বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১০২ / ১৩১ · ১০,১০১১০,২০০ / ১৩,০৮৮

১০,১০১.
প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে কে ইতিহাসে প্রথম পরিচিত হন?
  1. স্টিভ জবস
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. অ্যাডা লাভলেস
  4. স্যামুয়েল টমলিনসন
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আজকের বিকাশের পেছনে রয়েছে অনেক বিজ্ঞানী, স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রকৌশলী এবং নির্মাতাদের অবদান। 
- তার এবং তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা, কম্পিউটারের গণনা ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাইক্রোইলেকট্রনিক্সের বিকাশে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage): 
- আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ বা প্রচলন শুরু হয় চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) নামে একজন ইংরেজ প্রকৌশলী ও গণিতবিদের হাতে। 
- অনেকে তাঁকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলে থাকেন। 
- তিনি তৈরি করেন ডিফারেন্স ইঞ্জিন। 
- ১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে চার্লস ব্যাবেজের বর্ণনা অনুসারে একটি ইঞ্জিন তৈরি করা হয়। 
- পরবর্তীতে তিনি এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে আরোও একটি গণনা যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন। 

অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace): 
- এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনে গণনার কাজটি আরও কার্যকর করতে ভেবেছেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)। 
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন। এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়। 
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন। 
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,১০২.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. ক) yahoo.com
  2. খ) google.com
  3. গ) lycos.com
  4. ঘ) facebook.com
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের তথ্যের ভান্ডার হচ্ছে ওয়েব পেজ। ওয়েব পেইজে ব্যবহারকারী সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য খুঁজতে পারেন। এরূপ কিছু সার্চ ইঞ্জিন হলো- Yahoo.com, google.com, altavista.com, weberawler.com, man.com, lycos.com, ask.com, dogpile.com. মাইক্রোসফট একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি। এর নতুন সার্চ ইঞ্জিন bing.com।
১০,১০৩.
নিচের কোন Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে?
  1. FTP
  2. HTTPS
  3. TCP
  4. DNS
ব্যাখ্যা
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- https এর পূর্ণরূপ Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
১০,১০৪.
কোন প্রযুক্তি Natural Language Processing-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?
  1. IoT
  2. AI
  3. VR
  4. CTR
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১০৫.
একই কম্পিউটারে এনালগ এবং ডিজিটাল গণনা ব্যবহৃত হলে, সেই কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  3. মাইক্রোকম্পিউটার
  4. সুপারকম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• একই কম্পিউটারে এনালগ এবং ডিজিটাল গণনা উভয়ই ব্যবহার করা হয় তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার এনালগ কম্পিউটারের দ্রুত এবং ধারাবাহিক ডেটা প্রক্রিয়করণ ক্ষমতা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সঠিক এবং নির্ভুল গণনা ক্ষমতা একত্রিত করে। এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত বিজ্ঞান, চিকিৎসা এবং শিল্পে ব্যবহৃত হয় যেখানে সেন্সর থেকে আসা ধারাবাহিক তথ্যকে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ এবং ডিজিটাল আকারে বিশ্লেষণ করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে হৃদস্পন্দন মনিটর বা জ্যোতির্বিজ্ঞান ও আবহাওয়া পূর্বাভাসে ব্যবহৃত কম্পিউটার উল্লেখ করা যায়।

​হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ​কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে অতিদ্রুত গণনা করতে পারে, কিন্তু এটি এনালগ+ডিজিটাল মিশ্রণ নয়।
- সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত উচ্চ গতির গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তা পুরোপুরি ডিজিটাল।
- মাইক্রোকম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি (যেমন পিসি, ল্যাপটপ)।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১০৬.
নিচের কোনটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়, সেটা চিহ্নিত করুন।
  1. Zoom
  2. Pinterest
  3. AIX
  4. Google Maps
ব্যাখ্যা
• AIX কোন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়। এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম।

• মোবাইল অ্যাপ (মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন):
- একটি মোবাইল অ্যাপ (বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন) হল একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা বিশেষভাবে ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটারের পরিবর্তে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের মতো ছোট, ওয়্যারলেস কম্পিউটিং ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

- মোবাইল অ্যাপ্লিকেশানগুলি বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা এবং ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে তৈরি করা হয় এবং সেগুলি অ্যাপ স্টোর যেমন: অ্যাপল অ্যাপ স্টোর বা Google Play থেকে ডাউনলোড এবং ইনস্টল করা যেতে পারে।

- মোবাইল অ্যাপগুলি আইওএস , অ্যান্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজ ফোনের মতো নির্দিষ্ট মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমে চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে । যখন একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন একটি ডিভাইসে ডাউনলোড এবং ইনস্টল করা হয়, তখন এটি ডিভাইসের মেমরিতে সংরক্ষণ করা হয় এবং ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে চালু করা হয়।

- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি মোবাইল অ্যাপ খোলে, অ্যাপটি ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য অন্তর্নির্মিত সফ্টওয়্যার উপাদানগুলির সাথে ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং পরিষেবা যেমন ক্যামেরা, জিপিএস এবং ইন্টারনেট সংযোগ অ্যাক্সেস করতে যোগাযোগ করে। অ্যাপটি তারপর ব্যবহারকারীকে তার নির্দিষ্ট ফাংশন এবং পরিষেবা প্রদান করতে এই তথ্য ব্যবহার করে।

কিছু মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এর উদাহরণ লক্ষ্য করি
• Social Media Apps:
- Facebook,
- Instagram,
- LinkedIn,
- WhatsApp.

• Utility Apps:
- Camera,
- Calculator,
- Flashlight,
- Calendars.

• Lifestyle Apps:
- Fitness- Fitbit, Google Fit,
- Dating- Tinder, Bumble,
- Food- Zomato, Swiggy,
- Shopping- Amazon, eBay.

• Productivity Apps:
- Google Docs,
- Mail,
- Google Sheet,
- Evernote,
- Zoho Docs.

• Gaming & Entertainment Apps:
- Netflix,
- Subway Surfers,
- Hulu,
- Hotstar,
- COC.

অপশন আলোচনা:
- Zoom (ক):
- Zoom একটি জনপ্রিয় ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ্লিকেশন, যা মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয় প্ল্যাটফর্মেই উপলব্ধ।
- এটি ব্যবহারকারীদের ভিডিও কল, মিটিং, এবং ওয়েবিনার আয়োজন করার সুবিধা প্রদান করে।

- Pinterest (খ):
- Pinterest একটি সামাজিক মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন, যেখানে ব্যবহারকারীরা ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করতে পারে এবং তাদের পছন্দ অনুযায়ী "পিন" করতে পারে।
- এটি মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয় প্ল্যাটফর্মে কাজ করে।

- AIX (গ):
- AIX একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা IBM দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এবং এটি মূলত বড় সার্ভার এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারগুলিতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়, বরং একটি সার্ভার ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

- Google Maps (ঘ):
- Google Maps একটি জনপ্রিয় নেভিগেশন অ্যাপ্লিকেশন, যা মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয় প্ল্যাটফর্মে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যবহারকারীদের সঠিক পথ নির্দেশনা, ট্রাফিক তথ্য এবং মানচিত্র প্রদর্শন করে।

- সঠিক উত্তর: গ) AIX
- কারণ: AIX একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়, অন্যদিকে Zoom, Pinterest, এবং Google Maps সবই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন।

উৎস: www.techjockey.com, www.techtarget.com.
১০,১০৭.
সিগন্যাল পুনরায় শক্তিশালী করা এবং অধিক দূরত্বে প্রেরণ করার জন্য কোন ডিভাইস ব্যবহৃত হয়?
  1. গেটওয়ে
  2. সুইচ
  3. রিপিটার
  4. ব্রিজ
ব্যাখ্যা
• সিগন্যালকে পুনরায় শক্তিশালী এবং সিগন্যালকে আরও অধিক দূরত্বে অতিক্রম করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।

• রিপিটার (Repeater):

- নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত কম্পিউটারের দূরত্ব বেশি হলে কিংবা নেটওয়ার্কের বিস্তার বেশি হলে ক্যাবলের (Cable) ভিতর দিয়ে প্রবাহিত সিগন্যাল বেশ দুর্বল হয়ে পড়ে।
- একারণে প্রবাহিত সিগন্যালকে পুনরায় শক্তিশালী এবং সিগন্যালকে আরও অধিক দূরত্বে অতিক্রম করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
- রিপিটার সত্যিকারের ভৌত সংকেত নিয়ে কাজ করে এবং কখনও যে ডেটা প্রেরণ করা হচ্ছে তা অনুবাদ করে না।

• রিপিটারের সুবিধা:
১. বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগের ক্ষেত্রে দূরত্ব বাড়ানোর জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
২. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক বৃদ্ধি না করে ডেটা অ্যামপ্লিফাই বা শক্তিশালী করা যায় এবং সামনের দিকে প্রেরণ করা যায়।
৩. বিভিন্ন কমিউনিকেশন মিডিয়ামকে সংযোগ করে ।

• রিপিটারের অসুবিধা:
১. ডেটার কলিশন সম্ভাবনা বাড়ে।
২. সীমিত সংখ্যক কম্পিউটার যুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১০৮.
What is the full form of VPN?
  1. Virtual Public Network
  2. Visual Private Network
  3. Virtual Private Network 
  4. Verified Personal Network
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) Virtual Private Network 

VPN
- VPN (Virtual Private Network) হলো একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা পাবলিক টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের (যেমন ইন্টারনেট) উপর গঠিত হয়।
- সাধারণত একটি VPN-এ এক বা একাধিক কর্পোরেট ইন্ট্রানেট বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) যুক্ত থাকে, যেগুলো দূরবর্তী স্থানের ব্যবহারকারীরা পাসওয়ার্ড অথেনটিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে অ্যাক্সেস করতে পারে।
- ডেটা যখন অনিরাপদ নেটওয়ার্ক (যেমন ইন্টারনেট) এর মাধ্যমে প্রবাহিত হয়, তখন সেটি এনক্রিপ্ট করা হয়, যাতে সাইবার অপরাধীরা গোপন কর্পোরেট তথ্য বা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট তথ্য পেতে না পারে।
- কারণ দূরবর্তী ব্যবহারকারীরা বিদ্যমান পাবলিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যক্তিগত কর্পোরেট নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাই VPN প্রতিষ্ঠানগুলোকে leased dedicated telecommunication lines ব্যবহার না করেই wide area network (WAN) পরিচালনা করার সুযোগ দেয়।

সোর্স: ব্রিটানিকা।
১০,১০৯.
একটি ফ্লিপ-ফ্লপ-এর আউটপুট অন্যটির ক্লক-পালস হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাউন্টারে?
  1. সিনক্রোনাস কাউন্টার
  2. রিং কাউন্টার
  3. অ্যাসিনক্রোনাস কাউন্টার
  4. আইসোক্রোনাস কাউন্টার
ব্যাখ্যা
• কাউন্টারের প্রকারভেদ:
- ইনপুট ক্লক পালসের ওপর ভিত্তি করে কাউন্টার প্রধানত দু'প্রকার। যথা-
১. সিনক্রোনাস (Synchronous) কাউন্টার:
- যে কাউন্টারে একটিমাত্র ক্লক পাল্স কাউন্টারে ব্যবহৃত সবগুলো ফ্লিপ-ফ্লপ-এর অবস্থার (State) পরিবর্তন ঘটায়, তাকে সিনক্রোনাস কাউন্টার বলা হয়।
- এই কাউন্টারে সকল ফ্লিপ-ফ্লপের ক্লক ইনপুট একসাথে যুক্ত থাকে এবং ফ্লিপ-ফ্লপগুলো ইনপুট পাল্স দ্বারা ট্রিগারড হয়।
- উদাহরণ: রিং কাউন্টার (Ring Counter), মোড-10 (MOD-10) কাউন্টার ইত্যাদি।

২. অ্যাসিনক্রোনাস (Asynchronous) কাউন্টার:
- অ্যাসিনক্রোনাস কাউন্টার হলো এমন ধরনের কাউন্টার, যেখানে একটি ফ্লিপ-ফ্লপ-এর আউটপুট অন্যটির ক্লক-পালস  হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: রিপল কাউন্টার (Ripple Counter)।
- অ্যাসিনক্রোনাস রিপল কাউন্টার আবার দু'প্রকার। যথা-
i. রিপল আপ (Up) কাউন্টার: ছোট নম্বর থেকে বড় নম্বরের দিকে পর্যায়ক্রমিক গণনা করে।
ii. রিপল ডাউন (Down) কাউন্টার: বড় থেকে পর্যায়ক্রমিকভাবে নিচের দিকে গণনা করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০,১১০.
ট্রোজান হর্স কী?
  1. একটি ভাইরাস যা শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারের ক্ষতি করে
  2. একটি ভাইরাস যা আপনার কম্পিউটারকে রক্ষা করে
  3. একটি ভাইরাস যা বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে ছদ্মবেশে থাকে
  4. একটি ভাইরাস যা চালানোর পর নিজেই মুছে যায়
ব্যাখ্যা
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা সরাসরি ক্ষতি করার পরিবর্তে বৈধ সফটওয়্যারের আকারে কম্পিউটারে প্রবেশ করে। এটি ব্যবহারকারীর জ্ঞাত ছাড়া ইনস্টল হয় এবং সাধারণত পেছনের দরজা (backdoor) তৈরি করে, যা হ্যাকারদের কম্পিউটারের তথ্য চুরি, ফাইল মুছে ফেলা বা অন্যান্য ক্ষতিকর কাজ করার সুযোগ দেয়। ট্রোজান হর্স সাধারণ ভাইরাসের মতো নিজে নিজে ছড়ায় না; এটি ব্যবহারকারীর ভুলে বা কোনো ভুয়া সফটওয়্যার ডাউনলোডের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। তাই এটি “গোপন হামলা” হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি প্রথমে নিরাপদ সফটওয়্যারের আভাস দেয়, কিন্তু একবার চালু হলে কম্পিউটারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

সঠিক উত্তর: গ) একটি ভাইরাস যা বৈধ সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে থাকে।


• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।

- যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।  

• কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 

- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১০,১১১.
আর্কিটেকচারাল ডিজাইনের কাজে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক
  2. খ) প্লটার
  3. গ) ইমেজ সেটার
  4. ঘ) স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতই কাজ করে৷ মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়৷
সোর্সঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম
১০,১১২.
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং- গবেষণার বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. জিনের পৃথকিকরণ
  2. জিনের সংযোজন
  3. জিনের পরিবর্তন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং:
 - জেনেটিক্সের যে শাখায় জিনের পৃথকিকরণ, সংযোজন, সংশ্লেষণ ও পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করা হয় তাকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে DNA এর কাঙ্ক্ষিত অংশ ব্যাকটেরিয়া থেকে মানুষে, উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে;
- এবং প্রাণী থেকে উদ্ভিদে স্থানান্তর সম্ভব হয়েছে।
- মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরির জিন ব্যাকটেরিয়ার প্লাজমিডে স্থানান্তরিত করে।
- ঐ ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে ইনসুলিন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য যে পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় তাকে রিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজি  বলে।

এছাড়াও,
- মানবদেহে ইনসুলিন তৈরি।
-
জিন থেরপি, হরমোন তৈরি, মৎস উন্নয়ন এর অবদান রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (মাহবুবুর রহমান)।
১০,১১৩.
কোনটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে?
  1. ব্রিজ
  2. রিপিটার
  3. গেটওয়ে
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
• গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ক (LAN, MAN, WAN)-কে সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে। একে WAN ডিভাইসও বলা হয়। 
- গেটওয়ে ভিন্ন নেটওয়ার্ক করার সময় প্রোটোকল ট্রান্সলেট করে থাকে।
- এটা মূলত একটি নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি ডিভাইস। 
- ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা কম।
- এটি রাউটারের চেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন নেটওয়ার্ক।

• ব্রিজ (Bridge):
- ব্রিজ এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে। 
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যমে অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্কেকে সংযুক্ত করা যায়। 

• রাউটার (Router):
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• রিপিটার (Repeater):
- রিপিটার এক ধরনের কানেকটিভিটি ডিভাইস, যা দুর্বল সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফাই করে গন্তব্যে প্রেরণ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,১১৪.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. C
  2. HTML
  3. Java
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১১৫.
-23 এর বাইনারি কোনটি?
  1. ক) 11101101
  2. খ) 11101011
  3. গ) 11101001
  4. ঘ) 10111101
ব্যাখ্যা
আমরা জানি +23  এর ২ এর পরিপূরক -23 
এখানে +23 একটি ধনাত্নক চিহ্নযুক্ত সংখ্যা তাই তার পরিবির্তের 8 বিট বাইনারি হবে।


+ 23 এর বাইনারি =   00010111
১ এর পরিপূরক    =   11101000
                                            +1
২ এর পরিপূরক    =  11101001

অর্থাৎ -23 = 11101001
১০,১১৬.
বাইনারি সংখ্যা 101100 এর ২ এর পরিপুরক (2's Complement) কত?
  1. 010111
  2. 010101
  3. 010100
  4. 001011
ব্যাখ্যা

বাইনারি সংখ্যা 101100 এর ২ এর পরিপূরক হলো 010100.

• ২-এর পরিপুরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

• ধাপ ১: ১ এর পরিপূরক (1's Complement) নির্ণয়:
প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যা: 101100
১ এর পরিপূরক (বিট উল্টিয়ে): 010011

ধাপ ২: ২ এর পরিপূরক (2's Complement) নির্ণয়:
১ এর পরিপূরকের সাথে 1 যোগ করতে হবে:
    010011 (১ এর পরিপূরক)
  +         1
  ––––––––
    010100

অতএব, বাইনারি সংখ্যা 101100 এর ২ এর পরিপূরক হলো 010100।
∴ সঠিক উত্তর: গ) 010100

১০,১১৭.
Which system, developed in the early 1960s, allowed a computer’s resources to be shared in rapid succession with multiple users?
  1. ক) Time-sharing
  2. খ) Command-and-control
  3. গ) Host-to-host interactions
  4. ঘ) Batch-processing
ব্যাখ্যা
Developed in the early 1960s, time-sharing systems allowed a computer’s resources to be shared in rapid succession with multiple users, cycling through the queue of users so quickly that the computer appeared dedicated to each user’s tasks despite the existence of many others accessing the system “simultaneously.”
 
Source: Britannica
১০,১১৮.
Machine Learning এর পথপ্রদর্শক কাকে বলা হয়?
  1. অ্যালান টুরিং
  2. আর্থার স্যামুয়েল
  3. জন ম্যাকার্থি
  4. মার্ভিন মিনস্কি
ব্যাখ্যা

◉ আর্থার স্যামুয়েল (Arthur Samuel) কে সাধারণত Machine Learning-এর পথপ্রদর্শক বলা হয়। তিনি 1959 সালে "Machine Learning" শব্দটি জনপ্রিয় করেন এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে অভিজ্ঞতা থেকে শেখার ক্ষমতাসম্পন্ন প্রোগ্রাম তৈরিতে পথিকৃৎ ছিলেন।

মেশিন লার্নিং (Machine Learning):
- মেশিন লার্নিং ডেটা সায়েন্সের ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ।
- মেশিন লার্নিং হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ডেটা থেকে শেখানোর ক্ষমতা দেয়া।
- এটি কম্পিউটারকে প্যাটার্ন এবং পর্যাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে কোন কিছুর পূর্বাভাস অনুমান করতে এবং নির্ধারিত কাজ অনুমোদন করতে অনুমতি দেয়।
- Machine Learning এর পথপ্রদর্শক Arthur Samuel.
- মেশিন লার্নিং-এ পরিসংখ্যাতগত পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে, অ্যালগরিদমগুলিকে শ্রেণিবিন্যাস বা ভবিষ্যদ্বাণী করতে এবং ডেটা মাইনিং প্রকল্পগুলিতে মূল অন্তর্দৃষ্টিগুলি উন্মোচন করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়৷

মেশিন লার্নিং- এর উদাহরণ:
- উদাহরণস্বরূপ, আমাদের স্মার্ট ফোনে যে আমরা ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক দেই তাও মেশিন লার্নিং ও সেনসরের এর কল্যাণে সম্ভব হয়েছে। সহজ ভাষায় বললে, মেশিন মানে আমাদের স্মার্ট ফোনটির ফিঙ্গার প্রিন্ট সেনসরটি আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্যাটার্ন Learn করেছে।
- আবার, বলা যায়, আমরা Google Doc- এ Voice Recognition অপশন অন করে বাংলায় কথা বললে, Google Doc নিজে নিজেই বাংলা টাইপিং শুদ্ধভাবে করতে পারে। সহজ ভাষায় বলা যায়, মেশিন হচ্ছে Google আর তাকে বিভিন্ন অ্যালগরিদম আর প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলা ভাষা শেখানো হয়েছে যাকে আমরা Natural Language Processing (NPL) বলি।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা।

আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর কয়েকটি ক্ষেত্র হলো:
১) NLP (অনুবাদ/তথ্য সমন্বয়) - Natural Language Processing,
২) Speech (স্পিচ টু টেক্সট/স্পিচ টু স্পিচ),
৩) মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং),
৪) রোবটিক্স,
৫) ভিশন (ইমেজ প্রসেসিং)।

উৎস:
১) IBM ওয়েবসাইট।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১১৯.
মাদারবোর্ডে নিচের কোনটি স্থাপিত থাকে?
  1. হার্ড ড্রাইভ
  2. সিপিইউ
  3. পেনড্রাইভ
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১২০.
কোনটি ক্লাউড স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত সেবা নয়?
  1. Amazon S3
  2. iCloud
  3. OneDrive
  4. WeTransfer
ব্যাখ্যা
⚪ OneDrive, iCloud, এবং Amazon S3 - এগুলি সব ক্লাউড স্টোরেজ পরিষেবা, যেখানে আপনি ফাইল সংরক্ষণ এবং একাধিক ডিভাইসের মধ্যে শেয়ার করতে পারেন।
- তবে, WeTransfer একটি ফাইল শেয়ারিং পরিষেবা, যা মূলত বড় আকারের ফাইল অন্যদের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি ক্লাউড স্টোরেজ পরিষেবা নয়।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো:
- মেগা,
- ড্রপবক্স,
- ওয়ান ড্রাইভ,
- গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

⚪ সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১০,১২১.
C2B এর উদাহরণ কোনটি?
  1. ebay.com
  2. sindabad.com
  3. alibaba.com
  4. daraz.com
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-

১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business : B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ : alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer : B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ : amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business : C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ : monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer : C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের  উদাহরণ : ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

৫। এম-কমার্স (M-commerce):
- এম কমার্স বা মোবাইল কমার্স (Mobile-Commerce) হলো এমন একটি ব্যবসায়িক সিস্টেম যা তারবিহীন বা ওয়ারলেস (Wireless) পরিবেশে সংঘটিত হয়।
- অর্থাৎ আধুনিকায়নের যুগে মোবাইল, ট্যাবলেট ইত্যাদি ডিভাইসের মাধ্যমে তারবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় সিস্টেমকেই এম-কমার্স বলে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১২২.
সহায়ক মেমরির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে
  2. খ) তথ্য স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায়
  3. গ) ধারণক্ষমতা অত্যাধিক
  4. ঘ) বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও তথ্য মুছে যায় না
ব্যাখ্যা
সহায়ক মেমরির বৈশিষ্ট্য: 
- সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে না।
- তথ্য স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- ধারণক্ষমতা অত্যাধিক।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও তথ্য মুছে যায় না।
- সহজে পরিবহন করা যায়।
- কোনো তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা
১০,১২৩.
বিশেষভাবে পরিকল্পিত ওয়েবসাইট যেখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লিংক, তথ্য এবং সেবার সংগ্রহ রয়েছে তাকে কী বলে?
  1. Web Page
  2. Web Browser
  3. Search Engine
  4. Web Portal
ব্যাখ্যা
ওয়েব পোর্টাল (Web Portal):
- ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন লিংক, তথ্য ও সার্ভিস বা সেবার সংগ্রহ যা ব্যবহারকারীদেরকে তথ্য জানানোর জন্য সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়।
- ওয়েব পোর্টালের হোম পেজে বিভিন্ন তথ্য ও লিংকসমূহ ইনডেক্স আকারে থাকে বিধায় ব্যবহারকারীরা সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় তথ্যের উৎস বা লিংক খুঁজে পায়। - একটি ওয়েব পোর্টাল সাধারণত আঞ্চলিক খবর, স্থানীয় তথ্য, স্টক রিপোর্ট, সরকারি সেবার তথ্য, জাতীয় খবর এবং গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল সেবা প্রদান করে।
- অবশ্য ওয়েব পোর্টাল ব্যক্তিগত, আঞ্চলিক, সংস্কৃতিক, সরকারি, কর্পোরেট ইত্যাদি ধরনের হতে পারে। যেমন: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (www.bangladesh.gov.com) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি ওয়েব পোর্টাল। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১২৪.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে প্রধানত কোন ল্যাঙ্গুয়েজটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Python
  2. Fortran
  3. C#
  4. COBOL
ব্যাখ্যা
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তি নির্ভর করে যন্ত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো হলো- LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০,১২৫.
ENIAC কোন কাজে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল?
  1. সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা
  2. তথ্য এনক্রিপশন
  3. কারখানার উৎপাদন স্বয়ংক্রিয় করা
  4. আবহাওয়ার পূর্বাভাস
ব্যাখ্যা

• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) ছিল বিশ্বের প্রথম পূর্ণ বৈদ্যুতিন সাধারণ উদ্দেশ্যের কম্পিউটার। এটি মূলত সামরিক হিসাব-নিকাশ সমাধানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সেনারা “অ্যাটমিক বোমার গোলকীয় গতিবিদ্যা” সম্পর্কিত জটিল গণনা দ্রুত সম্পন্ন করতে চাইছিলেন। ENIAC ছিল তৎকালীন সময়ের অন্যান্য যন্ত্রের তুলনায় দ্রুত এবং স্বয়ংক্রিয়, যা গণনার কাজকে ঘণ্টার পরিবর্তে মিনিটে করতে সক্ষম। এটি সংখ্যা সংক্রান্ত বড় বড় সমীকরণ এবং বিস্ফোরক শক্তি ও ধ্বংসাবশেষ সম্পর্কিত মডেলিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হতো। তাই ENIAC-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা, অন্য কোনো অপশন যেমন তথ্য এনক্রিপশন, কারখানার উৎপাদন স্বয়ংক্রিয় করা বা আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরি করা ততটা ছিল না।

- উত্তর: ক) সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা।
 
• ENIAC:
 - ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এটি ৩০ টন এবং ১৯ হাজার ইলেকট্রনিক টিউব দিয়ে নির্মিত।
- এটি চালানোর জন্য ১৩০ হতে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হতো।
- প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজারটি যোগ এবং ৫ শতটি গুণ করতে পারত।
- দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে তিন মিলি সেকেন্ড সময় লাগত।
- প্রোগ্রামের জন্য এ কম্পিউটারের তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১২৬.
কম্পিউটার সিস্টেমে ক্যাশ মেমোরি হিসেবে কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
  1. SRAM
  2. SDRAM
  3. DRAM
  4. PROM
ব্যাখ্যা

ক্যাশ মেমোরি হিসেবে SRAM (Static Random Access Memory) ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি দ্রুতগতির এবং CPU-এর কাছে ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১০,১২৭.
টুইটার কী?
  1. ক) এক প্রকার সামাজিক নেটওয়ার্কিং
  2. খ) এক প্রকার সফটওয়্যার
  3. গ) এক প্রকার কম্পিউটার প্রোগ্রাম
  4. ঘ) এক প্রকার কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
টুইটার হচ্ছে এক ধরণের সামাজিক নেটওয়ার্কিং।

- টুইটার একটি অতি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট।
- টুইটার প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালের ২১ মার্চ। 
- টুইটারের সদরদপ্তর- সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রতে অবস্থিত। 
- টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা- পরাগ আগরওয়াল।

সূত্র- Twitter Website [লিঙ্ক]  
১০,১২৮.
IBM-1620 কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ : ENIAC, UNIVAC, EDSAC, EDVAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ: IBM 1401, IBM 1620, CDC 1604, RCA 301
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ: PDP 8, IBM 360, 370, ICL 2900, PDP II
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ: IBM 3033, IBM 4341, TRS 40

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০,১২৯.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. রিসোর্স স্ক্যালাবিলিটি
  2. অন ডিমান্ড সার্ভিস
  3. ইউজার - প্রোভাইডার ইন্টারেকশন
  4. পে-এজ-ইউ-গো সার্ভিস
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবেঃ -
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি : ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড : ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো : এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১০,১৩০.
ওয়াইফাই প্রযুক্তির IEEE স্ট্যান্ডার্ড মান কত?
  1. 802.16
  2. 802.11
  3. 802.15
  4. 802.30
ব্যাখ্যা
→ ওয়াইফাই প্রযুক্তির IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড মান।

• Wi Fi:
- WI-FI কে Wireless Fidelity শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে মনে করা হয়।
- Wi-Fi শব্দটি স্বত্বাধিকারী Wi-Fi Alliance নামীয় একটি সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়্যারলেস প্রযুক্তি কম্পিউটারের লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের জন্য কোনো লাইসেন্স বা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।
- এবং যেকোনো মানের Wi-Fi ডিভাইস পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় কাজ করতে পারে।
- ডেটার নিরাপত্তার খানিকটা ঝুঁকি থাকে।
- এটি সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এবং এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ শ্রেণি।
১০,১৩১.
Microsoft Disk Operating System হলো এক ধরণের -
  1. ডেডিকেটেড অপারেটিং সিস্টেম
  2. ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম
  3. টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম
  4. রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
- যে অপারেটিং সিস্টেম একটির পর আরেকটি প্রোগ্রাম পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করে তাকে ব্যাচ প্রসেসিং সিস্টেম বলে।
- ব্যাচ প্রসেসিং-এর বৈশিষ্ট্য হলাে একটি নির্দিষ্ট সময়ে এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে পারে।
- এখানে মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা টাইমশেয়ারিং-এর কোনাে সুযােগ নেই।
- এর আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো একটি প্রােগ্রাম যখন পরিচালনা করা শুরু হয়, তখন সেটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্য প্রােগ্রাম তার কার্যক্রম শুরু করতে পারে না।
- এই অপারেটিং সিস্টেমটি মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে প্রাথমিক অপারেটিং সিস্টেম ছিল।
- মাইক্রোকম্পিটারে ব্যবহৃত CP/M, MS-DOS এবং PC-DOS গুলোও ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১০,১৩২.
একটি সক্রিয় মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম তাপমাত্রা কোনটি? 
  1. ৪০-৬০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  2. ২০-৩০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  3. ৫০-৭০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  4. ৬০-৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
- একটি কম্পিউটার সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বা নিয়ামকগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে- 
(১) তাপমাত্রা (Temperature), 
(২) কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা (Turning the Computer On/Off), 
(৩) বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা (Plugging in the System) এবং 
(৪) ময়লা ও দূষণ (Dust and Pollutants) ইত্যাদি। 

তাপমাত্রা (Temperature): 
- কম্পিউটার সিস্টেমকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার মধ্যে রাখার চেষ্টা করতে হয়। 
- শীতপ্রধান অঞ্চলে যেখানে অফিসে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে দিনের বেলা উষ্ণ রাখা হয় এবং রাতের বেলা অনেক ঠাণ্ডা হয়ে যায়। 
- মাইক্রোকম্পিউটার সে পরিবেশে বেশি সিস্টেম নষ্টের সম্মুখীন হয়। 
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম তাপমাত্রা হল ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট। 
- মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য অতিমাত্রায় তাপমাত্রার ওঠা নামা অত্যন্ত বিপদজনক। 
- এই কারণে কম্পিউটার কখনও কোন উত্তপ্ত বা অধিক ঠান্ডা স্থানে রাখা উচিত নয় বা সরাসরি সূর্যালোকেও রাখা উচিত নয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৩৩.
নিচের কোন উক্তিটি ভুল?
  1. ১ বাইট = ৮ বিট
  2. ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ১ টেরাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
১০,১৩৪.
বিজনেস সফ্টওয়্যার এ্যালায়েন্স কেন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ
  3. প্রাইভেসি রক্ষা
  4. সফটওয়্যার সেবা
ব্যাখ্যা

বড় বড় সফ্টওয়্যার কোম্পানিগুলো তাদের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপি পাইরেসি নজরদারী করার জন্য ‘বিজনেস সফ্টওয়্যার এ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংস্থা তৈরি করেছে।
সংস্থাটির ২০১১ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের প্রতি দশ জনের মধ্যে সাতজনই পাইরেসি মুক্ত। যেহেতু সফ্টওয়্যার পাইরেসি খুবই সহজ, তাই এর হিসাব করাটা কঠিনই বটে।
বাংলাদেশেও সফ্টওয়্যার পাইরেসি নিষিদ্ধ।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১০,১৩৫.
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এর উদ্ভাবক কে?
  1. Bjarne Stroustrup
  2. Guido van Rossum
  3. James Gosling
  4. Dennis Ritchie
ব্যাখ্যা
⚪ পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এর উদ্ভাবক হলেন গুইডো ভ্যান রসুম (Guido van Rossum)।

তিনি ১৯৮০-এর দশকে পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষাটি তৈরি করেছিলেন এবং ১৯৯১ সালে প্রথম এটি প্রকাশিত হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:
ক) Bjarne Stroustrup:
- Bjarne Stroustrup হলেন C++ প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক। তিনি ১৯৭৯ সালে C++ এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন, যা C ভাষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। C++ একটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং সমর্থন করে এবং সিস্টেম সফটওয়্যার, গেম ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স, এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

গ) James Gosling:
- James Gosling হলেন Java প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক। তিনি ১৯৯০ এর দশকে Sun Microsystems-এ কাজ করার সময় Java ভাষার উন্নয়ন করেন। Java একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা যা প্ল্যাটফর্ম-স্বাধীন (platform-independent) এবং "Write Once, Run Anywhere" নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, এন্টারপ্রাইজ সিস্টেম, এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।

ঘ) Dennis Ritchie:
- Dennis Ritchie ছিলেন C প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক এবং তিনি Unix অপারেটিং সিস্টেমের এক সহ-উদ্ভাবক। ১৯৭২ সালে C ভাষা তৈরি করেন, যা কম্পিউটার সিস্টেম সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং সিস্টেম প্রোগ্রামিংয়ের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। C ভাষা আজও অনেক আধুনিক ভাষার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

⚪ পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।

- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০,১৩৬.
কোন প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় তথ্য অফিসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চালু হয়েছে? 
  1. a2i
  2. a3i
  3. i2a
  4. i3a
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সেবা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য একসেস টু ইনফরমেশন (a2i) প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় তথ্য অফিসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চালু হয়েছে
- এতে করে তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনিক ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সরকারি সবধরনের পরিষেবার তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
- প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, সাব-পোস্ট অফিসে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু করে সরকারি সবধরনের ডিজিটাল সার্ভিস সেবা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১০,১৩৭.
Which protocol does Wi-Fi use for media access control?
  1. TCP/IP
  2. TDMA
  3. SMTP
  4. CSMA/CA
ব্যাখ্যা
• ওয়াই-ফাইয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়‍্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সাধারণত নেটওয়ার্কের জন্য কোনো প্রকার ক্যাবল বা তারের প্রয়োজন হয় না।
- কভারেজ এরিয়া সাধারণত 50 মিটার থেকে 200 মিটারের মতো হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্কে সহজে নতুন নোড যুক্ত করে নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়ানো যায়।
- হাফ ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত 2.4 GHz-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। তবে বর্তমানে তা 5.85 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সিগন্যাল নয়েজ (SNR-signal to noise ratio) সর্বোচ্চ 10 dB (decibel)।
- বাধামুক্ত সিগন্যাল ট্রান্সফারের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনক্রিপশন সুবিধা আছে।
- মিডিয়া অ্যাকসেস কন্ট্রোলের জন্য CSMA/CA (Carrier Sense Multiple Access with Cllision Avoidance) প্রোটোকল ব্যবহার করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৩৮.
বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করতে কোন ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. F6
  2. F7
  3. F8
  4. F9
ব্যাখ্যা
• বানান ও ব্যকরণ ঠিক করতে 'F7' ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

• ফাংশন কী:

- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
১০,১৩৯.
RAM এর পূর্ণ রূপ কী?
  1. Read Access Memory
  2. Random Access Memory
  3. Rapid Access Machine
  4. Real Access Memory
ব্যাখ্যা
RAM এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Random Access Memory.

Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র‍্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।

র‍্যামের শ্রেণিবিভাগ
অপারেটিং মোড অনুসারে র‍্যামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM) ও
- ডাইনামিক র‍্যাম (Dynamic RAM)

স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM)
- স্ট্যাটিক র‍্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত যা বাইনারি বিট ০ ও ১ ধারণ করে।
- এ ধারণকৃত ডাটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে মেমোরিতে রক্ষিত ডাটা মুছে যায়।
- স্ট্যাটিক র‍্যাম অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হয় বলে এটা ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

ডাইনামিক র‍্যাম (Dynamic RAM)
- ডাইনামিক র‍্যাম-এ বাইনারি বিট ০ ও ১ বৈদ্যুতিক চার্জ আকারে ক্যাপাসিটরে জমা থাকে।
- ক্যাপাসিটর চার্জ থাকলে ১ অবস্থা, না থাকলে ০ অবস্থা বোঝায়।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থায়ও ক্যাপাসিটরের চার্জ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- তাই কয়েক মিলিসেকেন্ড পর পর র‍্যাম কন্ট্রোলারের সাহায্যে প্রত্যেক মেমোরি কোষে লেখা তথ্য নতুন করে লিখতে হয়।
- ক্যাপাসিটরের পরিভাষায় একে মেমোরি রিফ্রেশিং বলা হয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমোরি হিসেবে সাধারণত ডাইনামিক র‍্যাম ব্যবহার করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১০,১৪০.
WWW দিয়ে বোঝানো হয়-
  1. ক) World Wide Web
  2. খ) World Wide Ware
  3. গ) World Wireless Web
  4. ঘ) World Windows Web
ব্যাখ্যা
WWW এর  পূর্ণরূপ হলো - World Wide Web
- ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এ কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন।

Source: britannica.com
১০,১৪১.
Which networking device sends the received data packet to all connected ports?
  1. Router
  2. Switch
  3. Hub
  4. Gateway
ব্যাখ্যা

• Hub এমন একটি networking device যা একটি port-এ প্রাপ্ত data packet কপি করে তার সকল port-এ পাঠিয়ে দেয়।

• Networking Devices:
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গঠনের জন্য শুধুমাত্র কম্পিউটার যথেষ্ট নয়, বরং বিভিন্ন সহায়ক ডিভাইস প্রয়োজন হয়।
- যেসব ডিভাইস ব্যবহার করে একটি কম্পিউটারকে অন্য কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয় এবং তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হয়, সেগুলোকে Networking Device বলা হয়।
- উদাহরণ: Network Interface Card (NIC), Modem, Hub, Switch, Router, Gateway ইত্যাদি।

• Modem:
- Modem একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এটি একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণে সাহায্য করে।
- Modem শব্দটি Modulator এবং Demodulator থেকে এসেছে।
- Modulator ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে, আর Demodulator অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- বাজারে বিভিন্ন গতির modem পাওয়া যায়, যেমন: 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

• Hub:
- Hub এর মাধ্যমে একাধিক কম্পিউটার পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- Hub সাধারণত star topology-তে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- Hub-এ একাধিক port থাকে।
- কোনো একটি port-এ data packet এলে Hub সেটিকে কপি করে সব port-এ পাঠিয়ে দেয়।
- Hub সাধারণত দুই ধরনের হয়: Active Hub, Passive Hub।

• Switch:
- Switch একটি networking device যা নেটওয়ার্কে প্রাপ্ত data নির্দিষ্ট গন্তব্য কম্পিউটারে পাঠায়।
- Hub ও Switch এর কাজ প্রায় একই হলেও Switch সব port-এ data পাঠায় না।
- Switch কেবলমাত্র target computer বা নির্দিষ্ট গন্তব্যে data পাঠায়।
- Star topology-তে Switch কেন্দ্রীয় ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Router:
- Router ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় নেটওয়ার্ক গঠন করতে সাহায্য করে।
- এটি বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে data packet সঠিক পথে পাঠানোর কাজ করে।
- একই protocol বিশিষ্ট বিভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযোগ করতে Router ব্যবহৃত হয়।

• Gateway:
- Gateway নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস।
- এটি বিভিন্ন protocol বিশিষ্ট নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারে।
- Router যেখানে একই protocol ব্যবহারকারী নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করে, Gateway সেখানে ভিন্ন protocol বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে সক্ষম।

• অন্যান্য অপশন:
- Router → বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে data packet সঠিক পথে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত networking device।
- Switch → নির্দিষ্ট target computer বা destination-এ data packet পাঠায়।
- Gateway → ভিন্ন protocol বিশিষ্ট নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী networking device।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৪২.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরী হয়েছিলো?
  1. ক) IC
  2. খ) VLSI
  3. গ) Vacuum Tube
  4. ঘ) Transistor
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৪৩.
Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. IEEE 802.3
  2. IEEE 802.11
  3. IEEE 802.16 
  4. IEEE 802.15
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) এর জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মান বা স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11 ।
- এটি রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বের মধ্যে উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।

• Wi-fi: 
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়। 
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়। 
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য-
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16 ;
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15 ;
- ইথারনেট (Ethernet) বা তারযুক্ত ল্যান (LAN) এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.3 ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৪৪.
ভার্চুয়াল মেমরির পরিমাণ কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. রেজিস্টারের সংখ্যা
  2. ক্যাশের আকার
  3. অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ
  4. প্রসেসরের গতি
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরির পরিমাণ অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থের উপর নির্ভরশীল। কারণ ভার্চুয়াল মেমরি মূলত প্রসেসরের ব্যবহারযোগ্য অ্যাড্রেস স্পেস দ্বারা সীমাবদ্ধ। অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ যত বেশি, তত বেশি সংখ্যা প্রদর্শন করা যায় এবং প্রসেসর তত বড় মেমরি ঠিকানা করতে সক্ষম হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৩২‑বিট অ্যাড্রেস বাস দিয়ে ২ⁿ মেমরি ঠিকানা করা যায়, যেখানে n হলো অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা। অন্যদিকে রেজিস্টারের সংখ্যা, ক্যাশের আকার বা প্রসেসরের গতি সরাসরি ভার্চুয়াল মেমরির সীমা নির্ধারণ করে না, যদিও এগুলো পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে। তাই ভার্চুয়াল মেমরির সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আকার অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ দ্বারা নির্ধারিত হয়।

উত্তর: গ) অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ।

 • ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- geeksforgeeks [link]

১০,১৪৫.
সি‌রি - প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে উত্তর দেওয়ার জন্য কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Blockchain
  2. Artificial Intelligence
  3. Augmented Reality
  4. Virtual Reality
ব্যাখ্যা

• সি‌রি প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে উত্তর দেওয়ার জন্য মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে। এটি ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর, ভাষা এবং প্রশ্নের প্রেক্ষাপট বোঝার জন্য প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। AI প্রশ্নের অর্থ বিশ্লেষণ করে এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য খুঁজে এনে সঠিক উত্তর প্রদান করে। অন্য প্রযুক্তিগুলি যেমন ব্লকচেইন ডেটা সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য, অগমেন্টেড রিয়েলিটি বাস্তব জগতে ভার্চুয়াল উপাদান যুক্ত করার জন্য, এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সম্পূর্ণ কল্পিত পরিবেশ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, সি‌রি বা ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো সিস্টেমের জন্য সঠিক উত্তর হলো খ) Artificial Intelligence.

 
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- স্লোগান: Think Different.
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

• সিরি:
- অ্যাপলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট হলো সিরি, যা প্রথম চালু হয় ২০১১ সালে আইফোন 4S-এর মাধ্যমে। এরপর থেকে এটি আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাকবুক, অ্যাপল ওয়াচ, হোমপড সহ প্রায় সব অ্যাপল ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়।

- সিরি ব্যবহারকারীর কণ্ঠ নির্দেশনা বুঝে বিভিন্ন কাজ করতে পারে, যেমন:
- কল বা মেসেজ করা,
- অ্যালার্ম সেট করা,
- আবহাওয়া বা খবর জানানো,
- ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজা,
- এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর দেয়।

- অ্যাপলের নিজস্ব ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার কারণে সিরি অন্যান্য ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের থেকে আলাদা এবং ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে সুবিধাজনক।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - Al):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হলো বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক John McCarthy।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।
- কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত।
- আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

⇒ AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

উৎস:
i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ব্রিটানিকা। 

১০,১৪৬.
কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য সাধারণত কী ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. ব্যাকআপ সিস্টেম
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, ফায়ারওয়াল ও ব্যাকআপ সিস্টেম সবগুলোই ব্যবহৃত হয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৪৭.
টেসলা, স্পেসএক্স এবং নিউরালিঙ্ক – এই তিনটি বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. জেফ বেজোস
  2. ইলন মাস্ক
  3. মার্ক জাকারবার্গ
  4. বিল গেটস
ব্যাখ্যা

◉ ইলন মাস্ক হলেন টেসলা (বৈদ্যুতিক গাড়ি ও শক্তি সংরক্ষণ প্রযুক্তি), স্পেসএক্স (মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি) এবং নিউরালিঙ্ক (নিউরোটেকনোলজি কোম্পানি) এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। তিনি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী খাতে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।

ইলন মাস্ক:
- ইলন মাস্ক একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা।
- তাঁর জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেটোরিয়াতে।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা আর অর্থনীতিতে পড়ালেখা করেন।
- তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
- টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ইলন মাস্ক ২০১৫ সালে অলাভজনক সংস্থা ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৬ সালে তিনি নিউরালিংক এবং বোরিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠান করেন।

জিপটু (Zip2):
- উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি প্রথম জিপটু (Zip2) নামে একটি সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৯৫ সালে এর পথচলা শুরু হলেও ১৯৯৯ সালে তিনি কমপ্যাক কোম্পানির কাছে জিপ-টু বিক্রি করেন।

এক্স.কম (X.com):
- হ্যারিস ফ্রিকার, এড হো এবং ক্রিস্টোফার পেইনের সঙ্গে ইলন মাস্ক এক্স.কম প্রতিষ্ঠা করেন।

পেপাল (PayPal):
- এক্স.কম কনফিনিটি ইনকরপোটেড এক হয়ে পেপালের জন্ম হয়।
- পেপাল অনলাইন পেমেন্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি।

স্পেসএক্স (SpaceX):
- ইলস মাস্ক ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন স্পেসএক্স।
- এর প্রথম দুটি রকেট হলো ফ্যালকন 1 এবং ফ্যালকন 9।

টেসলা মোটরস (Tesla):
- তিনি ২০০৪ সালে কোম্পানিটি চালু করেন।

নিউরালিঙ্ক (Neuralink): 
- Nanotechnology ভিত্তিক কোম্পানি। 

টুইটার (Twitter):
- মাস্ক ২০০৯ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে যোগদান করেন।
- ২০২২ সালে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কেনার উদ্যোগ নেন ইলন মাস্ক।

উৎস: Britannica.

১০,১৪৮.
নিচের কোনটি ইন্টিগ্রেশন স্কেল অনুযায়ী IC-এর ধরণের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. SSI (Small-Scale Integration)
  2. MSI (Medium-Scale Integration)
  3. LSI (Large-Scale Integration)
  4. DSI (Deep-Scale Integration)
ব্যাখ্যা

• ইন্টিগ্রেশন স্কেল অনুযায়ী IC বা Integrated Circuit সাধারণত কতগুলো লজিক গেট বা কম্পোনেন্ট একটি চিপে সংযুক্ত আছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগে প্রচলিত ও স্বীকৃত ধরণগুলো হলো SSI (Small-Scale Integration), যেখানে অল্প সংখ্যক গেট থাকে; MSI (Medium-Scale Integration), যেখানে মাঝারি সংখ্যক গেট ব্যবহৃত হয়; এবং LSI (Large-Scale Integration), যেখানে অনেক বেশি গেট সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু DSI (Deep-Scale Integration) নামে কোনো ইন্টিগ্রেশন স্কেল ইলেকট্রনিক্সে স্বীকৃত বা প্রচলিত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) DSI (Deep-Scale Integration).
 
• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম/জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট: 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। 
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে। 
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। 
- আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: 
- কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,১৪৯.
What is a Register in the CPU?
  1. A permanent storage area within the CPU
  2. A temporary storage area within the CPU
  3. An arithmetic operator
  4. A network device
ব্যাখ্যা
Register is a temporary storage area within the CPU.

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১০,১৫০.
একজন ব্যবহারকারীকে মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. Plagiarism
  2. Debugging
  3. Sneaking
  4. Phishing
ব্যাখ্যা
• একজন ব্যবহারকারীকে মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতিকে Phishing বলে। এটি একটি সাইবার অপরাধ যেখানে প্রতারকরা ব্যবহারকারীর বিশ্বাস অর্জনের জন্য নির্ভরযোগ্য উৎসের ছদ্মবেশে থাকে, যেমন ব্যাংক, ই-কমার্স সাইট বা সামাজিক মাধ্যম। ব্যবহারকারী যখন সেই ভুয়া লিঙ্কে ক্লিক করে, তখন তাকে একটি আসল ওয়েবসাইটের মতো দেখতে পেজে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে সে নিজের ব্যবহারকারীর নাম, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর ইত্যাদি তথ্য প্রদান করে। এরপর প্রতারকরা সেই তথ্য ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে এবং অর্থ বা পরিচয় চুরি করতে পারে।

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,১৫১.
GSM-এ SIM কার্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. ভয়েস কল এনক্রিপ্ট করা
  2. অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যাল এ রূপান্তর করা
  3. সিগন্যাল শক্তি বৃদ্ধি করা
  4. নেটওয়ার্ক তথ্য এবং গ্রাহকের পরিচয় সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• GSM-এ SIM কার্ডের প্রধান কাজ হলো নেটওয়ার্ক তথ্য এবং গ্রাহকের পরিচয় সংরক্ষণ করা। এটি ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর, পরিচয় তথ্য এবং নিরাপত্তা কীগুলি ধারণ করে, যা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার সময় ব্যবহার করা হয়। SIM কার্ডের মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে গ্রাহককে শনাক্ত করা যায় এবং কল, SMS, ডেটা পরিষেবা প্রভৃতি ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়। এটি ভয়েস কল এনক্রিপশন বা সিগন্যাল শক্তি বৃদ্ধি করার কাজ করে না, বরং মূলত নিরাপদভাবে পরিচয় যাচাই এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই GSM-এর মূল উদ্দেশ্যে SIM কার্ড হলো ব্যবহারকারীর তথ্য সংরক্ষণ এবং নিরাপদ নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস নিশ্চিত করা।

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. GSM (Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১০,১৫২.
কম্পিউটার সিস্টেমে 'গার্বেজ ইন গার্বেজ আউট' কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ক) জটিল বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধান
  2. খ) কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফলের সুক্ষ্মতা যাচাই
  3. গ) ভুল ফলাফল দেয়া
  4. ঘ) কম্পিউটার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার নির্ভুলভাবে কাজ করে।
- উন্নত প্রযুক্তির কারণে কম্পিউটার সর্বদা নির্দিষ্ট প্রোগ্রামদিয়ে নির্দিষ্ট কাজ পুরোপুরি নির্ভুলভাবে করতে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম ও ডেটাকে অবশ্যই ১০০% শুদ্ধ হতে হবে ।
- ভুল ফলাফল দেয়াকে গার্বেজ ইন গার্বেজ আউট (Garbage in garbage out) বলা হয়।
- আধুনিক কম্পিউটার প্রমাণ করছে যে মানুষ ভুল করে, কিন্তু কম্পিউটার ভুল করে না ।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,১৫৩.
গুগল প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৫
  3. ২০০০
  4. ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
গুগল ১৯৯৮ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।

গুগল:

- গুগল একটি আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি, যা ১৯৯৮ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৫ সাল থেকে গুগল Alphabet Inc. নামক একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনস্থ।
- গুগল বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৭০% এর বেশি অনলাইন সার্চ রিকোয়েস্ট পরিচালনা করে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে।
- গুগলের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- গুগল শুরুতে শুধুমাত্র অনলাইন সার্চ ফার্ম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল।
- বর্তমানে গুগল ৫০টিরও বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা ও পণ্য সরবরাহ করে, যেমন:
• ইমেইল,
• অনলাইন ডকুমেন্ট তৈরি,
• মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটের জন্য সফটওয়্যার।
- ২০১২ সালে Motorola Mobility অধিগ্রহণের মাধ্যমে গুগল মোবাইল ফোনের মতো হার্ডওয়্যার বিক্রেতা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০,১৫৪.
নিচের কোনটি উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ?
  1. গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস
  2. ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম
  3. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  4. বিনামূল্যে পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা

উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ এর গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।

• উইন্ডোজ:
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
- মাইক্রোসফট এখন পর্যন্ত Windows 7, Windows Vista, Windows XP, Windows 8, Windows 10, Windows 11 প্রভৃতি অপারেটিং সিস্টেম বাজারে এনেছে।

• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য সুবিধাসমূহ হলো:
১. উইন্ডোজ একটি স্বতন্ত্র অপারেটিং সিস্টেম।
২. উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখার প্রয়োজন হয় না।
৩. পুল ডাউন বা মেন্যু বা আইকন ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়।
৪. অধিকাংশ কমান্ড মাউস ব্যবহার করে দেওয়া যায়।
৫. নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেটব্যবস্থার সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. ইউএসবি সাপোর্ট, ডিভিডি সাপোর্ট ইত্যাদি প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়া যায়।
৭. মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৫৫.
অনুমতি ছাড়া নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তথ্য চুরি বা ক্ষতি করার প্রক্রিয়া কোনটি?
  1. হ্যাকিং
  2. স্নিকিং
  3. স্প্যামিং
  4. স্পুফিং
ব্যাখ্যা
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্পুফড সাইট হলো প্রকৃত সাইটের প্রায় কাছাকাছি একটি মিরর ইমেজ।

স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,১৫৬.
নিচের কোন তথ্যটি ওয়াইফাই (Wi-Fi) সম্পর্কিত সঠিক নয়?
  1. এর কাভারেজ অল্প জায়গা জুড়ে থাকে
  2. এটি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে
  3. এটি লাইসেন্সবিহীন স্পেকট্রাম ব্যবহার করে
  4. এর গতি ওয়াইম্যাক্স (Wi-Max) এর চেয়ে বেশি
ব্যাখ্যা

Wi-Max-এর গতি Wi-Fi এর চেয়ে বেশি। Wi-Max-এর গতি ১০-১০০ Mbps পর্যন্ত হতে পারে এবং কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।

Wi-fi:
- ওয়াই-ফাই বা ওয়্যারলেস ফিডালিটি হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
- এটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং অন্যান্য গ্যাজেটকে ইন্টারনেট বা লোকাল নেটওয়ার্কের সাথে ওয়্যারলেসভাবে সংযুক্ত করে।
- এটি অল্প জায়গা জুড়ে থাকে। ঘরের ভিতর প্রায় ৩২ মিটার ও বাইরে প্রায় ১০০ মিটার পর্যন্ত এর কাভারেজ থাকে।
- এটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে লাইসেন্সবিহীন স্পেকট্রাম ব্যবহার করে।
- এর গতি অপেক্ষাকৃত কম, প্রায় ১০-৫০ মেগাবিট/সেকেন্ড।
- এতে হাফ ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে এটি আইইইই ৮০২.১১ জি (IEEE 802.11G) স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

Wi-Max:
- Wi-Max হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এর আওতা বা কাভারেজ বিশাল জায়গা জুড়ে থাকে, প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
- এর খরচ অপেক্ষাকৃত বেশি।
- এর গতি অনেক বেশি। দূরত্বের উপর নির্ভর করে ১০-১০০ মেগাবিট/সেকেন্ড হতে পারে।
- এতে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- এটি আইইইই-৮০২.১৬ (IEEE-802.16) স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০,১৫৭.
কোনটি ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার?
  1. Stuffit
  2. IBM Db2
  3. Redis
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• Stuffit ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার।

• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):

- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

• ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- IBM Db2,
- Redis,
- Amazon DynamoDB,
- Microsoft Access.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১০,১৫৮.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ফাইল বা ডকুমেন্ট ক্লোজ করতে কোনটি চাপতে হয়?
  1. ক) Ctrl + S
  2. খ) Ctrl + O
  3. গ) Alt + F4
  4. ঘ) Ctrl + W
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কিছু শর্টকার্ট কী (Key):
১. Ctrl+O = ডকুমেন্ট ওপেন করা
২. Ctrl+N = নতুন ডকুমেন্ট খোলা
৩. Ctrl+S = ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা
৪. Ctrl+W = ডকুমেন্ট ক্লোজ করা
৫. Ctrl+A = ডকুমেন্টের সব কন্টেন্ট সিলেক্ট করা।



উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট।
১০,১৫৯.
ডিভিডি কোন ধরনের স্মৃতি?
  1. ক) প্রধান স্মৃতি
  2. খ) সহায়ক স্মৃতি
  3. গ) অস্থায়ী স্মৃতি
  4. ঘ) স্থায়ী স্মৃতি
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমরি দুই প্রকার। যথা- ১। প্রধান মেমরি ও ২। সহায়ক মেমরি।
RAM ও ROM প্রধান মেমরির অন্তর্ভুক্ত। হার্ড ডিক্স, ফ্লাস ডিক্স, ফ্লপি ডিক্স, চৌম্বক ড্রাম, ক্যাম্প্যাক্ট ডিক্স, ডিভিডি হলো সহায়ক মেমরি।

১০,১৬০.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ কোনটি?
  1. ইন্টারনেট
  2. টেলিভিশন
  3. ওয়াইফাই
  4. রেডিও
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক)।
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- WAN-এর বিস্তৃতি সমগ্র দেশ বা পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- টেলিফোনের সাথে সংযুক্ত মডেমের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডায়াল করতে হয়।
- এভাবে ভিন্ন প্রকৃতির নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়।
- গেটওয়ে ডাটা বা তথ্য চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ করে দেয়।
- ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে। যেমন ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০,১৬১.
বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Oracle Corporation
  2. Intel Corporation
  3. Apple Corporation
  4. Google Corporation
ব্যাখ্যা
• Intel Corporation বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।

• ইনটেল কর্পোরেশন (Intel Corporation):

- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।
- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০,১৬২.
কোন অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত কমান্ড লাইন ইন্টারফেসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. iOS
  2. UNIX/Linux
  3. Android
  4. Windows GUI
ব্যাখ্যা

• কমান্ড লাইন ইন্টারফেস (CLI) সাধারণত UNIX/Linux অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো খ) UNIX/Linux। UNIX এবং Linux মূলত মাল্টি-ইউজার ও মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম, যেখানে টার্মিনাল বা শেলের মাধ্যমে কমান্ড লিখে কাজ করা হয়। প্রোগ্রামিং, সার্ভার পরিচালনা, নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন এবং সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য CLI খুবই কার্যকর। iOS ও Android মূলত গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেসভিত্তিক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, আর Windows GUI সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য গ্রাফিক্যাল পরিবেশে কাজ করার সুবিধা দেয়। তাই কমান্ড লাইনের ক্ষেত্রে UNIX/Linux সবচেয়ে প্রচলিত।

• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

১০,১৬৩.
কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে কোন অপারেশনটি করা যায়?
  1. ডাটা অনুসন্ধান
  2. ডাটা প্রবেশ
  3. ডাটা ডিলিট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে ডাটা অনুসন্ধান, ডাটা প্রবেশ এবং ডাটা ডিলিট—সবগুলো অপারেশন করা যায়।

• কুয়েরির ধারণা:
- কুয়েরি হলো ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে নির্দিষ্ট শর্তে প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতি।
- কুয়েরির মাধ্যমে বিভিন্ন শর্ত প্রয়োগ করে ডাটা আলাদা করা সম্ভব।

• কুয়েরির মাধ্যমে সম্পাদনযোগ্য অপারেশন:
- কুয়েরির সাহায্যে ডাটাবেজে সংরক্ষিত নির্দিষ্ট ডাটা অনুসন্ধান করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে নতুন ডাটা প্রবেশ করানো যায়।
- কুয়েরির সাহায্যে প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটা ডিলিট করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে ডাটা মডিফাই বা আপডেট করাও সম্ভব।

• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় কুয়েরির ভূমিকা:
- বিপুল পরিমাণ ডাটার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা খুব দ্রুত ও সহজে পাওয়া যায়।
- ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর ও সময় সাশ্রয়ী করে তোলে।
- শর্তযুক্ত তথ্য সংরক্ষণ ও পরবর্তী ব্যবহারের জন্য কুয়েরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৬৪.
নিচের কোন অপশনটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?
  1. ক) Google
  2. খ) Firefox
  3. গ) Bing
  4. ঘ) Yahoo
ব্যাখ্যা
• Firefox অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
- Firefox হচ্ছে একটি ওয়েব ব্রাউজার। 
- অপরদিকে Google, Bing, Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন।

ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে বিষয়বস্তু উপস্থাপন করার জন্য একটি সফ্টওয়্যার প্রোগ্রাম যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো: Google Chrome, Mozilla Firefox, Opera ইত্যাদি।

সার্চ ইঞ্জিন:
- সার্চ ইঞ্জিন মূলত একটি ওয়েব অনুসন্ধান ইঞ্জিন বা সফট্‌ওয়্যার প্রোগ্রাম যা তথ্য জমা করে এবং প্রয়োজনের সময় সেই তথ্য ব্যবহারকারীর প্রশ্ন অনুসারে প্রদান করে একটি তালিকা প্রদান ডাটাবেজে অনুসন্ধান করে।
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো: Google, Bing, Yahoo, Baidu ইত্যাদি।

উৎস: Computerhope website.
১০,১৬৫.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম-
  1. ক) ডিবেজ (dBASE)
  2. খ) ফক্স প্রাে (Foxpro)
  3. গ) এম এস এক্সিস (MS Access)
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম ডাটা তৈরি, অ্যাকসেস এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ প্রােগ্রাম সমূহ হচ্ছে-
-ডিবেজ (dBASE),
-ফক্স প্রাে (Foxpro),
-ডিবেজ ৩+ (dBASE Ill+),
-ফক্সবেজ (FoxBASE),
-ফাইলমেকার প্রাে (Filemaker Pro),
-এম এস এক্সিস (MS Access) ইত্যাদি।
[উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
১০,১৬৬.
কোন বৈশিষ্ট্যটি সুপারকম্পিউটারকে সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা করে?
  1. বিল্ট-ইন কীবোর্ড
  2. বেশি স্টোরেজ স্পেস
  3. উচ্চতর প্রসেসিং গতি
  4. বড় স্ক্রিন সাইজ
ব্যাখ্যা
• সুপারকম্পিউটারকে সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা করে যে বৈশিষ্ট্যটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো উচ্চতর প্রসেসিং গতি। সুপারকম্পিউটারগুলি বিপুল পরিমাণ তথ্য অত্যন্ত দ্রুত বিশ্লেষণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম, যা সাধারণ কম্পিউটারের পক্ষে সম্ভব নয়। এই ধরনের কম্পিউটার একসাথে লাখো কোর ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক হিসাব, জলবায়ু মডেলিং, পারমাণবিক গবেষণা বা মহাকাশ গবেষণার মতো কাজ সম্পাদন করে থাকে। যেখানে সাধারণ কম্পিউটার দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, সেখানে সুপারকম্পিউটার বিশাল ডেটা সেট নিয়ে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা। তাই, গ) উচ্চতর প্রসেসিং গতি-ই সুপারকম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পার্থক্যসূচক বৈশিষ্ট্য।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৬৭.
কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা কোনটি?
  1. স্বাভাবিক/ন্যাচারাল ভাষা
  2. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  3. মেশিন ভাষা
  4. উচ্চস্তরের ভাষা
ব্যাখ্যা

মেশিন ভাষা (Machine Language) হলো কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা।

প্রোগ্রাম রচনার সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামিং ভাষাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লো-লেভেল ভাষা বা নিম্ন স্তরের ভাষা
২. হাই-লেভেল ভাষা বা উচ্চ স্তরের ভাষা

• নিম্ন স্তরের ভাষাকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- মেশিন ভাষা
- অ্যাসেম্বলি ভাষা

• মেশিন ভাষা:
- মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্ন স্তরের ভাষা।
- এটিকে কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা বা সবচেয়ে মৌলিক ভাষা বলা হয়।
- এই ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (০ এবং ১) বা হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধু এই মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হলে, কম্পিউটার তা কাজে লাগানোর আগে একটি উপযুক্ত অনুবাদকের (ট্রান্সলেটর) সাহায্যে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে নেয়।
-  এই ভাষায় শুধু ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়, যা অত্যন্ত জটিল এবং বোঝা কঠিন। এজন্য মেশিন ভাষাকে প্রায়ই "লো-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ" বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- সরাসরি মেমরি অ্যাড্রেসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা যায়।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম খুব কম লজিক এবং অল্প মেমরি ব্যবহার করে চলে।
- প্রোগ্রাম চালানোর জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষার তুলনায় দ্রুত কাজ করে।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১০,১৬৮.
নিচের কোনটি মনিটরের প্রকারভেদ নয়?
  1. LCD Monitor
  2. LED Monitor
  3. AMOLED Monitor
  4. CTR Monitor
ব্যাখ্যা
মনিটরের প্রকারভেদ (Types of Monitor)
মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor)
৪. এমােলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
১০,১৬৯.
কীবোর্ড এর ‘Alt’ কোন ধরনের কী?
  1. ক) নিউমেরিক কী
  2. খ) মডিফায়ার কী
  3. গ) ফাংশন কী
  4. ঘ) স্পেশাল কী
ব্যাখ্যা
Ctrl, Shift, Alt মডিফায়ার কী এর উদাহরণ। অপরদিকে F1 - F12 হলো ফাংশন কী।
১০,১৭০.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. প্রিপেইড সিস্টেম
  2. মোবাইল ব্যাংকিং
  3. এসএমএস ও এমএমএস
  4. ডিজিটাল ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ব্যাংকিং দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) বৈশিষ্ট্য নয়। 
- এটি তৃতীয় প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য।
• দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল নেটওয়ার্ক 1990-এর দশকে চালু হয়েছিল এবং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ডিজিটাল ট্রান্সমিশন ব্যবহার করে ভয়েস কল এবং টেক্সট বার্তা (এসএমএস) প্রেরণ করা। 2G নেটওয়ার্কে প্রিপেইড সিম ব্যবস্থাও চালু হয়েছিল, যা ব্যবহারকারীদের খরচ নিয়ন্ত্রণের সুবিধা দেয়। এছাড়া এসএমএস এবং এমএমএস পরিষেবাও 2G-এর মাধ্যমে সম্ভব হয়েছিল। তবে মোবাইল ব্যাংকিং বা মোবাইল মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করার সুবিধা মূলত 3G বা এর পরবর্তী প্রযুক্তি চালু হওয়ার পরই জনপ্রিয়তা পায়। সুতরাং, মোবাইল ব্যাংকিং 2G নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য নয়।

- উত্তর: খ) মোবাইল ব্যাংকিং। 

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১০,১৭১.
(13A)16 কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় -
  1. 472
  2. 482
  3. 452
  4. 488
ব্যাখ্যা

• (13A)16 কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় : 472

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৪ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৩ বিট করে এক একটি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্ট্যাল মান পাওয়া যাবে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৭২.
ই-মেইল প্রেরণে আউটগোয়িং প্রোটোকল-
  1. POP3
  2. IMAP
  3. SMTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ই-মেইল প্রেরণের জন্য (Send /Outgoing) ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বাৰ্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয় ৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয় ।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেইল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:

- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায় ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

১০,১৭৩.
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) LTE
  2. খ) HSPA
  3. গ) CDMA
  4. ঘ) TACS
ব্যাখ্যা
HSPA তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির একটি উদাহরণ।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য-
১। ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভয়েস এবং ডেটা স্থানান্তরিত হয়।
২। ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়। তবে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতির সাহায্যে খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান প্রদান করা যায়।
৩। মডেম সংযোজনের মাধ্যমে ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
৪। EDGE (Enhanced Date Rates For Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। ফলে অধিক পরিমাণ ডেটা স্থানান্তর সম্ভব হয়।
৫। ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতি সম্পন্ন। ডেটারেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
৬। মোবাইল ব্যাংকিং, ইকমার্স, ভিডিও কনফারেন্সিং ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
৭।  সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-CDMA
৮। উচ্চ স্পেকট্রাম কর্মদক্ষতা।
৯। আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।  

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১০,১৭৪.
নিচের কোন লজিক গেইটের ক্ষেত্রে দুইটি ইনপুটই 1 হলে আউটপুট 1 হবে?
  1. NAND
  2. NOR
  3. AND
  4. XOR
ব্যাখ্যা
• অ্যান্ড গেইট:
- অ্যান্ড গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- নিচে দুই ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের বর্তনী এবং সত্যক সারণি দেখানো হলো:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৭৫.
নিচেরগুলো বিবেচনা করুন-
i. ফিঙ্গার প্রিন্ট (Finger Print)
ii. রেটিনা স্কানিং (Retina Scanning)
iii. কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ (Voice Recognition)
উপরের কোনটি/কোনগুলো বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশন (Biometric identification) এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. শুধু i
  2. i ও iii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত সবগুলোই বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশন (Biometric identification) এর জন্য ব্যবহৃত হয়
 
বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। 
যথা- 
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি-
আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ, 
আইরিশ (রেটিনা) শনাক্তকরণ
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ, 
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test):
- ডিএনএ (DNA Deoxyribo Nucleic Acid) টেস্টের মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তিকে অত্যন্ত নিখুঁত ও প্রশ্নাতীতভাবে শনাক্ত করা যায়।
- মানব শরীরের যে কোনো উপাদান যেমন- রক্ত, চুল, আঙুলের নখ, মুখের লালা হতে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
- এরপর এগুলোর গঠন- প্রকৃতি শনাক্তের দ্বারা ম্যাপ বা ব্লু-প্রিন্ট বায়োলজিক্যাল ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- পরবর্তীকালে নমুনা নিয়ে পূর্ববর্তী ডেটার সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা যায়।
 
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি-
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ, 
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ, 
কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১০,১৭৬.
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এর উদ্ভাবক কে?
  1. Van Rossum
  2. Dennis Ritchie
  3. BAL Laboratory
  4. EF Codd
ব্যাখ্যা
পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
১০,১৭৭.
IOT ব্যবহারের সুবিধা কী?
  1. ওয়েব পেজ লোডিং দ্রুত হয়
  2. যন্ত্রপাতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে
  3. সফটওয়্যার আপডেট সহজ হয়
  4. ফাইল কম্প্রেশন হয়
ব্যাখ্যা
IOT ব্যবহারের সুবিধা হচ্ছে যন্ত্রপাতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• IOT (Internet of Things):
- IOT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১০,১৭৮.
ওয়েব ডিজাইনের জন্য কোন ভাষাটি প্রযোজ্য নয়?
  1. JavaScript
  2. HTML
  3. Perl
  4. CSS
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ডিজাইনের জন্য সাধারণত HTML, CSS, এবং JavaScript প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। HTML ওয়েব পেজের কাঠামো তৈরি করে, CSS দিয়ে পেজের ডিজাইন ও স্টাইল নির্ধারণ করা হয়, আর JavaScript দিয়ে ওয়েব পেজে ইন্টারেক্টিভ ফাংশন যোগ করা হয়। তবে Perl একটি সাধারণ উদ্দেশ্যের প্রোগ্রামিং ভাষা, যা মূলত সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং, ডেটা প্রক্রিয়াকরণ এবং সিস্টেম প্রশাসন কাজে ব্যবহৃত হয়। Perl সরাসরি ওয়েব ডিজাইনে ব্যবহৃত হয় না, কারণ এটি পেজের ভিজ্যুয়াল বা ডিজাইন অংশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাই ওয়েব ডিজাইনের জন্য Perl প্রযোজ্য নয়। HTML, CSS, ও JavaScript ছাড়া Perl ওয়েব ডিজাইনের জন্য উপযুক্ত ভাষা নয়।

• HTML (HyperText Markup Language):
- ওয়েব পৃষ্ঠার মূল কাঠামো গঠন করে
- সমস্ত ওয়েবসাইটের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে

• CSS (Cascading Style Sheets):
- ওয়েব পৃষ্ঠার ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে
- রেস্পন্সিভ ডিজাইনের জন্য অপরিহার্য

• JavaScript:
- ক্লায়েন্ট-সাইড ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি প্রদান করে
- আধুনিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মূল চালিকাশক্তি

• JavaScript- এর ব্যবহার:
- ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টে,
- ডেটা সায়েন্সে,
- মেশিন লার্নিং,
- অটোমেশন ইত্যাদিতে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান।
- "Web Design with HTML, CSS, JavaScript and jQuery" by Jon Duckett.
১০,১৭৯.
হার্ডডিস্ক কী?
  1. একটি ইনপুট ডিভাইস
  2. একটি আউটপুট ডিভাইস
  3. একটি স্টোরেজ ডিভাইস
  4. একটি প্রসেসর
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একটি স্টোরেজ ডিভাইস।

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

• হার্ডডিস্কের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- ধারণক্ষমতা অন্য যে কোনো স্টোরেজ মিডিয়ার চেয়ে বেশি।
- এ্যালুমিনিয়ামের পাতের উপরে ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরশীল।
- ডেটা রিড এবং রাইট করার গতি অনেক বেশি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১০,১৮০.
The attention mechanism used in Transformer models helps ChatGPT mainly to—
  1. Store images in memory
  2. Compress files efficiently
  3. Execute computer programs automatically
  4. Understand relationships between words in a sentence
ব্যাখ্যা

• Transformer মডেলের attention mechanism বাক্যের বিভিন্ন শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে context বুঝতে সাহায্য করে।

• ChatGPT যেভাবে কাজ করে:
- ChatGPT হলো একটি Large Language Model (LLM), যা মানুষের ভাষা বুঝতে ও তৈরি করতে সক্ষম।
- এটি GPT (Generative Pre-trained Transformer) মডেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- GPT মডেল Transformer architecture ব্যবহার করে, যা Natural Language Processing (NLP)-এ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রযুক্তি।
- ChatGPT বিশাল পরিমাণ টেক্সট ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষিত হয় এবং ভাষার pattern, শব্দের সম্পর্ক, ও বাক্যের গঠন শিখে নেয়।
- ব্যবহারকারী কোনো প্রশ্ন বা ইনপুট দিলে মডেলটি সেই ইনপুট বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য পরবর্তী শব্দ অনুমান করে উত্তর তৈরি করে।

• Transformer architecture:
- Transformer হলো একটি গভীর নিউরাল নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার যা 2017 সালে গবেষকদের দ্বারা প্রস্তাব করা হয়।
- এটি মূলত sequence data, বিশেষ করে ভাষা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Transformer মডেলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো attention mechanism।

• Attention mechanism:
- Attention mechanism বাক্যের প্রতিটি শব্দকে অন্য শব্দগুলোর সাথে সম্পর্কিতভাবে বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে।
- এর ফলে মডেলটি বাক্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোতে বেশি গুরুত্ব দিতে পারে।
- এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করে মডেল বাক্যের context ভালোভাবে বুঝতে পারে এবং আরও সঠিক উত্তর তৈরি করতে সক্ষম হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- The next most probable word in a sequence → ভাষা মডেলিংয়ের মাধ্যমে সম্ভাব্য পরবর্তী শব্দ অনুমান করার প্রক্রিয়া।
- Store images in memory → ছবি সংরক্ষণের প্রযুক্তি, যা সাধারণত image processing সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- Compress files efficiently → ডেটা কম্প্রেশন প্রযুক্তি, যা ফাইলের আকার কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Execute computer programs automatically → স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রোগ্রাম চালানোর প্রক্রিয়া।

Source: OpenAI & Britannica.

১০,১৮১.
Crosstab Query-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. শর্তের উপর ভিত্তি করে ডেটা ফিল্টার করা
  2. ডেটা সংক্ষিপ্ত করা এবং এটিকে একটি ম্যাট্রিক্স ফরম্যাটে প্রদর্শন করা
  3. একটি টেবিলের মান আপডেট করা
  4. রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⚪ ক্রসট্যাব কোয়েরি সাধারণত ডেটা সংক্ষেপ করতে এবং সেটিকে একটি সারণি (ম্যাট্রিক্স) আকারে উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এক্স এবং ওয়াই অ্যাক্সিসে ভিন্ন ভিন্ন মান দেখানো হয়।

⚪ কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।

⚪ কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,১৮২.
Informix is an example of -
  1. Graphics software
  2. Database software
  3. Spreadsheet software
  4. Word processing software
ব্যাখ্যা
Informix হচ্ছে কর্পোরেট পর্যায়ের জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যার।

• ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
কর্পোরেট ডাটাবেজ হচ্ছে কোনো শিল্প/প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল ধরনের উদ্যোগ ও তা সম্পর্কিত তথ্য। এতে কোনো ব্যবসায়ের সমস্ত কার্যকলাপের তথ্য থাকে। এখানে প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস সম্পর্কিত তথ্যও থাকে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যারগুলো মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো:
- Informix,
- Oracle,
- SQL Server,
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৮৩.
ফুল-ডুপ্লেক্স মোডের বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. ডাটা গ্রহণ সম্ভব নয়
  2. একবার শুধু এক দিকে ডাটা পাঠানো যায়
  3. কেবল ডাটা প্রেরণ করা যায়
  4. একই সময়ে দুই দিক থেকে ডাটা পাঠানো যায়
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স: 
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স: 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স: 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৮৪.
ই-মেইল ঠিকানার কোন চিহ্নটি ব্যবহারকারীর নাম ও ডোমেন অংশকে পৃথক করে?
  1. ডট (.)
  2. স্ল্যাশ (/)
  3. হাইফেন (-)
  4. এ্যাট (@)
ব্যাখ্যা

• এ্যাট (@) — ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহারকারীর নাম (Username) ও ডোমেন অংশকে পৃথক করতে @ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ Electronic Mail।
- এটি ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদ আদান-প্রদান ব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে চিঠি, ডকুমেন্ট, তথ্য দ্রুত পৃথিবীর যে কোনো স্থানে প্রেরণ করা যায়।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- মেইল পাঠানোর জন্য প্রাপকের নাম বা পরিচিতিমূলক শব্দসম্বলিত ঠিকানাকে ই-মেইল এ্যাড্রেস বলে।
- উদাহরণ: xyz@yahoo.com, abc@gmail.com.
- ই-মেইল এ্যাড্রেসের অক্ষর ইংরেজি ছোট হাতের হয়।

• ই-মেইল এ্যাড্রেসের গঠন:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস তিনটি অংশে বিভক্ত।
- প্রথম অংশ → ব্যবহারকারীর নাম বা প্রতিষ্ঠানের নাম।
- দ্বিতীয় অংশ → ডোমেন বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী সার্ভারের নাম।
- প্রথম ও দ্বিতীয় অংশের মাঝে @ (এ্যাট) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশের মাঝে ডট (.) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: rahim123@gmail.com; rahim123 → Username, gmail.com → Domain part.

• অন্যান্য অপশন:
- ডট (.) → ডোমেন অংশের ভেতরে ব্যবহৃত বিভাজক চিহ্ন।
- স্ল্যাশ (/) → ওয়েব ঠিকানায় ব্যবহৃত হয়।
- হাইফেন (-) → শব্দ সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত চিহ্ন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৮৫.
বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন কোনটি?
  1. ক) পিপীলিকা
  2. খ) দোয়েল
  3. গ) পদ্মা
  4. ঘ) অনুসন্ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন এর নাম হচ্ছে পিপীলিকা। 

- পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের সার্চ ইঞ্জিনটি চালু হয় ২০১৩ সালে। 
- বাংলাদেশের আরেকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হচ্ছে 'চরকি'। 
- পিপীলিকা সার্চ ইঞ্জিনটি সবার জন্যই উন্মুক্ত। 
- বর্তমানে বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনটির নাম হচ্ছে গুগল। 
- সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন এক ধরনের টুল যার সাহায্যে ইন্টারনেটে থাকা অনেক ধরনের তথ্য থেকে সহজেই যেকোনো তথ্য খুঁজে বের করা যায়।
- সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে আমরা বিভিন্ন তথ্য জানতে পারি। 

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা।
১০,১৮৬.
155 দশমিক সংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি কত?
  1. ক) 10101011
  2. খ) 10011011
  3. গ) 10000111
  4. ঘ) 00101010
ব্যাখ্যা


∴ 155 এর সমতুল্য বাইনারি 10011011
১০,১৮৭.
কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কার্ড রিডার বা প্রিন্টারের মতো স্বল্পগতির ইনপুট–আউটপুট ডিভাইসে সাধারণত কোন ব্যান্ডউইডথ ব্যবহৃত হয়?
  1. ন্যারো ব্যান্ড
  2. ভয়েস ব্যান্ড
  3. ব্রড ব্যান্ড
  4. স্যাটেলাইট ব্যান্ড 
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে প্রিন্টার বা কার্ড রিডারের ক্ষেত্রে ভয়েস ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।

• ব্যান্ডউইডথ (Bandwidth):
- এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড (Data Transmission Speed) বলা হয়।
- এই ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিডকেই অনেক সময় ব্যান্ডউইডথ (Bandwidth) বলা হয়।
- ব্যান্ডউইডথ সাধারণত বিট পার সেকেন্ড (Bit Per Second – bps) এককে পরিমাপ করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যত পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলা হয়।

• ডাটা ট্রান্সফার গতির ভিত্তিতে ব্যান্ডউইডথের প্রকারভেদ:
 - ডাটা স্থানান্তরের গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়—

• ১. ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band):
- ন্যারো ব্যান্ডের ডাটা স্থানান্তর গতি সাধারণত ৪৫ bps থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এই ডাটা ট্রান্সমিশন গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা সাব-ভয়েস ব্যান্ড (Sub Voice Band) বলা হয়।
- এটি ধীরগতির ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: টেলিগ্রাফিতে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।

• ২. ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band):
- ভয়েস ব্যান্ডের ডাটা স্থানান্তর গতি সাধারণত ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এটি প্রধানত টেলিফোন যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে—
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর,
- কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও
- এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহৃত হয়।

• ৩. ব্রড ব্যান্ড (Broad Band):
- ব্রড ব্যান্ড হলো উচ্চগতিসম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইডথ।
- এর ডাটা স্থানান্তর গতি সাধারণত কমপক্ষে ১ মেগাবিট পার সেকেন্ড (Mbps) থেকে শুরু করে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল এবং অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ব্রড ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন ও মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৮৮.
'Powertech Solution' অ্যান্টিভাইরাসটি নিচের কোন প্রতিষ্ঠানের?
  1. ক) IBM
  2. খ) Norton
  3. গ) McAfee
  4. ঘ) Kaspersky
ব্যাখ্যা

Powertech Solution এন্টিভাইরাসটি IBM কোম্পানির একটি প্রোডাক্ট।
অ্যান্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রাম।
যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরন, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১০,১৮৯.
কোন মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে বোঝাতে “গ্রিন ফোন” শব্দটি ব্যবহার করা হয়?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
ব্যাখ্যা

• “গ্রিন ফোন” শব্দটি সাধারণত সেই মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয় যা শক্তি কম ব্যবহার করে এবং পরিবেশ বান্ধব। এখানে মূলত CDMA প্রযুক্তি এর সঙ্গে এটি সম্পর্কিত। CDMA বা Code Division Multiple Access হলো একটি মোবাইল কমিউনিকেশন প্রযুক্তি, যা ডেটা এবং ভয়েস ট্রান্সমিশন করার সময় কম শক্তি ব্যবহার করে। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন GSM বা LTE, তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তি খরচ করে। CDMA-তে একটি বিশেষ সিগন্যালিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় যা একই ফ্রিকোয়েন্সিতে একাধিক কল পরিচালনা করতে সাহায্য করে, ফলে ব্যাটারি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত চলতে পারে। এই কারণে CDMA-ভিত্তিক ফোনকে “গ্রিন ফোন” বলা হয়।
 
• CDMA:

- কোয়ালকম (Qualcom) আবিষ্কৃত সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি এডভান্সড ডিজিটাল ওয়্যারল্যাস প্রযুক্তি।
- CDMA এর পূর্ণরূপ Code Division Multiple Access.
- ১৯৯৫ সালে এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।

১০,১৯০.
'Facebook' কোম্পানি বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. Facebook
  2. Meta
  3. Beta
  4. Alpha
ব্যাখ্যা
• মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড:
- ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড এর বর্তমান নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক , ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০,১৯১.
SMS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Short Message Service
  2. Short Mail Service
  3. Simple Message Service
  4. Simple Mail Service
ব্যাখ্যা
- SMS – এর পূর্ণরূপ Short Message Service.
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন থেকে (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
 
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০,১৯২.
ই-মেইল ঠিকানায় কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি৷
ই-মেইল ঠিকানায় দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং দ্বিতীয় অংশটি হলো ডোমেইন নেইম।
যেমনঃ robithakur@gmail.com
এখানে robithakur হলো ইউজারনেম এবং gmail হলো ডোমেইন নেইম। 

ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

১০,১৯৩.
@ চিহ্নের পূর্বে ই-মেইলে থাকা অংশটি কী নির্দেশ করে?
  1. ইউজার আইডি
  2. সার্ভার নেম
  3. ডোমেইন নেম
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ই-মেইলে @ চিহ্নের পূর্বে থাকা অংশটি সাধারণত ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত পরিচয় বা ইউজার আইডি নির্দেশ করে। ই-মেইল ঠিকানাটি দুটি অংশে বিভক্ত থাকে – @ চিহ্নের পূর্বের অংশ এবং @ চিহ্নের পরের অংশ। পূর্বের অংশটি হলো ব্যবহারকারীর নাম বা তাদের নির্দিষ্ট আইডেন্টিফায়ার যা সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে এবং ই-মেইল প্রেরণের সময় প্রাপককে কোন ইউজারের কাছে মেইল পৌঁছাতে হবে তা নির্দেশ করে। অন্যদিকে @ চিহ্নের পরের অংশটি সার্ভারের ঠিকানা বা ডোমেইন নেম নির্দেশ করে। তাই, @ চিহ্নের আগে থাকা অংশ ইউজার আইডি হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) ইউজার আইডি।


• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০,১৯৪.
SWIFT বলতে কী বোঝায়?
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি নেটওয়ার্ক
  2. আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক
  3. মোবাইল পেমেন্ট অ্যাপ
  4. আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজার
ব্যাখ্যা

• SWIFT হলো একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক। এটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে অর্থ পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। SWIFT-এর পূর্ণরূপ হলো Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication। এটি কোনো ব্যাংকের টাকা সরাসরি রাখে না, বরং ব্যাংকগুলোর মধ্যে মানক বার্তা বিনিময় করে অর্থ স্থানান্তরকে সহজ ও দ্রুত করে। SWIFT ব্যবহার করে এক দেশের ব্যাংক থেকে অন্য দেশের ব্যাংকে টাকা পাঠানো যায় নিরাপদ ও নির্ভুলভাবে। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম।
- তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো (খ) আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।


SWIFT Code:
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামে ভিত্তিক একটি আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।
- সুইফট - এর মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের পরিচয় বা শনাক্তকরণ করা হয়।
- SWIFT - এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক সরবরাহ করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদে টাকা স্থানান্তর ও অন্যান্য তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
- এই শনাক্তকরণ মূলত সংকেতলিপি বা কোডের মাধ্যমে করা হয়।
- লেনদেনের বার্তা (wire) এই সুইফট কোড ব্যবহার করে আদান-প্রদান করা হয়।
- বিশ্বের ২০০-এর বেশি দেশে প্রায় ১১ হাজার ব্যাংক SWIFT ব্যবহার করে।
- সুইফট আন্তর্জাতিকভাবে অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোড পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে SWIFT - এর সেবা ব্যবহার করে।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১০,১৯৫.
10001 - 111 বাইনারি সংখ্যার বিয়োগফল কত?
  1. ক) 101
  2. খ) 1100
  3. গ) 01010
  4. ঘ) 1100
ব্যাখ্যা
0 - 0 = 0
0 - 1 = 1 
1 - 0 = 1 
1 - 1 = 0 

বিয়োগ করা না গেলে ধার করব ২ এবং ফেরত দিব ১ (এই ১ নিচের অংকের সাথে যোগ হবে অর্থাৎ ছোটবেলার যোগ অংকের মত) 

10001 - 111
= 01010
১০,১৯৬.
হেক্সাডেসিমেলে C এর সমুতল্য বাইনারি মান কত?
  1. 1010
  2. 1100
  3. 1110
  4. 1111
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতিতে 'C' হলো একটি সংখ্যা, যার দশমিক মান হচ্ছে 12.
এখন 12 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 1100

- শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

• বাকি অপশনগুলো-
- হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান 1010 (ক)।
- হেক্সাডেসিমেলে E এর সমুতল্য বাইনারি মান 1110 (গ)।
- হেক্সাডেসিমেলে F এর সমুতল্য বাইনারি মান 1111(ঘ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,১৯৭.
Which one is a behavioral biometric?
  1. Iris recognition
  2. Face recognition
  3. Voice verification
  4. Fingerprint scanning
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Voice verification

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বাক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মাহবুবুর রহমান।

১০,১৯৮.
আর্থিক তথ্য ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়ে ক্ষতি করার কাজ কোন ধরনের হ্যাকাররা করে?
  1. ব্লু হ্যাট হ্যাকাররা
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা
ব্যাখ্যা

• ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য হাতিয়ে নিয়ে ক্ষতি করার কাজ মূলত ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা করে। এই ধরনের হ্যাকাররা আইন লঙ্ঘন করে অননুমোদিতভাবে কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে প্রবেশ করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে অর্থনৈতিক লাভ, পরিচয় চুরি, ডেটা বিক্রি বা ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম ছড়ানো। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা প্রায়ই ফিশিং, ম্যালওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যার বা পাসওয়ার্ড চুরি করার মতো পদ্ধতি ব্যবহার করে। তারা নৈতিক বা আইনি সীমার বাইরে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা ও আর্থিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে। এর বিপরীতে, হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা পরীক্ষা করে এবং সিস্টেম রক্ষা করে।

- সঠিক উত্তর: খ) ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা।

• গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ (Legal) ও অবৈধ (Illegal) দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন Grey hat hacker যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

• ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১০,১৯৯.
কোন প্রতিষ্ঠান হোম রোবট তৈরি করে বিশ্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে?
  1. ক) FANUC
  2. খ) YASKAWA
  3. গ) BOSTON DYNAMICS
  4. ঘ) iROBOT
ব্যাখ্যা
১৯৯০ সালে এমআইটির iROBOT প্রতিষ্ঠানটি হোম রোবট তৈরি করে বিশ্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। 

- এই প্রতিষ্ঠানের তৈরি Roomba নামক রোবটটি বাসার কাজ করবার ক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষ। 
- রোবটিক্স হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে এমন সব কম্পিউটার নিয়ে আলোচনা করা হয়, যেগুলো নড়াচড়া করতে পারে, বাস্তব জগতের সাথে মিথিস্ক্রিয়া করতে পারে এবং এত কঠিন সব কাজ করতে পারে যা মানুষও পারে না।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,২০০.
বায়োমেট্রিক্স শব্দটির উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
  1. স্লাভিক
  2. গ্রিক
  3. ল্যাটিন
  4. ইংরেজি
ব্যাখ্যা
♦ বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রিক শব্দ 'metric' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা-
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।