেমরির উদাহরণ কোনটি?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. চৌম্বক কোর মেমরি
  4. চৌম্বক টেপ
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল বা উদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- RAM

• নন-ভোলাটাইল মেমরি বা অনুদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে অনুদ্বায়ী স্মৃতি বা নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- ROM।

• ধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি কোনো মেমরি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় তাহলে তাকে ধ্বংসাত্মক মেমরি বলা হয়। যেমন- চৌম্বক কোর মেমরি।

• অধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে না যায় তাহলে তাকে অধ্বংসাত্মক মেমরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৯১.
আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান করার জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়? 
  1. ক) রোবোটিক্স
  2. খ) বায়োমেট্রিক্স
  3. গ) ক্রায়োসার্জারি
  4. ঘ) বায়োজেনিক
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ 'metron' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।

দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১১,৭৯২.
মাইক্রোপ্রসেসরের কোন অংশটি ডাটা প্রসেসিং -এ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Control Unit
  2. খ) Register Array
  3. গ) Accumulator
  4. ঘ) ALU
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসরের ALU ( Arithmetic Logic Unit ) অংশটি ডাটা প্রসেসিং এ ব্যবহৃত হয়। ALU কে কম্পিউটারের গণনা শাখা বলা হয়। মূলত কম্পিউটারের প্রসেসর নামে একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ থাকে, যার একটি অংশ ALU ।
১১,৭৯৩.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. মনিটর
  2. প্রজেক্টর
  3. হেডফোন
  4. মাইক্রোফোন
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোফোন এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: কী-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- উদাহরণ: পেনড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৯৪.
ভৌগলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান বই অনুসারে -
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ
১. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN),
২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN),
৩. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) এবং
৪. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)।

=======================

অপরদিকে, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির আলিম শ্রেণীর বোর্ড বইয়ে -
নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর ভৌগোলিক অবস্থানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত
ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক (Campus Area Network-CAN)কে অন্তর্ভুক্ত করে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 

অবশ্য বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইটে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করে দেখানো হয়েছে, সেখানে ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক (Campus Area Network-CAN)কে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, CAN মূলত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) ব্যবহার করে গড়ে উঠেছে। অর্থাৎ, একে LAN এর অন্তর্ভুক্ত ধরা যায়। 

তাই, কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত চার ভাগেই ভাগ করা যায়। যথা- LAN, MAN, WAN, PAN.
এই কারণে, চার ভাগকে অধিক নির্ভরযোগ্য উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।

সূত্র: University of Toronto; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৭৯৫.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি সম্ভব হয়েছিল?
  1. BIOS প্রযুক্তি
  2. LSI প্রযুক্তি
  3. VLST প্রযুক্তি
  4. CMOS প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি সম্ভব হয়েছিল। 

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
১১,৭৯৬.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে Hypervisor মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. সার্ভারের ট্র্যাফিক সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া
  2. নেটওয়ার্ক সংযোগের গতি বাড়ানো
  3. একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি ও পরিচালনা করা
  4. কানেকশন লোড ব্যালেন্সিং
ব্যাখ্যা

Hypervisor হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার যা একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন (VM) তৈরি ও পরিচালনা করে। এটি একটি ফিজিক্যাল সার্ভারের হার্ডওয়্যার রিসোর্স যেমন CPU, RAM, Storage ইত্যাদি ভাগ করে বিভিন্ন ভার্চুয়াল মেশিনকে ব্যবহার করতে দেয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Amazon Web Services ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১১,৭৯৭.
প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. C
  2. Fortran
  3. Ruby
  4. PHP
ব্যাখ্যা
• ফোরট্রান (FORTRAN):
- FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- FORTRAN হলো বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি এটি তৈরি করেন।

• ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে:
- ফোরট্রান I,
- ফোরট্রান II,
- ফোরট্রান iv,
- ফোরট্রান ৭৭,
- ফোরট্রান ৯০। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১১,৭৯৮.
নিচের কোনটি ডাটা ট্রান্সমিশনের সবচেয়ে বড় একক?
  1. পেটাবাইট
  2. কিলােবাইট
  3. গিগাবাইট
  4. টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১১,৭৯৯.
বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার কোনটি?
  1. ক) গুগল কিবোর্ড
  2. খ) বিজয় কিবোর্ড
  3. গ) অভ্র কিবোর্ড
  4. ঘ) বিজয় বায়ান্ন
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১১,৮০০.
যৌগিক গেইটের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) X-NOR
  2. খ) NOT
  3. গ) AND
  4. ঘ) OR
ব্যাখ্যা

X-NOR একটি যৌগিক গেইট, কারণ এক বা, একাধিক মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে ইহা তৈরি হয়।

X-NOR সহ অন্যান্য যৌগিক গেইটগুলো হল:
১. NAND-Gate: AND গেইটের ও NOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি।
২. NOR-Gate: OR গেইটের ও NOT গেইটের সমন্বয়ে তৈরি।
৩. X-OR Gate: অর, অ্যান্ড কিংবা নট গেইট দিয়ে এ গেইট তৈরি করা যায়।
৪. X-NOR Gate: এক্স-অর গেইটের সাথে NOT গেইট মিলিয়ে তৈরি করা হয়।
অপরদিকে, মৌলিক গেইটগুলো এককভাবে গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন করতে পারে। তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলো হল-
১. OR Gate
২. AND Gate
৩. NOT Gate

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)