বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Bank - Science

মোট প্রশ্ন৬৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Bank - Science

PrepBank · পাতা / · ৫০১৬০০ / ৬৭৯

৫০১.
By what process is alcohol prepared from starch?
  1. Hydrogenation
  2. Saponification
  3. Distillation
  4. Fermentation
ব্যাখ্যা

• আলকোহল স্টার্চ থেকে মূলত ফার্মেন্টেশন (Fermentation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়। স্টার্চ এমন একটি জটিল কার্বোহাইড্রেট যা সরাসরি মদে রূপান্তর করা যায় না। প্রথমে স্টার্চকে এনজাইম বা অ্যাসিডের সাহায্যে সহজ চিনির (যেমন গ্লুকোজ) আকারে ভেঙে নেওয়া হয়। এরপর এই সহজ চিনি বিশেষ ধরনের খামির বা ইস্টের উপস্থিতিতে অ্যানেরোবিয়িক (অক্সিজেনহীন) পরিবেশে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলকোহলে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ মূলত ইথানল এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডে রূপান্তরিত হয়। প্রাপ্ত ইথানল পরিশোধন বা ডিস্টিলেশনের মাধ্যমে বিশুদ্ধ করা হয়। তাই স্টার্চ থেকে আলকোহল তৈরির মূল প্রক্রিয়া হলো ফার্মেন্টেশন।

উত্তর: ঘ) Fermentation.

অ্যালকোহল: 
- মিথানল বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। 
- মিথানল মূলত অন্য রাসায়নিক পদার্থ প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়। 
- রাসায়নিক শিল্পে ইথানয়িক এসিড, বিভিন্ন জৈব এসিডের এস্টার প্রস্তুত করা হয়। 
- ইথানলকে প্রধানত পারফিউম, কসমেটিকস ও ওষুধ শিল্পে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রেডের ইথানলকে ওষুধ শিল্পে এবং রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলের ৯৬% জলীয় দ্রবণকে রেকটিফাইড স্পিরিট (rectified spirit) বলে। 
- পারফিউম শিল্পেও ইথানলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। পারফিউমে ইথানল ব্যবহারের পূর্বে তাকে গন্ধমুক্ত করা হয়। 

- ওষুধ ও খাদ্য শিল্প ব্যতীত অন্য শিল্পে রেকটিফাইড স্পিরিট সামান্য মিথানল যোগে বিষাক্ত করে ব্যবহার করা হয়, একে মেথিলেটেড স্পিরিট (methylated spirit) বলে। 
- কাঠ এবং ধাতুর তৈরি আসবাবপত্র বার্নিশ করার জন্য মেথিলেটেড স্পিরিট ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে ব্রাজিলে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানিরূপে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- স্টার্চ (চাল, গম, আলু ও ভুট্টা) থেকে গাঁজন (Fermentation) প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়। 
- এছাড়া চিনি শিল্পের উপজাত উৎপাদ (by-product) চিটাগুড় থেকে একই প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল (ইথানল) পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশের দর্শনায় কেরু এন্ড কেরু কোম্পানিতে ইথানল প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা পূরণ করা হয়। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে একদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমে, অপরদিকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫০২.
What is the name of the instrument used to measure air humidity?
  1. Voltmeter
  2. Avometer
  3. Barometer
  4. Hygrometer
ব্যাখ্যা
• বায়ুতে আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্রের নাম হাইগ্রোমিটার।
- শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- অডিওমিটার।
- বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্রের নাম  -এনোমোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - অলটিমিটার।


• সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র হলো- ফ্যাদোমিটার।
• তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা তরলের ঘনত্ব নির্ণয়ের যন্ত্র হলো- হাইড্রোমিটার।
• ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম - সিসমোগ্রাফ।
• ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - রিখটার স্কেল।
• বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্ৰ - ব্যারোমিটার।
• উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র -ট্যাকোমিটার।
• আটিয়াল ও রক্তের চাপ মাপক যন্ত্র - স্ফিগমেমোমিটার।
• দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র - ল্যাকটোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫০৩.
Which of the following is covered by a membrane called meninges?
  1. Brain
  2. Heart
  3. Lungs
  4. Kidneys
ব্যাখ্যা
• স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০৪.
Which light has the shortest wavelength?
  1. Red
  2. Yellow
  3. Violet
  4. Orange
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:

- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫০৫.
What is the main component of biogas?
  1. Ethane
  2. Hydrogen sulfide
  3. Nitrogen
  4. Methane
  5. None
ব্যাখ্যা

• বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান - মিথেন।

বায়োগ্যাস: 
- গোবর ও অন্যান্য পঁচনশীল পদার্থ বাতাসের অনুপস্থিতিতে (অবায়বীয় অবস্থায়) পঁচানোর ফলে যে বর্ণহীন জ্বালানি গ্যাস তৈরী হয়, তাকে বায়োগ্যাস বলে।
- বায়োগ্যাসে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ মিথেন থাকে, তাই একে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- মিথেন ছাড়া বায়োগ্যাসে থাকে মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2)।
- সাধারণত অবায়বীয় ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতায় গোবর ও অন্যান্য আবর্জনা পঁচে বায়োগ্যাস সৃষ্টি হয়।
- এ গ্যাস উৎপাদনের পর অবশিষ্ট অংশ উন্নত মানের সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বায়োগ্যাস তৈরির সময় রেসিডিউ (অবশিষ্টাংশ) নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে - 
১. উন্নতমানের জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করা যায়। 
২. মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
৩. মাশরুম চাষ করা যায়। 
৪. মুক্তা চাষে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০৬.
What is the atomic number of Arsenic?
  1. 44
  2. 36
  3. 38
  4. 33
ব্যাখ্যা
- আর্সেনিকের (As) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩। 

পারমাণবিক সংখ্যা:
- কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়।
- প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 11টি প্রোটন আছে। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z= 11।
তদ্রুপ, ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z = 17
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পরমাণুর সর্ববহিস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনসমূহ অংশগ্রহণ করে এবং ইলেকট্রনের সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে; কিন্তু প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটে না। 

অন্যদিকে, 
- স্ট্রনসিয়ামের (Sr) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৮।
- ক্রিপটনের (Kr) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৬।
- রুথেনিয়াম (Ru) পারমাণবিক সংখ্যা ৪৪। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৫০৭.
Which is used to make 'dry ice'?
  1. Carbon dioxide
  2. Carbon monoxide
  3. Sulfur dioxide
  4. Nitrogen Dioxide
ব্যাখ্যা
ড্রাই আইস:
- ড্রাই আইস বা শুষ্ক বরফের মূল উপাদান হল কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
- ড্রাই আইস  তৈরিতে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
- যার তাপমাত্রা -৭৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০৯° ফারেনহাইট। ]
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস থেকে যা সরাসরি জমাট বেঁধে যায়, তরল করার প্রয়োজন পড়ে না।

উল্লেখ্য,
- যেখানে বরফের ব্যবহার করা সম্ভব নয়, সেখানে ফ্রিজিং বা কুলিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হয় এই ড্রাই আইস।
- আইসক্রিম এর গাডিতে, হিমাগারে এবং পচনশীল ফলমুল,মাছমাংস সংরক্ষনে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: Britannica.
৫০৮.
Which two fundamental elements are most abundant in the Earth's crust?
  1. Oxygen and Silicon
  2. Hydrogen and Nitrogen
  3. Nitrogen and Helium
  4. Iron and Carbon
ব্যাখ্যা

ভূ-ত্বকের গঠন:
- পৃথিবীর উপরিভাগের শক্ত আবরণ ভূ-ত্বক বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও শিলা দ্বারা গঠিত।
- ভূ-ত্বক অশ্মমণ্ডলেরই উপরিভাগ যার মধ্যে অক্সিজেন ও সিলিকনের পরিমাণ বেশি।
- আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলিক উপাদানগুলোর মধ্যে ২০ টি উপাদান ভূ-ত্বকের প্রায় শতকরা ৯৯.৫ অংশ দখল করে আছে।
- ভূ-ত্বকের গভীরতা সর্বত্র সমান নয়। তবে এর গড় গভীরতা ২০ কিলোমিটার।
- গ্রানাইট স্তরের গড় গভীরতা ৮ কিলোমিটার।
- ভূ-ত্বক গঠনকারী শিলারাশির ঘনত্ব ২.৭৫ থেকে ৩.০ পর্যন্ত।
- ভূ-ত্বক বা অশ্মমণ্ডলের উপরিভাগেই পৃথিবীর বাহ্যিক দিকগুলো দেখা যায়।
- যেমন- সমভূমি, মালভূমি, পাহাড়, পর্বত, নদী, হ্রদ, সাগর ও মহাসাগর ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০৯.
A person suffering from night blindness may have a deficiency in:
  1. Vitamin B6
  2. Vitamin E
  3. Vitamin B12
  4. Vitamin A
ব্যাখ্যা

• Night blindness বা রাতের অন্ধত্ব মূলত চোখের রেটিনায় আলো স্বীকার করার ক্ষমতার সমস্যা সৃষ্টি করে। এটি সাধারণত Vitamin A এর ঘাটতির কারণে হয়। ভিটামিন এ রেটিনাল উৎপাদনে সাহায্য করে, যা রড সেলগুলির জন্য অত্যাবশ্যক। রড সেল চোখকে কম আলোতে দেখার ক্ষমতা দেয়। ভিটামিন B6, B12 বা E-এর ঘাটতি সাধারণত রাতের দেখার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে না, যদিও তারা অন্যান্য শারীরিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, রাতের অন্ধত্বে ভিটামিন A-এর ঘাটতি সবচেয়ে প্রচলিত এবং নির্ধারক কারণ। ভিটামিন A সমৃদ্ধ খাবার যেমন গাজর, কুমড়ো, পালং শাক, ডিম ও দুধ এই সমস্যার প্রতিরোধে সহায়ক।

- উত্তর: ঘ) Vitamin A.

রাতকানা (Night Blindness) রোগ: 
- ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরোফথ্যালমিয়া (Xerophthalmia) নামক রোগ অর্থাৎ এই রোগের সর্বনিম্ন মাত্রা রাতকানা রোগ হয়। 
- ভিটামিন 'এ'-এর অভাব পূরণ না হলে রোগটির মাত্রা ও তীব্রতা বাড়তে থাকে। জেরোফথ্যালমিয়ার সাত থেকে আটটি মাত্রা রয়েছে, যার সর্বনিম্ন মাত্রা হচ্ছে রাতকানা। 
- সাধারণত দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা দেয়। 
- এতে চোখের সংবেদী 'রড' কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, স্বল্প আলোতে ভালো দেখতে পায় না, চোখে সবকিছু ঝাপসা দেখা যায়। রোগটা বেড়ে গেলে কর্নিয়া ঘোলাটে হয়ে যায়। 
- রাতকানা দশা থেকে শুরু করে চতুর্থ বা পঞ্চম মাত্রার জেরোফথ্যালমিয়া ভিটামিন 'এ'-সহ কিছু ওষুধ প্রয়োগে ভালো হয়, কিন্তু রোগ চূড়ান্ত মাত্রায় বা তার কাছাকাছি পৌঁছে গেলে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার ছাড়া আর তেমন কিছু করার থাকে না। 
- এই রোগ প্রতিরোধের জন্য ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ খাদ্য যেমন: মাছের যকৃতের তেল, কলিজা, সবুজ শাকসবজি, রঙিন ফল (পাকা আম, কলা ইত্যাদি) ও সবজি (মিষ্টি কুমড়া, গাজর ইত্যাদি) এবং মলা-ঢেলা মাছ খাওয়া উচিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫১০.
Which of the following is a fundamental quantity?
  1. Acceleration
  2. Work
  3. Length
  4. Force
  5. Velocity
ব্যাখ্যা

- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ মৌলিক রাশি (Fundamental Quantities)।

মৌলিক রাশি:

- মৌলিক রাশি (Fundamental Quantities) হল সেইসব রাশি, যেগুলি পরিমাপের জন্য অন্য কোনো রাশির উপর নির্ভর করে না।
- কিছু কিছু মূল রাশি আছে, যেগুলো অন্য রাশির উপর নির্ভরশীল নয়।এসব রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
• এগুলো হলো দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ।

অপরদিকে,
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ। যে গুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫১১.
A diode primarily allows current to flow in:
  1. One direction
  2. Both directions
  3. Alternating directions
  4. No direction
ব্যাখ্যা

• ডায়োড হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা মূলত বিদ্যুৎ প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি একদিকে বিদ্যুৎ প্রবাহকে চলতে দেয় এবং বিপরীত দিকে প্রবাহকে বাধা দেয়। এজন্য ডায়োডকে আমরা “একদিক প্রবাহক” বলি। ডায়োডের এই বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়, যেমন এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করা, ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ, সিগন্যাল ডিটেকশন ইত্যাদি। সাধারণত এর ভেতরে একটি পি-এন জাংশন থাকে যা প্রবাহের দিক নির্ধারণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো— ক) One direction, কারণ ডায়োড কেবলমাত্র একদিকে বিদ্যুৎ প্রবাহকে চলতে দেয়।

ডায়োড: 
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত। 
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড। 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি (AC) প্রবাহকে ডিসি (DC) প্রবাহে রূপান্তর করে। 
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড। 
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১২.
Which is the smallest planet in the Solar System?
  1. Mars
  2. Venus
  3. Mercury
  4. Pluto
ব্যাখ্যা

গ্রহ:
- মহাকর্ষ বলের প্রভাবে কতোগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিক্রমণ করছে, এদের গ্রহ বলা হয়।
- গ্রহের নিজস্ব আলো ও তাপ নেই।
- সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা ৮টি।
- গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো বৃহস্পতি।
- এবং সবচেয়ে ছোট বুধ।

• সূর্য থেকে গ্রহগুলোর দূরত্ব অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে অবস্থান করছে যথা:
- বুধ (Mercury),
- শুক্র (Venus),
- পৃথিবী (Earth),
- মঙ্গল (Mars),
- বৃহস্পতি (Jupiter),
- শনি (Saturn),
- ইউরেনাস (Uranus)
- ও নেপচুন (Neptune)।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৫১৩.
Which group of blood donors are called universal donors?
  1. A
  2. AB
  3. B
  4. O
ব্যাখ্যা
• রক্ত গ্রুপের বৈশিষ্ট্য:

- A গ্রুপের দাতা A ও AB রক্ত গ্রহীতাকে রক্ত দিতে পারে।
- B গ্রুপের দাতা B ও AB গ্রুপের গ্রহীতাকে রক্ত দিতে পারে।
- AB গ্রুপের গ্রহীতাকে A, B, AB ও O অর্থাৎ সকল গ্রুপের রক্ত দেখা যায়।এ কারণে AB গ্রুপের রক্তকে সার্বজনীন গ্রহীতা (Universal recipient) বলে।
- O গ্রুপের রক্ত সকল গ্রুপ নিতে পারে, তাই O গ্রুপের রক্তকে সার্বজনীন দাতা Universal donor) বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা।
৫১৪.
Which chemical compound is responsible for the sweet aroma of fruits?
  1. Alcohol
  2. Ester
  3. Amine
  4. Carboxylic Acid
  5. None of these
ব্যাখ্যা

• ফলের সুগন্ধের পেছনে মূলত উদ্বায়ী এস্টার যৌগগুলো কাজ করে। বিভিন্ন ফলের নির্দিষ্ট গন্ধ নির্দিষ্ট ধরণের এস্টারের উপস্থিতির কারণে হয়, যেমন- পাকা কলার গন্ধে থাকে অ্যামাইল অ্যাসিটেট এবং কমলার গন্ধে থাকে অক্টাইল অ্যাসিটেট।

• এস্টার: 

- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে। 
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -COOR.
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধি। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়। 
যেমন - 
এস্টার ⇒ সুগন্ধির প্রকৃতি: 
• আইসোবিউটাইল ফরমেট ⇒ রাসবেরী, 
• আইসোঅ্যামাইল অ্যাসিটেট ⇒ কলা, 
• অকটাইল অ্যাসিটেট ⇒ কমলা, 
• মিথাইল বিউটাইরেট ⇒ আনারস, 
• অ্যামাইল বিউটাইরেট ⇒ অ্যাপ্রিকট, 
• আইসোঅ্যামাইল ভ্যালেরেট ⇒ আপেল। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১৫.
The object weight the most in-
  1. Polar Region
  2. Equatorial Region
  3. Hilltop
  4. Centre of Earth
ব্যাখ্যা
- বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি মেরু অঞ্চলে। 
- একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে, বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সে স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- মেরু অঞ্চলে g - এর মান বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজনও বেশি। 
- আবার পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজনও শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫১৬.
Electric current is measure by
  1. ক) Commutator
  2. খ) Anemometer
  3. গ) Ammeter
  4. ঘ) Voltmeter
ব্যাখ্যা

Ammeter, an instrument for measuring either direct or alternating electric current, in amperes.
An ammeter can measure a wide range of current values because at high values only a small portion of the current is directed through the meter mechanism;
a shunt in parallel with the meter carries the major portion.
Source: www.britannica.com

৫১৭.
Which is the minimum distance for clear vision of an object?
  1. 25 mm
  2. 25 cm
  3. 2.5 cm
  4. 2.5 mm
ব্যাখ্যা
⇒ কোন বস্তু স্পষ্ট দর্শনের জন্য ন্যূনতম দূরত্ব কত?
- ২৫ সে.মি.।

দর্শনের ন্যুনতম দূরত্ব:

- যে নিকটতম দূরত্ব পর্যন্ত চোখ বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম বা নিকটতম দূরত্ব বলে।
- কোন বস্তু স্পষ্ট দর্শনের জন্য ন্যূনতম দূরত্ব ২৫ সে.মি.।
- চোখের লেন্স থেকে ২৫ সে.মি. দূরবর্তী বিন্দুতে স্থাপিত বস্তুটিকে সুন্দর সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়।
- এর থেকে কম দূরত্বে স্থাপিত বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৮.
নিচের কোনটি অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভের উদাহরণ?
  1. সোডিয়াম বেনজোয়েট
  2. বেনজোয়িক এসিড
  3. ইথিলিন
  4. ভিনেগার
  5. চিনির দ্রবণ
ব্যাখ্যা
অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ:
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য খাদ্যসামগ্রীতে দিলে খাদ্যসামগ্রীতে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না, দুর্গন্ধ হয় না, পচন হয় না সেসব রাসায়নিক দ্রব্যকে ফুড প্রিজারভেটিভ বলে।
- যেসব ফুড প্রিজারভেটিভ আমাদের শরীরে গেলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না এবং সেগুলোকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে, সেসব ফুড প্রিজারভেটিভকে অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলা হয়।
- যেসব ফুড প্রিজারভেটিভ আমাদের শরীরে গেলে আমাদের শরীরের ক্ষতি হয় সেগুলোকে অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলা হয়।
- সোডিয়াম বেনজোয়েট, বেনজোয়িক এসিড, ভিনেগার, লবণের দ্রবণ, চিনির দ্রবণ ইত্যাদি অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ।
- ইথিলিন, অ্যাসিটিলিন ইত্যাদি অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫১৯.
Which of the following mirrors are used in satellite dish antennas?
  1. Concave mirrors
  2. Convex mirrors
  3. Both A & B
  4. None of above
ব্যাখ্যা
স্যাটেলাইট ডিশ অ্যান্টেনায় অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।

অবতল দর্পণ:

- যদি কোন গোলকের অবতল পৃষ্ঠ প্রতিফলকের ন্যায় আচরণ করে তবে তাকে অবতল দর্পণ বলে।
- অর্থাৎ গোলকীয় দর্পণের ভিতরের অবতলপৃষ্ঠটি অবতল দর্পণ হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখ্য,
- স্যাটেলাইট ডিস এন্টিনায় অবতল দর্পণ (Concave mirrors) ব্যবহার করা হয়।
- কমিউনিকেশন স্যাটেলইটের মাধ্যমে প্রেরক এন্টিনাসমূহ তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গকে মহাশূন্যে ছড়িয়ে দেয়।
- যেহেতু পৃথিবী থেকে স্যাটেলাইটগুলোর দূরত্ব অনেক বেশি তাই পৃথিবীতে আসা দুর্বল তরঙ্গগুলো প্রায় সমান্তরালভাবে অবতল তলে আপতিত হয় এবং প্রতিফলনের নিয়মে ফোকাসে মিলিত হয়।
- আগত দুর্বল তরঙ্গ একটি ফোকাসে মিলিত হওয়ায় বেশ জোরাল হয়।
- অতপর এটি বর্ধিত করে গ্রাহক যন্ত্রে প্রেরিত হয়।

অন্যদিকে,
উত্তল দর্পণ:
- যদি কোন গোলকের উত্তল পৃষ্ঠ প্রতিফলকের ন্যায় আচরণ করে তবে তাকে উত্তল দর্পণ বলে।
- অর্থাৎ গোলকীয় দর্পণের বাইরের উত্তলপৃষ্ঠটি উত্তল দর্পণ হিসেবে কাজ করে।
- একে অপসারী দর্পণ বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২০.
What is the concentration of NaCl in Normal Saline?
  1. 0.5% NaCl
  2. 0.9% NaCl
  3. 0.75% NaCl
  4. 1% NaCl
ব্যাখ্যা
• নরমাল স্যালাইনে ০.৯% NaCl আছে।

• খাওয়ার স্যালাইন:
- খাওয়ার স্যালাইন (Oral Rehydration Saline/Orsaline) হলো শরীরের পানি ও লবণের ঘাটতি পূরণের জন্য ব্যবহৃত একটি মিশ্রণ,
- খাওয়ার স্যালাইন মুখে গ্রহণযোগ্য।
- এটি মূলত ডায়রিয়া বা কলেরার কারণে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও লবণ ক্ষয় হয়ে যাওয়ার পর শরীরে বিদ্যমান সোডিয়াম এবং পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সহায়ক।
- নরমাল স্যালাইন এর মধ্যে পানি, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও গ্লুকোজ বা শর্করা থাকে।
- প্রতি লিটার নরমাল স্যালাইনে ০.৯% সোডিয়াম ক্লোরাইড এবং ২০ গ্রাম গ্লুকোজ থাকে, যা মূলত অন্ত্রে লবণ শোষণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫২১.
Which part of the plant conducts photosynthesis?
  1. Roots
  2. Stem
  3. Leaves
  4. Flower
ব্যাখ্যা
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে কেন গণ্য করা হয়।

সালোকসংশ্লেষণ: 

- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে, তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ। 
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। 
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে। 
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে। 
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল হলো তার প্রধান উপকরণ। 
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়। 
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি। 
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২২.
Which metal is commonly used as the filament in an electric bulb?
  1. Copper
  2. Nichrome
  3. Tungsten
  4. Iron
  5. Aluminum
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক বাল্ব:
- বৈদ্যুতিক বাল্বে দুটি মোটা তার একটি বায়ুশূন্য বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসপূর্ণ বাল্বের বায়ুনিরুদ্ধ মুখের মধ্য দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করানো থাকে।
- বাল্বের ভিতরে তারের দুই প্রান্তের সাথে সরু টাংস্টেনের তারের কুন্ডলী সংযুক্ত থাকে, এটিকে ফিলামেন্ট বলে।
- এই বাহুকে বিদ্যুৎ উৎসের সাথে সংযোগ করলে ফিলামেন্টে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়।
- বাল্বের এই ফিলামেন্ট উত্তপ্ত হয়ে আলো বিকিরণ করতে থাকে।
- এটি শক্ত ও স্থিতিস্থাপক ধাতু, তাই তাপ ও বৈদ্যুতিক প্রবাহের চাপ সামলাতে পারে।

অপরদিকে 
- নাইক্রোম একটি তাপপ্রতিরোধী ধাতু, কিন্তু সাধারণত তা হিটার বা ওভেনে ব্যবহৃত হয়, বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে নয়।
- তামা বা অ্যালুমিনিয়াম খুব দ্রুত গলে যায় এবং অক্সাইডেশন হয়, তাই তারা ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫২৩.
Which is not the element of weather and climate?
  1. ক) Temperature
  2. খ) Air (Atmospheric) Pressure
  3. গ) Ocean currents
  4. ঘ) Humidity
ব্যাখ্যা

আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান হলঃ
বায়ুর উষ্ণতা
বায়ুর চাপ,
বায়ুপ্রবাহ,
বায়ুর আর্দ্রতা,
মেঘ,
বৃষ্টি প্রভৃতি।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতি কি রকম হবে তা এইসব বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।

৫২৪.
Which part of the eye produces the clearest image?
  1. Eyelid
  2. Cornea
  3. Retina
  4. Fovea Centralis
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
(Retina):
- চক্ষু গোলকের সবচেয়ে ভেতরের স্তর রেটিনা।
-এ স্তরটি আলোক সংবেদী। এতে আলোক সংবেদী কোষ (Photoreceptor) থাকে।
-আলোক সংবেদী কোষগুলো রড ও কোণ কোষ নিয়ে গঠিত। কোণ কোষগুলো উজ্জ্বল আলোতে রঙিন বস্তু দর্শনের জন্য উপযোগী। রড কোষগুলো অনুজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী।
-এখানে বস্তুর প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।

(Fovea Centralis):
-অন্ধবিন্দুর কাছাকাছি রেটিনার একটি অংশ আছে যেখানে অনেক কোণ কোষ দেখা গেলেও রড কোষ দেখা যায় না। এ অংশকে বলা হয় ফোবিয়া সেন্ট্রালিস।
- এখানে সবচেয়ে ভাল প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।

(Cornea):
- চোখের সবচেয়ে বাহিরের Sclera আবরণীর সম্মুখ ভাগের স্বচ্ছ অংশের নাম কর্নিয়া।
- কর্নিয়ার মাধ্যমে চোখের ভেতরে আলো প্রবেশ করে।

(Eyelid):
- চোখের পাতা বা হলো ভাজসক্ষম একটি অংশ যা চোখ কে বাহিরের আঘাত থেকে রক্ষা করে।

তথ্যসুত্র:
- HSC জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- American Academy Of Ophthalmology.
৫২৫.
Why does a diamond look more brighter than a piece of glass, even though they seem similar?
  1. Diamonds refract light
  2. Diamonds have their own light
  3. Light undergoes total internal reflection
  4. Diamonds scatter light
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- হীরকের ঘনত্ব ও প্রতিসরাঙ্ক কাচের থেকে বেশি।
- হীরকে আলোকরশ্মি সামান্য কোণে আপতিত হলেই আপতন কোণ ক্রান্তি কোণের চেয়ে বর হওয়ায় ঐ রশ্মির পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হয়।
- তাই বেশিসংখক আলোকরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে এসে চোখে পড়ে।
- সেজন্য হীরাকে বেশি উজ্জ্বল দেখায়।

তথ্যসূত্র:
- HSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র; ড. শাহজাহান তপন।
৫২৬.
How many elements are found naturally in nature?
  1. 88
  2. 90
  3. 118
  4. 98
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
মৌলিক পদার্থ: 
- এ পর্যন্ত ১১৮টি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- যার মধ্যে ৯৮টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 
- আর বাকী ২০টি কৃত্রিমভাবে তৈরি মৌলিক পদার্থ। 
- প্রতিটি মৌলিক পদার্থেরই একটি নাম আছে। 
- আর এদেরকে সংক্ষিপ্ত ও সুবিধাজনকভাবে প্রকাশের জন্যই আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। 
- প্রতীক সাধারণত মৌলের ল্যাটিন, গ্রিক বা ইংরেজি নামের একটি বা দুটি আদ্যক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫২৭.
What is the full form of Reovirus?
  1. Respiratory Enteric Orphan Virus
  2. Rotational Enteric Oncogenic Virus
  3. Reproductive Enteric Oocyte Virus
  4. Renal Enteric Omnipotent Virus
ব্যাখ্যা
রিওভাইরাস: 
- এর পূর্ণরূপ: Respiratory Enteric Orphan Virus. 
- রিওভাইরাস একটি ভাইরাস সাধারণত শ্বাসকষ্ট, জ্বর, মাথাব্যথা, বমি এবং ডায়রিয়ার মতো লক্ষণ সৃষ্টি করে।
- এটি হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায় এবং গুরুতর ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া বা এনকেফালাইটিস (মস্তিষ্কের প্রদাহ) সৃষ্টি করতে পারে।
- শিশু ও বয়স্করা এই ভাইরাসে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
- ১৯৫০ সালে বিশ্বব্যাপী প্রথম রিওভাইরাস শনাক্ত হয় এবং শীতকালে এর প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়।

সূত্র: CDC - Reoviruses ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার।
৫২৮.
Which of the following is not a contagious disease?
  1. Cholera
  2. Smallpox
  3. Diabetes
  4. Tuberculosis
ব্যাখ্যা

⇒ ডায়াবেটিস (Diabetes) হলো অছোয়াচে রোগ (Non-communicable disease, NCD)।

অর্থাৎ, এটি একজন মানুষ থেকে অন্য মানুষের মধ্যে ছড়ায় না, বরং এটি শরীরের রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণের অসামঞ্জস্য বা ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতি/কার্যক্ষমতার সমস্যার কারণে হয়।

⇒ যে সকল রোগের বিস্তার রোগীর সংস্পর্শে বা ছোঁয়ায় বিস্তার লাভ করে তাদেরকে ছোঁয়াচে রোগ বলে।

⇒ ছোঁয়াচে রোগের উদাহরণ হলো-
- জলবসন্ত,
- হুপিংকাশি,
- কলেরা,
- গুটিবসন্ত,
- যক্ষ্মা,
- মাম্পস,
- ফাইলেরিয়া,
- পাঁচড়া ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

৫২৯.
What is the science of bird keeping called?
  1. Pisciculture
  2. Aviculture
  3. Mariculture
  4. Sericulture
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ: 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - পিসিকালচার; 
- মৌমাছির চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - এপিকালচার; 
- রেশমের চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - সেরিকালচার; 
- উদ্যানবিদ্যা বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - হর্টিকালচার; 
- পাখিপালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - এভিকালচার; 
- সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যাকে বলে - মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৫৩০.
Which of the following is the lightest gas?
  1. Nitrogen
  2. Oxygen
  3. Hydrogen
  4. Helium
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে হালকা গ্যাস:
- হাইড্রোজেন হচ্ছে সবচেয়ে হালকা গ্যাস।
- হাইড্রোজেন গ্যাস একটি গ্রিন এনার্জি, যাকে দাহ্য করা হলে শুধুমাত্র পানি উৎপন্ন করে, তাই এটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।
- হাইড্রোজেন গ্যাস দাহ্য কিন্তু দহনে সাহায্য করে না।

হাইড্রোজেন গ্যাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
- বাতাস হাইড্রোজেন এর চেয়ে ১৪.৪ গুণ ভারী।
- জলে প্রায় অদ্রাব্য গ্যাস।
- বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন, বর্ণহীন, স্বাদহীন, গন্ধহীন।
- হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা মৌল।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৫৩১.
Which of the following planets has no moon?
  1. Saturn
  2. Mars
  3. Earth
  4. Mercury
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- বুধ (Mercury) ও শুক্র (Venus) গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই। 

বুধ গ্রহ: 
- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি। 
- সূর্যের নিকটতম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ। 
- সূর্য থেকে বুধ গ্রহের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। 
- বুধ গ্রহের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। 
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন। 
- বুধ গ্রহে মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস বা পানি কোনো কিছু নেই। 

অন্যদিকে, 
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)। 
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। 
- শনি গ্রহের উপগ্রহের্ সংখ্যা ৮৩টি। 
- বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮০টি। 

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৩২.
Which of the following gases is used in tear gas?
  1. SO2
  2. NH3
  3. Cl2
  4. CO2
ব্যাখ্যা
কাঁদুনে গ্যাস:
- যে সকল রাসায়নিক যৌগ বা গ্যাস ব্যবহার করলে চোখের জ্বালাপোড়া ও অস্বস্থির কারণে অতিরিক্ত অশ্রুপাত ঘটে এবং এ অতিরিক্ত অশ্রুপাতের কারণে সাময়িক অন্ধত্ব সৃষ্টি হয়, তাকে কাঁদুনে গ্যাস বলে।
- টিয়ার গ্যাস বা কাঁদানে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিক্রিন।
- কাঁদুনে গ্যাসের সংকেত CCl₃-NO₂ (CCl3-NO2)।
- উপাদান হিসেবে ক্লোরিন (Cl2) গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

⇒ এটি একটি রাসায়নিক অস্ত্র যা ল্যাক্রিমাল গ্রন্থির স্নায়ুকে উদ্দীপিত করে এবং চোখ, নাক, মুখ এবং ফুসফুসের শ্লেষ্মা ঝিল্লিকে প্রভাবিত করে।
- এতে চোখ দিয়ে পানি পরা, চোখে জ্বালাপোড়া, চোখে ব্যথা, অতিরিক্ত লালা, হাঁচি, কাশি, শ্বাস নিতে অসুবিধা, ত্বকে জ্বালা-যন্ত্রণা এবং সাময়িক অন্ধত্বও হতে পারে।

অন্যদিকে,
- লাফিং গ্যাস হলো NO2.

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
৫৩৩.
What is absolute zero?
  1. 0 kelvin
  2. -273.15 degrees Celsius
  3. -460 degrees Fahrenheit
  4. above all
ব্যাখ্যা
পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে।
- গে-লুসাকের সূত্রানুসারে কোনো গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয় তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে।

⇒ পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো 0 কেলভিন, বা -273.15 ডিগ্রি সেলসিয়াস, বা -460 ডিগ্রি ফারেনহাইট।
- অর্থাৎ 0 কেলভিন, বা -273.15 ডিগ্রি সেলসিয়াস বা -460 ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় যে কোনো গ্যাসের আয়তন তত্বীয়ভাবে শূন্য হয়।

উল্লেখ্য,
- তাপমাত্রাকে শুরু বা শূন্য ধরে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রার ব্যবধানকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান ধরে যে তাপমাত্রার স্কেল উদ্ভাবন করা হয়েছে তাকে তাপমাত্রার পরম স্কেল বা কেলভিন স্কেল বলে।

উৎস: i) রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Cool Cosmos.
৫৩৪.
Which of the following does not have neutrons in its nucleus?
  1. Hydrozen
  2. Oxygen
  3. Neon
  4. Zenon
  5. Helium
ব্যাখ্যা
হাউড্রোজেন ছাড়া সকল মৌলের নিউক্লিয়াসে নিউট্রন থাকে।

নিউট্রন:

- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- বিজ্ঞানী চ্যাডউইক (Chadwick) ১৯৩২ সালে নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- নিউট্রনের ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n।
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g।
- নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান শূন্য (০)।  

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৫.
Which of the following is a widely used method for the treatment of cancer?
  1. Physical Therapy
  2. MRI
  3. Angiography
  4. Chemotherapy
  5. Ultrasonography
ব্যাখ্যা
কেমোথেরাপি:
- ক্যান্সারে শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।
- কেমোথেরাপি হলো এমন এক চিকিৎসা, যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।
- কেমোথেরাপি ক্যান্সার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি।
- প্রতিটি জীবদেহ কোষ দ্বারা গঠিত যে কোষ বৃদ্ধি পায় বা বিভাজিত হয়।
- জীবদেহের এই কোষ বিভাজনের ওপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত হয়েছে।
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়।
- কোষ বিভাজনের কোন ধাপে কী প্রয়োগ করা হবে তার ওপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধগুলো ঠিক করা হয়।

অপরদিকে, 
- Angiography: একটি মেডিকেল ইমেজিং কৌশল যা শরীরের রক্তনালী এবং অঙ্গগুলির ভিতরের বা লুমেনকে কল্পনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- MRI মূলত মস্তিষ্ক, হাড়, গোড়ালির মতো নরম টিস্যুর ছবি তোলার জন্য খুবই কার্যকর।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৩৬.
Which sulfate salt is one of the components of potash alum?
  1. Potassium sulfate
  2. Copper sulfate
  3. Calcium sulfate
  4. Sodium sulfate
ব্যাখ্যা

• Potash alum হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌগ, যা রাসায়নিকভাবে Potassium aluminum sulfate [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O]  হিসেবে পরিচিত। এটি সাধারণত পানির বিশুদ্ধকরণ, প্রসাধনী, খাদ্য সংরক্ষণ ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। পটাশ অ্যালামের গঠনগত উপাদানগুলির মধ্যে একটি হলো সালফেট আয়ন (SO42⁻)। অপশনগুলোর মধ্যে, পটাশ অ্যালামের অন্যতম সালফেট লবণ হলো Potassium sulfate (K2SO4)। Copper sulfate, Calcium sulfate, বা Sodium sulfate পটাশ অ্যালামের অংশ নয়। সুতরাং, পটাশ অ্যালামের সালফেট উপাদান হিসেবে সঠিক উত্তর হলো ক) Potassium sulfate.

ফিটকিরি: 
- প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরির ব্যবহার প্রচলিত। 
- ফিটকিরি অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, পটাশিয়াম সালফার ও ২৪ অণু পানির যৌগ। 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- এটি সাধারণত কঠিন অবস্থায় বাজারে প্রচলিত। 

- বিভিন্ন কাজে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
• এটি জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
• কোথাও কেটে গেলে, ছিঁড়ে গেলে সেখানে পানিতে ভিজানো ফিটকিরি ঘষে দেওয়া হয়। 
• ফিটকিরি কঠিন অবস্থায় থাকে বলে প্রথমে পানিতে ভিজিয়ে নিতে হয় অথবা পানিতে দ্রবীভূত করে তা ক্ষতস্থানে লাগানো হয়। 
• খাবার পানি বিশুদ্ধ বা জীবাণুমুক্ত করার জন্য এর সাথে পরিমাণমত ফিটকিরি ব্যবহারের ঘণ্টাখানেক আগে দিয়ে রাখা হয়। 
• ফিটকিরি গলে গেলে পানি ছেঁকে নেয়া হয়। 
• অনেকে দাড়ি কাটার পর এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরি ব্যবহার করেন। 
• এটি আফটার সেভ লোশান হিসেবে কাজ করে। 
• ফিটকিরি রক্তক্ষরণও বন্ধ করে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩৭.
The upper limit of the human hearing range is approximately:
  1. 26 kHz
  2. 15 kHz
  3. 14 kHz
  4. 23 kHz
  5. 20 kHz
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার সীমা:
- মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ হয়ে থাকে।
- এই সীমার মধ্যে কম্পাঙ্কের শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলে।
- কম্পাঙ্কের যে সীমার মধ্যে সৃষ্ট শব্দ মানুষ শুনতে পায় তাকে শ্রাব্যতার সীমা বলে।
- যে শব্দ শুনতে পাওয়া যায় না তাকে অশ্রাব্য শব্দ বলে। অশ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জের কম এবং ২০,০০০ হার্জের বেশি হয়। এ শব্দ কুকুর, বাদুড়, মাকড়সা ইত্যাদি প্রাণী শুনতে পায়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫৩৮.
Who is credited with the discovery of insulin?
  1. Marie Curie
  2. Frederick Banting
  3. Louis Pasteur
  4. Alexander Fleming
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন:
- ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ফ্রেডরিক গ্র্যান্ট বেন্টিং (Frederick Banting)।
- তিনি একজন কানাডিয়ান চিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং ইনসুলিনের আবিষ্কারক।
- তিনি বিজ্ঞানী Charles H. Best এবং রোমানিয়ান ফিজিওলজিস্ট Nicolas C. Paulescu এর সঙ্গে ১৯২১ সালে ইনসুলিন আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইনসুলিন: ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of Langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৯.
Which planet in the solar system can see the Great Red Spot?
  1. Mars
  2. Neptune
  3. Saturn
  4. Jupiter
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter): 
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলা হয়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।
- সৌরজগতে বৃহস্পতির সর্বাধিক উপগ্রহ রয়েছে।
- বৃহস্পতি গ্রহে বৃহৎ লাল বিন্দু (গ্রেট রেড স্পট) দেখা যায়।
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়।
 
সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৫৪০.
What is the source of gamma radiation used in cancer treatment?
  1. Iodine-131
  2. Phosphorus-32
  3. Cobalt-60
  4. Technetium-99
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ:
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।

উল্লেখ্য,
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-99 আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৪১.
Which is the humidity measuring device?
  1. Barometer
  2. Manometer
  3. Hygrometer
  4. Pyrometer
  5. Fadometer
ব্যাখ্যা

পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫৪২.
Which is the largest part of the human brain?
  1. Cerebellum
  2. Hypothalamus
  3. Cerebrum
  4. Thalamus
ব্যাখ্যা
অগ্রমস্তিষ্ক:
- অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে।
- এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা-
(ক) সেরেব্রাম,
(খ) থ্যালামাস ও
(গ) হাইপোথ্যালামাস।

• সেরেব্রাম:
- মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ (মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে)।
- প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা- ফ্রন্টাল লোব, প্যারাইটাল লোব, অক্সিপিটাল লোব, টেম্পোরাল লোব ও লিম্বিক লোব।
- সেরেব্রাম বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
- সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

• থ্যালামাস:
- সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে দুটি ক্ষুদ্র ও ডিম্বাকৃতির থ্যালামাস থাকে যা ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- থ্যালামাস সংবেদী-উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং রিলে করে সেরেব্রামে পাঠায়।

• হাইপোথ্যালামাস:
- এটি থ্যালামাসের ঠিক নিচে ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- এটি অন্ততঃ এক ডজন পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত থাকে।
- স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, রাগ, ভাল লাগা, ভীতি, আবেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- পিটুইটারী গ্রন্থিও বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৩.
What is the name of the instrument used to measure plant growth?
  1. Sphygmomanometer
  2. Calorimeter
  3. Potometer
  4. Auxanometer
ব্যাখ্যা

Auxanometer (অক্সানোমিটার):
- অক্সানোমিটার (Auxanometer) একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক যন্ত্র, যা মূলত উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য বা উচ্চতার বৃদ্ধি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি উদ্ভিদের কাণ্ড বা শাখার বৃদ্ধির হার সূক্ষ্মভাবে রেকর্ড করে।

এছাড়াও, 
- ক্রেস্কোগ্রাফ হলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র। এটির আবিষ্কারক জগদীশচন্দ্র বসু। তিনি প্রচুর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন যে, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য আছে।

অন্যদিকে,
- রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্রের নাম হলো স্ফিগমোম্যানোমিটার,
- পোটোমিটার হলো উদ্ভিদের প্রস্বেদন বা উদ্ভিদের পাতার পানি নিঃস্বরণের হার নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ক্যালরিমিটার হলো ভৌত বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বা শোষিত তাপের পরিমাণ পরিমাপ করার একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র।

উৎস: Britannica.

৫৪৪.
What is the average life span of white blood cells?
  1. 1 - 45 days
  2. 30 days
  3. 1 - 15 days
  4. 120 days
  5. 1 - 30 days
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
- শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে। 
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 

- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৫.
Which blood group is known as the universal receiver?
  1. AB
  2. A
  3. B
  4. O
ব্যাখ্যা
AB গ্রুপধারী ব্যক্তিকে সার্বজনীন গ্রহীতা বলা হয়।

রক্তের গ্রুপ: 

- মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় ‘A' এবং 'B' নামক দু'ধরনের অ্যান্টিজেন এবং রক্ত রসে ‘a' ও 'b' দু'ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে। 
- অ্যান্টিজেন এক প্রকারের পদার্থ যা কোনো জীবদেহে প্রবেশ করানোর ফলে ঐ জীবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং অ্যান্টিবডি হলো এক প্রকারের পদার্থ যা জীবদেহে রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। 
- অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়। একে রক্তের গ্রুপ বলে। 
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ড স্টেইনার ১৯০১ সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা 'A', 'B', 'O' এবং ‘AB' এ চারটি গ্রুপে নামকরণ করেন। 
- আজীবন মানুষের রক্তের গ্রুপ একই রকম থাকে, পরিবর্তন হয় না।
- যে গ্রুপ অন্য সকল ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে তাদের সার্বজনীন রক্তদাতা (Universal Donor) বলে। যেমন- O গ্রুপ । 
- যে গ্রুপ অপর যে কোনো গ্রুপের ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করতে পারে তাকে সার্বজনীন রক্ত গ্রহীতা (Universal Recipient) বলে। যেমন- AB গ্রুপ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৬.
'Fathometer' is used to measure -
  1. Rainfall
  2. Ocean depth
  3. Earthquakes
  4. Sound intensity
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:

- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৪৭.
Which of the following is the closest layer to the Earth's surface?
  1. Stratosphere
  2. Troposphere
  3. Exosphere
  4. Mesosphere
  5. Thermosphere
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের স্তরসমূহ:
- ভূ-পৃষ্ঠ ও তার আশেপাশে যে বায়বীয় মন্ডল আবর্তিত আছে তাকে বায়ুমন্ডল বলে।
- বায়ুমন্ডল নানাপ্রকার গ্যাসীয় উপাদান, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কনিকা দ্বারা গঠিত।
- মূলত বায়ুমন্ডলের গঠনকারী উপাদানসমূহের প্রকৃতি, উষ্ণতার পার্থক্য অর্থাৎ অন্যান্য সকল বৈশিষ্ট্যের তারতম্যের জন্য বায়ুমন্ডলকে নানা স্তরে ভাগ করা যায়।
- এই সকল স্তর মূলত ভূ-পৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে মোট পাঁচটি পর্যায়ে রয়েছে।
- বায়ুমন্ডলের এই স্তরসমূহ হলো: ট্রপোমন্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমন্ডল, তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল।

• ট্রপোমন্ডল (Troposphere):
- বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার।
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।
- ট্রপোবিরতি এলাকায় তাপমাত্রা ৫৪° সেলসিয়াসের নিচে থাকে।
- ট্রপোমন্ডলের গভীরতা পৃথিবীর চারিদিকে সবসময় সমান থাকে না।
- ভিন্ন ভিন্ন অক্ষাংশে ও ঋতুভেদে এই গভীরতার পার্থক্য হয়।

• স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere):
- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তর হলো স্ট্রাটোমন্ডল বা স্ট্রাটোস্ফিয়ার যা উর্ধ্বে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি এমনই একটি স্তর যা জলীয়বাষ্পবিহীন।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে বলা হয় স্ট্রাটোবিরতি বা স্ট্রাটোপস।

• মেসোমন্ডল (Mesosphere):
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে স্তর রয়েছে তাকে মেসোমন্ডল বা মেসোস্ফিয়ার বলে।
- এই মন্ডলের প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত উষ্ণতা দ্রুত কমতে থাকে।
- ৮০ কিলোমিটারের পরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এই অংশকে বলে মেসোপস বা মেসোবিরতি।
- মেসোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারন করে।
- সাধারণত যে সব উল্কা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলো এই স্তরে এসে পড়ে যায়।

• তাপমন্ডল (Thermosphere):
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমন্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার বলে।
- তীব্র সৌর বিকিরনে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনী রশ্মির সংঘাতে এই অংশে বায়ু আয়নযুক্ত হয়।
- এই জন্য একে আয়নমন্ডল বা আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যে বেতার তরঙ্গ পাঠানো হয় তা এই স্তরের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে।
- এই স্তরে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০° সেলসিয়াসে এসে পৌঁছায়।

• এক্সোমন্ডল (Exosphere):
- এক্সোমন্ডল বা এক্সোস্ফিয়ার বায়ুমন্ডলের এমনই একটি স্তর যার অবস্থান পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের বাইরের স্তরে।
- থার্মোস্ফিয়ার বা তাপমন্ডলের উপরে প্রায় ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত এই এক্সোমন্ডলের বিস্তার।
- এই স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- আয়নমন্ডলের বহিঃসীমাই হলো এক্সোমন্ডল যেখানে হাইড্রোজেন গ্যাসের উপস্থিতি বেশি পাওয়া যায়।
- এ মন্ডলের মধ্যে বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান যেমন-খুব সামান্য পরিমানে আর্গন, হিলিয়াম, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন পাওয়া যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৪৮.
What does BOD stand for in environmental chemistry?
  1. Biological Oxygen Demand 
  2. Bulk Oxidation Demand
  3. Biochemical Oxidation Degree
  4. Basic Oxygen Distribution
ব্যাখ্যা

• BOD এর পূর্ণরূপ হলো Biological Oxygen Demand (ক)। এটি একটি পরিবেশগত রসায়ন সংক্রান্ত পরিমাপ যা পানিতে উপস্থিত জৈব পদার্থগুলোর পরিমাণ নির্ধারণ করে। সহজভাবে বলা যায়, BOD হলো সেই পরিমাণ অক্সিজেন যা ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য মাইক্রোবস পানিতে উপস্থিত জৈব পদার্থগুলো ভাঙতে ব্যবহারের সময় খরচ করে। এটি মূলত জলদূষণের মাত্রা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। উচ্চ BOD মান নির্দেশ করে যে জলে বেশি জৈব পদার্থ আছে এবং তা দূষণ সৃষ্টি করতে পারে, কারণ অক্সিজেন দ্রুত খরচ হবে। তাই BOD পরিবেশগত মানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক যা জলের গুণমান মূল্যায়নে সাহায্য করে।
 
BOD: 
- BOD এর পূর্ণরূপ হলো Biological Oxygen Demand. 
অর্থাৎ, BOD এর বাংলা অর্থ হলো জৈব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা। 
- এক লিটার পানিতে উপস্থিত পচনযোগ্য জৈব দূষককে ব্যাকটেরিয়ার মতো অণুজীব দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির BOD বলে। 
- কোনো পানির BOD এর মান যত বেশি হয় সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। 

COD: 
- COD এর পূর্ণরূপ হলো Chemical Oxygen Demand. 
অর্থাৎ, COD এর বাংলা অর্থ হলো রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা। 
- এক লিটার পানিতে উপস্থিত জৈব ও অজৈব দূষককে রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির COD বলে। 
- কোনো পানির COD এর মান যত বেশি হয় সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। 

- BOD ও COD উভয়ই পানির দূষণ মাত্রা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো পানির COD এর মান BOD অপেক্ষা বেশি হয়। কেননা, পানিতে উপস্থিত শুধু জৈব বস্তুকে ভাঙতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ হলো BOD। অপরদিকে, সকল জৈব ও অজৈব দূষক তা অণুজীব দ্বারা পচনযোগ্য হোক বা না হোক তাদের রাসায়নিকভাবে সম্পূর্ণরূপে জারিত করতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির COD বলে। সুতরাং, একই পানির COD এর মান BOD অপেক্ষা বেশি হবে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৪৯.
Which is the largest living bird?
  1. Eagle
  2. Vulture
  3. Ostrich
  4. Owl
ব্যাখ্যা
• উটপাখি:
- সবচেয়ে বড় জীবন্ত পাখি হচ্ছে উটপাখি।
- একটি প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ উটপাখি ২.৭৫ মিটার (প্রায় ৯ ফুট) লম্বা হতে পারে-এর উচ্চতার প্রায় অর্ধেক ঘাড়-এবং ওজন ১৫০ কেজি (৩৩০ পাউন্ড) এর বেশি।
- একটি প্রাপ্ত বয়স্ক স্ত্রী উটপাখি পুরুষ থেকে কিছুটা ছোট।
- উটপাখির ডিম বিশ্বের বৃহত্তম। যার গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫০ মিমি (৬ ইঞ্চি) এবং ১২৫ মিমি (৫ ইঞ্চি) ব্যাস এবং প্রায় ১.৩৫ কেজি (৩ পাউন্ড)।
- একটি ভীত উটপাখি ঘণ্টায় ৭২.৫ কিমি (৪৫ মাইল) গতি অর্জন করতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৫০.
Which is the largest part of the human brain?
  1. Cerebellum
  2. Thalamus
  3. Cerebrum
  4. Hypothalamus
ব্যাখ্যা

সেরেব্রাম:
- এটি মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ (মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে)। 
- সেরেব্রাম বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
- সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা-
- ফ্রন্টাল লোব,
- প্যারাইটাল লোব,
- অক্সিপিটাল লোব,
- টেম্পোরাল লোব ও
- লিম্বিক লোব।

উল্লেখ্য,
- অগ্রমস্তিষ্ক তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
(ক) সেরেব্রাম,
(খ) থ্যালামাস ও
(গ) হাইপোথ্যালামাস।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫১.
রসায়নে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে কে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. David Baker
  2. Jennifer Doudna
  3. Demis Hassabis
  4. John Jumper
ব্যাখ্যা
• ২০২৪ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার:

• পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীরা:
- ডেভিড বেকার:
- ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি প্রফেসর।
- তিনি কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইন প্রযুক্তিতে কাজ করেছেন।
- ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পার:
- যথাক্রমে তাঁরা গুগল ডিপমাইন্ডের সিইও এবং পরিচালক।
- তাঁরা প্রোটিন গঠনের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য AI প্রযুক্তি আলফা ফোল্ড ২ তৈরি করেছেন​।

পুরস্কারের কারণ:
- প্রোটিন ডিজাইন: ডেভিড বেকারের কাজ নতুন প্রোটিন গঠনের জন্য ডিজাইন করা, যা প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না। এর মাধ্যমে চিকিৎসা এবং প্রযুক্তিতে নতুন কিছু তৈরি করা সম্ভব হয়েছে​।
- প্রোটিন গঠনের পূর্বাভাস: হাসাবিস এবং জাম্পারের আলফা ফোল্ড ২ প্রযুক্তি প্রোটিনের ৩-ডি গঠন পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে ৪০% থেকে ৯০% পর্যন্ত সঠিকতা বৃদ্ধি করেছে।

- প্রোটিনের গুরুত্ব: প্রোটিন হল জীবনের মৌলিক অণু, যা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলি পরিচালনার জন্য অত্যাবশ্যক। সঠিক গঠন ও কার্যকারিতা বোঝার মাধ্যমে জীবনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানা সম্ভব হবে।

- গবেষণার প্রভাব: এই আবিষ্কারগুলি অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ, পরিবেশগত সমস্যার সমাধান, এবং প্রোটিন-মধ্যস্থ প্রক্রিয়াগুলির উন্নয়নে সহায়তা করেছে। নতুন প্রোটিন ডিজাইন প্রযুক্তি বিভিন্ন খাতে যেমন, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ বিজ্ঞানেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

- এই নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানীদের কাজ আধুনিক রসায়ন এবং জীবন বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তাদের আবিষ্কার মানব জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সহায়ক হতে পারে।

অন্যদিকে,
- জেনিফার ডাউডনা হলেন একজন বিখ্যাত আমেরিকান জীবাণু রসায়নবিদ, যিনি ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে-এ অধ্যাপনা করেন।
- তিনি ( CRISPR) ক্রিস্পার প্রযুক্তির সহ-আবিষ্কারক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা জিন সম্পাদনার ক্ষেত্রে বিপ্লবী পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- ডাউডনা এর কাজ বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে, যা চিকিৎসা এবং কৃষিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে​।

সূত্র: nobelprize.org/prizes/chemistry [লিংক]
৫৫২.
Atoms with the same mass number but different numbers of protons and neutrons are called -
  1. Atomic number
  2. Isotones
  3. Isobars
  4. Isotopes
ব্যাখ্যা
- যে সকল পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোবার বলে। ভরসংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।
- একই মৌলের একাধিক ভরসংখ্যা বিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলোকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৩.
Where do hilsa fish lay their eggs when it’s breeding time?
  1. River
  2. Deep sea
  3. Shallow sea
  4. Marshland
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- ইলিশ সামুদ্রিক বা লবণাক্ত পানির মাছ হলেও প্রজননের সময় ডিম পাড়তে মিঠা পানিতে আসে।
- সমুদ্রের পানিতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকার কারনে তা ডিম নষ্ট করে ফেলে।
- প্রকৃতির নিয়মেই ইলিশ মাছ ডিম ছাড়ার সময় হলে মিঠা পানিতে (নদীতে) আসে।
- দেশের জিডিপি তে ইলিশ এর অবদান ১%। বিশ্বে আহরিত মোট ইলিশ এর ৮৬% আহরণ করা হয় বাংলাদেশ থেকে।

তথ্যসূত্র:
সাধারণ বিজ্ঞান (৯ম ও ১০ম শ্রেণী) ; মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রনালয়।
৫৫৪.
Renewable energy is also known as -
  1. Fossil energy
  2. Green energy
  3. Nuclear energy
  4. Thermal energy
ব্যাখ্যা

নবায়নযোগ্য শক্তি:
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
• সৌরশক্তি: সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলে সৌরশক্তি। সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার প্রায় সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকে আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রকৃত পক্ষে বহু দিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি।

• জলবিদ্যুৎ: পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস। পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়। পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি। পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।

• বায়ু শক্তি: পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে।

• বায়োমাস শক্তি: সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

অন্যদিকে,
- কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫৫.
What component of a nuclear reactor slows down fast neutrons?
  1. Control rods
  2. Moderator
  3. Fuel rods
  4. Coolant
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরে ফাস্ট নিউট্রনকে ধীর করার জন্য যে উপাদান ব্যবহৃত হয় তাকে মডারেটর (Moderator) বলা হয়। নিউক্লিয়ার ফিশন ঘটাতে প্রায়শই ধীর বা থার্মাল নিউট্রনের প্রয়োজন হয়, কারণ এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ এবং ফিউশন চেইন রিয়েকশন স্থিতিশীল হয়। ফাস্ট নিউট্রন খুব দ্রুত গতিতে চলে, তাই সেগুলো সরাসরি ফিসন ঘটাতে খুব কার্যকর নয়। মডারেটর নিউট্রনকে ধীরে ধীরে ধাক্কা খাওয়ানোর মাধ্যমে গতি কমায়। সাধারণত হালকা উপাদান যেমন পানি, ভার্জিনিয়ান গ্রাফাইট বা হেভি ওয়াটার মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরের নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম নিশ্চিত করে।

- সঠিক উত্তর: খ) Moderator.

• অপশন আলোচনা:
ক) Control rods - ক্যাডমিয়াম বা বোরনের মতো পদার্থ দিয়ে তৈরি।
- এগুলো অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে পারমাণবিক বিক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণ করে।

খ) Moderator - গ্রাফাইট বা ভারী জল দিয়ে তৈরি হয়।
- এগুলো দ্রুত নিউট্রনকে ধীর করে বিভাজন বিক্রিয়াকে কার্যকর করে।

গ) Fuel rods - ইউরেনিয়াম-২৩৫ বা প্লুটোনিয়াম-২৩৯ ধারণ করে।
-  এই রডেই নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ঘটে এবং শক্তি উৎপন্ন হয়।

ঘ) Coolant - জল, তরল সোডিয়াম বা গ্যাস হতে পারে।
- এটি রিঅ্যাক্টর থেকে তাপ শোষণ করে বাইরে নিয়ে যায় ও অতিরিক্ত উত্তাপ রোধ করে।
 
• পারমাণবিক চুল্লি: 
- নিউক্লিয়ার রিয়‍্যাক্টর বা পারমাণবিক চুল্লি মূলত এক প্রকার তাপীয় যন্ত্র। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম-২৩৫)-এর শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) ঘটিয়ে অত্যধিক তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয়। 
- মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235) কে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়ার বিভাজনের (Nuclear Fission) মাধ্যমে পারমাণবিক চুল্লির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীসহ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহকরূপে হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহৃত হয়। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু খুবই হালকা হওয়ায় মডারেটর হিসেবে রিয়‍্যাক্টরে হাইড্রোজেন পরমাণুকেই বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মডারেটর হিসেবে পরিষ্কার গ্রাফাইট, সাধারণ হালকা পানি, ভারী পানি ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং IAEA ওয়েবসাইট।

৫৫৬.
Natural gas is primarily composed of which hydrocarbon?
  1. Octane
  2. Benzene
  3. Ethylene
  4. Methane
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৭.
What environmental issue involves the excessive use of fertilizers and run-off chemicals into bodies of water, causing oxygen depletion and harm to aquatic ecosystems?
  1. Deforestation
  2. Desertification
  3. Eutrophication
  4. Above all
ব্যাখ্যা
Eutrophication:
- ইউট্রোফিকেশন হলো একটি পদ্ধতি যেখানে রাসায়নিক পদার্থ বা বৃষ্টির পানির সাথে জলাশয়ের মধ্যে অতিরিক্ত nutrients বা পুষ্টি উপাদান যেমন ফসফরাস বা নাইট্রোজেন এর জন্য জলের মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র শ্যাওলা জাতীয় উদ্ভিদ ও প্ল্যাঙ্কটন এর প্রচুর বৃদ্ধি ঘটেঁ (The environmental issue involving excessive fertilizer and runoff causing oxygen depletion and harming aquatic ecosystems is called eutrophication.)।

⇒ এর ফলে পুরো জল সবুজ হয়ে যায়।
- এই গাছগুলি অতিরিক্ত পুষ্টি গ্রহণ করে এবং দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
- এই গাছগুলি মারা যায়, তারা অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- যার ফলে জলে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়।
- এর ফলে অন্যান্য জলজ প্রাণীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

উৎস: Britannica.
৫৫৮.
Which generation of computers started using transistors?
  1. 1G
  2. 2G
  3. 3G
  4. 4G
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্ম:  
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় এবং ঢাকা পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে সুদীর্ঘ কয়েক বছর চালু ছিল।

• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩. আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪. উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫. অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬. উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭. টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা ইত্যাদি।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৯.
Which instrument is used to measure the density of milk?
  1. Fadometer
  2. Lactometer
  3. Barometer
  4. Manometer
ব্যাখ্যা

পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫৬০.
Which planet in our solar system is nearly as big as Earth?
  1. ক) Mercury
  2. খ) Mars
  3. গ) Venus
  4. ঘ) Pluto
  5. ঙ) Jupiter
ব্যাখ্যা
Venus is nearly as big as the Earth. As it is very similar to Earth in terms of size, average density, mass & surface gravity. It is also known as Earth's twin.
৫৬১.
Which atmospheric layer has the highest air density?
  1. Mesosphere
  2. Thermosphere
  3. Stratosphere
  4. Troposphere
ব্যাখ্যা
• ট্রপোমন্ডল:
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- ভ‚-পৃষ্ঠ সংলগ্ন হওয়ায় এ স্তর জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় এবং এই স্তরেই আবহাওয়া ও জলবায়ুর সব রকমের বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে।
- এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫০ সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার নামে পরিচিত।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি বলে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৬২.
What is the main pigment responsible for photosynthesis in plants?
  1. Anthocyanin
  2. Xanthophyll
  3. Carotene
  4. Chlorophyll
ব্যাখ্যা

• প্রধান পিগমেন্ট যা উদ্ভিদে ফটোসিন্থেসিসের জন্য দায়ী তা হলো ঘ) ক্লোরোফিল। ক্লোরোফিল মূলত সবুজ রঙের এবং এটি সূর্যের আলো থেকে শক্তি শোষণ করে। উদ্ভিদগুলো এই শক্তি ব্যবহার করে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি থেকে গ্লুকোজ এবং অক্সিজেন তৈরি করে, যা ফটোসিন্থেসিস প্রক্রিয়ার মূল কাজ। অন্য পিগমেন্ট যেমন অ্যানথোসায়ানিন, জ্যান্থোফিল এবং ক্যারোটিন প্রধানত রঙ এবং আলো শোষণের বিভিন্ন শিফটে সহায়ক হলেও তারা সরাসরি খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ নয়। ক্লোরোফিলের কারণে পাতাগুলো সবুজ দেখায় এবং এটি সূর্যের আলোকে রিঅ্যাকশনে রূপান্তর করে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় জৈব যৌগ তৈরি করতে সক্ষম।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Chlorophyll.
 
• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসৃত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
- সালোকসংশ্লেষণের সময় সবুজ উদ্ভিদ আলোর ফোটন কণা শোষণ করে আলোকশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- আলো হলো এক প্রকার তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ। এর উৎস হচ্ছে সূর্য।
- আলোর সাতটি রঙের মধ্যে লাল, নীল, কমলা ও বেগুনী আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয়।
- সবুজ ও হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয় না।
- একক আলো হিসেবে লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়।
- ইহা ছাড়া অন্যান্য উপাদানও সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণ করে।
- বিভিন্ন ধরনের পিগমেন্ট (যেমন- হলুদ রঙের জ্যান্থোফিল, কমলা রঙের ক্যারোটিন, নীল রঙের ফাইকোসায়ানিন, লাল রঙের ফাইকোইরেথ্রিন ইত্যাদি), বিভিন্ন প্রকারের এনজাইম এবং আয়নসমূহ এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

উৎস:
১। জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২। উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫৬৩.
The unit used to measure the distance between stars is- 
  1. Light year
  2. Cosmic kilometer
  3. Steller mile
  4. Galactic unit
  5. None
ব্যাখ্যা
নক্ষত্র (Stars): 
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। 
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। খালি চোখে আমরা মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখতে পাই। এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। 
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না। 
- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে। 
- কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। 

- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। ফলে এই দূরত্বকে আলোক বর্ষ (Light year) এককে মাপা হয়। 
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। 
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। 
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্‌টারাই (Proxima Centauri)। 
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৬৪.
What is the chemical name of vitamin C?
  1. Salicylic acid
  2. Ascorbic acid
  3. Tartaric acid
  4. Citric acid
ব্যাখ্যা
ভিটামিন 'সি':
- ভিটামিন 'সি' এর রাসায়নিক নাম হচ্ছে 'অ্যাসকরবিক’ এসিড।
- ভিটামিন 'সি' কে স্কার্ভি প্রতিরোধক ভিটামিন ও বলা হয়।
- বিশুদ্ধ এসকরবিক এসিড সাদা, দানাদার, সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয়।
- এ ভিটামিন খুবই অস্থিতিশীল তাপ, আলো, বাতাস, ক্ষার ও ধাতবের সংস্পর্শে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়।
- পানিতে দ্রবনীয় বলে শাকসবজি পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিলে বা সিদ্ধ করে পানি ফেলে দিলে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ পর্যন্ত ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়।
- তরকারি চুলায় বসিয়ে রাখলে বা বারে বারে গরম করলেও ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়।
- সবজি ও ফলে সামান্য চিনি মেশালে ভিটামিন 'সি' অনেকটা বেড়ে যায়।
- কচুশাক, মুলাশাক, সজিনাপাতা, ধনেপাতা, লাল শাক, খেসারি শাক, বথুয়া শাক, পালং শাক, লাউ শাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো ইত্যাদিতে ভিটামিন 'সি' পাওয়া যায়। তবে আমলকিতে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন 'সি' রয়েছে।
- ভিটামিন 'সি' এর অভাবে স্কার্ভি নামক রোগ হয়। এতে দাঁতের মাড়ি ফুলে যায়, দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত ক্ষরণ হয়।
- শিশুদের হাঁটুর জয়েন্টে ব্যাথা হয় ও ফুলে যায় এবং রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৬৫.
What is the total resistance when three resistors of 7Ω, 8Ω, and 9Ω are connected in series?
  1. 14Ω
  2. 23Ω
  3. 24Ω
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
Question: What is the total resistance when three resistors of 7Ω, 8Ω, and 9Ω are connected in series?

Solution:
দেওয়া আছে,
রোধ, R1 = 7Ω,
রোধ, R2 = 8Ω এবং
রোধ, R3 = 9Ω

যেহেতু রোধ তিনটি শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত সুতরাং তুল্য রোধ, R = R1 + R2 + R3 
= 7Ω + 8Ω + 9Ω 
= 24Ω 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৬.
The voltage ratio in a transformer is proportional to:
  1. Frequency of AC
  2. Number of turns in coils 
  3. Resistance of wire
  4. Current ratio
ব্যাখ্যা

• একটি ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ অনুপাত (voltage ratio) মূলত কুণ্ডলীর (coil) টার্নের সংখ্যার উপর নির্ভর করে। ট্রান্সফরমার দুটি কুণ্ডলী নিয়ে গঠিত: প্রাইমারি (primary) এবং সেকেন্ডারি (secondary)। প্রাইমারি কুণ্ডলীর ভোল্টেজ এবং সেকেন্ডারি কুণ্ডলীর ভোল্টেজের অনুপাত প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কুণ্ডলীর টার্নের সংখ্যার অনুপাতের সমান। অর্থাৎ, যদি সেকেন্ডারি কুণ্ডলীর টার্ন বেশি হয়, তাহলে আউটপুট ভোল্টেজও বেশি হবে। অন্য দিকে, ভোল্টেজ অনুপাত কোনোভাবে AC ফ্রিকোয়েন্সি, তারের রোধ বা কারেন্ট অনুপাতের উপর সরাসরি proportional নয়। তাই ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ অনুপাত বোঝার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কুণ্ডলীর টার্নের সংখ্যা। সঠিক উত্তর: খ) Number of turns in coils.
 
ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- তড়িচ্চালক শক্তি বা EMF পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়। 
- যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- ট্রান্সফরমারের দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। 
- ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। আবার, বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 

স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। 
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 

স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৬৭.
Which is the international unit of measurement of temperature?
 
  1. Kelvin 
  2. Fahrenheit
  3. Degree Celsius
  4.  Celsius
     
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রা:
- তাপমাত্রা পরিমাপের S.I বা আন্তর্জাতিক একক কেলভিন।
- তবে তাপমাত্রার কেলভিন ছাড়াও বহুলপ্রচলিত দুটি একক আছে।
- যেমন- সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং ফারেনহাইট।
- তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্র থার্মোমিটার।
- তাপের প্রবাহ তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে।
- দুটি বস্তুর তাপমাত্রা এক হলেও এদের মধ্যে তাপের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৮.
Which of the following acids is secreted by parietal cells in the stomach lining?
  1. Citric acid
  2. Benzoic acid
  3. Hydrochloric acid
  4. Acetic acid
ব্যাখ্যা

• প্যারিয়েটাল সেল হলো পেটের লাইনিংয়ে থাকা বিশেষ ধরনের কোষ, যা হজম প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কোষগুলি প্রধানত হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (Hydrochloric acid) উৎপাদন করে, যা খাবারকে ভেঙে দিতে এবং ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের উপস্থিতি পেটের পিএইচকে অনেক কমিয়ে আনে, ফলে পেপসিন নামের এঞ্জাইম সক্রিয় হয় এবং প্রোটিন হজম হয়। অন্যান্য বিকল্প যেমন সিট্রিক অ্যাসিড, বেনজোইক অ্যাসিড বা অ্যাসেটিক অ্যাসিড পেটের প্যারিয়েটাল সেল থেকে সেক্রেট হয় না। সুতরাং, প্যারিয়েটাল সেল দ্বারা নিঃসৃত হওয়া অ্যাসিড হলো Hydrochloric acid (গ)।
 
• হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের ভূমিকা:
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একটি শক্তিশালী অ্যাসিড।
- এটি পাকস্থলীর ভেতরে একটি অত্যন্ত অম্লীয় পরিবেশ তৈরি করে (pH 1.5 - 3.5), যা খাবার হজমের জন্য অপরিহার্য।
- এই অম্লীয় পরিবেশের কারণে পেপসিনোজেন নামক নিষ্ক্রিয় এনজাইম সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তরিত হয়, যা প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে।
- এটি খাবারের সাথে আসা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতেও সহায়তা করে।
- হাইড্রোক্লোরিক এসিডের অম্লীয় পরিবেশ খাবারের জটিল উপাদানগুলোকে সহজে ভেঙে ফেলে, যা পরবর্তীতে ক্ষুদ্রান্তে শোষিত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ:
- নাইট্রিক এসিড ও  সালফিউরিক এসিড: এই দুটি অ্যাসিড অত্যন্ত শক্তিশালী খনিজ অ্যাসিড, যা মানবদেহের পাকস্থলীতে পরিপাকের জন্য উৎপন্ন হয় না।
- ল্যাকটিক এসিড: এটি শরীরের পেশীতে বা দুগ্ধজাত দ্রব্যে তৈরি হয়। এটি পাকস্থলীর পরিপাক রসের প্রধান অ্যাসিড নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৬৯.
The largest unit of length used to express astronomical distance called -
  1. ক) Light - year
  2. খ) Parsec
  3. গ) Kilometer
  4. ঘ) None of these.
ব্যাখ্যা

Parsec, unit for expressing distances to stars and galaxies, used by professional astronomers.
It represents the distance at which the radius of Earth's orbit subtends an angle of one second of arc.
Thus, a star at a distance of one parsec would have a parallax of one second, and the distance of an object in parsecs is the reciprocal of its parallax in seconds of arc.

A unit of distance used in astronomy, equal to about 3.26 light-years (3.086 × 10¹³ kilometers). One parsec corresponds to the distance at which the mean radius of the earth's orbit subtends an angle of one second of arc.
Source: www.britannica.com & Oxford Dictionary.

৫৭০.
In which among the following, the speed of sound would be maximum?
  1. ক) Dry air at 0°C
  2. খ) Dry air at 30°C
  3. গ) Humid air at 0°C
  4. ঘ) Humid air at 30°C
  5. ঙ) Cold air at -30°C
ব্যাখ্যা

The speed of sound in a medium depends on the temperature of the medium. The speed of sound decreases when we go from solid to gaseous state.
In any medium as we increase the temperature the speed of sound increases. The speed of sound will be highest in humid air at 30°C.

৫৭১.
The smallest bone in the human body is located in -
  1. Ear
  2. Nose
  3. Finger
  4. Toe
ব্যাখ্যা

◉ The smallest bone in the human body is the stapes, which is located in the ear. এই হাড়টি মধ্যম কানের (middle ear) অংশ এবং এটি কানের ossicles-এর তিনটি হাড়ের মধ্যে একটি। Stapes-এর আকার মাত্র 2.8 মিলিমিটার (0.11 ইঞ্চি) এবং এটি শব্দ তরঙ্গকে কানের ভিতরের অংশে (inner ear) প্রেরণে সাহায্য করে।

মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
- কঙ্কালতন্ত্র বিশেষ ধরনের যোজক কলা বা টিস্যুনির্মিত অস্থি ও তরুণাস্থির সমন্বয়ে গঠিত।
- একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহে মোট ২০৬ টি হাড় বা অস্থি রয়েছে।
- মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র ২টি প্রধান ভাগে বিভক্ত। যথা- (১) অক্ষীয় কঙ্কাল (করোটি, দেহকাণ্ড) (২) উপাঙ্গীয় কঙ্কাল।
- করোটি ২৯টি অস্থি নিয়ে গঠিত।
- ৩৩ টি অনিয়ত আকৃতির অস্থিখন্ড বা কশেরুকা নিয়ে মানুষের মেরুদণ্ড গঠিত।
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় অস্থি হলো ফিমার (উরুর অস্থি) যা মানুষের উর্ধ্ব পা এর অস্থি।
- মানুষের দেহে সবচেয়ে ছোট অস্থি হলো কানের ভেতরের অস্থি স্টেপিস।
- টেনডন: পেশিকে অস্থির সাথে যুক্ত রাখে।
- লিগামেন্ট: শরীরের একটি হাড়কে অন্য হাড়ের সাথে যুক্ত রাখে।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭২.
For what discovery did Victor Ambros and Gary Ruvkun win the 2024 Nobel Prize in Physiology or Medicine?
  1. Discovery of stem cells
  2. Discovery of the double helix structure
  3. Discovery of DNA replication
  4. Discovery of microRNA
ব্যাখ্যা
• মেডিসিন বা ফিজিওলজিতে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার:

- মেডিসিন বা ফিজিওলজিতে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার  বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন ভিক্টর অ্যামব্রোস এবং গ্যারি রুভকুন। মাইক্রোআরএনএর আবিষ্কার এবং এটি কিভাবে পোষ্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে তা নিয়ে - তাঁদের কাজের জন্য এই পুরস্কারটি প্রদান করা হয়েছে। 

- পুরস্কারের উদ্দেশ্য: মাইক্রোআরএনএ এবং এর জিন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকার জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন।

বিজ্ঞানীর পরিচয়:
- ভিক্টর অ্যামব্রোস: তিনি ১৯৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্তমানে UMass Chan Medical School-এর সাথে যুক্ত আছেন।
- গ্যারি রুভকুন: তিনি হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক এবং ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে গবেষক।

- গবেষণার পটভূমি: তাঁদের গবেষণা একটি ছোট গোলাকার কৃমি, Caenorhabditis elegans (C. elegans), নিয়ে হয়েছিল, যা জিন উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- মাইক্রোআরএনএর আবিষ্কার: তাঁরা ১৯৯৩ সালে lin-4 এবং lin-14 জিনের মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করেন, যা মাইক্রোআরএনএর অস্তিত্ব নির্দেশ করে। এটি কীভাবে অন্যান্য জিনের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে তা তাঁরা দেখান।

- গবেষণার গুরুত্ব: এই আবিষ্কারটি প্রাণীজগতের জিন নিয়ন্ত্রণের একটি নতুন মৌলিক ধারণার উদ্ভাবন করেছে। বর্তমানে মানুষের জিনোমে ১,০০০ এর বেশি মাইক্রোআরএনএ কোড রয়েছে।

- স্বাস্থ্য ও চিকিৎসায় প্রভাব: যদিও এখনো এই আবিষ্কারের সরাসরি চিকিৎসার ব্যবহার নেই, কিন্তু মাইক্রোআরএনএ প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং অন্যান্য রোগের ভ্যাকসিনের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।

- অন্য পুরস্কার: ২০২৩ সালে কাতালিন কারিকো এবং ড্রু ওয়েইসম্যানকে মেসেঞ্জার আরএনএ প্রযুক্তির জন্য নোবেল মেডিসিন পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল, যা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্রুত উন্নয়নে সহায়ক ছিল।

- এই আবিষ্কারগুলি জীববিজ্ঞানের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এবং আমাদের শরীরের জিন নিয়ন্ত্রণের সিস্টেমের বিশাল জটিলতা সম্পর্কে নতুন ধারণা প্রদান করেছে​।

সূত্র: nobelprize.org/prizes/medicine [লিংক]
৫৭৩.
Which is the strongest force in the universe?
  1. Gravitational Force
  2. Electromagnetic Force
  3. Strong Nuclear Force
  4. Weak Nuclear Force
  5. Force of gravity
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল:
- মহাজগতে মৌলিক বল মাত্র চারটি।
- সেগুলো হচ্ছে: মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লিয় বল ও সবল নিউক্লিয় বল।
- মহাকর্ষ বল: এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। এটি সবচেয়ে দুর্বল বল।
- তড়িৎ চৌম্বকীয় বল: মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তুলনায় এটা অনেক শক্তিশালী।
- সবল নিউক্লীয় বল: সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ শক্তিশালী কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে করে।
- দুর্বল নিউক্লীয় বল: এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল কিন্তু মহাকর্ষ বলের থেকে শক্তিশালী।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭৪.
Which is not a part of the forebrain?
  1. Hypothalamus
  2. Cerebrum
  3. Thalamus
  4. Cerebellum
ব্যাখ্যা

⇒ সেরেবেলাম পশ্চাৎ মস্তিষ্কের অংশ।

অগ্রমস্তিষ্ক:
- অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে।
- এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা-
(ক) সেরেব্রাম,
(খ) থ্যালামাস ও
(গ) হাইপোথ্যালামাস।

• সেরেব্রাম:
- মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ (মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে)।
- প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা- ফ্রন্টাল লোব, প্যারাইটাল লোব, অক্সিপিটাল লোব, টেম্পোরাল লোব ও লিম্বিক লোব।
- সেরেব্রাম বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
- সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

• থ্যালামাস:
- সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে দুটি ক্ষুদ্র ও ডিম্বাকৃতির থ্যালামাস থাকে যা ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- থ্যালামাস সংবেদী-উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং রিলে করে সেরেব্রামে পাঠায়।

• হাইপোথ্যালামাস:
- এটি থ্যালামাসের ঠিক নিচে ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- এটি অন্ততঃ এক ডজন পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত থাকে।
- স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, রাগ, ভাল লাগা, ভীতি, আবেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- পিটুইটারী গ্রন্থিও বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭৫.
Which of the following gas is used in Bulb?
  1. ক) Hydrogen
  2. খ) Nitrogen
  3. গ) Oxygen
  4. ঘ) Carbon-di-oxide
ব্যাখ্যা

- Argon is a commonly used gas used to fill incandescent light bulbs.
It increases bulb life by preventing the tungsten filaments from deteriorating too quickly.
Other gases such as helium, neon, nitrogen, and krypton are also used in lighting.

- The gases used in light bulbs are known as inert gases.
An inert gas is non-reactive and extremely resistant to chemical change.
Inert gases can either be elements or compounds.
Due to their inherent stability, inert gases such as argon and nitrogen do not allow a filament to catch fire in a light bulb.
Other examples of usage of an inert gas include packing food with nitrogen to prevent spoilage and storing historical documents under argon to resist degradation.

৫৭৬.
Fathom is the unit of -
  1. ক) Sound
  2. খ) Depth
  3. গ) Frequency
  4. ঘ) Distance
ব্যাখ্যা

Fathom, an old English measure of length, now standardized at 6 feet (1.83 metres),
which has long been used as a nautical unit of depth. The longest of many units derived from an anatomical measurement, the fathom originated as the distance from the middle fingertip of one hand to the middle fingertip of the other hand of a large man holding his arms fully extended.
Source: www.britannica.com

৫৭৭.
If a spaceship moves close to the speed of light, its mass:
  1. Decreases
  2. Increases 
  3. Remains unchanged
  4. Becomes zero
ব্যাখ্যা

• যদি একটি মহাকাশযান প্রায় আলো গতির কাছাকাছি গতি অর্জন করে, তবে বিশেষ আপেক্ষিকতার সূত্র অনুযায়ী তার দ্রব্যর ভর (mass) বাড়ে। অর্থাৎ, গতি যত বেশি হয়, মহাকাশযানের ভর তত বেশি। এটি কারণ সময় এবং স্থান আপেক্ষিকভাবে পরিবর্তিত হয়, এবং যেহেতু ভর এবং শক্তি সম্পর্কযুক্ত, তাই দ্রুতগতির জন্য ভর বৃদ্ধি পায়। এই ভরবৃদ্ধি গতি আলোর সমান হলে অসীমের দিকে চলে যায়, তাই কোনো বস্তু আলোর গতি অর্জন করতে পারে না। অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) Increases.
 
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে সমবেগে গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর কোনো ঘটনা বা কোনো ভৌত রাশির পরিমাপ সংক্রান্ত আলোচনা। 
- ভর, সময়, দৈর্ঘ্য, বেগ ও শক্তির আপেক্ষিকতা ইত্যাদি বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 

যথা -
প্রথম স্বীকার্য: 
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

দ্বিতীয় স্বীকার্য: 
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 

৫৭৮.
Which of the following is not a contagious disease?
  1. Small Pox
  2. Typhoid
  3. Tuberculosis
  4. Mumps
  5. None
ব্যাখ্যা
অপশনে বর্ণিত সবগুলোই সংক্রামক রোগ।

ছোঁয়াচে রোগ:

- যে সকল রোগের বিস্তার রোগীর সংস্পর্শে বা ছোঁয়ায় হয়ে থাকে, তাদেরকে ছোঁয়াচে রোগ বলে।
- ছোঁয়াচে রোগের উদাহরণ হলো- জলবসন্ত, মাম্পস, ফাইলেরিয়া, পাঁচড়া ইত্যাদি।

⇒ গুটিবসন্ত (Smallpox):
- বসন্ত Variola ও Varicella নামক ভাইরাসঘটিত সংক্রামক ছোঁয়াচে রোগ। দু’ধরনের বসন্তের মধ্যে একটি হলো গুটিবসন্ত যা ভ্যারিওলা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতো এবং এটি অত্যন্ত মারাত্মক এক ব্যাধি ছিল। গুটিবসন্ত (Smallpox) মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। দেহে প্রথমে এক ধরনের গুটি বের হয় যা পরবর্তী সময়ে তিল বা দাগ (macules), কুড়ি (papules), ফোস্কা (vesicles), পুঁজবটিকা (pustules) এবং খোসা বা আবরণ (crusts) ইত্যাদি পর্যায়ের মাধ্যমে দেহে লক্ষণ প্রকাশ করে।

⇒ টাইফয়েড:
- টাইফয়েড জ্বর হলো একটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ যা সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার কারণে ঘটে। টাইফয়েড মূলত একটি পানিবাহিত মারাত্মক রোগ। দুই ধরনের জীবাণুর সংক্রমণে এই জ্বর হয়ে থাকে- ১) সালমোনেলা টাইফি এবং ২) সালমোনেলা প্যারাটাইফি।  টাইফয়েডের জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে মূলত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে। আক্রান্ত ব্যক্তির মলের মাধ্যমে এইসব জীবাণু পরিবেশে ছড়ায়। অপরিষ্কার-অস্বাস্থ্যকর খাবার কিংবা হাতের মাধ্যমেও এটি ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে। অধিকাংশ রেস্টুরেন্টেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার প্রস্তুত করা হয় না, ফলে সেসব খাবারের মাধ্যমেও মানুষ আক্রান্ত হয়। এছাড়াও টাইফয়েড জ্বর থেকে সুস্থ হয়ে উঠার পরও কেউ কেউ এই ব্যাকটেরিয়া বহন করেন। টাইফয়েড জ্বর অত্যন্ত সংক্রামক।

⇒ যক্ষ্মা (টিবি):
- টিউবারকিউলোসিস (টিবি) রোগের কারণ একটি ব্যাকটেরিয়া, যার নাম মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস। ব্যাকটেরিয়া সাধারণত ফুসফুসে আক্রমণ করে, কিন্তু টিবির ব্যাকটেরিয়া দেহের যে কোনও অঙ্গেই রোগ ছড়াতে পারে যার মধ্যে পড়ে কিডনি, মেরুদণ্ড ও মস্তিষ্ক। টিবি আসলে সংক্রামক রোগ যা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে একজনের থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।  যাদের টিবি হয়েছে এমন লোকের সংস্পর্শে এলেই তবে কারো টিবি হতে পারে। 

⇒ Mumps:
- মাম্পস হল একটি অত্যন্ত ভাইরাল সংক্রমণ যা প্রাথমিকভাবে লালা গ্রন্থিগুলিকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে কানের নীচের প্যারোটিড গ্রন্থিগুলিকে। মাম্পস কিন্তু একটি ছোঁয়াছে রোগ। মূলত লালা ও স্পর্শের মাধ্য়মে এই রোগ একজনের থেকে অনেকের মধ্য়ে ছড়িয়ে যায়। শিশু-কিশোররাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। ভাইরাস ইনফেকশনের কারণে ঘটে মাম্পস।

অন্যদিকে,
⇒ অসংক্রামক রোগ:
- যেসব রোগ রোগাক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য কোনো সুস্থ দেহে ছড়ায় না তাদের অসংক্রামক রোগ বলে।
- যেমন- ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যান্সার, হৃদরোগ ইত্যাদি।

উৎস: Rhode Island Department of Health (.gov).
৫৭৯.
What is the average life span of white blood cells?
  1. 1 - 15 day
  2. 30 day
  3. 90 day
  4. 120 day
ব্যাখ্যা
♦ শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
- শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে। 
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮০.
The basic structural and functional unit of the nervous system is called:
  1. Axon
  2. Dendrite
  3. Synapse
  4. Neuron
  5. Glial cell
ব্যাখ্যা
• স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮১.
For seeing objects at the surface of the water from a submarine under water, the instrument used is -
  1. Telescope
  2. Kaleidoscope
  3. Periscope
  4. Spectroscope
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ:
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৮২.
Which gas do plants absorb from the atmosphere for photosynthesis?
  1. Oxygen
  2. Carbon dioxide
  3. Nitrogen
  4. Hydrogen
  5. None of the Above
ব্যাখ্যা
• ফটোসিনথেসিস: 
- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্য্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে,
- এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- সালোক সংশ্লেষনে এর সময় কার্বন-ডাই-অক্সাইড শর্করা জাতীয় খাদ্যে রূপান্তরিত হয়।
- সুতরাং ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ার এই অংশকে কার্বন আত্তীকরণ পদ্ধতি বলে।
- সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে আলোচনার জন্য দুটি অংশে ভাগ করা যায়।
- প্রথমত সালোক সংশ্লেষণ বা আলোক রাসায়নিক বিক্রিয়া বা আলোক পর্যায়।
- এবং দ্বিতীয়ত কার্বন ডাই-অক্সাইড বিজারণ বা কার্বন আত্তীকরণ প্রক্রিয়া।


- সালোক সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ:
- সালোক সংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে,
- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও  কার্বন ডাই-অক্সাইড।

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৩.
When taking something to the moon, what change will occur in its weight?
  1. will increase
  2. will decrease
  3. will remain the same
  4. will be zero
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে।
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে।
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়।
- পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে অর্থাৎ কমবে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
৫৮৪.
Who discovered bacteria?
  1. Leeuwenhoek
  2. Robert Cook
  3. Edward Jenner
  4. Robert Hooke
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব।
- ১৬৭৫ সালে ওলন্দাজ বিজ্ঞানী এন্টনি ভন লিউয়েন হুক (Antonie van Leeuwenhoek) ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন। তাকে ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়।

• ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে। কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(১) কক্কাস,
(২) ব্যাসিলাস,
(৩) স্পাইরিলাম এবং
(৪) কমা আকৃতি।

উৎস: i) উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৫৮৫.
Which of the following is a part of the large intestine?
  1. Duodenum
  2. Colon
  3. Jejunum
  4. Ileum
ব্যাখ্যা

পরিপাক নালি:
- মানবদেহে পরিপাক ও পরিশোষণ পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে সংগঠিত হয়। 
- পরিপাকতন্ত্র পরিপাক নালি ও পরিপাক গ্রন্থি নিয়ে গঠিত। 
- মানুষের পরিপাক নালি মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত ৮-১০ মিটার বিস্তৃত দীর্ঘ নালি বিশেষ যা কোথাও থলির ন্যায় স্ফীত আবার কোথাও কুণ্ডলীকৃত। 
- বিভিন্ন অংশ যেমন- মুখছিদ্র, মুখবিবর, গলবিল, অন্ননালি, পাকস্থলি, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র দ্বারা পরিপাক নালি গঠিত। 

ক্ষুদ্রান্ত: 
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। 
যথা- ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম। 
- ডিওডেনামে মূলতঃ অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে। 
বৃহদান্ত্র: 
- পৌষ্টিকনালির শেষোক্ত বৃহৎ নলাকার অংশ যা ক্ষুদ্রান্ত্রের পর থেকে প্রায় ২ মিটার লম্বা মলাশয় পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। 
যথা- সিকাম, কোলন ও মলাশয়। 
- সিকাম বৃহদন্ত্রের প্রথম, বড় স্ফীত ও গোলাকার থলের মতো অংশ। 
- সিকাম থেকে একটি ক্ষুদ্র আঙ্গুল ও বন্ধ থলের ন্যায় প্রসারিত অংশকে অ্যাপেনডিক্স বলা হয়। 
- এটি একটি নিষ্ক্রিয় অঙ্গ। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮৬.
The branch of science that deals with the study of cells is called- 
  1. Entomology
  2. Craniology
  3. Hormonology
  4. Cytology
ব্যাখ্যা

সাইটোলজি (Cytology):
- সাইটোলজি হলো কোষের গঠন, কার্যকারিতা এবং রোগ-সম্পর্কিত পরিবর্তন নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত অধ্যয়ন।
- শব্দটি এসেছে গ্রিক “kytos” (কোষ) এবং “logia” (অধ্যয়ন) থেকে, যার অর্থ “কোষের অধ্যয়ন।”
- সাইটোলজি কোষ জীববিজ্ঞানের (Cell Biology) একটি অংশ।
- এটি কোষের সংগঠন, অপরিহার্য প্রক্রিয়া, টিস্যু গঠন, এবং জীবন্ত সিস্টেমের কাজ ও বিকাশ বোঝার সঙ্গে জড়িত।
- এটি জেনেটিক্স, জৈব রসায়ন, আণবিক জীববিজ্ঞানের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
- এতে মূলত কোষের আকার, গঠন এবং আচরণ বিশ্লেষণ করা হয়, যাতে স্বাভাবিক ও রোগাক্রান্ত অবস্থা (যেমন ক্যান্সার, সংক্রমণ, প্রদাহ) বোঝা যায়।
- সাধারণত এটি রোগ নির্ণয় ও স্ক্রিনিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে শরীরের তরল বা টিস্যু থেকে সংগৃহীত একক কোষ বা কোষের ছোট গুচ্ছ পরীক্ষা করা হয়।

অন্যদিকে,
• এন্টোমোলজি হলো- কীটপতঙ্গ এবং তাদের মানুষের সাথে, পরিবেশের সাথে ও অন্যান্য প্রাণীর সাথে সম্পর্কের অধ্যয়ন।

• ক্র্যানিওলজি (Craniology) হলো- মাথার খুলির আকার, আকৃতি ও গঠন নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞান।

• হরমোনবিদ্যা (Hormonology) হলো- হরমোন এবং অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি (Endocrine System) সম্পর্কিত অধ্যয়নের বিজ্ঞান।

উৎস: Britannica ও  জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮৭.
Viruses serve as which of the following in genetics and modern biology?
  1. Catalyst
  2. Enzyme
  3. Vector
  4. Hormone
  5. Mediator
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস জিন স্থানান্তরের বাহক (Vector) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• ভাইরাসের উপকারিতা:
- বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা ও পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসকে মানবকল্যাণে বিভিন্নভাবে ব্যবহারযোগ্য উপাদানে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য উপকারিতাগুলো হলো—

- বসন্ত, পোলিও এবং জলাতঙ্ক রোগের প্রতিরোধক টিকা (Vaccine) ভাইরাস ব্যবহার করেই তৈরি করা হয়।
- ভাইরাসের মাধ্যমে উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধক টিকা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
- ভাইরাসকে কখনো কখনো অ্যালার্জি, জিনতত্ত্ব ও আধুনিক জীববিদ্যা গবেষণায় বাহক (Vector) হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহৃত হয়। যেমন— ফাজ ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে।
- কিছু ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে।
- কোষীয় প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও জেনেটিক নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনে ভাইরাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ভাইরাস জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে, যা জীববিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক।
 
• ভাইরাসের কৃষিক্ষেত্রে প্রভাব (উদাহরণ):

- লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ সৃষ্টি হয়।
- এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং বাজারে ফুলের মূল্য বেড়ে যায়।

তথ্যসূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫৮৮.
Which of the following is expected to be the largest source of electricity in the world in 2025?
  1. Coal
  2. Natural gas
  3. Renewables
  4. Nuclear
  5. None
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ উৎস:  
- বিশ্বজুড়ে শক্তি প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewables) ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ উৎস হওয়ার কথা।  
- এর মধ্যে সোলার, বায়ু, জলবিদ্যুৎ এবং অন্যান্য নবায়নযোগ্য উৎস অন্তর্ভুক্ত, যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।  
- কয়লা, যা এক সময় প্রধান উৎস ছিল, পরিবেশগত সমস্যা এবং নীতিগত পরিবর্তনের কারণে অনেক অঞ্চলে হ্রাস পাচ্ছে।  
- প্রাকৃতিক গ্যাস বাড়ছে, কিন্তু সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে নবায়নযোগ্যের মতো দ্রুত নয়।  
- নিউক্লিয়ার শক্তি অবদান রাখছে, কিন্তু নবায়নযোগ্য শক্তির তুলনায় এর বৃদ্ধি সীমিত।  
- তাই, পরিষ্কার শক্তি প্রযুক্তির দ্রুত গ্রহণের কারণে নবায়নযোগ্য শক্তি বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।  
- সঠিক উত্তর: গ) নবায়নযোগ্য শক্তি।

Source: IEA. [link]

৫৮৯.
What is the name of the main excretory organ of the human body?
  1. Skin
  2. Stomach
  3. Lungs
  4. Liver
  5. Kidney
ব্যাখ্যা
মানুষের রেচন প্রক্রিয়া:
- রেচন মানবদেহের একটি জৈবিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দেহে বিপাক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলো নিষ্কাশিত হয়।
- দেহের এ সকল বর্জ্য পদার্থগুলো শরীরে কোন কারণে জমতে থাকলে নানা রকমের অসুখ দেখা দেয়, পরবর্তীতে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
- রেচন প্রক্রিয়ায় দেহের বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশিত হয়ে দেহ থেকে বের করে দিয়ে দেহের শারীরবৃত্তীয় ভারসাম্য রক্ষা করে।
- শরীরের অতিরিক্ত পানি, লবণ, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জৈব পদার্থগুলো সাধারণত রেচনের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেওয়া হয়।
- রেচন পদার্থ নিষ্কাশনের জন্য মানবদেহে সুনির্দিষ্ট অঙ্গ রয়েছে।
- যে সব অঙ্গ রেচন কাজে অংশ গ্রহণ করে তাদেরকে রেচন অঙ্গ বলা হয়। এটি রেচনতন্ত্র নামে পরিচিত।
- রেচনতন্ত্রের মাধ্যমে শতকরা ৮০% রেচন পদার্থ নিষ্কাশিত হয়। বাকি ২০% রেচন পদার্থ বিভিন্ন ক্রিয়াকর্মে উৎপন্ন ও বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়।
- মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গের নাম বৃক্ক (Kidney)।
- আর বৃক্কের একক হলো নেফ্রন।

রেচন পদার্থ:
- রেচন পদার্থ বলতে মূলত নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থকে বোঝায়।
- রেচন পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে আসে।
যেমন- নাইট্রোজেনঘটিত যৌগ অ্যামোনিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন, কার্বন ডাইঅক্সাইড, পিত্ত রঞ্জক, বিভিন্ন ধরনের লবণ এবং ঘাম ও পানি বিপাকীয় বর্জ্য পদার্থ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯০.
Who first proved the concept of 'Earth revolves around the Sun'?
  1. Aristotle
  2. Johannes Kepler
  3. Isaac Newton
  4. Nicolaus Copernicus
  5. Galileo Galilei
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে।
- বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে।
- কোপার্নিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন, তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন।
- তার সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের মূল কথা ছিল 'পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে'।
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন।
- নিকোলাস কোপার্নিকাসই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে।
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন।
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যলিলিও প্রথম কোপার্নিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯১.
Which country launched the world's first FM radio?
  1. United States
  2. United Kingdom
  3. Italy
  4. Denmark
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম FM রেডিও চালু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

FM রেডিও:

- ১৯৪০ সালে যোগাযোগের জগতে এক যুগান্তকারী ঘটনা ঘটে।
- প্রথম ফ্রিকোয়েন্সি মডুলেশন বা এফএম (FM) রেডিও স্টেশন সম্প্রচার শুরু করে।
- এফএম রেডিও এমন এক প্রক্রিয়া ব্যবহার করে, যেখানে তথ্য (শব্দ, সঙ্গীত) বহন করার জন্য রেডিও তরঙ্গের কম্পাঙ্ক (Frequency) পরিবর্তন করা যায়।
- এ জন্য ৮৮-১০৮ মেগাহার্জ কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।
- এর আগে, এএম (AM) বা এমপ্লিচ্যুড মডুলেশন রেডিও স্টেশনই ছিল একমাত্র মাধ্যম, যা তরঙ্গের বিস্তার বা শক্তি পরিবর্তন করে তথ্য বহন করত।

উল্লেখ্য,
- এফএম রেডিও প্রথম আবিস্কৃত হয় ১৯৩৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।
- এডউইন হাওয়ার্ড আর্মস্ট্রং ফ্রিকোয়েন্সি-মডুলেটেড বা এফএম রেডিও আবিষ্কার করেন।
- কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি রেডিও ক্লাব ১৯৪১ সালে প্রথম নির্ধারিত FM রেডিও সম্প্রচার শুরু করে।

উৎস: Federal Communications Commission (.gov).
৫৯২.
DNA stands for –
  1. Deoxyribose Nucleic Acid
  2. Deoxy Nucleic Acid
  3. Deoxyribonucleic Acid
  4. Deoxyribonitric Acid
ব্যাখ্যা
DNA:
- DNA এর পূর্ণরূপ হলো Deoxyribonucleic acid.
- ডিএনএ হলো একটি অণু যা কোনও জীবের বিকাশ, বাঁচতে এবং পুনরূত্পাদন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী ধারণ করে।
- DNA ক্রোমোজোমের স্থায়ী পদার্থ।

উল্লেখ্য, 
- মার্কিন বিজ্ঞানী Watson এবং ইংরেজ বিজ্ঞানী Crick - ১৯৫৩ সালে প্রথম DNA অণুর ডাবল হেলিক্স (Double helix) বা দ্বি-সূত্ৰী কাঠামোর বর্ণনা দেন এবং এ কাজের জন্য তাঁরা নোবেল পুরস্কার পান।
- DNA-ই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং বাহক, ইহা জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সরাসরি বহন করে মাতাপিতা থেকে পরবর্তী প্রজন্মে নিয়ে যায়।
- DNA বংশগতির আণবিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৩.
What does the term "Pisciculture" refer to?
  1. Duck rearing
  2. Fish farming
  3. Bee farming
  4. Silkworm farming
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
• প্রাণিবিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাণির জীবন সংশ্লিষ্ট প্রয়োগ এবং অর্থনৈতিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ফলিত প্রাণিবিজ্ঞান বলে যেমন:-মৎস চাষ, মৌমাছি পালন, রেশম চাষ, চিংড়ি চাষ।

- হাঁস মুরগির চাষ কে বলা হয় পোল্ট্রি।
- মৌমাছি চাষ কে বলা হয় এপিকালচার।
- মৎস্য চাষ কে বলা হয় পিসিকালচার।
- রেশম চাষ কে বলা হয় সেরিকালচার।

তথ্যসূত্র:
- Britannica.
৫৯৪.
What is the primary function of a circuit breaker?
  1. To store electrical energy
  2. To convert AC to DC
  3. To increase current in a circuit
  4. To prevent overloads and short circuits
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) To prevent overloads and short circuits.

একটি সার্কিট ব্রেকারের মূল কাজ হলো বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সুরক্ষা প্রদান করা। এটি অতিরিক্ত বর্তমান বা শর্ট সার্কিটের সময় সার্কিটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেয়, যাতে তার ফলে তার, যন্ত্রপাতি বা মানুষের ক্ষতি না হয়। সার্কিটে কোনো ত্রুটি বা অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হলে ব্রেকার তা শনাক্ত করে এবং তৎক্ষণাৎ সার্কিট বন্ধ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এটি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য, অর্থাৎ ত্রুটি ঠিক হওয়ার পর ব্রেকারকে আবার চালু করা যায়। তাই, সার্কিট ব্রেকারের প্রধান ফাংশন হলো সার্কিটের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ সংক্রান্ত দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা।
 
সার্কিট ব্রেকার ও ফিউজ: 
- যান্ত্রিক কারণে কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হঠাৎ তড়িৎ প্রবাহ বেড়ে গেলে যন্ত্রটি গরম হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। 
- বাড়িতে, হাসপাতালে, বিদ্যালয়ে, ছোট বড় শিল্প কারখানায় এই কারণেই তড়িৎ প্রবাহে দুর্ঘটনা হয়। 
- হঠাৎ করে মাত্রার অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করার জন্য সরবরাহ লাইনে সার্কিট ব্রেকার কিংবা ফিউজ ব্যবহার করা হয়। 
- সার্কিট ব্রেকার এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এর ভেতর থেকে নিরাপদ সীমার বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলেই বর্তনীকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। 
- ফিউজ সে তুলনায় খুবই সরল একটা পদ্ধতি, একটি যন্ত্রে যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় সেটি যন্ত্রে ঢোকানোর আগে সরু ও নিম্ন গলনাংকের একটা তারের ভেতর দিয়ে নেয়া হয়। 
- কোনো কারণে নির্ধারিত মানের অধিক তড়িৎ প্রবাহ হলে ফিউজের সরু তার উত্তপ্ত হয়ে পুড়ে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯৫.
Which is the permanent fundamental particle of an atom?
  1. Electron
  2. Positron
  3. Neutrino
  4. Meson
ব্যাখ্যা

• পরমাণুর মূল কণিকা: 
- ঊনিশ শতকের শেষ দশকে পরমাণু অবিভাজ্য এ ধারণাটির বিলুপ্তি ঘটে এবং পরমাণু কতগুলো অতিসূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি বলে প্রমাণিত হয়। এসব অতিসূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না এবং এরা মূল উপাদান হিসেবে সব পরমাণুতেই থাকে। এদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক ধরনের। 
যেমন- 
(১) স্থায়ী মূল কণিকা: 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুতে শুধু ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন আছে, এতে কোনো নিউট্রন নেই। 

(২) অস্থায়ী মূল কণিকা: 
- কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। 
- নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা। 

(৩) কম্পোজিট কণিকা: 
- স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। 
- আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 

৫৯৬.
What does DNA stand for?
  1. Dinucleotide acid
  2. Deoxyribonucleic acid
  3. Dehydrogenase nucleic acid
  4. Diacetyl nucleic acid
ব্যাখ্যা
DNA: 
- জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান হলো DNA. 
- এটি একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। 
- DNA এর পূর্ণরূপ হল Deoxyribonucleic acid এবং RNA এর পূর্ণরূপ হল Ribonucleic acid. 

DNA-এর কাজসমূহ- 
১। ক্রোমােসােমের গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে।
২। বংশগতির আণবিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
৩। জীবের সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৭.
In which country was the Zika virus first identified?
  1. Uganda
  2. Namibia
  3. Libya
  4. Nigeria
  5. Somalia
ব্যাখ্যা
জিকা ভাইরাস:
- জিকা ভাইরাস ছড়ায় এডিস মশকীর মাধ্যমে।
- এই মশা দিনে বেশি কামড়ায়। আর এই মশা দিয়েই ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও পীতজ্বরও ছড়ায়।
- রক্ত পরিসঞ্চালন এবং অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেও ছড়ায়।

⇒ জিকা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় উগান্ডায় ১৯৪৭ সালে।
- ভাইরাসটি পাওয়া গিয়েছিল রেসাস ম্যাকাও বানরের শরীরে।
- পরবর্তী সময়ে পঞ্চাশের দশকে আফ্রিকান দেশগুলোয় মানুষের শরীরেও এই জীবাণু পাওয়া যায়। ভয়াবহ ব্যাপার হলো, ১৯৬০-১৯৮০ সালের মধ্যে আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশে এটি ছড়িয়ে পড়ে।
- বাংলাদেশে প্রথম ধরা পড়ে ২০১৪ সালে।

⇒ জিকা ভাইরাস সংক্রমণে সাধারণত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে ৩–১৪ দিনের মধ্যে শরীরে লালচে দানার মতো ছোপ বা র‍্যাশ, হালকা জ্বর, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ থেকে পানি পড়া, মাংসপেশি এবং গিঁটে গিঁটে ব্যথা, অবসাদ এবং মাথাব্যথা হতে পারে। এসব লক্ষণ সর্বোচ্চ ২-৭ দিন থাকতে পারে।

উৎস: i) WHO ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।
৫৯৮.
What is the proportion of carbohydrates, protein, and fats in a balanced diet?
  1. 4 : 1 : 1
  2. 4 : 2 : 2
  3. 4 : 3 : 2
  4. 4 : 2 : 3
  5. 4 : 3 : 3
ব্যাখ্যা
খাদ্য গ্রহণ নীতিমালা:
- সুষম খাদ্য উপাদান বাছাই বা আহার উন্নত জীবন যাপনের একটি পূর্বশর্ত।
- তাই খাদ্য গ্রহণ নীতিমালা প্রত্যেকের জানা অত্যন্ত প্রয়োজন।
- কারণ খাদ্য নির্বাচন, খাদ্যের পুষ্টিমান, ক্যালরি, পারিবারিক আয় ইত্যাদি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকলে প্রত্যেক সদস্যের খাদ্য চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না।

সুষম খাদ্যের বৈশিষ্ট্য:
১। একজন মানুষের বিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদনের সামর্থ্য থাকতে হবে।
২। সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাদ্যের অনুপাত ৪ : ১ : ১।
৩। সুষম খাদ্য তালিকায় ফল ও টাটকা শাকসব্জি থাকতে হবে।
৪। খাদ্যের প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি ও খনিজ লবণ থাকতে হবে।
৫। সুষম খাদ্য অবশ্যই সহজপাচ্য হতে হবে।

- সুস্থ সবল ও উন্নত জীবন যাপনের জন্য সুষম খাদ্যের কোনও বিকল্প নেই।
- তাই দেহের পুষ্টির জন্য ছয় উপাদানবিশিষ্ট খাদ্য অন্তর্ভুক্ত করে সুষম খাদ্যের তালিকা বা পরিকল্পনা করা একান্তগুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৯.
__________ is used in submarines to see objects above the water surfaces.
  1. Periscope
  2. MRI
  3. Microscope
  4. Binoculars
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ ব্যবহৃত হয় সাবমেরিনে বা ডুবজাহাজে।

পেরিস্কোপ:

- পেরিস্কোপ এক ধরনের দৃষ্টিগোচরীভূত যন্ত্র যা কোন গুপ্তস্থানে অবস্থান করে ব্যক্তি কর্তৃক কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুকে পর্যবেক্ষণ করা যায়।
- সাধারণতঃ এ যন্ত্রের প্রধান উপকরণ হচ্ছে আয়না, চোখ দিয়ে দেখার উপযোগী ল্যান্স, আলো পৌঁছানোর প্রয়োজনীয় রাস্তাসহ বাহ্যিক বা ভৌত অবকাঠামো।
- এর সাহায্য ভিন্ন কোণে চারপাশ দেখা যায়।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে একজন পর্যবেক্ষণকারী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে পরীক্ষায় ব্যবহার করা হতো।
- সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ট্যাঙ্কে ও অস্ত্রশস্ত্রসজ্জিত গাড়ীতে পেরিস্কোপ ব্যবহার করতো।

উল্লেখ্য,
- সর্বপ্রথম পেরিস্কোপ ব্যবহৃত হয় সাবমেরিনে বা ডুবজাহাজে।
- মূলত ডুবজাহাজ থেকে বাইরের অবস্থা দেখার লক্ষ্যেই মারি-ডেভি তার নৌ-পেরিস্কোপটি উদ্ভাবন করেন।
- গবেষণা, অভিযান কিংবা অনুসন্ধানেও এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 

অন্যদিকে,
- বাইনোকুলার এক ধরনের হস্তধৃত দূরবীক্ষণ যন্ত্র, স্বাভাবিক দৃষ্টিসীমার বাইরে অবস্থিত বস্তু দেখার জন্য ব্যবহার হয়।
- রোগনির্ণয়ের অত্যাধুনিক একটি পরীক্ষাপদ্ধতি ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (এমআরআই)। 
- মাইক্রোস্কোপ হল একটি যন্ত্র যা মানুষের চোখের চেয়ে অনেক ছোট বস্তুকে বড় করে দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: i) Britannica.
         ii) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৬০০.
How is the intensity of a cyclone measured?
  1. Saffir–Simpson Scale
  2. Seismograph
  3. Richter Scale
  4. Fujita Scale
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।

⇒ ঘূর্ণিঝড় পরিমাপের স্কেল হলো সাফির -সিম্পসন স্কেল (Saffir–Simpson Scale)।
- এই স্কেলটি ব্যবহার করা হয় ট্রপিক্যাল সাইক্লোন/হারিকেনের তীব্রতা নির্ধারণ করতে।
- মূলত বাতাসের গতি (wind speed) এর ওপর ভিত্তি করে ঘূর্ণিঝড়কে ৫টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়।
- ক্যাটাগরি যত বেশি হবে, ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা ও তার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও তত বেশি।

উল্লেখ্য,
- সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- যেমন- চীন ও জাপানের উপকূলে টাইফুন, ভারত মহাসাগরে সাইক্লোন, ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই, অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলি, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চলে হারিকেন প্রভৃতি নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার আগে বায়ু শান্ত, উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ যখন আসে তখন প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘসহ মুষলধারে বৃষ্টি হয়।
- আর কেন্দ্রের ভিতরে অবস্থানকারী চোখ শান্ত আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের পশ্চাৎভাগে পৌঁছানোর পর আবারও ঘন মেঘ, বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- এ সময় বায়ু অগ্রবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের বিপরীত দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়।

​অন্যদিকে,
​- রিখটার স্কেল ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
​- সিসমোগ্রাফ হলো একটি যন্ত্র যা ভূমিকম্পের কম্পন রেকর্ড করে।
​- ফুজিতা স্কেল হলো টর্নেডোর তীব্রতা পরিমাপের স্কেল, যা বাতাসের গতিবেগ এবং ক্ষতির মাত্রার উপর নির্ভর করে।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
         ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।