বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Bank - Science

মোট প্রশ্ন৬৭৯এই পাতা৭৬প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Bank - Science

PrepBank · পাতা / · ৬০১৬৭৬ / ৬৭৯

৬০১.
Which is renewable energy?
  1. Coal
  2. Mineral oil
  3. Solar energy
  4. nuclear power
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য শক্তি:
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
• সৌরশক্তি: সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলে সৌরশক্তি। সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার প্রায় সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকে আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রকৃত পক্ষে বহু দিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি।

• জলবিদ্যুৎ: পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস। পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়। পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি। পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।

• বায়ু শক্তি: পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে।

• বায়োমাস শক্তি: সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

অন্যদিকে,
- কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০২.
The hottest planet in our solar system is -
  1. Venus
  2. Saturn
  3. Jupiter
  4. Mercury
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- শুক্র হলো সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং সৌরজগতের ষষ্ঠ বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণতম গ্রহ।
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।
- শুক্রের কোন বলয় নেই।
- শুক্র গ্রহকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

⇒ আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলির গড় তাপমাত্রা:
• শুক্র: ৪৬২° সেলসিয়াস।
• বুধ: ৪৩০° সেলসিয়াস।
• পৃথিবী: ১৪° সেলসিয়াস।
• মঙ্গল: -৬০° সেলসিয়াস।
• বৃহস্পতি: -১৪৫° সেলসিয়াস।
• শনি: -১৩৮° সেলসিয়াস।
• নেপচুন: -২১৪° সেলসিয়াস।
• ইউরেনাস: -২২৪° সেলসিয়াস।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) Worldatlas.
৬০৩.
What type of signal is transmitted through fiber optic cables?
  1. Radio signal
  2. Electrical signal
  3. Microwaves
  4. Optical signal
  5. Ultrasonic waves
ব্যাখ্যা

• ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে আলোক সংকেত (Optical signal) প্রেরণ করা হয়। 

• ফাইবার অপটিক্স:
- ফাইবার অপটিক্স একটি অত্যাধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি যার ফলে আলোক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো যায়।
- এতে প্লাস্টিক বা কাঁচের তৈরি পাতলা তন্তুর (fiber) মাধ্যমে আলো পাঠানো হয়।
- এটি আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ধর্ম ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে তথ্য বহন করে। 

• ফাইবার অপটিক প্রযুক্তির কার্যপ্রণালী:
- তথ্য প্রথমে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- এরপর সেই সংকেতকে আলোক সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- আলোক সংকেতকে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- গন্তব্যে পৌঁছে আলোক সংকেত আবার ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Radio signal: ওয়্যারলেস যোগাযোগে (রেডিও, Wi-Fi, মোবাইল) ব্যবহৃত হয়, ফাইবারে নয়।
- Electrical signal: কপার তার (twisted pair, coaxial) দিয়ে প্রেরণ করা হয়।
- Microwaves: মাইক্রোওয়েভ লিঙ্ক, স্যাটেলাইট যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়, ফাইবারে নয়।
- Ultrasonic waves: শব্দ তরঙ্গ (ultrasound), যা মেডিকেল ইমেজিং বা sonar-এ ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা। 
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ০ ১০ম শ্রেণি।

৬০৪.
The three primary colour that can create other colour are-
  1. ক) Red, Yellow, Blue
  2. খ) Red, Orange, Blue
  3. গ) Red, Blue, Green
  4. ঘ) Red, Green, Black
ব্যাখ্যা

The three additive primary colours are red, green, and blue;
this means that, by additively mixing the colours red, green, and blue in varying amounts, almost all other colours can be produced,
and, when the three primaries are added together in equal amounts, white is produced.
Source: www.britannica.com

৬০৫.
What is humidity?
  1. The amount of rainfall in an area
  2. The amount of water vapor in the air
  3. The temperature of the air
  4. The pressure of the atmosphere
ব্যাখ্যা

• Humidity হলো বাতাসে বিদ্যমান জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। অর্থাৎ, এটি নির্ধারণ করে কতটা জল বাষ্প আকারে বাতাসে রয়েছে। বাতাসে বেশি জলীয় বাষ্প থাকলে আমরা বলি “high humidity” এবং কম থাকলে “low humidity।” এটি বর্ষা বা বৃষ্টির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, কারণ এটি শুধুমাত্র বায়ুর আর্দ্রতার পরিমাপ। তাপমাত্রার সাথে মিলিত হয়ে, উচ্চ আর্দ্রতা মানুষকে আরও গরম বা অস্বস্তিকর অনুভূতি দিতে পারে। সুতরাং, humidity হলো জলীয় বাষ্পের পরিমাণ এবং এটি বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ বা বৃষ্টিপাতের পরিমাণের সঙ্গে সরাসরি সমান নয়।

- সঠিক উত্তর: খ) The amount of water vapor in the air.
 
বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity): 
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। 
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা। 
অর্থাৎ, বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে। 
- বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম। 
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে। 
- বায়ুর এই আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়। 
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। 

যথা- 
১। পরম আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা। 

২। আপেক্ষিক আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাতকে বলা হয় আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৬০৬.
What is the full form of LNG?
  1. Liquefied Nitrate Gas
  2. Liquefied Natural Gas
  3. Liquefier Nitrate Gas
  4. Liquefier Natural Gas
  5. Liquefied Nitric Gas
ব্যাখ্যা
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি):
- LNG-এর পূর্ণরূপ: Liquefied Natural Gas বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস।
- তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস যাকে সংরক্ষণ ও পরিবহনের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে তরলে রূপান্তর করা হয়েছে।
- জ্বালানি হিসেবে এলএনজির জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বাড়ছে।
- প্রাকৃতিক গ্যাসকে -১৬০ ডিগ্রি সে: তাপমাত্রা ও ১ বায়ুচাপে রেফ্রিজারেসন প্রক্রিয়ায় তরল করে এলএনজি (LNG-Liquefied Natural Gas) পাওয়া যায়।
- এলএনজির প্রধান উপাদান মিথেন।
- তবে, সামান্য পরিমান ইথেন, প্রপেন, বিউটেন, পেন্টেনসহ অন্যান্য হাইড্রোকার্বন মিশ্রিত থাকে।
- প্রাকৃতিক গ্যাস-কে এলএনজিতে রূপান্তর করলে এর আয়তন সংকুচিত হয়ে ৬০০ গুন কমে যায়।
- এলএনজি বর্ণহীন, গন্ধহীন, ননকরোসিভ, ননটক্সিক পদার্থ এবং এর ঘনত্ব কমবেশী ৪৬০ কেজি/ঘনমিটার।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড ওয়েবসাইট।
৬০৭.
Which blood cell is primarily responsible for destroying microbes through the process of phagocytosis?
  1. Red blood cells
  2. Neutrophils
  3. Lymphocytes
  4. Platelets
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
• শ্বেত রক্ত কণিকা:
- শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
- শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে। 
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 

- এই রক্ত কণিকার Neutrophils ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৮.
Which of the following elements is commonly used as fuel in nuclear fission reactors?
  1. Uranium-235
  2. Helium-4
  3. Carbon-12
  4. Hydrogen-1
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়ার ফিশন রিয়্যাক্টরে সবচেয়ে সাধারণভাবে যে উপাদানটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় তা হলো Uranium-235 (ইউরেনিয়াম-২৩৫)। ইউরেনিয়াম-২৩৫ একটি ভারী মৌল যা পারমাণবিক বিভাজনযোগ্য। যখন একটি ইউরেনিয়াম-২৩৫ নিউক্লিয়াস একটি ধীর নিউট্রনের সঙ্গে সংঘর্ষ করে, এটি বিভক্ত হয়ে দুইটি ছোট নিউক্লিয়াস এবং কয়েকটি অতিরিক্ত নিউট্রন মুক্ত করে। এই বিভাজন প্রক্রিয়ায় প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, যা পরে পানি বা অন্য কোনো মাধ্যমের মাধ্যমে বাষ্পে রূপান্তরিত হয়ে টারবাইন চালায় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। অন্যদিকে Helium-4, Carbon-12, এবং Hydrogen-1 নিউক্লিয়ার ফিশনের জন্য উপযুক্ত নয়, কারণ এদের নিউক্লিয়াস সহজে বিভাজন হয় না। তাই নিউক্লিয়ার শক্তি উৎপাদনে ইউরেনিয়াম-২৩৫কে প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
 
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে এক বা একাধিক ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া বলে। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে শক্তির উৎস হচ্ছে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া। 
- নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়। 

নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় একটি পারমাণু ভেঙ্গে একাধিক হালকা ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে পারমাণবিক বোমা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬০৯.
A chronometer is used to measure:
  1. Velocity
  2. Pressure
  3. Temperature
  4. Time
ব্যাখ্যা
- সময় নির্ণায়ক যন্ত্রটির নাম হচ্ছে ক্রনোমিটার।
- বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৬১০.
What is the scientific name of Vitamin C? 
  1. Nitric Acid
  2. Ascorbic Acid
  3. blue Berry
  4. Black Berry
  5. None of these
ব্যাখ্যা
ভিটামিন 'সি': 
- ভিটামিন 'সি' এর রাসায়নিক নাম হচ্ছে 'অ্যাসকরবিক’ এসিড। 
- ভিটামিন 'সি' কে স্কার্ভি প্রতিরোধক ভিটামিন ও বলা হয়। 
- বিশুদ্ধ এসকরবিক এসিড সাদা, দানাদার, সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
- এ ভিটামিন খুবই অস্থিতিশীল তাপ, আলো, বাতাস, ক্ষার ও ধাতবের সংস্পর্শে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। 
- পানিতে দ্রবনীয় বলে শাকসবজি পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিলে বা সিদ্ধ করে পানি ফেলে দিলে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ পর্যন্ত ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়। 
- তরকারি চুলায় বসিয়ে রাখলে বা বারে বারে গরম করলেও ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়। 

- সবজি ও ফলে সামান্য চিনি মেশালে ভিটামিন 'সি' অনেকটা বেড়ে যায়। 
- কচুশাক, মুলাশাক, সজিনাপাতা, ধনেপাতা, লাল শাক, খেসারি শাক, বথুয়া শাক, পালং শাক, লাউ শাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো ইত্যাদিতে ভিটামিন 'সি' পাওয়া যায়। তবে আমলকিতে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন 'সি' রয়েছে। 
- ভিটামিন 'সি' এর অভাবে স্কার্ভি নামক রোগ হয়। এতে দাঁতের মাড়ি ফুলে যায়, দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত ক্ষরণ হয়। 
- শিশুদের হাঁটুর জয়েন্টে ব্যাথা হয় ও ফুলে যায় এবং রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। 

উৎস: গার্হস্থ্যবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬১১.
Which organ in the human body is responsible for pumping blood?
  1. Kidney
  2. Brain
  3. Liver
  4. Heart
  5. All of the above
ব্যাখ্যা
• মানবদেহ:
- মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্র প্রধানত ২ ধরনের।
- সিস্টেমিক সংবহনতন্ত্র ও পালমোনারি সংবহনতন্ত্র।
- মূলত: রক্ত সংবহনের জন্য বিভিন্ন অঙ্গের পারস্পরিক সহযোগিতায় যে অঙ্গতন্ত্র গঠিত হয় তাকে "রক্ত সংবহনতন্ত্র” বলে।
- এ তন্ত্র রক্ত, রক্তবাহিকা ও হৃদপিণ্ড দিয়ে গঠিত।
- মানবদেহের রক্তবাহিকাগুলো দু'ধরনের রক্ত সংবহন চক্র গঠন করে।
- যথা: সিস্টেমিক চক্র ও পালমোনারি চক্র।
- ডান নিলয়ের উপরি ভাগ থেকে উৎপন্ন পালমোনারি মহাধমনি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পালমোনারি ধমনি গঠন করে।
- ইনফিরিয়র ভেনাক্যাভা: এটি উদরীয় গহ্বরে অ্যাওটার ডান পাশে অবস্থিত।
- এটি ডায়াফ্রামের একটি ছিদ্র পথে বক্ষীয় গহ্বরে প্রবেশ করে এবং রক্তকে ডান অ্যাট্রিয়ামে বহন করে।

উৎস: প্রাণি বিজ্ঞান, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১২.
Which organ is called 'protein factory'?
  1. Nucleus
  2. Ribosome
  3. Mitochondria
  4. Chloroplast
ব্যাখ্যা
রাইবোজোম:
- অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম কিংবা নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এর গায়ে, মাইটোকন্ড্রিয়ার ভিতরে অথবা সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো অঙ্গানুগুলোকে বলা হয় রাইবোজোম।
- ১৯৫৫ সালে প্যালাডে প্রথম রাইবোজোম আবিষ্কার করেন।
- রাইবোজোম এর প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা।
- এজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।

এছাড়া,
- মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বলা হয়।
- নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক বা প্রাণশক্তি বলা হয়।
- ক্লোরোপ্লাস্টকে উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬১৩.
Photosynthesis primarily occurs in which part of a plant?
  1. Roots
  2. Stem
  3. Leaves
  4. Flowers
ব্যাখ্যা

◉ সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) প্রক্রিয়াটি প্রধানত উদ্ভিদের পাতায় (leaves) ঘটে, কারণ পাতায় ক্লোরোফিল (chlorophyll) নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থ থাকে, যা সূর্যের আলো শোষণ করে।

সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়।
- তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৬১৪.
Which color has the shortest wavelength?
  1. Violet
  2. Red
  3. Green
  4. Blue
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- লাল রঙের আলাের বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬১৫.
Which color of light has the shortest wavelength?
  1. Green
  2. Red
  3. Blue
  4. Violet
  5. Yellow
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলো:
- দৃশ্যমান আলো হল একটি তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণের অংশ যা মানুষের চোখ দ্বারা দেখা যায়।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৩৮০ থেকে ৭৫০ ন্যানোমিটার (nm) এর মধ্যে থাকে।
- দৃশ্যমান আলোর বর্ণালিতে (Visible Light Spectrum) বিভিন্ন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength) ভিন্ন ভিন্ন হয়।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, আলোর শক্তি (Energy) তত বেশি।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৩৮০ থেকে ৪৫০ ন্যানোমিটার এর মধ্যে থাকে।
- তাই, দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।

• দৃশ্যমান আলোর বর্ণালিতে রঙের ক্রম (তরঙ্গদৈর্ঘ্য হ্রাস অনুসারে):
- লাল (Red) → সবচেয়ে বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্য (৬২০-৭৫০ nm),
- কমলা (Orange) → ৫৯০-৬২০ nm,
- হলুদ (Yellow) - ৫৭০-৫৯০ nm,
- সবুজ (Green) - 495-570 nm,
- নীল (Blue) → ৪৫০-৪৯5 nm,
- বেগুনি (Violet) → সবচেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য (৩৮০-৪৫০ nm)।

 উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৬১৬.
Which year was the first case of AIDS diagnosed in the United States of America?
  1. 1979
  2. 1981
  3. 1985
  4. 1987
  5. 1989
ব্যাখ্যা
এইডস রোগ: 
- সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী রোগ হচ্ছে ‘এইডস’ (AIDS)। 
- এটি একটি সংক্রামক রোগ। 
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। 
- আফ্রিকার দেশগুলোতে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। 
- প্রাকৃতিক নিয়মে সব মানুষের দেহেই রোগ-জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে, একে ইমিউনিটি বলা হয়। 
- রক্তের লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি প্রস্তুতের মাধ্যমে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে যা AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ধীরে ধীরে এই ক্ষমতা কমতে থাকে। 

- এই কারণে এ রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে- ‘অ্যাকুয়ার্ড ইম্যুন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রম’ যা সংক্ষেপে AIDS ( Acquired Immune Deficiency Syndrome)। 
- এটি এক ধরনের ভাইরাস, যার নাম Human immunodeficiency Virus (HIV), এটি AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে। 
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। 
- দেহের রক্তস্রোতে প্রবেশ করার পর HIV রক্তের শ্বেত কণিকার T- লিম্ফোসাইটকে আক্রমণ করে, যার ফলে দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। 
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। 
- এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে। 

- প্রধানত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে HIV সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়, মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে সদ্যোজাত শিশুর দেহে এ রোগ সংক্রমিত হতে পারে, এছাড়াও রক্ত সঞ্চালন কিংবা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জের মাধ্যমে এ রোগ সঞ্চারিত হতে পারে। 
- AIDS প্রতিরোধ করার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলো, HIV সংক্রমণ কীভাবে ঘটে সে সম্পর্কে সবাইকে শিক্ষা দেওয়া। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬১৭.
Which planet is commonly referred to as the “Green Planet”?
  1. Mercury
  2. Venus
  3. Mars
  4. Uranus
ব্যাখ্যা

• ইউরেনাস: 
- ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল।
- ইউরেনাসের নীলাভ সবুজ বর্ণ শীতল মিথেন গ্যাসের প্রভাবে হয়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলে।

অন্যদিকে, 
- মঙ্গলকে লাল গ্রহ বলে।
- গ্রহরাজ বলা হয় বৃহস্পতিকে।
- বুধ হল সূর্যের নিকটতম এবং সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ।

তথ্যসূত্র: নাসা ওয়েবসাইট।

৬১৮.
Which of the following is a part of the forebrain?
  1. Thalamus
  2. Cerebellum
  3. Medulla oblongata
  4. Pons
ব্যাখ্যা
মস্তিষ্ক:
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যে স্ফীত অংশ করোটির মধ্যে অবস্থান করে এবং মানবদেহের সকল কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে তাকে মস্তিষ্ক বলে।
- প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন প্রায় ১৫০০ ঘন সেন্টিমিটার, গড় ওজন প্রায় ১.৩৬ কেজি এবং প্রায় ১০০ বিলিয়ন নিউরন থাকে।
- মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে বড়, জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- মানব মস্তিষ্ক ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা-
(১) অগ্রমস্তিষ্ক,
(২) মধ্যমস্তিষ্ক ও
(৩) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

⇒ অগ্রমস্তিষ্ক:
- অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে।
- এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা-
(ক) সেরেব্রাম,
(খ) থ্যালামাস
(গ) হাইপোথ্যালামাস।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১৯.
Which material has an electrical conductivity between conductor and non-conductor?
  1. Silver
  2. Copper
  3. Gold
  4. Silicon
  5. Rubber
ব্যাখ্যা
সিলিকনের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী ও অপরিবাহীর পদার্থের মাঝামাঝি।

পরিবাহী:
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে, সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে।
- যেমন - রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি।

অপরিবাহী:
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না, সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে।
- যেমন - কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি।

অর্ধপরিবাহী:
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি অর্থাৎ যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে।
- যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২০.
The green plastid that contains chlorophyll is called:
  1. Chloroplast
  2. Chromoplast
  3. Leukoplast
  4. Etioplast
ব্যাখ্যা

• সবুজ রঙ্গক ক্লোরোফিল ধারণকারী প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট (Chloroplast) বলা হয়। এটি উদ্ভিদ এবং শৈবাল কণিকায় পাওয়া যায় এবং প্রধানত সূর্যালোক থেকে শক্তি সংগ্রহ করে খাদ্য প্রস্তুত করে, যা ফটোসিন্থেসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে। ক্লোরোপ্লাস্টে থাকা ক্লোরোফিল পিগমেন্টটি সবুজ রঙ প্রদান করে এবং আলো শোষণ করে। এটি কোষের শক্তি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সূর্যের শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে থাইলাকয়েড, স্ট্রোমা এবং গ্রানা থাকে, যা ফটোসিন্থেসিস প্রক্রিয়াকে কার্যকর করে। তাই, উদ্ভিদ কোষের সবুজ রঙ এবং খাদ্য উৎপাদনের মূল কেন্দ্র হলো ক্লোরোপ্লাস্ট।

প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- 
 ১। ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 
 
২। ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- ক্রোমোপ্লাস্টগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটি হলুদ, কোনটি নীল আবার কোনটি লাল দেখায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। 
 
৩। লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬২১.
Which is the suitable pH for digesting food in the stomach?
  1. 2
  2. 4
  3. 7
  4. 8
ব্যাখ্যা
pH:
- পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।
- মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45।
- বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7।
- মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২২.
Which antigen is present in the O blood group?
  1. ক) Either A or B
  2. খ) Both A and B
  3. গ) Neither A nor B
  4. ঘ) O
  5. ঙ) None of these
ব্যাখ্যা

There are no antigens present in Blood group O. It has both anti-A and anti-B antibodies in the plasma and also some special “anti-A,B” antibodies. Blood group AB has both A and B antigens, but no antibodies.

৬২৩.
Which mosquito species is known to carry Plasmodium parasites?
  1. Aedes
  2. Anopheles
  3. Culex
  4. Armigeres
ব্যাখ্যা

• যে মশা Plasmodium পরজীবী বহন করে এবং মানুষের মধ্যে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়, সেটি হলো Anopheles প্রজাতির মশা। এই মশা প্রধানত সন্ধ্যা ও রাতের বেলা কামড়ায় এবং স্ত্রী মশাগুলোই রক্ত চুষে থাকে, কারণ তাদের ডিম বিকাশের জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়। যখন সংক্রমিত Anopheles মশা মানুষকে কামড়ায়, তখন তার লালার সঙ্গে Plasmodium পরজীবী মানব রক্তে প্রবেশ করে। পরে এই পরজীবী যকৃত ও রক্তকণিকায় বৃদ্ধি পেয়ে ম্যালেরিয়ার লক্ষণ সৃষ্টি করে, যেমন জ্বর, কাঁপুনি ও দুর্বলতা। তাই সঠিক উত্তর হলো — খ) Anopheles.

অ্যানোফিলিস: 
- ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুবাহী মশা হলো অ্যানোফিলিস। 
- স্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য দায়ী। 
- ১৮৯৭ সালে ভারতে কর্মরত ব্রিটিশ ডাক্তার স‍্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে Anopheles মশা এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। 
- এ আবিষ্কারের কারণে তাকে ১৯০২ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়। 
- তিনি সুস্থ ও সংক্রমিত পাখিদেরকে অধ্যয়ন করে প্লাসমোডিয়াম জীবাণুর সমগ্র জীবনচক্র সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করেন। 
- তিনি দেখান যে মশার লালাগ্রন্থিতে প্লাসমোডিয়াম জীবাণু থাকে এবং মশার কামড়ের মাধ্যমে এটি অন্য পোষকের দেহে সংক্রমিত হয়। 
- তাঁর এই কাজের উপর ভিত্তি করে অ্যানোফিলিস মশার বংশবিস্তার রোধের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। 
অন্যদিকে, 
- ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী মশার প্রজাতি হলো- এডিস। 
- ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের জীবাণুবাহী মশা হলো- কিউলেক্স। 
- কালাজ্বরের জীবাণুবাহী মশা হলো- স্যান্ড ফ্লাই। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৬২৪.
The practice of bee keeping is called - 
  1. Sericulture 
  2. Pisciculture 
  3. Aviculture 
  4. Apiculture 
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
এপিকালচার (Apiculture): 
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার (Apiculture) বলে। 
- বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়। 

অন্যদিকে, 
সেরিকালচার (Sericulture): 
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার (Sericulture)। 
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত। 

এভিকালচার (Aviculture): 
- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার (Aviculture) বলে। 
- যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে। 

পিসিকালচার (Pisciculture): 
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার (Pisciculture) বলে। 
- মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে। 

উৎস: Britannica.
৬২৫.
What is the normal pH level of human blood?
  1. 7.0
  2. 7.2
  3. 7.4
  4. 7.8
ব্যাখ্যা

মানুষের রক্ত:
- মানুষের রক্তে pH এর মাত্রা ৭.৪।
- রক্ত হচ্ছে প্লাজমা ও প্লাজমায় ভাসমান বিভিন্ন কোষীয় উপাদানে গঠিত জটিল তরল টিস্যু।
- মানুষের দেহে প্রায় ৫ থেকে ৬ লিটার রক্ত থাকে।
- রক্ত একটি মানুষের দেহের ৮%।
- রক্তের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

• রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা থাকে। যথা-
- লোহিত রক্তকণিকা,
- শ্বেত রক্তকণিকা এবং
- অণুচক্রিকা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।

৬২৬.
What substance prevents blood from coagulating within the blood vessels, despite it coagulating outside the body?
  1. Hemoglobin
  2. Hypnotoxin
  3. Water
  4. Heparin
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
(Hemoglobin):
- Hemoglobin (Hb) হল একটি প্রোটিনসমৃদ্ধ পদার্থ যা লোহিত রক্তকণিকার মধ্যে থাকে এবং কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
- দেহে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের পরিমাণ বজায় রাখতে তথা কোষকে সতেজ রাখতে দেহে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে হয়।

(Heparin):
- রক্তের অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত তঞ্চন করা বা জমাট বাঁধানোতে (blood clotting) সাহায্য করা। যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে রক্ত জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে।
- হেপারিন হলো বেসোফিল নামক শ্বেতরক্তকনিকা থেকে নিঃসৃত এক ধরনের পদার্থ যা রক্তকে রক্তনালীর ভেতর জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয়।

(Hypnotoxin):
- হিপনোটক্সিন হলো নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের নেমাটোসিস্ট নামক অঙ্গে উপস্থিত একধরণের বিষ যা তারা শিকারকে অবশ করতে ব্যাবহার করে।

(Water):
- পানি(H2O) হলো একটি অজৈব, স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন এবং প্রায় বর্ণহীন এক রাসায়নিক পদার্থ, যা পৃথিবীর ও যে কোন জীব-কোষ বা উদ্ভিদ-কোষের একটি প্রধান উপাদান।
- যদিও পানি কোন প্রাণী বা উদ্ভিদকে কোন রকমের শক্তির যোগান দেয না তবুও পৃথিবীর পরিবেশ ও সমস্ত ধরনের প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য।

তথ্যসূত্র:
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান।
- National library of medicine,USA.
৬২৭.
How many laws did Johannes Kepler formulate regarding the motion of the planets?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা
• কেপলারের সূত্র: 
- প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীরা সৌর জগতের সূর্য ও গ্রহগুলির গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন। 
- বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানীরা এ সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেন। 
- গ্রীক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস, ট্রাইকোব্রাহে প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করে। 
- ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে। 
- জন কেপলার সৌরজগতের গ্রহগুলির গতি সংক্রান্ত তিনটি সূত্র উপস্থাপন করেন, তার নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 

যেমন- 
• প্রথম সূত্র: সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। 

• দ্বিতীয় সূত্র: প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্ৰ সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে। 

• তৃতীয় সূত্র: সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৮.
Which instrument is used to measure humidity?
  1. Psychrometer
  2. Hydrometer
  3. Barometer
  4. Hygrometer
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬২৯.
Which temperature is equal on both Fahrenheit and Celsius scales?
  1. -40
  2. 0
  3. 32
  4. 212
  5. -22
ব্যাখ্যা
• সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেল:
- সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো:
C/5 = (F - 32)/9 [C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা] 

এখন, 
সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা সমান (x) হলে, 
x/৫ = (x - ৩২)/৯ 
Or, ৯x = ৫x - ১৬০ 
Or, ৪x = - ১৬০ 
Or, x = - ৪০ 
অর্থাৎ, - ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফারেনহাট ও সেলসিয়াস স্কেলে সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৩০.
Which of the following parts of the eyes controls the size of the pupil?
  1. ক) Retina
  2. খ) iris
  3. গ) Cornea
  4. ঘ) A & C
  5. ঙ) None of the above
ব্যাখ্যা
The size of the pupil is controlled by the iris. The iris controls the amount of light entering into the eye.
৬৩১.
How many types of amino acids have been found in the human body?
  1. 18
  2. 20
  3. 24
  4. 26
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
• আমিষ: 
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। 
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক। 

• উৎস বিবেচনায় আমিষ দুই প্রকার। 
যথা: প্রাণিজ ও উদ্ভিজ। 

- প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। 
যেমন: মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির ইত্যাদি। 
- আর উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। 
যেমন: ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি,বাদাম ইত্যাদি। 

- প্রাণিদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য। 
- দেহকোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি। 
- দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং- এগুলো সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়। 
- প্রাণিদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৩২.
What is polythene made from?
  1. Ethyne
  2. Ethylene glycol
  3. Ethylene
  4. Chloroethene
ব্যাখ্যা
• ইথিলিন থেকে পলিথিন তৈরি করা হয়।

• পলিথিন:
- ইথিলিন থেকে পলিথিন পাওয়া যায়।
- ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ২০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন পাওয়া যায়।
- তবে এক্ষেত্রে পলিমারকরণ দ্রুত করার জন্য প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

- তবে উচ্চ চাপ পদ্ধতি সহজসাধ্য না হওয়ায় বর্তমানে পদ্ধতি টি জনপ্রিয় নয়।
- এখন টাইটেনিয়াম ট্রাই ক্লোরাইড (TiCl3) নামক প্রভাবক ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলীয় চাপেই পলিথিন তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৩৩.
Who invented radioactivity?
  1. Henri Becquerel
  2. Michael Faraday
  3. Benjamin Franklin
  4. J J Thomson
ব্যাখ্যা
তেজষ্ক্রিয়তা:
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত স্বীয় বিচ্ছিন্নকারী প্রক্রিয়া।
- ১৮৯৬ খিস্টাব্দে বিখ্যাত বিজ্ঞানী হেনরী বেকরেল সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তিনি লক্ষ্য করেন যে, ইউরেনিয়াম এবং তাদের যৌগ হতে আপনা আপনি এক প্রকার রহস্যজনক কণা এবং রশ্মি নির্গত হতে থাকে।
- এর পরে পিয়েরে কুরী এবং তাঁর স্ত্রী মাদাম কুরী থোরিয়ামের মধ্যে একই গুণ আবিষ্কার করেন।
- ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে তিনি এটি আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার একক বেকরেল।
- তাছাড়া, কুরি এবং রাদারফোর্ড ও তেজষ্ক্রিয়তার ২ টি একক। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই, (শাহাজাহান তপন)।
৬৩৪.
Which of the following is not a greenhouse gas?
  1. CH4
  2. N2O
  3. CFC
  4. H2S
ব্যাখ্যা

- হাইড্রোজেন সালফাইড (H₂S) গ্রীন হাউজ গ্যাস নয়।

গ্রিনহাউজ গ্যাস (Greenhouse gas):

- গ্রিনহাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রিনহাউজ গ্যাস।
• কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে:
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂),
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
- মিথেন (CH4),
- ওজোন (03),
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড হলো পরোক্ষ গ্রীন হাউজ গ্যাস।

অন্যদিকে,
- অক্সিজেন, হাইড্রোজেন সালফাইড (H₂S) গ্রীন হাউজ গ্যাস নয়।

উৎস: ⅰ) ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) GRID-Arendal.

৬৩৫.
The device for determining the depth of the sea is -
  1. Seismograph
  2. Fathometer
  3. Hygrometer
  4. Pyrometer
ব্যাখ্যা

পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৬৩৬.
Which light has the longest wavelength?
  1. Violet
  2. Yellow
  3. Orange
  4. Red
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৩৭.
By which other name is the Higgs boson particle popularly known?
  1. Neutrino particle
  2. Photon particle
  3. Dark matter particle
  4. God particle
  5. Exotic boson
ব্যাখ্যা

• হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।
- হিগস বোসন ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।
- এই হিগস বোসন কণাকে ঈশ্বর কণা (God Particle) বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩৮.
What is the atomic number of mercury?
  1. 85
  2. 78
  3. 80
  4. 75
ব্যাখ্যা
• পারদের পারমাণবিক সংখ্যা ৮০
এবং ভরসংখ্যা ২০০, সংকেত - Hg

কিছু গুরুত্বপূর্ণ মৌলের পারমানবিক সংখ্যা:
→ সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১১,
→ ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১২,
→ কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬,
→ আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩,
→ সিলিকনের পারমাণবিক সংখ্যা ১৪,
→ নাইট্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ৭,
→ ইউরেনিয়ামের পারমানবিক সংখ্যা ৯২।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৩৯.
Who invented the groundbreaking discovery of the integrated circuit in the modern era?
  1. Stephenson
  2. J.S. Kelby
  3. John A. Larson
  4. Gottfried Wilhelm Leibniz
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- স্টিফেনসন -রেলওয়ে ইঞ্জিনের আবিষ্কারক।
- জন এ লারসন- পলিগ্রাফ বা মিথ্যা ধরার যন্ত্র এর আবিষ্কারক।
- জে এস কেলবি- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট এর আবিষ্কারক।
- গট‌ফ্রিড ভিলহেল্ম লাইব‌নিৎস- ইন্টিগ্রাল ক্যালকুলাস এর আবিষ্কারক।

তথ্যসূত্র:
- Britannica.
৬৪০.
What is the pH of human blood?
  1. 4.2
  2. 5.7
  3. 6.3
  4. 7.4
ব্যাখ্যা

মানুষের রক্ত:
- মানুষের রক্তে pH ৭.৪।
- রক্ত হচ্ছে প্লাজমা ও প্লাজমায় ভাসমান বিভিন্ন কোষীয় উপাদানে গঠিত জটিল তরল টিস্যু।
- মানুষের দেহে প্রায় ৫ থেকে ৬ লিটার রক্ত থাকে।
- রক্ত একটি মানুষের দেহের ৮%।
- রক্তের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা থাকে।লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।

৬৪১.
Which system in the brain controls voluntary muscle movements?
  1. Nervous system
  2. Respiratory system
  3. Digestive system
  4. Endocrine system
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
• স্নায়ুটিস্যু বা নার্ভটিস্যু: 
- প্রাণী দেহের যে কলা উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করতে পারে তাকে স্নায়ুটিস্যু বা নার্ভটিস্যু বলে। 
যেমন- মস্তিষ্ক, সুষুম্না কাণ্ড ইত্যাদি। 
- স্নায়ুটিস্যুর একক হচ্ছে স্নায়ুকোষ বা নিউরন। 
- মস্তিষ্ক অসংখ্য স্নায়ুকোষ বা নিউরন দিয়ে তৈরি। 

• প্রতিটি নিউরন তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা-
(ক) কোষদেহ,
(খ) ডেনড্রন এবং
(গ) অ্যাক্সন। 

স্নায়ুটিস্যুর কাজ: 
• দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় ও সংবেদন গ্রহণকারী অঙ্গ থেকে গৃহীত উদ্দীপনা মস্তিষ্কে প্রেরণ করে। 
• দেহের কার্যকর অংশ এ উদ্দীপনায় সাড়া দেয়। 
যেমন- মশা কামড়ালে এ অনুভূতি মস্তিষ্কে পাঠায়, মস্তিষ্ক হাতকে এ কথা জানায় তখন হাত মশা মারার চেষ্টা করে। 

• উদ্দীপনা বা ঘটনাকে স্মৃতিতে ধারণ করে। 
• দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৬৪২.
A microphone is a device that captures sound input and converts it into ____________________.
  1. Heat energy
  2. Solar energy
  3. Gravitational energy
  4. Electrical energy
  5. Wind energy
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোফোনে শব্দ শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রুপান্তর করা হয়। আর স্পীকারে তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রুপান্তর করা হয় ।

• শক্তির রূপান্তর:
প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।
নিচে শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হল।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
- বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
- কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
- বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি:
- কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
- কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
- ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি।
৬৪৩.
Which substance does not allow charge to flow through it?
  1. Silver
  2. Aluminum
  3. Copper
  4. Glass
  5. Gold
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তাদেরকে বলা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
- এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়, আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

পরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি। 
- মূলত: সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহীতে অনেক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন- কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলত প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৪.
What is the value of the gravitational acceleration on Earth?
  1. 9.81 m/s²
  2. 9.21 m/s²
  3. 10.1 m/s²
  4. 8.51 m/s²
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর অভিকর্ষজ বলের মান বস্তু ও পৃথিবীর ভরের ওপর নির্ভরশীল এবং নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী নির্ণীত হয়।
- ভূ-পৃষ্ঠে যে কোনো বস্তুর জন্য এই বল F=mg দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যেখানে g হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।
- পৃথিবীর ভর ও ব্যাসার্ধ নির্দিষ্ট হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) সাধারণত 9.81 m/s² হিসেবে ধরা হয়।
- তবে এটি ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে পরিবর্তিত হয়, যেমন বিষুব রেখায় প্রায় 9.78 m/s² এবং মেরু অঞ্চলে 9.83 m/s²।
- উচ্চতা ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে g-এর মান কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
- তবুও, গণনার সুবিধার্থে 9.81 m/s²-কে গড় মান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
 
 সূত্র: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬৪৫.
Aedes aegypti is the main type of mosquito that transmits-
  1. Malaria fever
  2. Dengue fever
  3. Typhoid fever
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• ডেঙ্গু জ্বর:
- ডেঙ্গু একটি ভাইরাসঘটিত রোগ।
- এই ভাইরাসের জীবাণুর নাম ফ্ল্যাভি ভাইরাস।
- এটি একটি RNA ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের বাহক হলো Aedes aegypti L. ও Aedes albopictus নামক মশকী (স্ত্রী মশা)।
- এর পোষক দেহ হলো মানুষ।
- প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। 
- ডেঙ্গু জ্বরে ১০৩-১০৫° ফারেনহাইট হয়ে থাকে।
- সাধারণত ডেঙ্গু মশা কামড়ানোর ২-৭ দিন পর জ্বর দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীর তীব্র মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, পেট ব্যাথা, কপাল ব্যথা ও গলা ব্যথা হয়।
- মেরুদণ্ডের ব্যথাসহ কোমরে ব্যথা এই রোগের বিশেষ লক্ষণ। একে হাড়ভাঙ্গা জ্বর বলে। 
- প্লেটিলেট পরীক্ষায় রক্তের অনুচক্রিকার সংখ্যা ১৫০০০০/mm৩ এর অনেক নিচে নেমে আসে।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীকে এসপিরিন জাতীয় ওষুধ দেয়া যাবে না।
- ব্যথা ও জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিতে হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৬৪৬.
The ‘Concept of inertia’ was first formulated by -
  1. ক) Alexander Newton
  2. খ) Galileo Galilei
  3. গ) René Descartes
  4. ঘ) Nicolaus Copernicus
ব্যাখ্যা

- Law of inertia, also called Newton's first law, postulates in physics that, if a body is at rest or moving at a constant speed in a straight line, it will remain at rest or keep moving in a straight line at constant speed unless it is acted upon by a force.

- The law of inertia was first formulated by Galileo Galilei for horizontal motion on Earth and was later generalized by René Descartes.

Source: Britannica

৬৪৭.
What is the function of an autoclave?
  1. Destroy viruses
  2. Kill tetanus bacteria
  3. Destroy fungi
  4. Destroy all microorganisms
ব্যাখ্যা

• অটোক্লেভের কাজ (Function of Autoclave): 
- অটোক্লেভ হলো একটি যন্ত্র যা বাষ্পের মাধ্যমে জীবাণুমুক্তকরণ (Sterilization) প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।  
- এটি উচ্চ তাপমাত্রা (প্রায় ১২১° সেলসিয়াস) ও চাপ (১৫ পাউন্ড প্রতি বর্গ ইঞ্চি) ব্যবহার করে জীবাণু ধ্বংস করে।  
- অটোক্লেভের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাংগাস এবং স্পোরসহ সকল প্রকার জীবাণু সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা যায়।  
- এটি সাধারণত চিকিৎসা উপকরণ, ল্যাবরেটরি সরঞ্জাম, সার্জিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- শুধুমাত্র ভাইরাস, টিটেনাস জীবাণু বা ফাংগাস নয় — অটোক্লেভের কাজ হলো সব জীবাণু ধ্বংস করা।  

সুতরাং, অটোক্লেভের প্রধান কাজ হলো সকল প্রকার জীবাণু সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা।  

তথ্যসূত্র: ScienceDirect. 

৬৪৮.
How much argon (Ar) gas in the composition of air?
  1. ক) 0.41%
  2. খ) 0.03%
  3. গ) 0.02%
  4. ঘ) 0.80%
ব্যাখ্যা

- বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন গ্যাসের মধ্যে নাইট্রোজেনের (Nitrogen) পরিমাণ সব চেয়ে বেশী (৭৮%) এবং তার পরেই অক্সিজেনের (Oxygen) স্থান (২০.৯%) ।
- এরা মিলিত ভাবে বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৯৮.৯% ভাগ অধিকার করে আছে ।
- এরা ছাড়া বায়ুমণ্ডলের বাকি ১.১ ভাগ অংশে:
কার্বন ডাই-অক্সাইড(Carbon dioxide),
আর্গন;(Argon),
নিওন(Neon),
হিলিয়াম(Helium)
ক্রিপ্টন(Krypton),
জেনন (Xenon),
হাইড্রোজেন(Hydrogen),
মিথেন(Methane),
নাইট্রাস অক্সাইড(Nitrous oxide),
ওজোন;(Ozone) প্রভৃতি নানা গ্যাস রয়েছে ।

- বাতাসে আর্গনের পরিমান ০.৮০%।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।

৬৪৯.
Which is the main organic acid present in bananas? 
  1. Oxalic acid
  2. Malic acid
  3. Citric acid
  4. Lactic acid
ব্যাখ্যা

• কলায় প্রধান জৈব এসিড হলো ম্যালিক এসিড। এটি একটি প্রাকৃতিক জৈব অ্যাসিড, যা ফলে টক স্বাদ সৃষ্টি করে এবং ফলের পরিপক্বতা ও স্বাদ উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ম্যালিক এসিড কলার কোষীয় শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় এবং শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। এছাড়া এটি ফলের সংরক্ষণকাল বৃদ্ধি ও রঙ, গন্ধ এবং স্বাদ ধরে রাখতে সাহায্য করে। কলা ছাড়াও আপেল, নাশপাতি, আঙুর প্রভৃতি ফলেও ম্যালিক এসিড পাওয়া যায়। এই অ্যাসিড মানবদেহে শক্তি বিপাকে ভূমিকা রাখে এবং এটি সাধারণত নিরাপদ ও উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়।
 
জৈব এসিড: 
- জলপাই, করমচা, আমলকি ও কাঁচা আমড়া ও লেবুতে সাইট্রিক এসিড থাকে। 
- তেঁতুলে টারটারিক এসিড থাকে। 
- টকদই এর মধ্যে থাকে ল্যাকটিক এসিড। 
- বাজারে কাঁচের বোতলে যে ভিনেগার পাওয়া যায় তা মূলত ইথানোয়িক এসিড (CH3-COOH)-এর ৬-১০% জলীয় দ্রবণ। 
- বাজারে বিভিন্ন রকমের সফট ড্রিংকস পাওয়া যায় যেগুলো প্রকৃত অর্থে কার্বনিক এসিডের দ্রবন। 
- পাকস্থলির দেয়াল হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) উৎপন্ন করে। এ হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাবারের সাথে বিভিন্ন ক্ষতিকারক অণুজীবকে মেরে ফেলে এবং খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। আবার পাকস্থলি থেকে অতিরিক্ত এসিড উৎপন্ন হলে বুক জ্বালা ও গলায় জ্বালাপোড়া অনুভব করে থাকি। তখন আবার অতিরিক্ত এসিডকে প্রশমিত করতে সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NaHCO3) অথবা এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ সেবন করে থাকি। 

অজৈব এসিড: 
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl), নাইট্রিক এসিড (HNO3) ও সালফিউরিক এসিড (H2SO4) হলো অজৈব এসিড।
- পানিতে বিভিন্ন অনুপাতে যোগ করে তাদের দ্রবণ প্রস্তুত করা হয়েছে।
- জলীয় দ্রবণে থেকেই এরা তাদের এসিড ধর্ম প্রদর্শন করে।
- হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাসের কোনো এসিড ধর্ম থাকে না। হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন করে থাকে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫০.
A rocket flying to the moon does not need wings because-
  1. it has no engine
  2. space has too much dust
  3. it has no fuel
  4. space is airless
ব্যাখ্যা
- চাঁদে উড়ে যাওয়া রকেটের ডানার প্রয়োজন হয় না কারণ স্থান বায়ুহীন
- রকেটের ডানা বা উইং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বা বাতাসের বিরুদ্ধে ভারসাম্য বজায় রাখতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মহাকাশে কোনো বায়ু বা বায়ুচাপ নেই, তাই ডানার প্রয়োজন হয় না।

- Rockets do not need a lift from wings. Instead they get all of their lift from engine thrust.
- The smaller fins help provide the necessary control a rocket needs immediately after lift off (or launch).
- And most importantly wings are designed to work in air, so when there is no air rocket must go on with the thrust it gets from the engine.
- So rocket does not need wings because space is airless.
৬৫১.
What is the conversion relationship between horsepower (H.P.) and watts (W)?
  1. 1 H.P. = 550 W
  2. 1 H.P. = 746 W
  3. 1 H.P. = 3.6 × 10^6 W
  4. None of these
ব্যাখ্যা
ওয়াট: 
- 1 সেকেন্ডে 1 জুল (J) কাজ করার ক্ষমতাকে 1 ওয়াট (W) বলে। 
∴ 1 W = 1 J s -1
1 কিলোওয়াট (kW) = 1000 ওয়াট (W) 
1 মেগাওয়াট (MW) = 1000 কিলোওয়াট (kW) = 106 W = 106 Hs-1

অশ্বক্ষমতা: 
- এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি চালুর পূর্বে ক্ষমতার একটি ব্যবহারিক একক ছিল অশ্বক্ষমতা। 
- ওয়াট-এর সাথে অশ্বক্ষমতার সম্পর্ক হলো - 1 H.P. = 746 Watt. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৬৫২.
Which is the sources of renewable energy?
  1. Mineral oil
  2. Hydroelectric power
  3. Nuclear power
  4. Coal
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য শক্তি:
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
• সৌরশক্তি: সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলে সৌরশক্তি। সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার প্রায় সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকে আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রকৃত পক্ষে বহু দিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি।

• জলবিদ্যুৎ: পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস। পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়। পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি। পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।

• বায়ু শক্তি: পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে।

• বায়োমাস শক্তি: সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

অন্যদিকে,
- কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৩.
Which of the following gases is present in the least amount in the atmosphere?
  1. Ozone
  2. Water vapor
  3. Carbon dioxide
  4. Argon
ব্যাখ্যা

- ওজোন গ্যাসের পরিমাণ বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে কম (খুব সামান্য পরিমাণে থাকে) এবং এর পরিমাণ প্রায় ০.০০০১% । 

• বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের উপাদানের নাম ও শতকরা পরিমাণ নিম্নে দেওয়া হলো- 
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন ⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫৪.
Which instrument is used to measure water vapor in the air? 
  1. Thermometer 
  2. Barometer 
  3. Anemometer 
  4. Hygrometer 
ব্যাখ্যা

⇒ হাইগ্রোমিটার (Hygrometer): বাতাসে আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ পরিমাপ করে।

অন্যদিকে,
- থার্মোমিটার (Thermometer): তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র।
- অ্যানোমোমিটার (Anemometer):  বাতাসের গতি পরিমাপক যন্ত্র।
- ব্যারোমিটার (Barometer):  বায়ুর চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র। 

উৎস: Britannica.

৬৫৫.
In which layer of the atmosphere is ozone gas mainly found?
  1. Mesosphere
  2. Temperature
  3. Troposphere
  4. Stratosphere
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল: 
- যে বায়বীয় অংশটি পৃথিবীর পৃষ্ঠকে ঘিরে রেখেছে সেটিই বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডল মূলত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে তৈরি। এছাড়াও জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা, আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং আরও কিছু গ্যাস বায়ুমণ্ডলে রয়েছে। 
- পৃথিবী সকল কিছুকে তার নিজের দিকে টানে ফলে বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠের কাছাকাছি থাকে। তাই ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বায়ুমণ্ডল ঘন হয়ে থাকে। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উপরের দিকে যাবে, বায়ুমণ্ডলকে তত হালকা বা পাতলা হতে থাকবে। 
- বায়ুমণ্ডল ভূপৃষ্ঠ থেকে দশ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলকে অনেকগুলো স্তরে ভাগ করা হয়। প্রথম চারটি স্তর হলো- ট্রপোস্ফিয়ার বা ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল ও তাপমণ্ডল। 

ট্রপোমণ্ডল: 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে বারো কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলকে বলা হয় ট্রপোমণ্ডল। 
- এই স্তরে বায়ুর বেশির ভাগ প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প থাকে। 
- এই স্তরে মানুষ ও অন্যান্য জীবের জীবনকে প্রভাবিত করে এমন সব ঘটনা ঘটে। 
যেমন- এই স্তরে মেঘ, বৃষ্টি, বায়ু প্রবাহ, ঝড়, কুয়াশা এসব হয়। তাই ট্রপোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর। 

স্ট্রাটোমণ্ডল: 
- ট্রপোমণ্ডলের ঠিক উপরেই শুরু হয়েছে স্ট্রাটোমণ্ডল। 
- এই স্তর ট্রপোমণ্ডল থেকে শুরু করে প্রায় ৫০ কিলোমিটার বিস্তৃত। 
এই স্তরে রয়েছে ওজোন নামের একটি গ্যাস। 
- এই গ্যাস সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। 
- এই স্তর এবং এর উপরের দিকে বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য গ্যাস খুব কম পরিমাণে আছে। 

মেসোমণ্ডল: 
- স্ট্রাটোমণ্ডল শেষ হয়ে এই স্তর শুরু। 
- এই স্তর প্রায় ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এই স্তরের উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুর তাপমাত্রা কমতে থাকে। 

তাপমণ্ডল: 
- এই স্তর প্রায় বায়ুশুন্য। 
- এই স্তরে বায়ুর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে, তাই এর নাম তাপমণ্ডল। 
- এই স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৬৫৬.
Which device converts AC to DC?
  1. Amplifier
  2. Transistor
  3. Rectifier
  4. Pyrometer
ব্যাখ্যা
রেকটিফায়ার:
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current/AC) ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current/DC) ভোল্টেজে রূপার করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে।
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেফটিফায়ার বলে।
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।
- একমুখীকরণে দুই ধরনের রেফটিফায়ার বর্তনী ব্যবহার করা হয়।
- যথা:
(১) অর্ধতরঙ্গ রেকটিফায়ার।
(২) পূর্নতরঙ্গ রেকটিফায়ায়।

অন্যদিকে,
- অ্যামপ্লিফায়ার এমন একটি বৈদ্যুতিক ডিভাইস যা কোনও ইনপুট সিগন্যালের কারেন্ট বা শক্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে।
- ট্রানজিস্টর (Transistor) একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৭.
Which disease is known as "German measles"?
  1. Rubella
  2. Rubeola
  3. Chickenpox
  4. Mumps
  5. Shingles
ব্যাখ্যা

Rubella: 
- "German measles" নামে পরিচিত রোগটির প্রকৃত নাম হলো রুবেলা (Rubella)।
- এটি একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ, এটি সাধারণত শিশু ও কিশোরদের মধ্যে দেখা যায়।
- রুবেলার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে হালকা জ্বর, গলা ব্যথা, মুখে শুরু হয়ে শরীরে ছড়িয়ে পড়া গোলাপি ফুসকুড়ি এবং লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া।
- যদিও এটি বেশিরভাগ সময় মৃদু লক্ষণযুক্ত, তবে গর্ভবতী নারীর জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে, কারণ গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটি (Congenital Rubella Syndrome) সৃষ্টি করতে পারে।
- "German measles" নামটি এসেছে কারণ জার্মান চিকিৎসকেরাই প্রথম রুবেলাকে আলাদা রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

এছাড়াও,
- Chickenpox, Mumps, ও Shingles ভাইরাসজনিত রোগ। 

সূত্র: WHO ও Cleveland Clinic এর ওয়েবসাইট। 

৬৫৮.
Number of chromosomes in human body cells -
  1. 48
  2. 46
  3. 44
  4. 40
ব্যাখ্যা
• মানুষের দেহকোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমসোম থাকে।

- এ  ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম ।
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই ।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৯.
What substance is commonly formed during a combustion reaction?
  1. Carbon dioxide
  2. Sodium chloride
  3. Argon gas
  4. Nitrogen gas
  5. All of the above
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত বিক্রিয়া সমূহ হচ্ছে- 
১। সংযোজন বিক্রিয়া, 
২। বিয়োজন বিক্রিয়া, 
৩। প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া এবং 
৪। দহন বিক্রিয়া ইত্যাদি।

দহন বিক্রিয়া (Combustion Reaction):
- এ প্রক্রিয়ায় কোন মৌল বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার সাথে সংযুক্ত উপাদান মৌলগুলোকে অক্সাইড যৌগে পরিণত করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
- কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- সালফারকে বায়ুতে পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- মিথেন গ্যাসকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পোড়ালে মিথেনের উপাদান মৌল কার্বন পরিবর্তিত হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং হাইড্রোজেন পরিবর্তিত হয়ে উহার অক্সাইড পানি উৎপন্ন করে। এ দহন বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন তাপ রান্নাসহ অন্যান্য কাজ বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬০.
Who invented the fundamental particle 'Proton'?
  1. Ernest Rutherford
  2. J.J. Thomson
  3. James Chadwick
  4. Sir Isaac Newton
ব্যাখ্যা
পরমানুর মৌলিক কণিকা ৩ টি।
ইলেক্ট্রন - জে জে থমসন আবিস্কার করেন।
প্রোটন - রাদারফোর্ড আবিস্কার করেন।
নিউট্রন - জেমস্‌ চ্যাডউইক আবিস্কার করেন।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু আবিস্কার:
- টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ এবং বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন। 
- নিউটন সার্বজনীন মহাকর্ষ এবং বিখ্যাত তিন গতির সূত্রের আবিস্কার করেন। 
- টরেসিলি ১৬৪৩ সালে বায়ুমন্ডলীয় চাপ পরিমাপের যন্ত্র আবিস্কার করেন যার নাম ব্যারোমিটার। 
- মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন। 
- আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল ১৮৭৬ সালে টেলিফোন আবিস্কার করেন।
- ডব্লিউ কনগ্রিড রকেট আবিষ্কার করেন। 

উৎস:
১. উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
৬৬১.
মানব শরীরের কোথায় ইনসুলিন উৎপন্ন হয়?
  1. অ্যাড্রেনালিন
  2. থাইম্যান
  3. অগ্ন্যাশয়
  4. পিটুইটারি
  5. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ইনসুলিন:
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬২.
Which of the following is not included in SI units?
  1. Gram
  2. Mole
  3. Centimeter
  4. Candela
  5. Both A and C
ব্যাখ্যা
– সেন্টিমিটার ও গ্রাম হচ্ছে CGS একক।

International System of Units (SI):
– ১৯৬০ সালে আন্তর্জাতিক একক হিসেবে গৃহীত হয়।

SI এককসমূহ:
১. সেকেন্ড (s): সময়ের একক।
২. মিটার (m): দূরত্বের একক।
৩. কিলোগ্রাম (kg): ভরের একক।
৪. অ্যাম্পিয়ার (A): ইলেকট্রন প্রবাহের একক।
৫. মোল (Mol): যে পরিমাণ বস্তুতে অ্যাভোগাড্রোর ধ্রুব ৬.০২*১০^২৩ সংখ্যক কণা থাকে সেটি হচ্ছে এক মোল।
৬. কেলভিন (K): তাপমাত্রার একক।
৭. ক্যান্ডেলা (cd): আলোর তীব্রতার একক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৬৩.
Which virus is responsible for causing dengue fever?
  1. Herpesvirus
  2. Flavivirus
  3. Adenovirus
  4. Retrovirus
ব্যাখ্যা
- ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস হচ্ছে- ফ্ল্যাভি ভাইরাস।

• ভাইরাস:
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে।
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে।
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে।
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে।

ভাইরাসের অপকারিতা:
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে।
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো-


অপশন আলোচনা:
ক) Herpesvirus
হার্পিস ভাইরাস একটি সাধারণ ভাইরাস যা চর্মরোগ সৃষ্টি করে।

খ) Flavivirus
ফ্লাভিভাইরাস ডেঙ্গু জ্বরের কারণ হিসেবে পরিচিত।

গ) Adenovirus
অ্যাডেনোভাইরাস শ্বাসকষ্ট, জ্বর এবং সংক্রমণ সৃষ্টি করতে পারে।

ঘ) Retrovirus
রেট্রোভাইরাস একটি ভাইরাস যা মানুষের দেহে এইচআইভি সংক্রমণের জন্য পরিচিত।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬৪.
The unit of pressure:
  1. Watt
  2. Pascal
  3. Newton
  4. Joule
ব্যাখ্যা
- চাপ হল একক ক্ষেত্রফলে কোন বস্তুর তলের ওপর লম্বভাবে প্রযুক্ত সমভাবে বিতরিত বল।
- পারিপার্শ্বিক চাপের সাপেক্ষে যে চাপ উৎপন্ন হয় তাকে বলা হয় গজ চাপ।
- চাপের একক হলো প্যাসকেল এবং সংকেত Pa.

• অন্যান্য অপশন আলচনা:
- কাজ/শক্তি/তাপের একক - জুল
- বল/ওজনের একক - নিউটন।
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক - ওয়াট।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
৬৬৫.
What is the smallest bone in the human body?
  1. Ulna
  2. Tibia
  3. Stapes
  4. Femur
ব্যাখ্যা
মানবদেহ:
- মানবদেহে সবচেয়ে ছোট হাড় রয়েছে- কানের মধ্যে। 
- কানের মধ্যকর্ণে তিনটি হাড় রয়েছে - ম্যালেউস, স্টেপস এবং ইনকাস।
- স্টেপস তিনটি হাড়ের মধ্যে সবচেয়ে ছোট।
- স্টেপসের আকার ৩ মিমি × ২.৫ মিমি।
- ফিমার বা উরুর হাড়  হচ্ছে মানবদেহের সবচেয়ে বড় এবং ভারী হাড়।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র,গাজী আজমল।
৬৬৬.
Which of the following vitamins is primarily responsible for blood clotting?
  1. Vitamin K
  2. Vitamin E
  3. Vitamin D
  4. Vitamin B12
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- Vitamin K রক্ত জমাট বাঁধাতে (blood clotting) প্রধান ভূমিকা পালন করে।   

• Vitamin K:
- ভিটামিন কে এর রাসায়নিক নাম ফাইটাল নেপথোকুইনোন।
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্থ হয় না।
- ভিটামিন 'কে' এর উৎস:
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুটি ইত্যাদিতে কে ভিটামিন পাওয়া যায়।
ভিটামিন 'কে' এর কাজ:
- কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে।
- রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে।
- পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে।

• অন্যদিকে:
→ Vitamin B12 – রক্ত তৈরিতে এবং স্নায়ু ব্যবস্থার কার্যকারিতায় সাহায্য করে।
→ Vitamin E – একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, কোষ রক্ষা করে।
→ Vitamin D – ক্যালসিয়াম শোষণ এবং হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬৭.
In which season is sound heard louder and travels farther than in other seasons?
  1. Rainy season
  2. Winter season
  3. Summer season
  4. Spring season
  5. None of the above
ব্যাখ্যা

• বর্ষাকালে শব্দ কেন বেশি দূরে যায় এবং জোরে শোনা যায় তার প্রধান কারণ হলো বাতাসের আর্দ্রতা।
- আমরা জানি, শব্দের বেগ ঘনত্বের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক (v × 1/√ρ)। অর্থাৎ ঘনত্ব কমলে শব্দের বেগ বাড়ে।
- বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়লে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়। শব্দের বেগ বাতাসের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে; ঘনত্ব যত কম হয়, শব্দের বেগ তত বৃদ্ধি পায়। বর্ষাকালে এই বেগ বেশি থাকার কারণে শব্দ অনেক স্পষ্ট ও উচ্চৈঃস্বরে শোনা যায়।

• শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য:
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়।
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক।
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।
- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে।
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়।
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৬৮.
What is the smallest bone in the human body?
  1. Ulna
  2. Tibia
  3. Femur
  4. Stapes
ব্যাখ্যা
মানবদেহ:
- মানবদেহে সবচেয়ে ছোট হাড় রয়েছে- কানের মধ্যে। 
- কানের মধ্যকর্ণে তিনটি হাড় রয়েছে - ম্যালেউস, স্টেপস এবং ইনকাস।
- স্টেপস তিনটি হাড়ের মধ্যে সবচেয়ে ছোট।
- স্টেপসের আকার ৩ মিমি × ২.৫ মিমি।
- ফিমার বা উরুর হাড়  হচ্ছে মানবদেহের সবচেয়ে বড় এবং ভারী হাড়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র,গাজী আজমল।
৬৬৯.
Which of the following is not a contagious disease?
  1. Smallpox
  2. Mumps
  3. Tuberculosis
  4. Typhoid
  5. None
ব্যাখ্যা

• অপশন আলোচনা -

সংক্রামক (contagious) রোগ হল সেই রোগ যা একজন মানুষ থেকে অন্য মানুষে ছড়াতে পারে।

ক) Smallpox, (সংক্রামক)।
খ) Mumps, (সংক্রামক)।
গ) Tuberculosis, (সংক্রামক)।
ঘ) Typhoid, (Typhoid মূলত খাদ্য বা পানির মাধ্যমে ছড়ায়, সরাসরি সংক্রমণ নয়)।

Correct answer: Typhoid​.

• সংক্রমণযোগ্য রোগসমূহ (Contagious Diseases):  
- সংক্রমণযোগ্য রোগগুলো সেই রোগ যা একজন ব্যক্তির থেকে অন্য ব্যক্তির কাছে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে, ড্রপলেট বা অন্যান্য মাধ্যমে ছড়ায়।  
- সংক্রমণযোগ্য রোগের উদাহরণ হলো ছোটপোকা (Smallpox), কামড় (Mumps), এবং ক্ষয়রোগ (Tuberculosis)।  
- এই রোগগুলো সঠিক সাবধানতা না নিলে সমাজে দ্রুত ছড়াতে পারে।  
- টিকা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সংক্রমণ রোধের জন্য সাধারণ পদ্ধতি।  

• টাইফয়েড (Typhoid):  
- টাইফয়েড হলো সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ।  
- এটি মূলত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়, সরাসরি মানুষের মধ্যে নয়।  
- সংক্রমণ হলেও, এটি সংক্রমণযোগ্য রোগের মত দ্রুত ছড়ায় না।  
- ভালো স্বাস্থ্যবিধি, পরিচ্ছন্ন পানি এবং সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা টাইফয়েড প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।  

- সুতরাং, সরাসরি মানুষের মধ্যে ছড়ায় না এমন রোগের মধ্যে টাইফয়েড অন্যতম।  
- সঠিক উত্তর: ঘ) টাইফয়েড। 

সূত্র: WHO ওয়েবসাইট।

৬৭০.
What is dialysis primarily used for in the human body?
  1. Removing wastes from blood
  2. Carrying oxygen
  3. Producing hormones
  4. Digesting food
ব্যাখ্যা

• ডায়ালিসিস মূলত রক্ত থেকে বর্জ্য এবং অতিরিক্ত তরল অপসারণের জন্য ব্যবহার করা হয়। যখন কিডনি যথাযথভাবে কাজ করতে পারে না, তখন শরীরের ভেতরে বিষাক্ত পদার্থ যেমন ইউরিয়া এবং ক্রিয়েটিনিন জমা হতে পারে, যা স্বাভাবিকভাবে কিডনি দ্বারা বের হয়। এই অবস্থায় ডায়ালিসিস একটি কৃত্রিম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রক্ত পরিষ্কার করে, অতিরিক্ত জল ও লবণ নিয়ন্ত্রণ করে, এবং শরীরের তরল ও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি কেবল বর্জ্য অপসারণের কাজ করে; অক্সিজেন পরিবহন, হরমোন উৎপাদন বা খাবার হজমের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। তাই ডায়ালিসিসের প্রধান উদ্দেশ্য হলো রক্ত থেকে বর্জ্য দূর করা।

- সঠিক উত্তর: ক) Removing wastes from blood.

• বৃক্ক: 
- মানবদেহের উদরগহ্বরের পেছনের অংশে, মেরুদণ্ডের দুদিকে বক্ষপিঞ্জরের নিচে পিঠ-সংলগ্ন অবস্থায় দুটি বৃক্ক অবস্থান করে।
- প্রতিটি বৃক্ক দেখতে শিমবীজের মতো এবং এর রং লালচে হয়।
- বৃক্কের বাইরের পার্শ্ব উত্তল এবং ভিতরের পার্শ্ব অবতল হয়। অবতল অংশের ভাঁজকে হাইলাস বা হাইলাম বলে। হাইলামের ভিতর থেকে ইউরেটার এবং রেনাল শিরা বের হয় এবং রেনাল ধমনি বৃক্কে প্রবেশ করে। দুটি বৃক্ক থেকে দুটি ইউরেটার বের হয়ে মূত্রাশয়ে প্রবেশ করে। ইউরেটারের ফানেল আকৃতির প্রশস্ত অংশকে রেনাল পেলভিস বলে।
- বৃক্ক সম্পূর্ণরূপে এক ধরনের তনুময় আবরণ দিয়ে বেষ্টিত থাকে, একে রেনাল ক্যাপসুল বলে।
- ক্যাপসুল-সংলগ্ন অংশকে কর্টেক্স এবং ভেতরের অংশকে মেডুলা বলে। উভয় অঞ্চলই যোজক কলা এবং রক্তবাহী নালি দিয়ে গঠিত। - মেডুলায় সাধারণত ৮-১২ টি রেনাল পিরামিড থাকে। এদের অগ্রভাগকে রেনাল প্যাপিলা বলে। এসব প্যাপিলা সরাসরি পেলভিসে উন্মুক্ত হয়।
- প্রতিটি বৃক্কে বিশেষ এক ধরনের নালিকা থাকে, যাকে ইউরিনিফেরাস নালিকা বলে। প্রতিটি ইউরিনিফেরাস নালিকা নেফ্রন এবং সংগ্রাহক বা সংগ্রাহী নালিকা (Collecting tubule)-এই দু'টি প্রধান অংশে বিভক্ত। নেফ্রন মূত্র তৈরি করে আর সংগ্রাহী নালিকা রেনাল পেলভিসে মূত্র বহন করে।
- বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যকরী একক হলো নেফ্রন। প্রতিটি বৃক্কে প্রায় ১০ থেকে ১৫ লক্ষ নেফ্রন থাকে।

• বৃক্ক বিকল:
- নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনিতে পাথর ইত্যাদি কারণে কিডনি ধীরে ধীরে বিকল হয়ে যায়। আকস্মিক কিডনি অকেজো বা বিকল হওয়ার কারণগুলো হলো কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ইত্যাদি।
- কিডনি বিকল হলে মূত্রের পরিমাণ কমে যাবে। রক্তে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পাবে। তখন রক্তের বর্জ্য দ্রব্যাদি অপসারণের জন্য নির্দিষ্ট সময় পর পর রোগীকে ডায়ালাইসিস করা হয়।

• ডায়ালাইসিস:
- বৃক্ক সম্পূর্ণ অকেজো বা বিকল হওয়ার পর বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধন করার নাম ডায়ালাইসিস।
- সাধারণত 'ডায়ালাইসিস মেশিনের' সাহায্যে রক্ত পরিশোধন করা হয়। এ মেশিনের ডায়ালাইসিস টিউবটির এক প্রান্ত রোগীর হাতের কব্জির ধমনির সাথে এবং অন্য প্রান্ত ঐ হাতের কব্জির শিরার সাথে সংযোজন করা হয়। ধমনি থেকে রক্ত ডায়ালাইসিস টিউবের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করানো হয়। এর প্রাচীর আংশিক বৈষম্যভেদ্য হওয়ায় ইউরিয়া, ইউরিক এসিড এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ বাইরে বেরিয়ে আসে। পরিশোধিত রক্ত রোগীর দেহের শিরার মধ্য দিয়ে দেহের ভেতর পুনরায় প্রবেশ করে।
- ডায়ালাইসিস টিউবটি এমন একটি তরলের মধ্যে ডুবানো থাকে, যার গঠন রক্তের প্লাজমার অনুরূপ হয়। এভাবে ডায়ালাইসিস মেশিনের সাহায্যে নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ (ইউরিয়া এবং অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ) বাইরে নিষ্কাশিত হয়। তবে এটি একটি ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া।

• প্রতিস্থাপন:
- যখন কোনো ব্যক্তির কিডনি বিকল বা অকেজো হয়ে পড়ে তখন কোনো সুস্থ ব্যক্তির কিডনি তার দেহে প্রতিস্থাপন করা যায়। এই প্রক্রিয়াকে কিডনি সংযোজন বলে। 
- কিডনি সংযোজন দুভাবে করা যায়: কোনো নিকট আত্মীয়ের কিডনি অথবা কোনো মৃত ব্যক্তির কিডনি রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করা যায়। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।

৬৭১.
What is the pH of the stomach during digestion?
  1. 2
  2. 4.2
  3. 5.5
  4. 7.4
ব্যাখ্যা
pH:
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- মানব দেহের বিভিন্ন তরল উপাদানের pH নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45.
- মানুষের জিহ্বার লালার pH = 6.6.
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH = 2.
- শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH = 5.5.
- ত্বকের pH মান 5.5 থেকে 6.5 এর মধ্যে থাকলে ত্বক বিভিন্ন এলার্জেন ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণকে প্রতিরোধ করতে পারে।
- নবজাতক শিশুর ত্বকের pH = 7.

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭২.
Which is the chemical symbol for citric acid?
  1. C6H8O7
  2. C3N2O3
  3. C2O3OH4
  4. C3PO4
ব্যাখ্যা
এসিডের নাম ও সংকেত:

• ফসফরিক এসিড - H3PO4
• ফরমিক এসিড - H-COOH
• অ্যাসিডিক এসিড - CH-COOH
• অক্সালিক এসিড - COOH-COOH
• সাইট্রিক এসিড - C6H8O7
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড - HCI
• নাইট্রিক এসিড - HNO3
• সালফিউরিক এসিড - H2SO4

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭৩.
What is the full form of DNA?
  1. Deoxyribonucleic Acid
  2. Deoxyribogenetic Acid
  3. Deoxynitronucleic Acid
  4. Deoxygenetic Acid
ব্যাখ্যা
• মানব দেহে দুই ধরনের নিউক্লিক এসিড থাকে- DNA এবং RNA।
- DNA এর পূর্ণরূপ হল Deoxyribonucleic acid এবং
- RNA এর পূর্ণরূপ হল Ribonucleic acid.
- জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান হলো DNA.

উল্লেখ্য, 
- এটি একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে।
- ডিএনএ হলো দ্বিসূত্রকবিশিষ্ট পলিনিউক্লিয়োটাইডের সর্পিলাকার গঠন।
- ডিএনএ অণুর আকৃতি অনেকটা প্যাঁচানো সিঁড়ির ন্যায়। 
- ১৯৫৩ সালে জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক বিজ্ঞানীদ্বয় ডিএনএ অণুর গঠন আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭৪.
What type of tissue is blood classified as?
  1. Nervous tissue
  2. Epithelial tissue
  3. Muscle tissue
  4. Connective tissue
ব্যাখ্যা
• যোজক টিস্যু (Connective Tissue):

• যোজক বা কানেকটিভ টিস্যুতে মাতৃকার (Matrix) পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি এবং কোষের সংখ্যা কম।
• গঠন এবং কাজের ভিত্তিতে কানেকটিভ টিস্যু প্রধানত তিন ধরনের হয়। যথা-
(i) ফাইব্রাস যোজক টিস্যু;
(ii) স্কেলিটাল যোজক টিস্যু;
(iii) তরল যোজক টিস্যু। 

• রক্ত: 

• রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু।
• ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।
• উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।
• রক্তের উপাদান দুটি- রক্তরস (৫৫%) এবং রক্তকণিকা (৪৫%)।
• রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ। এর প্রায় ৯১-৯২% অংশ পানি এবং ৮-৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭৫.
Potassium nitrate is used in -
  1. ক) Medicine
  2. খ) Fertiliser
  3. গ) Salt
  4. ঘ) Glass
ব্যাখ্যা

Potassium nitrate (KNO₃) is a soluble source of two major essential plant nutrients.
It’s commonly used as a fertilizer for high-value crops that benefit from nitrate (NO₃-) nutrition and a source of potassium (K+) free of chloride (Cl⁻).
Source: www.corpnutrition.com

৬৭৬.
Which planet is often referred to as the "Red Planet"?
  1. Saturn
  2. Mercury
  3. Jupiter
  4. Venus
  5. Mars
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ এবং গ্রহসমূহ: 
- মহাকাশের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে যে জগতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে বিশ্বজগৎ বা বিশ্বভ্রহ্মান্ড বলে। 
- সূর্য বিশ্বজগতের কোটি কোটি নক্ষত্রের মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। 
- সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমন্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে। 
- মহাকাশে সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট গতিতে, নির্দিষ্ট দূরত্বে, একই সমতলে একইদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘূনর্ণরত সকল গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধুমকেতু ও উল্কাপিন্ডের সমন্বয়ে সৌরজগত গঠিত হয়েছে। 

মঙ্গল গ্রহ: 
- মঙ্গলগ্রহ  হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ। 
- বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ। 
- মঙ্গল গ্রহটিকে ‘লালগ্রহ’ নামে অভিহিত করা হয়। 
- সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব ২২.৮ কিলোমিটার। 
- এটি একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ৬৮৭ দিন সময় লাগে। 
- মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা দুইটি। 
যথা- ফোবোস ও ডিমোস। 

অন্যদিকে, 
- ইউরেনাসকে সবুজগ্রহ, 
- বুধকে ক্ষুদ্রগ্রহ, 
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।