বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১০৭ / ১৩১ · ১০,৬০১১০,৭০০ / ১৩,০৮৮

১০,৬০১.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কোনটি?
  1. ক) ফেসবুক
  2. খ) ইউটিউব
  3. গ) মেসেঞ্জার
  4. ঘ) উপরের সব কয়টি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১০,৬০২.
ক্যান্সার চিকিৎসায় অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ও কার্যকর হচ্ছে -
  1. ক) Cryosurgery
  2. খ) Extirpative surgery
  3. গ) Transplantation surgery
  4. ঘ) Reconstructive surgery
ব্যাখ্যা
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- ক্রয়োসার্জারিকে একটি কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা বিবেচনা করা হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে।

ক্রায়োসার্জারির সুবিধাসমূহ- 
- ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জারি থেকে কম ক্ষতিকর।
- সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, ক্রয়োসার্জারিতে তা হয় না ।
- ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ কম ।
- অন্য পদ্ধতির তুলনায় হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়। ক্রায়োসার্জারির অসুবিধাসমূহ
- দীর্ঘমেয়াদী ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।
- মাইক্রোকপিক ক্যান্সার বিস্তার রোধে ব্যর্থ।
- কার্যকর কৌশলের বিষয়ে প্রশ্নবিদ্ধ।

সূত্র: ২২ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬০৩.
যে ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে তাকে কী বলা হয়?
  1. ওয়ার্ম
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ট্রোজান হর্স
  4. অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ম ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে।

• কম্পিউটার ওয়ার্ম:
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

উল্লেখ্য,
- এডওয়্যার: বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস।
- ট্রোজান হর্স : এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

 উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬০৪.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদান কোনটি?
  1. Data Glove
  2. Body Suit
  3. Head Mounted Display
  4. All above
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display- HMD),
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove),
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit),
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা,
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন,
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর,
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০,৬০৫.
VIRUS -এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Vital Information Resources Under System
  2. খ) Various Information Resources Under Seize
  3. গ) Vital Information Resources Under Seize
  4. ঘ) Various Information Resources Under System
ব্যাখ্যা
• VIRUS -এর পূর্ণরূপ Vital Information Resources Under Seize.

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল Vital Information Resources Under Seize.
- যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬০৬.
স্টার টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একে অপরের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত থাকে?
  1. এলোমেলোভাবে সংযুক্ত
  2. একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে
  3. বৃত্তাকারভাবে সংযুক্ত
  4. পরপর লাইন দিয়ে সংযুক্ত
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে (খ)। এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি সাধারণত হাব, সুইচ বা সার্ভার হয়ে থাকে। প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা আলাদা কেবলের মাধ্যমে সরাসরি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে যুক্ত হয়, কিন্তু একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে না। কোনো কম্পিউটার থেকে ডাটা পাঠাতে হলে প্রথমে তা কেন্দ্রীয় ডিভাইসে যায়, তারপর সেখান থেকে নির্দিষ্ট কম্পিউটারে পৌঁছে। এই টপোলজির সুবিধা হলো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয় না। তবে কেন্দ্রীয় ডিভাইস নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়।

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,৬০৭.
XOR গেইটের জন্য কোনটি সত্য?
  1. 1 ⊕ 1 = 1
  2. 0 ⊕ 1 = 1
  3. 0 ⊕ 0 = 1
  4. 1 ⊕ 0 = 0
ব্যাখ্যা

• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬০৮.
নিচের কোনটি ALU-এর কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. যোগ ও বিয়োগ
  2. গুণ ও ভাগ
  3. ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ
  4. লজিক অপারেশন
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম ইউনিট (CPU):
- কম্পিউটারের প্রধান অংশ হলো সিস্টেম ইউনিট বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)।
- মানুষের মত কম্পিউটারেও মস্তিষ্ক বা প্রসেসর বিদ্যমান রয়েছে।
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।
- প্রক্রিয়াকরণ বা প্রসেসিং ইউনিটের প্রধান অংশ তিনটি। যথা:

অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU):
- এ অংশের কাজ হলো গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজগুলো করা। গাণিতিক কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি। আর যৌক্তিক কাজগুলো হতে পারে ছোট-বড় নির্ণয় করা, সমান কী-না যাচাই করা ইত্যাদি।

কন্ট্রোল ইউনিট:
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।

মেমোরি বা স্মৃতি:
- প্রক্রিয়াকরণের পূর্বে প্রদত্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকালীন সময়ে অন্তবর্তীকালীন ফলাফল এবং প্রক্রিয়াকরণের শেষে চূড়ান্ত ফলাফল জমা রাখার জন্য কম্পিউটারের যে অংশগুলো (প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরি) কাজ করে তাকে মেমোরি ইউনিট বলে।
- ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১০,৬০৯.
কোন প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেটের আইপি অ্যাড্রেস নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) ITU
  2. খ) ISP
  3. গ) IANA
  4. ঘ) ICANN
ব্যাখ্যা
আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- IP Address এর পূর্ণরূ প হচ্ছে Internet Protocol Address.
- বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet).
- IANA (Internet Assigned Numbers Authority) কর্তৃক আইপি অ্যাড্রেস নিয়ন্ত্রিত হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০,৬১০.
কোনটি কম্পিউটার সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় কোনো ভূমিকা রাখে না?
  1. Size of Register
  2. Size of Cache Memory
  3. Size of RAM
  4. Size of ROM
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন, রেজিস্টারের আকার (Size of Register) প্রসেসরের গতি ও ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতায় প্রভাব ফেলে, ক্যাশ মেমোরির আকার (Size of Cache Memory) দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে এবং র‌্যামের আকার (Size of RAM) একই সময়ে কত ডেটা বা প্রোগ্রাম চালানো যায় তা নির্ধারণ করে। তবে, রোমের আকার (Size of ROM) সরাসরি সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় প্রভাব ফেলে না, কারণ রোমে সাধারণত স্থায়ী প্রোগ্রাম বা ফার্মওয়্যার থাকে যা চালু হওয়ার সময় লোড হয়, কিন্তু সাধারণ প্রোগ্রাম চালানো বা প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করে না। সুতরাং, ROM-এর আকার কর্মক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত নয়।

RAM:
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।

ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

Cache Memory:
- কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
- সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache তে অবস্থান করে।
- Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।

Register:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬১১.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সেবা নয় কোনটি?
  1. Amazon Web Services (AWS)
  2. Microsoft Azure
  3. Google Cloud
  4. VMware Workstation
ব্যাখ্যা
⚪ Google Cloud, Microsoft Azure, এবং Amazon Web Services (AWS) — এই তিনটি হলো বড় বড় ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম। এগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়াল সার্ভার, ডেটা স্টোরেজ, নেটওয়ার্কিং ইত্যাদি সেবা দিয়ে থাকে।
- VMware Workstation হলো একটি ডেস্কটপ ভার্চুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার। এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা নয়।

⚪ ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-

১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০,৬১২.
কম্পিউটার আই কিউ হচ্ছে-
  1. ক) Unlimited
  2. খ) Greater than 120
  3. গ) Less than 120
  4. ঘ) Zero
  5. ঙ) 120
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের কোন নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা নেই।
এতে দেয়া ইনপুট ডেটা এর উপর ভিত্তি করে এটি ডেটা প্রক্রিয়া করে থাকে।
তাই কম্পিউটারের আই কিউ (IQ) শূন্য ধরা হয়।

১০,৬১৩.
গুগল হওয়ার পূর্বে গুগলের প্রাথমিক নাম কী ছিল?
  1. Backrub
  2. Googol
  3. Alphabet
  4. NetSearch
ব্যাখ্যা

• গুগল প্রতিষ্ঠার আগে গুগলের প্রাথমিক নাম ছিল Backrub. ১৯৯৬ সালে ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন এই সার্চ ইঞ্জিনের ওপর কাজ শুরু করেন, যার নাম তারা প্রথমে Backrub রাখেন। নামটি ছিল কারণ তাদের সার্চ ইঞ্জিন ওয়েব পেজের ব্যাকলিঙ্ক বিশ্লেষণ করে পেজের গুরুত্ব নির্ধারণ করত। পরে, নামটি পরিবর্তন করে Google রাখা হয়, যা গাণিতিক শব্দ “Googol” থেকে নেওয়া, যার মানে ১-এর পরে ১০০টি শূন্য। Google নামটি ব্যবহার করা হলো কারণ এটি তথ্যের বিশাল পরিমাণের সন্ধান এবং প্রদর্শনে উপযুক্ত এবং সহজবোধ্য ছিল। তাই, গুগল হওয়ার পূর্বে গুগলের প্রাথমিক নাম ছিল Backrub.

• Google: 
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। 
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স। 
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০,৬১৪.
Among the options below, which one is not an example of an input-output device?
  1. Touchscreen
  2. Mouse
  3. Modem
  4. Pen drive
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
⇒ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, 
- মাউস, 
- অপটিকাল রিডার, 
- জয়স্টিক, 
- মাইক্রোফোন, 
- স্ক্যানার, 
- গ্রাফিক্স প্যাড, 
- লাইট পেন, 
- ওয়েবক্যাম, 
- ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
⇒ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, 
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
⇒ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
- পেনড্রাইভ, 
- টাচ স্ক্রিন, 
- মডেম। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬১৫.
শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ঠ্যের ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণ পদ্ধতি কোনটি?
  1. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  2. ফেস রিকগনিশন
  3. ভয়েস রিকগনিশন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিঃ
১. ফিংগার প্রিন্ট 
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি 
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান
৪. ফেইস রিকোগনিশন
৫. ডিএনএ টেস্ট

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিঃ
১. ভয়েস রিকগনিশন 
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন 
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক 

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

 
১০,৬১৬.
ভগ্নাংশ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য-
  1. ক) ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে
  2. খ) ৮ দিয়ে ভাগ করতে হবে
  3. গ) ২ দিয়ে ভাগ করতে হবে
  4. ঘ) ২ দিয়ে গুণ করতে হবে
ব্যাখ্যা

ভগ্নাংশ দশমিক সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তরঃ
ভগ্নাংশ দশমিক সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে।

১. ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
২. এভাবে ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না গুণফলের ভগ্নাংশ ০ হয়।
৩. অতঃপর উপরে দিক থেকে নিচের দিকের পূর্ণ অংশগুলো বাম থেকে ডান দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখতে হবে।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১০,৬১৭.
ফোল্ডেবল স্মার্টফোনে ব্যবহৃত বিশেষ স্ক্রিন টেকনোলজি কোনটি?
  1. OLED
  2. AMOLED
  3. পলিমার ডিসপ্লে
  4. লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে
ব্যাখ্যা

ফোল্ডেবল স্মার্টফোনে সাধারণত পলিমার-ভিত্তিক নমনীয় ডিসপ্লে ব্যবহৃত হয়, যা ভাঁজ করা ও খোলা যায় কিন্তু স্ক্রিনের কার্যকারিতা নষ্ট হয় না।

স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উল্লেখ্য, OLED ও AMOLED: যদিও তারা ফোল্ডেবল ডিসপ্লেতে ব্যবহৃত হয়, তবে পলিমার ভিত্তিক না হলে ভাঁজযোগ্যতা সম্ভব নয়।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা।
২। Android Authority ওয়েবসাইট। 

১০,৬১৮.
নিম্নলিখিত কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্যতম সুবিধা?
  1. অত্যধিক খরচের বাধ্যবাধকতা
  2. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধতা
  3. প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভিসের পরিমাণ বৃদ্ধি ও হ্রাস
  4. ব্যবহারকারীর ডেটা নিরাপত্তায় সীমিত নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্যতম বড় সুবিধা হলো Scalability (স্কেলযোগ্যতা), অর্থাৎ ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভিস বা রিসোর্স বাড়াতে বা কমাতে পারে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়।

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন
- সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন।
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ।

৪। নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service):
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে।

এছাড়াও ক্লাউড সার্ভিসের ব্যবহারকারীরা নিচের সুবিধাগুলো ভোগ করে থাকে:
- যত চাহিদা তত সার্ভিস (Resource Flexibility/Scalability),
- যখন চাহিদা তখন সার্ভিস (On Demand),
- যখন ব্যবহার তখন মূল্য শোধ (Pay as you go) এবং
- উদ্যোক্তাদের সুযোগ (Opportunity for Entrepreneurs) ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১০,৬১৯.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Adobe Reader
  2. খ) MS Word
  3. গ) MS Excel
  4. ঘ) Windows 7
ব্যাখ্যা
WINDOWS- 7 হচ্ছে একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। 

- Adobe Reader, MS Word, MS Excel হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 

- কম্পিউটারকে সচল রেখে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে যে সফটওয়্যার প্রয়োজন হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) বলে। - একটি কম্পিউটার অন হওয়ার সাথে সাথেই অপারেটিং সিস্টেমের কাজ শুরু হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের সব যন্ত্রপাতি পরীক্ষা করে দেখে, সব যন্ত্রপাতিকে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেয়, ইনপুট আউটপুট সচল করে। 
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমসমূহের নাম- 
- এমএস ডস (MS DOS)
- পিসি ডস (PC DOS)
- এমএস উইন্ডোজ (MS Windows)
- এমএস উইন্ডোজ এনটি (MS Windows NT)
- ইউনিক্স (UNIX)
- লিনাক্স (LINUX)
- ম্যাক ওএস (Mac OS)

সূত্র- Microsoft Website [লিঙ্ক]
১০,৬২০.
মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. ক) সিক টাইম
  2. খ) ল্যাটেন্সি টাইম
  3. গ) অপারেশনাল টাইম
  4. ঘ) অ্যাকসেস টাইম
ব্যাখ্যা
অ্যাকসেস টাইম (Access Time) : মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়। অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে। সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান। কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

পঠনক্রিয়া (Read Operation) : মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।
লিখন অপারেশন (Write Operation) : মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

সিক টাইম (Seek Time): চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 
ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time) : রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।

• সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১০,৬২১.
GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে কী বলা হয়?
  1. ক) CDMA
  2. খ) UMTS
  3. গ) 3G
  4. ঘ) HSPA
ব্যাখ্যা
GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS (Universal Mobile Telecommunication Syste) বলা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১০,৬২২.
কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম কী কাজ করে?
  1. DC কে AC তে রূপান্তর করে
  2. AC কে DC তে রূপান্তর করে
  3. AC কে AC তে রূপান্তর করে
  4. DC কে DC তে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) AC কে DC তে রূপান্তর করে।

​কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম
- কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম কম্পিউটারকে স্থিতিশীল ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
- এটি AC কে DC তে রূপান্তর করে কম্পিউটারকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলে।

UPS (Uninterruptible Power Source)
- UPS হলো পাওয়ার সিস্টেমের উন্নত রূপ।
- এতে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারি, rectifier, inverter ও control circuits।
- বিদ্যুৎ লাইনে ভোল্টেজ ওঠানামা করলে ব্যাটারি থেকে AC বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।

​ব্যাটারির ভূমিকা
- ব্যাটারি কম ভোল্টেজের DC উৎস।
- DC কে AC তে রূপান্তর (Inversion) করে transformer দ্বারা ভোল্টেজ বাড়ানো হয়।

Inversion ও ট্রানজিস্টরের ব্যবহার
- Inversion করা হয় high-power transistor দিয়ে।
- ট্রানজিস্টর switch-এর মতো কাজ করে এবং ৫০/৬০ Hz ফ্রিকোয়েন্সিতে AC তৈরি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০,৬২৩.
Microprocessor এর কাজ হলো -
  1. তথ্য প্রদান করা
  2. তথ্য গ্রহণ করা
  3. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা
  4. তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্যের উপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো:
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সঙ্গে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

• এই সমস্ত কাজ সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরে প্রয়োজনীয় বর্তনী থাকে।
• উপরে উল্লেখিত কাজগুলো সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে আবার তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২. গাণিতিক/যুক্তি অংশ ও
৩. স্মৃতি। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬২৪.
গেটওয়ের মূল কাজ কী?
  1. একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
  2. ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
  3. ডেটা সংরক্ষণ
  4. অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট
ব্যাখ্যা
গেটওয়ের মূল কাজ হলো ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে (LAN, MAN, WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।
- বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না।

• গেটওয়ের সুবিধা:
- রাউটারের চেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন এবং ডেটার কলিশন বা সংঘর্ষ কম।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধা:
- অন্যান্য ডিভাইসের চেয়ে ব্যয়বহুল।
- কনফিগারেশন করা তুলনামূলক জটিল।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬২৫.
A storage system for small amounts of data is
  1. ক) Magnetic card
  2. খ) Magnetic tape
  3. গ) Punched card
  4. ঘ) Optical mark reader
ব্যাখ্যা
Magnetic card stores a small amount of information like id, password i.e.-ATM.
Magnetic tape is traditional way used for storage.
১০,৬২৬.
হাইব্রিড কম্পিউটার বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়:
  1. লেখা সম্পাদনার জন্য
  2. ভিডিও গেম খেলার জন্য
  3. বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে
  4. ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একসাথে ধারণ করে। অ্যানালগ কম্পিউটার দ্রুত এবং ধারাবাহিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণে দক্ষ, আর ডিজিটাল কম্পিউটার সঠিক হিসাব ও ডেটা সংরক্ষণে কার্যকর। এই দুটি সুবিধা একত্রিত হয়ে হাইব্রিড কম্পিউটারকে বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, চিকিৎসা সংক্রান্ত নিরীক্ষা ও জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত করে। যেমন হাসপাতালে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা, রক্তচাপ বা হৃদস্পন্দন নিরীক্ষা করার সময় এটি দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬২৭.
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরিতে কোন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহৃত হয়?
  1. PHP
  2. JSP
  3. CSS
  4. ASP
ব্যাখ্যা
• গঠন বৈচিত্র্যের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট:
যে সকল ওয়েবপেজ পূর্ব থেকে তৈরিকৃত তথ্যপ্রদর্শন করে এবং কোড পরিবর্তন না করে তথ্য যুক্ত, ডিলিট করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলা হয়।
- HTML, CSS ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরি হয়।

ডায়নামিক ওয়েবসাইট: 
- যে সকল ওয়েবপেজ আপডেটকৃত তথ্য প্রদর্শন করে এবং কোড পরিবর্তন না করে তথ্য যুক্ত, ডিলিট করা যায়  তাকে ডায়নামিক  ওয়েবসাইট বলা হয়।
- ডাটাবেজ সার্ভার ব্যবহার করা হয়। 
- PHP, ASP, JSP  ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে ডায়নামিক  ওয়েবসাইট তৈরি হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬২৮.
ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট YouTube প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ২০০২
  2. ২০০৪
  3. ২০০৫
  4. ২০০৭
ব্যাখ্যা
YouTube is a Web site for sharing videos.
It was registered on February 14, 2005
, by Steve Chen, Chad Hurley, and Jawed Karim, three former employees of the American e-commerce company PayPal.
They had the idea that ordinary people would enjoy sharing their “home videos.” The company is headquartered in San Bruno, California.

Source: Britannica
১০,৬২৯.
একটি লাইটপেন কিভাবে স্ক্রিনে নিজের অবস্থান সনাক্ত করে?
  1. স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে
  2. ইনফ্রারেড সংকেতের মাধ্যমে
  3. চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে
  4. চাপ সংবেদনশীলতার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• একটি লাইটপেন স্ক্রিনের ওপর তার অবস্থান সনাক্ত করার জন্য সাধারণত স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে। লাইটপেনের টিপ বা সূচটি যখন স্ক্রিনে স্পর্শ করে, তখন টেলিভিশন বা মনিটরের ক্রোমিনেন্স ও ব্রাইটনেস অনুযায়ী নির্দিষ্ট পিক্সেল থেকে আলো নির্গত হয়। লাইটপেনের সেন্সর সেই আলো সনাক্ত করে এবং প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের মাধ্যমে স্ক্রিনের ঠিক কোন স্থানে লাইটপেনটি স্পর্শ করছে তা নির্ধারণ করে। এটি মূলত ভিডিও সিগন্যালের সময় এবং অবস্থান অনুযায়ী কাজ করে, তাই লাইটপেন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পয়েন্টে ক্লিক বা ড্রইং করা সম্ভব হয়। অতএব সঠিক উত্তর হলো ক) স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে।
 
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৩০.
বহুনির্বাচনী পরীক্ষার উত্তরপত্র পড়তে ব্যবহৃত হয় কোন ডিভাইস?
  1. ক) বারকোড রিডার
  2. খ) স্ক্যানার
  3. গ) ওএমআর
  4. ঘ) ওয়েবক্যাম
ব্যাখ্যা
ও এম আর:
Optical Mark Recognition. এইটি এমন একটি ডিভাইস যা পেন্সিল বা কালির দাগ বুঝতে পারে। পেন্সিলের দাগ বুঝা যায় পেন্সিলের সীসের গ্রাফাইটের উপাদান এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা দেখে। কালির দাগ বুঝা যায় আলোর প্রতিফলন দেখে। অপ্টিক্যাল মার্ক রিডার বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই দাগ গুলো বুঝতে পারে এবং সঠিক দাগ গণনা করতে পারে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০,৬৩১.
What does the 'F2' key typically do in the Windows operating system?
  1. Opens a new tab
  2. Refreshes the page
  3. Closes the window
  4. Rename the selected item
ব্যাখ্যা

• F2 কী সাধারণত কোনো ফাইল, ফোল্ডার বা শর্টকাটের নাম পরিবর্তন (Rename) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ফাংশন কী:

- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইনটারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: Microsoft website (link)

১০,৬৩২.
Which type of output device is used to display images in high definition?
  1. ক) Speakers
  2. খ) Printers
  3. গ) Monitors
  4. ঘ) Projectors
ব্যাখ্যা
Monitors are used to display images in high definition.
They come in different types such as CRT, LCD, and LED, with different resolution and refresh rates, which makes them suitable for different applications such as gaming, video editing, or general use.

Reference: www.edx.org
১০,৬৩৩.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ফিশিং
  2. স্প্যামিং
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• Adware সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware)।

• সাইবার ক্রাইম:

- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,৬৩৪.
Y-2K কি?
  1. ক) একটি কম্পিউটার ভাইরাস-এর নাম
  2. খ) ২০০০ সাল শুরুর মুহুর্তে সারা বিশ্বে কম্পিউটার বিপর্যয় এর কারণ
  3. গ) নতুন সহস্রাব্দের কম্পিউটার
  4. ঘ) কম্পিউটার-এর একটি নতুন অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
Y2K bug, also called Year 2000 bug or Millennium Bug, a problem in the coding of computerized systems that was projected to create havoc in computers and computer networks around the world at the beginning of the year 2000 (in metric measurements K stands for thousand). [source: britannica.com]
১০,৬৩৫.
নিচের কোনটি বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তির শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত?
  1. রেটিনা স্ক্যানিং
  2. কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ
  3. হাঁটার ধরণ বিশ্লেষণ
  4. টাইপিং গতি যাচাই
ব্যাখ্যা

রেটিনা স্ক্যানিং হলো একটি শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি।
- এটি চোখের রেটিনায় রক্তনালীর জটিল এবং অদ্বিতীয় বিন্যাস ব্যবহার করে ব্যক্তিকে শনাক্ত করে।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন-

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ (ফিংগার প্রিন্ট),
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ (হ্যান্ড জিওমিট্রি),
- ফেইস রিকোগনিশন,
- চোখের আইরিস ও রেটিনা শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ টেস্ট।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (ভয়েস রিকোগনিশন),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

১০,৬৩৬.
অক্টাল 124 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কী মান পাওয়া যায়?
  1. 88
  2. 70
  3. 92
  4. 84
ব্যাখ্যা
• অক্টাল 124 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে 84 পাওয়া যায়।

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(124)8
= 1 × 82 + 2 × 81 + 4 × 80
= 1 × 64 + 2 × 8 + 4 × 1
= 64 + 16 + 4
= 84

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,৬৩৭.
ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. SMTP
  2. PSTN
  3. IMAP
  4. ISDN
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile 
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়। 
- ১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং তারপর এটি অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে। 
- ফ্যাক্স মেশিনগুলো ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে অফিসগুলোতে অনেক প্রচলন ছিল,ইমেল এবং WWW এর মতো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তিগুলোর ফলে তা ধীরে ধীরে অপ্রচলিত হয়ে গেছে।
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.

উৎস: 
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. এপসন।
১০,৬৩৮.
আধুনিক কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) Automation
  2. খ) Versatility
  3. গ) Unreliability
  4. ঘ) Diligence
ব্যাখ্যা

• আধুনিক কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলো হলোঃ
- Accuracy,
- Memory,
- Versatility,
- Automation,
- Correctness,
- High Speed,
- Reliability,
- Diligence,
- Logical Decision,
- Endless Life ইত্যাদি।

১০,৬৩৯.
রাশিয়াতে অ্যাবাকাসকে কি বলা হয়?
  1. ক) স্কোসিয়া
  2. খ) সারোবান
  3. গ) অটরেড
  4. ঘ) সুয়ান পান
ব্যাখ্যা
চিনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ান পান (Suan-pan), জাপানে একে বলা হয় সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)। সূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড বই।
১০,৬৪০.
কো-এক্সিয়াল ক্যাবল এবং অপটিক্যাল ফাইবারে ডেটা স্থানান্তরের জন্য সাধারণত কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. শিফট ব্যান্ড
  2. ভয়েস ব্যান্ড
  3. ব্রড ব্যান্ড
  4. ন্যারো ব্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ব্যান্ডউইডথ:
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit Per Second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলে।
- ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ন্যারো ব্যান্ড, ভয়েস ব্যান্ড ও ব্রড ব্যান্ড।
- ধীর গতি ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ভয়েস ব্যান্ড ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডেটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়।
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৪১.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে?
  1. ক) Prodigy
  2. খ) CompuServ
  3. গ) American Online (AOL)
  4. ঘ) BUET
ব্যাখ্যা
BUET, AIUB তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।  

- মালিকানা অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
প্রাইভেট নেটওয়ার্ক- এ ধরনের নেটওয়ার্ক কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন থাকে।
- অন্য কেউ এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারে না। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক এ ট্রাফিক নাই বললেই চলে।
যেমন- AIUB, BUET ইত্যাদি। 

- পাবলিক নেটওয়ার্ক- পাবলিক নেটওয়ার্ক কোন প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়।
- কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন থাকে না এই ধরনের নেটওয়ার্ক।
যেমন- যে কোন মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক, Prodigy, American Online (AOL) ইত্যাদি। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,৬৪২.
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. ক) সি
  2. খ) জাভা
  3. গ) সি সার্প
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
উপরের সবগুলো প্রোগ্রামিং এর ভাষা।
১০,৬৪৩.
সত্য নাদেলা কোন কোম্পানির সিইও?
  1. ক) আইবিএম
  2. খ) স্ন্যাপচ্যাট
  3. গ) মাইক্রোসোফট
  4. ঘ) গুগল
ব্যাখ্যা
Satya Narayana Nadella is an Indian American business executive. He is the chief executive officer of Microsoft.
source:Microsoft
১০,৬৪৪.
জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট X (Twitter) কোন ধরনের সেবা প্রদান করে?
  1. ছবি শেয়ারিং
  2. মাইক্রোব্লগিং
  3. ভিডিও কলিং
  4. চাকরি খোঁজার প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা

X (পূর্বের Twitter) হলো একটি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা সংক্ষিপ্ত টেক্সট পোস্ট (Tweet), ছবি, ভিডিও, ও লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন।

X (Twitter):
- Twitter এর বর্তমান নাম X
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (Jun 5, 2023 – present)
- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- সদর দপ্তর: San Francisco, California, United States
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) ছবি শেয়ারিং - Instagram ও Pinterest মূলত ছবি শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।
গ) ভিডিও কলিং - Zoom, Google Meet, এবং WhatsApp ভিডিও কলিং সেবা প্রদান করে।
ঘ) চাকরি খোঁজার প্ল্যাটফর্ম → LinkedIn চাকরি খোঁজার জন্য জনপ্রিয়।

উৎস:
১. অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।

১০,৬৪৫.
কোনো কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা নিচের কোন লক্ষণটি দ্বারা প্রকাশিত হবে?
  1. প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগলে
  2. ফাইলের আকার অপরিবর্তিত থাকলে
  3. কম্পিউটারের কাজের গতি কমে গেলে
  4. কম্পিউটার চালু হতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম সময় লাগলে
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ:
১. কম্পিউটার চালু হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে
২. কম্পিউটারের কাজের গতি কমে যায়
৩. প্রোগ্রাম লোড হতে বেশি সময় লাগে
৪. হার্ডডিস্কের পার্টিশন নষ্ট করে ফেলে ফলে সকল ডেটা হারিয়ে যায়।
৫. Disk-এর Volume-এর নাম পরিবর্তন হয়ে গেলে।
৬. ফাইলের আকার পরিবর্তন হয়ে গেলে
৭. তারিখ ও সময় অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেলে।
৮. অপ্রত্যাশিত কিছু Message কাজের সময় প্রদর্শিত হলে।
৯. কাজের সময় অপ্রত্যাশিত শব্দ হলে।
১০. কম্পিউটারের Free memory-এর পরিমাণ কমে গেলে।
১১. অনেক সময় কম্পিউটারের বায়োসের ডাটা মুছে ফেলে কম্পিউটারকে অচল করে ফেলে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৪৬.
OpenAI মূলত কী জন্য পরিচিত?
  1. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন
  2. অনলাইন শিক্ষা
  3. ক্লাউড স্টোরেজ সেবা
  4. সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা

• OpenAI মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য পরিচিত। এটি একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা যান্ত্রিক শিক্ষণ, ভাষা মডেল, এবং স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের উন্নয়নে কাজ করে। OpenAI-এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো ChatGPT, যা মানুষের মতো ভাষায় কথা বলার এবং জটিল তথ্য বোঝার সক্ষমতা রাখে। প্রতিষ্ঠানটি কেবল মডেল তৈরি করে না, বরং এদের ব্যবহার নিরাপদ ও নৈতিকভাবে করার দিকে গুরুত্ব দেয়। অনলাইন শিক্ষা, ক্লাউড স্টোরেজ বা সামাজিক মিডিয়া সেবা সরাসরি OpenAI-এর প্রধান কাজ নয়। তাই প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ক) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কিছু স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ। 
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ। 
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা। 
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা। 
- নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন। 
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা। 
-  অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা। 
- মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো। 
- পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা। 
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা। 
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা। 
- নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৪৭.
প্রাইভেট ক্লাউডের উদাহরণ কোনটি?
  1. Amazon Web Services (AWS)
  2. Google Cloud
  3. Microsoft Azure
  4. কোম্পানির নিজস্ব সার্ভার
ব্যাখ্যা

◉ প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud) একটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেল যেখানে ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য সংরক্ষিত থাকে। এটি সাধারণত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে হোস্ট করা হয় এবং শুধুমাত্র সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য। এটি নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ, এবং কাস্টমাইজেশনের জন্য আদর্শ।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

অন্যদিকে, 
Amazon Web Services (AWS), Google Cloud, এবং Microsoft Azure হলো পাবলিক ক্লাউড সেবা প্রদানকারী। এগুলি বহু ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত এবং শেয়ার্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচারে কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০,৬৪৮.
ইন্টারনেট কোনটি একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ?
  1. ক) ম্যান
  2. খ) ল্যান
  3. গ) প্যান
  4. ঘ) ওয়ান
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে ইন্টারনেট। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,৬৪৯.
নিম্নলিখিত কোন সেবা কৃষকদের ইক্ষু সরবরাহ ব্যবস্থাকে সহজ ও উন্নত করেছে? 
  1. ই-পর্চা
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-বুক
  4. ই-স্বাস্থ্যসেবা
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশে অনেক নাগরিক সেবা খুব সহজে পাওয়া যায়। 
- এই গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
১। ই-পর্চা: 
- জমি-জমার বিভিন্ন রেকর্ড সংগ্রহের জন্য পূর্বে অনেক হয়রানি হতো, বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় ই-সেবা কেন্দ্র থেকে তা সহজে সংগ্রহ করা যায়। 
- এজন্য অনলাইনে আবেদন করে আবেদনকারী জমি-জমা সংক্রান্ত বিভিন্ন দলিল এর সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারে, এর ফলে জনগণ খুব সহজে সেবা পাচ্ছেন। 
- অন্যদিকে সেবা প্রদানের সময় তথ্যাদি ডিজিটালকৃত হয়ে যাচ্ছে ফলে ভবিষ্যতে তথ্য প্রাপ্তির পথ সহজ হচ্ছে। 

২। ই-বুক: 
- সকল পাঠ্যপুস্তক অনলাইনে সহজে প্রাপ্তির জন্য সরকারিভাবে একটি ই-বুক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে (www.ebook.gov.bd)। 
- এতে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক পুস্তক রয়েছে। 

৩। ই-পুর্জি: 
চিনিকলের পুর্জি (ইক্ষু সরবরাহের অনুমতিপত্র) স্বয়ংক্রিয়করণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে মোবাইল ফোনে কৃষকরা তাদের পুর্জি পাচ্ছে। 
- ফলে এ সংক্রান্ত হয়রানির অবসান হওয়ার পাশাপাশি কৃষকও তাদের ইক্ষু সরবরাহ উন্নত করতে পেরেছেন। 

৪। ই-স্বাস্থ্যসেবা: 
- জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের অনেক স্থানে টেলিমিডিসিন সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। 
- এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালসমূহের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মোবাইল ফোনে বা এসএমএসে অভিযোগ পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর ফলে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। 

৫। টাকা স্থানান্তর: 
- পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম ইত্যাদির মাধ্যমে বর্তমানে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ প্রেরণ সহজ ও দ্রুত হয়েছে। 
- এছাড়া ইন্টারনেট ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহজে টাকা স্থানান্তরিত করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১০,৬৫০.
বিটকয়েন লেনদেনের জন্য কোন ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করা হয়?
  1. Symmetric Key
  2. Public-Key
  3. Hashing Algorithm
  4. Steganography
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Public-Key।

বিটকয়েন (Bitcoin) 
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি। 
- এটি একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা ২০০৯ সালে একজন নামহীন কম্পিউটার প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল তৈরি করেন। 
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন। 
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব। 
- বিটকয়েন পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি-র ওপর নির্ভরশীল, যেখানে ব্যবহারকারীদের একটি পাবলিক কী থাকে যা সবাই দেখতে পারে এবং একটি প্রাইভেট কী থাকে যা কেবল তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে থাকে। 
- বিটকয়েন লেনদেনে, বিটকয়েন গ্রহণকারীরা তাদের পাবলিক কী প্রেরণ করে প্রেরণকারীদের কাছে। 
- প্রেরণকারীরা তাদের প্রাইভেট কী দিয়ে লেনদেনে সাইন করে এবং তারপর লেনদেনটি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে প্রেরণ করা হয়। 
- যাতে একই বিটকয়েন একাধিকবার খরচ না করা যায়, প্রতিটি লেনদেনের সময় ও পরিমাণ একটি লেজার ফাইলে সংরক্ষিত থাকে যা নেটওয়ার্কের প্রতিটি নোডে থাকে। 
- ব্যবহারকারীদের পরিচয় আপেক্ষিকভাবে গোপন থাকে, তবে সবাই দেখতে পারে যে কোন বিটকয়েন কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০,৬৫১.
প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র অ্যাবাকাসকে রাশিয়ায় কী নামে ডাকা হয়?
  1. এনিয়াক
  2. স্কেটিয়া
  3. সরোবান
  4. সুয়ানপান
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস: 
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৫২.
A = 1, B = 0 হলে AB = ?
  1. ক) 0
  2. খ) 1
  3. গ) 01
  4. ঘ) 10
ব্যাখ্যা
অ্যান্ড গেইটের সকল ইনপুট ১ হলেই কেবলমাত্র আউটপুট ১ হবে অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।
১০,৬৫৩.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) মেশিন লার্নিং
  2. খ) এন এল পি
  3. গ) রোবটিক্স
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা


উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
১০,৬৫৪.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. টাচ প্যাড
  2. অপটিক্যাল স্ক্যানার
  3. মাউস প্যাড
  4. ওসিআর
ব্যাখ্যা
ওসিআর, টাচ প্যাড , অপটিক্যাল স্ক্যানার হচ্ছে ইনপুট ডিভাইস ।
মাউস একটি ইনপুট ডিভাইস।
কিন্তু মাউস প্যাড ইনপুট ডিভাইস নয়।
মাউস প্যাড এর উপর মাউস রেখে কাজ করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি
১০,৬৫৫.
লাইন ব্রেক দেওয়ার জন্য সঠিক HTML ট্যাগ কোনটি?
  1. < break >
  2. < brk >
  3. < br >
  4. < lb >
ব্যাখ্যা

• HTML-এ লাইন ব্রেক দেওয়ার জন্য সঠিক ট্যাগ হলো < br >। এটি একটি সেলফ-ক্লোজিং ট্যাগ, অর্থাৎ এর জন্য আলাদা বন্ধ ট্যাগের প্রয়োজন হয় না। যখন কোনো টেক্সটের মধ্যে নতুন লাইনে যাওয়ার দরকার হয়, তখন < br > ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি অনুচ্ছেদে যদি দুটি লাইনে লেখা থাকে এবং তাদের আলাদা করতে চাই, তাহলে < br > ব্যবহার করে তা করা যায়। < break > বা, < brk > বা, < lb > কোনো valid HTML ট্যাগ নয়, তাই এগুলো কাজ করবে না। সুতরাং, লাইন ব্রেকের জন্য < br > সর্বদা ব্যবহার করাই সঠিক ও প্রচলিত। এটি সহজ এবং জনপ্রিয় পদ্ধতি।

• HTML:

- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

উৎস: w3.org

১০,৬৫৬.
প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারে আসে কত সালে?
  1. ১৯৫৮
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৭৬
  4. ১৯৮১
ব্যাখ্যা
- পার্সোনাল কম্পিউটারের অপর নাম মাইক্রোকম্পিউটার।
- ১৯৫৮ সালে অনেক ট্রানজিস্ট্রার, রেজিস্ট্যান্স ও ক্যাপাসিটরের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছিল ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল কোম্পানি অনেক আইসির সমন্বয়ে ইনটেল-৪০০৪ (Intel-4004) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে। 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে ধারণ করা সম্ভব হয় এবং কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়।
- মাইক্রো (Micro) শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি কম্পিউটারকে তাই মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলা হয়।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC)- ও বলা হয়।
- প্রথম সফল মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছেড়েছিল ১৯৭৬ সালে এপল নামে একটি আমেরিকান কোম্পানি।
- এই কম্পিউটারকে বলা হয় এপল গোত্রের ডেস্কটপ বা এপল পিসি।
- এরপর ১৯৮১ সালে আইবিএম নামক আমেরিকান আর একটি কোম্পানি ভিন্ন ধরনের আর একটি মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে। তারা তাদের এই কম্পিউটারের নাম দেন পিসি। 
- এরপর ১৯৮৪ সালে এপল কোম্পনি তাদের তৈরি মেকিনটোশ নামে মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছাড়ে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা (এস.এস.সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,৬৫৭.
কোনটি ভিডিও ফরমেট?
  1. ক) .mp3
  2. খ) .png
  3. গ) .wav
  4. ঘ) .avi
ব্যাখ্যা
 

উৎস: Live MCQ লেকচার।
১০,৬৫৮.
IPTV এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internet Protocol Television
  2. Internet Provider Television
  3. Internal Protocol Telecast
  4. International Programming TV
ব্যাখ্যা
IPTV এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Protocol Television।

IPTV
- ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন বা আইপিটিভি (Internet Protocol television-IPTV) হলো ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপি প্রচারিত বিভিন্ন টিভি চ্যানেল।
- আইপিটিভির সার্ভিসগুলো সাধারণত অর্থের বিনিময়ে গ্রহণ করতে হয়।
- আইপিটিভি এমন এক সিস্টেম, যা দিয়ে ইন্টারনেটে টেলিভিশন সার্ভিস পাওয়া যায়।
- আইপিটিভির সাহায্যে ওয়াইফাই বা ব্রডব্যান্ড কানেকশনের মাধ্যমে টিভি প্রোগ্রাম সম্প্রচার করার সুবিধা দেয়া হচ্ছে।
- আইপিটিভির সাহায্যে লাইভ টিভি দেখার পাশাপাশি রেকর্ড করে রাখা অন্য প্রোগ্রামও দেখা যাবে, টাইম শিফট করা প্রোগ্রাম দেখা যাবে, যে কোনো প্রোগ্রাম আবার প্রথম থেকে চালু করে দেখা যাবে, ফরোয়ার্ড বা রিওয়াইনড করেও প্রোগ্রাম দেখা যাবে এবং ভিডিও অন ডিমান্ড পদ্ধতিতে ক্যাটালগ থেকে বেছে পছন্দসই ভিডিও দেখা যাবে।
- কিছু আইপিটিভি সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে-Radient IPTV, Desh IPTV, Peotv, YouTube, Yahoo! বা Yahoo!7, ABC iView ইত্যাদি।
- এই প্রযুক্তির টিভি ওয়েব টিভি নামেও পরিচিতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১০,৬৫৯.
দশমিক সংখ্যা 75 এর অক্টাল সংখ্যা কোনটি? 
  1. 313
  2. 133
  3. 113
  4. 131
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা। 


অর্থাৎ, (75)10 = (113)8

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৬০.
ALU এর পূর্ণরূপ -
  1. Arithmetic Logic Unit
  2. Analog Logic Unit
  3. Automatic Logic Unit
  4. Arithmetic Linear Unit
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) Arithmetic Logic Unit

• ALU (অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট):
- ALU হল অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট।
- এটি একটি ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি মৌলিক কার্যকরী উপাদানের মধ্যে একটি।
- অন্য তিনটি হলো: ইনপুট-আউটপুট সরঞ্জাম, প্রধান মেমরি এবং কন্ট্রোল ইউনিট।
- ALU-এর কাজ হল ইনকামিং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য গাণিতিক এবং লজিক অ্যালগরিদমগুলো সম্পাদন করা।
- এটি অত্যন্ত উচ্চ গতিতে কাজ করে, যা ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
- ALU-তে এমন সার্কিট রয়েছে যা দুটি গাণিতিক মান যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করতে পারে।
- এছাড়া লজিক অপারেশনের জন্য AND এবং OR-এর মতো সার্কিটও রয়েছে।
- ALU-তে বেশ কয়েকটি রেজিস্টার থাকে, যা গণনার ফলাফলগুলো কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখে, যাতে সেগুলো আরও গাণিতিক অপারেশনের জন্য ব্যবহার করা যায় অথবা প্রধান মেমরিতে স্থানান্তর করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০,৬৬১.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ ‘মাল্টি-টেন্যান্সি’ বলতে কী বোঝায়?
  1. একই সার্ভার অনেক ব্যবহারকারী বা টেন্যান্টকে সেবা দেয়
  2. এক ব্যক্তির জন্য একাধিক ক্লাউড সেবা
  3. ডেটা সেন্টারে টেন্যান্টরা অফিস স্পেস ভাড়া নেয়
  4. টেন্যান্টরা তাদের কম্পিউটারে একাধিক VM চালায়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এ ‘মাল্টি-টেন্যান্সি’ বলতে বোঝানো হয় একটি সিঙ্গেল সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্মে একাধিক ব্যবহারকারী বা "টেন্যান্ট" কে আলাদা আলাদাভাবে সেবা দেওয়া। এটি মূলত একটি ক্লাউড অবকাঠামো, যেমন একটি সার্ভার, অনেক ব্যবহারকারীর জন্য একযোগে কাজ করে, কিন্তু প্রতিটি টেন্যান্টের ডেটা ও কনফিগারেশন অন্যদের থেকে আলাদা থাকে। এই পদ্ধতিতে রিসোর্স শেয়ার করার মাধ্যমে খরচ কমে, স্কেল করা সহজ হয় এবং পরিচালনাও আরও কার্যকর হয়। প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো: ক) এক সার্ভার অনেক ব্যবহারকারী বা টেন্যান্টকে সেবা দেয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। 
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 
অর্থাৎ, SaaS ক্লাউড সার্ভিস মডেলটি ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুযোগ দেয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৬২.
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রধানত -
  1. ক) ৩ প্রকার
  2. খ) ২ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান ( Personal Area Network-PAN)
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান (Local Area Network-LAN)
৩। মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ম্যান ( Metropolitan Area Network-MAN)
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়্যান ( Wide Area Network-WAN)

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৬৩.
লেজার প্রিন্টার হলো একটি-
  1. নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার
  2. লাইন প্রিন্টার
  3. অক্ষর প্রিন্টার
  4. ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টার:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৬৪.
MICR এ I এর অর্থ কী?
  1. ক) Icon
  2. খ) Input
  3. গ) International
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
‘I’ stands for Ink.
MICR - Magnetic Ink Character Recognition.
১০,৬৬৫.
প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত স্থানে কোনটি যথার্থ হবে?
  1. SMTP Protocol
  2. IMAP Protocol
  3. POP3 Protocol
  4. Both B & C
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল:
- E-mail-এর পুরো নাম হলো Electronic Mail।
- ইলেকট্রনিক উপায়ে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডিজিটাল মেসেজ বা বার্তা আদান-প্রদান করাকে ই-মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল প্রেরণের জন্য সাধারণত একটি কম্পিউটার, মডেম, টেলিফোন লাইন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং কিছু সফটওয়‍্যার প্রয়োজন হয়।
- রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।

- ই-মেইল করার পর বা প্রেরণের পর প্রাপক যোগাযোগে উপস্থিত না থাকলে মেইলটি প্রাপকের চৌম্বক ডিস্কে জমা থাকে।
- প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর একটি ই-মেইল ঠিকানা বা অ্যাড্রেস থাকে।
- একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশটি হলো user identity আর দ্বিতীয় অংশটি হলো domain name.
- যেমন- dulal03@gmail.com. এখানে dulal03 হলো user identity আর gmail.com হলো domain name.
- ই-মেইল সুবিধা-প্রাপ্তির জন্য অথবা ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্য যে সমস্ত সফটওয়‍্যার ব্যবহৃত হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- Microsoft explorer, Netscape, Eudoro, Mozilla Firefox, Google Chrome, Outlook Express ইত্যাদি।
- ফ্রি ই-মেইল অ্যাড্রেস তৈরি করার জন্য "gmail.com, yahoo.com, hotmail.com" প্রভৃতি ডোমেইন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৬৬.
সবগুলো ইনপুট ১ হলে ____ গেইটের আউটপুট ১হবে; অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।
  1. ক) অ্যান্ড
  2. খ) অর
  3. গ) নট
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

অ্যান্ড গেইট:
এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে। অর্থাৎ যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
সবগুলো ইনপুট ১ হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট ১ হবে; অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

১০,৬৬৭.
Which of the following is not a component of a processor?
  1. ALU
  2. Control Unit
  3. Register
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা
• CPU:
→ কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
→ কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
→ CPU কে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়।
→ তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU বা  কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গঠিত। যথা-
১. Arithmetic Logic Unit (ALU),
২. Control Unit,
৩. Register.

অন্যদিকে, 
Keyboard হচ্ছে Input Device.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৬৮.
মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত SIM- এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?
  1. ক) Subscriber Identity Module
  2. খ) Subscriber Identity Method
  3. গ) Subscriber Identification Mechanism
  4. ঘ) Subscriber Identification Management
ব্যাখ্যা
- 'SIM'- এর পূর্ণরূপ হলো Subscriber Identity Module
- গ্রাহকদেরকে জিএসএম মোবাইল ফোনের সার্ভিস প্রোভাইডার একটি সিম কার্ড সরবরাহ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১০,৬৬৯.
নিচের কোনটি আউটসোর্সিং এর জনপ্রিয় ওয়েবসাইাট নয়?
  1. www.odesk.com
  2. www.freelancer.com
  3. www.elance.com
  4. www.frerider.com
ব্যাখ্যা
→ www.frerider.com. এ নামে কোনো আউটসোর্সিং ওয়েবসাইট নেই। 

• আউটসোর্সিং:

- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বব্যাপি কর্মসংস্থানের বাজার হয়েছে উন্মুক্ত।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই যে কোন দেশের লোকজন বিশ্বের যে কোন দেশের কাজকর্ম করতে পারছে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা,
- সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।

• এর মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েবসাইাট হলো:
- ওডেস্ক (www.odesk.com),
- ফ্রিল্যান্সার (www.freelancer.com),
- ইল্যান্স (www.elance.com) ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, 
- যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ পদ্ধতি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৭০.
In MS PowerPoint, what is the shortcut key to Close PowerPoint?
  1. Ctrl+Q
  2. Ctrl+K
  3. Ctrl+Y
  4. Ctrl+P
ব্যাখ্যা
MS Powerpoint Shortcut Keys:
• Create a new presentation - Ctrl+N
• Add a new slide - Ctrl+M
• Apply bold formatting to the selected text - Ctrl+B
• Open the Font dialog box - Ctrl+T
• Cut selected text, object, or slide - Ctrl+X
• Copy selected text, object, or slide - Ctrl+C
• Paste cut or copied text, object, or slide - Ctrl+V
• Insert a hyperlink - Ctrl+K
• Insert a new comment - Ctrl+Alt+M
• Undo the last action - Ctrl+Z
• Redo the last action - Ctrl+Y
• Shortcut key to start a presentation from the beginning?- F5
• End the slide show - Esc
• Print a presentation - Ctrl+P
• Save the presentation - Ctrl+S
• Close PowerPoint - Ctrl+Q
• Open a presentation- Ctrl+O
• Close a presentation - Ctrl+D

Source: Microsoft Support website.
১০,৬৭১.
Which key combination is used to permanently delete a file or folder ?
  1. ক) Alt + delete
  2. খ) CTRL+ delete
  3. গ) Shift + delete
  4. ঘ) End + delete
ব্যাখ্যা
- কোন ফাইল, ফোল্ডার, গ্রাফিক্স, ওয়েবপেজ ইত্যাদি ডিলেট কমান্ড দিয়ে মুছে ফেললে তা রিসাইকেল বিনে গিয়ে জমা হয়।
- কিন্তু তা যদি ‘Shift + delete' কমান্ড দিয়ে মুছে ফেলা হয় তবে তা স্থায়ীভাবে মুছে যায়, রিসাইকেল বিনে জমা হয় না।
১০,৬৭২.
নিচের কোনটি ডেটা কমিউনিকেশন গাইডেড মিডিয়া মাধ্যম?
  1. ক) বেতার তরঙ্গ
  2. খ) ফাইবার অপটিক
  3. গ) মাইক্রোওয়েভ
  4. ঘ) ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম (Media)
- প্রেরণ প্রাপ্ত এবং দূরবর্তী গ্রহণ প্রান্তের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উভয় প্রান্তের মধ্যে সংযোগ স্থাপন।
- এই সংযোগকে সাধারণত চ্যানেল (Channel) বলা হয়।
- ডেটা বিনিময় করার জন্য চ্যানেলের সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা থাকে যাকে ব্যান্ডউইডথ্ বা বিট রেট বা ডেটা পার সেকেন্ড বলা হয়।
- এই চ্যানেল বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রকার মাধ্যম (Medium) ব্যবহার করা হয়।
- ডেটা চলাচলের এই মাধ্যমগুলোকেই কমিউনিকেশন মাধ্যম বলা হয় । একে ট্রান্সমিশন মিডিয়াও বলা হয়।
- ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম দুই ধরনের দেখা যায় । যথা-
১। গাইডেড (Guided) মিডিয়া বা তার মাধ্যম (Wired): সাধারণ টেলিফোন ক্যাবল বা তার, ফাইবার অপটিক লাইন ক্যাবল ইত্যাদি মাধ্যম।
২। আনগাইডেড (Unguided) মিডিয়া বা তারবিহীন বা বেতার মাধ্যম: বেতার তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, ভূ-উপগ্রহ ব্যবস্থা, ইনফ্রারেড ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১০,৬৭৩.
ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে কী বলে?
  1. সিমপ্লেক্স মোড
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড
  4. ডুপ্লেক্স মােড
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- 
১. সিমপ্লেক্স
২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড: 
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড: 
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৭৪.
একটি অপারেটিং সিস্টেমে শেল (Shell) বলতে কী বোঝায়?
  1. ফাইল সিস্টেমের একটি ধরন
  2. ইনপুট বা আউটপুটের জন্য যন্ত্রাংশ
  3. ব্যবহারকারীর OS এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায়
  4. এমন একটি প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে
ব্যাখ্যা

• একটি অপারেটিং সিস্টেমে শেল (Shell) হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুবিধা দেয়। শেলের মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর কমান্ড গ্রহণ করা এবং সেই কমান্ড অনুযায়ী অপারেটিং সিস্টেমকে নির্দেশ প্রদান করা। এটি একটি ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারী টেক্সট-ভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল কমান্ডের মাধ্যমে ফাইল ম্যানেজমেন্ট, প্রোগ্রাম চালানো, এবং অন্যান্য সিস্টেম ফাংশন ব্যবহার করতে পারে। সহজভাবে বলা যায়, শেল ব্যবহারকারী এবং OS-এর মধ্যে একটি মাধ্যম, যা ব্যবহারকারীকে OS-এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায় সরবরাহ করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ব্যবহারকারীর OS এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায়।


​অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

Shell:
- Shell হলো এমন একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করার সুযোগ দেয়।
- ব্যবহারকারী শেল-এর মাধ্যমে কমান্ড বা নির্দেশনা দেয়, এবং শেল সেই নির্দেশনা কোর (Kernel)-এ পাঠায়। শেল হতে পারে CLI (Command Line Interface) যেমন Bash, বা GUI (Graphical User Interface) যেমন Windows Explorer.

​Scheduler:
- CPU-তে কোন প্রসেস কখন চলবে তা নির্ধারণ করে। এটি ব্যবহারকারী ইন্টারফেস নয়।

API:
- সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম, ব্যবহারকারী-টু-OS যোগাযোগ নয়।

Kernel:
- এটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে, কিন্তু ব্যবহারকারীরা সরাসরি এর সাথে যোগাযোগ করতে পারে না।

​উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১০,৬৭৫.
মনিটরের রেজুল্যশন কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. মনিটরের আকারের উপর
  2. মনিটরের ব্যাকলাইটের শক্তির উপর
  3. পিক্সেলের সংখ্যার উপর
  4. ফসফরাসের রঙের উপর
ব্যাখ্যা

• পিক্সেল: 
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে (DPI)।
অর্থাৎ, সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ। 
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল। 
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ পিকচার টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে। 

- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে। 
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে। 
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে। ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত, এদেরকে পিক্সেল বলা হয়। 
-  মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়। 
- পিক্সেলের সংখ্যার উপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। 
- বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৭৬.
(111111110)2=(?)10
  1. ক) 255
  2. খ) 510
  3. গ) 512
  4. ঘ) 256
ব্যাখ্যা

111111110 = 1×28 + 1×27 +1×26 +1×25 +1×24 +1×23 +1×22 +1×21 +0x20 = 256 + 128 + 64 + 32 +16 +8 +4 +2 +0 = 510

১০,৬৭৭.
CAPTCHA ব্যবহার করা হয় কোন উদ্দেশ্যে?
  1. ব্যাকআপ ডেটা তৈরি করা
  2. হ্যাকিং প্রতিরোধে ভাইরাস স্ক্যান করা
  3. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো
  4. মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

• CAPTCHA ব্যবহার করা হয় মূলত মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করার জন্য। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা ওয়েবসাইটে স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা বট থেকে সুরক্ষা দেয়। উদাহরণস্বরূপ, কোন ফর্মে অটোমেটেড স্প্যাম বা অননুমোদিত একাউন্ট তৈরি রোধ করতে CAPTCHA ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত একটি ছবি, টেক্সট বা চ্যালেঞ্জ আকারে থাকে, যা মানুষ সহজে পূরণ করতে পারে, কিন্তু বট বা স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ঠিকমতো করতে পারে না। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং অননুমোদিত কার্যক্রম প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। তাই CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা।

- সঠিক উত্তর: ঘ) মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা।

• CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart।
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা ব্যবহারকারীদের এমন কাজগুলি উপস্থাপন করে যা মানুষের পক্ষে সমাধান করা তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটগুলির জন্য কঠিন।
- এই কাজগুলির মধ্যে প্রায়ই বিকৃত পাঠ্য সনাক্ত করা, নির্দিষ্ট চিত্র নির্বাচন করা, ধাঁধা সমাধান করা বা সাধারণ গণিত সমস্যাগুলি সম্পূর্ণ করা জড়িত।
- ক্যাপচা চ্যালেঞ্জ সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে, একজন ব্যবহারকারী প্রদর্শন করে যে তারা সম্ভবত মানুষ এবং একটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যাতে বটগুলিকে অপব্যবহার বা শোষণ করা থেকে বিরত রাখা যায়।
- CAPTCHA প্রযুক্তির বিকাশ দৃষ্টি শনাক্তকরণ (visual recognition) নামক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখায় গবেষণাকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং সফটওয়্যার, রিমোট সেন্সিং, এবং রোবোটিক্স-এ।

• ক্যাপচাগুলির জন্য কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০,৬৭৮.
৮০৮৬ কত বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ৮ বিট
  2. ১৬ বিট
  3. ৩২ বিট
  4. ৬৪ বিট
ব্যাখ্যা
• বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন:
• ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৪ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৪০০৪, ৪০৪০।

• ৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৮ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৮০০৮, ৮০৮০।

• ১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ১৬ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬, ৮০১৮৮, ৮০২৮৬, ৬৮০০০।

• ৩২ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর। যেমন- ৮০৩৮৬, ৮০৩৭৬, ৮০৪৮৬।

• ৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৬৪ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- Intel core i3, core i5, core i7, xenon, Intel ITANIUM |
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে। এটি ছিল Intel 4000 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- কালের বিবর্তনে বর্তমানে ইন্টেল কোর আই নাইন Intel Core i9th- (13th Gen) বাজারে পাওয়ার যাচ্ছে।
- বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টেল কর্পোরেশন, মটোরোলা, আইবিএম, এএমডি, সাইরিক্স, এনভিডিয়া, কোয়ালকম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৭৯.
Internet of Things (IoT) বলতে কী বোঝায়?
  1. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভৌত ডিভাইসগুলোর পারস্পরিক সংযোগ
  2. শুধু কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান
  3. কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং ব্যবস্থা
  4. ডেটা সংরক্ষণের একটি প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• Internet of Things (IoT) হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন ভৌত ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।

• Internet of Things (IoT):
- Internet of Things (IoT) এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে বিভিন্ন physical device ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে ডেটা সংগ্রহ ও বিনিময় করে।
- IoT ডিভাইসগুলোতে সাধারণত sensor, software এবং network connectivity থাকে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিভাইসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

• IoT Devices:
- IoT device হলো এমন ডিভাইস যা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হয়ে ডেটা সংগ্রহ এবং আদান-প্রদান করতে পারে।
- উদাহরণ: Smartwatch, Smart Thermostat, Smart Home Devices, Connected Cars।

• Sensors in IoT:
- Sensor হলো এমন একটি ডিভাইস যা পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- IoT ডিভাইস সাধারণত temperature, motion, light, humidity ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহের জন্য sensor ব্যবহার করে।

• Smart Home:
- Smart home হলো IoT প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি এমন একটি বাসস্থান যেখানে বিভিন্ন ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- উদাহরণ: Smart Lighting, Smart Security System, Smart Thermostat।

• Machine-to-Machine Communication (M2M):
- Machine-to-Machine (M2M) যোগাযোগ হলো এমন প্রযুক্তি যেখানে ডিভাইসগুলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- IoT প্রযুক্তিতে M2M গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• IoT এর ব্যবহার ক্ষেত্র:
- Smart Home, Smart City, Healthcare Monitoring, Industrial Automation, Connected Vehicles ইত্যাদি ক্ষেত্রে IoT প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- শুধু কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান → এটি সাধারণ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যোগাযোগকে নির্দেশ করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং ব্যবস্থা → এটি CPU বা প্রসেসিং সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত।
- ডেটা সংরক্ষণের প্রযুক্তি → এটি স্টোরেজ প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
- Encyclopaedia Britannica – Internet of Things;
- IBM IoT Guide;
- Cisco IoT Overview.

১০,৬৮০.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্মের ভাষা?
  1. ক) Machine Language
  2. খ) COBOL
  3. গ) ALGOL
  4. ঘ) FORTRAN
ব্যাখ্যা
মেশিন ল্যাংগুয়েজ ও এসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে Low level Language যা যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা। তৃতীয় প্রজন্ম থেকে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার হয়ে আসছে। যেমন- Python, Java, C, C++, ALGOL, Fortran ইত্যাদি।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,৬৮১.
নিচের কোন কোডটি বাংলাদেশের টপ লেভেল ডোমেইন নির্দেশ করে?
  1. ক) .bd
  2. খ) .com
  3. গ) .bon
  4. ঘ) .bn
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১০,৬৮২.
ভৌগলিক বিস্তৃত অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ______ প্রকার হয়ে থাকে। 
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) পাঁচ
  4. ঘ) ছয়
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক বিস্তৃত অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক চার ধরনের হয়ে থাকে। 
যথা- 
Personal Area Network
Wide Area Network
Metropoliton Area Network
Local Area Network

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,৬৮৩.
‘Altair- 8800’ পার্সোনাল কম্পিউটারে ব্যবহৃত মাইক্রোপ্রসেসর হল-
  1. ক) Intel- 4000
  2. খ) Intel- 4004
  3. গ) Intel- 8008
  4. ঘ) Intel- 8080
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস Altair-8800 কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এটিকে বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার বা মাইক্রো কম্পিউটার ধরা হয়।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
[উৎসঃ ব্রিটানিকা ও বিবিসি]
১০,৬৮৪.
What is cryosurgery?
  1. Surgical removal of tumors.
  2. Laser surgery.
  3. Treatment using extreme cold.
  4. Radiation therapy.
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।


figure: Cryosurgery (liquid nitrogen or argon gas to destroy cancer cells) [image source: National Cancer Institute]

- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃৎ, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৮৫.
নিচের কোনটি লজিকেল অ্যাড্রেস জেনারেট করে?
  1. ক) Memory Unit
  2. খ) ROM
  3. গ) CPU
  4. ঘ) RAM
ব্যাখ্যা
- সিপিইউ প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় সর্বদা Logical Address generate করে।
- অন্যদিকে, ভৌত ঠিকানা (Physical Address) হচ্ছে, মেমরি ইউনিট দ্বারা প্রদর্শিত ঠিকানা। 
- অর্থাৎ, CPU Logical অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট Physical অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
- কম্পিউটারে চলমান এপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো Physical Address দেখতে পায় না। তারা সবসময় Logical Adress ব্যবহার করে কাজ করে।
১০,৬৮৬.
Indexing is mainly used to -
  1. organize files for easy access
  2. quickly locate specific records
  3. arrange data in different formats
  4. store data in smaller blocks
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Quickly locate specific records

ইনডেক্সিং:
- ইনডেক্সিং হলো ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত তথ্যকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর প্রক্রিয়া।
- কোনো ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) ক্রমানুসারে সাজানো হলে সেটিকে ইনডেক্স করা বলা হয়।
- ডাটাবেসে নির্দিষ্ট তথ্য দ্রুত খুঁজে পেতে ফাইলের রেকর্ডগুলোকে ইনডেক্স করা হয়।
- সর্টিং-এর মতো, ইনডেক্সিং ব্যবহার করে ডাটাবেসের রেকর্ডকে কোনো ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চ বা নিম্ন ক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- তবে ইনডেক্স করা ফাইল সর্টেড ফাইলের তুলনায় দ্রুত কার্যকর হয়।
- ডাটাবেসে রেকর্ড সংশোধন বা নতুন তথ্য সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলও আপডেট হয়।
- এ কারণে আধুনিক ডাটাবেসে সর্টিং-এর পরিবর্তে ইনডেক্সিং ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৮৭.
1F.01B হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির ডেসিমেল মান কত?
  1. 35.0065918
  2. 32.0065918
  3. 31.0065918
  4. 30.0065918
ব্যাখ্যা
B এবং F এর মান যথাক্রমে 11 এবং 15.

(1F.01B)16
= (1 × 161 + 15 × 160 + 0 × 16- 1 + 1 × 16- 2 + 11 × 16- 3)10
= (16 + 15 + 0 + 0.00390625 + 0.00268554688)10
= (31.0065918)10
১০,৬৮৮.
একটি স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ডে কতটি কন্ট্রোল কী থাকে?
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ১২ টি
  4. ১৭ টি
ব্যাখ্যা
• একটি স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে। তার মধ্যে -
• আলফানিউমেরিক কী - ৫৪টি
• ফাংশন কী - ১২টি
• কন্ট্রোল কী - ১১টি
• নেভিগেশন কী - ১০টি
• নিউমেরিক কী - ১৭টি

উৎস: মাইক্রোসফট।
১০,৬৮৯.
নিচের কোনটি প্রথম সুপার কম্পিউটার?
  1. ক) CDC 6600
  2. খ) Fugaku
  3. গ) Sierra
  4. ঘ) Cray-1
ব্যাখ্যা
- CDC 6600 হলো প্রথম সুপার কম্পিউটার। 
- এই কম্পিউটারের উদ্ভাবক হলেন Seymour Cray.
 
- In 1964, Seymour Cray designed the CDC 6600 as the fastest computer on Earth; it could successfully execute three million floating-point operations per second (FLOPS). 
- Soon, the term "supercomputer" was coined to describe it.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
১০,৬৯০.
মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কী বলে?
  1. রোবটিক্স
  2. বায়োইনফরমেটিক্স
  3. বায়োমেট্রিক্স
  4. আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কীভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কীভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।
- তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:

১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১০। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৯১.
ডেভেলপারগণ কোন প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা প্ল্যাটফর্ম ভাড়ায় চালাতে পারে কোন ক্লাউড সার্ভিসের অধীনে?
  1. PaaS
  2. IaaS
  3. SaaS
  4. Uaas
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Saas: Software as a service) : ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০,৬৯২.
কোন অ্যাডার দিয়ে n বিটের দুটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করার জন্য (n-1) টি ফুল অ্যাডার প্রয়োজন?
  1. ক) হাফ অ্যাডার
  2. খ) ফুল অ্যাডার
  3. গ) প্যারালাল বাইনারি অ্যাডার
  4. ঘ) সিরিয়াল বাইনারি অ্যাডার
ব্যাখ্যা
• প্যারালাল বাইনারি অ্যাডার (Parallel Binary Adder): প্যারালাল বাইনারি অ্যাডার দিয়ে n বিটের দুটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করার জন্য (n-1) টি ফুল অ্যাডার এবং একটি হাফ অ্যাডার দরকার হয়।
যেমন: 4 বিটের দুটি বাইনারি (1101 ও 1011) সংখ্যা যোগ করার জন্য 3টি ফুল অ্যাডার এবং 1টি হাফ অ্যাডার দরকার হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,৬৯৩.
কোনটি ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. IBM
  2. Salesforce
  3. Intel
  4. Oracle
ব্যাখ্যা

◉ Cloud Service Provider (CSP) হলো এমন প্রতিষ্ঠান, যা Cloud Computing Services যেমন IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service), এবং SaaS (Software as a Service) প্রদান করে।
- Intel ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়। 

ইনটেল কর্পোরেশন (Intel Corporation):
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক। যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু শুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) IBM → ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান
IBM Cloud প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে IaaS, PaaS, এবং AI-Powered Cloud Solutions প্রদান করে।

খ) Salesforce → ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান
Salesforce Cloud, Marketing Cloud, Service Cloud, AI-Powered CRM ইত্যাদি ক্লাউড-ভিত্তিক পরিষেবা দেয়।

ঘ) Oracle → ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান
Oracle Cloud এর মাধ্যমে IaaS, PaaS, SaaS, এবং Database Cloud Services প্রদান করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১০,৬৯৪.
XOR গেইটে আউটপুট 0 হবে, যখন ইনপুট - 
  1. A = 0, B = 1
  2. A = 1, B = 0
  3. A = 1, B = 1
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৯৫.
ইন্টারনেটের জনক হচ্ছেন - 
  1. রে টমলিনসন
  2. স্যামুয়েল হার্স্ট
  3. মার্টিন কুপার
  4. ভিনটন জি কার্ফ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের জনক হিসেবে পরিচিত ভিনটন জি কার্ফ (Vinton G. Cerf)। তিনি ও রবার্ট খান মিলে ইন্টারনেট প্রটোকল সুইট (TCP/IP) তৈরি করেন, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলিকে সংযুক্ত করার জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা বিভিন্ন ধরণের নেটওয়ার্ককে একে অপরের সঙ্গে সংযোগ করতে সাহায্য করে। ভিনটন কার্ফের কাজের মাধ্যমে তথ্য দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে প্রেরণ করা সম্ভব হয়। তাই তাকে “ইন্টারনেটের জনক” বলা হয়।
- অন্যদের মতো রে টমলিনসন ইমেইল প্রবর্তন করেছেন, মার্টিন কুপার মোবাইল ফোন আবিষ্কার করেছেন, এবং স্যামুয়েল হার্স্ট কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, কিন্তু ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছেন কার্ফ।


• বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার:
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়। 
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে। 
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। 
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ। 
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,৬৯৬.
নিচের কোন কম্পিউটারটিকে 'সংকর কম্পিউটার' বলা হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অঙ্কের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল, কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।

ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ:
- মাইক্রোকম্পিউটার,
- মিনি কম্পিউটার,
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার,
- সুপার কম্পিউটার ইত্যাদি।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, ব্যাংক, বিমা, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিপুল তথ্য আদান-প্রদান, সংরক্ষণ এবং জটিল ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং বৈজ্ঞানিক কর্মতৎপরতা পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়নের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রয়োজন হয়ে থাকে। 

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারকে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়। 
- এটি বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়; যেমন: মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
১০,৬৯৭.
বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান হিসেবে C2C প্ল্যাটফর্ম হিসেবে খ্যাত-
  1. ক) bikroy.com
  2. খ) daraz.com
  3. গ) evaly.com
  4. ঘ) olx.com
ব্যাখ্যা
In Bangladesh bikroy.com, clickbd.com are examples of C2C platforms.
Source: thefinancialexpress.com.bd
১০,৬৯৮.
কোন পদ্ধতিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার এর দুই পাশের দুটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে?
  1. ক) রিং টপোলজি
  2. খ) বাস টপোলজি
  3. গ) স্টার টপোলজি
  4. ঘ) ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজি
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো ডাটা বা সংকেত বৃত্তাকার পথে (একমুখী প্রবাহ) কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডাটা গ্রহণ করে।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান, প্রত্যেকটি কম্পিউটার স্বাধীন।

সূত্রঃ তথ্য-ও-যোগাযোগ-প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০,৬৯৯.
1101.1101 + 1001.0011 = ?
  1. 11101.0100
  2. 10101.0000
  3. 10011.1000
  4. 10111.0000
ব্যাখ্যা
1101.1101 + 1001.0011 = 10111.0000 (বাইনারি)
এবং = 23 (দশমিক)
১০,৭০০.
১ বাইট সমান কত বিট? 
  1. ১৬ বিট
  2. ৪ বিট
  3. ৬৪ বিট
  4. ৮ বিট
ব্যাখ্যা
• বিট ও বাইট: 
- ১ বাইট=৮ বিট। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে। 
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক। 
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট। 
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট। 
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট। 
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট। 

- ৮ বিট নিয়ে ১ বাইট গঠিত হয়। 
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট। 
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট। 
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট। 
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট। 
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।