বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১০ / ১৩১ · ৯০১১,০০০ / ১৩,০৮৮

৯০১.
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত রেজিস্টার কোন উপাদান বা প্রযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়
  1. ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  2. ট্রানজিস্টর
  3. হার্ডডিস্ক প্লেটার
  4. ফ্লিপ-ফ্লপ
ব্যাখ্যা

◉ রেজিস্টার হলো ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের একটি মৌলিক উপাদান, যা ডেটা সংরক্ষণ এবং স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ফ্লিপ-ফ্লপ দিয়ে তৈরি হয়, কারণ ফ্লিপ-ফ্লপগুলি বাইনারি ডেটা (0 এবং 1) সংরক্ষণ করতে সক্ষম।

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০২.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. অদৃশ্য জগৎ
  2. কৃত্রিম বাস্তবতা
  3. রোবটিক্স দ্বারা নিয়ন্ত্রণ
  4. খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা এমন একটি বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনা, যা বাস্তবে না হলেও বাস্তবের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- এতে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার হলো Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরির মাধ্যমে এমন কাজও সম্ভব করে, যা বাস্তবে করা প্রায় অসম্ভব।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়, এবং এটি ব্যবহারকারীদের কাছে বাস্তব পরিবেশের মতো মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯০৩.
HTML-এর মূল ব্যবহার কী?
  1. ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা
  2. ওয়েব পেজের স্টাইল তৈরি করা
  3. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং করা
  4. ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• HTML-এর মূল ব্যবহার ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা। এটি একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয় কোন উপাদান কীভাবে প্রদর্শন করতে হবে। HTML দিয়ে আমরা প্যারাগ্রাফ, হেডিং, তালিকা, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি উপাদান তৈরি করতে পারি। এটি ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং শুধুমাত্র কনটেন্টের কাঠামো নির্ধারণ করে; স্টাইলিং বা ফাংশনালিটি যোগ করতে CSS এবং JavaScript ব্যবহার করা হয়। তাই HTML-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজে তথ্য এবং উপাদানগুলোর সঠিক কাঠামো গঠন করা, যা ব্যবহারকারীরা সহজে দেখতে এবং পড়তে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা।

• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

উৎস: w3.org

৯০৪.
বুলিয়ান উপপাদ্য A + AB = ?
  1. ক) A
  2. খ) 0
  3. গ) 1
  4. ঘ) B
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য,
A + AB
= A . 1 + AB
= A (1 + B)
= A (B + 1)
= A . 1   [যেহেতু B + 1 = 1]
= A        [যেহেতু A . 1 = A]
৯০৫.
Which type of network would use phone lines?
  1. ক) Wireless
  2. খ) LAN
  3. গ) WWAN
  4. ঘ) WAN
ব্যাখ্যা
Wide Area Network (WAN) – A network infrastructure that provides access to other networks over a wide geographical area, which is typically owned and managed by a telecommunications service provider.

Example: Phoneline
৯০৬.
নিচের কোন ইনপুট জোড়ের জন্য NAND গেইটে আউটপুট মিথ্যা হবে?
  1. 1, 1
  2. 1, 0
  3. 0, 1
  4. 0, 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন ইনপুট জোড়ের জন্য NAND গেইটে আউটপুট মিথ্যা হবে?

সমাধান: 


অর্থাৎ দুইটি সংকেত সত্যি হলেই আউটপুট মিথ্যা হবে।
৯০৭.
কোন প্রতিষ্ঠানে SQL তৈরি করা হয়?
  1. IBM
  2. Microsoft
  3. Apple
  4. Google
ব্যাখ্যা
SQL:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করার জন্য SQL উইন্ডো ওপেন করে নিতে হয়।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৮.
ALU এর গাণিতিক কাজের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে কোথায় জমা থাকে?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Register
  4. Cache
ব্যাখ্যা

• ALU যখন কোনো অপারেশন (যেমন যোগ বা তুলনা) সম্পন্ন করে, তখন সেই ফলাফলটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে প্রসেস করার জন্য মেমোরি হিসেবে সিপিইউ-এর ভেতরে থাকা 'অ্যাকিউমুলেটর' (Accumulator) নামক একটি বিশেষ রেজিস্টারে জমা রাখা হয়।
- এখান থেকেই কন্ট্রোল ইউনিট সিদ্ধান্ত নেয় ফলাফলটি পরবর্তী কোন ধাপে পাঠানো হবে।

• ALU (গাণিতিক যুক্তি অংশ):
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- RAM: এটি একটি মেইন মেমোরি যা সিপিইউ-এর বাইরে থাকে এবং ALU সেখানে সরাসরি তাৎক্ষণিক আউটপুট জমা করে না।
- ROM: এটি একটি রিড-অনলি মেমোরি যেখানে স্থায়ী নির্দেশনা থাকে এবং এতে প্রসেসিংয়ের কাজ চলে না।
- Cache: এটি মূলত র‍্যাম ও প্রসেসরের মধ্যে গতির ভারসাম্য রক্ষা করে, সরাসরি ALU-এর আউটপুট রেজিস্টারের মতো গ্রহণ করে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০৯.
আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি তৈরিতে প্রধান উপাদান হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. তামা (Copper)
  2. সিলিকন (Silicon)
  3. লোহা (Iron)
  4. অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium)
ব্যাখ্যা

• প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
- প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান উপাদান হলো সিলিকন
- প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র‍্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।

ক. RAM (Random Access Memory):
- র‍্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র‍্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে।

খ. রম (ROM):
- কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।
- ROM এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে, CD ROM, Hard Disk, SSD, Pen Drive ইত্যাদি।


উৎস: 
১। Geeksforgeeks [Link]
২। Computer & ICT Cloud

৯১০.
সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত কোথায় ইনস্টল করা হয়?
  1. B ড্রাইভে
  2. C ড্রাইভে
  3. D ড্রাইভে
  4. E ড্রাইভে
ব্যাখ্যা
• সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য সাধারণত C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রথম দিকের অপারেটিং সিস্টেমগুলো ছিল বর্ণভিত্তিক, যা নিয়ন্ত্রণ করা হতো বিভিন্ন মুখস্থকৃত কমান্ডের সাহায্যে।
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারনত C ড্রাইভে থাকে।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য সাধারণত C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ হলো কম্পিউটারের মেমোরির এমন একটি অংশ যেখানে কম্পিউটার চালনাকারী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন গুলো অবস্থান করে।
- ফার্মওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা কম্পিউটার চালনার জন্য অত্যাবশ্যক।
- হার্ডডিস্ক বা SSD পার্টিশনের মাধ্যমে C ড্রাইভ, D ড্রাইভ, E ড্রাইভ সহ বিভিন্ন নামে বিভক্ত করা হয়।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৭১ সালে মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি প্রথম অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে CP/M।
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

• উল্লেখযোগ্য অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলো:
- MS-DOS
- PC-DOS,
- WINDOWS 95/98/2000/XP/7,
- OS/2,
- UNIX,
- LINUX,
- MAC OS,
- Solaris,
- XENIX,
- WINDOWS NT ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯১১.
নিচের কোনটি ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার?
  1. লেজার প্রিন্টার
  2. থার্মাল প্রিন্টার
  3. লাইন প্রিন্টার
  4. ইংকজেট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
লাইন প্রিন্টার হচ্ছে একটি ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• প্রিন্টার
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১২.
NFC কোন প্রযুক্তির সঙ্গে সবচেয়ে বেশী সম্পর্কিত?
  1. Infrared
  2. RFID
  3. Wi-Fi
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা
• NFC (Near Field Communication) মূলত RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত। NFC হলো একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি, যা দুইটি ডিভাইস খুব কাছাকাছি আনার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে। এটি RFID-এর একটি উন্নত এবং ছোট রেঞ্জের সংস্করণ বলা যায়, যা প্রায় ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কাজ করে। Infrared ও Wi-Fi প্রযুক্তি NFC এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, কারণ Infrared লাইন-অফ-সাইট কমিউনিকেশন ব্যবহার করে আর Wi-Fi দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, NFC প্রযুক্তি RFID-এর সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯১৩.
What was the former name of X?
  1. Facebook
  2. Instagram
  3. Twitter
  4. WhatsApp
ব্যাখ্যা

Twitter was the former name of X.

X:
- X এর পূর্ব নাম Twitter।
- এটি একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মাইক্রোব্লগিং সেবা।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে।
- ব্যবহারকারীরা ২৮০ অক্ষরের ছোট বার্তা (টুইট) পাঠাতে পারেন।
- ২১শ শতকের শুরুর দিকে রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে Twitter/X-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব দেখা যায়।
- Twitter-এর উত্তরসূরি হলো X Corp., যার মালিকানা X Holdings Corp.-এর কাছে।
- X Holdings Corp.-এর মালিক দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী আমেরিকান উদ্যোক্তা Elon Musk।
- এটি ব্যবহারকারীদের তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদানে সহায়ক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯১৪.
কোনটি ডাটাবেজ মডেল?
  1. XML
  2. Object-Oriented
  3. Hierarchical
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- স্প্রেডশীট এক ধরনের ডাটাবেস মডেল নয়। স্প্রেডশীটগুলি সাধারণত একটি ট্যাবুলার বিন্যাসে ডেটা সংগঠিত এবং বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

বিভিন্ন ধরণের ডাটাবেজ মডেল: 
- Relational Database Model

- NoSQL Database Model

- Hierarchical Database Model

- Network Database Model

- Object-Oriented Database Model

- Entity-Relationship Model (ER Model)

- XML Database Model

- Columnar Database Model

- Time-Series Database Model

- NewSQL Database Model.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯১৫.
স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই প্রয়োজন মতো ডেটা ট্রান্সমিট করা যায় কোন পদ্ধতিতে?
  1. ক) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. খ) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. গ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission) : অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন। এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়। সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

উল্লেখ্য,
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে (Asynchronous Transmission) ডাটা প্রাইমারি স্টোরেজে সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না।

৯১৬.
১০১০১১০ সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক কোনটি?
  1. ক) ০১০১০১০
  2. খ) ০১০১০০১
  3. গ) ০১১১০০১
  4. ঘ) ০১০১০১০
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে অর্থাৎ সংখ্যার বিটগুলােকে উল্টিয়ে, সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) গঠন পাওয়া যায়।
৯১৭.
নিচের কোনটি ম্যালওয়্যার?
  1. নরটন
  2. ডার্কগেট
  3. এবিজি
  4. পান্ডা
ব্যাখ্যা
ডার্কগেট, ইমোটেট ও লোকিবট রাশিয়ান বহুজাতিক সাইবার নিরাপত্তা ও অ্যান্টিভাইরাস সেবাদাতা ক্যাসপারস্কি প্রকাশিত রিপোর্টে বিশেষ তিনটি সুপার ম্যালওয়্যারের কথা বলেছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য (ডেটা) চুরি করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯১৮.
A ও B দুটি রিলেশনাল টেবিল। একটি কী B টেবিলের জন্য ফরেন কী হলে, A টেবিলের জন্য কোন ধরনের কী হবে?
  1. ক) কম্পোজিট কী
  2. খ) ফরেন কী
  3. গ) প্রাইমারি কী
  4. ঘ) অলটারনেট কী
ব্যাখ্যা
কী ফিল্ড (Key):
সাধারণত কোন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় । এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।

কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

১। প্রাইমারি কী (Primary Key)
২। কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) 
৩। ফরেন কী (Foreign Key) 

প্রাইমারি কী: যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে ।

কম্পোজিট প্রাইমারি কী: অনেক ক্ষেত্রে দু'টি ফিল্ডের সমন্বয়ে প্রাইমারি কী গঠন করা হয়ে থাকে যার সাহায্যে ঐ টেবিলের যে কোন রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করা যায়। এ ধরনের প্রাইমারি কী কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary key) নামে পরিচিত।

ফরেন কী: রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে। ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

অলটারনেট কী :
কোন টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যতিত অন্য কী গুলোকে অলটারনেট কী বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯১৯.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ভাষার ধরন?
  1. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. DDL ও DML
  3. মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. UI/UX ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL) ও ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML) এই দুইটি ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়। 
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২০.
Microsoft - এর প্রধান ব্যবসায়িক খাতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. Intelligent Cloud
  2. Mobile Hardware
  3. More Personal Computing
  4. Productivity and Business Processes
ব্যাখ্যা

Microsoft - এর প্রধান ব্যবসায়িক খাতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয় Mobile Hardware।

• Microsoft Corporation:
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে।
- সদর দপ্তর: রেডমন্ড, ওয়াশিংটন, USA।
- ১৯৮০ ও ’৯০-এর দশকে MS-DOS এবং Windows অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে বাজারে আধিপত্য তৈরি করে।

• বর্তমানে মাইক্রোসফটের পণ্য ও সেবা বিস্তৃত:
- ব্যক্তিগত কম্পিউটিং,
- বিনোদন,
- এন্টারপ্রাইজ ক্লাউড কম্পিউটিং,
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।

• মাইক্রোসফটের তিনটি প্রধান ব্যবসায়িক খাত:
- Productivity and Business Processes,
- Intelligent Cloud,
- More Personal Computing.
প্রতিটি খাতের অধীনে রয়েছে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯২১.
বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির সংগঠন কোনটি?
  1. ISB
  2. ISPBA
  3. ISPAB
  4. IPSC
ব্যাখ্যা
ISPAB (Internet Service Providers Association of Bangladesh):
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির একটি সংগঠন।
- এই সংগঠনটি ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী (ISP) প্রতিষ্ঠানের অধিকার রক্ষা, তাদের সুবিধা উন্নয়ন এবং দেশের ইন্টারনেট সেবার মান বৃদ্ধির জন্য কাজ করে।

ISPAB এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ISP প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ রক্ষা।
- আইনগত সহায়তা।
- ইন্টারনেট সেবা উন্নয়ন।
- প্রযুক্তি এবং নেটওয়ার্কের মান উন্নয়ন।

- এটি নতুন প্রযুক্তি, বিশেষত ফাইবার অপটিক এবং উচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবার প্রয়োগের মাধ্যমে সেবার মান বাড়ানোর দিকে কাজ করে।
- ISPAB ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি সাংগঠনিক সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করে এবং তাদের মধ্যে সহযোগিতা নিশ্চিত করে।

উৎস: ISPAB এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯২২.
ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় প্রটোকল ট্রান্সলেশন করতে পারে কোনটি
  1. হাব
  2. গেটওয়ে
  3. সুইচ
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস।
- একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে(LAN,MAN,WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।

• গেটওয়ের সুবিধা:
১। রাউটারের চেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন এবং ডেটার কলিশন বা সংঘর্ষ কম।
২। ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
৩। ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধা:
১। অন্য ডিভাইসের চেয়ে ব্যয়বহুল।
২। জটিল কনফিগারেশন।

• বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন - হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৩.
Natural Language Processing কোন প্রযুক্তির অংশ?
  1. Artificial intelligence 
  2. Networking
  3. Database
  4. Cyber Security
ব্যাখ্যা

Natural Language Processing হচ্ছে Artificial intelligence প্রযুক্তির অংশ। 

Natural Language Processing (NLP)
- Natural Language Processing (NLP) হল কম্পিউটারের মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভাষার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।
- NLP র অধ্যয়ন, কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি সাবফিল্ড, সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে যুক্ত। 
- NLP মডেল তৈরি করার জন্য কম্পিউটেশনাল লিঙ্গুইস্টিকস, স্ট্যাটিস্টিকস, মেশিন লার্নিং এবং ডিপ-লার্নিং মডেল ব্যবহার করা হয়।
- আধুনিক NLP সিস্টেমে ডিপ-লার্নিং মডেল ও টেকনিক ব্যবহার করা হয়, যা তথ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে "শিখতে" পারে।
- ভয়েস-অপারেটেড জিপিএস সিস্টেম, কাস্টমার সার্ভিস চ্যাটবট এবং ভাষা অনুবাদ প্রোগ্রামগুলোতে NLP ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়াও, ব্যবসায়ে গ্রাহকদের অনুসন্ধান আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং গ্রাহক পরিষেবা উন্নত করতে NLP ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৯২৪.
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কে 'হোস্ট' বলতে কী বোঝায়?
  1. টার্মিনাল
  2. স্টোরেজ ডিভাইস
  3. ডেটাবেজ
  4. প্রধান কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কে 'হোস্ট' বলতে প্রধান কম্পিউটারকে বোঝায়।

• সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।

• হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা।
১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network)
২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৯২৫.
ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি ISDN-এর 'I' দ্বারা কী প্রকাশ করা হয়?
  1. Internal
  2. Interactive
  3. Integrated
  4. Internet
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৬.
নিচের কোনটি ম্যাগনেটিক মেমরি?
  1. Hard Disk
  2. ROM
  3. RAM
  4. DVD
ব্যাখ্যা
উপাদান ভিত্তিক বিভিন্ন স্টোরেজ মিডিয়া:
অর্ধপরিবাহী মেমরি: ROM, RAM, Flash disk, Pendrive.
ম্যাগনেটিক মেমরি: Hard Disk, Floppy Disk, Magnetic Tape, Megnatic Stripes, Tape Drive.
অপটিক্যাল মেমরি: CD, DVD, Blue-ray Disk, Versatile Digital Disk, WORM.

উৎস: ব্রিটানিকা, geeksforgeeks.
৯২৭.
মোবাইল ফোনের ইনপুট ডিভাইস নয় কোনটি?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই
  2. কী-প্যাড
  3. ক্যামেরা
  4. মাইক্রোফোন
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোনের ডাটা ইনপুটের জন্য ইনপুট ডিভাইস হলো keypad, touch screen, camera, microphone ইত্যাদি।
- Power supply হলো কোনো বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রে বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহকারী।
- এর সাহায্যে ডেটা ইনপুট করা যায় না।

• কম্পিউটার ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- কী-বোর্ড
- মাউস
- জয়স্টিক
- বার কোড রিডার
- ওএমআর
- স্ক্যানার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৮.
ডিকোডারের ইনপুট সংখ্যা 4 হলে আউটপুট হবে-
  1. ক) 4
  2. খ) 8
  3. গ) 16
  4. ঘ) 32
ব্যাখ্যা
ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- n টি বিট দিয়ে 2n টি বাইনারি সংখ্যা লেখা যায়। যেমন, 4টি বিট দিয়ে 24 = 16 টি বাইনারি সংখ্যা লেখা সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৯.
ISDN কী ধরনের তথ্য সমন্বয়ে প্রেরণ করতে সক্ষম?
  1. শুধুমাত্র ভয়েস
  2. ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
  3. শুধুমাত্র ভিডিও
  4. শুধুমাত্র ডেটা
ব্যাখ্যা

• ISDN (Integrated Services Digital Network) একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যা ভয়েস ও ডেটা একসাথে প্রেরণ করতে সক্ষম। 

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩০.
রোবটের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে রোবোটিক্সে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
  1. আইসি
  2. অ্যাকচুয়েটর
  3. প্রসেসর
  4. সেন্সর
ব্যাখ্যা

• রোবটের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে রোবোটিক্সে সাধারণত অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়। অ্যাকচুয়েটর হল এমন একটি যন্ত্রাংশ যা সিগন্যাল বা কমান্ড অনুযায়ী যান্ত্রিক আন্দোলন তৈরি করে। এটি বৈদ্যুতিক, হাইড্রোলিক বা পনোম্যাটিক শক্তি ব্যবহার করে রোবটের হাত, চাকা বা অন্যান্য অংশকে চলাচল করায় সক্ষম করে। প্রসেসর বা আইসি সাধারণত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও নির্দেশনা দেয়, আর সেন্সর পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, কিন্তু সরাসরি গতি তৈরি করে না।
- তাই, রোবটের সঠিক ও নিয়ন্ত্রিত গতি অর্জনের জন্য অ্যাকচুয়েটরের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

• রোবট:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

• বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন-
- শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা।
- বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন।
- খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন।
- মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ।
- ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে।
- গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে।
- শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩১.
সাধারণ কম্পিউটারের র‍্যাম এর ধারণ ক্ষমতা কত হতে পারে?
  1. ক) 2 MB
  2. খ) 2 GB
  3. গ) 2 TB
  4. ঘ) NONE
ব্যাখ্যা
- RAM যার পুরো নাম Random Access Memory.
- এটি হলো এক ধরণের physical hardware যেটা কম্পিউটারের motherboard এ লাগানো থাকে। 
- এটির সাইজ কয়েক জিবি (,৪,৬,৮,১৬) হয়ে থাকে।

৯৩২.
ফাইল সংখ্যার উপর নির্ভর করে ডাটাবেজ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) 3
  2. খ) 4
  3. গ) 2
  4. ঘ) 5
ব্যাখ্যা

ফাইল সংখ্যার উপর নির্ভর করে ডাটাবেজ দু'ধরনের হয়ে থাকে। যেমন, সাধারণ ডাটাবেজ এবং সম্পর্ক যুক্ত ডাটাবেজ।
(ক) সাধারণ ডাটাবেজ - এই ধরনের ডাটাবেজে একটি ফাইল থাকে।
(খ) সম্পর্কযুক্ত (Relational) ডাটাবেজ - এই ধরনের ডাটাবেজে একাধিক ফাইল থাকে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৯৩৩.
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে কোন ঘটনাটি ঘটে?
  1. নয়েজ
  2. ব্লাকআউট
  3. ট্রানসিয়েন্ট
  4. ব্রাউন আউট
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-
১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

২. ব্লাকআউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে।
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।

৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩৪.
কোন পদ্ধতিতে 2’s complement নির্ণয় করা হয়?
  1. প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 2 যোগ করা
  2. প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 1 যোগ করা
  3. শুধু বাম দিকের বিট উল্টানো
  4. সংখ্যার সাথে সরাসরি 1 যোগ করা
ব্যাখ্যা

- প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 1 যোগ করা পদ্ধতিতেই 2’s complement নির্ণয় করা হয়, কারণ প্রথমে 1’s complement নিয়ে পরে 1 যোগ করলে 2’s complement পাওয়া যায়।

• 2-এর পরিপূরক (2’s Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে, অর্থাৎ 0 এর স্থানে 1 এবং 1 এর স্থানে 0 বসিয়ে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে 1-এর পরিপূরক (1’s Complement) বলে।
- বাইনারি সংখ্যার 1-এর পরিপূরক বের করে তার সাথে 1 যোগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক (2’s Complement) বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের জন্য 2-এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

• 2’s Complement নির্ণয়ের ধাপ:
- প্রথম ধাপ: প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিট উল্টানো।
- দ্বিতীয় ধাপ: প্রাপ্ত 1’s complement সংখ্যার সাথে 1 যোগ করা।
- ফলাফলই হবে 2’s complement।

• উদাহরণ:
- 12 এর বাইনারি মান = 1100.
- 8-bit রেজিস্টারে মান = 00001100.
- 1’s complement = 11110011.
- 1’s complement + 1 = 11110100.
- সুতরাং, 12 এর 2’s complement = 11110100.
- এই পদ্ধতি কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য বহুল ব্যবহৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯৩৫.
লেখাকে আন্ডারলাইন করার জন্য কোন html tag ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) < b >
  2. খ) < br >
  3. গ) < u >
  4. ঘ) < ul >
ব্যাখ্যা
< b >  - লাইন বোল্ড করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
< br > - লাইন ব্রেকের জন্য ব্যবহার করা হয়।
< u > - লেখাকে আন্ডারলাইন করার জন্য ব্যবহৃত।
< ul >  - কোন তালিকাকে আন অর্ডার লিস্ট আকারে প্রকাশ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯৩৬.
(10110)2 কে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর করুন -
  1. ক) 21
  2. খ) 22
  3. গ) 27
  4. ঘ) 31
ব্যাখ্যা
(10110)2
= (1 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (0 × 20)
= 16 + 0 + 4 + 2 + 0
= (22)10
৯৩৭.
কম্পিউটারে কোনটি নেই?
  1. ক) দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা
  2. খ) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা
  3. গ) স্মৃতি
  4. ঘ) আইকিউ
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়।
কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা (আইকিউ-Intelligence Quotient) করার ক্ষমতা নেই। মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে।
কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে।
কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভূলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]

৯৩৮.
১ কিলোবিট = ?
  1. ১০০০ বিট
  2. ১০২৪ বিট
  3. ১০০০ কিলোবিট
  4. ১০২৪ কিলোবিট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটিংয়ে "কিলো" প্রিফিক্সটি দুই ভাবে ব্যবহৃত হয়: দশমিক (decimal) এবং বাইনারি (binary)।

• ডাটা স্টোরেজ (যেমন মেমরি, হার্ড ড্রাইভ):
বাইনারি প্রিফিক্স: এখানে ১ কিলোবাইট (KB) সমান ১০২৪ বাইট, কারণ ১০২৪ হল ২১০
কারণ: কম্পিউটার সিস্টেমগুলি বাইনারি (বেস-২) এ কাজ করে, তাই মেমরির পরিমাপে ১০২৪ ব্যবহৃত হয়।

• ডাটা ট্রান্সফার রেট (যেমন ইন্টারনেট স্পিড, মডেম স্পিড):
দশমিক প্রিফিক্স: এখানে ১ কিলোবিট (kb) সমান ১০০০ বিট।
কারণ: ডাটা ট্রান্সফার রেট সাধারণত দশমিক সিস্টেমে মাপা হয় এবং আন্তর্জাতিক একক সিস্টেম (SI units) অনুসরণ করে।

সুতরাং, প্রশ্নে যেহেতু ১ কিলোবিটের কথা বলা হয়েছে এবং এটি ডাটা ট্রান্সফার রেটের সাথে সম্পর্কিত, তাই সঠিক উত্তর হবে ১০০০ বিট।
--------------------------

বিট ও বাইট:

- ১ বাইট=৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
৯৩৯.
00011001 এর 1's complement কোনটি?
  1. 1100 0011
  2. 001011000
  3. 11100111
  4. 11100110
ব্যাখ্যা

• ​একটি বাইনারি সংখ্যার 1’s complement বের করার জন্য প্রতিটি বিটকে উল্টাতে হয়, অর্থাৎ 0 কে 1 এবং 1 কে 0 করতে হয়। 
00011001 এর 1's complement হল 11100110


• ১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
- বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়।
- অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
00011001 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 11100110 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯৪০.
কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়?
  1. ক) ইন্টারপ্রেটার
  2. খ) এসেম্বলার
  3. গ) ওরাকল
  4. ঘ) কম্পাইলার
ব্যাখ্যা
- উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয় তাকে বলে অনুবাদক সফটওয়্যার।
- অনুবাদক সফটওয়্যার তিন প্রকার। যথা- কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার এবং অ্যাসেম্বলার
- এসেম্বলার ও কম্পাইলার উভয়েই গৌণ মেমোরিতে থাকে। প্রয়োজনের সময় তাদেরকে র‍্যামে আনা হয়।
- কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে পড়ে এবং অনুবাদ করে।
-অ্যাসেম্বলার অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার বস্তু প্রোগ্রামে অনুবাদ করতে ব্যবহৃত হয় ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৯৪১.
টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ কোথায় জমা হয়?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) ক্যাশ মেমোরি
  3. গ) হার্ডডিস্ক
  4. ঘ) রম
ব্যাখ্যা
ক্যাশ মেমোরিতে টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ কোথায় জমা হয়। 

-  ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারে কাজের গতি হ্রাস পায়।
- সফ্টওয়্যারের সাহায্যে ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করা যায়। 

সোর্স: বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
৯৪২.
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
  1. ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. খ) ব্যবহারিক সফটওয়্যার
  3. গ) প্রকাশনা সফটওয়্যার
  4. ঘ) ইউটিলিটি সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হচ্ছে এক ধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ, বিশ্লেষণ, বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস থেকে সুরক্ষা, ডেটা ও প্রোগ্রামের ব্যাক-আপ, ডিজাস্টার রিকভারিসহ বিভিন্ন প্রকার কাজের সুবিধা প্রদান করে।

অ্যান্টিভাইরাস (ইংরেজি: Antivirus) বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরন, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি
৯৪৩.
কোনটি DBMS সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. HTML
  2. Python
  3. Oracle
  4. Java
ব্যাখ্যা

• DBMS বা ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধারের কাজ সহজ করে। প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলো মধ্যে Oracle হলো পরিচিত DBMS সফটওয়্যার। Oracle ব্যবহার করে বড় এবং জটিল ডেটাবেস সহজভাবে তৈরি, সংরক্ষণ এবং ম্যানেজ করা যায়। অন্যদিকে, HTML হলো একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েবপেজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, Python হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, এবং Java হলো আরও একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। এই তিনটি সফটওয়্যার DBMS নয়, বরং প্রোগ্রামিং বা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজে আসে। তাই DBMS হিসেবে শুধুমাত্র Oracle সঠিক উত্তর।
 
DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৯৪৪.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রধানত কোন প্রোগ্রামিং ভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Prolog
  2. JAVA
  3. J2EE
  4. C
ব্যাখ্যা
• Prolog programming language is used for Artificial Intelligence.
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, CLISP, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৪৫.
স্মার্টফোনে কোন কম্পোনেন্ট অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত করে?
  1. DAC
  2. CPU
  3. GPU
  4. ADC
ব্যাখ্যা

• স্মার্টফোনে অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত করার কাজটি করে ADC (Analog-to-Digital Converter)। যখন আমরা ক্যামেরা, মাইক্রোফোন বা সেন্সর ব্যবহার করি, তখন যে সিগন্যালগুলি আসে তা মূলত অ্যানালগ, অর্থাৎ ধারাবাহিক মানযুক্ত। কিন্তু স্মার্টফোনের প্রসেসর শুধুমাত্র ডিজিটাল তথ্য অর্থাৎ ০ এবং ১-এর ধারা বুঝতে পারে। ADC এই অ্যানালগ সিগন্যালগুলিকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তরিত করে, যাতে CPU বা অন্যান্য ডিজিটাল কম্পোনেন্ট সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, মাইক্রোফোনের অডিও সিগন্যাল ADC-এর মাধ্যমে ডিজিটাল সিগন্যালে পরিণত হয়, যা রেকর্ডিং বা কল প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। তাই স্মার্টফোনের অ্যানালগ-ডিজিটাল রূপান্তরের মূল যন্ত্র হলো ADC।

উত্তর: ঘ) ADC.

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৪৬.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সূচনা কোন প্ল্যাটফর্ম দিয়ে হয়েছিল?
  1. Orkut
  2. SixDegrees
  3. Friendster
  4. MySpace
ব্যাখ্যা

◉ SixDegrees.com (১৯৯৭ সালে চালু) ছিল বিশ্বের প্রথম স্বীকৃত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট, যেখানে ব্যবহারকারীরা প্রোফাইল তৈরি, বন্ধু যোগ এবং অনলাইনে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারত।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিক যোগাযোগকে দ্রুত, আকর্ষণীয়, এবং কার্যকরী করে তুলেছে। 
- শুধু তা নয়, এর বাইরেও নানানভাবে আমাদের সামাজিক ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে উঠে এসেছে। 
- এখন ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে বেশকিছু সামাজিক যোগাযোগের সম্পূর্ণ সাইট। 
- নিজের ভালো-লাগা মন্দলাগা, অনুষ্ঠানাদি, চাকরিতে প্রমোশন, সন্তানাদির বিয়ে ইত্যাদি নানা বিষয়ের তথ্য, ছবি কিংবা ভিডিও বিনিময় করা যায় এগুলোর যে কোনো একটি থেকে। 
- বর্তমানে প্রায় শতাধিক এরকম সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম রয়েছে। 
যেমন- ফেসবুক (www.facebook.com), লিংকড-ইন (Linked in.com) গুগল প্লাস (plus.google.com), টুইটার (www.twitter.com), জোপা (www.zooppa.com), মাইস্পেস (www.myspace.com) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
Orkut (২০০৪) → গুগল চালু করেছিল, বিশেষত ব্রাজিল ও ভারতে জনপ্রিয় হয়েছিল।
Friendster (২০০২) → প্রথম দিকের জনপ্রিয় নেটওয়ার্কিং সাইট, কিন্তু পরে Facebook এর কারণে হারিয়ে যায়।
MySpace (২০০৩) → সংগীতশিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল, একসময় এটি ছিল সবচেয়ে বেশি ভিজিটেড সামাজিক নেটওয়ার্ক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 

৯৪৭.
কোন সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই?
  1. বাইনারি
  2. ডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ২টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
যেমন-(১০১০)।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ এবং ১ এই দুইটি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি হচ্ছে ২ (দুই) । 
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ মোট ২টি মৌলিক অঙ্ক আছে। 
- বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে কম্পিউটারের সমস্ত যোগ বিয়োগ ও অন্যান্য কার্যাদি সম্পন্ন করা হয়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯৪৮.
একটি কাউন্টার সার্কিট প্রধানত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. তথ্য সংরক্ষণ
  2. সংকেত বৃদ্ধি
  3. ক্লক পালস গণনা
  4. তথ্য এনকোডিং
ব্যাখ্যা

• একটি কাউন্টার সার্কিট মূলত ক্লক পালস গণনা করার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ধরণের ডিজিটাল লজিক সার্কিট, যা এক বা একাধিক ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে ক্রমান্বয়ে ইনক্রীমেন্ট বা ডিক্রিমেন্ট করতে পারে। কাউন্টার সার্কিট সময়ের সাথে পালসের সংখ্যা নির্ধারণে, নির্দিষ্ট ইভেন্ট গণনা করতে, টাইমার, ডিভিশন এবং সিকোয়েন্সিয়াল লজিক ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ডিজিটাল ঘড়ি বা মাইক্রোপ্রসেসর সিস্টেমে কাউন্টার পালসের সংখ্যা গণনা করে সময় মাপতে সাহায্য করে। তাই, এটি কোনো তথ্য সংরক্ষণ, সংকেত বৃদ্ধি বা এনকোডিং-এর জন্য নয়, বরং ক্লক বা ইভেন্টের গণনা করার জন্য ডিজাইন করা হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) ক্লক পালস গণনা।
 
কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n।
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪৯.
"DarkHotel" মূলত কী?
  1. স্পাইওয়ার
  2. র‍্যামসমওয়্যার
  3. এন্টিভাইরাস
  4. অ্যাডওয়‍্যার
ব্যাখ্যা
• DarkHotel হল একটি স্পাইওয়ার প্রকারের ম্যালওয়্যার। এটি মূলত হোটেল বা পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে গোপন তথ্য চুরি করার জন্য ডিজাইন করা হয়। DarkHotel হ্যাকারেরা সাধারণত ব্যবসায়িক যাত্রীদের লক্ষ্য করে এবং তাদের ডিভাইসে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে। এটি খুবই ছলনাময় এবং ব্যবহারকারীদের সচেতন না থাকার সুযোগ নিয়ে কাজ করে। DarkHotel স্পাইওয়ারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে নজরদারি করা হয় এবং ডাটা লিক বা ক্ষতি করতে পারে।
- সঠিক উত্তর: ক) স্পাইওয়ার।

অন্যদিকে,
• র‍্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
• বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়‍্যার (Adware).

• Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে-

- অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Rootkits
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
৯৫০.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) ওরাকল
  2. খ) সাইবেজ
  3. গ) বেজ
  4. ঘ) পাওয়ারপয়েন্ট
ব্যাখ্যা

পাওয়ার পয়েন্টকে উপস্থাপনা তৈরির অ্যাপ্লিকেশন বা প্রেজেন্টেশন ডেভেলপমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন বলা হয়।
ডাটাবেজ হলো একটি তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা, যেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রথমে সংগ্রহ করা হয়, সেগুলিকে জমা রাখা হয়, এবং প্রয়োজন বিশেষে সেখান থেকে এক্সসেস করা যায়।
ডাটাবেজ গুলিকে বিভিন্ন হিসেব-নিকেশ, বার্ষিক রিপোর্ট, বিভিন্ন স্কুল কলেজের পরীক্ষার ফলাফল তৈরি ও সংরক্ষণ প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৯৫১.
কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. ক) ADA
  2. খ) C++
  3. গ) FORTRAN
  4. ঘ) PASCAL
ব্যাখ্যা

ADA - 1980
C++ - 1985
FORTRAN - 1957
PASCAL - 1970

৯৫২.
মাইক্রোসফটের হেডকোয়ার্টার কোথায় অবস্থিত?
  1. সানফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  4. মাউন্টেন ভিউ, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফটের হেডকোয়ার্টার যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত, এবং এটি সঠিকভাবে ওয়াশিংটন রাজ্যে অবস্থান করছে। মাইক্রোসফট একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং ক্লাউড সার্ভিস তৈরি ও পরিচালনা করে। এর প্রধান কার্যালয় রেডমন্ড শহরে, সিয়াটলের কাছে, যা ওয়াশিংটন রাজ্যের অন্তর্গত। এই হেডকোয়ার্টার থেকে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী ব্যবসা পরিচালনা করে, বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন উইন্ডোজ, অফিস স্যুট, আজুর ক্লাউড এবং এক্সবক্স গেমিং কনসোলের জন্য কৌশল এবং নীতি নির্ধারণ করা হয়। তাই মাইক্রোসফটের মূল কেন্দ্রীয় অফিসের অবস্থান ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।

- সঠিক উত্তর: খ) ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫ সালের ৪ এপ্রিল।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য-  জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত) 
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৫৩.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে থাকে?
  1. ক) American Online
  2. খ) Prodigy
  3. গ) CompuServ
  4. ঘ) AIUB
ব্যাখ্যা
AIUB, BUET নিজস্ব কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে।  

বিভিন্ন কম্পিউটার কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা একসাথে যুক্ত থাকলে তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক (Computer network) বলে। মূলত ডেটা আদান-প্রদানের লক্ষ্যে দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। 

মালিকানা অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে দুই ভাগে ভাগ করা যায় –
Private Network : প্রাইভেট নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত থাকে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কেউ এই ধরনের কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে না। এই ধরনের নেটওয়ার্কে ট্রাফিক নেই বললেই চলে। যেমন- AIUB, BUET নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে থাকে। 

Public Network: পাবলিক নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার এই ধরনের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে। যেমন- Prodigy, American Online (AOL) ইত্যাদি। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৯৫৪.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল নয়? 
  1. SaaS
  2. PaaS
  3. HaaS
  4. IaaS
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল নয়- HaaS । 

ক্লাউড কম্পিউটিং: 

- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। 
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 
অর্থাৎ, SaaS ক্লাউড সার্ভিস মডেলটি ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুযোগ দেয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৫.
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার (আইবিএম - ১৬২০ সিস্টেম) কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. ক) বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল
  2. খ) জাতীয় যাদুঘর
  3. গ) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর
  4. ঘ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরএ ২০০১ সালের ১৭ জুলাই তথ্যপ্রযুক্তি গ্যালারী চালু হয়।
- এই গ্যালারী চালুর মাধ্যমে কম্পিউটারের বিবর্তন তুলে ধরা ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সাথে স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে।
- এটি মূলত বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার থেকে শুরু করে আধুনিক কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংগ্রহশালা।
- এই গ্যালারীতে আ্যানালগ কম্পিউটার, আইবিএম ১৬২০, আইবিএম ১৪০১, আইবিএম ৩৭০, আইবিএম ৪৩৩১, হানিওয়েল ডি পি এস ৬, আইবিএম পিসি সহ কম্পিউটার সম্পর্কিত বিভিন্ন চার্ট প্রদর্শীত হচ্ছে।।

তথ্যসূত্র: জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৯৫৬.
ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সাধারণত হিসাব করা হয় -
  1. bit/s
  2. Hz
  3. m/s
  4. Cycle/s
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইড্থ- ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড: 
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় Bandwidth বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ্ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়
- একে Band Speed ও বলা হয়।
অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।

- এই ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band), 
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band), 
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৯৫৭.
নিচের কোনটিতে এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. এলইডি লাইট
  3. মাউস
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computerhope Website.
৯৫৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. ক) জেরুজালেম
  2. খ) মেলিসা
  3. গ) ভিয়েনা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
VIRUS পুরাে নাম হলাে Vital Information Resources under Seize. প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।

কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলাে-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ,
- মেলিসা ইত্যাদি।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৯৫৯.
স্লাইড রুল কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. Digital computer
  2. Analog Computer
  3. Quantum computer
  4. Hybrid computer
ব্যাখ্যা
• স্লাইড রুল হচ্ছে "Analog Computer"।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):

- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬০.
কোনটি সর্বাধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করে?
  1. পেটাবাইট
  2. গিগাবাইট
  3. এক্সাবাইট
  4. টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
৮ বিট = ১ বাইট
১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট
১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট
১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট
১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট
[সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২ (ভোকেশনাল)]
৯৬১.
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য নিচের কোনটি অধিক যুক্তিযুক্ত?
  1. একদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়
  2. দুইদিকে একসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়
  3. দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় তবে একই সময়ে নয়
  4. ডেটা শুধুমাত্র এক দিকে প্রেরণ করা যায়, গ্রহণ করা যায় না
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৯৬২.
কোন ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়ে
  2. বৈজ্ঞানিক গবেষণায়
  3. পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• উপরের  সকল ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

২. ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
• হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হলো-
- মিসাইল,
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা,
- নভোযান,
- রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়,
- পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়,
- পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৩.
নিচের কোনটি দিয়ে কম্পিউটার কমান্ড বা নির্দেশ দেয়?
  1. ক) সিপিইউ
  2. খ) কী-বোর্ড
  3. গ) প্রিন্টার
  4. ঘ) মনিটর
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ড একটি কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।  
- ইহা কম্পিউটারের একটি ইনপুট ডিভাইস।
- কী-বোর্ড দিয়ে কম্পিউটারকে কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়া হয়। 
- ব্যবহারকারী কিবোর্ডে সংখ্যা, অক্ষর টাইপ করে থাকে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৯৬৪.
"বুট সেক্টর" হলো একটি-
  1. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  2. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  3. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
  4. কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
 -প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:

- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা
৯৬৫.
কোন ম্যালওয়্যার ব্যবহারকারীকে সিস্টেমে প্রবেশাধিকারে বাধা দেয় এবং অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দেয়?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. ওয়ার্ম
  3. স্পাইওয়্যার
  4. অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা

• র‍্যানসমওয়‍্যার হল এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার বা ফাইল লক করে দেয় বা এনক্রিপ্ট করে এবং তারপরে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, যেন ব্যবহারকারী পুনরায় তার ডিভাইস বা ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।

• ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার(Ransomware),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- কিছু র‍্যানসমওয়্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৯৬৬.
Which of the following was the first web-based email service?
  1. ক) Rediffmail
  2. খ) Yahoo! Mail
  3. গ) HotMaiL
  4. ঘ) MSN
ব্যাখ্যা
- প্রথম ওয়েব ভিত্তিক ইমেইল সার্ভিস হলো HotMaiL 
- ১৯৯৬ সালে এটি চালু হয়। 
- Yahoo! Mail কি চালু হয় ১৯৯৭ সালে। 
- Gmail চালু হয় ২০০৪ সালে। 
 
উৎস: cs.odu.edu
৯৬৭.
নট গেইটের ইনপুট ০ হলে আউটপুট কত? 
  1. - ১
  2. ১১
ব্যাখ্যা
তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলাে হলাে :
১. অর গেইট (OR Gato): যৌক্তিক যোগের জন্য।
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) : যৌক্তিক গুণের জন্য।
৩. নট গেইট NOT Gate) : যৌক্তিক পূরকের জন্য।

নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৬৮.
ছবিকে ডিজিটাল সিগন্যালে রুপান্তর করে কম্পিউটারে নেয়ার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ওএমআর
  2. ওয়েব ক্যামেরা
  3. জয়স্টিক
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
• স্ক্যানার:
- কোন ছবিকে ডিজিটাল সিগন্যালে রুপান্তর করে কম্পিউটারে নেয়ার জন্য স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়।
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়।
- মডেলভেদে স্ক্যানারের আকৃতি বিভিন্ন রকম হয়।

• বর্তমান সময়ে বিচিত্র ধরনের স্ক্যানার বাজারে প্রচলিত রয়েছে তবে স্ক্যানিংয়ের প্রকৃতি অনুসারে একে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. ফ্লাটবেড স্ক্যানার (Flatbed Scanner)
2. ড্রাম স্ক্যানার (Drum Scanner)
3. হ্যান্ড হেল্ড স্ক্যানার (Hand held Scanner)

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৯.
নিচের কোনটি Search engine নয়?
  1. Baidu
  2. Google
  3. Bing
  4. Chrome
ব্যাখ্যা
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।
- Baidu চীনের একটি সার্চ ইঞ্জিন।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.
 
উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৯৭০.
নিচের কোনটি Open Source DBMS?
  1. MySQL
  2. Microsoft SQL Server
  3. Microsoft Access
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• MySQL হচ্ছে জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যেটি ওরাকল কর্পোরেশন এর দ্বারা ডেভলপ, ডিস্ট্রিবিউশন এবং সাপোর্ট করা হয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৭১.
'Object-Oriented Programming' (OOP)-এর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
  1. টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ
  2. এনক্যাপসুলেশন
  3. গ্লোবাল ডেটা শেয়ারিং
  4. ফাংশনাল ডিকম্পোজিশন
ব্যাখ্যা

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) এর চারটি মূল স্তম্ভ বা বৈশিষ্ট্য রয়েছে: এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation), ইনহেরিটেন্স (Inheritance), পলিমরফিজম (Polymorphism) এবং অ্যাবস্ট্রাকশন (Abstraction)। এনক্যাপসুলেশন বলতে ডেটা এবং সেই ডেটা নিয়ে কাজ করা মেথডগুলোকে একটি একক ইউনিট বা 'ক্লাস'-এর মধ্যে আবদ্ধ রাখাকে বোঝায়।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation) I

অন্যান্য অপশন:
- টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং মূলত বটম-আপ পদ্ধতি অনুসরণ করে কাজ করে।
- গ্লোবাল ডেটা শেয়ারিং: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং-এ নিরুৎসাহিত করা হয় কারণ এটি ডেটা সিকিউরিটি বা এনক্যাপসুলেশন নীতির পরিপন্থী।
- ফাংশনাল ডিকম্পোজিশন: প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য যেখানে কাজকে ছোট ছোট ফাংশনে ভাগ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭২.
Which is an example of fourth-generation mobile phone technology?
  1. TDMA
  2. EDGE
  3. HSPA
  4. LTE
ব্যাখ্যা
LTE (Long Term Evolution) হল চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির উদাহরণ। 

- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এতে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার করা হয়। যার ফলে এই প্রজন্মের মোবাইল ফোন সমূহে আলট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়।

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. Internet Protocol নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু হয়। 

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- TDMA এর পূর্ণ রূপ Time Division Multiple Access (TDMA যা দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তি।
- EDGE এর পূর্ণ রূপ Enhanced Data rates for GSM Evolution যা দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তি।
- HSPA এর পূর্ণ রূপ High Speed Packet Access যা তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৭৩.
১৯৭৩ সালে মার্টিন কুপার আধুনিক সেল ফোনের অগ্রদূত হিসেবে কোন যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন?
  1. Brick phone
  2. Pager
  3. Cordless phone
  4. Walkie-Talkie
ব্যাখ্যা
ব্রিক ফোন:
- মার্টিন কুপারকে মোবাইল ফোনের জনক বলা হয়।
- মটোরোলার গবেষক মার্টিন কুপারের আবিষ্কৃত ফোন ডায়না টিএসি যা ব্রিক ফোন নামে পরিচিত।
- ১৯৭৩ সালের ৩ এপ্রিল মোবাইল ফোন থেকে প্রথমবার কল করা হয়েছিল।
- কুপার সেই মোবাইল ফোন দিয়ে প্রথম কথা বলেছিলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী বেল ল্যাবসের গবেষক জোয়েল এনজেলের সঙ্গে।
- মার্টিন কুপার প্রথমবারের মতো সেলুলার টেলিফোনে বিশ্বের প্রথম ফোনকলটি করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- সোয়া এক কেজি ওজনের সেই সেলুলার ফোনটি লম্বায় ছিল ১০ ইঞ্চি।
- একবার ব্যাটারি চার্জ হলে ২০ মিনিট কথা বলা যেত।
- আর ব্যাটারি চার্জ করতেও লাগত অনেক সময়।
- এরপর একসময় এর পরিচিত দাঁড়ায় ব্রিক ফোন বা ইট আদলের ফোন।

উৎস: i) ৫ অক্টোবর ২০২২, সময় নিউজ।
        ii) Britannica.
৯৭৪.
নিচের কোনটি ডাটা গাইড মাধ্যম?
  1. WAN
  2. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
  3. রাউটার
  4. হাব
ব্যাখ্যা


উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯৭৫.
ক্লিপবোর্ড কমান্ড কয়টি ও কী কী?
  1. ২টি – cut, paste
  2. ৩টি – cut, copy, paste
  3. ৪টি – cut, copy, paste, delete
  4. ৫টি – cut, copy, paste, undo, redo
ব্যাখ্যা
• ক্লিপবোর্ড কমান্ড:
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে।
- ক্লিপবোর্ড র‌্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেট ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।

উৎস: Computer Hope Website.
৯৭৬.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. এজাক্স
  2. এভিজি
  3. অ্যাভাস্ট
  4. নরটন
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

Ajax অর্থ হলো Asynchronous JavaScript and XML. তবে এটি কোন Prgraming Lanuage না বরং কোন একটি ওয়েবসাইটের কিছু content কে কোন প্রকার Page Load ছাড়াই web server এ আদান প্রদান করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, britannica.
৯৭৭.
ইন্টেল কর্পোরেশন কোন দেশের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান?
  1. যুক্ররাজ্য
  2. তাইওয়ান
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
[ইন্টেল কর্পোরেশন একটি আমেরিকান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ নির্মাতা। এটি মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড চিপসেট, নেটওয়ার্ক কন্ট্রোলার, ফ্ল্যাশ মেমোরিসহ বিভিন্ন কম্পিউটার ও যোগাযোগ পণ্য তৈরি করে।]

• ইন্টেল কর্পোরেশন:
- ইন্টেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের অন্যতম সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।
- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৭৮.
ডিজিটাল ঘড়িতে কোন ধরনের মনিটর ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) LCD
  2. খ) CRT
  3. গ) LED
  4. ঘ) Silicon Chip
ব্যাখ্যা
LCD - Liquid Crystal Display.
LCD এর পর্দা সমতল। তাই, একে ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর ও বলা হয়।
বিদ্যুৎ পরিবাহিতার মাধ্যমে স্বচ্ছ ক্রিস্টাল চার্জিত হয়ে ছবি ফুটিয়ে তোলে।

ক্যালকুলেটর, ডিজিটাল ঘড়িতে LCD ডিসপ্লে ব্যবহৃত হয়। ল্যাপটপ বা নোটবুকে এ ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়।

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭৯.
নিচের কোনটি মাইক্রোব্লগিং পরিষেবার উদাহরণ?
  1. ক) টুইটার
  2. খ) ফেসবুক
  3. গ) লিঙ্কডিন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

টুইটার, ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা মোবাইল টেলিফোনের মাধ্যমে প্রাপকদের গ্রুপের মধ্যে ছোট বার্তা বিতরণের জন্য অনলাইন মাইক্রোব্লগিং পরিষেবার প্ল্যাটফর্ম।
টুইটার প্রতিষ্ঠিত হয়- ২১শে মার্চ, ২০০৬ সালে।
সদর দপ্তর: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সুত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট

৯৮০.
হায়ারার্কিকাল টপোলজির জন্য ব্যবহৃত আরেকটি নাম কী?
  1. Tree Topology
  2. Star Topology
  3. Bus Topology
  4. Ring Topology
ব্যাখ্যা
• হায়ারার্কিকাল টপোলজির আরেকটি নাম হলো Tree Topology. এই টপোলজিতে নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলো একটি গাছের মতো কাঠামো তৈরি করে, যেখানে একটি মূল নোড থেকে বিভিন্ন শাখা বেরিয়ে আসে। Tree Topology মূলত Star ও Bus Topology এর সংমিশ্রণ হিসেবে কাজ করে। এতে প্রধান নোড থেকে বিভিন্ন স্তরের সাব-নোড যুক্ত থাকে, যা হায়ারার্কিকাল ব্যবস্থা তৈরি করে।
- Star Topology, Bus Topology এবং Ring Topology আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক কাঠামো, যা হায়ারার্কিকাল নয়। তাই, হায়ারার্কিকাল টপোলজির সঠিক নাম হলো Tree Topology।

- সঠিক উত্তর: ক) Tree Topology

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।

- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি,
২. বাস টপোলজি,
৩. রিং টপোলজি,
৪. ট্রি টপোলজি।

• ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
- ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।

- নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
- বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
- ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:
- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৮১.
কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্মে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছিল?
  1. ক্যাপাসিটার
  2. নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর
  3. একীভূত বর্তনী
  4. ন্যানোচিপ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্মে একীভূত বর্তনী ব্যবহৃত হয়েছিল।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮২.
ডেটাবেজের কাজ নয় কোনটি?
  1. ক) ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ
  2. খ) প্রয়োজনীয় রেকর্ড অনুসন্ধান ও সংশোধন
  3. গ) ওয়েবসাইট ডিজাইন করা
  4. ঘ) ডেটা সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
ওয়েবসাইট ডিজাইন করা ডেটাবেজের কাজ নয়। 

ডেটাবেজ হচ্ছে উপাত্ত বা ডেটার সুগঠিত সমাবেশ যা সহজে ব্যবহার, ব্যবস্থাপনা ও আপডেট করা যায়।

ডেটাবেজের ব্যাবহারসমূহ-
১. প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেস তৈরি করা ।
২. ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রন করা ।
৩. নতুন ডেটা ইনপুট করা।
৪. ডেটার বানান ও সংখ্যার ভুল অনুসন্ধান ও সংশোধন করা।
৫. অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা রেকর্ড বাদ দেওয়া।
৬. প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটা বা রেকর্ড অনুসন্ধান এবং ব্যবহার করা ।
৭. প্রয়োজনে ডেটাবেসকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে বর্নক্রমিক, সংখ্যাক্রমিক, পদবী বা উপাধি ভিত্তিক বা অন্য কোনভাবে বিন্যস্ত করা।
৮. রিপোর্ট তৈরি এবং প্রয়োজনীয় ডেটাবেসের প্রিন্ট নেওয়া।
৯. ডেটার নিরাপত্তা বিধান করা।
১০. ডেটা সংরক্ষন করা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
 
৯৮৩.
কম্পিউটার চালু করা বা পুনঃরায় চালু করার প্রক্রিয়াকে কি বলে ?
  1. ক) BIOS
  2. খ) Prompting
  3. গ) Trouble shooting
  4. ঘ) Booting
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার চালু করা বা পুনঃরায় চালু করার প্রক্রিয়াকে Booting বলে।
- যখন কম্পিউটারটি প্রথমবার চালু বা চালু করা হয় তখন সিস্টেমটি রম BIOS চিপ গুলিতে প্রাপ্ত স্টার্টআপ নির্দেশাবলীটি পড়ে।
- এই নির্দেশাবলী কম্পিউটারে পরীক্ষা করার জন্য পাওয়ার-অন সেলফ টেস্ট (POST) নামে কিছু পরীক্ষা করে। এটি সিস্টেমের হার্ডওয়্যারটি সঠিক কিনা তা পরীক্ষা করে।এই প্রক্রিয়াটিকে Booting বলে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)

৯৮৪.
দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে স্টারলিংকের ইন্টারনেট চালু করে কোন দেশ?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভুটান
  3. মালদ্বীপ
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা

স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়া হয়।
- স্টারলিংকের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- স্টারলিংক প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে। 
- ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মঙ্গোলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু রয়েছে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (১০ মার্চ, ২০২৫)।

৯৮৫.
কমিউনিকেশন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি কোনটি?
  1. স্প্যামিং
  2. ভিশিং
  3. স্নিফিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• স্নিফিং (Sniffing):
- স্নিফিং হলো কমিউনিকেশন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে ক্যাপচার বা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পদ্ধতি।
- যে ডিভাইস বা সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে এ ধরনের কাজ করা হয় তাকে প্যাকেট স্নিফার (Packet Sniffer) বলে।
- স্নিফিং তারযুক্ত বা তারবিহীন যেকোনো ধরনের কমিউনিকেশনে হতে পারে।
- ডেটাকে এনক্রিপশনের মাধ্যমেই এ ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানােকে স্প্যামিং বলে।
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং বলা হয়।
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮৬.
একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস কিভাবে গঠিত হয়?
  1. Username-Domain
  2. MailID#Domain
  3. User ID@Domain Name
  4. ID&Server
ব্যাখ্যা
একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।

ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮৭.
'POST' এর পূর্ণরূপ-
  1. ক) Power-On Start Test
  2. খ) Power-On Self Testing
  3. গ) Preliminary Operating Self Test
  4. ঘ) Power-On Self Test
ব্যাখ্যা
'POST' এর পূর্ণরূপ- Power On Self Test .
৯৮৮.
একটি টেবিলের সাথে অন্য আরেকটি টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা যায় কোনটির মাধ্যমে?
  1. ক) কম্পোজিট প্রাইমারী কী
  2. খ) প্রাইমারী কী
  3. গ) ফরেন কী
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
একটি টেবিলের সাথে অন্য আরেকটি টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা যায় ফরেন কী এর মাধ্যমে। 

- রিলেশনাল ডেটাবেজের ক্ষেত্রে এ ধরণের কী ব্যবহার করা হয়। 
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 
- দুটি টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 
- একটি টেবিলে বিভিন্ন টেবিলের একাধিক ফরেন কী থাকতে পারে। 
- দু’টি ফিল্ডের সমন্বয়ে প্রাইমারি কী গঠন করা হয়ে থাকে যার সাহায্যে ঐ টেবিলের যে কোন রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে  সনাক্ত করা যায়, তাদেরকে বলা হবে কম্পোজিট প্রাইমারি কী। 
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

সূত্র- ২৬৩ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮৯.
Which network is a packet switching network?
  1. ক) Ring network
  2. খ) LAN
  3. গ) Star network
  4. ঘ) EuroNET
ব্যাখ্যা
A packet-switched network is a digital communications network that groups all transmitted data, irrespective of content, type, or structure into suitably sized blocks.
৯৯০.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে HSPA এবং UMTS প্রযুক্তির ব্যবহার বিকাশ লাভ করে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
১. ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য সার্কিট সুইচিংয়ের বদলে প্যাকেট সুইচিংয়ের প্রবর্তন।
২. ভয়েস ও ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
৩. সেল সিগন্যাল এনকোডিং বা চ্যানেল একসেস পদ্ধতি হলো TD-CDMA
৪. উচ্চগতির ডেটা স্থানান্তর (2 Mbps বা অধিক) এবং আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা ।
5. WCDMA, CDMA, HSPA, HSDPA, UMTS প্রযুক্তির ব্যবহার বিকাশ লাভ।
৬. এর ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps-এর বেশি। খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান-প্রদান করা যায় এবং ভিডিও কলের প্রচলন শুরু।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯৯১.
WWW–তে তথ্য একে অপরের সাথে কোনটির মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে?
  1. ডাটাবেস
  2. প্রোটোকল
  3. হাইপারলিংক
  4. সার্ভার
ব্যাখ্যা

• ওয়েবপেজগুলো হাইপারলিংকের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।

• WWW (World Wide Web):
- WWW–এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য ব্রাউজ বা অ্যাক্সেস করার একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা।
- WWW মূলত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজের সমষ্টি, যা হাইপারলিংকের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
 
• World Wide Web–এর কার্যপদ্ধতি :
- ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে WWW–এর তথ্য দেখা ও ব্যবহার করা হয়।
- Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, ইত্যাদি ব্রাউজারের মাধ্যমে WWW–তে থাকা—
- ওয়েবসাইট,
- ফাইল,
- ছবি,
- ভিডিও অ্যাক্সেস করা যায়।
 
• WWW–এর বৈশিষ্ট্য:
- এটি ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- ওয়েব সার্ভারে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে সহজে অ্যাক্সেসযোগ্য।
- URL, HTTP এবং HTML ব্যবহার করে তথ্য প্রদর্শন ও আদান-প্রদান করে।
 
• WWW–এর গুরুত্ব :
- তথ্য বিনিময়কে সহজ ও দ্রুততর করেছে।
- অনলাইন শিক্ষা, ই-কমার্স, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গবেষণা ও বিনোদনসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও ডেটা শেয়ারিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

৯৯২.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্য সত্য নয় কোনটি?
  1. ক) স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট হয়
  2. খ) তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বেশি
  3. গ) অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম
  4. ঘ) ক্লাউড সার্ভিস সার্বক্ষণিক ব্যবহারযােগ্য
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা-
ক্লাউড সার্ভিস সার্বক্ষণিক ব্যবহারযােগ্য,
-যে কোনাে জায়গা থেকে ডেটা আপলােড ও ডাউনলােড করা যায়,
-নিজস্ব হার্ডওয়্যার খুব বেশি প্রয়োজন হয় না,
-অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম,
-স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট হয়ে থাকে ইত্যাদি।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধাঃ
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা কম। তথ্য বা ডেটার উপর এবং প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যারের উপর ব্যবহারকারীর একক নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৯৯৩.
DRY principle এর পূর্ণরূপ-
  1. ক) Don't Reuse Yourself
  2. খ) Don't Repeat Yourself
  3. গ) Do Repeat Yourself
  4. ঘ) Do Reuse Yourself
ব্যাখ্যা
• DRY principle এর পূর্ণরূপ- "Don't Repeat Yourself" ।
- এটি লজিক ডুপলিকেশন বাদ দেয়া হয় অ্যাবস্ট্রাকশনের মাধ্যমে।
- এর অর্থ ডেভলপমেন্ট এর প্রোসেস এর সময় ডুপ্লিকেট কোড বাদ দেয়া।
- এই প্রিন্সিপল যেকোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এ ব্যবহৃত করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৯৪.
সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ব্যবহারকারীর আইডি ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষার জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. কম্প্রেশন
  2. ফরম্যাটিং
  3. ডিফ্র্যাগমেন্টেশন
  4. এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ব্যবহারকারীর আইডি ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষার জন্য এনক্রিপশন (Encryption) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড ও সংবেদনশীল তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে, যাতে তৃতীয় পক্ষ বা হ্যাকাররা সহজে তা পড়তে না পারে।

• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৫.
অক্টাল সংখ্যা 162 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 112
  2. 114
  3. 116
  4. 118
ব্যাখ্যা
• (162)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 114.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(162)8
= (1 × 8²) + (6 × 8¹) + (2 × 8⁰)
= 64 + 48 + 2
= 114

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৯৬.
ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার - একটি অ্যানালগ কম্পিউটার ছিল, এটি কোন ধরনের সমীকরণের সমাধানে প্রধানত ব্যবহার করা হত?
  1. Algebraic equations
  2. Boolean equations
  3. Differential equations
  4. Linear equations
ব্যাখ্যা
• ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার একটি প্রাথমিক এনালগ কম্পিউটার ছিল, যা মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ (Differential Equations) সমাধান করতে ব্যবহৃত হত। এই কম্পিউটারটি বিশেষভাবে গতি, তাপ, বৈদ্যুতিক সার্কিটের মতো প্রকৌশল সমস্যার সমাধানে ব্যবহার করা হত, যেখানে পরিবর্তনশীল পরিমাণের মধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং সেগুলি সময় বা স্থানের উপর নির্ভর করত।

• অপশন আলোচনা:
- Linear equations: লিনিয়ার সমীকরণ সমাধান করতে ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার ব্যবহার করা হত না, যদিও এটি লিনিয়ার সমীকরণে কিছু সাহায্য করতে পারত।
- Boolean equations: Boolean সমীকরণ ডিজিটাল কম্পিউটার এবং লজিক গেটগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজারের উদ্দেশ্য ছিল না।
- Algebraic equations: এটি সাধারণত গাণিতিক সমীকরণ, কিন্তু ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের জন্য তৈরি হয়েছিল।

"ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ (Differential Equations) সমাধান করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, কিন্তু এটি লিনিয়ার সমীকরণ (Linear Equations) সমাধান করার জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হত না। তবে, কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে, এটি লিনিয়ার সমীকরণের সমাধান করতে সহায়ক হতে পারে।
তাই সঠিক উত্তর - Differential equations হবে।"


• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯৭.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1.  MICR
  2. Mouse
  3. Light pen
  4. Plotter
ব্যাখ্যা

• Plotter:
- প্লটার হলো এক ধরনের কম্পিউটার আউটপুট ডিভাইস যা উচ্চমানের গ্রাফিক্স, টেকনিক্যাল ড্রইং এবং বড় আকারের প্রিন্টআউট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, যা কলম বা অন্যান্য অঙ্কন সরঞ্জাম ব্যবহার করে কাগজ বা অন্যান্য মাধ্যমে রেখা ও আকার আঁকে।

ইনপুট ডিভাইস:
যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। যেমন :
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।
 
আউটপুট ডিভাইস:
যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৮.
101111 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) 47
  2. খ) 46
  3. গ) 48
  4. ঘ) 45
ব্যাখ্যা
(101111)₂
= (1 × 2⁵) + (0 × 2⁴) + (1 × 2³) + (1 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰)
= (47)₁₀
৯৯৯.
নিচের কোন সম্পর্কটি সঠিক?
  1. সর্টিং - খোঁজা
  2. ইনডেক্সিং - সাজানো
  3. কুয়েরি - বাছাই
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো ।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়। 
- সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়।

• কুয়েরি:
- ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।

• সর্টিং:
- যে প্রক্রিয়ায় ডাটাবেজের রেকর্ড সমূহ নির্দিষ্টক্রমে সাজানো হয় তাকে সর্টিং বলে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০০.
নিচের কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) দশমিক
  3. গ) অক্টাল
  4. ঘ) ট্যালি
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতি (Number System): 
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি। 
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System) ও
২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System)। 

নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non- positional Number System):
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System):
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।