বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১০০ / ১৩১ · ৯,৯০১১০,০০০ / ১৩,০৮৮

৯,৯০১.
নিম্নলিখিত কোনটি নেভিগেশন কী নয়?
  1. Insert
  2. Arrow Keys
  3. Windows logo key
  4. সবগুলোই নেভিগেশন কী
ব্যাখ্যা
• কী-বোর্ড (Keyboard):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।

- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• নেভিগেশন কী:
- কী বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrows Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত।
- নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে। 

• কন্ট্রোল কী:
- Ctrl, Alt, Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী: 
- কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Microsoft website.
৯,৯০২.
সমন্বিত বর্তনী উদ্ভাবন করেন-
  1. থমাস টেড হফ
  2. মরিস উইলকিস
  3. জ্যাক কেলবি
  4. ওয়াল্টার ব্রাটেইন
ব্যাখ্যা

- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা সমন্বিত বর্তনী।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী Transistor, Resistor এবং Capacitor সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা Integrated Circuit বা IC নামে পরিচিতি লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।

৯,৯০৩.
নিচের কোনটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের উদাহরণ নয়?
  1. ক) ebay.com
  2. খ) amazon.com
  3. গ) alibaba.com
  4. ঘ) glassdoor.com
ব্যাখ্যা

Glassdoor.com ই-কমার্স ওয়েবসাইট নয়, বরং ইহা অনলাইনভিত্তিক যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরী খোঁজবার একটি ওয়েবসাইট।

অপরদিকে, amazon.com, alibaba.com, ebay.com হল জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৯,৯০৪.
URL দ্বারা কী বোঝানো হয়?
  1. একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
  2. একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল
  3. একটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা
  4. একটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম 
ব্যাখ্যা

​URL দ্বারা একটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা বোঝানো হয়।

• URL
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator।
- ওয়েবসাইট বা পেইজের ঠিকানাকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

​উদাহরণ:  https://www.abcd.com/home
- https = প্রোটোকল
- www.abcd.com = ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home = ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

৯,৯০৫.
'CAN' কোন নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত হয়?
  1. ক) PAN
  2. খ) LAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) WAN
ব্যাখ্যা
ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক (Campus Area Network - CAN)
- সাধারণত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের দুই বা ততোধিক LAN কে সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে তাকে ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক বা CAN বলে।
- উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের কথা ধরা যাক। একাডেমিক ভবনের ল্যান, প্রশাসনিক ভবনের ল্যান, বিভিন্ন বিভাগের ল্যান, হলের ল্যান ইত্যাদি একত্রে সংযুক্ত হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক গঠিত হয়েছে।
- ক্যানের (CAN) বিস্তৃতি ৫ কিলোমিটারের মধ্যে হতে পারে যা ল্যান থেকে বড় কিন্তু ম্যান থেকে ছোট।
- বড় প্রতিষ্ঠান বা এন্টারপ্রাইজের একাধিক ভবনের ল্যান ব্যবহারকারীদের কাজের সম্বন্বয়ের জন্য কিংবা মূল্যবান কোন ডিভাইস শেয়ার করার জন্য কর্পোরেট এরিয়া নেটওয়ার্ক (Corporate Area Network - CAN) তৈরি করা হয় যা অনেকটা ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৯,৯০৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. ক) AVG
  2. খ) Melissa
  3. গ) Avira
  4. ঘ) Norton
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি। 

অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯০৭.
What is the primary function of a microprocessor?
  1. ক) To store and retrieve data
  2. খ) To process and execute instructions
  3. গ) To connect to other devices
  4. ঘ) To manage power consumption
ব্যাখ্যা
-  A microprocessor is an integrated circuit that contains a central processing unit (CPU) of a computer or other device.
- The primary function of a microprocessor is to fetch and execute instructions from memory.
- It is also known as a "brain" of the computer that runs the computer's operating system and applications.

Reference: Carnegie Mellon University website
৯,৯০৮.
জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ডেটা ট্রান্সমিশন হার কত?
  1. ৫০ kbit/s
  2. ১০০ kbit/s
  3. ২০০ kbit/s
  4. ২৫০ kbit/s
ব্যাখ্যা
জিগবি (Zigbee): 
- জিগবি (Zigbee) হলো একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি। 
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ-স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে। 
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক। 
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল। 
- পাওয়ার আউটপুট এবং পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যগুলির উপর নির্ভর করে এই প্রযুক্তির প্যানের সীমা দৃষ্টি রেখায় ১০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। 

- জিগবি ডিভাইসগুলি আরও দূরবর্তী স্থানে পৌঁছানোর জন্য মধ্যবর্তী ডিভাইসের একটি মেশ নেটের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ করে দীর্ঘ দূরত্বের তথ্য প্রেরণ করতে পারে। 
- এটি সাধারণত কম ডেটা রেট অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয় যা দীর্ঘ ব্যাটারীর জীবন এবং নিরাপদ নেটওয়ার্কিং নিশ্চিত করে। 
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। 
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে। 
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল। 
- জিগবি নামটি মৌচাকে মৌমাছি ফিরে যাওয়ার পরে মধু মৌমাছির waggle নাচকে বোঝায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৯,৯০৯.
যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, তখন কর্মী এবং ম্যানেজারের মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশিত হয়:
  1. One-to-One
  2. One-to-Many
  3. Many-to-One
  4. Many-to-Many
ব্যাখ্যা

• যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, এটি একটি Many-to-One সম্পর্ককে নির্দেশ করে। অর্থাৎ অনেক কর্মী (Many) একজন ম্যানেজার (One)-এর অধীনে কাজ করে। এখানে প্রতিটি কর্মীর জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যানেজার থাকে, কিন্তু একজন ম্যানেজারের অধীনে একাধিক কর্মী থাকতে পারে। এটি তথ্যব্যবস্থাপনা বা ডাটাবেস ডিজাইনে সাধারণভাবে ব্যবহৃত সম্পর্কের উদাহরণ। One-to-One সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন কর্মী এবং একজন ম্যানেজারের মধ্যে কেবল একক সম্পর্ক থাকে। One-to-Many হলে একজন কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে থাকতে পারে, আর Many-to-Many হলে একাধিক কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে কাজ করতে পারে। তাই এখানে সঠিক উত্তর গ) Many-to-One.
 
ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯১০.
আন্তর্জাতিকভাবে সব ইন্টারনেট ঠিকানা এবং ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে -
  1. W3C
  2. IANA
  3. ICANN
  4. WWW
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে ICANN নামক প্রতিষ্ঠান।

• ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৯১১.
কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি সাধারণত কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. গিগাহার্টজ (GHz)
  2. গিগাবাইট (GB)
  3. পিক্সেল
  4. বাইট
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি মাপা হয় হার্টজ (Hz) এককে, যা প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন হচ্ছে তা নির্দেশ করে। আধুনিক প্রসেসরের গতি সাধারণত গিগাহার্টজ (GHz) এ প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১ GHz = ১ বিলিয়ন সাইকেল/সেকেন্ড।

সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,৯১২.
Prolog কোন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো অ্যালগরিদম ব্যবহার না করে সহজভাবে সমস্যা সমাধান করার ল্যাঙ্গুয়েজ।
- এ ভাষাকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেন পূর্বের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মতো জটিল কোড লিখতে পারে এমন প্রোগ্রামার ছাড়াই কম্পিউটার দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায়।
- ফলে প্রোগ্রামারদেরকে কিভাবে একটি রুটিন অথবা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করতে হবে, তা চিন্তা না করে কী সমস্যা সমাধান করতে হবে, কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা নিয়ে ভাবলেই চলে ।
-পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- Prolog, OPS5 ও Mercury হলো পঞ্চম প্রজন্মের ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,৯১৩.
প্রাথমিক পর্যায়ে কোন ধরনের মডেম ব্যবহৃত হতো? 
  1. DSL মডেম
  2. কেবল মডেম
  3. ফাইবার অপটিক মডেম
  4. ডায়াল-আপ মডেম
ব্যাখ্যা
মডেম (Modem): 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হলো মডেম। 
- Modulator-এর Mo এবং Demodulator হতে Dem এই অংশ দুটির সমন্বয়ে Modem শব্দটি তৈরি হয়েছে। 
- মডেম তার দ্বারা সংযুক্ত বা তারবিহীন (wireless) প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হতে পারে। 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা বা উপাত্ত পাঠানোর জন্য এক ধরনের সিগনাল দরকার হয়, মডেম এমন একটি নেটওয়ার্ক যন্ত্র (network device), যা কম্পিউটার হতে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগনালকে রূপান্তর করে network কে প্রেরণ করে। আবার নেটওয়ার্ক হতে প্রাপ্ত সিগনালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- পূর্বে স্বল্প গতির ডায়াল-আপ মডেম ব্যবহার করা হতো, বর্তমানে এর পরিবর্তে দ্রুতগতির কেবল বা DSL (Digital Subscribers Line) মডেম ব্যবহার হচ্ছে। 
- এছাড়া বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে Wi-Fi ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৯১৪.
নিচের কোনটি DML কমান্ড?
  1. Drop statement
  2. Alter statement
  3. Rename statement
  4. Insert statement
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Create statement
• Drop statement
• Alter statement
• Rename statement
 
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
Insert statement
• Delete statement
• Update statement
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯১৫.
কোন রিলেশন অপারেটরটি সাব-স্ট্রিংয়ের মধ্যে তুলনা করে?
  1. <
  2. >=
  3. $
  4. =
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজে কোয়েরির জন্য রিলেশন অপারেটর গুরুত্বপূর্ণ । কোনো ডাটা বা রেকর্ড খুঁজে বের করার জন্য এক্সপ্রেশন তৈরি করতে এই অপারেটরটি প্রয়োগ করতে হয় । 

- রিলেশন অপারেটর < দ্বারা বোঝায় বাম অংশ ডান অংশের চেয়ে ছোট ।
- রিলেশন অপারেটর >=  দ্বারা বোঝায় বাম অংশ ডান অংশের চেয়ে বড় বা সমান।
- রিলেশন অপারেটর $ দ্বারা সাব-স্ট্রিংয়ের মধ্যে তুলনা করে।
- রিলেশন অপারেটর = দ্বারা বোঝায় বাম অংশ ডান অংশের সমান। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, এস এস সি ও দাখিল(ভোকেশনাল)।
৯,৯১৬.
What is the main advantage of magnetic core memory over semiconductor RAM memory?
  1. ক) more compact and smaller
  2. খ) more economical
  3. গ) a bit does not have to write after reading
  4. ঘ) non volatile
ব্যাখ্যা
Semiconducor memory is volatile it means it save data if power is supply and if power is goes data is goes and magnetic memory is store permanent no effect of power supply.
৯,৯১৭.
নিচের কোনটি গণনা পদ্ধতি নয় ?
  1. ক) ডেসিম্যাল
  2. খ) বাইনারি
  3. গ) বাইনারি কোডেড ডেসিমাল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিম্যাল
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ যে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় সে গুলো হল:
- ডেসিম্যাল (Decimal) বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
- বাইনারি (Binary) সংখ্যা পদ্ধতি
- অক্টাল (Octal) সংখ্যা পদ্ধতি
- হেক্সাডেসিম্যাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি

- বাইনারি কোডেড ডেসিমাল (বিসিডি) হল এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে বাইনারি কোড কে ৪ বিট করে 0 - 9 অক্ষরের দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- এই কোডের মান দেখতে দশমিক সংখ্যার মতো তাই একে Binary Coded Decimal ও বলা হয়; 
- যদিও ডেসিমাল কোড ও বাইনারি কোডেড ডেসিমাল দেখতে একই রকম হলেও প্রকৃত মান ভিন্ন।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
৯,৯১৮.
নিচের কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. Machine Language
  2. Java
  3. C++
  4. NOMAD
ব্যাখ্যা

NOMAD একটি চতুর্থ প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা।

• প্রথম প্রজন্মের ভাষা:
- মেশিন ভাষা (Machine Language)
- শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখা হয়।
- ভাষার সর্বনিম্ন স্তর মেশিন ভাষা যা কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা।
- অনেক সময় ব্যয় হয় ও ভুল দূর করা কষ্টসাধ্য।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা:
- অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)।
- সংকেত বা নেমোনিক ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখা হয়। যেমন: SUB, MUL, ADD, DIV.
- সাংকেতিক ভাষাও বলা হয়।

• তৃতীয় প্রজন্মের(উচ্চস্তর - High Level) ভাষা:
- যে প্রোগ্রামিং ভাষায় প্রতীক এবং শব্দসমূহ সাধারণত গাণিতিক ও ইংরেজি ভাষার মত এবং যা মানুষের জন্য সহজে বোধগম্য, সে প্রোগ্রামিং ভাষাকে উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা বলা হয়।
- উদাহরণ হলো- C, C++, Basic, Java, ALGOL, Fortran.

চতুর্থ প্রজন্মের (অতি উচ্চতর - Very high level) ভাষা:
- কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়।
- পুঙ্খানুপুঙ্খ বা বিস্তারিতভাবে প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা দিতে হয় না বলে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে ননপ্রসিডিউলার ল্যাংগুয়েজও বলা হয়।
- উদাহরণ হলো- SQL, NOMAD, RPG III, FOCUS, Intellect BРМ.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৯১৯.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে সকল কম্পিউটার একটি প্রধান ক্যাবলের সাথে সংযুক্ত থাকে?
  1. বাস টপোলজি
  2. মেস টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা

• বাস টপোলজি (Bus Topology) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক সংগঠন যেখানে একটি মাত্র মূল তার বা কমন লিংকের সাথে নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত সকল কম্পিউটার বা নোড সংযুক্ত থাকে।
- এই মূল ক্যাবলটিকে বলা হয় 'ব্যাকবোন' (Backbone)। যখন কোনো কম্পিউটার ডেটা পাঠায়, তা ব্যাকবোনের মাধ্যমে সব কম্পিউটারের কাছে পৌঁছায় এবং শুধুমাত্র নির্দিষ্ট প্রাপক সেটি গ্রহণ করে।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। 
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। 
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে। 
- নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হচ্ছে- 
১। বাস টপোলজি (Bus Topology): 
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। 
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)। মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। 
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। 

২। রিং টপোলজি (Ring Topoplogy): 
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। 
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে। 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো ডাটা বা সংকেত বৃত্তাকার পথে (একমুখী প্রবাহ) কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডাটা গ্রহণ করে। 
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান। প্রত্যেকটি কম্পিউটার স্বাধীন। 

৩। স্টার টপোলজি (Star Topology): 
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে। কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ। 
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ। 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়। এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়। 

৪। মেস টপোলজি (Fully Inter-connected Topology): 
- মেশ টপোলজির প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটারের একাধিক সংযোগ ব্যবস্থা থাকে এবং প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা লিংক ব্যবস্থাধীন থাকে। 
- এ ব্যবস্থায় প্রতিটি কম্পিউটার সরাসরি যে কোন কম্পিউটারে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্কভূক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিংক বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,৯২০.
অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং কোন প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মের বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে VLSI (Very Large Scale Integration) এর ব্যবহার, মাল্টি-প্রসেসর সিস্টেম এর ব্যবহার, মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যাপক ব্যবহার, অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ও কাস্টমাইজ সফটওয়্যার এর ব্যবহার।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলো হলোঃ

১) আকারে ছোট বিধায় সহজে বহনযোগ্য।

২) বিদ্যুৎ শক্তি কম খরচ হয়।

৩) এটি ব্যাটারি দিয়েও চালানো যায়।

৪) উন্নত ধরনের স্মৃতি ব্যবস্থার উদ্ভব।

৫) বৃহৎ ও অতি বৃহৎ মানের আইসি (LSI, VLSI) এর ব্যবহার।

৬) বাইট ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি।

৭) নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।

৮) প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধি।

৯) মাইক্রোপ্রসেসরের প্রচলন।

১০) উন্নত ধরনের High Level প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের উদ্ভব।

উদাহরণ: IBM-3033, HP-3000, IBM-4341, TRS-80, IBM-PC ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)

 
৯,৯২১.
প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক কে?
  1. হাওয়ার্ড আইকেন
  2. টিম বার্নাস লি
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. অ্যাডা লাভলেস
ব্যাখ্যা
- অ্যাডা লাভলেস ছিলেন চার্লস ব্যাবেজের অন্যতম একজন সহযোগী।
- অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য প্রোগ্রামিং এর ধারণা দেন।
- অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক বলা হয়।
- ১৮৪২ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। অ্যাডা লাভলেস সে সময় ব্যাবেজের সহায়তায় পুরো বক্তব্যে ইঞ্জিনের কাজের ধারাণাটি বর্ণনা করেন।
- অ্যাডা লাভলেসের মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯২২.
Which of the following is true about RAM?
  1. It permanently stores data even when the power is off.
  2. It is a non-volatile memory.
  3. It is slower than secondary storage devices like hard drives.
  4. It temporarily holds data and instructions that the CPU needs.
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউটার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/প্রধান মেমোরি (Main Memory).
২) গৌণ/সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory).

 • প্রাথমিক/প্রধান মেমরি (Main Memory):
→ বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
→ অর্থাৎ, RAM CPU- র instruction গুলো অস্থায়ীভাবে ধরে রাখে।
→ RAM( Random Access Memory) এবং ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
→ RAM কে Volatile Memory বলে।
→ ROM কে নন- Volatile Memory বলে।

• গৌণ/সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory):
→ প্রধান মেমোরি ব্যতীত  সকল ধরনের মেমোরিকে সহায়ক মেমোরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯২৩.
প্রতিটি URL এ কোনটি থাকে না-
  1. ক) ওয়েব প্রোটোকল
  2. খ) ওয়েব সার্ভারের নাম
  3. গ) সার্ভারের ডিরেক্টরি নাম
  4. ঘ) HTML ফাইল সাইজ
ব্যাখ্যা
প্রতিটি URL এ HTML ফাইল সাইজ থাকে না। HTML ফাইল নাম থাকে।
• ওয়েব প্রোটোকল:
http (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
• ওয়েব সার্ভার: সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।
• সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম: সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।
• HTML ফাইল নাম: html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।  
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৯২৪.
সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইলে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৪র্থ
  4. ঘ) ৩য়
ব্যাখ্যা
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন অবাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা : ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।
৯,৯২৫.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কোনটি ব্যবহার হতো?
  1. চৌম্বক ড্রাম
  2. পাঞ্চ কার্ড
  3. ট্র্যাকবল
  4. চৌম্বক টেপ
ব্যাখ্যা
- Punch cards (or "punched cards"), also known as Hollerith cards or IBM cards, are paper cards where holes may be punched by hand or machine to represent computer data and instructions.
- They were a widely-used means of inputting data into early computers. The cards were fed into a card reader connected to a computer, which converted the sequence of holes to digital information.

- For example, an early computer programmer would write a program by hand, then convert the program to a series of punched cards using a punch card machine.
- The programmer would then take the stack of cards to a computer and feed the cards into a card reader to input the program.
- Pictured is an example of a woman using a punch card machine to create a punch card.

Source: https://www.computerhope.com/
৯,৯২৬.
(11101)2 + (1010)2 = ?
  1. ক) 100111
  2. খ) 101011
  3. গ) 111011
  4. ঘ) 101001
ব্যাখ্যা
(11101)2 + (1010)2 = (100111)2
৯,৯২৭.
বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রধান সুবিধা কোনটি?
  1. উন্নত গ্রাফিক্স
  2. দ্রুত কাজের গতি
  3. মাল্টিমিডিয়া সমর্থন
  4. বেশি মেমরি ব্যবহার
ব্যাখ্যা

• বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text-based OS) গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস নেই, কম রিসোর্স (CPU, RAM) ব্যবহার করে।
- ফলে— প্রসেসিং ও রেসপন্স দ্রুত হয়।
- তাই এর প্রধান সুবিধা "দ্রুত কাজের গতি"।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম(Text Based Operating System):
- বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস(Command Line Interface–CLI) নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম।
- এই ধরনের সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং, ফাইল ব্যবস্থাপনা ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার সব কাজ কীবোর্ডের মাধ্যমে কমান্ড লিখে সম্পন্ন করতে হয়।
- এজন্য ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়।
- বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- CP/M,
- UNIX,
- Linux.
 
• বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- সিস্টেম পরিচালনার জন্য Root Prompt বা Command Prompt(C:>) ব্যবহার করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং, ফাইল ব্যবস্থাপনা, অ্যাপ্লিকেশন চালানো ও নতুন ডিভাইস শনাক্তকরণ—সব কাজই কমান্ডের মাধ্যমে করতে হয়।
- ব্যবহারকারীকে প্রয়োজনীয় কমান্ডসমূহ মুখস্থ রাখতে হয়।
- নতুন হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযুক্ত হলে ব্যবহারকারীকে কমান্ডের মাধ্যমে সংযোগের তথ্য জানাতে হয়।
- সাধারণত গ্রাফিক্যাল নেটওয়ার্ক সুবিধা সীমিত, তবে UNIX ও Linux–এ নেটওয়ার্কিং সুবিধা কার্যকর।
- অল্প সংখ্যক কমান্ড ব্যবহার করেই কম্পিউটার পরিচালনা করা সম্ভব।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম খুব দ্রুত কাজ করতে সক্ষম।
- মাল্টিমিডিয়া সুবিধা কার্যকর নয়।
- কম্পিউটার পরিচালনার জন্য কম মেমরির প্রয়োজন হয়।

 উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৯,৯২৮.
First generation of computer was based on which technology?
  1. ক) Transistor
  2. খ) LSI
  3. গ) VLSI
  4. ঘ) Vaccum Tube
ব্যাখ্যা
The first computers used vacuum tubes for circuitry and magnetic drums for memory, and were often enormous, taking up entire rooms. They were very expensive to operate and in addition to using a great deal of electricity, generated a lot of heat, which was often the cause of malfunctions.
First generation computers relied on machine language, the lowest-level programming language understood by computers, to perform operations, and they could only solve one problem at a time. Input was based on punched cards and paper tape, and output was displayed on printouts.
The UNIVAC and ENIAC computers are examples of first-generation computing devices.
Source: Fundamentals of Programming
৯,৯২৯.
IPS কম্পিউটারের জন্য কী প্রদান করে?
  1. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  2. আউটপুট প্রদর্শন
  3. ইনপুট নিয়ন্ত্রণ
  4. বিদ্যুৎ সরবরাহ
ব্যাখ্যা
- IPS এর পূর্ণরূপ Instant Power Supply.
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই লাইনের পাওয়ার চলে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখার জন্য ব্যাটারি ব্যাংক যা চার্জ হয়ে পাওয়ার ধরে রাখে তাকে পাওয়ার ব্যাকআপ বলা হয়।
- পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে।
- কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯৩০.
ইমেইল পাঠানোর প্রোটোকল কোনটি?
  1. IMAP
  2. SMTP
  3. Telnet
  4. SNMP
ব্যাখ্যা

ইমেইল পাঠানোর প্রোটোকল হচ্ছে SMTP। 

Simple Mail Transfer Protocol (SMTP):
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।
- প্রোটোকল হলো একটি নিয়মাবলী যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রেরণ নিশ্চিত করে, তথ্য কীভাবে সংগঠিত হবে এবং প্রতিটি পক্ষ কীভাবে ডেটা পাঠাবে ও গ্রহণ করবে তা নিয়ন্ত্রণ করে।

ই-মেইল (E-mail)
- ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এর সাহায্যে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের কাছে পাঠানো যায়।
- প্রত্যেক ই-মেইল অ্যাকাউন্ট গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯,৯৩১.
কী-বোর্ডের নিউমেরিক কী থাকে কয়টি?
  1. ১২টি
  2. ১৭টি
  3. ১০টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
ফাংশন কীঃ (F1 - F12) ১২টি ফাংশন কী রয়েছে। যেগুলো দিয়ে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদান করা হয়।

আলফানিউমেরিক কীঃ (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।

নিউমেরিক কীঃ (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী  রয়েছে।

Shift, Ctrl, Alt, Esc ইত্যাদি কী গুলোকে কন্ট্রোল বা মডিফাইয়ার কী বলে।


উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট।
৯,৯৩২.
প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল থেকে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান সময় পর্যন্ত)
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে। এটি 2G ও 3G এর চেয়ে অধিক উন্নত প্রযুক্তি।
চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMax, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান

৯,৯৩৩.
"কী ফিল্ড" কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. রেকর্ড ডাটা যাচাই করার জন্য
  2. ডাটাবেজ সাজাতে
  3. রেকর্ড গোপন রাখার জন্য
  4. রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে
ব্যাখ্যা
"কী ফিল্ড" রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে ব্যবহৃত হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৩৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের Secondary Memory নয়?
  1. ROM
  2. Hard Disk
  3. Pen Drive
  4. DVD
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory) ও 
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)।

 • প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে Non - Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতীত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive, CD/DVD ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯৩৫.
একাধিক LAN নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে কী ধরনের নেটওয়ার্ক হয়?
  1. PAN
  2. WAN
  3. WANN
  4. MAN
ব্যাখ্যা
মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক  মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,৯৩৬.
দুটি বিটের সমষ্টি এবং ক্যারি নির্ণয় করে এমন অ্যাডার হচ্ছে:
  1. ডিকোডার
  2. ফুল-অ্যাডার
  3. এনকোডার
  4. হাফ-অ্যাডার
ব্যাখ্যা
• দুটি বিটের সমষ্টি এবং ক্যারি নির্ণয় করে এমন অ্যাডারকে হাফ-অ্যাডার বলা হয়। হাফ-অ্যাডার দুটি ইনপুট বিট নেয় এবং তাদের যোগফল (Sum) ও ক্যারি (Carry) আউটপুট হিসেবে দেয়। এটি একটি মৌলিক ডিজিটাল সার্কিট যা বিট বাই বিট যোগ করার কাজ করে, তবে এতে কোনো ইনপুট ক্যারি বিট থাকে না।
- ফুল-অ্যাডার ইনপুট ক্যারি বিবেচনা করে কাজ করে, আর ডিকোডার ও এনকোডার তথ্য সংকেত রূপান্তরিত করে। তাই শুধুমাত্র দুটি বিট যোগের জন্য উপযুক্ত অ্যাডার হচ্ছে হাফ-অ্যাডার।
- সঠিক উত্তর: ঘ) হাফ-অ্যাডার।

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-

১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৯৩৭.
VR ট্যাকনোলজিতে ব্যবহৃত সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. 3d Studio Max
  2. Vizard
  3. Maya
  4. Lotus
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display HMD),
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove),
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit),
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা,
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন,
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর,
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,৯৩৮.
নেটওয়ার্কে ডেটা চুরি রোধের জন্য কার্যকর উপায় কোনটি?
  1. ফিশিং
  2. এনক্রিপশন
  3. হ্যাকিং
  4. ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা

- নেটওয়ার্কে তথ্য আদান–প্রদান করার সময় ডেটা সবসময় আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকে। হ্যাকাররা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ডেটা চুরি করতে পারে, যেমন: প্যাকেট স্নিফিং, ম্যান-ইন-দ্য-মিডল আক্রমণ, বা অননুমোদিত প্রবেশ। 
- এই ধরনের ঝুঁকি থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার অন্যতম কার্যকর উপায় হলো Encryption (এনক্রিপশন)।

- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয় ।
- ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না। উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপ্ট করার নিয়ম বা প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম দেয়া থাকে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম: সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)।

• অন্যান্য অপশন:
- ফিশিং হলো একটি আক্রমণ পদ্ধতি যেখানে প্রতারণামূলক লিঙ্ক বা ইমেইলের মাধ্যমে তথ্য চুরি করা হয়।
- হ্যাকিং হলো অননুমোদিতভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করা।
- ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ডাটা চুরি, নষ্ট বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৩৯.
ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ন্ত্রণে সুপারকম্পিউটার ব্যবহারের ফলে কোন ফ্যাক্টরটি বেশী কাজ করে?
  1. লক্ষ্যবস্তু আঘাতের নির্ভুলতা
  2. রঙ কোডিং
  3. জ্বালানি সাশ্রয়
  4. শব্দ হ্রাস
ব্যাখ্যা
• ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ন্ত্রণে সুপারকম্পিউটার ব্যবহারের ফলে সবচেয়ে বেশি যেটি কাজ করে তা হলো লক্ষ্যবস্তু আঘাতের নির্ভুলতা। সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশাল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করতে সক্ষম, যেমন বাতাসের গতি, মাধ্যাকর্ষণ, বায়ু চাপ, তাপমাত্রা এবং লক্ষ্যবস্তুর চলাচলের তথ্য। এসব তথ্য ব্যবহার করে এটি মিসাইলের গতি ও পথ নির্ধারণ করে, যাতে মিসাইল সঠিকভাবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এছাড়া তাৎক্ষণিক পরিস্থিতির পরিবর্তনে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হওয়ায় মিসাইলের নির্ভুলতা বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হলো লক্ষ্যবস্তু আঘাতের নির্ভুলতা (ক)।

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit) অন্যতম একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
২) Johns Hopkins University [লিংক]
৯,৯৪০.
বর্তমানে টুইটারের পরিবর্তিত নাম কী?
  1. টুইট
  2. এক্স
  3. মেটা
  4. ইন্সটা
ব্যাখ্যা
• টুইটার (এক্স):
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম এক্স।
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত: যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- বর্তমান মালিক - Elon Musk । 
- প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) Linda Yaccarino।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।
- মেটা এবং ইন্সটাগ্রাম-এর সদর দপ্তর ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লিংকডইন-এর সদর দপ্তর মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া।

উৎস:
১. টুইটারের ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা। 
৯,৯৪১.
WiMAX নেটওয়ার্কের ফ্রিকুয়েন্সি কত MHz/GHz?
  1. 2.0 - 66 GHz
  2. 2.4 - 5 MHz
  3. 1.0 - 50 GHz
  4. 1.0 - 100 MHz
ব্যাখ্যা

• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, যা উচ্চগতির ইন্টারনেট কানেকশন সরবরাহ করে। WiMAX প্রধানত ২ থেকে ৬৬ গিগাহার্জ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে। এটি সাধারণত ২.৩, ২.৫, এবং ৩.৫ GHz ব্যান্ডে ব্যবহৃত হয়। এই ফ্রিকোয়েন্সি উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সমিশন এবং বড় পরিসরে কভারেজ নিশ্চিত করতে সক্ষম। WiMAX এর মাধ্যমে প্রায় ৫০ কিমি পর্যন্ত দূরত্বে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করা যায়। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হবে ক) 2.0 - 66 GHz, যা GHz পরিসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। WiMAX এর উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহারের ফলে ডেটা স্পিড এবং নেটওয়ার্ক স্থায়িত্ব উন্নত হয়।

• WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. IEEE.

৯,৯৪২.
সেলুলার ফোন প্রযুক্তি CDMA কোন প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবন করে?
  1. ক) Samsung
  2. খ) Qualcom
  3. গ) Nokia
  4. ঘ) IBM
ব্যাখ্যা
GSM ও CDMA বর্তমান বিশ্বে বহুল পরিচিত সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।
CDMA প্রযুক্তিটি একটি Advanced Digital Technology যা আমেরিকান ওয়্যারলেস্ কমিউনিকেশন গবেষণা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান Qualcom আবিষ্কার করে।
এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
৯,৯৪৩.
ইন্টারনেটে ছদ্মবেশ ধারণ করে কৌশলে অন্যের গোপন তথ্য বা পাসওয়ার্ড চুরি করাকে কী বলা হয়?
  1. Spamming
  2. Phreaking
  3. Phishing
  4. Plagiarism
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৯৪৪.
কোন ডাটা ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স মোড হয়ে থাকে?
  1. ক) ইউনিকাস্ট
  2. খ) মাল্টিকাস্ট
  3. গ) ব্রডকাস্ট
  4. ঘ) অ্যানিকাস্ট
ব্যাখ্যা
ইউনিকাস্ট (Unicast):
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না।
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় A নোড থেকে কোন ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত একটিমাত্র নোড-ই (যেমন- কম্পিউটার) গ্রহণ করবে।
- এটি ১ থেকে ১ (1 to 1) মোড নামেও পরিচিত।

ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের আওতাধীন সব গ্রাহকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে।
- রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মােডের উদাহরণ।

মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
- মাল্টিকাস্ট মােড অনেকটা ব্রডকাস্ট মােডের মতাে হলেও এই মােডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমােদিত সদস্যরা গ্রহণ করতে পারে।
- মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

অ্যানিকাস্ট (Anycast)
- যে ডাটা ট্রান্সমিশনে ডাটাসমূহ অনেকগুলো গন্তব্যের মধ্যে যেকোন একটি গন্তব্যে গম্ন করে, তাকে অ্যানিকাস্ট ডাটা ট্রান্সমিশন বলে।
- অ্যানিকাস্ট ট্রান্সমিশন সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোড হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,৯৪৫.
স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয় কোনটি?
  1. ALGOL
  2. Pascal
  3. Python
  4. Ada
ব্যাখ্যা
• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং:
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এমন এক ধরনের প্রোগ্রামিং যেখানে প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে লেখা হয়।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এ টপ-ডাউন-অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে প্রোগ্রামকে কতকগুলো অংশ বা মডিউলে ভাগ করা হয়।
- C, Pascal, QBASIC, ALGOL, PL/I, Ada ইত্যাদি হলো স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের গঠন তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। পর্যায়ক্রমিক গঠন (Sequential Structure),
২। চক্র বা লুপ (Loop) ও
৩। ডিশিসন স্টেটমেন্ট (Desicion Statement)

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য:
- এটা সহজে অনুধাবনযোগ্য।
- ডিবাগিং করা সহজ।
- সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।
- সহজে রচনা করা যায়।

- Python অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৪৬.
বাইনারি যোগ এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) 1 + 0 = 1
  2. খ) 0 + 1 = 1
  3. গ) 1 + 1 = 1
  4. ঘ) 0 + 0 = 0
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ(Binary Addition):
বাইনারি যোগ দশমিক সংখ্যার যোগের মত। বাইনারি সংখ্যায় বিটগুলো যোগের পর হাতে যে সংখ্যা থাকে, তা বামের বিটের সাথে যোগ হয়।
দুটি বাইনারি অংক বা বিটের যোগের সময় চারটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। যেমন :
০ + ০ = ০
০ + ১ = ১
১ + ০ = ১
১ + ১ = ০ এবং
হাতে থাকে ১, যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯,৯৪৭.
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা (2F)16 এর ডেসিমাল মান কত?
  1. 52
  2. 47
  3. 57
  4. 67
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো একটি সংখ্যা ব্যবস্থা যা ১৬টি সংখ্যা ব্যবহার করে—0 থেকে 9 এবং A থেকে F। এখানে A=10, B=11, … F=15। দেওয়া হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো (2F)16 ।এটিকে ডেসিমাল সংখ্যায় রূপান্তর করতে হলে, প্রতিটি অঙ্কের মানকে ১৬-এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হয়। প্রথম অঙ্ক 2, যেটি ১৬¹ দ্বারা গুণ হবে, অর্থাৎ 2 × 16 = 32। দ্বিতীয় অঙ্ক F, যেটি ১৬-এর ঘাত ০ অনুযায়ী, অর্থাৎ 15 × 1 = 15। এবার দুইটি ফলাফল যোগ করলে হয় 32 + 15 = 47।

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A,B,C,D,E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

(2F)16​ = 2×161 + F×160
= 2×16 + 15×1
= 32 + 15 = 47

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,৯৪৮.
গ্রুপভিত্তিক ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে কোন ডাটা ডেলিভারি পদ্ধতি সবচেয়ে উপযুক্ত?
  1. ইউনিকাস্ট
  2. ব্রডকাস্ট
  3. মাল্টিকাস্ট
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• মাল্টিকাস্ট মোডে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট গ্রুপের অনুমোদিত সদস্যরা ডাটা গ্রহণ করতে পারে, যা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য উপযুক্ত।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড (Data Transmission Mode):

- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় একটি প্রেরক (Sender) থেকে এক বা একাধিক প্রাপক (Receiver)–এর কাছে ডাটা প্রেরণ করা হয়।
- প্রাপকের সংখ্যা এবং ডাটা গ্রহণের অধিকারের ভিত্তিতে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
 
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের প্রকারভেদ:

১. ইউনিকাস্ট (Unicast)
২. ব্রডকাস্ট (Broadcast)
৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast)
 
• ১. ইউনিকাস্ট (Unicast):

- ইউনিকাস্ট পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপক ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- একই সময়ে একাধিক প্রাপক ডাটা গ্রহণ করতে পারে না।
- এ কারণে সিমপ্লেক্স (Simplex), হাফ-ডুপ্লেক্স (Half Duplex) ও ফুল-ডুপ্লেক্স (Full Duplex) মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়।
 
• ২. ব্রডকাস্ট (Broadcast):

- ব্রডকাস্ট মোডে কোনো একটি যন্ত্র (কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস) থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল যন্ত্র গ্রহণ করতে পারে।
- অর্থাৎ প্রেরিত ডাটা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- উদাহরণ: টেলিভিশন সম্প্রচার কেন্দ্রে কোনো অনুষ্ঠান বা মুভি সম্প্রচার করলে নেটওয়ার্কভুক্ত সকল দর্শক তা গ্রহণ ও উপভোগ করতে পারে।
 
• ৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast):

- মাল্টিকাস্ট মোড অনেকটা ব্রডকাস্ট মোডের মতো হলেও এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
- মাল্টিকাস্টে একটি প্রেরক থেকে ডাটা প্রেরণ করলে নেটওয়ার্কের সকল নোড তা গ্রহণ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সদস্যরাই ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থায় শুধুমাত্র অনুমোদিত সদস্যরাই অংশগ্রহণ ও ডাটা গ্রহণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৪৯.
DES এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Encryption System
  2. Data Encryption Standard
  3. Data Encryption Style
  4. Data Encryption Structure
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা:

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৫০.
WiMAX এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Wireless Internet for Maximum Access
  2. Wireless Interoperability for Microwave Access
  3. Worldwide Interoperability for Microwave Access
  4. Worldwide Internet for Microwave Access
ব্যাখ্যা

WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।

• WiMAX:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access |
- WiMAX হলো 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা কভার করে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে।
- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps ।
- এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps।
- এর কভারেজ এরিয়া 10-50 কিলোমিটার।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি: বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৯,৯৫১.
যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে তথ্য দেওয়া হয়-
  1. র‍্যাম
  2. মেমোরি
  3. ইনপুট ডিভাইস
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা

যে সমস্ত যন্ত্র কম্পিউটারে তথ্য বা ইনপুট দেবার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে বলা হয় ইনপুট ডিভাইস।
যেমন কী-বোর্ড, মাউস ইত্যাদি।
যে সমস্ত যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারের কাজের ফলাফল প্রদর্শিত হয় সেই সব যন্ত্রকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস।
যেমন মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি।
এই সমস্ত যন্ত্রপাতি ক্যাবল বা তারের সাহায্যে কম্পিউটারের সিপিইউ-এর সঙ্গে যুক্ত থাকে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯,৯৫২.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় নিচের কোনটি?
  1. ক) বৃহৎ সহায়ক স্মৃতি
  2. খ) বায়ুশূন্য ভাল্ব
  3. গ) প্যারালাল প্রসেসিং
  4. ঘ) বহনযোগ্যতা
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্যঃ
- বায়ুশূন্য টিউব বা ভ্যাকুয়াম টিউব এর ব্যবহার,
- পাঞ্চকার্ডের সাহায্যে ইনপুট-আউটপুট প্রদান,
- চালনার সময় উচ্চশব্দ তৈরি হওয়া,
- প্রচন্ড উত্তাপ সৃষ্টি হওয়া,
- প্রোগ্রাম রচনায় সংকেতের ব্যবহার।
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণঃ ENIAC, EDSAC, UNIVAC-1, MARK-1.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
৯,৯৫৩.
Which of the following is an example of a language used for scientific applications?
  1. Fortran
  2. COBOL
  3. Ada
  4. BASIC
  5. Mac OS
ব্যাখ্যা
বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা ফরট্রান।

• উচ্চ স্তরের ভাষা (Hight Level Language):
- যান্ত্রিক ভাষা ও এ্যাসেম্বলি ভাষার সবচেয়ে বড় অসুবিধা হল, এক ধরনের কম্পিউটারের জন্য তৈরী প্রোগ্রাম অন্য ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না।
- এই অসুবিধা থেকে বাঁচার জন্য উচ্চস্তরের ভাষার আগমন ঘটে।
- এই উচ্চ স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব। এজন্য এসব ভাষাকে উচ্চতর ভাষা বলা হয়।
- এই স্তরের ভাষাকে তৃতীয় প্রজন্মের ভাষাও বলা হয়। 

• উচ্চস্তরের ভাষাকে দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
(১) সাধারণ কাজের (General purpose) ভাষা ও
(২) বিশেষ কাজের (Special purpose) ভাষা।

• যে ভাষা সব ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার হয় তাকে সাধারণ কাজের ভাষা বলে। যেমন- বেসিক, সি, প্যাসকল ইত্যাদি।
• যে ভাষা শুধু বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার হয় তাকে বিশেষ কাজের ভাষা বলে। যেমন- কোবল, ফোরট্রান।

•বিশেষ কাজের ভাষাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়:
- বাণিজ্যিক প্রয়োগের ভাষা কোবল।
- বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা ফরট্রান।
- বহুপ্রয়োগের ভাষা বেসিক, ফরট্রান, এ্যাডা, ইত্যাদি।

• Mac OS একটি অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৫৪.
5G মোবাইল প্রযুক্তি কখন চালু হয়েছিল?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা

২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।

5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।

5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।

সোর্স: ব্রিটানিকা। 

৯,৯৫৫.
IaaS-এর 'I' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Internet
  2. Interface
  3. Infrastructure
  4. Integrated
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

• প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়‍্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৫৬.
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় কখন?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে) প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় ১৯৬৪ সালে, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন-এর তত্ত্বাবধানে।
- কম্পিউটারটি ছিল IBM 1620 মডেলের। এটি একটি প্রাথমিক কম্পিউটার সিস্টেম ছিল, যা মূলত গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা হতো।
- এর আগে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে কম্পিউটার প্রযুক্তি ছিল খুবই সীমিত, কিন্তু ১৯৬৪ সালে এই কম্পিউটারটির প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। এর মাধ্যমে দেশের গবেষণা কার্যক্রমে গতি আসে এবং পরবর্তীতে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকে।

- বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য একটি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে বিভিন্ন শস্য গবেষণা ও বিজ্ঞানমূলক কাজে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ ও ১৯৭৪ সালের মধ্যে আরও অনেক কম্পিউটার প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে ১৯৬৪ সালের ঘটনাটি বাংলাদেশের কম্পিউটার যুগের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত।
- এটি ছিল বাংলাদেশের কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রথম পদক্ষেপ, এবং পরবর্তীতে এর ব্যবহার শিক্ষা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিস্তৃত হতে থাকে।

• বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপন:
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন-করণ।

- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ষাটের দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো 1969 সালের দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
৯,৯৫৭.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ?
  1. রিবুটিং
  2. ডিবাগিং
  3. ফিশিং
  4. টেক্সট
ব্যাখ্যা

ফিশিং(Phishing) এক ধরনের সাইবার অপরাধ

সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং(Phishing):
- একটি সাইবার আক্রমণ পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী ভুয়া ইমেইল, মেসেজ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস) চুরি করার চেষ্টা করে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• স্প্যামিং:
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।

• স্পুফিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

এছাড়াও রয়েছে হ্যাকিং, স্নিকিং, Cyberstalking, DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।

৯,৯৫৮.
ক্যাশ মেমরি এবং রেজিস্টার কোন ধরনের মেমোরির অন্তর্ভুক্ত?
  1. সহায়ক মেমোরি
  2. ইন্টারনাল মেমোরি
  3. প্রধান মেমোরি
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনাল মেমোরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমোরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমোরিকে বোঝানো হয়।

১.রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।

২. ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরিব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।

• প্রধান মেমোরি (Main Memory):
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে প্রধান মেমোরি সংগ্রহ করে রাখে।
- র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমোরির উদাহরণ।

• সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৫৯.
4G নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ ডাটা ট্রান্সফার স্পিড কত?
  1. ক) 10 mbps
  2. খ) 25 mbps
  3. গ) 50 mbps
  4. ঘ) 100 mbps
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেমে আলট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। দ্রুত চলনশীল ডিভাইসের ক্ষেত্রে এর ডাটা ট্রান্সফার গতি 100 mbps এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 gbps.
৯,৯৬০.
Which language is mainly used for Artificial Intelligence?
  1. Java
  2. C
  3. J2EE
  4. Prolog
ব্যাখ্যা
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো হলো:
- LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রয়োগ হলো রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৯৬১.
১৭ কে বাইনারিতে প্রকাশ করুন -
  1. ক) ১০০০০
  2. খ) ১১০০০
  3. গ) ১০০০১
  4. ঘ) ১০০১০
৯,৯৬২.
AI-এর প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. কম্পিউটারের আকার ছোট করা
  2. যন্ত্রকে মানবসদৃশ বুদ্ধিমত্তা প্রদান
  3. ইন্টারনেট গতি বৃদ্ধি
  4. হার্ডওয়্যার উৎপাদন খরচ কমানো
ব্যাখ্যা

◉ AI-এর মূল উদ্দেশ্য হলো যন্ত্রকে শেখার, যুক্তি প্রয়োগের, ভাষা বোঝার এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা দেওয়া।

Artificial Intelligence:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, CLISP, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯,৯৬৩.
কোন ডিভাইসটি ইনপুট এবং আউটপুট ফাংশন দুটোই পালন করে?
  1. মডেম
  2. কি-বোর্ড
  3. মাইক্রোফোন
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

•"মডেম" - ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবে কাজ করে। 

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে সব যন্ত্র বা ডিভাইস দ্বারা কম্পিউটারে বিভিন্ন ডাটা এবং নির্দেশ প্রদান করা হয় সেসব যন্ত্র বা ডিভাইসকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। 

• ইনপুট ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- ইনপুট ডিভাইস ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা বা নির্দেশনা গ্রহণ করে।
- এটি সেই ডেটাকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
- প্রতিটি ইনপুট ডিভাইসের নিজস্ব নির্ভুলতা ও গতির মাত্রা রয়েছে। 

• ইনপুট ডিভাইসের  উদাহরণ:
- কি-বোর্ড, 
- ওএমআর, 
- মাউস, 
- ওসিআর, 
- ট্র্যাকবল, 
- স্ক্যানার, 
- জয়স্টিক, 
- ডিজিটাইজার, 
- টাচ স্ক্রিন, 
- লাইটপেন, 
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
- মনিটর, 
-  প্রিন্টার, 
-  প্লটার, 
-  স্পিকার, 
-  মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, 
-  ইমেজ সেটার, 
-  ফিল্ম রেকর্ডার, 
-  হেড ফোন ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৬৪.
Back up প্রোগ্রাম বলতে কী বোঝায়?
  1. নির্ধারিত ফাইল কপি করা।
  2. আগের প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়া।
  3. সর্বশেষ পরিবর্তন Undo করা।
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
- Back up প্রোগ্রাম হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যার সাহায্যে কম্পিউটারের ফাইল, ফোল্ডার বা অন্য কোন প্রোগ্রাম কপি করে সংরক্ষণ করা যায়। 

অন্যদিকে, 
- স্প্রেডসিট বলতে লোটাস ১-২-৩ এবং এক্সেল প্রোগ্রামকে বুঝায়। 
- স্প্রেডসিট প্রোগ্রামের মধ্যে অন্যতম এক্সেল প্রোগ্রাম। 
- এক্সেল স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম হচ্ছে চিত্রভিত্তিক (Graphical User Interface)। 
- পক্ষান্তরে লোটাস হচ্ছে বর্ণভিত্তিক পদ্ধতিতে (Text based)। 
অর্থাৎ লোটাসের কমান্ড দিতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে এবং এক্সেল-এর কমান্ড দিতে হয় মাউস পয়েন্টারের সাহায্যে মেনু চালিত পদ্ধতিতে। 
- লোটাস কমান্ড মেনুর সাহায্যে করা যায় তবে সময় বেশি লাগে। 
- এক্সেল ও লোটাস উভয় প্রোগ্রামেই যে কোন তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, সংযোজন করা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
৯,৯৬৫.
প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয় কোন দেশে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৬৬.
প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন -
  1. ক) রেমন্ড স্যামুয়েল
  2. খ) টিম বার্নার্স লি
  3. গ) স্টীভ জবস
  4. ঘ) রোনাল্ড রিগান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই
৯,৯৬৭.
Which number system is generally called the base number system?
  1. Non-positional
  2. Roman
  3. Positional
  4. Fractional
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) Positional

• সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (Base)
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (Base) বা ভিত কোন সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত হচেছ ঐ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্ন সমূহের মোট সংখ্যা। 
- যেমন- দশমিক পদ্ধতির ভিত্তি বা বেজ ১০। কারণ এ পদ্ধতিতে মোট দশটি মৌলিক চিহ্ন আছে। যথা- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯। 
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিতের উপর নির্ভর করে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। 
- যেমন- দশমিক বা ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, বাইনারি বা ২ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, অক্ট্যাল বা ৮ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, হেক্সাডেসিমেল বা ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি ইত্যাদি। 
- সাধারণভাবে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিকে n বেজ সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- যেখানে n হলো সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত। ।
- বেজ সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ সহ মোট n টি চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৯৬৮.
1MHz = ?
  1. ক) 103 Hz
  2. খ) 104 Hz
  3. গ) 109 Hz
  4. ঘ) 106 Hz
ব্যাখ্যা
1MHz = 103 KHz = 106 Hz
৯,৯৬৯.
Which site allows you to buy products online?
  1. IMDb
  2. eBay
  3. BBC
  4. Stack Overflow
ব্যাখ্যা
• অনলাইনে পণ্য কেনার জন্য যে সাইটটি ব্যবহার করা যায় তা হলো eBay. এটি একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা নতুন ও পুরাতন পণ্য কিনতে ও বিক্রি করতে পারেন। eBay-তে নিলাম বা সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে কেনাকাটা করা যায়। অন্যদিকে, IMDb একটি চলচ্চিত্র ও টিভি শোর তথ্যভিত্তিক সাইট, BBC একটি সংবাদমাধ্যম এবং Stack Overflow একটি প্রোগ্রামিং সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তরের প্ল্যাটফর্ম। এই তিনটি সাইটে পণ্য কেনার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘খ) eBay’-ই একমাত্র সাইট যা অনলাইনে পণ্য কেনার সুযোগ দেয়।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or Commerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য পরিশোধের অনলাইন প্রক্রিয়াসমূহ সামগ্রিকভাবে ইলেকট্রনিক কমার্সের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৯৫ সালে অ্যামাজন নামের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের যাত্রা শুরুর মাধ্যমে ই-কমার্সের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

• জনপ্রিয় কিছু ওয়েবাসইট হলো,
- www.bikroy.com
- www.daraz.com.
- www.alibaba.com.
- www.ebay.com.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৯,৯৭০.
কোনটি স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. মেমোরি কার্ড
  2. ফ্লপিডিস্ক
  3. কমপ্যাক্ট ডিস্ক
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device)
উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে । যেমন—
- হার্ডডিস্ক,
- ম্যাগনেটিক টেপ,
- রি—রাইটেবল সিডি,
- ফ্লপিডিস্ক,
- কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি,
- ডিভিডি,
- ফ্লাশ মেমোরি বা পেন ড্রাইভ,
- মেমোরি কার্ড ইত্যাদি ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, এস এস সি ও দাখিল(ভোকেশনাল)।
৯,৯৭১.
OCR ব্যবহার করা হয়—
  1. টেক্সট পড়ার জন্য
  2. গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য
  3. ইমেজ থেকে টেক্সট রূপান্তরের জন্য
  4. ডিভাইস সংযোগের জন্য
ব্যাখ্যা
• OCR (Optical Character Recognition) এমন একটি প্রযুক্তি যা ইমেজ বা স্ক্যানকৃত ডকুমেন্ট থেকে টেক্সট সনাক্ত করে এবং তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে।
- এটি এমন একটি ইনপুট প্রযুক্তি যা ছবি বা স্ক্যানকৃত কাগজপত্র থেকে লেখা চিনে নিতে সক্ষম।

এর কার্যপদ্ধতি
- OCR প্রযুক্তি মূলত স্ক্যানকৃত ছবি, পিডিএফ, কিংবা হস্তলিখিত কনটেন্ট বিশ্লেষণ করে।
- এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্যাটার্ন রিকগনিশনের সাহায্যে তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপ দেয়। 
- এটি ম্যানুয়াল টাইপিং-এর প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে, যেমন: বই টাইপ না করে  বই স্ক্যান করে তা ডিজিটাল বইয়ে রূপান্তর করা যায়।

এর ব্যবহার:
- বই বা কাগজ স্ক্যান করে ডিজিটাল ফর্ম তৈরি করা।
- ব্যাংক চেক থেকে অটোমেটিক তথ্য সংগ্রহ।
- জাতীয় পরিচয়পত্র বা সরকারি নথি ডিজিটালাইজেশন।
- Google Lens, Adobe Scan, Microsoft OneNote- OCR এর বাস্তব প্রয়োগ।

তথ্যসূত্র:
-  একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
-   HSC ICT , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৭২.
নিচের কোন সার্চ ইঞ্জিনটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং ট্র্যাকিং না করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয়?
  1. Yandex
  2. Baidu
  3. DuckDuckGo
  4. Bing
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) DuckDuckGo.
- অধিকাংশ জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন (যেমন: গুগল বা বিং) ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি এবং ব্যক্তিগত তথ্য ট্র্যাক করে প্রোফাইল তৈরি করে। কিন্তু DuckDuckGo এমন একটি 'প্রাইভেসি ফোকাসড' সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর আইপি অ্যাড্রেস বা ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে না এবং কোনো থার্ড-পার্টি ট্র্যাকার ব্যবহার করে না।
 
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর প্রোফাইল তৈরি এবং পার্সোনালাইজড রেজাল্ট দেখানোর জন্য ট্র্যাকিং করে।
- Yandex রাশিয়ার জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর ডেটা ট্র্যাক করে এবং বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য তথ্য ব্যবহার করে।
- Baidu: এটি চীনের প্রধান সার্চ ইঞ্জিন যা সে দেশের সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কঠোরভাবে তথ্য নিয়ন্ত্রণ ও ট্র্যাকিং করে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৯,৯৭৩.
কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত ভাগ করা হয়-
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN), লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN), মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) এবং ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৯৭৪.
মাইক্রো কম্পিউটারের জনক-
  1. ক) হেনরি এডয়ার্ড রবার্ট
  2. খ) চার্লস ব্যাবেজ
  3. গ) হাওয়ার্ড এইচ. এইকিন
  4. ঘ) ব্লেইসি প্যাসকেল
ব্যাখ্যা
• হেনরি এডয়ার্ড রবাট ১৯৭৫ সালে Atair-880 নামের একটি মাইক্রো কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।

• মাইক্রোকম্পিউটারের ইতিহাস (History of Microcomputer): 
• ১৯৭৫ সালে MITS (Micro Instrumentation and Telemetry Systems) কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী হেনরি এডওয়ার্ড রবার্টস (Henry Edward Roberts) ইন্টেলের মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক Altair-880 মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করেন।
•  এতে ইন্টেলের ৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর ও ২৫৬ কিলোবাইট মেমোরি ব্যবহৃত হয়েছে।
• এটি হলো প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক কম্পিউটার বা মাইক্রোকম্পিউটার।
•  সেজন্য হেনরি এডওয়ার্ড রবার্টসকে মাইক্রো কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
৯,৯৭৫.
সার্ভারের ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত কাজের জন্য সহায়ক হিসাবে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্লাউড কম্পিউটিং
  2. ফায়ারওয়াল
  3. ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  4. ক্লায়েন্ট সার্ভার
ব্যাখ্যা
• সার্ভারের ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত কাজের জন্য সহায়ক হিসাবে ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহার করা হয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ।
- ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।
• NIST এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৭৬.
কোন প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করা হয়?
  1. মডুলেশন
  2. এনক্রিপশন
  3. ডিকোডিং
  4. ডিমডুলেশন
ব্যাখ্যা

মডেম: 
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস। 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে। 
- মডেমের দুটি অংশ। 
যথা- 
১। মডুলেটর (Modulator): 
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন। 

২। ডি-মডুলেটর (De-modulator): 
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন। 
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৭৭.
ইনস্টাগ্রাম হলো -
  1. ক) ক্ষুদেবার্তা আদানপ্রদানের একটি মাধ্যম।
  2. খ) ফটো এবং ভিডিও-শেয়ারিং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন।
  3. গ) নিউজ সম্প্রচারের একটি চ্যানেল।
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ইনস্টাগ্রাম, বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট।
২০১০ সালের ৬ অক্টোবর তারিখে ইন্সটাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করা হয়।
ইনস্টাগ্রাম হল একটি ফটো এবং ভিডিও-শেয়ারিং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন যা ২০১০ সালে কেভিন সিস্ট্রম দ্বারা চালু হয়েছিল।

সূত্র: ইন্সটাগ্রাম ওয়েবসাইট

৯,৯৭৮.
ফার্মওয়্যার কী?
  1. হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণকারী সফটওয়্যার
  2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

◉ ফার্মওয়্যার (Firmware) একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ডিভাইসের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং সেই ডিভাইসের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। ফার্মওয়্যার সাধারণত রম (ROM), ইপ্রম (EPROM), বা ফ্ল্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে।
উদাহরণস্বরূপ, BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি ফার্মওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্টগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং অপারেটিং সিস্টেম বুট করার প্রক্রিয়া শুরু করে।

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: এটি ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা সফটওয়্যার, যেমন MS Word, Photoshop ইত্যাদি।
অপারেটিং সিস্টেম: এটি সিস্টেম রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন Windows, Linux, macOS ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

৯,৯৭৯.
নিচের কোনটি সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের উদাহরণ?
  1. Compiler
  2. Assembler
  3. MS Office
  4. Operating System
ব্যাখ্যা

• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম (Application Software) হলো—
- যেসব সফটওয়্যার ব্যবহারকারী সরাসরি দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যবহার করে।
- MS Office একটি জনপ্রিয় Application Software suite.
- এতে Word, Excel, PowerPoint ইত্যাদি থাকে।
- ডকুমেন্ট তৈরি, হিসাব, প্রেজেন্টেশন কাজে ব্যবহৃত হয়।

• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম(Application / Package Program):
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যারকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসব প্রোগ্রাম তৈরি করে।
- এই ধরনের সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহারকারীর কাজ সহজ ও দ্রুত করে।
 
• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের ব্যবহার:
- MS Word ব্যবহার করে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা হয়।
- MS Excel ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশ ও স্প্রেডশিটের কাজ করা হয়।
- MS Access ব্যবহার করে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করা হয়।
- সাধারণ ব্যবহারকারীরা দৈনন্দিন অফিস, শিক্ষা ও ব্যক্তিগত কাজে এসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করেন।
 
• উল্লেখযোগ্য সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম:
- MS Office,
- Internet Explorer,
- Netscape Navigator,
- Netscape Communicator,
- Electronic Mail(E-mail),
- PageMaker,
- Photoshop,
- Illustrator.
 
• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের বৈশিষ্ট্য:
- ব্যবহারবান্ধব।
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি।
- বাণিজ্যিকভাবে বাজারে উপলব্ধ।
- প্রাত্যহিক সমস্যা সমাধানে সহায়ক।

• অন্যান্য অপশন:
- Compiler: প্রোগ্রাম অনুবাদের জন্য ব্যবহৃত সিস্টেম সফটওয়্যার।
- Assembler: অ্যাসেম্বলি ভাষা অনুবাদের জন্য ব্যবহৃত অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- Operating System: কম্পিউটার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত সিস্টেম সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৯,৯৮০.
ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশন এর ACID প্রপার্টিতে "A" দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Atomicity
  2. Availability
  3. Authentication
  4. Authorization
ব্যাখ্যা

◉ ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID প্রপার্টিতে "A" দ্বারা বুঝায় Atomicity.

ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

৯,৯৮১.
কিলোবাইট দ্বারা সাধারণত মাপা হয়…
  1. ফাইলের আকার
  2. নেটওয়ার্ক বিলম্ব
  3. পর্দার রেজোলিউশন
  4. প্রসেসরের গতি
ব্যাখ্যা

• কিলোবাইট (KB) হল তথ্য সংরক্ষণের একটি একক যা সাধারণত কম্পিউটারের ফাইল বা ডাটার আকার পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। একটি কিলোবাইট প্রায় ১০২৪ বাইটের সমান। কম্পিউটারে যে কোনও ফাইল, যেমন টেক্সট, ছবি বা সফটওয়্যার প্রোগ্রাম, এর আকার কিলোবাইট, মেগাবাইট বা গিগাবাইটে পরিমাপ করা হয়। কিলোবাইট ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারী জানতে পারে একটি ফাইল কতটা স্থান দখল করবে এবং স্টোরেজ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা পায়। এটি নেটওয়ার্ক বিলম্ব, পর্দার রেজোলিউশন বা প্রসেসরের গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহার হয় না। সুতরাং, কিলোবাইট মূলত ফাইলের আকার পরিমাপের একক হিসেবে পরিচিত।

উত্তর: ক) ফাইলের আকার।


• বিট ও বাইট:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

• ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৯৮২.
নিম্নের কোনটির Memory Capacity সর্বোচ্চ?
  1. ক) এক্সাবাইট
  2. খ) জেটাবাইট
  3. গ) টেরাবাইট
  4. ঘ) পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

ইট্টাবাইট(YB)> জেটাবাইট(ZB)> এক্সাবাইট(EB)> পেটাবাইট(PB)> টেরাবাইট(TB)> গিগাবাইট(GB)> মেগাবাইট(MB)> কিলোবাইট(KB> বাইট(B)
বিট(B): বিট এখানে সবচেয়ে ছোট এবং ৮ বিট মিলে হয় এক বাইট।


কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৯,৯৮৩.
নিচের কোন প্রযুক্তি Face Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?
  1. Applied Artificial Intelligence (AI)
  2. Applied Internet of Things (IoT)
  3. Virtual Reality
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• Artificial Intelligence প্রযুক্তি Face Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৮৪.
ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের কভেরেজ এরিয়া কত?
  1. ৫০০ - ১০০০ মিটার
  2. ১ - ৫ কি.মি.
  3. ৫০০ মিটার - ১০ কি.মি.
  4. ১০ - ৫০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• CAN:
- CAN এর পূর্ণরূপ হলো Campus/Corporate Area Network
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করে তৈরি করা হয়। 
- একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি ভবন, আবাসিক হলসমূহ, একাডেমিক ভবন, স্টুডেন্ট সেন্টার, জিমনেসিয়াম এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত ভবনে স্থাপিত LAN গুলোকে সংযুক্ত করতে CAN ব্যবহার করা হয়। 
- এর বিস্তৃতি ১ থেকে ৫ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত হতে পারে। 
- বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় অফিস কমপ্লেক্সের একাধিক ভবনে LAN ব্যবহারকারীদের কাজের সমন্বয়ের জন্য কিংবা ব্যয়বহুল এক বা একাধিক পেরিফেরাল ডিভাইস অনেক ব্যবহারকারীর ব্যবহারের জন্য CAN ব্যবহার করা হয়। যেমন: Googleplex, মাইক্রোসফটের নেটওয়ার্ক।
 
• CAN এর বৈশিষ্ট্য:
- ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের দূরত্ব ১ - ৫ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- শ্রেণি সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
- এ নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম।
- এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।
 
উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৮৫.
একটি স্ট্যান্ডার্ড EBCDIC অক্ষরে কতটি বিট ব্যবহার হয়?
  1. 6
  2. 7
  3. 8
  4. 16
ব্যাখ্যা

• স্ট্যান্ডার্ড EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code) একটি চর (character) এনকোডিং সিস্টেম যা IBM তৈরি করেছে। এটি মূলত কম্পিউটার এবং মেইনফ্রেম সিস্টেমে অক্ষর এবং সংখ্যা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। EBCDIC এ প্রতিটি অক্ষরকে একটি নির্দিষ্ট বাইনারি কোড দিয়ে উপস্থাপন করা হয়। স্ট্যান্ডার্ড EBCDIC অক্ষরের জন্য সাধারণত ৮ বিট ব্যবহার করা হয়, যা একটি বাইটের সমান। এটি ০ থেকে ২৫৫ পর্যন্ত মোট ২৫৬টি ভিন্ন মান উপস্থাপন করতে সক্ষম, যা বিভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা এবং নিয়ন্ত্রণ সংকেত সংরক্ষণে যথেষ্ট। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) 8.

• ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড:
- EBCDIC এর পূর্ণরূপ হলো Extended Binary Coded Decimal Interchange Code.
- এটি একটি 8 বিটের কোড।
- এই কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।
- যেমন: 5 কে EBCDIC এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101 এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে। কাজেই 5 এর EBCDIC হবে 11110101.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত - বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৯,৯৮৬.
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের একটি উদাহরণ কোনটি? 
  1. ওয়াকিটকি
  2. রেডিও
  3. মোবাইল ফোন
  4. টিভি
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১. সিমপ্লেক্স (Simplex): 
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। 
যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি। 

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। 
যেমন- ওয়াকিটকি। 

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৯,৯৮৭.
সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং মহাকাশ গবেষণার কাজে কোন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
  4. সুপার কম্পিউটার 
ব্যাখ্যা

• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার 
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৮৮.
কোনটি পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা?
  1. NOMAD
  2. OPS5
  3. FORTRAN
  4. SQL
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা:
১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০)- machine Language বা, যান্ত্রিক ভাষা।
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০)- assembly language বা, অ্যাসেম্বলি ভাষা।
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০)- high level language বা, উচ্চস্তরের ভাষা। C++, BASIC, PASCAL, FORTRAN, Java, C, Ruby, Perl.
৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০)- very high level language বা, অতি উচ্চস্তরের ভাষা। SQL, NOMAD, FOCUS.
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান)- natural language বা, স্বাভাবিক ভাষা। Prolog, OPS5, Mercury.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৯৮৯.
কোন ধরণের কম্পিউটারে প্রথম হার্ডডিস্ক ব্যবহার করা হয়?
  1. পামটপ কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯,৯৯০.
আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন প্রটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. POP
  2. SMTP
  3. IMAP
  4. HTTP
ব্যাখ্যা

• SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ইন্টারনেট প্রটোকল যা এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর বা আউটগোয়িং মেইল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

• POP3:
- মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol।
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP ব্যবহার করা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3।

• HTML:
- HTML এর পূর্নরুপ Hyper Text Markup Language যা মূলত ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েবপেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরম্যাট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- HTML দ্বারা তৈরি ফাইলসমূহের এক্সটেনশন .html অথবা .htm হয় যা সাধারণত ওয়েবপেইজ নামে পরিচিত।
- জেনেভার সার্ন (CERN) এ কাজ করার সময় টিম বার্নাস লি (Tim Berners-Lee) সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে HTML আবিষ্কার করেন। HTML এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে HTML 5।

• SMTP:
- STMP এর পূর্ণরূপ হল Mail Transfer Protocol।
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol।
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯,৯৯১.
ওয়াই-ফাই সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. পূর্ণ অর্থ - Wireless Fidelity
  2. কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার
  3. ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট - রাউটার
  4. ফ্রিকুয়েন্সি 2.6 GHz - 10 GHz
ব্যাখ্যা
• ওয়াই-ফাই:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯,৯৯২.
WiFi এর স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. ক) IEEE 802.16G
  2. খ) IEEE 802.11x
  3. গ) IEEE 802.11a
  4. ঘ) IEEE 802.11B
ব্যাখ্যা
WiFi এর প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড ছিলো IEEE 802.11B, এরপরের দ্রুততর সংস্করণের নাম ছিলো IEEE 802.11G এবং সর্বশেষ WiFi 6 নামে পরিচিত স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11ax।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান এবং tp-link.com
৯,৯৯৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. Cobra
  2. Flash
  3. Informix
  4. Gmail
ব্যাখ্যা

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
- AVG, 
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।
- ফটোশপ (Photoshop) হলো ছবি এডিটিং সফটওয়্যার,
- ফ্ল্যাশ (Flash) হলো মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার এবং
- জিমেইল (Gmail) হলো ই-মেইল সার্ভিস।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

৯,৯৯৪.
যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হয়, তখন সেই সম্পর্ককে কী বলা হয়?
  1. One-to-One
  2. Many-to-Many
  3. Self-Referencing
  4. One-to-Many
ব্যাখ্যা

• যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হয়, তখন সেই সম্পর্ককে One-to-Many সম্পর্ক বলা হয়। এখানে “One” অংশটি বোঝায় প্রথম টেবিলের একটি নির্দিষ্ট রেকর্ড এবং “Many” অংশটি বোঝায় দ্বিতীয় টেবিলের একাধিক রেকর্ড। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি Customer টেবিলের একটি গ্রাহক একাধিক Order দিতে পারে। কিন্তু প্রতিটি Order সাধারণত একটি নির্দিষ্ট Customer-এর সাথেই যুক্ত থাকে। এই ধরনের সম্পর্ক ডেটাবেস ডিজাইনে খুবই সাধারণ এবং এটি টেবিলগুলোর মধ্যে তথ্যকে সুসংগঠিতভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করতে সাহায্য করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) One-to-Many.
 
• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৯৫.
Which of the following is a keyboard operation key?
  1. ক) Enter
  2. খ) B
  3. গ) Alter
  4. ঘ) F2
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে কীবোর্ড হচ্ছে অন্যতম। 

বিভিন্ন ধরনের কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীর্বোডে বিভিন্ন ধরনের কী রয়েছে ।
 যেমনঃ অপারেশন কী, কার্সর কী, ফাংশন কী, কন্ট্রোল কী এবং নিউমেরিক কীপ্যাড। 

অপারেশন কী : কীবোর্ডের মাঝামাঝি অবস্থিত A, B, C,...... ১, ২, ...,!, #... ইত্যাদি মুদ্রিত কী-সমূহ অপারেশন কী নামে পরিচিত। 
লিপি প্রস্তুতকরণ কাজ অপারেশন কী-সমূহের অন্যতম ব্যবহার। 
কীবোর্ডে অপারেশন কী-গুলোর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি এবং তথ্য প্রবেশের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।
 
অপরদিকে,
F9 হচ্ছে ফাংশন কী। 
Enter, Alter হচ্ছে কন্ট্রোল কী। 
 
 
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, বিএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯,৯৯৬.
জাপানে অ্যাবাকাস যন্ত্রটি কী নামে পরিচিত?
  1. সরোবান
  2. স্কেটিয়া
  3. সুয়ানপান
  4. পিকো
ব্যাখ্যা

• অ্যাবাকাস:
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৯৭.
বিখ্যাত আইবিএম কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত - 
  1. Watson
  2. Colossus
  3. ENIAC
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• বিখ্যাত আইবিএম কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত Watson। এটি IBM-এর তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন কম্পিউটার, যা মূলত তথ্য অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। Watson বিশেষভাবে পরিচিত “Jeopardy!” টেলিভিশন কুইজ শোতে মানুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য, যেখানে এটি জটিল প্রশ্নের দ্রুত উত্তর দিতে সক্ষম হয়। এর প্রযুক্তি প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ, যান্ত্রিক শিক্ষণ এবং বিশাল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে তৈরি। Watson শুধু বিনোদনে নয়, বরং চিকিৎসা, গবেষণা, ব্যবসা এবং ডেটা বিশ্লেষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি IBM-এর কম্পিউটার প্রযুক্তিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

• আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯,৯৯৮.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব উদ্ভাবন করেন কে? 
  1. জেমস মনরো
  2. টিম বার্নার্স লি
  3. জেনস স্টলটেনবার্গ
  4. এমারসন মানগাগওয়া
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব: 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হচ্ছে বিশ্বজাল। 
- WWW কে অধিকাংশ সময়ই ওয়েব নামে ডাকা হয়। 
- ওয়েব হলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সকল কম্পিউটারের একটি নেটওয়ার্ক। 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব উদ্ভাবন করেন টিম বার্নার্স লি। 
- টিম বার্নার্স লি ১৯৮৯ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার করেছিলেন। 
- ১৯৯২ সালের জানুয়ারিতে সাধারণ জনগণের কাছে প্রকাশিত হয়েছিল। 

উৎস: Britannica.
৯,৯৯৯.
কোন প্রযুক্তি NFC-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. QR Code
  4. RFID
ব্যাখ্যা

RFID (Radio Frequency Identification) NFC-এর মতোই কাজ করে, তবে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে (সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার থেকে কয়েক মিটার পর্যন্ত) ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে NFC-কে RFID-এর একটি সাবসেট বলা হয়। তাই RFID-কে NFC-এর বিকল্প হিসেবে ধরা হয়।

​NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

NFC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহৃত হয়:
- মোবাইল পেমেন্ট: যেমন Google Pay, Apple Pay.
- ট্যাগ রিডিং: NFC ট্যাগ থেকে তথ্য পড়া, যেমন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে টিকেটিং।
- ফাইল ট্রান্সফার: ছোট ফাইল বা ডাটা শেয়ার করা।
- স্মার্ট ডিভাইস কন্ট্রোল: স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা।

সূত্র: 
​১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
​২। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 

১০,০০০.
কম্পিউটার ভাইরাস কী?
  1. একটি ইনপুট ডিভাইস
  2. গোপনে প্রবেশকারী সিস্টেম
  3. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায় এমন ক্ষতিকর প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা একটি কম্পিউটার থেকে আরেকটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং সিস্টেম ফাইল নষ্ট করে, তথ্য চুরি করে অথবা কম্পিউটারকে ধীরগতির করে তোলে।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়।
- কখনো সম্পূর্ণ সিস্টেম নষ্ট করে দিতে পারে।
- যখন ভাইরাসটি কম্পিউটারের মেমোরিতে লোড হয় তখনই এটি সক্রিয় হয়।
- এটি পেনড্রাইভ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে অন্য ডিভাইসে ছড়ায়।
- ভাইরাস ডেটা ধ্বংস করতে পারে বা প্রোগ্রাম অকার্যকর করে দিতে পারে।
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ক্ষতিকর কোড যা সিস্টেমের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।

সোর্সঃ ব্রিটানিকা।