বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১১১ / ১৩১ · ১১,০০১১১,১০০ / ১৩,০৮৮

১১,০০১.
যখন নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে ডেটা পুনরুদ্ধার করা হয়, সেই প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Merging
  2. Querying
  3. Programming
  4. Indexing
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি,মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।

- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে সাধারণত কয়েকটি ধরনের মধ্যে ভাগ করা হয়:

• Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে নির্দিষ্ট ফিল্ড বা ক্ষেত্র বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য এই ধরনের কুয়েরি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত তথ্য অনুসন্ধান এবং প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Parameter Query:
- এই কুয়েরি পদ্ধতিতে, প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি চালানো হয়। এটি ব্যবহারকারীকে শর্ত নির্বাচন করার সুযোগ দেয় এবং কুয়েরি ফলাফল অনুসারে ডাটার পরিসীমা সীমাবদ্ধ করতে সাহায্য করে।

• Crosstab Query:
- এই কুয়েরি পদ্ধতি ব্যবহার করে ফলাফলকে একটি সামারি আকারে ডাটা শিটে প্রদর্শন করা হয়, যেখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ডাটা সারি এবং কলামে প্রদর্শিত হয়। এটি বিশেষ করে বড় পরিসরের ডাটার জন্য উপযোগী, যেখানে তুলনা এবং বিশ্লেষণ করা সহজ হয়।

• Action Query:
- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি, ডাটা আপডেট, বা ডাটা মুছে ফেলা জন্য Action Query ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে ডাটাবেজে ডাটা ম্যানিপুলেশন যেমন টেবিল তৈরি, ডাটা আপডেট বা মুছে ফেলা করা সম্ভব হয়।

অপশন আলোচনা:
- ক) মার্জিং: দুটি বা তার বেশি ডেটাসেট একত্রিত করা।
- খ) কুয়েরি: ডেটাবেস থেকে তথ্য খোঁজা।

- গ) প্রোগ্রামিং: কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ করতে নির্দেশনা দেয়া।
- ঘ) ইনডেক্সিং: ডেটার দ্রুত অনুসন্ধানের জন্য সূচী তৈরি করা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, NCTB.
১১,০০২.
Avast ও Norman হলো-
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) কম্পিউটার ভাইরাস
  3. গ) কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারের তালিকা
1. McAfee Antivirus
2. Dr. Solomon Antivirus
3. IBM Antivirus
4. Norman Antivirus
5. Thunder Byte Antivirus
6. Virusafe Antivirus
7. AVG Antivirus
8. Central Point Antivirus
9. PC Cillin Antivirus
10. Red Alert Antivirus
11. VX2000 Antivirus
12. Vigillant Antivirus
13. Norton Antivirus (NAV)
14. F-Macro Antivirus
15. Iris Antivirus
16. Reg Clean Antivirus
17. Avira Antivirus
18. Cleancih Antivirus
19. Avast Antivirus
20. NetQin Antivirus
21. Panda Antivirus
22. Bitdefender Antivirus
23. Kaspersky Antivirus
24. NOD32 Antivirus 

 উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি–২ (ভোকেশনাল )
১১,০০৩.
LinkedIn কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. গুগল
  2. মাইক্রোসফট
  3. অ্যামাজন
  4. মেটা
ব্যাখ্যা
• LinkedIn হলো একটি প্রফেশনাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা রিড হফম্যান (Reid Hoffman)। 

• ২০১৬ সালে মাইক্রোসফট এটি অধিগ্রহন করে।
- তখন থেকে LinkedIn এর মালিকানা মাইক্রোসফট এর কাছে। 
• বর্তমানে ২০০ টিরও বেশী দেশে ৯৩০ মিলিয়ন এর বেশী মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।

তথ্যসূত্র:
- Microsoft. 
- LinkedIn Website. 
১১,০০৪.
SQL ল্যাংগুয়েজ সিস্টেম ডেভেলপ করে-
  1. IBM
  2. Intel
  3. Windows
  4. Google
ব্যাখ্যা

SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language। এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ। রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে। এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।

অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে। SQL কুয়েরি প্রয়োগ করার জন্য SQL উইন্ডো ওপেন করে নিতে হয়।

১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,০০৫.
CDMA এর পূর্ণরূপ কী?
  1.  Channel Division Multiple Access 
  2. Code Division Multiple Access
  3. Central Data Mobile Access
  4. Code Direct Multiple Access
ব্যাখ্যা

• CDMA এর পূর্ণরূপ হলো Code Division Multiple Access। এটি একটি ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারীকে একসাথে ডেটা ট্রান্সমিশন করার সুবিধা দেয়। CDMA সিস্টেমে প্রতিটি ব্যবহারকারীর ডেটা একটি অনন্য কোড দিয়ে এনকোড করা হয়, যা ট্রান্সমিশন সময় একে অপরের সাথে সংঘর্ষ কমায়। ফলে, একই চ্যানেল বা ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ব্যবহার করতে পারে, যা ব্যান্ডউইথের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে। এটি সাধারণত মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। CDMA প্রযুক্তির কারণে কলের গোপনীয়তা ও সিগন্যালের গুণগত মানও বৃদ্ধি পায়।

• বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GMS এবং CDMA

• GSM:
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System.

• CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ- Code Division Multiple Access.
- ট্রান্সমিশন পাওয়ার কম হওয়ায় রেডিয়েশন কম থাকে।
- অপেক্ষাকৃত ভালো মানের কল পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,০০৬.
কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কোন অংশকে?
  1. ক) সি.পি.ইউ
  2. খ) মনিটর
  3. গ) কী-বোর্ড
  4. ঘ) মাউস
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ
• গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
• নিয়ন্ত্রণ ইউনিট,
• রেজিস্টার স্মৃতি।
- এই সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,০০৭.
সি (C) ভাষাটি কোন প্রতিষ্ঠানে তৈরি করা হয়?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. আইবিএম
  4. বেল ল্যাবস 
ব্যাখ্যা

• ডেনিস রিচি বেল ল্যাবসে ১৯৭২ সালে সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন।

• সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষা:

- সি একটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত, অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি একটি উচ্চ স্তরের (High-level) হলেও কাঠামোগত (Structured) প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে পরিচিত।

• উদ্ভব ও প্রণেতা:
- সি ভাষাটি ১৯৭২ সালে, ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবসে (Bell Labs) তৈরি করেন।

• ভাষাগত বৈশিষ্ট্য:
- সি ভাষা জানা থাকলে কম্পিউটারের অন্যান্য অনেক ভাষা শেখা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।
- এই ভাষার মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেম, কম্পাইলার, ডিভাইস ড্রাইভার এবং ইন্টারপ্রেটার সহ বিভিন্ন সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরি করা যায়।

• কার্যকারিতা ও ব্যবহারযোগ্যতা:
- সি একটি দক্ষ ও শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা, যা হার্ডওয়্যারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সক্ষম।
- এতে কোড ছোট ছোট অংশে ভাগ করে লিখে, সেগুলো সমন্বয় করে একটি জটিল ও কার্যকর প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

• গুরুত্ব:
- উচ্চ কর্মক্ষমতা, পোর্টেবিলিটি এবং নিয়ন্ত্রণক্ষমতার কারণে সি ভাষা এখনো প্রোগ্রামিং জগতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ভিত্তিমূলক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

১১,০০৮.
Who invented the computer mouse?
  1. ক) Douglas Engelbart
  2. খ) Alan Kay
  3. গ) Ted Nelson
  4. ঘ) Vennevar Bush
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ এর দশকে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (SRI International) বিজ্ঞানী ডগলাস এঙ্গেলবার্ট সর্বপ্রথম মাউস এর নকশা (ডিজাইন) করেন।
- তার নকশা অবলম্বন করে ১৯৬৪ সালে SRI International এর প্রধান প্রকৌশলী বিল ইংলিশ প্রথম প্রটোটাইপ মাউস নির্মাণ করেন।
- ১৯৬৭ সালে মাউসের প্যাটেন্টের জন্য আবেদন করা হয় এবং ১৯৭০ সালে ডগলাস এঙ্গেলবার্টের নামে প্যাটেন্ট ইস্যু করা হয়।
- ১৯৮৪ সালে বাণিজ্যিকভাবে কম্পিউটারে মাউস ব্যবহার শুরু হয়।

উৎসঃ SRI International ওয়েবসাইট।
১১,০০৯.
ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস এর উদাহরণ হচ্ছে -
  1. PayPal
  2. Dropbox
  3. WhatsApp
  4. Adobe Photoshop
ব্যাখ্যা

◉ Dropbox হলো একটি জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং ডেটা ক্লাউডে সংরক্ষণ এবং শেয়ার করার সুযোগ দেয়। 

Dropbox: 
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,০১০.
রাসায়নিক পদার্থের প্রলেপ দেওয়া ছাপার কাগজ ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) লেজার প্রিন্টারে
  2. খ) থার্মাল প্রিন্টারে
  3. গ) ইঙ্কজেট প্রিন্টারে
  4. ঘ) ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রিন্টারে
ব্যাখ্যা

থার্মাল প্রিন্টারঃ
থার্মাল প্রিন্টারে কোনো কালি ও রিবন ব্যবহৃত হয় না, শুধু রাসায়নিক প্রলেপ দেওয়া কাগজ ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের প্রিন্ট হেড অনেকটা ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের মতো তবে পিনের বদলে থাকে কতক ̧লো বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু। ছাপার কাগজে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ লাগানো থাকে, যা খুব দামি এবং যার সাহায্যে প্রিন্ট করা হয়। এ ধরনের প্রিন্টারের ছাপানোর গতি সাধারণত ৫,০০০ lpm.

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,০১১.
বাংলাদেশী ই-কমার্স সাইট নয়-
  1. Ekhanei.com
  2. Flipkart.com
  3. Monarchmart.com
  4. Evaly.com
ব্যাখ্যা
কয়েকটি বাংলাদেশি ই-কমার্স সাইট:
ই-ভ্যালি' (Evaly), Ekhanei.com, Monarch Mart, বিক্রয় ডট কম, এখানেই ডট কম ইত্যাদি।

- Flipkart, Olx ভারতের জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট।
১১,০১২.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের অন্যতম সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী হিসেবে পরিচিত?
  1. মাইক্রোসফট
  2. ইনটেল কর্পোরেশন
  3. ওরাকল কর্পোরেশন
  4. অ্যামাজন
ব্যাখ্যা

• ইনটেল কর্পোরেশন:
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- সেমিকন্ডাক্টর বা মাইক্রোপ্রসেসর চিপ তৈরির ক্ষেত্রে ইনটেল কর্পোরেশন (Intel Corporation) বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।
- মূলত কম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিত।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।
- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- বর্তমানে কাস্টম চিপ তৈরির ক্ষেত্রে তাইওয়ানের TSMC (Taiwan Semiconductor Manufacturing Company) বিশ্বের বৃহত্তম।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,০১৩.
কোন কোম্পানি তাদের এন্টারপ্রাইজ কম্পিউটিং সমাধানের জন্য পরিচিত?
  1. আইবিএম (IBM)
  2. গুগল (Google)
  3. মেটা (Meta)
  4. ইয়াহু (Yahoo)
ব্যাখ্যা

◉ IBM তাদের এন্টারপ্রাইজ কম্পিউটিং (Enterprise Computing) সমাধানের জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত।

আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

IBM-এর প্রধান সার্ভিসসমূহ,
- Enterprise Servers & Mainframes – IBM Z Series,
- Cloud Computing (IBM Cloud, Hybrid Cloud solutions),
- Artificial Intelligence (Watson AI),
- Cybersecurity & Data Analytics,
- Blockchain & Quantum Computing Research.

উৎস: IBM website. [লিংক]

১১,০১৪.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট টেলিফোনি প্রটোকল?
  1. ক) NVT01
  2. খ) H.323
  3. গ) V.576
  4. ঘ) TCIP
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট টেলিফোনি প্রটোকলকে ভয়েস ওভার আইপিও বলা হয়। 
- এটি একটি রিয়েল-টাইম ইন্টারেক্টিভ অডিও/ভিডিও অ্যাপ্লিকেশন।
- ২ ধরণের ইন্টারনেট টেলিফোনি প্রটোকল রয়েছে। যথা:
    - H.323
    - Session Initiation Protocol (SIP)
১১,০১৫.
DDoS আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট পরিবর্তন করা
  2. সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ করা
  3. সার্ভার বা নেটওয়ার্ক অবরুদ্ধ করা
  4. ডেটাবেস ব্যাকআপ নেওয়া
ব্যাখ্যা

DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক পাঠিয়ে তা অকার্যকর করে দেয়।

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,০১৬.
Affiliate Marketing কোন বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) প্রযুক্তিপণ্য
  2. খ) ই-কমার্স
  3. গ) সফটওয়্যার এফিলিয়েশন বিজনেস
  4. ঘ) মার্কেটিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা
Affiliate Marketing--a marketing arrangement by which an online retailer pays commission to an external website for traffic or sales generated from its referrals.
Source: Oxford
১১,০১৭.
Which one is the High-Level Programming language?
  1. ক) C++
  2. খ) COBOL
  3. গ) PROLOG
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়। এটি ইংরেজি ভাষার মতই।

মেশিন বা অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রধান অসুবিধা হলো, এক ধরনের কম্পিউটারের জন্য প্রোগ্রাম অন্য ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না। তাছাড়া মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা অনেক কষ্টকর ও শ্রমসাধ্য ব্যাপার। এছাড়া মানুষের পক্ষে লো-লেভেল ভাষা বোঝা সহজসাধ্য নয়। এই অসুবিধা দুর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়। এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।

উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে। উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে— BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়। ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০১৮.
ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত কোন আর্টিকেল বা গবেষণা সম্পূর্ণ অনুলিপি করাকে কি বলে –
  1. ক) হ্যাকিং
  2. খ) স্প্যামিং
  3. গ) সফটওয়্যার পাইরেসি
  4. ঘ) প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
প্লেজিয়ারিজম:
ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত কোন আর্টিকেল বা গবেষণা সম্পূর্ণ অনুলিপি করা কিংবা ওয়েব হতে প্রাপ্ত কোন ধারণা প্রকৃত সূত্র উল্লেখ না করে ব্যবহার করাকে বলা হয় প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism).
অর্থাৎ অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।

অন্য অপশনগুলো –
হ্যাকিং: 
- কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করার উপায়কে বুঝায়। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (Haker) বলে। 
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে। 
- বৈধ হ্যাকারকে বলা হয় - হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও অবৈধভাবে হ্যাকার করাকে বলা হয় - ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।

স্প্যামিং: 
- অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে বুঝায়। 
- এই কাজ যারা করে তাদের স্প্যামার বলা হয়।

সফটওয়্যার পাইরেসি: 
- পেশাগত দক্ষতা ও মেধার সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটিয়ে প্রোগ্রামারগণ সফটওয়্যার পাইরেসি করে এবং স্বত্বাধিকারী হন।
- Business Software Alliance(BSA) এর তথ্যমতে ব্যবহৃত সকল সফটওয়্যারের প্রায় ৩৬ ভাগ পাইরেটেড সফটওয়্যার। 

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,০১৯.
ডেটাবেজে সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে কি বলা হয়?
  1. রেকর্ড
  2. টেবিল
  3. ফিল্ড
  4. ডেটা
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।

• ডেটাবেজ (Database):
ডেটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘাঁটি বা সমাবেশ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডেটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হচ্ছে ডেটাবেজ।
- ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদান হলো ডেটা, ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল ইত্যাদি।

• ডেটা:
ডেটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি, তাই ডেটা।

• ফিল্ড:
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
রেকর্ড:
সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।
- অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

• ডেটা টেবিল:
সমজাতীয় সকল ডেটাকে একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,০২০.
4G মোবাইল প্রযুক্তির একটি বিশেষ সুবিধা কোনটি?
  1. শুধুমাত্র ভয়েস কল সেবা
  2. সার্কিট সুইচিং নির্ভর ডাটা ট্রান্সমিশন
  3. সম্পূর্ণ IP-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক এবং উচ্চগতির ডাটা সেবা
  4. শুধুমাত্র টেক্সট মেসেজ আদান-প্রদান
ব্যাখ্যা

• 4G প্রযুক্তি IP-ভিত্তিক হওয়ায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও মাল্টিমিডিয়া সেবা প্রদান করে।
 
• চতুর্থ প্রজন্ম (4G) (2009–বর্তমান):
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের (4G) মোবাইল ফোন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি 2G ও 3G প্রযুক্তির তুলনায় আরও উন্নত ও আধুনিক মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা।
 
• 4G প্রযুক্তির মূল ধারণা ও নেটওয়ার্ক কাঠামো:
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
- সার্কিট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP)–ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার।
- IP–ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ফলে—
- LAN,
- WAN,
- VoIP,
- Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্রোটোকলভিত্তিক ভয়েস ও ডাটা ট্রান্সমিশন সম্ভব হয়।
 
• চতুর্থ প্রজন্মে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিসমূহ:
- চতুর্থ প্রজন্মের (4G) মোবাইল প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগুলো হলো—
- WiMAX,
- Flash-OFDM (Orthogonal Frequency Division Multiple Access),
- 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project – Long Term Evolution)।
 
• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 20 Mbps.
- উচ্চ গতির ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়।
- ত্রি-মাত্রিক (3D) ছবি প্রদর্শনের সুবিধা রয়েছে।
- USB পোর্টের মাধ্যমে সরাসরি কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- ইন্টারনেট মডেম ও SIM কার্ড ব্যবহার করে সরাসরি কম্পিউটারে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা সম্ভব।
- উন্নত ওয়ারলেস ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০২১.
এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম
  2. মেইনফ্রেম অপারেটিং সিস্টেম
  3. রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম
  4. ওয়েব সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

◉ এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS) ব্যবহৃত হয়, কারণ এই ধরনের সিস্টেমগুলির জন্য নির্ভরযোগ্যতা, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পাদন এবং কম রিসোর্স ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- RTOS বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি সীমিত হার্ডওয়্যার রিসোর্স (যেমন কম মেমরি এবং প্রসেসিং ক্ষমতা) থাকা ডিভাইসেও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, যা এমবেডেড সিস্টেমের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য।

রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)। 

১১,০২২.
Which tech company's headquarters is located in Redmond, Washington?
  1. Microsoft
  2. Apple
  3. Google
  4. Meta
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট (Microsoft):
- বর্তমানে কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।
- আশির দশকের শুরুতে আই.বি.এম একক ব্যবহারকারীর কাজের জন্য কম্পিউটার তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় এবং এই কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে মাইক্রোসফট এর MS- DOS ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
- মাইক্রোসফট এর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম Linkedin.
- CEO: Satya Nadella.
- Founders: Bill Gates, Paul Allen.
- Headquarters: Redmond, Washington, United States.

অন্যদিকে,
→ Apple এর সদরদপ্তর: অ্যাপল পার্ক, কুপার্টিনো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
→ Google এর সদরদপ্তর: গুগলপ্লেক্স, মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
→ Meta এর সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,০২৩.
কোন কম্পিউটারটি সহজে বহনযোগ্য নয়?
  1. ক) Laptop
  2. খ) Notebook
  3. গ) Desktop
  4. ঘ) Tablet PC
ব্যাখ্যা
Desktop কম্পিউটার সহজে বহনযোগ্য নয়। 
Desktop Computer: 
- ডেস্ক বা টেবিলে স্থাপন করে যে মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করা যায়, তাকে ডেস্কটপ কম্পিউটার বলে। 
- অফিস-আদালতে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
অপশনের বাকিগুলো সহজে বহন করা যায়। 
১১,০২৪.
"Nanotechnology" - এর জনক কে?
  1. Alec Jeffreys
  2. laureate Richard
  3. Paul Berg
  4. John McCarthy
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান। 
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে। 
- আমেরিকান পদার্থবিদ লাওরিয়েট রিচার্ড ফাইনম্যান (laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন। 
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

অন্যদিকে, 
- Alec Jeffreys কে ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্টের জনক বলা হয়। 
- Paul Berg জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জনক। 
- John McCarthy কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
১১,০২৫.
কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক চার্লস ব্যাবেজ কোন কোন যন্ত্রের নকশা করেছিলেন?
  1. Pascaline
  2. Analytical Engine
  3. Difference Engine
  4. খ ও গ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) কম্পিউটিং ইতিহাসের একজন অগ্রগামী, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি দুটি যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন:
i) ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine): এটি একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর, যা গাণিতিক সারণী তৈরি করতে ব্যবহৃত হতো।
ii) অ্যানালিটিক ইঞ্জিন (Analytical Engine): এটি একটি প্রোগ্রামযোগ্য যন্ত্র, যা আধুনিক কম্পিউটারের ধারণার ভিত্তি তৈরি করে। এটি লজিক্যাল অপারেশন এবং ডেটা প্রসেসিং করতে সক্ষম ছিল।

চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

অন্যদিকে, Pascaline হলো Blaise Pascal-এর তৈরি একটি calculating machine.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০২৬.
গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন কে?
  1. ক) হার্ভার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. খ) আইনস্টান
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) ফিশার
  5. ঙ) ডাল্টন
ব্যাখ্যা
কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক হার্ভাট মার্শাল ম্যাকলুহান গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
১১,০২৭.
নিচের কোনটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস?
  1. Medium
  2. Etsy
  3. Coursera
  4. Zoom
ব্যাখ্যা
• Etsy একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস, যেখানে বিশ্বজুড়ে বিক্রেতারা হস্তনির্মিত পণ্য, পুরোনো সামগ্রী এবং ইউনিক ডিজাইনযুক্ত আইটেম বিক্রি করেন। এটি মূলত ছোট ব্যবসায়ী ও স্বাধীন সৃষ্টিশীল উদ্যোক্তাদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম, যারা সরাসরি ক্রেতাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পণ্য বিক্রি করতে পারেন। Etsy-তে ক্রেতারা তাদের পছন্দের অনুযায়ী বিশেষায়িত এবং কাস্টমাইজড পণ্য যেমন গহনা, পোশাক, হোম ডেকর ইত্যাদি কিনতে পারেন। অনলাইন মার্কেটপ্লেস বলতে এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে বোঝায় যেখানে একাধিক বিক্রেতা এবং ক্রেতা একত্রে কেনাবেচা করতে পারেন, যা Etsy সফলভাবে বাস্তবায়ন করছে।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রাই লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূলপরিশোধের অনলাইন প্রক্রিয়াসমূহ সামগ্রিকভাবে ইলেকট্রনিক কমার্সের অন্তর্ভুক্ত। 
- ১৯৯৫ সালে অ্যামাজন ও ই-বে নামের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের যাত্রা শুরুর মাধ্যমে ই-কমার্সের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়। ২০১০ সালের পরবর্তীতে মোবাইলের ব্যাপক প্রসারের সাথে সাথে ই-কমার্সের পালে নতুন করে হাওয়া লাগে। 
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েবসাইট হলো,
- www.bikroy.com,
- www.daraz.com,
- www.alibaba.com,
- www.ebay.com ইত্যাদি।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১১,০২৮.
Google নির্মিত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. Symbian
  2. Windows
  3. iOS
  4. Android
ব্যাখ্যা
• Android হলো Google নির্মিত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। 

• অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম:

- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- iOS অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল।
- Windows অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।
- Symbian অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নোকিয়া।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
১১,০২৯.
স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের মতো ডিভাইস থেকে ক্লাউড সেবা পাওয়া যায়- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে সম্ভব?
  1. On-Demand Self-Service
  2. Rapid Elasticity
  3. Broad Network Access
  4. Measured Service
ব্যাখ্যা
• স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের মতো বিভিন্ন ডিভাইস থেকে ক্লাউড সেবা পাওয়া যায় কারণ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের Broad Network Access বৈশিষ্ট্যটি এটি সম্ভব করে। এই বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা যেকোনো স্থান থেকে এবং যেকোনো ধরনের ইন্টারনেট-যোগাযোগ সক্ষম ডিভাইস ব্যবহার করে ক্লাউড পরিষেবাগুলোতে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা বৃদ্ধি পায় এবং তারা সহজেই তাদের ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন যেকোনো সময় ও যেকোনো ডিভাইস থেকে ব্যবহার করতে পারে। Broad Network Access ক্লাউডের বহুমুখিতা ও সুবিধাজনক ব্যবহার নিশ্চিত করে। তাই এই বৈশিষ্ট্যের কারণে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপ থেকে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা সম্ভব হয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের মূল বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.
- ক্লাউড কম্পিউটিং- এর মূল বৈশিষ্ট্য ছাড়াও আরো অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,০৩০.
WLAN এর পুর্ণরূপ কী?
  1. ক) Wireless Local Area Network
  2. খ) Wireline Local Area Network
  3. গ) Wireless Locality Area Network
  4. ঘ) Wireline Local Arm Network
ব্যাখ্যা
WLAN এর পুর্ণরূপ হলো Wireless Local Area Network.
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
১১,০৩১.
ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয় না। 
  2. নিজস্ব হার্ডওয়্যারের প্রয়ােজন হয়। 
  3. ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে। 
  4. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায় না।
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো একটি ইন্টারনেট সেবা, যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কম্পিউটিং এর চাহিদাকে পূরণ করে।
- এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা কম সময়ে অধিক  ক্ষমতাসম্পন্ন অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারী দূর থেকে ক্লাউড বা ভার্চুয়াল স্পেসে তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং তিন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে। যথা- 

১. অবকাঠামােগত সেবা
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসাের্স ভাড়া দেয়, যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়ােজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা: 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়ােজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রােগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশ ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা: 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ: 
১. যে কোনাে স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলােড এবং ডাউনলােড করা যায়।
২. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়। 
৩. অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম। 
৪. নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়ােজন হয় না। 
৫. যে কোনাে ছােট বড় হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। 
৬. তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়ােজন হয় না। 
৭. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধাসমূহ: 
১. ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে। 
২. তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৩. ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। 
৪. একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১১,০৩২.
কম্পিউটার পদ্ধতির দুটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে-
  1. সফটওয়্যার ও কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ
  2. হার্ডওয়্যার ও কন্ট্রোল ইউনিট
  3. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অংশ
  4. কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ ও স্মৃতি অংশ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারকে কাজের উপযোগী করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশগুলো সঠিক অবস্থানে স্থাপন করতে হয়।
কম্পিউটারের যন্ত্রাংশগুলো সঠিকভাবে স্থাপন করে যন্ত্রাংশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ স্থাপনকেই কম্পিউটার সংগঠন বলে।
কম্পিউটার সংগঠন দুই প্রকার।
যথা-
- হার্ডওয়্যার এবং
- সফটওয়্যার।
১১,০৩৩.
সর্বপ্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের সূচনা হয় কবে?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
 - ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর কম্পিউটার ভাইরাস এর জন্ম হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির ছাত্র ফ্রেড কোহেন পেনসিলভেনিয়ার লেহিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তাবিষয়ক এক সেমিনারে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস দেখান। 
কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো "Vital Information Resources Under Seize." যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে।
- ভাইরাস নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।

উৎস:
১. শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৩৪.
নিচের কোনটি নন-ভোলাটাইল মেমরি?
  1. RAM
  2. Bubble Memory
  3. cache memory
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
-  Bubble Memory হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- Cache Memory এবং RAM হলো ভোলাটাইল মেমোরি। 

- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১১,০৩৫.
(412)8 = (?)2
  1. 100001010
  2. 100000110
  3. 101001010
  4. 100011010
১১,০৩৬.
গুগলের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া
  2. সান ব্রুনো, ক্যালিফোর্নিয়া
  3. মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• গুগলের প্রধান কার্যালয় হলো মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া। এটি "গুগলপ্লেক্স" নামে পরিচিত, যা একটি বিশাল ও আধুনিক ক্যাম্পাস। এখানে শুধুমাত্র অফিসের স্থান নয়, বরং কর্মীদের জন্য রেস্টুরেন্ট, খেলাধুলার সুবিধা, খোলা সবুজ এলাকা এবং উদ্ভাবন কেন্দ্রও রয়েছে। গুগলপ্লেক্সের নকশা এবং অবকাঠামো কর্মীদের সৃজনশীলতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। মাউন্টেইন ভিউ ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত, যা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিশ্বখ্যাত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। গুগলের মূল কার্যক্রম, গবেষণা ও উন্নয়ন এখান থেকেই পরিচালিত হয়, যা কোম্পানিকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অগ্রণী অবস্থানে রাখে। তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া।

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম হল ব্যাকরাব।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ইউটিউব এর সদর দপ্তর সান ব্রুনো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- ফেসবুকের সদর দপ্তর - ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।

১১,০৩৭.
কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) আধুনিক কম্পিউটারের জনক এডওয়ার্ড রবার্ট।
  2. খ) মাইক্রোকম্পিউটারের জনক জন ভন নিউম্যান।
  3. গ) ক ও খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- আধুনিক কম্পিউটারের জনক হলেন জন ভন নিউম্যান। (প্রচলিত উত্তর)
তবে,
- নবম-দশম শ্রেণির তথ্য প্রযুক্তি বইয়ের তথ্যানুসারে, আধুনিক কম্পিউটারের জনক হলেন চার্লস ব্যাবেজ।
- মাইক্রোকম্পিউটারের জনক এডওয়ার্ড রবার্ট।

১১,০৩৮.
বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটার ফুগাকো কোন দেশের তৈরি?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটার জাপানের Fugaku।
• দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে Summit ও Sierra।
• চতুর্থ স্থানে রয়েছে চীনের Sunway TaihuLight।
উৎসঃ সাইন্সনোড ডট কম।

১১,০৩৯.
MS Word এর কোন tools টি ব্যবহার করে দ্রুত ও সহজে একটি চিঠি একাধিক ঠিকানায় পাঠানো সম্ভব?
  1. Copy Paste
  2. Letter Template
  3. Formate Painter
  4. Mail Merge
ব্যাখ্যা
- Word Processing সফটওয়্যারে খুব দ্রুত এবং সহজে একটি চিঠি একাধিক ঠিকানায় পাঠানোর জন্য 'Mail Merge' tools টি ব্যবহার করা হয়।
- A mail merge is used to create form letters, mailing labels, envelopes, directories, and mass e-mail message and fax distributions.
There are three documents that are involved in the mail merge process:
- the main document,
- the data source and
- the merged field.

উৎস: Microsoft Support [লিঙ্ক]
১১,০৪০.
অপারেটিং সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. CP/M
  2. UNIX
  3. Mac OS
  4. Visual C
ব্যাখ্যা
• Visual C 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার একটি সংস্করণ।

• অপারেটিং সিস্টেম:

- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
- XENIX হলো UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৪১.
NAND লজিক অপারেশন কী হিসেবে পরিচিত?
  1. NOT-AND
  2. NOR
  3. Exclusive-OR
  4. Exclusive-NOR
ব্যাখ্যা

• NAND লজিক অপারেশনকে সাধারণত NOT-AND হিসেবে পরিচিত। এটি একটি মৌলিক ডিজিটাল লজিক গেট, যা AND অপারেশনের বিপরীত ফলাফল প্রদান করে। অর্থাৎ, যদি AND গেট দুইটি ইনপুটের জন্য “১” (সত্য) ফলাফল দেয়, তবে NAND গেট সেই একই ইনপুটের জন্য “০” (মিথ্যা) ফলাফল দেয়, এবং যদি AND গেট “০” দেয়, NAND গেট “১” প্রদান করে। সহজভাবে বলতে গেলে, NAND গেট হলো AND গেটের আউটপুটের NOT বা উল্টো। এটি ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কেবল NAND গেট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক ফাংশন তৈরি করা সম্ভব।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) NOT-AND.

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,০৪২.
ব্লুটুথের কাজ করার পদ্ধতি কোন ধরনের সিগন্যালের মাধ্যমে?
  1. লেজার
  2. আল্ট্রাসাউন্ড
  3. রেডিও তরঙ্গ
  4. ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ একটি ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি যা ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহার হয়। এটি মূলত রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে কাজ করে। ব্লুটুথ ডিভাইসগুলো সংক্ষিপ্ত দূরত্বে (সাধারণত ১০ মিটার পর্যন্ত) রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ডে তথ্য পাঠায় ও গ্রহণ করে। যখন দুটি ডিভাইস সংযোগ স্থাপন করে, তখন তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একে অপরকে খুঁজে বের করে এবং নিরাপদ সংযোগ তৈরি করে। এই প্রযুক্তি আল্ট্রাসাউন্ড, লেজার বা ইনফ্রারেডের চেয়ে সুবিধাজনক, কারণ এটি বাধা পার হতে পারে এবং সরাসরি দৃশ্যের প্রয়োজন হয় না। ফলে ব্লুটুথ মোবাইল ফোন, হেডফোন, কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) রেডিও তরঙ্গ।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11.
• WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১,০৪৩.
Which of the following technological initiatives as associated with Elon Musk?
  1. Blue Origin
  2. Neuralink 
  3. Alibaba 
  4. Infosys
ব্যাখ্যা

Neuralink হলো Elon Musk-এর প্রতিষ্ঠিত একটি প্রযুক্তি কোম্পানি, যা মানুষের মস্তিষ্ক ও কম্পিউটারের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করার জন্য brain–computer interface (BCI) প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে। 

ইলন মাস্ক:
- ইলন মাস্ক একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা।
- তাঁর জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেটোরিয়াতে।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা আর অর্থনীতিতে পড়ালেখা করেন।
- তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
- টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ইলন মাস্ক ২০১৫ সালে অলাভজনক সংস্থা ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৬ সালে তিনি নিউরালিংক এবং বোরিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠান করেন।

Neuralink:
- Brain-computer interface technology - Neuralink উদ্ভাবিত এমন
একটি প্রযুক্তি তৈরি করছে যা মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে সরাসরি কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের সংযোগ স্থাপন করবে।
- এর মাধ্যমে, মস্তিষ্কের চিন্তা বা সংকেত সরাসরি কম্পিউটারে পাঠানো সম্ভব হবে, যা বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসা, নতুন প্রযুক্তি বা উন্নত মানবিক সক্ষমতা তৈরি করতে সহায়ক হতে পারে।
- Neuralink মূলত মস্তিষ্ক-কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তি তৈরি করার জন্য কাজ করছে, যা মানুষের মস্তিষ্ক এবং প্রযুক্তির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে।

অন্যান্য অপশন:
- Blue Origin: এটি হলো জেফ বেজোসের (Jeff Bezos) প্রতিষ্ঠিত একটি মহাকাশ গবেষণা এবং মহাকাশ ফ্লাইট কোম্পানি।
- Alibaba: এটি চীনের একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যার প্রতিষ্ঠাতা হলেন জ্যাক মা (Jack Ma)।
- Infosys: এটি ভারতের একটি বহুজাতিক তথ্য প্রযুক্তি পরিষেবা কোম্পানি, যার সহ-প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে এন. আর. নারায়ণ মূর্তি (N. R. Narayana Murthy) অন্যতম।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,০৪৪.
স্বাস্থ্য বাতায়ন সেবাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে কোন প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়
  2. সিনেসিস আইটি লিমিটেড
  3. মন্ত্রণালয় আইটি বিভাগ
  4. স্বাস্থ্যকল্যাণ পরিষদ
ব্যাখ্যা
- স্বাস্থ্য বাতায়ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি সেবা।
- সিনেসিস আইটি লিমিটেড নামে একটি মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য বাতায়ন সেবাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
- এই স্বাস্থ্য বাতায়নের হেল্পলাইন নম্বর 16263(এক বাষট্টি তেষট্টি)-তে কল করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া যায়।
- এই হেল্পলাইন দিনরাত ২৪ ঘন্টা আপনার সেবায় নিয়োজিত।
- এছাড়া স্বাস্থ্যবাতায়ন থেকে সরকারী হাসপাতাল, ডাক্তারের তথ্য কিংবা স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক অন্যান্য যেকোনো তথ্য এবং ফোন নাম্বার পাওয়া যায়।
- স্বাস্থ্য বাতায়ন কোন বানিজ্যিক সেবা নয় এবং এতে ফোন করতে মোবাইল ফোনের স্বাভাবিক বিলের অতিরিক্ত বিল হয়না।

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। [Link]
১১,০৪৫.
একটি রিলেশনাল ডেটাবেজ সারণীতে ডেটার ক্ষুদ্রতম যৌক্তিক একক কোনটি?
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. টেবিল
  4. ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা

একটি ডেটাবেজ সারণীর প্রতিটি রেকর্ডের মধ্যে ডেটার ক্ষুদ্রতম ও একক অংশকে ফিল্ড বলা হয়।
- এটি একটি নির্দিষ্ট ধরনের তথ্য ধারণ করে, যেমন একজন ব্যক্তির নাম বা বয়স।

ডাটাবেজ (Database):
- 'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
- সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

ফিল্ড (Field):
- ফিল্ড হলো ডেটার সেই একক, যা একটি নির্দিষ্ট অ্যাট্রিবিউট বা বৈশিষ্ট্যকে বর্ণনা করে।
- যেমন, একটি 'শিক্ষার্থী' টেবিলে 'নাম', 'রোল নম্বর', 'শ্রেণি' ইত্যাদি হলো একেকটি ফিল্ড।
- এই ফিল্ডগুলো ডেটাবেজের তথ্যকে সুসংগঠিত করে।
- ফিল্ডগুলো একটি রেকর্ডের অংশ হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখ্য,
- রেকর্ড (Record): টেবিলের একটি সারি, যা একাধিক ফিল্ডের সমষ্টি।
- টেবিল (Table): রেকর্ডের সমষ্টি।
- ডেটাবেজ (Database): এক বা একাধিক টেবিলের সমষ্টি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

১১,০৪৬.
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তি কোনটি?
  1. RAM
  2. ROM
  3. হার্ডডিস্ক
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অন্যদিকে DRAM (Dynamic RAM) এবং SRAM (Static RAM) এর তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এরা ভোলাটাইল মেমোরি।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা – এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,০৪৭.
ফ্যাক্স মেশিন কোন মোডে ডাটা পাঠায়?
  1. ফুল ডুপ্লেক্স
  2. সিমপ্লেক্স
  3. হাফ ডুপ্লেক্স
  4. রিয়েল টাইম
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স মেশিন হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডাটা পাঠায়।

• ফ্যাক্স (fax):
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile.
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।

উৎস:
১. এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১১,০৪৮.
ট্রাবলশুটিং বলতে কী বোঝায়?
  1. ইন্টারনেট সংযোগের গতি বাড়ানো
  2. নতুন সফটওয়্যার ইনস্টল করা
  3. সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ের প্রক্রিয়া
  4. কম্পিউটার আপগ্রেড করা
ব্যাখ্যা
• ট্রাবলশুটিং বলতে বোঝায় সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ের প্রক্রিয়া।

• ট্রাবলশুটিং:
- ট্রাবলশুটিং হচ্ছে সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ের প্রক্রিয়া।
- মূলত ট্রাবলশুটিং হচ্ছে এমন কিছু যা, একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকে করতে হয়। অন্য যেকোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের তুলনায় কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের ট্রাবলশুটিং একটু বেশিই প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত সমস্যার ক্ষেত্রে ট্রাবলশুটিং কথাটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

• কয়েকটি ট্রাবলশুটিং সমস্যা:
- সিস্টেম সঠিকভাবে চলছে কিন্তু মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছে না।
- কয়েক মিনিট পরপর কম্পিউটার শাট ডাউন হয়ে যাওয়া।
- উইন্ডোজ রান করার সময় হ্যাং করা।
- কম্পিউটার অন করার পর ডিসপ্লে আসার পর কম্পিউটার হ্যাং করা।
- Not Enough Memory মেসেজ দেখানো।
- মাউস স্টহিকভাবে কাজ না করা।
- মনিটরে পাওয়ার না থাকা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
১১,০৪৯.
কম্পিউটারে BIOS এর কাজ কী?
  1. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
  2. ভাইরাস স্ক্যানিং
  3. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  4. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

◉ BIOS (Basic Input/Output System) এর প্রধান কাজ হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেম লোড করা এবং হার্ডওয়্যার ইনিশিয়ালাইজেশন ও টেস্টিং (POST) সম্পন্ন করা।

BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটারে BIOS সংরক্ষিত থাকে - মাদারবোর্ডের ROM চিপে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,০৫০.
বাইনারি সংখ্যা 1011 থেকে 0101 এর বিয়োগফল কত?
  1. ক) 0111
  2. খ) 1110 
  3. গ) 0010 
  4. ঘ) 0110 
ব্যাখ্যা
বাইনারি বিয়োগ:
- দু'টি বাইনারি সংখ্যা বিয়োগের জন্য নিম্নোক্ত চারটি অবস্থার সৃষ্টি হয়:
0 - 0 = 0
1 - 1 = 0
1 - 0 = 1
0 - 1 = 1 এবং ক্যারি 1.

এখানে, 1011 - 0101 = 0110 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৫১.
নিচের কোনটি AI-ভিত্তিক প্রযুক্তির উদাহরণ?
  1. Dbase
  2. Notepad
  3. Perl
  4. AlphaZero
ব্যাখ্যা
AlphaZero হচ্ছে AI-ভিত্তিক প্রযুক্তির একটি উদাহরণ।
- AlphaZero হলো AI-ভিত্তিক গেম খেলার প্রোগ্রাম।

• Artificial intelligence (AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
- এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।

• বাকি অপশনগুলো:
- Dbase - একটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- Notepad - একটি সাধারণ টেক্সট এডিটর।
- Perl - একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

Source: Britannica.
১১,০৫২.
প্যাসকেলেন যন্ত্রে গুণ ও ভাগ কীভাবে সম্পন্ন করা হতো?
  1. সরাসরি
  2. পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে
  3. বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে
  4. প্রোগ্রামিং নির্দেশনার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• প্যাসকেলেন সরাসরি গুণ ও ভাগ করতে পারত না, তাই ধারাবাহিক যোগ ও বিয়োগ ব্যবহার করা হতো।

 • যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর(Mechanical Calculator):
- যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর হলো যান্ত্রিক পদ্ধতিতে গণনা সম্পাদনকারী একটি প্রাচীন গণনা যন্ত্র।
- এতে গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে গাণিতিক হিসাব করা হতো।
 
• যান্ত্রিক ক্যালকুলেটরের আবিষ্কার:
- ১৬৪২ সালে, মাত্র ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন।
- এই যন্ত্রটির নাম ছিল প্যাসকেলেন (Pascaline)।
 
• প্যাসকেলেন(Pascaline)–এর কার্যক্ষমতা:
- প্যাসকেলেন যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত।
- পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে যথাক্রমে গুণ ও ভাগ করার পদ্ধতিও উদ্ভাবিত হয়।
 
উৎস: Computer & ICT Cloud, Live Publications এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১১,০৫৩.
Which protocol is widely used for data exchange on the internet?
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. HTTP/IP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল হলো TCP/IP.

ARPANET:
- ARPANET হলো একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায় ছিল ১৯৬৮ সালের ARPANET।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো Advanced Research Projects Agency Network (ARPANET)।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি(ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল হলো TCP/IP।

অন্যান্য অপশন: 
- SMTP: এটি মূলত ইমেল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল।
- HTTP/IP: এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল নাম নয়; বরং HTTP হলো অ্যাপ্লিকেশান লেয়ার প্রোটোকল যা TCP/IP-এর ওপর ভিত্তি করে চলে।
- FTP: এটি মূলত এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল আদান-প্রদান বা ট্রান্সফার করার জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ প্রোটোকল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,০৫৪.
কারো নেটওয়ার্কে ফাঁকি দিয়ে প্রবেশ করে তার তথ্যাদি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসাকে কী বলা হয়?
  1. ক) স্নিকিং
  2. খ) ভিশিং
  3. গ) স্পুফিং
  4. ঘ) ফিশিং
ব্যাখ্যা
স্নিকিং (Sneaking)
গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

ভিশিং (Vishing)

- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বলে।

প্রতারণা বা স্পুফিং (Spoofing)
- স্পুফিং শব্দের অর্থ হলো প্রতারণা করা, ধোঁকা দেওয়া বা কূট কৌশল অবলম্বন করা। নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে । অধিকাংশ ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি প্রটোকলে কোনো ম্যাসেজের উৎস বা গন্তব্য এর সত্ত্বাসত্য নির্ণয়ের পদ্ধতি থাকে না। এ ক্ষেত্রে এই নেটওয়ার্কগুলো স্পুফিং আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকে যেখানে প্রেরক বা গ্রাহক হোস্টের পরিচিতি যাচাই করার জন্য কোনো পূর্ব সতকর্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয় না। সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অথবা অন্য ব্যবহারকারীর পরিচিতি জাল করে সিস্টেমের সাথে কুট-কৌশল অবলম্বন করে সিস্টেমের কন্ট্রোল নিয়ে নেয়। ইন্টারনেটে বিভিন্ন ভাবে স্পুফিং হয়ে থাকে। যথা- ইমেইল স্পুফিং, গেটওয়ে স্পুফিং, আইপি স্পুফিং ইত্যাদি।

ফিশিং (Phishing) 
- ইলেকট্রোনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা ইন্টারনেটে কোন নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ক্রেডিক বা ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির প্রচেষ্টাকে ফিশিং (Phishing) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১১,০৫৫.
৮ বিট অ্যাড্রেস বাসে কতটি মেমরি সেল থেকে ডেটা পড়া বা লেখা সম্ভব?
  1. ক) ৮
  2. খ) ৬৪
  3. গ) ১২৮
  4. ঘ) ২৫৬
ব্যাখ্যা
সিস্টেম বাস (System Bus): 
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

অ্যাড্রেস বাস: 
- অ্যাড্রেস বাস হচ্ছে একগুচ্ছ পথ যার মাধ্যমে কোন তথ্য পাঠিয়ে কম্পিউটারে রক্ষিত কোন ডাটা খোজা অথবা নতুন কোন ডাটা রাখার নির্দেশ পাঠানো যায়। 
- অ্যাড্রেস বাসে ৮, ১৬ বা আরও বেশি তার থাকে। এতে যদি n সংখ্যক তার থাকে, তাহলে তার দিয়ে ২n টি অ্যাড্রেস থেকে ডেটা পড়া ও লেখা যায়। যেমন- ৮ বিট অ্যাড্রেস বাসে ২ বা ২৫৬টি মেমরি সেল বা অ্যাড্রেস থেকে ডেটা পড়া বা লেখা সম্ভব।

ডাটা বাস:
- ডাটা বাস এর কাজ হচ্ছে বিভিন্ন চিপের মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করা। এই বাসের মাধ্যমে ডাটা উভয় দিকেই যাতায়াত করতে পারে তাই ইহাকে Bidirectional বাস বলে।

কন্ট্রোল বাস:
- সিপিইউ থেকে সংকেত বা নির্দেশ বহন পুর্বক সংশ্লিষ্ট অংশ গুলোতে প্রেরণ করে। ইহাও দ্বিমুখী বা Bidirectional বাস ।
- এই বাস দ্বারা আদান প্রদান অপারেশনকে সামঞ্জস্য ও শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান)।
১১,০৫৬.
প্রসেসরের কোর বৃদ্ধি করলে কী হয়?
  1. মাল্টিটাস্কিং ক্ষমতা বাড়ে
  2. মেমরির সংখ্যা বৃদ্ধি পায় 
  3. মনিটরের রেজ্যুলেশন বৃদ্ধি পায় 
  4. কোনো পরিবর্তন হয় না
ব্যাখ্যা

◉ প্রসেসরের কোর সংখ্যা বাড়ালে একাধিক কাজ (মাল্টিটাস্কিং) একই সাথে দ্রুত ও দক্ষভাবে সম্পন্ন করা যায়।

প্রসেসর: 
- প্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়, কারণ কম্পিউটারের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
- কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি হলো এই সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) বা প্রসেসর। 
- অনেক সময় সিস্টেম ইউনিটকে ভুলবশত CPU বলা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে CPU হলো সেই ছোট্ট চিপ, যা কেন্দ্রীয়ভাবে সমস্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। আকারে ছোট হলেও এর কর্মক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী।
- কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা অনেকাংশে প্রসেসরের গতি ও মানের উপর নির্ভরশীল।
- আধুনিক প্রসেসর একাধিক কোর-এর সমন্বয়ে তৈরি, যা মাল্টিটাস্কিং করতে সক্ষম। অর্থাৎ একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ একই সাথে দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০৫৭.
অতিক্ষুদ্র স্কেলে বস্তু বা যন্ত্রাংশ তৈরি ও নিয়ন্ত্রণের বিজ্ঞানকে কী বলা হয়?
  1. অণুজৈব প্রযুক্তি
  2. মাইক্রোইলেকট্রনিক্স
  3. কোয়ান্টাম মেকানিক্স
  4. ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা

ন্যানোটেকনোলজি এমন একটি শাখা যেখানে আণবিক ও পরমাণু স্তরে পদার্থ নিয়ন্ত্রণ করে বিভিন্ন প্রযুক্তি বা উপাদান তৈরি করা হয়। এটি বর্তমানে চিকিৎসা, প্রযুক্তি, টেক্সটাইল, ও পরিবেশ– এসব ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

ন্যানোটেকনোলজি:
- ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- এক ন্যানোমিটার হচ্ছে এক মিটারের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ১ ন্যানোমিটার (1nm) = 10-9 মিটার (m)।
- ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া আছে। যথা-

১. ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up):
- এ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ছোট জিনিস দিয়ে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।
- ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তু তৈরি করা যায়।

২. বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top down):
- টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে কেটে ছোট করে, তাকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত Etching প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত। আমাদের বর্তমান ইলেকট্রনিক্স হলো টপ ডাউন প্রযুক্তি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,০৫৮.
দশমিক সংখ্যা 105 কে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে কোনটি পাওয়া যায়?
  1. 1100101
  2. 1101001
  3. 1110001
  4. 1010101
ব্যাখ্যা

• দশমিক সংখ্যা 105 কে 2 দ্বারা ধারাবাহিকভাবে ভাগ করলে অবশিষ্টগুলো নিচ থেকে উপর দিকে সাজালে বাইনারি সংখ্যা 1101001 পাওয়া যায়।

• দশমিক থেকে বাইনারি রূপান্তর:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের জন্য দশমিক সংখ্যাকে ধারাবাহিকভাবে 2 দ্বারা ভাগ করা হয়।
- প্রতিবার ভাগ করার সময় যে অবশিষ্ট পাওয়া যায় তা লিখে রাখা হয়।
- ভাগফল 0 না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হয়।
- অবশিষ্টগুলো নিচ থেকে উপর দিকে সাজালে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

• উদাহরণ:
- 105 ÷ 2 = 52, অবশিষ্ট 1 (LSB)
- 52 ÷ 2 = 26, অবশিষ্ট 0  
- 26 ÷ 2 = 13, অবশিষ্ট 0  
- 13 ÷ 2 = 6, অবশিষ্ট 1  
- 6 ÷ 2 = 3, অবশিষ্ট 0  
- 3 ÷ 2 = 1, অবশিষ্ট 1  
- 1 ÷ 2 = 0, অবশিষ্ট 1 (MSB)

- অবশিষ্টগুলো নিচ থেকে উপর দিকে সাজালে পাওয়া যায়: 11010012

• LSB ও MSB:
- প্রথম প্রাপ্ত অবশিষ্টকে Least Significant Bit (LSB) বলা হয়।
- সর্বশেষ প্রাপ্ত বিটকে Most Significant Bit (MSB) বলা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- 1100101 → এটি 105 এর সঠিক বাইনারি রূপ নয়।
- 1110001 → এটি 105 এর বাইনারি রূপ নয়।
- 1010101 → এটি 105 এর বাইনারি রূপ নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০৫৯.
CPU কত দ্রুত কাজ করে তা কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. GHz
  2. RPM
  3. Watt
  4. Byte
ব্যাখ্যা

• CPU কত দ্রুত কাজ করছে তা মাপার জন্য সাধারণত GHz (গিগাহার্জ) একক ব্যবহার করা হয়। GHz মানে হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে কত কোটি বা বিলিয়ন চক্র সম্পন্ন হচ্ছে। CPU-এর একটি চক্র হল প্রসেসরের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য একটি মৌলিক সময়কাল। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি CPU-এর গতি ৩ GHz হয়, তবে এটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩০০ কোটি চক্র সম্পন্ন করতে পারে। অন্য দিকে, RPM হল হার্ড ডিস্কের ঘূর্ণন গতি, Watt হলো শক্তি ব্যবহার, এবং Byte হলো তথ্যের পরিমাপের একক। তাই CPU-এর গতি বোঝাতে GHz এককই সঠিক।

• ক্লক স্পিড : 
- ক্লক স্পিড হলো একটি কম্পিউটারের প্রসেসর (CPU) প্রতি সেকেন্ডে কতটি নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে, তার একটি পরিমাপ।

ক্লক স্পিডের একক হলো হার্টজ (Hz)
 1 GHz = 1,000,000,000 Hz
 অর্থাৎ ১ গিগাহার্টজ মানে সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন সাইকেল।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কোনো প্রসেসরের স্পিড হয় 3.2 GHz, তাহলে এটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩.২ বিলিয়ন অপারেশন সম্পাদন করতে পারে।

অন্যদিকে, 
- Byte: মেমোরির একক (তথ্য ধারণ করার একক)।

- Watt: শক্তি (Power) মাপার একক।

- RPM: ঘূর্ণনের গতি বোঝায়, সাধারণত হার্ডডিস্কে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- Intel Website.

১১,০৬০.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং- এর সার্ভিস মডেল নয়?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. OaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
• OaaS মডেলটি ক্লাউড কম্পিউটিং- এর সার্ভিস মডেল নয়। 

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে। 
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৬১.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণীত হয় কোন সালে?
  1. ২০১৯
  2. ২০১৮
  3. ২০২০
  4. ২০২১
ব্যাখ্যা
২০১৮ সালে আমাদের দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণীত হয়। 

• যার আংশিক উল্লেখ করা হলো-
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, প্রোগ্রাম বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোয় অনুমতি ছাড়া প্রবেশ ও ক্ষতি করা নিষিদ্ধ।
- অবৈধভাবে কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে প্রবেশ করে তথ্য কপি করা যাবে না।
- ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতারণা, জালিয়াতি বা ছদ্মবেশ ধারণ আইনত অপরাধ।
- মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় পতাকা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো যাবে না।
- রাষ্ট্রের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার আইনত দণ্ডনীয়।
- ডিজিটাল মাধ্যমে কারো মানহানি, অপমান বা ভয়ভীতি প্রদর্শন নিষিদ্ধ।
- ব্যাংক, বিমা বা সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল অনুপ্রবেশ ও তথ্য চুরি করা যাবে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,০৬২.
কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. ক) Panda
  2. খ) Cindrella
  3. গ) Cobra
  4. ঘ) Norton
ব্যাখ্যা

• কতিপয় ভাইরাস:
- AIDS,
- Bye Bye,
- Bad boy,
- Cindrella,
- CIH,
- I love you,
- স্টোন,
- ভিয়েনা ইত্যাদি।
• কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস:
- অভিজি,
- এভিরা,
- এভাস্ট,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus,
- PC Tools Antivirus ইত্যাদি।

১১,০৬৩.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল রিডার ডিভাইস?
  1. ক) OMR
  2. খ) OCR
  3. গ) BCR
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল রিডার (Optical Reader):
এই ধরনের যন্ত্র কোন পাঠ্য বিষয়কে আলোর সাহায্যে পড়ে থাকে।
বিশেষ ধরনের লিখিত চিঠিপত্র, ডকুমেন্টের উপর অপটিক্যাল রিডার ধরলে কম্পিউটার সেটা পড়ে মনিটরে ফলাফল প্রদর্শন করে।

বিভিন্ন ধরনের অপটিক্যাল রিডার হচ্ছেঃ
(1) Optical Mark Reader (OMR),
(2) Optical Character Recognotion (OCR),
(3) Bar Code Reader/Recognition (BCR).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,০৬৪.
নিচের কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি? 
  1. রোমান সংখ্যা পদ্ধতি
  2. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  3. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  4. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — ক) রোমান সংখ্যা পদ্ধতি। 

• সংখ্যা পদ্ধতি (Number System): 
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি। 
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System) ও
২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System)। 

• নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non- positional Number System):
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

• পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System):
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। 
- বাইনারি, ডেসিম্যাল, অক্টাল, হেক্সাডেসিম্যাল ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০৬৫.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতার নাম কী?
  1. Gottfried Wilhelm Leibniz
  2. Blaise Pascal
  3. Dr. Herman Hollerith
  4. Ted Hoff
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ (Ted Hoff)। ১৯৭১ সালে ইন্টেল কোম্পানিতে কাজ করার সময় তিনি প্রথম কমার্শিয়াল মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004 উদ্ভাবন করেন। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU), যা একটি চিপে ছোট আকারে গণনা ও প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা প্রদান করতে সক্ষম। এর আগের সময়ে বিভিন্ন যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিন গণনাপদ্ধতি ছিল, কিন্তু হফের উদ্ভাবন কম্পিউটার প্রযুক্তিতে এক বিপ্লব ঘটায়। গটফ্রিড লাইবনিজ (Gottfried Wilhelm Leibniz) এবং ব্লেইজ প্যাসক্যাল (Blaise Pascal) প্রাথমিক গণনাযন্ত্র তৈরি করেছিলেন, আর হারমান হলারিথ (Herman Hollerith) ছিলেন কার্ড-ভিত্তিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির উদ্ভাবক। তাই মাইক্রোপ্রসেসরের প্রকৃত জনক টেড হফ।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Ted Hoff.

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.

১১,০৬৬.
ChatGPT এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. বিল গেটস
  2. ইলন মাক্স
  3. স্যাম অল্টম্যান
  4. থমাস লি
ব্যাখ্যা
ChatGPT:
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।
- চ্যাটজিপিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান।

উৎস: Britannica.
১১,০৬৭.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার?
  1. Notepad
  2. Lotus 1-2-3
  3. LaTex
  4. Firefox
ব্যাখ্যা
স্প্রেডশিট: 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
- গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্পেডশিট বলা হয়।
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে।
- উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজও করা যায়।
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রামসমূহ হলো: মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপারক্যাল্ক ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• Firefox- ইন্টারনেট ব্রাউজার।
• Notepad, LaTex- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,০৬৮.
নিচের কোনটি ওয়ার্ড প্রসেসিং প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয়?
  1. Word Star
  2. Word Perfect
  3. Ms Word
  4. Qrater Pro
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
• Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৬৯.
হার্ড ডিস্ককে সাধারণত কী বলা হয়?
  1. ডেটা ভান্ডার
  2. সফটওয়্যার ভান্ডার
  3. মেমোরি কার্ড
  4. কম্পিউটারের মস্তিষ্ক
ব্যাখ্যা
হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।

•  হার্ড ডিস্ক:
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ক হলো কম্পিউটারের জন্য একটি চৌম্বকীয় সংরক্ষণ মাধ্যম।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- আবার কম্পিউটারের বইরেও হার্ড ডিস্ক রেখে কাজ করা যায়।
- হার্ডডিস্ক স্থানান্তরযোগ্য।
- ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে হার্ডডিস্ক ঢুকিয়ে কাজ করে তা অন্য একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে ঢুকিয়ে অবশিষ্ট কাজ সম্পাদন করে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্রিটানিকা।
১১,০৭০.
PS/2 মাউস পোর্টে কতটি পিন থাকে?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৯টি
১১,০৭১.
ডিসপ্লে ডিভাইস প্রযুক্তি AMOLED এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Actual-Matrix Organic Light Emitting Diodes
  2. Active-Matrix Organic Light Emitting Diodes
  3. Active-Matrix Optical Light Emitting Diodes
  4. Actual-Matrix Optical Light Emitting Diodes
ব্যাখ্যা
Active-Matrix Organic Light Emitting Diodes (অ্যাক্টিভ-ম্যাট্রিক্স অরগ্যানিক লাইট-ইমিটিং ডায়োড) বা AMOLED ডিসপ্লে, এলইডি ডিসপ্লে এর একটি উন্নত সংস্করণ যাতে টিএফটি এর মতো অ্যাক্টিভ-ম্যাট্রিক্স ফাংশনালিটি রয়েছে।

এই ধরনের ডিসপ্লে এর কালার রিপ্রোডিউসিং চমৎকার। এর কন্ট্রাস্ট লেভেল এবং কৌণিক-দর্শনও ভালো। এটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং এর তৈরি প্রক্রিয়াও সহজ। 

উৎস: Samsung
১১,০৭২.
Long Term Evolution কোন প্রজন্মের মোবাইল সেবা?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৪র্থ
  4. ঘ) ৫ম
ব্যাখ্যা
WiMAX, LTE (Long Term Evolution) ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সেবা। GSM, EDGE, UTMS, CDMA এগুলো ৩য় প্রজন্মের মোবাইল সেবা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
১১,০৭৩.
ড্রপবক্স প্রধানত কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্লাউড স্টোরেজ
  2. ভিডিও সম্পাদনা
  3. অ্যান্টিভাইরাস সুরক্ষা
  4. অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল
ব্যাখ্যা

• ড্রপবক্স মূলত একটি ক্লাউড স্টোরেজ সেবা যা ব্যবহারকারীদের ফাইল, ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য ডেটা অনলাইনে সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো জায়গা থেকে ফাইল অ্যাক্সেস ও শেয়ার করার সুবিধা দেয়। ব্যবহারকারী সহজেই ফাইল আপলোড, ডাউনলোড এবং অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে। ড্রপবক্স ফাইলের ব্যাকআপ রাখার জন্যও ব্যবহৃত হয়, যাতে কম্পিউটারে কোনো সমস্যা হলে ডেটা নিরাপদ থাকে। এছাড়া, একাধিক ডিভাইসের মধ্যে ফাইল সিঙ্ক্রোনাইজেশন করা সম্ভব। ড্রপবক্স কোনো ভিডিও সম্পাদনা, অ্যান্টিভাইরাস সুরক্ষা বা অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার জন্য ব্যবহার হয় না। তাই সঠিক উত্তর হবে ক) ক্লাউড স্টোরেজ।

• Dropbox: 
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,০৭৪.
প্রোগ্রামিং চলাকালীন কোন ধরনের ভুল হলে কম্পিউটার ত্রুটির বার্তা দেখায়?
  1. Logical Error
  2. Data Error
  3. Syntax Error
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং চলাকালীন Syntax Error হলে কম্পিউটার ত্রুটির বার্তা দেখায়। এটি তখন ঘটে যখন কোডের গঠন বা নিয়ম সঠিক হয় না, যেমন ভুল বানান, ভুল সেমিকোলন বা ব্র্যাকেট না থাকা। কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার এই ভুল শনাক্ত করে এবং ত্রুটির বার্তা দেখায়, ফলে প্রোগ্রাম রান হয় না যতক্ষণ না ভুল ঠিক করা হয়। অন্যদিকে, Logical Error হলে প্রোগ্রাম চলে কিন্তু ফলাফল ভুল হয়, আর Data Error ডাটা সংক্রান্ত সমস্যা নির্দেশ করে, যা সাধারণত ত্রুটির বার্তা দেয় না। তাই Syntax Error ত্রুটি বার্তা দেখায়।
সঠিক উত্তর: গ) Syntax Error।

• Data Error:
- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা, এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

• Syntax Error:
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- সিনট্যাক্স ভুলের উদাহরণ: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।
- এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের বেলা কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

• Logical Error:
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক্যাল ভুল।
- সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয়।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,০৭৫.
প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর কোনটি?
  1. Intel 8008
  2. Intel 4004
  3. Intel 8086
  4. Intel Pentium
ব্যাখ্যা

Intel 4004 ছিল বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক মাইক্রোপ্রসেসর, যা ১৯৭১ সালে ইন্টেল দ্বারা তৈরি করা হয়।

মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004.

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১১,০৭৬.
SDN-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Software Defined Networking
  2. Standard Defined Networking
  3. Secure Defined Networking
  4. System-Defined Networking
ব্যাখ্যা
◉ SDN হলো নেটওয়ার্কিংয়ের একটি পদ্ধতি যেখানে নেটওয়ার্কের কন্ট্রোলিং সফটওয়্যার দ্বারা পরিচালিত হয়, যা হার্ডওয়্যার থেকে আলাদা। 

SDN: 
- SDN (Software Defined Networking) হলো একটি আধুনিক নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার, যেখানে নেটওয়ার্কের কন্ট্রোল প্লেন এবং ডেটা প্লেন-কে পৃথক করা হয়।
- এটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে আরও ডাইনামিক, কার্যকর ও প্রোগ্রামেবল করে তোলে।
- ব্যবহার: Cloud data centers, ISPs, enterprise networks.

উৎস: CISCO ওয়েবসাইট। [লিংক] 
১১,০৭৭.
দুই ইনপুটবিশিষ্ট একটি NAND গেইটের আউটপুট নিম্ন (0) হবে যখন দুটি ইনপুট _____ হয়।
  1. ভিন্ন
  2. 1
  3. 0
  4. উপরের সবগুলো
১১,০৭৮.
স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রয়েডের প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ক) ল্যারি পেইজ
  2. খ) এন্ডি রুবিন
  3. গ) সার্গেই ব্রেইন
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

The $350 Million Man. Mr. Rubin joined Google in 2005 when it acquired his start-up, Android, for $50 million. Over the next few years, he helped build Android — the software now used in 80 percent of the world's smartphones — into a huge success.
source: nytimes.com

১১,০৭৯.
বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) WINDOWS NT
  2. খ) Mac OS
  3. গ) WINDOWS VISTA
  4. ঘ) UNIX
ব্যাখ্যা

Unix একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

- বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম :- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম :- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

১১,০৮০.
MIMD এর পূর্ণরূপ-
  1. Memory Information Memory Data
  2. Memory Instruction Multiple Data
  3. Multiple Instruction Multiple Data
  4. Multiple Instruction Memory Data
ব্যাখ্যা
• MIMD এর পূর্ণরূপ- Multiple Instruction Multiple Data

• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
HTML - Hyper Text Markup Language
ATM - Automated Teller Machine
CSS - Cascading Style Sheet
WAN - Wide Area Network
DBMS - Database Management System 
EMTS - Electronic Money Transfer System
MICR stands for - Magnetic Ink Character Recognition
CPU - Central Processing Unit
RAM - Random Access Memory
ROM - Read Only Memory
OMR - Optical Mark Reader

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।
১১,০৮১.
প্রতিটি URL এ থাকে-
  1. ক) ওয়েব প্রোটোকল
  2. খ) ওয়েব সার্ভারের নাম
  3. গ) সার্ভারের ডিরেক্টরি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ইউআরএল (URL):
- কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।

• প্রতিটি URL এ থাকে:
 ১. ওয়েব প্রোটোকল
 ২. ওয়েব সার্ভারের নাম
 ৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ
 ৪. HTML ফাইলের নাম

১. ওয়েব প্রোটোকল:
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।

২. ওয়েব সার্ভার:
- সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।

৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ:
- সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।

৪. HTML ফাইল নাম:
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।  
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,০৮২.
মেটা মূলত কোন কাজের জন্য পরিচিত?
  1. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  2. ভিডিও গেম তৈরি করা
  3. স্মার্টফোন উৎপাদন
  4. অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা
ব্যাখ্যা

মেটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। এটি ব্যবহারকারীদের অনলাইন কমিউনিটি তৈরি, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন ধরনের ভার্চুয়াল পরিবেশে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়। মেটা বিভিন্ন সামাজিক অ্যাপ ও VR প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষদের একসাথে অনলাইনে আসার এবং বাস্তবসম্মত ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ প্রদান করে। এতে ব্যবহারকারীরা ছবি, ভিডিও, পোস্ট শেয়ার করতে পারে এবং ভার্চুয়াল মিটিং, গেমিং বা ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারে। সংক্ষেপে, মেটা মূলত ডিজিটাল সামাজিক যোগাযোগ ও ভার্চুয়াল ইন্টারঅ্যাকশনের জন্য পরিচিত।

উত্তর: ক) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। 

• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ। (তথ্য: আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)।

- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। 
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০৮৩.
Android OS এর স্বত্বাধিকার কোন প্রতিষ্ঠানের?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. গুগল
  4. স্যামসাং
ব্যাখ্যা
• Android OS (Operating System) হলো একটি ওপেন সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, যা মূলত স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Android OS প্রথমে Alphabet Inc.-এর অধীনস্থ ছিলো। 
- এরপর Google ২০০৫ সালে Android Inc. কোম্পানিকে অধিগ্রহণ করে এবং
- তখন থেকে Android OS এর স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান হলো গুগল।

অন্যদিকে,
• স্যামসাং:  তারা Android OS ব্যবহার করে, কিন্তু OS-এর মালিকানা তাদের কাছে নেই। 
• অ্যাপল: তারা iOS-এর মালিক। এটি Android-এর প্রতিযোগী হিসেবে বিবেচিত হয়। 
• মাইক্রোসফট:  তারা Windows OS-এর স্বত্বাধিকারী। 

তথ্যসূত্র:
- Android Authority. 
- Britannica. 
১১,০৮৪.
কত দূরত্ব পর্যন্ত WiMax বেস স্টেশন ইন্টারনেট অ্যাকসেস সুবিধা প্রদান করে?
  1. 1 Km - 50 Km
  2. 10 Km - 60 Km
  3. 7 Km - 10 Km
  4. 80 Km - 100 Km
ব্যাখ্যা
• WiMAX: 
- Wi-Max শব্দের পূর্ণরূপ হলো World Wide Interoperability For Microwave Access।
- ওয়াই-ম্যাক্স প্রযুক্তিগতভাবে IEEE-802. 16 নামে পরিচিত।
- ওয়াই-ম্যাক্সের তারবিহীন নেটওয়ার্ক কাভারেজ এরিয়া ১০-৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

• ওয়াই-ম্যাক্স-এর সুবিধা:
১. DSL এবং তারযুক্ত ইন্টারনেটের পরিবর্তে তারবিহীন ব্রড ব্যান্ডে ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যায়।
২. ওয়াই-ম্যাক্স-এর সাহাযে্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়।
৩. একটি বেস স্টেশনের আওতায় কয়েক হাজার ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া যায়।
৪. ওয়াই-ম্যাক্স-এর ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি অর্থাৎ ৩০ Mbps থেকে ১ Gbps পর্যন্ত হয়।
৫. প্রতিটি বেস স্টেশনের নেটওয়ার্ক কাভারেজ এরিয়া ১০-৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত
৬. এটি অপেক্ষাকৃত অধিক নিরাপত্তা সুবিধাসংবলিত ওয়্যারলেস প্রটোকল।
৭. ওয়াই-ম্যাক্স-এর সাহাযে্য ডেটা আদান প্রদান ছাড়াও VOIP কল করা যায়।


উৎস: prothomalo
১১,০৮৫.
শুধু কোম্পানির নিজস্ব লোকজনের জন্য রিসোর্স উন্মুক্ত কোন নেটওয়ার্কে?
  1. ক) এক্সট্রানেট
  2. খ) ইন্টারনেট
  3. গ) ইন্ট্রানেট
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

ইন্ট্রানেট এবং এক্সট্রানেট:
ধরা যাক একটি বৃহৎ কোম্পানি যার অফিস দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় সদরে এবং দেশের বাইরেও আরও কয়েকটি দেশব্যাপি বিস্তৃত। এই কোম্পানির প্রতিটি অফিসেই ল্যান রয়েছে এবং দেশে ও দেশের বাইরে এই ল্যানগুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে ওয়ান (WAN) বলা যায়।
তবে পার্থক্য হচ্ছে, এই ওয়ানের একটি অংশ বা রিসাের্স (যেমন : আর্থিক হিসাব, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক কৌশল ইত্যাদি) অত্যন্ত সুরক্ষিত অবস্থায় থাকে। পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে শুধু কোম্পানির নিজস্ব লােকজন এসব রিসাের্স ব্যবহার করতে পারে। কোম্পানির সুৱক্ষিত রিসোর্স সংবলিত এই নেটওয়ার্ক অংশটিকে বলা হয় ইন্ট্রানেট (Intranet)।
ইন্টারনেটের মতােই সম্প্রতি ইন্ট্রানেটও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ইট্রানেট হচ্ছে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা ইন্টারনেট প্রটোকল প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য, কর্মক্ষম সিস্টেম অথবা কম্পিউটিং সেবা শেয়ার করে।
কোন কোম্পানির ওয়ানের একটি নির্দিষ্ট অংশ বা এর রিসাের্স সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকতে পারে। এসব উন্মুক্ত রিসাের্সের মধ্যে থাকতে পারে কোম্পানির প্রােফাইল, প্রজেক্ট এবং প্রোগ্রাম, শেয়ার স্ট্যাটাস, বাৎসরিক প্রতিবেদন ইত্যাদি। কোম্পানির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ ইউজাররা এসব তথ্য দেখতে পারে বা ডাউনলােড করে সংরক্ষণ করতে পাত্রে। ওয়ানের এ ধরনের উক্ত অংশকে বলা এক্সট্রানেট (Extreet)।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১১,০৮৬.
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যারকে কী বলে?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. অ্যাডওয়্যার
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা
• Malware (ম্যালওয়্যার):
- Malware (ম্যালওয়্যার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware),
- ওয়ার্ম (Worms) ইত্যাদি।

• বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
১১,০৮৭.
অ্যাডা লাভলেস কোন যন্ত্রের জন্য প্রোগ্রামিং ধারণা প্রবর্তন করেছিলেন?
  1. এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন
  2. পার্ল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. ইলেকট্রনিক কম্পিউটার
  4. টারিং মেশিন 
ব্যাখ্যা

- অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের ডিজাইন করা এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন-এর জন্য প্রথম প্রকাশিত অ্যালগরিদম তৈরি করেছিলেন, যা তাঁকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে

অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace): 
- এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনে গণনার কাজটি আরও কার্যকর করতে ভেবেছেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)। 
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন, এই কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়। 
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন। 
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,০৮৮.
কোন অংশ কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” হিসেবে বিবেচিত হয়? 
  1. হার্ডডিস্ক
  2. মাদারবোর্ড
  3. সিপিইউ 
  4. কীবোর্ড
ব্যাখ্যা

সিপিইউ:

- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে। প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরো কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ।
- এটি কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০৮৯.
গুগলের প্রধান সার্চ ইঞ্জিন অ্যালগোরিদমের নাম কী?
  1. PageRank
  2. EdgeRank
  3. Timeline
  4. NewsFeed
ব্যাখ্যা

PageRank হলো গুগলের মূল সার্চ ইঞ্জিন অ্যালগোরিদম, যা Larry Page এবং Sergey Brin (Google-এর প্রতিষ্ঠাতা) তৈরি করেছিলেন। এটি ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজের লিংক স্ট্রাকচার বিশ্লেষণ করে নির্ধারণ করে কোন পেজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমান CEO: Sundar Pichai (Oct 2, 2015 - present)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
EdgeRank হলো Facebook-এর News Feed অ্যালগোরিদম।
Timeline ও NewsFeed সোশ্যাল মিডিয়া (Facebook)-এর সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: Google Official Website and Search Engine Journal.

১১,০৯০.
Which one is a part of motherboard in a computer?
  1. ক) BIOS
  2. খ) PIC
  3. গ) DMA
  4. ঘ) All of them
ব্যাখ্যা
সিস্টেম ইউনিট :
একটা Personal Computer-এর সবচেয়ে বড় অংশকে System Unit বলে।
এ Unit-এর ভিতরেই সি পি ইউ (Central Processing Unit), স্মৃতিকেন্দ্র (Memory Unit), সমস্ত যন্ত্রাংশ, ফ্লপি, সিডি, ডিস্ক ড্রাইভ ও হার্ডডিস্ক অবস্থিত। 
এ বাক্সটির ভিতরেই কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশ সংযোজিত থাকে। এ সিষ্টেম ইউনিট এর ভিতরেই কম্পিউটারের মাদার বোর্ডসহ অন্যান্য অংশসমূহ বিদ্যমান।
মাদার বোর্ডের মধ্যেই কম্পিউটারের CPU বা মাইক্রোপ্রসেসর থাকে যা কম্পিউটারের ব্রেন বা কেন্দ্রিয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে পরিচিত। 

একটি মাদারবোর্ড-এ
-সিপিউ,
-RAM চিপসমূহ (SIMM/DIMM),
-ROM চিপ (BIOS),DMA চিপ (Direct Memory Access),
-PIC চিপ (Programmable Intrupt Controller),
-PIT চিপ (Programmable Intrupt Timer),
-Expansion slotসমূহ ও DPI,
-কীবোর্ড সংযোগ পোর্ট, পাওয়ার সাপ্লাই পোর্ট, বিভিন্ন Jumper connection ও LED connection ইত্যাদি
উপকরণসমূহ বিদ্যমান থাকে ।
১১,০৯১.
কম্পিউটারে প্রিন্ট স্ক্রিন করা হয় কী - বোর্ডের কোন কী দিয়ে?
  1. ক) F6
  2. খ) P
  3. গ) S
  4. ঘ) F13
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রিন্ট স্ক্রিন করতে Ctrl + P চাপতে হয়।
১১,০৯২.
SSL প্রযুক্তি E-Commerce-এ ব্যবহৃত হয় কেন? 
  1. ডেটা সংরক্ষণে
  2. ওয়েব ডিজাইনে
  3. সার্ভার চালু রাখতে 
  4. নিরাপদ লেনদেনের জন্য
ব্যাখ্যা

◉ SSL (Secure Sockets Layer) প্রযুক্তি E-Commerce-এ অনলাইন লেনদেনকে নিরাপদ (secure) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

১১,০৯৩.
টেম্পোরারি ফাইল বেশি হলে কী ঘটে?
  1. ক) এন্টিভাইরাস কাজ করে না
  2. খ) কম্পিউটারের গতি বেড়ে যায়
  3. গ) ই-মেইল করা যায় না
  4. ঘ) কম্পিউটারের গতি কমে যায়
ব্যাখ্যা
- টেম্পোরারি ফাইল বেশি হলে কম্পিউটারের গতি কমে যায়

 • কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পােরারি ফাইল তৈরি হয়।
- অনেক দিন এ ফাইলগুলাে না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলাে কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
- এজন্য আমাদের উচিত, সফটওয়্যার এর সাহায্য নিয়ে এই অস্থায়ী ফাইলগুলাে ডিলিট করা বা মুছে দেয়া।
- এতে হার্ডডিস্কের বেশ খানিকটা জায়গা খালি হবে আবার কম্পিউটারের কাজের গতিও অনেক বেড়ে যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,০৯৪.
কোনটি হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) মোডের উদাহরণ?
  1. রেডিও
  2. ইন্টারনেট
  3. টেলিভিশন
  4. ওয়াকিটকি
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়। 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স (Simplex): 
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৯৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারে ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. ট্রোজান হর্স
  3. স্পাইওয়্যার
  4. র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা
মেলওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম(worms) প্রভৃতি।
- আর্থিক প্রতারণা ও অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেল মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
   যেমনঃ র‍্যানসমওয়্যার(Ransomware)।
- র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
১১,০৯৬.
নিচের কোনটি টেলিকনফারেন্সিংয়ের ধরণের অন্তর্ভুক্ত?
  1. পাবলিক কনফারেন্স
  2. ক্লোজড কনফারেন্স
  3. রিড-অনলি কনফারেন্স
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• টেলিকনফারেন্সিং:
- টেলিকনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সভা, সেমিনার, বা দলগত যোগাযোগ করা সম্ভব। 
- বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যে কেউ টেলিফোনের মাধ্যমে টেলিকনফারেন্সিংয়ে অংশ নিতে পারে।
- এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারীরা কী-বোর্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কম্পিউটারে তাদের বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাঠিয়ে থাকেন।
- টেলিকনফারেন্সিংয়ের বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে, যেমন পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স, রিড-অনলি কনফারেন্স ইত্যাদি।
- পাবলিক কনফারেন্স সবার জন্য উন্মুক্ত, যেখানে যে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারে।
- ক্লোজড কনফারেন্স সবার জন্য উন্মুক্ত নয় এবং পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে এই ধরনের কনফারেন্সে অংশ নেওয়া যায়।
- টেলিকনফারেন্সিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- ভিডিও ও অডিও ব্যবহার করে পরিচালিত সভাকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,০৯৭.
PDA কি?
  1. ক) Protocol Disk Administrator
  2. খ) Primary Digital Assistant
  3. গ) Processor Digital Add-on
  4. ঘ) Personal Digital Assistant
ব্যাখ্যা
PDA, in full personal digital assistant, a handheld organizer used to store contact information, manage calendars, communicate by e-mail, and handle documents and spreadsheets, usually in communication with the user’s personal computer. [source: britannica]
১১,০৯৮.
মানুষের জন্য নিচের কোনটি অধিক সুবিধাজনক?
  1. ক) ডোমেইন নেম
  2. খ) আইপি
  3. গ) দুইটিই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মানুষ আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার না করে ডোমেইন নেইম ব্যবহার করে।
কারণ আইপি অ্যাড্রেস সংখ্যাবাচক তাই মনে রাখা কষ্টকর কিন্তু ডোমেইন নেইম টেক্সট অ্যাড্রেস তাই মনে রাখা সহজ।
এক্ষেত্রে DNS সার্ভার বা Domain Name System সার্ভার এর মাধ্যমে আইপি অ্যাড্রেসকে ডোমেইন নেইমে রূপান্তর করে।
১১,০৯৯.
কোন ম্যালওয়্যার নিজেকে অন্য প্রোগ্রামের সাথে সংযুক্ত করে রাখে এবং ভাইরাসের মত ছড়ায়?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ওয়ার্ম
  4. রুটকিট
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ম (Worm) হলো একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ম্যালওয়্যার, যা নিজেকে নেটওয়ার্ক বা সিস্টেমে পুনরুত্পন্ন করতে পারে। এটি সাধারণত অন্য কোনো প্রোগ্রামের সাথে সংযুক্ত না হয়েও ছড়াতে পারে, তবে কিছু ওয়ার্ম ভাইরাসের মতো অন্য ফাইলের সাথে সংযুক্ত থেকেও ছড়াতে পারে।

Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) ট্রোজান হর্স – এটি একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে ছদ্মবেশে থাকে এবং ক্ষতি করে। 
খ) স্পাইওয়্যার – এটি ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে চুরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 
ঘ) রুটকিট – এটি সিস্টেমের গভীরে প্রবেশ করে এবং হ্যাকারদের জন্য গোপন ব্যাকডোর তৈরি করে, কিন্তু এটি ভাইরাসের মতো ছড়ায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

১১,১০০.
নিচের কোনটি একটি প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম?
  1. Facebook
  2. Instagram
  3. Snapchat
  4. LinkedIn
ব্যাখ্যা

◉ LinkedIn হলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম। 

LinkedIn: 
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ৷
- ২০০২ সালে রিড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- ২০০৩ সালে LinkedIn অফিশিয়ালি চালু হয়।

LinkedIn এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা, 
- প্রফেশনাল প্রোফাইল তৈরি করতে পারে; 
- চাকরির সন্ধান করতে পারে এবং চাকরিদাতা পেতে পারে; 
- বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির এক্সপার্টদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; 
- প্রফেশনাল স্কিল শেখার জন্য কোর্স করতে পারে (LinkedIn Learning); 
- বিজনেস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। 

উৎস: LinkedIn Official Website.