বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Bank - Science

মোট প্রশ্ন৬৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Bank - Science

PrepBank · পাতা / · ৪০১৫০০ / ৬৭৯

৪০১.
What type of virus is the Dengue virus?
  1. RNA virus
  2. DNA virus
  3. DNA and RNA virus
  4. Retrovirus
  5. None of these
ব্যাখ্যা

ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস।  

ভাইরাস:
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে।
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে।
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে।
- নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা:

• DNA ভাইরাস: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
উদাহরণ- T2 ভাইরাস, ভ্যাক্সিনিয়া ভাইরাস, ভ্যারিওলা ভাইরাস, এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স, TIV ভাইরাস ইত্যাদি।

• RNA ভাইরাস: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
উদাহরণ- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, রেবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি।

উৎস: জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান। 

৪০২.
The approximate value of g at the equator is -
  1. 9.78 ms-2
  2. 9.81 ms-2
  3. 9.85 ms-2
  4. 9.87 ms-2
ব্যাখ্যা

অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্বনিম্ন প্রায় 9.78 ms-2.
- মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 ms-2.
- এভারেস্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০৩.
Which of the following vitamins helps in blood clotting?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin K
ব্যাখ্যা
- ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

ভিটামিন কে (Vitamin K): 
- ভিটামিন কে -এর রাসায়নিক নাম ফাইটাল নেপথোকুইনোন। 
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। 

ভিটামিন কে-এর উৎস: 
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়া যায়। 

ভিটামিন কে-এর কাজ: 
- কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে।
- রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে। 
- পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে। 

ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত অবস্থা: 
- এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়। 
- ফলে, সামান্য কাটা ছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৪.
Who introduced the scientific term ‘biology’?
  1. ক) Aristotle
  2. খ) Lemark
  3. গ) Darwin
  4. ঘ) Wallace
ব্যাখ্যা

ল্যামার্ক বায়োলজি শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনিই প্রথম অভিব্যাপ্তি বা বিবর্তনের উপর বিশ্লেষনী তত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ সালে তার বিক্ষ্যাত বই 'ফিলোসফিক জুওলজিক' লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
ল্যামার্ক এর তত্ত্বকে ল্যামার্কিজম বা ল্যামার্কবাদ বলে।

উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।

৪০৫.
Which vitamin is essential for blood clotting?
  1. A
  2. B
  3. C
  4. E
  5. K
ব্যাখ্যা

⇒ 'ভিটামিন কে' রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

ভিটামিন কে (Vitamin K):
- ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনন বা ন্যাপথোকুইনন।
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

ভিটামিন কে -এর উৎস:
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়।

ভিটামিন কে-এর কাজ:
১. কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে।
২. পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে।

ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত অবস্থা:
- এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়।
- ফলে, সামান্য কাটা ছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

তথ্যসূত্র - গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০৬.
Galileo concluded that heavier and lighter objects fall __________ if air resistance is negligible.
  1. Faster
  2. Slower
  3. Equally
  4. Randomly
ব্যাখ্যা

• গ্যালিলিও প্রমাণ করেছিলেন যে, ভারী ও হালকা বস্তুর পতন ভিন্ন গতিতে ঘটে না, বরং তারা সমানভাবে পড়ে যদি বায়ুর বাধা বা প্রতিরোধ না থাকে। তার পূর্বে অনেকে বিশ্বাস করত যে ভারী বস্তু দ্রুত পড়ে এবং হালকা বস্তু ধীরে পড়ে। কিন্তু গ্যালিলিও পরীক্ষার মাধ্যমে দেখালেন, পতনের হার ভরের উপর নির্ভর করে না, বরং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে সব বস্তু একই হারে নিচে নামে। এই ধারণা পরবর্তীতে নিউটনের সূত্র প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুতরাং, উত্তর হলো— গ) Equally.

পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে গ্যালিলিওর সূত্র: 
- কোনো বস্তু উপর থেকে নিচে পড়ার সময় সরাসরি মাটির দিকে পড়তে থাকে। 
- বস্তুর এই খাড়াভাবে পতনের কারণ অভিকর্ষ বা পৃথিবীর আকর্ষণ বল। 
- ইটালীর বিজ্ঞানী গ্যালিলিও ১৫৮৯ খ্রিষ্টাব্দে পিসা শহরে ১৮০ ফুট উঁচু মিনারের ছাদ থেকে একই সাথে একটি ভারী ও একটি হালকা বস্তুকে নিচে ফেলে দিয়ে প্রমাণ করেন যে, বস্তুদ্বয় প্রায় একই সময়ে মাটিতে পড়ে। 
- অভিকর্ষজ ত্বরণ ভরের উপর নির্ভরশীল নয়। তাই নিচে পড়ার সময়, ভারী ও হালকা বস্তুর ত্বরণ একই হবে এবং বস্তুদ্বয় একই সময়ে মাটিতে পড়বে। 
- পড়ন্ত বস্তুর সূত্রগুলো স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধার পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
- গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে তিনটি সূত্র দেন। 
যেমন- 
প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 
 
দ্বিতীয় সূত্র: 
- বাঁধাহীন পথে পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময় পর প্রাপ্ত বেগ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∝ t. 
 
তৃতীয় সূত্র: 
- বাঁধাহীন পথে পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্ব সময়ের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, h ∝ t2
 
উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০৭.
What is the chemical symbol for Silver?
  1. Ag
  2. Ga
  3. Au
  4. Ge
  5. Si
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক প্রতীক:
- Ag হলো রূপা (Silver)-এর রাসায়নিক প্রতীক।
-  প্রতীকের উৎস: 'Ag' প্রতীকটি ল্যাটিন শব্দ 'Argentum' থেকে নেওয়া হয়েছে, যার অর্থ 'রূপা'।
- পারমাণবিক সংখ্যা: ৪৭।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সর্বোচ্চ বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা, তাপ পরিবাহিতা এবং প্রতিফলন ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ধাতু।

অন্যদিকে,
- Ag- এটি রূপার (Silver) প্রতীক।
- Ga- গ্যালিয়াম (Gallium)।
- Ge- জার্মেনিয়াম (Germanium)।
- Si - সিলিকন।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০৮.
Which color of light has the highest reflection?
  1. Green
  2. Violet
  3. Blue
  4. Red
ব্যাখ্যা
• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- দৃশ্যমান আলোর স্পেকট্রামে লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে লাল আলো কম বিক্ষিপ্ত হয় এবং বস্তুর পৃষ্ঠ থেকে সহজে প্রতিফলিত হয়।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি।
- আর লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৯.
Which device operates based on the principle of electromagnetic induction?
  1. Transformer
  2. Transistor
  3. Amplifier
  4. Diode
ব্যাখ্যা
• ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুন্ডলী থাকে। 
- কুন্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুন্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুন্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 

- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। 
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 
- স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী থাকে। 
- অপর দিকে স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১০.
The most abundant element in the earth crust is -
  1. Nitrogen
  2. Oxygen
  3. Hydrogen
  4. Silicon
ব্যাখ্যা
ভূ-ত্বক গঠনকারী:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের সর্বাপেক্ষা বাইরে শিলা দ্বারা গঠিত যে কঠিন বহিরাবরণ রয়েছে, তাকে ভূ-ত্বক বলা হয়।
- ভূ-ত্বকের গড় পুরুত্ব ২০ কিলোমিটার।
- মহাদেশের উঁচু পর্বত চূড়া হতে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত পুরুত্ব সবচেয়ে বেশি (গড় পুরুত্ব ৩৫ কিলোমিটার)।
- অপরদিকে সমুদ্র তলদেশে এর গড় পুরুত্ব মাত্র ৫ কিলোমিটার।
- ভূ-ত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহের মধ্যে মোট ১৫টি উপাদান দ্বারা ভূ-ত্বকের শতকরা ৯৯ ভাগের অধিক অংশ গঠিত।
- এই উপাদান সমূহের মধ্যে প্রধান ৮টি হলো অক্সিজেন, সিলিকন, এ্যালুমিনিয়াম, লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম। 

ভূ-ত্বক গঠনকারী উপাদান:
- অক্সিজেন: ৪৫.৪৬,
- সিলিকন: ২৭.৬১,
- অ্যালুমিনিয়াম: ৮.০৭,
- লৌহ: ৫.০৬,
- ক্যালসিয়াম: ৩.৬৪,
- সোডিয়াম: ২.৭৫,
- পটাসিয়াম: ২.৫৮,
- ম্যাগনেসিয়াম: ২.৫৭,
- টাইট্যানিয়াম: ০.৬২।

উৎস: এসএসএইচএল, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১১.
Hemoglobin is found in which type of blood cell?
  1. Plasma
  2. Platelet
  3. White blood cell
  4. Red blood cell
ব্যাখ্যা

• হিমোগ্লোবিন প্রধানত রক্তের কোন ধরণের কোষে পাওয়া যায় তা জানতে হলে আমাদের রক্তের গঠন সম্পর্কে বোঝা জরুরি। রক্ত মূলত চার ধরনের অংশ নিয়ে গঠিত—প্লাজমা, লাল রক্তকোষ, সাদা রক্তকোষ এবং প্লেটলেট। হিমোগ্লোবিন হলো একটি প্রোটিন যা অক্সিজেনকে ধারণ এবং পরিবহন করার কাজ করে। এটি লাল রক্তকোষে থাকে এবং শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে শারীরের সব কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। সাদা রক্তকোষ মূলত রোগপ্রতিরোধে কাজ করে, প্লেটলেট রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, আর প্লাজমা রক্তের তরল অংশ। তাই হিমোগ্লোবিন পাওয়া যায় লাল রক্তকোষে (Red blood cell)।

সঠিক উত্তর: ঘ) Red blood cell

রক্ত (Blood): 
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ তরল পদার্থ। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়। 
- রক্ত হৃদপিন্ড, শিরা, উপশিরা, ধমনি, শাখা ধমনি ও কৈশিকনালি পথে আবর্তিত হয়। 
- এটি ক্ষারধর্মী, লবণাক্ত স্বাদযুক্ত পদার্থ। 
- সাধারণত হাড়ের লাল অস্থিমজ্জাতে (Bone marrow) রক্ত কণিকার জন্ম। 
- রক্ত এক প্রকার লাল তরল যোজক কলা। 
- রক্ত রক্তরস ও রক্ত কণিকার সমন্বয়ে গঠিত। 

রক্তের কাজ: 
- রক্ত দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- এটি দেহের নানাবিধ কাজ করে। 
যেমন- 
• অক্সিজেন পরিবহন: লোহিত রক্ত কণিকা কোষে অক্সিজেন বহন করে। 
• কার্বন ডাইঅক্সাইড অপসারণ: নিঃশ্বাস বায়ুর সাথে দেহের কোষে উৎপন্ন CO2 বাইরে বের করে দেয়। 
• খাদ্যসার পরিবহন: রক্তরস গাড়ুকোজ, অ্যামাইনো অ্যাসিড ও চর্বি কণা ইত্যাদি কোষে সরবরাহ করে। 
• তাপের সমতা রক্ষা: দেহের সর্বত্র তাপের সমতা রক্ষা করে। 
• বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন: রক্ত দেহের সকল দূষিত ও বর্জ্য পদার্থ বহন করে বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড ও কার্বন ডাইঅক্সাইড হিসেবে নিষ্কাশন করে। 
• হরমোন পরিবহন: হরমোন সরাসরি রক্তে মিশে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন অঙ্গে সঞ্চালিত হয়ে বিভিন্ন জৈবিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
• রোগ প্রতিরোধ: শ্বেত রক্ত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহকে জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। 
• রক্ত জমাট বাঁধা: অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং দেহের রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১২.
Which of the following vitamins plays a key role in blood clotting?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin E
  5. Vitamin K
ব্যাখ্যা

• রক্ত জমাট বাঁধার জন্য ভিটামিন K অপরিহার্য। এটি যকৃতে প্রথম্বিন (Prothrombin) নামক প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে যা রক্ত জমাট বাঁধতে মূল ভূমিকা পালন করে।

ভিটামিন কে (Vitamin K): 

- ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনন বা ন্যাপথোকুইনন। 
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। 

ভিটামিন কে -এর উৎস: 
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়। 

ভিটামিন কে-এর কাজ: 
১. কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে। 
২. পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
৩. যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে। 

ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত অবস্থা: 
- এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়। 
- ফলে, সামান্য কাটা ছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১৩.
Who discovered radioactivity?
  1. Henri Becquerel
  2. Pierre Curie
  3. Marie Curie
  4. Rontgen
  5. All of them
ব্যাখ্যা
হেনরি বেকেরেল: 
- অবদান: তেজস্ক্রিয়তা/রেডিওঅ্যাক্টিভিটি আবিষ্কার। 
- নোবেল পুরস্কার: ১৯০৩ সালে পিয়েরে কুরি ও মেরি কুরির সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
- ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়াম যৌগের গবেষণার মাধ্যমে রেডিওঅ্যাক্টিভিটি আবিষ্কার করেন। 
- বেকেরেলের আবিষ্কার পরমাণু ভাঙনের ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করে এবং আধুনিক পদার্থবিদ্যার নতুন যুগের সূচনা করে। 
- তাঁর গবেষণা পরমাণু শক্তি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে (যেমন: ক্যান্সার থেরাপি) যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে
- "রেডিওঅ্যাক্টিভিটির প্রাকৃতিক ঘটনা আবিষ্কারের জন্য" নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। 
- তাঁর আবিষ্কার নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের ভিত্তি স্থাপন করে এবং পরমাণু শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা উন্মোচন করে। 

উৎস: Britannica.
৪১৪.
Among these materials, which is classified as a paramagnetic material?
  1. Iron
  2. Cobalt
  3. Oxygen
  4. Nickel
  5. All are paramagnetic materials
ব্যাখ্যা
• ডায়া চৌম্বক পদার্থ:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ।

• প্যারা চৌম্বক পদার্থ:
এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ।

• ফেরো চৌম্বক পদার্থ:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৫.
What is the atomic number of Arsenic?
  1. 33
  2. 44
  3. 42
  4. 32
  5. 41
ব্যাখ্যা
- আর্সেনিকের (As) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩। 

পারমাণবিক সংখ্যা:
- কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়।
- প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 11টি প্রোটন আছে। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z= 11।
তদ্রুপ, ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z = 17
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পরমাণুর সর্ববহিস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনসমূহ অংশগ্রহণ করে এবং ইলেকট্রনের সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে; কিন্তু প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটে না। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৪১৬.
How many blood groups are there in the human body?
  1. Five
  2. Four
  3. Two
  4. Three
ব্যাখ্যা
- মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- O, A, B এবং AB।

রক্তের গ্রুপ:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে। 
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে।

AB রক্তের গ্রুপ:
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে।
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

O রক্তের গ্রুপ:
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই।
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে।

B রক্তের গ্রুপ:
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে।
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

A রক্তের গ্রুপ:
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে।
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।

সূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৭.
‘Thalassemia' is a hereditary disease affecting:
  1. Heart
  2. Blood
  3. Liver
  4. Lungs
ব্যাখ্যা
- থ্যালাসেমিয়া হচ্ছে একটি রক্তজনিত সমস্যা।

থ্যালাসেমিয়া:

- থ্যালাসেমিয়া হচ্ছে একটি রক্তজনিত সমস্যা।
- থ্যালাসেমিয়া হচ্ছে এমন একটি রোগ, যেটি উত্তরাধিকারসূত্রে হয়ে থাকে।
- আর এ রোগে আক্রান্ত রোগীর শরীরে রক্তের ব্যাধি হয়ে থাকে, যা শরীরের হিমোগ্লোবিন এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরির ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪১৮.
Which unit is used to measure the distance between stars?
  1. Light year
  2. Cosmic year
  3. Steller mile
  4. Galactic year
ব্যাখ্যা
আলোক বর্ষ বা Light year: 
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।

উল্লেখ্য,
- Cosmic year (মহাজাগতিক বছর) যা Galactic year (গ্যালাকটিক বছর) নামেও পরিচিত, হল মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে একটি নক্ষত্রের প্রদক্ষিণ করতে যে সময় লাগে। এই সময়কাল প্রায় ২২৫ থেকে ২৫ কোটি পৃথিবী বছর বলে অনুমান করা হয়। 
- Steller অর্থ নক্ষত্র, মাইল দূরত্বের একক। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪১৯.
What is the junction of two neurons called?
  1. Dendrite
  2. Axon
  3. Cell Terminal
  4. Synapse
  5. Antenna
ব্যাখ্যা
সিন্যাপস (Synapse):
- দুটি নিউরনের সংযোগস্থলকে অথবা একটি নিউরন ও একটি ইফেক্টরের (যেমন পেশি অথবা গ্রন্থি) সংযোগস্থলকে সিন্যাপস বলে। 
- সিন্যাপস এর মাধ্যমে উত্তেজনা বা তথ্য এক নিউরন থেকে অন্য নিউরনে প্রেরিত হয়।
- এগুলোর মাধ্যমেই প্রান্তীয় স্নায়ু দ্বারা গৃহীত উদ্দীপনা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে প্রেরিত হয় এবং কেন্দ্রের নিদের্শাবলি প্রান্তের সুনির্দিষ্ট অঙ্গে পৌছায়।
- কেন্দ্ৰীয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল উচ্চতর কার্যাবলি যেমন- সমন্বয়, শিক্ষণ, স্মৃতি ইত্যাদি সবকিছুই সম্ভব হয় কেবল সিন্যাপসের জন্য।
- স্নায়ুতন্ত্রে সিন্যাপস অসংখ্য এবং ধারণা করা হয় এর সংখ্যা প্রায় ১০%।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২০.
Which vitamin is mainly produced when human skin is exposed to sunlight?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin B12
  3. Vitamin C
  4. Vitamin D
ব্যাখ্যা

ভিটামিন ডি (Vitamin D):
- ভিটামিন ডি এর রাসায়নিক নাম ক্যালসিফেরল (calciferol)।
- এটি বর্ণহীন।
- অম্ল ও ক্ষার এ ভিটামিনের ক্ষতি করে না।
- সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি আমাদের দেহে ত্বকের ৭-ডিহাইড্রোকোলেস্টেরলের সাথে বিক্রিয়া করে ভিটামিন ডি তৈরি করে।

⇒ ভিটামিন ডি এর উৎস:
- প্রাণিজ উৎসই ভিটামিন ডি এর একমাত্র খাদ্য উৎস। ডিমের কুসুম, দুধ, মাখন, তৈলাক্ত মাছ, সামুদ্রিক মাছের যকৃতের তেল, কড মাছের যকৃতের তেল, স্যামন ও হেরিং মাছের চর্বি, ঘি ইত্যাদিতে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। এছাড়া প্রতিদিন সূর্যের আলোতে ৫-১০ মিনিট থাকলে ত্বকের নিচে ভিটামিন ডি তৈরি হয়।

⇒ ভিটামিন ডি এর কাজ:
১। ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণে সহায়তা করে।
২। হাড় ও দাঁত গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে ভূমিকা রাখে।
৩। রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
৪। প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
৫। শিশুদের রিকেট ও বড়দের অস্টিওম্যালেশিয়া রোগ প্রতিরোধ করে।

⇒ ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত রোগ:
- ভিটামিন ডি এর অভাবে শিশুদের রিকেট রোগ হয়। ভিটামিন ডি এর অভাবে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ ব্যাহত হয়। পরিণতিতে হাড়ের বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়। হাড়ের গঠন ও আকৃতি অস্বাভাবিক হয়ে যায়। এ অবস্থাকে রিকেট বলে।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪২১.
Which is not a form of carbon?
  1. Diamond
  2. Silica
  3. Graphene
  4. Graphite
ব্যাখ্যা
• সিলিকন কার্বনের রূপভেদ নয়।

• কার্বনের রূপভেদ:
- কার্বনের প্রধান রূপভেদ হলো গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড (হীরক)।
- গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
- গ্রাফিন হচ্ছে দ্বিমাত্রিক কার্বন ক্রিস্টাল যা খুব ভালো তাপ এবং বিদ্যুৎ পরিবাহী।
- গ্রাফিনকে গ্রাফাইট থেকে আহরণ করা হয়।
- অর্থাৎ গ্রাফাইট, ডায়মন্ড (হীরক), গ্রাফিন এবং ফুলারিন কার্বনের রূপভেদ।
- ক্যাটেনেশনের একটি বিশেষ উদাহরণ হলো ফুলারিন।
- ফুলারিন নামক কার্বনের একটি বিশেষ শ্রেণির রূপভেদ।

উৎস:
১. ৯ম-১০ম শ্রেণির রসায়ন বই।
২. রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির, (হাজারী-নাগ)।
৪২২.
Which monomer is used to produce PVC?
  1. Ethylene
  2. Vinyl Chloride
  3. Styrene
  4. Propylene
ব্যাখ্যা

• পিভিসি বা পলিভিনাইল ক্লোরাইড তৈরিতে মূলত যে মনোমার ব্যবহার করা হয় তা হলো ভিনাইল ক্লোরাইড। ভিনাইল ক্লোরাইড একটি ছোট আকারের অর্গানিক যৌগ, যার রাসায়নিক সূত্র হলো C2H3Cl, পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ায়, এই মনোমার একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ চেইন গঠন করে, যা শক্তিশালী, টেকসই এবং হালকা ওজনের প্লাস্টিক তৈরি করে। পিভিসি বিভিন্ন শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়, যেমন পাইপ, তারের আবরণ, জানালা, দরজার ফ্রেম, এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম। অন্য মনোমার যেমন এথিলিন, স্টাইরিন বা প্রোপিলিন পিভিসি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না; তারা আলাদা ধরনের পলিমার যেমন পিই, পিএস বা পিপি তৈরিতে ব্যবহার হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ভিনাইল ক্লোরাইড।

- উত্তর: খ) Vinyl Chloride.
 
পলিমার (Polymer): 
- মেলামাইনের থালা-বাসন, বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড, কার্পেট, পিভিসি পাইপ, পলিথিনের ব্যাগ, পাটের ব্যাগ, সিল্কের কাপড়, উলের কাপড়, সুতি কাপড়, নাইলনের সুতা, রাবার- এসব জিনিস সবই হচ্ছে পলিমার। 
- পলিমার (Polymer) শব্দটি এসেছে দুটি গ্রিক শব্দ পলি (Poly) ও মেরোস (Meros) থেকে। পলি শব্দের অর্থ হলো অনেক (Many) এবং মেরোস শব্দের অর্থ অংশ (Part)। 
অর্থাৎ, অনেকগুলো ছোট অণু পরপর যুক্ত হয়ে বড় আকারের যে অণু তৈরি হয় তাকে পলিমার বলে। 
- যে ছোট অণু থেকে পলিমার তৈরি হয়, তাকে বলে মনোমার (Monomer)। 
- যে পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করা হয় তা 'ইথিলিন' নামের মনোমার থেকে তৈরি এক ধরনের পলিমার। 
- একইভাবে, পিভিসি পাইপ (PVC) হলো ভিনাইল ক্লোরাইড নামের মনোমার থেকে তৈরি পলিমার। 
- তবে সব সময় একটি মনোমার থেকেই পলিমার তৈরি হবে এমন নয়, একের অধিক মনোমার থেকেও পলিমার তৈরি হতে পারে। 
যেমন- বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড তৈরিতে ব্যবহৃত বস্তু। বৈদ্যুতিক সুইচে বাকেলাইট নামের একটি পলিমার ব্যবহার করা হয়। ব্যাকেলাইট তৈরি হয় ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে। আবার মেলামাইনের থালা-বাসন হলো মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার, যা তৈরি হয় মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থাকে। 

প্রাকৃতিক পলিমার: 
- পাট, সিল্ক, সুতি কাপড়, রাবার প্রভৃতি হচ্ছে প্রাকৃতিক পলিমার। 

কৃত্রিম পলিমার: 
- মেলামাইন, রেজিন, ব্যাকেলাইট, পিভিসি, পলিথিন প্রভৃতি হলো কৃত্রিম পলিমার। এগুলো প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, শিল্পকারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪২৩.
ChatGPT is owned by -
  1. Meta
  2. GoogleAI
  3. Gemini
  4. OpenAI
ব্যাখ্যা
ChatGPT:
- ChatGPT-এর পূর্ণরূপ: Chat Generative Pre-trained Transformer.
- চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) হলো OpenAI দ্বারা তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চ্যাটবট।
- এটি GPT (Generative Pre-trained Transformer) নামক একটি মডেলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে, যা ব্যাপক পরিমাণে টেক্সট ডেটা থেকে প্রশিক্ষিত হয়েছে।
- এর মাধ্যমে, চ্যাটজিপিটি মানুষের সঙ্গে প্রাকৃতিক ভাষায় যোগাযোগ করতে সক্ষম এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের উত্তর, আলোচনা, লেখা তৈরি এবং আরও অনেক কিছু করতে পারে।

⇒ চ্যাটজিপিটি প্রথম চালু হয় ২০২২ সালের নভেম্বরে।
- OpenAI এর তৈরি GPT-3.5 মডেলের উপর ভিত্তি করে এটি প্রথম public beta হিসেবে রিলিজ করা হয়।
- পরে, ২০২৩ সালের মার্চে চ্যাটজিপিটির নতুন সংস্করণ GPT-4 চালু হয়, যা আরও উন্নত এবং শক্তিশালী।

⇒ চ্যাটজিপিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং OpenAI-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) হলেন স্যাম অল্টম্যান (Sam Altman)।
- তিনি OpenAI-র CEO হিসেবে ২০১৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

উৎস: i) OpenAI.
ii) TechTarget.
৪২৪.
Water has the maximum density at the temperature of -
  1. 0°C
  2. 4°C
  3. 98°C
  4. 100°C
ব্যাখ্যা

পানির ঘনত্ব:
- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়।
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় ৪° C তাপমাত্রায়।
- ৪° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, ৪° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়।
- কেবল মাত্র ৪° C তাপমাত্রায় ১ ঘনমিটার পানির ভর ১০০০ কিলোগ্রাম হয়।
- তাই পানির ঘনত্ব ১০০০ kg/m³ অথবা 1gm/cc ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২৫.
Which vitamin deficiency is the cause of Rickets disease?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin E
  5. Vitamin K
ব্যাখ্যা
• ভিটামিন ডি: 
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। 
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি- এর প্রধান উৎস। 
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 

- ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। 
- ভিটামিন ডি -এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়। 
- দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪২৬.
The smallest bones in the human body is found in the -
  1. Knees
  2. Fingers
  3. Feet
  4. Ears
ব্যাখ্যা
মানবদেহের সবচেয়ে ছোট হাড়টি পাওয়া যায় - কানে।

স্টেপিস:
- মানবদেহে ২০৬ টি অস্থি বিদ্যমান।
- মানুষের দেহে সবচেয়ে ছোট অস্থি হলো কানের ভেতরের অস্থি স্টেপিস।

⇒ মানুষের কানে ৩টি অস্থি রয়েছে।
- এগুলো হলো: মেলিয়াস, ইনকাস, স্টেপিস।
- এটি মধ্যকর্ণে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- ফিমার হচ্ছে মানবদেহে সবচেয়ে বড় অস্থি। এটি দেহের সবচেয়ে লম্বা, ভারী ও শক্ত অস্থি।

উৎস: i) প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ii) Healthline.
৪২৭.
Which of the following resources is renewable?
  1. Urban garbage
  2. Coal
  3. Uranium
  4. Natural Gas
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য শক্তি:
- নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি (জৈবভর), ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে -
• অনবায়নযোগ্য শক্তি:
- অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-renewable Energy) হলো যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না।
- যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, তেল বা ইউরেনিয়াম ইত্যাদি।

উৎস: i) পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (বিইপিআরসি)।
৪২৮.
Which virus is responsible for dengue disease?
  1. Variola Virus
  2. Rabies Virus
  3. Flavi Virus
  4. Ebola Virus
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু রোগের ভাইরাসের নাম ফ্ল্যাভি ভাইরাস।

বিভিন্ন ভাইরাস ঘটিত রোগ:


উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২৯.
Who invented Black hole?
  1. John Wheeler
  2. Stephen Hawking
  3. Einstein
  4. Galileo
  5. None of them
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black Hole): 
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম এবং ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র(শাহাজাহান তপন)।
৪৩০.
Who discovered the first smallpox vaccine?
  1. Edward Jenner
  2. Louis Pasteur
  3. Robert Koch
  4. Alexander Fleming
  5. Stephen Fleming
ব্যাখ্যা
এডওয়ার্ড জেনার: 
- এডওয়ার্ড জেনার প্রথম গুটিবসন্তের (Smallpox) ভ্যাকসিন আবিষ্কারকার করেন। 
- ১৮ শতকে গুটিবসন্ত ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর মহামারি, যা হাজারো মানুষের মৃত্যু ঘটাত।
- তিনি লক্ষ্য করেন দুগ্ধকর্মীরা (milkmaids) সাধারণত গুটিবসন্তে আক্রান্ত হতো না, কারণ তারা গরুর গুটিবসন্ত (cowpox) রোগে আক্রান্ত হতো, যা তাদের প্রাকৃতিক সুরক্ষা দিত।
- এই পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করেই তিনি গুটিবসন্তের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন তৈরির ধারণা পান।
- ১৪ মে, ১৭৯৬ সালে তিনি ৮ বছর বয়সী জেমস ফিপসের ওপর পরীক্ষামূলকভাবে গুটিবসন্তের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন।
- তিনি প্রথমে গরুর গুটিবসন্তের (cowpox) ভাইরাস শিশুর শরীরে প্রবেশ করান।
- পরে তাকে গুটিবসন্ত ভাইরাসের সংস্পর্শে আনা হলেও সে আক্রান্ত হয়নি—এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় যে ভ্যাকসিন কাজ করছে!
- ১৮০১ সালে তিনি ঘোষণা করেন, "গুটিবসন্ত একদিন পৃথিবী থেকে নির্মূল হবে"।
- জেনারের গবেষণার ফলে বিশ্বব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।
- ১৯৮০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ঘোষণা দেয় যে গুটিবসন্ত সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হয়েছে—যা মানব ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্জন।
- এডওয়ার্ড জেনারের অবদান আধুনিক ইমিউনোলজির ভিত্তি গড়ে দেয়।
- তাঁর গবেষণাই পরবর্তী সময়ে পোলিও, হাম, রুবেলা ও কোভিড-১৯-এর মতো রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পথ সুগম করে।
- "ভ্যাকসিন" শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ "Vacca" (গরু) থেকে, যা জেনারের কাজের প্রতিফলন।

উৎস: Britannica.
৪৩১.
For normal elderly people, the minimum distance of clear vision typically is:
  1. 45 cm
  2. 35 cm
  3. 25 cm
  4. 15 cm
  5. 5 cm
ব্যাখ্যা
• দৃষ্টিসীমার নিকটতম বিন্দু:
- মানুষ তার চোখের লেন্সে ফোকাস দূরত্ব বাড়িয়ে বা কমিয়ে একটা বস্তুকে সবসময় স্পষ্ট দেখার চেষ্টা করে।
- কিন্তু লক্ষ্যবস্তু চোখের কাছাকাছি একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে বেশি কাছে এলে আর স্পষ্ট দেখা যায় না।
- চোখের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দু পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যায়, তাকে স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু বলে এবং চোখ থেকে ঐ বিন্দুর দূরত্বকে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব ধরে নেওয়া হয়।
- এই দূরত্ব মানুষের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়।

- একজন শিশুর এই দূরত্ব ৫ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি এবং একজন স্বাভাবিক বয়স্ক লোকের এই দূরত্ব ২৫ সেন্টিমিটার বা ২৫০ মিলিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- দূর বিন্দু চোখ থেকে অসীম দূরত্বে অবস্থান করে। এ কারণে বহুদূরের নক্ষত্রও খালি চোখে দেখা যায়।
- সুস্থ ও স্বাভাবিক চোখ “নিকট বিন্দু” (near point) থেকে শুরু করে অসীম দূরত্বের দূর বিন্দুর মাঝখানে যে স্থানেই কোন বস্তু থাকুক না কেন সেটা স্পষ্ট দেখতে পারে। আর এটাই হচ্ছে চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি।।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩২.
Which is the average life span of Platelets cells?
  1. 5-10 Days
  2. 30-45 Days
  3. 60-90 Days
  4. 100-120 Days
ব্যাখ্যা
রক্তকণিকা:
- মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে। যথা- -
১. লোহিত রক্তকণিকা।
২. শ্বেত রক্তকণিকা।
৩. অনুচক্রিকা।

• লোহিত রক্তকণিকা:
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস নেই।
- এ কণিকা দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
- লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।

• শ্বেত রক্তকণিকা:
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকারনেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১ থেকে ১৫ দিন।
- শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয়।

• অণুচক্রিকা:
- অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের।
- এতে নিউক্লিয়াস থাকে না।
- অণুচক্রিকা দেহের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
- অনুচক্রিকার গড় আয়ু ৫ থেকে ১০ দিন।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩৩.
If you consume 10 grams of fat, about how many kilocalories will it provide?
  1. 40 kcal
  2. 70 kcal
  3. 90 kcal
  4. 120 kcal
ব্যাখ্যা

• চর্বি বা ফ্যাট আমাদের শরীরের অন্যতম প্রধান শক্তির উৎস। প্রতি গ্রাম ফ্যাট প্রায় ৯ কিলোক্যালরি (kcal) শক্তি প্রদান করে। সুতরাং, যদি কেউ ১০ গ্রাম ফ্যাট গ্রহণ করে, তবে তা থেকে মোট শক্তি পাওয়া যাবে ১০ × ৯ = ৯০ কিলোক্যালরি। অর্থাৎ, ১০ গ্রাম ফ্যাট শরীরে প্রায় ৯০ কিলোক্যালরি শক্তি সরবরাহ করে। ফ্যাট শরীরে দীর্ঘমেয়াদে শক্তি সঞ্চয়ের কাজও করে এবং এটি ভিটামিন A, D, E ও K শোষণে সহায়তা করে। তাই সঠিক পরিমাণে ফ্যাট গ্রহণ শরীরের জন্য উপকারী হলেও অতিরিক্ত ফ্যাট গ্রহণ স্থূলতা ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- সঠিক উত্তর: গ) ৯০ kcal

খাদ্যের কাজ: 
- মানবদেহের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই, খাদ্য দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য কাজ করে থাকে। 
যেমন- 
১। দেহের গঠন, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ: 
- মাতৃগর্ভে ভ্রূণ সৃষ্টির পর হতে ২০/২৫ বছর বয়স পর্যন্ত দেহ গঠন ও বৃদ্ধিসাধন প্রক্রিয়া চলতে থাকে। 
- এছাড়া কায়িক শ্রম, রোগ-বালাই, ইত্যাদিতে দেহ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। 
- খাদ্য মানব দেহে এসব গঠন, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে থাকে। 
যেমন- দেহের পেশি গঠনে প্রোটিন ও অস্থি বা হাড় গঠনে ক্যালসিয়াম কাজ করে। 

২। তাপ ও শক্তি উৎপাদন: 
- দেহের স্বাভাবিক উষ্ণতা বজায় রাখা ও অভ্যন্তরীণ কাজ সম্পাদন করে দেহকে সচল রাখার জন্য খাদ্য তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 
- দেহে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন হয় বলেই দেহ সচল ও সক্রিয় থাকে। 
- স্নেহ জাতীয় খাদ্য হতে দেহে সর্বাধিক তাপ ও শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- শর্করা জাতীয় খাদ্য হতে উৎপন্ন শক্তিও দেহে অতি প্রয়োজনীয়। 
যেমন- ১ গ্রাম শর্করা হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়), ১ গ্রাম প্রোটিন হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়) এবং ১ গ্রাম ফ্যাট হতে ৯ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 

৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি: 
- খাদ্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে দেহকে জীবাণু ও রোগের আক্রমণ হতে রক্ষা করে। 
- প্রধানত ভিটামিন ও খনিজ লবণ জাতীয় খাদ্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে দেহকে সুস্থ রাখে। 

৪। দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ: 
- মানবদেহে প্রতিনিয়ত অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক কর্মক্রিয়া চলতে থাকে। 
- হৃৎপিণ্ড (Heart), ফুসফুস (Lung), পাকস্থলী (Stomatch), মস্তিষ্ক (Brain), বৃক্ক (Kidney), যকৃত (Liver) ইত্যাদি সবসময় সক্রিয় অবস্থায় থাকে। 
- এনজাইম ও হরমোনসমূহ শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈব রাসায়নিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- এছাড়া বিপাক, পরিপাক, শোষণ ইত্যাদি কাজ সংঘটিত হয়। 
- এসব কাজে প্রোটিন, খনিজ লবণ, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, পানি ইত্যাদি বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩৪.
Where are protons and neutrons located in an atom?
  1. Electron cloud
  2. Nucleus
  3. Outer shell
  4. Energy level
ব্যাখ্যা

• পরমাণুর ভেতরে প্রোটন এবং নিউট্রন মূলত নিউক্লিয়াসে (nucleus) অবস্থান করে। নিউক্লিয়াস হলো পরমাণুর কেন্দ্রীয় অংশ, যেখানে প্রোটনগুলি ধনাত্মক চার্জ বহন করে এবং নিউট্রনগুলি নিরপেক্ষ থাকে। এই প্রোটন এবং নিউট্রনের সংমিশ্রণ পরমাণুর ভর এবং স্থিতিশীলতা নির্ধারণ করে। অন্যদিকে, ইলেকট্রনগুলি নিউক্লিয়াসের চারপাশে ইলেকট্রন ক্লাউড বা বাহ্যিক শেলের মধ্যে থাকে। তাই, পরমাণুর ভরের বেশির ভাগ অংশ নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত থাকে। সুতরাং প্রোটন এবং নিউট্রনের অবস্থান হলো নিউক্লিয়াস, যা পরমাণুর কেন্দ্রীয় এবং ঘন অংশ।

উত্তর: খ) Nucleus

পরমাণুর গঠন: 
- পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে, যার নাম নিউক্লিয়াস। 
- এই নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- সুতরাং পরমাণুর সকল ধনাত্মক আধান এবং প্রায় সম্পূর্ণ ভরই নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ভ্রমণ করে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৩৫.
What is an example of a magnetic material?
  1. Aluminum
  2. Copper
  3. Cobalt
  4. Silver
  5. Zinc
ব্যাখ্যা
চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 
- বেশিরভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ বলা হয়। ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা। 
উদাহরণ- লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
উদাহরণ- সোনা, রূপা, তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা, টিন, কাঠ, কাগজ, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩৬.
The total blood volume in an adult human body is approximately:
  1. 5–6 L
  2. 8–9 L
  3. 2–3 L
  4. 10–12 L
ব্যাখ্যা

• প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে মোট রক্তের পরিমাণ প্রায় ৫–৬ লিটার (উত্তর: ক)। রক্ত শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৭–৮ শতাংশ। এই রক্ত শরীরের প্রতিটি অংশে অক্সিজেন, পুষ্টি ও হরমোন বহন করে এবং বর্জ্য পদার্থ নির্গমনে সাহায্য করে। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের দেহে গড়ে ৫.৫ লিটার এবং মহিলার ক্ষেত্রে প্রায় ৪.৫–৫ লিটার রক্ত থাকে। রক্তের এই পরিমাণ শারীরিক গঠন, লিঙ্গ, ওজন এবং পরিবেশগত অবস্থার ওপর কিছুটা নির্ভরশীল হলেও সাধারণত ৫–৬ লিটার রক্তই মানুষের শরীরে স্বাভাবিক বলে ধরা হয়।

রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা।
- রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়।
- রক্ত সামান্য ক্ষারীয়, এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪ ।
- সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস।
- অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত।
- একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে যা শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%।

রক্তের উপাদান:
- মানব দেহের রক্ত প্রধানত রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত।
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে।
- প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩৭.
What is a boson?
  1. A particle with negative mass
  2. A particle with integer spin
  3. A particle that obeys Fermi-Dirac statistics
  4. A particle with half-integer spin
ব্যাখ্যা

• বোসন হলো একটি ধরনের মৌলিক কণা যা পরমাণু ও কণার জগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি পূর্ণসংখ্যা স্পিন (integer spin) যুক্ত কণাকে বোঝায়, যেমন ০, ১, ২ ইত্যাদি। বোসন ফার্মি-ডিরাক পরিসংখ্যা (Fermi-Dirac statistics) অনুসরণ করে না, বরং বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যা (Bose-Einstein statistics) অনুযায়ী আচরণ করে। এর ফলে একাধিক বোসন একই কোয়ান্টাম অবস্থায় থাকতে পারে। উদাহরণ হিসেবে ফোটন, গ্লুয়ন এবং হিগস বোসন উল্লেখযোগ্য। বোসন বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় শক্তি স্থানান্তর এবং ক্ষেত্রের ত্বরণ ঘটায়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) A particle with integer spin.

• বোসন কণা:
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (0, 1, 2, ইত্যাদি) স্পিন করে।
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ।
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না।
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।

- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। যথা:
১. গেজ বোসন ও
২. হিগস বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩৮.
Which instrument is used to measure sea depth?
  1. Hydrometer
  2. Atmometer
  3. Chronometer
  4. Fathometer
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪৩৯.
The chemical formula of heavy water is -
  1. H2O
  2. HDO2
  3. T2O
  4. D2O
ব্যাখ্যা

- পানির সংকেত হলো H2O.
- ভারি পানির সংকেত হলো D2O.
- পানিতে উপস্থিত থাকে প্রোটিয়াম এবং অক্সিজেন।
- ভারি পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন।
- প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৪০.
Which principle allows a periscope to help you see over obstacles?
  1. Polarization
  2. Dispersion
  3. Reflection of light
  4. Refraction
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) Reflection of light.

পেরিস্কোপ একটি সরঞ্জাম যা আপনাকে বাধার পেছনের বস্তু দেখতে সাহায্য করে। এটি মূলত দুটি আয়না ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। পেরিস্কোপের কাজের মূল নীতি হলো আলোর প্রতিবিম্ব বা প্রতিফলন। যখন আলো একটি আয়নার সাথে সংস্পর্শে আসে, তখন তা নির্দিষ্ট কোণে প্রতিফলিত হয়। পেরিস্কোপের উপরের আয়নাটি আলোর পথ ধরে আসা প্রতিচ্ছবিকে নিচের দিকে প্রতিফলিত করে, আর নিচের আয়নাটি সেই আলোকে চোখের দিকে প্রতিফলিত করে। এর ফলে আমরা সরাসরি লাইন অফ সাইট না হলেও কোন বাধার উপরে বা পিছনের বস্তু দেখতে পারি। পেরিস্কোপের এই কাজ শুধুমাত্র আলোর প্রতিফলনের কারণে সম্ভব, বরং পোলারাইজেশন, বিচ্ছিন্নকরণ বা প্রতিসরণের সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।

পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। 

- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। 
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। 
- এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৪৪১.
What is another name for the instrument that measures earthquakes?
  1. Gravimeter
  2. Oscillator
  3. Seismometer
  4. Anemometer
ব্যাখ্যা

• ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রের আরেকটি নাম হলো Seismometer। এটি পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কম্পন বা সিসমিক ঢেউ শনাক্ত করে এবং রেকর্ড করে। যখন ভূমিকম্প ঘটে, তখন পৃথিবীর স্তরগুলিতে কম্পন সৃষ্টি হয়, যা এই যন্ত্র দ্বারা সংবেদন করা যায়। Seismometer সাধারণত একটি স্থির অংশ এবং একটি চলমান অংশ নিয়ে গঠিত, যা কম্পনের মাত্রা ও দিক উভয়ই নির্ণয় করতে সাহায্য করে। এই ডেটা বিশ্লেষণ করে ভূমিকম্পের শক্তি, কেন্দ্রবিন্দু এবং সময় নির্ধারণ করা যায়। ভূমিকম্প বিজ্ঞানীরা বা সিসমোলজিস্টরা এই যন্ত্র ব্যবহার করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ ভূমিকম্পের পূর্বাভাস তৈরি করেন। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) Seismometer.

• বৈজ্ঞানিক যন্ত্র ও তার ব্যবহার:
- বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র- ব্যারোমিটার। 
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ক যন্ত্র -ফ্যাদোমিটার 
- দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণায়ক যন্ত্র- ল্যাকটোমিটার। 
- তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র- থার্মোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণয়ক যন্ত্র- ম্যানোমিটার। 
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম- সিসমোগ্রাফ। 
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার। 
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- রিখটার স্কেল। 
- সূক্ষ্ম সময় ও সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় যন্ত্র- ক্রনোমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৪২.
Which of the following has the lowest pH?
  1. Baking soda solution
  2. Water
  3. Milk
  4. Lemon juice 
ব্যাখ্যা

• উপরের অপশন গুলোর মধ্যে লেবুর রস (ঘ) সবচেয়ে কম pH সম্পন্ন। pH হলো দ্রাবণের অ্যাসিড বা ক্ষারিত্বের মাত্রা পরিমাপের একটি সূচক। pH স্কেলে ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত মান থাকে, যেখানে ৭ নিউট্রাল, ৭-এর নিচে অ্যাসিডিক এবং ৭-এর উপরে ক্ষারীয়। বেকিং সোডার দ্রাবণ সাধারণত ক্ষারীয়, যার pH প্রায় ৮–৯; পানি প্রায় নিরপেক্ষ, pH ৭; দুধ হালকা অ্যাসিডিক, প্রায় pH ৬–৬.৫। কিন্তু লেবুর রস শক্তিশালী অ্যাসিডিক, সাইট্রিক অ্যাসিডের কারণে এর pH প্রায় ২–৩। তাই এই চারটির মধ্যে সবচেয়ে কম pH বা সবচেয়ে অ্যাসিডিক হলো লেবুর রস।
 
pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এসিড দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের গাঢ়ত্ব যদি বেশি হয়, তবে তা সবল এসিড, আর যদি কম হয় তবে তা দুর্বল এসিড। 
- ক্ষারের ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য, তবে সেটি হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রার উপর। 
- কিন্তু এসিড যদি খুবই লঘু হয় অথবা ক্ষার দ্রবণটি যদি খুবই লঘু হয়, তবে সেক্ষেত্রে H+ আয়ন অথবা OH- আয়নের ঘনমাত্রা 10 এর ঋণাত্বক ঘাত দ্বারা প্রকাশ করতে হয়। 
- অম্লীয় মাটিতে pH 4.5 এর নিচে নেমে গেলে গাছপালা মারা যায়। pH 5.5 এর নিচে নেমে গেলে গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে।
- বিষয়টিকে আরো সহজ করার জন্য বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশী হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং ঠিকঠিক 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪৩.
Which light has the shortest wavelength?
  1. Red
  2. Orange
  3. Blue
  4. Violet
ব্যাখ্যা
⇒ কোন আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?
- বেগুনি।

আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:

- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- লাল রঙের আলাের বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৪৪.
Which mosquito is the carrier of the Chikungunya virus?
  1. Anopheles
  2. Aedes
  3. Culex
  4. Sand fly
  5. Haemagogus
ব্যাখ্যা

• চিকুনগুনিয়া ভাইরাস মূলত সংক্রমিত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে, এডিস ইজিপ্টি (Aedes aegypti) এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস (Aedes albopictus) এই ভাইরাস ছড়ানোর জন্য দায়ী প্রধান দুটি প্রজাতি। এই মশাগুলো ডেঙ্গু এবং জিকা ভাইরাসের সুপরিচিত বাহক হিসেবেও পরিচিত।

• চিকনগুনিয়া:
- চিকুনগুনিয়া এক ধরণের ভাইরাল সংক্রমণ যেটা এডিস নামের একটি মশার কামড়ানোর ফলে হয়।
- এটি চিকনগুনিয়া ভাইরাস (CHIKV) নামক একটি আরএনএ (RNA) ভাইরাসের কারণে হয়।
-এই মশাটি সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়।
- চিকুনগুনিয়া সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- ২০২৩ সালের শেষের দিকে এফডিএ (FDA) চিকনগুনিয়ার জন্য প্রথম টিকা হিসেবে IXCHIQ অনুমোদন করে।

• চিকুনগুনিয়া রোগের লক্ষণসমূহ:
১. প্লাটিলেট কমে যায়। শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া ও চোখ ব্যথা, চোখ থেকে পানি পড়া, অরুচি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।
২. বিভিন্ন স্থানে হামের মতো র‍্যাশ হতে পারে।
৩. গায়ে রক্ত জমে ছিটা ছিটা দাগ থাকতে পারে।

সূত্র- ব্রিটানিকা। [link]

৪৪৫.
Which blood group can donate blood to any other blood group?
  1. A
  2. B
  3. AB
  4. O
ব্যাখ্যা

• রক্তদানে, বিভিন্ন রক্তের গ্রুপের মধ্যে সামঞ্জস্য গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপ “O” রক্তধারীদের জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কারণ তাদের রক্তে A বা B অ্যান্টিজেন থাকে না, তাই তাদের রক্ত যেকোনো গ্রুপের মানুষের শরীরে দেওয়া যায়। অন্যদিকে, A, B, বা AB গ্রুপের রক্ত সব ধরনের শরীরে উপযুক্ত নয়, কারণ তাদের রক্তে বিশেষ অ্যান্টিজেন থাকে যা গ্রহণকারীর শরীর প্রত্যাখ্যান করতে পারে। তাই, O গ্রুপের রক্তকে “Universal Donor” বা সর্বজনীন রক্তদাতা বলা হয়। জরুরি অবস্থায় এবং রক্ত অভাবে, O গ্রুপের রক্ত প্রায় সব রোগীর জন্য নিরাপদভাবে ব্যবহার করা যায়।

- উত্তর: ঘ) O.

রক্তের গ্রুপ: 
- বিভিন্ন ব্যক্তির লোহিত রক্ত কণিকায় A এবং B নামক দুই ধরনের অ্যান্টিজেন (antigens) থাকে এবং রক্তরসে a ও b দু'ধরনের অ্যান্টিবডি (antibody) থাকে।
- এই অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়, একে ব্লাড গ্রুপ বলে। 
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার 1901 সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা A, B, AB এবং O- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন। 
- সাধারণত একজন মানুষের রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে। 
- রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে ব্লাড গ্রুপকে এভাবে বর্ণনা করা যায়। 
যেমন- 
• গ্রুপ A: এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে b অ্যান্টিবডি) থাকে। 
• গ্রুপ B: এ শ্রেণির রক্তে B অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-A অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে a অ্যান্টিবডি) থাকে। 
• গ্রুপ AB: এই শ্রেণির রক্তে A ও B অ্যান্টিজেন থাকে এবং কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। 
• গ্রুপ O: এ শ্রেণির রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b অ্যান্টিবডি থাকে। 

• O গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যক্তি সব গ্রুপের রক্তের ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে, এদের বলা হয় সর্বজনীন রক্তদাতা (universal donor)। 
• AB রক্তধারী ব্যক্তি যেকোনো ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই তাকে সর্বজনীন রক্তগ্রহীতা (universal recipient) বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৪৬.
Who is regarded as the father of astrophysics?
  1. James Keeler
  2. Albert Einstein
  3. Angelo Secchi
  4. Galileo Galilei
ব্যাখ্যা
অ্যাঞ্জেলো সেচ্চি (Angelo Secchi):
- অ্যাঞ্জেলো সেচ্চিকে জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার জনক (father of astrophysics) বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- তিনি ছিলেন একজন ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
- অ্যাঞ্জেলো সেচ্চি ১৮১৮ সালের ২৮ জুন ইতালির রেজিও এমিলিয়া শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৫ বছর বয়সে তিনি রোমে জেসুইট নবীনদের মধ্যে যোগ দেন।
- রোমান কলেজে পড়াশোনার সময় তার বৈজ্ঞানিক দক্ষতা লাভ হয়।
- তার গবেষণায় আকাশগঙ্গা, তারার শ্রেণীবিভাগ, এবং অন্যান্য মহাজাগতিক বিষয় ছিল। 
- সেচ্চি পৃথিবী থেকে দূরের আকাশের বস্তুগুলির পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করে নতুন ধারণা এবং মডেল তৈরি করেন।
- তার কাজের ফলে পরবর্তীতে ভ্যাটিকান অবজারভেটরি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) America Magazine. 
ii) Harvard University.
৪৪৭.
A periscope works primarily based on which principle of light?
  1. Refraction
  2. Diffraction
  3. Interference
  4. Reflection
  5. Dispersion
ব্যাখ্যা

পেরিস্কোপ:
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪৪৮.
What does renewable energy mean?
  1. Energy from nuclear reactions
  2. Energy that can be used only once
  3. Energy that can be replenished and used repeatedly
  4. Energy that pollutes the environment
ব্যাখ্যা

নবায়নযোগ্য শক্তি:
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
• সৌরশক্তি: সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলে সৌরশক্তি। সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার প্রায় সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকে আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রকৃত পক্ষে বহু দিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি।

• জলবিদ্যুৎ: পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস। পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়। পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি। পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।

• বায়ু শক্তি: পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে।

• বায়োমাস শক্তি: সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

→ উল্লেখ্য:
- কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪৯.
What's the term for animals that maintain a constant body temperature?  
  1. Saola
  2. Vaquita 
  3. Endotherms
  4. Rhinoceros
ব্যাখ্যা

⇒ যেসব প্রাণীর দেহের তাপমাত্রা স্থির থাকে তাদের এন্ডোথার্ম বলা হয়।

এন্ডোথার্ম:
- যারা পরিবেশের উপর নির্ভর না করে স্থির শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখে।
- এন্ডোথার্মগুলির মধ্যে মূলত পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী অন্তর্ভুক্ত।
- যদি তাপ হ্রাস তাপ উৎপাদনের চেয়ে বেশি হয়, তবে ক্ষতি পূরণের জন্য বিপাক বৃদ্ধি পায় অথবা প্রাণীটি তার শরীরের তাপমাত্রা বাড়ানোর জন্য কাঁপতে থাকে।
- যদি তাপ উত্পাদন তাপ হ্রাসের চেয়ে বেশি হয়, তবে হাঁপানি বা ঘাম ঝরানোর মতো প্রক্রিয়া তাপ হ্রাস বৃদ্ধি করে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৪৫০.
Which lipoprotein is harmful to have in high amounts in the blood?
  1. HDL
  2. MDL
  3. LDL
  4. LND
ব্যাখ্যা

কোলেস্টেরল:
- কোলেস্টরল এক ধরনের চর্বিজাতীয়, তৈলাক্ত স্টেরয়েড যা কোষের ঝিল্লি বা (সেল মেমব্রেনে)-এ পাওয়া যায় এবং যা সব প্রাণীর রক্তে পরিবাহিত হয়। 
- কোলেস্টেরল এক ধরনের কঠিন বা অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল। 
- রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্ট এ্যাটাক ইত্যাদি রোগের আশংকা বেড়ে যায়। 
- যকৃৎ এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- কোলেস্টেরল অন্যান্য স্নেহ পদার্থের সাথে মিশে রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে। 
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে। 
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম। 
যথা- উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein- HDL) এবং নিম্ন ঘনত্ববিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein- LDL)। 
রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৫১.
What is the Celsius value at absolute zero temperature?
  1. - 273.15° C
  2. - 173.15° C
  3. - 237.15° C
  4. 0° C
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- চার্লসের সূত্র অনুযায়ী যে তাপমাত্রায় সকল গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়ে যায় সেই. তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে।
- পরমশূন্য তাপমাত্রার মান হচ্ছে 0 কেলভিন।
- সেলসিয়াসের সাথে কেলভিনের সম্পর্ক হচ্ছে, K= C + 273.15
=> C= 0 - 273.15= - 273.15° C

তথ্যসূত্র:
- HSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র; ড. শাহজাহান তপন।
৪৫২.
What diseases do children suffer from lack of vitamin D?
  1. Parkinson's
  2. Scurvy
  3. Rickets
  4. Night blindness
ব্যাখ্যা
ভিটামিন ডি: 
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন D পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। 
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন D- এর প্রধান উৎস। 
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন D পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন D শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। 
- ভিটামিন D -এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়। 
- দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন D গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। 
- যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫৩.
Fathometer is used to measure-
  1. Rainfall
  2. Earthquakes
  3. Ocean Depth
  4. Sound intensity
ব্যাখ্যা
ফ্যাদোমিটার:
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র। 
- সাগর বা মহাসাগরের চলাচলকারি জাহাজের নিরাপত্তার জন্য সাগর বা মহাসাগরের গভীরতা জানা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিস গভীর সমুদ্রের তলদেশে প্রতিফলিত শব্দের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয় এই কাজের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ফ্যাদোমিটার বা ইকোগ্রাফ বলে।
- সমুদ্রের তলদেশ থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসার জন্য এ ধরনের একটি ইউনিট এর শব্দ উৎপাদনের জন্য একটি শব্দ প্রতিশব্দ উৎপাদক রয়েছে এ যন্ত্রে একটি অংশে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষণিক শব্দের সম্পূর্ণ ভ্রমণ কাল লিপিবদ্ধ করা হয় পানিতে শব্দের বেগ এবং একে দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, এসময় জাহাজটি কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব হলে পরবর্তী সমীকরণ থেকে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা যায়।

অন্যদিকে -
-  বায়ুর আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র: হাইগ্রোমিটার।
- বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র: ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ মাপার যন্ত্র: ম্যানোমিটার।

উৎস: Britannica.
৪৫৪.
Which of the following is indicated by the color of a star?
  1. ক) Weight
  2. খ) Distance
  3. গ) Temperature
  4. ঘ) Size
ব্যাখ্যা

- Stars have different colors, which are indicators of temperature.
- The hottest stars tend to appear blue or blue-white, whereas the coolest stars are red.
- A color index of a star is the difference in the magnitudes measured at any two wavelengths and is one way that astronomers measure and express the temperature of stars.

Source: www.courses.lumenlearning.com

৪৫৫.
Which bone is the longest and strongest in the human body?
  1. Patella
  2. Pelvis
  3. Rib
  4. Mandible
  5. Femur
ব্যাখ্যা
• ফিমার: 
- মানবদেহে ২০৬ টি অস্থি বিদ্যমান। 
- ফিমার হচ্ছে মানবদেহে সবচেয়ে বড় অস্থি। 
- এটি দেহের সবচেয়ে লম্বা, ভারী ও শক্ত অস্থি। 
- এর ঊর্ধ্ব প্রান্তে একটি গােল মস্তক, গ্রীবা ও ছােট-বড় ট্রোকেল্টার অবস্থিত। 
- নিম্নপ্রান্ত দুটি কল্ডাইল বিশিষ্ট। 
- ফিমারের মস্তক শ্রেণিচক্র অ্যাসিটামুলামের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এর প্রান্তে Patella নামক চ্যাপ্টা সিগময়েড় অস্থি থাকে। 
- তারপরে রয়েছে পর্যায়ক্রমে টিবিয়া, ফিবুলা, হিউমেরাস, আলনা, রেডিয়াস। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৫৬.
What is the value of absolute zero temperature on the Celsius scale?
  1. 0°C
  2. - 100°C
  3. - 273.15°C
  4. - 459.67°C
  5. None of these
ব্যাখ্যা

• পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো সেই তাপমাত্রা যেখানে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি সর্বনিম্ন বা শূন্য হয়ে যায়। এটি মহাবিশ্বের সর্বনিম্ন সম্ভব তাপমাত্রা। সেলসিয়াস স্কেলে এর মান - 273.15°C এবং কেলভিন স্কেলে এটি 0 K।
- যদি ফারেনহাইট স্কেলে জানতে চাওয়া হতো, তবে এর মান হতো - 459.67°F।

• পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- চার্লসের সূত্রানুসারে, স্থির চাপে গাণিতিকভাবে যে তাপমাত্রায় যে কোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়।

• পরমশূন্য তাপমাত্রার মান হলো -273.15° সেলসিয়াস বা 0 কেলভিন (K)। 
- এই তাপমাত্রায় যে কোন গ্যাসের আয়তন তত্ত্বীয়ভাবে শূন্য হয়। 

• এই তাপমাত্রাকে শুরু বা শূন্য ধরে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রার ব্যবধানকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান ধরে যে তাপমাত্রার স্কেল উদ্ভাবন করা হয়েছে তাকে তাপমাত্রার পরম স্কেল বলে।
- লর্ড কেলভিন এই স্কেলের ধারণা দেন বলে একে কেলভিন স্কেলও বলা হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫৭.
After which astronomer is 'Halley's Comet' named?
  1. Edward Halley
  2. Nick Halley
  3. Edmond Halley
  4. Edison Halley
ব্যাখ্যা
হ্যালির ধূমকেতু (Halley's Comet):
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
- ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে।
- হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ২০৬১ সালে।

উল্লেখ্য,
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক।
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ।
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) NASA ওয়েবসাইট।
৪৫৮.
Which color in the visible spectrum has the longest wavelength?
  1. Red
  2. Orange
  3. Blue
  4. Violet
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- লাল রঙের আলাের বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৫৯.
Absolute zero is equivalent to:
  1. 273.15°C
  2. -100°C
  3. -273.15°C
  4. 32°C
  5. -230.15°C
ব্যাখ্যা
পরম শূন্য তাপমাত্রা: 
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো -273.15 degrees Celsius বা -273°C. 
- পরম শূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না। 
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্ধ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়। 
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
৪৬০.
What causes a substance to exist in three different states?
  1. Number of molecules
  2. Influence of heat
  3. Chemical transformation
  4. Atomic arrangement
ব্যাখ্যা

• তাপমাত্রার পরিবর্তন পদার্থের তিন অবস্থার পরিবর্তনের জন্য দায়ী।

- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে।
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন, বই, খাতা, কলম, চেয়ার, টেবিল, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সব পদার্থ।
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে।
যথা: কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কক্ষ তাপমাত্রায় বেশির ভাগ পদার্থই কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে।
- তাপমাত্রার পরিবর্তনই পদার্থের তিন অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়।
- পদার্থের এ তিন অবস্থার মধ্যে আবার বেশ সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ও ধর্ম বর্তমান।
- সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে কঠিন পদার্থের আকার ও আয়তনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না।
- তরলের ক্ষেত্রে আয়তন ঠিক থাকলেও আকারের পরিবর্তন ঘটে।
- পানিকে গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে এবং বোতলে রাখলে ঐ বোতলের আকার ধারণ করে।
- বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন আকার ও আয়তন থাকে না।
- পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বিশেষ ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬১.
What is the minimum velocity required for an object to permanently escape Earth's gravitational pull?
  1. 11.2 kms- 1
  2. 11.2 kmh- 1
  3. 9.8 ms- 2
  4. 2.4 Kms- 1
  5. 11.2 ms- 1 
ব্যাখ্যা

• কোনো বস্তুকে যদি প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কিলোমিটার অর্থাৎ, 11.2 Kms- 1 বেগে খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হয়, তবে সেটি পৃথিবীর মহাকর্ষীয় বল কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে। এই বিশেষ বেগকে মুক্তিবেগ বলা হয়। এটি বস্তুর ভরের ওপর নির্ভর করে না, তাই একটি ছোট পাথর বা একটি বিশাল রকেটের জন্য এই বেগের মান একই থাকে।

• মুক্তি বেগ:
- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তিবেগ (Escape velocity) বলা হয়।

• মুক্তি বেগ বা তার বেশি বেগে কোন বস্তুকে নিক্ষেপ করা হলে সেটি আর পৃথিবীতে ফিরে না এসে পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিন করতে থাকে।
- মুক্তি বেগের মান হলো ১১.২ কি.মি./সেকেন্ড বা 11.2 Kms- 1
- আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) কে মুক্তি বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে সেটি পৃথিবীর অভিকর্ষকে অতিক্রম করে চলে যাবে , ফলে সেটি আর ফেরত আসবে না। 

• সাধারণত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) এর গতিবেগ হয় প্রতি সেকেন্ডে ৬ থেকে ৯ কিলোমিটার। 
- মুক্তিবেগ থেকে এই বেগ কম হওয়ায় তা আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- কিন্তু তা ১১.২ কিলোমিটার/সেকেন্ড বা তার বেশি বেগ প্রাপ্ত হলে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না। 

উল্লেখ্য:
২.৪ কিমি/সেকেন্ড হলো চাঁদের মুক্তিবেগের মান যা পৃথিবীর মহাকর্ষ বল কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬২.
In quantum electrodynamics (QED), which particle acts as the force carrier?
  1. Z boson
  2. Muon
  3. Photon
  4. Graviton
ব্যাখ্যা

• Quantum electrodynamics (QED) হলো পদার্থবিজ্ঞানের সেই শাখা যা বিদ্যুৎ ও চুম্বকীয় শক্তির কণা এবং তাদের পারস্পরিক ক্রিয়াকে কোয়ান্টাম তত্ত্বের মাধ্যমে বর্ণনা করে। QED তে শক্তি বা বল পরিবাহকের ভূমিকা পালন করে ফোটন (Photon)। ফোটন হল ভরহীন, চার্জবিহীন কণা যা ইলেকট্রন, পজিট্রন বা অন্যান্য চার্জযুক্ত কণার মধ্যে বৈদ্যুতিক ও চুম্বকীয় বলের বিনিময় ঘটায়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি ইলেকট্রন পরস্পরকে প্রত্যাহার করে যখন তারা ফোটন বিনিময় করে। অন্য বিকল্পগুলো, যেমন Z বোসন, মিউন, বা গ্রাভিটন, QED তে মূল বল পরিবাহক নয়; Z বোসন দুর্বল পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে, মিউন হলো একটি ভারী ইলেকট্রন জাতীয় কণা, এবং গ্রাভিটন শুধুমাত্র ত্বরণ বা মহাকর্ষের সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং, QED-তে শক্তি পরিবাহক হলো ফোটন।

- উত্তর: গ) Photon.

মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- মৌলিক বলগুলো হলো- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বল, 
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং 
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল। 

তাড়িতচৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তাড়িতচৌম্বক বল বলে। 
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন। 

এছাড়াও, 
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন।
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন।
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন) এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৬৩.
Photosynthesis occurs most efficiently under which light? 
  1. Yellow
  2. Violet
  3. Green
  4. Red
ব্যাখ্যা

- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয় কারণ ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ এই আলোকরশ্মি সবচেয়ে কার্যকরভাবে শোষণ করে।
- লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সালোকসংশ্লেষণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। 

• সালোকসংশ্লেষণে আলোর ভূমিকা: 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলোর গুরুত্ব অপরিসীম। 
- পানি এবং CO2 থেকে শর্করা তৈরির করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস হচ্ছে আলো। 
- সূর্যালোক ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করে। সূর্যালোকের প্রভাবেই পত্ররন্ধ্র উন্মুক্ত হয়, CO2 পাতার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে এবং খাদ্য প্রস্তুতকরণে অংশগ্রহণ করে। 
- কিন্তু পাতায় যেটুকু আলো পড়ে, তার অতি সামান্য অংশই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। 
- আবার আলোক বর্ণালির লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় কিন্তু লাল আলোতে সবচেয়ে বেশি ভালো হয়, সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না। 
- একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আলোর পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হারও বেড়ে যায়। কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়। 
- সাধারণত 400 nm থেকে 480 nm এবং 680 nm (ন্যানোমিটার) তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়। 

তথ্যসূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

৪৬৪.
Solar energy is source of __________ energy.
  1. Conventional
  2. Non-Conventional
  3. Non-Renewable
  4. None
ব্যাখ্যা
সৌরশক্তি:
- সূর্য আমাদের সৌরজগৎ এর কেন্দ্রীয় নক্ষত্র যা একটি বিশাল গ্যাসীয় পিন্ড।
- এর কেন্দ্রে ফিউশন বিক্রিয়ার ফলে বিশাল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় যা আলোক ও তাপ রূপে পৃথিবীতে পৌঁছায়।
- প্রধানত দুটি উপায়ে সূর্য থেকে শক্তি সংগ্রহ করা যায়।
- প্রথমত, সূর্য থেকে আলোক শক্তি সংগ্রহ করে দ্বিতীয়ত সূর্য থেকে তাপ শক্তি সংগ্রহ করে।
- প্রতিদিন পৃথিবীতে এক ঘণ্টায় যে পরিমাণ সৌরশক্তি পৌঁছায় তা দিয়ে পুরো পৃথিবীর দুই বছরের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো যাবে।
- সৌরশক্তি একটি নবায়নযোগ্য (renewable) এবং অপ্রচলিত (non-conventional) শক্তির উৎস।

⇒ নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি (জৈবভর), ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

উল্লেখ্য,
• প্রচলিত (Conventional): বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনের জন্য যে সমস্ত শক্তি বর্তমানে ব্যাপকভাবে বা প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়, তাদের প্রচলিত শক্তি বা চিরাচরিত শক্তি বলে। তাপবিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ, পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইত্যাদি হলো প্রচলিত শক্তির উদাহরণ।
• অপ্রচলিত (Non-Conventional): অপ্রচলিত শক্তির উদাহরণ হলো সৌর বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, ভূ-তাপ বিদ্যুৎ ইত্যাদি।
• অ-নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হলো এমন শক্তি যা প্রকৃতিতে সীমিত পরিমাণে পাওয়া যায় এবং পুনরুৎপাদন সম্ভব নয়, যেমন কয়লা, তেল বা ইউরেনিয়াম। সৌরশক্তি নবায়নযোগ্য (renewable), কারণ এটি সূর্য থেকে প্রতিনিয়ত পাওয়া যায় এবং শেষ হয় না। তাই এই অপশনটি সৌরশক্তির জন্য সঠিক নয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল (বিইপিআরসি)।
৪৬৫.
Which region is known as the “Ring of Fire,” where many tsunamis originate?
  1. South Atlantic
  2. Pacific Ocean
  3. Mediterranean Sea
  4. Arctic Circle
ব্যাখ্যা

• “Ring of Fire” হলো পৃথিবীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের চারপাশে অবস্থিত একটি অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল। এই অঞ্চলে অনেকগুলি টেকটনিক প্লেট একে অপরের সাথে সংঘর্ষ করে, যার ফলে এখানে বারংবার ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরি সৃষ্টির ঘটনা ঘটে। একই কারণে, এই অঞ্চলটি সুনামি উৎপত্তির জন্যও পরিচিত। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলবর্তী দেশগুলো যেমন জাপান, ইন্দোনেশিয়া, চিলি ও ফিলিপাইনস প্রায়শই এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। তাই “Ring of Fire” মূলত Pacific Ocean সংলগ্ন অঞ্চলকে বোঝায়।

উত্তর: খ) Pacific Ocean.

সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ, জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'। 
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়, এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। 
- অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। 
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে। 
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে। 
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। 
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৬৬.
What percentage of blood is made up of plasma?
  1. 45%
  2. 55%
  3. 65%
  4. 75%
ব্যাখ্যা
• রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক কলা (Fluid Connective Tissue)। 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস বা প্লাসমা, আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 

- রক্তকণিকা ৩ ধরনের। 
যথা- 
১। লোহিত রক্তকণিকা।
২। শ্বেত রক্তকণিকা।  
৩। অণুচক্রিকা। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৬৭.
Which of the following elements is a ferromagnetic material?
  1. Silver
  2. Aluminum
  3. Copper
  4. Iron 
ব্যাখ্যা

• ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ হলো সেই ধরনের পদার্থ যা চুম্বকের প্রভাবে শক্তভাবে চুম্বকীয় হয় এবং চুম্বকের কাছাকাছি গেলে তা চুম্বকের আকর্ষণ অনুভব করে। এর মধ্যে সাধারণত লোহা (Iron), নিকেল (Nickel), এবং কোবাল্ট (Cobalt) এর মতো ধাতু থাকে। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে, লোহা (Iron) একমাত্র ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ। অন্যান্য ধাতু যেমন রূপা (Silver), অ্যালুমিনিয়াম (Aluminum), এবং তামা (Copper) ফেরোম্যাগনেটিক নয়; এগুলো শুধুমাত্র দুর্বলভাবে চুম্বকের প্রভাবে প্রভাবিত হয়, যা প্যারাম্যাগনেটিক বা ডায়াম্যাগনেটিক আচরণ হিসেবে চিহ্নিত। তাই চুম্বকের সাথে শক্তভাবে আকৃষ্ট হওয়া পদার্থ হলো ঘ) লোহা (Iron)।
 
প্যারাচৌম্বকীয় পদার্থ (Paramagnetic elements): 
- যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়, এদেরকে প্যারা চৌম্বক বলে। 
যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি। 
- প্যারা চৌম্বক পদার্থের অণু, পরমাণু, বা আয়নের স্থায়ী চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। 
- এসব দ্বিপোল এক একটি স্বাধীন সত্ত্বা হিসেবে কাজ করে। কিন্তু সাধারণ তাপমাত্রায় তাপজনিত কম্পন বেশি হওয়ার ফলে এই দ্বিপোলগুলো এলোমেলোভাবে থাকে। ফলস্বরূপ পদার্থের কোন এক দিকে নীট চুম্বকায়ণ (magnedisation) থাকে না। 
- এ সকল পদার্থকে বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে দ্বিপোলসমূহ ক্ষেত্রের অভিমুখ বরাবর সজ্জিত হওয়ার চেষ্ঠা করে। কিন্তু তাপীয় উত্তেজনা এ সজ্জিতকরণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করে। 
- ফলে কিছু দ্বিপোল সজ্জিত হয় এবং ক্ষেত্রের দিকে কিছু চুম্বকায়ন ঘটায় অর্থাৎ নীট ফল হিসেবে পদার্থটি একটি চৌম্বক মোমেন্ট অর্জণ করে এবং এ চৌম্বক মোমেন্টের অভিমুখ প্রযুক্ত চৌম্বকক্ষেত্রের দিকে হয়। 

ফেরোচৌম্বকীয় পদার্থ (Ferromagnetism elements): 
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয় এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি। 
- ফেরো চৌম্বক পদার্থের পরমাণু তথা অণুসমূহের প্রত্যেকের নীট চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। কিন্তু দ্বিপোলগুলো স্বাধীন সত্তা হিসেবে কাজ করে না। 
- এই দ্বিপোলগুলো বিভিন্ন ডোমেইন-এ বিভক্ত থাকে। ফলে, সমষ্টিগতভাবে নীট মোমেন্ট শূন্য হয়। 

ডায়াচৌম্বকীয় পদার্থ (Diamagnetism elements): 
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায় অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয় এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি। 
- ডায়া চৌম্বক পদার্থের পরমাণুমূহের কোন স্থায়ী চৌম্বক মোমেন্ট থাকে না। এসব পরমাণুতে ইলেকট্রনের কক্ষীয় ও স্পিন গতি থেকে চৌম্বক মোমেন্ট উৎপত্তি হয়। 
- একজোড়া ইলেককট্রনের মধ্যে একটির মোমেন্ট অন্যটির সমান ও বিপরীত হলে, এদের নীট মোমেন্ট শূন্য হবে। 
- যেহেতু ডায়াচৌম্বক পদার্থের পরমাণুতে এ রকম বহু সংখ্যক জোড়ার সমাহার সেহেতু পদার্থের পরমাণুতে কোনো দ্বিপোল থাকে না এবং কোন নীট মোমেন্টও থাকে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬৮.
Newton's first law states that an object will remain at rest or in uniform motion unless acted upon by a:
  1. Frictional force
  2. Magnetic force
  3. Balanced force
  4. Net external force
ব্যাখ্যা

• Newton-এর প্রথম আইন, যা Law of Inertia নামেও পরিচিত, বলছে যে একটি বস্তু তার অবস্থান পরিবর্তন করবে না বা একই গতিতে চলতে থাকবে যদি না এর উপর কোনো বাহ্যিক বল প্রয়োগ করা হয়। অর্থাৎ, একটি বস্তু বিশ্রামে থাকলে তা তখনও বিশ্রামে থাকবে, এবং যদি তা সমান গতিতে সরতে থাকে, তবে তা সেই গতিতে চলতেই থাকবে। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হলে অবশ্যই একটি net external force প্রয়োগ করতে হবে। সাধারণ উদাহরণ হলো, একটি বই টেবিলে রাখা আছে। বইটি নিজে থেকে সরবে না যতক্ষণ না কেউ তা ঠেলে বা টানে। সুতরাং, Newton-এর প্রথম সূত্রের মূল বক্তব্য হলো, কোনো বস্তু শুধুমাত্র বাহ্যিক বলের প্রভাবে তার গতি বা অবস্থান পরিবর্তন করে। সঠিক উত্তর: ঘ) Net external force.

নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সূত্র: 
প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 
অর্থাৎ, বাইরে থেকে বল ক্রিয়া না করলে- 
(১) স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং 
(২) গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে চলতে থাকবে। 

সুতরাং দেখা যায় যে, গতির প্রথম সূত্র বস্তুর জড়তার ধর্ম বিবৃত করে এবং বলের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- স্থির বস্তু সর্বদাই স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সর্বদাই গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতাকে জড়তা বলে। এজন্য এই সূত্রকে জড়তার সূত্রও বলা হয়। 
- সূত্রটিকে অন্যভাবেও বলা যায়, যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করা হয় তাহলে তার গতির পরিবর্তন বা স্থিতি অবস্থার পরিবর্তন হবে না। 
অর্থাৎ, বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর ত্বরণ শূন্য হয়। 

অন্যদিকে,
• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো বলের সূত্র।
• নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হলো বলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬৯.
Which scientist discovered the electron?
  1. Niels Bohr
  2. J. J. Thomson
  3. Chadwick
  4. Rutherford
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন: 
- ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন স্যার জে. জে. থমসন।
- ১৮৮৭ সালে তিনি ক্যাথোড রশ্মির উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে এই কণিকার অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন।
- থমসন যখন ক্যাথোড রশ্মির উপর গবেষণা করছিলেন, তখন তিনি লক্ষ্য করেন যে, একটি ক্ষুদ্র তড়িৎধর্মী কণা, যেটি ঋণাত্মক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, একটি আংশিক তড়িৎচার্জ ধারণ করে। তিনি এই কণিকাকে "ইলেকট্রন" নামে অভিহিত করেন। এই আবিষ্কারের মাধ্যমে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে আমাদের ধারণা আরো স্পষ্ট হয় এবং পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রনের উপস্থিতি বিজ্ঞানীদের কাছে পরিষ্কার হয়ে ওঠে।
 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৭০.
An ammeter is an electrical instrument used to measure -
  1. ক) Current
  2. খ) Voltage
  3. গ) Resistance
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা

- Ammeter, an instrument for measuring either direct or alternating electric current, in amperes.
- An ammeter can measure a wide range of current values because at high values only a small portion of the current is directed through the meter mechanism; a shunt in parallel with the meter carries the major portion.
- Ammeters vary in their operating principles and accuracies.

Source: Britannica

৪৭১.
Which gas is most abundant in the Earth's atmosphere?
  1. Helium
  2. Carbon Dioxide
  3. Nitrogen
  4. Oxygen
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডল:
- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
- যথা: নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অক্সিজেনের পরিমাণ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর শতকরা পরিমাণ,
- নাইট্রোজেন ৭৮.০১%,
- অক্সিজেন ২০.৭১%,
- আর্গন ০.৮০%,
- জলীয়বাষ্প ০.৪১%,
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড ০.০৩% ইত্যাদি।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৭২.
What is the primary method by which the sun transmits heat to the earth?
  1. Radiation
  2. Conduction
  3. Convection
  4. Absorption
  5. Refraction
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- সূর্য থেকে আমরা তাপ পাই। 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কি.মি.। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ (Radiation) পদ্ধতিতে। 
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে। 
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে। 
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। 
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গ আকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৩.
If a transformer has 100 turns on the primary coil and 200 turns on the secondary coil, what type of transformer is it?
  1. Step-down transformer
  2. Step-up transformer
  3. Isolation transformer
  4. Auto-transformer
ব্যাখ্যা

• একটি ট্রান্সফরমারের কার্যকারিতা মূলত তার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়ের টার্নের অনুপাতে নির্ভর করে। এখানে প্রাইমারি কোলে ১০০ টার্ন এবং সেকেন্ডারি কোলে ২০০ টার্ন আছে। যেহেতু সেকেন্ডারি টার্ন প্রাইমারির চেয়ে বেশি, তাই এটি ভোল্টেজ বাড়ায়। ট্রান্সফরমারে যদি সেকেন্ডারি ভোল্টেজ প্রাইমারি ভোল্টেজের চেয়ে বেশি হয়, তখন তাকে “স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার” বলা হয়। অন্যদিকে, যদি সেকেন্ডারি ভোল্টেজ কম হয়, সেটি “স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার” এবং শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক বিচ্ছিন্নতা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হলে সেটি “আইসোলেশন ট্রান্সফরমার”। এই উদাহরণে, ভোল্টেজ বৃদ্ধি ঘটছে, তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Step-up transformer.

ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র, এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

- একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের এক বাহুতে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে মুখ্য কুণ্ডলী এবং অপর বাহুতে একইভাবে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে গৌণ কুণ্ডলী তৈরি করা হয়।
- মুখ্য কুণ্ডলীতে পরিবর্তি তড়িচ্চালক শক্তি প্রয়োগ করলে কোরে চৌম্বক বলরেখার সৃষ্টি হয়। 
- যেহেতু কোরটি আয়তাকার সেহেতু চৌম্বক বলরেখাগুলো বদ্ধ হয় এবং যে পরিমাণ বলরেখা মুখ্য কুণ্ডলীর বাহুতে সৃষ্টি হয় সেই পরিমাণ বলরেখার গৌণ কুণ্ডলীর কোরের বাহু অতিক্রম করে। 
- ফলে পরিবর্তিত প্রবাহের কারণে মুখ্য কুণ্ডলীতে যে পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন ঘটে ঠিক সেই পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন গৌণ কুণ্ডলীতেও ঘটে। 
- স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশি থাকে। 
- অপরদিকে স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭৪.
The first ever image of a Black Hole at the centre of the M87 Galaxy could be photographed using a telescope system called
  1. Hubble Telescope
  2. Mount Palomar Telescope
  3. Mount Palomar Observatory
  4. Event Horizon Telescope
ব্যাখ্যা
• The first-ever image of a black hole at the center of the M87 galaxy was captured using a telescope system called the Event Horizon Telescope (EHT).

• কৃষ্ণগহব্বর (Black Hole):
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম। ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- একটি মিল্কীওয়েতে ১০০ মিলিয়নের বেশি ব্ল্যাকহোল থাকতে পারে।

- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৪৭৫.
Through what is the existence of charge in a substance detected?
  1. Regulator device
  2. Ammeter
  3. Voltmeter
  4. Electroscope
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- ভোল্টমিটার: যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যে কোন দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায় তাকে ভোল্টমিটার বলে।

- অ্যামিটার: অ্যামিটার একটি যন্ত্র যার সহায়তায় বিদ্যুতের প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ারে পরিমাপ করা যায়

- তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র (Electroscope): যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।

- রেগুলাটর: রেগুলাটর হল এমন একটি যন্ত্র যা পরিবর্তনশীল রোধ ব্যাবহার করে স্বাভাবিক তরিৎপ্রবাহের সরবরাহ পরিবর্তন করে ফ্যান এর আস্তে বা জোরে ঘোরা নিয়ন্ত্রন করে।

তথ্যসূত্র:
- HSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র; ড. শাহজাহান তপন।
৪৭৬.
Which atom does not contain any neutrons?
  1. Chlorine
  2. Hydrogen
  3. Oxygen
  4. Carbon
  5. None of these
ব্যাখ্যা

• সাধারণ হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন থাকে না।
- হাইড্রোজেনের সবচেয়ে সাধারণ আইসোটোপ হলো প্রোটিয়াম। এর পারমাণবিক সংখ্যা ১ এবং ভর সংখ্যাও ১। আমরা জানি যে - কোনো পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা বের করার সূত্র হলো:
নিউট্রন সংখ্যা = ভর সংখ্যা - পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা)
- প্রোটিয়ামের ক্ষেত্রে: ১ - ১ = ০। অর্থাৎ, এর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন থাকে না।
অন্যদিকে, 
- ক্লোরিন, অক্সিজেন এবং কার্বন প্রত্যেকটি মৌলের নিউক্লিয়াসকে স্থিতিশীল রাখার জন্য এবং পারমাণবিক ভর গঠনের জন্য অবশ্যই নিউট্রন প্রয়োজন।

• মৌলিক কণিকা:
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়।
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে।
যেমন: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।

নিউট্রন:
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n।
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675 × 10-24 g।
- আপেক্ষিক আধান শূন্য।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭৭.
Which vitamin is known to help with blood clotting? 
  1. Vitamin E
  2. Vitamin D 
  3. Vitamin A 
  4. Vitamin K
ব্যাখ্যা

ভিটামিন 'কে':
- সবুজ রঙের শাকসবজি, লেটুসপাতা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ডিমের কুসুম, সয়াবিন তেল এবং যকৃতে ভিটামিন 'কে' পাওয়া যায়।
- দেহে ভিটামিন 'কে' প্রথ্রোন্ধিন নামক প্রোটিন তৈরি করে।
- প্রথ্রোম্বিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

ভিটামিন 'ই': 

- ভিটামিন 'ই' কোষ গঠনে সহায়তা করে।
- শরীরের কিছু ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

ভিটামিন 'ডি': 
- অস্থি ও দাঁতের কাঠামো গঠন।
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায়।
- রক্ত প্রবাহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে আয়রন বা লৌহের শোষণ, সঞ্চয় ও হিমোগ্লোবিন তৈরিতে বিঘ্ন ঘটে।

ভিটামিন এ: 
- রাতকানা: এ রোগের লক্ষণ স্বল্প আলোতে, বিশেষ করে রাতে আবছা আলোতে দেখতে না পাওয়া। শিশুরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
- দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে চোখ সম্পূর্ণরূপে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- এ রোগে আক্রান্ত শিশুকে সবুজ শাকসবজি ও রঙিন ফলমূল খাওয়ানো উচিত। ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৪৭৮.
What is the science of fish farming called?
  1. Apiculture
  2. Prawn culture
  3. Aviculture
  4. Pisciculture
ব্যাখ্যা

• আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 

৪৭৯.
How many kilocalories of food does an adult male need to eat daily?
  1. 2000 kcal
  2. 2200 kcal
  3. 2500 kcal
  4. 2700 kcal
ব্যাখ্যা
- খাদ্যের মধ্যে নিহিত শক্তিকে খাদ্য ক্যালরি বা কিলোক্যালরি হিসেবে মাপা হয়।
- ক্যালরি হচ্ছে শক্তির একক।
- এক গ্রাম খাদ্য জারণের ফলে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে খাদ্যের ক্যালরি বলে।
- এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১০ (ডিগ্রি) সেলসিয়াস বৃদ্ধি করার জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সে পরিমাণ তাপশক্তি হচ্ছে এক ক্যালরি।
- এক হাজার ক্যালরি সমান এক কিলোক্যালরি বা এক খাদ্য ক্যালরি (One Food Calorie)।
- খাদ্যের ক্যালরিকে কিলোক্যালরি দিয়ে বোঝানো হয়।
- উদাহরণ দেওয়ার জন্য বলা যায়, শর্করা এবং প্রোটিনের ক্যালরি প্রায় সমান-৪ kcal/g। স্নেহজাতীয় খাদ্যে অর্থাৎ ফ্যাটের ক্যালরি সবচেয়ে বেশি- এর পরিমাণ ৯ kcal/g।
- একটা খাদ্যের খাদ্য ক্যালরি বলতে বোঝায় খাদ্যটি সম্পূর্ণভাবে জারণ হলে কতখানি শক্তি বের হবে।
- একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দৈনিক প্রায় ২৫০০ kcal এবং একজন নারীর প্রায় ২০০০ kcal-এর সমপরিমাণ খাবার খাওয়া প্রয়োজন।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৮০.
Which layer directly covers the brain and spinal cord?
  1. Skull
  2. Meninges
  3. Dura mater only
  4. Axon
ব্যাখ্যা

• যে স্তরটি সরাসরি মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডকে আচ্ছাদিত করে, সেটি হলো মেনিনজেস (Meninges)। মেনিনজেস হলো তিনটি সুরক্ষামূলক স্তর – ডিউরা মেটার (Dura mater), অ্যারাকনয়েড মেটার (Arachnoid mater) এবং পিয়া মেটার (Pia mater)। এর মধ্যে পিয়া মেটার মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের পৃষ্ঠের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে লেগে থাকে, অর্থাৎ এটি সরাসরি স্নায়ুতন্ত্রকে ঢেকে রাখে। মেনিনজেসের প্রধান কাজ হলো মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডকে আঘাত, সংক্রমণ ও অন্যান্য বাহ্যিক ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দেওয়া। তাই, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) Meninges.

স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৮১.
Which of the following is not a renewable resource?
  1. Coal
  2. Wind energy
  3. Solar energy
  4. Hydroelectric power
ব্যাখ্যা

◉ কিন্তু Coal হলো একটি non-renewable resource। এটি একটি fossil fuel, যা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে গাছপালা এবং জীবজন্তুর অবশেষ থেকে তৈরি হয়। Coal-এর মজুদ সীমিত এবং এটি একবার ব্যবহার করলে তা পুনরায় তৈরি হতে অনেক সময় লাগে। তাই, এটি renewable নয়।

শক্তির উৎস:
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। যথা -

১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে-
• সৌর শক্তি,
• জলবিদ্যুৎ,
• বায়ু বিদ্যুৎ,
• বায়োগ্যাস,
• ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি।

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে-
• কয়লা,
• খনিজ তেল,
• প্রাকৃতিক গ্যাস,
• নিউক্লিয় শক্তি বা পারমাণবিক শক্তি ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮২.
What type of process occurs during the rust formation in iron?
  1. Physical Change
  2. Combustion Reaction
  3. Reduction Reaction
  4. Oxidation Reaction
  5. Decomposition Reaction
ব্যাখ্যা

• লোহায় মরিচা পড়ার সময় লোহাতে জারণ বিক্রিয়া (Oxidation Reaction) ঘটে। 

• মরিচা:
- বিশুদ্ধ লোহা, জলীয় বাষ্প ও বায়ুর অক্সিজেন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে লোহার যে অক্সাইড গঠন করে তাকে মরিচা বলে।

• লোহাকে বাতাসে দীর্ঘসময় রেখে দিলে বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে লোহা বিক্রিয়া করে মরিচা তৈরি করে।
- লোহার উপর মরিচা পড়া অনেক ধীর গতিতে সংঘটিত হয়।
- লোহায় মরিচা পড়ার এই প্রক্রিয়া টি জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া। 
- এখানে এক ধাপে জারণ এবং অন্যধাপে বিজারণ ঘটে থাকে। 

• মরিচা পড়ার প্রক্রিয়া:
- লোহা (Fe) অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে।
- এই বিক্রিয়ায় লোহা অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয় এবং ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
- এর ফলে লোহাতে জারণ ঘটে।
- ত্যাগকৃত ইলেকট্রনটি অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন আয়ন গ্রহণ করে পানি তৈরি করে, যা বিজারণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে।
- ফলে, লোহার অক্সাইড (Fe2O3) গঠিত হয়, যা মরিচা নামে পরিচিত।
- এই পুরো প্রক্রিয়াটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা। 

৪৮৩.
Which gas is primarily responsible for global warming?
  1. Sulphur dioxide
  2. Nitrogen
  3. Carbon dioxide
  4. Chlorine
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming):
- পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়াই হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়ন।

⇒ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ:
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ হলো বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া।
- বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রধান কারণ মনুষ্যসৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ।
- এর মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এবং ফ্লুরিনেটেড গ্যাস উল্লেখযোগ্য।
- জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ানো, বনভূমি ধ্বংস, শিল্পকারখানা এবং কৃষিকাজ এই গ্যাসগুলোর প্রধান উৎস। 
- এই গ্যাসগুলি বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে।

উল্লেখ্য,
- গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য যেমন গলছে হিমবাহ, তেমনি বেড়ে যাচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা।
- ফলে সমুদ্রতীরে দেশগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন দুর্যোগের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
- তীব্র তাপদাহ, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, বজ্রপাত, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা, নদীভাঙন ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।
- গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য যেমন প্রকৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি ভয়ানক স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়ছে পৃথিবীর মানুষ, যা আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে আরও বেশি।

উৎস: i) U.S. Environmental Protection Agency (.gov).
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৮৪.
Which metal is commonly used for making electric bulb filaments?
  1. Silver
  2. Gold
  3. Tungsten
  4. Aluminum
  5. Copper
ব্যাখ্যা
• বৈদ্যুতিক বাল্ব:
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন ধাতু দিয়ে তৈরি। 
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে দুই প্রান্তর সাথে সরু টাংস্টেনের তারের তৈরি কুণ্ডলী সংযুক্ত থাকে, একে ফিলামেন্ট বলে।
- এ বাল্বকে বিদ্যুৎ উৎসের সাথে সংযোগ করলে প্রচুর তাপ উৎপাদন করে এবং বাল্বের এই ফিলামেন্ট প্রজ্বলিত হয়ে আলো বিকিরণ করে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৪৮৫.
What is the optimal pH in the stomach for digesting food?
  1. 2
  2. 3.8
  3. 4.2
  4. 7.4
ব্যাখ্যা
⇒ পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH কত?
- 2

pH:
- পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।
- মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45।
- বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7।
- মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৬.
The largest bone of human body is-
  1. Scapula
  2. Radius
  3. Ulna
  4. Femur
ব্যাখ্যা
মানব শরীরের সবথেকে বড় অস্থি হলো ফিমার। 

ফিমার:

- ফিমার পশ্চাৎপদের প্রথম বড় অস্থি।
- ইহা দেহের সবচেয়ে লম্বা, ভারী ও শক্ত অস্থি।
- এর উর্ধ্বপ্রান্তে একটি গোল মস্তক, গ্রীবা ও ছোট-বড় ট্রোকেল্টার অবস্থিত।
- নিম্নপ্রান্ত দুটি কন্ডাইল বিশিষ্ট।
- ফিমারের মস্তক শ্রোণিচক্রে অ্যাসিটাবুলামের সাথে যুক্ত থাকে।
- এর প্রান্তে প্যাটেল (Patella) নামক চ্যাপ্টা সিগময়েড অস্থি থাকে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৭.
What is the normal human body temperature?
  1. 94.6°F
  2. 96°F
  3. 98.6°F
  4. 100°F
ব্যাখ্যা
মানবদেহের তাপমাত্রা:
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০০ ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।

উল্লেখ্য,
- মানবদেহের রক্তে রক্তকণিকার পরিমাণ ৪৫%।
- মানবদেহের রক্তে প্লাজমার পরিমাণ ৫৫%।
- মানুষের শরীরে মোট হাড়ের সংখ্যা ২০৬ টি।

উৎস: i) MedlinePlus (.gov).
ii) Britannica.
৪৮৮.
Which of the following is a galvanic cell reaction example?
  1. Zinc-copper dry cell producing electricity
  2. Sodium chloride electrolysis
  3. Electroplating copper on iron
  4. Electrolysis of water 
ব্যাখ্যা

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ (Electrochemical Cell):
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হলো একটি যন্ত্র যা রাসায়নিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
- অর্থাৎ, বিদ্যুৎ ব্যবহার করে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়।
- এতে দুটি তড়িৎদ্বার থাকে—
• অ্যানোড: এখানে ইলেকট্রন ত্যাগ হয়।
• ক্যাথোড: এখানে ইলেকট্রন গ্রহণ হয়।
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাটারি থেকে শুরু করে শিল্প উৎপাদন পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

- তড়িৎ রাসায়নিক কোষ  প্রধানত দুই ধরনের:
• প্রাথমিক বা গ্যালভানিক কোষ-
- এই কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে, যেমন-
- লেকল্যান্স কোষ, ড্যানিয়েল কোষ বা ড্রাই সেল।
- গ্যালভানিক কোষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে, যেমন জিঙ্ক-কপার ব্যাটারি।

• সেকেন্ডারি বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ-
- এই কোষ বাইরে থেকে বিদ্যুৎ প্রয়োগ করে রাসায়নিক শক্তি সঞ্চয় করে এবং পরে তা বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করে, যেমন-
- লেড-এসিড ব্যাটারি বা নিকেল-অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ।

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি। 

৪৮৯.
Which of the following is a widely used method for the treatment of cancer?
  1. Physical Therapy
  2. MRI
  3. Chemotherapy
  4. Angiography
  5. None of the above
ব্যাখ্যা

কেমোথেরাপি:
- ক্যান্সারে শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।
- কেমোথেরাপি হলো এমন এক চিকিৎসা, যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।
- কেমোথেরাপি ক্যান্সার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি।
- প্রতিটি জীবদেহ কোষ দ্বারা গঠিত যে কোষ বৃদ্ধি পায় বা বিভাজিত হয়।
- জীবদেহের এই কোষ বিভাজনের ওপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত হয়েছে।
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়।
- কোষ বিভাজনের কোন ধাপে কী প্রয়োগ করা হবে তার ওপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধগুলো ঠিক করা হয়।

অপরদিকে, 
- Angiography: একটি মেডিকেল ইমেজিং কৌশল যা শরীরের রক্তনালী এবং অঙ্গগুলির ভিতরের বা লুমেনকে কল্পনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- MRI মূলত মস্তিষ্ক, হাড়, গোড়ালির মতো নরম টিস্যুর ছবি তোলার জন্য খুবই কার্যকর।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৯০.
1 cusec unit equals to -
  1. 28.317 liters/second
  2. 21.317 liters/second
  3. 24.317 liters/second
  4. 31.317 liters/second
ব্যাখ্যা
কিউসেক:
- কিউসেক হলো পানি প্রবাহের একক।
- এক সেকেন্ডে এক ঘনফুট বা ২৮.৩১৭ লিটার পানি প্রবাহিত হলে তাকে এক কিউসেক বলে।

⇒ ১ কিউসেক = ১ ঘনফুট প্রতি সেকেন্ডে ।
⇒ ১ কিউসেক পানি = ২৮.৩১৭ লিটার/সেকেন্ড।

উৎস: GeeksforGeeks.
৪৯১.
The vertebral artery primarily supplies blood to which organ? 
  1. Stomach
  2. Spine 
  3. Gonads
  4. Diaphragm
  5. Mammary gland
ব্যাখ্যা

সাবক্লেভিয়াল ধমনি: 
- দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে। 
যেমন- 
• আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত বহন করে। 
• থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত বহন করে।
• সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত বহন করে। 
• ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে। 
• সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে। 
• ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে। 
• বৃক্কীয় ধমনি (Renal artery): বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। 
• মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
• জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে। 
• ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯২.
Which food is high in protein?
  1. Rice
  2. Beef
  3. Lentils
  4. Flour
ব্যাখ্যা
USDA এর তথ্য অনুসারে, প্রতি ১০০ গ্রামে প্রোটিনের পরিমাণ -
• মুগ ডালে - ২৪ গ্রাম;
• খাসির মাংসে - ১৭ গ্রাম;
• ইলিশ মাছে - ২২ গ্রাম;
• মসুর ডালে - ২৬ গ্রাম।

কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) অনুসারে,
- খাদ্যের আমিষের প্রধান উৎস হলো দানাশস্য, ডাল, মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ। এদের মধ্যে আমিষের মাত্রার তারতম্য রয়েছে।
- দানা শস্যের আমিষের পরিমাণ শতকরা ৬-১২ ভাগ যা ডাল শস্যে ২০-২৫ ভাগ। 
- মাছ, মাংস, ডিম ও দুধে আমিষের পরিমাণ যথাক্রমে শতকরা ১৮-২৫, ১৬-২৫, ১০-১৪ এবং ৩-৪ ভাগ।


উপরোক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যাচ্ছে, 'মসুর ডালে' প্রোটিনের পরিমাণ বেশি

উৎস:
ইউএসডিএ (USDA) ওয়েবসাইট; কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট; জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৩.
What does a Chronometer measure?
  1. Temperature
  2. Current
  3. Time
  4. Velocity
ব্যাখ্যা
- সময় নির্ণায়ক যন্ত্রটির নাম হচ্ছে ক্রনোমিটার।
- বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও,
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
 
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৪৯৪.
Who discovered Oxygen in 1774? 
  1. Galileo
  2. Joseph priestly
  3. Niel Bohre
  4. Newton
  5. None of these
ব্যাখ্যা
অক্সিজেন: 
- ১৭৭৪ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ রসায়নবিদ জোসেফ প্রিস্টলে অক্সিজেন (অম্লজান) আবিষ্কার করেন। 
- অক্সিজেন কথাটির অর্থ অম্ল উৎপাদক। 
- সকল প্রাণীর শ্বসনের জন্য অক্সিজেন অত্যাবশ্যক। 
- হাসপাতালে ব্যবহৃত অক্সিজেন সিলিন্ডারে ৯৩% অক্সিজেন থাকে। 

- জলজ প্রাণির জীবন ধারণের জন্য পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় অক্সিজেনের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
- তাপমাত্রা এবং লবণাক্ততা বেড়ে গেলে পানিতে অক্সিজেন কমে যায়। 
- এজন্য সাগরের পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ স্বাদু পানি ( যেমন- নদী লেকের পানি) অপেক্ষা কম হয়। 
- প্রবহমান পানিতে (যেমন- ঝর্ণা, নদীতে) আবদ্ধ জলাশ পুকুর, হ্রস) অপেক্ষা অধিক পরিমাণে দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকে। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং ব্রিটানিকা।
৪৯৫.
Which one is the hottest planet in the solar system?
  1. Saturn
  2. Mercury
  3. Venus
  4. Neptune
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের তাপমাত্রা:
- প্রতিটি গ্রহের গড় তাপমাত্রা একটি গ্রহ সূর্য থেকে যত দূরে থাকে গ্রহের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ততই শীতল হতে থাকে।
- শুক্রকে সৌরজগতের সব চেয়ে উজ্জ্বল ও উষ্ণতম গ্রহ বলা হয়।
- এটি সূর্যের চারদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।
- শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই।

এছাড়াও,
- আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলির গড় তাপমাত্রা হল:
• বুধ: ১৬৭° সেলসিয়াস।
• শুক্র: ৪৬৪° সেলসিয়াস।
• পৃথিবী: ১৫° সেলসিয়াস।
• মঙ্গল: -৬৫° সেলসিয়াস।
• বৃহস্পতি: -১১০° সেলসিয়াস।
• শনি: -১৪০° সেলসিয়াস।
• ইউরেনাস: -১৯৫° সেলসিয়াস।
• নেপচুন: -২০০° সেলসিয়াস।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৬.
At what level in the atmosphere does lightning strike?
  1. ক) Thermosphere
  2. খ) Troposphere
  3. গ) Stratosphere
  4. ঘ) Mesosphere
ব্যাখ্যা

ট্রপোমন্ডল
- এই স্তরটি বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর ভূ-পৃষ্ঠের সাথে লেগে আছে।
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা, সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি।
- এই স্তর ভূ-পৃষ্ঠ থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬ - ১৮ কিলোমিটার এবং মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।

৪৯৭.
Alkali metals are found in which group of the periodic table?
  1. Group 18
  2. Group 17
  3. Group 2
  4. Group 1
ব্যাখ্যা

• আলকালি ধাতুগুলি পারমাণবিক টেবিলের Group 1-এ পাওয়া যায়, অর্থাৎ সঠিক উত্তর হবে ঘ) Group 1। এই গ্রুপের ধাতু যেমন লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K) ইত্যাদি খুবই প্রতিক্রিয়াশীল এবং প্রাকৃতিকভাবে একক অবস্থায় পাওয়া যায় না। এগুলি পানি বা বায়ুর সঙ্গে দ্রুত প্রতিক্রিয়া করে হাইড্রোক্সাইড তৈরি করে এবং তীব্র তাপ উৎপন্ন করে। আলকালি ধাতুগুলি নরম, ধাতব আভাযুক্ত এবং সাদা-রূপের। এরা একই ইলেকট্রন বাহির করে স্থিতিশীল হতে চায়, তাই প্রতিক্রিয়াশীলতা খুব বেশি। এই কারণে, এগুলি সাধারণত তেলের মধ্যে সংরক্ষণ করা হয়। Group 1-এ পাওয়া ধাতুগুলি পারমাণবিক ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যে একে অপরের সাথে মিল রয়েছে।

ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। 
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

মুদ্রা ধাতু: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রূপা (Ag) ও সোনা (Au)। 
- এ মৌল তিনটির ধাতব উজ্জ্বলতা অসাধারণ। 
- বর্তমান বাজারে সংকর ধাতুর তৈরী ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯৮.
Which one is a Diamagnetic substance?
  1. Oxygen
  2. Gold
  3. Iron
  4. Nickel
  5. Tin
ব্যাখ্যা
সোনা ডায়াচৌম্বক পদার্থ।

প্যারাচৌম্বক পদার্থ: 

- যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায় তাদেরকে প্যারাচৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি। 

ফেরোচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয় তাদের ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি। 

ডায়াচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায় অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয় তাদেরকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৯.
What is the average life span of white blood cells?
  1. 1-15 days
  2. 15-45 days
  3. 45-60 days
  4. 60-90 days
  5. 90-120 days
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই, এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে। 
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০০.
Newton’s First Law of Motion is also known as:
  1. Law of Action-Reaction
  2. Law of Gravitation
  3. Law of Acceleration
  4. Law of Inertia
ব্যাখ্যা

• নিউটনের প্রথম গতি সূত্রকে জড়তার সূত্র (Law of Inertia) বলা হয়। এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো বস্তু বাহ্যিক বল প্রয়োগ না হলে স্থির অবস্থায় থাকলে স্থিরই থাকবে এবং গতি অবস্থায় থাকলে একই বেগে ও একই দিকে চলতে থাকবে। অর্থাৎ কোনো বস্তুর গতির পরিবর্তন ঘটাতে হলে অবশ্যই বাহ্যিক বল প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, একটি বল মাটিতে গড়াতে থাকলে ঘর্ষণ ও বায়ুরোধ না থাকলে সেটি অনন্তকাল গড়াতে পারত। কিন্তু ঘর্ষণ বলের কারণে তা থেমে যায়। এভাবে নিউটনের প্রথম সূত্র আমাদের জড়তা ও বাহ্যিক বলের সম্পর্ক বোঝায়। সঠিক উত্তর: ঘ) Law of Inertia.

নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সূত্র: 
প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 
অর্থাৎ, বাইরে থেকে বল ক্রিয়া না করলে- 
(১) স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং 
(২) গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে চলতে থাকবে। 

- সুতরাং দেখা যায় যে, গতির প্রথম সূত্র বস্তুর জড়তার ধর্ম বিবৃত করে এবং বলের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- স্থির বস্তু সর্বদাই স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সর্বদাই গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতাকে জড়তা বলে। এজন্য এই সূত্রকে জড়তার সূত্রও বলা হয়। 
- সূত্রটিকে অন্যভাবেও বলা যায়, যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করা হয় তাহলে তার গতির পরিবর্তন বা স্থিতি অবস্থার পরিবর্তন হবে না। 
- অর্থাৎ, বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর ত্বরণ শূন্য হয়। 

অন্যদিকে,
• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো বলের সূত্র।
• নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হলো বলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।